• ৮ বৈশাখ ১৪৩৩, শুক্রবার ২৪ এপ্রিল ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Infection

রাজ্য

বেড়েই চলেছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা, সংক্রমিত ১,৭৩৯

একনাগারে বেড়েই চলেছে রাজ্যে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। গত ২৪ ঘন্টায় সংক্রমণ হয়েছে ১,৭৩৯ জনের। গত কয়েক দিন পর পর বৃদ্ধি পেয়েছে সংক্রমণ। স্বাস্থ্য দফতরের রিপোর্ট অনুযায়ী ২৪ ঘন্টায় রাজ্যে করোনায় মৃত্যু হয়নি। গতকাল আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ১,৫২৪। বুধবার করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ১,৪২৪। মঙ্গলবার করোনা আক্রান্ত হয়েছিলেন ৯৫৪।এদিন করোনা থেকে সুস্থ হয়েছেন ৪৫৬ জন। একদিনে করোনা পরীক্ষা করা হয়েছে ১১,৮১১ জনের। পজিটিভি রেট ১৪.৭২শতাংশ। কোভিড আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি আছেন ৩২৭ জন। হোম আইশোলেশনের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৭,৯৫০ জন।

জুলাই ০২, ২০২২
রাজ্য

বাংলায় ঝড়ের বেগে বাড়ছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা, সংক্রমিত দেড় হাজার ছুঁইছুই

গত ২৪ ঘন্টায় বাংলায় করোনা আক্রান্তের সংখ্যা লাফিয়ে লাফিয়ে বেড়ে চলেছে। আক্রান্তের সংখ্য়া এখন দেড় হাজার ছুঁইছুঁই। আতঙ্ক ক্রমশ তাড়া করে বেড়াচ্ছে। দীর্ঘ দিন পর করোনা আক্রান্তের সংখ্যা এরাজ্যে হাজার ছাড়িয়ে গেল। গতকাল কোভিড ১৯ আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ৯৫৪, করোনায় মৃত্যু হয়নি। এদিন করোনা সংক্রমণের শিকার ১,৪২৪। গত ২৪ ঘন্টায় করোনায় মৃতের সংখ্যা দুই। এদিন ২৯৮ জন সুস্থ আছেন। ১০ দিন আগে ২০ জুন এই রাজ্যে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ২২৪। তারপর থেকেই লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। হাসপাতালে ভর্তির সংখ্যাও বাড়ছে। এদিকে মানুষের মধ্যে এখন মাস্ক পরার প্রবণতা নেই। দেশেও ব্যাপক হারে বাড়ছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা।

জুন ২৯, ২০২২
দেশ

দেশে ফের কমল করোনা সংক্রমণ, মৃত্যু বাড়ল সামান্য

ফের কমল সংক্রমণের হার। ভারতে দৈনিক করোনা-আক্রান্তের সংখ্যা নিরন্তর কমছে, এই মুহূর্তে নিয়ন্ত্রণের মধ্যে রয়েছে সংক্ৰমিতের সংখ্যা। বিগত ২৪ ঘন্টায় মৃত্যুর সংখ্যা অবশ্য খানিকটা বেড়েছে। সোমবার সারাদিনে ভারতে নতুন করে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ২ হাজার ৫৬৮ জন। বিগত ২৪ ঘন্টায় ভারতে মৃত্যু হয়েছে করোনা-আক্রান্ত ৯৭ জন রোগীর। ভারতে দৈনিক সংক্রমণের হার এই মুহূর্তে ০.৩৭ শতাংশ।বিগত ২৪ ঘন্টায় ভারতে চিকিৎসাধীন করোনা-রোগীর সংখ্যা কমে ৩,৩৯,১৭-এ পৌঁছেছে, শেষ ২৪ ঘন্টায় সক্রিয় রোগীর সংখ্যা কমেছে ২,২৫১ জন। এই মুহূর্তে শতাংশের নিরিখে ০.০৮ শতাংশ রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছেন। ভারতে বিগত ২৪ ঘন্টায় করোনার টিকা পেয়েছেন ১৯ লক্ষ ৬৪ হাজার ৪২৩ জন প্রাপক, ফলে ভারতে মঙ্গলবার সকাল আটটা পর্যন্ত ১,৮০,৪০,২৮,৮৯১ জনকে কোভিড টিকা দেওয়া হয়েছে।কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রকের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বিগত ২৪ ঘন্টায় ৯৭ জনের মৃত্যুর পর ভারতে কোভিড-১৯ ভাইরাসে মৃতের সংখ্যা বেড়ে হল ৫,১৫,৯৭৪ জন (১.২০ শতাংশ)। সোমবার সারা দিনে ভারতে করোনা-মুক্ত হয়েছেন ৪,৭২২ জন। মঙ্গলবার সকাল আটটা পর্যন্ত ভারতে মোট সুস্থ হয়েছেন ৪,২৪,৪৬,১৭১ জন করোনা-রোগী, শতাংশের নিরিখে ৯৮.৭২ শতাংশ। নতুন করে ২,৫৬৮ জন সংক্রমিত হওয়ার পর ভারতে মোট কোভিডে আক্রান্ত হয়েছেন ৪,২৯,৯৬,১৩২ জন।

মার্চ ১৫, ২০২২
বিদেশ

চিনে ফের লকডাউনে বন্দি দেড় কোটিরও বেশি বাসিন্দা

কিছুতেই পিছু ছাড়ছে না করোনা। তবে তুলনামূলকভাবে বিশ্বজুড়েই করোনার প্রকোপ এখন অনেকটাই কম। তবে স্বস্তি নেই চিনের বাসিন্দাদের। সেখানে ফের একবার করোনা সংক্রমণ শুরু হতেই, প্রশাসনের তরফে লকডাউন ঘোষণা করা হচ্ছে। গত সপ্তাহেই চিনের চাংচুন শহরে লকডাউন জারি করা হয়েছিল। এবার লকডাউন ঘোষণা করা হল হাইটেক শহর শেনজেন-এও। প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে, বিগত দুই বছরে সবথেকে ভয়ঙ্করভাবে এবারই সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়েছে। সংক্রমণ রুখতেই তাই একের পর এক শহরে লকডাউন জারি করা হচ্ছে।করোনা সংক্রমণের উৎপত্তি হয়েছিল চিন থেকেই। তাই ভাইরাসের ভয়াবহতা কতটা হতে পারে, তার আন্দাজ ভালভাবেই রয়েছে চিনের। সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ার পর প্রথম মাস হিমশিম খেলেও, হাল সামলিয়ে নেয় প্রশাসন। এক সপ্তাহের মধ্যেই তৈরি করে দেওয়া হয় হাসপাতাল। সেই সময়ই তৈরি করা হয় জিরো কোভিড নীতি। শহরে ৫-১০ জন করোনা আক্রান্ত হলেও, গোটা শহরেই লকডাউন জারি করে দেওয়া হয়।দেড় কোটিরও বেশি বাসিন্দার শেনজ়েন শহরে সম্পূর্ণ লকডাউন জারি করা হয়েছে। সেখানে সমস্ত গ্রামের সীমানা আটকে দেওয়া হয়েছে। বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে বাস, মেট্রো। রবিবারই চিনা সংবাদপত্রে জানানো হয়েছে যে সোমবার থেকে সমস্ত গণপরিবহন বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।প্রশাসনের তরফে নির্দেশিকায় জানানো হয়েছে, শহরের সমস্ত বাসিন্দারাই যেন বাড়ি থেকে কাজ করেন এবং অত্যাবশ্যকীয় কোনও পণ্য কেনার জন্যই বাড়ি থেকে বের হন। বাইরে থেকে যারা শেনজ়েনে আসছেন, তাদের সকলকেই নেগেটিভ নিউক্লেইক অ্যাসিড রিপোর্ট জমা দিতে হবে। রিপোর্ট ২৪ ঘণ্টার বেশি পুরনো হতে পারবে না। এছাড়া নতুন সপ্তাহেই শহরজুড়ে ফের তিন দফায় করোনা পরীক্ষা করানো হবে বলেও জানানো হয়েছে।

মার্চ ১৪, ২০২২
দেশ

দেশে আরও কমল করোনা সংক্রমণের হার

দেশে আরও কমল করোনা সংক্রমণ। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের জারি করা দৈনিক করোনা বুলেটিন বলছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ২৭ হাজার ৪০৯ জন, যা সোমবারের তুলনায় ২০ শতাংশ কম। একই সঙ্গে কমেছে দৈনিক সংক্রমণের হারও। মঙ্গলবার দেশে সংক্রমণের হার ২.২ শতাংশ। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে ৩৪৭ জনের মৃত্যু হয়েছে।কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের দৈনিক পরিসংখ্যান জানাচ্ছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে ৮২ হাজার ৮১৭ জন করোনা থেকে সুস্থ হয়ে উঠেছেন। এর ফলে মোট চার কোটি ১৭ লক্ষ ৬০ হাজার ৪৫৮ জন করোনা মুক্ত হলেন। সোমবার দেশে ১২ লক্ষ ২৯ হাজার ৫৩৬টি করোনার নমুনা পরীক্ষা হয়েছে। দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় ৪৪ লক্ষেরও বেশি করোনার টিকা দেওয়া হয়েছে। দেশে কমেছে করোনায় দৈনিক মৃত্যুর সংখ্যাও। স্বাস্থ্য মন্ত্রক জানাচ্ছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে ৩৪৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। তার মধ্যে কেরলেই মৃত্যু হয়েছে ১৭৮ জনের।সময়ের সঙ্গে সঙ্গে করোনা ভাইরাসের একাধিক নয়া স্ট্রেন হানা দিয়েছে বিশ্বের সর্বত্র। বাদ পড়েনি ভারতও। তার বিরুদ্ধে লড়তে জোরকদমে দেশে চলছে টিকাকরণ। এখনও পর্যন্ত মোট ১৭৩ লক্ষের বেশি মানুষ ভ্যাকসিন পেয়েছেন বলে স্বাস্থ্য মন্ত্রক সূত্রে জানা গিয়েছে। সংক্রমণ কমতে থাকায় বিভিন্ন রাজ্যে ছোটদের স্কুলও খুলে দেওয়া হচ্ছে। বাংলাতেও বুধবার থেকে তা খুলে দেওয়া হবে। তবে কড়া কোভিডবিধি মেনেই চলবে ক্লাস, সে বিষয়ে সতর্ক সব রাজ্যই।

ফেব্রুয়ারি ১৫, ২০২২
দেশ

ফের সামান্য বাড়ল দৈনিক করোনা সংক্রমণ, একদিনে আক্রান্ত ৭১ হাজারের বেশি

ফেব্রুয়ারি মাসের শুরু থেকেই কমতে শুরু করেছে দেশের দৈনিক করোনা আক্রান্তের সংখ্যা কমতে শুরু করেছে। তবে বুধবারই দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যা ফের সামান্য বৃদ্ধি পেয়ে ৭১ হাজারের গণ্ডি পার করেছে। মঙ্গলবার দেশে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ৬৭ হাজার ৫৯৭। অন্যদিকে, দেশে একদিনেই ১২১৭ জনের মৃত্যু হয়েছে করোনা সংক্রমণে। এই নিয়ে দেশে মোট মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৫ লক্ষ ৫ হাজার ২৭৯-এ।লাখের গণ্ডির নীচে থাকলেও, দেশে সামান্য বাড়ল করোনা সংক্রমণ। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে নতুন করে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ৭১ হাজার ৩৬৫ জন, যা গতকালের তুলনায় ৫.৬ শতাংশ বেশি। এই নিয়ে দেশে মোট আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৪ কোটি ২৪ লক্ষ ১০ হাজার ৯৭৬-এ। দেশের সংক্রমণের হার ৫ শতাংশের নীচে নেমে দাঁড়িয়েছে।এদিকে, দেশের করোনা সংক্রমণ তুলনামূলকভাবে অনেকটাই কমায় সক্রিয় রোগীর সংখ্যাও হ্রাস পেয়েছে। বর্তমানে দেশের সক্রিয় রোগীর সংখ্যা ৮ লক্ষ ৯২ হাজার ৮২৮। দেশের মোট আক্রান্তের ২.১১ শতাংশ সক্রিয় রোগী। একইসঙ্গে কমেছে সংক্রমণের হারও। বর্তমানে দেশে সংক্রমণের হার ৪.৫৪ শতাংশ। সাপ্তাহিক সংক্রমণের হার ৭.৫৭ শতাংশ।কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, দেশের ৫টি রাজ্য থেকেই দৈনিক সংক্রমণের ৬৭.২১ শতাংশের খোঁজ মিলছে। এরমধ্যে শীর্ষে রয়েছে কেরল, সেখানে দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যা ২৯ হাজার ৪৭১। দেশের মোট সংক্রমণের ৪১.৩ শতাংশই কেরল থেকে খোঁজ মিলছে। এরপরেই রয়েছে মহারাষ্ট্র, এই রাজ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ৬১০৭ জন। এরপরে রয়েছে তামিলনাড়ু, সেখানে আক্রান্তের সংখ্যা ৪৫১৯। কর্নাটক ও রাজস্থানেও দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যা যথাক্রমে ৪৪৫২ এবং ৩৪১১।

ফেব্রুয়ারি ০৯, ২০২২
দেশ

আক্রান্তের সংখ্যা কমলেও, চিন্তা বাড়াচ্ছে সংক্রমণের হারই!

সামান্য স্বস্তি মিলছে দেশের করোনা সংক্রমণে। টানা তিনদিন ধরে তিন লক্ষের নীচেই রইল আক্রান্তের সংখ্যা। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে নতুন করে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ২ লক্ষ ৮৬ হাজার জন। স্বাস্থ্য মন্ত্রক জানিয়েছে, গত ২৪ ঘন্টায় করোনার কারণে দেশে মোট ৫৭৩ জন মারা গিয়েছেন যা বুধবারের তুলনায় কম। বুধবার করোনা আক্রান্ত হয়ে ৬৬৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। তবে চিন্তা বাড়াচ্ছে সংক্রমণের হার। গতকালই দেশে দৈনিক সংক্রমণের হার ছিল ১৬.১০ শতাংশ, আজ তা এক ধাক্কায় বেড়ে ১৯.৫৯ শতাংশে পৌঁছেছে।কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ২ লক্ষ ৮৬ হাজার ৩৮৪ জন। এই নিয়ে দেশে মোট আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৪ কোটি ৩ হাজারে। বিশ্বে সংক্রমণের নিরিখে আমেরিকার পরই দ্বিতীয় স্থানে অবস্থান করছে ভারত। সংক্রমণের হার, অর্থাৎ প্রতি ১০০টি করোনা পরীক্ষায় কতজনের রিপোর্ট পজেটিভ আসছে, তার হার এক ধাক্কায় অনেকটাই বেড়েছে। স্বাস্থ্যমন্ত্রকের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের সংক্রমণের হার বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৯.৫৯ শতাংশে। বুধবারই এই হার ছিল ১৬.১০ শতাংশ। সাপ্তাহিক সংক্রমণের হার ১৭.৭৫ শতাংশে রয়েছে।

জানুয়ারি ২৭, ২০২২
দেশ

সংক্রমণ কমলেও চিন্তা বাড়াচ্ছে দৈনিক সংক্রমণ, আক্রান্ত ৩ লক্ষের বেশি, একদিনে মৃত্যু ৪৩৯ জনের

ভারতে অনেকটাই কমল দৈনিক করোনা-আক্রান্তের সংখ্যা। তবে এখনও দৈনিক-সংক্রমণ থাকল তিন লক্ষের উপরই। বেড়েছে দৈনিক সংক্রমণের হারও। রবিবার সারাদিনে ভারতে নতুন করে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ৩ লক্ষ ০৬ হাজার ০৬৪ জন, এই সংখ্যা আগের দিনের তুলনায় ২৭ হাজার ৪৬৯ কম। এই সময়ে মৃত্যু হয়েছে করোনা-আক্রান্ত ৪৩৯ জন রোগীর, মৃত্যুর সংখ্যাও আগের দিনের তুলনায় কমেছে। দৈনিক সংক্রমণের হার এই মুহূর্তে ২০.৭৫ শতাংশ।বিগত ২৪ ঘন্টায় ভারতে চিকিৎসাধীন করোনা-রোগীর সংখ্যা বেড়ে ২,২৪,৯৩,৩৫-এ পৌঁছেছে, শেষ ২৪ ঘন্টায় সক্রিয় রোগীর সংখ্যা বেড়েছে ৬২,১৩০ জন। এই মুহূর্তে শতাংশের নিরিখে ৫.৬৯ শতাংশ রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছেন। ভারতে বিগত ২৪ ঘন্টায় করোনা ভাইরাসের টিকা পেয়েছেন মাত্র ২৭ লক্ষ ৫৬ হাজার ৩৬৪ জন প্রাপক, ফলে ভারতে সোমবার সকাল আটটা পর্যন্ত ১,৬২,২৬,০৭,৫১৬ জনকে কোভিড টিকা দেওয়া হয়েছে।কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বিগত ২৪ ঘন্টায় ৪৩৯ জনের মৃত্যুর পর ভারতে কোভিড-১৯ ভাইরাসে মৃতের সংখ্যা বেড়ে হল ৪,৮৯,৮৪৮ জন।রবিবার সারা দিনে ভারতে করোনা-মুক্ত হয়েছেন ২,৪৩,৪৯৫ জন। সোমবার সকাল আটটা পর্যন্ত ভারতে মোট সুস্থ হয়েছেন ৩,৬৮,০৪,১৪৫ জন করোনা-রোগী, শতাংশের নিরিখে ৯৩.০৭ শতাংশ। নতুন করে ৩,০৬,০৬৪ জন সংক্রমিত হওয়ার পর ভারতে মোট কোভিডে আক্রান্ত হয়েছেন ৩,৯৫,৪৩,৩২৮ জন।তৃতীয় ঢেউয়ে উদ্বেগ আরও বাড়াচ্ছে করোনার নতুন ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্ট। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে দেশে ওমিক্রন আক্রান্তের সংখ্যাও ১০ হাজার পার করেছে। দেশের ২৯ রাজ্যে থাবা বসিয়েছে ওমিক্রন। এদিকে রাজ্যের বাকি জেলায় স্কুল খুললেও মুম্বই পুরসভার তরফে জানানো হয়েছে, রাজ্যে স্কুল খোলার নির্দেশ দেওয়া হলেও, আপাতত মুম্বইয়ে ৩১ জানুয়ারি অবধি প্রথম থেকে নবম শ্রেণির পড়ুয়াদের স্কুলে আসার উপর নিষেধাজ্ঞাই জারি থাকবে। নতুন বছরের শুরু থেকেই রাজ্য তথা গোটা দেশজুড়েই বেড়েছিল করোনা সংক্রমণ। সতর্কতাবশে সঙ্গে সঙ্গেই বন্ধ করা হয়েছিল স্কুলও। তবে মাসের মাঝামাঝি সময়ে সংক্রমণ কিছুটা কমতেই, স্কুল খোলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে মহারাষ্ট্র সরকার। সোমবার থেকেই প্রথম থেকে নবম শ্রেণির অফলাইন পঠনপাঠন শুরু হচ্ছে।

জানুয়ারি ২৪, ২০২২
দেশ

দেশে একদিনেই আক্রান্ত ৩ লক্ষের বেশি, ভাঙল ৮ মাসের রেকর্ড!

দৈনিক সংক্রমণে দীর্ঘ আট মাসের রেকর্ড ভাঙল। দেশে একদিনেই করোনা আক্রান্তের সংখ্যা পার করল ৩ লক্ষের গণ্ডি। বিগত কয়েক দিন ধরে দেশে দৈনিক সংক্রমণের হার কিছুটা নিম্নমুখী হলেও, তা হঠাৎ করে ফের বৃদ্ধি পেয়েছে। স্বাস্থ্য মন্ত্রকের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ৩ লক্ষ ১৭ হাজার ৫৩২ জন। এই নিয়ে দেশে সক্রিয় রোগীর সংখ্যাও বেড়ে দাঁড়াল ১৯ লক্ষ ২৪ হাজার ৫১-এ। দেশে মোট ,করোনা আক্রান্তের ৪.৮৩ শতাংশই সক্রিয় রোগী। একদিনেই ৪৯১ জনের মৃত্যু হওয়ায় দেশে মোট মৃতের সংখ্যাও বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪ লক্ষ ৮৭ হাজার ৬৯৩-এ।দেশের এই উর্ধ্বমুখী সংক্রমণের জন্য চিকিৎসক, গবেষকরা করোনার নতুন ভ্যারিয়েন্ট ওমিক্রনকেই দায়ী করেছেন। বর্তমানে দেশে মোট ওমিক্রন আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯২৮৭-এ। দেশের মধ্যে মহারাষ্ট্রেই ওমিক্রন আক্রান্তের সংখ্যা সর্বাধিক। গত ২৪ ঘণ্টাতেই সে রাজ্যে ২১৪ জন ওমিক্রন আক্রান্তের খোঁজ মিলেছে, এই নিয়ে মোট আক্রান্তের সংখ্যা ১৮৬০-এ পৌঁছেছে। সংক্রমণের তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে পশ্চিমবঙ্গ, রাজ্যেও ওমিক্রন আক্রান্তের সংখ্যা ১৬০০-র গণ্ডি পার করেছে।আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ার ফলে কিছুটা কমেছে সুস্থতার হারও। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে সুস্থ হয়ে উঠেছেন ২ লক্ষ ২৩ হাজার ৯৯০ জন। এই নিয়ে দেশে মোট সুস্থ হয়ে ওঠা রোগীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৩ কোটি ৫৮ লক্ষ ৭ হাজার ২৯-এ। সুস্থতার হার কমে দাঁড়িয়েছে ৯৩.৬৯ শতাংশে। অন্য়দিকে, বর্তমানে দেশে সংক্রমণের হার ১৬.৪১ শতাংশে পৌঁছেছে, সাপ্তাহিক সংক্রমণের হার বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৬.০৬ শতাংশে।

জানুয়ারি ২০, ২০২২
রাজ্য

ফের ঊর্ধ্বমুখী করোনা সংক্রমণ, একদিনে হাজারেরও বেশি আক্রান্ত, ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু হয়েছে ৩৮ জনের

রাজ্যে ফের কিছুটা বাড়ল দৈনিক সংক্রমণ। রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তরের সর্বশেষ করোনা বুলটিন অনুযায়ী, দৈনিক সংক্রমণ বেড়ে হয়েছে ১১ হাজার ৪৪৭। মঙ্গলবার এই পরিসংখ্যান ছিল ১০ হাজার ৪৩০। অর্থাৎ, শেষ ২৪ ঘণ্টায় প্রায় এক হাজারেরও বেশি বেড়েছে করোনার সংক্রমণ। সেই সঙ্গে বাড়ছে মৃত্যুও। বুধবারের করোনা বুলেটিন অনুযায়ী, রাজ্যে মৃত্যু হয়েছে ৩৮ জনের। জেলাওয়াড়ি তালিকায় মৃতদের মধ্যে ১৪ জনই কলকাতার।সংক্রমণের নিরীখেও কলকাতায় সংক্রমণ সর্বোচ্চ। শেষ ২৪ ঘণ্টায় কলকাতায় দুই হাজারেরও বেশি মানুষ করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। এরপরই উদ্বেগজনক সংক্রমণ পরিস্থিতি উত্তর ২৪ পরগনায়। সেখানে ১ হাজার ৭৯৮ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। তবে রাজ্যে পজিটিভিটি রেট কিছুটা কমেছে আগের তুলনায়। রাজ্যে বর্তমানে পজিটিভিটি রেট ১৬.৯৮ শতাংশ। শেষ ২৪ ঘণ্টায় নমুনা পরীক্ষা হয়েছে ৬৭ হাজার ৪০৪ জনের। সেই সঙ্গে সুস্থও হয়ে উঠেছেন অনেকে। সর্বশেষ বুলেটিন অনুযায়ী রাজ্যে সুস্থ হয়েছেন ১৫ হাজারেরও বেশি মানুষ। রাজ্যে বর্তমানে সুস্থতার হার ৯১.০৯ শতাংশ।এদিকে স্বাস্থ্যদপ্তরের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে নতুন করে করোনা আক্রান্তদের মধ্যে ২,১৫৪ জন কলকাতার। অর্থাৎ দৈনিক সংক্রমণের নিরিখে এদিন ফের প্রথমে ওই জেলা। আগের দিনের তুলনায় সামান্য হলেও কমেছে সংক্রমণ। দ্বিতীয় স্থানে উত্তর ২৪ পরগনা। একদিনে আক্রান্ত সেখানকার ১,৭৯৮ জন। আগেরদিন সংক্রমণ ছিল এর থেকে সামান্য কম। নিম্নমুখী কোভিড গ্রাফ স্বাভাবিকভাবেই স্বস্তি দিচ্ছে ওই জেলার বাসিন্দাদের।দৈনিক সংক্রমণের নিরিখে ফের তৃতীয় স্থানে দক্ষিণ ২৪ পরগনা। একদিনে ওই জেলায় নতুন করে সংক্রমিত ৮৮৮ জন। চতুর্থ স্থানে নদিয়া। সেখানে একদিনে সংক্রমিত ৬৮১ জন। এছাড়াও গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যের কম বেশি সব জেলা থেকেই নতুন আক্রান্তের হদিশ মিলেছে। ফলে রাজ্যে মোট আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ১৯,২৮, ৯৬১। একদিনে করোনাকে পরাস্ত করে ঘরে ফিরেছেন ১৫, ৪১৮ জন। এখনও পর্যন্ত রাজ্যে মোট করোনাজয়ীর সংখ্যা ১৭, ৫৭, ০৬৬। গত ২৪ ঘণ্টায় পজিটিভিটি রেট ১৬.৯৮ শতাংশ। বর্তমানে রাজ্যে সেফ হোমের সংখ্যা ২০০। এদিকে পরিস্থিতি মোকাবিলায় সবরকম চেষ্টা চালাচ্ছে রাজ্য। বিভিন্ন এলাকায় তৈরি হচ্ছে কনটেনমেন্ট জোন।অন্যদিকে, ভারতে ফের বাড়ল করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের দেওয়া পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ২ লক্ষ ৮২ হাজার জন। মঙ্গলবার দেশে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ২ লক্ষ ৩৮ হাজার ১৮ জন। বুধবার দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ল ১৮ শতাংশ। দৈনিক সংক্রমণের হার ১৪.৪৩ শতাংশ থেকে বেড়ে হয়েছে ১৫.১৩ শতাংশ। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনা ওমিক্রন রূপে আক্রান্ত হয়েছেন ৮,৯৬১ জন। মঙ্গলবারের তুলনায় ওমিক্রন আক্রান্তের সংখ্যা বেড়েছে প্রায় ১ শতাংশ। গত ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে ৪৪১ জনের মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার মৃত্যুর সংখ্যা ছিল ৩১০ জন। এই সময়ের মধ্যে দেশে করোনার নমুনা পরীক্ষা হয়েছে ১৮ লক্ষ ৬৯ হাজার। যা মঙ্গলবারের চেয়ে প্রায় ২ লক্ষ বেশি।

জানুয়ারি ১৯, ২০২২
কলকাতা

ফের কলকাতায় বাড়ল মাইক্রো কনটেনমেন্টের সংখ্যা

করোনা সংক্রমণ বাড়তেই ফের চিন্তার ভাঁজ। কলকাতায় ক্রমেই বাড়ছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। এই পরিস্থিতিতে ফের কলকাতায় বাড়ল মাইক্রো কনটেনমেন্ট জোনের সংখ্যা। এ বার, ২৯ থেকে একধাক্কায় ৪৪ টি মাইক্রো কনটেনমেন্ট জোন নতুন করে ঘোষণা করল কলকাতা পুরসভা। প্রায় সপ্তাহখানেক আগেই কনটেনমেন্ট জোনের সংখ্যা কমানো হয়েছিল। ফের বাড়িয়ে দেওয়া হল মাইক্রোকনটেনমেন্ট জোন।সূত্রের খবর, নবান্নের চিন্তা কোনও বস্তি এলাকা নয়। বরং, নবান্নের চিন্তার কারণ বড় বড় আবাসনগুলি। কারণ সেখানে অনেক ক্ষেত্রেই গিয়ে দেখা গিয়েছে, স্বাস্থ্যবিধি মানছেন না আবাসিকরা।নতুন মাইক্রো কনটেনমেন্ট জোনের তালিকায় রয়েছে একাধিক বরো। ৪ নম্বর বরোয় ৪ টি, ৭ নম্বর বরোতে ৪ টি, ৯ নম্বর বরোতে ২ টি, ১০ নম্বর বরোতে ১০ টি, ১২ নম্বর বরোয় ১১ টি, ১৪ নম্বর বরোয় ৩ টি, ১৬ নম্বর বরোতে ৫ টি, ৮ নম্বর বরোতে ১ টি এবং ৩ নম্বর বরোতে ৪ টি স্থান মাইক্রো কনটেনমেন্ট জ়োন বলে চিহ্নিত হয়েছে। সেই তালিকার মধ্যে রয়েছে, একাধিক বহুতল আবাসনও।স্বাস্থ্য অধিকর্তারা বলছেন, আবাসনগুলিতেই সবচেয়ে বেশি করোনা সংক্রমণ হচ্ছে। এই মুহূর্তে আবাসনগুলিই উৎকন্ঠার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে প্রশাসনের। এরই মধ্যে নবান্নে একটি রিপোর্ট জমা পড়েছে। আবাসনগুলিতে সংক্রমণ কীভাবে নিয়ন্ত্রণ করা যায়, তা খতিয়ে দেখছে প্রশাসন। নিউটাউনের আবাসনগুলির ক্ষেত্রে ফোরাম ও কমিটিগুলিকে নিয়ে একটি বৈঠক করার কথা ভাবা হচ্ছে। করোনার স্বাস্থ্যবিধি যাতে তাঁরা মেনে চলেন, সে ব্যাপারে সতর্ক করা হবে তাঁদের।

জানুয়ারি ১৫, ২০২২
দেশ

দেশে একদিনেই করোনা আক্রান্ত প্রায় আড়াই লাখ!

ফের একবার এক ধাক্কায় অনেকটা বাড়ল করোনা সংক্রমণ। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ২ লক্ষ ৪৭ হাজার জন। গতকালই এই সংখ্যাটি ছিল ১ লক্ষ ৯৪ হাজার ৭২০। অর্থাৎ একদিনেই ২৭ শতাংশ বৃদ্ধি হয়েছে দৈনিক সংক্রমণে। বর্তমানে দেশে মোট করোনা রোগীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৩ কোটি ৬৩ লাখে।কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ২ লক্ষ ৪৭ হাজার ৪১৭ জন। গতকালই এই সংখ্যাটি ছিল ১ লক্ষ ৯৪ হাজার ৭২০, অর্থাৎ একদিনেই ৫০ হাজারের বেশি আক্রান্তের সংখ্যায় বৃদ্ধি হয়েছে। বিগত আট মাস বাদে এই প্রথম দৈনিক সংক্রমণ দুই লাখের গণ্ডি পার করল। দেশে বেড়েছে দৈনিক মৃতের সংখ্যাও, গত ২৪ ঘণ্টাতেই করোনা সংক্রমণে মৃত্যু হয়েছে ৩৮০ জনের।গত কয়েক দিন ধরেই দেশে দৈনিক সংক্রমণের হার ১০ শতাংশ ছাড়াচ্ছে। গত ২৪ ঘণ্টায় তা পৌঁছে গিয়েছে ১৩.১১ শতাংশে। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের তথ্য জানাচ্ছে, গত এক সপ্তাহ ধরে দেশের ২৯টি রাজ্যের অন্তত ১২০টি জেলায় সংক্রমণের হার রয়েছে ১০ শতাংশের বেশি। সেই সঙ্গে বাড়ছে ওমিক্রনে আক্রান্তের সংখ্যা। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের পরিসংখ্যান অনুসারে, দেশে মোট ওমিক্রন আক্রান্তের সংখ্যা ৫৪৮৮ জন।

জানুয়ারি ১৩, ২০২২
কলকাতা

উৎকণ্ঠা বাড়াচ্ছে অভিজাত আবাসনগুলিই, স্বাস্থ্য দপ্তরের রিপোর্ট পেশ নবান্নে

শহরের বড় আবাসনগুলিতেই বেশি করোনা সংক্রমণ বাড়ছে। এ নিয়ে একটি রিপোর্টও জমা পড়েছে নবান্নে। রিপোর্টে দেখা গিয়েছে আরবানা, স্বর্ণমণি, শালবনি, এবং নিউটাউনের একাধিক আবাসনেও করোনা সংক্রমণের প্রকোপ বেশি। এই সব আবাসনে করোনা সংক্রমণ কীভাবে ঠেকানো যায়, তা নিয়ে চিন্তাভাবনা শুরু করেছে রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তর ও নবান্নের কর্তাব্যক্তিরা। সূত্রের খবর, এই মুহূর্তের নবান্নের চিন্তার কারণ কোনও বস্তি এলাকা নয়, বড় বড় আবাসনও। কারণ সেখানে অনেক ক্ষেত্রেই গিয়ে দেখা গিয়েছে, স্বাস্থ্যবিধি মানছেন না আবাসিকরা। অরক্ষিত মুখের ভিড় সর্বত্র। কলকাতা পুরসভা ও নিউটাউনের ক্ষেত্রে হাউজিং ডিপার্টমেন্টে স্বাস্থ্য দপ্তরের তরফে সংক্রমণ ঠেকানোর পরিকল্পনা দেওয়া হয়েছে।স্বাস্থ্য অধিকর্তারা বলছেন, আবাসনগুলিতেই সবচেয়ে বেশি করোনা সংক্রমণ হচ্ছে। এই মুহূর্তে আবাসনগুলিই উৎকন্ঠার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে প্রশাসনের। এরই মধ্যে নবান্নে একটি রিপোর্ট জমা পড়েছে। আবাসনগুলিতে সংক্রমণ কীভাবে নিয়ন্ত্রণ করা যায়, তা খতিয়ে দেখছে প্রশাসন। নিউটাউনের আবাসনগুলির ক্ষেত্রে ফোরাম ও কমিটিগুলিকে নিয়ে একটি বৈঠক করার কথা ভাবা হচ্ছে। করোনার স্বাস্থ্যবিধি যাতে তাঁরা মেনে চলেন, সে ব্যাপারে সতর্ক করা হবে তাঁদের।কমিটিগুলিকে আরও কঠোর হওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। ঝুপড়ি অঞ্চল ঘিঞ্জি, উল্টোদিকে আবাসনগুলো অনেকটাই খোলামেলা। তা সত্ত্বেও কেন আবাসনগুলিতে হু হু করে ছড়াচ্ছে সংক্রমণ? অভিজাত আবাসনগুলিতে করোনা ছড়ানোর অন্যতম কারণ, বর্ষবরণের উৎসব-পার্টি-হুল্লোড়, আর লিফটের বহুল ব্যবহার।

জানুয়ারি ১২, ২০২২
রাজ্য

Kamarpukur Math: অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ হয়ে গেল কামারপুকুর মঠ

ক্রমশ ঊর্ধ্বমুখী করোনা সংক্রমণের দরুণ অনিদিষ্টকালের জন্য বন্ধ করে দেওয়া হল কামারপুকুর মঠ ও মিশন। পুণ্যার্থীদের প্রবেশ বন্ধের নোটিস জারি করেছে মঠ ও মিশন কর্তৃপক্ষ। আজ থেকেই এই নোটিস কার্যকর হচ্ছে। মঠের এই বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে পরিস্থিতি অনুকূল হলে দর্শনের দিন জানানো হবে। যত দিন না পর্যন্ত পরিস্থতি নিয়ন্ত্রণে আসছে ততদিন পর্যন্ত মঠ বন্ধই থাকছে।উল্লেখ্য যে করোনার গ্রাফ ঊর্ধ্বমুখী হওয়ায় গত ২৪ জুলাই থেকে মঠ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু ফের গুরুপূর্ণিমার জন্য একদিন খুলে দেওয়া হয়েছিল মঠ। পরে ১৯ অগষ্ট থেকে ফের মঠের দরজা খুলে দেওয়া হয়। আবার সোমবার নতুন করে বন্ধ করে দেওয়া হল মঠ।উল্লেখ্য নতুন বছরের শুরুতে ভক্তদের ভিড় বেশি হতে পারে, সেকথা মাথায় রেখে ১-৪ জানুয়ারি বন্ধ ছিল বেলুড় মঠ। কথা ছিল ৫ জানুয়ারি সকাল ৮টা থেকে ১১টা এবং বিকেল ৩-৫ টা পর্যন্ত ফের নিয়ম মেনে খুলবে বেলুড় মঠ। তবে তার আগে গত ২ জানুয়ারি বেলুড় মঠ বন্ধের সিদ্ধান্তের কথা জানায় কর্তৃপক্ষ। আগামী ১৫ জানুয়ারি পর্যন্ত মঠ বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত। কালীঘাট মন্দির কর্তৃপক্ষও সংক্রমণ রুখতে কড়া সিদ্ধান্ত নিয়েছে। মন্দির বন্ধ থাকছে না। দেবী দর্শনেও বাধা নেই। কিন্তু ভিতরে ঢুকে পুজো দেওয়া কিংবা গর্ভগৃহে প্রবেশ করতে পারবেন না কেউ। বাইরে থেকেই দর্শন সেরে ফেলতে হবে।

জানুয়ারি ১০, ২০২২
দেশ

Covid: দেশে এক লক্ষের গণ্ডি পেরলো দৈনিক করোনা সংক্রমণ

কেবল রাজ্যে নয়, দেশেও হু হু করে বাড়ছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। একলাফে দেশে বাড়ল করোনা গ্রাফ। দেশে দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যা ১ লক্ষ ১৭ হাজার ১০০ জন। একলাফে দেশে দৈনিক সংক্রমণ বেড়েছে ২৮.০২ শতাংশ। পিছিয়ে নেই রাজ্যও। বৃহস্পতিবার স্বাস্থ্য দপ্তরের বুলেটিন অনুযায়ী, দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যা ১৫ হাজার ৪২১, বুধবার যে সংখ্যাটা ছিল ১৪ হাজার ২২। করোনা আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে ১৯ জনের। বুধবারের তুলনায় পজিটিভিটি রেট বেড়েছে কিছুটা। বুধবার যে হার ছিল ২৩.১৭ শতাংশ, বৃহস্পতিবার সেটাই বেড়ে হয়েছে ২৪.৭১ শতাংশ। পাশাপাশি বাড়ছে ওমিক্রন আতঙ্কও। একদিনে দেশে ওমিক্রন আক্রান্ত ৩ হাজার ৭ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে মৃত্যু হয়েছে মোট ৩০২ জনের।শুক্রবার কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের করোনা পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় ভারতে ১,১৭,১০০ জন নতুন করে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। যা বৃহস্পতিবারের তুলনায় ২৮.৮ শতাংশ বেশি। এর আগে গত বছরের জুন মাসে দৈনিক এক লক্ষ আক্রান্ত হওয়ার গন্ডি পার করেছিল ভারত। শুক্রবারের নতুন করোনা আক্রান্তের হিসেব বলছে, দেশে মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৩,৫২,২৬,৩৮৬।সব থেকে বেশি আক্রান্ত পাঁচটি রাজ্যের মধ্যে শীর্ষে রয়েছে মহারাষ্ট্র। মহারাষ্ট্রে গত একদিনে মোট ৩৬,২৬৫ জন আক্রান্ত হয়েছেন। দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে পশ্চিমবঙ্গ। পশ্চিমবঙ্গে একদিনে আক্রান্তের সংখ্যা ১৫,৪২১ জন। পশ্চিমবঙ্গের পরে আক্রান্ত হওয়ার নিরিখে রয়েছে যথাক্রমে দিল্লি (১৫,০৯৭), তামিলনাড়ু (৬,৯৮৩) এবং কর্ণাটক (৫,০৩১)।একই সঙ্গে দেশে হু-হু করে বাড়ছে করোনার নতুন রূপ ওমিক্রন আক্রান্তের সংখ্যা। দেশে বর্তমানে মোট ওমিক্রন আক্রান্তের সংখ্যা ৩,০০৭ জন। তবে তাঁদের মধ্যে ১,১৯৯ জন ইতিমধ্যেই সুস্থ হয়ে উঠেছেন। ওমিক্রন আক্রান্তের দিক থেকেও শীর্ষে মহারাষ্ট্র। মহারাষ্ট্রে মোট ৮৭৬ জন করোনার নতুন রূপ ওমিক্রনে আক্রান্ত হয়েছেন। এর পরেই রয়েছে দিল্লি। দিল্লিতে মোট ওমিক্রন আক্রান্তের সংখ্যা ৪৬৫।

জানুয়ারি ০৭, ২০২২
রাজ্য

Corona: গত ১০ দিনে সংক্রমণে বিরাট লাফ করোনার

গত ১০ দিনে রাজ্যে ক্রমশ বৃদ্ধি পেয়েছে করোনা সংক্রমণ। করোনার দৈনিক সংক্রমণ একধাক্কায় বেড়ে ১৪ হাজারের গণ্ডি পেরিয়ে গিয়েছে বুধবার।মঙ্গলবার এই সংখ্যাটা ছিল ৯ হাজারের কিছু বেশি। একদিনে প্রায় পাঁচ হাজার বেড়েছে দৈনিক সংক্রমণ। আক্রান্তের নিরিখে শীর্ষে রয়েছে কলকাতা। আক্রান্তদের মধ্যে ৬ হাজারেরও বেশি কলকাতায়। এরপরেই রয়েছে উত্তর ২৪ পরগনা। শেষ ২৪ ঘণ্টায় উত্তর ২৪ পরগনায় আড়াই হাজারেরও বেশি মানুষ করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তরের সর্বশেষ বুলেটিন অনুযায়ী, করোনায় মৃত্যু হয়েছে ১৭ জনের। হাসপাতাল থেকে ছাড়া হয়েছে ৬ হাজারেরও বেশি মানুষ। গত ২৭ ডিসেম্বর যেখানে আক্রান্তের সংখ্যা ছিল পাঁচশোর দোরগোড়ায়, ১০ দিনে তা বেড়ে হয়েছে প্রায় ১৫ হাজারের কাছাকাছি। করোনাকে বশে আনতে ফের তৎপর হয়েছে রাজ্য সরকার। আগামী ১৫ তারিখ পর্যন্ত রাজ্যে কড়া বিধিনিষেধ জারি করা হয়েছে। কিন্তু বিধিনিষেধের মধ্যেও আক্রান্তের পরিমাণ বেড়েই চলেছে।

জানুয়ারি ০৬, ২০২২
রাজ্য

Corona: রাজ্যে দৈনিক সংক্রমণে রেকর্ড, উদ্বেগ বাড়িয়ে আক্রান্তের সংখ্যা পার করল ৯০০০

একদিকে যখন বাংলার চিকিৎসকেরা তৃতীয় ঢেউয়ের ইঙ্গিত দিচ্ছেন, তখন বাংলায় বড়সড় লাফ দিল করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। দৈনিক সংক্রমণ একধাক্কায় বেড়ে ৯ হাজার পেরিয়ে গেল মঙ্গলবার। শুধুমাত্র কলকাতাতেই নতুন আক্রান্তের সংখ্যা প্রায় ৫ হাজার ছুঁইছুঁই। ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু হয়েছে ১৬ জনের। কলকাতাতেই মৃতের সংখ্যা ৫।সোমবার স্বাস্থ্য দপ্তরের যে বুলেটিন প্রকাশ হয়, তাতে দেখা গিয়েছিল দৈনিক সংক্রমণের সংখ্যা ৬ হাজারের কিছু বেশি। সাধারণত রবিবার ছুটির দিন হওয়ায় টেস্ট তুলনামূলকভাবে কম হয়। সম্ভবত সেই কারণেই শনিবার ও রবিবার আক্রান্তের সংখ্যায় খুব বেশি হেরফের হয়নি বলেই অনুমান করা হয়। আর মঙ্গলবার একলাফে সেই সংক্রমণ বাড়ল অনেকটাই। বিশেষজ্ঞরা বারবার বলছেন, সাধারণ মানুষের সতর্কতার অভাবেই এই পরিস্থিতি। তারপরও অসতর্কতার ছবি দেখা যাচ্ছে বাসে-ট্রেনে সর্বত্র। তবে মঙ্গলবারের করোনার গ্রাফ বুঝিয়ে দিচ্ছে, এবার সত্যিই আরও বেশি সতর্ক হওয়ার সময় এসেছে।আরও পড়ুনঃ করোনাকালে বাড়ি বাড়ি খাবার পাঠাবে রাজ্য গত সপ্তাহের মঙ্গলবার (২৮ ডিসেম্বর) কলকাতায় দৈনিক সংক্রমণ ছিল ৯১০। এক সপ্তাহে তা বাড়ল ১,১৪৬ শতাংশ। রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তর প্রকাশিত বুলেটিন জানাচ্ছে মঙ্গলবার রাজধানী শহরে কোভিড-১৯ সংক্রমণের সংখ্যা ৪,৭৫৯। প্রসঙ্গত, করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ের সময় গত ৩ মে কলকাতায় দৈনিক সংক্রমণের সংখ্যা পৌঁছেছিল ৩,৯৯০-এ। তৃতীয় ঢেউয়ের অষ্টম দিনেই সেই রেকর্ড ভেঙে গেল।

জানুয়ারি ০৪, ২০২২
দেশ

Corona-Omicron: উৎসবের আনন্দে বেপরোয়া মনোভাবে করোনার দৈনিক সংক্রমণ ৩৩ হাজার পার, দোসর ওমিক্রন

করোনা ও ওমিক্রন-কে বুড়ো আঙুল দেখিয়েই বড়দিন থেকে বর্ষবরণ অবধি মেতে ছিল রাজ্য তথা দেশের জনসংখ্যার একটি বড় অংশই। এবার তার ফলও মিলছে হাতেনাতে, একদিকে যেমন ব্যাপক হারে বাড়ছে দেশের করোনা সংক্রমণ, তেমনই পাল্লা দিয়ে বাড়ছে ওমিক্রন আক্রান্তের সংখ্যাও। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ৩৩ হাজার ৭৫০ জন, যা আগের দিনের তুলনায় ২২.৫ শতাংশ বেশি। অন্যদিকে, দেশে ওমিক্রন আক্রান্তের সংখ্যাও ধীরে ধীরে দুই হাজারের দিকে এগোচ্ছে।বর্ষবরণের আনন্দে বিধিনিষেধের গেরো শিথিল হতেই, হাইজাম্প দিয়েছে করোনা। এক ধাক্কাতেই দেশে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ২২ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে নতুন করে ৩৩ হাজার ৭৫০ জন করোনা আক্রান্ত হয়েছেন, এই নিয়ে দেশে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৩ কোটি ৪৯ লক্ষ ২২ হাজার ৮৮২-তে। গত ২৪ ঘণ্টায় বেড়েছে করোনায় মৃত্যুর সংখ্যাও। একদিনেই ১২৩ জনের মৃত্যু হওয়ায় দেশে করোনায় মোট মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৪ লক্ষ ৮১ হাজার ৮৯৩-তে।করোনার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে ওমিক্রন সংক্রমণও। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে ১৭৫ জন ওমিক্রন আক্রান্তের খোঁজ মেলায়, দেশে মোট আক্রান্তের সংখ্যা ১৭০০-এ বেড়ে দাঁড়িয়েছে। এরমধ্যে ৬৩৯ জন এখনও অবধি সুস্থ হয়ে উঠেছেন। রাজ্যের নিরিখে সর্বাধিক আক্রান্তের খোঁজ মিলেছে মহারাষ্ট্র থেকেই, সেখানে বর্তমানে ওমিক্রন আক্রান্তের সংখ্যা ৫১০। এরপরই রয়েছে দিল্লি, সেখানে ৩৫১ জন ওমিক্রন আক্রান্তের খোঁজ মিলেছে। কেরল (১৫৬), গুজরাত(১৩৬), তামিলনাড়ু (১২১), রাজস্থান (১২০)-এও আক্রান্তের সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে।

জানুয়ারি ০৩, ২০২২
রাজ্য

Covid 19: রাজ্যে কোভিড আক্রান্তের সংখ্যা পেরিয়ে গেল ৬ হাজার, বাড়ছে উদ্বেগ

রাজ্যে আংশিক কোভিড বিধি ঘোষণার দিন লাফিয়ে বাড়ল করোনা সংক্রমণ। বাংলায় গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় সংক্রমিত ৬১৫৩, মৃত্যু হয়েছে ৮জনের। সংক্রমণের হার (১৫.৯৩%)। প্রতিদিন লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। এদিনই রাজ্যে একাধিক কোভিড বিধি ঘোষণা করেছে রাজ্য সরকার।কলকাতায় করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ৩হাজার পেরিয়ে গিয়েছে। ৩১৯৪ জন করোনায় আক্রান্ত। সাত দিন আগে কলকাতায় আক্রান্তের সংখ্যা ছিল মাত্র ২০৪ জন। ৭ দিনে ১৫ গুণের বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে সংক্রমণ। রাজধানী শহরে এমন সংক্রমণ বৃদ্ধিতে উদ্বিগ্ন অভিজ্ঞ মহল। বড় দিনে পার্কস্ট্রিটের ভিড়, কলকাতায় মেয়রের শপথের ভিড় নিয়ে সরকারের কড়া সমালোচনা করেছেন বিরোধীরা। তাছাড়া মেলা, পর্যটন কেন্দ্রগুলিতেও এই মরসুমে মানুষের ঢল নেমেছিল। অভিজ্ঞ মহলের মতে, একদিকে সরকারি উদাসীনতা অন্যদিকে সাধারণ মানুষের একাংশ করোনা বিধিকে কোনও তোয়াক্কা করছিল না। বরং কোভিড টিকা নিয়ে অনেকেই মাস্ক পরা ভুলে গিয়েছিলেন।এদিকে উত্তর ২৪ পরগনায় এক হাজার ছুঁই ছুঁই কোভিড সংক্রমিত, ৯৯৪ জন। কলকাতার পাশের জেলা হাওড়ায় আক্রান্ত ৫৯৫। দক্ষিণ ২৪ পরগনা ২৮০ এবং হুগলি ২১৫। রাজ্যের বাকি জেলাগুলিতেও দ্রুত বাড়ছে কোভিড সংক্রমণ। ক্রমশ আতঙ্ক বাড়ছে।

জানুয়ারি ০২, ২০২২
রাজ্য

Omicro: ৫ দিনের ব্যবধানে বাংলায় করোনা পজিটিভ ১০ গুণের বেশি, লাফ দিয়ে বাড়ছে সংক্রমণ

এক সপ্তাহের মধ্যে কয়েক গুণ বেড়ে গেল করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। বাংলায় লাফ দিয়ে বাড়ছে কোভিড পজিটিভ। ২৭ ডিসেম্বর রাজ্যে কোভিড আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ৪৩৯। বছর শুরুর দিন স্বাস্থ্য দফতরের পরিসংখ্যান, রাজ্যে গত ২৪ ঘন্টায় করোনা পজিটিভের সংখ্যা ৪ হাজার ৫১২ জন। ওই দিনের তুলনায় বৃদ্ধি ১০ গুনেরও বেশি। ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে করোনায় মৃত্যু হয়েছে ৯ জনের। তবে আক্রান্তের হিসাবে এখনও এগিয়ে আছে কলকাতা। রাজ্যে ওমিক্রনে সংক্রমিতের সংখ্যা এখন ১৫।রাজ্যে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা ১৬ লাখ ৪২ হাজার ৯৯৭ জন। সুস্থ হয়ে উঠেছেন ১৬ লাখ ৯ হাজার ৯২৪ জন। রাজ্যে গত ২৪ ঘন্টায় সুস্থতার সংখ্যা ১ হাজার ৯১৩। করোনায় রাজ্যে মোট মৃত্যু হয়েছে ১৯ হাজার ৭৭৩ জন। গত ২৪ ঘন্টায় প্রাণ হারিয়েছেন ৯ জন। মৃত্যু হার ১.২০ শতাংশ।তবে কলকাতায় করোনা পরিস্থিতি ভয়ানক আকার নিচ্ছে। এমনই অভিমত বিশেষজ্ঞদের। নিয়ত বৃদ্ধি পাচ্ছে কোভিড সংক্রমিতের হার। মহানগরে ২৪ ঘন্টায় কোভিড আক্রান্তের সংখ্যা ২ হাজার ৩৯৮। মৃত্যু হয়েছে ২ জনের। উত্তর ২৪ পরগনা (আক্রান্ত ৬৮৮ জন, মৃত ২ জন), হাওড়া (আক্রান্ত ৩৪৪ জন, মৃত ২ জন), পশ্চিম বর্ধমান (আক্রান্ত ২৪১ জন, মৃত ২ জন), দক্ষিণ ২৪ পরগনা (আক্রান্ত ১৯৮ জন, মৃত ১ জন), হুগলি (আক্রান্ত ১৬৫ জন)। করোনার বাড়বাড়ন্ত রুখতে ফের রাজ্যে কোভিড বিধি চালু হতে চলেছে। বিশেষজ্ঞদের অভিমত, যে ভাবে উৎসব, মেলা, ভোটের আয়োজন করা হচ্ছে তার কাছে এই পরিসংখ্যান নগন্য। সাবধানতা অবলম্বন না করলে এবার দ্বিতীয় ঢেউকে ছাপিয়ে যাবে রাজ্য।

জানুয়ারি ০১, ২০২২
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

‘ঝালমুড়ি খেয়েছি, ঝাল লেগেছে তৃণমূলের’—কৃষ্ণনগরে তীব্র আক্রমণ মোদীর

প্রথম দফার ভোট চলাকালীনই আবার বাংলায় এলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। দ্বিতীয় দফার নির্বাচনী প্রচারে নদিয়ার কৃষ্ণনগর-এ জনসভা করে তিনি নির্বাচন কমিশনের ভূয়সী প্রশংসা করেন। তাঁর দাবি, গত পঞ্চাশ বছরে বাংলায় এত বেশি ভোটদান আগে হয়নি। একই সঙ্গে তিনি বলেন, হিংসামুক্ত ভোটের দিকেও এগোচ্ছে রাজ্য।সভা থেকে মোদি জানান, বাংলায় ভোটের পুরনো সব রেকর্ড ভেঙে গিয়েছে। মানুষ নির্ভয়ে ভোট দিচ্ছেন। নির্বাচন কমিশনকে শুভেচ্ছা জানিয়ে তিনি জয়ের ব্যাপারেও আত্মবিশ্বাসী সুরে বলেন, ৪ মে বাংলায় পদ্ম ফুটবে। মিষ্টি বিলি হবে, ঝালমুড়িও বিলি হবে। তাঁর মতে, রাজ্যে পরিবর্তনের হাওয়া বইতে শুরু করেছে এবং মানুষের মধ্যে ভরসা বাড়ছে।এই সভা থেকে ফের ঝালমুড়ি প্রসঙ্গও তুলে আনেন তিনি। সম্প্রতি ঝাড়গ্রামে তাঁর ঝালমুড়ি খাওয়াকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক বিতর্ক তৈরি হয়েছিল। সেই প্রসঙ্গ টেনে মোদি বলেন, আমি ঝালমুড়ি খেয়েছি, কিন্তু ঝাল লেগেছে তৃণমূলের। তাঁর এই মন্তব্যে সভাস্থলে হাসির রোল পড়ে। তিনি দাবি করেন, বহু বছর পর বাংলায় পরিবর্তনের ইঙ্গিত স্পষ্ট এবং উত্তর থেকে দক্ষিণসব জায়গায় মানুষ পরিবর্তন চাইছেন।সভায় দাঁড়িয়ে মতুয়া সম্প্রদায়ের উদ্দেশেও বার্তা দেন মোদি। তিনি বলেন, তাঁদের কোনও ভয় পাওয়ার দরকার নেই এবং কেউ তাঁদের ক্ষতি করতে পারবে না। ক্ষমতায় এলে নাগরিকত্ব আইন কার্যকর করার আশ্বাসও দেন তিনি। তাঁর কথায়, ৪ মে-র পর থেকে নতুন সুরক্ষার গ্যারান্টি শুরু হবে।ভোটের মাঝেই প্রধানমন্ত্রীর এই মন্তব্য ও প্রতিশ্রুতি ঘিরে রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

এপ্রিল ২৩, ২০২৬
দেশ

মুখ্যমন্ত্রী তদন্তে ঢুকতেই প্রশ্নে গণতন্ত্র! সুপ্রিম কোর্টে বিস্ফোরক মন্তব্য, তুষার মেহতার বড় অভিযোগ

আইপ্যাক মামলাকে ঘিরে সুপ্রিম কোর্টে উত্তেজনা ক্রমশ বাড়ছে। বুধবার বিচারপতি পি কে মিশ্র গুরুত্বপূর্ণ পর্যবেক্ষণে জানান, কোনও মুখ্যমন্ত্রী যদি কেন্দ্রীয় সংস্থার তদন্তে সরাসরি হস্তক্ষেপ করেন, তাহলে গণতন্ত্রের উপর প্রশ্ন উঠে যায়। এই মন্তব্যের পর বৃহস্পতিবার শুনানিতে সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা একের পর এক গুরুতর অভিযোগ তুলে ধরেন।ঘটনার সূত্রপাত আইপ্যাক অফিসে ইডির তল্লাশি ঘিরে। সেই সময় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ঘটনাস্থলে পৌঁছে যান এবং কিছু নথি ও ডিজিটাল সামগ্রী নিয়ে বেরিয়ে আসেন বলে অভিযোগ। এই ঘটনাকেই কেন্দ্র করে মামলা দায়ের হয়। রাজ্যের তরফে ইডির তদন্তের এক্তিয়ার নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে, আর সেই বিষয়েই এদিন আদালতে নিজের সওয়াল পেশ করেন তুষার মেহতা।তিনি দাবি করেন, পশ্চিমবঙ্গে আইন-শৃঙ্খলা ভেঙে পড়েছে। তাঁর বক্তব্য, আইনের শাসন বজায় রাখা সংবিধানের একটি মৌলিক অধিকার এবং তা লঙ্ঘিত হয়েছে। কয়লা পাচার মামলায় বিপুল টাকার দুর্নীতির অভিযোগ তুলে তিনি বলেন, সেই তদন্তে ইডি কাজ করছে এবং তাদের নিরাপত্তা ও অধিকার রক্ষা করা প্রয়োজন। তাঁর আরও দাবি, বেআইনি অর্থ বিদেশি চ্যানেলের মাধ্যমে অন্য রাজ্যে গিয়ে পরে আইপ্যাকের কাছে পৌঁছেছে।মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে সরাসরি অভিযোগ তুলে তিনি বলেন, তদন্ত চলাকালীন গুরুত্বপূর্ণ নথি ও ডিজিটাল যন্ত্র নিয়ে যাওয়া হয়েছে। ইডি আধিকারিকদের বারবার অনুরোধ সত্ত্বেও তদন্তে বাধা দেওয়া হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি। সেই ঘটনার পর ইডি আধিকারিকদের বিরুদ্ধে যে অভিযোগ দায়ের করা হয়, সেটিকেই চ্যালেঞ্জ করে আদালতে আসা হয়েছে বলে জানান তুষার মেহতা। তিনি নিরপেক্ষ সংস্থার মাধ্যমে তদন্তের দাবি জানান।তুষার মেহতা আরও অভিযোগ করেন, ঘটনাস্থলের নজরদারি ক্যামেরার তথ্য এবং কর্মীদের মোবাইল ফোন পর্যন্ত পুলিশ নিয়ে গেছে। তাঁর কথায়, যাঁরা নিজেরাই তদন্তের আওতায় রয়েছেন, তাঁদের রক্ষা করার চেষ্টা করা হচ্ছে।হাইকোর্টের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, শুনানির আগেই কোর্টরুমে অশান্তির পরিবেশ তৈরি করা হয়েছিল। যদিও বিচারপতি পি কে মিশ্র জানতে চান, এই বিষয়ের সঙ্গে মামলার সরাসরি সম্পর্ক কী। জবাবে তুষার মেহতা জানান, ন্যায়সঙ্গত পরিবেশ না থাকায় তারা উচ্চ আদালতের পরিবর্তে সরাসরি সুপ্রিম কোর্টে আসতে বাধ্য হয়েছেন।তিনি অতীতের একাধিক ঘটনার উল্লেখও করেন। কলকাতার প্রাক্তন পুলিশ কমিশনারকে ঘিরে সিবিআই তদন্তের সময় মুখ্যমন্ত্রীর ভূমিকার প্রসঙ্গ তোলেন। অভিযোগ করেন, তদন্তে বারবার বাধা সৃষ্টি করা হয়েছে এবং আদালতের কাজেও প্রভাব ফেলার চেষ্টা হয়েছে।জানুয়ারি মাসে আইপ্যাক অফিসে তল্লাশির ঘটনার পর এই মামলা শুরু হয়। সেই মামলার শুনানি এখন সুপ্রিম কোর্টে চলছে। বুধবারের পর বৃহস্পতিবারও শুনানিতে তুষার মেহতা বিস্তারিত সওয়াল করেন এবং একাধিক গুরুতর অভিযোগ তুলে ধরেন।

এপ্রিল ২৩, ২০২৬
রাজ্য

চারটার পরেই আগুন! বীরভূমে ভোটকেন্দ্রে তুমুল সংঘর্ষ, কেন্দ্রীয় বাহিনীকে মারধর

বীরভূমের খয়রাশোল এলাকায় ভোট চলাকালীন হঠাৎই পরিস্থিতি ভয়াবহ রূপ নেয়। বিকেল চারটার পর থেকেই অশান্তির আশঙ্কা ছিল বলে আগে থেকেই সতর্ক করেছিল নির্বাচন কমিশন। সেই আশঙ্কাই সত্যি হয়ে ওঠে। দুবরাজপুর বিধানসভার খয়রাশোল ব্লকের বুধপুর গ্রামের একটি বুথে আচমকাই উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এবং মুহূর্তের মধ্যে তা খণ্ডযুদ্ধে পরিণত হয়।স্থানীয় ভোটারদের অভিযোগ, ইভিএমে নির্দিষ্ট বোতাম চাপলেও অন্য প্রার্থীর পক্ষে ভোট চলে যাচ্ছে। প্রায় দুইশো ভোট পড়ার পর এই বিষয়টি ধরা পড়ে বলে দাবি করেন গ্রামবাসীরা। এই অভিযোগ ঘিরে ভোটারদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ তৈরি হয় এবং তাঁরা সঙ্গে সঙ্গে ভোট প্রক্রিয়া বন্ধ করার দাবি তোলেন। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠতেই ভোট বন্ধ করে দেওয়া হয় এবং প্রশাসনকে খবর দেওয়া হয়।খবর পেয়ে ইঞ্জিনিয়ারদের আসার কথা জানানো হয়। কিন্তু তার আগেই কেন্দ্রীয় বাহিনীর সঙ্গে স্থানীয়দের তীব্র বচসা শুরু হয়। অল্প সময়ের মধ্যেই তা সংঘর্ষে রূপ নেয়। অভিযোগ, স্থানীয়রা জওয়ানদের লক্ষ্য করে ইট-পাটকেল ছুড়তে শুরু করেন এবং মারধরও করা হয়। এই ঘটনায় কয়েকজন জওয়ান ও গাড়ির চালক আহত হন। বেশ কয়েকটি গাড়ি ভাঙচুর করা হয়।পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ঘটনাস্থলে বিশাল পুলিশ বাহিনী মোতায়েন করা হয়। জনতাকে ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশকে আগ্নেয়াস্ত্র উঁচিয়ে এগোতে দেখা যায়। গোটা এলাকায় এখনো চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে।

এপ্রিল ২৩, ২০২৬
রাজ্য

হাবড়া-অশোকনগরে মেট্রো! অমিত শাহের বড় ঘোষণা, স্বপ্ন না কি ভোটের প্রতিশ্রুতি?

হাবড়া ও অশোকনগরে মেট্রো চালুর প্রতিশ্রুতি ঘিরে নতুন করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে উত্তর চব্বিশ পরগনায়। বুধবার হাবড়ার একটি জনসভা থেকে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ঘোষণা করেন, এই দুই শহরে মেট্রো পরিষেবা চালু করার জন্য উদ্যোগ নেওয়া হবে। এই বক্তব্য সামনে আসতেই জল্পনা শুরু হয়েছে সর্বত্র।হাবড়ার বাণীপুর চৌমাথা সংলগ্ন আম্বেদকর মাঠে আয়োজিত সভায় তিনি দলীয় প্রার্থী দেবদাস মণ্ডল ও অশোকনগরের প্রার্থী সুময় হীরার সমর্থনে বক্তব্য রাখেন। সেখানেই তিনি জানান, মেট্রো চালু হলে হাবড়া ও অশোকনগরের পরিবহণ ব্যবস্থায় বড় পরিবর্তন আসবে। দীর্ঘদিনের যানজট সমস্যারও সমাধান হতে পারে বলে দাবি করেন তিনি।হাবড়া ও অশোকনগর, দুই এলাকাতেই প্রতিদিন প্রচুর মানুষের যাতায়াত হয়। বিশেষ করে হাবড়া একটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যবসায়ী কেন্দ্র। এখানে চালের বড় বাজার ও সুতির কাপড়ের হাট রয়েছে, যার জন্য বহু মানুষ প্রতিদিন এই শহরে আসেন। ফলে প্রায়ই তীব্র যানজট তৈরি হয়। স্থানীয় এক বাসিন্দার কথায়, মেট্রো চালু হলে মানুষের ভোগান্তি অনেকটাই কমবে।তবে এই ঘোষণার পরেই প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে বাস্তবতা নিয়ে। অনেকের মতে, এখনও পর্যন্ত বারাসত বা বারাকপুর পর্যন্ত প্রস্তাবিত মেট্রো প্রকল্পের কাজই শুরু হয়নি। জমি সংক্রান্ত সমস্যা ও অন্যান্য জটিলতায় দীর্ঘদিন ধরে এই প্রকল্প আটকে রয়েছে। সেই পরিস্থিতিতে হাবড়া পর্যন্ত মেট্রো পৌঁছনো আদৌ সম্ভব কি না, তা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করছেন অনেকেই।কলকাতায় দেশের প্রথম মেট্রো চালু হলেও পরবর্তী সময়ে খুব বেশি দূর পর্যন্ত তার সম্প্রসারণ হয়নি। সেই অভিজ্ঞতা থেকেই অনেকের মতে, হাবড়া ও অশোকনগরে মেট্রো পরিষেবা চালুর ঘোষণা আপাতত স্বপ্নের মতোই শোনাচ্ছে। তবে এই প্রতিশ্রুতি কতটা বাস্তবায়িত হবে, সেটাই এখন দেখার।

এপ্রিল ২৩, ২০২৬
রাজ্য

ভোটের দিনই তাণ্ডব! অগ্নিমিত্রা পালের গাড়িতে পাথরবৃষ্টি, ভাঙচুরের অভিযোগে উত্তাল আসানসোল

ভোটকে ঘিরে উত্তেজনা ক্রমশ বাড়ছে রাজ্যের বিভিন্ন জেলায়। মুর্শিদাবাদে জনতা উন্নয়ন পার্টির প্রার্থী হুমায়ুন কবীরের গাড়ি ভাঙচুরের অভিযোগের পর এবার আসানসোল দক্ষিণের বিজেপি প্রার্থী অগ্নিমিত্রা পালের গাড়িতে হামলার অভিযোগ উঠল। এই ঘটনায় নতুন করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়।অগ্নিমিত্রা পালের অভিযোগ, বার্নপুরের রহমত নগর এলাকায় তাঁর গাড়ির উপর আচমকা হামলা চালানো হয়। তিনি জানান, এলাকায় পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে গিয়ে একটি স্কুলে ঢুকেছিলেন। সেখান থেকে বেরিয়ে গাড়িতে ওঠার পরই তাঁর গাড়িকে লক্ষ্য করে পাথর ছোড়া শুরু হয়। চলন্ত গাড়ির পিছনে একের পর এক পাথর আঘাত হানে। তাঁর দাবি, তৃণমূলের আশ্রিত দুষ্কৃতীরাই এই হামলা চালিয়েছে। শুধু তাঁর গাড়িই নয়, সঙ্গে থাকা সাংবাদিকদের গাড়িতেও পাথর ছোড়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। ঘটনার পর তিনি থানায় গিয়ে অভিযোগ জানান।এ দিনের সকালেই আসানসোলের রানিগঞ্জ এলাকায় পুলিশ তাঁকে বাধা দেয় বলে অভিযোগ ওঠে। সেই সময় পুলিশের এক আধিকারিকের সঙ্গে তাঁর তীব্র বচসা হয়। নিমচা ফাঁড়ির ভারপ্রাপ্ত আধিকারিক নাসরিন সুলতানা জানান, নির্বাচন কমিশনের নিয়ম অনুযায়ী প্রার্থীর সঙ্গে নির্দিষ্ট সংখ্যার বেশি গাড়ি রাখা যাবে না। এই নিয়েই দুপক্ষের মধ্যে উত্তপ্ত পরিস্থিতি তৈরি হয়।এই ঘটনার কিছুক্ষণের মধ্যেই আবার অগ্নিমিত্রা পালের গাড়িতে হামলার অভিযোগ ওঠে। অন্যদিকে, একই দিনে মুর্শিদাবাদে হুমায়ুন কবীরের গাড়িতেও ভাঙচুর চালানো হয় বলে জানা গেছে। তাঁর গাড়ির কাচ সম্পূর্ণ ভেঙে দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ।রাজ্যের একাধিক জেলায় এভাবে প্রার্থীদের উপর হামলার ঘটনায় ভোটের পরিবেশ নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠছে।

এপ্রিল ২৩, ২০২৬
রাজ্য

ভোটের দিনেই বিস্ফোরক মন্তব্য! গুণ্ডামির অভিযোগে সরব শুভেন্দু

নন্দীগ্রামে ভোট দিয়ে বেরিয়েই সুর চড়ালেন বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী। নিজের বুথে ভোট দিয়ে তিনি দাবি করেন, বাংলায় পরিবর্তন হবেই। তাঁর কথায়, এবার যদি পরিবর্তন না হয়, তাহলে বাংলায় সনাতনবাদ বিপদের মুখে পড়বে। পাশাপাশি নির্বাচন কমিশনের কাজকে ভালো বললেও কিছু জায়গায় গুণ্ডামির অভিযোগ তোলেন তিনি। তাঁর দাবি, তাঁদের পোলিং এজেন্টকে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং এই ঘটনায় দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।শুভেন্দু অধিকারী দীর্ঘদিন ধরেই নন্দীগ্রামের ভোটার। প্রতি নির্বাচনের মতো এবারও তিনি নিজের বুথে গিয়ে ভোট দেন। এদিন সকালে ব্রজমোহন তিওয়ারি উচ্চ বিদ্যালয়ের বুথে গিয়ে ভোট দেন তিনি। ভোট দিয়ে বেরিয়ে এসে বুথ স্তরের এক কর্মীর ভূমিকা নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেন। তাঁর অভিযোগ, ভোটারদের প্রভাবিত করার চেষ্টা হচ্ছে। তিনি জানান, বিষয়টি নিয়ে সতর্ক করে এসেছেন।পরে তিনি আরও অভিযোগ করেন, কিছু হিন্দু ভোটারকে ভয় দেখানো হচ্ছে। এই পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন তিনি। উল্লেখ্য, নন্দীগ্রাম বরাবরই রাজনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ এবং স্পর্শকাতর কেন্দ্র। প্রতি নির্বাচনে এখানে উত্তেজনা দেখা যায়।এবারের নির্বাচনে নন্দীগ্রামে মূল লড়াই তৃণমূল কংগ্রেস এবং বিজেপির মধ্যে। একদিকে শুভেন্দু অধিকারী, অন্যদিকে তাঁর প্রাক্তন ঘনিষ্ঠ পবিত্র কর তৃণমূলের প্রার্থী। এই দুই প্রার্থীর লড়াই ঘিরে আগেই উত্তাপ বেড়েছিল। ভোটের দিন সকালে নিজেই ভোট দিয়ে পরে দলীয় কার্যালয়ের দিকে রওনা দেন শুভেন্দু।

এপ্রিল ২৩, ২০২৬
কলকাতা

ইডির সমনে হাজিরা দিতে হবে সুজিত বসুকে! হাইকোর্টে বড় রায়

পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় তৃণমূল প্রার্থী সুজিত বসুকে ঘিরে নতুন মোড়। এই মামলায় তাঁকে বারবার তলব করেছিল তদন্তকারী সংস্থা। তবে আপাতত কিছুটা স্বস্তি পেলেন তিনি। আদালত জানিয়ে দিয়েছে, এখনই হাজিরা দিতে হবে না, তবে নির্দিষ্ট দিনে হাজিরা দিতেই হবে।দুবছর আগে এই মামলায় চার্জশিট জমা পড়লেও সেখানে সুজিত বসুর নাম ছিল না। তবুও ভোটের আগে থেকে তাঁকে একাধিকবার তলব করা হয়। গত কয়েক সপ্তাহ ধরে তাঁকে বারবার সমন পাঠানো হচ্ছিল। একবার তিনি নিজে না গিয়ে নিজের ছেলেকে পাঠিয়েছিলেন, কিন্তু তা গ্রহণ করেনি তদন্তকারী সংস্থা।এরপর আবার তাঁকে নির্দিষ্ট দিনে হাজিরার জন্য ডাকা হয়। তিনি আদালতের দ্বারস্থ হয়ে আবেদন করেন, ভোট চলাকালীন তিনি প্রার্থী হওয়ায় এখন হাজিরা থেকে ছাড় দেওয়া হোক। তাঁর দাবি ছিল, ভোট শেষ হওয়ার পর তাঁকে ডাকা হোক। অন্যদিকে তদন্তকারী সংস্থার দাবি, তাঁকে বারবার ডাকা হলেও তিনি সহযোগিতা করছেন না।সব দিক বিবেচনা করে আদালত জানিয়েছে, আগামী ১ মে সকাল সাড়ে দশটায় তাঁকে হাজিরা দিতে হবে। নিজের জায়গায় অন্য কাউকে পাঠানো যাবে না। তবে যেহেতু তিনি ভোটে প্রার্থী, তাই এই সময়সীমা দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে আদালত।

এপ্রিল ২৩, ২০২৬
রাজ্য

হুমায়ুনকে ঘিরে তাণ্ডব! গাড়ি ভাঙচুর, বাঁশ ফেলে অবরোধ

ভোটের দিন মুর্শিদাবাদের নওদায় উত্তেজনা চরমে পৌঁছল। সকালে ১৭৩ এবং ১৭৪ নম্বর বুথের কাছে আম জনতা উন্নয়ন পার্টির প্রার্থী হুমায়ুন কবীরকে ঘিরে তৃণমূল কর্মীদের সঙ্গে ধস্তাধস্তি শুরু হয়। মুহূর্তের মধ্যে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। পুলিশ এবং কেন্দ্রীয় বাহিনী দ্রুত হস্তক্ষেপ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করে। এর প্রতিবাদে রাস্তার উপরেই চেয়ার পেতে বসে পড়েন হুমায়ুন কবীর।কিছুক্ষণের জন্য পরিস্থিতি শান্ত হলেও উত্তেজনা পুরোপুরি কাটেনি। প্রায় দুঘণ্টা রাস্তার উপর বসে থাকার পর সেখান থেকে বেরিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন তিনি। অভিযোগ, সেই সময় রাস্তার উপর বাঁশ ফেলে তাঁর গাড়ি আটকানোর চেষ্টা করা হয়। তাঁর কনভয়ে থাকা গাড়িতে ভাঙচুর এবং এজেন্টের গাড়িতে হামলার অভিযোগও ওঠে।এর পরেই আবার পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়ে যায়। দুই পক্ষের মধ্যে লাঠি ও বাঁশ নিয়ে সংঘর্ষ শুরু হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ এবং কেন্দ্রীয় বাহিনী লাঠিচার্জ করে। বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে এগিয়ে যান জওয়ানরা। শেষ পর্যন্ত কেন্দ্রীয় বাহিনীর নিরাপত্তায় এলাকা ছাড়তে সক্ষম হন হুমায়ুন কবীর।ঘটনার পর এলাকায় এখনও উত্তেজনা রয়েছে। ভোটের দিন এমন ঘটনায় প্রশ্ন উঠছে নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে।

এপ্রিল ২৩, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal