• ২৭ ভাদ্র ১৪৩৩, বুধবার ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Decreasing

দেশ

দেশে ফের কমল করোনা সংক্রমণ, মৃত্যু বাড়ল সামান্য

ফের কমল সংক্রমণের হার। ভারতে দৈনিক করোনা-আক্রান্তের সংখ্যা নিরন্তর কমছে, এই মুহূর্তে নিয়ন্ত্রণের মধ্যে রয়েছে সংক্ৰমিতের সংখ্যা। বিগত ২৪ ঘন্টায় মৃত্যুর সংখ্যা অবশ্য খানিকটা বেড়েছে। সোমবার সারাদিনে ভারতে নতুন করে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ২ হাজার ৫৬৮ জন। বিগত ২৪ ঘন্টায় ভারতে মৃত্যু হয়েছে করোনা-আক্রান্ত ৯৭ জন রোগীর। ভারতে দৈনিক সংক্রমণের হার এই মুহূর্তে ০.৩৭ শতাংশ।বিগত ২৪ ঘন্টায় ভারতে চিকিৎসাধীন করোনা-রোগীর সংখ্যা কমে ৩,৩৯,১৭-এ পৌঁছেছে, শেষ ২৪ ঘন্টায় সক্রিয় রোগীর সংখ্যা কমেছে ২,২৫১ জন। এই মুহূর্তে শতাংশের নিরিখে ০.০৮ শতাংশ রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছেন। ভারতে বিগত ২৪ ঘন্টায় করোনার টিকা পেয়েছেন ১৯ লক্ষ ৬৪ হাজার ৪২৩ জন প্রাপক, ফলে ভারতে মঙ্গলবার সকাল আটটা পর্যন্ত ১,৮০,৪০,২৮,৮৯১ জনকে কোভিড টিকা দেওয়া হয়েছে।কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রকের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বিগত ২৪ ঘন্টায় ৯৭ জনের মৃত্যুর পর ভারতে কোভিড-১৯ ভাইরাসে মৃতের সংখ্যা বেড়ে হল ৫,১৫,৯৭৪ জন (১.২০ শতাংশ)। সোমবার সারা দিনে ভারতে করোনা-মুক্ত হয়েছেন ৪,৭২২ জন। মঙ্গলবার সকাল আটটা পর্যন্ত ভারতে মোট সুস্থ হয়েছেন ৪,২৪,৪৬,১৭১ জন করোনা-রোগী, শতাংশের নিরিখে ৯৮.৭২ শতাংশ। নতুন করে ২,৫৬৮ জন সংক্রমিত হওয়ার পর ভারতে মোট কোভিডে আক্রান্ত হয়েছেন ৪,২৯,৯৬,১৩২ জন।

মার্চ ১৫, ২০২২
দেশ

দেশে আরও কমল করোনা সংক্রমণের হার

দেশে আরও কমল করোনা সংক্রমণ। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের জারি করা দৈনিক করোনা বুলেটিন বলছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ২৭ হাজার ৪০৯ জন, যা সোমবারের তুলনায় ২০ শতাংশ কম। একই সঙ্গে কমেছে দৈনিক সংক্রমণের হারও। মঙ্গলবার দেশে সংক্রমণের হার ২.২ শতাংশ। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে ৩৪৭ জনের মৃত্যু হয়েছে।কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের দৈনিক পরিসংখ্যান জানাচ্ছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে ৮২ হাজার ৮১৭ জন করোনা থেকে সুস্থ হয়ে উঠেছেন। এর ফলে মোট চার কোটি ১৭ লক্ষ ৬০ হাজার ৪৫৮ জন করোনা মুক্ত হলেন। সোমবার দেশে ১২ লক্ষ ২৯ হাজার ৫৩৬টি করোনার নমুনা পরীক্ষা হয়েছে। দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় ৪৪ লক্ষেরও বেশি করোনার টিকা দেওয়া হয়েছে। দেশে কমেছে করোনায় দৈনিক মৃত্যুর সংখ্যাও। স্বাস্থ্য মন্ত্রক জানাচ্ছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে ৩৪৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। তার মধ্যে কেরলেই মৃত্যু হয়েছে ১৭৮ জনের।সময়ের সঙ্গে সঙ্গে করোনা ভাইরাসের একাধিক নয়া স্ট্রেন হানা দিয়েছে বিশ্বের সর্বত্র। বাদ পড়েনি ভারতও। তার বিরুদ্ধে লড়তে জোরকদমে দেশে চলছে টিকাকরণ। এখনও পর্যন্ত মোট ১৭৩ লক্ষের বেশি মানুষ ভ্যাকসিন পেয়েছেন বলে স্বাস্থ্য মন্ত্রক সূত্রে জানা গিয়েছে। সংক্রমণ কমতে থাকায় বিভিন্ন রাজ্যে ছোটদের স্কুলও খুলে দেওয়া হচ্ছে। বাংলাতেও বুধবার থেকে তা খুলে দেওয়া হবে। তবে কড়া কোভিডবিধি মেনেই চলবে ক্লাস, সে বিষয়ে সতর্ক সব রাজ্যই।

ফেব্রুয়ারি ১৫, ২০২২
কলকাতা

Bhawanipur By Poll: ভোটারদের এগিয়ে আসার আবেদন ফিরহাদ-সুব্রতর, কমিশনের দ্বারস্থ বিজেপি

সকাল থেকে ভবানীপুরে ভোটের হার কম। সকাল ১১টা পর্যন্ত ভোট পড়েছে মাত্রা ২২ শতাংশ। তাই ভোটারদের ভোটদানের আর্জি জানিয়ে টুইট করেছেন সুব্রত মুখোপাধ্যায় ও ফিরহাদ হাকিম। এ নিয়ে কমিশনে অভিযোগ জানিয়েছে বিজেপি। নিয়মবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে রাজ্যের দুই মন্ত্রীকে ভবানীপুর কেন্দ্রের বাইরে কোনও থানায় ভোট শেষ না হওয়া পর্যন্ত নজরবন্দি করার দাবিও জানানো হয়েছে।উল্লেখ্য, ভবানীপুরে ফাঁকা বুথ নিয়ে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে তৃণমূলের অন্দরে। সকাল থেকেই এখানে একাধিক বুথ ফাঁকা। অবশেষে ভোট চেয়ে ময়দানে নামলেন তৃণমূল নেতারা। সোশ্যাল মিডিয়ায় ভোটদানের আর্জি ফিরহাদ হাকিম, সুব্রত মুখোপাধ্যায়দের। ফিরহাদ হাকিম টুইটারে লেখেন, ভবানীপুরে উন্নয়নের স্বার্থে সবাই ভোট দিতে আসুন। অন্যদিকে সুব্রত মুখোপাধ্যায়ের টুইট, আজ ভবানীপুর-সহ বাংলার তিন কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ। আমাদের ভোটারদের উদ্বুদ্ধ করতে হবে ও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে জয়ী করতে হবে।Urging everyone from Bhabanipur today to step out and vote for Development, vote for Equality.#MamataBanerjeeForBhabanipur FIRHAD HAKIM (@FirhadHakim) September 30, 2021সোমবার সকাল ৯টা অবধি ভবানীপুরে ভোটের যে শতাংশ, তা মাত্র ৭.৫৭ শতাংশ। ভোটদানের এই হার যথেষ্টই খারাপ। প্রথমে মনে করা হয়েছিল, আবহাওয়ার কারণে হয়তো ভোটাদের ভোটকেন্দ্রমুখী করা মুশকিল হবে। কিন্তু বৃহস্পতিবার দেখা গেল, রোদ ঝলমলে সকালেও ভোটের লাইনে দাঁড়াতে অনীহা ভোটারদের।#VoteForDidiToday is a very important day as the by-polls are are being held in 3 seats including Bhabanipur. We have to motivate voters to vote in favour of Didi and ensure that Didi wins by a huge margin.#MamataBanerjeeForBhabanipur pic.twitter.com/XzS4nUxTuP MLA Subrata Mukherjee (@MLA_Subrata) September 30, 2021ক্যাথিড্রাল মিশন হাইস্কুলের চারটি বুথ ১৪৮, ১৪৯, ১৫৯ ও ১৫২। বুথের ভিতরে এবং বাইরে কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা। কিন্তু ভোটারদের উপস্থিতি নেই বললেই চলে। বেশ কিছুক্ষণের ব্যবধানে পর পর দু চারজন করে ভোটার ভোট দিতে আসছেন। বেলতলা গার্লস হাইস্কুলের বুথেও সকাল থেকে ভোটারদের দেখা নেই। চেতলাহাট আরবান হেলথ সেন্টারের ৯৯ নম্বর বুথেও একই ছবি। ৭১ নম্বর ওয়ার্ডেও হাতে গোনা কয়েকজন ভোটার লাইনে দাঁড়িয়েছেন। খাস কলকাতায় এমনিতেই ভোটের হার তুলনামূলক কম পড়ে। কিন্তু তা বলে এতটা কম কেন, তা নিয়ে ইতিমধ্যেই প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। পরিস্থিতি এতটাই ঘোরাল যে, রাজ্যের দুই মন্ত্রীকে টুইট করে ভোটদাতাদের ভোটকেন্দ্রমুখী করতে হচ্ছে, তাও আবার ভোটের দিন!আর সুযোগ বুঝে কমিশনে এই টুইটের প্রেক্ষিতে অভিযোগও জানিয়ে ফেলেছে বিজেপি।

সেপ্টেম্বর ৩০, ২০২১
দেশ

Corona Update: দৈনিক সংক্রমণের হার নিম্নগামী, ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু আরও ২৯০ জনের

ভারতে ফের কিছুটা কমে গেল দৈনিক করোনা-আক্রান্তের সংখ্যা, বিগত ২৪ ঘণ্টায় ভারতে নতুন করে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ২৯ হাজার ৬১৬ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় কোভিডে মৃত্যু হয়েছে ২৯০ জনের, আগের দিনের তুলনায় কমেছে মৃত্যুর সংখ্যা। শুক্রবার সারাদিনে ভারতে সুস্থ হয়েছেন ২৮,০৪৬ জন, ফলে ভারতে এই মুহূর্তে মোট সুস্থতার হার ৯৭.৭৮ শতাংশ, ২০২০ সালের মার্চ মাসের পর সর্বোচ্চ সুস্থতার হার। ভারতে এই মুহূর্তে মোট চিকিৎসাধীন করোনা-রোগীর সংখ্যা ৩,০১,৪৪২ জন, বিগত ২৪ ঘন্টায় রোগীর সংখ্যা বেড়েছে ১,২৮০ জন। বিগত ২৪ ঘন্টায় দেশে কোভিড টেস্টের সংখ্যা ১৫,৯২,৪২১।আরও পড়ুনঃ ডিসি সাউথের বিরুদ্ধে শ্লীলতাহানির অভিযোগ প্রিয়াঙ্কারকেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রকের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বিগত ২৪ ঘন্টায় ভারতে নতুন করে ২৯,৬১৬ জন সংক্রমিত হওয়ার পর দেশে মোট করোনা-আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হল ৩ কোটি ৩৬ লক্ষ ২৪ হাজার ৪১৯ জন। এই মুহূর্তে শতাংশের নিরিখে ০.৯০ শতাংশ রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছেন। ভারতে ৮৪.৮৯-কোটির গণ্ডি ছাড়িয়ে গেল কোভিড-টিকাকরণ, কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রক জানিয়েছে, শনিবার সকাল আটটা পর্যন্ত মোট ৮৪ কোটি ৮৯ লক্ষ ২৯ হাজার ১৬০ জনকে ভ্যাকসিন দেওয়া হয়েছে। বিগত ২৪ ঘন্টায় টিকা দেওয়া হয়েছে ৭১ লক্ষ ০৪ হাজার ০৫১ জনকে। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বিগত ২৪ ঘন্টায় ২৯০ জনের মৃত্যুর পর ভারতে কোভিড-১৯ ভাইরাসে মৃতের সংখ্যা বেড়ে হল ৪,৪৬,৬৫৮ জন (১.৩৩ শতাংশ)।ভারতে আরোগ্যের সংখ্যা আরও বাড়ল, শুক্রবার সারা দিনে ভারতে করোনা-মুক্ত হয়েছেন ২৮,০৪৬ জন। ফলে শনিবার সকাল আটটা পর্যন্ত ভারতে মোট সুস্থ হয়েছেন ৩,২৮,৭৬,৩১৯ জন করোনা-রোগী, শতাংশের নিরিখে ৯৭.৭৮ শতাংশ। কেরলের করোনা-পরিস্থিতি এখনও নিয়ন্ত্রণের বাইরেই, বিগত ২৪ ঘন্টায় কেরলে নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ১৭,৯৮৩ জন। এই সময়ে দক্ষিণী রাজ্যে মৃত্যু হয়েছে ১২৭ জনের।

সেপ্টেম্বর ২৫, ২০২১
দেশ

Corona Update: স্বস্তি দিয়ে দেশে বেশ কিছুটা কমল করোনা সংক্রমণ

ওঠা নামা করছে করোনা সংক্রমণের গ্রাফ। পরপর কয়েকদিন সংক্রমণ তিরিশ হাজারের গণ্ডি ছাড়ালেও গতকালের তুলনায় আরও কমল করোনা আক্রান্তের সংখ্যা।কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের রিপোর্ট অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন দেশের ২৬,১১৫ জন। বেশ কয়েকদিন পর দেশের দৈনিক সংক্রমণ এতটা কমল। একদিনে করোনার বলি ২৫২জন। গত ২৪ ঘণ্টায় মহামারির কবল থেকে সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৩৪,৪৬৯ জন।আরও পড়ুনঃ বাবার জন্মশতবার্ষিকীতে বিশেষ ভাবনা অপর্ণা সেনেরগত ২৪ ঘণ্টায় ভারতে নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ৩০ হাজার ২৫৬ জন। গতকাল সেই সংখ্যাটা দঁড়িয়েছিল ৩০ হাজার ৭৭৩। দুসপ্তাহ আগেও হু-হু করে বেড়ে গিয়ে প্রায় ৪৫ হাজারের গণ্ডি ছুঁয়েছিল এই সংখ্যাটা। এরপর এক ধাক্কায় তা কমে দাঁড়ায় ৩৩ হাজারে। পরপর কয়েকদিন সংখ্যাটা ৩০ হাজারের নীচেই ছিল। পরে সংখ্যাটা আবার ৩০ হাজার ছাড়ায়। দেশের মোট আক্রান্তের সংখ্যা এই মুহূর্তে ৩ কোটি ৩৪ লাখ ৭৮ হাজার ৪১৯। গতকাল মোট আক্রান্ত হয়েছেন ৩ কোটি ৩৪ লাখ ৪৮ হাজার ১৬৩ জন। এদিকে,গতকালের তুলনায় সুস্থ হয়ে ওঠার সংখ্যাটা অনেকটাই বেড়েছে। এই সুস্থ হয়ে ওঠার হার ক্রমশ উর্ধ্বমূখী। আজ সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৪৩ হাজার ৯৩৮ জন। গতকালে সুস্থ হয়েছেন ৩৮ হাজার ৯৪৫ জন। এদিকে, ওঠা-নামা করছে মৃত্যুর গ্রাফ। আজ এক ধাক্কায় মৃত্যু কমে ২৯৫-এ দাঁড়িয়েছে। গত দুদিন আগেও দৈনিক মৃত্যুর সংখ্যা ৩০০ ছাড়িয়েছিল। গতকাল সেই সংখ্যাটা ছিল ৩০৯।আক্রান্তের নিরিখে দেশের মধ্যে সপ্তম স্থানে রয়েছে পশ্চিমবঙ্গ। বিগত কয়েকদিন ধরে সাতশোর আশেপাশে ঘোরাঘুরি করছিল সংক্রমণের গ্রাফ। আজ সামান্য স্বস্তি দিয়ে তা কমে ৬০০ হল। গত ২৪ ঘণ্টায় এ রাজ্যে আক্রান্ত হয়েছেন ৬৩৫জন। সরকারি তথ্য বলছে মোট মৃত্যু হয়েছে ১৮ হাজার ৬৫২ জনের। এদিকে, উত্তরপ্রদেশের মতো বড় রাজ্যে কিন্তু সংক্রমণের রিপোর্ট অনেকটাই কম। গোটা রাজ্যে দৈনিক মোট আক্রান্ত হয়েছেন মাত্র ১৭ জন। বিগত এক সপ্তাহ ধরে এই রাজ্যে মৃতের সংখ্যা ৫০ এর নীচেই রয়েছে। তবে মোট মৃতের সংখ্যা ২২ হাজারের আশে পাশেই ঘোরাঘুরি করছে। অন্যদিকে, রাজধানী দিল্লিতে আক্রান্ত হয়েছেন ২৮ জন। তবে কেরলে হু হু করে বাড়ছে সংক্রমণের হার।

সেপ্টেম্বর ২১, ২০২১
দেশ

পরপর দু’দিন কমল দৈনিক করোনা সংক্রমণ

করোনা মোকাবিলায় কেন্দ্র ও রাজ্য কোমর বেঁধে নামতেই মিলল ইতিবাচক ফল। একদিকে যেমন টিকাকরণের গতি বেড়েছে, তেমনই একাধিক শহর হেঁটেছে পূর্ণ ও আংশিক লকডাউনের পথে। সমস্ত কোভিড প্রোটোকল মানার ক্ষেত্রেও কড়াকড়ি চলছে। যার ফল মিলল পরিসংখ্যানে। পরপর দুদিন দেশে সংক্রমণ নিম্নমুখী। একদিনে সুস্থ হয়ে উঠলেন তিন লক্ষ ২০ হাজারেরও বেশি মানুষ।মঙ্গলবার স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রকের দেওয়া পরিসংখ্যান বলছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে ৩ লক্ষ ৫৭ হাজার ২২৯ জন করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। দৈনিক সংক্রমণ অনেকটাই কমেছে মহারাষ্ট্রেও। তবে জুলাই ও অগস্টে সে রাজ্যে করোনার তৃতীয় ঢেউ আছড়ে পড়ার ইঙ্গিত দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। যদিও উদ্ধব সরকার জানিয়ে দিয়েছে, সমস্ত পরিস্থিতির জন্য তারা তৈরি। গোটা দেশে মোট করোনা আক্রান্ত বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২ কোটি ২ লক্ষ ৮২ হাজার ৮৩৩-এ। এদিকে একদিনে এই মারণ ভাইরাসে প্রাণ হারিয়েছেন ৩,৪৪৯ জন। দেশে এখনও পর্যন্ত করোনার বলি ২ লক্ষ ২২ হাজার ৪০৮ জন। তবে চিন্তায় রাখছে অ্যাকটিভ কেস। বর্তমানে করোনার চিকিৎসাধীন ৩৪ লক্ষ ৪৭ হাজার ১৩৩ জন।পরিসংখ্যান বলছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনামুক্ত হয়েছেন ৩ লক্ষ ২০ হাজার ২৮৯ জন। এখনও পর্যন্ত দেশে ১ কোটি ৬৬ লক্ষ ১৩ হাজার ২৯২ জন করোনা থেকে মুক্ত হয়েছেন। টিকা পেয়েছেন ১৫ কোটি ৮৯ লক্ষেরও বেশি মানুষ। দেশজুড়ে করোনার নয়া তাণ্ডব রুখতে টিকাকরণের গতি বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে কেন্দ্র। তবে টিকাকরণের পাশাপাশি রোগী চিহ্নিত করতে চলছে টেস্টিংও। আইসি্এমআর-এর রিপোর্ট বলছে, গতকাল ১৬ লক্ষ ৬৩ হাজার ৭৪২টি নমুনা পরীক্ষা হয়েছে।

মে ০৪, ২০২১
দেশ

রেকর্ড গড়ল করোনাজয়ীর সংখ্যা, কমল দৈনিক সংক্রমণ

দৈনিক করোনা আক্রান্তের সংখ্যায় সামান্য স্বস্তি পেল ভারত। চার লক্ষের গন্ডি পেরনোর পরদিনই সামান্য কমল দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যা। তবে, উদ্বেগ বাড়াচ্ছে মৃত্যু। রবিবার মৃতের সংখ্যায় রেকর্ড গড়েছে দেশ। টানা দ্বিতীয়বার মৃতের সংখ্যা পেরল তিন হাজার পাঁচশোর গণ্ডি। তবে, সবচেয়ে স্বস্তির খবর দেশে প্রথমবার দৈনিক সুস্থতার সংখ্যা ৩ লক্ষ পেরল।রবিবার সকালে স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রকের দেওয়া পরিসংখ্যান বলছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে ৩ লক্ষ ৯২ হাজার ৪৮৮ জন করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। যা আগের দিনের থেকে প্রায় অনেকটাই কম। আপাতত দেশে মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ কোটি ৯৫ লক্ষ ৫৭ হাজার ৪৫৭ জন। স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রকের দেওয়া পরিসংখ্যান অনুযায়ী, আপাতত মৃতের সংখ্যা ২ লক্ষ ১৫ হাজার ৫৪২ জন। এর মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু হয়েছে ৩ হাজার ৬৮৯ জনের। এই সংখ্যাটাও সর্বকালের রেকর্ড। এই নিয়ে দ্বিতীয় দিন মৃত্যু সাড়ে ৩ হাজার পেরল।স্বস্তির খবর হল, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনামুক্ত হয়েছেন ৩ লক্ষ ৭ হাজার ৮৬৫ জন। যা দৈনিক আক্রান্তের থেকে অনেক কম হলেও এযাবৎকালের রেকর্ড। আপাতত দেশের মোট অ্যাকটিভ কেস বেড়ে দাঁড়াল ৩৩ লক্ষ ৪৯ হাজার ৬৪৪ জন। দেশে এখনও পর্যন্ত সবমিলিয়ে সুস্থ হয়েছেন ১ কোটি ৬৮ লক্ষ ৮৪ হাজার ১৬ হাজার ৩১ জন। এখনও পর্যন্ত দেশে টিকা পেয়েছেন মোট ১৫ কোটি ৬৮ লক্ষ ১৬ হাজার ৩১ জন।

মে ০২, ২০২১
দেশ

দেশে কিছুটা কমল দৈনিক সংক্রমণ ও মৃত্যুর হার

পরপর কয়েকদিন টানা লাফিয়ে বেড়ে চলার পর মঙ্গলবার দেশের করোনা গ্রাফ সামান্য নিম্নমুখী। স্বাস্থ্য মন্ত্রকের সাম্প্রতিকতম পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টা দেশে নতুন করে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ৩ লক্ষ ২৩ হাজার ১৪৪ জন। সোমবার এই সংখ্যা ছিল সাড়ে তিন লক্ষের বেশি। সেই তুলনায় মঙ্গলবার প্রায় ২০ হাজার কমেছে সংক্রমিতের সংখ্যা। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনার বলি ২৭৭১। করোনায় মৃত্যু হয়েছে ছত্তিশগড়ের প্রবীণ কংগ্রেস সাংসদ করুণা শুক্লা। এই পরিসংখ্যানও সোমবারের তুলনায় সামান্য কম। ফলে দুই পরিসংখ্যানেই ক্ষণিক স্বস্তি মিলছে। তবে এই গ্রাফ আরও অনেকটা নিম্নমুখী হোক, এই আশায় দিন গুনছে স্বাস্থ্যমহল থেকে আমজনতা, সকলেই।স্বাস্থ্য মন্ত্রকের পরিসংখ্যান বলছে, এই মুহূর্তে দেশে মোট অ্যাকটিভ করোনা রোগীর সংখ্যা ২৮ লক্ষ ৮২ হাজার ২০৪। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনামুক্ত হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ২ লক্ষ ৫১ হাজার ৮২৭ জন। এ নিয়ে দেশে মোট সুস্থ রোগীর সংখ্যা ১ কোটি ৪৫ লক্ষ ৫৬ হাজার ২০৯। ইতিমধ্যে টিকাকরণ হয়েছে ১৪ কোটি ৫২ লক্ষ ৭১ হাজার ১৮৬ জনের। গত পাঁচদিন ধরে দেশের করোনা সংক্রমণের হার ক্রমশই ঊর্ধ্বমুখী হচ্ছিল। তিনদিনে মধ্যেই সংক্রমিতের সংখ্যা ছাড়িয়ে গিয়েছিল ১০ লক্ষের গণ্ডি। তবে সেই ধারাবাহিকতায় মঙ্গলবার খানিক ছেদ পড়ল। সামান্য হলেও সংক্রমণের হার কমল।এদিকে, করোনার দ্বিতীয় ধাক্কার মোকাবিলায় আরও শক্তিশালী হয়ে ঝাঁপাতে চাইছে ভারত। কোভিশিল্ড, কোভ্যাক্সিন জোড়া ভ্যাকসিন দিয়ে চলছে টিকাকরণ। তবে আগামী মাসের গোড়ায় হাতে আসছে আরও একটি ভ্যাকসিন রাশিয়ার স্পুটনিক ভি। উল্লেখ্য, এই সময় থেকেই দেশের ১৮ বছরের ঊর্ধ্ব ব্যক্তিদের টিকাকরণ শুরু হবে। ফলে স্পুটনিক ভি হাতে এলে সেই কাজ আরও অনেকটা গতি পাবে বলে আশা কেন্দ্রের। সাম্প্রতিক পরিস্থিতিতে করোনা রোগীদের চিকিৎসায় সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন অক্সিজেন। কিন্তু তার সংকট রয়েছে দেশে। সেই সংকট মেটাতে একাধিক উদ্যোগ নিয়েছে কেন্দ্র। এখন প্রত্যাশা একটাই, করোনাযুদ্ধে যেন ফের জয়ী হয় ভারত।

এপ্রিল ২৭, ২০২১

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

ইডেনে মোদীর জন্য ‘হোম’ ড্রেসিংরুম, শুভেন্দু'র ‘অ্যাওয়ে’! ১০ হাজার শিল্পীর অনুষ্ঠান, সাজছে ক্রিকেটের নন্দনকানন

কলকাতা: ইডেনে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর অনুষ্ঠানের প্রস্তুতিতে তুঙ্গে তৎপরতা। সূত্র মারফত জানা যায়, প্রধানমন্ত্রীর জন্য বরাদ্দ হচ্ছে ইডেন গার্ডেন্সের হোম ড্রেসিংরুমযে ড্রেসিংরুম ব্যবহার করে ভারতীয় ক্রিকেট দল এবং কলকাতা নাইট রাইডার্স (কেকেআর)। অন্যদিকে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর জন্য রাখা হবে অ্যাওয়ে ড্রেসিংরুম। দুই ড্রেসিংরুমের মাঝখানের মাঠে যাওয়ার কমন পথটিও থাকবে ব্যবহারের উপযোগী।দায়িত্বপ্রাপ্ত বেসরকারি সংস্থার হাতেই থাকছে ড্রেসিংরুম দুটির সাজসজ্জা ও প্রয়োজনীয় বন্দোবস্ত। ড্রেসিংরুমে আহার-সহ আপ্যায়নের যাবতীয় ব্যবস্থা থাকবে। অনুষ্ঠানের মূল মঞ্চ তৈরির পরিকল্পনাও রয়েছে ড্রেসিংরুমের সামনের লনেই।মাঠের যাতে কোনও ক্ষতি না হয়, সে দিকেও বিশেষ নজর রাখা হচ্ছে। মঞ্চ ও অন্যান্য পরিকাঠামোর জন্য মাঠের ভিতরে প্রায় ১২ ফুট জায়গা প্রয়োজন হতে পারে। তবে ঘাসের ক্ষতি না করেই যাবতীয় কাজ করার পরিকল্পনা। সামান্য বদল আসতে পারে শুধু ঘাসের রঙে।অনুষ্ঠান চলাকালীন গল্ফ কার্টে করে মাঠ প্রদক্ষিণ করবেন প্রধানমন্ত্রী। মঞ্চের উপর থাকবে ছাউনি। ইডেনের বিভিন্ন ব্লকে চেয়ার সরিয়ে জায়ান্ট স্ক্রিন বসানোর পরিকল্পনাও রয়েছে। পাশাপাশি ইডেন উদ্যান থেকে আতশবাজির প্রদর্শনীর পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানা গিয়েছে।এই অনুষ্ঠানের অন্যতম আকর্ষণ হতে চলেছেন প্রায় ১০ হাজার সাংস্কৃতিক শিল্পী। তাঁদের পারফরম্যান্সের জন্য ইডেনের উল্টো দিকে থাকা মাঠ এবং নেতাজি ইনডোর স্টেডিয়ামকে ব্যবহার করার পরিকল্পনা করা হচ্ছে।নিরাপত্তার ক্ষেত্রেও থাকছে কড়া ব্যবস্থা। ৯ অক্টোবর অফিসের সময় শেষ হওয়ার পর থেকেই এসপিজি নিরাপত্তার আওতায় ইডেনের ক্লাব হাউস কার্যত সিল করে দেওয়া হবে। প্রধানমন্ত্রী যতক্ষণ সেখানে থাকবেন, প্রায় তিন ঘণ্টা ক্লাব হাউসের গতিবিধিতে থাকবে কড়া নিয়ন্ত্রণ। গোটা অনুষ্ঠান চলবে বিকেল ৪টে থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত।এদিকে, ক্লাব হাউসে সিএবির আধিকারিকদের উপস্থিতি নিয়ে বিশেষ অনুরোধ জানানো হয়েছে। সভাপতি সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়-সহ পাঁচ অফিস বেয়ারার, সিইও এবং সিএও যাতে ক্লাব হাউসে থাকতে পারেন, তার জন্য এসপিজির অনুমতি চাওয়া হয়েছে। অন্তত সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের উপস্থিতির অনুমতি দেওয়ার জন্যও অনুরোধ রাখা হয়েছে।সিএবির অ্যাফিলিয়েট সদস্যদের জন্যও বিশেষ বন্দোবস্তের আবেদন করা হয়েছে। অন্তত প্রতিটি ক্লাব থেকে দুজন করে যাতে অনুষ্ঠানটি দেখতে পারেন, সেই ব্যবস্থা করার অনুরোধ জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানস্থল তৈরির কাজ থেকে শুরু করে নৈশালোকের বন্দোবস্তসব ক্ষেত্রেই সিএবির তরফে সম্পূর্ণ সহযোগিতার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।প্রস্তুতির অংশ হিসেবে আগামী ২৫ বা ২৬ সেপ্টেম্বর ইডেনের ১৪ নম্বর গেটের কাছে কনফারেন্স রুমে অস্থায়ী অফিস তৈরি করবে দায়িত্বপ্রাপ্ত সংস্থা। অনুষ্ঠানে পারফর্ম করতে আসা তারকা শিল্পীদের সেখানে অথবা কর্পোরেট বক্সে রাখার পরিকল্পনা রয়েছে।ইডেনের সাজসজ্জা ও পরিকাঠামো খতিয়ে দেখতে শীঘ্রই পরিদর্শনে আসবে পূর্ত দফতর (PWD)। মাঠ, মঞ্চ, নিরাপত্তা এবং দর্শক ব্যবস্থাপনাসব দিক খতিয়ে দেখেই চূড়ান্ত প্রস্তুতি নেওয়া হবে।সব মিলিয়ে ক্রিকেটের বাইরের এক অন্য ভূমিকায় এবার সেজে উঠতে চলেছে ইডেন গার্ডেন্স। ক্রিকেটের নন্দনকাননেই প্রধানমন্ত্রীকে ঘিরে হতে চলেছে এক বর্ণময়, বিশাল আয়োজন।

সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২৬
দেশ

নেপালের বিপর্যয়ে চারপেয়ে ত্রাতা! ভারতের সাম্বার নাকেই মিলল ২০টি দেহের সন্ধান

নেপালে ভয়াবহ বিপর্যয়ের পর কেটে গিয়েছে বেশ কিছু দিন। ধ্বংসস্তূপের নীচে নিখোঁজদের জীবিত অবস্থায় পাওয়ার আশা অনেকটাই ছেড়ে দিয়েছেন তাঁদের পরিজনেরা। কিন্তু উদ্ধারকাজ এখনও থামেনি। কাদামাটি, ভেঙে পড়া বাড়ির অংশ এবং ধ্বংসস্তূপের মধ্যে নিখোঁজদের খুঁজে চলেছেন নেপালের সেনা, পুলিশ এবং বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীর সদস্যরা। তাঁদের সঙ্গে এই কাজে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছে প্রশিক্ষিত সারমেয় বাহিনীও।তাদের মধ্যেই অন্যতম সাম্বা। ল্যাব্রাডর প্রজাতির এই সারমেয় নেপালের সশস্ত্র পুলিশ বাহিনীর প্রশিক্ষিত সারমেয় দলের সদস্য। তবে সাম্বার সঙ্গে ভারতেরও যোগ রয়েছে। নেপালের প্রতিবেশী দেশ ভারত থেকেই তাকে আনা হয়েছিল। পরে নেপালের সশস্ত্র পুলিশ বাহিনীর বিশেষ প্রশিক্ষণ দিয়ে তাকে উদ্ধারকাজের উপযোগী করে তোলা হয়।মানুষের দেহের গন্ধ শনাক্ত করে ধ্বংসস্তূপের নীচে কোথায় দেহ থাকতে পারে, তা খুঁজে বার করাই সাম্বার মূল দায়িত্ব। সেই দায়িত্বই অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে পালন করেছে সে। রাসুয়া এবং ত্রিশূলী এলাকায় উদ্ধারকাজ চালানোর সময় সাম্বার দেওয়া সংকেতের ভিত্তিতে ২০টি দেহের সন্ধান পাওয়া গিয়েছে বলে জানা গিয়েছে।কিন্তু কী ভাবে এত নিখুঁত ভাবে কাজ করে সাম্বা? তার প্রশিক্ষণের দায়িত্বে থাকা আধিকারিকদের বক্তব্য, সাম্বা ধ্বংসস্তূপের উপর দিয়ে ধীরে ধীরে এগিয়ে যেত এবং মাটি শুঁকত। কোথাও মানুষের দেহের গন্ধ পেলে আচমকাই থেমে যেত সে। এরপর জোরে ডাকতে শুরু করত। সেটিই ছিল তার হ্যান্ডলারদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ সংকেত।সাম্বার সংকেত পাওয়ার পর নিরাপত্তারক্ষীরা সেই জায়গায় পৌঁছে মাটি খুঁড়ে দেখতেন। অনেক সময় সেখান থেকেই উদ্ধার হয়েছে দেহ। সাম্বার কাজের সময় সবসময় তার সঙ্গে থাকেন এক জন প্রধান হ্যান্ডলার এবং এক জন সহযোগী। দুজনই নিরাপত্তারক্ষী। সাম্বার আচরণের অর্থ বুঝে সঠিক জায়গায় উদ্ধারকাজ শুরু করাই তাঁদের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব।সাম্বা সবসময় একই ভাবে সংকেত দেয় না। কখনও হাঁটতে হাঁটতে আচমকা থেমে যায়। কখনও কোনও নির্দিষ্ট জায়গার চারপাশে বার বার ঘুরতে থাকে। আবার কখনও মাটিতে বসে পড়ে পায়ের নখ দিয়ে মাটি খুঁড়তে শুরু করে। তার প্রতিটি আচরণই আসলে একটি সংকেত। সেই সংকেতের অর্থ বুঝতে পারেন শুধু তার সঙ্গে কাজ করা হ্যান্ডলার এবং সহযোগী।এই ভাবেই কাদামাটি এবং ধ্বংসস্তূপের মধ্যে দিনের পর দিন কাজ করে চলেছে সাম্বা। নিখোঁজদের সন্ধানে তার ভূমিকা এখন নেপালের উদ্ধারকারী দলের কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।নেপালের সশস্ত্র পুলিশ বাহিনী সাম্বার মতো আরও পাঁচটি প্রশিক্ষিত সারমেয়কে উদ্ধারকাজে নামিয়েছিল। পাশাপাশি নেপাল সেনার তরফেও আরও ছটি সারমেয়কে কাজে লাগানো হয়েছে। বিপর্যয়ের পর উদ্ধারকাজ যত দীর্ঘ হচ্ছে, প্রশিক্ষিত এই সারমেয়দের ভূমিকা ততই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে।

সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২৬
বিনোদুনিয়া

প্রাদার পর এবার রালফ লরেন! ভারতীয় নকশা ‘চুরি’র অভিযোগে তোলপাড়

কিছুদিন আগেই নকশা চুরির অভিযোগ উঠেছিল প্রাদার বিরুদ্ধে। এ বার একই ধরনের অভিযোগের মুখে আন্তর্জাতিক ফ্যাশন ব্র্যান্ড রালফ লরেন। ভারতীয় ঐতিহ্যবাহী কারুশিল্পের নকশা ব্যবহার করে যথাযথ স্বীকৃতি না দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে সংস্থাটির বিরুদ্ধে। বিষয়টি নিয়ে সমাজমাধ্যমে শুরু হয়েছে তীব্র বিতর্ক।সম্প্রতি রালফ লরেনের একটি গোলাপি পোশাক প্রকাশ্যে এসেছে। সেই পোশাকে ভারতীয় ঐতিহ্যবাহী কারুশিল্পের ছোঁয়া স্পষ্ট বলে দাবি করেছেন ফ্যাশন জগতের অনেকে। কিন্তু পোশাকটির বর্ণনায় ভারত বা ভারতীয় কারিগরদের কোনও উল্লেখ নেই। সেখানে শুধু হাতের কাজ করা সজ্জা হিসাবে বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে। আর তা নিয়েই ক্ষোভ তৈরি হয়েছে।১২ সেপ্টেম্বর রালফ লরেনের সমাজমাধ্যম পাতায় পোশাকটির ছবি প্রকাশ করা হয়। পোশাক তৈরির কাপড় এবং সুতো নিয়ে বিস্তারিত তথ্য দেওয়া হলেও হাতের কাজের বিষয়ে মাত্র একটি শব্দে উল্লেখ করা হয়েছে। ফলে প্রশ্ন উঠেছে, পোশাকটির নকশায় যদি কোনও দেশের ঐতিহ্যবাহী শিল্পের প্রভাব থাকে, তা হলে সেই শিল্প এবং কারিগরদের যথাযথ পরিচয় দেওয়া হল না কেন?এই বিষয়টি নিয়ে সরব হয়েছেন ফ্যাশন ডিজাইনার প্রখর রাও সিং চান্ডেল। তাঁর বক্তব্য, পোশাকের কাপড় নিয়ে দীর্ঘ বিবরণ দেওয়া হলেও যে কারিগররা সূক্ষ্ম হাতের কাজ করেছেন, তাঁদের শিল্পকে একটি অস্পষ্ট শব্দের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখা হয়েছে।রালফ লরেনের প্রচারে বলা হয়েছিল, প্রতিটি পোশাকের যেন নিজস্ব ইতিহাস ও চরিত্র থাকে। সেই কথাকেই সামনে রেখে প্রখর প্রশ্ন তুলেছেন, সেই পোশাকে আসলে কার ইতিহাস এবং কার চরিত্র তুলে ধরা হচ্ছে?প্রখরের দাবি, বিতর্কিত পোশাকটিতে ভারতের ঐতিহ্যবাহী সূচিশিল্প জরদৌসির ব্যবহার রয়েছে। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, লখনউ এবং আশপাশের কয়েকটি জেলায় দীর্ঘদিন ধরে এই শিল্পের চর্চা চলছে। বহু কারিগর এই শিল্পের সঙ্গে যুক্ত। তাই এটিকে শুধুমাত্র পোশাকের অলঙ্করণ হিসেবে দেখলে সেই শিল্পের সঙ্গে জড়িত মানুষের ইতিহাস ও পরিশ্রমকে আড়াল করা হয়।এই প্রসঙ্গে প্রখর গত বছর প্রাদাকে ঘিরে ওঠা বিতর্কের কথাও তুলে ধরেছেন। তাঁর অভিযোগ, ভারতীয় ঐতিহ্যবাহী কোলাপুরি চটির নকশা ব্যবহার করা হলেও সেটিকে শুধুমাত্র চামড়ার স্যান্ডেল হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছিল। পরে মহারাষ্ট্রের একটি বাণিজ্য সংগঠনের তরফে চিঠি দেওয়ার পর ভারতের নাম যুক্ত করা হয় বলে দাবি তাঁর।নিজের দলের সঙ্গে কাজ করা জরদৌসি শিল্পী বাবলু ভাইয়ের কথাও উল্লেখ করেছেন প্রখর। তাঁর বক্তব্য, এই ধরনের শিল্পের পিছনে বহু কারিগরের বছরের পর বছর পরিশ্রম রয়েছে। তাঁদের পরিচয় বাদ দিয়ে শুধু নকশাকে ব্যবহার করলে সেই শ্রমের যথাযথ মূল্যায়ন হয় না।রালফ লরেনের এই পোশাক নিয়ে শুধু জরদৌসি নয়, আরও একটি ভারতীয় সূচিশিল্প আরির ব্যবহার নিয়েও সমাজমাধ্যমে আলোচনা শুরু হয়েছে। বহু নেটিজেনের দাবি, ভারতের বিভিন্ন প্রান্তের ঐতিহ্যবাহী শিল্প বিদেশি ফ্যাশন সংস্থাগুলি ব্যবহার করলেও অনেক সময় সেই শিল্প বা কারিগরদের যথাযথ স্বীকৃতি দেওয়া হয় না।কোলাপুরি চটি ছাড়াও বাঁধনি ছাপ, তামবুরা, কুমকোর মতো বিভিন্ন ভারতীয় নকশা নিয়েও বিদেশি ফ্যাশন সংস্থার বিরুদ্ধে একই ধরনের অভিযোগ তুলেছেন সমাজমাধ্যম ব্যবহারকারীদের একাংশ। তাঁদের বক্তব্য, ভারতের প্রত্যন্ত অঞ্চলের বহু কারিগর নিজেদের পরিশ্রমে এই শিল্পগুলিকে টিকিয়ে রেখেছেন। তাঁদের পরিচয় এবং প্রাপ্য সম্মান না পেলে ধীরে ধীরে এই ঐতিহ্য হারিয়ে যেতে পারে।ফলে রালফ লরেনের নতুন পোশাক ঘিরে বিতর্কটি শুধু একটি নকশা বা পোশাকের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকছে না। ভারতীয় ঐতিহ্যবাহী কারুশিল্পের ব্যবহার, কারিগরদের স্বীকৃতি এবং আন্তর্জাতিক ফ্যাশন সংস্থাগুলির দায়িত্ব নিয়েও নতুন করে প্রশ্ন উঠছে।

সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২৬
দেশ

মেটার উপর কেন্দ্রের চাপ, অবশেষে বড় সিদ্ধান্ত! নজরে শিশুদের ক্ষতিকারক কনটেন্ট

প্রায় দুমাস ধরে আলোচনা ও বৈঠকের পর কেন্দ্রের দাবি মেনে কাজ করতে রাজি হয়েছে মেটা। সরকারি সূত্রের খবর, শিশুদের জন্য ক্ষতিকারক এবং আপত্তিকর কনটেন্টের বিষয়ে প্রশাসনকে তথ্য জানাতে রাজি হয়েছে মার্ক জুকারবার্গের সংস্থা। শিশুদের জন্য সমাজমাধ্যমকে আরও নিরাপদ করে তোলার লক্ষ্যেই এই পদক্ষেপ বলে মনে করা হচ্ছে।কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে প্রায় দুমাস আগে মেটার উপর চাপ বাড়ানো হয়েছিল। ডিপফেক, বিকৃত তথ্য এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অপপ্রচারের মতো কনটেন্ট রুখতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল সংস্থাকে। পাশাপাশি মেটার অ্যালগরিদমে প্রয়োজনীয় পরিবর্তন আনা এবং ক্ষতিকারক কনটেন্ট মোকাবিলায় কী ব্যবস্থা নেওয়া হবে, তার বিস্তারিত পরিকল্পনাও জমা দিতে বলা হয়েছিল।তবে শুরু থেকেই শিশুদের নিয়ে তৈরি আপত্তিকর এবং ক্ষতিকারক কনটেন্ট বন্ধ করার উপর বিশেষ জোর দিয়েছিল কেন্দ্র। দীর্ঘ আলোচনা ও একাধিক বৈঠকের পর সেই দাবিতে মেটা সম্মত হয়েছে বলে সরকারি সূত্রে জানা গিয়েছে।সূত্রের খবর, শিশুদের জন্য ক্ষতিকারক কনটেন্ট চিহ্নিত হওয়ার পর সেই বিষয়ে প্রশাসনকে জানাবে মেটা। এরপর প্রয়োজনীয় পদক্ষেপের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে প্রশাসন। শুধু মেটা নয়, আগামী দিনে অন্যান্য সমাজমাধ্যম সংস্থাকেও একই ধরনের ক্ষতিকারক কনটেন্ট দ্রুত শনাক্ত এবং আটকানোর আওতায় আনার চেষ্টা করছে কেন্দ্র।শিশু নির্যাতনের কনটেন্টের পাশাপাশি ডিপফেক, ভুয়ো খবর এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিত প্রচার দ্রুত শনাক্ত করার বিষয়েও মেটাকে সতর্ক করেছিল কেন্দ্র। সমাজমাধ্যমে এই ধরনের কনটেন্টের ছড়িয়ে পড়া ঠেকাতে প্রযুক্তিগত ব্যবস্থার উপরও জোর দেওয়া হয়েছে বলে সরকারি সূত্রে খবর।এর আগে প্রধানমন্ত্রীর একটি সমাজমাধ্যম পোস্ট ঘিরে কেন্দ্র ও মেটার মধ্যে টানাপোড়েন তৈরি হয়েছিল। নিটের প্রশ্নফাঁস নিয়ে আন্দোলনের সময় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি দেশের তরুণ প্রজন্মের উদ্দেশে ফেসবুকে একটি পোস্ট করেছিলেন। সেখানে প্রশ্নফাঁসের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপের আশ্বাস দেওয়া হয়েছিল।কিন্তু পরে প্রধানমন্ত্রীর সেই ভিডিও সমাজমাধ্যম থেকে সরিয়ে দেয় মেটা। বিষয়টি নিয়ে কেন্দ্রের তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রকের তরফে অসন্তোষ প্রকাশ করা হয়। পরে মেটার পক্ষ থেকে জানানো হয়, যান্ত্রিক ত্রুটির কারণেই ভিডিওটি সরানো হয়েছিল। ক্ষমা চেয়ে পরে পোস্টটি ফের প্রকাশ করা হয়।ঘটনার পর মেটার শীর্ষ কর্তাদের তলব করেছিল কেন্দ্র। সমাজমাধ্যমে প্রকাশিত বিভিন্ন ধরনের কনটেন্টের উপর আরও কড়া নজরদারির বার্তাও দেওয়া হয়েছিল। সেই ঘটনার পর থেকেই কেন্দ্র এবং মেটার মধ্যে সম্পর্ক নিয়ে চাপানউতোর চলছিল।এখন শিশুদের জন্য ক্ষতিকারক কনটেন্ট প্রশাসনের নজরে আনার বিষয়ে মেটার সম্মতির খবর সামনে আসায় সেই টানাপোড়েন অনেকটাই কমেছে বলে মনে করা হচ্ছে। তবে এই সিদ্ধান্ত বাস্তবে কী ভাবে কার্যকর হবে এবং অন্যান্য সমাজমাধ্যম সংস্থার ক্ষেত্রেও কেন্দ্র একই ব্যবস্থা নিতে পারে কি না, তা নিয়ে নজর থাকবে।

সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২৬
বিদেশ

ভ্রমণের ভিডিও করতেই কি বিপদ? আফগানিস্তানে কেরলের মহিলা ভ্লগারের ‘গ্রেপ্তার’ ঘিরে চাঞ্চল্য

কেরলের জনপ্রিয় মহিলা ভ্লগার অরুণিমা আফগানিস্তান সফরে গিয়ে বিপদে পড়েছেন বলে দাবি করেছেন। সোমবার সোশাল মিডিয়ায় একটি পোস্ট করে তিনি জানান, বামিয়ান শহরে তাঁকে মুজাহিদিনরা গ্রেপ্তার করেছে। একই সঙ্গে ভারতীয় দূতাবাসের সঙ্গে যোগাযোগের জন্য সাহায্য চেয়েছেন তিনি। তাঁর এই পোস্ট প্রকাশ্যে আসতেই উদ্বেগ ছড়িয়েছে।ব্যাকপ্যাকার অরুণিমা নামে সোশাল মিডিয়ায় পরিচিত ওই তরুণী কিছুদিন আগে ভারত থেকে আফগানিস্তানে যান। সেখানে বিভিন্ন জায়গা ঘুরে দেখার পাশাপাশি নিয়মিত ভিডিও এবং ছবি প্রকাশ করছিলেন। সোমবার একটি পোস্টে অরুণিমার দাবি, আফগানিস্তানে গিয়ে তিনি বিপদে পড়েছেন এবং বামিয়ান শহরে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।ভারতীয় দূতাবাসের সঙ্গে যোগাযোগ করতে সাহায্য করার জন্যও আবেদন জানিয়েছেন তিনি। নিজের সোশাল মিডিয়া পাতায় স্থানীয় প্রশাসনের কাছ থেকে পাওয়া বলে দাবি করা গ্রেপ্তারি সংক্রান্ত কিছু নথিও প্রকাশ করেছেন অরুণিমা। ফলে তাঁর দাবি ঘিরে স্বাভাবিক ভাবেই চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে।তবে ঠিক কী কারণে অরুণিমাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে দাবি করা হচ্ছে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। গ্রেপ্তারের পরিস্থিতি নিয়েও বিস্তারিত কিছু জানাননি তিনি। স্থানীয় প্রশাসন বা আফগানিস্তানের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তরফে কী বলা হয়েছে, সেটিও এখনও পরিষ্কার নয়।এই ঘটনায় ভারতের বিদেশমন্ত্রকের তরফে তাৎক্ষণিক কোনও প্রতিক্রিয়া সামনে আসেনি। অরুণিমার প্রকাশ করা পোস্ট এবং নথির সত্যতাও স্বাধীন ভাবে যাচাই করা হয়নি। ফলে তাঁর দাবি কতটা সত্য, তা নিয়েও আপাতত ধোঁয়াশা রয়েছে।গত কয়েকদিন ধরে আফগানিস্তানের বিভিন্ন জায়গায় ঘুরছিলেন অরুণিমা। সেখান থেকে প্রকাশিত একাধিক ভিডিওতে আফগানিস্তানের পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলতে দেখা যায় তাঁকে। বিশেষ করে তালিবান শাসনে মহিলাদের জীবন, তাঁদের উপর থাকা বিভিন্ন বিধিনিষেধ এবং ভয়-আতঙ্কের কথা তুলে ধরেছিলেন তিনি।আফগানিস্তানের সাধারণ মানুষের সঙ্গেও সময় কাটানোর ছবি এবং ভিডিও প্রকাশ করেছিলেন অরুণিমা। সেই সফরের মধ্যেই হঠাৎ তাঁর গ্রেপ্তারের দাবি সামনে আসায় বিষয়টি নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। তিনি কী কারণে আটক হয়েছেন, কোথায় রয়েছেন এবং ভারতীয় দূতাবাসের সঙ্গে তাঁর যোগাযোগ হয়েছে কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়।সব মিলিয়ে কেরলের এই জনপ্রিয় ভ্লগারের আফগানিস্তান সফর ঘিরে তৈরি হয়েছে ব্যাপক রহস্য। অরুণিমার দাবি এবং প্রকাশ করা নথি যাচাই হওয়ার পরই গোটা ঘটনার প্রকৃত ছবি স্পষ্ট হবে।

সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২৬
কলকাতা

বামেদের নবান্নে ডেকে পুষ্পাঞ্জলির আমন্ত্রণ! গণেশ পুজোর মঞ্চে শুভেন্দুর বিস্ফোরক বার্তা

গণেশ পুজোর সূচনা করে বামেদের বিরুদ্ধে তীব্র আক্রমণ শানালেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। ধর্মকে আফিং বলা এবং নিজেদের নাস্তিক বলে পরিচয় দেওয়া ব্যক্তিদের কাছ থেকে কোনও উপদেশ নেওয়া হবে না বলে স্পষ্ট বার্তা দিয়েছেন তিনি। একই সঙ্গে বাগেশ্বর বাবা বিতর্ক, পুজোকে শারদোৎসব বলা নিয়ে বিতর্ক এবং গণেশ পুজোর বিস্তারসবকিছু নিয়েই নিজের বক্তব্য তুলে ধরেন শুভেন্দু।সোমবার গণেশ পুজোর সূচনা করে শুভেন্দু বলেন, সনাতন ধর্মের রীতিনীতি নিয়ে বাইরের কারও কাছ থেকে উপদেশ নেওয়ার প্রয়োজন নেই। তাঁর বক্তব্য, কোনও দিন নিরামিষ খাবার দিয়ে পুজো হয়, আবার কোনও দিন মাছ দিয়ে দেবতাকে ভোগ দেওয়া হয়। সনাতন ধর্মের মানুষ কোন পুজোয় কী নিয়ম মানবেন, তা তাঁরা নিজেরাই জানেন।বাগেশ্বর বাবা বিতর্কের প্রসঙ্গ টেনে শুভেন্দু বলেন, পুজোর পদ্ধতি, পুজোর পাঠ এবং পঞ্জিকার নিয়ম বদলে একসময় ধর্মীয় অনুষ্ঠানকে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের রূপ দেওয়ার চেষ্টা হয়েছিল। তাঁর অভিযোগ, প্রাদেশিকতার নামে মানুষের মধ্যে বিভাজন তৈরির চেষ্টা হয়েছিল।এর আগে বালিগঞ্জে ভারত সেবাশ্রম সংঘের পুজোর সূচনা করেন শুভেন্দু। সেখানেও পুজো এবং শারদোৎসব নিয়ে চলা বিতর্কের প্রসঙ্গ ওঠে। কমিউনিস্ট নেতাদের উদ্দেশে তিনি বলেন, যাঁদের পুজো নিয়ে আপত্তি রয়েছে, তাঁরা নবান্নে এসে তাঁর সঙ্গে বিশ্বকর্মা পুজোয় পুষ্পাঞ্জলি দিতে পারেন।শুভেন্দুর বক্তব্য, তিনি বিশ্বকর্মা পুজোর দিন নবান্নে পুষ্পাঞ্জলি দেবেন। কমিউনিস্ট নেতাদেরও সেখানে এসে একসঙ্গে পুষ্পাঞ্জলি দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি। তাঁর কটাক্ষ, তাতে তাঁরাও পরিবর্তনের স্বাদ পাবেন।পুজোর নাম নিয়ে যে বিতর্ক চলছে, তার মধ্যেই মুখ্যমন্ত্রীর এই মন্তব্যকে রাজনৈতিক ভাবে তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। বিশেষ করে পুজোকে ধর্মীয় অনুষ্ঠান না কি বৃহত্তর সাংস্কৃতিক উৎসব হিসাবে দেখা হবে, তা নিয়ে যে রাজনৈতিক তরজা চলছে, সেই বিতর্কে নতুন মাত্রা যোগ করেছে তাঁর বক্তব্য।এ দিন বামেদের আক্রমণ করার পাশাপাশি আগের সরকারের আমলে পিতৃপক্ষে দুর্গাপুজোর সূচনা নিয়েও কটাক্ষ করেন শুভেন্দু। তাঁর মন্তব্য, পিতৃপক্ষে কাঁচি নিয়ে বের হওয়ার কোনও প্রয়োজন নেই।দেশবিরোধী শক্তি নিয়েও এ দিন সতর্ক করেন শুভেন্দু। তাঁর বক্তব্য, অসুরদের থেকে সাবধানে থাকতে হবে এবং তাঁদের থেকে দূরে থাকতে হবে। একই সঙ্গে দেশবিরোধী শক্তি এবং টুকরে টুকরে গ্যাং থেকেও দূরে থাকার বার্তা দেন তিনি।গণেশ পুজো কেন বাড়ছে, তা নিয়ে যাঁরা প্রশ্ন তুলছেন, তাঁদেরও এ দিন পাল্টা জবাব দেন শুভেন্দু। তাঁর বক্তব্য, গণপতি পুজো শুধু মহারাষ্ট্রের বিষয় নয়। সনাতন ধর্মের ঐক্যের মধ্যেই এর বিস্তার রয়েছে।শুভেন্দুর দাবি, একসময় মারাঠি, গুজরাতি, বিহারি-সহ বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মধ্যে একটি প্রাচীর তুলে রাখা হয়েছিল। তাঁর কথায়, সেই প্রাচীর ভেঙে দেওয়া হয়েছে। গণেশ পুজোর বিস্তারকে তিনি সনাতনীদের ঐক্যের প্রতীক হিসাবেই তুলে ধরেন।গণেশ পুজোর সূচনা থেকে বাগেশ্বর বাবা বিতর্ক, পুজোর নাম নিয়ে রাজনৈতিক তরজা থেকে বামেদের নবান্নে পুষ্পাঞ্জলির আমন্ত্রণসব মিলিয়ে শুভেন্দু অধিকারীর সোমবারের বক্তব্য ঘিরে রাজ্য রাজনীতিতে নতুন করে চর্চা শুরু হয়েছে।

সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২৬
রাজ্য

পুজোর পরই কি বাড়ছে বাসভাড়া? মন্ত্রীর কথায় বড় ইঙ্গিত, কত হতে পারে ন্যূনতম ভাড়া?

পুজোর পর রাজ্যে বাসভাড়া বাড়তে পারে। সরকারি ও বেসরকারি বাসের পাশাপাশি দূরপাল্লার বাসের ভাড়াতেও পরিবর্তন হতে পারে বলে ইঙ্গিত মিলেছে। তবে পুজোর আগে ভাড়া বাড়ানোর কোনও সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে না। সোমবার বেসরকারি বাস মালিকদের সঙ্গে বৈঠকের পর এমনটাই জানিয়েছেন পরিবহণমন্ত্রী অর্জুন সিং।বৈঠক শেষে পরিবহণমন্ত্রী বলেন, পুজোর আগে বাসভাড়া নিয়ে কোনও সিদ্ধান্ত হবে না। তবে পুজোর পরে বেসরকারি বাসের ভাড়া বাড়ানো নিয়ে আলোচনা হতে পারে। তাঁর বক্তব্য, দীর্ঘদিন ধরে একই ভাড়া চলছে। ২০১৮ সাল থেকে বাসভাড়ার তালিকায় কোনও পরিবর্তন হয়নি। তাই অনির্দিষ্টকাল ভাড়া না বাড়িয়ে রাখা সম্ভব নয়।বাসভাড়া বাড়ানোর প্রয়োজনীয়তার কথা বলতে গিয়ে বাম আমলেরও সমালোচনা করেন পরিবহণমন্ত্রী। তাঁর দাবি, সেই সময় নেতারা নিজেদের গাড়িতে যাতায়াত করলেও বাসের ভাড়া বাড়ানো হত না। এর ফলে ধীরে ধীরে বাসের সংখ্যা কমে গিয়েছিল। বর্তমান সরকার সেই পথে হাঁটতে চায় না বলেও জানান তিনি। সাধারণ মানুষের সুবিধার জন্য আরও বেশি বাস রাস্তায় নামানোর পাশাপাশি পরিষেবার মান উন্নত করার কথাও বলেন মন্ত্রী।২০১৮ সালে শেষ বার সরকারি ভাবে বাসভাড়ার তালিকা পরিবর্তন হয়েছিল। তখন ন্যূনতম ভাড়া ছিল ৭ টাকা। যদিও কোভিডের সময় থেকে অনেক ক্ষেত্রে ন্যূনতম ভাড়া ১০ টাকা নেওয়া হচ্ছে। সেই পরিবর্তনের কোনও সরকারি বিজ্ঞপ্তি হয়নি বলে জানা গিয়েছে। ফলে আগামী দিনে বাসভাড়া বাড়লে ন্যূনতম ভাড়া কত হবে, সেটিই এখন বড় প্রশ্ন।বাস মালিকদের আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি ছিল টোল নিয়ে। তাঁদের অভিযোগ, একই জেলার মধ্যেও বিভিন্ন জায়গায় আলাদা হারে টোল নেওয়া হচ্ছে। এই সমস্যা মেটাতে সব টোল প্লাজায় নির্দিষ্ট হারে টোল চালুর বিষয়ে উদ্যোগী হয়েছে রাজ্য। জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষকে এ বিষয়ে ছদিনের সময় দেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। ওড়িশার মতো নিয়ম চালুর কথাও জানিয়েছেন পরিবহণমন্ত্রী।বড় রাস্তায় টোটো চলাচল নিয়েও কড়া অবস্থানের কথা জানিয়েছেন তিনি। মূল রাস্তায় টোটো চলাচল বন্ধ করা হবে বলে স্পষ্ট জানিয়েছেন মন্ত্রী। টোটো চলাচল নিয়ে যে সমস্যা তৈরি হয়েছে, তার সমাধানে একটি নির্দিষ্ট নিয়ম চালু করার প্রয়োজন রয়েছে বলেও জানান তিনি।বাস মালিকদের দীর্ঘদিনের আরও একটি সমস্যা ছিল রাতের বাস রাখার জায়গা নিয়ে। বৈঠকের পর সেই সমস্যা মিটেছে বলে জানিয়েছেন বাস মালিকদের প্রতিনিধিরা। একই সঙ্গে যেসব বাস মালিকের দীর্ঘদিনের কর বকেয়া রয়েছে, তাঁদের জরিমানা কিছুটা কমানোর বিষয়েও আশ্বাস দিয়েছেন পরিবহণমন্ত্রী। তবে এই বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এখনও হয়নি।এর মধ্যেই সামনে দুর্গাপুজো। পুজোর সময় রাস্তায় মানুষের ভিড় এবং যাতায়াতের চাপ অনেকটাই বেড়ে যায়। সেই পরিস্থিতি সামাল দিতে পুজোর আগেই আরও প্রায় ৩০০ সরকারি বাস রাস্তায় নামানো হবে বলে জানিয়েছেন পরিবহণমন্ত্রী। ফলে শহর ও শহরতলির গণপরিবহণ ব্যবস্থায় কিছুটা স্বস্তি মিলতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।বৈঠক নিয়ে খুশি বাস মালিকদের সংগঠনগুলিও। সারা বাংলা বাস-মিনিবাস সমন্বয় সমিতির সাধারণ সম্পাদক রাহুল চট্টোপাধ্যায় জানিয়েছেন, পরিবহণমন্ত্রীর সঙ্গে তাঁদের বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে এবং তাঁরা খুশি। টোলের সমস্যা প্রায় এক সপ্তাহের মধ্যে মিটিয়ে দেওয়ার আশ্বাসও মন্ত্রী দিয়েছেন বলে জানান তিনি।বাসভাড়া বাড়ানো নিয়েও পরিবহণমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা হয়েছে বলে জানিয়েছেন রাহুল। তাঁর আশা, পুজোর পর এবার বাসভাড়া বাড়ানো হবে। একই সুর শোনা গিয়েছে সিটি সাবার্বান বাস সার্ভিসেসের সাধারণ সম্পাদক টিটু সাহার বক্তব্যেও। জয়েন্ট কাউন্সিল অফ বাস সিন্ডিকেটের সাধারণ সম্পাদক তপন বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, দীর্ঘদিনের নাইট পার্কিংয়ের সমস্যা মিটিয়ে দেওয়ায় তাঁরা সন্তুষ্ট। বৈঠকে খুশি ওয়েস্টবেঙ্গল বাস-মিনিবাস ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক প্রদীপ নারায়ণ বসুও।সব মিলিয়ে পুজোর আগে যাত্রীদের জন্য বাড়তি সরকারি বাস নামানোর সিদ্ধান্ত কিছুটা স্বস্তি দিলেও পুজোর পর বাসভাড়া বাড়তে পারেপরিবহণমন্ত্রীর বক্তব্যে সেই সম্ভাবনাই জোরালো হয়েছে। তবে ভাড়া কত বাড়বে বা নতুন ন্যূনতম ভাড়া কত হবে, তা এখনও চূড়ান্ত হয়নি। ফলে পুজোর পর রাজ্যের বাসযাত্রীদের পকেটে কতটা অতিরিক্ত চাপ পড়বে, এখন সেটাই দেখার।

সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২৬
রাজ্য

প্রার্থী ঘোষণার পরেও কংগ্রেসের দরজায় মমতা! নন্দীগ্রাম নিয়ে কেন এত মরিয়া তৃণমূল?

নন্দীগ্রাম ও রেজিনগর বিধানসভা কেন্দ্রে উপনির্বাচনের মনোনয়ন পর্ব শুরু হতেই বঙ্গ রাজনীতিতে নতুন জল্পনা তৈরি হয়েছে। সূত্রের খবর, বিজেপিকে আটকাতে দুই কেন্দ্রে একসঙ্গে লড়াই করার জন্য কংগ্রেসের শীর্ষ নেতৃত্বের কাছে জোটের প্রস্তাব দিয়েছেন কালীঘাট তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এ বিষয়ে তিনি এআইসিসির অন্যতম সাধারণ সম্পাদক কেসি বেনুগোপালকে ফোন করেছিলেন বলে জানা গিয়েছে।সূত্রের খবর, ফোনে মমতা নন্দীগ্রাম আসনটি কংগ্রেসকে ছেড়ে দেওয়ার প্রস্তাব দেন। পাশাপাশি রেজিনগরে কালীঘাট তৃণমূলের প্রার্থীকে কংগ্রেস সমর্থন করুক, সেই আবেদনও জানান তিনি। এমনকি নন্দীগ্রামে কালীঘাট তৃণমূলের ঘোষিত প্রার্থীকে সরিয়ে নেওয়ার কথাও তিনি জানিয়েছিলেন বলে খবর।এই খবর প্রকাশ্যে আসতেই প্রশ্ন উঠেছে, তা হলে কি নন্দীগ্রাম ও রেজিনগর উপনির্বাচনে কংগ্রেস ও কালীঘাট তৃণমূলের মধ্যে জোট হতে চলেছে? তবে সূত্রের খবর, মমতার প্রস্তাব গ্রহণ করেনি কংগ্রেসের শীর্ষ নেতৃত্ব। বরং প্রদেশ কংগ্রেসের তরফে পাল্টা বার্তা দেওয়া হয়েছে, জোট চাইলে দুই আসনেই কালীঘাট তৃণমূলকে কংগ্রেসকে সমর্থন করতে হবে।প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি শুভঙ্কর সরকার জানিয়েছেন, কালীঘাট তৃণমূল যদি সত্যিই জোট চায়, তা হলে নন্দীগ্রাম ও রেজিনগরদুই আসনেই কংগ্রেসকে সমর্থন করা উচিত। তাঁর বক্তব্য, এমনটা হলে ভবিষ্যতে জোটের রাস্তা আরও খোলা থাকতে পারে।আগামী ৬ অক্টোবর নন্দীগ্রাম ও রেজিনগরে উপনির্বাচন। ১৬ সেপ্টেম্বর মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ দিন। ইতিমধ্যেই দুই কেন্দ্রেই কংগ্রেস এবং কালীঘাট তৃণমূল প্রার্থী ঘোষণা করেছে। একই সঙ্গে ঋতব্রতপন্থী তৃণমূলও দুই আসনে প্রার্থী দিয়েছে। ফলে তৃণমূলের দুই শিবিরের মধ্যে প্রতীক ও রাজনৈতিক নিয়ন্ত্রণ নিয়ে লড়াইয়ের পাশাপাশি কংগ্রেস ও বিজেপির লড়াইও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।ঋতব্রতপন্থী তৃণমূলের নন্দীগ্রামের প্রার্থী এহতেশামুল হক। রেজিনগরে তাঁদের প্রার্থী সফিউজ্জামান শেখ। অন্য দিকে, কালীঘাট তৃণমূল নন্দীগ্রামে সঞ্চিতা প্রধান দে এবং রেজিনগরে রবিউল আলম চৌধুরীকে প্রার্থী করেছে।নন্দীগ্রামে সঞ্চিতা প্রধান দে-কে প্রার্থী করা নিয়েও স্থানীয় স্তরে কিছুটা অস্বস্তি রয়েছে বলে সূত্রের দাবি। তাঁর নাম ২০১৪ সালের শিক্ষক নিয়োগ সংক্রান্ত দুর্নীতির মামলায় জড়িয়েছিল বলে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা রয়েছে। সেই কারণেই প্রার্থীর ভাবমূর্তি নিয়ে দলের স্থানীয় স্তরে প্রশ্ন উঠেছে বলে খবর। যদিও প্রকাশ্যে এখনও কোনও বড় ধরনের ক্ষোভ দেখা যায়নি।এই পরিস্থিতিতে প্রশ্ন উঠছে, প্রার্থী বাছাই নিয়ে অস্বস্তির কারণেই কি মমতা কংগ্রেসের সঙ্গে সমঝোতার চেষ্টা করলেন? নাকি মূল লক্ষ্য ছিল নন্দীগ্রামে বিজেপিকে আটকাতে বিরোধী ভোটকে এক জায়গায় আনা? রাজনৈতিক মহলে এই দুই সম্ভাবনা নিয়েই জোর আলোচনা শুরু হয়েছে।সোমবার সন্ধ্যায় কেসি বেনুগোপালকে ফোন করে মমতা বিজেপির বিরুদ্ধে একজোট হয়ে লড়াই করার প্রস্তাব দেন বলে সূত্রের খবর। নন্দীগ্রাম কংগ্রেসকে ছেড়ে দেওয়ার পাশাপাশি রেজিনগরে কালীঘাট তৃণমূলকে সমর্থনের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু কংগ্রেসের তরফে সেই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।রেজিনগরে কংগ্রেসের প্রার্থী মহম্মদ আব্দুল্লাহিল কাফি। নন্দীগ্রামে কংগ্রেসের প্রার্থী মিলন প্রধান। রেজিনগরে ইতিমধ্যেই কংগ্রেসের প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। সেই সময় উপস্থিত ছিলেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি শুভঙ্কর সরকার।মমতার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যানের পিছনে পুরনো রাজনৈতিক সম্পর্কের কথাও সামনে আনছে কংগ্রেস। কংগ্রেস নেতৃত্বের বক্তব্য, ২০১১ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে বামেদের সরাতে তৎকালীন সময়ে কংগ্রেসের সঙ্গে জোট করেছিল তৃণমূল। সেই জোটের সুবিধা নিয়ে ক্ষমতায় আসার পর ২০১২ সালে কংগ্রেসের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করেন মমতা। এরপর রাজ্যে তৃণমূলের শাসনকালে কংগ্রেসের নেতা-কর্মীদের উপর হামলা, মিথ্যা মামলা এবং খুনের মতো একাধিক অভিযোগ উঠেছে বলে দাবি কংগ্রেসের।মমতার এবারের জোটের প্রস্তাব সামনে আসার পর কংগ্রেসের নিচুতলার নেতা-কর্মীদের মধ্যেও ক্ষোভ তৈরি হয়েছে বলে সূত্রের খবর। সেই ক্ষোভকে গুরুত্ব দিয়েই কংগ্রেসের শীর্ষ নেতৃত্ব প্রস্তাবটি ফিরিয়ে দিয়েছে বলে দলীয় সূত্রে দাবি করা হয়েছে।ফলে নন্দীগ্রাম ও রেজিনগরের উপনির্বাচনে আপাতত আলাদা পথেই লড়াই করতে চলেছে কংগ্রেস ও কালীঘাট তৃণমূল। তার উপর দুই কেন্দ্রেই তৃণমূলের দুই শিবিরের প্রার্থী থাকায় লড়াই আরও জটিল হয়েছে। মনোনয়ন পর্ব শেষ হওয়ার পর রাজনৈতিক সমীকরণ কোন দিকে যায়, নন্দীগ্রামে বিজেপি, কংগ্রেস এবং তৃণমূলের দুই শিবিরের লড়াই কোন নতুন মোড় নেয়, এখন সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal