• ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, রবিবার ০৭ জুন ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Pregnant

রাজ্য

ডেলিভারির দিনেই শুনানি কেন্দ্রে হাজির! তারপরেই অন্তঃসত্ত্বা মহিলাকে যা বললেন আধিকারিকরা

শুরু হয়ে গিয়েছে এসআইআর-এর দ্বিতীয় ধাপের শুনানি। শনিবার ছিল চন্দ্রকোনা-২ ব্লকের প্রথম দিনের শুনানি। সেই শুনানিতেই ঘটে গেল এক চাঞ্চল্যকর ঘটনা। যেদিন শুনানির জন্য ডাকা হয়েছিল, সেদিনই ছিল এক তরুণীর সম্ভাব্য সন্তান প্রসবের দিন। তবুও গর্ভে সন্তান নিয়ে শুনানি কেন্দ্রে হাজির হলেন ২৭ বছরের বন্দনা মণ্ডল।বন্দনার বাড়ি চন্দ্রকোনার কুঁয়াপুরে। স্বামী শুভ্রপ্রকাশ মণ্ডল চাষবাস করে সংসার চালান। শনিবার চন্দ্রকোনা-২ ব্লকের বিডিও অফিসে ছিল এসআইআর শুনানি কেন্দ্র। সকাল থেকেই ভিড়ে ঠাসা ছিল অফিস চত্বর। উপস্থিত ছিলেন বিডিও, ব্লকের ছজন এআরও, কমিশন নিযুক্ত ছজন মাইক্রো অবজার্ভার এবং বিভিন্ন বুথের বিএলওরা।ব্লক প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রথম পর্বে মোট ৭০ জনকে শুনানির জন্য ডাকা হয়েছিল। সকলেই প্রয়োজনীয় নথি নিয়ে হাজির হন। সেই সময়ই নজরে আসে, শুনানি কেন্দ্রের নিচের তলায় বসে রয়েছেন এক গর্ভবতী মহিলা। শুধু তাই নয়, অনেক বৃদ্ধ-বৃদ্ধাকেও দেখা যায় শুনানিতে হাজির হতে। কেউ এক চোখে দেখতে পান না, কারও চোখে ছানি। তবে গর্ভবতী মহিলাকে দেখে কার্যত বিস্মিত হয়ে পড়েন উপস্থিত আধিকারিকরা। কারণ, নিয়ম অনুযায়ী এমন অবস্থায় বাড়িতে গিয়ে শুনানির ব্যবস্থা করার নির্দেশিকা রয়েছে।এদিকে বন্দনার স্বামী তখন বিএলও-র সঙ্গে দোতলায় শুনানির কাজে ব্যস্ত ছিলেন। পরে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, বন্দনার শ্বশুরবাড়ি কুঁয়াপুরে হলেও তাঁর বাপের বাড়ি চন্দ্রকোনার জয়ন্তীপুরে। সেখানকার ১৪৯ নম্বর বুথের বিএলও শুভাশিস গোস্বামী বন্দনার বাপের বাড়িতেই এসআইআর ফর্ম জমা দিয়েছিলেন। ২০০২ সালের ভোটার তালিকা অনুযায়ী ফর্ম পূরণ করা হয়। বিয়ের পর ঠিকানা পরিবর্তন সংক্রান্ত বিষয়েই প্রোজেনি ভোটার হিসেবে বন্দনাকে শুনানিতে ডাকা হয়।২২ ডিসেম্বর বন্দনার বাপের বাড়িতে নোটিস দিয়ে যান বিএলও। বন্দনা এবং তাঁর স্বামী জানিয়েছিলেন, ডিসেম্বরের শেষের দিকে ডেলিভারির সম্ভাবনার কথা চিকিৎসক জানিয়েছেন। সম্ভাব্য ডেলিভারির তারিখ ছিল ২৭ ডিসেম্বর, অর্থাৎ শুনানির দিনই। কিন্তু সেই তথ্য বিএলও বা প্রশাসনের কাছে পৌঁছয়নি।চন্দ্রকোনা-২ ব্লকের বিডিও উৎপল পাইক জানান, বিষয়টি আগে জানানো হলে বাড়িতেই শুনানির ব্যবস্থা করা যেত। নোটিস দেওয়ার সময়ও ডেলিভারির তারিখ সম্পর্কে কিছু জানানো হয়নি। ঘটনার কথা জানামাত্রই বিডিও, এআরও এবং মাইক্রো অবজার্ভাররা নিচে নেমে আসেন। দ্রুত বন্দনার নথি যাচাই করে তাঁকে বাড়ি ফিরে যাওয়ার ব্যবস্থা করা হয়।

ডিসেম্বর ২৮, ২০২৫
রাজ্য

মেদিনীপুর মেডিক্যালে নিষিদ্ধ স্যালাইনে রোগী মৃত্যুতে তোলপাড়, তদন্তে ১৩ সদস্যের কমিটি

মেদিনীপুর মেডিক্যালে নিষিদ্ধ স্যালাইন ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে। ইতিমধ্যে মৃত্যু হয়েছে এক প্রসূতির। আরও চার প্রসূতির মধ্যে দুজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।অভিযোগ খতিয়ে দেখতে ইতিমধ্যে ১৩ সদস্যের মেডিক্যাল টিম গঠন করেছে স্বাস্থ্য দফতর। ওই টিমে রয়েছেন রাজ্য ড্রাগ কন্ট্রোল বোর্ডের সদস্যরাও।অভিযোগ খতিয়ে দেখতে শনিবার ১৩ সদস্যের ওই তদন্তকারী টিম যাচ্ছেন মেদিনীপুরে।স্বাস্থ্য সচিব নারায়ণস্বরূপ নিগম বলেন, যে স্যালাইন দেওয়া হয়েছে, তার ব্যাচ নিয়ে কিছু অভিযোগ উঠেছে। বিষয়টি খতিয়ে দেখতে তদন্তকারী দল গঠন করা হয়েছে।শনিবার ওই টিম ঘটনাস্থলে গিয়ে সব কিছু খতিয়ে দেখবেন। কারও গাফিলতি প্রমাণিত হলে যথাযত পদক্ষেপ করা হবে বলেও জানিয়েছেন স্বাস্থ্যসচিব।ঘটনার সূত্রপাত, সন্তান জন্ম দেওয়ার পরই অসুস্থ হয়ে পড়ছিলেন একের পর এক প্রসূতি। শুক্রবার সকালে তাঁদেরই মধ্যে একজনের মৃত্যু হয়।মৃত প্রসূতির পরিবারের অভিযোগ, সন্তানের জন্ম হওয়ার পর থেকেই প্রসূতিদের শারীরিক অবস্থার অবনতি হতে শুরু করে। প্রস্রাবের সঙ্গে রক্তপাত হয়। স্যালাইনেই সমস্যাতেই এমন বিপত্তি হয়েছে। ভর্তি থাকা প্রসূতিদেরও স্বজনরাও অভিযোগ করেন, মেয়াদ উত্তীর্ণ স্যালাইন দেওয়া হয়েছিল। তার জেরেই এমন কাণ্ড।

জানুয়ারি ১২, ২০২৫
রাজ্য

মালদার বামনগোলায় খাটিয়ায় বয়ে নিয়ে যাওয়া বধূ মৃত্যুর অভিযোগে দিনভর শোরগোল

মালদার বামগোলায় তরুণী মৃত্যুর ঘটনায় নিন্দার ঝড়। খাটিয়ায় রোগী নিয়ে যাওয়ার ভাইরাল ভিডিও ঘিরে দিনভর তোলপাড় হল বাংলা। চলেছে রাজনৈতিক চাপানউতোর। এসবের মধ্যেই ওই তরণীর মর্মান্তির পরিণতি নিয়ে বড় দাবি করে বসলেন রাজ্যের মন্ত্রী সিদ্দিকুল্লা চৌধুরী। রাজ্যের গ্রন্থাগার মন্ত্রীর মতে, হতশ্রী রাস্তার জন্য নয়, ভাগ্যের কারণেই মালডাঙা গ্রামের তরুণীর মৃত্যু হয়েছে!খাটে শুয়ে অসুস্থ গৃহবধূ। আর সেই খাট বাঁশ আর দড়ি দিয়ে পালকির মতো বেঁধে বেহাল রাস্তা দিয়ে হেঁটে নিয়ে যাচ্ছেন অসুস্থ গৃহবধুর পরিবারের লোকেরা। যদিও ওইভাবে হাসপাতালে যাওয়ার সময়ই মৃত্যু হয় ওই গৃহবধূর। সোশ্যাল মিডিয়ায় এমন ভাইরাল ভিডিও মুহূর্তে ছড়িয়ে পড়তেই তুমুল শোরগোল পড়ে যায়। ঘটনাটি মালদার আদিবাসী অধ্যুষিত বামনগোলার গোবিন্দপুর মহেশপুর পঞ্চায়েতের মালডাঙা গ্রামের। স্থানীয় বাসিন্দাদের বক্তব্য, গ্রামের এই কাঁচামাটির রাস্তায় কোনও গাড়ি ঢুকতে চায় না। তাই ওই গৃহবধুর পরিবারের লোকেরা মাচা তৈরি করে নিকটবর্তী হাসপাতালে নিয়ে যাচ্ছিলেন ওই গৃহবধূকে। কিন্তু শেষমেশ আর তাঁকে বাঁচানো যায়নি।মালদার বামগোলায় তরুণী মৃত্যুর ঘটনায় নিন্দার ঝড়। শুরু হয়েছে রাজনৈতিক চাপানউতোর। এসবের মধ্যেই ওই তরণীর মর্মান্তির পরিণতি নিয়ে বড় দাবি করলেন সিদ্দিকুল্লা চৌধুরী। রাজ্যের গ্রন্থাগার মন্ত্রীর মতে, হতশ্রী রাস্তার জন্য নয়, ভাগ্যের কারণেই মালডাঙা গ্রামের তরুণীর মৃত্যু হয়েছে।মৃতের নাম মামনি রায় (২০)। দুই বছর আগে এলাকার বাসিন্দা কার্তিক রায়ের সঙ্গে বিয়ে হয়েছিল মামনির। সম্প্রতি তিনি জ্বরে ভুগছিলেন বলে খবর। শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় এলাকার বাসিন্দারা তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার তোড়জোড় করেন। বাড়িতে তাঁর ২ বছরের এক সন্তানও রয়েছে। অভিযোগ, বেহাল রাস্তার বলি হলেন বছর কুড়ির গৃহবধূ।দীর্ঘ দিন ধরেই বেহাল ওই রাস্তা। প্রশানের কাছে জানিয়েও কাজের কাজ হয়নি বলে অভিযোগ স্থানীয়দের। গা শিউরে ওঠার মতো এই ঘটনা বিচ্ছিন্ন বলেই দাবি জেলা তৃণমূল নেতাদের।কিন্তু, বামগোলার ঘটনা নিয়ে শোরগোল ফেলা মন্তব্য করে বিতর্ক বাড়িয়েছেন মমতা মন্ত্রিসভার সদস্য সিদ্দকুল্লা চৌধুরী। শনিবার বর্ধমান শহরে জমিয়তে উলেমায়ে হিন্দের যুদ্ধ বিরতি মিছিলে অংশ নিয়ে তিনি বলেন, রাস্তার কারণে নয়, ভাগ্যে ছিল তাই ওই তরুণীর মৃত্যু হয়েছে। ১০০ জনের মধ্যে ১ জনের অবস্থার ভিত্তিতে বাকি ৯৯ জনকে খারাপ বলব কি করে। হাতে কষ্ট হলে কি বলব মাথা খারাপ হয়েছে? আমাদের বললেই সারিয়ে দিতাম।বামনগোলা নিয়ে সিদ্দিকুল্লার বক্তব্য প্রসঙ্গে রাজ্য বিজেপি মুখপাত্র শমীক ভট্টাচার্য বলেছেন, মধ্যযুগীয় বর্বরতা চলছে। এ ধরণের অসংবেদনশীল মানুষই রাজ্যের মন্ত্রী। এবার এসএসকেএম সহ রাজ্যের সব হাসপাতালে তান্ত্রিক, ওঝা বসবে। আসলে বিরোধী জনপ্রতিনিধি হলেই সেই পঞ্চায়েত, পুরসভার ওয়ার্ড বা বিধানসভায় কাজ করার সুযোগ নেই। টাকা অনুমোদনই হয় না। ফলে রাস্তার ওই বেহাল অবস্থা।সিপিএম নেতা সুজন চক্রবর্তী বলেছেন, ওনার কথা মুখ্যমন্ত্রী লুফে নেবেন। যাঁরা চাকরির দাবিতে রাস্তায় বসে রয়েছেন মন্ত্রী তাঁদের কাছে গিয়ে বলুন যে ভাগ্যের জন্যই তারা ন্যায্য চাকরি থেকে বঞ্চিত, দুর্নীতির দায়ে জেলবন্দি পার্থ, বালুদের বলুন ভাগ্যের কারণেই তাঁদের এই পরিণতি। উনি মুখ্যমন্ত্রীকে বলুন ভাগ্য ভাল তাই মমতা এখনও টিঁকে গেছেন। এরা মন্ত্রী বলতে লজ্জা করে।

নভেম্বর ১৮, ২০২৩
রাজ্য

এক অন্তঃসত্ত্বার গাড়ি আটকে টোল আদায়ের নামে দাদাগিরি, নিন্দার ঝড় বীরভূম জুড়ে

দাদাগিরি করে গাড়ি থেকে টাকা আদায়ের অভিযোগ উঠল একটি টোলের কর্মীদের বিরুদ্ধে। এক অন্তঃসত্ত্বার গাড়ি আটকে দাদাগিরি করার ছবি ভাইরাল হতেই নিন্দার ঝড় ওঠে বীরভূম জেলা জুড়ে। নদীর বুক চিড়ে রাস্তা তৈরি করে টোলা আদায়ের আইনত বৈধতা নিয়েও প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছেন এলাকার মানুষ। তবুও প্রশাসনের মদতেই চলছে টোলের দাদাগিরি।ঘটনাটি ঘটেছে বীরভূমের নলহাটি ১ নম্বর ব্লকের ব্রহ্মাণী নদীর উপর দেবগ্রাম ঘাটে। ওই এলাকায় নলহাটি ১ নম্বর পঞ্চায়েত সমিতি থেকে নদীর বুকের উপর হিউম পাইপ দিয়ে ঢালায় দিয়ে যাতায়াতের রাস্তা নির্মাণ করে। বছর তিনেক আগে ওই কজওয়ের চালু করা হয়। এরপরেই ওই কজওয়ে পারাপারের জন্য গাড়ি পিছু মোটা অঙ্কের টাকা আদায় করে এলাকার কিছু মানুষ। কিন্তু টোল আদায়ের নামে কর্মীদের দাদাগিরিতে তিতিবিরক্ত এলাকার মানুষ। এনিয়ে প্রায় এলাকায় অশান্তি বাধে। মঙ্গলবার দুপুরে ওই টোলের কর্মীদের দাদাগিরিতে দীর্ঘক্ষণ আটকে পরে অন্তঃসত্ত্বার গাড়ি। আধাঘণ্টা পর অন্তঃসত্ত্বার গাড়ি ছাড়ে টোলের কর্মীরা। টোলে কর্মীদের দাদাগিরির ছবি ভাইরাল হতেই তৎপর হয় প্রশাসন। অন্তঃসত্ত্বা মহিলার স্বামী মোস্তফাডাঙা গ্রামের বাসিন্দা নাসিম শেখ বলেন, স্ত্রীকে নিয়ে হাসপাতালে আসছিলাম। কাছে পয়সা ছিল না। কিন্তু টোল কর্মীরা টাকা দেওয়ায় দীর্ঘক্ষণ গাড়ি আটকে দেয়। আধঘণ্টা পর বাড়ি থেকে টাকা নিয়ে এসে দিলে গাড়ি ছাড়ে।পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি আশাধন মাল বলেন, আমারও অমানবিক ঘটনার খবর জেনেছি। খবর পাওয়ার পরেই টোলের ঠিকাদার রিপন শেখকে ডেকে পাঠানো হয়েছে। প্রয়োজনে তার চুক্তি বাতিল করা হবে। কারণ চুক্তির সময় বলা হয়েছিল স্থানীয় গাড়ি, কিংবা রোগীর গাড়ির কোন টোল নেওয়া যাবে না। তা সত্ত্বেও কেন জোর করে টাকা নেওয়া হচ্ছে বুঝতে পারছি না। বিডিও মধুমিতা ঘোষ বলেন, বিষয়টি দুপুরেই জেনেছি। খুব দুঃখজনক ঘটনা। যারা এই ঘটনার সঙ্গে যুক্ত তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অবশ্য অমানবিক ঘটনায় কর্মীদের পক্ষেই সাওয়াল করেছেন টোলের অন্যতম ঠিকাদার তাপস বিশ্বাস। তিনি বলেন, আট জন মিলে ১৭ লক্ষ টাকা জমা দিয়ে এক বছরের জন্য টোলের দায়িত্ব নিয়েছি। রোগী থাকলে গাড়ি থেকে টাকা নেওয়া যাবে না সেটা কেউ বলেনি। কর্মীরা কেউ দাদাগিরি করেনি। কেউ যদি টাকা না দেয় তাহলে তো গাড়ি আটকে রাখবেই। কর্মীরা কোন ভুল করেনি।

সেপ্টেম্বর ২১, ২০২২
দেশ

তিন মাসের অন্তঃসত্ত্বাকে চাকরি নয়! স্টেট ব্যাংকের নির্দেশে চরমে বিতর্ক, অবশেষে সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার

সর্বত্রই যখন মহিলা ক্ষমতায়নে উদ্যোগী সরকার। এই পরিস্থিতিতে দেশের সর্ববৃহৎ রাষ্ট্রায়ত্ত্ব ব্যাংকের নির্দেশে তৈরি হয়েছে নয়া বিতর্ক। স্টেট ব্যাংক অব ইন্ডিয়ার নয়া নির্দেশে বলা হয়েছে তিন মাসের বেশি অন্তঃসত্ত্বা মহিলারা চাকরির ক্ষেত্রে সাময়িকভাবে অনুপযুক্ত। সন্তানের জন্ম দেওয়ার চার মাস পরই চাকরিতে যোগ দিতে পারবেন একজন মহিলা। আর এই নয়া নির্দেশ ঘিরে তৈরি হয়েছে বিতর্ক। স্টেট ব্যাংক অব ইন্ডিয়া এই নোটিস প্রকাশ করার পর তীব্র বিরোধিতা করেছেন অনেকে। ব্যাংক কর্তৃপক্ষের পাশাপাশি, কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামণের কাছেও আর্জি জানিয়েছেন অনেকে, যাতে অবিলম্বে এই নির্দেশ প্রত্যাহার করা হয়।Press release relating to news items about required fitness standards for recruitment in Bank. Revised instructions about recruitment of Pregnant Women candidates stands withdrawn.@DFS_India pic.twitter.com/QXqn3XSzKF State Bank of India (@TheOfficialSBI) January 29, 2022চরম বিতর্কের মুখে মহিলাদের নিয়োগ সংক্রান্ত নির্দেশিকা প্রত্যাহার করল স্টেট ব্যাংক অব ইন্ডিয়া। শনিবার সকালে থেকেই অন্তঃসত্ত্বা মহিলাদের নিয়োগ সংক্রান্ত নির্দেশিকা নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়। নির্দেশিকা প্রত্যাহারের দাবি ওঠে বিভিন্ন মহল থেকে। এরপরই তা প্রত্যাহার করে নিল এসবিআই। টুইট করে প্রত্যাহারের কথা জানানো হয়েছে ব্যাংকের তরফে। তবে ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষের দাবি, আদতে তাঁদের নির্দেশের অপব্যাখ্যা হয়েছে। স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া যে সর্বদা মহিলাদের ক্ষমতায়নে জোর দিয়েছে, সে কথাও উল্লেখ করা হয়েছে। স্টেট ব্যাঙ্ক জানিয়েছে, বর্তমানে দেশ জুড়ে তাঁদের মোট কর্মীর ২৫ শতাংশই মহিলা। মহিলাদের সুরক্ষার কথা ভেবে পুরনো নিয়মে পরিবর্তন করা হয়েছিল বলে দাবি স্টেট ব্যাঙ্কের।সোশ্যাল মিডিয়ায় সরব হয়েছেন বিভিন্ন ক্ষেত্রের মানুষ। অবিলম্বে ব্যাংক কর্তৃপক্ষকে এই নির্দেশ প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছেন অনেকেই। ইতিমধ্যে দিল্লির মহিলা কমিশনের তরফ থেকে নোটিস দেওয়া হয়েছে এসবিআই-কে। ওই নির্দেশকে বৈষম্যমূলক ও অনৈতিক বলে উল্লেখ করা হয়েছে।সম্প্রতি মহিলাদের নিয়োগ সংক্রান্ত নয়া নির্দেশিকা প্রকাশ করেছে স্টেট ব্যাংক অব ইন্ডিয়া। সেখানে তিন মাসের বেশি অন্তঃসত্ত্বা, এমন মহিলাদের টেম্পোরারিলি আনফিট অর্থাৎ সাময়িকভাবে কাজের অনুপযুক্ত বলে দাবি করা হয়েছে। নির্দেশে উল্লেখ করা হয়েছে সন্তানের জন্ম দেওয়ার চার মাস পর একজন মহিলা সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের চাকরিতে যোগ দিতে পারবেন। নতুন যাঁরা স্টেট ব্যাংক অব ইন্ডিয়ায় আবেদন করবেন, তাঁদের ক্ষেত্রে এই নিয়ম প্রযোজ্য হবে।

জানুয়ারি ২৯, ২০২২
রাজ্য

Malda Crime: দুই হাত শিকল বাঁধা, মালদায় শ্বশুরবাড়ির নির্যাতনে থানায় অন্তঃসত্ত্বা বধূ

হাতে শিকল বাঁধা, তাতে আবার তালা দেওয়া। সেই অবস্থায় থানায় গিয়ে শ্বশুর বাড়ির বিরুদ্ধে অভিযোগ জানালেন তিন মাসের অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধূ। এই ঘটনায় মালদার চাঁচল থানার মোবারকপুর এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। বধূ নির্যাতনের এমন তালিবানি কায়দা দেখে চক্ষু চড়কগাছ পুলিশ কর্তাদের। অভিযোগ, পণ না দেওয়ায় এমন শাস্তি দিয়েছে শ্বশুরবাড়ির লোকজন।দিনের পর দিন শিকলবন্দি অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধূ নির্যাতনের শিকার হাওয়ায় অবশেষে শশুর বাড়ি থেকে পালিয়ে থানার দ্বারস্থ হয়েছেন। চাঁচল থানার মকদমপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের মোবারকপুর এলাকায় এই ঘটনায় বাকরুদ্ধ পুলিশ কর্তারা। অভিযোগকারিনীর দুই হাত তালা দিয়ে শিকল বাঁধা। গৃহবধূকে শিকলবন্দি অবস্থা থেকে মুক্ত করে পুলিশ। শ্বশুরবাড়ির বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেছেন ওই গৃহবধূ। এরপরই তদন্ত শুরু করে চাঁচল থানার পুলিশ। অসুস্থ গৃহবধূকে চাঁচল সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে নিয়ে গিয়ে প্রাথমিক চিকিৎসা করানোর ব্যবস্থা করেন পরিবারের লোকেরা।পুলিশ জানিয়েছে, পাঁচ বছর আগে চাঁচল-এক ব্লকের মকদমপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের আশ্বিনপুরের বাসিন্দা পিঙ্কি খাতুনের(২২) বিয়ে হয় মোবারকপুর গ্রামের বাসিন্দা সাহেব আলির। সাহেব পেশায় দিনমজুর। তাঁদের দুটি কন্যা সন্তান রয়েছে। ওই বধূ এখন তিনমাসের অন্তঃসত্বা। অভিযোগ, বিয়ের পর থেকেই পণের জন্য পিংকি খাতুনকে শিকল বন্দি করে রাখতো শ্বশুর বাড়ির লোকেরা। তারপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চলত পিংকির ওপর। নির্যাতিত গৃহবধূ এই ঘটনার কথা তাঁর বাবা-মায়ের কাছে জানিয়েছিলেন। জানা গিয়েছে, এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে একাধিকবার গ্রামে সালিশি সভা হয়েছে। তাতেও সমস্যা মেটেনি।দুই সন্তান, বধূ অন্তঃসত্ত্বা তবু পণ নিয়ে দিন কয়েক ধরে অত্যাচারের মাত্রা চরমে ওঠ। অভিযোগ, সোমবার রাতে শিকল দিয়ে বেঁধে চরম মারধর করে স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির লোকজনেরা। গলায় শাড়ির আঁচল পেচিয়ে শ্বাসরোধ করে প্রাণে মারার চেষ্টাও করা হয়। এমনই অভিযোগ তুলেছে ওই পিংকি। এরপরই কোনওরকমে সেখান থেকে সকলের অলক্ষ্যে বাড়ি থেকে পালিয়ে প্রাণে বাঁচেন ওই বধূ। পিংকি মঙ্গলবার চাঁচল থানায় শ্বশুরবাড়ির বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেন। এদিকে অভিযোগ পেয়ে নড়েচড়ে বসেছে চাঁচল থানার পুলিশ। চাঁচল থানার আইসি সুকুমার ভোজ জানিয়েছেন, বিষয়টি নিয়ে তদন্ত শুরু করা হয়েছে।পিঙ্কি খাতুন জানিয়েছেন, পণের জন্য আমার উপর শারীরিক ও মানসিক অত্যাচার চালাত স্বামীর সঙ্গে শ্বশুরবাড়ির লোকজন। যাতে পালিয়ে যেতে না পারি তাই স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির লোকেরা হাতে শিকল পেচিয়ে তালা মেরে রাখতো। মারধরও চলতো। মঙ্গলবার ঝুঁকি নিয়ে শ্বশুর বাড়ি থেকে পালিয়ে থানায় চলে আসি। এছাড়া বাঁচার কোনও আশা ছিল না।

নভেম্বর ০৯, ২০২১
রাজ্য

Wall Collapsed: ঘরের দেওয়াল ভেঙে আহত পরিবারের অন্তঃসত্ত্বা মহিলা সহ পাঁচ

ঘরে ঘুমিয়ে থাকার সময় দেওয়াল ভেঙে পড়ায় আহত হলেন অন্তঃসত্ত্বা মহিলা সহ একই পরিবারের পাঁচ জন। শনিবার ভোরে ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব বর্ধমানের পূর্বস্থলী ১ ব্লকের মাগনপুর গ্রামে। প্রতিবেশীরা আহতদের সবাইকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যান। এই ঘটনার খবর পেয়ে সকালেই এলাকার বিধায়ক তপন চট্টোপাধ্যায়, ব্লকের বিডিও দেবব্রত জানাসহ জনপ্রতিনিধিরা হাসপাপালে গিয়ে আহতদের শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নেন।প্রশাসন ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, পূর্বস্থলীর জাহান্নগর পঞ্চায়েতের মাগনপুরে বাড়ি দে পরিবারের। ইট ও মাটির গাঁথনির দেওয়াল ও টিনের চালার ঘরে দে পরিবারের সদস্যরা বসবাস করেন। ওই ঘরেতেই এদিন ভোরে পরিবারের সদস্যরা ঘুমাচ্ছিলেন। সেইসময় আচমকাই বাড়ির দেওয়ালসহ টিনের চালা হুড়মুডিয়ে ঘেঙে পড়ে।ভেঙে পড়া সেই দেওয়ালের নিচে চাপা পড়ে যান পরিবারের এক অন্তঃসত্ত্বা মহিলাসহ পাঁচ জন।প্রতিবেশীরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌছে গিয়ে ভেঙে পড়া দেওয়াল সরিয়ে তাঁদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গিয়ে ভর্তি করেন। পরিবারের সদস্যরা মনে করছেন নিম্নচাপের জেরে বিগত কয়েকদিন ধরে হওয়া বৃষ্টিপাতের জেরে ইট মাটির গাঁথনির দেওয়ল দুর্বল হয়ে পড়ায় এই দুর্ঘটনা ঘটেছে।

অক্টোবর ২৩, ২০২১
রাজ্য

Abortion: পেটে লাথি মেরে গৃহবধূর গর্ভজাত সন্তান নষ্ট করার অভিযোগে গ্রেফতার স্বামী ও ভাশুর

পেটে লাথি মেরে বধূর গর্ভজাত সন্তান নষ্ট করে দেওয়ার অভিযোগে স্বামী ও ভাশুরকে গ্রেফতার করলো পুলিশ। ধৃতদের নাম সাদ্দাম শেখ ও সামাত শেখ। তাদের বাড়ি পূর্ব বর্ধমানের ভাতার থানার আমবোনা গ্রামে। ভাতার থানার পুলিশ বৃহস্পতিবার গভীর রাতে বাড়ি থেকে তাদের গ্রেফতার করে। সুনির্দিষ্ট ধারায় মামলা রুজু করে পুলিশ শুক্রবার দুই ধৃতকে পেশ করা হয় বর্ধমান আদালতে। সিজেএম ধৃতদের বিচার বিভাগীয় হেফাজতে পাঠিয়ে আগামী শুক্রবার ফের আদালতে পেশের নির্দেশ দিয়েছেন।আরও পড়ুনঃ পর্নোগ্রাফি ছবি তৈরির অভিযোগে গ্রেফতার বলিউড অভিনেত্রীর স্বামীপুলিস জানিয়েছে, নির্যাতিতা গৃহবধূর নাম চুমকি বেগম। গলসি থানার গোলগ্রামে চুমকির বাবার বাড়ি। বছর চারেক আগে ভাতারের আনবোনার যুবক সাদ্দামের সঙ্গে তাঁর বিয়ে হয়। বিয়েতে চাহিদামতো পণ দিয়েছিল বধূর বাবার বাড়ির লোকজন। বিয়ের দুমাস পর যৌতুকের পরিমাণ নিয়ে প্রশ্ন তুলে বধূর উপর মানসিক নির্যাতন শুরু হয়। পাশাপাশি তাঁর স্বামী বাইক কেনার জন্য চুমকিকে বাপের বাড়ি থেকে আরও ৫০ হাজার টাকা আনার জন্য চাপ দেওয়া শুরু করে। এই পরিস্থিতিতে মেয়ের ভবিষ্যতের কথা ভেবে গৃহবধূর বাপের বাড়ি লোকজন জামাইকে বাইক কিনে দেয়। এছাড়াও আরও ২০ হাজার টাকা দেওয়া হয়।আরও পড়ুনঃ পেগাসাস স্পাইওয়্যার! ভাবের ঘরে চুরি? আপনি কতটা সুরক্ষিত? আক্রান্ত কারা?অভিযোগ, এসব চাহিদা পূরণ হলেও বধূ নির্যাতন বন্ধ হয়নি। অত্যাচার চলতেই থাকে। গৃহবধূ চুমকি ৪ মাসের অন্তঃসত্ত্বা থাকার সময়ে তাঁকে গর্ভপাত করার জন্য এরপর চাপ দেওয়া শুরু করে স্বামী ও শ্বশুর বাড়ির সদস্যরা। চুমকি তাতে রাজি না হওয়ায় তাঁর উপর অত্যাচার বাড়ে। ২০১৮ সালের ৩০ আগস্ট রাতে তাঁকে মারধর করা হয়। পেটে লাথি মারা হয়। তাতে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন। বাপের বাড়ির লোকজন তাঁকে বর্ধমান শহরের একটি নাির্সংহোমে নিয়ে আসেন। সেখান থেকে তাঁকে পানাগড়ের একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তিনি মৃত সন্তান প্রসব করেন। দুমাস পর তিনি শ্বশুরবাড়িতে ফেরেন। ফের তাঁর উপর নির্যাতন শুরু হয়। দুমাসের অন্তঃসত্ত্বা অবস্থায় তাঁকে শ্বশুরবাড়ি থেকে তাড়িয়ে দেওয়া হয়। এই ঘটনার বিচার চেয়ে চুমকি বেগম বর্ধমান আদালতে মামলা করেন। সিজেএম কেস রুজু করে তদন্তের জন্য ভাতার থানার ওসিকে নির্দশ দিলে পুলিশ বধূর স্বামী ও ভাশুরকে গ্রেপ্তার করে।

জুলাই ২৩, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Mother : মা হচ্ছেন অভিনেত্রী ইভিলিন শর্মা

সায়ান্তন সেনমা হতে চলেছেন অভিনেত্রী ইভিলিন শর্মা। ইভিলিন শর্মা ও তাঁর হাসব্যান্ড তুষার ভিন্ডি যারা দুজন এই বছরের শুরুতেই চার হাত এক করেছিলেন তাদের কোল আলো করে এক ফুটফুটে নতুন অতিথি আসছে ইন্সটাগ্রাম পোস্ট মারফৎ এমনটাই জানিয়েছেন ইভিলিন। ইন্সটা তে তিনি লেখেন, আমার হাত দিয়ে তোকে ধরার জন্য আর অপেক্ষা করতে পারছি না।আরও পড়ুনঃ পায়েল মুখার্জীর হিন্দি সিনেমা বিশেষ সম্মানে ভূষিততাঁর এই পোস্ট পড়ে সোনাল চৌহান, এলি আব্রাহাম এবং আরও অন্যান্য অভিনেত্রীরা কমেন্ট করে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। ইয়ে জাবানি হে দিওয়ানি, জাব হ্যারি মেট সজল, সাহু, ফ্রম সিডনি উইথ লাভের মতো সিনেমায় অভিনয় করা ইভিলিন শর্মা এই বছরের শুরুতে চার হাত এক করে বলেছিলেন প্রিয় বন্ধুর সঙ্গে বিয়ে হওয়ার মত ভাল মুহূর্ত আর কিছু হয় না। একসঙ্গে জীবন কাটানোর জন্য তারা খুব উচ্ছ্বসিত। এর কয়েকমাস পরেই নতুন অতিথির কথা জানিয়ে দিলেন ইভিলিন। এখন থেকে দিন গোনা শুরু।

জুলাই ১১, ২০২১
রাজ্য

Baby Delivered: বন্ধ রেলগেট, হাসপাতালের রাস্তাতেই সন্তান প্রসব

দীর্ঘক্ষণ ধরে বন্ধ রেলগেট। অপেক্ষা করতে করতে গাড়িতেই প্রসব (Baby delivery) করলেন বর্ধমানের প্রসূতি। তারপর তাদের নিয়ে যাওয়া হয় বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে। মা সুস্থ রয়েছে বলে খবর। সদ্যোজাত শিশুকে রাখা হয়েছে পর্যবেক্ষণে। এই ঘটনায় ক্ষুব্ধ স্থানীয় বাসিন্দারা। তাঁদের বক্তব্য, প্রতিদিনই বেশিরভাগ সময় বন্ধ থাকে তালিত রেলগেট। ফলে সাধারণ মানুষ থেকে রোগী সকলেই নানা সমস্যার মুখে পড়েন। তবে রবিবার গেটে আটকে থেকে এভাবে গাড়ির ভিতরে সন্তান প্রসবের ঘটনায় ধৈর্যের বাঁধ ভাঙল সকলের। রেলগেটের উপর উড়ালপুল তৈরির দাবি তুলেছেন তাঁরা।আরও পড়ুনঃ হজম শক্তি থেকে হার্টের স্বাস্থ্য ভাল রাখতে খান কালো জামজানা গিয়েছে, প্রসূতি মন্দিরা দাস বর্ধমান-১ (Burdwan) ব্লকের পিলখুড়ি গ্রামের বাসিন্দা। রবিবার সকালে মন্দিরার প্রসব যন্ত্রণা ওঠে। তাঁকে নিয়ে পরিবারের সদস্যরা তড়িঘড়ি বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের উদ্দেশে রওনা দেন। যাওয়ার পথে বর্ধমান-সিউড়ি রোডের উপর তালিত রেলগেটে গাড়ি আটকে পড়ে দীর্ঘক্ষণ। অপেক্ষা করতে করতেই ঘটে বিপত্তি। দীর্ঘক্ষণ আটকে থাকার ফলে প্রসব যন্ত্রণায় ছটফট করে গাড়িতেই প্রসব করেন মন্দিরাদেবী। তারপর স্থানীয় বাসিন্দাদের তৎপরতায় তড়িঘড়ি সদ্যোজাত এবং মাকে নিয়ে গিয়ে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। শিশুটিকে পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। মা আপাতত সুস্থ আছেন বলে হাসপাতাল সূত্রে খবর।এতেই স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলছেন পরিবারের সদস্যরা। আজকের দিনেও যে এভাবে রাস্তার মাঝে প্রসব করতে হবে গৃহবধূকে, তা ভাবতেও পারেননি তাঁরা। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, বর্ধমান থেকে বীরভূম যাওয়া জাতীয় সড়ক ২বি রাস্তাটি খুবই ব্যস্ত থাকে বরাবর। এই ব্যস্ত রাস্তার উপর তালিত রেলগেট দিনের বেশিরভাগ সময় বন্ধ থাকায় দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা করতে হয় যাত্রী থেকে রোগী সবাইকে। তার জেরে যে কোনও সময়ে বিপজ্জনক পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে। তাঁদের দাবি, এই রেলগেটের উপর উড়ালপুল তৈরি হলে যাতায়াতের খুব সুবিধা হবে।

জুন ২৭, ২০২১
বিনোদুনিয়া

ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে ভাবী সন্তানের প্রতি বার্তা নুসরতের!

টলিপাড়ায় কান পাতলে নুসরতকে নিয়ে দাম্পত্য সম্পর্কের অবনতি এবং নতুন সম্পর্কে জড়িয়ে পড়া, প্রসঙ্গেই আলোচনা শোনা যেত। তবে শুক্রবার থেকে কাহিনি নয়া মোড় নিয়েছে। শোনা যাচ্ছে, মা হতে চলেছেন অভিনেত্রী-সাংসদ। তিনি নিজে অন্তঃসত্ত্বা নাকি সন্তান দত্তক নিতে চলেছেন, সে বিষয়ে একটি শব্দও খরচ করেননি নুসরত স্বয়ং। তারই মাঝে বসিরহাটের তৃণমূল সাংসদের ইনস্টাগ্রাম স্টোরি নিয়ে তৈরি হল নয়া জল্পনা।শুক্রবার রাত থেকে তাঁর ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে জ্বলজ্বল করছে একটি ফুলের ছবি। আর তাতে লেখা রয়েছে, তুমি তোমার মতো করে বেড়ে ওঠো। মুখে কিছু না বললেও ইনস্টাগ্রাম স্টোরির মাধ্যমে কি নতুন অতিথিকে নিয়ে কোনও বার্তা দিতে চাইলেন অভিনেত্রী? সেই প্রশ্নেই এখন ঘুরছে টলিপাড়ায়।ধর্মীয় ভেদাভেদকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে ব্যবসায়ী নিখিল জৈনের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েছিলেন নুসরত। বিয়েও করেন দুজনে। তাঁদের তুরস্কে গিয়ে এলাহি বিয়ে নজর কেড়েছিল সকলের। তবে কয়েকমাস ধরে যেন বদলে গিয়েছে সব কিছু। শোনা যাচ্ছে, নিখিলের সঙ্গে কোনও সম্পর্কই রাখেন না নুসরত। একসঙ্গে থাকেন না তাঁরা। বিয়ে নিয়ে যখন টানাপোড়েন চলছে ঠিক তখনই সামনে আসে নুসরত-যশের ঘনিষ্ঠতা। একসঙ্গে আজমের শরিফ বেড়াতে যাওয়ার ছবি ভাইরাল হয়ে যায়। তারপর থেকে কখনও ডিনার আবার কখনও কফি ডেটেও বারবার একসঙ্গে দেখা গিয়েছে তাঁদের। যদিও প্রেম করছেন কিনা, সে বিষয়ে যশ কিংবা নুসরত কেউ কিছুই বলেননি। সম্পর্ক নিয়ে গুঞ্জনের মাঝে এবার শোনা যাচ্ছে নুসরতের মা হওয়ার খবর। এখনও এ বিষয়ে কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি তাঁর।

জুন ০৫, ২০২১
খেলার দুনিয়া

আট মাসের গর্ভবতী হয়ে তাইকোন্ডোয় সোনা!

আট মাস গর্ভবতী হয়েও তাইকোন্ডো প্রতিযোগিতায় নামলেন। শুধু নামলেনই না, জিতলেন সোনার মেডেলও। শুনতে অবাক লাগলেও এটাই সত্যি। আর এই খবর সামনে আসতেই সোশ্যাল মিডিয়ায় নেটিজেনরা নাইজেরিয়ার মহিলা অ্যাথলিটের কীর্তিকে কুর্নিশও জানিয়েছেন।একটি আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, সম্প্রতি নাইজেরিয়ায় আয়োজিত হচ্ছে ন্যাশনাল স্পোর্টস ফেস্টিভ্যাল। তাতেই তাইকোন্ডো বিভাগে নেমেছিলেন আমিনাত ইদ্রিস নামে ২৬ বছর বয়সি ওই অ্যাথলিট। তবে অন্যান্যদের মতো তাঁর শারীরিক পরিস্থিতি ছিল না। কারণ ততদিনে তিনি আটমাসের অন্তঃসত্ত্বা। তা সত্ত্বেও মনের জোরে প্রতিযোগিতায় অংশ নেন। তবে শুধু অংশ নেওয়াই নয়, সবাইকে অবাক করে সোনার মেডেলও জিতে নেন। তাঁর টুর্নামেন্টে লড়ার ভিডিওটি ইতিমধ্যে সোশ্যাল মিডিয়াতেও ভাইরাল হয়েছে।এই প্রসঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে ইদ্রিস জানান, এটা আমার কাছে খুবই সম্মানের। কয়েকদিন ট্রেনিং করার পরই আমি টুর্নামেন্টে নামার ব্যাপারে মনস্থির করে ফেলি। সোনার মেডেল জিতে তাই খুবই ভাল লাগছে। ইতিমধ্যে নেটিজেনরাও তাঁর এই লড়াইকে কুর্নিশ জানিয়েছেন। গর্ভবতী হয়েও সোনার মেডেল জেতা, তাও আবার তাইকোন্ডোর মতো খেলায়, সত্যিই অবাক করার মতো ঘটনায়।

এপ্রিল ০৯, ২০২১
বিনোদুনিয়া

শ্রেয়ার ঘরে সুখবর, আসছে নতুন অতিথি

মা হতে চলেছেন জনপ্রিয় গায়িকা শ্রেয়া ঘোষাল। সোশ্যাল মিডিয়ায় বেবি বাম্পের ছবি শেয়ার করে নিজেই সে কথা জানালেন শ্রেয়া। আর এই খবরে স্বভাবতই আপ্লুত তাঁর ভক্তরা। ইতিমধ্যে তাঁকে এবং তাঁর স্বামী শিলাদিত্যকে শুভেচ্ছাও জানিয়েছেন টলিউড অভিনেত্রী তথা সাংসদ মিমি চক্রবর্তী-সহ আরও অনেকে।বৃহস্পতিবার নিজের টুইটার এবং ইনস্টাগ্রামে একটি ছবি পোস্ট করেন শ্রেয়া। যেখানে নিজের বেবি বাম্পে ছুঁয়ে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যাচ্ছে তাঁকে। এই ছবির সঙ্গেই ক্যাপশনে সুখবরটি জানিয়েছেন জনপ্রিয় এই গায়িকা। সঙ্গে লেখেন, পরিবারের নতুন অতিথি আসছে। শিলাদিত্য এবং আমি এই খবর আপনাদের জানাতে পেরে খুবই খুশি। জীবনের নতুন অধ্যায় শুরু করতে আপনাদের ভালবাসা এবং আশীর্বাদ প্রয়োজন।তাঁর এই পোস্টের পরই সোশ্যাল মিডিয়ায় শুভেচ্ছার বন্যায় ভেসেছেন শ্রেয়া এবং তাঁর স্বামী। দম্পতিকে অভিনন্দন জানান মিমি চক্রবর্তী ,বিশাল দাদলানি, রাঘব সাচ্চার-সহ বলিউড, টলিউডের অনেক সেলিব্রিটিই। এছাড়া শ্রেয়ার ভক্তকুলও তাঁকে শুভেচ্ছা জানাতে ভোলেননি।

মার্চ ০৪, ২০২১

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

সুরুচি সংঘের পুজো কি বন্ধ হতে চলেছে? এলআইসির জমি দখলের অভিযোগে নতুন বিস্ফোরণ

সুরুচি সংঘকে ঘিরে বিতর্ক আরও ঘনীভূত হল। এবার রাষ্ট্রায়ত্ত বিমা সংস্থা এলআইসি অভিযোগ করেছে, তাদের ২১ কাঠা জমি দীর্ঘদিন ধরে বেআইনিভাবে দখল করে রাখা হয়েছে। ওই জমিতেই সুরুচি সংঘের দুর্গাপুজো এবং ক্লাবের বিভিন্ন কার্যকলাপ পরিচালিত হয় বলে দাবি করা হয়েছে। জমি পুনরুদ্ধারের দাবিতে শনিবার আলিপুর থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন এলআইসির আধিকারিকরা।দক্ষিণ কলকাতার অন্যতম জনপ্রিয় দুর্গাপুজো সুরুচি সংঘ। এই ক্লাবের সঙ্গে রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস এবং তাঁর ভাই স্বরূপ বিশ্বাসের নাম দীর্ঘদিন ধরেই জড়িত। সম্প্রতি স্বরূপ বিশ্বাস তোলাবাজি ও অন্যান্য অভিযোগে গ্রেপ্তার হওয়ার পর থেকেই সুরুচি সংঘকে ঘিরে একের পর এক বিতর্ক সামনে আসছে।এলআইসির দাবি, বহু বছর ধরে তাদের মালিকানাধীন ২১ কাঠা জমি বেআইনিভাবে দখল করে রাখা হয়েছে। শুধু তাই নয়, ওই জমি ঘিরে স্থায়ী নির্মাণও করা হয়েছে। জমি পুনরুদ্ধারের জন্য অতীতেও একাধিকবার চেষ্টা করা হয়েছিল বলে জানিয়েছেন সংস্থার কর্তারা। এমনকি আদালতের দ্বারস্থও হয়েছিল এলআইসি। তবে এতদিন জমি ফেরত পাওয়া যায়নি বলেই অভিযোগ।এলআইসির আধিকারিকদের দাবি, বিতর্কিত জমির উপর নির্মিত ভবনে একাধিক বেডরুম-সহ বিভিন্ন পরিকাঠামো রয়েছে। তাঁদের অভিযোগ, সংস্থার অনুমতি ছাড়াই এই নির্মাণ করা হয়েছে। তাই জমির মালিকানা এবং নির্মাণের বৈধতা খতিয়ে দেখার দাবি জানানো হয়েছে পুলিশের কাছে।এরই মধ্যে সুরুচি সংঘকে ঘিরে আরও একাধিক অভিযোগ সামনে এসেছে। স্থানীয়দের একাংশের দাবি, ক্লাব প্রাঙ্গণে বিপুল পরিমাণ সরকারি প্রকল্পের সামগ্রী পাওয়া গিয়েছে। সেখানে সরকারি পানীয় জল প্রকল্পের বোতল এবং ত্রাণ বিতরণের জন্য রাখা শাড়িও উদ্ধার হয়েছে বলে অভিযোগ। এসব নিয়ে এলাকায় নতুন করে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।সাম্প্রতিক ঘটনাবলীর জেরে সুরুচি সংঘের দুর্গাপুজোর ভবিষ্যৎ নিয়েও জল্পনা বাড়ছে। এলআইসির অভিযোগ এবং প্রশাসনের পরবর্তী পদক্ষেপের দিকে এখন নজর রয়েছে সকলের।

জুন ০৬, ২০২৬
কলকাতা

১৮ সাংসদ দল ছাড়তে পারেন! হঠাৎ দিল্লি উড়ে গেলেন অভিষেক, জোর জল্পনা

ভোটের ফল প্রকাশের পর থেকেই তৃণমূলের অন্দরে অস্থিরতা বেড়েছে। বিধানসভায় পরিষদীয় দলে বড় ভাঙনের পর এবার সংসদীয় দল নিয়েও জোর জল্পনা শুরু হয়েছে। রাজনৈতিক মহলের একাংশের দাবি, বেশ কয়েকজন সাংসদ দল ছাড়তে পারেন। এই পরিস্থিতির মধ্যেই হঠাৎ দিল্লি উড়ে গেলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।দলীয় সূত্রে খবর, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশেই দিল্লি গিয়েছেন অভিষেক। আগামী ৮ জুন বিজেপি-বিরোধী ইন্ডিয়া জোটের বৈঠক রয়েছে। সেই বৈঠকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে অভিষেকেরও যোগ দেওয়ার কথা ছিল। তবে নির্ধারিত সময়ের আগেই তাঁর দিল্লি যাত্রা রাজনৈতিক মহলে নতুন করে কৌতূহল তৈরি করেছে।ইতিমধ্যেই বিধানসভায় তৃণমূলের একাংশ বিধায়ক আলাদা গোষ্ঠী গড়ে নিজেদের আসল তৃণমূল বলে দাবি করেছে। বিরোধী দলনেতা হিসেবেও নতুন নাম ঘোষণা হয়েছে। এবার লোকসভাতেও একই ধরনের পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে বলে জল্পনা ছড়িয়েছে। রাজনৈতিক সূত্রের দাবি, কয়েকজন সাংসদ একজোট হয়ে নতুন ব্লক গঠনের পরিকল্পনা করছেন। দলবদল বিরোধী আইনের জটিলতা এড়াতে প্রয়োজনীয় সংখ্যার সমর্থন জোগাড়ের চেষ্টাও চলছে বলে খবর।এই আবহে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের দিল্লি সফরকে ঘিরে নানা প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। অনেকের মতে, দলের সাংসদদের সঙ্গে আলোচনা করে পরিস্থিতি সামাল দিতেই তাঁকে রাজধানীতে পাঠানো হয়েছে। যদিও এ বিষয়ে তৃণমূলের পক্ষ থেকে কোনও আনুষ্ঠানিক মন্তব্য করা হয়নি।অন্যদিকে, সই জালিয়াতি সংক্রান্ত একটি মামলায় আগামী ৮ জুন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে ভবানী ভবনে হাজিরার নির্দেশ দিয়েছে সিআইডি। এর আগে অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে সময় চাওয়া হলেও সেই আবেদন মঞ্জুর হয়নি। তদন্তকারী সংস্থা স্পষ্ট জানিয়েছে, নির্ধারিত দিনেই তাঁকে হাজিরা দিতে হবে।ফলে রাজনৈতিক মহলে নতুন প্রশ্ন উঠেছে। দিল্লি সফরের নেপথ্যে কি শুধুই রাজনৈতিক কারণ, নাকি তদন্ত সংস্থার তলবও এই সিদ্ধান্তের সঙ্গে যুক্ত? এই নিয়ে জল্পনা ক্রমশই বাড়ছে। এখন নজর আগামী কয়েক দিনের রাজনৈতিক ঘটনাপ্রবাহের দিকে।

জুন ০৬, ২০২৬
বিদেশ

ভারত-চিন সংঘাতে বড় বার্তা পুতিনের! ‘নাক গলাবে না রাশিয়া’, প্রকাশ্যে জানালেন কারণ

ভারত ও চিনের সম্পর্ক নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করলেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, ভারত ও চিনের মতো দুই গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেশী দেশের সংবেদনশীল দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে রাশিয়া কোনও হস্তক্ষেপ করবে না। একই সঙ্গে তাঁর দাবি, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং সীমান্ত সংক্রান্ত সমস্যার শান্তিপূর্ণ সমাধানে আন্তরিকভাবে আগ্রহী।সম্প্রতি আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে পুতিন বলেন, ভারত ও চিনের সঙ্গে রাশিয়ার দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রয়েছে। তাঁর কথায়, ভারত-চিন সম্পর্ক অত্যন্ত সংবেদনশীল এবং বহুমাত্রিক। তাই এই বিষয়ে বাইরের কোনও দেশের হস্তক্ষেপ করা উচিত নয়। তবে রাশিয়া দুই দেশের সঙ্গেই নিয়মিত যোগাযোগ রাখছে এবং সীমান্ত সমস্যা আলোচনার মাধ্যমেই সমাধান হবে বলে তারা আশাবাদী।উল্লেখ্য, ২০২০ সালে গালওয়ান সংঘর্ষের পর ভারত ও চিনের সম্পর্ক তলানিতে পৌঁছেছিল। তবে গত কয়েক বছরে দুই দেশই সম্পর্ক স্বাভাবিক করার জন্য একাধিক কূটনৈতিক উদ্যোগ নিয়েছে। সেই প্রক্রিয়ার ফলেই পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।গত বছর চিনের তিয়ানজিনে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও শি জিনপিংয়ের বৈঠক আন্তর্জাতিক মহলে বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছিল। সেই বৈঠকে দুই নেতা জানিয়েছিলেন, ভারত ও চিন প্রতিদ্বন্দ্বী নয়, বরং উন্নয়নের অংশীদার। মতপার্থক্য থাকলেও তা বিবাদের কারণ হওয়া উচিত নয় বলেও মত প্রকাশ করেছিলেন তাঁরা।পুতিন আরও বলেন, রাশিয়ার সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক চিনকে অস্বস্তিতে ফেলে না। একইভাবে চিনের সঙ্গে রাশিয়ার ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক নিয়েও ভারতের কোনও উদ্বেগ নেই। তাঁর মতে, তিন দেশের সম্পর্ক পারস্পরিক সম্মান ও সহযোগিতার ভিত্তিতে এগোচ্ছে।সাক্ষাৎকারে পাকিস্তান প্রসঙ্গেও মন্তব্য করেন রুশ প্রেসিডেন্ট। অপারেশন সিঁদুরের সময় পাকিস্তানকে চিন আড়াল থেকে সাহায্য করেছে বলে যে অভিযোগ উঠেছিল, সে বিষয়ে পুতিন বলেন, পাকিস্তানকে সম্পূর্ণভাবে চিনের নিয়ন্ত্রণাধীন দেশ হিসেবে দেখা ঠিক হবে না। পাকিস্তান একটি গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্র এবং বিশ্বের বহু দেশের সঙ্গে তাদের সম্পর্ক রয়েছে।তবে তিনি এটাও স্বীকার করেন যে পাকিস্তানের সামরিক শক্তির একটি বড় অংশ চিনের অস্ত্র ও প্রযুক্তির উপর নির্ভরশীল। তাঁর মতে, পাকিস্তানের সামরিক সরঞ্জামের বড় অংশ চিন থেকে আসে, ফলে ইসলামাবাদের কাছে বেজিংয়ের গুরুত্ব অবশ্যই রয়েছে।পুতিনের এই মন্তব্যকে আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। বিশেষ করে ভারত-চিন সম্পর্ক, পাকিস্তানের অবস্থান এবং এশিয়ার ভূরাজনৈতিক সমীকরণ নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

জুন ০৬, ২০২৬
বিদেশ

লন্ডনে প্রধান বিচারপতিকে ঘিরে বিতর্ক! প্রশ্নবাণে থামাতে হল অনুষ্ঠান, কড়া বার্তা ভারতের

লন্ডনে একটি আন্তর্জাতিক অনুষ্ঠানে ভারতের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তকে ঘিরে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। ঘটনাটি সামনে আসতেই কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে ভারত। নয়াদিল্লির বক্তব্য, এ ধরনের আচরণ গ্রহণযোগ্য নয় এবং গণতান্ত্রিক পরিবেশে মতপার্থক্য প্রকাশেরও একটি শালীন পদ্ধতি থাকা উচিত।গত বৃহস্পতিবার লন্ডনের একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও আন্তর্জাতিক আইন বিষয়ক আলোচনাসভায় যোগ দিয়েছিলেন প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত। বক্তব্য শেষ হওয়ার পর প্রশ্নোত্তর পর্বে উপস্থিত কয়েকজন ভারতের গণতন্ত্র এবং ভিন্নমতের প্রতি আচরণ নিয়ে প্রশ্ন তোলার চেষ্টা করেন। প্রধান বিচারপতির সাম্প্রতিক কিছু মন্তব্য নিয়েও প্রশ্ন ওঠে।সেখানে উপস্থিত এক মহিলা বলেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার যুগে গণতন্ত্র রক্ষায় ভারতের ভূমিকা নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য রাখা হলেও দেশে ভিন্নমতের প্রতি ক্রমবর্ধমান অসহিষ্ণুতা নিয়ে উদ্বেগের কথা আন্তর্জাতিক মহলে শোনা যাচ্ছে। তিনি সেই প্রসঙ্গেই প্রশ্ন তুলতে চেয়েছিলেন।তবে ওই প্রশ্ন সম্পূর্ণ হওয়ার আগেই অনুষ্ঠানের সঞ্চালক তাঁকে থামিয়ে দেন। সঞ্চালক জানান, আলোচনার বিষয় ছিল কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং আন্তর্জাতিক আইন। তাই বিষয়বহির্ভূত প্রশ্ন গ্রহণ করা সম্ভব নয় বলে তিনি স্পষ্ট করেন।ঘটনার ভিডিও পরে সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। তা নিয়ে শুরু হয় জোর আলোচনা। এরপর লন্ডনে ভারতীয় দূতাবাসের তরফে একটি বিবৃতি প্রকাশ করা হয়। সেখানে বলা হয়, মতপার্থক্য গণতন্ত্রের স্বাভাবিক অংশ হলেও তা প্রকাশের ক্ষেত্রে শালীনতা ও পারস্পরিক সম্মান বজায় রাখা জরুরি। দূতাবাসের মতে, এ ধরনের আচরণ কোনওভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।এই ঘটনাকে ঘিরে আন্তর্জাতিক মহলেও আলোচনা শুরু হয়েছে। একাংশের মতে, বিদেশের মাটিতে ভারতকে ঘিরে নেতিবাচক প্রচারের চেষ্টা চলছে। যদিও বিষয়টি নিয়ে এখনও বিভিন্ন মহলে বিতর্ক অব্যাহত রয়েছে।

জুন ০৬, ২০২৬
রাজ্য

খাদ্যসাথীতে বড় ঝাঁকুনি! ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ যেতেই বন্ধ হতে পারে রেশন, চিহ্নিত ৬৩ লক্ষ উপভোক্তা

খাদ্যসাথী প্রকল্পে অযোগ্য এবং তথাকথিত ভূতুড়ে উপভোক্তাদের চিহ্নিত করতে বড়সড় অভিযান শুরু করতে চলেছে রাজ্য সরকার। সরকারি অর্থের অপচয় রুখতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে প্রশাসনিক সূত্রে খবর। চলতি বছরের ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়ার তথ্যের ভিত্তিতেই এই যাচাই অভিযান চালানো হবে।সরকারি নির্দেশিকা অনুযায়ী, বিশেষ সংশোধন প্রক্রিয়ায় যেসব ভোটারের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ গিয়েছে, তাঁদের তথ্য খতিয়ে দেখা হচ্ছে। প্রাথমিকভাবে প্রায় ৬৩ লক্ষ নাম চিহ্নিত করা হয়েছে। যাচাইয়ের পর অযোগ্য উপভোক্তাদের রেশন কার্ড নিষ্ক্রিয় করার প্রক্রিয়া শুরু হবে। তবে যাঁরা নাগরিকত্ব সংক্রান্ত আবেদন করেছেন বা ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ যাওয়ার বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালে আবেদন করেছেন, তাঁদের ক্ষেত্রে আপাতত রেশন পরিষেবা চালু থাকবে। চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না হওয়া পর্যন্ত তাঁরা খাদ্যসাথীর সুবিধা পাবেন।প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, মহকুমা শাসক এবং বিডিওদের দপ্তর থেকে সংশ্লিষ্ট এলাকার বাদ পড়া ভোটারদের তালিকা খাদ্য ও সরবরাহ দপ্তরে পাঠানো হবে। এরপর খাদ্য ও সরবরাহ বিভাগের কর্মীরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে তথ্য যাচাই করবেন। ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ যাওয়ার কারণ, বর্তমান অবস্থা এবং প্রকৃত যোগ্যতা খতিয়ে দেখা হবে। যাচাই শেষ হওয়ার পর যাঁরা প্রকল্পের জন্য উপযুক্ত নন বলে প্রমাণিত হবেন, তাঁদের রেশন কার্ড নিষ্ক্রিয় করা হবে। প্রশাসনের লক্ষ্য, নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যেই এই কাজ শেষ করা।বর্তমানে রাজ্যের প্রায় দুই কোটি মানুষ খাদ্যসাথী প্রকল্পের আওতায় বিনামূল্যে রেশন পান। এই প্রকল্প চালাতে প্রতি বছর বিপুল পরিমাণ সরকারি অর্থ ব্যয় হয়। কৃষকদের কাছ থেকে সরাসরি ধান সংগ্রহ থেকে শুরু করে খাদ্যশস্য বিতরণ পর্যন্ত গোটা ব্যবস্থার জন্য কয়েক হাজার কোটি টাকা খরচ হয়। তাই প্রকৃত উপভোক্তাদের কাছে সুবিধা পৌঁছে দিতে এবং অপব্যবহার রুখতে সরকার কড়া পদক্ষেপ নিচ্ছে।প্রশাসনের একাংশের মতে, অতীতে বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক প্রকল্পে অনিয়ম এবং অযোগ্য উপভোক্তার সংখ্যা বেড়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছিল। সেই কারণেই এবার সমস্ত রেশন কার্ডের তথ্য নতুন করে যাচাই করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সরকারের ধারণা, এই উদ্যোগ সফল হলে বিপুল পরিমাণ সরকারি অর্থ সাশ্রয় হবে এবং প্রকৃত সুবিধাভোগীরাই সরকারি সাহায্য পাবেন।একই সঙ্গে রাজ্যের অন্যান্য সামাজিক প্রকল্পেও উপভোক্তাদের তথ্য যাচাইয়ের কাজ শুরু হয়েছে। নতুন প্রকল্পগুলিতে আবেদন গ্রহণের পাশাপাশি পুরনো তালিকাও পুনরায় খতিয়ে দেখা হচ্ছে। প্রশাসনের দাবি, স্বচ্ছতা বজায় রাখা এবং সরকারি অর্থের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করতেই এই পদক্ষেপ।

জুন ০৬, ২০২৬
কলকাতা

সিএএ আন্দোলনের আগুন এবার ফিরল ফাইলে! পুরনো মামলা খুলে বড় পদক্ষেপ শুভেন্দুর

নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন বিরোধী আন্দোলনের সময় রেলের সম্পত্তি নষ্ট, ট্রেনে আগুন লাগানো এবং পরিষেবা ব্যাহত করার অভিযোগে এবার নতুন করে তদন্তের নির্দেশ দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। পুরনো মামলার ফাইল খুলে অভিযুক্তদের চিহ্নিত করতে বিশেষ সেল গঠনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে প্রশাসনিক সূত্রে খবর।রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণবের রাজ্য সফরের দিনই এই সিদ্ধান্তকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। জানা গিয়েছে, রেলের সম্পত্তি নষ্টের ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে পুরনো মামলাগুলি পুনরায় খোলার বিষয়ে রেলমন্ত্রীর কাছে আবেদন জানান মুখ্যমন্ত্রী। এরপরই তদন্তে গতি আনার নির্দেশ দেওয়া হয়।২০১৯ সালে নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন পাশ হওয়ার পর দেশজুড়ে প্রতিবাদ আন্দোলন শুরু হয়েছিল। পশ্চিমবঙ্গেও সেই আন্দোলনের প্রভাব পড়ে। বিশেষ করে মুর্শিদাবাদে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। একাধিক স্টেশনে দাঁড়িয়ে থাকা ট্রেনে ভাঙচুর চালানো হয় এবং কয়েকটি কামরায় আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয়। আগুনে পুড়ে যায় রেলের বহু সম্পত্তি। এর জেরে বহু দূরপাল্লার ট্রেন বাতিল করতে হয়েছিল। অনেক ট্রেন ঘুরপথে চালাতে বাধ্য হয়েছিল রেল কর্তৃপক্ষ। ব্যাপক আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছিল ভারতীয় রেল।নবান্নে বৈঠকের সময় মুখ্যমন্ত্রী রেলমন্ত্রীকে ভবানীপুরে রেল সুরক্ষা বাহিনীর একটি বিশেষ দপ্তর গড়ে তোলার প্রস্তাব দেন। সেখানে বসেই পুরনো নথি, ভিডিও ফুটেজ এবং অন্যান্য তথ্য খতিয়ে দেখে তদন্ত এগিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে। আধুনিক প্রযুক্তির সাহায্যে অভিযুক্তদের চিহ্নিত করার ওপরও জোর দেওয়া হয়েছে। রাজ্যের স্বরাষ্ট্র দপ্তর এবং পুলিশ প্রশাসনকে তদন্তে পূর্ণ সহযোগিতা করার অনুরোধ জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।সূত্রের খবর, শুধু অভিযুক্তদের চিহ্নিত করাই নয়, রেলের ক্ষয়ক্ষতির জন্য তাঁদের কাছ থেকে ক্ষতিপূরণ আদায়ের বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। কেউ ক্ষতিপূরণ দিতে অস্বীকার করলে আইন মেনে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলেও ইঙ্গিত মিলেছে।রেল আইনে রেলের সম্পত্তি নষ্ট করা, ভাঙচুর চালানো বা পরিষেবা ব্যাহত করা গুরুতর অপরাধ। এ ধরনের ঘটনায় জরিমানা এবং কারাদণ্ডের বিধান রয়েছে। তাই বহু বছর পর এই মামলাগুলির তদন্ত ফের শুরু হওয়ার খবরে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলে নতুন করে চর্চা শুরু হয়েছে।

জুন ০৬, ২০২৬
দেশ

হোটেলে আগুন, তদন্তে বিস্ফোরক মোড়! বাংলাদেশিদের জাল আধার-পাসপোর্ট বানানোর অভিযোগ মালিকের বিরুদ্ধে

দিল্লির একটি হোটেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনার তদন্তে একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে আসছে। নিরাপত্তা ব্যবস্থার একাধিক গাফিলতির অভিযোগের মধ্যেই এবার উঠে এসেছে জাল পরিচয়পত্র চক্রের অভিযোগ। তদন্তে জানা গিয়েছে, হোটেলের মালিক লাভকেশ বাজাজের বিরুদ্ধে অবৈধভাবে ভারতে থাকা বাংলাদেশি নাগরিকদের জাল নথি তৈরিতে সাহায্য করার অভিযোগ রয়েছে। এই ঘটনার পর দিল্লির সমস্ত হোটেল, রেস্তরাঁ, ব্যাঙ্কোয়েট হল এবং সিনেমা হলের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নতুন করে পর্যালোচনার দাবি উঠেছে।পুলিশ সূত্রে খবর, টাকার বিনিময়ে বাংলাদেশি নাগরিকদের নিজের ছত্তরপুরের আবাসিক ঠিকানা ব্যবহার করার অনুমতি দিতেন লাভকেশ বাজাজ। অভিযোগ, সেই ঠিকানা ব্যবহার করে আধার কার্ড, পাসপোর্ট-সহ একাধিক ভারতীয় পরিচয়পত্র তৈরি করা হত। অগ্নিকাণ্ডের তদন্ত চলাকালীন এই পুরনো মামলার তথ্যও ফের সামনে এসেছে।জানা গিয়েছে, গত বছরের জানুয়ারিতে দিল্লির পাহাড়গঞ্জ এলাকায় জাল নথি ব্যবহার করে এক বাংলাদেশি পরিবারের থাকার খবর পায় পুলিশ। তদন্তে একটি বাড়ি থেকে এক মহিলা এবং তাঁর নাতিকে আটক করা হয়। তাঁদের কাছ থেকে একাধিক পাসপোর্ট, আধার কার্ড এবং ব্যাঙ্ক সংক্রান্ত নথি উদ্ধার করা হয়েছিল। তদন্তকারীদের দাবি, উদ্ধার হওয়া বিভিন্ন পরিচয়পত্রে আলাদা নাম ও ঠিকানা থাকলেও ছবিটি ছিল একই ব্যক্তির।পুলিশের দাবি, ওই জাল নথিগুলির মধ্যে থাকা একটি ঠিকানা দক্ষিণ দিল্লির ছত্তরপুর এলাকার। তদন্তে সেই ঠিকানার সূত্র ধরেই লাভকেশ বাজাজের নাম উঠে আসে। পরে জেরায় তিনি নাকি স্বীকার করেন যে, অর্থের বিনিময়ে নিজের ঠিকানা ব্যবহার করার অনুমতি দিয়েছিলেন।এর আগে জালিয়াতি চক্রে যুক্ত থাকার অভিযোগে তাঁকে গ্রেপ্তারও করা হয়েছিল। কিছুদিন জেলে থাকার পর তিনি জামিনে মুক্তি পান। এবার হোটেলে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনার তদন্তে নতুন করে তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগের বিষয়টি সামনে আসায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।দিল্লি পুলিশের তদন্ত এখন দুই দিকেই এগোচ্ছে। একদিকে অগ্নিকাণ্ডের কারণ ও নিরাপত্তা গাফিলতি খতিয়ে দেখা হচ্ছে, অন্যদিকে জাল পরিচয়পত্র চক্রের সঙ্গে অভিযুক্তের সম্ভাব্য যোগও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্তকারীদের মতে, এই দুই ঘটনার মধ্যে কোনও সংযোগ রয়েছে কি না, সেটাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

জুন ০৬, ২০২৬
রাজ্য

শওকত-পুত্রের বিলাসবহুল ক্যাফেতে প্রশাসনের নোটিস! এবার কি ভাঙার মুখে কোটি টাকার নির্মাণ?

ক্যানিং পূর্বের প্রাক্তন বিধায়ক শওকত মোল্লার ছেলে ইমরান মোল্লার বিরুদ্ধে মাতলা নদীর চর দখল করে বিলাসবহুল ক্যাফে তৈরির অভিযোগ উঠেছে। এই অভিযোগের জেরে এবার সরাসরি পদক্ষেপ করল প্রশাসন। ক্যাফের সমস্ত নথিপত্র নিয়ে আগামী ১৮ জুন মহকুমাশাসকের দপ্তরে হাজির হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে ইমরান মোল্লাকে। প্রশাসন সূত্রে খবর, বৈধ কাগজপত্র দেখাতে না পারলে ক্যাফেটি ভেঙে দেওয়া হতে পারে।ইমরান মোল্লার এই ক্যাফের নাম অরণ্যের কূলে। অভিযোগ, মাতলা নদীর চর দখল করে এবং মৌখালি সেতুর কাছাকাছি এলাকায় ম্যানগ্রোভ গাছ কেটে প্রায় ১০ একর জমির উপর এই ক্যাফে গড়ে তোলা হয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, কয়েক কোটি টাকা খরচ করে তৈরি হয়েছে এই বিলাসবহুল পর্যটন কেন্দ্র।রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পর থেকেই এই ক্যাফে নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়। কয়েক দিন আগে তদন্তকারী সংস্থা শওকত মোল্লাকে খুঁজতে গিয়ে তাঁর ছেলে ইমরানকে নিয়ে এই ক্যাফেতেও পৌঁছেছিল। এরপরই প্রশাসনের নজরে আসে গোটা বিষয়টি।জানা গিয়েছে, জীবনতলা থানার পুলিশকে সঙ্গে নিয়ে প্রশাসনের আধিকারিকরা ক্যাফেতে গিয়ে নোটিস টাঙিয়ে এসেছেন। মহকুমাশাসক প্রণব মালিয়ে আগামী ১৮ জুন ইমরান মোল্লাকে প্রয়োজনীয় নথি নিয়ে হাজির হওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। শুধু এই ক্যাফে নয়, মাতলা নদীর চর ভরাট করে গড়ে ওঠা আরও কয়েকটি নির্মাণ এবং ক্যাফেকেও নোটিস পাঠানো হয়েছে।এদিকে ভাঙড় বিস্ফোরণ মামলায় শওকত মোল্লা বর্তমানে তদন্তকারী সংস্থার হেফাজতে রয়েছেন। সেই আবহেই তাঁর ছেলের বিরুদ্ধে জমি দখল ও বেআইনি নির্মাণের অভিযোগ নতুন করে রাজনৈতিক এবং প্রশাসনিক মহলে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে।স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, এলাকার একাধিক ফিশারি এবং জলাভূমি দখল করে তা কম দামে বিক্রি করা হয়েছে। পরে সেখানে গড়ে উঠেছে ক্যাফে, বাণিজ্যিক নির্মাণ এবং অন্যান্য স্থাপনা। এমনকি একটি বেসরকারি নার্সিংহোম তৈরির জন্যও বিপুল পরিমাণ জমি দখলের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের সত্যতা খতিয়ে দেখতে প্রশাসন ইতিমধ্যেই তদন্ত শুরু করেছে।

জুন ০৬, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal