• ২৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, শনিবার ১৩ জুন ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Election

রাজ্য

বাংলায় জয়ের দাবি শাহর, অনুপ্রবেশকারীদের তাড়ানোর হুঁশিয়ারি ঘিরে রাজনৈতিক ঝড়

আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে অনুপ্রবেশ ইস্যু আবারও রাজনৈতিক বিতর্কের কেন্দ্রে উঠে এল। অমিত শাহ বিহারে এক জনসভা থেকে দাবি করেছেন, পশ্চিমবঙ্গে নির্বাচনে ভারতীয় জনতা পার্টির জয় নিশ্চিত। পাশাপাশি তিনি বলেছেন, নতুন সরকার গঠনের পর রাজ্যে থাকা প্রতিটি অনুপ্রবেশকারীকে চিহ্নিত করে দেশছাড়া করা হবে।বিহারের আরারিয়া জেলার সীমাঞ্চল এলাকায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে শাহ বলেন, পশ্চিমবঙ্গে নির্বাচন একেবারে দোরগোড়ায় এবং বিজেপি সরকার গঠন করবে বলে তিনি নিশ্চিত। তাঁর এই মন্তব্যের তীব্র বিরোধিতা করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। দলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষ কটাক্ষ করে বলেন, অমিত শাহ বারবার একই দাবি করে চলেছেন এবং বাস্তবে তা সফল হয়নি। তাঁর মতে, অনুপ্রবেশ ইস্যু তুলে ধরা আসলে কেন্দ্রের ব্যর্থতা ঢাকার চেষ্টা।কুণাল ঘোষ আরও বলেন, আন্তর্জাতিক সীমান্ত রক্ষার দায়িত্ব কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের এবং সীমান্ত নিরাপত্তা বাহিনীর। তাই অনুপ্রবেশ ঠেকানো রাজ্য পুলিশের কাজ নয়। তিনি প্রশ্ন তোলেন, কেন্দ্রের নিয়ন্ত্রণে থাকা রাজ্যগুলিতেও অনুপ্রবেশের ঘটনা সামনে এসেছে, ফলে এই ইস্যুতে কেন্দ্রের ভূমিকা নিয়েই প্রশ্ন উঠছে।এদিন শাহ অনুপ্রবেশ রুখতে উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন কমিটি গঠনের কথাও ঘোষণা করেন। তাঁর বক্তব্য, কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হবে এবং বিহারের সীমাঞ্চল থেকেই সেই প্রক্রিয়া শুরু হবে। এই কমিটি সীমান্ত এলাকার জনসংখ্যাগত পরিবর্তন খতিয়ে দেখে কেন্দ্রকে রিপোর্ট দেবে। অনুপ্রবেশ জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি তৈরি করছে এবং সরকারি প্রকল্পের উপর চাপ বাড়াচ্ছে বলেও দাবি করেন তিনি। বিহার, ঝাড়খণ্ড, পশ্চিমবঙ্গ ও অসমকে জনসংখ্যাগত ভারসাম্যের ক্ষেত্রে ঝুঁকিপূর্ণ রাজ্য হিসেবে উল্লেখ করেন শাহ। তিনি আরও জানান, নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে কেন্দ্র সরকার জনসংখ্যার ভারসাম্য বজায় রাখতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।এই ঘোষণারও সমালোচনা করেছে তৃণমূল। কুণাল ঘোষ প্রশ্ন তোলেন, ভোটের আগে হঠাৎ কমিটি গঠনের কথা কেন মনে পড়ল। তিনি দাবি করেন, আগে সীমান্ত নিরাপত্তা জোরদার করাই কেন্দ্রের প্রধান দায়িত্ব। পাশাপাশি তিনি বলেন, বাংলা ভাষায় কথা বলা কোনও অপরাধ নয় এবং ভাষার ভিত্তিতে কাউকে সন্দেহ করা উচিত নয়। অনুপ্রবেশ ইস্যুতে কেন্দ্র ও রাজ্যের এই পাল্টাপাল্টি বক্তব্যে নির্বাচনের আগে রাজনৈতিক উত্তাপ আরও বেড়েছে।

ফেব্রুয়ারি ২৭, ২০২৬
রাজ্য

ভোটের আগেই কড়া নজরদারি, প্রতিটি বিধানসভায় কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক বসানোর বড় সিদ্ধান্ত

ভোটের প্রস্তুতি জোরকদমে শুরু হতেই বড় সিদ্ধান্ত নিল ভারতের নির্বাচন কমিশন। সূত্রের খবর, ভোটের বিজ্ঞপ্তি জারির দিন থেকেই প্রতিটি বিধানসভায় অন্তত একজন করে কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক নিয়োগ করা হবে। মনোনয়ন জমা দেওয়া থেকে শুরু করে গোটা নির্বাচন প্রক্রিয়াই তাঁদের কড়া নজরদারিতে চলবে। বাংলা-সহ পাঁচ রাজ্যের ক্ষেত্রেই এই একই নীতি কার্যকর করতে চলেছে কমিশন।কমিশনের অভিজ্ঞতা বলছে, অতীতের একাধিক নির্বাচনে মনোনয়ন পর্ব থেকেই রাজ্যের বিভিন্ন জায়গা থেকে অশান্তি, জোর করে মনোনয়ন প্রত্যাহার এবং রাজনৈতিক সংঘর্ষের অভিযোগ সামনে এসেছে। গত বিধানসভা নির্বাচনেও বিরোধীদের পক্ষ থেকে মনোনয়ন পর্যায় ঘিরে একাধিক অভিযোগ উঠেছিল। সেই অভিজ্ঞতার ভিত্তিতেই এবার বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের দিন থেকে প্রায় সবকটি বিধানসভায় আলাদা করে কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক মোতায়েন করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, যাতে প্রাথমিক স্তর থেকেই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়।শুধু পশ্চিমবঙ্গ নয়, তামিলনাড়ু, কেরল, অসম এবং পুদুচেরিতেও একই ধরনের নজরদারি থাকবে বলে জানা গিয়েছে। মোট এক হাজার চারশো চুয়াল্লিশ জন শীর্ষ পর্যায়ের আধিকারিককে ইতিমধ্যেই প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। এঁদের মধ্যে পুলিশ পরিষেবার আধিকারিকরা আইনশৃঙ্খলার বিষয় দেখবেন, প্রশাসনিক পরিষেবার আধিকারিকরা সামগ্রিক নির্বাচন ব্যবস্থাপনা পর্যবেক্ষণ করবেন এবং রাজস্ব বিভাগের আধিকারিকরা নির্বাচনী খরচ ও আর্থিক লেনদেনে নজর রাখবেন। মনোনয়ন পর্ব থেকে ভোট গণনা পর্যন্ত প্রতিটি ধাপে তাঁদের উপস্থিতি নিশ্চিত করা হবে বলে কমিশন সূত্রে খবর।

ফেব্রুয়ারি ২৫, ২০২৬
কলকাতা

কমিশন দফতরের সামনে জুতো নিক্ষেপ, শুভেন্দুকে ঘিরে তুমুল সংঘর্ষে উত্তপ্ত কলকাতা

ভরসন্ধ্যায় তীব্র উত্তেজনা ছড়াল কলকাতার নির্বাচন কমিশনের দফতরের সামনে। তৃণমূল কংগ্রেস ও ভারতীয় জনতা পার্টি সমর্থিত বিএলওদের মধ্যে সংঘর্ষের পরিস্থিতি তৈরি হয়। অভিযোগ, বিকেলে কমিশনের দফতরে ঢোকার সময় রাজ্য বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীকে লক্ষ্য করে জুতো ছোড়া হয় এবং স্লোগান দেওয়া হয়। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করেই দুই পক্ষের মধ্যে তুমুল বচসা ও ধস্তাধস্তি শুরু হয়।এদিন মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ কুমার আগরওয়ালের সঙ্গে দেখা করতে কমিশনের দফতরে গিয়েছিলেন শুভেন্দু। অভিযোগ, প্রবেশের সময়ই তাঁকে লক্ষ্য করে জুতো নিক্ষেপ করা হয়। এরপর বিজেপি সমর্থিত বিএলওদের একাংশ ক্ষোভে ফেটে পড়েন। তাঁদের অভিযোগ, ঘটনার সময় পুলিশ নিষ্ক্রিয় ছিল। এই অভিযোগ তুলেই অন্য পক্ষের বিএলওদের দিকে চড়াও হন তাঁরা। দুই পক্ষ একে অপরের দিকে আঙুল তুলে তর্কে জড়িয়ে পড়েন এবং পরিস্থিতি দ্রুত উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।ধস্তাধস্তি ও উত্তেজনা সামাল দিতে হিমশিম খেতে হয় পুলিশকে। দফায় দফায় বিক্ষোভ চলতে থাকে এবং এলাকায় চরম উত্তেজনা ছড়ায়। অভিযোগ, বিএলওদের একাংশ পুলিশের ব্যারিকেড ভেঙে এগোনোর চেষ্টা করেন। ফলে কমিশন দফতর চত্বরে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়।পরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে শুভেন্দু জানান, বিভিন্ন অভিযোগ ও দাবি জানাতে তিনি মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিলেন। তাঁর দাবি, দুই জেলার জেলাশাসক বাদ পড়া নাম তালিকায় তোলার জন্য চাপ দিচ্ছেন। পাশাপাশি শুনানির শেষ দিনে নদিয়ার এক আধিকারিক প্রভাব খাটিয়েছেন বলেও অভিযোগ তোলেন তিনি। অনুপ্রবেশকারীদের নাম অন্তর্ভুক্ত করার জন্য চাপ দেওয়া হয়েছে বলেও দাবি করেন শুভেন্দু। এই সংক্রান্ত একটি অডিয়ো জমা দিতেই তিনি কমিশন দফতরে গিয়েছিলেন বলে জানান, আর সেই সময়েই এই উত্তেজনাপূর্ণ ঘটনা ঘটে।

ফেব্রুয়ারি ২৪, ২০২৬
রাজ্য

প্রধানমন্ত্রীর খোলা চিঠি: বঙ্গবাসীকে ডাক দিলেন বিজেপি সরকারের জন্য, ‘জয় মা কালী’ স্লোগান নিয়ে রাজনৈতিক ঝড়

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বঙ্গবাসীর উদ্দেশ্যে একটি খোলা চিঠি লিখেছেন। চিঠি শুরু করেছেন জয় মা কালী লিখে। তিনি লিখেছেন, সোনার বাংলার মানুষ আজ বঞ্চিত এবং এই অবস্থায় তাঁর মন ভারাক্রান্ত। চিঠিতে তিনি বাংলার মণীষীদের অবদানও স্মরণ করেছেনস্বামী বিবেকানন্দ, ঋষি অরবিন্দ, সুভাষচন্দ্র বোস সহ বিভিন্ন প্রখ্যাত ব্যক্তির কথা উল্লেখ করেছেন।মোদীর চিঠি বাংলার রাজনীতিতে নতুন উত্তেজনা তৈরি করেছে। কারণ, গত লোকসভা নির্বাচনের সময় জয় শ্রী রাম শব্দবন্ধকে কেন্দ্র করে তাপমাত্রা বেড়েছিল। বাংলার তৃণমূল ও অন্যান্য রাজনৈতিক দল বারবার বলেছে, রাজনীতিতে জয় শ্রী রাম গ্রহণযোগ্য নয়। এর প্রতিক্রিয়ায় তৃণমূল কর্মীরা জয় মা কালী স্লোগান দিতে শুরু করে। এমনকি লোকসভা মঞ্চেও একাধিক তৃণমূল সাংসদ এই স্লোগান দেন।চিঠিতে প্রধানমন্ত্রী লিখেছেন, বাংলার মানুষ বঞ্চিত এবং তাঁদের যন্ত্রণায় তিনি ভারাক্রান্ত। তিনি বাংলায় সেবা করার সুযোগ চাইছেন। পাশাপাশি চিঠিতে তিনি তোষণের রাজনীতি ও অপশাসনের কথাও উল্লেখ করেছেন। তিনি আশ্বাস দিয়েছেন, কাজের জন্য মানুষকে ভিন রাজ্যে যেতে হবে না, মহিলাদের সুরক্ষা নিশ্চিত করা হবে এবং অনুপ্রবেশ রুখে শরণার্থীদের নাগরিকত্ব দেওয়া হবে।চিঠির এই প্রতিটি শব্দবাংলার রাজনীতিতে গুরুত্ব বহন করছে এবং ভোটের আগেই রাজনৈতিক উত্তাপ বাড়াচ্ছে।

ফেব্রুয়ারি ২৩, ২০২৬
রাজ্য

ভোটাধিকার কেড়ে নেওয়ার চক্রান্ত? সাত বাসিন্দাকে নিয়ে থানায় বিধায়ক, শুরু বড় বিতর্ক

জীবনতলা থানায় মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের বিরুদ্ধে একাধিক লিখিত অভিযোগ দায়েরকে ঘিরে ক্যানিং পূর্বে রাজনৈতিক উত্তেজনা ছড়িয়েছে। বিশেষ নিবিড় পরিমার্জন প্রক্রিয়ায় বৈধ ভোটার হওয়া সত্ত্বেও বারবার ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ যাওয়ার আশঙ্কা তুলে অভিযোগ জানিয়েছেন কয়েক জন বাসিন্দা। ক্যানিং পূর্বের বিধায়ক শওকত মোল্লা তাঁদের নিয়ে থানায় গিয়ে অভিযোগ দায়ের করেন। মোট সাত জন বাসিন্দা লিখিত অভিযোগ জমা দিয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। অভিযোগকারীদের দাবি, তাঁরা বহু বছর ধরে ভোট দিচ্ছেন এবং পরিবারের নথিপত্র সহ সমস্ত প্রয়োজনীয় কাগজ জমা দেওয়া সত্ত্বেও বারবার শুনানির নামে ডাকা হচ্ছে এবং হয়রানির শিকার হতে হচ্ছে। তাঁদের আশঙ্কা, চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ হলে নাম বাদ পড়তে পারে এবং ভোটাধিকার প্রয়োগে বাধা তৈরি হতে পারে।অভিযোগকারীরা জানিয়েছেন, গণনা ফর্ম জমা দেওয়ার পরও একাধিকবার ডেকে নথি যাচাই করা হয়েছে। তবুও সমস্যার সমাধান না হওয়ায় তাঁরা উদ্বিগ্ন। এই পরিস্থিতিতে মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের বিরুদ্ধে পরিকল্পিতভাবে সাধারণ মানুষের ভোটাধিকার কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা হচ্ছে বলে অভিযোগ তোলা হয়েছে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, অভিযোগপত্র গ্রহণ করা হয়েছে এবং বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।অন্যদিকে বিরোধী শিবিরের দাবি, চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশের আগেই এমন অভিযোগ তোলা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। তাঁদের বক্তব্য, নাম বাদ পড়েছে কি না তা চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশের পরই স্পষ্ট হবে। তবে বিধায়ক শওকত মোল্লা দাবি করেছেন, বহু পুরনো ভোটারদের ক্ষেত্রেও অকারণে শুনানিতে ডাকা হচ্ছে এবং গত কয়েক দিনে বিপুল সংখ্যক নাম নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে ভোটাধিকার রক্ষায় আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলেও তিনি জানান। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় রাজনৈতিক চাপানউতোর আরও বাড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

ফেব্রুয়ারি ২০, ২০২৬
কলকাতা

চমকে ভরা প্রার্থী তালিকা, ভোটের আগে কালীঘাট বৈঠকে বড় সিদ্ধান্তের ইঙ্গিত

বিধানসভা নির্বাচন যত এগিয়ে আসছে ততই শাসকদলের প্রার্থী তালিকা নিয়ে কৌতূহল বাড়ছে। রাজনৈতিক মহলে জোর আলোচনা, এবারের তালিকায় যুব নেতাদের গুরুত্ব বাড়তে পারে। চতুর্থবার ক্ষমতায় ফেরার লক্ষ্য নিয়ে কৌশল নির্ধারণে ব্যস্ত শাসকদল। কালীঘাটে বৈঠকে বসেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং দলের সেকেন্ড ইন কমান্ড অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন নির্বাচনী কৌশল বিশেষজ্ঞ প্রতীক জৈন। বৈঠকে প্রার্থী তালিকা নিয়ে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে দলীয় সূত্রের দাবি।বুধবার ও বৃহস্পতিবার একাধিক দফায় বৈঠক হয়েছে এবং সম্ভাব্য প্রার্থীদের সঙ্গে যোগাযোগও করা হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। শাসকদলের প্রার্থী তালিকা প্রায় চূড়ান্ত বলেই ইঙ্গিত মিলেছে। এবারের তালিকায় একাধিক চমক থাকতে পারে বলে জল্পনা। রাজনৈতিক মহলে আলোচনা, জনপ্রিয় এক গায়িকা এবং সদ্য দলে যোগ দেওয়া এক অভিনেত্রীকেও প্রার্থী করা হতে পারে।দলের অন্দরে নবীন নেতৃত্বকে সামনে আনার পক্ষে দীর্ঘদিন ধরেই সওয়াল করে আসছেন অভিষেক। সেই ভাবনার প্রতিফলন এবারের নির্বাচনে দেখা যেতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। সূত্রের দাবি, প্রায় চল্লিশটি আসনে নতুন প্রজন্মের মুখ দেখা যেতে পারে। একই সঙ্গে কয়েকজন প্রবীণ নেতাকে প্রার্থী না করে সংগঠনের কাজে দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে বলেও খবর। যদিও এতে গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের আশঙ্কা রয়েছে কি না তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে, তবে দলীয় সূত্রের বক্তব্য নবীন ও প্রবীণের সমন্বয়েই নির্বাচনী লড়াইয়ে নামবে দল।এদিকে একাধিক মন্ত্রীর আসন পরিবর্তন নিয়েও জোর আলোচনা শুরু হয়েছে। দলীয় সূত্রের মতে, কয়েকজন প্রভাবশালী মন্ত্রীকে নতুন কেন্দ্রে প্রার্থী করা হতে পারে। ফলে রাজনৈতিক সমীকরণে বড় পরিবর্তনের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে এবং প্রার্থী তালিকা প্রকাশের আগেই উত্তেজনা তুঙ্গে উঠেছে।

ফেব্রুয়ারি ২০, ২০২৬
কলকাতা

ভোট ঘোষণা আসন্ন, গোপন বৈঠকে চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা! তৃণমূল শিবিরে তৎপরতা তুঙ্গে

বাংলার বিধানসভা নির্বাচন ঘিরে জোর জল্পনা শুরু হয়েছে। রাজনৈতিক মহলের মতে, ভোটার তালিকার নিবিড় পরিমার্জনের কাজ শেষ হলেই নির্বাচন ঘোষণা করতে পারে ভারতের নির্বাচন কমিশন। ফলে হাতে সময় খুবই কম। এই পরিস্থিতিতে শাসক ও বিরোধী সব দলই নির্বাচনী প্রস্তুতিতে নেমে পড়েছে। কালীঘাটে দফায় দফায় বৈঠক চলছে, যেখানে উপস্থিত থাকছেন কৌশল বিশেষজ্ঞ প্রতীক জৈন।সূত্রের খবর, নির্বাচনকে সামনে রেখে টানা বৈঠক করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রার্থী তালিকা চূড়ান্ত করতেই এই বৈঠকগুলির আয়োজন বলে জানা গিয়েছে। দলের সেকেন্ড ইন কমান্ড অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়-এর সঙ্গে তাঁর গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা হয়েছে। এই বৈঠকে নির্বাচনী কৌশল সংস্থা আইপ্যাক-এর প্রতিনিধিরাও উপস্থিত ছিলেন।দলীয় সূত্রে জানা যাচ্ছে, বেশ কিছু নাম ইতিমধ্যেই বাছাই হয়ে গিয়েছে এবং প্রার্থী তালিকা প্রায় চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছে গেছে। নির্বাচন ঘোষণা হলেই সেই তালিকা প্রকাশ করে প্রচারে নামতে পারে তৃণমূল। রাজনৈতিক মহলে আলোচনা, নবীন ও প্রবীণ দুই পক্ষের মধ্যে ভারসাম্য রেখে প্রার্থী বাছাই করা হতে পারে। পাশাপাশি নতুন মুখ ও তারকা প্রার্থীকেও গুরুত্ব দেওয়া হতে পারে বলে ইঙ্গিত মিলছে।নয়াদিল্লি সূত্রে জানা যাচ্ছে, মার্চের শুরুতেই ভোট ঘোষণা হতে পারে এবং কয়েক দফায় নির্বাচন হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। দক্ষিণবঙ্গে একাধিক দফা এবং উত্তরবঙ্গে এক দফায় ভোট হতে পারে বলে আলোচনা চলছে। ফলে রাজনৈতিক সমীকরণ দ্রুত বদলাচ্ছে এবং প্রার্থী বাছাই ঘিরে অনিশ্চয়তা বাড়ছে।দলীয় কার্যালয়ে বায়োডাটা জমা দেওয়ার জন্য বিশেষ বক্স চালু করা হয়েছে। যে কোনও সদস্য নির্দিষ্ট কেন্দ্র উল্লেখ করে প্রার্থী হওয়ার আবেদন জানাতে পারছেন। তবে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এটি মূলত সম্ভাব্য প্রার্থীদের মূল্যায়নের একটি প্রক্রিয়া। সংগৃহীত তথ্যের ভিত্তিতেই চূড়ান্ত রিপোর্ট তৈরি করে প্রার্থী তালিকা নির্ধারণ করা হতে পারে।

ফেব্রুয়ারি ২০, ২০২৬
কলকাতা

ভোটের আগে বড় সিদ্ধান্ত, হঠাৎ সক্রিয় নির্বাচন কমিশন, কী ঘটতে চলেছে জানেন?

দেশজুড়ে ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় পরিমার্জন প্রক্রিয়ার তৃতীয় ধাপ এখন শেষের পথে। বিহারে এই কাজ ইতিমধ্যেই সম্পূর্ণ হয়েছে এবং পশ্চিমবঙ্গ-সহ আরও বারোটি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে কাজ চলছে। শুরুতে এই প্রক্রিয়া নিয়ে নির্বাচন কমিশনের তরফে স্পষ্ট করে কিছু জানানো হয়নি। কবে শুরু হবে বা আদৌ সব রাজ্যে হবে কি না, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা ছিল। তবে এখন পরিস্থিতি বদলেছে। সাধারণ মানুষের মধ্যে বিষয়টি নিয়ে সচেতনতা বেড়েছে এবং কমিশনও পরবর্তী পদক্ষেপে এগোতে শুরু করেছে।বৃহস্পতিবার নির্বাচন কমিশন যেসব রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে এই কাজ এখনও শুরু হয়নি, সেই সব জায়গার মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকদের কাছে চিঠি পাঠিয়েছে। সেখানে স্পষ্ট নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যে, ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় পরিমার্জনের জন্য আগাম সমস্ত প্রস্তুতি সম্পন্ন করতে হবে। অর্থাৎ পরিকাঠামো, কর্মী ও প্রশাসনিক ব্যবস্থাপনা আগে থেকেই গুছিয়ে রাখতে বলা হয়েছে।চিঠিতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, আগামী এপ্রিল মাস থেকে বাকি থাকা রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলিতে এই বিশেষ পরিমার্জনের কাজ শুরু হতে পারে। তাই নির্ধারিত সময়ের আগেই সব ধরনের প্রস্তুতি শেষ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের এই পদক্ষেপকে আসন্ন নির্বাচনগুলির আগে ভোটার তালিকা আরও নির্ভুল করার উদ্যোগ হিসেবেই দেখছেন পর্যবেক্ষকরা।মেটা বিবরণ: দেশজুড়ে ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় পরিমার্জন প্রক্রিয়া নিয়ে বড় পদক্ষেপ নির্বাচন কমিশনের। বিহারের পর বাকি রাজ্যগুলিতে এপ্রিল থেকে শুরু হতে পারে কাজ, প্রস্তুতির নির্দেশ মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকদের।

ফেব্রুয়ারি ১৯, ২০২৬
কলকাতা

বিধানসভা ভোটের আগেই বড় ঘোষণা! বাংলায় রাজ্যসভার ৫ আসনে ভোট, বদলাতে পারে সমীকরণ

বিধানসভা নির্বাচন এখনও ঘোষণা হয়নি, তবে তার আগেই বড় রাজনৈতিক ঘোষণা। Election Commission of India দেশজুড়ে রাজ্যসভার ৩৭টি আসনে ভোটের দিনক্ষণ জানিয়ে দিল। তার মধ্যে পশ্চিমবঙ্গ থেকে রয়েছে ৫টি আসন।নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, আগামী ২৬ ফেব্রুয়ারি এই নির্বাচনের বিজ্ঞপ্তি জারি হবে। মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ দিন ৫ মার্চ। ৬ মার্চ মনোনয়নপত্রের স্ক্রুটিনি হবে। ৯ মার্চ পর্যন্ত প্রার্থীরা মনোনয়ন প্রত্যাহার করতে পারবেন। ভোটগ্রহণ হবে ১৬ মার্চ, সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত। সেদিনই বিকেল ৫টায় গণনা হবে।বাংলা থেকে যাঁদের রাজ্যসভার মেয়াদ শেষ হচ্ছে, তাঁদের মধ্যে রয়েছেন তৃণমূলের সাকেত গোখলে, ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় ও সুব্রত বক্সী। এছাড়া মৌসম নুর ইস্তফা দেওয়ায় তাঁর আসনও খালি রয়েছে। বামফ্রন্টের বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্যের মেয়াদও শেষ হচ্ছে। ফলে মোট পাঁচটি আসনে ভোট হবে।রাজ্যসভার নির্বাচনে সাধারণ মানুষ ভোট দেন না, বিধায়করা ভোট দেন। বর্তমান বিধানসভায় সংখ্যার বিচারে ৪টি আসনে তৃণমূল প্রার্থীদের জয় প্রায় নিশ্চিত। একটি আসন বিজেপির দখলে যেতে পারে। সেই হিসাবে এবার বাংলা থেকে রাজ্যসভায় বামেদের কোনও প্রতিনিধি নাও থাকতে পারেন।এখন প্রশ্ন, তৃণমূল কাদের প্রার্থী করবে? বিজেপির প্রার্থী কে হবেন? তা নিয়ে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক মহলে জল্পনা শুরু হয়েছে। বিধানসভা ভোটের আগে এই রাজ্যসভা নির্বাচন রাজ্যের রাজনৈতিক সমীকরণে নতুন বার্তা দেবে বলেই মনে করা হচ্ছে। এখন নজর ১৬ মার্চের দিকে।

ফেব্রুয়ারি ১৮, ২০২৬
কলকাতা

ছাব্বিশের আগে ঝড় তুলবেন মমতা? বিশ্বজুড়ে প্রচারের হুঁশিয়ারিতে চর্চায় রাজ্য রাজনীতি

কয়েক দিন আগেই এসআইআর সংক্রান্ত ইস্যুতে সুপ্রিম কোর্টে পৌঁছেছিলেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত-এর বেঞ্চে নিজের বক্তব্যও পেশ করেন তিনি। আর মঙ্গলবার সাংবাদিক বৈঠকে এসে ছাব্বিশের ভোটের আগে বড় কোনও ঝড়ের ইঙ্গিত দিলেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর স্পষ্ট বার্তা, প্রয়োজনে তিনি বিষয়টি গোটা বিশ্বে তুলে ধরবেন।এ দিন সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বারবার কোনও একটি গুরুতর বিষয় প্রকাশ্যে আনার ইঙ্গিত দেন মমতা। নির্বাচন কমিশনকে আক্রমণ করে তিনি বলেন, বাউন্ডারির বাইরে গেলে কিন্তু ছক্কা খেতে হবে। কমিশনকে তুঘলকি কমিশন বলেও কটাক্ষ করেন তিনি। মুখ্যমন্ত্রীর দাবি, তাঁরা আইন মেনে চলেন এবং চলবেন, তবে অযৌক্তিক সিদ্ধান্ত মেনে নেওয়া হবে না।রাজ্যে এসআইআর নিয়ে একাধিক মৃত্যুর ঘটনাতেও সরব হন তিনি। তাঁর অভিযোগ, ১৬০ জনেরও বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে। কিছু ইআরও-র বিরুদ্ধে একটি রাজনৈতিক দল অভিযোগ তুলেছে বলেই তাঁদের সাসপেন্ড করা হচ্ছে বলে দাবি করেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর কথায়, অনেক ঘটনা ঘটেছে, কিন্তু এতদিন তাঁরা চুপ থেকেছেন। তবে মানুষের অধিকার কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা হলে তিনি আর নীরব থাকবেন না।মমতা বলেন, তৃণমূল কংগ্রেস সংবিধান মেনে চলে এবং গণতন্ত্রে বিশ্বাসী। কিন্তু কেউ যদি নির্বাচনের আগেই নির্বাচন প্রক্রিয়াকে শেষ করতে চায়, তা হলে তিনি প্রত্যাঘাত করবেন। তাঁর হুঁশিয়ারি, আমায় আঘাত করলে আমি প্রত্যাঘাত করব। প্রয়োজনে ওয়ার্ল্ডওয়াইড প্রচার করব। যদিও আমি নিজের দেশকে ভালোবাসি।এ দিন তিনি সরাসরি কোনও নির্দিষ্ট ইস্যুর নাম না করলেও রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে, ঠিক কী প্রকাশ্যে আনতে চাইছেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর বক্তব্য, অনেক কীর্তি ও কেলেঙ্কারির ঘটনা তাঁর জানা আছে। তিনি বলেন, জনগণের উপর প্রতিশোধ নেবেন না। যা করার আমার উপর করুন। শেষে আরও একবার কড়া বার্তা দেন তিনি, আপনারা কেউ ৪২০ ভোল্ট হন, আমি ৪৪০ ভোল্ট।মুখ্যমন্ত্রীর এই ধারাবাহিক হুঁশিয়ারি ছাব্বিশের লোকসভা নির্বাচনের আগে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি করতে পারে বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল। তিনি কোন তথ্য সামনে আনবেন, তা নিয়েই এখন রাজ্য রাজনীতিতে তুমুল জল্পনা।

ফেব্রুয়ারি ১৭, ২০২৬
কলকাতা

মুখ্যসচিবকে তলবের পরেই বড় পদক্ষেপ, বাংলায় একযোগে ৭ আধিকারিক সাসপেন্ডের নির্দেশ

বাংলার ভোটার তালিকার নিবিড় পরিমার্জন পর্বের শেষ পর্যায়ে এসে কড়া পদক্ষেপ করল নির্বাচন কমিশন। বাংলার সাত জন আধিকারিককে দ্রুত সাসপেন্ড করার নির্দেশ দিয়েছে কমিশন। এই বিষয়ে রাজ্যের মুখ্যসচিবকে চিঠি পাঠানো হয়েছে নবান্নে। কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, অভিযুক্ত সাত জনই এসআইআর পর্বের কাজে যুক্ত ছিলেন এবং এএইআরও হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।কমিশনের অভিযোগ, সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদের বিরুদ্ধে কাজে অসদাচরণ, ক্ষমতার অপব্যবহার এবং কর্তব্যে গাফিলতির প্রমাণ মিলেছে। সেই কারণেই তাঁদের বিরুদ্ধে এই কড়া ব্যবস্থা নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। ভোটের আগে এই পদক্ষেপে প্রশাসনিক মহলে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।এর আগেও রাজ্যের চার জন আধিকারিককে সাসপেন্ড করে তাঁদের বিরুদ্ধে এফআইআর করার নির্দেশ দিয়েছিল নির্বাচন কমিশন। কিন্তু সেই নির্দেশ কার্যকর না হওয়ায় শুক্রবার দিল্লিতে নির্বাচন সদনে তলব করা হয় রাজ্যের মুখ্যসচিব নন্দিনী চক্রবর্তী-কে। দিল্লিতে গিয়ে তাঁকে একাধিক প্রশ্নের মুখে পড়তে হয়। কমিশনের তরফে জানানো হয়, অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে রাজ্য গড়িমসি করছে। পাশাপাশি চার আধিকারিকের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করার জন্য আগামী মঙ্গলবার পর্যন্ত সময় বেঁধে দেওয়া হয়।এই আবহেই রবিবার আরও সাত জন আধিকারিকের বিরুদ্ধে সাসপেন্ডের নির্দেশ আসে। কমিশনের পাঠানো নির্দেশিকায় তাঁদের নাম ও কর্মস্থলের উল্লেখ রয়েছে। মুর্শিদাবাদ জেলা থেকে তিন জন আধিকারিকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তাঁরা হলেন সামশেরগঞ্জের এএইআরও শেফাউর রহমান, ফরাক্কার এএইআরও নীতীশ দাস এবং সুতির এএইআরও শেখ মুর্শিদ আলম।দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলা থেকে ক্যানিং পূর্বের এএইআরও সত্যজিৎ দাস এবং জয়দীপ কুণ্ডুর নাম রয়েছে তালিকায়। পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার ডেবরার বিডিও তথা এএইআরও দেবাশিষ বিশ্বাসের বিরুদ্ধেও সাসপেন্ডের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। জলপাইগুড়ি জেলার ময়নাগুড়ির এএইআরও ডালিয়া রায়চৌধুরীকেও একই নির্দেশের আওতায় আনা হয়েছে।ভোটের আগে এই ধারাবাহিক পদক্ষেপে রাজ্য প্রশাসনের উপর চাপ আরও বাড়ল বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। কমিশনের এই কড়া অবস্থান ভবিষ্যতে আরও কোনও পদক্ষেপের ইঙ্গিত কি না, তা নিয়েও শুরু হয়েছে জোর জল্পনা।

ফেব্রুয়ারি ১৬, ২০২৬
কলকাতা

শুধু ফোন নয়, ফুল মিষ্টিতে দিয়ে শুভেচ্ছা পাঠিয়ে তারেককে চমকে দিলেন মুখ্য়মন্ত্রী

বাংলাদেশের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বা বিএনপি। দলের শীর্ষ নেতা তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী হতে চলেছেন। এই আবহে এপার বাংলা থেকে ওপার বাংলায় পৌঁছল শুভেচ্ছা বার্তা।শনিবার সন্ধ্যায় বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ফোনে কথা বলেন তারেক রহমানের সঙ্গে। ফোনালাপে ঠিক কী কথা হয়েছে তা জানা যায়নি। তবে সৌজন্য শুধু ফোনেই সীমাবদ্ধ থাকেনি। সূত্রের খবর, মুখ্যমন্ত্রীর পক্ষ থেকে ফুল ও মিষ্টিও পাঠানো হয়েছে। শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে সাতটা নাগাদ সেই উপহার পৌঁছয় ঢাকার গুলশানে তারেক রহমানের কার্যালয়ে। বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য আতিকুর রহমান রুমন সেই শুভেচ্ছা গ্রহণ করেন।শুক্রবার প্রকাশিত নির্বাচনের ফলাফলে দেখা গিয়েছে, ৩০০টির মধ্যে ২৯৯টি আসনে ভোট হয়। একা বিএনপি জিতেছে ২০৯টি আসন। শরিকদের নিয়ে তাদের মোট আসন সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২১২। তারেক রহমান নিজে ঢাকা ১৭ এবং বগুড়া ৬এই দুই কেন্দ্র থেকেই জয়ী হয়েছেন।২০২৪ সালে গণঅভ্যুত্থানের জেরে শেখ হাসিনা ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর দেশে অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত হয়। প্রায় দেড় বছর পর সেই নির্বাচনী প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ হল। দেশে ফিরে ১৭ বছরের রাজনৈতিক নির্বাসন কাটিয়ে নতুন করে নেতৃত্বে উঠে এলেন তারেক রহমান।এর আগেই নিজের এক্স হ্যান্ডেলে শুভেচ্ছা জানিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় লিখেছিলেন, বাংলাদেশের এই জয়ের জন্য তিনি তারেকভাই, তাঁর দল এবং সহযোগী দলগুলিকে অভিনন্দন জানাচ্ছেন। পাশাপাশি দুই বাংলার সুসম্পর্ক বজায় থাকার আশাও প্রকাশ করেছিলেন তিনি।বাংলাদেশে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে কলকাতা-ঢাকার সম্পর্ক কোন পথে এগোয়, এখন সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

ফেব্রুয়ারি ১৫, ২০২৬
দেশ

মোদীর ফোন, জয়শঙ্কর কি যাচ্ছেন শপথে? কূটনৈতিক মহলে জোর চর্চা

বাংলাদেশে রাজনৈতিক পালাবদল স্পষ্ট। অন্তর্বর্তী সরকারের অধ্যায় শেষ হতে চলেছে। বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে ক্ষমতায় আসছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বা বিএনপি। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিতে চলেছেন তারেক রহমান।যদিও এখনও সম্পূর্ণ ফলাফল ঘোষণা হয়নি, তবু দুই-তৃতীয়াংশের বেশি আসনে এগিয়ে রয়েছে বিএনপি। তবে নিয়মের কিছু জটিলতার কারণে আজ, ১৪ ফেব্রুয়ারি শপথ নিতে পারছেন না তারেক। সূত্রের খবর, আগামী সোমবার বা মঙ্গলবার তাঁর শপথ গ্রহণ হতে পারে।শপথ অনুষ্ঠানে ভারতের প্রতিনিধিত্ব কে করবেন, তা নিয়েও জল্পনা শুরু হয়েছে। সময়মতো আমন্ত্রণ এলে ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকতে পারেন বলে কূটনৈতিক সূত্রে ইঙ্গিত। এর আগে খালেদা জিয়া-র মৃত্যুর পর তাঁর শেষকৃত্যে যোগ দিতে ঢাকায় গিয়েছিলেন জয়শঙ্কর। তখন তাঁর সঙ্গে তারেক রহমানের সাক্ষাৎও হয়েছিল। দিল্লিতে অবস্থিত বাংলাদেশ হাই কমিশনে শ্রদ্ধা জানাতে গিয়েছিলেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং।বাংলাদেশে ফলাফল স্পষ্ট হওয়ার পরই অভিনন্দন জানিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট করে তারেক রহমানকে শুভেচ্ছা জানান তিনি। সূত্রের খবর, ফোনেও কথা হয়েছে দুই নেতার মধ্যে।গত কয়েক বছরে ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক নানা কারণে টানাপোড়েনের মধ্যে ছিল। শেখ হাসিনা-র সরকারের পতনের পর সেই দূরত্ব আরও বেড়েছিল বলে মনে করা হয়। এখন তারেক রহমানের নেতৃত্বে নতুন সরকার গঠিত হলে দুই দেশের সম্পর্ক নতুন করে উন্নতির পথে হাঁটতে পারে বলে আশা কূটনৈতিক মহলের। দিল্লিও সেই দিকেই নজর রাখছে।

ফেব্রুয়ারি ১৪, ২০২৬
কলকাতা

চার আধিকারিকের বিরুদ্ধে এফআইআর হয়নি কেন? জবাব চাইল কমিশন

এসআইআর ও ভোটার তালিকা পরিমার্জন নিয়ে দিল্লিতে প্রশ্নের মুখে বাংলার মুখ্যসচিব নন্দিনী চক্রবর্তী। কাজ বিলম্বের দায় রাজ্যের ওপর চাপাল জাতীয় নির্বাচন কমিশন। ভোটের প্রস্তুতি নিয়েও চাইল রিপোর্ট।ভোটার তালিকার নিবিড় পরিমার্জন এবং এসআইআর প্রক্রিয়া নিয়ে দিল্লিতে প্রশ্নের মুখে পড়লেন বাংলার মুখ্যসচিব নন্দিনী চক্রবর্তী। সূত্রের খবর, জাতীয় নির্বাচন কমিশন-এর ফুল বেঞ্চের বৈঠকে তাঁকে একাধিক বিষয়ে জবাব দিতে হয়।কমিশনের অভিযোগ, এসআইআর প্রক্রিয়ার জন্য যে পদমর্যাদার আধিকারিকদের চাওয়া হয়েছিল, রাজ্য সময়মতো তা দেয়নি। তার ফলেই ভোটার তালিকার নিবিড় পরিমার্জনের কাজ নির্ধারিত সময়ের মধ্যে শেষ করা যায়নি। এই বিলম্বের দায় রাজ্যের ওপরই চাপিয়েছে কমিশন।তবে মুখ্যসচিব বৈঠকে জানান, রাজ্যের প্রশাসনিক পরিকাঠামোর সীমাবদ্ধতার কারণে এক দফতর থেকে অন্য দফতরে আধিকারিকদের দ্রুত সরানো সম্ভব হয়নি। কিন্তু কমিশনের দাবি, যেসব আধিকারিকদের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে, তাঁদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে রাজ্য গড়িমসি করছে।এসআইআর প্রক্রিয়া নিয়ে কমিশনের দরবারে একাধিক অভিযোগ জমা পড়েছে। রাজ্যকে কমপ্লায়েন্স রিপোর্ট দিতে বলা হলেও তা জমা পড়েনি বলে অভিযোগ। চার আধিকারিকের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়েরের নির্দেশ দেওয়া হলেও তা কার্যকর হয়নি। এই সমস্ত বিষয়েই ব্যাখ্যা চাইতে মুখ্যসচিবকে তলব করা হয়েছিল। সমন মেনে তিনি দিল্লিতে হাজির হন এবং বৈঠকে অংশ নেন।এদিনের বৈঠকে আসন্ন নির্বাচন নিয়েও আলোচনা হয়েছে বলে সূত্রের খবর। ভোটের আগে নির্দেশিকা অনুযায়ী আধিকারিক বদলির কী অবস্থা, তা জানতে চেয়েছে কমিশন। প্রশাসনিক প্রস্তুতি কতদূর এগিয়েছে, সে সম্পর্কেও তথ্য চাওয়া হয়েছে।রাজ্য সরকার যে রিপোর্ট দেবে, তার ভিত্তিতেই কত দফায় ভোট হবে, তা নির্ধারণ করবে কমিশন। পর্যাপ্ত পুলিশ বাহিনী ও প্রশাসনিক পরিকাঠামো পাওয়া গেলে ভোটের দফা কমানো সম্ভব হতে পারে বলেই ইঙ্গিত মিলেছে। এই পরিস্থিতিতে ভোটের আগে কেন্দ্র ও রাজ্যের টানাপোড়েন আরও বাড়তে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

ফেব্রুয়ারি ১৪, ২০২৬
কলকাতা

বিদেশি ভোটার ইস্যুতে কড়া নির্বাচন কমিশন! একাধিক জেলাশাসক তিরস্কৃত

ভোটার তালিকা সংশোধনকে ঘিরে কড়া অবস্থান নিল নির্বাচন কমিশন। বৈঠকে দক্ষিণ ২৪ পরগনার জেলাশাসককে সরাসরি প্রশ্ন করা হয়, কোন কর্তৃত্বে এআরও-রা ইআরএমও-দের ডেকেছিলেন। একাধিক জেলার জেলাশাসকের ভূমিকায় অসন্তোষ প্রকাশ করে কমিশন।কোচবিহার, জলপাইগুড়ি ও মালদার জেলাশাসকদের বিরুদ্ধে গাফিলতির অভিযোগ উঠেছে। কোচবিহারের জেলাশাসককে নথি আপলোডে দেরির জন্য তিরস্কার করা হয়েছে। দুই ২৪ পরগনার জেলাশাসকের কাজ নিয়েও অসন্তোষ জানানো হয়েছে। পূর্ব বর্ধমানের জেলাশাসককে রাজনৈতিক মন্তব্য না করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।এসআইআর শেষ হওয়ার আগে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার বৈঠক করেন। ভিডিও কনফারেন্সে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের মুখ্য নির্বাচন আধিকারিকও। বৈঠকে স্পষ্ট বলা হয়, কোনও বিদেশি নাগরিকের নাম যেন ভোটার তালিকায় না থাকে। ১৬ ফেব্রুয়ারির মধ্যে সব জেলাশাসককে ব্যক্তিগতভাবে তথ্য যাচাই করতে হবে। সতর্ক করে দেওয়া হয়েছে, যদি ভবিষ্যতে কোনও নাম থেকে যায়, তা হলে এক বা পাঁচ বছর পরেও সংশ্লিষ্ট আধিকারিকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে। মামলা পর্যন্ত হতে পারে বলে ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে।এই ইস্যুতে সরব হয়েছেন সুকান্ত মজুমদার। তিনি বলেন, ভারতের সংবিধান যাঁদের বৈধ ভোটার বলে চিহ্নিত করে, তাঁদের বাইরে কাউকে বৈধ ভোটার হিসেবে মানা যায় না। তাঁর অভিযোগ, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বাংলাদেশ থেকে আসা অনুপ্রবেশকারীদের বৈধ ভোটার হিসেবে দেখছেন। নির্বাচন কমিশন সংবিধান অনুযায়ী কাজ করছে বলেও দাবি করেন তিনি। পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যসচিবকে তলব করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।অন্যদিকে তৃণমূলের সোশাল মিডিয়া সেলের ইনচার্জ দেবাংশু ভট্টাচার্য বলেন, তাঁরাও চান না কোনও বিদেশি ভোটার থাকুক। তবে বৈধ ভোটারের নাম যেন বাদ না যায়, সেটাও সমান গুরুত্বপূর্ণ। তিনি দাবি করেন, সাধারণ মানুষ, পরিযায়ী শ্রমিক বা গরিব মানুষদের বারবার নোটিস দিয়ে ডাকা হচ্ছে। তাঁদের পক্ষে বারবার যাতায়াত করা সম্ভব নয়। ফলে তাঁদের নাম বাদ পড়ার আশঙ্কা তৈরি হচ্ছে।সব মিলিয়ে ভোটার তালিকা সংশোধনকে কেন্দ্র করে প্রশাসনিক কড়াকড়ি এবং রাজনৈতিক তরজা তুঙ্গে উঠেছে। বিদেশি ভোটার বিতর্কে আগামী দিনে পরিস্থিতি কোন দিকে যায়, সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২৬
বিদেশ

‘সুপরিকল্পিত প্রহসন’! বাংলাদেশের নির্বাচন নিয়ে বিস্ফোরক অভিযোগ শেখ হাসিনার

বাংলাদেশের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সুপরিকল্পিত প্রহসন বলে কটাক্ষ করলেন ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বৃহস্পতিবার ভোটগ্রহণ শেষ হওয়ার পর আওয়ামী লিগের সমাজমাধ্যমের মাধ্যমে একটি বার্তা দেন তিনি। সেখানে তাঁর দাবি, দেশের অধিকাংশ ভোটকেন্দ্রে ভোটার উপস্থিতি ছিল খুবই কম। মানুষ এই নির্বাচন বর্জন ও প্রত্যাখ্যান করেছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। সেই জন্য দেশবাসীকে ধন্যবাদ জানান প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী।এদিকে, নির্বাচনের দিন দেশের বিভিন্ন জায়গায় ককটেল বোমা বিস্ফোরণ এবং ব্যালট বাক্স দখলের অভিযোগ উঠলেও প্রশাসনের তরফে ভোটকে মোটের উপর শান্তিপূর্ণ বলা হয়েছে। ভোটের পর প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস দাবি করেন, এই নির্বাচন দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে শান্তিপূর্ণ এবং উৎসবমুখর। তবে তাঁর এই দাবির সঙ্গে একমত নন শেখ হাসিনা।হাসিনার অভিযোগ, ১১ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যার পর থেকেই বিভিন্ন জায়গায় ভোটকেন্দ্র দখল, গোলাগুলি, টাকার বিনিময়ে ভোট কেনাবেচা, ব্যালটে জোর করে সিল মারা এবং ফলাফল শিটে এজেন্টদের সই নেওয়ার মতো ঘটনা ঘটেছে। তাঁর মতে, সেখান থেকেই এই প্রহসনের শুরু। ১২ ফেব্রুয়ারি সকাল থেকে দেশের অধিকাংশ ভোটকেন্দ্রেই ভোটার উপস্থিতি ছিল নগণ্য বলেও দাবি করেন তিনি। রাজধানী ঢাকাসহ বহু জায়গায় ভোটকেন্দ্র কার্যত ফাঁকা ছিল বলে তাঁর অভিযোগ।নির্বাচন কমিশনের প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, বেলা দুটো পর্যন্ত দেশের ৩৬ হাজারের বেশি কেন্দ্রে গড়ে ভোট পড়েছে ৪৭ শতাংশ। সকাল ১১টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণের হার ছিল প্রায় ১৪.৯৬ শতাংশ।শেখ হাসিনার দাবি, আওয়ামী লিগ ছাড়া এই নির্বাচনকে দেশের মানুষ মেনে নেয়নি। গত কয়েক দিন ধরে আওয়ামী লিগের সমর্থক, ভোটার এবং সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের উপর হামলা, গ্রেফতার ও ভয় দেখানোর অভিযোগও তোলেন তিনি। তাঁর কথায়, ভয়ভীতি উপেক্ষা করেই মানুষ এই নির্বাচন বর্জন করেছে। তাই দেশের অধিকাংশ ভোটকেন্দ্রেই ভোটার উপস্থিতি ছিল না বলেই দাবি করেন তিনি।বাংলাদেশের এই নির্বাচন ঘিরে রাজনৈতিক বিতর্ক আরও গভীর হল বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

ফেব্রুয়ারি ১২, ২০২৬
কলকাতা

নির্বাচন কমিশনে জমা তালিকা নিয়ে কারচুপি? শেষ পর্যায়ে নতুন বিতর্ক

এসআইআর প্রক্রিয়া শেষ পর্যায়ে পৌঁছালেও বিতর্ক থামছে না। এবার রাজ্য সরকার অভিযোগ তুলেছে, জাতীয় নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া গ্রুপ-বি আধিকারিকদের নামের ডেটাবেস বিকৃত করার চেষ্টা চলছে। এই নিয়ে প্রেস বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে নবান্ন। কারা এই ডেটাবেস বিকৃত করার চেষ্টা করছে, তা স্পষ্ট না করলেও স্বার্থান্বেষী মহল-এর বিরুদ্ধে সরাসরি অভিযোগ আনা হয়েছে।রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এসআইআর-এর কাজের জন্য জাতীয় নির্বাচন কমিশনের কাছে মোট ৮৫০৫ জন গ্রুপ-বি আধিকারিকের নাম জমা দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার নবান্নের প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে দাবি করা হয়, সেই তালিকাই ইচ্ছাকৃতভাবে বিকৃতভাবে উপস্থাপনের অপচেষ্টা চলছে।বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, কিছু স্বার্থান্বেষী মহল পরিকল্পিতভাবে নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া গ্রুপ-বি আধিকারিকদের নামের ডেটাবেস বিকৃত করার চেষ্টা করছে। রাজ্যের দাবি, নির্বাচন কমিশনে যে তালিকা জমা দেওয়া হয়েছে, তা সম্পূর্ণভাবে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের অর্থ দফতরের জারি করা বিজ্ঞপ্তিতে নির্ধারিত পে-লেভেল মানদণ্ড মেনেই প্রস্তুত করা হয়েছে।নবান্ন আরও জানিয়েছে, সুপ্রিম কোর্টের ৯ ফেব্রুয়ারির পর্যবেক্ষণের পরই এই তালিকা জমা দেওয়া হয়েছে। রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের গ্রুপ এ, বি, সি ও ডি হিসেবে যে শ্রেণিবিভাগ রয়েছে, তা বিদ্যমান নিয়ম অনুযায়ী নির্ধারিত। সেই নিয়ম মেনেই অত্যন্ত সতর্কতা ও স্বচ্ছতার সঙ্গে গ্রুপ বি কর্মচারীদের তালিকা তৈরি করে কমিশনে পাঠানো হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। এতে কোনও অনিয়ম বা বিচ্যুতি হয়নি বলেও স্পষ্ট জানানো হয়েছে।নবান্নের বক্তব্য, সম্প্রতি যে অনিয়ম বা কারচুপির অভিযোগ তোলা হচ্ছে, তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও মনগড়া। বাস্তবের সঙ্গে তার কোনও সম্পর্ক নেই বলেও দাবি করা হয়েছে।তবে কিছু স্বার্থান্বেষী মহল বলে কাকে ইঙ্গিত করা হয়েছে, তা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে জল্পনা শুরু হয়েছে। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, এসআইআর প্রক্রিয়ার শেষ পর্যায়েও রাজ্য সরকার ও নির্বাচন কমিশনের মধ্যে যে চাপানউতোর চলছে, এই বিজ্ঞপ্তি তারই ইঙ্গিত দিচ্ছে। পরিস্থিতি কোন দিকে গড়ায়, এখন সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২৬
কলকাতা

দোলের পরেই ভোটের দিন ঘোষণা! বাংলায় আসছে কমিশনের হাইভোল্টেজ টিম

মার্চের ১ ও ২ তারিখে রাজ্যে আসছে নির্বাচন কমিশনের উচ্চ পর্যায়ের একটি দল। তারা রাজ্য মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের সঙ্গে বৈঠক করবে। সেই বৈঠকের পর দোলের পরেই ঘোষণা করা হতে পারে বিধানসভা নির্বাচনের নির্ঘণ্ট। তার আগে কোনও ঘোষণা হবে না বলেই সূত্রের খবর।আগে ঠিক ছিল, ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়া শেষ হলেই প্রকাশ করা হবে নির্বাচনের নির্ঘণ্ট। ১৪ ফেব্রুয়ারি চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশের কথা থাকলেও তা পিছিয়ে যায়। ফলে ভোটের দিন ঘোষণা নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়। এখন জানা যাচ্ছে, নেড়া পোড়া বা হোলিকা দহনের আগে কোনওভাবেই ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণা করা হবে না।রাজনৈতিক মহলের একাংশের দাবি, নির্বাচন কমিশন স্বশাসিত সংস্থা হলেও তারা কেন্দ্রের ইঙ্গিত মেনেই চলে। বিজেপি উত্তর ভারতের ধর্মীয় সংস্কৃতিকে গুরুত্ব দেয়। সেই মতে হোলিকা দহনের আগে কোনও শুভ কাজ শুরু করা ঠিক নয় এমন বিশ্বাস থেকেই ভোটের নির্ঘণ্ট দোলের পরে ঘোষণা করা হতে পারে বলে মত অনেকের। উল্লেখ্য, বাংলার পাশাপাশি অসম, তামিলনাড়ু, কেরল ও পুদুচেরিতেও নির্বাচন রয়েছে। সব রাজ্যের ভোট একসঙ্গেই ঘোষণা হওয়ার সম্ভাবনা।বাংলায় কত দফায় ভোট হবে তা নিয়েও জল্পনা তৈরি হয়েছে। সূত্রের খবর, রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দপ্তর থেকে কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশনকে জানানো হয়েছে, তারা এক দফায় ভোট করাতে প্রস্তুত। প্রয়োজনীয় লোকবল তাদের হাতে রয়েছে। যদি কেন্দ্রীয় বাহিনী পাওয়া যায়, তবে এক দফায় ভোট করা সম্ভব এবং তাতে হিংসাও কমবে। তবে জাতীয় নির্বাচন কমিশন তিন দফায় ভোট করানোর পক্ষেই ঝুঁকছে বলে জানা গিয়েছে। লোকবল ও কেন্দ্রীয় বাহিনী পাওয়ার বিষয়টিই এখন প্রধান চিন্তার কারণ।এদিকে মঙ্গলবার জাতীয় নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, ২৮ ফেব্রুয়ারি এসআইআরের চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করা হবে। তার পরেই ১ ও ২ মার্চ রাজ্যে আসবে কমিশনের উচ্চ পর্যায়ের দল। সেই বৈঠকের পরই দোলের পরে ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণা হতে পারে।

ফেব্রুয়ারি ১০, ২০২৬
বিদেশ

বিদায়ের আগে ঋণের বোঝা বাড়ালেন ইউনূস? নির্বাচন ঘিরে প্রশ্ন বাংলাদেশে

বাংলাদেশে জাতীয় নির্বাচনের আর বেশি দেরি নেই। হাসিনা সরকারের পতনের পর দেশটির শাসনভার যায় অন্তর্বর্তী সরকারের হাতে। সেই সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মহম্মদ ইউনূস। এখন অন্তর্বর্তী সরকারের মেয়াদ শেষের পথে। নির্বাচনের পর ক্ষমতায় আসবে নতুন সরকার। তার আগেই একের পর এক নতুন প্রকল্পে অনুমোদন দেওয়ায় প্রশ্ন উঠছে ইউনূস সরকারের সিদ্ধান্ত নিয়ে।এমনিতেই ঋণের চাপে রয়েছে বাংলাদেশ। তার মধ্যেই নতুন প্রকল্পে বিপুল অর্থ ব্যয়ের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এই অর্থের বড় অংশই ঋণ নিয়ে জোগাড় করতে হবে বলে জানা যাচ্ছে। সেই কারণেই বিদায়ের মুখে সরকারের আর্থিক সিদ্ধান্ত নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে।ঢাকা ওয়াটার সাপ্লাই অ্যান্ড স্যুয়ারেজ অথরিটি বা ওয়াসার আগেই প্রায় ২৪ হাজার কোটি টাকার ঋণ রয়েছে। সেই ঋণ এখনও শোধ হয়নি। তার মধ্যেই নতুন একটি প্রকল্পে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর গত ২৩ ডিসেম্বর ওয়াসার প্রশিক্ষণ ও গবেষণা একাডেমি গড়ার পরিকল্পনা ঘোষণা করা হয়। এই প্রকল্পের খরচ ধরা হয়েছে ৭২১ কোটি টাকা। এর মধ্যে ৫৭১ কোটি টাকা দক্ষিণ কোরিয়ার কাছ থেকে ঋণ হিসেবে নেওয়া হবে।বাংলাদেশের সংবাদমাধ্যম প্রথম আলো-র প্রতিবেদন অনুযায়ী, ১ ডিসেম্বর থেকে ২৫ জানুয়ারির মধ্যে মোট ৬৪টি প্রকল্পে অনুমোদন দিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার। এসব প্রকল্পে মোট খরচ হবে ১ লক্ষ ৬ হাজার ৯৯৩ কোটি টাকা। এর মধ্যে ৪০টি সম্পূর্ণ নতুন প্রকল্প, যেগুলিতে খরচ হবে ৭৯ হাজার ৩৫৬ কোটি টাকা। এই নতুন প্রকল্পগুলির মধ্যে কিছু প্রকল্পের প্রয়োজনীয়তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। কয়েকটি প্রকল্পকে ঘিরে বিতর্কও তৈরি হয়েছে।হাসিনা সরকারের পতনের পর গত দেড় বছরে ইউনূস সরকার মোট ১৩৫টি নতুন প্রকল্পে অনুমোদন দিয়েছে। এসব প্রকল্পে খরচ হয়েছে প্রায় ২ লক্ষ ৩ হাজার কোটি টাকা। সবচেয়ে বেশি বিনিয়োগ করা হয়েছে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ খাতে। তুলনায় স্বাস্থ্য খাতে বরাদ্দ কম ছিল। শেষ দিকে আবার তিনটি নতুন স্বাস্থ্য প্রকল্পে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। শিক্ষা খাতেও কিছু বিনিয়োগ করা হয়েছে। তবে কর্মসংস্থান, যা বাংলাদেশের অন্যতম বড় সমস্যা, সেই বিষয়ে তেমন জোর দেওয়া হয়নি বলেই অভিযোগ উঠছে।এদিকে প্রকল্প বণ্টন নিয়েও নতুন বিতর্ক শুরু হয়েছে। অভিযোগ, চট্টগ্রাম এলাকায় বেশি সংখ্যক প্রকল্পে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে, অথচ ২১টি জেলায় কোনও প্রকল্পই বরাদ্দ হয়নি। কেন চট্টগ্রামেই বেশি বরাদ্দ, সে বিষয়ে পরিকল্পনা উপদেষ্টা ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ প্রথম আলো-কে জানিয়েছেন, ঢাকার জল ও নিকাশি ব্যবস্থা চট্টগ্রামের তুলনায় অনেক উন্নত। রফতানি বাড়াতে চট্টগ্রাম বন্দরের পরিকাঠামো উন্নত করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। সেই কারণেই ওই এলাকায় বেশি বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

ফেব্রুয়ারি ০৯, ২০২৬
কলকাতা

সময় ফুরোল, কাজ বাকি! ভোটার তালিকা প্রকাশ পিছোল, বড় ঘোষণা কমিশনের

নির্ধারিত সময়সীমা পেরিয়ে গেলেও রাজ্যের একাধিক জায়গায় এখনও ভোটার তালিকার কাজ অসম্পূর্ণ। কোথাও শুনানি শেষ হয়নি, আবার কোথাও নথি আপলোডের কাজ চলছে। এই পরিস্থিতিতে জেলাশাসকদের আবেদনের ভিত্তিতে এসআইআর বা ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়ার সময় বাড়াল নির্বাচন কমিশন।শনিবার সন্ধ্যায় এই সিদ্ধান্তের কথা ঘোষণা করেন রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ আগরওয়াল। তিনি জানান, আপাতত আরও সাত দিন শুনানির কাজ চলবে, অর্থাৎ ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। ওই দিনই চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশের কথা ছিল। তবে সময় বাড়ানোয় সেই তালিকা প্রকাশও পিছিয়ে যাচ্ছে। সব কিছু ঠিকঠাক চললে ২১ ফেব্রুয়ারির মধ্যে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করা সম্ভব হবে বলে জানান তিনি।নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০২৫ সালের অক্টোবরের শেষ দিকে রাজ্যে এসআইআর প্রক্রিয়া শুরু হয়েছিল। পরিকল্পনা ছিল, ধাপে ধাপে সমস্ত কাজ শেষ করে ১৪ ফেব্রুয়ারি চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হবে। তার পরেই বিধানসভা ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণা হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু শেষ পর্বে এসে দেখা যায়, বেশ কিছু জেলায় এখনও ভোটারদের নথি যাচাই এবং শুনানির কাজ শেষ করা যায়নি।এই কারণেই কয়েকটি জেলার জেলাশাসক কমিশনের কাছে সময় বাড়ানোর আবেদন জানান। শেষ পর্যন্ত সেই আবেদন মেনে নেওয়া হয়েছে। ফলে শুনানির সময় যেমন বাড়ল, তেমনই পিছোল চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশের দিনও।এ বিষয়ে মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ আগরওয়াল বলেন, উত্তর ও দক্ষিণ কলকাতা এবং উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনার কয়েকটি বিধানসভা কেন্দ্রে এখনও শুনানির কাজ বাকি রয়েছে। তবে মোট কাজের প্রায় ৭০ থেকে ৮০ শতাংশ ইতিমধ্যেই সম্পন্ন হয়েছে। খুব বেশি কাজ বাকি নেই বলেই জানান তিনি। তাঁর আশা, আগামী সাত দিনের মধ্যেই সব শুনানি শেষ করা সম্ভব হবে।চূড়ান্ত ভোটার তালিকা ফেব্রুয়ারির শেষে যাবে কি না, এই প্রশ্নে তিনি জানান, শুনানির কাজ শেষ হলে তার পর আরও কয়েক দিন সময় লাগবে তথ্য চূড়ান্ত করতে। সেই হিসেবে ২১ ফেব্রুয়ারির মধ্যেই চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করা সম্ভব হবে।

ফেব্রুয়ারি ০৭, ২০২৬
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • 10
  • 11
  • ...
  • 35
  • 36
  • ›

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

আড়াই ঘণ্টা অপেক্ষায় সিআইডি, তারপর যা করলেন অভিষেক জানলে চমকে যাবেন

সিআইডির নোটিস ঘিরে শুক্রবার সন্ধ্যায় নতুন করে রাজনৈতিক চর্চার কেন্দ্রে উঠে এলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক ও সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রায় আড়াই ঘণ্টা তাঁর কালীঘাটের বাড়ির বাইরে অপেক্ষা করার পরও সরাসরি তাঁর হাতে নোটিস তুলে দিতে পারেননি তদন্তকারীরা। শেষ পর্যন্ত নোটিস গ্রহণ করেন তাঁর অফিসের এক কর্মী।শুক্রবার সন্ধ্যায় সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে অভিষেক দাবি করেন, তিনি কখনও তদন্ত থেকে পালিয়ে যাননি এবং সবসময় তদন্তে সহযোগিতা করেছেন। তাঁর কথায়, দিল্লি থেকে ফিরে বৃহস্পতিবারই তিনি সিআইডি দফতরে গিয়েছিলেন। সেখানে প্রায় সাড়ে পাঁচ ঘণ্টা তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। তদন্তকারীদের সমস্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার চেষ্টা করেছেন বলেও জানান তিনি। আগামী চৌদ্দ তারিখ আবারও সিআইডি দফতরে হাজিরা দেবেন বলেও জানান তৃণমূল সাংসদ।সিআইডিকে এতক্ষণ অপেক্ষা করানোর কারণ ব্যাখ্যা করে অভিষেক বলেন, সেদিন দলীয় বৈঠকে ব্যস্ত ছিলেন তিনি। বৈঠক চলাকালীন তদন্তকারীরা নোটিস দিতে এসেছিলেন। তিনি তাঁর সহকারীকে নোটিস গ্রহণ করার জন্য বলেছিলেন। তবে যদি ব্যক্তিগতভাবে তাঁর হাতেই নোটিস দিতে হয়, তাহলে অপেক্ষা করতেই হবে বলে তিনি জানান। তাঁর দাবি, তদন্তে সহযোগিতা করতে তিনি প্রস্তুত এবং তদন্ত এড়ানোর কোনও প্রশ্নই নেই।এদিন সিআইডির ভূমিকা নিয়েও ক্ষোভ প্রকাশ করেন অভিষেক। তিনি অভিযোগ করেন, ভবানীভবনে তাঁকে কী কী প্রশ্ন করা হয়েছে, সেই তথ্য সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে। তাঁর দাবি, তিনি নিজে কোনও তথ্য প্রকাশ করেননি। ফলে তদন্তকারী সংস্থার তরফ থেকেই সেই তথ্য বাইরে এসেছে বলে তাঁর সন্দেহ। বিষয়টি নিয়ে আদালতের দ্বারস্থ হওয়ার কথাও জানান তিনি।জানা গিয়েছে, নির্বাচনী প্রচারের সময় করা ডিজে মন্তব্য সংক্রান্ত মামলার তদন্তে শুক্রবার বিকেলে অভিষেকের কালীঘাটের বাড়িতে যায় সিআইডির একটি দল। কিন্তু সেই সময় তিনি বাড়িতে ছিলেন না। ফলে তদন্তকারীদের দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হয়। বাড়ির সামনে তৃণমূল কর্মী-সমর্থকদের ভিড়ও জমতে শুরু করে।সূত্রের খবর, ওই সময় কালীঘাটে দলীয় কার্যালয়ে বৈঠকে ব্যস্ত ছিলেন অভিষেক। পরে সন্ধ্যা সাতটার পর তিনি বাড়িতে ফেরেন। সাংবাদিকদের সামনে বক্তব্য রাখার পর বাড়ির ভিতরে চলে যান। তবে তদন্তকারীদের সঙ্গে সরাসরি দেখা করেননি। কিছুক্ষণ আরও অপেক্ষা করার পর সিআইডি আধিকারিকরা তাঁর অফিসের এক কর্মীর হাতে নোটিস তুলে দেন।জানা গিয়েছে, এই মামলায় আগামী ষোলো জুন সিআইডি দফতরে হাজিরা দিতে হবে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে। তার আগে সই জালিয়াতি মামলায় চৌদ্দ জুন তাঁকে আবার ভবানীভবনে হাজিরা দিতে হবে।

জুন ১২, ২০২৬
কলকাতা

৬৩৫ কোটি টাকার ‘বিজ্ঞাপন কেলেঙ্কারি’! মমতা জমানার খরচ ঘিরে বিস্ফোরক শুভেন্দু

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আমলে আয়োজিত শিল্প সম্মেলনকে ঘিরে এবার দুর্নীতির অভিযোগ তুললেন বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। শুক্রবার নিউটাউনের বিশ্ব বাংলা কনভেনশন সেন্টারে সাংবাদিক বৈঠকে তিনি দাবি করেন, বেঙ্গল গ্লোবাল বিজনেস সামিট আয়োজনের জন্য একটি ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট সংস্থাকে ৬৩৫ কোটি টাকা দেওয়া হয়েছিল। এই বিপুল অর্থ ব্যয়ের পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে বলেও জানান তিনি।শুভেন্দু অধিকারীর অভিযোগ, মানুষের করের টাকা কীভাবে খরচ হয়েছে, তার পূর্ণ হিসাব সামনে আনতেই তদন্ত করা হবে। তিনি বলেন, প্রয়োজন হলে আর্থিক দুর্নীতির তদন্তকারী কেন্দ্রীয় সংস্থার কাছেও বিষয়টি পাঠানো হবে। তাঁর দাবি, জনগণ তাঁদের দায়িত্ব দিয়েছে বলেই কোনও অভিযোগকে উপেক্ষা করা হবে না।একই সুর শোনা যায় রাজ্যের নতুন শিল্পমন্ত্রী তাপস রায়ের গলায়। তিনি বলেন, সরকারি অর্থ অপচয় বা নয়ছয়ের অভিযোগ উঠলে তার তদন্ত হওয়া প্রয়োজন। বিজিবিএস নিয়ে বিস্তারিত রিপোর্ট চাওয়া হয়েছে। কতগুলি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছিল, কতটা প্রকৃত লগ্নি এসেছে এবং শিল্পের ক্ষেত্রে তার বাস্তব ফল কী হয়েছে, সেই তথ্য আগামী সপ্তাহে সরকারের হাতে পৌঁছাবে বলে জানান তিনি।তাপস রায়ের বক্তব্য, শিল্প সম্মেলন হওয়া প্রয়োজন এবং সেখানে দেশ-বিদেশের শিল্পপতিরা আসবেন, সেটাই স্বাভাবিক। তবে কোনও অনুষ্ঠানের জন্য এত বিপুল পরিমাণ সরকারি অর্থ খরচের যৌক্তিকতা খতিয়ে দেখা দরকার। তিনি বলেন, বাংলায় নতুন শিল্প আনার জন্য বাস্তবমুখী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।টাটা গোষ্ঠীর প্রসঙ্গও ওঠে সাংবাদিক বৈঠকে। তাপস রায়ের দাবি, ভবিষ্যতে টাটা-সহ একাধিক বড় শিল্পগোষ্ঠী বাংলায় বিনিয়োগে আগ্রহ দেখাবে। শিল্পায়নের জন্য জমি নীতি, দক্ষ মানবসম্পদ তৈরি এবং প্রযুক্তিগত শিক্ষার উপর জোর দেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।এদিন নিউটাউনের বিশ্ব বাংলা কনভেনশন সেন্টারে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বাধীন কেন্দ্রীয় সরকারের বারো বছর পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত বিশেষ প্রদর্শনীর উদ্বোধন করেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। কেন্দ্রের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক প্রকল্প, জনকল্যাণমূলক কর্মসূচি এবং অবকাঠামোগত সাফল্য তুলে ধরতেই এই প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়েছিল। উদ্বোধনের পর প্রদর্শনী ঘুরেও দেখেন তিনি।এদিকে, বিজিবিএসকে ঘিরে ৬৩৫ কোটি টাকার ব্যয়ের অভিযোগ সামনে আসতেই রাজনৈতিক মহলে নতুন করে চর্চা শুরু হয়েছে। তদন্তে কী তথ্য সামনে আসে, এখন সেদিকেই নজর রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের।

জুন ১২, ২০২৬
কলকাতা

রক্ষাকবচ মিলেছে, কিন্তু বিপদ কাটেনি! এবার নতুন মামলায় অভিষেকের বাড়িতে সিআইডি

সই জালিয়াতি মামলায় কলকাতা হাইকোর্ট থেকে ১৪ দিনের রক্ষাকবচ পেলেও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আইনি অস্বস্তি কমছে না। এবার তাঁর বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া ডিজে মন্তব্য সংক্রান্ত মামলার তদন্তভার হাতে নিয়েছে সিআইডি। সেই মামলার নোটিস দিতেই শুক্রবার কালীঘাটে অভিষেকের বাড়িতে পৌঁছন তদন্তকারীরা।বৃহস্পতিবার হাইকোর্টের নির্দেশে ভবানীভবনে হাজিরা দিয়েছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সই জালিয়াতি মামলায় তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদও করা হয়। তবে সেই মামলায় কিছুটা স্বস্তি মিললেও অন্য একটি মামলায় তদন্তের গতি বাড়িয়েছে সিআইডি।জানা গিয়েছে, নির্বাচনী প্রচারের সময় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের একটি মন্তব্যকে কেন্দ্র করে বিধাননগর থানায় অভিযোগ দায়ের হয়েছিল। অভিযোগ ছিল, তাঁর বক্তব্যে উত্তেজনা ছড়ানোর সম্ভাবনা ছিল। প্রথমে এই মামলার তদন্ত করছিল বিধাননগর কমিশনারেটের সাইবার শাখা। পরে সেই তদন্তভার সিআইডির হাতে তুলে দেওয়া হয়।শুক্রবার দুপুরে সিআইডির একটি দল কালীঘাটে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতে যায়। তবে সেই সময় তিনি বাড়িতে ছিলেন না। ফলে নোটিস সরাসরি তাঁর হাতে তুলে দেওয়া সম্ভব হয়নি।ঘটনাস্থলে পরে পৌঁছন অভিষেকের আইনজীবীরা। তাঁদের বক্তব্য, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় আইন মেনেই চলছেন এবং তদন্তে সহযোগিতা করছেন। আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী তিনি ইতিমধ্যেই হাজিরা দিয়েছেন। ভবিষ্যতেও আইনি প্রক্রিয়াকে সম্মান জানিয়েই তিনি পদক্ষেপ করবেন বলে দাবি আইনজীবীদের।উল্লেখ্য, নির্বাচনী প্রচারের সময় দেওয়া একটি বক্তব্যকে কেন্দ্র করে বাগুইআটির বাসিন্দা রাজীব সরকার অভিযোগ দায়ের করেছিলেন। তাঁর দাবি, একজন জনপ্রতিনিধির এমন মন্তব্য করা উচিত নয়, যা সাধারণ মানুষের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি করতে পারে। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই তদন্ত এগোচ্ছে।অন্যদিকে সই জালিয়াতি মামলাতেও তদন্ত অব্যাহত রয়েছে। সেই মামলায় একাধিকবার তলবের পর সম্প্রতি সিআইডির সামনে হাজিরা দিয়েছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এখন ডিজে মন্তব্য সংক্রান্ত মামলার তদন্ত কোন দিকে এগোয়, সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

জুন ১২, ২০২৬
কলকাতা

কল্যাণের বিস্ফোরক আক্রমণের পর অভিষেকের জবাব! যা বললেন, তা শুনে চমকে গেলেন সবাই

তৃণমূল কংগ্রেসের অন্দরে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে ঘিরে রাজনৈতিক চর্চা আরও তীব্র হয়েছে। একদিন আগেই দলের হেভিওয়েট সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় প্রকাশ্যে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিয়েছিলেন। তাঁর অভিযোগ ছিল, অভিষেকের আচরণ এবং সিদ্ধান্তের কারণেই দলের বড় ক্ষতি হয়েছে। এমনকি তিনি দাবি করেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে একসময় সিদ্ধান্ত নিতে হবে তিনি কল্যাণকে রাখবেন, নাকি অভিষেককে।এই মন্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হলেও পাল্টা আক্রমণের পথে হাঁটলেন না অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। বরং কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিয়ে অনেকটাই সংযত এবং সম্মানজনক অবস্থান নিলেন তিনি।শুক্রবার নিজের বাড়িতে সিআইডির নোটিস পৌঁছনোর পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে অভিষেক বলেন, কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের তাঁর সম্পর্কে কথা বলার পূর্ণ অধিকার রয়েছে। তিনি বলেন, কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের অধিকার রয়েছে আমাকে নিয়ে কথা বলার। অধিকার রয়েছে চারটে কটূ কথা বলার। ছোট থেকে মানুষ করেছেন, বড় হতে দেখেছেন।এরপর আরও নরম সুরে অভিষেক জানান, তিনি কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের মন্তব্যকে ব্যক্তিগতভাবে খারাপভাবে নেননি। তাঁর কথায়, হয়তো কোনও বিষয় ওনার খারাপ লেগেছে, তাই বলেছেন। আমার কোনও ব্যক্তিগত রাগ বা ক্ষোভ নেই। আমি তাঁকে আগেও সম্মান করতাম, এখনও করি এবং ভবিষ্যতেও করব।প্রসঙ্গত, সম্প্রতি একটি মামলায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের পক্ষে আদালতে সওয়াল করা থেকে সরে দাঁড়ান কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই সময় তিনি অভিষেকের বিরুদ্ধে ঔদ্ধত্যের অভিযোগও তুলেছিলেন। তাঁর বক্তব্য ছিল, দীর্ঘ রাজনৈতিক ও পেশাগত অভিজ্ঞতার পরেও তিনি প্রাপ্য সম্মান পাননি।এই পরিস্থিতিতে অভিষেকের সংযত প্রতিক্রিয়া রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। তৃণমূলের অন্দরের এই মতপার্থক্য আগামী দিনে কোন দিকে মোড় নেয়, এখন সেদিকেই নজর রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের।

জুন ১২, ২০২৬
কলকাতা

পুজোর অনুদান নিয়ে বড় ঘোষণা! কারা পাবেন টাকা, কারা পাবেন না জানালেন শুভেন্দু

দুর্গাপুজোর আগে রাজ্যের বিভিন্ন ক্লাবের মধ্যে এবার অনুদান দেওয়া হবে কি না, তা নিয়ে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে। তৃণমূল সরকারের আমলে প্রতি বছর পুজো কমিটিগুলিকে আর্থিক অনুদান দেওয়া হত। গত বছর সেই অনুদানের পরিমাণ ছিল এক লক্ষ দশ হাজার টাকা। সরকার পরিবর্তনের পর স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠেছে, নতুন সরকারের আমলেও কি সেই অনুদান চালু থাকবে?এই বিষয়ে মুখ খুলেছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। এক সাংবাদিক বৈঠকে তিনি জানান, দুর্গাপুজোর অনুদান নিয়ে এখনও কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। খুব শীঘ্রই তথ্য ও সংস্কৃতি দফতরের সঙ্গে বৈঠক হবে। সেই বৈঠকেই অনুদান সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হবে।তবে মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্যে একটি বিষয় স্পষ্ট হয়েছে। তাঁর মতে, যেসব ক্লাব আর্থিক সমস্যার কারণে পুজো আয়োজন করতে অসুবিধায় পড়ে, মূলত তাদেরই সাহায্য করা উচিত। যেসব বড় ক্লাবের নিজস্ব আর্থিক সামর্থ্য রয়েছে, তাদের সরকারি অনুদানের প্রয়োজন নাও হতে পারে।শুভেন্দু অধিকারী বলেন, যাঁদের সত্যিই অর্থের প্রয়োজন, তাঁরাই অনুদান পাবেন। যাঁদের প্রয়োজন নেই, তাঁদের অনুদান দেওয়ার প্রয়োজনও নেই। ফলে এবার অনুদান বণ্টনের ক্ষেত্রে নতুন নীতি নেওয়া হতে পারে বলেই মনে করা হচ্ছে।মুখ্যমন্ত্রী আরও জানিয়েছেন, এ বছর রাজ্যে আরও বেশি সংখ্যায় দুর্গাপুজো অনুষ্ঠিত হবে বলে তাঁর আশা। সেই কারণেই পুজোকে কেন্দ্র করে প্রয়োজনীয় সব বিষয় নিয়ে সরকার গুরুত্ব সহকারে আলোচনা করবে।উল্লেখ্য, তৃণমূল সরকারের আমলে প্রথমবার দুর্গাপুজোর অনুদান চালু হয়েছিল দুই হাজার আঠারো সালে। তখন প্রতিটি ক্লাবকে দশ হাজার টাকা করে দেওয়া হয়েছিল। পরবর্তী সময়ে প্রতি বছর সেই অনুদানের পরিমাণ বাড়ানো হয়। শেষ পর্যন্ত গত বছর তা বেড়ে এক লক্ষ দশ হাজার টাকায় পৌঁছায়। পুজোর আগে নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়ামে ক্লাব প্রতিনিধিদের নিয়ে বৈঠক করে অনুদানের ঘোষণা করা হত। নতুন সরকারের আমলে সেই প্রথা বজায় থাকবে কি না, এখন সেদিকেই নজর রাজ্যের হাজার হাজার পুজো কমিটির।

জুন ১২, ২০২৬
কলকাতা

অভিষেকের পর এবার মদন! সই জাল মামলায় সিআইডি নোটিসে তৃণমূলে নতুন অস্বস্তি

বিধায়কদের সই জালিয়াতি মামলার তদন্তে এবার নতুন মোড়। শুক্রবার কামারহাটির বিধায়ক মদন মিত্রের বাড়িতে গিয়ে তাঁকে নোটিস দিল সিআইডি। নোটিস পাওয়ার কথা নিজেই স্বীকার করেছেন তৃণমূলের প্রবীণ নেতা।মদন মিত্র জানিয়েছেন, শুক্রবার সকালে সিআইডি আধিকারিকরা তাঁর বাড়িতে এসে একটি নোটিস দিয়ে গিয়েছেন। তবে এখনও তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডাকা হয়নি। তদন্তের স্বার্থে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করার কথা নোটিসে উল্লেখ করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।এই ঘটনা এমন এক সময়ে সামনে এল, যখন বিধায়কদের সই জালিয়াতি মামলায় তদন্তের গতি অনেকটাই বেড়েছে। সম্প্রতি এই মামলায় তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে দীর্ঘ সময় ধরে জিজ্ঞাসাবাদ করেছেন সিআইডি আধিকারিকরা। তদন্তকারীদের একাধিক প্রশ্নের উত্তর তিনি দেননি বলেও সূত্রের দাবি।অভিষেককে ঘিরে রাজনৈতিক চর্চার মাঝেই মদন মিত্রের কাছে সিআইডির নোটিস পৌঁছনোয় নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে। রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, দলের বর্তমান কঠিন পরিস্থিতিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাশে যাঁরা এখনও দৃঢ়ভাবে রয়েছেন, তাঁদের মধ্যে অন্যতম মদন মিত্র। তাই তাঁর কাছে তদন্ত সংস্থার নোটিস পৌঁছনোকে ঘিরে কৌতূহল বাড়ছে।বিধানসভা নির্বাচনের পর থেকেই তৃণমূলের অন্দরে টানাপোড়েন বেড়েছে। দলের একাংশের বিধায়ক ও সাংসদদের অবস্থান নিয়ে রাজনৈতিক মহলে নানা আলোচনা চলছে। এর মধ্যেই সই জালিয়াতি মামলায় তদন্ত আরও জোরদার করেছে সিআইডি।অভিযোগ, কয়েকজন বিধায়কের সই জাল করে গুরুত্বপূর্ণ নথি জমা দেওয়া হয়েছিল। সেই অভিযোগের তদন্তেই একাধিক ব্যক্তিকে নোটিস পাঠানো হচ্ছে। তদন্তের অগ্রগতির দিকে নজর রয়েছে রাজনৈতিক মহলের।এখন দেখার, মদন মিত্রকে ভবিষ্যতে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডাকা হয় কি না এবং এই মামলার তদন্তে নতুন কী তথ্য সামনে আসে।

জুন ১২, ২০২৬
কলকাতা

মমতার বিরুদ্ধে নতুন অভিযোগ! উস্কানিমূলক মন্তব্য ঘিরে থানায় মামলা

প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে আইনি চাপ আরও বাড়ল। বিতর্কিত মন্তব্যকে কেন্দ্র করে এবার তাঁর নামে নতুন করে থানায় অভিযোগ দায়ের হয়েছে। অভিযোগ করেছেন এক ব্যবসায়ী। জানা গিয়েছে, হেয়ারস্ট্রিট থানায় জমা পড়া ওই অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ প্রাথমিক তদন্তও শুরু করেছে।এর আগেই গত ২ জুন রানি রাসমণি রোডের একটি সভায় করা মন্তব্যকে কেন্দ্র করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের হয়েছিল। সেই মামলায় শিলিগুড়ি সাইবার থানায় এক আইনজীবী অভিযোগ জানান। এবার আরও একটি বক্তব্যকে ঘিরে নতুন বিতর্ক তৈরি হয়েছে।চলতি বছরের শুরুতে ভোটের প্রচারের সময় ধর্মতলার একটি জনসভা থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় একটি মন্তব্য করেছিলেন, যা পরে সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ে। সেই বক্তব্যকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহলে তীব্র বিতর্ক শুরু হয়। বিরোধীদের দাবি, একজন শীর্ষ রাজনৈতিক নেতার মুখে এ ধরনের মন্তব্য গ্রহণযোগ্য নয়। অন্যদিকে, তৃণমূলের পক্ষ থেকে সেই অভিযোগ উড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল।তবে কয়েক মাস পর ফের সেই বক্তব্যকে কেন্দ্র করেই আইনি পদক্ষেপের পথে হাঁটলেন এক ব্যবসায়ী। তাঁর অভিযোগ, ওই মন্তব্য সমাজে উত্তেজনা ছড়াতে পারে এবং তা জনমানসে নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। অভিযোগ পাওয়ার পর পুলিশ বিষয়টি খতিয়ে দেখতে শুরু করেছে বলে সূত্রের খবর।রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, সাম্প্রতিক সময়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তৃণমূল কংগ্রেসকে ঘিরে একাধিক বিতর্ক সামনে এসেছে। তার মধ্যেই নতুন এই অভিযোগ রাজনৈতিক চাপ আরও বাড়িয়ে দিল। এখন নজর রয়েছে তদন্তের অগ্রগতির দিকে। পুলিশ এই মামলায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডেকে পাঠাবে কি না, তা নিয়েও জল্পনা শুরু হয়েছে।এদিকে, রানি রাসমণি রোডের সভায় করা মন্তব্যকে কেন্দ্র করে দায়ের হওয়া অভিযোগ নিয়েও চাপের মুখে রয়েছে তৃণমূল শিবির। দুই মামলার তদন্ত কোন দিকে এগোয়, সেটাই এখন রাজনৈতিক মহলের প্রধান আলোচনার বিষয়।

জুন ১২, ২০২৬
রাজ্য

দুর্গাপূজার অনুদানে আমূল বদল! ‘সবার জন্য নয়’, নতুন নীতির ইঙ্গিত শুভেন্দুর

রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পর থেকেই দুর্গাপূজার সরকারি অনুদান নিয়ে জোর জল্পনা চলছিল। দীর্ঘদিন ধরে চলা সেই জল্পনার অবসান ঘটিয়ে এবার স্পষ্ট বার্তা দিল নতুন বিজেপি সরকারের নেতৃত্ব। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানিয়ে দিলেন, দুর্গাপূজার সরকারি অনুদান পুরোপুরি বন্ধ করা হচ্ছে না, তবে আগের মতো সমস্ত পুজো কমিটিকে এক ছাঁচে আর্থিক সাহায্য দেওয়ার নীতি থেকে সরে আসতে চলেছে সরকার।শুক্রবার নবান্নে আয়োজিত এক সাংবাদিক সম্মেলনে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, সরকারি অর্থ ব্যয়ের ক্ষেত্রে নতুন সরকার আরও লক্ষ্যভিত্তিক ও দায়িত্বশীল নীতি গ্রহণ করতে চায়। সেই কারণেই দুর্গাপূজার অনুদান ব্যবস্থার উপর শীঘ্রই একটি উচ্চপর্যায়ের পর্যালোচনা বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। বৈঠকে তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তরের আধিকারিকরা উপস্থিত থাকবেন এবং সেখানেই চূড়ান্ত কাঠামো নির্ধারণ করা হবে।প্রসঙ্গত, বিগত তৃণমূল সরকারের আমলে দুর্গাপূজার অনুদান প্রতি বছরই রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিল। ২০২৫ সালে রাজ্যের প্রতিটি নিবন্ধিত দুর্গাপূজা কমিটিকে ১ লক্ষ ১০ হাজার টাকা করে অনুদান দেওয়া হয়েছিল। তার আগের বছর এই অনুদানের পরিমাণ ছিল ৮৫ হাজার টাকা। পাশাপাশি বিদ্যুৎ বিলে ৮০ শতাংশ পর্যন্ত ছাড়, ফায়ার লাইসেন্সের ফি মকুব এবং একাধিক প্রশাসনিক সুবিধাও দেওয়া হয়েছিল পুজো কমিটিগুলিকে।তবে নতুন সরকার সেই মডেলকে পুনর্বিবেচনা করতে চাইছে। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর বক্তব্যে স্পষ্ট হয়েছে, আর্থিকভাবে স্বনির্ভর এবং বড় বাজেটের পুজোগুলিকে সরকারি অনুদানের আওতার বাইরে রাখা হতে পারে। বিশেষ করে যেসব পুজো কমিটি কর্পোরেট স্পনসরশিপ, বিজ্ঞাপন বা অন্যান্য উৎস থেকে পর্যাপ্ত অর্থ সংগ্রহ করতে সক্ষম, তাদের ক্ষেত্রে সরকারি সাহায্যের প্রয়োজনীয়তা নতুন করে খতিয়ে দেখা হবে।মুখ্যমন্ত্রী বলেন, যেসব পুজো কমিটি নিজেদের সামর্থ্যে অনুষ্ঠান পরিচালনা করতে পারে, তাদের সরকারি অর্থ দেওয়ার যৌক্তিকতা রয়েছে কি না, তা সরকার বিবেচনা করবে। কিন্তু যেসব কমিটি আর্থিকভাবে পিছিয়ে, যাদের এই সহায়তা ছাড়া পুজো আয়োজন কঠিন হয়ে পড়বে, তাদের পাশে সরকার অবশ্যই থাকবে।সরকারি সূত্রে খবর, সম্ভাব্য নতুন নীতিতে পুজো কমিটির আর্থিক অবস্থা, বাজেট, স্পনসরশিপের পরিমাণ এবং স্থানীয় সামাজিক ভূমিকার মতো বিষয়গুলিকে গুরুত্ব দেওয়া হতে পারে। অর্থাৎ ভবিষ্যতে অনুদান পেতে গেলে নির্দিষ্ট কিছু মানদণ্ড পূরণ করতে হতে পারে পুজো কমিটিগুলিকে।রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের একাংশের মতে, এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে নতুন সরকার একদিকে যেমন সরকারি ব্যয়ের উপর নিয়ন্ত্রণ আনতে চাইছে, অন্যদিকে সরকারি সাহায্য প্রকৃত প্রয়োজনমাফিক বণ্টনের বার্তাও দিতে চাইছে। বিরোধীদের মতে, এটি জনপ্রিয় একটি প্রকল্পের পরিধি সংকুচিত করার পদক্ষেপ হতে পারে, যদিও সরকারের দাবিএটি সম্পূর্ণভাবে জনস্বার্থ ও আর্থিক স্বচ্ছতার প্রশ্ন।এখন নজর তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তরের আসন্ন বৈঠকের দিকে। সেখান থেকেই স্পষ্ট হবে, ২০২৬ সালের দুর্গাপূজায় কোন ধরনের কমিটিগুলি সরকারি অনুদানের আওতায় থাকবে এবং নতুন নীতির চূড়ান্ত রূপরেখা ঠিক কী হতে চলেছে।কর্পোরেট স্পনসর পাওয়া বড় পুজোগুলির জন্য অনুদান অনিশ্চিত, আর্থিকভাবে দুর্বল কমিটিগুলির পাশে থাকার আশ্বাস সরকারের।

জুন ১২, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal