• ২৭ পৌষ ১৪৩২, বুধবার ১৪ জানুয়ারি ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

India

বিদেশ

ইরানের সঙ্গে বাণিজ্যের খেসারত, ভারতকে ফের শুল্কের ফাঁদে ফেললেন ট্রাম্প

বছরের শুরুতেই ভারতের উপর ফের শুল্কের আঘাত আনল আমেরিকা। সোমবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষণা করেছেন, ইরানের সঙ্গে যেসব দেশ বাণিজ্য করবে, তাদের উপর অতিরিক্ত ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হবে। সেই তালিকায় ভারতের নামও রয়েছে। গত অর্থবর্ষে ইরানের সঙ্গে প্রায় ১৪ হাজার কোটি টাকার বাণিজ্য করেছে ভারত।বর্তমানে আয়াতোল্লা খামেনেইয়ের প্রশাসনের বিরুদ্ধে ইরানে ব্যাপক বিক্ষোভ চলছে। সেই আন্দোলনের প্রতি প্রথম থেকেই সমর্থন জানিয়ে আসছেন ট্রাম্প। এমনকি প্রয়োজন হলে ইরানের উপর সামরিক হামলার পরিকল্পনার কথাও তিনি প্রকাশ্যে বলেছেন। এই পরিস্থিতিতে ইরানের সঙ্গে বাণিজ্যকারী দেশগুলির উপর কড়া অবস্থান নিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।সোমবার নিজের সোশাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম ট্রুথ সোশালে ট্রাম্প লেখেন, ইরানের সঙ্গে যেসব দেশ বাণিজ্য করছে, তারা আমেরিকার সঙ্গে ব্যবসা করতে গেলে অতিরিক্ত ২৫ শতাংশ শুল্ক দিতে বাধ্য হবে। এই নির্দেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে বলেও জানান তিনি।ইরানের সঙ্গে সবচেয়ে বেশি বাণিজ্য করে চিন। তবে ভারতের সঙ্গেও তেহরানের দীর্ঘদিনের বাণিজ্যিক সম্পর্ক রয়েছে। তেহরানে ভারতীয় দূতাবাসের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪-২৫ অর্থবর্ষে ভারত ইরানে প্রায় ১২০ কোটি ডলারের পণ্য রপ্তানি করেছে। একই সময়ে ইরান থেকে ৪৪ কোটি ডলারের পণ্য আমদানি করা হয়েছে। সব মিলিয়ে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্যের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় ১৬৪ কোটি ডলার, যা ভারতীয় মুদ্রায় আনুমানিক ১৪ হাজার কোটি টাকা। এই বাণিজ্যের মধ্যে রয়েছে রাসায়নিক দ্রব্য, ফল, বাদাম, তেল এবং জ্বালানি জাতীয় পণ্য।ইরানের সঙ্গে বাণিজ্য করার কারণেই এবার ভারতের উপর বাড়তি শুল্ক চাপাল আমেরিকা। এর আগে রাশিয়া থেকে তেল কেনার অভিযোগে ভারতের উপর ২৫ শতাংশ অতিরিক্ত শুল্ক আরোপ করেছিলেন ট্রাম্প। ফলে তখন ভারতীয় পণ্যের উপর মার্কিন শুল্কের হার পৌঁছেছিল ৫০ শতাংশে। এবার ইরান ইস্যুতে আরও ২৫ শতাংশ শুল্ক যুক্ত হওয়ায় মোট শুল্কের পরিমাণ দাঁড়াল ৭৫ শতাংশ। এই সিদ্ধান্ত ভারতের রপ্তানি বাণিজ্যে বড় প্রভাব ফেলতে পারে বলেই মনে করছেন অর্থনৈতিক বিশেষজ্ঞরা।

জানুয়ারি ১৩, ২০২৬
বিদেশ

ইরানে বিক্ষোভে গ্রেপ্তার ভারতীয়রা? অভিযোগ উড়িয়ে মুখ খুলল তেহরান

খামেনেই প্রশাসনের বিরুদ্ধে বিক্ষোভে উত্তাল ইরান। সেই অশান্ত পরিস্থিতির মধ্যেই ছড়িয়ে পড়েছে খবর, অন্তত ছজন ভারতীয় নাগরিককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। শুধু ভারতীয় নয়, বিক্ষোভ দমনের নামে অন্যান্য দেশের নাগরিকদেরও নাকি আটক করছে ইরানের প্রশাসন। এই অভিযোগ ঘিরে আন্তর্জাতিক মহলে চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। তবে এই সব দাবি নিয়ে এবার প্রকাশ্যে মুখ খুলল তেহরান।মানবাধিকার সংগঠনগুলির দাবি, ইরানে চলমান বিক্ষোভে এখনও পর্যন্ত প্রায় আড়াই হাজার মানুষকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এরই মধ্যে সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়ে যে, বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে যুক্ত থাকার অভিযোগে ছজন ভারতীয় নাগরিককে আটক করা হয়েছে। অভিযোগ, সরকারি সম্পত্তি ভাঙচুরের ঘটনায় তাঁরা জড়িত ছিলেন। তবে এই খবরকে কার্যত ভুয়ো বলে দাবি করেছেন ভারতে নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত মহম্মদ ফাথালি।এক্স হ্যান্ডেলে একটি সংবাদ প্রতিবেদন শেয়ার করে ইরানের রাষ্ট্রদূত লেখেন, ইরান নিয়ে বিদেশি বহু সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্ট থেকে ভুয়ো খবর ছড়ানো হচ্ছে। তিনি সকলকে নির্ভরযোগ্য ও সরকারি সূত্র থেকে খবর জানার অনুরোধ জানান। যদিও বাস্তবে ইরান থেকে সঠিক তথ্য পাওয়া কঠিন হয়ে উঠেছে। বিক্ষোভ শুরুর পর থেকেই সেখানে ইন্টারনেট পরিষেবা কার্যত বন্ধ। পাশাপাশি বিদেশে ফোন করার উপরেও নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে প্রশাসন। ফলে মৃত ও গ্রেপ্তারির প্রকৃত সংখ্যা সরকারি হিসেবের তুলনায় অনেক বেশি হতে পারে বলেই অনুমান করা হচ্ছে।এই পরিস্থিতিতে ইরানে থাকা ভারতীয় নাগরিকদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বিগ্ন নয়াদিল্লি। সরকারিভাবে কিছু ঘোষণা না করা হলেও কেন্দ্রীয় সরকার সূত্রে জানা গিয়েছে, ইরানের পরিস্থিতির উপর নজর রাখা হচ্ছে। প্রয়োজনে সেখানকার প্রবাসী ভারতীয়দের কীভাবে দেশে ফিরিয়ে আনা যায়, তা নিয়েও প্রাথমিক আলোচনা শুরু হয়েছে।এরই মধ্যে মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের আশঙ্কাও ঘনীভূত হচ্ছে। পরিস্থিতি যেদিকে এগোচ্ছে, তাতে যে কোনও মুহূর্তে ইরানে সামরিক পদক্ষেপ করতে পারে আমেরিকা, এমনই আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের হুমকির পর এই জল্পনা আরও জোরদার হয়েছে।আমেরিকার সংবাদপত্র নিউ ইয়র্ক টাইমসের এক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, ইরানের পরিস্থিতির উপর কড়া নজর রাখছেন ট্রাম্প। এখনও পর্যন্ত কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না নেওয়া হলেও মার্কিন প্রশাসনের একাংশ মনে করছে, ইরানে হামলার বিকল্প ভাবছেন তিনি। তেহরান-সহ গুরুত্বপূর্ণ নিরাপত্তা ঘাঁটিতে আঘাত হানার পরিকল্পনাও আলোচনায় রয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।

জানুয়ারি ১২, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

কিউয়ি বোলারকে নিয়ে বিরাট ছেলেখেলা! নতুন বছরে পুরনো মেজাজে কোহলি......

নতুন বছরেও পুরনো মেজাজে কোহলি, সাত কিউয়ি বোলারকে নিয়ে বিরাট ছেলেখেলা! প্রথম ম্যাচে ৪ উইকেটে জয় ভারতের। কোহলির দাপটে বডোদরায় জয়, নিউ জ়িল্যান্ডকে হারিয়ে সিরিজ়ে এগিয়ে ভারতবডোদরার নতুন স্টেডিয়ামে রোমাঞ্চকর লড়াইয়ের শেষে নিউ জ়িল্যান্ডকে ৪ উইকেটে হারিয়ে তিন ম্যাচের এক দিনের সিরিজ়ে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেল ভারত। শুভমন গিলের নেতৃত্বাধীন দলের এই জয়ের মূল কারিগর বিরাট কোহলি, যাঁর ব্যাট থেকে এল দায়িত্বপূর্ণ ও ম্যাচজয়ী ৯৩ রান।টস হারিয়ে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে নিউ জ়িল্যান্ড নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৮ উইকেটে তোলে ৩০০ রান। ওপেনার ডেভন কনওয়ে ও হেনরি নিকোলস শুরুটা মজবুত করেন। প্রথম উইকেটে ১১৭ রানের জুটি গড়ে ম্যাচে দাপট দেখান দুজন। নিকোলস ৬২ এবং কনওয়ে ৫৬ রানের ইনিংস খেলেন। মাঝের ওভারে চার নম্বরে নামা ড্যারেল মিচেল একাই লড়াই চালিয়ে যান। ৭১ বলে ৮৪ রানের ঝকঝকে ইনিংসে নিউ জ়িল্যান্ডকে লড়াইয়ের পুঁজি এনে দেন তিনি। শেষ দিকে ক্রিস্টিয়ান ক্লার্কের ঝোড়ো ব্যাটে কিউয়িরা পৌঁছয় ৩০০ রানে।ভারতের হয়ে বল হাতে সবচেয়ে সফল ছিলেন মহম্মদ সিরাজ ও প্রসিদ্ধ কৃষ্ণদুজনেই নেন ২টি করে উইকেট। হর্ষিত রানাও ২টি গুরুত্বপূর্ণ উইকেট তুলে নেন। তবে চোটের কারণে ওয়াশিংটন সুন্দর পুরো কোটা শেষ করতে না পারায় ভারতীয় শিবিরে কিছুটা উদ্বেগ তৈরি হয়।৩০১ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ভারত শুরুটা ভালো করলেও বড় ইনিংস খেলতে পারেননি অধিনায়ক রোহিত শর্মা। তাঁর ব্যাট থেকে আসে ২৬ রান। শুভমন গিল ধীরে খেলেও দায়িত্ব নেন৭১ বলে করেন ৫৬ রান। তবে ইনিংসের আসল নিয়ন্ত্রণ নেন বিরাট কোহলি। চেনা ছন্দে, সাবলীল অথচ আক্রমণাত্মক ব্যাটিংয়ে একের পর এক বাউন্ডারি হাঁকিয়ে ম্যাচ নিজের মুঠোয় নিয়ে আসেন তিনি।🗣️ If I look back at my whole journey, its nothing short of a dream come true. ✨🎥 Virat Kohli reflects on his incredible career after becoming the 2⃣nd highest run-getter in mens international cricket🙌👏#TeamIndia | #INDvNZ | @imVkohli | @idfcfirstbank pic.twitter.com/87BgcZlx4b BCCI (@BCCI) January 11, 2026এই ইনিংসেই আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ২৮ হাজার রান পূর্ণ করেন কোহলি। পাশাপাশি কুমার সাঙ্গাকারাকে ছাপিয়ে সর্বোচ্চ আন্তর্জাতিক রান সংগ্রাহকদের তালিকায় উঠে আসেন দ্বিতীয় স্থানে। তাঁর সামনে এখন শুধুই সচিন তেন্ডুলকর।কোহলির সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ জুটি গড়েন শ্রেয়স আয়ার। সহ-অধিনায়ক ৪৭ বলে ৪৯ রান করে দলের ভিত মজবুত করেন। তবে কোহলি আউট হওয়ার পর হঠাৎ ছন্দ হারায় ভারত। দ্রুত কয়েকটি উইকেট পড়ায় ম্যাচ জমে ওঠে। সেই সময় চাপের মুখে দায়িত্ব নেন লোকেশ রাহুল। শেষ দিকে হর্ষিত রানার সাহসী ২৯ রানের ইনিংস এবং রাহুলের অপরাজিত ২৯ রানে ৪৯ ওভারে লক্ষ্যে পৌঁছে যায় ভারত।নিউ জ়িল্যান্ডের হয়ে বল হাতে লড়াই চালান কাইল জেমিসন। ৪১ রানে ৪ উইকেট নিয়ে তিনি ভারতকে চাপে ফেললেও শেষরক্ষা করতে পারেননি কিউয়ি অধিনায়ক।সব মিলিয়ে কোহলির অভিজ্ঞতা, মাঝের ওভারের নিয়ন্ত্রিত ব্যাটিং এবং শেষের ঠান্ডা মাথার লড়াইয়ে জয় ছিনিয়ে নেয় ভারত। তবে জয়ের আনন্দের মাঝেই ওয়াশিংটন সুন্দরের চোট ভারতীয় শিবিরের চিন্তার কারণ হয়ে রইল।

জানুয়ারি ১১, ২০২৬
বিদেশ

ইরানকে ঘিরে উত্তেজনা ক্রমেই বাড়ছে! যে কোনও মুহূর্তে হামলা চালাতে পারে আমেরিকা

সরকার বিরোধী বিক্ষোভে উত্তাল ইরান। গত কয়েক সপ্তাহ ধরে পরিস্থিতি ক্রমশ জটিল হয়ে উঠছে। এমন অবস্থায় যে কোনও মুহূর্তে ইরানে হামলা চালাতে পারে আমেরিকা, এমন আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের হুমকির পর আন্তর্জাতিক মহলে উদ্বেগ আরও বেড়েছে। এই পরিস্থিতিতে ইরানে থাকা ভারতীয় নাগরিকদের নিরাপত্তা নিয়ে চিন্তায় নয়াদিল্লি।গত বছরের শেষ দিকে ব্যবসায়ীদের প্রতিবাদ থেকেই ইরানে এই আন্দোলনের শুরু। মাত্র দুসপ্তাহের মধ্যেই তা গোটা দেশে ছড়িয়ে পড়ে। রাস্তায় নেমেছেন প্রায় ১৫ থেকে ১৮ লক্ষ মানুষ। সরকার বিরোধী এই বিক্ষোভে ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনেইয়ের সরকার কড়া দমন নীতি নিয়েছে বলে অভিযোগ।দেশ জুড়ে ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। অনেক এলাকায় ব্ল্যাকআউট জারি রয়েছে। বিমান পরিষেবাও কার্যত বন্ধ। ফলে সাধারণ মানুষের সঙ্গে বাইরের দুনিয়ার যোগাযোগ প্রায় বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে।এই পরিস্থিতিতে কেন্দ্রীয় সরকারের একটি সূত্র জানিয়েছে, ইরানের পরিস্থিতির উপর কড়া নজর রাখা হচ্ছে। সেখানে থাকা প্রবাসী ভারতীয়দের নিরাপত্তা নিয়ে চিন্তাভাবনা চলছে। প্রয়োজন হলে কীভাবে তাঁদের দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনা যায়, সেই বিষয়েও পরিকল্পনা শুরু করেছে নরেন্দ্র মোদি সরকার।এদিকে নরওয়ের একটি বেসরকারি সংগঠন রবিবার একটি বিবৃতিতে দাবি করেছে, বিক্ষোভ ও সরকারি দমন-পীড়নের জেরে এখনও পর্যন্ত অন্তত ১৯২ জনের মৃত্যু হয়েছে। তবে ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ থাকায় তথ্য যাচাই করা কঠিন হয়ে পড়েছে। ফলে মৃতের প্রকৃত সংখ্যা আরও অনেক বেশি হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।এছাড়াও ইরানের বিভিন্ন চিকিৎসা কেন্দ্র ও ত্রাণ শিবিরে হামলার খবর সামনে এসেছে। সব মিলিয়ে মধ্যপ্রাচ্যের এই দেশটি এখন কার্যত অগ্নিগর্ভ অবস্থায় রয়েছে।

জানুয়ারি ১১, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

৫০-র লড়াইয়ে ফিরছেন শুভমন-শ্রেয়স, পিচ নিয়ে সংশয়ে ভারতীয় থিঙ্ক-ট্যঙ্ক

দক্ষিণ আফ্রিকা অধ্যায় শেষ। এবার ঘরের মাঠে নিউ জ়িল্যান্ডের বিরুদ্ধে সাদা বলের নতুন পরীক্ষা ভারতের। রবিবার শুরু হচ্ছে তিন ম্যাচের এক দিনের সিরিজ়, যেখানে একাদশে একাধিক বদল প্রায় নিশ্চিত। চোট কাটিয়ে ফিরছেন অধিনায়ক শুভমন গিল ও সহ-অধিনায়ক শ্রেয়স আয়ার। অন্য দিকে, টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের প্রস্তুতির কথা মাথায় রেখে এই সিরিজ়ে বিশ্রামে রাখা হয়েছে জসপ্রীত বুমরাহ ও হার্দিক পাণ্ড্যকে। ফলে নতুন কম্বিনেশনেই নামতে চলেছে ভারত।ওপেনিংয়ে বদলের ইঙ্গিত নেই। যশস্বী জয়সওয়াল ও রোহিত শর্মার বাঁহাতি-ডানহাতি জুটি এক দিনের ক্রিকেটে এখনও দলের সবচেয়ে ভরসার জায়গা। তিন নম্বরে বিরাট কোহলি অবধারিত। সাম্প্রতিক ঘরোয়া ক্রিকেটেও তাঁর ব্যাট যে কতটা ছন্দে, তা চোখে পড়ার মতো। চার নম্বরে ব্যাট করবেন শুভমন গিল। অধিনায়ক হিসেবে চাপ থাকলেও, এক দিনের ফরম্যাটে তাঁর ধারাবাহিকতা নিয়ে প্রশ্ন নেই। পাঁচ নম্বরে ফিরছেন শ্রেয়স আয়ার। অস্ট্রেলিয়া সফরের চোট কাটিয়ে দীর্ঘ বিরতির পর আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে প্রত্যাবর্তন তাঁর। প্রস্তুতির অভাব নেই, তা বিজয় হজারে ট্রফিতেই বোঝা গেছে।মিডল অর্ডারে ছনম্বরে থাকবেন লোকেশ রাহুল। শেষ ম্যাচে খেলা রুতুরাজ গায়কোয়াড় ও তিলক বর্মার জায়গায় এই ম্যাচে অভিজ্ঞতাকেই বেছে নেওয়া হচ্ছে। সাত নম্বরে অলরাউন্ডারের ভূমিকায় রবীন্দ্র জাডেজানিউ জ়িল্যান্ডের বিরুদ্ধে যাঁর কার্যকারিতা নিয়ে কোনও দ্বিধা নেই টিম ম্যানেজমেন্টের।বোলিং আক্রমণে থাকবে চার বিশেষজ্ঞ। স্পিনে কুলদীপ যাদব, পেসে মহম্মদ সিরাজের জায়গা প্রায় পাকা। তাঁদের সঙ্গে দেখা যেতে পারে হর্ষিত রানা ও প্রসিদ্ধ কৃষ্ণকে। শেষ এক দিনের দলে থাকা অর্শদীপ সিংয়ের বদলে এই ম্যাচে সিরাজকে ফেরানো হচ্ছে বলেই ইঙ্গিত।প্রতিপক্ষকে হালকা করে দেখছে না ভারত। কিউয়ি শিবিরে ডেভন কনওয়ে, ড্যারেল মিচেল, গ্লেন ফিলিপস বা কাইল জেমিসনের মতো ম্যাচ-ঘোরানো ক্রিকেটার রয়েছেন। তার উপর ঘরের মাঠে টেস্ট সিরিজ় হারের স্মৃতি এখনও তাজা।আর একটি বড় প্রশ্ন বডোদরার নতুন কোটাম্বি স্টেডিয়ামের পিচ। এই মাঠে প্রথম এক দিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচ। পিচের আচরণ এখনও অজানা। শিশিরের প্রভাবও থাকতে পারে। শনিবার সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে সেই অনিশ্চয়তার কথাই তুলে ধরেছেন শুভমন। সব মিলিয়ে টসের ভূমিকা বড় হয়ে উঠতে পারে। নতুন মাঠ, নতুন কম্বিনেশনরবিবারের ম্যাচে তাই চ্যালেঞ্জ যেমন আছে, তেমনই নিজেদের শক্তি যাচাইয়ের সুযোগও ভারতের সামনে।

জানুয়ারি ১১, ২০২৬
দেশ

‘মোদি ফোন করেননি বলেই চুক্তি ভেস্তে!’ ভারত-মার্কিন বাণিজ্য চু্ক্তি নিয়ে বিস্ফোরক তথ্য প্রকাশ্যে

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির অনীহার কারণেই ভারত ও আমেরিকার মধ্যে বাণিজ্যচুক্তি সম্পন্ন হয়নিএমন দাবি সম্প্রতি করেছিলেন মার্কিন বাণিজ্য সচিব হাওয়ার্ড লুটনিক। তাঁর বক্তব্য ছিল, চুক্তির শেষ ধাপে পৌঁছতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ফোন করা প্রয়োজন ছিল, কিন্তু প্রধানমন্ত্রী মোদি সেই ফোন করেননি। তার ফলেই ভারতের উপর অতিরিক্ত শুল্ক চাপানো হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।তবে এই অভিযোগ একেবারেই খারিজ করে দিল ভারত সরকার। বিদেশমন্ত্রকের তরফে স্পষ্ট জানানো হয়েছে, এই দাবি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন এবং বাস্তবতার সঙ্গে কোনও মিল নেই।শুক্রবার সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়স্বাল বলেন, গত বছরের ১৩ ফেব্রুয়ারি থেকেই ভারত ও আমেরিকার মধ্যে বাণিজ্যচুক্তি নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। তারপর থেকে দুই দেশ একাধিকবার বৈঠকে বসেছে এবং নানা গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। তাঁর দাবি, দুদেশের মধ্যে একটি পারস্পরিক লাভজনক চুক্তির বিষয়ে অগ্রগতি হয়েছে এবং আলোচনা এখনও চলছে।রণধীর জয়সওয়াল আরও বলেন, মার্কিন বাণিজ্য সচিব যে মন্তব্য করেছেন, তা সঠিক নয় এবং বিভ্রান্তিকর। ভারত আমেরিকার সঙ্গে বাণিজ্যচুক্তি করতে আগ্রহী এবং এমন একটি চুক্তি চায়, যাতে দুই দেশেরই লাভ হয়।প্রসঙ্গত, কিছুদিন আগে একটি পডকাস্টে অংশ নিয়ে হাওয়ার্ড লুটনিক দাবি করেন, ভারত-আমেরিকার বাণিজ্যচুক্তি প্রায় চূড়ান্ত হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু শেষ মুহূর্তে শর্ত ছিল, প্রধানমন্ত্রী মোদিকে ট্রাম্পকে ফোন করতে হবে। সেই ফোন না আসাতেই চুক্তি ভেস্তে যায় বলে দাবি করেন তিনি। এবার সেই বক্তব্যকে সরাসরি নাকচ করে দিল নয়াদিল্লি।

জানুয়ারি ০৯, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

‘জাতীয় অপমান হলে বিশ্বকাপ নয়’, ভারত নিয়ে বিস্ফোরক হুঁশিয়ারি বাংলাদেশের

ভারতের মাটিতে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলবে কি না, তা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন তুলে দিল বাংলাদেশ। দেশটির সরকারের ক্রীড়া উপদেষ্টা আজিফ নজরুল স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, দেশের সম্মান ও নিরাপত্তার সঙ্গে আপস করে বিশ্বকাপে অংশ নেবে না বাংলাদেশ দল। তাঁর কথায়, জাতীয় মর্যাদার বিনিময়ে ক্রিকেট খেলা সম্ভব নয়।সম্প্রতি ভারত ও বাংলাদেশের ক্রিকেট সম্পর্কের মধ্যে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। আইপিএল থেকে কলকাতা নাইট রাইডার্সের মোস্তাফিজুর রহমানকে ছেড়ে দেওয়ার ঘটনায় সেই উত্তেজনা আরও বেড়েছে। বিসিসিআইয়ের নির্দেশে মোস্তাফিজকে দল থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে, যা নিয়ে বাংলাদেশ ক্রিকেট মহলে প্রবল ক্ষোভ তৈরি হয়েছে।এই পরিস্থিতিতে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের কাছে আবেদন জানায়, যাতে ভারতের বদলে অন্য কোনও দেশে বাংলাদেশের বিশ্বকাপের ম্যাচ আয়োজন করা হয়। যদিও আইসিসি সেই আবেদন খারিজ করে দেয় বলে খবর, কারণ তাদের কাছে কোনও নির্দিষ্ট নিরাপত্তা সতর্কতার তথ্য ছিল না।আজিফ নজরুল জানান, আইসিসি থেকে একটি চিঠি পাওয়া গেলেও তারা ভারতের বর্তমান নিরাপত্তা পরিস্থিতির গুরুত্ব ঠিকভাবে বুঝতে পারেনি। তিনি বলেন, বাংলাদেশ ক্রিকেটপ্রেমী দেশ এবং বিশ্বকাপ খেলতে চায়। কিন্তু ক্রিকেটার, সাংবাদিক, সমর্থক এবং দেশের সম্মান যদি বিপন্ন হয়, তাহলে সেই বিশ্বকাপ খেলার কোনও মানে নেই।বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুলও একই সুরে কথা বলেন। তিনি জানান, খেলোয়াড়দের নিরাপত্তাই তাঁদের কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। শুধু ক্রিকেটার নয়, প্রচুর সাংবাদিক, সমর্থক ও স্পনসরও ভারতে যাবেন। তাঁদের সকলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যাবে কি না, তা নিয়েই সবচেয়ে বড় উদ্বেগ। বিদেশ সফরের ক্ষেত্রে সরকারের অনুমতি প্রয়োজন, তাই সরকারের সঙ্গে আলোচনা করতেই তাঁরা এসেছেন।বুলবুল আরও বলেন, আগে একাধিকবার হাইব্রিড বিশ্বকাপ হয়েছে শুধুমাত্র নিরাপত্তার কারণেই। তাই বাংলাদেশের দাবি অযৌক্তিক নয়। আইসিসির সঙ্গে ভার্চুয়াল বৈঠকে জানানো হয়েছে, সূচি ও ভেন্যু বদলানো হবে না এবং না খেললে পয়েন্ট কাটা যেতে পারে। যদিও বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড দাবি করেছে, এমন কোনও চূড়ান্ত হুঁশিয়ারি তারা আনুষ্ঠানিকভাবে পায়নি।এর মধ্যেই বড় সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ সরকার। মোস্তাফিজ বিতর্কের জেরে অনির্দিষ্টকালের জন্য বাংলাদেশে আইপিএল সম্প্রচার ও প্রচার বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। ৫ জানুয়ারি জারি করা সরকারি নির্দেশিকায় জানানো হয়েছে, জনস্বার্থে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে এবং পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত আইপিএল সংক্রান্ত কোনও অনুষ্ঠান বা প্রচার দেখানো যাবে না।বর্তমান সূচি অনুযায়ী, বাংলাদেশের চারটি লিগ ম্যাচই ভারতের মাটিতে হওয়ার কথা। এই পরিস্থিতিতে আইসিসি কী সিদ্ধান্ত নেয়, সেদিকেই এখন তাকিয়ে ক্রিকেট দুনিয়া।

জানুয়ারি ০৭, ২০২৬
বিদেশ

ভারতকে নিশানা ট্রাম্পের? ফের শুল্ক বাড়ানোর হুঁশিয়ারি আমেরিকার

ভারতের উপর চাপ আরও বাড়াতে পারে আমেরিকা। দ্বিগুণ শুল্ক বসানোর পর এবার আরও শুল্ক চাপানোর ইঙ্গিত দিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। রাশিয়ার কাছ থেকে তেল কেনা নিয়ে যে তিনি মোটেও খুশি নন, তা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ভালভাবেই জানতেন বলেও মন্তব্য করেছেন ট্রাম্প।রবিবার এয়ার ফোর্স ওয়ানে ওঠার সময় সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে ট্রাম্প বলেন, প্রধানমন্ত্রী মোদী খুব ভাল মানুষ, কিন্তু তিনি জানতেন যে রাশিয়া থেকে তেল কেনার বিষয়টি নিয়ে আমেরিকা অসন্তুষ্ট। ট্রাম্পের কথায়, তাঁকে খুশি রাখা গুরুত্বপূর্ণ। তিনি আরও বলেন, ভারত আমেরিকার সঙ্গে বাণিজ্য করে এবং আমেরিকা চাইলে যে কোনও সময় শুল্ক বাড়াতে পারে।উল্লেখ্য, গত বছর ভারতের উপর প্রথমে পাল্টা শুল্ক বা রেসিপ্রোকাল ট্যারিফ চাপিয়েছিল আমেরিকা। পরে রাশিয়া থেকে তেল কেনার অভিযোগে ভারতের উপর আরও ২৫ শতাংশ অতিরিক্ত শুল্ক বসানো হয়। এর ফলে মোট শুল্কের হার বেড়ে দাঁড়ায় ৫০ শতাংশে, যা ছিল সর্বোচ্চ। এবার ফের সেই শুল্ক আরও বাড়ানো হতে পারে বলে ইঙ্গিত দিলেন ট্রাম্প।গত সপ্তাহেই ফোনে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে কথা বলেছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। সেই সময় দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য বাড়ানোর বিষয়ে আলোচনা হয়েছিল। শুল্ক নিয়েও কথাবার্তা হয় বলে জানা গিয়েছিল। কিন্তু রবিবার ট্রাম্পের মন্তব্যে সম্পূর্ণ উল্টো সুর ধরা পড়ে।এখন প্রশ্ন, আমেরিকা কি আবার ভারতের উপর নতুন করে শুল্ক চাপাবে, আর যদি চাপায়, তবে ভারতের প্রতিক্রিয়া কী হবে। এর আগেও রাশিয়া থেকে তেল কেনা নিয়ে শুল্ক আরোপের সময় নয়া দিল্লির পক্ষ থেকে তীব্র প্রতিবাদ জানানো হয়েছিল।

জানুয়ারি ০৫, ২০২৬
রাজ্য

এসআইআর শুনানিতে কেবল ২০১০-এর আগের ওবিসি শংসাপত্রই বৈধ, স্পষ্ট করল নির্বাচন কমিশন

ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ার জনশুনানিতে কোন কোন ওবিসি শংসাপত্র গ্রহণযোগ্য হবে, সে বিষয়ে স্পষ্ট নির্দেশিকা জারি করল নির্বাচন কমিশন। কমিশন জানিয়েছে, ২০১০ সালের আগে ইস্যু হওয়া ওবিসি শংসাপত্রই কেবল এসআইআর শুনানিতে গ্রাহ্য হবে। কলকাতা হাই কোর্টের নির্দেশে যেসব ওবিসি শংসাপত্র বাতিল হয়েছে, সেগুলি কোনওভাবেই ব্যবহার করা যাবে না।রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, এই সিদ্ধান্ত ইতিমধ্যেই সমস্ত জেলাশাসক তথা জেলা নির্বাচনী আধিকারিকদের (ডিইও) জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সার্টিফিকেটগুলি যেন এসআইআরের কাজে গ্রহণ না করা হয়, সে বিষয়ে স্পষ্ট নির্দেশ পাঠানো হয়েছে জেলা প্রশাসনগুলিকে।প্রসঙ্গত, গত বছরের ২২ মে কলকাতা হাই কোর্টের বিচারপতি তপোব্রত চক্রবর্তী ও বিচারপতি রাজাশেখর মান্থার ডিভিশন বেঞ্চ এক গুরুত্বপূর্ণ রায়ে ২০১০ সালের পর থেকে ২০২৪ সালের মে মাস পর্যন্ত ইস্যু হওয়া সব ওবিসি শংসাপত্র বাতিল ঘোষণা করে। আদালতের মতে, ওই সময়কালে ওবিসি তালিকা তৈরির ক্ষেত্রে যথাযথ সামাজিক, আর্থিক ও পেশাগত সমীক্ষা করা হয়নি।হাই কোর্টের রায় অনুযায়ী, ২০১০ সালের আগে পশ্চিমবঙ্গে মোট ৬৬টি জনগোষ্ঠীকে ওবিসি হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছিল। পরে বামফ্রন্ট সরকারের আমলে ২০১০ সালে ৪২টি এবং তৃণমূল সরকারের সময় ২০১২ সালে আরও ৩৫টি জনগোষ্ঠীকে ওবিসি তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়। আদালত সেই পরবর্তী সংযোজনগুলিকেই অবৈধ ঘোষণা করে।রায়ে আরও বলা হয়, নতুন করে সমীক্ষা চালিয়ে ওবিসি তালিকা প্রস্তুত না হওয়া পর্যন্ত চাকরি বা শিক্ষা ক্ষেত্রে শুধুমাত্র ২০১০ সালের আগের ওবিসি শংসাপত্রই বৈধ বলে গণ্য হবে। সেই নির্দেশের ভিত্তিতেই নির্বাচন কমিশন এসআইআর প্রক্রিয়ায় একই নীতি অনুসরণ করছে বলে সূত্রের খবর।উল্লেখ্য, জনশুনানি পর্ব শুরুর আগে নির্বাচন কমিশন পৃথকভাবে তফসিলি জাতি (এসসি), তফসিলি জনজাতি (এসটি), অন্যান্য অনগ্রসর শ্রেণি (ওবিসি) এবং জন্ম শংসাপত্র সংশ্লিষ্ট নথি জেলা প্রশাসনগুলির কাছে চেয়ে পাঠিয়েছিল। চলতি বছরের ১২ জুন রাজ্য সরকার যে সংশোধিত ওবিসি তালিকা প্রকাশ করেছে, সেটিও কমিশন বিবেচনায় নিয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

জানুয়ারি ০১, ২০২৬
বিদেশ

ফের ভারতকে নিশানা! শাহবাগ থেকে ২৪ দিনের আল্টিমেটাম ইনকিলাব মঞ্চের

আবার ভারতকে লক্ষ্য করে কড়া সুরে সরব হল বাংলাদেশের ইনকিলাব মঞ্চ। গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত ওসমান হাদির স্বপ্ন পূরণ করতেই তারা এই পথে নেমেছে বলে দাবি সংগঠনের। রবিবার রাত সাড়ে ১০টা নাগাদ ঢাকার শাহবাগ মোড়ে সর্বাত্মক অবরোধ কর্মসূচি থেকে একাধিক দাবি ঘোষণা করেন ইনকিলাব মঞ্চের সদস্যসচিব আবদুল্লাহ আল জাব। সেই সঙ্গে এই দাবিগুলি পূরণের জন্য অন্তর্বর্তী সরকারকে ২৪ দিনের সময়সীমাও বেঁধে দেওয়া হয়েছে।ইনকিলাব মঞ্চের প্রধান দাবি, হাদির হত্যার সঙ্গে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে যুক্ত প্রত্যেককে অবিলম্বে গ্রেফতার করে বিচারের আওতায় আনতে হবে। আবদুল্লাহ আল জাবের বক্তব্য, যারা হাদিকে খুন করেছে, যারা এই হত্যার পরিকল্পনা করেছে কিংবা যারা সহায়তা করেছে, তাদের সকলের বিরুদ্ধে দ্রুত বিচার নিশ্চিত করতে হবে।এই দাবির পাশাপাশি ইনকিলাব মঞ্চের বক্তব্যে স্পষ্টভাবে উঠে এসেছে ভারতবিরোধী অবস্থান। ঢাকার বুকে নিহত ওসমান হাদি তাঁর বক্তব্যে যেভাবে বারবার ভারতবিরোধিতা তুলে ধরতেন, ঠিক সেই সুরই শোনা গিয়েছে ইনকিলাব মঞ্চের দাবির মধ্যেও। সংগঠনের দাবি, বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা করতে হলে দেশে কর্মরত ভারতীয় নাগরিকদের ওয়ার্ক পারমিট বা কাজের অনুমতি বাতিল করতে হবে।তৃতীয় দাবিতে আরও একধাপ এগিয়ে ভারতের বিরুদ্ধে কূটনৈতিক ও আইনি পদক্ষেপের কথা বলা হয়েছে। ইনকিলাব মঞ্চ অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূসের কাছে দাবি জানিয়েছে, বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং আওয়ামী লিগের যেসব নেতা-কর্মী বর্তমানে নয়াদিল্লিতে আশ্রয় নিয়েছেন, তাঁদের যদি ফেরত না দেওয়া হয়, তা হলে আন্তর্জাতিক আদালতে ভারতের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করতে হবে।চতুর্থ দাবিতে বাংলাদেশের গোয়েন্দা সংস্থা এবং সেনাবাহিনীর মধ্যে থাকা হাসিনা-পন্থীদের চিহ্নিত করে তাঁদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার আর্জি জানিয়েছে সংগঠনটি। এই চার দফা দাবি পূরণের জন্য ইউনূস সরকারকে মোট ২৪ দিনের সময় দিয়েছে ইনকিলাব মঞ্চ।উল্লেখ্য, ওসমান হাদির হত্যাকারীদের গ্রেফতার ও বিচারের দাবিতে গত শুক্রবার দুপুর থেকেই শাহবাগ মোড়ে টানা অবস্থান কর্মসূচি চালিয়ে যাচ্ছে ইনকিলাব মঞ্চ। শনিবার রাতে আবদুল্লাহ আল জাব এই আন্দোলন দেশজুড়ে ছড়িয়ে দেওয়ার ডাক দেন। সেই আহ্বানের জেরে সোমবার দুপুর দুটো থেকে শাহবাগের পাশাপাশি বাংলাদেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়, স্কুল, কলেজ এবং মাদ্রাসায় বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

ডিসেম্বর ২৯, ২০২৫
দেশ

কাশ্মীরে গা-ঢাকা ৩০-র বেশি পাক জঙ্গি! শীতের মধ্যেই বড় অপারেশন সেনার

শীত নামার আগেই সীমান্ত এলাকায় তৎপরতা বাড়ায় ভারতীয় সেনা। কারণ, শীত পড়ার আগেই বিপুল সংখ্যায় জঙ্গিদের ভারতে ঢোকানোর চেষ্টা করা হয়। শীতের সময় বরফে ঢাকা সীমান্ত পেরিয়ে কাশ্মীরে অনুপ্রবেশ করা কঠিন হয়ে পড়ে। কিন্তু গোয়েন্দা সূত্রে খবর, এ বছর শীতের শুরুতেই কাশ্মীরে ৩০ জনেরও বেশি পাক জঙ্গির উপস্থিতি টের পাওয়া গিয়েছে।গোয়েন্দাদের দাবি, এই জঙ্গিরা মূলত মাঝারি ও উঁচু পাহাড়ি এলাকায় ঘাঁটি গেড়েছে। ওই সব এলাকায় সাধারণ মানুষের বসবাস খুব কম। কিশ্তওয়ার ও ডোডা এলাকায় জঙ্গিদের আনাগোনা বেড়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। প্রবল ঠান্ডাকে কাজে লাগিয়ে তারা উপত্যকায় নাশকতার ছক কষছে বলেও আশঙ্কা করা হচ্ছে।এই তথ্য সামনে আসার পরই বড়সড় অভিযান শুরু করেছে ভারতীয় সেনা। শীতের জন্য বিশেষভাবে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ইউনিট মোতায়েন করা হয়েছে। বরফে ঢাকা দুর্গম এলাকায় নজরদারির জন্য ব্যবহার করা হচ্ছে বিশেষ ড্রোন ও সেন্সর। সেনা সূত্রে জানানো হয়েছে, এই অভিযানের লক্ষ্য জঙ্গিদের এমন জায়গায় কোণঠাসা করা, যেখানে রসদ জোগাড় করা প্রায় অসম্ভব।সেনা কর্তাদের বক্তব্য, পাক মদতপুষ্ট জঙ্গিদের জন্য এই অভিযান একটি স্পষ্ট বার্তা। শীতের সুযোগ নিয়ে আর জঙ্গিদের ভারতে লুকিয়ে থাকার সুযোগ দেওয়া হবে না। গোয়েন্দাদের অনুমান, চিল্লাই কালানের ৪০ দিনের প্রবল শীতের সময় জঙ্গিরা লুকিয়ে থেকে নিজেদের পরিকল্পনা সাজাতে চাইছে। সেই কারণেই আগেভাগে অভিযান শুরু করা হয়েছে।এই জঙ্গি দমন অভিযানে সেনার পাশাপাশি জম্মু-কাশ্মীর পুলিশ, সিআরপিএফ, বন দপ্তর-সহ একাধিক নিরাপত্তা বাহিনী একযোগে অংশ নিয়েছে। জঙ্গিদের গতিবিধির উপর নজর রেখে দ্রুত এবং কড়া পদক্ষেপ করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে নিরাপত্তা বাহিনী।

ডিসেম্বর ২৮, ২০২৫
খেলার দুনিয়া

হরমনপ্রীত কৌরের রেকর্ড জয়ের ধারা! মহিলাদের টি-টোয়েন্টিতে ইতিহাস গড়ল ভারত

ওয়ানডে বিশ্বকাপের পর এবার টি-টোয়েন্টিতেও মেয়েদের ক্রিকেটে ভারতের জয়যাত্রা অব্যাহত। শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে তৃতীয় ম্যাচেও জয় পেয়ে সিরিজ নিজেদের পকেটে ভরিয়েছে ভারতীয় দল। আর এই জয়যাত্রার মধ্যে নতুন ইতিহাস সৃষ্টি করেছেন অধিনায়ক হরমনপ্রীত কৌর।ভারতীয় মেয়েদের ক্রিকেটে হরমনপ্রীত ১৩০টি আন্তর্জাতিক ম্যাচে নেতৃত্ব দিয়েছেন, যার মধ্যে ৭৭টি ম্যাচ জিতেছেন। অর্থাৎ জয়ের হার ৫৮.৪৬ শতাংশ। এটি মহিলাদের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে সর্বোচ্চ টি-টোয়েন্টি জয়ের রেকর্ড। আগের রেকর্ডটি অস্ট্রেলিয়ার অধিনায়ক লেগ ল্যানিংয়ের নামে ছিল, যিনি ১০০টি ম্যাচে ৭৬টি জিতেছিলেন। যদিও ভারতের ঝুলিতে এখনও টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ আসেনি, হরমনপ্রীতের নেতৃত্বে ভারতীয় দল যে পারফরম্যান্স দেখাচ্ছে, তাতে ভক্তরা আশা করছেন টি-টোয়েন্টিতেও সাফল্য আসবে।পুরুষদের ক্রিকেটেও এই রেকর্ড এখনও কারও নেই। রোহিত শর্মা ৬২ ম্যাচে নেতৃত্ব দিয়ে ৪৯টি জয় পেয়েছেন। মহেন্দ্র সিং ধোনি ৭২ ম্যাচে নেতৃত্ব দিয়ে ৪১টি জয় পেয়েছিলেন।শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে দুরন্ত ফর্মে ছিলেন দীপ্তি শর্মা। মাত্র ১৮ রান দিয়ে তিনটি উইকেট তুলে নেন তিনি। এই জয়ে তাঁর আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে মোট উইকেট সংখ্যা দাঁড়াল ৩৩৩। এর ফলে তিনি অস্ট্রেলিয়ার এলসি পেরিকে (৩৩১ উইকেট) ছাপিয়ে গেছেন। সব ফরম্যাট মিলিয়ে বর্তমানে দীপ্তি তৃতীয় সর্বোচ্চ উইকেটশিকারী, শীর্ষে রয়েছেন ঝুলন গোস্বামী, যাঁর উইকেট সংখ্যা ৩৫৫।মহিলাদের ক্রিকেটে এই রেকর্ড ও পারফরম্যান্স ভারতের খেলা ভক্তদের মধ্যে উচ্ছ্বাস ছড়াচ্ছে, এবং আশা জাগাচ্ছে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে সাফল্যের।

ডিসেম্বর ২৭, ২০২৫
দেশ

জম্মুর পাহাড়ি অঞ্চলে লুকিয়ে ৩০-৩৫ পাক জঙ্গি, তল্লাশি শুরু সেনার

জম্মুর উঁচু পাহাড়ি অঞ্চলে লুকিয়ে আছে প্রায় ৩০-৩৫ পাক জঙ্গি। গোপন সূত্রে খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ভারতীয় সেনা তল্লাশি অভিযান জোরদার করেছে। উপত্যকার কিস্তওয়ার ও দোদা জেলায় শুরু হয়েছে জঙ্গিদমন অভিযান।সূত্রের মতে, চলতি বছরের এপ্রিলে পহেলগাঁওয়ে জঙ্গি হামলার পর সেনার অভিযান বাড়ায় পাক জঙ্গিদের স্থানীয় নেটওয়ার্ক দুর্বল হয়ে পড়েছে। এই কারণে তারা পাহাড়ি অঞ্চলে লুকিয়েছে। শীতকালে সেই সব জায়গা বরফে ঢাকা থাকে এবং জনবসতিও নেই। তাই জঙ্গিরা নিরাপদে লুকোনোর জন্য পাহাড়ি এলাকা বেছে নিয়েছে।সেনা সূত্রে খবর, জম্মু-কাশ্মীর পুলিশ, সিআরপিএফ, স্পেশাল অপারেশন গ্রুপ, ফরেস্ট গার্ড ও ভিলেজ ডিফেন্স গার্ড যৌথভাবে এই অভিযান চালাচ্ছে। যৌথ বাহিনীর লক্ষ্য লুকিয়ে থাকা জঙ্গিদের কোণঠাসা করে দ্রুত নিধন করা। নইলে তারা সুযোগ পেলে জনবসতিপূর্ণ এলাকায় ঢুকে হামলা চালাতে পারে।প্রসঙ্গত, এপ্রিলে কাশ্মীরের পহেলগাঁওয়ে জঙ্গি হামলায় ২৬ জনের মৃত্যু হয়েছিল। এরপর সেনা পাল্টা অভিযান চালিয়ে পাক অধিকৃত কাশ্মীর এবং পাকিস্তানের মূল ভূখণ্ডে নটি জঙ্গিঘাঁটি ধ্বংস করে। এই অভিযানের নাম দেওয়া হয়েছিল অপারেশন সিঁদুর। ভারতীয় সেনার এই অভিযানের পর পাকিস্তানি সেনাও ভারতে হামলা চালায়, তবে দুদেশ সীমান্তে দিন দুয়েকের টানাপড়েনের পর সংঘর্ষবিরতিতে রাজি হয়।

ডিসেম্বর ২৭, ২০২৫
কলকাতা

ভোটার তালিকা যাচাইয়ে বড় পদক্ষেপ, সকাল ১১টা থেকে কলকাতায় শুনানি

রাত পোহালেই শুরু হতে চলেছে এসআইআর-এর দ্বিতীয় ধাপ। শনিবার সকাল ১১টা থেকে কলকাতায় শুরু হবে শুনানি। নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, এই ধাপে প্রায় ৩২ লক্ষ ভোটারকে ডাকা হতে পারে। প্রথম পর্যায়ে মূলত যাঁদের নাম ভোটার তালিকায় নো ম্যাপিং হিসেবে চিহ্নিত, তাঁদের কাছেই নোটিস পাঠানো হয়েছে।শুনানির সময় ভোটারদের কাছে প্রয়োজনীয় নথিপত্র চাওয়া হবে। জমা দেওয়া নথি দেখে সন্তুষ্ট না হলে সেগুলি আরও ভালো করে খতিয়ে দেখবেন আধিকারিকরা। প্রতিটি বিধানসভা এলাকায় আটটি করে জায়গায় শুনানির ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। একাধিক স্কুল ও সরকারি অফিসে এই শুনানি হবে।শুনানির দায়িত্বে থাকবেন ইআরও এবং এইআরও পদমর্যাদার আধিকারিকরা। একটি ভেন্যুতে এক দিনে সর্বাধিক ১৫০ জন ভোটারের শুনানি নেওয়া হবে। কলকাতায় বেলতলা গার্লস স্কুল, আলিপুর মাল্টিপারপাস গার্লস স্কুলে শুনানি হবে। এছাড়াও লেডি ব্রেবোর্ন কলেজ, লরেটো ডে স্কুল, মর্ডান হাইস্কুল ফর গার্লস, মৌলনা আজাদ মেমোরিয়াল গার্লস হাইস্কুল, ভবানিপুর গার্লস হাইস্কুল এবং হরিমোহন ঘোষ কলেজে শুনানির ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। কলকাতার পাশাপাশি বিভিন্ন জেলাতেও একইভাবে শুনানি চলবে। তবে কোনও পৌরসভা বা পঞ্চায়েত অফিসে শুনানির ব্যবস্থা রাখা হয়নি।শুনানিতে হাজির হওয়ার সময় ভোটাররা কেন্দ্র বা রাজ্য সরকারের দেওয়া পরিচয়পত্র সঙ্গে রাখতে পারবেন। রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থার দেওয়া পরিচয়পত্রও গ্রহণযোগ্য। এছাড়া পেনশন পেমেন্ট কার্ড, ১৯৮৭ সালের আগে ইস্যু হওয়া পরিচয়পত্র বা শংসাপত্র, জন্মের সার্টিফিকেট, ভারতের পাসপোর্ট, মাধ্যমিক স্তরের সার্টিফিকেট, স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষাগত নথি, রাজ্যের দেওয়া স্থায়ী বাসিন্দার শংসাপত্র, জাতিগত শংসাপত্রও দেখানো যেতে পারে। যেখানে এনআরসি চালু হয়েছে, সেখানকার শংসাপত্রও গ্রহণ করা হবে। পাশাপাশি রাজ্য বা স্থানীয় প্রশাসনের তৈরি ফ্যামিলি রেজিস্টার, সরকারি জমির নথি বা বাড়ির দলিলও দেখানো যেতে পারে।নির্দিষ্ট দিনে কোনও ভোটার যদি শুনানিতে হাজির হতে না পারেন, সে ক্ষেত্রে চিন্তার কারণ নেই। কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, উপযুক্ত এবং বিশ্বাসযোগ্য কারণ দেখাতে পারলে অতিরিক্ত সময় দেওয়া হবে।

ডিসেম্বর ২৬, ২০২৫
খেলার দুনিয়া

এশিয়া কাপ ফাইনালে স্বপ্নভঙ্গ, দুবাইয়ে পাকিস্তানের কাছে লজ্জার হার ভারতের

অনূর্ধ্ব-১৯ এশিয়া কাপের ফাইনালে চরম বিপর্যয়ের মুখে পড়ল ভারত। চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ৩৪৮ রানের বিশাল লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে আয়ুষ মাত্রের দল গুটিয়ে গেল মাত্র ১৫৬ রানে। ফলে ১৯১ রানের বড় ব্যবধানে হার স্বীকার করেই শিরোপা হাতছাড়া করতে হল টিম ইন্ডিয়াকে।টস জিতে প্রথমে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় ভারত। কিন্তু শুরু থেকেই ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেয় পাকিস্তান। দলের হয়ে বিধ্বংসী ইনিংস খেলেন সামির মিনহাস। মাত্র এক ইনিংসেই তিনি করে ফেলেন ১৭২ রান। উসমান খানের সঙ্গে ৯২ রানের এবং আহমেদ হুসেনের সঙ্গে ১৩৭ রানের দুটি বড় জুটিতে ভর করে দ্রুত ৩০০ রানের গণ্ডি পেরিয়ে যায় পাকিস্তান।বিশেষজ্ঞদের মতে, একসময় পাকিস্তানের ইনিংস ২৭০২৮০ রানের মধ্যেই থামতে পারত। কিন্তু মিনহাসের ব্যাটে ভর করেই ৪৩ ওভারের মধ্যেই ৩০০ ছুঁয়ে ফেলে তারা। পরে তাঁর আউট হওয়ার পর পাকিস্তানের ব্যাটিংয়ে ধস নামে। ৩০২/৩ থেকে ৩২৭/৮ মাত্র ২৫ রানের মধ্যে পাঁচ উইকেট হারালেও ততক্ষণে ম্যাচ কার্যত একপেশে হয়ে গিয়েছিল।লক্ষ্য তাড়ায় নেমে ভারতীয় ব্যাটিং সম্পূর্ণ ভেঙে পড়ে। বৈভব সূর্যবংশী, আয়ুষ মাত্রে, অভিজ্ঞান কুণ্ডুর মতো পরিচিত নাম থাকলেও কেউই দায়িত্ব নিতে পারেননি। আশ্চর্যজনকভাবে দলের সর্বোচ্চ রান আসে ১০ নম্বর ব্যাটার দীপেশ দেবেন্দ্রনের ব্যাট থেকে। তিনি মাত্র ১৬ বলে ৩৬ রান করে লড়াইয়ের ইঙ্গিত দিলেও তা যথেষ্ট ছিল না।এই হার যেন সাম্প্রতিক সিনিয়র দলের বিশ্বকাপ ফাইনালের স্মৃতি ফিরিয়ে আনল। সেবার অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে, এবার পাকিস্তানের বিরুদ্ধে মঞ্চ ফাইনাল, ফলাফলও প্রায় একই রকম হতাশাজনক।উল্লেখযোগ্যভাবে, ফাইনালে ওঠার আগে টুর্নামেন্টে একমাত্র অপরাজিত দল ছিল ভারত অনূর্ধ্ব-১৯। গ্রুপ পর্বে সংযুক্ত আরব আমিরশাহি, মালয়েশিয়া ও পাকিস্তানকে হারিয়েছিল তারা। অন্যদিকে পাকিস্তান গ্রুপে ভারতের কাছেই একমাত্র হেরেছিল। কিন্তু ফাইনালের মঞ্চে সম্পূর্ণ ভিন্ন রূপে ধরা দেয় তারা। শেষ পর্যন্ত দুবাইয়ে দাপটের সঙ্গে জয় ছিনিয়ে নিয়ে অনূর্ধ্ব-১৯ এশিয়া কাপ নিজেদের ঝুলিতে ভরল পাকিস্তান। আর ফাইনালে বারবার হোঁচট খাওয়ার প্রবণতা নিয়ে বড় প্রশ্নচিহ্ন থেকে গেল ভারতীয় যুব দলের সামনে।

ডিসেম্বর ২১, ২০২৫
দেশ

সংবাদমাধ্যমে আগুন, ভারত-বিরোধী স্লোগান—ঢাকা পরিস্থিতিতে কড়া নজর দিল্লির

ওসমান হাদির মৃত্যুর পর ফের তপ্ত হয়ে উঠেছে বাংলাদেশ। বৃহস্পতিবার রাত থেকেই ঢাকাসহ একাধিক শহরে উত্তেজনা ছড়িয়েছে। প্রথম সারির সংবাদমাধ্যমের অফিসে আগুন লাগানো হয়েছে। বিভিন্ন জায়গায় বিক্ষোভ হয়েছে এবং কট্টরপন্থীদের একাংশ প্রকাশ্যে ভারত-বিরোধী মন্তব্য করছে। পরিস্থিতি কোন দিকে গড়ায়, তা নিয়ে কড়া নজর রাখছে ভারত।সূত্রের খবর, ঢাকা, চট্টগ্রাম ও খুলনায় যেখানে ভারতীয় হাইকমিশনের অফিস রয়েছে, সেখানে কর্মরত ভারতীয় আধিকারিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দিকে বিশেষ নজর দিচ্ছে নয়া দিল্লি। সাম্প্রতিক পরিস্থিতির জেরে একাধিক জায়গায় ভারতীয় ভিসা আবেদন কেন্দ্র ইতিমধ্যেই বন্ধ রাখা হয়েছে। পরিস্থিতি আরও খারাপ হলে কড়া পদক্ষেপ নেওয়া হতে পারে বলেও ইঙ্গিত মিলেছে।বৃহস্পতিবার রাতে ঢাকায় ভারতীয় হাইকমিশনের সামনে কট্টরপন্থীদের বিক্ষোভ চলে। কয়েকটি ক্ষেত্রে সেই বিক্ষোভ আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ। রাত সাড়ে দশটা নাগাদ চট্টগ্রামে ভারতীয় ডেপুটি হাইকমিশনারের বাসভবন ঘিরে ধরার ডাক দেওয়া হয়েছে বলে খবর আসে। বিভিন্ন দিক থেকে অফিস ঘেরাওয়ের আহ্বান জানানো হয়। এই পরিস্থিতিতে গোটা ঘটনার উপর নজর রাখছে ভারত সরকার। সূত্রের খবর, নিরাপত্তার কারণে ঢাকা, চট্টগ্রাম ও খুলনায় আজও ভিসা কেন্দ্র বন্ধ থাকতে পারে।উল্লেখ্য, এর আগেও বাংলাদেশের এক রাজনৈতিক মিছিলে ভারতের সেভেন সিস্টার্সকে আলাদা করে দেওয়ার হুমকি দিয়েছিলেন এনসিপি নেতা হাসনাত। সেই মন্তব্যের পরই দিল্লি কড়া অবস্থান নেয়। বাংলাদেশের হাইকমিশনার মহম্মদ রিয়াজ হামিদুল্লাহকে তলব করে স্পষ্ট জানানো হয়, এই ধরনের উস্কানিমূলক মন্তব্য ভারত কোনওভাবেই বরদাস্ত করবে না। কিন্তু সাম্প্রতিক ঘটনার পর স্পষ্ট, সেই বার্তা এখনও পুরোপুরি কার্যকর হয়নি বলেই মনে করছে কূটনৈতিক মহল।

ডিসেম্বর ১৯, ২০২৫
বিদেশ

গ্রিন কার্ড ইন্টারভিউতেই গ্রেফতার! ৩০ বছর ধরে আমেরিকায় থাকা ভারতীয় মহিলাকে আইসিই-র ধাক্কা

ডোনাল্ড ট্রাম্পের কড়া অভিবাসন নীতির আবহে দুঃস্বপ্নের মধ্যে পড়েছে আমেরিকার লং বিচ শহরের পরিচিত কৌর পরিবার। দীর্ঘ ৩০ বছর ধরে আমেরিকায় বসবাস করা ভারতীয় বংশোদ্ভূত বাব্বলজিৎ বাবলি কৌরকে হঠাৎ গ্রিন কার্ড ইন্টারভিউয়ের শেষ ধাপে গ্রেফতার করল আইসিই। ৬০ বছরের বাবলি কৌরকে ১ ডিসেম্বর বায়োমেট্রিক স্ক্যানের সময় আটক করা হয় বলে স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের রিপোর্ট।পরিবারের দাবি, গ্রিন কার্ডের আবেদন আগেই অনুমোদিত হয়েছিল। বাবলির মার্কিন নাগরিক মেয়ে ও জামাইয়ের স্পনসরশিপেই সেই আবেদন জমা পড়েছিল। অথচ কোনও আগাম সতর্কতা ছাড়াই অফিসে ঢুকেই তাঁকে গ্রেফতার করা হয়। বাবলির মেয়ে জোতির কথায়, গ্রেফতারের পর তাঁর মাকে হাত-পা শিকল পরিয়ে পুরুষদের ভরা একটি ভ্যানে তোলা হয়। সেই অভিজ্ঞতায় মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছেন তিনি। পরিবার আশঙ্কায় ছিল, কারণ এমন অনেক ঘটনার কথা তারা শুনেছে যেখানে মানুষ হঠাৎ নিখোঁজ হয়ে যায়।১৯৯৪ সালে স্বামী ও সন্তানদের নিয়ে আমেরিকায় আসেন বাবলি কৌর। প্রথমে ল্যাগুনা বিচে বসবাস শুরু করেন তাঁরা। প্রায় দুই দশক ধরে লং বিচে নটরাজ কুইজিন অফ ইন্ডিয়া অ্যান্ড নেপাল নামে একটি জনপ্রিয় রেস্তরাঁ চালাতেন বাবলি ও তাঁর স্বামী। কোভিডের সময় সেই ব্যবসা বন্ধ হয়ে যায়। পরে তিনি রয়্যাল ইন্ডিয়ান কারি হাউসে কাজ করছিলেন। স্থানীয় সমাজে যথেষ্ট পরিচিত ও সম্মানিত ছিলেন কৌর পরিবার।বাবলির মেয়ে জানান, গ্রিন কার্ডের শেষ ধাপের অ্যাপয়েন্টমেন্টের দিন থেকেই তাঁর মায়ের মনটা অশান্ত ছিল। অফিসে ঢোকার কিছুক্ষণের মধ্যেই দুটি গাড়ি এসে দাঁড়ায়। কয়েক জন ফেডারেল এজেন্ট ভিতরে ঢুকে একটি ঘরে যান। তারপর বাবলিকেও সেই ঘরে ডাকা হয়। সেখানেই তাঁকে জানানো হয়, তাঁকে গ্রেফতার করা হচ্ছে। পরিবারের দাবি, বাবলির কোনও অপরাধমূলক ইতিহাস নেই।গ্রেফতারের পর প্রথম কয়েক ঘণ্টা পরিবার জানতেই পারেনি বাবলিকে কোথায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে। পরে জানা যায়, তাঁকে লস অ্যাঞ্জেলেসের একটি ডিটেনশন সেন্টারে রাখা হয়েছে। সেখানে ২০ জনের বেশি বন্দির সঙ্গে একটি ঘরে থাকতে হচ্ছে তাঁকে। পরিবার জানাচ্ছে, রাতে আলো নিভে না, চারপাশে সব সময় চিৎকার ও কান্নার শব্দ। ঠিকমতো ঘুমোতে পারছেন না বাবলি কৌর।এই ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন লং বিচের কংগ্রেসম্যান রবার্ট গার্সিয়া। তিনি জানিয়েছেন, তাঁর অফিস বাবলিকে মুক্ত করতে সব রকম চেষ্টা করছে। তাঁর কথায়, কঠোর অভিবাসন নীতির নামে পরিশ্রমী ও সৎ মানুষদের এভাবে আতঙ্কিত করা মানবিকতার সম্পূর্ণ বিরোধী।এদিকে বাবলি কৌরের গ্রেফতারের কারণ এখনও স্পষ্ট করেনি মার্কিন স্বরাষ্ট্র দফতর। প্রশ্ন উঠছে, গ্রিন কার্ড প্রায় হাতে পৌঁছে যাওয়ার মুহূর্তে কেন এই পদক্ষেপ, তার উত্তর এখনও অধরা।

ডিসেম্বর ১৬, ২০২৫
বিদেশ

বন্ডি হত্যাকাণ্ডে ভারতীয় যোগ! হায়দরাবাদের পরিবার বহু আগেই সম্পর্ক ছিন্ন করেছিল জঙ্গির সঙ্গে

অস্ট্রেলিয়ার বন্ডি সমুদ্র সৈকতে ভয়াবহ জঙ্গি হামলার পর এবার সামনে এল হামলাকারীদের ভারতীয় যোগের আরও চাঞ্চল্যকর তথ্য। বন্ডি হত্যাকাণ্ডে অভিযুক্ত সাজিদ আক্রম ও তাঁর ছেলে নবিদ আক্রমের পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন, বহু বছর আগেই তাঁদের সঙ্গে সমস্ত সম্পর্ক ছিন্ন করা হয়েছিল। হায়দরাবাদের পুরনো শহরে থাকা পরিবারের সদস্যদের দাবি, সাজিদ একজন খ্রিস্টান মহিলাকে বিয়ে করার পর থেকেই পরিবারের সঙ্গে তাঁর কোনও যোগাযোগ ছিল না।ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সাজিদ আক্রম আদতে পুরনো হায়দরাবাদের বাসিন্দা। এখনও সেখানে তাঁর দুই ভাইসহ কিছু আত্মীয় থাকেন। তবে পরিবারের দাবি, ২০০৯ সালে বাবার মৃত্যু হলেও সাজিদ ভারতে আসেননি। এমনকি অসুস্থ মায়ের খোঁজও নেননি তিনি।রবিবার সিডনির বন্ডি সমুদ্র সৈকতে ইহুদিদের উৎসব হানুকা চলাকালীন ভয়াবহ হামলা চালায় সাজিদ ও তাঁর ছেলে নবিদ। নির্বিচারে গুলি চালিয়ে ১৫ জন নিরীহ মানুষকে হত্যা করা হয়। নিহতদের মধ্যে ছিল ১০ বছরের এক শিশু এবং নাৎসি জার্মানির হলোকাস্ট থেকে বেঁচে যাওয়া ৮৭ বছরের এক বৃদ্ধ। এই হামলাকে অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে গত ৩০ বছরের মধ্যে সবচেয়ে বড় সন্ত্রাসবাদী আক্রমণ বলে মনে করা হচ্ছে।তদন্তে জানা গেছে, হামলার কয়েক সপ্তাহ আগেই সাজিদ ভারতীয় পাসপোর্ট ব্যবহার করে ফিলিপিন্সে গিয়েছিলেন। অন্যদিকে তাঁর ছেলে নবিদ অস্ট্রেলিয়ার ট্রাভেল ডকুমেন্ট ব্যবহার করছিলেন। ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থার প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, গত কয়েক বছরে একাধিকবার হায়দরাবাদে এসেছিলেন সাজিদ। শেষবার তিনি ভারতে এসেছিলেন ২০২২ সালে।ঘটনার দিন পুলিশের সঙ্গে গুলির লড়াইয়ে মারা যান সাজিদ। গুরুতর জখম অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন তাঁর ছেলে নবিদ। হায়দরাবাদে থাকা পরিবারের অন্য সদস্যদের ভূমিকা খতিয়ে দেখতে ইতিমধ্যেই নজরদারি শুরু করেছে ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থা। পুরো ঘটনার আন্তর্জাতিক যোগ ও জঙ্গি নেটওয়ার্ক খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে সূত্রের খবর।

ডিসেম্বর ১৬, ২০২৫
দেশ

মেক্সিকোর শুল্ক-বোমা! ভারতের রফতানিতে ৫০ শতাংশ কর, পাল্টা পদক্ষেপের হুঁশিয়ারি দিল দিল্লি

মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি নেই এমন দেশগুলির পণ্যের উপর হঠাৎ আমদানি শুল্ক বাড়ানোর সিদ্ধান্তে কড়া আপত্তি জানাল ভারত। মেক্সিকোর এই একতরফা সিদ্ধান্তে ভারতীয় পণ্যের উপর কর ৫০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা। এই পরিস্থিতিতে ভারত জানিয়েছে, কূটনৈতিক আলোচনা চালু রাখার পাশাপাশি প্রয়োজন হলে রফতানিকারকদের স্বার্থ রক্ষায় উপযুক্ত পদক্ষেপ করা হবে।ভারত সরকারের বক্তব্য, কোনও আগাম আলোচনা ছাড়াই এমন শুল্ক বৃদ্ধি দুই দেশের সহযোগিতামূলক বাণিজ্য সম্পর্কের পরিপন্থী। পাশাপাশি বহুপাক্ষিক বাণিজ্য ব্যবস্থার স্বচ্ছতার নীতির সঙ্গেও এই সিদ্ধান্ত সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। সরকারি সূত্রে জানানো হয়েছে, মেক্সিকোর এই পদক্ষেপ ভারতের বিরুদ্ধে সরাসরি নয়, তা বোঝা গেলেও আগাম আলোচনা ছাড়া এমএফএন শুল্ক বাড়ানো বন্ধুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক সম্পর্কের ভাবনার সঙ্গে খাপ খায় না।মেক্সিকোর নতুন শুল্ক কাঠামোয় মোট ১,৪৬৩টি পণ্য অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। এর প্রভাব পড়বে ভারত ছাড়াও চিন, দক্ষিণ কোরিয়া, থাইল্যান্ড এবং ইন্দোনেশিয়ার মতো একাধিক এশীয় দেশের উপর। বেশির ভাগ পণ্যের ক্ষেত্রে শুল্ক প্রায় ৩৫ শতাংশ হতে পারে, যদিও কোথাও তা ৫ শতাংশ থেকে বেড়ে ৫০ শতাংশ পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে।অপ্রত্যাশিত ভাবে ২০২৫ সালের ৩ ডিসেম্বর মেক্সিকোর অর্থনীতি মন্ত্রক ফের এই প্রস্তাব পেশ করে এবং আইন প্রণয়নের প্রক্রিয়া দ্রুত এগিয়ে নেয়। এর আগে বিভিন্ন দেশের আপত্তি ও মেক্সিকোর শিল্পমহলের চাপে এই সিদ্ধান্ত ২০২৬ সালের অগস্ট পর্যন্ত পিছিয়ে দেওয়া হয়েছিল।মেক্সিকো সরকার দাবি করেছে, দেশের অভ্যন্তরীণ উৎপাদনকে উৎসাহ দেওয়া এবং বাণিজ্য ঘাটতি কমানোই এই সিদ্ধান্তের মূল উদ্দেশ্য। তবে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মহলের একাংশের মতে, আমেরিকার সঙ্গে ইউএসএমসিএ চুক্তি পর্যালোচনার সময় চিনের বিরুদ্ধে শুল্ক নীতি কঠোর করার চাপের সঙ্গেই এই সিদ্ধান্ত জড়িত। বিশেষ করে চিনা পণ্য ঘুরপথে আমেরিকার বাজারে ঢোকা ঠেকাতে মেক্সিকোর উপর চাপ রয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।এই পরিস্থিতিতে ভারত দ্রুত পদক্ষেপ করেছে। বাণিজ্য সচিব রাজেশ আগরওয়াল ইতিমধ্যেই মেক্সিকোর অর্থনীতি মন্ত্রকের ভাইস মিনিস্টার লুইস রোসেন্দোর সঙ্গে উচ্চ পর্যায়ের আলোচনা করেছেন। খুব শীঘ্রই কারিগরি স্তরের বৈঠকও হতে পারে। এর আগেই, ২০২৫ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর মেক্সিকোয় ভারতীয় দূতাবাস এই শুল্ক বৃদ্ধির বিরুদ্ধে আপত্তি জানিয়ে ভারতীয় পণ্যের জন্য বিশেষ ছাড় চেয়েছিল।বাণিজ্য দফতর জানাচ্ছে, নতুন শুল্কের প্রকৃত প্রভাব কতটা পড়বে, তা নির্ভর করবে মেক্সিকোর সরবরাহ ব্যবস্থায় ভারতীয় পণ্যের গুরুত্বের উপর এবং ভারতীয় সংস্থাগুলি করের বোঝা ভোক্তাদের উপর চাপাতে পারে কি না, তার উপর। এখনও পর্যন্ত কোন কোন পণ্য এই তালিকায় পড়ছে, তার চূড়ান্ত বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ হয়নি।সরকারি সূত্রের স্পষ্ট বক্তব্য, ভারতীয় রফতানিকারকদের স্বার্থ রক্ষায় প্রয়োজনে উপযুক্ত পদক্ষেপ নেওয়ার অধিকার ভারত রাখে। তবে একই সঙ্গে গঠনমূলক আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের পথেই এগোতে চায়।সব মিলিয়ে টানাপড়েন তৈরি হলেও ভারত জানিয়েছে, মেক্সিকোর সঙ্গে অংশীদারিত্বকে তারা গুরুত্ব দেয় এবং দুই দেশের ব্যবসা ও সাধারণ মানুষের স্বার্থে স্থিতিশীল ও ভারসাম্যপূর্ণ বাণিজ্য পরিবেশ বজায় রাখতে আগ্রহী।

ডিসেম্বর ১৩, ২০২৫
বিদেশ

এইচ-১বি ভিসায় বজ্রাঘাত! ট্রাম্পের নতুন নিয়মে বিপাকে হাজার হাজার ভারতীয়

আমেরিকায় মেধাবী বিদেশি কর্মীদের উপর আরও কঠোর নিয়ম চাপাল ট্রাম্প প্রশাসন। নতুন নিয়ম অনুযায়ী এখন থেকে এইচ-১বি ভিসার আবেদনকারীদের সোশ্যাল মিডিয়ার ব্যক্তিগত তথ্যও খুলে দিতে হবে। নতুন ভিসা হোক বা পুরনবীকরণসব ক্ষেত্রেই আবেদনকারীর অনলাইন প্রোফাইল পাবলিক রাখা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। এই সিদ্ধান্তে ইতিমধ্যেই সমস্যায় পড়েছেন প্রচুর ভারতীয় কর্মী এবং শিক্ষার্থী। অনেকের ভিসা অ্যাপয়েন্টমেন্ট হঠাৎ করেই স্থগিত হয়ে গিয়েছে।মঙ্গলবার রাতে ভারতে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাস আবেদনকারীদের জন্য বিশেষ নির্দেশিকা প্রকাশ করেছে। সেখানে বলা হয়েছে, যাঁরা ইমেল পেয়েছেনযেখানে জানানো হয়েছে যে তাঁদের ভিসার অ্যাপয়েন্টমেন্ট তারিখ বদলে দেওয়া হয়েছেতাঁদের মিশন ইন্ডিয়ার মাধ্যমে নতুন করে অ্যাপয়েন্টমেন্ট বুক করতে হবে। একই সঙ্গে সতর্ক করা হয়েছে, ভুল তারিখ নিয়ে কেউ কনস্যুলেটে হাজির হলে ভেতরে ঢুকতেই দেওয়া হবে না।এইচ-১বি ভিসা এমন এক ধরনের অ-অভিবাসী ভিসা, যার সাহায্যে বিভিন্ন দেশের দক্ষ কর্মীরা নির্দিষ্ট সময়ের জন্য আমেরিকায় কাজ করতে পারেন। প্রতি বছরই ভারত থেকে বিপুল সংখ্যক কর্মী ও পড়ুয়া এই ভিসা নিয়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে যান। ট্রাম্প দ্বিতীয়বার ক্ষমতায় ফেরার পর থেকেই এই ভিসা নিয়ে কড়াকড়ির ইঙ্গিত দিচ্ছিলেন। সেই ধারাবাহিকতায় গত ২ ডিসেম্বর বিশ্বের সমস্ত মার্কিন দূতাবাসে নতুন নিয়মের নির্দেশিকা পাঠানো হয়েছে।আমেরিকার বিদেশ দপ্তর জানিয়েছে, আবেদনকারীদের সোশ্যাল মিডিয়ার সব তথ্য খোলাখুলিভাবে রাখতে হবে। তাঁদের অনলাইন আচরণ খতিয়ে দেখেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে ভিসা দেওয়া হবে কিনা। ছাত্রছাত্রীদের ক্ষেত্রেও একই নিয়ম প্রযোজ্য। নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, আবেদনকারী আমেরিকা বা তাদের নাগরিকদের কোনও ক্ষতি করতে পারেনএমন কোনও সন্দেহ থাকলে ভিসা সরাসরি বাতিল করে দেওয়া হবে।এই নিয়ে বিতর্কও কম নয়। এর আগে ট্রাম্প প্রশাসন জানিয়েছিল, বিদেশি দক্ষ কর্মীদের নিয়োগ দিলে আমেরিকার সংস্থাগুলিকে এককালীন এক লক্ষ ডলার দিতে হবে। গত ২১ সেপ্টেম্বর ট্রাম্প যে নতুন নিয়ম ঘোষণা করেছিলেন, তা ২২ সেপ্টেম্বর থেকেই কার্যকর হয়ে গেছে।

ডিসেম্বর ১০, ২০২৫
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • 10
  • ...
  • 34
  • 35
  • ›

ট্রেন্ডিং

শিক্ষা

পৌষের গন্ধে গ্রামবাংলা: পিঠে, ঘুড়ি আর লোকজ জীবনের উৎসব

পৌষ নামলেই গ্রামবাংলার হাওয়া বদলে যায়। ভোরের কুয়াশা আরও ঘন হয়, খড়ের গাদায় রোদ্দুর বসে, আর মাটির উঠোনে ভেসে আসে চাল ভাপার সোঁদা গন্ধ। এই সময়েই বাঙালির ঘরে ঘরে আসে এক লোকজ উৎসবপৌষ পার্বণ, যাকে গ্রামবাংলা আদর করে ডাকে পিঠে পার্বণ বলে।এই উৎসব কোনও মন্দিরে বাঁধা নয়, কোনও মন্ত্রে আবদ্ধ নয়। এ উৎসব ছড়িয়ে থাকে উঠোনে, রান্নাঘরে, খোলা মাঠে আর মানুষের মুখের হাঁসিতে। নতুন ধান ওঠার আনন্দে কৃষকের ঘরে যে তৃপ্তি, তারই রসায়ন মিশে যায় পিঠের নরম স্বাদে।গ্রামবাংলার মায়েদের কাছে পৌষ পার্বণ মানে শুধু রান্না নয়এ এক সামাজিক আচার। ভোর থেকে শুরু হয় চাল ভেজানো, বাটা, খোলায় নলেন গুড় বসানো। মাটির উনুনে ধোঁয়া ওঠে, কাঁসার থালায় সাজে ভাপা পিঠে (সিদ্ধ পিঠে), সরু চাকলি, পাটিসাপটা। দুধ পুলির ভেতর গুড় আর নারকেলের মিশেলে লুকিয়ে থাকে দিদিমা-ঠাকুমার হাতের ছোঁয়া, যা কোনও রেসিপির বইয়ে লেখা নেই।লোকসংস্কৃতির এই পরম্পরায় পিঠে শুধু খাবার নয়, এক ভাষা। সেই ভাষায় কথা বলে মমতা, আতিথেয়তা আর ভাগ করে নেওয়ার আনন্দ। পৌষের সকালে প্রতিবেশীর ঘরে পিঠে পাঠানো যেমন রীতি, তেমনই রীতি একসঙ্গে বসে খাওয়ারধনী-দরিদ্রের ভেদাভেদ ছাপিয়ে।পৌষ সংক্রান্তির আর এক অবিচ্ছেদ্য ছবি আকাশ। নীল আকাশ জুড়ে রঙিন ঘুড়ির উড়ান যেন লোকশিল্পের চলমান ক্যানভাস। যা দেখে কবির সুমন (তখন সুমন চট্টোপাধ্যায়) লিখেছিলেন পেটকাটি চাঁদিয়াল মোমবাতি বগ্গা - আকাশে ঘুড়ির ঝাঁক, মাটিতে অবজ্ঞা। রাঢ় বঙ্গের অন্যতম জনবহুল বর্ধমান শহরে ও তার আশপাশের গ্রামগুলিতে এই দিনে ঘুড়ি ওড়ানো শুধু খেলা নয়, এক উৎসব, সকাল চা খেয়েই ছাদে জড়ো আবাল-বৃদ্ধ-বনিতা, চোখ বন্দি আকাশে, ছাদে-ছাদে চটুল হিন্দি গানের ভিতরেই ভেসে আসছে একটাই আওয়াজ ভো-কাট্টা। দামোদরের পাড়ে বসা আদিবাসী ও উপজাতিদের মেলায় ঘুড়ির সঙ্গে মিশে যায় ঢাক, ধামসা, মাদল ও বাঁশির সুর। লোকনৃত্য, হস্তশিল্প আর খোলা মাঠের এই মিলনমেলা যেন বাংলার বহুত্বকে এক সুতোয় বেঁধে রাখে।এই মেলায় দেখা যায় সাঁওতাল, বাউরী, বাগদি সমাজের নিজস্ব সংস্কৃতিনতুন রঙিন পোশাক, পায়ের তালে মাটির ছন্দ দিরি দিম দিম বোল তোলে। আধুনিক শহুরে জীবনের বাইরে দাঁড়িয়ে এই লোকজ উৎসব আমাদের মনে করিয়ে দেয়সংস্কৃতি মানে শেকড়ের সঙ্গে সংযোগ।আজ শহরের ফ্ল্যাটবাড়িতে পিঠে আসে বাক্সবন্দি হয়ে, ঘুড়ি ওড়ানো হয় ছাদের কোণে দাঁড়িয়ে। তবু পৌষ পার্বণ এলেই মন ছুটে যায় গ্রামেমাটির ঘর, খোলা উঠোন আর আগুন পোহানো বিকেলের দিকে। কারণ এই উৎসব আমাদের শেখায়, উৎসবের আসল সৌন্দর্য জাঁকজমকে নয়, বরং মানুষের সঙ্গে মানুষের সম্পর্কের উষ্ণতায়।পৌষ পার্বণ তাই শুধুই একটি দিন নয়এ এক স্মৃতি, এক গন্ধ, এক জীবন্ত লোকসংস্কৃতি। সময় বদলায়, রূপ বদলায়, কিন্তু পিঠের ধোঁয়ার সঙ্গে মিশে থাকা গ্রামবাংলার আত্মা আজও অটুট।

জানুয়ারি ১৩, ২০২৬
বিদেশ

ইরানের সঙ্গে বাণিজ্যের খেসারত, ভারতকে ফের শুল্কের ফাঁদে ফেললেন ট্রাম্প

বছরের শুরুতেই ভারতের উপর ফের শুল্কের আঘাত আনল আমেরিকা। সোমবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষণা করেছেন, ইরানের সঙ্গে যেসব দেশ বাণিজ্য করবে, তাদের উপর অতিরিক্ত ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হবে। সেই তালিকায় ভারতের নামও রয়েছে। গত অর্থবর্ষে ইরানের সঙ্গে প্রায় ১৪ হাজার কোটি টাকার বাণিজ্য করেছে ভারত।বর্তমানে আয়াতোল্লা খামেনেইয়ের প্রশাসনের বিরুদ্ধে ইরানে ব্যাপক বিক্ষোভ চলছে। সেই আন্দোলনের প্রতি প্রথম থেকেই সমর্থন জানিয়ে আসছেন ট্রাম্প। এমনকি প্রয়োজন হলে ইরানের উপর সামরিক হামলার পরিকল্পনার কথাও তিনি প্রকাশ্যে বলেছেন। এই পরিস্থিতিতে ইরানের সঙ্গে বাণিজ্যকারী দেশগুলির উপর কড়া অবস্থান নিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।সোমবার নিজের সোশাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম ট্রুথ সোশালে ট্রাম্প লেখেন, ইরানের সঙ্গে যেসব দেশ বাণিজ্য করছে, তারা আমেরিকার সঙ্গে ব্যবসা করতে গেলে অতিরিক্ত ২৫ শতাংশ শুল্ক দিতে বাধ্য হবে। এই নির্দেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে বলেও জানান তিনি।ইরানের সঙ্গে সবচেয়ে বেশি বাণিজ্য করে চিন। তবে ভারতের সঙ্গেও তেহরানের দীর্ঘদিনের বাণিজ্যিক সম্পর্ক রয়েছে। তেহরানে ভারতীয় দূতাবাসের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪-২৫ অর্থবর্ষে ভারত ইরানে প্রায় ১২০ কোটি ডলারের পণ্য রপ্তানি করেছে। একই সময়ে ইরান থেকে ৪৪ কোটি ডলারের পণ্য আমদানি করা হয়েছে। সব মিলিয়ে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্যের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় ১৬৪ কোটি ডলার, যা ভারতীয় মুদ্রায় আনুমানিক ১৪ হাজার কোটি টাকা। এই বাণিজ্যের মধ্যে রয়েছে রাসায়নিক দ্রব্য, ফল, বাদাম, তেল এবং জ্বালানি জাতীয় পণ্য।ইরানের সঙ্গে বাণিজ্য করার কারণেই এবার ভারতের উপর বাড়তি শুল্ক চাপাল আমেরিকা। এর আগে রাশিয়া থেকে তেল কেনার অভিযোগে ভারতের উপর ২৫ শতাংশ অতিরিক্ত শুল্ক আরোপ করেছিলেন ট্রাম্প। ফলে তখন ভারতীয় পণ্যের উপর মার্কিন শুল্কের হার পৌঁছেছিল ৫০ শতাংশে। এবার ইরান ইস্যুতে আরও ২৫ শতাংশ শুল্ক যুক্ত হওয়ায় মোট শুল্কের পরিমাণ দাঁড়াল ৭৫ শতাংশ। এই সিদ্ধান্ত ভারতের রপ্তানি বাণিজ্যে বড় প্রভাব ফেলতে পারে বলেই মনে করছেন অর্থনৈতিক বিশেষজ্ঞরা।

জানুয়ারি ১৩, ২০২৬
বিদেশ

রণক্ষেত্র ইরান, আমেরিকার হামলার হুঁশিয়ারি, আগুনে ঘি ঢালল খামেনেই

ইরানকে ঘিরে চরম উত্তেজনা। একে অপরকে প্রকাশ্য হুমকি দিয়ে মুখোমুখি অবস্থানে দাঁড়িয়ে গিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনেই। ট্রাম্প যে কোনও মুহূর্তে ইরানে সেনা হামলার ইঙ্গিত দিয়েছেন। পাল্টা খামেনেই ট্রাম্পকে পরাজিত ও অত্যাচারী শাসক বলে কটাক্ষ করেছেন।ইরানে সরকার-বিরোধী আন্দোলন দিন দিন আরও ভয়াবহ রূপ নিচ্ছে। দেশের বহু শহরে বিক্ষোভ চলছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে সরকার ইন্টারনেট ও ফোন পরিষেবা বন্ধ করে দিয়েছে। তা সত্ত্বেও মূল্যবৃদ্ধি, দুর্নীতি ও দমনপীড়নের বিরুদ্ধে মানুষের ক্ষোভ থামছে না। নির্বাসিত নেতা রেজা পহেলভিকে দেশে ফিরিয়ে আনার দাবিও জোরালো হয়েছে। এই আবহে ট্রাম্পের সঙ্গে পহেলভির কথোপকথনের খবর সামনে এসেছে। আন্দোলনকারীদের উপর গুলি চালানো বন্ধ না হলে আমেরিকা চুপ করে থাকবে না বলেও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ট্রাম্প।এয়ার ফোর্স ওয়ান থেকেই ট্রাম্প স্পষ্ট বার্তা দেন, ইরানে পরিস্থিতি আরও খারাপ হলে কঠোর সিদ্ধান্ত নিতে পিছপা হবে না তাঁর প্রশাসন। এমনকি ইরানে স্টারলিংক পরিষেবা চালুর পক্ষে সওয়াল করেছেন তিনি। ট্রাম্পের দাবি, ইরান আলোচনার জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছে। যদিও তেহরান সেই দাবি নাকচ করে জানিয়েছে, দেশের অভ্যন্তরে অশান্তি ছড়ানোর মূল্য চোকাতে হবে আমেরিকাকে।সরকারি টেলিভিশনে ভাষণ দিয়ে খামেনেই ট্রাম্পকে তীব্র ভাষায় আক্রমণ করেছেন। তাঁর বক্তব্য, ট্রাম্প একজন অযোগ্য ও অত্যাচারী শাসক। আগে নিজের দেশ সামলাক। খামেনেই দাবি করেছেন, খুব শীঘ্রই বিক্ষোভ নিয়ন্ত্রণে আসবে। যদিও বাস্তবে তার কোনও ইঙ্গিত নেই। অভিযোগ, বিক্ষোভ দমাতে ইরানে পুলিশ ও সেনা নির্বিচারে গুলি চালাচ্ছে। শুধু তেহরানেই দুই শতাধিক মানুষের মৃত্যুর খবর মিলেছে। গত বছরের ডিসেম্বর থেকে এই আন্দোলন চলছে। জানুয়ারির শুরু থেকেই দেশজুড়ে যোগাযোগ ব্যবস্থা কার্যত অচল।ইরানের অশান্তির প্রভাব বিদেশেও পড়েছে। লস এঞ্জেলসে ইরান সমর্থনে মিছিল চলাকালীন ভিড়ের মধ্যে ট্রাক ঢুকে পড়ার ঘটনা ঘটেছে। যদিও সেখানে কেউ হতাহত হয়নি। চালককে আটক করা হয়েছে।এই পরিস্থিতিতে ইরানে হামলা হলে তার জবাব দেওয়ার ক্ষমতা তেহরানের রয়েছে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ইরানের শীর্ষ নেতারা। ইরান পার্লামেন্টের স্পিকার মহম্মদ বাকার কালিবাফ জানিয়েছেন, আমেরিকা বড় ভুল হিসাব করছে। হামলা হলে ইজরায়েল ও মধ্যপ্রাচ্যে থাকা মার্কিন সেনাঘাঁটিগুলি নিশানা করা হবে বলেও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ইরানের প্রাক্তন সামরিক কর্তারাও।

জানুয়ারি ১৩, ২০২৬
বিদেশ

নোবেল নিয়ে পোপের দরবারে মাচাদো, ট্রাম্পের প্রেসিডেন্সির নেপথ্যে কি ভ্যাটিকান?

গত বছর ডোনাল্ড ট্রাম্পকে হারিয়ে নোবেল শান্তি পুরস্কার পেয়েছিলেন ভেনেজুয়েলার বিরোধী নেতা মাচাদো। সেই পুরস্কারই মার্কিন প্রেসিডেন্টের হাতে তুলে দিতে চান তিনি, যাতে নিকোলাস মাদুরোকে অপহরণ করে বন্দি করা যায়এমন দাবিও করেছিলেন মাচাদো। এবার সেই নোবেলজয়ীর সঙ্গে সাক্ষাৎ হল চতুর্দশ পোপ লিওর। এই সাক্ষাৎ ঘিরে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে।সোমবারই নিজেকে ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট বলে ঘোষণা করেছেন ট্রাম্প। তার মধ্যেই পোপের সঙ্গে মাচাদোর সাক্ষাৎ হওয়ায় প্রশ্ন উঠছে, ট্রাম্পের সমর্থনে ক্ষমতা দখলের প্রস্তুতি হিসেবেই কি এই বৈঠক? প্রথম মার্কিন পোপের সঙ্গে এই সাক্ষাতের রাজনৈতিক তাৎপর্য খতিয়ে দেখছেন বিশেষজ্ঞরা।জানা গিয়েছে, পোপ লিওর সঙ্গে দেখা করার কোনও পূর্বপরিকল্পনা ছিল না মাচাদোর। ভ্যাটিকান পরে তাদের দৈনিক বুলেটিনে এই সাক্ষাতের কথা উল্লেখ করে। তবে বৈঠকে কী আলোচনা হয়েছে, সে বিষয়ে কোনও বিস্তারিত তথ্য দেওয়া হয়নি। নরওয়েতে নোবেল শান্তি পুরস্কার পাওয়ার পর থেকেই ইউরোপ ও আমেরিকার বিভিন্ন দেশে সফর করছেন মাচাদো।আগামী সপ্তাহে তিনি আমেরিকা যাচ্ছেন। সেখানে হোয়াইট হাউসে ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে তাঁর বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। সেই গুরুত্বপূর্ণ সফরের আগেই পোপের সঙ্গে দেখা হওয়ায় রাজনৈতিক মহলে কৌতূহল আরও বেড়েছে। যদিও প্রথম মার্কিন পোপ লিও ভেনেজুয়েলার উপর আমেরিকার আগ্রাসনের প্রকাশ্য বিরোধিতা করেছেন।মাদুরোকে মার্কিন বাহিনীর হাতে অপহরণের ঘটনার পর ভেনেজুয়েলার স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের পক্ষে সরব হয়েছেন পোপ। তিনি জানিয়েছেন, ভেনেজুয়েলার পরিস্থিতির উপর তাঁর নজর রয়েছে এবং দেশের অবস্থা নিয়ে তিনি গভীরভাবে উদ্বিগ্ন। সামাজিক সুরক্ষা ও মানবাধিকার রক্ষার প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরেছেন পোপ লিও।অন্যদিকে, ট্রাম্প ও মাচাদোদুজনেই প্রকাশ্যে মাদুরোর বিরোধিতা করে আসছেন। তাঁদের অভিযোগ, মাদুরো দেশকে ধ্বংসের পথে নিয়ে যাচ্ছেন। ট্রাম্প মাদুরোর বিরুদ্ধে মাদক পাচারের অভিযোগ তুলেছেন। মাদুরো অপহৃত হওয়ার পর ট্রাম্পের সঙ্গে নিজের নোবেল শান্তি পুরস্কার ভাগ করে নেওয়ার প্রস্তাবও দিয়েছিলেন মাচাদো।এই প্রেক্ষাপটে পোপ লিওর সঙ্গে মাচাদোর সাক্ষাৎ যে নিছক সৌজন্য সাক্ষাৎ নয়, তা স্পষ্ট বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল। ভেনেজুয়েলার ক্ষমতার লড়াইয়ে এই বৈঠক নতুন সমীকরণ তৈরি করবে কি না, সেদিকেই তাকিয়ে বিশ্ব।

জানুয়ারি ১৩, ২০২৬
কলকাতা

এবার টুটু বোসকে তলব! এসআইআর শুনানিতে ডাকা হল মোহনবাগানের প্রাক্তন সভাপতিকে

এসআইআর শুনানিতে এবার হাজিরার নোটিস পেলেন প্রাক্তন সাংসদ এবং মোহনবাগানের প্রাক্তন সভাপতি স্বপনসাধন বোস, যিনি টুটু বোস নামেই পরিচিত। শুধু তাঁকেই নয়, একই সঙ্গে তলব করা হয়েছে তাঁর পুত্র তথা মোহনবাগান ক্লাবের সচিব সৃঞ্জয় বোসকেও। জানা গিয়েছে, টুটু বোসের গোটা পরিবারকে এসআইআর শুনানিতে হাজিরা দিতে বলা হয়েছে।এই ঘটনায় তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন মোহনবাগানের সহ-সভাপতি কুণাল ঘোষ। সোশাল মিডিয়ায় ক্ষোভ উগরে দিয়ে তিনি নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।এসআইআর শুনানিকে কেন্দ্র করে ইতিমধ্যেই বাংলার বহু বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বকে তলব করা হয়েছে। নোবেলজয়ী অমর্ত্য সেন, কবি জয় গোস্বামী, জাতীয় দলের ক্রিকেটার মহম্মদ শামির মতো পরিচিত মুখদের নাম সেই তালিকায় রয়েছে। এবার সেই তালিকায় যুক্ত হল বাংলার ফুটবল জগতের অন্যতম পরিচিত মুখ টুটু বোসের নাম। জানা যাচ্ছে, আগামী ১৯ জানুয়ারি তাঁকে বালিগঞ্জ গভর্নমেন্ট স্কুলে হাজিরা দিতে বলা হয়েছে। শুধু টুটু বোস নন, তাঁর পরিবারের সদস্যদেরও ডাকা হয়েছে ওই শুনানিতে। তালিকায় রয়েছেন প্রাক্তন সাংসদ সৃঞ্জয় বোসও।এই প্রসঙ্গে কুণাল ঘোষ ফেসবুকে লিখেছেন, টুটু বোস বাংলার ফুটবল ও মোহনবাগানের প্রাণপুরুষ। তিনি দীর্ঘদিন অসুস্থ এবং হুইলচেয়ার ছাড়া তাঁর চলাফেরা সম্ভব নয়। এমন অবস্থায় তাঁকে এবং তাঁর পরিবারকে হাজিরার নোটিস পাঠানো অমানবিক বলেই মন্তব্য করেন কুণাল। তাঁর অভিযোগ, এখন টুটু বোসকে প্রমাণ দিতে বলা হচ্ছে যে তিনি বাংলার নাগরিক। কুণাল ঘোষের দাবি, এই ঘটনার জবাব নির্বাচন কমিশন ও বিজেপিকে আসন্ন নির্বাচনে দিতে হবে।উল্লেখ্য, খেলোয়াড়দের এসআইআর শুনানির নামে হেনস্তার অভিযোগ তুলে সোমবার বিভিন্ন ক্ষেত্রের প্রায় ১৫০ জন ক্রীড়াবিদ প্রতিবাদে শামিল হয়েছিলেন। এর আগেই এই ইস্যুতে নির্বাচন কমিশনের কড়া সমালোচনা করেছেন তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও এই ধরনের নোটিস পাঠানোকে অমানবিক ও অসংবেদনশীল বলে উল্লেখ করে মুখ্য নির্বাচন কমিশনারকে চিঠি দিয়েছেন। সেই সবের পরেও টুটু বোসের মতো পরিচিত ও শ্রদ্ধেয় ব্যক্তিত্বকে তলব করা ঘিরে নতুন করে বিতর্ক শুরু হল রাজ্য রাজনীতিতে।

জানুয়ারি ১৩, ২০২৬
রাজ্য

নিপা ভাইরাসে কাঁপছে বাংলায়! আবার রাজ্যে ফিরছে কোয়ারেন্টাইন ..

বাংলায় ফের নিপা ভাইরাসের আতঙ্ক ছড়াল। উত্তর ২৪ পরগনার বারাসতের একটি বেসরকারি হাসপাতালের দুই নার্সের শরীরে নিপা ভাইরাসের সংক্রমণ ধরা পড়েছে বলে জানা গিয়েছে। গত ১১ জানুয়ারি কল্যাণীর এইমস-এর ভাইরাস রিসার্চ ও ডায়াগনস্টিক ল্যাবরেটরিতে পরীক্ষায় তাঁদের শরীরে নিপা ভাইরাসের উপস্থিতি ধরা পড়ে। নিশ্চিত হওয়ার জন্য নমুনা পুণের ল্যাবে পাঠানো হয়েছে।পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে কেন্দ্রীয় সরকারও নড়েচড়ে বসেছে। দিল্লি থেকে আজই একটি প্রতিনিধি দল রাজ্যে আসছে বলে জানা গিয়েছে। এদিকে আক্রান্ত নার্সদের সংস্পর্শে আসা এক চিকিৎসক, দুজন নার্স, একজন সাফাই কর্মী এবং একজন অ্যাম্বুলেন্স চালককে কোয়ারেন্টাইনে থাকার নির্দেশ দিয়েছে রাজ্যের স্বাস্থ্য দফতর।স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, নিপা আক্রান্ত নার্স অসুস্থ অবস্থায় কাটোয়ায় যাঁদের সংস্পর্শে এসেছিলেন, তাঁদের খোঁজ চালাতে একটি বিশেষ টিম গঠন করা হয়েছে। আক্রান্তদের সংস্পর্শে আসা ব্যক্তিদের তালিকা তৈরি করে তাঁদের শারীরিক অবস্থার উপর নজর রাখছেন পূর্ব বর্ধমান জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক।জানা যাচ্ছে, ওই নার্স ২ জানুয়ারি শারীরিক অসুস্থতা নিয়ে কাটোয়ার এক চিকিৎসকের ব্যক্তিগত চেম্বারে চিকিৎসা করাতে গিয়েছিলেন। চিকিৎসক সিদ্ধেশ্বর গুপ্ত জানিয়েছেন, ওই তরুণী একবার জ্ঞান হারিয়েছিলেন ঠিকই, তবে তখন জ্বর বা গা ব্যথার মতো কোনও অস্বাভাবিক উপসর্গ চোখে পড়েনি।এর পর ৩ জানুয়ারি ফের সংজ্ঞা হারালে পরিবারের লোকজন তাঁকে কাটোয়া মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে অবস্থার অবনতি হওয়ায় চিকিৎসকেরা তাঁকে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠান। পরে পরিবারের সদস্যরা তাঁকে বারাসতের একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেখানেই পরীক্ষার পর জানা যায়, তিনি নিপা ভাইরাসে আক্রান্ত।এই ঘটনায় রাজ্য জুড়ে উদ্বেগ বাড়ছে। স্বাস্থ্য দফতর জানিয়েছে, পরিস্থিতির উপর কড়া নজর রাখা হচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় সব সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

জানুয়ারি ১৩, ২০২৬
বিদেশ

থামছেই না হিন্দু খুন, ফেনিতে অটোচালক সমীর দাসকে হত্যা করে চম্পট দিল দুষ্কৃতীরা

বাংলাদেশে একের পর এক হিন্দু খুনের ঘটনা সামনে আসছে। দীপু দাসকে নৃশংসভাবে খুন করার ঘটনার পর থেকেই একাধিক হিন্দু যুবকের মৃত্যুর খবর মিলেছে। সেই তালিকায় এবার যুক্ত হল আরও একটি নাম। ফেনি জেলার দাগনভূঞায় খুন হল ২৮ বছরের অটোচালক সমীর কুমার দাস। অভিযোগ, তাঁকে খুন করে দুষ্কৃতীরা তাঁর অটোরিকশা নিয়ে পালিয়ে গিয়েছে।মর্মান্তিক এই ঘটনাকে ঘিরে এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। নিহত সমীর দাস দাগনভূঞা উপজেলার রামানন্দপুর গ্রামের বাসিন্দা। তাঁর বাবা কার্তিক কুমার দাস ও মা রিনা রানি দাস। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, দাগনভূঞা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কাছেই পরিকল্পিতভাবে সমীর দাসকে হত্যা করা হয়। খুনের পর তাঁর অটোরিকশা ছিনিয়ে নিয়ে পালায় দুষ্কৃতীরা।পরে স্থানীয় বাসিন্দারা রাস্তায় পড়ে থাকা দেহ দেখতে পেয়ে পুলিশে খবর দেন। দাগনভূঞা থানার পুলিশ এসে মৃতদেহ উদ্ধার করে। নিহতের পরিবার এই হত্যাকাণ্ডের সঠিক তদন্তের দাবি জানিয়েছে। তাঁদের দাবি, দ্রুত অভিযুক্তদের গ্রেফতার করে কড়া শাস্তি দেওয়া হোক। পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার সঙ্গে যুক্ত দুষ্কৃতীদের খোঁজে অভিযান শুরু হয়েছে।এর আগে কয়েকদিন আগে জয় মহাপাত্র নামে এক হিন্দু যুবককে বিষ খাইয়ে খুন করার অভিযোগ ওঠে। গত বছরের ডিসেম্বর মাসে ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক ওসমান হাদির মৃত্যুর পর থেকেই বাংলাদেশে নতুন করে অশান্তির আবহ তৈরি হয়। সেই পরিস্থিতিতেই প্রথমে হিন্দু যুবক দীপু দাসকে মারধর করে জীবন্ত জ্বালিয়ে দেওয়ার অভিযোগ ওঠে। এরপর একে একে আরও হিন্দু যুবকের মৃত্যুর খবর সামনে আসে। এই নিয়ে সাম্প্রতিক সময়ে মোট আটজন হিন্দু যুবকের মৃত্যুর ঘটনা ঘটল বলে জানা যাচ্ছে।

জানুয়ারি ১৩, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

নিরাপত্তার অজুহাত খারিজ, বাংলাদেশের ভারতে খেলা নিয়ে বড় বার্তা আইসিসির

মিথ্যেবাদী তকমা পাওয়ার পর ফের বড় ধাক্কার মুখে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড। নিরাপত্তাজনিত কারণ দেখিয়ে ভারতে খেলতে না আসার যে দাবি বিসিবি করেছিল, তা মানতে নারাজ আইসিসি। ক্রিকেটের নিয়ামক সংস্থা সূত্রে খবর, বাংলাদেশকে আগের সূচি অনুযায়ীই ভারতে খেলতে হবে। অর্থাৎ কলকাতা এবং মুম্বইতেই লিটন দাসদের ম্যাচ আয়োজন করা হবে।জানা গিয়েছে, বাংলাদেশের অভিযোগ নিয়ে স্বাধীনভাবে তদন্ত করেছে আইসিসি। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞদের দিয়ে খতিয়ে দেখা হয়েছে, ভারত সফরে এলে বাংলাদেশ দলের নিরাপত্তা নিয়ে কোনও বড় ঝুঁকি রয়েছে কি না। সেই মূল্যায়নের রিপোর্টে বলা হয়েছে, কলকাতা ও মুম্বইয়ে ম্যাচ আয়োজন নিয়ে ঝুঁকির মাত্রা কম থেকে মাঝারি। নিরাপত্তা নিয়ে বড় কোনও সমস্যা হওয়ার আশঙ্কা নেই।রিপোর্টে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, ভারত অতীতেও একাধিক বিশ্বমানের ক্রিকেট টুর্নামেন্ট সফলভাবে আয়োজন করেছে এবং ভবিষ্যতেও করবে। তাই বাংলাদেশের জন্য পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিতে ভারতীয় প্রশাসনের কোনও অসুবিধা হবে না। এই রিপোর্টের ভিত্তিতেই আইসিসি বাংলাদেশের ম্যাচ সরানো নিয়ে সিদ্ধান্ত নিতে চলেছে।এর আগে শোনা যাচ্ছিল, বিসিবির অনুরোধ কিছুটা মেনে কলকাতা ও মুম্বইয়ের বদলে চেন্নাই ও তিরুঅনন্তপুরমে ম্যাচ সরানো হতে পারে। কিন্তু নিরাপত্তা সংক্রান্ত ইতিবাচক রিপোর্ট পাওয়ার পর সেই সম্ভাবনা কার্যত ক্ষীণ। ফলে বাংলাদেশকে আগের সূচি মেনেই ভারতে খেলতে হতে পারে বলে মনে করছে ক্রিকেটমহল। যদিও আইসিসির তরফে এখনও চূড়ান্ত ঘোষণা হয়নি।উল্লেখযোগ্য ভাবে, সোমবারই আইসিসি স্পষ্ট করে জানিয়ে দেয় যে বাংলাদেশ ভুল তথ্য দিচ্ছে। অন্তর্বর্তী সরকারের ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ নজরুল দাবি করেছিলেন, আইসিসি নাকি জানিয়েছে মুস্তাফিজুর রহমান দলে থাকলে নিরাপত্তা সমস্যা বাড়বে এবং বাংলাদেশের নির্বাচনের কারণেও ঝুঁকি রয়েছে। কিন্তু আইসিসি সেই দাবি সম্পূর্ণ অস্বীকার করে জানায়, এমন কোনও মন্তব্য তারা করেনি। ক্রীড়া উপদেষ্টার এই বক্তব্যে আইসিসি যথেষ্ট বিরক্ত বলেই মনে করছেন ক্রিকেট মহলের একাংশ।

জানুয়ারি ১৩, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal