• ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩, শুক্রবার ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

India

খেলার দুনিয়া

হংকংকে উড়িয়ে গ্রুপ শীর্ষে থেকে এশিয়ান কাপের মূলপর্বে ভারত

এএফসি এশিয়ান কাপের মূলপর্বে কি যোগ্যতা অর্জন করতে পারবে ভারত? মঙ্গলবার সকাল থেকেই প্রশ্নটা ঘুরপাক খাচ্ছিল। হংকংয়ের বিরুদ্ধে গ্রুপ লিগের শেষ ম্যাচে মাঠে নামার আগেই অবশ্য ইগর স্টিম্যাকের দলকে স্বস্তি দেয় প্যালেস্তাইন। গ্রুপ বিতে নিজেদের শেষ ম্যাচে ফিলিপিন্সকে ৪০ ব্যবধানে হারিয়ে ভারতের পথ প্রশস্ত করে দিয়েছিল। হংকংয়ের কাছে হারলেও মূলপর্বে যাওয়া আটকাত না ভারতের। মূলপর্বে পৌঁছে গেলেও সুনীল ছেত্রীরা অবশ্য আত্মতুষ্ট হয়ে পড়েননি। হংকংকে হারিয়ে গ্রুপ শীর্ষে থেকেই এএফসি এশিয়ান কাপের মূলপর্বে পৌঁছল ভারত।ভারতহংকং ম্যাচ শুরুর কয়েক ঘণ্টা আগেই ভারতের এশিয়ান কাপে যোগ্যতা অর্জন নিশ্চিত হয়ে গিয়েছিল। যুবভারতীতে আনন্দউৎসবে মেতে ওঠেন। গ্যালারিতে জ্বলে ওঠে মোবাইলের ফ্ল্যাশ। স্টিম্যাক ব্রিগেডও জ্বলে ওঠে মাঠে। দর্শকরা নিজেদের আসনে ঠিকভাবে বসার আগেই গোল। প্রথম মিনিটেই ভারতকে এগিয়ে দেন আনোয়ার আলি। আশিক কুরুনিয়ানের সেন্টার হংকং ডিফেন্স আংশিক প্রতিহত করলে সেই বল যায় আনোয়ারের কাছে যায়। তিন কাঠিতে বল রাখতে ভুল করেননি আনোয়ার। শারিরীক অসুস্থতার জন্য একসময় ফুটবলজীবনই অনিশ্চিত হয়ে পড়েছিল আনোয়ারের। এই গোল তাঁকে নতুন জীবন দেবে সন্দেহ নেই।২৮ মিনিটে ব্যবধান বাড়াতে পারত ভারত। রোশন সিংয়ের সেন্টার ধরে সাহাল আব্দুল সামাদের শট বারে লেগে ফিরে আসে। ৪১ মিনিটে ভারতীয় গোলকিপার গুরপ্রীত সিংয়ের ভুলে সমতা ফেরাতে পারত হংকং। কিন্তু সুযোগ কাজে লাগাতে পারেনি। প্রথমার্ধের একেবারে শেষ দিকে ব্যবধান বাড়ায় ভারত। জিকসন সিংয়ের ফ্রি কিক থেকে বাঁপায়ের দুরন্ত ভলিতে গোল করেন সুনীল ছেত্রী। দ্বিতীয়ার্ধেও ভারতের খেলার ঝাঁঝ ছিল চোখে পড়ার মতো। দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই গোল করার মতো জায়গায় চলে এসেছিলেন সুনীল ছেত্রী। গোলরক্ষককে একা পেয়েও সুবিধাজনক জায়গা থেকে সুনীলে সরাসরি হংকং-এর গোলরক্ষক ইয়াপ হুং ফাই-এর হাতে মারেন। এই সুযোগের দুই মিনিট আগে উদান্ত সিং-এর শট আউট সুইং হয়ে বাইরে বেড়িয়ে যায়। ৫৯ মিনিটে সাহাল আবদুল সামাল এবং উদান্ত সিং-এর পরিবর্তে স্টিম্যাচ নামান লিস্টন কোলাসো এবং মনবীর সিংকে। ৭৬ মিনিটে সুনীল ছেত্রীর পরিবর্তে নামেন ব্রেন্ডন ফার্নান্ডেজ। দুই পরিবর্তন খেলোয়াড় ব্রেন্ডন এবং মনবীরের যুগলবন্দীতে তৃতীয় গোলটি পায় ভারত। ৮৫ মিনিটে ব্রেন্ডনের পাস থেকে গোল করে যান মনবীর সিং। গোটা স্টেডিয়াম যখন ৩-০ গোলে ম্যাচ জেতার আনন্দে বিভোর তখন দ্বিতীয়ার্ধের অতিরিক্ত সময়ে সেই আনন্দকে বাড়িয়ে দেয় ঈশান পন্ডিতার গোল। মনবীর সিং-এর পাস থেকে গোল করে যান সুপার সাব ঈশান পন্ডিতা। হংকং-এর বিরুদ্ধে এই জয় গ্রুপ ডি-এর শীর্ষে স্থানে জায়গা করে দিল ভারতকে (৩ ম্যাচে ৯ পয়েন্ট)। দ্বিতীয় স্থানে রইল হংকং (৩ ম্যাচে ৬ পয়েন্ট)।

জুন ১৫, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌ব্যর্থ হয়ে গেল ভুবনেশ্বরের দুরন্ত বোলিং, আবার হার ভারতের

৭ বছর আগে এই দক্ষিণ আফ্রিকার কাছেই কটকের বারাবাটি স্টেডিয়ামে বিধ্বস্ত হয়েছিল ধোনির ভারত। ঋষভ পন্থদের সামনে ছিল প্রতিশোধ নেওয়ার সুযোগ। কিন্তু সেই সুযোগ কাজে লাগাতে পারলেন না ঋষভরা। দ্বিতীয় ম্যাচে ৪ উইকেটে ভারতকে হারিয়ে টি২০ সিরিজে ২০ ব্যবধানে এগিয়ে গেল দক্ষিণ আফ্রিকা। দুরন্ত বোলিং করেও দলকে জেতাতে পারলেন না ভুবনেশ্বর কুমার।এদিনও টস জিতে ভারতকে প্রথমে ব্যাট করতে পাঠান দক্ষিণ আফ্রিকার অধিনায়ক তেম্বা বাভুমা। শুরুতেই ধাক্কা খায় ভারত। কাগিসো রাবাডার অফ স্টাম্পের বাইরের বল তাড়া করতে গিয়ে উইকেট ছুড়ে দিয়ে আসেন ঋতুরাজ গায়কোয়াড় (১)। এরপর আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠেন ঈশান। দ্বিতীয় উইকেট জুটিতে ঈশান কিষাণ ও শ্রেয়স আইয়ার ৩৫ বলে ৪৫ রান যোগ করেন। সপ্তম ওভারে ঈশান কিষাণকে তুলে নেন আনরিখ নরটিয়ে। ২টি ছয় ও ৩টি চারের সাহায্যে তিনি করেন ২১ বলে ৩৪। ৪৮ রানে দ্বিতীয় উইকেট হারায় ভারত।অধিনায়ক ঋষভ পন্থও এদিন নিজেকে মেলে ধরতে পারেননি। ৭ বলে ব্যক্তিগত ৫ রান করে আউট হন দলের ৬৮ রানের মাথায়। তাঁকে তুলে নেন কেশব মহারাজ। হার্দিক পাণ্ডিয়া ১২ বলে ৯ রান করে ওয়েন পার্নেলের বলে বোল্ড হলে ভারতের স্কোর দাঁড়ায় ৪ উইকেটে ৯০। বড় রানের দিকে এগোচ্ছিলেন শ্রেয়স আইয়ার। কিন্তু ১৩.৫ ওভারে তিনি ডোয়েন প্রিটোরিয়াসের বলে কট বিহাইন্ড হন। ২টি করে চার ও ছয় মেরে শ্রেয়স ৩৫ বলে করেন ৪০। ১৭ তম ওভারের শেষ বলে অক্ষর প্যাটেলকে (১১ বলে ১০) বোল্ড করেন নরটিয়ে। ১১২ রানে ৬ উইকেট হারিয়ে বড় রানের স্বপ্ন শেষ হয়ে যায় ভারতের। শেষ ৫ ওভারে ভারত ১ উইকেট হারিয়ে তোলে ৪৪ রান। দীনেশ কার্তিক শেষ দিকে আগ্রাসী ব্যাটিং করে ভারতকে ১৪৮/৬ রানে পৌঁছে দেয়। ২১ বলে ৩০ রান করে অপরাজিত থাকেন কার্তিক। তাঁর ইনিংসে রয়েছে ২টি করে ৪ ও ৬। ৯ বলে ১২ রান করে অপরাজিত থাকেন হর্ষল প্যাটেল। দক্ষিণ আফ্রিকার বোলারদের মধ্যে আনরিখ নরটিয়ে ৪ ওভারে ৩৬ রান দিয়ে ২ উইকেট নেন। কাগিসো রাবাডা ৪ ওভারে মাত্র ১৫ রান খরচ করেন, একটি উইকেট পান তিনিও।জয়ের জন্য ১৪৯ রানের লক্ষ্য নিয়ে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা ভাল হয়নি দক্ষিণ আফ্রিকার। প্রথম ওভারেই ফিরে যান কুইন্টন ডিককের পরিবর্তে ওপেন করতে নামা রেজা হেনড্রিকস (৪)। তাঁকে তুলে নেন ভুবনেশ্বর কুমার। এক ওভার পরে আবার ধাক্কা দক্ষিণ আফ্রিকার। এবার আউট ডোয়েন প্রিটোরিয়াস (৪)। তিনিও ভুবনেশ্বরের শিকার। ষষ্ঠ ওভারে রাসি ভ্যান ডার ডুসেনকে (১) হারিয়ে বিপর্যয়ে পড়ে দক্ষিণ আফ্রিকা। অধিনায়ক তেম্বা বাভুমার সঙ্গে জুটি বেঁধে দলের বিপর্যয় সামাল দেন হেনরিখ ক্লাসেন। ১৩.২ ওভারে চাহালের বলে বোল্ড হন বাভুমা। ৩০ বলে তিনি করেন ৩৫। বাভুমা আউট হলেও চাপে পড়েননি ক্লাসেন। ডেভিড মিলারের সঙ্গে জুটি বেঁধে দলকে জয়ের কাছাকাছি পৌঁছে দেন। ৪৬ বলে ৮১ রান করে করে আউট হন ক্লাসেন। তাঁকে তুলে নেন হর্ষল প্যাটেল। ওয়েন পার্নেলকে (১) ফেরান ভুবনেশ্বর। তাসত্ত্বেও জয় আটকায়নি দক্ষিণ আফ্রিকার। ১০ বল বাকি থাকতেই দলকে জয়ের লক্ষ্যে (১৪৯/৬) পৌঁছে দেন ডেভিড মিলার। ১৫ বলে ২০ রান করে অপরাজিত থাকেন তিনি। এদিন দুরন্ত বোলিং করেও দলকে জেতাতে পারলেন না ভুবনেশ্বর। ৪ ওভারে মাত্র ১৩ রান দিয়ে ৪ উইকেট তুলে নেন তিনি।

জুন ১২, ২০২২
খেলার দুনিয়া

ভারতীয় দল কি পারবে ঘুরে দাঁড়াতে?‌ কী বললেন ভুবনেশ্বর

সিরিজের প্রথম টি২০ ম্যাচে ২১১ রান করেও শেষরক্ষা হয়নি। ডেভিড মিলার ও রাসি ভান ডার ডুসেনের দাপটে হারতে হয়েছিল। কটকে সিরিজে সমতা ফেরানোর দিকে তাকিয়ে রয়েছে ভারত। ঋষভ পন্থের দলের কাছে কাজটা খুব একটা সহজ হবে না।কটকের বরাবাটি স্টেডিয়ামে দক্ষিণ আফ্রিকার সাফল্য কিন্তু খারাপ নয়। ২০১৫ সালে এই বরাবটি স্টেডিয়ামেই ভারতকে ৯২ রানে গুটিয়ে দিয়ে ৬ উইকেটে ম্যাচ জিতে সিরিজ পকেটে ভরেছিল দক্ষিণ আফ্রিকা। বরাবাটি স্টেডিয়ামে ৫ বছর পর টি২০ আন্তর্জাতিক ম্যাচে মাঠে নামবে ভারত। ভারত অবশ্য তাকিয়ে ৭ বছর আগের পরাজয়ের প্রতিশোধ নিতে।করোনার জন্য এতদিন ক্লোজড ডোর অনুশীলনই হচ্ছিল। শনিবার কটকের ছবিটা ছিল আলাদা। অনুশীলন দেখতেই গ্যালারি ভর্তি। কটকে গ্যালারি ভর্তি দর্শকের সামনে অনুশীলন করছে ভারতীয় দল। অধিনায়ক ঋষভ পন্থ ও সহ অধিনায়ক হার্দিক পাণ্ডিয়ার ব্যাটিং অনুশীলনে আগ্রাসী মেজাজ, বড় শট খেলা দেখা তারিয়ে তারিয়ে উপভোগ করেন দর্শকরা। প্রথম ম্যাচে ব্যাটিং ভাল হয়েছে। বোলিংয়ের জন্যই ডুবতে হয়েছিল ভারতকে। সেকথা মাথায় রেখে বোলিং বিভাগে উন্নতির জন্য পরিকল্পনা করছে ভারতীয় শিবির।কটকে দ্বিতীয় ম্যাচে মাঠে নামার আগে ভারতীয় দলের সবথেকে অভিজ্ঞ বোলার ভুবনেশ্বর কুমার বলেন, সিরিজের প্রথম ম্যাচে আমাদের কোথায় ভুলত্রুটি হয়েছে তা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। সকলেই আইপিএল খেলে এসেছে এবং এই দলে যারা রয়েছে, প্রত্যেকেই আইপিএলে ভাল খেলেছে। সবাই জানে ম্যাচে কী কী করতে হবে। একটা দিন খারাপ যেতেই পারে। আগের ম্যাচে বোলিং বিভাগের সেটাই হয়েছিল। আমরা সকলেই ঘুরে দাঁড়াতে মুখিয়ে রয়েছি।ভারতীয় দলের ব্যাটিং বিভাগে পরিবর্তনের সম্ভাবনা নেই। বরাবাটি স্টেডিয়ামের উইকেট দেখে বোলিং আক্রমণে পরিবর্তন আসে কিনা সেটা দেখার। তবে হেড কোচ রাহুল দ্রাবিড় নিজে দ্রুত পরিবর্তনের পথে হাঁটতে চান না। সকলকে পর্যাপ্ত সুযোগ দিতে চান। বরাবাটির উইকেটে হাইস্কোরিং ম্যাচ হওয়ার সম্ভাবনা। পেসার কমিয়ে স্পিনার রবি বিষ্ণোইকে নেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। অর্শদীপ সিং বা উমরান মালিকের অভিষেক কটকে হয় কিনা তা নিয়ে জল্পনা চলছে। তবে প্রথম একাদশে পরিবর্তন না হলেও অবাক হওয়ার কিছু থাকবে না।

জুন ১১, ২০২২
খেলার দুনিয়া

চূড়ান্ত উত্তেজনার ম্যাচে শেষমুহূর্তের গোলে নাটকীয় জয় ভারতের

এএফসি এশিয়ান কাপের কোয়ালিফায়ারের গ্রুপ লিগের ম্যাচে আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে নাটকীয় জয় তুলে নিল ভারত। দ্বিতীয়ার্ধের দশ মিনিটের চূড়ান্ত উত্তেজনার ম্যাচে আফগানিস্তানকে ২-১ গোলে পরাজিত করল ভারত। ভারতের জয়সূচক গোলটি আসে ম্যাচের অতিরিক্ত সময়ে। গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে ভারতের হয়ে গোল দুটি করেন সুনীল ছেত্রী এবং সাহাল আব্দুল সামাদ।দুই দলই এদিন চাপ নিয়ে মাঠে নেমেছিল। এদিন দিনের প্রথম ম্যাচে কম্বোডিয়াকে ৩-০ ব্যবধানে হারায় হংকং। ২ ম্যাচে ৬ পয়েন্ট নিয়ে তারা পৌঁছে যায় গ্রুপ শীর্ষে। পরের পর্বে যেতে গেলে আফগানিস্তান ও ভারতের কাছে জেতাটা জরুরি ছিল। ভাল শুরু করে আধিপত্য দেখালেও প্রথমার্ধে গোল তুলতে ব্যর্থ ভারত। আফগানিস্তানের গা-জোয়ারি ফুটবলের কাছে সমস্যায় পড়তে হয় সুনীল ছেত্রীদের। আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে প্রথম একাদশে কয়েকটি পরিবর্তন করে দল সাজিয়েছিলে ভারতীয় দলের কোচ uiইগর স্টিম্যাক। অনিরুদ্ধ থাপা ও ব্রেন্ডন ফার্নান্ডেজের জায়গায় শুরু থেকেই মাঠে নামান জিকসন ও আশিক কুরুনিয়ানকে। আশিকের গতিকে কাজে লাগানোর জন্য এই স্ট্রাটেজি নিয়েছিলেন স্টিম্যাক। ম্যাচের প্রথম থেকেই দুই প্রান্ত দিয়ে আক্রমণ তুলে নিয়ে এসে আফগানিস্তান রক্ষণকে চাপে রাখেন মনবীর সিং, লিস্টন কোলাসোরা। কিন্তু গোলমুখ খুলতে পারেননি। এদিন সুনীল ছেত্রীকে কড়া নজরে রেখেছিলেন আফগান ডিফেন্ডাররা। সুনীল আটকে যেতেই ভারতের কাছে গোল করার কাজটা কঠিন হয়ে যায়। প্রথমার্ধে গোল করার মতো সহজ সুযোগ তৈরি হয়নি। অন্যদিকে, আফগানিস্তানও ঘর বাঁচাতেই বেশি ব্যস্ত ছিল। দ্বিতীয়ার্ধে আরও আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠে ভারত। নাটক জমে ওঠে ম্যাচের শেষলগ্নে। ৮৬ মিনিটে ফ্রি কিক থেকে বিশ্বমানের গোল করে ভারতকে এগিয়ে দেন সুনীল ছেত্রী। কিন্তু এই এগিয়ে যাওয়া বেশিক্ষণ ধরে রাখতে পারেনি ভারত। দুমিনিটের মধ্যেই আফগানিস্তান সমতা ফিরিয়ে আনে প্রতি আক্রমণ থেকে পাওয়া কর্নার থেকে হেড করে। সবাই যখন ধরে নিয়েছে ম্যাচ ড্রয়ের দিকে এগোচ্ছে, তখনই জ্বলে ওঠেন সাহাল আব্দুল সামাদ। ৯২ মিনিটে তাঁর করা গোলেই জয় ছিনিয়ে নেয় ম্ভারত। এই ম্যাচে জয়ের ফলে পরবর্তী ম্যাচে হংকংকে হারালেই ভারত পৌঁছে যাবে এএফসি এশিয়ান কাপের মূল পর্বে। তবে, সেই ম্যাচে যদি ভারত ড্র করে বা হেরে যায় তা হলে সরাসরি এএফসি এশিয়ান কাপে পৌঁছে যাবে হংকং। ড্র করলে গোল পার্থক্যে এগিয়ে যাবে তারা। তবে, ভারত দ্বিতীয় স্থানে থাকলেও পরবর্তী রাউন্ডে যেতে পারবে। সেক্ষেত্রে সেরা পাঁচটি দ্বিতীয় স্থানে থাকা দলের মধ্যে জায়গা করে নিতে হবে ভারতকে।

জুন ১১, ২০২২
খেলার দুনিয়া

মিলার আবার হয়ে উঠলেন ‘‌কিলার’‌, প্রোটিয়াদের কাছে ৭ উইকেটে হার ভারতের

বোর্ডে ২১২ রান তুলেও শেষরক্ষা হল না। এবার দেশের হয়ে খেলতে নেমে কিলার হয়ে উঠলেন ডেভিড মিলার। তাঁকে যোগ্য সঙ্গ দিলেন রাসি ভ্যান ডার ডুসেন। দুজনের দুরন্ত ব্যাটিংই ভারতের বিরুদ্ধে টি২০ সিরিজের প্রথম ম্যাচে ৭ উইকেটে জয় এনে দিল প্রোটিয়াদের। ভারতের ২১১/৪ রান ৫ বল বাকি থাকতেই তুলে ফেলল দক্ষিণ আফ্রিকা। এদিন টস জিতে ভারতকে ব্যাট করতে পাঠিয়েছিলেন প্রোটিয়া অধিনায়ক তেম্বা বাভুমা। ভারতের দুই ওপেনার ঈশান কিশান ও ঋতুরাজ গায়কোয়াড়ের ওপর কোনও প্রভাব খেলতে পারেননি কেশব মহারাজ, কাগিসো রাবাডা, আনরিখ নর্টিয়েরা। পাওয়ার প্লের ৬ ওভারে ভারত তুলে ফেলে ৫১। এরপরই ধাক্কা খায় ভারত। সপ্তম ওভারের দ্বিতীয় বলেই পার্নেলের বলে আউট হন ঋতুরাজ গায়কোয়াড়। ১৫ বলে তিনি করেন ২৩। এরপর দলকে টেনে নিয়ে যান ঈশান কিশান ও শ্রেয়স আয়ার। ৩৭ বলে হাফ সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন ঈশান। শেষ পর্যন্ত ৪৮ বলে ৭৬ রান করে তিনি আউট হন। আইপিএলে সেভাবে জ্বলে উঠতে না পারলেও দেশের হয়ে নিজেকে মেলে ধরলেন। শ্রেয়স আয়ার করেন ২৭ বলে ৩৬। তাঁকে তুলে নেন প্রিটোরিয়াস। শ্রেয়স যখন আউট হন, ভারতের রান তখন ১৬.১ ওভারে ১৫৬। পাওয়ার প্লেতে ঝড় তোলেন ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক ঋষভ পন্থ ও হার্দিক পান্ডিয়া। দুজনে ১৪ বলে ৪৬ রানের জুটি গড়ে তোলেন। ১৯.১ ওভারের মাথায় আউট হন ঋষভ। ভারতের রান তখন ২০২। ১৬ বলে ২৯ রান করেন ঋষভ। ঝড় তুলে ১২ বলে ৩১ রান করে অপরাজিত থাকেন হার্দিক পান্ডিয়া। শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে ৪ উইকেটে ২১১ রান তোলে ভারত। দিল্লির অরুণ জেটলি স্টেডিয়ামে এটাই ভারতের সর্বোচ্চ রান। শুধু তাই নয়, দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধেও টি২০ ক্রিকেটে সর্বোচ্চ রানের স্কোর ভারতের।জয়ের জন্য ২১২ রানের লক্ষ্য নিয়ে ব্যাট করতে নেমে তৃতীয় ওভারেই ধাক্কা খায় দক্ষিণ আফ্রিকা। ভারতের বিরুদ্ধে এই সিরিজকে পরীক্ষানিরীক্ষার জন্য বেছে নিয়েছে প্রোটিয়ারা। সিরিজ শুরুর আগেই অধিনায়ক তেম্বা বাভুমা বলেছিলেন, বিশ্বকাপের জন্য ব্যাটিং অর্ডার ঠিক করে নিতে চান। কুইন্টন ডিককের সঙ্গে এদিন ওপেন করতে নেমেছিলেন বাভুমা। তিনি নিজেকে মেলে ধরতে ব্যর্থ হন। ৮ বলে মাত্র ১০ রান করে তিনি ভুবনেশ্বর কুমারের বলে ঋষভ পন্থের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন। ডোয়েন প্রিটোরিয়াস ১৩ বলে ২৯ রান করে হর্ষল প্যাটেলের বলে বোল্ড হন। কুইন্টন ডিকক ১৮ বলে করেন ২২।৮.৪ ওভারে ৮১ রানে ৩ উইকেট হারায় দক্ষিণ আফ্রিকা। এরপর দলকে এগিয়ে নিয়ে যান রাসি ভ্যান ডার ডুসেন ও ডেভিড মিলার। আইপিএলে দারুণ ছন্দে ছিলেন রাজস্থান রয়্যালসের এই ব্যাটার। ভারতের বিরুদ্ধেও সেই ছন্দ অব্যাহত রাখেন। ২২ বলে ৫০ রান পূর্ণ করেন। অন্যদিকে, শুরুতে সতর্ক থাকলেও পরের দিকে ঝড় তুলে ৩৭ বলে হাফ সেঞ্চুরি করেন ডুসেন। শেষ ৩ ওভারে জয়ের জন্য ৩৪ রান দরকার ছিল দক্ষিণ আফ্রিকার। ১৭ তম ওভারে ভুবনেশ্বর কুমারের বলে ২২ রান তুলে ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারণ করে দেন মিলার ও ডুসেন। ১৯.১ ওভারে ২১২ রান তুলে ম্যাচ জিতে নেয় দক্ষিণ আফ্রিকা। ৪৬ বলে ৭৫ রান করে অপরাজিত থাকেন ডুসেন। ৩১ বলে ৬৪ রান করে অপরাজিত থাকেন মিলার।

জুন ০৯, ২০২২
খেলার দুনিয়া

আবার জ্বলে উঠলেন সুনীল ছেত্রি, ২ গোলে জয় ভারতের

১০৬ আর ১৭১ নম্বরের মধ্যে পার্থক্য যে অনেকটাই চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিলেন সুনীল ছেত্রিরা। এএফসি এশিয়ান কাপের যোগ্যতা অর্জন পর্বে গ্রুপ লিগের প্রথম ম্যাচে কম্বোডিয়ার বিরুদ্ধে ফেবারিট হিসেবেই মাঠে নেমেছিল ভারত। প্রত্যাশামতোই ২০ প্রথম ম্যাচে জয় তুলে নিল। ভারতের জয়ের নায়ক সুনীল ছেত্রি। এদিন দুরন্ত ফুটবল উপহার দিয়ে জোড়া গোল করেন তিনি।কম্বোডিয়ার বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে প্রতিপক্ষকে যথেষ্ট গুরুত্ব দিয়েছিলেন ভারতীয় দলের কোচ ইগর স্টিম্যাক। দল সাজানোর পরিকল্পনাতেই তার প্রমাণ। সামনে একা মনবীর সিংকে রেখে দল সাজিয়েছিলেন ইগর স্তিমাচ। সুনীল ছেত্রিকে রেখেছিলেন একটু নীচের দিকে। সুনীলের পাশে দুই প্রান্তে ব্রেন্ডন ফার্নান্ডেজ এবং লিস্টন কোলাসো। দুই প্রান্ত দিয়ে আক্রমণ তুলে নিয়ে এসে প্রথম থেকেই কম্বোডিয়াকে চাপে রেখেছিল ভারত। প্রথম কয়েক মিনিটের মধ্যেই দুদুটি গোলের সুযোগ চলে এসেছিল সুনীল ছেত্রিদের সামনে। কিন্তু কাজে লাগাতে পারেননি। আক্রমণে ঝড় তুলে ম্যাচের ১২ মিনিটেই এগিয়ে যায় ভারত। একক প্রয়াসে বল নিয়ে বক্সের মধ্যে ঢুকে যান লিস্টন কোলাসো। তাঁকে অবৈধভাবে আটকান কম্বোডিয়ার চোউন চানচাভ। রেফারি সঙ্গে সঙ্গে পেনাল্টির নির্দেশ দেন। ডান পায়ের দুরন্ত শটে পেনাল্টি থেকে গোল করে ভারতকে এগিয়ে দেন সুনীল ছেত্রি। প্রথমার্ধের বাকি সময়েও ভারতের দাপট অব্যাহত থাকে। একাধিক বার গোল করার মতো পরিস্থিত তৈরি করেছিলেন ব্রেন্ডন ফার্নান্ডেজ, রোশন সিং নাওরেমরা। কিন্তু ফাইনাল থার্ডে গিয়ে শেষ কাজটা ঠিক মতো করতে পারছিল না ভারত। সুনীল ছেত্রিও একবার গোল করার মতো পরিস্থিতি তৈরি করেছিল। কিন্তু তিন কাঠিতে বল পাঠাতে পারেননি। ম্যাচের দ্বিতীয় গোলটি আসে ম্যাচে ৫৯ মিনিটে। ব্রেন্ডন ফার্নান্ডেজের ক্রস থেকে হেডে দ্বিতীয় পোস্টের কোন ঘেঁসে বল জালে জড়িয়ে দেন সুনীল ছেত্রি। দ্বিতীয়ার্ধে বেশি সময় সুনীলকে মাঠে রাখেননি স্টিম্যাচ। ৬৮ মিনিটে দলের প্রধান অস্ত্রকে তিনি তুলে নেন। পুরো ম্যাচ খেললে হয়তো এদিন হ্যাটট্রিক করতে পারতেন সুনীল। কম্বোডিয়ার বিরুদ্ধে আক্রমণে সুনীলের প্রধান সঙ্গী মনবীর সিং একেবারেই জ্বলে উঠতে পারেননি। মাঝমাঠে ভাল খেলতে পারেননি অনিরুদ্ধ থাপাও। এই দুই ফুটবলারকেই দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে পরিবর্তন করে দেন স্টিম্যাচ। ম্যাচের ৮৭ মিনিটে ভারত তৃতীয় গোলটিও পেয়ে যেতে পারত যদি সহজ সুযোগ নষ্ট না করতেন মহম্মদ আশিক কুরুনিয়ান।

জুন ০৮, ২০২২
বিনোদুনিয়া

মিলিন্দ গাবার মিউজিক ইন্ডিয়া ট্যুর

কলকাতার বৃহত্তম লাইভ এন্টারটেইনমেন্ট কোম্পানি, সিলেক্ট দর্শকদের জন্য নিয়ে এল মিলিন্দ গাবার ইন্ডিয়া ট্যুর। এটি হল মিলিন্দ গাবার প্রথম লাইভ ইন কনসার্ট ইন্ডিয়া ট্যুর। কলকাতার জে ডব্লু ম্যারিওটে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।সিলেক্টের এই উদ্যোগে ২ মাসে দেশের ৮ টি শহরে হবে মিলিন্দ গাবার এই মিউজিক ট্যুর। কনসার্টগুলি হবে একদম অনন্য, আগে কখনও দেখা যায়নি এমন অভিজ্ঞতা হবে। যেখানে মিলিন্দ গাবা তার সেরা পারফরম্যান্স তুলে ধরবেন৷ মিলিন্দ গাবার সঙ্গে লাইভ এবং প্রিয় গায়কের সঙ্গে ছন্দ ও সুরে ভক্তরা গান গাইতে এবং নাচতে পারে।মিলিন্দ গাবা একজন ভারতীয় বলিউড গায়ক, গীতিকার, সঙ্গীত প্রযোজক, পাঞ্জাবি এবং বলিউড সঙ্গীতের সঙ্গে যুক্ত অভিনেতা। তিনি তার নজর লাগা যায়েগি, সে জানে না এবং ইয়ার মোদ দো গানগুলির জন্য পরিচিত। তার জনপ্রিয় একক গানগুলি হল নজর লাগা যায়েগি, সে জানে না, ম্যায় তেরি হো গায়ে, জিন্দেগি দি পাউদি, পিলে পিলে, সুন্দর, নাচুঙ্গা আইসে এবং কেয়া কারু। তার সে ডোন্ট নো গানের মিউজিক ভিডিওটি ইউটিউবে টি-সিরিজে ৮ জানুয়ারী ২০১৯-এ প্রকাশিত হয়েছিল।এই ভিডিওটি ৫০০মিলিয়নেরও বেশি ভিউ নিয়ে তুমুল জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বলিউড গায়ক মিলিন্দ গাবা বলেন , এটি হল আমার প্রথম সমন্বিত এবং একচেটিয়া ভারত সফর। বিভিন্ন শহরে আমার দর্শকদের জন্য লাইভ পারফর্ম করার এই সুযোগ পেয়ে আমি খুবই কৃতজ্ঞ। সিলেক্টের সঙ্গে এই যাত্রা অবশ্যই আমার জন্য একটি অবিশ্বাস্য অভিজ্ঞতা।এই অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে, সিলেক্টের ম্যানেজিং ডিরেক্টর রবি আগরওয়াল এবং গীতেশ শর্মা, সিলেক্টের প্রতিনিধি বলেন, সিলেক্ট সারা ভারতে ভক্তদের কাছে সেরা লাইভ মিউজিক্যাল অভিজ্ঞতা আনার ক্ষেত্রে একটি অবিচ্ছেদ্য ভূমিকা পালন করছে। আমরা এখন মিলিন্দ গাবার প্রথম মেগা ইন্ডিয়া ট্যুরে তার ভক্তদের বিনোদন দেওয়ার জন্য তার সঙ্গে কাজ করতে পেরে উত্তেজিত। মিলিন্দ গাবা, তার প্রাণময় সুর দিয়ে, ভারতের লক্ষ লক্ষ ভক্তের সঙ্গে একসঙ্গে যুক্ত হয়েছেন। তিনি এই প্রজন্মের কণ্ঠস্বর। সিলেক্ট দ্বারা আয়োজিত এই মিউজিক ট্যুরটি অন্যান্য তিনটি শহরের সঙ্গে মুম্বই, কলকাতা, গোয়া, বেঙ্গালুরু, হায়দ্রাবাদের মতো বড় শহরগুলিতে পৌঁছাবে।

জুন ০৪, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌রক্ষণের ভুলে এশিয়া কাপের ফাইনালের স্বপ্ন শেষ ভারতের

রক্ষণের ভুলের মাশুল দিতে হল ভারতীয় হকি দলকে। সুপার ফোরের শেষ ম্যাচে দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে ৪৪ গোলে ড্র করে এশিয়া কাপের ফাইনালে ওঠার স্বপ্ন শেষ গতবারের চ্যাম্পিয়নদের। পয়েন্ট সমান হলেও গোলের ব্যবধানে দক্ষিণ কোরিয়ার থেকে পিছিয়ে থাকায় ফাইনালে জায়গা করে নিতে পারল না ভারত। এখন ব্রোঞ্জের লড়াইয়ে জাপানের বিরুদ্ধে খেলবে ভারত। আয়োজক দেশ মালয়েশিয়ার বিরুদ্ধে ফাইনাল খেলবে ভারত।সুপার ফোরে গোল পার্থক্যে এগিয়ে ছিল দক্ষিণ কোরিয়া ও মালয়েশিয়া। তাই ফাইনালে যেতে গেলে ভারতের সামনে জেতা ছাড়া রাস্তা ছিল না। জেতার লক্ষ্যে ম্যাচের শুরু থেকেই ঝড় তুলেছিল ভারতীয় দল। একের পর এক আক্রমণ তুলে নিয়ে আসে দক্ষিণ কোরিয়ার বক্সে। প্রথম কোয়ার্টারে মাত্র ৮ মিনিটেই পেনাল্টি কর্ণার থেকে গোল করে ভারতকে এগিয়ে দেন নীলম সঞ্জীব। শুরুতে পিছিয়ে পড়েও দারুণভাবে খেলায় ফিরে আসে দক্ষিম কোরিয়া। ১৩ মিনিটে দক্ষিণ কোরিয়াকে সমতায় ফেরান জাং জং হিউন। ১৮ মিনিটে গোল করে দক্ষিণ কোরিয়াতে এগিয়ে দেন জি উ চিয়ন। ২১ মিনিটে মনিন্দর সিংয়ের গোলে সমতা ফেরায় ভারত। এক মিনিট পরেই শেশে গৌড়া ভারতকে ৩২ ব্যবধানে এগিয়ে দেন। ২৭ মিনিটে কিম জুং হো কোরিয়ার হয়ে গোল করে ম্যাচে সমতা ফেরান।দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেও ভারত প্রাধান্য বজায় রেখেছিল। ৩৭ মিনিটে আবার এগিয়ে যায় ভারত। মারেস্মরণ শক্তিভেল গোল করে ভারতকে ৪৩ ব্যবধানে এগিয়ে দেন। কিন্তু ৪৪ মিনিটে জুং মাঞ্জাইয়ের গোলে সমতা ফিরিয়ে আনে দক্ষিণ কোরিয়া। শেষ কোয়ার্টারে কোনও দলই কোনও গোল করতে পারেনি।গ্রুপ লিগে বড় জয় পেয়েছিল ভারতীয় হকি দল। মরণবাঁচন ম্যাচে ইন্দোনেশিয়ার বিরুদ্ধে ১৬০ ব্যবধানে জয় ছিনিয়ে নিয়েছিল ভারত। যার দরুণ পাকিস্তানকে টেক্কা দিয়ে সুপার ফোরে জায়গা করে নিয়েছিলেন মনিন্দর, নীলমরা। এ বার সেই গোলপার্থক্যের কারণেই সুপার ফোর থেকে ফাইনালে ওঠা হল না গতবারের চ্যাম্পিয়ন ভারতের। ভারত খেতাব জয়ের অন্যতম ফেভারিট হিসেবে ইন্দোনেশিয়ায় এই বারের এশিয়া কাপে অংশ নিতে এসেছিল কিন্তু ডিফেন্সের দুর্বলতার কারণে শেষ পর্যন্ত ফাইনালে আর পৌঁছনো হল না।

জুন ০১, ২০২২
খেলার দুনিয়া

ইন্দোনেশিয়াকে ১৬ গোল!‌ এশিয়া কাপে এ কী করল ভারত?‌

কঠিন সময়ে জ্বলে ওঠার নজির আগেও রয়েছে ভারতীয় দলের। সেই কাজটা আবার করে দেখাল এশিয়া কাপে। অসম্ভবকে সম্ভব করে সুপার ফোরে পৌঁছে গেল ভারতীয় হকি দল।আগের ম্যাচে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ড্র করে নিজেদের ভবিষ্যত অনিশ্চিত করে তুলেছিলেন বীরেন্দ্র লাকড়ারা। সেমিফাইনালে যেতে গেলে এবারের এশিয়া কাপের আয়োজক ইন্দোনেশিয়ার বিরুদ্ধে ১৫০ গোলের ব্যবধানে জিততে হত ভারতীয় দলকে। ডু অর ডাই ম্যাচে জ্বলে উঠলেন বীরেন্দ্ররা। ১৬০ ব্যবধানে জিতে পুল এ থেকে সুপার ফোরে পৌঁছে গেল ভারত। ভারতের হয়ে পাঁচটি গোল করেন দীপসন তিরকে, হ্যাটট্রিক করেন বেলিমগ্গা। দুটি করে গোল করেন সেলভম কারথি, সোমওয়ারপত, সুনীল এবং রাজভর।এশিয়া কাপের নকআউট পর্বে যাওয়ার জন্য গতবারের চ্যাম্পিয়ন ভারতকে ইন্দোনেশিয়াকে বিশাল ব্যবধানে হারাতে হত। শুরু থেকেই ইন্দোনেশিয়ার ওপর ঝাঁপিয়ে পড়েন বীরেন্দ্র লাখড়ারা। ভারতীয় দলের একের পর এক আক্রমণের সামনে তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ে ইন্দোনেশিয়ার রক্ষণ। ম্যাচের ১০ মিনিটে রাজভর প্রথম গোল করে ভারতকে এগিয়ে দেন। ১ মিনিট পরেই পেনাল্টি কর্ণার থেকে ২০ করেন তিনিই। প্রথম কোয়ার্টার শেষ হওয়ার আগেই ৩০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় ভারত। ১৯ মিনিটে ৪০ করেন সুনীল। প্রথমার্ধেও ৬০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় ভারত। দ্বিতীয়ার্ধে আরও ৯ গোল চাপিয়ে দেয় ইন্দোনেশিয়ার ওপর।𝗗𝗶𝗽𝘀𝗮𝗻 𝘀𝘁𝗮𝗿𝘀 𝗶𝗻 𝗜𝗻𝗱𝗶𝗮𝘀 𝘄𝗶𝗻!India beat hosts #Indonesia by a massive 16-0 margin to qualify for the semi-finals of the #HeroAsiaCup2022.Dipsan Tirkey netted 4️⃣ goals while Olympian Birendra Lakra Odia boy Nilam Sanjeep Xess scored a goal each. pic.twitter.com/IIQdkaE8xn Odisha Sports (@sports_odisha) May 26, 2022গ্রুপ লিগের প্রথম ম্যাচেই পাকিস্তানের সঙ্গে ১১ ড্র করে ভারত। এর পর জাপানের বিরুদ্ধে ৫২ ব্যবধানে হেরে যায়। বৃহস্পতিবার জাপান ৩২ ব্যবধানে হারায় পাকিস্তানকে। ২-৩ গোলের ব্যবধানে হেরে যায়। এর পরে সুপার ফোরে ওঠার জন্য ভারতের কাছে একটাই পথ খোলা ছিল ইন্দোনেশিয়ার বিরুদ্ধে ১৫ গোলের ব্যবধানে জিততে হবে। ভারত ১৬টি গোল করে।এদিন শেষ ১৫ মিনিটে তিন গোল দরকার ছিল ভারতের। ভারত দেয় ৪ গোল। শেষ মিনিটে পেনাল্টি কর্নার পায় ভারত এবং তা থেকে তিরকে গোল করে যান। এটি ছিল তাঁর ম্যাচের চতুর্থ গোল। আর এই গোলের সঙ্গে পুল এ-তে দ্বিতীয় স্থানে শেষ করে ভারত। ফলে গ্রুপে তৃতীয় স্থানে শেষ করে প্রতিযোগিতা থেকে ছিটকে যায় পাকিস্তান। ভারত ২০১৭ সালে এই টুর্নামেন্টে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল।

মে ২৬, ২০২২
খেলার দুনিয়া

মরণবাঁচন ম্যাচে এ কী হাল ঋষভদের!‌ বুমরার দাপটে ধসে গেল দিল্লি

আইপিএলের প্লে অফে তিনটি জায়গা নিশ্চিত হয়ে গেছে। বাকি একটা জায়গা। লড়াই রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর ও দিল্লি ক্যাপিটালসের মধ্যে। প্লে অফের টিকিটের জন্য এই মুহূর্তে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্সের হাতে কিছু নেই। দিল্লি ক্যাপিটালস ও মুম্বই ইন্ডিয়ান্স ম্যাচের ফলাফলের ওপরই নির্ভর করছিল তাদের ভাগ্য।১৪ ম্যাচে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্সের পয়েন্ট ১৬। আর ১৩ ম্যাচে দিল্লির পয়েন্ট ১৪। নেট রানরেটে দিল্লি (+০.২৫৫) এগিয়ে রয়েছে বেঙ্গালুরুর (-০.২৫৩) থেকে। সুতরাং মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের বিরুদ্ধে দিল্লি ক্যাপিটালস জিতলেই পেয়ে যাবে প্লে অফের টিকিট। আর ঋষভ পন্থরা হারলে প্লে অফে খেলার সুযোগ এসে যাবে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরের সামনে। মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের বিরুদ্ধে এই রকম মরণবাঁচন ম্যাচেও ব্যাটিং বিপর্যয় দিল্লি ক্যাপিটালসের। দলকে লজ্জার হাত থেকে বাঁচালেন রভম্যান পাওয়েল ও অধিনায়ক ঋষভ পন্থ। এই দুই ব্যাটারের সৌজন্যেই লড়াই করার মতো জায়গায় পৌঁছল দিল্লি। প্রথমে ব্যাট করে নির্ধারিত ২০ ওভারে তুলল ১৫৯/৭। টস জিতে দিল্লিকে ব্যাট করতে পাঠিয়েছিলেন মুম্বই ইন্ডিয়ান্স অধিনায়ক রোহিত শর্মা। সুস্থ হয়ে ওঠায় দিল্লি এদিন ললিত যাদবের জায়গায় প্রথম একাদশে ফেরায় পৃথ্বী শকে। মরণবাঁচন ম্যাচে মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের সামনে বড় রানের চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দেওয়ার জন্য ডেভিড ওয়ার্নারের ফর্মে ফেরার দিকে তাকিয়ে ছিল দিল্লি টিম ম্যানেজমেন্ট। কিন্তু এদিনও ব্যর্থতা কাটিয়ে উঠতে পারলেন ওয়ার্নার। ৬ বলে মাত্র ৫ রান করে তিনি তৃতীয় ওভারে ড্যানিয়েল স্যামসের বলে বুমরার হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন। পরের ওভারেই মিচেল মার্শকে (০) তুলে নেন যশপ্রীত বুমরা। এক ওভার পরেই তিনি ফেরান পৃথ্বী শকে। প্রথম একাদশে ফিরে এদিন ভাল শুরু করেছিলেন পৃথ্বী। কিন্তু বড় রান করতে পারলেন না। ২৩ বলে ২৪ রান করে তিনি আউট হন। সরফরাজ খানও (৭ বলে ১০) নিজেকে মেলে ধরতে পারেননি। ৫০ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে বিপর্যয়ের মধ্যে পড়ে দিল্লি। এরপরই প্রতিরোধ গড়ে তোলেন অধিনায়ক ঋষভ পন্থ ও রভম্যান পাওয়েল। দুজনের জুটিতে ওঠে ৭৫। এই জুটিই মান বাঁচায় দিল্লির। ঋষভকে তুলে নিয়ে জুটি ভাঙেন রমনদীপ সিং। ৩৩ বলে তিনি করেন ৩৯। তারপরই আউট হল রভম্যান পাওয়েল। ৩৪ বলে তিনি করেন ৪৩। পাওয়েলের স্টাম্প ছিটকে দেন বুমরা। শেষ পর্যন্ত অক্ষর প্যাটেলের (১০ বলে ১৯) সৌজন্যে ১৫৯/৭ রানে পৌঁছয় দিল্লি। দুরন্ত বোলিং করে ২৫ রানে ৩ উইকেট নেন যশপ্রীত বুমরা।

মে ২১, ২০২২
বিনোদুনিয়া

কলকাতা চলচিত্র উৎসবে 'ব্রাত্য' অভিনেত্রীর আন্তর্জাতিক পুরস্কার বিজয়

বেশ কয়েকদিন আগেই শ্রীলেখা মিত্র সামাজিক মাধ্যমে জানিয়েছিলেন আদিত্য বিক্রম সেনগুপ্তর ছবি ওয়ান্স আপন অ্যা টাইম ইন ক্যালকাটা তে অভিনয় করে নিউইয়র্ক ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে সেরা অভিনেত্রী হিসাবে মনোনীত হয়েছেন শ্রীলেখা মিত্র। এবার তিনি আরও একটি সুখবর দিলেন।আদিত্যর এই ছবিতে অভিনয়ের সুবাদে নিউইয়র্ক ইন্ডিয়ান ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে জিতলেন সেরা অভিনেত্রীর পুরস্কার। সকাল সকাল এই খুশির খবরটা তাঁর সামাজিক মাধ্যমে শেয়ার করলেন তিনি। সোশ্যাল মিডিয়ায় শ্রীলেখা একটি ছবি এবং ভিডিও পোস্ট করেন। ওই পোস্টে সকলকে ধন্যবাদ জানান তিনি। যাঁরা ভালবাসে কিংবা ঘৃণা করে তাঁদের সকলকেই ধন্যবাদ জানান। স্বর্গীয় মা, বাবার কথাও সোশ্যাল মিডিয়ার পোস্টে উল্লেখ করেন অভিনেত্রী।কয়েকদিন আগেই কলকাতা আন্তর্জাতিক ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল অনুষ্ঠিত হয়ে গেলো। শহর জুড়ে নানান চলচিত্রের ভিড়। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের মঞ্চে ছোটো বড় মাঝারীদের ভিড়ের কোথাও দেখা মেলেনি এই আন্তর্জাতিক পুরস্কার প্রাপ্ত অভিনেত্রীর। শ্রীলেখার অক্ষেপ, হয়ত বা তিনি বাম মনোভাবাপন্ন বলেই তাঁকে আমন্ত্রণ করা হয়নি। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক অভিনেতা জনতার কথা কে জানান, শিল্পীর পরিচয় তাঁর কাজে, তাঁর রাজনৈতিক মতাদর্শের বিচার রাজনিতীর ময়দানেই হওয়া উচিত।উল্লেখ্য গত বছর ভেনিস ইন্টারন্যাশনাল ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে ওয়ান্স আপন অ্যা টাইম ইন ক্যালকাটা ছবিটি দেখানো হয়েছিল। তখন থেকেই ছবিটি নিয়ে আলোচনা চলছে। শ্রীলেখা সেরা অভিনেত্রী হলেন, সেরা পরিচালকের শিরোপা পেলেন আদিত্য বিক্রম সেনগুপ্ত।

মে ১৫, ২০২২
খেলার দুনিয়া

৭৩ বছরের ইতিহাসে প্রথম, ব্যাডমিন্টনের বিশ্বকাপে সেরা ভারত

ইন্দোনেশিয়াকে হারিয়ে ইতিহাস তৈরি করল ভারত। ৭৩ বছরের ইতিহাসে এই প্রথমবার ব্যাডমিন্টনের বিশ্বকাপে সেরার তকমা ছিনিয়ে নিল। চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পথে কিদাম্বী শ্রীকান্তরা ৩০ ব্যবধানে উড়িয়ে দিয়েছেন ১৪ বারের চ্যাম্পিয়ন ইন্দোনেশিয়াকে। ফেবারিটের তকমা নিয়েই এবারের টমাস কাপে খেলতে নেমেছিল ইন্দোনেশিয়া। ফাইনালে ওঠার পথে একটা ম্যাচও হারেনি। প্রচন্ড শক্তিশালী দল। ফাইনালে ওঠার পথে ভারতকে গ্রুপ লিগে চাইনিজ তাইপের বিরুদ্ধে হারতে হয়েছিল। সেই অর্থে কিছুটা পিছিয়ে থেকেই ফাইনালে কোর্টে নেমেছিল ভারতীয় দল। কিন্তু ফাইনালে তার প্রভাব দেখা যায়নি। ফাইনালে ইন্দোনেশিয়ার বিরুদ্ধে এদিন প্রথম সিঙ্গলসে কোর্টে নেমেছিলেন লক্ষ্য সেন। তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন বিশ্বের ৪ নম্বর তারকা অ্যান্টনি সিনিসুকা জিনটিং। এবছর মার্চে জার্মান ওপেনে ইন্দোনেশিয়ার এই তারকাকে হারিয়েছিলেন লক্ষ্য সেন। সেই জয়ই এদিন লক্ষ্যর কাছে অনুপ্রেরণার কাজ করেছিল। তাই প্রথম গেম হেরে গিয়েও দারুণভাবে ম্যাচে ফিরে আসেন লক্ষ্য। প্রথম গেমে লক্ষ্যকে দাঁড়াতেই দেননি বিশ্বের ৪ নম্বর তারকা অ্যান্টনি সিনিসুকা জিনটিং। ২১৮ ব্যবধানে প্রথম গেম জিতে নেন জিনটিং। দ্বিতীয় গেমে দারুণভাবে ম্যাচে ফিরে আসেন লক্ষ্য সেন। ২১১৭ ব্যবধানে দ্বিতীয় গেম জিতে সমতা ফেরান। তৃতীয় গেম ২১১৬ পয়েন্টে জিতে ভারতকে ১০ ব্যবধানে এগিয়ে দেন। বিশ্বের ৪ নম্বর তারকার বিরুদ্ধে লক্ষ্য সেনের জয় চাগিয়ে দিয়েছিল ভারতীয় ব্যাডমিন্টন দলকে। চিরাগ শেট্টি ও সাত্ত্বিকসাইরাজ রানকিরেড্ডির কাছে টনিকের মতো কাজ করেছিল। ডাবলসে এই ভারতীয় জুটি খেলতে নেমেছিল মহম্মদ এহসান ও সুকামুলিয়োর বিরুদ্ধে। প্রথম গেমে ১৮২১ ব্যবধানে হেরে যায় চিরাগ শেট্টি ও সাত্ত্বিকসাইরাজ জুটি। দ্বিতীয় গেমে দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়ান চিরাগরা। দুর্দান্ত লড়াই করে ২৩২১ ব্যবধানে বিতীয় গেম জিতে সমতা ফেরান। তৃতীয় গেমে চিরাগরা জেতেন ২১১৯ ব্যবধানে। ২০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় ভারত।তৃতীয় গেমে প্রতিযোগিতায় দুরন্ত ছন্দে থাকা কিদাম্বি শ্রীকান্ত কোর্টে নামেন বিশ্বের ৮ নম্বর তারকা জোনাথন ক্রিস্টির বিরুদ্ধে। প্রথম গেমে ২১১৫ ব্যবধানে জেতেন শ্রীকান্ত। দ্বিতীয় গেমে জোনাথান ক্রিস্টি প্রতিরোধ গড়ে তুললেও শেষরক্ষা করতে পারেননি। ২৩২১ ব্যবধানে জিতে ভারতকে প্রথমবারের মতো টমাস কাপ জেতার স্বাদ এনে দেন কিদাম্বি শ্রীকান্ত। ভারত ৩০ ব্যবধানে এগিয়ে যাওয়ায় বাকি দুটি সিঙ্গলস খেলার প্রয়োজন হয়নি।

মে ১৫, ২০২২
খেলার দুনিয়া

প্রস্তুতি ম্যাচে ভারতীয় দলকে হারিয়ে দিল এটিকে মোহনবাগান!‌

দিন ১৫ কর্ণাটকের বেলারিতে চলেছে নিবিড় প্রস্তুতি। তাসত্ত্বেও তৈরি ভারতীয় দল! প্রথম প্রস্তুতি ম্যাচেই তার প্রমাণ পাওয়া গেল। বুধবার যুবভারতীর প্র্যাকটিস গ্রাউন্ডে এটিকে মোহনবাগানের কাছে প্রস্তুতি ম্যাচে হারল ইগর স্টিম্যাকের ভারতীয় ফুটবল দল। সবুজমেরুণ ব্রিগেড জিতল ২১ ব্যবধানে। এটিকে মোহনবাগানের হয়ে গোল দুটি করেন লিস্টন কোলাসো ও কিয়ান নাসিরি। ভারতীয় দল প্রস্তুতি নিচ্ছে এশিয়ান কাপে কোয়ালিফায়ারের প্রস্তুতির জন্য। অন্যদিকে, এটিকে মোহনবাগান তৈরি হচ্ছে এএফসি কাপের মূলপর্বের গ্রুপ লিগের ম্যাচের জন্য। জুয়ান ফেরান্দোর দল যে ভালোই তৈরি, এদিনের প্রস্তুতি ম্যাচে বোঝা গেল। সুনীল ছেত্রীদের বিরুদ্ধে এদিন দারুণ ফুটবল উপহার দেয় সবুজমেরুণ ফুটবলাররা। ভারতীয় দলে থাকা এটিকে মোহনবাগান ফুটবলাররা অবশ্য সবুজমেরুণ জার্সি গায়েই মাঠে নেমেছিলেন। তাঁদের সঙ্গে শুরুতে তিন বিদেশিকে মাঠে নামিয়েছিলেন জুয়ান ফেরান্দো। প্রথমার্ধে দারুণ ফুটবল উপহার দেন লিস্টন কোলাসোরা। দ্বিতীয়ার্ধে পুরো দলকে বদলে দেন এটিকে মোহনবাগান কোচ। রয় কৃষ্ণা, ডেভিড উইলিয়ামসদের খেলান। তাতেও ছন্দ নষ্ট হয়নি এটিকে মোহনবাগানের। বরং ইগর স্টিম্যাকের ফুটবলাররা নিজেদের মেলে ধরতে পারেননি। ভারতীয় দলের রক্ষণে যে দুর্বলতা আছে, এদিন চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দেন লিস্টন কোলাসো, কিয়ান নাসিরিরা। কলকাতায় অনুশীলনের পাশাপাশি আরও দুটি প্রস্তুতি ম্যাচ খেলবে ভারতীয় দল। দুটি ম্যাচই আই লিগের বাছাই করা ফুটবলারদের নিয়ে গড়া দলের বিরুদ্ধে।

মে ১১, ২০২২
খেলার দুনিয়া

লিগ টেবিলে সম্মানজনক জায়গায় শেষ করাই এখন লক্ষ্য রোহিত শর্মার মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের

টানা ৮ ম্যাচ হেরে প্লে অফের স্বপ্ন আগেই শেষ করে ফেলেছে মুম্বই ইন্ডিয়ান্স। বাকি ম্যাচ জিতলেও প্লে অফে যাওয়ার সম্ভাবনা নেই। লিগ টেবিলে সম্মানজনক জায়গায় শেষ করাই এখন লক্ষ্য রোহিত শর্মার দলের। সেই লক্ষ্যে গুজরাট টাইটান্সের বিরুদ্ধে বড় রান তুলে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিল মুম্বই ইন্ডিয়ান্স। নির্ধারিত ২০ ওভারে ৬ উইকেটে তুলল ১৭৭।টস জিতে এদিন মুম্বই ইন্ডিয়ান্সকে ব্যাট করতে পাঠিয়েছিলেন গুজরাট টাইটান্সের অধিনায়ক হার্দিক পান্ডিয়া। আগের ম্যাচে প্রথম জয় পাওয়া মুম্বই ইন্ডিয়ান্স একটা পরিবর্তন করে মাঠে নামে। ঋত্ত্বিক সোকেনের জায়গায় মুরুগান অশ্বিন প্রথম একাদশে ঢোকেন। ব্যাট করতে নেমে এদিন দারুণ শুরু করেছিল মুম্বই ইন্ডিয়ান্স। দুই ওপেনার ঈশান কিষান ও অধিনায়ক রোহিত শর্মাকে দেখে মনে হচ্ছিল ভাল ছন্দে রয়েছেন। ওপেনিং জুটিতে দুজনে তোলেন ৭৪। সেই সময় মুম্বইয়ের রান তোলার গড় ছিল ওভার প্রতি ১০এর ওপরে। অষ্টম ওভারের তৃতীয় বলে প্রথম ধাক্কা খায় মুম্বই ইন্ডিয়ান্স। রশিদ খানের বলে এলবিডব্লু হন রোহিত। প্রথমে অন ফিল্ড আম্পায়ার রোহিতকে আউট দেননি। রশিদ ডিআরএসের আশ্রয় নেন। টিভি আম্পায়র রিপ্লে দেখে রোহিতকে আউট দেওয়ার কথা বলেন অন ফিল্ড আম্পায়ারকে। ৫টি চার ও ২টি ছয়ের সাহায্যে ২৮ বলে ৪৩ রান করেন রোহিত। তিনি আউট হওয়ার ২ ওভার পরেই সূর্যকুমার যাদবকে তুলে নেন প্রদীপ সাঙ্গোয়ান। ১১ বলে ১৩ রান করেন সূর্যকুমার। দ্বাদশ ওভারের শেষ বলে ঈশান কিষানকে তুলে নেন আলজেরি জোশেফ। ২৯ বলে ৪৫ রান করেন ঈশান। ঈশান আউট হওয়ার পর রান তোলার গতি কমে যায় মুম্বইয়ের। কায়রন পোলার্ড চলতি আইপিএলে একেবারেই ছন্দে নেই। এদিন ১৪ বলে মাত্র ৪ রান করে রশিদ খানের গুগলিতে পরাস্ত হয়। তিলক ভার্মা ১৬ বলে করেন ২১ রান। শেষদিকে টিম ডেভিড ঝড় তুলে মুম্বইকে ১৭৭/৬ রানে পৌঁছে দেন। ২১ বলে ৪৪ রান করে অপরাজিত থাকেন টিম ডেভিড। এদিন দারুণ বোলিং করে ৪ ওভারে ২৪ রান দিয়ে ২টি উইকেট তুলে নেন রশিদ খান।

মে ০৬, ২০২২
রাজ্য

বাংলার ছেলেমেয়েদের রেলের চাকরির পরীক্ষা কেন্দ্র বাংলার বাইরে দেওয়ার প্রতিবাদে পথে নামল বাংলা পক্ষ

বাংলার ছেলেমেয়েদের রেলের চাকরির পরীক্ষা কেন্দ্র বাংলার বাইরে দেওয়া যাবে না। এতে ছেলেমেয়েদের খুব সমস্যা হয়। তাই যাতে পরীক্ষা কেন্দ্র বাংলার মধ্যেই পড়ে, এর প্রতিবাদে রেলমন্ত্রীকে চিঠি দিল বাংলা পক্ষ।বাংলার কর্ম প্রার্থীদের রেলের চাকরির পরীক্ষাকেন্দ্র বাংলার বাইরে নির্ধারণ করার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ এবং এই সমস্যা দূর করার দাবি করে ইউনিয়ন রেল মন্ত্রীকে বাংলা পক্ষ-এর তরফে একটি প্রতিবাদ পত্র পাঠানো হলো। এই প্রতিবাদ পত্রে রেলের পরীক্ষায় বাংলার কর্ম প্রার্থীদের রাজ্যের বাইরে পরীক্ষা কেন্দ্র জনিত সমস্যাগুলিকে তুলে ধরে রাজ্যের মধ্যে পরীক্ষা কেন্দ্র নির্ধারণ করার দাবি জানানো হয়েছে।রাজ্যের বাইরে পরীক্ষা কেন্দ্র হওয়ার ফলে বাংলার কর্ম প্রার্থীদের উক্ত রাজ্যে পরীক্ষায় অবতীর্ণ হওয়ার জন্য নির্ধারিত দিনের আগেই সেখানে হোটেল বা মেস ব্যবস্থা করে চলে যেতে হত। সেক্ষেত্রে তাদের থাকা খাওয়ার জন্য অনেক টাকা খরচ হয়ে যায়। কর্ম পার্থীদের বেশীর ভাগই নিম্নবিত্ত বা নিম্ন মধ্যবিত্ত আর্থিক পরিকাঠামোই বসবাস করেন। কেউ কেউ টিউশন করে দিন গুজরান করেন, দূর দূরান্তে যাতায়াতের ফলে তাঁদের সময় ও মুল্য দুটোয় অতিরিক্ত ব্যয় করতে হয়।এছাড়া অনেক ক্ষেত্রেই কর্ম প্রার্থীদের তাদের পরিবারের কোন অভিভাবককে সঙ্গে নিয়ে অন্য রাজ্যের পরীক্ষা কেন্দ্রে পরীক্ষা দিতে যেতে হয়। মহিলা কর্ম প্রার্থীদের ক্ষেত্রে প্রায় সকলেই তাদের অভিভাবককে সঙ্গে নিয়ে তবেই ভিন রাজ্যের পরীক্ষা কেন্দ্র যেতে বাধ্য হন। এর ফলে যেমন পরিবারের উপর আর্থিক বোঝা চাপে তেমন ভাবেই অনেক ক্ষেত্রে এই সমস্যার জন্য যোগ্য প্রার্থীরা পরীক্ষা দিতে পারেন না।বাংলার ছেলেমেয়েদের রেলের চাকরির পরীক্ষা কেন্দ্র বাংলার বাইরে দেওয়া যাবে না। এতে ছেলেমেয়েদের খুব সমস্যা হয়। তাই যাতে পরীক্ষা কেন্দ্র বাংলার মধ্যেই পড়ে, তাই রেলমন্ত্রীকে চিঠি দিল বাংলা পক্ষ।জয় বাংলা pic.twitter.com/tSkGULWvMG বাংলা পক্ষ Bangla Pokkho (@BanglaPokkho) May 6, 2022তাছাড়া দূর পাল্লার রেলযাত্রার জন্য কমপক্ষে তৃতীয় শ্রেনী-র শয়ন যানের (স্লিপার ক্লাস) রিজার্ভেশন না করতে পারলে যাতায়াত অসম্ভব হয়ে ওঠে। এত কম সময়ের মধ্যে রেলের টিকিট রিজার্ভেশন এককথায় অবাস্তব। তাই অনেকেই পরীক্ষা দিতে যেতে পারেন না। যদিও তৎকালে ব্যবস্থায় টিকিট কাটার চেষ্টা করা হয় তাঁর মূল্যও সেই বেকার ছেলে-মেয়েদের কাছে ধরাছোঁয়ার বাইরে। শুধু মাত্র তপশীলি ও উপ-জাতিদের জন্য রেলের তরফ থেকে টিকিটের মুল্য পাওয়া যায়। সাধরণ ক্যাটাগরি প্রাথীরা রেল কর্ত্তিপক্ষর কাছ থেকে যাতায়াত বাবদ কোনওরকম সাহায্য পান না। বর্ধমান শহরের এক চাকরি পার্থীর পরীক্ষা কেন্দ্র পড়েছে দেশের একদম দক্ষিণের রাজ্যের তিরুচেরাপল্লী তে। হাওড়া থেকে রেল যাত্রা শুরু করলে যেখানে পৌঁছতে কমপক্ষে ৪২ ঘণ্টা সময় লাগে। যাত্রাপথ ও টিকিটের মুল্যের কথা ভেবে তিনি পরীক্ষা দেওয়া থেকে বিরত থাকেন। এছাড়াও উত্তরাখন্ড, বারানসি, গোরক্ষপুর সহ দূরদূরান্তের বিভিন্ন যায়গায় বাংলার ছেলে মেয়েদের পরীক্ষা কেন্দ্র পড়েছে।মুর্শিদাবাদ জেলার ছেলে রাধাবল্লব পাল, চাকরীর পড়াশোনার প্রস্তুতি নেওয়ার জন্য থাকেন বর্ধমান শহরে। তিন বছর আগের আবেদন করা রেলের গ্রুপ-বি (অ্যাসিস্ট্যান্ট স্টেশন মাস্টার) চাকরির পরীক্ষার সেন্টার পড়েছে ওড়িশা রাজ্যের ভুবনেশ্বর শহরে। টিউশনের পয়সায় রেলের টিকিট কেটে আগের দিন থেকে পরীক্ষাকেন্দ্রের আসে পাশের হোটলে রাত কাটাতে হবে। কানপাতলে বাংলার ঘরে ঘরে এরকম বহু উদাহরণ পাওয়া যাবে।এছাড়াও বিগত দিনের বিভিন্ন ঘটনা পরম্পরায় দেখা গেছে বাংলার কর্ম প্রার্থীদের ভিন রাজ্যে পরীক্ষা দিতে গিয়ে নানা ভাবে শারীরিক হেনস্থা এবং আক্রমণের স্বীকার হয়েছেন।ইতিমধ্যেই কর্ম প্রার্থীদের তরফে রেল দপ্তরের কাছে এই বিষয়ে প্রতিবাদ জানানো হয়েছে। এই দাবি মানা না হলে আগামী দিনে বাংলা পক্ষ সংগঠনের তরফে আন্দোলন আরও জোরদার হবে বলে ঘোষণা করা হয়েছে।

মে ০৬, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌গর্বে ভাসছেন সেদিনের অপমানিত কার্তিকেয়র বাবা

একসময় কিটস কেনার সামর্থ ছিল না। সেই ছেলে এখন ক্রিকেটের মহাযজ্ঞের মঞ্চে। পুরনো দিনের কথা মনে পড়ে চোখে জল ঝাঁসির কনস্টেবল শ্যামনাথ সিংহের চোখে। ছেলের জন্য একসময় ক্রিকেট কিট কেনার টাকাও ছিল না এই কনস্টেবলের। কী ঘটেছিল শ্যামনাথ সিংয়ের সঙ্গে? বছর আষ্টেক আগেকার কথা। ছেলের জন্য ক্রিকেট কিট কিনতে গিয়েছিলেন ঝাঁসি পুলিশ লাইনের কনস্টেবল শ্যামনাথ সিংহ। ক্রিকেটের পুরো কিটস কেনার মতো সামর্থ্য ছিল না শ্যামনাথের। সেদিন দোকানদারকে শ্যামনাথ বলেছিলেন, কিটসের পুরো টাকা দিতে পারবেন না। নিজের অসামর্থ্যের কথা জানিয়েছিলেন। দোকানদার সটান উত্তর দিয়েছিলেন, পুরো কিটস কেনার সামর্থ্য যখন নেই, তাহলে দোকানে এসেছেন কেন? সেদিন শ্যামনাথ দোকানদারকে কোন উত্তর দিতে পারেননি। অর্ধেক কিটস কিনে বাড়িতে চলে এসেছিলেন। ছেলে মুম্বই ইন্ডিয়ান্স দলে সুযোগ পাওয়ার ৮ বছর আগে ঘটে যাওয়া ঘটনাটি বলতে গিয়ে আবেগে কেঁদে ফেলেন ঝাঁসি পুলিশ লাইনের হেড কনস্টেবল শ্যামনাথ সিংহ। চোট পেয়ে চলতি আইপিএল থেকে ছিটকে গেছেন মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের মহম্মদ আর্শাদ। তাঁর জায়গায় মুম্বই ইন্ডিয়ান্স দলে নিয়েছে বাঁহাতি স্পিনার কুমার কার্তিকেয় সিংহকে। মুম্বই ইন্ডিয়ান্সে সুযোগ পাওয়া কার্তিকেয়ার জন্ম ক্রীড়া পরিবারেই। বাবা শ্যামনাথ সিংহ মধ্যপ্রদেশের সুলতানপুরের বাসিন্দা। তিনি ছিলেন একজন শ্যুটিং খেলোয়াড়। ছেলে কার্তিকেয় বাবার কাছ থেকেই খেলাধূলার অনুপ্রেরণা পেয়েছিলেন। মধ্যপ্রদেশের হয়ে ঘরোয়া ক্রিকেটে খেলেন কার্তিকেয়। ২০১৮ সালে কেরালার বিরুদ্ধে প্রথম শ্রেণীর ক্রিকেটে অভিষেক হয়। ২০১৯ সালে সৈয়দ মুস্তাক আলিতে অভিষেক সিকিমের বিরুদ্ধে। মহম্মদ আর্শাদ খান চোট পাওয়ায় তাঁর জায়গায় অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন। ঝাঁসি পুলিশের আধিকারিকরা যখন কার্তিকেয়র আইপিএলে সুযোগ পাওয়ার কথা জানতে পারেন, তখন পুলিশ ক্যাপ্টেনসহ অন্যান্য অফিসাররা শ্যামনাথকে অভিনন্দন জানান। পুলিশ লাইনে সংবাদ মাধ্যমের সঙ্গে কথা বলার সময় শ্যামনাথ বলেন, ছেলে যখন ভারতীয় দলের জার্সি পরার সুযোগ পাবে, সেদিন তিনি সবথেকে বেশি খুশি হবেন। ছেলে ফোন করে আমাকে আইপিএলে সুযোগ পাওয়ার কথা জানিয়েছে। ক্যাপ্টেন স্যার, সিও স্যার এবং সমস্ত স্টাফ আমাকে অভিনন্দন জানিয়েছেন। আমি জাতীয় শুটিংয়ে অংশ নিয়েছি। আমাকে দেখে ছেলে খেলায় আসে। পড়াশোনাতেও খুব ভাল ছিল। খেলার প্রতি ওর বেশি আগ্রহ দেখে খেলায় মনোযোগ দিতে বলেছিলাম। আমার আত্মীয়রা আমাকে বলেছিল যে আমি ওর ভবিষ্যত নষ্ট করছি। ওকে পুলিশে ভর্তি করাতে পারতাম। কারও কথা শুনিনি। আমার দেওয়া লক্ষ্য থেকে ছেলে পিছিয়ে যায়নি। শ্যামনাথ আরও বলেন, সামনে অনেক বাধা ছিল। ছেলের সব চাহিদা মেটাতে পারিনি। একসময় ছেলে বলত, আর হয়তো খেলতে পারবে না। আমি ওকে হাল ছাড়তে নিষেধ করেছিলাম। নিজের অভিজ্ঞতা বর্ণনা করতে গিয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন শ্যামনাথ। তিনি জানান, দুই ছেলের জন্য কিটস কিনতে দোকানে গিয়েছিলেন। দুটো কেনার টাকা ছিল না। তখন দোকানদার বলেছিল, শুধু একটি কিটস কিনুন। জিনিসপত্র খুব দামী। টাকা কম থাকার কারণে কিছু জিনিস কমিয়ে নিয়েছিলাম। এ নিয়ে দোকানদার বলেছিলেন, সামর্থ না থাকলে দোকানে এসেছেন কেন? সেদিন কিছু বলতে পারিনি। কখনই সম্পূর্ণ কিটস ছেলেকে কিনে দিতে পারেনি।

এপ্রিল ৩০, ২০২২
খেলার দুনিয়া

টানা ৭ ম্যাচে হার, কেন এই হাল মুম্বইয়ের?‌ রহস্য ফাঁস

চলতি আইপিএলে পরপর ৭ ম্যাচে হেরে রেকর্ড গড়েছে মুম্বই ইন্ডিয়ান্স। আর এই টানা হারে মুম্বই ইন্ডিয়ান্স শিবিরে দলের ভেতরের খবর বাইরে এসে পড়েছে। মুম্বই ইন্ডিয়ান্স শিবির এখন ছোট ছোট দলে বিভক্ত হয়ে পড়েছে। ড্রেসিংরুমের পরিবেশ একেবারেই ভাল নয়। এমনই জানিয়েছেন অস্ট্রেলিয়ার ক্রিকেটার ক্রিস লিন। বৃহস্পতিবার মুম্বইয়ের ডিওওয়াই পাটিল স্টেডিয়ামে পাঁচবারের আইপিএল চ্যাম্পিয়ন মুম্বই ইন্ডিয়ান্স রবীন্দ্র জাদেজার চেন্নাই সুপার কিংসের কাছে তিন উইকেটে হেরেছে। শেষ ওভারে ৪ বলে ১৬ রান নিয়ে জয়দেব উনাদকাট চেন্নাইয়ের রাম তাড়া করার চাপ ধরে রাখতে পারেননি। চেন্নাই সুপার কিংসের হয়ে ফিনিশারের ভুমিকায় অবতীর্ণ হয়েছিলেন মহেন্দ্র সিং ধোনি। রোহিত অ্যান্ড কোম্পানি আইপিএলের ইতিহাসে প্রথম দল হিসেবে টানা ৭ ম্যাচ হেরেছে। কেন মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের এই রকম বিপর্যয়? মুম্বই শিবিরের অস্ট্রেলিয়ান ক্রিকেটার ক্রিস লিন মনে করছেন, ড্রেসিংরুমের পরিবেশ খারাপ হওয়ার কারণেই দলের এই হাল। ক্রিস লিন ২০২০ ও ২০২১ আইপিএলেও মুম্বই ইন্ডিয়ান্স দলের অংশ ছিলেন। তাঁর মতে, মুম্বই শিবিরে ক্রিকেটারদের মধ্যে নানা মত পার্থক্য রয়েছে।এক ক্রিকেট ওয়েবসাইটের অনুষ্ঠানে ক্রিস লিন বলেছেন, জেতাটা একটা অভ্যাস আর হারটাও একটা অভ্যাস। মুম্বই ইন্ডিয়ান্স ব্যাট, বল, মাঠে এবং মানসিকভাবে সমস্যায় পড়েছে। দেখে মনে হচ্ছে গোটা দলের সেট আপে সর্বত্র দলাদলি রয়েছে। তিনি আরও বলেন, যখন দল একেবারে টেবিলের নীচের দিকে থাকবে, তখন অধিনায়কের মতো বাকিরা, কাইরন পোলার্ডও মিড অন বা মিড অফ থেকে দৌড়ে আসবে, সাহায্য করবে। কিন্তু মুম্বই ইন্ডিয়ান্স দলের মধ্যে এটা দেখিনি। কারণ তারা ছোট ছোট দলে বিভক্ত হতে শুরু করেছে এবং তারা কেবল মাঠে নামতে চায়। এটা ভাল লক্ষণ নয়। আমার মনে হয় এই মুহূর্তে মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের দলের পরিবেশ ভাল জায়গায় রয়েছে। এই মুহূ্র্তে রোহিত শর্মার দল পয়েন্ট তালিকায় সকলের শেষে রয়েছে। প্লে অফে যেতে গেলে বাকি ম্যাচগুলোতে জিততেই হবে। যা খুবই কঠিন। এই পরিস্থিতিতে ২৪ এপ্রিল রবিবার মুম্বইয়েরে ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে লোকেশ রাহুলের নেতৃত্বাধীন লখনউ সুপার জায়ান্টদের বিরুদ্ধে মাঠে নামবে।

এপ্রিল ২২, ২০২২
খেলার দুনিয়া

আইসক্রিমে বান!‌ রুটিতে চকোলেট ও নান্দু সস!‌ সঙ্গে চিকেন!‌ এ কোন ভারতীয় ক্রিকেটারের মেনু?‌

ভারতীয় ক্রিকেটে ডায়েট ও ফিটনেসের ব্যাপারে একটা শৃঙ্খলা তৈরি করেছিলেন প্রাক্তন অধিনায়ক বিরাট কোহলি। আধুনিক ক্রিকেটে বয়স ও ডায়েট একটা অন্য প্যারামিটার হয়ে দাঁড়িয়েছে। কিন্তু ভারতীয় ড্রেসিংরুমে এমন দুজন ক্রিকেটার রয়েছেন, যারা ডায়েটের ধার ধারেন না। ডায়েটের ব্যাপারে তাঁদের শৃঙ্খলার কোনও বালাই নেই। তাঁরা অনায়াসে আইসক্রিমে বান ডুবিয়ে খেতে পারেন। রুটির ওপরে চকোলেট ও নান্দু সস মাখাতে পারেন। ভেবে অবাক হয়ে যাচ্ছেন, এমনও ক্রিকেটার ভারতীয় দলে রয়েছেন? অবাক হওয়ার কিছু নেই। এটাই ঘটনা। এই দুই ক্রিকেটার হলেন ঈশান কিশান ও ঋষভ পন্থ। ডায়েটের কোনও ধার ধারেন না ভারতীয় দলের এই দুই ক্রিকেটার।ফিটনেসের জন্য ভারতীয় দলের প্রাক্তন অধিনায়ক বিরাট কোহলি দীর্ঘদিন জাঙ্ক ফুট ত্যাগ করেছেন। অথচ তাঁরই সংসারে অন্য গল্প। বিরাট কোহলির যুগে, ভারতীয় দল ফিটনেসের দিক থেকে ব্যাপকভাবে উন্নতি করেছে। তার মানে এই নয় যে ভারতীয় দলের সব ক্রিকেটারই ডায়েটের ব্যাপারে বিরাট কোহলির মতো সমান কঠোর। ঈশান কিশান ও ঋষভ পন্থের ডায়েটের বিষয়টা প্রকাশ্যে নিয়ে এসেছেন জাতীয় দলে তাঁদেরই সতীর্থ সূর্যকুমার যাদব। ঈশান কিশান এবং ঋষভ পন্থ খাবারে যে অদ্ভুত সংমিশ্রণ ঘটান, তা যে কারও ঠোঁটে লেগে থাকতে পারে।সূর্যকুমার যাদব তাঁর বিখ্যাত ইউ টিউব শো ব্রেকফাস্ট উইথ চ্যাম্পিয়নসএ অভিনেতা এবং টেলিভিশন ও ক্রিকেট উপস্থাপক গৌরব কাপুরকে ঈশান কিশান ও ঋষভ পন্থের অদ্ভুত ডায়েটের কথা বলেছিলেন। সূর্যকুমার বলেন, ঋষভ পন্থ এবং ঈশান কিশান যদি এক জায়গায় হাজির হয়, তাহলে ওদের খাবার অন্য উচ্চতায় পৌঁছে যায়। ওরা অনায়াসে যা কিছু খেতে পারে। একটি বান আইসক্রিমে ডুবিয়ে খায়। রুটির ওপর চকোলেট আইসক্রিম রাখে, তার ওপরে নন্দোর সস রাখে। শুধু তাই নয়, মুরগির মাংসও সঙ্গে থাকে। এই সংমিশ্রণটা হল ওদের চোখে একটি বার্গার। ওইভাবে সাজিয়ে ওরা আমাকে বলে, এটা খাও। তুমি আগামীকাল রান করবে। এই নতুন জিনিস ওরা শুরু করেছে। দুজনেরই পরিচ্ছন্ন হৃদয়, একেবারে বিশুদ্ধ আত্মা। ওদের সাথে সময় কাটাতে দারুণ মজা পাবেন।মুম্বই ইন্ডিয়ান্সে খেলার সুবাদে ঈশান কিশানকে দীর্ঘদিন ধরেই জানেন সূর্যকুমার। জাতীয় দলে একসঙ্গে থাকার সুবাদে ঋষভ পন্থকেও ভালভাবে চেনেন। ঈশানকে বেশ ব্যক্তিত্ববান বলে মনে হয়েছে সূর্যকুমারের। দলের মধ্যে সবসময় ইতিবাচক পরিবেশ তৈরি করে রাখেন ঈশান। সূর্যর কথায়, ইশান আমার দলের সেরা বন্ধুদের একজন। বিশেষ করে যখন দল একটি ম্যাচ হেরেছে, সিগন্যাল বাউন্সের মতো ঈশান এক বিষয় থেকে অন্য বিষয়ে বাউন্স করে। প্র্যাকটিসের সময় আমি কোচকে বলেছিলাম, আমি শুধুমাত্র ওর সঙ্গে প্র্যাকটিস করতে চাই। যখনই আমরা একসাথে ব্যাট করি, স্কোরবোর্ডের দিকে তাকাই না যতক্ষণ না আমাদের তাড়া করতে হয়। আমরা ক্রিকেট ছাড়াও বিভিন্ন বিষয়ে কথা বলি। যেমন, আজকে যদি আমরা ম্যাচ জিততে পারি তাহলে আমরা ব্রাউনি আইসক্রিম অর্ডার করব। দারুণ মজা করি।

এপ্রিল ২০, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌নির্বাসনের মুখে পড়তে হতে পারে রোহিত শর্মাকে, কেন?‌

সময়টা একেবারেই ভাল যাচ্ছে না মু্ম্বই ইন্ডিয়ান্স অধিনায়ক রোহিত শর্মার কাছে। চলতি আইপিএলে ইতিমধ্যেই পাঁচ ম্যাচ খেলা হয়ে হয়ে গেছে। এখনও দলকে জয় এনে দিতে পারেননি। বুধবার পাঞ্জাব কিংসের কাছে হারতে হয়েছে। তার ওপর আবার জরিমানার কবলে পড়তে হয়েছে মুম্বই ইন্ডিয়ান্স অধিনায়ককে। দলের মন্থর বোলিংয়ের জন্য ২৪ লক্ষ টাকা জরিমানা হয়েছে রোহিত শর্মার। চলতি আইপিএলে এই নিয়ে দ্বিতীয় বার জরিমানার কবলে পড়তে হল মুম্বই অধিনায়ককে। বুধবার পাঞ্জাব কিংসের বিরুদ্ধে নির্ধারিত সময়ে ২০ ওভার বোলিং করতে পারেনি মুম্বই ইন্ডিয়ান্স। ফলে দলের অধিনায়ক হিসেবে রোহিত শর্মার ওপরে শাস্তির খাঁড়া নেমে এসেছে। তাঁর ২৪ লক্ষ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। এর আগে দিল্লি ক্যাপিটালসের বিরুদ্ধে ম্যাচেও মন্থর বোলিংয়ের জন্য শাস্তির কবলে পড়তে হয়েছিল রোহিতকে। ওই ম্যাচে ১২ লক্ষ টাকা জরিমানা হয়েছিল। দ্বিতীয় বার একই অপরাধ হওয়ায় এবার জরিমানার পরিমান দ্বিগুন। যদি আরও একবার মন্থর বোলিংয়ের দায়ে অভিযুক্ত হন রোহিত, তাহলে জরিমানার পাশাপাশি এক ম্যাচ নির্বাসিত হতে হবে। শুধু রোহিতেরই জরিমানা হয়নি, প্রথম একাদশে থাকা বাকি ক্রিকেটারদেরও জরিমানার কবলে পড়তে হয়েছে। বাকিদের জরিমানা হয়েছে ৬ লক্ষ টাকা করে। আইপিএলের পক্ষ থেকে এক প্রেস বিবৃতিতে বলা হয়েছে, পাঞ্জাব কিংসের বিরুদ্ধে ম্যাচে স্লো ওভার রেটের জন্য মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সকে জরিমানা করা হয়েছে। অধিনায়ক রোহিত শর্মার ২৪ লক্ষ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। বাকি ক্রিকেটারদের ম্যাচ ফির ২৫ শতাংশ জরিমানা হয়েছে। এ বারের আইপিএলে এখনও পর্যন্ত জয়ের মুখ দেখেনি পাঁচ বারের চ্যাম্পিয়নরা। পর পর পাঁচ ম্যাচে হারতে হয়েছে তাদের। বুধবার টসে জিতে বল করার সিদ্ধান্ত নেন রোহিত। প্রথমে ব্যাট করে ১৯৮ রান করে পঞ্জাব। জবাবে ১৮৬ রানে শেষ হয় মুম্বইয়ের ইনিংস। ১২ রানে ম্যাচ হারে তারা।এদিকে, রোহিত শর্মার ব্যাটেও রান নেই। ৫ ম্যাচে করেছেন ১০৪। দলের অধিনায়ক রান না পেলেও চিন্তিত নন মুম্বই ইন্ডিয়ান্স হেড কোচ মাহেলা জয়বর্ধনে। তিনি বলেন, রোহিত ভাল টাচে আছে। ভাল শুরু করছে। কিন্তু বড় ইনিংস আসছে না। আমি আশাবাদী, দ্রুতই বড় ইনিংস খেলবে রোহিত।

এপ্রিল ১৪, ২০২২
খেলার দুনিয়া

গতির কামাল:‌ আইপিএল-এ চমক দিয়ে জাতীয় দলের অপেক্ষায় এই কাশ্মীরি তরুণ

গতবছর আইপিএলে বলের গতি দিয়ে ক্রিকেটপ্রেমীদের তাক লাগিয়ে দিয়েছিলেন সানরাইজার্স হায়দরাবাদের উমরান মালিক। চলতি আইপিএলে প্রতি ম্যাচেই নিজের প্রতিভার পরিচয় দিয়ে চলেছেন। নিয়মিত বোলিং করছেন ঘন্টায় ১৫০ কিমি গতিতে। প্রতিনিয়ত নিজেকে ছাপিয়ে যাচ্ছেন। ২০২২ আইপিএলে তাঁর দ্রুততম বলটির গতি ছিল ঘন্টায় ১৫৩.১ কিমি। যে বলটি চেন্নাই সুপার কিংসের বিরুদ্ধে উমরান মালিকের হাত থেকে বেরিয়েছিল। সোমবার গুজরাট টাইটান্সের বিরুদ্ধে তাকেও ছাপিয়ে গেছেন। এদিন তাঁর একটা বলের গতি ছিল ঘন্টায় ১৫৩.৩ কিমি।উমরান মালিকের বলে গতি দেখে মু্গ্ধ ক্রিকেট বিশেষজ্ঞরা। ভারতের প্রাক্তন হেড কোচ রবি শাস্ত্রী আগেই উমরানের বলের গতির প্রশংসা করেছিলেন। এবার জম্মু ও কাশ্মীরের এই তরুণ জোরে বোলারকে প্রশংসায় ভরিয়ে দিলেন ইংল্যান্ডের প্রাক্তন অধিনায়ক মাইকেল ভন। তিমি মনে করছেন। উমরান মালিক খুব দ্রুতই দেশের হয়ে খেলবেন। এমনকি এই তরুণ জোরে বোলারকে কাউন্টি ক্রিকেটে খেলার পরামর্শ দিয়েছেন মাইকেল ভন। মাইকেল ভন টুইট করে বলেছেন, উমরান মালিক খুব শীঘ্রই ভারতের হয়ে খেলবেন। আমি যদি ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডে থাকতাম, তাহলে এই গ্রীষ্মে উমরানকে কাউন্টি ক্রিকেট খেলতে পাঠাতাম। যাতে তার বোলিংয়ের উন্নতিতে সাহায্য করা যায়। এই মুহূর্তে আইপিএলে কমেন্ট্রি করছেন মাইকেল ভন। খুব কাছ থেকে উমরান মালিকের বোলিং দেখার সৌভাগ্য হয়েছে। ভন মনে করছেন, অদূর ভবিষ্যতে ভারতীয় দলে জায়গা করে নেবেন জম্মু ও কাশ্মীরের এই তরুণ জোরে বোলার। শুধু মাইকেল ভনই নন, এর আগেই রবি শাস্ত্রীর মুখ থেকেও একই কথা শোনা গেছে। ভারতীয় দলে হেড কোচ থাকার সময় উমরান মালিককে খুব কাছ থেকে দেখেছিলেন শাস্ত্রী। সেই সময় উমরান ভারতীয় দলে নেট বোলার হিসেবে ছিলেন। নেটে উমরান মালিকের বোলিং দেশে রবি শাস্ত্রী ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড ও নির্বাচকদের পরামর্শ দিয়েছিলেন তাঁকে জাতীয় ক্রিকেট অ্যাকাদেমিতে রাখার। যাতে উমরান নিজের দক্ষতার বিকাশ ঘটাতে পারেন।গুজরাট টাইটান্সের বিরুদ্ধে গতি দিয়ে দারুণ নজর কেড়েছেন উমরান মালিক। তাঁর প্রথম ডেলিভারিটি ছিল একটি বিষাক্ত বাউন্সার। যা হার্দিক পান্ডিয়ার হেলমেটে ছোবল মেরেছিল। গুজরাট টাইটান্সের অধিনায়ক ম্যাচের পরে স্বীকার করেছিলেন যে, উমরানের ওই বাউন্সার তাঁকে তাতিয়ে দিয়েছিল। পরের দুটি বলে অবশ্য বাউন্ডারি মেরেছিলেন হার্দিক। দারুণ গতিতে বোলিং করলেও উমরানের সব থেকে বড় সমস্যা হল ধারাবাহিকতার অভাব। নির্দিষ্ট লেংথে বোলিং করতে পারেন না উমরান মালিক। যার ফলে তিনি অনেক বেশি রান দিয়ে ফেলেন। মালিকের ঈর্ষণীয় গতি ছাড়াও জোরে বোলার হিসেবে অনেক কিছু আছে। তাঁর শরীর আদর্শ ক্রীড়াবিদসুলভ। মসৃণ রান আপ। বোলিং অ্যাকশনও দারুণ। এসবই তাঁর উজ্জ্বল ভবিষ্যতের ইঙ্গিত। এই বছর আইপিএলের মেগা নিলামের আগে তাঁকে ধরে রেখে সানরাইজার্স হায়দরাবাদ যে ভুল করেনি, প্রমান করেই চলেছেন উমরান মালিক।

এপ্রিল ১২, ২০২২
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 14
  • 15
  • 16
  • 17
  • 18
  • 19
  • 20
  • ...
  • 41
  • 42
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

উপনির্বাচনের আগে বড় সিদ্ধান্ত কমিশনের, ‘তৃণমূল কংগ্রেস’ নাম ও জোড়াফুল প্রতীক ফ্রিজ

পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা উপনির্বাচনের আগে বড় সিদ্ধান্ত নিল নির্বাচন কমিশন। তৃণমূল কংগ্রেসের দলীয় নাম এবং নির্বাচনী প্রতীক আপাতত ফ্রিজ করে দেওয়া হয়েছে। ফলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন গোষ্ঠী এবং বিরোধী গোষ্ঠীকেউই আসন্ন উপনির্বাচনে অল ইন্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেস নাম বা দলের জোড়াফুল প্রতীক ব্যবহার করতে পারবে না।দলীয় নাম ও প্রতীকের মালিকানা নিয়ে দুই গোষ্ঠীর মধ্যে বিরোধের জেরেই এই অন্তর্বর্তী নির্দেশ দিয়েছে কমিশন। নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, বিষয়টি বর্তমানে প্রতীক সংক্রান্ত নির্দেশের ১৫ নম্বর অনুচ্ছেদের অধীনে বিবেচনাধীন রয়েছে। চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না হওয়া পর্যন্ত দুই পক্ষকেই পৃথক পরিচয় এবং আলাদা নির্বাচনী প্রতীকে উপনির্বাচনে লড়তে হবে।কমিশনের নির্দেশ অনুযায়ী, দুই গোষ্ঠীকেই তিনটি করে পছন্দের দলের নাম এবং তিনটি করে প্রতীকের বিকল্প জানাতে বলা হয়েছে। ১৮ সেপ্টেম্বর সকাল ১১টার মধ্যে সেই তালিকা জমা দিতে হবে। এরপর কমিশন দুই পক্ষের জন্য পৃথক নাম ও প্রতীক বরাদ্দ করবে।নন্দীগ্রাম ও রেজিনগর বিধানসভা আসনের উপনির্বাচনকে সামনে রেখে তৃণমূলের দলীয় পরিচয় ও প্রতীক নিয়ে এই বিরোধ আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। দুই পক্ষই নিজেদের তৃণমূল কংগ্রেসের বৈধ প্রতিনিধি বলে দাবি করেছে। কমিশনের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের পরই স্পষ্ট হবে দলীয় নাম ও সংরক্ষিত প্রতীকের অধিকার কার হাতে থাকবে।ততদিন পর্যন্ত উপনির্বাচনে কোনও গোষ্ঠীই অল ইন্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেস নাম বা জোড়াফুল প্রতীক ব্যবহার করতে পারবে না।

সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২৬
রাজ্য

‘কোনও যোগ্য উপভোক্তা অন্নপূর্ণার সুবিধা থেকে বঞ্চিত হবেন না', জন্মদিনে মোদীর গ্যারান্টিতে উচ্ছ্বাস মহিলাদের

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির জন্মদিন উপলক্ষে বৃহস্পতিবার বাংলায় পালিত হল অন্নপূর্ণা দিবস। এই উপলক্ষে অন্নপূর্ণা যোজনার আওতায় রাজ্যের ১.৫৮ কোটি মহিলার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে মাসিক ৩ হাজার টাকা করে আর্থিক সহায়তা পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। সল্টলেকে আয়োজিত অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি বক্তব্য রাখতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, রাজ্যের প্রতিটি যোগ্য মহিলা যাতে এই প্রকল্পের সুবিধা পান, তা নিশ্চিত করাই সরকারের লক্ষ্য।এদিন কলকাতার সল্টলেকে আয়োজিত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি ঘোষণা করেন, প্রতি বছর ১৭ সেপ্টেম্বর প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিন অন্নপূর্ণা দিবস হিসেবে পালন করা হবে। তাঁর বক্তব্য, প্রধানমন্ত্রী মোদির প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী রাজ্যে মহিলাদের মাসিক ৩ হাজার টাকা আর্থিক সহায়তা দেওয়ার এই প্রকল্প চালু করা হয়েছে।অন্নপূর্ণা যোজনা পশ্চিমবঙ্গ সরকারের একটি আর্থিক সহায়তা প্রকল্প। এই প্রকল্পের আওতায় যোগ্য মহিলাদের সরাসরি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে প্রতি মাসে ৩ হাজার টাকা করে দেওয়া হয়। মুখ্যমন্ত্রী জানান, সেপ্টেম্বর মাসের কিস্তির টাকা ১.৫৮ কোটি উপভোক্তার মধ্যে অধিকাংশের অ্যাকাউন্টে ইতিমধ্যেই পাঠানো হয়েছে। বাকি উপভোক্তাদের অ্যাকাউন্টেও বৃহস্পতিবারের মধ্যে পৌঁছে যাবে বলে আশ্বাস দেন তিনি।কোনও যোগ্য মহিলা যেন বঞ্চিত না হন, বার্তা মোদিরঅনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি বক্তব্য রাখতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেন, গত ১২ বছরে রাজ্যের মানুষের অন্যতম বড় অভিযোগ ছিল, কেন্দ্রীয় সরকারের একাধিক প্রকল্পের সুবিধা সময়মতো তাঁদের কাছে পৌঁছত না। আগের তৃণমূল সরকারের নাম উল্লেখ না করেই তিনি বলেন, এর ফলে সবচেয়ে বেশি সমস্যায় পড়েছিলেন দরিদ্র পরিবারগুলি। তবে বর্তমানে বিজেপি সরকার আটকে থাকা প্রকল্পগুলির কাজ দ্রুত এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে বলে দাবি করেন তিনি।মোদির কথায়, বাংলার মহিলাদের হাতে যেমন সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা থাকা প্রয়োজন, তেমনই এগিয়ে যাওয়ার সাহসও থাকা দরকার। সেই লক্ষ্য পূরণে অন্নপূর্ণা যোজনা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে মনে করেন প্রধানমন্ত্রী।তিনি বলেন, কোনও মায়ের কাছে এই ৩ হাজার টাকা সন্তানের পড়াশোনার খরচ হতে পারে। কোনও বোনের কাছে তা ওষুধ কেনা কিংবা সংসারের প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র কেনার কাজে লাগতে পারে। পরিবারের ছোট-বড় নানা সিদ্ধান্ত নেওয়ার পাশাপাশি মহিলারা সংসারের একাধিক দায়িত্ব সামলান। নিত্যপ্রয়োজনীয় খরচের চিন্তা কমলে তাঁদের আত্মবিশ্বাসও বাড়বে বলে মন্তব্য করেন তিনি।প্রধানমন্ত্রী আরও জানান, মা, বোন ও মেয়েদের জীবনের প্রতিটি পর্যায়ের সমস্যার সমাধান করাই সরকারের অগ্রাধিকারের মধ্যে রয়েছে। অন্নপূর্ণা যোজনার মাধ্যমে বাংলার মহিলাদের জীবনে নতুন শক্তি যোগ হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি। এই প্রকল্পে কোনও মধ্যস্থতাকারী বা কাটমানি নেই বলে উল্লেখ করে মোদি বলেন, একজন যোগ্য মহিলাও যাতে প্রকল্পের সুবিধা থেকে বঞ্চিত না হন, তা নিশ্চিত করতে সরকার নিরন্তর কাজ করছে।প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনায় ৫০ লক্ষ উপভোক্তার তালিকা তৈরির ঘোষণাএদিনের অনুষ্ঠান থেকে প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা নিয়েও বক্তব্য রাখেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি জানান, বাংলায় এই প্রকল্পের আওতায় ৫০ লক্ষ উপভোক্তার তালিকা তৈরির কথা ঘোষণা করেছেন প্রধানমন্ত্রী। মুখ্যমন্ত্রীর দাবি, প্রকল্পের আওতায় তৈরি হতে চলা সমস্ত নতুন বাড়ির মালিকানা থাকবে মহিলাদের হাতে।মহিলাদের উপর অত্যাচার রুখতে কমিশন গঠনের দাবি মুখ্যমন্ত্রীররাজ্যে মহিলাদের উপর অপরাধ ও অত্যাচারের প্রসঙ্গও উঠে আসে মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্যে। শুভেন্দু অধিকারী জানান, গত চার মাসে রাজ্যে মহিলাদের উপর অত্যাচারের অভিযোগ খতিয়ে দেখতে অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি সমাপ্তি চট্টোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে একটি কমিশন গঠন করা হয়েছে।রাজ্যের কোনও মহিলাকে যাতে অত্যাচারের শিকার হতে না হয়, তা নিশ্চিত করতে বিজেপি সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বলেও দাবি করেন তিনি। পাশাপাশি, নেশামুক্ত বাংলা গড়ে তুলতে মহিলাদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানান মুখ্যমন্ত্রী।বাল্যবিবাহ ও কিশোরী মাতৃত্ব নিয়ে উদ্বেগরাজ্যে বাল্যবিবাহ এবং কিশোরী মাতৃত্বের পরিস্থিতি নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর বক্তব্য, এই ক্ষেত্রে মুর্শিদাবাদ ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলা উল্লেখযোগ্যভাবে এগিয়ে রয়েছে।মুখ্যমন্ত্রী আশ্বাস দেন, তাঁর সরকারের আমলে ১৮ বছরের কম বয়সি কোনও মেয়ের বিয়ে হতে দেওয়া হবে না। যাঁরা এই ধরনের বিয়ে দিয়েছেন বা বিয়েতে সহযোগিতা করেছেন, তাঁদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।

সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২৬
রাজ্য

প্রদীপের আলোয় তৈরি প্রধানমন্ত্রীর প্রতিকৃতি! মোদীর জন্মদিনে বাংলার বুকে এলাহি আয়োজন চমকে দিতে বাধ্য

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর জন্মদিন উপলক্ষে অভিনব উদ্যোগ পুরুলিয়ায়। এক লক্ষ প্রদীপ জ্বালিয়ে প্রধানমন্ত্রীর বিশাল প্রতিকৃতি তৈরি করে তাঁকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানানো হল। আশীর্বাদ কা দিয়া অনুষ্ঠানের অঙ্গ হিসেবে পুরুলিয়া ইনডোর স্টেডিয়ামে এই বিশেষ আয়োজন করা হয়।প্রায় ২,৫০০ বর্গফুট এলাকা জুড়ে তৈরি করা হয়েছে নরেন্দ্র মোদীর এই বিশাল প্রতিকৃতি। ঝাড়খণ্ডের ১১ জন শিল্পী তিন দিন ধরে পরিশ্রম করে বিভিন্ন রঙের এক লক্ষ প্রদীপ ব্যবহার করে এই শিল্পকর্ম তৈরি করেছেন। প্রদীপ দিয়ে তৈরি এই প্রতিকৃতি অনুষ্ঠানের অন্যতম আকর্ষণ হয়ে উঠেছে।শিল্পী সুজয় কুমার জানিয়েছেন, ঝাড়খণ্ডের বোকারো, গিরিডি ও হাজারিবাগের ১১ জন শিল্পী এই কাজে অংশ নিয়েছেন। সাধারণত বিভিন্ন উপকরণ কিংবা বর্জ্য সামগ্রী ব্যবহার করে মোজাইক শিল্প তৈরি করা হয়। তবে এবার প্রায় এক লক্ষ প্রদীপ ব্যবহার করে প্রধানমন্ত্রীর প্রতিকৃতি তৈরি করা হয়েছে।উল্লেখ্য, গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন থেকে শুরু করে দেশের প্রধানমন্ত্রী হওয়া পর্যন্ত নরেন্দ্র মোদীর জনজীবনের ২৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে দেশজুড়ে বিভিন্ন কর্মসূচির আয়োজন করা হচ্ছে। সেই কর্মসূচির অংশ হিসেবেই পুরুলিয়ায় এই বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন বলে জানা গিয়েছে।স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্বের দাবি, এ বছর পুরুলিয়ায় প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিন বিশেষভাবে উদযাপন করা হচ্ছে। সেবা সংকল্প অভিযান-এর অধীনে বিভিন্ন সামাজিক ও জনকল্যাণমূলক কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে। আশীর্বাদ কা দিয়া অনুষ্ঠানের মাধ্যমে সেই কর্মসূচির সূচনা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিন উপলক্ষে প্রদীপ জ্বালিয়ে এই বিশাল প্রতিকৃতি তৈরি ঘিরে পুরুলিয়ায় উৎসবের আবহ তৈরি হয়েছে।

সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২৬
রাজ্য

দায়িত্ব বাড়লেও বদলায়নি শিকড়ের টান! ১৫০ বছরের মনসা মেলায় পুতুলের দোকানে বিকিকিনিতে ব্যস্ত বিধায়ক কৃষ্ণকান্ত সাহা

বিধায়ক হয়েছেন, বেড়েছে দায়িত্ব। কিন্তু শৈশবের স্মৃতি আর পরিবারের সঙ্গে জড়িয়ে থাকা পুরনো ঐতিহ্য আজও অমলিন। বীরভূমের সাঁইথিয়া বিধানসভা কেন্দ্রের প্রায় ১৫০ বছরের পুরনো মনসা পুজোর মেলায় পরিবারের সঙ্গে পুতুলের দোকানে বসে সেই কথাই যেন মনে করিয়ে দিলেন বিধায়ক কৃষ্ণকান্ত সাহা। ভাইদের সঙ্গে দোকান সামলাতে দেখা গেল তাঁকে।বিধায়ক কৃষ্ণকান্ত সাহার কাছে এই মেলা শুধুমাত্র পুজো বা উৎসবের জায়গা নয়। তাঁর শৈশবের বহু স্মৃতি জড়িয়ে রয়েছে এই মেলার সঙ্গে। ছোটবেলায় বাবার হাত ধরে দেউচা রঘুনাথপুরের এই মেলায় আসতেন তিনি। মেলায় তাঁর বাবা দোকান বসাতেন। বাবার সঙ্গে সেই দোকানে বসে খদ্দের সামলানো, মেলার ভিড় দেখা সবই ছিল তাঁর ছোটবেলার পরিচিত অভিজ্ঞতা।সময়ের সঙ্গে বদলেছে জীবন। শৈশবের সেই দিনগুলি পেরিয়ে বর্তমানে সাঁইথিয়া বিধানসভা কেন্দ্রের বিধায়ক কৃষ্ণকান্ত সাহা। বেড়েছে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক দায়িত্বও। তবে সেই পরিবর্তনের মধ্যেও পুরনো মেলার সঙ্গে সম্পর্ক অটুট রেখেছেন তিনি।এবার মনসা পুজো উপলক্ষে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে মেলায় ফিরে পুতুলের দোকানে বসেন বিধায়ক। ভাইদের সঙ্গে দোকান সামলানোর সময় তাঁকে দেখতে ভিড় জমান মেলায় আসা মানুষজন। কেউ দূর থেকে তাঁকে দেখেন, আবার কেউ এগিয়ে এসে কথা বলেন। রাজনৈতিক পরিচয়ের বাইরে পরিবারের সঙ্গে তাঁর এই উপস্থিতি নজর কাড়ে স্থানীয়দের।কৃষ্ণকান্ত সাহার বক্তব্য, দায়িত্ব ও পদ একজন মানুষের জীবনে পরিবর্তন আনতে পারে, কিন্তু শিকড় এবং শৈশবের স্মৃতি কখনও মুছে যায় না। বাবার সঙ্গে কাটানো দিনগুলি এখনও তাঁর মনে গভীরভাবে গেঁথে রয়েছে বলেও জানিয়েছেন তিনি।প্রায় দেড়শো বছরের পুরনো এই মেলায় পরিবারের দোকান আর শৈশবের স্মৃতি যেন ফের একসূত্রে বাঁধল বিধায়ককে। জনপ্রতিনিধি হওয়ার পরেও পুরনো ঐতিহ্যের সঙ্গে তাঁর এই সংযোগ স্থানীয়দের মধ্যে আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে।

সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২৬
দেশ

ব্রিকসের পর হঠাৎ শি জিনপিংয়ের স্ট্রোক? ভাইরাল দাবিতে তোলপাড়, কী বলল দিল্লি?

ভারতের মাটিতে সদ্য শেষ হয়েছে ব্রিকসের ১৮তম শীর্ষ সম্মেলন। সম্মেলনে চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং-সহ একাধিক রাষ্ট্রনেতা যোগ দেন। শি ১২ ও ১৩ সেপ্টেম্বর দিল্লিতে ব্রিকসের দুই অধিবেশনেও অংশ নেন। কিন্তু সম্মেলন শেষ হওয়ার পরই তাঁর স্বাস্থ্য নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে একটি দাবি ছড়িয়ে পড়ে।চিনের গণতন্ত্র পার্টির চেয়ারম্যান ওয়ানজুন শিয়ে সামাজিক মাধ্যমে দাবি করেন, দিল্লিতে ব্রিকস সম্মেলনে যোগ দেওয়ার সময় শি জিনপিং অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন এবং তাঁর স্ট্রোক হয়েছিল। তাঁর আরও দাবি, পরে বিশেষ বিমানে শিকে চিনে ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয় এবং সেখানে তাঁর চিকিৎসা করা হয়। তবে এই দাবির পক্ষে কোনও চিকিৎসা সংক্রান্ত নথি বা সরকারি প্রমাণ সামনে আসেনি। ভারতের সাম্প্রতিক প্রতিবেদনগুলিও জানিয়েছে, দাবিটি স্বাধীন ভাবে যাচাই করা যায়নি।এদিকে চিনের সরকারি তথ্যের সঙ্গে ভাইরাল দাবির বেশ কিছু অমিল রয়েছে। চিনের বিদেশ মন্ত্রকের সরকারি বিবরণ অনুযায়ী, শি জিনপিং ১২ সেপ্টেম্বর ব্রিকসের প্রথম অধিবেশনে এবং ১৩ সেপ্টেম্বর দ্বিতীয় অধিবেশনে অংশ নেন। দুই অধিবেশনেই তিনি বক্তব্য রাখেন এবং অন্যান্য রাষ্ট্রনেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেন।চিনের বিদেশ মন্ত্রক আরও জানিয়েছে, ১৩ সেপ্টেম্বর দুপুরে শি জিনপিং ব্রিকস সম্মেলনে তাঁর কর্মসূচি শেষ করে বেজিংয়ের উদ্দেশে রওনা দেন। অর্থাৎ সরকারি নথিতে তাঁর সফর নির্ধারিত কর্মসূচি মেনেই শেষ হওয়ার কথা জানানো হয়েছে।শুধু শি জিনপিং নন, ব্রিকস সম্মেলনে যোগ দেওয়া একাধিক রাষ্ট্রনেতা দেশে ফিরে অসুস্থ হয়ে পড়েছেন বলেও সামাজিক মাধ্যমে বিভিন্ন পোস্ট ছড়ায়। দক্ষিণ আফ্রিকার প্রেসিডেন্ট সিরিল রামাফোসার স্বাস্থ্য নিয়েও এমন আলোচনা শুরু হয়।এই ধরনের দাবির বিরুদ্ধে ভারতের বিদেশ মন্ত্রকের তরফে সতর্ক করা হয়েছে। মন্ত্রকের তথ্য যাচাই সংক্রান্ত শাখা সামাজিক মাধ্যমে একাধিক রাষ্ট্রনেতার অসুস্থতা নিয়ে ছড়ানো পোস্টকে ভুয়ো এবং বিভ্রান্তিকর বলে সতর্ক করেছে। মানুষকে এই ধরনের বিভ্রান্তিকর পোস্টে বিশ্বাস না করারও বার্তা দেওয়া হয়েছে।তবে শি জিনপিংয়ের ক্ষেত্রে বিষয়টি আরও সতর্কতার সঙ্গে দেখা প্রয়োজন। কারণ তাঁর স্ট্রোক, অজ্ঞান হয়ে যাওয়া বা অস্ত্রোপচারের দাবি কোনও সরকারি সূত্র নিশ্চিত করেনি। একই সঙ্গে চিনের সরকারও এমন কোনও স্বাস্থ্যগত ঘটনার কথা ঘোষণা করেনি। ফলে সামাজিক মাধ্যমে ছড়ানো ওই দাবিকে এই মুহূর্তে নিশ্চিত খবর হিসেবে দেখার সুযোগ নেই।অন্যদিকে, ব্রিকস সম্মেলনে শি জিনপিংয়ের উপস্থিতি এবং তাঁর বক্তব্যের বিষয়ে চিনের সরকারি নথি রয়েছে। সম্মেলনের পর তাঁর বেজিং ফেরার বিষয়টিও চিনের বিদেশ মন্ত্রক জানিয়েছে। ফলে শি জিনপিংয়ের স্বাস্থ্য নিয়ে ছড়ানো দাবির সত্যতা নিয়ে এখনও অনিশ্চয়তা রয়েছে।সব মিলিয়ে, ব্রিকস সম্মেলনের পর শি জিনপিংয়ের অসুস্থতা নিয়ে যে দাবি ছড়িয়েছে, তার কোনও স্বাধীন ও নির্ভরযোগ্য প্রমাণ এখনও সামনে আসেনি। অন্যদিকে, বিদেশ মন্ত্রক একাধিক রাষ্ট্রনেতাকে নিয়ে ছড়ানো অসুস্থতার দাবিকে ভুয়ো বলে সতর্ক করেছে। তাই এই মুহূর্তে শি জিনপিংয়ের স্ট্রোক বা জরুরি অস্ত্রোপচারের দাবিকে সত্য বলে ধরে নেওয়ার কোনও ভিত্তি নেই।

সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২৬
দেশ

নিজের জন্মদিনে বাংলার মহিলাদের জন্য মোদীর বড় বার্তা! বললেন, ‘আপনাদের ভরসাই আমার শক্তি’

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর ৭৬তম জন্মদিনে বাংলার মহিলাদের উদ্দেশে বিশেষ বার্তা দিলেন তিনি। বাংলার মা-বোনেরা তাঁকে যে ভাবে ভালবাসা ও ভরসা দিয়েছেন, সেই কথাই নিজের বক্তব্যে তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। তাঁর কথায়, বাংলার মহিলাদের ভরসা তাঁকে শক্তি জুগিয়েছে।প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলার মা-বোনেরা সবসময় তাঁকে ভালবাসা ও স্নেহ দিয়েছেন। তাঁদের আত্মীয়তার অনুভূতি তাঁকে সবসময় শক্তি জুগিয়েছে। তাঁর বক্তব্যে উঠে আসে, বাংলার মহিলাদের ভরসাই তাঁর শক্তি। পরিবর্তনের ক্ষেত্রেও বাংলার মহিলাদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার কথা উল্লেখ করেন তিনি।এ দিন বাংলায় অন্নপূর্ণা যোজনার টাকাও উপভোক্তাদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে পাঠানোর কর্মসূচি রয়েছে। সেপ্টেম্বর মাসের ৩ হাজার টাকা সরাসরি উপভোক্তাদের অ্যাকাউন্টে পাঠানোর কথা জানিয়েছে রাজ্য সরকার। এ বার প্রায় ১ কোটি ৫৮ লক্ষ মহিলা এই প্রকল্পের সুবিধা পাবেন বলে সরকারি ভাবে জানানো হয়েছে।অন্নপূর্ণা যোজনার প্রসঙ্গ তুলে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সংসারে মহিলাদের উপর অনেক দায়িত্ব থাকে। পরিবারের প্রয়োজনীয় বিষয়গুলি সামলানোর পাশাপাশি তাঁদের নিজেদের প্রয়োজনও রয়েছে। হাতে কিছু অর্থ থাকলে জরুরি খরচ নিয়ে তাঁদের চিন্তা কমে এবং আত্মবিশ্বাস বাড়ে। সেই লক্ষ্যেই এই ধরনের আর্থিক সহায়তার কথা তুলে ধরেন তিনি।প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, সরকারের কাজের মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত বেশি কাজ করা এবং কম কথা বলা। বাংলার মহিলাদের উদ্দেশে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তাঁদের পরিশ্রম ও পরিবারের প্রতি দায়িত্বের কথাও উল্লেখ করেন তিনি।এ দিন বাংলায় পিএম বিশ্বকর্মা প্রকল্প নিয়েও বিশেষ কর্মসূচি রয়েছে। কলকাতায় এই প্রকল্পের তৃতীয় বর্ষপূর্তি উপলক্ষে অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। দেশের ঐতিহ্যবাহী কারিগর ও শিল্পীদের আর্থিক ও অন্যান্য সহায়তা দেওয়াই এই প্রকল্পের অন্যতম লক্ষ্য।এই প্রকল্পের আওতায় বিভিন্ন ধরনের ঐতিহ্যবাহী পেশার সঙ্গে যুক্ত কারিগর ও শিল্পীরা প্রশিক্ষণ, সরঞ্জাম কেনার সহায়তা এবং ঋণের সুবিধা পেতে পারেন। প্রকল্পের নিয়ম অনুযায়ী, যোগ্য উপভোক্তাদের প্রথম ধাপে ১ লক্ষ টাকা এবং পরে ২ লক্ষ টাকা পর্যন্ত জামানতবিহীন ঋণের সুযোগ রয়েছে। ঋণের সুদের হার ৫ শতাংশ।ফলে মোদীর জন্মদিনে বাংলায় একদিকে অন্নপূর্ণা যোজনার আর্থিক সহায়তা, অন্য দিকে পিএম বিশ্বকর্মা প্রকল্পের বর্ষপূর্তিদুই কর্মসূচিই বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে। বাংলার মহিলাদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রীর বার্তা এবং কারিগরদের জন্য প্রকল্পের সুবিধা ঘিরে এ দিন রাজ্যজুড়ে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলে আলোচনা তৈরি হয়েছে। অন্নপূর্ণা যোজনার সেপ্টেম্বরের অর্থসাহায্য এবং বিশ্বকর্মা প্রকল্পের কর্মসূচিদুই ক্ষেত্রেই সরকারি ঘোষণাই এখন মূল বিষয়।

সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২৬
রাজ্য

পথ খরচ নিতে গিয়েই ফাঁদে! চার দশক পর কলকাতা পুলিশের জালে মাওবাদী নেতা আকাশ

পশ্চিম মেদিনীপুরের চন্দ্রকোনা এলাকার বাসিন্দা অসীম মণ্ডল ওরফে আকাশ ওরফে তিমির ওরফে মনোজকে পূর্ব মেদিনীপুরের পটাশপুর এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে খবর। তাঁর বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে মাওবাদী সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত থাকার অভিযোগ রয়েছে। পুলিশ সূত্রের দাবি, তাঁর মাথার দাম ছিল এক কোটি টাকা। দীর্ঘ প্রায় চার দশক ধরে পুলিশের নজর এড়িয়ে থাকার পর অবশেষে তাঁর গ্রেপ্তারি ঘিরে চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, বৃহস্পতিবার ভোরে পটাশপুর এলাকার কোনও একটি জায়গা থেকে আকাশকে গ্রেপ্তার করা হয়। অভিযোগ, এক পূর্ব পরিচিত ব্যক্তির কাছ থেকে পথ খরচ নেওয়ার জন্য সেখানে গিয়েছিলেন তিনি। সেই সময় কলকাতা পুলিশের টাস্ক ফোর্সের হাতে ধরা পড়েন তিনি। তাঁর কাছ থেকে দুটি ব্যাগ উদ্ধার হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে খবর। সেই ব্যাগে মাওবাদী সংগঠনের বই, পুস্তিকা এবং কিছু বৈদ্যুতিন সরঞ্জাম ছিল বলে জানা যাচ্ছে। তবে এই গ্রেপ্তারি নিয়ে রাজ্য পুলিশের তরফে এখনও আনুষ্ঠানিক ভাবে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি।পশ্চিম মেদিনীপুরের চন্দ্রকোনা থানার ফুলচক এলাকার বাসিন্দা অসীম মণ্ডল ছাত্রজীবন থেকেই অতি বামপন্থী রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত হন বলে পুলিশ সূত্রে জানা যায়। পরে তিনি পিপলস ওয়ার গ্রুপের সঙ্গে যুক্ত হন। সারেঙ্গা, গোয়ালতোড়-সহ জঙ্গলমহলের বিভিন্ন এলাকায় সংগঠনের কাজ করার পাশাপাশি ঝাড়খণ্ডের পূর্ব সিংভূম জেলার গুড়াবান্দা এলাকাতেও দীর্ঘদিন সক্রিয় ছিলেন বলে অভিযোগ।২০০৪ সালে সিপিআই মাওবাদী সংগঠন তৈরি হওয়ার পর জঙ্গলমহলে ফিরে সক্রিয় ভাবে সংগঠনের কাজ শুরু করেন অসীম। লালগড় আন্দোলনের সময়ও তাঁর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল বলে তদন্তকারীদের দাবি। পরে ২০১০ সালে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য কমিটির সম্পাদকের দায়িত্ব পান তিনি। বাংলা, ঝাড়খণ্ড ও ওড়িশা নিয়ে গঠিত আঞ্চলিক কমিটির সঙ্গেও তিনি যুক্ত ছিলেন বলে পুলিশ সূত্রে খবর।কিষানজির মৃত্যুর পর মাওবাদী সংগঠনে তাঁর সক্রিয়তা আগের মতো ছিল না বলে তদন্তকারীদের দাবি। এরপর জঙ্গলমহল ছেড়ে ঝাড়খণ্ডে গা ঢাকা দেন আকাশ। দীর্ঘ প্রায় ১৫ বছর পর ফের বাংলায় আসার চেষ্টা করেন তিনি বলে পুলিশ সূত্রে জানা যাচ্ছে।সম্প্রতি ঝাড়খণ্ডে পুলিশের অভিযানে মাওবাদী সংগঠনের কয়েক জন সদস্য গ্রেপ্তার হন। তাঁদের মধ্যে তিন জনকে গ্রেপ্তার করা হয় এবং এক জন আত্মসমর্পণ করেন বলে জানা যায়। এরপর বাংলার মাওবাদী সংগঠনের সশস্ত্র কাঠামোও দুর্বল হয়ে পড়ে বলে তদন্তকারীদের দাবি।পুলিশ সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, আকাশ দীর্ঘদিন জঙ্গলে থাকার পর শারীরিক সমস্যায় ভুগছিলেন। উচ্চ রক্তচাপ এবং কোমরের ব্যথার কারণে প্রায় চার দশক পর তিনি জঙ্গল ছেড়ে বেরিয়ে আসেন বলে তদন্তকারীদের দাবি। জঙ্গলে একটি একে-৪৭ এবং কিছু নথিপত্র রেখে তিনি গাড়িতে করে বাইরে বেরিয়েছিলেন বলেও পুলিশ সূত্রে জানা যাচ্ছে।এর পর আরও কয়েক জন মাওবাদী সদস্য পুলিশের কাছে আত্মসমর্পণ করেন। তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদে আকাশ আত্মসমর্পণ করবেন না বলে জানিয়েছিলেন বলে তদন্তকারীদের দাবি। বরং কিছুদিন বাইরে থেকে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে ফের জঙ্গলমহলে ফিরে যাওয়ার পরিকল্পনা ছিল তাঁর। সেই পরিকল্পনার মধ্যেই পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হলেন তিনি।তদন্তকারীদের দাবি, আত্মগোপনের জন্য পরিচিত এবং আত্মীয়দের কয়েক জনের কাছে আশ্রয় নেওয়ার কথা ভেবেছিলেন আকাশ। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সন্দেহ এড়াতে বিভিন্ন জায়গায় ঘুরে বেড়াচ্ছিলেন তিনি। কখনও জায়গা বদল, কখনও ছদ্মবেশসব রকম ভাবে পুলিশের নজর এড়ানোর চেষ্টা চলছিল বলে তদন্তকারীদের দাবি। গ্রেপ্তারের আগে তাঁর কাছে প্রায় দেড় লাখ টাকা নগদ ছিল বলেও ঘনিষ্ঠ মহল সূত্রে জানা যাচ্ছে।আকাশের স্ত্রীও পূর্ব মেদিনীপুরের পটাশপুর এলাকার বাসিন্দা বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে। তিনিও মাওবাদী সংগঠনের সক্রিয় সদস্য ছিলেন বলে অভিযোগ। ২০১০ সালে কলকাতা পুলিশের টাস্ক ফোর্স তাঁকে গ্রেপ্তার করেছিল বলে জানা যায়। বর্তমানে তিনি জেলে রয়েছেন।আকাশের গ্রেপ্তারের পর বাংলা, ঝাড়খণ্ড ও ওড়িশায় মাওবাদী দমনে যুক্ত নিরাপত্তা সংস্থাগুলির কাছে এই ঘটনা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। দীর্ঘদিন ধরে পুলিশের ধরাছোঁয়ার বাইরে থাকা এক মাওবাদী নেতার গ্রেপ্তারের পর তাঁর কাছ থেকে উদ্ধার হওয়া নথি ও বৈদ্যুতিন সরঞ্জাম খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে সূত্রের খবর। সেগুলি থেকে সংগঠনের বর্তমান বা অতীত কার্যকলাপ সম্পর্কে আরও তথ্য পাওয়া যায় কি না, এখন সেদিকেই নজর তদন্তকারীদের।

সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২৬
কলকাতা

১৩ বছর পর ফের খুলবে মহাকরণের দরজা? মুখ্যমন্ত্রীর ঘর তৈরির কাজ শেষের পথে

পুজোর আর বেশি দিন বাকি নেই। তার আগেই রাজ্য প্রশাসনের ঠিকানায় বড় বদলের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। দীর্ঘ ১৩ বছর পর ফের মহাকরণ থেকে প্রশাসনিক কাজ শুরু করার প্রস্তুতি চলছে। পূর্ত দফতর সূত্রে খবর, আগামী ১০ অক্টোবরের মধ্যে মুখ্যমন্ত্রী-সহ ছয় মন্ত্রীর ঘর তৈরির কাজ শেষ করার লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে।মহাকরণে মুখ্যমন্ত্রীর সচিবালয়ের কাজ ইতিমধ্যেই শেষ হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। পাশাপাশি মুখ্যসচিব, রাজ্য পুলিশের ডিজি-সহ গুরুত্বপূর্ণ কয়েক জন আমলার জন্যও ঘর তৈরির কাজ দ্রুত এগিয়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। ফলে পুজোর আগেই মহাকরণে প্রশাসনিক কাজকর্মের একটি বড় অংশ শুরু হতে পারে বলে জল্পনা তৈরি হয়েছে।মহাকরণে সংস্কারের কাজ কতটা এগিয়েছে, তা নিয়ে আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন পূর্তমন্ত্রী অজয় পোদ্দার। সূত্রের খবর, বৈঠকে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজ শেষ করার জন্য আধিকারিকদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে ১০ অক্টোবরের মধ্যে মুখ্যমন্ত্রীর ঘর এবং আরও পাঁচ মন্ত্রীর ঘর প্রস্তুত করার বিষয়ে জোর দেওয়া হয়েছে।প্রাথমিক ভাবে যে তালিকা সামনে এসেছে, তাতে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর পাশাপাশি দিলীপ ঘোষ, অগ্নিমিত্রা পাল, শঙ্কর ঘোষ, শারদ্বত মুখোপাধ্যায় এবং অজয় পোদ্দারের জন্য মহাকরণে ঘর তৈরির কাজ চলছে। মহাকরণের তৃতীয় তলায় মুখ্যমন্ত্রী-সহ মন্ত্রীদের বসার ব্যবস্থা করা হচ্ছে বলে সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।শুধু মন্ত্রীদের ঘর নয়, প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ আধিকারিকদের জন্যও মহাকরণে জায়গা প্রস্তুত করা হচ্ছে। এর ফলে ভবিষ্যতে রাজ্য সরকারের প্রশাসনিক কাজের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ ফের ঐতিহ্যবাহী এই ভবন থেকে পরিচালিত হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।মহাকরণ সংস্কারের সামগ্রিক দায়িত্ব আদানি গোষ্ঠীর হাতে দেওয়া হতে পারে বলেও জল্পনা রয়েছে। তবে এই বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এবং কী ভাবে সংস্কারের কাজ এগোবে, তা নিয়ে এখনও বিস্তারিত প্রক্রিয়া চলছে বলে জানা গিয়েছে।মহাকরণের সঙ্গে রাজ্যের প্রশাসনিক ইতিহাসের সম্পর্ক দীর্ঘ দিনের। ২০১৩ সালে তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সময়ে রাজ্য সরকারের প্রশাসনিক দফতর মহাকরণ থেকে নবান্নে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। ব্রিটিশ আমলে তৈরি এই ঐতিহাসিক ভবনের সংস্কারের প্রয়োজনীয়তার কথা জানিয়েই সেই সময় প্রশাসনের মূল কেন্দ্র সরানো হয়েছিল।এর পর দীর্ঘ সময় ধরে মহাকরণ সংস্কারের কাজ চললেও তা সম্পূর্ণ হয়নি। সাম্প্রতিক রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে, ১৩ বছর পরেও সংস্কারের একটি বড় অংশ অসম্পূর্ণ রয়েছে।২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের পর বিজেপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর মহাকরণকে ফের প্রশাসনিক কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহারের পরিকল্পনা সামনে আসে। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী শপথ নেওয়ার পর থেকেই মহাকরণে তাঁর জন্য ঘর তৈরির প্রস্তুতি শুরু হয়েছিল।এখন সেই প্রস্তুতিতেই আরও গতি এসেছে। ১০ অক্টোবরের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ ঘরগুলির কাজ শেষ করার লক্ষ্য নেওয়ায় প্রশ্ন উঠছে, পুজোর আগেই কি নবান্নের বদলে মহাকরণ থেকে প্রশাসনিক কাজ শুরু করবেন মুখ্যমন্ত্রী? আপাতত সেই দিকেই নজর রয়েছে।মহাকরণে মুখ্যমন্ত্রীর সচিবালয়ের কাজ শেষ হয়ে যাওয়ার পর মন্ত্রী ও আমলাদের ঘর তৈরির কাজও দ্রুত এগোচ্ছে। ফলে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজ শেষ হলে বহু বছর পর ফের মহাকরণে রাজ্য প্রশাসনের ব্যস্ততা দেখা যেতে পারে।

সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal