• ২১ আষাঢ় ১৪৩৩, বৃহস্পতি ০৯ জুলাই ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Leader

রাজ্য

Khela Hobe: খেলা হবে দিবসে ডিজে বাজিয়ে চিয়ার লিডারদের মাঠে নাচানো নিয়ে তৈরি হয়েছে বিতর্ক

খেলা হবে দিবস-এ জমজমাট জঙ্গলমহল। ডিজে বাজিয়ে চিয়ার লিডারদের নাচের তালে অনুষ্ঠিত হল ফুটবল খেলা। যা নিয়ে সোমবার শোরগোল পড়ে যায় পূর্ব বর্ধমানের আউসগ্রাম ২ ব্লকের ভাল্কি অঞ্চলের রাণীগঞ্জে। এখানকার খেলার মাঠে অনুষ্ঠিত খেলা হবে দিবস অনুষ্ঠানে চিয়ার লিডারদের ডিজের তালে নাচা নিয়ে তুমুল বিতর্ক তৈরি হয়েছে। যদিও অনুষ্ঠানের আয়োজকরা এমন অনুষ্ঠান আয়োজনের পক্ষে তাঁদের সাফাইও যথারাতি দিয়েছেন।আরও পড়ুনঃ শিকেয় উঠল সামাজিক দূরত্ব, রণক্ষেত্র দুয়ারে সরকারমুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যেপাধ্যায়ের ঘোষণা অনুযায়ী রাজ্যের অন্যান্য জেলার পাশাপাশি সোমবার পূর্ব বর্ধমান জেলার সর্বত্র খেলা হবে দিবস অনুষ্ঠিত হয়। তার মধ্যে আউসগ্রাম ২ ব্লকের ভাল্কি অঞ্চল জাঁকজমক পূর্ণভাবেই ফুটবল খেলার আয়োজন করে। ভাল্কির রাণীগঞ্জ এলাকার মাঠে দর্শকের ভিড়ও হয়েছিল নজর কাড়া। খেলা শুরু হতেই হঠাৎচিয়ার লিডাররা মঞ্চে উঠে নাচ পরিবেশন করতে শুরু করায় মাঠে উপস্থিত সবাই হতবাক হয়েযান।কেউ কেউ মুগ্ধ হলেও এলাকার অনেকেই বিষয়টি মেনে নিতে না পেরে ক্ষোভ প্রকাশও করেন । তাঁদের বক্তব্য গ্রামীন এলাকায় এইসব কালচার নেই। চিয়ারলিডারদের মাঠে না নামানো হলেই ভালো হত।আরও পড়ুনঃ ১২ ঘন্টার দীর্ঘ লড়াই শেষে ১২ তম ইন্ডিয়ান আইডল স্নিগ্ধ হাওয়া পবনদীপএই বিষয়ে ভাল্কি অঞ্চল তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি অরূপ মিদ্দা সাফাই, এখন সিনেমা, থিয়েটার বন্ধ। বিনোদন বলে কিছু নেই। তাই একটু বিনোদন দিতেই এই আয়োজন রাখা হয়েছিল। যদিও ওই এলাকার তৃণমূল কর্মী কল্যাণ মিশ্র বলেন, খেলা হবে দিবসের অনুষ্ঠানে ফুটবল খেলার আয়োজন করা হয়েছিল। কিন্তু চিয়ার লিডারদের নাচের কোন অনুষ্ঠান ছিল না। কি করে এসব করা হল তা তিনি জানেন না । আউশগ্রামের তৃণমূল বিধায়ক অভেদানন্দ থাণ্ডার বলেন, জানি না কি হয়েছে। খোঁজ নিয়ে দেখতে হবে।

আগস্ট ১৬, ২০২১
রাজনীতি

TMC: তৃণমূলে নতুন যুগ, 'এক নেতা-এক পদ'

এক ব্যক্তি এক পদ নীতি-কে কার্যকর করে রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস তাদের সাংগঠনিক পর্যায় আজ বড়সড় রদবদল করেছে। মন্ত্রী এবং অন্যান্য প্রশাসনিক ও সাংবিধানিক পদে থাকা ব্যক্তিদের সরিয়ে তার জায়গায় সংগঠনে বেশ কিছু নতুন মুখকে জায়গা করে দেওয়া হয়েছে। সংগঠনকে মজবুত করতে উত্তরবঙ্গের সব জেলাতেই জেলা সভাপতি পদে রদবদল করা হয়েছে। দক্ষিণবঙ্গের মুর্শিদাবাদ, নদিয়া, উত্তর ২৪ পরগনার মতো বড় জেলাগুলিকে ২-৩টি ভাগে ভেঙে নতুন ব্যক্তিদের সংগঠনের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে তৃণমূল কংগ্রেসের তরফে।আরও পড়ুনঃ এএফসি কাপের প্রথম প্রতিপক্ষ নিয়ে কেন সতর্ক হাবাস?মুর্শিদাবাদ জেলাকে জঙ্গিপুর ও বহরমপুর-মুর্শিদাবাদ সাংগঠনিক জেলা থেকে বিভক্ত করে নতুন জেলা সভাপতি নিযুক্ত করা হয়েছে। একইভাবে নদিয়া জেলাকে ও নদিয়া উত্তর বা কৃষ্ণনগর এবং নদিয়া দক্ষিণ বা রানাঘাট নামে দুই সাংগঠনিক জেলায় ভাগ করা হয়েছে। উত্তর ২৪ পরগনা জেলাকে ভাগ করা হয়েছে ৪টি সাংগঠিক জেলায়।এগুলি হল দমদম-ব্যারাকপুর, বনগাঁ, বসিরহাট ও বারাসত। কলকাতায় উত্তর ও দক্ষিণ দুটি সাংগঠনিক জেলা তৈরি করা হয়েছে। দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলা সংগঠন ভেঙে তৈরি করা হয়েছে সুন্দরবন ও যাদবপুর-ডায়মণ্ডহারবার সাংগঠনিক জেলায়।পূর্ব মেদিনীপুর জেলা সংগঠনকে তমলুক ও কাঁথি এই দুই সাংগঠনিক জেলায় এবং পশ্চিম মেদিনীপুরকে ঘাটাল ও মেদিনীপুর এই দুই সাংগঠনিক জেলায় ভাগ করা হয়েছে। বাঁকুড়া জেলা সংগঠনকে বাঁকুড়া ও বিষ্ণুপুর এই দুই জেলায় ভাগ করা হয়েছে। হুগলি জেলা সংগঠনকে ভাগ করা হয়েছে আরামবাগ ও হুগলি-শ্রীরামপুর এই দুই সাংগঠনিক জেলায়। হাওড়া জেলা সংগঠন অবশ্য আগের মতোই হাওড়া সদর ও হাওড়া গ্রামীণ সংগঠনে বিভক্ত থাকছে। তবে ঝাড়গ্রাম, পুরুলিয়া, পশ্চিম বর্ধমান, পূর্ব বর্ধমান ও বীরভূম জেলার ক্ষেত্রে নতুন করে কোনও সাংগঠিক জেলা তৈরি করা হয়নি। তৃণমূল কংগ্রেসের এই সাংগঠনিক রদবদল যে সমস্ত গুরুত্বপূর্ণ মুখ তাদের সাংগঠনিক দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি পেয়েছেন তাদের মধ্যে রাজ্যের মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস, ফিরহাদ হাকিম, জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক প্রমুখের নাম উল্লেখযোগ্য। এছাড়া মৌসম বেনজির নূর, কৃষ্ণেন্দু নারায়ণ চৌধুরী মত মুখেরাও তাদের সাংগঠনিক দায়িত্ব থেকে বাদ পড়েছেন।আরও পড়ুনঃ ধুন্ধুমার ধর্মতলা, গ্রেপ্তার শুভেন্দু-দিলীপ-জয়প্রকাশরাযে সব জেলা সভাপতি এবার মন্ত্রী হয়েছেন, তাঁদের জেলা সভাপতির পদ থেকে সরিয়ে নতুন মুখদের জায়গা দেওয়া হতে পারে বলেও জল্পনা ছিল। বাস্তবেও তাই হল। সেইসঙ্গে এক একটি গুরুত্বপূর্ণ জেলাকে বেশ কয়েকটি ভাগে ভাগ করে দেওয়া হল। রাজ্য সহ সভাপতি করা হল ২ জনকে।রাজ্য-সহ সম্পাদক করা হল ৮ জনকে। রাজ্য কমিটিতে ১০ জনকে স্পেশ্যাল নিয়োগ করা হয়েছে।

আগস্ট ১৬, ২০২১
রাজ্য

TMC Murder: খড়দহে তৃণমূল নেতা খুনে রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রের অভিযোগ

বিজেপি-র ছোড়া গুলিতে এক তৃণমূল নেতা খুন হওয়ার অভিযোগ উঠল উত্তর ২৪ পরগনার খড়দহে। শুক্রবার রাতের ঘটনা। এই ঘটনার পর থেকেই চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়। চাপানউতর শুরু হয়েছে বিজেপি এবং তৃণমূলের মধ্যে। গভীর রাতে খড়দহে তৃণমূল নেতাকে গুলি করে খুন। মৃত রণজয় শ্রীবাস্তব ব্যারাকপুর লোকসভায় তৃণমূলের হিন্দি সংগঠনের সম্পাদক। এই ঘটনায় ৫ জনকে গ্রেপ্তার করেছে খড়দহ থানার পুলিশ। টিটাগড় পুরসভার প্রশাসক ও তৃণমূল নেতা প্রশান্ত চৌধুরীর অভিযোগ, খুনের পিছনে বিজেপির হাত রয়েছে। গেরুয়া শিবিরের পক্ষ থেকে অভিযোগ অস্বীকার করা হয়েছে।পুলিশ জানিয়েছে, ওই যুবকের নাম রণজয় শ্রীবাস্তব। তিনি গাড়ি নিয়ে খড়দহের বিটি রোড ধরে টাটা গেটের দিকে যাচ্ছিলেন। অভিযোগ, তখনই তাঁর গাড়ি ঘিরে ধরে কয়েকজন দুষ্কৃতী। তারপর গাড়ি লক্ষ্য করে গুলি এবং বোমা ছুড়তে শুরু করে। গুরুতর জখম হন রণজয়। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাঁকে কলকাতার একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। চিকিৎসা চলাকালীনই মৃত্যু হয় তাঁর।আরও পড়ুনঃ শুরুতে ধাক্কা সিরাজের, লর্ডসে অ্যাডভান্টেজ ভারতএ নিয়েই রাজনৈতিক তরজা বেধেছে তৃণমূল-বিজেপিদুই দলের মধ্যে। তৃণমূল নেতা প্রশান্ত চৌধুরী এই ঘটনার পিছনে বিজেপিকে দায়ী করেছেন। আবার উল্টো দিকে বিজেপি নেতা অর্জুন সিংয়ের অভিযোগ, পুরোটাই তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের ফল। তারই পাল্টা অর্জুন সিং বলেন, প্রশান্ত চৌধুরীর বয়স হয়ে গিয়েছে। এর জন্য কেসটা ঘোরানোর চেষ্টা করছে। পশ্চিমবাংলায় ১৮২ জনের ওপর বিজেপি কর্মী খুন হয়েছে। কালকেই সোদপুরে জয় সাহাকে গুলি করে খুনের চেষ্টা হয়েছে। কাজল সিনহার অনুগামীরা গোষ্ঠী কোন্দলে জড়িয়ে। বিজেপি খুনের রাজনীতি করেনি। এটা পুরোপুরি ওদের গোষ্ঠীকোন্দলের লড়াই। প্রত্যক্ষদর্শীদের বয়ান অনুযায়ী, খড়দহের বাগদিপাড়া এলাকায় তাঁকে লক্ষ্য করে এলোপাথাড়ি গুলি চালায় দুষ্কৃতীরা। মোট চার রাউন্ড গুলি চলে।

আগস্ট ১৪, ২০২১
কলকাতা

BJP: ফিল্মি কায়দায় দরজা ভেঙে বিজেপি নেতাকে গ্রেপ্তার করল পুলিশ

ঠিক যেন সিনেমার অ্যাকশন দৃশ্য। দরজা ভেঙে অভিযুক্ত বিজেপি নেতাকে গ্রেপ্তার করল পুলিশ। রাজনৈতিক অশান্তির ঘটনার জেরে মধ্য কলকাতার বিজেপি নেতা সজল ঘোষকে তাঁর বাড়ির দরজা ভেঙে গ্রেপ্তার করল পুলিশ। পুরো পরিস্থিতিকে কেন্দ্র করে এলাকায় তুলকালাম অবস্থা বেধে যায়।স্থানীয় সূত্রের খবর, স্বাধীনতা দিবস পালন অনুষ্ঠানের প্রস্তুতি ঘিরে বৃহস্পতিবার রাতে বিশাল সিং নামে এক বিজেপি কর্মীর দোকান ভাঙচুর করা হয়। স্থানীয় একটি ক্লাবের উপরেও হামলা চালানো হয়। এর জেরে সজলের নেতৃত্বে মুচিপাড়া থানায় বিক্ষোভ দেখান বিজেপি কর্মী-সমর্থকেরা। তৃণমূল সমর্থকেরাও পাল্টা বিক্ষোভ দেখান বলে অভিযোগ। থানার মধ্যেই দুতরফের বাদানুবাদ হয়। শুক্রবার সকালেও দুদলের সংঘর্ষ বাধে। তৃণমূলের অভিযোগ, দলের স্থানীয় এক যুবনেতার স্ত্রীর শ্লীলতাহানি করেছে সজলের সঙ্গীরা। পুলিশ সূত্রের খবর, সজল এবং তাঁর সঙ্গীদের বিরুদ্ধে ভাঙচুর ও ইভ টিজিং-এর দুটি পৃথক অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। যদিও অভিযোগ খারিজ করেছেন সজল এবং বিজেপি। আরও পড়ুনঃ তৃণমূলের ত্রিপুরা অভিযান অব্যাহত, আজ যাচ্ছেন ৯ সাংসদশুক্রবার দুপুরে মুচিপাড়া থানার পুলিশকর্মীরা সজলের বাড়িতে হাজির হয়েছিলেন। মুচিপাড়া থানার ওসি জানলা দিয়ে সজলকে বাড়ির বাইরে আসার কথা বললেও তিনি রাজি হননি। উল্টে তিনি পুলিশের উদ্দেশে বলেন, দরজা ভাঙুন। এর পর পুলিশকর্মীরা লাথি মেরে বাড়ির দরজা ভেঙে ফেলে। ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, টেনে-হিঁচড়ে থানায় নিয়ে যাওয়া হয় সজলকে। ঘটনার সময় বাড়িতে ছিলেন সজলের বাবা প্রদীপ-সহ পরিবারের সদস্যেরা। একদা কংগ্রেস এবং পরবর্তী সময়ে তৃণমূলের নেতা প্রদীপ কলকাতা পুরসভার বিরোধী দলনেতা এবং মেয়র পারিষদ পদে ছিলেন। সজলের গ্রেপ্তারির পরে প্রদীপ বলেন, শ্লীলতাহানি করেছে তৃণমূল। মিথ্যা অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়েছে সজলকে।

আগস্ট ১৩, ২০২১
রাজ্য

Laxmir Bhandar: ফর্ম বিলির আগেই বিতর্কে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার

লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পে ফর্ম নিয়েও জালিয়াতি। ঘটনায় শিলিগুড়ি সংলগ্ন আমবাড়িতে এক তৃণমূল নেতাকে সপরিবারে গ্রেপ্তার করল পুলিশ। এলাকার বাসিন্দাদের অভিযোগ, ওই প্রকল্পের ফর্ম টাকার বিনিময়ে বিক্রি করছিলেন বিন্নাগুড়ি গ্রাম পঞ্চায়েতের আমবাড়ির বাসিন্দা বাপ্পা দে সরকার এবং তাঁর দাদা বাপি দে সরকার। বাপ্পা এলাকায় তৃণমূলের এসসি, এসটি, ওবিসি সেলের বুথ সভাপতি। এই ঘটনায় বাপ্পা এবং তাঁর দাদা-সহ মোট চার জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। উল্লেখ্য, লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পের ফর্ম ১৬ তারিখ দুয়ারে সরকারের ক্যাম্প থেকেই দেওয়া হবে। এছাড়া আর অন্য কোনও ফর্ম গ্রহণযোগ্য হবে না বলে জানিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। যদি ফর্ম নিয়ে কোনও জালিয়াতি হয়, তাহলে কড়া পদক্ষেপ করা হবে বলেও সতর্ক করেছিলেন তিনি। কিন্তু তা সত্বেও এই অভিযোগ উঠে এসেছে।আরও পড়ুনঃ মুক্তি পাচ্ছে হরোর স্টোরিস, টেনশনে পরিচালকপুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই তৃণমূল নেতা বাপ্পা দে সরকার, তাঁর দাদা বাপি দে সরকার এবং বৌদি শিখা দে সরকার ছাড়াও স্থানীয় বাসিন্দা বিশ্বজিত্ মহন্তকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ধৃতদের আজ জলপাইগুড়ি জেলা আদালতে হাজির করা হবে। কিন্তু স্থানীয়দের অভিযোগ, ওই তৃণমূল নেতা ও তাঁর পরিবারের সদস্যরা কিছুদিন ধরেই বাড়ি থেকে ফর্ম বিক্রি করছিলেন। এবং ফর্ম জমা দেওয়ার ক্ষেত্রে টাকা দিতে বাধ্য করেছিলেন। প্রকল্পের সুবিধা পেতে ইচ্ছুক বাসিন্দাদের ফর্মের দাম হিসেবে ১০০ টাকা, ফর্ম ফিল আপ করার জন্য আরও ২০ টাকা করে নেওয়া হচ্ছিল। এ ঘটনা জানাজানি হতেই শুরু হয় হইচই। অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করে শিলিগুড়ি মেট্রোপলিটন পুলিশ। লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পে ২৫ থেকে ৬০ বছর বয়সের পিছিয়ে পড়া জনজাতির মহিলাদের ১০০০ টাকা এবং সাধারণ মহিলাদের ৫০০ টাকা করে মাসিক ভাতা দেওয়া হবে। এই প্রকল্পের ফর্ম মিলবে দুয়ারে সরকার ক্যাম্পে।আরও পড়ুনঃ তৃণমূলের ত্রিপুরা অভিযান অব্যাহত, আজ যাচ্ছেন ৯ সাংসদস্থানীয়দের অভিযোগ, ওই তৃণমূল নেতা ও তাঁর পরিবারের সদস্যরা কিছুদিন ধরেই বাড়ি থেকে ফর্ম বিক্রি করছিলেন। এবং ফর্ম জমা দেওয়ার ক্ষেত্রে টাকা দিতে বাধ্য করেছিলেন। প্রকল্পের সুবিধা পেতে ইচ্ছুক বাসিন্দাদের ফর্মের দাম হিসেবে ১০০ টাকা, ফর্ম ফিল আপ করার জন্য আরও ২০ টাকা করে নেওয়া হচ্ছিল। এ ঘটনা জানাজানি হতেই শুরু হয় হইচই। অভিযুক্তদের গ্রেফতার করে শিলিগুড়ি মেট্রোপলিটন পুলিশ। শুধু তাই নয়, ওই সদস্যা এক্কেবারে দেখিয়েই দিলেন কীভাবে ওই ফর্ম ফিলাপ করতে হয়। কিন্তু তাঁর দাবি, পাড়ার দোকানেই নাকি এখনই লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পের ফর্ম বিক্রি হচ্ছে। তিনি শুধু ফর্ম ভর্তি করে দিচ্ছেন। আর তার জন্য যে তিনি ৫০-৬০ টাকা করে নিচ্ছেন, তাও স্বীকার করে নিলেন এক বাক্যেই। এই নিয়ে ইতিমধ্যেই শোরগোল পড়ে গিয়েছে।

আগস্ট ১৩, ২০২১
দেশ

Congress: ৫ কংগ্রেস নেতার অ্যাকাউন্ট ব্লক করল টুইটার! কেন? জানুন

কেবল রাহুল গান্ধি নয়, বন্ধ করা হয়েছে একাধিক শীর্ষ কংগ্রেস নেতার টুইটার অ্যাকাউন্টও। বুধবার এমনই অভিযোগ করল কংগ্রেস। দেশের এই সবচেয়ে পুরনো রাজনৈতিক দলটির অভিযোগ, টুইটারের তরফে বন্ধ করা হয়েছে কংগ্রেসের মিডিয়া ইনচার্জ রণদীপ সুরজেওয়ালা, এআইসিসি-র সাধারণ সম্পাদক তথা প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অজয় মাকেন, লোকসভার সদস্য মণিক্কম ঠাকুর, প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জীতেন্দ্র সিং এবং মহিলা কংগ্রেসের সভানেত্রী সুস্মিতা দেবের টুইটার অ্যাকাউন্ট।আরও পড়ুনঃ এএফসি কাপে প্রথম পর্বের বাধা টপকাতে পারবেন? কী বলছেন হাবাসএই অভিযোগকে হাতিয়ার করে কেন্দ্রের নরেন্দ্র মোদি সরকারকে আক্রমণ শানিয়েছে কংগ্রেস। তাদের অভিযোগ, কেন্দ্র কলকাঠি নাড়ায় রাহুল গান্ধি-সহ তাঁদের শীর্ষ নেতাদের টুইটার অ্যাকাউন্ট ব্লক করেছে টুইটার। কণ্ঠরোধের চেষ্টা করছে কেন্দ্র। তাঁদের দাবি, এরপরেও অন্যায়ের প্রতিবাদ করবে কংগ্রেস। বিজেপি সরকারের সমস্ত অন্যায় কাজের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে সরব হবে দল। এদিকে, বিজেপির মুখপাত্র সম্বিত পাত্র অভিযোগ করেন, পকসো আইনের ৭৪ নম্বর ধারা ভেঙেছেন রাহুল গান্ধি। এরপরই কংগ্রেসের তরফে অভিযোগ করা হয়, রাহুল গান্ধির টুইটার অ্যাকাউন্টটি সাসপেন্ড করে দেওয়া হয়েছে। যদিও টুইটারের তরফে সেই অভিযোগ উড়িয়ে দেওয়ার হয়।

আগস্ট ১২, ২০২১
রাজনীতি

Tripura-FIR: ত্রিপুরা-কাণ্ডের জের, অভিষেক-সহ ৫ নেতার বিরুদ্ধে এফআইআর

তৃণমূলের বিরুদ্ধে আরও কড়া পদক্ষেপ ত্রিপুরা সরকারের। এবার তৃণমূলের সর্বভারতীয় সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে মামলা করল ত্রিপুরা পুলিশ। খোয়াই থানায় অভিষেক-সহ ৫ বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের হয়েছে। স্বতঃপ্রণোদিতভাবে মামলা রুজু করল ত্রিপুরা পুলিশ। ত্রিপুরায় বিপ্লব দেবের সরকার ভয় পেয়েছে, পাল্টা টুইট করেছেন কুণাল ঘোষ।Tripura: অন্যায়ভাবে ধৃত তৃণমূল কর্মীদের পাশে দাঁড়ানোর জন্য গুচ্ছের মিথ্যা অভিযোগ দিয়ে অভিষেক, ব্রাত্য, দোলা, আমি, সুবলদা, প্রকাশদার বিরুদ্ধে IPC 186/34 ধারায় নিজের থেকে মামলা করল খোয়াই থানার পুলিশ।ভয় পেয়েছে বিজেপি। pic.twitter.com/QHLBbkZTAT Kunal Ghosh (@KunalGhoshAgain) August 11, 2021খোয়াই থানার ওসি মনোরঞ্জন দেব বর্মা অভিষেক-সহ ৫ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযোগের তালিকায় রয়েছেন দোলা সেন, কুণাল ঘোষ, ব্রাত্য বসু, সুবল ভৌমিক ও প্রকাশচন্দ্র দাসেরও। তাঁদের বিরুদ্ধে মূলত ২টি ধারায় মামলা করা হয়েছে। ১৮৬ ও ৩৪ নম্বর- এই দুটি ধারায় সরকারি কাজে বাধা দান ও পুলিশের কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগে মামলা রুজু করা হয়েছে।কেন দেবাংশু ভট্টাচার্যদের আদালতে নিয়ে যেতে দেরি হয়েছে, তারও বিস্তারিত কারণ তুলে ধরেন মনোরঞ্জন দেব বর্মা। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, কুণাল ঘোষরা দীর্ঘসময়ে থানায় বসে ছিলেন। আদালতে নিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রেও বাধা দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে। পাশাপাশি পুলিশের পদস্থ দুই কর্তা এসডিপিও ও অ্যাডিশন্যাল এসপি-র সঙ্গেও দুর্ব্যবহার করেছেন বলে অভিযোগ করেছেন মনোরঞ্জন দেব বর্মা।অভিযোগপত্রে আরও একটি বিস্ফোরক তথ্য তুলে ধরেন পুলিশকর্তা। তিনি লিখেছেন, তৃণমূলের নেতারা পুলিশকে বিজেপির দালাল বলে থানার মধ্যে বসেই দুর্ব্যবহার করেছিলেন। তবে পাল্টা তৃণমূল নেতৃত্বের বক্তব্য, তাঁরা পুলিশের কোনও কাজেই বাধা দেননি। বরং তাঁরা পুলিশের কাছে জানতে চেয়েছিলেন, কী ধারায়, কোন মামলায় তাঁদের দলে নেতাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাঁদের বক্তব্য, এই মামলা অত্যন্ত হাস্যকর।অন্যদিকে, গ্রেপ্তার করা অবস্থায় ত্রিপুরা পুলিশ ২৪ ঘণ্টা জয়াদের এক গ্লাস জলও দেয়নি বলে অভিযোগ করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিন ঘটনার দিনের একটি ভিডিও টু্ইট করে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী পাল্টা দিয়ে বলেন, মুখ্যমন্ত্রীকে মিথ্যাশ্রী দেওয়া উচিত। কারণ, তাঁর অভিযোগ সবটাই মিথ্যা। ভিডিওয় দেখা গিয়েছে, জয়া ও সুদীপ, ২ জনেই জল খাচ্ছেন। যদিও এই টুইটের পাল্টা দিয়ে কুণাল টুইট করে বলেন, সবটাই মিথ্যা। জল এনে দিয়েছিল তৃণমূলের কর্মীরাই।শুভেন্দু মিথ্যা বলছে।জল আমাদের কর্মীরা এনে দিয়েছে।সুদীপ, জয়ার আঘাতের চিকিৎসা না করে গ্রেপ্তারির পর রুটিন প্রেসার দেখা হয়েছে।দলবদলু আগে বলুক 2014তে BJP 16/8 খেলার জন্য পালন করলেও ও কেন এখন খেলা দিবসের বিরোধিতা করছে?আর শিশিরদা কোন দলে ভাবা শেষ হল? https://t.co/bxmIsdt9ht Kunal Ghosh (@KunalGhoshAgain) August 11, 2021

আগস্ট ১১, ২০২১
রাজ্য

Boikanthapur GP: পঞ্চায়েত অফিসে ঢুকে প্রধানকে শাসানোর অভিযোগ তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে

পঞ্চায়েতে অফিসে ঢুকে মহিলা পঞ্চায়েত প্রধানকে শাসানোর অভিযোগ উঠল খোদ অঞ্চল তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে। সোমবার ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব বর্ধমানের বৈকন্ঠপুর ২ গ্রাম পঞ্চায়েত অফিসে।এদিনই সন্ধায় অঞ্চল তৃণমূল নেতা মোজাম্বেল শাহের বিরুদ্ধে বর্ধমান থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন প্রধান শর্মিলা মালিক। এই ঘটনা শোরগোল ফেলে দিয়েছে জেলার রাজনৈতিক মহলে।আরও পড়ুনঃ নীরজ চোপড়ার ইনস্টাগ্রামে অনুগামীর সংখ্যা দেখলে অবাক হবেন, সংখ্যাটা কত?পুলিশের কাছে দায়ের করা অভিযোগে প্রধান শর্মিলা মালিক জানিয়েছেন, এদিন বৈকন্ঠপুর ২ অঞ্চলের হাটশিমুল গ্রামের কিছু সমস্যা নিয়ে তিনি সেখানকার কয়েকজনের সঙ্গে পঞ্চায়েত অফিসে আলোচনা করছিলেন। ওই সময়ে দুই জনকে সঙ্গে নিয়ে মোজাম্মেল শাহ পঞ্চায়েত অফিস রুমে ঢুকে তাঁকে অশ্রাব্য ভাষায় গালিগালাজ করে। এমনকি তাঁকে পঞ্চায়েত থেকে বের করে দেবে বলে রীতিমত শাসায়। পঞ্চায়েত কর্মীরা অভিযুক্ত তৃণমূল নেতা মোজাম্মেল সাহকে এরপর পঞ্চায়েত থেকে বের করে দেয়। পঞ্চায়েত প্রধান শর্মিলা মালিক বলেন, তৃণমূল নেতা মোজাম্মেল শাহর এমন হুমকি শাসানির করণে তিনি নিরাপত্তার অভাব বোধ করে বর্ধমান থানায় মোজাম্মেল সাহ-এর বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেছেন। পঞ্চায়েত প্রধান এদিন আরও বলেন, বিধানসভা ভোটের আগে পঞ্চায়েতের উপপ্রধান সহ বেশ কয়েকজন সদস্য ও সদস্যা তাঁর বিরুদ্ধে অনাস্থা এনেছিল। কিন্তু তাতে তাঁরা সফল হয়নি। সেই থেকে তাঁরা পঞ্চায়েতের কোনও মিটিংয়ে আসছেন না। ফলে এলাকার উন্নয়নের কাজও বিঘ্নিত হচ্ছে। এমন অবস্থা তৈরি হওয়ার জন্য মোজাম্মেল শাহ তাঁকে দায়ী করে হামেশাই শাসায়। এমনকী প্রতিদিনই সোশাল মিডিয়ায় তাঁকে উদ্দশ্য করে ওই তৃণমূল নেতা আক্রমণ করে চলেছেন বলেও প্রধান শর্মিলা মালিকের অভিযোগ।আরও পড়ুনঃ বিশ্ব আদিবাসী দিবসে দুয়ারে জাতিগত শংসাপত্র পেলেন জামালপুরের আদিবাসীরাপঞ্চায়েত প্রধান এমন অভিযোগ করলেও তৃণমূল নেতা মোজাম্মেল শাহ তা অস্বীকার করেছেন। তিনি বলেন, আমি একজন সাধারন মানুষ হিসাবে জানতে গিয়েছিলাম কেন এলাকায় উন্নয়নের কাজ হচ্ছে না। উল্টে প্রধান মেজাজ হারিয়ে তার টেবিলে থাকা কাগজপত্র ফেলে দেন। পঞ্চায়েতে যদি সদস্যদের অনুপস্থিতির জন্য উন্নয়নের কাজ না হয় তাহলে তার নৈতিক দ্বায়িত্ব নিয়ে প্রধানের নিজের পদ থেকে সরে যাওয়া উচিত বলে মোজাম্বেল শাহ দাবী করেছেন। এই বিষয়ে জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের মুখপাত্র প্রসেনজিৎ দাস বলেন, কি ঘটেছে তা জানা নেই। তবে দলের উর্ধ্বে উঠে কেউ নিজের মতো করে কিছু দাবী করতে পারে না। সমস্যা বা অভিযোগ থাকতেই পারে। সেই ক্ষেত্রে দলীয় নেতৃত্বকে জানাতে হবে। এটাই আমাদের দলের নিয়ম। ঘটনার বিষয়ে বিজেপির জেলা নেতা কল্লোল নন্দন কটাক্ষ করে বলেন, ভাগ বাটোয়ারা নিয়েই ওনাদের অশান্তি বলে শুনেছি।

আগস্ট ১০, ২০২১
রাজনীতি

BJP: দিল্লি দরবারে যেতে চান রাজ্য বিজেপি নেতারা

ভোট পরবর্তী হিংসা-সহ বাংলার সার্বিক চিত্রটা কী রকম তা প্রধানমন্ত্রীকে জানাতে চায় বঙ্গ বিজেপি শিবির। সূত্রের খবর, এ রাজ্যের বিজেপি সাংসদরা শীঘ্রই এই বিষয় নিয়ে আলোচনা করতে সাক্ষাৎ করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে। বিজেপির রাজ্য সভাপতি তথা সাংসদ দিলীপ ঘোষের নেতৃত্বে এই সাক্ষাৎ-পর্ব হবে বলেই সূত্রের দাবি। বিজেপি সূত্রে জানা গিয়েছে, ইতিমধ্যেই প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে এই জন্য সময়ও চেয়েছেন বিজেপি সাংসদরা। সেখান থেকে সবুজ সংকেত এলেই সাংসদরা হাজির হবেন। সূত্রের দাবি, আগামী দুই একদিনের মধ্যেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে দেখা করতে পারেন দিলীপ ঘোষরা। বাংলার ভোট পরবর্তী হিংসা-সহ বিভিন্ন বিষয়ে কথা হতে পারে তাঁদের।উল্লেখ্য, রাজ্যের ভোট পরবর্তী হিংসা নিয়ে হাইকোর্টের নির্দেশে জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের জমা করা রিপোর্ট মানতে রাজি নয় রাজ্য। এদিকে, ভোট পরবর্তী হিংসা নিয়ে কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের সাহায্য চেয়ে সমস্যা সমাধানে পথ বের করতে নাছোড় রাজ্য বিজেপি। আর তাই প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাতের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

আগস্ট ০১, ২০২১
দেশ

Mamata-Kamalnath: মমতার 'ক্ষমতায়' বিশ্বাসী কমলনাথ

বিরোধী জোটে সিলমোহর দিতে দিল্লি সফরে গিয়েছেন। বুধবার তা নিয়ে কংগ্রেস সভানেত্রী সনিয়া গান্ধির সঙ্গে দেখা করার কথা রয়েছে। তার আগে মঙ্গলবার দিল্লিতে মধ্যপ্রদেশের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা বর্ষীয়ান কংগ্রেস নেতা কমল নাথের সঙ্গে দেখা করলেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ২০২৪-এর লোকসভা নির্বাচনে বিজেপি বিরোধী জোট গড়ার ক্ষেত্রে অগ্রণী ভূমিকা নিয়েছেন মমতা। এই সময় কমলনাথের সঙ্গে তাঁর সাক্ষাৎ যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। কারণ মমতা কংগ্রেস ছেড়ে বেরিয়ে যাওয়ার পর, ২০০১ সালে বাংলার বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূল এবং কংগ্রেসের জোট গড়ার পিছনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল কমলনাথের। তাই সনিয়ার সঙ্গে জোট নিয়ে আলোচনার আগে কমলনাথের সঙ্গে পরামর্শ করেই মমতা এগোতে চাইছেন বলে জল্পনা।আরও পড়ুনঃ ইরাক থেকে সরবে মার্কিন সেনামঙ্গলবার দুপুর ২টো নাগাদ দিল্লিতে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাংলোয় মমতার সঙ্গে দেখা করতে পৌঁছন কমলনাথ। সেখানে দীর্ঘক্ষণ কথা হয় দুজনের মধ্যে। দুপক্ষের মধ্যে কী নিয়ে আলোচনা হয়েছে, তা নিয়ে তৃণমূল নেত্রী কোনও মন্তব্য করেননি যদিও। তবে ২০২৪-এ জোট গড়ার প্রসঙ্গ যে তাঁদের আলোচনায় উঠে এসেছে, তার ইঙ্গিত মিলেছে। মমতার সঙ্গে দেখা করে বেরিয়ে সংবাদমাধ্যমে কমলনাথ বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে অভিনন্দন জানাতে এসেছিলাম। মূল্যবৃদ্ধি, আইন-শৃঙ্খলা-সহ একাধিক বিষয়ে ওঁর সঙ্গে কথা হয়েছে। ২০২৪-এর আগে জোট গড়া সম্ভব কি না, তা নিয়ে দলের নেতাদের সঙ্গে কথা বলব। তবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দেখিয়ে দিয়েছেন, মানুষ পাশে থাকলে, যে কোনও শক্তিকেই রোখা সম্ভব। ২০২৪-এ বিরোধী জোটের চালকের আসনে মমতাকে বসানোর ক্ষেত্রে কমলনাথ উল্লেখযোগ্য ভূমিকা নিতে পারেন বলে জল্পনা রাজনৈতিক মহলে।

জুলাই ২৭, ২০২১
কলকাতা

BJP: আচমকাই মত্যু বিজেপি যুব মোর্চার সহ-সভাপতি রাজু সরকারের

বিজেপির যুব মোর্চার বৈঠকের শেষে বড় দুর্ঘটনা। এদিনের বৈঠকে কথা কাটাকাটি হয় বেশ কিছু বিষয় নিয়ে। বৈঠক শেষে দরুণ বিজেপি যুব মোর্চা সহ সভাপতি রাজু সরকার আচমকাই বুকে ব্যাথা অনুভব করেন। তাঁকে এক হাসপাতাল থেকে অন্য হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার সময়ই হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে তিনি মারা যান বলে খবর সূত্রের।আরও পড়ুনঃ লম্বা চুল রাখা যাবে না, লক্ষ্মীর ফতোয়াহেস্টিংসের দপ্তরে দুদিনের বৈঠক চলছিল যুব মোর্চার। সেই বৈঠকের শেষের উত্তেজিত বাক্য বিনিময় হয় এবং বাদানুবাদে জড়িয়ে পড়েন যুব মোর্চার-সহ সভাপতি রাজু সরকার। এরপর আলোচনা শেষে তিনি অফিস থেকে বেরিয়েও যান। পরে নিজের ফেলে যাওয়া ডায়েরি নিতে ফের অফিসে আসেন। তখনই বেরিয়ে আসার সময় তিনি অসুস্থ বোধ করেন। তৎক্ষণাৎ তাঁকে এসএসকেএম হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু হাসপাতালে কোনও শয্যা মেলেনি। সেখান থেকে তাঁকে নিয়ে যাওয়া হয় ইএম বাইপাসের ধারে অ্যাপেলো হাসপাতালে। কিন্তু শেষরক্ষা হয়নি। চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন, সেখানে নিয়ে যাওয়ার পথেই হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয় তাঁর। বিজেপি সূত্রে খবর, দমদমের নাগেরবাজার এলাকার বাসিন্দা ছিলেন রাজু। তাঁর মৃত্যুতে যুব মোর্চায় নেমে এসেছে শোকের আবহ।এই বিষয়ে রাজ্য বিজেপি নেতৃত্বের তরফে এখনও কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

জুলাই ২৬, ২০২১
রাজ্য

Pegasus Row: বড় খবর: দিল্লি রওনার আগে বড় ঘোষণা মমতার

ফোনে আড়ি পাতার ঘটনায় তদন্ত কমিশন গঠন করল রাজ্য সরকার। সোমবার দিল্লি যাওয়ার আগে নবান্নে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এ কথা ঘোষণা করেন। দুই অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতির নেতৃত্বে এই কমিশন গঠন করেছে রাজ্য সরকার।সোমবার নবান্নে সাংবাদিক বৈঠকে মমতা বলেন, ফোনে আড়ি পাতার ঘটনায় তদন্ত কমিশন গঠন করেছি আমরা। মন্ত্রিসভার বৈঠকে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সুপ্রিম কোর্টের অবসপ্রাপ্ত বিচারপতি মদন লকুর ও হাইকোর্টের অবসরপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি জ্যোতির্ময় ভট্টাচার্য এই তদন্ত কমিশনের দায়িত্বে থাকবেন। এনকোয়্যারি অ্যাক্ট (১৯৫২)-এর আওতায় এই কমিশন গঠন করা হয়েছে। প্রথম কোনও রাজ্য হিসেবে পশ্চিমবঙ্গে গঠিত হল তদন্ত কমিশন। মন্ত্রিসভার জরুরি বৈঠকে কমিশন গঠনের প্রস্তাবে সিলমোহর পড়ল। কমিশনের দায়িত্বে রয়েছেন ২ অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি। এদিন কেন্দ্রকে তোপ দেগে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, কেউ যদি না জাগে, তাঁকে জাগাতে হয়। আশা করব আমাদের পদক্ষেপ বাকিদেরও জাগিয়ে তুলবে।আরও পড়ুনঃ অলিম্পিক টিটির তৃতীয় রাউন্ডে পৌঁছে গেলেন শরথ কমলউল্লেখ্য, আজ দুপুরেই দিল্লি উড়ে যাবেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রাজধানীতে একগুচ্ছ কর্মসূচি রয়েছে তাঁর। তবে, দিল্লি রওনা দেওয়ার আগে সোমবার মন্ত্রিসভার জরুরি বৈঠক ডাকেন মুখ্যমন্ত্রী। সেখানেই এই বিচার বিভাগীয় কমিশন গঠনের সিদ্ধান্তে সিলমোহর পড়ে। এরপর সাংবাদিক বৈঠকে চাঁচাছোলা ভাষায় কেন্দ্রকে তোপ দাগেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, পেগাসাস ব্যবহার করে সাংবাদ মাধ্যম, আইনজ্ঞ মহল, রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব, নাগরিক সমাজকে নজরবন্দি করে রাখা হয়েছে। গত এক সপ্তাহ ধরে সংসদ চলাকালীন আমরা ভেবেছিলাম, সুপ্রিম কোর্টের কোনও বিচারপতিকে দিয়ে কেন্দ্রীয় সরকার নিশ্চয়ই তদন্ত করাবে। সেক্ষেত্রে মানুষ বিচার পাবে। কিন্তু আমরা যখন দেখলাম সরকারের কোনও ভ্রুক্ষেপ নেই। তখন দিল্লি যাওয়ার আগে আমি বিচার বিভাগীয় কমিশন তৈরি করে দিলাম।

জুলাই ২৬, ২০২১
রাজ্য

Suvendu Adhikari: শুভেন্দুর বিরুদ্ধে এফআইআর

সোমবারই জেলার পুলিশ সুপারকে কাশ্মীর বদলির হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। সেই ঘটনার ২৪ ঘণ্টা কাটতে না কাটতেই শুভেন্দু অধিকারী-সহ একাধিক বিজেপি নেতার বিরুদ্ধে এক ডজন স্বতঃপ্রণোদিত মামলা দায়ের করল পূর্ব মেদিনীপুর জেলা পুলিশ।করোনাকালে সরকারি নিয়ম লঙ্ঘন করে জমায়েত করা-সহ একাধিক কারণে শুভেন্দু অধিকারীর বিরুদ্ধে মামলা করেছে পুলিশ। তমলুক থানার পুলিশ স্বতঃপ্রণোদিতভাবে এই মামলা করেছে। এফআইআরে শুভেন্দু ছাড়াও নাম রয়েছে একাধিক বিজেপি বিধায়ক এবং নেতাদের। ময়নার বিধায়ক অশোক দিন্ডা, ভগবানপুরের বিধায়ক রবীন্দ্রনাথ মাইতি, খেজুরির বিধায়ক শান্তনু প্রামাণিক, দক্ষিণ কাঁথির বিধায়ক অরূপ কান্তি দাস এবং হলদিয়ার বিধায়ক তাপসী মণ্ডলের নাম রয়েছে এই এফআইআর-এ।আরও পড়ুনঃ টোকিওতে কেন গেমস ভিলেজে থাকছেন না ১ নম্বর মহিলা টেনিস তারকা?ভোটের ফল প্রকাশের পর বিজেপি কর্মীদের মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো থেকে একাধিক অভিযোগে সোমবার তমলুকে জেলা পুলিশ সুপারের অফিস ঘেরাও করে বিজেপি। জেলার বিজেপি বিধায়ক ছাড়াও সেই সভায় হাজির ছিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা তথা নন্দীগ্রামের বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী। সেই সমাবেশ থেকেই পূর্ব মেদিনীপুরের জেলা পুলিশ সুপার অমরনাথকে কাশ্মীরে বদলির হুমকি দেন তিনি।পুলিশ সূত্রে দাবি, বেআইনি জমায়েত, সরকারি কাজে বাধাদান, পুলিশের ফোনে আড়িপাতা, পুলিশকে হুমকি দেওয়া, ষড়যন্ত্র-সহ একাধিক অভিযোগে এই মামলা দায়ের করা হয়েছে। ভারতীয় দণ্ডবিধির ১০ টির বেশি ধারা প্রয়োগ করা হয়েছে বিজেপি নেতাদের বিরুদ্ধে।

জুলাই ২০, ২০২১
রাজ্য

CID: মঙ্গলকোট-কাণ্ডে তদন্তভার সিআইডি-র

মঙ্গলকোটে তৃণমূলের লাখুরিয়া অঞ্চল সভাপতি অসীম দাসকে খুনের ঘটনায় তদন্তভার হাতে নিল সিআইডি।আজই মঙ্গলকোটে ৫ সদস্যের সিআইডির একটি দল তদন্তে যাচ্ছে। ইতিমধ্যেই ঘটনায় দুই দলীয় কর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। প্রসঙ্গত, সোমবার লাখুড়িয়ায় নিজের বাড়ি ফেরার পথে গুলিবিদ্ধ হয়ে খুন হন স্থানীয় তৃণমূল সভাপতি অসীম দাস। পয়েন্ট ব্ল্যাঙ্ক রেঞ্জ থেকে তাঁকে গুলি করা হয়। তৃণমূল নেতার মৃত্যুতে কার্যত বিজেপির বিরুদ্ধে সুর তোলে শাসক দল। যদিও সেই অভিযোগ বরাবর নস্যাৎ করে আসে গেরুয়া শিবির। বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ স্পষ্টই জানান, তৃণমূলের লোকেরাই খুনের ঘটনায় জড়িত। পরবর্তীতে খোদ মৃত নেতার পরিবার দাবি করে, এই হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যে রয়েছে তৃণমূলের বি গোষ্ঠী।জানা গিয়েছে, এদিন সিআইডির তদন্তকারীরা মৃতের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলবেন। মূলত কাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ তা জানবার চেষ্টা করবেন। উল্লেখ্য এর আগেও অসীমবাবুকে আক্রমণ করা হয়েছিল। সেই চেষ্টা বৃথা যায়। সিআইডির দলটি ঘটনাস্থলেও যাবেন।

জুলাই ১৬, ২০২১
রাজ্য

Mangalkote: মঙ্গলকোটে খুনের ঘটনায় গ্রেপ্তার ২ দলীয় কর্মীই

গুলি করে তৃণমূলের অঞ্চল সভাপতিকে খুনের ঘটনায় গ্রেপ্তার দলেরই দুই সক্রিয় কর্মী। ঘটনা জানাজানি হতেই বৃহস্পতিবার ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে পূর্ব বর্ধমানের মঙ্গলকোটের রাজনৈতিক মহলে। গত সোমবার মঙ্গলকোটের লাখুরিয়া অঞ্চল তৃণমূলের সভাপতি অসীম দাসকে খুনের ধৃতরা হলেন সাবুল শেখ ও সামু শেখ। প্রথমজনের বাড়ি মঙ্গলকোটের কল্যাণপুর গ্রামে। অপর ধৃত মঙ্গলকোটের কোটালঘোষ গ্রামের বাসিন্দা। সাবুল ও সামু দুজনেই সক্রিয় তৃণমূল কর্মী বলে এলাকায় পরিচিত। ধৃত সাবুলের দাবি সে লাখুরিয়া অঞ্চল তৃণমূলের সহ-সভাপতি। পুলিশ দুই ধৃতকেই এদিন পেশ করে কাটোয়া মহকুমা আদালতে। তদন্তের প্রয়োজনে তদন্তকারী অফিসার এদিন দুই ধৃতকেই ১২ দিনের জন্য নিজেদের হেপাজতে চেয়ে আদালতে আবেদন জানান। বিচারক ধৃতদের ৭ দিনের পুলিশি হেপাজতের নির্দেশ দিয়েছেন।আরও পড়ুনঃ নিয়মে বৈপ্লবিক পরিবর্তন নিয়ে আসছে দ্য হান্ড্রেড ক্রিকেটমঙ্গকোটের লাখুড়িয়া অঞ্চল তৃণমূলের সভাপতি অসীম দাস গত সোমবার সন্ধ্যায় বাইকে চেপে সিউর গ্রামে নিজের বাড়িতে ফিরছিলেন। পথে সিউর মোড়ে দুস্কৃতিরা অসীম দাসের বাইক দাঁড় করিয়ে খুব কাছ থেকে তার বুক লক্ষ করে গুলি চালিয়ে পালায়। তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলেও শেষ রক্ষা হয়নি। চিকিৎসক অসীম দাসকে মৃত ঘোষণা করেন। ঘটনার পর দিন মৃতর ছেলে সুনন্দ দাস অজ্ঞাত পরিচয় দুষ্কৃতীদের নামে মঙ্গলকোট থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। এরপর পুলিশের পাশাপাশি সিআইডির দলও ঘটনার তদন্তে নামে। খুনের ঘটনার তদন্তে বিশেষ তদন্ত কমিটি সিট গঠন করা হয়। এদিন রাজ্যের ফরেনসিক দলের বিশেষজ্ঞ চিত্রাক্ষ সরকার ও অভিজিৎ মাণ্ডির নেতৃত্বে পাঁচ সদস্য সিউর এলাকার খুনের ঘটনাস্থল খতিয়ে দেখেন। তাঁরা ঘটনাস্থল সরেজমিনে খতিয়ে দেখেন। পাশাপাশি তাঁরা ওই দিনের ঘটনা পুনর্নির্মাণ করেন।আরও পড়ুনঃ কফি ডেটে যেতে চান শ্রীলেখা! কিন্তু কার সঙ্গে?অঞ্চল সভাপতি অসীম দাস খুন হওয়ার পর মঙ্গলকোটের তৃণমূল নেতৃত্ব দাবি করেছিলেন খুনের ঘটনায় বিজেপি জড়িত। কিন্তু মৃতের পরিবারের লোকজনই সেই দাবিকে কার্যত নস্যাৎ করে দিয়েছিলেন। তাঁরা অভিযোগ করেছিল, দলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের জেরেই অসীম দাস খুন হয়েছেন। বুধবার নিহত অসীম দাসের পরিবার সদস্যদের সঙ্গে দেখা করে তৃণমূল নেতা অনুব্রত মণ্ডল সাফ জানিয়ে দিয়েছিলেন, অপরাধীরা যে দলেরই হোক ছাড়া হবে না। পুলিশকে তিন দিনের মধ্যে অপরাধীদের গ্রেপ্তার করতে হবে।আরও পড়ুনঃ নতুন মেগা আসছে পিয়ালীরপুলিশ জানিয়েছে, ২০১৬ সাল থেকে ২০১৮ সালের মধ্যে ধৃত দুজনের বিরুদ্ধে মঙ্গলকোট থানায় আটটি করে অভিযোগ রয়েছে। মাদক পাচারের ঘটনায় দীর্ঘদিন জেলে ছিল খুনের ঘটনায় ধৃত সামু শেখ। মাস খানেক আগে জেল থেকে ছাড়া পেয়ে সামু গ্রামে ফেরে। পুলিশের দাবি জিজ্ঞাসাবাদে ধৃত দুজনই খুনের ঘটনায় জড়িত থাকার কথা কবুল করেছে। ঘটনার এই দুই ধৃত ছাড়াও আরও অনেকের জড়িত থাকার সম্ভাবনা রয়েছে বলে পুলিশ কর্তারা মনে করছেন।আরও পড়ুনঃ ইচ্ছে ছবির ১০ বছর, আবেগে ভাসলেন পরিচালকমঙ্গলকোট ব্লকের তৃণমূল সভাপতি তথা বিধায়ক অপূর্ব চৌধুরী এদিন যদিও দাবি করেন, সাবুল তাঁদের দলের কোনও পদাধিকারী নয়। সমর্থক হতে পারে। অপর ধৃত সামুর সঙ্গে বিজেপির যোগ রয়েছে। তবে বিজেপির সাংগঠনিক জেলা (কাটোয়া) সহ-সভাপতি রাণাপ্রতাপ গোস্বামী বলেন, আমরা ঘটনার পর থেকেই বলছিলাম তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের জেরেই এই খুনের ঘটনা ঘটেছে। দুজন গ্রেপ্তার হওয়ার পর সেটাই পরিষ্কার হয়ে গেল।

জুলাই ১৫, ২০২১
কলকাতা

BJP woman Leader: বেপরোয়া গাড়ির ধাক্কায় জখম বিজেপি নেত্রী

প্রাতঃভ্রমণ করতে গিয়ে গাড়ির ধাক্কায় গুরুতর আহত হন এক বিজেপি নেত্রী। বৃহস্পতিবার সকালে হাওড়া ডুমুরজলায় এই ঘটনা ঘটে। তাঁকে ইচ্ছাকৃতভাবে ধাক্কা মারা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন বিজেপির রাজ্য মহিলা মোর্চার সদস্য প্রিয়াঙ্কা শর্মা। আরও পড়ুনঃ ধর্মঘটে ন্যাশনাল মেডিক্যালের গ্রুপ ডি কর্মীরাবৃহস্পতিবার ভোর ৫টা নাগাদ, হাওড়ার দাসনগরের বাসিন্দা বিজেপি নেত্রী প্রিয়াঙ্কা শর্মা ডুমুরজলার রিং রোডে এক সঙ্গীর সঙ্গে যখন প্রাতঃভ্রমণ করছিলেন, সেই সময়ে হঠাৎই একটি কালো রঙের আইটেন গাড়ি দ্রুতগতিতে এসে পিছন থেকে তাঁকে ধাক্কা মারে। বিজেপি নেত্রীর দাবি, তিনি রাস্তার ধার দিয়েই হাঁটছিলেন, তাঁকে পিছন থেকে এসে ধাক্কা মারে গাড়িটি। ছিটকে রাস্তায় পড়েন তিনি। অভিযোগ, ইচ্ছাকৃতভাবে পর পর দুবার গাড়িটি তাঁকে ধাক্কা মেরে দ্রুতগতিতে চম্পট দেয়। আশেপাশে থাকা অন্য প্রাতঃভ্রমণকারীদের সাহায্যে তিনি হাসপাতালে যান। ডান হাতে ও পায়ে চোট লেগেছে তাঁর। স্থানীয় চ্যাটার্জিহাট থানায় ঘটনার বিবরণ দিয়ে অভিযোগ জানান প্রিয়াঙ্কা। অভিযোগ পেয়ে পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। ঘটনাটি ইচ্ছাকৃত, নাকি দুর্ঘটনা তা জানতে এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখেছে পুলিশ।

জুলাই ১৫, ২০২১
কলকাতা

Cyber Crime: পুলিশকর্তার মেয়েকে নিয়ে আপত্তিকর পোস্ট, গ্রেপ্তার তৃণমূল নেতার ছেলে

পুলিশকর্তার মেয়ের ছবি দিয়ে নেটমাধ্যমে আপত্তিকর পোস্ট করার অভিযোগে বারাসত থেকে গ্রেপ্তার করা হল তৃণমূল নেতার ছেলেকে। ধৃতের নাম অর্কদীপ কুণ্ডু। তাঁর বাবা দীপক কুণ্ডু উত্তরপাড়া-কোতরং পুরসভার ১০ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কো-অর্ডিনেটর।আরও পড়ুনঃ পায়েল মুখার্জীর হিন্দি সিনেমা বিশেষ সম্মানে ভূষিতখোদ পুলিশকর্তার মেয়ের মোবাইল নম্বর এবং ছবি ব্যবহার করে নেটমাধ্যমে অর্কদীপ আপত্তিকর পোস্ট করেছিল বলে অভিযোগ। আরও অভিযোগ ওঠে, ওই কাণ্ডের পর থেকে এই রাজ্য তো বটেই, ভিনরাজ্য, এমনকী, অন্য দেশের নম্বর থেকেও ফোন করে বিরক্ত করা হয় ওই তরুণীকে। তরুণীর দাবি, ফোন করে এবং মেসেজ পাঠিয়ে তাঁকে কুরুচিকর মন্তব্যও করা হয়। তার জেরে গত ১২ জুন বিধাননগর সাইবার থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়। তার প্রায় এক মাসের মাথায় শনিবার রাতে বারাসতের নবপল্লির একটি আবাসনে বিধাননগর কমিশনারেটের সাইবার ক্রাইম বিভাগ এবং বারাসত থানার পুলিশ যৌথভাবে হানা দেয়। ওই আবাসনেই অর্কদীপ আত্মগোপন করেছিলেন বলে জানা গিয়েছে।

জুলাই ১১, ২০২১
কলকাতা

Suvendu- Fake Vaccination: ভুয়ো টিকা-কাণ্ডে স্বাস্থ্য ভবনে শুভেন্দু, হতে পারে জনস্বার্থ মামলাও

ভুয়ো টিকা কাণ্ড নিয়ে পূর্ণাঙ্গ তদন্তের দাবি জানালেন বিজেপি বিধায়ক তথা রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। একই সঙ্গে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, টিকাকাণ্ড নিয়ে যদি পূর্ণাঙ্গ তদন্ত না করা হয়, তা হলে জনস্বার্থ মামলার পথে হাঁটবেন তাঁরা। বিধানসভার অধিবেশন শুরু হলে বিষয়টি উত্থাপন করা হবে বলেও শুক্রবার জানিয়েছেন শুভেন্দু। কসবায় ভুয়ো টিকা কাণ্ড নিয়ে তোলপাড় চলছে গোটা রাজ্যে। এই কাণ্ডে ইতিমধ্যেই গ্রেপ্তার হয়েছেন মূল পাণ্ডা দেবাঞ্জন দেব। কী ভাবে এই টিকা আনা হল, কোন দোকান থেকে সেই টিকা নেওয়া হয়েছে, সব কিছু নিয়ে পূর্ণাঙ্গ তদন্তের দাবি জানাতে শুক্রবার আচমকাই দলের বিধায়কদের নিয়ে স্বাস্থ্যভবনে হাজির হয়েছিলেন শুভেন্দু। তিনি উল্লেখ করেন, গোটা বিষয়টি কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী হর্ষবর্ধনকেও জানিয়েছেন।আরও পড়ুনঃ মমতার আবেদনে সাড়া সুপ্রিম কোর্টের, হাইকোর্টকে হলফনামা জমা নেওয়ার নির্দেশভুয়ো টিকাকাণ্ডের ষড়যন্ত্র ফাঁস করতে এবার গোটা ঘটনার সিবিআই তদন্ত চাইলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী ও বিজেপি সাংসদ লকেট চট্টোপাধ্যায়। এদিন রাজ্যের স্বাস্থ্য সচিবের সঙ্গে দেখা করে ভুয়ো টিকাকাণ্ড নিয়ে সরব হয়েছেন শুভেন্দু। এই ঘটনায় দোশীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে স্বাস্থ্য সবিচের কাছে আবেদন রেখেছেন শুভেন্দু। এমনকী, এটাও জানিয়ে দিয়েছেন, স্বাস্থ্য দফতর যথাযথ ব্যবস্থা না নিলে তাঁরা আদালতে যাবেন।স্বাস্থ্যভবন থেকে বেরিয়ে শুভেন্দু বলেন, এই ভুয়ো, প্রতারক চিটিংবাজ, প্রভাবশালীদের সঙ্গ দেওয়া দেবাঞ্জন দেব যে কাণ্ডটা করেছে, তাতে মানুষ আতঙ্কিত। এই টিকা শিবিরে টিকা নিয়ে যদি কারও কিছু হয়ে যেত, তা হলে বলা হত মোদীর পাঠানো টিকার জন্য এই ঘটনা ঘটেছে। এটা একটা বড় ষড়যন্ত্র বলে আমরা মনে করছি।শুভেন্দুর অভিযোগ, গত ২-৩ সপ্তাহ ধরে দেবাঞ্জন গাড়ি গাড়ি করে লোক নিয়ে এসে টিকা দিয়েছেন। সেই কর্মসূচিতে কোথাও দেখা গিয়েছে শাসকদলের সাংসদ গিয়ে টিকা নিচ্ছেন। কোথাও দেখা গিয়েছে মুখ্যমন্ত্রীর ঘনিষ্ঠ মন্ত্রী নেতারা এই প্রতারককে দিনের পর দিন সঙ্গ দিয়েছে। এটা নিয়ে একটা বড় এজেন্সির তদন্তের প্রয়োজন। প্রয়োজনে সিবিআইকে দিয়েও তদন্ত করানো উচিত। এদিন স্বাস্থ্য ভবন থেকে বেরিয়ে শুভেন্দু সংবাদমাধ্যমের প্রতিনিধিদের জানান, এটা বড় ষড়যন্ত্র। ভুয়ো ভ্যাকসিনে মৃত্যু হলে কেন্দ্রকে দোষারোপ করা হত। আর ওই প্রতারককে দিনের পর দিন সঙ্গ দিয়েছে রাজ্য সরকার। পশ্চিমবঙ্গের মানুষকে বিপদে ফেলেছেন। গুরুতর বিষয় এটা। শুধু কলকাতা পুলিশ দিয়ে তদন্ত করালে হবে না। আমরা চাই বড় এজেন্সিকে দিয়ে তদন্ত করা হোক। সিবিআই-কে দিয়ে তদন্ত করা যেতে পারে। এই দাবি করেছি। ব্যবস্থা না নিলে আমরা আদালতে যাব। বিধানসভা খুললে এ বিষয়ে প্রস্তাব আনব। আলোচনা হওয়া দরকার। যেখান থেকে টিকা কিনল, তার লাইসেন্স রাজ্য সরকার দিয়েছে। প্রতারক সরকারের অতি ঘনিষ্ঠ। মানুষের জীবন নিয়ে ছেলেখেলা করা যাবে না। অন্যদিকে, লকেট চট্টোপাধ্যায়ও কেন্দ্রীয় সংস্থাকে দিয়ে তদন্তের দাবি জানিয়েছেন। তাঁর অভিযোগ, শাসক দলের তাবড় নেতা ও মন্ত্রীদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ রয়েছে অভিযুক্ত দেবাঞ্জন দেবের। এমনকী, নীল সাদা বেলুন দিয়ে ক্যাম্প সাজিয়ে কলকাতা পুর নিগমের নীল লোগো লাগানো গাড়ি নিয়ে প্রতারণা চালিয়ে গিয়েছে সে। প্রায় দুহাজারের বেশি লোককে যে ভ্যাকসিন দেওয়া হয়েছে তার দায় রাজ্য সরকারের।

জুন ২৫, ২০২১
দেশ

Jammu-Kashmir-Modi: উপত্যকার রাজনৈতিক নেতাদের সঙ্গে বৈঠক মোদির

ফের জাতীয় রাজনীতিতে আলোচনার শিরোনামে জম্মু-কাশ্মীর (Jammu and Kashmir)। আজ, উপত্যকার রাজনৈতিক নেতাদের নিয়ে সর্বদলীয় বৈঠকে বসতে চলেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Narendra Modi), যা এই সময়ে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বছর দুই আগে জম্মু-কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা প্রত্যাহার করে তাকে দুটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে পরিণত করার পর এই প্রথম প্রধানমন্ত্রীর নিজে সেখানকার রাজনৈতিক নেতাদের সঙ্গে আলোচনায় বসছেন। আজ বিকেল ৩টে নাগাদ দিল্লিতে প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনে বৈঠকে যোগ দিতে যাচ্ছেন ফারুক আবদুল্লা, মেহবুবা মুফতিরা। এমন গুরুত্বপূর্ণ আলোচনায় ঠিক কোন কোন বিষয় গুরুত্ব পাবে, তা নিয়ে জল্পনা তুঙ্গে। ইতিমধ্যেই দিল্লিতে তা নিয়ে আলোচনা শুরু হয়ে গিয়েছে। সূত্রের খবর, রাজনৈতিকভাবে উপত্যকাকে আরও শক্তিশালী করার দিকে বেশি গুরুত্ব দিতে চায় কেন্দ্র। ফলে আলোচনার অভিমুখ হতে পারে তাও।আবার দুটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে ভাগাভাগির জেরে অঞ্চলগুলির পুনর্বিন্যাসে (delimitation) জোর দেওয়ার বিষয়টিও বৈঠকে উঠে আসতে পারে।সবমিলিয়ে, দেশের অন্যতম স্পর্শকাতর জম্মু-কাশ্মীর নিয়ে স্বয়ং প্রধানমন্ত্রীর এই বৈঠকের গুরুত্ব নানাবিধ, যেদিকে তাকিয়ে সেখানকার আমজনতা থেকে রাজনৈতিক মহল।আরও পড়ুনঃ পিএসি সদস্য পদে মুকুলের মনোনয়ন, কটাক্ষ শুভেন্দুর২০১৯ সালের অগাস্টে জম্মু-কাশ্মীরের বিশেষ রাজ্যের মর্যাদা খারিজ করে তাকে দুটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে পরিণত করা হয় জম্মু-কাশ্মীর ও লাদাখ। কেন্দ্রের দাবি, উপত্যকার যথাযথ উন্নয়নের জন্যই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। দাবির পক্ষে-বিপক্ষে যুক্তি-প্রতিযুক্তি রয়েছে এখনও। কেন্দ্রের এই সিদ্ধান্তের সুফল উপত্যকাবাসী আদৌ কতটা পেলেন, তা নিয়ে আলোচনা, সমালোচনাও রয়েছে বিস্তর। এই পরিস্থিতিতেই কাশ্মীর উপত্যকায় বাড়তি নজর দিলেন প্রধানমন্ত্রী নিজে। বৃহস্পতিবার তিনি জম্মু-কাশ্মীরের রাজনৈতিক দলগুলিতে ডেকেছেন বৈঠকে। উপত্যকার মোট ৮ টি রাজনৈতিক দলের ১৪ জন প্রতিনিধি হাজির থাকবেন মোদির বাসভবনের এই আলোচনায়। থাকবেন গুপকার জোটের (Gupkar Alliance) নেতারা অর্থাৎ ন্যাশনাল কনফারেন্সের ফারুক আবদুল্লা, ওমর আবদুল্লা, পিডিপির মেহবুবা মুফতি (Mehbooba Mufti), কংগ্রেসের গুলাম নবি আজাদ। গুপকার জোটের মুখপাত্র তথা উপত্যকার দীর্ঘদিনের সিপিএম নেতা ইউসুফ তারিগামি। বৈঠকের প্রাক্কালে তিনি জানিয়েছেন, আগে শুনব কেন্দ্র কী প্রস্তাব দেয়। তারপর আমরা ভেবেচিন্তে ঠিক করব, কোন পথে এগোবে আলোচনা।আসলে, এই বৈঠকের গুরুত্ব জম্মু-কাশ্মীরের রাজনৈতিক মহলের কাছে অন্যরকম। অনেকেরই দাবি, ৩৭০ ধারা অর্থাৎ জম্মু-কাশ্মীর রাজ্যের বিশেষ মর্যাদা ফিরিয়ে আনা হোক। এদিনের বৈঠকে নেতারা প্রধানমন্ত্রীর কাছে সেই দাবি রাখতে পারেন। বিশেষত কংগ্রেস এই দাবির পক্ষেই নিজেদের মতামত ব্যক্ত করবে বলে সূত্রের খবর। আবার উপত্যকায় নির্বাচনের মাধ্যমে দ্রুত নতুন সরকার গঠনের বিষয়টিও হতে পারে আলোচনার মুখ্য বিষয়।

জুন ২৪, ২০২১
কলকাতা

PAC: পিএসি সদস্য পদে মুকুলের মনোনয়ন, কটাক্ষ শুভেন্দুর

পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার পাবলিক অ্যাকাউন্টস কমিটি (পিএসি)-র (PAC) সদস্য পদে মনোনয়ন জমা দিয়েছেন বিজেপি-র বিধায়ক এবং অধুনা তৃণমূল নেতা মুকুল রায়। বুধবার বিধানসভায় চিঠি পাঠিয়ে মনোনয়ন দাখিল করেছেন তিনি। বিষয়টিকে পাত্তা না দিয়ে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী বুধবারই দাবি করলেন, বিধায়ক থাকলে তবে তো পিএসি-র চেয়ারম্যান হবেন উনি।আরও পড়ুনঃ ফের ভাঙন বিজেপিতেশুভেন্দু জানিয়েছেন, আগামী ১৬ জুলাই মুকুল রায়ের বিধায়ক পদ খারিজের প্রথম শুনানি স্পিকারের কাছে। সেখানে শুভেন্দু সব তথ্য ও নথি তুলে ধরবেন তাঁর যুক্তির স্বপক্ষে। নন্দীগ্রামের বিধায়কের কথায়, সদ্য তিনি তৃণমূলে যোগ দিয়েছেন। এখন আবার তৃণমূলই তাঁর নাম পিএসি কমিটিতে প্রস্তাব করেছে। গত বৃহস্পতিবার আমি ৬৪ পাতার একটি অভিযোগ জমা দিয়েছিলাম স্পিকারের কাছে। বুধবার আমার সেই অভিযোগ সত্য প্রমাণিত হয়ে গেল। ওঁর বিধায়ক পদই থাকবে না। বিধায়ক না থাকলে পিএসি-র চেয়ারম্যান হওয়ার প্রশ্ন আসছে কোথা থেকে! শুভেন্দুর আরও বলেন, স্পিকার আমাকে ১৬ তারিখে ডেকেছেন শুনানির জন্য। আমি সেই শুনানিতে আসব, সব তথ্য নথি জমা দেব। তার পর তো আর বেশি দিন অপেক্ষা করব না। আদালতে চূড়ান্ত হয়ে যাবে। বিধায়কই থাকবেন না, তা হলে আর বিধায়ক কী? আর পিএসি কী?এ প্রসঙ্গে বিধানসভার উপ মুখ্য সচেতক তাপস রায় বলেন, পাবলিক অ্যাকাউন্টস কমিটি-সহ বিধানসভার সমস্ত কমিটির চেয়ারম্যান ঠিক করার অধিকার রয়েছে স্পিকারের। এখানে সরকার পক্ষের কোনও হাত নেই। তৃণমূল যদিও দাবি করেছে, মুকুলের মনোনয়নে তাদের কোনও হাত নেই। যদিও, প্রস্তাবক হিসেবে মুকুলের মনোনয়নে সই করেছেন কার্শিয়াঙের তৃণমূল সমর্থিত মোর্চার বিধায়ক রুদেন সাদা লেপচা ও এগরার বিধায়ক তরুণ মাইতি।এ নিয়ে শুভেন্দুর মন্তব্য, ভাবের ঘরে বসে চুরি করে লাভ নেই। খুব সুন্দর কাজ করেছেন ওঁরা। কালীদাসের মতো কাজ করেছেন। তাই আমার কাজ অনেক সহজ হয়ে গিয়েছে। আমার লড়াই আইনগত, বিধায়ক পদ খারিজের লড়াই। সেই লড়াইয়ে আরও এক ধাপ আমি এগিয়ে গেলাম। সেই সুযোগটা করে দিয়েছে শাসকদল।

জুন ২৩, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • 10
  • ›

ট্রেন্ডিং

খেলার দুনিয়া

বিশ্বকাপে অবিশ্বাস্য চিত্র! চার হাজার ডলারের টিকিট নেমে এল প্রায় এক তৃতীয়াংশে, আসল কারণ জানলে চমকে যাবেন

বিশ্বকাপের নকআউট পর্ব মানেই সাধারণত টিকিটের জন্য হুড়োহুড়ি। কিন্তু এবার দেখা যাচ্ছে একেবারে উল্টো ছবি। কয়েক দিন আগেও যে টিকিটের দাম প্রায় চার হাজার মার্কিন ডলার ছুঁয়েছিল, এখন সেই টিকিটের দাম অনেকটাই কমে গিয়েছে। এই পরিস্থিতি দেখে অনেক ফুটবলপ্রেমীরই প্রশ্ন, হঠাৎ কেন এমন হল?টিকিট বিক্রির তথ্য বিশ্লেষণকারী সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, স্পেন ও বেলজিয়ামের কোয়ার্টার ফাইনাল ম্যাচের সর্বনিম্ন টিকিটের দাম প্রায় দুই হাজার নয়শো পঞ্চাশ মার্কিন ডলার থেকে নেমে প্রায় এক হাজার দুইশো ডলারে এসেছে। অনেকের মতে, আয়োজক দেশ আমেরিকা কোয়ার্টার ফাইনালে উঠতে পারলে টিকিটের চাহিদা এবং দাম দুটোই অনেক বেশি থাকত। কিন্তু শেষ ষোলোয় বেলজিয়ামের কাছে হেরে বিদায় নেওয়ায় সেই সম্ভাবনা শেষ হয়ে যায়।পর্তুগালের বিদায়ও টিকিট বাজারে বড় প্রভাব ফেলেছে। স্পেনের কাছে হেরে ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোর দল ছিটকে যাওয়ায় সম্ভাব্য বড় আকর্ষণের ম্যাচ আর হচ্ছে না। ফলে দর্শকদের আগ্রহও কমেছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। অন্যদিকে ফ্রান্স ও মরক্কোর কোয়ার্টার ফাইনাল ম্যাচের টিকিট চারটি ম্যাচের মধ্যে সবচেয়ে কম দামে বিক্রি হচ্ছে। এই ম্যাচের সর্বনিম্ন টিকিটের মূল্য এক হাজার ডলারেরও কম।এর আগেও আমেরিকা ও বেলজিয়ামের শেষ ষোলোর ম্যাচের টিকিটের দাম ওঠানামা করেছিল। একসময় সেই ম্যাচের টিকিটের মূল্য চার হাজার মার্কিন ডলারের কাছাকাছি পৌঁছলেও পরে তা অনেকটাই নেমে আসে। আমেরিকা শেষ ষোলোয় ওঠার পর কিছু সময়ের জন্য দাম বাড়লেও পরে আবার কমতে শুরু করে। কয়েক দিনের মধ্যেই টিকিটের মূল্য প্রায় এক তৃতীয়াংশ পর্যন্ত কমে যায়।বিশেষজ্ঞদের মতে, বড় তারকা এবং জনপ্রিয় দলগুলির বিদায় টিকিটের বাজারে বড় প্রভাব ফেলেছে। ব্রাজিল, পর্তুগাল এবং আয়োজক আমেরিকার বিদায়ের পর অনেক দর্শক আর মাঠে যাওয়ার আগ্রহ দেখাচ্ছেন না। কানাডার বিদায়ের পরও সংশ্লিষ্ট ম্যাচের টিকিটের দাম কমে যায়।তবে এখনও অনেকের বিশ্বাস, লিওনেল মেসির আর্জেন্টিনা যত এগোবে, ততই বিশ্বকাপে আবার দর্শকদের আগ্রহ বাড়বে। ফুটবলপ্রেমীদের আশা, মেসির ম্যাচ ঘিরেই আবার গ্যালারি ভরে উঠবে এবং টিকিটের চাহিদাও নতুন করে বাড়বে।

জুলাই ০৮, ২০২৬
কলকাতা

বারুইপুরের পর ফের পুকুর থেকে দেহ উদ্ধার! কলকাতায় রহস্য ঘিরে তীব্র চাঞ্চল্য

খাস কলকাতায় ফের রহস্যজনক দেহ উদ্ধারের ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। বুধবার সকালে পর্ণশ্রী থানার অধীন ইউনিক পার্ক এলাকার একটি পুকুর থেকে এক অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তির দেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। স্থানীয় বাসিন্দারা পুকুরে দেহ ভাসতে দেখে পুলিশে খবর দেন। এরপর পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য বিদ্যাসাগর হাসপাতালে পাঠায়।প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে, মৃত ব্যক্তি এলাকার বাসিন্দা নন। কীভাবে তাঁর মৃত্যু হয়েছে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। পুলিশ মৃতের পরিচয় জানার চেষ্টা করছে। একই সঙ্গে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে তদন্ত শুরু হয়েছে।স্থানীয়দের একাংশের সন্দেহ, ওই ব্যক্তিকে অন্য কোথাও খুন করার পর দেহটি এনে এই পুকুরে ফেলে দেওয়া হয়েছে। যদিও এই অভিযোগের সত্যতা এখনও নিশ্চিত করেনি পুলিশ। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট এবং তদন্তের ভিত্তিতেই মৃত্যুর আসল কারণ জানা যাবে বলে মনে করা হচ্ছে।গত কয়েক দিনে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে জলাশয় থেকে দেহ উদ্ধারের একাধিক ঘটনা সামনে এসেছে। রবিবার বারুইপুরে পুকুর থেকে এক নাবালিকার দেহ উদ্ধারের ঘটনায় রাজ্যজুড়ে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছিল। তার পর সোমবার অশোকনগরের একটি জলাশয় থেকেও এক তরুণীর দেহ উদ্ধার হয়। সেই ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই এবার কলকাতার বেহালা এলাকায় পুকুর থেকে অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তির দেহ উদ্ধার হওয়ায় নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার সব দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে। মৃতের পরিচয়, মৃত্যুর কারণ এবং এর পিছনে কোনও অপরাধমূলক ঘটনা রয়েছে কি না, তা জানতে তদন্ত চলছে।

জুলাই ০৮, ২০২৬
কলকাতা

বালিগঞ্জে হঠাৎ তুমুল অশান্তি! পুলিশের সামনেই বিস্ফোরক অভিযোগ মমতার, সরগরম রাজনীতি

বালিগঞ্জ ফাঁড়ি এলাকায় বুধবার কালীঘাট তৃণমূলের মিছিল ঘিরে তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। কলকাতা হাই কোর্টের অনুমতি নিয়ে মিছিল শুরু হলেও কিছুক্ষণের মধ্যেই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। অভিযোগ, পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় বিজেপি কর্মীরা তৃণমূলের মিছিল লক্ষ্য করে স্লোগান দেন। এরপর দুই পক্ষের মধ্যে বাগ্বিতণ্ডা শুরু হয়। মুহূর্তের মধ্যে ধস্তাধস্তি ও হাতাহাতির পরিস্থিতি তৈরি হয়। ঘটনাস্থলে কটাক্ষ করে গানও বাজানো হয় বলে অভিযোগ। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে হস্তক্ষেপ করে পুলিশ।খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি পুলিশের ভূমিকা নিয়ে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তাঁর অভিযোগ, আদালতের অনুমতি থাকা সত্ত্বেও মিছিলে বাধা দেওয়া হয়েছে এবং মাইক্রোফোন ব্যবহার করতে দেওয়া হয়নি। পাশাপাশি তিনি দাবি করেন, তাঁর দলের কর্মীদের উপর হামলা হয়েছে এবং পুলিশ সেই পরিস্থিতি সামাল দিতে ব্যর্থ হয়েছে।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আরও অভিযোগ করেন, তাঁর দলের এক নেতাকে ঘিরে রেখে মারধর করা হয়েছে। তিনি নিজে সেখানে গিয়ে ওই নেতাকে উদ্ধার করেন বলেও দাবি করেন। তাঁর বক্তব্য, প্রশাসনের দায়িত্ব ছিল শান্তিপূর্ণভাবে মিছিল সম্পন্ন করা, কিন্তু তা না করে পরিস্থিতি আরও জটিল হতে দেওয়া হয়েছে।পুলিশি নজরদারি নিয়েও সরব হন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর অভিযোগ, তাঁকে অন্যায়ভাবে নজরদারির মধ্যে রাখা হয়েছে এবং তাঁর বাড়িতে কে আসছেন বা কে যাচ্ছেন, তা পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। তিনি এটিকে গণতান্ত্রিক অধিকারের পরিপন্থী বলে দাবি করেন। একই সঙ্গে তিনি অভিযোগ করেন, তাঁকে কার্যত গৃহবন্দি করে রাখা হয়েছে।বারুইপুরের ঘটনায় প্রতিবাদকারীদের গ্রেপ্তার এবং রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় নারী নির্যাতনের ঘটনাও এদিন তুলে ধরেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি দাবি করেন, গত কয়েক মাসে একাধিক নারী নির্যাতনের ঘটনা ঘটেছে। সব ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত এবং দ্রুত বিচার হওয়া উচিত বলেও মন্তব্য করেন তিনি।শেষে তিনি জানান, প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে তাঁদের গুরুতর আপত্তি রয়েছে এবং এই বিষয়ে আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার কথাও ভাবা হচ্ছে। বালিগঞ্জের এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজ্যের রাজনৈতিক উত্তাপ আরও বেড়ে গেল।

জুলাই ০৮, ২০২৬
কলকাতা

মিছিলে হঠাৎ মেজাজ হারালেন মমতা! নিজের দলের কর্মীকেই সপাটে চড়, তোলপাড় রাজনীতি

বারুইপুরে নাবালিকা ধর্ষণ ও খুনের ঘটনার প্রতিবাদে বুধবার কালীঘাট তৃণমূলের ডাকা মিছিল ঘিরে হাজরায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। কলকাতা হাই কোর্টের অনুমতি নিয়ে বালিগঞ্জ ফাঁড়ি থেকে মিছিল শুরু হলেও কিছু দূর এগোতেই বিশৃঙ্খলা তৈরি হয়। স্লোগান, পাল্টা স্লোগান এবং দুই পক্ষের বাগ্বিতণ্ডাকে ঘিরে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।এই অবস্থায় কালীঘাটের বাড়ি থেকে বেরিয়ে আসেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বাড়ির সামনে তখন বিপুল ভিড় জমে যায়। ভিড় নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করতে গিয়ে তিনি ক্ষুব্ধ হয়ে পড়েন। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, সামনে থাকা নিজের দলের এক কর্মীকে সপাটে চড় মারেন তিনি। শুধু তাই নয়, বিশৃঙ্খলা থামাতে আরও কয়েকজন কর্মীকেও ধাক্কা ও চড় মারতে দেখা যায় তাঁকে। ঘটনাটি ঘিরে মুহূর্তের মধ্যেই রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়।মিছিল চলাকালীন এলাকায় উত্তেজনা আরও বাড়ে। অভিযোগ, একদিকে চোর চোর স্লোগান ওঠে, অন্যদিকে রাস্তার পাশ থেকে কটাক্ষ করে গান বাজানো হয়। বিজেপি ও তৃণমূল কর্মীদের মধ্যে ধস্তাধস্তির ঘটনাও ঘটে বলে অভিযোগ। তৃণমূলের দাবি, তাদের একাধিক কর্মী মারধরের শিকার হয়েছেন।ঘটনার পর বিজেপি নেতা ও কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার তীব্র কটাক্ষ করেন। তাঁর দাবি, ক্ষমতা হারানোর পর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মানসিকভাবে অস্থির হয়ে পড়েছেন এবং সেই কারণেই এমন আচরণ করছেন। যদিও এই মন্তব্যের কোনও প্রতিক্রিয়া তৃণমূলের পক্ষ থেকে সঙ্গে সঙ্গে জানানো হয়নি।পরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে পুলিশের ভূমিকারও সমালোচনা করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, আদালতের অনুমতি নিয়েই ছাত্র ও যুবরা মিছিল করেছে এবং গণতান্ত্রিকভাবে প্রতিবাদ করার অধিকার সকলের রয়েছে। একই সঙ্গে তাঁর অভিযোগ, বিজেপি কর্মীরা তাঁর বাড়ির সামনে এসে অশান্তির পরিবেশ তৈরির চেষ্টা করেছে। তিনি প্রশাসনের কাছে আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখারও দাবি জানান।বারুইপুর কাণ্ডকে কেন্দ্র করে রাজ্যের রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। একদিকে তদন্ত এগোচ্ছে, অন্যদিকে ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক সংঘাতও নতুন মাত্রা পাচ্ছে।

জুলাই ০৮, ২০২৬
বিদেশ

ট্রাম্পের এক ঘোষণায় চাপে ভারত? তুরস্ককে যুদ্ধবিমান দেওয়ার সিদ্ধান্তে বাড়ছে উদ্বেগ

নতুন কূটনৈতিক সমীকরণের ইঙ্গিত দিল আমেরিকা। তুরস্কের ওপর দীর্ঘদিনের নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার ঘোষণা করলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। একই সঙ্গে তিনি জানান, তুরস্ককে অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমান দেওয়ার পরিকল্পনাও রয়েছে। এই ঘোষণার পর আন্তর্জাতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। বিশেষজ্ঞদের একাংশের মতে, এই সিদ্ধান্ত ভবিষ্যতে ভারতের নিরাপত্তা পরিস্থিতির ওপরও প্রভাব ফেলতে পারে।মঙ্গলবার তুরস্কের রাজধানী আঙ্কারায় উত্তর আটলান্টিক সামরিক জোটের বৈঠকে ভার্চুয়াল বক্তব্য রাখতে গিয়ে ট্রাম্প বলেন, ওয়াশিংটন ও আঙ্কারার সম্পর্ক নতুন অধ্যায়ে প্রবেশ করতে চলেছে। তিনি স্পষ্ট জানান, তুরস্কের ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করা হবে এবং যুদ্ধবিমান দেওয়ার বিষয়েও ইতিবাচকভাবে ভাবা হচ্ছে। উল্লেখ্য, রাশিয়ার কাছ থেকে আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা কেনার পর তুরস্কের সঙ্গে আমেরিকার সম্পর্কের অবনতি হয়েছিল। সেই পরিস্থিতিরই এবার পরিবর্তনের ইঙ্গিত মিলছে।এই সিদ্ধান্ত ঘিরে সবচেয়ে বেশি আলোচনা শুরু হয়েছে ভারতের নিরাপত্তা নিয়ে। কারণ, সাম্প্রতিক সময়ে পাকিস্তানের সঙ্গে তুরস্কের প্রতিরক্ষা সহযোগিতা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। বিভিন্ন সামরিক প্রকল্পে দুই দেশের ঘনিষ্ঠতা আন্তর্জাতিক মহলেও নজর কেড়েছে। ফলে তুরস্কের হাতে নতুন সামরিক প্রযুক্তি এলে ভবিষ্যতে তার প্রভাব পাকিস্তানের সামরিক সক্ষমতার ওপরও পড়তে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন বহু প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক।বিশেষজ্ঞদের মতে, সাম্প্রতিক সংঘাতের সময় পাকিস্তান তুরস্কের তৈরি ড্রোন ব্যবহার করেছিল বলে অভিযোগ উঠেছিল। তাই তুরস্কের সামরিক শক্তি আরও বৃদ্ধি পেলে তা ভারতের জন্য নতুন কৌশলগত চ্যালেঞ্জ তৈরি করতে পারে। এই কারণেই দিল্লি গোটা পরিস্থিতির ওপর কড়া নজর রাখছে।এদিকে আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে ভারতও নিজের অবস্থান আরও শক্ত করছে। সাম্প্রতিক সময়ে গ্রিসের সঙ্গে প্রতিরক্ষা, সামুদ্রিক নিরাপত্তা এবং কৌশলগত সহযোগিতা অনেকটাই বৃদ্ধি করেছে নয়াদিল্লি। তুরস্কের সঙ্গে গ্রিসের দীর্ঘদিনের বিরোধের প্রেক্ষাপটে এই সম্পর্ককে গুরুত্বপূর্ণ বলেই মনে করছেন আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞরা। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সাম্প্রতিক গ্রিস সফরেও প্রতিরক্ষা সহযোগিতা নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা হয়েছিল। ফলে আমেরিকা-তুরস্ক সম্পর্কের নতুন সমীকরণের মধ্যেই ভারতও নিজের কূটনৈতিক অবস্থান আরও শক্তিশালী করার পথে এগোচ্ছে বলে মনে করা হচ্ছে।

জুলাই ০৮, ২০২৬
কলকাতা

অপরাধীদের আর কোনও ছাড় নয়....! বারুইপুরে এনকাউন্টার নিয়ে বিস্ফোরক শমীক

বারুইপুরে নাবালিকা ধর্ষণ ও খুনের ঘটনায় গভীর রাতে বড় মোড় এল। পুলিশের এনকাউন্টারে মৃত্যু হল মামলার অন্যতম মূল অভিযুক্ত প্রভাস মণ্ডলের। এই ঘটনাকে ঘিরে নতুন করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে রাজ্যজুড়ে। এখনও পর্যন্ত এই মামলায় চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তাদের মধ্যে প্রভাস মণ্ডলের মৃত্যু তদন্তে নতুন মাত্রা যোগ করেছে।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার গভীর রাতে ঘটনাস্থলে অভিযুক্তকে নিয়ে গিয়ে ঘটনার পুনর্নির্মাণ করা হচ্ছিল। সেই সময় চারপাশে প্রবল বৃষ্টি ও অন্ধকার ছিল। অভিযোগ, ওই সুযোগে এক পুলিশকর্মীর সার্ভিস রিভলভার কেড়ে নিয়ে পালানোর চেষ্টা করে প্রভাস। পুলিশের দাবি, অভিযুক্ত একটি গুলিও চালায়। এরপর আত্মরক্ষায় পাল্টা গুলি চালায় পুলিশ। গুলিবিদ্ধ অবস্থায় তাকে বারুইপুর মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকেরা মৃত ঘোষণা করেন।এই ঘটনায় প্রতিক্রিয়া জানিয়ে বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য বলেন, সরকার কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছে এবং অপরাধীদের কোনও রকম ছাড় দেওয়া হবে না। একই সঙ্গে তিনি কামদুনি মামলার তদন্ত নতুন করে শুরু করার দাবিও জানান। বিজেপি নেতা দেবজিৎ সরকারও বলেন, অভিযুক্তের মৃত্যু এক ধরনের কঠোর বিচার বলে তিনি মনে করেন।এদিকে তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, প্রাথমিক ময়নাতদন্তের রিপোর্টে উঠে এসেছে অত্যন্ত নৃশংস ঘটনার ছবি। সূত্রের দাবি, নাবালিকাকে যৌন নির্যাতনের পর মাথায় আঘাত করা হয়। তারপর তাকে জলে ফেলে দেওয়া হয়। রিপোর্ট অনুযায়ী, জলে ডুবেই তার মৃত্যু হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে।পুলিশের দাবি, এই মামলার তদন্ত দ্রুত এগোচ্ছে। ধৃত অন্য অভিযুক্তদের জিজ্ঞাসাবাদ করে ঘটনার সঙ্গে আর কেউ জড়িত কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ঘটনার প্রতিটি দিক খতিয়ে দেখে দ্রুত চার্জশিট দেওয়ার প্রস্তুতিও শুরু হয়েছে বলে তদন্তকারী সূত্রে খবর।

জুলাই ০৮, ২০২৬
রাজ্য

বারুইপুর কাণ্ডে গভীর রাতে বড় মোড়! এনকাউন্টারে মৃত্যু অভিযুক্তের, যা বললেন নিহত নাবালিকার বাবা

বারুইপুরে নাবালিকা ধর্ষণ ও খুনের মামলায় গভীর রাতে বড় মোড় এল। পুলিশের এনকাউন্টারে মৃত্যু হয়েছে এই মামলার অন্যতম অভিযুক্ত প্রভাস মণ্ডলের। ঘটনার পর সংবাদমাধ্যমের সামনে প্রতিক্রিয়া জানালেন নিহত নাবালিকার বাবা। তিনি জানান, পুলিশ এবং রাজ্য সরকারের তদন্তের উপর তাঁর সম্পূর্ণ আস্থা রয়েছে। পাশাপাশি মুখ্যমন্ত্রীর দেওয়া আশ্বাসেও তিনি সন্তুষ্ট বলে জানিয়েছেন।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার রাত প্রায় পৌনে একটা নাগাদ ঘটনার পুনর্নির্মাণের জন্য প্রভাস মণ্ডলকে নিয়ে যায় বারুইপুর থানার পুলিশ। অভিযোগ, সেই সময় অভিযুক্ত আচমকা এক পুলিশকর্মীর আগ্নেয়াস্ত্র ছিনিয়ে নিয়ে পালানোর চেষ্টা করে। পুলিশের দাবি, পালানোর সময় সে এক রাউন্ড গুলিও চালায়। এরপর পাল্টা গুলি চালায় পুলিশ। গুরুতর জখম অবস্থায় প্রভাস মণ্ডলকে বারুইপুর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকেরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।অভিযুক্তের মৃত্যুর পর নিহত নাবালিকার বাবা বলেন, পুলিশের উপর তাঁর পূর্ণ বিশ্বাস রয়েছে। তিনি জানান, মুখ্যমন্ত্রী তাঁর সঙ্গে কথা বলে দ্রুত বিচার এবং কঠোর শাস্তির আশ্বাস দিয়েছেন। সেই প্রতিশ্রুতির উপর তাঁর সম্পূর্ণ আস্থা আছে। তাঁর কথায়, পুলিশ না থাকলে তদন্ত এত দ্রুত এগোত না। তিনি আরও বলেন, তদন্তে এখনও যাঁরা জড়িত, তাঁদেরও গ্রেপ্তার করা হবে বলে তিনি বিশ্বাস করেন। তাঁর একমাত্র দাবি, এই নৃশংস অপরাধে জড়িত প্রত্যেকের কঠোরতম শাস্তি নিশ্চিত করা হোক।নিহত নাবালিকার এক আত্মীয়ও জানিয়েছেন, মুখ্যমন্ত্রী তাঁদের আশ্বস্ত করেছেন যে এই মামলায় ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা হবে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত প্রত্যেককে আইনের আওতায় এনে সর্বোচ্চ শাস্তির ব্যবস্থা করা হবে বলেও তাঁদের জানানো হয়েছে।এদিকে, পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, মামলার তদন্ত এখনও চলছে। ঘটনার সঙ্গে আর কেউ জড়িত কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্তকারীদের দাবি, সমস্ত তথ্যপ্রমাণ সংগ্রহ করে দ্রুত আইনি প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ করা হবে।

জুলাই ০৮, ২০২৬
রাজ্য

ঠিক কী কারণে পুলিশ এনকাউন্টার করতে বাধ্য হয়েছিল! সামনে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য

বারুইপুরে নাবালিকা ধর্ষণ ও খুনের মামলায় তদন্তে বড় মোড় এসেছে। ঘটনার পুনর্নির্মাণের সময় পুলিশের গুলিতে মৃত্যু হয়েছে অন্যতম এক অভিযুক্তের। পুলিশের দাবি, অভিযুক্ত পালানোর চেষ্টা করার পাশাপাশি এক পুলিশকর্মীর আগ্নেয়াস্ত্র ছিনিয়ে নিয়ে গুলি চালায়। আত্মরক্ষার্থে পুলিশ পাল্টা গুলি চালালে সে গুলিবিদ্ধ হয়। পরে বারুইপুর মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকেরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার গভীর রাতে অভিযুক্তকে নিয়ে বারুইপুরের সূর্যপুর এলাকায় ঘটনাস্থলে যাওয়া হয়। রাত প্রায় পৌনে একটা নাগাদ পুনর্নির্মাণের কাজ শুরু হওয়ার ঠিক আগে আচমকা পরিস্থিতি বদলে যায়। অভিযোগ, অভিযুক্ত এক পুলিশকর্মীর বন্দুক কেড়ে নিয়ে এক রাউন্ড গুলি চালায় এবং পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। এরপর পুলিশ পাল্টা গুলি চালায়। সেই গুলিতেই অভিযুক্ত গুরুতর জখম হয়।পুলিশ জানিয়েছে, আহত অবস্থায় অভিযুক্তকে দ্রুত বারুইপুর মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলেও চিকিৎসকেরা তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। পুরো ঘটনাকে ঘিরে প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।তদন্তকারী সূত্রের দাবি, এই অভিযুক্তকেই আগে প্রকাশ্যে আসা সিসিটিভি ফুটেজে নাবালিকার সঙ্গে শেষবার দেখা গিয়েছিল। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, নাবালিকার বস্তাবন্দি দেহ উদ্ধারের সময়ও ওই অভিযুক্ত ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিল এবং পুকুর থেকে দেহ উদ্ধারে পুলিশকে সাহায্য করেছিল।উল্লেখ্য, শনিবার থেকে নিখোঁজ ছিল নাবালিকা। রবিবার পুকুর থেকে তার বস্তাবন্দি দেহ উদ্ধার হয়। ঘটনার পর দ্রুত তদন্ত শুরু করে পুলিশ এবং একের পর এক অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়। নির্যাতিতার পরিবারের সঙ্গে দেখা করে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী দ্রুত বিচার এবং দোষীদের কঠোরতম শাস্তির আশ্বাসও দিয়েছিলেন।এদিকে একই মামলায় বড় সাফল্য পেয়েছে তদন্তকারী দল। এতদিন পলাতক থাকা চতুর্থ অভিযুক্তকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বিশেষ বাহিনী, জেলা পুলিশ এবং বিশেষ তদন্তকারী দলের যৌথ অভিযানে বসিরহাট থেকে তাকে ধরা হয়। মোবাইল ফোনের অবস্থান অনুসরণ করেই অভিযুক্তের খোঁজ পায় পুলিশ। তদন্তকারীদের দাবি, এই গ্রেপ্তারের ফলে মামলার আরও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সামনে আসতে পারে।

জুলাই ০৮, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal