• ৭ ভাদ্র ১৪৩৩, মঙ্গলবার ২৫ আগস্ট ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Covid

খেলার দুনিয়া

Tokyo Olympics : ‌আবার অলিম্পিক ভিলেজে করোনায় আক্রান্ত, চিন্তিত আয়োজক কমিটি

টোকিও অলিম্পিক শুরু হতে বেশিদিন দেরি নেই। মাত্র ৫ দিন বাকি। এর মধ্যেই আতঙ্ক ছড়াচ্ছে করোনা সংক্রমণ। ২৪ ঘন্টা আগেই গেমস ভিলেজে আক্রান্ত হয়েছেন দুই অ্যাথলিট ও এক সাপোর্ট স্টাফ। এবার আরও তিনজনের করোনা পরীক্ষার রিপোর্ট পজিটিভ এসেছে। গেমসে অংশ নিতে আসা সব অ্যাথলিটদের প্রতিদিন কোভিড ১৯ টেস্ট করা হচ্ছে। তা সত্ত্বেও সংক্রমণে বাড়তে থাকায় প্রশাসনের চিন্তা বেড়েই চলেছে।আরও পড়ুনঃ তারাপীঠ যাওয়ার পথে দুর্ঘটনায় মৃত্যু কলকাতার যুবকের, বরাত জোরে রক্ষা বন্ধুরঅলিম্পিক আয়োজক কমিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, দক্ষিণ আফ্রিকার দুই ফুটবলার থাবিসো মোনয়ানে ও কামোহেলো মাহলাস্তি করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। দলের ভিডিও অ্যানালিস্ট মারিও মাশার কোভিড টেস্টের রিপোর্টও পজিটিভ এসেছে বলে জানানো হয়েছে। সবাইকে আইসোলেশনে রাখা হয়েছে। করোনা আক্রান্তরা আপাতত দলের ডাক্তারের পর্যবেক্ষণে রয়েছেন। দক্ষিণ আফ্রিকা ফুটবল দলের বাকি সদস্যদের আরও একবার কোভিড টেস্ট করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার আয়োজক জাপানের বিরুদ্ধে দক্ষিণ আফ্রিকা ফুটবল দলের অলিম্পিক অভিযান শুরু। তার আগে দলের দুই ফুটবলার করোনায় আক্রান্ত হওয়ায় সমস্যা তৈরি হয়েছে। জাপান, দক্ষিণ আফ্রিকার সঙ্গে একই গ্রুপে রয়েছে মেক্সিকো এবং ফ্রান্সের মতো দল।আরও পড়ুনঃ নিশীথের নাগরিকত্ব নিয়ে প্রশ্নচিহ্নশুধু অ্যাথলিটরাই নন, আন্তর্জাতিক অলিম্পিক কমিটির সদস্য রিয়ু সেয়ুং-মিনের কোভিড ১৯ রিপোর্ট পজিটিভ এসেছে। অলিম্পিক শুরু হতে আর মাত্র ৫দিন বাকি। গেমস ভিলেজে এভাবে ধীরে ধীরে করোনা প্রভাব বিস্তার করায় চিন্তিত আয়োজক কমিটি। জাপানে যেভাবে করোনা সংক্রমণ বাড়ছে, পরিস্থিতির গুরুত্ব বুঝে ইতিমধ্যেই টোকিও সহ সংলগ্ন শহরগুলিতে জরুরি অবস্থা জারি করেছে প্রশাসন। তা সত্ত্বেও ঠেকানো যাচ্ছে না সংক্রমণ। ইতিমধ্যে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন একাধিক অ্যাথলিট এবং সাপোর্ট স্টাফ। তাই অলিম্পিকে অংশ নিতে আসা সব অ্যাথলিটের প্রতিদিন করোনা পরীক্ষা করা হচ্ছে।

জুলাই ১৮, ২০২১
রাজ্য

Corona: কলকাতায় স্বস্তি, পাহাড়ে অস্বস্তি

একদিকে স্বস্তি, অন্যদিকে অস্বস্তি। কলকাতায় সাড়ে তিন মাসে এই প্রথম করোনায় দৈনিক মৃত্যুর সংখ্যা শূন্যে এসে ঠেকল। অন্যদিকে, রাজ্যে দৈনিক সংক্রমণে শীর্ষে রয়েছে দার্জিলিং। গত ২৪ ঘণ্টায় পাহাড়ে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ৮৯ জন। আরও পড়ুনঃ বিজেপি সমর্থকের বাড়িতে হামলা-ভাঙচুর-লুট, জাতীয় মানবাধিকার কমিশন তৎপর হতেই গ্রেপ্তার চারশনিবার রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তর প্রকাশিত বুলেটিন অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে মোট আক্রান্ত হয়েছেন ৮৯৯ জন। এর ফলে রাজ্যে মোট আক্রান্তের সংখ্যা পৌঁছেছে ১৫ লক্ষ ১৭ হাজার ৩৮০-তে। গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে মৃত্যু হয়েছে মোট ৮ জনের। এর মধ্যে দুজন নদিয়ার বাসিন্দা, দুজন পশ্চিম বর্ধমানের, তিন জন হুগলির ও এক জন উত্তর ২৪ পরগনার। রাজ্যে মোট করোনায় মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৭ হাজার ৯৮৮-তে। আরও পড়ুনঃ মঙ্গলকোট-কাণ্ডে তদন্তভার সিআইডি-ররাজ্যে সক্রিয় আক্রান্তের সংখ্যা সামান্য কমে দাঁড়িয়েছে ১৩ হাজার ৩৩৩-এ। সংক্রমণের হার নেমে এসেছে ১.৫৫ শতাংশে। জেলাভিত্তিক পরিসংখ্যান বলছে, উত্তরবঙ্গে ক্রমে বাড়ছে সংক্রমণ। রাজ্যে দৈনিক সংক্রমণের শীর্ষে পৌঁছে গিয়েছে দার্জিলিং। আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার, দার্জিলিং, কালিম্পং, জলপাইগুড়ি, এই জেলায় দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যা যথাক্রমে ১৭, ৪৫, ৮৯, ৪২, ৫৭। উত্তর ও দক্ষিণ দিনাজপুরে দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যা ১০ করে। দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলির মধ্যে উত্তর ২৪ পরগনায় দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যা ৮৮, কলকাতায় ৬২, বাঁকুড়ায় ৭২, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুরে ৬৪।

জুলাই ১৭, ২০২১
দেশ

Corona 3rd Wave: অনিবার্য তৃতীয় ঢেউ, সতর্ক করল আইএমএ

অতিমারির তৃতীয় ঢেউ কেউ আটকাতে পারবে না। তা অনিবার্য। এমনই আশঙ্কার বাণী শোনাল আইএমএ (ইন্ডিয়ান মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশন)। এই পরিস্থিতিতে প্রশাসনকে আরও কড়া পদক্ষেপ করার পরামর্শও দেওয়া হয়েছে। এই মর্মে কেন্দ্র এবং রাজ্য সরকারগুলির কাছে আবেদন করেছে চিকিৎসকদের সংগঠন ইন্ডিয়ান মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশন (আইএমএ)। এই সংকটময় পরিস্থিতিতেও দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে প্রশাসন এবং জনসাধারণের তরফে যে অসতর্কতার ছবি উঠে আসছে, তা নিয়েও উদ্বেগপ্রকাশ করেছে চিকিৎসকদের এই সংগঠন।আরও পড়ুনঃ কলকাতা লিগে না খেললে শাস্তির মুখে পড়তে হতে পারে ইস্টবেঙ্গলকেসোমবার একটি প্রেস বিবৃতি জারি করে আইএমএ জানিয়েছে, গোটা বিশ্বের পরিস্থিতি এবং অতিমারির ইতিহাস ঘাঁটলেই দেখা যাবে, কোভিডের তৃতীয় ঢেউ অনিবার্য। তা কেউ আটকাতে পারবে না। এই পরিস্থিতিতে দেশের বিভিন্ন জায়গা থেকে এমন বহু ছবি উঠে এসেছে, যেখানে দেখা যাচ্ছে, কোভিডবিধি না মেনেই রাস্তাঘাটে বেরিয়ে পড়ছেন সাধারণ মানুষ। সে ব্যাপারে কোনওরকম সরকারি পদক্ষেপ চোখে পড়ছে না।আইএমএ-র তরফে ক্ষোভ প্রকাশ করে আরও বলা হয়, ঘুরতে যাওয়া, তীর্থযাত্রা, ধর্মীয় সমাবেশ সবই জরুরি। কিন্তু এ সবের জন্য আর কয়েকটি মাস অপেক্ষা করাই যায়। টিকাকরণ ছাড়াই জনসমাবেশে অনুমতি দেওয়া হলে তা তৃতীয় ঢেউকে নিশ্চিতভাবে ত্বরাণ্বিত করবে। আগামী দু-তিন মাসের মধ্যেই তা আছড়ে পড়বে। এই সময়ে আমাদের আরও সচেতন হওয়া জরুরি।আরও পড়ুনঃ হড়পা বানে ভেসে গেল গাড়ি, দোকান আইএমএ-র এই সতর্কবার্তার পর সাধারণের মনে এমনিতেই আরও আতঙ্কের সৃষ্টি হবে। কারণ, পর্যাপ্ত ভ্যাকসিনের অভাবে টিকাকরণের গতি শ্লথ হয়ে পড়েছে। তারওপর দেশের বিভিন্ন প্রান্তে করোনাবিধিকে ডোন্ট কেয়ার করে মানুষের মধ্যে বেরিয়ে পড়ার ঝোকও দেখতে পাওয়া যাচ্ছে। ফলে, অবিলম্বে কেন্দ্র ও রাজ্য প্রশাসনের কড়া পদক্ষেপগ্রহণ না হলে দ্বিতীয় ঢেউয়ের ভয়াবহতা ফিরে আসা অপেক্ষামাত্র হয়ে দাঁড়াবে।

জুলাই ১২, ২০২১
দেশ

Covid Package: রদবদলের পর বড় সিদ্ধান্ত মোদির নতুন মন্ত্রিসভার

মোদির নতুন মন্ত্রিসভা গঠনের পরই কোভিড মোকাবিলায় বড় প্যাকেজ ঘোষণা। কোভিড পরিস্থিতি মোকাবিলায় ২৩,১২৩ কোটি টাকার বিশেষ প্যাকেজ ঘোষণা করল কেন্দ্র। রদবদলের পর কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার প্রথম বৈঠক ছিল বৃহস্পতিবার। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বাসভবনে আয়োজিত সেই বৈঠকে অতিমারি পরিস্থিতির মোকাবিলার উদ্দেশে এই আপৎকালীন বরাদ্দ অনুমোদন করা হয়েছে।কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, বরাদ্দ অর্থের মধ্যে ১৫ হাজার কোটি টাকা সরাসরি কেন্দ্র খরচ করবে। ৮ হাজার কোটি টাকা রাজ্যগুলির মধ্যে বণ্টন করা হবে। আগামী নমাসের মধ্যে এই কর্মসূচি কার্যকর করা হবে বলে কেন্দ্র জানিয়েছে।আরও পড়ুনঃ ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে টেস্ট সিরিজে ইশান্তের পরিবর্তে সিরাজকে খেলানোর ভাবনাবুধবার হর্ষবর্ধনকে সরিয়ে গুজরাতের বিজেপি নেতা মনসুখ মাণ্ডব্যকে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী পদে নিয়োগ করেছেন প্রধানমন্ত্রী। বৃহস্পতিবারের বৈঠকের পর মনসুখ বলেন, এই টাকায় দেশের ৭৩৬টি টি জেলায় স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলিতে শিশু চিকিৎসা বিভাগ গড়া হবে। ব্যবস্থা হবে ২০ হাজার আইসিইউ শয্যার। পাশাপাশি, পর্যাপ্ত পরিমাণে ওষুধ এবং চিকিৎসা সরঞ্জাম মজুত রাখা হবে। করোনা ভাইরাস সংক্রমণের তৃতীয় ঢেউয়ে শিশুদের আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনার কথা জানিয়েছেন চিকিৎসাবিজ্ঞানীরা। তাই পরিস্থিতি মোকাবিলায় এই সক্রিয়তা।নতুন এই ঘোষণা থেকে পরিষ্কার, করোনার মোকাবিলাকেই অগ্রাধিকার দিতে চাইছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি । বিরোধীদের অভিযোগ, দেশে করোনা সংকটের মোকাবিলার ব্যর্থতার অভিযোগই হর্ষবর্ধনকে সরিয়ে দেওয়ার প্রধান কারণ। আর এদিনও বৈঠকের পরেই করোনার প্যাকেজ ঘোষণা বুঝিয়ে দিল, মোদি সরকার অতিমারির মোকাবিলায় মরিয়া পদক্ষেপ করতে চাইছে।

জুলাই ০৮, ২০২১
দেশ

Corona: ফের বাড়ল দৈনিক সংক্রমণ

কিছুটা স্বস্তি দিয়ে ফের দেশে বাড়ল করোনার দৈনিক সংক্রমণ। মৃত্যুহার সামান্য কমলেও গত ২৪ ঘণ্টায় ৮০০ জনের মৃত্যু হয়েছে। পরিসংখ্যা অনুসারে, বুধবারের তুলনায় বৃহস্পতিবার দেশের দৈনিক সংক্রমণ বাড়ল ৫ শতাংশ। সেই সঙ্গে বেড়েছে দৈনিক সংক্রমণের হার। মৃত্যু এক ধাক্কায় অনেকটা কমলেও ৮০০-র উপরে। টিকাকরণও বুধবারের তুলনায় গত ২৪ ঘণ্টায় কম হয়েছে। বুধবার সকালে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের প্রকাশিত বুলেটিন অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ৪৫ হাজার ৮৯২ জন। ওই সময়ের মধ্যে দৈনিক সংক্রমণ ফের ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার পাশাপাশি সক্রিয় রোগীর সংখ্যাও বেড়ে হয়েছে ৪ লক্ষ ৬০ হাজার ৭০৪। উল্টো দিকে কমেছে দৈনিক সুস্থতা। গত ২৪ ঘণ্টায় কোভিড থেকে সুস্থ হয়েছেন ৪৪ হাজার ২৯১ জন।

জুলাই ০৮, ২০২১
স্বাস্থ্য

Vaccinated Without Vaccine: টিকা না নিয়েই সার্টিফিকেট, সমস্যার সমাধানে হাওড়া জেলা স্বাস্থ্য দপ্তর

সমস্যা সমাধানে এগিয়ে এল জেলা স্বাস্থ্য দপ্তর। টিকা না পেয়েও শংসাপত্র পাওয়া ব্যক্তিকে বুধবার টিকার ব্যবস্থা করে দিল ওই দফতর। আজ, বুধবার সাঁকরাইলের একটি সরকারি স্বাস্থ্য কেন্দ্রে তাঁর টিকার ব্যবস্থা করা হয়েছে। এমনটাই জানালেন জেলা স্বাস্থ্য দপ্তরের এক পদস্থ আধিকারিক। উল্লেখ্য, এর আগে বর্ধমানেও এমন ঘটনা ঘটেছে।আরও পড়ুনঃ কীভাবে ফাঁদে ফেলত চাকরির প্রতারণা চক্র? কারাই বা পান্ডা?গত সোমবার কোউইন অ্যাপে করনা টিকার প্রথম ডোজ নেওয়ার পরে নির্দিষ্ট দিনে দ্বিতীয় ডোজ নেওয়ার জন্য স্লট বুকিং করা ছিল। টিকা না পেয়েও কয়েক মিনিটের ভিতরেই শংসাপত্র পেয়ে যান আন্দুলের আলমপুরের বাসিন্দা সমীর মাঝি। সমীর মাঝির অভিযোগ, করোনা প্রতিষেধক কোভিশিল্ড নেওয়ার ৮৪ দিন অতিক্রান্ত হওয়ার পরই তিনি দ্বিতীয় ডোজ নেওয়ার চেষ্টা শুরু করেন। কখনও রাত আড়াইটে বা কখনও ভোর সাড়ে চারটেয় লাইন দিয়েও তিনবার ফিরে আসতে হয় টোকেন না পেয়ে। এরপরই তিনি তাঁর মেয়েকে কো-উইন অ্যাপের মাধ্যমে যদি কিছু করা যায় সেই চেষ্টা করতে বলেন। তাঁর মেয়ে কো-উইন অ্যাপে রেজিস্ট্রেশন করার পরই তাঁকে জানানো হয় বিকেল ৩টে থেকে ৪টের মধ্যে আমতার পানপুরের একটি স্বাস্থ্য কেন্দ্রে গিয়ে তাঁকে এই ভ্যাকসিন নিতে হবে। কিন্তু রেজিস্ট্রেশন করার মিনিট দশেকের মধ্যেই ফোনে এসএমএসের মাধ্যমে জানানো হয় তার ভ্যাকসিন নেওয়া হয়ে গিয়েছে। তাকে পাঠিয়ে দেওয়া হয় দ্বিতীয় ডোজ নেওয়ার সার্টিফিকেটও। স্বভাবতই এই ঘটনায় হতবাক হয়ে যান তিনি।আরও পড়ুনঃ গানওয়ালার গান চুরির অভিযোগ, ক্ষোভপ্রকাশ সামাজিক মাধ্যমেতড়িঘড়ি বাড়ি থেকে বেশ কয়েক কিলোমিটার দূরে সেই স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ছুটে যান। তিনি সেখানে গিয়ে দেখেন স্বাস্থ্যকেন্দ্র বন্ধ হয়ে গিয়েছে। সেখানে জানতে পারেন সকাল দশটার কিছু পরেই বন্ধ হয়ে গিয়েছে সেই স্বাস্থ্যকেন্দ্র। এরপর তিনি যোগাযোগ করেন জেলা স্বাস্থ্য দপ্তরে।আরও পড়ুনঃ বিধানসভায় দিলীপ-মদনের রঙিন রসিকতামঙ্গলবার হাওড়া জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক নিতাই চন্দ্র মন্ডল জানান, কিছু একটা সমস্যা হয়েছে। সমস্যাটি মূলত অ্যাপ কেন্দ্রিক। এক ব্যক্তির টিকা নেওয়ার স্লট বুকিং এর পরেই তার টিকা নেওয়ার আগে তাঁর নামের সার্টিফিকেট ইস্যু করে দেওয়া হয়েছে। বুধবার ওই ব্যক্তির টিকাকরণের জন্য ব্যবস্থা করা হয়েছে। এখানে কোন ভাঁওতাবাজির ব্যাপার নেই। ওনার নামে টিকা অন্য কাউকে দেওয়া হয়েছে এমন কোনও বিষয় নয়। যেহেতু এটি একটি ইন্টারনেট কেন্দ্রিক অ্যাপ সেহেতু এটিতে সেখান থেকেই কোন সমস্যা হয়ে থাকতে পারে। আজ, বুধবার টিকা নেওয়ার পরে ওনার কাছে আর নতুন করে সার্টিফিকেট আসবে না। পুরনো সার্টিফিকেট ওনার কাছে থাকবে। ওই পুরোনো সার্টিফিকেটের তারিখ সংশোধন করে দেওয়া যায় কিনা সেই বিষয়ে তিনি রাজ্য সরকারের মাধ্যমে কেন্দ্রীয় সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কাছে আবেদন জানাবেন। এই খবর জানার পর কিছুটা স্বস্তি নিঃশ্বাস ফেলছেন মাঝি পরিবার।

জুলাই ০৭, ২০২১
স্বাস্থ্য

Vaccinated Without Vaccine: করোনা টিকার দ্বিতীয় ডোজ না নিয়েও ’ফাইনাল সার্টিফিকেট’! তারপর কি ঘটল?

প্রদীপ চট্টোপাধ্যায়করোনা ভ্যাকসিনের দ্বিতীয় ডোজ না নেওয়া সত্ত্বেও ফাইনাল সার্টিফিকেট চলে এসেছে বর্ধমানের এক বাসিন্দার। কোউইন অ্যাপ (CoWin App) থেকে ডাউনলোড করে এমন সার্টিফিকেট পাওয়ার পরেই কার্যত চোখ কপালে উঠে গিয়েছে শহর বর্ধমানের টিকরহাটের বাসিন্দা উত্তম সাহার। এমন সার্টিফিকেট আসার পর আর দ্বিতীয় ডোজের ভ্যাকসিন পাবেন কিনা তা নিয়েই দুঃশ্চিন্তায় পড়ে গিয়েছেন উত্তম বাবু। বিষয়টি নিয়ে তিনি সোমবার জেলা প্রশাসন ও স্বাস্থ্য দপ্তরের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। উত্তমবাবুর সমস্যা সমাধানের আশ্বাস দিয়েছেন পূর্ব বর্ধমানের জেলা শাসক।আরও পড়ুনঃ ছোট্ট ছুটির ঠিকানা সিঙ্গিবর্ধমানের সরাইটিকরের বাসিন্দা বছর ৫৭ বয়সী উত্তম সাহা প্রশাসনকে জানিয়েছেন, গত ৬ এপ্রিল তিনি কোভিশিল্ডের প্রথম ডোজের টিকা নেন বর্ধমান পৌরসভার স্বাস্থ্য কেন্দ্রে। তারপর সম্প্রতি তিনি কোউইন অ্যাপ থেকে ওই প্রথম ডোজের সার্টিফিকেট ডাউনলোড করেন । তখনই তিনি জানতে পারেন ২৯ জুন থেকে ২৭ জুলাইয়ের মধ্যে তাঁকে দ্বিতীয় ডোজের টিকা নিতে হবে। তার জন্য কয়েকদিন আগে তিনি কোউইন অ্যাপের মাধ্যমে শ্লট বুকিং করেন। তাঁকে মেমারি গ্রামীণ হাসপাতালের অধীন দুর্গাপুর প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ৩ জুলাই দ্বিতীয় ডোজের টিকা নেওয়ার স্লট বুকিং দেওয়া হয়। উত্তম বাবু বলেন, যেহেতু তিনি ডায়াবেটিক রোগী তাই মেমারি যেতে চাননি।আরও পড়ুনঃ দাম্পত্যে ইতি। বিবাহ বিচ্ছেদের সিদ্ধান্ত লাগান খ্যাত ভুবনেরকোউইন (CoWin) অ্যাপের মাধ্যমে বুকিং ক্যানসেল করার চেষ্টা করেন। কিন্তু তিনি তা পারেননি। ৩ জুলাই মেমারিতে দ্বিতীয় ডোজের ভ্যাকসিন নিতে যেতেও পারেননি। উত্তমবাবু জানান, তিনি দ্বিতীয় ডোজের ভ্যাকসিন নিতে যেতে না পারলেও তাঁর মোবাইলে দ্বিতীয় ডোজের ভ্যাকসিন নেওয়ার সার্টিফিকেট চলে আসে। সেই সার্টিফিকেট কোউইন অ্যাপের মাধ্যমে ডাউনলোডও করা যাচ্ছে বলে উত্তম বাবু দাবি করেন।আরও পড়ুনঃ গানওয়ালার গান চুরির অভিযোগ, ক্ষোভপ্রকাশ সামাজিক মাধ্যমেউত্তম বাবুর অভিযোগ পাওয়ার পর জেলাশাসক প্রিয়াংকা সিংলা সমস্যা সমাধানের আশ্বাস দিয়েছেন। স্বাস্থ্য দপ্তরের বক্তব্য, প্রযুক্তিগত সমস্যায় এমনটা ঘটছে। ভ্যাকসিন নেওয়ার স্লট বুকিং থাকলে অনেক ক্ষেত্রে ফাইনাল সার্টিফিকেট চলে আসছে। তবে ত্রুটি সংশোধন করে জেলা স্বাস্থ্য দপ্তর মঙ্গলবার উত্তম সাহার দ্বিতীয় ডোজের টিকা পাওয়ার ব্যবস্থা করেছে বলে জানা গিয়েছে।

জুলাই ০৬, ২০২১
রাজ্য

Devanjan Dev's Bodyguard: দেবাঞ্জনের দেহরক্ষীর সঙ্গে রাজ্যপালের ছবি! তদন্ত চায় তৃণমূল

গতকালই মুখ্যমন্ত্রী বলেছিলেন ভূয়ো টিকাকাণ্ডে আরও ছবি থাকতে পারে। থাকলে তা শীঘ্রই প্রকাশ পাবে। ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ভূয়ো করোনা টিকাকরণে অভিযুক্ত ভূয়ো আইএএস দেবাঞ্জনের নিরাপত্তা কর্মীর সঙ্গে রাজ্যপালের ছবি প্রকাশ্য আনল তৃণমূল কংগ্রেস। দলের সাংসদ সুখেন্দুশেখর রায় ওই ছবি দেখিয়ে তদন্তের দাবি করেছেন। তিনি প্রশ্ন তুলেছেন, কার কাছে যেত খাম ও সঙ্গে উপহার? তাও তদন্তকারী দলকে খতিয়ে দেখতে বলবে তৃণমূল কংগ্রেস। জানিয়ে দিলেন সুখেন্দুবাবু। আরও পড়ুনঃ ঘরোয়া পদ্ধতিতে বড় হবে আইল্যাশ, কীভাবে ? জেনে নিনবৃহস্পতিবার তৃণমূল ভবনে দেবাঞ্জনের দেহরক্ষী অরবিন্দ বৈদ্যর দুটি ছবি দেখিয়ে প্রশ্ন তোলেন সুখেন্দুশেখর রায়। তাঁর দেখানো একটি ছবিতে অরবিন্দকে দেখা যাচ্ছে দেবাঞ্জনের সঙ্গে, আরেকটি ছবিতে অরবিন্দ রাজ্য জগদীপ ধনকরের পরিবারের পিছনে দাঁড়িয়ে আছে। সুখেন্দুশেখর রায় বলেন, এই অরবিন্দ দেবাঞ্জনের নিরাপত্তা কর্মী। তিনি কী করে রাজ্যপালের ব্যক্তিগত পরিসরে থাকতে পারেন। ওই ছবিতে সবাই রয়েছেন হাসিমুখে। তাঁদের পিছনেই অরবিন্দ।আরও পড়ুনঃ দীপার দীপ জ্বালিয়ে রাখলেন বাসচালক কন্যা প্রণতি শুধু ছবি দেখিয়েই ক্ষান্ত থাকেননি তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্যসভার সাংসদ। সুখেন্দুবাবু বলেন, এই নিরাপত্তা কর্মীর মাধ্যমে বিশেষ ব্যক্তির কাছে খাম যেত, যেত কিছু উপহারও। ইতিমধ্যে ভূয়ো টিকার তদন্তে সিট গঠন করেছে রাজ্য সরকার। এর আগে তৃণমূল কংগ্রেসের নেতা-মন্ত্রীদের সঙ্গে ছবি দেখা গিয়েছিল দেবাঞ্জন দেবের। এবার রাজ্যপালের সঙ্গে তাঁর নিরাপত্তা কর্মীর ছবি সামনে আনায় বিতর্ক নতুন মাত্রা পেল।আরও পড়ুনঃ আধপোড়া-নগ্ন মহিলার মৃতদেহ উদ্ধার বর্ধমানে, তদন্তে পুলিশসুখেন্দুশেখর বলেন, রাজভবনে যিনি আলোকিত করে বসে আছেন তাঁর ও তাঁর পরিবারের সঙ্গে দেখা যাচ্ছে দেবাঞ্জনের নিরাপত্তা কর্মীকে। তদন্তকারী সংস্থার গোচরে আনতে চাই বিষয়টা। আমরা চাই সমস্ত তথ্য উঠে আসুক। মুখ্যমন্ত্রী বলেছেন, টিকাকাণ্ডের সঙ্গে মানুষকে যাঁরা অসুবিধায় ফেলতে চেয়েছেন তিনি যত গুরুত্বপূর্ণ হোক না কেন রেহাই পাবেন না। এই ছবি যদি সত্যি হয় তাহলে তা দেশের পক্ষে ভয়ঙ্কর। জৈন ডায়েরির পাতায় জগদীপ ধনকড়ের নাম ছিল এদিনও দাবি করেন তিনি।আরও পড়ুনঃ নির্যাতিতাদের অভিযোগ নথিভুক্ত করল জাতীয় মহিলা কমিশন রাজ্যপাল পদে যোগ দেওয়ার পর থকেই রাজ্যের সঙ্গে সংঘাত লেগেই রয়েছে জগদীপ ধনকরের। রাজ্য-রাজ্যপাল সংঘাত এখন একেবারে ব্যক্তিগত পর্যায়ে চলে গিয়েছে। তৃণমূল নেতার দাবি, সুরেন্দ্র জৈন হাওলাকাণ্ডের মাথা ছিলেন। পরশু দিন তাঁর মৃত্যু হয়েছে আর তারপর ৪৮ ঘণ্টা নীরব রয়েছেন রাজ্যপাল। জমি কেলেঙ্কারিতেও তিনি জড়িয়েছেন। তাঁর দাবি, এত দুর্নীতির অভিযোগ কোনও রাজ্যপালের বিরুদ্ধে ছিল না। এমন অভিযুক্ত লোককে রাজ্যপাল হিসাবে নিয়োগ করা উচিত নয়। অবিলম্বে বরখাস্ত করা প্রয়োজন। এবিষয়ে রাষ্ট্রপতির দৃষ্টি আকর্ষণ করব। পাশাপাশি দুই সংসদে আইন অনুযায়ী পন্থা নেব।

জুলাই ০১, ২০২১
দেশ

Corona Death: দেশে কোভিডে দৈনিক মৃত্যু ছাড়াল ১ হাজার, বাড়ল দৈনিক সংক্রমণও

ফের বাড়ল দেশের দৈনিক কোভিড সংক্রমণ। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের পরিসংখ্যান অনুসারে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ৪৮ হাজার ৭৮৬ জন। বুধবার এই আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ৪৫ হাজার ৯৫১ জন। অর্থাৎ বুধবারের তুলনায় বৃহস্পতিবার আক্রান্ত বেড়েছে প্রায় ৬ শতাংশ। এ নিয়ে দেশে মোট আক্রান্তের সংখ্যা হল ৩ কোটি ৪ লক্ষ ১১ হাজার ৬৩৪ জন।গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে মৃত্যু হয়েছে ১ হাজার ৫ জন কোভিড রোগীর। ৩ দিন পর ফের ১ হাজার ছাড়াল দৈনিক মৃত্যু। মহারাষ্ট্র, কর্নাটক, কেরল এবং তামিলনাড়ু ছাড়া দেশের সব রাজ্যেই দৈনিক মৃত্যু ১০০-র নীচে রয়েছে গত কয়েক সপ্তাহ ধরে। বৃহস্পতিবার কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের পরিসংখ্যান অনুসারে, উত্তরাখণ্ডে দৈনিক মৃত্যু হয়েছে ২২১ জনের। এর জেরেই দেশের দৈনিক মৃত্যু হাজার ছাড়াল। অতিমারি পর্বে করোনা ভাইরাস দেশে প্রাণ কেড়েছে ৩ লক্ষ ৯৯ হাজার ৪৫৯ জনের।আরও পড়ুনঃ রাজ্যে ২টি নতুন ক্যানসার হাসপাতালের ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীরএদিকে, চিকিৎসক দিবসে দেশে করোনার মৃত্যুর হার ফের বৃদ্ধি পাওয়ায় উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। সরকারের তরফে টিকাকরণে জোর দেওয়া হলেও বহু জায়গায় এখনএ পর্যাপ্ত টিকা অমিল। টিকা কম থাকার কারণে দ্বিতীয় ডোজের উপরই আপাতত জোর দেওয়া হচ্ছে। এখনও টিকা দিতে দগিয়ে ফিরে আসতে হচ্ছে অনেক মানুষকেই। যা নিয়ে ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে। ইতিমধ্যেই মডার্নার টিকাও বা্জারে আসার জন্য ডিসিজিএ-র অনুমোদন পেয়েছে। সব মিলিয়ে করোনায় মৃত্যুর হার বৃদ্ধি পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে সংক্রমণও বৃদ্ধি পেয়েছে সমানভাবে। যা যথেষ্ট উদ্বেগজনক।

জুলাই ০১, ২০২১
স্বাস্থ্য

Corona Delta : করোনার আসন্ন তৃতীয় ঢেউ, সৌজন্যে ডেল্টা প্লাস

কোভিড-১৯-এর ডেল্টা প্লাস রূপটির করোনার অন্যান্য স্ট্রেনের তুলনায় ফুসফুসের টিস্যুগুলির সাথে আরও বেশী সখ্যতা রয়েছে। এ তথ্যটি জানিয়েছেন করোনা ভাইরাস ওয়ার্কিং গ্রুপ ন্যাশানাল টেকনিক্যাল অ্যাডভাইজরি গ্রুপ ইম্যুনিশান (এনটিএজিআইয়ের) প্রধান ডাঃ এন কে অরোরা। তিনি আশ্বস্ত করে বলেছেন, তবে এর অর্থ এই নয় যে এটি মারাত্মক রোগের সৃষ্টি করবে বা আরও সংক্রামিত হবে।ডেল্টা প্লাস নামে করোনার একটি নতুন স্ট্রেন ১১ই জুন চিহ্নিত করা হয়েছে। এই স্ট্রেন নিয়ে যথেষ্ট উদ্বেগ প্রকাশ করেছন চিকিৎসক মহল। এখনও অবধি ১২টি রাজ্যে ৫১জনের রক্তে ডেল্টা প্লাস শনাক্ত করা হয়েছে। মহারাষ্ট্রে এখনও পর্যন্ত এই স্ট্রেনটিতে আক্রান্তের সংখ্যা সবচেয়ে বেশী।আরও পড়ুনঃ করোনা ফাঁড়া কাটিয়ে ডব্লুউবিসিএস-সহ তিনটি পরীক্ষার নির্ঘণ্ট ঘোষণাএক সাক্ষাৎকারে অরোরা সংবাদসংস্থাকে বলেছেন, ডেল্টা প্লাস স্ট্রেন ফুসফুসের মিউকোসাল আস্তরনকে সংক্রমিত করে। এটি আগের স্ট্রেনটির থেকে বেশী শক্তিশালী। তবে এটির ক্ষতির পরিমাণ এবং তার ভয়াবহতা এখনও পরিষ্কার নয় চিকিৎসা বিজ্ঞনীদের কাছে। আগের স্ট্রেনটির তুলনায় কতটা সংক্রমণ ছড়াবে সেব্যাপারেও সন্দিহান।আরও পড়ুনঃ বন্ধ রেলগেট, হাসপাতালের রাস্তাতেই সন্তান প্রসবতিনি বলেন বেশী সংখ্যক মানুষ এই স্ট্রেনটিতে আক্রান্ত না হলে ডেল্টা প্লাস স্ট্রেনের প্রভাব ও ভয়াবহতা জানা যাবে না। তবে এটা দেখা যাচ্ছে যে কোভিড-১৯ ভ্যাকসিনের প্রথম বা দ্বিতীয় ডোজ যারা পেয়েছেন তাদের মধ্যে সাধারণত এই রোগটি সেভাবে ক্ষতি করতে পারছে না। অরোরা বলেন, আমাদের খুব নিবিড় পর্যবেক্ষণ করে এর বিস্তার সম্পর্কে কড়া নজর দিয়ে দেখতে হবে যাতে এটির সংক্রমণ যেন বেশী ছড়াতে না পারে।আরও পড়ুনঃ টিকাকরণে গতি আনতে স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার সাহায্য চাইলেন মোদিঅরোরা বলেছেন যে ডেল্টা প্লাস স্ট্রেনটিতে আক্রান্ত আরও বেশী সংখ্যায় সনাক্ত হতে পারে। কারণ অনেক উপসর্গহীন ব্যক্তিও থাকতে পারেন - যাদের কোনও কোভিড-১৯ লক্ষণ নেই এবং তারা ভাইরাসটি বহন করছেন এবং ছড়িয়ে দিচ্ছেন।আরও পড়ুনঃ বাংলা ভাগের ষড়যন্ত্র-র প্রতিবাদে বিক্ষোভ কর্মসূচি বাংলা পক্ষর তবে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টি হল আমাদের সাস্থমন্ত্রক সঠিক সময়ে কড়া নজরদারি শুরু করেছে। মন্ত্রক রাজ্যগুলিকে ইতিমধ্যেই এই স্ট্রেনটির বিষয়ে সবিস্তার জানিয়ে দিয়েছে যে এটি যথেষ্ট উদ্বেগের। এর জন্য কড়া পদক্ষেপ দরকার। বেশ কয়েকটি রাজ্য ইতিমধ্যে পদক্ষেপ করতে শুরু করেছে। রাজ্যগুলি বিভিন্ন জেলায় ভাইরাস চিহ্নিত হওয়ার জন্য মাইক্রো প্ল্যান তৈরি করা শুরু করেছে যাতে তাদের সংক্রমণ রোধ করা যায়। তিনি স্পষ্ট ভেবে উল্লেখ করেছেন জেলাগুলিতে টিকা বৃদ্ধি না হলে সমূহ বিপদ আসন্ন।আরও পড়ুনঃ একা এবং বন্ধুরা ডেল্টা প্লাস ভেরিয়েন্টটি করোনা ভাইরাসের আসন্ন তৃতীয় ঢেউ কে গ্রাস করতে পারে কিনা? এই প্রশ্নের জবাবে অরোরা বলেন, এই মুহূর্তে এটা বলা কঠিন। আসন্ন করোনার ঢেউয়ের সাথে ডেল্টা প্লাস ভেরিয়েন্টটি যুক্ত হবে কিনা বা এটি একটি নতুন বিকল্প হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে তা এক কথায় উত্তর দেওয়া কঠিন। সেটা আরও কিছু বিষয়ের উপর নির্ভর করবে বলেই তাঁর ধারণা।

জুন ২৮, ২০২১
কলকাতা

Belur Math: কোভিডের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে মানুষের পাশে বেলুড় মঠ

কোভিডের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে এবার মানুষের পাশে বেলুড় মঠ। কোভিড-১৯ টিকাকরণ কেন্দ্র এবার রামকৃষ্ণ মিশন শিক্ষণ মন্দিরের উদ্যোগে। কোভিডের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে বেলুড় মঠের রামকৃষ্ণ মিশন শিক্ষণ মন্দিরের তরফেই এবার টিকাকরণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। লকডাউন পরিস্থিতিতে দিন আনা দিন খাওয়া মানুষের জন্য খাদ্যবস্তু দান, কোভিডের আরটিপিসিআর টেস্ট, সেফ হোমের ব্যবস্থার পর এবার কোভিড টিকাকরণের ব্যবস্থা করল বেলুড় মঠ।আরও পড়ুনঃ জর্জ ফ্লয়েড হত্যায় অভিযুক্ত পুলিশকর্মীর সাড়ে ২২ বছরের জেল রামকৃষ্ণ মিশন সারদাপীঠ দ্বারা প্রযোজিত রামকৃষ্ণ মিশন শিক্ষণ মন্দিরের ব্যবস্থাপনায় আগামী পয়লা জুলাই থেকে বেসরকারি হাসপাতালের সহযোগিতায় এই কোভিড টিকাকরণ শুরু হতে চলেছে। সরকার নির্ধারিত মূল্য ৭৮০টাকা জনপ্রতি ধার্য করা হলেও দুঃস্থ এবং অসহায় মানুষদের জন্য ছাড়ের ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে। কো-উইন অ্যাপের মাধ্যমে রেজিস্ট্রেশন করে বেলুড় মঠের নির্দিষ্ট নম্বরে ফোন করে অন্তত তিন দিন আগে নাম নথিভুক্ত করাতে হবে। কোভিশিল্ডের প্রথম এবং দ্বিতীয় দুটি ডোজই এখানে দেওয়া হবে। প্রতি সপ্তাহের বৃহস্পতিবার ৩০০ জনকে ভ্যাকসিন দেওয়ার ব্যবস্থা প্রাথমিকভাবে করা হয়েছে। শনিবার এ বিষয়ে শিক্ষণ মন্দির মহাবিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ স্বামী দিব্যগুণানন্দজি মহারাজ বলেন, রামকৃষ্ণ মিশন শিক্ষণ মন্দির বেলুড় মঠ, পিয়ারলেস হাসপাতাল, এম ফাউন্ডেশন এবং ক্যালকাটা ক্যাটালিস্ট এই সংস্থাগুলির যৌথ উদ্যোগে ভ্যাক্সিনেশন ক্যাম্প চালু হতে চলেছে। সপ্তাহে একদিন বৃহস্পতিবার সকাল ১০টা থেকে ভ্যাকসিন দেওয়া হবে। যারা কো-উইন অ্যাপে রেজিস্ট্রেশন করেছেন বা করছেন তাঁদের ০৩৩ ২৬৫৪ ৯২৮১ এই নম্বরে ফোন করতে হবে। কো-উইনের রেজিস্ট্রেশন নম্বরের শেষ চারটি ডিজিট ও অন্যান্য ডাটা ফোনে বললে তাঁর নাম ও ফোন নম্বর লিখে নেওয়া হবে। এরপর তাঁরা এসে ভ্যাকসিন নিতে পারবেন। সরকার নির্ধারিত ৭৮০ টাকা লাগবে ভ্যাকসিন নিতে। কিন্তু যারা দুঃস্থ, যারা সেই টাকা দিতে অপারগ, তাঁদের জন্য শিক্ষণ মন্দিরের তরফ থেকে ছাড় দেওয়া হবে। প্রয়োজনে সেই টাকা বেলুড় মঠ রামকৃষ্ণ মিশন শিক্ষণ মন্দির কর্তৃপক্ষ বহন করবে। সপ্তাহে ৩০০ জনকে ভ্যাকসিন দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা রাখা হয়েছে। সবাইকেই কোভিশিল্ড দেওয়া হবে। এখানে প্রথম এবং দ্বিতীয় দুটো ডোজই দেওয়া হবে।

জুন ২৬, ২০২১
রাজ্য

Vaccination: বর্ধমানের কোভিড ফিল্ড হাসপাতালের বিশেষ টিকাকরণ কর্মসূচি

রাজ্যে ভুয়ো ভ্যাকসিন-কাণ্ডে যখন সরগরম চারিদিক, সেই সময়ই রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তরের অনুমোদন নিয়েই বৃহত্তর স্বার্থে এক টিকাকরণ অভিযানের আয়োজন করেছে বর্ধমানের কোভিড ফিল্ড হাসপাতাল। লিভার ফাউন্ডেশন ও কোভিড কেয়ার নেটওয়ার্কের উদ্যোগে এই অস্থায়ী কোভিড হাসপাতালটি গড়ে তোলা হয়েছে। মূলত, সত্তরোর্ধ্ব শারীরিকভাবে অক্ষমদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে বিনামূল্যে এই টিকাকরণের কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে। এই বিষয়ে জেলা নোডাল তথাগত পাল জনতার কথাকে জানান, ভ্যাকসিন অ্যাকসেস ইনিশিয়েটিভ নামক এই কর্মসূচিতে প্রথম পর্যায়ে সত্তরোর্ধ্ব ও শারীরিকভাবে দুর্বলদের জন্য এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আরও পড়ুনঃ জার্মানিতে পথচারীদের উপর জেহাদি হামলায় হত ৩দ্বিতীয় ঢেউয়ের পর বিশেষজ্ঞরা যখন তৃতীয় ঢেউ নিয়ে আশঙ্কা প্রকাশ করছে। যত তাড়াতাড়ি সম্ভব ভ্যাকসিন নিয়ে নেওয়ার আবেদন করছেন চিকিৎসকরা। সেই অবস্থায় দাঁড়িয়ে এখনও এমন অনেক বয়স্ক মানুষ রয়েছেন যাঁরা করোনা ভ্যাকসিন নিতে পারেননি। অথবা লম্বা লাইনে দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকা তাঁদের পক্ষে সম্ভব নয়। তাই এইসব মানুষের কথা ভেবেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। চিকিৎসক ও প্রশিক্ষিত স্বাস্থ্যকর্মীর দ্বারাই সংশ্লিষ্ট এলাকায় গিয়ে এই টিকাকরণ কর্মসূচি চালানো হবে বলেও জানা গিয়েছে। প্রয়োজনীয় সবরকম সরকারি অনুমোদন নিয়েই এই অভিযানে নামার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলেও জানিয়েছেন তথাগত পাল। সংস্থার তরফে তথাগত পাল বলেন, এই বিরাট কর্মকান্ড চালাতে অনেক মানুষের সাহায্য অর্থের প্রয়োজন। বহু বিশিষ্ট সহৃদয় মানুষ এগিয়ে এসে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিচ্ছেন। তাঁদের প্রত্যেককে আমাদের সংস্থার পক্ষ থেকে অসংখ্য ধন্যবাদ। সাধারণ মানুষ আমাদের এই কর্ম কান্ডে সাহায্য করলে কর্মসূচি সার্বিক ভাবে সাফল্যে পাবে।সংস্থার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে ইচ্ছুকরা সংশ্লিষ্ট ফোন নম্বরে নিজেদের নাম নথিভুক্ত করতে পারেন।(৯৮৮৩৮৩২৫১২ / ৭০০১৯০৬৮২৭ / ৮৯৬৭০০০৪২৮)

জুন ২৬, ২০২১
বিদেশ

Sputnik V : রাশিয়া ও চীনের তৈরি টীকা আনুমোদন দিতে নারাজ ইউরোপীয় ইউনিয়ন

রাশিয়ার স্পুটনিক-ভি কোভিড-১৯ টিকা কখনও ইউরোপীয় ইউনিয়নের অনুমোদন পাবে না বলে জানিয়েছেন ইতালির প্রধানমন্ত্রী মারিও দ্রাঘি। শুক্রবার তিনি চীনের তৈরী সিনোভাক জাব এর অনুমদনের বিষয়েও বিশেষ সন্দেহ প্রকাশ করেছেন।ব্রাসেলসে দ্রাঘি বলেছেন, স্পুটনিক-ভি এখনও পর্যন্ত অনুমোদন পায়নি। সম্ভবত কখনও ইএমএ (ইউরোপীয় মেডিসিন এজেন্সি) এর অনুমোদন তারা পাবে না। তিনি আরও জানান, চীনা ভ্যাকসিন সিনোভাক জাব যথোপযুক্ত নয় বলে ইতিমধ্যেই প্রমাণিত হয়েছে। চিলির অভিজ্ঞতার দিকে নজর দিলেই তা বোঝা যাবে।আরও পড়ুনঃ আমেরিকায় নিষিদ্ধ একধিক ইরানি ওয়েবসাইটচিলি, চীনা সিনোভাক জাবের উপর নির্ভর করে তাদের টিকাকরণ অভিযানে বিরাট জোর দিয়েছিল। এই মুহুর্তে তাঁদের ধারণা চীনের তৈরি টীকা করোনার নতুন স্টেন থেকে রক্ষা করতে ব্যর্থ হবে। সেকারণে নতুন স্টেনের বিরুদ্ধে সুরক্ষা বাড়াতে এখন তৃতীয় ডোজ দেওয়ার কথা বিবেচনা করছে।চীন ও রাশিয়ার তৈরি টীকা স্পুটনিক ভি এবং সিনোভাক উভয় ভ্যাকসিনই ইএমএ -র রোলিং রিভিউ ওপর নির্ভর করে আছে। আশা করা যাচ্ছে আনুষ্ঠানিক অনুমোদন পেতে আরও এক ধাপ পরীক্ষার সামনে পড়তে হবে। ইতালির প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, ভ্যাকসিন নিয়ে সাম্প্রতিক যথেষ্ট বিভ্রান্তি চলছে, এর পুনরাবৃত্তি এড়াতে ইএমএ-কে আরও শক্তিশালী এবং সংস্কারের প্রয়োজন ছিল।আরও পড়ুনঃ দেশের বাকি বড় শহরকে পিছনে ফেলে সুরাট এবং ইন্দোর সেরার সেরাতিনি ইএমএ এবং জাতীয় ঔষধ প্রস্তুতকারী সংস্থাগুলির মধ্যে কোভিড-১৯ ভ্যাকসিনের সুরক্ষার বিষয়ে আরও আলোচনার কথা উল্লেখ করেছিলেন। দুদিন ব্যাপী ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ সম্মেলনের শেষে দ্রাঘি তাঁর বক্তব্যে বলেন, রাষ্ট্র নেতাদের সাথে করোনা ভাইরাসের অতিমারি প্রতিরোধ বিষয়ে একটি সাধারণ আলোচনা ছিল। এই অতিমারি এখনও শেষ হয়ে যায়নি, আমরা এখনও এ থেকে বের হতে পারিনি। ইতালিয়ান নেতা ব্রিটেনে আরও ভয়ঙ্কর সংক্রমণযোগ্য ডেল্টা রূপটি ছড়িয়ে পড়ার দিকটিকেও ইঙ্গিত করেন।আরও পড়ুনঃ বিনামূল্যে ৫৫০ জনকে টীকাকরণ অটোমোবাইল সংস্থারএক বিবৃতিতে ইতালির জাতীয় স্বাস্থ্য সংস্থা (আইএসএস) বলেছে যে, জুন মাস অবধি ইতালিতে করোনার যে স্টেন দেখা গিয়েছে তার ৭৪.৮ % আলফা। এবং একই সময়ে, ডেল্টা স্টেনেরও খোঁজ পাওয়া গেছে তা বেড়ে হয়েছে প্রায় ১৬.৮%, মে মাসে যা ছিলো মাত্র ৪.২%।

জুন ২৬, ২০২১
প্রযুক্তি

Mask: ডাক্তার ও নার্সদের জন্য অভিনব মাস্ক আবিস্কার করে সাড়া ফেলেছে বাংলার কিশোর বিজ্ঞানী

কোভিড আক্রান্তদের প্রাণে বাঁচানোর জন্য জীবনের ঝুঁকি নিয়ে দিন রাত এক করে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন চিকিৎসক ও নার্সরা। কোভিড যুদ্ধে নিজে সামিল হতে না পারলেও প্রথম সারির সেইসব কোভিড যোদ্ধাদের জন্য বিশেষ কিছু একটা করার ব্যাপারে মনস্থির করে বসে দ্বাদশ শ্রেনীর ছাত্র দেবর্ষি দে। সেই অনুযায়ী নিজের বিজ্ঞান ভাবনা ও উদ্ভাবনী শক্তিকে কাজে লাগিয়ে দেবর্ষি তৈরি করে ফেলেছে ইউনিভার্সাল মাস্ক এয়ার সাপ্লায়ার। পিপিই কিট পরিহিত প্রথম সারির করোনা যোদ্ধাদের মুখে থাকা তাঁর তৈরি মাস্ক ফ্রেশ অক্সিজেন সরবরাহ করবে। পাশাপাশি শ্বাস কষ্টের রোগীরা নেবুলাইজেশনের সহায়তাও তাঁর আবিস্কৃত মাস্কের মাধ্যমে পাবেন বলে দেবর্ষি দাবি করেছে। খুব শীঘ্রই কোভিড সংক্রমণের তৃতীয় ঢেউ আছড়ে পড়বে বলে আশঙ্কা করছেন চিকিৎসকরা। তার প্রাক্কালে এক খুদে বিজ্ঞানীর তৈরি সামান্য মূল্যের এমন অভিনব মাস্ক প্রশাসন ও চিকিৎসক মহলে সাড়া ফেলে দিয়েছে।আরও পড়ুনঃ ভাইরাস ধ্বংসকারী মাস্ক আবিষ্কারে বাঙালি তরুণীর বিশ্বজয়মেধাবী ছাত্র দেবর্ষি দে-র বাড়ি পূর্ব বর্ধমানের জামালপুর থানার প্রত্যন্ত গ্রাম বেত্রাগড়ে। সে জামালপুরের সেলিমাবাদ উচ্চ বিদ্যালয়ের দ্বাদশ শ্রেনীর বিজ্ঞান বিভাগের ছাত্র। দেবর্ষি জানিয়েছে, দুই ধরণের ইউনিভার্সাল মাস্ক এয়ার সাপ্লায়ার সে তৈরি করেছে। তার মধ্যে একটি প্রথম সারির কোভিড যোদ্ধা অর্থাৎ ডাক্তার ও নার্সদের ব্যবহারের জন্য। অপরটি সাধারণ মানুষের ব্যবহারের জন্য।দেবার্ষি আরও জানিয়েছে, দুটি মাস্ক এয়ার সাপ্লায়ার সে একই প্রযুক্তিতে তৈরি করেছে। তবে ডাক্তার ও নার্সদের জন্যে তাঁর তৈরি মাস্ক এয়ার সাপ্লায়ারটি উচ্চ ক্ষমতা সম্পন্ন। সেই কারণে সাধারণ মানুষদের ব্যবহারের জন্যে তাঁর তৈরি করা মাস্ক এয়ার সাপ্লায়ারটি আকারে একটু ছোট। আর ডাক্তার ও নার্সদের জন্য তৈরি মাস্ক এয়ার সাপ্লায়ারটি আকারে একটু বড়। মুলত ১২ ভোল্ট ডিসি রি-চার্জেবল লিথিয়াম-আয়ন ব্যাটারি,বাজার থেকে কেনা একটি টিপি ৪০৫৬ এবং একটি এক্স এল ৬০০৯ সার্কিট বোর্ড এবং নিজের তৈরি করা অপর একটি সার্কিট বোর্ড ইউনিভার্সাল মাস্ক এয়ার সাপ্লায়ার এর ভিভাইসটিতে রয়েছে বলে দেবর্ষি জানিয়েছে।আরও পড়ুনঃ হেরেও আইসিসি বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের পদ্ধতি নিয়ে প্রশ্ন ছুঁড়ে দিলেন বিরাটনিজের তৈরি করা ডিভাইসের ব্যখ্যা দিতে গিয়ে দেবর্ষি জানিয়েছে, সাধারণ মানুষের জন্য তৈরি করা তাঁর মাস্ক এয়ার সাপ্লায়ারের ডিভাইসটিতে ২ টি এয়ার সাকার রয়েছে। আর ডাক্তার ও নার্সদের ব্যবহারের জন্যে তৈরি করা ডিভাইসটিতে রয়েছে ৫ টি এয়ার সাকার। প্রতিটি এয়ার সাকারের মধ্যে রয়েছে ৬ টি ০.১-০.৩ মাইক্রোনের ফিল্টার। যা বাতাসকে ১০০ শতাংশ বিশুদ্ধ করে পাইপ লাইনের মধ্যমে মাস্কের ভিতরে পাঠিয়ে দেয়। ছোট ডিভাইস টিতে থাকা সুইচ দ্বারাই ডিভাইসটি কন্ট্রোল করা যাবে। আর বড় ডিভাইসটি তার (wire) দ্বারা যুক্ত রিমোটের মাধ্যমে কন্ট্রোল করতে হয়। ছোট ডিভাইসটির ওজন ২০২ গ্রাম আর বড় ডিভাইসটির ওজন ৪০৫ গ্রাম। যা সহজেই ব্যবহার যোগ্য। সরু পাইপের ইনপুট লাইন ডিভাইসের সঙ্গে যুক্ত থাকবে আর আউটপুট পাইপ লাইন মাস্কের সঙ্গে যুক্ত থাকবে। এছাড়াও নিমুলাইজার ব্যবহারের ক্ষেত্রে ১৫ এমএল এর নিমুলাইজার চেম্বারটি ইনপুট পাইপ লাইন ডিভাইসের সাথে এবং চেম্বারের আউটপুট পাইপ লাইনটি মাস্কের সাথে যুক্ত করতে হবে। শ্বাস কষ্টের রোগীরা এক্ষেত্রে উপকার পাবেন। ডাক্তার ও নার্সদের ব্যবহারের জন্য তৈরি করা বড় ডিভাইসের ইউনিভার্সাল মাস্ক এয়ার সাপ্লায়ারটি তৈরি করতে সর্বোচ্চ ৫০০ টাকা। আর একই প্রযুক্তিতে সাধারণ মানুষের ব্যবহারের জন্যে তৈরি করা ছোট ডিভাইসের মাস্ক এয়ার সাপ্লায়ারটি তৈরী করতে সর্বোচ্চ ৩০০- ৩৫০ টাকা খরচ পড়েছে বলে দাবি দেবর্ষির।আরও পড়ুনঃ মুকুল রায় তো বিজেপি পার্টির মেম্বার, বললেন মমতাদেবর্ষির বাবা ব্রজেন দে হাওড়ার লিলুয়ার এমসিকেবি ইনস্টিউট অফ ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে কেমিস্ট্রির প্রফেসার। মা হীরা দে সাধারণ গৃহবধূ। দেবর্ষির দিদি দেবর্পিতা কম্পিউটার সায়েন্স নিয়ে এমসিকেবি ইনস্টিটিউটে তৃতীয় বর্ষে পাঠরত। বৃহস্পতিবার ব্রজেন বাবু ও হীরাদেবী বলেন,ছোট থেকেই বিজ্ঞান ভিত্তিক কারিগরি বিষয় নিয়ে দেবর্ষির আগ্রহ বাড়তে শুরু করে। ইলেকট্রনিক্স খেলনা বা অন্য যা কিছু সে হাতের কাছে পেত তার সবটা খুলে ভিতরে কিকি পার্টস আছে , সেই পার্টসগুলি কীভাবে কাজ করছে তা বোঝার চেষ্টা করতো দেবর্ষি। এইসব ছাড়াও ফেলে দেওয়া ইলেকট্রনিক্সের সরঞ্জাম থেকে নতুন কিছু তৈরি করা যায় কিনা তারও প্রচেষ্টা ছেলে দেবর্ষি চালাতো। ব্রজেনবাবু বলেন, এখন স্কুল বন্ধ রয়েছে। বাড়িতে বসেই নিজের বিজ্ঞান ভাবনা ও উদ্ভাবনী শক্তিকে কাজে লাগিয়ে দেবর্ষি প্রথম সারির করোনা যোদ্ধা ডাক্তার ও নার্স এবং একই সঙ্গে সাধারণ মানুষের জন্যে ইউনিভার্সাল মাস্ক এয়ার সাপ্লায়ার তৈরি করে ফেলেছে জেনে তিনি গর্বিত বোধ করছেন। দেশ ও দেশের মানুষের কল্যানে লাগবে এমন আরও অনেক কিছু দেবর্ষি আবিস্কার করুক এমটাই ইচ্ছার কথা মা হীরাদেবী শুনিয়েছেন।আরও পড়ুনঃ বজ্রপাত বৃদ্ধি, বর্ধমানের জামালপুরে কারণ অনুসন্ধানে ব্যস্ত বিশেষজ্ঞরা, বললেন মমতাজামালপুর ব্লক হাসপাতালের বিএমওএইচ চিকিৎসক ঋত্বিক ঘোষ জানিয়েছেন,পিপিই কিট পরিহিত হয়ে কাজ করা ডাক্তার ও নার্সদের ক্ষেত্রে দেবর্ষির আবিস্কৃত মাস্ক সহায়ক হতে পারে বলেই তাঁর মনে হয়েছে। অন্যদিকে ব্লকের বিডিও শুভঙ্কর মজুমদার জানিয়েছেন, দেবর্ষির আবিস্কৃত মাস্কটি অভূতপূর্ব হওয়াই তিনি বিষয়টি সম্বন্ধে বিএমওএইচ কে জানান। এমন মাস্ক প্রথমসারির কোভিড যোদ্ধারের কাজের ক্ষেত্রে বিশেষ সহায়ক ভূমিকা নেবে বলেই তাঁর মনে হয়েছে। সার্টিফিকেশনের জন্য বিএমওএইচ মাস্কের বিষয়টি নিয়ে জেলা স্বাস্থ্য দপ্তরের কর্তাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন। সার্টিফিকেশন পাওয়া গেলে সরকারিভাবে দেবর্ষির আবিস্কৃত মাস্ক ব্যবহার করা যাবে বলে বিডিও জানিয়েছেন।

জুন ২৪, ২০২১
শিক্ষা

NTSE: বর্ধমানের মেয়ের রাজ্য স্তরে সাফল্য

ন্যাশানাল ট্যালেন্ট সার্চ এক্সাম (NTSE) প্রতিযোগিতায় রাজ্যে সপ্তম ও বর্ধমান জেলায় প্রথম স্থান অধিকার করেছে সমন্বিতা পাল। বর্ধমান মডেল স্কুলের একাদশ শ্রেনীর বিজ্ঞান বিভাগের ছাত্রী সমন্বিতা।প্রতি বছর এন সি ই আর টি (National Council of Educational Research and Training/ NCERT) এই পরীক্ষার আয়োজন করে। সাধারণভাবে দেশের মেধাবী পড়ুয়াদের চিহ্নিত করতেই এই পরীক্ষা নেওয়া হয়। এন সি ই আর টি-র তত্ত্বাবধানে এই পরীক্ষা দুটি পর্যায়ে হয়। পর্যায়-১ (Stage-I), পর্যায়-২ (Stage-II)। প্রথম পর্যায়ের (Stage-I) পরীক্ষার জন্য দশম শ্রেণীর ছাত্ররাই আবেদন করতে পারে। আবেদকারীকে ভারতের কোনও রাজ্য বা কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের স্বীকৃত স্কুলে শেষ শিক্ষাবর্ষে উত্তীর্ন সহ ৬০% নম্বর পেতে হবে। সংখ্যালঘু ও তপসিলিজাতির আবেদনকারীরা ৫% ছাড় পাবে। অবশ্যই ১৮ বছরের অনুর্দ্ধ হতে হবে। প্রথম পর্যায়ের রাজ্য ভিত্তিক পরীক্ষায় ৮০% বা তার বেশী নম্বরের পরীক্ষার্থীরা দ্বিতীয় পর্যায়ের (Stage-II) প্রতিযোগিতার জন্য যোগ্য বিবেচিত হয়। দ্বিতীয় পর্যায়ে সফল ছাত্রছাত্রীদের জাতীয় স্তরে প্রথম ১০০০ জনকে বৃত্তি প্রদান করা হয় এবং উচ্চশিক্ষা অবধি তাদের দায়িত্ব নেওয়া হয়। ওরিয়েন্টাল এসোসিয়েসান ফর এডুকেসন এন্ড রিসার্চ-এর সেক্রেটারি অচিন্ত্য কুমার মন্ডল ছাত্রছাত্রী দের সাফল্যে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন, তিনি বলেন সমন্বিতার এই সাফল্য প্রতিষ্ঠানের অন্য ছাত্রছাত্রীদের আরও উৎসাহিত করবে। বর্ধমান মডেল স্কুলের অধ্যক্ষ বিপিন বিহারী সিং জনতার কথাকে বলেন, সমন্বিতা প্রাথমিক শ্রেণী থেকে এই স্কুলে পড়ছে, ছোটো থেকেই সে পড়াশোনার ব্যাপারে প্রচন্ড মনযোগী। সিবিএসসি-র নিয়মানুসারে আমরা র্যাঙ্কিং দিতে পারি না। কিন্তু ওর রেজাল্ট বরাবরই প্রথম দিকেই থাকত।ওই স্কুলেরই বাংলার শিক্ষক সুমন নাগ জনতার কথাকে বলেন সমন্বিতা শুধু পড়াশোনা নয় ওর আরও নানা বিষয়ে আগ্রহ আছে। ও অসাধারণ আবৃত্তি করে, স্কুলের বাৎসরিক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান মেসমারাইজ সহ বিভিন্ন অনুষ্ঠানে নানা ভূমিকায় অভিনয় করেছে। সমন্বিতা প্রতিভার আরেকদিক হল অঙ্কন শৈলী। অঙ্কনে বর্ধমান জেলা আয়োজিত উৎকর্ষ প্রতিযোগিতায় প্রথম স্থান লাভ করেছে এবং ওই বছরে কুইজ প্রতিযোগিতায় জেলায় তৃতীয় স্থান লাভ করে। আমি একজন শিক্ষক হিসাবে অত্যন্ত গর্ববোধ করি ওর জন্য এবং সাফল্য কামনা করি।স্কুলের সার্বিক সহযোগিতার জন্য এই সাফল্য সম্ভব হয়েছে বলে জানিয়েছেন সমন্বিতা। জনতার কথাকে সমন্বিতা পাল বলেন, আমি পড়াশোনার ফাঁকে সুযোগ পেলেই পেনসিল কাগজ নিয়ে আঁকতে বসে পড়ি। নানা রকমের প্রাকৃতিক দৃশ্যাবলী আঁকতে বেশী পছন্দ করি। তার কথায় আমার বেড়ে ওঠার পিছনে বর্ধমান মডেল স্কুলের অবদান অনস্বীকার্য, কিন্তু মায়ের অবদান কখনও ভুলতে পারব না। মা সারাক্ষণ আমাকে নিয়েই পড়ে থাকেন। এছাড়া আমাদের স্কুলে বছরভর নানা রকম কালচারাল অ্যাক্টিভিটি চলতেই থাকে। তাতে পার্টিসিপেসন করেও অনেক কিছু শিখেছি। শিক্ষকরাও প্রচণ্ড যত্নশীল। কোভিড পরিস্থিতির জন্য আমরা দীর্ঘদিন স্কুল যেতে পারিনি। কিন্তু শিক্ষকরা অনলাইনের মাধ্যমে এতটাই সতর্ক ও আন্তরিক যে আমি তো মাঝে মাঝে ভুলে যাই যে আমি স্কুলে নেই। কোভিডের সময় স্কুল থেকে বাড়িতে এসে আমাদের বই দিয়ে গেছে। এতটা সাহায্য না পেলে হয়ত আমাদের পক্ষে পড়াশোনা করাটা খুব চাপ হয়ে যেত। তিনি আরও জানান তাঁর লক্ষ্য জেইই অ্যাডভান্স। সেই সংক্রান্ত পড়াশোনাই চালিয়ে যাচ্ছেন। এছাড়াও ওই স্কুলের সোহম ঘোষ (৭৬) ও আরমান ভট্টাচার্য্য (২০০) ভালো ফলাফল করেন।জয়ন্ত চট্টোপাধ্যায়

জুন ২২, ২০২১
রাজ্য

Free Vaccination : বিনামূল্যে ৫৫০ জনকে টীকাকরণ অটোমোবাইল সংস্থার

করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ে বেসামাল হয়ে পড়েছিল রাজ্য তথা সারা দেশ। এবার তৃতীয় ঢেউয়ের দিন গোনা শুরু। এদিকে এখনও চলছে ভ্যাকসিনের আকাল। তারই মধ্যে সরকারিভাবে এখনও ১৮ থেকে ৪৫ বছর বয়সীদের টীকাকরণের কাজ এরাজ্যে শুরু হয়নি। যদিও দেশের অন্য কয়েকটি রাজ্যে তা শুরু হয়েছে। এরইমধ্যে রাজ্যের বেশ কিছু বেসরকারি সংস্থা নিজেদের উদ্যোগে বিনামূল্যে সংস্থার কর্মীদের টীকাকরণ কর্মসূচি পালন করছে।আরও পড়ুনঃ ভুয়ো টিকা-কাণ্ডে স্বাস্থ্য ভবনে শুভেন্দু, হতে পারে জনস্বার্থ মামলাওকলকাতার অন্যতম বৃহত্তম অটোমোবাইল ডিলার সংস্থা শ্রী অটোমোটিভ গ্রুপের উদ্যোগে ৫৫০ জন কর্মী ও তাঁদের পরিবারকে বিনামূল্যে করোনার টীকাকরণ করা হয়। সংস্থার পক্ষে টীকাকরণের উদ্যোগ নেন দুই ডিরেক্টর সৌরভ কেডিয়া, অভিষেক কেডিয়া ও চেয়ারম্যান শারদ কেডিয়া। সংস্থার ব্রাঞ্চ প্রধান গিরিজা সরকার বলেন, রাজ্য সরকারের সহযোগিতায় এই টীকারকণ সম্ভব হয়েছে। কোভিড আবহে আমাদের আফিসে কাজকর্ম চলছে। টীকাকরণ হওয়ায় কর্মীদের মনোবল বেড়ে যাবে। টীকাকরণের দায়িত্ব নেওয়ায় সংস্থার উর্দ্ধতন কতৃপক্ষকে ধন্যবাদ। তাঁরা যে কর্মীদের কথা ভেবেছে এটা বড় কথা।

জুন ২২, ২০২১
স্বাস্থ্য

COVID: করোনার তৃতীয় ঢেউয়ের সতর্কতা জারি, এবার নিস্তার নেই শিশুদেরও , বলছেন স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা

দ্বিতীয় ঢেউয়ের প্রায় অন্তিম লগ্নে ভারত পৌছে গেছে। সরকারি হিসাবে এখনও অবধি প্রথম ঢেউ ও দ্বিতীয় ঢেউ মিলিয়ে ৩,৮৮,১৩৫ জনের কোভিড মহামারীতে মৃত্যু হয়েছে। প্রায় ৩ কোটি মানুষ আক্রান্ত এই অতিমারী তে। চিকিৎসা মহলে করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ের আগাম সতর্কতা থাকা সত্ত্বেও সরকারি উদাসীনতা থাকায় এর ধাক্কায় বেসামাল সারা দেশ। অক্সিজেন, সেফ হোম, ভেন্টিলেটর, পর্যাপ্ত বেডসহ সব কিছুতেই যেন একটা নেই নেই রব উঠেছিল।দ্বিতীয় ঢেউয়ের অতিমারি পরিস্থিতি থেকে শিক্ষা নিয়ে বিভিন্ন সামাজিক মাধ্যম, সমাজসেবী সংগঠন, চিকিৎসক মহলের তরফ থেকে এখনই তৃতীয় ঢেউয়ের সতর্কনিয়ে প্রচার শুরু করে দিয়েছে। অন্ধ্রপ্রদেশের বিশাখাপত্তনম বন্দর পরিচালিত গোল্ডেন জুবিলি হাসপাতাল কতৃপক্ষ তৃতীয় ঢেউয়ের থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য কিছু সতর্ক বার্তা প্রচার করছেন। বার্তায় প্রধানত শিশুদের নিয়েই কিছু নির্দেশিকা পালন করার কথা বলা হয়েছে। কিছুদিন ধরেই তৃতীয় ঢেউয়ে শিশুদের আক্রান্ত হওয়ার এক সম্ভবনা কথা বলছেন বিশেষজ্ঞরা। যারফলে মানুষের মধ্যে নয়া আতঙ্ক সৃষ্টি হয়েছে। সেই আতঙ্ক থেকেই এই নির্দেশিকা জারি বলে মনে করা হচ্ছে।কি করবেন কি করবেন না (২০ বছর অবধি)১। খুব প্রয়োজন ছাড়া বাচ্ছাদের বাইরে বেরতে দেবেন না।২। আত্মীয়-স্বজনদের বাড়ি যাওয়া থেকে বিরত থাকুন।৩। কোনও সামাজিক অনুষ্ঠানে বাচ্ছাদের নিয়ে যাবেন না।৪। দিনে দুবার পরিষ্কার করে সাবান দিয়ে স্নান করান।৫। নিয়মিত ব্যবধানে হাত সাবান দিয়ে ধোয়ান বা স্যানিটাইজ করান। ৬। অপরিস্কার হাত চোখে ও মুখে দিতে দেবেন না।৭। বয়স্করাও বাইরে থেকে ফিরে নিজেদের স্যানিটাইজ না করে বাচ্ছাদের কাছে আসবেন না।৮। ইলেক্ট্রনিক্স গ্যাজেটস যেমন মোবাইল ফোন, ল্যাপটপ, হেডফোন ও খেলার সরঞ্জাম নিয়মিত স্যানিটাইজ করুন।৯। দিনে অন্তত ৩০ মিনিট হালকা রোদে বাচ্ছাদের খেলতে নিয়ে যান। ১০। স্নানঘর ও বাড়ি প্রতিদিন স্যানিটাইজ করুন।১১। নির্দিষ্ট দিন অন্তর মাথার বালিস ও তার কভার কাচতে দিন।১২। গরম জলে গার্গেল করান।১৩। সকলের দাঁত মাজার ব্রাশ পৃথক রাখুন।১৪। একান্তই বাইরে বেরলে সামাজিক দূরত্ব মেনে চলুন, মাস্ক পড়ুন, হাত স্যানিটাইজ করুন।১৫। বাচ্ছাদের সাথে করমর্দণ, চুম্বন ও আলিঙ্গন করবেন না।বাচ্ছাদের খাওয়া দাওয়া সংক্রান্ত কিছু উপদেশ দেওয়া হয়েছে হাসপাতালের তরফেঃ১। বেশী মাত্রায় প্রোটিন ডায়েট দেওয়া উচিত ক। দিনে দূটি ডিম। খ। সিদ্ধ ডাল যেমন- ছোলা, সবুজ ছোলা, রাজমা, মটরশুঁটি গ। ১০০ মিলি দুধ প্রত্যেকদিন। ২। টাটকা সব্জি, আমলকী, লেবু, মরসুমি সব্জি, শুকনো ফল (আমন্ড, কাজু, পেস্তা, আখরোট, কিসমিস, খেজুর)। এগুলি রোগ প্রতিরোধক ক্ষমতা বৃদ্ধিতে সাহায্য করে। ৩। বাড়ির রান্না খাবারই খান।৪। বাইরের খাবার এড়িয়ে চলুন, জাঙ্ক ফুড খাবেন না।লক্ষণ দেখে প্রাথমিক স্তরেই রোগের পরীক্ষা করুন ও চিকিৎসা করান। লক্ষণগুলি হলঃ১। জ্বর ও মাথা যন্ত্রণা।২। গায়ে, হাতে ও পায়ে ব্যাথা।৩। গলায় ব্যাথা।৪। শুকনো কাশি৫। ক্ষুদা-মন্দ, দুর্বলতা।৬। পাতলা পায়খানা।৭। ঘাড়ে ও চোখে যন্ত্রণা।৮। আরও কিছু শারীরিক অস্বস্থি।এই ধরনের কিছু অসুবিধা বুঝতে পারলেই চিকিৎসকের কাছে যান, পরীক্ষা করান, রোগ নির্ণয় হয়ে গেলে চিকিৎসকের পরামর্শ মতো চিকিৎসা শুরু করে দিন। প্রাথমিক স্তরে রোগ নির্ণয় হলে সুস্থ হয়ে ওঠার সম্ভবনা অনেক বেশী।জয়ন্ত চট্টোপাধ্যায়

জুন ২২, ২০২১
রাজ্য

Covid Hospital: রাজ্যে ২টি হাসপাতাল তৈরি করতে অর্থ বরাদ্দ পিএম কেয়ার্সের

কংগ্রেস সাংসদ অধীর চৌধুরীকে দেওয়া কথা রাখলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi)। বহরমপুর এবং কল্যাণীতে জোড়া কোভিড হাসপাতাল তৈরির কাজ শুরু করে দিল DRDO। ওই হাসপাতাল দুটির জন্য PM-CAERS তহবিল থেকে ৪১.৬২ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। বুধবার প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর সূত্রে এমনই খবর মিলেছে।মুর্শিদাবাদে কোভিড চিকিৎসার উপযুক্ত পরিকাঠামো নেই। এই অভিযোগ তুলে সরাসরি প্রধানমন্ত্রীর কাছে বহরমপুরে ৫০০ বেডের একটি অস্থায়ী কোভিড হাসপাতাল তৈরি করার অনুরোধ জানান অধীর (Adhir Ranjan Chowdhury)। চিঠি লেখার পাশাপাশি সিবিআই প্রধান নির্বাচনের বৈঠকের ফাঁকে সরাসরি প্রধানমন্ত্রীর কাছে এই অস্থায়ী হাসপাতালের ব্যবস্থা করতে অনুরোধ করেন বহরমপুরের সাংসদ। সূত্রের খবর, প্রধানমন্ত্রী তাঁকে আশ্বাস দেন, দ্রুত তাঁর লোকসভা কেন্দ্রে একটি বড় অস্থায়ী কোভিড হাসপাতাল তৈরি করবে DRDO। প্রথমে ঠিক ছিল ১ হাজার বেডের একটি অস্থায়ী কোভিড হাসপাতাল বহরমপুরে তৈরি হবে। সেই অনুযায়ী জমিও চাওয়া হয়।কিন্তু পরে দেখা যায় বহরমপুরে যে জায়গা হাসপাতালের জন্য বরাদ্দ হয়েছে, তাতে মেরেকেটে আড়াইশো বেডের হাসপাতাল তৈরি হতে পারে। তারপরই কেন্দ্রের তরফে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, PM CARES-এর টাকায় বহরমপুরে একটি এবং কল্যাণীতে একটি অস্থায়ী হাসপাতাল তৈরি করা হবে। দুটি হাসপাতালই তৈরি হবে আড়াশো বেডের। বুধবারই হাসপাতালগুলি তৈরির জন্য ৪১.৬২ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। প্রসঙ্গত, দুটি হাসপাতাল তৈরির পাশাপাশি মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজে একটি অক্সিজেন প্লান্ট তৈরিরও অনুরোধ জানিয়েছিলেন অধীর। DRDO ইতিমধ্যেই সেই প্লান্ট তৈরি করে দিয়েছে।

জুন ১৬, ২০২১
রাজ্য

Vaccine: আতঙ্কিত মেডিক্যাল রিপ্রেজেন্টেটিভদের সুরক্ষার আবেদন

কোভিড আবহে ভ্যাকসিনের আকাল এমনিতেই প্রকট সাধারণ মানুষদের জন্য। কিন্তু করোনার সঙ্গে লড়াইয়ে সমাজের প্রথম সারির করোনা যোদ্ধাদের জন্য সরকার বিশেষ ব্যবস্থা করেছে। প্রথমসারির যোদ্ধাদের প্রথমে ভ্যাকসিন দেওয়াকেই প্রাধান্য দিয়ে এসেছে কেন্দ্র ও রাজ্য সরকার। চিকিৎসক, নার্স, চিকিৎসাকর্মী, সাংবাদিকদের প্রথম সারির কোভিড যোদ্ধা ঘোষণা করা হয়েছে। কিন্তু চিকিৎসার সঙ্গেই যুক্ত মেডিক্যাল রিপ্রেজেন্টেটিভদের জন্য ভ্যাকসিনের কোনও ব্যবস্থা করা হয়নি কেন্দ্র, রাজ্য বা ওষুধ কোম্পানিগুলোর তরফে। এই কঠিন সময়ে তাঁরা ঝুঁকি নিয়ে চিকিৎকদের কাছে ওষুধ জোগানের ব্যবস্থা করে গিয়েছে। কিন্তু তাঁদেরই সুরক্ষা এখন অবহেলিত। ইতিমধ্যেই রাজ্যে ২১ জন মেডিক্যাল রিপ্রেজেন্টেটিভ করোনা আক্রান্ত হয়ে মারা গিয়েছেন বলে জানা যায়। পরিসংখ্যান অনুসারে রাজ্যে মোট ১০ হাজার মেডিক্যাল রিপ্রেজেন্টেটিভ রয়েছেন। যার মধ্যে বর্ধমান শহরেই রয়েছেন প্রায় ২ হাজার জন। যাদের মধ্যে প্রায় ৮০ শতাংশের বয়স ১৮ থেকে ৪৫ বছরের মধ্যে। এখানে উল্লেখ্য বর্তমানে সরকারি নির্দেশিকা অনুসারে ওই বয়সিদের টিকাকরণ বন্ধ আছে, এবং টিকার সরবরাহের অপ্রতুলাতার জন্য সাধারন ভাবে টিকা পাওয়াও প্রায় দুষ্কর হয়ে উঠেছে। তারা কবে টিকা পাবেন জানেন না, কিন্তু এই মহামারি কালেই তাদের নিত্যদিন জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চিকিৎসকদের সাথে সাক্ষাত করতে অসুরক্ষিত অবস্থাতেই বাড়ি থেকে বেরোতে হচ্ছে। বর্ধমানে ২ জন মেডিক্যাল রিপ্রেজেন্টেটিভের মৃত্যু হয়েছে করোনা সংক্রমিত হয়ে। মৃতদের নাম সন্তু দত্ত (ফার্মেড) ও অনিমেশ প্রসাদ রায়।রাজ্যে যাতে আর কোনও মেডিক্যাল রিপ্রেজেন্টেটিভের অকাল মৃত্যু না হয়, সেজন্য জেলাশাসকের ও জেলা মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিকের কাছে আবেদন জানিয়েছে ওয়েস্টবেঙ্গল মেডিক্যাল অ্যান্ড সেলস রিপ্রেজেন্টেটিভ ইউনিয়ন। ইউনিয়নের জেলা সম্পাদক ও রাজ্য কমিটির সদস্য কৌশিক ব্যানার্জি জানান, অবিলম্বে এই মেডিক্যাল রিপ্রেজেন্টেটিভদের ভ্যাকসিন দেওয়ার ব্যবস্থা করুক সরকার ও ওষুধ সংস্থা। কৌশিক ব্যানার্জি আরও জানান যে জেলার বিভিন্ন বাজার কমিটি উদ্যোগ নিয়ে এলাকার দোকানদার, হকার এবং তাদের পরিবারদেরও টিকার ব্যবস্থা করছেন সেখানে তাঁরাই ব্রাত্য। তাঁর বক্তব্য, আমরা যে কাজ করি সেটা জরুরী পরিসেবার আওতায় নেই, এটা রাজ্য কর্মচারি অ্যাক্ট-এর আওতায় পরে, সেই কারনেই কি আমাদের টিকার অগ্রাধিকার নেই? তাই যদি হয় তাহলে কোম্পানিগুলিও আমাদের বাধ্য করতে পারে না অতিমারিকালে কাজ করাতে। বর্ধমান শহরে কর্মরত মেডিক্যাল রিপ্রেজেন্টেটিভ সন্দীপন মণ্ডল বলেন, আমাদের কাজে বেরতে কোনও সমস্যা নেই এবং আমরা যথারীতি দায়িত্ব পালন করে চলেছি। আমাদের শুধু সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কাছে একটাই আবেদন আমাদের ও পরিবারের কথা ভেবে পরিসেবাকে জরুরি পরিসেবার মর্যাদা দিয়ে দ্রুত টিকাকরণের ব্যবস্থা করুক সরকার।

জুন ১৩, ২০২১
স্বাস্থ্য

E-Sanjivani: স্বাস্থ্য মন্ত্রকের টেলিমেডিসিন সার্ভিস - "ই-সঞ্জীবনী" 'ডিজিটাল ইন্ডিয়া'-র বাস্তব প্রয়োগ

কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের জাতীয় টেলিমেডিসিন সার্ভিস - ই-সঞ্জীবনী ৩৭৫ টিরও বেশি অনলাইন বহির্বিভাগের মাধ্যমে ৬০ লক্ষেরও বেশী মানুষকে পরামর্শ দিয়ে এক দৃস্টান্ত স্থাপন করেছে। এই সরকারী ডিজিটাল পোর্টালের মাধ্যমে গড়ে ৪০,০০০ এরও বেশি রোগী প্রতিদিন নিজেদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করাচ্ছেন। এই ডিজিটাল পোর্টালে ৩৭৫টির বেশী বহির্বিভাগে ১৬০০ এরও বেশি বিশেষঞ্জ চিকিৎক চিকিৎসা করছেন। বর্তমানে, জাতীয় টেলিমেডিসিন পরিষেবাটি ৩১ টি রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে পরিসেবা দিচ্ছে।কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রক এই উদ্যোগটি ২০১৯ সালের নভেম্বরে নেয় আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্পের মাধ্যমে। তারা এই প্রকল্পটি পরিসেবা দিতে চেয়েছিল সরকারি সাস্থ্য দপ্তরের অধীনে ১,৫৫,০০০ স্বাস্থ্য কেন্দ্রগুলির মাধ্যমে। কিন্তু তা বাস্তবায়িত করার জন্য আরও সময়ের প্রয়োজন ছিল। ২০২০ সালের মার্চ মাসে COVID-19 মহামারীর কারণে সারা দেশে চিকিৎসা ক্ষেত্রে বহির্বিভাগ বন্ধ হয়ে যাওয়ার জন্য কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক সেন্টার ফর অ্যাডভান্সড কম্পিউটিং (মোহালি)-এর সহযোগিতায় এই উদ্যোগটি দ্রুত চালু করা হয়েছে। ই-সঞ্জীবনী এবি-এইচডাব্লুসি প্রকল্পে বিশেষঞ্জ ডাক্তারা রা মিলিত হয়ে টেলিমেডিসিন প্ল্যাটফর্মটি প্রায় ৩০ টি রাজ্যের ২০,০০০ স্বাস্থ্য কেন্দ্রের সাথে যুক্ত থেকছেন। প্রতিরক্ষা মন্ত্রকও ই-সংজীবনী বহির্বিভাগের সাথে যুক্ত হয়ে জাতীয়স্তরে প্রায় ১০০ ওপর অভিঞ্জ চিকিৎসক ও বিষেশঞ্জ নিয়ে মন্ত্রনালয় কর্তৃক গৃহীত প্রকল্পে সারাদেশে রোগীদের সেবা দিচ্ছেন।অনেক রাজ্যের লোকেরা ই-সঞ্জীবনী প্রকল্পটিকে মান্যতা দিয়েছেন এবং এর ফলে স্বাস্থ্যসেবার এই ডিজিটাল পদ্ধতিটি ব্যাপকভাবে সাড়া ফেলে দিয়েছে। এটি প্রকল্পটিতে গ্রামীণ অঞ্চলের স্বাস্থ্যসেবা কেন্দগুলিতেগুলির মানুষ দারুন ভাবে উপকৃত হয়েছেন। তদুপরি, এই পরিষেবাটি শহরাঞ্চলে রোগীদের জন্যও কার্যকর হয়েছে, বিশেষত মহামারীর দ্বিতীয় ঢেউয়ের সময়ে যা স্বাস্থ্যসেবা পরিষেবার হাত আরও শক্ত করেছে। খুব স্বল্প সময়ের মধ্যে, কেন্দ্রীয় সরকার ভারতের জাতীয় টেলিমেডিসিন পরিষেবা নগর ও গ্রামীণ ভারতে ডিজিটাল স্বাস্থ্য বিভাজনকে যুক্ত করে ভারতীয় স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থাকে দারুন ভাবে সহায়তা করেছেন। এটি গ্রামীন হাসপাতালগুলিতে যে সাস্থ্য কর্মীর অভাব তার বোঝা কমাতে ও বিশেষঞ্জ চিকিৎকের ঘাটতিও মেটাতেও সাহায্য করেছে। জাতীয় ডিজিটাল স্বাস্থ্য মিশনের সাথে সামঞ্জস্য রেখে ই সঞ্জীবনী দেশে ডিজিটাল স্বাস্থ্য ব্যবস্থাকে জোরদার করছে।ই-সঞ্জীবনী প্রকল্প যে যে রাজ্য চালু করেছে তার ক্রমানুসারে শীর্ষস্থানে আছে অন্ধ্রপ্রদেশ, সেখানে প্রায় ১২লক্ষেরও বেশি মানুষ এই প্রকল্পের সুবিধা ভোগ করেছেন। বাকি রাজ্যগুলি হল যথাক্রমেঃ তামিলনাড়ু (১১৬১৮৭), কর্ণাটক (১০৫৬৪৪৭), উত্তরপ্রদেশ (৯৫২৯২৬), গুজরাট (২৬৭৪৮২), মধ্য প্রদেশ (২৬৪৩৬৪), বিহার (১৯২৫৩৭), মহারাষ্ট্র (১৭৭৬২৯), কেরাল (১৭৩৭৩৪4) এবং উত্তরাখণ্ড (১৩৪২১৪)।

জুন ১২, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • 10
  • 11
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

লন্ডনের রাস্তায় ভিক্ষুক কেন? বিষয়টা হল মন্ত্রীর বাচনভঙ্গী। আসল অভিমুখের সমস্যা দেখুন।

মানবিক আচরণ করুন, পার্কস্ট্রিটের ফুটপাথবাসী পরিবারের পাশে কুণালফুটপাথে শিশুর দুধ গরম করা নিয়ে পুরমন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পালের মন্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক বিতর্কের মধ্যেই পার্কস্ট্রিটের ওই ফুটপাথবাসী পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন তৃণমূল বিধায়ক কুণাল ঘোষ। এদিন তিনি ওই পরিবারের সঙ্গে দেখা করেন। একই সঙ্গে পার্কস্ট্রিট থানার পুলিশের কাছেও পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে মানবিক আচরণের আবেদন জানান তিনি।কুণাল ঘোষের বক্তব্য, ফুটপাথে বসবাসকারী মানুষও সমাজেরই অংশ। তাঁদের সঙ্গে সহানুভূতিশীল ও মানবিক আচরণ করা প্রয়োজন। বিশেষ করে কোনও পরিবারের শিশু, মহিলা বা অসহায় সদস্যদের বিষয়টি বিবেচনা করে প্রশাসনের আরও সংবেদনশীল হওয়া উচিত বলেই মনে করেন তিনি।অগ্নিমিত্রা পালের আচরণ ও মন্তব্য প্রসঙ্গে কুণালের বক্তব্যের মূল সুর ছিলকোনও সমস্যার সমাধান করতে গিয়ে অসহায় মানুষকে হেয় বা অপমান করা উচিত নয়। ফুটপাথে কেন কোনও পরিবারকে থাকতে হচ্ছে, সেই বৃহত্তর সামাজিক ও মানবিক সমস্যাটিও প্রশাসনকে দেখতে হবে। সামাজ মাধ্যমে এক ব্যক্তির প্রশ্নের উত্তরে কুনাল ঘোষ লেখেন, দিল্লী বা লন্ডনের রাস্তায় ভিক্ষুক কেন? রাস্তায় ভিক্ষুক এ বিষয়টার থেকেও গুরুত্বপূর্ন হল মন্ত্রীর বাচনভঙ্গী বলেন কুনাল ঘোষ।এদিকে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বাম ও তৃণমূল শিবির থেকে অগ্নিমিত্রা পালের সমালোচনা শুরু হয়েছে। বাম নেত্রী কনীনিকা ঘোষও পুরমন্ত্রীর আচরণের নিন্দা করেছেন।যদিও রাজনৈতিক চাপানউতোরের মাঝেই অগ্নিমিত্রা পালের পাশে দাঁড়িয়েছেন বিজেপি বিধায়ক কৌস্তভ বাগচি। তাঁর দাবি, ওই পরিবারের নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখেই পুরমন্ত্রী পদক্ষেপ করেছিলেন। বিষয়টিকে নেগেটিভ ভাবে তুলে ধরা হচ্ছে বলেও দাবি তাঁর।ফলে ফুটপাথে শিশুর দুধ গরম করা নিয়ে শুরু হওয়া বিতর্ক ক্রমেই রাজনৈতিক তরজায় পরিণত হয়েছে। একদিকে ফুটপাথবাসী পরিবারের প্রতি মানবিক আচরণের দাবি, অন্যদিকে তাঁদের নিরাপত্তার যুক্তিদুই ভিন্ন অবস্থানকে ঘিরেই এখন সরগরম রাজ্য রাজনীতি।

আগস্ট ২৪, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

যুবভারতীতে লাল-হলুদ ঝড়, বাগানকে উড়িয়ে ২২ বছর পর ডুরান্ড ইস্টবেঙ্গলের

২২ বছরের অপেক্ষার অবসান। কলকাতার যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে ডুরান্ড কাপের ফাইনালে মোহনবাগানকে ৪-১ গোলে উড়িয়ে দিয়ে ফের ট্রফি ঘরে তুলল ইস্টবেঙ্গল। ডার্বির মঞ্চে এমন একতরফা জয় যে লাল-হলুদ সমর্থকদের কাছেও ছিল প্রায় অবিশ্বাস্য। আর সেই জয়ের কেন্দ্রে একটাই নামএডমুন্ড লালরিনডিকা। দুরন্ত হ্যাটট্রিক করে তিনিই হয়ে উঠলেন রাতের নায়ক।গ্রুপ পর্বে মোহনবাগানের কাছে হারের যন্ত্রণা ছিল ইস্টবেঙ্গলের। ফাইনালের মঞ্চে সেই হারের জবাব দেওয়ার সুযোগও ছিল। কিন্তু জবাবটা যে এতটা নির্মম হবে, তা সম্ভবত কেউই ভাবেননি। ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণের ঝড় তুলে মাত্র ২২ মিনিটের মধ্যেই তিন গোল করে ইস্টবেঙ্গল কার্যত ম্যাচের ভাগ্য লিখে ফেলে।শুরুটা করেন বিপিন সিংহ। মোহনবাগানের রক্ষণ তখনও নিজেদের মধ্যে সামলে ওঠার চেষ্টা করছে। সেই সুযোগেই ইস্টবেঙ্গলের আক্রমণ পৌঁছে যায় বিপজ্জনক জায়গায়। বিপিনের গোলের পর আরও ভয়ঙ্কর হয়ে ওঠে লাল-হলুদ আক্রমণ। মুহূর্তের মধ্যে জোড়া গোল করে ব্যবধান বাড়িয়ে দেন এডমুন্ড।৩-০ পিছিয়ে গিয়ে মোহনবাগান কিছুটা ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করেছিল। মনবীর সিংহ ব্যক্তিগত দক্ষতায় একটি গোল শোধও করেন। কিন্তু সেই প্রত্যাবর্তনের সম্ভাবনাও বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি। প্রথমার্ধ শেষ হওয়ার আগেই ফের গোল করে নিজের হ্যাটট্রিক সম্পূর্ণ করেন এডমুন্ড। এক ফাইনালের প্রথমার্ধেই চার গোলতার মধ্যে তিনটি একই ফুটবলারের! যুবভারতীর গ্যালারিতে তখন কার্যত লাল-হলুদ উৎসব।দ্বিতীয়ার্ধে মোহনবাগান ব্যবধান কমানোর চেষ্টা করলেও ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি ছিল ইস্টবেঙ্গলের হাতে। সবুজ-মেরুন আক্রমণে সেই ধার দেখা যায়নি, যা একটি ডার্বি ফাইনালে প্রত্যাশিত। বরং ইস্টবেঙ্গল সুযোগ পেলেই দ্রুত আক্রমণে উঠে এসেছে এবং আরও গোলের সম্ভাবনা তৈরি করেছে। শেষ পর্যন্ত ৪-১ স্কোরলাইনেই শেষ হয় ম্যাচ।ইস্টবেঙ্গলের সাফল্যের অন্যতম বড় কারণ ছিল দলের সামগ্রিক সংগঠন। মাঝমাঠে মহম্মদ রশিদ ছিলেন অসাধারণ। বল নিয়ন্ত্রণ, পাসিং এবং খেলা পরিচালনায় বারবার তিনি মোহনবাগানের ছন্দ নষ্ট করেছেন। তাঁর সঙ্গে জিকসন সিংহ, আনোয়ার আলি এবং জয় গুপ্তারাও নিজেদের দায়িত্ব নিখুঁত ভাবে পালন করেন।অন্যদিকে মোহনবাগানের সবচেয়ে বড় দুর্বলতা হয়ে দাঁড়ায় রক্ষণ। শুভাশিস বসু, আলবের্তো রদ্রিগেজ়দের মধ্যে সমন্বয়ের অভাব বারবার প্রকট হয়েছে। ইস্টবেঙ্গলের দ্রুত আক্রমণের সামনে তাঁরা অনেক সময়ই দিশেহারা হয়ে পড়েন। বিশেষ করে তৃতীয় ও চতুর্থ গোলের ক্ষেত্রে রক্ষণভাগের ভুল চোখে পড়ার মতো।মাঝমাঠেও মোহনবাগান প্রত্যাশিত প্রভাব ফেলতে পারেনি। আপুইয়া এবং অনিরুদ্ধ থাপা কার্যত নিষ্প্রভ ছিলেন। আক্রমণে জেমি ম্যাকলারেনও একাধিক সহজ সুযোগ নষ্ট করেন। মনবীর গোল করলেও দলকে ম্যাচে ফেরানোর মতো ধারাবাহিকতা তৈরি করতে পারেননি।ফাইনালের আগে মোহনবাগানের ক্লান্তি নিয়ে আলোচনা ছিল। শিলংয়ে সেমিফাইনাল, প্রতিকূল আবহাওয়া এবং কর্দমাক্ত মাঠে খেলার ধকলসবই ছিল। কিন্তু ডার্বির মতো বড় ফাইনালে সেই ক্লান্তিকে অজুহাত হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। ইস্টবেঙ্গলও একই টুর্নামেন্টের চাপ সামলে মাঠে নেমেছিল, অথচ তাদের ফুটবলারদের মধ্যে ছিল অনেক বেশি তাগিদ, ক্ষুধা এবং জয়ের মানসিকতা।আর সেই মানসিকতারই সবচেয়ে বড় প্রতিফলন এডমুন্ডের হ্যাটট্রিকে। তিন গোল করে শুধু ম্যাচের সেরা ফুটবলারই হলেন না, ডুরান্ডের ইতিহাসে ইস্টবেঙ্গলের প্রত্যাবর্তনের রাতটিকেও নিজের নামে লিখে দিলেন তিনি।মজার বিষয়, ম্যাচের বিভিন্ন পরিসংখ্যানে মোহনবাগান কিছু ক্ষেত্রে এগিয়ে থাকলেও তার কোনও প্রভাব পড়েনি স্কোরলাইনে। কারণ ফুটবল শুধু বল দখল বা শটের সংখ্যা দিয়ে জেতা যায় নাবড় ম্যাচে প্রয়োজন সঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্ত এবং সুযোগকে গোলে পরিণত করার ক্ষমতা। সেই পরীক্ষায় রবিবার সম্পূর্ণ সফল ইস্টবেঙ্গল।২২ বছর আগে শেষ বার ডুরান্ড কাপ জিতেছিল ইস্টবেঙ্গল। তারপর দীর্ঘ অপেক্ষা, হতাশা এবং একের পর এক অসম্পূর্ণ স্বপ্ন। সেই অপেক্ষার অবসান হল চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী মোহনবাগানকে ৪-১ গোলে হারিয়েই। ফলে এই জয় শুধু একটি ট্রফি জয় নয়লাল-হলুদ সমর্থকদের কাছে এটি দীর্ঘ অপেক্ষার পর ফিরে পাওয়া গৌরবের রাত।একদিকে এডমুন্ডের হ্যাটট্রিক, অন্যদিকে মোহনবাগানের রক্ষণভাগের বিপর্যয়সব মিলিয়ে যুবভারতীতে রবিবারের ডার্বি যেন হয়ে রইল এক লাল-হলুদ ঝড়ের রাত।তবে ইস্টবেঙ্গল সমর্থকদের মনে হয়তো শেষ পর্যন্ত একটাই আক্ষেপ থেকে গেলচার নয়, আরও কয়েকটি গোল হতে পারত!

আগস্ট ২৩, ২০২৬
টুকিটাকি

কাঁচা কুমড়ো না পাকা কুমড়ো, কোনটি বেশি উপকারী?

কুমড়ো বাঙালির রান্নাঘরের অতি পরিচিত একটি সবজি। কাঁচা সবুজ কুমড়ো হোক বা পাকা হলুদ-কমলা কুমড়ো, দুটিরই রয়েছে নানা পুষ্টিগুণ। তবে পরিপক্বতার সঙ্গে কুমড়োর পুষ্টি উপাদানে কিছুটা পরিবর্তন ঘটে। বিশেষ করে পাকা কমলা কুমড়ো বিটা-ক্যারোটিনের অন্যতম ভালো উৎস হিসেবে পরিচিত।কাঁচা কুমড়োতে তুলনামূলকভাবে ভিটামিন C-এর পরিমাণ বেশি থাকতে পারে। এতে ক্যালোরিও কম, ফলে ওজন নিয়ন্ত্রণের খাদ্যতালিকায় এটি রাখা যেতে পারে। কিছু জাতের অপরিপক্ব কুমড়োতে অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট কার্যকারিতাও দেখা যায়। তবে কাঁচা কুমড়ো রান্না করে খাওয়াই ভালো, কারণ তাতে হজম সহজ হয়।অন্যদিকে, পাকা হলুদ বা কমলা কুমড়োর প্রধান বৈশিষ্ট্য হল প্রচুর বিটা-ক্যারোটিন। শরীর এই উপাদানকে ভিটামিন A-তে রূপান্তর করে। ফলে চোখের স্বাস্থ্য, ত্বক এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বজায় রাখতে পাকা কুমড়ো উপকারী। এতে লুটেইন ও জিয়াজ্যানথিনের মতো অ্যান্টিঅক্সিড্যান্টও রয়েছে। রান্না করলে কুমড়োর বিটা-ক্যারোটিন শরীর তুলনামূলক সহজে শোষণ করতে পারে।কুমড়োকে ক্যানসারের ওষুধ বা নিশ্চিত প্রতিরোধক বলা যায় না। তবে এতে থাকা ক্যারোটিনয়েড, পলিফেনল, ভিটামিন C ও E এবং খাদ্যআঁশ শরীরকে অক্সিডেটিভ ক্ষতি থেকে রক্ষা করতে ভূমিকা রাখতে পারে। তাই স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাসের অংশ হিসেবে কুমড়ো খাওয়া উপকারী হতে পারে।কুমড়োর বীজেও রয়েছে প্রোটিন, স্বাস্থ্যকর অসম্পৃক্ত চর্বি, জিঙ্ক, ম্যাগনেসিয়াম ও ভিটামিন E। হৃদ্স্বাস্থ্য ও সামগ্রিক পুষ্টির জন্য এগুলি গুরুত্বপূর্ণ।পুষ্টিগত বিচারে বিটা-ক্যারোটিনের জন্য পাকা কমলা কুমড়ো কিছুটা এগিয়ে থাকলেও কাঁচা কুমড়োকেও খাদ্যতালিকা থেকে বাদ দেওয়ার কারণ নেই। অল্প তেলে রান্না করে, অতিরিক্ত ভাজা বা চিনি এড়িয়ে কুমড়ো খাওয়াই ভালো। সব মিলিয়ে, বিভিন্ন ধরনের সবজি, ডাল ও স্বাস্থ্যকর খাবারের সঙ্গে কুমড়ো রাখলেই মিলবে বেশি সুষম পুষ্টি।

আগস্ট ২৩, ২০২৬
রাজ্য

ওয়াকফ-অশান্তির মামলায় নাম, এবার তৃণমূল ছেড়ে অধীরের হাত ধরে কংগ্রেসে ইনজামুল! কেন এই দলবদল?

ওয়াকফ সংশোধিত আইনকে কেন্দ্র করে অশান্তির ঘটনার পর থেকেই বিতর্কে ছিলেন ধুলিয়ানের পুরপ্রধান ইনজামুল ইসলাম রাজা। এবার সেই ইনজামুলই তৃণমূল ছেড়ে কংগ্রেসে যোগ দিলেন। রবিবার প্রদেশ কংগ্রেসের প্রাক্তন সভাপতি অধীর রঞ্জন চৌধুরীর হাত ধরে কংগ্রেসে যোগ দেন তিনি। তাঁর এই দলবদল ঘিরে মুর্শিদাবাদের রাজনীতিতে নতুন করে চর্চা শুরু হয়েছে।গত বছর সংশোধিত ওয়াকফ আইনকে কেন্দ্র করে জঙ্গিপুরের সামশেরগঞ্জ, সুতি এবং ধুলিয়ানে অশান্তি ছড়িয়েছিল। সেই ঘটনায় ইনজামুল ইসলাম রাজার বিরুদ্ধে প্ররোচনা দেওয়ার অভিযোগ ওঠে। বর্তমানে সেই মামলা চলছে। তবে তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ইনজামুল। তাঁর দাবি, রাজনৈতিক কারণে তাঁকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো হয়েছে।রবিবার ধুলিয়ানের কাঞ্চনতলা ঘাটে কংগ্রেসের যোগদান সভায় বড়সড় দলবদল হয়। ইনজামুল ইসলাম রাজার পাশাপাশি ধুলিয়ান পুরসভার ভাইস চেয়ারম্যান খায়রুল আলম, কাউন্সিলর শরিফ শেখ, ফারহানা খাতুন-সহ একাধিক কাউন্সিলর এবং তৃণমূলের কর্মীরা কংগ্রেসে যোগ দেন। একই দিনে মুর্শিদাবাদ জেলা পরিষদের প্রাক্তন সহকারী সভাধিপতি ওবায়দুর রহমানও কংগ্রেসে যোগ দিয়েছেন।ইনজামুলের দলবদলকে ঘিরে রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়েছে। বিজেপির দক্ষিণ মালদহ সাংগঠনিক জেলার সহ-সভাপতি মিলন ঘোষ কটাক্ষ করে দাবি করেন, তৃণমূলের দুর্নীতি থেকে বাঁচতেই অনেকে দলবদল করছেন। সামশেরগঞ্জের অশান্তিতে যাঁদের নাম উঠেছিল, তাঁরাও নিজেদের বাঁচাতে দল পরিবর্তন করছেন বলে অভিযোগ করেন তিনি। তবে দলবদল করেও তাঁরা আইনি পরিস্থিতি থেকে রেহাই পাবেন না বলেও দাবি করেন বিজেপি নেতা।বিজেপির এই অভিযোগ অবশ্য সরাসরি খারিজ করেছেন ইনজামুল ইসলাম রাজা। তাঁর দাবি, সামশেরগঞ্জের অশান্তির সঙ্গে তাঁর কোনও যোগ ছিল না। রাজনৈতিক কারণে তাঁর বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা করা হয়েছে। সেই মামলার বিরুদ্ধে তিনি আইনি লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন।রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পর মুর্শিদাবাদে তৃণমূলের এই ভাঙন বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। ধুলিয়ান পুরসভার একাধিক জনপ্রতিনিধির একসঙ্গে দলবদল স্থানীয় রাজনীতিতে নতুন সমীকরণের ইঙ্গিত দিচ্ছে। বিশেষ করে ওয়াকফ-অশান্তির মামলা চলার মধ্যেই ইনজামুলের কংগ্রেসে যোগদান ঘিরে প্রশ্ন আরও জোরালো হয়েছে।এ দিনের যোগদান সভায় উপস্থিত ছিলেন অধীর রঞ্জন চৌধুরী, দক্ষিণ মালদহের সাংসদ ইশা খান চৌধুরী, ফরাক্কার বিধায়ক মনিরুল ইসলাম এবং জঙ্গিপুর মহকুমা কংগ্রেসের সভাপতি আলফাজুদ্দিন বিশ্বাস-সহ জেলা ও ব্লক স্তরের কংগ্রেস নেতৃত্ব।

আগস্ট ২৩, ২০২৬
কলকাতা

হঠাৎ বাংলায় এত বড় বিনিয়োগ! জাহাজ শিল্পে পাঁচ প্রকল্পের সূচনায় বাড়ল আশার আলো

পশ্চিমবঙ্গে জাহাজ নির্মাণ এবং প্রতিরক্ষা শিল্পের পরিকাঠামো আরও শক্তিশালী করার লক্ষ্যে বড় উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। গার্ডেনরিচ শিপবিল্ডার্সের ভবনে পাঁচটি সম্প্রসারণ প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়। এই পাঁচটি প্রকল্পে মোট ৩৪০৪ কোটি টাকা বিনিয়োগ করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।এই উদ্যোগের মধ্যে রয়েছে রাইচক CPR, টিম্বার পন্ট শিপবিল্ডিং ফ্যাসিলিটি, দামোদর শিপবিল্ডিং ফ্যাসিলিটি, রেডিয়াল ফোরজিং প্ল্যান্ট এবং ৩০০০ টন ওপেন-ডাই ফোরজিং প্রেস প্রকল্প। জাহাজ নির্মাণের পাশাপাশি প্রতিরক্ষা উৎপাদনের ক্ষেত্রেও এই প্রকল্পগুলি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।অনুষ্ঠানে বাংলায় বিনিয়োগ আনার ক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংয়ের ভূমিকার প্রশংসা করেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর প্রতি কৃতজ্ঞতাও প্রকাশ করেন তিনি। মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য, বাংলায় শিল্প গড়ে তোলার জন্য প্রয়োজনীয় জমি, দক্ষ মানবসম্পদ, পরিকাঠামো এবং কাঁচামাল রয়েছে। এতদিন এই সম্ভাবনাকে সঠিকভাবে কাজে লাগানো হয়নি বলেও দাবি করেন তিনি।কেন্দ্র ও রাজ্য সরকার একসঙ্গে কাজ করলে বাংলায় আরও বড় বিনিয়োগ আসতে পারে বলে বার্তা দেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর দাবি, নতুন সরকারের আমলে কেন্দ্র ও রাজ্যের সমন্বয়ের ফলে উন্নয়নের গতি আরও বাড়ছে।সীমান্ত সুরক্ষার প্রসঙ্গও উঠে আসে মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্যে। সীমান্তরক্ষী বাহিনীর জন্য জমি দেওয়া কোনও রাজনৈতিক বিষয় নয়, বরং রাজ্য সরকারের দায়িত্ব বলেই মন্তব্য করেন তিনি। নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর সীমান্তরক্ষী বাহিনীর জন্য প্রয়োজনীয় জমির প্রায় ৯০ শতাংশ হস্তান্তর করা হয়েছে বলেও দাবি করা হয়।দীর্ঘদিন বন্ধ থাকা জনগণনা সংক্রান্ত কাজও ফের শুরু হয়েছে বলে জানান মুখ্যমন্ত্রী। একইসঙ্গে রাজ্যে বেকারত্ব কমাতে শিল্পায়ন এবং বড় বিনিয়োগের উপর জোর দেওয়ার কথা বলেন তিনি।গার্ডেনরিচ শিপবিল্ডার্সের সম্প্রসারণের ক্ষেত্রেও রাজ্য সরকার জমি এবং পরিকাঠামো সংক্রান্ত বিষয়ে সহযোগিতা করবে বলে আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। ৩৪০৪ কোটি টাকার এই বিনিয়োগ দিয়েই উদ্যোগ শেষ নয়, আগামী দিনে বাংলায় আরও বড় বিনিয়োগ আসতে পারে বলেও আশা প্রকাশ করা হয়েছে।জাহাজ নির্মাণ এবং প্রতিরক্ষা উৎপাদনের পাশাপাশি এই ধরনের শিল্প প্রকল্পের মাধ্যমে কর্মসংস্থানের সুযোগও বাড়বে বলে মনে করা হচ্ছে। বাংলাকে ফের দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ শিল্প ও অর্থনৈতিক কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ বলে বার্তা দেওয়া হয়েছে।

আগস্ট ২৩, ২০২৬
কলকাতা

মহাকাশে বদলে যাচ্ছে ভারতের ছবি! স্টার্টআপ প্রধানদের সঙ্গে বৈঠকে কী বললেন মোদী?

জাতীয় মহাকাশ দিবসে দেশের মহাকাশ ক্ষেত্রে নতুন সম্ভাবনার কথা বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। রবিবার দেশের প্রথম সারির মহাকাশ স্টার্টআপগুলির প্রধানদের সঙ্গে বৈঠক করেন তিনি। বৈঠকে ভারতের মহাকাশ ক্ষেত্রে স্টার্টআপগুলির উদ্যম, উচ্চাকাঙ্ক্ষা এবং নতুন ভাবনার প্রশংসা করেন প্রধানমন্ত্রী। পাশাপাশি সাধারণ মানুষের জীবন আরও সহজ করতে মহাকাশ প্রযুক্তির নতুন ব্যবহার খুঁজে বার করার পরামর্শ দেন তিনি।মোদী বলেন, মহাকাশ প্রযুক্তিকে শুধু প্রচলিত কাজের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখলে চলবে না। মানুষের দৈনন্দিন জীবনের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানেও এই প্রযুক্তিকে কাজে লাগাতে হবে। প্রযুক্তির মাধ্যমে মানুষের জীবনযাত্রার মান কীভাবে আরও উন্নত করা যায়, সেই বিষয়ে নতুন করে ভাবার পরামর্শ দেন তিনি।ভারতের মহাকাশ ক্ষেত্রের ভবিষ্যৎ নিয়েও স্টার্টআপ প্রধানদের সঙ্গে আলোচনা করেন প্রধানমন্ত্রী। তাঁদের আত্মবিশ্বাস এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার প্রশংসা করে তিনি সরকারি নীতির ধারাবাহিকতার উপর জোর দেন। তাঁর বক্তব্য, সরকারের সিদ্ধান্তের উপর মহাকাশ ক্ষেত্রে কাজ করা সংস্থাগুলির যে আস্থা তৈরি হয়েছে, তা ধরে রাখা অত্যন্ত জরুরি।বিশ্বের মহাকাশ অর্থনীতিতে ভারতকে আরও বড় জায়গায় নিয়ে যাওয়ার কথাও বলেন মোদী। তাঁর আশা, আগামী দিনে মহাকাশ ক্ষেত্রে কোনও বড় প্রযুক্তিগত সাফল্য এলেই বিশ্বের নজর ভারতের স্টার্টআপগুলির দিকে ঘুরবে। ভারতীয় সংস্থাগুলি যেন বিশ্ব মহাকাশ ক্ষেত্রে নিজেদের শক্তিশালী পরিচয় তৈরি করতে পারে, সেই লক্ষ্যেই এগোতে হবে বলে বার্তা দেন তিনি।মহাকাশ স্টার্টআপ, মহাকাশ সংস্থা এবং বৃহত্তর প্রযুক্তি ক্ষেত্রের মধ্যে আরও বেশি সহযোগিতার প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। বিদেশে কাজ করা ভারতীয় দক্ষ পেশাদারদের দেশে ফিরে আসার প্রবণতাকেও ইতিবাচক বলে উল্লেখ করেন তিনি। তাঁর মতে, ভারতে এমন পরিবেশ তৈরি করা প্রয়োজন, যাতে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের দক্ষ মানুষ মহাকাশ ক্ষেত্রে কেরিয়ার গড়ার জন্য ভারতকে অন্যতম সেরা ঠিকানা হিসেবে বেছে নেন।মোদীর বক্তব্য, ভারতীয় মহাকাশ স্টার্টআপগুলির দ্রুত বৃদ্ধি আগামী দিনে বিশ্বের প্রতিভাবান পেশাদারদের আকৃষ্ট করতে পারে। শুধু দেশের প্রতিভা নয়, গোটা বিশ্বের দক্ষ মানুষকে ভারতের মহাকাশ ক্ষেত্রের সঙ্গে যুক্ত করার লক্ষ্যেই এগোতে হবে। জাতীয় মহাকাশ দিবসে প্রধানমন্ত্রীর এই বার্তায় মহাকাশ ক্ষেত্রে ভারতের ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন করে প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে।

আগস্ট ২৩, ২০২৬
রাজ্য

আবার নিম্নচাপের চোখরাঙানি! রবিবার থেকে মঙ্গলবার ভিজবে বাংলা, কোথায় ভারী বৃষ্টির আশঙ্কা?

রবিবার থেকেই বাংলার আবহাওয়ায় ফের বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিয়েছে আবহাওয়া দফতর। সকাল থেকেই আকাশ মেঘলা। উপকূলের দিকে ইতিমধ্যেই মেঘ ঢুকতে শুরু করেছে। ফলে রবিবার থেকে বৃষ্টি বাড়তে পারে। আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী মঙ্গলবার পর্যন্ত রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় বৃষ্টি চলতে পারে।গত সপ্তাহে নিম্নচাপের জেরে প্রবল বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত হয়েছিল দক্ষিণবঙ্গ। কলকাতা-সহ প্রায় সব জেলাতেই বৃষ্টি হয়েছিল। বহু জায়গায় জল জমে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ বাড়ে। এর মধ্যেই বঙ্গোপসাগরে ফের একটি নিম্নচাপ তৈরি হয়েছে। অগস্ট মাসে এটি তৃতীয় নিম্নচাপ বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর। নতুন এই নিম্নচাপের প্রভাবে আগামী কয়েক দিন রাজ্যে বৃষ্টির পরিমাণ বাড়তে পারে।আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, নতুন নিম্নচাপটি বাংলা ও ওড়িশা উপকূলের কাছে অবস্থান করছে। এর প্রভাবে উপকূলবর্তী এবং পশ্চিমাঞ্চলের জেলাগুলিতে বৃষ্টি বেশি হতে পারে। কলকাতায় হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।রবিবার দক্ষিণ ২৪ পরগনায় ভারী বৃষ্টির হলুদ সতর্কতা জারি করা হয়েছে। একই সঙ্গে দুই মেদিনীপুর এবং ঝাড়গ্রামেও ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। সোমবার ঝাড়গ্রাম, পুরুলিয়া এবং বাঁকুড়ায় ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। তবে নিম্নচাপের মূল প্রভাব পড়তে পারে ওড়িশা এবং ছত্তীসগঢ়ে।দক্ষিণবঙ্গের পর মঙ্গলবার থেকে উত্তরবঙ্গেও ভারী বৃষ্টির সতর্কতা জারি হয়েছে। দার্জিলিং, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার এবং জলপাইগুড়িতে ভারী বৃষ্টি হতে পারে। বুধবার কোচবিহার, আলিপুরদুয়ার এবং জলপাইগুড়িতে ভারী বৃষ্টির হলুদ সতর্কতা রয়েছে।বৃহস্পতিবারও রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে। ফলে সপ্তাহের শুরু থেকেই ফের বৃষ্টির দাপট দেখা দিতে পারে বাংলায়। নতুন নিম্নচাপের গতিপথ এবং শক্তি বদলালে বৃষ্টির পূর্বাভাসেও পরিবর্তন হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর।

আগস্ট ২৩, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

ব্রাজিল ম্যাচ বয়কটের ডাক বাইচুংয়ের, ‘স্থানীয় রাজনীতি’ বলে উড়িয়ে দিল ব্রাজিল! যুবভারতীর ম্যাচ ঘিরে তুঙ্গে বিতর্ক

৩ অক্টোবর কলকাতার যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে ভারত বনাম ব্রাজিলের বহু প্রতীক্ষিত ফুটবল ম্যাচ। বিশ্বের অন্যতম সেরা ফুটবল দলের বিরুদ্ধে ভারতের মাঠে নামার খবরে ইতিমধ্যেই ফুটবলপ্রেমীদের মধ্যে উন্মাদনা তৈরি হয়েছে। কিন্তু ম্যাচ যত এগিয়ে আসছে, ততই বাড়ছে বিতর্কও। একদিকে এই ম্যাচ আয়োজনকে ঘিরে বিপুল খরচ এবং দেশের ফুটবল পরিকাঠামো নিয়ে প্রশ্ন উঠছে, অন্যদিকে এর জন্য ঘরোয়া ফুটবল সূচি ও জাতীয় দলের পরিকল্পনায় প্রভাব পড়ছে বলে অভিযোগ।এই পরিস্থিতিতেই ভারতীয় ফুটবলের কিংবদন্তি বাইচুং ভুটিয়া সরাসরি ব্রাজিল ম্যাচ বয়কটের ডাক দিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, একটি মাত্র প্রদর্শনী ম্যাচের পিছনে বিপুল অর্থ খরচ না করে সেই টাকা দীর্ঘমেয়াদি ভাবে ভারতীয় ফুটবলের উন্নয়নে বিনিয়োগ করা উচিত। বাইচুংয়ের মতে, এমন ম্যাচের পিছনে অর্থ ব্যয় করলে তা দেশের ফুটবলের ভবিষ্যৎকে এগিয়ে নেওয়ার বদলে উল্টে পিছিয়ে দিতে পারে।বাইচুংয়ের কথায়, ম্যাচ বয়কট করলে একটি স্পষ্ট বার্তা যাবে। ভবিষ্যতে এই ধরনের বড় ম্যাচ আয়োজনের আগে ফেডারেশনকে আরও সতর্ক হয়ে সিদ্ধান্ত নিতে হবে।বিপুল খরচ, প্রশ্নের মুখে ঘরোয়া ফুটবলকলকাতায় ব্রাজিলকে নিয়ে ম্যাচ আয়োজন করতে প্রায় ৬০ থেকে ৭০ কোটি টাকা পর্যন্ত খরচ হতে পারে বলে জানা যাচ্ছে। ম্যাচের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে ব্রাজিলের পর্যবেক্ষক দল যুবভারতী পরিদর্শনও করেছে। স্টেডিয়ামের পরিকাঠামো নিয়ে তাদের তরফে কিছু উদ্বেগের কথাও উঠে এসেছে।এর পাশাপাশি সবচেয়ে বড় প্রশ্ন উঠেছে ভারতীয় ফুটবলের ঘরোয়া কাঠামো নিয়ে। ব্রাজিল ম্যাচকে কেন্দ্র করে আইএসএলের সূচি পিছিয়ে যাওয়ার জল্পনা তৈরি হয়েছে। ফলে ক্লাবগুলির প্রস্তুতি এবং গোটা মরসুমের পরিকল্পনা নিয়েও অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে।অন্যদিকে ফিফা এশিয়ান কাপের বিষয়টিও নতুন করে বিতর্ক তৈরি করেছে। একই সময়ে আন্তর্জাতিক ম্যাচ এবং অন্যান্য সূচির সংঘাতের কারণে ভারত এশিয়ান কাপ থেকে নাম প্রত্যাহার করেছে বলে খবর ছড়িয়েছে। যদিও এই বিষয়ে ব্রাজিল ফুটবল কর্তৃপক্ষের তরফে কোনও নিশ্চিত তথ্য তাদের কাছে নেই বলেই জানানো হয়েছে।বাইচুংয়ের প্রশ্নএক ম্যাচের জন্য এত টাকা কেন?বাইচুং ভুটিয়ার যুক্তি, ব্রাজিলের মতো দলের বিরুদ্ধে ৯০ মিনিটের ম্যাচ নিঃসন্দেহে ভারতীয় ফুটবলপ্রেমীদের কাছে বড় আকর্ষণ। কিন্তু সেই আবেগের বাইরে গিয়ে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার কথা ভাবতে হবে।তিনি প্রশ্ন তুলেছেন, যদি এত বড় অঙ্কের অর্থ হাতে থাকে, তবে তা আগামী কয়েক বছরের জন্য দেশের ক্রীড়া পরিকাঠামো, প্রতিভা অন্বেষণ, প্রশিক্ষণ এবং আন্তর্জাতিক মানের খেলোয়াড় তৈরিতে বিনিয়োগ করা যায় না কেন? তাঁর মতে, সেই বিনিয়োগ থেকে ভবিষ্যতে কমনওয়েলথ গেমস বা অলিম্পিক্সের মতো মঞ্চে পদক পাওয়ার সম্ভাবনাও তৈরি হতে পারে।এবার পাল্টা বার্তা ব্রাজিলেরভারতীয় ফুটবল মহলে যখন ম্যাচ বয়কট নিয়ে আলোচনা তুঙ্গে, তখন ব্রাজিলের ফুটবল কর্তাদের বক্তব্য পরিস্থিতিতে নতুন মাত্রা যোগ করেছে। একটি সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ভারতের অভ্যন্তরে এই ম্যাচ নিয়ে কী ধরনের বিতর্ক চলছে, তা নিয়ে ব্রাজিল কর্তৃপক্ষ বিশেষ চিন্তিত নয়। ম্যাচের সূচি পরিবর্তনেরও কোনও সম্ভাবনা নেই।বয়কট নিয়ে ব্রাজিলের তরফে বিশেষ মাথাব্যথা নেই বলেও ওই প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। বরং এই ধরনের বক্তব্যকে স্থানীয় রাজনৈতিক বা অভ্যন্তরীণ বিতর্কের অংশ হিসেবেই দেখা হচ্ছে বলে সূত্রের দাবি।এশিয়ান কাপ থেকে ভারতের নাম প্রত্যাহারের বিষয়েও ব্রাজিল কর্তৃপক্ষের কাছে কোনও স্পষ্ট তথ্য নেই বলে জানা গিয়েছে। ফলে ভারতের অভ্যন্তরীণ ফুটবল পরিস্থিতির সঙ্গে ব্রাজিলের কলকাতা সফরকে যুক্ত করার কোনও কারণ দেখছে না পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।ভারত আমাদের সমর্থন করেছে, বলছে ব্রাজিলব্রাজিল দলের পক্ষ থেকে রড্রিগো কেতানোও এই ম্যাচের গুরুত্ব ব্যাখ্যা করেছেন। তাঁর বক্তব্যের মূল সুরভারত বিশ্বকাপের সময়ে ব্রাজিলকে যে সমর্থন দিয়েছে, তার জন্য তারা কৃতজ্ঞ। কলকাতায় ম্যাচ আয়োজনকে তাই শুধু বাণিজ্যিক বা প্রদর্শনী ম্যাচ হিসেবে দেখছে না ব্রাজিল।ব্রাজিলের তরফে জানানো হয়েছে, এই ম্যাচে তারা নিজেদের সেরা ফুটবল উপহার দিতে চায়। অর্থাৎ ভারতের মাটিতে এসে শুধুমাত্র আনুষ্ঠানিকতা সারাই তাদের লক্ষ্য নয়; বরং ভালো পারফরম্যান্স করে ম্যাচটিকে স্মরণীয় করে তুলতে চায় তারা।স্টিমাচের কটাক্ষেও বাড়ছে বিতর্কব্রাজিল ম্যাচ ঘিরে বিতর্কে নতুন মাত্রা যোগ করেছেন ভারতের প্রাক্তন কোচ ইগর স্টিমাচও। তাঁর বক্তব্য, দেশের ঘরোয়া লিগ এবং জাতীয় দলের পরিকল্পনার মধ্যে এখনও প্রয়োজনীয় সামঞ্জস্য তৈরি হয়নি। সেই সমস্যা সমাধান না করে ব্রাজিল বা আর্জেন্টিনার মতো দলের বিরুদ্ধে ম্যাচ আয়োজন করা হলে তা ভারতীয় ফুটবলের জন্য উল্টে অস্বস্তির কারণ হতে পারে।অর্থাৎ একদিকে বাইচুংয়ের আর্থিক অগ্রাধিকারের প্রশ্ন, অন্যদিকে স্টিমাচের ঘরোয়া ফুটবলের কাঠামো নিয়ে অভিযোগসব মিলিয়ে ৩ অক্টোবরের ম্যাচ এখন শুধুমাত্র একটি ফুটবল ম্যাচে সীমাবদ্ধ নেই।ম্যাচ হবে, বিতর্কও চলবে?একদিকে ব্রাজিলের মতো দলের বিরুদ্ধে যুবভারতীতে ভারতকে দেখার স্বপ্নে ফুটবলপ্রেমীরা উত্তেজিত। অন্যদিকে দেশের ফুটবলের ভবিষ্যৎ, বিপুল খরচ, আইএসএলের সূচি এবং জাতীয় দলের পরিকল্পনা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন প্রাক্তন ফুটবলার ও কোচেরা।ব্রাজিলের তরফে অবশ্য এখনও পর্যন্ত বার্তা স্পষ্টতারা ম্যাচ খেলতে প্রস্তুত এবং সূচি বদলের কোনও পরিকল্পনা নেই। ফলে ৩ অক্টোবর যুবভারতীতে ভারত-ব্রাজিল ম্যাচ ঘিরে উত্তেজনা যেমন বাড়ছে, তেমনই তার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে বিতর্কও। এখন দেখার, শেষ পর্যন্ত মাঠের ৯০ মিনিট কি সমস্ত বিতর্ককে ছাপিয়ে যেতে পারে, নাকি ম্যাচ শেষ হওয়ার পরও ভারতীয় ফুটবলের ভবিষ্যৎ নিয়ে এই প্রশ্নগুলি আরও জোরালো হয়ে ওঠে।

আগস্ট ২২, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal