• ২৭ মাঘ ১৪৩২, শনিবার ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Election

রাজ্য

দিলীপ ঘোষের প্রচারে ২৪ ঘণ্টার জন্য নিষেধাজ্ঞা কমিশনের

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পর এবার দিলীপ ঘোষের প্রচারের উপর ২৪ ঘণ্টার নিষেধাজ্ঞা জারি করল নির্বাচন কমিশন । শীতলকুচি নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্যের জেরে এই সিদ্ধান্ত বলে খবর। ফলে ১৫ এপ্রিল সন্ধে ৭টা থেকে ১৬ এপ্রিল সন্ধে ৭টা পর্যন্ত প্রচার করতে পারবেন না তিনি।এদিকে বিজেপি নেতা সায়ন্তন বসুকে নোটিস দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। তাঁর মন্তব্যের জেরে নির্বাচনবিধি লঙ্ঘন হয়েছে বলে মনে করছে কমিশন। আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে তাঁকে জবাব দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। জবাবে সন্তুষ্ট না হলে বিজেপি নেতার বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেবে কমিশন।শীতলকুচিকাণ্ড নিয়ে একের পর এক বিতর্কিত মন্তব্য করেছিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। এর পরই বিজেপি নেতাকে শোকজ করেছিল কমিশন। তার জবাবও দিয়েছিলেন দিলীপ। কিন্তু সেই জবাবে সন্তুষ্ট হয়নি কমিশন। আর তাই এবার তাঁর প্রচারের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হল। সায়ন্তন বসুর শীতলকুচি নিয়ে মন্তব্যের বিরুদ্ধে চিঠি দিয়েছে কমিশন। দিন কয়েক আগেই এক সভাতে বিজেপি নেতা দাবি করেছিলেন, আমাদের সঙ্গে বেশি খেলতে আসবেন না। তাহলে আমরা শীতলকুচির মতো খেলা খেলব। প্রথমবারের জন্য ভোট দিতে গিয়ে নিহত হয়েছিল আনন্দ বর্মন। উনি আমাদের এক শক্তি প্রমুখের ভাই। এর বদলা নিতে বেশিক্ষণ অপেক্ষা করতে হয়নি আমাদের। ওদের চারজনকে স্বর্গের রাস্তা দেখিয়ে দিয়েছি। তাঁর এই মন্তব্যে নির্বাচনীবিধি ভঙ্গ হয়েছে বলে দাবি নির্বাচন কমিশনের।

এপ্রিল ১৫, ২০২১
রাজ্য

কোভিড সংক্রমণ বৃদ্ধিতে চিন্তিত কমিশন, শুক্রবার সর্বদল বৈঠকের ডাক

রাজ্যে এক দিকে নির্বাচন চলছে, অন্য দিকে বাড়ছে কোভিড সংক্রমণ। বুধবার আক্রান্তের সংখ্যা নয়া রেকর্ড ছুঁয়েছে। কিন্তু কোনও মতেই প্রচারের জন্য জমায়েতে রাশ টানা যাচ্ছে না। এই অবস্থায় সর্বদল বৈঠক ডাকল নির্বাচন কমিশন। শুক্রবার এই বৈঠক ডাকা হয়েছে।কমিশনের তরফে রাজ্যের ১০টি রাজনৈতিক দলকে চিঠি লিখে এ কথা জানানো হয়েছে। ১৬ এপ্রিল, শুক্রবার, দুপুর ২টোর সময় কমিশনের রাজ্য দপ্তরে হাজির হতে বলা হয়েছে তাদের। স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রতিটি দল থেকে ১ জন করে প্রতিনিধি যাবেন এই বৈঠকে। কোভিড বিধির কথা মাথায় রেখেই এই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। শুধু রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিদের নয়, শুক্রবারের বৈঠকে এডিজি আইনশৃঙ্খলা জগমোহন ও স্বাস্থ্য সচিব নারায়ণস্বরূপ নিগমকেও ডেকে পাঠানো হয়েছে। রাজ্যে সংক্রমণ বৃদ্ধির মধ্যেও প্রচারে জমায়েত কমানো যাচ্ছে না, এই অভিযোগ তুলে একাধিক জনস্বার্থ মামলা দায়ের হয়েছিল হাইকোর্টে। মঙ্গলবার এই ব্যাপারে শুনানিতে প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ জানিয়েছে, প্রচারের সময় যাতে কোভিড গাইডলাইন মেনে চলা হয়, সেটা নিশ্চিত করতে হবে কমিশনকে। মাস্ক পরা, নির্দিষ্ট দূরত্ব বিধি মেনে চলার মতো বিষয়গুলোকে গুরুত্ব দিতে হবে। আদালতের এই নির্দেশের পরেই বৈঠক ডাকা হয়েছে কমিশনের তরফে। কী ভাবে কোভিড বিধি মেনে প্রচার করা যাবে সেটা নিয়েই কথা হবে শুক্রবারের বৈঠকে।

এপ্রিল ১৪, ২০২১
রাজনীতি

এবার কমিশনের কোপে রাহুল, দিলীপ, শুভেন্দু

এবার বিজেপি নেতা রাহুল সিনহার বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ করল নির্বাচন কমিশন। শীতলকুচির ঘটনা নিয়ে মন্তব্যের জেরে এই সিদ্ধান্ত বলে জানা গিয়েছে। গতকালই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করে নির্বাচন কমিশন। তার পর থেকেই প্রশ্ন উঠতে থাকে বিজেপি নেতারা একাধিক বার আপত্তিকর মন্তব্য করলেও, তাঁদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ উঠতে থাকে। এহেন পরিস্থিতিতে রাহুল সিনহার প্রচার ৪৮ ঘণ্টার জন্য নিষিদ্ধ করল নির্বাচন কমিশন। শীতলকুচি নিয়ে দিলীপ ঘোষের মন্তব্যের প্রেক্ষিতে তাঁকেও শোকজ নোটিস পাঠানো হল। বুধবার সকাল ১০টার মধ্যে উত্তর দিতে হবে বিজেপি রাজ্য সভাপতিকে। শুভেন্দু অধিকারীকেও সতর্ক করা হয়েছে। বিতর্কিত মন্তব্য করা থেকে বিরত থাকতে বলা হয়েছে কমিশনের তরফে।শীতলকুচিতে কেন্দ্রীয় বাহিনীর গুলিতে মারা যান ৪ জন। যা নিয়ে রাজনৈতিক চাপানউতোরের মাঝেই বিতর্কিত মন্তব্য করে বসেন রাহুল সিনহা। তিনি বলেন, ভোটের লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা একটা ছেলেকে যারা গুলি করেছে, তাদের নেত্রী আসলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ওঁর দিন শেষ হয়ে গিয়েছে। মস্তানরাজ কায়েম করে গণতান্ত্রিক অধিকার কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা করে চলেছেন। এরপরই জুড়ে দেন, শীতলকুচিতে কেন্দ্রীয় বাহিনী ঠিক কাজ করেছে। তাদের উপর বোমা ছোঁড়া হচ্ছে। আবারও গোলমাল করলে এই জবাবই দেবে। কেন চারজনকে মারল? ৮ জনকে গুলি করে মারা উচিত ছিল। এর জন্য বাহিনীকেই শোকজ করা উচিত।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রচার ২৪ ঘণ্টার জন্য নিষিদ্ধ করার পর রাহুলের এই বিতর্কিত মন্তব্য নিয়ে নতুন করে জলঘোলা শুরু হয়। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ইতিমধ্যেই ধর্মতলার গান্ধি মূর্তির পাদদেশে অবস্থান কর্মসূচি নিয়েছেন। তার মাঝেই কমিশনের তরফে রাহুলের বিষয়ে সিদ্ধান্ত সামনে এল। যদিও তাঁকে নোটিস পাঠানো হয়নি বলে জানা গিয়েছে। রাহুলকে নোটিস পাঠানো না হলেও দিলীপকে শোকজ করা হয়েছে কমিশনের তরফে। এর আগে রবিবার বরাহনগরের সভা থেকে হুমকির সুরে দিলীপ ঘোষ বলেছিলেন, সকলে ভোট দিতে যাবেন। কেউ যদি বাধা দেয়, কোনও কথা শুনবেন না। আমরা সব দেখে নেব। মাথায় রাখবেন কেউ বাড়াবাড়ি করলে জায়গায় জায়গায় শীতলকুচি হবে। বিজেপি সাংসদের এই মন্তব্যে স্বাভাবিকভাবেই বিতর্কের ঝড় ওঠে। তার পর কমিশনের এই পদক্ষেপ।এদিকে রোহিঙ্গা ইস্যুতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করেন বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী। তার পর শুভেন্দু অধিকারীকে শোকজ নোটিস ধরায় কমিশন। কিন্তু শুভেন্দুর দেওয়া উত্তরে কমিশন সন্তুষ্ট নয় বলে জানা গিয়েছে। সে কথা জানিয়ে, কমিশন শুভেন্দুকে আপাতত সতর্ক করে ছেড়ে দিয়েছে। যে কোনও রকম বিতর্কিত মন্তব্য থেকে বিরত থাকতে বলেছে।

এপ্রিল ১৩, ২০২১
রাজ্য

ছাপ্পা ভোটের মাস্টারপ্ল্যানের অংশ শীতলকুচির ঘটনা, বিস্ফোরক মোদি

শীতলকুচির ঘটনা নিয়ে রাজনৈতিক লড়াই অব্যাহত। এবার তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। কল্যাণীর সভা থেকে মোদি দাবি করলেন, শীতলকুচির ঘটনা আসলে মমতার ছাপ্পা ভোটের মাস্টারপ্ল্যানেরই অংশ। প্রধানমন্ত্রীর দাবি, মমতা রাজ্যের আদিবাসী, দলিত, তপসিলি, মতুয়া, নমঃশূদ্রদের ভোটাধিকার কেড়ে নিতে চান। সেজন্যই ছাপ্পার পরিকল্পনা। আর সেটার জেরেই ঘটেছে শীতলকুচির ঘটনা।কল্যাণীতে দাঁড়িয়ে মোদি বলেন,মমতা এখন রাজ্যের আদিবাসী, দলিত, তপসিলি, মতুয়া, নমঃশূদ্রদের ভয় দেখাচ্ছেন, ধমকাচ্ছেন, মারধর করছেন। কিন্তু দিদি, আপনি যতই ভয় দেখান, মোদির প্রতি ওঁদের ভালবাসা কমাতে পারবেন না। প্রধানমন্ত্রীর দাবি, সোজা পথে বাংলার তপসিলি, মতুয়া, নমঃশূদ্রদের আটকানো যাবে না বুঝতে পেরেই মমতা এঁদের গণতান্ত্রিক অধিকার কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা করছেন। ছাপ্পা ভোটের পরিকল্পনা করেছেন। তাঁর কথায়,মতুয়া-নমঃশূদ্রদের আটকানোর জন্যই দিদি কেন্দ্রীয় বাহিনীকে ঘেরাও করার নিদান দিচ্ছেন। একটা দলকে বলছেন কেন্দ্রীয় বাহিনীকে ঘেরাও করতে। আরেকটা দলকে বলছেন বুথে গিয়ে ছাপ্পা মারতে। এটাই দিদির ছাপ্পা মারার মাস্টারপ্ল্যান। শোনা যাচ্ছে, কোচবিহারের ঘটনাও সেই মাস্টারপ্ল্যানেরই অংশ। কিন্তু দিদি এভাবে মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার আপনি কেড়ে নিতে পারেন না। জয়-পরাজয় সব ভোটেই থাকে। দলিতদের অধিকার এভাবে কেড়ে নেওয়া যায় না। মতুয়া-নমঃশূদ্রদের অধিকার এভাবে কেড়ে নেওয়া যাবে না।প্রসঙ্গত, কল্যাণী এবং সংলগ্ন এলাকায় একটা বড় অংশের ভোটার মতুয়া সম্প্রদায়ের। লোকসভার মতো বিধানসভাতেও সেই মতুয়া ভোটে বিশেষ নজর বিজেপির। সম্ভবত, সেকারণেই এদিন প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের ওড়াকান্দির সফর প্রসঙ্গ তুলে মমতাকে খোঁচা দিলেন। মোদি বোঝানোর চেষ্টা করলেন, মানুষের গণতন্ত্র রক্ষা করা মতুয়াদের ধর্মগুরু হরিচাঁদ ঠাকুরের জীবনের উদ্দেশ্য ছিল। আর সেই উদ্দেশ্য পূরণের লক্ষ্যে অনুপ্রেরণা পেতেই বাংলাদেশের ওড়াকান্দি সফরে গিয়েছিলেন তিনি। এরপরই মমতাকে খোঁচা দিয়ে মোদি বলেন, আমার ওড়াকান্দি যাওয়াটাই দিদির পছন্দ হয়নি। ওড়াকান্দিতে যাওয়াটা কি ভুল ছিল? হরিচাঁদ ঠাকুরের কর্মভূমিতে মাথা ঠেকানো ভুল ছিল নাকি?

এপ্রিল ১২, ২০২১
কলকাতা

মমতার প্রচারে ২৪ ঘণ্টার নিষেধাজ্ঞা জারি কমিশনের

মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্বাচনী প্রচারে ২৪ ঘণ্টার নিষেধাজ্ঞা জারি করল নির্বাচন কমিশন। সোমবার রাত ৮টা থেকে মঙ্গলবার রাত ৮টা পর্যন্ত কোনও রকমের নির্বাচনী প্রচার করতে পারবেন না মুখ্যমন্ত্রী। কমিশনের নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, প্ররোচনামূলক বক্তৃতার অভিযোগে মমতাকে পাঠানো নোটিসের জবাবে তারা সন্তুষ্ঠ নয়। সে কারণেই ২৪ ঘণ্টার এই নিষেধাজ্ঞা। কমিশনের এই নিষেধাজ্ঞা জারির পর মমতা টুইট করে জানিয়েছেন, মঙ্গলবার তিনি এর প্রতিবাদে গান্ধি মূর্তির নীচে ধর্নায় বসবেন।এর ফলে মমতার মঙ্গলবারের সমস্ত প্রচার কর্মসূচি বাতিল হল। তৃণমূল সূত্রে জানা গিয়েছে মঙ্গলবার বারাসত, বিধাননগর, হরিণঘাটা ও কৃষ্ণগঞ্জে মুখ্যমন্ত্রীর সভা করার কথা ছিল। শনিবার কোচবিহারের শীতলকুচিতে কেন্দ্রীয় বাহিনীর গুলিতে ৪ জনের মৃত্যুর পরে রবিবার সেখানে যাবেন বলে ঘোষণা করেছিলেন মমতা। সেই ঘোষণার পরেই কমিশন ৭২ ঘণ্টার জন্য যে কোনও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের শীতলকুচিতে যাওয়ার উপরে নিষেধাজ্ঞা জারি করে। এর পরে মমতার প্রচারে নিষেধাজ্ঞা। তৃণমূলের বক্তব্য, গোটাটাই হচ্ছে বিজেপি-র নির্দেশে। কমিশনের এই নিষেধাজ্ঞার কড়া সমালোচনা করেছে তৃণমূল। দলের মুখপাত্র কুণাল ঘোষ বলেন, মানুষ এর জবাব দেবে। পক্ষপাতদুষ্ট কমিশন বিজেপি-র শাখা সংগঠন। ভোটের বাক্সে এর জবাব দেবে মানুষ। দলের জাতীয় মুখপাত্র ডেরেক ওব্রায়েন বলেন, এটা গণতন্ত্রের পক্ষে কালো দিন।কোচবিহারের জনসভা থেকে কেন্দ্রীয় বাহিনীকে একহাত নেন তৃণমূল নেত্রী। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের নির্দেশেই সিআরপিএফ-এর একাংশ বিজেপি-র হয়ে কাজ করছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। মমতা বলেন, সিআরপিএফ যদি গন্ডগোল করে, মেয়েদের একটা দল মিলে ওদের ঘেরাও করে রাখবেন। আর একটা দল ভোট দিতে যাবেন। শুধু ঘেরাও করে রাখলে ভোট দেওয়া হবে না। তাই ভোট নষ্ট করবেন না। ৫ জন ঘেরাও করবেন। ৫ জন ভোট দেবেন। কেন্দ্রীয় বাহিনীকে ঘেরাও করার মন্তব্যে এর আগে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক এবং কোচবিহারের জেলাশাসক তথা জেলা নির্বাচনী আধিকারিকের কাছ থেকে রিপোর্ট চেয়েছিল কমিশন। তার জন্য মমতাকেও নোটিস পাঠানো হয়।

এপ্রিল ১২, ২০২১
রাজ্য

মাঝরাত থেকে জায়গায় জায়গায় অশান্তি, আক্রান্ত বিজেপি কর্মীরা

ভোটপর্ব চলাকালীন রাজ্যের বিভিন্ন আক্রান্ত বিজেপি কর্মী, সমর্থকরা। রবিবার রাতের মধ্যেই অন্তত তিনটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা ঘটেছে। প্রতি ক্ষেত্রেই কাঠগড়ায় শাসকদল তৃণমূল। রাতদুপুরে উত্তর ২৪ পরগনার নৈহাটিতে শুটআউট, গুলিবিদ্ধ হয়ে আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি এক বিজেপি কর্মী। এছাড়া কসবার আনন্দপুর এবং হাওড়ার বাঁকড়াতেও আক্রান্ত বিজেপি কর্মী, সমর্থকরা।রবিবার রাত সাড়ে ৮টা নাগাদ কসবা কেন্দ্রের অন্তর্গত আনন্দপুরের পশ্চিম চৌবাগায় বিজেপি কার্যালয় বৈঠক চলাকালীন দুষ্কৃতীরা হামলা চালায় বলে অভিযোগ। গেরুয়া শিবিরের মহিলা সদস্যদের হেনস্তা করা হয় বলে অভিযোগ। অভিযোগ, তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরাই পার্টি অফিসে ঢুকে তাণ্ডব চালিয়েছে। দুপক্ষের মধ্যে হাতাহাতি শুরু হয়, চলে বোতল ছোঁড়াছুঁড়িও। প্রতিবাদে রাতে আনন্দপুর থানা ঘেরাও করেন বিজেপি কর্মী, সমর্থকরা।এরপর আরও রাতের দিকে খবর মেলে, নৈহাটিতে গুলি চলেছে। এক বিজেপি কর্মী গুরুতর আহত অবস্থায় তাঁকে ভর্তি করা হয়েছে কল্যাণীপর জেএনএম হাসপাতালে। স্থানীয় বিজেপি কর্মীদের অভিযোগ, তাঁদের দলের এই সদস্যকে বেশ কয়েকদিন ধরেই হুমকি দিচ্ছিল তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা। আগামী ২২ তারিখ এলাকায় ভোটের আগে প্রচারে বেরতেই তিনি আক্রান্ত হলেন। এ নিয়ে রাত পর্যন্ত এলাকায় উত্তেজনা ছিল। স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্ব অবশ্য ঘটনায় নিজেদের জড়িত থাকার অভিযোগ উড়িয়ে পালটা দাবি করেছে, বিজেপির গোষ্ঠীকোন্দলের জেরেই এই ঘটনা ঘটেছে। নৈহাটিতে শুটআউটের ঘটনায় বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের প্রতিক্রিয়া, প্রতি দফা ভোটের আগেই এভাবে বিজেপির উপর হামলা চালিয়ে লড়াই থেকে পিছিয়ে দেওয়ার চেষ্টা চলছে। কিন্তু এভাবে বিজেপিকে রোখা যাবে না। কেন্দ্রীয় বাহিনীর তত্বাবধানে স্বচ্ছভাবে ভোট প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ হবে এবং বিজেপি ক্ষমতায় আসবে। পাশাপাশি, হাওড়ায় ভোট পরবর্তী রাজনৈতিক হিংসা অব্যাহত। বাঁকড়ার রাজীব পল্লি এলাকায় একদল বিজেপি কর্মী, সমর্থকের উপর হামলার অভিযোগ উঠল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। সোমবার ভোরে কোচবিহারের সিতাইয়েও আক্রান্ত হয়েছেন বিজেপি কর্মী। অভিযোগ, তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পথেও চলে হামলা।

এপ্রিল ১২, ২০২১
কলকাতা

ভাটপাড়া থেকে উদ্ধার প্রচুর কৌটো বোমা-গুলি

চতুর্থ দফার ভোটে রক্তে ভিজেছে বাংলার মাটি। বাকি চার দফায় সেই অশান্তি এড়াতে আগেবাগেই তৎপর প্রশাসন। তাই রাজ্যজুড়ে বিভিন্ন এলাকার কুখ্যাত দুষ্কৃতীদের ধরতে চলছে পুলিশি অভিযান। উদ্ধার হচ্ছে বোমা-গুলিও। যেমন শনিবার রাতে উত্তর ২৪ পরগনার জগদ্দল বিধানসভার ভাটপাড়া পুরসভার ৩৩ নম্বর ওয়ার্ডের মাদরাল জয়চণ্ডীতলা এলাকার একটি ক্লাব থেকে বিপুল পরিমাণ কৌটো বোমা ও গুলি উদ্ধার হয়। এদিকে, রাতভর বোমাবাজি উত্তপ্ত রইল বীরভূমের সিউড়ি জানুরি গ্রাম। তৃণমূল বিজেপিরর সংঘর্ষে উত্তপ্ত গোটা এলাকা। কোনও হতাহতের খবর নেই। তবে থমথমে এলাকায় টহলদারি চালাচ্ছে সিউড়ি থানার পুলিশ।পুলিশ সূত্রে খবর, শনিবার রাতে ভাটপাড়া এলাকায় গোপন অভিযান চালায় পুলিশ। সেই অভিযানেই তাজা কৌটো বোমা, বোমা তৈরির মশলা এবং গুলি উদ্ধার হয়। পুলিশের সন্দেহ, এই ক্লাবে বোমা তৈরির করা হচ্ছিল। পরের দুটো দফায় উত্তর ২৪ পরগনার বিস্তীর্ণ এলাকায় নির্বাচন। সেই বোটে গন্ডগোল পাকানোর উদ্দেশ্যেই বোমা মজুত করা হচ্ছিল বলেই দাবি পুলিশের। তদন্ত শুরু করেছে তাঁরা।পুলিশ সূত্রে আরও খবর, এই ঘটনায় জড়িত সন্দেহে এলাকার ত্রাস অঙ্কিত সাউ, লক্ষ্মণ দেবনাথ-সহ একাধিক দুষ্কৃতীর খোঁজ চলছে। নির্বিঘ্নে ভোট করাতে এদের গ্রেপ্তার করা হতে পারে বলে খবর। বোমা উদ্ধারের ঘটনায় চলছে রাজনৈতিক চাপানউতোর চলছে। এই এলাকা বিজেপি সাংসদ অর্জুন সিংয়ের খাসতালুক হিসেবে পরিচিত। তাঁর অভিযোগ, নির্বাচনে অশান্তি পাকাতেই বোমা মজুত করছে তৃণমূল। যদিও পালটা তৃণমূলের মুখপাত্র কুণাল ঘোষের দাবি, এলাকায় সন্ত্রাসের আবহ তৈরি করতে এই বোমা মজুত করছিল খোদ বিজেপি সাংসদই।

এপ্রিল ১১, ২০২১
কলকাতা

'বঙ্গে আসছে বিজেপিই'! পিকে-র অডিও টেপ ফাঁস

চতুর্থ দফার ভোটপর্ব শুরুর আগেই প্রশান্ত কিশোরের (পিকে) একটি অডিও টেপ সামনে আনলেন বিজেপি নেতা অমিত মালব্য। সেখানে তৃণমূলের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ ভোট কুশলীকে বলতে শোনা গিয়েছে, রাজ্যের ভোটে নরেন্দ্র মোদি, হিন্দুত্ব, মেরুকরণ, অবাঙালি ভোট বড় ফ্যাক্টর। বলতে শোনা গিয়েছে, মতুয়া ভোটের দুই তৃতীয়াংশ এবং সামগ্রিক হিন্দু ভোটের অর্ধেক বা তার বেশি বিজেপি-র পক্ষে পড়বে। অমিতের দাবি, ওই অডিওটি পিকের ক্লাবহাউস চ্যাটের অংশ। পিকে অবশ্য কার্যত মেনে নিয়েছেন চ্যাটের কণ্ঠস্বরটি তাঁরই।এ সম্পর্কে প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে প্রশান্ত শনিবার টুইটারে লিখেছেন, আমি খুশি, বিজেপি তাদের নেতার কথার চেয়ে আমার চ্যাটকে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন। কথার নির্দিষ্ট কিছু অংশ তুলে ধরে উত্তেজিত না হয়ে তাদের পুরো চ্যাটটি প্রকাশ্যে আনা উচিত। আমি আগেও বলেছি, আবার বলছি, বিজেপি পশ্চিমবঙ্গে ১০০ পেরোবে না। তিনি দাবি করেছেন, অডিও ক্লিপটিতে তাঁর ক্লাবহাউস চ্যাটের অংশবিশেষ কেটে নিয়ে প্রকাশ করেছে। পুরো চ্যাটটি প্রকাশ করা হলে পরিষ্কার হবে তিনি ঠিক কী বলতে চেয়েছিলেন।অডিও ক্লিপে প্রশান্তকে বলতে শোনা গিয়েছে, ভোট থাকলে তা মোদির নামে রয়েছে। ভোট থাকলে হিন্দুত্বের নামে রয়েছে। মেরুকরণ, মোদি, হিন্দিভাষী, দলিত এগুলোই ফ্যাক্টর। শুভেন্দু গেল, কী প্রশান্ত কিশোর এল, তা এখানে ধর্ত্যব্যের বিষয়ই নয়। মোদি এখানে জনপ্রিয়। ১ কোটি হিন্দিভাষী এবং ২৭ শতাংশ দলিত ভোটার পুরোপুরি বিজেপি-র সঙ্গে রয়েছে বলেও জানিয়েছেন তিনি। বলেছেন, ধর্মীয় মেরুকরণের গুরুত্বের কথাও।সেই সঙ্গে চ্যাটে একটি প্রশ্নের উত্তরে মতুয়া ভোটের গুরুত্বের কথা জানিয়ে প্রশান্ত বলেছেন, আমাদের সমীক্ষার হিসেব বলছে, লোকসভা নির্বাচনের মতো একতরফা না হলেও এখনও মতুয়া ভোটের ৭৫ শতাংশ বিজেপি-র পক্ষে এবং ২৫ শতাংশ তৃণমূলের পক্ষে যাবে।তাঁদের সমীক্ষার ফল সম্পর্কে প্রশান্ত বলেন, আমরা ভোটারদের কাছে মূলত দুটি বিষয় জানতে চেয়েছিলাম প্রথমত, আপনি কাকে ভোট দেবেন। দ্বিতীয়ত, কে সরকার গড়বে। কে সরকার গড়বে এই প্রশ্নের ক্ষেত্রে অধিকাংশই উত্তর দিয়েছেন, বিজেপি। কেন এমন উত্তর এসেছে তারও ব্যাখ্যা দিয়েছেন প্রশান্ত। তাঁর কথায়, যাঁরা বিজেপি-কে ভোট দেবেন, তাঁরা তো বলছেনই, এমনকি বামেদের পক্ষে যে ১০-১৫ শতাংশ ভোটদাতা রয়েছেন তাঁদেরও দুই-তৃতীয়াংশ মনে করেন, বিজেপি সরকার গড়তে চলেছে। ওই বাম ভোটদাতাদের কাছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে হারানোর প্রশ্নটাই প্রধান বলে দাবি প্রশান্তের। কারণ, ওই বাম ভোটদাতারা মনে করেন,বিজেপি সরকার গড়লে বামেদের সুদিন ফিরবে।চ্যাটে তিনি বলেছেন, তৃণমূল স্তরে বিজেপি-র প্রচুর নিষ্ঠাবান কর্মী আছেন। হতে পারে তাঁরা বাম থেকে বিজেপি-তে এসেছেন। কিন্তু এখন তাঁরা একনিষ্ঠ ভাবে বিজেপি-র হয়েই কাজ করছেন। একটি-দুটি জায়গা বাদ দিলে পশ্চিমবঙ্গের এমন কোনও এলাকা নেই, যেখানে বিজেপি-র প্রচুর নিষ্ঠাবান কর্মী নেই। কিন্তু এমন পরিস্থিতি হলে তৃণমূল কত ভোট পেতে পারে? প্রশান্তের জবাব, আমার হিসেবে বিজেপি ৫০ থেকে ৫৫ শতাংশ হিন্দু ভোট পাবে।

এপ্রিল ১০, ২০২১
রাজ্য

আত্মরক্ষার্থেই গুলি, রিপোর্ট গেল কমিশনে

চতুর্থ দফার ভোটেও প্রাণহানি অব্যাহত। তবে এ বার অভিযোগের আঙুল ঘুরে গিয়েছে কেন্দ্রীয় বাহিনীর দিকে। কোচবিহারের শীতলকুচিতে বিনা প্ররোচনায় গুলি চালানোর অভিযোগ উঠেছে তাদের বিরুদ্ধে। যদিও নির্বাচন কমিশনকে দেওয়া রিপোর্টে তা খারিজ করে দিলেন রাজ্যের বিশেষ পুলিশ পর্যবেক্ষক বিবেক দুবে। কেন্দ্রীয় বাহিনী আত্মরক্ষার্থেই গুলি চালাতে বাধ্য হয়েছে বলে কমিশনকে জানিয়েছেন তিনি।শনিবারের ঘটনায় তোলপাড় গোটা রাজ্য। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উস্কানিতেই গোটা ঘটনা ঘটেছে বলে বিজেপি অভিযোগ করেছে। কিন্তু সুষ্ঠু নির্বাচন করানোর ভার যাদের হাতে, তাদের গুলিতেই ভোটারদের মৃত্যুর তীব্র সমালোচনা করেছে তৃণমূল, সিপিএম, কংগ্রেস-সহ প্রায় সব রাজনৈতিক দল। এ সব নিয়ে উত্তেজনার পারদ যখন তুঙ্গে, সেই সময় কমিশনকে দেওয়া রিপোর্টে বিবেক জানালেন, শীতলকুচির জোড়পাটকির যে ১২৬ নম্বর বুথের বাইরে এই ঘটনা ঘটেছে, সেখানে তৃণমূল এবং বিজেপি-র মধ্যে ঝামেলা চলছিল। তাতে ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়া ব্যাহত হচ্ছিল। খবর পেয়ে সেখানে কুইক রেসপন্স টিম পাঠানো হয়। এর পর দুপক্ষের সংঘর্ষ তীব্র আকার ধারণ করে। সেই পরিস্থিতি সামলাতে ময়দানে নামে কেন্দ্রীয় বাহিনী। কিন্তু গ্রামের মানুষ তাদের ঘিরে ধরেন। তাদের কাছ থেকে আগ্নেয়াস্ত্র ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করা হয়। সেই সময় আত্মরক্ষার্থেই গুলি চালাতে হয় কেন্দ্রীয় বাহিনীকে। এমন রিপোর্টই বিবেক দিয়েছেন বলে কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে। ইতিমধ্যেই বিবেকের এই যুক্তির তীব্র সমালোচনা করেছেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ২০১৯-এর লোকসভা নির্বাচনের প্রসঙ্গ টেনে বিবেকের বিরুদ্ধে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ এনেছেন তিনি। শুধু তাই নয়, গুলি চালিয়ে মানুষগুলিকে মেরে ফেলে এখন আত্মরক্ষা বলে চালানো হচ্ছে বলেও দাবি করেন মমতা।শীতলকুচির সাধারণ মানুষও গোটা ঘটনার জন্য কমিশনকে কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়েছেন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক জোড়পাটকির এক বাসিন্দার প্রশ্ন, পরিস্থিতি বেগতিক দেখলে পায়ে গুলি চালাতে পারত কেন্দ্রীয় বাহিনী। একদম নিশানা করে প্রত্যেকের বুকে গুলি লাগল কী ভাবে? স্থানীয় তৃণমূল কর্মীদেরও একই অভিযোগ। তাঁদের দাবি, বুথে মোতায়েন কেন্দ্রীয় বাহিনীই গুলি চালায়। তবে কোচবিহারের পুলিশ সুপার দেবাশিস ধরও কেন্দ্রীয় বাহিনীর সঙ্গে স্থানীয়দের ধস্তাধস্তি এবং রাইফেল কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা হয় বলে জানিয়েছেন।

এপ্রিল ১০, ২০২১
রাজ্য

করোনাবিধি না মানলে বিনা নোটিসেই বন্ধ হতে পারে সভা-মিছিল

লাফিয়ে বাড়ছে রাজ্যের করোনা সংক্রমণ। ১ এপ্রিল থেকে গত দশ দিনে রাজ্যে সংক্রমণ তিনগুণ বৃদ্ধিতে উদ্বিগ্ন নির্বাচন কমিশন। চতুর্থ দফার ভোট শুরুর কয়েক ঘণ্টা আগে, শুক্রবার কমিশন জারি করেছে কঠোর নির্দেশিকা। তাতে ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে, এইভাবে চলতে থাকলে সভা ও মিছিল নিষিদ্ধ করার পথে যাবে নির্বাচন কমিশন। নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, মাস্ক পরা ও শারীরিক দূরত্বের নির্দেশ না মানা হলে প্রার্থী ও সংশ্লিষ্ট তারকা প্রচারকের সভা ও রোড শো নিষিদ্ধ করা হবে।উল্লেখ্য, কোভিড সংক্রমণ ও মৃত্যু। দুইয়ের নিরিখে গতবছরের মতো এবারও পশ্চিমবঙ্গের মধ্যে শীর্ষে কলকাতা। অন্তত রাজ্য স্বাস্থ্যদপ্তরের তথ্য তাই বলছে। মানে, কুড়ির করোনাপর্বের সুচনালগ্নের রিরান শুরু হয়েছে একুশেও। এমতাবস্থায় আগেরবারের মতোই কোমরবেঁধে নেমে পড়েছে প্রশাসন। আগামী সপ্তাহেই স্বাস্থ্যদপ্তর ও কলকাতা পুরসভা যৌথভাবে মহানগরের ঘনবসতি এলাকায় ফের বুথ করে করোনা পরীক্ষা অভিযানে নামছে। তথ্য বলছে, গতবছরের ১৫ অক্টোবর রাজ্যে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ৩,৭২০। তবে সেই সময়ে দৈনিক কোভিড পরীক্ষা ৪১ হাজার ছাড়িয়েছিল। এখন পরীক্ষা কম। কিন্তু সংক্রমণ দ্রুত ছড়ানোর এমন চিত্রে চোখ বুলিয়ে যারপরনাই দুশ্চিন্তায় স্বাস্থ্যকর্তারা। তাঁরা দুষছেন আট দফা লম্বা ভোটকে। বিহার ভোটের আগে নির্বাচন কমিশনের কোভিড বিধি মানার যে নির্দেশিকা ছিল সেটিই এবারে পাঁচ রাজ্যে ভোটের আগে ফের জারি করা হয়েছিল। শুক্রবার নতুন নির্দেশে কমিশন জানিয়েছে, ওই নির্দেশিকা মেনে চলছে না রাজনৈতিক দলগুলি। যদি দেখা যায়, সভায় বা মিছিলে অংশগ্রহণকারীরা মাস্ক পরছে না এবং মঞ্চে নেতারা শারীরিক দূরত্ব রক্ষা করছেন না তাহলে সংশ্লিষ্ট প্রার্থী ও তারকা প্রচারকের সভা ও রোড শো বিনা নোটিসেই নিষিদ্ধ করা হবে। পাঁচ রাজ্যের মধ্যে শুধু পশ্চিমবঙ্গেই এখনও বিধানসভা ভোট শেষ হওয়া বাকি। রাজ্যে পরবর্তী চার দফার প্রচারের ক্ষেত্রে রাজনৈতিক দলগুলিকে যে সতর্ক হতেই হবে তা এদিন রাতের নির্দেশিকায় স্পষ্ট।বড় বড় সভার ক্ষেত্রে সেটা হওয়া আদৌ কতটা সম্ভবপর তা নিয়ে প্রশ্ন আছে। ফলে কমিশনকে কঠোর পদক্ষেপ করতে হতে পারে। সেক্ষেত্রে কোনও কোনও ও তারকা প্রচারকের সভা ও রোড শো বন্ধ হতে পারে। শুক্রবার রাতে কমিশনের এই নির্দেশিকার কথা জানাজানি হওয়ার পর চিন্তার ভাঁজ পড়েছে নেতাদের কপালে। রাজ্য স্বাস্থ্যদপ্তরের এক কর্তার কথায়, কোভিড সংক্রমণ কলকাতার চৌহদ্দি ছাড়িয়ে বীরভূম, পুরুলিয়া, বাঁকুড়াতেও ছড়িয়েছে। ভোটের কারণে কলকাতা থেকে যাঁরা জেলায় যাচ্ছেন তাঁদের মাধ্যমে সংক্রমিত হওয়ার সম্ভাবনা বেশি।

এপ্রিল ১০, ২০২১
রাজ্য

শহরে আজ ভোট চতুর্থী

রাজ্যের আট দফা বিধানসভা ভোটের চতুর্থ পর্বেই নিজেদের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ করবেন শহর কলকাতার বাসিন্দারা। এতদিন টিভি আর খবরের কাগজে ভোটের খবর পড়ার পর ভোট এবার সশরীরে কড়া নেড়েছে তাঁদের দরজায়। কিন্তু বিগত তিন দফায় বিভিন্ন জেলায় ভোট ঘিরে যে অশান্তির ছবি উঠে এসেছে তার আঁচ কলকাতাতে এসে পড়বে কিনা তা নিয়ে যথেষ্ট আশঙ্কা রয়েছে শহরের অনেক নাগরিকের মনে। সকাল থেকে গোটা দিনের আঁচ পাওয়ার প্রবাদ যদি সত্যি হয় তবে কলকাতার ভোট নিয়ে আশঙ্কার কারণ আছে। ভোটের আগের দিন শুক্রবার তৃণমূল-বিজেপি সংঘর্ষে রণক্ষেত্র হয়ে ওঠে কসবা এলাকা। যা অবাধ ও শান্তিপূর্ণ ভোট নিয়ে কমিশন এবং প্রশাসনের চিন্তা বাড়িয়েছে। পাশাপাশি যাদবপুর, কসবা, বন্দর এলাকা চিরকালই নির্বাচনী হিংসার আঁতুড়ঘর বলে পরিচিত।ভোট নির্বিঘ্নে করতে অবশ্য সবরকম ব্যবস্থা করা হয়েছে বলে দাবি করেছে কমিশন। প্রচুর সংখ্যায় কেন্দ্রীয় বাহিনীর পাশাপাশি পর্যাপ্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।শুক্রবার যেসব এলাকায় এদিন ভোট খাতায় কলমে তা দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলায় হলেও দীর্ঘদিন ধরেই কলকাতা পুরনিগমের আওতায় রয়েছে। এই সব এলাকাকে কলকাতার অন্দর বলেই ধরা হয়। সেই হিসাবে এদিনই হতে চলেছে কলকাতার বুকে চলতি বিধানসভা নির্বাচনের প্রথম দফার ভোটগ্রহণের পালা। আর সেই ভোটগ্রহণ যাতে নির্বিঘ্নে সম্পন্ন হয় তাই এখন থেকেই কোমর বাঁধছে নির্বাচন কমিশনের পাশাপাশি কলকাতা পুলিশ ও রাজ্য প্রশাসন। কলকাতার মোট ২৫টি থানা এলাকায় ভোটগ্রহণ করা হবে বলে পুলিশের ওপরেই বেশিরভাগ দায়িত্ব চেপেছে ভোটপর্ব নির্বিঘ্নে উতরে দিতে। ভোটপর্বে যাতে কোনও প্রকার অশান্তির ঘটনা না ঘটে বা ঘটলেও যাতে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া যায় সেই কারণে বৃহস্পতিবার রাতেই কলকাতা পুলিশের আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক করেন কলকাতা পুলিশের কমিশনার সৌমেন মিত্র। সেই বৈঠকেই তিনি নির্দেশ দিয়েছেন, ভোটের সময় সামান্য গোলমালের খবর পেলেই সঙ্গে সঙ্গে যেন পুলিশ বাহিনীকে সেখানে পৌঁছে যায়। প্রতিটি থানা এলাকায় যাতে শান্তিপূর্ণ ও অবাধ ভোট হয়, তার জন্য আগে থেকেই ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশও দেন পুলিশ কমিশনার।অসেই সঙ্গে তিনি এটাও জানিয়ে দেন যে, নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ অনুযায়ীই প্রতিটি ব্যবস্থা নিতে হবে। পুলিশের দিকে নিয়মভঙ্গের যেন কোনও অভিযোগ না ওঠে সেই দিকটিও দেখতে বলেন তিনি। এদিকে কলকাতার বুকে প্রথম দফার ভোটগ্রহণ পর্ব যাতে সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হয় তার জন্য ইতিমধ্যেই শহরে ১০২ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনীকে পাঠিয়ে দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। এই বাহিনীর একটা বড় অংশকেই কাজে লাগানো হবে এদিনের ভোটে। বাকি অংশ কলকাতার বিভিন্ন অংশে রুট মার্চ করবে। ভোটকেন্দ্রগুলিতে মোতায়েন করা থাকবে কেন্দ্রীয় বাহিনী। শনিবার শহরের ৭২১টি ভোটকেন্দ্রের ২ হাজার ৩৪৩টি বুথে ভোটগ্রহণ করা হবে। যে এলাকায় ৯টি বা তার বেশি সংখ্যক বুথ রয়েছে, সেখানে মোতায়েন করা হচ্ছে ২ সেকশন কেন্দ্রীয় বাহিনী, ৫টি ও তার বেশি বুথ থাকলে দেড় সেকশন এবং ২ থেকে ৪টি বুথ কোনও ভোটকেন্দ্রে থাকলে ১ সেকশন কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হচ্ছে।ভোটের দিন রাস্তায় নামানো হচ্ছে প্রায় সাড়ে চার হাজার অতিরিক্ত পুলিশ। ৩৩ জন ডেপুটি কমিশনার রাস্তায় থাকছেন। এ ছাড়াও অ্যাসিস্ট্যান্ট কমিশনার ও ইন্সপেক্টর পদমর্যাদার পুলিশ আধিকারিকরাও রাস্তায় থাকছেন। একাধিক জায়গায় উড়বে ড্রোন। আকাশপথেও চলবে নজরদারি। এছাড়াও পুলিশের পদস্থ কর্তারাও পরিস্থিতির উপর নজর রাখবেন। ভোটের সময় অবাঞ্ছিত ঘটনা এড়াতে পুরো এলাকায় টহল দেবে মোট ১২৩টি সেক্টর মোবাইল, ২৫টি ও তার সঙ্গে আরও ১২টি হেভি রেডিও ফ্লাইং স্কোয়াড এবং ৫০টি টহলদার বাইক। থাকছে ৬টি ডিভিশনাল ও একটি লালবাজারের স্ট্রাইকিং বাহিনী। একেকটি স্ট্রাইকিং বাহিনীর টহলদার গাড়িতে থাকছেন কুড়ি জন করে পুলিশকর্মী ও আধিকারিক। ৯৪টি কুইক রেসপন্স টিমে টহল দেবে কেন্দ্রীয় বাহিনী। সঙ্গে থাকবেন কলকাতা পুলিশ আধিকারিকরাও। যেখানে ভোট হচ্ছে, সেই এলাকার অপরিসর রাস্তা ও ভোটকেন্দ্রের আশপাশেও কেন্দ্রীয় বাহিনী পুলিশকে সঙ্গে নিয়ে টহল দেবে। এখন থেকেই বহিরাগতদের আটকাতে ৪০টি প্রবেশ ও বেরনোর রাস্তায় শুরু হয়েছে নাকা চেকিং। বিভিন্ন রাস্তায় কেন্দ্রীয় বাহিনী রুট মার্চও শুরু করেছে। ভোটের আগেও কোথাও কোনও গোলমাল যাতে না হয়, সেদিকে কড়া নজর রাখা হচ্ছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

এপ্রিল ১০, ২০২১
কলকাতা

ভোটের আগের দিন উত্তপ্ত কসবা

ভোটের আগের দিনই রাজনৈতিক সংঘর্ষে উত্তপ্ত হয়ে উঠল কসবা বিধানসভা কেন্দ্র। দিনেদুপুরে ঘরবাড়ি ভাঙচুর, বিজেপি প্রার্থী ইন্দ্রনীল খাঁর উপর হামলার ঘটনায় কাঠগড়ায় তৃণমূল। স্থানীয়দের অভিযোগ, ভোটের কয়েকদিন আগে থেকেই কসবার ৬৭নং ওয়ার্ড এলাকায় দুষ্কৃতীদের দৌরাত্ম্য বাড়ছে। বিজেপিকে ভোট না দেওয়ার হুমকি দিয়ে বারবার তাঁদের উপর চাপ দেওয়ার অভিযোগ উঠল স্থানীয়দের তরফে। তবে শুক্রবার এলাকার অশান্তির মাঝে এলাকায় কোথাও কেন্দ্রীয় বাহিনীকে দেখা যায়নি। ফলে নির্বাচনী আবহে কসবার নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে, আতঙ্কিত স্থানীয় বাসিন্দারা।কসবা বিধানসভা কেন্দ্র থেকে একুশের ভোটে লড়ছেন তৃণমূল প্রার্থী জাভেদ খান, বিজেপির ইন্দ্রনীল খাঁ এবং সিপিএমের শতরূপ ঘোষ। ৬৭ নং ওয়ার্ড এলাকার বাসিন্দাদের অভিযোগ, বারবারই তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা বাড়ি বাড়ি ঢুকে বিজেপিকে ভোট না দেওয়ার হুমকি দিচ্ছে। শুক্রবার সকালের দিকেও ছবিটা একই ছিল। রামঠিকারী মাঠ এলাকায় জনা ২০ যুবক বাইক নিয়ে একই কথা বলে তাঁদের। আর সেই হুমকি দিতে দিতেই তারা বাড়িতে হামলা চালায়, ভাঙচুর করে। সেখানে উপস্থিত এক যুবককে রড দিয়ে বেধড়ক মারধর করা হয় বলেও অভিযোগ।ঘটনার খবর পেয়ে বিকেলের দিকে সেখানে যান বিজেপি প্রার্থী ইন্দ্রনীল খাঁ, সিপিএমের শতরূপ ঘোষ। শতরূপের অভিযোগ, এলাকায় কয়েকদিন ধরে অশান্তির খবর পেয়েও উদাসীন থানা। কর্তব্যে গাফিলতির অভিযোগে কসবা থানার ওসিকে অপসারণের দাবি তোলেন তিনি। বিজেপি প্রার্থী ইন্দ্রনীল খাঁর অভিযোগ, তিনি নিজে থানায় গিয়ে অভিযোগ করেছেন, বিজেপি কর্মী, সমর্থকরা এর প্রতিকার চেয়ে বিক্ষোভেও শামিল হয়েছেন। তা সত্ত্বেও পুলিশ পদক্ষেপ করছে না বলে অভিযোগ। এ নিয়ে পালটা ফিরহাদ হাকিমের বক্তব্য, তৃণমূল নয়, বিজেপির তরফেই এলাকার শান্তি বিঘ্নিত করার চেষ্টা হয়েছে। ভোটের আগে বিজেপিই সন্ত্রাস ছড়াচ্ছে কসবায়।

এপ্রিল ০৯, ২০২১
রাজ্য

মমতাকে দ্বিতীয়বার নোটিস কমিশনের

তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ফের নোটিস নির্বাচন কমিশনের। গত ২৮ মার্চ এবং ৭ এপ্রিল কেন্দ্রীয় বাহিনী নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী যে মন্তব্য করেছিলেন, তার প্রেক্ষিতে কারণ দর্শানোর নোটিস দিয়েছে কমিশন। যাতে উল্লেখ করা হয়েছে, বাহিনী নিয়ে মমতার মন্তব্য দুর্ভাগ্যজনক। কেন তিনি এই ধরনের মন্তব্য করলেন, তা ব্যাখ্যা করতে হবে তৃণমূলনেত্রীকে। এবং এই ব্যাখ্যা দিতে হবে ১০ এপ্রিলের মধ্যে। অর্থাৎ ২৪ ঘণ্টার মধ্যে মুখ্যমন্ত্রীকে কমিশনের নোটিসের জবাব দিতে হবে।বস্তুত, রাজ্যের নির্বাচনে কেন্দ্রীয় বাহিনীর ভূমিকা নিয়ে শুরু থেকেই সরব মমতা। তাঁর অভিযোগ, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের চাপে কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা বাংলার নির্বাচনকে প্রভাবিত করার চেষ্টা করছে। তৃণমূল ভোটারদের ভয় দেখানো হচ্ছে। বিশেষ একটি রাজনৈতিক দলকে সুবিধা পাইয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছে বাহিনী। গত ৭ এপ্রিল কোচবিহার উত্তরের সভায় তৃণমূল নেত্রী কেন্দ্রীয় বাহিনী ভোট প্রভাবিত করতে এলে তার পালটা দেওয়ার পরামর্শ দেন মহিলা ভোটারদের। তাঁকে বলতে শোনা যায়, কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা অশান্তি করতে এলে একদল ওদের ঘিরে ফেলুন। আরেক দল ভোট দিতে যান। কারা এই কাজ করছে, তাদের নাম লিখে রাখুন। এর আগে গত ২৮ মার্চও বাহিনী নিয়ে একই ধরনের মন্তব্য করার অভিযোগ রয়েছে মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে। যা নিয়ে প্রবল আপত্তি কমিশনের। তাঁদের দাবি, তৃণমূলনেত্রীর এই মন্তব্য দুর্ভাগ্যজনক। দ্রুত তাঁকে এই মন্তব্যের ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়েছে।এটা অবশ্য মুখ্যমন্ত্রীকে পাঠানো কমিশনের প্রথম নোটিস নয়। এর আগে গত ৩ এপ্রিল তারকেশ্বরের জনসভা থেকে মমতার করা একটি মন্তব্যের জেরে তাঁকে নোটিস পাঠায় নির্বাচন কমিশন। তারকেশ্বরে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীকে বলতে শোনা যায়, শয়তানদের কথা শুনে সংখ্যালঘু ভোট ভাগ হতে দেবেন না। অভিযোগ তোলেন, বাংলাকে বিজেপি ধর্মের নামে ভাগ করে দিতে চাইছে। বাংলার সংস্কৃতি নষ্ট করার চেষ্টা চালানো হচ্ছে। মমতার এই মন্তব্যের বিরুদ্ধে কমিশনের দ্বারস্থ হন বিজেপি নেতা তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী মুখতার আব্বাস নকভি। তাঁর দাবি ছিল, সংখ্যালঘুদের ঐক্যবদ্ধ হওয়ার বার্তা দিয়ে মমতা নির্বাচনী আচরণ বিধি ভঙ্গ করেছেন মমতা। কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর সেই অভিযোগের ভিত্তিতে এবার মুখ্যমন্ত্রীকে নোটিস পাঠায় কমিশন। আজই সেই নোটিসের জবাব দেওয়ার শেষদিন।

এপ্রিল ০৯, ২০২১
রাজ্য

পুনর্নির্বাচন হতে চলেছে জাঙ্গিপাড়ায়

গত ৬ এপ্রিল ভোট ছিল হুগলির জাঙ্গিপাড়ায়। সেখানকার ৮৮ নম্বর বুথে প্রযুক্তিগত সমস্যা দেখা দিয়েছিল। যে কারণে সেই বুথে পুনর্নির্বাচনের আবেদন জানিয়েছিল রাজ্য নির্বাচন কমিশন। বৃহস্পতিবার সেই আবেদনেই ইতিবাচক সাড়া মিলল। নির্বাচন কমিশনের তরফে জানানো হল, সবদিক বিচার করে ফের ভোটগ্রহণের সবুজ সংকেত দেওয়া হল।এদিন কমিশনের তরফে লিখিতভাবে জানানো হয়, জাঙ্গিপাড়ার ৮৮ নম্বর বুথে প্রযুক্তিগত সমস্যার জন্য পুনর্নির্বাচনের আবেদন করেছিলেন রাজ্যের নির্বাচনী আধিকারিক আরিজ আফতাব। এই মর্মে আজ দিল্লি নির্বাচন কমিশনের কাছে লিখিত আবেদন জানান তিনি। জানান, ৬ তারিখ ভোটের পর বুথের সিসিটিভি পরীক্ষা করে দেখা হয়। কিন্তু প্রযুক্তিগত সমস্যার জন্য ভোটদান পর্ব ভালভাবে দেখা যায়নি। স্ক্রটিনির পর তা দেখেই আবেদন করেছিলেন তিনি। এদিন সন্ধেয় কমিশনের তরফে সবুজ সংকেত মিলল। লিখিতভাবে জানিয়ে দেওয়া হয়, ৬ এপ্রিল ৮৮ নম্বর বুথে প্রযুক্তিগত সমস্যা ছিল। তাই আগামী ১০ এপ্রিল অর্থাৎ চতুর্থ দফা ভোটের দিনই সেই বুথে পুনর্নির্বাচন হবে। সকাল ৭টা থেকে সন্ধে সাড়ে ৬টা পর্যন্ত ওই বুথে ভোট দিতে পারবেন ভোটাররা।উল্লেখ্য, তৃতীয় দফার ভোটে হাওড়া, হুগলি এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনার একাধিক কেন্দ্র থেকে অশান্তির খবর পাওয়া গিয়েছিল। আরামবাগে যেমন আক্রান্ত হয়েছিলেন তৃণমূল প্রার্থী সুজাতা মণ্ডল খাঁ, তেমনই আবার বিক্ষোভের মুখে পড়তে হয়েছিল শ্যামপুরের বিজেপি প্রার্থী তনুশ্রী চক্রবর্তীকেও। তৃণমূল-আইএসএফ তরজায় উত্তপ্ত হয়েছিল দক্ষিণ ২৪ পরগনার মগরাহাট পশ্চিম ও ক্যানিং পূর্ব। কেন্দ্রীয় বাহিনীর উপস্থিতি সত্ত্বেও সংঘর্ষ ও হামলা কেন? এ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন খোদ তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।তবে জাঙ্গিপাড়ার ৮৮ নম্বর কেন্দ্রে ভোট মোটের উপর শান্তিপূর্ণভাবে হলেও প্রযুক্তিগত সমস্যা দেখা দিয়েছিল। সেই কারণেই পুনর্নির্বাচনের অনুমতি মিলল। তৃতীয় দফার ভোটগ্রহণ পর্ব পর্যন্ত এই প্রথমবার একটি বুথে পুনর্নির্বাচন হতে চলেছে।

এপ্রিল ০৮, ২০২১
রাজ্য

শুভেন্দুকে নোটিস নির্বাচন কমিশনের

তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে বেগম বলে সম্বোধন করে কমিশনের কোপে পড়লেন নন্দীগ্রামের বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারী। বৃহস্পতিবার শুভেন্দুকে এ বিষয়ে শোকজ নোটিস পাঠায় নির্বাচন কমিশন। আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে তাঁকে জবাব দিতে বলা হয়েছে। গত ২৯ মার্চ অর্থাৎ নন্দীগ্রামে ভোটের শেষ প্রচারের দিন প্রতিপক্ষ প্রার্থী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্দেশে অশালীন মন্তব্য করেন বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারী। তাঁকে মমতা বেগম বলে উল্লেখ করেন। এ নিয়ে তৃণমূল শিবির প্রথমেই তীব্র আপত্তি তোলে। এটা অসম্মানজনক বলে নির্বাচন কমিশনে অভিযোগ দায়ের করেন তাঁরা। সেই অভিযোগ ভালভাবে খতিয়ে দেখে ভোট হয়ে যাওয়ার এক সপ্তাহ পর শুভেন্দুর সেই মন্তব্যকে নির্বাচনী বিধিভঙ্গ বলে চিহ্নিত করেল কমিশন। আর তারপরই শুভেন্দুকে নোটিস পাঠানোর মতো পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে বলে খবর। যদিও কমিশনের এই শোকজ নোটিস নিয়ে এখনও মুখ খোলেননি শুভেন্দু অধিকারী কিংবা গেরুয়া শিবিরের কেউই।

এপ্রিল ০৮, ২০২১
কলকাতা

সাম্প্রদায়িক মন্তব্যের জের, মমতাকে নোটিস কমিশনের

ফের নির্বাচন কমিশনের কড়া নজরে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। গত ৩ এপ্রিল তারকেশ্বরের জনসভা থেকে মমতার করা একটি মন্তব্যের জেরে তাঁকে নোটিস পাঠাল নির্বাচন কমিশন। আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে মুখ্যমন্ত্রীকে নিজের বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়েছে।গত ৩ এপ্রিল তারকেশ্বরে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীকে বলতে শোনা যায়, শয়তানদের কথা শুনে সংখ্যালঘু ভোট ভাগ হতে দেবেন না। অভিযোগ তোলেন, বাংলাকে বিজেপি ধর্মের নামে ভাগ করে দিতে চাইছে। বাংলার সংস্কৃতি নষ্ট করার চেষ্টা চালানো হচ্ছে। মমতার এই মন্তব্যের বিরুদ্ধে কমিশনের দ্বারস্থ হন বিজেপি নেতা তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী মুখতার আব্বাস নকভি। তাঁর দাবি ছিল, সংখ্যালঘুদের ঐক্যবদ্ধ হওয়ার বার্তা দিয়ে মমতা নির্বাচনী আচরণ বিধি ভঙ্গ করেছেন মমতা। কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর সেই অভিযোগের ভিত্তিতে এবার মুখ্যমন্ত্রীকে নোটিস পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিল নির্বাচন কমিশন। আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে নিজের মন্তব্যের ব্যাখ্যা করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীকে।ঘটনাচক্রে তৃণমূল নেত্রীর এই মন্তব্য নিয়ে দিন দুই আগে কোচবিহারের জনসভা থেকে সরব হয়েছিলেন খোদ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও। তাঁর দাবি ছিল, মমতা জনসমক্ষে সব মুসলমানকে এক হতে আহ্বান করেছেন। বলেছেন, সব মুসলমান এক হও, ভোট ভাগ হতে দিও না। তৃণমূল নেত্রীর উদ্দেশে তাঁর কটাক্ষ ছিল, মমতা যেমন বলছেন, তেমন যদি আমি বলতাম যে, সব হিন্দু এক হয়ে বিজেপিকে ভোট দাও, তাহলে নির্বাচন কমিশন আমাকে ৭-৮ দিনের জন্য নোটিস দিয়ে দিত। প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরেও নোটিস আসে। জানি না, কমিশন আপনাকে নোটিস দেবে কিনা। প্রধানমন্ত্রী সেই কটাক্ষের দুদিনের মধ্যেই মমতাকে নোটিস দিল কমিশন।

এপ্রিল ০৭, ২০২১
রাজ্য

তিন জেলার নির্বাচনী আধিকারিককে সরাল কমিশন

ভোটের আবহেই দক্ষিণ দিনাজপুর এবং দুই বর্ধমান জেলার নির্বাচনী আধিকারিককে সরিয়ে দিল কমিশন। কমিশন সূত্রের খবর, এঁদের তিনজনের বিরুদ্ধেই ভোটের কাজ সুষ্ঠুভাবে পরিচালনা না করার অভিযোগ রয়েছে। সেই অভিযোগ খতিয়ে দেখেই এই আধিকারিকদের বদলির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এর পাশাপাশি কলকাতার দুই থানার পুলিশ আধিকারিকদেরও সরানো হয়েছে। মঙ্গলবার বিবৃতি দিয়ে একথা জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন।নিখিল নির্মলকে সরিয়ে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার ডিইও করা হয়েছে ২০০৭ ব্যাচের আইএএস অফিসার সি মুরুগানকে। পূর্ব বর্ধমানের ডিইও করা হয়েছে শিল্পা গৌরীসারিয়াকে। তিনি ২০০৯ ব্যাচের আইএএস আধিকারিক। ২০০৭ ব্যাচের আইএএস অফিসার অনুরাগ শ্রীবাস্তবকে বসানো হয়েছে পশ্চিম বধর্মানের জেলার নির্বাচন আধিকারিকের পদে। কমিশন সূত্রে বলা হচ্ছে, বাংলায় অবাধ ও নিরপেক্ষ ভোট করানোটা একটা চ্যালেঞ্জ। আর সেই চ্যালেঞ্জের কথা মাথায় রেখেই এই আধিকারিকদের সরানোর সিদ্ধান্ত।তবে শুধু নির্বাচনী আধিকারিকদের সরানো নয়। প্রশাসনিক দিকের পাশাপাশি নিরাপত্তার দিকটাও খেয়াল রাখতে চায় কমিশন। সেই উদ্দেশ্যেই আগামী পর্বে কলকাতার যে এলাকায় নির্বাচন, সেই এলাকার দুটি থানার আধিকারিকদের বদলে দিয়েছে কমিশন। রিজেন্ট পার্ক থানার ওসি মৃণালকান্তি মুখোপাধ্যায়কে সরিয়ে স্পেশ্যাল ব্রাঞ্চে পাঠানো হয়েছে। বাঁশদ্রোণী থানার ওসি প্রতাপ বিশ্বাসকে পাঠানো হয়েছে গোয়েন্দা বিভাগে। পরিবর্তে টালিগঞ্জে রাম থামা এবং মলয় বসুকে বাঁশদ্রোণী থানার ওসি করা হয়েছে। প্রসঙ্গত, টালিগঞ্জে এবার হেভিওয়েটেদের লড়াই। কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয় এই আসনে রাজ্যের প্রভাবশালী মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাসের বিরুদ্ধে লড়ছেন। লড়াইয়ে সিপিএমের দেবদূত ঘোষও। সম্ভবত, সে কারণেই এই কেন্দ্রে বিশেষ নজর কমিশনের।

এপ্রিল ০৭, ২০২১
রাজ্য

পাপিয়া অধিকারীকে মারধর, তৃণমূলের বিরুদ্ধে কমিশনে যাচ্ছে বিজেপি

তৃতীয় দফার ভোটে একের পর এক অশান্তির খবর সামনে এসেছে। তৃণমূল প্রার্থী সুজাতা মণ্ডল খাঁর পর এবার উলুবেড়িয়া দক্ষিণের বিজেপি প্রার্থী পাপিয়া অধিকারীর উপর হামলার অভিযোগ উঠল। উলুবেড়িয়া হাসপাতালে এক বিজেপি কর্মীকে দেখতে যান পাপিয়া। সেখানেই তাঁর উপর হামলা হয়, চড় মারা হয় বলেও অভিযোগ। এর জেরে হাসপাতাল চত্বর রণক্ষেত্র হয়ে ওঠে।উলুবেড়িয়া দক্ষিণ বিধানসভা এলাকায় এক বিজেপি কর্মী আহত হন। তাঁকে উদ্ধার করে উলুবেড়িয়া হাসপাতালে ভরতি করা হয়। খবর পেয়ে সেখানে তাঁকে দেখতে যান উলুবেড়িয়া দক্ষিণের বিজেপি প্রার্থী পাপিয়া অধিকারী। তাঁর সঙ্গে বেশ কয়েকজন কর্মী সমর্থকও ছিলেন। হাসপাতালে পৌঁছলে সেখানে পাপিয়া অধিকারীকে ধাক্কা দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। বাধা দিতে যান বিজেপি কর্মী সমর্থকরা। এরপরই দুপক্ষের মধ্যে বচসা থেকে হাতাহাতি শুরু হয়ে যায়। পরিস্থিতি রণক্ষেত্রের আকার নেয়। শেষে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি কোনওরকমে নিয়ন্ত্রণে আনে। ঘটনাস্থল থেকে বার করে নিয়ে যাওয়া হয় পাপিয়া অধিকারীকে।পরে পাপিয়াও সংবাদমাধ্যমের কাছে জানান, তাঁকে হাসপাতাল চত্বরে মারধর করা হয়েছে। আর এই ঘটনার পিছনে সরাসরি তৃণমূল কংগ্রেসের হাত রয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। তাঁর দাবি, তৃণমূল কংগ্রেস যে হারছে সেটা তারা বুঝতে পেরেছে। তাই এমন হামলা করছে। যদিও তৃণমূলের তরফে পাপিয়ার উপর হামলার অভিযোগ অস্বীকার করা হয়।পাপিয়া অধিকারীর উপর হামলার খবর পেয়ে তাঁকে ফোন করেন বিজেপি নেতা কৈলাশ বিজয়বর্গীয়। খোঁজ নেন কী ঘটেছিল। বিজেপির তরফে এই হামলার প্রতিবাদ করে কমিশনে অভিযোগ জানানো হচ্ছে বলে জানানো হয়েছে। হামলার ঘটনায় যুক্ত থাকার অভিযোগে ইতিমধ্যে ২ জনকে পাকড়াও করা হয়েছে।

এপ্রিল ০৬, ২০২১
রাজ্য

ভোটের মাঝে ফের অপসারিত কলকাতার ৮ রিটার্নিং অফিসার

বঙ্গে চলছে বিধানসভা নির্বাচন। মঙ্গলবারই ছিল তৃতীয় দফার নির্বাচন। আর সেদিনই ভোট সংক্রান্ত বিষয়ে বড়সড় সিদ্ধান্ত নির্বাচন কমিশনের। একসঙ্গে সরিয়ে দেওয়া হল কলকাতার আটজন রিটার্নিং অফিসারকে। বিবৃতি দিয়ে এই খবর জানাল নির্বাচন কমিশন।কমিশনের মতে, পরপর তিন বছর কেউ এক পদে থাকতে পারেন না। সেক্ষেত্রে সেই আধিকারিককে সরিয়ে দেওয়াই নিয়ম। কিন্তু এতদিন কলকাতার ক্ষেত্রে সেই নিয়ম কার্যকর করা হয়নি। এবার সেই বিধিই কার্যকর করা হল। আর তাই সরানো হয়েছে ওই আট রিটার্নিং অফিসারকে। যদিও সূত্রের খবর, বিভিন্ন সময়ে ওই আট আধিকারিকের উপর পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ উঠেছিল। তাঁদের কাছে বিভিন্ন সময়ে একাধিক অভিযোগও জমা পড়েছিল। কিন্তু কোনও সময়ই তাঁরা সেই অভিযোগগুলির প্রতি গুরুত্ব দেননি। এরপরই সেই খবর পৌঁছায় নির্বাচন কমিশনের কাছে। খবর পেয়েই নড়েচড়ে বসেন কমিশনের আধিকারিকরা। ওই আটজন অফিসারকে শো-কজ করা হয়। তারপরই মূলত তাঁদের অপসারণের সিদ্ধান্ত নিল কমিশন। ওই আটজনের পরিবর্ত হিসেবে নতুন রিটার্নিং অফিসারও নাকি ঠিক করে ফেলা হয়েছে।কমিশনের তরফে খবর, কলকাতার মোট আটটি বিধানসভা এলাকার রিটার্নিং অফিসারকে অপসারিত করা হয়েছে। এগুলি হল- কলকাতা বন্দর , জোড়াসাঁকো, ভবানীপুর, এন্টালি, চৌরঙ্গী, বেলেঘাটা, শ্যামপুকুর, কাশীপুর-বেলগাছিয়া। অর্থাৎ কলকাতার ১১টি আসনের মধ্যে আটটিরই রিটার্নিং অফিসারকে সরিয়ে দিল কমিশন। এই কেন্দ্রগুলিতে এবার একাধিক হেভিওয়েট প্রার্থী ভোটে দাঁড়িয়েছেন। এর মধ্যে কলকাতা পোর্ট বা বন্দর আসন থেকে তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী আবার ফিরহাদ হাকিম। তবে তাঁর এলাকার রিটানিং অফিসারকেও অপসারিত করা হয়েছে।

এপ্রিল ০৬, ২০২১
রাজ্য

বাংলায় দিনভর অশান্তির তৃতীয় দফা

কোথাও প্রতিপক্ষের ইট থেকে মাথা বাঁচাতে প্রার্থীকে হেলমেট পরে বুথে যেতে হল। কোথাও সংঘর্ষে আহত দলীয় কর্মীকে দেখতে গিয়ে সপাটে চড় খেলেন প্রার্থী। কোথাও আবার দিনভর দফায় দফায় প্রার্থীকে হামলার শিকার হতে হল। রাজ্যের ৩ জেলার ৩১ আসনে তৃতীয় দফার ভোটে বিভিন্ন জায়গায় ধরা পড়ল অশান্তির ছবি। ভোটপর্বের মাঝে প্রাণহানির ঘটনাও ঘটেছে মঙ্গলবার। হুগলির গোঘাটে বিজেপি কর্মীদের ধাক্কায় পড়ে গিয়ে তৃণমূলের এক বুথ সভাপতির মৃত্যু হয় বলে অভিযোগ। এর আগে দ্বিতীয় দফার ভোটপর্ব শুরুর আগে পশ্চিম মেদিনীপুরে কেশপুরে এক তৃণমূল কর্মীকে কুপিয়ে খুন করা হয়েছিল। ওই দফায় ভোটপর্বের মাঝে নন্দীগ্রামে এক বিজেপি কর্মী আত্মঘাতী হয়েছিলেন।হুগলি এবং হাওড়া জেলায় দিনভর পেশিশক্তির লড়াই হয়েছে তৃণমূল এবং বিজেপি-র। হামলার আশঙ্কায় মাথায় হেলমেট পরে স্পর্শকাতর এলাকা মুক্তিচকে বুথ পরিদর্শনে গিয়েছিলেন হাওড়ার উলুবেড়িয়া উত্তর বিধানসভা কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী নির্মল মাজি। এলাকায় পৌঁছনোর পরেই বিজেপি সমর্থকেরা তাঁকে লক্ষ্য করে ইট ছোড়ে বলে অভিযোগ। নির্মলের মাথা বাঁচলেও ইটের আঘাতে আহত হন তাঁর দেহরক্ষী।পাশের কেন্দ্র উলুবেড়িয়া দক্ষিণে আক্রান্ত হন বিজেপি প্রার্থী তথা অভিনেত্রী পাপিয়া অধিকারী। সেখানে তৃণমূল সমর্থকদের বিরুদ্ধে তাঁকে চড় মারার অভিযোগ ওঠে। সংঘর্ষে আহত এক বিজেপি কর্মীকে দেখতে গিয়ে উলুবেড়িয়া মহকুমা হাসপাতাল চত্বরে তিনি আক্রান্ত হন। ভিডিও ফুটেজে দেখা গিয়েছে, পুলিশের সামনের চড় মারা হয়েছে পাপিয়ার গালে। ভিডিও ফুটেজ দেখে রাতে পুলিশ দুই হামলাকারীকে গ্রেপ্তারও করে। উলুবেড়িয়া লাগোয়া শ্যামপুরে বিজেপি-র আর এক অভিনেত্রী প্রার্থী তনুশ্রী চক্রবর্তীকে হেনস্থা করারও অভিযোগ উঠেছে মঙ্গলবার। অভিযোগ, জোকা কুমারচক এলাকায় একটি বুথের কাছে তাঁর উদ্দেশে অশালীন শব্দ ছুড়ে দেন তৃণমূলের কিছু সমর্থক।তবে দিনভর অশান্তির নিরিখে এগিয়ে ছিল পাশের জেলা হুগলি। ভোটপর্বের মাঝে গোঘাটে প্রাণহানির পাশাপাশি জেলার আরামবাগ বিধানসভা কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী সুজাতা মণ্ডল খাঁ-র উপর হামলা হয়েছে একাধিক জায়গায়। তাঁর মাথায় বাঁশের বাড়ি পড়তেও দেখা গিয়েছে ভিডিও ফুটেজে। এমনকী, লাঠি হাতে মহিলাদের তাঁর উপর হামলা করতে দেখা গিয়েছে আরামবাগে। খানাকুলের তৃণমূল প্রার্থী মুন্সি নজিবুল করিমকেও বাঁশ দিয়ে পেটানো হয়েছে বলে অভিযোগ। দুটি ক্ষেত্রেই অভিযোগের তির বিজেপি-র দিকে।দক্ষিণ ২৪ পরগনার কিছু এলাকায় দেখা গিয়েছে ব্যতিক্রমী ছবি। সেখানে তৃণমূলের সঙ্গে টক্কর দিয়েছে আব্বাস সিদ্দিকির দল ইন্ডিয়ান সেক্যুলার ফ্রন্ট (আইএসএফ)। তাৎপর্যপূর্ণ ভাবে আইএসএফ-এর বিরুদ্ধে সন্ত্রাসের অভিযোগ তুলে রাস্তায় বসে প্রতিবাদ জানাতে দেখা গিয়েছে প্রভাবশালী তৃণমূল প্রার্থী তথা বিদায়ী বিধায়ক শওকত মোল্লাকে। তাঁর অভিযোগ, বুরানগড় এলাকায় বোমা-গুলি নিয়ে সন্ত্রাস করছে আইএসএফ। তাঁকেও বুথে ঢুকতে বাধা দেওয়া হয়েছে। অন্য দিকে, শকুন্তলা এলাকায় তৃণমূলের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসের অভিযোগ তুলেছে আইএসএফ।দক্ষিণ ২৪ পরগনার মগরাহাট পশ্চিমের আইএসএফ প্রার্থী মইদুল ইসলাম এবং ফলতার বিজেপি প্রার্থী বিধান পাড়ুইয়ের উপরেও তৃণমূল সমর্থকেরা হামলা করেছেন বলে অভিযোগ। রবিবারও হামলায় আহত হয়েছিলেন বিধান। বিষ্ণুপুরের পানাকুয়ায় হয়েছে দফায় দফায় বোমাবাজি। সেখানে সাতসকালেই এক মহিলাকে ভোট না দিতে যাওয়ার জন্য হুমকি দিতে দেখা যায় এক দুষ্কৃতীকে। পরে তাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। সাতগাছিয়া থেকেও অশান্তির অভিযোগ মিলেছে।অশান্তির নিরিখে প্রথম দুদফার সঙ্গে পাল্লা দিলেও ভোটদানের নিরিখে পিছিয়ে পড়েছে তৃতীয় দফা। সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত ভোট পড়েছে ৭৮ শতাংশের কাছাকাছি। প্রথম দুদফাতে যা গড়ে ৮৫ শতাংশ ছাপিয়ে গিয়েছিল।

এপ্রিল ০৬, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 19
  • 20
  • 21
  • 22
  • 23
  • 24
  • 25
  • 26
  • 27
  • 28
  • ›

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

ফের আগুনে আতঙ্ক! সল্টলেক সেক্টর ফাইভের বহুতলে ধোঁয়া, দমকলের তৎপরতা

আনন্দপুরের অগ্নিকাণ্ডের ক্ষত এখনও তাজা। তার মধ্যেই ফের আগুন শহরে। এবার অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটল সল্টলেক সেক্টর ফাইভ-এ। একটি বহুতল অফিস ভবন থেকে গলগল করে ধোঁয়া বের হতে দেখে চাঞ্চল্য ছড়ায় এলাকায়।জানা গিয়েছে, গ্লোবসিন ক্রিস্টাল বিল্ডিং-এ আচমকাই আগুন লাগে। খবর পেয়েই দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে যায় দমকলের ৩টি ইঞ্জিন। দমকল কর্মীরা পৌঁছেই গোটা বিল্ডিং খালি করে দেন। আতঙ্কে একে একে বাইরে বেরিয়ে আসেন তথ্য-প্রযুক্তি সংস্থাগুলির কর্মীরা। অফিস টাইম হওয়ায় মুহূর্তের মধ্যে রাস্তায় ভিড় জমে যায়। আশপাশের এলাকা থেকেও বহু মানুষ ছুটে আসেন।প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্য, হঠাৎ করেই অফিসের ভিতরে সতর্কবার্তা দেওয়া হয়। সঙ্গে সঙ্গে সকলকে নিচে নেমে যেতে বলা হয়। এক কর্মী জানান, তখন তাঁরা অফিসের ভিতরেই ছিলেন। হঠাৎ বলা হয় বাইরে বেরিয়ে যেতে। পরে নিচে নেমে শোনা যায়, উপরের একটি রেস্তোরাঁয় আগুন লেগেছে।তবে ঠিক কোথা থেকে আগুনের সূত্রপাত, তা এখনও স্পষ্ট নয়। রেস্তোরাঁ থেকেই আগুন ছড়িয়েছে, না কি অন্য কোনও জায়গা থেকে, তা খতিয়ে দেখছেন দমকল কর্মীরা। ভবনের অগ্নি নির্বাপন ব্যবস্থা ঠিকমতো কাজ করেছিল কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে।দমকলের চেষ্টায় কিছুক্ষণের মধ্যেই আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে বলে জানা গিয়েছে। তবুও ব্যস্ত সময়ে এই ঘটনায় স্বাভাবিকভাবেই আতঙ্ক ছড়িয়েছে অফিস কর্মীদের মধ্যে। এলাকায় এখনও কৌতূহলী মানুষের ভিড় রয়েছে। আগুন লাগার প্রকৃত কারণ জানতে তদন্ত শুরু হয়েছে।

ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২৬
বিদেশ

ভারত-বিরোধিতার অধ্যায় শেষ? মোদির ফোনে বদলাচ্ছে ঢাকা-দিল্লির সমীকরণ!

বাংলাদেশের সাম্প্রতিক সংসদীয় নির্বাচনে নিরঙ্কুশ জয় পেয়েছে বিএনপি। এই জয়ের পর থেকেই রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছেঢাকা ও দিল্লির সম্পর্ক কি আবার উষ্ণ হতে চলেছে?শুক্রবার নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এক্স হ্যান্ডেলে বার্তা দিয়ে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান-কে অভিনন্দন জানান। পরে ফোনেও তাঁর সঙ্গে কথা বলেন তিনি। মোদি লেখেন, বাংলাদেশের সংসদীয় নির্বাচনে বিরাট জয়ের জন্য তারেক রহমানকে তিনি উষ্ণ শুভেচ্ছা জানাচ্ছেন। এই জয় বাংলাদেশের মানুষের আস্থার প্রতিফলন বলেও মন্তব্য করেন তিনি। পাশাপাশি গণতান্ত্রিক, প্রগতিশীল ও অন্তর্ভুক্তিমূলক বাংলাদেশের পাশে থাকার আশ্বাস দেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী। দুই দেশের বহুমুখী সম্পর্ক আরও জোরদার করতে একসঙ্গে কাজ করার ইচ্ছাও প্রকাশ করেন তিনি।এর জবাবে বিএনপির পক্ষ থেকেও মোদিকে ধন্যবাদ জানানো হয়। দলের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম খান বলেন, তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশ ও ভারতের সম্পর্ক আরও মজবুত হবে বলে তাঁরা বিশ্বাস করেন। দুই দেশের জনগণের পারস্পরিক সম্পর্কও নতুন করে শক্তিশালী হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।এর আগে শেখ হাসিনার সরকারের পতনের পর অন্তর্বর্তীকালীন সময়ে উপদেষ্টা প্রধান হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছিলেন মহম্মদ ইউনুস। তাঁর প্রায় দেড় বছরের শাসনকালে দেশে রাজনৈতিক অস্থিরতা বাড়ে বলে অভিযোগ ওঠে। ভারত-বিরোধী মনোভাব, সংখ্যালঘু নির্যাতন এবং মৌলবাদী শক্তির উত্থান নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়। একই সঙ্গে পাকিস্তানের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা বাড়ানোর ঘটনাও নজরে আসে। এই পরিস্থিতি নিয়ে ভারতের সঙ্গে একাধিকবার কূটনৈতিক টানাপোড়েন দেখা দেয়।এই নির্বাচনে মৌলবাদী দল জামাতকে পিছনে ফেলে ক্ষমতায় এসেছে বিএনপি। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এর ফলে পাকিস্তানের প্রভাব খাটানোর সম্ভাবনায় বড় ধাক্কা লেগেছে। নির্বাচনের আগে জামাতের সঙ্গে পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআই-এর যোগাযোগ নিয়ে নানা জল্পনা চলছিল। তবে ভোটে জামাতের পরাজয়ে সেই সমীকরণ বদলে গেছে বলেই মনে করা হচ্ছে।সব মিলিয়ে, দীর্ঘ রাজনৈতিক অস্থিরতার পর বাংলাদেশে নতুন সরকার গঠনের পথে। এখন নজর ঢাকা-দিল্লি সম্পর্কের দিকে। মোদি ও তারেকের এই সৌজন্য বার্তা কি দুই দেশের সম্পর্কে নতুন অধ্যায়ের সূচনা করবে? দক্ষিণ এশিয়ার কূটনীতিতে তার প্রভাব কতটা পড়বে, সেটাই এখন দেখার।

ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২৬
কলকাতা

বিদেশি ভোটার ইস্যুতে কড়া নির্বাচন কমিশন! একাধিক জেলাশাসক তিরস্কৃত

ভোটার তালিকা সংশোধনকে ঘিরে কড়া অবস্থান নিল নির্বাচন কমিশন। বৈঠকে দক্ষিণ ২৪ পরগনার জেলাশাসককে সরাসরি প্রশ্ন করা হয়, কোন কর্তৃত্বে এআরও-রা ইআরএমও-দের ডেকেছিলেন। একাধিক জেলার জেলাশাসকের ভূমিকায় অসন্তোষ প্রকাশ করে কমিশন।কোচবিহার, জলপাইগুড়ি ও মালদার জেলাশাসকদের বিরুদ্ধে গাফিলতির অভিযোগ উঠেছে। কোচবিহারের জেলাশাসককে নথি আপলোডে দেরির জন্য তিরস্কার করা হয়েছে। দুই ২৪ পরগনার জেলাশাসকের কাজ নিয়েও অসন্তোষ জানানো হয়েছে। পূর্ব বর্ধমানের জেলাশাসককে রাজনৈতিক মন্তব্য না করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।এসআইআর শেষ হওয়ার আগে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার বৈঠক করেন। ভিডিও কনফারেন্সে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের মুখ্য নির্বাচন আধিকারিকও। বৈঠকে স্পষ্ট বলা হয়, কোনও বিদেশি নাগরিকের নাম যেন ভোটার তালিকায় না থাকে। ১৬ ফেব্রুয়ারির মধ্যে সব জেলাশাসককে ব্যক্তিগতভাবে তথ্য যাচাই করতে হবে। সতর্ক করে দেওয়া হয়েছে, যদি ভবিষ্যতে কোনও নাম থেকে যায়, তা হলে এক বা পাঁচ বছর পরেও সংশ্লিষ্ট আধিকারিকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে। মামলা পর্যন্ত হতে পারে বলে ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে।এই ইস্যুতে সরব হয়েছেন সুকান্ত মজুমদার। তিনি বলেন, ভারতের সংবিধান যাঁদের বৈধ ভোটার বলে চিহ্নিত করে, তাঁদের বাইরে কাউকে বৈধ ভোটার হিসেবে মানা যায় না। তাঁর অভিযোগ, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বাংলাদেশ থেকে আসা অনুপ্রবেশকারীদের বৈধ ভোটার হিসেবে দেখছেন। নির্বাচন কমিশন সংবিধান অনুযায়ী কাজ করছে বলেও দাবি করেন তিনি। পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যসচিবকে তলব করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।অন্যদিকে তৃণমূলের সোশাল মিডিয়া সেলের ইনচার্জ দেবাংশু ভট্টাচার্য বলেন, তাঁরাও চান না কোনও বিদেশি ভোটার থাকুক। তবে বৈধ ভোটারের নাম যেন বাদ না যায়, সেটাও সমান গুরুত্বপূর্ণ। তিনি দাবি করেন, সাধারণ মানুষ, পরিযায়ী শ্রমিক বা গরিব মানুষদের বারবার নোটিস দিয়ে ডাকা হচ্ছে। তাঁদের পক্ষে বারবার যাতায়াত করা সম্ভব নয়। ফলে তাঁদের নাম বাদ পড়ার আশঙ্কা তৈরি হচ্ছে।সব মিলিয়ে ভোটার তালিকা সংশোধনকে কেন্দ্র করে প্রশাসনিক কড়াকড়ি এবং রাজনৈতিক তরজা তুঙ্গে উঠেছে। বিদেশি ভোটার বিতর্কে আগামী দিনে পরিস্থিতি কোন দিকে যায়, সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২৬
বিদেশ

মোদী বিরোধী আগুনঝরা ভাষণ, তবু ভোটে হার! সারজিস আলমকে ফিরিয়ে দিল পঞ্চগড়

বাংলাদেশের নির্বাচনে বড় ধাক্কা খেলেন ছাত্রনেতা সারজিস আলম। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম মুখ এবং জুলাই শহিদ স্মৃতি ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে পরিচিত তিনি। অতীতে ভারতের বিরুদ্ধে তীব্র ভাষায় মন্তব্য করেছিলেন এবং সরাসরি নরেন্দ্র মোদি-র নাম করে সমালোচনা করেন। প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা-র দেশত্যাগ নিয়েও কটাক্ষ করেছিলেন তিনি।পঞ্চগড়-১ আসনে জামাত জোটের প্রার্থী হিসেবে লড়ে শেষ পর্যন্ত পরাজিত হন সারজিস। তাঁর মন্তব্য ঘিরে আগে থেকেই বিতর্ক ছিল। এক টেলিভিশন সাক্ষাৎকারে তিনি হাসিনার দেশছাড়ার প্রসঙ্গ টেনে ঐতিহাসিক তুলনাও করেছিলেন। সেইসব বক্তব্য রাজনৈতিক মহলে আলোড়ন তুলেছিল।কিন্তু ভোটের ফল অন্য কথা বলল। শেষ পর্যন্ত তিনি বিএনপি প্রার্থীর কাছে হেরে যান। অন্যদিকে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ক্রমশ স্পষ্ট হয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) জোটের বড় জয়। সংবাদমাধ্যমের হিসাব অনুযায়ী ২৯৯টি আসনের মধ্যে ২০৭টিতে এগিয়ে বা জয়ী হয়েছে বিএনপি জোট।ঢাকা-৩ আসনে জয়ী হয়েছেন বিএনপির প্রার্থী গয়েশ্বরচন্দ্র রায়। তিনি তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বীর চেয়ে প্রায় সাড়ে ১৬ হাজার ভোট বেশি পেয়েছেন।বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়া-র পুত্র তারেক রহমান ঢাকা-১৭ এবং বগুড়া-৬ দুই আসনেই বিপুল ভোটে জয়ী হয়েছেন। প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ আসন পেয়ে দুদশক পর সরকার গঠনের পথে বিএনপি। তারেক রহমানের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার সম্ভাবনাও জোরালো হয়েছে।মূল প্রতিপক্ষ জামাত জোট ১০০-র নীচে থেমে গেছে বলে জানা গিয়েছে। ন্যাশনাল সিটিজেন পার্টি বা এনসিপিও বড় প্রভাব ফেলতে পারেনি।সব মিলিয়ে প্রশ্ন উঠছে, এই বিপুল জয়ের পর কি বাংলাদেশে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ফিরবে? অরাজকতার অভিযোগে উত্তাল সময়ের পর পদ্মাপারের দেশে নতুন অধ্যায় শুরু হতে চলেছে কি না, এখন সেদিকেই নজর।

ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

হাসপাতাল থেকে ছাড়া, তবু মাঠে অনিশ্চিত অভিষেক! পাকিস্তান ম্যাচের আগে বড় ধাক্কা ভারতের শিবিরে?

হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেলেও এখনও পুরো সুস্থ নন ভারতীয় ওপেনার অভিষেক শর্মা। কবে তিনি সম্পূর্ণ ফিট হয়ে মাঠে নামবেন, তা স্পষ্ট নয়। টি-২০ বিশ্বকাপে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচেও তাঁর খেলা নিয়ে তৈরি হয়েছে সন্দেহ। ভারত অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব ইঙ্গিত দিয়েছেন, অভিষেকের ফিরতে আরও এক-দুটি ম্যাচ সময় লাগতে পারে।বৃহস্পতিবার নামিবিয়ার বিরুদ্ধে জয়ের পর ড্রেসিংরুমে একটি ভিডিও করেন অর্শদীপ সিং। সেই ভিডিওতেই দেখা যায় অভিষেককে। তাঁকে বেশ ক্লান্ত দেখাচ্ছিল। অর্শদীপ জানতে চাইলে অভিষেক বলেন, তিনি ডাল-ভাত খাচ্ছেন, তবে পুরোপুরি ভালো নেই। অর্শদীপ মজা করে বলেন, তাঁকে অনেকটা রোগা লাগছে। যদিও সে বিষয়ে স্পষ্ট কিছু বলেননি অভিষেক। শোনা গিয়েছিল, পেটের সমস্যার কারণে তাঁর ওজন অনেকটাই কমে গিয়েছে। ভিডিও দেখেও অনেকে একই মন্তব্য করেছেন।অসুস্থতা নিয়েই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে খেলতে নেমেছিলেন অভিষেক। কিন্তু প্রথম বলেই আউট হয়ে মাঠ ছাড়েন। তার পর আর তাঁকে মাঠে দেখা যায়নি। দিল্লি ফেরা, কোচ গৌতম গম্ভীর-এর বাড়িতে যাওয়া, পরে হাসপাতালে ভর্তি হওয়াসবই হয়েছে চুপিসারে। গতকাল হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেলেও নামিবিয়ার বিরুদ্ধে খেলতে পারেননি।পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ১৫ ফেব্রুয়ারির ম্যাচে তিনি খেলবেন কি না, তা নিয়ে এখনও অনিশ্চয়তা রয়েছে। টসের সময় সূর্যকুমার বলেন, অভিষেক এখনও পুরো সুস্থ নন। ফলে পাকিস্তান ম্যাচে তাঁর নামার সম্ভাবনা কম বলেই মনে করা হচ্ছে। যদিও ম্যাচের পরে বরুণ চক্রবর্তী জানান, অভিষেক অনেকটাই ভালো আছেন।তবে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচের আগে ভারতীয় দলে এই অনিশ্চয়তা চিন্তা বাড়াচ্ছে সমর্থকদের। অভিষেক কবে মাঠে ফিরবেন, এখন সেদিকেই নজর ক্রিকেটপ্রেমীদের।

ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২৬
দেশ

লালকেল্লার পর ফের কাঁপছে দিল্লি! স্কুলে বোমা হুমকি ঘিরে তীব্র আতঙ্ক

নভেম্বরে বিস্ফোরণে কেঁপে উঠেছিল রাজধানী। দিল্লি-র লালকেল্লা-র সামনে ভয়াবহ বিস্ফোরণের স্মৃতি এখনও টাটকা। তার মধ্যেই আবার ছড়াল বোমাতঙ্ক। শুক্রবার সকালে রাজধানীর একাধিক স্কুলে বোমা রাখা হয়েছে বলে হুমকি আসে। আতঙ্ক ছড়ায় পড়ুয়া ও অভিভাবকদের মধ্যে।দমকল সূত্রে জানা গিয়েছে, শুক্রবার সকালে অন্তত তিনটি স্কুলে বোমা রয়েছে বলে খবর পাওয়া যায়। প্রথমে বিটি তামিল স্কুলে বোমা থাকার খবর ছড়ায়। সঙ্গে সঙ্গে সতর্ক করা হয় পড়ুয়াদের পরিবারকে। পরে আরও দুটি স্কুলে একই ধরনের হুমকি আসে। ঘটনাস্থলে পৌঁছয় দমকল ও পুলিশ। দ্রুত স্কুলগুলি খালি করে দেওয়া হয়। সংশ্লিষ্ট এলাকাগুলিতে জারি করা হয়েছে হাই অ্যালার্ট।এর আগেও সোমবার ১৩টি স্কুলে উড়িয়ে দেওয়ার হুমকি ইমেল পাঠানো হয়েছিল। সেই ইমেলে লেখা ছিল, আফজল গুরুর স্মৃতিতে দিল্লিকে খলিস্তান বানানো হবে এবং নির্দিষ্ট সময়ে বিস্ফোরণ ঘটানো হবে। যদিও পরে সেই হুমকি ভুয়ো বলে প্রমাণিত হয়। তবু আতঙ্ক কাটেনি।গত ২৯ জানুয়ারি পাঁচটি স্কুল একই ধরনের হুমকি পেয়েছিল। তার আগের দিন দ্বারকা আদালত চত্বর উড়িয়ে দেওয়ার হুমকি আসে। এমনকি সংসদ ভবন নিয়েও হুমকির ইমেল পাঠানো হয়েছিল। এক সপ্তাহে দুবার স্কুলে বোমা রাখার হুমকি ঘিরে উদ্বেগ বেড়েছে প্রশাসনের।১০ নভেম্বর লালকেল্লার সামনে বিস্ফোরণের ঘটনার পর থেকেই রাজধানীতে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। তবু একের পর এক হুমকি ইমেল প্রশাসনকে চিন্তায় ফেলেছে। এখনও পর্যন্ত হুমকির উৎস জানা যায়নি। তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।বারবার বোমা হুমকির ঘটনায় আতঙ্কে দিল্লিবাসী। নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও কড়া করা হয়েছে। পড়ুয়া ও অভিভাবকদের সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে। রাজধানীতে ফের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।

ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২৬
রাজ্য

পুণেতে খুন পুরুলিয়ার শ্রমিক! ভাষা বিতর্ক না কি মদের ঝামেলা—রহস্যে ঘনাচ্ছে মৃত্যু

ভিনরাজ্যে পরিযায়ী শ্রমিকের মৃত্যুকে ঘিরে উত্তেজনা ছড়াল পুরুলিয়ায়। বিজেপি শাসিত মহারাষ্ট্র-এর পুণে থেকে উদ্ধার হয়েছে পুরুলিয়ার বরাবাজারের বাসিন্দা সুখেন মাহাতোর দেহ। এই ঘটনায় ইতিমধ্যেই আমিন সওকত শেখ নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেস-এর অভিযোগ, বাংলা ভাষায় কথা বলার কারণেই খুন হতে হয়েছে সুখেনকে। যদিও তদন্তে নেমে পুণে পুলিশের দাবি, ভাষা নয়, মত্ত অবস্থায় বচসা থেকেই এই খুনের ঘটনা ঘটেছে। পুলিশের তরফে অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করা হয়েছে।মঙ্গলবার পুণে শহরের কাছে শিকরাপুর থানার এলাকায় একটি হোটেলের পিছন থেকে সুখেনের রক্তাক্ত দেহ উদ্ধার হয়। সেই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়েছে। তৃণমূলের দাবি, সহকর্মীদের হাতে খুন হয়েছেন সুখেন এবং এর নেপথ্যে রয়েছে ভাষাগত বিদ্বেষ।অন্যদিকে, সুখেনের ভাই তুলসীরাম মাহাতো পুণেতে গিয়ে দেহ শনাক্ত করেন। তাঁর সম্মতিক্রমেই এফআইআর দায়ের হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। শিকরাপুর থানায় মারাঠি ভাষায় এফআইআর লেখা হলেও তা হিন্দিতে অনুবাদ করে তাঁকে শোনানো হয়। তুলসীরাম জানিয়েছেন, তাঁর সম্মতি নিয়েই অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।তুলসীরামের বয়ান অনুযায়ী, ৯ তারিখ দুপুরে সুখেন বাড়ি থেকে কাজের উদ্দেশে বের হন। সন্ধ্যায় তিনিও কাজে যান, কিন্তু সেখানে সুখেনকে দেখতে পাননি। ফোন করলেও যোগাযোগ হয়নি। রাতেও একাধিকবার ফোন করা হয়, কিন্তু কোনও সাড়া মেলেনি। পরদিন সকালে শিফট শেষ করে বাড়ি ফিরে সুখেনকে না পেয়ে খোঁজাখুঁজি শুরু হয়। পরে সুপারভাইজার সন্দীপ জানান, একটি হোটেলের পিছনে সুখেনের দেহ পড়ে রয়েছে। সেখানে গিয়ে দেহ শনাক্ত করেন তুলসীরাম।শুক্রবার দুপুরে সুখেনের পরিবারের পাশে দাঁড়াতে পুরুলিয়ার বরাবাজারে যাচ্ছেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।এই ঘটনায় ভাষা-বিদ্বেষ না কি ব্যক্তিগত বচসা, তা নিয়ে ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে। তদন্তে নেমেছে পুণে পুলিশ। পুরো ঘটনার নেপথ্যে কী রয়েছে, তা জানতে অপেক্ষা তদন্তের অগ্রগতির দিকে।

ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২৬
দেশ

তারেকের জয়ে উচ্ছ্বসিত মোদি? কূটনীতিতে নতুন অধ্যায় শুরু

বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বড়সড় জয়ের পথে বিএনপি। ফলাফল স্পষ্ট হতেই দলের সভাপতি তারেক রহমান-কে শুভেচ্ছা জানালেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। শুক্রবার সকালে এক্স হ্যান্ডলে বার্তা দিয়ে মোদি লিখেছেন, এই জয় প্রমাণ করে বাংলাদেশবাসী তারেকের নেতৃত্বে আস্থা রেখেছেন।মোদি তাঁর বার্তায় আরও জানিয়েছেন, গণতান্ত্রিক ও উন্নয়নশীল বাংলাদেশের পাশে ভারত রয়েছে। ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে যে বহুমুখী সম্পর্ক রয়েছে, তা আগামী দিনে আরও শক্তিশালী হবে বলেও আশা প্রকাশ করেছেন তিনি। পারস্পরিক স্বার্থে দুই দেশের সম্পর্ককে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার কথাও উল্লেখ করেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী।শুক্রবার সকালেই বাংলাদেশের নির্বাচনের ফল পরিষ্কার হয়ে যায়। ৩০০ আসনের মধ্যে ২৯৯টি আসনে ভোট হয়েছে। তার মধ্যে ২০০-র বেশি আসনে এগিয়ে থেকে সরকার গঠনের পথ নিশ্চিত করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল। দুটি আসনে লড়ে দুটিতেই জয় পেয়েছেন তারেক রহমান।এই নির্বাচনে উল্লেখযোগ্য ফল করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামি। প্রধান বিরোধী দল হিসেবে উঠে এসেছে তারা।এমন পরিস্থিতিতে প্রতিবেশী দেশের সম্ভাব্য প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশে মোদির শুভেচ্ছাবার্তা রাজনৈতিকভাবে তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছেন বিশ্লেষকরা। মোদি তাঁর বার্তায় লিখেছেন, বিএনপি দেশের নির্ণায়ক শক্তি হিসেবে উঠে এসেছে এবং তারেকের নেতৃত্বে বাংলাদেশ এগিয়ে যাবে বলেই তিনি আশাবাদী।উল্লেখ্য, ২০২৪ সালে সংরক্ষণ বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের জেরে ক্ষমতাচ্যুত হন শেখ হাসিনা। এরপর থেকে তিনি দিল্লিতে রাজনৈতিক আশ্রয়ে রয়েছেন বলে জানা যায়। আন্তর্জাতিক অপরাধ দমন আদালত তাঁকে গণহত্যা মামলায় সাজা শুনিয়েছে। বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকার বারবার তাঁর প্রত্যর্পণ দাবি করলেও এ বিষয়ে ভারত সরকার প্রকাশ্যে কিছু জানায়নি।এই পটভূমিতে বিএনপির জয়ের আভাস মিলতেই মোদির দ্রুত শুভেচ্ছাবার্তা কূটনৈতিক দিক থেকে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহলের একাংশ। এখন নজর, তারেক রহমানের নেতৃত্বে নতুন সরকারের সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক কোন পথে এগোয়।

ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal