• ১১ ভাদ্র ১৪৩৩, শনিবার ২৯ আগস্ট ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Kolkata

কলকাতা

Safe Home: কলকাতা কাবু কোভিডে, ফের খুলছে সেফ হোম

কলকাতা ফের কাবু কোভিডে। ক্রমেই জাল ছড়াচ্ছে ওমিক্রন। পরিসংখ্যান বলছে, একধাক্কায় প্রায় ৩ হাজার বৃদ্ধি। গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে নতুন করে সংক্রমিত ৯ হাজার ৭৩। গত ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু ১৬ জন করোনা রোগীর। কলকাতার সঙ্গে সংক্রমণে উদ্বেগ বাড়াচ্ছে বীরভূম, দুই ২৪ পরগনা, হাওড়া। দ্বিতীয় ডোজ নিয়েও করোনায় আক্রান্ত হচ্ছেন চিকিৎসক-নার্স-স্বাস্থ্যকর্মীরা।যেভাবে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে, তাতে ফের খোলা হচ্ছে সেফ হোমগুলি। তিনটি সেফ হোমের শয্যা সংখ্যা ৩৫০। কলকাতার তিনটি সেফ হোম। তার মধ্যে সবচেয়ে বড় হল বাইপাস সংলগ্ন সেফ হোম। এখানে রয়েছে ২০০ টি শয্যা। কলকাতা পুরসভার স্বাস্থ্য বিভাগের দুই কর্তা ইতিমধ্যেই গোটা বিষয়টি পরিদর্শন করেছেন। বেডগুলির পরিকাঠামো, কাজের গুণগত মান, পরিচ্ছন্নতা-সব খতিয়ে দেখেছেন তাঁরা। পরিদর্শনে গিয়েছেন রাজ্য দপ্তরের এক জন হেলথ অফিসারও।আরও পড়ুনঃ দ্বিতীয়বার করোনায় আক্রান্ত শ্রীজাত আরেকটি সেফ হোম হয়েছে কসবার গীতাঞ্জলি স্টেডিয়ামে। এই সেফ হোমটি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু সংক্রমণ আবার বৃদ্ধি পাওয়ায়, তা খোলা হয়েছে। সেগুলিকে চালু করার নির্দেশ দিয়েছে কলকাতা পুর প্রশাসন। গীতাঞ্জলি স্টেডিয়ামে ১০০ টি শয্যা রয়েছে। ইতিমধ্যেই তা পরিস্কার করা হয়েছে। রাজ্য স্বাস্থ্যভবনের তরফে চিকিৎসক ও নার্সরা এই সেফ হোমের দায়িত্ব গ্রহণ করেছে। কলকাতার তৃতীয় সেফ হোমটি রয়েছে উত্তর কলকাতায়। সেখানে ৫০টি শয্যা রয়েছে।তবে চিকিৎসকরা বলছেন, ওমিক্রনের ক্ষেত্রে উপসর্গ অনেক হালকা। চিকিৎসক বলছেন, ভাগ্য ভালো আক্রান্তদের বেশিরভাগই ৫-৭ দিনের মধ্যে সুস্থ হয়ে উঠছেন। হয়তো হোম আইসোলেশনের যে লম্বা ১৭ দিনের পিরিয়ড, সেটাকেও কমিয়ে আনা হবে। যদি সেটা কমিয়ে আনা হয়, তাহলে ওয়ার্ক টার্নওভার বা অর্থনীতির ক্ষেত্রে অনেকটা উপকারী হবে।

জানুয়ারি ০৫, ২০২২
কলকাতা

KIFF: ৫০ শতাংশ দর্শক নিয়ে ৭ জানুয়ারি থেকে শুরু হতে চলেছে কলকাতা চলচ্চিত্র উৎসব

সব রকম করোনাবিধি মেনে নির্ধারিত সময়েই অনুষ্ঠিত হবে ২৭তম কলকাতা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব। আগামী ৭ জানুয়ারি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নবান্ন সভাঘর থেকে ভার্চুয়ালি উৎসবের সূচনা করবেন। সত্যজিৎ রায়ের জন্মশতবর্ষ উদযাপনের অঙ্গ হিসেবে এবার চলচ্চিত্র উৎসবে তাঁর পরিচালিত ছবি অরণ্যের দিনরাত্রি দেখানো হবে উদ্বোধনী ছবি হিসেবে।মঙ্গলবার শিশির মঞ্চে এক সাংবাদিক সম্মেলনে চলচ্চিত্র উৎসবের সহ মুখ্য উপদেষ্টা ইন্দ্রনীল সেন বলেন, এবারের উৎসবের থিম কান্ট্রি ফিনল্যান্ড।সে দেশের সাতটি ছবি উৎসবে দেখানো হবে। উৎসব অধিকর্তা শান্তনু বসু বলেন, নন্দন,রবীন্দ্র সদনশিশির মঞ্চ-সহ ১০ টি প্রেক্ষাগৃহে এবার ছবি দেখানোর ব্যবস্থা করা হয়েছে।আরও পড়ুনঃ কলকাতায় বাড়ছে কনটেনমেন্ট জোন শতবর্ষে শ্রদ্ধাঞ্জলি বিভাগে এবারের উৎসবে দেখানো হবে সত্যজিৎ রায়, চিদানন্দ দাশগুপ্ত ও মিকলস জানস্কোর ছবি। বিশেষ শ্রদ্ধার্ঘ বিভাগে থাকছে বুদ্ধদেব দাশগুপ্ত, দিলীপ কুমার, স্বাতীলেখা সেনগুপ্ত, জ্যাঁ পল বেলমন্দো ও সুমিত্রা ভাবে প্রমুখের ছবি। সত্যজিৎ রায় স্মারক বক্তৃতা দেবেন পরিচাল সুজিত সরকার। বিশেষ প্রদর্শনী বিভাগে এবার নেতাজিকে নিয়ে নির্মিত তিনটি ছবি দেখানো হবে।৫০ শতাংশ দর্শকাসন নিয়ে নির্ধারিত সময়েই হচ্ছে কলকাতা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব। এবছর সত্যজিৎ রায়কে শতবর্ষের শ্রদ্ধা জানানো হবে। আগামী ৭ থেকে ১৪ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত হচ্ছে ২৭তম কলকাতা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব । প্রতিবছরের মতো এবছরও থাকছে একাধিক নয়া চমক। দেশ-বিদেশের বিখ্যাত চলচ্চিত্র দেখানো হবে কলকাতা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে। কোভিড গাইডলাইন মেনে সামাজিক দূরত্বের কথা মাথায় রেখে অত্যাধুনিক স্মার্ট ডিজাইনের মাধ্যমেই আয়োজিত করা হবে চলচ্চিত্র উৎসব।আরও পড়ুনঃ তৃতীয়বার করোনায় অক্রান্ত বাবুল সুপ্রিয়, আক্রান্ত পরিবারের সদস্যরাওজানা গিয়েছে, কলকাতা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব প্রখ্যাত অভিনেতা সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায় এর ওপর তথ্যচিত্র আমি সৌমিত্র প্রথমবার প্রদর্শিত হবে। আগামী ১০ জানুয়ারি সন্ধ্যা ৬ টায় ছবিটি দেখানোর কথা। সায়ন্তন মুখোপাধ্যায় পরিচালিত আমি সৌমিত্র তথ্যচিত্রটির ক্রিয়েটিভ ডিরেক্টর হিসেবে আছেন সৌমিত্র- কন্যা পৌলোমী বসু। সাতদিন ধরে চলা এ অনুষ্ঠানের উদ্বোধনী ছবি অরণ্যের দিন-রাত্রি। এবার সবমিলিয়ে মোট ১০৩টি ফিচার ফিল্ম এবং ৫৮টি শর্ট ফিল্ম ও ডকুমেন্ট্রি প্রদর্শিত হবে কলকাতা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে। চলতি বছর ভারতের অন্যতম চর্চিত এই ফিল্ম ফেস্টিভ্যালের অংশ হতে ৭১টি দেশ থেকে মোট ১৬৯৮ টি আবেদন জমা পড়েছিল, সেখান থেকে বাছাই করে নেওয়া হয়েছে এই ১৬১টি ছবি, ছোট ছবি ও তথ্যচিত্র।

জানুয়ারি ০৪, ২০২২
কলকাতা

Containment Zone: কলকাতায় বাড়ছে কনটেনমেন্ট জোন

মহানগরীতে লাগামছাড়া করোনা সংক্রমণ। সংক্রমণে রাশ টানতে কলকাতায় মাইক্রো কনটেন্টমেন্ট জোনের ঘোষণা মেয়র ফিরহাদ হাকিমের। কলকাতার ১৪ ওয়ার্ডে ২৫ মাইক্রো কনটেনমেন্ট জোন। অধিকাংশ ফুলবাগান, মানিকতলা, ট্যাংরা এলাকায় । আবাসনে ৪-৫ জন পজিটিভ হলে মাইক্রো কনটেন্টমেন্ট জোন ঘোষণা করা হয়েছে। করোনা মোকাবিলায় ৩টি সেফ হোম চালু করল পুরসভা।কাঁকুরগাছির ৩১ নম্বর ওয়ার্ড মাইক্রো কনটেইনমেন্ট জোন ঘোষণা হয়েছে। এটি কলকাতা পুরসভার ৩ নম্বর বরোর অন্তর্গত। এই এলাকাটিকে মাইক্রো কনটেইনমেন্ট জোন ঘোষণা করা হয়েছে। তবে মঙ্গলবার সকালে ওই এলাকায় গিয়ে দেখা গিয়েছে, তখনও পর্যন্ত পুলিশের তরফে কোনও ব্যারিকেড করে দেওয়া হয়নি।তবে আরও একটি বিষয় দেখা গিয়েছে। মাইক্রো কনটেইনমেন্ট জোনের ভিতরেই রয়েছে একটি ডায়াগনস্টিক সেন্টার। মঙ্গলবার সকালেও সেটিকে খোলা দেখা গিয়েছে। যদিও সেটি খোলা থাকারই কথা। তবে সেখানে অনেককেই আসতে দেখা গিয়েছে, যেটা ভয়ের। পুরকর্মীরা এদিন সকালে এলাকা সাফাই করেছেন। তবে বাড়তি কোনও উদ্যোগ নেই। তবে বিভিন্ন আবাসনের গেটে নো মাস্ক নো এন্ট্রি বোর্ড টাঙানো আছে।কলকাতায় পরিস্থিতি সামাল দিতে আগেই কনটেইনমেন্ট জোন ঘোষণা করেছেন মেয়র। এবার ঘোষণা করলেন মাইক্রো কনটেইনমেন্ট জোন। রাশ টানতে কলকাতায় ২৫ টি মাইক্রো কনটেইনমেন্ট জোন ঘোষণা করা হয়েছে। এক্ষেত্রে একটি আবাসনের ৪-৫ জন সংক্রমিত হলেই, সেটি মাইক্রো কনটেইনমেন্ট জোন হিসাবে ঘোষণা করা হয়।

জানুয়ারি ০৪, ২০২২
কলকাতা

Kolkata Police: কলকাতা পুলিশের অন্তত ৮৬ জন করোনা আক্রান্ত, রয়েছেন আইপিএস অফিসারেরাও

এবার করোনা হানা লালবাজারে! কলকাতা পুলিশের যুগ্ম কমিশনার, অতিরিক্ত যুগ্ম কমিশনার এবং ৫ জন ডেপুটি কমিশনার পর্যায়ের আইপিএস অফিসার করোনায় আক্রান্ত। মোট আক্রান্তের সংখ্যা ৮০-র উপরে। মঙ্গলবার নতুন করে তিন জনের কোভিড রিপোর্ট পজিটিভ আসে। এর ফলে আইপিএস আক্রান্তের সংখ্যাটা গিয়ে দাঁড়িয়েছে সাত।রাজ্যে ক্রমশ বাড়ছে কোভিড আক্রান্তের সংখ্যা। সম্প্রতি প্রকাশ্যে এসেছে শহরের সরকারি এবং বেসরকারি একাধিক হাসপাতালের চিকিৎসক এবং স্বাস্থ্যকর্মীরা করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। এর মধ্যে কলকাতায় সংক্রমণের হার সব থেকে বেশি। স্বাস্থ্য মন্ত্রকের পরিসংখ্যান অনুয়াযী ২৬ ডিসেম্বর থেকে ১ জানুয়ারি পর্যন্ত কলকাতার সংক্রমণের হার (পজিটিভিটি রেট) ২৯.০৭ শতাংশ। কোনও বেসরকারি হাসপাতালে ৩৩ জন করোনা আক্রান্ত, তো কোনও সরকারি হাসপাতালে ৬১ জন।

জানুয়ারি ০৪, ২০২২
খেলার দুনিয়া

Bright Enobakhare: কলকাতায় ফিরছেন ব্রাইট এনবাখারে? কোন ক্লাবে জানতে পড়ুন

আবার আইএসএলে খেলতে দেখা যাবে ব্রাইট এনবাখারেকে? তেমন সম্ভাবনা প্রবল হয়ে দেখা দিয়েছে। তবে পুরনো ক্লাব এসসি ইস্টবেঙ্গলে নয়, লালহলুদের চিরশত্রু এটিকে মোহনবাগানের জার্সি গায়ে খেলতে দেখা যেতে পারে ব্রাইট এনবাখারেকে। একই সঙ্গে সন্দেশ ঝিংঘানেরও এটিকে মোহনবাগানে ফেরার সম্ভাবনা উজ্জ্বল হয়েছে।অনেক প্রত্যাশা নিয়ে ফিনল্যান্ডের জনি কাউকোকে দলে নিয়েছিল এটিকে মোহনবাগান। কিন্তু তাঁর সম্পর্কে মোহভঙ্গ হয়েছে সবুজমেরুন কর্তাদের। দলবদলের দ্বিতীয় উইন্ডোতে তাঁকে ছেড়ে দিয়ে ব্রাইট এনবাখারেকে দলে নিতে চায় এটিকে মোহনবাগান। এই মুহূর্তে ইংল্যান্ডের ক্লাব কোভেন্ট্রি সিটিতে খেলছেন ব্রাইট। উলভারহ্যাম্পটনের প্রাক্তন ফরওয়ার্ডকে পাওয়ার জন্য ঝাঁপিয়েছে এসসি ইস্টবেঙ্গল, চেন্নাইয়ান এফসি এবং এফসি গোয়াও। এই তিন দলকে পেছনে ফেলে অনেকটাই এগিয়ে গিয়েছে এটিকে মোহনবাগান।ব্রাইটের প্রতি আগেও নজর ছিল এটিকে মোহনবাগানের। গত মরসুমেও পাওয়ার জন্য ঝাঁপিয়ে ছিল এটিকে মোহনবাগান। পরফরম্যান্স ভাল হলে চুক্তি বাড়িয়ে ২০২৪ পর্যন্ত করা হবে বলে নাইজেরীয় ফরওয়ার্ডের এজেন্টকে জানিয়েছেন সবুজমেরুন কর্তারা।এসসি ইস্টবেঙ্গলের হাত ধরে ভারতীয় ফুটবলে পা রেখেছিলেন ব্রাইট। তাঁর সঙ্গে ২ বছরের চুক্তি ছিল লালহলুদের। সঙ্গে দুবছরের চুক্তি ছিল তাঁর। এই মরসুমে ইস্টবেঙ্গল আইএসএল খেলবে কিনা, ঠিক ছিল না। তাই লালহলুদের কাছ থেকে রিলিজ নিয়ে কোভেন্ট্রি সিটিতে যোগ দেন ব্রাইট। কিন্তু সেখানে খেলার সুযোগ না পেয়ে রিলিজ নিয়ে নেন।এদিকে চলতি বছরের আগস্টে এটিকে মোহনবাগান ছেড়ে ক্রোয়েশিয়ার এইচএনকে সিবেনিকে যোগ দিয়েছিলেন সন্দেশ ঝিঙ্গান। চোটের জন্য মাঠে নামার সুযোগ পাননি। চোট সারাতে তিনি দেশে ফিরে এসেছেন। তাঁকে ফেরানোর জন্য বাগান কর্তারা প্রস্তাব দিয়েছেন। সবুজমেরুন কর্তাদের প্রস্তাব ভাবাচ্ছে সন্দেশকে।

জানুয়ারি ০২, ২০২২
কলকাতা

Omicron: কলকাতায় গোষ্ঠী সংক্রমণের ইঙ্গিত

কোভিডের বিপদ! বর্ষশেষের আনন্দে সতর্ক থাকুন। কী করবেন, কী করবেন না? স্বাস্থ্য অধিকর্তারা বলে দিয়েছেন, বর্ষশেষের আনন্দ ভুলে যান, শুধু কথা হোক কোভিড নিয়ে! আর চিকিৎসকরা সর্বদা বলে যাচ্ছেন, স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলুন। কলকাতায় ইতিমধ্যেই ৫ জন ওমিক্রন আক্রান্তের হদিশ পাওয়া গিয়েছে। প্রত্যেকেই ফিরেছেন বিদেশ থেকে। আপাতত তাঁরা প্রত্যেকেই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।রাজ্যের ক্ষেত্রেও ওমিক্রন আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ১৬। কলকাতার ১০টি ওয়ার্ড হটস্পট হিসাবে চিহ্নিত হয়েছে। তবে স্বাস্থ্যকর্তারা বলছেন, পরিসংখ্যানের ক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি উল্লেখ্য, কত স্যাম্পেল পাঠানো হচ্ছে আর কত স্যাম্পেল পরীক্ষার পর পজিটিভ হয়ে আসছে? বৃহস্পতিবার দেখা গিয়েছে, ৬টি স্যাম্পেল পাঠানোর পর ৫টি পজিটিভ হয়ে এসেছে। কলকাতায় গোষ্ঠী সংক্রমণের ইঙ্গিত স্পষ্ট। অর্থাৎ বোঝাই যাচ্ছে, ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টকে ধীরে ধীরে সরিয়ে ওমিক্রন তার থাবা বসাচ্ছে। কলকাতায় টেস্ট ও পজিটিভিটি রেটও সমান হারে বাড়ছে।ওমিক্রনের রাজ্যের তরফে বেশ কয়েকটি বিষয় কড়াভাবে নজর দিতে বলা হয়েছে। জেলা স্বাস্থ্য আধিকারিকদের সঙ্গে ভার্চুয়ালি বৈঠকে নির্দেশ দিয়েছেন স্বাস্থ্যকর্তা।নির্দেশগুলো নিম্নরূপ1. সন্দেহভাজন হোম আইসোলেশন মানছেন কিনা, তা কড়া ভাবে নজর দিতে হবে।2. প্রয়োজনে জিও ট্যাগিংয়ের সাহায্য নেওয়ার পরামর্শ।3. ওমিক্রন সংস্পর্শে আসা এলাকায় মাইক্রো কনটেইনমেন্ট জোন তৈরির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।4. নির্দেশ মেনে ইতিমধ্যে মাইক্রো কনটেইনমেন্ট জোন কলকাতা পুর এলাকায় ঘোষণা করা হয়েছে।5. সন্দেহভাজনেরা ফোন না ধরলে প্রয়োজনে বাড়ি যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে জেলা স্বাস্থ্য আধিকারিকদের।প্রাথমিকভাবে ঠিক রয়েছে, পরিস্থিতি বুঝে ৩ জানুয়ারি থেকে কনটেইনমেন্ট জোনের দিকে হাঁটতে হবে। সেক্ষেত্রে দেখা যাচ্ছে, কলকাতার ১০ টি ওয়ার্ড- উত্তর থেকে দক্ষিণ ও মধ্য কলকাতার বিস্তীর্ণ এলাকায় মঙ্গলবার থেকে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত ৭২ ঘণ্টায় অস্বাভাবিক হারে কোভিড সংক্রমণ বৃদ্ধি পেয়েছে।

ডিসেম্বর ৩১, ২০২১
কলকাতা

Omicron: কলকাতায় ফের ওমিক্রন আক্রান্তর হদিশ, আক্রান্ত পাঁচ বছরের শিশুও

নতুন বছরের আগেই কলকাতায় ফের মিলল ওমিক্রন আক্রান্তের হদিশ। বৃহস্পতিবার নতুন করে পাঁচজনের নমুনায় নয়া ভ্যারিয়েন্টের উপস্থিতি লক্ষ্য করা গিয়েছে। এ দিন স্বাস্থ্য দপ্তরের তরফ থেকে জানানো হয়েছে, বিদেশ থেকে আসা ৬ জন করোনা আক্রান্তের নমুনা জিনোম সিকোয়েন্সিং করা হয়েছিল, তার মধ্যে পাঁচজনই ওমিক্রন আক্রান্ত। তাঁদের মধ্যে রয়েছে এক পাঁচ বছরের শিশু। সব মিলিয়ে এখনও পর্যন্ত কলকাতায় ওমিক্রন আক্রান্ত বেড়ে হল ১৬।এ দিন কলকাতার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ২ করোনা আক্রান্তের শরীরে ওমিক্রনের সন্ধান পাওয়া যায়। তার মধ্যে একজন ৪৪ বছরের ব্যক্তি, তিনি কৈখালির বাসিন্দা। অপরজন ৫ বছরের শিশু, প্রিন্স আনোয়ার শাহ রোডের বাসিন্দা। দুজনই কিছুদিন আগে ব্রিটেন থেকে ফিরেছেন। আরও তিনজনের নমুনাতেও একই ভ্যারিয়েন্ট পাওয়া গিয়েছে, তবে তাঁরা সাম্প্রতিক অতীতে বিদেশ যাত্রা করেছেন কি না, তা জানা যায়নি।তবে এই সংখ্যা সামনে আসার পরই সাধারণ মানুষকে বিশেষভাবে সতর্ক করা হয়েছে। স্বাস্থ্য দপ্তরের তরফ থেকে বলা হয়েছে, প্রত্যেকে যাতে কোভিড বিধি মেনে চলেন। সময় যে খুব একটা ভালো নয়, তা কার্যত বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে ওই সতর্কবার্তায়। এ দিন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের বুলেটিনে উল্লেখ করা হয়েছে, কলকাতায় করোনার পজিটিভিটি রেট ১২ শতাংশ। স্বাস্থ্য দপ্তরের দাবি, এই হার কেবল একটা নির্দিষ্ট সময়ের জন্য। প্রতিনিয়ত পজিটিভিটি রেট বাড়ছে রাজ্যে। সংক্রমণ অত্যন্ত দ্রুতগতিতে বাড়ছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে ওই সতর্কবার্তায়।

ডিসেম্বর ৩১, ২০২১
কলকাতা

Kolkata Police CP: কলকাতার নতুন পুলিশ কমিশনার হচ্ছেন বিনীত গোয়েল

কলকাতার নতুন পুলিশ কমিশনার হতে চলেছেন বিনীত গোয়েল। সৌমেন মিত্রের জায়গায় আসছেন তিনি। অন্যদিকে দায়িত্ব বাড়ল জ্ঞানবন্ত সিংয়ের। মহানগরীর নতুন কমিশনার পদের দৌঁড়ে বিনীতের সঙ্গে তিনিও ছিলেন। জ্ঞানবন্তকে দেওয়া হয়েছে সিআইডি-র এসটিএফ-এর অতিরিক্ত দায়িত্ব। এ ছাড়া, শিলিগুড়ির বর্তমান পুলিশ কমিশনারেট অমিতাভ মাইতিকে মালদহের পুলিশ সুপার পদের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।৩১ ডিসেম্বর কলকাতায় নগরপালের পদ থেকে অবসর নেবেন সৌমেন। তার পরই দায়িত্ব গ্রহণ করবেন বিনীত। তিনি বর্তমানে রাজ্য পুলিশের স্পেশ্যাল টাস্ক ফোর্স এবং দুর্নীতি দমন শাখার দায়িত্বে আছেন। কলকাতা পুলিশে বিনীতের যথেষ্টই সুনাম রয়েছে বলে জানা যায়। গত জুন মাসে নিউটাউনে দুই কুখ্যাত পঞ্জাবী গ্যাংস্টারকে এনকাউন্টারের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন ১৯৯৪ ব্যাচের এই আইএএস অফিসার বিনীত। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নিরাপত্তা বিভাগের প্রধান হিসেবেও কাজ করেছেন তিনি। এ বার তিনি কলকাতা পুলিশের নেতৃত্ব দিতে চলেছেন।কলকাতা পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার পদে আসতে চলেছেন বর্তমানে মালদহ রেঞ্জের ডিআইজি প্রবীণকুমার ত্রিপাঠী। কমিশনারের পদ থেকে অবসর নিয়ে ডিজি ট্রেনিং ওএসডি-র দায়িত্ব গ্রহণ করতে চলেছেন সৌমেন।

ডিসেম্বর ৩০, ২০২১
কলকাতা

Omicron: ৩ জানুয়ারি থেকে ব্রিটেন ফেরত বিমান নামবে না শহরে, কেন্দ্রকে চিঠি নবান্নর

ওমিক্রন পরিস্থিতি নজরে রেখে কলকাতায় ব্রিটেন থেকে আগত বিমান নামায় নিষেধাজ্ঞা জারি করল পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকার। আগামী ৩ জানুয়ারি থেকে কার্যকর হতে চলেছে নতুন নিষেধাজ্ঞা। বৃহস্পতিবার চিঠি দিয়ে এই সিদ্ধান্তের কথা কেন্দ্রকে জানিয়ে দিয়েছে নবান্ন।বৃহস্পতিবারই কেন্দ্রীয় বিমান পরিবহণ মন্ত্রককে এ বিষয়ে চিঠি দিয়েছেন রাজ্যের অতিরিক্ত মুখ্যসচিব বিপি গোপালিকা। চিঠিতে তিনি জানান, বিশ্বজুড়ে ওমিক্রনে সংক্রমণের বিষয়টি মাথায় রেখেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। প্রসঙ্গত, ওমিক্রন নিয়ে উদ্বেগের আবহে কেন্দ্র যে ঝুঁকিপূর্ণ দেশের তালিকা প্রকাশ করেছে, ওই তালিকায় রয়েছে ব্রিটেন।ঝুঁকিপূর্ণ নয়, এমন দেশ থেকে আসা বিমান যাত্রীদের কলকাতায় এসে নিজেদের খরচেই কোভিড পরীক্ষা করাতে হবে বিমানবন্দরে। চিঠিতে জানানো হয়েছে, প্রত্যেক বিমান সংস্থাকেই বিমানে ওঠা ১০ শতাংশ যাত্রীর কোভিড পরীক্ষা করাতে হবে আরটিপিসিআর পদ্ধতিতে। আর বাকিদের র্যা পিড অ্যান্টিজেন পদ্ধতিতে পরীক্ষা হবে। এই পদ্ধতিতে রিপোর্ট পজিটিভ এলে তাঁদের আবার আরটিপিসিআর পদ্ধতিতে পরীক্ষা করাতে হবে। বিমানবন্দরে কোভিড পরীক্ষার কাজে যাতে খুব বেশি সময় নষ্ট না হল, তার জন্য যাত্রীদের আগে থেকেই পরীক্ষার বুকিং করাতে হবে বলে জানানো হয়েছে চিঠিতে।

ডিসেম্বর ৩০, ২০২১
কলকাতা

Corona Vaccination: ৩রা জানুয়ারি থেকে শহরে ১৫-১৮ বছর বয়সীদের করোনা টিকা

শহরের স্কুলে স্কুলে ১৫-১৮ বছর বয়সীদের করোনার টিকা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিল কলকাতা পুর নিগম। ১৬ টি বরোর মোট ১৬ টি স্কুলে ১৫-১৮ বছর বয়সীদের কোভ্যাক্সিনের ডোজ দেওয়া হবে ৩ জানুয়ারি। তারপরের দিন অর্থাৎ ৪ জানুয়ারি ১৬ টি বরোর ৫০ টি স্কুলে দেওয়া হবে ১৫ ঊর্ধ্বদের ডোজ। প্রত্যেক ক্ষেত্রে স্কুলে ক্যাম্প করেই দেওয়া হবে ভ্যাকসিন। এর সঙ্গেই জানা গিয়েছে, আগামী ১০ জানুয়ারি থেকে পুর নিগমের হেলথ সেন্টারে ষাটোর্ধ্বদের করোনার বুস্টার ডোজ দেওয়া হবে। বুধবার কলকাতা পুর নিগময় স্বাস্থ্য কর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে বসেছিলেন মেয়র ফিরহাদ হাকিম।বুধবার স্বাস্থ্য দপ্তরের কর্তাদের সঙ্গে এই টিকাকরণ কর্মসূচি নিয়ে দীর্ঘ বৈঠক করেন মেয়র ফিরহাদ হাকিম, ডেপুটি মেয়র অতীন ঘোষ, ও পুর নিগমের স্বাস্থ্য কর্তারা। সেখানেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, আগামী ৩ জানুয়ারি থেকেই বরো ধরে ধরে স্কুলেই দেওয়া হবে করোনার টিকা। যেহেতু ১৫ ঊর্ধ্বদের ক্ষেত্রে কোভ্যাক্সিনকেই মান্যতা দিয়েছে কেন্দ্র। তাই সেই ভ্যাকসিনই দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কলকাতা পুর নিগম। গত মঙ্গলবার স্বাস্থ্য দপ্তরের তরফে নবান্নে সুপারিশ করা হয়, ১৫ উর্ধ্বদের টিকাকরণের কাজ যাতে নির্দিষ্ট বিদ্যালয়ে দেওয়া হয়। আর তাতেই মান্যতা দিল কলকাতা পুর নিগম। ১৫ থেকে ১৮ বছরের মোট ২.৫ লক্ষ ভ্যাকসিন প্রাপক রয়েছে কলকাতায়। বিশৃঙ্খলা এড়াতেই স্কুলেই টিকা দেওয়ার সিদ্ধান্ত কলকাতা পুর নিগমের। এরই সঙ্গে কলকাতা পুর নিগম সিদ্ধান্ত নিয়েছে আগামী ১০ জানুয়ারি থেকে ষাটোর্ধ্বদের করোনার টিকার বুস্টার ডোজ দেওয়া হবে।এক্ষেত্রে যারা দুটি টিকার ডোজ নিয়েছেন তারাই একমাত্র বুস্টার ডোজ পাবেন। কোভ্যাক্সিন টিকা নেওয়া ব্যক্তিরা সংশ্লিষ্ট ভ্যাকসিনের বুস্টার পাবেন। কোভিশিল্ড প্রাপকরা পাবেন সংশ্লিষ্ট ভ্যাকসিনের বুস্টার।

ডিসেম্বর ২৯, ২০২১
কলকাতা

Corona: ফিরহাদের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান থেকে ফিরেই করোনায় আক্রান্ত ৪ নম্বর বরোর চেয়ারম্যান

করোনা অক্রান্ত কলকাতা পুরিনগেমর ৪ নম্বর বরোর চেয়ারম্যান সাধনা বসু। মঙ্গলবার মেয়রের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে হাজির ছিলেন তিনি। কিছুক্ষণ পর থেকেই তাঁর শরীর খারাপ হতে শুরু করে। পরে তাঁর কোভিড পজিটিভ ধরা পড়েছে। মঙ্গলবার শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে থাকা অনেকেরই গতরাত থেকে জ্বর এসেছে।সূত্রের খবর, ফিরহাদ হাকিমের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে হাজির ছিলেন এমন প্রায় ৪০ শতাংশ মানুষ করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। উত্তর কলকাতার এক বরো চেয়ারম্যান ছাড়াও বেশ কয়েকজনের করোনা পজিটিভি ধরা পড়েছে বলে খবর। পুরনিগমের বেশ কয়েকজন কর্মীও জ্বর-জ্বর অনুভব করছেন। যাঁদের যাঁদের শরীরে উপসর্গ দেখা যাচ্ছে, তাঁদের প্রত্যেকের করোনা পরীক্ষা করানো হচ্ছে।উল্লেখ্য, মঙ্গলবার কলকাতার মেয়র হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন ফিরহাদ হাকিম। শপথগ্রহণ পর্বে ছিল ঠাসা ভিড়। অধিংকাংশের মুখেই দেখা যায়নি মাস্ক। শারীরিক দূরত্ববিধিরও কোনও বালাই ছিল না। এই পরিস্থিতিতে শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানের পর পরই এতজন জ্বর জ্বর অনুভব করায় স্বাভাবিকভাবেই দুশ্চিন্তা বাড়ছে।

ডিসেম্বর ২৯, ২০২১
বিনোদুনিয়া

OTT : শহরে নতুন ওটিটি অ্যাপ, উপস্থিত টলি তারকারা

বর্তমানে সিনেমার থেকেও ওটিটি প্ল্যাটফর্ম বেশি জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। ভারতবর্ষে যেমন ওটিটিতে বেশ কিছু ভাল কন্টেন্ট হচ্ছে তেমনি আমাদের রাজ্যেও হইচই এর পর নতুন অনেক ওটিটি প্ল্যাটফর্ম লঞ্চ হয়েছে। বেশ ভালোভালো কাজও দেখতে পাচ্ছেন সাধারণ মানুষ। তাই এখানে ওটিটি এখন বেশ জনপ্রিয় একটি মাধ্যম। সেরকমই শহরের এক পাঁচতারা হোটেলে ডিজিফ্লিক্স বাংলা (এবার মজা শুরু) লঞ্চ হল।বিশিষ্ট অতিথি হিসাবে এখানে উপস্থিত ছিলেন অভিনেত্রী সোহিনী সরকার। এছাড়া অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বাংলা মেগার জনপ্রিয় অভিনেত্রী রিয়া গাঙ্গুলি,অভিনেতা আনন্দ চৌধুরী, সন্দীপ ভট্টাচার্য, পরিচালক অরিন্দম চক্রবর্তী, রোহন সেন সহ আরো অনেকে।সোহিনী সরকার এখানে উপস্থিত হয়ে জানালেন, বাংলায় মজা শব্দটা বলতে আমার এতটা অহঙ্কারবোধ হচ্ছে যে এরকম একটা অ্যাপ এই মুহূর্তে আমাদের টলিউড ইন্ডাস্ট্রিতে এসেছে এবং তারা নতুন নতুন কন্টেন্ট, ভালো কাজ, নতুন ট্যালেন্ট, নতুন অভিনেতা-অভিনেত্রীদের ইন্ট্রোডিউস করবে সবার সামনে। বাংলায় আরও ভাল কাজ হোক। সেটা আমরা প্রত্যেকেই চাই।

ডিসেম্বর ২৮, ২০২১
কলকাতা

Firhad Hakim: কলকাতাকে বিশ্বের সেরা শহর করবে 'টিম কর্পোরেশন', শপথ মেয়র ফিরহাদ হাকিমের

কলকাতা পুরসভার মেয়র হিসাবে ফের শপথ নিলেন ফিরহাদ হাকিম। চেয়ারপার্সন হলেন মালা রায়। মঙ্গলবার পুরসভায় এক অনুষ্ঠানে মেয়র ও তাঁর পারিষদেরা শপথ নেন। প্রসঙ্গত, দ্বিতীয় বার কলকাতার মেয়র হলেন ফিরহাদ। এর আগে ২০১৮ সালের নভেম্বর মাসে শোভন চট্টোপাধ্যায় মেয়র পদ থেকে ইস্তফা দিলে, তৎকালীন পুর ও নগরোন্নয়ন দফতরের দায়িত্বে থাকা ফিরহাদকে কলকাতার মেয়র পদে বসান মমতা।শপথ নেওয়ার পর ফিরহাদ হাকিম বলেন, টিম কর্পোরেশনকে বিশ্বের সেরা শহর হিসাবে কলকাতাকে তুলে ধরতে হবে। ফিরহাদ হাকিমের কথায়, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অনেক প্রত্যাশা করে এই বোর্ড গড়েছেন। এই বোর্ডকে মনোনীত করেছেন। আমরা টিম কর্পোরেশন অর্থাৎ চেয়ার পার্সন মালা রায়ের সঙ্গে আমরা সবাই, সব কাউন্সিলররা একটাই শপথ নেব মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের যে প্রত্যাশা মানুষকে সেবা দেওয়ার, কলকাতাকে বিশ্বের সেরা শহর করার সেটা আমরা বাস্তবায়িত করব। মানুষকে এমন জায়গায় সেবা দিতে হবে, যাতে মানুষ বলেন এই বোর্ড শ্রেষ্ঠ বোর্ড। আমি নিশ্চিতভাবে মেয়র। কিন্তু মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, আমরা কেউ প্রশাসনিক বিরাট পদে নয়। আমরা সবাই সেবক এবং প্রধান সেবকের নাম ফিরহাদ হাকিম। আমরা সকলে মিলে কাজ করব।পুরনির্বাচনে ১৩৪টি আসনে জয়ী হয়ে আগেই পুরবোর্ড গঠন নিশ্চিত করেছিল তৃণমূল। এরপর মহারাষ্ট্র নিবাস হলে মেয়র, চেয়ারপার্সন, মেয়র পারিষদ, বরো চেয়ারম্যানদের নাম ঠিক করে দিয়েছিলেন দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মঙ্গলবারের এই অনুষ্ঠান ছিল নেহাতই উপচার। প্রবীণ কাউন্সিলর হিসাবে ওই অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন ৭৯ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর রাম প্যায়ারে রাম। তিনিই মেয়র ও চেয়ারপার্সনকে শপথবাক্য পাঠ করিয়েছেন।ডেপুটি মেয়র পদে শপথ নেন অতীন ঘোষ। মেয়র পারিষদ পদে শপথ নেন দেবাশিস কুমার, দেবব্রত মজুমদার, তারক সিং, অভিজিৎ মুখোপাধ্যায়, স্বপন সমাদ্দার, মিতালি বন্দ্যোপাধ্যায়, জীবন সাহা, রাম প্যারে রাম, সন্দীপন সাহা, বৈশ্বানর চট্টোপাধ্যায়, সন্দীপ বক্সী, আমিরউদ্দিন ববি। তাঁদের শপথবাক্য পাঠ করিয়েছেন মেয়র। শপথবাক্য পাঠ করানোর পর ফিরহাদ বলেন, মেয়র বা মেয়র পারিষদ কিংবা কাউন্সিলর হলেই চলবে না, যখন ডাকি তখন পাই, এমনটাই হতে হবে। সে কারণেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর প্রতিনিধি করে আমাদের এখানে পাঠিয়েছেন। মনে রাখতে হবে, দায়িত্ব পালন মানে মানুষের পাশে থাকা, তাঁদের সেবা করা।

ডিসেম্বর ২৮, ২০২১
কলকাতা

Sourav Ganguly: করোনা আক্রান্ত সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়, ভর্তি দক্ষিণ কলকাতার হাসপাতালে

করোনা আক্রান্ত সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়। সোমবার সকালেই প্রাথমিক পরীক্ষায় সৌরভের করোনা পরীক্ষার রিপোর্ট পজিটিভ আসে। তার পরে তাঁর দ্বিতীয় পরীক্ষা করানো হয়। তাতেও রিপোর্ট পজিটিভ আসে বলে বেসরকারি হাসপাতাল সূত্রের খবর।আপাতত দক্ষিণ কলকাতার এক বেসরকারি হাসপাতালে নিভৃতবাসে রয়েছেন তিনি। তবে সৌরভ অসুস্থ হলেও তাঁর স্ত্রী ডোনা এবং কন্যা সানার করোনা পরীক্ষার রিপোর্ট নেগেটিভ এসেছে।রাতেই সৌরভকে ওই হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানেই সোমবার রাত থেকে ভর্তি রয়েছেন তিনি। তবে শেষপর্যন্ত তাঁর চিকিৎসা হাসপাতালে হবে না বাড়িতে এনে তাঁকে নিভৃতবাসে রাখা হবে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। চিকিৎসকদের সঙ্গে আলোচনা সাপেক্ষেই সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। তবে সৌরভ চাইছেন, বাড়িতেই তাঁর চিকিৎসা হোক।সোমবার সকালে অসুস্থ বোধ করায় সৌরভের টেলিভিশন শোয়ের শ্যুটিং বাতিল করা হয়। তার আগে অবশ্য তিনি কয়েকটি পণ্যের বিজ্ঞাপনী শ্যুটিং করেছেন। শ্যুটিং করেছেন তাঁর টেলিভিশন শোয়েরও। কী ভাবে এবং কোথা থেকে তিনি করোনায় আক্রান্ত হলেন, তা এখনও স্পষ্ট নয়। গত কিছুদিনে সৌরভ দেশ এবং বিদেশের কিছু শহরে সফরেও গিয়েছিলেন। সর্বশেষ সফরে গিয়েছিলেন মুম্বই। সেই সূত্রে তিনি করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন কি না, তা-ও এখনও স্পষ্ট নয়। তবে করোনায় আক্রান্ত হলেও সৌরভ স্থিতিশীল রয়েছেন বলেই হাসপাতাল সূত্রের খবর।

ডিসেম্বর ২৮, ২০২১
কলকাতা

KMC Election: কলকাতার মহানাগরিক ফিরহাদ হাকিমই, ডেপুটি মেয়র অতীন ঘোষ

মহারাষ্ট্র নিবাস থেকে কলকাতার নতুন মেয়রের নাম ঘোষণা করলেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আগামী পাঁচ বছরের জন্য কলকাতার মহানাগরিক হলেন ফিরহাদ হাকিম। পুরসভার চেয়ারম্যান হলেন মালা রায়। এদিন শুরুতেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দলের জয়ী ১৩৪ জন কাউন্সিলরকে অভিনন্দন জানান। তৃণমূলের রাজ্য সভাপতি সুব্রত বক্সী নতুন চেয়ারম্যানের নাম প্রস্তাব করেন। কলকাতা পুরসভার চেয়ারম্যান হিসাবে মালা রায়ের নাম প্রস্তাব করেন সুব্রত বক্সী। কলকাতা পুরসভার দলনেতা হিসাবে ফিরহাদ হাকিমের নাম প্রস্তাব করেন বক্সী। দুই প্রস্তাবেই উঠে আসে সমর্থনের হাত।ডেপুটি মেয়র হলেন অতীন ঘোষ। ১৩ জন মেয়র পরিষদের সদস্য হলেন। নাম রয়েছে দেবাশিস কুমার, দেবব্রত মজুমদার, বাবু বক্সী, আমিরুদ্দিন ববি, সন্দীপন সাহা, জীবন সাহা, রাম পেয়ারী রাম, অভিজিৎ মুখোপাধ্যায়, তারক সিং, মিতালী বন্দ্যোপাধ্যায়, জীবন সাহা, বৈশ্বানর চট্টোপাধ্যায়, স্বপন সমাদ্দারের।এদিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, আমাদের ১৬টা বরোর মধ্যে ১০টি বরো কমিটির চেয়ারম্যানই মহিলা। এটা মহিলাদের এমপাওয়ারমেন্টের একটা প্রকাশ। খুব ভাল করে কাজ করুন। খুব ভাল থাকুন। মালা রায় চেয়ারপার্সন হয়েছেন। এবার আনুষ্ঠানিকভাবে শপথের যে বিষয়গুলি আছে, সেগুলি সেরে ফেলতে হবে।কলকাতার মহানাগরিক পদে বসেই ফিরহাদ হাকিম বলেন, জীবন যদি যায় যাবে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিশ্বাসকে ভঙ্গ হতে দেব না। তাঁর আদর্শ, বিশ্বাস নিয়েই এতদিন পুরবোর্ড চলেছে। এরপরও চলবে। অর্থাৎ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দেখানো পথে হেঁটে আমরা শুধু কাজ করে যাব। আমৃত্যু ওনার বিশ্বাসের মর্যাদা দিয়ে উনি যে দায়িত্ব দিয়েছেন তা পালন করব।একই সঙ্গে ১৬টি বরোর চেয়ারম্যানের নামও এদিন ঘোষণা করেন তৃণমূল সুপ্রিমো। ১ নম্বর বরো কমিটির দায়িত্বে তরুণ সাহা, ২ বরো সামলাবেন শুক্লা ভোঁড়, ৩ বরো অনিন্দ্যকিশোর রাউত, ৪ বরোয় সাধনা বোস, ৫ বরো রেহানা খাতুন, ৬ বরো সানা আহমেদ, ৭ বরো সুস্মিতা ভট্টাচার্য, ৮ বরো চৈতালী চট্টোপাধ্যায়, ৯ বরো দেবলীনা, ১০ বরো জুঁই বিশ্বাস, ১১ বরো তারকেশ্বর চক্রবর্তী, ১২ বরো সুশান্ত ঘোষ, ১৩ রত্না শূর, ১৪ বরো সংহিতা দাস, ১৫ বরো রঞ্জিত শীল, ১৬ বরো সুদীপ পোলে।এই মঞ্চ থেকেই নব নির্বাচিত কাউন্সিলরদের বার্তা দিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, বাদ বাকি অনেক গুরুত্বপূর্ণ কাউন্সিলররা আছেন। ধীরে ধীরে আমরা পারফরম্যান্স দেখব। আমরা কাজের রিভিউ করব। যাঁরা ভাল কাজ করবেন, ভাল পাবেন। যাঁরা ভাল কাজ করবেন না তাঁদের জন্য দল সিদ্ধান্ত নেবে। দলের উপর বিশ্বাস রাখুন সব হবে। ব্যক্তিগত লবি নয়। একটাই লবি, দল একটাই। আমাদের সবার নেতা কিন্তু জোড়া ফুলটাই। জোড়া ফুলের নেতা মা মাটি মানুষ।

ডিসেম্বর ২৩, ২০২১
কলকাতা

Abhishek Bannerjee: বিপুল জয়ে কলকাতাবাসীকে ধন্যবাদ অভিষেকের

সকাল থেকেই শহরজুড়ে ঝোড়া ব্যাটিং করছে তৃণমূল। ব্যাপক সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে পুরনিগমে তৃণমূলের বোর্ড গঠন এখন কেবল সময়ের অপেক্ষা। শহরের বিভিন্ন প্রান্তে বিজয়োল্লাসে মেতেছেন তৃণমূল কর্মী-সমর্থকরা। আর এরই মধ্যে কলকাতাবাসীকে ধন্যবাদ জানিয়ে টুইট করলেন তৃণমূলের সেকেন্ড ইন কমান্ড অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।People of Kolkata have once again proven that politics of HATE VIOLENCE have NO PLACE in BENGAL!I thank everyone for blessing us with such a huge mandate. We are truly humbled and shall always remain committed in our goals towards YOUR BETTERMENT!Thank you Kolkata 🙏 Abhishek Banerjee (@abhishekaitc) December 21, 2021তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক টুইটে লেখেন, কলকাতার মানুষ আবারও প্রমাণ করে দিয়েছেন, বাংলায় ঘৃণা এবং হিংসার রাজনীতির কোনও জায়গা নেই। এই বিপুল সংখ্যক মানুষের রায়ের জন্য আমি প্রত্যেককে ধন্যবাদ জানাচ্ছি। আপনাদের উন্নয়নের যে লক্ষ্য আমরা নিয়েছি, তার প্রতি আমরা সবসময় নিয়োজিত থাকব এবং কখনও এই পথ থেকে বিচলিত থাকব না।ভোটে ব্যাপক সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে জয় মোটামুটি নিশ্চিত হতেই কলকাতার মানুষকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, ২৩শে ডিসেম্বর নতুন মেয়রের নাম প্রস্তাব করা হবে। সেদিন দুপুরে কলকাতায় মহারাষ্ট্র ভবনে এই অনুষ্ঠান হবে। কলকাতা বিমানবন্দরে এ কথা জানান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

ডিসেম্বর ২১, ২০২১
কলকাতা

TMC: লালবাড়ি দখলে বিশাল জয় তৃণমূলের, একনজরে দেখে নিন কোন ওয়ার্ডে কে জিতলেন

পুরসভা নির্বাচনে রীতিমতো রেকর্ড গড়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। প্রায় ১৩ শতাংশ ভোট বৃদ্ধি করে ছোট লালবাড়ি দখল করেছে ঘাসফুল শিবির। বিধানসভা ভোটের হিসেবে, কলকাতা পুরসভার ১৪৪ টি ওয়ার্ড অঞ্চলে তৃণমূলের ভোট ছিল ৫৯.০৩ শতাংশ। সেখানে বিজেপির ভোট ছিল ৩২.৯২ শতাংশ। কলকাতা পুরভোটের ফলাফলের ট্রেন্ডে দেখা গিয়েছে তৃণমূলের ভোট বেড়ে হয়েছে ৭১ শতাংশ এবং বিজেপির ভোট কমে হয়েছে ৮.৯ শতাংশ। অর্থাৎ বিজেপি-র ভোট কমেছে প্রায় ২৩ থেকে ২৪ শতাংশ। এই ২৩ থেকে ২৪ শতাংশ ভোটের একটা সিংহভাগ অংশ তৃণমূলের দিকে গেলেও একটি উল্লেখযোগ্য অংশ এসেছে বামেদের দিকে। ফলত বামেদের ভোট ৪ শতাংশ বেড়ে হয়েছে ১১.৪ শতাংশ।কলকাতা পুরসভার ১৬টি বরোর ১৪৪টি ওয়ার্ডের ভোট গণনা। রাজনৈতিক ভাগ্য নির্ধারণ হয়েছে সাড়ে ৯০০ প্রার্থীর। একনজরে দেখে নেওয়া যাক কোন ওয়ার্ডে জিতেছেন কোন প্রার্থী-১ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূলের কার্তিক মান্না।২ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূলের কাকলি সেন।৩ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূলের দেবীকা চক্রবর্তী ।৪ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূলের গৌতম হালদার।৫ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূলের তরুণ সাহা ।১১ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূলের অতিন ঘোষ।১২ নম্বর বরোর সব ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূল কংগ্রেস।১৩ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূলের অনিন্দ রাউত।১৪ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূলের অমল চক্রবর্তী।২০ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূলের বিজয় উপাধ্যায়।২১ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূলের মীরা হাজরা।২২ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী বিজেপি প্রার্থী মীনাদেবী পুরোহিত।২৩ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী বিজেপি প্রার্থী বিজয় ওঝা।২৬ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূলের তারক চক্রবর্তী ।২৮ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূল প্রার্থী অয়ন চক্রবর্তী ।২৯ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূলের ইকবাল আহমেদ।৩০ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূলের পাপিয়া ঘোষ বিশ্বাস।৩১ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূলের পরেশ পাল।৩৪ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূলের অলকানন্দা দাস।৩৬ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূলের শচিন সিং।৩৭ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূলের সোমা চৌধুরী ।৩৯ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূলের মহম্মদ জসিমুদ্দিন।৪০ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূলের সুপর্ণা দত্ত।৪১ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূলের রীতা চৌধুরী ।৪২ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূল প্রার্থী মহেশ শর্মা।৪৩ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী নির্দল প্রার্থী আয়েশা কানিজ।৪৫ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী কংগ্রেস প্রার্থী সন্তোষ পাঠক।৪৭ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূলের বিমল সিং।৪৮ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূলের বিশ্বরূপ দে।৪৯ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূলের মোনালিসা বন্দ্যোপাধ্যায়।৫০ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী বিজেপি প্রার্থী সজল ঘোষ।৫১ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূল প্রার্থী ইন্দ্রনীল কুমার।৫২ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূলের সোহিনী মুখোপাধ্যায়।৫৫ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূলের সবিতারানি দাস।৫৮ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী স্বর্ণকমল সাহার ছেলে সন্দীপন।৬৩ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূল প্রার্থী সুস্মিতা ভট্টাচার্য চট্টোপাধ্যায়।৬৪ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূল প্রার্থী শাম্মি জাহান বেগম।৬৫ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূলের নিবেদিতা শর্মা।৬৭ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূলের বিজনলাল মুখোপাধ্যায়।৭২ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূলের সন্দীপ বক্সী।৭৩ নম্বর ওয়ার্ডে ৬,৪৯৩ ভোটে জয়ী তৃণমূল প্রার্থী কাজরী বন্দ্যোপাধ্যায়।৭৪ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূলের দেবলীনা বিশ্বাস।৭৫ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী নিজামুউদ্দিন শামস।৭৬ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূলের ষষ্ঠী দাস।৭৭ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূলের শামিমা রেহান খান।৭৮ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূলের সোমা দাস।৭৯ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূলের রামপেয়ারে রাম।৮০ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূল প্রার্থী আনোয়ার খান।৮১ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূল প্রার্থী জুঁই বিশ্বাস।৮২ নম্বর ওয়ার্ডে ১৪,৮৬৭ ভোটে জয়ী ফিরহাদ হাকিম।৮৩ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূল প্রার্থী প্রবীর মুখোপাধ্যায়।৮৪ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী পারমিতা চট্টোপাধ্যায়।৮৫ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূল কংগ্রেসের দেবাশিস কুমার।৮৬ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী সৌরভ বসু।৮৮ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী মালা রায়।৮৯ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী মমতা মজুমদার।৯১ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী বৈশ্বানর চট্টোপাধ্যায়।৯২ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী সিপিএম প্রার্থী মধুছন্দা দেব।৯৬ ওয়ার্ডে জয়ী বসুন্ধরা গোস্বামী।১০১ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূল প্রার্থী বাপ্পাদিত্য দাশগুপ্ত।১০৩ নম্বর ওয়ার্ডে ৮৬ ভোটে জয়ী সিপিএম প্রার্থী নন্দিতা রায়।১০৪ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তারকেশ্বর চক্রবর্তী ।১০৬ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূল কংগ্রেসের অরিজিৎ দাস ঠাকুর।১০৭ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূল কংগ্রেসের লিপিকা মান্না।১০৮ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূল প্রার্থী সুশান্ত কুমার ঘোষ।১১১ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূল প্রার্থী স্বরাজ মণ্ডল।১১২ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূল প্রার্থী গোপাল রায়।১১৩ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূল প্রার্থী অনিতা কর মজুমদার।১১৪ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূল প্রার্থী বিশ্বজিৎ মণ্ডল১১৫ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূল প্রার্থী রত্না শূর।১১৬ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূল কংগ্রেসের কৃষ্ণা সিং।১১৭ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূল কংগ্রেসের অমিত সিং।১১৮ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূল কংগ্রেসের তারক সিং।১১৯ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূল কংগ্রেসের কাকলি বাগ।১২০ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূল কংগ্রেসের সুশান্ত ঘোষ।১২১ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূল কংগ্রেসের রূপক গঙ্গোপাধ্যায়।১২২ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূল কংগ্রেসের সোমা চক্রবর্তী।১৩১ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূল প্রার্থী রত্না চট্টোপাধ্যায়।১৩৫ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী নির্দল প্রার্থী রুবিনা নাজ।১৩৭ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী কংগ্রেসের ওয়াসিম আনসারি।১৪০ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূল কংগ্রেসের আবু মহম্মদ তারিক।১৪১ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী নির্দল প্রার্থী পূর্বাশা নস্কর।

ডিসেম্বর ২১, ২০২১
রাজনীতি

Municipal Election: কলকাতা ও বাংলাই দেশকে পথ দেখাবে, বিরোধীদের ত্রিফলা আক্রমণ মুখ্যমন্ত্রীর

কলকাতা পুরভোটের ফলাফলের ট্রেন্ডই তৃণমূল কংগ্রেসের ল্যান্ডস্লাইড ভিকট্রির ইঙ্গিত দিচ্ছে। একটা বিষয় স্পষ্ট যে কলকাতা কর্পোরেশনে ফের বোর্ড গঠন করতে চলেছে শাসকদল। গুয়াহাটি সফরের আগে এই ফলাফলের জন্য মানুষকে ধন্যবাদ জানালেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।Heartiest congratulations to all candidates for your victory in the KMC elections. Remember to serve people with utmost diligence and gratitude!I wholeheartedly thank every single resident of KMC for putting their faith on us, once again. Mamata Banerjee (@MamataOfficial) December 21, 2021তৃণমূল নেত্রী বলেন, আমি সকল মানুষ ও ভাই-বোনদের প্রণাম, অভিনন্দন এবং সেলাম জানাই। গণ উৎসবের মতো করে এই নির্বাচন হয়েছে। এটা গতন্ত্রের জয়। উৎসবের মতো করে ভোট হয়েছে। গণ উৎসবে গণতন্ত্রের জয় হয়েছে। আমরা মা-মাটি-মানুষের কাছে কৃতজ্ঞ। আপনারা যত আশীর্বাদ দেবেন, তত মাথা নত করে কাজ করব। কলকাতা আমাদের গর্ব। বাংলা আমাদের গর্ব। কলকাতা এবং বাংলাই দেশকে পথ দেখাবে।একযোগে বিজেপি, কংগ্রেস এবং বামেদের কটাক্ষ করেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, বিজেপি, কংগ্রেস, সিপিএম মানুষের ভোটে হেরেছে। এই রায় আমাদের উন্নয়নের জন্য কাজ করতে আরও সাহায্য করবে। আমরা মাটির কাছাকাছি থাকা মানুষ। তাই এই ফলাফল। বিজেপি ভোকাট্টা। সিপিএম নোপাত্তা। কংগ্রেস স্যান্ডউইচ হয়ে গিয়েছে।

ডিসেম্বর ২১, ২০২১
রাজনীতি

Municipal Election Result: নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতার পথে তৃণমূল, শুরু আবির খেলা

রবিবার কলকাতা পুর নির্বাচনের ভোটগ্রহণ হয়েছে। আজ ফল ঘোষণা। সকাল ৮টা থেকে শুরু হয়েছে ভোট গণনা। শুরুতে হয় ইডি (ইলেকশন ডিউটি) ভোট গণনা। ইভিএম গণনা শুরু হবে তার পর।মঙ্গলবার সকাল ৭টায় খোলা হয়েছে স্ট্রং রুমে। রবিবার থেকে স্ট্রং রুমের নিরাপত্তায় রয়েছে কলকাতা পুলিশ ও রাজ্য পুলিশের সশস্ত্র বাহিনী। ভোট গণনার জায়গায় ত্রিস্তরীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা গড়ে তোলা হবে বলে জানা গিয়েছে নির্বাচন কমিশন সূত্রে। প্রত্যেক গণনা কেন্দ্রের ২০০ মিটারের মধ্যে জারি রয়েছে ১৪৪ ধারা। কমিশন সূত্রে খবর, দুপুর ২টোর মধ্যেই ফল প্রকাশ হয়ে যেতে পারে।মুখে রঙিন মুখোশ, বাহারি চুলের রঙ, হাতে খেলা হবে পোস্টার। এই প্রতিবেদন যখন লেখা হচ্ছে, তখন কলকাতা পুরনির্বাচনের গণনার ৩ ঘণ্টা পেরিয়েছে। তারই মধ্যে তৃণমূলের জয়ের ধ্বজা উড়তে শুরু হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রীর কালীঘাটের বাড়ির সামনে ভিড় উচ্ছ্বসিত কর্মী সমর্থকদের। আবির খেলা, খেলা হবে গান আর সঙ্গে দেদার নাচ।প্রত্যাশা মতোই প্রায় নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়ে জয়ের পথে তৃণমূল। ইতিমধ্যেই ১১৯ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূল প্রার্থী। তৃণমূল কংগ্রেস এগিয়ে ১১৯, বিজেপি ৩, বাম ৩, কংগ্রেস ২, নির্দল ১ ওয়ার্ডে এগিয়ে। শহর কলকাতায় ফের উঠল সবুজ ঝড়।৮৩ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী প্রবীর মুখোপাধ্যায়, ৬৬ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূলের ফৈয়াজ আহমেদ খান, ১০৯ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী অনন্যা বন্দ্যোপাধ্যায়। জয়ের উল্লাস তৃণমূল শিবিরে। প্রথম দু ঘণ্টাতেই একশোর বেশি আসনে এগিয়ে গিয়েছে তৃণমূল৷ফিরহাদ জানিয়েছেন, ১৩৪ টি আসনে জিতবে তৃণমূল। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ৫২ শতাংশের আশেপাশে থাকতে পারে তৃণমূলের ভোটের হার এবং বিজেপির থাকতে পারে প্রায় ২৪ শতাংশ। বাকি বিরোধীরা মোটামুটি ৭ শতাংশের মতো ভোট পেতে পারেন। উল্লেখ্য, গত পুরভোটে বিজেপি ৭ টি আসন পেয়েছিল, এবার তা বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, বামেরা পেতে পারেন একটি আসন।

ডিসেম্বর ২১, ২০২১
কলকাতা

Election Commission: বিক্ষিপ্ত ঘটনা ছাড়া শান্তিপূর্ণ ভোটগ্রহণ, জানাল কমিশন

বিক্ষিপ্ত ঘটনা ছাড়া কলকাতা পুরসভার ভোট পর্ব শান্তিপূর্ণভাবে শেষ হয়েছে বলে জানিয়েছে, রাজ্য নির্বাচন কমিশন।বিকেল ৫টা পর্যন্ত কলকাতা পুরভোটে ভোটদানের হার ৬৩.৬৩ শতাংশ। চূড়ান্ত হিসাবে যা আরও কিছুটা বাড়তে পারে বলে জানা গিয়েছে কমিশন সূত্রে।কমিশনের সচিব নিলাঞ্জন শাণ্ডিল্য জানিয়েছেন, সারা দিনে মোট ৪৫৩ অভিযোগ এসেছে। এন্টালী এবং আমাস্টিট থানা এলাকায় তিনটে বোমা পড়ার ঘটনা ঘটেছে এতে তিনজন আহত হয়েছেন। বিভিন্ন অশান্তির ঘটনায় ১৯৫ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে কোথাও বুথ দখলের ঘটনা ঘটেনি। কমিশনের দাবি, প্রত্যেকটি অভিযোগ খতিয়ে দেখে তার দ্রুত নিষ্পত্তি করা হয়েছে। ভোট শুরু হওয়ার পর থেকে ৫৫ টি ইভিএম খারাপ হওয়ার খবর পাওয়া গিয়েছিল। সেখানে দ্রুতই বিকল্প ব্যবস্থা নেওয়া হয়। তবে ১৪৪ টি ওয়ার্ডের কোনও বুথে এর জেরে ভোট প্রক্রিয়া বিঘ্নিত হয়নি। সুষ্ঠুভাবে ভোট পরিচালনা করতে কমিশনের তরফে কোনও গাফিলতি হয়নি বলে তিনি দাবি করেন। যেখানে যেখানে গন্ডগোলের খবর পাওয়া গেছে পুলিশ সেখানে ব্যবস্থা নিয়েছে। পুলিশের কাজে কমিশন সন্তুষ্ট।এই মুহূর্তে কোনও বুথে পুনঃনির্বাচনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি বলে জানিয়েছেন কমিশনের সচিব। পর্যবেক্ষক এবং প্রিজাইডিং অফিসারদের রিপোর্টের ভিত্তিতে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানান তিনি।

ডিসেম্বর ১৯, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 19
  • 20
  • 21
  • 22
  • 23
  • 24
  • 25
  • ...
  • 28
  • 29
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

ডিজিটাল ক্লাস থেকে খুদেদের প্রাতরাশ, জাতীয় শিক্ষক পুরস্কারে মনোনীত বর্ধমানের পলাশ

শুধু চক-ডাস্টার আর পাঠ্যবইয়ের মধ্যে শিক্ষাকে সীমাবদ্ধ না রেখে প্রযুক্তিকে হাতিয়ার করে খুদে পড়ুয়াদের কাছে পড়াশোনাকে আরও আকর্ষণীয় করে তুলেছেন বর্ধমান শহরের শ্রীরামকৃষ্ণ সারদা বিদ্যাপীঠ প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক পলাশ চৌধুরী। শ্রেণিকক্ষে প্রযুক্তির অভিনব প্রয়োগের পাশাপাশি পড়ুয়াদের মানসিক বিকাশ, পরিবারের ভূমিকা এবং পুষ্টির দিকেও তাঁর নজর। এই বহুমুখী উদ্যোগের স্বীকৃতি হিসেবেই চলতি বছর জাতীয় শিক্ষক পুরস্কারের জন্য মনোনীত হয়েছেন তিনি।এ বছর পশ্চিমবঙ্গ থেকে দুজন শিক্ষক জাতীয় শিক্ষক পুরস্কারের জন্য মনোনীত হয়েছেন। প্রায় আট বছর পর সেই তালিকায় বর্ধমানের কোনও স্কুলশিক্ষকের নাম উঠে আসায় খুশি পড়ুয়া থেকে অভিভাবকসকলেই। এর আগে ২০১৮ সালে বর্ধমানের কাঞ্চননগর ডি এন দাস হাইস্কুলের শিক্ষক সুভাষচন্দ্র দত্ত জাতীয় শিক্ষক পুরস্কার পেয়েছিলেন।পলাশ চৌধুরীর শিক্ষাদর্শনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দিক হল প্রযুক্তির ব্যবহার। শ্রীরামকৃষ্ণ সারদা বিদ্যাপীঠের ক্লাসে পাঠ্যপুস্তকের পাশাপাশি ডিজিটাল ছবি ও লেখার সাহায্যে বিভিন্ন বিষয় পড়ুয়াদের সামনে তুলে ধরা হয়। কঠিন বিষয়কে সহজ করে বোঝাতে ভার্চুয়াল পদ্ধতিও কাজে লাগানো হয়েছে। মহাকাশ কিংবা মানবদেহের বিভিন্ন অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের মতো বিষয়গুলিকে ভার্চুয়াল পরিবেশে দেখার সুযোগ পাচ্ছে পড়ুয়ারা। প্রধান শিক্ষকের দাবি, এর ফলে শিশুদের মধ্যে পড়াশোনার প্রতি আগ্রহ এবং জানার কৌতূহল দুটোই বেড়েছে।শিক্ষার বাইরেও পড়ুয়াদের ব্যক্তিত্ব বিকাশের দিকে গুরুত্ব দিয়েছেন তিনি। স্কুলের বার্ষিক পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে শুধু পরীক্ষায় ভালো ফল করা পড়ুয়াদের পুরস্কৃত করা হয় না। সেরা হাতের লেখা, উদীয়মান প্রতিভা কিংবা ঘুরে দাঁড়ানোর সেরা উদাহরণ-এর মতো নানা বিভাগে পড়ুয়াদের উৎসাহিত করা হয়। এর মাধ্যমে শিশুদের ভিন্ন ভিন্ন প্রতিভা ও সাফল্যকে স্বীকৃতি দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে।পড়ুয়াদের সাফল্যের পিছনে পরিবারের অবদানকেও সামনে এনেছেন পলাশবাবু। সন্তানদের সারা বছর পড়াশোনায় উৎসাহ দেওয়ার জন্য স্কুলের ছাত্র-ছাত্রীদের মায়েদের দেওয়া হয় সেরা আপনজন সম্মান। তাঁর মতে, একটি শিশুর সাফল্যের পিছনে পরিবারের সদস্যদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা থাকে। তাই তাঁদের অবদানকেও সম্মান জানানো প্রয়োজন।প্রযুক্তির সঠিক ব্যবহার নিয়ে অভিভাবকদের সচেতন করতেও স্কুলের উদ্যোগ রয়েছে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই সম্পর্কে ধারণা দিতে সম্প্রতি একটি কর্মশালার আয়োজন করা হয়। পলাশ চৌধুরীর বক্তব্য, অনেক অভিভাবক সরাসরি সন্তানদের পড়াশোনায় সাহায্য করতে পারেন না। প্রযুক্তির সঠিক ব্যবহার সম্পর্কে তাঁরা জানলে সন্তানদের পড়াশোনায় সহযোগিতা করা তাঁদের পক্ষে সহজ হবে।তবে পলাশ চৌধুরীর উদ্যোগ শুধু শ্রেণিকক্ষ কিংবা প্রযুক্তির মধ্যেই থেমে নেই। পড়ুয়াদের শারীরিক পুষ্টির বিষয়টিও গুরুত্ব পেয়েছে স্কুলে। মিড-ডে মিলের পাশাপাশি প্রধান শিক্ষকের নিজস্ব উদ্যোগ এবং অন্যান্য শিক্ষক-শিক্ষিকাদের সহযোগিতায় চালু হয়েছে প্রাতরাশের ব্যবস্থা। স্কুল কর্তৃপক্ষের দাবি, আর্থিকভাবে পিছিয়ে থাকা পরিবারের অনেক শিশু সকালে খালি পেটে স্কুলে আসে। তাদের কথা মাথায় রেখেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষা, পড়ুয়াদের প্রতিভার স্বীকৃতি, অভিভাবকদের অংশগ্রহণ এবং শিশুদের পুষ্টির প্রতি নজর, সব মিলিয়ে বর্ধমানের এই প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার পরিসরকে আরও বিস্তৃত করার চেষ্টা করেছেন পলাশ চৌধুরী। আর সেই কাজেরই স্বীকৃতি হিসেবে জাতীয় শিক্ষক পুরস্কারের মনোনয়ন তাঁর মুকুটে নতুন পালক যোগ করেছে।

আগস্ট ২৭, ২০২৬
দেশ

আরও বাড়তে পারে গঙ্গার জল, বন্যার আশঙ্কায় নদীপাড়ে বাড়ছে উদ্বেগ

গঙ্গার জলস্তর বিপদসীমা অতিক্রম করায় মুর্শিদাবাদের বিস্তীর্ণ নদীতীরবর্তী এলাকায় উদ্বেগ ক্রমশ বাড়ছে। ফরাক্কা থেকে সামশেরগঞ্জ, সুতী, লালগোলা, জিয়াগঞ্জ হয়ে জলঙ্গী পর্যন্ত গঙ্গার পাড়ের বাসিন্দাদের মধ্যে তৈরি হয়েছে আতঙ্ক। তার উপর প্রশাসনের পক্ষ থেকে বারবার সতর্কবার্তা আসায় ভয় আরও বাড়ছে স্থানীয়দের।সেন্ট্রাল ওয়াটার কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, গঙ্গার জলস্তর বিপদসীমা ২২.২৫ মিটার ছাড়িয়ে বর্তমানে ২২.৭৭ মিটারে পৌঁছেছে। আগামীকাল রাত ৮টার মধ্যে জলস্তর আরও বেড়ে ২২.৮৫ মিটারে পৌঁছতে পারে বলে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। নেপালে সাম্প্রতিক ধ্বংসাত্মক হড়কা বানের জেরে অতিরিক্ত জল গণ্ডক নদী হয়ে পাটনায় গঙ্গায় মিশছে। বিহারের পাটনা ও রাজমহল হয়ে সেই জল ফরাক্কায় পৌঁছনোর কারণেই দ্রুত জলস্তর বাড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।ফরাক্কা ব্যারেজের জেনারেল ম্যানেজার আরডি দেশপান্ডে জানিয়েছেন, আপস্ট্রিম থেকে আসা জলের মধ্যে ফরাক্কার ফিডার ক্যানাল দিয়ে প্রায় ৪০ হাজার কিউসেক জল ছাড়া হচ্ছে। অন্যদিকে, ফরাক্কার ডাউনস্ট্রিমে প্রায় সাড়ে ১১ লক্ষ কিউসেক জল প্রবাহিত হচ্ছে।সেন্ট্রাল ওয়াটার কমিশনের আধিকারিক সঞ্জীব কুমার জানিয়েছেন, বিকেল ৩টের সময় গঙ্গার জলস্তর ২২.৭৭ মিটার রেকর্ড করা হয়েছে। বিপদসীমার তুলনায় যা অনেকটাই বেশি। তাঁর কথায়, জলস্তর এখনও ঊর্ধ্বমুখী এবং পাটনা ফোরকাস্ট স্টেশনের পূর্বাভাস অনুযায়ী আগামীকাল রাত ৮টার মধ্যে তা ২২.৮৫ মিটার পর্যন্ত পৌঁছতে পারে। নেপালের হড়কা বানের প্রভাবেই এই জলবৃদ্ধি বলে মনে করা হচ্ছে। তবে এখনও পর্যন্ত শহরে জল ঢোকার কোনও রেকর্ড নেই এবং পরিস্থিতি সেফ জোনে রয়েছে বলেও জানান তিনি।পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রশাসনের পক্ষ থেকে নদীপাড়ের বাসিন্দাদের সতর্ক করা হচ্ছে। প্রতি ঘণ্টার আপডেট মেল ও হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে প্রশাসন ও রাজ্য সরকারকে জানানো হচ্ছে। ফরাক্কার বিডিও সুজয় ব্যাপারী জানিয়েছেন, জলস্তর বাড়ছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় জেলা ও ব্লক প্রশাসন সম্পূর্ণ প্রস্তুত রয়েছে।তবে প্রশাসনের সতর্কবার্তায় আতঙ্কিত স্থানীয় বাসিন্দারাও। ফরাক্কার গঙ্গাপাড়ের বাসিন্দা শরৎ হালদার বলেন, প্রশাসনের দফতর থেকে বারবার সাবধান থাকার মেসেজ আসছে। তাঁর আশঙ্কা, আরও এক মিটার জল বাড়লেই নালা দিয়ে গ্রামে জল ঢুকে পড়তে পারে। টিনের ঘরবাড়িতে বসবাসকারী গরিব মানুষজন বন্যা হলে কোথায় যাবেন, কীভাবে থাকবেনসেই চিন্তাতেই এখন রাত কাটছে তাঁদের।

আগস্ট ২৭, ২০২৬
রাজ্য

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, দুবাই, ইংল্যান্ড, আয়ারল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া, জার্মানির শিল্পমহল শিল্পস্থাপনে যথেষ্ট আগ্রহী, দাবি মন্ত্রী তাপস রায়ের

রাজ্যে শিল্পায়ন নিয়ে আন্তর্জাতিক মহল আগ্রহী বলে দাবি করেছেন শিল্পমন্ত্রী তাপস রায়। তিনি বলেন, পশ্চিমবঙ্গে বিনিয়োগের সম্ভাবনা নিয়ে আন্তর্জাতিক শিল্পমহলে ইতিমধ্যেই যথেষ্ট আগ্রহ তৈরি হয়েছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, দুবাই, ইংল্যান্ড, আয়ারল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া, জার্মানি, সিঙ্গাপুর এবং জাপান, মিতসুবিশি-সহ বিভিন্ন দেশের শিল্পপতি ও কূটনৈতিক প্রতিনিধিরা রাজ্যে বিনিয়োগের বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, আগামী দিনে সেমিকন্ডাক্টর হাব, ডেটা সেন্টার, তথ্যপ্রযুক্তি এবং আধুনিক উৎপাদন শিল্পকে কেন্দ্র করে পশ্চিমবঙ্গে একটি শক্তিশালী শিল্প পরিকাঠামো গড়ে তোলার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে বৃহৎ কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করার পাশাপাশি পশ্চিমবঙ্গের হারানো শিল্পগৌরব পুনরুদ্ধারের লক্ষ্যে সরকার কাজ করছে বলে তিনি জানান। রাজ্যের শিল্পায়ন ও বিনিয়োগ প্রসঙ্গে শিল্পমন্ত্রী বলেন, দীর্ঘদিনের স্থবিরতা কাটিয়ে পশ্চিমবঙ্গে নতুন শিল্পায়নের পরিবেশ তৈরি হচ্ছে। শিল্পনীতি, ল্যান্ড ব্যাংক, ল্যান্ড পলিসি, ইনসেন্টিভ স্কিম এবং Single Window ব্যবস্থাকে কার্যকর করার লক্ষ্যে সরকারের পক্ষ থেকে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। বিভিন্ন GoM বৈঠকের মাধ্যমে শিল্পক্ষেত্রে নীতি নির্ধারণ ও বাস্তবায়নের কাজ এগিয়ে চলেছে বলেও তিনি জানান।রাজ্যে নতুন সরকার গঠনের পরও কিছু ক্ষেত্রে তোলাবাজির অভিযোগ উঠছে। এই প্রসঙ্গে তাপস রায় সরকারের Zero Tolerance নীতির কথা স্পষ্টভাবে তুলে ধরেন। তিনি জানান, সাধারণ মানুষ ও ব্যবসায়ীদের স্বার্থে যে কোনও ধরনের বেআইনি তোলাবাজি এবং সিন্ডিকেট কার্যকলাপ নিয়ন্ত্রণে সরকার কঠোর পদক্ষেপ করবে। অতীতে এই ধরনের কার্যকলাপের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের উপরও নজরদারি রাখা হচ্ছে বলে তিনি জানান। আইন অমান্য করে কেউ বেআইনি কার্যকলাপে যুক্ত হলে রাজনৈতিক পরিচয় বা পদমর্যাদা নির্বিশেষে তাঁর বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও তিনি স্পষ্ট করেন।এদিন ক্যামাক স্ট্রিটে তৃণমূল কংগ্রেসের অফিসে হানা দেয় কলকাতা পুরসভা ও পুলিশ। ওই অফিসে বসেন দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিনও তিনি ও ডেরেক ওব্রায়েন অফিসে ছিলেন। কলকাতা পুরসভা ও পুলিশের কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগ ওঠে তৃণমূল নেতৃত্বের বিরুদ্ধে। শিল্পমন্ত্রী বলেন, সাংবিধানিক ও প্রশাসনিক প্রতিষ্ঠানগুলি তাদের আইনানুগ দায়িত্ব পালন করবে। সেই কাজে বাধা সৃষ্টি করলে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তার-সহ প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার অধিকার প্রশাসনের রয়েছে। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষার ক্ষেত্রে সরকার কোনো ধরনের আপস করবে না বলেও তিনি স্পষ্ট করেন।

আগস্ট ২৭, ২০২৬
কলকাতা

ক্যামাক স্ট্রিটে অভিষেকের দফতরে পুরসভার হানা, ভেঙে ফেলা হল তৃণমূলের সাইনবোর্ড! ধস্তাধস্তি, আটক ১২

তৃণমূলের দ্বিতীয় ক্ষমতাকেন্দ্র হিসেবে পরিচিত ক্যামাক স্ট্রিটের দফতরকে ঘিরে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় তীব্র উত্তেজনা ছড়াল কলকাতায়। ৯, ক্যামাক স্ট্রিটে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের দফতরের ছাদে থাকা অল ইন্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেস লেখা সাইনবোর্ডকে বেআইনি বলে অভিযোগ তুলে সেটি খুলে দিল কলকাতা পুরসভা। অভিযান ঘিরে পুরকর্মী ও পুলিশের সঙ্গে তৃণমূল নেতা-কর্মীদের ধস্তাধস্তির ঘটনাও ঘটে। পুলিশ-পুরসভার কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগে ১২ জনকে আটক করা হয়েছে।ঘটনার সূত্রপাত কলকাতা পুলিশের একটি অভিযোগকে কেন্দ্র করে। পুলিশ পুরসভাকে জানায়, অভিষেকের দফতরের মাথায় লাগানো ওই বড় বিলবোর্ডটি নিয়ম মেনে বসানো হয়নি। অভিযোগ পাওয়ার পর কলকাতা পুরসভার বিজ্ঞাপন বিভাগের আধিকারিকেরা বৃহস্পতিবার বিকেলে ক্যামাক স্ট্রিটে পৌঁছন।খবর পেয়ে দফতরে হাজির হন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, তৃণমূল নেতা বৈশ্বানর চট্টোপাধ্যায় এবং রাজ্যসভার সাংসদ ডেরেক ওব্রায়েন-সহ কয়েক জন। পুরসভার আধিকারিকেরা যে নির্দেশের কপি নিয়ে এসেছিলেন, তার বৈধতা নিয়ে তাঁরা প্রশ্ন তোলেন। দীর্ঘক্ষণ তর্ক-বিতর্কের পর প্রথম দফায় পুরকর্মীরা ফিরে যান।কিন্তু কিছুক্ষণ পর ফের পুলিশকে সঙ্গে নিয়ে দফতরে পৌঁছন পুরসভার আধিকারিকেরা। এ বার পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। পুলিশ বাহিনী হেলমেট পরে দফতরের ভিতরে ঢোকে। যে অংশে সাইনবোর্ডটি ছিল, সেখানে যাওয়ার পথে বাধার মুখে পড়তে হয় তাঁদের।অভিযোগ, তৃণমূলের কয়েক জন নেতা-কর্মী সিঁড়িতে বসে বা শুয়ে পড়ে পুলিশ ও পুরকর্মীদের আটকানোর চেষ্টা করেন। ধস্তাধস্তির সময় কয়েক জন পুলিশকর্মীকে ধাক্কা দেওয়ার অভিযোগও ওঠে। শেষ পর্যন্ত তালা ভেঙে ছাদে পৌঁছন পুরকর্মীরা। সেখান থেকেই খুলে ফেলা হয় অল ইন্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেস লেখা সাইনবোর্ডটি। পরে তার ভাঙা অংশ ছাদেই পড়ে থাকতে দেখা যায়।এই ঘটনার পরই রাজনৈতিক সংঘাত আরও তীব্র হয়। ঘটনাস্থল থেকেই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বিজেপি এবং রাজ্যের বিরোধী শিবিরের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার অভিযোগ তোলেন। তাঁর দাবি, তৃণমূলকে রাজনৈতিক ভাবে কোণঠাসা করার উদ্দেশ্যেই ব্যক্তিগত সম্পত্তিতে পুরসভার মাধ্যমে হস্তক্ষেপ করা হয়েছে।অভিষেক বলেন, তৃণমূলকে মিটিং-মিছিলের অনুমতি না দেওয়া, দলের নেতাদের আক্রমণ করা এবং পার্টি অফিস ও বিলবোর্ড ভেঙে দেওয়ার মাধ্যমে তাঁদের ভয় দেখানোর চেষ্টা চলছে। তাঁর কথায়, ঘাসফুলকে যত কাটা হবে, ততই তা বাড়বে। একই সঙ্গে শুভেন্দু অধিকারীকেও আক্রমণ করেন তিনি।অভিষেকের আরও অভিযোগ, ক্যামাক স্ট্রিটের ওই এলাকায় ফুটপাত ও বিভিন্ন দোকানের উপরে একাধিক বিলবোর্ড রয়েছে। অথচ শুধুমাত্র তাঁর দফতরের বোর্ডকেই কেন নিশানা করা হল, সেই প্রশ্ন তোলেন তিনি। তাঁর দাবি, বেআইনি নির্মাণ ও অন্যান্য অবৈধ বিজ্ঞাপনের বিরুদ্ধে একই ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে না।ঘটনাকে কেন্দ্র করে আইনি লড়াইয়ের পথেও হাঁটছে তৃণমূল। অভিষেকের তরফে জানানো হয়েছে, পুলিশ ও পুরসভার ভূমিকার বিরুদ্ধে হাই কোর্টে মামলা করা হবে। ইতিমধ্যেই বিষয়টি আদালতে তোলার উদ্যোগ হয়েছে। প্রধান বিচারপতি শুক্রবার বিষয়টি মেনশন করার অনুমতি দিয়েছেন বলে জানা গিয়েছে।অন্যদিকে, এর আগে ডায়মন্ড হারবারের আমতলায় অভিষেকের সাংসদ কার্যালয়ের একাংশ বেআইনি নির্মাণ-এর অভিযোগে প্রশাসনের তরফে ভেঙে দেওয়া হয়েছিল। সেই ঘটনাও আদালত পর্যন্ত গড়িয়েছে। তার পর এ বার খোদ কলকাতার ক্যামাক স্ট্রিটে অভিষেকের দফতরের দলীয় সাইনবোর্ড ভাঙাকে ঘিরে নতুন করে রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হল।ঘটনাস্থলে তৃণমূলের সাধারণ কর্মী-সমর্থকদের উপস্থিতি অবশ্য তেমন ছিল না। খবর ছড়ালেও বড় কোনও জমায়েত দেখা যায়নি। পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সন্ধ্যার পর থেকেই ক্যামাক স্ট্রিটে বাহিনী বাড়িয়ে দেয়। উত্তেজনা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে নিরাপত্তা আরও জোরদার করা হয়।এই ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক তরজায় বিরোধী শিবিরও পিছিয়ে থাকেনি। অভিষেকের দফতরে পুলিশের অভিযান প্রসঙ্গে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় কটাক্ষ করে বলেন, অভিষেক উচ্চমার্গের চার্টার্ড মাফিয়া। তাঁর দাবি, এই বিষয়ে প্রতিক্রিয়া দেওয়ার মতো সময় তাঁর নেই।সব মিলিয়ে, এক সময় তৃণমূলের সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত ৯, ক্যামাক স্ট্রিট এখন নতুন রাজনৈতিক সংঘাতের কেন্দ্রবিন্দু। একটি সাইনবোর্ড অপসারণকে ঘিরে পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তি, ১২ জনকে আটক এবং আদালতে যাওয়ার হুঁশিয়ারিসব মিলিয়ে ঘটনাটি রাজ্য রাজনীতিতে নতুন করে উত্তাপ ছড়িয়েছে।

আগস্ট ২৭, ২০২৬
রাজ্য

নেপাল বিপর্যয়ে নিখোঁজ বাংলার পর্যটকরা, উদ্বেগে একাধিক পরিবার

নেপালের ভয়াবহ প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের পর নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে পশ্চিমবঙ্গের একাধিক পর্যটকের পরিবারে। কৈলাস-মানস সরোবর যাত্রার উদ্দেশ্যে নেপালে যাওয়া রাজ্যের বহু পর্যটকের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন। পশ্চিমবঙ্গ সরকারের হিসাব অনুযায়ী, এখনও পর্যন্ত ৩৬ জনের খোঁজ মিলছে না। নিখোঁজদের মধ্যে কলকাতা ছাড়াও হুগলি, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পশ্চিম বর্ধমান, দার্জিলিং এবং উত্তর ২৪ পরগনার বাসিন্দারা রয়েছেন।বুধবার নেপাল-চিন সীমান্ত সংলগ্ন এলাকায় ভয়াবহ হড়পা বান নামে। ভোটেকোশী নদীর জল আচমকা ফুলে ওঠায় বিস্তীর্ণ এলাকা ক্ষতিগ্রস্ত হয়। বিপর্যয়ের জেরে বহু মানুষের মৃত্যু হয়েছে এবং এখনও নিখোঁজ রয়েছেন অনেকে। সেই নিখোঁজদের তালিকাতেই রয়েছেন ভারতের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে কৈলাস-মানস সরোবর যাত্রায় যাওয়া পর্যটকেরা।কলকাতা থেকে নেপাল, তারপর আর কোনও খোঁজ নেইকলকাতার নাকতলা ও কসবার দুই বাসিন্দা রিনা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং সুস্মিতা ভট্টাচার্যও নিখোঁজদের তালিকায় রয়েছেন। দুজনেই ভ্রমণ সংস্থার সঙ্গে নেপাল গিয়েছিলেন।২১ অগস্ট একটি ৩০ জনের দলের সঙ্গে নেপালের উদ্দেশে রওনা দেন সুস্মিতা। কাঠমান্ডু পৌঁছে পশুপতিনাথ মন্দির দর্শনের পর দলটি কেরুং হয়ে তিব্বত সীমান্তের দিকে এগোয়। সেখান থেকেই পরিবারের সঙ্গে তাঁর যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। শেষ দিকে হোয়াট্সঅ্যাপের মাধ্যমে পরিবারের সঙ্গে কথা হয়েছিল বলে জানিয়েছেন তাঁর পুত্রবধূ।একই ভাবে ২১ অগস্ট নেপালে যাওয়া রিনার সঙ্গেও যোগাযোগ করতে পারছে না পরিবার। ভ্রমণ সংস্থার সঙ্গে যোগাযোগ করেও এখনও নিশ্চিত কোনও তথ্য পাওয়া যায়নি।নিখোঁজ মুকুল রায়ের পুত্রবধূওনিখোঁজ পর্যটকদের তালিকায় রয়েছেন প্রয়াত তৃণমূল নেতা মুকুল রায়ের পুত্রবধূ শর্মিষ্ঠা ভৌমিক রায়। গত ২১ অগস্ট একটি ভ্রমণ সংস্থার সঙ্গে নেপালে গিয়েছিলেন তিনি। বুধবারের বিপর্যয়ের পর থেকেই তাঁর সঙ্গে পরিবারের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন।স্বামী শুভ্রাংশু রায়ের দাবি, বিভিন্ন ভাবে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও এখনও পর্যন্ত শর্মিষ্ঠার কোনও খোঁজ পাওয়া যায়নি।সোনারপুরের লোপামুদ্রারও সন্ধান নেইদক্ষিণ ২৪ পরগনার সোনারপুরের বৈকুণ্ঠপুরের বাসিন্দা সফ্টওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার লোপামুদ্রা কুন্ডুও নিখোঁজ। পরিবারের সঙ্গে শেষ কথা হওয়ার সময় তিনি জানিয়েছিলেন, চিন সীমান্তের কাছাকাছি রয়েছেন।২১ অগস্ট ৩০ জনের একটি দলের সঙ্গে নেপাল যান লোপামুদ্রা। বুধবার সকালেও পরিবারের সঙ্গে কথা হয়েছিল তাঁর। এরপর থেকেই ফোনে যোগাযোগ করা যাচ্ছে না।দুর্গাপুরের দুই দম্পতিকে ঘিরে উৎকণ্ঠাপশ্চিম বর্ধমানের দুর্গাপুর থেকেও একাধিক পর্যটকের খোঁজ মিলছে না। অম্বুজা টাউনশিপের বাসিন্দা দেবাশিস বন্দ্যোপাধ্যায় ও তাঁর স্ত্রী সঙ্ঘমিত্রা বন্দ্যোপাধ্যায় ২১ অগস্ট কৈলাস-মানস সরোবর যাত্রার উদ্দেশ্যে নেপাল যান। দেবাশিস দুর্গাপুর ইস্পাত হাসপাতালের কর্মী এবং সঙ্ঘমিত্রা শিক্ষক।একই সঙ্গে দুর্গাপুরের তপোবন সিটি এলাকার বাসিন্দা অরিন্দম গঙ্গোপাধ্যায় ও মৌসুমি গঙ্গোপাধ্যায়ের সঙ্গেও যোগাযোগ করা যাচ্ছে না। তাঁদের পরিবার এবং প্রতিবেশীদের মধ্যে আতঙ্ক তৈরি হয়েছে।পরিবারের তরফে জানানো হয়েছে, বিপর্যয়ের খবর পাওয়ার পর থেকেই ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হচ্ছে। কিন্তু কোনও উত্তর পাওয়া যাচ্ছে না।বসিরহাটের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক দম্পতিও নিখোঁজউত্তর ২৪ পরগনার বসিরহাটের খান বাহাদুর রোডের বাসিন্দা স্বপন মণ্ডল ও তাঁর স্ত্রী মৌ মণ্ডলও নেপালে গিয়ে নিখোঁজ। দুজনেই অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক। প্রায় এক সপ্তাহ আগে তাঁরা নেপালে গিয়েছিলেন। সেখান থেকে তাঁদের কৈলাস যাওয়ার পরিকল্পনা ছিল।প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের পর থেকেই তাঁদের মোবাইল ফোন বন্ধ। ফলে পরিবারের উদ্বেগ ক্রমেই বাড়ছে।তারকেশ্বরের পর্যটকদের নিয়েও দুশ্চিন্তাহুগলির তারকেশ্বরের চাউলপট্টির বাসিন্দা স্নেহাশিস দত্ত এবং একই এলাকার ভ্রমণ সংস্থার কর্মী জয়ন্ত সান্যালও ওই দলের সঙ্গে ছিলেন। পরিবারের দাবি, বুধবার তিব্বত সীমান্ত পেরোনোর কথা ছিল তাঁদের।স্নেহাশিসের স্ত্রী সোমা দত্ত জানিয়েছেন, বুধবার সকাল ৭টা ২৫ মিনিটে স্বামীর সঙ্গে শেষ কথা হয়েছিল। তিনি জানিয়েছিলেন, তাঁরা অভিবাসন দফতরের দিকে যাচ্ছেন। এরপর থেকেই আর যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।শিলিগুড়ির সমরের খোঁজে কাঠমান্ডু পাড়ি দাদারদার্জিলিং জেলার শিলিগুড়ির শান্তিনগর-বউবাজার এলাকার বাসিন্দা সমর মণ্ডলও নিখোঁজ। ১৬ অগস্ট একটি ট্র্যাভেল এজেন্সির মাধ্যমে নেপালের উদ্দেশে রওনা দিয়েছিলেন তিনি। মঙ্গলবার শেষ বার পরিবারের সঙ্গে কথা হয়।কৈলাস যাত্রার পথে তাঁর শারীরিক অসুস্থতাও হয়েছিল বলে পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে। বুধবার কাঠমান্ডু ফিরে আসার কথা ছিল তাঁর। কিন্তু বিপর্যয়ের পর আর কোনও খবর না মেলায় ভাইয়ের খোঁজে তাঁর দাদা ইতিমধ্যেই কাঠমান্ডুর উদ্দেশে রওনা হয়েছেন।৬৮ বছরের অনিতাকে ঘিরেও উৎকণ্ঠাহাওড়ার আন্দুল হাটগাছা এলাকার ৬৮ বছরের অনিতা দাসও নেপাল-তিব্বত সীমান্তের কাছে নিখোঁজ বলে পরিবার জানিয়েছে। কৈলাস-মানস সরোবর যাওয়ার দীর্ঘদিনের ইচ্ছা ছিল তাঁর।মঙ্গলবার সকালে ছেলের সঙ্গে শেষ কথা হয়েছিল অনিতার। তখন তিনি জানিয়েছিলেন, তাঁরা সীমান্তের কাছাকাছি রয়েছেন। এরপর থেকেই তাঁর ফোন বন্ধ।প্রশাসনের তৎপরতার দিকে তাকিয়ে পরিবারনেপালের বিপর্যয়ের পর একের পর এক পর্যটকের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ায় উদ্বেগ বাড়ছে বাংলার বিভিন্ন পরিবারে। কেউ শেষ ফোনকলের অপেক্ষায়, কেউ আবার আত্মীয়ের খোঁজে প্রশাসনের দ্বারস্থ হচ্ছেন।নিখোঁজ পর্যটকদের অবস্থান সম্পর্কে নিশ্চিত তথ্য না পাওয়া পর্যন্ত উৎকণ্ঠা কাটছে না পরিবারগুলির। উদ্ধারকাজ এবং যোগাযোগ ব্যবস্থা স্বাভাবিক হওয়ার দিকে তাকিয়ে রয়েছেন তাঁরাকখন আসে বহু প্রতীক্ষিত সেই ফোন, সেই আশাতেই দিন গুনছেন স্বজনেরা।

আগস্ট ২৭, ২০২৬
রাজ্য

৩১ অগস্টের পরেও কি থাকবে চাকরি? ২৬ হাজার মামলায় বড় নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের

২৬ হাজার শিক্ষক-শিক্ষাকর্মীর চাকরি বাতিল সংক্রান্ত মামলায় আপাতত বড় স্বস্তি পেলেন যোগ্য প্রার্থীরা। ২০১৬ সালের স্কুল সার্ভিস কমিশনের (এসএসসি) নিয়োগ সংক্রান্ত মামলায় সুপ্রিম কোর্টের আগের নির্দেশই আপাতত বহাল থাকছে। ফলে নতুন করে শুনানি এবং পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত যোগ্য হিসেবে চিহ্নিত শিক্ষক-শিক্ষিকাদের চাকরি নিয়ে তাৎক্ষণিক অনিশ্চয়তা তৈরি হচ্ছে না।২০১৬ সালের নিয়োগ প্রক্রিয়ায় ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ ওঠার পর দীর্ঘ আইনি লড়াই শুরু হয়। কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশের পর বিষয়টি গড়ায় সুপ্রিম কোর্টে। ২০২৫ সালের ৩ এপ্রিল শীর্ষ আদালত ২০১৬ সালের পুরো নিয়োগ প্রক্রিয়া বাতিলের নির্দেশ দেয়। আদালতের পর্যবেক্ষণ ছিল, নিয়োগ প্রক্রিয়ায় যোগ্য ও অযোগ্য প্রার্থীদের নির্ভুল ভাবে আলাদা করা সম্ভব হয়নি।পরবর্তী সময়ে রাজ্যের শিক্ষাব্যবস্থা এবং স্কুলগুলিতে শিক্ষক-সংকটের কথা মাথায় রেখে যোগ্য শিক্ষকদের সাময়িক ভাবে চাকরিতে বহাল থাকার সুযোগ দেওয়া হয়েছিল। সেই অন্তর্বর্তী নির্দেশ অনুযায়ী ৩১ অগস্ট ২০২৬ পর্যন্ত তাঁদের চাকরি বহাল থাকার কথা ছিল। একই সঙ্গে নতুন করে স্বচ্ছ নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার নির্দেশও দেওয়া হয়েছিল।কিন্তু নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বিপুল সংখ্যক শূন্যপদে নতুন নিয়োগ সম্পূর্ণ করা সম্ভব হচ্ছে না বলে আদালতের দ্বারস্থ হন সংশ্লিষ্টরা। তাঁদের বক্তব্য, এত অল্প সময়ের মধ্যে নতুন নিয়োগ প্রক্রিয়া শেষ না হলে যোগ্য শিক্ষকরা ফের চাকরি হারানোর আশঙ্কায় পড়বেন।এই পরিস্থিতিতে মঙ্গলবার সুপ্রিম কোর্টে মামলার শুনানিতে জানানো হয়েছে, নতুন অন্তর্বর্তী আবেদনের ভিত্তিতে চূড়ান্ত শুনানি না হওয়া পর্যন্ত আগের নির্দেশই কার্যকর থাকবে। ফলে আপাতত যোগ্য শিক্ষক-শিক্ষিকাদের জন্য স্বস্তির পরিস্থিতি তৈরি হল।তবে এই নির্দেশকে চূড়ান্ত রায় হিসেবে দেখা হচ্ছে না। পরবর্তী শুনানিতে আদালত কী সিদ্ধান্ত নেয়, তার উপরই নির্ভর করবে ২৬ হাজার চাকরি মামলায় যোগ্য শিক্ষকদের ভবিষ্যৎ। ফলে আপাতত স্বস্তি মিললেও পুরোপুরি অনিশ্চয়তা কাটছে না।

আগস্ট ২৫, ২০২৬
রাজ্য

লন্ডনের রাস্তায় ভিক্ষুক কেন? বিষয়টা হল মন্ত্রীর বাচনভঙ্গী। আসল অভিমুখের সমস্যা দেখুন।

মানবিক আচরণ করুন, পার্কস্ট্রিটের ফুটপাথবাসী পরিবারের পাশে কুণালফুটপাথে শিশুর দুধ গরম করা নিয়ে পুরমন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পালের মন্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক বিতর্কের মধ্যেই পার্কস্ট্রিটের ওই ফুটপাথবাসী পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন তৃণমূল বিধায়ক কুণাল ঘোষ। এদিন তিনি ওই পরিবারের সঙ্গে দেখা করেন। একই সঙ্গে পার্কস্ট্রিট থানার পুলিশের কাছেও পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে মানবিক আচরণের আবেদন জানান তিনি।কুণাল ঘোষের বক্তব্য, ফুটপাথে বসবাসকারী মানুষও সমাজেরই অংশ। তাঁদের সঙ্গে সহানুভূতিশীল ও মানবিক আচরণ করা প্রয়োজন। বিশেষ করে কোনও পরিবারের শিশু, মহিলা বা অসহায় সদস্যদের বিষয়টি বিবেচনা করে প্রশাসনের আরও সংবেদনশীল হওয়া উচিত বলেই মনে করেন তিনি।অগ্নিমিত্রা পালের আচরণ ও মন্তব্য প্রসঙ্গে কুণালের বক্তব্যের মূল সুর ছিলকোনও সমস্যার সমাধান করতে গিয়ে অসহায় মানুষকে হেয় বা অপমান করা উচিত নয়। ফুটপাথে কেন কোনও পরিবারকে থাকতে হচ্ছে, সেই বৃহত্তর সামাজিক ও মানবিক সমস্যাটিও প্রশাসনকে দেখতে হবে। সামাজ মাধ্যমে এক ব্যক্তির প্রশ্নের উত্তরে কুনাল ঘোষ লেখেন, দিল্লী বা লন্ডনের রাস্তায় ভিক্ষুক কেন? রাস্তায় ভিক্ষুক এ বিষয়টার থেকেও গুরুত্বপূর্ন হল মন্ত্রীর বাচনভঙ্গী বলেন কুনাল ঘোষ।এদিকে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বাম ও তৃণমূল শিবির থেকে অগ্নিমিত্রা পালের সমালোচনা শুরু হয়েছে। বাম নেত্রী কনীনিকা ঘোষও পুরমন্ত্রীর আচরণের নিন্দা করেছেন।যদিও রাজনৈতিক চাপানউতোরের মাঝেই অগ্নিমিত্রা পালের পাশে দাঁড়িয়েছেন বিজেপি বিধায়ক কৌস্তভ বাগচি। তাঁর দাবি, ওই পরিবারের নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখেই পুরমন্ত্রী পদক্ষেপ করেছিলেন। বিষয়টিকে নেগেটিভ ভাবে তুলে ধরা হচ্ছে বলেও দাবি তাঁর।ফলে ফুটপাথে শিশুর দুধ গরম করা নিয়ে শুরু হওয়া বিতর্ক ক্রমেই রাজনৈতিক তরজায় পরিণত হয়েছে। একদিকে ফুটপাথবাসী পরিবারের প্রতি মানবিক আচরণের দাবি, অন্যদিকে তাঁদের নিরাপত্তার যুক্তিদুই ভিন্ন অবস্থানকে ঘিরেই এখন সরগরম রাজ্য রাজনীতি।

আগস্ট ২৪, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

যুবভারতীতে লাল-হলুদ ঝড়, বাগানকে উড়িয়ে ২২ বছর পর ডুরান্ড ইস্টবেঙ্গলের

২২ বছরের অপেক্ষার অবসান। কলকাতার যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে ডুরান্ড কাপের ফাইনালে মোহনবাগানকে ৪-১ গোলে উড়িয়ে দিয়ে ফের ট্রফি ঘরে তুলল ইস্টবেঙ্গল। ডার্বির মঞ্চে এমন একতরফা জয় যে লাল-হলুদ সমর্থকদের কাছেও ছিল প্রায় অবিশ্বাস্য। আর সেই জয়ের কেন্দ্রে একটাই নামএডমুন্ড লালরিনডিকা। দুরন্ত হ্যাটট্রিক করে তিনিই হয়ে উঠলেন রাতের নায়ক।গ্রুপ পর্বে মোহনবাগানের কাছে হারের যন্ত্রণা ছিল ইস্টবেঙ্গলের। ফাইনালের মঞ্চে সেই হারের জবাব দেওয়ার সুযোগও ছিল। কিন্তু জবাবটা যে এতটা নির্মম হবে, তা সম্ভবত কেউই ভাবেননি। ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণের ঝড় তুলে মাত্র ২২ মিনিটের মধ্যেই তিন গোল করে ইস্টবেঙ্গল কার্যত ম্যাচের ভাগ্য লিখে ফেলে।শুরুটা করেন বিপিন সিংহ। মোহনবাগানের রক্ষণ তখনও নিজেদের মধ্যে সামলে ওঠার চেষ্টা করছে। সেই সুযোগেই ইস্টবেঙ্গলের আক্রমণ পৌঁছে যায় বিপজ্জনক জায়গায়। বিপিনের গোলের পর আরও ভয়ঙ্কর হয়ে ওঠে লাল-হলুদ আক্রমণ। মুহূর্তের মধ্যে জোড়া গোল করে ব্যবধান বাড়িয়ে দেন এডমুন্ড।৩-০ পিছিয়ে গিয়ে মোহনবাগান কিছুটা ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করেছিল। মনবীর সিংহ ব্যক্তিগত দক্ষতায় একটি গোল শোধও করেন। কিন্তু সেই প্রত্যাবর্তনের সম্ভাবনাও বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি। প্রথমার্ধ শেষ হওয়ার আগেই ফের গোল করে নিজের হ্যাটট্রিক সম্পূর্ণ করেন এডমুন্ড। এক ফাইনালের প্রথমার্ধেই চার গোলতার মধ্যে তিনটি একই ফুটবলারের! যুবভারতীর গ্যালারিতে তখন কার্যত লাল-হলুদ উৎসব।দ্বিতীয়ার্ধে মোহনবাগান ব্যবধান কমানোর চেষ্টা করলেও ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি ছিল ইস্টবেঙ্গলের হাতে। সবুজ-মেরুন আক্রমণে সেই ধার দেখা যায়নি, যা একটি ডার্বি ফাইনালে প্রত্যাশিত। বরং ইস্টবেঙ্গল সুযোগ পেলেই দ্রুত আক্রমণে উঠে এসেছে এবং আরও গোলের সম্ভাবনা তৈরি করেছে। শেষ পর্যন্ত ৪-১ স্কোরলাইনেই শেষ হয় ম্যাচ।ইস্টবেঙ্গলের সাফল্যের অন্যতম বড় কারণ ছিল দলের সামগ্রিক সংগঠন। মাঝমাঠে মহম্মদ রশিদ ছিলেন অসাধারণ। বল নিয়ন্ত্রণ, পাসিং এবং খেলা পরিচালনায় বারবার তিনি মোহনবাগানের ছন্দ নষ্ট করেছেন। তাঁর সঙ্গে জিকসন সিংহ, আনোয়ার আলি এবং জয় গুপ্তারাও নিজেদের দায়িত্ব নিখুঁত ভাবে পালন করেন।অন্যদিকে মোহনবাগানের সবচেয়ে বড় দুর্বলতা হয়ে দাঁড়ায় রক্ষণ। শুভাশিস বসু, আলবের্তো রদ্রিগেজ়দের মধ্যে সমন্বয়ের অভাব বারবার প্রকট হয়েছে। ইস্টবেঙ্গলের দ্রুত আক্রমণের সামনে তাঁরা অনেক সময়ই দিশেহারা হয়ে পড়েন। বিশেষ করে তৃতীয় ও চতুর্থ গোলের ক্ষেত্রে রক্ষণভাগের ভুল চোখে পড়ার মতো।মাঝমাঠেও মোহনবাগান প্রত্যাশিত প্রভাব ফেলতে পারেনি। আপুইয়া এবং অনিরুদ্ধ থাপা কার্যত নিষ্প্রভ ছিলেন। আক্রমণে জেমি ম্যাকলারেনও একাধিক সহজ সুযোগ নষ্ট করেন। মনবীর গোল করলেও দলকে ম্যাচে ফেরানোর মতো ধারাবাহিকতা তৈরি করতে পারেননি।ফাইনালের আগে মোহনবাগানের ক্লান্তি নিয়ে আলোচনা ছিল। শিলংয়ে সেমিফাইনাল, প্রতিকূল আবহাওয়া এবং কর্দমাক্ত মাঠে খেলার ধকলসবই ছিল। কিন্তু ডার্বির মতো বড় ফাইনালে সেই ক্লান্তিকে অজুহাত হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। ইস্টবেঙ্গলও একই টুর্নামেন্টের চাপ সামলে মাঠে নেমেছিল, অথচ তাদের ফুটবলারদের মধ্যে ছিল অনেক বেশি তাগিদ, ক্ষুধা এবং জয়ের মানসিকতা।আর সেই মানসিকতারই সবচেয়ে বড় প্রতিফলন এডমুন্ডের হ্যাটট্রিকে। তিন গোল করে শুধু ম্যাচের সেরা ফুটবলারই হলেন না, ডুরান্ডের ইতিহাসে ইস্টবেঙ্গলের প্রত্যাবর্তনের রাতটিকেও নিজের নামে লিখে দিলেন তিনি।মজার বিষয়, ম্যাচের বিভিন্ন পরিসংখ্যানে মোহনবাগান কিছু ক্ষেত্রে এগিয়ে থাকলেও তার কোনও প্রভাব পড়েনি স্কোরলাইনে। কারণ ফুটবল শুধু বল দখল বা শটের সংখ্যা দিয়ে জেতা যায় নাবড় ম্যাচে প্রয়োজন সঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্ত এবং সুযোগকে গোলে পরিণত করার ক্ষমতা। সেই পরীক্ষায় রবিবার সম্পূর্ণ সফল ইস্টবেঙ্গল।২২ বছর আগে শেষ বার ডুরান্ড কাপ জিতেছিল ইস্টবেঙ্গল। তারপর দীর্ঘ অপেক্ষা, হতাশা এবং একের পর এক অসম্পূর্ণ স্বপ্ন। সেই অপেক্ষার অবসান হল চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী মোহনবাগানকে ৪-১ গোলে হারিয়েই। ফলে এই জয় শুধু একটি ট্রফি জয় নয়লাল-হলুদ সমর্থকদের কাছে এটি দীর্ঘ অপেক্ষার পর ফিরে পাওয়া গৌরবের রাত।একদিকে এডমুন্ডের হ্যাটট্রিক, অন্যদিকে মোহনবাগানের রক্ষণভাগের বিপর্যয়সব মিলিয়ে যুবভারতীতে রবিবারের ডার্বি যেন হয়ে রইল এক লাল-হলুদ ঝড়ের রাত।তবে ইস্টবেঙ্গল সমর্থকদের মনে হয়তো শেষ পর্যন্ত একটাই আক্ষেপ থেকে গেলচার নয়, আরও কয়েকটি গোল হতে পারত!

আগস্ট ২৩, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal