• ৫ আষাঢ় ১৪৩৩, রবিবার ২১ জুন ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Ed

বিদেশ

প্রয়াত বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া, দীর্ঘ রাজনৈতিক অধ্যায়ের অবসান

দীর্ঘ রোগভোগের পর অবশেষে জীবনযুদ্ধে হার মানলেন বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়া। মঙ্গলবার সকালে ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়। বয়স হয়েছিল ৮০ বছর। বিগত কয়েক দিন ধরেই তাঁর শারীরিক অবস্থা ছিল অত্যন্ত সঙ্কটজনক।হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, শ্বাসকষ্ট নিয়ে গত ২৩ নভেম্বর তাঁকে ভর্তি করা হয়। পরীক্ষায় ধরা পড়ে ফুসফুসে সংক্রমণ ও নিউমোনিয়া। বয়সজনিত জটিলতার পাশাপাশি দীর্ঘদিনের কিডনি সমস্যায় ভুগছিলেন তিনি। কিডনির কার্যকারিতা উল্লেখযোগ্য ভাবে কমে যাওয়ায় নিয়মিত ডায়ালিসিস চলছিল। পরিস্থিতির দ্রুত অবনতি হওয়ায় শেষপর্যন্ত তাঁকে সিসিইউ-তে লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়।সোমবারই খালেদা জিয়ার চিকিৎসার দায়িত্বে থাকা মেডিক্যাল বোর্ড জানিয়েছিল, তাঁর অবস্থা অত্যন্ত আশঙ্কাজনক। একাধিক রোগে আক্রান্ত শরীরে একটি চিকিৎসা শুরু করলে অন্য সমস্যার অবনতি হচ্ছিলফলে চিকিৎসকেরা কার্যত কঠিন সমীকরণের মুখে পড়েছিলেন। সোমবার রাতে খালেদা জিয়ার পুত্র তারেক রহমান মাকে দেখতে হাসপাতালে যান। এর আগে তিনি বিএনপি কার্যালয়ের সামনে দলীয় নেতা-কর্মীদের কাছে মায়ের আরোগ্যকামনায় প্রার্থনার আবেদন জানিয়েছিলেন।বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে খালেদা জিয়া এক গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের স্ত্রী হিসাবেই প্রথমে পরিচিত হলেও, স্বামীর মৃত্যুর পর নিজস্ব রাজনৈতিক পরিচিতি গড়ে তোলেন তিনি। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী পার্টির হাল ধরে ১৯৯১ সালে দেশের প্রথম মহিলা প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। পরে আরও এক দফা, ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত, প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্বে ছিলেন তিনি।নারীশিক্ষা ও সামাজিক উন্নয়নে তাঁর সরকারের কিছু উদ্যোগ প্রশংসিত হলেও, শাসনামলে দুর্নীতির অভিযোগও উঠে আসে। ২০১৮ সালে একটি দুর্নীতি মামলায় তাঁর ১৭ বছরের কারাদণ্ড হয়। সেই সময় থেকেই একের পর এক শারীরিক সমস্যায় ভুগতে শুরু করেন তিনি। চলতি বছরের শুরুতে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাঁকে লন্ডনে নিয়ে যাওয়া হলেও, শেষপর্যায়ে ফের বিদেশে নেওয়ার পরিকল্পনা তাঁর শারীরিক অবস্থার কারণে বাস্তবায়িত করা যায়নি।একদিকে শেখ মুজিবুর রহমানের কন্যা শেখ হাসিনা, অন্যদিকে জিয়াউর রহমানের স্ত্রী খালেদা জিয়া, এই দুই নেত্রীর রাজনৈতিক দ্বন্দ্বে দীর্ঘদিন আবর্তিত হয়েছে বাংলাদেশের রাজনীতি। খালেদা জিয়ার প্রয়াণে সেই অধ্যায়ের এক গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রের অবসান ঘটল।দেশের প্রথম মহিলা প্রধানমন্ত্রীর প্রয়াণে বাংলাদেশের রাজনীতিতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও বিশিষ্টজনেরা তাঁর মৃত্যুতে গভীর শোকপ্রকাশ করেছেন।

ডিসেম্বর ৩০, ২০২৫
রাজ্য

ছেলেকে আটক করতেই ক্ষোভে ফেটে পড়লেন হুমায়ুন, থানায় যাওয়ার হুমকি বিধায়কের

ছেলেকে আটক করার পরেই ফের ক্ষোভে ফেটে পড়লেন রতপুরের বিধায়ক হুমায়ুন কবীর। শক্তিনগর থানায় যাওয়ার পথে তিনি পুলিশকে হুমকি দেন বলেও অভিযোগ। হুমায়ুন কবীর বলেন, শক্তিনগর থানার পুলিশ তাঁর বাড়ি ঘিরে রেখেছে। তাঁর অভিযোগ, যদি পুলিশ কোনও অশালীন আচরণ করে, তবে আগামী বৃহস্পতিবার বহরমপুর জেলা পুলিশ অফিস ঘেরাও করা হবে।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, হুমায়ুন কবীরের দেহরক্ষী ছিলেন পুলিশ কনস্টেবল জুম্মা খান। অভিযোগ, সেই দেহরক্ষীকেই মারধর করেছেন বিধায়কের ছেলে গোলাম নবী আজাদ ওরফে রবীন। এই অভিযোগের ভিত্তিতেই শক্তিনগর থানার পুলিশ বিধায়কের বাড়িতে পৌঁছয় এবং বাড়ি ঘিরে ফেলে। পরে রবীনকে আটক করে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়।জানা গিয়েছে, গোলাম নবী আজাদ তৃণমূল পরিচালিত একটি পঞ্চায়েতের পূর্ত কর্মাধ্যক্ষ। যদিও হুমায়ুন কবীর নতুন দল জনতা উন্নয়ন পার্টি তৈরি করলেও তাঁর ছেলে এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে বাবার দলে যোগ দেননি। রাজনৈতিক পরিচয়ের পাশাপাশি এই ঘটনাকে ঘিরে এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়েছে।এই প্রসঙ্গে অরূপ চক্রবর্তী বলেন, হুমায়ুন কবীর একটি সংবাদমাধ্যমে জানিয়েছেন যে ওই দেহরক্ষী বছরের শেষে ছুটি চেয়েছিলেন। ছুটি না মঞ্জুর হওয়াতেই তাঁকে ঘাড় ধাক্কা দিয়ে বের করে দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ। অরূপ চক্রবর্তীর বক্তব্য, একজন সরকারি পুলিশ কর্মীর গায়ে হাত তোলা আইনত অপরাধ। কেউ বিধায়ক হলেও পুলিশকে হেনস্থা করা যায় না।এদিকে, বিধায়কের বাড়িতে পুলিশ যাওয়া নিয়ে আগেই অভিযোগ তুলেছিলেন হুমায়ুন কবীর। তাঁর দাবি ছিল, শক্তিনগর থানার পুলিশ উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ভাবে তাঁর বাড়ি ঘিরে রেখেছে। তবে পুলিশ জানিয়েছে, দেহরক্ষীকে মারধরের অভিযোগের ভিত্তিতেই আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

ডিসেম্বর ২৮, ২০২৫
রাজ্য

নদীতে পড়ল মালগাড়ির কামরা, একের পর এক ট্রেন বাতিল ও ডাইভার্ট

আসানসোল ডিভিশনে ভয়াবহ রেল দুর্ঘটনা। সিমেন্ট বোঝাই একটি মালগাড়ি লাইনচ্যুত হয়ে যায় বিকট শব্দে। মোট ১৯টি বগি দুর্ঘটনায় পড়ে। বেশ কয়েকটি কামরা পাশের বরুয়া নদীতে গিয়ে পড়ে এবং বাকি কামরাগুলি পাশের লাইনে উল্টে যায়। শনিবার রাত সাড়ে ১১টা নাগাদ বিহারের শিমুলতলা স্টেশনের কাছে তেলিয়াবাজার এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে।রেল সূত্রে জানা গিয়েছে, মালগাড়িটি জাসিডিহ থেকে ঝাঝার দিকে যাচ্ছিল। তেলিয়াবাজার হল্ট স্টেশনের কাছে ৬৭৬ নম্বর সেতুর উপর হঠাৎই ট্রেনটি লাইনচ্যুত হয়ে যায়। দুর্ঘটনার সময় মালগাড়িটির ঠিক পিছনেই ছিল পূর্বাঞ্চল এক্সপ্রেস। দুর্ঘটনার পর সঙ্গে সঙ্গে ওই যাত্রীবাহী ট্রেনটিকে মাঝপথে দাঁড় করিয়ে দেওয়া হয়। তবে এই ঘটনায় কোনও হতাহতের খবর নেই বলে জানিয়েছে রেল কর্তৃপক্ষ।এই দুর্ঘটনার জেরে ব্যাপকভাবে ব্যাহত হয়েছে রেল চলাচল। একের পর এক দূরপাল্লার ট্রেন বাতিল করা হয়েছে। বাতিল ট্রেনের মধ্যে রয়েছে হাওড়া-দেরাদুন কুম্ভ এক্সপ্রেস, শিয়ালদহ-বালিয়া এক্সপ্রেস, মোকামা-হাওড়া এক্সপ্রেস-সহ একাধিক মেমু ও লোকাল ট্রেন। পাশাপাশি বহু দূরপাল্লার ট্রেনের যাত্রাপথ নিয়ন্ত্রণ করা হয়েছে এবং বেশ কয়েকটি ট্রেনকে বিকল্প পথে ঘুরিয়ে দেওয়া হয়েছে।রুট পরিবর্তন করা ট্রেনগুলির মধ্যে রয়েছে টাটানগর-বক্সার এক্সপ্রেস, হাওড়া-নয়াদিল্লি রাজধানী এক্সপ্রেস, হাওড়া-পাটনা বন্দে ভারত এক্সপ্রেস, কলকাতা-গোরখপুর পূর্বাঞ্চল এক্সপ্রেস, যশীদিহ-পুনে সাপ্তাহিক এক্সপ্রেস, আসানসোল-মুম্বই সিএসএমটি এক্সপ্রেস, রক্সৌল-হায়দরাবাদ এক্সপ্রেস, পাটনা-ধনবাদ ইন্টারসিটি, বলিয়া-শিয়ালদহ এক্সপ্রেস, পাটনা-হাটিয়া পাটলিপুত্র এক্সপ্রেস, কাঠগোদাম-হাওড়া বাঘ এক্সপ্রেস, বক্সার-বিলাসপুর সুপারফাস্ট, রক্সৌল-হাওড়া এক্সপ্রেস এবং গোরখপুর-আসানসোল এক্সপ্রেস।বন্দে ভারত এক্সপ্রেসের ক্ষেত্রেও রুট পরিবর্তন করা হয়েছে। বারাণসী-দেওঘর এবং দেওঘর-বারাণসী বন্দে ভারত এক্সপ্রেস নির্ধারিত রুটের বদলে গয়া ও কোডারমা হয়ে চলাচল করছে।রেল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, যাত্রীদের অসুবিধার জন্য তারা দুঃখিত। তবে যাত্রী নিরাপত্তা এবং দ্রুত স্বাভাবিক রেল পরিষেবা চালু করার জন্য এই সাময়িক পরিবর্তন জরুরি। যাত্রীদের যাত্রার আগে এনটিইএস বা আইআরসিটিসি অ্যাপ এবং নিকটবর্তী স্টেশন থেকে সর্বশেষ তথ্য জেনে নেওয়ার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।

ডিসেম্বর ২৮, ২০২৫
দেশ

নববর্ষের আগেই দিল্লিতে 'অপারেশন আঘাত', ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই গ্রেফতার ৬৬০ জন

নববর্ষের আগেই দিল্লিতে বিরাট পুলিশ অভিযান চালানো হয়েছে। এক মাত্র ২৪ ঘণ্টার মধ্যে রাজধানীতে গ্রেফতার করা হয়েছে ৬৬০ জনকে। উদ্ধার করা হয়েছে লাখ লাখ টাকা, মাদক, অস্ত্র-শস্ত্র। এই অভিযানের নাম দেওয়া হয়েছে অপারেশন আঘাত ৩.০।দিল্লি পুলিশের যুগ্ম কমিশনার এসকে জৈন জানিয়েছেন, এই অভিযানের লক্ষ্য ছিল নববর্ষ উদযাপনকে অপরাধমুক্ত রাখা। অভিযান মূলত মাদক পাচারকারী, জুয়ারি এবং নিয়মিত অপরাধ জগতের সঙ্গে যুক্ত মানুষদের বিরুদ্ধে চালানো হয়েছে। ২৮০০-রও বেশি মানুষকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে এবং ৮৫০ জনকে আটক করা হয়েছে।অস্ত্র আইনে ৬৬টি মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং ৬৬ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। উদ্ধার করা হয়েছে ২৪টি দেশি পিস্তল ও ৪৪টি ছুরি। বেআইনি মদ্যপানের অভিযোগে ৩৫০-রও বেশি মানুষকে গ্রেফতার করা হয়েছে, ২২,৫০০ কোয়ার্টার বেআইনি মদ উদ্ধার করা হয়েছে। গাঁজা মিলেছে ১০ কেজি।একইসঙ্গে গাড়ি চুরির নেটওয়ার্কের বিরুদ্ধেও অভিযান চালানো হয়েছে। ২৩১টি বাইক ও গাড়ি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। জুয়া বিরোধী আইনে ৩০টি মামলা দায়ের হয়েছে এবং ৬৮ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। উদ্ধার করা হয়েছে ২.৩ লক্ষ টাকা। এছাড়া ৩৫০টি চুরি যাওয়া মোবাইল উদ্ধার করা হয়েছে।পুলিশ জানিয়েছে, এই অভিযান দারুণ সফল হয়েছে এবং নববর্ষ উদযাপনকে নিরাপদ রাখতে এই ধরনের অভিযান নিয়মিত চালানো হবে।

ডিসেম্বর ২৭, ২০২৫
রাজ্য

চুক্তি লঙ্ঘনের অভিযোগে দেওচা–পাঁচামিতে পাথর উত্তোলনের বরাত বাতিল, নতুন দরপত্রে বিতর্ক

চুক্তির শর্ত লঙ্ঘনের অভিযোগে দেওচাপাঁচামি কয়লাখনি প্রকল্প এলাকায় পাথর উত্তোলনের কাজের বরাত বাতিল করল রাজ্য সরকার। প্রাথমিক পর্যায়ে ১২ একর জমিতে পাথর উত্তোলনের দায়িত্বে থাকা মেসার্স পাচামি ব্যাসল্ট মাইনিং প্রাইভেট লিমিটেডের সঙ্গে চুক্তি বাতিলের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। রাজ্যের দাবি, সংস্থাটি চুক্তির একাধিক গুরুত্বপূর্ণ শর্ত মানেনি বলেই এই পদক্ষেপ।রাজ্য সরকারের তরফে জানানো হয়েছে, প্রকল্পের দ্বিতীয় ধাপে ৩১৪ একর জমিতে পাথর উত্তোলনের জন্য নতুন করে দরপত্র আহ্বান করা হয়েছে। তবে এই সিদ্ধান্ত ঘিরে শুরু হয়েছে তীব্র রাজনৈতিক বিতর্ক। বিরোধী দল বিজেপির অভিযোগ, দেওচাপাঁচামি কয়লাখনি প্রকল্প নিয়ে রাজ্য সরকার আসলে ধোঁয়াশা তৈরি করছে। বৃহস্পতিবার সিউড়িতে বিজেপির দলীয় কার্যালয়ে সাংবাদিক সম্মেলন করে রাজ্য সাধারণ সম্পাদক জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায় বলেন, গত ১৫ বছরে রাজ্য সরকার একটি বড় শিল্প প্রকল্পও বাস্তবে রূপ দিতে পারেনি। অথচ দেওচাপাঁচামিকে দেশের বৃহত্তম কয়লাখনি বলে প্রচার করা হচ্ছে। তাঁর দাবি, আসন্ন শিল্প সম্মেলনের আগে বরাত বাতিল ও নতুন দরপত্র ডেকে সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্ত করা হচ্ছে।বিজেপি নেতার আরও অভিযোগ, নতুন দরপত্রে কোথাও কয়লাখনি স্থাপনের উল্লেখ নেই। বরং আগামী ১৫ বছরের জন্য শুধুমাত্র পাথর উত্তোলনের কথাই বলা হয়েছে। তাঁর বক্তব্য, এর থেকেই স্পষ্ট যে আপাতত কয়লা উত্তোলনের কোনও পরিকল্পনাই রাজ্যের নেই। যদিও গত অক্টোবর মাসে আন্তর্জাতিক স্তরে দরপত্র আহ্বান করা হয়েছিল, এখনও পর্যন্ত কোনও সংস্থা আগ্রহ দেখায়নি বলেও দাবি করেন তিনি।জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়ের বক্তব্য, কেন্দ্রের অনুমোদন ছাড়া এই প্রকল্প বাস্তবায়ন সম্ভব নয়। অথচ এখনও পর্যন্ত কোনও পূর্ণাঙ্গ নকশা বা প্রস্তাব কেন্দ্রের কাছে জমা পড়েনি। পাশাপাশি আদিবাসীদের জমি নেওয়া হলেও উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ বা স্থায়ী কর্মসংস্থানের প্রতিশ্রুতি পূরণ হয়নি বলেও অভিযোগ তুলেছে বিজেপি। এই পরিস্থিতিকে রাজ্য সরকারের শিল্পনীতির ব্যর্থতার প্রতিফলন বলে দাবি করছে বিরোধীরা।

ডিসেম্বর ১৯, ২০২৫
বিদেশ

কোমা থেকে উঠে গ্রেফতার! বন্ডাই বিচ হামলায় অভিযুক্তের বিরুদ্ধে ৫৯ অভিযোগ

অস্ট্রেলিয়ার সিডনির বন্ডাই বিচে ভয়াবহ সন্ত্রাসী হামলার ঘটনায় নতুন মোড়। কোমা থেকে জেগে উঠে ২৪ বছরের অভিযুক্ত নবীদ আক্রমকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। হাসপাতালেই তাঁর বিরুদ্ধে ৫৯টি অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ১৫টি খুনের মামলা।গত ১৪ ডিসেম্বর ইহুদিদের হনুক্কা উৎসব চলাকালীন বন্ডাই বিচে গুলি চালানোর ঘটনা ঘটে। সেই হামলায় নবীদ আক্রম এবং তাঁর বাবা সাজিদ আক্রম জড়িত ছিলেন বলে পুলিশের দাবি। পুলিশের পাল্টা অভিযানে ঘটনাস্থলেই নিহত হন সাজিদ আক্রম। গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয় নবীদকে। দীর্ঘদিন কোমায় থাকার পর সম্প্রতি তাঁর জ্ঞান ফেরে।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, জ্ঞান ফিরতেই হাসপাতালের শয্যাতেই তাঁকে গ্রেফতার করা হয়। চিকিৎসকেরা জানান, নবীদ মানসিক ভাবে স্থিতিশীল এবং আইনি প্রক্রিয়া বোঝার মতো অবস্থায় ছিলেন। নিউ সাউথ ওয়েলস পুলিশের কমিশনার জানান, চিকিৎসকের অনুমতির পরই তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং সতর্ক করা হয়েছে আইনি অধিকার সম্পর্কে।খুনের অভিযোগ ছাড়াও নবীদের বিরুদ্ধে খুনের উদ্দেশ্যে আঘাত করা, নিষিদ্ধ সন্ত্রাসী প্রতীক প্রকাশ, এবং কোনও ভবনের কাছে বিস্ফোরক রাখার অভিযোগও আনা হয়েছে। বুধবার হাসপাতালেই তাঁর বিরুদ্ধে আদালতের শুনানি হবে বলে জানা গিয়েছে।এই হামলায় প্রাণ হারান মোট ১৫ জন। ১৯৯৬ সালের পর অস্ট্রেলিয়ায় এটিই সবচেয়ে ভয়াবহ গণগুলি চালনার ঘটনা বলে মনে করা হচ্ছে। নিহতদের স্মরণে বন্ডাই প্যাভিলিয়নে হাজার হাজার মানুষ জমায়েত হন। ইতিমধ্যেই নিহতদের শেষকৃত্যের কাজ শুরু হয়েছে।এই ঘটনার জেরে বন্ডাই বিচে নববর্ষের সমস্ত অনুষ্ঠান বাতিল করা হয়েছে। ৩১ ডিসেম্বরের জন্য নির্ধারিত সিডনির সবচেয়ে বড় ইলেকট্রনিক ডান্স পার্টিও বাতিল করা হয়েছে বলে জানিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন।এই হামলার প্রথম চিহ্নিত নিহত ব্যক্তি ছিলেন রাব্বি এলি শ্ল্যাঙ্গার। তাঁর শেষকৃত্যে আবেগঘন পরিবেশ তৈরি হয়। বন্ডাইয়ের চাবাদ কেন্দ্রের রাব্বি লেভি উলফ বলেন, এই মৃত্যু ইহুদি সমাজের কাছে অপূরণীয় ক্ষতি। তিনি জানান, এই নৃশংস সন্ত্রাসী হামলায় শুধু ইহুদি সমাজ নয়, গোটা অস্ট্রেলিয়া এবং বিশ্বের শান্তিকামী মানুষ গভীরভাবে মর্মাহত।

ডিসেম্বর ১৭, ২০২৫
বিদেশ

গ্রিন কার্ড ইন্টারভিউতেই গ্রেফতার! ৩০ বছর ধরে আমেরিকায় থাকা ভারতীয় মহিলাকে আইসিই-র ধাক্কা

ডোনাল্ড ট্রাম্পের কড়া অভিবাসন নীতির আবহে দুঃস্বপ্নের মধ্যে পড়েছে আমেরিকার লং বিচ শহরের পরিচিত কৌর পরিবার। দীর্ঘ ৩০ বছর ধরে আমেরিকায় বসবাস করা ভারতীয় বংশোদ্ভূত বাব্বলজিৎ বাবলি কৌরকে হঠাৎ গ্রিন কার্ড ইন্টারভিউয়ের শেষ ধাপে গ্রেফতার করল আইসিই। ৬০ বছরের বাবলি কৌরকে ১ ডিসেম্বর বায়োমেট্রিক স্ক্যানের সময় আটক করা হয় বলে স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের রিপোর্ট।পরিবারের দাবি, গ্রিন কার্ডের আবেদন আগেই অনুমোদিত হয়েছিল। বাবলির মার্কিন নাগরিক মেয়ে ও জামাইয়ের স্পনসরশিপেই সেই আবেদন জমা পড়েছিল। অথচ কোনও আগাম সতর্কতা ছাড়াই অফিসে ঢুকেই তাঁকে গ্রেফতার করা হয়। বাবলির মেয়ে জোতির কথায়, গ্রেফতারের পর তাঁর মাকে হাত-পা শিকল পরিয়ে পুরুষদের ভরা একটি ভ্যানে তোলা হয়। সেই অভিজ্ঞতায় মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছেন তিনি। পরিবার আশঙ্কায় ছিল, কারণ এমন অনেক ঘটনার কথা তারা শুনেছে যেখানে মানুষ হঠাৎ নিখোঁজ হয়ে যায়।১৯৯৪ সালে স্বামী ও সন্তানদের নিয়ে আমেরিকায় আসেন বাবলি কৌর। প্রথমে ল্যাগুনা বিচে বসবাস শুরু করেন তাঁরা। প্রায় দুই দশক ধরে লং বিচে নটরাজ কুইজিন অফ ইন্ডিয়া অ্যান্ড নেপাল নামে একটি জনপ্রিয় রেস্তরাঁ চালাতেন বাবলি ও তাঁর স্বামী। কোভিডের সময় সেই ব্যবসা বন্ধ হয়ে যায়। পরে তিনি রয়্যাল ইন্ডিয়ান কারি হাউসে কাজ করছিলেন। স্থানীয় সমাজে যথেষ্ট পরিচিত ও সম্মানিত ছিলেন কৌর পরিবার।বাবলির মেয়ে জানান, গ্রিন কার্ডের শেষ ধাপের অ্যাপয়েন্টমেন্টের দিন থেকেই তাঁর মায়ের মনটা অশান্ত ছিল। অফিসে ঢোকার কিছুক্ষণের মধ্যেই দুটি গাড়ি এসে দাঁড়ায়। কয়েক জন ফেডারেল এজেন্ট ভিতরে ঢুকে একটি ঘরে যান। তারপর বাবলিকেও সেই ঘরে ডাকা হয়। সেখানেই তাঁকে জানানো হয়, তাঁকে গ্রেফতার করা হচ্ছে। পরিবারের দাবি, বাবলির কোনও অপরাধমূলক ইতিহাস নেই।গ্রেফতারের পর প্রথম কয়েক ঘণ্টা পরিবার জানতেই পারেনি বাবলিকে কোথায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে। পরে জানা যায়, তাঁকে লস অ্যাঞ্জেলেসের একটি ডিটেনশন সেন্টারে রাখা হয়েছে। সেখানে ২০ জনের বেশি বন্দির সঙ্গে একটি ঘরে থাকতে হচ্ছে তাঁকে। পরিবার জানাচ্ছে, রাতে আলো নিভে না, চারপাশে সব সময় চিৎকার ও কান্নার শব্দ। ঠিকমতো ঘুমোতে পারছেন না বাবলি কৌর।এই ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন লং বিচের কংগ্রেসম্যান রবার্ট গার্সিয়া। তিনি জানিয়েছেন, তাঁর অফিস বাবলিকে মুক্ত করতে সব রকম চেষ্টা করছে। তাঁর কথায়, কঠোর অভিবাসন নীতির নামে পরিশ্রমী ও সৎ মানুষদের এভাবে আতঙ্কিত করা মানবিকতার সম্পূর্ণ বিরোধী।এদিকে বাবলি কৌরের গ্রেফতারের কারণ এখনও স্পষ্ট করেনি মার্কিন স্বরাষ্ট্র দফতর। প্রশ্ন উঠছে, গ্রিন কার্ড প্রায় হাতে পৌঁছে যাওয়ার মুহূর্তে কেন এই পদক্ষেপ, তার উত্তর এখনও অধরা।

ডিসেম্বর ১৬, ২০২৫
কলকাতা

যুবভারতীর বিশৃঙ্খলার দায় নিলেন অরূপ, ইস্তফা গ্রহণ মুখ্যমন্ত্রীর

ক্রীড়ামন্ত্রী পদ থেকে অরূপ বিশ্বাসের ইস্তফা গ্রহণ করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে লিওনেল মেসির অনুষ্ঠানে তৈরি হওয়া বিশৃঙ্খলার দায় নিয়ে নিজেই পদত্যাগের ইচ্ছা প্রকাশ করেছিলেন অরূপ। সেই চিঠি গ্রহণ করে মুখ্যমন্ত্রী তাঁকে ক্রীড়া ও যুবকল্যাণ দপ্তরের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দিয়েছেন। আপাতত এই দপ্তরের দায়িত্ব নিজেই সামলাবেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।সূত্রের খবর, মুখ্যমন্ত্রীকে লেখা চিঠিতে অরূপ বিশ্বাস জানান, ১৩ ডিসেম্বর মেসির আগমনের সময় যুবভারতীতে যে পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল, তা নিয়ে ইতিমধ্যেই তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। সেই তদন্ত যাতে সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ ভাবে হয়, সেই কারণেই তিনি ক্রীড়ামন্ত্রী পদ থেকে সরে দাঁড়াতে চান। মুখ্যমন্ত্রী তাঁর সেই আবেদন মেনে নিয়েছেন। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত ক্রীড়া ও যুবকল্যাণ দপ্তর নবান্ন থেকেই দেখভাল করবেন মুখ্যমন্ত্রী।তবে অরূপ বিশ্বাস তাঁর হাতে থাকা বিদ্যুৎ দপ্তরের দায়িত্বে বহাল থাকছেন। ওই দপ্তরের কাজ আগের মতোই তিনি সামলাবেন বলে জানা গিয়েছে।উল্লেখ্য, ১৩ ডিসেম্বর গোট ট্যুর-এর অংশ হিসেবে যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে এসেছিলেন লিওনেল মেসি। তাঁর সঙ্গে ছিলেন লুইস সুয়ারেজ এবং রড্রিগো ডি পল। কিন্তু হাজার হাজার টাকা দিয়ে টিকিট কেটেও বহু দর্শক মেসিকে এক ঝলক দেখতে না পাওয়ায় ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। মেসি মাঠ ছাড়ার পর গ্যালারি থেকে বোতল ছোড়া হয়, ব্যানার ছিঁড়ে ফেলা হয় এবং ব্যারিকেড ভেঙে মাঠে ঢুকে ভাঙচুর চালায় উত্তেজিত জনতার একাংশ। সেই সময় স্টেডিয়ামেই উপস্থিত ছিলেন ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস। ঘটনার পর অব্যবস্থার অভিযোগে মূল আয়োজক শতদ্রু দত্তকে গ্রেপ্তার করে ১৪ দিনের পুলিশ হেফাজতে পাঠানো হয়েছে।

ডিসেম্বর ১৬, ২০২৫
কলকাতা

মেসি বিতর্কে নীরবতা ভাঙলেন শুভশ্রী, সন্তানদের হুমকির পর ভিডিও বার্তা

লিওনেল মেসিকে দেখতে না পেয়ে শনিবার যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে যে বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল, তার রেশ গিয়ে পড়ে নেটদুনিয়ায়ও। ঠিক সেই সময় মেসির সঙ্গে তোলা ছবি সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট করায় তীব্র ট্রোলের মুখে পড়েন অভিনেত্রী শুভশ্রী গঙ্গোপাধ্যায়। টানা দুদিন এই বিষয়ে চুপ থাকলেও, সন্তানদের উদ্দেশে কুরুচিকর মন্তব্য ও হুমকি আসতে শুরু করায় শেষ পর্যন্ত ভিডিও বার্তায় মুখ খুললেন তিনি।ভিডিওতে শুভশ্রী স্পষ্ট ভাষায় জানান, যুবভারতীতে মেসিকে ঘিরে যে বিশৃঙ্খলা তৈরি হয়েছিল, তার ব্যাখ্যা দিতেই তিনি কথা বলছেন। তিনি বলেন, গোটা অনুষ্ঠানে তিনি আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবেই হাজির ছিলেন। সিনে ইন্ডাস্ট্রির প্রতিনিধি হিসেবে কৌশিক গঙ্গোপাধ্যায়ের সঙ্গে তিনিও হায়াত হোটেলে আয়োজিত অনুষ্ঠানে যোগ দেন। সেখানে দেশের নানা ক্ষেত্রের বিশিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন। আয়োজকদের তরফে জানানো হয়েছিল, মেসি সকলের সঙ্গে দেখা করবেন এবং ছবি তুলবেন।শুভশ্রী জানান, সেদিন সন্ধ্যা সাড়ে আটটা নাগাদ তিনি হায়াতে পৌঁছন এবং রাত দশটা পনেরো মিনিটের মধ্যে মেসির সঙ্গে তাঁর দেখা হয় ও ছবি তোলা হয়। সেখান থেকে বেরোনোর সময় আয়োজকদের পিআর টিম তাঁকে অনুরোধ করে যুবভারতীতে যাওয়ার জন্য, কারণ সেখানে নানা ব্যবস্থাপনার প্রয়োজন ছিল। কেন তাঁরই নাম বেছে নেওয়া হয়েছিল, সেই প্রশ্নের উত্তর পিআর টিমই দিতে পারবে বলে মন্তব্য করেন অভিনেত্রী। সম্মতি দেওয়ার পর তিনি যুবভারতীতে যান এবং একটি নির্দিষ্ট তাঁবুতে বসে মেসির জন্য অপেক্ষা করছিলেন।এই সময়েই তাঁর পিআর টিমের তরফে সামাজিক মাধ্যমে ছবিগুলি পোস্ট করা হয়। তবে শুভশ্রীর দাবি, পোস্টটি তাৎক্ষণিকভাবে হয়নি, কারণ ওই এলাকায় জ্যামার বসানো ছিল। রাত সাড়ে এগারোটা নাগাদ মেসি ক্রীড়াঙ্গনে ঢোকেন এবং তখনই পরিস্থিতি সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। শুভশ্রী বলেন, তিনি নিজেও মেসিকে স্পষ্ট ভাবে দেখতে পাননি। উদ্যোক্তাদের গাফিলতির কারণেই একটি সুন্দর অনুষ্ঠান বিশৃঙ্খলায় পরিণত হয় বলেও অভিযোগ করেন তিনি।এরপর শুটিংয়ের তাড়া থাকায় তিনি দ্রুত সেখান থেকে বেরিয়ে যান। বেরোনোর সময় ফোনে ব্যস্ত থাকায় ছবিগুলি পোস্ট হয়েছে কি না, তা খেয়ালও করেননি। অনেক পরে জানতে পারেন, যুবভারতীর ঘটনা বড় আকার নিয়েছে এবং কোনও না কোনও ভাবে তাঁর নামও সেই ঘটনার সঙ্গে জড়িয়ে পড়েছে। পরে ইনস্টাগ্রামে গিয়ে তিনি দেখেন, প্রযুক্তিগত সমস্যার কারণে তাঁর ছবিগুলি দেরিতে পোস্ট হলেও তা দ্রুত ছড়িয়ে পড়েছে।এরপরই শুরু হয় ট্রোলিং। শুভশ্রী জানান, তাঁকে নিয়ে অকথ্য ভাষায় আক্রমণ করা হয়, এমনকি কেউ কেউ দাবি করেন, তাঁর কারণেই নাকি দর্শকরা মেসিকে দেখতে পাননি। এত কটূক্তির পরেও তিনি ছবিগুলি সরাননি। তিনি বলেন, মানুষ টাকা দিয়েও প্রিয় খেলোয়াড়কে দেখতে না পেরে কষ্ট পেয়েছেন, সেই যন্ত্রণা তিনি বোঝেন। তাই তাঁকে গালাগালি করে যদি কারও রাগ হালকা হয়, তিনি তা মেনে নিতে রাজি ছিলেন।কিন্তু পরিস্থিতি বদলে যায় যখন তাঁর দুই সন্তানকে লক্ষ্য করে আক্রমণ শুরু হয়। শুভশ্রী বলেন, বাচ্চাদের মেরে ফেলার হুমকি দেওয়া হচ্ছে। একজন মা হিসেবে এই বিষয়টি তিনি কোনওভাবেই মেনে নিতে পারেন না। সেই কারণেই তিনি বাধ্য হয়ে প্রকাশ্যে মুখ খুললেন।

ডিসেম্বর ১৫, ২০২৫
রাজ্য

বোমা-গুলির লড়াইয়ে প্রাণ গেল ১২ বছরের কৌসেরার! ইসলামপুরে তীব্র উত্তেজনা

এলাকা দখলকে কেন্দ্র করে দুই গোষ্ঠীর সংঘর্ষে রক্তাক্ত হয়ে উঠল উত্তর দিনাজপুরের ইসলামপুর। বোমাবাজি ও গুলির মাঝেই গুলিবিদ্ধ হয়ে মৃত্যু হল এক নাবালিকার। শনিবার গভীর রাতে এই ঘটনাকে ঘিরে তীব্র উত্তেজনা ছড়ায় এলাকায়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে মোতায়েন করা হয়েছে বিশাল পুলিশ বাহিনী। এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃত নাবালিকার নাম কৌসেরা বেগম। বয়স ১২ বছর। সে ইসলামপুর থানার মাটিকুণ্ডা ২ নম্বর পঞ্চায়েতের ঝলঝলি এলাকার বাসিন্দা। কৌসেরা অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী ছিল। স্থানীয় সূত্রের দাবি, দীর্ঘদিন ধরেই রফিক আলম ও নুর আলমের মধ্যে এলাকা দখলকে কেন্দ্র করে বিবাদ চলছিল।মৃত নাবালিকার বাবা জাহিদ আলম রফিক আলমের ঘনিষ্ঠ বলে অভিযোগ। শনিবার রাতে নুর আলমের অনুগামীরা জাহিদ আলমের বাড়িতে হামলা চালায় বলে অভিযোগ ওঠে। সেই সময় একের পর এক বোমা ফাটানো হয় এবং গুলিও চলে। এই হামলার মধ্যেই ছররা গুলিতে গুরুতর জখম হয় কৌসেরা।তড়িঘড়ি নাবালিকাকে উদ্ধার করে ইসলামপুর মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকেরা তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। নাবালিকার মৃত্যুর খবর ছড়াতেই এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিশ। পরিস্থিতি সামাল দিতে এলাকায় পুলিশ মোতায়েন করা হয়।রবিবার সকালেও এলাকায় চাপা উত্তেজনা রয়েছে। অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে পুলিশি টহল চলছে। তৃণমূলের জেলা সভাপতি কানাইলাল আগরওয়াল বলেন, পুরনো জমি বিবাদ থেকেই এই অশান্তির ঘটনা ঘটেছে। তিনি জানান, পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে তিনি এলাকায় যাবেন। ইসলামপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার দেন্ডুক শেরপা বলেন, খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে এবং ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে।

ডিসেম্বর ১৪, ২০২৫
কলকাতা

‘গুড বয়’ শতদ্রু গ্রেফতার! মেসি কাণ্ডে নেপথ্যের গল্প জানুন

আগের বার আর্জেন্টিনার তারকা গোলকিপার ইমিলিয়ানো মার্টিনেজ কলকাতায় এসেছিলেন। তখন সবকিছুই ছিল নিয়ন্ত্রণে। কোনও বিশৃঙ্খলা বা অপ্রীতিকর ঘটনার ছবি সামনে আসেনি। কিন্তু এবার পরিস্থিতি পুরোপুরি বদলে গেল। লিওনেল মেসিকে দেখতে না পেয়ে যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে যে বিশৃঙ্খলা তৈরি হয়, সেই ঘটনায় ইতিমধ্যেই গ্রেফতার হয়েছেন আয়োজক শতদ্রু দত্ত।যদিও শতদ্রুকে নিয়ে এলাকাবাসীর বক্তব্য একেবারেই ভিন্ন। প্রতিবেশীদের একাংশ বলছেন, তাঁদের কাছে শতদ্রু বরাবরই একজন ভালো ছেলে। এলাকার বাসিন্দারা জানিয়েছেন, মেসিকে কলকাতায় আনতে তিনি কম চেষ্টা করেননি। অনেক কাঠখড় পুড়িয়ে, বহু দিনের পরিশ্রমের ফলেই এই সফরের পরিকল্পনা হয়েছিল।এলাকার রেহান নামে এক যুবকের বক্তব্য, মেসির জনপ্রিয়তা কতটা, তা সকলেই জানেন। দূর-দূরান্ত থেকে মানুষ কলকাতায় এসেছিলেন তাঁকে এক নজর দেখার জন্য। তাঁর মতে, নিরাপত্তা আরও শক্ত করা যেত। এই বিষয়টি পুলিশের আরও গুরুত্ব দিয়ে দেখা উচিত ছিল।স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ছোট থেকেই খেলাধুলোর প্রতি গভীর আগ্রহ ছিল শতদ্রুর। ইভেন্ট ম্যানেজমেন্টের কাজ করতেন তিনি। সেই সূত্রেই বিশ্বের নামী ফুটবলারদের বাংলায় আনার উদ্যোগ নেন। যাঁদের এক ঝলক দেখতে মানুষ পাগল, সেই সব তারকাকেই বাংলায় আনার লক্ষ্য ছিল তাঁর। বাড়ির ছাদে পর্যন্ত ছোট ফুটবল মাঠ তৈরি করেছিলেন তিনি। এর আগেও পেলে, কাফু, এমিলিয়ানো মার্টিনেজ, রোনাল্ডিনহোদের মতো কিংবদন্তি ফুটবলারদের কলকাতায় এনেছিলেন শতদ্রু।এলাকাবাসীদের দাবি, মেসিকে আনতে এবার আরও বেশি পরিশ্রম করতে হয়েছে তাঁকে। জানা গিয়েছে, মেসির বাড়িতে গিয়ে তাঁর বাবার সঙ্গে দেখা করে কথা বলেন তিনি। এরপর মেসির সঙ্গেও সাক্ষাৎ হয়। দিনক্ষণ ঠিক করে পরিকল্পনা করা হয় পুরো সফরের। অনেকের মতে, ওই দিন যুবভারতীতে ইতিহাস তৈরি হতে পারত। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তা আর হল না।উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, মেসির সঙ্গে হায়দরাবাদে যাওয়ার পথেই শতদ্রুকে গ্রেফতার করে পুলিশ। বিমানবন্দর থেকেই তাঁকে আটক করা হয়। আগামীকাল তাঁকে বিধাননগর আদালতে তোলা হবে বলে জানা গিয়েছে।

ডিসেম্বর ১৪, ২০২৫
দেশ

বাংলায় কথা বললেই বাংলাদেশি! ওড়িশায় বর্ধমানের চার যুবককে ঘণ্টার পর ঘণ্টা হেনস্তা

ওড়িশায় ফুলগাছের চারা বিক্রি করতে গিয়ে অপমান ও হেনস্তার শিকার হয়েছেন পূর্ব বর্ধমানের পূর্বস্থলীর চার যুবক। অভিযোগ, বাংলা ভাষায় কথা বলার কারণে তাঁদের বাংলাদেশি বলে চিহ্নিত করে বাংলাদেশে পাঠিয়ে দেওয়ার হুমকি দেওয়া হয়। এই ঘটনায় স্বাভাবিক ভাবেই আতঙ্কে পরিবারগুলি।পাণ্ডবপাড়ার বাসিন্দা সাহাবুদ্দিন শেখ, বাপন শেখ, সাগর শেখ ও শাহজাহান শেখ নিয়মিত ভিনরাজ্যে গিয়ে ফুলগাছের চারা বিক্রি করেন। এ বার ওড়িশার খুরদা রোডে পৌঁছতেই বিপত্তি। স্থানীয় কিছু লোক বাংলায় কথা বলতে শুনেই তাঁদের বাংলাদেশি বলে দাবি করে। চারজনের কাছেই বৈধ পরিচয়পত্র থাকলেও তাতে কর্ণপাত হয়নি। অভিযোগ, তাঁদের ঘণ্টার পর ঘণ্টা আটকে রাখা হয়। পরে বাংলাদেশে পাঠিয়ে দেব, এমন হুমকিও দেওয়া হয়।সাহাবুদ্দিনের ভাই সিরু শেখ বলেন, পুলিশ তাঁদের থানায় নিয়ে যাওয়ার পর সেখানকার বিজেপি-সমর্থক কয়েকজন চেপে ধরে দাদাদের নিজেদের হাতে তুলে দেওয়ার দাবি করতে থাকে। প্রচণ্ড হেনস্তা করা হয়।এই খবর পূর্বস্থলী পৌঁছতেই তৃণমূল বিধায়ক তপন চট্টোপাধ্যায় স্থানীয় থানার মাধ্যমে খুরদা রোড থানার সঙ্গে যোগাযোগ করেন। এরপরেই যুবকদের মুক্তি মেলে। বিধায়ক বলেন, বাঙালি দেখলেই বিজেপির নেতৃত্বে হেনস্তা করা হচ্ছে। যোগাযোগ করে ওদের ফিরিয়ে আনা হয়েছে।ঘটনার পর ভিনরাজ্যে যেতে ভয় পাচ্ছেন এখানকার চারা বিক্রেতারা। নার্সারি মালিকদের বক্তব্য, ওড়িশায় ফুলের চারা ভালো বিক্রি হয়। কিন্তু এ ঘটনার পর কেউ আর যেতে রাজি নন। ফুলচাষি হেকমত আলি খাঁ বলেন, বাংলা বললেই অপমান। তাই বিজেপি-শাসিত রাজ্যে যেতে ভয় লাগছে। এতে আমাদের বড় সমস্যা তৈরি হচ্ছে।যদিও স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্ব বলছে, অভিযোগ সত্যি কিনা তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। তাঁদের দাবি, এমন ঘটনা সম্পর্কে কোনও তথ্য তাঁদের কাছে নেই।

ডিসেম্বর ১২, ২০২৫
দেশ

রাতবিরেতে ট্রেন থেকে তুলে নিয়ে গেল পুলিশ! কেন গ্রেপ্তার প্রাক্তন আইপিএস অমিতাভ ঠাকুর

লখনউ পুলিশ বুধবার ভোররাতে প্রাক্তন আইপিএস অফিসার অমিতাভ ঠাকুরকে গ্রেপ্তার করেছে। অভিযোগ, ১৯৯৯ সালে উত্তরপ্রদেশের ডোরিয়া জেলার পুলিশ সুপার থাকা অবস্থায় তিনি নিজের প্রভাব খাটিয়ে ভুয়ো নথি বানিয়ে স্ত্রীর নামে একটি শিল্প প্লট দখল করেছিলেন। সেই মামলাতেই তাঁর বিরুদ্ধে নতুন করে তদন্ত শুরু হয় এবং গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হয়।মঙ্গলবার গভীর রাতে তিনি ট্রেনে করে লখনউ হয়ে দিল্লি যাচ্ছিলেন। রাত প্রায় ২টোয় শাহজাহানপুর জংশনে তাঁকে আটক করে লখনউ পুলিশ। এরপর কঠোর নিরাপত্তায় তাঁকে ডোরিয়া নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানেই তাঁর চিকিৎসা পরীক্ষা করানো হয় এবং পরে মুখ্য বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট (সিজেএম) আদালতে পেশ করা হয়। আদালত তাঁকে ১৪ দিনের বিচার বিভাগীয় হেফাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেয়।পুলিশ জানিয়েছে, ডোরিয়া সদর কোতোয়ালি থানায় ১০২১/২৫ নম্বর মামলায় তাঁর বিরুদ্ধে ভারতীয় দণ্ডবিধির ৪১৯, ৪২০, ৪৬৭, ৪৬৮, ৩৪ ও ১২০বি ধারায় অভিযোগ রয়েছে। মামলার মূল অভিযোগভুয়ো কাগজ দেখিয়ে অবৈধভাবে শিল্প প্লট দখল করা।আদালতে ঢোকার সময় অমিতাভ ঠাকুর দাবি করেন, তিনি সরকার ও প্রশাসনের দুর্নীতি প্রকাশ করেন বলেই তাঁর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র চলছে। তাঁর আরও অভিযোগ, আমাকে খুন করার প্ল্যানও করা হতে পারে। ক্ষমতাবানদের বিরুদ্ধে কথা বললে এমনটাই হয়।তাঁর এই মন্তব্যে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে উত্তরপ্রদেশে।

ডিসেম্বর ১১, ২০২৫
দেশ

থাইল্যান্ডে ধরা পড়ল ক্লাব-মালিক লুথরা ভাইরা, দেশে ফেরাতে ছুটছে গোয়া পুলিশ

গোয়ার বার্চ বাই রোমিও লেন ক্লাবে ভয়াবহ আগুনে ২৫ জনের মৃত্যুর ঘটনায় পালিয়ে যাওয়া ক্লাব-মালিক সৌরভ ও গৌরব লুথরা অবশেষে থাইল্যান্ডের ফুকেতে ধরা পড়েছেন। শনিবার রাতে সন্দেহজনক সিলিন্ডার বিস্ফোরণের পরই আগুন ছড়িয়ে পড়ে। সেই ঘটনার প্রায় পাঁচ ঘণ্টার মধ্যেই দিল্লি থেকে ইন্ডিগো ফ্লাইটে থাইল্যান্ডে উড়ে যান দুই ভাই। পরে তাঁদের বিরুদ্ধে লুক-আউট সার্কুলার ও ইন্টারপোল ব্লু নোটিস জারি হয়।ভারত টুডের হাতে পাওয়া এক্সক্লুসিভ ছবিতে দেখা গেছে, ফুকেতে একটি আটক কেন্দ্রে হাতকড়া পরানো অবস্থায় দাঁড়িয়ে রয়েছেন তাঁদের একজন। ভারতীয় পুলিশের হাতে তুলে দেওয়ার আগ পর্যন্ত তাঁরা সেখানেই থাকবেন। গোয়া পুলিশ খুব শীঘ্রই থাইল্যান্ডে গিয়ে তাঁদের হেফাজতে নিয়ে আসবে বলে সূত্রের খবর।পালানোর ঘটনায় আরও সন্দেহ তৈরি হয়, কারণ গোটা দেশে ইন্ডিগোর ফ্লাইট বাতিল ও দেরিতে চললেও তারা কোনওভাবে রাত ১টা ১৭ মিনিটে থাইল্যান্ডের টিকিট কেটে ফেলেছিলেন তখনই দমকল ও পুলিশ আগুন নেভাতে ব্যস্ত ছিল। পরে জানা যায়, আগুন লাগার পরপরই তাঁরা পালানোর প্রস্তুতি নেন।ধরা পড়ার আগে তাঁরা দিল্লির রোহিণী আদালতে আগাম জামিনের আবেদন করেছিলেন। তাঁদের দাবি ছিল, ক্লাবের দৈনন্দিন কাজে তাঁরা যুক্ত নন এবং তদন্ত সংস্থার বদলা নেওয়ার মনোভাব-এর শিকার হচ্ছেন। থাইল্যান্ড সফরকেও তাঁরা ব্যবসায়িক ভ্রমণ বলে দাবি করেছিলেন।গোয়া পুলিশের FIR-এ বলা হয়েছে, ক্লাবটিতে কোনও অগ্নিনির্বাপক যন্ত্র, অ্যালার্ম, ফায়ার সাপ্রেশন সিস্টেম বা অডিট ছিল না। ক্লাবের মালিক, ম্যানেজার ও ইভেন্ট অর্গানাইজাররা আগুন নিয়ে স্টান্ট শো করছিলেন, অথচ তাঁরা জানতেন এতে বড় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। ক্লাবে জরুরি নির্গমন পথও ছিল না, ফলে বহু অতিথি আগুনে আটকে পড়েন।গোয়ার মুখ্যমন্ত্রী প্রমোদ মাধব আগেই বলেছেন, লুথরা ভাইদের দ্রুত গ্রেফতার করে দেশে ফিরিয়ে আনা হবে। এর পরেই তাঁদের মালিকানাধীন আরও একটি বেআইনি ক্লাব শ্যাক ভেঙে ফেলে প্রশাসন।মঙ্গলবার ক্লাবের অপর সহ-মালিক অজয় গুপ্তাকেও দিল্লিতে আটক করা হয়েছে।

ডিসেম্বর ১১, ২০২৫
দেশ

কাশ্মীরে সন্ত্রাস দমনে ‘বড় সাফল্য’—২৩ বছরের পুরনো মামলার প্রধান অভিযুক্ত গ্রেপ্তার

জম্মু ও কাশ্মীর থেকে সন্ত্রাসবাদকে সম্পূর্ণ উপড়ে ফেলতে বড় পদক্ষেপ নিল নিরাপত্তাবাহিনী। প্রায় তিন দশক পুরনো একটি মামলায় অবশেষে গ্রেপ্তার করা হয়েছে উপত্যকার বিচ্ছিন্নতাবাদী নেতা জাভেদ মিরকে। ১৯৯৬ সালে শ্রীনগরে ভয়াবহ হিংসার ঘটনায় তিনি অভিযুক্ত ছিলেন। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, জাভেদ কাশ্মীরে সন্ত্রাসী কার্যকলাপের মূল মাথা ইয়াসিন মালিকের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ সহযোগী।১৯৯৬ সালের ঘটনায় অভিযোগ, কাশ্মীরের এক বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠনের মৃত কমান্ডারের দেহ নিয়ে শ্রীনগরে মিছিল করছিলেন জাভেদ ও তাঁর সঙ্গীরা। নাজ ক্রসিং এলাকায় সেই মিছিল হঠাৎই চরম উগ্র হয়ে ওঠে এবং পুলিশের উপর হামলা চালানো হয়। জাভেদের নেতৃত্বেই সেই হামলা হয়েছিল বলে দাবি পুলিশের। সেই সময় বহু পুলিশকর্মী গুরুতর জখম হন। এই ঘটনাতেই জাভেদের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের হয়েছিল এবং শেষ পর্যন্ত সেই মামলায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে তাঁকে।পুলিশের দাবি, ৯০-এর দশকে জম্মু ও কাশ্মীর লিবারেশন ফ্রন্ট (JKLF)-এর শীর্ষ কমান্ডারদের অন্যতম ছিলেন জাভেদ মির। উপত্যকাজুড়ে একাধিক সন্ত্রাসবাদী হামলার সঙ্গে তাঁর সরাসরি যোগ ছিল। সংগঠনের প্রধান ইয়াসিন মালিকের অত্যন্ত বিশ্বাসভাজন বলেও মনে করা হয় তাঁকে। ইয়াসিন মালিক বর্তমানে বায়ুসেনার চার কর্মীকে খুনের মামলায় কারাবন্দি। ২০১৯ সালে পুলওয়ামা হামলার পর কেন্দ্র সরকার JKLF-কে নিষিদ্ধ ঘোষণা করে।এদিকে, গত সোমবার এই একই মামলায় শ্রীনগর পুলিশ আর এক বিচ্ছিন্নতাবাদী নেতা শাকিল আহমেদ বকশিকেও গ্রেপ্তার করেছে। যদিও JKLF অস্ত্র ছাড়ার ঘোষণা করেছিল, তার পরেও জাভেদ মির বিচ্ছিন্নতাবাদী রাজনীতিতে সক্রিয় ছিলেন বলে অভিযোগ। ২০১৯ সালে ৩৭০ ধারা বাতিল হওয়ার পর তিনি গা ঢাকা দিয়ে ছিলেন বলে পুলিশের দাবি।

ডিসেম্বর ১০, ২০২৫
বিদেশ

এইচ-১বি ভিসায় বজ্রাঘাত! ট্রাম্পের নতুন নিয়মে বিপাকে হাজার হাজার ভারতীয়

আমেরিকায় মেধাবী বিদেশি কর্মীদের উপর আরও কঠোর নিয়ম চাপাল ট্রাম্প প্রশাসন। নতুন নিয়ম অনুযায়ী এখন থেকে এইচ-১বি ভিসার আবেদনকারীদের সোশ্যাল মিডিয়ার ব্যক্তিগত তথ্যও খুলে দিতে হবে। নতুন ভিসা হোক বা পুরনবীকরণসব ক্ষেত্রেই আবেদনকারীর অনলাইন প্রোফাইল পাবলিক রাখা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। এই সিদ্ধান্তে ইতিমধ্যেই সমস্যায় পড়েছেন প্রচুর ভারতীয় কর্মী এবং শিক্ষার্থী। অনেকের ভিসা অ্যাপয়েন্টমেন্ট হঠাৎ করেই স্থগিত হয়ে গিয়েছে।মঙ্গলবার রাতে ভারতে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাস আবেদনকারীদের জন্য বিশেষ নির্দেশিকা প্রকাশ করেছে। সেখানে বলা হয়েছে, যাঁরা ইমেল পেয়েছেনযেখানে জানানো হয়েছে যে তাঁদের ভিসার অ্যাপয়েন্টমেন্ট তারিখ বদলে দেওয়া হয়েছেতাঁদের মিশন ইন্ডিয়ার মাধ্যমে নতুন করে অ্যাপয়েন্টমেন্ট বুক করতে হবে। একই সঙ্গে সতর্ক করা হয়েছে, ভুল তারিখ নিয়ে কেউ কনস্যুলেটে হাজির হলে ভেতরে ঢুকতেই দেওয়া হবে না।এইচ-১বি ভিসা এমন এক ধরনের অ-অভিবাসী ভিসা, যার সাহায্যে বিভিন্ন দেশের দক্ষ কর্মীরা নির্দিষ্ট সময়ের জন্য আমেরিকায় কাজ করতে পারেন। প্রতি বছরই ভারত থেকে বিপুল সংখ্যক কর্মী ও পড়ুয়া এই ভিসা নিয়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে যান। ট্রাম্প দ্বিতীয়বার ক্ষমতায় ফেরার পর থেকেই এই ভিসা নিয়ে কড়াকড়ির ইঙ্গিত দিচ্ছিলেন। সেই ধারাবাহিকতায় গত ২ ডিসেম্বর বিশ্বের সমস্ত মার্কিন দূতাবাসে নতুন নিয়মের নির্দেশিকা পাঠানো হয়েছে।আমেরিকার বিদেশ দপ্তর জানিয়েছে, আবেদনকারীদের সোশ্যাল মিডিয়ার সব তথ্য খোলাখুলিভাবে রাখতে হবে। তাঁদের অনলাইন আচরণ খতিয়ে দেখেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে ভিসা দেওয়া হবে কিনা। ছাত্রছাত্রীদের ক্ষেত্রেও একই নিয়ম প্রযোজ্য। নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, আবেদনকারী আমেরিকা বা তাদের নাগরিকদের কোনও ক্ষতি করতে পারেনএমন কোনও সন্দেহ থাকলে ভিসা সরাসরি বাতিল করে দেওয়া হবে।এই নিয়ে বিতর্কও কম নয়। এর আগে ট্রাম্প প্রশাসন জানিয়েছিল, বিদেশি দক্ষ কর্মীদের নিয়োগ দিলে আমেরিকার সংস্থাগুলিকে এককালীন এক লক্ষ ডলার দিতে হবে। গত ২১ সেপ্টেম্বর ট্রাম্প যে নতুন নিয়ম ঘোষণা করেছিলেন, তা ২২ সেপ্টেম্বর থেকেই কার্যকর হয়ে গেছে।

ডিসেম্বর ১০, ২০২৫
দেশ

অগ্নিদগ্ধ নাইটক্লাবের রহস্য ফাঁস! অজয় গুপ্ত আটক, পুলিশের খুঁজে পাওয়া আরও তথ্য

গোয়ার আরপোরা এলাকার বিখ্যাত নাইটক্লাবটিতে আগুন লাগার ঘটনার তদন্তে বড় পদক্ষেপ নিয়েছে পুলিশ। সম্প্রতি দিল্লি থেকে আটক করা হয়েছে নাইটক্লাবের অন্যতম মালিক অজয় গুপ্তকে। জানা যাচ্ছে, শীঘ্রই তাঁকে গোয়ায় নিয়ে যাওয়া হবে। এর আগে নাইটক্লাবের চিফ জেনারেল ম্যানেজার রাজীব মোদক, জেনারেল ম্যানেজার বিবেক সিং, বার ম্যানেজার রাজীব সিংহানিয়া, গেট ম্যানেজার রিয়াংশু ঠাকুর এবং কর্মী ভারত কোহলিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল।গোয়া পুলিশের লুকআউট নোটিসে নাম ছিল অজয় গুপ্ত ও সুরিন্দর কুমারের। আর দুই মালিক সৌরভ লুথরা ও গৌরব লুথরা দেশ ছাড়ে পালিয়েছেন। বর্তমানে তারা থাইল্যান্ডে আছেন এবং তাঁদের বিরুদ্ধেও জারি হয়েছে ব্লু কর্নার নোটিস।উত্তর গোয়ার বাগা সুমদ্র সৈকতের কাছে অবস্থিত এই নাইটক্লাবটিতে শনিবার পার্টি চলাকালীন আগুন লাগে। অগ্নিদগ্ধ হয়ে মৃত্যু হয় অন্তত ২৫ জনের। তদন্তে জানা গেছে, নাইটক্লাবে বেআইনি নির্মাণ, সংকীর্ণ প্রবেশপথ এবং নিরাপত্তা বিধি অমান্যসহ একাধিক অনিয়ম ছিল। এই ঘটনায় বিরোধী দলের তোপের মুখে পড়েছেন গোয়ার মুখ্যমন্ত্রী প্রমোদ সওয়ান্ত। সরকার একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে, যা এক সপ্তাহের মধ্যে প্রাথমিক রিপোর্ট জমা দেবে।এছাড়া মৃতদের পরিবারকে ৫ লক্ষ টাকা এবং আহতদের ৫০ হাজার টাকা করে আর্থিক সাহায্য ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। মঙ্গলবার প্রমোদ সওয়ান্তের নির্দেশে লুথরা গ্রুপের আরও একটি নৈশক্লাব রোমিও ল্যানে ভেঙে দেওয়া হয়েছে। জানা গেছে, সরকারি জমিতেই ক্লাবটি গড়ে উঠেছিল। প্রশাসনের নাকের ডগায় এভাবে বড় ক্লাব তৈরি হওয়া নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।

ডিসেম্বর ১০, ২০২৫
বিদেশ

"আঁখ মারে...," মহিলা সাংবাদিককে লক্ষ্য করে পাকিস্তান সেনার জেনারেলের অসভ্য আচরণে সোশাল মিডিয়ায় তোলপাড়

পাকিস্তানের ইন্টার-সার্ভিসেস পাবলিক রিলেশনসের ডিরেক্টর জেনারেল লেফটেন্যান্ট জেনারেল আহমেদ শরীফ চৌধুরীর একটি ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, এক সংবাদিক আবসা কোমালের প্রশ্নের জবাবে তিনি হেসে তাকে আঙুল দিয়ে চোখের দিকে চোখ মারেন।সংবাদিক তার কাছে প্রশ্ন করেছিলেন প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের বিরুদ্ধে তার করা অভিযোগ সম্পর্কে, যেখানে তিনি খানেরকে জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি, রাষ্ট্রবিরোধী এবং দিল্লির হাত ধরে কাজ করছে হিসেবে উল্লেখ করেছিলেন। এই প্রশ্নের জবাবে চৌধুরী বলেন, আরও একটি পয়েন্ট যোগ করি, তিনি মানসিক রোগী। এরপর তিনি হাসি দিয়ে সাংবাদিকের দিকে চোখের ইশারা করেন।ভিডিওটি প্রকাশিত হওয়ার পর সোশাল মিডিয়ায় সরাসরি ক্ষোভ দেখা দেয়। এক ব্যবহারকারী লিখেছেন, তিনি কোনো পেশাদার সেনা নন। আরেকজন মন্তব্য করেছেন, এটা দেখাচ্ছে তাদের সেনাবাহিনী কতটা অসংগঠিত। কেউ কীভাবে ইউনিফর্ম পরে এভাবে চোখের ইশারা করতে পারে?চৌধুরী পাকিস্তান সেনাবাহিনীর গুরুত্বপূর্ণ মুখ হিসেবে পরিচিত। তিনি সাম্প্রতিক মাসগুলোতে প্রায়শই ভারতবিরোধী বক্তব্যের জন্য সংবাদ সম্মেলনে বিতর্কিত হয়ে থাকেন। মে মাসে দিল্লি ও ইসলামাবাদের মধ্যে ছোট সামরিক সংঘর্ষের সময়ও তিনি সুপরিচিত হয়েছিলেন।

ডিসেম্বর ১০, ২০২৫
বিদেশ

হাসপাতালের বিছানায় মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই, খালেদা জিয়াকে নিয়ে বাড়ছে উদ্বেগ

সময়ের সঙ্গে সঙ্গে আরও সংকটজনক হয়ে উঠছে বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা। হাসপাতাল সূত্রে খবর, তাঁর শরীর আগের তুলনায় আরও দুর্বল হয়েছে। তবে চিকিৎসকদের মতে, অল্প হলেও চিকিৎসায় সাড়া দিচ্ছেন ৮০ বছরের এই নেত্রী। শ্বাসকষ্ট বেড়ে যাওয়ায় সম্প্রতি তাঁকে ঢাকার একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তিনি দীর্ঘদিন ধরেই আর্থ্রাইটিস, ডায়াবেটিস, কিডনি, ফুসফুস ও চোখের সমস্যায় ভুগছেন।দেশি ও বিদেশি চিকিৎসকদের একটি বিশেষ মেডিক্যাল বোর্ডের তত্ত্বাবধানে তাঁর চিকিৎসা চলছে। যদিও এখনও পর্যন্ত বড় কোনও উন্নতির খবর মেলেনি। শুক্রবার তাঁর দ্রুত আরোগ্য কামনায় দেশজুড়ে বিশেষ প্রার্থনার আয়োজন করে বিএনপি। একই সঙ্গে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মহম্মদ ইউনুস ও দেশবাসীর কাছে খালেদা জিয়ার জন্য প্রার্থনার অনুরোধ জানান। শনিবার উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকেও তাঁর জন্য প্রার্থনা করা হয়।এই কঠিন সময়ে মায়ের পাশে থাকতে চাইছেন খালেদা জিয়ার ছেলে ও বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তিনি বর্তমানে লন্ডনে রয়েছেন। দেশে ফিরতে চাইলেও রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক জটিলতার কারণে এখনও ফেরা সম্ভব হয়নি তাঁর পক্ষে। নিজের ফেসবুক পোস্টে তারেক রহমান লিখেছেন, এমন সংকটের সময় মায়ের পাশে থাকার ইচ্ছা যে কোনও সন্তানের মতো তাঁরও আছে। কিন্তু এই বিষয়টি একক সিদ্ধান্তের উপর নির্ভর করছে না বলেও তিনি জানিয়েছেন।এক সপ্তাহ আগে, গত ২৩ নভেম্বর গুরুতর অসুস্থ হয়ে ঢাকার একটি হাসপাতালে ভর্তি হন খালেদা জিয়া। হাসপাতাল সূত্রের খবর, চিকিৎসায় সামান্য সাড়া মিললেও তাঁর অবস্থা এখনও অত্যন্ত উদ্বেগজনক। বিএনপির তরফেও জানানো হয়েছে, এই মুহূর্তে প্রার্থনাই একমাত্র ভরসা।

নভেম্বর ২৯, ২০২৫
কলকাতা

ঘনিষ্টতার মূল্য ২০ হাজার টাকা! দিতে রাজি না হওয়ায় খুন হতে হল আদর্শকে

কলকাতার কসবার হোটেলে চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট আদর্শ লোসালকারের খুনের ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। তদন্তে উঠে এসেছে আরও ভয়ংকর তথ্য। ডেটিং অ্যাপের মাধ্যমে ঘনিষ্ঠতার শর্তে দুই হাজার টাকার দাবি ছিল ঠিকই, কিন্তু প্রকৃত উদ্দেশ্য ছিল অন্তত কুড়ি হাজার টাকা হাতানো। সেই পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতেই কোমল সাহা ও তার লিভ-ইন সঙ্গী ধ্রুব মিত্র নৃশংসভাবে খুন করে আদর্শকে এমনটাই দাবি পুলিশের।গত শুক্রবার রাত সাড়ে এগারোটা থেকে বারোটার মধ্যে একই ঘরে ছিলেন তিনজন। পুলিশের মতে, সেই সময়েই ঘটে ধস্তাধস্তি। আদর্শ বাধা দিতেই বেডশিটে জড়িয়ে তাঁর শ্বাসরোধ করা হয়। ধ্রুবর হাতে আদর্শের নখের আঁচড়ের চিহ্ন মিলেছে, যা সন্দেহকে আরও জোরালো করছে। রাত ১২টার কিছু পরই মারা যান আদর্শ।এরআগে, শনিবার কসবার হোটেল থেকে উদ্ধার হয় আদর্শের বিবস্ত্র দেহ। গ্রেপ্তারের পর থেকে কোমল ও ধ্রুব বারবার বয়ান বদলাচ্ছে। কখনও আলাদাভাবে, কখনও মুখোমুখি বসিয়ে জেরা করছে পুলিশ। ঘটনার পুনর্গঠন করতে দুজনকেই নিয়ে যাওয়া হয়েছে হোটেল কক্ষে।পুলিশ সূত্রের খবর, গত বৃহস্পতিবার ডেটিং অ্যাপে পরিচয় হওয়ার পর কোমল প্রথমে দুহাজার টাকা দাবি করেন ঘনিষ্ঠতার বিনিময়ে। তবে আদর্শ সেই টাকা দেননি বলে দাবি অভিযুক্ত যুগলের। কিন্তু আদর্শই অনলাইনে কসবার হোটেলের দুটি ঘর বুক করেছিলেন। প্রথমে কোমল ও ধ্রুব একসঙ্গে একটি ঘরে ঢোকে।তারপর প্রায় দশ মিনিটের জন্য কোমল আদর্শের ঘরে যায়। এর মধ্যেই হোটেল কর্মী কয়েকটি বিয়ারের বোতল নিয়ে আসে আদর্শই অনলাইনে অর্ডার করেছিলেন। সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, আদর্শ নিজেই বাইরে গিয়ে চিপস কিনে ঘরে ফেরেন। এরপর করিডরে দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে কথা বলতে দেখা যায় কোমল ও ধ্রুবকে। পুলিশের দাবি, ওই সময়ই দুজন কুড়ি হাজার টাকা আদায়ের পরিকল্পনা করে। এরপর কোমল আদর্শের ঘরে চলে যান এবং তার কিছু পরেই ঘটে খুন।তদন্তে আরও জানা গেছে, এই যুগল ডেটিং অ্যাপের মাধ্যমে ভিনরাজ্যের একাধিক ব্যক্তির কাছে টাকা হাতানোর অভিযোগেও জড়িত। ফলে আদর্শের মৃত্যু শুধু একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়, বরং বড়সড় প্রতারণা চক্রের ইঙ্গিত বলেই মনে করছে পুলিশ।

নভেম্বর ২৬, ২০২৫
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • 10
  • 11
  • ...
  • 85
  • 86
  • ›

ট্রেন্ডিং

খেলার দুনিয়া

বিশ্বকাপে ইরানের সঙ্গে চরম অপমান! ম্যাচ খেলেই দেশছাড়া, ক্ষোভে ফুঁসছে ফুটবল দুনিয়া

বিশ্বকাপ খেলতে এসে একের পর এক সমস্যার মুখে পড়ছে ইরান ফুটবল দল। দীর্ঘ যাত্রা, পর্যাপ্ত বিশ্রামের অভাব এবং ম্যাচ শেষ হওয়ার পরই দেশ ছাড়ার নির্দেশ সব মিলিয়ে চরম ক্ষোভ তৈরি হয়েছে ইরান শিবিরে। ইরান ফুটবল ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক হেদায়াত মোম্বেইনি এই পরিস্থিতিকে ফুটবল ইতিহাসের একটি অন্ধকার অধ্যায় বলে মন্তব্য করেছেন।বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স করার পরও স্বস্তি মেলেনি মেহদি তারেমিদের। নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে ম্যাচ শেষ হতেই দলকে আমেরিকা ছেড়ে মেক্সিকোয় ফিরে যেতে হয়েছে। জানা গিয়েছে, ইরানি ফুটবলারদের জন্য শুধুমাত্র ম্যাচের সময়সীমা অনুযায়ী ভিসা অনুমোদন করা হয়েছে। ফলে দলের সদস্যদের বারবার যাতায়াত করতে হচ্ছে, যা প্রস্তুতিতে বড় প্রভাব ফেলছে।ইরানের কোচ আমির ঘালেনোইও এই পরিস্থিতি নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। তাঁর অভিযোগ, বিশ্বকাপের মতো বড় মঞ্চে ইরানের সঙ্গে অন্যায্য আচরণ করা হচ্ছে। এমন অবস্থায় ফুটবলারদের মানসিক ও শারীরিকভাবে প্রস্তুত রাখা কঠিন হয়ে পড়ছে।এই ঘটনার প্রতিবাদে ফিফার কাছে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ জানাতে চলেছে ইরান ফুটবল ফেডারেশন। হেদায়াত মোম্বেইনি বলেন, আগে যে নিয়ম জানানো হয়েছিল, শেষ মুহূর্তে তা বদলে দেওয়া হয়েছে। এতে শুধু ইরান নয়, গোটা প্রতিযোগিতার ভাবমূর্তিই প্রশ্নের মুখে পড়ছে। তাঁর দাবি, ভবিষ্যতে বিশ্বকাপের ইতিহাসে এই ঘটনাকে একটি বিতর্কিত অধ্যায় হিসেবেই মনে রাখা হবে।উল্লেখ্য, সাম্প্রতিক সময়ে আমেরিকা ও ইরানের মধ্যে দীর্ঘ রাজনৈতিক উত্তেজনা চলেছে। সেই প্রভাবই বিশ্বকাপেও পড়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। ইরানের অনেক কর্মকর্তা ভিসা পাননি। এমনকি বহু সমর্থক টিকিট থাকা সত্ত্বেও আমেরিকায় প্রবেশের অনুমতি পাননি বলে অভিযোগ।এদিকে আগামী ২২ জুন শক্তিশালী বেলজিয়ামের মুখোমুখি হবে ইরান। নকআউট পর্বে যাওয়ার আশা বাঁচিয়ে রাখতে এই ম্যাচে ভালো ফল করতেই হবে তারেমিদের। তবে মাঠের লড়াইয়ের পাশাপাশি মাঠের বাইরের প্রতিকূলতার সঙ্গেও সমান তালে লড়তে হচ্ছে ইরানকে।

জুন ২০, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

‘আমি স্পেনের ফুটবলার!’ বারবার বলেও লাভ হল না, নিরাপত্তারক্ষীদের কাছে অপমানিত তারকা

বিশ্বকাপের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচের আগে অদ্ভুত এক ঘটনার মুখে পড়লেন স্পেনের তারকা ফুটবলার বোরহা ইগলেসিয়াস। নিজের দলের হোটেলে ফিরেও প্রবেশ করতে না পেরে বেশ কিছুক্ষণ সমস্যায় পড়তে হয় তাঁকে। ঘটনাটি ইতিমধ্যেই সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে।কেপ ভার্দের বিরুদ্ধে গোলশূন্য ড্র করার পর ফুটবলারদের একদিনের ছুটি দিয়েছিলেন স্পেন কোচ লুইস দে লা ফুয়েন্তে। সৌদি আরবের বিরুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচের আগে খেলোয়াড়দের মানসিকভাবে সতেজ রাখতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল।ছুটির দিনে স্ত্রী মারিয়া ভালেরোকে নিয়ে শহর ঘুরতে বেরিয়েছিলেন ইগলেসিয়াস। পরে হোটেলে ফিরতেই ঘটে বিপত্তি। হোটেলের নিরাপত্তারক্ষীরা তাঁকে চিনতে পারেননি। ফলে টিম হোটেলের দরজার সামনেই আটকে দেওয়া হয় স্পেনের এই তারকা স্ট্রাইকারকে।পরিস্থিতি সামাল দিতে ইগলেসিয়াস বারবার বোঝানোর চেষ্টা করেন যে তিনি স্পেনের জাতীয় দলের ফুটবলার। কিন্তু নিরাপত্তারক্ষীরা পরিচয়পত্র এবং অনুমতির প্রমাণ চাইতে থাকেন। এমনকি তাঁকে নিজের নামও বলতে হয়। তবুও প্রথমে তাঁরা নিশ্চিত হতে পারেননি।ঘটনাস্থলে উপস্থিত কয়েকজন স্প্যানিশ সমর্থক ও সাংবাদিকও নিরাপত্তারক্ষীদের বোঝানোর চেষ্টা করেন। কিন্তু তাতেও পরিস্থিতির তেমন পরিবর্তন হয়নি। পরে স্প্যানিশ ফুটবল ফেডারেশনের কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেন ইগলেসিয়াস। কিছুক্ষণের মধ্যেই দলের প্রতিনিধিরা এসে বিষয়টি মিটিয়ে দেন এবং তিনি হোটেলে প্রবেশ করতে সক্ষম হন।এই ঘটনা এমন এক সময়ে ঘটল যখন স্পেনের সামনে রয়েছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ। কেপ ভার্দের বিরুদ্ধে জয় না পাওয়ায় পরের পর্বে ওঠার লড়াই আরও কঠিন হয়ে উঠেছে। তাই সৌদি আরবের বিরুদ্ধে পূর্ণ তিন পয়েন্ট অর্জন করাই এখন স্পেনের প্রধান লক্ষ্য।তবে মাঠের বাইরের এই ঘটনাই এখন সবচেয়ে বেশি চর্চার বিষয় হয়ে উঠেছে। বিশ্বের অন্যতম শক্তিশালী ফুটবল দলের এক তারকা ফুটবলারকে নিজের হোটেলের দরজায় দাঁড়িয়ে পরিচয় প্রমাণ করতে হওয়ায় বিস্মিত ফুটবলপ্রেমীরা।

জুন ২০, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

হারলেই মৃত্যু! বিশ্বকাপে প্রাণ বাঁচাতে মাঠে নেমেছিলেন কঙ্গোর ফুটবলাররা

পর্তুগালকে প্রথম ম্যাচে আটকে দিয়ে বিশ্বকাপে সবচেয়ে বড় চমকের জন্ম দিয়েছে কঙ্গো। আফ্রিকার দেশটি দীর্ঘ ৫২ বছর পর আবার বিশ্বকাপের মূলপর্বে খেলছে। অনেকেই ভেবেছিলেন তারকাখচিত পর্তুগালের সামনে কঙ্গো টিকতেই পারবে না। কিন্তু মাঠে নেমে দুর্দান্ত লড়াই করে তারা সবাইকে অবাক করে দিয়েছে।তবে কঙ্গোর ফুটবল ইতিহাসে এমন একটি অধ্যায় রয়েছে, যা আজও শুনলে গা শিউরে ওঠে। সেই ঘটনা ১৯৭৪ সালের বিশ্বকাপের। তখন দেশের নাম ছিল জাইরে। প্রথমবার বিশ্বকাপে জায়গা করে নিয়েছিল দেশটি। সেই সময় দেশের শাসক ছিলেন একনায়ক মোবুতু সেসে সেকো। দেশের রাজনৈতিক অস্থিরতার মধ্যে ফুটবলকে জাতীয় ঐক্যের প্রতীক হিসেবে ব্যবহার করতে চেয়েছিলেন তিনি।বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে স্কটল্যান্ডের কাছে হারের পরই ফুটবলারদের বেতন বন্ধ করে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে ফুটবলাররা পরবর্তী ম্যাচ না খেলার সিদ্ধান্ত নেন। কিন্তু রাষ্ট্রপ্রধানের চাপে শেষ পর্যন্ত মাঠে নামতে বাধ্য হন তাঁরা। দ্বিতীয় ম্যাচে যুগোস্লাভিয়ার কাছে ৯-০ গোলে হারতে হয় দলকে।এরপর ড্রেসিংরুমে গিয়ে এক ভয়ঙ্কর হুমকি দেন মোবুতু। তিনি জানিয়ে দেন, পরের ম্যাচে যদি দল তিন গোলের বেশি ব্যবধানে হারে, তাহলে ফুটবলারদের দেশে ফিরতে দেওয়া হবে না। এই হুমকির পর ব্রাজিলের বিরুদ্ধে মাঠে নামে জাইরে।ম্যাচ চলাকালীন প্রতিটি মুহূর্তে ভয় কাজ করছিল ফুটবলারদের মধ্যে। তাঁদের কাছে ম্যাচটি শুধু ফুটবল ছিল না, ছিল বেঁচে থাকার লড়াই। শেষ পর্যন্ত ব্রাজিল ৩-০ ব্যবধানে জেতে। ফলে কোনওভাবে রক্ষা পায় দল।বহু বছর পরে দলের ডিফেন্ডার এম্পেউ ইলুঙ্গা জানান, ব্রাজিল একটি ফ্রি-কিক পাওয়ার পর তিনি ইচ্ছাকৃতভাবে নিয়ম ভেঙে বল দূরে সরিয়ে দিয়েছিলেন। কারণ সেই মুহূর্তে আর একটি গোল মানেই দলের ভবিষ্যৎ অন্ধকার হয়ে যেতে পারত। এজন্য তাঁকে হলুদ কার্ড দেখতে হয়েছিল। কিন্তু তাঁর সেই সিদ্ধান্ত হয়তো বাঁচিয়ে দিয়েছিল গোটা দলকে।দেশে ফেরার পরও ফুটবলারদের জীবন সহজ হয়নি। আর্থিক সুবিধা বন্ধ হয়ে যায়। বিদেশে গিয়ে খেলার সুযোগও হারান অনেকে। ফলে বিশ্বকাপের মঞ্চে কঙ্গোর প্রথম অভিযান ফুটবলের চেয়ে বেশি হয়ে ওঠে ভয়, চাপ এবং বেঁচে থাকার লড়াইয়ের প্রতীক।আজ সেই কঙ্গোই আবার বিশ্বকাপে ফিরে পর্তুগালের মতো শক্তিশালী দলকে আটকে দিয়ে নতুন ইতিহাস লিখছে। তাই বর্তমানের সাফল্যের পিছনে লুকিয়ে থাকা এই ভয়ংকর অতীত আবারও আলোচনায় উঠে এসেছে।

জুন ২০, ২০২৬
দেশ

‘৪ কোটি টাকা নিয়েছেন!’ মহুয়ার বিস্ফোরক অভিযোগে ফুঁসছেন বিদ্রোহী সাংসদরা, এবার আদালতে বড় লড়াই

তৃণমূল কংগ্রেস ছাড়ার পর থেকেই বিদ্রোহী সাংসদদের বিরুদ্ধে ধারাবাহিকভাবে আক্রমণ শানাচ্ছেন কৃষ্ণনগরের সাংসদ মহুয়া মৈত্র। এবার কুড়ি জন বিদ্রোহী সাংসদকে ঘিরে তাঁর একটি মন্তব্য নতুন রাজনৈতিক বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। ওই মন্তব্যকে কেন্দ্র করে আদালতের দ্বারস্থ হওয়ার প্রস্তুতি শুরু করেছেন বিদ্রোহী শিবিরের নেতারা।সম্প্রতি এক সমাজমাধ্যম পোস্টে মহুয়া মৈত্র দাবি করেন, তৃণমূল ছেড়ে যাওয়া কুড়ি জন সাংসদ অগ্রিম চার কোটি টাকা করে পেয়েছেন। শুধু তাই নয়, আগামী ছত্রিশ মাস পর্যন্ত প্রতি মাসে এক কোটি টাকা করে পাওয়ার কথাও তিনি উল্লেখ করেন। এই মন্তব্য সামনে আসতেই রাজনৈতিক মহলে শুরু হয় জোর চর্চা।এই অভিযোগের তীব্র প্রতিবাদ করেছেন বিদ্রোহী শিবিরের অন্যতম মুখ কাকলি ঘোষ দস্তিদার। এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, এই ধরনের অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। তাঁর দাবি, তাঁরা রাজনৈতিক ও নৈতিক অবস্থানের কারণে দল ছেড়েছেন, কোনও আর্থিক লেনদেনের জন্য নয়।কাকলির প্রশ্ন, মহুয়া মৈত্র কীভাবে নির্দিষ্ট অঙ্কের কথা বলছেন। তাঁর কাছে যদি কোনও তথ্য বা প্রমাণ থাকে, তাহলে তা প্রকাশ করা উচিত। অন্যথায় এই ধরনের মন্তব্য জনসমক্ষে করা অত্যন্ত গুরুতর বিষয় বলে মনে করছেন তিনি।বিদ্রোহী সাংসদদের দাবি, তাঁদের বিরুদ্ধে যে অভিযোগ আনা হয়েছে, তা শুধু রাজনৈতিক নয়, ব্যক্তিগত ভাবমূর্তির উপরও আঘাত। সেই কারণেই আইনি পদক্ষেপের পথ বেছে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।অন্যদিকে, মহুয়া মৈত্র এক সংবাদমাধ্যমে দেওয়া সাক্ষাৎকারেও বিদ্রোহী সাংসদদের কড়া ভাষায় আক্রমণ করেন। তিনি দাবি করেন, অনেকেই নিজেদের সম্পত্তি, রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ এবং অতীত কর্মকাণ্ড নিয়ে উদ্বিগ্ন বলেই দল ছেড়েছেন। তাঁর অভিযোগ, অর্থের প্রলোভনও এই দলবদলের অন্যতম কারণ।এই মন্তব্যের পর রাজনৈতিক সংঘাত আরও তীব্র হয়েছে। একদিকে মহুয়ার বিস্ফোরক অভিযোগ, অন্যদিকে বিদ্রোহী সাংসদদের আইনি পাল্টা লড়াইয়ের প্রস্তুতি সব মিলিয়ে নতুন করে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে রাজ্যের রাজনৈতিক পরিবেশ।এখন নজর আদালতের দিকে। বিদ্রোহী সাংসদরা সত্যিই আইনি পদক্ষেপ নিলে এই বিতর্ক আরও বড় আকার নিতে পারে বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

জুন ২০, ২০২৬
দেশ

দল ভাঙনের চরমে! ২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম, সাংসদ পদ হারাতে পারেন ৬ বিদ্রোহী

মহারাষ্ট্রের রাজনীতিতে ফের তীব্র চাঞ্চল্য। দলের নির্দেশ অমান্য করে বৈঠকে অনুপস্থিত থাকার অভিযোগে ৬ বিদ্রোহী সাংসদের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপের পথে হাঁটল উদ্ধব ঠাকরের শিব সেনা। সংশ্লিষ্ট সাংসদদের শোকজ নোটিস পাঠিয়ে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে লিখিত জবাব দিতে বলা হয়েছে। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে উত্তর না মিললে তাঁদের বিরুদ্ধে দলত্যাগ বিরোধী আইনের আওতায় ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে। এমনকি সাংসদ পদও খারিজ হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।শনিবার দলের মুখ্য সচেতক অনিল দেশাই বিদ্রোহী ৬ সাংসদের হাতে শোকজ নোটিস তুলে দেন। নোটিসে জানতে চাওয়া হয়েছে, কেন তাঁরা দলের সংসদীয় বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন না। জবাব না পেলে ধরে নেওয়া হবে যে তাঁরা স্বেচ্ছায় দলের সদস্যপদ ত্যাগ করেছেন। সেই ক্ষেত্রে সংবিধানের দশম তফসিল অনুযায়ী তাঁদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করা হবে।যাঁদের বিরুদ্ধে এই পদক্ষেপ শুরু হয়েছে, তাঁদের মধ্যে রয়েছেন নাগেশ আশিতকর, সঞ্জয় দেশমুখ, সঞ্জয় যাদব, সঞ্জয় দিনা পাটিল, ওমপ্রকাশ রাজেনিম্বলকর এবং ভাওসাহেব ওয়াকচুরে। সূত্রের খবর, সম্প্রতি তাঁরা লোকসভার স্পিকারের সঙ্গে দেখা করে দলের নেতৃত্বের বিরুদ্ধে অসন্তোষ প্রকাশ করেছিলেন।ঘটনার সূত্রপাত গত সপ্তাহে দিল্লিতে অনুষ্ঠিত দলের সংসদীয় বৈঠককে ঘিরে। সকল সাংসদকে উপস্থিত থাকার নির্দেশ দেওয়া হলেও বৈঠকে মাত্র ৩ জন উপস্থিত ছিলেন। একসঙ্গে ৬ সাংসদের অনুপস্থিতি ঘিরে রাজনৈতিক মহলে জোর জল্পনা শুরু হয়। অনেকেই মনে করছেন, এটি বৃহত্তর রাজনৈতিক পুনর্বিন্যাসের ইঙ্গিত।দলের রাজ্যসভার সাংসদ সঞ্জয় রাউত জানিয়েছেন, বিদ্রোহী সাংসদদের অযোগ্য ঘোষণার প্রক্রিয়া ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে। তাঁর দাবি, নিয়ম ও আইন অনুযায়ী পদক্ষেপ হলে সংশ্লিষ্ট সাংসদদের সদস্যপদ বাতিল হওয়ার সম্ভাবনা প্রবল।এদিকে এই রাজনৈতিক টানাপোড়েনের মধ্যেই কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের একটি মন্তব্য নতুন করে আলোচনায় এসেছে। তিনি বলেন, এখন আর আলাদা কোনও শিবির নেই, শিব সেনা একটাই। রাজনৈতিক মহলের মতে, এই মন্তব্যের মধ্য দিয়ে উদ্ধব ঠাকরের শিবিরের বর্তমান সংকটকেই পরোক্ষে তুলে ধরেছেন তিনি।সব মিলিয়ে মহারাষ্ট্রের রাজনীতিতে নতুন সমীকরণ তৈরি হচ্ছে। আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই বিদ্রোহী সাংসদদের ভবিষ্যৎ কোন দিকে মোড় নেয়, সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

জুন ২০, ২০২৬
বিদেশ

শান্তিচুক্তির ২৪ ঘণ্টাও কাটেনি! ফের হরমুজ বন্ধের ঘোষণা, বিশ্বজুড়ে তীব্র উদ্বেগ

শান্তিচুক্তি ঘোষণার একদিনের মধ্যেই ফের আন্তর্জাতিক মহলে নতুন করে উত্তেজনা ছড়াল। হরমুজ প্রণালী বন্ধ করার ঘোষণা দিল ইরান। শনিবার তেহরানের শীর্ষ যৌথ সামরিক কমান্ড জানায়, আমেরিকা ও ইজরায়েল যুদ্ধবিরতির শর্ত ভঙ্গ করেছে। সেই কারণেই এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথে নৌ চলাচল বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।ইরানের সামরিক নেতৃত্বের দাবি, দক্ষিণ লেবাননে ইজরায়েলের সামরিক তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে। পাশাপাশি আমেরিকার বিরুদ্ধেও প্রতিশ্রুতি ভঙ্গের অভিযোগ তুলেছে তেহরান। তাদের বক্তব্য, পরিস্থিতির জেরে হরমুজ প্রণালী বন্ধ করা হয়েছে এবং এটি কেবল প্রথম পদক্ষেপ। ভবিষ্যতে আরও কঠোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে বলেও ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে।ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড বাহিনীও পৃথক বিবৃতিতে জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালী দিয়ে সব ধরনের নৌযান চলাচল বন্ধ করা হয়েছে। এই অঞ্চলে প্রবেশকারী জাহাজ নিরাপত্তা ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে বলেও সতর্ক করা হয়েছে।শুক্রবার থেকেই আন্তর্জাতিক মহলে গুঞ্জন ছড়িয়েছিল যে হরমুজ প্রণালী বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। শনিবার সেই জল্পনাতেই কার্যত সিলমোহর দেয় ইরান। তবে এখানেই তৈরি হয়েছে নতুন ধোঁয়াশা। কারণ আমেরিকার দাবি, হরমুজ প্রণালী এখনও খোলা রয়েছে এবং স্বাভাবিক নৌ চলাচল অব্যাহত আছে।বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক বাণিজ্যপথ হিসেবে পরিচিত হরমুজ প্রণালী। এই জলপথ দিয়ে বিপুল পরিমাণ তেল ও পণ্যবাহী জাহাজ যাতায়াত করে। ফলে হরমুজকে ঘিরে যে কোনও উত্তেজনা আন্তর্জাতিক অর্থনীতি ও জ্বালানি বাজারে বড় প্রভাব ফেলতে পারে।ইরানের ঘোষণা এবং আমেরিকার পাল্টা দাবির ফলে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে। সত্যিই কি হরমুজে অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে, নাকি এটি কূটনৈতিক চাপ তৈরির কৌশল সেই প্রশ্নই এখন ঘুরপাক খাচ্ছে আন্তর্জাতিক মহলে।

জুন ২০, ২০২৬
কলকাতা

চার বছরে আকাশপথে উড়ল দেড়শো কোটি! অভিষেককে ঘিরে তৃণমূলে নতুন বিতর্ক

তৃণমূল কংগ্রেসের আর্থিক খরচ নিয়ে নতুন বিতর্ক সামনে এসেছে। নির্বাচন কমিশনের কাছে জমা দেওয়া দলের অডিট রিপোর্টে দেখা গিয়েছে, গত চার বছরে বিমান ও হেলিকপ্টার ভাড়ার জন্য প্রায় দেড়শো কোটি টাকা খরচ হয়েছে। এই বিপুল অঙ্কের খরচ ঘিরেই শুরু হয়েছে রাজনৈতিক আলোচনা।রিপোর্ট অনুযায়ী, দুই হাজার বাইশ সালে বিমান ভাড়ার জন্য খরচ হয়েছিল পঁয়ত্রিশ কোটিরও বেশি টাকা। দুই হাজার তেইশ সালে সেই খরচ কিছুটা কমে প্রায় তেরো কোটিতে নেমে আসে। তবে দুই হাজার চব্বিশ সালের লোকসভা নির্বাচনের বছরে বিমান ও হেলিকপ্টার বাবদ খরচ বেড়ে যায় উল্লেখযোগ্যভাবে। সেই বছরে এই খাতে ব্যয় হয় ছেচল্লিশ কোটিরও বেশি টাকা।সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ বিষয় হল, দুই হাজার চব্বিশ সালের নির্বাচনী প্রচারে দলের মোট ব্যয়ের বড় অংশই নাকি বিমান ও হেলিকপ্টার ব্যবহারের জন্য খরচ হয়েছে। দুই হাজার পঁচিশ সালে কোনও বড় নির্বাচন না থাকলেও বিমান খাতে ব্যয় হয়েছে সাঁইত্রিশ কোটিরও বেশি টাকা।এই বিপুল খরচকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহলে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। দলের একাংশের মতে, যখন সংগঠনের বিভিন্ন স্তরে আর্থিক চাপের কথা শোনা যাচ্ছে, তখন এত বড় অঙ্কের বিমান ব্যয় স্বাভাবিকভাবেই আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে।সাম্প্রতিক সময়ে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের দিল্লি সফর নিয়েও চার্টার্ড বিমান ব্যবহারের জল্পনা তৈরি হয়েছিল। সেই আবহে দলের মুখপাত্র কুণাল ঘোষ মন্তব্য করেছিলেন, যদি দলের অর্থ খরচ করে এমন সফর হয়ে থাকে, তাহলে তা সমর্থনযোগ্য নয়। তাঁর সেই মন্তব্যও রাজনৈতিক মহলে যথেষ্ট আলোড়ন তৈরি করে।এদিকে দলের আর্থিক পরিস্থিতি নিয়েও নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। বিভিন্ন ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট এবং তহবিল ব্যবস্থাপনা নিয়ে বিতর্কের মাঝেই বিমান খরচের এই পরিসংখ্যান সামনে আসায় চাপ আরও বেড়েছে।রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, অডিট রিপোর্টে উল্লেখিত এই বিপুল ব্যয় আগামী দিনে আরও বড় বিতর্কের কারণ হতে পারে। বিশেষ করে দলের সাংগঠনিক পরিস্থিতি এবং আর্থিক ব্যবস্থাপনা নিয়ে যখন নানা প্রশ্ন উঠছে, তখন বিমান ও হেলিকপ্টার খাতে এত বড় ব্যয় নিঃসন্দেহে রাজনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।এখন নজর থাকবে, এই খরচ নিয়ে দলের শীর্ষ নেতৃত্বের তরফে কোনও বিস্তারিত ব্যাখ্যা বা প্রতিক্রিয়া সামনে আসে কি না। কারণ অডিট রিপোর্ট প্রকাশ্যে আসার পর থেকেই বিষয়টি রাজনৈতিক মহলে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে চলে এসেছে।

জুন ২০, ২০২৬
রাজ্য

গরম থেকে স্বস্তি মিলতেই নতুন সতর্কতা! দক্ষিণবঙ্গে ঝড়-বৃষ্টির দাপট আরও বাড়বে

ভ্যাপসা গরমে দীর্ঘদিন নাজেহাল থাকার পর অবশেষে স্বস্তির বৃষ্টি পেয়েছে দক্ষিণবঙ্গ। শুক্রবার কলকাতাসহ দক্ষিণবঙ্গের প্রায় সব জেলাতেই ঝড়-বৃষ্টি হয়েছে। এর ফলে তাপমাত্রা কিছুটা কমেছে এবং আবহাওয়ায় স্বস্তি ফিরেছে। তবে আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, আগামী কয়েক দিনও বৃষ্টি চলবে।আলিপুর আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, যোগ দিবসেও কলকাতায় বিক্ষিপ্ত বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। যদিও এই বৃষ্টি বড় কোনও কর্মসূচিতে উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলবে না বলেই মনে করা হচ্ছে। তবু আকাশ মেঘলা থাকবে এবং কোথাও কোথাও হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে।এদিকে ঝাড়খণ্ড সংলগ্ন এলাকায় বজ্রগর্ভ মেঘ তৈরি হওয়ায় পশ্চিমাঞ্চলের কয়েকটি জেলায় ঝড়-বৃষ্টির সম্ভাবনা অনেকটাই বেড়েছে। পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, পশ্চিম বর্ধমান এবং বীরভূম জেলায় লাল সতর্কতা জারি করা হয়েছে। বজ্রবিদ্যুৎ-সহ প্রবল ঝড় ও বৃষ্টির আশঙ্কা রয়েছে। আবহাওয়া দফতর সাধারণ মানুষকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছে।পূর্ব বর্ধমান, হুগলি, ঝাড়গ্রাম এবং পশ্চিম মেদিনীপুরেও কমলা সতর্কতা জারি করা হয়েছে। এই জেলাগুলিতেও দমকা হাওয়া, বজ্রপাত এবং মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।অন্যদিকে উত্তরবঙ্গে এখনও বৃষ্টির দাপট অব্যাহত রয়েছে। জলপাইগুড়ি এবং আলিপুরদুয়ার জেলায় অতি ভারী বৃষ্টির জন্য লাল সতর্কতা জারি হয়েছে। প্রবল বৃষ্টির কারণে পাহাড়ি এলাকায় ধসের আশঙ্কাও রয়েছে। ইতিমধ্যেই বেশ কয়েকটি রাস্তা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।রবিবার দার্জিলিং এবং কালিম্পং জেলায় অতি ভারী বৃষ্টির কমলা সতর্কতা থাকবে। তবে আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, সোমবারের পর থেকে উত্তরবঙ্গে বৃষ্টির তীব্রতা ধীরে ধীরে কমতে পারে।এছাড়াও রবিবার উত্তর চব্বিশ পরগনা, দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা, পূর্ব বর্ধমান, নদিয়া, হুগলি এবং হাওড়া জেলায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। ঘণ্টায় চল্লিশ থেকে পঞ্চাশ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে।আবহাওয়া বিশেষজ্ঞদের মতে, আগামী কয়েক দিন বাংলার বিভিন্ন জেলায় দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়া বজায় থাকবে। তাই প্রয়োজন ছাড়া বাইরে না বেরোনো এবং বজ্রপাতের সময় নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

জুন ২০, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal