• ২৮ আশ্বিন ১৪৩৩, রবিবার ১৮ অক্টোবর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Mamata

রাজ্য

এবার আর মালদা থেকে শূন্য হাতে ফিরতে চান না মমতা

তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আক্ষেপ মালদায় এত মানুষের জনসমাগম হয়, অথচ ভোট এলে অংকটা অন্যরকম হয়ে যায়। বুধবার মালদার জনসভায় মমতা বলেন, লোকসভাতেও শূন্য আর বিধানসভাতে মালদায় একইরকম। এবার আর শুন্য হাতে ফিরতে চাই না। এতদিন কংগ্রেস-বিজেপিকে ফজলি আম খাইয়েছেন। এবার আমাকেও দুটো ফজলি আম খাওয়ান।একইসঙ্গে বিজেপির রথযাত্রা নিয়ে কড়া সমালোচনা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি। তৃণমূল সুপ্রিমো বলেন, নির্বাচন এলেই জগন্নাথ, বলরাম, সুভদ্রা সাজতে চাইছে বিজিপি। বিজেপিকে প্রত্যাখান করবে বাংলার মানুষ। বুধবার মালদা জেলা ক্রীড়া সংস্থা সংলগ্ন মাঠে তৃণমূলের জনসভা হয়। সভা শুরু হয় দুপুর একটা থেকে। মুখ্যমন্ত্রী আসার কথা ছিল তিনটেয়। কিন্তু দুপুর আড়াইটা নাগাদ মঞ্চে হাজির হন মুখ্যমন্ত্রী। পাশের মাঠেই তৈরি করা হয়েছিল হেলিপ্যাড। হেলিপ্যাড থেকে প্রায় ৪০০ মিটার হেঁটে মঞ্চে আসেন মুখ্যমন্ত্রী। তার আগে মঞ্চে হাজির ছিলেন রাজ্যের পুর ও নগরোন্নয়ন দপ্তরের মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম সহ জেলার প্রথম সারির নেতানেত্রীরা। উপস্থিত ছিলেন তৃণমূলের জেলা সভাপতি তথা সাংসদ মৌসুম নূর, কৃষ্ণেন্দু চৌধুরী, নিহার ঘোষ, বাবলা সরকার, জেলা তৃণমূলের যুব সভাপতি প্রসেনজিৎ দাস।বক্তব্য রাখতে গিয়ে তৃণমূলনেত্রী বলেন, বিজেপির মতো মিথ্যাবাদী কেউ নেই। ওরা দাঙ্গা লাগায়। আজকে উত্তরপ্রদেশ, হরিয়ানা, রাজস্থান, পাঞ্জাবের চাষিরা কাঁদছে। বাংলার চাষীদের চোখে জল নেই। কারণ, এই রাজ্যে বিজেপি সরকার নেই। চাষীদের জন্য আমরা কৃষক বন্ধু যোজনা চালু করেছি। যাতে ছয় হাজার টাকা করে পাবেন চাষিরা। কৃষকদের নিয়ে বিজেপি মিথ্যা কথা বলছে। ওদের কাছে কি তথ্য নেই। আসলে মিথ্যা কথা বলাটাই ওদের কাজ।বিজেপির রথযাত্রার কড়া সমালোচনা করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, জগন্নাথ , বলরাম, সুভদ্রাকে নিয়ে ওরা নোংরা রাজনীতি করছে। আমরা জগন্নাথের রথকে প্রণাম জানাই। আমরা এরকম রাজনীতি করি না। এখন এরা রথকে নিয়ে কেউ জগন্নাথ, কেউ বলরাম আবার কেউ শ্রীকৃষ্ণ সাজছেন। মনে রাখবেন এই রথে করে সীতা হরণ করেছিল রাবন। আমরা মনে করি হিন্দু, মুসলিম, খৃষ্টান, শিখ সহ বিভিন্ন ধর্মের মানুষেরা তাদের মতোন চলবেন। বিজেপি মানেই দাঙ্গা। আর এই দাঙ্গার উস্কানি দেওয়া হচ্ছে ওদের আসল কাজ। এদিন মুখ্যমন্ত্রী উসকে দিয়েছেন মালদার মিথ গনিখান চৌধুরীর স্মৃতিও। মমতা বলেন, মালদায় আমি আজ থেকে আসছি না, বরকতদার সময় থেকেই যখন যুব কংগ্রেস করতাম, তখন থেকে আসছি। এই জেলায় উন্নয়নে তৃণমূল সরকার অনেক কাজ করেছে। উদাহরণ টেনে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ভুতনি সেতু তৈরি করেছি। মালদা - বালুরঘাট ট্রেন চালু করা হয়েছে। কিন্তু মালদা নিয়ে আমার অনেক দুঃখ এবং বেদনা রয়েছে। এই সরকার সকলের জন্য কাজ করছে। ১৮ বছর বয়সে যদি কেউ বিধবা হন, তাহলে পেনশন পাবে। বাজেটে এই সুবিধা করে দিয়েছি। এরকম সুবিধা অন্য কোন রাজ্যে নেই। স্কুল পড়ুয়াদের জন্য ট্যাপ কেনার ক্ষেত্রে এককালীন দশ হাজার টাকা করে দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে। আমাদের সরকার জনগণের সরকার।২০১৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে মালদায় তৃণমূল একটি আসনও পায়নি। ১২ টি আসনের মধ্যে কংগ্রেস পেয়েছিল ৮টি, সিপিএম পেয়েছিল ২টি, বিজেপির ছিল ১টি। পাশাপাশি ইংরেজবাজার বিধানসভা কেন্দ্রে কংগ্রেস ও সিপিএম জোটের সমর্থনে নির্দল প্রার্থীর দখলে ছিল একটি আসন। যদিও বর্তমানে এইসব বিধানসভা কেন্দ্রের অধিকাংশ বিধায়কেরা তৃণমূলে যোগদান করেন। ২০১৯ লোকসভা নির্বাচনেও বিজেপি ও কংগ্রেস একটি করে জয় পেয়েছে। সেই আক্ষেপ থেকেই তৃণমূলনেত্রী এবার খালি হাতে ফিরতে চান না।

ফেব্রুয়ারি ১০, ২০২১
রাজনীতি

ভোটে দাঁড়াবেন না রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী, তিন লাইনের চিঠি মমতাকে

শারীরিক অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে মাটি উৎসবের মঞ্চে হাজির ছিলেন না। বুধবার সকালে সরাসরি টুইট করে রাজ্যের প্রাক্তনমন্ত্রী রবিরঞ্জন চট্টোপাধ্যায় জানিয়ে দিলেন, আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে তিনি লড়বেন না। গত ৩০ জানুয়ারি বর্ধমান দক্ষিণের দুইবারের বিধায়ক চিঠি লিখে তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে সেকথা জানিয়েও দিয়েছেন। এই খবরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে রাজনৈতিক মহলে।২০১১ বিধানসভা নির্বাচনে বর্ধমান দক্ষিণে তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী হয়েছিলেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত বাংলার অধ্যাপক রবিরঞ্জন চট্টোপাধ্যায়। প্রথমে অবশ্য দলের শীর্ষ নেতৃত্ব প্রার্থী হিসাবে ডা. স্বরূপ দত্তের নাম ঘোষণা করেছিল। তাঁকে প্রার্থী করা নিয়ে দলের মধ্যে বিতর্ক শুরু হয়েছিল। বর্ধমানে দলের একাংশ স্বরূপ দত্তের নামে প্রচারও শুরু করে দিয়েছিল। কিন্তু পরে তাঁকে বদলে প্রার্থী করা হয় রবিরঞ্জন চট্টোপাধ্যায়কে। জয় পেয়ে রাজ্যের ক্যাবিনেট মন্ত্রীও হয়ে যান রবিবরঞ্জন চট্টোপাধ্যায়। এখনও তিনি বর্ধমান উন্নয়ন সংস্থার চেয়ারম্যান রয়েছেন।আগামী বিধানসভা নির্বাচনে আমার বয়স ও শারীরিক কারণে প্রতিদ্বন্দ্বিতা না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। দলনেত্রী @MamataOfficial কেও এই বার্তা পাঠিয়ে দিয়েছি।আমার প্রিয় বর্ধমানবাসীদের ধন্যবাদ জানাই ও তাঁদের কল্যাণ কামনা করি। pic.twitter.com/h0CYEUZCtW Rabiranjan Chattopadhyay (@RabiranjanChat1) February 10, 2021এদিন প্রবীণ এই তৃণমূল বিধায়ক টুইটে লিখেছেন, আগামী বিধানসভা নির্বাচনে আমার বয়স ও শারীরিক কারণে প্রতিদ্বন্দ্বিতা না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। দলনেত্রীকে এই বার্তা পাঠিয়ে দিয়েছি। আমার প্রিয় বর্ধমানবাসীকে ধন্যবাদ জানাই ও তাঁদের কল্যাণ কামনা করি। এই টুইটের পরেই বর্ধমান শহরে তৃণমূলের প্রার্থী কে হবেন তা নিয়ে রীতিমতো জল্পনা শুরু হয়ে গিয়েছে।সম্প্রতি বর্ধমানে তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব চরমে ওঠে। এক গোষ্ঠী মিছিল করলেই আরেক গোষ্ঠী পাল্টা মিছিল করেছে। এদিকে বর্ধমানের প্রাক্তন পুরপতি আইনুল হক তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দিয়েছেন। তাঁর দলে যোগ দেওয়া নিয়ে প্রকাশ্যে বিদ্রোহী হয়েছেন আরেক তৃণমূল নেতা খোকন দাস। প্রকাশ্যে বিরোধিতাও করেছেন। বর্ধমান শহরে গোষ্ঠীকলহের জেরে সংঘর্ষও হয়েছে। দলবল নিয়ে থানা ঘেরাও করেছেন খোকন দাস। এককথায় নজীরবিহীন গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব শুরু হয়ে যায় বর্ধমান শহরে। দলের একাংশ মনে করেন, কোনও গোষ্ঠীদ্বন্দ্বই কখনও সামলাতে পারেননি রবিবরঞ্জন চট্টোপাধ্যায়। ২০১৬ তে বিধায়ক হওয়ার পর দল রবিবাবুকে আর মন্ত্রীও করেনি। শোনা যায় ক্রমশ দলনেত্রীর সঙ্গেও তাঁর দূরত্ব বেড়ে গিয়েছিল। শেষমেশ রবিরঞ্জনবাবু টুইট করে ঘোষণা করে দিলেন তিনি আর প্রার্থী হবেন না।বর্ধমানের রাজনৈতিক মহলে জল্পনা, আইনুল ও খোকন শিবির প্রার্থীপদের প্রত্যাশী। তার মধ্যেই বেড়েছে বিজেপি। বেশিরভাগ ওয়ার্ডে জিতলেও বর্ধমান দক্ষিণে সামান্য ভোটে পিছিয়ে ছিল গেরুয়া শিবির। এই ফলাফলে উৎসাহিত বিজেপি আসন্ন নির্বাচনে টার্গেট করেছে এই আসনটিকেও।

ফেব্রুয়ারি ১০, ২০২১
রাজনীতি

মমতার সভায় দলে যোগ দিলেন প্রাক্তন পুলিশ কর্তা

স্ত্রী তৃণমূলে যোগ দিয়েছিলেন আগেই। সময়ের আপেক্ষা ছিল, জল্পনার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে শাসকদলে যোগ দিলেন প্রাক্তন পুলিশকর্তা হুমায়ুন কবির। মঙ্গলবার বর্ধমানের কালনায় মুখ্যমন্ত্রীর জনসভায় তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দেন এই প্রাক্তন পুলিশ কর্তা। কবির গত ২৯ জানুয়ারি হুগলীর চন্দননগরের পুলিশ কমিশনারের পদ থেকে ইস্তফা দেন। সেদিন থেকেই রাজনৈতিক মহলে জল্পনা শুরু হয়। এদিন কালনায় তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপস্থিতিতেই মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ তৃণমূলের পতাকা তুলে দিলেন এই প্রাক্তন পুলিশ কর্তার হাতে।অবসরের প্রায় তিন মাস আগেই চাকরি থেকে ইস্তফা দেন হুমায়ুন কবীর। তাঁর জায়গায় চন্দননগরের পুলিশ কমিশনার করা হয় কলকাতা পুলিশের যুগ্ম পুলিস কমিশনার গৌরব শর্মাকে। কিছুদিন আগে হুমায়ুন কবিরের স্ত্রী অনিন্দিতা কবির তৃণমূলে কংগ্রেসে যোগ দেন। সেই কারণেই চাকরির শেষ সময়ে এসে কেন স্বেচ্ছাবসরের সিদ্ধান্ত নিলেন তিনি তা নিয়ে গভীর জল্পনা তৈরি হয়। হুমায়ুন কবির জানিয়েছিলেন ব্যক্তিগত কারণেই তাঁর এই সিদ্ধান্ত। তাঁর কথায় অনেক লেখালেখির কাজ জমে রয়েছে। সেগুলি শেষ করতে হবে। তাই চাকরি জীবনে ইস্তফা। তবে সেদিন রাজনীতিতে যোগ দেওয়ার কথা উড়িয়ে দেননি। প্রসঙ্গত, হুমায়ন কবীরের একজন ভাল লেখক হিসেবেও পরিচিতি রয়েছে, তাঁর লেখা আলেয়া গল্প নিয়ে একটি বাংলা সিনেমাও তৈরি হয়। ওই ছবিতে তনুশ্রী চক্রবর্তী পুলিশের ভূমিকায় অভিনয় করেন।২০০৩ সালে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশে যোগদান করেন এই আইপিএস অফিসার। তাৎপর্যপূর্ণ হল, বামফ্রন্ট আমলে যে সমস্ত পুলিশ আধিকারিকদের বিরুদ্ধে রাজ্যের বর্তমান শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেস সবচেয়ে বেশী সরব ছিল, তাদের মধ্যে অন্যতম ছিলেন হুমায়ুন কবীর। ২০১১ সালে রাজ্যে তৃণমূল কংগ্রেস ক্ষমতায় আসার পর আবার পট-পরিবর্তন হয়। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় হুমায়ুন কবীরকে মুর্শিদাবাদ জেলার পুলিশ সুপার করেন। কংগ্রেস নেতা অধীর চৌধুরী তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল, তৃণমূলের জেলা সভাপতির মতো আচরণ করছেন হুমায়ুন। অধীরের আরও অভিযোগ, কংগ্রেস থেকে দল ভাঙানো থেকে শুরু করে বিরোধীদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা সাজানো সবেরই মূল কারিগর ছিলেন তিনি।২০১৯ সালে জুলাই মাসে ব্যান্ডেলের তৃণমূল নেতা দিলীপ রাম খুন করা হয়। ওই বছরেরই অগস্ট মাসে তৎকালীন চন্দননগরের পুলিশ কমিশনার অখিলেশ চতুর্বেদীকে সরিয়ে হুমায়ুন কবিরকে পুলিশ কমিশনার করা হয়।জয়ন্ত চট্টোপাধ্যায়

ফেব্রুয়ারি ০৯, ২০২১
রাজনীতি

"ভাল হয়েছে পাপ বিদায় নিয়েছে", তোপ তৃণমূল সুপ্রিমোর

কালনায় দলীয় জনসভা করার পর বর্ধমানে মাটি উৎসবে অংশ নেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তারপর তিনি মুর্শিদাবাদে জনসভা করেন।রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী, রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায় বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন। একাধিক তৃণমূল বিধায়ক পদ্মশিবিরে ভিড়েছেন। মঙ্গলবার কালনার জনসভায় তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, দুষ্টু গরুর থেকে শূন্য গোয়াল ভাল। কয়েকটা দুষ্টু গরু হাম্বা হাম্বা ডাকতে ডাকতে ইদার উধার করে বেড়াচ্ছেন। নিজেদের দুর্নীতি চাপা দেওয়ার জন্য তারা গেছেন। ভালো হয়েছে পাপ বিদায় নিয়েছে। যাঁরা তৃণমূলে থেকে খারাপ করে তাদের তৃণমূল কংগ্রেসের থাকার প্রয়োজন নেই।কালনার তৃণমূল বিধায়ক বিশ্বজিৎ কুন্ডু বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন। কালনা বিধানসভা আসন এবার তাই তৃণমূলের কাছে চ্যালেঞ্জ। নাম না করে বিঁধেছেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডাকেও। কালনায় দাঁড়িয়ে মমতা বলেন, বুঝে তো নিতেই হবে বিজেপি পার্টিকে। যে পার্টিটা কোনও ধর্ম জানে না। জানে না হিন্দু ধর্মের মধ্যে কত ধর্ম আছে। স্বামী বিবেকানন্দকে বিবেকানন্দ ঠাকুর বলে দিচ্ছেন। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের পদবী বসিয়ে দিচ্ছেন।কৃষি ভান্ডারে দাঁড়িয়ে তৃণমূল নেত্রী জানিয়ে দেন, কৃষকদের জন্য কি কি করছে রাজ্য সরকার। ধান প্রতিবার কেনা হবে বলেও ঘোষনা করেন মমতা। পদ্মশিবিরের বিরুদ্ধে তোপ দেগে মমতা বলেন, বিজেপি টাকা নিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছে। টাকা দিলে খেয়ে নেবেন। মুরগির মাংস খেয়ে নেবেন। বিজেপি গোঁজামিল পার্টি। শুধু মিথ্যা কথা বলে। বিজেপি থেকে সাবধান। ঠাকুরঘরে তৃণমূলের জোড়াফুল চিহ্নে পুজো দিয়ে বাড়ি থেকে বাইরে বের হন হলে জানান মমতা।

ফেব্রুয়ারি ০৯, ২০২১
রাজ্য

'আবার আমিই ফিরব', আত্মপ্রত্যয়ী মুখ্যমন্ত্রী

ফের তিনি ফিরে আসবেন। রাজ্য বিধানসভায় দাঁড়িয়ে আত্মপ্রত্যয়ের সঙ্গে বললেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সোমবার বিধানসভার বাজেট অধিবেশন শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে এই বিধানসভারও মেয়াদ শেষ হল। বিধানসভা নির্বাচনের পর নতুন আইনসভা গঠিত হবে। সেখানে বর্তমান সদস্যদের কেউ কেউ থাকবেন। কেউ আবার থাকবেন না। নতুন সদস্যও আসতে পারেন। শেষ অধিবেশনের শেষদিন আনুষ্ঠানিক ফোটোসেশন হল বিধিবদ্ধ ঔপচারিকতা। সেই সমবেত ছবি তোলার পর মমতা বলেছেন, আই উইল বি ব্যাক, অর্থাৎ আমি ফিরে আসব।এমনিতে শাসক-বিরোধী মিলেই ফোটোসেশন হয়। তবে সোমবার ওই সময় ছিলেন না বাম এবং কংগ্রেসের কোনও বিধায়ক। তবে হাজির ছিলেন বিজেপি বিধায়করা। ফোটোসেশন সেরে যাওয়ার সময় দুআঙুল তুলে ভিকট্রি চিহ্ন দেখান মমতা। বলেন, আই উইল বি ব্যাক। তারপর স্পিকারের ঘরের সামনে দাঁড়িয়ে বিধানসভার কর্মচারীদের সঙ্গেও ছবি তোলেন মুখ্যমন্ত্রী। তখন তিনি আবার বলেন, আই উইল বি ব্যাক। কর্মচারীদের মধ্যে একজন মমতাকে বলেন, আপনাকে খুব আত্মপ্রত্যয়ী লাগছে। মুখ্যমন্ত্রীর উত্তর, আমি চিরকালই খুব আত্মপ্রত্যয়ী। অর্থাৎ, ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূল ফের ক্ষমতায় আসবে এবং তিনিই যে তৃতীয়বারের জন্য মুখ্যমন্ত্রী হবেন, তা নিয়ে নিশ্চিত মমতা।

ফেব্রুয়ারি ০৮, ২০২১
রাজ্য

বিধানসভার শেষ দিনে কল্পতরু মমতা

নির্বাচনের আগে ফের কল্পতরু মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়। রাজ্যের অন্তবর্তীকালীন বাজেটে একগুচ্ছ নয়া প্রকল্পের কথা ঘোষণা করেছিলেন তিনি। বাড়িয়েছিলেন বরাদ্দও। সোমবার নতুন করে আরও ৭২ হাজার কোটি টাকার নয়া প্রকল্পের ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী।এদিন বিধানসভার বাজেট পর্বের শেষলগ্নে জবাবি ভাষণ দেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই সময় বিরোধী দলগুলো অভিযোগ করেন, রাজ্যে কোনও কাজ হয়নি। বাজেটের মোড়কে ভোটের আগে নির্বাচনী ইস্তেহার প্রকাশ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। এই অভিযোগের জবাবে নয়া প্রকল্পের খতিয়ান তুলে ধরেন দেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।বিধানসভায় দাঁড়িয়ে মোট ১৯টি শিল্প প্রকল্পের কথা ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী। সেগুলোর উদ্বোধন হবে আজ ও কাল। এর মধ্যে রয়েছে কলকাতার লেদার কমপ্লেক্সের কমন ইফ্লুয়েন্ট প্ল্যান্ট। এই প্রকল্প বাস্তবায়ন হলে ওই এলাকায় কমবেশি ১৮টি ট্যানারি গড়ে উঠবে বলে জানান মমতা। হাবড়ায় হবে মেগা পাওয়ারলুম ক্লাস্টার। যেখানে বিনিয়োগ হবে প্রায় ৪০০ কোটি টাকা। হাওড়ার উদয়নারায়ণপুরে হবে তাঁতের হাট, জগদীশপুরে হোসিয়ারি পার্ক, উনসাসিতে টেক্সটাইল ও ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্ক হবে। উত্তরবঙ্গের জন্য দরাজহস্ত মুখ্যমন্ত্রীর। কোচবিহারে ভাওয়াইয়া শিল্পীদের জন্য হবে কমন ফেসিলিটি সেন্টার, মেখলা পোশাক তৈরির কারখানা, মালদায় সিল্ক পার্ক, শিলিগুড়িতে ইন্ডাস্ট্রিয়াল অ্যান্ড লজিস্টিক পার্ক, বালুরঘাটে ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্ক, বিন্নাগুড়িতে হবে শিল্পাঙ্গন পার্ক। এ দিকে পুরুলিয়া পাচ্ছে ইন্ডাস্ট্রিয়াল টাউনশিপ। ফলতায় ফার্মাসিউটিক্যাল পার্ক, বজবজে ও বাঁকুড়ায় ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্ক হবে। পূর্ব বর্ধমানে বাতাসা, কদমা তৈরির কারখানা তৈরি হবে।

ফেব্রুয়ারি ০৮, ২০২১
রাজনীতি

"ইতনা গুসসা কিউ হ্যায়", মমতাকে কেন বললেন নাড্ডা?

জয় শ্রীরাম ধ্বনি নিয়ে এবার তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে বিঁধলেন। শনিবার মালদার সাহাপুর কৃষকদের আয়োজিত এক সভায় বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জগৎপ্রকাশ নাড্ডা বলেন, আমি যখন হেলিপ্যাডে নেমে গাড়িতে করে আসছি। তখন রাস্তার দুধারে অসংখ্য মানুষ দাঁড়িয়ে ছিলেন। তাঁরা আমাকে জয় শ্রীরাম বলে অভিবাদন জানান। এই জয় শ্রীরাম ধ্বনি শুনে রেগে যান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আপকা ইতনা গুসসা কিঁউ হ্যায়। পরিবর্তন যাত্রার সফরে প্রথম জনসভায় এভাবেই তৃণমূল নেত্রীর প্রতি আক্রমণ শোনালেন জেপি নাড্ডা।এই জনসভায় তিনি কৃষকদের কেন্দ্রীয় সাহায্য না পাওয়ার জন্য দায়ী করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। নাড্ডা বলেন, বিভিন্ন রাজ্যের কৃষকরা কেন্দ্রীয় সাহায্য পাচ্ছে। কিন্তু মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জেদের জন্য এরাজ্যে কৃষকরা সেই সাহায্য থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। এরপর সাহাপুরে কৃষকদের সঙ্গে দুপুরের ভোজন সারেন জেপি নাড্ডা। এদিন মালদায় র্যালি করেন তিনি।

ফেব্রুয়ারি ০৬, ২০২১
রাজ্য

ফালাকাটায় আদিবাসী নৃত্যে পা মেলালেন মমতা, দেখুন ভিডিও

উত্তরবঙ্গের ফালাকাটায় রীতিমতো অভিভাবকের ভূমিকায় দেখা গেল মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। মঙ্গলবার গণবিবাহের আসরে দাঁড়িয়ে পাত্র-পাত্রীদের হাতে তুলে দিলেন উপহার। পা মেলালেন আদিবাসী নৃত্যে।এদিন ফালাকাটায় এক সামাজিক অনুষ্ঠানে যোগ দেন মমতা। সেখান থেকে চা শ্রমিকদের সমস্যা সমাধানের আশ্বাস দেন। চা সুন্দরী প্রকল্পের জন্য ঘোষণা করেন ৫০০ কোটি টাকা। তিনবছরের মধ্যে গৃহহীনদের ঘর পাইয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন তিনি। জানান, ফালাকাটা-ময়নাগুড়ি পুরসভার কথা। বলেন, তৃণমূল যা বলে তাই করে। কারও কারও মতো ভোটের সময় সাধারণ মানুষের কথা মনে পড়ে না। প্রকাশ্যে বিজেপিকে বদমাশের গাছ বলে কটাক্ষ করেন তিনি। যদিও পরে মন্তব্য প্রত্যাহার করে নেন। বলেন, অপপ্রচার, চরিত্রহনন করা ছাড়া ওদের কোনও কাজ নেই। বিবাহের আসরের পাশেই নাচে মেতে উঠেছিলেন আদিবাসী মহিলারা। তাঁদের সঙ্গেই পা মেলান মমতা। মুখ্যমন্ত্রীকে ঠিক দিদির মতো পাশে পেয়ে আপ্লুত প্রত্যেকে।

ফেব্রুয়ারি ০২, ২০২১
রাজ্য

"উত্তরবঙ্গে গোহারা হেরেছি, প্লিজ এবার পুষিয়ে দেবেন তো!", আবেগপ্রবণ তৃণমূল সুপ্রিমো

উত্তরবঙ্গ উদ্ধার করতে মরিয়া তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। গত লোকসভা নির্বাচনে উত্তরবঙ্গের আটটি আসনের মধ্যে সাতটি আসনেই পদ্ম পতাকা উড়েছিল। তাই এবারের নির্বাচনী প্রচারে আবেগপ্রবণ হয়ে পুষিয়ে দেওয়া ডাক দিলেন তৃণমূলনেত্রী। যদিও বিজেপির বক্তব্য, লোকসভায় উত্তরবঙ্গ তৃণমূলকে খালি হাতে ফিরিয়েছে এবার একই সঙ্গে দক্ষিণবঙ্গ তৃণমূলকে খালি হাতে ফেরাবে।২০১৯ লোকসভা নির্বাচনের পরাজয় নিয়েও আপশোষ নেই বলেও জানিয়ে দিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।সোমবার তৃণমূল নেত্রী বলেন, উত্তরবঙ্গে আমরা গোহারা হেরেছি। তাতে আমার কোনও লজ্জা নেই। তবে এবার আপনারা পুষিয়ে দেবেন। প্লিজ পুষিয়ে দেবেন তো! এভাবেই মমতা আবেদন জানান উত্তরবঙ্গের মানুষের কাছে। একই সঙ্গে তৃণমূল নেত্রীর বক্তব্য, উত্তরবঙ্গে আগে কেউ আসত না। সকলে উত্তরবঙ্গকে অবহেলা করত। আমি কিন্তু প্রতি মাসে উত্তরবঙ্গে আসি। এবারের বিধানসভা নির্বাচনও যে অত্যন্ত কঠিন লড়াই তৃণমূল নেত্রীর বক্তব্যে স্পষ্ট।এর আগে উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন জায়গায় জনসভা করে গিয়েছেন তৃণমূল যুবর সর্বভারতীয় সভাপতি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এবার এলেন তৃণমূল সুপ্রিমো। উদ্দেশ্য একটাই হৃত জমি পুনরুদ্ধার করা। এদিকে বিজেপি নেতৃত্বের বক্তব্য, উত্তরবঙ্গ শুধু নয় দক্ষিণবঙ্গে এবার তৃণমূল কংগ্রেস বিজেপিরর কাছে পরাজিত হবে।

ফেব্রুয়ারি ০২, ২০২১
রাজ্য

ভোটারদের মন পেতে বিজেপির প্রতিশ্রুতির পাল্টা দান-ধ্যান তৃণমূলের

প্রদীপ চট্টোপাধ্যায়দোরগোড়ায় রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচন। ভোটারদের মন পেতে তাই এখন প্রতিশ্রুতির বন্যা বইয়ে দিচ্ছেন রাজনৈতিক দলের নেতারা। সম্প্রতি পূর্ব বর্ধমানের খণ্ডঘোষে সাংসদ তথা বিজেপির রাজ্য যুব মোর্চার সভাপতি সৌমিত্র খাঁ ঘোষণা করেন, বিজেপি বাংলায় ক্ষমতায় এলে ছাত্রীদের স্কুটিদেওয়া হবে। পাশাপাশি আরও অনেক কিছু রাজ্যবাসী পাবেন বলে সৌমিত্র ওইদিন প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। তবে তৃণমূল নেতৃত্ব সাধারণ মানুষের পাশে থেকে দান-ধ্যান ও সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেওয়ার পন্থা নিয়েছে।জনগনের মন পেতে রবিবার জামালপুর বিধানসভা এলাকায় তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষথেকে সাত হাজারেরও বেশী দুঃস্থ মানুষের হাতে তুলে দেওয়া হল শীতের কম্বল।একই ভাবে তৃণমূলের পক্ষ থেকে এদিন মেমারি পৌরসভার ১০ নম্বর ওয়ার্ডের তিন শতাধিক দুঃস্থের হাতেও কম্বল তুলে দেওয়া হয়। কনকনে ঠান্ডায় শীত নিবারণের জন্য যাঁরা কম্বল নিলেন তাঁরা ভোট কাকে দেবেন তা অবশ্য কারও জানা নেই। যদিও তৃণমূল নেতৃত্বের দাবি, মানুষের পাশে যাঁরা থাকে জনগন তাঁদেরকেই ভোট দেয় । জামালপুর পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি তথা ব্লক তৃণমূলের নেতা মেহেমুদ খান এই প্রসঙ্গে বলেন, গত লোকসভা ভোটের সময়ে বিজেপি প্রত্যেকের এ্যাকাউন্টে ১৫ লক্ষ টাকা করে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল ।এছাড়াও ঘরে ঘরে চাকরি দেবারও প্রতিশ্রুতি দেয়। লোকসভা ভোট মিটে যাবার পর দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গিয়েছে। কিন্তু জনগন কিছুই পাননি।অন্যদিকে যুব তৃণমূল কংগ্রেসের জামালপুর ব্লক সভাপতি ভূতনাথ মালিক এদিন দাবি করেন, শীত ,গ্রীষ্ম ,বর্ষা তৃণমূলই যে বাংলার জনগণের ভরসা সেটা বাংলার মানুষ খুব ভালোভাবেই জানেন। এটাও জনগন জানেন তৃণমূল ভোটে জেতার জন্য মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দেয় না। বাংলার মুখ্যমন্ত্রী বাংলার উন্নয়নে যেমন জোয়ার এনেছেন তেমনই তৃণমূল কর্মীরা বাংলার জনগনের ভালোর জন্য সারাবছর কাজ করে যাচ্ছে।এইসবের জন্যই জামালপুর সহ গোটা রাজ্যের মানুষ ফের মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেই বাংলার মুখ্যমন্ত্রী করবেন।যদিও তৃণমূল নেতৃত্বের এমন দাবি প্রসঙ্গে বিজেপির পূর্ব বর্ধমান জেলা সভাপতি সন্দীপ নন্দী বলেন, সর্বক্ষেত্রে গরিব মানুষের কাছ থেকে কাটমানি কারা খায় তা বাংলার মানুষ ভালকরেই জানেন। পায়খানা ঘরের টাকা থেকেও তৃণমূলের নেতারা কাটমানি খেতে ছাড়ে না। এবারের বিধানসভা ভোটে জামালপুরের পাশাপাশি গোটা বাংলার মানুষ কাটমানি খাওয়া তৃণমূলকে যে বাংলা ছাড়া করবে তা তৃণমূলের নেতারা ভালোই বুঝে গিয়েছেন। তাই এখন তৃণমূল নেতারা দান ধ্যান করে ভোটারদের মন পেতে চাইছে। তবে এইসব করে আর লাভ কিছু হবে না। সন্দীপ বাবুর দাবি, তৃণমূল সরকারের বিদায় সময়ের অপেক্ষা মাত্র ।

ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২১
রাজনীতি

রাজ্যে বিজেপিতে বিধায়ক ২৭জন!

এই মূহুর্তে বিজেপির মোট বিধায়কের সংখ্যা কত? সংখ্যাটা শুনলে হিসেব গুলিয়ে যেতে বাধ্য। অন্য দল থেকে যোগ দেওয়ার পর এরাজ্যে বিজেপির বিধায়ক সংখ্যা পৌঁছেছে ২৭-এ। যোগদানকারীদের মধ্যে তৃণমূল, সিপিএম ও কংগ্রেসের বিধায়ক রয়েছেন। তবে সব থেকে বেশি বিধায়ক এসেছেন তৃণমূল কংগ্রেস থেকে। এছাড়া রাজ্যের তিনজন প্রাক্তন মন্ত্রী যোগ দিয়েছেন পদ্ম শিবিরে।২০১৬ বিধানসভা নির্বাচনে এরাজ্যে বিজেপি মাত্র ৩ আসনে জয় পেয়েছিল। খড়্গপুর থেকে জয় পান বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। লোকসভায় প্রার্থী হওয়ার জন্য বিধায়ক পদ ছাড়তে হয় দিলীপ ঘোষকে। তখন বিধায়ক সংখ্যা কমে দাঁড়ায় দুইয়ে। তারপর ২০১৯ উপনির্বাচনে আরও ৪ আসনে জয়লাভ করে পদ্মশিবির। মোট বিধায়ক সংখ্যা দাঁড়িয়েছিল ৬-এ। উল্লেখ্য, ২০১৬ বিধানসভা নির্বাচনে এখন সেই দলে রয়েছে মোট ২৭ জন বিধায়ক। আর দুজন প্রাক্তন বিধায়ক। শুভেন্দু অধিকারী ও রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়। এঁরা প্রথমে মন্ত্রিত্ব ও পরে বিধায়ক পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন।তৃণমূল থেকে ১৫জন বিধায়ক এসেছেন পদ্মশিবিরে। কংগ্রেস থেকে ৩জন। ২জন সিপিএম থেকে ও সিপিআইয়ের ১ জন। এর মধ্যে দিপালী বিশ্বাস সিপিএম থেকে ভায়া তৃণমূল হয়ে বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন। কংগ্রেসের দুলাল বর তৃণমূল হয়ে বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন। দলে যোগদান করে এখন বিজেপির বিধায়ক ২৭ জন। বিধানসভা নির্বাচনের আগে এই সংখ্যা আরও বৃদ্ধি পায় কীনা সেটাই দেখার।কংগ্রেস এখনও বিধানসভায় বিরোধী দল। এই দলের অধিকাংশ বিধায়ক লিখিতভাবে কংগ্রেসে থাকলেও তৃণমূল ও বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পর রাজ্যে এখন কংগ্রেসের বিধায়ক সংখ্যা কত? তা বলতে হিমসিম খাবে রাজ্য কংগ্রেস নেতৃত্ব। তৃণমূলে একদিকে যেমন অন্য দল থেকে বিধায়ক এসে যোগ দিয়েছে, ঘাসফুল থেকেও একটা অংশ বিজেপিতে গিয়ে ভিড়ছেন।

ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২১
রাজনীতি

শুভেন্দুর পথেই এগোচ্ছেন রাজীব

মন্ত্রিত্বের পর এবার বিধায়ক পদও ছাড়লেন। শুভেন্দু অধিকারীর পর এবার রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়। শুক্রবার বিধানসভায় স্পিকারের ঘরে তাঁর সামনে পদত্যাগপত্র লিখে জমা দেন ডোমজুরের তৃণমূল বিধায়ক। তবে এদিনও তৃণমূলনেত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতার কথা জানিয়েছেন এই বেসুরো তৃণমূল বিধায়ক।এদিন সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বিজেপি যোগের ইঙ্গিতও দিয়েছেন রাজীব। উল্লেখ্য, রবিবার হাওড়ার ডুমুরজলায় জনসভা আছে বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতা অমিত শাহর। সেই মঞ্চেই পদ্ম পতাকা হাতে দেখা যেতে পারে রাজীবকে। ১৯ ডিসেম্বর মেদিনীপুরে অমিত শাহর সভার রিপ্লে দেখা যেতে পারে হাওড়ায়। মন্ত্রিত্ব ছাড়ার সময় রাজভবন থেকে বেরিয়ে কথা বলতে গিয়ে চোখের জল দেখা গিয়েছিল রাজীবের। এদিনও বিধানসভায় যথেষ্ট আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন তিনি। দলনেত্রীর ছবিও ছিল তাঁর কাছে। শুভেন্দু অধিকারী দুদিন আগেই পুরনো সঙ্গী রাজীবকে বিজেপিতে যোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। শুভেন্দু তৃণমূল কংগ্রেস ছাড়ার আগে বিজেপি নেতারা তাঁকে প্রকাশ্যে আহ্বান জানাত। সেই একই পথে কি রাজীবও? সেটাই মূল প্রশ্ন।

জানুয়ারি ২৯, ২০২১
কলকাতা

প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগ দবি মমতার

প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মমতা বলেন, কৃষকদের দাবি মেনে নিক। তা নাহলে গদি ছাড়ুক। বিজেপি ভাষা বিভেদ করছে বলেও দাবি করেছেন তৃণমূলনেত্রী।তৃণমূল কোনও ভাষাবিভেদ করে না বলে দাবি করেছেন মমতা। তিনি বলেন, আমরা ভাষা নিয়ে বৈষম্য করি না। ভাষা নিয়ে কোনও বিভাজন করি না। পাঞ্জাবের কৃষকরা লড়াই করছে তাঁদের পাশে আছি বলেও তিনি জানান। তাছাড়াও তিনি রাজস্থান, জাঠ, হরিয়ানার কৃষকদের আন্দোলনের সঙ্গে আছেন তাও জানিয়ে দেন। মমতার বক্তব্য, বাংলায় হিন্দু-মুসলিম নিয়ে রাজনীতি করলে কোনও ফায়দা হবে না বলে বাঙালি-অবাঙালি বিভাজন করছে বিজেপি।কীভাবে তৃণমূল কংগ্রেস হিন্দি ভাষীদের পাশে আছে সেকথাও জানিয়েছেন তৃণমূলনেত্রী। মমতা বলেন, তৃণমূল সরকার পশ্চিমবঙ্গে হিন্দিকে প্রথম সরকারি ভাষার মর্যাদা দেয়। তৃণমূল সরকার ছট পুজোর জন্য দুই দিনের ছুটি ঘোষণা করেছে। এবং হোলির জন্যও ছুটি ঘোষণা করেছে। আমরা হিন্দি বিশ্ববিদ্যালয় এবং হিন্দি কলেজ তৈরি করেছি, শিক্ষার্থীদের বৃত্তি দিচ্ছি এবং তাঁদের জীবনে প্রতিষ্ঠা করতে সহায়তা করছি। আমরা ভবিষ্যতে আরও কিছু করব।তৃণমূল ভবনে হিন্দিভাষীদের ওই অনুষ্ঠানে মমতা বলেন, আমার বিহারী, পাঞ্জাবী, রাজস্থানী, উত্তর প্রদেশের ভাই বোনেরা, বলুন তো আপনাদের এই বাংলায়, তৃণমূল কংগ্রেসের সরকারের আমলে কোনও সমস্যায় পড়তে হয়েছে? আমি কিন্তু হিন্দি পড়তে পারি।আমরা হিন্দি, কুরমি, উর্দু ভাষাকে মান্যতা দিয়েছি বাঙালিদের যদি বাংলা ভাষা শেখার অধিকার থাকে তাহলে অন্যান্য ভাষারও একই অধিকার আছে।

জানুয়ারি ২৮, ২০২১
খেলার দুনিয়া

এবার দুটি স্টেন্ট বসল সৌরভের, হাসপাতালে মুখ্যমন্ত্রী

বুকে ব্যথা নিয়ে গতকাল অ্যাপোলো হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের সভাপতি সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়। বৃহস্পতিবার চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, ব্লকেজের জন্য তাঁর দুটি স্টেন্ট বসানো হয়েছে। সৌরভ সুস্থ আছেন। স্টেন্ট বসান ডা. আফতাব খান। তত্বাবধানে ছিলেন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক দেবী শেঠি ও অশ্বিন মেহতা। তাছাড়া চিকিৎসার জন্য মেডিক্যাল বোর্ড গঠন করা হয়েছে।এদিন বিকেলে সৌরভকে দেখতে হাসপাতালে যান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সৌরভকে দেখে বেরিয়ে এসে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, সৌরভের দুটি স্টেন্ট বসেছে। সৌরভ ভাল আছেন। সকালে তাঁকে দেখতে এসেছিলেন শিলিগুড়ির বিধায়ক অশোক ভট্টাচার্য। গত ২ জানুয়ারি বুকে ব্যথা হওয়ায় ক্রিকেটের মহারাজকে উডল্যান্ড হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। তখন একটি স্টেন্ট বসাতে হয়েছিল। ৭ জানুয়ারি হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছিলেন তিনি। তারপর বাড়িতেই বিশ্রামে ছিলেন। ফের বুকে ব্যথা হওয়ায় বুধবার প্রাক্তন ভারতীয় ক্রিকেট দলের অধিনায়ককে অ্যাপোলো হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

জানুয়ারি ২৮, ২০২১
রাজনীতি

রাজীবকে পদ্মশিবিরে সরাসরি আহ্বান শুভেন্দুর

রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়কে পদ্মশিবিরে আসতে আহ্বান জানালেন বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী। ইতিমধ্যে রাজ্য মন্ত্রিসভা থেকে ইস্তফা দিয়েছেন হাওড়ার ডোমজুড়ের এই তৃণমূল বিধায়ক। তাঁর বক্তব্য, আড়াই বছর আগে তাঁকে না জানিয়ে মন্ত্রিত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল। তখনই নাকি তিনি পদত্যাগ করতে চেয়েছিলেন। সেই সময় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁকে নিরস্ত করেন। বেশ কয়েকদিন ধরেই দলীয় নানা সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে মত প্রকাশ করতে দেখা গিয়েছে রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়কে।বুধবার শ্যামবাজারের বিশ্ব হিন্দু পরিষদের অফিসে গিয়ে রাম মন্দির নির্মান কল্পে ২ লক্ষ ৪০ হাজার টাকা নিধি জমা দেন বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী। তিনি জানিয়ে দেন, এই টাকা সাংসদ হিসাবে যে পেনশন পান সেখান থেকেই দেওয়া হয়েছে। রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায় প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে শুভেন্দু বলেন, আমি আশা করছি রাজীব বিজেপিতে আসবে। আমার ব্যক্তিগতভাবে বন্ধু। আমরা তাহলে একসঙ্গে কাজ করতে পারব। খুব ভাল হবে।এদিকে রাজ্যে সভা করতে আসছেন বিজেপির প্রাক্তন সর্বভারতীয় সভাপতি অমিত শাহ। এর আগে তিনি জনসভা করেছেন মেদিনীপুর শহরে। ওই সভায় শুভেন্দু অধিকারী সহ বেশ কয়েকজন তৃণমূল বিধায়ক বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন। ওই দিন তৃণমূল সাংসদ সুনীল মন্ডলও যোগ দিয়েছেন। এই সপ্তাহেই অমিত শাহ এরাজ্যে আসছেন। একাধিক কর্মসূচি আছে অমিত শাহর। তিনি আসা মানেই ফের তৃণমূলের উইকেট পড়ে যাওয়া বলে মনে করেন রাজনৈতিক মহল। ইতিমধ্যে অমিত শাহর আসার আগের দিন ২৯ জানুয়ারি দলীয় বৈঠক ডেকেছেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এরইমধ্যে রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়কে বিজেপিতে আসতে প্রকাশ্যে আহ্বান জানালেন শুভেন্দু। এখন দেখার বিষয় রাজীব ঘাসফুল ছেড়ে কবে পদ্মফুলে ঠাঁই নেয়।

জানুয়ারি ২৮, ২০২১
রাজ্য

কোটি টাকার পিকের টিমকে বাদ দিয়ে সুব্রত কেন? প্রশ্ন তুললেন বৈশাখী

কোটি কোটি টাকার ঠিকাদার সংস্থা পিকের টিমকে বাদ দিয়ে কেন নন্দীগ্রামে রেইকি করতে যাচ্ছেন সুব্রত মুখোপাধ্যায়? দক্ষিণ ২৪ পরগনার ডায়মন্ডহারবারের জনসভায় এই প্রশ্ন তুললেন বিজেপি নেত্রী বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়। বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি বলেন, একসময় যারা দিদির জেলযাত্রার কামনা করত, যাঁরা তাঁকে বেদের মেয়ে জোসনা বলত, তাঁদের উপর ভরসা রাখছেন। কোটি কোটি টাকা দিয়ে পিকের টিম এতদিন কি করল?উল্লেখ্য বুধবার সুব্রত মুখোপাধ্যায় জানিয়েছেন, নন্দীগ্রামে তিনি তিন দিন থাকবেন এবং সেখানকার মানুষের সঙ্গে কথা বলবেন। অভাব-অভিযোগ শুনবেন। সেখানে তিনি একটা সার্ভে করবেন। এরপর বিভিন্ন মহলে তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করে। রাজনৈতিক মহল মনে করে, ১৯৮৪-তে কংগ্রেস নেতা সুব্রত মুখোপাধ্যায়ের হাত ধরে যাদবপুর লোকসভা কেন্দ্রের প্রার্থী হয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ওই আসনে বিশিষ্ট সিপিএম নেতা তথা আইনজীবী সোমনাথ চট্টোপাধ্যায়কে পরাজিত করে সংসদীয় রাজনীতিতে পা রাখেন কংগ্রেসের তৎকালীন যুব নেত্রী। এবার সেই সুব্রত মুখোপাধ্যায়কেই নন্দীগ্রামের দায়িত্ব দিয়েছেন তৃণমূল নেত্রী। অভিজ্ঞ রাজনীতিবিদ সুব্রত মুখোপাধ্যায়কে নিয়ে এরপরেই কটাক্ষ শুরু করেন শোভন চট্টোপাধ্যায় ও বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়।এই জনসভায় বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায় নাম না করে একহাত নেন তৃণমূল যুব সর্বভারতীয় সভাপতি তথা ডায়মন্ডহারবারের সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে। বৈশাখী বলেন, ৪২টি গাড়ি নিয়ে ঘুরলেই ভাইপো উন্নয়ন হয় না। উন্নয়ন হয়নি তোমার জেলায়। আজ গ্রামে গিয়ে বুঝলাম। ওই মায়ের চোখের জল দেখে বুঝলাম। রাস্তা দেখে বুঝলাম। ওই ৪২টা গাড়ির একটা থেকে জনতার মাঝে নেমে দেখাও। থাপ্পড় মেরে বের করে দেবে বাংলার জনতা। তিনি সরাসরি আক্রমণ শানিয়েছেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধেও।

জানুয়ারি ২৭, ২০২১
রাজ্য

সোমবার পুরশুড়ায় জনসভা মমতার

সোমবার হুগলির পুরশুড়ায় সভা করবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।শুভেন্দু অধিকারীর পাল্টা নন্দীগ্রাম, পুরুলিয়ার পর এবার হুগলির পুরশুড়াতে এই জনসভা । আগামিকাল ঠিক দুপুর একটা নাগাদ মঞ্চে ওঠার কথা মমতার। শুভেন্দুর হুঁশিয়ারির জবাবে কী বলেন তিনি, সেদিকেই নজর সকলের।রাজনৈতিক মহলের মতে, সব মিলিয়ে হুগলি জেলা নিয়ে যথেষ্ট চাপে রয়েছে তৃণমূল। তাই শুভেন্দুর পাল্টা হিসাবে এবার হুগলির পুরশুড়ায় জনসভা করার পরিকল্পনা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। সোমবার দুপুর একটা নাগাদ সেখানেই জনসভা রয়েছে তাঁর। ওই সভা থেকে তিনি কী বার্তা দেন, সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের। যদিও বিজেপি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জনসভাকে কটাক্ষ করতে ছাড়েনি। বিজেপিকে দেখেই ভোটযুদ্ধের রণকৌশল তৃণমূল স্থির করছে বলেই দাবি তাদের। তবে এ বিষয়ে তৃণমূল শিবির অবশ্য মুখে কুলুপ এঁটেছে।

জানুয়ারি ২৪, ২০২১
রাজ্য

দলের 'একনিষ্ঠ' হয়েও ফের আক্রমণাত্মক রাজীব

আমি দলের বিধায়ক। দলের একনিষ্ঠ কর্মী। শনিবার হাওড়ায় এক অনুষ্ঠানে এসে এভাবেই নিজের প্রতিক্রিয়া জানালেন ডোমজুড়ের বিধায়ক তথা রাজ্যের সদ্য প্রাক্তন বনমন্ত্রী রাজীব বন্দোপাধ্যায়। শনিবার দুপুরে হাওড়ার পাকুড়িয়া এলাকায় তেঁতুলকুলি বিদ্যালয়ে এক অনুষ্ঠানে এসে এই মন্তব্য করেন রাজীব। তবে বৈশালী ডালমিয়াকে বহিষ্কার নিয়ে দলীয় নেতৃত্বের সমালেচনা করতেও ছাড়লেন না তিনি।বারেবারে বেসুরো রাজীবের বিজেপিতে যোগ নিয়ে গত কিছুদিন ধরেই রাজনৈতিক মহলে চলছে জল্পনা। এদিনের মন্তব্যে কার্যত সেই জল্পনাতে জল ঢালার চেষ্টা করলেন রাজীব বন্দোপাধ্যায়। এমনই মনে করছেন জেলার রাজনৈতিক মহল। এর পাশাপাশি বালির বিধায়ক বৈশালী ডালমিয়ার বহিষ্কারের প্রসঙ্গে দ্ব্যর্থহীন ভাষায় বৈশালীর পাশে দাঁড়ানোর বার্তা দিলেন তিনি।রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়ের পদত্যাগ প্রসঙ্গে বালির বিধায়ক বৈশালী ডালমিয়া তাঁর হয়ে জোরালো সওয়াল করেন। হাওড়ার এক শীর্ষ নেতার জন্যই দলের এই দশা বলে তিনি মন্তব্য করেন। এরপরই বালির বিধায়ককে দল থেকে বহিষ্কার করে তৃণমূল নেতৃত্ব।এদিন বৈশালীর বহিষ্কার নিয়ে ফের মুখ খুলেছেন সদ্য প্রাক্তন বনমন্ত্রী। রাজীব বলেন, বৈশালী ডালমিয়ার থেকেও গুরুতর কথা দলের অনেকেই বলেছেন। কিন্তু তাঁদের বহিষ্কার তো দুরের কথা, তাঁদের কাছে কারণও জানতে চাওয়া হয়নি। এদিন নিজের বিধানসভা এলাকায় চাকুরী প্রার্থীদের বিনামূল্যে প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের উদ্বোধন করেন রাজীব বন্দোপাধ্যায়।

জানুয়ারি ২৪, ২০২১
রাজনীতি

"মমতাকে অপমানের প্রশ্রয়দাতা প্রধানমন্ত্রী"

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে অপমান করার তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা করলেন বহরমপুরের কংগ্রেস সাংসদ অধীর চৌধুরী। লোকসভার কংগ্রেস দলনেতার দাবি, বাংলার মুখ্যমন্ত্রীকে এভাবে অপমান করার জন্য প্রশ্রয় দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তিনি নিজের পদেরও অমর্যাদা করেছেন।শনিবার নেতাজির ১২৫ তম জন্মদিনে ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়ালে প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে বক্তব্য রাখতে আমন্ত্রণ জানানো হয় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। তখন অনুষ্ঠানে হাজির একাংশ জয় শ্রীরাম ধ্বনি দিতে থাকে। প্রতিবাদে বক্তব্য রাখেননি মমতা। এই ঘটনায় তোলপাড় বাংলার রাজনীতি। এই ঘটনায় বিজেপি বিরোধীরা এক সুরে প্রতিবাদে সরব হয়েছেন। সিপিএম, কংগ্রেসের মতো তৃণমূল বিরোধীরাও ভিক্টোরিয়ার ঘটনায় বিজেপির সমালোচনা করেছেন। সরকারি অনুষ্ঠানে স্লোগানের ফলে মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য বন্ধ হয়েছে, এই ঘটনার নিন্দা করেছেন সিপিএম পলিটব্যিরো সদস্য মহম্মদ সেলিম। তিনি বলেন, মুখ্যমন্ত্রী বলেছেন সরকারি কর্মসূচিকে দলীয় কর্মসূচি করা উচিত নয়। সমস্ত কর্মসূচিকে দলীয় কর্মসূচিতে রূপান্তরিত করেন। আশা করি আজ থেকে মুখ্যমন্ত্রী রাজ্য সরকারের অনুষ্ঠানকে দলীয় কর্মসূচিতে রূপান্তরিত করবেন না।অধীর চৌধুরী বলেন, প্রধানমন্ত্রী ও মু্খ্যমন্ত্রী দুজনেরই মর্যাদা আছে। মমতা ব্যানার্জির সঙ্গে রাজনৈতিক লড়াই থাকলেও তিনি বাংলার মুখ্যমন্ত্রী, সরকারি অনুষ্ঠানে তাঁকে অপমান করা হয়েছে, তার তীব্র নিন্দা করছি। প্রতিবাদ করছি। তাঁকে অপমান করার অধিকার বিজেপির নেই। মঞ্চে প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে জয় শ্রীরাম বলে মুখ্যমন্ত্রীকে অপমান করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী নিজের পদের অমর্যাদা করলেন এই ঘটনার প্রশ্রয় দিয়ে। মনে করেন অধীর।

জানুয়ারি ২৪, ২০২১
কলকাতা

'জয় শ্রীরাম' স্লোগানে ক্ষুব্ধ মুখ্যমন্ত্রী, রাখলেন না বক্তব্য

তারকাখচিত অনুষ্ঠানের সূচনার পরই তাল কাটল। নেতাজির জন্মজয়ন্তীতে ভিক্টোরিয়ার মঞ্চে অপমানিত মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কোনও মন্তব্য না রেখেই মঞ্চ ছাড়লেন মুখ্যমন্ত্রী ।নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর ১২৫ তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে সংগীতানুষ্ঠানের পরই মঞ্চে বক্তব্য রাখতে আমন্ত্রণ জানানো হয় মুখ্যমন্ত্রীকে। কিন্তু মমতা মঞ্চে উঠতেই দর্শকাসন থেকে উড়ে আসে জয় শ্রীরাম ধ্বনি। আর তাতেই মেজাজ হারান মমতা। তিনি বলেন, এটা কোনও রাজনৈতিক মঞ্চ নয়। আমার মনে হয়, সরকারি অনুষ্ঠানের একটা শালীনতা থাকা উচিত। এটা কোনও রাজনৈতিক দলের কর্মসূচি নয়। এটা সমস্ত দলেরই কর্মসূচি। জনতার কর্মসূচি।এভাবে আমন্ত্রণ জানিয়ে বেইজ্জত করা উচিত নয়। সেই জন্যই আমি আর একটি কথাও এখানে বলব না। তবে কলকাতায় এই অনুষ্ঠান আয়োজন করায় আমি প্রধানমন্ত্রী মোদিকে ধন্যবাদ জানাই। একথা বলেই মঞ্চ থেকে নেমে যান তিনি। যদিও মুখ্যমন্ত্রীর মন্তব্য না করা নিয়ে কোনও প্রতিক্রিয়া দেননি তিনি। যখন এই ঘটনা ঘটছে, তখন সেখানে নীরবে বসেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড় এবং কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয়। মমতার পরেই বলতে উঠে মোদি তাঁর ভাষণ শুরু করেন বহেন মমতাজি বলে। কিন্তু তাতেও গোটা অনুষ্ঠানের সুর ফিরে আসেনি।

জানুয়ারি ২৩, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 36
  • 37
  • 38
  • 39
  • 40
  • 41
  • 42
  • ...
  • 46
  • 47
  • ›

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

চোরবাগানে দুর্গাপুজোর ভিড়ে মর্মান্তিক বিপর্যয়! পদপিষ্টের আশঙ্কা, একাধিক মৃত্যুর দাবি সূত্রের, হাসপাতালে মুখ্যমন্ত্রী

কলকাতা: সপ্তমীর সন্ধ্যায় দুর্গাপুজোর আনন্দ মুহূর্তে পরিণত হল আতঙ্কে। প্রবল বৃষ্টি থেকে বাঁচতে মণ্ডপে ঢোকার হুড়োহুড়ি, তার সঙ্গে বিপুল দর্শনার্থীর চাপসব মিলিয়ে উত্তর কলকাতার চোরবাগান সর্বজনীনে তৈরি হল ভয়াবহ পরিস্থিতি। মণ্ডপের ভিতরে পদপিষ্ট হওয়ার মতো পরিস্থিতিতে বহু মানুষ আহত হয়েছেন বলে খবর। আহতদের কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ ও এসএসকেএম হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। আনন্দবাজার সুত্রে জানা যায় এই ঘটনায় ১৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। যদিও মৃত্যুর এই সংখ্যা সরকারি ভাবে নিশ্চিত করা হয়নি।ঘটনার খবর পেয়েই হাসপাতালে পৌঁছে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। আহতদের চিকিৎসার ব্যবস্থা এবং উদ্ধারকাজের অগ্রগতি সম্পর্কে খোঁজখবর নেন তিনি। পাশাপাশি পুজো উদ্যোক্তাদের থানায় ডাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে তীব্র চাঞ্চল্য। বন্ধ করে দেওয়া হয় মণ্ডপের আলো এবং প্রবেশ ও বেরোনোর পথ।প্রবল বৃষ্টির জেরেই কি বিপত্তি?সপ্তমীর সন্ধ্যায় উত্তর ও মধ্য কলকাতার বিস্তীর্ণ এলাকায় শুরু হয় প্রবল বৃষ্টি। তার জেরে রাস্তায় যানজট তৈরি হওয়ার পাশাপাশি পুজো মণ্ডপগুলিতেও দর্শনার্থীদের ভিড় সামলানো কঠিন হয়ে পড়ে। প্রত্যক্ষদর্শীদের বয়ান অনুযায়ী, বৃষ্টির হাত থেকে বাঁচতে লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা বহু মানুষ একসঙ্গে মণ্ডপের ভিতরে প্রবেশের চেষ্টা করেন। শুরু হয় ঠেলাঠেলি। সেই সময় কয়েক জন ভারসাম্য হারিয়ে পড়ে যান। তাঁদের পিছনে থাকা ভিড়ের চাপে পরিস্থিতি আরও বিপজ্জনক হয়ে ওঠে।প্রাথমিক ভাবে জানা যাচ্ছে, মণ্ডপের ভিতরের একটি বৃত্তাকার পথে এই বিপত্তি ঘটে। ওই পথে দর্শনার্থীদের ঘুরে মণ্ডপ থেকে বেরিয়ে আসার ব্যবস্থা ছিল। সেখানে একসঙ্গে বহু মানুষের জমায়েত পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তোলে বলে অনুমান করা হচ্ছে। তবে ঠিক কী কারণে এই দুর্ঘটনা ঘটল, তা এখনও স্পষ্ট নয়। কাঠামোর কোনও অংশ ভেঙে পড়েছিল কি না, সেই সম্ভাবনাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে সূত্রের খবর।হাসপাতালে আহতদের ভিড়, চলছে চিকিৎসাঘটনার পর দ্রুত আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়। কলকাতা পুলিশের সূত্রে প্রথমে ৩৫ জনকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার খবর পাওয়া গেলেও, পরে মেডিক্যাল কলেজের একটি সূত্রে দাবি করা হয়, সেখানে ৪০ থেকে ৫০ জনকে আনা হয়েছে। আহতদের মধ্যে কয়েক জনের অবস্থা গুরুতর বলে জানা গিয়েছে। উদ্ধারকারীদের দাবি, কয়েক জনকে সংজ্ঞাহীন অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।কলকাতা মেডিক্যাল কলেজের ইমার্জেন্সি অবজারভেশন ওয়ার্ডে আহতদের চিকিৎসা চলছে। কয়েক জনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য এসএসকেএম হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়েছে। ঘটনাস্থল ও হাসপাতালের পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে পৌঁছন কলকাতা পুলিশের কমিশনার অজয় নন্দও।হাসপাতালের একটি সূত্রের দাবি, মৃত ১৭ জনের মধ্যে ১৩ জন মহিলা, তিন জন পুরুষ এবং একটি শিশু রয়েছে। তবে প্রশাসনের তরফে এই মৃত্যুসংখ্যা বা মৃতদের পরিচয় সম্পর্কে কোনও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করা হয়নি। ফলে হতাহতের প্রকৃত সংখ্যা সম্পর্কে সরকারি নিশ্চিতকরণের অপেক্ষা রয়েছে।উদ্ধারকাজে জোর, উঠছে নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্নদুর্ঘটনার পর মণ্ডপ চত্বরে উদ্ধারকাজে জোর দেওয়া হয়। পুলিশ ও দমকলের কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছন বলে জানা গিয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে দর্শনার্থীদের প্রবেশ বন্ধ করে দেওয়া হয়। মণ্ডপের আলোও নিভিয়ে দেওয়া হয়, যাতে উদ্ধারকাজে অসুবিধা না হয়।অন্যদিকে, প্রত্যক্ষদর্শীদের একাংশের অভিযোগ, পরিস্থিতি যখন দ্রুত নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাচ্ছিল, তখন পর্যাপ্ত পুলিশ বা নিরাপত্তারক্ষী সময়মতো সেখানে উপস্থিত ছিলেন না। সাহায্যের আবেদন জানিয়েও তাঁরা সাড়া পাননি বলে অভিযোগ। যদিও এই অভিযোগের সত্যতা স্বাধীন ভাবে যাচাই করা যায়নি। দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ নির্ধারণে ভিড় নিয়ন্ত্রণ, প্রবেশ ও নির্গমন ব্যবস্থাপনা এবং নিরাপত্তার পর্যাপ্ততা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে উঠতে পারে।পুজো উদ্যোক্তা বিকাশ দাস জানিয়েছেন, কীভাবে এমন ঘটনা ঘটল, তা এখনও তাঁদের কাছে স্পষ্ট নয়। আপাতত আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানোই তাঁদের প্রধান লক্ষ্য। পদপিষ্ট হয়েই এই বিপর্যয় ঘটেছে কি না, তা নিশ্চিত করে বলতে পারেননি তিনি।৩৬০ ডিগ্রির মণ্ডপে কীভাবে ঘটল দুর্ঘটনা?চোরবাগান সর্বজনীন দুর্গোৎসব সমিতির ২০২৬ সালের পুজোর ভাবনা অরব, যার ইংরেজি ব্যাখ্যা বিয়ন্ড সাউন্ড। শব্দের পরিচিত সীমা ছাড়িয়ে নীরবতার গভীরে পৌঁছনোর ভাবনাকে কেন্দ্র করে তৈরি হয়েছিল মণ্ডপ। সৃজনশীল পরিকল্পনার অন্যতম আকর্ষণ ছিল ৩৬০ ডিগ্রি ঘুরে মণ্ডপ দেখার ব্যবস্থা। সেরা পুজোর তালিকায়ও এই পুজো তৃতীয় স্থান পেয়েছিল বলে জানা গিয়েছে।কিন্তু দর্শনার্থীদের চলাচলের জন্য তৈরি বৃত্তাকার এলিভেটেড করিডোর ঘিরেই বিপত্তি ঘটেছে বলে প্রাথমিক সূত্রের খবর। ওই পথে একসঙ্গে কত জনের চলাচলের ব্যবস্থা ছিল, ভিড়ের সময় প্রবেশ ও নির্গমন নিয়ন্ত্রণ কীভাবে করা হচ্ছিল এবং জরুরি পরিস্থিতিতে বিকল্প বেরোনোর পথ ছিল কি নাএই প্রশ্নগুলি এখন গুরুত্বপূর্ণ।উল্লেখ্য, এই পুজোর সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন দেবদীপ অধিকারী, যিনি মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর ভাইপো। জোড়াসাঁকোর বিজেপি বিধায়ক বিজয় ওঝা পুজো কমিটির চেয়ারম্যান। উত্তর কলকাতা জেলা তৃণমূলের সভাপতি তমোঘ্ন ঘোষও এই পুজোর সঙ্গে যুক্ত। তবে দুর্ঘটনার দায় নির্ধারণের ক্ষেত্রে কোনও ব্যক্তির রাজনৈতিক পরিচয়ের বদলে তদন্তে উঠে আসা তথ্য ও প্রমাণই গুরুত্বপূর্ণ হবে।হেল্পলাইন চালু রাজ্য সরকারেরঘটনার পর পশ্চিমবঙ্গ সরকারের পক্ষ থেকে একটি টোল-ফ্রি হেল্পলাইন নম্বর চালু করা হয়েছে বলে জানানো হয়েছে। নম্বরটি হল ১৮০০৩৪৫৫৬৭৮। দুর্ঘটনায় আহতদের সম্পর্কে তথ্য জানতে বা সংশ্লিষ্ট সহায়তার জন্য এই নম্বর ব্যবহারের কথা বলা হয়েছে।সপ্তমীর সন্ধ্যায় উৎসবের আবহে ঘটে যাওয়া এই বিপর্যয় ফের বড় পুজো মণ্ডপগুলিতে ভিড় নিয়ন্ত্রণ ও দর্শনার্থীদের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তুলে দিল। তবে কত জনের মৃত্যু হয়েছে, কীভাবে দুর্ঘটনা ঘটল এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থায় কোনও গাফিলতি ছিল কি নাতার চূড়ান্ত উত্তর মিলবে সরকারি বিবৃতি ও তদন্তের পরেই।

অক্টোবর ১৭, ২০২৬
উৎসব

দুর্গামণ্ডপে বিশ্বকাপের উন্মাদনা! ফুটবলের টানে মাঠে ফিরুক কচিকাঁচারা, অভিনব থিম পূর্ব সাতগেছিয়া সংহতির

পূর্ব বর্ধমান: দুর্গাপুজোর মণ্ডপে এ বার ফুটবল বিশ্বকাপের আবহ। কোথাও বিশ্বজয়ী স্পেনের উল্লাস, কোথাও ভারতীয় ফুটবলের ছবি, আবার কোথাও লিয়োনেল মেসি ও ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোর প্রতিকৃতি। ফুটবলকে কেন্দ্র করে পুজোর মণ্ডপেই যেন তৈরি হচ্ছে এক টুকরো বিশ্বকাপের আসর। বাঙালির চিরন্তন ফুটবলপ্রেমকে উদ্যাপন এবং নতুন প্রজন্মকে মোবাইলের পর্দা থেকে মাঠে ফিরিয়ে আনার বার্তা দিতে এমনই অভিনব উদ্যোগ নিয়েছে পূর্ব বর্ধমানের পূর্ব সাতগেছিয়া সংহতি ক্লাব।পুজোর থিম মানেই এখন শিল্প, সংস্কৃতি, সমাজ সচেতনতা কিংবা নানা অভিনব ভাবনার মেলবন্ধন। সেই ধারাতেই এ বার ফুটবলকে সঙ্গী করেছে পূর্ব সাতগেছিয়া সংহতি। ক্লাবের ২৯তম বর্ষের পুজোয় তাদের থিম ফুটবল ইউনাইটস ওয়ার্ল্ড। অর্থাৎ, ভাষা, দেশ ও সংস্কৃতির ভিন্নতা থাকলেও ফুটবল যে গোটা বিশ্বকে একই সুতোয় বেঁধে রাখতে পারে, সেই বার্তাই তুলে ধরা হয়েছে মণ্ডপসজ্জার মাধ্যমে।মণ্ডপের প্রবেশপথ থেকেই দর্শকদের নজর কাড়ার আয়োজন। সামনে রাখা হয়েছে ফুটবল বিশ্বকাপের সরকারি বল ট্রিয়োন্ডা। বলটিকে কেন্দ্র করে তৈরি হয়েছে বিশ্বকাপের আবহ। মণ্ডপের এক দিকে রয়েছে বিশ্বকাপজয়ী স্পেনের ঐতিহাসিক মুহূর্তের ছবি, অন্য দিকে স্থান পেয়েছে ভারতীয় ফুটবল দলের ছবি। আন্তর্জাতিক ফুটবলের গৌরবের পাশাপাশি দেশের ফুটবলের প্রতি ভালোবাসাকেও সমান গুরুত্ব দিতে চেয়েছেন উদ্যোক্তারা।এই থিমের অন্যতম আকর্ষণ ফুটবল বিশ্বের দুই মহাতারকা লিয়োনেল মেসি ও ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোর প্রতিকৃতি। তাঁদের ফুটবলজীবনের স্মৃতি ও জনপ্রিয়তাকে সামনে রেখে সাজানো হয়েছে মণ্ডপের বিভিন্ন অংশ। পাশাপাশি থাকছে আরও কয়েক জন তারকা ফুটবলারের প্রতিকৃতি। বিশ্বকাপের নানা স্মরণীয় মুহূর্তের ছবি দর্শকদের ফিরিয়ে নিয়ে যাবে মাঠের উত্তেজনা, গোলের উল্লাস এবং সমর্থকদের আবেগে ভরা সেই সব মুহূর্তে।মণ্ডপের অন্দরসজ্জাতেও থাকছে চমক। বিশ্বকাপের ইতিহাসে জায়গা করে নেওয়া ৭০টি উল্লেখযোগ্য মুহূর্তের ছবি সাজিয়ে তোলা হচ্ছে সেখানে। ভারতীয় ফুটবলের জন্যও রাখা হয়েছে বিশেষ জায়গা। দেশের ফুটবলের সঙ্গে জড়িয়ে থাকা ১২টি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তের ছবি তুলে ধরার পরিকল্পনা রয়েছে উদ্যোক্তাদের। ফলে এই মণ্ডপ শুধু পুজো দেখার জায়গা নয়, ফুটবলের ইতিহাস ও স্মৃতির সঙ্গে পরিচিত হওয়ারও একটি সুযোগ হয়ে উঠতে পারে।বিশ্বকাপ ফাইনালের উত্তেজনাকেও বিশেষ ভাবে ফুটিয়ে তোলার চেষ্টা হয়েছে। মণ্ডপের এক পাশে গ্যালারির আদলে তৈরি অংশে থাকবে ফাইনালের বিভিন্ন মুহূর্তের ছবি। দুর্গাপ্রতিমার পাশেও স্থান পাচ্ছে ফাইনালের স্মরণীয় দৃশ্য এবং ফুটবল তারকাদের ছবি। মণ্ডপের একেবারে উপরের দিকে থাকবে বিশ্বকাপে অংশগ্রহণকারী বিভিন্ন দেশের পতাকা। আলোর কারুকার্যে সেই সব পতাকার রং ফুটিয়ে তোলার পরিকল্পনাও রয়েছে। সব মিলিয়ে দর্শকদের সামনে ফুটবল বিশ্বকাপের একটি দৃশ্যমান আবহ তৈরি করাই উদ্যোক্তাদের লক্ষ্য।এখানেই শেষ নয়। মণ্ডপে থাকবে একটি বড় পর্দা, যেখানে দেখানো হবে বিশ্বকাপের বিভিন্ন ম্যাচের হাইলাইটস। ফলে প্রতিমা দর্শনের পাশাপাশি ফুটবলপ্রেমীরা ফিরে দেখতে পারবেন মাঠের সেরা মুহূর্তগুলি। গোল, সেভ, দুরন্ত পাস কিংবা ট্রফি জয়ের উল্লাসবিশ্বকাপের নানা স্মৃতি মণ্ডপের পরিবেশকে আরও প্রাণবন্ত করে তুলবে।তবে এই আয়োজনের পিছনে শুধুই দর্শকদের আকর্ষণ করার ভাবনা নেই। উদ্যোক্তাদের মূল লক্ষ্য, ছোটদের মধ্যে ফুটবলের প্রতি আগ্রহ বাড়ানো এবং তাদের মাঠমুখী করে তোলা। বর্তমান সময়ে মোবাইল ফোন ও ডিজিটাল বিনোদনের প্রতি শিশু-কিশোরদের আকর্ষণ বাড়ছে। সেই পরিস্থিতিতে খেলাধুলার আনন্দ, দলগত প্রচেষ্টা, শৃঙ্খলা এবং শরীরচর্চার গুরুত্ব নতুন প্রজন্মের সামনে তুলে ধরতে ফুটবলকে মাধ্যম করেছে ক্লাব।ফুটবল এমন একটি খেলা, যেখানে জয়ের আনন্দের পাশাপাশি থাকে পরাজয় মেনে নেওয়া, সতীর্থের পাশে দাঁড়ানো এবং শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যাওয়ার শিক্ষা। ফুটবল ইউনাইটস ওয়ার্ল্ড থিমের মাধ্যমে সেই সামাজিক ও মানবিক বার্তাও দর্শকদের কাছে পৌঁছে দিতে চায় পূর্ব সাতগেছিয়া সংহতি।দুর্গাপুজোর উৎসবের সঙ্গে ফুটবলের আবেগকে মিলিয়ে এই উদ্যোগ কতটা দর্শকপ্রিয় হয়, তা অবশ্য সময়ই বলবে। তবে মণ্ডপের সাজসজ্জা থেকে বিশ্বকাপের স্মৃতি, আন্তর্জাতিক তারকা থেকে ভারতীয় ফুটবলের ইতিহাসসব কিছুকে এক ছাতার তলায় এনে পুজোর আনন্দে নতুন মাত্রা যোগ করার চেষ্টা করেছে ক্লাব। উদ্যোক্তাদের আশা, মণ্ডপে এসে বিশ্বকাপের উন্মাদনায় মেতে ওঠার পাশাপাশি ছোটদের মনে জাগবে ফুটবলার হওয়ার স্বপ্ন। আর সেই স্বপ্নের টানেই হয়তো এক দিন তারা মোবাইল সরিয়ে রেখে আবার ছুটবে গ্রামের মাঠে, পায়ে বল নিয়ে।দুর্গামণ্ডপে বিশ্বকাপের আবহ, আর সেই আবহ থেকেই মাঠে ফেরার ডাকপূর্ব সাতগেছিয়া সংহতির এ বারের পুজোর ভাবনায় ফুটবল তাই শুধু খেলা নয়, নতুন প্রজন্মকে গড়ে তোলারও এক বার্তা।

অক্টোবর ১৭, ২০২৬
রাজ্য

কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোয় বড় চমক! কবে নিজের গর্ভগৃহে ফিরবেন তারাপীঠের মা তারা?

মহালয়ার আগেই তারাপীঠ মন্দিরের মূল গর্ভগৃহে মা তারাকে ফিরিয়ে আনার পরিকল্পনা ছিল। পরে ষষ্ঠীর দিনও তাঁকে ফিরিয়ে আনার কথা ভাবা হয়েছিল। কিন্তু মন্দিরের সংস্কারের কাজ শেষ না হওয়ায় তা সম্ভব হয়নি। অবশেষে কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোর দিন মা তারাকে মূল গর্ভগৃহে ফিরিয়ে আনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে মন্দির কমিটি। ২৫ অক্টোবর সন্ধ্যারতির পর নতুন বেদিতে অধিষ্ঠিত হবেন দেবী। ওই দিন রাজরাজেশ্বরী রূপে তাঁর বিশেষ পুজো হবে।তারাপীঠ মন্দিরের মূল গর্ভগৃহে এখন সংস্কারের কাজ চলছে। দেবীর আসনের বেদির উচ্চতা আট ইঞ্চি বাড়ানো হয়েছে। এই সংস্কারের জন্য খরচ হচ্ছে প্রায় দেড় কোটি টাকা। অযোধ্যার রামমন্দিরের কারিগরদের দিয়ে বিশেষ রেলিং তৈরি করানো হচ্ছে। তবে দিল্লি হয়ে সেই রেলিং তারাপীঠে পৌঁছতে দেরি হওয়ায় সংস্কারের কাজও পিছিয়ে যায়। মন্দির কমিটি জানিয়েছে, কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোর দিন সব ধর্মীয় আচার মেনে মা তারাকে নতুন বেদিতে প্রতিষ্ঠা করা হবে।মন্দির কমিটির পরিকল্পনা অনুযায়ী, ওই দিন ভোরে শিবমন্দির থেকে মা তারাকে নিয়ে আসা হবে বিশ্রাম মঞ্চে। সেখানে দিনভর পুজো ও দর্শন চলবে। সন্ধ্যারতির পর দেবীকে ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে মূল গর্ভগৃহে। নতুন বেদিতে প্রতিষ্ঠার আগে শুদ্ধিকরণ-সহ প্রয়োজনীয় ধর্মীয় আচার পালন করা হবে। লক্ষ্মীপুজোর বিশেষ লগ্নে মা তারাকে রাজরাজেশ্বরী রূপে সাজিয়ে মহালক্ষ্মী হিসেবে পুজো করা হবে।সংস্কারের জন্য মা তারাকে মূল গর্ভগৃহ থেকে সরিয়ে শিবমন্দিরে রাখা হলেও তাঁর নিত্যপুজো ও দর্শন বন্ধ হয়নি। সেখানেই নিয়মিত পুজো চলছে। তারাপীঠ মন্দির কমিটির সম্পাদক পুলক চট্টোপাধ্যায় জানিয়েছেন, কৌশিকী অমাবস্যার দুদিন পর সংস্কারের কাজের জন্য মা তারাকে মূল গর্ভগৃহ থেকে সরানো হয়েছিল। মহালয়া অমাবস্যার ঠিক আগে তাঁকে ফিরিয়ে আনার পরিকল্পনা থাকলেও কয়েকটি সমস্যার কারণে তা সম্ভব হয়নি। পরে ষষ্ঠীর দিন তাঁকে ফেরানোর কথা ভাবা হয়েছিল, কিন্তু সংস্কারের কাজ বাকি থাকায় সেই পরিকল্পনাও কার্যকর করা যায়নি।পুলক চট্টোপাধ্যায় আরও জানান, নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী চতুর্দশীর দিন ভোরে মা তারাকে শিবমন্দির থেকে বিশ্রাম মঞ্চে নিয়ে আসা হবে। ২৫ অক্টোবর সারাদিন সেখানেই থাকবেন দেবী। সন্ধ্যারতির পর তাঁকে আবার নিজের মূল গর্ভগৃহে ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে। কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোয় মা তারার এই বিশেষ আরাধনাকে ঘিরে এখন প্রস্তুতি চলছে তারাপীঠ মন্দিরে।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
কলকাতা

শুভেন্দু সরকারের বিচারে কলকাতার সেরা পুজো কোনটি? প্রথম স্থান পেল সন্তোষ মিত্র স্কোয়্যার!

রাজ্যে পালাবদলের পর এ বারই প্রথম দুর্গাপুজো। তার মধ্যেই কলকাতার সেরা পুজোগুলির নাম ঘোষণা করল রাজ্য সরকার। তথ্য ও সংস্কৃতি দফতর, কলকাতা পুরসভা এবং কলকাতা পুলিশের যৌথ উদ্যোগে দেবী দুর্গা সম্মান ২০২৬-এর তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। মোট ২৩টি পুজো কমিটিকে বিভিন্ন বিভাগে সম্মান জানানো হয়েছে। সেরা প্রতিমা, সেরা মণ্ডপ, আলোকসজ্জা, পরিবেশবান্ধব পুজো এবং সমাজ সচেতনতার মতো বিভাগে পুরস্কার দেওয়া হয়েছে।সরকারের বিচারে এ বারের সেরার সেরা হয়েছে সন্তোষ মিত্র স্কোয়্যার। এই বিভাগে দ্বিতীয় স্থান পেয়েছে বৃন্দাবন গার্ডেন দুর্গাপুজো সমিতি। তৃতীয় হয়েছে চোরবাগান সর্বজনীন দুর্গোৎসব সমিতি।সেরা প্রতিমা বিভাগে প্রথম হয়েছে মুদিয়ালি ক্লাব। দ্বিতীয় স্থানে টালা বারোয়ারি, তৃতীয় স্থানে বেহালা অরুণোদয় সমিতি এবং চতুর্থ স্থানে আহিরীটোলা সর্বজনীন। অন্য দিকে, সেরা মণ্ডপের পুরস্কার পেয়েছে খিদিরপুর ২৫ পল্লি। এই বিভাগে দ্বিতীয় হয়েছে আমরা কজন কল্যাণ সমিতি।আলোকসজ্জার বিভাগেও ঘোষণা করা হয়েছে পুরস্কারজয়ীদের নাম। এই বিভাগে প্রথম হয়েছে সন্তোষপুর অ্যাভিনিউ সাউথ। দ্বিতীয় পুরস্কার পেয়েছে বকুলবাগান সর্বজনীন দুর্গোৎসব। তৃতীয় হয়েছে শিবমন্দির সর্বজনীন দুর্গোৎসব।পরিবেশবান্ধব পুজোর বিভাগে প্রথম পুরস্কার পেয়েছে নলিন সরকার স্ট্রিট। দ্বিতীয় হয়েছে পার্ক স্ট্রিটের অ্যালেন পার্কের পুজো। তৃতীয় স্থান পেয়েছে রাজডাঙা নব উদয় সংঘ।সমাজ সচেতনতার বিভাগে প্রথম হয়েছে কাশীবোস লেন। দ্বিতীয় পুরস্কার পেয়েছে বালিগঞ্জ কালচারাল অ্যাসোসিয়েশন। তৃতীয় হয়েছে চক্রবেড়িয়া সর্বজনীন এবং চতুর্থ স্থানে রয়েছে অজেয় সংহতি।এ ছাড়াও চারটি পুজো কমিটিকে বিশেষ পুরস্কার দিয়ে সম্মানিত করা হয়েছে। এই তালিকায় রয়েছে বি জি লাইন্স আবাসিক দুর্গাপুজো কমিটি, শ্যাম স্কোয়্যার, ঠাকুরপুকুর এসবি পার্ক এবং সমাজসেবী সংঘ।সব মিলিয়ে, দেবী দুর্গা সম্মান ২০২৬-এ কলকাতার একাধিক পরিচিত পুজো কমিটি বিভিন্ন বিভাগে পুরস্কার পেয়েছে। সেরার সেরা হিসেবে সন্তোষ মিত্র স্কোয়্যারের নাম উঠে আসার পাশাপাশি প্রতিমা, মণ্ডপ, আলো, পরিবেশ এবং সমাজ সচেতনতার বিভাগেও আলাদা করে সেরাদের বেছে নিয়েছে সরকার।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
কলকাতা

হাই কোর্টে ধাক্কা, এ বার সুপ্রিম কোর্টে সুজিত বসু! পুজোর আগে কি মিলবে স্বস্তি?

কলকাতা হাই কোর্টে জামিনের আবেদন খারিজ হয়েছে। এ বার সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হলেন রাজ্যের প্রাক্তন দমকলমন্ত্রী সুজিত বসু। বৃহস্পতিবার গভীর রাতে হাই কোর্টের রায়কে চ্যালেঞ্জ করে শীর্ষ আদালতে মামলা করেছেন তিনি। তবে এখনই এই মামলার শুনানি হচ্ছে না বলে জানা গিয়েছে। ফলে দুর্গাপুজোর আগে জামিন মিলবে কি না, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা থেকেই যাচ্ছে। পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় গ্রেফতার হওয়ার পর থেকে জেলবন্দি তৃণমূলের এই নেতা।গত ১২ মে সুজিত বসুকে গ্রেফতার করেছিল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট বা ইডি। তার পর থেকে তিনি জেলে রয়েছেন। পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় তাঁর বিরুদ্ধে তদন্ত চালাচ্ছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। হাই কোর্টে জামিনের আবেদন জানিয়েও স্বস্তি পাননি প্রাক্তন মন্ত্রী। এ বার সেই রায়কে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টে মামলা করলেন তিনি।রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পর দুর্নীতির অভিযোগে বিভিন্ন মামলার তদন্ত ঘিরে তৎপরতা বেড়েছে। পুরসভায় নিয়োগ এবং শিক্ষক নিয়োগের মতো একাধিক মামলার তদন্ত করছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডি ও সিবিআই। সেই তদন্তের সূত্রেই সুজিতের বিরুদ্ধে পুর নিয়োগ দুর্নীতির অভিযোগ সামনে আসে। গত ১২ মে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়।তদন্তের সময় সুজিত বসুর বিরুদ্ধে আরও কয়েকটি আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ ওঠে বলে জানা গিয়েছে। তাঁর ছেলের রেস্তরাঁকে ঘিরেও একাধিক বেআইনি কাজের অভিযোগ সামনে এসেছে। এই সব অভিযোগের তদন্তে বিভিন্ন জায়গায় তল্লাশি চালিয়েছেন ইডির আধিকারিকেরা। তবে অভিযোগগুলির সত্যতা আদালতে প্রমাণিত হওয়া এখনও বাকি।জামিনের আবেদন বারবার খারিজ হওয়ায় সুজিতের আইনি লড়াই আরও জটিল হয়েছে। এ বার সুপ্রিম কোর্টে তাঁর আবেদন কোন দিকে এগোয়, সেটাই দেখার। পুজোর আগে শীর্ষ আদালতে শুনানি না হলে আপাতত জেলেই থাকতে হতে পারে প্রাক্তন মন্ত্রীকে।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
দেশ

এক সপ্তাহে দু’বার আটক অভিজিৎ দীপকে! দিল্লিতে তিরঙ্গা মিছিলের আগেই কেন কড়া পদক্ষেপ পুলিশের?

ফের আটক ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে। শুক্রবার দিল্লির কনট প্লেসে দলের তিরঙ্গা মিছিল হওয়ার কথা ছিল। তবে ওই মিছিলে বড় জমায়েতের অনুমতি দেয়নি দিল্লি পুলিশ। বৃহস্পতিবারই পুলিশের তরফে জানানো হয়েছিল, জাতীয় পতাকা হাতে জাতীয় সঙ্গীত গাওয়ার জন্য ১১ জনের একটি দলকে অনুমতি দেওয়া যেতে পারে। এর পর শুক্রবার সকালে মিছিল শুরুর ঠিক আগে অভিজিৎ দীপকের দিল্লির বাড়িতে পৌঁছয় পুলিশ। তাঁকে কর্মসূচি থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দিয়ে একটি নোটিস দেওয়া হয়। তার পরেই তাঁকে আটক করা হয়। এক সপ্তাহের মধ্যে এই নিয়ে দ্বিতীয়বার আটক হলেন সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা।এর আগে ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়ায় কারচুপির অভিযোগ তুলে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ কর্মসূচিতে যোগ দিতে মুম্বই থেকে দিল্লি এসেছিলেন অভিজিৎ। দিল্লিতে বিমান অবতরণের পরেই তাঁকে আটক করেছিল পুলিশ। এ বার জাতীয় পতাকা হাতে তিরঙ্গা মিছিল শুরুর আগেই ফের তাঁকে আটক করা হল।বৃহস্পতিবারই সিজেপিকে মিছিলের অনুমতি নিয়ে কড়া বার্তা দিয়েছিল দিল্লি পুলিশ। জানানো হয়েছিল, ১১ জনের একটি দল জাতীয় পতাকা হাতে জাতীয় সঙ্গীত গাইতে পারে। শুক্রবার সকালে মিছিলের আগে অভিজিৎ দীপকের বাড়িতে পৌঁছে তাঁকে নোটিস দেয় পুলিশ। কনট প্লেসে নির্ধারিত কর্মসূচিতে যোগ না দেওয়ার পরামর্শও দেওয়া হয় তাঁকে।তবে অভিযোগ, পূর্বনির্ধারিত কর্মসূচি মেনেই জাতীয় পতাকা হাতে কনট প্লেসের উদ্দেশে রওনা হয়েছিলেন অভিজিৎ। সেই সময় তাঁকে রাস্তা থেকে আটক করে পুলিশ। তার আগে পুলিশের সঙ্গে তাঁর বচসা হয় বলেও জানা গিয়েছে। কেন তাঁকে আটক করা হচ্ছে, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা। অভিজিতের দাবি, তিনি কোনও আইন ভাঙেননি।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
কলকাতা

টেবিল-ছাতা পেতেও মিলল না ছাড়! সিপিএমের বুকস্টল নিয়ে কড়া নির্দেশ প্রধান বিচারপতির

সিপিএমের বুকস্টল নিয়ে নতুন করে জট তৈরি হল কলকাতা হাই কোর্টে। একক বেঞ্চের রায়কে চ্যালেঞ্জ করে প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চের দ্বারস্থ হয়েছিল রাজ্য সরকার। শুক্রবার সেই মামলায় বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যের একক বেঞ্চের রায় খারিজ করে দিল ডিভিশন বেঞ্চ। শুধু তাই নয়, টেবিল ও ছাতা পেতেও বুকস্টল করা যাবে না বলে জানিয়ে দিয়েছে আদালত। আগামী ২১ জানুয়ারি মামলার পরবর্তী শুনানি। মামলার সঙ্গে যুক্ত সব পক্ষকে নোটিস দেওয়ার নির্দেশও দিয়েছে আদালত।শুনানির সময় প্রধান বিচারপতি রবীন্দ্র ভি ঘুগে জানতে চান, বুকস্টল করার অনুমতি চেয়ে আবেদন করা হয়েছিল কি না। তাঁর প্রশ্ন, আবেদন করেও অনুমতি না পেলে পুলিশ কী করবে? সিপিএমের আইনজীবী শামিম আহমেদ জানান, অনুমতি চেয়ে গণপূর্ত দফতর এবং জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষকে ইমেল করা হয়েছিল। পুলিশকেও আবেদনের কথা জানানো হয়েছিল বলে জানান মামলাকারীর আইনজীবী।এর পরেই রাস্তার ধারে থাকা স্টলগুলি নিয়ে কড়া অবস্থান জানান প্রধান বিচারপতি। তিনি বলেন, অনুমতি না থাকলে কোনও স্টলই রাখা যাবে না। আইনের চোখে সবাই সমান। সিপিএমের বুকস্টল কোথায় রয়েছে, তা জানতে চান তিনি। উত্তরে শামিম আহমেদ জানান, বুকস্টলটি দলের কার্যালয়ের সামনে। রাস্তার ধারে অন্য স্টলগুলির সঙ্গে একই লাইনে রয়েছে কি না, নাকি রাস্তার উপরে এগিয়ে এসেছে, সেই প্রশ্নও করেন প্রধান বিচারপতি। সিপিএমের আইনজীবী দাবি করেন, বুকস্টলটি অন্য স্টলগুলির মতো একই লাইনে রয়েছে।রাজ্যের অতিরিক্ত অ্যাডভোকেট জেনারেল বিল্বদল ভট্টাচার্য জানান, অন্য স্টলগুলির অনুমতি রয়েছে কি না, তা তাঁর জানা নেই। এর পর প্রধান বিচারপতি বলেন, অনুমতি না থাকলে সব স্টলই সরিয়ে দিতে হবে। আইনের চোখে সকলের সমান অধিকার থাকা প্রয়োজন।সিপিএমের আইনজীবী জানান, একক বেঞ্চও একই ধরনের পর্যবেক্ষণ করেছিল। অন্য দিকে, অ্যাডভোকেট জেনারেল প্রশ্ন তোলেন, অনুমতি ছাড়া কী ভাবে বুকস্টল চালানো সম্ভব? সিপিএমের তরফে পাল্টা জানানো হয়, দুর্গাপুজো শুরু হয়ে গিয়েছে। হাতে আর তিন-চার দিন রয়েছে। তাই মাইক বা মাইক্রোফোন ব্যবহার না করে বুকস্টল চালানোর অনুমতি দেওয়া হোক।শেষ পর্যন্ত আরও একটি প্রস্তাব দেন সিপিএমের আইনজীবী। তিনি জানান, দলের কার্যালয়ের সামনে পাঁচ ফুট লম্বা একটি টেবিল পেতে, কোনও ছাউনি ছাড়াই শুধু ছাতা ব্যবহার করে বুকস্টল চালাতে চান তাঁরা। কিন্তু সেই প্রস্তাবেও রাজি হয়নি আদালত। পাল্টা সওয়ালে অ্যাডভোকেট জেনারেল জানান, বনগাঁ থানার আইসি আদালতে উপস্থিত রয়েছেন। বুকস্টল থেকে বাংলাদেশ সীমান্তের দূরত্ব ছয় কিলোমিটার। এর পরেই প্রধান বিচারপতি স্পষ্ট জানিয়ে দেন, টেবিল ও ছাতা পেতেও বুকস্টল করা যাবে না।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
কলকাতা

পঞ্চমীর পর ষষ্ঠীতেও কলকাতার মেট্রোয় জনপ্লাবন! দরজা বন্ধ করতেই হিমশিম কর্মীরা

পঞ্চমী থেকেই ভিড়ে ঠাসা কলকাতা। মেট্রো স্টেশনে পা রাখার জায়গা নেই। ট্রেন এলেই তাতে ওঠার জন্য হুড়োহুড়ি পড়ে যাচ্ছে। ভিড়ের চাপে অনেক সময় বন্ধ করা যাচ্ছে না মেট্রোর দরজা। ফলে একের পর এক স্টেশনে দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকছে ট্রেন। ষষ্ঠীতেও পরিস্থিতির বিশেষ বদল হয়নি। মেট্রোর পাশাপাশি লোকাল ট্রেনেও যাত্রীদের ভিড় উপচে পড়ছে। ঠাকুর দেখতে বেরিয়ে চরম ভোগান্তির মুখে পড়তে হচ্ছে শহরবাসীকে। এই পরিস্থিতিতে মেট্রোর পরিষেবা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে।দুর্গাপুজো মানেই প্যান্ডেলে প্যান্ডেলে ঘোরা। ভিড়ের কথা মাথায় রেখেও অনেকেই বাড়ি থেকে বেরিয়ে পড়েন প্রতিমা দর্শনে। এখন তো তৃতীয়া থেকেই শুরু হয়ে যায় ঠাকুর দেখা। ফলে পঞ্চমী আসতেই শহরের বিভিন্ন মেট্রো স্টেশনে ভিড় বাড়তে শুরু করে। পঞ্চমীর রাতে চাঁদনি চক, এসপ্ল্যানেড-সহ একাধিক স্টেশনে কার্যত জনস্রোত দেখা যায়। বিকেল থেকেই মেট্রোয় ঠাসাঠাসি ভিড় ছিল।তার উপর একাধিক মেট্রো বাতিল হওয়ায় যাত্রীদের ভোগান্তি আরও বেড়ে যায়। ট্রেন এলেই তাতে ওঠার চেষ্টা করেন যাত্রীরা। ভিড় এতটাই বেশি ছিল যে অনেক ক্ষেত্রে দরজা বন্ধ করতে সমস্যা হয়। কোথাও কোথাও ভিড় সামলাতে পুলিশকর্মীদের যাত্রীদের নামিয়ে দিতে হয় বলেও জানা গিয়েছে। সব মিলিয়ে পঞ্চমীর রাতেই মেট্রোয় দুর্ভোগ চরমে ওঠে।ষষ্ঠীতেও ছবিটা প্রায় একই। সকাল থেকেই কলকাতার বিভিন্ন পুজোমণ্ডপে ভিড় জমাতে শুরু করেন দর্শনার্থীরা। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাস, ট্রেন এবং মেট্রোয় যাত্রীর সংখ্যা আরও বাড়ে। মেট্রোর তরফে বারবার একই ট্রেনে ওঠার জন্য তাড়াহুড়ো না করতে বলা হলেও তাতে বিশেষ লাভ হয়নি। পুজোর ভিড়ে দ্রুত গন্তব্যে পৌঁছতে চাইছেন সকলেই। কারণ, যাতায়াতে সময় কম লাগলে আরও বেশি প্রতিমা দেখার সুযোগ মিলবে।শিয়ালদহমুখী লোকাল ট্রেনেও ভিড়ের ছবিটা আলাদা নয়। ট্রেনের ভিতরে যাত্রীদের ঠাসাঠাসি ভিড় থাকায় সমস্যায় পড়ছেন অনেকে। পুজোর সময়ে শহর ও শহরতলির যাত্রীসংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় পরিবহণ ব্যবস্থার উপর চাপ বাড়ছে।এই পরিস্থিতিতে যাত্রীদের সুবিধার কথা মাথায় রেখে বাড়তি ট্রেন চালানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে রেল। আগামীকাল, অর্থাৎ সপ্তমী থেকে অতিরিক্ত ট্রেন চললে ভিড় কিছুটা সামলানো যাবে বলে আশা করা হচ্ছে। তবে পুজোর বাকি দিনগুলিতে মেট্রো ও লোকাল ট্রেনে যাত্রীদের ভোগান্তি কতটা কমে, এখন সেটাই দেখার।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal