• ১৭ আশ্বিন ১৪৩৩, মঙ্গলবার ০৬ অক্টোবর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Died

বিদেশ

ইজরায়েলের তীর্থস্থানে পদপিষ্ট হয়ে মৃত অন্তত ৪৪

ইজরায়েলে ইহুদি সম্প্রদায়ের এক তীর্থস্থানে পদপিষ্ট হয়ে মৃত্যু হল কমপক্ষে ৪৪ জন পুণ্যার্থীর। আহত হয়েছেন অন্তত শতাধিক মানুষ। শুক্রবারের এই ঘটনায় দেশজুড়ে শোকের ছায়া নেমেছে।প্রতিবছর উত্তর ইজরায়েলের মেরন পর্বতের পাদদেশে লাগ বাওমের নামের এক ধর্মীয় উৎসব অনুষ্ঠিত হয়। সেখানেই রয়েছে ইহুদি সন্ত শিমন বার ইওচাইয়ের সমাধি। এবছরও ওই পবিত্র স্থানে প্রার্থনার জন্য জড়ো হয়েছিলেন হাজার হাজার পুণ্যার্থী। আগুন জ্বালানো, প্রার্থনা করা এবং নাচগানের মাধ্যমে এই ধর্মীয় উৎসবটি পালন করে রক্ষণশীল ইহুদিরা। বিবিসি সূত্রে খবর, উৎসবে অংশগ্রহণকারী কয়েকজন মানুষ পা পিছলে পড়ে যাবার পরই এই ঘটনা ঘটে। একজন আরেকজনের ওপর এসে পড়ে। স্থানীয় প্রশাসন জানিয়েছে, ঘটনাস্থানেই ৩৮ জনের মৃত্যু হয়। হাসপাতালে আরও কয়েকজন মারা যান। আহতদের হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। অনেকের অবস্থা আশঙ্কাজনক। তাই মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু এই ঘটনাকে বড় বিপর্যয় হিসেবে বর্ণনা করেছেন। এই বিষয়ে তিনি বলেন, এটা বড়সড় বিপর্যয়। আহতদের সুস্থতার জন্য আমি প্রার্থনা করছি।উল্লেখ্য, করোনা মহামারির কথা মাথায় রেখে বড়ো জমায়েতের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে ইজরায়েল। তবে লাগ বাওমের উৎসবে সর্বোচ্চ ১০ হাজার মানুষকে অংশ নেওয়ার অনুমতি দেয় নেতানিয়াহু প্রশাসন। কিন্তু অভিযোগ, গোটা দেশ থেকে প্রায় ৩০ হাজার মানুষ উৎসবে অংশ নিতে আসেন। আইনশৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা বজায় রাখতে সেখানে মোতায়েন ছিলেন অন্তত ৫ হাজার নিরাপত্তারক্ষী। বলে রাখা ভাল, প্রায় ১ কোটি জনসংখ্যার অর্ধেককেই টিকার সম্পূর্ণ ডোজ দিয়েছে ইজরায়েল। বাকিদেরও দ্রুত টিকাকরণ করা হবে। ফলে দেশটি করোনার বিরুদ্ধে লড়াইয়ে অনেকটাই সাফল্য পেয়েছে।

এপ্রিল ৩০, ২০২১
দেশ

করোনায় প্রয়াত নরেন্দ্র মোদির কাকিমা

এবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির পরিবারে করোনার থাবা। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় প্রয়াত হলেন প্রধানমন্ত্রীর কাকিমা। করোনা আক্রান্ত ছিলেন তিনি। মঙ্গলবার সন্ধেয় তাঁর মৃত্যু হয়। গুজরাতের আমদাবাদের নিউ রনিপ এলাকায় পরিবার নিয়ে থাকতেন প্রধানমন্ত্রীর কাকিমা। নাম নর্মদাবেন (৮০)। দিন কয়েক আগে কোভিড আক্রান্ত হন তিনি। শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাঁকে স্থানীয় সরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানেই মৃত্যু হল তাঁর। তাঁর প্রয়াণের জেরে শোকস্তব্ধ গোটা পরিবার।প্রধানমন্ত্রীর ছোট ভাই প্রহ্লাদ মোদি জানান, করোনা আক্রান্ত হওয়ার পর কাকিমা নর্মদাবেনের শারীরিক অবস্থার অবনতি হয়। ১০ দিন আগে তাঁকে সরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। সেখানেই আজ তাঁর মৃত্যু হল।যদিও পরিবারের সদস্যের মৃত্যু নিয়ে এখনও প্রধানমন্ত্রীর কোনও প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

এপ্রিল ২৭, ২০২১
কলকাতা

করোনা প্রাণ কাড়ল খড়দহের তৃণমূল প্রার্থীর

রাজনৈতিক মহলে ক্রমশ চওড়া হচ্ছে করোনার থাবা। এবার করোনায় মৃত্যু হল খড়দহের তৃণমূল প্রার্থী কাজল সিনহার। রবিবার সকালে বেলেঘাটা আইডি-তে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। ষষ্ঠদফা ভোটের আগের দিন সকালে করোনা আক্রান্ত হয়েছিলেন তিনি। শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাঁকে বেলেঘাটার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এদিন সকালে পৌনে দশটায় শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করলেন তিনি।

এপ্রিল ২৫, ২০২১
দেশ

ফের অক্সিজেনের অভাবে দিল্লির হাসপাতালে ২০ কোভিড রোগীর মৃত্যু

অক্সিজেনের অভাবে ফের মৃত্যুর ঘটনা দিল্লিতে। জয়পুর গোল্ডেন হাসপাতালে শুক্রবার রাতে ২০ জন রোগীর মৃত্যু হয়েছে অক্সিজেনের অভাবে। ওই হাসপাতালের শীর্ষস্তরের এক আধিকারিক শনিবার এই ঘটনার কথা জানিয়েছেন। অক্সিজেনের অভাব দিল্লিতে কী ভয়ঙ্কর অবস্থা তৈরি করেছে, তা ফের সামনে আনল এই ঘটনা।জয়পুর মেডিক্যাল হাসপাতালের মেডিক্যাল অফিসার ডিকে বালুজা বলেছেন, সরকারের তরফে আমাদের হাসপাতালের জন্য ৩.৫ মেট্রিক টন অক্সিজেন বরাদ্দ করা হয়েছে। সেই অক্সিজেন শুক্রবার বিকাল ৫টার মধ্যে আসার কথা ছিল। কিন্তু তা এসে পৌঁছয় মধ্যরাতে। ততক্ষণে ২০ জন রোগীর মৃত্যু হয়েছে। ওই হাসপাতালে অন্তত ২২৫ জন কোভিড রোগীর অবস্থা সঙ্কটজনক। তাঁদের সব সময়ের জন্য অক্সিজেন দরকার বলেও জানিয়েছেন ওই আধিকারিক। যদিও ওই সব রোগীকে পর্যাপ্ত সরবরাহ করার মতো অক্সিজেন মজুত নেই বলে জানান তিনি।এর আগে দিল্লির গঙ্গারাম হাসপাতালে অক্সিজেনের অভাবে ২৫ জন রোগীর মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছিল। দিল্লির অধিকাংশ হাসপাতালে অক্সিজেনের অভাব প্রকট। শনিবার সকালে মূলচাঁদ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ একটি টুইট করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল এবং দিল্লির উপ রাজ্যপাল অনিল বৈজলের উদ্দেশে। সেই জরুরি বার্তার বিষয় অক্সিজেনের অভাব। সেখানে লেখা হয়েছে, জরুরি সাহায্য দরকার। যা অক্সিজেন মজুত রয়েছে, তা দিয়ে ২ ঘণ্টাও চলবে না। অথচ ১৩৫ জন রোগীর অবস্থা সঙ্কটজনক।

এপ্রিল ২৪, ২০২১
দেশ

নিঃশেষ অক্সিজেন, হাহাকার দিল্লির হাসপাতালে !

যত তীব্র হচ্ছে করোনার দ্বিতীয় ঢেউ, তত বেশি করে হাহাকার বাড়ছে অক্সিজেনের । বুধবারই দিল্লি হাই কোর্ট সরকারকে নির্দেশ দিয়েছে, ভিক্ষে করেই হোক কিংবা চুরি-ধার, যেমন করেই হোক অক্সিজেন জোগাতে হবে। ছবিটা যে কতটা ভয়াবহ তা পরিষ্কার হয়ে যাচ্ছে দিল্লির মাতা চনন দেবী হাসপাতালের পরিস্থিতি দেখে। দুশোর বেশি কোভিড রোগী ভর্তি রয়েছেন সেখানে। কিন্তু অক্সিজেন অপ্রতুল। স্বাভাবিকভাবেই রীতিমতো হাহাকার পড়ে গিয়েছে। খারাপ অবস্থা রাজধানীর বহু ছোট হাসপাতালেরও। সেখানেই জোগান নেই অক্সিজেনের।গোটা দেশেই লাফিয়ে বাড়ছে করোনা সংক্রমণ। এই পরিস্থিতিতে রাজধানী দিল্লি-সহ বিভিন্ন রাজ্যে অক্সিজেনের অভাব ঘিরে ক্রমেই বাড়ছে অস্বস্তি। এর মধ্যে সবথেকে খারাপ অবস্থা দিল্লির। অভিযোগ, দিল্লির জন্য বরাদ্দ অক্সিজেন পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে অন্য রাজ্যে। বুধবার সন্ধ্যা থেকেই আরও খারাপ হয়েছে পরিস্থিতি। বৃহস্পতিবার সকালে অক্সিজেন ফুরিয়ে গিয়েছে মাতা চনন দেবী হাসপাতালে। রাত থেকেই অক্সিজেনের জোগানের জন্য আপ্রাণ চেষ্টা চালাচ্ছেন কর্তৃপক্ষ। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত দুই ডোজ অক্সিজেন এসে পৌঁছলেও পরিস্থিতি এখনও গুরুতর।একই রকম অভিযোগ রয়েছে অন্য হাসপাতালগুলিরও। এমনকী, ৫০ শয্যার ছোট হাসপাতালগুলিতেও অক্সিজেন ফুরিয়ে গিয়েছে। কেন্দ্রের তরফে বাওয়ানা নামের একটি জায়গায় অক্সিজেন সিলিন্ডার ভর্তি করার ব্যবস্থা করা হলেও তা পূর্ব দিল্লি থেকে বেশ দূরে। ফলে সেখানে পৌঁছনোও একটা চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। গতকালই দিল্লি হাইকোর্ট সরকারকে মনে করিয়ে দেয়, গুরুতর অসুস্থ নাগরিকদের জীবনরক্ষা করা কেন্দ্রে দায়িত্ব। বিশেষ করিডর করে হোক কিংবা বিমানের মাধ্যমেই হোক, যাঁদের অক্সিজেন প্রয়োজন তাঁদের কাছে তা পৌঁছে দিতেই হবে।

এপ্রিল ২২, ২০২১
কলকাতা

স্তব্ধ হল কবিতার মুহূর্ত, প্রয়াত কবি শঙ্খ ঘোষ

স্তব্ধ হল কবিতার মুহূর্ত। চলে গেলেন কিংবদন্তি বর্ষীয়ান কবি শঙ্খ ঘোষ। বেশ কিছুদিন ধরেই অসুস্থ ছিলেন তিনি। কোনও অনুষ্ঠানে তাঁকে দেখা যেত না। শারীরিক অসুস্থতার কারণে একপ্রকার গৃহবন্দিই ছিলেন। বাইরে কোথাও বেরোতেন না। ঘরের মধ্যেও চলাফেরা কার্যত বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। এর মধ্যেই করোনা আক্রান্ত হন ৮৯ বছর বয়সি কবি। গায়ে জ্বর থাকায়, পরীক্ষা করানো হয়েছিল। ১৪ এপ্রিল বিকেলে রিপোর্ট এলে জানা যায়, করোনা থাবা বসিয়েছে তাঁর শরীরে। মারণ ভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়াই চালালেও শেষরক্ষা হল না। শক্তি-সুনীল-শঙ্খ-উৎপল-বিনয়, জীবনানন্দ পরবর্তী বাংলা কবিতার এই পঞ্চপাণ্ডবের বাকি চার জন চলে গিয়েছিলেন আগেই। বুধবার চলে গেলেন শঙ্খ ঘোষও।শুধুমাত্র কবি নন। বাংলা সাহিত্য জগতের স্তম্ভ ছিলেন শঙ্খ ঘোষ। তাঁর সাহচর্যে বহু নবীন লেখক, সাহিত্যিক, কবিরা সৃষ্টির প্রেরণা পেয়েছেন। আসল নাম ছিল চিত্তপ্রিয় ঘোষ। প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে স্নাতক হওয়ার পর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছিলেন। কলকাতার বঙ্গবাসী কলেজ, সিটি কলেজ এবং যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপনা করেছেন। তার পাশাপাশি বাংলা ভাষা নিয়ে চর্চাও করে গিয়েছেন।দিনগুলি রাতগুলি, বাবরের প্রার্থনা, মুখ ঢেকে যায় বিজ্ঞাপনে থেকে গান্ধর্ব কবিতাগুচ্ছ, কবির অভিপ্রায় তাঁর সৃষ্টি বাংলা সাহিত্য জগতে চিরকালীন সম্পদ হয়ে থেকে যাবে। সাহিত্য অ্যাকাডেমি, পদ্মভূষণের মতো সম্মানে ভূষিত করা হয়েছে তাঁকে। কবিতার খোঁজ যাঁরা বিশেষ রাখেন না, তাঁদের কাছেও তিনি ছিলেন পরিচিত। হাতের উপর হাত রাখা খুব সহজ নয় / সারা জীবন বইতে পারা সহজ নয় / এ কথা খুব সহজ, কিন্তু কে না জানে / সহজ কথা ঠিক ততটা সহজ নয় প্রবাদ হয়েই থেকে যাবে শঙ্খ ঘোষের লেখা এই পংক্তিগুলি।

এপ্রিল ২১, ২০২১
রাজ্য

রাজ্যে নতুন সংক্রমণ ১০ হাজার ছাড়াল, ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু বেড়ে ৪৬

রাজ্যে দৈনিক করোনা সংক্রমণ একধাক্কায় ১০ হাজারের কাছাকাছি পৌঁছে গেল। যা এখনও পর্যন্ত ১ দিনে আক্রান্তের নিরিখে সবচেয়ে বেশি। দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যার মতোই মোট সংক্রমণের হারও সর্বোচ্চ হয়ে দাঁড়িয়েছে ৬.৮৫ শতাংশে।মঙ্গলবার স্বাস্থ্য দপ্তরের প্রকাশিত বুলেটিন অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় গোটা রাজ্যে আক্রান্ত হয়েছেন ৯ হাজার ৮১৯ জন। শুধুমাত্র কলকাতাতেই নতুন করে ২ হাজার ২৩৪ জনের মধ্যে সংক্রমণ ছড়িয়েছে। দৈনিক সংক্রমণের নিরিখে পিছিয়ে নেই উত্তর ২৪ পরগনাও। ওই জেলায় নতুন আক্রান্ত ১ হাজার ৯০২ জন। সব মিলিয়ে এখনও পর্যন্ত মোট ৬ লক্ষ ৭৮ হাজার ১৭২ জনের মধ্যে সংক্রমণ ছড়িয়েছে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য দপ্তর।রাজ্য জুড়ে লাফিয়ে লাফিয়ে সংক্রমণ বৃদ্ধির পাশাপাশি কোভিড রোগীদের মৃত্যুর সংখ্যাও উদ্বেগজনক ভাবে বেড়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় ৪৬ জন আক্রান্তের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে উত্তর ২৪ পরগনায় ১৫ এবং কলকাতায় ১৩ জন মারা গিয়েছেন। মালদহে ৪, পশ্চিম বর্ধমান, হাওড়া, এবং হুগলিতে ২ জন করে রোগীর মৃত্যু হয়েছে। অন্যদিকে, দার্জিলিং, কালিম্পিং, জলপাইগুড়ি, মুর্শিদাবাদ, নদিয়া, পুরুলিয়া, দক্ষিণ ২৪ পরগনা এবং পূর্ব মেদিনীপুরে ১ জন করে মারা গিয়েছেন। এখনও পর্যন্ত রাজ্যে ১০ হাজার ৬৫২ জন কোভিড রোগী মারা গিয়েছেন বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য দপ্তর।আক্রান্তের সংখ্যায় নজির গড়লেও রাজ্য সরকারের তরফে গত ২৪ ঘণ্টায় টিকাকরণ অনেকটাই বাড়ানো হয়েছে। ওই সময়ের মধ্যে রাজ্যের ২ লক্ষ ১২ হাজার ৫৭০ জন বাসিন্দাকে টিকা দেওয়া হয়েছে বলে স্বাস্থ্য দপ্তর সূত্রে খবর। তবে তা সত্ত্বেও দৈনিক সংক্রমণের হার বা পজিটিভিটি রেট পৌঁছেছে ১৯.৬২ শতাংশে। প্রসঙ্গত, প্রতি দিন যে সংখ্যক কোভিড টেস্ট করা হয়, তার মধ্যে যত শতাংশের রিপোর্ট পজিটিভ আসে, তাকেই পজিটিভিটি রেট বা সংক্রমণের হার বলা হয়।দৈনিক টিকাকরণের মতোই কোভিড টেস্টের সংখ্যাও রবিবারের থেকে অনেকটাই বেড়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় মোট ৫০ হাজার ৪৪টি কোভিট টেস্ট হয়েছে। সব মিলিয়ে এখনও পর্যন্ত ৯৯ লক্ষ ৩২২টি টেস্ট হয়েছে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য দপ্তর।

এপ্রিল ২০, ২০২১
দেশ

দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি চান বিহারের কোভিড হাসপাতালের সুপারিটেন্ডেন্ট

দেশে প্রথমবার করোনা সংক্রমিতের সংখ্যা আড়াই লক্ষের গণ্ডি পেরিয়ে গিয়েছে। বাড়ছে উদ্বেগ। এই পরিস্থিতিতে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলেই কোভিড হাসপাতালে বেডের সংখ্যার অপ্রতুলতা কিংবা অক্সিজেনের অভাবের অভিযোগ উঠেছে। এই পরিস্থিতিতে বিহারের প্রথম কোভিড হাসপাতাল নালন্দা মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে তীব্র অক্সিজেনের অভাব দেখা দেওয়ায় দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি চাইলেন হাসপাতালের সুপারিনটেন্ডেন্ট।যেভাবে অক্সিজেনের অভাবে হাসপাতালে ভর্তি থাকা করোনা রোগীরা ক্রমেই মৃত্যুমুখে পতিত হচ্ছেন তা দেখে উদ্বিগ্ন সুপারিনটেন্ডেন্ট ড. বিনোদকুমার সিং। স্বাস্থ্য দপ্তরের মুখ্য সচিবকে লেখা চিঠিতে তিনি জানিয়েছেন, সমস্যা অত্যন্ত গভীর। রোগীদের মরতে হচ্ছে। এরপর সরকার আমাকে দায়ী করবে।কয়েকদিন আগে এক রোগীর মৃত্যুর পরে তাঁর পরিবারের সঙ্গে জুনিয়র ডাক্তারদের সংঘর্ষ বাঁধে। এক্ষেত্রেও অভিযোগের মূল কারণ অক্সিজেনের সরবরাহের অভাব।এই পরিস্থিতিতে সুপারিটেন্ডেন্ট আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন। তাঁর অভিযোগ, তাঁর হাসপাতালের অক্সিজেনের নিয়ন্ত্রণ রয়েছে পাটনা জেলা প্রশাসনের হাতে। ফলে নালন্দা মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের অক্সিজেন বহু সময়ই চলে যাচ্ছে অন্যান্য হাসপাতালে। এই পরিস্থিতিতে অক্সিজেন সরবরাহ স্বাভাবিক না হলে যে অচিরেই রোগীমৃত্যু আরও বাড়বে বলে আশঙ্কিত তিনি। আর তাই তাঁর আরজি, তিনি আর হাসপাতালের সুপারিটেন্ডেন্টের দায়িত্বে থাকতে চান না।

এপ্রিল ১৮, ২০২১
রাজ্য

করোনায় প্রয়াত প্রাক্তন বিধায়ক

মুরারইয়ের প্রাক্তন বিধায়ক আব্দুল রহমান করোনা আক্রান্ত হয়ে প্রয়াত হলেন। কলকাতার আরএন টেগোর হাসপাতালে মারা যান তিনি। প্রথমে তিনি মুরারই থেকে তৃণমূলের প্রার্থী হয়েছেন। তারপর করোনা আক্রান্ত হলে তাঁর জায়গায় ওই আসন থেকে মোশারফ হোসেনকে প্রার্থী করে তৃণমূল।

এপ্রিল ১৮, ২০২১
রাজ্য

করোনা কাড়ল আরও এক প্রার্থীর প্রাণ, প্রয়াত জঙ্গিপুরের প্রার্থী প্রদীপ নন্দী

নির্বাচনের মাঝে ফের করোনা প্রাণ কাড়ল আরও এক প্রার্থীর। মারণ ভাইরাসে মৃত্যু হল মুর্শিদাবাদের জঙ্গিপুরের আরএসপি প্রার্থী প্রদীপ নন্দীর। শুক্রবারই কোভিড-১৯-এর সঙ্গে লড়াইয়ে হার মানেন তিনি। আগামী ২৬ এপ্রিল এই কেন্দ্রে ভোট হওয়ার কথা ছিল। এই আসনেই তৃণমূলের জাকির হোসেনের বিরুদ্ধে প্রার্থী ছিলেন তিনি। ফলে এই কেন্দ্রেও স্থগিত হয়ে গেল নির্বাচন।পেশায় আইনজীবী ৭২ বছরের প্রদীপ নন্দী আরএসপির লোকাল সম্পাদক ছিলেন। প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন জমা দেওয়ার পর জ্বরে আক্রান্ত হন তিনি। তারপরই বহরমপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হন। শুক্রবার সন্ধে ৬টা ৫ মিনিট নাগাদ শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। আর এর জেরেই আপাতত স্থগিত হয়ে গেল সেই কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়া। প্রদীপ নন্দীর মৃত্যুতে স্বাভাবিকভাবেই শোকের ছায়া সংযুক্ত মোর্চা শিবিরে। এর আগে করোনা প্রাণ কেড়েছে মুর্শিদাবাদের সামশেরগঞ্জের কংগ্রেস প্রার্থী রেজাউল হকের। ২৬ এপ্রিল অর্থাৎ সপ্তম দফায় সামশেরগঞ্জ আসনে নির্বাচন হওয়ার কথা ছিল। আপাতত তা স্থগিত রাখা হয়েছে। গোটা রাজ্যে রোজই লাফিয়ে বাড়ছে করোনা সংক্রমণ। আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা প্রতিদিনই অতীত রেকর্ড ভাঙছে। এমন পরিস্থিতিতে আট দফাতেই ভোট হবে বলে নিশ্চিত করে দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। তবে এদিন নয়া নির্দেশিকা জারি করে কমিশন বলে দেয়, সন্ধে ৭টা থেকে সকাল ১০টা পর্যন্ত ভোট প্রচার করতে পারবে না কোনও দল। করোনা সংক্রমণ রুখতেই এই নয়া সিদ্ধান্ত কমিশনের। কিন্তু এরই মধ্যে দুই কেন্দ্রে ভোট স্থগিত হয়ে যাওয়ায় নতুন করে জটিলতা তৈরি হল। কীভাবে, কবে সেখানে ভোটগ্রহণ হবে, তা নিয়ে এখনও কোনও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি।

এপ্রিল ১৬, ২০২১
দেশ

করোনা আক্রান্ত হয়ে প্রয়াত সিবিআইয়ের প্রাক্তন ডিরেক্টর

প্রয়াত হলেন কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআইয়ের প্রাক্তন ডিরেক্টর রঞ্জিত সিনহা। শুক্রবার ভোর সাড়ে চারটে নাগাদ দিল্লিতে মারা যান তিনি। মৃত্যুকালে বয়স হয়েছিল ৬৮ বছর। সূত্রের খবর, করোনায় আক্রান্ত হয়েই মারা গিয়েছেন ১৯৭৪ ব্যাচের এই অবসরপ্রাপ্ত আইপিএস অফিসার।একটি সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, বেশ কয়েকদিন ধরেই নাকি অসুস্থ ছিলেন রঞ্জিত সিনহা। এমনকী শরীরে কোভিডের উপসর্গও দেখা দিয়েছিল। সংবাদসংস্থা পিটিআই সূত্রে খবর, বৃহস্পতিবার রাতেই করোনা রিপোর্ট পজিটিভ এসেছিল তাঁর। আর করোনা সংক্রান্ত জটিলতার কারণেই মৃত্যু হয়েছে রঞ্জিত সিনহার। যদিও পরিবারের তরফ থেকে এই ব্যাপারে এখনও কোনও বিবৃতি দেওয়া হয়নি।রঞ্জিত সিনহা চাকরিজীবনে বহু গুরুত্বপূর্ণ পদে ছিলেন। ইন্দো-টিবেটান বর্ডার পুলিশ বা আইটিবিপি-র ডিজি, রেলওয়ে প্রোটেকশন ফোর্স বা আরপিএফের চিফ এবং সিবিআইয়ের পাটনা ও দিল্লি অফিসের অনেক উঁচু পদে দায়িত্বভার সামলেছেন। পরবর্তীতে সিবিআইয়ের ডিরেক্টরও হয়েছেন। ২০১২ সাল থেকে দুবছরের জন্য ওই দায়িত্ব সামলেছিলেন। যদিও ২০১৭ সালে কয়লা কেলেঙ্কারিতে নাম জড়িয়েছিল রঞ্জিত সিনহার।

এপ্রিল ১৬, ২০২১
রাজ্য

করোনায় মৃত্যু কংগ্রেস প্রার্থী রেজাউল হকের

ভোটের মরশুমে রাজ্যে লাফিয়ে বাড়ছে সংক্রমণ। উর্ধ্বমুখী মৃত্যুও। এবার করোনা প্রাণ কাড়ল মুর্শিদাবাদের সামশেরগঞ্জের কংগ্রেস প্রার্থী রেজাউল হকের। ঘটনায় স্বাভাবিকভাবেই শোকের ছায়া এলাকায়। ২৬ এপ্রিল অর্থাৎ সপ্তম দফায় সামশেরগঞ্জ আসনে নির্বাচন হওয়ার কথা। কিন্তু কংগ্রেস প্রার্থীর মৃত্যুতে নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। জানা গিয়েছে, বেশ কিছুদিন ধরেই অসুস্থ ছিলেন সামশেরগঞ্জের দাপুটে কংগ্রেস নেতা রেজাউল হক ওরফে মন্টু বিশ্বাস। করোনার উপসর্গ থাকায় ঝুঁকি না নিয়ে পরীক্ষা করা হয়। রিপোর্ট আসে পজিটিভ। প্রবল শ্বাসকষ্ট থাকায় বুধবার তাঁকে জঙ্গিপুর থেকে কলকাতায় নিয়ে আসা হয়। ভর্তি করা হল একটি বেসরকারি হাসপাতালে। বৃহস্পতিবার সেখানেই মৃত্যু হয় রেজাউল হকের। এই মৃত্যুতে প্রশ্নের মুখে সামশেরগঞ্জের নির্বাচন। আপাতত ওই আসনে ভোটগ্রহণ বাতিল করা হবে, নাকি পিছিয়ে দেওয়া হবে, সে বিষয়ে স্পষ্ট কোনও তথ্য মেলেনি। উল্লেখ্য, বাম-কংগ্রেস-আইএসএফের জোট বাঁধার পর আসনরফা নিয়ে জট তৈরি হয়েছিল। বেশ কয়েকটি আসনে প্রার্থী দিয়েছিল বাম, কংগ্রেস উভয়েই। তার মধ্যেই একটি আসন সামশেরগঞ্জ। সেখানে বামেরা প্রার্থী করেছিল মোদাসসর হোসেনকে। এদিনে কংগ্রেস প্রার্থী করে রেজাউল হককে। জোটের জটিলতা এমন পর্যায়ে পৌঁছয় যে শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত চলে কাটাকুটির খেলা। বাকি আসনের সমস্যা মিটে গেলেও মুর্শিদাবাদের সামশেরগঞ্জ আসনে সংযুক্ত মোর্চা অর্থাৎ বাম-কংগ্রস-আইএসএফ জোট কার্যকর হয়নি। ফলে ওই আসনে আলাদাভাবে প্রার্থী দিয়েছিলে বাম ও কংগ্রেস।

এপ্রিল ১৫, ২০২১
দেশ

টিকা নেওয়ার পরও মৃত্যু ১৮০ জনের!

দ্বিতীয় ঢেউ যখন আছড়ে পড়ছে দেশের নানা প্রান্তে তখনও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি আশ্বাস দিয়েছেন কোনওভাবে দ্বিতীয়বার লকডাউনে যাবে না দেশ। বরং তিনি জোর দিয়েছেন টিকাকরণের উপরই। কিন্তু জানুয়ারির মাঝামাঝি থেকে টিকাকরণ শুরু হলেও তার বেশ কিছু নেতিবাচক প্রভাব সারা দেশে এখনও পর্যন্ত দেখা গিয়েছে। যা একেবারেই উড়িয়ে দিচ্ছেন না চিকিৎসক ও গবেষকরা। মার্চের শেষ দিন পর্যন্ত পাওয়া পরিসংখ্যানে একটি রিপোর্টও পেশ করা হয়েছে।ন্যাশনাল অ্যাডভার্স ইভেন্ট ফলোয়িং ইমিউনাইজেশন বা এইএফআইয়ের একটি রিপোর্টে দেখা যাচ্ছে ৩১ মার্চ পর্যন্ত ১৮০ জনের মৃত্যু হয়েছে ভ্যাকসিন নেওয়ার পরও। এর মধ্যে ৭৫ শতাংশেরই মৃত্যু হয়েছে টিকা নেওয়ার তিন দিনের মধ্যে। শুরু থেকেই ভ্যাকসিন নেওয়ার পর প্রথম তিনদিনকে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছেন চিকিৎসক ও গবেষকরা। ব্রিটেন, ইউরোপীয় ইউনিয়ন আর ভারতে টিকা নেওয়ার পর মৃত্যুর ক্ষেত্রে প্রচুর মিল দেখা গিয়েছে। সে কারণে ইউরোপীয় মেডিসিন এজেন্সির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, স্বাস্থ্যকর্মী কিংবা সাধারণ মানুষ, যাঁরাই টিকা নিচ্ছেন, তাঁদের মধ্যে রক্ত জমাট বাঁধা বা অনুচক্রিকা বা প্লেটলেট কম হওয়ার ঘটনা দেখা যাচ্ছে, তাদের সবই হচ্ছে দুসপ্তাহের মধ্যে। সেই বিষয়টিকেও নজরে রাখতে বলা হয়েছে। এখনও পর্যন্ত সারা দেশে ভ্যাকসিন নেওয়ার পর সাতশোটি গুরুতর অসুস্থ হওয়ার ঘটনা সামনে এসেছে। যাঁদের রক্ত জমাট বাঁধার সমস্যাই মূ্লত ধরা পড়েছে।টিকাকরণের পর এত মানুষের মৃত্যুর খবর যে রীতিমতো গুরুতর সমস্যার বিষয়, তা নিয়ে সংশয় নেই। কারণ, টিকাকরণ শুরু হলেও এখনও দেশের একটা বড় অংশের মানুষের এখনও টিকার প্রতি অনীহা রয়েছে। যে কারণে, দেশের টিকাকরণের অভীষ্ট লক্ষ্যে সরকার এখনও পৌঁছাতে পারেনি। শুধুমাত্র গুজরাত এবং ছত্তিশগড় ছাড়া আর কোনও রাজ্যেই ২০ শতাংশ মানুষকে এখনও টিকা দেওয়া সম্ভব হয়নি। কেন্দ্রের দাবি, সরকারের কাছে এখনও যথেষ্ট পরিমাণ ভ্যাকসিন মজুত আছে। শুধুমাত্র মানুষের আগ্রহ কম থাকায় টিকাকরণের হার কম। ভ্যাকসিন নেওয়ার পর একের পর এক মৃত্যু যে মানুষের আগ্রহ আরও কমাবে তাতে সংশয় নেই।

এপ্রিল ১০, ২০২১
দেশ

চোর সন্দেহে ব্যাপক মারধর, ঝাড়খণ্ডে মৃত্যু মুসলিম যুবকের

ফের সামনে এল গণপিটুনিতে খুনের ঘটনা। চোর সন্দেহে মুবারক খান নামে এক মুসলিম যুবককে বিদ্যুতের খুঁটিতে বেঁধে বেধড়ক মারধর করা হল ঝাড়খণ্ডে। আর সেই মারের চোটেই মৃত্যু হল তাঁর। আর এই ঘটনাই ফের উস্কে দিল তবরেজ আনসারির স্মৃতি। দুবছর আগে ঝাড়খণ্ডেই গণপিটুনির জেরে মারা গিয়েছিলেন তিনি। জয় শ্রীরাম না বলায় মারধর করা হয়েছিল তাঁকে।শনিবার রাতে ঝাড়খণ্ডের সিরকা গ্রামে ঘটনাটি ঘটেছে। আদতে মহেশপুর গ্রামের বাসিন্দা হলেও, সেদিন ওই গ্রামে গিয়েছিলেন ২৬ বছর বয়সি মুবারক। স্থানীয়দের অভিযোগ, মোটরবাইকের ব্যাটারি এবং চাকা চুরির সময় তাঁকে নাকি হাতেনাতে ধরেন স্থানীয়রা। এরপরই বিদ্যুতের খুঁটিতে বাঁধা হয় মুবারককে। তারপরই চলে বেদম প্রহার। আর তাতেই মারাত্মকভাবে আহত হন ওই যুবক। এরপর খবর পেয়ে ভোর ৩টে নাগাদ ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিশ। কিন্তু ততক্ষণে মারা যায় মুবারক। এরপরই আধিকারিকরা মৃতদেহটি পুলিশ স্টেশনে নিয়ে যান। তারপরই সেটি ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়। রাঁচির পুলিশ সুপার নৌশাদ আলম জানান, ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত হবে।এই ঘটনার কথা জানতে পেরেই মৃত যুবকের পরিবারে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। মিথ্যে অভিযোগে মুবারককে মারা হয়েছে, এমনই দাবি তাঁর পরিবারের লোকজনের। এদিকে, ভাইয়ের মৃত্যুর পরই ১৯ জনের নামে পুলিশে অভিযোগ দায়ের করেছেন মুবারকের দাদা তাবারক খান। এছাড়া ১৫ থেকে ২৫ জন অজ্ঞাত পরিচয় ব্যক্তির নামও রয়েছে এফআইআরে। ইতিমধ্যে বেশ কয়েকজনকে এই ঘটনায় জড়িত থাকায় আটকও করা হয়েছে।

মার্চ ১৫, ২০২১
রাজ্য

ভ্যাকসিন নেওয়ার পরই রাজ্যে দু’জনের মৃত্যু!

করোনার টিকা নেওয়ার পর রাজ্যে ২ জনের মৃত্যু হয়েছে। এই ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে তদন্ত শুরু করেছে রাজ্য স্বাস্থ্যদপ্তর। মৃত দুজনেরই ময়নাতদন্ত হয়েছে। তবে স্বাস্থ্যদপ্তরের প্রাথমিক ধারণা, টিকার পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নয়, অন্য কোনও সমস্যা ছিল দুজনেরই। তাতেই মৃত্যু হয়েছে।রাজ্য স্বাস্থ্যদপ্তর সূত্রে খবর, মৃত দু জনের নাম পারুল দত্ত (৭৫) এবং কৃষ্ণ দত্ত (৬০)। দুজনেরই বাড়ি উত্তরবঙ্গে। পারুল দত্ত ও কৃষ্ণ দত্ত কোভিশিল্ডের টিকা নেন। গত ৮ মার্চ টিকা নিয়েছিলেন পারুল দত্ত। তিনি দার্জিলিং জেলার বাসিন্দা। ঠিক পরদিনই টিকা নেন কৃষ্ণ দত্ত। রাজ্য স্বাস্থ্যদপ্তর সূত্রে খবর, কোভিশিল্ড ভ্যাকসিন নেওয়ার পর কৃষ্ণ বাড়ি চলে যান। কিন্তু কিছুক্ষণ পর তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি হয়। সন্ধ্যা নাগাদ ডায়রিয়া ও অন্যান্য সমস্যা নিয়ে তাঁকে খরিবাড়ি ব্লকের বাতাসি প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ভর্তি করা হয়। কিন্তু অবস্থার দ্রুত অবনতি হওয়ায় তাকে উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। রাত সাড়ে নটা নাগাদ তাঁর মৃত্যু হয়।এদিকে আবার ধুপগুড়ির হসপিটাল রোডের বাসিন্দা বৃদ্ধ কৃষ্ণবাবু টিকা নেওয়ার পর হঠাৎ অসুস্থ বোধ করেন। তাঁর শ্বাসকষ্ট শুরু হয়। ওইদিন রাতেই তাঁর বমি হয়। পরদিন শ্বাসকষ্ট আরও তীব্র হয়। কোনওরকম চিকিৎসা শুরুর আগেই ভোরে তাঁর মৃত্যু হয়। জেলা প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে তা্ঁর দেহের ময়নাতদন্ত হয়েছে।

মার্চ ১১, ২০২১
কলকাতা

ঝলসে মৃত্যু রেলের আধিকারিক ও তাঁর রক্ষীর

স্ট্র্যান্ড রোডে পূর্ব রেলের কয়লাঘাট ভবনের অগ্নিকাণ্ডে পূর্ব রেলের সেই আধিকারিকের মৃতদেহ উদ্ধার হল ১২ তলা থেকে। ৩ তলায় অফিস ছিল। একটি লিফটের মধ্যে উদ্ধার হয় ডেপুটি চিফ কমার্শিয়াল ম্যানেজার (সিসিএম) পার্থসারথি মণ্ডল এবং তাঁর রক্ষী সঞ্জয় সাহানির দেহ। অন্য লিফ্টে মেলে ৪ দমকলকর্মী-সহ ৭ জনের দেহ।দমকলের তদন্তকারী অফিসারদের সূত্রে খবর, লিফটের মধ্যে আটকে ঝলসে, দমবন্ধ হয়ে মারা গিয়েছেন ডেপুটি সিসিএম ও তাঁর রক্ষী। যদিও ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পাওয়ার আগে মৃত্যুর কারণ নিয়ে নিশ্চিত করে তাঁরা মন্তব্য করতে নারাজ। জানা গিয়েছে, ওই আধিকারিক বসতেন কয়লাঘাট ভবনের ৩ তলায়। তবে অফিসের কাজে সর্বত্রই যাতায়াত করেতে হত তাঁকে। হতে পারে সোমবার রাতে অগ্নিকাণ্ডের সময় কোনও কাজে ১২ তলায় গিয়েছিলেন তিনি। এটাও হতে পারে যে, আগুন লাগার আগে থেকেই তিনি অফিসের কাজে ১২ বা ১৩ তলায় ছিলেন। উপরে ওঠার সময় তিনি অগ্নিকাণ্ডের খবর জানতেন না, এমন সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। আগুন দেখে তাড়াহুড়ো করে লিফ্টে নামার চেষ্টা করেন। অথবা লিফ্টে উপরে ওঠার পর আর সেখান থেকে বেরোতেই পারেননি। যান্ত্রিক ত্রুটিতে বিকল হয়ে যায় লিফ্ট। ফলে লিফটের দরজাও খুলতে পারেননি। অবশেষে আগুনের করাল গ্রাসে অসহায় আত্মসমর্পণ করতে বাধ্য হয়েছেন তিনি ও অন্যান্যরা।

মার্চ ০৯, ২০২১
দেশ

নিরাপত্তারক্ষীদের সঙ্গে গুলির লড়াইয়ে খতম দুই জঙ্গি

নিরাপত্তারক্ষীদের সঙ্গে জঙ্গিদের গুলির লড়াইয়ে লস্কর-ই-তইবার দুই জঙ্গি খতম হল। পাশাপাশি ধরা পড়ল তাদের এক সহযোগী। ঘটনাটি ঘটেছে সুরানকোটে এলাকার চট্টপানি-দুগরান গ্রামে। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে সন্ত্রাসবাদীদের ডেরা ঘিরে ফেলেছিল নিরাপত্তাবাহিনী। তারপর জঙ্গিদের আত্মসমর্পণ করতে বলা হয়েছিল। কিন্তু তারা সেই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে। রবিবার সকাল থেকে তীব্র গুলিযুদ্ধ শুরু হয় জম্মু ও কাশ্মীরের পুঞ্চ জেলার দুগরানের মুঘল রোড এলাকায়। শেষ পর্যন্ত দুই জঙ্গিকে খতম করা হয় আর একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আরও পড়ুন ঃ করোনায় আক্রান্ত জেপি নাড্ডা পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, জঙ্গিদের মধ্যে একজন স্থানীয় ও দুজন বিদেশি। তিনদিন আগে তারা নিয়ন্ত্রণরেখা পেরিয়ে ভারতে ঢুকেছিল। জইশ-ই-মহম্মদ ও লস্কর-ই-তইবার যৌথ অভিযান চালানোর ছক ছিল। জম্মু ও কাশ্মীরের স্থানীয় নির্বাচনে ঝামেলা পাকানোর পরিকল্পনা কষেছিল।

ডিসেম্বর ১৪, ২০২০
রাজ্য

প্রয়াত রাধিকারঞ্জন প্রামাণিক, শোকপ্রকাশ মমতার

প্রয়াত হলেন একদা সিপিএম থেকে বহিষ্কৃত হয়ে তৃণমূলে যোগ দেওয়া রাধিকারঞ্জন প্রামাণিক। বার্ধক্যজনিত অসুস্থতায় ৮৮ বছর বয়সে রবিবার ভোরে মথুরাপুরের পাঁচ বারের সাংসদের মৃত্যু হয়েছে বলে পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে। তাঁর মৃত্যুতে শোকবার্তা জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, পরিবারকে জানিয়েছেন সমবেদনা। মথুরাপুর লোকসভায় ১৯৮৯ থেকে শুরু করে ১৯৯৯ সাল পর্যন্ত বাম প্রার্থী হিসেবে টানা পাঁচ বার জিতেছেন রাধিকারঞ্জন। কিন্তু ২০০৩ সালে সিপিএম থেকে বহিষ্কৃত হন এবং পরের বছর তৃণমূলে যোগ দেন তিনি। ২০০৪ সালে তৃণমূলের টিকিটে মথুরাপুর থেকে দাঁড়ালেও জিততে পারেননি। হেরে যান বাম প্রার্থী বাসুদেব বর্মনের কাছে। তারপর আর টিকিট পাননি। সাংসদ হওয়ার আগে দুদফায় পর পর তিন বার করে মোট ছবার মগরাহাট পূর্ব কেন্দ্রের বিধায়ক ছিলেন রাধিকারঞ্জন। প্রসঙ্গত, ২০০৩ সালের মে মাসে দুর্নীতি এবং দলবিরোধী কার্যকলাপের অভিযোগে দল থেকে তাঁকে বহিষ্কার করে সিপিএম। যদিও রাধিকারঞ্জনের অভিযোগ, সাংসদ উন্নয়ন তহবিলের টাকা পার্টির কাজে লাগাতে চেয়েছিল দল। সেই টাকা না দেওয়াতেই দল তাঁর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়েছে। আরও পড়ুন ঃ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়কে বটতলার উকিল বলে কটাক্ষ দিলীপের রাধিকারঞ্জনের প্রয়াণে শোক প্রকাশ করে মুখ্যমন্ত্রী লিখেছেন, দরিদ্র পরিবারের সন্তান রাধিকা তাঁর সুদীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে বিভিন্ন প্রান্তিক এলাকায় মানুষের সেবা করেছেন। পরিণত বয়সে প্রথাগত বামপন্থী রাজনীতি ছেড়ে তিনি তৃণমূলে যোগ দিয়ে বৃহত্তর গনতান্ত্রিক আন্দোলনকে আরও শক্তিশালী করেছিলেন। সেই সূত্রে তিনি আমার ঘনিষ্ঠ দলীয় সহকর্মী ছিলেন। দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতাসম্পন্ন রাজনীতিক রাধিকারঞ্জনের মৃত্যু রাজনীতির জগতে বড় ক্ষতি বলেও উল্লেখ করেছেন মমতা।

ডিসেম্বর ১৩, ২০২০
রাজ্য

উলেন রায়ের মৃত্যুতে সিবিআই তদন্তের দাবি বিজেপির

উলেন রায়ের মৃত্যুতে এবার সিবিআই তদন্তের দাবি জানাল বিজেপি। মঙ্গলবার উলেন রায়ের মৃত্যুর প্রতিবাদে উত্তরবঙ্গ বনধ ডাকে বিজেপি। এদিন সকাল থেকেই বনধকে সফল করতে শিলিগুড়ির রাজপথে মিছিল করে বিজেপির একাধিক সাংসদ, রাজ্য ও জেলা নেতৃত্ব। মিছিলে নেতৃত্ব দেন সায়ন্তন বসু, সাংসদ রাজু বিস্তা, নিশিথ প্রামাণিক এবং অগ্নিমিত্রা পাল সহ বিজেপির জেলার অন্যান্য কার্যকর্তারা। এই মিছিল থেকেই মৃত বিজেপি কর্মীর উলেন রায়ের মৃত্যুর সিবিআই তদন্ত দাবি করেন দার্জিলিং-এর সাংসদ রাজু বিস্তা। এই দাবিতে অবিলম্বেই হাইকোর্টের দ্বারস্থ হবে বিজেপি এমনটাও জানান তিনি। এদিন উলেন রায়ের ময়নাতদন্তের বৈধতা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন সাংসদ। পাশাপাশি গোটা ঘটনার সিবিআই তদন্ত চেয়ে দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও কলকাতা হাইকোর্টের দারস্থ হচ্ছেন বিজেপি সাংসদরা। এই প্রসঙ্গে তিনি বলেন, পুলিশের গুলিতেই মৃত্যু হয়েছে উলেন রায়ের। প্রমান লোপাট করতেই রাতের অন্ধকারে ময়নাতদন্ত করেছে প্রশাসন। যদিও রাজ্যপুলিশের তরফে টুইট করে জানানো হয়েছে যে, ময়নাতদন্তের রিপোর্ট অনুযায়ী শটগানের গুলিতেই মৃত্যু হয়েছে উলেন রায়ের। পুলিশ শটগান ব্যবহার করে না। বিক্ষোভকারীদের মধ্যেই কেউ শটগান এনেছিলেন এবং খুব কাছ থেকেই গুলি ছোঁড়া হয়েছে। আরও পড়ুন ঃ বিজেপি নিজে খুন করে বলছে পুলিশ মেরেছেঃ মমতা অন্যদিকে, উলেন রায়ের মৃত্যু নিয়ে সামনে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য। ময়নাতদন্ত শেষ করে রাতারাতি দেহ বাড়ি নিয়ে যাওয়ার জন্য চাপ দেওয়া হয় পরিবারকে। এমন অভিযোগ মৃতের পরিবারের। তবে এই অবস্থায় দেহ বাড়ি নিয়ে যেতে অস্বীকার করেন উলেন রায়ের পরিবার। পুলিশের বিরুদ্ধেও ক্ষোভ উগরে দেন তারা। তাঁদের অভিযোগ, ময়নাতদন্ত হয়ে গিয়েছে জানিয়ে তাঁদের মুচলেকা লিখতে বলা হয় পুলিশের তরফে। মুচলেকায় অজ্ঞাত পরিচয়ের দেহ লিখতে বলায় তাঁরা দেহ নিতে অস্বীকার করেন। মৃতের পরিবারের অভিযোগ, সাদা কাগজে পুলিশের লেখা বয়ানেই জোর করে সই করতে হয়েছে তাঁদের। এমনকি মুচলেকায় উলেন রায়কে বিজেপি কর্মী বলে উল্লেখ করা হয়নি। রাতে কেন ময়নাতদন্ত হল? পাশাপাশি বাড়ি নিয়ে যাওয়ার চাপ কেন এমন একাধিক অভিযোগ জানিয়ে ফের দেহের ময়নাতদন্তের দাবি করেছে উলেন রায়ের পরিবার। এছাড়াও উত্তরকন্যা অভিযানে মৃত বিজেপি কর্মী উলেন রায়ের পরিবারের যাবতীয় দায়িত্ব নিল উত্তরবঙ্গের বিজেপির চার সাংসদ। মঙ্গলবার জলপাইগুড়ি জেলার রাজগঞ্জ ব্লকের মান্তাদারি গ্রামপঞ্চায়েতের মেনঘোড়া গ্রামে যান কোচবিহারে বিজেপি সাংসদ, নিশিথ প্রামানিক, জলপাইগুড়ির সাংসদ ডাঃ জয়ন্ত কুমার রায়, দার্জিলিং -এর সাংসদ রাজু বিস্তা, বিজেপির রাজ্যের সাধারণ সম্পাদক সায়ন্তন বসু, বিজেপির জেলা সভাপতি বাপি গোস্বামী সহ অন্যান্য বিজেপি নেতা-কর্মীরা। এদিন মৃতের পরিবারকে আর্থিক ভাবে সাহায্য করা হয় বিজেপির পক্ষ থেকে। এছাড়াও ওই পরিবারের পাশে সবসময় থাকার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।

ডিসেম্বর ০৮, ২০২০
রাজ্য

প্রয়াত তৃণমূল বিধায়ক মৃগেন মাইতি

প্রয়াত হলেন তৃণমূল বিধায়ক মৃগেন মাইতি। মৃত্যুকালে বিধায়কের বয়স হয়েছিল ৭৬। জানা গিয়েছে, শুক্রবার থেকে এসএসকেএমের উডবার্ন ওয়ার্ডে ভর্তি ছিলেন মেদিনীপুরের এই বর্ষীয়ান বিধায়ক। বার্ধক্যজনিত কারনেই মৃত্যু হয়েছে বিধায়কের। হাসপাতাল সূত্র থেকে এমনটাই জানা গিয়েছে। দুবারের বিধায়ক ছিলেন মৃগেন মাইতি। পাশে থাকার বার্তা দিতে এদিন প্রয়াত বিধায়কের বাড়িতে যান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কথা বললেন পরিজনদের সাথে। আরও পড়ুন ঃ উত্তরকন্যা অভিযান শুরুর আগেই পুলিশি বাধার মুখে দিলীপ ঘোষ ও সায়ন্তন বসু পরে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, একজন আদর্শবান মানুষ ছিলেন মৃগেন দা। দীর্ঘদিনের পরিচয়। ওনাকে ছাড়া মেদিনীপুর ভাবাই যায় না। এদিন মেদিনীপুরে দলীয় জনসভার মঞ্চ থেকেও মৃগেন মাইতির শারীরিক অবস্থা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। দ্রুত তাঁর সুস্থতাও কামনা করেন। কিন্তু মমতার সভা শেষের পরেই এদিন মৃগেন মাইতির মৃত্যুর খবর এসে পৌঁছয়।

ডিসেম্বর ০৭, ২০২০
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • ›

ট্রেন্ডিং

বিনোদুনিয়া

‘ভারতে আর শান্তি পাই না’, তুমুল বিতর্কের মাঝেই সঞ্জয় দত্তের ইউটার্ন! কী সাফাই দিলেন মুন্নাভাই?

ভারতে আর শান্তি পাই নাশেখর সুমনের অনুষ্ঠানে সঞ্জয় দত্তের এই মন্তব্য ঘিরে তুমুল বিতর্ক তৈরি হয়েছে। অনুষ্ঠানের একটি অংশ প্রকাশ্যে আসার পর সমাজমাধ্যমে অভিনেতাকে নিয়ে সমালোচনা শুরু হয়। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হতে না হতেই এবার নিজের বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিলেন সঞ্জয়। অভিনেতার দাবি, তাঁর কথার ভুল ব্যাখ্যা করা হয়েছে এবং পুরো কথোপকথনটাই ছিল আগে থেকে লেখা ও হালকা মেজাজের।শেখর সুমনের অনুষ্ঠানে দেশের পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলতে গিয়ে সঞ্জয় বলেছিলেন, ভারতের মানুষ অত্যন্ত ভালো ও অতিথিপরায়ণ। কিন্তু ইদানীং দেশে আগের মতো শান্তি তিনি অনুভব করছেন না। সেই শান্তির সময় যেন দ্রুত ফিরে আসে, শিবের কাছে এমন প্রার্থনা করেন বলেও জানিয়েছিলেন অভিনেতা। এই মন্তব্যের একটি অংশ সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়তেই শুরু হয় বিতর্ক।এর পরেই সঞ্জয় দত্ত নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেন। তিনি জানান, কোনও ব্যক্তি, সম্প্রদায় বা প্রতিষ্ঠানের অনুভূতিতে আঘাত করা তাঁর উদ্দেশ্য ছিল না। কাউকে অপমান বা অসম্মান করার ইচ্ছাও তাঁর ছিল না বলে জানান অভিনেতা। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, অনুষ্ঠানের কথোপকথনটি চিত্রনাট্য মেনেই তৈরি হয়েছিল এবং দর্শকদের বিনোদনের কথা মাথায় রেখেই তা বলা হয়েছিল।সঞ্জয়ের ব্যাখ্যা, তাঁর কথাগুলিকে অনুষ্ঠানের মূল প্রেক্ষাপট থেকে আলাদা করে দেখা হয়েছে। মুন্নাভাই ছবির হাস্যরস ও ব্যঙ্গের ধাঁচেই কথাগুলি বলা হয়েছিল বলে দাবি তাঁর। বিশেষ করে গান্ধীগিরি-র ভাবনার মাধ্যমে ভালোবাসা, আন্তরিকতা, একতা এবং পারস্পরিক সৌহার্দ্যের বার্তা দেওয়াই ছিল তাঁর উদ্দেশ্য। কিন্তু সেই বক্তব্যের মূল ভাবটি হারিয়ে গিয়ে তা অন্য ভাবে ব্যাখ্যা করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি।বিতর্কের সূত্রপাত মূলত অনুষ্ঠানের সেই অংশ নিয়ে, যেখানে সঞ্জয় দেশের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে তাঁর মন্তব্য করেছিলেন। পরে তাঁর বক্তব্যের আরও কিছু অংশও সামনে আসে, যেখানে মুন্নাভাই-এর ভঙ্গিতে রাজনৈতিক ব্যঙ্গ এবং শান্তির বার্তা ছিল। ফলে পুরো কথোপকথনটি কী প্রেক্ষাপটে বলা হয়েছিল, তা নিয়েও আলোচনা শুরু হয়।তবে বিতর্ক থামেনি। মন্তব্যটি নিয়ে সমাজমাধ্যমে একাংশের সমালোচনা অব্যাহত রয়েছে। অন্য দিকে সঞ্জয়ের বক্তব্য, তাঁর কথার উদ্দেশ্য ছিল না কাউকে ছোট করা বা দেশের মানুষকে অসম্মান করা। বরং হাস্যরসের মাধ্যমে শান্তি, ভালোবাসা ও ঐক্যের বার্তাই তুলে ধরতে চেয়েছিলেন তিনি।ফলে একটি মন্তব্য ঘিরে তৈরি হওয়া বিতর্ক এখন অন্য মোড় নিয়েছে। প্রথমে ভারতে শান্তি নেই মন্তব্য, তার পর সমাজমাধ্যমে সমালোচনা এবং শেষে অভিনেতার চিত্রনাট্য-নির্ভর কথোপকথনের ব্যাখ্যাসঞ্জয় দত্তকে ঘিরে এই বিতর্কে আপাতত নজর তাঁর পরবর্তী পদক্ষেপের দিকেই।

অক্টোবর ০৫, ২০২৬
দেশ

সর্বসম্মতি না থাকলে এসআইআর বাতিল? জ্ঞানেশ কুমার মামলায় সুপ্রিম কোর্টের বড় পর্যবেক্ষণ

এসআইআর নিয়ে বিতর্কের মধ্যেই মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগে সুপ্রিম কোর্টে বড় মোড়। নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত গ্রহণের পদ্ধতি, মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের একক ভাবে সিদ্ধান্ত নেওয়ার অভিযোগ এবং নির্বাচন কমিশনারদের আইনি রক্ষাকবচের বৈধতা নিয়ে দায়ের হওয়া মামলায় নোটিস জারি করেছে শীর্ষ আদালত। একই সঙ্গে ফর্ম-৬-এ পরিবর্তন নিয়ে প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের প্রশ্ন ঘিরেও নতুন করে চর্চা শুরু হয়েছে।মামলাকারীদের অভিযোগ, নির্বাচন কমিশনের মতো সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে সব কমিশনারের ভূমিকা থাকা প্রয়োজন। আইনজীবী বিকাশ সিং আদালতে অভিযোগ করেন, মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার একক ভাবে কিছু সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই নির্বাচন কমিশনের কাজকর্ম খতিয়ে দেখতে রাজি হয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। তবে এই পর্যায়ে আদালত জ্ঞানেশ কুমারকে স্থগিত করার অন্তর্বর্তী আবেদন গ্রহণ করেনি।মুখ্য নির্বাচন কমিশনার এবং বাকি দুই নির্বাচন কমিশনার সুখবীর সিংহ সান্ধু ও বিবেক জোশীর বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলায় আইনি রক্ষাকবচের বৈধতা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। ২০২৩ সালের আইনে নির্বাচন কমিশনের শীর্ষ আধিকারিকদের তাঁদের সরকারি দায়িত্ব পালনের সঙ্গে যুক্ত কিছু কাজের ক্ষেত্রে দেওয়ানি ও ফৌজদারি আইনি সুরক্ষা দেওয়া হয়েছে। সেই রক্ষাকবচের সাংবিধানিক বৈধতাকেও চ্যালেঞ্জ করা হয়েছে।এই মামলায় আইনজীবী মেনকা গুরুস্বামী নির্বাচন কমিশনের কাজের পদ্ধতি নিয়েও প্রশ্ন তোলেন। তাঁর বক্তব্য, নির্বাচন পরিচালনার ক্ষেত্রে সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানের নিরপেক্ষতা এবং অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের পরিবেশ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। মামলাকারীদের তরফে নির্বাচন কমিশনের সাম্প্রতিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের পদ্ধতি নিয়েই মূল আপত্তি জানানো হয়েছে।শুনানিতে ফর্ম-৬-এর পরিবর্তনের বিষয়টিও সামনে আসে। ভোটার তালিকায় নাম তোলা বা সংশোধনের জন্য ব্যবহৃত এই ফর্মে সাম্প্রতিক সময়ে একটি পরিবর্তন করা হয়েছিল। পরে সেই পরিবর্তন সরিয়ে নেয় নির্বাচন কমিশন। এর আগে দুই নির্বাচন কমিশনার ওই পরিবর্তন নিয়ে আপত্তি জানিয়েছিলেন বলে প্রকাশিত প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছিল।ফর্ম-৬ নিয়ে শুনানির সময় প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত জানতে চান, ওই পরিবর্তন কে করেছিলেন। আদালতের তরফে স্পষ্ট করে বলা হয়, ফর্ম-৬-এ যে পরিবর্তন নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে, তার জন্য আদালতের অনুমোদন নেওয়া হয়নি। ফলে ভোটার তালিকা সংশোধনের এই গুরুত্বপূর্ণ নথিতে কী ভাবে এবং কার নির্দেশে পরিবর্তন হয়েছিল, তা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে।এসআইআর নিয়েও মামলায় গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন উঠেছে। মামলাকারীদের বক্তব্য, নির্বাচন কমিশন যদি সাংবিধানিক ভাবে নির্ধারিত যৌথ সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়া অনুসরণ না করে থাকে, তা হলে সেই সিদ্ধান্তগুলির বৈধতা নিয়েও প্রশ্ন উঠতে পারে। তবে এসআইআর ইতিমধ্যেই বাতিল হয়ে গিয়েছে বা আদালত তা বাতিল করে দিয়েছেএমন কোনও নির্দেশ এই শুনানিতে দেওয়া হয়নি। বরং বিষয়টি খতিয়ে দেখার জন্য নোটিস জারি করে পরবর্তী শুনানির পথ তৈরি হয়েছে।এর আগে নির্বাচন কমিশন দাবি করেছিল, গত এক বছরে নেওয়া সব সিদ্ধান্তই সর্বসম্মত ছিল। কমিশনের বক্তব্য অনুযায়ী, কমিশনারদের মধ্যে মতপার্থক্য বা পরামর্শ থাকলেও তা সিদ্ধান্ত গ্রহণের স্বাভাবিক প্রক্রিয়ার অংশ। অন্য দিকে, প্রকাশিত নথি নিয়ে প্রতিবেদনে দুই নির্বাচন কমিশনারের একাধিক আপত্তির কথা উঠে এসেছে। ফলে নির্বাচন কমিশনের ভিতরে সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়া নিয়ে বিতর্ক আরও জোরালো হয়েছে।এখন নজর পরবর্তী শুনানির দিকে। ফর্ম-৬ পরিবর্তনের বিষয়টি কী ভাবে ব্যাখ্যা করা হয়, নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত গ্রহণের পদ্ধতি নিয়ে আদালত কী বলে এবং মুখ্য নির্বাচন কমিশনার ও নির্বাচন কমিশনারদের আইনি রক্ষাকবচের বৈধতা নিয়ে মামলাটি কোন দিকে এগোয়, তা নিয়েই এখন অপেক্ষা।

অক্টোবর ০৫, ২০২৬
বিদেশ

ইমরানের মুক্তির দাবিতে রাজপথে হাজার হাজার মানুষ, ইসলামাবাদমুখী মিছিল ঘিরে পাকিস্তানে চরম উত্তেজনা!

প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের মুক্তির দাবিতে পাকিস্তানের রাজপথে ফের বড় মিছিল। সরকারের সঙ্গে আলোচনা ব্যর্থ হওয়ার পর খাইবার পাখতুনখোয়ার লাক্কি মারওয়াত থেকে ইসলামাবাদের উদ্দেশে দীর্ঘ পদযাত্রা শুরু করেছে ইমরানের দল তেহরিক-ই-ইনসাফের সমর্থকেরা। মিছিলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন খাইবার পাখতুনখোয়ার মুখ্যমন্ত্রী মুহাম্মদ সোহেল আফ্রিদি। দলীয় সমর্থকদের নিয়ে মিছিলের লক্ষ্য ইসলামাবাদে পৌঁছনো।ইমরানের মুক্তির দাবিতে আয়োজিত এই মিছিল শুরু হওয়ার আগেই পাকিস্তানের রাজনৈতিক পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। সরকারের সঙ্গে তেহরিক-ই-ইনসাফের আলোচনা কোনও সমাধানে পৌঁছয়নি। এরপরই পূর্বঘোষণা অনুযায়ী মিছিল শুরু করে ইমরানপন্থীরা। বিভিন্ন জেলা থেকে বহু সমর্থক লাক্কি মারওয়াতে জড়ো হন। মিছিলের সঙ্গে থাকা বহর ধীরে ধীরে ইসলামাবাদের দিকে এগোচ্ছে।মিছিল আটকাতে প্রশাসনের তরফেও কড়া নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে। ইসলামাবাদের গুরুত্বপূর্ণ রাস্তাগুলিতে নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে। একাধিক জায়গায় রাস্তা আটকে দেওয়া হয়েছে কন্টেনার দিয়ে। রাজধানীতে বিক্ষোভকারীদের প্রবেশ ঠেকাতে প্রশাসন আগে থেকেই প্রস্তুতি নিয়েছে বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে জানা গিয়েছে।মিছিল ঘিরে বিভিন্ন জায়গায় পুলিশ ও সমর্থকদের মধ্যে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে বলেও খবর। কিছু এলাকায় পাথর ছোড়াছুড়ি এবং লাঠিচার্জের ঘটনা ঘটেছে বলে সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। ইমরানের দলও অভিযোগ করেছে, তাদের বহু সমর্থককে আটক করা হয়েছে। একটি প্রতিবেদনে প্রায় দুই হাজার জনকে আটকের কথা বলা হয়েছে। তবে আটকের সঠিক সংখ্যা নিয়ে বিভিন্ন সূত্রে ভিন্ন তথ্য রয়েছে।অন্য দিকে, ইমরানপন্থীরা জানিয়েছে, প্রশাসনের বাধা সত্ত্বেও তারা আন্দোলন থেকে পিছিয়ে যাবে না। মিছিলের লক্ষ্য ইসলামাবাদে পৌঁছে ইমরান খানের মুক্তির দাবিকে আরও জোরালো করা। তেহরিক-ই-ইনসাফের নেতৃত্বের বক্তব্য, সরকারের সঙ্গে আলোচনা করে রাজনৈতিক উত্তেজনা কমানোর চেষ্টা করা হয়েছিল। কিন্তু সেই আলোচনা সফল না হওয়াতেই ফের রাজপথে নামার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।এই মিছিলের নেতৃত্বে থাকা খাইবার পাখতুনখোয়ার মুখ্যমন্ত্রী সোহেল আফ্রিদি লাক্কি মারওয়াত থেকে আন্দোলনকারীদের উদ্দেশে বক্তব্য দেন। তিনি জানান, প্রদেশের মানুষের স্বার্থের বিরুদ্ধে কোনও নীতি মেনে নেওয়া হবে না। একই সঙ্গে ইমরান খানের নীতি ও রাজনৈতিক অবস্থানের প্রতি সমর্থনও জানান তিনি।ইমরান খান ২০২৩ সাল থেকে জেলে রয়েছেন। তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে এবং বিভিন্ন মামলায় তাঁকে সাজাও দেওয়া হয়েছে। ইমরান ও তাঁর দল অবশ্য তাঁর বিরুদ্ধে চলা আইনি পদক্ষেপকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করে আসছে। পাকিস্তান সরকার সেই অভিযোগ মানে না। ফলে ইমরানের জেলবন্দি থাকা এবং তাঁর মুক্তির দাবিকে ঘিরে দেশটির রাজনীতিতে দীর্ঘদিন ধরেই টানাপোড়েন চলছে।এ বার সেই টানাপোড়েনই নতুন করে রাজপথে এসে পড়েছে। লাক্কি মারওয়াত থেকে শুরু হওয়া মিছিল কত দূর এগোয়, ইসলামাবাদে পৌঁছতে পারে কি না এবং প্রশাসনের সঙ্গে আন্দোলনকারীদের সংঘাত কতটা বাড়ে, এখন নজর সেদিকেই। পাকিস্তানের রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে এই মিছিল নতুন করে কতটা প্রভাব ফেলে, তা নিয়েও জোর চর্চা শুরু হয়েছে।

অক্টোবর ০৫, ২০২৬
কলকাতা

মমতার পায়ের রিপোর্ট প্রকাশ্যে! হাসপাতাল ও স্বাস্থ্য ভবনকে আইনি নোটিস, এবার কী হবে?

২০২১ সালের নন্দীগ্রাম বিধানসভা নির্বাচনের আগে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পায়ে চোট লাগার ঘটনা নিয়ে ফের তীব্র রাজনৈতিক বিতর্ক তৈরি হয়েছে। সম্প্রতি মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী সাংবাদিক বৈঠকে সেই সময়ের একটি মেডিক্যাল রিপোর্ট প্রকাশ্যে এনে দাবি করেন, রিপোর্টে পায়ে হাড় ভাঙা বা স্থানচ্যুতির প্রমাণ মেলেনি। এর পরেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আইনজীবী সরকারি হাসপাতাল এবং স্বাস্থ্য দফতরের সংশ্লিষ্ট কর্তাদের আইনি নোটিস পাঠিয়েছেন বলে জানা গিয়েছে।আইনি নোটিসে মূল প্রশ্ন তোলা হয়েছে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ব্যক্তিগত চিকিৎসা সংক্রান্ত তথ্য কীভাবে প্রকাশ্যে এল। তাঁর আইনজীবীর বক্তব্য, কোনও সরকারি সংস্থা বা তদন্তকারী কর্তৃপক্ষ আইন মেনে কোনও মেডিক্যাল নথি সংগ্রহ করলেও, সেই নথি সাধারণ মানুষের সামনে প্রকাশ করার অধিকার স্বয়ংক্রিয় ভাবে তৈরি হয় না। চিকিৎসা সংক্রান্ত তথ্য অত্যন্ত ব্যক্তিগত এবং সংবেদনশীল বলেও নোটিসে উল্লেখ করা হয়েছে।নোটিসে সংবিধানের ব্যক্তিগত গোপনীয়তার অধিকার এবং চিকিৎসা সংক্রান্ত তথ্যের গোপনীয়তার বিষয়টি তুলে ধরা হয়েছে। রোগীর চিকিৎসা সংক্রান্ত তথ্য সুরক্ষিত রাখা চিকিৎসকদের পেশাগত দায়িত্বের অংশ বলেও আইনজীবীর তরফে যুক্তি দেওয়া হয়েছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব হলেও তাঁর ব্যক্তিগত চিকিৎসা সংক্রান্ত তথ্যের গোপনীয়তার অধিকার রয়েছেএই বিষয়টিকেও বিশেষ ভাবে তুলে ধরা হয়েছে।এই বিতর্কের সূত্রপাত নন্দীগ্রামের পুরনো ঘটনা নিয়ে শুভেন্দু অধিকারীর সাম্প্রতিক মন্তব্য থেকে। সাংবাদিক বৈঠকে তিনি ২০২১ সালের এগারো মার্চের বাঙুর ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সের রেডিয়ো ডায়াগনসিস বিভাগের একটি রিপোর্ট দেখান। তাঁর দাবি, সেই রিপোর্টে পায়ে হাড় ভাঙা বা স্থানচ্যুতির কোনও প্রমাণ পাওয়া যায়নি। সেই নথি দেখিয়ে তিনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তৎকালীন পায়ের চোট নিয়ে প্রশ্ন তোলেন এবং বিষয়টি তদন্তের কথা জানান।শুভেন্দুর বক্তব্য অনুযায়ী, বর্তমানে বিষয়টি সিআইডির নজরে রয়েছে। নির্বাচনী বিধি উঠে যাওয়ার পর এই ঘটনা নিয়ে আরও তদন্ত করা হবে বলেও তিনি জানিয়েছেন। তবে মেডিক্যাল রিপোর্টে হাড় ভাঙার প্রমাণ না থাকার অর্থ এই নয় যে ওই সময় কোনও ধরনের চোটই ছিল না। সমসাময়িক চিকিৎসা সংক্রান্ত নথিতে পা ও শরীরের অন্য অংশে আঘাতের কথা উল্লেখ ছিল বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উঠে এসেছে। ফলে রিপোর্টের ব্যাখ্যা নিয়েই নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্ক তৈরি হয়েছে।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পক্ষ থেকে এখন মূল প্রশ্ন তোলা হয়েছে রিপোর্ট প্রকাশের বৈধতা নিয়ে। তাঁর আইনজীবীর বক্তব্য, কোনও ব্যক্তির চিকিৎসা সংক্রান্ত নথি সরকারি দফতরের হাতে থাকলেই তা প্রকাশ্যে আনার অধিকার তৈরি হয় না। সেই কারণেই হাসপাতাল ও স্বাস্থ্য দফতরের কাছে আইনি নোটিস পাঠানো হয়েছে।অন্য দিকে, তৃণমূলের তরফেও রিপোর্ট প্রকাশ নিয়ে আপত্তি জানানো হয়েছে। পাল্টা রাজনৈতিক বক্তব্যে শাসক দলের নেতারা প্রশ্ন তুলেছেন, ব্যক্তিগত চিকিৎসা সংক্রান্ত নথি কীভাবে প্রকাশ্যে এল। আবার সরকারের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, ২০২১ সালের পায়ের চোট নিয়ে ওঠা অভিযোগের সত্যতা খতিয়ে দেখতেই তদন্তের প্রয়োজন।ফলে নন্দীগ্রামের পাঁচ বছর আগের সেই পায়ের চোটের ঘটনা ফের রাজনৈতিক বিতর্কের কেন্দ্রে। এক দিকে মেডিক্যাল রিপোর্টে হাড় ভাঙার প্রমাণ না থাকার দাবি, অন্য দিকে সেই রিপোর্ট প্রকাশের বৈধতা নিয়ে মমতার আইনি পদক্ষেপদুই দিকের প্রশ্নেই এখন নজর। তদন্ত এগোলে পুরনো ঘটনার আরও কী তথ্য সামনে আসে, সেটাই দেখার।

অক্টোবর ০৫, ২০২৬
কলকাতা

তৃণমূলের পর এবার বিজেপি, রাজ্যসভার টিকিট হাতে কোয়েল! পুরনো সিদ্ধান্ত নিয়ে কী বললেন অভিনেত্রী?

রাজ্যসভার প্রার্থী হিসাবে নাম ঘোষণার এক দিনের মধ্যেই আনুষ্ঠানিক ভাবে বিজেপিতে যোগ দিলেন অভিনেত্রী কোয়েল মল্লিক। রবিবার পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যসভা আসনের উপনির্বাচনের জন্য তাঁর নাম ঘোষণা করেছিল বিজেপি। সোমবার সকালে দলীয় দফতরে তাঁর হাতে বিজেপির পতাকা তুলে দেওয়া হয়। এর পরেই রাজ্যসভায় মনোনয়ন জমা দেওয়ার প্রস্তুতি শুরু করেন তিনি।বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পর কোয়েল জানান, এই দায়িত্ব তাঁর কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দেশের মানুষের জন্য কাজ করতে চান তিনি। বাংলার মানুষের জীবনযাত্রার উন্নতি, কর্মসংস্থান এবং আরও বেশি স্কুল তৈরির প্রয়োজনীয়তার কথাও বলেন অভিনেত্রী। তাঁর বক্তব্য, মানুষের কল্যাণে কাজ করার সুযোগ পেলে তিনি নিজের মতো করে সেই দায়িত্ব পালন করতে চান।বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পর কোয়েল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীকে ধন্যবাদ জানান। গত কয়েক মাসে বাংলায় উন্নয়নের কাজ দেখে তিনি উৎসাহিত হয়েছেন বলেও জানান। তাঁর কথায়, সামাজিক মাধ্যমে তিক্ততা বাড়ছে। কাজের সুযোগ এবং কর্মসংস্থান বাড়ানো গেলে সেই পরিস্থিতি বদলাতে পারে বলে মনে করেন তিনি।তবে কোয়েলের বিজেপিতে যোগদানের পর সবচেয়ে বেশি চর্চা হয়েছে তাঁর পুরনো রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত নিয়ে। কয়েক মাস আগেই তৃণমূলের হয়ে রাজ্যসভার সাংসদ হয়েছিলেন তিনি। পরে রাজ্যসভার সাংসদ পদ থেকে ইস্তফা দেন। রবিবার বিজেপি তাঁকেই ফের পশ্চিমবঙ্গের ওই আসনের প্রার্থী হিসাবে ঘোষণা করে। সোমবার আনুষ্ঠানিক ভাবে বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পর তাঁর রাজনৈতিক পথবদল আরও স্পষ্ট হয়ে গেল।তৃণমূলে যোগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত ভুল ছিল কি না, সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের সরাসরি উত্তর অবশ্য দেননি কোয়েল। বরং তিনি জানান, অতীতে তিনি কারও সম্পর্কে খারাপ কথা বলেননি এবং ভবিষ্যতেও কাউকে নিয়ে নেতিবাচক মন্তব্য করতে চান না। রাজনৈতিক মতবদলের পরেও ব্যক্তিগত আক্রমণের পথে হাঁটবেন না বলেই বার্তা দিয়েছেন অভিনেত্রী।আগামিদিনে সক্রিয় রাজনীতিতে তাঁকে আরও বেশি দেখা যাবে কি না, সেই প্রশ্নেরও উত্তর দিয়েছেন কোয়েল। তিনি বলেন, ছোটবেলা থেকেই মানুষের সেবার সঙ্গে তাঁর পরিচয় রয়েছে। ছুটির সময়ে তাঁর মা তাঁকে মিশনারিজ় অব চ্যারিটিতে নিয়ে যেতেন বলেও জানান তিনি। মানুষের জীবনে সামান্য হলেও ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে পারলে সেটাকেই নিজের সাফল্য বলে মনে করবেন বলে জানিয়েছেন অভিনেত্রী।এদিকে বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পর সামাজিক মাধ্যমে তাঁকে ঘিরে নানা ধরনের কটাক্ষও শুরু হয়েছে। সেই প্রসঙ্গে কোয়েল বলেন, যাঁরা অন্যকে ছোট করে আনন্দ পান, তাঁদের প্রতি তাঁর কোনও রাগ নেই। মনোবিজ্ঞানের ছাত্রী হিসাবে বিষয়টিকে তিনি অন্য ভাবে দেখেন বলেও জানান। কটাক্ষকারীদের মানসিক সুস্থতা কামনা করেছেন তিনি।ফলে অভিনয় থেকে রাজনীতিতে আসার পর অল্প সময়ের মধ্যেই কোয়েল মল্লিকের রাজনৈতিক যাত্রায় আরও একটি বড় মোড় এল। তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদ থেকে পদত্যাগ, তার পর বিজেপিতে যোগ এবং ফের রাজ্যসভার প্রার্থী হওয়াপরপর এই ঘটনাগুলিই এখন বাংলার রাজনীতিতে কোয়েলকে ঘিরে নতুন করে আলোচনার কেন্দ্র তৈরি করেছে। আগামী রাজ্যসভা নির্বাচনে বিজেপির প্রার্থী হিসাবে তাঁর রাজনৈতিক যাত্রা কোথায় গিয়ে দাঁড়ায়, এখন সেটাই দেখার।

অক্টোবর ০৫, ২০২৬
কলকাতা

রবিবারের সংঘর্ষের পর সকালেই বদলে গেল এসআরএফটিআই, গেটে গান্ধীর ছবি, ফের দেওয়াল লিখন!

এক সপ্তাহের ব্যবধানে ফের উত্তপ্ত সত্যজিৎ রায় ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন ইনস্টিটিউট। রবিবার বিকেলে হিন্দু জাগরণ মঞ্চের মিছিলকে কেন্দ্র করে প্রতিষ্ঠানের মূল ফটকের সামনে উত্তেজনা ছড়ায়। মিছিলকারীদের একাংশ পুলিশের ব্যারিকেড সরিয়ে ক্যাম্পাসে ঢোকার চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ। পরিস্থিতি সামাল দিতে পুলিশের সঙ্গে তাঁদের ধস্তাধস্তিও হয়। ক্যাম্পাসের ভিতরে থাকা পড়ুয়া ও শিক্ষকদের লক্ষ্য করে বাইরে থেকে ইট ও জলের বোতল ছোড়ার অভিযোগ উঠেছে। পাল্টা হিন্দু জাগরণ মঞ্চের সদস্যরাও তাঁদের উপর হামলার অভিযোগ তুলেছেন।রবিবার অজয়নগর থেকে মিছিল করে এসআরএফটিআইয়ের সামনে পৌঁছন হিন্দু জাগরণ মঞ্চের সদস্যেরা। সংগঠনের অভিযোগ, প্রতিষ্ঠানের সাম্প্রতিক একটি ঘটনায় স্বামী বিবেকানন্দ এবং ভারতমাতাকে অসম্মান করা হয়েছে। সেই অভিযোগের প্রতিবাদেই এই মিছিল বলে জানানো হয়। মিছিল এসআরএফটিআইয়ের সামনে পৌঁছনোর পর গেটের বাইরে বিক্ষোভ শুরু হয়। বন্ধ গেট ঠেলে ভিতরে ঢোকার চেষ্টা করা হয় বলেও অভিযোগ উঠেছে।পরিস্থিতি ক্রমেই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। অভিযোগ, ক্যাম্পাসের ভিতরে থাকা পড়ুয়া ও শিক্ষকদের দিকে বাইরে থেকে ইট এবং জলের বোতল ছোড়া হয়। এক জন অধ্যাপক আহত হয়েছেন বলেও একটি প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। অন্য দিকে, মিছিলকারীদের কয়েক জনও আহত হয়েছেন বলে হিন্দু জাগরণ মঞ্চের তরফে দাবি করা হয়েছে। দুই পক্ষের অভিযোগ-পাল্টা অভিযোগের মধ্যেই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ হস্তক্ষেপ করে।এই ঘটনার পর সোমবার সকাল থেকেই এসআরএফটিআইয়ের সামনে নিরাপত্তা বাড়ানো হয়। মূল ফটকের বাইরে পুলিশ মোতায়েন করা হয়, যাতে নতুন করে কোনও উত্তেজনা তৈরি না হয়। রবিবারের ঘটনায় মহাত্মা গান্ধীর ছবি ছিঁড়ে ফেলার অভিযোগ উঠেছিল। তার পরের দিন সকালে পড়ুয়ারা ফের ক্যাম্পাসের গেটে গান্ধীর ছবি টাঙিয়ে দেন।এদিকে, রবিবার পুলিশের উপস্থিতিতে ক্যাম্পাসের দেওয়াল থেকে কিছু লেখা মুছে দেওয়া হয়েছিল বলে জানা গিয়েছে। সোমবার সকালে পড়ুয়ারা ফের সেখানে দেওয়াল লিখন করেন। পাশাপাশি ক্যাম্পাসের নিরাপত্তা আরও জোরদার করার দাবি জানানো হয়েছে। পড়ুয়াদের একাংশ প্রতিষ্ঠানের উপাচার্যের কাছেও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার আবেদন জানিয়েছেন।এসআরএফটিআইয়ে এই নিয়ে এক সপ্তাহের মধ্যে দ্বিতীয় বার উত্তেজনা তৈরি হল। এর আগে ২৭ সেপ্টেম্বর অখিল ভারতীয় গ্রাহক পঞ্চায়েতের একটি কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে পড়ুয়া এবং ওই সংগঠনের সদস্যদের মধ্যে সংঘর্ষের অভিযোগ উঠেছিল। সেই ঘটনার পরেই ক্যাম্পাসে নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তৈরি হয়েছিল। এক সপ্তাহ না কাটতেই ফের বাইরের একটি মিছিলকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়াল।ঘটনার পর এখন মূল নজর ক্যাম্পাসের নিরাপত্তা এবং দুই পক্ষের ওঠানো অভিযোগের তদন্তের দিকে। একের পর এক রবিবারে এসআরএফটিআইয়ের মতো একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সামনে উত্তেজনা তৈরি হওয়ায় নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। পুলিশ পরিস্থিতির উপর নজর রাখছে এবং যাতে আর কোনও সংঘর্ষ না হয়, সেই জন্য নিরাপত্তা বজায় রাখা হয়েছে।

অক্টোবর ০৫, ২০২৬
রাজ্য

ভোটের কয়েক ঘণ্টা আগে নন্দীগ্রামে বড় বদল! আইসি সরিয়ে নতুন আধিকারিক, কেন এমন সিদ্ধান্ত?

রাত পোহালেই নন্দীগ্রামে উপনির্বাচন। তার ঠিক আগের দিন, সোমবার নন্দীগ্রাম থানার আইসি বদল করল নির্বাচন কমিশন। এত দিন এই পদে ছিলেন অজয়কুমার মিশ্র। তাঁর জায়গায় নতুন আইসি হিসাবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে দেবাশিস সরকারকে। নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ অনুযায়ী, অবিলম্বে এই বদলি কার্যকর করতে হবে। ভোটের ঠিক আগে এই রদবদল ঘিরে নন্দীগ্রামের রাজনৈতিক মহলে নতুন করে চর্চা শুরু হয়েছে।নির্বাচন কমিশনের বিজ্ঞপ্তিতে আইসি বদলের নির্দিষ্ট কোনও কারণ উল্লেখ করা হয়নি। দেবাশিস সরকার এর আগে পূর্ব মেদিনীপুরের ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ কক্ষের ইনস্পেক্টর ইন-চার্জ হিসাবে দায়িত্বে ছিলেন। এখন তাঁকেই নন্দীগ্রাম থানার আইনশৃঙ্খলার দায়িত্ব দেওয়া হল। কমিশন তাঁর যোগদানের রিপোর্টও দ্রুত জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে।নন্দীগ্রামের উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে ৬ অক্টোবর। ভোটগণনা হবে ৯ অক্টোবর। চলতি বিধানসভা নির্বাচনে শুভেন্দু অধিকারী নন্দীগ্রাম এবং ভবানীপুর, দুই কেন্দ্র থেকেই জয়ী হয়েছিলেন। পরে নিয়ম অনুযায়ী তিনি একটি আসন ছেড়ে দেওয়ায় নন্দীগ্রাম আসনটি শূন্য হয়। সেই কারণেই এই উপনির্বাচন।নন্দীগ্রামের রাজনৈতিক গুরুত্ব অবশ্য নতুন করে বলার অপেক্ষা রাখে না। ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে এই কেন্দ্রেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং শুভেন্দু অধিকারীর মধ্যে তীব্র লড়াই হয়েছিল। সেই নির্বাচনে শুভেন্দু জয়ী হন। পরবর্তী সময়েও নন্দীগ্রাম রাজ্যের রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হয়ে থেকেছে। এবারের উপনির্বাচনেও তাই এই কেন্দ্রের দিকে নজর রয়েছে রাজনৈতিক মহলের।এবারের উপনির্বাচনে বিজেপির প্রার্থী হাসিরানি রথ। কংগ্রেসের হয়ে লড়ছেন মিলন প্রধান। নন্দীগ্রামের নির্বাচনী লড়াই ঘিরে ইতিমধ্যেই প্রচারে উত্তাপ ছিল যথেষ্ট। রবিবার সন্ধ্যায় প্রচারপর্ব শেষ হয়েছে। মঙ্গলবার ভোটগ্রহণের আগে সোমবারই আইসি বদলের সিদ্ধান্ত সামনে এল।গত বিধানসভা নির্বাচনের আগেও অবাধ ও নিরপেক্ষ ভোট নিশ্চিত করতে রাজ্যের একাধিক থানার ওসি ও আইসি বদল করেছিল নির্বাচন কমিশন। সেই সময় নন্দীগ্রাম-সহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় পুলিশি স্তরে রদবদল করা হয়েছিল।তবে এবার ভোটের মাত্র এক দিন আগে নন্দীগ্রামের আইসি বদলের সিদ্ধান্ত কেন নেওয়া হল, সেই প্রশ্নের স্পষ্ট উত্তর এখনও মেলেনি। কমিশনের বিজ্ঞপ্তিতেও কারণ জানানো হয়নি। ফলে শেষ মুহূর্তের এই প্রশাসনিক রদবদল নিয়েই এখন জোর চর্চা। মঙ্গলবার নন্দীগ্রামের ভোটে নতুন দায়িত্বপ্রাপ্ত আইসির অধীনে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি কী থাকে, সেদিকেই এখন নজর।

অক্টোবর ০৫, ২০২৬
বিদেশ

৯/১১-র ছকেই কি হামামির পরিকল্পনা? স্মিতকে সরিয়ে ইজরায়েলে বিমান আছড়ানোর ভয়ঙ্কর নকশা ফাঁস

দুবাই থেকে তেল আভিভগামী ফ্লাইদুবাই বিমানে মাঝ আকাশে ভারতীয় পাইলট স্মিত মচ্ছরের উপর হামলার ঘটনায় তদন্ত যত এগোচ্ছে, ততই সামনে আসছে চাঞ্চল্যকর তথ্য। তদন্তকারী সূত্র ও একাধিক সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, ওমানের সহ-পাইলট হামাম আল-হামামি শুধু ককপিটের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার চেষ্টা করেনি, বরং বিমানটিকে ইজরায়েলে আছড়ে ফেলার পরিকল্পনাও করে থাকতে পারে। এমনকি তার পরিকল্পনার সঙ্গে ৯/১১-র ধাঁচের আত্মঘাতী বিমান হামলার মিল রয়েছে বলেও বিভিন্ন প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে।তদন্তকারীদের জেরায় হামামি কী জানিয়েছে, তা নিয়ে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রথমে ক্যাপ্টেন স্মিত মচ্ছরকে সরিয়ে বিমানের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার পরিকল্পনা ছিল তার। এরপর বিমানটিকে স্বাভাবিক ভাবে তেল আভিভের দিকে নিয়ে যাওয়ার কথা ছিল। বেন গুরিয়ন বিমানবন্দরে অবতরণের অনুমতি পাওয়ার পর শেষ মুহূর্তে বিমানটিকে বিমানবন্দরের কোনও ভবন বা অন্য একটি বিমানের সঙ্গে ধাক্কা দেওয়ার পরিকল্পনা ছিল বলে দাবি করা হয়েছে।ইতালির সংবাদপত্রের একটি প্রতিবেদনের বরাত দিয়ে ভারতীয় সংবাদমাধ্যমেও দাবি করা হয়েছে, ককপিটে প্রার্থনা করার অছিলায় হামামি কুঠার বের করে স্মিতকে আক্রমণ করে। প্রথম পরিকল্পনা ব্যর্থ হওয়ার পর বিমানটিকে মরুভূমিতে নামিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছিল বলেও ওই প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। স্বয়ংক্রিয় নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা নিষ্ক্রিয় করার পর বিমানটি দ্রুত নীচে নামতে শুরু করে। তদন্তকারীদের সন্দেহ, বিমানের ইঞ্জিন বন্ধ করারও চেষ্টা করা হয়ে থাকতে পারে।ঘটনার ভয়াবহতা আরও বেড়ে যায় যখন বিমানটি মাত্র কয়েক দশ সেকেন্ডে হাজার হাজার ফুট নীচে নেমে আসে। এর আগে প্রকাশিত তদন্ত-তথ্য অনুযায়ী, ফ্লাইদুবাইয়ের ওই বিমানটি প্রায় ১৪ হাজার থেকে ১৬ হাজার ফুট পর্যন্ত দ্রুত নেমে গিয়েছিল। গুরুতর আহত হয়েও স্মিত ককপিটের দরজা খোলার সুযোগ তৈরি করেন। এরপর যাত্রী ও বিমানে থাকা অন্য পাইলটদের হস্তক্ষেপে হামামিকে নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়। শেষ পর্যন্ত সৌদি আরবের তাবুকে বিমানটির জরুরি অবতরণ করানো হয়।তদন্তে হামামি একাই এই পরিকল্পনা করেছিল কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন ছিল। সাম্প্রতিক কয়েকটি প্রতিবেদনে তদন্তকারী সূত্রের দাবি, এখনও পর্যন্ত হামামির সঙ্গে কোনও সংগঠিত গোষ্ঠীর যোগসূত্রের প্রমাণ সামনে আসেনি এবং সে একাই কাজ করে থাকতে পারে। তবে তদন্ত এখনও চলছে এবং তার উদ্দেশ্য ও সম্ভাব্য যোগাযোগ নিয়ে বিভিন্ন দেশের তদন্তকারী সংস্থা খোঁজখবর করছে।এদিকে আরও একটি দাবি সামনে এসেছে। হামামি নাকি ফ্লাইদুবাইয়ে যোগ দেওয়ার আগেই হামলার পরিকল্পনা করেছিল। জুলাই মাসেও তার একটি পরিকল্পনা ছিল বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। সেই পরিকল্পনা শেষ পর্যন্ত কেন বাতিল হয়েছিল, তা নিয়েও তদন্ত চলছে। এমনকি তেল আভিভগামী উড়ানের জন্যই সে ফ্লাইদুবাইয়ে যোগ দিয়েছিল কি না, সেই প্রশ্নও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।ঘটনার পর হামামির আগের উড়ান-জীবন নিয়েও নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। একাধিক সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, উগ্রপন্থী মতাদর্শ নিয়ে উদ্বেগের কারণে ওমানের একটি বিমান সংস্থা আগে তাকে উড়ানের দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দিয়েছিল। তবে এই সংক্রান্ত বিভিন্ন দাবি এখনও তদন্তাধীন এবং হামামির অতীত সম্পর্কে সব তথ্যের সরকারি নিশ্চিতকরণ হয়নি।গত বুধবারের সেই ঘটনার সময় বিমানটি দুবাই থেকে তেল আভিভের দিকে যাচ্ছিল। ককপিটে হামলার পর বিমানটি দ্রুত নীচে নামতে শুরু করে। স্মিতের প্রতিরোধ, ককপিটের দরজা খোলা এবং যাত্রী ও অন্য পাইলটদের দ্রুত হস্তক্ষেপের জেরেই বড় বিপর্যয় এড়ানো সম্ভব হয়। সংযুক্ত আরব আমিরশাহির তদন্তে ঘটনাটিকে সন্ত্রাসী হামলার ঘটনা হিসেবে দেখা হচ্ছে। তবে হামামির চূড়ান্ত উদ্দেশ্য, তার সঙ্গে অন্য কারও যোগাযোগ ছিল কি না এবং বিমানটি ঠিক কোথায় নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা ছিলএই প্রশ্নগুলির তদন্ত এখনও চলছে।

অক্টোবর ০৫, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal