• ১৮ আশ্বিন ১৪৩৩, বুধবার ০৭ অক্টোবর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Durgapur

উৎসব

ডিহিপাড়ার 'বানেশ্বরের' গাজনের এক অজানা লোমহর্শক কাহিনী

বাঁকুড়া জেলার ডিহিপাড়া গ্রামে মধুকেশ্বর শিবের মূর্তি স্থাপন ও পুজারম্ভ শুরু হয় বাংলার ১২৩০ এ। জানা যায় গাজন ও চড়ক উৎসব তাঁর অনেক আগে থেকেই চালু ছিল এই এলাকায়। এই ব্যাপারে ডিহিপাড়া গ্রামে আদি বাসিন্দা রাখহরি চট্টোপাধ্যায় জনতার কথা কে বলেন, জনশ্রুতি, এখন যে জায়গায় মন্দিরটি অবস্থিত সেখানে আগে ঘন জঙ্গল ছিল। দামোদরের পারে আবস্থিত ডিহিপাড়া গ্রামের সেই জঙ্গলে দামোদরের অপরদিক থেকে একটি গাভীকে প্রায়-ই দামোদর নদ সাঁতরে এপারে জঙ্গলে আসতে দেখা যেত। এবং গাভীটি দামোদর পেরিয়ে এসে ওই ঘন জঙ্গলে প্রবেশ করত।তিনি জানান, স্থানীয়রা বেশ কিছুদিন যাবৎ ওই একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি দেখে, কৌতুহলবশত একদিন ওই জঙ্গলে প্রবেশ করে দেখেন, গাভীটি এক জায়গায় দাঁড়িয়ে আছে এবং তাঁর বাঁট থেকে দুধ ঝড়ে পড়ছে একটি নির্দিষ্ট স্থানে। স্থানীয় মানুষজন আরো কৌতুহলে গাভীটিকে সেখান থেকে সরিয়ে দিয়ে যায়গাটা পরিষ্কার করতেই তারা যে দৃশ্য দেখেন, তা দেখে তারা নির্বাক হয়ে যান। তাঁরা দেখেন, যে যায়গাটিতে ওই গাভীর বাঁট থেকে আঝোর ধারায় দুধ ঝড়ে পড়ছিল, সেখানে একটি প্রস্তরের শিব লিঙ্গ। সেই থেকেই মধুকেশ্বর শিবের পুজা আরম্ভ হয়।রাখহরি চট্টোপাধ্যায় বলেন, ডিহিপাড়া-র গাজন উৎসব চার দিন ধরে হয়, যার সমাপ্তি ঘটে চৈত্র সংক্রান্তিতে। তার আগে ৮ দিন ধরে বাবা মধুকেশ্বরকে পরমান্ন দেওয়া হয়, এবং সেই প্রসাদ সারা গ্রামেই বিতরণ করা হয়। মধুকেশ্বরের গাজনে প্রায় ১০০ থেকে ১৫০ জন ভক্ত (সন্যাস) হয়। গাজন শুরুর আগেরদিন স্নান করে শুদ্ধ বসনে বাবা মধুকেশ্বরের আটচালায় প্রবেশ করেন ভক্তেরা। তাঁর পরেরদিন বাবা বানেশ্বর কে স্নান করিয়ে পুজাপাঠ করা হয়। কথিত আছে শিব উপাসক বান রাজা দ্বারকাধীশ শ্রীকৃষ্ণ-র সহিত যুদ্ধে ক্ষতবিক্ষত হয়ে মহাদেবের প্রীতি উৎপাদন করে অমরত্ত্ব লাভের আকাঙ্খায় নিজ গাত্র লোহিত দ্বারা মহাদেবকে তুষ্ট করে অভীষ্ট সিদ্ধ করে, সেই কারনে মহাদেব বা শিব কে বানেশ্বর-ও বলা হয়ে থাকে।রাখহরি চট্টোপাধ্যায় জানান এটি (বানেস্বর) সিঁদুর মোচিত লম্বা এক কাঠের পাটা বিশেষ। বংশ পরম্পরায় কর্মকার (কামার) সম্প্রদায়ের একজন একটি লৌহ শলাকা পুজার আগে ওই কাঠের পাটাতনে পোথিত করে দিয়ে যায়। এরপর বানেশ্বরকে সমগ্র গ্রাম ও দেবত্ত স্থানে ঘোরানো হয়। সন্ধ্যা বেলায় সেটিকে একটি প্রতিষ্টিত পুকুরে স্নান ও পুজার্চনা করিয়ে মন্দিরে আনা হয়। এই পুজা অনুষ্ঠানে ভক্ত সন্যাসীদের বিভিন্ন দৈহিক যন্ত্রণা ধর্মের অঙ্গ হিসাবে বিবেচিত হয়।অনেক ভক্তকেই একটি কাঠের দন্ড থেকে ওপরে পা বেঁধে নিচের দিকে মাথা করে ঝুলতে দেখা যায় এবং তাঁকে অন্যরা দুলতে সাহায্য করেন। এবং নিচের দিকে আগুন জ্বলতেও দেখা যায়। এই অনুষ্ঠানের পর ভক্তরা নিজ নিজ বাড়িতে ফিরে গিয়ে স্বপাক হোবৃশী ও ফলাহার করেন। তাঁদের ভোজনের সময় পুরো এলাকা নিস্তব্দ থাকে। খাওয়ার সময় কোনও শ্বব্দ হলে ভক্তদের খাওয়ায় বাধা পরে যাবে এবং তারা সেই খাবার গ্রহণ করতে পারবেন না।গাজনের দ্বিতীয় দিনটিকে দিন গাজন বলা হয়ে থাকে। সেই দিন বানেস্বরকে গ্রামের প্রতিটি বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয় এবং পুজার্চনা করা হয়ে থাকে। সন্ধ্যাবেলা পুর্বদিনের মতই পুকুরে স্নান করিয়ে আগুন জ্বেলে ভক্তরা কাঠের পাটাতনে ঝুলতে থাকেন। এবং রাতে প্রতিষ্টিত পুকুরে চার প্রহরে চারবার পুজা করা হয়। এই পুজার্চনাকে স্থানীয় ভাবে ঘাটজাগানো বলা হয়ে থাকে। এবং ভোর রাতে মা কামাক্ষা কে ঘাটে আনার জন্য ঘাটে বিশেষ পূজার্চনা করে কপোত বলিদান করা হয়ে থাকে।কামাক্ষা দেবীকে মন্দিরে আনাটা ডিহিপাড়া গাজনের একটি বিশেষ আকর্শন। হাজার হাজার দর্শনার্থী ভিড় জমায় এই দৃশ্য দেখার জন্য। পাট ভক্তগন (সন্ন্যাসী) দেবীকে বহন করে মন্দিরে আনেন। ঢাকের ছন্দে নাচতে নাচতে মা আসেন মন্দিরে। একটি মাটির কলসিকে জলে নামিয়ে আড়াই বার ঢেউ দিয়ে যতটা ভরবে সেই ঘটটিকে মাথায় গামছা বেঁধে নিয়ে আসা হয়। গ্রামের আদি বাসিন্দা রাখহরি চট্টোপাধ্যায় জানান, মায়ের এমন-ই কৃপা, নাচলেও একফোঁটা জল ওই মাটির কলসি থেকে বেরিয়ে আসে না। এবং সেই কলসি ভর্তী করার সময় কোনোরূপ ঢাক বাজবে না। জানা যায় ঢাকের ছন্দে ভুল থাকলে মায়ের গতি রুদ্ধ হয়ে যায়। এবং সেই সময় মা কে সামনের দিকে আগিয়ে নিয়ে আসা যায় না। একটা নির্দিষ্ট জায়গায় এসে ভক্তিমূলক গান বাজিয়ে মাকে তুষ্ট করা হয়। তারপরই পাট ভক্তেরা প্রবল বেগে দৌড়ে মাকে নিয়ে মন্দিরে দিকে নিয়ে চলে আসেন।গাজনের তৃতীয় দিন বানেস্বর বা পাট নিয়ে নদীতে স্নান করতে যাওয়া হয়। সেখানে স্নান করে, পাশের একটি গ্রাম রাঙামাটি তে বিশ্রামালয়ে বিশ্রাম নিয়ে পুজার্চনা হয়। বানেশ্বরের আগমনে সেই যায়গাটিতে ছোট একটি মেলা বসে। রাত বাড়লে পাট মন্দিরে আসে। এবং সেই সময় আতশবাজি প্রদর্শন হয়। মন্দিরে আসার পর দেবতার উদ্দশ্যে হোমাহুতি ও যজ্ঞ করা হয়। হমের প্রথম তিলক মধুকেশ্বর ও দ্বিতীয় তিলক বাঁকুড়ার বিষ্ণুপুরের তদানীন্তন মহারাজা গোপাল সিংহ কে উৎস্বর্গ করা হয়। এই গোপাল সিংহ-ই ছিলেন মন্দিরের প্রতিষ্ঠাতা। ওই রাতে চার প্রহর মধুকেশ্বর ও মা কামাক্ষা দেবীকে জাগিয়ে রাখার জন্য তাঁদের নামে বারংবার জয়ধ্বনী দেওয়া হয়।গাজনের চতুর্থ দিন চড়ক অর্থাৎ চৈত্র সংক্রান্তির দিনের শেষে পাট ভক্তরা পুকুরে স্নান করে মন্দির প্রাঙ্গণে নৃত্য করেন। চড়ক তলায় পুজা উপলক্ষে মনোহারি দ্রব্য, জিলাবি ও নানাবিধ খাওয়ার দোকানের পসরা নিয়ে মেলা বসে। পয়লা বৈশাখ বাংলা নববর্ষে গ্রামের বাসিন্দা ও গ্রামবাসীদের আত্মীয় স্বজন নিয়ে আন্নুকুটে অংশগ্রহন করেন। প্রায় ৪ হাজারের আশপাশ মানুষ এই অন্নকূটে আসেন। রাতে গাজনের শেষে গ্রাম বাংলার ঐতিহ্য মেনেই রাতে যাত্রাপালা, লোকগান, হরিনাম সংকীর্তন-র আয়োজন করা হয়। প্রত্যেক বছরই বহু মানুষের সমাগম হয় এই পুজতে। দূর দুরান্ত থেকে মানুষের অনেকেরই ধারনা স্বয়ম্ভু বানেশ্বরের পুজা অর্চনা করলে সংসারের মঙ্গল সাধন হবে।

এপ্রিল ১৩, ২০২৪
রাজ্য

রামমন্দিরকে কেন্দ্র করে এ কি কান্ড করলেন দুর্গাপুরের যুবক! চারদিকে শোরগোল

অযোধ্যায় মন্দিরের উদ্বোধন আগামী সোমবার। রামলালার জন্য বিভিন্ন রাজ্য থেকে এসে পৌঁছচ্ছে বিভিন্ন রকমের উপহার। আগামী ২২ জানুয়ারি প্রাণ প্রতিষ্ঠা হবে রামলালার। তার আগে গোটা দেশ রামমন্দির নিয়ে নানা কান্ড চলছে। এদিকে দুর্গাপুরের এক যুবকের কান্ড রীতিমতো শোরগোল ফেলে দিয়েছে।দুর্গাপুরের যুবক ছোটন ঘোষ মনু। বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন প্রজেক্ট তৈরি করে তিনি শহরবাসীকে অবাক করেছেন। চন্দ্রযান সফল অভিযানের পর তিনি বানিয়েছিলেন চন্দ্রযানের রেপ্লিকা। উড়িয়েছিলেন দুর্গাপুরের আকাশে। আবার দশ সিটের বাইক বানিয়ে তিনি চমকে দিয়েছিলেন সকলকে। আর এবার তিনি বানিয়েছেন রাম মন্দিরের রেপ্লিকা। অযোধ্যার রাম মন্দির তিনি কার্যত তুলে এনেছেন দুর্গাপুরের বুকে। অযোধ্যায় রাম মন্দির দেখার আগে শহরে বসেই রাম মন্দির দর্শনের সুযোগ হচ্ছে শহরবাসীর।ছোটন ঘোষ বলছেন, বিস্কুট দিয়ে তিনি এই রাম মন্দিরের রেপ্লিকা তৈরি করেছেন। রাম মন্দিরের এই রেপ্লিকাটি তৈরি করতে তিনি ব্যবহার করেছেন কুড়ি কেজি বিস্কুট। ৪ ফুট বাই ৪ ফুটের এই রাম মন্দিরের রেপ্লিকা তৈরি করতে তার সময় লেগেছে পাঁচ দিন। তিনি এবং তার সহযোগীরা সকলের মিলে এই রেপ্লিকারটি তৈরি করেছেন। বিস্কুট ছাড়াও এই মডেলটি তৈরি করতে ব্যবহার করা হয়েছে থার্মোকল, প্লাইউড, গ্লু-গান ইত্যাদি।শহরের যুবকের এমন কাণ্ড দেখে সকলেই রীতিমত অবাক হয়ে গিয়েছেন। একইসঙ্গে তার এই প্রচেষ্টাকে কুর্নিশ জানিয়েছেন প্রতিবেশী সহ শহরবাসী। তারা বলছেন, ছোটন ঘোষ বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে নিজের প্রচেষ্টা তুলে ধরার চেষ্টা করেন। শহরের নামকে তিনি আরও উজ্জ্বল করছেন। রাম মন্দির নিয়ে মানুষ যখন খুব উৎসাহী, তখনই তিনি রাম মন্দির তৈরি করে চমকে দিয়েছেন। তিনি যথাসাধ্য চেষ্টা করেছেন অযোধ্যার অনুকরণে রাম মন্দিরকে দুর্গাপুরের বুকে তুলে ধরার।

জানুয়ারি ১৯, ২০২৪
রাজ্য

একই পরিবারের চার জনের রহস্য মৃত্যু দুর্গাপুরে, ভয়ঙ্কর কাণ্ডের পিছনে কি?

একই পরিবারের চারজনের অস্বাভাবিক মৃত্যুর ঘটনা ঘটল দুর্গাপুরে। দুর্গাপুরের কুড়ুলিয়াডাঙার মিলনপল্লি এলাকার এই ঘটনায় রহস্য দানা বেঁধেছে। রবিবার ভোরে মিলনপল্লির বাসিন্দা অমিত মন্ডলের ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয় ঘর থেকে। তার স্ত্রী, ১০ বছরের এক ছেলে ও এক বছরের একটি মেয়ের দেহ ঘরের মধ্যে পড়েছিল। পুলিশ ঘটনাস্থলে এসেছে। কিন্তু এলাকাবাসীরা মৃতদেহ উদ্ধার করতে পুলিশকে বাধা দেয়। এলাকাবাসীদের অভিযোগ , অমিত মন্ডল ও তার পরিবারকে খুন করা হয়েছে। কিন্তু কেন এই অভিযোগ?মৃত অমিত মন্ডলের মাসতুতো বোন সুদীপ্তা ঘোষের অভিযোগ, এই ঘটনার পেছনে মদত রয়েছে মৃত অমিত ওরফে বুবাই মন্ডলের মা বুলারানী মন্ডল ও মামাতো ভাই সুশান্ত নায়েক ওরফে নান্টু। অভিযোগ, মৃত অমিত জানতে পেরে যায় মামার বাড়ির পরিবারের বেশ কিছুজনের ২০১২ সালে টেট পাস না করেও চাকরি হয়েছিল। এমনই কথা অমিত তাঁর বোন সুদীপ্তাকে হোয়াটস এ্যাপ মারফত লিখে জানায়। তারপরই এদিন ভোরে এই ঘটনা ! মৃত অমিত মন্ডল পেশায় একজন জমি ব্যবসায়ী। অন্যদিকে মামাতো ভাই সুশান্ত নায়েক ও প্রশান্ত নায়েকও জমি ব্যবসায়ী বলে ওই হোয়াটস এ্যাপ মেসেজে লিখেছে অমিত। সেখানে অমিত অভিযোগ করেছে, বিভিন্ন সময়ে সরকারি আধিকারিকদের সঙ্গে নিয়ে বে-আইনী ভাবে জমির লেনদেন করে বিপুল সম্পত্তি করেছে। এছাড়াও সরকারি চাকরি পাইয়ে দেওয়ার নাম করে কোটি কোটি টাকা হাতিয়েছে সুশান্ত নায়েক, এমনই বিষ্ফোরক অভিযোগ এনেছে অমিত, দাবী সুদীপ্তার। ওই মেসেজে বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় সহ সিবিআই ও পুলিশের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছিলপন মৃত অমিত। সুদীপ্তা দেবীর আরও অভিযোগ, অমিতের হাত পেছমোড়া করে বাঁধা রয়েছে ও বাড়ীর সিসিটিভি কালো পলিথিন দিয়ে ঢেকে দেওয়া হয়েছে। তাঁর আরও অভিযোগ, গতকাল রাতে মা বুলারানী মন্ডল এই বাড়ীতেই ছিলেন। যিনি আবার নিজের ছেলে ও তার পরিবারকে কখনও ভাল চোখে দেখতেন না বলে অভিযোগ এলাকাবাসীর।গোটা ঘটনায় পরতে পরতে দানা বেধেছে রহস্য। বিশেষ করে মৃত অমিতের বোনকে করা হোয়াটস এ্যাপ মেসেজ ঘিরে তোলপাড় শুরু হয়েছে। ঘটনাস্থলে কমব্যাট ফোর্স সহ বিশাল পুলিশ বাহিনী পৌঁছেছে।

মার্চ ১৯, ২০২৩
রাজ্য

দুর্গাপুরের যৌনপল্লীর স্যাঁত স্যাঁতে গলির ঘরে ঘরে চলছে লক্ষ্মীর পাঁচালী পাঠ

দুর্গাপুজো শেষ হলেও পুজোর রেশ চলতেই থাকে। পরিবার নিয়ে শ্বশুর বাড়ি ফিরে গেলেও প্রথম পুজো হয় মা লক্ষ্মীর। এই সময় কোজাগরী লক্ষ্মীর পুজো হয় বাংলায়।সাধারণ ঘরে ঘরে কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোর আয়োজন চলছে। রবিবার এই পুজোর আয়োজন করেছিল দুর্গাপুরের কাদারোডের পতিতালয়ের যৌনকর্মীরাও। পরিবারের শান্তি কামনায় দুর্গাপুরের এই যৌনপল্লীতেও পূজিত হচ্ছেন মহালক্ষ্মী। ফল কাটা থেকে আলপনা সবই করেন যৌনকর্মীরা নিজেরাই। এতদিন যাদের অচ্ছুত বলে সামাজিক উৎসব থেকে দূরে সরিয়ে রাখা হয়েছিল, এবারে সেই যৌনপল্লীর মেয়েরা নিজেরাই পুজোয় ফল কাটেন৷ নিজেরাই ভোগ রান্না করেন, নিজেদের ইচ্ছামত পুজো করেন আবার পুষ্পাঞ্জলি দেন।স্বভাবতই নিষিদ্ধ পল্লী এলাকায় দুর্গাপুজোর পর আবারও ধুমধাম করে ঘরে ঘরে পালিত হচ্ছে লক্ষ্মীপুজো। আলোকবিহীন স্যাঁত স্যাঁত গলির আনাচে কানাচে তাই এখন কান পাতলেই শোনা যাচ্ছে লক্ষ্মীর পাঁচালী পাঠ। আলোর ঝলকানি। তাঁরা জানিয়েছেন, লক্ষ্মীর পাঁচালী পড়লে মনে শান্তি পান। তাঁদের পাঁচালী পড়তে ভালো লাগে।

অক্টোবর ০৯, ২০২২
রাজ্য

মেমারিতে দুঃস্থ ও অসহায় থ‍্যালাসেমিয়া রোগীদের সাহায্যার্থে রক্তদান শিবির

মেমারি ১ ব্লকের দুর্গাপুর গ্রামের বারোয়ারি তলায় গুরু গোবিন্দ বসু সংঘ ক্লাবের উদ্যোগে দুঃস্থ ও অসহায় থ্যালাসেমিয়া রোগীদের সাহায্যার্থে রক্তদান শিবির আয়োজন কগরা হয়। শ্রীরামপুর শ্রমজীবী হাসপাতালের ব্লাড ব্যাঙ্কের সহযোগিতায় ৫০ ইউনিট লক্ষ্যমাত্রা রেখে রক্ত সংগ্রহের কাজ শুরু করে। এদিন একইসঙ্গে স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী ছেলেমেয়েদের পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান করা হয়। দুর্গাপুর গ্রামের আধুনিকতার রূপকার গুরু গোবিন্দ বসুর ছবিতে মাল্যদান করে কর্মসূচির সূচনা করা হয়। তাঁর স্মৃতিতে গুরু গোবিন্দ বসু সংঘ সহ গ্রামবাসীরা উদ্যোগ নিয়ে সামাজিক কাজে এগিয়ে আসেন।আজকের অনুষ্ঠানে মহিলাদের রক্তদানে বেশি উৎসাহ পরিলক্ষিত হয়। বর্ধিষ্ণু গ্রাম দুর্গাপুরে এই কর্মসূচিকে ঘিরে প্রতিবারের মত উদ্দীপনা ছিল দিনভর।

সেপ্টেম্বর ০৫, ২০২২
রাজ্য

টাকার বিনিময়ে চাকরির মিথ্যা আশ্বাস দিয়ে প্রতারনার অভিযোগ শাসকদলের পঞ্চায়েত সদস্যর বিরুদ্ধে

আশাকর্মী পদে নিয়োগের আশ্বাস দিয়ে ৫৫ হাজার টাকা নেওয়ার অভিযোগ উঠলো শাসকদলের এক পঞ্চায়েত সদস্যার বিরুদ্ধে। অভিযুক্ত মনিকা রায় পূর্ববর্ধমানের মেমারির দুর্গাপুর পঞ্চায়েতের সদস্যা।তার বিরুদ্ধে অভিযোগ আশাকর্মীর চাকরি পাইয়ে দেওয়ার নাম করে ৫৫ হাজার টাকা নেয়। পাশাপাশি এলাকার তৃণমূল কর্মী শুভঙ্কর মজুমদারের নাম জড়িয়েছে এই ঘটনায়।মেমারির বড়োর এলাকার বাসিন্দা রাজকুমার হাজরা ওরফে ভোম্বল হাজরা তিনি নিজের স্ত্রীর চাকরীর জন্য মনিকা রায় ও শুভঙ্কর মজুমদারকে ৫৫ হাজার টাকা দেন। তার অভিযোগ স্ত্রী আশাকর্মী পদে চাকরি পায় নি। আবার টাকাও ফেরত পান নি। মঙ্গলবার প্রতারিত রাজ কুমার হাজরা বিষ খেয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন।ঘটনার পরই মেমারি গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যায় পরিবারের লোকজন। রাজ কুমার হাজরা বলেন, একটি বেসরকারি সংস্থার কাছে চড়া সুদে ঋণ করে তিনি শুভঙ্কর মজুমদার ও মনিকা রায়কে টাকা দেন। অভিযুক্ত পঞ্চায়েত সদস্যা মনিকা রায় জানান, এটা রাজনৈতিক চক্রান্ত, রাজনৈতিকভাবে তাকে ফাঁসানো হচ্ছে। একই কথা বলেন তৃণমূল কর্মী শুভঙ্কর মজুমদারও। রাজ কুমার হাজরা মেমারি থানায় অভিযোগ করেন গোটা বিষয়টি নিয়ে। এই বিষয়ে জেলা পরিষদের সহসভাধিপতি দেবু টুডু বলেন, বিষয়টি তার জানা নেই। তবে খোঁজ খবর নিয়ে দেখছি আসলে কি ঘটনা হয়েছে।

আগস্ট ১৬, ২০২২
রাজ্য

দুর্গাপুরের তিন গৃহবধূ মানবিকতার অনন্য নজির গড়লেন, এক মন ভাল করা কাহিনী

খুনোখুনি, আগুন, তোলাবাজি, ভাতের হোটেলে মদ এমন নানা খবরে ক্লান্ত বাঙালি। দুর্গাপুরের তিন নারীর মানবিক উদ্যোগ কিন্তু মন ভালো করে দিয়েছে সারা বাংলাকে। ওই তিন গৃহবধু মানবিকতার অনন্য নজির গড়েছেন। শনিবার দুস্থ মূক ও বধির মহিলার বিয়ের ব্যবস্থা করেছে দুর্গাপুরের তিন গৃহবধু। নগরনিগমের প্রান্তিকা সংলগ্ন মন্দিরে দুই বিশেষভাবে সক্ষম পাত্র-পাত্রীর চার হাত এক করে দিয়েছেন তাঁরা। জানা গিয়েছে, পাত্রী সম্পূর্ণ ভাবে মূক ও বধির। পাত্রের রয়েছে কথা বলার সমস্যা। দুর্গাপুরের তিন গৃহবধুর এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছে স্থানীয় বাসিন্দারা। বিধাননগরের মনি চৌধুরী, সেপকোর বাসিন্দা শম্পা গিরি ও বেনাচিতির বুলু মন্ডল এই বিবাহের সম্পূর্ণ খরচ বহণ করেন।জানা গিয়েছে, শম্পা গিরি তাঁর দূর সম্পর্কের আত্মীয়ের কাছ থেকে জানতে পারেন ৩৪ বছর বয়সী রাখী যাদব সম্পূর্ণরূপে মূক ও বধির। বাবা মারা যাওয়ার পর গোঁসাইনগরের ঘর বিক্রি করে মায়াপুরে একটি ভাড়া ঘরে মা-মেয়ে কোনরকমে দিনযাপন করছিলেন। আর্থিক সংকটের কারণে বিবাহযোগ্যা কন্যার বিয়ে হচ্ছিল না। একইসঙ্গে মেয়ে বিশেষ ক্ষমতা সম্পন্ন হওয়ায় সেভাবে তাঁকে কেউ বিয়ে করতে রাজি হচ্ছিল না। এই কথা শোনামাত্র শম্পাদেবী তাঁর দুই বন্ধু মনি চৌধুরী ও বুলু মণ্ডলকে বিষয়টা জানান। শোনামাত্রই তিন বন্ধু পাত্র খোঁজার কাজ শুরু করে দেন। বিয়ের আসর কোথায় হবে, তার সমস্ত খরচ তাঁরা খরচ করবে বলেও সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেন। যেমন ভাবা তেমনই কাজ। তিন গৃহবধূর প্রচেষ্টায় অবশেষে দুর্গাপুরের বেনাচিতির সুভাষ পল্লির বাসিন্দা ৩৬ বছর বয়সী মুন্না যাদবকে পাত্র হিসাবে খোঁজ মেলে। পাত্রীর সঙ্গে বিবাহের ব্যবস্থা করা হয়। তাঁদের প্রান্তিকা সংলগ্ন মন্দিরে বিয়ের ব্যবস্থা করা হয়। যাবতীয় খরচা বহন করেন তিন বন্ধু। আগামী দিনেও দম্পতির পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি দেন তাঁরা।মনি চৌধুরী বলেন, আমরা বন্ধুরা মিলে সারা বছর ধরেই সামাজিক কাজে যুক্ত থাকি। আমাদের লক্ষ্য দুস্থ মানুষদের পাশে দাঁড়ানো। এই দুস্থ মূক ও বধির কন্যার কথা শুনতে পেয়ে আমরা এককথায় পাশে থাকার জন্য রাজি হয়ে যাই। বুলু মণ্ডলের বক্তব্য, এই কাজে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিতে পেরে আমরা খুব খুশি।

জুলাই ০৯, ২০২২
রাজ্য

কালবৈশাখি-র দাপটে তছনছ বর্ধমান, দূর্গাপুর, কালনা, কাটোয়া ও আউষগ্রাম

টানা দুমাসের প্রখর দাবদাহের শেষে সস্থির বৃষ্টিতে ভিজল দক্ষিণ বঙ্গ। দুপুর থেকেই মেঘের আনাগোনা আকাশ জুড়ে। তাপমাত্রা ৩৫-৩৮ ডিগ্রী র আসপাসে থাকলেও বাতাসে আদ্রতার পরিমাণ বেড়ে যাওয়াতে হাঁসফাঁস করা গরমে মানুষ জন কাহিল হয়ে পড়ে।বিকাল গড়াতেই পশ্চিমের আকাশ কালো হয়ে আসে। ৫:৩০ এর পর বর্ধমান জুড়ে শুরু হয় ঝোড়ো হাওয়া। সময় গড়াতেই বাতাসের গতি বাড়তে বাড়তে প্রবল ঝড়ের আকার নেয়। সারা দক্ষিণবঙ্গ জুড়ে শুরু হয় কালবৈশাখীর দাপট। আম, লিচু, জাম-র ব্যপক ক্ষয় ক্ষতি হয়। শহর বর্ধমানে একাধিক জায়গায় ভেঙে পরে বহু গাছ। কালবৈশাখীর দাপটে বর্ধমান শহর ঢোকার মুখে উল্লাস মোড়ে পৌরসভার স্বাগতম গেট ভেঙে পড়ে ব্যাপক যানযটের সৃষ্টি হয়।দূর্গাপুর, পানাগড় ও কাঁকসা অঞ্চলে ভয়ঙ্কর শিলাবৃষ্টি হয়। বহু বাড়ির ও পথ চলতি গাড়ির কাঁচের জানলা ভেঙে যায়। দুর্গাপুর শহড়ের টানা ১০ মিনিট ধরে শিলাবৃষ্টি হয়। যা দেখলে তুষারপাত ভেবে ভ্রম হতেই হবে। এ হাওড়া, হুগলি, উত্তর ২৪ পরগনা ও নদিয়ায় সস্তির বৃষ্টি হয়েছে বিকেল ও সন্ধ্যার সময়। নদিয়া জেলার কৃষ্ণনগরে ঝড়ের কবলে পড়ে মৃত্যু হয় এক ব্যাক্তির। ৩৪ নম্বর জাতীয় সড়কের উপর দিয়েওই ব্যক্তি যাওয়ার সময় মাথায় ওপর গাছের শুকনো ডাল ভেঙে পড়ে মৃত্যু হয়। মৃত ব্যাক্তির নাম রবীন্দ্রনাথ প্রামাণিক।

এপ্রিল ২৯, ২০২২
রাজ্য

ধর্মঘটে দুর্গাপুরে টায়ার জ্বালিয়ে জাতীয় সড়ক অবরোধ, গ্রেফতার বাম কর্মী-সমর্থকরা

মঙ্গলবার সাধারণ ধর্মঘটের দ্বিতীয় দিনে কোনও প্রভাব না পড়লেও মঙ্গলবার দুর্গাপুরের মুচিপাড়ায় জাতীয় সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভে সামিল হলেন বাম কর্মী সমর্থকরা।সোম বার ও মঙ্গলবার সারা দেশ ব্যাপী সাধারণ ধর্মঘটের ডাক দেয় কেন্দ্রীয় ট্রেড ইউনিয়ন ও ফেডারেশন সমূহ। সাধারণ ধর্মঘটের সমর্থনে মঙ্গলবার সকালে দুর্গাপুরের মুচিপাড়ায় রাস্তায় টায়ার জ্বালিয়ে জাতীয় সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখায় বাম কর্মী সমর্থকরা।খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে বিভিন্ন থানার পুলিশ পৌঁছে বিক্ষোভকারীদের সরাতে গেলে।পুলিশের সাথে বিক্ষোভকারীদের শুরু হয় বচসা ও ধস্তাধস্তি।বিক্ষোভকারীদের সরাতে ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে বিশাল পুলিশ বাহিনী।

মার্চ ২৯, ২০২২
রাজ্য

দুর্গাপুর ইস্পাত কারখানায় গ্যাস লিক করে মৃত ৩ শ্রমিক, আশঙ্কাজনক ৪

গ্যাস লিক করে মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটল পশ্চিম বর্ধমানের দুর্গাপুর ইস্পাত কারখানায়। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত তিন ঠিকা শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। আশঙ্কাজনক অবস্থায় চার জনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। কারখানার শ্রমিকদের অভিযোগ, কার্বন মনোক্সাইড গ্যাসের মিশ্রণে তৈরি হয় বিওএফ গ্যাস। এই মারণ কার্বন মনোক্সাইড গ্যাসের কারণেই অসুস্থ হয়ে পড়েন এই ঠিকা কর্মীরা।কারখানা সূত্রে জানা গিয়েছে, শুক্রবার সকাল সাড়ে ১১টা নাগাদ ডিএসপি কারখানার বেসিক অক্সিজেন ফার্নেস (বিওএফ) বিভাগের দুনম্বর কনভার্টারের রক্ষণাবেক্ষণের কাজ চলার সময় এই দুর্ঘটনা ঘটে। ওই কনভার্টার পরিচর্যার কাজ করছিলেন তিন ঠিকা শ্রমিক। এই কনভার্টারে হট মেটাল গ্যাসের সাহায্যে ব্লো করে লিকিউড স্টিল তৈরি করা হয়। কনভার্টার পরিচর্যার কাজে যাওয়া ওই তিন ঠিকা কর্মীর ফিরতে দেরি হওয়ায় বিষয়টি দেখতে সেখানে যান আরও এক ঠিকা কর্মী। তিনিই দেখেন, জ্ঞান হারিয়ে পড়ে রয়েছেন ওই তিন ঠিকা কর্মী। এর পরেই তিনি বাকিদের খবর দেন। এর ঘণ্টা দুয়েক পর তাঁদের উদ্ধার করে ডিএসপি ইস্পাত কারখানার দমকল ও সিআইএসএফ। উদ্ধারের সময় অসুস্থ হয়ে পড়েন আরও চার জন। সঙ্গে সঙ্গেই আহতদের ইস্পাত কারখানার হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। ঘটনায় এখনও পর্যন্ত তিন ঠিকা শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। তাঁদের নাম সিন্টু যাদব (২৭), সন্তোষ চৌহান (২৭) ও সজন চৌহান (৪৮)।

ফেব্রুয়ারি ১৮, ২০২২
রাজ্য

রাজ্যের মন্ত্রীর স্ত্রী দুর্গাপুর এক্সপ্রেস ওয়েতে দুর্ঘটনার কবলে, বর্ধমান থেকে ছুটে গেলেন বাবা

দুর্ঘটনার কবলে রাজ্যের মন্ত্রী হুমায়ুন কবীরের স্ত্রী অনিন্দিতা দাস কবীরের গাড়ি। মঙ্গলবার বিকাল চারটে নাগাদ ঘটনাটি ঘটে গুড়াপ থানার বশিপুর মোড়ে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, এদিন বিকেলে বর্ধমানের দিক থেকে কলকাতার দিকে যাচ্ছিলেন মন্ত্রীর স্ত্রী তথা তৃণমূল নেত্রী অনিন্দিতা। গাড়িতে ছিলেন তাঁর সিকিউরিটি। দুর্ঘটনায় ড্রাইভারসহ তিন জনই জখম হয়েছেন।দুর্ঘটনাগ্রস্ত লালবাতি লাগানো গাড়িটি উদ্ধার করে পুলিশ গুড়াপ থানায় নিয়ে যায়। পুলিশ সূত্রে খবর, কলকাতা যাওয়ার পথে দুর্গাপুর এক্সপ্রেসওয়েতে বশিপুর এর কাছে হুমায়ুনের স্ত্রীর গাড়িতে পিছন থেকে ধাক্কা মারে একটি লরি। যার ফলে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ওই গাড়িটি দাঁড়িয়ে থাকা একটি কনটেইনারের পিছনে ধাক্কা মারে। দুমড়ে-মুচড়ে যায় গাড়িটি। লালবাতি গাড়িটির পিছনে ও সামনের অংশে ভেঙে গিয়েছে। দুর্ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে গুড়াপ থানার পুলিশ।মেয়ের দুর্ঘটনার খবর পেয়ে অনিন্দিতার বাবা বর্ধমান থেকে চলে আসেন। ঘন্টা তিন পরে বাবার গাড়িতে তাঁরা কলকাতা রওয়ানা হয়ে যান।

ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২২
রাজ্য

Durgapur: চিকিৎসায় গাফিলতির অভিযোগে মৃত্যুকে কেন্দ্র করে তীব্র উত্তেজনা দুর্গাপুরে

চিকিৎসায় গাফিলতিতে মৃত্য়ুকে ঘিরে তীব্র উত্তেজনা ছড়াল দুর্গাপুরে। মৃতের পরিবারকে ক্ষতিপূরণ ও অভিযুক্ত চিকিৎসকের শাস্তির দাবিতে হাসপাতালে দীর্ঘক্ষণ বিক্ষোভ চলে। হাসপাতালের কর্মীদের সঙ্গে মৃতের পরিবারের ধস্তাধস্তি শুরু হয়ে যায়। ঘটনাস্থলে পুলিশ এলে ক্ষোভে ফেটে পড়ে মৃতের পরিজনরা। পুলিশকে ঘিরে ধরে প্রবল দেখাতে থাকে। মৃতদেহ নিতে অস্বীকার করতে থাকে পরিবারের লোকেরা। চিকিৎসায় গাফিলতির অভিযোগে মৃত্যুকে কেন্দ্র করে ধুন্দুমার কান্ড ঘটে দুর্গাপুরের সোভাপুরের কাছে এক বেসরকারি হাসপাতালে। বৃহস্পতিবার এই ঘটনার জেরে হাসপাতাল চত্বরে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পুলিশকে ঘিরে ধরে ব্যাপক বিক্ষোভ শুরু করে দেয় মৃতের পরিবার-পরিজনরা। হাসপাতালের গেটের সামনে দাঁড়িয়ে পড়ে বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে উত্তাল হয়ে ওঠে। ধস্তাধস্তি শুরু হয়ে যায় হাসপাতাল কর্মীদের সঙ্গে। ঠেলাঠেলি শুরু হয়ে যায় পুলিশের সঙ্গেও। হাসপাতালের গেটের সামনে বসে পড়ে প্রবল বিক্ষোভ শুরু করে দেয় মৃতের পরিবার পরিজনরা।মৃতের পরিবারের দাবি. যত ক্ষণ না চিকিৎসক আসছেন ততক্ষন তাঁরা বসে থাকবেন হাসপাতালের গেটের সামনে। এছাড়া তাঁরা ক্ষতিপূরণের দাবি করতে থাকেন। প্রবল বিক্ষোভের জেরে হাসপাতালে চত্বরে চরম বিশৃঙ্খলা শুরু হয়। বোঝাতে এলে পুলিশকে ঘিরে ধরে শুরু হয় তুমুল বিক্ষোভ। গত ৮ নভেম্বর অন্ডালের কাজোড়ার কাজল মন্ডলকে বুকে ব্যাথা নিয়ে সোভাপুরের এই হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। স্বাস্থ্য সাথী কার্ড নিয়ে ভর্তি করা হয় এই হাসপাতালে। অভিযোগ, বুধবার পর্যন্ত রুগী ভালো আছে বলে জানানো হয় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে। কিন্তু বৃহস্পতিবার সকালে হঠাৎই হাসপাতাল থেকে খবর দেওয়া হয় রুগীর অবস্থা আশঙ্কাজনক, হাসপাতালে এসে দেখেন তাদেরকে প্রিয়জনের মৃত্য়ু হয়েছে। অবিলম্বে অভিযুক্ত চিকিৎসককে এসে ক্ষমা চাইতে হবে এই দাবিতে তুমুল বিক্ষোভ শুরু হয় হাসপাতাল গেটের সামনে, এরপরই শুরু হয় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে বচসা, দু এক কথা হতে হতে শুরু হয়ে যায় ধস্তাধস্তি, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে এলে তাদেরকে ঘিরে ধরেও প্রবল বিক্ষোভ শুরু হয় জনতার। গোটা ঘটনায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। এরই মধ্যে হাসপাতালের এক নিরাপত্তারক্ষীর বিরুদ্ধে মারধরের অভিযোগ তুলে উত্তপ্ত হয় হাসপাতাল চত্বর। দাবি ওঠে অবিলম্বে তাঁকে গ্রেপ্তার করতে হবে। ফের চলতে থাকে বিক্ষোভ। পরিস্তিতির সামাল দিতে ঘটনাস্থলে আসে দূর্গাপুর থানার পুলিশ। আটকে দেওয়া হয় হাসপাতালের বাকি রুগীদের পরিবার-পরিজনকে, পুলিশের মধ্যস্থাতায় পরিস্থিতি শান্ত হলেও ক্ষতিপূরণ আর অভিযুক্ত চিকিৎসকের শাস্তির দাবিতে চলতে থাকে বিক্ষোভ। মীমাংসা না হওয়া মৃতদেহ নিতে অস্বীকার করে মৃতের পরিবারের সদস্যরা। প্রবল উত্তেজনা থাকায় হাসপাতাল চত্বরে পুলিশ মোতায়ন রয়েছে। যদিও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ যাবতীয় অভিযোগ অস্বীকার করেছে।

নভেম্বর ১১, ২০২১
রাজ্য

Tragic Death: মৌমাছির কামড়ে মর্মান্তিক মৃত্যু বৃদ্ধের

মর্মান্তিক মৃত্যু বৃদ্ধের। মৌমাছির কামড়ে মৃত্যু হয়েছে এমএএমসি কলোনির বাসিন্দা ওই বৃদ্ধর। মৃতের নাম বিকে সিং। তাঁর বয়স আনুমানিক ৭০ বছর।সোমবার বিকেলের ঘটনা। স্থানীয়রা জানিয়েছেন, ওই বৃদ্ধ রাস্তা দিয়ে হেটে পারাপার করার সময় দুর্গাপুরের একটি সরকারি মহাবিদ্যালয়ের কাছে তাঁকে এক ঝাঁক মৌমাছি ঘিরে ধরে। ঘটনার পরই তিনি ছুটে স্থানীয় একটি নির্মীয়মাণ বাড়ির জলাশয় ঝাঁপ দেন। স্থানীয়রা উদ্ধার করে তাকে বিধাননগর মহকুমা হাসপাতালে ভর্তি করে।সোমবার গভীর রাতে হাসপাতালেই বৃদ্ধর মৃত্যু হয়। মঙ্গলবার মৃতদেহ ময়নাতদন্তের জন্য দুর্গাপুর মহকুমা হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়। পরিবারের সদস্যরা এলাকার বাসিন্দারা জানিয়েছেন, ওই রাস্তা দিয়ে পারাপার করতে হলে রীতিমতো আতঙ্কের মধ্যে পারাপার করতে হয়। কারণ ওই মৌমাছির ঝাঁক। জানা গিয়েছে, ওই বৃদ্ধ অবসরপ্রাপ্ত বিওএইচএল কারখানার অবসরপ্রাপ্ত আধিকারিক ছিলেন। তাঁর মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে এলাকায়।

অক্টোবর ১৯, ২০২১
রাজ্য

Covid: দুর্গাপুরে কোভিড আক্রান্ত তিন শিশু, বাড়ছে শ্বাসকষ্টজনিত জ্বর, আতঙ্ক শিল্পশহরে

দুদিন আগে দুর্গাপুর মহকুমা হাসপাতালের শিশু বিভাগে ইনজেকশন দেওয়ার পর শিশুরা অসুস্থ হয়ে পড়ে বলে অভিযোগ। আতঙ্কে শিশুদের নিয়ে হাসপাতাল ছাড়তে শুরু করে অভিভাবকরা। দূর্গাপুর মহকুমা হাসপাতাল কতৃপক্ষ আশ্বাস দিলেও শোনেনি তাঁরা। এবার এই হাসপাতালে তিন শিশুর শরীরে করোনা সংক্রমণ হওয়ায় নতুন করে আতঙ্ক ছড়িয়েছে।ইনজেকশন বিতর্কের মাঝেই দুর্গাপুর মহকুমা হাসপাতালে তিন শিশুর শরীরে কোভিডের নমুনা ধরা পড়ায় অভিভাবকদের মধ্যে দুশ্চিন্তা বেড়েছে। জানা গিয়েছে, একই সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে শ্বাসকষ্ট জনিত জ্বরে আক্রান্ত শিশুর সংখ্যা। এর ফলেই ক্রমশ উদ্বেগ বাড়ছে শিল্পশহর দুর্গাপুরে। পরিস্থিতি সামাল দিতে তৎপর জেলা স্বাস্থ্য দফতর।সূত্রের খবর, দুর্গাপুর মহকুমা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন সমস্ত শিশুরই কোভিড পরীক্ষা করা হচ্ছে। এর মধ্যেই শনিবার তিন শিশুর শরীরে কোভিডের নমুনা পাওয়া যায়। এই শিশুদের সঙ্গে সঙ্গেই কোডিড ওয়ার্ডে স্থানান্তরিত করা হয়েছে। পরিস্থিতির উপর নজর রাখছে জেলা স্বাস্থ্য দফতর। পশ্চিম বর্ধমান জেলার ডেপুটি CMOH কেকা মুখোপাধ্যায় জানিয়েছেন, করোনার থার্ড ওয়েভ নিয়ে স্বাস্থ্য দফতর চিন্তিত। একই সঙ্গে শিশুদের অভিভাবকদের আরও সতর্ক ভাবে কোভিড বিধি মেনে চলার পরামর্শ দেন।

সেপ্টেম্বর ২৬, ২০২১
রাজ্য

Durgapur Dharna: স্ত্রী-সন্তানকে বাড়িতে ফিরিয়ে নিয়ে যেতে চেয়ে শ্বশুরবাড়ির সামনে ধরনায় বসলেন স্বামী

স্বামীর ঘরে ফিরে যাওয়ার আবেদন করে শ্বশুরবাড়ির সামনে বধূর ধরনায় বসতে দেখা গিয়েছে। কিন্তু নিজের স্ত্রী ও সন্তানকে বাড়িতে ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়ার আবেদন করে আদালতের দ্বারস্থ হওয়ার ঘটনা খুব একটা চোখে পড়েনা। দুর্গাপুর শিল্পাঞ্চলের ৩৬ নম্বর ওয়ার্ডের ডিটিপিএস এলাকাতে এমনটাই ঘটতে দেখা গেল। এলাকার নিউ কলোনির বাসিন্দা দেবদুলাল দে নিজের স্ত্রী ও সাত বছরের সন্তানকে ফিরে পেতে শ্বশুরবাড়ির সামনেই ধরনায় বসেছেন। যদিও এর আগে বিষয়টি আদালত পর্যন্ত গড়িয়েছে। আরও পড়ুনঃ ইউপিএসসি-তে প্রথম দুশোয় বাংলার রিকি ও ময়ূরীজানা গিয়েছে, শাশুড়ির বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ করে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন দেবদুলাল বাবুর স্ত্রী অপর্ণা দেবী। বিষয়টির নিষ্পত্তি হলে শ্বশুরবাড়ি ছেড়ে মহিলা বাপের বাড়িতে চলে যান। ফিরে আসার কথা বললেও তিনি কথা শোনেনি। বরং শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের অভিযোগ করেছেন। আইনি চিঠিও পাঠানো হয়েছে কিন্তু তাতেও আখেড়ে কোনও লাভ হয়নি। দেবদুলাল বাবুর অভিযোগ, ছেলেকে তাঁর বাবা-মা দেখতে গেলে স্ত্রী ও তাঁ বাড়ির লোকজনেরা তাঁদের অপমান করেন। সব চেষ্টা বিফলে যাওয়ায় অবশেষে শ্বশুরবাড়ির সামনেই শনিবার ধরনায় বসলেন দেবদুলাল বাবু। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, স্ত্রী ও সন্তান বাড়িতে না ফিরলে তিনি আত্মহত্যার পথ বেছে নেবেন। আর এই ঘটনাকে কেন্দ্র করেই এদিন সকাল থেকেই এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। যদিও এখনও জানা যায়নি, স্বামীর কথা শুনে দেবদুলাল বাবুর স্ত্রী শ্বশুরবাড়িতে ফিরে যাবেন কি না। কারণ, আগেই তিনি স্পষ্ট জানিয়েছিলেন, তিনি কিছুতেই আর স্বামীর ঘরে ফিরে যাবেন না।

সেপ্টেম্বর ২৫, ২০২১
রাজ্য

Water Logged: জল যন্ত্রণার শিকার দুর্গাপুরের মহালক্ষ্মী পার্কনিবাসীরা, চিঠি লিখলেন মুখ্যমন্ত্রীকে

রাজ্যজুড়ে সক্রিয় মৌসুমী বায়ু। তার উপর আবার নিম্নচাপ। দুয়ে মিলে রাজ্যজুড়ে প্রবল বর্ষণ। জলমগ্ন রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত। আর এই জলযন্ত্রণার শিকার দুর্গাপুর বিধাননগরের মহালক্ষ্মী পার্ক। এলাকায় পাকা নর্দমার অভাবে টানা বৃষ্টিতে জলমগ্ন অবস্থায় দিন কাটছে মহালক্ষ্মী পার্ক নিবাসীবৃন্দর। স্থানীয় প্রশাসনকে বারংবার বলে কাজ না হওয়ায় অগত্যা দুর্গাপুর পৌর নিগম-এর মেয়রকে উদ্দেশ্য করে একটি চিঠি পাঠিয়েছেন এলাকার বাসিন্দারা। সেখানে তাঁরা উল্লেখ করেছেন যে, স্থানীয় প্রশাসনকে বিগত বছর ধরে জানিয়েও কোনও সুরহা পাননি। আরও পড়ুনঃ সিবিএসই দ্বাদশের ফলপ্রকাশ, পাশের হার ৯৯.৩৭%এক ঘণ্টা ভারী বৃষ্টি বা মাঝারি বৃষ্টিপাতেই এলাকার নালা ভরে রাস্তায় আবর্জনাজল উঠে আসে। ঝর্নাপল্লী বিধাননগর হাউজিং ও শরৎপল্লী এলাকায় এই আবর্জনা জলের সঙ্গে বাড়ির পাশেপাশে উঠে আসে বিষধর সাপ, ব্যাঙ ও নানা পোকামাকড়। দীর্ঘদিনের সমস্যা বৃ্হস্পতিবারের বৃষ্টির পর আরও বেড়ে গিয়েছে। বৃষ্টি থামলেও জল নামেনি এলাকার। বাড়িতে প্রায় জলবন্দি অবস্থায় দিন কাটাতে হচ্ছে বাসিন্দাদের। বাড়ির ভিতরে জল ঢুকে গিয়ে বিদ্যুৎ বিপর্যয়ের পরিস্থিতিও সৃষ্টি হয়েছে। এমতাবস্থায় প্রত্যেকদিন এরকম আতঙ্কের মধ্যে থাকা যায়না বলে পুরমাতা লাভলী রায় ও বরো চেয়ারম্যানের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে। এরওপর মুখ্যমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করার জন্য এই প্রচেষ্টা বলেও চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে। যাতে সত্ত্বর এই সমস্যা থেকে মুক্তি পায় এলাকার বাসিন্দারা। এবং নির্ভয়ে বসবাস করতে পারেন।

জুলাই ৩১, ২০২১
রাজ্য

Note: ঝোপ থেকে উদ্ধার বাতিল ৫০০-র নোট

পশ্চিম বর্ধমানের দুর্গাপুরে রাস্তার ধারে ঝোপজঙ্গল থেকে উদ্ধার হল লক্ষাধিক টাকার পুরনো পাঁচশো টাকার নোট! আগাছা পরিষ্কার করতে গিয়ে এই পুরনো ৫০০ টাকা ভর্তি বস্তা দেখতে পান ১০০ দিনের কাজের সাফাইকর্মীরা। প্রায় পাঁচ বছর আগে নোট বাতিলে অচল হয়ে যাওয়া এত পুরনো নোট কীভাবে এলাকায় এল, তার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। গোটা ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়েছে।নোট বাতিলের প্রায় ৫ বছর পর বাতিল পাঁচশো টাকার নোটের দেখা মিলল পশ্চিম বর্ধমানের দুর্গাপুরের সিজোন এলাকায়। সেখানে পড়েছিল গুচ্ছ গুচ্ছ বাতিল ৫০০ টাকার নোট। রাস্তার ধারে দুর্গাপুর পুরসভার আগাছা সাফাইয়ের কাজ চলছিল। সেই সময় শ্রমিকরা দেখতে পান নোটগুলি। কোথা থেকে কীভাবে এল লক্ষাধিক টাকার পুরনো নোট, খতিয়ে দেখছে পুলিশ। উল্লেখ্য, ২০১৬-র ৮ নভেম্বর ৫০০ ও ১০০০ টাকার নোট বাতিলের সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি । দুর্নীতি ও কালো টাকা দমনে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয় বলে জানিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী। ২০১৬ সালের ৮ নভেম্বর জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে তখনকার সময়ে চালু থাকা ৫০০ ও হাজার টাকার নোটকে বাতিল বলে ঘোষণা করেছিলেন নরেন্দ্র মোদি। প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণায় রাতারাতি কাগজের টুকরোয় পরিণত হয় ৫০০ ও হাজার টাকার নোট।

জুলাই ২৬, ২০২১
রাজ্য

Murder: দুর্গাপুরে দিদিকে ইট দিয়ে থেতলে খুন, গ্রেফতার ভাই

পারিবারিক সম্পত্তিগত বিবাদে নিজের দিদিকে মাথায় ইট দিয়ে থেতলে খুন করল ভাই। রবিবার দুর্গাপুরের নিউটাউনশিপ থানার স্টিল পার্কের এই নৃশংস খুনের ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। জানা গিয়েছে, মৃতা নুপুর চ্যাটার্জী(৪৬) হাওড়াতে থাকতেন। ভোটের আগে দুর্গাপুরে স্টিল পার্কে বাড়িতে এসেছিলেন। আর এরপর থেকেই দীর্ঘদিনের সম্পত্তিগত বিবাদ ফের মাথা চাড়া দেয়।আরও পড়ুনঃ ছাদ থেকে পড়ে বৃদ্ধার মৃত্যু, আত্মহত্যা না দুর্ঘটনা?পুলিশের বক্তব্য, প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে সম্পত্তি নিয়ে বাড়িতে ছোটখাটো ঝঞ্ঝাট লেগেই থাকত। এদিন ইট দিয়ে মাথায় আগাত করে দিদিকে মেরে ফেলে ভাই। তারপর নিজেও আত্মহত্যা করার চেষ্টা করেছিল। ঘটনার কথা সে স্বীকারও করেছে। বাড়িতে বিধবা মা-ও থাকেন। তদন্তে বিষয়টা আরও স্পষ্ট হবে।রবিবার দুপুরে দু এক কথা হতে হতে ঝগড়া চরমে ওঠে। নুপুরদেবী বাড়ীর ছাদে কাপড় মেলতে উঠেছিল। ঠিক সেই সময় নুপুরের দাদা মলয় বাড়ীর ছাদে উঠে দিদিকে চেপে ধরে মাথায় ইটের আঘাত করতে শুরু করে। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় নুপুর চট্টোপাধ্যায়ের। প্রতিবেশীরা এই খবর জানতে পেরে পুলিশকে খবর দেয়। পুলিশ এসে অভিযুক্ত মলয় চট্টোপাধ্যায়কে গ্রেপ্তার করে। মলয় দুর্গাপুরের বেসরকারি এক কলেজের কর্মী। গোটা ঘটনায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে দুর্গাপুরের নিউটাউনশীপ থানার স্টিল পার্ক এলাকায়।আরও পড়ুনঃ হিজবুল মুজাহিদিনের নামে হুমকির সিডি রায়গঞ্জে, হুঙ্কার প্রাথমিকে নিয়োগ নিয়েএদিনের ঘটনা প্রত্যক্ষ করেছেন মলয়ের স্ত্রী মৌমিতা চট্টোপাধ্যায়। তিনি বলেন, এদিন ননদ জামাকাপড় মেলতে ছাদে উঠছিল। তখন তাঁর পিছনে আমার স্বামীও ওঠে। ননদের চিৎকার শুনতে পাই। আমার স্বামী ইট দিয়ে ননদের মাথায় আঘাত করতে থাকে। সে নৃশংস দৃশ্য। নিমিষেই সব শেষ হয়ে যায়। নিয়মিত বাড়িতে ঝগড়া হয়। তবে এদিন তেমন কিছু হয়নি। বিয়ের পর থেকে বাড়ির অন্যরা আমাকে মেনে নিতে পারেনি। আমি বলেছিলাম বাড়ি ছেড়ে ভাড়াবাড়িতে গিয়ে উঠি।

জুলাই ১৮, ২০২১
রাজ্য

Cheating Style: কীভাবে ফাঁদে ফেলত চাকরির প্রতারণা চক্র? কারাই বা পান্ডা?

চিটফাণ্ড কাণ্ডে এরাজ্যে লক্ষ লক্ষ মানুষ নিঃস্ব হয়েছে। এবার চাকরি, তার সঙ্গে প্রশিক্ষণের নামে সক্রিয় প্রতারণা চক্র। করোনা আবহেও তারা অতি-সক্রিয়। তদন্তে নেমে পুলিশ জানতে পেরেছে এই প্রতারণা চক্রের জাল বহুদূর বিস্তৃত রয়েছে, যার সঙ্গে যোগসাজস থাকতে পারে প্রভাবশালীদেরও। কীভাবে এই চক্র জাল বিছিয়ে ছিল? কারাই বা এই কাণ্ডের মাথা?আরও পড়ুনঃ কীভাবে ফাঁদে ফেলত চাকরির প্রতারণা চক্র? কারাই বা পান্ডা?পুলিশ জানিয়েছে, ধৃতরা হল মিহির কুমার দাস, আলি হোসেন, হাসিবুল রহমান, আবুল বাসদ, রিয়াজুল ইসলাম, ইব্রাহিম শেখ, শ্যামসুল আলম ও মলয় কর্মকার। এই ধৃতদের মধ্যে প্রথম ছয় জন মুর্শিদাবাদ জেলার বাসিন্দা। বাকিদের মধ্যে শ্যামসুল বীরভূম জেলার নলহাটি থানার গোপালচক ও মলয় কর্মকার হুগলির সিঙ্গুর থানার জগৎনগর এলাকার বাসিন্দা। পুলিশের দাবি ধৃতদের কাছ থেকে উদ্ধার হয়েছে ৭টি মোবাইল ফোন, ৩ টি পেনড্রাইভ, ৭টি স্ট্যাম্প, অশোকস্তম্ভ দেওয়া বেশ কিছু নথিপত্র ও ফর্ম, কয়েকটি রেজিস্টার খাতা, ১লক্ষ ১০ হাজার ৫০০ টাকা, সংবাদপত্রে দেওয়া বিজ্ঞাপনের কপি এবং একটি দামি চারচাকা গাড়ি। এ ছাড়াও উচ্চপদস্থ আধিকারিকদের কাছে পাঠানো চিঠি, পথ-সুরক্ষা নিয়ে রাজ্যপালের শংসাপত্রও উদ্ধার হয়েছে বলে পুলিশ দাবি করেছে।আরও পড়ুনঃ গানওয়ালার গান চুরির অভিযোগ, ক্ষোভপ্রকাশ সামাজিক মাধ্যমেপ্রতারণার একাধিক ধাারায় মামলা রুজু করে পুলিশ মঙ্গলবার ৮ ধৃতকে পেশ করে বর্ধমান আদালতে। প্রতারণা চক্রে জড়িত বাকি পাণ্ডাদের হদিশ পেতে ও তদন্তের প্রয়োজনে তদন্তকারী অফিসার ধৃতদের মধ্যে মিহির দাস, আবুল বাসার ও মলয় কর্মকারকে ৭ দিন নিজেদের হেপাজতে নিতে চেয়ে এদিন আদালতে আবেদন জানান। সিজেএম ৩ ধৃতের ৫ দিনের পুলিশি হেপাজত ও বাকিদের জেল হেপাজতে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন। অভিযুক্তদের দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন প্রতারিত চাকরি প্রার্থীরা।আরও পড়ুনঃ দাম্পত্যে ইতি। বিবাহ বিচ্ছেদের সিদ্ধান্ত লাগান খ্যাত ভুবনেরপথ সুরক্ষার প্রশিক্ষণ দিয়ে প্রায় তিন হাজার বেকার যুবক -যুবতীয় কাছে একটি সংস্থার নাম করে প্রতারকরা কয়েক কোটি টাকা তুলেছে বলে অভিযোগ। মঙ্গলবার জেলার মেমারির পালসিটের একটি ধাবাতে প্রশিক্ষণ নেওয়া কর্মপ্রার্থীদের শপথ পত্রে সই করাতে আসে প্রতারক দলটি। মেমারির কানাইডাঙা নিবাসী সেখ মইনুল হাসান নামে এক প্রতারিত যুবক প্রতারকদের বিষয়ে ওইদিনই মেমারি থানায় অভিযোগ জানান। পালশিটের এক ধাবায় হাজির হয়েছিলেন ৩৩ জন কর্মপ্রার্থী। তাঁরা মূলত পূর্ব বর্ধমান, পশ্চিম বর্ধমান, বীরভূম, হুগলি জেলার বাসিন্দা। তাঁদের মধ্যে মেমারির কানাইডাঙার মইনুল হাসান সহ ২০ জন পুলিশকে প্রতারণার কথা জানান। মইনুল হাসানের দায়ের করা অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ মামলা রুজু করেছে।আরও পড়ুনঃ শিব- পার্বতীর বিবাহ স্থলেযুবক মইনুল হাসান পুলিশকে অভিযোগে জানিয়েছে, ২০১৮ সালের জানুয়ারি মাসের প্রথম সপ্তাহে শক্তিগড়ের সামন্তী গ্রামের বাসিন্দা ধনঞ্জয় মাঝির মাধ্যমে তাঁর মুর্শিদাবাদের নবগ্রামের মিহির কুমার দাসের পরিচয় হয়। ওই ব্যক্তির সঙ্গেই তারকেশ্বরের মহেশপুরের বিনয় কুমার মালিকের কাছে গিয়ে তিনি কেন্দ্র সরকারের চাকরির আশায় ৫৫ হাজার টাকা দেন। তাঁদের গ্রামের শেখ গোলাম মহম্মদ ছাড়াও আরও কোন কোন কর্মপ্রার্থী কত টাকা চাকরির জন্য দিয়েছে তাও তিনি পুলিশকে লিখিত ভাবে জানিয়েছেন। ওই যুবক জানিয়েছে, ২০১৭ সাল থেকে এই চক্রটি চলছে। দুর্গাপুর এক্সপ্রেসওয়ে-সহ রাজ্যের অন্য লেনে পথ নিরাপত্তার কাজে তাঁদের নিয়োগ করা হবে বলে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল। কেন্দ্র সরকারের তরফে এই চাকরি দেওয়া হবে বলে জানিয়ে কর্মপ্রার্থীদের কাছে আবেদন নেওয়া হয়। তারপর ৬০ হাজার থেকে সাড়ে চারলক্ষ টাকা ধাপে ধাপে কর্মপ্রার্থীদের কাছ থেকে নেওয়া হয়। এরপর কলকাতার কসবার কাছে একটি বেসরকারি হাসপাতালে তাঁদের শারীরিক পরীক্ষা করানো হয়। এরপর তাঁদের বারাসাতে তিনদিনের প্রশিক্ষণও দেওয়া হয়। যদিও ধৃতরা দাবি করেছে, চাকরি দেওয়ার নাম করে নয়, প্রশিক্ষণ দেওয়ার নামে ২৫ হাজার টাকা করে তাঁরা নিয়েছেন।আরও পড়ুনঃ বিধানসভায় দিলীপ-মদনের রঙিন রসিকতাজেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কল্যাণ সিংহ রায় জানিয়েছেন, ধৃতদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ করে জানা গিয়েছে, তাঁদের হেড অফিস কলকাতার নিমতা থানার বিরাটিতে। জনৈক দেবকুমার চট্টোপাধ্যায় হচ্ছেন ওই সংস্থার প্রধান। গোটা চক্রটিকে ধরার চেষ্টা চলছে।

জুলাই ০৬, ২০২১
স্বাস্থ্য

Vaccinated Without Vaccine: করোনা টিকার দ্বিতীয় ডোজ না নিয়েও ’ফাইনাল সার্টিফিকেট’! তারপর কি ঘটল?

প্রদীপ চট্টোপাধ্যায়করোনা ভ্যাকসিনের দ্বিতীয় ডোজ না নেওয়া সত্ত্বেও ফাইনাল সার্টিফিকেট চলে এসেছে বর্ধমানের এক বাসিন্দার। কোউইন অ্যাপ (CoWin App) থেকে ডাউনলোড করে এমন সার্টিফিকেট পাওয়ার পরেই কার্যত চোখ কপালে উঠে গিয়েছে শহর বর্ধমানের টিকরহাটের বাসিন্দা উত্তম সাহার। এমন সার্টিফিকেট আসার পর আর দ্বিতীয় ডোজের ভ্যাকসিন পাবেন কিনা তা নিয়েই দুঃশ্চিন্তায় পড়ে গিয়েছেন উত্তম বাবু। বিষয়টি নিয়ে তিনি সোমবার জেলা প্রশাসন ও স্বাস্থ্য দপ্তরের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। উত্তমবাবুর সমস্যা সমাধানের আশ্বাস দিয়েছেন পূর্ব বর্ধমানের জেলা শাসক।আরও পড়ুনঃ ছোট্ট ছুটির ঠিকানা সিঙ্গিবর্ধমানের সরাইটিকরের বাসিন্দা বছর ৫৭ বয়সী উত্তম সাহা প্রশাসনকে জানিয়েছেন, গত ৬ এপ্রিল তিনি কোভিশিল্ডের প্রথম ডোজের টিকা নেন বর্ধমান পৌরসভার স্বাস্থ্য কেন্দ্রে। তারপর সম্প্রতি তিনি কোউইন অ্যাপ থেকে ওই প্রথম ডোজের সার্টিফিকেট ডাউনলোড করেন । তখনই তিনি জানতে পারেন ২৯ জুন থেকে ২৭ জুলাইয়ের মধ্যে তাঁকে দ্বিতীয় ডোজের টিকা নিতে হবে। তার জন্য কয়েকদিন আগে তিনি কোউইন অ্যাপের মাধ্যমে শ্লট বুকিং করেন। তাঁকে মেমারি গ্রামীণ হাসপাতালের অধীন দুর্গাপুর প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ৩ জুলাই দ্বিতীয় ডোজের টিকা নেওয়ার স্লট বুকিং দেওয়া হয়। উত্তম বাবু বলেন, যেহেতু তিনি ডায়াবেটিক রোগী তাই মেমারি যেতে চাননি।আরও পড়ুনঃ দাম্পত্যে ইতি। বিবাহ বিচ্ছেদের সিদ্ধান্ত লাগান খ্যাত ভুবনেরকোউইন (CoWin) অ্যাপের মাধ্যমে বুকিং ক্যানসেল করার চেষ্টা করেন। কিন্তু তিনি তা পারেননি। ৩ জুলাই মেমারিতে দ্বিতীয় ডোজের ভ্যাকসিন নিতে যেতেও পারেননি। উত্তমবাবু জানান, তিনি দ্বিতীয় ডোজের ভ্যাকসিন নিতে যেতে না পারলেও তাঁর মোবাইলে দ্বিতীয় ডোজের ভ্যাকসিন নেওয়ার সার্টিফিকেট চলে আসে। সেই সার্টিফিকেট কোউইন অ্যাপের মাধ্যমে ডাউনলোডও করা যাচ্ছে বলে উত্তম বাবু দাবি করেন।আরও পড়ুনঃ গানওয়ালার গান চুরির অভিযোগ, ক্ষোভপ্রকাশ সামাজিক মাধ্যমেউত্তম বাবুর অভিযোগ পাওয়ার পর জেলাশাসক প্রিয়াংকা সিংলা সমস্যা সমাধানের আশ্বাস দিয়েছেন। স্বাস্থ্য দপ্তরের বক্তব্য, প্রযুক্তিগত সমস্যায় এমনটা ঘটছে। ভ্যাকসিন নেওয়ার স্লট বুকিং থাকলে অনেক ক্ষেত্রে ফাইনাল সার্টিফিকেট চলে আসছে। তবে ত্রুটি সংশোধন করে জেলা স্বাস্থ্য দপ্তর মঙ্গলবার উত্তম সাহার দ্বিতীয় ডোজের টিকা পাওয়ার ব্যবস্থা করেছে বলে জানা গিয়েছে।

জুলাই ০৬, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজনীতি

হুমায়ুন গ্রেফতার, অধীরের অবস্থান! রেজিনগর উপনির্বাচনে দিনভর তপ্ত রাজনীতি, "জিতবে বিজেপিই" - শুভেন্দু

রেজিনগর বিধানসভার উপনির্বাচন ঘিরে দিনভর উত্তপ্ত মুর্শিদাবাদ। শাসক দলের বিরুদ্ধে বুথ দখল, ভোট লুট এবং বিরোধী দলের এজেন্টদের বুথ থেকে বের করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। বিষয়টি নিয়ে নির্বাচন কমিশনের কাছে অভিযোগ জানিয়েছে মমতা তৃণমূল কংগ্রেস এবং কংগ্রেস। অভিযোগের প্রতিবাদে বহরমপুরে জেলা প্রশাসনিক ভবনের সামনে অধীর চৌধুরীর নেতৃত্বে অবস্থান বিক্ষোভও হয়। গ্রেফতার করা হয় আজপ নেতা তথা বিধায়ক হুমায়ুন কবিরকে। নন্দীগ্রাম ও রেজিনগরের ভোট বাতিলের দাবি জানিয়েছে কংগ্রেস। তবে ভোটের দিন সকালেই সবচেয়ে বেশি চর্চায় আসে আমজনতা উন্নয়ন পার্টির চেয়ারম্যান তথা নওদার বিধায়ক হুমায়ুন কবিরের গ্রেপ্তারি। তাঁর ছেলে গোলাম নবি আজাদ রেজিনগর উপনির্বাচনে আমজনতা উন্নয়ন পার্টির প্রার্থী। সকালে শক্তিপুরে নিজের বাড়ির কাছের বুথে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে ভোট দেন হুমায়ুন। বুথ থেকে বেরিয়ে পুলিশের বিরুদ্ধে রাজ্য সরকারের হয়ে কাজ করার অভিযোগ তুলে কুকুর বলে কটাক্ষ করেন তিনি। পাশাপাশি বলেন, কুকুরকে কীভাবে মুগুর মেরে শায়েস্তা করতে হয়, তা তিনি ভালোভাবেই জানেন। প্রয়োজনে পাল্টা অ্যাটাকের কথাও বলেন তিনি।এরপর রেজিনগর পার্টি অফিসে যাওয়ার পথে সেখানে পৌঁছে যায় রেজিনগর থানার আইসি। হুমায়ুনকে পার্টি অফিস ছেড়ে চলে যেতে বলা হলে পুলিশের সঙ্গে তাঁর তীব্র বচসা শুরু হয়। পরে আইসির নেতৃত্বে পুলিশ তাঁকে টেনে-হিঁচড়ে গাড়িতে তুলে থানায় নিয়ে যায়। পরবর্তীতে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। জেলা পুলিশের এক আধিকারিক জানান, আইন লঙ্ঘনের অভিযোগেই হুমায়ুনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ভোটের দিন এভাবে সংশ্লিষ্ট এলাকায় ঘোরাফেরা করা যায় না, একথা একজন বিধায়কের জানা দরকার বলে জানান খোদ মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেন, নন্দীগ্রামে আমাদের ব্যবধান অনেকটা বাড়বে। গতবারের থেকে ৫থেকে ৬ গুন তো বাডডবেই। মার্জিন কম হলেও রেজিনগরে আমরা জিতবো। মুসলিম যুবক ও মহিলাদের বড় অংশ বিজেপিকে ভোট দিয়েছে।অন্যদিকে কংগ্রেস নেতা অধীর চৌধুরীর অভিযোগ, রেজিনগরে নিশ্চুপ সন্ত্রাস ও ভোট লুট চলছে। তাঁর দাবি, পুলিশ বিজেপির ক্যাডারের ভূমিকা পালন করছে এবং কংগ্রেস এজেন্টদের বুথে ঢুকতে দেওয়া হয়নি। হুমায়ুনের গ্রেপ্তারি প্রসঙ্গে অধীর বলেন, তাঁকে দিয়ে নাটক করানো হচ্ছে এবং তিনি বিজেপির গেস্ট আর্টিস্ট।মমতা তৃণমূলের প্রার্থী রবিউল ইসলাম চৌধুরীর অভিযোগ, পুলিশ দাঁড়িয়ে থেকে বিরোধী এজেন্টদের বের করে দিয়ে বুথ দখল করেছে। সিপিএমের জেলা সম্পাদক জামির মোল্লার দাবি, ভোটের নামে প্রহসন হয়েছে। যদিও বিজেপি প্রার্থী শাখারভ সরকার ভোট শান্তিপূর্ণ হয়েছে বলে দাবি করেছেন। বিকেল ৫টা পর্যন্ত রেজিনগরে ৭৮ শতাংশ ভোট পড়েছে।

অক্টোবর ০৬, ২০২৬
রাজ্য

বন্যপ্রাণী সপ্তাহে দীননাথ দাস বিদ্যালয়ে ফিটনেস ও পরিবেশ সচেতনতার পাঠ

ফিট ইন্ডিয়া থেকে মাইক্রোপ্লাস্টিকের বিপদশরীরচর্চা, কুইজ ও বন্যপ্রাণী পরিচিতির মাধ্যমে দিনভর শিক্ষামূলক কর্মসূচিবর্ধমান: শরীর সুস্থ রাখতে নিয়মিত শরীরচর্চা, আর পরিবেশ ও বন্যপ্রাণী রক্ষায় সচেতনতাদুই বার্তাকেই সামনে রেখে বর্ধমানের কাঞ্চননগর দীননাথ দাস উচ্চ বিদ্যালয়ে আয়োজিত হল একাধিক শিক্ষামূলক কর্মসূচি। ফিট ইন্ডিয়া ভাবনায় শরীরচর্চা ও ক্রীড়া প্রশিক্ষণের পাশাপাশি বন্যপ্রাণী সপ্তাহ উপলক্ষে বর্ধমান সায়েন্স সেন্টারে গিয়ে পরিবেশ, মাইক্রোপ্লাস্টিক এবং জীববৈচিত্র্য সম্পর্কে জানল বিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীরা।বিদ্যালয়ের শিক্ষক সঞ্জীব নন্দীর উদ্যোগে প্রথমে পড়ুয়াদের নিয়ে যাওয়া হয় বিদ্যালয়ের মাঠে। সারিবদ্ধভাবে দাঁড় করিয়ে বয়স অনুযায়ী বিভিন্ন শারীরিক অনুশীলনে অংশগ্রহণ করানো হয় তাদের। কাঠের ডাম্বেল দিয়ে নানা ধরনের ব্যায়াম ও ক্রীড়ামূলক প্রশিক্ষণের মাধ্যমে ছোটদের বোঝানো হয়, কীভাবে নিয়মিত শরীরচর্চার অভ্যাস গড়ে তুলে নিজেকে ফিট রাখা যায়।এরপর আয়োজন করা হয় বিভিন্ন দূরত্বের দৌড়। শেষপর্বে দল তৈরি করে ছাত্রছাত্রীরা অংশ নেয় কাবাডি খেলায়। শরীরচর্চার পাশাপাশি খেলাধুলার মাধ্যমে দলগত মানসিকতা, শৃঙ্খলা ও আত্মবিশ্বাস গড়ে তোলার বার্তাও দেওয়া হয়।বিদ্যালয়ের শিক্ষক অনিমেষ বর্মন বলেন, ফিটনেস কোনও সাময়িক বিষয় নয়, এটি ধারাবাহিক কর্তব্য। ছোট বয়স থেকেই স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনের অভ্যাস তৈরি করতে বিদ্যালয় বিশেষভাবে যত্নশীল।মাইক্রোপ্লাস্টিক নিয়ে সচেতনতার পাঠঅন্যদিকে, চলতি বন্যপ্রাণী সপ্তাহ উপলক্ষে বর্ধমান সায়েন্স সেন্টারে আয়োজিত বিভিন্ন অনুষ্ঠানে অংশ নেয় বিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীরা। শিক্ষক-শিক্ষিকাদের সঙ্গে সেখানে গিয়ে প্রথমেই মাইক্রোপ্লাস্টিকের ক্ষতিকর প্রভাব নিয়ে সচেতনতামূলক সেমিনারে অংশ নেয় পড়ুয়ারা।বিজ্ঞানীরা সহজ ভাষায় ব্যাখ্যা করেন, পরিবেশে মাইক্রোপ্লাস্টিকের বিস্তার কীভাবে জীবজগতের উপর প্রভাব ফেলছে। পরিবেশ দূষণ কমাতে সচেতন নাগরিক হিসেবে ছোটদের কী ভূমিকা থাকা উচিত, সেই বিষয়েও দেওয়া হয় গুরুত্বপূর্ণ বার্তা।এরপর বিভিন্ন বিষয়ের উপর আয়োজিত কুইজ প্রতিযোগিতায় উৎসাহের সঙ্গে অংশ নেয় বিদ্যালয়ের পড়ুয়ারা। সঠিক উত্তর দিয়ে বিভিন্ন শ্রেণির বেশ কয়েকজন ছাত্রছাত্রী পুরস্কারও অর্জন করে। ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্র অয়নাংশু পুরস্কার পেয়ে নিজের আনন্দের কথা জানায়।প্রকৃতিকে কাছ থেকে চেনার সুযোগসেমিনার ও কুইজের পর রমনার বাগানে নিয়ে যাওয়া হয় পড়ুয়াদের। সেখানে সায়েন্স সেন্টারের আধিকারিকরা বিভিন্ন পশুপাখির সঙ্গে তাদের পরিচয় করান। প্রাণীদের বৈশিষ্ট্য, পরিবেশে তাদের ভূমিকা এবং জীববৈচিত্র্য রক্ষার প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে পড়ুয়াদের বোঝানো হয়।শিক্ষক সামিম মণ্ডলের কথায়, ছোটদের কাছে আজকের শিক্ষামূলক ভ্রমণ ছিল অত্যন্ত আনন্দের। একইসঙ্গে তারা প্রকৃতি ও বন্যপ্রাণী সম্পর্কে বাস্তব অভিজ্ঞতা অর্জনের সুযোগ পেয়েছে।বিদ্যালয়ের রাষ্ট্রপতি পুরস্কারপ্রাপ্ত প্রধানশিক্ষক ড. সুভাষচন্দ্র দত্ত বলেন, বিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীরা নিয়মিত সায়েন্স সেন্টারের বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশ নেয় এবং বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় পুরস্কারও অর্জন করে। বন্যপ্রাণী সপ্তাহে সরকারের এই ধরনের উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে তিনি বলেন, পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য সম্পর্কে পড়ুয়াদের সচেতন করে তোলার এই প্রচেষ্টা জাতীয় শিক্ষানীতির লক্ষ্য পূরণেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।ফিটনেস, পরিবেশ সচেতনতা ও বন্যপ্রাণী সংরক্ষণতিনটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তাকে একসঙ্গে সামনে রেখে দীননাথ দাস উচ্চ বিদ্যালয়ের এই উদ্যোগ পড়ুয়াদের কাছে শুধু একটি অনুষ্ঠান নয়, হয়ে উঠল বাস্তব অভিজ্ঞতার মাধ্যমে শেখার এক অভিনব পাঠ। সমগ্র অনুষ্ঠানটি লিপিবদ্ধ করেন দীপ্ত সুন্দরবাবু।

অক্টোবর ০৬, ২০২৬
রাজ্য

এসআইআরে নাম বাদ? এবার ফের ভোটার তালিকায় ওঠার সুযোগ! কী করতে হবে, জানাল কমিশন

এসআইআর প্রক্রিয়ায় ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়া যোগ্য নাগরিকদের নাম ফের তোলার প্রক্রিয়া শুরু করল রাজ্য। জাতীয় নির্বাচন কমিশনের নির্দেশের পর সিইও দফতর এই প্রক্রিয়া শুরু করেছে। মঙ্গলবার অতিরিক্ত মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক অরিন্দম নিয়োগীর তরফে এ বিষয়ে নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে। অনুপস্থিত, স্থানান্তরিত, মৃত অথবা এএসডিডি তালিকায় থাকা কারণে যাঁদের নাম বাদ পড়েছে, তাঁদের মধ্যে যোগ্য ভোটারদের ফের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করার সুযোগ দেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি যাঁরা প্রথম বার ভোটার তালিকায় নাম তুলতে চান, তাঁরাও আবেদন করতে পারবেন।অর্থাৎ, এসআইআর প্রক্রিয়ায় নাম বাদ পড়লেও কেউ যদি এখনও ভোটার হওয়ার যোগ্য হন, তা হলে নতুন করে নাম তোলার আবেদন করতে পারবেন। এর জন্য অনলাইনে অথবা সংশ্লিষ্ট বিএলও-র কাছে ফর্ম ৬ জমা দেওয়া যাবে। সিইও দফতরের ওয়েবসাইটে বাদ পড়া ভোটারদের তালিকাও রাখা হয়েছে। সেই তালিকায় নিজের নাম রয়েছে কি না দেখে প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়ায় আবেদন করা যাবে।পাশাপাশি যাঁদের বয়স ১৮ বছর পূর্ণ হয়েছে, তাঁরাও নতুন ভোটার হিসেবে নাম তোলার আবেদন করতে পারবেন। অনলাইন এবং অফলাইনদুই পথেই আবেদন করার সুযোগ থাকছে। অর্থাৎ এসআইআরে বাদ পড়া যোগ্য ভোটারদের পাশাপাশি প্রথম বার ভোটার হতে চলা তরুণ-তরুণীদের জন্যও এই প্রক্রিয়া গুরুত্বপূর্ণ।এসআইআর প্রক্রিয়ার প্রাথমিক পর্বে রাজ্যে বিপুল সংখ্যক ভোটারের নাম নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল। সিইও দফতরের প্রকাশিত তথ্যেও এএসডিডি তালিকা এবং বাদ পড়া ভোটারদের তালিকা আলাদা করে প্রকাশ করা হয়েছে। সেই তালিকা দেখে যোগ্য ভোটারদের দাবি জানানোর সুযোগ রয়েছে।নির্বাচন কমিশনের সাম্প্রতিক নির্দেশ অনুযায়ী, এসআইআর শেষ হয়ে যাওয়া রাজ্যগুলিতে বাদ পড়া যোগ্য ভোটারদের ফের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করার জন্য বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। পশ্চিমবঙ্গও সেই প্রক্রিয়ার মধ্যে রয়েছে। কমিশনের বক্তব্য অনুযায়ী, এসআইআর চলাকালীন যাঁদের নাম তালিকায় ওঠেনি, অথচ তাঁরা যোগ্য ভোটার, তাঁদের জন্য ফের আবেদন করার সুযোগ রাখা হচ্ছে।এদিকে বাংলায় বেশ কিছু ভোটারের নাম নিয়ে ট্রাইব্যুনালে মামলা বিচারাধীন রয়েছে। যাঁদের নাম নিয়ে আপত্তি বা মামলা রয়েছে, তাঁদের ক্ষেত্রেও আদালত ও ট্রাইব্যুনালের নির্দেশ অনুযায়ী পরবর্তী পদক্ষেপ হবে। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে সংশ্লিষ্ট ট্রাইব্যুনালগুলির কাজ চলছে।তবে নতুন প্রক্রিয়ায় আবেদন করার শেষ তারিখের কথা মঙ্গলবারের নির্দেশিকায় উল্লেখ করা হয়নি। ফলে যাঁদের নাম এসআইআর প্রক্রিয়ায় বাদ পড়েছে, তাঁদের দ্রুত নিজেদের নাম সংশ্লিষ্ট তালিকায় রয়েছে কি না দেখে নেওয়া এবং প্রয়োজন হলে ফর্ম ৬-এর মাধ্যমে আবেদন করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। ভোটার তালিকায় নাম ফেরানোর এই নতুন প্রক্রিয়ায় এখন নজর থাকছে পরবর্তী নির্দেশের দিকে।

অক্টোবর ০৬, ২০২৬
দেশ

জ্ঞানেশকে সরানোর দাবি, এবার রাষ্ট্রপতির দ্বারস্থ রাহুল-মমতারা! চিঠিতে কী লিখল ইন্ডি জোট?

মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের অপসারণের দাবি নিয়ে এবার রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর দ্বারস্থ হতে চাইছে ইন্ডি জোট। রাষ্ট্রপতির সঙ্গে দেখা করার সময় চেয়ে চিঠি পাঠিয়েছেন জোটের নেতারা। বুধবার থেকে শুক্রবারের মধ্যে যে কোনও সময়ে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে দেখা করার জন্য সময় চাওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। তবে এখনও পর্যন্ত রাষ্ট্রপতি ভবনের তরফে সেই চিঠির কোনও জবাব দেওয়া হয়নি।বিশেষ করে এসআইআর প্রক্রিয়া নিয়ে বেশ কিছু দিন ধরেই নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে সরব বিরোধী দলগুলি। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন ইন্ডি জোটের একাধিক নেতা। তাঁকে পদ থেকে সরানোর দাবিও জানানো হয়েছে। এর আগে ইন্ডি জোটের নেতারা জ্ঞানেশ কুমারের অপসারণের দাবিতে যৌথ আন্দোলনের কর্মসূচি নিয়েছিলেন।রাষ্ট্রপতিকে লেখা চিঠিতে রাহুল গান্ধী, মল্লিকার্জুন খাড়্গে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, অখিলেশ যাদব, ওমর আবদুল্লা, শরদ পওয়ার, এম এ বেবি, তেজস্বী যাদব-সহ ইন্ডি জোটের একাধিক দলের শীর্ষ নেতার রাষ্ট্রপতির সঙ্গে দেখা করার ইচ্ছার কথা জানানো হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের কাজকর্ম নিয়ে তাঁদের অভিযোগ এবং মুখ্য নির্বাচন কমিশনারকে অপসারণের দাবি রাষ্ট্রপতির কাছে তুলে ধরতেই এই সাক্ষাতের সময় চাওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।এই চিঠি পাঠানোর ঘটনাটি এমন এক সময়ে ঘটল, যখন দিল্লিতে নির্বাচন কমিশনকে ঘিরে ইন্ডি জোটের বিক্ষোভ আরও তীব্র হয়েছে। মঙ্গলবার সংসদ চত্বর থেকে নির্বাচন কমিশনের দফতরের দিকে মিছিল করেন বিরোধী সাংসদরা। তাঁদের মিছিল মাঝপথে আটকে দেয় পুলিশ। পরে রাহুল গান্ধী, প্রিয়াঙ্কা গান্ধী-সহ একাধিক নেতা আকাশবাণী ভবন চত্বরে ধর্নায় বসেন।মিছিল আটকে দেওয়ার সময় রাহুল গান্ধী ব্যারিকেডের উপরে উঠে প্রতিবাদ জানান। পরে তিনি এবং প্রিয়াঙ্কা গান্ধী আকাশবাণী ভবনের ভিতরে ঢুকে গাছের তলায় বসে অবস্থান শুরু করেন। পুলিশ তাঁদের সরে যেতে বললেও তাঁরা ধর্না চালিয়ে যান। সন্ধ্যার পর তৃণমূল কংগ্রেসের সাংসদ ডেরেক ওব্রায়েন, মহুয়া মৈত্র-সহ আরও কয়েক জন বিরোধী নেতা সেখানে যোগ দেন। সমাজবাদী পার্টির নেতা অখিলেশ যাদবও পরে বিক্ষোভস্থলে ফিরে আসেন।প্রায় নঘণ্টা ধরে অবস্থানের পর শেষ পর্যন্ত পুলিশ আকাশবাণী ভবন চত্বরে গিয়ে বিক্ষোভকারীদের আটক করে। রাহুল গান্ধী, প্রিয়াঙ্কা গান্ধী এবং অন্য বিরোধী নেতাদের বাসে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়। এর আগে মিছিলের সময়ও একাধিক বিরোধী সাংসদকে আটক করা হয়েছিল।তবে এর মধ্যেই নির্বাচন কমিশনের তরফে পাল্টা বক্তব্য সামনে এসেছে। কমিশনের আধিকারিকদের দাবি, মুখ্য নির্বাচন কমিশনার বা অন্য নির্বাচন কমিশনারদের সঙ্গে দেখা করার জন্য কোনও রাজনৈতিক দলের তরফে আনুষ্ঠানিক আবেদন কমিশনে পৌঁছয়নি। ফলে বিরোধীরা কমিশনের সঙ্গে দেখা করতে চেয়েছিলেন কি না, সেই প্রশ্নে দুই পক্ষের বক্তব্যে ফারাক রয়েছে।এই পরিস্থিতিতে এবার রাষ্ট্রপতির সঙ্গে দেখা করার জন্য ইন্ডি জোটের আবেদন নতুন মাত্রা যোগ করেছে। রাষ্ট্রপতি ভবন থেকে চিঠির জবাব কবে আসে এবং রাহুল গান্ধী, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়-সহ বিরোধী নেতাদের সাক্ষাতের সময় দেওয়া হয় কি না, এখন সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

অক্টোবর ০৬, ২০২৬
দেশ

২৫ বছর একটানা সরকারের শীর্ষে মোদী! তাঁকে নিয়ে মন্ত্রিসভার প্রস্তাবে উঠে এল যে ১০ বড় দিক

সরকারের প্রধান হিসেবে একটানা ২৫ বছর পূর্ণ করলেন নরেন্দ্র মোদী। এই উপলক্ষে তাঁকে অভিনন্দন জানিয়ে প্রস্তাব পাশ করল কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা। মঙ্গলবারের সেই প্রস্তাবে শুধু দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের উল্লেখই নয়, গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী থেকে দেশের প্রধানমন্ত্রী হওয়া পর্যন্ত তাঁর নেতৃত্বের বিভিন্ন দিক তুলে ধরা হয়েছে। মন্ত্রিসভার দাবি, দেশ সবার আগে, নাগরিক সবার আগে নীতিকে সামনে রেখেই এই দীর্ঘ রাজনৈতিক যাত্রা এগিয়েছে।২০০১ সালের ৭ অক্টোবর প্রথম বার গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছিলেন মোদী। তার পর গুজরাটে টানা তিনটি বিধানসভা নির্বাচনে জয় এবং পরবর্তী সময়ে পরপর তিনটি লোকসভা নির্বাচনে বিজেপির নেতৃত্ব দেওয়ার প্রসঙ্গও মন্ত্রিসভার প্রস্তাবে উঠে এসেছে। কেন্দ্রের বক্তব্য, এই দীর্ঘ সময়ে তাঁর নেতৃত্বে গুজরাটে নেওয়া কিছু উদ্যোগ পরে জাতীয় স্তরেও প্রয়োগ করা হয়েছে।এর অন্যতম উদাহরণ হিসেবে উঠে এসেছে গুজরাটের স্বাগত কর্মসূচি। নাগরিকদের অভিযোগ সরাসরি শোনার জন্য এই ব্যবস্থা চালু করা হয়েছিল বলে মন্ত্রিসভার প্রস্তাবে উল্লেখ করা হয়েছে। পরে সেই অভিজ্ঞতা থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে চালু হয় প্রগতি। বিভিন্ন সরকারি দফতরের মধ্যে সমন্বয় করে আটকে থাকা প্রকল্পের সমস্যা মেটানো এবং কাজ দ্রুত এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে এই ব্যবস্থার কথা বলা হয়েছে। গুজরাটের কৃষিক্ষেত্রে বিদ্যুৎ সরবরাহের জন্য পৃথক ব্যবস্থা তৈরির জ্যোতিগ্রাম প্রকল্পের অভিজ্ঞতাকেও জাতীয় স্তরে কাজে লাগানোর কথা উল্লেখ করা হয়েছে।মন্ত্রিসভার প্রস্তাবে দরিদ্র মানুষের জীবনযাত্রার উন্নতির জন্য বিভিন্ন সরকারি প্রকল্পের কথাও তুলে ধরা হয়েছে। কেন্দ্রের দাবি অনুযায়ী, প্রায় ৬০ কোটি জনধন হিসাব খোলা হয়েছে, চার কোটির বেশি বাড়ি তৈরি হয়েছে এবং প্রায় ২৫ কোটি মানুষ বহুমাত্রিক দারিদ্র্য থেকে বেরিয়ে এসেছেন। তবে এই পরিসংখ্যানগুলি মন্ত্রিসভার প্রস্তাবে সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগের ফল হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে।মহিলা, কৃষক, যুবসমাজ এবং পিছিয়ে থাকা জনগোষ্ঠীর জন্য বিভিন্ন উদ্যোগের কথাও রয়েছে প্রস্তাবে। কেন্দ্রের হিসাবে, প্রায় সাড়ে তিন কোটি মহিলা লাখপতি দিদি কর্মসূচির আওতায় আর্থিক ভাবে স্বনির্ভর হয়েছেন। আইনসভায় মহিলাদের জন্য আসন সংরক্ষণের সাংবিধানিক ব্যবস্থা এবং কৃষকদের জন্য প্রধানমন্ত্রী কিষান সম্মান নিধির মতো প্রকল্পের কথাও সেখানে উল্লেখ করা হয়েছে। পাশাপাশি, বিশেষ ভাবে দুর্বল জনজাতি গোষ্ঠীর উন্নয়নে প্রধানমন্ত্রী জনমন কর্মসূচির কথাও তুলে ধরা হয়েছে।সংস্কারের প্রসঙ্গও বিশেষ ভাবে এসেছে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার প্রস্তাবে। পণ্য ও পরিষেবা কর চালু, সরকারি প্রকল্পের সুবিধা সরাসরি মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থায় পরিবর্তন এবং পুরনো ঔপনিবেশিক আইন বদলের মতো পদক্ষেপকে দীর্ঘমেয়াদি সংস্কারের উদাহরণ হিসেবে দেখানো হয়েছে। পরিচ্ছন্নতা, ডিজিটাল লেনদেন এবং দেশীয় পণ্য ব্যবহারের উপর জোর দেওয়ার কথাও প্রস্তাবে উল্লেখ রয়েছে।পরিকাঠামো ও উৎপাদন ক্ষেত্রের অগ্রগতির দাবিও রয়েছে মন্ত্রিসভার প্রস্তাবে। কেন্দ্র জানিয়েছে, সরকারি মূলধনী ব্যয় ২০০১ সালের প্রায় দুই লক্ষ কোটি টাকা থেকে বেড়ে এখন ১২ লক্ষ কোটি টাকার বেশি হয়েছে। জাতীয় সড়ক সম্প্রসারণ, রেলপথের বৈদ্যুতিকীকরণ এবং উৎপাদন ক্ষেত্রে বিনিয়োগ বৃদ্ধির কথাও তুলে ধরা হয়েছে। ইলেকট্রনিক্স উৎপাদনের পরিমাণও প্রায় দুই লক্ষ কোটি টাকা থেকে বেড়ে ১৩ লক্ষ কোটি টাকার বেশি হয়েছে বলে প্রস্তাবে দাবি করা হয়েছে।প্রযুক্তির ব্যবহারকেও মোদীর ২৫ বছরের নেতৃত্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দিক হিসেবে তুলে ধরেছে মন্ত্রিসভা। জনধন হিসাব, আধার এবং মোবাইল সংযোগের মাধ্যমে সরকারি পরিষেবা পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা, ডিজিটাল লেনদেনে নতুন পরিকাঠামো এবং প্রযুক্তিনির্ভর পরিষেবার প্রসঙ্গ রয়েছে প্রস্তাবে। পাশাপাশি দেশের নিজস্ব কোভিড টিকা তৈরি এবং চন্দ্রযান-৩-এর সফল অবতরণকে ভারতের বৈজ্ঞানিক সক্ষমতার উদাহরণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, কোয়ান্টাম প্রযুক্তি এবং জৈবপ্রযুক্তির মতো ক্ষেত্রেও কাজ এগোনোর কথা বলা হয়েছে।সব মিলিয়ে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার প্রস্তাবে মোদীর ২৫ বছরের রাজনৈতিক যাত্রাকে গুজরাটের প্রশাসন থেকে জাতীয় নেতৃত্ব পর্যন্ত একটি ধারাবাহিক পর্ব হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে। গরিব মানুষের জন্য কল্যাণমূলক প্রকল্প, মহিলা ও কৃষকের ক্ষমতায়ন, পরিকাঠামো, প্রযুক্তি, বিজ্ঞান এবং প্রশাসনিক সংস্কারএই বিভিন্ন ক্ষেত্রকেই সেই দীর্ঘ নেতৃত্বের গুরুত্বপূর্ণ দিক হিসেবে চিহ্নিত করেছে কেন্দ্র।

অক্টোবর ০৬, ২০২৬
দেশ

ব্যারিকেড টপকে আকাশবাণী ভবন, ঘণ্টার পর ঘণ্টা ধর্না, শেষে রাহুল-প্রিয়াঙ্কাদের আটক!

ইন্ডিয়া জোটের বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে মঙ্গলবার দিনভর উত্তপ্ত থাকল রাজধানী দিল্লি। সংসদ চত্বর থেকে নির্বাচন কমিশনের দফতরের দিকে মিছিল নিয়ে যাওয়ার পথে বিরোধী সাংসদদের আটকে দেয় পুলিশ। এরপর একের পর এক নাটকীয় মোড় নেয় পরিস্থিতি। শেষ পর্যন্ত আকাশবাণী ভবনে ঘণ্টার পর ঘণ্টা ধর্নায় বসে থাকার পর রাহুল গান্ধী, প্রিয়াঙ্কা গান্ধী-সহ কংগ্রেসের একাধিক নেতা ও অন্যান্য বিরোধী নেতাকে আটক করে পুলিশ।মঙ্গলবার দুপুরে সংসদ চত্বর থেকে নির্বাচন কমিশনের দিকে মিছিল শুরু করেছিলেন ইন্ডিয়া জোটের সাংসদরা। তাঁদের অন্যতম দাবি ছিল মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ। মিছিল আটকে দেওয়া হলে রাহুল গান্ধী ব্যারিকেডের উপরে উঠে প্রতিবাদ জানান। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, ডেরেক ওব্রায়েন, মহুয়া মৈত্র-সহ একাধিক বিরোধী নেতাকে আটক করা হয়।এর পরেও থামেননি রাহুল। প্রিয়াঙ্কা গান্ধী এবং কয়েক জন নেতাকে সঙ্গে নিয়ে তিনি আকাশবাণী ভবনের ভিতরে ঢুকে পড়েন। সেখানে একটি গাছের তলায় বসেই ধর্না শুরু করেন তাঁরা। পুলিশ তাঁদের সরে যেতে বললেও রাহুল-প্রিয়াঙ্কারা তা মানেননি। নির্বাচন কমিশনের দফতরে যাওয়ার অনুমতি না দেওয়া পর্যন্ত তাঁরা অবস্থান চালিয়ে যাবেন বলে জানান।সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে ধর্নার পরিসরও বাড়ে। রাতের দিকে তৃণমূল কংগ্রেসের সাংসদ ডেরেক ওব্রায়েন এবং মহুয়া মৈত্র-সহ আরও কয়েক জন নেতা সেখানে পৌঁছে ধর্নায় যোগ দেন। সমাজবাদী পার্টির নেতা অখিলেশ যাদবও লখনউ যাওয়ার পথে ফিরে এসে বিক্ষোভস্থলে পৌঁছন বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।প্রায় আট থেকে নয় ঘণ্টা ধরে অবস্থান চলার পর রাতে পুলিশ আকাশবাণী ভবন চত্বরে ঢোকে। একে একে রাহুল গান্ধী, প্রিয়াঙ্কা গান্ধী এবং অন্য বিক্ষোভকারীদের আটক করে বাসে তোলা হয়। ডেরেক ওব্রায়েনকেও ফের আটক করা হয়। এর আগে দিনের প্রথম পর্বে নির্বাচন কমিশনের দিকে মিছিলের সময়ও তাঁকে আটক করা হয়েছিল।তবে এই বিক্ষোভের মধ্যেই নির্বাচন কমিশনের তরফে আলাদা দাবি সামনে এসেছে। কমিশনের আধিকারিকদের বক্তব্য, মুখ্য নির্বাচন কমিশনার বা অন্য নির্বাচন কমিশনারদের সঙ্গে দেখা করার জন্য কোনও রাজনৈতিক দল আগাম কোনও আনুষ্ঠানিক আবেদন করেনি। ফলে রাহুল-প্রিয়াঙ্কাদের সঙ্গে কমিশনের বৈঠক না হওয়ার প্রশ্নে দুই পক্ষের বক্তব্যে স্পষ্ট ফারাক তৈরি হয়েছে।দিনভর ব্যারিকেড, আটক, আকাশবাণী ভবনে ধর্না এবং পরে পুলিশের পদক্ষেপ ঘিরে রাজধানীর রাজনৈতিক পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে বিরোধীদের অভিযোগ এবং কমিশনের পাল্টা বক্তব্যদুই মিলিয়ে এই ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক চাপানউতোর আরও বাড়ল।

অক্টোবর ০৬, ২০২৬
রাজ্য

প্রায় ৮০ শতাংশ ভোট, কিন্তু উঠল ‘ভোটলুট’-এর অভিযোগ! নন্দীগ্রাম-রেজিনগরে কী ঘটল?

নন্দীগ্রাম এবং রেজিনগর উপনির্বাচনে মঙ্গলবার সকাল থেকেই ছিল ভোটারদের ভিড়। ভোটের হারও নজর কেড়েছে। নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, বিকেল ৫টা পর্যন্ত নন্দীগ্রামে ৭৯.৩৯ শতাংশ এবং রেজিনগরে ৭৮.৪২ শতাংশ ভোট পড়েছে। দুই কেন্দ্রেই বিপুল সংখ্যক মানুষ ভোট দিতে বেরিয়েছেন। তবে ভোটের হার বেশি হলেও অভিযোগ-পাল্টা অভিযোগে দিনভর উত্তপ্ত থেকেছে দুই কেন্দ্র। বিরোধী দলগুলির একাংশ ভোটে অনিয়ম ও রিগিংয়ের অভিযোগ তুলে পুনর্নির্বাচনের দাবি জানিয়েছে। বিজেপি অবশ্য সেই অভিযোগ অস্বীকার করেছে।রেজিনগরে ভোট শুরু হওয়ার পরই উত্তেজনা তৈরি হয়। আম জনতা উন্নয়ন পার্টির প্রধান হুমায়ুন কবীর পুলিশের বিরুদ্ধে ভোটে হস্তক্ষেপের অভিযোগ তোলেন। পুলিশের সঙ্গে তাঁর বচসার পর তাঁকে আটক করা হয় এবং পরে গ্রেফতার করা হয় বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে জানা যায়। নির্বাচন কমিশনের তরফেও এই ঘটনার বিষয়ে জেলা প্রশাসনের কাছে রিপোর্ট চাওয়া হয়েছে।হুমায়ুনের গ্রেফতারির পর রেজিনগরে রাজনৈতিক চাপানউতোর আরও বাড়ে। কংগ্রেস-সহ বিরোধী দলগুলির অভিযোগ, বেশ কিছু বুথে তাঁদের এজেন্টদের বসতে দেওয়া হয়নি। ভোটে অনিয়মের অভিযোগ তুলে রেজিনগরে পুনর্নির্বাচনের দাবি জানানো হয়। কংগ্রেসের তরফে এই দাবিতে বিক্ষোভও দেখানো হয়েছে।নন্দীগ্রামেও একই ধরনের অভিযোগ সামনে এসেছে। কংগ্রেসের প্রার্থী মিলন প্রধানের অভিযোগ, কয়েকটি বুথে দলের এজেন্টদের বসতে দেওয়া হয়নি। বিরোধীদের তরফে কোথাও কোথাও ভোটে অনিয়ম এবং এজেন্টদের সরিয়ে দেওয়ার অভিযোগ তোলা হয়েছে। বাম ও আইএসএফের তরফেও অভিযোগের কথা সামনে এসেছে। তবে এই সমস্ত অভিযোগকে বিজেপি নস্যাৎ করেছে।অন্যদিকে, নন্দীগ্রামে ভোট দেওয়ার পর মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী দাবি করেন, এবারের ফলাফলে বড় ব্যবধান দেখা যেতে পারে। বিজেপি প্রার্থী হাসিরানি রথ তাঁর আগের জয়ের ব্যবধান ছাপিয়ে যেতে পারেন বলেও মন্তব্য করেন তিনি। তবে এই দাবি ফল প্রকাশের পরেই যাচাই হবে। নন্দীগ্রামে ৫টা পর্যন্ত প্রায় ৮০ শতাংশ ভোট পড়ায় উপনির্বাচনের নিরিখে ভোটদানের হার নিয়ে বিশেষ চর্চা শুরু হয়েছে।রেজিনগরেও ভোটের হার ৭৮ শতাংশের বেশি। বিপুল ভোট পড়ার পাশাপাশি বিরোধীদের পুনর্নির্বাচনের দাবি ঘিরে নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্ক তৈরি হয়েছে। বিরোধীদের অভিযোগ, ভোটের পরিবেশ নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। বিজেপি পাল্টা দাবি করেছে, ভোটগ্রহণ শান্তিপূর্ণভাবেই হয়েছে এবং বিরোধীদের অভিযোগ ভিত্তিহীন।এই দুই কেন্দ্রের উপনির্বাচন ছিল ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের পর বাংলায় প্রথম বড় নির্বাচনী পরীক্ষা। নন্দীগ্রাম আসনটি মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী ছেড়ে দেওয়ার পর এবং রেজিনগর আসনটি হুমায়ুন কবীর ছেড়ে দেওয়ার কারণে উপনির্বাচন হয়। মঙ্গলবার ভোটগ্রহণ শেষ হয়েছে। এখন নজর শুক্রবারের ফলাফলের দিকে। তার আগে দুই কেন্দ্রে বিপুল ভোটের হার এবং বিরোধীদের পুনর্নির্বাচনের দাবিদুই-ই রাজনৈতিক আলোচনার কেন্দ্রে।

অক্টোবর ০৬, ২০২৬
কলকাতা

‘এত তাড়াহুড়ো করে নিরাপত্তা কেন তুলে নেওয়া হল?’ অভিষেকের মামলা শুনে প্রশ্ন বিচারপতির

তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নিরাপত্তা কমিয়ে দেওয়ার অভিযোগ নিয়ে কলকাতা হাই কোর্টে মঙ্গলবার গুরুত্বপূর্ণ শুনানি হল। অভিষেকের আইনজীবীর দাবি, বর্তমানে হোমগার্ড ছাড়া তাঁর সঙ্গে কোনও অতিরিক্ত নিরাপত্তারক্ষী নেই। এই মামলায় রাজ্যের কাছে রিপোর্ট চেয়েছে আদালত। বিচারপতি কৃষ্ণা রাও নির্দেশ দিয়েছেন, নিরাপত্তা কমানোর সিদ্ধান্তের কারণ-সহ বিস্তারিত তথ্য রাজ্যকে জানাতে হবে। আগামী ১৩ অক্টোবর এই মামলার পরবর্তী শুনানি।আদালতে অভিষেকের হয়ে সওয়াল করতে গিয়ে আইনজীবী শঙ্করনারায়ণ জানান, ২০১৩ সালে অভিষেককে ওয়াই শ্রেণির নিরাপত্তা দেওয়া হয়েছিল। পরের বছর তা বাড়িয়ে ওয়াই প্লাস করা হয়। ২০১৫ সালে জেড এবং ২০১৬ সালে জেড প্লাস শ্রেণির নিরাপত্তা দেওয়া হয়েছিল বলে আদালতে জানানো হয়। আইনজীবীর দাবি, ২০২৬ সালের নির্বাচনের পর ১০ মে আচমকাই অভিষেকের জেড প্লাস নিরাপত্তা প্রত্যাহার করা হয়। এই সিদ্ধান্তের আগে তাঁকে কোনও নোটিস দেওয়া হয়নি বলেও আদালতে দাবি করা হয়েছে।আইনজীবীর বক্তব্য অনুযায়ী, জেড প্লাস নিরাপত্তা তুলে নেওয়ার পরে নিরাপত্তার মাত্রা এক ধাক্কায় অনেকটাই কমে যায়। তাঁর দাবি, মাত্র দুজন নিরাপত্তাকর্মী দেওয়া হয়েছিল। এর কিছু দিনের মধ্যেই সোনারপুরে অভিষেকের উপর হামলার ঘটনা ঘটে বলে আদালতে জানানো হয়। তার পরেও আরও কয়েকটি হামলার অভিযোগ ওঠে। বিমানবন্দর, ডায়মন্ড হারবার এবং ক্যামাক স্ট্রিটে তাঁর কার্যালয়কে ঘিরেও হামলার ঘটনা ঘটেছে বলে আইনজীবী আদালতে দাবি করেন। অতীতে অভিষেকের চোখে গুরুতর আঘাতের ঘটনাও ঘটেছিল বলে সওয়ালে উল্লেখ করা হয়।শুনানির সময় নিরাপত্তা কমানোর সিদ্ধান্তের ভিত্তি নিয়ে প্রশ্ন তোলেন বিচারপতি কৃষ্ণা রাও। আদালত জানতে চায়, নিরাপত্তা প্রত্যাহারের নির্দেশ কোথায় এবং কোন পরিস্থিতিতে এত দ্রুত নিরাপত্তা কমানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। একাধিক হামলার অভিযোগ ওঠার পর ভবিষ্যতে কোনও ঘটনা ঘটলে তার দায় কে নেবে, সেই প্রশ্নও তোলেন বিচারপতি। পাথর ছোড়ার মতো ঘটনায় কারও গুরুতর আঘাত লাগতে পারে বলেও আদালত সতর্ক করে।এর আগে অভিষেকের পক্ষ থেকে আদালতে অভিযোগ করা হয়েছিল, বিধানসভা নির্বাচনের পর তাঁর নিরাপত্তা ব্যবস্থা কমিয়ে দেওয়া হয়েছে। বাড়ির সামনে থাকা পুলিশ কিয়স্কও সরিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে তাঁর পক্ষ থেকে জানানো হয়। এই পরিস্থিতিতে নিরাপত্তা পুনর্বহালের আবেদন জানিয়ে কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হন তিনি।মঙ্গলবারের শুনানিতে রাজ্যের তরফে মামলার বিষয়ে রিপোর্ট দেওয়ার জন্য সময় চাওয়া হয়। আদালত সেই রিপোর্ট তলব করেছে। আগামী ১৩ অক্টোবর মামলাটির পরবর্তী শুনানিতে নিরাপত্তা কমানোর সিদ্ধান্ত, তার ভিত্তি এবং পরবর্তী সময়ে অভিষেকের নিরাপত্তা নিয়ে কী পদক্ষেপ করা হয়েছিল, সে বিষয়ে রাজ্যের বক্তব্য গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।

অক্টোবর ০৬, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal