• ২৭ পৌষ ১৪৩২, বুধবার ১৪ জানুয়ারি ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Memari

রাজনীতি

গোষ্টী সংঘর্ষকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা বর্ধমানের মেমারি শহরে

তৃণমূল কংগ্রেসের গোষ্টী সংঘর্ষকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়ায় বৃহস্পতিবার রাতে পূর্ব বর্ধমানের মেমারিতে। মারধর ও দোকান ভাংচুরের পাশাপাশি সংঘর্ষে জখম হয় দুপক্ষের ৪ জন। মেমারি থানার পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে।বৃহস্পতিবার মেমারির চেকপোস্টের কাছে দুপক্ষের গালিগালাজ ও বচসাকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। জখম চারজনকে চিকিৎসার জন্য মেমারি গ্রামীন হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। দুপক্ষই দুপক্ষের বিরুদ্ধে মারধরের অভিযোগ করে মেমারি থানায়।জখম তৃণমুল নেতা প্রসূন দাসের অভিযোগ তাদের একটি ছেলেকে গালিগালাজ করে। প্রতিবাদ করলে তাকে মারধর করে। তখনকার মত সমস্যা মিটে গেলে দোকানে গিয়ে মেমারির শহর সভাপতি স্বপন ঘোষালের অনুগামীরা লাঠি, রড দিয়ে মারধর ও দোকান ভাংচুর করে।পাল্টা সুভাষ পণ্ডিতের মা অনিমা পণ্ডিত মারধর ও দোকান ভাংচুরের অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, আমার ছেলে বাড়ি আসার সময় গালিগালাজ করে।গালিগালাজকে কেন্দ্র করে বচসা এবং তারপরই আমার ছেলেকে রড দিয়ে মারধর করে।আমি তৃণমূল করি কিন্তু আমার ছেলে রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত নয়। ঘটনার পরিপেক্ষিতে মেমারি থানার পুলিশ বেশ কয়েকজনকে আটক করে।

অক্টোবর ২৭, ২০২২
রাজ্য

বিজয়া সন্মিলনী ঘিরে গোষ্ঠি দ্বন্দ্ব চরমে বর্ধমানের মেমারীতে

শহর তৃণমূল কংগ্রেসের উদ্যোগে বিজয়া সম্মেলনে গড় হাজির পূর্ব বর্ধমানের মেমারী শহরের একাধিক নেতৃত্ব। শহর তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতির ইঙ্গিত পূর্ণ তির্যক মন্তব্যে প্রকাশ্যে তৃণমূল কংগ্রেসের গোষ্ঠী কোন্দল।মেমারী শহর তৃণমূল কংগ্রেসের উদ্যোগে বিজয়া সম্মিলনী অনুষ্ঠান হলেও মেমারি পৌরসভার একাধিক নেতৃত্বর অনুপস্থিতি নিয়ে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক জল্পনা। এমন কি অনুপস্থিত ছিলেন মেমারী পৌরসভার পৌর প্রধান স্বপন বিষয়ী ও উপ পৌরপ্রাধান সুপ্রীয় সামন্ত।এ বিষয়ে মেমারি শহর তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতি স্বপন ঘোষালের অভিযোগ, ২০২১ সালে যারা বিজেপি জিতবে বলে উল্লাস করেছিল, তারা আজকে অনুপস্থিত আছে। ২১ সালে যারা সিপিএম এবং বিজেপির সাথে টক্কর লাগিয়ে লড়াই করেছিল তারা সবাই আছে।কার্ডে চেয়ারম্যান-ভাইস চেয়ারম্যান এর নাম নেই। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন এটা সাংগঠনিক ব্যাপার, এখানে চেয়ারম্যান-ভাইস চেয়ারম্যান নাম থাকার কোনো ব্যাপার নেই। পুরসভার কোন অনুষ্ঠান হলে অবশ্যই চেয়ারম্যান-ভাইস-চেয়ারম্যানের নাম থাকত। তিনি আরো বলেন, তৃণমূলের এই সম্মেলনকে আটকাবার জন্য আজকে যারা আসেনি তারা রাস্তায় রাস্তায় ব্যারিকেড করেছে। সিপিএমের আমলে যেমন তৃণমূল কংগ্রেস এবং কংগ্রেস কে ভোট দিতে যেমন বাধা দেওয়া হতো, আটকে দেওয়া হতো, ঠিক তেমনি ভাবে একটি সম্মেলনে না আসার জন্য আমাদের কর্মীদেরকে ভয় দেখানো হয়েছে। যারা অনুপস্থিত তারাই ভয় দেখিয়েছে। তবে যারা আটকাচ্ছে তারা তৃণমূল কিনা জানি না। যারা বিজেপির সাথে আঁতাত করে ২১ সালে বিধায়ককে হারানোর চেষ্টা করেছিলেন তারাই আজকে ব্যারিকেড করেছে।যদিও এই বিষয়ে মেমরি পৌরসভার পৌর প্রধান ও উপ-পৌরপ্রধান কোন কোন প্রতিক্রিয়া দিতে চাননি। তবে জেলা সভাপতি রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায় বলেন, আমি একটু দেরিতে পৌঁছেছি এখানে, অনুপস্থিতির বিষয়টি দেখতে পাচ্ছি তবে কারণ কি এখনও জানি না, বিষয়টি সম্পর্কে খোঁজ খবর নেওয়া হবে।গোটা বিষয়টি নিয়ে কটাক্ষ করতে ছাড়েনি বিজেপি। বিজেপি নেতা মৃত্যুঞ্জয় চন্দ্র বলেন, তৃণমূল কংগ্রেস তোলাবাজদের দল। কোন নেতার সাথে থাকলে বেশি ভাগবাটোয়ারা পাওয়া যাবে সেই নিয়ে তৃণমূলের মধ্যে কোন্দল আছে। সেকারণে সব নেতারা একসাথে থাকতে পারে না।শহর তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে মেমারীর কৃষ্টি প্রেক্ষা গৃহে মঙ্গলবার বিকেলে বিজয়া সম্মেলন ও দলীয় প্রবীণ নেতৃত্বদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন অভিনেতা তথা বিধায়ক সোহম চক্রবর্তী, মেমারীর বিধায়ক মধুসূদন ভট্টাচার্য, জেলা সভাপতি রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায়। তবে মেমারী পৌরসভার ১৬টি ওয়ার্ডের মধ্যে ২জন কাউন্সিলর থাকলে ও গড়হাজির ছিলেন বাকি ১৪ জন কাউন্সিলর।

অক্টোবর ১৮, ২০২২
রাজ্য

শাসক দলের বিরুদ্ধে বামেদের ফ্ল্যাগ ও ফষ্টুন ছিঁড়ে ফেলার অভিযোগে বর্ধমানে

সিপিএমের ফ্ল্যাগ ও ফেষ্টুন ছিঁড়ে দেবার অভিযোগ উঠলো পূর্ব বর্ধমানের মেমারিতে। অভিযোগ উঠলো শাসকদলের বিরুদ্ধে। অভিযোগ অস্বীকার করে তৃণমূল কংগ্রেসের মেমারি ১ নম্বর ব্লক সভাপতি। প্রতিবাদে বৃহস্পতিবার মেমারির চকদিঘি মোড়ে প্রতিবাদ সভা ও মিছিল করে সিপিএম।সিপিএমের অভিযোগ সিআইটিইউর জেলা সম্মেলন উপলক্ষে মেমারি শহর ও শহরের আশপাশে ফ্ল্যাগ ও ফেষ্টুন লাগানো হয়েছিলো রাস্তার ধারে। সিপিএম নেতা অভিজিত কোঙারের অভিযোগ মেমারির বাগিলা, কালসি ও নুদীপুর মোড় এলাকায় রাতের অন্ধকারে তৃণমূল আশ্রিত দুস্কৃতিরা তাদের ফ্ল্যাগ ও ফেষ্টুন ছিঁড়ে ফেলে দেয়।যদিও মেমারি ১ নম্বর ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি নিত্যানন্দ ব্যানার্জী সিপিএমের অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন সিপিএমের পতাকা লাগানোর লোক কোথায়? পতাকা টাঙিয়েছিলো দেখাক। এসব মিথ্যা অভিযোগ করছে সিপিএম।আগামীকাল শুক্রবার পূর্ব বর্ধমান জেলা সিআইটিইউর একাদশ তম সম্মেলন হবে মেমারিতে। শুক্রবার বিকেলে মেমারির পুরনো বাসস্ট্যাণ্ড এলাকায় সম্মেলনের প্রকাশ্য সমাবেশ হবে। ওই সভায় উপস্থিত থাকবেন সিপিএম নেতা সুশান্ত ঘোষ।

অক্টোবর ১৩, ২০২২
রাজ্য

দোকানে হানা দিয়ে প্রচুর পরিমাণ নিষিদ্ধ শব্দবাজি বাজেয়াপ্ত

একটি দোকানে হানা দিয়ে প্রচুর পরিমাণ নিষিদ্ধ শব্দবাজি বাজেয়াপ্ত করেছে পূর্ববর্ধমানের মেমারি থানার পুলিস। বেআইনিভাবে শব্দবাজি মজুতের অভিযোগে দোকানের মালিককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ধৃতের নাম তপন অধিকারী। মেমারি থানার উলাড়া গ্রামে তার বাড়ি। মেমারি থানার রসুলপুর বাজারে তার দশকর্মার দোকান রয়েছে। সেখানে মঙ্গলবার রাতে হানা দেয় পুলিস।পুলিসের দাবি, দোকান থেকে ৩টি বস্তায় মজুত করে রাখা ৪৪ কেজি ৮৭০ গ্রাম ওজনের বিভিন্ন ধরণের নিষিদ্ধ শব্দবাজি উদ্ধার হয়। সাব-ইনসপেক্টর বুদ্ধদেব ঘোষের অভিযোগের ভিত্তিতে ভারতীয় দণ্ডবিধির ২৮৬ ও ফায়ার সাির্ভস অ্যাক্টের ২৪ ধারায় স্বতঃপ্রণোদিত মামলা রুজু করে পুলিস তপনকে গ্রেপ্তার করে। ধৃতকে বুধবার বর্ধমান আদালতে পেশ করা হয়। ধৃতের জামিন মঞ্জুর করেন সিজেএম চন্দা হাসমত।

অক্টোবর ১২, ২০২২
রাজ্য

প্যারা টিচারের মারে মাথায় চোট পেয়ে অসুস্থ শিশু

মেমারি দুনম্বর ব্লকের অন্তর্গত সোতলা মহিষডাঙ্গা উচ্চ বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষককে ঘেরাও করে বিক্ষোভ সামিল হলো গ্রামবাসীরা। ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে এলাকায়। ঘটনাস্থলে এসে পৌঁছয় মেমারি থানার সাতগেছিয়া ফাঁড়ির পুলিশ। অভিযোগ জুন মাসের শেষের দিকে এক সেচ্ছাসেবক শিক্ষকের মারে আহত হন। এক স্কুল পড়ুয়া।আহত ওই স্কুল পড়ুয়া জিৎ শিল অষ্টম শ্রেণীর ছাত্র মহিষডাঙ্গা গ্রামের বাসিন্দা। স্কুলে পড়া না পারার জন্য তাকে মারধর করা হয় এবং সেই মারেই মাথায় চোট পান বলে অভিযোগ। বর্তমানে ওই ছাত্র ঠিকমতো হাঁটতে পারছেন না এবং অসুস্থ হয়ে পড়ছেন বলে তার পরিবারের দাবি।বর্তমানে ওই ছাত্রের সমস্ত চিকিৎসা খরচ স্কুল কর্তৃপক্ষকে বহন করতে হবে বলে জানিয়েছেন আহত ছাত্রের পরিবার। বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক সহ অন্যান্য শিক্ষকরা জানিয়েছেন আহত হওয়ার পর ওই ছাত্রের প্রথম চিকিৎসা উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল বিদ্যালয়ের পক্ষ থেকেই এবং পরবর্তী সময়ও তাদের চিকিৎসার জন্য সহযোগিতার আশ্বাস দেয়া হয়েছে। শুনবো এই দিনে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এবং বাংলা বিভাগের শিক্ষক কি জানিয়েছেন।

সেপ্টেম্বর ০৯, ২০২২
রাজ্য

বেসরকারি সংস্থার ঋনের কিস্তি না দিতে পারায় শারীরিক হেনস্তার অভিযোগ মেমারিতে

মাইক্রো ক্রেডিট সংস্থার ঋণ নিয়ে দাবিমত কিস্তি শোধ না করতে পারায় মারধোর করার অভিযোগ উঠল পূর্ব বর্ধমানের মেমারির বোহার এলাকায়। মারধরের ফলে ঋণগ্রহীতার মাথা ফাটিয়ে দেওয়া হয়েছে। থানায় সুবিচার না পেয়ে আজ জেলা পুলিশ সুপারের কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন স্বামী স্ত্রী।মেমারি থানার জাকরা গ্রামটি বোহার এলাকায়। এখানকার সুদেব হালদার জনা ব্যাংক নামে একটি ক্ষুদ্র ঋণ সংস্থা থেকে টাকা ধার নিয়েছিলেন। তাদের মাসিক কিস্তি ছিল ১৪০০ টাকা। কিন্তু লকডাউনে অভাবের কারণে তারা ৭০০ টাকা করে মাসে দুবারে কিস্তি দিচ্ছিলেন। সুদেব হালদারের স্ত্রী গৌরী হালদারের অভিযোগ এবারে একটি কিস্তি অর্থনৈতিক কারণে তারা দিতে পারেন নি।অভিযোগ আমিরুল ইসলাম ও চয়ন ঘোষ নামে ওই ব্যাংকের দুই কর্মী তাদের বাড়ি চড়াও হয়ে হুমকি ও গালিগালাজ দিতে থাকে। অনুনয় করলেও তারা শোনেনি। উলটে কিস্তি না দিলে মারধর করা শুরু করে। অভিযোগ তার স্বামী ও ছেলের উপর এমনকি তার উপর হামলা হয়। ছেলেকে মারার পাশাপাশি ঘরের একটি মুগুর দিয়ে তার স্বামীর মাথায় বাড়ি মারা হয়। এইসময় স্থানীয় মানুষরা ছুটে এলে ওরা পালিয়ে যায়।কিন্তু হুমকি দিতে ছাড়ে নি। এরপর আহতকে স্থানীয় স্বাস্থ্যকেন্দ্র হয়ে বর্ধমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা করাতে হয়। আজ দুপুরে ওই দম্পতি পূর্ব বর্ধমানের জেলা পুলিশ সুপারকে লিখিত অভিযোগ করেন। তাদের দাবি ; থানায় তাদের অভিযোগ না নেওয়ায় এখানে আসতে হলো।তারা দোষীদের শাস্তি দাবি করেন।

আগস্ট ৩১, ২০২২
রাজ্য

বর্ধমানের মেমারিতে বামেদের 'চোর ধরো জেল ভরো' দাবীতে মিছিল

মেমারী দুনম্বর ব্লক এরিয়া কমিটির অন্তর্গত কালেশ্বর শাখার মেলনা স্কুল থেকে শুরু করে রেঁঞা গ্রামহয়ে ভান্ডুল পর্যন্ত চোর ধরো জেল ভরো, জিনিসপত্রের দাম, GST কমানো সহ আগামী ৩১ আগষ্ট বর্ধমানে আইন অমান্য কর্মসূচি ও আগামী ৩ (3)রা সেপ্টেম্বর সাতগেছিয়া বাজারে কমরেড দেবলীনা হেমব্রম এর জনসভার সমর্থনে মিছিল ও পথসভা সংগঠিত হয় সি.পি.আই(এম) এর পক্ষ থেকে।এই কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন কমরেড শান্তি ব্যানার্জ্জী, শাখা সম্পাদক কমরেড সুব্রত মিত্র, পার্টি নেতা কমরেড বিপিন রায় চৌধুরী, ব্লকে ছাত্রনেতা দেব জিৎ ব্যানার্জি সহ আরো অনেকে।

আগস্ট ২৭, ২০২২
রাজ্য

মেমারির কো-অপারেটিভ ব্যাংকে ডেপুটেশন দিল আদিবাসী সংগঠন

শুক্রবার মেমারি দুনম্বর ব্লকের শ্রীধরপুর কো-অপারেটিভ ব্যাংকে তিন দফা দাবি নিয়ে ডেপুটেশন দিল আদিবাসী সংগঠন ভারত জাকাত মাঝি পরগনা মহল। এদিনের দাবিগুলোর মধ্যে অন্যতম ছিল ভোটে নির্বাচিত সদস্যদের মধ্য থেকে আদিবাসী সম্প্রদায়ের এক জনকে শ্রীধরপুর কোপারেটিভ ব্যাংকের বোর্ডের মেম্বার হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে, আদিবাসী সম্প্রদায়ের যোগ্যতা সম্পন্ন ছেলেমেয়েদের চাকরির ব্যবস্থা করতে হবে।এই সমস্ত দাবি-দাওয়া নিয়ে স্লোগান সহ তারা হাজির হন শ্রীধরপুর কো অপারেটিভ ব্যাংকের প্রধান শাখায়। এবং সেখানে ডেপুটেশন দেন আদিবাসী সম্প্রদায় ভুক্ত এক বিশেষ প্রতিনিধি দল। পরিস্থিতি সামাল দিতে ঘটনাস্থলে মজুত ছিল পুলিশ বাহিনী। ডেপুটেশন প্রতিনিধির দলের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সাতগেছিয়া এক নম্বর পরগনার দিলীপ মুর্মু, এলাকার সকল মাঝি বাবা সহ আরো অনেকে।

আগস্ট ২৬, ২০২২
রাজ্য

গভীর রাতে ভয়াবহ আগুনে ভষ্মিভুত বাড়ি, অভিযোগ, দমকল দেরিতে আসায় পুড়ে ছাই লক্ষাধিক টাকার সম্পত্তি

গভীররাতে পূর্ববর্ধমানের মেমারির উদয়পল্লীর পশ্চিমপাড়ার একটি বাড়িতে আগুন লাগে। আগুনে ভস্মীভূত হয়ে যায় বাড়ির আসবাব সহ সমস্ত সামগ্রী। আগুন লাগার পর স্থানীয় মানুষজন খবর দেন মেমারির দমকল বিভাগকে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে দমকলের একটি ইঞ্জিন ও মেমারি থানার পুলিশ যায়।স্থানীয়দের অভিযোগ দমকল ডাকার অনেক পরে তাঁরা পৌঁছায়, ততক্ষণে স্থানীয়রাই উদ্যোগ নিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। পুলিশের প্রাথমিক অনুমান শর্ট সার্কিট থেকেই আগুন লাগে। ভষ্মীভুত বাড়িটির মালিক বলাই গোলদার জনতার কথাকে জানান, তিনি বাড়িতে ছিলেন না, মেলায় গিয়েছিলেন, আগুন লাগার সময় তাঁর স্ত্রী ও সন্তান ছিল, তিনি জানান, তাঁরা কী আহত হননি, স্থানীয়দের সাহায্যে তাঁর পরিবার নিরাপদেই আছে।বলাই গোলদার জানান, তিনি বিভিন্ন মেলায় ব্যবসা করে সংসার চালান। আগুন লাগার আগের দিন মহাজনকে দেওয়ার জন্য বাড়িতে ৫০ হাজার টাকা নগদ রেখেছিলেন। সেই টাকাও উদ্ধার হবেনা জেনে তিনি ভেঙ্গে পরেছেন। স্থানীয় অভিজিৎ মণ্ডল (প্রতিবেশী) জানান তারাই প্রথম আগুনটা দেখেন, তিনি জানান তাঁরা আগুন দেখে দমকলকে ৭টা ১৫ তে ফোন করেন, কিন্তু এক কিলোমিটার দূর থেকে দ্মক্ল বাহিনী আসতে ৮টা ৩০ মিনিট হয়ে যায়। ততক্ষণে স্থানীয় মানুষজনই আগুন নিয়ন্ত্রণে এনে ফেলেছেন। দমকল সুত্রে জানা যায়, তাঁরা মেমারি লেভেল ক্রশিং (রেল গেট) এ ৩০ মিনিট আটকে ছিলেন।মেমারি এলাকায় মাত্র রাজ্য সরকারের অগ্নি নির্বাপণ দপ্তরের একটা মাত্র আগুন নেভানো গাড়ি আছে, সেটাও রেলগেটের দক্ষিন পাড়ে থাকে, কিন্তু মেমারি শহরের সবচেয়ে ঘন বসতি রেলগেটের উত্তর পাড়ে। স্থানীয় মানুষজনের দাবী, দমকল বিভাগ যেন আরও একটা গাড়ি উত্তর পাড়ে রাখেন যাতে রেল গেট পড়ে দেরি হওয়ার কারনে এই রকম ঘটনা না ঘটে।

আগস্ট ২৬, ২০২২
রাজ্য

দুটি পৃথক দুর্ঘটনায় ট্রেনের ধাক্কায় মৃত্যু হল শিক্ষক সহ ২ জনের

বৃহস্পতিবার সকালে বর্ধমান থেকে আসানসোলে কর্মস্থানে যাওয়ার পথে বর্ধমান স্টেশনের ১ নম্বর প্লাটফর্মে চলন্ত ট্রেনে উঠতে গিয়ে পড়ে যান পূর্বরেলের আসানসোল ডিভিশনের কর্মী ও আসানসোল রেল স্কুলের শিক্ষক অলোক কুমার ভট্টাচার্য(৫৬)। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে বর্ধমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে আসা হলে সেখানেই তার মৃত্যু হয়। অলোক কুমার ভট্টাচার্যের বাড়ি পূর্ব বর্ধমানের মেড়াল গ্রামে।অন্যদিকে এদিনই সকালে মেয়ের বাড়ি থেকে ফেরার পথে মেমারী স্টেশনের ১ নম্বরবপ্লাটফর্মে ট্রেনের ধাক্কায় মৃত্যু হয় সেখ শুকুর(৭০) নামে এ ব্যক্তির।দুদিন আগে বীরভূমের মাড়গ্রামের বাসিন্দা সেখ শুকুর মেমারী শহরে তার মেয়ের বাড়িতে বেড়াতে আসেন। মেমারী থেকে বীরভূম ফেরার পথেই মেমারী স্টেশনে ঘটে দুর্ঘটনা। রেল পুলিশের পক্ষ থেকে ২ টি দেহই ময়নাতদন্তের জন্য বর্ধমান মেডিকেল কলেজের পুলিশ মর্গে পাঠানো হয়।

আগস্ট ১৮, ২০২২
রাজ্য

টাকার বিনিময়ে চাকরির মিথ্যা আশ্বাস দিয়ে প্রতারনার অভিযোগ শাসকদলের পঞ্চায়েত সদস্যর বিরুদ্ধে

আশাকর্মী পদে নিয়োগের আশ্বাস দিয়ে ৫৫ হাজার টাকা নেওয়ার অভিযোগ উঠলো শাসকদলের এক পঞ্চায়েত সদস্যার বিরুদ্ধে। অভিযুক্ত মনিকা রায় পূর্ববর্ধমানের মেমারির দুর্গাপুর পঞ্চায়েতের সদস্যা।তার বিরুদ্ধে অভিযোগ আশাকর্মীর চাকরি পাইয়ে দেওয়ার নাম করে ৫৫ হাজার টাকা নেয়। পাশাপাশি এলাকার তৃণমূল কর্মী শুভঙ্কর মজুমদারের নাম জড়িয়েছে এই ঘটনায়।মেমারির বড়োর এলাকার বাসিন্দা রাজকুমার হাজরা ওরফে ভোম্বল হাজরা তিনি নিজের স্ত্রীর চাকরীর জন্য মনিকা রায় ও শুভঙ্কর মজুমদারকে ৫৫ হাজার টাকা দেন। তার অভিযোগ স্ত্রী আশাকর্মী পদে চাকরি পায় নি। আবার টাকাও ফেরত পান নি। মঙ্গলবার প্রতারিত রাজ কুমার হাজরা বিষ খেয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন।ঘটনার পরই মেমারি গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যায় পরিবারের লোকজন। রাজ কুমার হাজরা বলেন, একটি বেসরকারি সংস্থার কাছে চড়া সুদে ঋণ করে তিনি শুভঙ্কর মজুমদার ও মনিকা রায়কে টাকা দেন। অভিযুক্ত পঞ্চায়েত সদস্যা মনিকা রায় জানান, এটা রাজনৈতিক চক্রান্ত, রাজনৈতিকভাবে তাকে ফাঁসানো হচ্ছে। একই কথা বলেন তৃণমূল কর্মী শুভঙ্কর মজুমদারও। রাজ কুমার হাজরা মেমারি থানায় অভিযোগ করেন গোটা বিষয়টি নিয়ে। এই বিষয়ে জেলা পরিষদের সহসভাধিপতি দেবু টুডু বলেন, বিষয়টি তার জানা নেই। তবে খোঁজ খবর নিয়ে দেখছি আসলে কি ঘটনা হয়েছে।

আগস্ট ১৬, ২০২২
রাজ্য

মেমারির হিমঘরের গাফিলতিতে আলু নষ্টের ক্ষতিপূরনের দাবিতে বিক্ষোভ বর্ধমানে

পূর্ব বর্ধমানের রসুলপুরে ১৮০০ চাষির আলু নষ্ট হওয়ার প্রতিবাদে আজ বর্ধমান শহরে অবস্থান বিক্ষোভ করেন ক্ষতিগ্রস্ত চাষিরা। চাষিদের অভিযোগ, বারবার বৈঠক, আবেদন নিবেদন এমনকি জেলাশাসকের সঙ্গে বারংবার বৈঠক হলেও এখনও অবধি কোনও সমাধানসূত্র মেলেনি। তাঁরা বলেন, মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশ সত্বেও জেলা প্রশাসন ক্ষতিপূরণ নিয়ে উদ্যোগ নেয়নি।আজ বর্ধমান শহরের প্রাণকেন্দ্র কার্জনগেটের সামনে জিটি রোডের ওপর অবস্থান বিক্ষোভে সামিল হন শতাধিক কৃষক। তাঁদের দাবি, অবিলম্বে এই সমস্যার সমাধানে লিখিত প্রতিশ্রুতি চাই। নইলে তাঁরা আরও বড় আন্দোলনের পথে নামতে বাধ্য হবেন। তাঁরা জানান, এটা প্রায় দশ হাজার মানুষের রুজির সমস্যা।উপস্থিত চাষিরা জানান, এর আগেও জেলা প্রশাসনের সঙ্গে বৈঠকেও তেমন কোনও সমাধানসূত্র না মেলায় চরম হতাশ হয়ে পড়েন আলুচাষীরা। কিছুদিন আগে হিমঘরে রাখা আলু পচে যাওয়ায় ক্ষতিপূরণের দাবিতে জাতীয় সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন চাষীরা। ক্ষতিগ্রস্ত চাষিরা জানান, পুর্ব-বর্ধমানের রসুলপুরের তিরুপতি হিমঘরে আলু রেখেছিলেন। কর্তৃপক্ষের গাফিলতিতে প্রায় এক লক্ষ বস্তা আলু নষ্ট হয়ে গিয়েছে বলে চাষীদের দাবি। হিমঘর মালিক প্রথমে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছিলেন। কিন্তু তিনি প্রতিশ্রুতি রাখেননি।মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জেলা সফরে এসে ওই হিমঘর মালিকের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিলেন। ওই অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী এ ব্যাপারে পূর্ব-বর্ধমানের জেলাশাসক প্রিয়াঙ্কা সিংলার কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এই ব্যাপারে হাইকোর্টে কেস চলছে, কোর্টের নির্দেশ এলেই সেই মোতাবেক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আলুর ক্ষতিপূরনের টাকা না পেয়ে ইতিমধ্যেই হিমঘর মালিকের বিরুদ্ধে মেমারি থানায় প্রতারণার অভিযোগ দায়ের করেছেন কৃষকরা।উল্লেখ্য, মেমারির রসুলপুর এলাকার তিরুপতি হিমঘরে গত ১৯ মে আলু বার করতে গিয়ে চাষীদের মাথায় হাত। হিমঘরের ২ ও ৩ নম্বর চেম্বারের আলু ড্রাইং শেডে ফেলার পর দেখা যায় আলু একেবারে নষ্ট হয়ে গিয়েছে। হিমঘর কর্তৃপক্ষের গাফিলতির ফলেই এক লক্ষ ১৫ হাজার প্যাকেট আলু নষ্ট হয়েছে বলে অভিযোগ করেন চাষীরা। চাষীদের বিক্ষোভের মুখে পরে গত ৬ জুন হিমঘর কর্তৃপক্ষ জেলা প্রশাসন ও চাষীদের সঙ্গে বৈঠকে বসেন। সেই বৈঠকে জেলা প্রশাসনের আধিকারিকদের পাশাপাশি স্থানীয় বিধায়ক ও কৃষি বিপণন দপ্তরের আধিকারিক উপস্থিত ছিলেন। বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়, ক্ষতিপূরণ বাবদ চাষীদের ৮৯০ টাকা প্রতি প্যাকেট দেওয়া হবে। এবং ওই ক্ষতিপূরণ ২১ জুনের পর দেওয়া হবে। কিন্তু চাষীদের অভিযোগ, নির্দিষ্ট সময় পেরিয়ে গেলেও এখনও পর্যন্ত হিমঘর কর্তৃপক্ষ তাদের টাকা মেটানোর কোনও আগ্রহ দেখাচ্ছেন না। এমনকি উল্টে হিমঘর মালিক হাইকোর্টে মামলা দায়ের করেছেন। এমত অবস্থায় বিপাকে পড়েছে এই হিমঘরে আলু রাখা কৃষকরা।ক্ষতিগ্রস্ত চাষিরা ২ আগস্ট মঙ্গলবার জেলাশাসকের দপ্তরে এসে জেলাশাসক প্রিয়াঙ্কা সিংলাকে ডেপুটেশন দিতে এলে তিনি তাঁদের জানিয়ে দেন, প্রশাসনের সঙ্গে মিটিং-এ সিদ্ধান্ত মতো ক্ষতিপূরণের বিরুদ্ধে হিমঘর কতৃপক্ষ উচ্চ আদালতের দারস্থ হয়েছে। যেহেতু ব্যাপারটি আদালতের বিচারাধীন, এই মুহুর্তে প্রশাসন কোনও পদক্ষেপ করতে পারবে না। রাজ্য ও জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে পদক্ষেপ করা হয়েছে। আগামিকাল কলকাতা হাইকোর্টের রায়দানের সম্ভাবনা আছে। আমরা সেই রায়ের দিকেই তাকিয়ে আছি, সেখান থেকে কিছুটা রিলিফ চাষিরা পেতে পারেন। জেলাশাসক প্রিয়াঙ্কা সিংলার আশ্বাসে চাষিরা অবস্থান তুলে নেন।

আগস্ট ০২, ২০২২
রাজ্য

উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার্থীদের হস্টেলে ব্যাপক তান্ডব সুপার ও ৪ দুষ্কৃতীর, শেষমেশ ঠাঁই শ্রীঘরে

নিম্নমানের খাবার খেতে দেওয়া নিয়ে প্রতিবাদ করেছিল হোস্টেলে থাকা একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণীর পড়ুয়ারা। সেই প্রতিবাদী পড়ুয়াদের উপর বদলা নিতে যাওয়া হোস্টেল সুপার ও তাঁর মস্তান বাহিনীর হাতেই শেষে পড়লো পুলিশের হাতকড়া। বহিরাগত মস্তানদের সঙ্গে নিয়ে হোস্টেলে থাকা উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার্থীদের পিটিয়ে আহত করার অভিযোগে গ্রেপ্তার হলেন হোস্টেল সুপার সহ পাঁচ জন। ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব বর্ধমানের মেমারিতে। আহত পড়ুয়ারা সকলেই মেমারির দুর্গাডাঙা এলাকায় থাকা আল আমিন মিশন স্কুলের হোস্টেলের আবাসিক। পুলিশ জানিয়েছে, ধৃতরা হল সেখ হাসিবুল আলম,মোজাফর সেখ,সেখ কিতাবুল,সেখ আব্বাস ও সেখ সফিকুল। ধৃতরা মেমারির দুর্গাডাঙা সহ আশপাশের এলাকার বাসিন্দা। এদের মধ্যে হাসিবুল আলম হলেন আল আমিন মিশন হোস্টেলের সুপারেনটেনডেন্ট। জামিন অযোগ্য একাধিক ধারায় মামলা রুজু করে পুলিশ শুক্রবার পাঁচ ধৃতকেই পেশ করে বর্ধমান আদালতে।বিচারক সকল ধৃতকে জেল হেপাজতে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন অভিযুক্তদের দৃষ্টান্তমূলক সাজার দাবী করেছে আক্রান্ত পড়ুয়া ও তাঁদের অভিভাবকরা। আহত পড়ুয়ারা জানিয়েছেন,তাঁরা মেমারির আল আমিন মিশন স্কুলের ছাত্র। মিশনের হোস্টেলে থেকেই তাঁরা পড়াশুনা করেন।তাঁদের কেউ এই বছরের উচ্চ মাধ্যমিকের একাদশ শ্রেণীর পরীক্ষার্থী,আবার কেউ দ্বাদশ শ্রেণীর পরীক্ষার্থী বলে জানিয়েছেন । এই পড়ুয়ারা অভিযোগে জানিয়েছেন,বেশ কিছুদিন যাবৎ তাঁদের হোস্টেলে নিম্নমানের খাবার খেতে দেওয়া হচ্ছে। নিম্নমানেয় খাবার খেতে দেওয়া নিয়ে তাঁরা প্রতিবাদ করেন। সেই প্রতিবাদ মেনে নিতে পারেননি হোস্টেলের সাপারেনটেনডেন্ট। তাই বদলা নিতে হোস্টেল সুপার শেখ হাসিবুল আলম বৃহস্পতিবার রাতে বহিরাগত একদল মস্তানকে হোস্টেলে ঢুকিয়ে দেন। হোস্টেল সুপারের নেতৃত্বে ওই বহিরাগতরা রড, লাঠি দিয়ে হোস্টেলে থাকা ১৫-২০ জন উচ মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীকে মারধোর করে আহত করে। এমনকি বহিরাগত মস্তানরা হোস্টেলে ভাঙচুরও চালায়। তা নিয়ে রাতে হোস্টেলে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে মেমারি থানার পুলিশ ও স্থানীয় সহৃদয় মানুষজন হোস্টেলে ছুটে আসেন। তাঁরাই সকল আহত পড়ুয়াদের উদ্ধার করে মেমারি গ্রামীন হাসপাতালে নিয়ে গিয়ে চিকিৎসা করান। ছাত্রদের তোলা এই অভিযোগের বিষয়ে আল আমিন মিশন স্কুল কর্তৃপক্ষের তরফে কেউ সংবাদ মাধ্যমে কোন প্রতিকৃয়া দিতে চান নি।তবে আহত পড়ুয়া ও তাঁদের অভিভাবকদের অভিযোগের ভিত্তিতে মেমারি থানার পুলিশ কড়া পদক্ষেপ নেওয়ায় আপাতত স্বস্তিতে পড়ুয়ারা। বর্ধমান দক্ষিণ মহকুমা পুলিশ আধিকারিক (এসডিপিও) সুপ্রভাত চক্রবর্তী জানিয়েছেন,পড়ুয়াদের মারধোরের ঘটনায় পুলিশ কড়া পদক্ষেপ নিয়েছে। হোস্টেল সুপার সহ পাঁচ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ঘটনায় আর কেউ যুক্ত রয়েছে কিনা তাও তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

এপ্রিল ২২, ২০২২
রাজ্য

প্রেমিককে খুনের অভিযোগে প্রেমিকাসহ পরিবার সদস্যদের গ্রেফতার করলো পুলিশ

প্রেমিককে খুনের অভিযোগে গ্রেফতার হল প্রেমিকা।রেহাই পাননি প্রেমিকার বাবা, মা ,ও দাদা। পূর্ব বর্ধমানের মেমারি থানার পুলিশ বৃহস্পতিবার সকালে মেমারি স্টেশন রোড এলাকা থেকে তাঁদের গ্রেফতার করে। পুলিশ জানিয়েছে, প্রেমিক শুভ শীলকে খুনের অভিযোগে ধৃতদের নাম প্রিয়াঙ্কা কির্তনিয়া, সুনীল কীর্তনিয়া, জয়মালা কীর্তনিয়া ও রাজীব কীর্তনিয়া। তাঁদের বাড়ি মেমারি পৌরসভার উদয়পল্লী দক্ষিণপাড়ে। এদিনই ধৃতদের পেশ করা হয় বর্ধমান আদালতে। তদন্তের প্রয়োজনে প্রেমিকা প্রিয়াঙ্কা ও তাঁর ভাই রাজীবকে ৭ দিন নিজেদের হেফাজতে নিতে চেয়ে আদালতে আবেদন জানায় পুলিশ। সিজেএম ধৃত প্রেমিকা ও তাঁর ভাইকে ৪ দিন পুলিশি হেফাজতে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন। অপর ধৃত প্রেমিকার বাবা ও মাকে বিচার বিভাগীয় হেফাজতে পাঠিয়ে সোমবার ফের আদালতে পেশের নির্দেশ দিয়েছেন বিচারক।পুলিশ জানিয়েছে, মেমারির ৩ নম্বর ওয়াের্ডর পারিজাত নগরের শুভ শীলের সঙ্গে প্রিয়াঙ্কার দীর্ঘদিনের ভাব-ভালোবাসার সম্পর্ক ছিল। যদিও প্রিয়াঙ্কার পরিবার এই সম্পর্ক মেনে নেয়নি। তা সত্বেও প্রেমিকার বাড়িতে মাঝেমধ্যেই যেত শুভ। প্রিয়াঙ্কার পরিবারের লোকজন বেশ কয়েকবার শুভকে সম্পর্ক ছাড়ার জন্য হুমকি দেয়। অন্যথায় তাঁকে খুন করা হবে বলে শাসানো হয়। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় প্রিয়াঙ্কার বাড়িতে যান শুভ। তারপর থেকে তাঁর খোঁজ মিলছিল না। রাত দেড়টা নাগাদ প্রিয়াঙ্কার বাড়ি থেকে শুভর মাকে মোবাইলে ফোন করা হয়। শুভ গলায় দড়ি দিয়ে আত্মহত্যা করেছে বলে জানানো হয়। খবর পেয়ে শুভর পরিবারের লোকজন প্রিয়াঙ্কার বাড়িতে যান। সেখানে গিয়ে তাঁরা দেখেন, উঠানে তাঁর দেহ শায়িত রয়েছে। কাপড়ের পার দিয়ে তাঁর দুহাত বাঁধা। কোমরের একটু উপরে দড়ি বাঁধা রয়েছে। শরীরের বিভিন্ন জায়গায় আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। খবর পেয়ে পুলিস দেহটি উদ্ধার করে ময়না তদন্তে পাঠায়। মৃতের বাবা অশোক শীল ঘটনার কথা জানিয়ে থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। তাঁর অভিযোগ, প্রিয়াঙ্কার সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক মেনে নিতে না পেরে তার পরিবারের লোকজন পরিকল্পিতভাবে শুভকে খুন করেছে। অভিযোগ পেয়ে পরিকল্পনামাফিক খুনের ধারায় মামলা রুজু করেছে থানা।

মার্চ ১৭, ২০২২
রাজ্য

ইণ্ডিয়ান অয়েলের পাইপলাইন বসানোর কাজ বন্ধ করে দিল পূর্ব বর্ধমানের চাষিরা

ন্যায্য ক্ষতিপূরণের দাবিতে ইন্ডিয়ান অয়েলের পাইপ লাইন বসানোর কাজ বন্ধ করে দিল চাষিরা।আন্দোলনকারী ওই চাষিরা সকলেই পূর্ব বর্ধমানের খণ্ডঘোষ ব্লকের কৈয়র পঞ্চায়েতের গোপালপুর এলাকার বাসিন্দা। তাঁদের আন্দোলনের জেরে এখন থমকে রয়েছে বাঁকুড়া-মসাগ্রাম রেল পথের কৈয়র স্টেশন লাগোয়া লেবেল ক্রশিং এলাকায় মাটির নিচ দিয়ে তেলের পাইপ লাইন নিয়ে যাওয়ার কাজ। বিষয়টি নিয়ে প্রশাসনের কর্তারা চাষিদের সঙ্গে বৈঠক করার পরেও উদ্ভুত সমস্যার সমাধানের রাস্তা বের না হওয়ায় বিপাকে পড়ে গিয়েছেন ইন্ডিয়াল অয়েল কর্তৃপক্ষ।প্রশাসন ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ইণ্ডিয়ান অয়েল কর্তৃপক্ষ কয়েক বছর আগে মাটির তলা দিয়ে তেলের পাইপলাইন নিয়ে যাওয়ার কাজ শুরু করে। সেই পাইপ মারফত অপরিশোধিত জ্বালানি তেল বারাবনি থেকে পৌছাবে হলদিয়ায়। সেই কাজের জন্য ২০২০ সালে খণ্ডঘোষ ব্লকের কৈয়ড় ও গোপালপুর মৌজায় জমি চিহ্নিত করে ইণ্ডিয়াল অয়েল কর্তৃপক্ষ। তার পর চাষের জমি দিয়ে তেলের পাইপ লাইন বসানোর কাজও শুরু হয়। তখনকার মত সব কিছু ঠিকঠাক চললেও পরবর্তী সময়ে ক্ষতিপূরণ নিয়ে চাষিদের সঙ্গে ইণ্ডিয়ান অয়েল কর্তৃপক্ষের বিরোধ বাধে। যে বিরোধ এখন চরমে পৌছেছে। চাষ জমির মালিকদের আন্দোলনের জেরে এখন বাঁকুড়া-মসাগ্রাম রেল পথের কৈয়র স্টেশন লাগোয়া লেবেল ক্রশিং এলাকায় মাটির নিচ দিয়ে তেলের পাইপ লাইন নিয়ে যাওয়ার কাজ থমকে রয়েছে।আন্দোলনকারী গোপলপুর এলাকার চাষি এমদাদুল হক মণ্ডল জানান, তেলের পাইপ লাইন চাষের জমির মাটি খুঁড়ে নিয়ে যাওয়ার কাজ কৈয়ড় ও গোপালপুর মৌজায় শুরু হয়। কিন্তু ওই কাজের জন্য সঠিক কি ক্ষতিপূরণ চাষিদের প্রাপ্য সে সন্মন্ধে চাষিদের পরিস্কার কিছু জানায়নি ইণ্ডিয়াল অয়েল কর্তৃপক্ষ বা তাঁদের অধীনস্ত লোকজন। কোনও ক্ষতিপূরণ বা নগদ টাকা প্রদান কোন কিছু না করেই কাজ শুরু হয় যায়। গভীর ভাবে মাটি খুঁড়ে গোটা চাষ জমি লণ্ডভণ্ড করে দিয়ে তেলের পাইপ লাইন নিয়ে যাওয়ার কাজ হলেও জমি চাষের উপযুক্ত করে দেওয়ার কোন ব্যবস্থাও তেল সংস্থার লোকজন করে দেয়নি। এর কারণে ওইসব জমিতে চাষও মার খায়। এলাকার অপর চাষি লাল্টু শেখ জানান, এর পর ২০২১ সালের জানুয়ারি মাসে ইণ্ডিয়ান অয়েল কর্তৃপক্ষ দিতীয় পর্যায়ে পাইপ লাইন বসানোর কাজ শুরু করলে শুধুমাত্র একটি ফসলের জন্য যৎসামান্য ক্ষতিপূণের ব্যবস্থা করে। একই ভাবে এই কাজের পরেও ইণ্ডায়ান অয়েল কর্তৃপক্ষ কোন চাষির চাষ জমি-ই পুনরায় চাষের উপযুক্ত করে দেয়নি। তার জন্য আবারও চাষিরা তাঁদের জমিতে চাষ করতে না পারায় চাষ মার খায়। লাল্টু শেখ বলেন, চাষের উপর নির্ভর করেই কৈয়র, গোপালপুর সহ আশপাশ এলাকার মানুষজনের জীবন-জীবিকা নির্বাহ হয়। ইণ্ডায়ান অয়েল কর্তৃপক্ষের এমন কাজ কারবারের জন্য এলাকার বহু চাষি এখন মহাসংকটে পড়ে গিয়েছেন। এই পরিস্থিতিতে সঠিক ও ন্যায্য ক্ষতিপূরণের দাবিতে চাষিরা আন্দোলনে নামতে বাধ্য হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত চাষিদের ন্যায্য ক্ষতিপূরণ না দেওয়া পর্যন্ত এলাকায় তেলের পাইপ লাইন বসানোর কাজ করতে দিতেও নারাজ চাষিরা।প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে চাষিরা এমন অনড় মনোভাব দেখিয়ে চলায় সম্প্রতি ইণ্ডিয়ান অয়েল কর্তৃপক্ষ ও চাষিদের নিয়ে একটি বৈঠকের ব্যবস্থা করা হয়। সেই বৈঠকে ইণ্ডিয়ান অয়েলের(আই ও সি এল) ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার সুব্রত দুবে ,খণ্ডঘোষ ব্লক প্রশাসনের আধিকারিক ও পুলিশ কর্তারাও উপস্থিত থাকেন। কিন্তু সঠিক ক্ষতিপূরণ মূল্য বিষয়ে সুস্পষ্ট কোন সিদ্ধান্তে পৌছানো না যাওযায় অচলাবস্থা কাটে না। এই বিষয়ে সুব্রত দুবে যদিও সংবাদ মাধ্যমের কাছে কিছু বলতে চাননি। তিনি শুধু বলেন, বিষয়টি অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ লেবেল দেখছে। তবে ব্লক প্রশাসনের এক আধিকারিক ও খণ্ডঘোষের জেলাপরিষদ সদস্য অপার্থিব ইসলাম উদ্ভুত সমস্যার জন্য ইণ্ডিয়ান অয়েল কর্তৃপক্ষকেই দায়ী করেছেন। এনারা বলেন, চাষিরা নেজ্যক্ষতিপূরণের যে দাবি তুলেছেন সেটা যুক্তি সঙ্গত। ক্ষতিপূরণ মূল্য নির্ধারণ নিয়ে ইণ্ডিয়ান অয়েল কর্তৃপক্ষ ভুলভাল কাজ করেছে । তার জন্যই সঠিক ক্ষতিপূরণ মূল্য আশলে তা নিয়ে গ্রামবাসিদের মধ্যে দ্বন্দ্ব তৈরি হয়েছে। এই দ্বন্দ্ব দ্রুত মেটানো না গেলে জুলাই ২০২২ সালের মধ্যে তেলের পাইপ লাইন আদৌ হলদিয়া পর্যন্ত নিয়ে যাওয়া যাবে কিনা সেটাই এখন বড় প্রশ্ন বলে অপার্থিব ইসলাম মন্তব্য করেছে।এরপর ইণ্ডিয়ান অয়েল কর্তৃপক্ষ জানুয়ারি মাস নাগাদ খণ্ডঘোষ ব্লকের বিভিন্ন পঞ্চায়েত এলাকাতেও শুরু করে। পাইপলাইন বাসানোর জন্য চাষের যে ক্ষতি হবে তার ক্ষতিপূরণ মিলবে বলে চাষিরা ইণ্ডিয়াল অয়েল কর্তৃপক্ষর কাছ থেকে আশ্বাস পায়। সেই কারণে চাষিরা তাঁদের জমির মাটি খুঁড়ে তেলের পাইপ লাইন নিয়ে যাওয়ার কাজ নিয়ে কোন ওজর আপত্তি তোলেনি।

মার্চ ১০, ২০২২
রাজ্য

রবিনসন স্ট্রিট কাণ্ডের ছায়া মেমারিতে, দিদির পচাগলা মৃতদেহের সঙ্গে পাঁচ দিন কাটালেন বোন

ঠিক যেন কলকাতার রবিনসন স্ট্রিট কাণ্ডেরই পুনরাবৃত্তি। সেই রকমই ঘটনা ঘটেছে পূর্ব বর্ধমানের মেমারিতে। ঘরের মধ্যে মৃত দিদি সুপ্তিকণা কোলের পচাগলা দেহের সাথেই শুয়ে-বসে পাঁচটা দিন কাটায়ে দিলেন বোন মুক্তিকণা কোলে। সেই ঘর থেকে বৃহস্পতিবার সকালে মাত্রাছাড়া দুর্গন্ধ ছড়ালে এলাকার লোকজন বিষয়টি মেমারি থানায় জানায়। দুপুরে মেমারি থানার পুলিশ শহরের কৃষ্ণ বাজার এলাকায় থাকা মুক্তিকণা কোলেদের বাড়ি থেকে পচা গলা মৃতদেহ উদ্ধার করে। ময়নাতদন্তের জন্য এদিনই মৃতদেহটি পাঠানো হয় বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে। কী কারণে মহিলার মৃত্যু হল তার তদন্ত পুলিশ শুরু করেছে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বছর ৫৩ বয়সী সুপ্তিকণা কোলের সঙ্গেই একই বাড়িতে থাকতেন তাঁর ছোট বোন মুক্তিকণা। এলাকার বাসিন্দারা জানিয়েছেন, মুক্তিকণারা চার বোন ও এক ভাই। কয়েক বছর আগে মেমারি শহরে একটি পথ দুর্ঘটনায় তাঁদের ভাই অসিত কোলে মারা যান। সুপ্তিকণা ও মুক্তিকণা এই দুই বোনই অবিবাহিত ছিলেন। তাঁরা এক সঙ্গে একটি ঘরেই থাকতেন। মেমারি শহর নিবাসী মৃতার আত্মীয় প্রদীপ বসু বলেন, ওরা ওঁদের বাবার ভুল সিদ্ধান্তের জন্যেই সমাজজীবন থেকে নিজেদের গুটিয়ে নিয়েছিল। মানসিকভাবেও ওরা বিধ্বস্ত ছিল। খাওয়া-দাওয়াও ঠিকমতো করতো না। দুই বোনের মনের ভিতরেও অনেক ক্ষোভ জমা হয়েছিল। প্রদীপ বাবু দাবি করেন, সম্ভবত অপুষ্টির জন্যেই সুপ্তিকণার মৃত্যু হয়েছে। তারপর দিদির মৃতদেহ কিভাবে সৎকার করবেন তার কিছু বুঝে উঠতে না পেরেই মুক্তিকণা দেহ আগলে পড়েছিল বলেই তাঁরা মনে করছেন। এলাকার বাসিন্দারা বলেন, এই ঘটনা তাঁদের ২০১৫ সালের জুন মাসে কলকাতার রবিনসন স্ট্রিটের ঘটনাকেই মনে করিয়ে দিয়েছে। মেমারি পুরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর চিরঞ্জীব ঘোষ বলেন, ঘরের দরজায় তালা দিয়ে এ দিন সাতসকালে মুক্তিকণা বাইরে বেরিয়ে পড়ে। ওনাদের বাড়ির ভিতর থেকে প্রচণ্ড দুর্গন্ধ বের হচ্ছিল। এলাকার লোকজন আমাকে জানায়। বিষয়টি তিনি পুলিশকে জানান দুপুরে মুক্তিকণা বাড়ি ফিরলে পুলিশ মৃতদেহ উদ্ধার করে। মুক্তিকণা কোলে এদিন বলেন, আমার দিদি মারা গিয়েছে তা আমি বুঝতে পেরেছিলাম। কিন্তু কী করবো সেটাই বুঝতে পারছিলাম না। তাই দিদির দেহের পাশেই শুয়ে-বসে কাটিয়েছি । এলাকার বাসিন্দারা জানান, মুক্তিকণাদের দোতলা বাড়ির প্রতিটি ঘরের জানলা ৩৬৫টি দিনই বন্ধ থাকত। কারও সঙ্গে ওনারা মেলামেশা করতেন না। মাঝে মধ্যে কখনও কখনও জল নিতে নীচে নামতেন। বাড়ির বিদ্যুতের সংযোগও কেটে দিয়েছিলেন। বছরের পর বছর ধরে মোমবাতির আলো জ্বেলেই দুই বোন থাকতেন। ওনাদের বাবা তাঁর প্রচুর সম্পত্তি সম্পত্তি টাকা পয়সা মেমারিরই একটি আশ্রমে দান করে দেয়েছেন। ছেলে মেয়ের ভবিষ্যৎ কি হবে তা তিনি ভাবেননি। এলাকার সবাই চাইছেন, চিকিৎসার মাধ্যমে মুক্তিকণাকে সুস্থ করে তোলার জন্যে সরকার বা প্রশাসন কিছু একটা করুক।

মার্চ ১০, ২০২২
রাজ্য

বিয়ে বাড়ির আরোহী বাহী চারচাকা গাড়িতে লরির ধাক্কা -মৃত ২ জখম ৩

বেপরোয়া ভাবে চলা লরির ধাক্কায় মৃত্যু হল চারচাকা গাড়ির দুই আরোহীর। জখম হয়েছে আরও তিন জন। সোমবার সকালে দুর্ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব বর্ধমানের মেমারি থানার তক্তিপুরে মেমারি মালডাঙা সড়ক পথে।পুলিশ জানিয়েছে ,মৃতরা হল প্রকাশ বাগ (৩০) ও তার ভাই তাপস বাগ (২৬)। জখম রূপচাঁদ মান্ডি ,শিবু টুডু ও দীপঙ্কর কুন্ডুকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে। মৃত ও জখমরা সকলেই মেমারির কালিবেলে এলাকার বাসিন্দা। দুর্ঘটনার তদন্তে নেমে পুলিশ ঘাতক লরির খোঁজ শুরু করেছে।পুলিশ ও পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, চারচাকা গাড়ির পাঁচ আরোহী রবিবার জামালপুর থানার পাঁচড়ার ভেরিলি গ্রামে বিয়েবাড়ি গিয়েছিলেন। সেখান থেকে এদিন সকালে তাঁরা চারচাকা গাড়িতে চড়ে মেমারির কালিবেলে গ্রামের বাড়িতে ফিরছিলেন।পথে তক্তিপুর এলাকায় মেমারি গামি দ্রুত গতীর একটি লরি চারচাকা গাড়িটিতে সজোরে ধাক্কা মেরে পালিয়ে যায়।এই দুর্ঘটনায় চারচাকা গাড়ির সামনের অংশ দুমড়ে মুচড়ে যায়। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় চারচাকা গাড়ির চালক প্রকাশ বাগের। বাকি আরোহী তাপস বাগ, রূপচাঁদ মান্ডি শিবু টুডু ও দীপঙ্কর কুন্ডুকে উদ্ধার করে মেমারি গ্রামীন হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক প্রকাশ বাগের ভাই তাপস কে মৃত ঘোষণা করেন।জখদের শারীরিক অবস্থা খারাপ থাকায় তাঁদের বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।

মার্চ ০৭, ২০২২
রাজ্য

নেতার পদ্ম প্রচার দেখে ভোটে সাবোটেজের আতঙ্কে ভুগছে মেমারি পুর এলাকার শাসক শিবির

ভোটটা দেবেতো পদ্ম ফুলে? ভালো করে হেসে বলো! বাড়ি বাড়ি পুর ভোটের প্রচারে বেরিয়ে ঠিক এই ভাবেই এক ভোটারের কাছে কাতর ভাবে অনুনয় বিনয় করছেন তৃণমূল নেতা। এমনটা জেনে স্বয়ং তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও হয়তো চমকে উঠবেন। কিন্তু বাস্তবেই চমকে দেওয়ার মতনই এমন ঘটনা পূর্ব বর্ধমান জেলা তৃণমূলের অনেক বলিষ্ঠ নেতা নেত্রীর সামনেই ঘটেছে মেমারিতে। ভোটারকে মেমারি শহর তৃণমূলের সভাপতি স্বপন ঘোষালের পদ্মফুলে ভোট দিতে বলছেন শুনে তাঁরাই শেষে চিৎকার করে বলে ওঠেন পদ্ম নয়, জোড়া ফুল, জোড়া ফুল। এইসব দেখে মেমারি পৌরসভা ভোটের প্রাক্কালে তৃণমূলের অন্দরেই তৈরি হয়েছে সাবোটেজের আতঙ্ক।মেমারি সহ রাজ্যের ১০৮ টি পৌরসভার নির্বাচন হবে আগামী ২৭ ফেব্রুয়ারি। ১৬ আসনের মেমারি পৌরসভা এবারও নিজেদের দখলে রাখতে মরিয়া মেমারির তৃণমূল কর্মীরা। তাই দলীয় নেতৃত্ব চুড়ান্ত প্রার্থী ঘোষণার পর থেকেই মেমারি শহর জুড়ে শুরু হয়ে যায় তৃণমূলের জোরদার প্রচার। দিন দুই আগে মেমারি পৌরসভার ১৩ নম্বর ওয়ার্ডের নল পুকুরপাড় এলাকায় দলীয় প্রার্থী পদ্ম ক্ষেত্রপালের সমর্থনে প্রচারাভিযান। সেই প্রচার কর্মসূচীর অগ্রভাগে থাকেন প্রার্থী ও মেমারি শহর তৃণমূলের সভাপতি স্বপন ঘোষাল। এছাড়াও ছিলেন মেমারি পৌরসভার বিদায়ী চেয়ারম্যান স্বপন বিষয়ী, মেমারি ১ ব্লক তৃণমূলের সভাপতি তথা বিধায়ক মধুসূদন ভট্টাচার্য্য, জেলাপরিষদের সভাধিপতি শম্পা ধারা ও জেলাপরিষদের কর্মাধ্যক্ষ বাগবুল ইসলাম। তাঁদের চোখের সামনেই ওই এলাকার প্রৌঢ় ভোটার ছোটন সাহানিকে শহর তৃণমূল সভাপতি স্বপন ঘোষাল বলেন ,ভোটটা দেবেতো পদ্ম ফুলে? ভালো করে হেসে বলো ! এই কথা শুনে প্রচারে বের হওয়া অন্য নেতা নেত্রীরা কার্যত চমকে ওঠেন পরে তাঁরাই চিৎকার করে বলে ওঠেন ,পদ্ম ফুলে নয় , পদ্ম ফুলে নয়। ১ নম্বরে জোড়া ফুলে ভোট দেবেন। ঘটনার পরেই ভাইরাল হয়ে গিয়ে এই ভিডিও এখন মেমারির ভোটারদের ফোনে ফোনে ঘুরছে। ভিডিওর সত্যতা জনতার কথা যচাই করেনি।এই বিষয়ে মেমারি শহর তৃণমূলের সভাপতি স্বপন ঘোষাল যদিও শুক্রবার দাবি করেন, তিনি ওই ভোটারকে পদ্মফুলে ভোট দিতে বলেননি। তিনি বলেন, আমি বলেছি দেবেন তো ভোটটা পদ্মকে ফুলে?। সেটা শুনে সবাই ভুল করে ধরে নেয় আমি পদ্ম ফুলের কথা বলেছি। তাই প্রচারে থাকা অন্যরা বলে ওঠেন পদ্মফুল নয়, জোড়া ফুল। অর্থাৎ দলের জোড়া ফুল প্রতীকের কথা স্বপনবাবু যে ভোটারের কাছে তুলে ধরেননি তা তাঁর কথাতেই স্পষ্ট হয়ে যায়। পাশাপাশি স্বপন ঘোষাল এও জানান, ১৩ নম্বর ওয়ার্ডে বিজেপির কোন প্রার্থীই নেই। কাজেই সেখানের পদ্মফুলের কোন গল্পও নেই। আর কংগ্রেসের প্রার্থী রুপা খাঁড়া এদিন থেকে তৃণমূলের হয়ে গিয়েছে বলে স্বপন ঘোষাল জানান।তবে স্বপন ঘোষাল যাই বলুন না কেন মেমারির একটা বড় অংশের তৃণমূল কর্মীরা ভোটের দোরগোড়ায় তাঁকে সন্দেহের চোখেই দেখতে শুরু করেছেন। তাঁদের বক্তব্য, দলের প্রথম প্রকাশিত প্রার্থী তালিকায় প্রার্থী হিসাবে স্বপন ঘোষালের নাম ছিল। পরে দ্বিতীয় তালিকায় স্বপনবাবুর নাম বাদ যায়। কর্মীদের বক্তব্য, তা নিয়েই হয়তো ক্ষোভে স্বপন ঘোষাল পদ্মফুলে ভোট দেবার কথা বলে ফেলছেন। আর এইসব দেখে কর্মীদের মধ্যে আতঙ্ক তৈরি হয়েছে ভোটের দিন সাবোটেজ হতে পারে। তাই তাঁরা ঘটনার ভিডিও রাজ্য নেতৃত্বের কাছে পাঠিয়ে তাঁদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে রেখেছেন।মেমারি সিপিএম নেতৃত্ব অবশ্য স্বপন বাবুর কথার মধ্যে ভুল কিছু দেখছেন না। তাঁরা বলেন, কিছুদিন আগে অনুব্রত মণ্ডলকে পাশে নিয়ে মুকুল রায়-ই তে বলেছিলেন বিজেপি মানেই তো তৃণমূল। তাহলে স্বপনবাবুর আর দোষ কোথায়। তিনি তে মুকুলবাবুর সুরেই সুর মিলিয়েছেন।

ফেব্রুয়ারি ২৬, ২০২২
রাজ্য

কাটারি দিয়ে নিজের দাদাকে কোপানোর অভিযোগে গ্রেফতার ভাই

কাটারি দিয়ে নিজের দাদাকে কোপানোর অভিযোগে গ্রেফতার হল ভাই। চাঞ্চল্যকর এই ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব বর্ধমানের মেমারি থানার কেন্না গ্রামে। পুলিশ জানিয়েছে, ধৃতের নাম জামির আলি মল্লিক ওরফে পল্টু।কেন্না গ্রামেই তার বাড়ি। মেমারি থানার পুলিশ মঙ্গলবার ভোর রাতে বাড়ি থেকে তাকে গ্রেপ্তার করার পাশাপাশি কাটারিটিও সেখান থেকে উদ্ধার করেছে। দাদা জামশেদ আলি মল্লিকের অভিযোগের ভিত্তিতে সুনির্দিষ্ট ধারায় মামলা রুজু করে পুলিশ এদিনই ধৃতকে পেশ করে বর্ধমান আদালতে। সিজেএম ধৃতকে বিচার বিভাগীয় হেফাজতে পাঠিয়ে শুক্রবার ফের আদালতে পেশের নির্দেশ দিয়েছেন।পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, জমির মল্লিকের দাদা হলেন জামশেদ আলি মল্লিকের বনিবনা নেই। গত বৃহস্পতিবার সকালে বাড়ির সামনের ঢালাই রাস্তায় জামশেদের সঙ্গে তার মায়ের কথা কাটাকাটি শুরু হয়। ওইসময় জামির ও তাঁর স্ত্রী সেখানে হাজির হয়। অভিযোগ, উভয়ের মধ্যে বচসা চলাকালীন জামির আচমকাই তাঁর দাদার মাথা লক্ষ্য করে ধারালো কাটারি চালিয়ে দেয়। কাটারির কোপে জামশেদের কপালে গভীর ক্ষত হয়। স্থানীয় বাসিন্দারা জামশেদকে উদ্ধার করে মেমারি হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে তাঁর কপালে কয়েকটি সেলাই হয়। ঘটনার কথা জানিয়ে পরের দিন জামশেদ থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। তার ভিত্তিতে মামলা রুজু করে পুলিশ মঙ্গলবার জামিরকে গ্রেপ্তার করে।

ফেব্রুয়ারি ০৮, ২০২২
রাজ্য

তৃণমূলের প্রার্থী নিয়ে ক্ষোভবিক্ষোভ সামাল দিতে বর্ধমানে নামাতে হল র‍্যফ

পৌরসভা ভোটে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার জন্য তৃণমূলের প্রার্থী তালিকা প্রকাশ হতেই পূর্ব বর্ধমানেও শুরু হয় যায় ক্ষোভ বিক্ষোভ। শনিবার সকাল থেকে তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মীদের ক্ষোভবিক্ষোভে উত্তাল হয় শহর বর্ধমান। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে র্যফও নামাতে হয়।একইরকম ভাবে ক্ষোভবিক্ষোভে উত্তপ্ত হয় জেলার মেমারি, কালনা ও গুসকরা পৌরসভা এলাকাও। মূলত প্রার্থী পরিবর্তনের দাবীতেই তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মীরা এদিন সকাল থেকে বিক্ষোভ দেখানো শুরু করেদেন। মেমারির ৫ নম্বর ওর্য়াডের তৃণমূল কর্মীদের একাংশ এদিন বিক্ষোভে সামিল হন কৃষ্ণপদ বিশ্বাসকে প্রার্থীপদ থেকে সরানোর জন্য। প্রার্থী বদলের দাবিতে ৫ নম্বর ওয়ার্ডের নাগরিকবৃন্দের ব্যানারে পোস্টার দেওয়া হয়।বিক্ষোভে অংশ নেওয়া তৃণমূল কর্মীদের দাবী ৫ নম্বর ওয়ার্ডে বহিরাগত প্রার্থী তাঁরা চান না। অবিলম্বে প্রার্থীপদ পরিবর্তন করে ওয়ার্ডের বাসিন্দাকেই প্রার্থী করতে হবে। একই ভাবে এদিন জেলার গুসকরা পৌরসভা এলাকাতেও প্রার্থী বদলের দাবিতে সকাল থেকেই বিভিন্ন জায়গায় রাস্তায় টায়ার জ্বালিয়ে শুরু হয় বিক্ষোভ। এখানকার তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মীদের একাংশ ৩, ৫, ৯ ও ১৬ ওয়ার্ডের প্রার্থী পরিবর্তনের দাবিতে স্বোচ্চার হন। দল গুসকরার ১৬ নম্বর ওয়ার্ডে তৃণমূল প্রার্থী চণ্ডীচরণ বন্দ্যোপাধ্যায়কে প্রার্থী করলেও প্রাক্তন কউন্সিলার জগা তুরিকেই ফের প্রার্থী করার দাবি উঠেছে। অন্যদিকে প্রার্থী বদলের দাবি নিয়ে এদিন শহর বর্ধমানের মেহেদিবাগান এলাকাতেও ব্যাপক উত্তেজনা ছড়ায়। জিটি রোড অবরোধ করে চলে বিক্ষোভ প্রদর্শন। তারই মধ্যে বর্ধমান পুরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডে তৃণমূলের প্রার্থী চায়না কুমারীর সমর্থনে প্রচারে বের হন তার অনুগামীরা। তখনই তাদের ঘিরে বিরোধী গোষ্ঠী বিক্ষোভ দেখানো শুরু করলে সংঘর্ষের পরিস্থিতি তৈরি হয়। খবর পেয়ে বিশাল পুলিশ ও র্যফ বাহিনী ঘটনাস্থলে পৌছে পরিস্থিতি সামাল দেয়। একইদিনে বর্ধমান রাজবাড়ির সামনে পথ অবরোধে সামিল হল তৃণমূল কর্মীদের একাংশ। তাঁরা বর্ধমান শহরের ১৯ নম্বর ওয়ার্ডে প্রাক্তন কাউন্সিলার শাহাবুদ্দিন খানের বিরুদ্ধে সোচ্চার হন। বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ, শাহাবুদ্দিন এলাকায় কোন উন্নয়নমূলক কাজ করেননি। উনি দুর্নীতির সঙ্গে যুক্ত। এমনকি এলাকার এক তৃণমূল কর্মীকে খুনের ঘটনাতেও শাহাবুদ্দিন খান পরোক্ষভাবে যুক্ত ছিল বলে বিক্ষুব্ধরা অভিযোগ করেন। দল এবারেও শাহাবুদ্দিন খানকে প্রার্থী করেছে।তাঁকে প্রার্থীপথ থেকে সরানোর দাবি তুলে পথে নামেন তৃণমূল কর্মীদের একংশ। ১৯ নম্বর ওয়ার্ডের পাশাপাশি ৩ ও ৭ নম্বর ওয়ার্ডও বিক্ষোভে উত্তাল হয়। ৭ নম্বর ওয়ার্ডে দলের নেত্রী মিঠু সিংহের নাম প্রার্থী তালিকায় ঘোষিত হয়েছে। তাঁকে প্রার্থীপদ থেকে সরিয়ে ওয়ার্ডের দলীয় কর্মীকে প্রার্থী করার দাবী তুলেছেন বিক্ষুব্ধরা। তারা শহরের পার্কাস রোডে টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ দেখান। প্রার্থী বদলের দাবিতেও শ্লোগানও দেন। প্রার্থী নিয়ে এদিন জেলার কালনা পৌরসভা এলাকাতেও বিক্ষোব ছড়ায়। কালনার ১৩ নম্বর ওয়াডের প্রার্থী মঞ্জু হালদারের বদলের দাবীতে টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন তৃণমূলের একাংশ। তৃণমূলের মুখপাত্র দেবাংশু ভট্টাচার্য শনিবার কালনার জুবলি স্টারের পুজো প্যান্ডেলের উদ্বোধনে উপস্থিত ছিলেন। তিনি বলেন, প্রার্থী তালিকা বেরনোর পর অনেক জায়গায় ক্ষোভ দেখা গেছে, কর্মীদের আমি বলব সংযত থাকতে, যদি প্রার্থী পছন্দ না হয়ে থাকে তাহলে দলের নেতৃত্বকে জানান। পাশাপাশি তিনি আরও সংযোজন করেন অনেকেই ভোটের আগে দুনৌকাতে পা দিয়েছিলেন, সেই সমস্ত মানুষ যদি প্রার্থী হয়ে যান তাহলে এটা হওয়া স্বাভাবিক। তবে জেলার কাটোয়া ও দাঁইহাট পৌরসভায় প্রার্থী নিয়ে অসন্তোষ থাকলেও তা আপাতত প্রকাশ্যে আসেনি।তৃণমূল কংগ্রেসের জেলা মুখপাত্র প্রসেনজিৎ দাস জানান, এটা অভিমান।একে বিক্ষোভ বলা যাবে না। আর দলই প্রার্থী ঠিক করেছে। সেটা দলের সিদ্ধান্ত। সবাইকে মেনে নিতে হবে। গুসকরা পৌরসভার প্রার্থী ঘোষণার পর থেকেই লাগাতার বিক্ষোভের জেরে দুটি ওর্য়াডে প্রার্থী বদল করল তৃণমূল কংগ্রেস। শনিবার বিকালে বোলপুরে তৃণমূল কংগ্রেসের কার্যালয়ে বৈঠকে প্রার্থী বদলের সিদ্ধান্ত নেয় গুসকরা পৌরসভার পর্যবেক্ষ অনুব্রত মণ্ডল। ৩ নম্বর ওয়ার্ডের প্রার্থী দীর্ঘদিনের পাঁচবারের কাউন্সিলর মল্লিকা চোংদারের বদলে পূর্নিমা চৌধুরীকে প্রার্থী করা হয়। ৫ ওয়ার্ডের প্রার্থী মুনমুন মালিকের বদলে রিঙ্কু মালিক প্রার্থী করা হয়

ফেব্রুয়ারি ০৫, ২০২২
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • ›

ট্রেন্ডিং

শিক্ষা

পৌষের গন্ধে গ্রামবাংলা: পিঠে, ঘুড়ি আর লোকজ জীবনের উৎসব

পৌষ নামলেই গ্রামবাংলার হাওয়া বদলে যায়। ভোরের কুয়াশা আরও ঘন হয়, খড়ের গাদায় রোদ্দুর বসে, আর মাটির উঠোনে ভেসে আসে চাল ভাপার সোঁদা গন্ধ। এই সময়েই বাঙালির ঘরে ঘরে আসে এক লোকজ উৎসবপৌষ পার্বণ, যাকে গ্রামবাংলা আদর করে ডাকে পিঠে পার্বণ বলে।এই উৎসব কোনও মন্দিরে বাঁধা নয়, কোনও মন্ত্রে আবদ্ধ নয়। এ উৎসব ছড়িয়ে থাকে উঠোনে, রান্নাঘরে, খোলা মাঠে আর মানুষের মুখের হাঁসিতে। নতুন ধান ওঠার আনন্দে কৃষকের ঘরে যে তৃপ্তি, তারই রসায়ন মিশে যায় পিঠের নরম স্বাদে।গ্রামবাংলার মায়েদের কাছে পৌষ পার্বণ মানে শুধু রান্না নয়এ এক সামাজিক আচার। ভোর থেকে শুরু হয় চাল ভেজানো, বাটা, খোলায় নলেন গুড় বসানো। মাটির উনুনে ধোঁয়া ওঠে, কাঁসার থালায় সাজে ভাপা পিঠে (সিদ্ধ পিঠে), সরু চাকলি, পাটিসাপটা। দুধ পুলির ভেতর গুড় আর নারকেলের মিশেলে লুকিয়ে থাকে দিদিমা-ঠাকুমার হাতের ছোঁয়া, যা কোনও রেসিপির বইয়ে লেখা নেই।লোকসংস্কৃতির এই পরম্পরায় পিঠে শুধু খাবার নয়, এক ভাষা। সেই ভাষায় কথা বলে মমতা, আতিথেয়তা আর ভাগ করে নেওয়ার আনন্দ। পৌষের সকালে প্রতিবেশীর ঘরে পিঠে পাঠানো যেমন রীতি, তেমনই রীতি একসঙ্গে বসে খাওয়ারধনী-দরিদ্রের ভেদাভেদ ছাপিয়ে।পৌষ সংক্রান্তির আর এক অবিচ্ছেদ্য ছবি আকাশ। নীল আকাশ জুড়ে রঙিন ঘুড়ির উড়ান যেন লোকশিল্পের চলমান ক্যানভাস। যা দেখে কবির সুমন (তখন সুমন চট্টোপাধ্যায়) লিখেছিলেন পেটকাটি চাঁদিয়াল মোমবাতি বগ্গা - আকাশে ঘুড়ির ঝাঁক, মাটিতে অবজ্ঞা। রাঢ় বঙ্গের অন্যতম জনবহুল বর্ধমান শহরে ও তার আশপাশের গ্রামগুলিতে এই দিনে ঘুড়ি ওড়ানো শুধু খেলা নয়, এক উৎসব, সকাল চা খেয়েই ছাদে জড়ো আবাল-বৃদ্ধ-বনিতা, চোখ বন্দি আকাশে, ছাদে-ছাদে চটুল হিন্দি গানের ভিতরেই ভেসে আসছে একটাই আওয়াজ ভো-কাট্টা। দামোদরের পাড়ে বসা আদিবাসী ও উপজাতিদের মেলায় ঘুড়ির সঙ্গে মিশে যায় ঢাক, ধামসা, মাদল ও বাঁশির সুর। লোকনৃত্য, হস্তশিল্প আর খোলা মাঠের এই মিলনমেলা যেন বাংলার বহুত্বকে এক সুতোয় বেঁধে রাখে।এই মেলায় দেখা যায় সাঁওতাল, বাউরী, বাগদি সমাজের নিজস্ব সংস্কৃতিনতুন রঙিন পোশাক, পায়ের তালে মাটির ছন্দ দিরি দিম দিম বোল তোলে। আধুনিক শহুরে জীবনের বাইরে দাঁড়িয়ে এই লোকজ উৎসব আমাদের মনে করিয়ে দেয়সংস্কৃতি মানে শেকড়ের সঙ্গে সংযোগ।আজ শহরের ফ্ল্যাটবাড়িতে পিঠে আসে বাক্সবন্দি হয়ে, ঘুড়ি ওড়ানো হয় ছাদের কোণে দাঁড়িয়ে। তবু পৌষ পার্বণ এলেই মন ছুটে যায় গ্রামেমাটির ঘর, খোলা উঠোন আর আগুন পোহানো বিকেলের দিকে। কারণ এই উৎসব আমাদের শেখায়, উৎসবের আসল সৌন্দর্য জাঁকজমকে নয়, বরং মানুষের সঙ্গে মানুষের সম্পর্কের উষ্ণতায়।পৌষ পার্বণ তাই শুধুই একটি দিন নয়এ এক স্মৃতি, এক গন্ধ, এক জীবন্ত লোকসংস্কৃতি। সময় বদলায়, রূপ বদলায়, কিন্তু পিঠের ধোঁয়ার সঙ্গে মিশে থাকা গ্রামবাংলার আত্মা আজও অটুট।

জানুয়ারি ১৩, ২০২৬
বিদেশ

ইরানের সঙ্গে বাণিজ্যের খেসারত, ভারতকে ফের শুল্কের ফাঁদে ফেললেন ট্রাম্প

বছরের শুরুতেই ভারতের উপর ফের শুল্কের আঘাত আনল আমেরিকা। সোমবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষণা করেছেন, ইরানের সঙ্গে যেসব দেশ বাণিজ্য করবে, তাদের উপর অতিরিক্ত ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হবে। সেই তালিকায় ভারতের নামও রয়েছে। গত অর্থবর্ষে ইরানের সঙ্গে প্রায় ১৪ হাজার কোটি টাকার বাণিজ্য করেছে ভারত।বর্তমানে আয়াতোল্লা খামেনেইয়ের প্রশাসনের বিরুদ্ধে ইরানে ব্যাপক বিক্ষোভ চলছে। সেই আন্দোলনের প্রতি প্রথম থেকেই সমর্থন জানিয়ে আসছেন ট্রাম্প। এমনকি প্রয়োজন হলে ইরানের উপর সামরিক হামলার পরিকল্পনার কথাও তিনি প্রকাশ্যে বলেছেন। এই পরিস্থিতিতে ইরানের সঙ্গে বাণিজ্যকারী দেশগুলির উপর কড়া অবস্থান নিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।সোমবার নিজের সোশাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম ট্রুথ সোশালে ট্রাম্প লেখেন, ইরানের সঙ্গে যেসব দেশ বাণিজ্য করছে, তারা আমেরিকার সঙ্গে ব্যবসা করতে গেলে অতিরিক্ত ২৫ শতাংশ শুল্ক দিতে বাধ্য হবে। এই নির্দেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে বলেও জানান তিনি।ইরানের সঙ্গে সবচেয়ে বেশি বাণিজ্য করে চিন। তবে ভারতের সঙ্গেও তেহরানের দীর্ঘদিনের বাণিজ্যিক সম্পর্ক রয়েছে। তেহরানে ভারতীয় দূতাবাসের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪-২৫ অর্থবর্ষে ভারত ইরানে প্রায় ১২০ কোটি ডলারের পণ্য রপ্তানি করেছে। একই সময়ে ইরান থেকে ৪৪ কোটি ডলারের পণ্য আমদানি করা হয়েছে। সব মিলিয়ে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্যের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় ১৬৪ কোটি ডলার, যা ভারতীয় মুদ্রায় আনুমানিক ১৪ হাজার কোটি টাকা। এই বাণিজ্যের মধ্যে রয়েছে রাসায়নিক দ্রব্য, ফল, বাদাম, তেল এবং জ্বালানি জাতীয় পণ্য।ইরানের সঙ্গে বাণিজ্য করার কারণেই এবার ভারতের উপর বাড়তি শুল্ক চাপাল আমেরিকা। এর আগে রাশিয়া থেকে তেল কেনার অভিযোগে ভারতের উপর ২৫ শতাংশ অতিরিক্ত শুল্ক আরোপ করেছিলেন ট্রাম্প। ফলে তখন ভারতীয় পণ্যের উপর মার্কিন শুল্কের হার পৌঁছেছিল ৫০ শতাংশে। এবার ইরান ইস্যুতে আরও ২৫ শতাংশ শুল্ক যুক্ত হওয়ায় মোট শুল্কের পরিমাণ দাঁড়াল ৭৫ শতাংশ। এই সিদ্ধান্ত ভারতের রপ্তানি বাণিজ্যে বড় প্রভাব ফেলতে পারে বলেই মনে করছেন অর্থনৈতিক বিশেষজ্ঞরা।

জানুয়ারি ১৩, ২০২৬
বিদেশ

রণক্ষেত্র ইরান, আমেরিকার হামলার হুঁশিয়ারি, আগুনে ঘি ঢালল খামেনেই

ইরানকে ঘিরে চরম উত্তেজনা। একে অপরকে প্রকাশ্য হুমকি দিয়ে মুখোমুখি অবস্থানে দাঁড়িয়ে গিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনেই। ট্রাম্প যে কোনও মুহূর্তে ইরানে সেনা হামলার ইঙ্গিত দিয়েছেন। পাল্টা খামেনেই ট্রাম্পকে পরাজিত ও অত্যাচারী শাসক বলে কটাক্ষ করেছেন।ইরানে সরকার-বিরোধী আন্দোলন দিন দিন আরও ভয়াবহ রূপ নিচ্ছে। দেশের বহু শহরে বিক্ষোভ চলছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে সরকার ইন্টারনেট ও ফোন পরিষেবা বন্ধ করে দিয়েছে। তা সত্ত্বেও মূল্যবৃদ্ধি, দুর্নীতি ও দমনপীড়নের বিরুদ্ধে মানুষের ক্ষোভ থামছে না। নির্বাসিত নেতা রেজা পহেলভিকে দেশে ফিরিয়ে আনার দাবিও জোরালো হয়েছে। এই আবহে ট্রাম্পের সঙ্গে পহেলভির কথোপকথনের খবর সামনে এসেছে। আন্দোলনকারীদের উপর গুলি চালানো বন্ধ না হলে আমেরিকা চুপ করে থাকবে না বলেও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ট্রাম্প।এয়ার ফোর্স ওয়ান থেকেই ট্রাম্প স্পষ্ট বার্তা দেন, ইরানে পরিস্থিতি আরও খারাপ হলে কঠোর সিদ্ধান্ত নিতে পিছপা হবে না তাঁর প্রশাসন। এমনকি ইরানে স্টারলিংক পরিষেবা চালুর পক্ষে সওয়াল করেছেন তিনি। ট্রাম্পের দাবি, ইরান আলোচনার জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছে। যদিও তেহরান সেই দাবি নাকচ করে জানিয়েছে, দেশের অভ্যন্তরে অশান্তি ছড়ানোর মূল্য চোকাতে হবে আমেরিকাকে।সরকারি টেলিভিশনে ভাষণ দিয়ে খামেনেই ট্রাম্পকে তীব্র ভাষায় আক্রমণ করেছেন। তাঁর বক্তব্য, ট্রাম্প একজন অযোগ্য ও অত্যাচারী শাসক। আগে নিজের দেশ সামলাক। খামেনেই দাবি করেছেন, খুব শীঘ্রই বিক্ষোভ নিয়ন্ত্রণে আসবে। যদিও বাস্তবে তার কোনও ইঙ্গিত নেই। অভিযোগ, বিক্ষোভ দমাতে ইরানে পুলিশ ও সেনা নির্বিচারে গুলি চালাচ্ছে। শুধু তেহরানেই দুই শতাধিক মানুষের মৃত্যুর খবর মিলেছে। গত বছরের ডিসেম্বর থেকে এই আন্দোলন চলছে। জানুয়ারির শুরু থেকেই দেশজুড়ে যোগাযোগ ব্যবস্থা কার্যত অচল।ইরানের অশান্তির প্রভাব বিদেশেও পড়েছে। লস এঞ্জেলসে ইরান সমর্থনে মিছিল চলাকালীন ভিড়ের মধ্যে ট্রাক ঢুকে পড়ার ঘটনা ঘটেছে। যদিও সেখানে কেউ হতাহত হয়নি। চালককে আটক করা হয়েছে।এই পরিস্থিতিতে ইরানে হামলা হলে তার জবাব দেওয়ার ক্ষমতা তেহরানের রয়েছে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ইরানের শীর্ষ নেতারা। ইরান পার্লামেন্টের স্পিকার মহম্মদ বাকার কালিবাফ জানিয়েছেন, আমেরিকা বড় ভুল হিসাব করছে। হামলা হলে ইজরায়েল ও মধ্যপ্রাচ্যে থাকা মার্কিন সেনাঘাঁটিগুলি নিশানা করা হবে বলেও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ইরানের প্রাক্তন সামরিক কর্তারাও।

জানুয়ারি ১৩, ২০২৬
বিদেশ

নোবেল নিয়ে পোপের দরবারে মাচাদো, ট্রাম্পের প্রেসিডেন্সির নেপথ্যে কি ভ্যাটিকান?

গত বছর ডোনাল্ড ট্রাম্পকে হারিয়ে নোবেল শান্তি পুরস্কার পেয়েছিলেন ভেনেজুয়েলার বিরোধী নেতা মাচাদো। সেই পুরস্কারই মার্কিন প্রেসিডেন্টের হাতে তুলে দিতে চান তিনি, যাতে নিকোলাস মাদুরোকে অপহরণ করে বন্দি করা যায়এমন দাবিও করেছিলেন মাচাদো। এবার সেই নোবেলজয়ীর সঙ্গে সাক্ষাৎ হল চতুর্দশ পোপ লিওর। এই সাক্ষাৎ ঘিরে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে।সোমবারই নিজেকে ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট বলে ঘোষণা করেছেন ট্রাম্প। তার মধ্যেই পোপের সঙ্গে মাচাদোর সাক্ষাৎ হওয়ায় প্রশ্ন উঠছে, ট্রাম্পের সমর্থনে ক্ষমতা দখলের প্রস্তুতি হিসেবেই কি এই বৈঠক? প্রথম মার্কিন পোপের সঙ্গে এই সাক্ষাতের রাজনৈতিক তাৎপর্য খতিয়ে দেখছেন বিশেষজ্ঞরা।জানা গিয়েছে, পোপ লিওর সঙ্গে দেখা করার কোনও পূর্বপরিকল্পনা ছিল না মাচাদোর। ভ্যাটিকান পরে তাদের দৈনিক বুলেটিনে এই সাক্ষাতের কথা উল্লেখ করে। তবে বৈঠকে কী আলোচনা হয়েছে, সে বিষয়ে কোনও বিস্তারিত তথ্য দেওয়া হয়নি। নরওয়েতে নোবেল শান্তি পুরস্কার পাওয়ার পর থেকেই ইউরোপ ও আমেরিকার বিভিন্ন দেশে সফর করছেন মাচাদো।আগামী সপ্তাহে তিনি আমেরিকা যাচ্ছেন। সেখানে হোয়াইট হাউসে ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে তাঁর বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। সেই গুরুত্বপূর্ণ সফরের আগেই পোপের সঙ্গে দেখা হওয়ায় রাজনৈতিক মহলে কৌতূহল আরও বেড়েছে। যদিও প্রথম মার্কিন পোপ লিও ভেনেজুয়েলার উপর আমেরিকার আগ্রাসনের প্রকাশ্য বিরোধিতা করেছেন।মাদুরোকে মার্কিন বাহিনীর হাতে অপহরণের ঘটনার পর ভেনেজুয়েলার স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের পক্ষে সরব হয়েছেন পোপ। তিনি জানিয়েছেন, ভেনেজুয়েলার পরিস্থিতির উপর তাঁর নজর রয়েছে এবং দেশের অবস্থা নিয়ে তিনি গভীরভাবে উদ্বিগ্ন। সামাজিক সুরক্ষা ও মানবাধিকার রক্ষার প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরেছেন পোপ লিও।অন্যদিকে, ট্রাম্প ও মাচাদোদুজনেই প্রকাশ্যে মাদুরোর বিরোধিতা করে আসছেন। তাঁদের অভিযোগ, মাদুরো দেশকে ধ্বংসের পথে নিয়ে যাচ্ছেন। ট্রাম্প মাদুরোর বিরুদ্ধে মাদক পাচারের অভিযোগ তুলেছেন। মাদুরো অপহৃত হওয়ার পর ট্রাম্পের সঙ্গে নিজের নোবেল শান্তি পুরস্কার ভাগ করে নেওয়ার প্রস্তাবও দিয়েছিলেন মাচাদো।এই প্রেক্ষাপটে পোপ লিওর সঙ্গে মাচাদোর সাক্ষাৎ যে নিছক সৌজন্য সাক্ষাৎ নয়, তা স্পষ্ট বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল। ভেনেজুয়েলার ক্ষমতার লড়াইয়ে এই বৈঠক নতুন সমীকরণ তৈরি করবে কি না, সেদিকেই তাকিয়ে বিশ্ব।

জানুয়ারি ১৩, ২০২৬
কলকাতা

এবার টুটু বোসকে তলব! এসআইআর শুনানিতে ডাকা হল মোহনবাগানের প্রাক্তন সভাপতিকে

এসআইআর শুনানিতে এবার হাজিরার নোটিস পেলেন প্রাক্তন সাংসদ এবং মোহনবাগানের প্রাক্তন সভাপতি স্বপনসাধন বোস, যিনি টুটু বোস নামেই পরিচিত। শুধু তাঁকেই নয়, একই সঙ্গে তলব করা হয়েছে তাঁর পুত্র তথা মোহনবাগান ক্লাবের সচিব সৃঞ্জয় বোসকেও। জানা গিয়েছে, টুটু বোসের গোটা পরিবারকে এসআইআর শুনানিতে হাজিরা দিতে বলা হয়েছে।এই ঘটনায় তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন মোহনবাগানের সহ-সভাপতি কুণাল ঘোষ। সোশাল মিডিয়ায় ক্ষোভ উগরে দিয়ে তিনি নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।এসআইআর শুনানিকে কেন্দ্র করে ইতিমধ্যেই বাংলার বহু বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বকে তলব করা হয়েছে। নোবেলজয়ী অমর্ত্য সেন, কবি জয় গোস্বামী, জাতীয় দলের ক্রিকেটার মহম্মদ শামির মতো পরিচিত মুখদের নাম সেই তালিকায় রয়েছে। এবার সেই তালিকায় যুক্ত হল বাংলার ফুটবল জগতের অন্যতম পরিচিত মুখ টুটু বোসের নাম। জানা যাচ্ছে, আগামী ১৯ জানুয়ারি তাঁকে বালিগঞ্জ গভর্নমেন্ট স্কুলে হাজিরা দিতে বলা হয়েছে। শুধু টুটু বোস নন, তাঁর পরিবারের সদস্যদেরও ডাকা হয়েছে ওই শুনানিতে। তালিকায় রয়েছেন প্রাক্তন সাংসদ সৃঞ্জয় বোসও।এই প্রসঙ্গে কুণাল ঘোষ ফেসবুকে লিখেছেন, টুটু বোস বাংলার ফুটবল ও মোহনবাগানের প্রাণপুরুষ। তিনি দীর্ঘদিন অসুস্থ এবং হুইলচেয়ার ছাড়া তাঁর চলাফেরা সম্ভব নয়। এমন অবস্থায় তাঁকে এবং তাঁর পরিবারকে হাজিরার নোটিস পাঠানো অমানবিক বলেই মন্তব্য করেন কুণাল। তাঁর অভিযোগ, এখন টুটু বোসকে প্রমাণ দিতে বলা হচ্ছে যে তিনি বাংলার নাগরিক। কুণাল ঘোষের দাবি, এই ঘটনার জবাব নির্বাচন কমিশন ও বিজেপিকে আসন্ন নির্বাচনে দিতে হবে।উল্লেখ্য, খেলোয়াড়দের এসআইআর শুনানির নামে হেনস্তার অভিযোগ তুলে সোমবার বিভিন্ন ক্ষেত্রের প্রায় ১৫০ জন ক্রীড়াবিদ প্রতিবাদে শামিল হয়েছিলেন। এর আগেই এই ইস্যুতে নির্বাচন কমিশনের কড়া সমালোচনা করেছেন তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও এই ধরনের নোটিস পাঠানোকে অমানবিক ও অসংবেদনশীল বলে উল্লেখ করে মুখ্য নির্বাচন কমিশনারকে চিঠি দিয়েছেন। সেই সবের পরেও টুটু বোসের মতো পরিচিত ও শ্রদ্ধেয় ব্যক্তিত্বকে তলব করা ঘিরে নতুন করে বিতর্ক শুরু হল রাজ্য রাজনীতিতে।

জানুয়ারি ১৩, ২০২৬
রাজ্য

নিপা ভাইরাসে কাঁপছে বাংলায়! আবার রাজ্যে ফিরছে কোয়ারেন্টাইন ..

বাংলায় ফের নিপা ভাইরাসের আতঙ্ক ছড়াল। উত্তর ২৪ পরগনার বারাসতের একটি বেসরকারি হাসপাতালের দুই নার্সের শরীরে নিপা ভাইরাসের সংক্রমণ ধরা পড়েছে বলে জানা গিয়েছে। গত ১১ জানুয়ারি কল্যাণীর এইমস-এর ভাইরাস রিসার্চ ও ডায়াগনস্টিক ল্যাবরেটরিতে পরীক্ষায় তাঁদের শরীরে নিপা ভাইরাসের উপস্থিতি ধরা পড়ে। নিশ্চিত হওয়ার জন্য নমুনা পুণের ল্যাবে পাঠানো হয়েছে।পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে কেন্দ্রীয় সরকারও নড়েচড়ে বসেছে। দিল্লি থেকে আজই একটি প্রতিনিধি দল রাজ্যে আসছে বলে জানা গিয়েছে। এদিকে আক্রান্ত নার্সদের সংস্পর্শে আসা এক চিকিৎসক, দুজন নার্স, একজন সাফাই কর্মী এবং একজন অ্যাম্বুলেন্স চালককে কোয়ারেন্টাইনে থাকার নির্দেশ দিয়েছে রাজ্যের স্বাস্থ্য দফতর।স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, নিপা আক্রান্ত নার্স অসুস্থ অবস্থায় কাটোয়ায় যাঁদের সংস্পর্শে এসেছিলেন, তাঁদের খোঁজ চালাতে একটি বিশেষ টিম গঠন করা হয়েছে। আক্রান্তদের সংস্পর্শে আসা ব্যক্তিদের তালিকা তৈরি করে তাঁদের শারীরিক অবস্থার উপর নজর রাখছেন পূর্ব বর্ধমান জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক।জানা যাচ্ছে, ওই নার্স ২ জানুয়ারি শারীরিক অসুস্থতা নিয়ে কাটোয়ার এক চিকিৎসকের ব্যক্তিগত চেম্বারে চিকিৎসা করাতে গিয়েছিলেন। চিকিৎসক সিদ্ধেশ্বর গুপ্ত জানিয়েছেন, ওই তরুণী একবার জ্ঞান হারিয়েছিলেন ঠিকই, তবে তখন জ্বর বা গা ব্যথার মতো কোনও অস্বাভাবিক উপসর্গ চোখে পড়েনি।এর পর ৩ জানুয়ারি ফের সংজ্ঞা হারালে পরিবারের লোকজন তাঁকে কাটোয়া মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে অবস্থার অবনতি হওয়ায় চিকিৎসকেরা তাঁকে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠান। পরে পরিবারের সদস্যরা তাঁকে বারাসতের একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেখানেই পরীক্ষার পর জানা যায়, তিনি নিপা ভাইরাসে আক্রান্ত।এই ঘটনায় রাজ্য জুড়ে উদ্বেগ বাড়ছে। স্বাস্থ্য দফতর জানিয়েছে, পরিস্থিতির উপর কড়া নজর রাখা হচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় সব সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

জানুয়ারি ১৩, ২০২৬
বিদেশ

থামছেই না হিন্দু খুন, ফেনিতে অটোচালক সমীর দাসকে হত্যা করে চম্পট দিল দুষ্কৃতীরা

বাংলাদেশে একের পর এক হিন্দু খুনের ঘটনা সামনে আসছে। দীপু দাসকে নৃশংসভাবে খুন করার ঘটনার পর থেকেই একাধিক হিন্দু যুবকের মৃত্যুর খবর মিলেছে। সেই তালিকায় এবার যুক্ত হল আরও একটি নাম। ফেনি জেলার দাগনভূঞায় খুন হল ২৮ বছরের অটোচালক সমীর কুমার দাস। অভিযোগ, তাঁকে খুন করে দুষ্কৃতীরা তাঁর অটোরিকশা নিয়ে পালিয়ে গিয়েছে।মর্মান্তিক এই ঘটনাকে ঘিরে এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। নিহত সমীর দাস দাগনভূঞা উপজেলার রামানন্দপুর গ্রামের বাসিন্দা। তাঁর বাবা কার্তিক কুমার দাস ও মা রিনা রানি দাস। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, দাগনভূঞা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কাছেই পরিকল্পিতভাবে সমীর দাসকে হত্যা করা হয়। খুনের পর তাঁর অটোরিকশা ছিনিয়ে নিয়ে পালায় দুষ্কৃতীরা।পরে স্থানীয় বাসিন্দারা রাস্তায় পড়ে থাকা দেহ দেখতে পেয়ে পুলিশে খবর দেন। দাগনভূঞা থানার পুলিশ এসে মৃতদেহ উদ্ধার করে। নিহতের পরিবার এই হত্যাকাণ্ডের সঠিক তদন্তের দাবি জানিয়েছে। তাঁদের দাবি, দ্রুত অভিযুক্তদের গ্রেফতার করে কড়া শাস্তি দেওয়া হোক। পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার সঙ্গে যুক্ত দুষ্কৃতীদের খোঁজে অভিযান শুরু হয়েছে।এর আগে কয়েকদিন আগে জয় মহাপাত্র নামে এক হিন্দু যুবককে বিষ খাইয়ে খুন করার অভিযোগ ওঠে। গত বছরের ডিসেম্বর মাসে ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক ওসমান হাদির মৃত্যুর পর থেকেই বাংলাদেশে নতুন করে অশান্তির আবহ তৈরি হয়। সেই পরিস্থিতিতেই প্রথমে হিন্দু যুবক দীপু দাসকে মারধর করে জীবন্ত জ্বালিয়ে দেওয়ার অভিযোগ ওঠে। এরপর একে একে আরও হিন্দু যুবকের মৃত্যুর খবর সামনে আসে। এই নিয়ে সাম্প্রতিক সময়ে মোট আটজন হিন্দু যুবকের মৃত্যুর ঘটনা ঘটল বলে জানা যাচ্ছে।

জানুয়ারি ১৩, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

নিরাপত্তার অজুহাত খারিজ, বাংলাদেশের ভারতে খেলা নিয়ে বড় বার্তা আইসিসির

মিথ্যেবাদী তকমা পাওয়ার পর ফের বড় ধাক্কার মুখে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড। নিরাপত্তাজনিত কারণ দেখিয়ে ভারতে খেলতে না আসার যে দাবি বিসিবি করেছিল, তা মানতে নারাজ আইসিসি। ক্রিকেটের নিয়ামক সংস্থা সূত্রে খবর, বাংলাদেশকে আগের সূচি অনুযায়ীই ভারতে খেলতে হবে। অর্থাৎ কলকাতা এবং মুম্বইতেই লিটন দাসদের ম্যাচ আয়োজন করা হবে।জানা গিয়েছে, বাংলাদেশের অভিযোগ নিয়ে স্বাধীনভাবে তদন্ত করেছে আইসিসি। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞদের দিয়ে খতিয়ে দেখা হয়েছে, ভারত সফরে এলে বাংলাদেশ দলের নিরাপত্তা নিয়ে কোনও বড় ঝুঁকি রয়েছে কি না। সেই মূল্যায়নের রিপোর্টে বলা হয়েছে, কলকাতা ও মুম্বইয়ে ম্যাচ আয়োজন নিয়ে ঝুঁকির মাত্রা কম থেকে মাঝারি। নিরাপত্তা নিয়ে বড় কোনও সমস্যা হওয়ার আশঙ্কা নেই।রিপোর্টে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, ভারত অতীতেও একাধিক বিশ্বমানের ক্রিকেট টুর্নামেন্ট সফলভাবে আয়োজন করেছে এবং ভবিষ্যতেও করবে। তাই বাংলাদেশের জন্য পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিতে ভারতীয় প্রশাসনের কোনও অসুবিধা হবে না। এই রিপোর্টের ভিত্তিতেই আইসিসি বাংলাদেশের ম্যাচ সরানো নিয়ে সিদ্ধান্ত নিতে চলেছে।এর আগে শোনা যাচ্ছিল, বিসিবির অনুরোধ কিছুটা মেনে কলকাতা ও মুম্বইয়ের বদলে চেন্নাই ও তিরুঅনন্তপুরমে ম্যাচ সরানো হতে পারে। কিন্তু নিরাপত্তা সংক্রান্ত ইতিবাচক রিপোর্ট পাওয়ার পর সেই সম্ভাবনা কার্যত ক্ষীণ। ফলে বাংলাদেশকে আগের সূচি মেনেই ভারতে খেলতে হতে পারে বলে মনে করছে ক্রিকেটমহল। যদিও আইসিসির তরফে এখনও চূড়ান্ত ঘোষণা হয়নি।উল্লেখযোগ্য ভাবে, সোমবারই আইসিসি স্পষ্ট করে জানিয়ে দেয় যে বাংলাদেশ ভুল তথ্য দিচ্ছে। অন্তর্বর্তী সরকারের ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ নজরুল দাবি করেছিলেন, আইসিসি নাকি জানিয়েছে মুস্তাফিজুর রহমান দলে থাকলে নিরাপত্তা সমস্যা বাড়বে এবং বাংলাদেশের নির্বাচনের কারণেও ঝুঁকি রয়েছে। কিন্তু আইসিসি সেই দাবি সম্পূর্ণ অস্বীকার করে জানায়, এমন কোনও মন্তব্য তারা করেনি। ক্রীড়া উপদেষ্টার এই বক্তব্যে আইসিসি যথেষ্ট বিরক্ত বলেই মনে করছেন ক্রিকেট মহলের একাংশ।

জানুয়ারি ১৩, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal