• ২৭ পৌষ ১৪৩২, বুধবার ১৪ জানুয়ারি ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Purba BArdhaman

রাজ্য

Rape: নাবালিকাকে ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেফতার প্রতিবেশী

বাড়িতে একা থাকা নাবালিকাকে ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেফতার হল প্রতিবেশী পরিবারের যুবক। ধৃতের নাম বকুল হেমব্রম। তার বাড়ি পূর্ব বর্ধমানের কালনার বেগপুর পঞ্চায়েত শিমুলগড়িয়ায়। ধর্ষণ ও পকসো ধারায় মামলা রুজু করে পুলিশ রবিবার ধৃতকে পেশ করে কালনা মহকুমা আদালতে।আরও পড়ুনঃ পর্নোগ্রাফি ছবি তৈরির অভিযোগে গ্রেফতার বলিউড অভিনেত্রীর স্বামীপুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বছর ১৩+বয়সী নাবালিকার বাড়ি কালনার বেগপুর পঞ্চায়েতের শিমুলগড়িয়া গ্রামে। ওই নাবালিকা শনিবার দুপুরে বাড়িতে একাই ছিল। সেই সুযোগ নিয়ে প্রতিবেশী যুবক বকুল তাদের বাড়িতে ঢুকে নাবালিকাকে ধর্ষণ করে বলে অভিযোগ।অবিভাবকরা বাড়িতে ফিরলে নির্যাতিতা নাবালিকা বকুলের কুকীর্তির কথা তাঁদের জানায়। ওই দিনই ঘটনার কথা জানিয়ে নাবালিকার পরিবার কালনা থানায় অভিযোগ দায়ের করলে পুলিশ ওই যুবককে গ্রেফতার করে।

জুলাই ২৬, ২০২১
রাজ্য

Group Clashes: বিজয় মিছিলের নামে তৃণমূলের গোষ্ঠী সংঘর্ষে জখম অন্তত ১০, গ্রেফতার ৯

বিজয় মিছিলকে কেন্দ্র করে তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর সংঘর্ষে জখম হলেন অন্তত দশ জন। জখমদের একজনকে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। রবিবার দুপুরে এই গোষ্ঠী সংঘর্ষের ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব বর্ধমানের মেমারি ২ ব্লকের পলাশন গ্রামে। খবর পেয়ে এসডিপিও আমিনুল ইসলাম খানের নেতৃত্বে বিশাল পুলিশ ও র্যাফ বাহিনী ঘটনা পৌঁছায়। গোষ্ঠী সংঘর্ষ নিয়ন্ত্রণে যাওয়া পুলিশকে হেনস্থা ও পুলিশের গাড়ি ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার পরেই পুলিশ ধরপাকড় অভিযান চালিয়ে সংঘর্ষের ঘটনায় জড়িত ৯ জনকে গ্রেফতার করেছে। উত্তেজনা থাকায় এলাকায় পুলিশ বাহিনী মোতায়েন রাখা হয়েছে। চলছে পুলিশের টহলদারি। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, মেমারি ২ পঞ্চায়েত সমিতির কর্মাধ্যক্ষ আব্দুল কাসেদ শেখের সঙ্গে ব্লকের সংখ্যালঘু সেলের সভাপতি আবু আওয়াল গোষ্ঠীর বিরোধ দীর্ঘ দিনের। মেমারির বড়পলাশন ২ গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান রুবি খাতুন ও তাঁর স্বামী আবু আওয়ালের নেতৃত্বে বৃহস্পতিবার এলাকায় বিজয় মিছিল হয়। তারই পাল্টা হিসেবে এদিন দুপুরে মেমারি ২ পঞ্চায়েত সমিতির বিদ্যুতের কর্মাধ্যক্ষ আবুল কাসেদের নেতৃত্বে একটি বিজয় মিছিল বের করা হয়। পলাশন গ্রাম ঘুরে মিছিলটি মির্জাপুরের দিকে যাওয়ার সময়েই তৃণমূলের ওই দুই গোষ্ঠীর মধ্যে মারপিট শুরু হয়ে যায় বলে অভিযোগ। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মারপিট আটকাতে গেলে পুলিশও হেনস্থার শিকার হয়। এমনকি পুলিশের গাড়িও ভাঙচুর করা হয় বলে অভিযোগ।আরও পড়ুনঃ পেয়ারা বিক্রেতা উচ্চপদস্থ পুলিশ কর্তা, প্রশংসায় ভরিয়ে দিলেন নেটনাগরিকরাবিদ্যুৎ কর্মাধ্যক্ষের অনুগামী বলে পরিচিত গোলাম আকবর চৌধুরির অভিযোগ, তাঁদের বিজয় মিছিল পলাশন গ্রাম ঘুরে মির্জাপুরের দিকে এগোচ্ছিল। ওই সময় পঞ্চায়েত প্রধানের স্বামী আবু আওয়াল সহ ১২-১৩ জন লাঠি, বাঁশ নিয়ে পিছন দিক দিয়ে পরিকল্পিতভাবে বিজয় মিছিলে আক্রমণ চালায় । তাতে বিদ্যুৎ কর্মাধ্যক্ষ আবুল কাসেদ সহ ৬-৭ জন জখম হয়েছেন। আবু আওয়ালের লোকজন বিজয় মিছিলে থাকা বেশ কয়েকটি টোটোও ভাঙচুর করে বলে অভিযোগ উঠেছে ।আরও পড়ুনঃ শাহের দরবারে শুভেন্দু-সৌমিত্র, জল্পনাযদিও আবু আওয়ালের অনুগামিদের অভিযোগ, বিজয় মিছিলের নামে পলাশন গ্রামে ঢুকে দলীয় কার্যালয় থেকে বের করে প্রধানের স্বামী আবু আওয়ালকে মারধর করা হয়। তাঁকে বাঁচাতে গিয়ে আরও কয়েকজন জখম হয়েছে। আবু আওয়ালের শারীরিক অবস্থা খারাপ থাকায় তাঁকে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করতে হয়েছে। পঞ্চায়েত প্রধান রুবি খাতুনের অভিযোগ,পরিকল্পনা করে বিজয় মিছিল থেকে লাঠি-টাঙি নিয়ে আক্রমণ চালানো হয়েছে।বিদ্যুৎ কর্মাধ্যক্ষ জখম থাকায় তাঁর কোনও প্রতিক্রিয়া পওয়া যায়নি।আরও পড়ুনঃ শিক্ষকদের মমতার উপহার উৎসশ্রী আসলে কী? জানুনএসডিপিও (বর্ধমান দক্ষিণ) আমিনুল ইসলাম খান জানিয়েছেন, এলাকা থেকে ৯ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। এলাকায় পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

জুলাই ২৬, ২০২১
রাজ্য

Job Cheat: প্রশিক্ষণ শেষে চাকরি! মহিলাদের বড়সড় প্রতারণার ঘটনায় ধৃত ৩

মহিলাদের প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরি পাইয়ে দেওয়ার নামে আর্থিক প্রতারণার অভিযোগ উঠল একটি সংস্থার বিরুদ্ধে। কাজ পাওয়া তো দূরের কথা দেওয়া টাকাও ফেরত না মেলায় শনিবার প্রতারিত মহিলারা পূর্ব বর্ধমান জেলার কাটোয়া থানার দ্বারস্থ হন। মহিলাদের অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ ওই সংস্থার এক ব্যক্তি ও দুই মহিলাকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে।আরও পড়ুনঃ শিক্ষকদের মমতার উপহার উৎসশ্রী আসলে কী? জানুনকাটোয়া শহরের সুবোধ স্মৃতি রোড এলাকায় একটি মার্কেট কমপ্লেক্সে রয়েছে। সেখানেই রয়েছে কালনার বাসিন্দা এক ব্যক্তির অফিস ঘর। অফিসটি ২০১৯ সালে খোলা হয়। অফিসের সামনে ঝোলানো রয়েছে ভারত সরকারের বাণিজ্য এবং উদ্যোগ মন্ত্রালয়ের অধীনে ফুটওয়্যার ডিজাইন অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট ইন্সটিটিউট লেখা ব্যানার। ব্যানারে ব্যবহার করা হয়েছে অশোকস্তম্ভ লোগো। এছাড়া কৌশল বিকাশ কেন্দ্রলেখা আছে ওই ব্যানারে। ওই ব্যক্তি সেখানে নিজেকে ওই কেন্দ্রীয় সংস্থার লোক বলে পরিচয় দিতেন।আরও পড়ুনঃ মরণোত্তর অঙ্গদানের শপথ অভিনেতারতৃপ্তি লাহা, মিনা দেবনাথ, মাধবী দাস সরকার প্রমুখ মহিলারা বলেন, ওই ব্যক্তি নিজের কাজের সুবিধার জন্য স্থানীয় দুই গৃহবধূকে নিয়োগ করেছিলেন। সেই দুজন মহিলাই তাঁদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে সেলাইসহ বিভিন্ন হাতের কাজ শিখিয়ে কাজ পাইয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিতেন। কেন্দ্রীয় সরকারের নামে ব্যানার থাকায় তাঁরা ওই দুই মহিলার কথা বিশ্বাস করেছিলাম। এজন্য তাঁডের কাছ থেকে ১২০০-২৩০০ টাকা করে নেওয়া হয়েছে। কিন্তু এখন কাজের ব্যাবস্থা তো করছেই না, উপরন্ত টাকা চাইতে গেলে ফের নতুন গল্প শোনাচ্ছে। এলাকার ১ হাজারের অধিক মহিলা প্রতারিত হয়েছেন। কোথাও কোন সুরাহা না পেয়ে তাই বাধ্য হয়ে এদিন তাঁরা পুলিশের দ্বারস্থ হয়েছেন বলে জানান। গৃহবধুদের প্রত্যাশা পুলিশ তাঁদের টাকা ফেরতের ব্যবস্থা করতে পারবে।

জুলাই ২৪, ২০২১
রাজ্য

Fraud: ৩ লক্ষ টাকায় ২০০ 'সোনার কয়েন', গ্রেফতার তিন

সোনার কয়েন বিক্রির নামে প্রতারণার অভিযোগে গ্রেপ্তার হল ৩ প্রতারক। ধৃতদের নাম শেখ মেহের ,খোকন সাহা ও সাগর মণ্ডল। প্রতারিতর দায়ের করা অভিযোগের ভিত্তিতে পূর্ব বর্ধমানের আউসগ্রাম থানার পুলিশ শুক্রবার রাতভর অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করে। ধৃতদের মধ্যে মেহেরের বাড়ি বীরভূমের সাঁইথিয়ায়। খোকন আউসগ্রামের ভেদিয়া ও সাগর কাঁটাটিকুড়ি গ্রামের বাসিন্দা।আরও পড়ুনঃ শিক্ষকদের মমতার উপহার উৎসশ্রী আসলে কী? জানুনপুলিশের দাবি, ধৃতদের ব্যবহৃত একটি মোটর বাইক ও প্রতারণার প্রায় ১ লক্ষ ৪০ হাজার টাকা উদ্ধার করে তা বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। সুনির্দিষ্ট ধারায় মামলা রুজু করে পুলিশ শনিবার তিন ধৃতকেই পেশ করে বর্ধমান আদালতে। বিচারক ধৃতদের মঙ্গলবার পর্যন্ত জেল হেপাজতের নির্দেশ দিয়েছেন।আরও পড়ুনঃ পর্নোগ্রাফি ছবি তৈরির অভিযোগে গ্রেফতার বলিউড অভিনেত্রীর স্বামীপুলিশ জানিয়েছে, পশ্চিম মেদিনীপুরের দাসপুর থানার রাজনগরের বাসিন্দা বিমল কুমার মালকে কয়েকদিন আগে এক ব্যক্তি ফোন করেন। তিনি ফোন করে তাঁর নাম রাজীব দাস বলে বিমলকে পরিচয় দেন। রাজীব নামের ওই ব্যক্তি ফোনে বিমলকে জানায়, বাড়ির পুকুর কাটার সময়ে সে একটি কলসি পায়েছে। কলসির মধ্যে অনেক সোনার কয়েন মিলেছে। সেই সোনার কয়েন নেওয়ার জন্য রাজীব গুসকরা বাসস্ট্যান্ডে আসতে বলে বিমলকে। সেইমতো বিমল ১৬ জুলাই গুসকরা বাসস্ট্যান্ডে আসেন। সেখানে তাঁকে একটি কয়েন দেখিয়ে সেটি পরীক্ষা করার জন্য বিমলকে বলা হয়। বিমল কয়েনটি নিয়ে স্বর্ণকারের কাছে যান। স্বর্ণকার কয়েনটি সোনার বলে জানান। এরপরেই সোনার বাকি কয়েন কেনার জন্য দুজনের মধ্যে দরাদরি হয়। ২০০ টি কয়েনের জন্য তিন লক্ষ টাকা দর ঠিক হয়।আরও পড়ুনঃ মরণোত্তর অঙ্গদানের শপথ অভিনেতারঅভিযোগ, প্রতারকদের কথামতো শুক্রবার সন্ধেয় বিমলবাবু টাকা নিয়ে গুসকরা বাসস্ট্যান্ডে পৌঁছান। সেখানে আগে থেকেই শেখ মেহের, খোকন সাহা ও সাগর মণ্ডল অপেক্ষা করছিল। তারা নগদ ৩ লক্ষ টাকা নিয়ে বিমলকে ২০০টি কয়েন দেয়। এই কয়েনগুলি নেওয়ার পরেও বিমল সেগুলি স্বর্ণকারের কাছে নিয়ে যায়। স্বর্ণকার পরীক্ষা করে সেগুলি জাল বলে জানিয়ে দেয়।এরপরই বিমল মাল আউশগ্রাম থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। তার ভিত্তিতে মামলা রুজু করে পুলিশ তিনজনকে গ্রেপ্তার করে।

জুলাই ২৪, ২০২১
রাজ্য

Road Blockade: কালনায় পথ অবরোধ, বিক্ষোভ উচ্চ মাধ্যমিকে অকৃতকার্য ছাত্রীদের

রাজ্যের অন্যান্য জেলার পাশাপাশি এবার পূর্ব বর্ধমানেও ছড়াল উচ্চমাধ্যমিকের রেজাল্ট নিয়ে ক্ষোভের আঁচ। পরীক্ষা না নিয়ে কেন ফেল করানো হল কোন যুক্তিতে? এই দাবী তুলে শনিবার বিক্ষোভে ফেটে পড়ে উচ্চ মাধ্যমিকে ফেল করা ধাত্রীগ্রাম বালিকা বিদ্যালয়ের ৫০ জন ছাত্রী। তারা কালনা-কাটোয়া রোডে ধাত্রীগ্রাম পোস্ট অফিসের সামনে পথ অবরোধ করে বিক্ষোভও দেখায়।আরও পড়ুনঃ শাহের দরবারে শুভেন্দু-সৌমিত্র, জল্পনাছাত্রীদের সঙ্গে পথ অবরোধ বিক্ষোভে অংশ নেয় তাঁদের অবিভাবকরা। প্রায় ঘন্টা খানেক ধরে চলে অবরোধ বিক্ষোভ। তার জেরে থমকে যায় কালনা-কাটোয়া এসটিকেকে রোডে যানবাহন চলাচল। প্রায় ঘন্টা খানেক অবরোধ চলার পর পুলিশি হস্তক্ষেপে অবরোধ বিক্ষোভ ওঠে।আরও পড়ুনঃ শিক্ষকদের মমতার উপহার উৎসশ্রী আসলে কী? জানুনউচ মাধ্যমিকের ফল প্রকাশের পর ধাত্রীগ্রাম বালিকা বিদ্যালয়ের ৫০ জন ছাত্রী জানতে পারে তারা ফেল করেছে। রেজাল্ট হাতে পাওয়ার ওই ছাত্রীরা দেখে তাদের বেশির ভাগই বাংলা অথবা ইংরাজিতে ফেল করেছে। পথ অবরোধ বিক্ষোভে অংশ নেওয়া ছাত্রী রিতিশা ঘোষ বলেন, পরীক্ষা হলে আমরা কেউ ফেল করতাম না। কারণ আমরা পড়শুনাটা সিরিয়াসলি করেছি। ছাত্রীদের প্রশ্ন, পরীক্ষা না নিয়ে তাহলে তাঁদের ফেল করানো হল কোন যুক্তিতে? তাই তারা চাইছে অবিলম্বে উচ মাধ্যমিক পরীক্ষা নেওয়ার ব্যবস্থা হোক। নয়তো তাঁদের সকলকে পাস করিয়ে দেওয়ার ব্যবস্থা করা হোক।আরও পড়ুনঃ টোকিও অলিম্পিকে প্রথম পদক ভারতেরঅবিভাবক ঝুমা দেবনাথ বলেন, এই বছর অতিমারির কারণে পরীক্ষা না হওয়ায় মাধ্যমিকে পাশের হার ১০০ শতাংশ ।অথচ উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে ভিন্ন মানসিকতা দেখানো হল। পরীক্ষা না নিয়েও উচ্চ মাধ্যমিকে অনেক পড়ুয়াকে উত্তীর্ণ করা হয়নি। ধাত্রীগ্রাম বালিকা বিদ্যালয়ের বেশিরভাগ ছাত্রীকে হয় বাংলা নয়তো ইংরাজিতে ফেল দেখানো হয়েছে। যাদের ফেল দেখানো হয়েছে তাদের সবাইকে পাশ করাতে হবে বলে ঝুমা দেবনাথ সহ অন্য অবিভাবকরা দাবি করেছেন।আরও পড়ুনঃ গোপনে ভারত ঘেষা তিব্বত ঘুরে গেলেন চিনা প্রেসিডেন্টবিক্ষোভরত ছাত্রীদের স্কুলের ভিতর নিয়ে গিয়ে পুলিশ শিক্ষিকাদের সঙ্গে আলোচনায় বসায়। শিক্ষিকাদের কাছেও একই দাবি জানায় পড়ুয়া ও অবিভাবকরা। ব্লক প্রশাসন বিষয়টি নিয়ে প্রশাসনের উচ্চ আধিকারিকদের দৃষ্টি আকর্ষণের আশ্বাস দিলে ছাত্রী ও অবিভাবকরা এদিনের মতো আন্দোলন প্রত্যাহার করে নেয়।

জুলাই ২৪, ২০২১
রাজ্য

Tree Theft: কোটি টাকা মূল্যের গাছ চুরি কাণ্ডে নাম জড়াতেই তদন্ত চেয়ে প্রশাসনের দ্বারস্থ পূর্ব বর্ধমানের তৃণমূল নেতা

বহু লক্ষাধিক অর্থমূল্যের গাছ কেটে পাচার করে দেওয়ার ঘটনা নিয়ে পুলিশ ও বনদপ্তরে অভিযোগ জানালেন তৃণমূল নেতা। পূর্ব বর্ধমানের গলসি ২ ব্লকের মসজিদপুর অঞ্চলের ঘটনা। গাছ চুরি নিয়ে ব্লক তৃণমূল জয়হিন্দ বাহিনীর সভাপতি গুল মহম্মদ মোল্লা প্রশাসনের দ্বারস্থ হওয়ার ঘটনা রাজনৈতিক মহলে শোরগোল ফেলে দিয়েছে।আরও পড়ুনঃ শাহের দরবারে শুভেন্দু-সৌমিত্র, জল্পনাগলসির মসজিদপুর অঞ্চলে ছিল প্রায় কোটি টাকা মূল্যের গাছ। সেই গাছ কেটে পাচার করে দেওয়ার ঘটনা নিয়ে প্রতিবাদে স্বোচ্চার হন এলাকার বাসিন্দা ও একাংশ তৃণমূল নেতা। ঘটনায় নাম জড়ায় ব্লক তৃণমূলের জয়হিন্দ বাহিনীর সভাপতি গুল মহম্মদ মোল্লার। শুক্রবার গাছ চুরি কাণ্ডের তদন্ত চেয়ে গুল মহম্মদ বনদপ্তর ও পুলিশের কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। গুল মহম্মদ দাবি করেন, তাঁর বদনাম করতেই গাছ চুরির ঘটনার তাঁর নাম জড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে। তাই তিনি চান প্রশাসন গাছ চুরির ঘটনার পুর্ণাঙ্গ তদন্ত করে দোষীদের চিহ্নিত করে আইনআনুক ব্যবস্থা গ্রহন করুক।আরও পড়ুনঃ একনজরে টোকিও অলিম্পিক ভিলেজের অন্দরমহল, যেখানে ১১,০০০ অ্যাথলিট থাকবেএকই সঙ্গে তিনি বলেন, গত বছরের ৩০ নভেম্বর গাছ চুরির ঘটনা নিয়ে ওমরপুর গ্রামের কিছু মানুষ ও পঞ্চায়েত প্রধান অশোক বাগদি থানায় লিখিত অভিযোগ করেছিলেন। কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। তারপর ফের বৃহস্পতিবার এলাকার কিছু মানুষ পুনরায় গাছ চুরি নিয়ে বিডিও, জেলাশাসক ও বন বিভাগে লিখিত অভিযোগ করেছেন। সবাই গাছ চুরির ঘটনায় দোষীদের শাস্তির দাবি করলেও প্রশাসন কোনও ব্যবস্থা নিচ্ছে না। উল্টে গাছ চুরি বেড়ে যাচ্ছে বলে গুল মহম্মদের অভিযোগ।অন্যদিকে এলাকাবাসী মসজিদপুর অঞ্চলের গাছ চুরি নিয়ে প্রশাসনের কাছে যে অভিযোগ দায়ের করেছেন তাতে গুসকরা ও গলসির তিন গাছ ব্যবসায়ী ছাড়াও জয়হিন্দ বাহিনীর সভাপতি গুলমহম্মদ মোল্লা সহ এলাকার অপর তৃণমূল নেতা সুমন পবি, খোয়েশ মোল্লা এবং সেখ জহরের নাম জড়িয়েছে। প্রকৃত দোষীদের চিহ্নিত করে ব্যবস্থা নেওয়াটাই এখন প্রশাসনের কাছে বড় চ্যালেঞ্জের।আরও পড়ুনঃ ব়্যাঙ্কিং রাউন্ডে হতাশ করে কঠিন লড়াইয়ের সামনে দীপিকা কুমারীমসজিদপুর গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধান অশোক বাগদি বলেন, পূর্বের গাছ চুরির ঘটনা নিয়ে তাঁরা বিডিও অফিসে ও থানায় অভিযোগ করেছিলাম। কিন্তু কোনও ব্যবস্থা না নেওয়ায় দুস্কৃতীদের সাহস বেড়ে গিয়েছে। এখন ব্যবস্থা না নিলে আর যে কটি গাছ অবশিষ্ট আছে তাও চুরি হয়ে যাবে। পঞ্চায়েত সমিতির বনভূমির কর্মাধক্ষ্য সেখ সাবিরউদ্দিন আহম্মেদ বলেন, এলাকার মানুষ কোটি টাকা মুল্যের গাছ চুরি নিয়ে বৃহস্পতিবার অভিযোগ করছেন। সাবিরউদ্দিন বলেন, তিনিও চান ঘটনার তদন্ত করে দোষীদের দৃষ্টান্ত মুলক সাজার ব্যবস্থা করুক বনদপ্তর। বনদপ্তরের তরফে জানানো হয়েছে অভিযোগের তদন্ত শুরু হয়েছে।

জুলাই ২৪, ২০২১
রাজ্য

Bomb Blast: কেতুগ্রাম বোমা বিস্ফোরণ কাণ্ডে ধৃত দুই, পলাতকদের খুঁজছে পুলিশ

মজুত রাখা বোমা বিস্ফোরণে বাড়ি ভেঙে পড়ার পর গা ঢাকা দেওয়া ষাটোর্দ্ধ বাড়ির মালিক দম্পতিকে গ্রেপ্তার করলো পুলিশ। ধৃতদের নাম সাক্ষী ঘোষ ও মিনতি ঘোষ। পূর্ব বর্ধমানের কেতুগ্রাম থানার সুজাপুর গ্রামে ধৃতদের বাড়ি। বৃহস্পতিবার রাতে পুলিশ তাদের গ্রেপ্তার করে। পরিবারের বাকি সদস্যরা এখনও গা ঢাকা দিয়ে রয়েছে। পুলিশ তাদের সন্ধান চালাচ্ছে। বৃহস্পতিবার দুই ধৃতকেই পেশ করা হয় কাটোয়া মহকুমা আদালতে। বোমাগুলি কোথা থেকে এনে কি উদ্দেশ্যে বাড়িতে মজুত করা হয়েছিল সেই তথ্য উদ্ধারের জন্য তদন্তকারী অফিসার ধৃত সাক্ষী ঘোষকে নিজেদের হেপাজতে নিতে চেয়ে আদালতে আবেদন জানান । বিচারক সাক্ষী ঘোষের ৩ দিনের পুলিশি হেপাজত ও স্ত্রী মিনতি ঘোষকে ১৪ দিন জেল হেপাজতে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন।আরও পড়ুনঃ চমৎকারী শ্রীফল, জানুন নানাবিধ উপকারপুলিশ জানিয়েছে,গত বৃহস্পতিবার ভোররাতে সুজাপুর গ্রামের বাসিন্দা সাক্ষী ঘোষের বাড়িতে বোমা বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। বিস্ফোরণের জেরে ভেঙে পড়ে ঘোষ পরিবারের কংক্রিটের বাড়ির ছাদ ও দেওয়ালের একাংশ। ফাটল ধরে যায় বাড়ির অন্য দেওয়ালগুলিতেও। এই ঘটনার জেরে এলাকার বাসিন্দাদের মধ্যে ব্যাপক আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।বিস্ফোরণের খবর পেয়েই কেতুগ্রাম থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে ছুটে যায়। তারই মধ্যে বাড়ি ছেড়ে গা ঢাকা দেয় সাক্ষী ঘোষ ও মিনতি ঘোষ সহ পরিবারের ৮ সদস্য।আরও পড়ুনঃ চুক্তিপত্রে সই না করায় প্রতিবাদের ঝড় ইস্টবেঙ্গল তাঁবুতে, কর্তাদের পদত্যাগ দাবিগোটা বাড়ি খতিয়ে দেখার পর পুলিশ নিশ্চিৎ হয় বোমা বিস্ফোরণের কারণেই সাক্ষী ঘোষেদের বাড়িটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এর পরেই পুলিশ স্বতঃপ্রণোদিত মামলা রুজু করে তদন্তে নেমে বাড়ির পলাতক লোকজনের খোঁজ শুরু করে ।বৃহস্পতিবার রাতে পুলিশ ঘোষ বাড়ির গৃহকর্তা ও গৃহকর্তীকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। এদিন ফরেনসিক দল বোমা বিস্ফোরণে ক্ষতিগ্রত বাড়িটি সরোজমিনে খতিয়ে দেখে। শনিবার ফরেনসিক দল কেতুগ্রামে বোমা বিস্ফোরণে ক্ষতিগ্রস্ত বাড়ি খতিয়ে দেখতে আসছে বলে জানা গিয়েছে।

জুলাই ২৩, ২০২১
রাজ্য

Abortion: পেটে লাথি মেরে গৃহবধূর গর্ভজাত সন্তান নষ্ট করার অভিযোগে গ্রেফতার স্বামী ও ভাশুর

পেটে লাথি মেরে বধূর গর্ভজাত সন্তান নষ্ট করে দেওয়ার অভিযোগে স্বামী ও ভাশুরকে গ্রেফতার করলো পুলিশ। ধৃতদের নাম সাদ্দাম শেখ ও সামাত শেখ। তাদের বাড়ি পূর্ব বর্ধমানের ভাতার থানার আমবোনা গ্রামে। ভাতার থানার পুলিশ বৃহস্পতিবার গভীর রাতে বাড়ি থেকে তাদের গ্রেফতার করে। সুনির্দিষ্ট ধারায় মামলা রুজু করে পুলিশ শুক্রবার দুই ধৃতকে পেশ করা হয় বর্ধমান আদালতে। সিজেএম ধৃতদের বিচার বিভাগীয় হেফাজতে পাঠিয়ে আগামী শুক্রবার ফের আদালতে পেশের নির্দেশ দিয়েছেন।আরও পড়ুনঃ পর্নোগ্রাফি ছবি তৈরির অভিযোগে গ্রেফতার বলিউড অভিনেত্রীর স্বামীপুলিস জানিয়েছে, নির্যাতিতা গৃহবধূর নাম চুমকি বেগম। গলসি থানার গোলগ্রামে চুমকির বাবার বাড়ি। বছর চারেক আগে ভাতারের আনবোনার যুবক সাদ্দামের সঙ্গে তাঁর বিয়ে হয়। বিয়েতে চাহিদামতো পণ দিয়েছিল বধূর বাবার বাড়ির লোকজন। বিয়ের দুমাস পর যৌতুকের পরিমাণ নিয়ে প্রশ্ন তুলে বধূর উপর মানসিক নির্যাতন শুরু হয়। পাশাপাশি তাঁর স্বামী বাইক কেনার জন্য চুমকিকে বাপের বাড়ি থেকে আরও ৫০ হাজার টাকা আনার জন্য চাপ দেওয়া শুরু করে। এই পরিস্থিতিতে মেয়ের ভবিষ্যতের কথা ভেবে গৃহবধূর বাপের বাড়ি লোকজন জামাইকে বাইক কিনে দেয়। এছাড়াও আরও ২০ হাজার টাকা দেওয়া হয়।আরও পড়ুনঃ পেগাসাস স্পাইওয়্যার! ভাবের ঘরে চুরি? আপনি কতটা সুরক্ষিত? আক্রান্ত কারা?অভিযোগ, এসব চাহিদা পূরণ হলেও বধূ নির্যাতন বন্ধ হয়নি। অত্যাচার চলতেই থাকে। গৃহবধূ চুমকি ৪ মাসের অন্তঃসত্ত্বা থাকার সময়ে তাঁকে গর্ভপাত করার জন্য এরপর চাপ দেওয়া শুরু করে স্বামী ও শ্বশুর বাড়ির সদস্যরা। চুমকি তাতে রাজি না হওয়ায় তাঁর উপর অত্যাচার বাড়ে। ২০১৮ সালের ৩০ আগস্ট রাতে তাঁকে মারধর করা হয়। পেটে লাথি মারা হয়। তাতে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন। বাপের বাড়ির লোকজন তাঁকে বর্ধমান শহরের একটি নাির্সংহোমে নিয়ে আসেন। সেখান থেকে তাঁকে পানাগড়ের একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তিনি মৃত সন্তান প্রসব করেন। দুমাস পর তিনি শ্বশুরবাড়িতে ফেরেন। ফের তাঁর উপর নির্যাতন শুরু হয়। দুমাসের অন্তঃসত্ত্বা অবস্থায় তাঁকে শ্বশুরবাড়ি থেকে তাড়িয়ে দেওয়া হয়। এই ঘটনার বিচার চেয়ে চুমকি বেগম বর্ধমান আদালতে মামলা করেন। সিজেএম কেস রুজু করে তদন্তের জন্য ভাতার থানার ওসিকে নির্দশ দিলে পুলিশ বধূর স্বামী ও ভাশুরকে গ্রেপ্তার করে।

জুলাই ২৩, ২০২১
রাজ্য

Ketugram Blast: ভাতারের পর কেতুগ্রামে বোমা বিস্ফোরণে উড়ল আস্ত কংক্রিটের বাড়ি, পলাতক বাড়ির লোকজন

মজুত বোমা বিস্ফোরণে বাড়ি ভঙে পড়ার ঘটনা ঘটেই চলেছে পূর্ব বর্ধমানে। ভাতারের বানেশ্বরপুর গ্রামের পর বৃহস্পতিবার ভোর রাতে বোমা বিস্ফোরণের জেরে ভেঙে পড়লো কেতুগ্রামের সুজাপুর গ্রামের জনৈক সাক্ষীগোপাল ঘোষের বাড়ির একাংশ। বোমা বিস্ফোরণের কারণে জখম হওয়া বাড়ির মালিক সহ ৩ জনই গা ঢাকা দিয়েছেন বলে স্থানীয়দের দাবি। পুলিশ বাড়িটি ঘিরে রেখে পলাতকদের সন্ধান চালাচ্ছে। এই ঘটনা জানাজানি হতেই কেতুগ্রামে তুঙ্গে উঠেছে তৃণমূল ও বিজেপির তর্জা।আরও পড়ুনঃ প্রকাশিত উচ্চ মাধ্যমিকের ফল, ৪৯৯ পেয়ে প্রথম মুর্শিদাবাদের ছাত্রীসুজাপুর গ্রামের বাসিন্দারা জানিয়েছেন, তাঁদের গ্রামেই সাক্ষীগোপাল ঘোষের একতলা পাকা বাড়ি। সেই বাড়িতে থাকেন সাক্ষীগোপালের স্ত্রী, ছেলে, পুত্রবধূ ও ভাইসহ মোট ৬ জন সদস্য।প্রতিবেশীরা বলেন, এদিন ভোর রাতে বিকট বিস্ফোরণের কেঁপে ওঠে এলাকা। তারপরেই এলাকার সবাই যে যার ঘর থেকে বেরিয়ে দেখেন সাক্ষীগোপালের পাকা কংক্রাটের বাড়ির একাংশ ভেঙে পড়েছে। এমনকি সাক্ষীগোপালের বাড়ির পাকা দেওয়ালগুলিতেও ফাটল দেখতে পান গ্রামবাসীরা। ঘটনা নিয়ে এলাকার বাসিন্দা মহলে ব্যাপক আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। এলাকা সূত্রে খবর, বোমা বিস্ফোরণে সাক্ষীগোপাল ছাড়াও তাঁর ছেলে ও ভাই আহত হয়েছেন। গ্রেপ্তারি এড়াতে ঘটনার পরেই আহতদের সবাইকে নিয়ে পালিয়ে যায় পরিবারের বাকি সদস্যরা।আরও পড়ুনঃ রাজ্যে সামান্য বাড়লেও দেশে করোনা সংক্রমণে স্বস্তিএই বিস্ফোরণের খবর পেয়েই এদিন সকালে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় কেতুগ্রাম থানার পুলিশ। তদন্তে নেমে পুলিশ বাড়িটি খতিয়ে দেখে। বাড়িতে আর বোমা মজুত রাখার আছে কিনা খতিয়ে দেখার জন্যে বোম ডিসপোজাল স্কোয়াডে খবর দেওয়া হয়েছে। পুলিশের প্রাথমিক অনুমান ওই বাড়িতে মজুত থাকা একাধিক বোমা বোস্ফোরণ ঘটাতেই বাড়িটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। জেলা পুলিশের কর্তাদের কথাতেই স্পষ্ট, পলাতকদের খুঁজে বার করাটাই এখন পুলিশের কাছে বড় চ্যালেঞ্জের বিষয় হয়ে দাঁড়িছে। জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ধ্রুব দাস জানিয়েছেন ,পুলিশ ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত করছে।আরও পড়ুনঃ পেগাসাস স্পাইওয়্যার! ভাবের ঘরে চুরি? আপনি কতটা সুরক্ষিত? আক্রান্ত কারা?সুজাপুর গ্রামের বিস্ফোরণ প্রসঙ্গে বিজেপির পূর্ব বর্ধমান কাটোয়া সাংগাঠনিক জেলার সভাপতি কৃষ্ণ ঘোষ বলেন, সুজাপুর গ্রামে যার বাড়িতে বিস্ফোরণ ঘটেছে তিনি তৃণমূল কংগ্রেসের একজন সক্রিয় কর্মী। ওই বাড়িতেই বোমা মজুত রাখা হয়েছিল। কোনও ভাবে তাতে বিস্ফোরণ হয়ে যায়। তার পরেই বোমা মজুত রাখার বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে। বোমা মজুতের ঘটনায় জড়িত সকলের কঠোর শাস্তির দাবি করেছেন বিজেপি নেতা কৃষ্ণ ঘোষ। যদিও সাক্ষীগোপালের ছেলে শুভজিৎকে বিজেপি কর্মী বলে পালটা দাবি করেছে তৃণমূল। কেতুগ্রামের তৃণমূল বিধায়ক শেখ শাহনাওয়াজ বলেন, তাঁর বিধানসভা এলাকা অনেক বড়। তার মধ্যে কে কাকে ভোট দিয়েছে বা কে কোন দলের সমর্থক অত খবর রাখা কারোও পক্ষেই সম্ভব নয় । পুলিশ ঘটনার তদন্ত করছে৷ আইন আইনের পথে চলবে। কেউ দোষী হলে শাস্তি পাবে।

জুলাই ২২, ২০২১
রাজ্য

Memari: মেমারী শহর তৃণমূল যুব কংগ্রেসের উদ্যোগে ২১জুলাই পালন

তৃতীয়বার বাংলা বিজয়ের পর ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে ২১ জুলাই শহিদ দিবস পালন করার কথা ছিল তৃণমূল কংগ্রেসের। করোনা পরিস্থিতিতে গতবছরের মতো এবারও ভার্চুয়ালি পালন করা হয় শহিদ দিবস। ভার্চুয়াল বক্তব্যে দিল্লি জয়ে বিরোধীদের সার্বিক জোটের ডাক দিয়েছেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। জেলায় জেলায় বড় এলইডি স্ক্রিণের মাধ্যমে সম্প্রচার করা হয়েছে তৃণমূল সুপ্রিমোর ভাষণ। সেখানেই ভিড় জমিয়েছেন স্থানীয় তৃণমূল নেতা-কর্মীরা।আরও পড়ুনঃ শহিদ শ্রদ্ধাঞ্জলি দিবসেই পদ্মশিবিরে বড়সড় ভাঙন, জামালপুরে যোগ তৃণমূলেমেমারী শহর তৃণমূল যুব কংগ্রেস মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভার্চুয়াল বক্তব্য সম্প্রচারের ব্যবস্থা করে। সেখানে শহরের যুব নেতৃত্ব হাজির ছিলেন। এদিন দলীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়। নেতৃত্ব শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধার্ঘ অর্পণ করেন। মেমারী শহর যুব তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতি সৌরভ সাঁতরা জানান, ২১ জুলাই উপলক্ষ্যে মেমারী বামুনপাড়া মোড়ে শতাধিক বাচ্চাকে দুধ, বিস্কুট প্রদান করা হয়েছে। তৃণমুল কংগ্রেসের চোটখণ্ড গ্রাম কমিটির সহ-সভাপতি পল্লব সিংহরায় জনতার কথাকে জানান, মেমারী শহর যুব তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতি সৌরভ সাঁতরার উদ্যোগে দুঃস্থ ও কর্মহীন অসহায় মানুষদের কম্যুনিটি-কিচেন তাঁরা চালিয়ে যাচ্ছেন। যুব তৃণমূলের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছে মেমারীবাসী।

জুলাই ২২, ২০২১
রাজ্য

Discipline : ছাত্রীর শ্লীলতাহানী, শ্রীঘরে ঠাই কীর্তিমান শিক্ষকের

প্রাইভেট টিউশন পড়তে যাওয়া দশম শ্রেণীর ছাত্রীর শ্লীলতাহানির অভিযোগে গ্রেপ্তার হলেন এক স্কুল শিক্ষক। ধৃতের নাম অখিলেশ্বর সরকার। তার বাড়ি পূর্ব বর্ধমানের কালনা শহরের শ্যামগঞ্জপাড়ায়। স্কুল শিক্ষকের কুকীর্তির কথা জানাজানি হতেই এলাকায় নিন্দার ঝড় উঠেছে। ছাত্রীর পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ পকসো আইনে মামলা রুজু করে তদন্তে নেমে স্কুল শিক্ষককে গ্রেপ্তার করে। মঙ্গলবার ধৃতকে পেশ করা হয় কালনা মহকুমা আদালতে। বিচারক ধৃতের জামিন নামাঞ্জুর করে ১৪ দিনের জেল হেপাজতের নির্দেশ দিয়েছেন। শিক্ষকের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করেছে ছাত্রীর পরিবার।আরও পড়ুনঃ মুখে কাপড় বেঁধে শিশু কন্যাকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ, উত্তেজনা ভাতারেপুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, কালনা শহরের আমলাপুকুর এলাকায় বাড়ি দশম শ্রেণীর ছাত্রীর। ছাত্রীটি সোমবার সকালে কালনা শহরের সরকারি স্কুলের শিক্ষক অখিলেশ সরকারের বাড়িতে প্রাইভেট টিউশন পড়তে যায়। অভিযোগ, ওই সময়ে ছাত্রীকে একা পেয়ে ওই শিক্ষক ঘরের দরজা বন্ধ করে তার শ্লীলতাহানি করে। শিক্ষকের যৌন লালসার হাত থেকে বাঁচতে ছাত্রীটি চিৎকার শুরু করে। তখনই ছাত্রীকে ছেড়ে দিলেও কাউকে ঘটনার কথা জানালে পরিণতি ভয়ংকর হবে বলে শিক্ষক ছাত্রীকে হুমকি দেয়। এই ঘটনা বিষয়ে ওই দিনই ছাত্রীর পরিবার কালনা থানায় শিক্ষক অখিলেশ্বর সরকারের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেন। মামলা রুজু করে তদন্তে নেমে এর পরেই পুলিশ অভিযুক্ত শিক্ষককে গ্রেপ্তার করে।

জুলাই ২০, ২০২১
রাজ্য

Murder: সন্তান না হওয়ায় বধূহত্যা, অভিযোগ স্বামীসহ শ্বশুরবাড়ির বিরুদ্ধে

সন্তান না হওয়ায় বধূকে প্রাণে মেরে দেওয়ার অভিযোগ উঠলো স্বামী সহ শ্বশুরবাড়ির বিরুদ্ধে। মৃতার নাম সুদীপা কুণ্ডু (২৩)। পূর্ব বর্ধমানের মন্তেশ্বর থানার জোকারি পাড়ায় বধূর শ্বশুর বাড়ি। সোমবার সকালে শ্বশুর বাড়ির ঘর থেকে উদ্ধার হয় মৃতদেহ।বধূর বাবার বাড়ির লোকজনের দায়ের করা অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ মামলা রুজু করে মৃত্যুর ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। অভিযুক্তদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেছেন বধূর বাবা কৃষ্ণচন্দ্র ঘোষ।আরও পড়ুনঃ স্ত্রীর সঙ্গে অবৈধ সম্পর্কের জেরে প্রৌঢ় খুনে গ্রেফতার অভিযুক্ত প্রতিবেশীবধূ সুদীপার বাবা কৃষ্ণচন্দ্র ঘোষ পুলিশকে জানিয়েছেন,তাঁদের পাড়ারই যুবক মানস কুন্ডুর সঙ্গে তাঁর মেয়ে সুদীপার বিয়ে হয় পাঁচ বছর আগে।বিয়ের সময়ে পাত্র পক্ষের দাবি মতো তিনি নগদ ২ লক্ষ টাকা, মোটরবাইক, বেশ কয়েক ভরি সোনার গহনা, খাট, বিছানা, ও অন্য দানসামগ্রী দিয়েছিলেন। তবে শ্বশুর বাড়ির লোকজন যত ভরি সোনার গহনা দাবি করেছিলেন ততটা তিনি দিতে পারেননি। সেই কারণে বিয়ের পর থেকেই শ্বশুরবাড়ির লোকজন সুদীপার উপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালাতো। কৃষ্ণচন্দ্র বাবু বলেন, সেই অত্যাচার মেনে নিয়েও সুদীপা সংসার করছিল। তারই মধ্যে আবার শুরু হয় বিয়ের পাঁচ বছর পরেও সুদীপা সন্তানের মা হতে না পারার অত্যাচার। সেই জন্য সুদীপাকে প্রাণে মেরে দেওয়ার হুমকিও দেওয়া হতো বলে কৃষ্ণচন্দ্র বাবু অভিযোগ করেছেন।আরও পড়ুনঃ মুখে কাপড় বেঁধে শিশু কন্যাকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ, উত্তেজনা ভাতারেএদিন সকালে সুদীপার বাবার বাড়িতে ফোন করে শ্বশুরবাড়ির লোকজন জানায় সুদীপা গলায় দড়ি দিয়ে ঝুলে আত্মঘাতী হয়েছে। সেই খবর পেয়ে বধূর বাবার বাড়ির লোকজন জামাইয়ের বাড়িতে গিয়ে দেখেন সেখানে সুদীপা মৃত অবস্থায় পড়ে রয়েছে। মেয়েকে মৃত অবস্থায় দেখেই কৃষ্ণচন্দ্র ঘোষ অভিযোগ করেন, তাঁর মেয়েকে প্রাণে মেরে ঝুলিয়ে দিয়েছে জামাই সহ শ্বশুর বাড়ির লোকজন। এমনটা দাবি করে কৃষ্ণচন্দ্র বাবু এদিনই মন্তেশ্বর থানায় লিখিত অভিযোগ জানান। অভিযোগ জমা পড়ার কথা জানতে পেরেই গা ঢাকা দেয় বধূর স্বামী সহ শ্বশুর বাড়ির লোকজন। কালনায় এসডিপিও সপ্তর্ষি ভট্টাচার্য জানিয়েছেন, বধূ মৃত্যুর ঘটনায় পরিবার অভিযোগ দায়ের করেছে। তার ভিত্তিতে নির্দিষ্ট ধারায় মামলা করে ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে।

জুলাই ২০, ২০২১
রাজ্য

Murder: স্ত্রীর সঙ্গে অবৈধ সম্পর্কের জেরে প্রৌঢ় খুনে গ্রেফতার অভিযুক্ত প্রতিবেশী

স্ত্রীর সঙ্গে অবৈধ সম্পর্কে জড়িয়ে পড়া প্রতিবেশীকে হামাল দিস্তা থেঁতলে খুনের অভিযোগে গ্রেপ্তার হলেন এক ব্যক্তি। নূর আলম মিদ্দে (৬৫) কে খুনের ঘটনার চার দিনের মধ্যে পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হলেন মহম্মদ মুসা শেখ। নিহত ও ধৃত দুজনেরই বাড়ি পূর্ব বর্ধমানের মন্তেশ্বর থানার দীর্ঘনগর গ্রামে। সুনির্দিষ্ট ধারায় মামলা রুজু করে পুলিশ সোমবার ধৃতকে পেশ করে কালনা মহকুমা আদালতে। খুনের ঘটনার পুনর্নির্মাণ ও আরও তদন্তের প্রয়োজনে পুলিশ এদিন ধৃতকে ৭ দিনের জন্য নিজেদের হেপাজতে নিয়েছে। অভিযুক্তের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করেছে মৃতর পরিজন ও প্রতিবেশীরা।আরও পড়ুনঃ নিশীথের নাগরিকত্ব নিয়ে প্রশ্নচিহ্নপুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, গত ১৪ জুলাই সকালে দীর্ঘনগরের বাড়ির কাছে থাকা গাড়ির সার্ভিস সেন্টার থেকে উদ্ধার হয় নূর আলম মিদ্দের রক্তাত মৃতদেহ। তাঁর শরীরের একাধিক জায়গায় ছিল আঘাতের ক্ষত। এই মৃত্যুর ঘটনা নিয়ে প্রথমে অভিযোগের আঙুল ওঠে মৃতের মেয়ের স্বামী ও শ্বশুর বাড়ির লোকজনের বিরুদ্ধে। মৃতের পরিবার তিনজনের নামে মন্তেশ্বর থানায় অভিযোগ দায়ের করে। পুলিশ সেই অভিযোগের তদন্তে নামতেই উঠে আসে অন্য এক কাহিনী। এলাকার বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে পুলিশ মৃতের প্রতিবেশী মহম্মদ মুসা শেখের নাম জানতে পারে। সূত্রের খবর, পুলিশ মুসা শেখকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করে। ম্যারাথন জেরায় ভেঙে পড়ে শেষপর্যন্ত মুসা শেখ পুলিশের কাছে নূর আলম মিদ্দেকে খুনের কথা কবুল করে।আরও পড়ুনঃ তারাপীঠ যাওয়ার পথে দুর্ঘটনায় মৃত্যু কলকাতার যুবকের, বরাত জোরে রক্ষা বন্ধুরপুলিশকে মুসা শেখ জানায়, তাঁর স্ত্রী প্রতিবেশী নূর আলম মিদ্দের বাড়িতে যাওয়া আসা করতো। নূর আলমের সঙ্গে তাঁর স্ত্রীর গভীর মেলামেশা নিয়ে তার সন্দেহ হয়। মুসার দাবি, সে নূর আলম মিদ্দে ও তাঁর স্ত্রীকে একদিন ঘনিষ্ঠ অবস্থাতেও দেখে ফেলে। এর পরেই সে নূর আলমকে খুনের পরিকল্পনা কষে । পরিকল্পনা অনুযায়ী হামাল দিস্তা দিয়ে আঘাত করে নূর আলম মিদ্দেকে খুন করেছে বলে মুসা শেখ পুলিশকে জানায় । এই কথা কবুল করার পরেই পুলিশ মুসা শেখকে গ্রেপ্তার করে।আরও পড়ুনঃ আতিউলের সাইকো থ্রিলারে থাকছে চমককালনার এসডিপিও সপ্তর্ষি ভট্টার্য্য জানিয়েছেন, টানা জেরায় মুসা শেখ খুনের কথা কবুল করার পরেই তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদে উঠে এসেছে খুন হওয়া ওই প্রৌঢ়ের সঙ্গে ধৃতের স্ত্রীর বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্কের বিষয়টি। ধৃতকে হেপাজতে নিয়ে খুনের ঘটনার পুনর্নির্মাণ করা হবে।

জুলাই ১৯, ২০২১
রাজ্য

Attempt Murder: বিজেপি করায় দম্পতিকে মারধর করে পুড়িয়ে মারার চেষ্টা, অভিযোগ অস্বীকার তৃণমূলের

বিজেপি করার অপরাধে এক দম্পতিকে মারধর করে পুড়িয়ে মারার চেষ্টার অভিযোগ উঠলো শাসক দলের লোকজনের বিরুদ্ধে। রবিবার ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব বর্ধমানের কালনা থানার পিন্ডিরা পঞ্চায়েতের কৈগড়িয়া গ্রামে। মারধরের বিষয়ে আক্রান্ত বিজেপি কর্মী স্বপন দাস কালনা থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করলেও এখনও কেউ গ্রেপ্তার হয়নি। কালনার তৃণমূল নেতৃত্ব যদিও ঘটনার দায় অস্বীকার করেছে।আরও পড়ুনঃ ছাদ থেকে পড়ে বৃদ্ধার মৃত্যু, আত্মহত্যা না দুর্ঘটনা?পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানা গিয়েছে, স্বপন দাস কালনা ২ ব্লকের কৈগড়িয়া গ্রামের বাসিন্দা।স্বপনবাবু পুলিশকে জানিয়েছেন, তিনি বিজেপি পার্টি করেন। সেই কারণে রবিবার সকালে তিনি যখন কাজে যাচ্ছিলেন তখন তৃণমূলের ৬ জন তাঁর উপরে হামলা চালায়। স্বপনবাবু দাবি করেছেন, তাঁকে খুন করার উদ্দেশ্যেই লোহার রড, বাঁশের লাঠি দিয়ে মারধর করে তৃণমূলের দুস্কৃতিরা। সেই সময়ে তাঁর স্ত্রী বাঁধা দিতে গেলে তাঁকেও মারধর করা হয়। স্বপনবাবুর অভিযোগ, তাঁর স্ত্রীকে অর্ধনগ্ন করা হয়।এরপর তাঁদের পুড়িয়ে মারার জন্য কেরোসিন তেল নিয়ে আসে তৃণমূলের দুস্কৃতিরা। বাঁচার জন্য তাঁরা চিৎকার-চেঁচামেচি শুরু করলে প্রতিবেশীরা ছুটে এসে তাঁদের উদ্ধার করেন।আরও পড়ুনঃ শ্রীময়ীর পোস্ট নিয়ে ধোঁয়াশাবিজেপির পূর্ব বর্ধমান কাটোয়া সাংগঠনিক জেলা সভাপতি কৃষ্ণ ঘোষ বলেন, রাজ্য জুড়েই তৃণমূল সন্ত্রাস জারি রেখেছে। ওদের মন্ত্রীও এখন সেই সন্ত্রাসের হাত থেকে রেহাই পাচ্ছেন না। তিনি বলেন, স্বপন দাস ও তাঁর স্ত্রীকে মারধরের বিষয়ে রাজ্য বিজেপি নেতৃত্বকে জানানো হবে। বিজেপি কর্মীর এই অভিযোগ প্রসঙ্গে কালনা ২ ব্লক তৃণমূলের সভাপতি প্রণব রায় বলেন, অভিযোগ সত্য নয়। রাজনৈতিক উদ্দেশ্যেই এইসব অসত্য অভিযোগ আনা হচ্ছে।

জুলাই ১৯, ২০২১
রাজ্য

Upa-Pradhan: তৃণমূলের কর্মীদের হাতে প্রহৃত হলেন পঞ্চায়েতের উপপ্রধান

২১ জুলাইয়ের প্রস্তুতি মিটিয়ে যোগ দিতে যাওয়ার পথে নিজের দলের কর্মীদের হাতে প্রহৃত হলেন তৃণমূলের পঞ্চায়েতের উপপ্রধান। রবিবার ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব বর্ধমানের গলসি থানার ডুমুর গ্রামের কাছে। আক্রান্ত গলসির গোহগ্রাম পঞ্চায়েতের উপপ্রধান বিমল ভক্ত ঘটনা সবিস্তার উল্লেখ করে রবিবার রাতে গলসি থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।উপপ্রধান বিমল ভক্ত পুলিশকে জানিয়েছেন, ২১ জুলাইয়ের প্রস্তুতি মিটিংয়ে যোগ দিতে এদিন তিনি ডুমুর গ্রামে যাচ্ছিলেন। মোটর বাইক চালিয়ে দামোদরের বাঁধ ধরে যাবার সময়ে তাঁর দলের কর্মীরা তার পথ আটকায়। তাঁকে লাথি মেরে মোটর সাইকেল সহ নদীর বাঁধের নিচে ফেলে দেওয়া হয়। তারপর তাঁকে কিল, ঘুষি, লাথি মারা হয়। এমনকি গাছের ডাল দিয়েও তাঁকে মারা হয়। মারধরে তাঁর হাত, পা ও পেটে আঘাত লেগেছে বলে তিনি জানান। উপপ্রধানের আরও অভিযোগ, তাঁকে প্রাণে মেরে ফেলার হুমকিও দেওয়া হয়েছে। কিছুদিন আগে গোহগ্রাম পঞ্চায়েতের দুর্নীতির বিরুদ্ধে সরব হওয়ায় তাঁকে একই রকম ভাবে মারধর ও হেনস্তা করা হয়েছিল বলে উপপ্রধানের অভিযোগ।এই বিষয়ে তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্য মুখপাত্র দেবু টুডু বলেন, ঘটনার বিষয়ে তিনি খোঁজ খবর নেবেন। তবে তিনি এই ঘটনা দলের গোষ্ঠী কোন্দল বলে মানতে অস্বীকার করেছেন।

জুলাই ১৯, ২০২১
রাজ্য

Mysterious Lady: রহস্যময়ী যুবতীর ফাঁদে পড়ে হাইজ্যাক গাড়ি, গ্রেফতার ৩

যাত্রী সেজে গাড়ি ভাড়া করে গাড়ি হাইজ্যাকের অভিযোগ গ্রেপ্তার হল ৩ যুবক। ধৃতদের নাম নূর হাসমত মির্জা ওরফে ভুটান, রানা মেটে এবং মীর আমির আলি ওরফে জুয়েল আলি। ধৃতদের মধ্যে প্রথম দুজনের বাড়ি পূর্ব বর্ধমানের মঙ্গলকোটের ঝিলুগ্রামে। অপর ধৃত আমীর আলি বীরভূম জেলার নানুর থানার মুরুন্ডি গ্রামের বাসিন্দা। মঙ্গলকোট থানার পুলিশ ৩ গাড়ি হাইজ্যাকরকে গ্রেফতার করলেও গাড়ি এখনও উদ্ধার হয়নি। পুলিশ রবিবার ধৃতদের কাটোয়া মহকুমা আদালতে পেশ করে। হাইজ্যক হওয়া গাড়ি উদ্ধার ও ঘটনায় জড়িত বাকিদের ধরার জন্য পুলিশ ৩ ধৃতকে নিজেদের হেপাজতে নিতে চেয়ে এদিন আদালতে আবেদন জানায়। বিচারক ধৃতদের ৪ দিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছেন। আরও পড়ুনঃ তারাপীঠ যাওয়ার পথে দুর্ঘটনায় মৃত্যু কলকাতার যুবকের, বরাত জোরে রক্ষা বন্ধুরপুলিশ জানিয়েছে,গাড়িটির চালক শেখ সাজুর বাড়ি বর্ধমান থানার দুবরাজদিঘি এলাকায়। গত বৃহস্পতিবার বর্ধমান স্টেশন সংলগ্ন এলাকায় তিনি তাঁর চারচাকা গাড়িটি দাঁড় করিয়ে রেখে যাত্রীর জন্যে অপেক্ষা করছিলেন। ওই সময়ে এক অপরিচিত যুবতী চালকের কাছে আসে। মঙ্গলকোটের পালিশগ্রামে যাবার কথা জানিয়ে যুবতী তাঁর গাড়িটি ভাড়া করে। তারপর তিনি যুবতীকে নিয়ে পালিশগ্রামের উদ্দেশ্যে রওনা হন। পথে ঝিলু মোড়ে একটি মদের দোকানের কাছাকাছি পৌছাতেই ওই যুবতী গাড়িটি দাঁড় করানোর কথা বলে চালককে। চালক শেখ সাজুর অভিযোগ, ওই সময়ে আশেপাশে অপেক্ষা করছিল মহিলার পরিচিত দুই যুবক। তারা গাড়ির কাছে আসা মাত্রই তিন জনে মিলে শেখ সাজুকে মারধোর করে গাড়ি কেড়ে নিয়ে পালিয়ে যায়। তিনি স্থানীয় লোকজনদের সঙ্গে নিয়ে দুদিন ধরে গাড়ির খোঁজ চালান। কিন্তু কোথাও গাড়ির সন্ধান না পেয়ে শেষে গত শনিবার শেখ সাজু মঙ্গলকোট থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্তে নেমে পুলিশ ওই দিন গভীর রাত থেকে রবিবার ভোর পর্যন্ত অভিযান চালিয়ে তিন জনকে গ্রেপ্তার করে। তিন ধৃতকে হেপাজতে নিয়ে পুলিশ হাইজ্যাক হওয়া গাড়িটি উদ্ধারের প্রচেষ্টা চালাচ্ছে।

জুলাই ১৮, ২০২১
রাজ্য

Suicide: প্রেমিক বিয়েতে অস্বীকার করায় আত্মঘাতী কলেজ ছাত্রী

বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে শারীরিক সম্পর্ক করার পরেও প্রেমিক বিয়ে করতে না চাওয়ায় আত্মঘাতী হল এক কলেজ ছাত্রী। এমনই অভিযোগ করেছে মৃতার পরিবার। বছর ১৮ বয়সী ওই ছাত্রীর বাড়ি পূর্ব বর্ধমানের মেমারি থানার চাঁচাই এলাকায়।মেমারি থানার পুলিশ শনিবার সন্ধ্যায় বাড়ি থেকে উদ্ধার করে কলেজ ছাত্রীর ঝুলন্ত মৃতদেহ। এদিন বর্ধমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে ছাত্রীর মৃতদেহের ময়নাতদন্ত হয়। ছাত্রীর বাবার দায়ের করা অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। প্রেমিক সৌরভ বিশ্বাসের কঠোর শাস্তির দাবি করেছে মৃতার পরিজন।আরও পড়ুনঃ ছাদ থেকে পড়ে বৃদ্ধার মৃত্যু, আত্মহত্যা না দুর্ঘটনা?পুলিশ ও পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, ছাত্রীটি মেমারি কলেজে দ্বিতীয় বর্ষে পড়াশুনা করতো। ছাত্রীর বাবা পুলিশকে জানিয়েছে, পাল্লা এলাকার এক যুবকের সঙ্গে তাঁর মেয়ের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। ওই যুবক বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে তাঁর মেয়ের সঙ্গে শারীরিক সম্পর্কে জড়িয়ে ছিল। তারপরও ওই যুবক তাঁর মেয়েকে বিয়ে করতে অস্বীকার করে। তার কারণে গলায় দড়ির ফাঁস দিয়ে ঝুলে কলেজ ছাত্রী মেয়ে আত্মঘাতী হয় বলে ছাত্রীর বাবা জানিয়েছে। পুলিশ প্রেমিক যুবকের খোঁজ শুরু করেছে।

জুলাই ১৮, ২০২১
রাজ্য

Heritage School: হেরিটেজ বিদ্যালয় ভবন সংস্কারে মেলেনি সরকারী অনুদান, প্রতিবাদে সরব প্রাক্তনীরা

হেরিটেজ বিদ্যালয় ভবন সংস্কারের দাবিতে সরব হলেন প্রাক্তনীরা। তাঁরা দাবি করেছেন, সরকারী অনুদানে সংস্কার করা হোক ভগ্নদশা তৈরি হওয়া পূর্ব বর্ধমানের পূর্বস্থলীর নীলমনি ব্রহ্মচারি ইন্সটিউট। সংস্কার কাজে সরকারী অনুদান না মিললে প্রাক্তনীরা ব্যক্তিগত ভাবে অর্থ দেওয়ার ব্যপারেও ইচ্ছাপ্রকাশ করেছেন। ঐতিহ্যশালী বিদ্যালয় ভবন সংস্কারের দাবিতে প্রাক্তনীদের এই ভাবে সরব হওয়ায় প্রশাসনের কর্তারা ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস না দিয়ে পারেননি।আরও পড়ুনঃ কান্দাহারে নিহত পুলিৎজার জয়ী ভারতীয় চিত্রসাংবাদিকবিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ও প্রাক্তনীদের কথায় জানা গিয়েছে, নীলমনি ব্রহ্মচারি ইন্সটিউটটি ১৮৮৭ সালে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মাধ্যমিক স্তরে পড়ানোর স্বীকৃতি পায়। তাদানিন্তন সময়ে স্কুলটি ভিক্টরিয়া ইন্সটিটিউশন নামে পরিচিত ছিল। পরবর্তী সময়ে কালাজ্বরের ওষুধের আবিস্কারক উপেন্দ্রনাথ ব্রহ্মচারির পিতা নীলমনি ব্রহ্মচারির নামে ওই স্কুলের নামকরণ হয়। বর্তমানে এই বিদ্যালয়ের মূল ভবনটির বয়স ১৭২ বছর। সরকার বেশ কয়েক বছর আগে বিদ্যালয়টিকে হেরিটেজ ঘোষনা করেছেন। কিন্তু হেরিটেজ ঘোষনা হলেও ভগ্নদশা তৈরি হওয়া বিদ্যালয় ভবন সংস্কারের কোন উদ্যোগ আজ অবধি নেওয়া হয়নি।আরও পড়ুনঃ কফি ডেটে যেতে চান শ্রীলেখা! কিন্তু কার সঙ্গে?নীলমনি ব্রহ্মচারি ইন্সটিউট কর্তৃপক্ষ এক দশক ধরে ব্লকের উন্নয়ন আধিকারিক, জেলাশাসক থেকে রাজ্যস্তর পর্যন্ত বারবার আবেদন জানিয়ে আসছে। কিন্তু লাভের লাভ ও কিছুই হয়নি। এরইমধ্যে ওই ভবনের ৪০ শতাংশ অংশ ভেঙে পড়েছে। অনেক শিক্ষক চাকরি থেকে অবসরও নিয়েছেন। কিন্তু হেরিটেজ বিল্ডিং সংস্কারের জন্য এক টাকাও বরাদ্দ হয়নি। এই নিয়ে প্রাক্তন ছাত্রছাত্রী থেকে স্থানীয় বাসিন্দারা চরম ক্ষুব্ধ। তারা চাইছেন সরকার যত তাড়া তাড়ি সম্ভব বিদ্যালয় ভবন সংস্কারে উদ্যোগী হোক।আরও পড়ুনঃ মঙ্গলকোট-কাণ্ডে তদন্তভার সিআইডি-রইন্সটিটিউটের একদল প্রাক্তন ছাত্র তাঁদের দাবির বিষয়টি নিয়ে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মদনমোহন ঘোষের সঙ্গে আলোচনায় বসেছেন। প্রাক্তনী অনিন্দ্য দাস জানান, তাঁরা প্রাক্তন ছাত্ররা প্রধান শিক্ষককে জানিয়েছেন তাঁরা ১০জন মিলিতভাবে বিদ্যালয়ের হেরিটেজ বিল্ডিং সংস্কারে জন্য ২ লক্ষ টাকা দিতে চান। পাশিপাশি সংস্কারের বাকি অর্থের জন্য তারা অন্যান্য প্রাক্তন ছাত্রদের সঙ্গে কথা বলবেন বলেও জানান। প্রাক্তনীরা মুখ্যমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য প্রধান শিক্ষকের হাতে একটি স্মারকলিপিও তুলে দিয়েছে।আরও পড়ুনঃ আতিউলের সাইকো থ্রিলারে থাকছে চমকএই বিষয়ে জেলা পরিষদের সহ-সভাধিপতি দেবু টুডু বলেন, বিষয়টি শুনেছি। কিভাবে বিদ্যালয় ভবন সংস্কার করা যায় তা নিয়ে আলোচনা করে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন তিনি।

জুলাই ১৮, ২০২১
রাজ্য

Bird Nest: নাদনঘাট থানার বটবৃক্ষে জড়ো হওয়া পাখির দল পুলিশের মনজয় করে পেল বাসস্থান

পাখিরাও বোধহয় ভেবে নিয়েছে কিচির মিচির ডাকে পুলিশ বাবুদের খুশি করতে পারলে তারা নিরাপদ আশ্রয় পাবে! পাখিদের সেই ভাবনা যে ভুল ছিল না তা শনিবার স্বচক্ষে দেখা গেল পূর্ব বর্ধমানের নাদনঘাট থানায় পৌছে। পাখিদের কিচির মিচির ডাকে খুশি হয়ে পুলিশ বাবুরাই এদিন অসংখ্য ঝুড়ি থানা চত্তরে থাকা প্রকাণ্ড বটগাছটির ডালে ডালে ঝুলিয়ে দিলেন তাদের বাসা তৈরির সুবিধার্থে। পুলিশবাবুদের এমন পক্ষি প্রেম এলাকার মানুষজনের মন কেড়ে নিয়েছে। নাদনঘাট থানার সকল পুলিশ কর্মীরাও চাইছেন তাঁদের থানা চত্ত্বরে থাকা বটবৃক্ষই হয়ে উঠুক সকল পাখিদের নিরাপদ আশ্রয় স্থল। আর তারা যেন সকল বিকাল কিচির মিচির ডাকেই পুলিশ কর্মীদের মন ভরিয়ে রাখে।আরও পড়ুনঃ মুকুল রায়ের বিধায়কপদ খারিজ শুনানি: এবার আদালতেরও আশ্রয় নেব, বললেন শুভেন্দুনাদানঘাট থানার অদূরে রয়েছে পূর্বস্থলীর চুপীর পাখিরালয়। প্রতিবছর শীত পড়তেই দেশ বিদেশের বিভিন্ন জায়গা থেকে উড়ে এসে ওই পাখিরালয়ে ভিড় জমায় প্রায় ৬০-৭০ প্রজাতির পাখি। পর্যটকরা ওই সময়ে রঙ বে রঙের পাখি দেখার টানে চুপীর পাখিরালয়ে হাজির হন। পর্যটকরা পাখি দেখে মুগ্ধ হন। তবে শীত না পড়লেও এই সময়ে অদ্ভুত ভাবেই দলে দলে পাখি আশ্রয় নিয়েছে নাদনঘাট থানা চত্ত্বরে থাকা প্রকাণ্ড বটবৃক্ষটিতে। আর তাতেই খুশিতে মাতোয়ারা থানার বড়বাবু থেকে শুরু করে সকল পুলিশ কর্মী। খুশি এলাকাবাসীও।আরও পড়ুনঃ নিশীথের নাগরিকত্ব নিয়ে প্রশ্নচিহ্ননাদনঘাট থানার পুলিশ কর্মীদের কথায় জানা গিয়েছে, কিছুদিন হল তাঁদের থানা চত্ত্বেরে থাকা প্রকাণ্ড বটগাছটিতে বিভিন্ন ধরণের পাখির আনাগোনা শুরু হয়। দিন গড়ানোর সাথে সাথে বটগাছটিতে পাখিদের ভিড় আরও বড়তে শুরু করে। বিভিন্ন পাখির বিভিন্ন রকম ডাক মন ভরিয়ে দেয় থানার পুলিশ কর্মীদের। পুলিশ কর্মীরাও তাই পাখিদের নিয়ে কিছু একটা করায় ব্যাপারে উদগ্রীব হয়ে ওঠেন। কারণ পুলিশ কর্মীরা কেউ চাইছিলেন না থানা চত্ত্বরের বট গাছ ছেড়ে পাখিরা অন্য কোথাও চলে যাক। ওসি সুদীপ্ত মুখোপাধ্যায় তাই নিজে উদ্যোগ নিয়ে এদিন পাখিদের বাসস্থান গড়ার সুবিধার্থে বটগাছটির ডালে ডালে ঝুড়ি ঝুলিয়ে দেওয়ার ব্যবস্থা করেন। পাখিদের পিপাসা মেটানোর জন্যে বটগাছ সন্নিকটে মাটির পাত্রে জল রাখার ব্যবস্থাও করে দেওয়া হয়েছে।আরও পড়ুনঃ হিজবুল মুজাহিদিনের নামে হুমকির সিডি রায়গঞ্জে, হুঙ্কার প্রাথমিকে নিয়োগ নিয়েওসি সুদীপ্ত মুখোপাধ্যায় বলেন, কিছুদিন যাবৎ বিভিন্ন রঙের পাখি বট গাছটিতে বসতে শুরু করে। পরে পাখিদের আনঅগোনা বাড়ে। তা দেখে থানার সকলেই খুশি হন। । নিরাপদ ও সহায়ক পরিবেশ পেলে তাঁদের থানা চত্ত্বরের বটবৃক্ষে আরও অনেক পাখি জড়ো হবে, পাখিরা পুলিশ কর্মীদের পাশাপাশি এলাকাবসীকেও মুগ্ধ করবে। এমন প্রত্যাশা নিয়েই এদিন গাছের ডালে ডালে পাখিদের বাসা তৈরীর সুবিধার্থে ঝুড়ি ঝুলিয়ে দেওয়া হয়েছে ।

জুলাই ১৮, ২০২১
ভ্রমণ

Rakhal Raja: রাখাল রাজের দেশে, বিস্তীর্ণ প্রান্তর যেথায় দিগন্তে গিয়ে মেশে

বহু দিন ধরে বহু ক্রোশ দূরেবহু ব্যয় করি বহু দেশ ঘুরেদেখিতে গিয়েছি পর্বতমালা,দেখিতে গিয়েছি সিন্ধু।দেখা হয় নাই চক্ষু মেলিয়াঘর হতে শুধু দুই পা ফেলিয়াএকটি ধানের শিষের উপরেএকটি শিশিরবিন্দু।রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকবির প্রকৃতি প্রেম খুব সুন্দর করে এই পংক্তি গুলির মধ্যে ফুটে উঠেছে। সত্যিই তো আমাদের চারপাশে ছড়িয়ে আছে অসংখ্য দর্শনীয় স্থান, প্রকৃতি যেখানে জিঅকৃপণ ভাবে নিজেকে সাজিয়ে রেখেছে, তার কতটুকুই বা আমরা জানি। লকডাউনের বিধিনিষেধ দূর ভ্রমণে বাধা হলেও, অদূর ভ্রমণের সুযোগ করে দিয়েছে। মুক্তির স্বাদ খুব অল্প সময়ের হলেও তা প্রাপ্তির ভাণ্ডার কে পরিপূর্ণ করে তোলে। প্রকৃতির মাঝে হারিয়ে গিয়ে অপার আনন্দ অনুভব করার এমনই এক ঠিকানা রাখাল রাজার মন্দির।প্রাচীন ঐতিহ্যবাহী মন্দিরময় স্থান কালনা। কালনার ই বৈদ্যপুর রথতলা থেকে মিনিট ১৫ গেলেই গোপালদাসপুর গ্রামে অবস্থিত এই রাখাল রাজ মন্দির। নিরিবিলি পরিবেশ, চারদিকে বিস্তীর্ণ সবুজ প্রান্তর, পাখির কলকাকলিতে মুখরিত, তার মাঝখানে লাল ইটের তৈরি প্রাচীন মন্দিরে রাখাল রাজ বিরাজমান। প্রকৃতি এখানে রাখাল রাজের খেলার উপযুক্ত স্থান হিসাবেই নিজেকে সাজিয়ে রেখেছে। মন্দির এর সামনে বিস্তৃত নাট মন্দির, তার দেয়ালে শ্রীকৃষ্ণের বাল্য লীলার নানান কাহিনী যেমন পুতনা বধ, ননী চুরি, কংস বধ ইত্যাদি ছবির মাধ্যমে বর্ণিত আছে।মন্দিরের গর্ভগৃহে তিনটি মূর্তি রয়েছে, সবচেয়ে বড় রাখাল রাজের মূর্তি, আকাশী নীল গায়ের রঙ, বড় বড় টানা চোখ, বাম হাতে নাড়ু আর ডান হাতে লাঠি নিয়ে গোপবালকদের দলপতির মত সমস্ত কিছু পরিচালনা করছেন। দুপাশে সাদা গাভী। তাঁর ডানদিকে ছোট রঘুনাথ মূর্তি, গায়ের রঙ সবুজ আর বামদিকে গোপীনাথজী আকাশী নীল গায়ের রঙ। মূর্তিগুলি অপরূপ মায়াময়, তাকিয়ে থাকলে প্রশান্তিতে মন ভরে যায়। পুরোহিতের সাথে কথা বলে যা ইতিহাস জানা গেল তা প্রায় ৫০০ বছর আগের, বেশিরভাগটাই জনশ্রুতির উপর ভিত্তি করে।কাহিনীটি অনেকটা এরকম, বর্ধমানের খাতুন্দীর বাসিন্দা গোপীনাথ ভক্ত রামকানাই গোস্বামী বর্গী আক্রমণের ভয়ে বা পারিবারিক কলহের কারণে আরাধ্য দেবতাকে সাথে নিয়ে বৃন্দাবনের উদ্দেশ্যে রওনা হন।পথে ঘন জঙ্গল পড়ে, এদিকে গোপীনাথকেও ও ভোগ দেওয়ার সময় হয়ে আসায়, রামকানাই গোস্বামী জঙ্গলেই কাঠ কুটো জ্বালিয়ে রান্নার ব্যবস্থা করেন। এই সময়েই রাজা গোপালদাস তার সঙ্গী সাথীদের নিয়ে মৃগয়া করতে এসেছিলেন, পথে ক্লান্ত হয়ে ফেরার সময় দেখলেন জঙ্গলে এক জায়গা থেকে ধোঁয়া উঠছে। রাজা সেখানে সপারিষদ উপস্থিত হতে, গোস্বামী মহাশয় তাদের সাদর অভ্যর্থনা জানান, ও খেয়ে যেতে বলেন। গোপীনাথজী র অসীম কৃপায় একটা ছোট হাঁড়ির ভোগেই সবাই পরিতৃপ্তির সাথে খাওয়া সম্পূর্ণ করেন। রাজা গোপীনাথ এর মাহাত্ম্য বুঝতে পারেন এবং উনি রামকানাই গোস্বামীকে কিছু জমি দান করেন। মন্দির নির্মাণ করেন। তার নামানুসারে এই গ্রামের নাম গোপালদাসপুর।সেই দিন রাত্রে রামকানাই গোস্বামী স্বপ্নাদিষ্ট হন যে রাখাল রাজ বালকের বেশে তাকে বলছেন তার আর বৃন্দাবন যাত্রার প্রয়োজন নেই। পরের দিন পাশের যমুনা পুষ্করিণী তে যে কাঠ ভেসে থাকবে তাই নিয়ে নদীয়ার বাঘনাপারার এক পাঁচ বছরের বালকের কাছে গেলে, সে রাখাল রাজার মূর্তি তৈরি করে দেবে। স্বপ্নাদেশ পেয়ে রামকানাই পরের দিন পুষ্করিনী থেকে কাঠ সংগ্রহ করে, বাঘনাপাড়ায় গিয়ে সেই বালক, নাম মহাদেব, কে দিয়ে মূর্তি তৈরি করান, সেই মূর্তিই আজও পূজিত হয়ে আসছে। সেই বালকের বংশধরেরাই এখনো মাঘী পূর্ণিমার দিন মূর্তির অঙ্গরাগ করেন। পাশে প্রতিষ্ঠিত হয়েছেন গোপীনাথ।রামনবমী ও জন্মাষ্টমী তে বড় উৎসব অনুষ্ঠিত হয়, প্রচুর ভক্ত সমাগম ঘটে। মূল মন্দিরের পাশে আছে দোল মন্দির এখানে দোল উৎসব অনুষ্ঠিত হয়। একটু দূরে আছে সাধক রামকানাই গোস্বামী র সমাধি মন্দির।সকাল থেকে মোট চারবার ভোগ নিবেদন করা হয়। দুপুরে থাকে অন্নভোগ। মন্দিরে এসে আগে থেকে কুপন কেটে রাখলে ভোগ খাবার ব্যবস্থা আছে।বিকেল বেলা শীতল ভোগ হয়ে গেলে, মন্দির ও তার চারপাশে কেউ যায়না, মানা হয় এই সময় রাখাল রাজা স্বয়ং তার সঙ্গী সাথীদের নিয়ে খেলা করেন। ভক্তজনের বিশ্বাস আর ভক্তিতেই তিনি সদা জাগ্রত। এই সব কাহিনী শুনতে শুনতেই রাখাল রাজের লাঞ্চ এর সময় হয়ে গেল। আরতির পর তিনি খেতে বসলেন, সাথীদের নিয়ে। আরতি দর্শন করে ও দুপুরের ভোগ খেয়ে পরিপূর্ণ হৃদয়ে বাড়ির পথে রওনা দিলাম আমরা।প্রকৃতি ও ঈশ্বরকে অনুভব করার অপূর্ব অনুভূতি মনের মণিকোঠায় উজ্জ্বল হয়ে থাকবে অনেকদিন।ডঃ ইন্দ্রাণী মুখোপাধ্যায়সহকারী অধ্যাপকচন্দ্রপুর কলেজ (বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়)কিভাবে যাবেনবর্ধমান থেকে হাওড়া গামী মেন লাইন লোকাল ট্রেন ধরে নামতে হবে বৈঁচি স্টেশনে। সেখান অম্বিকা কালনা অভিমুখে যে বাস যাচ্ছে সেই বাসে উঠে নামতে হবে বৈদ্যপুর বাজার। সেখান থেকে গোপালদাসপুর যাওয়ার টোটো ধরতে হবে। গোপালদাসপুরে যে কেউ দেখিয়ে দেবে রাখালরাজার মন্দির। কেউ যদি থাকতে চান তাহলে বৈদ্যপুরে হোটেল বা লজে থাকতে পারেন। বৈদ্যপুর থেকে কুড়ি কিলোমিটার দূরে কালনা শহরে থাকার জন্য অনেক হোটেল আছে।

জুলাই ১৮, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 25
  • 26
  • 27
  • 28
  • 29
  • 30
  • 31
  • 32
  • 33
  • 34
  • ›

ট্রেন্ডিং

শিক্ষা

পৌষের গন্ধে গ্রামবাংলা: পিঠে, ঘুড়ি আর লোকজ জীবনের উৎসব

পৌষ নামলেই গ্রামবাংলার হাওয়া বদলে যায়। ভোরের কুয়াশা আরও ঘন হয়, খড়ের গাদায় রোদ্দুর বসে, আর মাটির উঠোনে ভেসে আসে চাল ভাপার সোঁদা গন্ধ। এই সময়েই বাঙালির ঘরে ঘরে আসে এক লোকজ উৎসবপৌষ পার্বণ, যাকে গ্রামবাংলা আদর করে ডাকে পিঠে পার্বণ বলে।এই উৎসব কোনও মন্দিরে বাঁধা নয়, কোনও মন্ত্রে আবদ্ধ নয়। এ উৎসব ছড়িয়ে থাকে উঠোনে, রান্নাঘরে, খোলা মাঠে আর মানুষের মুখের হাঁসিতে। নতুন ধান ওঠার আনন্দে কৃষকের ঘরে যে তৃপ্তি, তারই রসায়ন মিশে যায় পিঠের নরম স্বাদে।গ্রামবাংলার মায়েদের কাছে পৌষ পার্বণ মানে শুধু রান্না নয়এ এক সামাজিক আচার। ভোর থেকে শুরু হয় চাল ভেজানো, বাটা, খোলায় নলেন গুড় বসানো। মাটির উনুনে ধোঁয়া ওঠে, কাঁসার থালায় সাজে ভাপা পিঠে (সিদ্ধ পিঠে), সরু চাকলি, পাটিসাপটা। দুধ পুলির ভেতর গুড় আর নারকেলের মিশেলে লুকিয়ে থাকে দিদিমা-ঠাকুমার হাতের ছোঁয়া, যা কোনও রেসিপির বইয়ে লেখা নেই।লোকসংস্কৃতির এই পরম্পরায় পিঠে শুধু খাবার নয়, এক ভাষা। সেই ভাষায় কথা বলে মমতা, আতিথেয়তা আর ভাগ করে নেওয়ার আনন্দ। পৌষের সকালে প্রতিবেশীর ঘরে পিঠে পাঠানো যেমন রীতি, তেমনই রীতি একসঙ্গে বসে খাওয়ারধনী-দরিদ্রের ভেদাভেদ ছাপিয়ে।পৌষ সংক্রান্তির আর এক অবিচ্ছেদ্য ছবি আকাশ। নীল আকাশ জুড়ে রঙিন ঘুড়ির উড়ান যেন লোকশিল্পের চলমান ক্যানভাস। যা দেখে কবির সুমন (তখন সুমন চট্টোপাধ্যায়) লিখেছিলেন পেটকাটি চাঁদিয়াল মোমবাতি বগ্গা - আকাশে ঘুড়ির ঝাঁক, মাটিতে অবজ্ঞা। রাঢ় বঙ্গের অন্যতম জনবহুল বর্ধমান শহরে ও তার আশপাশের গ্রামগুলিতে এই দিনে ঘুড়ি ওড়ানো শুধু খেলা নয়, এক উৎসব, সকাল চা খেয়েই ছাদে জড়ো আবাল-বৃদ্ধ-বনিতা, চোখ বন্দি আকাশে, ছাদে-ছাদে চটুল হিন্দি গানের ভিতরেই ভেসে আসছে একটাই আওয়াজ ভো-কাট্টা। দামোদরের পাড়ে বসা আদিবাসী ও উপজাতিদের মেলায় ঘুড়ির সঙ্গে মিশে যায় ঢাক, ধামসা, মাদল ও বাঁশির সুর। লোকনৃত্য, হস্তশিল্প আর খোলা মাঠের এই মিলনমেলা যেন বাংলার বহুত্বকে এক সুতোয় বেঁধে রাখে।এই মেলায় দেখা যায় সাঁওতাল, বাউরী, বাগদি সমাজের নিজস্ব সংস্কৃতিনতুন রঙিন পোশাক, পায়ের তালে মাটির ছন্দ দিরি দিম দিম বোল তোলে। আধুনিক শহুরে জীবনের বাইরে দাঁড়িয়ে এই লোকজ উৎসব আমাদের মনে করিয়ে দেয়সংস্কৃতি মানে শেকড়ের সঙ্গে সংযোগ।আজ শহরের ফ্ল্যাটবাড়িতে পিঠে আসে বাক্সবন্দি হয়ে, ঘুড়ি ওড়ানো হয় ছাদের কোণে দাঁড়িয়ে। তবু পৌষ পার্বণ এলেই মন ছুটে যায় গ্রামেমাটির ঘর, খোলা উঠোন আর আগুন পোহানো বিকেলের দিকে। কারণ এই উৎসব আমাদের শেখায়, উৎসবের আসল সৌন্দর্য জাঁকজমকে নয়, বরং মানুষের সঙ্গে মানুষের সম্পর্কের উষ্ণতায়।পৌষ পার্বণ তাই শুধুই একটি দিন নয়এ এক স্মৃতি, এক গন্ধ, এক জীবন্ত লোকসংস্কৃতি। সময় বদলায়, রূপ বদলায়, কিন্তু পিঠের ধোঁয়ার সঙ্গে মিশে থাকা গ্রামবাংলার আত্মা আজও অটুট।

জানুয়ারি ১৩, ২০২৬
বিদেশ

ইরানের সঙ্গে বাণিজ্যের খেসারত, ভারতকে ফের শুল্কের ফাঁদে ফেললেন ট্রাম্প

বছরের শুরুতেই ভারতের উপর ফের শুল্কের আঘাত আনল আমেরিকা। সোমবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষণা করেছেন, ইরানের সঙ্গে যেসব দেশ বাণিজ্য করবে, তাদের উপর অতিরিক্ত ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হবে। সেই তালিকায় ভারতের নামও রয়েছে। গত অর্থবর্ষে ইরানের সঙ্গে প্রায় ১৪ হাজার কোটি টাকার বাণিজ্য করেছে ভারত।বর্তমানে আয়াতোল্লা খামেনেইয়ের প্রশাসনের বিরুদ্ধে ইরানে ব্যাপক বিক্ষোভ চলছে। সেই আন্দোলনের প্রতি প্রথম থেকেই সমর্থন জানিয়ে আসছেন ট্রাম্প। এমনকি প্রয়োজন হলে ইরানের উপর সামরিক হামলার পরিকল্পনার কথাও তিনি প্রকাশ্যে বলেছেন। এই পরিস্থিতিতে ইরানের সঙ্গে বাণিজ্যকারী দেশগুলির উপর কড়া অবস্থান নিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।সোমবার নিজের সোশাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম ট্রুথ সোশালে ট্রাম্প লেখেন, ইরানের সঙ্গে যেসব দেশ বাণিজ্য করছে, তারা আমেরিকার সঙ্গে ব্যবসা করতে গেলে অতিরিক্ত ২৫ শতাংশ শুল্ক দিতে বাধ্য হবে। এই নির্দেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে বলেও জানান তিনি।ইরানের সঙ্গে সবচেয়ে বেশি বাণিজ্য করে চিন। তবে ভারতের সঙ্গেও তেহরানের দীর্ঘদিনের বাণিজ্যিক সম্পর্ক রয়েছে। তেহরানে ভারতীয় দূতাবাসের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪-২৫ অর্থবর্ষে ভারত ইরানে প্রায় ১২০ কোটি ডলারের পণ্য রপ্তানি করেছে। একই সময়ে ইরান থেকে ৪৪ কোটি ডলারের পণ্য আমদানি করা হয়েছে। সব মিলিয়ে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্যের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় ১৬৪ কোটি ডলার, যা ভারতীয় মুদ্রায় আনুমানিক ১৪ হাজার কোটি টাকা। এই বাণিজ্যের মধ্যে রয়েছে রাসায়নিক দ্রব্য, ফল, বাদাম, তেল এবং জ্বালানি জাতীয় পণ্য।ইরানের সঙ্গে বাণিজ্য করার কারণেই এবার ভারতের উপর বাড়তি শুল্ক চাপাল আমেরিকা। এর আগে রাশিয়া থেকে তেল কেনার অভিযোগে ভারতের উপর ২৫ শতাংশ অতিরিক্ত শুল্ক আরোপ করেছিলেন ট্রাম্প। ফলে তখন ভারতীয় পণ্যের উপর মার্কিন শুল্কের হার পৌঁছেছিল ৫০ শতাংশে। এবার ইরান ইস্যুতে আরও ২৫ শতাংশ শুল্ক যুক্ত হওয়ায় মোট শুল্কের পরিমাণ দাঁড়াল ৭৫ শতাংশ। এই সিদ্ধান্ত ভারতের রপ্তানি বাণিজ্যে বড় প্রভাব ফেলতে পারে বলেই মনে করছেন অর্থনৈতিক বিশেষজ্ঞরা।

জানুয়ারি ১৩, ২০২৬
বিদেশ

রণক্ষেত্র ইরান, আমেরিকার হামলার হুঁশিয়ারি, আগুনে ঘি ঢালল খামেনেই

ইরানকে ঘিরে চরম উত্তেজনা। একে অপরকে প্রকাশ্য হুমকি দিয়ে মুখোমুখি অবস্থানে দাঁড়িয়ে গিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনেই। ট্রাম্প যে কোনও মুহূর্তে ইরানে সেনা হামলার ইঙ্গিত দিয়েছেন। পাল্টা খামেনেই ট্রাম্পকে পরাজিত ও অত্যাচারী শাসক বলে কটাক্ষ করেছেন।ইরানে সরকার-বিরোধী আন্দোলন দিন দিন আরও ভয়াবহ রূপ নিচ্ছে। দেশের বহু শহরে বিক্ষোভ চলছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে সরকার ইন্টারনেট ও ফোন পরিষেবা বন্ধ করে দিয়েছে। তা সত্ত্বেও মূল্যবৃদ্ধি, দুর্নীতি ও দমনপীড়নের বিরুদ্ধে মানুষের ক্ষোভ থামছে না। নির্বাসিত নেতা রেজা পহেলভিকে দেশে ফিরিয়ে আনার দাবিও জোরালো হয়েছে। এই আবহে ট্রাম্পের সঙ্গে পহেলভির কথোপকথনের খবর সামনে এসেছে। আন্দোলনকারীদের উপর গুলি চালানো বন্ধ না হলে আমেরিকা চুপ করে থাকবে না বলেও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ট্রাম্প।এয়ার ফোর্স ওয়ান থেকেই ট্রাম্প স্পষ্ট বার্তা দেন, ইরানে পরিস্থিতি আরও খারাপ হলে কঠোর সিদ্ধান্ত নিতে পিছপা হবে না তাঁর প্রশাসন। এমনকি ইরানে স্টারলিংক পরিষেবা চালুর পক্ষে সওয়াল করেছেন তিনি। ট্রাম্পের দাবি, ইরান আলোচনার জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছে। যদিও তেহরান সেই দাবি নাকচ করে জানিয়েছে, দেশের অভ্যন্তরে অশান্তি ছড়ানোর মূল্য চোকাতে হবে আমেরিকাকে।সরকারি টেলিভিশনে ভাষণ দিয়ে খামেনেই ট্রাম্পকে তীব্র ভাষায় আক্রমণ করেছেন। তাঁর বক্তব্য, ট্রাম্প একজন অযোগ্য ও অত্যাচারী শাসক। আগে নিজের দেশ সামলাক। খামেনেই দাবি করেছেন, খুব শীঘ্রই বিক্ষোভ নিয়ন্ত্রণে আসবে। যদিও বাস্তবে তার কোনও ইঙ্গিত নেই। অভিযোগ, বিক্ষোভ দমাতে ইরানে পুলিশ ও সেনা নির্বিচারে গুলি চালাচ্ছে। শুধু তেহরানেই দুই শতাধিক মানুষের মৃত্যুর খবর মিলেছে। গত বছরের ডিসেম্বর থেকে এই আন্দোলন চলছে। জানুয়ারির শুরু থেকেই দেশজুড়ে যোগাযোগ ব্যবস্থা কার্যত অচল।ইরানের অশান্তির প্রভাব বিদেশেও পড়েছে। লস এঞ্জেলসে ইরান সমর্থনে মিছিল চলাকালীন ভিড়ের মধ্যে ট্রাক ঢুকে পড়ার ঘটনা ঘটেছে। যদিও সেখানে কেউ হতাহত হয়নি। চালককে আটক করা হয়েছে।এই পরিস্থিতিতে ইরানে হামলা হলে তার জবাব দেওয়ার ক্ষমতা তেহরানের রয়েছে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ইরানের শীর্ষ নেতারা। ইরান পার্লামেন্টের স্পিকার মহম্মদ বাকার কালিবাফ জানিয়েছেন, আমেরিকা বড় ভুল হিসাব করছে। হামলা হলে ইজরায়েল ও মধ্যপ্রাচ্যে থাকা মার্কিন সেনাঘাঁটিগুলি নিশানা করা হবে বলেও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ইরানের প্রাক্তন সামরিক কর্তারাও।

জানুয়ারি ১৩, ২০২৬
বিদেশ

নোবেল নিয়ে পোপের দরবারে মাচাদো, ট্রাম্পের প্রেসিডেন্সির নেপথ্যে কি ভ্যাটিকান?

গত বছর ডোনাল্ড ট্রাম্পকে হারিয়ে নোবেল শান্তি পুরস্কার পেয়েছিলেন ভেনেজুয়েলার বিরোধী নেতা মাচাদো। সেই পুরস্কারই মার্কিন প্রেসিডেন্টের হাতে তুলে দিতে চান তিনি, যাতে নিকোলাস মাদুরোকে অপহরণ করে বন্দি করা যায়এমন দাবিও করেছিলেন মাচাদো। এবার সেই নোবেলজয়ীর সঙ্গে সাক্ষাৎ হল চতুর্দশ পোপ লিওর। এই সাক্ষাৎ ঘিরে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে।সোমবারই নিজেকে ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট বলে ঘোষণা করেছেন ট্রাম্প। তার মধ্যেই পোপের সঙ্গে মাচাদোর সাক্ষাৎ হওয়ায় প্রশ্ন উঠছে, ট্রাম্পের সমর্থনে ক্ষমতা দখলের প্রস্তুতি হিসেবেই কি এই বৈঠক? প্রথম মার্কিন পোপের সঙ্গে এই সাক্ষাতের রাজনৈতিক তাৎপর্য খতিয়ে দেখছেন বিশেষজ্ঞরা।জানা গিয়েছে, পোপ লিওর সঙ্গে দেখা করার কোনও পূর্বপরিকল্পনা ছিল না মাচাদোর। ভ্যাটিকান পরে তাদের দৈনিক বুলেটিনে এই সাক্ষাতের কথা উল্লেখ করে। তবে বৈঠকে কী আলোচনা হয়েছে, সে বিষয়ে কোনও বিস্তারিত তথ্য দেওয়া হয়নি। নরওয়েতে নোবেল শান্তি পুরস্কার পাওয়ার পর থেকেই ইউরোপ ও আমেরিকার বিভিন্ন দেশে সফর করছেন মাচাদো।আগামী সপ্তাহে তিনি আমেরিকা যাচ্ছেন। সেখানে হোয়াইট হাউসে ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে তাঁর বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। সেই গুরুত্বপূর্ণ সফরের আগেই পোপের সঙ্গে দেখা হওয়ায় রাজনৈতিক মহলে কৌতূহল আরও বেড়েছে। যদিও প্রথম মার্কিন পোপ লিও ভেনেজুয়েলার উপর আমেরিকার আগ্রাসনের প্রকাশ্য বিরোধিতা করেছেন।মাদুরোকে মার্কিন বাহিনীর হাতে অপহরণের ঘটনার পর ভেনেজুয়েলার স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের পক্ষে সরব হয়েছেন পোপ। তিনি জানিয়েছেন, ভেনেজুয়েলার পরিস্থিতির উপর তাঁর নজর রয়েছে এবং দেশের অবস্থা নিয়ে তিনি গভীরভাবে উদ্বিগ্ন। সামাজিক সুরক্ষা ও মানবাধিকার রক্ষার প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরেছেন পোপ লিও।অন্যদিকে, ট্রাম্প ও মাচাদোদুজনেই প্রকাশ্যে মাদুরোর বিরোধিতা করে আসছেন। তাঁদের অভিযোগ, মাদুরো দেশকে ধ্বংসের পথে নিয়ে যাচ্ছেন। ট্রাম্প মাদুরোর বিরুদ্ধে মাদক পাচারের অভিযোগ তুলেছেন। মাদুরো অপহৃত হওয়ার পর ট্রাম্পের সঙ্গে নিজের নোবেল শান্তি পুরস্কার ভাগ করে নেওয়ার প্রস্তাবও দিয়েছিলেন মাচাদো।এই প্রেক্ষাপটে পোপ লিওর সঙ্গে মাচাদোর সাক্ষাৎ যে নিছক সৌজন্য সাক্ষাৎ নয়, তা স্পষ্ট বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল। ভেনেজুয়েলার ক্ষমতার লড়াইয়ে এই বৈঠক নতুন সমীকরণ তৈরি করবে কি না, সেদিকেই তাকিয়ে বিশ্ব।

জানুয়ারি ১৩, ২০২৬
কলকাতা

এবার টুটু বোসকে তলব! এসআইআর শুনানিতে ডাকা হল মোহনবাগানের প্রাক্তন সভাপতিকে

এসআইআর শুনানিতে এবার হাজিরার নোটিস পেলেন প্রাক্তন সাংসদ এবং মোহনবাগানের প্রাক্তন সভাপতি স্বপনসাধন বোস, যিনি টুটু বোস নামেই পরিচিত। শুধু তাঁকেই নয়, একই সঙ্গে তলব করা হয়েছে তাঁর পুত্র তথা মোহনবাগান ক্লাবের সচিব সৃঞ্জয় বোসকেও। জানা গিয়েছে, টুটু বোসের গোটা পরিবারকে এসআইআর শুনানিতে হাজিরা দিতে বলা হয়েছে।এই ঘটনায় তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন মোহনবাগানের সহ-সভাপতি কুণাল ঘোষ। সোশাল মিডিয়ায় ক্ষোভ উগরে দিয়ে তিনি নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।এসআইআর শুনানিকে কেন্দ্র করে ইতিমধ্যেই বাংলার বহু বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বকে তলব করা হয়েছে। নোবেলজয়ী অমর্ত্য সেন, কবি জয় গোস্বামী, জাতীয় দলের ক্রিকেটার মহম্মদ শামির মতো পরিচিত মুখদের নাম সেই তালিকায় রয়েছে। এবার সেই তালিকায় যুক্ত হল বাংলার ফুটবল জগতের অন্যতম পরিচিত মুখ টুটু বোসের নাম। জানা যাচ্ছে, আগামী ১৯ জানুয়ারি তাঁকে বালিগঞ্জ গভর্নমেন্ট স্কুলে হাজিরা দিতে বলা হয়েছে। শুধু টুটু বোস নন, তাঁর পরিবারের সদস্যদেরও ডাকা হয়েছে ওই শুনানিতে। তালিকায় রয়েছেন প্রাক্তন সাংসদ সৃঞ্জয় বোসও।এই প্রসঙ্গে কুণাল ঘোষ ফেসবুকে লিখেছেন, টুটু বোস বাংলার ফুটবল ও মোহনবাগানের প্রাণপুরুষ। তিনি দীর্ঘদিন অসুস্থ এবং হুইলচেয়ার ছাড়া তাঁর চলাফেরা সম্ভব নয়। এমন অবস্থায় তাঁকে এবং তাঁর পরিবারকে হাজিরার নোটিস পাঠানো অমানবিক বলেই মন্তব্য করেন কুণাল। তাঁর অভিযোগ, এখন টুটু বোসকে প্রমাণ দিতে বলা হচ্ছে যে তিনি বাংলার নাগরিক। কুণাল ঘোষের দাবি, এই ঘটনার জবাব নির্বাচন কমিশন ও বিজেপিকে আসন্ন নির্বাচনে দিতে হবে।উল্লেখ্য, খেলোয়াড়দের এসআইআর শুনানির নামে হেনস্তার অভিযোগ তুলে সোমবার বিভিন্ন ক্ষেত্রের প্রায় ১৫০ জন ক্রীড়াবিদ প্রতিবাদে শামিল হয়েছিলেন। এর আগেই এই ইস্যুতে নির্বাচন কমিশনের কড়া সমালোচনা করেছেন তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও এই ধরনের নোটিস পাঠানোকে অমানবিক ও অসংবেদনশীল বলে উল্লেখ করে মুখ্য নির্বাচন কমিশনারকে চিঠি দিয়েছেন। সেই সবের পরেও টুটু বোসের মতো পরিচিত ও শ্রদ্ধেয় ব্যক্তিত্বকে তলব করা ঘিরে নতুন করে বিতর্ক শুরু হল রাজ্য রাজনীতিতে।

জানুয়ারি ১৩, ২০২৬
রাজ্য

নিপা ভাইরাসে কাঁপছে বাংলায়! আবার রাজ্যে ফিরছে কোয়ারেন্টাইন ..

বাংলায় ফের নিপা ভাইরাসের আতঙ্ক ছড়াল। উত্তর ২৪ পরগনার বারাসতের একটি বেসরকারি হাসপাতালের দুই নার্সের শরীরে নিপা ভাইরাসের সংক্রমণ ধরা পড়েছে বলে জানা গিয়েছে। গত ১১ জানুয়ারি কল্যাণীর এইমস-এর ভাইরাস রিসার্চ ও ডায়াগনস্টিক ল্যাবরেটরিতে পরীক্ষায় তাঁদের শরীরে নিপা ভাইরাসের উপস্থিতি ধরা পড়ে। নিশ্চিত হওয়ার জন্য নমুনা পুণের ল্যাবে পাঠানো হয়েছে।পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে কেন্দ্রীয় সরকারও নড়েচড়ে বসেছে। দিল্লি থেকে আজই একটি প্রতিনিধি দল রাজ্যে আসছে বলে জানা গিয়েছে। এদিকে আক্রান্ত নার্সদের সংস্পর্শে আসা এক চিকিৎসক, দুজন নার্স, একজন সাফাই কর্মী এবং একজন অ্যাম্বুলেন্স চালককে কোয়ারেন্টাইনে থাকার নির্দেশ দিয়েছে রাজ্যের স্বাস্থ্য দফতর।স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, নিপা আক্রান্ত নার্স অসুস্থ অবস্থায় কাটোয়ায় যাঁদের সংস্পর্শে এসেছিলেন, তাঁদের খোঁজ চালাতে একটি বিশেষ টিম গঠন করা হয়েছে। আক্রান্তদের সংস্পর্শে আসা ব্যক্তিদের তালিকা তৈরি করে তাঁদের শারীরিক অবস্থার উপর নজর রাখছেন পূর্ব বর্ধমান জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক।জানা যাচ্ছে, ওই নার্স ২ জানুয়ারি শারীরিক অসুস্থতা নিয়ে কাটোয়ার এক চিকিৎসকের ব্যক্তিগত চেম্বারে চিকিৎসা করাতে গিয়েছিলেন। চিকিৎসক সিদ্ধেশ্বর গুপ্ত জানিয়েছেন, ওই তরুণী একবার জ্ঞান হারিয়েছিলেন ঠিকই, তবে তখন জ্বর বা গা ব্যথার মতো কোনও অস্বাভাবিক উপসর্গ চোখে পড়েনি।এর পর ৩ জানুয়ারি ফের সংজ্ঞা হারালে পরিবারের লোকজন তাঁকে কাটোয়া মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে অবস্থার অবনতি হওয়ায় চিকিৎসকেরা তাঁকে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠান। পরে পরিবারের সদস্যরা তাঁকে বারাসতের একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেখানেই পরীক্ষার পর জানা যায়, তিনি নিপা ভাইরাসে আক্রান্ত।এই ঘটনায় রাজ্য জুড়ে উদ্বেগ বাড়ছে। স্বাস্থ্য দফতর জানিয়েছে, পরিস্থিতির উপর কড়া নজর রাখা হচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় সব সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

জানুয়ারি ১৩, ২০২৬
বিদেশ

থামছেই না হিন্দু খুন, ফেনিতে অটোচালক সমীর দাসকে হত্যা করে চম্পট দিল দুষ্কৃতীরা

বাংলাদেশে একের পর এক হিন্দু খুনের ঘটনা সামনে আসছে। দীপু দাসকে নৃশংসভাবে খুন করার ঘটনার পর থেকেই একাধিক হিন্দু যুবকের মৃত্যুর খবর মিলেছে। সেই তালিকায় এবার যুক্ত হল আরও একটি নাম। ফেনি জেলার দাগনভূঞায় খুন হল ২৮ বছরের অটোচালক সমীর কুমার দাস। অভিযোগ, তাঁকে খুন করে দুষ্কৃতীরা তাঁর অটোরিকশা নিয়ে পালিয়ে গিয়েছে।মর্মান্তিক এই ঘটনাকে ঘিরে এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। নিহত সমীর দাস দাগনভূঞা উপজেলার রামানন্দপুর গ্রামের বাসিন্দা। তাঁর বাবা কার্তিক কুমার দাস ও মা রিনা রানি দাস। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, দাগনভূঞা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কাছেই পরিকল্পিতভাবে সমীর দাসকে হত্যা করা হয়। খুনের পর তাঁর অটোরিকশা ছিনিয়ে নিয়ে পালায় দুষ্কৃতীরা।পরে স্থানীয় বাসিন্দারা রাস্তায় পড়ে থাকা দেহ দেখতে পেয়ে পুলিশে খবর দেন। দাগনভূঞা থানার পুলিশ এসে মৃতদেহ উদ্ধার করে। নিহতের পরিবার এই হত্যাকাণ্ডের সঠিক তদন্তের দাবি জানিয়েছে। তাঁদের দাবি, দ্রুত অভিযুক্তদের গ্রেফতার করে কড়া শাস্তি দেওয়া হোক। পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার সঙ্গে যুক্ত দুষ্কৃতীদের খোঁজে অভিযান শুরু হয়েছে।এর আগে কয়েকদিন আগে জয় মহাপাত্র নামে এক হিন্দু যুবককে বিষ খাইয়ে খুন করার অভিযোগ ওঠে। গত বছরের ডিসেম্বর মাসে ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক ওসমান হাদির মৃত্যুর পর থেকেই বাংলাদেশে নতুন করে অশান্তির আবহ তৈরি হয়। সেই পরিস্থিতিতেই প্রথমে হিন্দু যুবক দীপু দাসকে মারধর করে জীবন্ত জ্বালিয়ে দেওয়ার অভিযোগ ওঠে। এরপর একে একে আরও হিন্দু যুবকের মৃত্যুর খবর সামনে আসে। এই নিয়ে সাম্প্রতিক সময়ে মোট আটজন হিন্দু যুবকের মৃত্যুর ঘটনা ঘটল বলে জানা যাচ্ছে।

জানুয়ারি ১৩, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

নিরাপত্তার অজুহাত খারিজ, বাংলাদেশের ভারতে খেলা নিয়ে বড় বার্তা আইসিসির

মিথ্যেবাদী তকমা পাওয়ার পর ফের বড় ধাক্কার মুখে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড। নিরাপত্তাজনিত কারণ দেখিয়ে ভারতে খেলতে না আসার যে দাবি বিসিবি করেছিল, তা মানতে নারাজ আইসিসি। ক্রিকেটের নিয়ামক সংস্থা সূত্রে খবর, বাংলাদেশকে আগের সূচি অনুযায়ীই ভারতে খেলতে হবে। অর্থাৎ কলকাতা এবং মুম্বইতেই লিটন দাসদের ম্যাচ আয়োজন করা হবে।জানা গিয়েছে, বাংলাদেশের অভিযোগ নিয়ে স্বাধীনভাবে তদন্ত করেছে আইসিসি। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞদের দিয়ে খতিয়ে দেখা হয়েছে, ভারত সফরে এলে বাংলাদেশ দলের নিরাপত্তা নিয়ে কোনও বড় ঝুঁকি রয়েছে কি না। সেই মূল্যায়নের রিপোর্টে বলা হয়েছে, কলকাতা ও মুম্বইয়ে ম্যাচ আয়োজন নিয়ে ঝুঁকির মাত্রা কম থেকে মাঝারি। নিরাপত্তা নিয়ে বড় কোনও সমস্যা হওয়ার আশঙ্কা নেই।রিপোর্টে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, ভারত অতীতেও একাধিক বিশ্বমানের ক্রিকেট টুর্নামেন্ট সফলভাবে আয়োজন করেছে এবং ভবিষ্যতেও করবে। তাই বাংলাদেশের জন্য পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিতে ভারতীয় প্রশাসনের কোনও অসুবিধা হবে না। এই রিপোর্টের ভিত্তিতেই আইসিসি বাংলাদেশের ম্যাচ সরানো নিয়ে সিদ্ধান্ত নিতে চলেছে।এর আগে শোনা যাচ্ছিল, বিসিবির অনুরোধ কিছুটা মেনে কলকাতা ও মুম্বইয়ের বদলে চেন্নাই ও তিরুঅনন্তপুরমে ম্যাচ সরানো হতে পারে। কিন্তু নিরাপত্তা সংক্রান্ত ইতিবাচক রিপোর্ট পাওয়ার পর সেই সম্ভাবনা কার্যত ক্ষীণ। ফলে বাংলাদেশকে আগের সূচি মেনেই ভারতে খেলতে হতে পারে বলে মনে করছে ক্রিকেটমহল। যদিও আইসিসির তরফে এখনও চূড়ান্ত ঘোষণা হয়নি।উল্লেখযোগ্য ভাবে, সোমবারই আইসিসি স্পষ্ট করে জানিয়ে দেয় যে বাংলাদেশ ভুল তথ্য দিচ্ছে। অন্তর্বর্তী সরকারের ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ নজরুল দাবি করেছিলেন, আইসিসি নাকি জানিয়েছে মুস্তাফিজুর রহমান দলে থাকলে নিরাপত্তা সমস্যা বাড়বে এবং বাংলাদেশের নির্বাচনের কারণেও ঝুঁকি রয়েছে। কিন্তু আইসিসি সেই দাবি সম্পূর্ণ অস্বীকার করে জানায়, এমন কোনও মন্তব্য তারা করেনি। ক্রীড়া উপদেষ্টার এই বক্তব্যে আইসিসি যথেষ্ট বিরক্ত বলেই মনে করছেন ক্রিকেট মহলের একাংশ।

জানুয়ারি ১৩, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal