• ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩, শুক্রবার ১৬ অক্টোবর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Dilip Ghosh

দেশ

পশ্চিমবঙ্গের উন্নয়নের কাজে হাত মেলাতে চান , তারা চলে আসুনঃ দিলীপ

পশ্চিমবাংলায় মহিলাদের ধর্ষণ হওয়ার পর তো এফআইআর নেওয়া হয় না। রোজ মহিলাদের দেহ উদ্ধার হচ্ছে। তার কোনও তদন্ত হয় না , বিচারও হয় না। বুধবার দিল্লিতে স্ট্যান্ডিং কমিটির বৈঠকের পর এই মন্তব্য করলেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ।গরু পাচার কাণ্ডে বিএসএফ আধিকারিক গ্রেফতার নিয়ে তিনি বলেন , মাথাগুলি ধরা পড়েছে , অনেক দূর অব্দি হাত যাবে। এক - দেড় মাসের মধ্যে আরও অনেক মাথা গ্রেফতার হয়েছে , তা দেখতে পাব। তিনি আরও বলেন , পুলিশ টিএমসি ক্যাডারের মতো কাজ করছে। তাদের দলের বিধায়ক খুনের ঘটনায় তো নিজের দলের লোকের হাত ছিল , তবুও বিজেপির এমপির বিরুদ্ধে কেস করেছে। আরও পড়ুন ঃ মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের সঙ্গে ফোনে কথা মোদির যারা যারা পশ্চিমবঙ্গের উন্নয়নের কাজে হাত মেলাতে চান , তারা চলে আসুন। আমি তো সিলিন্ডার নিয়ে বসে আছি , যারা আসতে চান , তারা চলে আসুন। তৃণমূলের প্রতি প্রতিদিনই বিভিন্ন নেতারা অনাস্থা প্রকাশ করছে। এর থেকে এটাই প্রমাণিত হচ্ছে , তৃণমূল রাজ্যে আর ক্ষমতায় আসবে না। বহিরাগত প্রসঙ্গে তিনি বলেন , বহিরাগত আবার কি? সর্বভারতীয় দলের নেতারা যে কোনও রাজ্যে আসতেই পারে। চিন থেকে এসছি নাকি আমরা! বাংলাদেশিদের তো স্বাগত জানান এবং আমাদের বহিরাগত বলছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। নরেন্দ্র মোদি তো গুজরাতের লোক , তিনি রাজ্যে আসবেন না ? প্রশ্ন তোলেন দিলীপবাবু।

নভেম্বর ১৮, ২০২০
কলকাতা

প্রতি মাসেই রাজ্যে অমিত শাহ ও জেপি নাড্ডাঃ দিলীপ

সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা এবং অমিত শাহ ঘুরিয়ে ফিরিয়ে প্রতি মাসেই আসবেন। বুধবার দিল্লি যাওয়ার আগে বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের এমনটাই জানালেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। এই প্রসঙ্গে তিনি বলেন, পরবর্তী দিনক্ষণ কী হবে, তা এখনও জানাননি। তবে জেনে যাব আমরা। অন্যদিকে , বাম-কংগ্রেস জোটকে কটাক্ষ করে দিলীপ ঘোষ বলেন, ওঁরা কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে আগেও একবার লড়াই করেছেন। কিন্তু মানুষ সঙ্গ দেয়নি। মানুষ পুরনো কাসুন্দি আর ঘাঁটবে না। বাংলার মানুষ নতুন বিকল্প খুঁজছে।আর বাংলার মানুষের নতুন বিকল্প ভারতীয় জনতা পার্টি। বিজেপির হাত ধরে উন্নয়ন হোক এটাই সাধারণ মানুষ চাইছে। আরও পড়ুন ঃ প্র্য়াত কবি অলোকরঞ্জন দাশগুপ্ত গত লোকসভায় জোট নিশ্চিহ্ন হয়ে গিয়েছে। আগে তাও ৩০-৩২ শতাংশ ভোট ছিল এখন সেটা ১৩ শতাংশে নেমে এসেছে। বাংলার মানুষ পিছনে তাকাতে রাজি নয়।বাংলার মানুষ সবাইকে সুযোগ দিয়েছেন, সবাই স্বপ্নপূরণে ব্যর্থ হয়েছেন। এবার বিজেপির পালা। বিজেপির কর্মসূচিতে ভিড় দেখেই তা বোঝা যাচ্ছে। দিলীপবাবু আরও জানান , দলীয় কর্মসূচি নয়, দিল্লিতে সংদীয় স্ট্যান্ডিং কমিটির বৈঠক আছে। এর আগে একাধিকবার বৈঠক বাতিল হয়েছে। তাছাড়াও শারীরিক অসুস্থতার কারণে যাওয়া হয়নি।

নভেম্বর ১৮, ২০২০
রাজনীতি

সংখ্যালঘুদের জন্য কিছু করেনি তৃণমূলঃ দিলীপ

মিম কি করবে আমাদের হাতে নেই। মুসলিম ভোট আমরা নিয়ন্ত্রণও করি না। এখনও মুসলিম ভোটাররা পশ্চিমবঙ্গে আমাদের ভোট দেননি। যদি এখানকার মুসলিম ভোটাররা তৃণমূল , কংগ্রেস , সিপিএমকে ভোট না দিয়ে অন্য দলকে ভোট দেয় , তাহলে বুঝতে হবে ওরা মুসলিমদের ধোঁকা দিয়েছে। তাদের জন্য কিছু করেননি।তাই তারা বিকল্প খুঁজছেন। বিজেপিকে বিকল্প মনে করছে ওরা। মঙ্গলবার এই মন্তব্য করেছেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। বিরসা মুন্ডার মূর্তি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ওখানে একটা বিরসা মুন্ডার ছোট মূর্তি ছিল , জেলা প্রশাসন ওটাকে সরিয়ে দিয়ে নতুন মূর্তি লাগিয়েছে। আরও পড়ুন ঃ সিপিএম ছেড়ে বিজেপিতে যোগ রিঙ্কু নস্করের তখন আদিবাসী ভাইয়েরা কোনও প্রতিবাদ করেননি কেন ? প্রতিবাদ করা উচিত ছিল। বিরসা মুন্ডাকে কেউ দেখেননি। অমিত শাহ যখন মালা দিয়েছেন , ওটা বিরসা মুন্ডার মূর্তি। তিনি আরও বলেন , বিজেপির আইটি সেল কুৎসা প্রচার করলে আদালতে যান তারা। দিলীপবাবু আরও বলেন , তৃণমূলে থাকবেন না বিজেপিতে যাবেন , তা স্পষ্ট করে বলুন শুভেন্দু অধিকারী।

নভেম্বর ১৭, ২০২০
রাজনীতি

একুশের লড়াইয়ে বাংলায় বিজেপির দায়িত্বে ৫ কেন্দ্রীয় নেতা

রাজ্যের ৫ সাংগঠনিক জোনের দায়িত্ব দেওয়া হল ৫ কেন্দ্রীয় নেতাকে। মঙ্গলবার হেস্টিংসে দলের কার্যালয়ে কেন্দ্রীয় নেতা এবং রাজ্য নেতাদের সঙ্গে বৈঠকে বসেন বিজেপির পশ্চিমবঙ্গের সহকারি পর্যবেক্ষক অমিত মালব্য। উপস্থিত ছিলেন সর্বভারতীয় সাংগঠনিক নেতা বি এল সন্তোষ , কৈলাস বিজয়বর্গীয়, অরবিন্দ মেনন, দিলীপ ঘোষ , মুকুল রায় , রাহুল সিনহা , অনুপম হাজরা প্রমুখ। মোট ৬ জন কেন্দ্রীয় নেতার উপস্থিতিতে বৈঠকে নতুন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। জানা গিয়েছে, দলের পাঁচ সাংগঠনিক জোনে রাজ্য নেতাদের উপরে পর্যবেক্ষক ও আহ্বায়কের দায়িত্ব থাকবেন পাঁচ কেন্দ্রীয় নেতা। ঠিক হল, মেদিনীপুর, হুগলি ও হাওড়া দেখবেন সুনীল দেওধর, রাঢ়বঙ্গ দেখবেন বিনোদ সনকার, কলকাতা দেখবেন দুষ্ম্যন্ত গৌতম, নবদ্বীপ দেখবেন বিনোদ তাওরে এবং উত্তরবঙ্গ দেখবেন হরিশ দ্বিবেদী। আরও পড়ুন ঃ এই দল আমার নয়, হতে পারে নাঃ মিহির গোস্বামী এই পাঁচটি জোনের নতুন দায়িত্বে আসা নেতারা আগামী ১৮ থেকে ২০ নভেম্বরের মধ্যে সংশ্লিষ্ট জোনের জেলা নেতৃ্ত্বের সঙ্গে বৈঠকে বসে গোটা পরিস্থিতি বুঝে নেবেন। সেইমতো পরবর্তী পরিকল্পনা তৈ্রি হবে। বৈঠক শেষে অনুপম হাজরা সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে জানিয়েছেন , প্রত্যেকটি বুথে সপ্তাহে একটা করে অন্তত কর্মসূচি যাতে হয় , সে বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। যারা মান - অভিমান করে দলের থেকে দূরে সরে গিয়েছিলেন , তাদের সামনের সারিতে নিয়ে এসে লড়াইয়ের কথা বলা হয়েছে এদিনের বৈঠকে। এছাড়াও এদিনের বৈঠকে আলোচনায় উঠে আসে কোথায় কোথায় দলের সাংগঠনিক দুর্বলতা আছে। সেখানে তা দ্রুত মেরামতের ব্যবস্থা করতেও বলা হয়েছে।

নভেম্বর ১৭, ২০২০
রাজনীতি

উত্তর ২৪ পরগণার সব আসন দখল করবঃ দিলীপ

বিধানসভা ভোটে উত্তর ২৪ পরগনা জেলার সব আসন ছিনিয়ে নেব, কীভাবে রুখবেন ভাবুন। ফের রাজ্যের খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিককে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়ে এই মন্তব্য করলেন রাজ্য বিজেপি সভাপতি দিলীপ ঘোষ। প্রতিদিনের মতো মঙ্গলবারও প্রাতঃভ্রমণে বেরিয়েছিলেন দিলীপবাবু। সেখানে তিনি আরও বলেন , একুশে বাংলার দায়িত্ব পাবে বিজেপিই। জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক বলেছিলেন , বিজেপি ভোটের জন্য বাংলায় অস্ত্র আনছে। খাদ্যমন্ত্রীর এই মন্তব্য প্রসঙ্গে প্রশ্ন করা হলে বলেন, উনি নিজে যা যা করেছেন, এখন সে সবই বলছেন। লোক জানে কে কী করছে, হিসেব হবে একুশ সালে। আমরা সাধারণ মানুষের উপর ভরসা করি। তাঁদের সিদ্ধান্তই ঠিক। সবার চরিত্র তাঁরা জানে। আমরা পরীক্ষা দিতে রাজি আছি। ওনারাও পরীক্ষা দিক। আরও পড়ুন ঃ মমতা সরকারের শাসন এবার শেষ হবেঃ অমিত মালব্য আবগারি দপ্তর থেকে কাটমানি আসে বিজেপির দপ্তরে! জ্যোতিপ্রয় মল্লিকের এই অভিযোগের পালটা দিতে গিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেও আক্রমণ করেছেন বিজেপি সাংসদ। বলেন, যেমন নেত্রী, তেমন তাঁর চ্যালা! ওনার নেত্রী সেনাকে তোলাবাজ বলেছিলেন। যারা দেশের সেনাকে বিশ্বাস করে না, পুলিশে বিশ্বাস করে না। মানুষ তাঁদের বিশ্বাস করে না। হুমকির সুরে এদিন দিলীপ ঘোষ বলেন, জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের জেলার দুটো আসন বিজেপি ইতিমধ্যেই দখল করেছে। বাকি গুলোও করব। প্রাতঃভ্রমণ সেরে এদিন রুরির কাছে চা চক্রে যোগ দেন সাংসদ। আলোচনা করেন বাংলার রাজনীতি নিয়ে।

নভেম্বর ১৭, ২০২০
রাজনীতি

বাংলাকে গুজরাত হতে দিতে চাই নাঃ ফিরহাদ

বাংলা উত্তরপ্রদেশ, গুজরাতের মতো হলে ভয় হচ্ছে এনকাউনটারে ক্রিমিনালরা মারা যাবে। ইসরাত জাহানকে পুলিসের হাতে খুন হতে হয়েছিল। গুজরাতে দু হাজার মানুষ খুন হয়েছে। কিন্তু এ রাজ্যে ক্রিমিনালদের আদালতে পাঠানো হয়। সেই জন্য বাংলা কে গুজরাত হতে দিতে চাই না। সোমবার দিলীপ ঘোষের মন্তব্যের পালটা প্রতিক্রিয়া দিতে গিয়ে এই মন্তব্য করলেন রাজ্যের পুরমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম। আরও পড়ুন ঃ একবার সুযোগ দিন , বাংলাকে গুজরাত বানিয়ে দেবঃ দিলীপ তিনি আরও বলেন, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বাংলা , নজরুলের বাংলা , রামকৃষ্ণের বাংলা এবং অনেক মহাপুরুষের বাংলা। বাংলার মানুষ ঠিক করবে গুজরাতের মত দাঙ্গা বাংলায় ফিরে আসবে কি না ! ধর্মে ধর্মে ভেদাভেদ করে কখনও রাজ্যে উন্নয়ন হয় না, সেই জন্য দেশের জিডিপি বাংলাদেশের থেকে পিছনে চলে গেছে। দিলীপ ঘোষ গুজরাতে চলে যান, বিজেপি না থাকলে পৃথিবী শান্ত হবে।

নভেম্বর ১৬, ২০২০
রাজনীতি

একবার সুযোগ দিন , বাংলাকে গুজরাত বানিয়ে দেবঃ দিলীপ

জ্যোতিপ্রিয় কোথায় দাঁড়াবেন শুধু বলুন। যে কেন্দ্রেই দাঁড়াবেন, ওঁকে হারিয়ে দেব। ওঁকে আর মানুষ চায় না। সোমবার রাজ্যের খাদ্যমন্ত্রীকে এভাবেই চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিলেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। সোমবার বারাসতের কলোনি মোড়ে চা চক্রে যোগ দিয়েছিলেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি। এদিন দিলীপ ঘোষ আরও বলেন, এক বার সুযোগ দিন। আমরা বাংলাকে গুজরাত বানাবো। যাতে বাংলার মানুষকে পরিযায়ী শ্রমিক হয়ে গুজরাতে না যেতে হয়। দিদিমনির পাপের বোঝা বাংলাকে বইতে হচ্ছে। আরও পড়ুন ঃ সন্ত্রাসবাদীদের আখড়ায় পরিণত হয়েছে বাংলাঃ দিলীপ তাঁর অভিযোগ , তৃণমূল কংগ্রেস ক্ষমতায় আসার পর রাজ্যের কোনও পরিবর্তন হয়নি। যা কিছু হয়েছে শুধুমাত্র দিদির ভাই আর ভাইপোর হয়েছে। কেন্দ্র কৃষকের জন্য প্রকল্প নিয়েছে । সারা দেশের কৃষক সেই প্রকল্পের সুযোগ পাচ্ছে। বঞ্চিত হচ্ছে শুধুমাত্র এ রাজ্যের কৃষকরা। বাংলা জুড়ে দাঙ্গার রাজনীতি করছে তৃণমুল। বাদুড়িয়া, বসিরহাট,মালদহ,আসানসোল সর্বত্র দাঙ্গা হয়েছে এই তৃণমূলের শাসনে ৷ মুর্শিদাবাদে প্রচুর জঙ্গিও তৈরি হচ্ছে। রাজ্যে আল কায়দা ঘাঁটি গেড়েছে । আর এই সবই হচ্ছে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আঁচলের তলায়। তিনি কিছুই করছেন না। এছাড়াও উদ্বাস্তু অধ্যুষিত উত্তর ২৪ পরগনা জেলায় দাঁড়িয়ে ফের নাগরিকত্ব আইনে সকলকে নাগরিকত্ব দেওয়া হবে বলে জানান তিনি। আমফানের ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের জন্য আবার কেন্দ্র টাকা দিয়েছে। সেটাও মানুষের কাছে আদৌ পৌঁছবে কি না তা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। তিনি বলেন , কেন্দ্রের পাঠানো টাকা যাতে মানুষের কাছে পৌছয় , তার জন্য কেন্দ্রীয় সরকারকে নজরদারি করতে হবে।

নভেম্বর ১৬, ২০২০
রাজনীতি

সন্ত্রাসবাদীদের আখড়ায় পরিণত হয়েছে বাংলাঃ দিলীপ

তৃণমূলে এখন মানভঞ্জনের পালা চলছে। শুভেন্দু অধিকারী প্রসঙ্গে শাসকদলকে কটাক্ষ করে এই মন্তব্য করলেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। অন্যন্যদিনের মতোই রবিবার সকালে প্রাতঃভ্রমণে বেরিয়েছিলেন রাজ্য বিজেপির সভাপতি দিলীপ ঘোষ। গিয়েছিলেন সেন্ট্রাল পার্কে। এদিন দিলীপ ঘোষ বলেন, একুশের নির্বাচনে আমাদের কোনও প্রতিদ্বন্দ্বী নেই। আমরা প্রস্তুত। বাকিরা এখনও ঘর সামলাচ্ছে। প্রাতঃভ্রমণ সেরে এদিন বরানগরে একটি চা চক্রে যোগ দেওয়ার কথা ছিল তাঁর। ডানলপ মোড় থেকে ঘোড়ার গাড়িতে টবিন রোডের ওই চা-চক্রে পৌঁছন তিনি তিনি। বাংলা থেকে একের পর এক জঙ্গি গ্রেপ্তারির প্রসঙ্গে বলেন, সন্ত্রাসবাদীদের আখড়ায় পরিণত হয়েছে বাংলা। বাংলার বিভিন্ন জায়গা থেকে জঙ্গি সন্দেহে গ্রেপ্তারি চলছে। এরপরই তাঁর ও দলের বিভিন্ন নেতাদের বিরুদ্ধে হওয়া মামলা প্রসঙ্গে তিনি সাফ জানান যে, ওসবে ভয় পায় না বিজেপি। গুরুত্বও দেয় না।

নভেম্বর ১৫, ২০২০
রাজ্য

 বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি

বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করল বর্ধমান আদালত। প্রায় বছরখানেক আগে দিলীপের বিরুদ্ধে পুলিশকে নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্যের অভিযোগ উঠেছিল। সেই মামলাতেই তাঁর বিরুদ্ধে এবার গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করল আদালত। প্রসঙ্গত , গতবছর ৪ নভেম্বর বর্ধমানের রায়নার একটি সভায় দিলীপ ঘোষ বলেন, রাজ্যের পুলিশকর্মীরা আকন্ঠ দুর্নীতিতে ডুবে রয়েছে। টাকা না দিলে পুলিশের চাকরি মেলে না। প্রমোশনের জন্যও পুলিশকে টাকা দিতে হয়। এসপি থেকে ওসি সকলকে টাকা তুলতে হয় এবং সেই টাকা যায় তৃণমূলের পার্টি অফিসে। আরও পড়ুন ঃ মদের দোকানের চার কর্মীকে ঘুমন্ত অবস্থায় পিটিয়ে খুন , ধৃত অভিযুক্ত বিজেপি রাজ্য সভাপতির এই মন্তব্যের জেরে অভিযোগ দায়ের করেন রায়নার সেহারাবাজার ফাঁড়ির এক পুলিশকর্মী। এই অভিযোগের ভিত্তিতে দিলীপ ঘোষের বিরুদ্ধে একাধিক ধারায় মামলা দায়ের করা হয়। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে এই মামলায় চার্জশিট পেশ করে পুলিশ। আদালতে বিজেপি রাজ্য সভাপতির বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির আবেদন করা হয়। শুক্রবার সেই আবেদন মঞ্জুর করে আদালত।

নভেম্বর ১৪, ২০২০
কলকাতা

শুভেন্দুর সঙ্গে আমাদের কোনও কথাবার্তা হয়নিঃ দিলীপ

ওদের পার্টির মধ্যে ভাঙা-গড়া চলছে। পরস্পরের মান ভঞ্জন চলছে। এটা ওদের সমস্যা। শুক্রবার মানিকতলায় শিবাজি সিংহ রায়ের উদ্যোগে হওয়া কালীপুজোর উদ্বোধন করে একথা বলেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি তথা সাংসদ দিলীপ ঘোষ। তিনি এই প্রসঙ্গে বলেন , তবে এতে ওদের দলের কর্মীরা হতাশ। যে পার্টি ক্ষমতায় আছে তা আজ ভেঙে যাচ্ছে। শুভেন্দু বড় নেতা,মন্ত্রী তিনি কী করবেন সেটা ওনার ব্যাপার। সবাই বলছে, উনি বিজেপিতে আসছেন। কিন্তু আমার জানা নেই। পিকে এখন ড্যামেজ কন্ট্রোলার হয়েছে। পার্টি এখন আড়াআড়ি ভাবে ভাগ হয়ে যাচ্ছে। আরও পড়ুন ঃ অফিস টাইমে ১০০ শতাংশ লোকাল ট্রেন চলবে , সিদ্ধান্ত রেল-রাজ্য বৈঠকে এরপর শুভেন্দু অধিকারীর বিজেপি যোগের জল্পনা নিয়ে প্রশ্ন করা হলে বিজেপি সাংসদ বলেন, আমাদের সঙ্গে কোনও কথাবার্তা হয়নি। সেটা নিয়ে আপনারা চিন্তা করবেন না। অনেক মানুষ আসছেন, আসবেন। কেউ এলে আমরা নেব, আমাদের পার্টির যে কার্য পদ্ধতি আছে, আদর্শ আছে তা নিয়েই বাংলা পরিবর্তনের চেষ্টা করছি। কেউ যদি এই লড়াইয়ে শামিল হতে চায়। আমরা স্বাগত জানাব। বৃহস্পতিবার হামলা প্রসঙ্গে দিলীপ ঘোষ বলেন , পরিস্থিতি যেদিকে যাচ্ছে তাতে রাষ্ট্রপতি শাসন জারি হওয়ার সম্ভাবনা দেখা দিচ্ছে। গতকাল আমার উপর আক্রমন করে ওরা বুঝিয়ে দিল প্রধানমন্ত্রী যা বলছেন তা ঠিক।

নভেম্বর ১৩, ২০২০
রাজনীতি

পাহাড়ের জনতা দরিদ্রই থেকে গিয়েছেঃ দিলীপ

পাহাড়ে বিনয় তামাং থাকবে , ডুয়ার্সে থাকবে বিমল গুরুং। জিটিএ হয়েছে , এর আগে অনেক কিছু হয়েছে। পাহাড়ের জনতার কি লাভ হয়েছে। তারা দরিদ্রই থেকে গিয়েছে। বৃহস্পতিবার জয়গাঁতে এক জনসভায় একথা বলেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। তিনি এদিন বলেন, নরেন্দ্র মোদি পাহাড়ের জন্য ভাবে। বিজেপিও পাহাড়ের জন্য ভাবে। দিলীপবাবু বলেন, কেন্দ্রীয় সরকার কৃষকদের জন্য টাকা দেয়, কিন্তু রাজ্যের কৃষকরা তা পায় না। দিদি যতদিন মুখ্যমন্ত্রী থাকবেন , ততদিন কিছু পাওয়া যাবে ্না।চিকিৎসার জন্য বেঙ্গালুরু , চেন্নাই , ভেলোরে যেতে হয়। কারণ , এখানে চিকিৎসা ব্যবস্থাই নেই। এখানের যুবকদের চাকরির জন্য হয় শিলিগুড়ি যেতে হয় , নয়তো ভিন রাজ্যে যেতে হয়। তিনি আরও বলেন , এর আগে আমি পাহাড়ে গিয়েছিলাম। তখন আমার উপর হামলা হয়েছিল। আরও পড়ুন ঃ দিলীপ ঘোষের কনভয়ে হামলা , অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে অন্যদিকে , এদিন দিলীপ ঘোষের কনভয়ে হামলার প্রতিবাদে সারারাজ্য জুড়ে প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করে বিজেপি যুব মোর্চা। বিজেপি যুব মোর্চা সভাপতি সৌমিত্র খান বলেন, কিছু দুষ্কৃ্তী ও পুলিশ অফিসার মিলে দিলীপ ঘোষের কনভয়ের উপর এই হামলার ঘটনা ঘটিয়েছে। যেসব পুলিশকর্মী এই ঘটনার সঙ্গে যু্ক্ত , তাদের দ্রুত অপসারণের দাবি জানাব। শুভেন্দু অধিকারী প্রসঙ্গে তিনি বলেন , উনি কি করবেন , সেটা ওনার ব্যাপার।

নভেম্বর ১২, ২০২০
রাজনীতি

দিলীপ ঘোষের কনভয়ে হামলা , অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে

বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের কনভয়ে হামলা চালানোর অভিযোগ উঠল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। ভাঙা হয়েছে বিধায়ক উইলসন চম্প্রমারির গাড়ির কাচও।অল্পের জন্য রেহাই পায় দিলীপ ঘোষের গাড়ি। ঘটনাটি ঘটেছে , ভারত-ভুটান সীমান্তে আলিপুরদুয়ারের কালচিনি ব্লকের দলসিংপাড়ার কাছে। অভিযোগ, সেখানে বিজেপি রাজ্য সভাপতির কনভয় লক্ষ্য করে পাথরবৃষ্টি হয়। দিলীপ ঘোষকে ঘিরে চলে গো ব্যাক স্লোগান। তাঁকে কালো পতাকাও দেখানো হয়। এরপর কোনওক্রমে সভায় হাজির হন তিনি। আরও পড়ুন ঃ যারা মমতাদির হাত দুর্বল করছে , তারা বিজেপির হাত শক্ত করছেঃ ফিরহাদ জানা গিয়েছে , বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ জয়গাঁতে জনসভায় যোগ দিতে যাচ্ছিলেন। পুলিশের দাবি, পঁচিশটি বাইক নিয়ে র্যালির অনুমতি নিয়েছিল বিজেপি। অনুমতি না থাকা সত্ত্বেও কমপক্ষে একশোটি বাইক নিয়ে র্যালি করার চেষ্টা করেন দিলীপ ঘোষ। দলসিংপাড়াতে ওই রাজনৈতিক কর্মসূচিতে বাধা দেয় পুলিশ। এর জেরে পুলিশের সঙ্গে বিজেপি কর্মীদের বচসা বেঁধে যায়। পুলিশের কর্ডন ভেঙে বেআইনিভাবে বাইক র্যালি চালিয়ে যাওয়ার অভিযোগ ওঠে দিলীপ ঘোষের বিরুদ্ধে। এরপর জয়গাঁর মঙ্গলাবাড়িতে পৌঁছয় র্যালি। তারপরেই ঘটে এই ঘটনা। বিজেপি রাজ্য সাধারণ সম্পাদক সায়ন্তন বসু এর প্রতিবাদ জানিয়ে বলেন, পশ্চিমবঙ্গে যে আইনশৃঙ্খলা নেই , তা প্রতি মুহূর্তে প্রমাণিত হয়। এটা তৃণমূলের অবসাদের ফল। নির্বাচন কীভাবে হবে , তা নির্বাচন কমিশন বুঝবে। নির্বাচন করার মতো পরিস্থিতি না থাকলে সরকারকে সরিয়ে দিতে হবে। নির্বাচন এগিয়ে এলে বিজেপি কর্মীরা আক্রান্ত হবেন বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেন তিনি। অন্যদিকে বিজেপি যুব মোর্চা সভাপতি সৌ্মিত্র খান বলেন, দিলীপ ঘোষের উপর হামলার প্রতিবাদে সারা বাংলা জুড়ে প্রতিবাদ জানানো হবে।

নভেম্বর ১২, ২০২০
রাজনীতি

শুভেন্দু তৃণমূলের মাথাব্যথাঃ দিলীপ

আগামী বছরেই রাজ্যে বিধানসভা ভোট। তার আগে দল রাজ্যে কীভাবে চলবে , সে বিষয়ে আলোচনার জন্য বঙ্গ বিজেপি নেতৃ্ত্বকে দিল্লিতে জরুরি ভিত্তিতে ডেকে পাঠানো হয়েছিল। গেছিলেন রাজ্য বিজেপি সভাপতি দিলীপ ঘোষ , মুকুল রায় , কৈ্লাস বিজয়বর্গীয়রা। পরবর্তী দু মাসে দল কি কি কর্মসূচি নেবে , তা ঠিক করার জন্য এদিনের বৈঠক ডাকা হয়েছিল। আগামী ২ মাসে কোনও বড় কর্মসূচি নেই। বরং আগামী ২ মাসে বুথভিত্তিক কর্মসূচির উপর জোর দেওয়া হবে। আরও পড়ুন ঃ তৃণমূল ছাড়ছেন কোচবিহার দক্ষিণের বিধায়ক মিহির গোস্বামী বৈঠক শেষে দিলীপ ঘোষ জানান , এটা সাংগঠনিক বৈঠক। আগে থেকেই এই বৈঠক পূর্ব নির্ধারিত ছিল। এখন থেকে মাঝেমধ্যেই এরকম বৈঠক হবে। কোভিডের কারণে সকলেই পিছিয়ে পড়েছিলাম। অমিত শাহ ঘুরে আসার পর সংগঠনের দোষ ত্রুটিগুলি দেখেছেন। সেই অনুযায়ী সংশোধন ও কর্মসূচি সাজানোর জন্য আর সময় নিতে চায়নি দিল্লি। তাই দ্রুত ডেকে পাঠানো হয়েছে। তবে এদিন শুভেন্দু অধিকারী প্রসঙ্গে দিলীপ ঘোষ বলেন, এটা তৃণমূলের ব্যাপার। শুভেন্দু তাদের মাথাব্যথা।

নভেম্বর ০৯, ২০২০
রাজ্য

বেশি বাড়াবাড়ি করলে শ্মশানে পাঠিয়ে দেব , হুঁশিয়ারি দিলীপের

ফের কুকথা দিলীপ ঘোষের মুখে। রবিবার তিনি বলেন , বেশি বাড়াবাড়ি করলে শ্মশানে পাঠিয়ে দেব। রবিবার দুপুরে পূর্ব মেদিনীপুরের হলদিয়ায় জনসভার আয়োজন করেছিল বিজেপি। সেখানে ছিলেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। তিনি এই মন্তব্য করে বলেন , নির্বাচন করবে দাদার পুলিশ। কমাস পর দিদির পুলিশের দাঁত ভাঙবেন অমিত শাহ। তিনি এদিন আরও বলেন, আলুর দাম বাড়ার কারণ কাটমানি। তৃণমূল নেতাদের কাটমানি দেওয়া ও নির্বাচনের ফান্ড গড়ে তোলার জন্যই আলুর দাম বাড়ানো হয়েছে। কারণ, আলু অন্য রাজ্য থেকে আনতে হয় না। আমাদের রাজ্যে যথেষ্ট ্পরিমাণে আলু উৎপাদন হয়। হিমঘরগুলিতেও প্রচুর আলু মজুত রয়েছে। পুরোহিত ভাতা থেকে আমফানের ত্রাণ, যারা প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্ত তারা পায়নি, পেয়েছে শাসকদলের কিছু লোক। সংখ্যালঘুদের উদ্দেশ্য করে বলেন, বিজেপি কোনও বিভাজন করে না। মোদির প্রকল্পে রাজ্যের সংখ্যালঘুরাও উপকৃত। এরপরই আত্মবিশ্বাসী কন্ঠে দিলীপ ঘোষ বলেন, একুশে ২০০-র বেশি আসন পেলে বাংলায় সরকার গড়বে বিজেপি। দলত্যাগ প্রসঙ্গে বলেন, শাসকদলের কর্মীরা বিজেপিতে আসার ইচ্ছে প্রকাশ করছেন। কিন্তু বিজেপিতে যোগ দিতে চাইলেই পুলিশকে দিয়ে চাপ দেওয়া হচ্ছে। আরও পড়ুন ঃ তপনে একই পরিবারের পাঁচজনের রহস্যমৃত্যু অন্যদিকে , এদিন সকালে প্রাতঃভ্রমণে বেরিয়ে দিলীপ ঘোষ বলেন, ওদের এখন বাঁধাকপির মত অবস্থা। পাতা ছাড়াতে ছাড়াতে কপি খুঁজে পাওয়া যাবে না। পার্টিতে দুজনেই থাকবেন। বাকি পার্টি উঠে যাবে। দুর্নীতি আর গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব ছাড়া তৃণমূলের আর কিছুই নেই। কেন্দ্রীয় সংস্থা কাজ শুরু করতেই চারিদিকে হইচই পড়েছে। কারণ, বাংলায় চলা গরু ও কয়লা পাচারের সঙ্গে রাজ্যের সরকারি পার্টির নেতাদের অধিকাংশই জড়িত। সেই জন্যই তল্লাশি শুরু হতেই মুখ্যমন্ত্রী প্রতিবাদ করছেন। এতেই স্পষ্ট যে ক্ষমতায় রয়েছেন যাঁরা তাঁদের আসল চেহারা।

নভেম্বর ০৮, ২০২০
রাজ্য

রাষ্ট্রদ্রোহীদের হাত ধরে পাহাড়ে উঠতে চাইছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ঃ দিলীপ

রাজ্যের রাজ্যপালের পাহাড় সফর নিয়ে যাঁরা বিরোধিতা করছেন তাদের পাহাড়ে ওঠার হিম্মত নেই। তাই তাঁরা রাজ্যপালকে নিয়ে বিভিন্ন ভাবে সমালোচনা করছেন। মঙ্গলবার সকালে বিষ্ণুপুর রসিকগঞ্জ বাসস্ট্যান্ডে চায়ে পে চর্চা কর্মসূচিতে যোগ দিয়ে রাজ্যপালের স্বপক্ষে এই মন্তব্য করেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। এই প্রসঙ্গে বিজেপি রাজ্য সভাপতি আরও বলেন , রাজ্যপালের পাহাড় সফর যুক্তি সম্মত। রাজ্যপালের পাহাড়ে যাওয়াতে পাহাড়ের মানুষ সাহস পাবে, উৎসাহিত হবে। একজন রাজ্যপাল তার দায়িত্ব কর্তব্যকে বজায় রেখে কাজ করছেন। আরও পড়ুন ঃ বিমল গুরং আইনের ঊর্ধ্বে নয়ঃ বিনয় উল্লেখ্য , পাহাড় ইস্যুতে বুধবার নবান্নে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে বৈঠক রয়েছে বিনয় তামাংয়ের। এই প্রসঙ্গে দিলীপবাবু বলেন , যাঁরা রাষ্ট্রদ্রোহী যাদের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহীতার অভিযোগ রয়েছে তাদের হাত ধরে মমতা ব্যানার্জী পাহাড়ে উঠতে চাইছেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যাই করুক পাহাড়ে তৃণমুলের ঝান্ডা উড়বে না। এদিনের এই কর্মসূচিতে এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বিষ্ণুপুরের বিজেপি সাংসদ সৌমিত্র খাঁ।

নভেম্বর ০৩, ২০২০
কলকাতা

শুভেন্দু আসলে দরজা খোলা , জল্পনা বাড়িয়ে ইঙ্গিত দিলীপের

ওনারা ওকে বিজেপিতে পাঠিয়েই দেবেন? আমরা দরজা বড়ো করে খুলে রেখেছি সবাইকে নেওয়ার জন্য। ওনারা যদি কাউকে পাঠিয়ে দেন আমরা দলে নেব। রবিবার সকালে নিউটাউনের ইকোপার্কে প্রাতঃভ্রমণের পর সুলঙগুড়িতে চা চক্রে গিয়ে শুভেন্দু অধিকারী ইস্যুতে এই মন্তব্য করলেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। প্রসঙ্গত , ববি হাকিম বলেছিলেন , শুভেন্দু অধিকারীকে নিয়ে গিয়ে বিজেপি তাদের রাজ্য সদর দফতর মুরলিধর সেন স্ট্রিটে বসাক। সেই কথার সূ্ত্র ধরেই এদিন এই মন্তব্য করেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি। এই প্রসঙ্গে দিলীপ ঘোষ আরও বলেন, একজন রাজনীতিবিদ রাজনীতি করতে চাইলে বিজেপি সুযোগ দেবে। আমার সঙ্গে অবশ্য কারও কোনো আলোচনা এখনও হয়নি। ববি-শুভেন্দুর বাকযুদ্ধ নিয়ে দিলীপ ঘোষ বলেন, সেটা ওদের পার্টির ভিতরে চলছে। আমার কিছু বলার নেই। তারাই মিটিয়ে নিক নিজেদের ব্যাপার। আরও পড়ুন ঃ আগুনে পুড়ে মৃত্যু জ্যোতিষী জয়ন্ত শাস্ত্রীর রেল প্রসঙ্গে তিনি বলেন , এই নিয়ে এতদিন বসেনি কেন ? কেন্দ্রীয় সরকার বারবার চিঠি লিখেছে। ওনাদের কানে জল ঢোকেনি। যখন মানুষ রাস্তায় নেমে প্রতিবাদ করছে , পুলিশ লাঠি চালাচ্ছে। তখন এই সরকার নড়েচড়ে বসছে। এদের চামরা এত মোটা হয়ে গেছে। কানে তালা লেগে গেছে। মানুষের দুঃখ - কষ্ট শুনতে পায় না। যদি অন্যান্য রাজ্যে লোকাল ট্রেন চলতে পারে , এই রাজ্যে মেট্রো , টোটো , অটো , বাস , ট্রাম চলতে পারে। তাহলে লোকাল ট্রেন কেন চলবে না ? এই প্রশ্ন তোলেন তিনি। তিনি বলেন, জেদের জন্য এই পরিস্থিতি তৈরি হচ্ছে। এই বিষয়ে তাড়াতাড়ি সিদ্ধান্ত নেওয়ার দাবি জানান তিনি।

নভেম্বর ০১, ২০২০
কলকাতা

৬ নভেম্বর কলকাতায় অমিত শাহঃ দিলীপ

আগামী ৫ ও ৬ নভেম্বর কলকাতায় আসছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। আমাদের হিসেব অনুযায়ী ৫ টা জোনের মধ্যে একটা জোনের বৈঠক হয়ে গেছে। রাঢ়বঙ্গ ও মেদিনীপুর জোনের বৈঠক ৫ তারিখ বাঁকুড়া জেলায় হবে। বাঁকুড়াতে রবীন্দ্র ভবনে অথবা সপ্তর্ষি হোটেলে এই সভা হবে। ৬ তারিখ নবদ্বীপ ও কলকাতা জোনের বৈঠক কলকাতায় হবে। কলকাতার ইজেডসিসিতে এই বৈঠক হবে। আগামী নির্বাচনের প্রস্তুতি হিসেবে এই বৈঠক হবে। এছাড়াও তিনি বিভিন্ন সামাজিক সংস্থাগুলির সঙ্গে বৈঠক করবেন। শনিবার ছিল বিজেপির সাংগঠনিক সভা। সেই সভা শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে দলের আগামীদিনের কর্মসূচি বিস্তারিত জানান বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। এদিনের বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ( সংগঠন) শিবপ্রকাশ , জাতীয় সম্পাদক অরবিন্দ মেনন সহ আরও অনেকে। আরও পড়ুন ঃ নিম্নচাপের জের , বিকেলে কলকাতায় হালকা বৃষ্টিপাত এদিন তিনি আরও বলেন , মল্লারপুরের ওই নাবালক যদি তৃণমূলেরই হয় , তাহলে তাকে মারার অধিকার পুলিশের আছে নাকি ? ওখানে তো মরে গেলে সব টিএমসি হয়ে যায়। কার দলের মারা গেছে তা গৌণ। সে তো নাবালক ছিল , কোনও দলের সদস্যই সে ছিল না। তাকে তুলে নিয়ে এসে পুলিশ লক আপে মেরে ফেলা হল। সেটা নিয়ে আবার রাজনীতি খোঁজা হচ্ছে। তার মৃত্যুটা নিঃসন্দেহে খুব মর্মান্তিক। এটা আইনশৃঙ্খলাহীনতা।পুলিশ যে কি নির্মম হয়ে গেছে , কেবল রাজনৈ্তিক দলের কথা বলছে।তারপর তার পরিবারকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে গিয়ে বলানো হচ্ছে, আমরা টিএমসি করি। তাতে কি সাতখুন মাফ হয়ে গেল ? প্রশাসনের উদ্দেশে এমনই প্রশ্ন তোলে্ন তিনি। বিমল গুরুং প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বিজেপির সঙ্গে সম্পর্ক নেই , উনি ঘোষণা করেছেন। আমরা কাউকে তাড়াইনি। এবার তাদের ওখানে জমি দখলের লড়াই হচ্ছে। সেটা ওনারা বুঝে নেবেন।

অক্টোবর ৩১, ২০২০
কলকাতা

নির্বাচনী ফান্ড তৈরি করার জন্য দাম বেড়েছে আলু- পিঁয়াজেরঃ দিলীপ

আলু-পিঁয়াজের মূল্যবৃদ্ধি নিয়ে এবার রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে তোপ দাগলেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। শুক্রবার প্রাতঃভ্রমণে ইকো পার্কে গিয়েছিলেন তিনি। সেখানে তিনি সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বলেন , এই সময় এমনিতেই শাকসবজি, ফলের দাম বাড়ে ৷ বাজারকে নিয়ন্ত্রণ করার দায়িত্ব এখানকার সরকারের ৷ ইচ্ছাকৃতভাবে পুজোকে কেন্দ্র করে কিছু লোক লুটপাট করে ৷ কিন্তু এখনও আমরা সেরকম দেখিনি ৷ আলু ও পিঁয়াজের দাম বেড়ে গেছে ৷ নির্বাচনী ফান্ড তৈরি করার জন্য এগুলি করা হচ্ছে ৷ সরকারের সতর্ক হওয়া উচিত ৷ মানুষ এমনিতেই কষ্টের মধ্যে আছেন ৷ এরপরে মানুষের বিক্ষোভ আরও বাড়বে ৷ পিঁয়াজের দাম বাড়া নিয়ে তিনি বলেন, পিঁয়াজ নাসিক থেকে আসে ৷ তাই পিঁয়াজের দাম বাড়ার একটা কারণ আছে ৷ হতে পারে ফসল কম হয়েছে, নষ্ট হয়েছে ৷ কিন্তু আলুর দাম কেন বাড়বে ? আলু তো তারকেশ্বর থেকে আসে ৷ পশ্চিমবঙ্গে আলু চাষ হয় ৷ এখনও হিমঘরে প্রচুর আলু আছে ৷ শেষে ফেলে দিতে হবে ৷ কিন্তু বার করে বাজারে কেন আনা হচ্ছে না ? সব ফড়েদের হাত চলে গেছে ৷ এখানকার সরকারের কোনও কিছুতে কন্ট্রোল নেই ৷ তাই অসঙ্গতি দেখা যাচ্ছে ৷ আরও পড়ুন ঃ পুলিশের মাধ্যমে শাসন চালাচ্ছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ঃ ধনকড় এদিন শোভন-বৈশাখী প্রশ্ন করা হলে সাংসদ বলেন, শোভন ও বৈশাখি দুজনেই রাজনীতি সচেতন মানুষ ৷ ওঁরা কখন কী করতে হবে জেনেই রাজনীতিতে এসেছেন ৷ ওঁরা যখন রাজি হবেন, যে কাজ করতে চাইবেন, সেই কাজ দেওয়া হবে ৷ মুখ্যমন্ত্রীকে শোভন ও বৈশাখির শাড়ি পাঠানোর প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ব্যক্তিগত সম্পর্ক অনেকের সঙ্গেই থাকে ৷ আমিও অসুস্থ ছিলাম ৷ মুখ্যমন্ত্রী আমায় ফোন করেছিলেন ৷ সৌজন্যবোধ, সামাজিক সম্পর্ক থাকতেই পারে ৷ এতে মনে হয় না চিন্তার কিছু কারণ আছে ৷

অক্টোবর ৩০, ২০২০
রাজনীতি

ক্ষমতায় এলে সব রাজনৈতিক দলের কর্মীদের বিরুদ্ধে মামলা তুলে নেওয়া হবে : দিলীপ

করোনামুক্তির পর প্রথম চা চক্রের আসর। এবার সেই আসর জমিয়ে দিলেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। বৃহস্পতিবার সকালে চা চক্রের আয়োজন করা হয়। এ রাজ্যে ক্ষমতায় এলে সব রাজনৈতিক দলের কর্মীদের বিরুদ্ধে থাকা মামলা তুলে নেওয়া হবে বলে আশ্বাস দিলেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি। এপ্রসঙ্গে তিনি বলেন, নিজের দলের কর্মীদের নিজেরাই হত্যা করে সিপিএম যেমন ভাবাবেগের রাজনীতি করত, ঠিক তেমনি তৃণমূল নিজের দলে কর্মীদের নামেও মামলা করে রেখেছে, যাতে ভয়ে কেউ দল ছাড়তে না পারে। আমি তাই বলেছি এ ধরণের যত প্রতিহিংসাপরায়ণ রাজনৈতিক মিথ্যে মামলা আছে, তা যে দলেরই হোক, তাকে আমরা মুক্তি দেব। আরও পড়ুন ঃ নভেম্বরে ফের রাজ্যে জেপি নাড্ডা এদিন প্রিয় নেতাকে রীতিমতো ব্যান্ড-পার্টি বাজিয়ে জ্যাংড়ায় চা চক্রের আসরে নিয়ে যান দলের কর্মীরা। মাথায় পাগড়ি বেঁধে চা চক্রের অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন দিলীপ ঘোষ। প্রসঙ্গত , করোনায় কাবু হয়ে দিন কয়েক নিভৃতে ছিলেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। পরে হাসপাতালে ভর্তি করা হয় তাঁকে। হাসপাতাল থেকে ফিরেও কয়েকদিন বাড়িতেই বিশ্রামে ছিলেন তিনি।

অক্টোবর ২৯, ২০২০
রাজনীতি

নভেম্বরে ফের রাজ্যে জেপি নাড্ডা

ফের রাজ্যে আসছেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জগৎপ্রকাশ নাড্ডা। দু দিনের সফরে তিনি রাজ্যে আসছেন । বুধবার বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ জানিয়েছেন, ৬ নভেম্বর কলকাতায় আসছেন জে পি নাড্ডা। সেদিনই বীরভূম, পূর্ব বর্ধমান, আসানসোল, পুরুলিয়া ও বাঁকুড়া, ৫ সাংগঠনিক জেলার সঙ্গে বৈঠক করবেন নাড্ডা। ৭ তারিখ জঙ্গলমহল এলাকার সঙ্গে বৈঠক করবেন তিনি। বৈঠকে ২ মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, হাওড়া, হুগলি। আরও পড়ুন ঃ সুব্রত চট্টোপাধ্যায়কে সরিয়ে অমিতাভ চক্রবর্তীকে সাংগঠনিক পদে নিয়ে এল রাজ্য বিজেপি ৬ নভেম্বর বিজেপি কর্মীদের উদ্দেশে ভার্চুয়াল বার্তাও দেবেন নাড্ডা। প্রসঙ্গত, গত ১৯ অক্টোবর বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা একদিনের সফরে শিলিগুড়িতে এসেছিলেন। সামনেই বাংলায় বিধানসভা নির্বাচন। তাই কয়েকদিন আগে উত্তরবঙ্গ সফরের পর এবার দক্ষিণবঙ্গে দলের সাংগঠনিক অবস্থা খতিয়ে দেখতে আসছেন নাড্ডা।

অক্টোবর ২৯, ২০২০
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • ›

ট্রেন্ডিং

দেশ

যুদ্ধের বাজারেও ভারতের বিরাট সাফল্য! বৃদ্ধির পূর্বাভাস এক ধাক্কায় বাড়াল আন্তর্জাতিক অর্থ ভাণ্ডার

বিশ্বজুড়ে যুদ্ধের পরিস্থিতি। বাড়ছে অপরিশোধিত তেলের দাম। আন্তর্জাতিক অর্থনীতিতে তৈরি হয়েছে অনিশ্চয়তা। এর মধ্যেই ভারতের অর্থনীতি নিয়ে বড় সুখবর দিল আন্তর্জাতিক অর্থ ভাণ্ডার। চলতি অর্থবর্ষে দেশের আর্থিক বৃদ্ধির পূর্বাভাস বাড়িয়ে ৭ শতাংশ করল এই আন্তর্জাতিক সংস্থা। আগে এই হার ৬.৪ শতাংশ হবে বলে অনুমান করা হয়েছিল। অর্থাৎ, বিশ্ব অর্থনীতির একাধিক ক্ষেত্রে চাপ থাকলেও ভারতের আর্থিক বৃদ্ধির গতি নিয়ে আশাবাদী আন্তর্জাতিক অর্থ ভাণ্ডার।সংস্থার সাম্প্রতিক বিশ্ব অর্থনৈতিক পরিস্থিতি সংক্রান্ত রিপোর্ট অনুযায়ী, ২০২৬-২৭ অর্থবর্ষে ভারতের মোট অভ্যন্তরীণ উৎপাদন বা জিডিপি বৃদ্ধির হার ৭ শতাংশ হতে পারে। এর আগে গত জুলাইয়ে ৬.৪ শতাংশ বৃদ্ধির পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছিল। নতুন অনুমান অনুযায়ী, বৃদ্ধির সম্ভাবনা ০.৬ শতাংশ পয়েন্ট বেড়েছে।শুধু চলতি অর্থবর্ষ নয়, আগামী ২০২৭-২৮ অর্থবর্ষেও ভারতের জিডিপি বৃদ্ধির হার ৭ শতাংশ থাকতে পারে বলে মনে করছে আন্তর্জাতিক অর্থ ভাণ্ডার। আগে ওই অর্থবর্ষে ৬.৭ শতাংশ বৃদ্ধির পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছিল। অর্থাৎ, আগামী দুবছরেও দেশের অর্থনীতির গতি বজায় থাকার আশা করছে সংস্থাটি।এর আগে ভারতের রিজার্ভ ব্যাঙ্কও চলতি অর্থবর্ষে দেশের জিডিপি বৃদ্ধির পূর্বাভাস বাড়িয়ে ৭.১ শতাংশ করেছিল। এ বার আন্তর্জাতিক অর্থ ভাণ্ডারের রিপোর্টেও ভারতের অর্থনীতি নিয়ে ইতিবাচক ইঙ্গিত মিলল।ভারতের আর্থিক বৃদ্ধির পূর্বাভাস বাড়ানোর পিছনে কয়েকটি কারণের কথা জানিয়েছে আন্তর্জাতিক অর্থ ভাণ্ডার। সংস্থার মতে, দেশের বাজারে পণ্য ও পরিষেবার চাহিদা যথেষ্ট শক্তিশালী। সাধারণ মানুষের কেনাকাটা, ব্যবসা-বাণিজ্য এবং পরিষেবা ক্ষেত্রের ভাল ফল অর্থনীতির বৃদ্ধিতে সাহায্য করছে। পাশাপাশি, ভারতের বড় অভ্যন্তরীণ বাজার, বিপুল জনসংখ্যা এবং বিভিন্ন অর্থনৈতিক সংস্কারও বৃদ্ধির ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিচ্ছে। বিশেষ করে পরিষেবা ক্ষেত্রের শক্তিশালী অবস্থান দেশের অর্থনীতিকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে।তবে বিশ্ব অর্থনীতির সামনে ঝুঁকিও রয়েছে। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের পাশাপাশি আমেরিকা ও ইরানের সংঘাতের কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে অনিশ্চয়তা বেড়েছে। এর মধ্যে অপরিশোধিত তেলের দাম বৃদ্ধি ভারতের মতো তেল আমদানিনির্ভর দেশের জন্য বড় চিন্তার কারণ। তেলের দাম বাড়লে দেশের আমদানি খরচ বাড়তে পারে। তার প্রভাব পড়তে পারে মূল্যবৃদ্ধি এবং সামগ্রিক অর্থনীতিতে।আন্তর্জাতিক অর্থ ভাণ্ডারের অনুমান, ২০২৬ সালে বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত তেলের গড় দাম ব্যারেলপ্রতি ৯৫.৭৪ ডলারে পৌঁছতে পারে। ২০২৫ সালের তুলনায় তা প্রায় ৪১ শতাংশ বেশি। তবে ২০২৭ সালে তেলের দাম প্রায় ৯ শতাংশ কমে ব্যারেলপ্রতি ৮৭.৩৯ ডলারে নেমে আসতে পারে বলে অনুমান করা হয়েছে। তেলের দাম বাড়ার আশঙ্কা থাকলেও দেশের বাজারে চাহিদা এবং পরিষেবা ক্ষেত্রের শক্তিশালী অবস্থানের কারণে ভারতের আর্থিক বৃদ্ধির গতি বজায় থাকতে পারে বলে মনে করছে সংস্থাটি।অন্য দিকে, চিন, রাশিয়া, ব্রাজিল এবং মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি দেশের অর্থনীতি নিয়ে কিছুটা উদ্বেগ প্রকাশ করেছে আন্তর্জাতিক অর্থ ভাণ্ডার। রিপোর্ট অনুযায়ী, ২০২৬ সালে এই দেশগুলির সম্মিলিত আর্থিক বৃদ্ধির হার ৩.৭ শতাংশ হতে পারে। আগে এই হার ৩.৮ শতাংশ হবে বলে অনুমান করা হয়েছিল।তবে ইউরোপের কয়েকটি দেশের ক্ষেত্রে বৃদ্ধির পূর্বাভাস বাড়ানো হয়েছে। জার্মানির অর্থনৈতিক বৃদ্ধির অনুমান ০.৭ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ১.৩ শতাংশ করা হয়েছে। ব্রিটেনের ক্ষেত্রেও বৃদ্ধির পূর্বাভাস ১ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ১.৩ শতাংশ করা হয়েছে।সব মিলিয়ে, যুদ্ধ এবং তেলের দাম বৃদ্ধির মতো ঝুঁকি থাকা সত্ত্বেও ভারতের অর্থনীতি নিয়ে আশাবাদী আন্তর্জাতিক অর্থ ভাণ্ডার। দেশের বাজারে চাহিদা এবং পরিষেবা ক্ষেত্রের শক্তিশালী অবস্থান আগামী দিনেও আর্থিক বৃদ্ধিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারে বলে মনে করছে সংস্থাটি।

অক্টোবর ১৩, ২০২৬
দেশ

সূর্যকান্তকে নিয়ে বিস্ফোরক পোস্ট, বিজেপির আক্রমণের মুখে পিছু হটল কেরল কংগ্রেস?

সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্তের পদত্যাগ দাবি করে কেরল কংগ্রেসের একটি পোস্ট ঘিরে জাতীয় রাজনীতিতে বিতর্ক শুরু হয়েছে। দেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে নিয়ে বিতর্কের পর এ বার প্রধান বিচারপতিকে নিশানা করে পোস্ট করার অভিযোগ উঠেছে কেরল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে। বিষয়টি সামনে আসতেই কংগ্রেসকে আক্রমণ করেছে বিজেপি। সমালোচনার মুখে শেষ পর্যন্ত পোস্টটি মুছে দিয়েছে কেরল প্রদেশ কংগ্রেস। সূত্রের খবর, ওই পোস্ট করার জন্য দায়ী ব্যক্তিকেও পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।সোমবার দিল্লিতে বিক্ষোভ এবং রাজধানীতে জারি করা বিধিনিষেধ নিয়ে প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্তকে প্রশ্ন করেন সাংবাদিকেরা। একটি অনুষ্ঠানের ফাঁকে তাঁদের প্রশ্নের উত্তরে প্রধান বিচারপতি জানান, বিষয়টি আইনশৃঙ্খলার সঙ্গে সম্পর্কিত। তাই তা তাঁর এক্তিয়ারের মধ্যে পড়ে না।প্রধান বিচারপতির এই মন্তব্যের পরেই কেরল কংগ্রেসের সরকারি সমাজমাধ্যমের পাতায় একটি পোস্ট করা হয়। সেখানে তাঁকে উদ্দেশ করে লেখা হয়েছিল, আইনশৃঙ্খলা যদি তাঁর এক্তিয়ারের মধ্যে না পড়ে, তা হলে যেন তিনি পদত্যাগ করেন। পাশাপাশি, তাঁর পরিবর্তে এই বিষয় সামলাতে পারবেন, এমন কাউকে খুঁজে নেওয়ার কথাও লেখা হয় ওই পোস্টে। বার্তাটি সামনে আসতেই কংগ্রেসের অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করে।এই ঘটনাকে হাতিয়ার করে কংগ্রেসের বিরুদ্ধে সরব হয় বিজেপি। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী কিরেন রিজিজু নিজের সমাজমাধ্যমের পাতায় ওই পোস্টের ছবি ভাগ করে নেন। তাঁর অভিযোগ, তিনি আগেই বলেছিলেন, কংগ্রেসের পরবর্তী নিশানা হবে বিচারব্যবস্থা। কংগ্রেস দেশের সাংবিধানিক ও গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলিকে ধ্বংস করতে চায় বলেও দাবি করেন তিনি। তাঁর আরও বক্তব্য, দেশবিরোধী শক্তিগুলি একজোট হচ্ছে। এর মোকাবিলায় দেশপ্রেমিক ভারতীয়দেরও একজোট হওয়ার আহ্বান জানান রিজিজু।বিতর্ক বাড়তে থাকায় নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করে কেরল প্রদেশ কংগ্রেস কমিটি। রাজ্য কংগ্রেস সভাপতি সানি জোসেফ জানান, প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্তকে নিয়ে আপত্তিকর পোস্ট করার জন্য দায়ী ব্যক্তিকে পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। তাঁর দাবি, প্রদেশ কংগ্রেসের নেতৃত্বের অজান্তে এবং তাঁদের অনুমতি বা পরামর্শ ছাড়াই ওই পোস্ট করা হয়েছিল।কী পরিস্থিতিতে ওই পোস্ট করা হয়েছিল, তা দল খতিয়ে দেখবে বলেও জানিয়েছেন সানি। তাঁর বক্তব্য, বিচারব্যবস্থার নিরপেক্ষতা নিয়ে কংগ্রেসের কোনও আপত্তি নেই। সমাজমাধ্যমে এমন কোনও পোস্ট করা হলে, যা দলের এই অবস্থানের সঙ্গে মেলে না, তা কেরল প্রদেশ কংগ্রেস নেতৃত্বের মতামত বলে গণ্য করা যাবে না।প্রধান বিচারপতির মন্তব্যকে কেন্দ্র করে শুরু হওয়া এই বিতর্কে এক দিকে বিজেপির আক্রমণ, অন্য দিকে কেরল কংগ্রেসের ব্যাখ্যাসব মিলিয়ে রাজনৈতিক চাপানউতর বেড়েছে। বিতর্কিত পোস্ট প্রত্যাহার এবং দায়ী ব্যক্তিকে সরানোর সিদ্ধান্তের পরেও এই ঘটনা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা চলছে।

অক্টোবর ১৩, ২০২৬
কলকাতা

দুর্গাপুজোর আগেই বড় ধাক্কা সুজিত বসুর, জামিনের আর্জি খারিজ হাই কোর্টে

এক সময় দুর্গাপুজোর আগে থেকেই কলকাতার শ্রীভূমি স্পোর্টিং ক্লাবে ভিড় জমত দর্শনার্থীদের। রাজ্যের প্রাক্তন দমকলমন্ত্রী সুজিত বসুর এই পুজো ছিল শহরের অন্যতম আকর্ষণ। কিন্তু এ বার ছবিটা অন্য রকম। পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় গ্রেফতার সুজিত বসুর জামিনের আবেদন খারিজ করে দিল কলকাতা হাই কোর্ট। ফলে দুর্গাপুজোর সময় তাঁকে জেলেই থাকতে হতে পারে।জামিনের আবেদনটি প্রথমে বিচারপতি শুভ্রা ঘোষের এজলাসে উঠেছিল। শুনানির শেষে বিচারপতি অভিযোগ করেন, সুজিতের আইনজীবীরা তাঁর কক্ষ থেকে একটি ফাইল নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেছিলেন। এর পরেই বিচারপতি মামলাটি থেকে সরে দাঁড়ান। পরে মামলাটি যায় বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষের এজলাসে। সেখানেই সুজিতের জামিনের আবেদন খারিজ হয়ে যায়। তবে শুনানির সময় বিচারপতি জামিন খারিজের নির্দিষ্ট কারণ জানাননি।আদালতে ইডির আইনজীবী ধীরজ ত্রিবেদী দাবি করেন, পুর নিয়োগ দুর্নীতিতে ২৮৪ জন অযোগ্য প্রার্থী চাকরি পেয়েছিলেন। তাঁদের প্রত্যেকের কাছ থেকে চাকরির জন্য ৬ লক্ষ টাকা করে নেওয়া হয়েছিল বলে অভিযোগ। ইডির আরও দাবি, সুজিত বসুর ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ৮ কোটি ৮০ লক্ষ টাকা পাওয়া গিয়েছে। তাঁর পরিবারের সদস্যদের অ্যাকাউন্টেও কয়েক কোটি টাকা মিলেছে বলে আদালতে জানিয়েছিল তদন্তকারী সংস্থা।এই মামলায় সুজিতের আগে গ্রেফতার হয়েছিলেন মধ্যস্থতাকারী অয়ন শীল। ইডি আগে হাই কোর্টে দাবি করেছিল, অয়নকে জিজ্ঞাসাবাদ করে জানা গিয়েছে, দক্ষিণ দমদম পুরসভায় বিভিন্ন সময়ে ১৫২ জনের চাকরির জন্য সুজিত বসু সুপারিশ করেছিলেন।অন্য দিকে, সুজিতের আইনজীবী অভিষেক মনু সিঙ্ঘভি ও সব্যসাচী বন্দ্যোপাধ্যায় জামিনের পক্ষে সওয়াল করেন। তাঁদের বক্তব্য, পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলার তদন্ত শেষ হয়ে গিয়েছে। তা সত্ত্বেও তাঁদের মক্কেলকে জেলে আটকে রাখা ঠিক নয়। ইডি এই গ্রেফতারিকে যুক্তিসঙ্গত প্রমাণ করতে পারবে না বলেও দাবি করেন তাঁরাসুজিতের আইনজীবীদের আরও বক্তব্য, ২০১৬ সালের পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ইডি তাঁকে মূল অভিযুক্ত হিসেবে দেখালেও, ২০২৪-২৫ সালে সিবিআই যে চার্জশিট দিয়েছিল, তাতে তাঁর নাম ছিল না। তাঁদের দাবি, সুজিতের বাড়ি কলকাতায়। তদন্তের প্রয়োজনে তাঁকে যখনই ডাকা হবে, তিনি হাজির হতে পারবেন। তদন্তে সহযোগিতা করতেও তিনি প্রস্তুত।গত ১১ মে সুজিত বসুকে গ্রেফতার করেছিল ইডি। তদন্তকারী সংস্থার দাবি, এই মামলায় প্রায় ১৫০ জন চাকরিপ্রার্থীর নাম সামনে এসেছে। দুর্নীতির মাধ্যমে পাওয়া টাকা ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে জমা পড়েছিল বলে মনে করছে ইডি। তবে এই মামলায় ওঠা অভিযোগগুলির চূড়ান্ত সত্যতা আদালতের বিচারেই নির্ধারিত হবে।

অক্টোবর ১৩, ২০২৬
রাজ্য

শঙ্কুদেবের পুজোয় হাজির শুভেন্দু অধিকারী, পার্ক স্ট্রিটে দাঁড়িয়ে কী বার্তা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী?

পার্ক স্ট্রিটে এ বার প্রথমবার দুর্গাপুজোর আয়োজন করেছেন বিজেপি নেতা শঙ্কুদেব পণ্ডা। প্রথম পুজো ঘিরে উদ্যোক্তাদের মধ্যে আলাদা আবেগ থাকবেই। সোমবার রাতে সেই পুজোর উদ্বোধনে হাজির হন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। উপস্থিত ছিলেন সাংসদ তথা কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদারও। পুজোর উদ্বোধনী মঞ্চ থেকে দুর্গোৎসব, সংস্কৃতি ও রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে বক্তব্য রাখেন বিজেপির দুই নেতা।অনুষ্ঠানে সুকান্ত বলেন, পার্ক স্ট্রিটে আগে দুর্গাপুজোর আয়োজন হত না। তাঁর দাবি, মুখ্যমন্ত্রীর অনুপ্রেরণায় পশ্চিমবঙ্গে ১২ হাজারেরও বেশি নতুন পুজো শুরু হয়েছে। আগের সরকারের আমলে পুজো করার জন্য উদ্যোক্তাদের কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হতে হত বলেও অভিযোগ করেন তিনি। এ জন্য মুখ্যমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানান সুকান্ত। বক্তব্যের শেষে জয় শ্রীরাম স্লোগানও তোলেন তিনি।সোমবার রাত প্রায় ১১টা নাগাদ পার্ক স্ট্রিটের অ্যালেন পার্কে শঙ্কুদেবের পুজোর উদ্বোধন করতে যান শুভেন্দু। সেখানে উপস্থিত বিজেপি নেতাদের একে একে নাম করে উল্লেখ করেন তিনি। তার পর বলেন, একদম রাষ্ট্রবাদী টিম পুরো হাজির।বক্তৃতায় পার্ক স্ট্রিটের প্রসঙ্গ তুলে শুভেন্দু বলেন, এই এলাকায় মাঝেমধ্যে টুকরে টুকরে গ্যাং-এর উৎপাত দেখা যেত বলে তাঁর দাবি। দুর্গাপুজোর আবহে পার্ক স্ট্রিটকে পবিত্র ও শুদ্ধ করার কথাও বলেন তিনি। এই পুজো ধরে রাখার জন্য উদ্যোক্তাদের আবেদন জানান শুভেন্দু। সুযোগ হলে পুজোয় এসে প্রসাদ খাওয়ার ইচ্ছাও প্রকাশ করেন তিনি।ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও পরম্পরা বজায় রাখার উপর জোর দেন শুভেন্দু। পিতৃপক্ষ ও মহালয়ার প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, এ বার পিতৃপক্ষে কাউকে কাঁচি নিয়ে বেরোতে দেওয়া হয়নি। তাঁর বক্তব্য, পবিত্রতা ও সংস্কৃতি বজায় রেখেই দুর্গাকে স্বাগত জানানো হয়েছে।এ দিকে, কলকাতা জুড়ে দুর্গাপুজোর উদ্বোধন ঘিরে ব্যস্ততা চলছে। গত ১০ অক্টোবর মহালয়ার দিন ইডেন গার্ডেন্সে উমা আগমনী অনুষ্ঠানের মাধ্যমে রাজ্য সরকারের দুর্গাপুজোর উৎসবের আনুষ্ঠানিক সূচনা হয়। অনুষ্ঠানে সাংস্কৃতিক পরিবেশনা, ড্রোনের প্রদর্শনী এবং আতশবাজির আয়োজন করা হয়েছিল। প্রায় তিন হাজার ঢাকির একসঙ্গে ঢাক বাজানো ছিল অনুষ্ঠানের অন্যতম আকর্ষণ।১১ অক্টোবর সন্তোষ মিত্র স্কোয়ারের দুর্গাপুজোর উদ্বোধন করা হয়। এ বছরের পুজোর ভাবনা বন্দে মাতরম্। ভারতের জাতীয় সংগীতের ১৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে স্বাধীনতা সংগ্রাম ও দেশভাগের ইতিহাস মণ্ডপে তুলে ধরার পরিকল্পনা রয়েছে।১২ অক্টোবর চোরবাগান সর্বজনীন দুর্গোৎসব সমিতির ৯১তম বর্ষের পুজোর উদ্বোধন হয়। এ বছরের ভাবনা বিয়ন্ড সাউন্ড। শহরের কোলাহলের বিপরীতে শান্তি ও নিজের অন্তরের ভাবনাকে তুলে ধরার চেষ্টা করা হয়েছে এই মণ্ডপে। শ্রীভূমির দুর্গাপুজোর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানেও যোগ দেন মুখ্যমন্ত্রী।

অক্টোবর ১৩, ২০২৬
দেশ

ভোট চুরির অভিযোগে সুপ্রিম কোর্টে রাহুলদের মামলা, আবেদনেই ১৪টি ভুল! ২২০ টাকা কম জমা?

ভোট চুরির অভিযোগ তুলে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী-সহ বিরোধী জোটের একাধিক নেতা। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ এবং ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন তুলে যৌথ মামলা দায়ের করেছেন তাঁরা। কিন্তু মামলা দায়েরের পরেই নতুন সমস্যা। আদালতের রেজিস্ট্রি জানিয়েছে, বিরোধীদের আবেদনে মোট ১৪টি ত্রুটি রয়েছে। এমনকি আদালতের ফি বাবদ ২২০ টাকা কম জমা পড়েছে বলেও উল্লেখ করা হয়েছে।সোমবার দিল্লিতে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদে পথে নেমেছিলেন বিরোধী জোটের নেতারা। জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ এবং ভোট চুরির অভিযোগের তদন্তের দাবিতে তাঁরা সুপ্রিম কোর্টের দিকে মিছিল করেন। সেই দিনই নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে শীর্ষ আদালতে যৌথ মামলা দায়ের করেন তাঁদের আইনজীবীরা।কিন্তু আদালতের রেজিস্ট্রির প্রাথমিক পরীক্ষায় আবেদনে একাধিক ভুল ধরা পড়েছে বলে জানা গিয়েছে। রেজিস্ট্রির দাবি, মোট ১৪টি ত্রুটি রয়েছে ওই আবেদনে। তার মধ্যে অন্যতম হল আদালতের ফি বাবদ ২২০ টাকা কম জমা দেওয়া। এ ছাড়া, নয় জন আবেদনকারীর প্রয়োজনীয় অনুমতিপত্র জমা পড়েনি বলেও জানানো হয়েছে।কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়্গের পরিচয়পত্রের স্পষ্ট প্রতিলিপি জমা দেওয়ার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে। আবেদনের কয়েকটি অংশে অক্ষর অত্যন্ত ছোট হওয়া নিয়েও আপত্তি জানিয়েছে রেজিস্ট্রি। দুটি নির্দিষ্ট নথির রঙিন প্রতিলিপি জমা দেওয়া হয়নি বলেও অভিযোগ। পাশাপাশি, কয়েকটি নথির লেখা অস্পষ্ট, কিছু পৃষ্ঠা অনুপস্থিত এবং আঞ্চলিক ভাষায় লেখা পৃষ্ঠা ও পৃষ্ঠা নম্বরের মধ্যে অসঙ্গতি রয়েছে বলে জানানো হয়েছে। এই ত্রুটিগুলি সংশোধন করার পরেই মামলাটি শুনানির জন্য তালিকাভুক্ত করার প্রক্রিয়া এগোতে পারবে।এই যৌথ মামলায় আবেদনকারীদের তালিকায় রয়েছেন রাহুল গান্ধী, কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়্গে, তৃণমূল সাংসদ সৌগত রায়, সমাজবাদী পার্টির প্রধান অখিলেশ যাদব, আরজেডি নেতা তেজস্বী যাদব, সুপ্রিয়া সুলে, শিবসেনার উদ্ধব শিবিরের নেতা সঞ্জয় রাউত, ডি রাজা, ঝাড়খণ্ড মুক্তি মোর্চার মহুয়া মাজি, এম এ বেবি এবং ইন্ডিয়ান ইউনিয়ন মুসলিম লিগের নেতা ই টি মহম্মদ বশির।সুপ্রিম কোর্টের ওয়েবসাইটে মামলাটি রাহুল গান্ধী বনাম ভারতের নির্বাচন কমিশন নামে নথিভুক্ত হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। মামলায় মোট ১০ দফা প্রতিকার চেয়েছেন বিরোধী নেতারা।বিরোধীদের দাবি, ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়া সংক্রান্ত সমস্ত নথি আদালতে পেশ করার নির্দেশ দেওয়া হোক। এই প্রক্রিয়া নিয়ে নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তগুলির সাংবিধানিক বৈধতাও খতিয়ে দেখার আবেদন জানিয়েছেন তাঁরা। পাশাপাশি, অনিয়মের জন্য দায়ী আধিকারিকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া, তাঁদের অভিযোগের নিষ্পত্তি এবং একটি স্বাধীন কমিটির মাধ্যমে পুরো প্রক্রিয়ার নিরীক্ষা করানোর দাবিও জানানো হয়েছে।বিরোধীদের অভিযোগ, ভোটার তালিকা সংশোধনের নামে ভোটারদের অধিকার ক্ষুণ্ণ করা হচ্ছে। সেই কারণেই নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে শীর্ষ আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন তাঁরা।সোমবারের মিছিলের আগে বিরোধী নেতারা প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের সঙ্গে দেখা করার আবেদন জানিয়েছিলেন। তাঁদের উদ্দেশ্য ছিল, ভোট চুরির অভিযোগের নিষ্পত্তি, জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ, বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়া বন্ধ এবং ব্যালট পেপারের মাধ্যমে ভোটগ্রহণ ফের চালু করার দাবিতে একটি স্মারকলিপি তুলে দেওয়া।তবে প্রধান বিচারপতি তাঁদের সঙ্গে দেখা করার আবেদন গ্রহণ করেননি। বিষয়টি আদালতের বিচারাধীন বলেই তিনি এই আবেদন খারিজ করেছেন বলে জানা গিয়েছে। এর আগে বিরোধীদের অভিযোগ জানানোর পথ নিয়ে প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেছিলেন, সুপ্রিম কোর্টের দরজা সকলের জন্য খোলা। সাধারণ নাগরিক হোন বা নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি, প্রত্যেকেই আদালতের দ্বারস্থ হতে পারেন।এখন বিরোধীদের আবেদনে চিহ্নিত ত্রুটিগুলি সংশোধন করতে হবে। তার পরেই মামলাটি শুনানির জন্য তালিকাভুক্ত করার প্রক্রিয়া এগোবে। ফলে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে বিরোধীদের এই মামলার পরবর্তী পদক্ষেপের দিকে নজর থাকবে রাজনৈতিক মহলের।

অক্টোবর ১৩, ২০২৬
রাজ্য

‘যারা নিজেদের স্বার্থ ছাড়া কিছু ভাবেনি…’, দুর্গাপুজোর মঞ্চ থেকে কাদের নিশানা অগ্নিমিত্রার?

দুর্গাপুজোর আগে ভারতবিরোধী শক্তির বিনাশ চেয়ে মা দুর্গার কাছে প্রার্থনা করলেন রাজ্যের মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল। তাঁর কথায়, ভারতবিরোধী শক্তিগুলিকে শেষ করে দাও মা। যারা নিজেদের স্বার্থ ছাড়া এত দিন কিছুই ভাবেনি, সেই বদমাইশদেরও শেষ করে দাও। সোমবার দুর্গাপুরের সিটি সেন্টারে একটি প্রাক-পুজোর অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে এই মন্তব্য করেন তিনি। তাঁর বক্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক মহলে চর্চা শুরু হয়েছে।অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখার পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়েও একই প্রসঙ্গে সরব হন অগ্নিমিত্রা। তাঁর দাবি, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে দেশ এগিয়ে যাচ্ছে এবং আরও শক্তিশালী হচ্ছে। কিন্তু দেশের উন্নতির পথে যারা বাধা হয়ে দাঁড়াতে চাইছে, তাদের বিনাশের জন্য মা দুর্গার কাছে প্রার্থনা করেছেন তিনি। অগ্নিমিত্রার কথায়, যারা নিজেদের স্বার্থের বাইরে কিছু ভাবেনি, তাদেরও যেন মা দুর্গা শেষ করে দেন। দেশ ও রাজ্য থেকে এই ধরনের শক্তির বিনাশই তাঁর প্রার্থনা।এ দিন দুর্গাপুরের সিটি সেন্টারে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং আতশবাজির প্রদর্শনীও উপভোগ করেন মন্ত্রী। পাশাপাশি রাজ্যবাসীকে দুর্গাপুজোর শুভেচ্ছা জানান তিনি। উৎসবের দিনগুলিতে সতর্ক থাকার আবেদনও জানিয়েছেন অগ্নিমিত্রা।পুজোর সময়ে জরুরি পরিষেবা চালু থাকবে বলে জানান তিনি। পুলিশ ও প্রশাসনের আধিকারিকেরা রাস্তায় থেকে পরিস্থিতির উপর নজর রাখবেন বলেও জানিয়েছেন মন্ত্রী। তবে শুধু প্রশাসনের উপর নির্ভর না করে সাধারণ মানুষকেও সচেতন থাকার বার্তা দিয়েছেন তিনি। পরিবেশ রক্ষায় সরকারের জারি করা নির্দেশিকা মেনে চলার আবেদনও জানান অগ্নিমিত্রা।বাংলা ও বাঙালির সংস্কৃতির বিরোধিতা করা হবে, বিজেপিকে ঘিরে এমন প্রচারও খারিজ করেছেন তিনি। অগ্নিমিত্রার বক্তব্য, মহালয়ার দিন ইডেন গার্ডেন্সে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বিপুল মানুষের উপস্থিতিই প্রমাণ করে যে এই প্রচার ঠিক নয়। আগামী দিনে আরও নানা উদ্যোগ নেওয়া হবে বলেও আশ্বাস দিয়েছেন তিনি। মানুষের পাশে থাকার আবেদন জানিয়ে অগ্নিমিত্রা বলেন, আগামী দিনেও পাশে থাকুন, আরও অনেক কিছু হবে।সোমবারের ওই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পশ্চিম বর্ধমানের জেলাশাসক পুন্নাম্বলম এস, দুর্গাপুর পূর্বের বিধায়ক চন্দ্রশেখর বন্দ্যোপাধ্যায় এবং দুর্গাপুর পশ্চিমের বিধায়ক লক্ষ্মণচন্দ্র ঘোড়ুই।

অক্টোবর ১৩, ২০২৬
কলকাতা

দিল্লির পর কলকাতায় ‘জ্ঞানেশ কুমার হটাও’ মিছিল! পথে নামতে পারেন মমতা, কড়া হুঁশিয়ারি শুভেন্দুর

দিল্লির আন্দোলনের আঁচ এ বার কলকাতাতেও। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে মঙ্গলবার কলকাতায় মিছিলের ডাক দিয়েছে তৃণমূলের মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়পন্থী শিবির। রাজাবাজার থেকে পার্ক সার্কাস পর্যন্ত এই মিছিল হওয়ার কথা। তাতে মমতা নিজেও যোগ দিতে পারেন বলে জল্পনা তৈরি হয়েছে। তবে তিনি মিছিলে হাঁটবেন কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়। এই কর্মসূচিকে ঘিরে রাজনৈতিক উত্তাপ বাড়তেই কড়া বার্তা দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। দুর্গাপুজোর সময়ে কোনও রকম বিশৃঙ্খলা বরদাস্ত করা হবে না বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি।মঙ্গলবারের মিছিলের প্রচারপত্র প্রকাশ করেছে তৃণমূলের মমতাপন্থী শিবির। সেখানে কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে গণতন্ত্রের কণ্ঠরোধের অভিযোগ তোলা হয়েছে। দিল্লিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আটক করা এবং তরুণ প্রজন্মের উপর অত্যাচারের অভিযোগও প্রচারপত্রে তুলে ধরা হয়েছে। এই ঘটনার প্রতিবাদে সাধারণ মানুষকে একজোট হওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। জেলায় জেলায়ও কর্মসূচির বার্তা পাঠানো হয়েছে বলে খবর।ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়াকে কেন্দ্র করে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ উঠেছে। ভোটে কারচুপির অভিযোগ তুলে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ দাবি করছেন বিরোধী নেতাদের একাংশ। এই ইস্যুতে দিল্লিতে একাধিক প্রতিবাদ কর্মসূচিও হয়েছে। কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীও জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। মঙ্গলবার এই সংক্রান্ত মামলার শুনানি হতে পারে বলে খবর।এই আবহেই কলকাতায় মিছিলের ডাক দিয়েছে তৃণমূলের মমতাপন্থী শিবির। দুপুর দুটো নাগাদ মিছিল শুরু হতে পারে বলে জানা যাচ্ছে। রাজাবাজার থেকে পার্ক সার্কাস পর্যন্ত এই কর্মসূচি ঘিরে রাজনৈতিক মহলে জল্পনা তৈরি হয়েছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে মিছিলে অংশ নেবেন কি না, তা নিয়ে এখনও নিশ্চিত কোনও ঘোষণা হয়নি।সোমবার রাতে কলকাতায় একটি দুর্গাপুজোর উদ্বোধন করতে গিয়ে এই কর্মসূচি নিয়ে সরব হন শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেন, বেরোতে দেব না। সিপিকে নির্দেশ দিয়েছি, রাজাবাজার থেকে এক পা এগোতে দেব না। প্রয়োজন হলে সেন্ট্রাল ফোর্সও নামাতে বলেছি। বেরোতে দেব না। কোনও বিশৃঙ্খলা করতে দেব না দুর্গাপুজোর সময়ে।মিছিল ঘিরে অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে পুলিশি নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে বলে খবর। মঙ্গলবার সকাল থেকেই পার্ক সার্কাস এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। রাজাবাজার থেকে মিছিল কোন পথে এগোবে এবং শেষ পর্যন্ত তাতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যোগ দেবেন কি না, সে দিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

অক্টোবর ১৩, ২০২৬
দেশ

যন্তর মন্তরে প্রতিবাদে নিষেধাজ্ঞা, পরদিনই ব্যারিকেড টপকে ঢোকার চেষ্টা! আটক ককরোচ জনতা পার্টির নেতারা

যন্তর মন্তরে আর প্রতিবাদ করা যাবে না। সোমবার কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের তরফে এই সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়েছে বলে দাবি। সেই নির্দেশ ঘিরেই নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে দিল্লিতে। সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করেছে ককরোচ জনতা পার্টি। দলের প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপের হুঁশিয়ারি, যন্তর মন্তরে প্রতিবাদ করতে না দিলে গোটা দেশকেই প্রতিবাদের মঞ্চ করে তুলবেন তাঁরা। আর সেই ঘোষণার পরদিনই যন্তর মন্তরে পৌঁছে গেলেন দলের কয়েক জন নেতা। কিন্তু সেখানে ঢোকার চেষ্টা করতেই তাঁদের আটক করে পুলিশ।সোমবার দিল্লি পুলিশকে ২৪ ঘণ্টার সময়সীমা বেঁধে দিয়েছিল ককরোচ জনতা পার্টি। দলের তরফে দাবি করা হয়, ওই সময়ের মধ্যে নতুন করে প্রতিবাদের স্থান এবং দিনক্ষণ জানাতে হবে। তা না হলে বড় পদক্ষেপ করা হবে। এর পরেই যন্তর মন্তরে বিক্ষোভ করা যাবে না বলে নির্দেশ দেয় দিল্লি পুলিশ। প্রতিবাদের জন্য তিনটি বিকল্প জায়গার কথা জানানো হয়েছে বলে খবর।সেই বিকল্পগুলির মধ্যে রয়েছে রামলীলা ময়দান। তবে সূত্রের দাবি, সেখানে প্রতিবাদ কর্মসূচির জন্য জায়গা বুক করতে খরচ হতে পারে ১ লক্ষ ২১ হাজার টাকা। চলতি বছরের জন্য বুকিংও ইতিমধ্যে হয়ে গিয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। ফলে প্রতিবাদের নতুন জায়গা পাওয়া নিয়ে সমস্যায় পড়তে পারে ককরোচ জনতা পার্টি।নিটের প্রশ্নফাঁসের অভিযোগের প্রতিবাদে যন্তর মন্তর থেকেই আন্দোলন শুরু করেছিলেন দলের সদস্যেরা। তাই ওই জায়গায় বিক্ষোভ বন্ধের নির্দেশে ক্ষুব্ধ তাঁরা। অভিজিৎ দীপের বক্তব্য, যন্তর মন্তরে প্রতিবাদ করতে দেওয়া না হলে গোটা দেশই প্রতিবাদের মঞ্চ হয়ে উঠবে।এই হুঁশিয়ারির পরদিন মঙ্গলবার ভোরে যন্তর মন্তরে পৌঁছে যান দলের নেতা সৌরভ দাস, আশুতোষ রাঙ্কারা। অভিজিতের প্রকাশ করা একটি ভিডিয়োয় দেখা গিয়েছে, লোহার গেট ও পুলিশের ব্যারিকেড টপকে ভিতরে ঢোকার চেষ্টা করছেন তাঁরা। তাঁদের হাতে ছিল জাতীয় পতাকা। ভারত মাতা কি জয় স্লোগান দিতে দিতেই ব্যারিকেড পার হওয়ার চেষ্টা করেন দলের নেতারা।কিছুক্ষণের মধ্যেই ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাঁদের আটক করে পুলিশ। দলের কয়েক জন নেতা-কর্মীকে আটক করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। তাঁদের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের হতে পারে বলেও সূত্রের খবর। মঙ্গলবার সকালে এই ঘটনার একাধিক ভিডিয়ো সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।নেতা-কর্মীরা আটক হলেও আন্দোলন থামবে না বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপ। তাঁর দাবি, প্রতিবাদকে আটকানো যাবে না। যন্তর মন্তরে বিক্ষোভের উপর নিষেধাজ্ঞা এবং বিকল্প জায়গা নিয়ে দিল্লি পুলিশের সঙ্গে দলের সংঘাত কোন দিকে এগোয়, এখন সে দিকেই নজর।

অক্টোবর ১৩, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal