• ২৭ ভাদ্র ১৪৩৩, বুধবার ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

India

খেলার দুনিয়া

IPL : ব্যাটিং বিপর্যয় সামলে দুরন্ত জয় ধোনির দলের

মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের বিরুদ্ধে দুর্ধর্ষ ট্র্যাক রেকর্ড বজায় রাখল মহেন্দ্র সিং ধোনির চেন্নাই সুপার কিংস। দুবাইয়ে আইপিএলের দ্বিতীয় পর্বে ব্যাটিং বিপর্যয়ের পরও মুম্বই ইন্ডিয়ান্সকে সিএসকে হারাল ২০ রানে। ঋতুরাজ গায়কোয়াড়ের পাশাপাশি উজ্জ্বল অলরাউন্ডার ডোয়েইন ব্র্যাভো।চারমাস পর নাটকীয় পরিস্থিতির মধ্যে শুরু আইপিএলের দ্বিতীয় পর্ব। টস হওয়ার কিছুক্ষণ আগে জানা যায় চোটের জন্য খেলতে পারবেন না মুম্বই ইন্ডিয়ান্স অধিনায়ক রোহিত শর্মা। পরিবর্তে দলকে নেতৃত্ব দেবেন কিয়েরণ পোলার্ড। অন্যদিকে, মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের টিম হার্ডলে পেপ টক দিচ্ছেন সূর্যকুমার যাদব। কিছুক্ষণ পরই টিম লিস্টে চোখ রাখতেই দেখা গেল প্রথম একাদশে নেই হার্দিক পান্ডিয়া। টস জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেয় চেন্নাই সুপার কিংস। ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই ব্যাটিং বিপর্যয়। প্রথম ওভারেই ফাফ ডুপ্লেসিকে (০) হারায় চেন্নাই। তাঁকে তুলে নেন ট্রেন্ট বোল্ট। পরের ওভারেই আবার ধাক্কা। এবার অ্যাডাম মিলনের শিকার মঈন আলি (০)। ২ রানে ২ উইকেট হারানোর পরপরই চোট পেয়ে মাঠ ছাড়েন অম্বাতি রায়ুডু। প্রথম সাক্ষাতে এই তিনজনের ব্যাটিংয়েই বড় রান তুলতে সক্ষম হয়েছিল চেন্নাই সুপার কিংস। রায়ুডুর চোট বেশ গুরুতর। তৃতীয় ওভারে সুরেশ রায়নাকে (৪) তুলে নেন ট্রেন্ট বোল্ট। দুই কিউয়ি বোলারের দাপটে তখন দিশেহারা অবস্থা চেন্নাই সুপার কিংসের। ৩ ওভারে চেন্নাইয়ের রান দাঁড়ায় ৭/৩। ষষ্ঠ ওভারের শেষ বলে মিলনেই ফেরান মহেন্দ্র সিং ধোনিকে। ৫ বলে ৩ রানের বেশি করতে পারেননি চেন্নাই অধিনায়ক। ৬ ওভারে চেন্নাই সুপার কিংসের স্কোর দাঁড়ায় ৪ উইকেটে ২৪।এরপর রুখে দঁাড়ান রুতুরাজ গায়কোয়াড় ও রবীন্দ্র জাদেজা। দুজনে দলকে টেনে নিয়ে যান। ৪১ বলে হাফ সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন রুতুরাজ। জুটিতে ওঠে ৮১। দলের ১০৫ রানের মাথায় ব্যক্তিগত ২৬ (৩৩ বলে) রান করে আউট হন রবীন্দ্র জাদেজা। তিনি যশপ্রীত বুমরার বলে পোলার্ডের হাতে ক্যাচ দেন। ৫৮ বলে ৮৮ রানের দুরন্ত ইনিংস খেলে দলকে লড়াইয়ের জায়গায় পৌঁছে দেন রুতুরাজ। তিনি ৯টি ৪ এবং ৪টি ৬ মারেন। ব্র্যাভো ৮ বলে ২৩ রানের ঝোড়ো ইনিংস খেলেন। এই দুজনের দাপটে শুরুর বিপর্যয় কাটিয়ে ২০ ওভারে ১৫৬/৬ রান তোলে চেন্নাই।রোহিত শর্মার অভাব অনুভব করেছে মুম্বই ইন্ডিয়ান্স। ব্যাটসম্যান হিসেবে তো বটেই, অধিনায়ক হিসেবেও। কখনও মনেই হয়নি এই ম্যাচ মুম্বই বের করতে পারবে। সূর্যকুমার যাদব ৭, ঈশান কিষাণ ১১ করেন। রোহিত না থাকায় আনমোলপ্রীত সিংয়ের অভিষেক হয়, তিনি ১৬-র বেশি করতে পারেননি। কিয়েরন পোলার্ড ও অ্যাডাম মিলনে দুজনেই ১৫-র বেশি এগোতে পারেননি। ব্র্যাভোর তিন উইকেটের পাশাপাশি ১৯ রানে ২ উইকেট নেন দীপক চাহার।ব্যাট হাতে ৮ বলে ২৩ রানের ইনিংস খেলে ফারাক গড়েছিলেন ব্র্যাভো। বল হাতে তিনি চার ওভারে ২৫ রানের বিনিময়ে তুলে নিলেন ৩ উইকেট। চোটের কারণে সিপিএলে কয়েকটি ম্যাচে বোলিং করেননি। কিন্তু চেন্নাইয়ের হয়ে শততম ম্যাচটি স্মরণীয় করে রেখে নিজের পাররফরম্যান্সে খুশি ব্র্যাভো। জয়ের জন্য ১৫৭ রানের টার্গেট তাড়া করতে নেমে মুম্বই ইন্ডিয়ান্স করল ৮ উইকেটে ১৩৬। এবারের আইপিএলে প্রথম ম্যাচ খেলতে নেমে ঝাড়খণ্ডের সৌরভ তিওয়ারি সর্বাধিক ৪০ বলে ৫০ রান করে অপরাজিত থাকলেও দলকে জেতাতে ব্যর্থ। শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে ১৩৬/৮ তোলে মুম্বই।

সেপ্টেম্বর ২০, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Ravi Shastri : রবি শাস্ত্রীর দাবি, সঠিক সময়েই দায়িত্ব ছেড়ে যাচ্ছেন

এবছর টি২০ বিশ্বকাপের পরই ভারতীয় দলের হেড কোচ রবি শাস্ত্রীর কার্যকালের মেয়াদ শেষ। তাঁর হাতে আর নতুন করে দায়িত্ব তুলে দেওয়ার কথাও ভাবছে না ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড। বিরাট কোহলিদের হেড স্যারের দায়িত্ব অনিল কুম্বলের হাতে দেওয়ার ভাবনাচিন্তাও শুরু করেছেন বোর্ড কর্তারা। রবি শাস্ত্রীর দাবি, তিনি বোর্ডকে আগেই জানিয়েছিলেন বিশ্বকাপের পর আর কোচিং করাতে চান না। সঠিক সময়েই ছেড়ে যাচ্ছেন বলে মনে করছেন রবি শাস্ত্রী। কোচ হিসেবে যা যা চেয়েছিলেন সবকিছুই পেয়েছেন বলে বলে দাবি করেছেন তিনি।সংবাদ মাধ্যমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে শাস্ত্রী বলেছেন, আমি যা যা চেয়েছি, সবই পেয়েছি। ৫ বছর ধরে টেস্ট ক্রিকেটে ১ নম্বর। অস্ট্রেলিয়ায় দুবার সিরিজ জিতেছি, ইংল্যান্ডেও সিরিজ জিতেছি। কোভিড পরিস্থিতির মধ্যে অস্ট্রেলিয়ায় গিয়ে ওদের হারানো, ইংল্যান্ডকে হারানো, এ সবের চেয়ে বড় প্রাপ্তি আমার কাছে কিছু হতে পারে না। ইংল্যান্ডে টেস্ট সিরিজে আমরা ২১ ব্যবধানে এগিয়ে রয়েছি। লর্ডস ও ওভালে যেভাবে খেলেছি সত্যিই দুর্দান্ত। তিনি আরও বলেছেন, সাদা বলের ক্রিকেটেও প্রতিটি দেশে গিয়ে তাদের সিরিজ হারিয়ে এসেছি। টি২০ বিশ্বকাপ জিতলে সেটা অসাধারণ ব্যাপার হবে। এর থেকে বেশি কিছু চাই না। ভারতীয় বোর্ড কর্তারা তাঁকে আর হেড কোচের দয়িত্বে চাইছেন না। নিজের ভবিষ্যত বুঝে গেছেন শাস্ত্রী। তাই সম্মান নিয়েই সরে দাঁড়াচ্ছেন। এই প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আমি একটা কথা বিশ্বাস করি, যেখানে তোমাকে কেউ স্বাগত জানাবে না সেখানে মেয়াদ উত্তীর্ণ হওয়ার পর থাকা ঠিক নয়। দায়িত্ব যখন ছাড়তে চলেছি, প্রত্যাশার চেয়ে বেশি কিছু পেয়েই দায়িত্ব ছাড়ছি। কোভিডের মধ্যে অস্ট্রেলিয়ায় গিয়ে টেস্ট সিরিজ জেতা, ইংল্যান্ডে এগিয়ে থাকা আমার কাছে ভারতীয় ক্রিকেটে কাটানো চার দশকে সবচেয়ে তৃপ্তিদায়ক মুহূর্ত।ভারতীয় দলে করোনা সংক্রমণের জন্য তাঁর বই প্রকাশ অনুষ্ঠানকে দায়ী করা হলেও মানতে নারাজ শাস্ত্রী। বলেন, ওই অনুষ্ঠানে যাওয়া নিয়ে আমার কোনও আক্ষেপ নেই। হোটেলের ঘরে আবদ্ধ না থেকে ক্রিকেটাররাও যে কিছু মানুষের সঙ্গে সাক্ষাত করতে পেরেছিলেন সেটাও খুব ভালো দিক। ওভাল টেস্টে যে সিঁড়ি ক্রিকেটারদের ব্যবহার করতে হয়েছে সেটা আরও ৫ হাজার মানুষ ব্যবহার করেছেন। তাহলে শুধু বই প্রকাশ অনুষ্ঠানের দিকেই তাহলে কেন আঙুল তোলা হবে? ওই অনুষ্ঠানে ২৫০র মতো মানুষ উপস্থিত ছিলেন, তাঁদের কারও তো কোভিড হয়নি। বই প্রকাশ অনুষ্ঠানের জন্য আমার করোনা হয়নি। কেন না, ৩১ অগাস্ট ছিল বই প্রকাশ অনুষ্ঠান। আমার করোনা ধরা পড়ে ৩ সেপ্টেম্বর। আমার ধারণা, লিডসেই করোনা ভাইরাসের কবলে পড়ি। ১৯ জুলাই থেকে ইংল্যান্ডে সমস্ত বিধিনিষেধ তুলে নেওয়া হয়। হোটেল, লিফট সব কিছু স্বাভাবিক ছন্দে ফিরে আসে। কোনও বিধিনিষেধই ছিল না।

সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২১
খেলার দুনিয়া

RCB: ভারতীয় ক্রিকেটে বিরাট রাজত্ব শেষের পথে, নেতৃত্ব থেকে সরাতে পারে রয়্যাল চ্যালেজার্স

ভারতীয় ক্রিকেটে কি বিরাট রাজত্ব শেষের পথে? ইঙ্গিতটা স্পষ্ট। ওয়ার্কলোডের কথা ভেবে জাতীয় দলের টি২০ ক্রিকেটে নেতৃত্ব থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন। তবে একদিনের আন্তর্জাতিক ও টেস্টে দেশকে নেতৃত্ব দেওয়ার ইচ্ছার কথা জানিয়েছেন। যদিও ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের পক্ষ থেকে কোহলিকে নিশ্চয়তা দেওয়া হয়নি, একদিনের ক্রিকেটে তাঁকে নেতৃত্বে রাখা হবে কিনা। এই অবস্থায় জল্পনা শুরু হয়েছে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরে তাঁকে অধিনায়ক পদে রাখা হবে কিনা তা নিয়ে।আরও পড়ুনঃ রোহিতকে সহকারী চাননি, ভবিষ্যত বুঝেই নেতৃত্ব ছাড়ার সিদ্ধান্ত কোহলিরদীর্ঘদিন ধরে রয়্যাল চ্যালেজার্স ব্যাঙ্গালোরের নেতৃত্বে রয়েছেন বিরাট কোহলি। প্রতি বছর তারকাখচিত শক্তিশালী দল থাকা সত্ত্বেও রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরকে একবারও আইপিএল চ্যাম্পিয়ন করাতে পারেননি। এবারের আইপিএলে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স রয়েছে তিন নম্বরে। বিরাট যদি এবারও আইপিএল চ্যাম্পিয়ন করাতে না পারেন, তাহলে তিনি কি আইপিএলেও অধিনায়কত্ব ধরে রাখতে পারবেন? প্রশ্নটা উঠেই গেছে। সামনের বছর আইপিএলের জন্য জানুয়ারিতে মেগা নিলাম হওয়ার কথা। বিরাটের নেতৃত্বে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স এবারও যদি চ্যাম্পিয়ন হতে না পারে তাহলে হয় তিনি নিজেই অধিনায়কত্ব ছাড়বেন, নয়তো তাঁকে সরিয়ে দেওয়া হতে পারে।ভারতীয় দলের মতো রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরেও উত্তরসূরী তৈরি না করার রণকৌশল নিয়েছেন কোহলি। যাতে তাঁর পথ কণ্টকাকীর্ণ না হয়ে ওঠে। কিন্তু এটা তো আর দেশের খেলা নয়, ফ্র্যাঞ্চাইজি দল। সুতরাং নিলামে নেতৃত্ব দেওয়ার মতো দক্ষতাসম্পন্ন ক্রিকেটার নেওয়ার সুযোগ বাক্যে। এবি ডিভিলিয়ার্সকেও দায়িত্ব দেওয়ার কথা ভাবতে শুরু করেছেন রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স কর্তারা। অথবা এমন কাউকে বেছে নিতে পারেন যিনি বয়সে নবীন এবং বেশ কয়েক বছর দলকে নেতৃত্ব দিতে পারেন।আরও পড়ুনঃ নীরজ চোপড়ার সোশ্যাল মিডিয়ায় স্টক ভ্যালু ৪২৮ কোটি টাকা! কলকাতায় মজে গেলেন বাঙালী খানায়বিরাট কোহলি আইপিএলে ১৩২টি ম্যাচে নেতৃত্ব দিয়ে জিতেছেন ৬০টি ম্যাচে, হেরেছেন ৬৫টিতে। শতকরা হার ৪৮.০৪। জেতার শতকরা হারের নিরিখে অনেকের চেয়েই পিছিয়ে কোহলি। আইপিএলের সফলতম দল মুম্বই ইন্ডিয়ান্সে রোহিত শর্মার সাফল্যের শতকরা হার ৬০.১৬ শতাংশ, মহেন্দ্র সিং ধোনির ৫৯.২৭ শতাংশ, গৌতম গম্ভীরের ৫৫.৪২ শতাংশ। ধোনি আইপিএলে ১৯৫টি ম্যাচে নেতৃত্ব দিয়েছেন। গম্ভীর ১২৯টি ম্যাচে নেতৃত্ব দিয়েছেন এবং রোহিত শর্মা আইপিএলে নেতৃত্ব দিয়েছেন ১২৩টি ম্যাচে। এই চারজনই একশোর বেশি ম্যাচে নিজেদের ফ্র্যাঞ্চাইজির অধিনায়ক হিসেবে খেলেছেন।আরও পড়ুনঃ কোহলিদের পাশে সৌরভ, শাস্ত্রীদের কোনও শাস্তি হচ্ছে নারয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স তিনবার ফাইনালে উঠে চ্যাম্পিয়ন হতে পারেনি। তিনবার বিদায় নিয়েছে প্লে অফ থেকেই। এই পরিস্থিতিতে বিরাট আইপিএলের অধিনায়কত্ব ধরে রেখে ভারতের টি২০ নেতৃত্ব ছাড়ায় অবাক হয়েছেন অনেকেই। প্রাক্তন ভারত অধিনায়ক সুনীল গাভাসকর বলেছেন, দেশের নেতৃত্ব কোহলি ছেড়েছে, কিন্তু রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরের নেতৃত্ব কোন যুক্তিতে ধরে রেখেছে বোধগম্য নয়। প্রাক্তন ভারত অধিনায়ক দিলীপ বেঙ্গসরকার বলেছেন, রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স কোহলিকে অনেক সময় দিয়েছে। বিশ্বমানের ব্যাটিং লাইন-আপ, বোলিং লাইন-আপ নিয়েও কোহলি যদি রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্সকে কাঙ্ক্ষিত খেতাব জেতাতে না পারে তাহলে নেতৃত্বে রদবদল দোষের কিছু নয়। আইপিএল শুরুর আগে সেই চাপ নিয়েই নামতে হবে বিরাটকে। কোহলি ভারতের সিনিয়র দলের হয়ে এখনও অবধি কোনও আইসিসি ট্রফি জেতেননি। অনূর্ধ্ব ১৯ বিশ্বকাপ জিতেছিলেন শুধু। রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরের হয়েও ব্যর্থ। টিম ম্যানেজমেন্টও ভাবতে শুরু করেছে। পরের আইপিএলে কোহলিকে নেতৃত্বে না দেখলে অবাক হওয়ার কিছু থাকবে না।

সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Captain: রোহিতকে সহকারী চাননি, ভবিষ্যত বুঝেই নেতৃত্ব ছাড়ার সিদ্ধান্ত কোহলির

ঝুলি থেকে এবার আস্তে আস্তে বিড়াল বার হতে শুরু করেছে। ভারতীয় শিবিরের অন্দরমহলে ঠান্ডা লড়াই যে অনেকদিন ধরে চলছিল, আগেই বোঝা গিয়েছিল। এবার সেই অন্দরমহলের খবর বাইরে আসতে শুরু করেছে। বিরাট কোহলির সংসারে বিভাজন তৈরি হয়েছিল। শাক দিয়ে মাছ ঢাকার চেষ্টা করেছিলেন হেড কোচ রবি শাস্ত্রী। অবস্থা এমন জায়গায় পৌঁছেছিল যে নিজের আধিপত্য আরও কায়েম করতে বিরাট কোহলি নির্বাচকদের প্রস্তাব দিয়েছিলেন রোহিত শর্মাকে সহ অধিনায়কের দায়িত্ব থেকে সরানোর জন্য। যেটা একেবারেই ভালভাবে নেননি নির্বাচকরা এবং ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের কর্তারা।টি২০ বিশ্বকাপের আগে বিরাট কোহলির সঙ্গে ভার্চুয়াল বৈঠক করেছিলেন নির্বাচকরা। সেই বৈঠকের আগে কোহলি নির্বাচকদের ও বোর্ড কর্তাদের প্রস্তাব দিয়েছিলেন, বিশ্বকাপে ঋষভ পন্থকে সহ অধিনায়ক করা হোক। আর একদিনের ক্রিকেটে লোকেশ রাহুলকে। নির্বাচক ও বোর্ড কর্তারা কোহলির কোনও প্রস্তাবই মেনে নেননি। টি২০ বিশ্বকাপে রোহিত শর্মাকেই বেছে নেওয়া হয়েছে। বোর্ড কর্তারা কোহলিকে পরিস্কার বুঝিয়ে দিয়েছেন তিনিই শেষ কথা নন। নিজের ব্যাটিংয়ে মনোযোগ দেওয়ার কথা বললেও আসলে ভবিষ্যত বুঝতে পেরেই টি২০ বিশ্বকাপের পর এই ফরম্যাটের নেতৃত্ব ছেড়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন কোহলি।সবকিছু ঠিকঠাক চললে টি২০ বিশ্বকাপের পর রোহিত শর্মার হাতেই নেতৃত্ব তুলে দিতে চলেছে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড। স্টপগ্যাপ অধিনায়ক হিসেবে দেশকে সাফল্য এনে দিয়েছেন রোহিত শর্মা। আইপিএলে তিনি সবচেয়ে বেশি পাঁচবার চ্যাম্পিয়ন করেছেন মুম্বই ইন্ডিয়ান্সকে। অনেকদিন ধরেই রোহিতকে সীমিত ওভারের ক্রিকেটে অধিনায়ক করার কথা আলোচিত হচ্ছিল ভারতীয় ক্রিকেটে। কিন্তু রবি শাস্ত্রীর সঙ্গে বিরাট কোহলির সম্পর্কর জন্যই কোহলি নেতৃত্বে থেকে গেছেন। গত অস্ট্রেলিয়া সফর থেকেই চাকা ঘুরতে শুরু করে বিরাটের বিপক্ষে।আরও পড়ুনঃ মালদা মেডিক্যাল কলেজে আরও ২ শিশুর মৃত্যু, বাড়ছে আতঙ্কভারতীয় ড্রেসিংরুমে বিরাট বিরোধী হওয়ায় প্রবল। প্রকাশ্যে মুখ না খুললেও অনেকেই কোহলির আচরণে অসন্তুষ্ট। যদি কোনও সফরে অনুষ্কা শর্মা সঙ্গে থাকেন, তাহলে তো কথাই নেই। অন্য সময়ও যখন তখন কোহলির সঙ্গে মাঠের বাইরে দেখা করা, কথা বলা বা হাল্কা মেজাজে সময় কাটাতে পারেন না সতীর্থ ক্রিকেটাররা। কোচ, নির্বাচক, সাপোর্ট স্টাফ ও বিসিসিআই কর্তাদের আস্থা অর্জন করে বিরাট ভারতীয় দলে একনায়কতন্ত্র বা স্বেচ্ছাচারিতাও শুরু করেন বলে অভিযোগ। তিনি এমন কৌশল নিয়েছিলেন যাতে অধিনায়ক হিসেবে তাঁর উত্তরসূরী কেউ তৈরি হতে না পারেন। ২০১৯ সালের বিশ্বকাপে পাকাপাকিভাবে চার নম্বর পজিশনের ব্যাটসম্যান হিসেবে কাউকে তৈরি করতে চাননি বিরাট। আইসিসি বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে দুই স্পিনার নিয়ে খেলতে নামা কিংবা ইংল্যান্ডে টেস্ট সিরিজে এক নম্বর স্পিনার রবিচন্দ্রন অশ্বিনকে বসিয়ে রাখাও বিরাটেরই স্বেচ্ছাচারিতার নমুনা বলে জানা যাচ্ছে। অস্ট্রেলিয়া সফরে এডিলেড টেস্টের আগেও বিরাটের হাতেই ছিল নিয়ন্ত্রণ। কিন্তু তা আলগা হতে শুরু করে ৩৬ রানে অল আউট হয়ে টেস্ট হারার পর। এরপর পিতৃত্বকালীন ছুটি নিয়ে বিরাট দেশে ফিরতেই এককাট্টা হয়ে গোটা দল অস্ট্রেলিয়ায় সিরিজ জয় নিশ্চিত করে। এতেই বিরাটের প্রতি দলের অনাস্থা প্রকাশ্যে আসতে থাকে।আরও পড়ুনঃ খড়ের পালুইয়ে বোমা উদ্ধার ঘিরে চাঞ্চল্য রায়নায়কোহলি নিশ্চিতভাবেই বুঝছিলেন, আজ নয় কাল তাঁর সাদা বলের অধিনায়কত্ব চলে যাচ্ছেই। একটিও আইসিসি ইভেন্টে দলকে চ্যাম্পিয়ন করাতে পারেননি কোহলি। টি ২০ বিশ্বকাপেও খারাপ কিছু হলে এমনিতেই অধিনায়কত্ব যেত। আগেভাগেই সরে দাঁড়ানোর কথা ঘোষণা করে কিছুটা মুখরক্ষা করলেন এবং নিজের উপর চাপ কমালেন।

সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২১
দেশ

Modi's Birhtday: নানা কর্মসূচির মাধ্যমে দেশজুড়ে প্রধানমন্ত্রীর ৭১তম জন্মদিন পালন

আজ প্রধানমন্ত্রীর ৭১ তম জন্মদিন। দেশব্যাপী পালিত হচ্ছে প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিন। বারাণসী থেকে পশ্চিমবঙ্গ, সর্বত্র মোদির জন্মদিন উপলক্ষে সেবা ও সমর্পণ অভিযান পালন করবে বিজেপি শিবির। প্রতি বছর এক সপ্তাহের জন্য সেবা দিবসে বিভিন্ন সমাজসেবামূলক কাজ করা হয় গেরুয়া শিবিরের পক্ষ থেকে। এই বছর তা বাড়িয়ে টানা ২০ দিনের মেগা কর্মসূচিতে দেশজুড়ে কোমর বেঁধে নামছে বিজেপি নেতৃত্ব। ১৭ সেপ্টেম্বর থেকে ৭ অক্টোবর পর্যন্ত চলবে কর্মসূচি।আরও পড়ুনঃ অজানা জ্বরের কারণ জানতে কড়া নির্দেশ মুখ্যমন্ত্রীরদেশজুড়ে একদিনে কমপক্ষে দেড় কোটি মানুষকে টিকা দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে দলের হাইকম্যান্ডের পক্ষ থেকে। শুধু তাই নয়, কুড়ি দিনব্যাপী বিভিন্ন স্বাস্থ্যশিবির, সচেতনতা অভিযান ও রক্তদান শিবিরের আয়োজন, প্রায় ১৪ কোটি গরিবদের বিনামূল্যে রেশন প্রদানের পরিকল্পনা নিয়েছে বিজেপি। পাশাপাশি এদিন মোদির ২০ বছরের রাজনৈতিক যাত্রার নিয়ে চিত্রপ্রদর্শনীর উদ্বোধন করবেন বিজেপি সভাপতি জেপি নাড্ডা।এছাড়াও নমোর জন্মদিন উপলক্ষ্যে বারাণসীর ভারত মাতা মন্দিরে ৭১ হাজার মাটির প্রদীপ জ্বালানো হবে। প্রধানমন্ত্রীর ছবি দেওয়া প্রায় ৫ কোটি পোস্টকার্ড পাঠানো হবে দেশের বিভিন্ন পোস্ট অফিস থেকে। কয়েকদিন আগেই এ রাজ্যে দিলীপ ঘোষ জানান, ৭১টি জায়গায় গঙ্গার ঘাট সাফাই, ক্যুইজ প্রতিযোগিতার আয়োজন-সহ নমো অ্যাপের মাধ্যমে মোদির জন্মদিনের নানান মুহূর্ত দেখানো হবে।জন্মদিনে মোদির পাওয়া উপহার ই-নিলামে তুলবে সংস্কৃতি মন্ত্রক। অলিম্পিক্স ও প্যারালিম্পিরক্সে পদকজয়ীদের সরঞ্জাম, অযোধ্যার রাম মন্দিরের ছোট সংস্করণ-সহ একাধিক উপহার পেয়েছেন মোদি। আর সেই সমস্ত উপহার নিলামে বিক্রি করে প্রাপ্ত অর্থ নমামি গঙ্গা প্রকল্পে অনুদান তহবিলে দান করা হবে বলে জানিয়েছে কেন্দ্রীয় সংস্কৃতি মন্ত্রক।

সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Sourav Ganguly : কোহলিদের পাশে সৌরভ, শাস্ত্রীদের কোনও শাস্তি হচ্ছে না

ম্যাঞ্চেস্টারের ওল্ড ট্র্যাফোর্ডে বাতিল হওয়া ভারতইংল্যান্ড পঞ্চম টেস্টের ভবিষ্যৎ কী হবে তা নিয়ে শুরু হয়েছে জল্পনা। বিরাট কোহলিরা খেলতে না চাওয়ায় তাঁদের সিদ্ধান্ত নিয়ে চারিদিকে সমালোচনা শুরু হয়েছে। সমালোচনা হলেও ভারতীয় বোর্ড প্রেসিডেন্ট সৌরভ গাঙ্গুলি অবশ্য ক্রিকেটারদের পাশে দাঁড়িয়েছেন। এমনকী রবি শাস্ত্রীদের বই প্রকাশ অনুষ্ঠানে যাওয়াতে কোনও ভুল দেখছেন না। কোনও শাস্তির রাস্তাতেও হাঁটছে না ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড। কোহলিদের পাশে দাঁড়িয়ে সৌরভ বলেছেন, করোনা আতঙ্কেই ক্রিকেটাররা খেলতে চায়নি। ওদের দোষ দেওয়া যায় না। নীতিন প্যাটেল আইসোলেশনে যাওয়ার পর দলের একমাত্র ফিজিও হিসেবে ছিলেন যোগেশ পারমার। স্বাভাবিকভাবেই ক্রিকেটাররা ওর সংস্পর্শে এসেছিল। এমনকী ক্রিকেটারদের করোনা পরীক্ষাও পারমারই করিয়েছিল। সব ক্রিকেটারদের মধ্যে যোগাযোগ রক্ষা করছিল পারমারই। পারমার করোনা আক্রান্ত হতেই দলের ক্রিকেটাররা বিধ্বস্ত হয়ে পড়ে। তাদের মধ্যে আশঙ্কা দেখা দেয় তারাও সংক্রমিত হয়েছে কিনা। সেই ভাবনা থেকেই ভীতির সঞ্চার হয়। জৈব সুরক্ষা বলয়ে থাকা এমনিতেই খুব কঠিন। তাই ক্রিকেটারদের অনুভূতিকে মর্যাদা দিতেই হত। আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত ইংল্যান্ড ক্রিকেট বোর্ডেরও পাশে দাঁড়াচ্ছে ভারতীয় বোর্ড। প্রেসিডেন্ট সৌরভ গাঙ্গুলি বলেছেন, ওল্ড ট্র্যাফোর্ড টেস্ট বাতিল হওয়ায় ইংল্যান্ড ক্রিকেট বোর্ড বিপুল আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছে। এটা সামাল দেওয়া সহজ নয়। আগামী বছরও যদি টেস্টটি আয়োজন করা হয় তাহলে সেটি একটি টেস্ট হিসেবেই গণ্য করা হবে। এই সিরিজের অন্তর্গত হবে না। বোর্ডের অনুমতি ছাড়াই ক্রিকেটারদের নিয়ে টিম হোটেলে বই প্রকাশ অনুষ্ঠানে গিয়েছিলেন রবি শাস্ত্রী। সেই প্রসঙ্গে সৌরভ বলেন, বই প্রকাশ অনুষ্ঠানে যাওয়ার জন্য শাস্ত্রী, কোহলিরা বোর্ডের কাছ থেকে অনুমতি নেয়নি। কতদিন হোটেলের ঘরে আবদ্ধ থাকা যায়? দিনের পর দিন একই ঘরে আটকে থাকা সম্ভব নয়। হোটেল থেকে মাঠ, মাঠ থেকে হোটেলের ঘরে নিজেকে আবদ্ধ করে রাখা দীর্ঘদিন চলতে পারে না। বায়ো বাব্লে দীর্ঘ সময় থাকা সম্ভব নয়। এক বছর ধরে ক্রিকেটার ও সাপোর্ট স্টাফরা জৈব সুরক্ষা বলয়ে রয়েছেন। এটা মজার ব্যাপার নয়। শরীর ও মনের উপর প্রভাব পড়ে। ভারতীয় দলের সকলেই মানুষ এটা তো অস্বীকারের উপায় নেই। ইংল্যান্ড থেকে আবার সংযুক্ত আমিরশাহীর জৈব সুরক্ষা বলয়ে ঢুকে পড়েছে ক্রিকেটাররা। আবার কোয়ারান্টিন, আবার বায়ো বাবল। এরপর টি ২০ বিশ্বকাপের বায়ো বাবল। এটা সহজ ব্যাপার নয়। সেখান থেকে বেরিয়ে আসারও প্রয়োজন রয়েছে। ভারতীয় বোর্ড শাস্ত্রীদের বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থা নেবে না বলেও জানিয়েছেন সৌরভ। এদিকে, ম্যাঞ্চেস্টারে পঞ্চম টেস্ট বাতিল হওয়ায় বড় আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছে ইংল্যান্ড ক্রিকেট বোর্ড। ক্ষতি পুষিয়ে দিতে পরের বছর নির্ধারিত ম্যাচ ছাড়াও ২টি অতিরিক্ত টি২০ ম্যাচ খেলার প্রস্তাব দিল ভারতীয় বোর্ড। ২০২২এর জুলাইয়ে ৩টি করে একদিনের ও টি২০ খেলতে ইংল্যান্ড যাবে ভারত। সে সময় টি২০ সিরিজ বাড়ানোর প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে ভারতের পক্ষ থেকে। বিষয়টি সম্প্রচারকারী টিভি চ্যানেলের ওপর নির্ভর করছে। ম্যাঞ্চেস্টার টেস্টের জন্য ভারতীয় মুদ্রায় প্রায় সাড়ে ১৮ কোটি টাকা বিনিয়োগ করেছিল তারা। ২টি টি২০তে সেই টাকা ওঠার সম্ভাবনা কম।

সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২১
খেলার দুনিয়া

I‌nd vs Eng Manchester Test : বাতিল টেস্ট ম্যাচ নিয়ে আইসিসি–কে চিঠি ইংল্যান্ড ক্রিকেট বোর্ডের

করোনা আতঙ্কে ভারতীয় ক্রিকেটাররা ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে সিরিজের শেষ টেস্ট খেলতে চাননি। দুই দেশের ক্রিকেট বোর্ড নিজেদের মধ্যে আলোচনা করে ওল্ড ট্রাফোডের টেস্ট বাতিল করেছিল। বাতিল হওয়া পঞ্চম টেস্ট ফের কবে অনুষ্ঠিত হবে, তা নিয়ে ভাবনাচিন্তা শুরু হয়েছে। ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড ও ইংল্যান্ড ক্রিকেট বোর্ড দফায় দফায় আলোচনায় বসেও কোনও সিদ্ধান্তে আসতে পারেনি। বল ঠেলে দেওয়া হয়েছে আইসিসি-র কোর্টে। বাতিল হওয়া ওল্ড ট্র্যাফোর্ড টেস্ট কবে ফের আয়োজন করা যায়, তার সমাধানসূত্র বের করতে ইংল্যান্ড ক্রিকেট বোর্ডের পক্ষ থেকে বিশ্বের সর্বোচ্চ ক্রিকেট নিয়ামক সংস্থাকে চিঠি দেওয়া হয়েছে। ইংল্যান্ড ক্রিকেট বোর্ডের মুখপাত্র এ খবর জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, আমরা আইসিসিকে চিঠি দিয়েছি বাতিল হওয়া টেস্ট ম্যাচের ভবিষ্যত জানতে চেয়ে।আরও পড়ুনঃ ২০০৮ সালের ২৬/১১র প্রসঙ্গ কেন তুললেন গাভাসকার?ইংল্যান্ড সফরের শেষদিকে ভারতীয় শিবিরে থাবা বসিয়েছিল করোনা ভাইরাস। চতুর্থ টেস্ট চলাকালীনই ভারতীয় দলের হেড কোচ রবি শাস্ত্রীর করোনা পরীক্ষার রিপোর্ট পজিটিভ আসে। শাস্ত্রীর সংস্পর্ষে আসা আরও তিন সাপোর্ট স্টাফকে লন্ডনের টিম হোটেলে আইসোলেশনে থেকে যেতে হয়। বাকি দল পঞ্চম টেস্ট খেলতে ম্যাঞ্চেস্টার রওয়া হয়। কিন্তু ওল্ড ট্র্যাফোর্ড ভারত ও ইংল্যান্ডের মধ্যে পঞ্চম টেস্ট শুরু হওয়ার আগে সহকারী ফিজিও যোগেশ পারমারের করোনা পরীক্ষার রিপোর্ট পজিটিভ আসে। এরফলে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন ক্রিকেটাররা। কোহলিরা খেলতে না চাওয়ায় ম্যাঞ্চেস্টার টেস্ট বাতিল করা হয় বলে শোনা যাচ্ছে। এ ব্যাপারে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড ও ইংল্যান্ড ক্রিকেট বোর্ডের পক্ষ থেকে আলাদা আলাদা বিবৃতি জারি করা হয়েছে।আরও পড়ুনঃ কী হবে ভারতইংল্যান্ড বাতিল টেস্টের ভবিষ্যত?ওল্ড ট্র্যাফোর্ড টেস্ট বাতিল হয়ে গেলেও সিরিজে ২১ ব্যবধানে এগিয়ে রয়েছে ভারত। বাতিল হওয়া ম্যাচ ফের খেলা হলে ভালো, না হলে বিজয়ী ভারতকে ঘোষণা করা হবে, নাকি ইংল্যান্ডের পক্ষে ২২ ফলাফলে সিরিজে ইতি টানা হবে, তা নিয়ে আলোচনা চলছে। ২০২২ সালে আবার ইংল্যান্ড সফরে যাবে ভারতীয় ক্রিকেট দল। ১ জুলাই ওল্ড ট্রাফোর্ডে প্রথম টি২০ ম্যাচে মুখোমুখি হবে ভারত ও ইংল্যান্ড। দুই দলের মধ্যে পরের দুটি টি২০ ম্যাচ ট্রেন্টব্রিজ ও সাউদাম্পটনে অনুষ্ঠিত হবে। ৩ ও ৬ জুলাই হবে এই দুটি ম্যাচ। এরপর ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে তাদেরই মাটিতে তিন ম্যাচের ওয়ান ডে সিরিজ খেলবে ভারতীয় ক্রিকেট দল। ৯, ১২ এবং ২৪ জুলাই যথাক্রমে এজবাস্টন, কিয়া ওভাল ও লর্ডসে হবে মোকাবিলা। তারই ফাঁকে করোনা ভাইরাসের জেরে বাতিল হয়ে যাওয়া ভারত ও ইংল্যান্ড ওল্ড ট্র্যাফোর্ড টেস্ট আয়োজন করা সম্ভব কিনা, সে ব্যাপারে আই সি সির সিদ্ধান্তের দিকে তাকিয়ে ইংল্যান্ড ক্রিকেট বোর্ড।

সেপ্টেম্বর ১২, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Sunil Gavaskar : ২০০৮ সালের ২৬/‌১১–র প্রসঙ্গ কেন তুললেন গাভাসকার?‌

ভারতীয় দলের ফিজিও যোগেশ পারমারের করোনা পরীক্ষার রিপোর্ট পজিটিভ আসায় ম্যাঞ্চেস্টারে ভারত ও ইংল্যান্ড পঞ্চম টেস্ট নিয়ে প্রথমে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছিল। পরে ক্রিকেটারদের সঙ্গে আলোচনা করে টেস্ট না খেলার সিদ্ধান্ত নেয় ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড। জানা গেছে, আতঙ্কেই খেলতে চাননি ক্রিকেটাররা। ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড চায় ভবিষ্যতে বাতিল হওয়া টেস্ট ম্যাচ খেলতে। ইংল্যান্ড ক্রিকেট বোর্ডও এই ব্যাপারে সম্মতি জানিয়েছে। যদিও এই টেস্ট ম্যাচটি সিরিজের অংশ হবে না। বাতিল হওয়া টেস্ট আবার খেলা হবে, আর দুই দেশের ক্রিকেট বোর্ডের এই সিদ্ধান্তকে প্রশংসা করেছেন ভারতের প্রাক্তন অধিনায়ক সুনীল গাভাসকার। আর এই ব্যাপারে তিনি উদাহরণ তুলে ধরেছেন, ২০০৮ সালের ২৬/১১র ঘটনা। মুম্বইয়ে সন্ত্রাস বাদী হামলার জন্য একদিনের সিরিজের দুটি ম্যাচ বাতিল হয়েছিল। পরে ভারতে এসে ইংল্যান্ড ওই দুটি ম্যাচ খেলেছিল। এই প্রসঙ্গে সুনীল গাভাসকার বলেছেন, দুই দেশের বোর্ড যে আবার বাতিল হওয়া টেস্ট ম্যাচ খেলতে রাজি হয়েছে, আমি মনে করি এটি সঠিক পদক্ষেপ হবে। ২০০৮ সালে ২৬/১১ সন্ত্রাস বাদী হামলার পর ইংল্যান্ড দল যা করেছিল তা আমাদের কখনই ভুলে যাওয়া উচিত নয়। সিরিজ শেষ করতে ওরা আবার পরে ফিরে এসেছিল। ইংল্যান্ড দল তখন বলতে পারত যে, ওরা ভারতকে নিরাপদ বোধ করছে না। আবার খেলতে ফিরে আসবে না। ইংল্যান্ড কিন্তু তা করেনি। সন্ত্রাসবাদীরা যখন মুম্বই আক্রমণ করেছিল, তারপরই সফরকারী ইংল্যান্ড দলের সঙ্গে ভারতের কটকে ম্যাচ ছিল। হামলার কারণে শেষ ২ টি একদিনের ম্যাচ বাতিল হয়েছিল। ইংল্যান্ড তাৎক্ষণিকভাবে দেশে ফিরে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। কিন্তু পরে দুই টেস্টের সিরিজ খেলতে ফিরে আসে। যে সিরিজে ভারত ১-০ ব্যবধানে জিতেছিল। সিরিজ শেষ করার ব্যাপারে তৎকালীন ইংল্যান্ড অধিনায়ক কেভিন পিটারসেনের ভূয়সী প্রশংসা করেছেন সুনীল গাভাসকার। তিনি বলেন, কখনই ভুলে যাওয়া উচিত নয় যে কেভিন পিটারসেন সেই দলের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন এবং এই সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রে তিনিই ছিলেন প্রধান ব্যক্তি। কেভিন পিটারসেন যদি সেই সময়ে ভারতে আসতে অস্বীকার করতেন, তাহলে সফরটি সেখানেই শেষ হয়ে যেত। ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের পুনরায় ম্যাচ খেলার প্রস্তাবের কথা উল্লেখ করে সুনীল গাভাসকার বলেন, বাতিল টেস্ট আগামী বছর ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের পর অনুষ্ঠিত হতে পারে।

সেপ্টেম্বর ১১, ২০২১
খেলার দুনিয়া

MS Dhoni : ধোনির নামে আইনি নোটিশ!‌ কেন?‌

হাউজিং কমপ্লেক্সে ফ্ল্যাটের টাকা বাকি মহেন্দ্র সিং ধোনির! আর বকেয়া মেটানোর জন্য আইনি নোটিশ? হ্যাঁ, শুনতে খারাপ লাগলে এটাই বাস্তব। প্রাক্তন ভারতীয় দলের অধিনায়ক মহেন্দ্রে সিং ধোনি এবং আম্রপালি হাউজিং প্রকল্পের ১৮০০ বাড়িওয়ালাকে ২ সপ্তাহের মধ্যে বকেয়া পাওনা পরিশোধ করার নির্দেশ দিয়েছেন সুপ্রিম কোর্ট নিযুক্ত রিসিভার, সিনিয়র আইনজীবী আর ভেঙ্কটারামানি। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বকেয়া পাওনা না মেটালে ক্রেতারা যে ফ্ল্যাট বুকিং করেছিলেন, তা বাতিল করা হবে বলে নোটিশে জানানো হয়েছে। নয়ডায় সেক্টর ৪৫এ আম্রপালি হাউজিং প্রকল্পের ব্র্যান্ড অ্যাম্বসাডর ছিলেন মহেন্দ্রে সিং ধোনি। তিনি এই প্রকল্পে দুটি ফ্ল্যাট বুক করেছিলেন। এই ফ্ল্যাটগুলি হল সেফার ফেজ ১ নম্বরে সিপি ৫ এবং সিপি ৬। ধোনির সমস্ত কিছু যারা দেখাশোনা করে সেই রিতি স্পোর্টস ম্যানেজমেন্টের চেয়ারম্যান অরুণ পান্ডেও এই আম্রপালি প্রকল্পে ফ্ল্যাট বুক করেছিলেন। ধোনির মতো তাঁরও বকেয়া রয়েছে। তাঁকেও নোটিশ পাঠানো হয়েছে।প্রকল্প স্থগিত হয়ে যাওয়ায় ২০১৬ সালের এপ্রিল মাসে আম্রপালির ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসাডর পদ থেকে পদত্যাগ করেছিলেন ধোনি। আম্রপালি স্টলড প্রজেক্টস ইনভেস্টমেন্ট রিকনস্ট্রাকশন এস্টাব্লিশমেন্ট (ASPIRE) নামে একটি সংস্থাও তৈরি করা হয়েছিল যাতে নয়ডা এবং বৃহত্তর নয়ডা এলাকায় স্থগিত প্রকল্পগুলির কাজ সম্পন্ন করা যায়। রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন এনবিসিসিকে (NBCC) ২০ হাজার কোটি টাকার বাজেটে ২০ টিরও বেশি আবাসন প্রকল্পের নির্মাণ কাজ সম্পন্ন করতে বলা হয়েছে। এই প্রকল্পটিকে আদালত নিযুক্ত কমিটির আওতায় নিয়ে আসা হয়েছে।আম্রপালি প্রকল্পগুলি সুপ্রিম কোর্টের অধীনে আদালত নিযুক্ত কমিটির আওতায় নেওয়ার পরে, সমস্ত ফ্ল্যাটের ক্রেতাদের বিবরণ নিবন্ধন করতে এবং বকেয়া অর্থ প্রদানের জন্য বলা হয়েছিল। আদালত ২০১৯ সালের জুলাইয়ে রায় দানের পর ক্রেতারা এই বিষয়ে কোনও পদক্ষেপ নেয়নি। আদালত নিযুক্ত রিসিভার বিজ্ঞাপন দিয়ে এই নোটিশের উদ্দেশ্য জানিয়েছিল। সম্প্রতি বৃহত্তর নয়ডা এলাকার প্রকল্পগুলির ক্রেতাদের জন্য একটি পৃথক বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়ছে। নোটিসে বলা হয়েছে, ক্রেতা ডেটাতে নিবন্ধন করতে ব্যর্থ হয়েছে এবং এই নোটিশের ১৫ দিনের মধ্যে অর্থ প্রদান না করলে তাদের বুকিং বাতিল করা হবে। এই আগে ২০২১এর ১ আগস্ট শীর্ষ আদালত এই বিষয়ে সতর্ক করে বলেছিল, ক্রেতাদের বকেয়া অর্থ পরিশোধ এবং নিবন্ধনের জন্য ১৫ দিনের নোটিশ জারি করবে। সময়সীমা পূরণ করতে ব্যর্থ হলে, ফ্ল্যাটগুলি নিলাম করা হবে।

সেপ্টেম্বর ১১, ২০২১
শিক্ষা

NIRF: সর্বভারতীয় স্তরে মর্যাদাক্রম বাড়লো বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের

কেন্দ্রীয় মানবসম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রকের মূল্যায়নে সর্বভরতীয় স্তরে মর্যাদাক্রম আরও বাড়লো বর্ধমান ও কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের। বৃহস্পতিবার মানবসম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রকের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব র্যাঙ্কিং ফ্রেমওয়ার্ক এই সংক্রান্ত তালিকা প্রকাশ করেছে। সেই তালিকা অনুযায়ী গত বছর ৯২ নম্বর স্থানে থাকা বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় এখন ৮৫ নম্বর স্থানে রয়েছে। বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের পাশাপাশি এই রাজ্যের মধ্যে শুধুমাত্র কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় তিন ধাপ এগিয়ে গিয়ে ৪ নম্বর স্থানে উঠে এসেছে।মর্যাদাক্রম বাড়ায় খুশি বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব র্যাঙ্কিং ফ্রেমওয়ার্ক (এনআইআরএফ) এর বিচারে বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় ২০১৮ সালে বর্ধমান ৯৬ নম্বর স্থানে ছিল। ওই বছর বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের থেকে দশ ধাপ এগিয়ে ছিল কল্যাণী বিশ্ববিদ্যালয়।২০১৯ সালে সবাইকে চমকে দিয়ে মর্যাদাক্রমে কল্যাণীর থেকেও এগিয়ে যায় বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়। বৃহস্পতিবার এনআইআরএফ এর প্রকাশিত তালিকা অনুযায়ী বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাপ্ত নম্বর ৩৯.৯৮ থাকায় র্যাঙ্ক হয়েছে ৮৫। আর এবার র্যাঙ্ক একশোর মধ্যেও নেই প্রতিদ্বন্দ্বী কল্যাণী বিশ্ববিদ্যালয়ের।বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের কথায় জানা গিয়েছে, মূলত বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে যে সব বিষয় পড়ানো হয় তার উপরেই এনআইআরএফ মূল্যায়ণ করে। এছাড়াও এনআইআরএফ গবেষণার পরিকাঠামো ও গবেষণাপত্র প্রকাশের উপরেও মূল্যায়ণ করে থাকে। পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষকের দাবি, এনআইআরএফ মূলত বিভিন্ন পোর্টাল ও ওয়েবসাইট থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্পর্কে তথ্য যোগাড় করে। এইসব ছাড়াও বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিকাঠামো ও উপাচার্যের ভূমিকার উপরেও মূল্যায়ন করা হয়। এই তিনটি বিষয়েই বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় তুলনামূলকভাবে বেশি নম্বর পেয়েছে বলে কর্তৃপক্ষের দাবি।বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য নিমাই সাহা বলেন, সবার মিলিত সহযোগিতায় বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় বেশ কয়েক বছর ধরে দেশের প্রথম ১০০টি বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে রয়েছে। এ বার সাত ধাপ এগনোটা গর্বেরও বিষয় ।

সেপ্টেম্বর ১০, ২০২১
খেলার দুনিয়া

I‌ND vs ENG Test : কী হবে ভারত–ইংল্যান্ড বাতিল টেস্টের ভবিষ্যত?‌

বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই অনিশ্চয়তায় দুলছিল ভারতইংল্যান্ড পঞ্চম টেস্ট। ভারতীয় দলের সহকারী ফিজিও যোগেশ পারমারের করোনা পরীক্ষার রিপোর্ট পজিটিভ আসা টেস্ট ম্যাচ বাতিলের আশঙ্কা ছিল। অবশেষে সেই আশঙ্কাই সত্যি হয়ে দাঁড়াল। ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের সঙ্গে বৈঠকের পর ম্যাঞ্চেস্টার টেস্ট বাতিলের সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইংল্যান্ড ক্রিকেট বোর্ড। যোগেশ পারমারের করোনা রিপোর্ট পজিটিভ আসায় ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড আতঙ্কিত হয়ে পড়েছিল। যদিও দলের বাকি সদস্যদের আরটিপিসিআর পরীক্ষার রিপোর্ট নেগেটিভ এসেছিল। তখনই ম্যাঞ্চেস্টারে সিরিজের পঞ্চম টেস্ট শুরুর সম্ভাবনা তৈরি হয়েছিল। শুক্রবার ফের পালাবদল। ইংল্যান্ড অ্যান্ড ওয়েলস ক্রিকেট বোর্ডের তরফে জানানো হয় বাতিলের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। কারণ হিসেবে ইংল্যান্ড ক্রিকেট বোর্ড বলেছে, ভারতীয় শিবির করোনা বৃদ্ধির ভয়েই ম্যাঞ্চেস্টারে শেষ টেস্ট খেলতে চায় না। তবে কোনও ক্রিকেটার করোনা আক্রান্ত হয়েছেন কিনা তা নিয়েও জল্পনা চলছে। বৃহস্পতিবার রাতে অধিনায়ক বিরাট কোহলিসহ ভারতীয় দলের কয়েকজন সিনিয়র ক্রিকেটার হোটেলের একটি রুমে গিয়ে বোর্ড কর্তাদের সঙ্গে ভার্চুয়াল বৈঠকে অংশ নেন। করোনাতঙ্কে একাধিক ক্রিকেটার টেস্ট খেলার ব্যাপারে রাজি ছিলেন না। শুক্রবার সকালে ভারতীয় ক্রিকেটারদের প্রত্যেকের মোবাইলে বার্তা পাঠিয়ে বলা হয় টেস্ট ম্যাচ হবে না। সকলকে ঘরে থাকতেই বলা হয়। মিনিট দশেক পর আরও একটি বার্তা আসে। তাতে বলা হয় প্রত্যেকের ঘরে ব্রেকফাস্ট পাঠানো সম্ভব হচ্ছে না। হোটেলে প্রাতঃরাশের যেখানে ব্যবস্থা রয়েছে সেখানে যেতে হবে।এখন প্রশ্ন হল টেস্ট বাতিলের ফলে সিরিজের ভবিষ্যত কী হবে। ভারত এই মুহূর্তে ২১ ব্যবধানে এগিয়ে রয়েছে। আইসিসির বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের নিয়মে বলা রয়েছে, করোনা পরিস্থিতিতে কোনও টেস্ট বাতিল বা পরিত্যক্ত হতেই পারে। কিন্তু ইংল্যান্ড ক্রিকেট বোর্ড চাইছে ভারত যেহেতু দল নামাতে পারেনি, তাই তাদের ওয়াকওভার দেওয়া হোক। তাহলে সিরিজ ২২ হবে। ম্যাচ রেফারি ক্রিস ব্রডের সঙ্গে কথা বলেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানাবে আইসিসি।এদিকে, ম্যাঞ্চেস্টারে বাতিল হয়ে যাওয়া টেস্ট ম্যাচটি পরে আয়োজনের জন্য ইংল্যান্ড ক্রিকেট বোর্ডকে প্রস্তাব দিয়েছে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড। সূত্রের খবর, আগামী বছর ভারত যখন ইংল্যান্ড সফরে যাবে সীমিত ওভারের সিরিজ খেলতে। তখনই ম্যাঞ্চেস্টারে বাতিল হওয়া টেস্ট ম্যাচটি হতে পারে। ভারতীয় বোর্ড সচিব জয় শাহ বলেছেন, বিসিসিআই ও ইসিবি যৌথভাবে আলোচনা করেই ম্যাঞ্চেস্টার টেস্ট স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। টেস্ট ম্যাচটি যাতে খেলা যায় তা নিশ্চিত করতে দুই বোর্ডই দফায় দফায় বৈঠক করেছে। কিন্তু ভারতীয় শিবিরে করোনা সংক্রমণের জেরে সিরিজের পঞ্চম তথা শেষ টেস্টটি স্থগিত রাখার পথে হাঁটতে হল। যেহেতু দুই দেশের ক্রিকেট বোর্ডের সুদৃঢ় পারস্পরিক সম্পর্ক রয়েছে সে কথা মাথায় রেখে বিসিসিআইয়ের তরফে ইসিবিকে প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে এই টেস্টটি পরে কখনও আয়োজনের জন্য সময় বের করার জন্য। কখন ম্যাচটি আয়োজন করা সম্ভব সে ব্যাপারে ইসিবির সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাবে বিসিসিআই।

সেপ্টেম্বর ১০, ২০২১
খেলার দুনিয়া

IND vs ENG Test : আবার করোনার হানা ভারতীয় শিবিরে, পঞ্চম টেস্ট নিয়ে অনিশ্চয়তা

শুক্রবার থেকে ম্যাঞ্চেস্টারে ভারতইংল্যান্ড সিরিজের পঞ্চম তথা শেষ টেস্ট শুরু হওয়ার কথা। ভারতীয় দলের সহকারী ফিজিও যোগেশ পারমার করোনা আক্রান্ত হওয়ায় শেষ টেস্ট নির্ধারিত সময়ে শুরু হওয়া নিয়ে সংশয় তৈরি হয়েছে। এর আগে রবি শাস্ত্রী এবং বোলিং কোচ ভরত অরুণ আক্রান্ত হন। বৃহস্পতিবার যোগেশ পারমারের রিপোর্ট পজিটিভ আসতেই তড়িঘড়ি অনুশীলন বাতিলের সিদ্ধান্ত নেয় বোর্ড। গতকাল ভারতীয় দল ওল্ড ট্র্যাফোর্ডে অনুশীলন করে। কিন্তু এরপরই জানা যায় দলের সহকারী ফিজিও যোগেশ পারমারের করোনা পজিটিভ। এরপর আজ সকালে দলের সকলের করোনা পরীক্ষা হয়েছে। রিপোর্ট না আসা অবধি সকলকে টিম হোটেলের ঘরেই থাকতে বলা হয়েছে। স্বাভাবিকভাবেই ভারতীয় দল আজ ম্যাচের আগের দিন অনুশীলন করতে পারেনি। বাতিল হয়েছে প্রি ম্যাচ প্রেস কনফারেন্সও। জানা গিয়েছে, সকালে গোটা দলের সঙ্গে কথা হয়েছে বিসিসিআই কর্তাদের। বিসিসিআই ইংল্যান্ড অ্যান্ড ওয়েলস ক্রিকেট বোর্ডকে অনুরোধ করেছে ফিজিও-র ব্যবস্থা করার জন্য। কারণ, রবি শাস্ত্রীর করোনা ধরা পড়ার পর আইসোলেশনে চলে গিয়েছিলেন বিরাটদের ফিজিও নীতীন প্যাটেল। ফলে তাঁর ভূমিকা পালন করছিলেন পারমার। এবার তাঁরও করোনা ধরা পড়ল। শাস্ত্রীর সংস্পর্শে আসার কারণে প্রধান ফিজিও নীতিন প্যাটেল আগেই আইসোলেশনে চলে যান। বৃহস্পতিবারের ঘটনায় ভারতীয় দলে আর কোনও ফিজিওই অবশিষ্ট রইল না। ওভালে ইংল্যান্ডকে হারিয়ে ২১ এগিয়ে যাওয়ার মুহূর্ত ব্যাটিং কোচ বিক্রম রাঠোর ছাড়া বাকিদের টিভিতেই দেখতে হয়। ভারতের সব ক্রিকেটার এবং সাপোর্ট স্টাফ জোড়া ভ্যাকসিন নিয়েছিলেন আগেই। ব্রিটেনে কোভিডের বিধিনিষেধ উঠে স্বাভাবিক অবস্থা ফিরেছে। তাই কড়াকড়ি বায়ো বাবল আর নেই। রবি শাস্ত্রী তাঁর একটি বইপ্রকাশের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন টিম হোটেলে। এ জন্য তিনি বিসিসিআই বা ইসিবি, কারও কাছ থেকেই নাকি অনুমতি নেননি। তারপর থেকেই কোভিডের উপসর্গ দেখা দিতে থাকে ভারতের হেড কোচের মধ্যে। আশঙ্কা করা হচ্ছে, ওই অনুষ্ঠানে ভিড়ের মধ্যেই কোনও কোভিড আক্রান্তের সংস্পর্শে আসেন শাস্ত্রী।আপাতত ভারতীয় ক্রিকেটারদের বলা হয়েছে নিজেদের ঘরেই থাকার জন্য। টেস্টের ভবিষ্যৎ নিয়ে ইসিবি-র সঙ্গে কথা চালাচ্ছেন বিসিসিআই কর্তারা। ভারতীয় সময় সন্ধ্যা সাড়ে ৭টা নাগাদ ভারতীয় দলের ভার্চুয়ালি প্রেস কনফারেন্স হওয়ার কথা জানা গিয়েছিল। হেড কোচ রবি শাস্ত্রী করোনা আক্রান্ত হয়ে লন্ডনে, সঙ্গে বোলিং কোচ ভরত অরুণ, ফিল্ডিং কোচ আর শ্রীধরও। এই পরিস্থিতিতে কেয়ারটেকার কোচের ভূমিকায় রয়েছেন ব্যাটিং কোচ বিক্রম রাঠোর। তিনি বা বিরাট কোহলি ম্যাচের আগের দিন সাংবাদিকদের মুখোমুখি হবেন বলে ঠিক ছিল। কিন্তু সেই সাংবাদিক বৈঠক বাতিল হয়েছে। পারমার গতকাল অনুশীলনের পর কোভিড উপসর্গ অনুভব করেন বলে জানা গিয়েছে। এরপর বিকেলে করোনা পরীক্ষা হতেই রিপোর্ট পজিটিভ আসে।এর মাঝে বোর্ড সভাপতি সৌরভ গাঙ্গুলিও একটি অনুষ্ঠানে সিরিজের শেষ ম্যাচ ঘিরে অনিশ্চয়তার কথা জানান। তিনি বলেন, এই মুহূর্তে বলা যাচ্ছে না ম্যাচ আদৌ হবে কি না। তবে চাইব যাতে ম্যাচটা হয়। প্রাক ম্যাচ সাংবাদিক বৈঠকের সময় নির্ধারিত ছিল সন্ধে ৭:৩০এ। খেলোয়াড়রা আইসোলেশনে। খুব স্বাভাবিকভাবে সেই সাংবাদিক সম্মেলন বাতিল হল। বোর্ডের কাছেও উদ্বেগের যথেষ্ট কারণ ছিল। এই ম্যাচ আর পাঁচটা ম্যাচের মতো হলে শ্রীলঙ্কা সিরিজে যেমনটা ঘটেছিল, তার পুনরাবৃত্তি ঘটতেই পারত। মাঝে একআধখানা দিন অপেক্ষা করে শেষ টেস্ট খেলা যেত পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে। এক্ষেত্রে, তেমনটা সম্ভব নয়। বহু কষ্টে বাকি আইপিএলের জন্য একটা ফাঁকা উইন্ডো পেয়েছে বিসিসিআই। টেস্ট সিরিজ শেষ হলেই শুরু আইপিএল। ক্রিকেটারদের এমনিই শ্বাস নেওয়ার সময় নেই। এর মধ্যেই ইসিবি থেকে বিরাটদের কাছে নাকি ভারতকে ওয়াকওভার দেওয়ার প্রস্তাবও দেওয়া হয়। বিরাট এবং ভারতের আরেক তারকা রোহিত শর্মা বিসিসিআইকে স্পষ্ট বার্তা দিয়ে রেখেছেন, তাঁরা কোনওভাবেই ম্যাচ ছাড়তে রাজি নন। প্রয়োজনে কোভিড আশঙ্কা নিয়েও মাঠে নামতে রাজি। একমাত্র ভারতকে সিরিজ জয়ী ঘোষণা করা হলে তবেই শেষ ম্যাচ ছাড়বেন। নয়তো দুই বোর্ড আলোচনা করে নতুন কোনও দিনক্ষণ স্থির করুক। ইংল্যান্ড ক্রিকেটার জস বাটলার বলেন, আমরা কাল নামার প্রস্তুতি নিচ্ছি। আশা করছি ম্যাচটা হবে।

সেপ্টেম্বর ০৯, ২০২১
খেলার দুনিয়া

M‌S Dhoni : আদৌও কি মেন্টরের দায়িত্ব পালন করতে পারবেন ধোনি?‌

২০০৭ সালে মহেন্দ্র সিং ধোনির নেতৃত্বে পাকিস্তানকে হারিয়ে প্রথম টি২০ বিশ্বকাপ জিতেছিল ভারত। এরপর সবকটি টি২০ বিশ্বকাপেই দেশকে নেতৃত্ব দিয়েছেন তিনি। আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসর নেওয়ায় এবছর টি২০ বিশ্বকাপে খেলার সুযোগ নেই ধোনির। কিন্তু ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড তাঁর মস্তিষ্ককে কাজে লাগাতে চেয়েছিল। টি২০ বিশ্বকাপে কোহলিদের মেন্টর হিসেবে তাঁকে দায়িত্ব দিয়েছে। কিন্তু আদৌও কি মেন্টরের দায়িত্ব পালন করতো পারবেন ধোনি? এই নিয়ে দেখা দিয়েছে অনিশ্চয়তা। ধোনিকে ভারতীয় দলের মেন্টরের দায়িত্ব দেওয়ায় স্বার্থ সংঘাতের অভিযোগ উঠেছে। এই নিয়ে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের অ্যাপেক্স কাউন্সিলে অভিযোগ করেছেন মধ্যপ্রদেশ ক্রিকেট সংস্থার আজীবন সদস্য সঞ্জীব গুপ্তা। স্বার্থ সংঘাত নিয়ে অভিযোগ জানানো স্বভাবে পরিণত হয়েছে সঞ্জীব গুপ্তার। এর আগে সৌরভ গাঙ্গুলি থেকে শুরু করে শচীন তেন্ডুলকার, রাহুল দ্রাবিড়দের বিভিন্ন পদে যুক্ত থাকা নিয়ে স্বার্থ সংঘাতের অভিযোগ তুলেছিলেন। এবার তিনি সরব হয়েছেন মহেন্দ্র সিং ধোনিকে নিয়ে। আসন্ন টি২০ বিশ্বকাপে বিরাট কোহলিদের মেন্টর হিসেবে ধোনিকে নির্বাচন করা বেআইনি বলে আখ্যা দিয়ে ভারতীয় বোর্ড প্রেসিডেন্ট সৌরভ গাঙ্গুলি, সচিব জয় শাহসহ বোর্ডের অ্যাপেক্স কাউন্সিলের সদস্যদের চিঠি দিয়েছেন মধ্যপ্রদেশ ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনের আজীবন সদস্য সঞ্জীব গুপ্তা। তাঁর দাবি, ধোনিকে ভারতীয় দলের মেন্টরের দায়িত্ব দিলে স্বার্থের সংঘাত ঘটে যাবে। তাই ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের উচিত সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করা। আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসর নিলেও এখনও আইপিএল খেলছেন মহেন্দ্র সিং ধোনি। এবছর চেন্নাই সুপার কিংসের অধিনায়ক কাম মেন্টরের দায়িত্বে রয়েছেন। সঞ্জীব গুপ্তার দাবি, একই সঙ্গে চেন্নাই সুপার কিংস অধিনায়ক ও ভারতীয় দলের মেন্টর হতে পারেন না মহেন্দ্র সিং ধোনি। লোধা কমিটির তৈরি সংবিধানের ৩৮(৪) ধারা অনুসারে একই সঙ্গে ধোনিকে দুটি গুরুত্বপূর্ণ পদে রাখা আইন বিরুদ্ধে হবে বলে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডকে জানিয়েছেন মধ্যপ্রদেশে ক্রিকেট সংস্থার আজীবন সদস্য সঞ্জীব গুপ্তা। তাই ধোনিকে মেন্টর করার সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়েছেন তিনি। টি২০ বিশ্বকাপের দল ঘোষণার পাশাপাশি মহেন্দ্র সিং ধোনিকে মেন্টর করে চমক দিয়েছে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড। তাঁর ক্ষুরধার মস্তিষ্ক আসন্ন টি২০ বিশ্বকাপে কাজে লাগবে বলে মনে করেন ক্রিকেট বিশেষজ্ঞরা। সাদা বলের ক্রিকেটে মহেন্দ্র সিং ধোনির স্ট্র্যাটেজি এককথায় অনবদ্য। তাঁর নেতৃত্বে ২০০৭ সালে টি২০ বিশ্বকাপ জিতেছে ভারত। ২০১১ সালে দেশকে একদিনের ক্রিকেটের বিশ্বকাপ উপহার দিয়েছেন। ২০১৩ সালে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিও জিতেছিল ধোনির ভারত। সুতরাং টি২০ বিশ্বকাপে ভারতীয় দলের সঙ্গে ধোনিকে জুড়ে দেওয়াটা নিঃসন্দেহে দুর্দান্ত পদক্ষেপ।

সেপ্টেম্বর ০৯, ২০২১
খেলার দুনিয়া

India T20 Team : টি২০ বিশ্বকাপের দল ঘোষণা, চমক রবিচন্দ্রন অশ্বিন ও ধোনি

টি২০ বিশ্বকাপের জন্য ঘোষিত হল ১৫ জনের ভারতীয় দল। চমকে ভরা ভারতীয় টি২০ দলে দীর্ঘদিন পর সুযোগ পেলেন রবিচন্দ্রন অশ্বিন। তবে সবচেয়ে বড় চমক মহেন্দ্র সিং ধোনি। না, অবসর ভেঙে তিনি টি২০ বিশ্বকাপে যাচ্ছেন না। ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড তাঁকে বড় দায়িত্ব দিয়ে সংযুক্ত আরব আমীরশাহীতে পাঠাচ্ছে। মেন্টর হিসেবে ধোনিকে কোহলিদের সঙ্গে জুড়ে দিয়েছে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড।দল নির্বাচনে চমক দেখিয়েছেন নির্বাচকরা। লেগ স্পিনার যুজবেন্দ্র চাহাল যে বাদ পড়বেন, কেউ কি ভেবেছিলেন? কিংবা শিখর ধাওয়ান? রবিচন্দ্রন অশ্বিনকেও যে দীর্ঘদিন পর সাদা বলের ক্রিকেটে ফেরানো হবে, কেউ সামান্য আঁচ করতে পেরেছিলেন? দীর্ঘদিন পরে ফের নীল জার্সি গায়ে মাঠে নামার সুযোগ পেতে চলেছে রবিচন্দ্রণ অশ্বিন। ধারাবাহিকভাবে ভাল খেলা ক্রূনাল পান্ডিয়ার জায়গা না পাওয়াটাও অস্বাভাবিক।আরও পড়ুনঃ সাক্ষরতা দিবসে আদিবাসী পরিবারের শিশুদের শিক্ষার পাঠ দিলেন পুলিশ কর্তা২০১৭ সালের জুলাই দেশের হয়ে শেষবার সীমিত ওভারের ক্রিকেট খেলেছিলেন রবিচন্দ্রণ অশ্বিন। তাঁকে যে দলে রাখা হবে, হয়তো কেউই ভাবেননি। আইপিএলে ধারাবাহিকভাবে ভালো পারফরম্যান্স করে অশ্বিন টি২০ বিশ্বকাপ দলে জায়গা করে নিয়েছেন। অশ্বিনের দলে সুযোগ পাওয়া প্রসঙ্গে জাতীয় নির্বাচক কমিটির প্রধান চেতন শর্মা বলেছেন, আইপিএলে ধারাবাহিকভাবে ভাল খেলার জন্য রবিচন্দ্রন অশ্বিনকে দলে নেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে, দেশের হয়ে ধারাবাহিকভাবে ভালো পারফরম্যান্স করা যুজবেন্দ্র চাহাল যে টি২০ বিশ্বকাপ দলে জায়গা পাবেন না, সেটাও ছিল ক্রিকেট প্রেমীদের ধারণার বাইরে।শিখর ধাওয়ানও জায়গা পাননি। এটাও অপ্রত্যাশিত ছিল। তবে চোট সারিয়ে দীর্ঘদিন পর প্রত্যাবর্তন ঘটানো জোরে বোলার ভুবনেশ্বর কুমারকে টি২০ বিশ্বকাপের জন্য ঘোষিত ১৫ জনের দলে রাখা হয়েছে। শ্রেয়স আয়ারকে স্ট্যান্ড বাই হিসেবে রাখা হয়েছে। ওয়াশিংটন সুন্দর অবশ্য জায়গা পাননি চোটের জন্য। তাঁর পরিবর্তে স্পিনার অলরাউন্ডার হিসেবে দলে নেওয়া হয়েছে অক্ষর প্যাটেলকে। আইপিএলে ভাল খেলার পুরস্কার পেয়েছেন বরুণ চক্রবর্তী, রাহুল চাহাররা। ঋষভ পন্থ, ঈশান কিষাণ, হার্দিক পান্ডিয়া, সূর্যকুমার যাদবদের ওপরও ভরসা করেছেন নির্বাচকরা।আরও পড়ুনঃ কলকাতা লিগের তৃতীয় ম্যাচেই আটকে গেল মহমেডানঘোষিত ভারতীয় দল : বিরাট কোহলি (অধিনায়ক), রোহিত শর্মা (সহ অধিনায়ক), লোকেশ রাহুল, সূর্যকুমার যাদব, ঋষভ পন্থ (উইকেটকিপার), রবীন্দ্র জাদেজা, মহম্মদ শামি, যশপ্রীত বুমরা, হার্দিক পান্ডিয়া, রবিচন্দ্রণ অশ্বিন, রাহুল চাহার, অক্ষর প্যাটেল, বরুণ চক্রবর্তী, ঈশান কিষাণ (উইকেটকিপার), ভুবনেশ্বর কুমার।স্ট্যান্ডবাই: শ্রেয়স আইয়ার, শার্দুল ঠাকুর, দীপক চাহার।

সেপ্টেম্বর ০৮, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Kohli and Shastri : শাস্ত্রী ও কোহলির ওপর অসন্তুষ্ট বোর্ড, চাওয়া হবে কৈফিয়ত

জৈব সুরক্ষা বলয়ে থাকা সত্ত্বেও রবি শাস্ত্রীসহ তিন সাপোর্ট স্টাফ কীভাবে করোনায় আক্রান্ত হলেন, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। অনেকেই মনে করছেন, বই প্রকাশ অনুষ্ঠানে গিয়ে করোনায় আক্রান্ত হয়ে থাকতে পারেন। কেউ কেউ মনে করছেন হোটেলের লিফটে চলাচলের সময় আক্রান্ত হয়ে থাকতে পারেন। তবে যেখানেই আক্রান্ত হোন না কেন, রবি শাস্ত্রী, বিরাট কোহলিদের ওপর বেজায় চটেছে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড। কেন বোর্ডের অনুমতি ছাড়া অনুষ্ঠানে গিয়েছিলেন, তার কৈফিয়ত চাওয়া হবে। বোর্ডের এক শীর্ষ কর্তা বলেছেন, ওই বই প্রকাশ অনুষ্ঠানের ছবি ভারতীয় বোর্ড কর্তাদের কাছে পাঠানো হয়েছে। এই ঘটনায় বোর্ডের মুখ পুড়েছে। ওভালের ওই ঘটনার জন্য কোচ ও অধিনায়ককে প্রশ্ন করা হবে। লন্ডনের যে হোটলে ভারতীয় দল রয়েছে, সেখানেই গত মঙ্গলবার রবি শাস্ত্রীর নিজের বই প্রকাশ অনুষ্ঠান ছিল। সেখানে বাইরের অনেক অতিথি হাজির ছিলেন। অনেকেই মনে করছেন, সেই অনুষ্ঠান থেকেই কোনও ভাবে সংক্রমিত হয়ে থাকতে পারেন ভারতীয় দলের হেড কোচ। শাস্ত্রীর সঙ্গে ভারতীয় দলের আরও যাঁরা কোভিডে আক্রান্ত হয়েছেন, সেই বোলিং কোচ ভরত অরুণ, ফিল্ডিং কোচ আর শ্রীধর এবং ফিজিয়ও নীতিন প্যাটেলও ওই অনুষ্ঠানে ছিলেন।হোটেলে বই প্রকাশ অনুষ্ঠানে প্রচুর মানুষের ভিড় ছিল। শাস্ত্রীর সঙ্গে মঞ্চে উঠেছিলেন কোহলি। অনুষ্ঠানে যাওয়ার জন্য কেউই ভারতীয় বোর্ডের অনুমতি নেননি। দুজনের কাছেই কৈফিয়ত চাওয়া হবে বলে বোর্ডের একটা সূত্র থেকে জানা গেছে। দলের প্রশাসনিক ম্যানেজার গিরিশ ডোংরের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে। বই প্রকাশ অনুষ্ঠানটি কোনও বোর্ডেরই অনুমোদিত ছিল না।এদিকে, আজই লন্ডন থেকে ম্যাঞ্চেস্টারে পৌঁছে গেল ভারতীয় দল। রবি শাস্ত্রীসহ ৩ সাপোর্ট স্টাফ লন্ডনের হোটেলেই আইসোলেশনে রয়েছেন। ট্রেনে চড়ে ম্যাঞ্চেস্টার সফরের ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করেছেন ঋদ্ধিমান সাহা। সিরিজ জয়ের হাতছানি ভারতের সামনে। শুক্রবার ওল্ড ট্র্যাফোর্ডে শুরু পঞ্চম তথা শেষ টেস্ট।

সেপ্টেম্বর ০৭, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Sourav Ganguly : সৌরভের টুইট মানতে না পেরে কী বললেন মাইকেল ভন?‌

ভারতীয়দের সাফল্য কখনও মেনে নিতে পারেননি উন্নাসিক ইংরেজরা। ওভাল টেস্টে বিরাট কোহলিদের দুরন্ত জয় যে হজম করতে পারেননি ইংল্যান্ডের প্রাক্তন ক্রিকেটাররা, সোশ্যাল মিডিয়ায় তার প্রমাণ। টুইটারে তরজা লেগে গেছে। ভারতীয় বোর্ড প্রেসিডেন্টের টুইটারের পাল্টা জবাব ইংল্যান্ডের প্রাক্তন অধিনায়ক মাইকেল ভন। ওভাল টেস্টে বিরাট কোহলিদের জয়ের পর ভারতীয় বোর্ড প্রেসিডেন্ট সৌরভ গাঙ্গুলি টুইট করেছিলেন, দুর্দান্ত জয়। দুই দলের দক্ষতায় অবশ্যই পার্থক্য রয়েছে। তবে সবচেয়ে বড় পার্থক্য চাপ সামলানোর ক্ষমতায়। এই কারণেই বিরাট কোহলির এই দল বাকিদের থেকে অনেক এগিয়ে। সৌরভের এই টুইট মেনে নিতে পারেননি ইংল্যান্ডের প্রাক্তন অধিনায়ক মাইকেল ভন। তিনি সেই টুইটেই সৌরভের ভুল ধরিয়ে রিটুইট করে লিখেছেন, টেস্ট ক্রিকেটে হতে পারে, সাদা বলের ক্রিকেটে নয়। মাইকেল ভনের ইঙ্গিতটা যে দুবছর আগে একদিনের বিশ্বকাপ নিয়ে, তা বুঝতে অসুবিধা হওয়ার কথা নয়। তাই সব ধরণের ক্রিকেটে ভারতকে সেরা বলাটা মানতে পারছেন না তিনি। কথাটা অবশ্য ভুল বলেননি ভন। লাল বলের ক্রিকেটে দাপট দেখালেও সাদা বলের ক্রিকেটে বিরাট কোহলিদের সাফল্য নেই। ওভাল টেস্টে ফিরে এসেছে ১৯৭১ সালের সোনালি স্মৃতি। এই নিয়ে দ্বিতীয়বার এই মাঠে টেস্ট জিতল ভারত। ৫০ বছর আগে অজিত ওয়াদেকরের নেতৃত্বাধীন ভারত ওভালে জিতে ইংল্যান্ডের মাটিতে প্রথম টেস্ট সিরিজ জয় নিশ্চিত করেছিল। কোহলিরাও সিরিজ জয়ের পথে একধাপ এগিয়ে গেছে। যদিও ওল্ড ট্রাফোর্ডের পরিসংখ্যান কিছুটা চিন্তায় রাখছে ভারতকে। সিরিজে আপাতত ২১ ব্যবধানে এগিয়ে ভারত। কোহলিদের কাছে ৩১ ব্যবধানে সিরিজ জয়ের আব্দার রেখেছেন শচীন তেন্ডুলকার। ২০০৭ সালে ইংল্যান্ডে রাহুল দ্রাবিড়ের নেতৃত্বে শেষবার টেস্ট সিরিজ জিতেছিল টিম ইন্ডিয়া। ওই দলের অন্যতম সদস্য ছিলেন শচীন তেন্ডুলকর। তিনি কোহলিদের জয়ে দারুণ উচ্ছ্বসিত। গোটা দলকে প্রশংসায় ভরিয়ে দিয়েছেন। তিনি সোশ্যাল মিডিয়ায় লিখেছেন, ১৪ বছর পর ইংল্যান্ডে ফের টেস্ট সিরিজ জয়ের মুখে দাঁড়িয়ে রয়েছে ভারত। ৫০ বছর পর ওভালে টেস্ট জয়ের পর সিরিজে ২১ ফলাফলে এগিয়ে রয়েছে টিম বিরাট। এই অবস্থায় কেবল সিরিজ নয়, চাই ৩১ হোক। একইসঙ্গে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে চতুর্থ টেস্টে ভারতের দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তনের প্রশংসা করেছেন মাস্টার ব্লাস্টার। চতুর্থ ইনিংসে ৩৬৮ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে চতুর্থ দিনের শেষে ৭৭ রানে ব্যাটিং করছিলেন ব্রিটিশ ওপেনাররা। পঞ্চম দিনে ভারতীয় বোলারদের প্রত্যাবর্তন দেখে মুগ্ধ হয়েছেন শচীন। শেন ওয়ার্নও কোহলিদের প্রশংসায় ভরিয়ে দিয়েছেন।

সেপ্টেম্বর ০৭, ২০২১
খেলার দুনিয়া

‌India T20 Team : টি২০ বিশ্বকাপ দলে কারা কারা থাকতে পারেন?‌ দেখে নিন

মঙ্গলবার রাতেই কি আসন্ন টি২০ বিশ্বকাপের দল ঘোষণা করবে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড? ১৫ সদস্যের দল ইতিমধ্যেই বেছে নিয়েছেন নির্বাচকরা। শুধু আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা বাকি। তবে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের একটি সূত্র থেকে জানা গেছে ওভাল টেস্ট শেষ হলেই টি২০ বিশ্বকাপের দল ঘোষণা করা হতে পারে।১০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে আইসিসিকে টি২০ বিশ্বকাপের দল জমা দিতে হবে। সুতরাং ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড চায় না শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত অপেক্ষা করতে। তাছাড়া ১০ সেপ্টেম্বর থেকে ম্যাঞ্চেস্টারে চতুর্থ টেস্ট শুরু হবে। টেস্ট দলে যে সব ক্রিকেটাররা খেলছেন, তাঁদের মধ্যে কেউ সুযোগ না পেলে মানসিকভাবে ভেঙে পড়তে পারেন। ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে পঞ্চম টেস্টে তার প্রভাব পড়তে পারে। তাই আগেই দল ঘোষণা করতে পারে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড।ওভাল টেস্টের আগেই অধিনায়ক বিরাট কোহলির সঙ্গে ভার্চুয়াল বৈঠক সেরে নিয়েছিল চেতন শর্মার নেতৃত্বাধীন নির্বাচকমণ্ডলী। ১৫ সদস্যের দল চূড়ান্ত করে ফেলেছেন নির্বাচকরা। এমনিতে ভারতের টি২০ দল তৈরিই ছিল। কয়েকটা জায়গা নিয়ে দ্বিধা ছিল। সেই সব জায়গা নিয়েই বিরাট কোহলির সঙ্গে আলোচনায় বসেছিলেন নির্বাচকরা। টিম ম্যানেজমেন্টের কথাকে গুরুত্ব দিয়েই টি২০ বিশ্বকাপের জন্য সেরা দলই বেছে নেওয়া হয়েছে। লর্ডস টেস্ট চলাকালীন কোহলির সঙ্গে টি২০ বিশ্বকাপের দল নিয়ে আলোচনা করেছিলেন ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের প্রেসিডেন্ট সৌরভ গাঙ্গুলি ও সচিব জয় শাহ।১৫ জনের দল ঘোষণা করা হবে, না ১৪ জনের সে ব্যাপারেও দ্বিধায় রয়েছেন নির্বাচকরা। তবে শোনা যাচ্ছে ১৫ জনের দল ঘোষণা করা হতে পারে। করোনার কথা মাথায় রেখে স্ট্যান্ডবাইও রাখা হতে পারে। কোন কোন ক্রিকেটার টি২০ বিশ্বকাপে সুযোগ পেতে পারেন, তা দেখে নেওয়া যেতে যাক। বিরাট কোহলি, রোহিত শর্মা, লোকেশ রাহুল, ঋষভ পন্থ, রবীন্দ্র জাদেজা, যশপ্রীত বুমরা, মহম্মদ সামি, মহম্মদ সিরাজ, যুজবেন্দ্র চাহালরা নিশ্চিত। সূত্রের খবর সূর্যকুমার যাদব, শ্রেয়শ আয়ার, ভুবনেশ্বর কুমার, শার্দুল ঠাকুর, হার্দিক পান্ডিয়া, ওয়াশিংটন সুন্দররাও দলে থাকতে পারেন। তবে হার্দিক পান্ডিয়া ও ওয়াশিংটন সুন্দরের দলে থাকা নির্ভর করছে তাঁরা কতটা ফিট, তার ওপর।দ্বিতীয় উইকেটকিপার হিসেবে লড়াই ঈশান কিশান ও সঞ্জু স্যামসনের মধ্যে। অতিরিক্ত ওপেনার হিসেবে লড়াই শিখর ধাওয়ান ও পৃথ্বী শর মধ্যে। দলে থাকার লড়াইয়ে রয়েছেন অক্ষর প্যাটেল, ক্রুনাণ পান্ডিয়া, চেতন সাকারিয়া, টি নটরাজনরাও। দীপক চাহার, প্রসিদ্ধ কৃষ্ণদের কথাও ভেবেছেন নির্বাচকরা। তবে সংযুক্ত আরব আমীরশাহীর পরিবেশের কথা ভেবে বেশি স্পিনার অলরাউন্ডার নেওয়ার কথা ভাবতে পারেন নির্বাচকরা।

সেপ্টেম্বর ০৭, ২০২১
খেলার দুনিয়া

IND vs ENG Test : ওভালে জিতে ইতিহাস কোহলিদের, সিরিজ জয়ের হাতছানি

দ্বিতীয় ইনিংসে ভেঙে পড়ার অভ্যাস ওভালেও বজায় রাখলেন জো রুটরা। আর তার জেরেই ভারতের কাছেও সিরিজ পরাজয়ের হাতছানি। সুবিধাজনক জায়গায় থেকেও ওভাল টেস্ট হেরে গেল ইংল্যান্ড। চতুর্থ টেস্টে ১৫৭ রানে জিতে সিরিজে ২১ ব্যবধানে এগিয়ে গেল ভারত। বোলারদের সম্মিলিত প্রয়াসই ভারতকে দুর্দান্ত জয় এনে দিল।জয়ের জন্য ইংল্যান্ডের সামনে লক্ষ্য ছিল ৩৬৭। চতুর্থ দিনের শেষে ইংল্যান্ডের রান ছিল ৭৭/০। শেষ দিন জয়ের জন্য দরকার ছিল ২৯০। হাতে ছিল ১০ উইকেট। ৪১তম ওভারে ১০০ রানে প্রথম উইকেট পড়ার পর ইংল্যান্ড শেষ ২১০ রানে। লর্ডসের মতো ওভালেও ইংল্যান্ডের ব্যাটিং লাইন আপে ধস নামিয়ে সিরিজে এগিয়ে গেল বিরাট কোহলির ভারত। অস্ট্রেলিয়ার পর ইংল্যান্ডে এবার সিরিজ জয়ের হাতছানি ভারতের সামনে।আরও পড়ুনঃ বিজেপি নেতার মাকে খুনের তদন্তে অভিযুক্তদের বাড়ি থেকে অস্ত্র উদ্ধার সিবিআইয়েরপ্রথম সেশনে ইংল্যান্ডের ২ উইকেট পড়ে। মধ্যাহ্নভোজের বিরতির পর ধস নামায় অবশ্য রুটরা সমস্যায় পড়ে যান। শেষ সেশনে ভারতের দরকার ছিল ২ উইকেট। চা বিরতির পর ক্রেগ ওভার্টনকে বোল্ড করে দেন উমেশ যাদব। জেমস অ্যান্ডারসনকেও ২ রানে কট বিহাইন্ড করেন উমেশ। রিভিউ নিয়ে বাঁচতে পারেননি জিমি। ১৮.২ ওভারে ২ টি মেডেন নিয়ে ৬০ রানে ৩ উইকেট নিলেন উমেশ। যশপ্রীত বুমরার ২২ ওভারে ৯টি মেডেন-সহ ২৭ রানের বিনিময়ে নেন ২ উইকেট। রবীন্দ্র জাদেজা ৩০ ওভারে ১১টি মেডেন নিয়ে ৫০ রানে ২ উইকেট পান। শার্দুল ঠাকুরও ৮ ওভার হাত ঘুরিয়ে একটি মেডেন নিয়ে ২২ রানের বিনিময়ে পেলেন ২ উইকেট।আরও পড়ুনঃ বআইপিএলের নতুন ফ্রাঞ্চাইজি নেওয়া হতে পারে কোন কোন শহর থেকে?ওপেনিং জুটিতে ১০০ রান ওঠার পর এই পরাজয় শেষ টেস্টের আগে চিন্তায় ও চাপে রাখবে ক্রিস সিলভারউড, জো রুটদের। ২০১৬ তে ঢাকায় দ্বিতীয় ইনিংসে ওপেনিং জুটিতে ১০০ রান ওঠার পরেও ৬৪ রানের মধ্যে ১০টি উইকেট হারিয়েছিল। চলতি বছরেও রুট-নির্ভর ইংল্যান্ডের ব্যাটিং ধস বারবার দেখা গিয়েছে। আমেদাবাদ টেস্টে ২ উইকেটে ৭৪ থেকে ১২২ রানে অল আউট হয়েছিল রুট-বাহিনী, ৩৮ রানে ৮ উইকেট হারিয়ে। ওই টেস্টেই ৩ উইকেটে ৫০ থেকে ৮১ রানে গুটিয়ে গিয়েছিল ইংল্যান্ড, শেষ সাত উইকেট পড়েছিল ৩১ রানে। ট্রেন্টব্রিজ টেস্টে ভারতের বিরুদ্ধেই তিন উইকেটে ১৩৮ থেকে ১৮৩ রানে শেষ হয়ে যায় রুটের দল। সাত উইকেট পড়ে ৪৫ রানে। তারপর এই ওভাল। ইংল্যান্ডের দ্বিতীয় ইনিংসে সর্বোচ্চ রান করেন হাসিব হামিদ ৬৩। বার্নস করেন ৫০, অধিনায়ক রুট করেন ৩৬।

সেপ্টেম্বর ০৬, ২০২১
খেলার দুনিয়া

IPL : আইপিএলের নতুন ফ্রাঞ্চাইজি নেওয়া হতে পারে কোন কোন শহর থেকে?‌

২০২২ আইপিএলের জন্য দুটি নতুন দল নেওয়া হবে। ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের পক্ষ থেকে আগেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। নতুন দল নেওয়ার প্রক্রিয়া শুরুও হয়ে গিয়েছে। নতুন দল নেওয়ার জন্য আগস্টের শেষে টেন্ডার আহ্বান করা হয়েছিল। ৫ অক্টোবরের মধ্যে আগ্রহী সংস্থাগুলিকে টেন্ডার জমা দিতে বলা হয়েছে। ইতিমধ্যেই যে যে শহরগুলির নামে ফ্র্যাঞ্চাইজি দেওয়ার পরিকল্পনা করেছে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড, তার তালিকাও তৈরি হয়ে গেছে।আরও পড়ুনঃ লাইনে হুড়োহুড়ি নয়, এই জেলায় বাড়িতে বসেই মিলবে কোভিড-টিকার কুপনআগেই শোনা গিয়েছিল আমেদাবাদ ও লক্ষ্ণৌ, এই দুটি শহরের নামে দুটি নতুন দল নেওয়া হবে। কিন্তু ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড ৬টি শহরের নাম ভেবে রেখেছে। তাদের মধ্যে দুটি শহরকে ফ্র্যাঞ্চাইজি দেওয়া হবে। নিলামের জন্য যে ৬টি শহরের কথা ভেবে রেখেছে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড, সেগুলি হল গুয়াহাটি, রাঁচি, কটক, আমেদাবাদ, লক্ষ্ণৌ ও ধর্মশালা। আইপিএলে আঞ্চলিক ভারসাম্যের কথা ভেবেই শহরগুলি বেছে নেওয়া হয়েছে। কবে নিলাম ডাক হবে, তা অবশ্য এখনও ঠিক হয়নি। সামনের মাসে টেন্ডার খোলার পর নিলামের দিন চূড়ান্ত করা হবে বলে ভারতীয় বোর্ড সূত্রে জানা গেছে।আরও পড়ুনঃ মুখ্যমন্ত্রীকেই জেতাতেই কী ভবানীপুরে উপনির্বাচন?প্রশ্ন তুললেন দিলীপতবে নতুন ফ্র্যাঞ্চাইজি হওয়ার দৌড়ে এগিয়ে রয়েছে আমেদাবাদ। আমেদাবাদ দল কেনার জন্য শিল্পপতি গৌতম আদানি ঝাঁপাতে পারেন বলে শোনা যাচ্ছে। সঞ্জীব গোয়েঙ্কাও নতুন ফ্র্যাঞ্চাইজি কেনার জন্য ঝাঁপাতে পারেন। একসময় পুনে রাইজিং স্টার দলের মালিক ছিলেন শিল্পপতি সঞ্জীব গোয়েঙ্কা। নতুন দলের জন্য প্রথমে ১৭০০ কোটি টাকা ধরা হয়েছিল। পরে তা বাড়িয়ে ২ হাজার কোটি টাকা করা হয়েছে। যে সংস্থা বার্ষিক ৩ হাজার কোটি টাকা ও তার বেশি আর্থিক লেনদেন করে থাকে, একমাত্র তাদেরই আইপিএলের নতুন দল কেনার বিডে অংশ নিতে দেওয়া হবে।আরও পড়ুনঃ শার্দুল, ঋষভের দুরন্ত ব্যাটিংয়ে জয়ের স্বপ্ন ভারতেরআইপিএলের নতুন দল কিনতে গেলে কী যোগ্যতা থাকতে হবে, টেন্ডার জমা দেওয়ার নিয়ম, প্রস্তাবিত নতুন দলের অধিকার সম্পর্কিত তথ্য ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের ওয়েবসাইটে দেওয়া ইনভাইটেশন অফ টেন্ডারএ দেওয়া হয়েছে। অফেরৎযোগ্য ১০ লক্ষ টাকা জমা দেওয়ার পর ইনভাইটেশন অফ টেন্ডার নিতে হবে। এই ১০ লক্ষ টাকার সঙ্গে সার্ভিস ট্যাক্স যুক্ত হবে। ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের একটি সূত্র থেকে জানা গেছে, আগামী বছর আইপিএলে যে নতুন দুই দল অন্তর্ভূক্ত হবে, তাদের বেস প্রাইজ ২ হাজার কোটি টাকা করা হচ্ছে। টেন্ডারের মাধ্যমে দুটি নতুন দল বিক্রি করে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডে ৫ হাজার কোটি টাকারও বেশি আয় হবে।

সেপ্টেম্বর ০৬, ২০২১
খেলার দুনিয়া

‌‌Ravi Shastri : ম্যাঞ্চেস্টারে অভিভাবকহীন হয়ে পড়লেন বিরাট কোহলিরা

তাঁর ল্যাটেরাল ফ্লো টেস্টের রিপোর্ট পজিটিভ এসেছিল। আরটিপিসিআর পরীক্ষার রিপোর্টও পজিটিভ এসেছে। ফলে দলের সঙ্গে ম্যাঞ্চেস্টার যেতে পারবেন না ভারতীয় দলের হেড কোচ রবি শাস্ত্রী। শুধু শাস্ত্রী নন, বোলিং কোচ ভরত অরুণ, ফিল্ডিং কোচ আর শ্রী ধরের করোনা পরীক্ষার রিপোর্ট পজিটিভ এসেছে। কেউই ম্যাঞ্চেস্টার যেতে পারবেন না। পলে পঞ্চম টেস্টে অভিভাবকহীন হয়ে পড়লেন বিরাট কোহলিরা। হেড কোচ রবি শাস্ত্রীকে ছাড়াই সিরিজ নির্ণায়ক টেস্ট খেলতে নামতে হবে ভারতকে।আরও পড়ুনঃ মুখ্যমন্ত্রীকেই জেতাতেই কী ভবানীপুরে উপনির্বাচন?প্রশ্ন তুললেন দিলীপউইকেটকিপার ঋষভ পন্থ করোনায় আক্রান্ত হওয়ার পর থেকে ভারতীয় শিবিরে নিয়মিত ল্যাটেরাল ফ্লো পরীক্ষার রীতি চালু হয়েছে। সব ক্রিকেটারকে কিট দেওয়া হয়। প্রেগনেন্সি টেস্টের মতো নিজে নিজেই এই পরীক্ষা করা যায়। এই পরীক্ষার রিপোর্ট পজিটিভ এলে তারপর আরটিপিসিআর পরীক্ষা করা হয় নিশ্চিত হওয়ার জন্য। শাস্ত্রীর দুবার ল্যাটেরাল ফ্লো পরীক্ষা হয়েছিল। দুটি রিপোর্টই পজিটিভ আসে। তারপরই আরটিপিসিআর টেস্ট করা হয়। সেই রিপোর্টেও পজিটিভ এসেছে। বোলিং কোচ ভরত অরুণ, ফিল্ডিং কোচ আর শ্রী ধরের আরটিপিসিআর টেস্টের রিপোর্টও পজিটিভ। তিনজনকেই ১০ দিন লন্ডনে হোটেলে আইসোলেশনে থাকতে হবে। ফলে ম্যাঞ্চেস্টার যেতে পারবেন না এই ৩ সাপোর্ট স্টাফ। মঙ্গলবারই ভারতীয় দলের ম্যাঞ্চেস্টার যাওয়ার কথা।আরও পড়ুনঃ শার্দুল, ঋষভের দুরন্ত ব্যাটিংয়ে জয়ের স্বপ্ন ভারতেররবি শাস্ত্রীর সংস্পর্শে আসা নীতিন প্যাটেলের আরটিপিসিআর টেস্টের রিপোর্ট নেগেটিভ এলেও তাঁকে ম্যাঞ্চেস্টার নিয়ে যাওয়া হচ্ছে না। ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের একটি সূত্র জানিয়েছে, শাস্ত্রীর হালকা গলা ব্যথা রয়েছে। করোনার মৃদু উপসর্গও রয়েছে। বাকিদের কোনও উপসর্গ নেই। নীতিন প্যাটেলের রিপোর্ট নেগেটিভ এলেও ওকে ম্যাঞ্চেস্টার নিয়ে যাওয়া হবে না। এটা আগে থেকেই ঠিক ছিল। ব্যাটিইং কোচ বিক্রম রাঠোরই ম্যাঞ্চেস্টারে দায়িত্ব সামলবে। ম্যাঞ্চেস্টারে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের পক্ষ থেকে ক্রিকেটারদের জন্য আলাদা বায়ো বাবল তৈরি করা হবে।আরও পড়ুনঃ লাইনে হুড়োহুড়ি নয়, এই জেলায় বাড়িতে বসেই মিলবে কোভিড-টিকার কুপনভারতীয় দলের প্রত্যেকেই করোনা ভ্যাকসিনের দুটি করে ডোজ নিয়েছেন। তারপরও শাস্ত্রী কীভাবে করোনার কবলে পড়লেন তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। মনে করা হচ্ছে, টিম হোটেলে ওভাল টেস্ট শুরুর আগের দিন রবি শাস্ত্রীর বই প্রকাশ অনুষ্ঠান ছিল। সেখানে বাইরের অনেক অতিথিই এসেছিলেন, তাঁরা শাস্ত্রীর কাছাকাছিও পৌঁছে কথা বলেছিলেন। ওই অনুষ্ঠানে ভরত অরুণ, শ্রীধর ও প্যাটেল শাস্ত্রীর কাছাকাছিই ছিলেন। ওই অনুষ্ঠান থেকেই সংক্রমণ ছড়িয়ে থাকতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

সেপ্টেম্বর ০৬, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 27
  • 28
  • 29
  • 30
  • 31
  • 32
  • 33
  • ...
  • 41
  • 42
  • ›

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

ইডেনে মোদীর জন্য ‘হোম’ ড্রেসিংরুম, শুভেন্দু'র ‘অ্যাওয়ে’! ১০ হাজার শিল্পীর অনুষ্ঠান, সাজছে ক্রিকেটের নন্দনকানন

কলকাতা: ইডেনে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর অনুষ্ঠানের প্রস্তুতিতে তুঙ্গে তৎপরতা। সূত্র মারফত জানা যায়, প্রধানমন্ত্রীর জন্য বরাদ্দ হচ্ছে ইডেন গার্ডেন্সের হোম ড্রেসিংরুমযে ড্রেসিংরুম ব্যবহার করে ভারতীয় ক্রিকেট দল এবং কলকাতা নাইট রাইডার্স (কেকেআর)। অন্যদিকে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর জন্য রাখা হবে অ্যাওয়ে ড্রেসিংরুম। দুই ড্রেসিংরুমের মাঝখানের মাঠে যাওয়ার কমন পথটিও থাকবে ব্যবহারের উপযোগী।দায়িত্বপ্রাপ্ত বেসরকারি সংস্থার হাতেই থাকছে ড্রেসিংরুম দুটির সাজসজ্জা ও প্রয়োজনীয় বন্দোবস্ত। ড্রেসিংরুমে আহার-সহ আপ্যায়নের যাবতীয় ব্যবস্থা থাকবে। অনুষ্ঠানের মূল মঞ্চ তৈরির পরিকল্পনাও রয়েছে ড্রেসিংরুমের সামনের লনেই।মাঠের যাতে কোনও ক্ষতি না হয়, সে দিকেও বিশেষ নজর রাখা হচ্ছে। মঞ্চ ও অন্যান্য পরিকাঠামোর জন্য মাঠের ভিতরে প্রায় ১২ ফুট জায়গা প্রয়োজন হতে পারে। তবে ঘাসের ক্ষতি না করেই যাবতীয় কাজ করার পরিকল্পনা। সামান্য বদল আসতে পারে শুধু ঘাসের রঙে।অনুষ্ঠান চলাকালীন গল্ফ কার্টে করে মাঠ প্রদক্ষিণ করবেন প্রধানমন্ত্রী। মঞ্চের উপর থাকবে ছাউনি। ইডেনের বিভিন্ন ব্লকে চেয়ার সরিয়ে জায়ান্ট স্ক্রিন বসানোর পরিকল্পনাও রয়েছে। পাশাপাশি ইডেন উদ্যান থেকে আতশবাজির প্রদর্শনীর পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানা গিয়েছে।এই অনুষ্ঠানের অন্যতম আকর্ষণ হতে চলেছেন প্রায় ১০ হাজার সাংস্কৃতিক শিল্পী। তাঁদের পারফরম্যান্সের জন্য ইডেনের উল্টো দিকে থাকা মাঠ এবং নেতাজি ইনডোর স্টেডিয়ামকে ব্যবহার করার পরিকল্পনা করা হচ্ছে।নিরাপত্তার ক্ষেত্রেও থাকছে কড়া ব্যবস্থা। ৯ অক্টোবর অফিসের সময় শেষ হওয়ার পর থেকেই এসপিজি নিরাপত্তার আওতায় ইডেনের ক্লাব হাউস কার্যত সিল করে দেওয়া হবে। প্রধানমন্ত্রী যতক্ষণ সেখানে থাকবেন, প্রায় তিন ঘণ্টা ক্লাব হাউসের গতিবিধিতে থাকবে কড়া নিয়ন্ত্রণ। গোটা অনুষ্ঠান চলবে বিকেল ৪টে থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত।এদিকে, ক্লাব হাউসে সিএবির আধিকারিকদের উপস্থিতি নিয়ে বিশেষ অনুরোধ জানানো হয়েছে। সভাপতি সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়-সহ পাঁচ অফিস বেয়ারার, সিইও এবং সিএও যাতে ক্লাব হাউসে থাকতে পারেন, তার জন্য এসপিজির অনুমতি চাওয়া হয়েছে। অন্তত সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের উপস্থিতির অনুমতি দেওয়ার জন্যও অনুরোধ রাখা হয়েছে।সিএবির অ্যাফিলিয়েট সদস্যদের জন্যও বিশেষ বন্দোবস্তের আবেদন করা হয়েছে। অন্তত প্রতিটি ক্লাব থেকে দুজন করে যাতে অনুষ্ঠানটি দেখতে পারেন, সেই ব্যবস্থা করার অনুরোধ জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানস্থল তৈরির কাজ থেকে শুরু করে নৈশালোকের বন্দোবস্তসব ক্ষেত্রেই সিএবির তরফে সম্পূর্ণ সহযোগিতার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।প্রস্তুতির অংশ হিসেবে আগামী ২৫ বা ২৬ সেপ্টেম্বর ইডেনের ১৪ নম্বর গেটের কাছে কনফারেন্স রুমে অস্থায়ী অফিস তৈরি করবে দায়িত্বপ্রাপ্ত সংস্থা। অনুষ্ঠানে পারফর্ম করতে আসা তারকা শিল্পীদের সেখানে অথবা কর্পোরেট বক্সে রাখার পরিকল্পনা রয়েছে।ইডেনের সাজসজ্জা ও পরিকাঠামো খতিয়ে দেখতে শীঘ্রই পরিদর্শনে আসবে পূর্ত দফতর (PWD)। মাঠ, মঞ্চ, নিরাপত্তা এবং দর্শক ব্যবস্থাপনাসব দিক খতিয়ে দেখেই চূড়ান্ত প্রস্তুতি নেওয়া হবে।সব মিলিয়ে ক্রিকেটের বাইরের এক অন্য ভূমিকায় এবার সেজে উঠতে চলেছে ইডেন গার্ডেন্স। ক্রিকেটের নন্দনকাননেই প্রধানমন্ত্রীকে ঘিরে হতে চলেছে এক বর্ণময়, বিশাল আয়োজন।

সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২৬
দেশ

নেপালের বিপর্যয়ে চারপেয়ে ত্রাতা! ভারতের সাম্বার নাকেই মিলল ২০টি দেহের সন্ধান

নেপালে ভয়াবহ বিপর্যয়ের পর কেটে গিয়েছে বেশ কিছু দিন। ধ্বংসস্তূপের নীচে নিখোঁজদের জীবিত অবস্থায় পাওয়ার আশা অনেকটাই ছেড়ে দিয়েছেন তাঁদের পরিজনেরা। কিন্তু উদ্ধারকাজ এখনও থামেনি। কাদামাটি, ভেঙে পড়া বাড়ির অংশ এবং ধ্বংসস্তূপের মধ্যে নিখোঁজদের খুঁজে চলেছেন নেপালের সেনা, পুলিশ এবং বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীর সদস্যরা। তাঁদের সঙ্গে এই কাজে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছে প্রশিক্ষিত সারমেয় বাহিনীও।তাদের মধ্যেই অন্যতম সাম্বা। ল্যাব্রাডর প্রজাতির এই সারমেয় নেপালের সশস্ত্র পুলিশ বাহিনীর প্রশিক্ষিত সারমেয় দলের সদস্য। তবে সাম্বার সঙ্গে ভারতেরও যোগ রয়েছে। নেপালের প্রতিবেশী দেশ ভারত থেকেই তাকে আনা হয়েছিল। পরে নেপালের সশস্ত্র পুলিশ বাহিনীর বিশেষ প্রশিক্ষণ দিয়ে তাকে উদ্ধারকাজের উপযোগী করে তোলা হয়।মানুষের দেহের গন্ধ শনাক্ত করে ধ্বংসস্তূপের নীচে কোথায় দেহ থাকতে পারে, তা খুঁজে বার করাই সাম্বার মূল দায়িত্ব। সেই দায়িত্বই অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে পালন করেছে সে। রাসুয়া এবং ত্রিশূলী এলাকায় উদ্ধারকাজ চালানোর সময় সাম্বার দেওয়া সংকেতের ভিত্তিতে ২০টি দেহের সন্ধান পাওয়া গিয়েছে বলে জানা গিয়েছে।কিন্তু কী ভাবে এত নিখুঁত ভাবে কাজ করে সাম্বা? তার প্রশিক্ষণের দায়িত্বে থাকা আধিকারিকদের বক্তব্য, সাম্বা ধ্বংসস্তূপের উপর দিয়ে ধীরে ধীরে এগিয়ে যেত এবং মাটি শুঁকত। কোথাও মানুষের দেহের গন্ধ পেলে আচমকাই থেমে যেত সে। এরপর জোরে ডাকতে শুরু করত। সেটিই ছিল তার হ্যান্ডলারদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ সংকেত।সাম্বার সংকেত পাওয়ার পর নিরাপত্তারক্ষীরা সেই জায়গায় পৌঁছে মাটি খুঁড়ে দেখতেন। অনেক সময় সেখান থেকেই উদ্ধার হয়েছে দেহ। সাম্বার কাজের সময় সবসময় তার সঙ্গে থাকেন এক জন প্রধান হ্যান্ডলার এবং এক জন সহযোগী। দুজনই নিরাপত্তারক্ষী। সাম্বার আচরণের অর্থ বুঝে সঠিক জায়গায় উদ্ধারকাজ শুরু করাই তাঁদের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব।সাম্বা সবসময় একই ভাবে সংকেত দেয় না। কখনও হাঁটতে হাঁটতে আচমকা থেমে যায়। কখনও কোনও নির্দিষ্ট জায়গার চারপাশে বার বার ঘুরতে থাকে। আবার কখনও মাটিতে বসে পড়ে পায়ের নখ দিয়ে মাটি খুঁড়তে শুরু করে। তার প্রতিটি আচরণই আসলে একটি সংকেত। সেই সংকেতের অর্থ বুঝতে পারেন শুধু তার সঙ্গে কাজ করা হ্যান্ডলার এবং সহযোগী।এই ভাবেই কাদামাটি এবং ধ্বংসস্তূপের মধ্যে দিনের পর দিন কাজ করে চলেছে সাম্বা। নিখোঁজদের সন্ধানে তার ভূমিকা এখন নেপালের উদ্ধারকারী দলের কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।নেপালের সশস্ত্র পুলিশ বাহিনী সাম্বার মতো আরও পাঁচটি প্রশিক্ষিত সারমেয়কে উদ্ধারকাজে নামিয়েছিল। পাশাপাশি নেপাল সেনার তরফেও আরও ছটি সারমেয়কে কাজে লাগানো হয়েছে। বিপর্যয়ের পর উদ্ধারকাজ যত দীর্ঘ হচ্ছে, প্রশিক্ষিত এই সারমেয়দের ভূমিকা ততই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে।

সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২৬
বিনোদুনিয়া

প্রাদার পর এবার রালফ লরেন! ভারতীয় নকশা ‘চুরি’র অভিযোগে তোলপাড়

কিছুদিন আগেই নকশা চুরির অভিযোগ উঠেছিল প্রাদার বিরুদ্ধে। এ বার একই ধরনের অভিযোগের মুখে আন্তর্জাতিক ফ্যাশন ব্র্যান্ড রালফ লরেন। ভারতীয় ঐতিহ্যবাহী কারুশিল্পের নকশা ব্যবহার করে যথাযথ স্বীকৃতি না দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে সংস্থাটির বিরুদ্ধে। বিষয়টি নিয়ে সমাজমাধ্যমে শুরু হয়েছে তীব্র বিতর্ক।সম্প্রতি রালফ লরেনের একটি গোলাপি পোশাক প্রকাশ্যে এসেছে। সেই পোশাকে ভারতীয় ঐতিহ্যবাহী কারুশিল্পের ছোঁয়া স্পষ্ট বলে দাবি করেছেন ফ্যাশন জগতের অনেকে। কিন্তু পোশাকটির বর্ণনায় ভারত বা ভারতীয় কারিগরদের কোনও উল্লেখ নেই। সেখানে শুধু হাতের কাজ করা সজ্জা হিসাবে বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে। আর তা নিয়েই ক্ষোভ তৈরি হয়েছে।১২ সেপ্টেম্বর রালফ লরেনের সমাজমাধ্যম পাতায় পোশাকটির ছবি প্রকাশ করা হয়। পোশাক তৈরির কাপড় এবং সুতো নিয়ে বিস্তারিত তথ্য দেওয়া হলেও হাতের কাজের বিষয়ে মাত্র একটি শব্দে উল্লেখ করা হয়েছে। ফলে প্রশ্ন উঠেছে, পোশাকটির নকশায় যদি কোনও দেশের ঐতিহ্যবাহী শিল্পের প্রভাব থাকে, তা হলে সেই শিল্প এবং কারিগরদের যথাযথ পরিচয় দেওয়া হল না কেন?এই বিষয়টি নিয়ে সরব হয়েছেন ফ্যাশন ডিজাইনার প্রখর রাও সিং চান্ডেল। তাঁর বক্তব্য, পোশাকের কাপড় নিয়ে দীর্ঘ বিবরণ দেওয়া হলেও যে কারিগররা সূক্ষ্ম হাতের কাজ করেছেন, তাঁদের শিল্পকে একটি অস্পষ্ট শব্দের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখা হয়েছে।রালফ লরেনের প্রচারে বলা হয়েছিল, প্রতিটি পোশাকের যেন নিজস্ব ইতিহাস ও চরিত্র থাকে। সেই কথাকেই সামনে রেখে প্রখর প্রশ্ন তুলেছেন, সেই পোশাকে আসলে কার ইতিহাস এবং কার চরিত্র তুলে ধরা হচ্ছে?প্রখরের দাবি, বিতর্কিত পোশাকটিতে ভারতের ঐতিহ্যবাহী সূচিশিল্প জরদৌসির ব্যবহার রয়েছে। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, লখনউ এবং আশপাশের কয়েকটি জেলায় দীর্ঘদিন ধরে এই শিল্পের চর্চা চলছে। বহু কারিগর এই শিল্পের সঙ্গে যুক্ত। তাই এটিকে শুধুমাত্র পোশাকের অলঙ্করণ হিসেবে দেখলে সেই শিল্পের সঙ্গে জড়িত মানুষের ইতিহাস ও পরিশ্রমকে আড়াল করা হয়।এই প্রসঙ্গে প্রখর গত বছর প্রাদাকে ঘিরে ওঠা বিতর্কের কথাও তুলে ধরেছেন। তাঁর অভিযোগ, ভারতীয় ঐতিহ্যবাহী কোলাপুরি চটির নকশা ব্যবহার করা হলেও সেটিকে শুধুমাত্র চামড়ার স্যান্ডেল হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছিল। পরে মহারাষ্ট্রের একটি বাণিজ্য সংগঠনের তরফে চিঠি দেওয়ার পর ভারতের নাম যুক্ত করা হয় বলে দাবি তাঁর।নিজের দলের সঙ্গে কাজ করা জরদৌসি শিল্পী বাবলু ভাইয়ের কথাও উল্লেখ করেছেন প্রখর। তাঁর বক্তব্য, এই ধরনের শিল্পের পিছনে বহু কারিগরের বছরের পর বছর পরিশ্রম রয়েছে। তাঁদের পরিচয় বাদ দিয়ে শুধু নকশাকে ব্যবহার করলে সেই শ্রমের যথাযথ মূল্যায়ন হয় না।রালফ লরেনের এই পোশাক নিয়ে শুধু জরদৌসি নয়, আরও একটি ভারতীয় সূচিশিল্প আরির ব্যবহার নিয়েও সমাজমাধ্যমে আলোচনা শুরু হয়েছে। বহু নেটিজেনের দাবি, ভারতের বিভিন্ন প্রান্তের ঐতিহ্যবাহী শিল্প বিদেশি ফ্যাশন সংস্থাগুলি ব্যবহার করলেও অনেক সময় সেই শিল্প বা কারিগরদের যথাযথ স্বীকৃতি দেওয়া হয় না।কোলাপুরি চটি ছাড়াও বাঁধনি ছাপ, তামবুরা, কুমকোর মতো বিভিন্ন ভারতীয় নকশা নিয়েও বিদেশি ফ্যাশন সংস্থার বিরুদ্ধে একই ধরনের অভিযোগ তুলেছেন সমাজমাধ্যম ব্যবহারকারীদের একাংশ। তাঁদের বক্তব্য, ভারতের প্রত্যন্ত অঞ্চলের বহু কারিগর নিজেদের পরিশ্রমে এই শিল্পগুলিকে টিকিয়ে রেখেছেন। তাঁদের পরিচয় এবং প্রাপ্য সম্মান না পেলে ধীরে ধীরে এই ঐতিহ্য হারিয়ে যেতে পারে।ফলে রালফ লরেনের নতুন পোশাক ঘিরে বিতর্কটি শুধু একটি নকশা বা পোশাকের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকছে না। ভারতীয় ঐতিহ্যবাহী কারুশিল্পের ব্যবহার, কারিগরদের স্বীকৃতি এবং আন্তর্জাতিক ফ্যাশন সংস্থাগুলির দায়িত্ব নিয়েও নতুন করে প্রশ্ন উঠছে।

সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২৬
দেশ

মেটার উপর কেন্দ্রের চাপ, অবশেষে বড় সিদ্ধান্ত! নজরে শিশুদের ক্ষতিকারক কনটেন্ট

প্রায় দুমাস ধরে আলোচনা ও বৈঠকের পর কেন্দ্রের দাবি মেনে কাজ করতে রাজি হয়েছে মেটা। সরকারি সূত্রের খবর, শিশুদের জন্য ক্ষতিকারক এবং আপত্তিকর কনটেন্টের বিষয়ে প্রশাসনকে তথ্য জানাতে রাজি হয়েছে মার্ক জুকারবার্গের সংস্থা। শিশুদের জন্য সমাজমাধ্যমকে আরও নিরাপদ করে তোলার লক্ষ্যেই এই পদক্ষেপ বলে মনে করা হচ্ছে।কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে প্রায় দুমাস আগে মেটার উপর চাপ বাড়ানো হয়েছিল। ডিপফেক, বিকৃত তথ্য এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অপপ্রচারের মতো কনটেন্ট রুখতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল সংস্থাকে। পাশাপাশি মেটার অ্যালগরিদমে প্রয়োজনীয় পরিবর্তন আনা এবং ক্ষতিকারক কনটেন্ট মোকাবিলায় কী ব্যবস্থা নেওয়া হবে, তার বিস্তারিত পরিকল্পনাও জমা দিতে বলা হয়েছিল।তবে শুরু থেকেই শিশুদের নিয়ে তৈরি আপত্তিকর এবং ক্ষতিকারক কনটেন্ট বন্ধ করার উপর বিশেষ জোর দিয়েছিল কেন্দ্র। দীর্ঘ আলোচনা ও একাধিক বৈঠকের পর সেই দাবিতে মেটা সম্মত হয়েছে বলে সরকারি সূত্রে জানা গিয়েছে।সূত্রের খবর, শিশুদের জন্য ক্ষতিকারক কনটেন্ট চিহ্নিত হওয়ার পর সেই বিষয়ে প্রশাসনকে জানাবে মেটা। এরপর প্রয়োজনীয় পদক্ষেপের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে প্রশাসন। শুধু মেটা নয়, আগামী দিনে অন্যান্য সমাজমাধ্যম সংস্থাকেও একই ধরনের ক্ষতিকারক কনটেন্ট দ্রুত শনাক্ত এবং আটকানোর আওতায় আনার চেষ্টা করছে কেন্দ্র।শিশু নির্যাতনের কনটেন্টের পাশাপাশি ডিপফেক, ভুয়ো খবর এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিত প্রচার দ্রুত শনাক্ত করার বিষয়েও মেটাকে সতর্ক করেছিল কেন্দ্র। সমাজমাধ্যমে এই ধরনের কনটেন্টের ছড়িয়ে পড়া ঠেকাতে প্রযুক্তিগত ব্যবস্থার উপরও জোর দেওয়া হয়েছে বলে সরকারি সূত্রে খবর।এর আগে প্রধানমন্ত্রীর একটি সমাজমাধ্যম পোস্ট ঘিরে কেন্দ্র ও মেটার মধ্যে টানাপোড়েন তৈরি হয়েছিল। নিটের প্রশ্নফাঁস নিয়ে আন্দোলনের সময় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি দেশের তরুণ প্রজন্মের উদ্দেশে ফেসবুকে একটি পোস্ট করেছিলেন। সেখানে প্রশ্নফাঁসের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপের আশ্বাস দেওয়া হয়েছিল।কিন্তু পরে প্রধানমন্ত্রীর সেই ভিডিও সমাজমাধ্যম থেকে সরিয়ে দেয় মেটা। বিষয়টি নিয়ে কেন্দ্রের তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রকের তরফে অসন্তোষ প্রকাশ করা হয়। পরে মেটার পক্ষ থেকে জানানো হয়, যান্ত্রিক ত্রুটির কারণেই ভিডিওটি সরানো হয়েছিল। ক্ষমা চেয়ে পরে পোস্টটি ফের প্রকাশ করা হয়।ঘটনার পর মেটার শীর্ষ কর্তাদের তলব করেছিল কেন্দ্র। সমাজমাধ্যমে প্রকাশিত বিভিন্ন ধরনের কনটেন্টের উপর আরও কড়া নজরদারির বার্তাও দেওয়া হয়েছিল। সেই ঘটনার পর থেকেই কেন্দ্র এবং মেটার মধ্যে সম্পর্ক নিয়ে চাপানউতোর চলছিল।এখন শিশুদের জন্য ক্ষতিকারক কনটেন্ট প্রশাসনের নজরে আনার বিষয়ে মেটার সম্মতির খবর সামনে আসায় সেই টানাপোড়েন অনেকটাই কমেছে বলে মনে করা হচ্ছে। তবে এই সিদ্ধান্ত বাস্তবে কী ভাবে কার্যকর হবে এবং অন্যান্য সমাজমাধ্যম সংস্থার ক্ষেত্রেও কেন্দ্র একই ব্যবস্থা নিতে পারে কি না, তা নিয়ে নজর থাকবে।

সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২৬
বিদেশ

ভ্রমণের ভিডিও করতেই কি বিপদ? আফগানিস্তানে কেরলের মহিলা ভ্লগারের ‘গ্রেপ্তার’ ঘিরে চাঞ্চল্য

কেরলের জনপ্রিয় মহিলা ভ্লগার অরুণিমা আফগানিস্তান সফরে গিয়ে বিপদে পড়েছেন বলে দাবি করেছেন। সোমবার সোশাল মিডিয়ায় একটি পোস্ট করে তিনি জানান, বামিয়ান শহরে তাঁকে মুজাহিদিনরা গ্রেপ্তার করেছে। একই সঙ্গে ভারতীয় দূতাবাসের সঙ্গে যোগাযোগের জন্য সাহায্য চেয়েছেন তিনি। তাঁর এই পোস্ট প্রকাশ্যে আসতেই উদ্বেগ ছড়িয়েছে।ব্যাকপ্যাকার অরুণিমা নামে সোশাল মিডিয়ায় পরিচিত ওই তরুণী কিছুদিন আগে ভারত থেকে আফগানিস্তানে যান। সেখানে বিভিন্ন জায়গা ঘুরে দেখার পাশাপাশি নিয়মিত ভিডিও এবং ছবি প্রকাশ করছিলেন। সোমবার একটি পোস্টে অরুণিমার দাবি, আফগানিস্তানে গিয়ে তিনি বিপদে পড়েছেন এবং বামিয়ান শহরে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।ভারতীয় দূতাবাসের সঙ্গে যোগাযোগ করতে সাহায্য করার জন্যও আবেদন জানিয়েছেন তিনি। নিজের সোশাল মিডিয়া পাতায় স্থানীয় প্রশাসনের কাছ থেকে পাওয়া বলে দাবি করা গ্রেপ্তারি সংক্রান্ত কিছু নথিও প্রকাশ করেছেন অরুণিমা। ফলে তাঁর দাবি ঘিরে স্বাভাবিক ভাবেই চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে।তবে ঠিক কী কারণে অরুণিমাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে দাবি করা হচ্ছে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। গ্রেপ্তারের পরিস্থিতি নিয়েও বিস্তারিত কিছু জানাননি তিনি। স্থানীয় প্রশাসন বা আফগানিস্তানের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তরফে কী বলা হয়েছে, সেটিও এখনও পরিষ্কার নয়।এই ঘটনায় ভারতের বিদেশমন্ত্রকের তরফে তাৎক্ষণিক কোনও প্রতিক্রিয়া সামনে আসেনি। অরুণিমার প্রকাশ করা পোস্ট এবং নথির সত্যতাও স্বাধীন ভাবে যাচাই করা হয়নি। ফলে তাঁর দাবি কতটা সত্য, তা নিয়েও আপাতত ধোঁয়াশা রয়েছে।গত কয়েকদিন ধরে আফগানিস্তানের বিভিন্ন জায়গায় ঘুরছিলেন অরুণিমা। সেখান থেকে প্রকাশিত একাধিক ভিডিওতে আফগানিস্তানের পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলতে দেখা যায় তাঁকে। বিশেষ করে তালিবান শাসনে মহিলাদের জীবন, তাঁদের উপর থাকা বিভিন্ন বিধিনিষেধ এবং ভয়-আতঙ্কের কথা তুলে ধরেছিলেন তিনি।আফগানিস্তানের সাধারণ মানুষের সঙ্গেও সময় কাটানোর ছবি এবং ভিডিও প্রকাশ করেছিলেন অরুণিমা। সেই সফরের মধ্যেই হঠাৎ তাঁর গ্রেপ্তারের দাবি সামনে আসায় বিষয়টি নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। তিনি কী কারণে আটক হয়েছেন, কোথায় রয়েছেন এবং ভারতীয় দূতাবাসের সঙ্গে তাঁর যোগাযোগ হয়েছে কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়।সব মিলিয়ে কেরলের এই জনপ্রিয় ভ্লগারের আফগানিস্তান সফর ঘিরে তৈরি হয়েছে ব্যাপক রহস্য। অরুণিমার দাবি এবং প্রকাশ করা নথি যাচাই হওয়ার পরই গোটা ঘটনার প্রকৃত ছবি স্পষ্ট হবে।

সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২৬
কলকাতা

বামেদের নবান্নে ডেকে পুষ্পাঞ্জলির আমন্ত্রণ! গণেশ পুজোর মঞ্চে শুভেন্দুর বিস্ফোরক বার্তা

গণেশ পুজোর সূচনা করে বামেদের বিরুদ্ধে তীব্র আক্রমণ শানালেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। ধর্মকে আফিং বলা এবং নিজেদের নাস্তিক বলে পরিচয় দেওয়া ব্যক্তিদের কাছ থেকে কোনও উপদেশ নেওয়া হবে না বলে স্পষ্ট বার্তা দিয়েছেন তিনি। একই সঙ্গে বাগেশ্বর বাবা বিতর্ক, পুজোকে শারদোৎসব বলা নিয়ে বিতর্ক এবং গণেশ পুজোর বিস্তারসবকিছু নিয়েই নিজের বক্তব্য তুলে ধরেন শুভেন্দু।সোমবার গণেশ পুজোর সূচনা করে শুভেন্দু বলেন, সনাতন ধর্মের রীতিনীতি নিয়ে বাইরের কারও কাছ থেকে উপদেশ নেওয়ার প্রয়োজন নেই। তাঁর বক্তব্য, কোনও দিন নিরামিষ খাবার দিয়ে পুজো হয়, আবার কোনও দিন মাছ দিয়ে দেবতাকে ভোগ দেওয়া হয়। সনাতন ধর্মের মানুষ কোন পুজোয় কী নিয়ম মানবেন, তা তাঁরা নিজেরাই জানেন।বাগেশ্বর বাবা বিতর্কের প্রসঙ্গ টেনে শুভেন্দু বলেন, পুজোর পদ্ধতি, পুজোর পাঠ এবং পঞ্জিকার নিয়ম বদলে একসময় ধর্মীয় অনুষ্ঠানকে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের রূপ দেওয়ার চেষ্টা হয়েছিল। তাঁর অভিযোগ, প্রাদেশিকতার নামে মানুষের মধ্যে বিভাজন তৈরির চেষ্টা হয়েছিল।এর আগে বালিগঞ্জে ভারত সেবাশ্রম সংঘের পুজোর সূচনা করেন শুভেন্দু। সেখানেও পুজো এবং শারদোৎসব নিয়ে চলা বিতর্কের প্রসঙ্গ ওঠে। কমিউনিস্ট নেতাদের উদ্দেশে তিনি বলেন, যাঁদের পুজো নিয়ে আপত্তি রয়েছে, তাঁরা নবান্নে এসে তাঁর সঙ্গে বিশ্বকর্মা পুজোয় পুষ্পাঞ্জলি দিতে পারেন।শুভেন্দুর বক্তব্য, তিনি বিশ্বকর্মা পুজোর দিন নবান্নে পুষ্পাঞ্জলি দেবেন। কমিউনিস্ট নেতাদেরও সেখানে এসে একসঙ্গে পুষ্পাঞ্জলি দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি। তাঁর কটাক্ষ, তাতে তাঁরাও পরিবর্তনের স্বাদ পাবেন।পুজোর নাম নিয়ে যে বিতর্ক চলছে, তার মধ্যেই মুখ্যমন্ত্রীর এই মন্তব্যকে রাজনৈতিক ভাবে তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। বিশেষ করে পুজোকে ধর্মীয় অনুষ্ঠান না কি বৃহত্তর সাংস্কৃতিক উৎসব হিসাবে দেখা হবে, তা নিয়ে যে রাজনৈতিক তরজা চলছে, সেই বিতর্কে নতুন মাত্রা যোগ করেছে তাঁর বক্তব্য।এ দিন বামেদের আক্রমণ করার পাশাপাশি আগের সরকারের আমলে পিতৃপক্ষে দুর্গাপুজোর সূচনা নিয়েও কটাক্ষ করেন শুভেন্দু। তাঁর মন্তব্য, পিতৃপক্ষে কাঁচি নিয়ে বের হওয়ার কোনও প্রয়োজন নেই।দেশবিরোধী শক্তি নিয়েও এ দিন সতর্ক করেন শুভেন্দু। তাঁর বক্তব্য, অসুরদের থেকে সাবধানে থাকতে হবে এবং তাঁদের থেকে দূরে থাকতে হবে। একই সঙ্গে দেশবিরোধী শক্তি এবং টুকরে টুকরে গ্যাং থেকেও দূরে থাকার বার্তা দেন তিনি।গণেশ পুজো কেন বাড়ছে, তা নিয়ে যাঁরা প্রশ্ন তুলছেন, তাঁদেরও এ দিন পাল্টা জবাব দেন শুভেন্দু। তাঁর বক্তব্য, গণপতি পুজো শুধু মহারাষ্ট্রের বিষয় নয়। সনাতন ধর্মের ঐক্যের মধ্যেই এর বিস্তার রয়েছে।শুভেন্দুর দাবি, একসময় মারাঠি, গুজরাতি, বিহারি-সহ বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মধ্যে একটি প্রাচীর তুলে রাখা হয়েছিল। তাঁর কথায়, সেই প্রাচীর ভেঙে দেওয়া হয়েছে। গণেশ পুজোর বিস্তারকে তিনি সনাতনীদের ঐক্যের প্রতীক হিসাবেই তুলে ধরেন।গণেশ পুজোর সূচনা থেকে বাগেশ্বর বাবা বিতর্ক, পুজোর নাম নিয়ে রাজনৈতিক তরজা থেকে বামেদের নবান্নে পুষ্পাঞ্জলির আমন্ত্রণসব মিলিয়ে শুভেন্দু অধিকারীর সোমবারের বক্তব্য ঘিরে রাজ্য রাজনীতিতে নতুন করে চর্চা শুরু হয়েছে।

সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২৬
রাজ্য

পুজোর পরই কি বাড়ছে বাসভাড়া? মন্ত্রীর কথায় বড় ইঙ্গিত, কত হতে পারে ন্যূনতম ভাড়া?

পুজোর পর রাজ্যে বাসভাড়া বাড়তে পারে। সরকারি ও বেসরকারি বাসের পাশাপাশি দূরপাল্লার বাসের ভাড়াতেও পরিবর্তন হতে পারে বলে ইঙ্গিত মিলেছে। তবে পুজোর আগে ভাড়া বাড়ানোর কোনও সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে না। সোমবার বেসরকারি বাস মালিকদের সঙ্গে বৈঠকের পর এমনটাই জানিয়েছেন পরিবহণমন্ত্রী অর্জুন সিং।বৈঠক শেষে পরিবহণমন্ত্রী বলেন, পুজোর আগে বাসভাড়া নিয়ে কোনও সিদ্ধান্ত হবে না। তবে পুজোর পরে বেসরকারি বাসের ভাড়া বাড়ানো নিয়ে আলোচনা হতে পারে। তাঁর বক্তব্য, দীর্ঘদিন ধরে একই ভাড়া চলছে। ২০১৮ সাল থেকে বাসভাড়ার তালিকায় কোনও পরিবর্তন হয়নি। তাই অনির্দিষ্টকাল ভাড়া না বাড়িয়ে রাখা সম্ভব নয়।বাসভাড়া বাড়ানোর প্রয়োজনীয়তার কথা বলতে গিয়ে বাম আমলেরও সমালোচনা করেন পরিবহণমন্ত্রী। তাঁর দাবি, সেই সময় নেতারা নিজেদের গাড়িতে যাতায়াত করলেও বাসের ভাড়া বাড়ানো হত না। এর ফলে ধীরে ধীরে বাসের সংখ্যা কমে গিয়েছিল। বর্তমান সরকার সেই পথে হাঁটতে চায় না বলেও জানান তিনি। সাধারণ মানুষের সুবিধার জন্য আরও বেশি বাস রাস্তায় নামানোর পাশাপাশি পরিষেবার মান উন্নত করার কথাও বলেন মন্ত্রী।২০১৮ সালে শেষ বার সরকারি ভাবে বাসভাড়ার তালিকা পরিবর্তন হয়েছিল। তখন ন্যূনতম ভাড়া ছিল ৭ টাকা। যদিও কোভিডের সময় থেকে অনেক ক্ষেত্রে ন্যূনতম ভাড়া ১০ টাকা নেওয়া হচ্ছে। সেই পরিবর্তনের কোনও সরকারি বিজ্ঞপ্তি হয়নি বলে জানা গিয়েছে। ফলে আগামী দিনে বাসভাড়া বাড়লে ন্যূনতম ভাড়া কত হবে, সেটিই এখন বড় প্রশ্ন।বাস মালিকদের আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি ছিল টোল নিয়ে। তাঁদের অভিযোগ, একই জেলার মধ্যেও বিভিন্ন জায়গায় আলাদা হারে টোল নেওয়া হচ্ছে। এই সমস্যা মেটাতে সব টোল প্লাজায় নির্দিষ্ট হারে টোল চালুর বিষয়ে উদ্যোগী হয়েছে রাজ্য। জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষকে এ বিষয়ে ছদিনের সময় দেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। ওড়িশার মতো নিয়ম চালুর কথাও জানিয়েছেন পরিবহণমন্ত্রী।বড় রাস্তায় টোটো চলাচল নিয়েও কড়া অবস্থানের কথা জানিয়েছেন তিনি। মূল রাস্তায় টোটো চলাচল বন্ধ করা হবে বলে স্পষ্ট জানিয়েছেন মন্ত্রী। টোটো চলাচল নিয়ে যে সমস্যা তৈরি হয়েছে, তার সমাধানে একটি নির্দিষ্ট নিয়ম চালু করার প্রয়োজন রয়েছে বলেও জানান তিনি।বাস মালিকদের দীর্ঘদিনের আরও একটি সমস্যা ছিল রাতের বাস রাখার জায়গা নিয়ে। বৈঠকের পর সেই সমস্যা মিটেছে বলে জানিয়েছেন বাস মালিকদের প্রতিনিধিরা। একই সঙ্গে যেসব বাস মালিকের দীর্ঘদিনের কর বকেয়া রয়েছে, তাঁদের জরিমানা কিছুটা কমানোর বিষয়েও আশ্বাস দিয়েছেন পরিবহণমন্ত্রী। তবে এই বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এখনও হয়নি।এর মধ্যেই সামনে দুর্গাপুজো। পুজোর সময় রাস্তায় মানুষের ভিড় এবং যাতায়াতের চাপ অনেকটাই বেড়ে যায়। সেই পরিস্থিতি সামাল দিতে পুজোর আগেই আরও প্রায় ৩০০ সরকারি বাস রাস্তায় নামানো হবে বলে জানিয়েছেন পরিবহণমন্ত্রী। ফলে শহর ও শহরতলির গণপরিবহণ ব্যবস্থায় কিছুটা স্বস্তি মিলতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।বৈঠক নিয়ে খুশি বাস মালিকদের সংগঠনগুলিও। সারা বাংলা বাস-মিনিবাস সমন্বয় সমিতির সাধারণ সম্পাদক রাহুল চট্টোপাধ্যায় জানিয়েছেন, পরিবহণমন্ত্রীর সঙ্গে তাঁদের বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে এবং তাঁরা খুশি। টোলের সমস্যা প্রায় এক সপ্তাহের মধ্যে মিটিয়ে দেওয়ার আশ্বাসও মন্ত্রী দিয়েছেন বলে জানান তিনি।বাসভাড়া বাড়ানো নিয়েও পরিবহণমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা হয়েছে বলে জানিয়েছেন রাহুল। তাঁর আশা, পুজোর পর এবার বাসভাড়া বাড়ানো হবে। একই সুর শোনা গিয়েছে সিটি সাবার্বান বাস সার্ভিসেসের সাধারণ সম্পাদক টিটু সাহার বক্তব্যেও। জয়েন্ট কাউন্সিল অফ বাস সিন্ডিকেটের সাধারণ সম্পাদক তপন বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, দীর্ঘদিনের নাইট পার্কিংয়ের সমস্যা মিটিয়ে দেওয়ায় তাঁরা সন্তুষ্ট। বৈঠকে খুশি ওয়েস্টবেঙ্গল বাস-মিনিবাস ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক প্রদীপ নারায়ণ বসুও।সব মিলিয়ে পুজোর আগে যাত্রীদের জন্য বাড়তি সরকারি বাস নামানোর সিদ্ধান্ত কিছুটা স্বস্তি দিলেও পুজোর পর বাসভাড়া বাড়তে পারেপরিবহণমন্ত্রীর বক্তব্যে সেই সম্ভাবনাই জোরালো হয়েছে। তবে ভাড়া কত বাড়বে বা নতুন ন্যূনতম ভাড়া কত হবে, তা এখনও চূড়ান্ত হয়নি। ফলে পুজোর পর রাজ্যের বাসযাত্রীদের পকেটে কতটা অতিরিক্ত চাপ পড়বে, এখন সেটাই দেখার।

সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২৬
রাজ্য

প্রার্থী ঘোষণার পরেও কংগ্রেসের দরজায় মমতা! নন্দীগ্রাম নিয়ে কেন এত মরিয়া তৃণমূল?

নন্দীগ্রাম ও রেজিনগর বিধানসভা কেন্দ্রে উপনির্বাচনের মনোনয়ন পর্ব শুরু হতেই বঙ্গ রাজনীতিতে নতুন জল্পনা তৈরি হয়েছে। সূত্রের খবর, বিজেপিকে আটকাতে দুই কেন্দ্রে একসঙ্গে লড়াই করার জন্য কংগ্রেসের শীর্ষ নেতৃত্বের কাছে জোটের প্রস্তাব দিয়েছেন কালীঘাট তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এ বিষয়ে তিনি এআইসিসির অন্যতম সাধারণ সম্পাদক কেসি বেনুগোপালকে ফোন করেছিলেন বলে জানা গিয়েছে।সূত্রের খবর, ফোনে মমতা নন্দীগ্রাম আসনটি কংগ্রেসকে ছেড়ে দেওয়ার প্রস্তাব দেন। পাশাপাশি রেজিনগরে কালীঘাট তৃণমূলের প্রার্থীকে কংগ্রেস সমর্থন করুক, সেই আবেদনও জানান তিনি। এমনকি নন্দীগ্রামে কালীঘাট তৃণমূলের ঘোষিত প্রার্থীকে সরিয়ে নেওয়ার কথাও তিনি জানিয়েছিলেন বলে খবর।এই খবর প্রকাশ্যে আসতেই প্রশ্ন উঠেছে, তা হলে কি নন্দীগ্রাম ও রেজিনগর উপনির্বাচনে কংগ্রেস ও কালীঘাট তৃণমূলের মধ্যে জোট হতে চলেছে? তবে সূত্রের খবর, মমতার প্রস্তাব গ্রহণ করেনি কংগ্রেসের শীর্ষ নেতৃত্ব। বরং প্রদেশ কংগ্রেসের তরফে পাল্টা বার্তা দেওয়া হয়েছে, জোট চাইলে দুই আসনেই কালীঘাট তৃণমূলকে কংগ্রেসকে সমর্থন করতে হবে।প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি শুভঙ্কর সরকার জানিয়েছেন, কালীঘাট তৃণমূল যদি সত্যিই জোট চায়, তা হলে নন্দীগ্রাম ও রেজিনগরদুই আসনেই কংগ্রেসকে সমর্থন করা উচিত। তাঁর বক্তব্য, এমনটা হলে ভবিষ্যতে জোটের রাস্তা আরও খোলা থাকতে পারে।আগামী ৬ অক্টোবর নন্দীগ্রাম ও রেজিনগরে উপনির্বাচন। ১৬ সেপ্টেম্বর মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ দিন। ইতিমধ্যেই দুই কেন্দ্রেই কংগ্রেস এবং কালীঘাট তৃণমূল প্রার্থী ঘোষণা করেছে। একই সঙ্গে ঋতব্রতপন্থী তৃণমূলও দুই আসনে প্রার্থী দিয়েছে। ফলে তৃণমূলের দুই শিবিরের মধ্যে প্রতীক ও রাজনৈতিক নিয়ন্ত্রণ নিয়ে লড়াইয়ের পাশাপাশি কংগ্রেস ও বিজেপির লড়াইও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।ঋতব্রতপন্থী তৃণমূলের নন্দীগ্রামের প্রার্থী এহতেশামুল হক। রেজিনগরে তাঁদের প্রার্থী সফিউজ্জামান শেখ। অন্য দিকে, কালীঘাট তৃণমূল নন্দীগ্রামে সঞ্চিতা প্রধান দে এবং রেজিনগরে রবিউল আলম চৌধুরীকে প্রার্থী করেছে।নন্দীগ্রামে সঞ্চিতা প্রধান দে-কে প্রার্থী করা নিয়েও স্থানীয় স্তরে কিছুটা অস্বস্তি রয়েছে বলে সূত্রের দাবি। তাঁর নাম ২০১৪ সালের শিক্ষক নিয়োগ সংক্রান্ত দুর্নীতির মামলায় জড়িয়েছিল বলে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা রয়েছে। সেই কারণেই প্রার্থীর ভাবমূর্তি নিয়ে দলের স্থানীয় স্তরে প্রশ্ন উঠেছে বলে খবর। যদিও প্রকাশ্যে এখনও কোনও বড় ধরনের ক্ষোভ দেখা যায়নি।এই পরিস্থিতিতে প্রশ্ন উঠছে, প্রার্থী বাছাই নিয়ে অস্বস্তির কারণেই কি মমতা কংগ্রেসের সঙ্গে সমঝোতার চেষ্টা করলেন? নাকি মূল লক্ষ্য ছিল নন্দীগ্রামে বিজেপিকে আটকাতে বিরোধী ভোটকে এক জায়গায় আনা? রাজনৈতিক মহলে এই দুই সম্ভাবনা নিয়েই জোর আলোচনা শুরু হয়েছে।সোমবার সন্ধ্যায় কেসি বেনুগোপালকে ফোন করে মমতা বিজেপির বিরুদ্ধে একজোট হয়ে লড়াই করার প্রস্তাব দেন বলে সূত্রের খবর। নন্দীগ্রাম কংগ্রেসকে ছেড়ে দেওয়ার পাশাপাশি রেজিনগরে কালীঘাট তৃণমূলকে সমর্থনের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু কংগ্রেসের তরফে সেই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।রেজিনগরে কংগ্রেসের প্রার্থী মহম্মদ আব্দুল্লাহিল কাফি। নন্দীগ্রামে কংগ্রেসের প্রার্থী মিলন প্রধান। রেজিনগরে ইতিমধ্যেই কংগ্রেসের প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। সেই সময় উপস্থিত ছিলেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি শুভঙ্কর সরকার।মমতার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যানের পিছনে পুরনো রাজনৈতিক সম্পর্কের কথাও সামনে আনছে কংগ্রেস। কংগ্রেস নেতৃত্বের বক্তব্য, ২০১১ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে বামেদের সরাতে তৎকালীন সময়ে কংগ্রেসের সঙ্গে জোট করেছিল তৃণমূল। সেই জোটের সুবিধা নিয়ে ক্ষমতায় আসার পর ২০১২ সালে কংগ্রেসের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করেন মমতা। এরপর রাজ্যে তৃণমূলের শাসনকালে কংগ্রেসের নেতা-কর্মীদের উপর হামলা, মিথ্যা মামলা এবং খুনের মতো একাধিক অভিযোগ উঠেছে বলে দাবি কংগ্রেসের।মমতার এবারের জোটের প্রস্তাব সামনে আসার পর কংগ্রেসের নিচুতলার নেতা-কর্মীদের মধ্যেও ক্ষোভ তৈরি হয়েছে বলে সূত্রের খবর। সেই ক্ষোভকে গুরুত্ব দিয়েই কংগ্রেসের শীর্ষ নেতৃত্ব প্রস্তাবটি ফিরিয়ে দিয়েছে বলে দলীয় সূত্রে দাবি করা হয়েছে।ফলে নন্দীগ্রাম ও রেজিনগরের উপনির্বাচনে আপাতত আলাদা পথেই লড়াই করতে চলেছে কংগ্রেস ও কালীঘাট তৃণমূল। তার উপর দুই কেন্দ্রেই তৃণমূলের দুই শিবিরের প্রার্থী থাকায় লড়াই আরও জটিল হয়েছে। মনোনয়ন পর্ব শেষ হওয়ার পর রাজনৈতিক সমীকরণ কোন দিকে যায়, নন্দীগ্রামে বিজেপি, কংগ্রেস এবং তৃণমূলের দুই শিবিরের লড়াই কোন নতুন মোড় নেয়, এখন সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal