• ২২ শ্রাবণ ১৪৩৩, শনিবার ০৮ আগস্ট ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Mp

খেলার দুনিয়া

Tokyo Olympics : ‌আবার অলিম্পিক ভিলেজে করোনায় আক্রান্ত, চিন্তিত আয়োজক কমিটি

টোকিও অলিম্পিক শুরু হতে বেশিদিন দেরি নেই। মাত্র ৫ দিন বাকি। এর মধ্যেই আতঙ্ক ছড়াচ্ছে করোনা সংক্রমণ। ২৪ ঘন্টা আগেই গেমস ভিলেজে আক্রান্ত হয়েছেন দুই অ্যাথলিট ও এক সাপোর্ট স্টাফ। এবার আরও তিনজনের করোনা পরীক্ষার রিপোর্ট পজিটিভ এসেছে। গেমসে অংশ নিতে আসা সব অ্যাথলিটদের প্রতিদিন কোভিড ১৯ টেস্ট করা হচ্ছে। তা সত্ত্বেও সংক্রমণে বাড়তে থাকায় প্রশাসনের চিন্তা বেড়েই চলেছে।আরও পড়ুনঃ তারাপীঠ যাওয়ার পথে দুর্ঘটনায় মৃত্যু কলকাতার যুবকের, বরাত জোরে রক্ষা বন্ধুরঅলিম্পিক আয়োজক কমিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, দক্ষিণ আফ্রিকার দুই ফুটবলার থাবিসো মোনয়ানে ও কামোহেলো মাহলাস্তি করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। দলের ভিডিও অ্যানালিস্ট মারিও মাশার কোভিড টেস্টের রিপোর্টও পজিটিভ এসেছে বলে জানানো হয়েছে। সবাইকে আইসোলেশনে রাখা হয়েছে। করোনা আক্রান্তরা আপাতত দলের ডাক্তারের পর্যবেক্ষণে রয়েছেন। দক্ষিণ আফ্রিকা ফুটবল দলের বাকি সদস্যদের আরও একবার কোভিড টেস্ট করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার আয়োজক জাপানের বিরুদ্ধে দক্ষিণ আফ্রিকা ফুটবল দলের অলিম্পিক অভিযান শুরু। তার আগে দলের দুই ফুটবলার করোনায় আক্রান্ত হওয়ায় সমস্যা তৈরি হয়েছে। জাপান, দক্ষিণ আফ্রিকার সঙ্গে একই গ্রুপে রয়েছে মেক্সিকো এবং ফ্রান্সের মতো দল।আরও পড়ুনঃ নিশীথের নাগরিকত্ব নিয়ে প্রশ্নচিহ্নশুধু অ্যাথলিটরাই নন, আন্তর্জাতিক অলিম্পিক কমিটির সদস্য রিয়ু সেয়ুং-মিনের কোভিড ১৯ রিপোর্ট পজিটিভ এসেছে। অলিম্পিক শুরু হতে আর মাত্র ৫দিন বাকি। গেমস ভিলেজে এভাবে ধীরে ধীরে করোনা প্রভাব বিস্তার করায় চিন্তিত আয়োজক কমিটি। জাপানে যেভাবে করোনা সংক্রমণ বাড়ছে, পরিস্থিতির গুরুত্ব বুঝে ইতিমধ্যেই টোকিও সহ সংলগ্ন শহরগুলিতে জরুরি অবস্থা জারি করেছে প্রশাসন। তা সত্ত্বেও ঠেকানো যাচ্ছে না সংক্রমণ। ইতিমধ্যে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন একাধিক অ্যাথলিট এবং সাপোর্ট স্টাফ। তাই অলিম্পিকে অংশ নিতে আসা সব অ্যাথলিটের প্রতিদিন করোনা পরীক্ষা করা হচ্ছে।

জুলাই ১৮, ২০২১
ভ্রমণ

Rakhal Raja: রাখাল রাজের দেশে, বিস্তীর্ণ প্রান্তর যেথায় দিগন্তে গিয়ে মেশে

বহু দিন ধরে বহু ক্রোশ দূরেবহু ব্যয় করি বহু দেশ ঘুরেদেখিতে গিয়েছি পর্বতমালা,দেখিতে গিয়েছি সিন্ধু।দেখা হয় নাই চক্ষু মেলিয়াঘর হতে শুধু দুই পা ফেলিয়াএকটি ধানের শিষের উপরেএকটি শিশিরবিন্দু।রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকবির প্রকৃতি প্রেম খুব সুন্দর করে এই পংক্তি গুলির মধ্যে ফুটে উঠেছে। সত্যিই তো আমাদের চারপাশে ছড়িয়ে আছে অসংখ্য দর্শনীয় স্থান, প্রকৃতি যেখানে জিঅকৃপণ ভাবে নিজেকে সাজিয়ে রেখেছে, তার কতটুকুই বা আমরা জানি। লকডাউনের বিধিনিষেধ দূর ভ্রমণে বাধা হলেও, অদূর ভ্রমণের সুযোগ করে দিয়েছে। মুক্তির স্বাদ খুব অল্প সময়ের হলেও তা প্রাপ্তির ভাণ্ডার কে পরিপূর্ণ করে তোলে। প্রকৃতির মাঝে হারিয়ে গিয়ে অপার আনন্দ অনুভব করার এমনই এক ঠিকানা রাখাল রাজার মন্দির।প্রাচীন ঐতিহ্যবাহী মন্দিরময় স্থান কালনা। কালনার ই বৈদ্যপুর রথতলা থেকে মিনিট ১৫ গেলেই গোপালদাসপুর গ্রামে অবস্থিত এই রাখাল রাজ মন্দির। নিরিবিলি পরিবেশ, চারদিকে বিস্তীর্ণ সবুজ প্রান্তর, পাখির কলকাকলিতে মুখরিত, তার মাঝখানে লাল ইটের তৈরি প্রাচীন মন্দিরে রাখাল রাজ বিরাজমান। প্রকৃতি এখানে রাখাল রাজের খেলার উপযুক্ত স্থান হিসাবেই নিজেকে সাজিয়ে রেখেছে। মন্দির এর সামনে বিস্তৃত নাট মন্দির, তার দেয়ালে শ্রীকৃষ্ণের বাল্য লীলার নানান কাহিনী যেমন পুতনা বধ, ননী চুরি, কংস বধ ইত্যাদি ছবির মাধ্যমে বর্ণিত আছে।মন্দিরের গর্ভগৃহে তিনটি মূর্তি রয়েছে, সবচেয়ে বড় রাখাল রাজের মূর্তি, আকাশী নীল গায়ের রঙ, বড় বড় টানা চোখ, বাম হাতে নাড়ু আর ডান হাতে লাঠি নিয়ে গোপবালকদের দলপতির মত সমস্ত কিছু পরিচালনা করছেন। দুপাশে সাদা গাভী। তাঁর ডানদিকে ছোট রঘুনাথ মূর্তি, গায়ের রঙ সবুজ আর বামদিকে গোপীনাথজী আকাশী নীল গায়ের রঙ। মূর্তিগুলি অপরূপ মায়াময়, তাকিয়ে থাকলে প্রশান্তিতে মন ভরে যায়। পুরোহিতের সাথে কথা বলে যা ইতিহাস জানা গেল তা প্রায় ৫০০ বছর আগের, বেশিরভাগটাই জনশ্রুতির উপর ভিত্তি করে।কাহিনীটি অনেকটা এরকম, বর্ধমানের খাতুন্দীর বাসিন্দা গোপীনাথ ভক্ত রামকানাই গোস্বামী বর্গী আক্রমণের ভয়ে বা পারিবারিক কলহের কারণে আরাধ্য দেবতাকে সাথে নিয়ে বৃন্দাবনের উদ্দেশ্যে রওনা হন।পথে ঘন জঙ্গল পড়ে, এদিকে গোপীনাথকেও ও ভোগ দেওয়ার সময় হয়ে আসায়, রামকানাই গোস্বামী জঙ্গলেই কাঠ কুটো জ্বালিয়ে রান্নার ব্যবস্থা করেন। এই সময়েই রাজা গোপালদাস তার সঙ্গী সাথীদের নিয়ে মৃগয়া করতে এসেছিলেন, পথে ক্লান্ত হয়ে ফেরার সময় দেখলেন জঙ্গলে এক জায়গা থেকে ধোঁয়া উঠছে। রাজা সেখানে সপারিষদ উপস্থিত হতে, গোস্বামী মহাশয় তাদের সাদর অভ্যর্থনা জানান, ও খেয়ে যেতে বলেন। গোপীনাথজী র অসীম কৃপায় একটা ছোট হাঁড়ির ভোগেই সবাই পরিতৃপ্তির সাথে খাওয়া সম্পূর্ণ করেন। রাজা গোপীনাথ এর মাহাত্ম্য বুঝতে পারেন এবং উনি রামকানাই গোস্বামীকে কিছু জমি দান করেন। মন্দির নির্মাণ করেন। তার নামানুসারে এই গ্রামের নাম গোপালদাসপুর।সেই দিন রাত্রে রামকানাই গোস্বামী স্বপ্নাদিষ্ট হন যে রাখাল রাজ বালকের বেশে তাকে বলছেন তার আর বৃন্দাবন যাত্রার প্রয়োজন নেই। পরের দিন পাশের যমুনা পুষ্করিণী তে যে কাঠ ভেসে থাকবে তাই নিয়ে নদীয়ার বাঘনাপারার এক পাঁচ বছরের বালকের কাছে গেলে, সে রাখাল রাজার মূর্তি তৈরি করে দেবে। স্বপ্নাদেশ পেয়ে রামকানাই পরের দিন পুষ্করিনী থেকে কাঠ সংগ্রহ করে, বাঘনাপাড়ায় গিয়ে সেই বালক, নাম মহাদেব, কে দিয়ে মূর্তি তৈরি করান, সেই মূর্তিই আজও পূজিত হয়ে আসছে। সেই বালকের বংশধরেরাই এখনো মাঘী পূর্ণিমার দিন মূর্তির অঙ্গরাগ করেন। পাশে প্রতিষ্ঠিত হয়েছেন গোপীনাথ।রামনবমী ও জন্মাষ্টমী তে বড় উৎসব অনুষ্ঠিত হয়, প্রচুর ভক্ত সমাগম ঘটে। মূল মন্দিরের পাশে আছে দোল মন্দির এখানে দোল উৎসব অনুষ্ঠিত হয়। একটু দূরে আছে সাধক রামকানাই গোস্বামী র সমাধি মন্দির।সকাল থেকে মোট চারবার ভোগ নিবেদন করা হয়। দুপুরে থাকে অন্নভোগ। মন্দিরে এসে আগে থেকে কুপন কেটে রাখলে ভোগ খাবার ব্যবস্থা আছে।বিকেল বেলা শীতল ভোগ হয়ে গেলে, মন্দির ও তার চারপাশে কেউ যায়না, মানা হয় এই সময় রাখাল রাজা স্বয়ং তার সঙ্গী সাথীদের নিয়ে খেলা করেন। ভক্তজনের বিশ্বাস আর ভক্তিতেই তিনি সদা জাগ্রত। এই সব কাহিনী শুনতে শুনতেই রাখাল রাজের লাঞ্চ এর সময় হয়ে গেল। আরতির পর তিনি খেতে বসলেন, সাথীদের নিয়ে। আরতি দর্শন করে ও দুপুরের ভোগ খেয়ে পরিপূর্ণ হৃদয়ে বাড়ির পথে রওনা দিলাম আমরা।প্রকৃতি ও ঈশ্বরকে অনুভব করার অপূর্ব অনুভূতি মনের মণিকোঠায় উজ্জ্বল হয়ে থাকবে অনেকদিন।ডঃ ইন্দ্রাণী মুখোপাধ্যায়সহকারী অধ্যাপকচন্দ্রপুর কলেজ (বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়)কিভাবে যাবেনবর্ধমান থেকে হাওড়া গামী মেন লাইন লোকাল ট্রেন ধরে নামতে হবে বৈঁচি স্টেশনে। সেখান অম্বিকা কালনা অভিমুখে যে বাস যাচ্ছে সেই বাসে উঠে নামতে হবে বৈদ্যপুর বাজার। সেখান থেকে গোপালদাসপুর যাওয়ার টোটো ধরতে হবে। গোপালদাসপুরে যে কেউ দেখিয়ে দেবে রাখালরাজার মন্দির। কেউ যদি থাকতে চান তাহলে বৈদ্যপুরে হোটেল বা লজে থাকতে পারেন। বৈদ্যপুর থেকে কুড়ি কিলোমিটার দূরে কালনা শহরে থাকার জন্য অনেক হোটেল আছে।

জুলাই ১৮, ২০২১
রাজনীতি

Nishith Pramanik: নিশীথের নাগরিকত্ব নিয়ে প্রশ্নচিহ্ন

প্রশ্ন উঠে গেল স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর নাগরিকত্ব নিয়ে।রাজ্যসভায় কংগ্রেস সাংসদ রিপুণ বোরার করার অভিযোগের ভিত্তিতে নিশীথ প্রামাণিকের নাদরিকত্ব নিয়ে জল্পনা শুরু হয়েছে। নিশীথ প্রামাণিক কি বাংলাদেশি? শুক্রবার এই মর্মে প্রধানমন্ত্রীকে একটি চিঠিও লিখেছেন বোরা। শনিবার সেই চিঠিই সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়ে। সমালোচনার সুযোগ পেয়ে রাজ্যের দুই মন্ত্রী তা নিয়ে প্রশ্নও তুলেছেন।BarakBanglaNews, RepublicTV Tripura, IndiaToday Business Standard publishes, @NisithPramanik is a Bangladeshi national. Its a matter of grave concern that a foreign national is an incumbent union minister. Urging PM @narendramodi in a letter to conduct an enquiry to clarify it. pic.twitter.com/5Td0xIoG8n Ripun Bora (@ripunbora) July 17, 2021মোদিকে লেখা রিপুণের চিঠি পোস্ট করে তাঁদের দাবি, কোনও বিদেশি নাগরিক দেশের মন্ত্রী হলে ভারতের নিরাপত্তা বিঘ্নিত হতে পারে। এর জবাবে রাজ্য বিজেপি-র বক্তব্য, কুৎসা না করে কোনও প্রমাণ থাকলে দিক তৃণমূল। অসমের কংগ্রেস নেতা রিপুন মোদিকে পাঠানো চিঠিতে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত খবর উল্লেখ করে দাবি করেছেন, নিশীথ আদতে বাংলাদেশের পলাশবাড়ির হরিনাথপুরের বাসিন্দা। ভারতে কম্পিউটার কোর্স করার নামে আসার পরে কোচবিহারে থেকে যান। প্রথমে তৃণমূলে এবং পরে বিজেপি-তে যোগ দিয়ে সাংসদ হন। রিপুন আরও দাবি করেছেন, যে নথি দেখিয়ে নিজেকে কোচবিহারের বাসিন্দা বলে নিশীথ দাবি করেছেন তা ভুয়ো। জালিয়াতি করে তৈরি বলেও অভিযোগ তুলেছেন রিপুণ।আরও পড়ুনঃ অলিম্পিক গেমস ভিলেজে করোনার হানা, আক্রান্ত ১ অ্যাথলিটসেই চিঠির কথা উল্লেখ করেই ব্রাত্য টুইটারে লিখেছেন, রাজ্যসভার সাংসদ রিপুণ বোরা সঠিক প্রশ্ন তুলেছেন। বহু সংবাদমাধ্যমে নিশীথ প্রামাণিক বাংলাদেশের নাগরিক বলে উল্লেখ রয়েছে। এই ধরনের লোককে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী করার আগে কি কোনও কিছুই খতিয়ে দেখা হয়নি? ভুলে গেলে চলবে না এই নিশীথের বিরুদ্ধে কতগুলি গুরুতর অপরাধমূলক মামলা চলছে। লজ্জাজনক। রাজ্যের আর এক মন্ত্রী ইন্দ্রনীল দেশের নিরাপত্তা নিয়েই প্রশ্ন তুলেছেন।

জুলাই ১৭, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Tajinder Pal Singh : ‌ক্রিকেটার থেকে অ্যাথলিট হওয়া তাজিন্দারের চোখে আর এক ২২–এর স্বপ্ন

২২ গজের স্বপ্নপূরণ হয়নি তো কী হয়েছে। ২২ মিটারের স্বপ্ন তো রয়েছে। আর এটাই তাতাচ্ছে তাজিন্দার পাল সিং তুরকে। দেখতে শুরু করেছেন অলিম্পিক পদকের স্বপ্ন। টোকিও অলিম্পিক থেকে দেশকে কি পদক এনে দিতে পারবেন একসময় ২২ গজে দাপট দেখানো ভারতীয় শট পুটার? তাজিন্দারপাল সিং তুরের শটপুটে আসার কাহিনী একটু অন্যরকম। পাঞ্জাবের মোগা জেলার খোসা পান্ডো গ্রাম থেকে উঠে এসেছেন। শৈশবে স্বপ্ন দেখেছিলেন জোরে বোলার হয়ে দেশের হয়ে খেলবেন। সেই মতো নিজেই নিজের কোচ হয়ে বলের গতি বাড়ানোর চেষ্টা করেন। বলে দারুণ গতি ছিল। ভয়ঙ্কর গতির জন্য অনেকেই তুরের বোলিং এড়িয়ে চলতে ভালবাসতেন। তাজিন্দরের জীবন যে উল্টো দিকে দৌড়ে টোকিও পৌঁছে যাবে, তা হয়তো অনেকেই ভাবেননি। প্রয়াত বাবা করম সিংয়ের জোরাজুরিতেই অ্যাথলিটে আসা তাজিন্দারপাল সিইংয়ের। সেখান থেকেই অন্যখাতে বইতে শুরু করে তাজিন্দারপাল সিংয়ের জীবন। শটপুটকে বেছে নেন। সেখান থেকেই অন্যখাতে বইতে শুরু করে তাঁর জীবন। দেশের হয়ে অলিম্পিকে প্রতিনিধিত্ব করার স্বপ্ন দেখতে শুরু করেন। ২০১৮ সালে এশিয়ান গেমসে সোনা জিতে চমক দেন। লোহার বল ২০.৭৫ মিটার ছুঁড়ে সোনা জেতেন। এখানেই থেমে না থেকে নিজের দক্ষতা বাড়ানোর চেষ্টা করেন তাজিন্দারপাল সিং তুর। এই মুহূর্তে তাঁকে এশিয়ার সেরা শটপুটার হিসেবে চিহ্নিত করা হচ্ছে। দেশকে অলিম্পিকে পদকের স্বপ্ন দেখাচ্ছেন। তাজিন্দারের লক্ষ্য অলিম্পিকে ২২ মিটার অতিক্রম করা। ২০১৮ এশিয়ান গেমসে যাওয়ার আগে তাজিন্দার স্বপ্ন দেখেছিলেন ফিরে এসে বাবার হাতে পদক তুলে দেবেন। পদক জিতলেও বাবার হাতে তুলে দেওয়ার স্বপ্ন পূরণ হয়নি। সর্দার করম সিং ক্যান্সারে আক্রান্ত ছিলেন। হাসপাতালের বিছানায় শুয়েই ছেলের পদক জয় দেখেছিলেন। জাকার্তা থেকে দেশে ফিরেই বিমানবন্দর থেকে সোজা হাসপাতালে বাবার কাছে যাচ্ছিলেন তাজিন্দার। গাড়িতে বসেই বাবার মৃত্যু সংবাদ পান। ২০১৯ সালে এশিয়ান অ্যাথলেটিক্স চ্যাম্পিয়নশিপে সোনা জিতে প্রয়াত বাবাকে পদক উৎস্বর্গ করেছিলেন। কিন্তু পরের বছর করোনার ধাক্কা অবসাদে ঠেলে দিয়েছিল। তারপর ট্রেনিং শুরু করতেই পড়ে গিয়ে বাঁহাতের কবজিতে চোট পান। অলিম্পিকের আশা কার্যত ছেড়েই দিয়েছিলেন। কঠিন পরিস্থিতি থেকে ঘুরে দাঁড়িয়ে শেষ পর্যন্ত অলিম্পিকের ছাড়পত্র আদায়। কঠিন সময়ের এই লড়াইগুলোই তাতাচ্ছে তাজিন্দরকে।

জুলাই ১৭, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Tokyo Olympics : অলিম্পিক গেমস ভিলেজে করোনার হানা, আক্রান্ত ১ অ্যাথলিট

দীর্ঘদিন ধরে অনেকেই আশঙ্কা করে আসছিলেন, টোকিও অলিম্পিকে হানা দিতে পারে করোনা। সেই আশঙ্কাই শেষ পর্যন্ত সত্যি হয়ে দাঁড়াল। অলিম্পিক শুরুর ৬ দিন আগে গেমস ভিলেজে করোনার হানা। আক্রান্ত ১ অ্যাথলিট। তবে আয়োজকদের পক্ষ থেকে ওই অ্যাথলিটের নাম সরকারিভাবে জানানো হয়নি। আন্তর্জাতিক অলিম্পিক সংস্থা বারবার গেমস ভিলেজ সুরক্ষিত করে রাখার কথা বলছিলেন। তা সত্ত্বেও কীভাবে ওই অ্যাথলিট করোনায় আক্রান্ত হলেন, বুঝে উঠতে পারছেন না অলিম্পিকের আয়োজকরা। অলিম্পিক চলাকালীন হাজার হাজার অ্যাথলিট এই গেমস ভিলেজে থাকবেন। সেখানে গেমস ভিলেজে করোনার হানা সত্যিই চিন্তার বিষয়। অনেকেই আবার নতুন করে অলিম্পিক বন্ধের দাবি তুলেছেন। অলিম্পিক ভিলেজে অ্যাথলিটের করোনায় আক্রান্ত হওয়ার প্রসঙ্গে অলিম্পিক আয়োজক কমিটির মুখপাত্র মাসা টাকায়া বলেছেন, অলিম্পিক ভিলেজে ১জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছে। অ্যাথলিটদের স্ক্রিনিং টেস্ট করার সময় এই প্রথম একজনের রিপোর্ট পজিটিভ এসেছে। ওই অ্যাথলিটকে গেমস ভিলেজ থেকে সরিয়ে হোটেলে কোয়ারেন্টিনে রাখা হয়েছে। জাপানের সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে, গেমস ভিলেজে যিনি করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন, তিনি একজন বিদেশি অ্যাথলিট। টোকিও অলিম্পিক গেমসের আয়োজক কমিটির প্রধান সেইকো হাসিমোতো বলেছেন, করোনার মোকাবিলা করার জন্য আমরা সম্পূর্ণভাবে তৈরি। সব রকম ব্যবস্থা নিয়েছি। তবে বর্তমানে করোনার সংক্রমণ যেভাবে বাড়ছে, তাতে যথেষ্টই চিন্তিত হাসিমোতো। তিনি বলেন, যে সকল অ্যাথলিট জাপানে আসছে, কোভিড নিয়ে প্রত্যেকেই চিন্তিত। যে অ্যাথলিট করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন, তিনি ভ্যাকসিন নিয়েছেন কিনা আমাদের জানা নেই। টোকিও অলিম্পিক আয়োজক কমিটির সিইও তোসিরো মুতো বলেছেন, অলিম্পিকে অংশগ্রহনকারী সব অ্যাথলিট ও সাপোর্ট স্টাফের প্রতিদিন কোভিড টেস্ট করা হবে। যদি কোনও অ্যাথলিটের রিপোর্ট পজিটিভ আসে তাহলে তাঁকে সঙ্গে সঙ্গে আইসোলেশনে পাঠানো হবে। অলিম্পিক আয়োজক কমিটির পক্ষ থেকে কোনও কিছু গোপন করা হবে না। সবকিছু জনসমক্ষে নিয়ে আসা হবে।

জুলাই ১৭, ২০২১
দেশ

3rd Wave warning: আগামী ১২৫ দিনের জন্য সতর্কতা জারি কেন্দ্রের

করোনার আতঙ্ক কাটিয়ে ওঠার মতো পরিস্থিতি এখনও তৈরি হয়নি। আগামী ১২৫ দিন খুবই গুরুত্বপূর্ণ বলে সতর্কবার্তা জারি করল কেন্দ্র।কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে, এখনও ভারতে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা তেমনভাবে গড়ে ওঠেনি। সেই কারণেই দেশে করোনার তৃতীয় ঢেউয়ের আশঙ্কা উড়িয়ে দেওয়া যায় না। তাই আগামী ১২৫ দিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। শুক্রবার কেন্দ্রীয় সরকারের তরফ থেকে এই কথা জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে নীতি আয়োগের স্বাস্থ্য বিষয়ক সদস্য ভিকে পল জানিয়েছেন, করোনার তৃতীয় ঢেউ আটকাতে স্বাস্থ্যবিধি সঠিকভাবে মেনে চলতে হবে।আরও পড়ুনঃ সব ধরণের ফরম্যাটেই খেলতে চান ভুবনেশ্বর কুমারতিনি বলেন, করোনার বিরুদ্ধে হার্ড ইমিউনিটি এখনও দেশে আসেনি। এখনও নানা জায়গায় সংক্রমণ নজরে পড়ছে। কিন্তু সেই সংক্রমণ আমাদের আটকাতে হবে। সেই কারণেই নিরাপদে থাকা বিশেষ জরুরি। পাশাপাশি তিনি বলেছেন, দেশের সামনে আগামী ১২৫ দিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি সাংবাদিক বৈঠকে একাধিক দেশের উদাহরণ তুলে ধরেছেন। বলেছেন, এই সময়ের মধ্যে আমাদের স্বাস্থ্য পরিকাঠামোর উন্নয়ন করতে হবে। ইতিমধ্যে করোনার তৃতীয় ঢেউ নিয়ে সতর্কতা জারি করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। দেশের প্রধানমন্ত্রীও তা নিয়ে সতর্ক করেছেন। অন্যদেশের পরিস্থিতি থেকে আমাদের শিক্ষা নিতে হবে।স্বাস্থ্য মন্ত্রকের যুগ্ম সচিব আরও বলেন, আমাদের প্রতিবেশী একাধিক দেশ, যেমন মায়ানমার, ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া, বাংলাদেশে দ্রুত সংক্রমণ বাড়ছে। মালয়েশিয়া ও বাংলাদেশে করোনার তৃতীয় ঢেউ দ্বিতীয় ঢেউয়ের থেকেও বড় আকার ধারণ করেছে। এমনকী, মাস্ক ব্যবহারে উদাসিনতা নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে। লকডাউনের পরবর্তীতে দেশে মাস্ক ব্যবহার না করার প্রবণতাও ৭৪ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।

জুলাই ১৬, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Djokovic : ‌অলিম্পিকে নামছেন জকোভিচ, গড়তে পারেন নজির

টোকিও অলিম্পিক থেকে একের পর এক নাম প্রত্যাহার করে নিয়েছেন নামী টেনিস তারকারা। রাফায়েল নাদাল, সেরেনা উইলিয়ামসরা আগেই সরে দাঁড়িয়েছিলেন। চোটের জন্য দুদিন আগেই না খেলার কথা ঘোষণা করেছেন রজার ফেডেরার। অনেকটাই জৌলুস হারিয়েছে অলিম্পিক টেনিস। তবে টেনিসের মানরক্ষা করলেন নোভাক জকোভিচ। অলিম্পিকে নামার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন এই সার্বিয়ান টেনিস তারকা।উইম্বলডন চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পর জকোভিচ জানিয়েছিলেন তিনি অলিম্পিকে নামতে পারেন। শেষ পর্যন্ত নামার সিদ্ধান্ত নিলেন। তিনি টুইটারে লিখেছেন, দেশের সেরা ক্রীড়াবিদদে সঙ্গে টোকিও অলিম্পিকে পদক জয়ের লড়াইয়ে নামব ভেবেই আমি গর্বিত। টোকিও যাওয়ার প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছি। দেশের হয়ে খেলতে নামাটা আমার কাছে অনুপ্রেরণার। এই বছরে ইতিমধ্যেই তিনতিনটি গ্র্যান্ডস্লাম জিতেছেন জকোভিচ। যেরকম ফর্মে রয়েছেন, ইউএস ওপেন জেতারও সম্ভাবনা রয়েছে। অলিম্পিকেও সোনা জিততে পারেন। যদি সোনা জেতেন এবং ইউএস ওপেনে চ্যাম্পিয়ন হন, তাহলে একই বছরে অলিম্পিকে সোনা ও ৪টি গ্র্যান্ডস্লাম জেতার নজির গড়বেন।এদিকে, জাপানে করোনার সংক্রমণ আরও তীব্র হয়ে ওঠায় টোকিও অলিম্পিকের নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। আন্তর্জাতিক অলিম্পিক সংস্থা নতুন নিয়ম ঘোষণা করেছে। অলিম্পিক সংস্থার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে ইভেন্ট চলার সময় সব প্রতিযোগী, উপস্থাপক এবং স্বেচ্ছাসেবকদের বাধ্যতামূলকভাবে মাস্ক পরে থাকতে হবে। সবাইকে সামাজিক দুরত্ব মেনে চলতে হবে। পুরস্কার বিতরণী শেষে একসঙ্গে ছবি তোলার ব্যাপারেও নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।এতদিন পোডিয়ামে পাশাপাশি দাঁড়িয়ে পুরস্কার নিয়ে এসেছেন প্রতিযোগীরা। এবার পোডিয়ামে মডিউল লাগানো হবে। এর ফলে পুরস্কার প্রাপকদের মধ্যে সামাজিক দুরত্ব বজায় থাকবে। সকল উপস্থাপককে অলিম্পিক শুরুর আগে বাধ্যতামূলক করোনার টিকা নিতে হবে। প্রতি ইভেন্টের পুরস্কার বিতরণীতে উপস্থাপক ছাড়াও একজন অলিম্পিক সংস্থার সদস্য এবং একজন আন্তর্জাতিক ফেডারেশনের প্রতিনিধি থাকবেন।বৃহস্পতিবার আন্তর্জতিক অলিম্পিক সংস্থার প্রেসিডেন্ট থমাস বাখ টোকিওর গভর্নর ইউকে কোইকির সঙ্গে দেখা করেছেন। তার আগে তিনি অলিম্পিক ভিলেজ পরিদর্শন করেন। এবারের অলিম্পিক দর্শকশূন্য স্টেডিয়ামে হলেও উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রায় ১ হাজার ভিআইপি অতিথি হাজির থাকতে পারেন। বিভিন্ন দেশের প্রতিযোগী, অফিসিয়াল মিলিয়ে সংখ্যাটা প্রায় ১০ হাজার ছাড়িয়ে যেতে পারে বলে জানা গেছে।

জুলাই ১৬, ২০২১
খেলার দুনিয়া

PV Sindhu : আক্রান্ত সিন্ধু, আঙুলের নখে শোভা পাচ্ছে অলিম্পিক রিং

রিও অলিম্পিকে রুপো জিতেছিলেন। এবার টোকিও অলিম্পিকে পাখির চোখ করছেন সোনার পদক। টোকিও পা দেওয়ার আগেই অলিম্পিক জ্বরে আক্রান্ত ভারতীয় মহিলা ব্যাডমিন্টন তারকা পিভি সিন্ধু। তার প্রমাণ সিন্ধুর আঙুলের নখে শোভা পাচ্ছে অলিম্পিক রিং। প্রস্তুতির মাঝেই টুইটারে একটা ছবি শেয়ার করেছেন পিভি সিন্ধু। সেই ছবিতে ভারতীয় এই ব্যাডমিন্টন তারকার মধ্যমা ও অনামিকা নখে শোভা পাচ্ছে অলিম্পিক রিং। এই ছবি পোস্ট করে সিন্ধু লিখেছেন, অলিম্পিক ফিভার। অতিমারীর আবহেও গত কয়েক মাসে অলিম্পিকের প্রস্তুতিতে কোনও ফাঁক রাখেননি পিভি সিন্ধু। করোনা তাঁর প্রস্তুতিতে কোনও ব্যাঘাত ঘটায়নি বলেও জানিয়েছেন তিনি। বরং একা একা অনুশীলনে নিজের দক্ষতা অনেকটাই বাড়িয়ে নিয়েছেন। মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ভার্চুয়াল আলোচনায় হাজির ছিলেন পিভি সিন্ধু। সেখানে ডায়েট সম্পর্কে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, অলিম্পিকের আগে ডায়েটের কথা মাথায় রাখতেই হচ্ছে। তাই খুব বেশি আইসক্রিম খেতে পারছি না। অন্যান্য খাবারের দিকেও নজর দিতে হচ্ছে।টোকিও অলিম্পিকে তুলনামূলক সহজ গ্রুপে রয়েছেন পিভি সিন্ধু। গ্রুপে তাঁর চেয়ে র্যাঙ্কিংয়ে অনেক নিচের দিকে থাকে ইজরায়েলেন সোনিয়া পোলিকারপোভা ও হংকংয়ের ছেউং এনগান ইর মুখোমুখি হবেন তিনি। সহজ গ্রুপে পড়লেও প্রতিপক্ষকে মোটেই হালকাভাবে নিতে চান না পিভি সিন্ধু। শেষ ষোলোয় বিশ্বের ১২ নম্বর মিয়া ব্লিচফেল্টের বিরুদ্ধে খেলতে হতে পারে। রিও অলিম্পিকে সোনার পদকজয়ী ক্যারোলিনা মারিন চোটের জন্য টোকিও অলিম্পিক থেকে ছিটকে গেছেন। তাঁর কাছেই রিওতে ফাইনালে হারতে হয়েছিল সিন্ধুকে। টোকিওতে মারিনকে মিস করবেন বলে জানিয়েছেন এই ভারতীয় ব্যাডমিন্টন তারকা।রিও অলিম্পিকে ফাইনালে পৌঁছেও শেষরক্ষা হয়নি। মারিনের কাছে হেরে রুপো নিয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হয়েছিল। আগের অলিম্পিকে সোনা না জেতার আক্ষেপ টোকিওতে মেটাতে চান সিন্ধু। তাঁর লক্ষ্য দেশকে সোনা এনে দেওয়া। ভার্চুয়াল আলোচনায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কথায় অনুপ্রানিত এই ভারতীয় ব্যাডমিন্টন তারকা।

জুলাই ১৫, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Tokyo Olympics : দুধের স্বাদ ঘোলে মিটল দীপক খাবরার, প্রথম ভারতীয় হিসেবে যাচ্ছেন অলিম্পিকে

অলিম্পিকের মঞ্চে দাপিয়ে বেড়াবেন। ছোট থেকেই মনের মধ্যে স্বপ্নের জাল বুনতেন। কিন্তু প্রাথমিক ভিত ততটা মজবুত ছিল না। তাই বড় জিমন্যাস্ট হওয়ার স্বপ্ন রাজ্য পর্যায়েই থেমে যায় দীপক খাবরার। দুধের স্বাদ ঘোলে মিটতে চলেছে এই প্রাক্তন জিমন্যাস্টের। টোকিও অলিম্পিকে আর্টিস্টিক জিমন্যাস্টিক্সে বিচারক হওয়ার সুযোগ পেয়েছেন। প্রথম ভারতীয় হিসেবে তিনি এই কৃতিত্ব অর্জন করেছেন। গতবছর মার্চ মাসে টোকিও অলিম্পিকে বিচারক হয়ে যাওয়ার জন্য আমন্ত্রণ পেয়েছিলেন দীপক কুমার। কিন্তু অলিম্পিক স্থগিত হয়ে যাওয়ায় আশঙ্কায় ভুগছিলেন। আবার ডাক আসবে তো? এবছর এপ্রিলে আবার চিঠি ইমেল পান অলিম্পিক সংস্থার কাছ থেকে। স্বপ্নপূরণ হওয়ায় খুশি দীপক খাবরা। তিনি বলেন, গতবছর মার্চে অলিম্পিকে বিচারক হিসেবে যাওয়ার আমন্ত্রণ পেয়েছিলাম। কিন্তু অলিম্পিক স্থগিত হয়ে যাওয়ায় খুব টেনশনে পড়ে গিয়েছিলাম। আশঙ্কা হচ্ছিল, আবার ডাক পাব কিনা। এবছর এপ্রিলে আবার আমন্ত্রণ পাই। অবশেষে অলিম্পিক যাওয়ার স্বপ্ন অবশেষে পূরণ হচ্ছে। খেলোয়াড় হিসেবে যাওয়ার সুযোগ পাইনি। বিচারক হিসেবে তো যেতে পারছি। আমি সত্যিই খুব খুশি। ২০০০ সালে ১২ বছর বয়সে জিমন্যাস্টিক শুরু করেছিলেন দীপক। তিনি থাকতেন গুজরাটের সুরাটে। সুরাটে সেই সময় জিমন্যাস্টিকের পরিকাঠামো একেবারেই ভাল ছিল না। তা সত্ত্বেও নিজেকে তৈরি করছিলেন। ২০০৫ থেকে ২০০৯, টানা গুজরাটের রাজ্য চ্যাম্পিয়ন ছিলেন। ২০০৭ গুয়াহাটিতে জাতীয় গেমসেও অংশ নেন। তবে সাফল্য পাননি। তারপরই খেলা ছেড়ে বিচারক হওয়ার রাস্তা বেছে নেন। এই ব্যাপারে তাঁকে অনুপ্রানিত করেন তাঁর কোচ কৌশিক বেদিওয়ালা। তিনিও জিমন্যাস্টিক্সের বিচারক। ২০১০ কমনওয়েলথ গেমসই ছিল বিচারক হিসেবে দীপকের প্রথম আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতা। তিনিই ছিলেন সবচেয়ে কনিষ্ঠ বিচারক। প্রথম ভারতীয় হিসেবে ২০১৪ এশিয়ান গেমস ও যুব অলিম্পিকে বিচারকের দায়িত্ব পান। ২০১৮তেও এই দুটি প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহন করেছিলেন। এখনও পর্যন্ত ২০টি বড় প্রতিযোগিতায় বিচারকের দায়িত্ব পালন করেছেন দীপক খাবরা। অলিম্পিকে পৌঁছতে ১২ বছর সময় লাগল।

জুলাই ১৩, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Mimi Chakraborty: বাড়িতে জগন্নাথ বন্দনা করলেন সাংসদ-অভিনেত্রী মিমি চক্রবর্তী

সোমবার দেশের বিভিন্ন প্রান্তেজগন্নাথ মন্দিরেসাড়ম্বরে পালিত হচ্ছে রথযাত্রা। পুরী, ওডিশার পাশাপাশি এই বাংলাতেও জগন্নাথ বন্দনায় মেতেছেন আম আদমি থেকে তারকারা। রথযাত্রার শুভেচ্ছা সকলকে ...জয় জগন্নাথ 🙏🙏 #RathYatra pic.twitter.com/kVBSSnX3tS Mimssi (@mimichakraborty) July 12, 2021জগন্নাথ দেবের পুজোয় সামিল হলেন সাংসদ, অভিনেত্রী মিমি চক্রবর্তী। সোমবার সাংসদ, অভিনেত্রীর বাড়িতেই আয়োজিত হয় জগন্নাথ দেবের পুজোর। হলুদ প্রিন্টেড সালোয়ার কামিজ পরে মাথায় সাদা ওড়না ঢাকা দিয়ে পুজোয় সামিল হন মিমি। যজ্ঞের আগুনে আহুতি দিতে দেখা যায় অভিনেত্রীকে। সেই ছবি পোস্ট করে মিমি ক্যাপশানে লিখেছেন জয় জগন্নাথ। ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে মিমির পোস্ট করা ভিডিয়োতে ফুল, লুচি, মিষ্টি, ফল সহকারে দুই পুরোহিতকে পুজো করতে দেখা গিয়েছে। একজন পুরোহিতকে জগন্নাথ দেবের পুজো করতে এবং অন্যজনকে গণেশ আরতি করতে দেখা গিয়েছে। পাশে মাথায় ওড়না ঢাকা দিয়ে পুজোর সামনে বসে থাকতে দেখা গিয়েছে মিমিকে। মিমির এই পোস্ট দেখে তার ফ্যান থেকে সাধারণ মানুষ সকলেই কমেন্ট করেছেন।

জুলাই ১২, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Euro 2020 Champion Italy: ইংল্যান্ডের স্বপ্ন চুরমার করে ইউরো চ্যাম্পিয়ন ইতালি

১৯৬৬ সালের পর বড় আসরে সাফল্য নেই ইংল্যান্ডের। এই ওয়েম্বলি স্টেডিয়ামেই সেবার বিশ্বকাপ চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল ববি মুরের ইংল্যান্ড। তারপর আর কোনও প্রতিযোগিতার ফাইনালে খেলার সুযোগ হয়নি। এবারের ইউরোর সেমিফাইনালে ডেনমার্ককে হারিয়ে শাপমুক্তি। ইতালিকে হারিয়ে স্বপ্ন ছোঁয়ার অপেক্ষায় ছিল ইংল্যান্ড। স্বপ্নপূরণ হল না সাউথগেটের দলের। শুরুতে এগিয়ে গিয়েও সুযোগ কাজে লাগাতে পারল না ইংল্যান্ড। টাইব্রেকারে ৩২ ব্যবধানে হেরে স্বপ্নের সলিল সমাধি। নির্ধারিত ও অতিরিক্ত সময়ে খেলার ফল ছিলে ১১। ইংল্যান্ডকে হারিয়ে এই নিয়ে দ্বিতীয়বার ইউরো চ্যাম্পিয়ন হল ইতালি। ২০১৮ বিশ্বকাপ খেলতে না পারার আক্ষেপ মিটল।Complimenti Itlia 👏👏🇮🇹🏆 @azzurri https://t.co/gmRug6PjYt Nuno Gomes (@21nunogomes) July 12, 2021ঘরের মাঠে খেলা। ওয়েম্বলির জনসমর্থন নিয়ে ম্যাচের শুরু থেকেই ইতালির ওপর ঝাঁপিয়ে পড়েছিল ইংল্যান্ড। চিয়েলিনিরা নিজেদের গুছিয়ে নেওয়ার আগেই এগিয়ে যায় গ্যারেথ সাউথগেটের দল। ম্যাচের ২ মিনিটে কর্ণার পায় ইতালি। বল ক্লিয়ার হতেই প্রতিআক্রমণে উঠে আসে ইংল্যান্ড। ডানদিক থেকে ট্রিপিয়ের সেন্টার করেন লুক শর উদ্দেশ্যে। জোরালো হাফভলিতে জালে পাঠান লুক শ। শুরুতে এগিয়ে যাওয়ার পর ইতালির ওপর বাড়তি উদ্যম নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়েন হ্যারি কেন, রাহিম স্টার্লিং, ম্যাসন মাউন্টরা। ইতালির রক্ষণকে চাপে রাখলেও ব্যবধান বাড়াতে পারেননি। প্রচন্ড গতিতে আক্রমণ তুলে নিয়ে আসছিল ইংল্যান্ড। এইরকম পরিস্থিতিতে বিপক্ষকে আটকাতে গেলে খেলার গতি কমিয়ে দেওয়া ছাড়া উপায় থাকে না। সেটাই করেছিলেন মানচিনি। প্রথমার্ধের ইনজুরি সময়ে সমতা ফেরানোর সুযোগ পেয়েছিল ভেরাত্তি। তাঁর শট আটকে দেন ইংল্যান্ড গোলকিপার পিকফোর্ড। স্টোনসের নেতৃত্বে ইংল্যান্ড ডিফেন্স প্রথমার্ধে সুবিধা করতে দেয়নি ইম্মোবিলেদের।🇮🇹 For Leonardo Spinazzola 👊#EURO2020 | #ITA pic.twitter.com/Ir1Hp4tnu6 UEFA EURO 2020 (@EURO2020) July 12, 2021সমতা ফেরানোর জন্য দ্বিতীয়ার্ধে মরিয়া হয়ে ওঠে ইতালি। ৫৫ মিনিটে দুদুটি পরিবর্তন করেন মানচিনি। বারেল্লাকে তুলে নামান ক্রিস্টান্টেকে। আর ইম্মোবিলের জায়গায় বেরার্ডি। এই দুটি পরিবর্তনই বদলে দেয় ইতালিকে। অনেকবেশি আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠে আজুরিরা। ৬২ মিনিটে চিয়েসার পুশ আটকে দলকে বাঁচান পিকফোর্ড। অবশেষে ৬৭ মিনিটে সমতা ফেরায় ইতালি। ইনসাইনের কর্ণার ভেরাত্তি হেড করলে বল পোস্টে লেগে ফিরে আসে। পিকফোর্ড থাবা দিয়ে বল বিপদমুক্ত করার চেষ্টা করেন। লুজ বল পেয়ে জালে পাঠান বোনুচ্চি। ৭৩ মিনিটে এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ পেয়েছিল ইতালি। বেরার্ডির ভলি দারুণভাবে বাঁচান পিকফোর্ড। দ্বিতীয়ার্ধে খেলায় গতি ছিল। ইতালি প্রথমার্ধের তুলনায় নিজেদের গুছিয়ে নিয়েছিল। ফলে ম্যাচ অনেক বেশি প্রাণবন্ত হয়ে উঠেছিল। তবে কোনও দল গোল করতে না পারায় ম্যাচ অতিরিক্ত সময়ে গড়ায়।অতিরিক্ত সময়েও সেই প্রাণবন্ত ফুটবল। দুই দলই আক্রমণ শানিয়েছে। তবে ইংল্যান্ডের চাপ একটু বেশি ছিল। গ্রিলিশ, স্টার্লিংরা বারবার আক্রমণ তুলে নিয়ে এলেও চিয়েলিনি, বোনুচ্চিরা সুযোগ দেননি। ১০৭ মিনিটে বার্নার্ডেসচির বাঁপায়ের দুরন্ত ফ্রিকিক বাঁচান পিকফোর্ড। শেষদিকে কোনও দলই আর ঝুঁকি নিতে চায়নি। ফলে ম্যাচ গড়ায় টাইব্রেকারে। টাইব্রেকারে বাজিমাত ইতালির। আজুরিদের হয়ে গোল করেন বেরার্ডি, বোনুচ্চি, বার্নার্ডেস্কি। বেলোত্তি, জর্জিনহোর শট সেভ করেন ইংল্যান্ডের গোলকিপার পিকফোর্ড। ইংল্যান্ডের হয়ে গোল করেন হ্যারি কেন, ম্যাগুয়ের। র্যাশফোর্ড ও স্যাঞ্চো পোস্টে মারেন। সাকার শট সেভ করেন ডোনারুমা।

জুলাই ১২, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Messi: চোট নিয়ে ফাইনাল খেলেছেন মেসি!‌ ফাঁস করলেন স্ক্যালোনি

নাসরীন সুলতানাকলম্বিয়ার বিরুদ্ধে সেমিফাইনাল ম্যাচে খেলার সময় পায়ে চোট পেয়েছিলেন। তাঁর পা দিয়ে রক্ত বার হচ্ছিল। সেই অবস্থাতেও মাঠ ছেড়ে উঠে যাননি। সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়ে দলকে ফাইনালে তুলে মাঠ ছেড়েছিলেন। ফাইনাল খেলা নিয়ে সংশয় তৈরি হয়েছিল। স্বপ্নপূরণের ম্যাচে নিজেকে দুরে সরিয়ে রাখতে পারেননি লিওনেল মেসি। চোট নিয়েই মাঠে নেমেছিলেন। ম্যাচের পর আসল সত্যটা সামনে নিয়ে এসেছেন আর্জেন্টিনার কোচ লিওনেল স্ক্যালোনি। ব্রাজিলের বিরুদ্ধে জয়ের পর স্ক্যালোনি বলেন, মেসি পুরোপুরি ফিট ছিল না। তা সত্ত্বেও দলের কথা ভেবে মাঠে নেমেছে। ওকে ছাড়া আমাদের মাঠে নামা সম্ভব ছিল না। মেসিও ফাইনাল খেলার জন্য মুখিয়ে ছিল। কোপা আমেরিকার ফাইনালে মেসি যেভাবে খেলেছে, পুরোটা আপনারা জানলে ওকে আরও বেশি ভালবাসবেন। ও এমন একজন ফুটবলার পুরোপুরি ফিট না থাকলেও ম্যাচের পার্থক্য গড়ে দেয়। তবে মেসির কোথায় চোট রয়েছে, তা অবশ্য খোলসা করে বলেননি আর্জেন্টিনা কোচ। গ্রুপ লিগ থেকে সেমিফাইনাল পর্যন্ত দারুণ ফুটবল উপহার দিয়েছেন মেসি। নিজে গোল করেছেন, অনেকগুলি গোল অ্যাসিস্ট করেছেন। ফাইনালে অবশ্য গোল পাননি। দুটি সুযোগ পেলেও গোল করতে পারেননি। তবে ডি মারিয়ার গোলে স্বপ্নপূরণ হয়েছে। স্ক্যালোনি আরও বলেন, মেসি কখনও হাল ছাড়েনি বলেই আজ সফল হয়েছে। সবাই জানে, দেশের হয়ে ট্রফি জেতা ওর কাছে কতটা গুরুত্বপূর্ণ ছিল। সেটাই করে দেখিয়েছে। আমাদের সম্পর্ক কোচ ও অধিনায়কের সম্পর্কের ঊর্ধ্বে, অনেকটা বন্ধুর মতো। ব্রাজিলের বিরুদ্ধে কোপার ফাইনালকে নিজের ফাইনাল হিসেবে দেখেছিলেন মেসি। সেই কথাই জানিয়েছেন সতীর্থ অ্যাঞ্জেল ডি মারিয়া। ম্যাচের পর জয়ের নায়ক ডি মারিয়া বলেন, মেসি আমাকে ধন্যবাদ জানিয়েছে। আমিও ওকে ধন্যবাদ জানিয়েছি। ম্যাচের আগে আমাকে বলেছিল এই ফাইনালটা ওর হতে চলেছে। দলকে চ্যাম্পিয়ন করতে পেরে আমি খুশি। আমার স্ত্রীসন্তানরা, বাবামা মাঠে হাজির ছিল। ওদের জন্য খুশি। যারা আমাদের সমর্থন করেছেন, তাদেরও ধন্যবাদ জানাই।

জুলাই ১১, ২০২১
স্বাস্থ্য

Back Pain: বসার ভুলে কত বড় সর্বনাশ হতে পারে, বিস্তারিত জানুন

করোনা আবহ আমাদের গৃহবন্দী করে দিয়েছে। আমাদের পড়াশোনা, অফিস আর যাবতীয় কাজকর্ম আজ ল্যাপটপ বা ফোনের মাধ্যমে হচ্ছে। আমরা বাধ্য হচ্ছি ল্যাপটপ কিংবা ফোনে সময় কাটাতে, আর তত বাড়ছে ঘাড়, কোমর আর পিঠের ব্যথা। কাজ যেমন বন্ধ করা যাবে না তেমনি শরীরকে অবহেলা করা যাবে না।কম্পিউটার আমাদের কাজের পরিমান যেমন কমিয়ে দিয়েছে, ঠিক তেমনি এর প্রভূত ব্যবহার আমাদের শরীর এর জন্য অভিশাপ নিয়ে এসেছে। ঘাড় আর কোমরের ব্যথা হামেশাই লেগে থাকে যারা সারাদিনে অনেকটা সময় কম্পিউটার এর সামনে বসে থাকে। কাজের জন্য যদি আমাদের কম্পিউটার এর সামনে বসে থাকতে হয় তাহলে আমাদের বসা ঠিক করতে হবে। আমরা যদি সায়েন্টিফিক্যালি বসতে পারি তাহলে আমাদের স্পাইন এর ঠিকমতো খেয়াল আমরা রাখতে পারবো। নাহলে দীর্ঘদিন ভুলভাবে বসার জন্য ডিস্কপ্রলাপস হতে পারে, এবং দীর্ঘদিন তা অবহেলা করলে ক্যানাল স্টেনোসিস এবং অবশেষে সার্জন এর শরণাপন্ন হতে হবে। তাই সুস্থ থাকতে থাকতে সচেতন হওয়াই ভালো।কম্পিউটার এ দীর্ঘক্ষণ বসে কাজ করলে কী কী অসুবিধা হতে পারে?# মাথা ব্যথা# ঘাড়ে ব্যথা # চোখে স্ট্রেন # পিঠে ব্যথা # কোমরে ব্যথা # হাতের কব্জি এবং আঙুলে ইনজুরি# রিপিটিটিভ স্ট্রেস ইনজুরিজ# ঘুমের অসুবিধাকী কী মেনে চললে আপনি ভালো থাকবেন?১। কোমর এর জয়েন্ট যেন মোটামুটি ১০০ ডিগ্রী ভাঁজ থাকে, তার বেশি নয়। সব সময় মাথায় রাখতে হবে যে হিপ-জয়েন্ট যেন হাঁটুর জয়েন্ট এর ওপর থাকে, তাহলে কোমরের গ্যাপ (লোর্ডটিক কার্ভেচার) ঠিক মতো মেইনটেইন হবে।২। গোটা স্পাইন সমেত মাথা যেন ব্যাক সাপোর্ট পায়। ব্যাক সাপোর্ট পেলে পিঠের মাসল এর বেশি কাজ করতে হবে না,তারা রেস্ট পাবে। তাহলে দীর্ঘক্ষণ বসে থাকলেও ব্যথা বেদনা কম হবে।৩। চোখের সাথে স্ক্রিন যেন ২০-২৮ ইঞ্চি দুরত্বে থাকে এবং সমান্তরাল থাকে। স্ক্রিন যদি ওপর বা নিচে থাকে তাহলে ঘাড় ওপরে বা নিচে করে এডজাস্ট করতে হবে, তাতে ঘাড়ের ব্যথা বাড়বে।৪। টাইপ করার সময় যেন হাত সোজা থাকে, বেঁকে না যায়। না হলে কার্পেল টানেল সিনড্রোম দেখা দিতে পারে। দীর্ঘক্ষণ টাইপ করার সময় রিস্ট এর ওপর চাপ পড়লে মিডিয়ান নার্ভ কম্প্রেশন হতে পারে। তখন আঙ্গুল ঝিন ঝিন করা বা অবশ হতে পারে।৫। পায়ের তলায় সাপোর্ট রাখুন যাতে পা পুরোপুরি বেকিয়ে না রাখতে হয়, পা নিউট্রাল থাকে।৬। মাউস ধরা ঠিক মতো না হলে রিস্ট জয়েন্ট এ ব্যথা অবশ্যাম্ভাবী। ছবিতে দেখানো অনুযায়ী মাউস ধরারচেষ্টা করুন।একটা জিনিস সবসময় মাথায় রাখতে হবে যখন যেভাবেই বসুন না কেন হিপ জয়েন্ট যেন হাঁটুর জয়েন্ট এর থেকে সবসময় ওপর এ থাকে তাহলে কোমরের লোর্ডটিককার্ভেচার মেইনটেইন হবে আর কোমর নিউট্রাল পসিশন এ থাকবে। নচেৎ ফ্লাট ব্যাক থাকলে কোমর সারাক্ষন ফ্লেক্সন এ থাকবে যা অনবরত নার্ভ রুট কে কম্প্রেশন করতে থাকবে।Dr. Satyen Bhattacharyya (PT)MPT, COMT, CMT, CDNP, DOMTP (Pursuing), PhD Scholar.Associate Professor : Burdwan Institute of Medical and Life SciencesEx-Physiotherapist : Sports Authority of India, Bardhaman

জুলাই ১১, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Champion!! : শাপমোচন মেসির, ২৮ বছরের খরা কাটিয়ে কোপা জিতল আর্জেন্টিনা

নাসরীন সুলতানাকোপা আমেরিকার ফাইনাল নিয়ে উত্তেজনায় কাঁপছিল গোটা ফুটবল বিশ্ব। যতই হোক আর্জেন্টিনাব্রাজিল ম্যাচ বলে কথা। লাতিন আমেরিকার দুই মহাশক্তিধর দেশ। বিশ্ব ফুটবলেও সাড়া জাগানো অন্যতম দুই সেরা দল। আবার দুই দলে লিওনেল মেসি, নেইমার জুনিয়রের মতো তারকা। ম্যাচ যে অন্যমাত্রায় পৌঁছবে সেকথা বলাই বাহুল্য। অবশেষে কোপায় ব্রাজিলের সাম্প্রতিককালের আধিপত্য ভেঙে চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা। ফাইনালে জিতল ১০ ব্যবধানে। দীর্ঘ প্রতিক্ষার অবসান। ২৮ বছর পর আবার চ্যাম্পিয়ন। শাপমোচন লিওনেল মেসিরও।বিশ্বের সর্বকালের অন্যতম সেরা ফুটবলার। অথচ দেশকে একটাও ট্রফি দিতে পারেননি। এই যন্ত্রণা ক্ষতবিক্ষত করে দিচ্ছিল লিওনেল মেসিকে। অধিনায়ক হিসেবেও বাড়তি দায়িত্ব ছিল। এবছর গোটা কোপাতেই অন্য তাগিদ দেখা গেল মেসির মধ্যে। চোট পেয়েছেন, পায়ে রক্ত ঝড়েছে, কিন্তু লড়াইয়ের ময়দান ছেড়ে পালিয়ে যাননি। বদনাম ঘোঁচাতে কতটা মরিয়া ছিল, তাতেই প্রমাণ। ফাইনালে গোল পাননি ঠিকই, কিন্তু তাঁর দুরন্ত লড়াই স্মরণীয় হয়ে থাকবে এবারের কোপায়। ফাইনালে চিরশত্রু ব্রাজিলের বিরুদ্ধে লড়াই যে সহজ হবে না, জানতেন আর্জেন্টিনার কোচ লিওনেল স্ক্যালোনি। তাই প্রথম একাদশে ৫ জন ফুটবলার বদল করেছিলেন। ভরসা করেছিলেন অ্যাঞ্জেল ডি মারিয়া, মন্টিয়েল, রোমেরো, অ্যাকুনাদের ওপর। হতাশ করেননি ডি মারিয়ারা। শুরুর দিকে অবশ্য তুলনামূলকভাবে ব্রাজিলের আক্রমণের চাপ বেশি ছিল। নেইমার, রিচারলিসনরা কয়েকবার হানা দিয়ে যান আর্জেন্টিনার রক্ষণে। এরপরই খেলায় ফেরে আর্জেন্টিনা। ২২ মিনিটে গোলও তুলে নেয়। নিজেদের অর্ধ থেকে রডরিগো ডি পল লম্বা পাস বাড়ান ডানদিকে অ্যাঞ্জেল ডি মারিয়ার উদ্দেশ্যে। রেনান লডির ভুলে বল পেয়ে যান ডি মারিয়া। প্রথম টাচে বল নিয়ন্ত্রণে নিয়ে এসে দ্বিতীয় টাচে বল লব করে ব্রাজিল গোলকিপারের মাথার ওপর দিয়ে জালে পাঠান।দ্বিতীয়ার্ধে সমতা ফেরানোর জন্য মরিয়া হয়ে ওঠে ব্রাজিল। ৫২ মিনিটে রিচারলিসন আর্জেন্টিনার জালে বল পাঠালেও অফসাইডের জন্য বাতিল হয়ে যায়। মিনিট তিনেক পরেই রিচারলিসনের শট দারুণ দক্ষতার সঙ্গে বাঁচান আর্জেন্টিনার গোলকিপার এমি মার্টিনেজ। নেইমারকে এদিন কড়া নজরে রেখেছিলেন ওটামেন্ডি। তবুও মাঝে মাঝে জ্বলে উঠলেন। শেষদিকে একের পর এক আক্রমণ তুলে নিয়ে এসেও সমতা ফেরাতে পারেনি ব্রাজিল। তিন কাঠির নিচে অপ্রতিরোধ্য হয়ে ওঠেন আর্জেন্টিনার গোলকিপার মার্টিনেজ। ৮৮ মিনিটে অবিশ্বাস্য সুযোগ নষ্ট মেসির। এডারসনকে একা পেয়েও বল জালে রাখতে পারেননি। ফাইনালে গোল না পেলেও ২০২১ কোপার ইতিহাসে স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে লিওনেল মেসির নাম। তাঁর কাছে এবারের কোপা সে শাপমোচনের।

জুলাই ১১, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Wimbledon: উইম্বলডনের নতুন রানি অ্যাশলে বার্টি, তৈরি করলেন অন্য নজির

নাসরীন সুলতানা আগেও গ্র্যান্ড স্লাম জিতেছেন। কিন্তু উইম্বলডন জেতার মর্যাদাই আলাদা। তাই স্বপ্ন ছিল উইম্বলডন খেতাব। এই ট্রফিটা ক্যাবিনেটে শোভা না পেলে তাঁর টেনিস জীবন অপূর্ণই থেকে যেত। স্বপ্নপূরণ করতে মরিয়া ছিলেন। বেছে নিয়েছিলেন এবছরের উইম্বলডনকে। অবশেষে স্বপ্নপূরণ। সেন্টার কোর্টে জীবনের দ্বিতীয় গ্র্যান্ডস্লাম জিতে নিলেন অ্যাশলে বার্টি। ৪১ বছর পর প্রথম অস্ট্রেলীয় মহিলা হিসেবে ট্রফি জিতে ইতিহাস তৈরি করলেন। ক্যারোলিনা প্লিসকোভার বিরুদ্ধে রুদ্ধশ্বাস লড়াইয়ের পর ৬৩, ৬৭(৬৪), ৬৩ সেটে জিতে চ্যাম্পিয়ন হলেন বার্টি।আরও পড়ুনঃ প্রতিবছর রাজ্যে প্রাথমিক ও উচ্চ প্রাথমিকে নিয়োগ, কী বললেন শিক্ষামন্ত্রী? জানুনচেক প্রজাতন্ত্রের ক্যারোলিনা প্লিসকোভার বিরুদ্ধে জয় অবশ্য সহজে আসেনি অ্যাশলে বার্টির। যথেষ্ট লড়ে জিততে হয় এই অস্ট্রেলিয়ান টেনিস তারকাকে। শুরুর দিকে ফাইনাল খেলার চাপ নিতে পারেননি ক্যারোলিনা প্লিসকোভা। প্রথম তিনটি গেমে একটা পয়েন্টও ঘরে তুলতে পারেননি তিনি। চতুর্থ গেমে ডাবল ফল্ট করে ০৪ ব্যবধানে পিছিয়ে পড়েন। তারপর খেলায় ফেরেন প্লিসকোভা। যদিও শেষ পর্যন্ত ৬৩ ব্যবধানে প্রথম সেট জিতে নেন বার্টি। প্রথম সেট জিততে সময় নেন ২৮ মিনিট।আরও পড়ুনঃ উইম্বলডনের ফাইনালে জকোভিচের সামনে ইতালির বেরেত্তিনিদ্বিতীয় সেটে দারুণভাবে প্রত্যাবর্তন করেন প্লিসকোভা। একসময় ৩১ ব্যবধানে এগিয়ে যান অ্যাশলে বার্টি। সেখান থেকে ঘুরে দাঁড়ান প্লিসকোভা। একসময় সমতা ফেরান। তখন খেলার ফল দাঁড়ায় ৩৩। সমানে সমানে লড়াই চলতে থাকে। স্কোর ৫৫ হয়ে যায়। ৬৫ ব্যবধানে এগিয়েও যান বার্টি। এরপর সেট টাইব্রেকারে গড়ায়। টাইব্রেকারে অ্যাশলে বার্টি ডাবল ফল্ট করলে ৭৬ (৬৪) ব্যবধানে সেট জিতে নেন প্লিসকোভা। আরও পড়ুনঃ আতঙ্ক ছড়াচ্ছে করোনার দোসর জিকা ভাইরাসতৃতীয় সেটের শুরু থেকেই অবশ্য অ্যাশলে বার্টির দাপট ছিল। প্লিসকোভার সার্ভিস ভেঙে ৩০ ববধানে এগিয়েও যান। এরপর আর বার্টিকে সমস্যায় ফেলতে পারেননি প্লিসকোভা। নিজের সার্ভিস ধরে রেখে দ্বিতীয় গ্র্যান্ড স্লাম পাকা করেন অ্যাশলে বার্টি। ৪১ বছর পর প্রথম অস্ট্রেলিয়ান মহিলা হিসেবে উইম্বলডনে চ্যাম্পিয়ন হলেন। ১৯৮০ সালে শেষবার চ্যাম্পিয়ন হয়েছিলেন ইভন গুলাগং। এটা বার্টির দ্বিতীয় গ্র্যান্ডস্লাম খেতাব। এর আগে ২০১৯ সালে ফরাসি ওপেন চ্যাম্পিয়ন হন তিনি।

জুলাই ১১, ২০২১
রাজনীতি

Soumitra Khan: ফের ফেসবুকে পোস্ট করে কাকে বার্তা দিলেন সৌমিত্র খাঁ?

জল দুধের সাথে বন্ধুত্ব করল এবং নিজের স্বরূপ ত্যাগ করে দুধের সঙ্গে মিশে গেল। ফেসবুকে ফের দীর্ঘ পোস্ট দিলেন বিজেপি সাংসদ সৌমিত্র খাঁ। আর তাঁর এই পোস্ট ঘিরেই নতুন করে জল্পনা শুরু হতে চলেছে। সাংসদের ব্যাখ্যা, শিক্ষা ও শিক্ষিত ছাত্রের মধ্যে রাজনীতিবিদরা ঢুকে পড়েছেন। বেনোজলরা এখন চাকরি পেয়ে যাচ্ছে। সেটাই বলতে চেয়েছেন। তবে, রাজনৈতিক মহলে কিন্তু ইতিমধ্যেই তাঁর এই পোস্ট ঘিরে জল্পনা তুঙ্গে। উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবার রাতে যখন দিল্লিতে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী হিসেবে শপথ নিচ্ছেন বাংলার চার সাংসদ, তখন যুবমোর্চার সভাপতি থেকে ইস্তফা দেওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেন সৌমিত্র খাঁ। রাতে আবার জানান, বিএল সন্তোষ, অমিত শাহ ও তেজস্বী সূর্যের নির্দেশে ইস্তফার সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করছেন! মাঝে আবার ফেসবুক লাইভে এসে শুভেন্দু অধিকারী ও রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষকে নিশানা করেন বিষ্ণুপুরের বিজেপি সাংসদ। বলেন, যিনি বলছেন তাঁর নেতৃত্বে সব কিছু হয়েছে। আমি এলাকায় না প্রবেশ করে জিতেছি। আমার মনে হয়েছে যুবমোর্চার পদ দিয়েছে দল। লড়াই করেছি। এই যিনি বিধানসভার দলনেতা হয়েছেন তিনি নিজেকে জাহির করছেন, দলকে নয়। যেভাবে চলছে তাতে যুবমোর্চার সভাপতি হিসেবে লড়াই করা মুশকিল হয়ে উঠছে। এখন যিনি নেতা হয়েছেন পুরো ফোকাস এক জায়গায় চলে গিয়েছে। তিনি দিল্লি যাচ্ছেন বারবার। নেতাদের ভুল বুঝিয়ে প্রমাণ করতে চাইছেন তিনিই সবচেয়ে বড় নেতা। তিনি একসময় তৃণমূলে বড় নেতা দেখিয়েছেন। সৌমিত্রের কথায়, মাননীয় সভাপতিকে বললেও অর্ধেকটা বোঝেন, অর্ধেকটা বোঝেন না। বাংলা বিজেপি যেভাবে চলছে, তাতে ভালো কিছু হবে না। নতুন নেতা এসে দিল্লির নেতৃত্বকে বিভ্রান্ত করেছেন। দলটা একটা জেলার মধ্যে চলে যাচ্ছে। পরিষ্কার বলছি, নরেন্দ্র মোদি যতদিন বাঁচবেন বিজেপি করব।এরই মধ্যে ফের একবার ফেসবুক পোস্ট করে নতুন করে জল্পনার সৃষ্টি করলেন সৌমিত্র।

জুলাই ১০, ২০২১
স্বাস্থ্য

Corona-Nasal spray: করোনা প্রতিরোধে নতুন দিশা, বাজারে আসছে ন্যাজাল স্প্রে

করোনা প্রতিরোধে শুধু টিকাতেই আটকে থাকতে চান না বিজ্ঞানীরা। তাই বাজারে আসার জন্য প্রস্তুত হচ্ছে করোনার ওষুধ। ইতিমধ্যে ডিআরডিও-র তত্ত্বাবধানে একটি ওষুধও এসে গিয়েছে। আর এবার করোনা প্রতিরোধে ন্যাজাল স্প্রে বাজারে আসার অপেক্ষায়। জানা গিয়েছে, খুব শীঘ্রই তৃতীয় ট্রায়াল শেষ করে ফেলবে করোনার ন্যাজাল স্প্রে। ভারতে এর তৃতীয় ধাপের ট্রায়াল শুরু করতে চলেছে গ্লেনমার্ক ফার্মাসিউটিক্যালস (Glenmark Pharmaceuticals)। সংস্থার দাবি, করোনার বিরুদ্ধে তাঁদের ন্যাজাল স্প্রে অত্যন্ত কার্যকর।আরও পড়ুনঃ বর্ধমানে নকল স্যানিটাইজারের রমরমা, গ্রেপ্তার ৪জানা গিয়েছে, তাঁদের ন্যাজাল স্প্রে বাজারজাত করার অনুমতি চেয়ে গত সপ্তাহে ড্রাগ রেগুলেটরের কাছে আবেদন করেছে গ্লেনমার্ক ফার্মাসিউটিক্যালস (Glenmark Pharmaceuticals)। যদিও ড্রাগ রেগুলেটরের অন্তর্গত সাবজেক্ট এক্সপার্ট কমিটি (SEC) প্রথমে সংস্থাটিকে তৃতীয় ট্রায়াল সম্পূর্ণ করার নির্দেশ দিয়েছে। যা শীঘ্রই শুরু হতে চলেছে। সংস্থার দাবি, সামনে থেকে করোনার বিরুদ্ধে লড়াই করছেন তাঁরা। ইতিমধ্যে কানাডার সংস্থা স্যানোটিজের সঙ্গে হাত মিলিয়েছে গ্লেনমার্ক ফার্মাসিউটিক্যালস (Glenmark Pharmaceuticals)। এই বিষয়ে সংস্থাটি জানিয়েছে, ভারতে সার্স-কোভ-২ (SARS-COV-2) ভাইরাসের মোকাবিলা করতে একসঙ্গে কাজ করবে তাঁরা।ইতিমধ্যে বিশ্বের অনেক দেশেই তাঁদের ন্যাজাল স্প্রে বাজারজাত করেছে কানাডার সংস্থা স্যানোটিজ (Sanotize)। যা করোনার বিরুদ্ধে খুবই ভাল কাজ করছে বলেই সূত্রের খবর।

জুলাই ০৯, ২০২১
রাজনীতি

Soumitra Khan: সিদ্ধান্ত বদল, পদত্যাগ প্রত্যাহার করলেন সৌমিত্র খাঁ

দুপুরে রাজ্য যুব মোর্চার সভাপতি পদ থেকে ইস্তফা দিলেন। তার কয়েক ঘণ্টা পরই প্রত্যাহার। ফেসবুকে সৌমিত্র খাঁ জানিয়েছেন, বিজেপি নেতা বিএল সন্তোষ, অমিত শাহ ও তেজস্বী সূর্যর নির্দেশেই ইস্তফা প্রত্যাহার করলেন তিনি। বিজেপি সূত্রের খবর, মন্ত্রিত্ব না পাওয়ায় মন ভেঙে যায় সৌমিত্রর। দুপুর ১টা পর্যন্ত দিল্লির ফোন পাওয়ার আশায় ছিলেন। মুকুল রায়ের বাড়িতে যাওয়ার কথা থাকলেও যাননি। তবে ফোন আসেনি। বেশ কয়েকবার শিব প্রকাশকে ফোন করেন। ডাক আসছে না, নিশ্চিত হওয়ার পর ফেসবুকে পদত্যাগের কথা ঘোষণা করেন সৌমিত্র। লেখেন,আজ থেকে ব্যক্তিগত কারণে যুব মোর্চার রাজ্য সভাপতি পদ থেকে অব্যাহতি নিলাম। বিজেপিতে ছিলাম, আছি আর আগামী দিনে বিজেপিতেই থাকব। আরও পড়ুনঃ টিকা না নিয়েই সার্টিফিকেট, সমস্যার সমাধানে হাওড়া জেলা স্বাস্থ্য দপ্তরতার পর ফেসবুক লাইভে এসে শুভেন্দু ও দিলীপকে আক্রমণও করেন সৌমিত্র। দিল্লির নেতৃত্বকে ভুল বোঝাচ্ছেন শুভেন্দু, সাড়ে ৯ মিনিটের ভিডিওয় আগাগোড়া এই অভিযোগই করে গিয়েছেন। সৌমিত্রর কথায়, এক নেতা এসেছেন, যিনি বলছেন তাঁর নেতৃত্বে সব কিছু হয়েছে। আমি এলাকায় না প্রবেশ করে জিতেছি। আমার মনে হয়েছে যুবমোর্চার পদ দিয়েছে দল। লড়াই করেছি। এই যিনি বিধানসভার দলনেতা হয়েছেন তিনি নিজেকে জাহির করছেন, দলকে নয়। যেভাবে চলছে তাতে যুবমোর্চার সভাপতি হিসেবে লড়াই করা মুশকিল হয়ে উঠছে।তিনি দিল্লি যাচ্ছেন বারবার। নেতাদের ভুল বুঝিয়ে প্রমাণ করতে চাইছেন তিনিই সবচেয়ে বড় নেতা। তিনি একসময় তৃণমূলে বড় নেতা দেখিয়েছেন। সভাপতির কাছে অভিযোগ করেও কাজ হয়নি বলে দাবি করেন সৌমিত্র। তিনি বলেন,সভাপতিকে বললেও অর্ধেকটা বোঝেন, অর্ধেকটা বোঝেন না। বাংলা বিজেপি যেভাবে চলছে, তাতে ভালো কিছু হবে না। নতুন নেতা এসে দিল্লির নেতৃত্বকে বিভ্রান্ত করেছেন। দলটা একটা জেলার মধ্যে চলে যাচ্ছে। ফেসবুকে এমন অভিযোগের কয়েক ঘণ্টা পর বিজেপির সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক বিএল সন্তোষের সঙ্গে কথা বলার পর সিদ্ধান্ত বদলান সৌমিত্র খাঁ। ফেসবুকে তিনি জানান,বিএল সন্তোষজি-র নির্দেশে তাঁর সম্মান রাখতে আমি ইস্তফা প্রত্যাহার করলাম। এছাড়াও অমিত শাহ ও তেজস্বী সূর্যও তাঁকে ভরসা দেওয়াতেই এই সিদ্ধান্ত বদল বলে তিনি উল্লেখ করেছেন।

জুলাই ০৭, ২০২১
দেশ

Local Train: লোকাল ট্রেন চালানোর দাবিতে রেলমন্ত্রীকে চিঠি স্বপন দাশগুপ্তর

রাজ্যে যে কার্যত লকডাউন পরিস্থিতি চলছে তার নিন্দা আগেই করেছে বিজেপি। এ বার রেলমন্ত্রীকে চিঠি দিয়ে লোকাল ট্রেন চালু করার দাবি জানাল গেরুয়া শিবির। দলের রাজ্যসভার সাংসদ স্বপন দাশগুপ্ত বৃহস্পতিবারই লোকাল ট্রেন চালানোর দাবি জানিয়ে রেলমন্ত্রী পীযূষ গয়ালকে একটি চিঠি পাঠিয়েছেন। সেই চিঠি-সহ টুইটও করেছেন স্বপন। লিখেছেন, রাজ্যে এখন যে লকডাউন চলছে তা খামখেয়ালি এবং শৃঙ্খলাহীন। এই দাবির সঙ্গে গয়ালকে চিঠিতে বিজেপি সাংসদ লিখেছেন, বাংলার সাধারণ মানুষের সুবিধা করে দিতে রেলমন্ত্রী হিসেবে এবং ব্যক্তিগতভাবে আপনি আশা করি উদ্যোগী হবেন। আমি বিশ্বাস করি, বাংলার মানুষ আপনার পদক্ষেপের আশায় রয়েছেন।আরও পড়ুনঃ দুয়ারে সরকার,-এর পর এবার পূর্ব বর্ধমানে দুয়ারে পুলিশবিধানসভা নির্বাচনের ফল ঘোষণার পরে গত ৬ মে রাজ্যে করোনা রুখতে কড়া বিধিনিষেধ চালু করা হয়। রাজ্য সরকার সেটাকে লকডাউন না বললেও কার্যত সেই পরিস্থিতিই তৈরি হয়। লোকাল ট্রেন চলাচল সেই থেকেই বন্ধ রয়েছে। সম্প্রতি বিধিনিষেধে রাজ্য সরকার অনেক ছাড় দিলেও এখনও লোকাল ও মেট্রো রেল চালুর অনুমতি দেওয়া হয়নি। সম্প্রতি তা নিয়ে বিভিন্ন জায়গায় যাত্রী বিক্ষোভও হয়েছে।The terms of the lockdown in W Bengal are whimsical. Buses are allowed but local trains Kolkata Metro are not. Commuters are facing enormous hardship loss of livelihood. I have today requested the Rail Minister to initiate the process of resumption of services. pic.twitter.com/5jQ6LOrb1L Swapan Dasgupta (@swapan55) July 1, 2021বৃহস্পতিবার থেকেই রাজ্যে বিধিনিষেধে নতুন ছাড় শুরু হচ্ছে। এই সময় ট্রেল চলাচল স্বাভাবিক না হলেও কিছু ছাড় মিলবে বলে আশা করা হয়েছিল। কিন্তু মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় স্পষ্টই জানিয়েছেন, এখন ট্রেন চালালে করোনা সংক্রমণ এক লাফে বেড়ে যাবে। তারই বিরোধিতা করে রেলমন্ত্রীকে পাঠানো চিঠিতে স্বপন দাবি করেছেন, গত ১৫ দিনে রাজ্যে লকডাউন পরিস্থিতিতে অনেক ছাড় মিলেছে। অফিস, থেকে রেস্তরাঁ, জিম, সেলুন ও পার্লার চালু হয়েছে। লোকাল বাসও চালু হয়েছে। কিন্তু ট্রেন চালু না হওয়ায় সাধারণ মানুষকে সমস্যায় পড়তে হচ্ছে। যে অল্পসংখ্যক গণপরিবহণ চালু রয়েছে তাতে খুবই ভিড় হচ্ছে। সুতরাং লোকাল ট্রেন চালু হলে যাত্রী সমস্যা অনেকটাই মিটে যাবে।

জুলাই ০১, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Olympic: দীপা'র দীপ জ্বালিয়ে রাখলেন বাসচালক কন্যা প্রণতি

এই মুহূর্তে ভারতের ক্রীড়া আকাশে উজ্জ্বলতম জ্যোতিষ্ক। দ্বিতীয় ভারতীয় জিমন্যাস্ট হিসাবে প্রণতি নায়েক টোকিও অলিম্পিকে যাচ্ছেন। অলিম্পিকে অংশগ্রহণকারী প্রথম ভারতীয় জিমন্যাস্ট হলেন দীপা কর্মকার। ছোটবেলায় মাসীর বাড়িতে বেড়ে ওঠা প্রনতি তিন বোনের মধ্যে মধ্যমা। বাবা শ্রীমন্ত দূরপাল্লার বেসরকারি বাসের চালক। মাঝে মাঝেই অনেক দূরে বাস নিয়ে যেতে হত তাঁকে। মেয়েদের পড়াশোনার জন্য পিংলাতে তাঁদের মাসীর বাড়িতে দিয়ে আসেন।আরও পড়ুনঃ ২৫ বছর আগের যন্ত্রণা ভুলিয়ে দিলেন দিলেন স্টারলিং ও হ্যারিকেনচরম আর্থিক অনটনের মধ্যে কেটেছে প্রণতির শৈশব। দুবেলা দু-মুঠো অন্ন যোগান দেওয়া যেখানে দূরহ কাজ, সেখানে জিমন্যাস্টিক বিলাসিতা মাত্র। চাম্পিয়ানরা সর্বদা কঠিন পরিস্থিতিতেই জেগে ওঠেন। তাঁরা স্থান কাল পাত্রের উর্দ্ধে। মহঃ আলি, মারাদোনা, পেলে, বেন জনসন, টাইসন...... উদাহরণ দিয়ে শেষ করা যাবে না সেই সমস্ত তারকাদের নাম। তিন বোনের মধ্যমা প্রণতির চোখে ছিলো অন্য স্বপ্ন। মাটির কুঁড়ে ঘরে বড় হয়ে ওঠা প্রণতির লক্ষ্য ছিল অনেক দূরে নিবদ্ধ। খুব ছোটোতে পিংলা গ্রামেই তাঁর জিমন্যাস্টিকে হাতেখড়ি। সেখানকার এক প্রাথমিক স্কুলের শিক্ষক শুভাশিষ চক্রবর্তীর হাত ধরেই তাঁর যাত্রা শুরু। জিমন্যাস্টিককে যোগাসন ভেবে অনুশীলন করতে করতে কখন যে তিনি জিমন্যাস্ট হয়ে গেছেন বুঝতেই পারেননি প্রণতি। মেদিনীপুর জেলা চাম্পিয়ান হওয়ার পর রাজ্য স্তরে প্রতিযোগিতার জন্য কলকাতায় আসেন। আরও আধুনিক যন্ত্রপাতির প্রয়োজন ছিল নিজেকে পরবর্তি স্তরে উন্নিত করার জন্য। তাই মাত্র আট বছর বয়সে তাঁর বাবা তাঁকে সাই-এ (Sports Authority of India) নিয়ে আসেন। প্রাথমিক বাছাইপর্বে সাইয়ের নির্বাচকেরা তাঁকে বাতিল করে দেন। কিন্তু ওখানকার এক কর্মী দিলীপ বিশ্বাস রত্ন চিনতে ভুল করেননি। তিনি প্রনতিকে নিয়ে সরাসরি সাই-র ডাইরেক্টরের কছে হাজির হন। ডাইরেক্টর সুস্মিতা-ই কোচ মিনারা বেগমের কাছে পাঠান জিমন্যাস্টিক শিক্ষা লাভ করতে।আরও পড়ুনঃ জর্জ ফ্লয়েড হত্যায় অভিযুক্ত পুলিশকর্মীর সাড়ে ২২ বছরের জেলশুরু হয় তাঁর স্বপ্নের ঘষামাজা। কোনও হস্টেল না পেয়ে স্টেডিয়াম সংলগ্ন এক পরিচিতের বাড়ি ভাড়া নিয়ে প্রবল আর্থিক অনটনের মধ্যে চলতে থাকে অনুশীলন। চাম্পিয়ানদের পথ কোনও দিনই সুগম হয় না। কঠিন অনুশীলন শেষে ভাড়া বাড়ি ফিরে ঘর মোছা, বাসন মাজা সহ অনেক কাজই তাঁকে করতে হত। মেয়ের কষ্ট সহ্য করতে না পেরে তাঁর মা তাঁকে নিয়ে পিংলা ফিরে যাওয়া মনস্থির করেন। বেঁকে বসেন কোচ মিনারা বেগম। তাঁর বাড়ি হয়ে ওঠে প্রণতির পরবর্তী কয়েক বছরের ঠিকানা। জাতীয় মিটে সোনা পাওয়ার পর প্রণতি হস্টেল পান। মাথা গোঁজার জায়গা পেয়ে জিমন্যাস্টে পুরোমাত্রায় মনোনিবেশ করেন।তিনি বলেন মিনারা ম্যাডাম-ই আমাকে আমার বাবা-মায়ের কাছে না থাকার যন্ত্রণা ভুলিয়ে দিয়েছিলেন। দিনে ছয় ঘন্টা অনুশীলন করতে হত ম্যাডামের কাছে। সকালে তিন ঘণ্টা ও বিকেলে তিন ঘণ্টা। প্রথমবার জাতীয় মিটে নেমে সোনা জেতার পর আমি হস্টেল পেয়ে যাই। প্রায় ১৯ বছর হস্টেলে আছি। প্রথম দিকে বাবা-মায়ের জন্য খুবই কষ্ট হতো। এখন জিমন্যাস্টিকই আমার ধ্যান-জ্ঞান। যখনই কোনও দুঃখ-কষ্ট পাই তখনই আরও অনুশীলনের জেদ বেড়ে যায়। সমস্ত মন খারাপ, রাগ, অভিমানকে জিমন্যাস্টিকে আরও ভাল পারফরম্যান্সে রূপান্তরিত করার চেষ্টা করে যাই। তিনি জানান, কোচ মিনারা তাঁকে ছোট বেলায় শিখিয়েছিলেন, লক্ষ্য সবসময় উঁচু রাখতে। কখনও কেউ লক্ষ্য জিজ্ঞেস করলে অলিম্পিক খেলার কথা বলতে বলেছিলেন। বার বার সে কথা বলতে বলতে ওটাই তাঁর ধ্যান জ্ঞ্যান হয়ে গিয়েছে।আরও পড়ুনঃ ভোটপ্রচারে আসা নাড্ডার হেলিকপ্টার দেখতে যাওয়ার অপরাধে জরিমানাসাই থেকে মিনারা অবসর নিয়েছেন। বর্তমানে সাইয়ের জিমন্যাস্টিক কোচ লক্ষণ শর্মা। তাঁর কাছে অন্যশীলন করেন প্রণতি। জিমন্যাস্টিক্সে সাফল্যের সুবাদে ভারতীয় রেলে চাকরি পেয়েছেন। পিংলায় নিজেদের বাড়ি ছিল না, মাসির বাড়িতে থাকতেন। চাকরির পয়সা জমিয়ে মেদিনীপুরে জমি কিনে বাড়ি বানিয়েছেন। ২০১৯ তে এশীয় আর্টিস্টিক জিমন্যাস্টিক্সে ব্রোঞ্জ পান প্রণতি। সেখানে আশানুরূপ ফল না হওয়ায় তখন অলিম্পিকের টিকিট পাননি। করোনা আতিমারির জন্য মে মাসের এশিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপ বাতিল হওয়ায় এশিয়া কোটায় সুযোগ পেয়ে যান। তবে তাঁকে চিন্তায় রাখছে সঠিক প্রস্তুতির অভাব। লকডাউনে সেভাবে অনুশীলন করতে না পারায় খুবই চিন্তিত প্রণতি। তিনি বলছেন, লকডাউনে প্রায় একমাস বসে ছিলাম। ফিটনেসের ঘাটতি হচ্ছিল। ২ মাস ট্রেনিংয়ের সুযোগ পেয়েছি। আমার সেরাটা দেওয়ার চেষ্টা করছি। অতিরিক্ত চেষ্টা করতে গিয়ে চোট লেগে গেলে সমস্যায় পড়ে যাব। সামনে ২০২২ সালের কমনওয়েলথ ও এশিয়ান গেমস আছে। সেটাও মাথায় রাখতে হচ্ছে। দীর্ঘদিন প্র্যাক্টিস করতে পারিনি। ছন্দে আসতে কমপক্ষে চার থেকে পাঁচ মাস সময় লাগবে। সেখানে দুমাসে কতটা উচ্চতায় নিজেকে নিয়ে যেতে পারব সেটা দেখার।আরও পড়ুনঃ মনের ঘরের স্বজনচোট আঘাত জিমন্যাস্টিকদের নিত্য সঙ্গী। বহু জিমন্যাস্টের কেরিয়ার অকালেই শেষ হয়ে গিয়েছে আঘাতের কারণে। প্রণতি-র প্রাক্তন কোচ মিনারা এখনও সময় পেলেই তাঁকে ফোন করে নানা বিষয়ে সাবধান করেন। চোট বাচিয়ে অনুশীলন করার কথা বার বার স্মরণ করিয়ে দেন। অলিম্পিকে যোগ্যতা অর্জনের পর সকলের আগে ফোনে শুভেচ্ছা জানায় দীপা কর্মকার। তিনিও প্রণতিকে বলেন নিজেকে বাঁচিয়ে প্র্যাক্টিস করিস। এই মুহূর্তে যেন কোনও চোট আঘাত না লাগে। দীপা কর্মকার, অরুণা রেড্ডির পর প্রণতি-ই তৃতীয় ভারতীয় মহিলা যাঁর আন্তর্জাতিক মিটে পদক আছে। অভিজ্ঞ দীপা মিউজিক নিয়েও তাঁর উত্তরসুরীকে সতর্ক করে দেন। প্রসঙ্গত, মিউজিক ফ্লোর জিমনাস্টিকের খুব গুরুত্ত্বপূর্ণ অঙ্গ। মিউজিকটির সুরকার, প্রযোজক, গায়ক সব কিছুই পুঙ্খানুপুঙ্খ তথ্য জমা দিতে হয়। উল্লেখ্য, রিও অলিম্পিকে দীপা মিউজিক নিয়ে সমস্যায় পড়েন। সেকারণেই তিনি প্রণতিকে আগে থাকতেই সাবধান করে দেন। দীপা কর্মকারের ট্রাম্প কার্ড ছিল ছিল প্রোদুনোভা ভল্ট। তবে প্রণতি প্রচলিত ফ্রন্ট ও ব্যাক ৩৬০ ডিগ্রি ভল্ট করেন।আরও পড়ুনঃ নির্যাতিতাদের অভিযোগ নথিভুক্ত করল জাতীয় মহিলা কমিশন প্রণতি জানান, বাবার অর্থনৈতিক অনটন ও সংসার চালাতে জেরবার অবস্থা দেখে ক্রমশ মনের ভিতরে একটা জেদ তৈরি হচ্ছিল। যখন অনুশীলণের অবসরে অন্যরা ডায়েট খাবার খাচ্ছে, তখন আমার জন্য মুড়ি। ক্ষিদের জ্বালা থেকে তৈরি হয়েছে নাছোড়বন্দা জেদ। তিনি জানতেন জবাব দেওয়ার একটাই জায়গা পারফরম্যান্স, পারফরম্যান্স-ই শেষ কথা বলে। তিনি নিজের কাছেই শপথ নেন, জিমন্যাস্টিকের মঞ্চে সে নিজেকে প্রমাণ করবেই। তিনি বলেন আমি উপলব্ধি করেছিলাম, জিমন্যাস্টিক ছাড়া সামনে আর কোনও রাস্তা খোলা নেই। এতেই নিজেকে প্রমাণ করতে হবে। সফল আমাকে হতেই হবে। আরও পড়ুনঃ কেন্দ্রীয় মানবাধিকার কমিশনের সদস্যদের উপর হামলা, রণক্ষেত্র যাদবপুরপ্রণতির স্বপ্ন সফল হওয়ার চৌকাঠে দাঁড়িয়ে। দীপা কর্মকারের পর তিনি দ্বিতীয় ভারতীয় জিমন্যাস্ট হিসাবে অলিম্পিকে যোগ্যাতা অর্জন করেছেন। বাংলার প্রথম। টোকিওতে সাফল্যের মন্ত্র নিয়ে লক্ষণ শর্মার তত্বাবধানে কঠোর পরিশ্রম করে চলেছেন সল্টলেকের সাই কমপ্লেক্সে।আরও পড়ুনঃ ঘরোয়া পদ্ধতিতে বড় হবে আইল্যাশ, কীভাবে ? জেনে নিনমাটির কুঁড়ে ঘর সঙ্গে অভাবের প্রতিবন্ধকতা সেখান থেকে অলিম্পিকের জিমন্যাস্ট ফ্লোর। ওই আর্থসামাজিক পরিবেশে থাকা কোনও মানুষের কাছে এটা কল্পনা করা আকাশকুসুম স্বপ্নেরই নামান্তর। হাল ছাড়েননি প্রণতি। কয়েকদিন আগে করোনা ভ্যাকসিনের দ্বিতীয় ডোজ় সম্পূর্ণ হয়েছে প্রণতির। জৈব সুরক্ষা বলয়ের ভিতরেই রয়েছেন। সময় পেলে ঘরের মধ্যেই টিভিতে সিনেমা দেখেন, গান শোনেন আর মেডিটেশন করে মনের জোর বাড়াচ্ছেন। তিনি বলেন, অলিম্পিক্সে নিজের সেরাটা দেব। তারপর ফলাফল যা হওয়ার হবে।জয়ন্ত চট্টোপাধ্যায়

জুন ৩০, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 27
  • 28
  • 29
  • 30
  • 31
  • 32
  • 33
  • ...
  • 39
  • 40
  • ›

ট্রেন্ডিং

দেশ

রাহুলকে ডেকেও সাড়া মেলেনি! বিস্ফোরক অভিযোগে মুখ খুললেন সোনম ওয়াংচুক

রাহুল গান্ধীর সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা হয়েছিল, কিন্তু কোনও ইতিবাচক সাড়া মেলেনি। দীর্ঘ অনশনের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে এবার বিস্ফোরক অভিযোগ করলেন পরিবেশকর্মী ও শিক্ষাবিদ সোনম ওয়াংচুক। শুধু রাহুল গান্ধী নন, কেন্দ্রীয় মন্ত্রীদের দেওয়া প্রতিশ্রুতিও রক্ষা করা হয়নি বলে দাবি করেছেন তিনি। সেই কারণেই এখন সব রাজনৈতিক নেতার উপর থেকে তাঁর আস্থা উঠে গিয়েছে বলে জানিয়েছেন সোনম।নিট প্রশ্নফাঁসের প্রতিবাদ এবং দেশের শিক্ষা ব্যবস্থায় সংস্কারের দাবিতে যন্তর মন্তরে টানা ছাব্বিশ দিন অনশন করেছিলেন সোনম ওয়াংচুক। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, তাঁর স্ত্রী গীতাঞ্জলী চেয়েছিলেন বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধীর উপস্থিতিতে অনশন ভাঙতে। সেই উদ্দেশ্যে রাহুল গান্ধীর সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও কোনও ইতিবাচক সাড়া পাওয়া যায়নি। সোনমের কথায়, তাঁর স্ত্রীর কোনও রাজনৈতিক উদ্দেশ্য ছিল না। তিনি শুধু চেয়েছিলেন রাহুল এসে অনশন ভাঙান। কিন্তু তা হয়নি।অনশন শেষ হওয়ার সময়ের ঘটনাও সামনে এনেছেন সোনম। তাঁর দাবি, তিনি চেয়েছিলেন শাসক ও বিরোধী শিবিরের পাশাপাশি ছাত্র প্রতিনিধিরাও সেই অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকুন। সেই সময় কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জেপি নাড্ডা ও জিতেন্দ্র সিং মধ্যরাতে তাঁর সঙ্গে বৈঠক করেন। সেখানে সিদ্ধান্ত হয়েছিল, আনুষ্ঠানিকভাবে অনশন শেষ করার ঘোষণার পরেই বৈঠকের ছবি প্রকাশ করা হবে। কিন্তু সেই প্রতিশ্রুতি রক্ষা করা হয়নি। আগেভাগেই ছবি প্রকাশ্যে চলে আসে। এই ঘটনায় তিনি গভীরভাবে হতাশ হন।সোনম ওয়াংচুক বলেন, প্রতিশ্রুতি ভঙ্গের এই অভিজ্ঞতা অত্যন্ত হতাশাজনক। তাঁর কথায়, এখন তিনি কোনও রাজনৈতিক নেতার উপরই আর ভরসা করতে পারেন না।মধ্যরাতে কেন্দ্রীয় মন্ত্রীদের সঙ্গে বৈঠক নিয়ে যে রাজনৈতিক সমঝোতার অভিযোগ উঠেছিল, তা-ও খারিজ করেছেন সোনম। তাঁর বক্তব্য, যদি রাজনৈতিক সমঝোতাই উদ্দেশ্য হত, তাহলে ছাব্বিশ দিন অনশন করার কোনও প্রয়োজন ছিল না। ব্যক্তিগত সুবিধা নয়, শিক্ষা ব্যবস্থার সংস্কার এবং ছাত্রদের স্বার্থেই তিনি আন্দোলনে নেমেছিলেন। তাঁর দাবি, গোটা আন্দোলন শান্তিপূর্ণ ছিল এবং তার লক্ষ্য ছিল শুধুমাত্র জনস্বার্থ।

আগস্ট ০৭, ২০২৬
দেশ

বিদেশে চিকিৎসার লড়াই থামছেই না! ফের সুপ্রিম কোর্টে অভিষেক, এবার কী রায়?

বিদেশে চোখের চিকিৎসার অনুমতি পেতে আইনি লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রথমে কলকাতা হাইকোর্ট, তারপর সুপ্রিম কোর্ট, আবার হাইকোর্ট কোথাও কাঙ্ক্ষিত স্বস্তি না মেলায় এবার ফের সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন তিনি। বিদেশে চিকিৎসার অনুমতি চেয়ে নতুন করে আবেদন করেছেন ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ।এর আগে বিদেশে চোখের চিকিৎসার অনুমতি চেয়ে কলকাতা হাইকোর্টে আবেদন করেছিলেন অভিষেক। কিন্তু আদালত সেই আবেদন খারিজ করে দেয়। বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য জানান, দেশের মধ্যে চিকিৎসার সুযোগ থাকলে আগে সেই পথই অনুসরণ করতে হবে। আদালত বিশেষভাবে এসএসকেএম হাসপাতালে চিকিৎসকদের একটি মেডিক্যাল বোর্ড গঠনের পরামর্শ দেয়। সেই বোর্ড যদি মনে করে বিদেশে চিকিৎসা প্রয়োজন, তবেই বিদেশ যাওয়ার অনুমতির বিষয়টি বিবেচনা করা যেতে পারে।হাইকোর্টের এই নির্দেশের বিরুদ্ধে সরাসরি সুপ্রিম কোর্টে যান অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর আইনজীবী জানান, তদন্তে তিনি সম্পূর্ণ সহযোগিতা করেছেন এবং আদালতের সব নির্দেশ মেনেছেন। তাই চিকিৎসার জন্য বিদেশে যেতে বাধা দেওয়া উচিত নয়। তবে সুপ্রিম কোর্ট সেই আবেদন গ্রহণ না করে জানায়, বিষয়টি প্রথমে হাইকোর্টেই নিষ্পত্তি হওয়া উচিত। একই সঙ্গে হাইকোর্টকে দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়ার নির্দেশও দেওয়া হয়।পরবর্তী শুনানিতে হাইকোর্ট আবারও জানায়, এসএসকেএম হাসপাতালের মেডিক্যাল বোর্ডের মতামত অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু অভিষেকের আইনজীবী স্পষ্ট জানান, তাঁর মক্কেল এসএসকেএমে চিকিৎসা করাতে আগ্রহী নন এবং বিদেশেই চিকিৎসা করাতে চান। এরপর হাইকোর্ট আবেদন খারিজ করে দেয়।হাইকোর্টে স্বস্তি না মেলায় এবার আবারও সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এখন শীর্ষ আদালতের সিদ্ধান্তের দিকেই নজর রাজনৈতিক মহল এবং আইনি বিশেষজ্ঞদের।

আগস্ট ০৭, ২০২৬
দেশ

“রাজনীতি করবেন, আর ডিমকে ভয় পাবেন?” সুপ্রিম কোর্টে মহুয়াকে তীব্র কটাক্ষ, তারপর যা হল...

সুপ্রিম কোর্টে বড় ধাক্কা খেলেন তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদ মহুয়া মৈত্র। একটি ফেসবুক পোস্ট সংক্রান্ত মামলায় ভার্চুয়াল হাজিরার অনুমতি চেয়ে শীর্ষ আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন তিনি। শুনানির সময় বিচারপতির মন্তব্য ঘিরে চর্চা শুরু হয়েছে। পরে মহুয়া মৈত্রের আইনজীবী নিজেই মামলাটি প্রত্যাহার করে নেন।শুক্রবার বিচারপতি দীপঙ্কর দত্ত ও বিচারপতি শীল নাগুর বেঞ্চে মামলার শুনানি হয়। মহুয়ার আইনজীবী গোপাল শঙ্করনারায়ণ আদালতে জানান, আগেরবার হাজিরা দিতে গিয়ে তাঁর মক্কেলকে হুমকির মুখে পড়তে হয়েছিল। এমনকি তাঁর দিকে ডিমও ছোড়া হয়েছিল। সেই কারণেই জেরার জন্য ভার্চুয়াল হাজিরার অনুমতি চাওয়া হয়।এই আবেদন শুনেই বিচারপতি দীপঙ্কর দত্ত প্রশ্ন তোলেন, শুধুমাত্র সাংসদ হওয়ার কারণেই কি এমন সুবিধা চাওয়া হচ্ছে? পরে ডিম ছোড়ার প্রসঙ্গ উঠতেই বিচারপতি মন্তব্য করেন, রাজনীতি করতে এলে ডিমকে ভয় পেলে চলবে না। তিনি আরও বলেন, দেশের স্বাধীনতা সংগ্রামীরা বুকে গুলি খেয়েছেন, তাই জনজীবনে থাকা ব্যক্তিদের সমালোচনা বা প্রতিবাদের মুখোমুখি হওয়ার মানসিকতা থাকতে হবে।শুনানির সময় আদালত মহুয়ার আবেদন গ্রহণে অনীহা প্রকাশ করে। এরপর তাঁর আইনজীবী মামলাটি প্রত্যাহার করে নেন। ফলে ভার্চুয়াল হাজিরার আবেদন আর বিবেচনা করা হয়নি।উল্লেখ্য, এই একই মামলায় আগে কলকাতা হাই কোর্ট মহুয়া মৈত্রকে গ্রেফতারি থেকে অন্তর্বর্তী সুরক্ষা দিয়েছিল। তবে তদন্তে সহযোগিতা করার নির্দেশও দেওয়া হয়েছিল। পাশাপাশি আগামী ১৪ আগস্ট তদন্তকারী সংস্থার সামনে হাজির হওয়ার নির্দেশ রয়েছে। সেই নির্দেশের পরই ভার্চুয়াল হাজিরার অনুমতি চেয়ে সুপ্রিম কোর্টে আবেদন করেছিলেন কৃষ্ণনগরের সাংসদ।

আগস্ট ০৭, ২০২৬
কলকাতা

রক্ত সংগ্রহে ভয়ঙ্কর অনিয়মের অভিযোগ! আদালতের নজরে এগারো ব্লাড ব্যাঙ্ক, বাড়ল চাপ

রাজ্যে রক্ত সংগ্রহ ও বণ্টন নিয়ে অনিয়মের অভিযোগে শুরু হওয়া বিতর্ক এবার পৌঁছে গেল কলকাতা হাই কোর্টে। একাধিক বেসরকারি ব্লাড ব্যাঙ্কের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু হওয়ার পর পাড়ায় পাড়ায় রক্তদান শিবির আয়োজনের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তর। সেই নির্দেশের বিরোধিতা করে আদালতের দ্বারস্থ হয় একটি বেসরকারি ব্লাড ব্যাঙ্ক। শুক্রবার মামলার শুনানিতে বিচারপতি কৃষ্ণা রাও রাজ্য সরকারের কাছে জানতে চান, তদন্ত কতদূর এগিয়েছে। আগামী ১৪ আগস্টের মধ্যে তদন্তের রিপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে আদালত। মামলার পরবর্তী শুনানি হবে ১৯ আগস্ট।রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তরের ব্লাড ট্রান্সফিউশন কাউন্সিল জানায়, বিভিন্ন বেসরকারি ব্লাড ব্যাঙ্কে আকস্মিক পরিদর্শনে রক্ত সংগ্রহ ও বণ্টনে একাধিক অনিয়ম ধরা পড়েছে। সেই কারণেই তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত মোট এগারোটি বেসরকারি ব্লাড ব্যাঙ্ককে বাইরে রক্তদান শিবির আয়োজন করতে নিষেধ করা হয়েছে। তবে সরকারি নিয়ম মেনে নিজেদের হাসপাতাল বা প্রতিষ্ঠানের ভিতরে রক্ত সংগ্রহ করা যাবে।সরকারি নির্দেশে আরও বলা হয়েছে, রাজ্যের মধ্যে রক্ত বা রক্তের উপাদান অন্য কোনও ব্লাড ব্যাঙ্কে পাঠানোর আগে রাজ্য ব্লাড ট্রান্সফিউশন কাউন্সিলকে জানাতে হবে। আর অন্য রাজ্যে পাঠাতে হলে জাতীয় ব্লাড ট্রান্সফিউশন কাউন্সিলের অনুমতি বাধ্যতামূলক।তদন্তে অভিযোগ উঠেছে, প্রয়োজনীয় অনুমতি ছাড়াই অর্থের বিনিময়ে রক্ত ও রক্তের উপাদান অন্য রাজ্যে পাঠানো হয়েছে। অভিযোগ, গত ছয় মাসে প্রায় সাড়ে তিন হাজার ইউনিট লোহিত রক্তকণিকা বিহার, উত্তরপ্রদেশ ও ঝাড়খণ্ড-সহ একাধিক রাজ্যে বিক্রি করা হয়েছে। এই অভিযোগ সামনে আসতেই স্বাস্থ্য দপ্তর কড়া পদক্ষেপ করে। এখন আদালতের নির্দেশের পর তদন্তের রিপোর্টে কী তথ্য সামনে আসে, সেদিকেই নজর সকলের।

আগস্ট ০৭, ২০২৬
কলকাতা

শিক্ষক নিয়োগে আর ফিরছে না পুরনো নিয়ম! আদালতে এসএসসির বক্তব্যে জোর চর্চা

শিক্ষক নিয়োগ নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ অবস্থান জানাল স্কুল সার্ভিস কমিশন। কলকাতা হাই কোর্টে এসএলএসটি নিয়োগ মামলার শুনানিতে কমিশন স্পষ্ট জানিয়েছে, ভবিষ্যতের নিয়োগ ২০২৫ সালের নতুন নিয়ম মেনেই হবে। আগামী ২১ আগস্ট এই মামলার পরবর্তী শুনানির সম্ভাবনা রয়েছে।শুক্রবার বিচারপতি অমৃতা সিনহার বেঞ্চে রাজ্যের পক্ষে সিনিয়র স্ট্যান্ডিং কাউন্সেল নীলাঞ্জন ভট্টাচার্য আদালতে জানান, নিয়োগে দুর্নীতির বিরুদ্ধে রাজ্য সরকারের অবস্থান একেবারেই কঠোর। তাই নতুন নিয়োগ প্রক্রিয়ায় কোনও অনিয়মের সুযোগ থাকবে না। সেই কারণেই দ্বিতীয় এসএলএসটি নিয়োগ ২০২৫ সালের নতুন বিধি অনুসারে করা হবে।এর আগে ২০১৬ সালের শিক্ষক নিয়োগের সম্পূর্ণ প্যানেল আদালতের নির্দেশে বাতিল হয়েছিল। এরপর নতুন করে নিয়োগের নির্দেশ দেওয়া হয়। মামলাকারীদের দাবি ছিল, যেহেতু বিজ্ঞপ্তি ২০১৬ সালের, তাই সেই সময়ের নিয়ম মেনেই নিয়োগ হওয়া উচিত। তবে সরকার ও এসএসসি আদালতে জানায়, নতুন নিয়োগ বর্তমান নিয়ম অনুসারেই হবে।শুনানিতে সংরক্ষণ নিয়েও আলোচনা হয়। আগে অন্যান্য অনগ্রসর শ্রেণির জন্য ১৭ শতাংশ সংরক্ষণ ছিল। পরে নতুন নিয়মে তা ৭ শতাংশ করা হয়েছে। আদালত জানায়, বর্তমান সংরক্ষণ নীতিও নিয়োগ প্রক্রিয়ায় মানতে হবে। একই সঙ্গে রাজ্য সরকার ও এসএসসিকে সমন্বয় করে দ্রুত নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ করার পরামর্শ দিয়েছে আদালত।এখন নজর আগামী ২১ আগস্টের শুনানির দিকে। ওই দিন আদালতে এই মামলার পরবর্তী অগ্রগতি নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত সামনে আসতে পারে।

আগস্ট ০৭, ২০২৬
রাজ্য

জেলে সুজিত, এবার গ্রেফতার ঘনিষ্ঠ! গেস্ট হাউসে অভিযানে সামনে এল চাঞ্চল্যকর অভিযোগ

সল্টলেকের সুকান্তনগরের একটি গেস্ট হাউসে অনৈতিক কাজের অভিযোগে গ্রেফতার হলেন রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী সুজিত বসুর ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত সায়ন দে। তাঁর সঙ্গে আরও একজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। অভিযোগ, ওই গেস্ট হাউসে দীর্ঘদিন ধরে দেহ ব্যবসা এবং নাবালিকাদের দিয়ে অনৈতিক কাজ করানো হচ্ছিল। যদিও সায়ন দে তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, বহুদিন ধরেই ওই গেস্ট হাউসে অনৈতিক কার্যকলাপ চলছিল। একাধিকবার থানায় অভিযোগ জানানো হলেও আগে কোনও পদক্ষেপ করা হয়নি বলে অভিযোগ। সরকার পরিবর্তনের পর বিধাননগর গোয়েন্দা শাখার পুলিশ অভিযান চালিয়ে কয়েকজন মহিলা ও নাবালিকাকে উদ্ধার করে। পরে তাঁদের বয়ান নেওয়া হয়। তদন্তের ভিত্তিতে সায়ন দে এবং অনির্বাণ নামে আরও এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করে আদালতে তোলা হয়েছে।এই ঘটনায় বিজেপির স্থানীয় নেতৃত্ব দাবি করেছে, দীর্ঘদিন ধরেই এলাকার মানুষ অভিযোগ জানিয়ে আসছিলেন। তাঁদের অভিযোগ, রাজনৈতিক প্রভাবের কারণে আগে কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। যদিও এই অভিযোগের সত্যতা আদালতে প্রমাণিত হয়নি।অন্যদিকে আদালতে নিয়ে যাওয়ার পথে সায়ন দে দাবি করেন, ওই গেস্ট হাউস তাঁর কি না, সেটাই জানতে পুলিশ তাঁকে নিয়ে এসেছে। তাঁর কথায়, কোনও প্রমাণ পাওয়া যায়নি। তদন্তের পরই প্রকৃত সত্য সামনে আসবে।এই ঘটনাকে ঘিরে সল্টলেকে নতুন করে রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, পুরো ঘটনার তদন্ত চলছে এবং প্রয়োজন হলে আরও পদক্ষেপ করা হবে।

আগস্ট ০৭, ২০২৬
কলকাতা

কুণাল ঘোষকে বড় ধাক্কা! কণ্ঠরোধ মামলায় যা বলল হাইকোর্ট, চাঞ্চল্য রাজ্য রাজনীতিতে

বিধানসভায় কথা বলতে না দেওয়ার অভিযোগ তুলে করা কুণাল ঘোষের মামলা খারিজ করে দিল কলকাতা হাইকোর্ট। বিচারপতি কৃষ্ণা রাও জানিয়ে দেন, এই বিষয়ে আদালতের হস্তক্ষেপের সুযোগ নেই। যদি কোনও অভিযোগ থাকে, তা বিধানসভার স্পিকারের কাছেই জানাতে হবে।কুণাল ঘোষের অভিযোগ ছিল, বিধানসভার অধিবেশনে তাঁকে ইচ্ছাকৃতভাবে বক্তব্য রাখার সুযোগ দেওয়া হচ্ছে না। তাঁর নাম বক্তাদের তালিকা থেকে বারবার বাদ দেওয়া হচ্ছে বলেও দাবি করেন তিনি। এই ঘটনাকে তিনি পরিকল্পিত বলে অভিযোগ তুলে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন।মামলার শুনানিতে কুণাল ঘোষের আইনজীবী আদালতে জানান, বিষয়টি বিচারিক পর্যালোচনার আওতায় আনা হোক। তাঁর দাবি, বিধানসভায় বক্তব্য রাখার জন্য কুণাল ঘোষের নাম পাঠানো হচ্ছে না। আদালতের হস্তক্ষেপে অন্তত তাঁর বক্তব্য রাখার সুযোগ নিশ্চিত করা উচিত।এর জবাবে বিচারপতি কৃষ্ণা রাও প্রশ্ন তোলেন, আদালত কীভাবে স্পিকারকে নির্দেশ দিতে পারে যে কোন বিধায়ক কখন বক্তব্য রাখবেন। আদালতের পর্যবেক্ষণ, বিধানসভার কার্যপ্রণালীর বিষয়টি মূলত স্পিকারের এখতিয়ারের মধ্যে পড়ে।বিধানসভার পক্ষের আইনজীবী আদালতে জানান, বিপুল সংখ্যক বিধায়কের মধ্যে প্রত্যেককে নির্দিষ্ট সময়ে বক্তব্য রাখার সুযোগ দেওয়া সম্ভব নয়। তিনি আরও দাবি করেন, কুণাল ঘোষ অতীতেও বিধানসভায় বক্তব্য রেখেছেন। তাই তাঁর অভিযোগের ভিত্তি নেই।সব পক্ষের বক্তব্য শোনার পর বিচারপতি কৃষ্ণা রাও কুণাল ঘোষের আবেদন খারিজ করে দেন। আদালত জানায়, যদি সত্যিই তাঁর কোনও অভিযোগ থাকে, তাহলে তা বিধানসভার স্পিকারের কাছেই উত্থাপন করতে হবে। এই বিষয়ে আদালতের আর কোনও করণীয় নেই।

আগস্ট ০৭, ২০২৬
কলকাতা

হঠাৎ হাসপাতালে মিঠুন! অস্ত্রোপচারের খবর ছড়াতেই ছুটে গেলেন মুখ্যমন্ত্রী, জানালেন বড় আপডেট

জনপ্রিয় অভিনেতা মিঠুন চক্রবর্তী অসুস্থ হয়ে কলকাতার বাইপাসের ধারের একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। তাঁর অস্ত্রোপচার হয়েছে বলে হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে। শুক্রবার সকালে তাঁকে দেখতে হাসপাতালে পৌঁছান মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর সঙ্গে ছিলেন যাদবপুরের বিধায়ক শর্বরী মুখোপাধ্যায়-সহ অন্যরা। মুখ্যমন্ত্রী অভিনেতার সঙ্গে দেখা করার পাশাপাশি চিকিৎসকদের সঙ্গেও কথা বলে তাঁর শারীরিক অবস্থার খোঁজ নেন।গত কয়েক বছরে সক্রিয়ভাবে রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত হয়েছেন মিঠুন চক্রবর্তী। বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পর একাধিক নির্বাচনী প্রচারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন তিনি। সাম্প্রতিক নির্বাচনেও বয়সের তোয়াক্কা না করে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে প্রচার করেছেন। প্রচারের মাঝেই অসুস্থ হয়ে পড়লেও প্রচার থামাননি।মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর শুভেন্দু অধিকারী নিউটাউনে মিঠুন চক্রবর্তীর বাড়িতে গিয়ে তাঁর সঙ্গে দেখা করেছিলেন। এবার অভিনেতার হাসপাতালে ভর্তির খবর পেয়ে শুক্রবার সকালে সরাসরি হাসপাতালে পৌঁছে যান তিনি। বেশ কিছুক্ষণ মিঠুন চক্রবর্তীর সঙ্গে কথা বলেন এবং চিকিৎসকদের কাছ থেকেও তাঁর শারীরিক অবস্থার বিস্তারিত জানেন।হাসপাতাল থেকে বেরিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, মিঠুন চক্রবর্তী বাংলার সম্পদ। তাঁর কথায়, রাজনৈতিক পরিচয়ের বাইরে গিয়েও বাংলার মানুষের কাছে মিঠুনের বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে। তিনি আরও জানান, ছোট একটি অস্ত্রোপচার হয়েছে এবং বর্তমানে অভিনেতা সুস্থ আছেন। মুখ্যমন্ত্রী নিজের সমাজমাধ্যমেও সাক্ষাতের ছবি প্রকাশ করেছেন।হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, মিঠুন চক্রবর্তীর হাতে অস্ত্রোপচার হয়েছে। বর্তমানে তাঁর শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল। সব কিছু ঠিক থাকলে আগামী দু-এক দিনের মধ্যেই তাঁকে হাসপাতাল থেকে ছেড়ে দেওয়া হতে পারে।

আগস্ট ০৭, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal