• ২৬ ভাদ্র ১৪৩৩, মঙ্গলবার ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Meeting

রাজ্য

কর্তব্যরত পুলিস আধিকারিক তৃণমূলের দলীয় সভায় সংবর্ধিত, সমলোচনায় মুখর বিরোধীরা

কর্তব্যরত অবস্থায় তৃণমূল কংগ্রেসের একটি কর্মসূচিতে সম্বর্ধনা নেবার অভিযোগ উঠল বর্ধমানের এক পুলিশ আধিকারিকের বিরুদ্ধে। বর্ধমান গোলাপবাগ ট্রাফিক পোস্টের ওসি বিশ্বনাথ পাইনের বিরুদ্ধে এই অভিযোগ উঠেছে। তিনি অবশ্য এই অভিযোগ স্বীকার করেননি।গতকাল সন্ধ্যায় পূর্ব বর্ধমানের খাগড়াগড় এলাকায় খাগড়াগড় তৃণমূল কংগ্রেস ও খাগড়াগড় যুব সংঘ একটি মশারি বিতরণ কর্মসূচির আয়োজন করেন। সেখানে বিধায়ক খোকন দাস, জেলা যুব তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতিসহ অন্যান্য দলীয় নেতারা হাজির ছিলেন।এখানেই একটি ভিডিওতে ট্রাফিক ওসি বিশ্বনাথ পাইনকে সম্বর্ধনা নিতে দেখা যায়। তিনি পুলিশের পোশাকেই ছিলেন।এ নিয়ে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন বিরোধী দলের নেতারা। বিজেপির জেলা সাধারণ সম্পাদক মৃত্যুঞ্জয় চন্দ্র জানান, এই রাজ্যের পুলিশ মমতা পুলিশে পরিণত হয়েছে। আমাদের দাবি, এ কাজ অন্যায়। এর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।অন্যদিকে জেলা যুব কংগ্রেস সভাপতি গৌরব সমাদ্দারের দাবি, এ রাজ্যে পুলিশের পোশাকের নীচে দলের পতাকা রয়েছে। এই কাজ নিয়মের বাইরে।জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের মুখপাত্র প্রসেনজিৎ দাস জানান, এটা একটা ক্লাবের কর্মসূচি। দলীয় কর্মসূচিতে সরকারি আধিকারিক যেতে পারেন না। কী হয়েছে তা খোঁজ নিয়ে দেখবো।অভিযুক্ত আধিকারিক বিশ্বনাথ পাইনের বক্তব্য, ওটা একটা ক্লাবের কর্মসূচি বলেই তিনি জানতেন। তিনি ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ করার জন্য ওখানে ছিলেন। সেই সময় তাঁকে অনুরোধ করায় অল্প সময় সেখানে ছিলেন। দলের কর্মসূচি বলে সেখানে যাননি।এমনিতেই বর্ধমানে ট্রাফিক পুলিশের কাজকর্ম নিয়ে বিস্তর অভিযোগ বর্ধমানে। তার উপর এই নতুন বিতর্ক। জেলা পুলিশ সুপার কামনাশীষ সেন বলেন, খবরটা আপনাদের মাধ্যমেই জানতে পেরেছি। প্রয়োজনে শোকজ করা হবে আইন অনুযায়ী।

ডিসেম্বর ০৯, ২০২২
রাজনীতি

কেন্দ্রীয় শ্রমআইন পরিবর্তনের প্রতিবাদ জানিয়ে বর্ধমানে আইএনটিটিইউসি-র প্রতিবাদ সভা

কেন্দ্রীয় সরকার পুরোনো ৪৪ টি শ্রম আইন বদলে দিয়েছে। নতুন শ্রম আইনে যদি ৩০০ জন পর্যন্ত শ্রমিক কাজ তাহলে তাদের যখন খুশি ছাঁটাই করে দেওয়া যাবে। তারা কোর্টে যেতে পারবে না, তারা শ্রম দপ্তরে ডিসপুট দিতে পারবে না। কত টাকা মাইনে মালিক দেবে, কতক্ষণ কাজ করবেন সবটাই মালিক ঠিক করবে। এই আইনের বিরুদ্ধে আমাদের লড়াই জারি থাকবে বলে জানালেন রাজ্যের শ্রম ও আইন মন্ত্রী মলয় ঘটক।রবিবার পূর্ব বর্ধমান জেলা আইএনটিটিইউসির এক প্রতিবাদ সভায় বক্তব্য রাখতে এসে এভাবেই কেন্দ্রীয় শ্রম আইনের বিরোধিতা করেন রাজ্যের মন্ত্রী মলয় ঘটক। রান্নার গ্যাস, পেট্রোল, ডিজেল সহ প্রয়োজনীয় দ্রব্যের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে বর্ধমান স্টেশন চত্ত্বরে প্রতিবাদ সভার আয়োজন করে জেলা আইএনটিটিইউসি। মলয় ঘটক ছাড়াও এই সভায় উপস্থিত ছিলেন রাজ্য আইএনটিটিইউসি সভাপতি ঋতব্রত বন্দোপাধ্যায়, জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায়, জেলা যুব তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি রাসবিহারী হালদার, বিধায়ক অলোক মাঝি, বিডিএ চেয়ারপার্সন কাকলি গুপ্ত তা সহ একাধিক বিধায়ক ও তৃণমূল কংগ্রেসের শাখা সংগঠনের নেতৃত্ব।এদিন বক্তব্য রাখতে গিয়ে ঋতব্রত বন্দোপাধ্যায় কেন্দ্রীয় সরকারকে একহাত নেয়। তিনি বলেন, কেন্দ্রীয় সরকার শ্রমিকদের ৮ ঘন্টা কাজের অধিকার কেড়ে নিয়েছে। ৮ ঘন্টার পরিবর্তে শ্রমিকদের ১২ ঘন্টা করে কাজ করানো হচ্ছে। তৃণমূল কংগ্রেস সর্বশক্তি দিয়ে এটা প্রতিহত করবে। পাশাপাশি আইএনটিটিইউসি র গোষ্ঠীদ্বন্ধ নিয়েও সরব হন তিনি। এক জায়গায় একাধিক শ্রমিক সংগঠন করা যাবে না বলে হুঁশিয়ারি দিয়ে ঋতব্রত বলেন সবটাই নিয়ম মেনে করতে হবে। জেলা সভাপতির কাছ থেকে অনুমোদন নিয়ে রাজ্যে পাঠাতে হবে। নিয়মিত রিটার্ন দিতে হবে। জেলা সভাপতির অনুমতি মত সংগঠন তৈরি করতে হবে। যেখানে সেখানে ব্যাঙের ছাতার মত সংগঠন অফিস করা যাবে না বলে হুঁশিয়ারি দেন রাজ্য সভাপতি।

নভেম্বর ০৬, ২০২২
রাজনীতি

মেমারির শ্রীধরপুরে বিজেপির প্রকাশ্য সমাবেশে টেট উত্তীর্ণদের চাকরির দাবী

ভারতীয় জনতা পার্টির মেমারি দুনম্বর মন্ডল এর ডাকে শ্রীধরপুর বাজারে বিজেপির পক্ষ থেকে একটি প্রকাশ্য সমাবেশ অনুষ্ঠিত হলো। এই সভা থেকে দাবি তুলে ধরা হয় তাদের এই দিনের এই কর্মসূচির মাধ্যমে বেশ কিছু দাবী দাওয়া তুলে ধরা হলো। অন্যতম হলো টেট উত্তীর্ণদের চাকরি দিতে হবে আগামী ত্রিস্তরীয় পঞ্চায়েত নির্বাচনে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়ন রাখতে হবে , সন্ত্রাস তোলাবাজ মুক্ত পঞ্চায়েত গড়ে তুলতে হবে তো এই দাবিগুলি তুলে ধরা হয়।এই কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের সহ-সভাপতি শ্যামাপদ মন্ডল, জেলার মহিলা নেত্রী দিপালী দাস, বর্ধমান পূর্ব কাটোয়া জেলার সাংগঠনিক সভাপতি গোপাল চট্টোপাধ্যায়, জেলার সাধারণ সম্পাদক বিশ্বজিৎ পোদ্দার, জেলা সদস্য পিন্টু ভান্ডারী, মন্ডল সভাপতি তাপস পাল, সহ অন্যান্যরাও ভারতীয় জনতা পার্টি কর্মীবৃন্দ।

অক্টোবর ৩১, ২০২২
রাজনীতি

ধর্মতলায় ডিওয়াইএফআই এর অনুমতিহীন সভা ঘিরে চাঞ্চল্য

ভারতের গণতান্ত্রিক ছাত্র ফেডারেশনের (ডিওয়াইএফআই) ধর্মতলা অভিযানের ডাকে সারা দিতে ইসলামপুর আলুয়াবাড়ি রোড জংশন স্টেশন থেকে কর্মী সমর্থকরা সোমবার ট্রেনে চেপে ধর্মতলার উদ্দেশ্যে রওনা দিলেন। ডিওয়াইএফআই নেতা গৌতম বর্মন ও সামী খান জানান আনিস খানের ইনসাফ সবাই যোগদানের জন্য তারা যাচ্ছেন। কলকাতার ধর্মতলায় সেখানে উপস্থিত থাকবেন বামফ্রন্টের রাজ্য সভাপতি মঃ সেলিম ও ডিওয়াইএফআই রাজ্য সভাপতি মীনাক্ষী মুখার্জী সহ একাধিক নেতৃত্ব। উলেখ্য ভিক্টোরিয়া হাউসের সামনে এই সভার কোনও অনুমতি কলকাতা পুলিসের তরফের দেওয়া হয়নি। অনুমতিহীন এই সভা ঘিরে আবার কলকাতায় গোলমালের আশঙ্কা করছে রাজনৈতিক মহল।

সেপ্টেম্বর ২০, ২০২২
রাজ্য

পরিবহন ব্যবস্থার পরিকাঠামো পর্যালোচনা করতে বর্ধমানে প্রশাসনিক সভা পরিবহন মন্ত্রীর

দক্ষিণবঙ্গের পরিবহন ব্যবস্থা নিয়ে প্রশাসনিক সভা করতে বর্ধমানে এলেন রাজ্যের নতুন পরিবহন মন্ত্রী স্নেহাশিস চক্রবর্তী। এদিন দক্ষিবণবঙ্গের মোট পাঁচটি জেলার পরিবহন দপ্তরের পরিকল্পনা নিয়ে সভা করেন তিনি। রাজ্যস্তরের আধিকারিকরা ছাড়াও এই সভায় জেলাগুলির আধিকারিকরাও অংশ নেন। নবনিযুক্ত পরিবহনমন্ত্রী জানান, পরিবহন ব্যবস্থা সংক্রান্ত কোনো সমস্যা বা অভিযোগ থাকলে তা দ্রুত নিরসনের জন্য একটি হোয়াটসঅ্যাপ নম্বর চালু করা হচ্ছে। এছাড়াও ওভারলোডিং বা অন্যান্য অভিযোগ উঠলে তার বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সরকারি পরিবহন, কর্পোরেশনগুলিকে আরো আধুনিক করে তোলা হবে। এছাড়াও তিনি জানান, ১৫ বছরের বেশি গাড়িগুলি বাতিল করার নির্দেশ এসেছে। সরকারি ও ব্যক্তিগত স্তরে রাতারাতি এত গাড়ি পরিবর্তন করা বড় ধরণের খরচের ব্যাপার। এ ব্যাপারে তারা নির্দিষ্ট স্তরে দরবার করবেন যাতে একাজের জন্য আরো সময় পাওয়া যায়।

আগস্ট ১২, ২০২২
রাজ্য

রাজ্য জুড়ে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার অতি-তৎপরতা নিয়ে তৃণমূল কংগ্রেসের প্রতিবাদ

রাজ্য জুড়ে কেন্দ্রীয় তদন্তকারি সংস্থার অতি-তৎপরতার বিরুদ্ধে রাস্তায় নামলো তৃণমূল কংগ্রেস। বৃহস্পতিবার অনুব্রত মণ্ডলের গ্রেপ্তার হওয়ার পর রাজ্য শাসকদলের প্রেস বিবৃতি দিতে এসে চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য জানিয়েছিলেন শুক্র ও শনিবার রাস্তায় নামবে তৃণমূল ছাত্র যুব সংগঠন। সিবিআই নিরপেক্ষ ভাবে কাজ করুক এই দাবিতে রাস্তায় নামলো পুর্ব বর্ধমান জেলা যুব তৃণমূল কংগ্রেস ও জেলা তৃণমূল ছাত্র পরিষদ। শুক্রবার বিকালে শহরের বীরহাটা থেকে কার্জনগেট চত্বর পর্যন্ত মহামিছিলের আয়োজন করা হয়। মিছিল শেষে কার্জনগেট চত্বরেই হয় বিক্ষোভ সভা। উপস্থিত ছিলেন রাজ্যে মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ, বিধায়ক খোকন দাস, অলোক মাঝি, রাজ্যে যুব তৃণমূল কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক শান্তনু কোনার, তৃণমূল কংগ্রেস ছাত্র পরিষদের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন সহ যুব তৃণমূলের নেতৃত্বরা।প্রসঙ্গত, অনুব্রত মন্ডলের গ্রেপ্তারির পর দিকে দিকে চলছে বিরোধীদের বিক্ষোভ। এই পরিস্থিতিতে দলীয় কর্মীদের মনোবলকে চাঙ্গা করতে তৃণমূল নেতৃত্বের এদিনের প্রতিবাদ মিছিল বলে রাজনৈতিক সূত্রে খবর। তাঁদের দাবী কেন্দ্রের বিজেপি সরকার বিরোধী দলগুলোর প্রতিবাদের ভাষা কেড়ে নিয়ে কন্ঠরোধ করতে আসরে নেমেছে।তৃণমূল নেতৃত্বের দাবি, সিবিআই ও ইডি কে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য ব্যবহার করছে। তাঁরা মিছিল থেকে এই অভিযোগ তোলে। বিজেপি তৃণমূল কংগ্রেসের মনোবল ভেঙে দেবার চেষ্টা করছে। কিন্তু তৃণমূলকে চমকে, ধমকে কিছু হবে না বলে প্রতিবাদ মিছিল থেকে দাবি করেন জেলা তৃণমূল নেতৃত্ত্ব। সিবিআই ও ইডির বিরুদ্ধে বুকে পোষ্টার লাগিয়ে প্রতিবাদ মিছিলে সামিল হয় তৃণমূল নেতৃত্ত্ব। মিছিল থেকে ওঠে সিবিআই ও ইডির বিরুদ্ধে স্লোগান।

আগস্ট ১২, ২০২২
রাজ্য

বর্ধমানে মুখ্যমন্ত্রীর সভা সফল করতে প্রস্তুতি বৈঠক রায়ানে

আগামী ২৭ জুন বর্ধমানের এগ্রিকালচার ফার্মের ময়দানে সভা করবেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তারপরে ২১ জুলাই ধর্মতলায় শহিদ দিবস। এই দুই অনুষ্ঠানকে সফল করতে বর্ধমান এক নম্বর ব্লক তৃণমূল কংগ্রেস কমিটি ময়দানে নেমে পড়েছে। দেওয়াল লিখন থেকে দলীয় কর্মীদের নিয়ে সভা করছে। বৃহস্পতিবার রায়ান অঞ্চলে সভা করে তৃণমূল কংগ্রেস। ওই সভায় বক্তব্য রাখেন বর্ধমান এক নম্বর ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি কাকলি তা গুপ্ত। এদিন তৃণমূলের কর্মীসভা ছিল ভিড়ে ঠাসা। উল্লেখযোগ্য উপস্থিতি, ডাঙাপারা অঞ্চলের তৃণমূল সদস্য সেখ জামাল, কার্ত্তিক, রিন্টু, সেখ সিরাজ। কাকলি তা গুপ্ত বলেন, এক দেড়শো নয়, এলাকার সমস্ত মানুষকে নিয়ে এগ্রিকালচার ফার্মে পৌঁছাতে হবে আগামী ২৭ জুন। আমাদের এখানে মুখ্যমন্ত্রীর সভা হচ্ছে। দায়িত্ব অনেক বেশি। ১০০ দিনের কাজে মোদী সরকার বাংলাকে বঞ্চনা করছে। সেই দাবি জোরালো করতে হবে। ২৭ জুন মুখ্যমন্ত্রীর সভাকে কেন্দ্র করে বর্ধমানে সাজো সাজো রব। ওই দিনই প্রশাসনিক বৈঠক করবেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

জুন ২৩, ২০২২
বিদেশ

চতুর্থ বৈঠকও নিস্ফলা, ইউক্রেনের দাবি মানতে নারাজ রাশিয়া

চতুর্থ বৈঠকও সম্পূর্ণ নিস্ফলা। ১৫ দিন বাদেও রফাসূত্র মিলল না রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের। বৃহস্পতিবারই তুরস্কে ইউক্রেনের বিদেশমন্ত্রী দিমিত্রো কুলেবা রাশিয়ার বিদেশমন্ত্রী সার্গেই লাভরভের সঙ্গে বৈঠক করেন। কিন্তু সেই বৈঠকেও কোনও রফাসূত্র মেলেনি। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইউক্রেনের উপরে রাশিয়া সামরিক অভিযান শুরু করার পর এই প্রথম দুই বিদেশমন্ত্রী মুখোমুখি বৈঠকে বসেন।বৈঠক শেষে ইউক্রেনের বিদেশমন্ত্রী দিমিত্রো কুলেবা জানান, ইউক্রেনের তরফে যুদ্ধবিরতি ও মারিউপোল থেকে মানবিক করিডর তৈরির আর্জি জানানো হয়েছিল, কিন্তু রাশিয়ার তরফে সেই আবেদন স্বীকার করা হয়নি। অন্যদিকে, রাশিয়ার বিদেশমন্ত্রী লাভরভ জানান, বেলারুশে কূটনৈতিক স্তরের আলোচনার বিকল্প হতে পারে না। তবে দুইপক্ষেই ফের একবার বৈঠকে বসতে রাজি হয়েছেন যুদ্ধ থামানোর রফাসূত্র খোঁজার জন্য।ইউক্রেনের বিদেশমন্ত্রী বলেন, আমি রাশিয়ার বিদেশমন্ত্রী লাভরভের কাছে খুব সহজ একটা প্রস্তাব দিয়েছিলাম। আমি ইউক্রেনের মন্ত্রী, কর্তৃপক্ষ, প্রেসিডেন্টকে এখুনি ফোন করতে পারি এবং মানবিক করিডর তৈরির জন্য ১০০ শতাংশ নিরাপত্তার গ্যারান্টি দিতে পারি। আমি ওনার কাছে জানতে চেয়েছিলাম যে উনিও একই কাজ করতে পারবেন কিনা। উনি কোনও উত্তর দেননি।এদিকে, রাশিয়ার বিদেশমন্ত্রীর দাবি, ইউক্রেনের প্রতিনিধি কেবল বৈঠকে যোগ দিতে হবে, সেই কারণেই এসেছিলেন। যুদ্ধবিরতির দাবি আলোচ্য বিষয় ছিল না। তিনি পরমাণু আক্রমণ বা যুদ্ধের সম্ভাবনাও উড়িয়ে দিতে তিনি বলেন, আমি বিশ্বাস করি না যে ইউক্রেনের সঙ্গে দ্বন্দ্ব পরমাণু যুদ্ধের আকার নিতে পারে। আমি এটা বিশ্বাস করিনা এবং করতেও চাই না।

মার্চ ১১, ২০২২
দেশ

ভারতীয়দের উদ্ধারের পর বাকি সব কাজ, সাফ বার্তা প্রধানমন্ত্রীর

যুদ্ধ শুরু হয়েছে রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে। প্রতিবেশী দুই দেশের মধ্য়ে এই যুদ্ধ ঘিরে গোটা বিশ্ব দুই দলে ভাগ হয়ে যাওয়ায়, তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের আশঙ্কাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে। এই টানাপোড়েনের পরিস্থিতিতে ভারত কোনও দেশের পক্ষই না নিয়ে আলোচনার মাধ্যমে সমাধানসূত্র খোঁজার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। তবে যুদ্ধের মাঝে ইউক্রেনে আটকে পড়েছেন প্রায় ১৮ হাজার ভারতীয় নাগরিক। কীভাবে তাদের সুরক্ষিতভাবে দেশে ফিরিয়ে আনা যায়, তা নিয়েই বৈঠকে বসলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। রবিবারই তিনি উত্তরপ্রদেশ থেকে নির্বাচনী প্রচার সেরে দিল্লিতে ফেরেন, এরপরই তিনি বিদেশ মন্ত্রক-সহ একাধিক মন্ত্রকের শীর্ষ আধিকারিকদের নিয়ে জরুরি বৈঠকে বসেন। কেন্দ্রীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রায় দুই ঘণ্টা ধরে সেই বৈঠক চলে। মূলত ভারতীয়দের উদ্ধার করে আনা নিয়েই কথা হয়েছে।প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, রবিবার রাতেই উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকে বসেন প্রধানমন্ত্রী। দুই ঘণ্টা ধরে চলা সেই বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি জানিয়েছেন, যুদ্ধের মাঝে ইউক্রেনে যে সমস্ত ভারতীয়রা আটকে রয়েছেন, তাদের সুরক্ষিতভাবে দেশে ফিরিয়ে আনাই আপাতত কেন্দ্রের কাছে সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। ইউক্রেনে ভারতীয় পডুয়াদের সুরক্ষার ব্যবস্থা এবং তাদের সুরক্ষিতভাবে ওই দেশ থেকে কীভাবে উদ্ধার করে আনা যায়, তার উপরই বিশেষ জোর দিতে হবে।কেন্দ্রীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ইউক্রেনের এয়ারস্পেস বন্ধ থাকায় আপাতত হাঙ্গেরি, রেমানিয়ার মতো প্রতিবেশী দেশগুলিতেই ভারতীয় উদ্ধারকারী বিমান পাঠানো হচ্ছে। দ্রুত ও আরও সুষ্ঠভাবে যাতে উদ্ধারকার্য পরিচালন করা যায়, তার জন্য ইউক্রেনের প্রতিবেশী দেশগুলির সঙ্গে আলোচনা করার কথাও বলেছেন প্রধানমন্ত্রী মোদি।সূত্রের খবর, বিদেশ সচিব হর্ষবর্ধন শ্রিংলা একটি উপস্থাপনা পেশ করেন প্রধানমন্ত্রীর সামনে। ইউক্রেনে যে প্রায় ১৮ হাজার ভারতীয় আটকে রয়েছে, যাদের মধ্যে ১৬ হাজারই পড়ুয়া, তাদের বর্তমান অবস্থা, ইউক্রেনে অবস্থিত ভারতীয় দূতাবাসের কার্যপদ্ধতি এবং উদ্ধারকার্য সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য জানান প্রধানমন্ত্রীকে। ভারতীয়দের উদ্ধারের জন্য যে অপারেশন গঙ্গা শুরু করা হয়েছে এবং তার অধীনে ইতিমধ্যেই চারটি বিশেষ বিমানে কয়েক হাজার ভারতীয়কে ফিরিয়ে আনা হয়েছে, সেই বিষয়েও অবগত করা হয়েছে প্রধানমন্ত্রীকে। বাকি যারা এখনও আটকে রয়েছেন, তাদের দ্রুত ফিরিয়ে আনার ব্যবস্থা করা হয় এবং যারা এই মুহূর্তে ফিরতে চান না, তাদের জন্যও যাতে নিরাপদ আশ্রয়ের ব্যবস্থা করা হয়, তার নির্দেশ দিয়েছেন নমো।

ফেব্রুয়ারি ২৮, ২০২২
দেশ

নীতীশ কুমারের সঙ্গে নৈশভোজে পিকে!

বাংলায় তৃণমূলের সঙ্গে তাঁর সম্পর্কের জল্পনার মধ্যেই এ বার বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমারের সঙ্গে নৈশাহারে দেখা গেল প্রশান্ত কিশোরকে। যা দিল্লিতে নতুন জল্পনার জন্ম দিয়েছে।ভোটকুশলী প্রশান্ত কিশোর নিজেকে এক জন ব্যর্থ রাজনীতিবিদ বলে প্রকাশ্যে দাবি করেন। বাংলার বিধানসভা ভোটের পর তিনি নির্বাচনী পরামর্শদাতার কাজ ছেড়ে পুরোদস্তুর রাজনীতিতে পুনঃপ্রবেশ করবেন, তা-ও জানিয়েছিলেন। কিন্তু কংগ্রেসের সঙ্গে তাঁর আলোচনা ফলপ্রসূ হয়নি। তা হলে এ বার কি তিনি নিজের পুরনো দল সংযুক্ত জনতা দল (জেডিইউ)-এই ফিরতে চলেছেন? এই জল্পনার জন্ম দিয়েছে রাজধানী দিল্লির কিছু খণ্ডচিত্র।প্রশান্ত কিশোর সাংবাদিকদের বললেন, এই সাক্ষাৎ স্রেফ সৌজন্যমূলক। রাজনৈতিকভাবে আমরা এখন দুই গোলার্ধের মানুষ। তিনি জানান, নীতীশ করোনা আক্রান্ত হওয়ার পর স্বাস্থ্যের হাল জানতে ফোন করেছিলেন। তখনই নীতীশ তাঁকে এক দিন নিমন্ত্রণ করেন। যা ঘটনাচক্রে শুক্রবার সম্পন্ন হল।এমনিতে প্রশান্ত কিশোর রাজনৈতিক নেতানেত্রীদের সঙ্গে সাক্ষাৎ বা বৈঠকের ক্ষেত্রে অত্যন্ত গোপনীয়তা বজায় রাখেন। কিন্তু শুক্রবার নীতীশের সঙ্গে সাক্ষাতের ব্যাপারটি তিনি গোপন রাখেননি। বরং দুপক্ষের ইচ্ছাতেই সেটি প্রকাশ্যে এসেছে। যাতে গুঞ্জনের অবকাশ আরও বেড়ে গিয়েছে। হঠাৎ কেন নীতীশের সঙ্গে প্রকাশ্যে সাক্ষাৎ করলেন পিকে? কংগ্রেসের সঙ্গে আলোচনা ব্যর্থ হওয়ার পর কি এ বার নিজের পুরনো দল জেডিইউ-এর সঙ্গে সম্পর্ক ঝালাই করতে উদ্যোগ নিচ্ছেন পিকে। সাম্প্রতিক কয়েকটি সাক্ষাৎকারে নীতীশকে নিয়ে তাঁর বলা কিছু কথা থেকে অন্য রকম ইঙ্গিত পাচ্ছিল রাজনৈতিক মহল। এ বার নীতীশ-পিকের নৈশভোজ সেই জল্পনায় ঘি ঢালল।

ফেব্রুয়ারি ১৯, ২০২২
রাজনীতি

উত্তরবঙ্গ থেকে ফিরেই জাতীয় কর্মসমিতির বৈঠক ডাকলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

চার পুরসভার নির্বাচনের ফলাফল ৪০ দেখে উত্তরবঙ্গ সফরে গিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আর সেখান থেকে ফিরবেন ১৭ ফেব্রুয়ারি। তারপরই তৃণমূল সুপ্রিমো জাতীয় কর্মসমিতির প্রথম বৈঠক ডেকেছেন নিজের বাসভবন কালীঘাটে। সম্প্রতি তিনি সব শীর্ষ পদ অবলুপ্ত করে দিয়ে জাতীয় কর্মসমিতি গঠন করেন। তৈরি হয়েছে ওয়ার্কিং কমিটি। এবার বিশেষ বৈঠক।সম্প্রতি দলে এক ব্যক্তি এক পদ নিয়ে হাজার টানাপোড়েনের মাঝেই পরিস্থিতি সামলাতে আসরে নামেন স্বয়ং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। গত শনিবার বিকেলে তিনি দলের সমস্ত শীর্ষ নেতাদের নিয়ে বৈঠকে বসেন। সেখানেই সমস্ত পদের অবলুপ্তি ঘটিয়ে নতুন করে জাতীয় কর্মসমিতি গড়ে দেন। নতুন কর্মসমিতির সদস্যদের নাম ঘোষণা করেন দলের বর্ষীয়ান নেতা পার্থ চট্টোপাধ্যায়। দলের সর্বভারতীয় সভানেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ছাড়া এই কর্মসমিতিতে রয়েছেন মোট ১৯ জন। তবে, পার্থ চট্টোপাধ্যায় মোট ১৬ জনের নাম ঘোষণা করেছেন। পরে পূর্ণাঙ্গ তালিকা নির্বাচন কমিশনের কাছে জমা দেবেন বলে জানিয়েছিলেন দলের সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।তৃণমূল কংগ্রেস সূত্রে খবর, আগামী ১৮ ফেব্রুয়ারি, শুক্রবার কালীঘাটে দলের জাতীয় কর্মসমিতির প্রথম বৈঠকের ডাক দিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ১৭ তারিখ ফিরেই তিনি ১৮ তারিখ বৈঠকে বসবেন। সেখানে কিছু পদাধিকারীদের নাম ঘোষণা করতে পারেন তিনি। এখন জাতীয় কর্মসমিতির শীর্ষে রয়েছেন চেয়ারপার্সন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে।কেন এই বৈঠক ডাকলেন তড়িঘড়ি? সূত্রের খবর, চার পুরসভার মধ্যে তিনটির মেয়র পদ ঘোষণা করতে পারেন তিনি। দলের কয়েকটি পদে কারা বসবেন জানাতে পারেন তিনি। এখন অন্যান্য রাজ্যে কিভাবে সংগঠন গড়ে তোলা হবে তা নিয়ে নির্দেশ দিতে পারেন তিনি। এমনকী শীর্ষ পদাধিকারীদের নামও ঘোষণা করতে পারেন তিনি।

ফেব্রুয়ারি ১৫, ২০২২
রাজনীতি

জরুরি ভিত্তিতে কালীঘাটের বাসভবনে বৈঠক ডাকলেন মমতা

চার পুরনিগমের ভোটগ্রহণের দিন শনিবার। এদিনই জরুরি ভিত্তিতে কালীঘাটের বাসভবনে বৈঠক ডাকলেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এই মুহূর্তে দলের সর্বস্তরে যে গণ্ডগোল ও মনোমালিণ্যের পালা চলছে তা নিয়েই আলোচনা হতে পারে বলে সূত্রের খবর। আগামিকাল কালীঘাটে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতে বিকেল ৫ টা নাগাদ তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্বের বৈঠক রয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। সেই বৈঠকে উপস্থিত থাকতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, পার্থ চট্ট্যোপাধ্যায়, ফিরহাদ হাকিম, অরূপ বিশ্বাস, চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য, সুব্রত বক্সী ও সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়কে।সূত্রের খবর, ১০৮ পুরসভার প্রার্থী তালিকা নিয়ে জেলায় জেলায় বিক্ষোভ চলছে। একাধিক জেলার নেতারা রয়েছেন দ্বিধাবিভক্ত, সেই পরিস্থিতির সামাল কীভাবে দিতে হবে তা নিয়ে বিস্তরা আলোচনা হতে পারে। এছাড়াও দলের বর্তমানে একাধিক নীতি নিয়ে চিন্তায় জেলার নেতারা। নতুন নিয়ম কার্যকর না হলেও পুরানো নিয়ম বজায় থাকবে কি না তা নিয়ে বারবার সুব্রত বক্সী ও পার্থ চট্ট্যোপাধ্যায়ের কাছে ফোন আসছে বিভিন্ন জেলা থেকে। তা নিয়েও আলোচনা হতে পারে। দলে আদৌ এক ব্যক্তি এক পদ নীতি বজায় থাকবে কি না তা নিয়েও আলোচনা হতে পারে বলে জানা যাচ্ছে। এছাড়াও ইদানিং সৌগত রায়, মদন মিত্র কিংবা কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় দলের বিভিন্ন আভ্যন্তরীন বিষয় নিয়ে প্রকাশ্যে মুখ খুলছেন, তা নিয়ে কী ব্যবস্থা নেওয়া যায় তাও উঠবে এই জরুরি বৈঠকে। এছাড়াও আগামী দিনে জাতীয় স্তরে দলের সংগঠন কীভাবে এগোবে, তা নিয়েও রূপরেখা তৈরি করতে আলোচনা হবে বলেও জানা যাচ্ছে।

ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২২
কলকাতা

রাজ্যপাল ফোন করেন? পুলিশ আধিকারিককে ভর্ৎসনা মুখ্যমন্ত্রীর

পূর্ব মেদিনীপুরের প্রশাসনিক কর্তাদের উপর রাজনৈতিক চাপ তৈরি করা হচ্ছে বলে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অভিযোগ করেছেন। ওই জেলার বিভিন্ন এলাকায় সাম্প্রদায়িক অশান্তি তৈরি করার চেষ্টা করা হচ্ছে বলেও তিনি অভিযোগ করেন।জেলার পুলিশ সুপার অমরনাথ কে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন,পূর্ব মেদিনীপুর জেলা সম্পর্কে তার কাছে বেশ কিছু অভিযোগ এসেছে। তার ওপর রাজনৈতিক চাপ তৈরি করা হচ্ছে কি না, রাজ্যপাল তাকে ফোন করে সরাসরি কোনও নির্দেশ দিচ্ছেন কি না পুলিশ সুপারের কাছে তা জানতে চান মুখ্যমন্ত্রী। পূর্ব মেদিনীপুর জেলা প্রশাসনকে ভয়মুক্ত হয়ে কাজ করারও তিনি নির্দেশ দেন।বৃহস্পতিবার নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়ামে জেলা স্তরে প্রশাসনিক পর্যালোচনা বৈঠকে পূর্ব মেদিনীপুর জেলার পুলিশ সুপার অমরনাথ কে এ বিষয়ে সুস্পষ্ট নির্দেশ দেন মুখ্যমন্ত্রী। বৈঠক চলাকালীন হঠাৎই তিনি জানতে চান , কোথায় পূর্ব মেদিনীপুরের পুলিশ সুপার? লুকিয়ে আছে? মুখ্যমন্ত্রীর সেই প্রশ্ন ছুঁড়ে আসন থেকে উঠে দাঁড়াতেই মুখ্যমন্ত্রী একের পর এক প্রশ্ন ছুঁড়ে দিলেন তাঁর দিকে। বললেন, তোমার জেলা সম্পর্কে বেশ কিছু অভিযোগ পাচ্ছি। কাউকে কাউকে সাজিয়ে দাঙ্গা লাগানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। হিংসা ছড়ানোর চেষ্টা চলছে, অভিযোগ আসছে। অনেক দিন ধরে দেখছি। অনেক দিন বলেছি, কিছু করা হয়নি। তুমি কি ওখানে কাজ করতে ভয় পাচ্ছো? তোমাকে কি রাজ্যপাল ফোন করছেন? এটা কোরোনা, ওটা কোরোনা, এসব নির্দেশ দিচ্ছেন রাজ্যপাল?তোমাকে ফোন করলেও তুমি বলবে না জানি। তবে ভয় পেও না। তোমাকে অনেক আশা নিয়ে ওখানে পাঠিয়েছিলাম। কিন্তু আমি হলদিয়া নিয়েও কমপ্লেন পেলাম। দুইজন গ্রেপ্তার হল। কিন্তু তোমরা থাকতে আমাকে কেন মাথা ঘামাতে হবে? কারও কথা না শুনে কাজ করতে হবে। ভয় পাওয়ার দরকার নেই। মনে রাখতে হবে জেলার পুলিশ সুপার রাজ্য সরকারের অফিসার। আর যদি তোমার ওখানে কাজ করতে ভয় লাগে পলিটিক্যালি প্রেশারের কারণে তাহলে আমাকে সেটা জানিও। এই পূর্ব মেদিনীপুর জেলা একসময় অধিকারীদের গড় হিসাবেই পরিচিত ছিল। একুশের ভোটে বিজেপির হার ও দলবদলের জেরে নিজ জেলাতেই এখন চূড়ান্ত কোণঠাসা দশায় রয়েছে অধিকারীরা। কিন্তু কেন্দ্রীয় সরকার এবং রাজ্যপালকে কাজে লাগিয়ে পরোক্ষে প্রশাসনের উপরে তারা চাপ সৃষ্টি করতে চাইছেন বলে এদিন ইঙ্গিত মিলেছে মুখ্যমন্ত্রীর কথায়।

ফেব্রুয়ারি ০৩, ২০২২
দেশ

জেলাশাসকদের নির্দিষ্ট সময়ে কাজ সেরে ফেলার নির্দেশ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

শনিবার জেলাশাসকদের সঙ্গে বৈঠকে বসেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এই ভার্চুয়াল বৈঠকে দেশের বিভিন্ন জেলার জেলাশাসকরা উপস্থিত ছিলেন। জেলাশাসকদের এদিন তাৎপর্যপূর্ণ বার্তা দেন প্রধানমন্ত্রী। সরকারি কাজ শেষ করার ক্ষেত্রে দ্রুততাকেই প্রাধান্য দিয়েছেন নরেন্দ্র মোদি। নির্দিষ্ট সময় বেঁধে মানুষের কাজ করার ওপর বাড়তি জোর দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।দেশের প্রতিভা ও নতুনত্বের অভাব নেই। প্রত্যেক জেলার জেলাশাসককে, জেলার লুকিয়ে থাকা বিশেষ গুণ খুঁজে বের করার ওপর জোর দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। জেলার কর্ম দক্ষতার ওপর নির্ভর করেই বিশ্বে সেই জেলা আলাদা পরিচয় লাভ করতে পারবে বলেই মনে করেন নরেন্দ্র মোদি। জেলাশাসকদের তাঁর বার্তা, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক স্তরে নিজের জেলাকে তুলে ধরার দায়িত্ব আপনাদের। জেলার বাসিন্দাদের বিশেষ দক্ষতা খুঁজে বের করে সেটা কাজে লাগানোর জন্য জেলাশাসকদের আবেদন করেছেন প্রধানমন্ত্রী।বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ১০০ শতাংশ পরিষেবা অসুবিধার লক্ষ্যমাত্রা রেখে প্রত্যেকটি জেলায় আমাদের কাজ করতে হবে। নির্দিষ্ট সময়ে কাজ শেষ করার জন্য বিভিন্ন জেলার ক্ষেত্রে রোডম্যাপ তৈরি করতে হবে যাতে আগামী দুবছরে সব কাজ শেষ হয়ে যায়।জেলাশাসকদের নিয়ে এদিনের বৈঠকে আরও একটি উদ্ভাবনী পদ্ধতির কথা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। পরবর্তী ৩ মাসের মধ্যে মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নততর করতে ১০ কাজকে বেছে নেওয়ার কথা বলেছেন তিনি। ৩ মাসের মধ্যে ওই ১০টি কাজ অবশ্যই শেষ করতে হবে বলে জানিয়েছেন মোদি। দেশের ৭৫তম স্বাধীনতা দিবস উদযাপনে আজাদি কা অমৃত মহোৎসব কর্মসূচি নিয়েছে কেন্দ্র। সেই কর্মসূচির আওতায় আরও ৫ টি কাজ বেছে নিয়ে শেষ করার কথা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।এই দিনের বৈঠকে ডিজিটাল পরিষেবার ওপর জোর দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, ভারতে ডিজিটাল পরিকাঠামোতে নিঃশব্দ উন্নয়ন হচ্ছে। জেলার প্রত্যেকটি প্রান্তে ডিজিটাল সুযোগ-সুবিধা যেন পৌছে যায় সেদিকে নজর দিতে হবে। প্রধানমন্ত্রী জানিয়েছেন, ২২ টি রাজ্যের ১৪২ টি জেলা কাজের ভিত্তিতে পিছিয়ে পড়েছে, সেই জেলাগুলিতে দ্রুততার সঙ্গে কাজ করার আবেদন জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

জানুয়ারি ২২, ২০২২
খেলার দুনিয়া

গুরুতর অসুস্থ সুভাষ ভৌমিক, চিকিৎসার জন্য জরুরি বৈঠক, এগিয়ে এলো তিন প্রধান

গুরুতর অসুস্থ ভারতীয় দলের প্রাক্তন ফুটবলার তথা স্বনামধন্য কোচ সুভাষ ভৌমিক। তাঁর শারিরীক অবস্থা এমন পর্যায়ে পৌঁছে গিয়েছিল, বেশ কিছুদিন আগে হাসপাতালে ভর্তি করতে হয়। এই অবস্থায় সুভাষ ভৌমিকের চিকিৎসার জন্য এগিয়ে এল রাজ্য সরকার। সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিচ্ছে আইএফএসহ কলকাতার তিন প্রধান। শুক্রবার এক বৈঠকে সুভাষ ভৌমিকের চিকিৎসা সংক্রান্ত যাবতীয় রূপরেখা তৈরি হয়েছে।দীর্ঘদিন ধরেই সুগার ও কিডনির অসুখে ভুগছেন সুভাষ ভৌমিক। নিয়মিত ডায়ালিসিস করাতে হত। প্রতিদিন বাড়ি থেকে হাসপাতালে নিয়ে গিয়ে ডায়ালিসিস করা কঠিন হয়ে পড়েছিল। তার ওপর ফুসফুসে সংক্রমণ ধরা পড়ায় সমস্যা আরও বেড়ে যায়। তাই কয়েকদিন আগে একবালপুরের এক নার্সিংহোমে ভর্তি করা হয় সুভাষ ভৌমিককে। তাঁর আরও ভাল চিকিৎসার জন্য শুক্রবার নব মহাকরণে ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাসের দপ্তরে একটি জরুরি বৈঠক ডাকা হয়েছিল। বৈঠকে ভাস্কর গাঙ্গুলি, মনোরঞ্জন ভট্টাচার্য, বিকাশ পাঁজি, বিদেশ বসু, মানস ভট্টাচার্যর মতো প্রাক্তন ফুটবলাররা ছাড়াও হাজির ছিলেন আইএফএ এবং কলকাতার তিন প্রধানের কর্তারা। ইস্টবেঙ্গলের পক্ষ থেকে ছিলেন দেবব্রত সরকার, মোহনবাগানের দেবাশিস দত্ত, মহমেডানের কামারুদ্দিন। আইএফএর পক্ষ থেকে হাজির ছিলেন সভাপতি অজিত ব্যানার্জি। এছাড়া সুভাষ ভৌমিকের ছেলে অর্জুন ভৌমিক ছাড়াও বৈঠকে ডাকা হয়েছিল মেডিকা সুপার স্পেশালিটি হাতপাতালের ডিরেক্টরসহ মেডিকেল টিমকে।সুভাষ ভৌমিকবৈঠকে ঠিক হয়েছে সুভাষ ভৌমিকের উন্নত চিকিৎসার জন্য মেডিকা হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হবে তাঁকে। সুভাষ ভৌমিকের কিডনি প্রতিস্থাপনের বিষয়টিও খতিতে দেখছে মেডিকার মেডিকেল টিম। স্বাস্থ্যসাথী কার্ডের মাধ্যমেই হবে তাঁর চিকিৎসা। তবে কিডনি প্রতিস্থাপনের বিষয়টা যথেষ্ট খরচ সাপেক্ষ। তাই বৈঠকে ঠিক হয়েছে বাড়তি অর্থর জন্য কলকাতার তিন প্রধানসহ আইএফএ সুভাষ ভৌমিকের পাশে দাঁড়াবে। ব্যক্তিগতভাবে ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাসও পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। ইতিমধ্যেই তিনি প্রায় ৪০ হাজার টাকার ঔষুধ সুভাষ ভৌমিকের চিকিৎসার জন্য কিনে দিয়েছেন।

জানুয়ারি ২১, ২০২২
রাজনীতি

উত্তরপ্রদেশ ভোটের আগে আজ কালীঘাটে অখিলেশের দূত কিরণময় নন্দ

মঙ্গলবার কালীঘাটে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে আসছেন সমাজবাদী পার্টি নেতা কিরণময় নন্দ। সপা নেতার তৃণমূল সুপ্রিমোর সঙ্গে সাক্ষাৎ অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। সূত্রের খবর, ইতিমধ্যেই তৃণমূলের তরফে জানানো হয়েছে যোগী রাজ্যের ভোটে তারা প্রার্থী দেবে না। বরং তাদের পূর্ণ সমর্থন থাকবে অখিলেশ যাদবের সমাজবাদী পার্টির প্রতি। অখিলেশের দূত এবং এ রাজ্যের প্রাক্তন মৎসমন্ত্রী কিরণময় নন্দের সঙ্গে সাক্ষাতের পর সে বিষয়টি আরও স্পষ্ট হতে পারে বলেও মনে করা হচ্ছে।সূত্রের খবর, মঙ্গলবার কিরণময় নন্দ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতে যাবেন। কালীঘাটে বিকেল সাড়ে ৪টের সময় এই বৈঠক হবে। বৈঠক শেষে দু দলের তরফে কোনও যৌথ বিবৃতি উঠে আসে কি না সেদিকে নজর থাকবে সমস্ত মহলের। উল্লেখ্য ২০২১ সালে বাংলায় বিধানসভা ভোটের সময় সপা নেত্রী জয়া বচ্চন এসেছিলেন এ রাজ্যে। তৃণমূলের হয়ে কলকাতায় প্রচার করেছিলেন তিনি। কিরণময় নন্দও প্রচার করেছিলেন তৃণমূলের সমর্থনে। নন্দীগ্রামে প্রচার করেছিলেন তিনি। অর্থাৎ বাংলার ভোটের সময় সমাজবাদী পার্টি তৃণমূলের প্রতি তাদের সমর্থন স্পষ্ট করেছিল দলের নেতৃত্বকে পাঠিয়ে। এবার তারই পাল্টা ছবি দেখা যেতে পারে।উত্তরপ্রদেশ ভোটে বিজেপিকে হারাতে মরিয়া সমাজবাদী পার্টি। সেই লড়াইয়ে তৃণমূলের পাশে থাকার বার্তাই এদিনের বৈঠকের পর উঠে আসবে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

জানুয়ারি ১৮, ২০২২
রাজ্য

Corona: করোনা রুখতে ৫ জেলাকে সতর্ক করল নবান্ন

করোনা সংক্রমণের ঊর্ধ্বগতির প্রেক্ষিতে রাজ্য সরকার রাজ্যের পাঁচ জেলাকে বিশেষভাবে সতর্ক করে দিয়েছে। মুখ্যসচিব হরিকৃষ্ণ দ্বিবেদী সোমবার সন্ধ্যায় রাজ্যের করোনা পরিস্থিতি নিয়ে জেলা প্রশাসনের সঙ্গে এক ভার্চুয়াল বৈঠক করেন।কলকাতা, হাওড়া,উত্তর ২৪ পরগনা, হুগলি, বীরভূমে আশঙ্কাজনক সংক্রমণ বৃদ্ধি নিয়ে মুখ্যসচিব উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বলে নবান্নে প্রশাসনিক সূত্রে জানা গিয়েছে।ওইসব জেলায় কোভিড বিধি কঠোরভাবে বলবৎ করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সেজন্য প্রশাসনিক নজরদারি আরও বাড়াতে বলা হয়েছে। সংক্রমণ রুখতে প্রয়োজনে আরও বেশি করে মাইক্রো কনটেনমেন্ট জোন চালু করতে বলা হয়েছে। পাশাপাশি মুখ্যসচিব মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক করা ও সব ধরনের কোভিডবিধি মেনে চলার ওপর নির্দেশ দিয়েছেন। তবে রাজ্য সরকারের নির্দেশিকার বাইরে গিয়ে অতিরিক্ত কড়াকড়ি করা যাবে না বলেও প্রশাসনকে স্পষ্টভাবে নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যসচিব।করোনা সংক্রমণের বিরুদ্ধে কার্যকরী প্রতিরোধ গড়ে তুলতে টিকাকরেণ আরও জোর দেওয়ারও তিনি নির্দেশ দিয়েছেন। এ রাজ্যে বহু সংখ্যক মানুষের এখনো দ্বিতীয় ডোজের টিকা না পাওয়ার কথা উল্লেখ করে তিনি অবিলম্বে তাদের টিকাকরণ শেষ করার জন্য জেলা প্রশাসনকে উদ্যোগী হতে বলেন। হাসপাতালের বেড বাড়াতে এবং পর্যাপ্ত পরিমাণ সেফ হোম তৈরি করতে তিনি জেলা প্রশাসনকে নির্দেশ দেন। মানুষ যাতে বাড়িতে থেকেই উপযুক্ত চিকিৎসা পান তার জন্য টেলিমেডিসিন পরিষেবার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।বৈঠকে স্বাস্থ্যসচিব নারায়ণ স্বরূপ নিগম বিপুল সংখ্যক করোনার সংক্রমণ ছড়ানোর প্রেক্ষিতে স্বাস্থ্য ব্যবস্থাকে অটুট রাখতে সংক্রমিত স্বাস্থ্যকর্মীদের সাত দিনের নিভৃতবাসের শেষে অন্য কোনও শারীরিক সমস্যা না থাকলে নিয়ম মেনে কাজে যোগ দেওয়ার নির্দেশ দেন।

জানুয়ারি ১০, ২০২২
রাজ্য

Modi-Meeting: সব রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীদের সঙ্গে আজই ভার্চুয়াল বৈঠকে করতে পারেন মোদি

দেশে লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে করোনা গ্রাফ। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে একদিনে দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যা ১ লক্ষ ১৭ হাজার ১০০ জন। উত্তরোত্তর কোভিড পরিস্থিতির অবনমনের জেরে এ বার সব রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীদের সঙ্গে ভার্চুয়ালি বৈঠক করতে পারেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তবে, সেই বৈঠকের সিদ্ধান্ত এখনও চূড়ান্ত হয়নি। শুক্রবারই এই বৈঠক হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। বৈঠকে বঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও উপস্থিত থাকবেন বলে খোদ জানিয়েছেন তৃণমূল নেত্রী।সূত্রের খবর, মূলত যে রাজ্যগুলির কোভিড পরিস্থিতি অত্যন্ত খারাপ সেই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীদের এই ভার্চুয়াল বৈঠকে উপস্থিত থাকতে বলা হয়েছে। তালিকায় রয়েছে দিল্লি, তামিলনাড়ু, মহারাষ্ট্র, পশ্চিমবঙ্গ-সহ একাধিক রাজ্য। শুক্রবারের এই ভার্চুয়াল বৈঠকে উপস্থিত থাকবেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

জানুয়ারি ০৭, ২০২২
দেশ

Omicron: ওমিক্রন আতঙ্কে বড়দিন পালনে কড়া বিধিনিষেধ, আজ পর্যালোচনা বৈঠকে মোদি

দেশে উদ্বেগ বাড়িয়ে ঊর্দ্ধমুখী করোনা ভাইরাসের নয়া প্রজাতি ওমিক্রন সংক্রমণ। বুধবারও শহরে নতুন দুই ওমিক্রন আক্রান্তের খোঁজ মিলেছে। ২২ ডিসেম্বর সকালে ভারতে ওমিক্রন আক্রান্তের সংখ্যা ২১৩। রাজ্যেও বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্য়া। করোনার ডেল্টা প্রজাতির তুলনায় প্রায় তিনগুণ বেশি সংক্রামক ওমিক্রন। ফলে কঠোর সতর্কতা জারি করেছেন বিশেষজ্ঞরা।পশ্চিমবঙ্গের পাশাপাশি তেলঙ্গানায় বুধবার ওমিক্রনের ১৪ টি নতুন কেস রিপোর্ট হয়েছে। এরপরেই কেরল এবং গুজরাতে নয়টি, রাজস্থান চারটি, ওডিশা এবং পশ্চিমবঙ্গ প্রতিটিতে দুটি এবং অন্ধ্রপ্রদেশে ওমিক্রনের একটি নতুন কেস সামনে এসেছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ভ্যারিয়েন্ট অফ কনর্সান আখ্যা দেওয়া এই প্রজাতি ১৫ টিরও বেশি রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে মাথা চাড়া দিয়েছে। স্বাস্থ্য মন্ত্রকের তথ্য অনুযায়ী ওমিক্রন সংক্রামিত প্রায় ৯০ জন হয় সেরে উঠেছে বা স্থানান্তরিত হয়েছে।মঙ্গলবার রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলিকে কেন্দ্র বলেছিল যে ওমিক্রন প্রজাতি ডেল্টার থেকেও কমপক্ষে তিনগুণ সংক্রমণযোগ্য। এদিকে আজই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি দেশের কোভিড -১৯ পরিস্থিতি নিয়ে একটি পর্যালোচনা বৈঠক করবেন।দেশে বড়দিনের উৎসবের মরশুম। সে কারণেই দিল্লির ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট অথরিটি ওমিক্রনের আরও বিস্তার রোধ করার জন্য বড়দিন এবং নববর্ষ উদযাপনের সময় গণসমাবেশ নিষিদ্ধ করেছে। বুধবার সংস্থার জারি করে বলেছে, সকল জেলা ম্যাজিস্ট্রেট তাদের এক্তিয়ারের মধ্যে যে সমস্ত এলাকা রয়েছে সেখানে পর্যবেক্ষণ চালাবে এবং যেখানে করোনাভাইরাস এবং ওমিক্রনের সুপারস্প্রেডার হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে সেই সব সংক্রমণযোগ্য পকেট, বাজার এবং জনসংকীর্ণ অঞ্চলগুলি চিহ্নিত করবেন।

ডিসেম্বর ২৩, ২০২১
দেশ

Varanasi-Modi: বারাণসীতে ১৩ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ও উপমুখ্যমন্ত্রীদের নিয়ে বৈঠক প্রধানমন্ত্রীর

সোমবার, কাশী বিশ্বনাথ মন্দির করিডরের প্রথম ধাপের উদ্বোধনের জন্য সেখানে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। শুধুমাত্র প্রকল্প উদ্বোধনই নয়, এদিন দেশের সর্ববৃহৎ দলের সবথেকে বড় নেতা হিসেবেও ধরা দিলেন নমো। এদিন নিজের লোকসভা কেন্দ্র বারাণসীতে বিজেপি শাসিত সব রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ও উপমুখ্যমন্ত্রীদের সঙ্গে বৈঠক করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। রাতে নিজের টুইটারে টুইট করে সেই বৈঠকের ছবি সকলের সঙ্গে ভাগ করে নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী মোদি।Just concluded an extensive meeting in Kashi with @BJP4India Chief Ministers and Deputy Chief Ministers. pic.twitter.com/UCUsMndhwW Narendra Modi (@narendramodi) December 13, 2021টুইটারে তিনি লিখেছেন, বিজেপি শাসিত রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ও উপমুখ্যমন্ত্রীদের সঙ্গে বৈঠক শেষ হল। বৈঠকে বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডাও উপস্থিত ছিলেন। বর্তমানে নিজের লোকসভা কেন্দ্র বারণাসীতে ২ দিনের সফরে গিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। কাশী বিশ্বনাথ মন্দির দেশের অন্যতম জনপ্রিয় তীর্থক্ষেত্র। ৩৩৯ কোটি টাকা ব্যয়ে কাশী বিশ্বনাথ মন্দির করিডরের প্রথম ধাপের কাজ উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী মোদি।আজ, ১৪ ডিসেম্বর বেলা সাড়ে ৩ টের সময়, স্বরভেদ মহামন্দিরে সদগুরু সাদাফলদেও বিহঙ্গম যোগ সংস্থানের ৯৮ তম জন্মজয়ন্তীর বিশেষ অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন তিনি। পাশাপাশি অসম, অরুণাচলপ্রদেশ, গোয়া, গুজরাত, হরিয়ানা, হিমাচলপ্রদেশ, কর্নাটক, মধ্যপ্রদেশ, মণিপুর, ত্রিপুরা, উত্তরপ্রদেশ এবং উত্তরাখণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী ও বিহার এবং নাগাল্যান্ডের উপমুখ্যমন্ত্রীদের সঙ্গে একটি বিশেষ সম্মলনে যোগ দেবেন প্রধানমন্ত্রী মোদি। সেই সম্মেলনে উন্নত সরকারি পরিষেবা নিয়ে আলোচনার পাশাপাশি দেশ গঠনে নিজের দৃষ্টি ভঙ্গি সকলের সামনে তুলে ধরবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

ডিসেম্বর ১৪, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • 10
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

মধ্যমগ্রামে কল সেন্টারে তল্লাশি, বিপুল সিম-মোবাইল উদ্ধার, গ্রেফতার ২৫

মধ্যমগ্রামের দোলতলা সংলগ্ন এলাকায় একটি কল সেন্টারে পুলিশের অভিযানে গ্রেফতার হলেন ২৫ জন। ধৃতদের মধ্যে ৭ জন যুবক এবং ১৮ জন যুবতী বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে। সোমবার দুপুরে মধ্যমগ্রাম থানা ও সাইবার থানার যৌথ বাহিনী ওই প্রতিষ্ঠানে অভিযান চালায়।পুলিশ সূত্রে খবর, গোপন সূত্রে ওই কল সেন্টার সম্পর্কে কিছু তথ্য পাওয়ার পরই অভিযান চালানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সেইমতো সোমবার দুপুর ১২টা নাগাদ দোলতলা সংলগ্ন এলাকায় অ্যাসিওর মোটিভেশন নামে একটি প্রতিষ্ঠানে হানা দেন পুলিশকর্মীরা। সেখানে বেশ কিছুক্ষণ তল্লাশি চালানো হয়।অভিযানের সময় অফিস থেকে উদ্ধার করা হয়েছে ১৯টি মোবাইল ফোন। পাশাপাশি পাওয়া গিয়েছে শতাধিক সিম কার্ড, একাধিক নথি এবং নগদ ৩০ হাজার টাকা। উদ্ধার হওয়া সামগ্রীগুলি ঘিরে পুলিশের সন্দেহ আরও ঘনীভূত হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।এরপরই ওই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত ২৫ জনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। তাঁদের মধ্যে ৭ জন যুবক ও ১৮ জন যুবতী রয়েছেন। ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য বারাসাত থানায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে।তবে এই কল সেন্টারে ঠিক কী ধরনের কাজ চলত, তা এখনও স্পষ্ট নয়। উদ্ধার হওয়া বিপুল সংখ্যক সিম কার্ড এবং মোবাইল ফোন কী কাজে ব্যবহার করা হতো, সেই বিষয়টিও খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। প্রতিষ্ঠানটির সঙ্গে কোনও সাইবার অপরাধের যোগ রয়েছে কি না, সে বিষয়েও পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে। ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ করে কল সেন্টারের কাজকর্ম এবং উদ্ধার হওয়া সামগ্রীর ব্যবহার সম্পর্কে আরও তথ্য জানার চেষ্টা চলছে।

সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২৬
দেশ

সাঁঝ আকাশে একফালি চাঁদের গায়ে উজ্জ্বল আলোক বিন্দু! সন্ধ্যার আকাশে এ কী রহস্য!

অমাবস্যার তিন দিনের মাথায় একফালি চাঁদ। তার পাশেই উজ্জ্বল আলোকবিন্দু। সোমবার সন্ধ্যায় কলকাতা থেকে কোচবিহারআকাশ পরিষ্কার থাকলে উত্তর গোলার্ধের বহু জায়গা থেকেই দেখা গেল মনোরম এই মহাজাগতিক দৃশ্য। চাঁদের পাশে জ্বলজ্বল করা সেই আলোর বিন্দু আসলে শুক্র গ্রহ।সোমবার সন্ধ্যার আকাশে নজর কেড়েছে একফালি বাঁকা চাঁদ। তার ঠিক পাশে উজ্জ্বল আলোর বিন্দু। প্রথম দেখায় অনেকেরই মনে হয়েছে, চাঁদের গায়ে যেন কোনও তারা জ্বলছে। সমাজমাধ্যমেও সেই দৃশ্যের ছবি ছড়িয়ে পড়েছে। তবে ওই আলোকবিন্দু কোনও তারা নয়, শুক্র গ্রহ।অমাবস্যার পর সোমবার চাঁদের বয়স ছিল মাত্র তিন দিন। চাঁদের মাত্র প্রায় ১৪ শতাংশ অংশ আলোকিত ছিল। সেই সরু চাঁদের কাছেই দেখা যায় শুক্রকে। কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গ থেকে উত্তরবঙ্গের কোচবিহার পর্যন্ত আকাশ পরিষ্কার থাকলে এই দৃশ্য নজরে এসেছে।শুধু বাংলায় নয়, পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্ত থেকেই সোমবার সূর্যাস্তের পর চাঁদ ও শুক্রের এই কাছাকাছি অবস্থান দেখা যাওয়ার কথা ছিল। উত্তর গোলার্ধে সূর্য ডোবার পর দক্ষিণ-পশ্চিম আকাশে এই দৃশ্য সবচেয়ে সহজে নজরে পড়ে। দক্ষিণ গোলার্ধ থেকেও চাঁদের পাশে শুক্রকে দেখা যায়।কেন চাঁদের এত কাছে শুক্র?ইন্ডিয়ান সেন্টার ফর স্পেস ফিজ়িক্সের অধিকর্তা অধ্যাপক সন্দীপ চক্রবর্তীর ব্যাখ্যা, এটি কোনও বিরল মহাজাগতিক ঘটনা নয়। পৃথিবী, সূর্য এবং অধিকাংশ গ্রহ কার্যত একই সমতলের কাছাকাছি অবস্থান করে। কিন্তু চাঁদের কক্ষপথ সেই সমতলের সঙ্গে পুরোপুরি মেলে না। পৃথিবীকে প্রদক্ষিণ করার সময় চাঁদ সাধারণত ওই সমতলের প্রায় ৫ ডিগ্রি উত্তর বা দক্ষিণে অবস্থান করে।কখনও কখনও চাঁদ সেই সমতলের কাছাকাছি চলে আসে। তখন পৃথিবী থেকে দেখলে অন্য কোনও গ্রহের কাছাকাছি তাকে দেখা যেতে পারে। সোমবার এমনই এক অবস্থানে ছিল চাঁদ ও শুক্র।চাঁদের কক্ষপথ এবং পৃথিবীর কক্ষপথ একই সমতলে হলে অবশ্য এমন দৃশ্য আরও ঘন ঘন দেখা যেত। আবার চাঁদ যখন পৃথিবী ও সূর্যের মাঝখানে এসে একই সমতলের কাছাকাছি অবস্থান করে, তখনই তৈরি হয় সূর্যগ্রহণের পরিস্থিতি।তাই সোমবারের আকাশের এই দৃশ্য বিরল না হলেও, একফালি চাঁদের পাশে উজ্জ্বল শুক্রের অবস্থান যে দৃষ্টিনন্দন, তা নিয়ে কোনও সন্দেহ নেই।

সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২৬
রাজ্য

ফের পুলিশ হেফাজতে বন্দির রহস্যমৃত্যুর অভিযোগ, চূড়ান্ত চাঞ্চল্যে হুলস্থূল কান্ড

ফের পুলিশ হেফাজতে মৃত্যুর অভিযোগ ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়াল পশ্চিম মেদিনীপুরে। চন্দ্রকোনা থানায় চুরির মামলায় গ্রেফতার হওয়া ২০ বছরের এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। পুলিশের দাবি, থানার শৌচাগারে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছিলেন ওই যুবক। পরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়। যদিও মৃতের পরিবারের অভিযোগ, থানার ভিতরেই তাঁকে খুন করা হয়েছে।মৃত যুবকের নাম রাহুল রুইদাস। তিনি চন্দ্রকোনা থানার অন্তর্গত বগেশ্বরপুরের বাসিন্দা। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রায় চার দিন আগে চুরির অভিযোগে রাহুলকে গ্রেফতার করা হয়। পরে ঘাটাল মহকুমা আদালত তাঁকে চার দিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দেয়।পুলিশের দাবি, রবিবার থানার শৌচাগার থেকে কিছু শব্দ শুনতে পান কর্তব্যরত পুলিশকর্মীরা। সেখানে গিয়ে রাহুলকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান তাঁরা। দ্রুত তাঁকে উদ্ধার করে স্থানীয় গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাঁকে ঘাটাল মহকুমা হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়। সেখানেই চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, রাহুল মাদকাসক্ত ছিলেন। পরিবারের সদস্যরাও তাঁর মাদকাসক্তির কথা স্বীকার করেছেন। তবে একইসঙ্গে তাঁদের অভিযোগ, থানার ভিতরেই রাহুলকে খুন করা হয়েছে। যদিও পরিবারের এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে পুলিশ। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়েছে।এক মাসের ব্যবধানে ফের পুলিশ হেফাজতে মৃত্যুর অভিযোগচন্দ্রকোনার এই ঘটনার আগে গত মাসে উত্তর ২৪ পরগনার হালিশহর থানাতেও পুলিশ হেফাজতে এক ব্যক্তির মৃত্যু ঘিরে বিতর্ক তৈরি হয়েছিল। মৃত ব্যক্তি ছিলেন কাঁচরাপাড়া পুরসভার প্রাক্তন তৃণমূল কাউন্সিলর জেনি শর্মা কেওটের স্বামী বিরজু কেওট।তোলাবাজি-সহ একাধিক দুর্নীতির অভিযোগে বিরজুকে গ্রেফতার করেছিল হালিশহর থানার পুলিশ। পরে আদালত তাঁকে পাঁচ দিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দেয়। মৃতের স্ত্রী জেনি শর্মার অভিযোগ ছিল, তিনি থানার বাইরে চলে যাওয়ার পর লকআপের ভিতরে তাঁর স্বামীকে পুলিশকর্মীরা বেধড়ক মারধর করেন।যদিও পুলিশের দাবি, লকআপের ভিতরে বিরজুকে অসুস্থ অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখা যায়। এরপর জরুরি ভিত্তিতে তাঁকে কল্যাণীর একটি সরকারি মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানেই চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।এই ঘটনার পর পুলিশি গাফিলতির অভিযোগ ওঠে। ১০ আগস্ট মৃতের পরিবারের সঙ্গে দেখা করেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি ঘটনায় ম্যাজিস্ট্রেট পর্যায়ের তদন্তের ঘোষণা করেন। পাশাপাশি মৃতের স্ত্রীকে ১০ লক্ষ টাকা আর্থিক সাহায্য এবং সরকারি চাকরি দেওয়ার কথাও জানান।এর এক দিন আগে, ৯ আগস্ট, মৃত তৃণমূল কর্মীর পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে কাঁচরাপাড়ায় গিয়েছিলেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর সঙ্গে ছিলেন তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় ও দোলা সেন। অভিযোগ, বিজপুর রোডের কাছে মমতার কনভয়কে লক্ষ্য করে স্থানীয়দের একাংশ বিক্ষোভ দেখান। তাঁর গাড়িতে কাদা ও চটি ছোড়ার পাশাপাশি চোর, চোর স্লোগানও দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় রাজনৈতিক উত্তেজনা ছড়ায়।চন্দ্রকোনার সাম্প্রতিক ঘটনাকে ঘিরে ফের পুলিশ হেফাজতে নিরাপত্তা, বন্দিদের সুরক্ষা এবং পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২৬
রাজ্য

কলকাতার একাধিক জনপ্রিয় রাস্তার নাম বদল? কেন তড়িঘড়ি বড় সিদ্ধান্তের পথে বিজেপি সরকার?

কলকাতার একাধিক গুরুত্বপূর্ণ রাস্তার নাম বদলের প্রস্তাব ঘিরে শুরু হয়েছে জোর বিতর্ক। লেনিন সরণি, কার্ল মার্কস সরণি এবং হো চি মিন সরণির নাম পরিবর্তনের প্রস্তাব খতিয়ে দেখছে বঙ্গের নতুন বিজেপি সরকার গঠিত ১০ সদস্যের কমিটি। রাস্তা, সেতু এবং বিভিন্ন জনপ্রিয় পাবলিক প্লেসের নাম পরিবর্তনের বিষয়ে এই কমিটি সুপারিশ করবে। ভারত সেবাশ্রম সংঘের স্বামী প্রদীপ্তানন্দ, যিনি কার্তিক মহারাজ নামে পরিচিত, এই কমিটির নেতৃত্বে রয়েছেন। দুর্গাপুজোর পর কমিটির প্রথম বৈঠক হতে পারে বলে জানা গিয়েছে। সেখানেই কলকাতার বিভিন্ন রাস্তার নাম পরিবর্তনের প্রস্তাবগুলি নিয়ে আলোচনা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।কলকাতা পুরসভার এক আধিকারিক জানিয়েছেন, লেনিন সরণি, কার্ল মার্কস সরণি এবং হো চি মিন সরণি নাম পরিবর্তনের তালিকায় রয়েছে। তবে এখনও কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতেই পরবর্তী পদক্ষেপ করা হবে। কমিটির সদস্যদের মধ্যে রয়েছেন মেঘালয়ের প্রাক্তন রাজ্যপাল তথা বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি তথাগত রায়, মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর উপদেষ্টা সুব্রত গুপ্ত এবং কলকাতা পুরসভার কমিশনার স্মিতা পাণ্ডে।কার্তিক মহারাজ জানিয়েছেন, যে ব্যক্তিদের নামে কলকাতার বিভিন্ন রাস্তার নামকরণ করা হয়েছে, তাঁদের ভারতীয় ও বাঙালি ঐতিহ্য এবং সংস্কৃতির প্রেক্ষাপটে বর্তমান প্রাসঙ্গিকতা খতিয়ে দেখা হবে। তাঁর বক্তব্য, লেনিন সরণি, কার্ল মার্কস সরণি এবং হো চি মিন সরণির নাম পরিবর্তনের প্রস্তাব রয়েছে। এছাড়াও আরও বেশ কিছু রাস্তার নাম বদলের প্রস্তাব কমিটির কাছে জমা পড়েছে। কমিটির সুপারিশ রাজ্য বিধানসভায় পাঠানো হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি।তথাগত রায়ের পক্ষ থেকেও একাধিক নাম পরিবর্তনের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। তাঁর প্রস্তাব অনুযায়ী, লেনিন সরণির নাম করা হতে পারে প্রাক্তন ভারতীয় জনসঙ্ঘ সভাপতি দেবপ্রসাদ ঘোষের নামে। কার্ল মার্কস সরণির নাম বাঙালি কবি মাইকেল মধুসূদন দত্ত অথবা রঙ্গলাল বন্দ্যোপাধ্যায়ের নামে করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। ওই এলাকার সঙ্গে দুই কবিরই যোগসূত্রের কথা উল্লেখ করেছেন তথাগত রায়। অন্যদিকে, হো চি মিন সরণির নাম বদলেরও প্রস্তাব রয়েছে। একইসঙ্গে কলকাতার কোনও একটি গুরুত্বপূর্ণ রাস্তার নাম সর্দার বল্লভভাই প্যাটেলের নামে করার প্রস্তাব দিয়েছেন তিনি।উল্লেখ্য, লেনিন সরণি একসময় ধর্মতলা স্ট্রিট নামে পরিচিত ছিল। ১৯৭০ সালে লেনিনের জন্মশতবর্ষ উপলক্ষে রাস্তার নাম পরিবর্তন করে লেনিন সরণি করা হয়। এর পরের বছর সার্কুলার গার্ডেনরিচ রোডের নাম বদলে করা হয় কার্ল মার্কস সরণি। শুধু বামপন্থী নেতাদের নাম নয়, মুসলিম ব্যক্তিত্বদের নামে থাকা কিছু জায়গার নাম পরিবর্তনেরও প্রস্তাব এসেছে বলে জানা গিয়েছে। এর মধ্যে বারাসতের কাছে তিতুমিরের নামে থাকা বাসস্ট্যান্ডের নামও বদল করা হতে পারে বলে সূত্রের খবর। তবে দীর্ঘদিন ধরে কলকাতার রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক ইতিহাসের সঙ্গে জড়িয়ে থাকা রাস্তার নাম বদলের উদ্যোগ নিয়ে ইতিমধ্যেই প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। সমালোচকদের একাংশের আশঙ্কা, ঐতিহাসিক নাম পরিবর্তনের ফলে শহরের রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়গুলি মুছে যেতে বা তার চরিত্র বদলে যেতে পারে।

সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২৬
বিনোদুনিয়া

দিলজিৎ দোসাঞ্ঝের কনসার্টে ৯২ হাজার! টেলর-এডকে টপকে বিশ্বমঞ্চে নতুন ইতিহাস ভারতীয় তারকার

পাঞ্জাবি গায়ক দিলজিৎ দোসাঞ্ঝ ফের আন্তর্জাতিক মঞ্চে বড় নজির গড়েছেন। লন্ডনের ঐতিহাসিক ওয়েম্বলি স্টেডিয়ামে তাঁর একক কনসার্টে প্রায় ৯২ হাজার দর্শক উপস্থিত ছিলেন বলে জানা গিয়েছে। একদিনের একক কনসার্টে এত বড় দর্শকসমাগমের নজির ভারতীয় শিল্পীর ক্ষেত্রে বিশেষভাবে নজর কেড়েছে।গত ১২ সেপ্টেম্বর ওয়েম্বলি স্টেডিয়ামে মঞ্চে ওঠেন দিলজিৎ। তাঁর গান শুনতে সেখানে ভিড় করেন প্রায় ৯২ হাজার মানুষ। দর্শকসংখ্যার নিরিখে এই কনসার্টের পর আন্তর্জাতিক তারকাদের সঙ্গে দিলজিতের তুলনা শুরু হয়েছে। টেলর সুইফ্ট, এড শিরানের মতো তারকারাও ওয়েম্বলিতে বিপুল দর্শক টেনেছেন। তবে একদিনের একক কনসার্টে দিলজিতের প্রায় ৯২ হাজার দর্শকের উপস্থিতি নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।দিলজিৎ দোসাঞ্ঝই প্রথম ভারতীয় শিল্পী, যিনি ওয়েম্বলি স্টেডিয়ামে একক কনসার্টে প্রায় ৯২ হাজার দর্শক টানার নজির গড়েছেন বলে দাবি করা হচ্ছে। তবে অ্যাডেলের দর্শকসংখ্যার রেকর্ড তিনি ছাপিয়ে যেতে পারেননি।২০২৪ সালে ওয়েম্বলিতে টেলর সুইফ্টের দ্য এরাস ট্যুর-এর প্রতিটি অনুষ্ঠানে প্রায় ৮৯ হাজার করে দর্শক উপস্থিত ছিলেন বলে সমীক্ষায় উঠে এসেছে। ফলে একদিনের কনসার্টের দর্শকসংখ্যার তুলনায় দিলজিতের প্রায় ৯২ হাজারের উপস্থিতি টেলরের সেই সংখ্যার থেকেও বেশি।এড শিরানও ওয়েম্বলি স্টেডিয়ামে একাধিকবার অনুষ্ঠান করেছেন। ২০১৮ সালের ডিভাইড ট্যুর এবং ২০২২ সালের ম্যাথমেটিক্স ট্যুর-সহ তাঁর বিভিন্ন অনুষ্ঠানে দর্শকসংখ্যা প্রায় ৮০ থেকে ৮৪ হাজারের মধ্যে ছিল বলে জানা যায়। সেই তুলনায় দিলজিতের কনসার্টে দর্শকসংখ্যা আরও বেশি।মাইকেল জ্যাকসনের ওয়েম্বলি রেকর্ডের সঙ্গেও দিলজিতের কনসার্টের তুলনা শুরু হয়েছে। অতীতের হিসাব অনুযায়ী, ওয়েম্বলিতে সাতটি অনুষ্ঠানে মোট প্রায় ৫ লক্ষ ৪ হাজার মানুষ মাইকেল জ্যাকসনের অনুষ্ঠান দেখেছিলেন। প্রতিটি অনুষ্ঠানে দর্শকসংখ্যা ছিল ৭০ হাজারের বেশি। সেই পরিসংখ্যানের মধ্যেও একদিনের অনুষ্ঠানে প্রায় ৯২ হাজার দর্শক টেনে দিলজিৎ যে বড় নজির তৈরি করেছেন, তা নিয়ে চর্চা শুরু হয়েছে।শুধু দর্শকসংখ্যাই নয়, লন্ডনের কনসার্টে ভক্তদের জন্য বিশেষ আয়োজনও করেছিলেন দিলজিৎ। বিনামূল্যে পাগড়ি বাঁধার ব্যবস্থা করা হয়েছিল। ফলে অনুষ্ঠান ঘিরে তৈরি হয়েছিল আলাদা আবহ।এর আগে ২০২৪ সালে দেশজুড়ে দিল-লুমানাটি সফরেও বড় ব্যবসা করেছিলেন দিলজিৎ। সেই সফর থেকে প্রায় ৯৪৩ কোটি টাকার ব্যবসা হয়েছিল বলে দাবি করা হয়। এর ফলে একদিকে যেমন বহু মানুষের কর্মসংস্থান তৈরি হয়েছিল, তেমনই ভারতের সঙ্গীতশিল্পের অর্থনীতিতেও তার প্রভাব পড়েছিল বলে আলোচনা হয়েছিল।এ বার লন্ডনের ওয়েম্বলিতে প্রায় ৯২ হাজার দর্শক টেনে দিলজিৎ দোসাঞ্ঝ আরও একবার বুঝিয়ে দিলেন, ভারতীয় শিল্পীদের জনপ্রিয়তা এখন শুধু দেশের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। আন্তর্জাতিক মঞ্চেও তাঁর গানের জনপ্রিয়তা ক্রমেই বাড়ছে।

সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২৬
রাজ্য

বিশ্বকর্মা পুজোয় ছুটি কোনদিন? ১৭ না ১৮ সেপ্টেম্বর, ধন্দে সরকারি কর্মীরা

বিশ্বকর্মা পুজোর ছুটি নিয়ে নতুন বিজ্ঞপ্তি জারি করল রাজ্য সরকার। আর সেই বিজ্ঞপ্তি ঘিরেই তৈরি হয়েছে নতুন ধোঁয়াশা। আগে ১৭ সেপ্টেম্বর, বৃহস্পতিবার বিশ্বকর্মা পুজোর ছুটি ঘোষণা করা হয়েছিল। পরে ১৪ সেপ্টেম্বরের নতুন বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, এ বছর বিশ্বকর্মা পুজো উপলক্ষে ছুটি থাকবে ১৮ সেপ্টেম্বর, শুক্রবার। কিন্তু আগের ১৭ সেপ্টেম্বরের ছুটি বাতিল করা হয়েছে কি না, তা স্পষ্ট করে জানানো হয়নি। ফলে দুদিনই ছুটি থাকবে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে সরকারি কর্মীদের মধ্যে।রাজ্যের অর্থ দফতরের অডিট ব্রাঞ্চের ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬-এর বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ১৮ সেপ্টেম্বর শুক্রবার বিশ্বকর্মা পুজো উপলক্ষে রাজ্য সরকারি ছুটি থাকবে। ওই দিন রাজ্য সরকারের সমস্ত দফতর, স্থানীয় স্বশাসিত সংস্থা, স্ট্যাটুটরি বডি, বোর্ড, কর্পোরেশন এবং রাজ্য সরকারের নিয়ন্ত্রণাধীন বা মালিকানাধীন বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে।শুধু সরকারি দফতরই নয়, বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী সরকারি নিয়ন্ত্রণাধীন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং অন্যান্য অফিস ও প্রতিষ্ঠানও ওই দিন বন্ধ থাকবে।কিন্তু গোল বেঁধেছে ১৭ সেপ্টেম্বরের ছুটি নিয়ে। ২০২৫ সালের ২৭ নভেম্বর জারি করা বিজ্ঞপ্তির ভিত্তিতে ১৭ সেপ্টেম্বর, বৃহস্পতিবার বিশ্বকর্মা পুজোর ছুটি ঘোষণা করা হয়েছিল। পরে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে চলতি বছরে বিশ্বকর্মা পুজো ১৮ সেপ্টেম্বর পালিত হবে বলে জানিয়ে নতুন বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়।এই নতুন বিজ্ঞপ্তিতে ১৮ সেপ্টেম্বরের ছুটির কথা স্পষ্টভাবে উল্লেখ থাকলেও, ১৭ সেপ্টেম্বরের পূর্বঘোষিত ছুটি বাতিল করা হয়েছেএমন কোনও নির্দেশ দেওয়া হয়নি। ফলে সরকারি কর্মীদের একাংশের প্রশ্ন, তাহলে কি ১৭ এবং ১৮ সেপ্টেম্বরটানা দুদিনই সরকারি ছুটি থাকছে?অর্থ দফতরের নতুন বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পর থেকেই এই প্রশ্ন ঘুরছে সরকারি কর্মী মহলে। কেউ মনে করছেন, নতুন বিজ্ঞপ্তির অর্থ হল ১৭ সেপ্টেম্বরের ছুটি সরিয়ে ১৮ সেপ্টেম্বর করা হয়েছে। আবার অন্য অংশের বক্তব্য, যেহেতু ১৭ সেপ্টেম্বরের ছুটি বাতিলের কথা বিজ্ঞপ্তিতে স্পষ্ট করে বলা হয়নি, তাই আগের ছুটিও বহাল রয়েছে।ফলে বিশ্বকর্মা পুজোর ছুটি নিয়ে আপাতত ১৭ না ১৮এই প্রশ্নের সঙ্গে জুড়েছে আরও একটি প্রশ্ন, দুদিনই কি ছুটি? সরকারি কর্মীদের মধ্যে সেই ধোঁয়াশাই এখন সবচেয়ে বেশি।

সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২৬
বিনোদুনিয়া

২ কোটির ছবি ২৫০ কোটির ব্যবসা! ‘হনুমান অংশ’-এর পর এবার তুলসীদাসকে নিয়ে বড় চমক

মাত্র ২ কোটি টাকার বাজেটে তৈরি হনুমান অংশ বিশ্বজুড়ে প্রায় ২৫০ কোটি টাকার ব্যবসা করে আলোড়ন ফেলেছে বলে দাবি নির্মাতাদের। মারকাটারি অ্যাকশন, রোম্যান্স কিংবা আলফা মেল ধরনের ছবির ভিড়ে আধ্যাত্মিক ছবির এমন সাফল্য নিয়েই এখন জোর চর্চা চলছে সিনেদুনিয়ায়। আর সেই সাফল্যের পরেই নতুন আধ্যাত্মিক ছবির ঘোষণা করলেন পরিচালক বিশাল চতুর্বেদী।এ বার তাঁর ছবির বিষয় মহাকবি গোস্বামী তুলসীদাসের জীবন। ছবির নাম রামবোলা। গণেশ চতুর্থীর শুভ দিনে ছবিটির ঘোষণা করা হয়েছে। নির্মাতাদের দাবি, মহাকবি তুলসীদাস কী ভাবে ভারতীয় ইতিহাসের অন্যতম প্রভাবশালী আধ্যাত্মিক ব্যক্তিত্ব হয়ে উঠেছিলেন, সেই কাহিনিই তুলে ধরা হবে এই ছবিতে।হনুমান অংশ-এর সাফল্যই যে নতুন ছবির ঘোষণায় বড় অনুপ্রেরণা, তা নিয়ে ইতিমধ্যেই আলোচনা শুরু হয়েছে। নিম করোলি বাবার জীবনদর্শনকে কেন্দ্র করে তৈরি হনুমান অংশ কম বাজেটে বড় ব্যবসা করেছে বলে নির্মাতাদের তরফে জানানো হয়েছে। সেই ছবির সাফল্যের পরেই তুলসীদাসের জীবন নিয়ে ছবি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বিশাল।ছবির ঘোষণা করে নির্মাতাদের তরফে জানানো হয়েছে, গণেশ চতুর্থীর শুভক্ষণে বিনম্রতা ও কৃতজ্ঞতার সঙ্গে দর্শকদের সামনে আনা হচ্ছে রামবোলা। গোস্বামী তুলসীদাসের অমর কাহিনিই এই ছবির মূল বিষয়। ছবিটি প্রযোজনা করছেন মহাবীর জৈন, বিশাল চতুর্বেদী, অমিত উপাধ্যায় এবং রঘুবেন্দ্র সিংহ। ছবিটি উপস্থাপনা করবে মহাবীর জৈন ফিল্মস।এর আগে থেকেই রণবীর কপূরের রামায়ণ নিয়ে দর্শকদের মধ্যে প্রবল আগ্রহ রয়েছে। ছবির নানা প্রচারঝলক ঘিরেও তৈরি হয়েছে কৌতূহল। তার মধ্যেই মাত্র ২ কোটি টাকার বাজেটের হনুমান অংশ-এর প্রায় ২৫০ কোটি টাকার ব্যবসার দাবি আধ্যাত্মিক ছবিকে নিয়ে নতুন করে আলোচনা তৈরি করেছে।এ বার সেই তালিকায় যোগ হতে চলেছে রামবোলা। তুলসীদাসের জীবন, তাঁর আধ্যাত্মিক ভাবনা এবং তাঁর অমর সৃষ্টিকে নতুন প্রজন্মের সামনে তুলে ধরাই এই ছবির অন্যতম উদ্দেশ্য বলে নির্মাতাদের তরফে জানানো হয়েছে।ভারতীয় সিনেমায় পুরাণ, ধর্মীয় কাহিনি এবং আধ্যাত্মিক বিষয় নিয়ে ছবি নতুন নয়। তবে এই ধরনের ছবি তৈরি করতে গিয়ে নানা ধরনের বিতর্কের আশঙ্কাও থাকে। ফলে অনেক পরিচালক এমন বিষয় থেকে দূরে থাকেন। কিন্তু হনুমান অংশ-এর সাফল্যের পর সেই পরিস্থিতিতে বদলের ইঙ্গিত দেখছেন অনেকে। আর সেই আবহেই তুলসীদাসের জীবনকে কেন্দ্র করে রামবোলার ঘোষণা নতুন করে কৌতূহল তৈরি করেছে।এখন প্রশ্ন একটাইহনুমান অংশ-এর মতোই কি দর্শকের মনে জায়গা করে নিতে পারবে রামবোলা? তুলসীদাসের জীবন ও তাঁর আধ্যাত্মিক যাত্রা বড় পর্দায় কী ভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়, সেদিকেই নজর থাকবে সিনেপ্রেমীদের।

সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২৬
বিদেশ

জঙ্গিকে ধরতে পুরস্কার বাড়ল, তবু কি ‘চোখে ধুলো’ পাকিস্তানের? মাসুদ আজহারকে ঘিরে রহস্য

ফাইন্যান্সিয়াল অ্যাকশন টাস্ক ফোর্সের গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকের আগে জইশ-ই-মহম্মদ প্রধান মাসুদ আজহারকে ঘিরে পাকিস্তানের নতুন পদক্ষেপ নিয়ে জল্পনা তৈরি হয়েছে। পাকিস্তানের ফেডারেল তদন্ত সংস্থা মাসুদকে ধরিয়ে দেওয়ার জন্য ঘোষিত পুরস্কারের পরিমাণ ৫০ লক্ষ পাকিস্তানি টাকা থেকে বাড়িয়ে ৭০ লক্ষ করেছে বলে জানা গিয়েছে। এই সিদ্ধান্তকে ঘিরেই প্রশ্ন উঠছে, আন্তর্জাতিক চাপ সামলাতেই কি এমন পদক্ষেপ করল ইসলামাবাদ?মাসুদ আজহার ভারতের একাধিক জঙ্গি হামলার ঘটনায় অন্যতম অভিযুক্ত। ২০১৯ সালের পুলওয়ামা হামলার সঙ্গেও তাঁর নাম জড়িয়েছে। ওই আত্মঘাতী হামলায় ৪০ জন সিআরপিএফ সদস্যের মৃত্যু হয়েছিল। ভারতের তদন্তকারী সংস্থাগুলির দাবি, জইশ-ই-মহম্মদের নেপথ্যে থাকা মাসুদ দীর্ঘদিন ধরেই ভারতের মোস্ট ওয়ান্টেড জঙ্গিদের তালিকায় রয়েছে।২০২১ সালে পাকিস্তানের জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা মাসুদ আজহারকে গ্রেফতারির জন্য প্রয়োজনীয় তথ্য দিলে ৫০ লক্ষ পাকিস্তানি টাকা পুরস্কার দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছিল। একই সঙ্গে ইসলামাবাদের দাবি ছিল, জইশ প্রধান পাকিস্তানে নেই, আফগানিস্তানে আত্মগোপন করে রয়েছে। তবে ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থাগুলি দীর্ঘদিন ধরেই সেই দাবি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে।ভারতের গোয়েন্দা সূত্রের দাবি, মাসুদ বর্তমানে পাকিস্তানের সিন্ধু প্রদেশের নবাবশাহ এলাকায় রয়েছে। যদিও এই দাবির স্বাধীন ভাবে নিশ্চিত হওয়ার তথ্য সামনে আসেনি। কূটনৈতিক মহলের একাংশের মতে, নতুন রেড বুকে মাসুদের নাম রাখা এবং পুরস্কারের অর্থ বাড়ানো পাকিস্তানের কৌশলগত পদক্ষেপ হতে পারে। তাঁদের মতে, আন্তর্জাতিক চাপের মুখে পাকিস্তান জঙ্গিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার বার্তা দিতে চাইছে কি না, তা নিয়েই এখন প্রশ্ন।এর মধ্যেই পাকিস্তানের প্রকাশিত নতুন রেড বুক ঘিরেও চর্চা শুরু হয়েছে। ২০০৮ সালের মুম্বই হামলার ঘটনায় অর্থ জোগান, হামলাকারীদের নৌকা ও রসদ সরবরাহের অভিযোগে ১৯ জনের নাম সেখানে রাখা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। তবে তালিকায় থাকা ১৯ জনের মধ্যে ১৭ জনের ছবি এবং তাঁদের কার্যকলাপের বিস্তারিত তথ্য দেওয়া হলেও বাকি দুজনের ক্ষেত্রে শুধু নাম রাখা হয়েছে বলে অভিযোগ।২০০৮ সালের ২৬ নভেম্বর মুম্বইয়ে ভয়াবহ জঙ্গি হামলায় বহু মানুষের মৃত্যু হয়েছিল এবং তিন শতাধিক মানুষ আহত হন। ওই হামলার নেপথ্যে পাকিস্তানভিত্তিক জঙ্গি সংগঠনের ভূমিকা নিয়ে ভারত দীর্ঘদিন ধরে আন্তর্জাতিক মঞ্চে সরব।ভারতীয় গোয়েন্দা সূত্র এবং কূটনৈতিক মহলের একাংশের বক্তব্য, পাকিস্তানের নতুন পদক্ষেপকে শুধু জঙ্গিদের বিরুদ্ধে বাস্তব ব্যবস্থা হিসেবে দেখার আগে তার কার্যকারিতা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। বিশেষ করে মাসুদ আজহারের অবস্থান নিয়ে ভারত ও পাকিস্তানের দাবির মধ্যে দীর্ঘদিন ধরেই বিস্তর ফারাক রয়েছে।এখন প্রশ্ন, এফএটিএফের বৈঠকের আগে মাসুদ আজহারের মাথার দাম ২০ লক্ষ পাকিস্তানি টাকা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত আন্তর্জাতিক মহলে কতটা বিশ্বাসযোগ্যতা পায়। পাকিস্তান সত্যিই মাসুদের বিরুদ্ধে কোনও কার্যকর পদক্ষেপ করে কি না, নাকি এটি কেবল আন্তর্জাতিক চাপ সামলানোর কৌশল, তা নিয়েই নজর থাকবে কূটনৈতিক মহলের।

সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal