• ৬ ভাদ্র ১৪৩৩, মঙ্গলবার ২৫ আগস্ট ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

North Bengal

রাজ্য

কেন্দ্রের পাঠানো টাকা কৃষকরা না পাওয়ায় সরব ধনকড়

এবার কৃষকদের প্রসঙ্গ তুলে ধরে রাজ্য সরকারের কড়া সমালোচনা করলেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়। তিনি টুইটে অভিযোগ করেন, এ রাজ্যের কৃষকরা প্রত্যেকে কেন্দ্রের দেওয়া ১২০০০ টাকা সরাসরি ব্যাংক অ্যাকাউন্টে পাচ্ছেন না। এভাবে ক্ষতি হয়েছে মোট ৮৪০০ কোটি টাকার। প্রশাসনিক উদাসীনতাই এর জন্য দায়ী। এদিন আরও একটি টুইটে রাজ্যপাল মুখ্যসচিব এবং ডিজিপি-কে বিঁধেছেন। নাম উল্লেখ করেছেন রাজ্যের নিরাপত্তা উপদেষ্টা সুরজিৎ করপুরকায়স্থ এবং রিনা মিত্রের। তাঁর অভিযোগ, মমতা সরকারে আমলে পুলিশ নিয়ম ভাঙছে। তারা নিজেদের আইনের ঊর্ধ্বে বলে মনে করছে, যা অত্যন্ত হতাশাজনক। আরও পড়ুন ঃ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্য কেন্দ্রের পাঠানো ৬ হাজার টাকা পাননি বাংলার কৃষকরাঃ কৈ্লাস বিজয়বর্গীয় প্রসঙ্গত, এরাজ্যে রাজভবন ও নবান্নের সংঘাত এখন নিত্যদিনের বিষয়। রাজ্যপালের সবচেয়ে বেশি অভিযোগ এখানকার পুলিশ-প্রশাসনকে নিয়ে। তাদের গাফিলতিতে রাজ্যে বহু অপরাধ খুব সহজেই সংগঠিত হতে পারছে বলে অভিযোগ ধনকড়ের। এদিনও একাধিক টুইটে নিজের সেই বক্তব্য তুলে ধরেছেন রাজ্যপাল।

নভেম্বর ২৫, ২০২০
রাজ্য

রবীন্দ্রনাথ ঘোষের সঙ্গে বৈঠকের পরও একই অবস্থানে মিহির গোস্বামী

তৃণমূলের বিক্ষুব্ধ বিধায়ক মিহির গোস্বামীর সঙ্গে দেখা করলেন রাজ্যের উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন মন্ত্রী রবীন্দ্রনাথ ঘোষ। মঙ্গলবার সকালে দুজনের মধ্যে প্রায় ৪০ মিনিট কথা হয়। উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন মন্ত্রী জানান, বিজয়া করতেই মূলত মিহির গোস্বামীর বাড়িতে এসেছিলেন। তবে সাক্ষাৎ হওয়ার পর নানা বিষয়ে কথা হয়েছে দুজনের। ঠিক কী বিষয়ে কথা হয়েছে তা যদিও খোলসা করে বলেননি রবীন্দ্রনাথ ঘোষ। মিহির গোস্বামীর দলের অভিমান প্রসঙ্গেও সেভাবে কিছু বলেননি মন্ত্রী। তবে তাঁর কথায়, মিহিরদা পুরনো লোক। ছাত্র আন্দোলনের সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন। মিহিরবাবু দলে ছিলেন, আছেন ও থাকবেন। আরও পড়ুনঃ ত্রিপুরায় বাঙালি হত্যার প্রতিবাদে পথে বাংলা পক্ষ কোচবিহার দক্ষিণের তৃণমূল বিধায়ক মিহির গোস্বামী জানান, ফেসবুক পোস্ট ও কলকাতার নেতাদের একাংশের ভূমিকা নিয়ে একই অবস্থানে রয়েছেন তিনি। তবে রাজ্য নেতৃত্ব তথা দলনেত্রীর বার্তা পাওয়ার পরে যে সব কিছু গভীরভাবে তলিয়ে দেখে পদক্ষেপ করবেন। চিন্তন ও মন্থনের পরে যে সিদ্ধান্ত নেব, তা জনসমক্ষে জানিয়ে দেব।

নভেম্বর ২৪, ২০২০
কলকাতা

রাজ্যে নারী নির্যাতনের অভিযোগ তুলে মুখ্যমন্ত্রীকে চিঠি ধনকড়ের

রাজ্যে নারী নির্যাতন বেড়েই চলেছে, কোনও প্রতিকার হচ্ছে না। এই অভিযোগে এবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে চিঠি লিখলেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়। মুখ্যমন্ত্রীকে পাঠানো চিঠি পরে তিনি টুইটও করেন। চিঠিতে রাজ্যে গত তিনমাসে নারীদের উপর অত্যাচারের পরিসংখ্যান তুলে ধরা হয়েছে। যা তিনি সংশ্লিষ্ট জেলা পুলিশ সূত্রেই পেয়েছেন বলে চিঠিতে উল্লেখ করেছেন। এরকম গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে প্রশাসনিক উদাসীনতা দেখে তিনি বিস্মিত। মুখ্যমন্ত্রীর কাছে তাঁর আবেদন, এসব অন্যায়ের প্রতিকারে তিনি সদর্থক পদক্ষেপ গ্রহণ করে জনসচেতনতায় জোর দেবেন। পাশাপাশি এ বিষয়ে মুখ্যসচিবকে রাজভবনে আলোচনার জন্য প্রস্তাব পাঠালেও, তার কোনও জবাব আসেনি বলেও অভিযোগ করেন তিনি। আরও পড়ুন ঃ কেউ কেউ ভোটের সময় আসেনঃ মমতা চিঠিতে তিনি লিখেছেন, সাংবিধানিক প্রধান হিসেবে রাজ্যের নানা নেতিবাচক দিক তুলে ধরে সতর্ক করার চেষ্টা করেন তিনি। কিন্তু তাঁর এই ভূমিকাকে বারবার ভিত্তিহীন, উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে উল্লেখ করার যে নিদর্শন তিনি দেখে আসছেন, তা অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক। এ থেকেই বোঝা যায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকারের আমলে পুলিশ প্রশাসনের রাজনীতিকরণ হয়েছে। এভাবে তাঁরা গণতন্ত্রের মূল ভিত্তিকে দুর্বল করে তুলছেন, যার প্রভাব জনমানসে পড়বে।

নভেম্বর ২১, ২০২০
রাজ্য

শহিদ সুবোধ ঘোষের অন্ত্যেষ্টিতে বিজেপি সাংসদকে প্রবেশে বাধা , সমালোচনায় ধনকড়

শহিদ সুবোধ ঘোষের অন্ত্যেষ্টিতে বিজেপি সাংসদকে প্রবেশে বাধা দেওয়ায় ফের রাজ্য সরকার ও পুলিশ -প্রশাসনের বিরুদ্ধে সমালোচনায় সরব হলেন জগদীপ ধনকড়। মঙ্গলবার সকালে বেশ কয়েকটি ভিডিও পোস্ট করে রাজ্যপাল লেখেন , একদিকে এই অনুষ্ঠানে স্বাগত জানানো হচ্ছে শাসকদলের সাংসদকে। অন্যদিকে, বিজেপি সাংসদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করছে রাজ্যের পুলিশ। রাজনৈতিক নেতাদের মতো আচরণ করছে। এই ঘটনা রাজ্য পুলিশের কর্তাদের কর্তব্যচ্যুতি। সাংসদকে বাধা দেওয়ার পিছনে কোনও কারণ নেই বলেই দাবি করেন তিনি। আরও পড়ুন ঃ রেণুকা মাড্ডির কাছ থেকে ভাইফোঁটা নিলেন অধীর উল্লেখ্য , শহিদ সুবোধ ঘোষের অন্ত্যেষ্টিতে শাসক দলের বিধায়ক - সাংসদরা উপস্থিত ছিলেন। কিন্তু স্থানীয় বিজেপি সাংসদ সেখানে প্রবেশ করতে গেলে তাঁকে বাধা দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। তার পরিপ্রেক্ষিতেই এদিন রাজ্যপালের টুইট।

নভেম্বর ১৭, ২০২০
রাজ্য

পুলিশ গার্ড অব অনার না দেওয়ায় ক্ষুব্ধ রাজ্যপাল

পুলিশ নিয়মমাফিক রাজ্যপালকে গার্ড অব অনার দেয়নি। এবার তা নিয়ে রাজ্য সরকার তথা প্রশাসনের বিরুদ্ধে সমালোচনায় মুখর হলেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ট্যাগ করে এ প্রসঙ্গে একটি টুইটও করেন তিনি। রাজ্য পুলিশ রাজনৈতিকভাবে নিয়ন্ত্রণাধীন বলেও অভিযোগ করেন রাজ্যপাল। আরও পড়ুন ঃ দেখবি আর জ্বলবি, লুচির মত ফুলবিঃ শুভেন্দু বৃহস্পতিবার প্রথমে পঞ্চানন বর্মার মূর্তিতে মাল্যদান করেন তিনি। তাঁর সঙ্গে ছিলেন স্ত্রী। এছাড়াও বিজেপি সাংসদ নিশীথ প্রামাণিকও ছিলেন রাজ্যপালের সঙ্গে। তারপর সেখান থেকে মদনমোহন মন্দিরে গিয়ে পুজো দেন। কোচবিহার রাজবাড়িও ঘুরে দেখার পর সার্কিট হাউসে বিভিন্ন সংগঠনের প্রতিনিধিদের সঙ্গে দেখা করেন রাজ্যের সাংবিধানিক প্রধান। এরপর সার্কিট হাউসে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে রাজ্যপাল রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে বিভিন্ন ইস্যু্তে ক্ষোভ উগড়ে দেন। উপাচার্যরা তার সঙ্গে দেখা না করায় তিনি ক্ষোভপ্রকাশ করেন এবং রাজ্য সরকারকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন।

নভেম্বর ১২, ২০২০
রাজ্য

রাজনীতির টুপি মাথা থেকে ফেলে আইন মেনে কাজ করুন, বার্তা ধনকড়ের

ফের রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ও পুলিশ-প্রশাসনকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করলেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়। তিনি রাজ্য সরকার ও পুলিশ - প্রশাসনের কড়া সমালোচনা করে সোমবার একাধিক টুইট করেন । একটি টুইটে তিনি লেখেন , সংবিধানের বাইরে গিয়ে যাঁরা কাজ করছেন, তাঁরা এবার সেসব বাতিল করুন। গণতন্ত্রকে রক্ষা করতে ক্ষমতার অলিন্দে বেআইনি অনুপ্রবেশ চলবে না। রাজনীতির টুপি মাথা থেকে ফেলে আইন মেনে কাজ করুন। আরও পড়ুন ঃ ভুবনেশ্বরে সিবিআই-এর স্পেশাল সেলে মারা গেলেন আইকোর কর্তা অনুকূল মাইতি আরেকটি টুইটে রাজ্যপাল লেখেন, পুলিশ ও প্রশাসনকে অবশ্যই রাজনৈতিকভাবে নিরপেক্ষ হতে হবে। এর জন্য তিনি ১৯৬৮ সালের এআইএস কন্ডাক্ট রুলস-এর কথা মনে করিয়ে দেন । আর তা মানা না হলে যে ফল ভালো হবে না তাও জানান রাজ্যপাল। রাজ্যপালের মতে, তাঁর বার বার সংবিধান মেনে চলার পরামর্শ কিছুটা প্রশাসনের উপর প্রভাব ফেলেছে । তবে এখনও অনেকে তা মানছেন না ৷ এরপরই তিনি বলেন, যতই উপরে উঠে যান, আইন সবার ঊর্ধ্বে। প্রসঙ্গত , এর আগেও একাধিকবার টুইট করে রাজ্য সরকার ও পুলিশ প্রশাসনের কড়া ভাষায় সমালোচনা করেছেন ধনকড়। দিল্লিতে গিয়ে অমিত শাহের কাছে রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা ্পরিস্থিতি নিয়ে রিপোর্টও করেছেন তিনি। এবার তার এই টুইটের জেরে রাজ্য সরকারের সঙ্গে তার সম্পর্কের যে অবনতি হবে , তা বলাই বাহুল্য।

নভেম্বর ০৯, ২০২০
রাজ্য

উত্তরবঙ্গের পাঁচটি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যদের বৈঠকে ডাকলেন রাজ্যপাল

উত্তরবঙ্গ, উত্তরবঙ্গ কৃষি, রায়গঞ্জ, কোচবিহার পঞ্চানন বর্মা, গৌড়বঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, সহ উপাচার্য এবং রেজিস্ট্রারদের সঙ্গে দেখা করবেন। বৃহস্পতিবার টুইট করে বৈঠকের কথা জানালেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়। তিনি টুইটে আরও লেখেন , আগামী ৯ নভেম্বর দার্জিলিংয়ের রাজভবনে তাঁদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন তিনি। উপাচার্যদের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র নিয়ে আসার কথাও লেখেন। ৮ নভেম্বরের মধ্যে বৈঠকে উপস্থিতির কথাও জানাতে হবে বলেও আরেকটি টুইটে উল্লেখ করেন তিনি। আরও পড়ুন ঃ মমতা সরকারের মৃত্যুঘণ্টা বেজে গিয়েছেঃ অমিত শাহ এর আগে তিনি একাধিকবার রাজ্যের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যদের সঙ্গে বৈঠকে বসতে চাইলেও তখন তারা হাজির হননি। এবার উপাচার্যরা তাঁর ডাকে সাড়া দেন কিনা , সেটাই এখন দেখার।

নভেম্বর ০৫, ২০২০
রাজ্য

উত্তরবঙ্গে সরকারি কর্মীরা রাজনৈতিক দলের অনুগতঃ ধনকড়

রাজ্য সরকার কোনও আইন-শৃঙ্খলা মানছে না। সংবিধান মানছে না। শাসন চালাতে গেলে সংবিধান মানতে হবে, তা এখানে মানা হচ্ছে না । ফের আইন-শৃঙ্খলার পরিস্থিতি নিয়ে রাজ্যকে আক্রমণ করলেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়। প্রসঙ্গত , শনিবার তিনি পৌঁছান শিলিগুড়িতে। রবিবার তিনি দার্জিলিঙের উদ্দেশে রওনা হবেন। তার আগে শিলিগুড়িতে এক সাংবাদিক বৈঠকে রাজ্য সরকারকে আক্রমণ করে তিনি আরও বলেন , কেন্দ্রের প্রকল্পের বিরোধিতা করছে রাজ্য । রাজ্য আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্পের সাহায্য নেয়নি । সংকটের সময় সাহায্য নেওয়া উচিত ছিল । করোনা পরিস্থিতি দেখে বোঝা যাচ্ছে যে , রাজ্যের স্বাস্থ্য ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে । প্রকল্পের সাহায্য নিলে পরিস্থিতি আলাদা হত । প্রধানমন্ত্রী কিষান সম্মান নিধি প্রকল্প নিয়ে তিনি বলেন , কেন্দ্রীয় প্রকল্পের মাধ্যমে ১২ হাজার টাকা পেয়েছে কৃষকরা। দেশের সব জায়গায় সরাসরি কৃষকের অ্যাকাউন্টে টাকা চলে গেছে । পশ্চিমবঙ্গের কৃষকরা তা থেকে বঞ্চিত হয়েছে । আরও পড়ুন ঃ ট্রেন চালানোর আবেদন জানিয়ে রেলকে চিঠি মুখ্যসচিবের রাজ্যে নারী নির্যাতনের প্রসঙ্গ তুলে তাঁর অভিযোগ , রাজ্যে ধর্ষণ বেড়েছে । মেদিনীপুরে 33 শতাংশের বেশি ধর্ষণের অভিযোগ এসেছে । সরকারি রিপোর্ট তাই বলছে । সরকারী কর্মীদের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন তিনি। রাজ্যপাল বলেন , উত্তরবঙ্গে সরকারি কর্মীরা রাজনৈতিক দলের অনুগত । আমার কাছে রিপোর্ট এসেছে। রাজনৈতিক দলের হয়ে কাজ করবেন না । আপনাদের বয়স কম , আগুন নিয়ে খেলবেন না। আইন আপনাকে ছাড়বে না। পাশাপাশি তিনি জানান , রাজনীতিতে কে হারল , কে জিতল , সেটা আমি পাত্তা দিই না । যা করছি , সেটা আমার কাজ । উত্তরবঙ্গে সমস্যার সমাধানে চেষ্টা করব ।

নভেম্বর ০১, ২০২০
রাজ্য

পাহাড় সমস্যার স্থায়ী সমাধানের চেষ্টা করবঃ ধনকড়

পাহাড় সমস্যার স্থায়ী সমাধানের চেষ্টা করব। শনিবার শনিবার সফরে যাওয়ার আগে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে এমনটাই জানালেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়। তিনি গোটা নভেম্বর মাসই দার্জিলিংয়ে থাকবেন বলে জানিয়েছেন। পাহাড় প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেছেন, সাংবিধানিক সীমার মধ্যে থেকে তিনি সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করবেন। এছাড়াও এই সফরে তিনি সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষের সঙ্গে কথা বলবেন বলেও জানিয়েছেন। তিনি আরও বলেছেন , অনেক আশা নিয়ে যাচ্ছি এবারের উত্তরবঙ্গ সফরে। প্রসঙ্গত , কয়েকদিন আগে বিমল গুরুং আগামী বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূলকে সমর্থন করবেন বলে জানিয়েছেন। তার কিছুদিন পরেই রাজ্যপালের দার্জিলিং সফর নিয়ে জল্পনা ছড়িয়ে পড়েছে রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে। আরও পড়ুন ঃ দুর্গাপুর ব্যারেজের লকগেট ভেঙে বিপত্তি এদিন সকালে টুইট করে রাজ্যপাল জানান , সাধারণ মানুষের প্রত্যাশাপূরণে উত্তরবঙ্গ পাড়ি দিচ্ছেন। পর্যটন, আর্থিক এবং শিক্ষাগত সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে উত্তরবঙ্গের মানুষের উন্নতি করা সম্ভব বলেও জানান তিনি। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ট্যাগ করে তিনি টুইটে আরও জানান, চলতি সফরে সাধারণ মানুষ এবং প্রশাসনের সঙ্গে সংযোগ স্থাপন করবেন। এদিন তিনি কাঞ্চনজংঘা এক্সপ্রেসে করে দার্জিলিংয়ের উদ্দেশে রওনা দেন। রাজ্যপালের সফরসূচি অনুযায়ী ১ নভেম্বর শিলিগুড়িতে সাংবাদিক বৈঠক করবেন তিনি। ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত দার্জিলিংয়ের রাজভবনে থাকার কথা রয়েছে তাঁর।

অক্টোবর ৩১, ২০২০
কলকাতা

আগামীকাল দিল্লিতে অমিত শাহের সঙ্গে বৈঠক রাজ্যপালের

আজ অর্থাৎ বুধবার সন্ধ্যেবেলায় দিল্লির উদ্দেশ্যে রওনা দিচ্ছেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়। ২৯ অক্টোবর সেখানে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সঙ্গে তাঁর বৈঠক হওয়ার কথা। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক সেরে আগামী ৩০ অক্টোবর কলকাতায় ফিরে আসবেন তিনি। জগদীপ ধনখড়ের টুইটার অ্যাকাউন্টে এদিন এমনটাই জানানো হয়েছে। তারপরই তিনি পুরো নভেম্বর মাস উত্তরবঙ্গেই থাকবেন বলে রাজভবন সূত্র থেকে জানা গিয়েছে। আরও পড়ুন ঃ করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু কলকাতা পুলিশের সাব ইন্সপেক্টরের জানা গিয়েছে , আগামী ১ নভেম্বর শিলিগুড়ি যাচ্ছেন রাজ্যপাল। সেখানে সাংবাদিক সম্মেলন করে চলে যাবেন দার্জিলিংয়ে। জগদীপ ধনকরের পাশাপাশি রাজভবনের উচ্চপদস্থ আধিকারিকরাও থাকবেন তাঁর সঙ্গে।

অক্টোবর ২৮, ২০২০
রাজ্য

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বাংলায় কৃষি আইনে বাধা দিচ্ছেন : নাড্ডা

বাংলার বিজেপি কর্মীদের মনোবল চাঙ্গা করতে শিলিগুড়িতে সাংগঠনিক সভা করলেন সর্বভারতীয় সভাপতি জে পি নাড্ডা। তিনি এদিন বলেন , বাংলাকে ভাঙতে চায় বর্তমান সরকার। আমাদের লক্ষ্য সবকা সাথ সবকা বিকাশ। সবাইকে নিয়ে চলার ক্ষমতা মোদিজিরই আছে। গত ছয় বছরে ভারতে আত্মনির্ভরতা বেড়েছে। তৃণমূলের বিরুদ্ধে অভিযোগ করে তিনি বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সবকিছুতেই বলেন হবে না। বাংলায় কৃষি আইনে বাধা দিচ্ছেন। গরিব কল্যাণে একাধিক পদক্ষেপ নিয়েছে কেন্দ্র। কেন্দ্রের প্রকল্প থেকে বঞ্চিত হচ্ছে বাংলা। আরও পড়ুনঃ পুজোয় বাংলা গান বাজানোর আবেদন জানিয়ে চিঠি বাংলাপক্ষের কৃষকনিধি সম্মান থেকে বঞ্চিত হচ্ছে বাংলার কৃষকরা। বাংলায় যা হয়নি , তার একটি তালিকা তৈরি করুন , মোদি সরকার সব করে দেবে। বাংলায় আয়ুষ্মান ভারত কার্যকর হয়নি। ক্ষমতায় এলে এক মাসের মধ্যে কার্যকর করে দেব। করোনার প্রভাব কমলেই সিএএ কার্যকর হবে। এদিন তিনি শিলিগুড়ির নৌকাঘাটে রাজবংশী নেতা ঠাকুর পঞ্চানন বর্মার মূর্তিতে শ্রদ্ধা প্রদর্শন করেন। দুপুরে আনন্দময়ী কালীবাড়িতে পুজো দেন বিজেপি সভাপতি। এদিন বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন মুকুল রায় , কৈলাস বিজয়বর্গীয় , দেবশ্রী চৌধু্রী সহ দলের নেতানেত্রীরা।

অক্টোবর ১৯, ২০২০
রাজ্য

পুজোয় বাংলা গান বাজানোর আবেদন জানিয়ে চিঠি বাংলাপক্ষের

সামনেই পুজো। তার আগে পুজো প্যান্ডেলে বাংলা গান বাজানো এবং বাংলার সংস্কৃতি রক্ষার আবেদন জানিয়ে বাংলার নানা পুজো কমিটি ও ক্লাবকে আবেদন জানাচ্ছে বাংলা পক্ষ। আরও পড়ুনঃ নেতাইয়ের সঙ্গে আছি, থাকবঃ শুভেন্দু শিলিগুড়ি বাংলাপক্ষের তরফ থেকে সম্পাদক রাজাদিত্য সরকার শিলিগুড়ির প্রতিটা ক্লাবে দুর্গা পুজোয় বাংলা গান বাজানো ও বাংলার সংস্কৃতি রক্ষা করার জন্য অনুরোধ করে চিঠি পাঠানো হয়েছে। বাংলাপক্ষের তরফ থেকে কৌশিক মাইতি জানিয়েছেন, আগামীদিনে রাজ্যের প্রতিটি জেলাতেই বাংলা গান বাজানো এবং বাংলার সংস্কৃতি রক্ষার আবেদন জানানো হবে।

অক্টোবর ১৯, ২০২০
রাজ্য

পুজোর আগে উত্তরবঙ্গে অমিত শাহের বদলে আসছেন জেপি নাড্ডা

কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের বদলে বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা উত্তরবঙ্গ সফরে আসছেন বলে জানালেন রাজ্য বিজেপির সাধারণ সম্পাদক সায়ন্তন বসু। একথা বলে তিনি বলেন, আগামী ১৯ অক্টোবর শিলিগুড়িতে একটি সাংগঠনিক বৈঠকে যোগ দেবেন তিনি। আরও পড়ুনঃ দুর্গাপুজোর গাইড ম্যাপের উদ্বোধন করলেন মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী এর পাশাপাশি ওইদিনই আলাদা একটি বৈঠক করবেন গোর্খা ও রাজবংশী সম্প্রদায়ের মানুষদের সঙ্গে। পরের দিন শিলিগুড়ি থেকেই দিল্লি ফিরে যাওয়া কথা রয়েছে তাঁর। দলীয় বৈঠকের পরে শহরের কিছু পুজো মণ্ডপও ঘুরে দেখার কথা রয়েছে তাঁর। অমিত শাহ পুজোর পরে দক্ষিণবঙ্গ সফরে আসবেন বলে জানিয়েছেন।

অক্টোবর ১৪, ২০২০
রাজ্য

অসমাপ্ত কাজ দ্রুত শেষ করার নির্দেশ মমতার

২০২১-এর বিধানসভা নির্বাচনের দামামা বেজে গিয়েছে। কোভিড পরিস্থিতিতেও উত্তরবঙ্গ সফরে গিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। উন্নয়নের কাজ খতিয়ে দেখতেই এই সফর মমতার। উচ্চপদস্থ প্রশাসনিক কর্তাদের মুখ্যমন্ত্রী স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন ১০০ শতাংশ কাজ চাই। চা শ্রমিকদের জন্য করলেন বিশেষ ঘোষণা। আলিপুরদুয়ার ও জলপাইগুড়িতে মানুষের উন্নয়নের কাজে কেনও গাফিলতি না হয় এবং দ্রুত কাজ শেষ করার নির্দেশ দিয়েছেন মমতা। মুখ্যমন্ত্রী বললেন, ইনস্পেক্টর রাজ বেশি চলছে। জনস্বার্থে কাজ বেশি চাই। খোলনলচে সব বদলে দেব। ১০০ পার্সেন্ট কাজ চাই, ১০০ পার্সেন্ট অভিযোগের সমাধান করতে হবে। আগামী তিন মাসের মধ্যে দুই জেলার সব কাজ শেষ করার জন্য ডিএম-এসডিও-বিডিওদের নির্দেশ দেন মুখ্যমন্ত্রী। রাজ্যের অর্থদপ্তর টাকা দেওয়া সত্ত্বেও অনেক জায়গায় কাজ হচ্ছে না বলে রিপোর্ট পেয়েছেন মমতা। মুখ্যমন্ত্রী জেলা সভাধিপতিদের নির্দেশ দেন ডিএম-বিডিওদের সঙ্গে কথা বলে অসমাপ্ত কাজগুলি শেষ করুন। বুধবার দার্জিলিং, কোচবিহার ও কালিম্পংয়ের রিভিউ বৈঠক করবেন মমতা। এদিন চা বাগানের গৃহহীন শ্রমিকদের জন্য চা সুন্দরী প্রকল্পের উদ্বোধন করলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, চা বাগানের গৃহহীন শ্রমিকদের বাড়ি বানিয়ে দেবে সরকার। চা সুন্দরী প্রকল্পে ৫০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। এই প্রকল্পের কাজ আগামী ২ মাসের মধ্যে শুরু হবে। তিন বছরের মধ্যে প্রকল্প সম্পূর্ণ করা হবে। উত্তরবঙ্গে ৩৭০টি চা বাগানে প্রায় ৩ লক্ষ শ্রমিক রয়েছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, প্রথম পর্যায়ে জলপাইগুড়ি ও আলিপুরদুয়ারের মোট ৭টি চা বাগানের ৩,৬৯৪টি পরিবার এই প্রকল্পের বাড়ি পাবেন। আলিপুরদুয়ারে ৫টি চা বাগানের ২,৬৪১ টি পরিবার রয়েছে। আর জলপাইগুড়িতে ২টি চা বাগানে ১,০৫৩টি পরিবার থাকছে। তিনশো কামতাপুরি আন্দোলনকারী রাজ্যের উদ্যোগে মূল স্রোতে ফিরছে। এদিন ১৩০ জন কেএলও অ্যাক্টিভিস্ট ও লিংকম্যান মূল স্রোতে ফিরে এসেছেন। রাজ্য সরকারের উদ্যোগে বাকি ১৬১ জন আগামীকাল, বুধবার ফিরবেন। এদিন জল্পেশ মন্দিরের পুরোহিত বিজয় চক্রবর্তীর হাতে পুরোহিত ভাতা তুলে দেন মুখ্যমন্ত্রী।

সেপ্টেম্বর ৩০, ২০২০
রাজ্য

বাটুল বোমার কারিগরকে গ্রেফতার এনআইএ-র

মুর্শিদাবাদের পর এবার মালদায় আল-কায়েদা জঙ্গি সংগঠনের লিংকম্যান সন্দেহে ভুতনি থানার হরিচন্দ্রপুর থেকে একজনকে গ্রেপ্তার করল কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা এনআইএ(নেশনাল ইনভেস্টিগেশন এজেন্সি)। বিশেষ সূত্রে জানা গিয়েছে, বৃহস্পতিবার ভোররাতে ধৃতকে গ্রেপ্তারের পর কলকাতায় নিয়ে চলে গিয়েছে অভিযানকারী কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার কর্তারা। বৃহস্পতিবার সকালে বিষয়টি প্রকাশ্যে আসতেই মানিকচক ব্লকের ভুতনি থানার হরিচন্দ্রপুর এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়। ধৃতের বিরুদ্ধে বিগত দিনে বাটুল বোমা বিস্ফোরণ সহ একাধিক অপরাধমূলক অভিযোগ দায়ের রয়েছে থানায়। এই বাটুল বোমা তৈরি করার ঘটনাটি নিয়েই চলতি বছর জানুয়ারি মাস থেকেই তদন্ত শুরু করেছিল মালদা জেলা পুলিশ। এদিকে কয়েকদিন আগে মুর্শিদাবাদের আল কায়দা জঙ্গি সন্দেহে কয়েকজন ধরা পড়েছে। সূত্রের খবর, তাঁদের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে মালদার ভুতনির এই ব্যক্তির সন্ধান পায় কেন্দ্রীয় ওই গোয়েন্দা সংস্থা। তারপর বুধবার গভীর রাতে মালদা শহর থেকে ৬০ কিলোমিটার দূরে গঙ্গা নদীর চরে অবস্থিত হরিচন্দ্রপুর গ্রামে অভিযান চালিয়ে ওই ব্যক্তিকে গ্রেফতার করে নিয়ে যায় এনআইএর কর্তারা। এনআইএর একটি সূত্র থেকে জানা গিয়েছে, ধৃত ওই ব্যক্তির নাম সিদ্ধার্থ মন্ডল (৩৪)। চলতি বছর জানুয়ারি মাসে মানিকচকে বাটুল বোমা বিস্ফোরণে এই সিদ্ধার্থ মন্ডলের নাম উঠে এসেছিল। তারপর থেকে সে গা ঢাকা দিয়েছিল। রীতিমতো বিদেশি কায়দায় ইন্টারনেট ঘেটে এই বাটুল বোমা তৈরীর দক্ষতা অর্জন করেছিল অভিযুক্ত সিদ্ধার্থ মন্ডল। এমনটাই মনে করছেন তদন্তকারীরা। আধুনিক কায়দায় কিভাবে এই বাটুল বোমা তৈরি করতে সক্ষম হল অভিযুক্ত ওই ব্যক্তি, তা নিয়ে জেলা পুলিশের পাশাপাশি কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা তদন্ত শুরু করে। এদিকে গোয়েন্দা সংস্থার একটি সূত্র থেকে জানা গিয়েছে, মুর্শিদাবাদে আল-কায়েদা জঙ্গী সংগঠনের লিঙ্ক ম্যান হিসেবে যারা গ্রেফতার হয়েছে, তাদের কাছ থেকেই ২২ জনের একটি হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপের নামের তালিকা পাওয়া গিয়েছে । সেই তালিকার মধ্যে মালদার ভুতনি এলাকার সিদ্ধার্থ মন্ডলের নাম রয়েছে। সেক্ষেত্রে ওই জঙ্গী সংগঠনের লিংক ম্যান সন্দেহে এদিন অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে নিয়ে গিয়েছে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার কর্তারা । যদিও এব্যাপারে মুখে কুলুপ এঁটেছে জেলা পুলিশ ও প্রশাসনের কর্তারা। পাশাপাশি কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার কর্তাদের কোনরকম প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায় নি। তবে পুলিশ সূত্রে খবর, ভুতনি থানা এলাকার সিদ্ধার্থ মন্ডল নামে ওই ব্যক্তিকে মূলত বাটুল বোমা তৈরির অভিযোগে এনআইএর কর্তারা গ্রেফতার করেছে। মানিকচকে গত ৫ জানুয়ারি বাটুল বোমা তৈরি করতে গিয়ে বিস্ফোরণ ঘটে। তারপর থেকেই পালিয়ে বেড়াচ্ছিল অভিযুক্ত ব্যক্তি। কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার রাডারে অভিযুক্ত ওই ব্যক্তি প্রথম নজরে ছিল । এরপরই মুর্শিদাবাদে আল-কায়েদা জঙ্গি সংগঠনের সাথে যুক্ত থাকার অভিযোগে ৯ জন গ্রেপ্তারের পর মালদার ভূতনির সিদ্ধার্থ মন্ডলের নাম জানতে পারে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার কর্তারা। নানা সূত্র ধরেই তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। কিন্তু ধৃত ব্যক্তি যে কোন জঙ্গি সংগঠনের লিংক ম্যান হিসেবে কাজ করে থাকতে পারে সে ব্যাপারে অবশ্য কোন কিছু জানাতে পারে নি জেলা পুলিশ কর্তারা।

সেপ্টেম্বর ২৪, ২০২০
রাজ্য

পিছোল মুখ্যমন্ত্রীর উত্তরবঙ্গ সফর

প্রাকৃতিক দুর্যোগের আশঙ্কায় পিছিয়ে গেল মমতার উত্তরবঙ্গ সফর। এর আগে সিদ্ধান্ত হয়েছিল ২১ সেপ্টেম্বর উত্তরবঙ্গ সফরে যাবেন মুখ্যমন্ত্রী। এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে ঝড় বৃষ্টির আভাসের কারণে আপাতত পিছিয়ে যাচ্ছে মমতার ওই সফর। জানা গিয়েছে, ২৯ ও ৩০ সেপ্টেম্বর উত্তরবঙ্গ সফরে যাবেন মুখ্যমন্ত্রী। নবান্ন সূত্রে খবর, উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন জেলার প্রশাসনিক কর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করবেন মুখ্যমন্ত্রী। সমস্ত প্রশাসনিক বৈঠক করা হবে শিলিগুড়ির উত্তরকন্যায়। জেলাশাসক, জেলা পুলিশসুপার, স্বাস্থ্য আধিকারিক, মহকুমাশাসকসহ জেলা প্রশাসনের বিভিন্ন দফতরের আধিকারিকরা বৈঠকে হাজির থাকবেন। উন্নয়নের খতিয়ান দেখবেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাছাড়াও উত্তরবঙ্গের করোনা পরিস্থিতির কি হাল তা নিয়েও তিনি খোঁজখবর নেবেন। জানা গিয়েছে, উত্তরবঙ্গ সফরকালে বেশ কিছু প্রকল্পের শিলান্যাস করার কথা রয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের।

সেপ্টেম্বর ২০, ২০২০
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

লন্ডনের রাস্তায় ভিক্ষুক কেন? বিষয়টা হল মন্ত্রীর বাচনভঙ্গী। আসল অভিমুখের সমস্যা দেখুন।

মানবিক আচরণ করুন, পার্কস্ট্রিটের ফুটপাথবাসী পরিবারের পাশে কুণালফুটপাথে শিশুর দুধ গরম করা নিয়ে পুরমন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পালের মন্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক বিতর্কের মধ্যেই পার্কস্ট্রিটের ওই ফুটপাথবাসী পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন তৃণমূল বিধায়ক কুণাল ঘোষ। এদিন তিনি ওই পরিবারের সঙ্গে দেখা করেন। একই সঙ্গে পার্কস্ট্রিট থানার পুলিশের কাছেও পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে মানবিক আচরণের আবেদন জানান তিনি।কুণাল ঘোষের বক্তব্য, ফুটপাথে বসবাসকারী মানুষও সমাজেরই অংশ। তাঁদের সঙ্গে সহানুভূতিশীল ও মানবিক আচরণ করা প্রয়োজন। বিশেষ করে কোনও পরিবারের শিশু, মহিলা বা অসহায় সদস্যদের বিষয়টি বিবেচনা করে প্রশাসনের আরও সংবেদনশীল হওয়া উচিত বলেই মনে করেন তিনি।অগ্নিমিত্রা পালের আচরণ ও মন্তব্য প্রসঙ্গে কুণালের বক্তব্যের মূল সুর ছিলকোনও সমস্যার সমাধান করতে গিয়ে অসহায় মানুষকে হেয় বা অপমান করা উচিত নয়। ফুটপাথে কেন কোনও পরিবারকে থাকতে হচ্ছে, সেই বৃহত্তর সামাজিক ও মানবিক সমস্যাটিও প্রশাসনকে দেখতে হবে। সামাজ মাধ্যমে এক ব্যক্তির প্রশ্নের উত্তরে কুনাল ঘোষ লেখেন, দিল্লী বা লন্ডনের রাস্তায় ভিক্ষুক কেন? রাস্তায় ভিক্ষুক এ বিষয়টার থেকেও গুরুত্বপূর্ন হল মন্ত্রীর বাচনভঙ্গী বলেন কুনাল ঘোষ।এদিকে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বাম ও তৃণমূল শিবির থেকে অগ্নিমিত্রা পালের সমালোচনা শুরু হয়েছে। বাম নেত্রী কনীনিকা ঘোষও পুরমন্ত্রীর আচরণের নিন্দা করেছেন।যদিও রাজনৈতিক চাপানউতোরের মাঝেই অগ্নিমিত্রা পালের পাশে দাঁড়িয়েছেন বিজেপি বিধায়ক কৌস্তভ বাগচি। তাঁর দাবি, ওই পরিবারের নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখেই পুরমন্ত্রী পদক্ষেপ করেছিলেন। বিষয়টিকে নেগেটিভ ভাবে তুলে ধরা হচ্ছে বলেও দাবি তাঁর।ফলে ফুটপাথে শিশুর দুধ গরম করা নিয়ে শুরু হওয়া বিতর্ক ক্রমেই রাজনৈতিক তরজায় পরিণত হয়েছে। একদিকে ফুটপাথবাসী পরিবারের প্রতি মানবিক আচরণের দাবি, অন্যদিকে তাঁদের নিরাপত্তার যুক্তিদুই ভিন্ন অবস্থানকে ঘিরেই এখন সরগরম রাজ্য রাজনীতি।

আগস্ট ২৪, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

যুবভারতীতে লাল-হলুদ ঝড়, বাগানকে উড়িয়ে ২২ বছর পর ডুরান্ড ইস্টবেঙ্গলের

২২ বছরের অপেক্ষার অবসান। কলকাতার যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে ডুরান্ড কাপের ফাইনালে মোহনবাগানকে ৪-১ গোলে উড়িয়ে দিয়ে ফের ট্রফি ঘরে তুলল ইস্টবেঙ্গল। ডার্বির মঞ্চে এমন একতরফা জয় যে লাল-হলুদ সমর্থকদের কাছেও ছিল প্রায় অবিশ্বাস্য। আর সেই জয়ের কেন্দ্রে একটাই নামএডমুন্ড লালরিনডিকা। দুরন্ত হ্যাটট্রিক করে তিনিই হয়ে উঠলেন রাতের নায়ক।গ্রুপ পর্বে মোহনবাগানের কাছে হারের যন্ত্রণা ছিল ইস্টবেঙ্গলের। ফাইনালের মঞ্চে সেই হারের জবাব দেওয়ার সুযোগও ছিল। কিন্তু জবাবটা যে এতটা নির্মম হবে, তা সম্ভবত কেউই ভাবেননি। ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণের ঝড় তুলে মাত্র ২২ মিনিটের মধ্যেই তিন গোল করে ইস্টবেঙ্গল কার্যত ম্যাচের ভাগ্য লিখে ফেলে।শুরুটা করেন বিপিন সিংহ। মোহনবাগানের রক্ষণ তখনও নিজেদের মধ্যে সামলে ওঠার চেষ্টা করছে। সেই সুযোগেই ইস্টবেঙ্গলের আক্রমণ পৌঁছে যায় বিপজ্জনক জায়গায়। বিপিনের গোলের পর আরও ভয়ঙ্কর হয়ে ওঠে লাল-হলুদ আক্রমণ। মুহূর্তের মধ্যে জোড়া গোল করে ব্যবধান বাড়িয়ে দেন এডমুন্ড।৩-০ পিছিয়ে গিয়ে মোহনবাগান কিছুটা ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করেছিল। মনবীর সিংহ ব্যক্তিগত দক্ষতায় একটি গোল শোধও করেন। কিন্তু সেই প্রত্যাবর্তনের সম্ভাবনাও বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি। প্রথমার্ধ শেষ হওয়ার আগেই ফের গোল করে নিজের হ্যাটট্রিক সম্পূর্ণ করেন এডমুন্ড। এক ফাইনালের প্রথমার্ধেই চার গোলতার মধ্যে তিনটি একই ফুটবলারের! যুবভারতীর গ্যালারিতে তখন কার্যত লাল-হলুদ উৎসব।দ্বিতীয়ার্ধে মোহনবাগান ব্যবধান কমানোর চেষ্টা করলেও ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি ছিল ইস্টবেঙ্গলের হাতে। সবুজ-মেরুন আক্রমণে সেই ধার দেখা যায়নি, যা একটি ডার্বি ফাইনালে প্রত্যাশিত। বরং ইস্টবেঙ্গল সুযোগ পেলেই দ্রুত আক্রমণে উঠে এসেছে এবং আরও গোলের সম্ভাবনা তৈরি করেছে। শেষ পর্যন্ত ৪-১ স্কোরলাইনেই শেষ হয় ম্যাচ।ইস্টবেঙ্গলের সাফল্যের অন্যতম বড় কারণ ছিল দলের সামগ্রিক সংগঠন। মাঝমাঠে মহম্মদ রশিদ ছিলেন অসাধারণ। বল নিয়ন্ত্রণ, পাসিং এবং খেলা পরিচালনায় বারবার তিনি মোহনবাগানের ছন্দ নষ্ট করেছেন। তাঁর সঙ্গে জিকসন সিংহ, আনোয়ার আলি এবং জয় গুপ্তারাও নিজেদের দায়িত্ব নিখুঁত ভাবে পালন করেন।অন্যদিকে মোহনবাগানের সবচেয়ে বড় দুর্বলতা হয়ে দাঁড়ায় রক্ষণ। শুভাশিস বসু, আলবের্তো রদ্রিগেজ়দের মধ্যে সমন্বয়ের অভাব বারবার প্রকট হয়েছে। ইস্টবেঙ্গলের দ্রুত আক্রমণের সামনে তাঁরা অনেক সময়ই দিশেহারা হয়ে পড়েন। বিশেষ করে তৃতীয় ও চতুর্থ গোলের ক্ষেত্রে রক্ষণভাগের ভুল চোখে পড়ার মতো।মাঝমাঠেও মোহনবাগান প্রত্যাশিত প্রভাব ফেলতে পারেনি। আপুইয়া এবং অনিরুদ্ধ থাপা কার্যত নিষ্প্রভ ছিলেন। আক্রমণে জেমি ম্যাকলারেনও একাধিক সহজ সুযোগ নষ্ট করেন। মনবীর গোল করলেও দলকে ম্যাচে ফেরানোর মতো ধারাবাহিকতা তৈরি করতে পারেননি।ফাইনালের আগে মোহনবাগানের ক্লান্তি নিয়ে আলোচনা ছিল। শিলংয়ে সেমিফাইনাল, প্রতিকূল আবহাওয়া এবং কর্দমাক্ত মাঠে খেলার ধকলসবই ছিল। কিন্তু ডার্বির মতো বড় ফাইনালে সেই ক্লান্তিকে অজুহাত হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। ইস্টবেঙ্গলও একই টুর্নামেন্টের চাপ সামলে মাঠে নেমেছিল, অথচ তাদের ফুটবলারদের মধ্যে ছিল অনেক বেশি তাগিদ, ক্ষুধা এবং জয়ের মানসিকতা।আর সেই মানসিকতারই সবচেয়ে বড় প্রতিফলন এডমুন্ডের হ্যাটট্রিকে। তিন গোল করে শুধু ম্যাচের সেরা ফুটবলারই হলেন না, ডুরান্ডের ইতিহাসে ইস্টবেঙ্গলের প্রত্যাবর্তনের রাতটিকেও নিজের নামে লিখে দিলেন তিনি।মজার বিষয়, ম্যাচের বিভিন্ন পরিসংখ্যানে মোহনবাগান কিছু ক্ষেত্রে এগিয়ে থাকলেও তার কোনও প্রভাব পড়েনি স্কোরলাইনে। কারণ ফুটবল শুধু বল দখল বা শটের সংখ্যা দিয়ে জেতা যায় নাবড় ম্যাচে প্রয়োজন সঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্ত এবং সুযোগকে গোলে পরিণত করার ক্ষমতা। সেই পরীক্ষায় রবিবার সম্পূর্ণ সফল ইস্টবেঙ্গল।২২ বছর আগে শেষ বার ডুরান্ড কাপ জিতেছিল ইস্টবেঙ্গল। তারপর দীর্ঘ অপেক্ষা, হতাশা এবং একের পর এক অসম্পূর্ণ স্বপ্ন। সেই অপেক্ষার অবসান হল চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী মোহনবাগানকে ৪-১ গোলে হারিয়েই। ফলে এই জয় শুধু একটি ট্রফি জয় নয়লাল-হলুদ সমর্থকদের কাছে এটি দীর্ঘ অপেক্ষার পর ফিরে পাওয়া গৌরবের রাত।একদিকে এডমুন্ডের হ্যাটট্রিক, অন্যদিকে মোহনবাগানের রক্ষণভাগের বিপর্যয়সব মিলিয়ে যুবভারতীতে রবিবারের ডার্বি যেন হয়ে রইল এক লাল-হলুদ ঝড়ের রাত।তবে ইস্টবেঙ্গল সমর্থকদের মনে হয়তো শেষ পর্যন্ত একটাই আক্ষেপ থেকে গেলচার নয়, আরও কয়েকটি গোল হতে পারত!

আগস্ট ২৩, ২০২৬
টুকিটাকি

কাঁচা কুমড়ো না পাকা কুমড়ো, কোনটি বেশি উপকারী?

কুমড়ো বাঙালির রান্নাঘরের অতি পরিচিত একটি সবজি। কাঁচা সবুজ কুমড়ো হোক বা পাকা হলুদ-কমলা কুমড়ো, দুটিরই রয়েছে নানা পুষ্টিগুণ। তবে পরিপক্বতার সঙ্গে কুমড়োর পুষ্টি উপাদানে কিছুটা পরিবর্তন ঘটে। বিশেষ করে পাকা কমলা কুমড়ো বিটা-ক্যারোটিনের অন্যতম ভালো উৎস হিসেবে পরিচিত।কাঁচা কুমড়োতে তুলনামূলকভাবে ভিটামিন C-এর পরিমাণ বেশি থাকতে পারে। এতে ক্যালোরিও কম, ফলে ওজন নিয়ন্ত্রণের খাদ্যতালিকায় এটি রাখা যেতে পারে। কিছু জাতের অপরিপক্ব কুমড়োতে অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট কার্যকারিতাও দেখা যায়। তবে কাঁচা কুমড়ো রান্না করে খাওয়াই ভালো, কারণ তাতে হজম সহজ হয়।অন্যদিকে, পাকা হলুদ বা কমলা কুমড়োর প্রধান বৈশিষ্ট্য হল প্রচুর বিটা-ক্যারোটিন। শরীর এই উপাদানকে ভিটামিন A-তে রূপান্তর করে। ফলে চোখের স্বাস্থ্য, ত্বক এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বজায় রাখতে পাকা কুমড়ো উপকারী। এতে লুটেইন ও জিয়াজ্যানথিনের মতো অ্যান্টিঅক্সিড্যান্টও রয়েছে। রান্না করলে কুমড়োর বিটা-ক্যারোটিন শরীর তুলনামূলক সহজে শোষণ করতে পারে।কুমড়োকে ক্যানসারের ওষুধ বা নিশ্চিত প্রতিরোধক বলা যায় না। তবে এতে থাকা ক্যারোটিনয়েড, পলিফেনল, ভিটামিন C ও E এবং খাদ্যআঁশ শরীরকে অক্সিডেটিভ ক্ষতি থেকে রক্ষা করতে ভূমিকা রাখতে পারে। তাই স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাসের অংশ হিসেবে কুমড়ো খাওয়া উপকারী হতে পারে।কুমড়োর বীজেও রয়েছে প্রোটিন, স্বাস্থ্যকর অসম্পৃক্ত চর্বি, জিঙ্ক, ম্যাগনেসিয়াম ও ভিটামিন E। হৃদ্স্বাস্থ্য ও সামগ্রিক পুষ্টির জন্য এগুলি গুরুত্বপূর্ণ।পুষ্টিগত বিচারে বিটা-ক্যারোটিনের জন্য পাকা কমলা কুমড়ো কিছুটা এগিয়ে থাকলেও কাঁচা কুমড়োকেও খাদ্যতালিকা থেকে বাদ দেওয়ার কারণ নেই। অল্প তেলে রান্না করে, অতিরিক্ত ভাজা বা চিনি এড়িয়ে কুমড়ো খাওয়াই ভালো। সব মিলিয়ে, বিভিন্ন ধরনের সবজি, ডাল ও স্বাস্থ্যকর খাবারের সঙ্গে কুমড়ো রাখলেই মিলবে বেশি সুষম পুষ্টি।

আগস্ট ২৩, ২০২৬
রাজ্য

ওয়াকফ-অশান্তির মামলায় নাম, এবার তৃণমূল ছেড়ে অধীরের হাত ধরে কংগ্রেসে ইনজামুল! কেন এই দলবদল?

ওয়াকফ সংশোধিত আইনকে কেন্দ্র করে অশান্তির ঘটনার পর থেকেই বিতর্কে ছিলেন ধুলিয়ানের পুরপ্রধান ইনজামুল ইসলাম রাজা। এবার সেই ইনজামুলই তৃণমূল ছেড়ে কংগ্রেসে যোগ দিলেন। রবিবার প্রদেশ কংগ্রেসের প্রাক্তন সভাপতি অধীর রঞ্জন চৌধুরীর হাত ধরে কংগ্রেসে যোগ দেন তিনি। তাঁর এই দলবদল ঘিরে মুর্শিদাবাদের রাজনীতিতে নতুন করে চর্চা শুরু হয়েছে।গত বছর সংশোধিত ওয়াকফ আইনকে কেন্দ্র করে জঙ্গিপুরের সামশেরগঞ্জ, সুতি এবং ধুলিয়ানে অশান্তি ছড়িয়েছিল। সেই ঘটনায় ইনজামুল ইসলাম রাজার বিরুদ্ধে প্ররোচনা দেওয়ার অভিযোগ ওঠে। বর্তমানে সেই মামলা চলছে। তবে তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ইনজামুল। তাঁর দাবি, রাজনৈতিক কারণে তাঁকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো হয়েছে।রবিবার ধুলিয়ানের কাঞ্চনতলা ঘাটে কংগ্রেসের যোগদান সভায় বড়সড় দলবদল হয়। ইনজামুল ইসলাম রাজার পাশাপাশি ধুলিয়ান পুরসভার ভাইস চেয়ারম্যান খায়রুল আলম, কাউন্সিলর শরিফ শেখ, ফারহানা খাতুন-সহ একাধিক কাউন্সিলর এবং তৃণমূলের কর্মীরা কংগ্রেসে যোগ দেন। একই দিনে মুর্শিদাবাদ জেলা পরিষদের প্রাক্তন সহকারী সভাধিপতি ওবায়দুর রহমানও কংগ্রেসে যোগ দিয়েছেন।ইনজামুলের দলবদলকে ঘিরে রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়েছে। বিজেপির দক্ষিণ মালদহ সাংগঠনিক জেলার সহ-সভাপতি মিলন ঘোষ কটাক্ষ করে দাবি করেন, তৃণমূলের দুর্নীতি থেকে বাঁচতেই অনেকে দলবদল করছেন। সামশেরগঞ্জের অশান্তিতে যাঁদের নাম উঠেছিল, তাঁরাও নিজেদের বাঁচাতে দল পরিবর্তন করছেন বলে অভিযোগ করেন তিনি। তবে দলবদল করেও তাঁরা আইনি পরিস্থিতি থেকে রেহাই পাবেন না বলেও দাবি করেন বিজেপি নেতা।বিজেপির এই অভিযোগ অবশ্য সরাসরি খারিজ করেছেন ইনজামুল ইসলাম রাজা। তাঁর দাবি, সামশেরগঞ্জের অশান্তির সঙ্গে তাঁর কোনও যোগ ছিল না। রাজনৈতিক কারণে তাঁর বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা করা হয়েছে। সেই মামলার বিরুদ্ধে তিনি আইনি লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন।রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পর মুর্শিদাবাদে তৃণমূলের এই ভাঙন বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। ধুলিয়ান পুরসভার একাধিক জনপ্রতিনিধির একসঙ্গে দলবদল স্থানীয় রাজনীতিতে নতুন সমীকরণের ইঙ্গিত দিচ্ছে। বিশেষ করে ওয়াকফ-অশান্তির মামলা চলার মধ্যেই ইনজামুলের কংগ্রেসে যোগদান ঘিরে প্রশ্ন আরও জোরালো হয়েছে।এ দিনের যোগদান সভায় উপস্থিত ছিলেন অধীর রঞ্জন চৌধুরী, দক্ষিণ মালদহের সাংসদ ইশা খান চৌধুরী, ফরাক্কার বিধায়ক মনিরুল ইসলাম এবং জঙ্গিপুর মহকুমা কংগ্রেসের সভাপতি আলফাজুদ্দিন বিশ্বাস-সহ জেলা ও ব্লক স্তরের কংগ্রেস নেতৃত্ব।

আগস্ট ২৩, ২০২৬
কলকাতা

হঠাৎ বাংলায় এত বড় বিনিয়োগ! জাহাজ শিল্পে পাঁচ প্রকল্পের সূচনায় বাড়ল আশার আলো

পশ্চিমবঙ্গে জাহাজ নির্মাণ এবং প্রতিরক্ষা শিল্পের পরিকাঠামো আরও শক্তিশালী করার লক্ষ্যে বড় উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। গার্ডেনরিচ শিপবিল্ডার্সের ভবনে পাঁচটি সম্প্রসারণ প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়। এই পাঁচটি প্রকল্পে মোট ৩৪০৪ কোটি টাকা বিনিয়োগ করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।এই উদ্যোগের মধ্যে রয়েছে রাইচক CPR, টিম্বার পন্ট শিপবিল্ডিং ফ্যাসিলিটি, দামোদর শিপবিল্ডিং ফ্যাসিলিটি, রেডিয়াল ফোরজিং প্ল্যান্ট এবং ৩০০০ টন ওপেন-ডাই ফোরজিং প্রেস প্রকল্প। জাহাজ নির্মাণের পাশাপাশি প্রতিরক্ষা উৎপাদনের ক্ষেত্রেও এই প্রকল্পগুলি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।অনুষ্ঠানে বাংলায় বিনিয়োগ আনার ক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংয়ের ভূমিকার প্রশংসা করেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর প্রতি কৃতজ্ঞতাও প্রকাশ করেন তিনি। মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য, বাংলায় শিল্প গড়ে তোলার জন্য প্রয়োজনীয় জমি, দক্ষ মানবসম্পদ, পরিকাঠামো এবং কাঁচামাল রয়েছে। এতদিন এই সম্ভাবনাকে সঠিকভাবে কাজে লাগানো হয়নি বলেও দাবি করেন তিনি।কেন্দ্র ও রাজ্য সরকার একসঙ্গে কাজ করলে বাংলায় আরও বড় বিনিয়োগ আসতে পারে বলে বার্তা দেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর দাবি, নতুন সরকারের আমলে কেন্দ্র ও রাজ্যের সমন্বয়ের ফলে উন্নয়নের গতি আরও বাড়ছে।সীমান্ত সুরক্ষার প্রসঙ্গও উঠে আসে মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্যে। সীমান্তরক্ষী বাহিনীর জন্য জমি দেওয়া কোনও রাজনৈতিক বিষয় নয়, বরং রাজ্য সরকারের দায়িত্ব বলেই মন্তব্য করেন তিনি। নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর সীমান্তরক্ষী বাহিনীর জন্য প্রয়োজনীয় জমির প্রায় ৯০ শতাংশ হস্তান্তর করা হয়েছে বলেও দাবি করা হয়।দীর্ঘদিন বন্ধ থাকা জনগণনা সংক্রান্ত কাজও ফের শুরু হয়েছে বলে জানান মুখ্যমন্ত্রী। একইসঙ্গে রাজ্যে বেকারত্ব কমাতে শিল্পায়ন এবং বড় বিনিয়োগের উপর জোর দেওয়ার কথা বলেন তিনি।গার্ডেনরিচ শিপবিল্ডার্সের সম্প্রসারণের ক্ষেত্রেও রাজ্য সরকার জমি এবং পরিকাঠামো সংক্রান্ত বিষয়ে সহযোগিতা করবে বলে আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। ৩৪০৪ কোটি টাকার এই বিনিয়োগ দিয়েই উদ্যোগ শেষ নয়, আগামী দিনে বাংলায় আরও বড় বিনিয়োগ আসতে পারে বলেও আশা প্রকাশ করা হয়েছে।জাহাজ নির্মাণ এবং প্রতিরক্ষা উৎপাদনের পাশাপাশি এই ধরনের শিল্প প্রকল্পের মাধ্যমে কর্মসংস্থানের সুযোগও বাড়বে বলে মনে করা হচ্ছে। বাংলাকে ফের দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ শিল্প ও অর্থনৈতিক কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ বলে বার্তা দেওয়া হয়েছে।

আগস্ট ২৩, ২০২৬
কলকাতা

মহাকাশে বদলে যাচ্ছে ভারতের ছবি! স্টার্টআপ প্রধানদের সঙ্গে বৈঠকে কী বললেন মোদী?

জাতীয় মহাকাশ দিবসে দেশের মহাকাশ ক্ষেত্রে নতুন সম্ভাবনার কথা বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। রবিবার দেশের প্রথম সারির মহাকাশ স্টার্টআপগুলির প্রধানদের সঙ্গে বৈঠক করেন তিনি। বৈঠকে ভারতের মহাকাশ ক্ষেত্রে স্টার্টআপগুলির উদ্যম, উচ্চাকাঙ্ক্ষা এবং নতুন ভাবনার প্রশংসা করেন প্রধানমন্ত্রী। পাশাপাশি সাধারণ মানুষের জীবন আরও সহজ করতে মহাকাশ প্রযুক্তির নতুন ব্যবহার খুঁজে বার করার পরামর্শ দেন তিনি।মোদী বলেন, মহাকাশ প্রযুক্তিকে শুধু প্রচলিত কাজের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখলে চলবে না। মানুষের দৈনন্দিন জীবনের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানেও এই প্রযুক্তিকে কাজে লাগাতে হবে। প্রযুক্তির মাধ্যমে মানুষের জীবনযাত্রার মান কীভাবে আরও উন্নত করা যায়, সেই বিষয়ে নতুন করে ভাবার পরামর্শ দেন তিনি।ভারতের মহাকাশ ক্ষেত্রের ভবিষ্যৎ নিয়েও স্টার্টআপ প্রধানদের সঙ্গে আলোচনা করেন প্রধানমন্ত্রী। তাঁদের আত্মবিশ্বাস এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার প্রশংসা করে তিনি সরকারি নীতির ধারাবাহিকতার উপর জোর দেন। তাঁর বক্তব্য, সরকারের সিদ্ধান্তের উপর মহাকাশ ক্ষেত্রে কাজ করা সংস্থাগুলির যে আস্থা তৈরি হয়েছে, তা ধরে রাখা অত্যন্ত জরুরি।বিশ্বের মহাকাশ অর্থনীতিতে ভারতকে আরও বড় জায়গায় নিয়ে যাওয়ার কথাও বলেন মোদী। তাঁর আশা, আগামী দিনে মহাকাশ ক্ষেত্রে কোনও বড় প্রযুক্তিগত সাফল্য এলেই বিশ্বের নজর ভারতের স্টার্টআপগুলির দিকে ঘুরবে। ভারতীয় সংস্থাগুলি যেন বিশ্ব মহাকাশ ক্ষেত্রে নিজেদের শক্তিশালী পরিচয় তৈরি করতে পারে, সেই লক্ষ্যেই এগোতে হবে বলে বার্তা দেন তিনি।মহাকাশ স্টার্টআপ, মহাকাশ সংস্থা এবং বৃহত্তর প্রযুক্তি ক্ষেত্রের মধ্যে আরও বেশি সহযোগিতার প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। বিদেশে কাজ করা ভারতীয় দক্ষ পেশাদারদের দেশে ফিরে আসার প্রবণতাকেও ইতিবাচক বলে উল্লেখ করেন তিনি। তাঁর মতে, ভারতে এমন পরিবেশ তৈরি করা প্রয়োজন, যাতে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের দক্ষ মানুষ মহাকাশ ক্ষেত্রে কেরিয়ার গড়ার জন্য ভারতকে অন্যতম সেরা ঠিকানা হিসেবে বেছে নেন।মোদীর বক্তব্য, ভারতীয় মহাকাশ স্টার্টআপগুলির দ্রুত বৃদ্ধি আগামী দিনে বিশ্বের প্রতিভাবান পেশাদারদের আকৃষ্ট করতে পারে। শুধু দেশের প্রতিভা নয়, গোটা বিশ্বের দক্ষ মানুষকে ভারতের মহাকাশ ক্ষেত্রের সঙ্গে যুক্ত করার লক্ষ্যেই এগোতে হবে। জাতীয় মহাকাশ দিবসে প্রধানমন্ত্রীর এই বার্তায় মহাকাশ ক্ষেত্রে ভারতের ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন করে প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে।

আগস্ট ২৩, ২০২৬
রাজ্য

আবার নিম্নচাপের চোখরাঙানি! রবিবার থেকে মঙ্গলবার ভিজবে বাংলা, কোথায় ভারী বৃষ্টির আশঙ্কা?

রবিবার থেকেই বাংলার আবহাওয়ায় ফের বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিয়েছে আবহাওয়া দফতর। সকাল থেকেই আকাশ মেঘলা। উপকূলের দিকে ইতিমধ্যেই মেঘ ঢুকতে শুরু করেছে। ফলে রবিবার থেকে বৃষ্টি বাড়তে পারে। আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী মঙ্গলবার পর্যন্ত রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় বৃষ্টি চলতে পারে।গত সপ্তাহে নিম্নচাপের জেরে প্রবল বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত হয়েছিল দক্ষিণবঙ্গ। কলকাতা-সহ প্রায় সব জেলাতেই বৃষ্টি হয়েছিল। বহু জায়গায় জল জমে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ বাড়ে। এর মধ্যেই বঙ্গোপসাগরে ফের একটি নিম্নচাপ তৈরি হয়েছে। অগস্ট মাসে এটি তৃতীয় নিম্নচাপ বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর। নতুন এই নিম্নচাপের প্রভাবে আগামী কয়েক দিন রাজ্যে বৃষ্টির পরিমাণ বাড়তে পারে।আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, নতুন নিম্নচাপটি বাংলা ও ওড়িশা উপকূলের কাছে অবস্থান করছে। এর প্রভাবে উপকূলবর্তী এবং পশ্চিমাঞ্চলের জেলাগুলিতে বৃষ্টি বেশি হতে পারে। কলকাতায় হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।রবিবার দক্ষিণ ২৪ পরগনায় ভারী বৃষ্টির হলুদ সতর্কতা জারি করা হয়েছে। একই সঙ্গে দুই মেদিনীপুর এবং ঝাড়গ্রামেও ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। সোমবার ঝাড়গ্রাম, পুরুলিয়া এবং বাঁকুড়ায় ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। তবে নিম্নচাপের মূল প্রভাব পড়তে পারে ওড়িশা এবং ছত্তীসগঢ়ে।দক্ষিণবঙ্গের পর মঙ্গলবার থেকে উত্তরবঙ্গেও ভারী বৃষ্টির সতর্কতা জারি হয়েছে। দার্জিলিং, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার এবং জলপাইগুড়িতে ভারী বৃষ্টি হতে পারে। বুধবার কোচবিহার, আলিপুরদুয়ার এবং জলপাইগুড়িতে ভারী বৃষ্টির হলুদ সতর্কতা রয়েছে।বৃহস্পতিবারও রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে। ফলে সপ্তাহের শুরু থেকেই ফের বৃষ্টির দাপট দেখা দিতে পারে বাংলায়। নতুন নিম্নচাপের গতিপথ এবং শক্তি বদলালে বৃষ্টির পূর্বাভাসেও পরিবর্তন হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর।

আগস্ট ২৩, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

ব্রাজিল ম্যাচ বয়কটের ডাক বাইচুংয়ের, ‘স্থানীয় রাজনীতি’ বলে উড়িয়ে দিল ব্রাজিল! যুবভারতীর ম্যাচ ঘিরে তুঙ্গে বিতর্ক

৩ অক্টোবর কলকাতার যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে ভারত বনাম ব্রাজিলের বহু প্রতীক্ষিত ফুটবল ম্যাচ। বিশ্বের অন্যতম সেরা ফুটবল দলের বিরুদ্ধে ভারতের মাঠে নামার খবরে ইতিমধ্যেই ফুটবলপ্রেমীদের মধ্যে উন্মাদনা তৈরি হয়েছে। কিন্তু ম্যাচ যত এগিয়ে আসছে, ততই বাড়ছে বিতর্কও। একদিকে এই ম্যাচ আয়োজনকে ঘিরে বিপুল খরচ এবং দেশের ফুটবল পরিকাঠামো নিয়ে প্রশ্ন উঠছে, অন্যদিকে এর জন্য ঘরোয়া ফুটবল সূচি ও জাতীয় দলের পরিকল্পনায় প্রভাব পড়ছে বলে অভিযোগ।এই পরিস্থিতিতেই ভারতীয় ফুটবলের কিংবদন্তি বাইচুং ভুটিয়া সরাসরি ব্রাজিল ম্যাচ বয়কটের ডাক দিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, একটি মাত্র প্রদর্শনী ম্যাচের পিছনে বিপুল অর্থ খরচ না করে সেই টাকা দীর্ঘমেয়াদি ভাবে ভারতীয় ফুটবলের উন্নয়নে বিনিয়োগ করা উচিত। বাইচুংয়ের মতে, এমন ম্যাচের পিছনে অর্থ ব্যয় করলে তা দেশের ফুটবলের ভবিষ্যৎকে এগিয়ে নেওয়ার বদলে উল্টে পিছিয়ে দিতে পারে।বাইচুংয়ের কথায়, ম্যাচ বয়কট করলে একটি স্পষ্ট বার্তা যাবে। ভবিষ্যতে এই ধরনের বড় ম্যাচ আয়োজনের আগে ফেডারেশনকে আরও সতর্ক হয়ে সিদ্ধান্ত নিতে হবে।বিপুল খরচ, প্রশ্নের মুখে ঘরোয়া ফুটবলকলকাতায় ব্রাজিলকে নিয়ে ম্যাচ আয়োজন করতে প্রায় ৬০ থেকে ৭০ কোটি টাকা পর্যন্ত খরচ হতে পারে বলে জানা যাচ্ছে। ম্যাচের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে ব্রাজিলের পর্যবেক্ষক দল যুবভারতী পরিদর্শনও করেছে। স্টেডিয়ামের পরিকাঠামো নিয়ে তাদের তরফে কিছু উদ্বেগের কথাও উঠে এসেছে।এর পাশাপাশি সবচেয়ে বড় প্রশ্ন উঠেছে ভারতীয় ফুটবলের ঘরোয়া কাঠামো নিয়ে। ব্রাজিল ম্যাচকে কেন্দ্র করে আইএসএলের সূচি পিছিয়ে যাওয়ার জল্পনা তৈরি হয়েছে। ফলে ক্লাবগুলির প্রস্তুতি এবং গোটা মরসুমের পরিকল্পনা নিয়েও অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে।অন্যদিকে ফিফা এশিয়ান কাপের বিষয়টিও নতুন করে বিতর্ক তৈরি করেছে। একই সময়ে আন্তর্জাতিক ম্যাচ এবং অন্যান্য সূচির সংঘাতের কারণে ভারত এশিয়ান কাপ থেকে নাম প্রত্যাহার করেছে বলে খবর ছড়িয়েছে। যদিও এই বিষয়ে ব্রাজিল ফুটবল কর্তৃপক্ষের তরফে কোনও নিশ্চিত তথ্য তাদের কাছে নেই বলেই জানানো হয়েছে।বাইচুংয়ের প্রশ্নএক ম্যাচের জন্য এত টাকা কেন?বাইচুং ভুটিয়ার যুক্তি, ব্রাজিলের মতো দলের বিরুদ্ধে ৯০ মিনিটের ম্যাচ নিঃসন্দেহে ভারতীয় ফুটবলপ্রেমীদের কাছে বড় আকর্ষণ। কিন্তু সেই আবেগের বাইরে গিয়ে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার কথা ভাবতে হবে।তিনি প্রশ্ন তুলেছেন, যদি এত বড় অঙ্কের অর্থ হাতে থাকে, তবে তা আগামী কয়েক বছরের জন্য দেশের ক্রীড়া পরিকাঠামো, প্রতিভা অন্বেষণ, প্রশিক্ষণ এবং আন্তর্জাতিক মানের খেলোয়াড় তৈরিতে বিনিয়োগ করা যায় না কেন? তাঁর মতে, সেই বিনিয়োগ থেকে ভবিষ্যতে কমনওয়েলথ গেমস বা অলিম্পিক্সের মতো মঞ্চে পদক পাওয়ার সম্ভাবনাও তৈরি হতে পারে।এবার পাল্টা বার্তা ব্রাজিলেরভারতীয় ফুটবল মহলে যখন ম্যাচ বয়কট নিয়ে আলোচনা তুঙ্গে, তখন ব্রাজিলের ফুটবল কর্তাদের বক্তব্য পরিস্থিতিতে নতুন মাত্রা যোগ করেছে। একটি সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ভারতের অভ্যন্তরে এই ম্যাচ নিয়ে কী ধরনের বিতর্ক চলছে, তা নিয়ে ব্রাজিল কর্তৃপক্ষ বিশেষ চিন্তিত নয়। ম্যাচের সূচি পরিবর্তনেরও কোনও সম্ভাবনা নেই।বয়কট নিয়ে ব্রাজিলের তরফে বিশেষ মাথাব্যথা নেই বলেও ওই প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। বরং এই ধরনের বক্তব্যকে স্থানীয় রাজনৈতিক বা অভ্যন্তরীণ বিতর্কের অংশ হিসেবেই দেখা হচ্ছে বলে সূত্রের দাবি।এশিয়ান কাপ থেকে ভারতের নাম প্রত্যাহারের বিষয়েও ব্রাজিল কর্তৃপক্ষের কাছে কোনও স্পষ্ট তথ্য নেই বলে জানা গিয়েছে। ফলে ভারতের অভ্যন্তরীণ ফুটবল পরিস্থিতির সঙ্গে ব্রাজিলের কলকাতা সফরকে যুক্ত করার কোনও কারণ দেখছে না পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।ভারত আমাদের সমর্থন করেছে, বলছে ব্রাজিলব্রাজিল দলের পক্ষ থেকে রড্রিগো কেতানোও এই ম্যাচের গুরুত্ব ব্যাখ্যা করেছেন। তাঁর বক্তব্যের মূল সুরভারত বিশ্বকাপের সময়ে ব্রাজিলকে যে সমর্থন দিয়েছে, তার জন্য তারা কৃতজ্ঞ। কলকাতায় ম্যাচ আয়োজনকে তাই শুধু বাণিজ্যিক বা প্রদর্শনী ম্যাচ হিসেবে দেখছে না ব্রাজিল।ব্রাজিলের তরফে জানানো হয়েছে, এই ম্যাচে তারা নিজেদের সেরা ফুটবল উপহার দিতে চায়। অর্থাৎ ভারতের মাটিতে এসে শুধুমাত্র আনুষ্ঠানিকতা সারাই তাদের লক্ষ্য নয়; বরং ভালো পারফরম্যান্স করে ম্যাচটিকে স্মরণীয় করে তুলতে চায় তারা।স্টিমাচের কটাক্ষেও বাড়ছে বিতর্কব্রাজিল ম্যাচ ঘিরে বিতর্কে নতুন মাত্রা যোগ করেছেন ভারতের প্রাক্তন কোচ ইগর স্টিমাচও। তাঁর বক্তব্য, দেশের ঘরোয়া লিগ এবং জাতীয় দলের পরিকল্পনার মধ্যে এখনও প্রয়োজনীয় সামঞ্জস্য তৈরি হয়নি। সেই সমস্যা সমাধান না করে ব্রাজিল বা আর্জেন্টিনার মতো দলের বিরুদ্ধে ম্যাচ আয়োজন করা হলে তা ভারতীয় ফুটবলের জন্য উল্টে অস্বস্তির কারণ হতে পারে।অর্থাৎ একদিকে বাইচুংয়ের আর্থিক অগ্রাধিকারের প্রশ্ন, অন্যদিকে স্টিমাচের ঘরোয়া ফুটবলের কাঠামো নিয়ে অভিযোগসব মিলিয়ে ৩ অক্টোবরের ম্যাচ এখন শুধুমাত্র একটি ফুটবল ম্যাচে সীমাবদ্ধ নেই।ম্যাচ হবে, বিতর্কও চলবে?একদিকে ব্রাজিলের মতো দলের বিরুদ্ধে যুবভারতীতে ভারতকে দেখার স্বপ্নে ফুটবলপ্রেমীরা উত্তেজিত। অন্যদিকে দেশের ফুটবলের ভবিষ্যৎ, বিপুল খরচ, আইএসএলের সূচি এবং জাতীয় দলের পরিকল্পনা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন প্রাক্তন ফুটবলার ও কোচেরা।ব্রাজিলের তরফে অবশ্য এখনও পর্যন্ত বার্তা স্পষ্টতারা ম্যাচ খেলতে প্রস্তুত এবং সূচি বদলের কোনও পরিকল্পনা নেই। ফলে ৩ অক্টোবর যুবভারতীতে ভারত-ব্রাজিল ম্যাচ ঘিরে উত্তেজনা যেমন বাড়ছে, তেমনই তার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে বিতর্কও। এখন দেখার, শেষ পর্যন্ত মাঠের ৯০ মিনিট কি সমস্ত বিতর্ককে ছাপিয়ে যেতে পারে, নাকি ম্যাচ শেষ হওয়ার পরও ভারতীয় ফুটবলের ভবিষ্যৎ নিয়ে এই প্রশ্নগুলি আরও জোরালো হয়ে ওঠে।

আগস্ট ২২, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal