• ২৪ ভাদ্র ১৪৩৩, সোমবার ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Election Commission,

রাজ্য

রাজ্য পুলিশ দিয়েই চার পুরভোট, সিদ্ধান্ত কমিশনের

রাজ্য পুলিশ দিয়েই হবে ১২ ফেব্রুয়ারির চার পুরভোট। সিদ্ধান্ত নিল রাজ্য নির্বাচন কমিশন। বিজেপি-র মামলার প্রেক্ষিতে শুক্রবারই কলকাতা হাইকোর্ট জানতে চেয়েছিল বিধাননগর পুরভোট কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে করার বিষয়ে কী ভাবছে কমিশন। আদালতে কমিশন জানিয়ে দেয় এ নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত তারা নিয়ে ফেলেছে। কমিশন সূত্রে খবর, বিধাননগর, শিলিগুড়ি, চন্দননগর এবং আসানসোল পুরভোট রাজ্য পুলিশের তত্ত্বাবধানেই করানো হবে।রাজ্য নির্বাচন কমিশন সূত্রে খবর, ভোট যাতে অবাধ ও শান্তিপূর্ণ ভাবে হয় সে দিকে তারা বিশেষ নজর রাখবে। তবে বিরোধীদের কেন্দ্রীয় বাহিনীর দাবি কার্যত নাকচ করে দিয়েছে কমিশন। জানা গিয়েছে, চার পুরভোটে রাজ্য পুলিশের সঙ্গে থাকছে কমান্ডো, ইএফআর, এসটিএফ। তা ছাড়া শুক্রবার থেকে স্পর্শকাতর এলাকা ঘুরে দেখবে সিআইডি ও আইবি। ১২ ফেব্রুয়ারি চার পুরসভার ভোটের জন্য আলাদা করে এক জন আইজি অফিসার নিয়োগ করা হচ্ছে। যার তত্ত্বাবধানে থাকবে রাজ্য পুলিশ। এ ছাড়া নিযুক্ত হচ্ছেন একজন আইএএস পদমর্যাদার বিশেষ পর্যবেক্ষক।

ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২২
কলকাতা

নির্বাচন কমিশনের সামনে বিজেপির ঘেরাও অভিযানে ধুন্ধুমার

একাধিক বিজেপির যুব মোর্চার রাজ্য নির্বাচন কমিশন ঘেরাও অভিযান ঘিরে ধুন্ধুমার। পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তি বিজেপি কর্মী সমর্থকদের। বিজেপ কর্মীদের টেনে হিঁচড়ে প্রিজন ভ্যানে তোলার অভিযোগ। বেশ কয়েকজন বিজেপি কর্মী সমর্থককে আটক করে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে। তাঁদের মধ্যে বেশ কয়েকজন মহিলাও রয়েছেন।আটক করা হয়েছে প্রিয়াঙ্কা টিবরেওয়ালকেও।বিজেপির যুব মোর্চার মিছিল কমিশনের অফিসের সামনে পৌঁছতেই ব্যারিকেড করে দেয় পুলিশ। বিজেপি কর্মী সমর্থকরা ব্যারিকেড ভেঙে এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। বিজেপি কর্মী সমর্থকদের সঙ্গে শুরু হয় পুলিশের ধস্তাধস্তি। রাস্তায় শুয়ে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন বিজেপি কর্মী সমর্থকরা। পরিস্থিতি সামাল দিতে গিয়ে রীতিমতো হিমশিম খায় পুলিশও। বিজেপির অভিযোগ, পুরভোটে রাজ্যজুড়ে সন্ত্রাস চালাচ্ছে শাসকদল। বিরোধীদের মনোনয়নপত্র জমা দিতে দেওয়া হচ্ছে না। মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের জন্য হুমকিও দেওয়া হচ্ছে। কোথাও বিজেপি প্রার্থীর বাড়িতে গুলি, কোথাও বিজেপি প্রার্থীদের রাস্তায় ফেলে পেটানোর অভিযোগ উঠছে। রাজ্যজুড়ে শাসকদলের বিরুদ্ধে সন্ত্রাস চালানোর অভিযোগ তুলছে বিজেপি। এক্ষেত্রে পুলিশি নিষ্ক্রিয়তারও অভিযোগ তুলেছেন বিজেপি নেতৃত্ব।বিক্ষোভকারীদের বক্তব্য, বীরভূম, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, হুগলি, উত্তর ২৪ পরগনা-সহ একাধিক জেলাতে তৃণমূলের সন্ত্রাসের কারণে বিজেপি প্রার্থীরা মনোনয়ন জমা দিতে পারেননি । আর নির্বাচন কমিশন ঠুটো জগন্নাথ হয়ে বসে আছে । রাজ্য নির্বাচন কমিশন দল দাসে পরিণত হয়েছে ।

ফেব্রুয়ারি ১০, ২০২২
রাজ্য

পুরভোটের আগে ১৪ দফা নির্দেশিকা জারি করল নির্বাচন কমিশন, কী সেই নির্দেশিকা আসুন জেনে নিন

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি রাজ্যের চার পুরসভার ভোট অবাধ ও শান্তিপূর্ণ করতে রাজ্য নির্বাচন কমিশন ১৪ দফা নির্দেশিকা জারি করেছে। এই নির্দেশিকাগুলো হল নিম্নরূপ-১। ভোটারদের আত্মবিশ্বাস বাড়াতে নিয়মিত এরিয়া ডমিনেশন ও রুটমার্চ করতে বলা হয়েছে।২। নির্মীয়মাণ বাড়ি, কমিউনিটি হল, লজ, হোটেল, গেস্ট হাউস, স্টেডিয়ামে ১৭ ডিসেম্বর ২০২১, বিকেল পাঁচটা থেকে নজরদারি চালানো হচ্ছে। যাতে কোনও সমাজবিরোধী আশ্রয় না নিতে পারে সে কারণেই এই ব্যবস্থা। তা ভোটগ্রহণ পর্যন্ত চালিয়ে যেতে প্রশাসনকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।৩। সমস্ত সীমান্ত এলাকায় গাড়িতে নাকা চেকিং চলবে। প্রয়োজন হলে প্রশাসন ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর পরিচয় যাচাই করবে।৪। সমস্ত বেআইনি অস্ত্র ও মদ বাজেয়াপ্ত করতে হবে।৫। অতীতে ভোট হিংসা বা সাম্প্রদায়িক হিংসায় অভিযুক্ত কেউ যদি জামিনে বাইরে থাকেন এবং তাঁর কাছে যদি লাইসেন্সপ্রাপ্ত আগ্নেয়াস্ত্র থাকে তাহলে তা প্রশাসন নিজেদের হেপাজতে রাখবে।৬। ভোটের একদিন আগে এলাকার দাগী অপরাধীদের আটক করতে হবে।৭। আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে পুলিশ ও কুইক রেসপন্স টিম সজাগ থেকে কাজ করতে বলা হয়েছে।৮। ভোটের আগেরদিন পোলিং পার্টি পৌঁছনোর আগেই সেখানে পৌঁছে যেতে হবে সশস্ত্র পুলিশকে। বুথ প্রহরার দায়িত্বে থাকা সশস্ত্র পুলিশকে বুথ দখল, রিগিং রুখতে হবে।৯। যে মানুষ বুথে এসে ভোট দিতে চাইবেন তাঁরা যাতে নির্বিঘ্নে তা করতে পারেন তা প্রশাসনকে নিশ্চিত করতে হবে।১০। ভোটের দিন যদি কোনও প্রার্থী বা পার্টির লোকজন অনুমতিহীন গাড়ি নিয়ে ঘোরেন তাহলে তা বাজেয়াপ্ত করা হবে।১১। বাইক মিছিল নিষিদ্ধ।১২। ভোটের দিন সমস্ত রাজনৈতিক দলের ক্যাম্পগুলিতে চলবে কড়া নজরদারি। সেখান থেকে যাতে ভোটারদের ভয় দেখানো বা তাঁদের উপর প্রভাব খাটানো না হয়।১৩। সমস্ত বুথে থাকবে সিসিটিভি।১৪। ভোটের দিন সমস্ত রাজনৈতিক দলের পোলিং এজেন্টদের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতে রাজ্য নির্বাচন কমিশন নির্দেশ দিয়েছে।

জানুয়ারি ২১, ২০২২
রাজ্য

পিছিয়েই গেল রাজ্যের চার পুরনিগমের ভোট! পুনরায় দিনক্ষণ ঘোষণা কমিশনের

অবশেষে পিছিয়ে গেল চার পুরনিগমের ভোটের দিন। শনিবারই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানিয়ে দিল রাজ্য নির্বাচন কমিশন। কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে, আদালতকে সম্মান জানিয়েই তারা এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ২২ জানুয়ারি ভোট হওয়ার কথা ছিল। তা পিছিয়ে ১২ ফেব্রুয়ারি করা হল। শনিবার এ সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে কমিশন। তবে ২৭ ফেব্রুয়ারি ১০৮টি পুরসভার যে বকেয়া ভোট তা হবে বলেই এখনও অবধি সিদ্ধান্ত রয়েছে। কারণ, এ নিয়ে এখনও রাজ্য নির্বাচন কমিশন এখনও কিছু বলেনি।আরও পড়ুনঃ চার পুরভোট পিছলে আপত্তি নেই, কমিশনকে চিঠি দিয়ে জানাল নবান্নকোভিড কাঁটায় তিন সপ্তাহ পুরনিগমের ভোট পিছিয়ে দিয়েছে রাজ্য নির্বাচন কমিশন। ১২ ফেব্রুয়ারি ভোট হবে। তবে এই ভোটে নতুন করে মনোনয়নপত্র জমা দিতে হবে না বলেই জানিয়েছে কমিশন। আদালতের নির্দেশে, রাজনৈতিক দলের মতামত শুনে রাজ্যের সঙ্গে কথা বলে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন। রাজ্য নির্বাচন কমিশনের তরফে বক্তব্য, কলকাতা হাইকোর্টের রায়কে সম্মান জানিয়েই তারা এই সিদ্ধান্ত নিল। ভোটের দিন পিছিয়ে গেলেও নতুন করে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার যেমন কোনও বিষয় নেই, একইভাবে কমিশন জানিয়েছে, এই সময় অবধি প্রচার চালাতে পারবে রাজনৈতিক দলগুলি। অর্থাৎ ১২ ফেব্রুয়ারির ৭২ ঘণ্টা আগে পর্যন্ত ভোটের প্রচার চালানোয় কোনও বাধা নেই।আরও পড়ুনঃ ফের কলকাতায় বাড়ল মাইক্রো কনটেনমেন্টের সংখ্যানবান্নের তরফে রাজ্য নির্বাচন কমিশনকে চিঠি দিয়ে জানানো হয় যে, কমিশন ভোট পিছিয়ে দিলে কোনও আপত্তি নেই সরকারের। শনিবার নবান্নের চিঠি পাওয়ার পরে ভোট পিছনোয় শিলমোহর দিল নির্বাচন কমিশন।

জানুয়ারি ১৫, ২০২২
রাজ্য

পুরভোট বন্ধ নিয়ে সরাসরি রায় নয় হাইকোর্টের, নির্বাচন পিছানোর সিদ্ধান্ত বর্তাল কমিশনের ওপর

টানা তিন দিন করোনা সংক্রমণ বেড়েছে রাজ্যে। অ্যাক্টিভ করোনা আক্রান্তের সংখ্যা দিন দিন বেড়েই চলেছে। এরইমধ্যে ব্যক্তিগত মন্তব্যে ভোট এখন বন্ধ রাখা উচিত বলেছিলেন তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। বিজেপি পুরনির্বাচন পিছিয়ে দেওয়ার দাবি করে আসছে। আদালতে ভোট পিছিয়ে দেওয়া নিয়ে মামলা চলছে। সেই মামলায় এদিন কলকাতা হাইকোর্ট রাজ্য নির্বাচন কমিশনকে করোনা আবহে পুরভোট ৪-৬ সপ্তাহ পিছিয়ে দেওয়া যায় কিনা সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে নির্দেশ দিয়েছে। এই সিদ্ধান্ত আগামি ৪৮ ঘন্টার মধ্যে জানাতে নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট।আরও পড়ুনঃ বেসরকারি বাসপরিবহণ শিল্পে তীব্র সংকট, সরকারি সাহায্য জরুরিবাংলায় গড়ে ২০ হাজারের বেশি মানুষ করোনায় আক্রান্ত হচ্ছেন। তৃতীয় ঢেউ নাজেহাল পরিস্থিতি রাজ্যের। ২২ জানুয়ারি বিধাননগর, আসানসোল, চন্দননগর ও শিলিগুড়িতে পুরভোট চার কেন্দ্রেই করোনা বিধি মেনে প্রচারের নির্দেশ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। প্রচারে করোনা বিধি না মানা নিয়ে প্রতিদিনই নানা অভিযোগ উঠছে প্রার্থীদের বিরুদ্ধে। এক্ষেত্রে ডান-বাম কোনও প্রার্থী বাদ যাচ্ছে না। পুলিশ অতি তৎপর বলেও বিরোধীরা অভিযোগ তুলছে। এই পরিস্থিতিতে পুরভোট পিছিয়ে দেওয়া যায় কিনা তা জানাতে কমিশনকে নির্দেশ দিল হাইকোর্টয়।আরও পড়ুনঃ কুয়াশার মধ্যেই চলছে উদ্ধারকাজ, ময়নাগুড়ি পৌঁছলেন রেলমন্ত্রী, জন বার্লাআদালতের বক্তব্য, করোনা আবহে পুরভোট কি ৪-৬ সপ্তাহ পিছিয়ে যায় কি? ভোট পিছনোর ক্ষমতা রয়েছে নির্বাচন কমিশনের। এই সিদ্ধান্ত কমিশনকে নিতে হবে। সিদ্ধান্ত জানাতে আদালত ৪৮ ঘন্টা সময় দিয়েছে কমিশনকে। আদালতের পর্যবেক্ষণ, নির্বাচন নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় দুটি বিষয় চিন্তা করতে হবে কমিশনকে। এই অবস্থায় ভোট হলে কি মানুষের স্বার্থ রক্ষিত হবে? তাছাড়া আদৌ অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন পরিচালনা করা এই পরিস্থিতিতে সম্ভব? রাজনৈতিক দল থেকে বিভিন্ন মহল পুরভোট পিছনোর দাবি জানিয়ে আসছে। সরাসরি ভোট বন্ধ করার রায় না দিলেও এবার হাইকোর্ট তাতে সায় দিল। শুধু সিদ্ধান্ত নেওয়ার দায়িত্ব বর্তেছে নির্বাচন কমিশনের ওপর।

জানুয়ারি ১৪, ২০২২
দেশ

5 State Elections: পাঁচ রাজ্যে ভোটের দিন ঘোষণা শনিবার বিকেলেই

করোনা সংক্রমণের আবহেই পাঁচ রাজ্যে বিধানসভা ভোটের দিন ঘোষণা করতে চলেছে নির্বাচন কমিশন। করোনা ও ওমিক্রন সংক্রমণ বৃদ্ধির কারণে কিছুটা সংশয় দেখা দিলেও জাতীয় নির্বাচন কমিশনের তরফে আগেই জানানো হয়েছিল, করোনাবিধি মেনে নির্ধারিত সময়েই বিধানসভা নির্বাচন হবে। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার সুশীল চন্দ্র শনিবার বিকেল সাড়ে ৩টেয় সাংবাদিক বৈঠকে উত্তরপ্রদেশ, পঞ্জাব, উত্তরাখণ্ড, মণিপুর এবং গোয়ার বিধানসভা ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণা করবেন।ফেব্রুয়ারি থেকে এপ্রিল মাসের মধ্যেই উত্তরপ্রদেশ, পঞ্জাব, উত্তরাখণ্ড, গোয়া ও মণিপুরে বিধানসভা নির্বাচন রয়েছে। ইতিমধ্যেই প্রতিটি রাজ্যে পরিদর্শন সেরেছে নির্বাচন কমিশন। তবে ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্টের দাপটে দেশে হারে করোনা সংক্রমণ বৃদ্ধি পাচ্ছে, তার জন্য ৫ রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচন নিয়ে কিছুটা সংশয় দেখা দিয়েছিল। সেই কারণে দুদিন আগেই কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যসচিব রাজেশ ভূষণের সঙ্গেও বৈঠকে বসে জাতীয় নির্বাচন কমিশন। সেই বৈঠকে দেশের করোনা পরিস্থিতি, বিশেষত উত্তরপ্রদেশ, উত্তরাখণ্ড, পঞ্জাব, গোয়া ও মণিপুরে করোনা ও ওমিক্রন নিয়ে নির্বাচন কমিশনকে যাবতীয় তথ্য জানান স্বাস্থ্য সচিব।এর আগে ২০১৭ সালে ৪ ফেব্রুয়ারি থেকে ৮ মার্চ পর্যন্ত ওই পাঁচ রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন হয়েছিল। উত্তরপ্রদেশের ৪০৩টি আসনে ভোট হয়েছিল সাত দফায়। উত্তর-পূর্বাঞ্চলের রাজ্য মণিপুরের ৬০টি বিধানসভা আসনে দুদফায়। পঞ্জাবের ১১৭, উত্তরাখণ্ডের ৭০ এবং গোয়ার ৪০টি কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ হয়েছিল এক দফাতেই। ২০১৭ সালে উত্তরপ্রদেশ-সহ পাঁচ রাজ্যে বিধানসভা ভোটের গণনা হয়েছিল ১১ মার্চ।

জানুয়ারি ০৮, ২০২২
রাজ্য

Municipal Election: করোনা আক্রান্ত কমিশনের ৫ পর্যবেক্ষক, কোভিডবিধি মেনেই পুলিশি তত্ত্বাবধানে পুরভোট

রাজ্য পুলিশের তত্ত্বাবধানেই আগামী ২২ জানুয়ারি চার পুরসভার ভোটগ্রহণ হবে। ভোট প্রক্রিয়ার ওপর নজরদারির জন্য ১০০ শতাংশ বুথেই সিসিটিভি থাকবে। প্রতি বুথেই সশস্ত্র পুলিশ বাহিনী থাকবে।বুধবার পুর ভোটের প্রস্তুতি নিয়ে রাজ্য নির্বাচন কমিশন ও রাজ্য প্রশাসনের কর্তাদের মধ্যে এক উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে।ওই বৈঠকে এবং পরে ভোটে নিযুক্ত পর্যবেক্ষকদের সঙ্গে আরেক দফা বৈঠকে আসন্ন নির্বাচনে করোনা বিধি কঠোরভাবে পালন করতে কমিশনের তরফে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নির্বাচনের সঙ্গে যুক্ত যে কেউ করোনাবিধি না মানলে বিপর্যয় মোকাবিলা আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে কমিশনের তরফে হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে। ইতমধ্যেই কমিশন নিযুক্ত ১২ জন পর্যবেক্ষকের মধ্যে পাঁচ জনই করোনা আক্রান্ত বলে কমিশন সূত্রে খবর।এমত অবস্হায় পুরভোটের কারণে করোনা সংক্রমণের ছড়িয়ে পড়া ঠেকাতে রাজ্য নির্বাচন কমিশনের তরফ একগুচ্ছ সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।ভোটগ্রহণের ৫ দিন আগে থেকে অর্থাৎ ১৭ থেকে ২১ শে জানুয়ারি পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট পুরো এলাকা গুলির বুথে টিকাকরণের কাজ চলবে বলে কমিশন সূত্রে খবর। প্রচার সবার ক্ষেত্রে জমায়াতের উর্ধ্বসীমা ৫০০ জন থেকে কমিয়ে ২০০ জন করার ব্যাপারেও চিন্তা-ভাবনা করা হচ্ছে বলে রাজ্য নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে। উল্লেখ্য আগামী ২২ জানুয়ারি আসানসোল, চন্দননগর, শিলিগুড়ি, বিধাননগর এই চার পুরসভাতে ভোট হবে।

জানুয়ারি ০৫, ২০২২
রাজ্য

Municipal Elections: বাদ রইল হাওড়া, চার পুরনিগমে ভোট ঘোষণা কমিশনের, ফল ২৫ জানুয়ারি

হাওড়াকে বাদ দিয়েই আপাতত হবে পুরনিগমের ভোট। জানিয়ে দিল রাজ্য নির্বাচন কমিশন। সোমবার সাংবাদিক বৈঠক করে এ কথা জানান রাজ্য নির্বাচন কমিশনার সৌরভ দাস। মঙ্গলবার এই ভোটের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হবে। শিলিগুড়ি, বিধাননগর, আসানসোল, চন্দননগরে ভোট হচ্ছে ২২ জানুয়ারি। এবারও সব বুথে থাকছে সিসিক্যামেরা।২৫ জানুয়ারি ভোটের গণনা। ২৮ ডিসেম্বর মঙ্গলবার থেকে মনোনয়ন জমা দেওয়া শুরু হবে। পুনর্নির্বাচনের দাবি থাকলে তা ২৪ জানুয়ারি হবে। সোমবার থেকেই জারি হয়ে গেল আদর্শ আচরণ বিধি। শুধুমাত্র যেখানে ভোট হবে সেই পুরনিগম এলাকায় আদর্শ আচরণ বিধি বলবৎ থাকবে।অন্যদিকে হাওড়ার ভোট যে এবারও ঝুলে রইল তাও স্পষ্ট। এখনও হাওড়া বিলে সই করেননি রাজ্যপাল। ফলে এ ভোটের জট যে কবে কাটবে তা কেউ জানে না। এদিন পুরভোট নিয়ে রাজ্য নির্বাচন কমিশনের সর্বদল বৈঠক ছিল। মাঝপথে সেই বৈঠক বয়কট করে বেরিয়ে যায় সমস্ত বাম শরিক দল। অন্যদিকে কংগ্রেস, বিজেপিও এই বৈঠক বয়কট করে সোমবার। এদিন ১১১টি পুরসভার ভোট প্রস্তুতি নিয়ে বৈঠক ডেকেছিল নির্বাচন কমিশন। বিরোধীদের দাবি, তৃণমূল যাতে এক চেটিয়া ভোট করতে পারে সেই কারণে এই ভাবে নির্বাচন করতে চাইছে।১ নভেম্বর ২০২১ সালের ভোটার তালিকা অনুযায়ী নির্বাচন হবে। ভোট হবে ইভিএমে। ২৮ ডিসেম্বর থেকে মনোনয়ন জমা দেওয়া শুরু হবে। মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ দিন ৩ জানুয়ারি ২০২২। স্ক্রুটিনি ৪ জানুয়ারি। মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষদিন ৬ জানুয়ারি। কোথাও পুনর্নির্বাচন হলে তা হবে ২৪ জানুয়ারি। ২৮ জানুয়ারির মধ্যে ভোটপর্ব সমাপ্ত হবে।১ নভেম্বরের তালিকা অনুযায়ী ভোট হলে জানুয়ারিতে যিনি ভোটার হবেন তাঁরা তালিকাভুক্ত হবেন না। এ বিষয়ে রাজ্য নির্বাচন কমিশনার সৌরভ দাস বলেন, আইন মোতাবেক আমি নির্বাচন কমিশনের প্রকাশিত তালিকাকেই গ্রহণ করতে পারি। এই ভোটার তালিকা নিয়ে ইতিমধ্যেই একটা বিতর্ক দানা বেঁধেছে। বিরোধীদের দাবি, ৫ জানুয়ারি পূর্ণাঙ্গ ভোটার তালিকা প্রকাশিত হচ্ছে। কেন কিছুদিন অপেক্ষা না করেই ভোট করাচ্ছে কমিশন। এতে প্রচুর ভোটার বঞ্চিত হবেন বলেও দাবি তোলে বাম-কংগ্রেস-বিজেপি।

ডিসেম্বর ২৭, ২০২১
কলকাতা

Election Commission: বিক্ষিপ্ত ঘটনা ছাড়া শান্তিপূর্ণ ভোটগ্রহণ, জানাল কমিশন

বিক্ষিপ্ত ঘটনা ছাড়া কলকাতা পুরসভার ভোট পর্ব শান্তিপূর্ণভাবে শেষ হয়েছে বলে জানিয়েছে, রাজ্য নির্বাচন কমিশন।বিকেল ৫টা পর্যন্ত কলকাতা পুরভোটে ভোটদানের হার ৬৩.৬৩ শতাংশ। চূড়ান্ত হিসাবে যা আরও কিছুটা বাড়তে পারে বলে জানা গিয়েছে কমিশন সূত্রে।কমিশনের সচিব নিলাঞ্জন শাণ্ডিল্য জানিয়েছেন, সারা দিনে মোট ৪৫৩ অভিযোগ এসেছে। এন্টালী এবং আমাস্টিট থানা এলাকায় তিনটে বোমা পড়ার ঘটনা ঘটেছে এতে তিনজন আহত হয়েছেন। বিভিন্ন অশান্তির ঘটনায় ১৯৫ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে কোথাও বুথ দখলের ঘটনা ঘটেনি। কমিশনের দাবি, প্রত্যেকটি অভিযোগ খতিয়ে দেখে তার দ্রুত নিষ্পত্তি করা হয়েছে। ভোট শুরু হওয়ার পর থেকে ৫৫ টি ইভিএম খারাপ হওয়ার খবর পাওয়া গিয়েছিল। সেখানে দ্রুতই বিকল্প ব্যবস্থা নেওয়া হয়। তবে ১৪৪ টি ওয়ার্ডের কোনও বুথে এর জেরে ভোট প্রক্রিয়া বিঘ্নিত হয়নি। সুষ্ঠুভাবে ভোট পরিচালনা করতে কমিশনের তরফে কোনও গাফিলতি হয়নি বলে তিনি দাবি করেন। যেখানে যেখানে গন্ডগোলের খবর পাওয়া গেছে পুলিশ সেখানে ব্যবস্থা নিয়েছে। পুলিশের কাজে কমিশন সন্তুষ্ট।এই মুহূর্তে কোনও বুথে পুনঃনির্বাচনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি বলে জানিয়েছেন কমিশনের সচিব। পর্যবেক্ষক এবং প্রিজাইডিং অফিসারদের রিপোর্টের ভিত্তিতে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানান তিনি।

ডিসেম্বর ১৯, ২০২১
কলকাতা

Sensitive Booth: ১১৩৯ টি বুথ স্পর্শকাতর, একটি বরোতেই ২৫০ টি বুথ স্পর্শকাতর! ঘোষণা করল কমিশন

কলকাতা পুরসভার রবিবারের ভোটে সব রাজনৈতিক দল এবং পুলিশ-প্রশাসনের জন্য একগুচ্ছ বিধি স্থির করে দিয়েছে রাজ্য নির্বাচন কমিশন। বিধি অমান্য করলে কড়া পদক্ষেপের হুঁশিয়ারি দিয়েছে কমিশন। সেই সঙ্গে শহরের ১১৩৯টি বুথকে স্পর্শকাতর বলে ইতিমধ্যেই চিহ্নিত করেই ভোট পরিচালনা করতে চলেছে কমিশন।পুলিশ সূত্রে খবর, কলকাতা পুরসভা এলাকার ১৬টি বরোতেই কমবেশি স্পর্শকাতর বুথ চিহ্নিত হয়েছে। ১৪৪টি ওয়ার্ডে ভোটগ্রহণের জন্য মোট ৪৯৫৯টি বুথের ব্যবস্থা হয়েছে। সব চেয়ে বেশি স্পর্শকাতর বুথ রয়েছে সাত নম্বর বরোয় ২৫০টি। স্পর্শকাতর বুথ সব চেয়ে কম ১৩ নম্বর বরোয়, ২২টি।কমিশনের নির্দেশ, রুটমার্চের পাশাপাশি ভোটারদের আস্থা অর্জন করতে হবে পুলিশকে। সিল করে দিতে হবে কলকাতা পুরসভা এলাকার সীমানা। কোনও গাড়ি পুর এলাকায় প্রবেশ করলে তা যাচাই করতে হবে। নজরদারি চালাতে হবে নির্মীয়মাণ বাড়ি, কমিউনিটি হল, বিয়েবাড়ি, লজ, গেস্ট হাউস ও হোটেলের উপরে। চিহ্নিত দুষ্কৃতীদের ভোটের আগেই হেপাজতে নেওয়ার কথা জানিয়েছে কমিশন। ভোটারদের প্রভাবিত করার প্রবণতা ঠেকাতে প্রার্থীদের ক্যাম্পের উপরেও নজর রাখতে হবে পুলিশকে। অনুমতি ছাড়া কোনও রাজনৈতিক দল গাড়ি ব্যবহার করলে সেটি বাজেয়াপ্ত করার কথা বলা হয়েছে।কমিশন তাদের নিয়মবিধিতে জানিয়েছে, যে-সব রাজনৈতিক ব্যক্তির সঙ্গে রাজ্য বা কেন্দ্রীয় সরকারের নিরাপত্তারক্ষী থাকেন, প্রচার শেষের পরে নিজের ভোটাধিকার থাকা কেন্দ্রের বাইরে তাঁরা থাকতে পারবেন না। ভোটের দিন নিজেদের নির্ধারিত ভোটকেন্দ্রে যেতে পারবেন। ভোট দিয়েই সেখান থেকে চলে যেতে হবে। ভোটকেন্দ্রে নিরাপত্তাকর্মীদের প্রবেশাধিকার থাকবে না। ভোটদানের আগে বা অব্যবহিত পরে যত্রতত্র ঘুরে বেড়াতে পারবেন না। প্রার্থীদের ক্ষেত্রে অবশ্য এই বিধি বলবৎ হচ্ছে না।

ডিসেম্বর ১৮, ২০২১
কলকাতা

Dhankhar-Commission: ফের রাজ্য নির্বাচন কমিশনারের সঙ্গে বৈঠকে ধনখড়

ফের রাজ্য নির্বাচন কমিশনারের সঙ্গে বৈঠক করলেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়ের। এই নিয়ে দ্বিতীয়বার রাজ্য নির্বাচন কমিশনারের সঙ্গে বৈঠক করছেন তিনি। রাজভবনে সৌরভ দাসের সঙ্গে পুরসভার ভোটের প্রস্তুতি নিয়েই বৈঠক। সূত্রের খবর, কেন একদিনে হল না সব পুরসভার ভোট? এ বিষয়ে রাজ্য নির্বাচন কমিশনারের কাছে জানতে চেয়েছেন রাজ্যপাল। পুরভোটে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন নিয়েও সওয়াল করেছেন জগদীপ ধনখড়।এদিন কমিশনারকে নিরপেক্ষ থাকার পরামর্শ দিয়েছেন রাজ্যপাল। টুইট করে রাজ্যপাল রাজ্য নির্বাচন কমিশনকে নিশানা করে বলেছেন যে, সাংবিধানিক নিয়ম নীতি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ তাই তা মেনে চলা উচিত। এর আগেও কমিশনের সঙ্গে পুরভোট নিয়ে বৈঠক করেছেন জগদীপ ধনখড়। কমিশনকে ইতিমধ্যেই কড়া বার্তা দিয়েছেন রাজ্যপাল। রাজ্য নির্বাচন কমিশনকে নিরপেক্ষ ও কার্যকরী ভূমিকা পালন করতে হবে, রাজ্য সরকারের শাখা হিসাবে কাজ করলে চলবে না, তাদের কথা মতো চললেও হবে না। এমনই কড়া ভাষায় সর্তক করে দিয়েছিলেন রাজ্যপাল।১৯ ডিসেম্বরে কীভাবে ভোট হতে চলেছে তা নিয়ে বিস্তারিত তথ্য নেবেন রাজ্যপাল। কলকাতা পুরসভার প্রায় ৫০০০ বুথে যে ভোট হতে চলেছে তাতে কেন্দ্রীয় বাহিনীর দাবি করেছিল বিজেপি। যদিও রাজ্য সরকারের কাছে পর্যাপ্ত পুলিশ রয়েছে বলেই অভিমত। এই সমস্ত বিষয়ও উঠে এসেছে বৈঠকে। অর্থাৎ কলকাতা পুর নির্বাচনে কমিশনের প্রস্তুতি-সহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে তাঁদের মধ্যে আলোচনা হবে৷উল্লেখ্য, ইতিমধ্যেই পুরভোট সংক্রান্ত মামলায় কলকাতা হাইকোর্টে কড়া প্রশ্নের মুখে পড়তে হয়েছে রাজ্য সরকার ও রাজ্য নির্বাচন কমিশনকে।

ডিসেম্বর ০২, ২০২১
দেশ

Tripura Municipal Election: বৃহস্পতিবার ত্রিপুরায় পুরভোট, সব বুথকেই স্পর্শকাতর ঘোষণা কমিশনের

সুপ্রিম কোর্টে তৃণমূলের ভোট স্থগিতের আর্জি খারিজের পর আগামিকালই ত্রিপুরায় নেওয়া হচ্ছে পুরভোট। গত কয়েকদিন পুরভোটের প্রচারকে ঘিরে উত্তেজনার জেরে এলাহি নিরাপত্তার ব্যবস্থা করছে কমিশন। ত্রিপুরার ২০টি থানা এলাকায় মোট ৬৪৪ টি বুথে কাল ভোটগ্রহণ করা হবে। আগরতলার সবকটি বুথকেই স্পর্শকাতর হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। কমিশনের মতে রাজধানীর ২৭৪টি ভোটকেন্দ্র স্পর্শকাতর ও ৩৭০টি বুথ কেন্দ্র অতি স্পর্শকাতর। আদালতের নির্দেশে সেনসিবিলিটি ম্যাপিংয়ের পরই ওই ঘোষণা করেছে কমিশন। নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখে অতিস্পর্শকাতর বুথে ৫ জন টিআরএস জওয়ান মোতায়েন করা হবে।স্ট্রং রুম ও সরকারি প্রেসে ২ করে সিআরপিএফ টিম মোতায়েন করা হচ্ছে। একজন গেজেটেড অফিসারের নেতৃত্বে মোতায়েন করা হচ্ছে কেন্দ্রীয় বাহিনী। ত্রিপুরার রিটার্নিং অফিসারকে দেওয়া হচ্ছে ব্যক্তিগত নিরাপত্তা রক্ষী। সব অবজার্ভারদের নিরাপত্তারক্ষী ও এসকর্ট দেওয়া হচ্ছে। আগরতলা পুরনিগম এলাকায় মোতায়েন করা হচ্ছে সিআরপিএফের অতিরিক্ত ১৫টি টিম।সবমিলিয়ে জমজমাট হতে চলেছে ত্রিপুরার মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশনের ভোট।

নভেম্বর ২৪, ২০২১
রাজ্য

Central Force: উপনির্বাচনের বাংলায় ৮০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী

রাজ্যের চার বিধানসভা কেন্দ্রে উপনির্বাচনে ৮০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করার সিদ্ধান্ত নিল নির্বাচন কমিশন। আগেই বলা হয়েছিল ২৭ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হবে। তবে এবার তা এক লাফে ৫৩ কোম্পানি বাড়িয়ে ৮০ কোম্পানি করা হল।আরও পড়ুনঃ শিষ্য খুনে যাবজ্জীবন সাজা রাম রহিমকেএই ৮০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হবে দিনহাটা, শান্তিপুর, খড়দহ, ও গোসবা কেন্দ্রের জন্য। এই বাহিনী মোতায়েনের মূল লক্ষ্যই হল নির্বাচনের কাজ সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করা। তবে কোন কেন্দ্রের জন্য কত বাহিনী থাকবে সেটা স্থানীয় জেলা নির্বাচন আধিকারিকের সঙ্গে আলোচনা করেই ঠিক হবে। নির্বাচন কমিশনের তরফে যে বিজ্ঞপ্তি এসেছে, সেখানে বলা হয়েছে শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের জন্য ৮০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকবে। আগেই ২৭ কোম্পানি বাহিনীর কথা ঘোষণা করা হয়েছিল। এবার তা আরও ৫৩ কোম্পানি বাড়ানো হল। সিআরপিএফের পাশাপাশি বিএসএফ, এসএসবি, আইটিবিপির জওয়ানরাও থাকবেন।খড়দহে তৃণমূলের শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের প্রতিদ্বন্দ্বী বিজেপির জয় সাহা। এই কেন্দ্রে সিপিএম প্রার্থী দেবজ্যোতি দাসও লড়াই করছেন। দিনহাটায় তৃণমূলের প্রার্থী উদয়ন গুহ। বিজেপির হয়ে লড়বেন অশোক মণ্ডল, বামেদের মুখ ফরওয়ার্ড ব্লকের আব্দুর রউফ। শান্তিপুরে তৃণমূলের প্রার্থী ব্রজকিশোর গোস্বামী, বিজেপির প্রার্থী নিরঞ্জন বিশ্বাস, সিপিএমের প্রার্থী সৌমেন মাহাতো। গোসাবায় সুব্রত মণ্ডল তৃণমূলের মুখ। বিজেপির প্রতীকে লড়বেন পলাশ রানা, আরএসপির প্রার্থী অনিল চন্দ্র মণ্ডল।

অক্টোবর ১৯, ২০২১
রাজ্য

Dilip Ghosh: মুখ্যমন্ত্রীকেই জেতাতেই কী ভবানীপুরে উপনির্বাচন?প্রশ্ন তুললেন দিলীপ

গোটা দেশে শুধুমাত্র ভবানীপুরে কেন উপনির্বাচন? নির্বাচনী নির্ঘণ্ট প্রকাশের পর প্রশ্ন তুলেছিলেন দিলীপ ঘোষ শুভেন্দু অধিকারীরা । সাংবিধানিক সংকটের বিষয়টি বিবেচনা করে এই সিদ্ধান্ত বলে জানিয়েছিল নির্বাচন কমিশন। আর এবার এই সাংবিধানিক সংকট তৈরির জন্য সরাসরি মুখ্যমন্ত্রীকেই দায়ী করলেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। সোমবার দুর্গাপুরে এক বেসরকারী হাসপাতালে এক মহিলা বিজেপি কর্মীকে দেখতে এসে তৃণমূলের পাশাপাশি উপনির্বাচন ইস্যুতে কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশনকেও একহাত নিলেন দিলীপ ঘোষ।রাজ্যের উপনির্বাচনগুলিকে নিয়ে আইনের পথে যেতে তারা প্রস্তুত হচ্ছেন বলে ফের একবার জানিয়েছেন তিনি। তাঁর মতে, একজন মুখ্যমন্ত্রী হেরে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী হয়েছেন,উনি আবার যে জিতবেন এর নিশ্চয়তা কোথায়?আরও পড়ুনঃ শার্দুল, ঋষভের দুরন্ত ব্যাটিংয়ে জয়ের স্বপ্ন ভারতেরকরোনা পরিস্থিতিতে অন্য জায়গায় উপনির্বাচন হচ্ছে না। অথচ ব্যতিক্রম ভবানীপুর। কমিশনের এই দ্বি-নীতিই আদালতে তুলে ধরতে চাইছে বিজেপি।এই প্রসঙ্গে ইঙ্গিত দিয়ে দিলীপ বলেন, রাজ্যের কমিশন বলছে, পুরভোটের মতো পরিস্থিতি নেই। অথচ জাতীয় নির্বাচন কমিশন ঘোষণা করে দিল। অন্য রাজ্য বলছে ভোট করতে পারব না। স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠছে, এর পিছনে কোনও রহস্য নেই তো? বিজেপির রাজ্য সভাপতি আরও বলেন, কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশন ভবানীপুর থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে জিতিয়েই ছাড়বেন বলে মনে হচ্ছে। তা না হলে এরকম পক্ষপাতমূলক আচরণ করতো না কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশন।

সেপ্টেম্বর ০৬, ২০২১
রাজনীতি

By Election: আজ নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থ তৃণমূলের প্রতিনিধি দল

সেপ্টেম্বরেই হোক উপনির্বাচন। এই দাবি নিয়ে আজ দিল্লির নির্বাচন কমিশনে যাচ্ছে তৃণমূল কংগ্রেসের প্রতিনিধি দল। রাজ্যের বিধানসভা কেন্দ্রে যে উপনির্বাচন সেই নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলির কাছে মতামত চেয়েছিল নির্বাচন কমিশন। তৃণমূল কংগ্রেসের পাঁচ সদস্যের প্রতিনিধি দল এই নিয়ে মতামত জানাবে। প্রতিনিধি দলে থাকছেন সৌগত রায়, জহর সরকার, মহুয়া মৈত্র, সাজদা আহমেদ, সুখেন্দু শেখর রায়। সূত্রের খবর, আগামী কয়েকদিনের মধ্যেই কমিশনের কাছে যেতে চলেছে বিজেপি। তার আগে আজই, কমিশনে যাচ্ছে তৃণমূল।আরও পড়ুনঃ ভিন রাজ্য থেকে গ্রেপ্তার ভুয়ো আইপিএসএদিকে, উপনির্বাচন চায় না রাজ্য বিজেপি। তাদের বক্তব্য, রাজ্যে উপনির্বাচনের পরিস্থিতিই নেই। আট দফা কারণ তুলে ধরে রাজ্য বিজেপি এরই মধ্যে চিঠি দিয়েছে কেন্দ্রীয় নেতৃত্বকেও। বিজেপি যুক্তি খাঁড়া করেছে, বাংলায় এখন নির্বাচন করার মতো পরিস্থিতি নেই। কারণ লোকাল ট্রেন বন্ধ, বাস চলছে কম লোক নিয়ে। এদিকে বিশেষজ্ঞদের রিপোর্ট বলছে, সেপ্টেম্বর-অক্টোবরে আছড়ে পড়তে চলেছে তৃতীয় তরঙ্গ। রাজ্যে যে সরকার রয়েছে, তার পূর্ণ সংখ্যাগরিষ্ঠতা রয়েছে। ৭ টি বিধানসভা আসনে উপনির্বাচন না হলেও সরকারের কোনও সংকট নেই, সুতরাং উপনির্বাচন এখন অপরিহার্য নয়। এরই মাঝে সব দলের থেকেই উপনির্বাচন নিয়ে মত জানতে চেয়েছে কমিশন। তৃণমূল আসলে যে কোনও পরিস্থিতিতেই দ্রুত উপনির্বাচন করাতে চাইছে। আর বিজেপি চাইছে তা পিছিয়ে দিতে।

আগস্ট ২৬, ২০২১
কলকাতা

Election Commission: অগস্টের প্রথমেই ৫ কেন্দ্রের ভোটযন্ত্র পরীক্ষার নির্দেশ

ভবানীপুর-সহ রাজ্যে পাঁচটি কেন্দ্রের উপনির্বাচনের জন্য প্রস্তুতি আরও জোরাল করার নির্দেশ দিল রাজ্য নির্বাচন দপ্তর। প্রাথমিক ভাবে ওই পাঁচটি কেন্দ্রের ইভিএম এবং ভিভিপ্যাট পরীক্ষার কাজ অগস্টের প্রথম সপ্তাহে শেষ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। যা থেকে মনে করা হচ্ছে, অগস্টে বা সেপ্টেম্বরে উপনির্বাচন হতে পারে ধরে নিয়েই এগোচ্ছে রাজ্য নির্বাচন দপ্তর। যদিও নির্বাচনের মতোই উপনির্বাচনের দিনক্ষণ ঘোষণার বিষয়েও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশন। আরও পড়ুনঃ শুভেন্দুর বিরুদ্ধে এফআইআররাজ্যে যে পাঁচটি বিধানসভা কেন্দ্রে উপনির্বাচন হবে, সেগুলি হল ভবানীপুর, খড়দহ, বাসন্তী, শান্তিপুর এবং দিনহাটা। ওই কেন্দ্রগুলির জন্যই প্রস্তুতিতে গতি আনার নির্দেশ দিয়েছে রাজ্য নির্বাচন দপ্তর। তবে জঙ্গিপুর ও সামশেরগঞ্জের ক্ষেত্রে এমন নির্দেশ দেওয়া হয়নি। কমিশন সূত্রে খবর, এই দুটি বিধানসভায় নির্বাচনের যাবতীয় প্রস্তুতি বিধানসভা ভোটের আগেই সারা হয়ে গিয়েছিল। কারণ, ওই দুটি আসনে ভোট স্থগিত ছিল প্রার্থীদের মৃত্যুতে। ফলে সেখানে আর নতুন করে ভোটযন্ত্র পরীক্ষার প্রয়োজন নেই। কিন্তু যে পাঁচটি আসনে ভোট হয়েছিল, সেখানে নতুন করে ইভিএম এবং ভিভিপ্যাট পরীক্ষার প্রয়োজন আছে। রাজ্য নির্বাচন দপ্তরের এক আধিকারিক জানিয়েছেন, আমরা সবরকম প্রস্তুতি রাখছি। রাজ্যসভা হোক বা বিধানসভা সব রকম নির্বাচনের জন্য দপ্তর প্রস্তুত।

জুলাই ২১, ২০২১
কলকাতা

Rajya Sabha Election: রাজ্যসভায় দীনেশের আসনে উপনির্বাচন ৯ অগস্ট

রাজ্যসভার উপনির্বাচনের বিজ্ঞপ্তি জারি করল নির্বাচন কমিশন। তৃণমূলের প্রাক্তন সাংসদ তথা বিজেপি নেতা দীনেশ ত্রিবেদীর ছেড়ে যাওয়া আসনে ফের নির্বাচন হবে। ৯ অগস্ট ওই আসনে ভোটগ্রহণ বলে কমিশনের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।আরও পড়ুনঃ ফের উত্তপ্ত শ্রীনগর, খতম ২ লস্কর জঙ্গিগত ১২ ফেব্রুয়ারি রাজ্যসভার অধিবেশন চলাকালীনই নিজের পদত্যাগের কথা ঘোষণা করেন দীনেশ ত্রিবেদী।সে দিন রাজ্যসভায় বক্তব্য রাখতে উঠেই পদত্যাগের ঘোষণা করেন তিনি। অধিবেশন চলাকালীন বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি বলেন, আমি বেশি সময় নেব না। দুই মিনিটের মধ্যেই আমার বক্তব্য শেষ করব। আমি অন্তরাত্মার ডাক অনুসরণ করে এগোচ্ছি। আমার মতে কাজ না করার থেকে পদত্যাগ করাই শ্রেয়। এখানে থেকে কোনও কাজ করা যাচ্ছে না, দম বন্ধ হয়ে আসছে। এরপরই তৃণমূল ছেড়ে বিজেপির পতাকা হাতে তুলে নেন। এদিকে তাঁর সাংসদ পদের মেয়াদ ছিল ২০২৬ সালের এপ্রিল মাস পর্যন্ত। ফলে এই আসনে দ্রুত নির্বাচন করাতে চাইছে কমিশন। আরও পড়ুনঃ কেন দ্বিতীয় বিয়ে করলেন না পূজা ভাট!শুক্রবার নির্বাচন কমিশন একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করে বলা হয়েছে, আগামী ২২ জুলাই প্রথা মেনে ভোটের বিজ্ঞপ্তি জারি করা হবে। ২৯ জুলাই পর্যন্ত মনোনয়ন পেশ করা যাবে। ৩০ জুলাই হবে স্ক্রুটিনি। মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ দিন ২ অগস্ট। এরপরই ৯ তারিখ ভোটগ্রহণ হবে। সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টে পর্যন্ত ভোটগ্রহণ পর্ব চলবে। সেদিনই বিকেল ৫টা থেকে ভোট গণনা। যদিও রাজ্যসভার সাংসদ মানস ভুঁইয়ার ফাঁকা আসন নিয়ে, তাঁর জায়গায় নতুন সাংসদ নির্বাচনের কোনও বিজ্ঞপ্তি এখনও অবধি জারি করা হয়নি।

জুলাই ১৬, ২০২১
কলকাতা

জোড়া রদবদল রাজ্য প্রশাসনে, সরলেন রাজ্য নির্বাচন কমিশনের দুই কর্তা

ফের রাজ্য প্রশাসনে বড়সড় রদবদল। বৃহস্পতিবার নবান্ন থেকে বিজ্ঞপ্তিু জারি করে আমলাস্তরে জোড়া রদবদল করা হল। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তৃতীয়বার মুখ্যমন্ত্রীর কুর্সিতে বসার পর একাধিক পদের রদবদল করেছেন। দুটি পরিবর্তন সেই তালিকায় নবতম সংযোজন।নির্বাচনের আগে নারী ও শিশুকল্যাণ দপ্তরের সচিব ছিলেন সংঘমিত্রা ঘোষ। নির্বাচনের মুখে রাজ্য নির্বাচন কমিশনে একাধিক আধিকারিককে সরানো হয়। সেই সময় কমিশনের অ্যাডিশনাল চিফ ইলেক্টোরাল অফিসার পদে আনা হয় ১৯৯৭ সালের পশ্চিমবঙ্গ ক্যাডারের আইএএস অফিসার সংঘমিত্রা ঘোষকে। ভোট মিটে যাওয়ার পর সরকার গঠন হতেই তাঁকে পুরনো পদেই ফেরানো হল। আরেক অ্যাডিশনাল চিফ ইলেক্টোরাল অফিসার স্মারকি মহাপাত্রকে সরিয়ে দেওয়া হল। বদলে তাঁকে রাজ্যে অর্থদপ্তরের সচিব পদে নিয়োগ করা হল। তিনি ২০০২ সালের পশ্চিমবঙ্গ ক্যাডারের আইএএস অফিসার।রাজ্যে মিটে গিয়েছে ভোটপর্ব। ২০০-রও বেশি আসন নিয়ে তৃতীয়বার সরকার গড়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। আর ভোট মিটতেই রাজ্যের পুলিশ এবং প্রশাসনিক পদে বেশ কিছু রদবদল করা হয়েছে। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সেই তালিকা আরও দীর্ঘ হয়েছে। ভোটের পরই বদলানো হয়েছে বীরভূমের জেলাশাসক এবং এসডিপিও-কে। তেমনই রাজ্য পুলিশের আরও একাধিক পদে বদল আনা হয়েছে।বীরভূমের জেলাশাসকের পদে ডিপি কারনামের জায়গায় আসতে চলেছেন বিধানচন্দ্র রায়। তিনি এর আগে খাদ্যদপ্তরের যুগ্ম সচিব পদে ছিলেন। ডিপি কারনামকে করা হয়েছে ক্ষুদ্র এবং মাঝারি শিল্পের ডিরেক্টর। এছাড়া তিনি বিশ্ববাংলা কর্পোরেশনের ম্যানেজিং ডিরেক্টরের দায়িত্বও সামলাবেন। শ্রী নিখিল নির্মলকে করা হয়েছে বস্ত্রমন্ত্রকের ডিরেক্টর। এদিকে, হাওড়া মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশনের কমিশনার অভিষেক তিওয়ারিকে করা হয়েছে স্বাস্থ্য মন্ত্রকের যুগ্ম সচিব। অন্যদিকে, ধবল জৈনকে করা হয়েছে হাওড়া মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশনের কমিশনার। এছাড়া সরানো হয়েছে নদিয়ার জেলাশাসক পার্থ ঘোষকেও। তাঁকে নিয়ে আসা হয়েছে পশ্চিমবঙ্গ অ্যাগ্রি মার্কেটিং কর্পোরেশন লিমিটেডের ম্যানেজিং ডিরেক্টর পদে। যে পদে এতদিন ছিলেন ধবল জৈন। সেই রদবদলের তালিকা এদিন আরও দীর্ঘ হল।

মে ২০, ২০২১
রাজ্য

বীরভূমের ভোটের আগে ফের নজরবন্দি অনুব্রত

ভোটের আগে বীরভূমের তৃণমূল জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডলকে ফের নজরবন্দি করল নির্বাচন কমিশন। মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে ৫টা থেকে ৩০ এপ্রিল সকাল ৭টা পর্যন্ত কমিশনের নজরবন্দি তিনি। কমিশনের এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করে আইনি পথে হাঁটতে পারেন দাপুটে তৃণমূল নেতা ।অষ্টম দফায় অর্থাৎ ২৯ এপ্রিল বীরভূমে ভোটগ্রহণ। তার আগে মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে পাঁচটা থেকে সেই জেলার দাপুটে তৃণমূল নেতার উপর কড়া নজর রাখবে কমিশন। ভোটের মরশুমে এত দীর্ঘ সময় কোনও রাজনৈতিক নেতাকে নজরবন্দি করে রাখা নিঃসন্দেহে বেনজির সিদ্ধান্ত বলে দাবি করছে ওয়াকিবহাল মহল। উল্লেখ্য, ইতিপূর্বে উনিশের লোকসভা নির্বাচনের সময় অনুব্রত মণ্ডলকে নজরবন্দি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল কমিশন। তবে সেটা ছিল শুধুমাত্র ভোটের দিন। যদিও তৃণমূল নেতার ঘনিষ্ঠ মহলের দাবি, সেবারের ভোটের সময়ে খোশমেজাজেই ছিলেন তিনি। কোথায় কেমন ভোট হচ্ছে, দিনভর সেই তথ্য নিজের নখদর্পণে রেখেছিলেন তিনি। এবারও ভোটের আগে থেকেই অনুব্রতকে নজরবন্দি করল কমিশন। যদিও কমিশনের সিদ্ধান্ত নিয়ে বিচলিত নন বীরভূমের তৃণমূল জেলা সভাপতি। তাঁর কথায়, এটা তো কমিশনের রুটিন কাজ। প্রতিবারই করে। তবু খেলা হবে। ভয়ঙ্কর খেলা হবে। প্রয়োজনে সিআরপিএফের পায়ে বল দিয়ে দেব, ওঁরা খেলবে। কমিশনের বিরুদ্ধে আদালতে যাবেন বলেও জানিয়েছেন তিনি। এ প্রসঙ্গে তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আগেই জানিয়েছিলেন, এবার অনুব্রতর বিরুদ্ধে কোনও পদক্ষেপ হলে ও আদালতে যাবে। এদিন নেত্রীর কথা মনে করিয়ে অনুব্রত বলেন, আমি এবার কমিশনের বিরুদ্ধে আদালতে যাব।প্রসঙ্গত, এবার কমিশনের কড়া নজরে রয়েছে বীরভূম। ভোটের সময় জেলার পুলিশ সুপার করে পাঠানো হয়েছে নগেন্দ্রনাথ ত্রিপাঠীকে। তাৎপর্যপূর্ণভাবে, ভোটের দিন কয়েক আগেই তৃণমূল নেতা অনুব্রতকে নোটিস পাঠিয়েছিল আয়কর দপ্তর। এমনকী, গোরুপাচার মামলায় তাঁকে হাজিরা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল সিবিআইও। যদিও কোভিড পরিস্থিতির দোহাই দিয়ে হাজিরা এড়িয়েছেন তিনি। এর পরই প্রকাশ্যে এল নির্বাচন কমিশনের এই নির্দেশিকা।

এপ্রিল ২৭, ২০২১
দেশ

'এতদিন অন্য গ্রহে ছিলেন?', কমিশনকে তীব্র ভর্ৎসনা মাদ্রাজ হাইকোর্টের

করোনাকালে ভোট। আর সেই সময়ে নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে ক্ষুব্ধ মাদ্রাজ হাইকোর্ট। সোমবার কমিশনকে তীব্র ভর্ৎসনা করলেন মাদ্রাজ হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি সঞ্জীব বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর কথায়, মহামারির দিকে নজর রেখে যথাযথ পদক্ষেপ না করলে গণনা বন্ধ করতে বাধ্য হবে আদালত। এছাড়া, কমিশনের আধিকারিকদের বিরুদ্ধে খুনের মামলা রুজু করা উচিত বলেও মন্তব্য করেন প্রধান বিচারপতি।দেশজুড়ে আছড়ে পড়েছে করোনা মহামারির দ্বিতীয় ঢেউ। দেশে মৃতের সংখ্যা প্রায় ১ লক্ষ ৯৫ হাজার। প্রতিদিনই নয়া নজির গড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা। দৈনিক সংক্রমণ সাড়ে তিন লক্ষের গণ্ডি ছাপিয়ে গিয়েছে। এহেন পরিস্থিতিতে দেশের চারটি রাজ্যে ও একটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে অনুষ্ঠিত হয় বিধানসভা নির্বাচন। অসম, তামিলনাড়ু, কেরল, পুদুচেরিতে গত ৬ এপ্রিল নির্বাচন শেষ হলেও পশ্চিমবঙ্গে আটদফা ভোট চলছে। এহেন পরিস্থিতিতে রাজনৈতিক মিছিলে তুমুল জনসমাগম থেকেই সংক্রমণের মাত্রা বিপজ্জনকভাবে বেড়েছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। এহেন পরিস্থিতিতে, নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে তীব্র ক্ষোভপ্রকাশ করে মাদ্রাজ হাইকোর্ট। প্রধান বিচারপতি সঞ্জীব বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ের জন্য মূলত নির্বাচন কমিশন দায়ী। নির্বাচন কমিশনের আধিকারিকদের বিরুদ্ধে খুনের মামলা করা উচিত। যখন রাজনৈতিক মিছিল হচ্ছিল তখন কি অন্য গ্রহে ছিল কমিশন। করোনা বিধি মেনে ভোটগণনা কীভাবে হবে, তা নিয়ে কমিশনে প্রশ্ন করেন প্রধান বিচারপতি।তাঁর সাফ কথা, করোনা বিধি মেনে পদক্ষেপ করা না হলে গণনা বন্ধ করে দিতে বাধ্য হবে আদালত। এদিকে, আদালতের পর্যবেক্ষণকে সমর্থন জানিয়ে করোনা সংক্রমণের জন্য নির্বাচন কমিশনকে দায়ী করেছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। উল্লেখ্য, এর আগে করোনা বিধি লঙ্ঘন নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টের সমালোচনার মুখে পড়ে নির্বাচন কমিশন। গত বৃহস্পতিবার কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি টিবি রাধাকৃষ্ণণ জানিয়েছিলেন, মহামারি পরিস্থিতিতে শুধুমাত্র সার্কুলার দিয়ে জনগণকে সতর্ক করে দায় ঝেড়ে ফেলতে পারে না কমিশন। আদালতের মতে, নিজেদের ক্ষমতার সঠিক ব্যবহার করেনি কমিশন। এ প্রসঙ্গে আদালত আরও বলে, নির্বাচন কমিশন অসীম ক্ষমতার অধিকারী।কিন্তু কার্যক্ষেত্রে সেই ক্ষমতা প্রয়োগ করা হয়নি। কমিশনের আধিকারিক ও কুইক রেসপন্স টিমকে কাজে লাগানো হচ্ছে না।

এপ্রিল ২৬, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

মাদ্রাসা নিয়ে বাংলায় বড়সড় ‘অ্যাকশন’! ২৫২টি বন্ধের নির্দেশ, শোকজ আরও ১০০—সরকারি সমীক্ষায় চাঞ্চল্য

অনুমোদনহীন প্রতিষ্ঠানগুলির বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ রাজ্যের, জেলায় জেলায় নথি যাচাইয়ের পর সিদ্ধান্ত।মাদ্রাসা নিয়ে বাংলায় এবার বড়সড় প্রশাসনিক পদক্ষেপ। রাজ্যজুড়ে মাদ্রাসাগুলির উপর চালানো সমীক্ষার পর প্রথম দফায় ২৫২টি অনুমোদনহীন মাদ্রাসা বন্ধের নির্দেশ দিল রাজ্য সরকার। একই সঙ্গে আরও প্রায় ১০০টি মাদ্রাসাকে শোকজ করা হয়েছে। সরকারের এই সিদ্ধান্ত ঘিরে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক ও সামাজিক মহলে শুরু হয়েছে জোর বিতর্ক।প্রশাসনিক সূত্রের খবর, কলকাতা-সহ রাজ্যের ২২টি জেলায় মাদ্রাসাগুলির বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে। গত ২২ জুলাই থেকে শুরু হওয়া এই যাচাই-পর্বে শুধু অনুমোদন রয়েছে কি না, তা-ই নয়পরিচালন ব্যবস্থা, পড়ুয়ার সংখ্যা, শিক্ষক-শিক্ষিকার উপস্থিতি, অর্থের উৎস, নথিপত্র, রেজিস্ট্রেশন এবং পরিকাঠামো-সহ একাধিক বিষয় খতিয়ে দেখা হয়েছে।সমীক্ষার রিপোর্ট সামনে আসতেই উঠে এসেছে চাঞ্চল্যকর তথ্য। রাজ্যে বিপুল সংখ্যক মাদ্রাসা প্রয়োজনীয় সরকারি অনুমোদন বা নির্দিষ্ট স্বীকৃতি ছাড়াই চলছে বলে প্রশাসনের তরফে দাবি। বিভিন্ন রিপোর্ট অনুযায়ী, এমন প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ২,৩৯৬। এর মধ্যেই প্রথম ধাপে ২৫২টি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে সরাসরি বন্ধের নোটিস জারি করেছে সরকার।খারিজি মাদ্রাসাই কি নিশানায়?সরকারি পদক্ষেপের আওতায় আসা ২৫২টি মাদ্রাসার বড় অংশই খারিজি বা বেসরকারি উদ্যোগে পরিচালিত মাদ্রাসা বলে খবর। এই প্রতিষ্ঠানগুলির বৈধতা, পরিচালন পদ্ধতি এবং শিক্ষাব্যবস্থা নিয়েই মূলত প্রশাসনের নজরদারি।তবে সরকারের অবস্থানও স্পষ্টকোনও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সরকারি স্বীকৃতির বাইরে থেকে নিয়মবহির্ভূতভাবে চলতে পারে না। যে প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজনীয় অনুমোদন নেই কিংবা ন্যূনতম পরিকাঠামো ও নথিপত্র দেখাতে ব্যর্থ, তাদের বিরুদ্ধে আইন মেনেই ব্যবস্থা নেওয়া হবে।শুধু বন্ধ নয়, শোকজ-এর পরেও কড়া বার্তাপ্রথম দফায় ২৫২টি মাদ্রাসাকে বন্ধের নোটিস দেওয়া হলেও প্রায় ১০০টি প্রতিষ্ঠানকে আপাতত দেওয়া হয়েছে শোকজ নোটিস। অর্থাৎ, তাদের নিজেদের অবস্থান ব্যাখ্যা করার সুযোগ দেওয়া হচ্ছে।প্রশাসনের প্রশ্নকোন আইনি অনুমোদনের ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠান চলছে? কতজন পড়ুয়া রয়েছে? শিক্ষক কারা? অর্থ আসছে কোথা থেকে? পর্যাপ্ত ভবন ও শিক্ষার পরিকাঠামো রয়েছে কি না? এই সমস্ত প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে।জানা যাচ্ছে, সন্তোষজনক উত্তর বা প্রয়োজনীয় নথি দেখাতে না পারলে শোকজ পাওয়া প্রতিষ্ঠানগুলির বিরুদ্ধেও পরবর্তী ধাপে আরও কঠোর পদক্ষেপ করা হতে পারে।২২ জেলায় নথি যাচাইতারপরই সিদ্ধান্তমাদ্রাসা নিয়ে এই অভিযান হঠাৎ করে নয়। রাজ্য সরকারের নির্দেশেই জেলায় জেলায় শুরু হয়েছিল সমীক্ষা। কলকাতা-সহ ২২টি জেলার মাদ্রাসাগুলির নথি সংগ্রহ করে যাচাই করা হয়।সংখ্যালঘু বিষয়ক ও মাদ্রাসা শিক্ষা দফতরের তরফে দাবি, অনুমোদিত মাদ্রাসাগুলি নিয়ম মেনেই চলছে। কিন্তু অনুমোদনহীন প্রতিষ্ঠানগুলির ক্ষেত্রে সরকার আর কোনও ঝুঁকি নিতে চাইছে না।মন্ত্রী ক্ষুদিরাম টুডুর বক্তব্য, মাদ্রাসাগুলির যাবতীয় নথি সংগ্রহ করে যাচাই করা হয়েছে। অনুমোদিত প্রতিষ্ঠানগুলি চালু রয়েছে বলেও তিনি জানিয়েছেন।সরকারের সিদ্ধান্তে ক্ষোভ, প্রশ্ন তুললেন ত্বহা সিদ্দিকীতবে সরকারের এই সিদ্ধান্তকে ঘিরে পাল্টা প্রশ্নও উঠছে। ফুরফুরা শরিফের পীরজাদা ত্বহা সিদ্দিকী সরাসরি প্রশ্ন তুলেছেনকেন কোনও মাদ্রাসাকে শোকজ করা হচ্ছে, কেনই বা বন্ধ করা হচ্ছে, তা আগে সাধারণ মানুষকে জানানো হোক।তাঁর বক্তব্য, বহু মাদ্রাসা সাধারণ মানুষের অনুদান ও সাহায্যের মাধ্যমে পরিচালিত হয়। মাদ্রাসায় শুধু ধর্মীয় শিক্ষা দেওয়া হয় না, সরকারি পাঠ্যক্রমও পড়ানো হয় বলে দাবি তাঁর।ফলে সরকারের প্রশাসনিক যুক্তির বিপরীতে উঠে আসছে অন্য প্রশ্নঅনুমোদনের মাপকাঠি কী? কোন প্রতিষ্ঠান নিয়মবহির্ভূত এবং কোনটি নয়? আর বহু বছর ধরে চলা প্রতিষ্ঠানগুলির ভবিষ্যৎই বা কী?রাজনীতির ময়দানেও বাড়ছে উত্তাপমাদ্রাসা ইস্যুতে রাজ্য সরকারের এই পদক্ষেপ নিঃসন্দেহে রাজনৈতিকভাবেও তাৎপর্যপূর্ণ। কারণ, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিচালনা, সংখ্যালঘু শিক্ষা এবং সরকারি অনুমোদনের প্রশ্নের সঙ্গে এবার সরাসরি যুক্ত হচ্ছে প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণ বনাম দীর্ঘদিনের সামাজিক উদ্যোগে পরিচালিত প্রতিষ্ঠানগুলির স্বাধীনতা।একদিকে সরকারের যুক্তিআইন ও নিয়মের বাইরে কোনও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান চলতে দেওয়া যায় না। অন্যদিকে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের একাংশের বক্তব্যশুধু সরকারি অনুমোদনের অভাবকে কেন্দ্র করে কোনও প্রতিষ্ঠানকে বন্ধ করে দেওয়া উচিত নয়।ফলে ২৫২টি মাদ্রাসা বন্ধের নির্দেশ এখন শুধু প্রশাসনিক ফাইলের বিষয় নয়; তা ইতিমধ্যেই রাজ্যের রাজনীতি ও সংখ্যালঘু শিক্ষা ব্যবস্থার কেন্দ্রীয় বিতর্কে পরিণত হয়েছে।উত্তরাখণ্ডের পর বাংলাতেও কড়া পদক্ষেপঅনুমোদনহীন মাদ্রাসার বিরুদ্ধে প্রশাসনিক পদক্ষেপের নজির অন্য রাজ্যেও রয়েছে। উত্তরাখণ্ডে ইতিমধ্যেই একাধিক অননুমোদিত মাদ্রাসার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। সেই প্রেক্ষাপটে বাংলার এই পদক্ষেপকে আরও তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহলের একাংশ।এখন মূল নজর শোকজ পাওয়া প্রায় ১০০টি মাদ্রাসার জবাবের দিকে। তারা প্রয়োজনীয় অনুমোদন ও পরিকাঠামোর প্রমাণ দিতে পারে কি না, তার উপরই নির্ভর করছে পরবর্তী পদক্ষেপ।তবে একটি বিষয় ইতিমধ্যেই স্পষ্টমাদ্রাসা শিক্ষা ব্যবস্থাকে আর নজরদারির বাইরে রাখতে চাইছে না রাজ্য সরকার। ২৫২টি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে প্রথম দফার এই অ্যাকশন আগামী দিনে আরও বড় প্রশাসনিক অভিযানের ইঙ্গিত কি না, এখন সেটাই দেখার।

সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৬
বিদেশ

পোল্যান্ড সীমান্তের কাছে যাত্রীবাহী ট্রেনে রুশ ড্রোন হামলা! ইউক্রেন যুদ্ধ কি এবার ন্যাটোর দরজায়?

রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের উত্তেজনার মধ্যেই পোল্যান্ড সীমান্তের কাছে একটি যাত্রীবাহী ট্রেনে ড্রোন হামলার অভিযোগ ঘিরে নতুন করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। রবিবার পশ্চিম ইউক্রেনে ঘটনাটি ঘটে বলে সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গিয়েছে। হামলায় ট্রেনের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হলেও ২০৬ জন যাত্রীর কেউ আহত হননি বলে দাবি করা হয়েছে।জানা গিয়েছে, পোল্যান্ডের একটি রেল সংস্থার পরিচালিত ওই ট্রেনটি কিয়েভ থেকে ওয়ারশের দিকে যাচ্ছিল। পথে আচমকাই ট্রেনটির উপর একের পর এক রুশ ড্রোন হামলা হয় বলে অভিযোগ। হামলার জেরে ট্রেনে আগুন ধরে যায়। আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে যাত্রীদের মধ্যে।তবে এখনও পর্যন্ত কোনও হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। হামলার পর প্রায় ছঘণ্টা ট্রেন পরিষেবা ব্যাহত হয় বলে জানা গিয়েছে। ঘটনাটি এমন একটি সময়ে ঘটল, যখন রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধকে ঘিরে গোটা ইউরোপেই নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে।পোল্যান্ডের কাছে এই ঘটনার গুরুত্ব আরও বেশি বলে মনে করছেন আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকদের একাংশ। কারণ পোল্যান্ড ন্যাটোর সদস্য দেশ। ন্যাটোর চুক্তি অনুযায়ী, কোনও সদস্য দেশের বিরুদ্ধে সশস্ত্র হামলা হলে পরিস্থিতি অনুযায়ী অন্য সদস্যদেশগুলির সম্মিলিত প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সক্রিয় হতে পারে।তবে রবিবারের ঘটনাটিকে সরাসরি পোল্যান্ডের উপর রুশ হামলা হিসেবে দেখছেন না বিশ্লেষকেরা। তাঁদের একাংশের মতে, পোল্যান্ড সীমান্তের এত কাছে এমন ঘটনা ন্যাটোর নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে নতুন করে প্রশ্নের মুখে ফেলতে পারে। রাশিয়ার উদ্দেশ্য ন্যাটোর প্রস্তুতি ও ঐক্য পরীক্ষা করা কি না, তা নিয়েও জল্পনা শুরু হয়েছে।বিশ্লেষকদের মতে, রাশিয়া যদি ভবিষ্যতে পোল্যান্ডের ভূখণ্ডে সরাসরি হামলা চালায়, তার প্রভাব শুধু দুই দেশের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকার সম্ভাবনা কম। কারণ পোল্যান্ড ন্যাটোর সদস্য। সে ক্ষেত্রে গোটা ইউরোপের নিরাপত্তা পরিস্থিতিতেই বড় পরিবর্তন আসতে পারে।তবে রবিবারের হামলার প্রকৃত উদ্দেশ্য কী ছিল এবং এর নেপথ্যে কারা রয়েছে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। ঘটনাটি নিয়ে তদন্ত চলছে। ইউক্রেন যুদ্ধের পরিস্থিতির মধ্যে পোল্যান্ড সীমান্তের কাছে এই হামলার অভিযোগ নতুন করে ইউরোপের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ বাড়িয়েছে। সবচেয়ে বড় প্রশ্ন এখন একটাইরাশিয়া যদি সত্যিই পোল্যান্ডের ভূখণ্ডে সরাসরি হামলা চালায়, তখন ন্যাটো কী পদক্ষেপ করবে?

সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৬
দেশ

একের পর এক ভূমিধসে বসে যাচ্ছে আস্ত পাহাড়! সিকিমে হড়পা বানের আতঙ্ক, সরানো হল ৩৮ পরিবার

পশ্চিম সিকিমের গিয়ালশিং জেলার সিঙ্গলিথাম গ্রাম এবং সংলগ্ন রিম্বি এলাকায় একের পর এক ভূমিধসে আতঙ্ক ছড়িয়েছে। রবিবার সকাল থেকে ভূমিধসের তীব্রতা বাড়তে থাকায় পাহাড়ের ঢাল থেকে কাদা, পাথর ও গাছের ধ্বংসাবশেষ নেমে আসছে। এর জেরে রাস্তাঘাট ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পাশাপাশি কয়েকটি গ্রামের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়েছে।পরিস্থিতি খারাপ হতে থাকায় সিকিম প্রশাসনের তরফে রিম্বির ৩০টি এবং সিঙ্গলিথামের ৮টি পরিবারকে নিরাপদ জায়গায় সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। তাঁদের ত্রাণ শিবিরে রাখা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। পাহাড়ের ঢাল নরম হয়ে যাওয়ায় সিঙ্গলিথামের বেশ কয়েকটি বাড়িও ইতিমধ্যে ধসে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।স্থানীয় বাসিন্দাদের আশঙ্কা, সিঙ্গলিথামের পাহাড়ের ঢাল থেকে ক্রমাগত কাদা, বড় পাথর এবং গাছ নেমে এসে স্থানীয় ঝোরার গতিপথ আটকে দিচ্ছে। ফলে রিম্বির নিচের দিকে আচমকা হড়পা বান নেমে আসতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন তাঁরা। প্রশাসনের নজরদারিতে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।জানা গিয়েছে, রিম্বির ঠিক উপরে সিঙ্গলিথাম গ্রামের কাছে একটি টিলা ধীরে ধীরে বসে যাওয়ার পর থেকেই পরিস্থিতির অবনতি শুরু হয়। টানা ভারী বৃষ্টিতে পাহাড়ের ঢাল নরম হয়ে যাওয়ায় মাটি, কাদা এবং পাথর ক্রমাগত নিচের দিকে নেমে আসছে। স্থানীয়দের দাবি, গত অগস্ট মাস থেকেই ওই এলাকায় ভূমিধস শুরু হয়েছিল। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সেই ধস গ্রামের দিকে এগিয়ে আসছে।ভূমিধসের ধ্বংসস্তূপে রিম্বি-ইউকসম এবং রিম্বি-খেচুপেরি সড়কের কয়েকটি অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ফলে যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে গিয়েছে। এর প্রভাব পড়েছে ইউকসম-তাশিডিং এলাকার গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগ ব্যবস্থাতেও। স্থানীয়দের পাশাপাশি পর্যটকদেরও ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা এড়িয়ে চলার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।পরিস্থিতির গুরুত্ব বুঝে প্রশাসনের তরফে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত সাধারণ মানুষ এবং যাত্রীদের বিকল্প রাস্তা ব্যবহারের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। বিপদের আশঙ্কায় স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশ প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র নিয়ে নিরাপদ জায়গায় সরে যেতে শুরু করেছেন।প্রশাসনের তরফে ইতিমধ্যেই ঝুঁকিপূর্ণ পরিবারগুলিকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। তবে বৃষ্টিপাত চলতে থাকলে পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে বলে আশঙ্কা স্থানীয়দের। পাহাড়ের ঢাল আরও নরম হলে নতুন করে ধস নামার আশঙ্কাও রয়েছে। বিশেষ করে ঝোরা অবরুদ্ধ হলে নিচের এলাকায় হড়পা বান তৈরি হতে পারে কি না, সেই দিকেই এখন নজর স্থানীয় প্রশাসন ও বাসিন্দাদের।

সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৬
রাজ্য

নন্দীগ্রাম, রেজিনগরে বড় চমক মমতার, আসন্ন উপনির্বাচনে ২ আসনে প্রার্থী ঘোষণা তৃণমূলের

নন্দীগ্রাম বিধানসভা উপনির্বাচনে প্রার্থী ঘোষণা করল তৃণমূল কংগ্রেস। রবিবার দলের তরফে জানানো হয়েছে, নন্দীগ্রামে প্রার্থী হচ্ছেন সঞ্চিতা প্রধান (দে)। পাশাপাশি, রেজিনগর বিধানসভা কেন্দ্রের জন্য রাবিউল আলম চৌধুরীর নাম ঘোষণা করা হয়েছে। ফলে নন্দীগ্রাম থেকে তৃণমূল সুপ্রিমো তথা প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতিদ্বন্দ্বিতার জল্পনার অবসান হল।দলের এই ঘোষণা এমন সময়ে এল, যখন শনিবারই তৃণমূলের বিদ্রোহী শিবির জানিয়েছিল, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নন্দীগ্রাম থেকে লড়াই করলে তারা ওই কেন্দ্রে প্রার্থী দেবে না। বিদ্রোহী গোষ্ঠীর তরফে মমতাকে নন্দীগ্রাম থেকে লড়াই করে বিধানসভায় ফেরার আহ্বানও জানানো হয়েছিল।১৫ বছর পর বিধানসভার বাইরে মমতা?২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে ভবানীপুর কেন্দ্র থেকে বিজেপির শুভেন্দু অধিকারীর কাছে ১৫,১০৫ ভোটে পরাজিত হন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এর আগে ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে নন্দীগ্রামেও শুভেন্দুর কাছে পরাজিত হয়েছিলেন তিনি।২০১১ সালে মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর ভবানীপুরের উপনির্বাচনে জয়ী হয়ে বিধানসভায় প্রবেশ করেন মমতা। ২০১৬ সালে ফের ভবানীপুর থেকে জয় পান তিনি। ২০২১ সালে মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নেওয়ার পর উপনির্বাচনে জিতে আবারও বিধানসভায় জায়গা করে নেন। তৃণমূল নন্দীগ্রাম ও রেজিনগরে প্রার্থী ঘোষণা করায় এবার দীর্ঘ ১৫ বছর পর তাঁকে বিধানসভার বাইরে থাকতে হতে পারে।কেন নন্দীগ্রামে উপনির্বাচন?২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে নন্দীগ্রাম ও ভবানীপুরদুই কেন্দ্র থেকেই জয়ী হয়েছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। পরে তিনি ভবানীপুর আসনটি ধরে রেখে নন্দীগ্রাম থেকে ইস্তফা দেন। সেই কারণেই নন্দীগ্রামে উপনির্বাচন হচ্ছে।নির্বাচন কমিশনের সূচি অনুযায়ী, আগামী ৬ অক্টোবর নন্দীগ্রাম ও রেজিনগরে উপনির্বাচন হবে। ভোটের গণনা ৯ অক্টোবর। মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ দিন ১৬ সেপ্টেম্বর।তৃণমূলে গোষ্ঠীকোন্দল অব্যাহতপ্রার্থী ঘোষণার মধ্যেই তৃণমূল কংগ্রেসের অভ্যন্তরীণ বিবাদ আরও জটিল হয়েছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন শিবির এবং ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন বিদ্রোহী গোষ্ঠীদুই পক্ষই নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থ হয়েছে। উভয় শিবিরই দলের নিয়ন্ত্রণ, নাম এবং জোড়াফুল প্রতীকের স্বীকৃতি দাবি করেছে।১২ সেপ্টেম্বর দুই পক্ষের বক্তব্য শোনে নির্বাচন কমিশন। বিদ্রোহী শিবিরের কাছে আরও কিছু নথি চাওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। তবে ১৬ সেপ্টেম্বর মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ সময়সীমার আগে দলের প্রতীক ও নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিবাদের নিষ্পত্তি হয়নি।

সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৬
রাজ্য

স্ত্রীর পুরনো হাসি ভুলতে পারেননি! ৮৮ বছর বয়সে নিজের হাতেই বানিয়ে ফেললেন তাঁর মুখ

উত্তর ২৪ পরগনার মধ্যমগ্রামের বাসিন্দা ৮৮ বছরের ভূপতিরঞ্জন দেবনাথ। দীর্ঘ কর্মজীবনে মধ্যমগ্রাম হাই স্কুলে শিক্ষকতা করেছেন তিনি। প্রায় তিন দশক আগে অবসর নিয়েছেন। এখন পেনশনের টাকাতেই চলে তাঁর সংসার। কিন্তু বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সংসারে একের পর এক কঠিন সময় এসেছে তাঁর জীবনে।ভূপতির স্ত্রী অঞ্জলির বয়স সত্তরের কোঠায়। তাঁদের দুই মেয়ে ও এক ছেলে। দুই মেয়েরই মধ্যমগ্রামে বিয়ে হয়েছে। বাড়িতে রয়েছেন পুত্রবধূ এবং নাতিও। তবে করোনা অতিমারির সময় একমাত্র ছেলেকে হারিয়েছেন ভূপতি ও অঞ্জলি। ছেলের পরিবারকেও এরপর নিজেদের দায়িত্বে আগলে রেখেছেন তাঁরা।এরই মধ্যে গত ছমাস ধরে অসুস্থ হয়ে শয্যাশায়ী অঞ্জলি। বার্ধক্যজনিত নানা সমস্যায় এতটাই দুর্বল হয়ে পড়েছেন যে, এখন হাতে কলম নিয়ে সই করাও তাঁর পক্ষে সম্ভব হয় না। একসময় যে স্ত্রী সংসারের নানা কঠিন পরিস্থিতিতেও হাসিমুখে সব সামলে নিতেন, আজ সেই মুখেই অসুস্থতার ছাপ স্পষ্ট।কিন্তু স্ত্রীর সেই পুরনো হাসি এখনও ভুলতে পারেননি ভূপতি। বরং সেই হাসিই তাঁর মনে আজও একই রকম উজ্জ্বল। তাই স্ত্রীর মুখের সেই পুরনো অবয়ব এবং হাসিকে ধরে রাখতে নিজের হাতেই তৈরি করেছেন একটি প্রতিকৃতি।শিক্ষকতার পাশাপাশি হাতের কাজেও যথেষ্ট দক্ষ ছিলেন ভূপতি। কর্মজীবনে বিভিন্ন সময়ে মাটি, নারকেলের খোল, গাছের ডাল-সহ নানা সাধারণ উপকরণ দিয়ে নানা জিনিস তৈরি করেছেন তিনি। ফেলে দেওয়া জিনিস তাঁর হাতে নতুন রূপ পেয়েছে। সেইসব কাজ এখনও তাঁর বাড়ির বিভিন্ন জায়গায় যত্ন করে রাখা রয়েছে।এ বার সেই দক্ষতাকেই কাজে লাগিয়েছেন নিজের জীবনসঙ্গীর স্মৃতি ধরে রাখতে। প্লাস্টার অফ প্যারিস দিয়ে তৈরি করেছেন অঞ্জলির হাসিমুখের একটি প্রতিকৃতি। বাড়ির একটি শোকেসে রাখা রয়েছে সেই মূর্তি। স্ত্রীর পাশে বসে থাকার সময় কখনও অসুস্থ অঞ্জলির দিকে তাকান, কখনও আবার চোখ চলে যায় সেই হাসিমুখের প্রতিকৃতির দিকে।ভূপতির কথায়, তাঁদের দাম্পত্য জীবন প্রায় ৫৯ বছরের। অঞ্জলি বরাবরই হাসিখুশি থাকতে ভালোবাসতেন। সংসারে যত সমস্যাই আসুক, তিনি কখনও তা প্রকাশ করতেন না। হাসিমুখেই কঠিন সময় পার করেছেন। সেই হাসিই ছিল ভূপতির কাছে বড় ভরসা।আজ অঞ্জলি অসুস্থ। বিছানা থেকে ওঠার শক্তিও নেই। মুখের সেই পুরনো হাসিও আর দেখা যায় না। কিন্তু ভূপতির স্মৃতিতে অঞ্জলির হাসি এখনও একই রকম জীবন্ত। সেই হাসিকে অমলিন রাখতেই স্ত্রীর মুখের আদলে তৈরি করেছেন এই প্রতিকৃতি।পুরনো দিন আর ফিরে আসবে না, তা জানেন ৮৮ বছরের ভূপতি। তবু তাঁর একটাই আশা, স্ত্রী আবার শারীরিক সমস্যা কাটিয়ে উঠে একটু হাঁটাচলা করতে পারবেন, আগের মতো তাঁর পাশে বসতে পারবেন। আর সেই আশার সঙ্গেই ঘরের শোকেসে হাসিমুখে থেকে গিয়েছে অঞ্জলির সেই পুরনো মুখ।

সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৬
রাজ্য

কেমন হওয়া উচিত গণেশের মূর্তি? কেনার আগে মাথায় রাখুন এই বিষয়গুলি, সঠিক নিয়মে পুজোয় পাবেন হাতে নাতে ফল

ভগবান গণেশকে উৎসর্গ করে পালিত অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ হিন্দু উৎসব গণেশ চতুর্থী। বিঘ্নহর্তা, জ্ঞানদাতা এবং শুভ সূচনার দেবতা হিসেবে গণেশের আরাধনা করেন ভক্তরা। ২০২৬ সালে গণেশ চতুর্থী পালিত হবে সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর। ওই দিন থেকেই শুরু হবে দশ দিনব্যাপী গণেশ উৎসব।প্রচলিত রীতি অনুযায়ী, গণেশ চতুর্থীর দিন বাড়িতে গণেশের মূর্তি প্রতিষ্ঠা করে পুজো করা হয়। ধর্মীয় বিশ্বাস, এই সময় বাপ্পাকে বাড়িতে স্বাগত জানালে জীবনের বাধা-বিপত্তি দূর হয় এবং সুখ-সমৃদ্ধি আসে। তবে মূর্তি কেনার ক্ষেত্রে শুধুমাত্র সৌন্দর্য বা সাজসজ্জা দেখলেই হবে না। ধর্মীয় বিশ্বাস ও বাস্তুশাস্ত্র অনুযায়ী, মূর্তির উচ্চতা, ভঙ্গি, রং, শুঁড়ের দিক এবং বাহনের উপস্থিতিরও বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে বলে মনে করা হয়।কেমন হওয়া উচিত গণেশের মূর্তি?বাস্তুশাস্ত্রের প্রচলিত মত অনুযায়ী, বাড়িতে পুজোর জন্য গণেশের মূর্তি খুব বড় হওয়া উচিত নয়। সাধারণত ৯ থেকে ১১ ইঞ্চি উচ্চতার মূর্তিকে গৃহস্থের পুজোর জন্য উপযুক্ত বলে মনে করা হয়। এর তুলনায় বড় মূর্তি রাখলে পুজো ও বিসর্জনের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত সমস্যা হতে পারে বলেও মত রয়েছে।মূর্তির ভঙ্গির দিকেও নজর দেওয়ার কথা বলা হয়। বাড়িতে পুজোর জন্য উপবিষ্ট গণেশের মূর্তি শুভ বলে মনে করা হয়। এই ভঙ্গি শান্তি, স্থায়িত্ব ও সুখের প্রতীক হিসেবে বিবেচিত।প্রচলিত রীতি অনুযায়ী, চার হাতের গণেশ মূর্তির ক্ষেত্রে উপরের বাম হাতে পাশ, ডান হাতে অঙ্কুশ, নীচের বাম হাতে মোদক এবং নীচের ডান হাত অভয় মুদ্রায় থাকা শুভ বলে মনে করা হয়।গণেশের শুঁড় কোন দিকে থাকবে?গণেশের মূর্তি কেনার সময় শুঁড়ের দিকটিও গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হয়। বাস্তুশাস্ত্র অনুযায়ী, বাম দিকে বাঁকানো শুঁড়যুক্ত গণেশের মূর্তি বাড়িতে স্থাপনের জন্য শুভ। এই ধরনের গণেশকে বামামুখী গণেশ বলা হয়। ধর্মীয় বিশ্বাস অনুযায়ী, এই রূপ শান্তি ও সমৃদ্ধির প্রতীক।অন্যদিকে, ডান দিকে বাঁকানো শুঁড়ের গণেশকে সিদ্ধিবিনায়ক বলা হয়। এই রূপকে তুলনামূলকভাবে শক্তিশালী বলে মনে করা হয় এবং তাঁর পুজোয় বিশেষ নিয়মকানুন মেনে চলার প্রচলন রয়েছে। তাই বাড়ির পুজোর জন্য মূর্তি কেনার সময় শুঁড়ের দিকটি খেয়াল করার পরামর্শ দেওয়া হয়।গণেশের বাহন ইঁদুর থাকা কি জরুরি?ভগবান গণেশের বাহন ইঁদুর। তাই মূর্তি কেনার সময় গণেশের পায়ের কাছে তাঁর বাহন ইঁদুরের মূর্তি রয়েছে কি না, সেটিও দেখে নেওয়ার কথা বলা হয়।প্রচলিত ধর্মীয় বিশ্বাস অনুযায়ী, গণেশের মূর্তির সঙ্গে তাঁর বাহন ইঁদুরের উপস্থিতির বিশেষ তাৎপর্য রয়েছে। তাই সম্পূর্ণ মূর্তি কেনার সময় এই বিষয়টিও নজরে রাখা হয়।কোন দিকে মুখ করে থাকবে গণেশের মূর্তি?বাড়িতে গণেশের মূর্তি স্থাপনের ক্ষেত্রে দিকেরও গুরুত্ব রয়েছে বলে বাস্তুশাস্ত্রে প্রচলিত মত রয়েছে। সেই অনুযায়ী, গণেশের মুখ পূর্ব বা উত্তর দিকে রেখে মূর্তি স্থাপন করা শুভ বলে মনে করা হয়। পুজোর সময়ও গণেশের মুখ যেন পূর্ব অথবা উত্তর দিকে থাকে, সেদিকে নজর দেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়।তবে গণেশের মূর্তির আকার, ভঙ্গি, শুঁড়ের দিক কিংবা মূর্তি স্থাপনের দিক নিয়ে প্রচলিত এই ধারণাগুলি মূলত ধর্মীয় বিশ্বাস ও বাস্তুশাস্ত্রভিত্তিক মত। ব্যক্তিগত বিশ্বাস, পারিবারিক রীতি এবং স্থানীয় প্রথা অনুযায়ী গণেশ পুজোর নিয়ম ভিন্ন হতে পারে।

সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৬
রাজ্য

১৪ নাকি ১৫ সেপ্টম্বর, কবে পালিত হবে গণেশ চতুর্থী? জানুন ঠিক কোন সময়ে পুজোয় মিলবে দ্বিগুণ আর্শীবাদ?

হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উৎসব গণেশ চতুর্থী। গণেশোৎসব নামেও পরিচিত এই উৎসব ভগবান গণেশের জন্মতিথি হিসেবে পালিত হয়। জ্ঞান, সমৃদ্ধি ও সৌভাগ্যের দেবতা গণেশের আরাধনা করে ভক্তরা সুখ, সমৃদ্ধি ও মঙ্গল কামনা করেন। ধর্মীয় বিশ্বাস অনুযায়ী, ভাদ্র মাসের শুক্লপক্ষের চতুর্থী তিথিতেই ভগবান গণেশের জন্ম হয়েছিল। সাধারণত ১০ দিন ধরে চলে এই উৎসব। অনন্ত চতুর্দশীর দিন গণেশ বিসর্জনের মাধ্যমে উৎসবের সমাপ্তি হয়।গণেশ চতুর্থী ২০২৬ কবে?দ্রিক পঞ্চাঙ্গ অনুযায়ী, ২০২৬ সালে গণেশ চতুর্থী পালিত হবে সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর। গণেশ বিসর্জন হবে শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর। উৎসবের শুরুতে বাড়ি ও বিভিন্ন মণ্ডপে গণেশের মূর্তি প্রতিষ্ঠা করা হয়। এরপর প্রাণপ্রতিষ্ঠা, পুজো, প্রার্থনা ও আরতির মাধ্যমে চলে বাপ্পার আরাধনা। ফুল, ধূপ, প্রদীপ, ফল, মিষ্টি এবং বিশেষ করে মোদক নিবেদন করা হয় গণেশকে।গণেশ চতুর্থী ২০২৬-এর পুজোর শুভ মুহূর্তগণেশ পুজোর ক্ষেত্রে মধ্যাহ্নকালকে বিশেষ শুভ বলে মনে করা হয়। ধর্মীয় বিশ্বাস অনুযায়ী, এই সময়েই ভগবান গণেশের জন্ম হয়েছিল।১৪ সেপ্টেম্বর গণেশ পুজোর শুভ সময়:সকাল ১১টা ২ মিনিট থেকে দুপুর ১টা ৩১ মিনিট পর্যন্ত।গণেশ চতুর্থীর তিথি শুরু হবে ১৪ সেপ্টেম্বর সকাল ৭টা ৬ মিনিটে এবং শেষ হবে ১৫ সেপ্টেম্বর সকাল ৭টা ৪৪ মিনিটে।শহরভেদে গণেশ পুজোর শুভ সময়বিভিন্ন শহরে স্থানীয় সময় অনুযায়ী গণেশ পুজোর শুভক্ষণে সামান্য পার্থক্য রয়েছে।পুনে: সকাল ১১টা ১৬ মিনিট থেকে দুপুর ১টা ৪৪ মিনিটনয়াদিল্লি: সকাল ১১টা ২ মিনিট থেকে দুপুর ১টা ৩১ মিনিটচেন্নাই: সকাল ১০টা ৫১ মিনিট থেকে দুপুর ১টা ১৮ মিনিটজয়পুর: সকাল ১১টা ৮ মিনিট থেকে দুপুর ১টা ৩৬ মিনিটহায়দরাবাদ: সকাল ১০টা ৫৮ মিনিট থেকে দুপুর ১টা ২৫ মিনিটগুরগাঁও: সকাল ১১টা ৩ মিনিট থেকে দুপুর ১টা ৩১ মিনিটচণ্ডীগড়: সকাল ১১টা ৪ মিনিট থেকে দুপুর ১টা ৩৩ মিনিটকলকাতা: সকাল ১০টা ১৮ মিনিট থেকে দুপুর ১২টা ৪৬ মিনিটমুম্বই: সকাল ১১টা ২০ মিনিট থেকে দুপুর ১টা ৪৮ মিনিটবেঙ্গালুরু: সকাল ১১টা ২ মিনিট থেকে দুপুর ১টা ২৮ মিনিটআহমেদাবাদ: সকাল ১১টা ২১ মিনিট থেকে দুপুর ১টা ৪৯ মিনিটনয়ডা: সকাল ১১টা ২ মিনিট থেকে দুপুর ১টা ৩০ মিনিটকীভাবে পালিত হয় গণেশ চতুর্থী?গণেশ চতুর্থীর উৎসব শুরু হয় বাড়ি বা মণ্ডপে গণেশের মূর্তি প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে। এরপর প্রাণপ্রতিষ্ঠা, পুজো ও আরতি করা হয়। ভক্তরা বাপ্পাকে ফুল, ফল, দূর্বা, ধূপ এবং বিভিন্ন মিষ্টি নিবেদন করেন। এর মধ্যে গণেশের প্রিয় মিষ্টি হিসেবে মোদকের বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে।অনেক পরিবারে গণেশের মূর্তি বাড়িতে এনে নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে কয়েক দিন ধরে পুজো করা হয়। অন্যদিকে, বিভিন্ন শহর ও এলাকায় বড় বড় মণ্ডপ তৈরি করে গণেশোৎসবের আয়োজন করা হয়। পুজোর পাশাপাশি সেখানে ধর্মীয় অনুষ্ঠান, সাংস্কৃতিক কর্মসূচি, সঙ্গীতানুষ্ঠান, খাবারের আয়োজন এবং বিভিন্ন সামাজিক উদ্যোগও দেখা যায়।উৎসবের শেষ দিনে গণেশের মূর্তি নিয়ে শোভাযাত্রা বের করা হয়। এরপর নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে জলাশয়ে বাপ্পার বিসর্জনের মাধ্যমে গণেশোৎসবের সমাপ্তি ঘটে।

সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৬
রাজ্য

রাশি অনুযায়ী বেছে নিন গণপতি বাপ্পার মূর্তির রং, কোন রাশির জন্য কোন রং শুভ?

গণেশ চতুর্থী উপলক্ষে বাড়িতে গণপতি বাপ্পার মূর্তি স্থাপনের প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছেন ভক্তরা। মূর্তি কেনার সময় সাধারণত আকার, রূপ, ভঙ্গি এবং পুজোর নিয়মের দিকে নজর দেওয়া হয়। তবে জ্যোতিষশাস্ত্রের প্রচলিত বিশ্বাস অনুযায়ী, গণেশের মূর্তির রঙেরও বিশেষ তাৎপর্য রয়েছে। বিভিন্ন রঙের সঙ্গে বিভিন্ন গ্রহ এবং তাদের বৈশিষ্ট্যের সম্পর্ক রয়েছে বলে মনে করা হয়। সেই বিশ্বাস অনুযায়ী, নিজের রাশি অনুসারে গণেশের মূর্তির রং বেছে নিলে শুভ ফল পাওয়া যেতে পারে।২০২৬ সালে গণেশ চতুর্থী পালিত হবে ১৪ সেপ্টেম্বর। প্রচলিত জ্যোতিষীয় মতে, ওই সময় চন্দ্র তুলা রাশিতে অবস্থান করবে। এবার দেখে নেওয়া যাক, কোন রাশির জাতক-জাতিকাদের জন্য কোন রঙের গণেশ মূর্তি শুভ বলে মনে করা হয়।মেষ ও বৃষ রাশির জন্য লাল ও হালকা গোলাপিমেষ রাশির অধিপতি গ্রহ মঙ্গল। জ্যোতিষশাস্ত্রে মঙ্গলের সঙ্গে লাল রঙের সম্পর্ক রয়েছে। তাই মেষ রাশির জাতক-জাতিকাদের জন্য লাল রঙের গণেশ মূর্তি শুভ বলে মনে করা হয়। এই রং সাহস, কর্মশক্তি ও সংকল্পের প্রতীক। জীবনের বাধা কাটিয়ে এগিয়ে যেতে লাল গণপতির আরাধনা ফলদায়ক হতে পারে বলে বিশ্বাস।বৃষ রাশির অধিপতি শুক্র। এই রাশির জাতক-জাতিকাদের জন্য ক্রিম বা হালকা গোলাপি রঙের গণেশ মূর্তি শুভ বলে মনে করা হয়। এই রং সৌন্দর্য, আরাম, সম্প্রীতি ও স্থায়িত্বের প্রতীক হিসেবে বিবেচিত।মিথুন ও কর্কটের জন্য সবুজ ও সাদামিথুন রাশির অধিপতি বুধ। তাই মিথুন রাশির জাতক-জাতিকাদের জন্য সবুজ রঙের গণেশ মূর্তি শুভ বলে মনে করা হয়। জ্যোতিষীয় বিশ্বাস অনুযায়ী, সবুজ রং বুদ্ধি, যোগাযোগ, শিক্ষা ও ব্যবসার সঙ্গে সম্পর্কিত।কর্কট রাশির অধিপতি চন্দ্র। তাই এই রাশির জন্য সাদা রঙের গণেশ মূর্তি শুভ বলে মনে করা হয়। সাদা রং শান্তি, পবিত্রতা, মানসিক স্থিরতা এবং পারিবারিক সম্প্রীতির প্রতীক বলে বিশ্বাস করা হয়।সিংহ ও কন্যার জন্য কমলা ও সবুজসিংহ রাশির অধিপতি সূর্য। এই রাশির জাতক-জাতিকাদের জন্য কমলা, জাফরান বা হালকা সোনালি রঙের গণেশ মূর্তি শুভ বলে মনে করা হয়। এই রং আত্মবিশ্বাস, প্রাণশক্তি, নেতৃত্ব এবং অভ্যন্তরীণ শক্তির প্রতীক।কন্যা রাশির অধিপতিও বুধ। তাই কন্যা রাশির জন্য সবুজ রঙের গণেশ মূর্তি উপযুক্ত বলে জ্যোতিষশাস্ত্রে মনে করা হয়। সবুজ রং বুদ্ধি, দক্ষতা ও যোগাযোগের সঙ্গে সম্পর্কিত।তুলা ও বৃশ্চিকের জন্য গোলাপি ও মেরুনতুলা রাশির অধিপতি শুক্র। তাই এই রাশির জাতক-জাতিকাদের জন্য গোলাপি এবং হালকা নীল রঙের গণেশ মূর্তি শুভ বলে মনে করা হয়। এই রং সৌন্দর্য, সম্পর্কের ভারসাম্য, সম্প্রীতি ও শান্তির প্রতীক।বিশেষ করে ২০২৬ সালের গণেশ চতুর্থীর সময় চন্দ্র তুলা রাশিতে অবস্থান করার বিষয়টিকেও জ্যোতিষীয় দৃষ্টিতে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।বৃশ্চিক রাশির জাতক-জাতিকাদের জন্য গাঢ় লাল বা মেরুন রঙের গণেশ মূর্তি শুভ বলে মনে করা হয়। এই রং শক্তি, মানসিক সাহস এবং নিয়ন্ত্রিত ক্ষমতার প্রতীক হিসেবে ধরা হয়।ধনু ও মীনের জন্য হলুদধনু রাশির অধিপতি বৃহস্পতি। তাই ধনু রাশির জাতক-জাতিকাদের জন্য হলুদ রঙের গণেশ মূর্তি শুভ বলে মনে করা হয়। হলুদ রং শিক্ষা, সমৃদ্ধি এবং আধ্যাত্মিক শক্তির প্রতীক বলে জ্যোতিষশাস্ত্রে বিশ্বাস করা হয়।মীন রাশির জাতক-জাতিকাদের জন্যও হলুদ রঙের গণেশ মূর্তি অত্যন্ত শুভ বলে মনে করা হয়। বৃহস্পতির সঙ্গে হলুদ রঙের সম্পর্ক থাকায় এই রঙকে জ্ঞান, সমৃদ্ধি ও আধ্যাত্মিকতার প্রতীক হিসেবে দেখা হয়।মকর ও কুম্ভের জন্য মাটির রং ও নীলমকর রাশির জাতক-জাতিকাদের জন্য ধূসর, পাথুরে বা মাটির মতো বাদামি রঙের গণেশ মূর্তি বেছে নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়। এই রং শনির সঙ্গে সম্পর্কিত এবং ধৈর্য, শৃঙ্খলা ও ধীরস্থির অগ্রগতির প্রতীক বলে মনে করা হয়।অন্যদিকে, কুম্ভ রাশির জন্য নীল রঙের গণেশ মূর্তি শুভ বলে জ্যোতিষীয় বিশ্বাস রয়েছে। নীল রং স্থিরতা, গভীরতা ও মানসিক দৃঢ়তার সঙ্গে সম্পর্কিত বলে মনে করা হয়।তবে রাশি অনুযায়ী গণেশ মূর্তির রং বেছে নেওয়ার এই ধারণাগুলি মূলত জ্যোতিষশাস্ত্র ও ধর্মীয় বিশ্বাসের উপর ভিত্তি করে প্রচলিত। ব্যক্তিগত বিশ্বাস, পারিবারিক রীতি এবং স্থানীয় প্রথা অনুযায়ী গণেশ পুজোর নিয়ম ও পছন্দ ভিন্ন হতে পারে।

সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal