• ১২ আষাঢ় ১৪৩৩, সোমবার ২৯ জুন ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Kolkata Corporation

কলকাতা

কলকাতায় হেলে পড়েছে বহুতল, আতঙ্কিত এলাকাবাসী, অভিযোগ বিস্তর

এটা কংক্রিটের বাড়ি না ল্যাতপ্যাতে কলাগাছ।দক্ষিণ কলকাতার বাঘাযতীনে আস্ত চারতলা ফ্ল্যাটবাড়ি একদিকে হেলে পড়েছে। এই চারতলা একদিকে হেলে পড়াকে কেন্দ্র করে চূড়ান্ত শোরগোল পড়ে যায় গিয়েছে এলাকায়। বাড়ি হেলে পড়া দেখেই আতঙ্কিত হয়ে পড়েন স্থানীয় বাসিন্দারা। ঘটনাস্থলে গিয়েছে কলকাতা পুলিশ, বিপর্যয় মোকাবিলা দল। পুলিশ সূত্রে জানা খবর, ওই বহুতলটিতে বাসিন্দারা না থাকায় বিরাট বিপদ এড়ানো গিয়েছে। তবে চারতলা ওই ফ্ল্যাটবাড়ি হেলে পড়ার ঘটনায় এলাকায় তুমুল চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। এলাকার বাসিন্দাদের অভিযোগ, নিন্মমানের কাঁচামাল দিয়ে বহুতলটি তৈরি হয়েছে।বাঘাযতীনে এই বহুতলটির প্রতিটি ফ্লোরে দুটি করে ফ্ল্যাট রয়েছে। জানা গিয়েছে, সম্প্রতি ওই বহুতলটিতে রক্ষণাবেক্ষণের কাজ হচ্ছিল। সেই কারণেই আপাতত বহুতলের বাসিন্দারা থাকছিলেন না। বহুতলটিতে আগে থেকেই বেশ কিছু জায়গায় ফাটল দেখা দিয়েছিল। রক্ষণাবেক্ষণের কাজের আগে বহুতলের বাসিন্দাদের অন্যত্র সরানো হয়েছিল। সেই কারণেই বিরাট বিপদ এড়ানো গিয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। হরিয়ানার একটি সংস্থা জ্যাক লাগিয়ে বাড়ি রক্ষণাবেক্ষণর কাজ করছিল। কলকাতা পুরসভার ৯৯ নম্বর ওয়ার্ডের বিদ্যাসাগর কলোনিতে অবস্থিত বাঘাযতীনের ওই ফ্ল্যাটবাড়িটি। এলাকার বাসিন্দাদের অভিযোগ, আইনকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে ওই ফ্ল্যাটটি নির্মাণ করেছিল প্রোমোটার। নিম্নমানের কাঁচামাল দিয়ে তৈরি হয়েছিল ফ্ল্যাটবাড়িটি। ফ্ল্যাট তৈরির অনুমোদন নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। পাশাপাশি বাড়িটি মেরামতের জন্য় পুরসভা থেকে কোনও অনুমতি নেয়নি বলে জানা গিয়েছে।

জানুয়ারি ১৪, ২০২৫
রাজ্য

হকার উচ্ছেদ নিয়ে ফের হুঙ্কার মুখ্যমন্ত্রীর, বেঁধে দিলেন রাস্তা পরিষ্কারের সময়

হকার উচ্ছেদ আমাদের লক্ষ্য নয়, তবে সবটাই করতে হবে নিয়ম মেনে। রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে বেআইনি হকার উচ্ছেদ প্রসঙ্গে মুখ খুললেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পুলিশ প্রশাসন থেকে শুরু করে রাজনৈতিক নেতা, কাউন্সিলরদের একাংশকেও কড়া ভাষায় হুঁশিয়ারি মুখ্যমন্ত্রীর। তিনি একমাস সময় দিয়েছেন হকারদের।মমতা বলেছেন, হকারদের আমি এক মাস সময় দিচ্ছি। এর মধ্যে সব গোছাতে শুরু করুন। রাস্তা পরিষ্কার রাখতে হবে। আমাদের সার্ভে চালু থাকবে। আপনাদের কোথায় জায়গা দেওয়া যায়, তা সরকার দেখবে। গোডাউনের ব্যবস্থাও করবে। কিন্তু রাস্তা দখল করা যাবে না।এবার হকার উচ্ছেদ প্রসঙ্গে মুখ খুললেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। গত কয়েকদিন ধরেই রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে বেআইনি হকার উচ্ছেদ অভিযানে নেমেছে পুলিশ প্রশাসন। রীতিমতো বুলডোজার চালিয়ে বেআইনি দখলদারি ভেঙে দিচ্ছে প্রশাসন। তা নিয়ে ক্ষোভ-বিক্ষোভও দানা বেঁধেছে চূড়ান্তভাবে। মুখ খুলেছে বিরোধীরাও। এ প্রসঙ্গেই সাংবাদিক বৈঠক করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।ব্যাপারে মুখ্যমন্ত্রীর নিশানায় পুলিশ প্রশাসন, রাজনৈতিক নেতা-কাউন্সিলরদের একাংশ। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, একজন হকার চারটে করে ডালা বসাচ্ছে। এসব চলবে না.. কাউন্সিলর এসব চোখে দেখেও দেখেন না। গড়িয়াহাটে হাঁটার জায়গাই নেই। কাউকে বেকার করে দেওয়ার অধিকার আমার নেই। হাতিবাগানে রাস্তা দখল হয়ে গেছে। কাউন্সিলরদের দোষ আছে। ভাবছে মাসে মাসে চাঁদা পেলাম, আর রাস্তা দিয়ে দিলাম। প্রথমে বসাচ্ছেন পরে বুলডোজার দিয়ে উচ্ছেদ করতে যাবেন। যে কাউন্সিলরের এলাকায় এসব হবে তাদেরকে গ্রেফতার করা হবে। ডাবগ্রাম ফুলবাড়িতে তৃণমূল নেতাও গ্রেফতার হয়েছে।তিনি আরও বলেন, সরকারি জমি দখলের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা হলে কোর্টে চলে যাচ্ছে। আদালতকে বোঝাতে আমরা ব্যর্থ। পুলিশ নেতাদের টাকা দিয়ে বেআইনি পার্কিং জোন। সবচেয়ে বেশি পার্কিং রয়েছে বিজেপির। হাওড়ায় যে যেখানে পারছে লুঠ করে নিচ্ছে। পুলিশের লোভ বেড়ে গেছে আজকাল। লোভ বেশি ভালো নয়। লোভ সম্বরণ করুন। পুলিশ, নেতারা সবচেয়ে বেশি দায়ী। কাউকে ছেড়ে কথা বলা হবে না। হকারদের থেকে টাকা তোলা বন্ধ করুন নেতারা। বহিরাগতদের জায়গা দেওয়া হবে না।এদিকে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর দাবি, সাহস থাকলে রাজাবাজার, গার্ডেনরিচ, মেটিয়াব্রুজ, পার্কসার্কাসে হকার উচ্ছেদ করুক। আগে তো বলেছিলেন টুল আর টেবিল নিয়ে বসতে। এখন গরীবের উচ্ছেদ চলছে গরীব হকারদের। এদিকে বাংলা পক্ষ সরব হয়েছে বাঙালি ভূমিপুত্রদের উচ্ছেদ করায়।

জুন ২৭, ২০২৪
রাজনীতি

২০২৬ লক্ষ্যঃ অ্যাকশন শুরু- দলীয় নেতৃত্ব ও পুরসভা, পুলিশ ও প্রশাসনের বিরুদ্ধে নজিরবিহীন অভিযোগ মমতার

মুখ্যমন্ত্রীর ঘোষণার ২৪ ঘন্টার মধ্য়েই হকার অভিযানে নামল রাজারহাট থানার পুলিশ। থানার আশেপাশে রাস্তার হকারদের রাস্তা দখল করে বসা যাবে না বসে সতর্ক করে দিয়েছে। এবার সারা রাজ্য়ে নানা ধরনের অভিযান চলবে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। চলতি লোকসভা নির্বাচনে শহরাঞ্চল মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে ঘাসফুল শিবির থেকে। বেশিরভাগ পুর এলকায় জয় পয়েছে বিজেপি। তাই এখন থেকেই তৃণমূল নেত্রী ময়দান পরিস্কার-পরিচ্ছন্ন করতে নেমেছেন। নিজেই দলীয় নেতৃত্ব ও পুরসভা, পুলিশ ও প্রশাসনের বিরুদ্ধে নজিরবিহীন অভিযোগ তুলেছেন।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন, বাংলার আইডেন্টিটি নষ্ট হচ্ছে। রাজ্য সরকারের জমি বেঁচে দিচ্ছে। পুরসভাগুলির কোনও পারফর্মেন্স নেই। পুলিশ ও আধিকারিকরা টাকা খেয়ে জমি বিক্রি করে দিচ্ছেন। ভ্য়াট, আবর্জনা নিয়মিত পরিস্কার হয় না। রাস্তায় আলো জ্বলেই যাচ্ছে জ্বলেই যাচ্ছে। কলের জল পরেই যাচ্ছে। টাকা কোথা থেকে আসছে। এটা লজ্জা মিউটেশন অনলাইন করা হলেও কাজ সময়মতো হচ্ছে না। যখন তখন ট্য়াক্স বাড়িয়ে দিচ্ছে। যখন তখন লোক নিয়োগ করে দিচ্ছে। অনলাইন এড়িয়ে অনুমতি। টাকার বিনিময়ে পুরসভার জমি বেদখল হয়ে যাচ্ছে। সরকারি জমি নষ্ট হচ্ছে। তদন্ত করতে চিফ সেক্রেটারিকে অর্ডার দিচ্ছি। আমি জানতে চাই না কে বা কারা করেছে, কারা আছে। সরকারি সম্পত্তি বাইরের লোক টাকার বিনিময়ে কিনছে। সরাকারি জমি জখল করে মাল্টিস্টোরেড বিল্ডিং হচ্ছে। রাজ্য সরকারের রাস্তা সংরক্ষণ হচ্ছে না। বিধায়ক, সাংসদ, মন্ত্রী, জেলর, এসিডও, ডিএম, আইসি কাউকে ছেড়ে কথা বলেননি মমতা।দলের মন্ত্রীকেও বিঁধেছেন মমতা। তিনি বলেন, সল্টলেক, রাজারহাটের জমি দখল করা হচ্ছে। সুজিত(দমকলমন্ত্রী) কম্পিটিশন করে বাইরের লোক বসাচ্ছে। সল্টলেকের কাউন্সিলররা কাজ করে না। রাস্তা ঝাড় দেয় না এবার আমাকে ঝাড় দিতে হবে। কলকাতায় পুলিশ চোখে ঠুলি দিয়ে বসে আছে। হাওড়ার চারজন বিধায়ক সুবিধা নিচ্ছে। বালি পুরসভার অবস্থাও খুব খারাপ। নমিনেটেড ৫ জন ভাবছে এটা তাঁদের সম্পত্তি। লোকাল টেন্ডার হবে না। এবার সেন্ট্রালই হবে। ডেভেলপমেন্ট বোর্ডগুলিতে ৪০০-৫০০ জন লোক রেখে দিয়েছে। কারও মাথা টিপছে কারও পা টিপছে। দীঘা ডেভেলপমেন্ট অথরিটি আছে। কোনও দরকার আছে। সরকারের লোক নেই কাজে লাগাও। হলদিয়া ডেভেলপ অথরিটিও তাই। আমাদের লোকেরা ভাবছে উনি তো ভুলে যাবেন। অফিসার ভাবেন আমি তো ২ বছর থাকবে। কোনওমতে কেটে যাবে। মুখ্যমন্ত্রী জানিয়ে দিয়েছেন, এবার রিভিউ কমিটি হবে। ভিডিল্য়ান্স, এডিজি ল এন্ড অর্ডার, সিআইডি, ডাইরেক্টর অব সিকিউরিটিসহ অন্যরা থাকবে। যে দাবি করার কথা বিজেপি, কংগ্রেস ও সিপিএমের সেই দাবি করছেন স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রী। রাজ্যের প্রশাসনিক প্রধান অভিযোগ করছেন, পুকুর ভরাট হচ্ছে। তা দখল করে বাড়ি হয়ে যাচ্ছে। কন্ট্রাক্টর, প্রমোটার রাজ চলছে। খাল বিক্রি করে দিচ্ছে। অবৈধ নির্মান চলছেই। আকাশ সমান বাড়ি হচ্ছে। এমনকী নবান্নের পাশে হচ্ছে। রথীন চক্রবর্তী অনুমতি দিয়েছে। ফুটপাত দখল বেড়ে যাচ্ছে। পুলিশ ও পুরসভা দেখছে না। যারা দেখবে না তাঁদের সরিয়ে দেওয়া হবে।সরকারি আধিকারিকদের বিরুদ্ধেও তোপ দেগেছেন মমতা। তাঁর দাবি, বিজেপিকে ভাগ দিচ্ছে অফিসাররা। তাঁরা মোটা টাকা তুলছে বাংলা থেকে। গরুর টাকা সব থেকে বেশি খায় বিজেপি। কয়লার টাকা, বালি, পাথার সব থেকে বেশি টাকা খায় বিজেপি। টাকা যায় পুলিশের মাধ্যমে। ওভারলোডিং ট্রাক টলছে। এতে আমাদের কিছু কিছু লোক আছে। তাদের ইডি, সিবিআই ভয় দেখায। টাকা তোলার মাস্টার চাই না। আমি জনসেবক চাইছি। এখানে কারও কথা শুনবো না।

জুন ২৫, ২০২৪
কলকাতা

BJP-Corporation Abhiyaan: ভুয়ো ভ্যাকসিন-কাণ্ডের প্রতিবাদে বিজেপির মিছিলে ধুন্ধুমার

জাল টিকা-কাণ্ডের প্রতিবাদে বিজেপির পুরসভা অভিযান ঘিরে অশান্তি ছড়িয়ে পড়ল সেন্ট্রাল অ্যাভিনিউতে। এদিন দুপুর ১ টায় সুবোধ মল্লিক স্কোয়্যারে জমায়েত করে শুরু হয় বিজেপির অভিযান। আগে থেকেই তৎপর ছিল পুলিশ। ব্যারিকেড টপকে এগোতে পারেনি বিজেপি নেতা-কর্মীরা। চাঁদনি চকেই ছত্রভঙ্গ হয়ে পড়ে বিজেপির অভিযান।আরও পড়ুনঃ সোনামুখীতে আক্রান্ত বিজেপি বিধায়ক কোভিড বিধি নিষেধের কথা মাথায় রেখে অনুমতি না মিললেও এদিন কলকাতা পুরসভা অভিযানে পথে নামে বিজেপি। সুবোধ মল্লিক স্কোয়ার থেকে মিছিল শুরু হওয়ার কথা থাকলেও বিজেপির মিছিল শুরু হয় মুরলীধর সরণি থেকে। প্রথম ব্যারিকেড ভেঙে এগিয়ে যেতে থাকে মিছিল। কিন্তু চাঁদনিচক মেট্রোর কাছে দ্বিতীয় ব্যারিকেডে মিছিল আটকাতে গেলে পুলিশের সঙ্গে শুরু হয় ধস্তাধস্তি। গেরুয়া শিবিরের মিছিল ছত্রভঙ্গ করতে সফল হয় পুলিশ। গণেশ অ্যাভিনিউ চত্বরে ধুন্ধুমার পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।আরও পড়ুনঃ চূড়ান্ত ট্রায়ালে সাফল্য, ডেল্টা প্রজাতি রুখতে সক্ষম কোভ্যাক্সিন!এদিন মিছিলে উপস্থিত ছিলেন রাহুল সিনহা, দিলীপ ঘোষ, জয়প্রকাশ মজুমদার, ও রাজু বন্দোপাধ্যায়-সহ অন্যান্য সাংসদ বিধায়ক ও কর্মীরা। দিলীপ ঘোষের অভিযোগ, গণেশ অ্যাভিনিউয়ের কাছে বিজেপি বিধায়কদের টেনেহিঁচড়ে বাসে তোলে পুলিশ।পুলিশের টানা হিঁচড়ার চোটে অসুস্থ হয়ে পড়েন এক মহিলা বিজেপি এক কর্মী। একটি বাস এনে আটক করা হয় বিজেপি নেতা-কর্মীদের। আটক করা হয় বিজেপি-র মহিলা মোর্চার রাজ্য সভানেত্রী অগ্নিমিত্রা পলকেও। অগ্নিমিত্রা পল বলেন, আমরা ভুয়ো ভ্যাকসিন নিয়ে প্রতিবাদ জানিয়েছি বলে আমাদের গ্রেপ্তার করেছে কলকাতা পুলিশ। গণতন্ত্র নেই। দেবাঞ্জনের মতো মানুষের গ্রেপ্তারি হয় না। আমরা ভুয়ো ভ্যাকসিনের প্রতিবাদ করলে গ্রেপ্তার করা হয়।Using the full might today to stop BJPs Kolkata Corporation Abhijan.Use of force against innocent protesters arresting them wont deter us from raising our voice against this corrupt regime which breeds imposters who organise fake vaccination camps. pic.twitter.com/SDyzS6cJox Suvendu Adhikari শুভেন্দু অধিকারী (@SuvenduWB) July 5, 2021শুভেন্দু অধিকারী টুইট করে বলেন, সমস্ত শক্তি দিয়ে পুলিশ বিজেপির এই অভিযান আটকেছে। জোর খাটিয়ে নির্দোষ প্রতিবাদকারীদের আটক করে রাজ্যের ভুয়ো ভ্যাকসিন-কাণ্ডের প্রতিবাদকে আটকে দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে।আরও পড়ুনঃ টিকা-বিতর্কে জড়ালেন আসানসোলের প্রাক্তন ডেপুটি মেয়রতিনি আরও প্রশ্ন তুলেছেন, রাজ্যে যখন দৈনিক ২০ হাজার সংক্রমণ হচ্ছিল, তখন ১৬ মে কার্যত লকডাউন পালন করা হচ্ছিল, তখন কীভাবে ১৭ মে নিজাম প্যালেসের বাইরে এত জমায়েত করা হয়েছিল? সেখানে অতিমারি আইন কোথায় ছিল কলকাতা পুলিশের? বিজেপির বিরুদ্ধে এধরনের অনৈক্য বন্ধ করা হোক।

জুলাই ০৫, ২০২১

ট্রেন্ডিং

দেশ

‘আগুনে পুড়েও আরও শক্তিশালী হয়েছি’! আওয়ামী লীগের ভবিষ্যৎ নিয়ে বিস্ফোরক দাবি শেখ হাসিনার

বাংলাদেশে ক্ষমতা হারানোর পর দেশ ছেড়ে যেতে হয়েছে শেখ হাসিনাকে। তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক গুরুতর অভিযোগের তদন্ত চলছে। একই সঙ্গে আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক কার্যক্রমও নিষিদ্ধ করা হয়েছে। তবে এত কিছুর পরেও দলকে শেষ হয়ে গেছে বলে মানতে নারাজ বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী। সাম্প্রতিক এক সাক্ষাৎকারে তিনি দাবি করেছেন, আওয়ামী লীগকে কোনও নিষেধাজ্ঞা বা রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত দিয়ে মানুষের মন থেকে মুছে ফেলা সম্ভব নয়।শেখ হাসিনার কথায়, আওয়ামী লীগ কোনও কাগজে লেখা সংগঠনের নাম নয়। এটি বাংলাদেশের ইতিহাস, মানুষের আবেগ এবং দীর্ঘ রাজনৈতিক সংগ্রামের সঙ্গে জড়িয়ে থাকা একটি শক্তি। গত সাতাত্তর বছরের ইতিহাসে বহুবার হামলা, নিষেধাজ্ঞা এবং দমন-পীড়নের মুখে পড়েও দল বারবার ঘুরে দাঁড়িয়েছে। তাঁর দাবি, এবারও তার ব্যতিক্রম হবে না।তিনি আরও বলেন, আওয়ামী লীগের ভবিষ্যৎ কোনও সরকারের সদিচ্ছা বা বিরোধীদের ব্যর্থতার ওপর নির্ভর করে না। মানুষের সমর্থনই দলের সবচেয়ে বড় শক্তি। সেই সমর্থনের জোরেই অতীতে সরকারে থেকে উন্নয়নের কাজ করা সম্ভব হয়েছিল বলে দাবি করেন তিনি। তাঁর অভিযোগ, সুপরিকল্পিত রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে আওয়ামী লীগকে ক্ষমতা থেকে সরানো হয়েছে। কিন্তু সাধারণ মানুষের হৃদয় থেকে দলকে সরানো যায়নি।বর্তমান বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়েও সরব হয়েছেন শেখ হাসিনা। তাঁর অভিযোগ, বর্তমান শাসনব্যবস্থায় গণতন্ত্র, আইনের শাসন এবং মানুষের নিরাপত্তা প্রশ্নের মুখে পড়েছে। অর্থনীতি দুর্বল হয়েছে, সংখ্যালঘুদের ওপর হামলার ঘটনা বেড়েছে এবং উগ্রপন্থার বিস্তার ঘটছে বলেও দাবি করেন তিনি। পাশাপাশি আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে ধারাবাহিকভাবে নিপীড়ন চালানো হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী।তিনি বলেন, দেশের মানুষ অতীত ও বর্তমানের তুলনা করতে পারছেন। তাঁদের উপলব্ধি হচ্ছে, আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকাকালীন দেশে স্থিতিশীলতা, উন্নয়ন এবং সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়েছিল। সেই কারণেই ভবিষ্যতেও জনগণের সমর্থন নিয়ে দল আবার ঘুরে দাঁড়াবে বলে তাঁর বিশ্বাস।দলের সাংগঠনিক শক্তির প্রসঙ্গ তুলে শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশের প্রতিটি এলাকা এবং মানুষের সঙ্গে আওয়ামী লীগের দীর্ঘ সম্পর্ক রয়েছে। স্বাধীনতা সংগ্রাম থেকে শুরু করে দেশের বিভিন্ন গণতান্ত্রিক আন্দোলনে এই দলের ভূমিকা রয়েছে। সেই ঐতিহ্যই আগামী দিনের লড়াইয়ের মূল শক্তি হবে বলে তিনি মনে করেন।তিনি আরও বলেন, যত বেশি দমন-পীড়ন হবে, আওয়ামী লীগ ততই শক্তিশালী হবে। আগুনে যেমন সোনা আরও বিশুদ্ধ হয়, তেমনই প্রতিকূল পরিস্থিতি দলকে আরও দৃঢ় করে তুলছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।দলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে নেতা-কর্মীদের উদ্দেশে শেখ হাসিনা ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, প্রতিটি গ্রাম, মহল্লা, ওয়ার্ড এবং ইউনিয়নে মানুষের পাশে থাকতে হবে। সংখ্যালঘু, নারী, শিশু, শ্রমজীবী এবং প্রান্তিক মানুষের অধিকার ও নিরাপত্তার প্রশ্নে আপস না করারও বার্তা দেন তিনি।শেষে শেখ হাসিনা স্পষ্ট করে বলেন, আওয়ামী লীগের পুনরুত্থান কোনও সরকারের দয়া বা অনুমতির ওপর নির্ভর করে না। জনগণের সমর্থনই দলের আসল শক্তি। নিষেধাজ্ঞা, মামলা কিংবা রাজনৈতিক বাধা যতই আসুক, মানুষের বিশ্বাস থাকলে আওয়ামী লীগ আবারও বাংলাদেশের রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ শক্তি হিসেবে ফিরে আসবে বলেই তাঁর দাবি।

জুন ২৮, ২০২৬
কলকাতা

কল্যাণকে সরাসরি আক্রমণ রচনার! মহুয়াকেও ছাড়লেন না, বিস্ফোরক মন্তব্যে তোলপাড় রাজনীতি

দলবদলের পর থেকেই রাজনৈতিক আক্রমণের মুখে পড়েছেন সাংসদ রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়। এবার পাল্টা জবাব দিতে গিয়ে তিনি সরাসরি নিশানা করলেন সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় এবং মহুয়া মৈত্রকে। এক সাক্ষাৎকারে তাঁদের আচরণ এবং ভাষা নিয়ে একাধিক প্রশ্ন তুলেছেন তিনি। সেই মন্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক মহলে নতুন বিতর্ক শুরু হয়েছে।রচনা বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করেন, একজন শিক্ষিত জনপ্রতিনিধির ভাষা এবং আচরণ সাধারণ মানুষের কাছে উদাহরণ হওয়া উচিত। তাঁর অভিযোগ, সংসদের মতো গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় যে ধরনের ভাষা ব্যবহার করা হয়েছে, তা কোনওভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। এই প্রসঙ্গ টেনে তিনি মহুয়া মৈত্রকেও কটাক্ষ করেন এবং অতীতের কিছু বিতর্কের উল্লেখ করেন।কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়কে উদ্দেশ করে রচনা বলেন, একজন প্রবীণ সাংসদের কাছ থেকে এমন ভাষা আশা করা যায় না। তাঁর দাবি, সংসদের ভিতরে যে ধরনের মন্তব্য করা হয়েছে, তা রাজনৈতিক শালীনতার সীমা ছাড়িয়ে গিয়েছে। সেই আচরণে দলের ভাবমূর্তিও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।রচনা আরও বলেন, একসময় যাঁরা একে অপরের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে তীব্র আক্রমণ করতেন, এখন তাঁদের একসঙ্গে দেখা যাচ্ছে। এই পরিবর্তন নিয়েও তিনি প্রশ্ন তোলেন। তাঁর বক্তব্য, যারা অতীতে একে অপরের বিরুদ্ধে এত অভিযোগ করেছিলেন, তাঁদের বর্তমান অবস্থান সাধারণ মানুষের মনে নানা প্রশ্ন তৈরি করছে।উল্লেখ্য, এক সময় কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় এবং মহুয়া মৈত্রর মধ্যে প্রকাশ্য রাজনৈতিক সংঘাত নিয়ে ব্যাপক আলোচনা হয়েছিল। একে অপরের বিরুদ্ধে তীব্র অভিযোগ, পাল্টা অভিযোগ এবং আইনি পদক্ষেপের ঘটনাও সামনে এসেছিল। বর্তমানে তাঁদের সম্পর্কের পরিবর্তিত সমীকরণ নিয়েই নতুন করে রাজনৈতিক জল্পনা শুরু হয়েছে।

জুন ২৮, ২০২৬
কলকাতা

আচমকা বড় সিদ্ধান্ত! ইসকন থেকে সরিয়ে দেওয়া হল রাধারমণ দাসকে, নিজেই জানালেন নেপথ্যের কারণ

কলকাতা ইসকনের সহ সভাপতির পদ থেকে আচমকাই সরিয়ে দেওয়া হয়েছে রাধারমণ দাসকে। শনিবার রাতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এই সিদ্ধান্তের কথা জানায়। এরপর সমাজমাধ্যমে একটি দীর্ঘ বার্তায় তিনি জানান, কোন কোন ঘটনার জেরে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়ে থাকতে পারে বলে তাঁর ধারণা।রাধারমণ দাস জানান, তিনি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্তকে সম্মান করছেন। তবে নিজের বক্তব্যে তিনি কয়েকটি সম্ভাব্য কারণ তুলে ধরেছেন। তাঁর দাবি, গোরক্ষা সংক্রান্ত একটি বিতর্কে মানেকা গান্ধীর মন্তব্যের বিরুদ্ধে তিনি আইনি পদক্ষেপ নিয়েছিলেন। সেই ঘটনাকে তিনি অন্যতম কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। পাশাপাশি বাংলাদেশে হিন্দুদের উপর হামলার অভিযোগ নিয়ে প্রকাশ্যে সরব হওয়াও এই সিদ্ধান্তের নেপথ্যে থাকতে পারে বলে তাঁর ধারণা।সমাজমাধ্যমে করা নিজের পোস্টে তিনি আরও কয়েকটি বিষয়ের উল্লেখ করেছেন। একটি বিতর্কিত মন্তব্যের বিরোধিতা, কট্টরপন্থী সনাতনী গোষ্ঠী নিয়ে প্রকাশ্য অবস্থান এবং বিভিন্ন সাম্প্রতিক মন্তব্যও তাঁর মতে বিতর্কের কারণ হয়ে উঠতে পারে। এছাড়া একটি সাক্ষাৎকার দেওয়াকেও ইসকনের নীতির পরিপন্থী আচরণ হিসেবে দেখা হয়েছে বলে তিনি দাবি করেছেন।রাধারমণ দাস আরও জানান, এখন থেকে তিনি আর ইসকনের প্রতিনিধি হিসেবে সংবাদমাধ্যমে কোনও মন্তব্য করবেন না। কারণ বর্তমানে তাঁর সঙ্গে সংগঠনের কোনও প্রশাসনিক সম্পর্ক নেই। তবে পদ হারালেও ইসকনের উন্নতি, অগ্রগতি এবং সাফল্য কামনা করেছেন তিনি।এই ঘটনাকে ঘিরে ইতিমধ্যেই নানা মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে। যদিও ইসকনের তরফে এই সিদ্ধান্তের বিস্তারিত কারণ প্রকাশ্যে জানানো হয়নি। ফলে রাধারমণ দাসের বক্তব্য ঘিরেই রাজনৈতিক ও সামাজিক মহলে নতুন করে জল্পনা তৈরি হয়েছে।

জুন ২৮, ২০২৬
দেশ

হেফাজতে থেকেও মদ চাই! সিয়া গোয়েলকে নিয়ে পুলিশের দাবি ঘিরে তুমুল শোরগোল

পুণের লোহাগড় দুর্গে হবু স্বামী কেতন আগরওয়ালকে খুনের ঘটনায় গ্রেপ্তার সিয়া গোয়েলকে ঘিরে তদন্তে একের পর এক নতুন তথ্য সামনে আসছে। পুলিশ সূত্রের দাবি, হেফাজতে থাকাকালীনও বারবার মদ্যপানের অনুমতি চেয়েছেন সিয়া। একই সময়ে তাঁর প্রেমিক চেতন চৌধুরীর সঙ্গে একটি পুরনো ভিডিওও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। যদিও সেই ভিডিওর সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।তদন্তকারী সূত্রের দাবি, দ্বাদশ শ্রেণিতে অকৃতকার্য হওয়ার পর থেকেই সিয়া মদ্যপানে অভ্যস্ত হয়ে পড়েছিলেন। পাশাপাশি তাঁর একাধিক ব্যক্তির সঙ্গে সম্পর্ক ছিল বলেও তদন্তে উঠে এসেছে বলে দাবি করা হচ্ছে। পুলিশি জিজ্ঞাসাবাদের সময়ও তিনি একাধিকবার মদ্যপানের ইচ্ছার কথা জানিয়েছেন বলে তদন্তকারী মহলের দাবি।এদিকে সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, ক্রিকেট ম্যাচ চলাকালীন গ্যালারিতে পাশাপাশি বসে রয়েছেন সিয়া এবং চেতন। ভিডিওতে তাঁদের ঘনিষ্ঠ মুহূর্তও ধরা পড়েছে। তদন্তকারীদের অনুমান, সিয়ার দাদা সাহিলের মাধ্যমে চেতনের সঙ্গে তাঁর পরিচয় হয়েছিল। পরে সেই পরিচয়ই প্রেমের সম্পর্কে বদলে যায়।এই হত্যাকাণ্ডে ইতিমধ্যেই সিয়া গোয়েল এবং চেতন চৌধুরীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তদন্তে জানা গিয়েছে, আগামী নভেম্বরে কেতন আগরওয়ালের সঙ্গে সিয়ার বিয়ের কথা ছিল। প্রথমে রাজি থাকলেও পরে বিয়ে করতে চাননি সিয়া। কিন্তু পারিবারিক চাপে সেই সিদ্ধান্ত জানাতে না পেরে শেষ পর্যন্ত খুনের পরিকল্পনা করেন বলে পুলিশের দাবি।রবিবার তদন্তকারীরা সিয়াকে নিয়ে ঘটনাস্থল লোহাগড় দুর্গে গিয়ে ঘটনার পুনর্নির্মাণ করেন। জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে তাঁর বাবা-মাকেও। তদন্তে তাঁরা সহযোগিতা করেছেন বলেই জানা গিয়েছে। এদিকে তদন্তে আরও নানা দাবি সামনে এসেছে। কখনও উঠে এসেছে বিয়ে নিয়ে চাপের অভিযোগ, আবার কখনও প্রেমিকের প্ররোচনার প্রসঙ্গ। প্রথমদিকে একে অপরের ওপর দোষ চাপানোর চেষ্টা করলেও পরে দুজনেই নিজেদের অপরাধ স্বীকার করেছেন বলে পুলিশ সূত্রের দাবি। এই বহুল আলোচিত মামলার বিচার দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য দ্রুত বিচার আদালতে শুনানির প্রস্তুতি চলছে।

জুন ২৮, ২০২৬
কলকাতা

অনুমতি মেলেনি, তবু শুরু মাপজোক! একুশে জুলাই ঘিরে তৃণমূলের অন্দরে নতুন সংঘাত

একুশে জুলাইয়ের কর্মসূচি ঘিরে রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমশ বাড়ছে। সভার সরকারি অনুমতি এখনও মেলেনি। তার আগেই ভিক্টোরিয়া হাউসের সামনে পৌঁছে মাপজোক শুরু করলেন কুণাল ঘোষ এবং তাঁর অনুগামীরা। ছুটির সকালের এই ঘটনাকে ঘিরে নতুন করে রাজনৈতিক আলোচনা শুরু হয়েছে।প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, কুণাল ঘোষের সঙ্গে দলের আরও কয়েকজন নেতা এবং সাজসজ্জার কাজে যুক্ত কর্মীরাও উপস্থিত ছিলেন। তাঁরা ফিতে দিয়ে সভাস্থলের বিভিন্ন অংশ মাপতে শুরু করেন। সাধারণত প্রশাসনিক অনুমতি পাওয়ার পরই এই ধরনের প্রস্তুতি শুরু হয়। কিন্তু এবার অনুমতির আগেই এই পদক্ষেপ নেওয়ায় রাজনৈতিক মহলে নানা জল্পনা তৈরি হয়েছে।অন্যদিকে, একই জায়গায় একুশে জুলাইয়ের কর্মসূচি করার জন্য দলের অন্য শিবিরও প্রস্তুতি নিচ্ছে। তারাও ভিক্টোরিয়া হাউসের সামনে সভার অনুমতি চেয়ে আবেদন করার উদ্যোগ নিয়েছে। ফলে একই স্থানকে ঘিরে দুই পক্ষের মধ্যে টানাপোড়েন আরও স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।কুণাল ঘোষ জানিয়েছেন, একুশে জুলাই শহিদদের স্মরণে দীর্ঘদিন ধরে এই কর্মসূচি হয়ে আসছে। সেই ধারাবাহিকতা বজায় রেখেই তাঁরা নিয়ম মেনে আবেদন করেছেন এবং অনুমতি পাবেন বলেই আশাবাদী।অন্যদিকে দলের অন্য নেতারাও জানিয়েছেন, অনুমতি যেখানে মিলবে, সেখানেই একুশে জুলাইয়ের কর্মসূচি পালন করা হবে। এদিকে রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, একই কর্মসূচি ঘিরে একাধিক দাবিদারের উপস্থিতি পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে। এখন প্রশাসন শেষ পর্যন্ত কাকে অনুমতি দেয়, সেদিকেই নজর রয়েছে সকলের।

জুন ২৮, ২০২৬
রাজ্য

মুখ্যমন্ত্রীর কড়া হুঁশিয়ারির কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই বড় সাফল্য! বিজেপি কর্মী খুনে গ্রেপ্তার আরও এক অভিযুক্ত

বাগনানে বিজেপি কর্মী প্রশান্ত দে খুনের ঘটনায় আরও এক অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করল তদন্তকারী দল। মুখ্যমন্ত্রীর কড়া নির্দেশের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই এই পদক্ষেপ ঘিরে নতুন করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। হাওড়া জেলা পুলিশ এবং অপরাধ তদন্ত বিভাগের যৌথ অভিযানে শ্যামপুর এলাকা থেকে শেখ সৈফুদ্দিন নামে এক অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, এই খুনের ঘটনায় মোট একান্ন জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছিল। এর আগে দশ জনকে গ্রেপ্তার করা হলেও আরও বহু অভিযুক্ত এখনও পলাতক। সদ্য গ্রেপ্তার হওয়া শেখ সৈফুদ্দিনের নাম অভিযোগপত্রে ছিল। তদন্তকারী সংস্থা জানিয়েছে, বাকি অভিযুক্তদের খোঁজেও তল্লাশি চলছে।শনিবার নিহত বিজেপি কর্মীর বাড়িতে গিয়ে পরিবারের সঙ্গে দেখা করেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সেখানে তিনি জানান, খুনের ঘটনায় কাউকে ছাড়া হবে না। প্রয়োজন হলে লুকিয়ে থাকা অভিযুক্তদেরও খুঁজে বের করে গ্রেপ্তার করতে হবে। পুলিশ প্রশাসনকে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশও দেন তিনি।গত সতেরো জুন রাতে বাগনানের বাঁটুল গ্রামের বাসিন্দা এবং বিজেপির বুথ স্তরের এক পদাধিকারী প্রশান্ত দে খুন হন। বিজেপির অভিযোগ, একটি অনুষ্ঠানে যাওয়ার সময় তাঁদের উপর হামলা চালানো হয়। লাঠি ও লোহার রড দিয়ে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয়। পরে পরিবারের দাবি, ফোনে তাঁদের জানানো হয়েছিল যে প্রশান্তকে খুন করা হয়েছে এবং কেউ সেখানে গেলে তাকেও ছাড়া হবে না।এই ঘটনায় স্থানীয় এক তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে। তবে তিনি এখনও অধরা বলে জানা গিয়েছে। তদন্তকারী সংস্থা তাঁর খোঁজে তল্লাশি চালাচ্ছে।মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, সমস্ত অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারের পর দ্রুত অভিযোগপত্র জমা দেওয়া হবে এবং আদালতে কঠোর শাস্তির দাবি জানানো হবে। তাঁর বক্তব্য, দোষীদের এমন শাস্তি হওয়া উচিত যাতে ভবিষ্যতে কেউ আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়ার সাহস না পায়।

জুন ২৮, ২০২৬
কলকাতা

রাতারাতি বদলে গেল পার্ক সার্কাস স্টেশন! একের পর এক দোকান গুঁড়িয়ে বড় অভিযান

সোমবার গভীর রাতে পার্ক সার্কাস রেল স্টেশনে বড় উচ্ছেদ অভিযান চালানো হল। দীর্ঘদিন ধরে স্টেশন চত্বর এবং রেলের জমি দখল করে গড়ে ওঠা অবৈধ দোকান ও অস্থায়ী কাঠামো ভেঙে সরিয়ে দেওয়া হয়। অভিযান ঘিরে গোটা এলাকায় কড়া নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়। বিপুল সংখ্যক পুলিশ, রেল পুলিশ এবং নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন ছিলেন যাতে কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে।জানা গিয়েছে, চলতি মাসের শুরুতেই স্টেশন চত্বরে থাকা ব্যবসায়ী ও হকারদের জায়গা খালি করার জন্য নোটিস দেওয়া হয়েছিল। সোমবার রাত সাড়ে দশটার পর নিরাপত্তা বাহিনী পুরো এলাকা ঘিরে ফেলে। এরপর রেলের পক্ষ থেকে বারবার মাইকিং করে দোকানপাট সরিয়ে নেওয়ার জন্য অনুরোধ করা হয়। কিছুটা সময়ও দেওয়া হয়। কিন্তু নির্ধারিত সময়ের মধ্যেও অধিকাংশ দোকান সরানো না হওয়ায় বুলডোজার নামানো হয়। একের পর এক দোকান, গুমটি এবং অবৈধ কাঠামো ভেঙে ফেলা হয়।পার্ক সার্কাস স্টেশন দীর্ঘদিন ধরেই অবৈধ দোকান ও দখলের সমস্যায় ভুগছিল বলে অভিযোগ। যাত্রীদের চলাচলেও বারবার অসুবিধা তৈরি হতো। সেই পরিস্থিতি বদলাতেই এই উচ্ছেদ অভিযান চালানো হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। অভিযান চলাকালীন স্টেশনের ভিতরে ও বাইরে কড়া নজরদারি ছিল। প্রায় আড়াই ঘণ্টা ধরে চলে এই উচ্ছেদ অভিযান।এর আগে হাওড়া, শিয়ালদহ, দমদম, হাবরা এবং যাদবপুর-সহ রাজ্যের একাধিক রেল স্টেশন এলাকায় একই ধরনের উচ্ছেদ অভিযান চালানো হয়েছে। রেলের জমি দখলমুক্ত করার লক্ষ্যে এই অভিযান ধারাবাহিকভাবে চলছে বলে জানা গিয়েছে।তবে এই অভিযান নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন বহু দোকানদার। তাঁদের অভিযোগ, পুনর্বাসনের কোনও ব্যবস্থা না করেই জীবিকা কেড়ে নেওয়া হচ্ছে। ফলে উচ্ছেদ অভিযানের পাশাপাশি পুনর্বাসনের দাবিও জোরালো হচ্ছে।

জুন ২৮, ২০২৬
কলকাতা

আর মাত্র ৭ দিন! কলকাতার দুই বড় সেতুর নিচে যা হতে চলেছে, জানতেই চমকে উঠবেন

কলকাতায় অবৈধ দখল উচ্ছেদে আরও কড়া পদক্ষেপ নিতে চলেছে পুরসভা। এবার নজরে এসেছে শিয়ালদহের বিদ্যাপতি সেতু এবং সুকান্ত সেতুর নিচের বেআইনি দখল। শনিবার কলকাতা পুরসভার পক্ষ থেকে এই দুই জায়গায় নোটিস টাঙিয়ে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, সাত দিনের মধ্যে সমস্ত বেআইনি দোকান ও দখল সরিয়ে ফেলতে হবে। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে নির্দেশ না মানলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।পুরসভার নোটিসে জানানো হয়েছে, যাদবপুর ও সন্তোষপুরের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ সংযোগকারী সুকান্ত সেতুর নিচে দীর্ঘদিন ধরে বাজার ও হকারদের দোকান বসে আসছে। একইভাবে শিয়ালদহের বিদ্যাপতি সেতুর নিচেও বহু দোকান ও বড় বাজার গড়ে উঠেছে। অভিযোগ, এই সবই অনুমতি ছাড়া দখল করে তৈরি হয়েছে। তাই এবার ওই সমস্ত জায়গা খালি করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।এর আগে তপসিয়া, কসবা, পার্ক সার্কাস-সহ শহরের একাধিক এলাকায় বেআইনি নির্মাণ ভাঙার অভিযান চালানো হয়েছে। পাশাপাশি হাওড়া, শিয়ালদহ, দমদম-সহ বিভিন্ন রেল স্টেশনের আশপাশের অবৈধ দোকানও উচ্ছেদ করা হয়েছে। এবার সেই অভিযানের পরিধি আরও বাড়ানো হচ্ছে বলে মনে করা হচ্ছে।অন্যদিকে, গত সপ্তাহেই ঢাকুরিয়া থেকে যাদবপুর স্টেশন সংলগ্ন বস্তি এলাকাও খালি করার নোটিস দিয়েছে পুরসভা। দীর্ঘ কয়েক দশক ধরে দখল করে গড়ে ওঠা ওই এলাকায় হাজার হাজার মানুষের বসবাস। শুধু অস্থায়ী ঘর নয়, বহু পাকা ও দোতলা বাড়িও তৈরি হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। পুরসভা ইতিমধ্যেই সেই এলাকাও খালি করার জন্য নির্দিষ্ট সময়সীমা বেঁধে দিয়েছে। ফলে শহরে অবৈধ দখল উচ্ছেদ অভিযান আরও জোরদার হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।

জুন ২৮, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal