• ২৯ আষাঢ় ১৪৩৩, শুক্রবার ১৭ জুলাই ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Heavy Rain

রাজ্য

ঘন কালো মেঘে ঢাকল আকাশ! কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই প্রবল বৃষ্টির আশঙ্কা, সতর্ক একাধিক জেলা

সকাল থেকেই দক্ষিণবঙ্গের আকাশে কালো মেঘের আনাগোনা। এখনও সব জায়গায় বৃষ্টি শুরু না হলেও যে কোনও সময় নামতে পারে জোর বৃষ্টি। আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, উত্তর বাংলাদেশ এবং উত্তর-পশ্চিম বিহারে তৈরি হওয়া জোড়া ঘূর্ণাবর্তের প্রভাবে দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টির পরিমাণ বাড়বে।আবহাওয়া দপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, কলকাতা ও হাওড়ায় আজ ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। পূর্ব বর্ধমান ও মুর্শিদাবাদ জেলায় অতি ভারী বৃষ্টির আশঙ্কা করা হয়েছে। এছাড়া হুগলি, উত্তর চব্বিশ পরগনা, দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা, বীরভূম এবং নদিয়াতেও ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। প্রয়োজনে স্থানীয় এলাকায় জল জমা এবং যান চলাচলে সমস্যা তৈরি হতে পারে।উত্তরবঙ্গের সব জেলাতেও ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। বিশেষ করে পাহাড়ি এলাকায় বৃষ্টির দাপট আরও বাড়তে পারে। আগামী কয়েক দিন দফায় দফায় বৃষ্টি চলার সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দপ্তর।রাতভর ভারী বৃষ্টির জেরে উত্তরবঙ্গের একাধিক এলাকায় জল বেড়েছে। তিস্তা নদীর জল উঠে এসেছে রাস্তায়। এর ফলে দার্জিলিং ও কালিম্পংয়ের সরাসরি সড়ক যোগাযোগ ব্যাহত হয়েছে। তিস্তাবাজার এলাকায় জল নামার অপেক্ষায় রয়েছে প্রশাসন। পরিস্থিতির উপর নজর রাখা হচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

জুলাই ১৩, ২০২৬
রাজ্য

বুধবার স্বস্তি, কিন্তু রথের দিনই বাড়বে দুর্যোগ! আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বাড়ল দুশ্চিন্তা

রথযাত্রার আগে ফের বৃষ্টির দাপট বাড়তে চলেছে বাংলায়। আলিপুর আবহাওয়া দপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় ঝড়-বৃষ্টি চলবে আগামী কয়েক দিন। বুধবার বৃষ্টির পরিমাণ কিছুটা কমলেও, বৃহস্পতিবার অর্থাৎ রথযাত্রার দিন ফের বৃষ্টি বাড়তে পারে। একই সঙ্গে উত্তরবঙ্গের একাধিক জেলায় অতিভারী বৃষ্টির সতর্কতা জারি করা হয়েছে।আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, উত্তর বাংলাদেশ এবং উত্তর-পশ্চিম বিহারে দুটি ঘূর্ণাবর্ত সক্রিয় রয়েছে। বিহার থেকে বাংলাদেশ পর্যন্ত একটি অক্ষরেখা তৈরি হয়েছে। সেই সঙ্গে গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গের উপর মৌসুমি অক্ষরেখাও সক্রিয় থাকায় দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় ঝড়-বৃষ্টির অনুকূল পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।রবিবার মুর্শিদাবাদ ও নদিয়ায় ভারী বৃষ্টির জন্য হলুদ সতর্কতা জারি হয়েছে। দক্ষিণবঙ্গের অন্যান্য জেলায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ ঝড়বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। সোমবার ও মঙ্গলবারও একাধিক জেলায় ঝোড়ো হাওয়ার সঙ্গে বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। বুধবার কিছুটা স্বস্তি মিললেও বৃহস্পতিবার রথযাত্রার দিন ফের বৃষ্টির পরিমাণ বাড়তে পারে। ওই দিন উত্তর ও দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা, হাওড়া, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুরে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। কলকাতাতেও মাঝারি বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া দপ্তর। শুক্রবার দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা, পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর এবং ঝাড়গ্রামে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।কলকাতায় রবিবার আকাশ আংশিক মেঘলা থাকবে। হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। সোমবার বৃষ্টি কিছুটা বাড়তে পারে। মঙ্গলবার ও বুধবার তুলনামূলকভাবে বৃষ্টি কম থাকবে। তবে বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার আবারও বৃষ্টির দাপট বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।অন্যদিকে, উত্তরবঙ্গের দার্জিলিং, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার এবং জলপাইগুড়িতে অতিভারী বৃষ্টির জন্য কমলা সতর্কতা জারি হয়েছে। মালদহ, উত্তর দিনাজপুর ও দক্ষিণ দিনাজপুরে ভারী বৃষ্টির হলুদ সতর্কতা রয়েছে। মঙ্গলবার পর্যন্ত এই পরিস্থিতি বজায় থাকতে পারে। অতিভারী বৃষ্টির জেরে পাহাড়ি এলাকায় ভূমিধস, নদীর জলস্তর বৃদ্ধি এবং নিচু এলাকা প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। বুধবার ও বৃহস্পতিবার উত্তরবঙ্গে বৃষ্টির পরিমাণ কিছুটা কমতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দপ্তর।

জুলাই ১২, ২০২৬
রাজ্য

জলমগ্ন কলকাতা, ফুঁসছে নদী, উত্তাল সমুদ্র! বাংলাজুড়ে বাড়ছে দুর্যোগের আশঙ্কা

রাতভর প্রবল বৃষ্টিতে কার্যত ভিজেছে কলকাতা-সহ গোটা দক্ষিণবঙ্গ। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার পর থেকেই শুরু হওয়া বৃষ্টি গভীর রাত পর্যন্ত চলেছে। শুক্রবার সকালেও কলকাতা এবং আশপাশের জেলায় একইভাবে বৃষ্টির দাপট বজায় রয়েছে। একাধিক এলাকায় জল জমতে শুরু করেছে। ফলে সকাল থেকেই যান চলাচলে সমস্যার মুখে পড়েছেন সাধারণ মানুষ।আবহাওয়া দপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, এখনই বৃষ্টি থামার কোনও সম্ভাবনা নেই। বাংলাদেশ এবং সংলগ্ন বঙ্গোপসাগরের উপর তৈরি হওয়া শক্তিশালী ঘূর্ণাবর্ত এবং সক্রিয় মৌসুমি অক্ষরেখার প্রভাবে আগামী কয়েক দিন দক্ষিণবঙ্গজুড়ে বৃষ্টির পরিমাণ আরও বাড়তে পারে। সঙ্গে দমকা ঝোড়ো হাওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে।শুক্রবার কলকাতা, হাওড়া, হুগলি এবং পূর্ব বর্ধমানে ভারী বৃষ্টির সতর্কতা জারি হয়েছে। শনিবার পূর্ব বর্ধমান, মুর্শিদাবাদ এবং নদিয়াতেও ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনার কথা জানিয়েছে আবহাওয়া দপ্তর। একই সঙ্গে বাঁকুড়া, পুরুলিয়া এবং ঝাড়গ্রামেও দফায় দফায় বৃষ্টি চলবে বলে পূর্বাভাস।শুক্রবার সকাল পর্যন্ত দমদমে প্রায় সাতানব্বই মিলিমিটার এবং আলিপুরে প্রায় সাঁইত্রিশ মিলিমিটার বৃষ্টি রেকর্ড করা হয়েছে। উত্তরবঙ্গেও প্রবল বর্ষণ চলছে। কোচবিহার ও আলিপুরদুয়ারে অতি ভারী বৃষ্টি হয়েছে, যার ফলে একাধিক এলাকায় জল জমেছে।কলকাতার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় ইতিমধ্যেই জল জমতে শুরু করেছে। ঠনঠনিয়া কালীবাড়ি, হলদিরাম মোড় এবং সেক্টর পাঁচ মেট্রো সংলগ্ন এলাকায় জল জমায় যান চলাচল ধীর হয়ে পড়েছে। যদিও এখনও বড় ধরনের জলাবদ্ধতার খবর নেই, তবে দিনের মধ্যে পরিস্থিতির আরও অবনতি হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।উপকূলবর্তী এলাকাগুলির জন্যও বিশেষ সতর্কতা জারি করা হয়েছে। আগামী বারো জুলাই পর্যন্ত মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে যেতে নিষেধ করা হয়েছে। দিঘা, দিঘা মোহনা, মন্দারমণি-সহ বিভিন্ন উপকূল এলাকায় পুলিশ মাইকিং করে সতর্ক করছে। সমুদ্র উত্তাল হয়ে জলোচ্ছ্বাসের পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে বলেও জানানো হয়েছে। পর্যটক এবং স্থানীয় বাসিন্দাদেরও অপ্রয়োজনীয়ভাবে সমুদ্রের কাছে না যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।অন্যদিকে, টানা বৃষ্টিতে সুবর্ণরেখা নদীর জল দ্রুত বেড়ে যাওয়ায় ঝাড়গ্রামের নয়াগ্রাম ব্লকের একাধিক এলাকা কার্যত বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। দেউলবাড় এবং গড়ধরা গ্রামের সংযোগকারী সেতু জলের তলায় চলে যাওয়ায় মানুষের যাতায়াত এখন নৌকার উপর নির্ভর করছে। এতে সাধারণ মানুষ, পড়ুয়া, কৃষক এবং ব্যবসায়ীদের চরম সমস্যায় পড়তে হচ্ছে।অজয় নদীর জলও ক্রমশ বাড়ছে। নদীর বাঁধের একাধিক অংশ দুর্বল হয়ে পড়ায় স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে নতুন করে বন্যার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। প্রতি বছর বর্ষায় এই এলাকায় প্লাবনের সমস্যা দেখা দেয়। এবারও একই পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন বাসিন্দারা।

জুলাই ১০, ২০২৬
কলকাতা

কলকাতায় রাতভর তাণ্ডব বৃষ্টি! সোমবার পর্যন্ত আরও ভয়ংকর পরিস্থিতির সতর্কতা

রাতভর প্রবল বৃষ্টিতে কার্যত নাজেহাল কলকাতা। শুক্রবার সকাল হতেই শহরের একাধিক এলাকা জলমগ্ন হয়ে পড়ে। বহু রাস্তায় জল জমে যাওয়ায় অফিসযাত্রী থেকে সাধারণ মানুষ, সকলেরই ভোগান্তি বেড়েছে। কোথাও যান চলাচল ধীর হয়ে পড়েছে, কোথাও আবার জল জমে তৈরি হয়েছে দীর্ঘ যানজট। স্ট্র্যান্ড রোডে রাতের বৃষ্টিতে একটি বড় গাছ উপড়ে পড়ার ঘটনাও ঘটেছে।আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, পূর্ব বাংলাদেশের উপর একটি ঘূর্ণাবর্ত তৈরি হয়েছে। একই সঙ্গে মৌসুমি অক্ষরেখা গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গের উপর দিয়ে উত্তর-পূর্ব বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত থাকায় দক্ষিণবঙ্গ জুড়ে বৃষ্টির পরিমাণ অনেকটাই বেড়েছে। বৃহস্পতিবার দিনভর আকাশ মেঘলা ছিল। সন্ধ্যার পর থেকেই শুরু হয় বৃষ্টি, যা রাতভর চলেছে এবং শুক্রবারও তার প্রভাব অব্যাহত রয়েছে।হাওয়া অফিসের পূর্বাভাস অনুযায়ী, শুক্রবার কলকাতায় বৃষ্টির সম্ভাবনা প্রায় নব্বই শতাংশ। বজ্রবিদ্যুৎ-সহ মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। শহরের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা প্রায় একত্রিশ ডিগ্রি এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রা প্রায় ছাব্বিশ ডিগ্রি থাকতে পারে।দক্ষিণবঙ্গের জন্য সোমবার পর্যন্ত ভারী বৃষ্টির হলুদ সতর্কতা জারি রয়েছে। উত্তর ও দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর, পূর্ব বর্ধমান, নদিয়া, মুর্শিদাবাদ, হুগলি এবং হাওড়ায় তুলনামূলক বেশি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। অন্য জেলাগুলিতেও আগামী কয়েক দিন দফায় দফায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে।উত্তরবঙ্গেও দুর্যোগের পরিস্থিতি বজায় থাকবে। আলিপুরদুয়ারে অতি ভারী বৃষ্টির জন্য কমলা সতর্কতা জারি হয়েছে। দার্জিলিং, কালিম্পং, জলপাইগুড়ি, কোচবিহার এবং উত্তর দিনাজপুরে ভারী বৃষ্টির হলুদ সতর্কতা রয়েছে। সোমবার পর্যন্ত উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় বৃষ্টির দাপট অব্যাহত থাকতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দপ্তর।এদিকে শুক্রবার ও শনিবার উপকূলবর্তী এলাকায় সমুদ্র উত্তাল থাকার আশঙ্কা রয়েছে। এই দুই দিন মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে যেতে নিষেধ করা হয়েছে। সমুদ্রে ঘণ্টায় পঞ্চাশ থেকে ষাট কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে বলে সতর্ক করেছে আবহাওয়া দপ্তর। তাই অপ্রয়োজনীয় বাইরে যাওয়া এড়িয়ে চলার পাশাপাশি আবহাওয়ার সর্বশেষ সতর্কবার্তার দিকে নজর রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

জুলাই ১০, ২০২৬
দেশ

বাড়ির সামনেই জমা জল, খেলতে গিয়ে আর ফেরা হল না! তিন বছরের শিশুর মৃত্যুতে উত্তাল দিল্লি

একটানা ভারী বৃষ্টিতে কার্যত জলমগ্ন দিল্লি। সেই জল জমেই ঘটে গেল হৃদয়বিদারক দুর্ঘটনা। গাজিয়াবাদের একটি গলিতে জমে থাকা জলে ডুবে মৃত্যু হয়েছে তিন বছরের এক শিশুকন্যার। ঘটনাটি ঘটেছে বাড়ির কাছেই। দুর্ঘটনার পর এলাকায় তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। ক্ষুব্ধ পরিবারের সদস্য এবং স্থানীয় বাসিন্দারা জাতীয় সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখান।স্থানীয়দের দাবি, যে গলিতে শিশুটি ডুবে যায় সেখানে প্রায় তিন ফুট জল জমেছিল। দীর্ঘ সময় খোঁজাখুঁজির পর প্রায় চার ঘণ্টা পরে শিশুটির দেহ উদ্ধার করা হয়। এলাকাবাসীর অভিযোগ, জাতীয় সড়কের একটি অংশ সম্প্রসারণের পর থেকেই ওই এলাকায় জল জমার সমস্যা বেড়েছে। বিষয়টি নিয়ে একাধিকবার পুর কর্তৃপক্ষকে জানানো হলেও কার্যকর কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলেও অভিযোগ তাঁদের।বুধবার থেকে শুরু হওয়া টানা ভারী বৃষ্টিতে দিল্লির বিস্তীর্ণ এলাকা জলমগ্ন হয়ে পড়েছে। বহু রাস্তায় জল জমে যান চলাচল ব্যাহত হয়েছে। বিভিন্ন জায়গায় গাছ উপড়ে পড়ায় দীর্ঘ যানজটেরও সৃষ্টি হয়েছে। এর আগের রাতে রোহিনী এলাকায় একটি নির্মীয়মাণ বাড়ি ভেঙে তিন জনের মৃত্যু হয়েছে।আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, ভারী বৃষ্টি আরও কিছু সময় চলতে পারে। রাজধানীর একাধিক এলাকায় নিকাশি ব্যবস্থা ভেঙে পড়ায় রাস্তা কার্যত জলমগ্ন হয়ে রয়েছে। সদর বাজার, গ্রেটার কৈলাশ, বদরপুর, নাসিরপুর, তেলিওয়ারা, মহাবীর বাজার, স্বরূপ নগর, কুশক রোড, মুনিরকা, দ্বারকা, বিকাশ মার্গ, পূর্ব দিল্লি এবং নতুন দিল্লি রেলস্টেশন সংলগ্ন এলাকায় জল জমে সাধারণ মানুষের ভোগান্তি চরমে উঠেছে।

জুলাই ০৯, ২০২৬
কলকাতা

ধ্বংসস্তূপের মাঝেই নতুন বিপদ! আচমকা ঝড়বৃষ্টিতে থমকাল তারাতলার উদ্ধারকাজ

তারাতলার ভয়াবহ কারখানা ধসের ঘটনায় উদ্ধারকাজ যখন জোরকদমে চলছিল, ঠিক তখনই নতুন করে বিপদের কারণ হয়ে দাঁড়াল আবহাওয়া। বৃহস্পতিবার দুপুরে আচমকা কালো মেঘে ঢেকে যায় আকাশ। কয়েক মুহূর্তের মধ্যেই শুরু হয় প্রবল বৃষ্টি। সঙ্গে ছিল ঘন ঘন বজ্রপাত এবং ঝোড়ো হাওয়া। এর ফলে উদ্ধারকাজ সাময়িকভাবে ব্যাহত হয় এবং ধ্বংসস্তূপের নীচে আটকে থাকা শ্রমিকদের খোঁজে নতুন সমস্যা তৈরি হয়।আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, ঝাড়খণ্ড হয়ে গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গ ও ওড়িশার উপর একটি নিম্নচাপ অক্ষরেখা অবস্থান করছে। তার প্রভাবে আগামী কয়েক দিন দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। ঘণ্টায় ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে বলেও সতর্ক করা হয়েছে।উল্লেখ্য, বুধবার দুপুর ১২টা ৭ মিনিট নাগাদ হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ে তারাতলার ওই কারখানা। সেই সময় সেখানে বহু শ্রমিক কাজ করছিলেন বলে জানা যায়। দুর্ঘটনার পরই পুলিশ, দমকল, বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী এবং সেনাবাহিনী যৌথভাবে উদ্ধার অভিযান শুরু করে।ঘটনার খবর পেয়েই একাধিক মন্ত্রী ঘটনাস্থলে পৌঁছে যান। পরিস্থিতির উপর নজর রাখেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীও। পরে তিনি ঘটনাস্থল এবং হাসপাতালে গিয়ে আহতদের সঙ্গে দেখা করেন। দ্রুত উদ্ধারকাজ চালিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয় প্রশাসনকে।বৃহস্পতিবার সকাল থেকেও উদ্ধার অভিযান অব্যাহত ছিল। ধ্বংসস্তূপের একাধিক জায়গায় বিশেষ প্রযুক্তির সাহায্যে তল্লাশি চালানো হচ্ছিল। আটকে পড়া শ্রমিকদের খোঁজে আধুনিক যন্ত্রপাতিও ব্যবহার করা হয়। কিন্তু দুপুরের প্রবল বৃষ্টি এবং বজ্রপাতের কারণে উদ্ধারকাজে সাময়িক বাধা সৃষ্টি হয়।এখনও পর্যন্ত এই ঘটনায় ৯ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গিয়েছে। আহতদের অনেকেই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। মৃতদের পরিবারকে ১০ লক্ষ টাকা এবং আহতদের জন্য ১ লক্ষ টাকা আর্থিক সাহায্যের ঘোষণা করেছে রাজ্য সরকার। পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রীও ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলির জন্য আর্থিক সহায়তার ঘোষণা করেছেন। উদ্ধারকারী দলগুলির প্রধান লক্ষ্য এখন ধ্বংসস্তূপের নীচে আর কেউ আটকে রয়েছেন কি না, তা নিশ্চিত করা।

জুন ২৫, ২০২৬
কলকাতা

কালো মেঘে ঢাকল আকাশ, বজ্রপাতের দাপট! আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বড় সতর্কবার্তা

দুপুর গড়াতেই কালো মেঘে ঢেকে গেল কলকাতার আকাশ। দিনের আলো ম্লান হয়ে অনেকটাই রাতের আবহ তৈরি হয় শহরে। তারপরই শুরু হয় বৃষ্টি। সঙ্গে ছিল ঘন ঘন বজ্রপাত এবং ঝোড়ো হাওয়া। শুধু কলকাতাই নয়, সংলগ্ন একাধিক জেলাতেও বৃষ্টির খবর মিলেছে। আবহাওয়া দপ্তর আগেই বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছিল। সেই পূর্বাভাস মেনেই বৃহস্পতিবার দুপুর থেকে আবহাওয়ার বড় পরিবর্তন দেখা গেল।কয়েক দিন আগেই প্রবল বৃষ্টিতে কলকাতার একাধিক এলাকা জলমগ্ন হয়েছিল। সেই পরিস্থিতির রেশ কাটতে না কাটতেই ফের বৃষ্টি শুরু হওয়ায় নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে সাধারণ মানুষের মধ্যে।আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, ঝাড়খণ্ড হয়ে গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গ এবং ওড়িশার উপর একটি নিম্নচাপ অক্ষরেখা বিস্তৃত রয়েছে। এর প্রভাবে আগামী সোমবার পর্যন্ত দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। বিভিন্ন জেলায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বিক্ষিপ্ত বৃষ্টির পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি ঘণ্টায় ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে বলেও সতর্ক করা হয়েছে। বজ্রপাতের সময় নিরাপদ স্থানে থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।অন্যদিকে উত্তরবঙ্গেও বৃষ্টির দাপট অব্যাহত রয়েছে। দার্জিলিং, কালিম্পং, জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার এবং কোচবিহার জেলায় কমলা সতর্কতা জারি করা হয়েছে। সপ্তাহের শেষে পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। বিশেষ করে জলপাইগুড়ি এবং আলিপুরদুয়ার জেলায় অতিভারী বৃষ্টির সম্ভাবনার কথা জানিয়েছে আবহাওয়া দপ্তর।পাহাড়ি এলাকাগুলিতে ভূমিধসের আশঙ্কাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। তাই প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রয়োজন ছাড়া ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় না যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। আবহাওয়ার এই পরিবর্তনের দিকে নজর রাখছেন বিশেষজ্ঞরাও।

জুন ২৫, ২০২৬
রাজ্য

গরম থেকে স্বস্তি মিলতেই নতুন সতর্কতা! দক্ষিণবঙ্গে ঝড়-বৃষ্টির দাপট আরও বাড়বে

ভ্যাপসা গরমে দীর্ঘদিন নাজেহাল থাকার পর অবশেষে স্বস্তির বৃষ্টি পেয়েছে দক্ষিণবঙ্গ। শুক্রবার কলকাতাসহ দক্ষিণবঙ্গের প্রায় সব জেলাতেই ঝড়-বৃষ্টি হয়েছে। এর ফলে তাপমাত্রা কিছুটা কমেছে এবং আবহাওয়ায় স্বস্তি ফিরেছে। তবে আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, আগামী কয়েক দিনও বৃষ্টি চলবে।আলিপুর আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, যোগ দিবসেও কলকাতায় বিক্ষিপ্ত বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। যদিও এই বৃষ্টি বড় কোনও কর্মসূচিতে উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলবে না বলেই মনে করা হচ্ছে। তবু আকাশ মেঘলা থাকবে এবং কোথাও কোথাও হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে।এদিকে ঝাড়খণ্ড সংলগ্ন এলাকায় বজ্রগর্ভ মেঘ তৈরি হওয়ায় পশ্চিমাঞ্চলের কয়েকটি জেলায় ঝড়-বৃষ্টির সম্ভাবনা অনেকটাই বেড়েছে। পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, পশ্চিম বর্ধমান এবং বীরভূম জেলায় লাল সতর্কতা জারি করা হয়েছে। বজ্রবিদ্যুৎ-সহ প্রবল ঝড় ও বৃষ্টির আশঙ্কা রয়েছে। আবহাওয়া দফতর সাধারণ মানুষকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছে।পূর্ব বর্ধমান, হুগলি, ঝাড়গ্রাম এবং পশ্চিম মেদিনীপুরেও কমলা সতর্কতা জারি করা হয়েছে। এই জেলাগুলিতেও দমকা হাওয়া, বজ্রপাত এবং মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।অন্যদিকে উত্তরবঙ্গে এখনও বৃষ্টির দাপট অব্যাহত রয়েছে। জলপাইগুড়ি এবং আলিপুরদুয়ার জেলায় অতি ভারী বৃষ্টির জন্য লাল সতর্কতা জারি হয়েছে। প্রবল বৃষ্টির কারণে পাহাড়ি এলাকায় ধসের আশঙ্কাও রয়েছে। ইতিমধ্যেই বেশ কয়েকটি রাস্তা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।রবিবার দার্জিলিং এবং কালিম্পং জেলায় অতি ভারী বৃষ্টির কমলা সতর্কতা থাকবে। তবে আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, সোমবারের পর থেকে উত্তরবঙ্গে বৃষ্টির তীব্রতা ধীরে ধীরে কমতে পারে।এছাড়াও রবিবার উত্তর চব্বিশ পরগনা, দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা, পূর্ব বর্ধমান, নদিয়া, হুগলি এবং হাওড়া জেলায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। ঘণ্টায় চল্লিশ থেকে পঞ্চাশ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে।আবহাওয়া বিশেষজ্ঞদের মতে, আগামী কয়েক দিন বাংলার বিভিন্ন জেলায় দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়া বজায় থাকবে। তাই প্রয়োজন ছাড়া বাইরে না বেরোনো এবং বজ্রপাতের সময় নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

জুন ২০, ২০২৬
রাজ্য

চার দিনেই বদলে যেতে পারে পরিস্থিতি! উত্তরবঙ্গে জারি ভয়াবহ বৃষ্টির সতর্কতা

দক্ষিণবঙ্গে আকাশ মেঘলা থাকলেও উত্তরবঙ্গে গত কয়েক সপ্তাহ ধরে টানা বৃষ্টি চলছে। এবার সেই পরিস্থিতি আরও উদ্বেগজনক হতে পারে বলে জানাল আবহাওয়া দফতর। আগামী চার দিন উত্তরবঙ্গের একাধিক জেলায় অতি ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। পাহাড়ে ধস, হড়পা বান এবং নদীর জলস্ফীতির আশঙ্কায় জারি করা হয়েছে বিশেষ সতর্কতা।আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী দার্জিলিং, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার এবং জলপাইগুড়িতে আগামী কয়েক দিন ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টি হতে পারে। কিছু এলাকায় বৃষ্টির পরিমাণ অত্যন্ত বেশি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ফলে পাহাড়ি এলাকায় নতুন করে ধস নামার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।ইতিমধ্যেই দশ নম্বর জাতীয় সড়কের বিভিন্ন অংশে ধসের খবর পাওয়া গিয়েছে। পাশাপাশি দুধিয়া সেতুর অস্থায়ী বিকল্প পথের একটি অংশও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে প্রশাসনের উদ্বেগ আরও বেড়েছে।আবহাওয়া বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, সিকিম, দার্জিলিং এবং কালিম্পংয়ে আগামী চার দিন কমলা সতর্কতা জারি রয়েছে। পাহাড়ি নদী এবং ঝরনার আশপাশে না যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। কারণ প্রবল বৃষ্টির জেরে হঠাৎ হড়পা বানের পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে।ডুয়ার্স অঞ্চলেও বৃষ্টির দাপট বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে। জলপাইগুড়ি ও আলিপুরদুয়ার জেলায় লাল সতর্কতা জারি করা হয়েছে। কোচবিহারেও বিশেষ সতর্কতা রয়েছে। আবহাওয়া দফতরের আশঙ্কা, কিছু এলাকায় এক দিনে দুইশো মিলিমিটারেরও বেশি বৃষ্টিপাত হতে পারে।বিশেষজ্ঞদের মতে, ভুটান থেকে নেমে আসা জল এবং স্থানীয় বৃষ্টির কারণে উত্তরবঙ্গের একাধিক নদীর জলস্তর দ্রুত বাড়তে পারে। এর ফলে নিচু এলাকা প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কাও রয়েছে।এদিকে প্রবল বৃষ্টি, ধস এবং রাস্তা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার কারণে সমস্যায় পড়েছেন বহু পর্যটক। তাঁদের জন্য ইতিমধ্যেই বিশেষ সহায়তা ব্যবস্থা চালু করেছে রাজ্য সরকার। প্রশাসনের তরফে পরিস্থিতির উপর সার্বক্ষণিক নজর রাখা হচ্ছে।উত্তরবঙ্গের সামগ্রিক পরিস্থিতি পর্যালোচনার জন্য উচ্চপর্যায়ের বৈঠকও হয়েছে। সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসন এবং বিভিন্ন দফতরের আধিকারিকদের সঙ্গে আলোচনা করে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।আগামী কয়েক দিন উত্তরবঙ্গের আবহাওয়া আরও প্রতিকূল হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। তাই অপ্রয়োজনীয় ভ্রমণ এড়িয়ে চলা এবং প্রশাসনের নির্দেশ মেনে চলার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

জুন ১৯, ২০২৬
রাজ্য

বর্ষা ঢুকতেই বিপদ! মঙ্গলবার পর্যন্ত অতি ভারী বৃষ্টির সতর্কতা, কোন কোন জেলা ঝুঁকিতে?

উত্তরবঙ্গে প্রবেশ করেছে বর্ষা। এর মধ্যেই আগামী মঙ্গলবার পর্যন্ত উত্তরবঙ্গের একাধিক জেলায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর। পাশাপাশি দক্ষিণবঙ্গের বেশ কয়েকটি জেলাতেও ঝড়-বৃষ্টি এবং কালবৈশাখীর সতর্কতা জারি করা হয়েছে।আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, বর্তমানে বিহারের উপর একটি ঘূর্ণাবর্ত অবস্থান করছে। একই সঙ্গে উত্তরবঙ্গের কয়েকটি জেলায় দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু প্রবেশ করেছে। ফলে বাংলার বাকি অংশেও বর্ষা প্রবেশের অনুকূল পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। আবহাওয়াবিদদের মতে, আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই দক্ষিণবঙ্গ, বিহার, ঝাড়খণ্ড এবং ওড়িশার বিস্তীর্ণ এলাকাতেও বর্ষা সক্রিয় হয়ে উঠতে পারে।আজ জলপাইগুড়ি এবং আলিপুরদুয়ার জেলায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। এছাড়াও দার্জিলিং, কালিম্পং, কোচবিহার, উত্তর দিনাজপুর এবং দক্ষিণ দিনাজপুর জেলাতেও ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। উত্তরবঙ্গের প্রায় সব জেলাতেই বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টি এবং ঘণ্টায় চল্লিশ থেকে পঞ্চাশ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে।আবহাওয়া দপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী মঙ্গলবার পর্যন্ত দার্জিলিং, কালিম্পং, জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার এবং কোচবিহারের বিভিন্ন এলাকায় ভারী বৃষ্টি অব্যাহত থাকতে পারে। পাশাপাশি উত্তরবঙ্গের প্রায় সব জেলাতেই বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।অন্যদিকে দক্ষিণবঙ্গে গরম এবং অস্বস্তিকর আবহাওয়ার মাঝেই ঝড়-বৃষ্টির পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। আগামী সাত দিন বিক্ষিপ্তভাবে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টি হতে পারে। কোথাও কোথাও ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনাও রয়েছে।আজ পূর্ব বর্ধমান এবং বাঁকুড়া জেলায় ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। পাশাপাশি পূর্ব বর্ধমান, পশ্চিম বর্ধমান, পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, পূর্ব মেদিনীপুর, পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম এবং হুগলি জেলায় কালবৈশাখীর সতর্কতা জারি করা হয়েছে। এই জেলাগুলিতে ঘণ্টায় পঞ্চাশ থেকে ষাট কিলোমিটার বেগে ঝড়ো হাওয়া বইতে পারে। বীরভূম, মুর্শিদাবাদ, নদিয়া এবং দুই বর্ধমান জেলায় বৃষ্টির সম্ভাবনা তুলনামূলক বেশি।কলকাতাতেও আজ সারাদিন গরম এবং অস্বস্তিকর আবহাওয়া থাকতে পারে। তবে দুপুরের পর থেকে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ ঝড়-বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। ঘণ্টায় তিরিশ থেকে পঞ্চাশ কিলোমিটার বেগে দমকা হাওয়ার সঙ্গে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দপ্তর।আবহাওয়া বিশেষজ্ঞদের মতে, আগামী এক সপ্তাহ বাংলার আবহাওয়ায় খুব বড় কোনও পরিবর্তন হবে না। ঝড়, বৃষ্টি এবং ভ্যাপসা গরমের এই পরিস্থিতিই আগামী কয়েক দিন বজায় থাকতে পারে।

জুন ১১, ২০২৬
কলকাতা

মহানগরে 'মহাবৃষ্টি' - টানা বৃষ্টিতে অচল কলকাতা, কোমর সমান জলে বিপর্যস্ত জনজীবন

গতকাল রাত থেকে টানা মেঘ ভাঙা বৃষ্টিতে কার্যত স্তব্ধ হয়ে পড়েছে কলকাতা শহর। রাতের অঝোর বর্ষণ সকাল পর্যন্ত অব্যাহত থাকায় শহরের একাধিক রাস্তায় জল জমে যায়। অফিস যাতায়াতের সময়ে তীব্র ভোগান্তির মুখে পড়েন সাধারণ মানুষ।সবচেয়ে বেশি জল জমেছে পার্ক সার্কাস, টালিগঞ্জ, কাঁকুড়গাছি, বাদামতলা, রাজাবাজার এবং বেলেঘাটা এলাকায়। উত্তর কলকাতার হাতিবাগান, শ্যামবাজার এবং দক্ষিণ কলকাতার গড়িয়া, যাদবপুরেও সকাল থেকে কোমর সমান জলে হাঁটতে হচ্ছে বাসিন্দাদের।মেট্রো, বাস ও ট্যাক্সি পরিষেবা ভোগান্তির মুখে পড়ে। বহু জায়গায় গাড়ি বিকল হয়ে মাঝরাস্তায় দাঁড়িয়ে যায়। এসএসকেএম, এনআরএস-সহ বিভিন্ন হাসপাতালের বাইরেও জল জমে রোগী ও চিকিৎসকদের যাতায়াত ব্যাহত হয়।আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস, আগামী ২৪ ঘণ্টাতেও ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। মৌসুমি অক্ষরেখা দক্ষিণবঙ্গের উপর সক্রিয় থাকায় নিম্নচাপের প্রভাবে এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।কলকাতা পুরসভা জরুরি কন্ট্রোল রুম খোলার পাশাপাশি পাম্পিং স্টেশনের মাধ্যমে দ্রুত জল নামানোর চেষ্টা চালাচ্ছে। ইতিমধ্যেই বিপর্যয় মোকাবিলা দলকে সতর্ক রাখা হয়েছে।বৃষ্টির দাপটে নাজেহাল সাধারণ মানুষ বলছেন, প্রতি বছরই সামান্য বৃষ্টিতেই একই ছবি। নর্দমা ও ড্রেনেজ সংস্কার না হলে পরিস্থিতির বদল হবে না।শহরের মানুষের মনে একটাই প্রশ্ন কলকাতার বৃষ্টি মানেই কি জলযন্ত্রণা?

সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২৫
রাজ্য

ঝাড়খন্ডে বৃষ্টি বাড়লেই আশঙ্কা, ভারী বৃষ্টির সতর্কতা

নাগারে বৃষ্টি চলছে রাজ্য জুড়ে। গত কয়েকদিন ধরেই টানা বৃষ্টি হচ্ছে জেলায়-জেলায়। জলমগ্ন জেলাগুলি। কলকাতা বিমানবন্দরে ঢোকার রাস্তা কোমর অবধি জল দেখা গিয়েছে। এদিকে গভীর নিম্নচাপ তৈরি হয়েছে, তারই জেরে এই টানা দুর্যোগ। তবে এখনই এই দুর্যোগ থেকে নিস্তারের সম্ভাবনা নেই। অন্তত এমনই মনে করছে আবহাওয়া দফতর। আগামী কয়েকদিনে ভারী বৃষ্টির সতর্কতা জারি করেছে।জেলায় জেলায় দফায় দফায় মাঝারি কোথাও ভারী অতিভারী বৃষ্টির জেরে জলমগ্ন দশা তৈরি হয়েছে। ইতিমধ্যেই বেশ কিছু জেলায় নিচু এলাকা জলের তলায় চলে গিয়েছে। রাজ্যে প্রায় সব জেলাতেই এই বৃষ্টি চলছে। প্রবল বৃষ্টির জেরে জল ছাড়তে শুরু করেছে জলাধারগুলিও। জল ছাড়ছে DVC। তারই জেরে জলাধার লাগোয়া জেলাগুলিতে বানভাসি হওয়ার আশঙ্কা বাড়ছে। ডিভিসির জল নিয়ে প্রতিবছর মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অসন্তোষ প্রকাশ করেন।এদিকে, পশ্চিমবঙ্গের পাশাপাশি একদিকে ঝাড়খণ্ড এবং অন্যদিকে সিকিম এবং ভুটানেও বৃষ্টি চলছে। ঝাড়খণ্ডের বৃষ্টির জেরেও এরাজ্যের পরিস্থিতি আরও বিপজ্জনক হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। বানভাসি হতে পারে একাধিক জেলা। অন্যদিকে সিকিম, ভুটানের টানা বৃষ্টির জেরে উত্তরবঙ্গের পরিস্থিতিও উদ্বেগজনক। চলতি বর্ষায় এই প্রথম এমন পরিস্থিতির মুখে পড়েছে বিশেষ করে দক্ষিণবঙ্গ। গত কয়েক দিনের টানা বৃষ্টিতে ইতিমধ্যেই শহর কলকাতার দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় নিচু এলাকাগুলিতে জল জমেছে। কোথাও কোথাও পাম্প বসিয়ে জল বের করতে দেখা যাচ্ছে পুরসভাগুলিকে। জল সরাতে নেতাজি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরেও পাম্প ব্যবহার করতে হয়েছে। আবহাওয়া দফতরের যা পূর্বাভাস তাতে করে শীঘ্রই এই দুর্যোগ থেকে মুক্তির সম্ভাবনা নেই।তবে বৃষ্টি এভাবে চলতেই থাকলে বড়সড় বিপদের আশঙ্কা বাড়ছে। একটানা এই দুর্যোগের শেষ কবে? সেব্যাপারে এখনও পর্যন্ত যুৎসই কোনও উত্তর দেয়নি হাওয়া অফিস। আপাতত এই সপ্তাহের পুরো সময়টাতেই রাজ্যজুড়ে বৃষ্টির এই দাপট জারি থাকবে। তবে ঝাড়খন্ডে বৃষ্টি বাড়লেই দক্ষিণবঙ্গে আশঙ্কা বাড়বে।

আগস্ট ০৩, ২০২৪
রাজ্য

বিদায়ী বর্ষার ব্যপক বর্ষনে সংকটে শস্যগোলা। চরম ক্ষতির শঙ্কায় চাষীরা

গত তিনদিন ধরে দফায় দফায় বৃষ্টিপাতের জেরে পূর্ব বর্ধমানের আউশগ্রামের কয়েকটি এলাকায় ধানজমি জলমগ্ন হয়েছে। ফলে কৃষকরা ক্ষতির আশঙ্কা করছেন। জমিতে ধানগাছে থোর আসতে শুরু করেছে সেসব ধানগাছ জলমগ্ন হয়ে থাকলে গাছ পচে যাওয়ার আশঙ্কা করছেন এলাকার কৃষকরা। আউশগ্রামের সোমাইপুর ও আউশগ্রামের মাঝামাঝি এলাকায় বেশকিছু ধানজমি জলমগ্ন হয়ে রয়েছে। ওই এলাকায় পাঁচটি বড় নালা এক জয়গায় এসে মিশেছে। স্থানীয় এলাকায় পঞ্চগঙ্গা নামে পরিচিত ওই নিচু জলাভূমি এলাকা।গত তিনদিন দফায় দফায় বৃষ্টিপাতে পঞ্চগঙ্গা সহ তার আশপাশের এলাকা প্লাবিত হয়। জলে ডুবে যায় প্রচুর ধানজমি। এছাড়া আউশগ্রামের কুনুর নদীর সংলগ্ন সিলুট, বসন্তপুর এলাকায় বেশকিছু ধানজমি জলমগ্ন হয়ে পড়েছে বলে স্থানীয় কৃষকরা জানান। বৃষ্টির জেরে কুনুর নদীর জলও বেড়েছে। নদী ছাপিয়ে এলাকা প্লাবিত। ওই এলাকার কৃষকরাও ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা করছেন।এই বিষয়ে পূর্ব বর্ধমান জেলার উপ কৃষি অধিকর্তা আশিষ কুমার বারুই বলেন, এখনও পর্যন্ত যা বৃষ্টি হয়েছে তাতে ধানের ক্ষতির আশঙ্কা নেই। বরঞ্চ সেচের জলের অভাবটা অনেকটাই মিটবে। কৃষকদের সুবিধা হবে বলে তিনি জানান।

অক্টোবর ১৪, ২০২২
রাজ্য

প্রবল বৃষ্টিতে জলমগ্ন দক্ষিণ ২৪ পরগনার বিস্তীর্ণ অঞ্চল

বঙ্গোপসাগরে ঘনীভূত হওয়া নিম্নচাপের প্রভাবে প্রবল বর্ষন জেলা জুড়ে। জলমগ্ন গোটা দক্ষিণ ২৪ পরগনা। আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর সূত্রের খবর সোমবার থেকে টানা বৃষ্টির ফলে জল থৈথৈ করছে সারা জেলা। কোথাও হাঁটুর পর্যন্ত তো কোথাও বা কোমর পর্যন্ত জল দাঁড়িয়ে গেছে বিভিন্ন জায়গায়। দক্ষিণ ২৪ পরগনা কাকদ্বীপ, নামখানা, গঙ্গাসাগর ,ডায়মন্ড হারবার, কুলতলী ,গোসভা ,বাসন্তী গঙ্গাসাগর, নদীগুলি জল জলোচ্ছ্বাসে বাড়ছে। ভয়ে শিউরে উঠছে সুন্দরবনের স্থায়ী বাসিন্দারা। মঙ্গলবার সকাল থেকে শুরু হয়েছে বজ্রপাত, ঝড়ো হাওয়ার সাথে তুমুল বৃষ্টিপাত।

সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২২
রাজ্য

একটানা বৃষ্টিতে নাকাল চাঁচল, বাড়ির ভিতরে জল

নেই নিকাশি ব্যাবস্থা। রাতের টানা বৃষ্টিতেই জল থই থই মালদার চাঁচলের একাধিক এলাকা। ভারী বৃষ্টিতে চাঁচলের অধিকাংশ বাড়িতে ঢুকলো জল। হাটু সমান জলে দাঁড়িয়ে বিক্ষোভ দেখালেন বাসিন্দারা। রাস্তার নোঙরা জল বাড়িতে ঢুকতেই অস্থায়ী ভাবে ঘর ছাড়লেন অনেকেই। টানা কয়েকঘন্টা জলমগ্ন থাকলে পঞ্চায়েতের তরফে নিস্কাশন না হওয়ায় সরব হয়ে বিক্ষোভ দেখালেন বাসিন্দারা। জল যন্ত্রণা নিয়ে শুরু তৃণমূল বিজেপি চাপানোতোর।গভীররাতে ভারী বৃষ্টিপাতের জেরে জল থই থই করছে চাঁচল সদরের বিভিন্ন ওলি গলিতে। কোথাও হাটু সমান জল আবার কোথাও আবার রাস্তা উপচে জল ঢুকেছে শোবার ঘরে। মঙ্গলবার সাত সকালে জল যন্ত্রণার ছবি ফুটে উঠেছে চাঁচলে। চাঁচল সদরের ট্যান্ডেল পাড়া, হাসপাতালপাড়া, থানা পাড়া সহ বিভিন্ন এলাকায় জল থই থই করছে।থানা পাড়ার একাধিক বাড়িতে জল ঢুকে একাকার। পঞ্চায়েত প্রশাসনের তরফে জল নিস্কাশন না হওয়ায় বিক্ষোভ দেখান বাসিন্দারা। থানাপাড়ার বাসিন্দা সৌরভ দাসের অভিযোগ, ভোটের সময় প্রতিশ্রুতি দিয়ে ভোট নেন নেতারা। কিন্তু ভোটপর্ব মিটতেই এলাকায় আর দেখা যায়না।কয়েকদশক ধরে থানা পাড়ার শতাধিক বাসিন্দা জলযন্ত্রনায় ভুগছি।বর্ষাকাল হোক বা বর্ষা শেষে। সামান্য বৃষ্টি হলেই জলমগ্ন হয়ে পড়ে এলাকা। একাধিকবার ড্রেন নির্মাণের দাবি জানালেও কোন ভ্রুক্ষেপ নেই। স্থানীয় পঞ্চায়েত সদস্যেরও দেখা নেই। সকাল থেকে জল নিস্কাশনের ব্যবস্থা নেননি কেউ।চাঁচল গ্রাম পঞ্চায়েতে প্রধান আজমেরী খাতুনের স্বামী মোক্তার হোসেন জানিয়েছেন,১০০ দিনের প্রকল্পে ড্রেন নির্মাণের টেন্ডার ধরা হয়েছে। তবে কেন্দ্রীয় সরকার সেই প্রকল্প বন্ধ রাখায় কাজ থমকে রয়েছে।তবে বৃষ্টির জল নিস্কাশনের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। জল যন্ত্রণা নিয়ে তৃণমূল পরিচালিত গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধানকে কটাক্ষ করেছেন বিজেপি। চাঁচলের বিজেপি নেতা প্রসেনজিৎ শর্মা বলেন, পঞ্চায়েত ও প্রশাসনের উদাসীনতার কারণেই মানুষ জল যন্ত্রণার শিকার হচ্ছে।

আগস্ট ৩০, ২০২২
রাজ্য

ভোর থেকে ভারী বৃষ্টি জল বন্দি জলপাইগুড়ি

মাঝরাত থেকে প্রবল বর্ষণে জলবন্দী জল্পাইগুরি শহর ও সংলগ্ন এলাকা। আবহাওয়া দপ্তরের পুর্বাভাষ ছিল। সোমবার ভোর থেকে শুরু হওয়া অবিরাম বৃষ্টিতে ভাসলো জলপাইগুড়ি শহরের বিভিন্ন এলাকা,কোথাও হাঁটু জল। কোথাও কোমর অবধি জল। সপ্তাহের প্রথম দিনের ভোরে জলে থৈ থৈ জলপাইগুড়ি শহরের পথঘাট, সমস্যায় পরতে হচ্ছে কাজে কর্মে যাওয়া সাধারণ মানুষের।স্কুল ছাত্র ছেতে অফিস যাত্রী সবাই গৃহ বন্দী। রাস্তার পাশের পানীয় জলের কল গুলি ও জলের তলায়। এলাকা বাসিদের আশঙ্কা জল তাড়াতাড়ি না নাম্লে পানীয় জলের সঙ্কট দেখা দিতে পারে। সাথে সাথে জল বাহিত রোগ ছড়ানোর আশঙ্কা করছেন এলাকার মানুষজন।

আগস্ট ২৯, ২০২২
রাজ্য

ঘূর্ণিঝড়ের অশনি সংকেত, রাজ্যে প্রবল বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা

মে যেন ঘূর্ণিঝড়ের মাসে পরিণত। এর আগেও মে-তেই নানান ঝড় এসেছে বঙ্গে। বা ঝড়ের প্রভাবে লাগাতার বৃষ্টি হয়েছে। ফের ঘূর্ণিঝড়ের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। আলিপুর হাওয়া অফিস সূত্রে খবর, গতকাল দক্ষিণ আন্দামান সাগরের ঘূর্ণাবর্ত আজ, শনিবার গভীর নিম্নচাপে পরিণত হতে পারে। তবে এই নিম্নচাপ রবিবারের মধ্যে ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।হাওয়া অফিস জানিয়েছে, আগামী মঙ্গলবার এই ঘূর্ণিঝড় পাশের ওড়িশা ও অন্ধ্রপ্রদেশের উপকূলের কাছে অবস্থান করবে। আবহাওয়ায় এই পরিবর্তনের দরুন বঙ্গে আগামী মঙ্গলবার থেকে শুক্রবার পর্যন্ত বজ্রবিদ্যুত্-সহ ভারী বৃষ্টি হতে পারে। ইতিমধ্যে উপকূলবর্তী এলাকায় ঘোষণা করা হয়েছে, মত্স্যজীবীরা যেন ওই সময় সমুদ্রে যাওয়ার ব্যাপারে সতর্ক থাকেন। এদিন সন্ধ্যাতে ঘূর্ণাবর্ত গভীর নিম্নচাপে পরিবর্তন হবে বলে আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে।

মে ০৭, ২০২২
বিদেশ

সিডিনির সমুদ্র সৈকতে ভেসে উঠল বিরল প্রজাতির রঙ্গীন সি-ড্রাগন

অস্ট্রেলিয়ার সমুদ্র সৈকতে ভেসে আসল অতিকায় প্রাণবন্ত রঙ্গীন বিরল প্রানী। বেশ কয়েকদিন ধরেই টানা বৃষ্টি হচ্ছে অস্ট্রেলিয়ায়। সেই বৃষ্টির জলে সমুদ্রপৃষ্টের জলস্তর অনেকটা স্ফীত হয়ে উঠেছে, তারই সাথে গত কয়েকদিনে অস্ট্রেলিয়ার সমুদ্র সৈকতে বেশ কিছু অদ্ভুত এবং প্রাণবন্ত প্রাণী ভেসে আসছে। তীরে ভেসে আসা সর্বশেষ সামুদ্রিক প্রাণীটি বিশেষজ্ঞদের বিস্মিত করেছে। নিউ সাউথ ওয়েলসের সমুদ্র সৈকত জুড়ে মৃত মাছ - সিড্রাগন - এর ছবি ফুটে উঠেছে। এখনও অবধি, সিড্রাগনগুলি ক্রনুল্লা, মালাবার এবং সেন্ট্রাল কোস্ট অঞ্চলে দেখা গেছে। কিন্তু এই আটকে পড়া সামুদ্রিক ড্রাগনগুলিকে স্বাভাবিকের চেয়ে কমপক্ষে ১০ গুণ বড় দেখা গেছে, যা প্রানী বিজ্ঞানীদের রিতীমত অবাক ও আতঙ্কিত করে তুলছে।এই প্রানীগুলি নিয়ে রীতিমত গবেষণা শুরু করে দিয়েছেন প্রানী বিজ্ঞানীরা। ইউনিভার্সিটি অফ টেকনোলজি সিডনির সামুদ্রিক বাস্তুবিদ্যার অধ্যাপক, ডঃ ডেভিড বুথ সিডনি সংবাদ মাধ্যমকে বলেছেন যে, রং-বেরংয়ের সি-ড্রাগনগুলি এভাবে সমুদ্র পৃষ্টে এসে পরার কারন হতে পারে টানা দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়া, অতি মাত্রায় দুষন সমুদ্রের জলে এসে পড়ায় তাঁরা পাড়ে এসে উঠেছে। তিনি জানিয়েছেন মাত্র দু-সপ্তাহের মধ্যে সিডনির সৈকত জুড়ে ২০ টিরও বেশি সামুদ্রিক ড্রাগন দেখা গিয়েছে।এই সিড্রাগনগুলি প্রায়শই অস্ট্রেলিয়ান জলে দেখতে পাওয়া যায় এবং তাদের এতটা পথ পাড়ি দিয়ে পথভ্রষ্ট হওয়াটা কিছুটা অস্বাভাবিক। বুথ ব্যাখ্যা করেছেন যে এই ছোট সিড্রাগনগুলি আগাছাযুক্ত এবং তারা তাদের পুরো জীবনকালে তাদের এলাকা থেকে ২০ থেকে ৫০ মিটারের বেশি দূরে সরে যায় না। শক্তিশালী স্রোতের সময়, তারা সমুদ্রের ভিত্রে গুল্ম আঁকড়ে ধরে থাকে যাতে পথ ভ্রষ্ট না হয়।বিচগোয়ার বেটি র্যাটক্লিফ সামাজিক মাধ্যমে শেয়ার করেছেন যে তিনি এক সপ্তাহের মধ্যে ৭টি সিড্রাগনের উপর হোঁচট খেয়েছেন। কমলা, হলুদ এবং বেগুনি রঙের রাঙ্গানো প্রাণীগুলি খুবই প্রাণবন্ত ছিল, তিনি বলেন, আগামী কয়েকদিন ধরে তিনি আরও বেশি খুঁজতে থাকবেন যাতে আরও বেশী সামুদ্রিক প্রানী পেতে পারেন।আবাসস্থল হারানোর জন্য সংবেদনশীল এবং পরিবেশগত কারণগুলিকে তীরে চলে আসা সিড্রাগনের প্রধান কারণ হিসাবে বিবেচনা করছেন পরিবেশবিদরা।

এপ্রিল ২০, ২০২২
রাজ্য

Suicide: ফসলের ক্ষতি, আরও এক চাষি আত্মঘাতী শস্যগোলায়, শুরু রাজনৈতিক তর্জা

জাওয়াদের প্রভাবে হওয়া অসময়ের বৃষ্টিতে ধান ও আলু চাষে ক্ষতি হয়ে যাওয়ার হতাশায় ফের পূর্ব বর্ধমানে আত্মঘাতী হলেন চাষি। সোমবার সকালে বাড়ি থেকে উদ্ধার হল জেলার মেমারি ২ ব্লকের সাতগেছিয়া সংলগ্ন পাহারহাটি গ্রামের বছর ৫৩ বয়সী চাষি ভাস্কর মণ্ডলের মৃতদেহ। এই নিয়ে বিগত এক মাসের মধ্যে রাজ্যের শস্যগোলার পাঁচ জন চাষি আত্মঘাতী হলেন। যা নিয়ে শুরু হয়ে গিয়েছে শাসক ও বিরোধীদের রাজনৈতিক তর্জা। মৃত চাষি ভাস্কর মণ্ডলের পরিবার ও প্রতিবেশীরা জানিয়েছেন, সম্প্রতি জাওয়াদের প্রভাবে দুদিন ধরে লাগাতার বৃষ্টিপাত হয়। তার করণে ভাস্করবাবুর পাকা ধান জমি ও আলু চাষের জমি জলে ডোবে। মৃতর ভাই অরুপ সরকার বলেন, তাঁর দাদার জমির পাকা ধান গাছ জলে ডুবে গিয়ে পচে নষ্ট হয়ে যায়। এছাড়াও তাঁর দাদা যে বিঘে পাঁচেক জমিতে আলু বীজ বসিয়েছিল তাও জলে ডুবে যাওয়ায় নষ্ট হয়ে যায়। চাষের জন্য মহাজনও ঋণ ছাড়াও অনেকের কাছে ভাস্কর বাবু দেনা করেছিলেন। কয়েক লক্ষ টাকা তাঁর দেনা ছিল। ফসল নষ্ট হয়ে যাওয়ায় ক্ষতির মুখে পড়েন ভাস্করবাবু। দেনা কিভাবে শোধ করবেন তা বুঝে উঠতে না পেরে তিনি মানসিক হতাশা ও দুঃশ্চিন্তায় দিন কাটাচ্ছিলেন। মাঝে মধ্যেই আত্মহত্যা করব বলে বাড়ির লোকজনকে বলতেন। শেষ পর্যন্ত তিনি আত্মহত্যারই পথ বেছে নিলেন। একই কথা বলেছেন মৃতর স্ত্রী রীণাদেবী। এদিনই মেমারি থানার পুলিশ মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ মর্গে পাঠায়। যদিও জেলা পরিষদের কৃষি কর্মাধ্যক্ষ মহম্মদ ইসমাইল দাবি করেছেন, চাষের কারণে ভাস্কর মণ্ডল আত্মঘাতী হননি। তিনি মানসিক রোগী ছিলেন। একই দাবি করেছেন জেলার সহ কৃষি আধিকারিক জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়।কৃষি আধিকারিক এমনটা দাবি করলেও কৃষি দফতর সূত্রে খবর, সম্প্রতি হওয়া অসময়ের বৃষ্টিতে মেমারি ২ ব্লকে চাষের ভালোই ক্ষতি হয়েছিল। ১৭ হাজার হেক্টর আমন ধানের মধ্যে প্রায় ৭ হাজার হেক্টর ধান ক্ষতির মুখে পড়ে। এছাড়াও ৮৬০০ হেক্টরের আলু চাষের মধ্যে ৫২০০ হেক্টর আলু চাষের জমি নষ্ট হয়ে গিয়েছিল। তার মধ্যে মেমারি ২ ব্লকের পাহারহাটি এলাকায় ক্ষতির পরিমান ভালোই ছিল।এদিকে এই চাষির মৃত্যু নিয়ে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক চাপান-উতোর। বিজেপির জেলা সাধারণ সম্পাদক বিশ্বজিৎ পোদ্দার বলেন, সাতগেছিয়া এলাকায় চাষে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। অথচ রাজ্য সরকারকে চাষিরা পাশে পেল না। তৃণমূলের মেমারি ২ ব্লকের সভাপতি তথা জেলা পরিষদের কৃষি কর্মাধ্যক্ষ মহম্মদ ইসমাইল অবশ্য বলেছেন, রাজ্য সরকার চাষিদের পাশে সবসময় রয়েছে।

জানুয়ারি ০৩, ২০২২
রাজ্য

Cyclone JAWAD: গভীর নিম্নচাপ হয়েই বাংলায় প্রবেশ জাওয়াদের

শনিবারই শক্তি হারিয়ে গভীর নিম্নচাপে পরিণত হয়েছিল ঘূর্ণিঝড় জাওয়াদ। রবিবার সকালে তা আরও শক্তিক্ষয় করে সাধারণ নিম্নচাপে পরিণত হয় এবং ঘণ্টায় ১১ কিলোমিটার গতিবেগে ওডিশা উপকূলের দিকে এগিয়েছে। হাওয়া অফিসের সর্বশেষ বুলেটিন অনুযায়ী সোমবার ওডিশা উপকূল থেকে নিম্নচাপটি আরও উত্তরপূর্বে সরেছে। এবং ১০ কিলোমিটার প্রতিঘণ্টা বেগে এগোচ্ছে। আগামী ছঘণ্টায় আরও শক্তি ক্ষয় করে নিম্নচাপ অঞ্চলে পরিণত হবে বাংলার উপকূল।যার জেরে রাত থেকে রাজ্যে শুরু হয়েছে বৃষ্টি। সোমবার সকাল থেকে আকাশের মুখ ভার। টানা বৃষ্টিতে কলকাতার একাধিক অঞ্চলে জল জমার সম্ভাবনা। হাওয়া অফিসের পূর্বাভাস, মঙ্গলবার থেকে পরিস্থিতি কিছুটা পরিবর্তন হতে পারে।হাওয়া অফিসের জানিয়েছে, হাওড়া, কলকাতা, হুগলি, বীরভূম, বাঁকুড়া, নদিয়া, মুর্শিদাবাদ, পূর্ব বর্ধমান, পশ্চিম বর্ধমানে ভারী বৃষ্টিপাত হতে পারে। দুই ২৪ পরগনা, দুই মেদিনীপুর ও ঝাড়গ্রামে অতিভারী বৃষ্টি হতে পারে। বাংলাদেশ লাগোয়া উত্তর ২৪ পরগনা, নদিয়া ও মুর্শিদাবাদ জেলায় ভারী বৃষ্টি হতে পারে।হাওয়া অফিস সূত্রে খবর, রাজ্যের উপকূলে আগামী ২৪ ঘণ্টায় ৪০ থেকে ৫০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইবে। ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে। দুই ২৪ পরগনা এবং দুই মেদিনীপুরে ঘণ্টায় ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে। সোমবার বিকেল থেকে ধীরে ধীরে হাওয়ার গতি কমবে। মঙ্গলবারের পর বৃষ্টি কমতে পারে বলেই জানিয়েছে তারা।

ডিসেম্বর ০৬, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

চলন্ত ব্ল্যাক ডায়মন্ড এক্সপ্রেসে ধোঁয়া-আগুন, বর্ধমানে ২০ মিনিট থমকাল ট্রেন; অল্পের জন্য বড় দুর্ঘটনা এড়াল রেল

ইঞ্জিনের পরের কামরার নীচে ব্রেক বাইন্ডিং থেকে আগুন, খানা-তালিতের মাঝে দাঁড় করিয়ে দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আনলেন রেলকর্মীরা; নিরাপদে রওনা দিল হাওড়ার উদ্দেশেধানবাদ থেকে হাওড়াগামী ব্ল্যাক ডায়মন্ড এক্সপ্রেসে চলন্ত অবস্থায় আচমকাই ধোঁয়া ও আগুন দেখা দেওয়ায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ল যাত্রীদের মধ্যে। পূর্ব বর্ধমানের খানা জংশন ও তালিত স্টেশনের মাঝামাঝি এলাকায় বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ঘটে এই ঘটনা। দ্রুত ট্রেন থামিয়ে রেলকর্মীদের তৎপরতায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়। প্রায় ২০ মিনিট বন্ধ থাকার পর প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে ট্রেনটি আবার হাওড়ার উদ্দেশে রওনা দেয়। এই ঘটনায় কোনও যাত্রী আহত হননি বলে রেল সূত্রে জানা গিয়েছে।রেল সূত্রে খবর, বৃহস্পতিবার বিকেলে ঝাড়খণ্ডের ধানবাদ থেকে নির্ধারিত সময়েই ২২৩৮৭ ডাউন ব্ল্যাক ডায়মন্ড এক্সপ্রেস হাওড়ার উদ্দেশে যাত্রা শুরু করে। যাত্রীদের একাংশের দাবি, পানাগড় পার হওয়ার পর থেকেই ট্রেনে যান্ত্রিক সমস্যার কিছু লক্ষণ দেখা যাচ্ছিল। তবে পরিস্থিতি যে এতটা গুরুতর হতে পারে, তা কেউ বুঝতে পারেননি।ট্রেনটি পূর্ব বর্ধমানের দিকে এগোতে থাকলে ইঞ্জিনের ঠিক পরের কামরার নীচ থেকে প্রথমে ধোঁয়া বের হতে দেখা যায়। মুহূর্তের মধ্যেই সেই ধোঁয়ার সঙ্গে আগুনের শিখাও দেখা যায়। বিষয়টি নজরে আসতেই ট্রেনের কর্মীরা দ্রুত পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার উদ্যোগ নেন এবং রাত প্রায় ৭টা ৪৫ মিনিট নাগাদ খানা জংশন ও তালিত স্টেশনের মাঝামাঝি এলাকায় ট্রেনটি জরুরি ভিত্তিতে থামিয়ে দেওয়া হয়।খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে যান রেলের প্রযুক্তিগত কর্মী ও আধিকারিকরা। অগ্নিনির্বাপণ যন্ত্র ব্যবহার করে আগুন সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। এরপর সংশ্লিষ্ট কামরার ব্রেক ব্যবস্থা এবং অন্যান্য যান্ত্রিক অংশ খতিয়ে দেখা হয়। সমস্ত দিক পরীক্ষা করে ট্রেনটিকে নিরাপদ ঘোষণা করার পর রাত প্রায় ৮টা ২০ মিনিট নাগাদ পুনরায় হাওড়ার উদ্দেশে যাত্রা শুরু করে ব্ল্যাক ডায়মন্ড এক্সপ্রেস।পূর্ব রেলের মুখ্য জনসংযোগ আধিকারিক শিবরাম মাঝি জানিয়েছেন, ইঞ্জিনের পরের কামরায় ব্রেক বাইন্ডিং-এর কারণে অতিরিক্ত ঘর্ষণ সৃষ্টি হয়েছিল। সেই ঘর্ষণ থেকেই ধোঁয়া ও আগুনের সৃষ্টি হয়। তিনি জানান, রেলকর্মীরা দ্রুত সমস্যার সমাধান করায় বড় ধরনের দুর্ঘটনা এড়ানো সম্ভব হয়েছে।ঘটনার সময় ওই কামরায় বহু যাত্রী উপস্থিত ছিলেন। ট্রেন থামার সঙ্গে সঙ্গেই আতঙ্কিত যাত্রীরা দ্রুত নেমে নিরাপদ দূরত্বে চলে যান। মুহূর্তের মধ্যে অন্যান্য কামরাতেও খবর ছড়িয়ে পড়ে এবং অনেকেই উদ্বেগে বাইরে নেমে আসেন। যদিও রেলকর্মীদের তৎপরতায় পরিস্থিতি দ্রুত স্বাভাবিক হয়ে যায়।ধানবাদ থেকে ট্রেনে ওঠা এক যাত্রী জানান, আসানসোলের কিছু আগে থেকেই ট্রেনে একটা অস্বাভাবিক শব্দ হচ্ছিল। পরে তালিতের কাছে এসে দেখি কামরার নীচ থেকে ধোঁয়া বের হচ্ছে, তারপর আগুনও দেখা যায়। তখন স্বাভাবিকভাবেই সবাই আতঙ্কিত হয়ে পড়েছিল।এইদিনের ব্ল্যাক ডাইমন্ডের যাত্রীরা জানান, হঠাৎ ধোঁয়া বের হতে দেখে আমরা খুব ভয় পেয়ে যাই। ট্রেন দাঁড়াতেই নেমে পড়ি। পরে রেলকর্মীরা দ্রুত পরিস্থিতি সামাল দেওয়ায় স্বস্তি ফিরে আসে।এই ঘটনার জেরে ধানবাদ-হাওড়া রেলপথে কিছু সময়ের জন্য ট্রেন চলাচল ব্যাহত হলেও পরে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়। রেলের তৎপরতায় কোনও প্রাণহানি বা বড়সড় দুর্ঘটনা না ঘটায় স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলেছেন যাত্রীদের পাশাপাশি রেল কর্তৃপক্ষও। তবে চলন্ত ট্রেনে এমন যান্ত্রিক ত্রুটি সামনে আসায় রেলের নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও রক্ষণাবেক্ষণ নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

জুলাই ১৬, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

'বোতলবন্দী' পেনেল্টি রহস্য! পিকফোর্ডের ‘গোপন অস্ত্র’ মেসিদের হাতে! ইংল্যান্ড গোলকিপারের জলের বোতলে মিলল আর্জেন্টিনার সব পেনাল্টি শুটারের নোট

ছোটবেলায় পারস্যের রহস্য-রোমাঞ্চের গল্পে পড়া যেত রাজা-রানির প্রাণভোমরা নাকি বন্দি থাকত একটি বোতলে। সেই বোতল এমন গোপন স্থানে লুকিয়ে রাখা হতো, যাতে শত্রুরা কোনওভাবেই তার নাগাল না পায়। শতাব্দী পেরিয়ে ২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপে যেন সেই বোতলবন্দি রহস্য-রই আধুনিক সংস্করণ দেখা গেল। তবে এখানে প্রাণভোমরা নয়, বোতলের গায়ে বন্দি ছিল ইংল্যান্ডের গোলরক্ষক জর্ডান পিকফোর্ডের সবচেয়ে গোপন অস্ত্র আর্জেন্টিনার সম্ভাব্য প্রতিটি পেনাল্টি শুটারের বিরুদ্ধে তৈরি করা বিস্তারিত পরিকল্পনা।বিশ্বকাপ সেমিফাইনালে সম্ভাব্য টাইব্রেকারের কথা মাথায় রেখে নিজের জলের বোতলেই একটি চিট শিট সাঁটিয়ে রেখেছিলেন পিকফোর্ড। সেখানে লেখা ছিল আর্জেন্টিনার প্রতিটি সম্ভাব্য পেনাল্টি শুটারের অভ্যাস, কে কোন দিকে শট নিতে পারেন এবং কোন কৌশলে ঝাঁপ দিলে বল আটকানোর সম্ভাবনা বেশি।কিন্তু ভাগ্যের পরিহাস, ম্যাচ গড়ায়ইনি টাইব্রেকারে। নির্ধারিত সময়েই আর্জেন্টিনা ২-১ গোলে ইংল্যান্ডকে হারিয়ে টানা দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের ফাইনালে পৌঁছে যায়। আর ম্যাচ শেষে সেই গোপন অস্ত্রই চলে আসে লিওনেল মেসি ও তাঁর সতীর্থদের হাতে।ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা যায়, পিকফোর্ডের জলের বোতল হাতে নিয়ে মেসি ও একাধিক আর্জেন্টাইন ফুটবলার কৌতূহল নিয়ে সেটি পরীক্ষা করছেন। বোতলের গায়ে ইংরেজিতে লেখা ছিল বিভিন্ন ফুটবলারের পেনাল্টি নেওয়ার প্রবণতা এবং কোন দিকে ঝাঁপ দিলে বল আটকানোর সম্ভাবনা বেশি।ভাইরাল ছবিটিতে দেখা যায়, মেসির নামের পাশে লেখা Fake left, dive right, অর্থাৎ প্রথমে বাঁ দিকে যাওয়ার ভান করে পরে ডান দিকে ঝাঁপ দেওয়ার পরামর্শ। এনজো ফার্নান্দেজের ক্ষেত্রে লেখা ছিল Stand central, আর থিয়াগো আলমাদার জন্য উল্লেখ ছিল Feel on the day, অর্থাৎ ম্যাচের পরিস্থিতি বুঝে সিদ্ধান্ত নেওয়ার নির্দেশ।যদিও এই পরিকল্পনা মাঠে বাস্তবায়নের সুযোগই পাননি পিকফোর্ড, তবু ম্যাচ শেষে তাঁর সেই বোতলবন্দি কৌশল সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়ে যায়। আধুনিক ফুটবলে প্রতিপক্ষের প্রতিটি খেলোয়াড়ের অভ্যাস বিশ্লেষণ করে এমন তথ্যভান্ডার তৈরি করা এখন বড় দলগুলির নিয়মিত প্রস্তুতির অংশ। কিন্তু সেই গোপন নথি প্রতিপক্ষের হাতেই চলে যাওয়া নিঃসন্দেহে বিশ্বকাপের অন্যতম আলোচিত মুহূর্ত।এই প্রসঙ্গে বাংলা সাহিত্যের রসিক সম্রাট দাদাঠাকুর শরৎচন্দ্র পণ্ডিতর বিখ্যাত বোতল পুরাণ-এর কথা মনে পড়তেই পারে। সেখানে বোতলকে ঘিরে ছিল ব্যঙ্গ, হাস্যরস আর সমাজের নানা চরিত্রের কৌতুকপূর্ণ উপস্থাপনা। আর কাতারের পর ২০২৬ বিশ্বকাপেও যেন আর এক বোতল পুরাণ-এর জন্ম দিলেন জর্ডান পিকফোর্ড। পার্থক্য শুধু একটাই দাদাঠাকুরের বোতলে ছিল রসিকতার নেশা, আর পিকফোর্ডের বোতলে বন্দি ছিল ডেটা অ্যানালিটিক্স, কৌশল আর প্রতিপক্ষকে হারানোর স্বপ্ন!শেষ পর্যন্ত সেই বোতল পুরাণ-এর পরিণতিও কম মজার নয়। যে বোতল লুকিয়ে রাখার কথা ছিল ইংল্যান্ডের সবচেয়ে গোপন পরিকল্পনা, সেটিই ম্যাচ শেষে হাতে নিয়ে পড়ছেন লিওনেল মেসি ও তাঁর সতীর্থরা! যেন পারস্যের সেই প্রাণভোমরার বোতল শেষমেশ শত্রুর হাতেই ধরা পড়েছে। পার্থক্য শুধু এটুকুই এখানে রাজ্য হারায়নি ইংল্যান্ড, কিন্তু ফাইনালে ওঠার স্বপ্নটা যে সেই বোতলের সঙ্গেই বোতলবন্দি হয়ে রইল, তা বলাই যায়।এবার বিশ্বকাপের শিরোপার লড়াইয়ে আর্জেন্টিনার সামনে স্পেন। তবে সেমিফাইনালের এই বোতল রহস্য এবং বোতল পুরাণ ফুটবলপ্রেমীদের স্মৃতিতে বহুদিন রয়ে যাবে কারণ বিশ্বকাপে ট্রফির লড়াইয়ের পাশাপাশি, কখনও কখনও একটি সাধারণ জলের বোতলও হয়ে উঠতে পারে সবচেয়ে বড় গল্প।

জুলাই ১৬, ২০২৬
রাজনীতি

২১ জুলাইয়ের আগে তৃণমূলে বড় ধাক্কা! কোয়েল মল্লিকের রাজ্যসভা ছাড়া, মণীশ গুপ্তর সরে দাঁড়ানো ঘিরে জোর রাজনৈতিক জল্পনা

২১ জুলাইয়ের শহিদ দিবসের আগে তৃণমূল কংগ্রেসকে ঘিরে একের পর এক রাজনৈতিক জল্পনা তৈরি হচ্ছে। মদন মিত্রকে নিয়ে বিতর্কের আবহ এখনও পুরোপুরি কাটেনি, তার মধ্যেই রাজ্যসভার সদস্য পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন অভিনেত্রী তথা তৃণমূলের সাংসদ কোয়েল মল্লিক। একই সঙ্গে দলের গুরুত্বপূর্ণ পদ থেকেও সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন মণীশ গুপ্ত। ফলে শাসক শিবিরে নতুন করে শুরু হয়েছে নানা আলোচনা।রাজ্যসভা থেকে পদত্যাগের পর কোয়েল মল্লিকের বিজেপির সর্বভারতীয় নেতা ভূপেন্দ্র যাদবের সঙ্গে সাক্ষাৎ রাজনৈতিক মহলে আরও কৌতূহল বাড়িয়ে দিয়েছে। এই সাক্ষাতের পর থেকেই প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে, তবে কি তিনি রাজনৈতিকভাবে নতুন কোনও সিদ্ধান্তের পথে হাঁটছেন? যদিও এখনও পর্যন্ত কোয়েল মল্লিক বা বিজেপির পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে এ বিষয়ে কোনও মন্তব্য করা হয়নি। তাই তিনি আদৌ বিজেপিতে যোগ দিচ্ছেন কি না, তা নিয়ে নিশ্চিতভাবে কিছু বলা যাচ্ছে না। তবে ঘটনাপ্রবাহকে ঘিরে জল্পনা তুঙ্গে।অন্যদিকে, প্রাক্তন আমলা ও তৃণমূলের প্রবীণ নেতা মণীশ গুপ্তও দলের একটি গুরুত্বপূর্ণ সাংগঠনিক পদ ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। যদিও তিনি এখনও তৃণমূল ছাড়ার কথা ঘোষণা করেননি, তবুও তাঁর এই পদক্ষেপকে রাজনৈতিকভাবে যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছেন পর্যবেক্ষকদের একাংশ। বিশেষ করে ২১ জুলাইয়ের মতো বড় কর্মসূচির আগে এই ধরনের সিদ্ধান্ত দলের জন্য অস্বস্তিকর বলেই মত রাজনৈতিক মহলের।উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, সম্প্রতি এক সরকারি অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কোয়েল মল্লিকের ভূয়সী প্রশংসা করেছিলেন। তিনি বলেছিলেন, কোয়েল ভবিষ্যতে রাজ্যকে আরও উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার মতো সক্ষমতা রাখেন। মুখ্যমন্ত্রীর এই মন্তব্যের পর এত দ্রুত রাজ্যসভা থেকে কোয়েলের পদত্যাগ রাজনৈতিক মহলে আরও বেশি প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে।রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে নতুন সমীকরণ তৈরির ইঙ্গিত মিলছে। শাসক দলের ভেতরে সাংগঠনিক পরিবর্তন, ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত এবং বিরোধী শিবিরের তৎপরতাসব মিলিয়ে আগামী কয়েক সপ্তাহ রাজ্যের রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।তবে কোয়েল মল্লিকের ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক অবস্থান, মণীশ গুপ্তর পরবর্তী পদক্ষেপ কিংবা তৃণমূলের আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়াএসবের দিকেই এখন নজর রয়েছে রাজনৈতিক মহলের।

জুলাই ১৬, ২০২৬
শিক্ষা

মাত্র ১৪ বছরেই জেইই অ্যাডভান্সডে বাজিমাত! উত্তরপ্রদেশের হিন্দি-মাধ্যমের ছাত্র যুবরাজ সিং সোলাঙ্কির সাফল্যে চমকে দেশ

মেটা ডেসক্রিপশন: উত্তরপ্রদেশের গোরখপুরের ১৪ বছরের হিন্দি-মাধ্যমের ছাত্র যুবরাজ সিং সোলাঙ্কি মাত্র এক বছরের অনলাইন প্রস্তুতিতে JEE Advanced-এ সাফল্য অর্জন করেছে। জেনে নিন তাঁর অনুপ্রেরণামূলক যাত্রার গল্প।ভারতের অন্যতম কঠিন ইঞ্জিনিয়ারিং প্রবেশিকা পরীক্ষা JEE Advanced-এ সাফল্য অর্জন করাই যেখানে অধিকাংশ পরীক্ষার্থীর কাছে কঠিন চ্যালেঞ্জ, সেখানে মাত্র ১৪ বছর বয়সে সেই পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে নজির গড়লেন উত্তরপ্রদেশের এক কিশোর। তাঁর নাম যুবরাজ সিং সোলাঙ্কি। হিন্দি-মাধ্যমে পড়াশোনা করা এই ছাত্র মাত্র এক বছরের অনলাইন প্রস্তুতিতেই জেইই অ্যাডভান্সডে ক্যাটেগরি র্যাঙ্ক ১,৬৪০ অর্জন করে সারা দেশের নজর কেড়েছেন।যুবরাজের এই সাফল্য শুধু একটি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার গল্প নয়, বরং এটি প্রমাণ করে দিয়েছে যে বয়স, ভাষা কিংবা শহর-গ্রামের সীমাবদ্ধতা মেধা ও অধ্যবসায়ের সামনে কখনও বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে না।১৪ বছরেই দ্বাদশ শ্রেণি, তারপর JEE Advancedউত্তরপ্রদেশের গোরখপুর জেলার চৌরি চৌরা এলাকার বাসিন্দা যুবরাজ ছোটবেলা থেকেই অসাধারণ মেধার পরিচয় দিয়েছিলেন। তাঁর শিক্ষকদের নজরে আসে যে তিনি সমবয়সীদের তুলনায় অনেক দ্রুত বিষয়বস্তু আয়ত্ত করতে পারেন। সেই কারণেই প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক অনুমোদনের মাধ্যমে তাঁকে স্কুলজীবনে দুটি শ্রেণি একসঙ্গে উত্তীর্ণ হওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়।ফলে যখন তাঁর সমবয়সী অধিকাংশ ছাত্রছাত্রী অষ্টম বা নবম শ্রেণিতে পড়াশোনা করছিল, তখন যুবরাজ ইতিমধ্যেই দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্র। সেখানে তাঁর সহপাঠীদের অধিকাংশের বয়স ছিল ১৭ থেকে ১৮ বছর।সহপাঠীদের সমর্থনও ছিল বড় শক্তিসংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, বয়সের পার্থক্য থাকা সত্ত্বেও স্কুলে কখনও অস্বস্তির মুখে পড়তে হয়নি যুবরাজকে। বরং শিক্ষক-শিক্ষিকা ও সহপাঠীরা তাঁকে স্বাভাবিকভাবেই গ্রহণ করেন এবং নিয়মিত পড়াশোনার পাশাপাশি JEE Advanced-এর প্রস্তুতিতেও যথেষ্ট সহযোগিতা করেন।এই ইতিবাচক পরিবেশ তাঁর আত্মবিশ্বাস আরও বাড়িয়ে দেয় এবং কঠিন পরীক্ষার প্রস্তুতিতে বড় ভূমিকা পালন করে।হিন্দি-মাধ্যমেই তৈরি ইতিহাসযুবরাজের সাফল্যের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিকগুলির একটি হল, তিনি কোনও নামী কোচিং শহরে না গিয়ে অনলাইন হিন্দি-মাধ্যমের কোচিংয়ের মাধ্যমে JEE Advanced-এর প্রস্তুতি নেন।দীর্ঘদিন ধরে একটি ধারণা প্রচলিত ছিল যে IIT-তে সুযোগ পেতে হলে ইংরেজি-মাধ্যমে পড়াশোনা, বড় শহরে থাকা কিংবা ব্যয়বহুল কোচিং অপরিহার্য। যুবরাজ সেই ধারণাকেই কার্যত ভেঙে দিয়েছেন।বর্তমানে ডিজিটাল শিক্ষার প্রসার এবং মাতৃভাষাভিত্তিক অনলাইন শিক্ষার সুযোগ যে গ্রামাঞ্চলের ছাত্রছাত্রীদের কাছেও নতুন দিগন্ত খুলে দিয়েছে, যুবরাজের সাফল্য তারই উজ্জ্বল উদাহরণ।অনেকের কাছে অনুপ্রেরণাযুবরাজ সিং সোলাঙ্কির এই কৃতিত্ব ইতিমধ্যেই দেশজুড়ে আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে। অনেকেই তাঁর সঙ্গে ভারতের তরুণ ক্রিকেট প্রতিভা বৈভব সূর্যবংশীর তুলনা করছেন। যদিও দুইজনের ক্ষেত্র সম্পূর্ণ আলাদা, তবুও কম বয়সেই অসাধারণ দক্ষতার পরিচয় দিয়ে দুজনেই নতুন প্রজন্মের কাছে অনুপ্রেরণার প্রতীক হয়ে উঠেছেন।শিক্ষাবিদদের মতে কী শেখার আছে?বিশেষজ্ঞদের মতে, যুবরাজের এই সাফল্যকে সব ছাত্রছাত্রীর জন্য মানদণ্ড হিসেবে দেখা উচিত নয়। প্রত্যেক শিশুর শেখার গতি ও দক্ষতা আলাদা। তবে তাঁর গল্প থেকে একটি বিষয় স্পষ্টসঠিক দিকনির্দেশনা, অধ্যবসায়, প্রযুক্তির সঠিক ব্যবহার এবং মানসম্মত শিক্ষার সুযোগ থাকলে যে কোনও শিক্ষার্থী নিজের স্বপ্ন পূরণ করতে পারে।

জুলাই ১৬, ২০২৬
শিক্ষা

বিকাশ ভবনে গেস্ট টিচারদের জোরালো সওয়াল, চাকরির নিরাপত্তা-নির্দিষ্ট মাসিক সম্মানীর দাবিতে উচ্চশিক্ষা মন্ত্রীর উদ্দেশে স্মারকলিপি

রাজ্যের সরকারি ও সরকারি সাহায্যপ্রাপ্ত কলেজগুলিতে কর্মরত হাজার হাজার গেস্ট টিচার, ইনভাইটেড টিচার ও ভিজিটিং ফ্যাকাল্টিদের দীর্ঘদিনের কর্মসংস্থান-সংক্রান্ত অনিশ্চয়তা এবং আর্থিক বৈষম্যের অবসান ঘটানোর দাবিতে আবারও সরব হল পশ্চিমবঙ্গ কলেজ গেস্ট টিচার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন (WBCGTWA)। বুধবার সংগঠনের পক্ষ থেকে বিকাশ ভবনে উপস্থিত হয়ে রাজ্যের উচ্চশিক্ষা মন্ত্রী শ্রী জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়ের উদ্দেশে একটি বিস্তারিত স্মারকলিপি জমা দেওয়া হয়। উচ্চশিক্ষা দপ্তরের পক্ষ থেকে সেই স্মারকলিপি গ্রহণ করে আনুষ্ঠানিক প্রাপ্তিস্বীকারও দেওয়া হয়েছে।সংগঠনের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজ্যের বিভিন্ন সরকারি ও সরকারি সাহায্যপ্রাপ্ত কলেজে গেস্ট টিচাররা অত্যন্ত কম পারিশ্রমিকে এবং সম্পূর্ণ অনিশ্চিত কর্মপরিবেশে দায়িত্ব পালন করছেন। অথচ উচ্চশিক্ষার মানোন্নয়ন, পাঠদান এবং শিক্ষাব্যবস্থাকে সচল রাখার ক্ষেত্রে তাঁদের অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সেই বাস্তব পরিস্থিতির কথা বিবেচনা করেই সরকারের কাছে মানবিক ও দীর্ঘমেয়াদি সমাধানের আবেদন জানানো হয়েছে।বিকাশ ভবনে জমা দেওয়া এই প্রতিনিধিদলে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সভাপতি সুজিৎ দাস, সাধারণ সম্পাদক অনুপম দাস এবং সহ-সম্পাদক ড. অসিত কুমার মণ্ডল। প্রতিনিধিদলটি উচ্চশিক্ষা দপ্তরের আধিকারিকদের সামনে গেস্ট টিচারদের বিভিন্ন সমস্যা, ভবিষ্যৎ অনিশ্চয়তা এবং দীর্ঘদিনের দাবি বিস্তারিতভাবে তুলে ধরে।কী কী দাবি জানানো হয়েছে?স্মারকলিপিতে মূলত তিনটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের উপর জোর দেওয়া হয়েছে।প্রথমত, চাকরির নিরাপত্তা। সংগঠনের বক্তব্য, বহু শিক্ষক বছরের পর বছর কলেজে কর্মরত থাকলেও তাঁদের চাকরির কোনও স্থায়ী নিশ্চয়তা নেই। ফলে প্রতিনিয়ত অনিশ্চয়তার মধ্যে কাজ করতে হচ্ছে। তাই গেস্ট টিচারদের জন্য একটি সুস্পষ্ট ও স্থায়ী চাকরির নিরাপত্তা নীতি প্রণয়নের দাবি জানানো হয়েছে।দ্বিতীয়ত, পরিষেবার ধারাবাহিকতা। সংগঠনের দাবি, যোগ্য ও অভিজ্ঞ গেস্ট টিচারদের সরকার নির্ধারিত নীতিমালা অনুযায়ী অন্তত ৬০ কিংবা ৬৫ বছর বয়স পর্যন্ত কর্মরত থাকার সুযোগ দিতে হবে। তাঁদের অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করা সম্ভব বলেই সংগঠনের মত।তৃতীয়ত, নির্দিষ্ট মাসিক সম্মানী চালু। বর্তমানে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই ক্লাসভিত্তিক পারিশ্রমিকের উপর নির্ভর করতে হয় গেস্ট টিচারদের। সংগঠনের দাবি, এই ব্যবস্থা পরিবর্তন করে সমস্ত সরকারি ও সরকারি সাহায্যপ্রাপ্ত কলেজে কর্মরত গেস্ট টিচারদের জন্য একটি নির্দিষ্ট মাসিক সম্মানী চালু করা হোক। এতে তাঁরা আর্থিক নিরাপত্তা পাবেন এবং মর্যাদার সঙ্গে জীবনযাপন করতে পারবেন।আরও পড়ুনঃ পূর্ণ সময়ের শিক্ষকের চেয়েও বেশি স্যাক্ট (SACT), তবু বঞ্চনার অভিযোগ! হরিয়ানা মডেল চালুর দাবিতে সরব স্টেট এডেড কলেজ টিচাররাদীর্ঘদিনের আন্দোলনের ধারাবাহিকতাসংগঠনের দাবি, ২০২০ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকেই পশ্চিমবঙ্গ কলেজ গেস্ট টিচার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন গণতান্ত্রিক, শান্তিপূর্ণ ও সাংবিধানিক পদ্ধতিতে গেস্ট টিচারদের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলন চালিয়ে আসছে। বিকাশ ভবনে এই ডেপুটেশনও সেই ধারাবাহিক আন্দোলনের একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।সংগঠনের তরফে জানানো হয়েছে, এর আগেও তারা রাজ্য সরকারের বিভিন্ন স্তরে একাধিকবার নিজেদের দাবি তুলে ধরেছে। নবান্ন-সহ বিভিন্ন প্রশাসনিক দপ্তরে গিয়ে একাধিক মন্ত্রী ও জনপ্রতিনিধির কাছে স্মারকলিপি জমা দেওয়া হয়েছে। প্রতিবারই চাকরির নিরাপত্তা, পরিষেবার ধারাবাহিকতা এবং নির্দিষ্ট মাসিক পারিশ্রমিকের বিষয়গুলিকে অগ্রাধিকার দিয়ে দাবি জানানো হয়েছে।সরকারের ইতিবাচক উদ্যোগের প্রত্যাশাWBCGTWA-র নেতৃত্বের মতে, ধারাবাহিকভাবে সরকারের বিভিন্ন স্তরে বিষয়টি তুলে ধরার ফলে গেস্ট টিচারদের সমস্যা গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচিত হবে। তাঁদের আশা, উচ্চশিক্ষা দপ্তর ও রাজ্য সরকার এই বিষয়ে দ্রুত ইতিবাচক পদক্ষেপ গ্রহণ করবে এবং দীর্ঘদিনের এই অনিশ্চয়তার অবসান ঘটাবে।সংগঠনের বক্তব্য, গেস্ট টিচারদের ন্যায্য অধিকার, সম্মানজনক পারিশ্রমিক এবং চাকরির নিরাপত্তা নিশ্চিত করা শুধু শিক্ষকদের স্বার্থেই নয়, রাজ্যের উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থার সার্বিক উন্নয়নের জন্যও অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। কারণ, দীর্ঘদিন ধরে এই শিক্ষক-শিক্ষিকারা কলেজগুলির শিক্ষাদান প্রক্রিয়াকে সচল রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে চলেছেন।আন্দোলন চলবে, জানাল সংগঠনপশ্চিমবঙ্গ কলেজ গেস্ট টিচার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে স্পষ্ট জানানো হয়েছে, গেস্ট টিচারদের ন্যায্য দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত তাঁদের আন্দোলন থামবে না। ভবিষ্যতেও শান্তিপূর্ণ, গণতান্ত্রিক এবং সাংবিধানিক পথেই আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছে সংগঠন।উচ্চশিক্ষা মন্ত্রীর কাছে জমা দেওয়া এই স্মারকলিপির মাধ্যমে গেস্ট টিচারদের দীর্ঘদিনের সমস্যার একটি কার্যকর ও স্থায়ী সমাধানের পথ খুলবে বলেই আশাবাদী সংগঠনের সদস্যরা।

জুলাই ১৬, ২০২৬
রাজ্য

রথের আনন্দ মুহূর্তে রক্তাক্ত দিঘা! দাঁড়িয়ে থাকা বাসে লরির ভয়াবহ ধাক্কা, একসঙ্গে চার প্রাণ ঝরে গেল

রথযাত্রার দিন দিঘা যাওয়ার পথে ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় মৃত্যু হল চারজনের। গুরুতর আহত হয়েছেন আরও তিনজন। তাঁদের আশঙ্কাজনক অবস্থায় তমলুক জেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে দিঘা-নন্দকুমার জাতীয় সড়কের হেঁড়িয়া এলাকায়। দুর্ঘটনার পর এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।পুলিশ জানিয়েছে, মৃতদের নাম তপন দাস, শিবব্রত পট্টনায়েক, অশোক মাইতি এবং শুভদীপ মণ্ডল। তপন দাস বাসের মালিক ছিলেন। শিবব্রত পট্টনায়েক ছিলেন বাসচালক। অশোক মাইতি ও শুভদীপ মণ্ডল বাসের সহকারী হিসেবে কাজ করতেন।জানা গিয়েছে, হাওড়া থেকে দিঘার উদ্দেশে যাচ্ছিল একটি বেসরকারি বাস। বৃহস্পতিবার ভোরে হেঁড়িয়া এলাকায় বাসটিতে যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দেয়। সেই কারণে বাসটি রাস্তার ধারে দাঁড় করানো হয়। বাসের মালিক, চালক এবং সহকারীরা মেরামতির কাজ করছিলেন। সেই সময় পিছন দিক থেকে দ্রুতগতিতে আসা একটি লরি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বাসে সজোরে ধাক্কা মারে। ধাক্কার জেরে ঘটনাস্থলেই গুরুতর জখম হন কয়েকজন।বিকট শব্দ শুনে স্থানীয় মানুষ ছুটে এসে উদ্ধারকাজ শুরু করেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে আহতদের হাসপাতালে নিয়ে যায়। চিকিৎসকেরা চারজনকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। আহত তিনজনের অবস্থা এখনও আশঙ্কাজনক বলে হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে।ঘটনার পর ঘাতক লরিটিকে আটক করেছে খেজুরি থানার পুলিশ। কী কারণে এই দুর্ঘটনা ঘটল, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। প্রাথমিকভাবে পুলিশের অনুমান, দ্রুতগতির কারণেই এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটেছে।

জুলাই ১৬, ২০২৬
দেশ

‘প্রভু অহংকার সয় না, তাই সরকারও টেকেনি’! মমতাকে নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য পুরীর জগন্নাথদেবের মুখ্য পানিগ্রাহীর

দিঘার জগন্নাথ মন্দিরের নামের সঙ্গে ধাম শব্দ ব্যবহার নিয়ে শুরু থেকেই বিতর্ক ছিল। বিভিন্ন মহল আপত্তি তুললেও সেই নামেই মন্দিরের উদ্বোধন হয়েছিল। তবে সরকার পরিবর্তনের পর সেই ধাম শব্দ সরিয়ে দেওয়া হয়। এবার এই বিতর্কে নতুন করে মুখ খুললেন পুরীর জগন্নাথদেবের মুখ্য পানিগ্রাহী জগন্নাথ দয়িতাপতি। তাঁর দাবি, তিনি আগেই এই বিষয়ে সতর্ক করেছিলেন। কিন্তু তাঁর কথা শোনা হয়নি। তাঁর মন্তব্য, প্রভু কারও অহংকার সহ্য করেন না। সেই কারণেই সরকারও টেকেনি।এক সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে জগন্নাথ দয়িতাপতি বলেন, তিনি কোনও রাজনীতি করেন না, শুধু ধর্মীয় বিধি ও শাস্ত্র অনুযায়ী মত প্রকাশ করেন। তাঁর বক্তব্য, চার ধামের অন্যতম হল পুরীর জগন্নাথ ধাম। তাই অন্য কোনও মন্দিরের নামের সঙ্গে ধাম শব্দ ব্যবহার করা উচিত নয়। তিনি জানান, দিঘার মন্দিরের নাম নিয়ে আগেই আপত্তি জানিয়েছিলেন। কিন্তু সেই পরামর্শ মানা হয়নি।তিনি আরও বলেন, দেশে বহু জগন্নাথ মন্দির রয়েছে। কিন্তু ধাম হিসেবে স্বীকৃতি একমাত্র পুরীরই। তাই দিঘার মন্দিরের নামের সঙ্গে ধাম শব্দ যোগ করা ধর্মীয় দৃষ্টিতে সঠিক ছিল না। তাঁর দাবি, এই বিষয়েই তিনি বারবার সতর্ক করেছিলেন। কিন্তু সেই কথা গুরুত্ব পায়নি।জগন্নাথ দয়িতাপতি এদিন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর প্রশংসাও করেন। তাঁর বক্তব্য, সরকার পরিবর্তনের পর দিঘার মন্দিরের নাম থেকে ধাম শব্দ সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। এই সিদ্ধান্তকে তিনি সঠিক বলে উল্লেখ করেন।এর আগে পুরীর প্রধান পুরোহিত রাজেশ দয়িতাপতিও একই ধরনের বক্তব্য রেখেছিলেন। তিনি দাবি করেছিলেন, দিঘার জগন্নাথ মন্দির প্রতিষ্ঠার সময়ই তিনি কয়েকটি বিষয়ে আপত্তি জানিয়েছিলেন। বিশেষ করে পাথরের মূর্তিতে প্রাণপ্রতিষ্ঠা এবং ধাম শব্দ ব্যবহারের বিরোধিতা করেছিলেন। পরে নিমকাঠের মূর্তি তৈরি হলেও ধাম শব্দটি সরানো হয়নি বলে তাঁর আক্ষেপ ছিল।দিঘার জগন্নাথ মন্দির ঘিরে এই বিতর্ক ফের নতুন করে রাজনৈতিক ও ধর্মীয় মহলে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছে। বিশেষ করে মুখ্য পানিগ্রাহীর মন্তব্য ঘিরে নতুন করে শুরু হয়েছে জোর চর্চা।

জুলাই ১৬, ২০২৬
কলকাতা

‘পশ্চিমবঙ্গের কিছু জেলা বাংলাদেশ হয়ে গিয়েছে’! বিস্ফোরক দাবি শমীকের, পুজো নিয়েও বড় বার্তা

রাজ্যে মৌলবাদের বাড়বাড়ন্ত নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করলেন রাজ্য বিজেপি সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। বৃহস্পতিবার রথযাত্রার দিন কলেজ স্কোয়্যারে দুর্গাপুজোর খুঁটিপুজোয় যোগ দিয়ে তিনি দাবি করেন, পশ্চিমবঙ্গের কয়েকটি জেলার পরিস্থিতি দেখে বাংলাদেশের কথা মনে পড়ছে। তাঁর অভিযোগ, বিভিন্ন জায়গায় এমন নির্দেশ দেওয়া হচ্ছে যেখানে প্রদীপ জ্বালানো যাবে, কিন্তু শাঁখ বাজানো যাবে না। মরদেহের শেষকৃত্য করা যাবে, কিন্তু হরিবোল ধ্বনি দেওয়া যাবে না। স্বাধীন ভারতে এই ধরনের ঘটনা উদ্বেগের বলে মন্তব্য করেন তিনি।শমীক ভট্টাচার্যের দাবি, বাংলাদেশে দুর্গাপ্রতিমা ভাঙচুর, ধর্মীয় অনুষ্ঠানে বাধা এবং হিন্দুদের উপর হামলার যে অভিযোগ ওঠে, পশ্চিমবঙ্গের কিছু জায়গাতেও একই ধরনের প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। তিনি বলেন, বাংলাদেশে যেমন দুর্গাপুজোর সময় গান বন্ধ করে অন্য শব্দ বাজানো হয়, তেমন ঘটনাও এ রাজ্যের কিছু এলাকায় দেখা গিয়েছে। তাঁর অভিযোগ, মুর্শিদাবাদ-সহ একাধিক জেলায় ধর্মীয় স্বাধীনতা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।দুর্গাপুজো প্রসঙ্গেও তৎকালীন তৃণমূল সরকারকে কটাক্ষ করেন বিজেপি সভাপতি। তাঁর বক্তব্য, একসময় দুর্গাপুজোকে শুধুমাত্র উৎসব হিসেবে তুলে ধরার চেষ্টা হয়েছিল। কিন্তু দুর্গাপুজো শুধু একটি উৎসব নয়, এটি বাঙালির ধর্মীয় বিশ্বাস এবং সংস্কৃতির গুরুত্বপূর্ণ অংশ। তিনি বলেন, প্রতিমাকে সরিয়ে রেখে শুধু থিম বা আলোর আয়োজন করলে মানুষ সেই পুজোর সঙ্গে একাত্ম হতে পারবেন না। দুর্গাপুজোর মূল আকর্ষণ দেবী দুর্গার আরাধনা, সেই ঐতিহ্য রক্ষা করতেই হবে।এদিন শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের প্রসঙ্গও তুলে আনেন শমীক ভট্টাচার্য। তিনি বলেন, কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের কনিষ্ঠতম উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করার পাশাপাশি পূর্ব পাকিস্তানে হিন্দুদের উপর অত্যাচারের বিরুদ্ধে তিনি সরব হয়েছিলেন। সেই সময় তিনি বিভিন্ন মহলের সহযোগিতা চাইলেও শেষ পর্যন্ত একাই আন্দোলন চালিয়ে গিয়েছিলেন বলে দাবি করেন বিজেপি সভাপতি।রথযাত্রার দিন কলেজ স্কোয়্যার থেকে শমীক ভট্টাচার্যের এই মন্তব্য ঘিরে নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে। দুর্গাপুজো, ধর্মীয় স্বাধীনতা এবং রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে তাঁর একাধিক বক্তব্য রাজনৈতিক মহলে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে।

জুলাই ১৬, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal