• ২১ শ্রাবণ ১৪৩৩, শনিবার ০৮ আগস্ট ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Corona

উৎসব

আজ কালীপুজো, মন্দিরে মন্দিরে ভক্তের ঢল

কালীপুজো উপলক্ষে সকাল থেকেই রাজ্যের বিভিন্ন সতীপীঠ ও সিদ্ধপীঠে নেমেছে ভক্তদের ঢল। তবে প্রায় প্রতিটি মন্দিরেই করোনাজনিত বিধিনিষেধ মেনে পুজো চলছে। পুলিশ ও প্রশাসনের পক্ষ থেকে মন্দিরে মন্দিরে যাতে করোনাজনিত বিধিনিষেধ মেনে চলা হয় সে বিষয়ে কঠোর দৃষ্টি রাখা হয়েছে। শনিবার সকাল থেকেই দক্ষিণেশ্বর ও তারাপীঠের কালী মন্দিরে ছিল ভক্তের বিপুল সমাগম। শনিবার ভোর থেকেই দক্ষিণেশ্বর মন্দির চত্বরে মানুষের যেন তিল ধারণের জায়গা নেই। নাটমন্দির থেকে শুরু করে আঁকাবাঁকা লাইন এগিয়ে গিয়েছে গঙ্গার উপর বালি ব্রিজে। তবে ভক্তরাও এদিন যথেষ্ট সুশৃঙ্খলভাবে পুজো দিচ্ছেন। তাঁরাও ধৈর্য ধরে লাইনে অপেক্ষা করছেন। মেনে চলছেন করোনাজনিত দূরত্ব। আরও পড়ুন ঃ জল থেকে কাঠামো তোলার জন্য এজেন্সি নিয়োগ হাওড়া পুরনিগমের এদিন দেখা গিয়েছে, দক্ষিণেশ্বরে পুরোহিতরাও পিপিই কিট পরে পুজো করছেন। ভক্তদের বলা হয়েছে, পুজো দেওয়ার পর তাঁরা যেন দ্রুত মন্দির ছেড়ে চলে যান।দক্ষিণেশ্বর মন্দির চত্বরে এ দিন একসঙ্গে ২০০ জনকে দাঁড়ানোর অনুমতি দেওয়া হয়েছে। তবে গঙ্গার ঘাটে স্নান করে সরাসরি মন্দিরে প্রবেশ করা যাবে না। এমনকি গঙ্গার ঘাটে বসে বা দাঁড়িয়ে থাকতেও দিচ্ছে না পুলিশ। গর্ভগৃহে অবশ্য কোনো ভক্তকে প্রবেশ করতে দেওয়া হবে না। এবার করোনাজনিত কারণে অনলাইনেও মায়ের পুজো দেখা যাবে। করোনাজনিত কারণে এবার প্রসাদ দেওয়া হবে না। পুজো চলছে কালীঘাট মন্দিরেও। সেখানেও সকাল থেকেই মানুষের লম্বা লাইন। অন্যদিকে তারাপীঠ মন্দিরেও সকাল থেকেই ছিল ভক্তের বিপুল সমাগম। এখানেও দেখা গিয়েছে পুরোহিতরা যথারীতি নিয়ম মেনে পুজো করছেন। কোনওভাবেই মানুষ যাতে করোনাজনিত বিধিনিষেধ না ভাঙে সেদিকে সতর্ক দৃষ্টি রাখা হয়েছে। বোলপুরে কঙ্কালীতলাতেও এদিন সকাল থেকেই ছিল ভক্তদের উপচে পড়া ভিড়।

নভেম্বর ১৪, ২০২০
স্বাস্থ্য

রাজ্যে বাড়ল করোনায় সুস্থতার হার

রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরের বুলেটিন অনুযায়ী , গত ২৪ ঘণ্টায় বাংলায় করোনা-মুক্ত হয়েছেন ৪ হাজার ৪৬৮ জন। সবমিলিয়ে মোট সুস্থ হয়েছেন ৩ লক্ষ ৮৫ হাজার ৬১৭ জন। রাজ্য়ে সুস্থতার হার বেড়ে হয়েছে ৯০.৮০ শতাংশ। যা প্রকৃ্তপক্ষে আশাব্যঞ্জক। অন্যদিকে , গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৩ হাজার ৮৩৫ জন। এ নিয়ে শুক্রবার পর্যন্ত বাংলায় মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪ লক্ষ ২৪ হাজার ৬৭৫। বাংলায় করোনায় অ্যাক্টিভ কেসের সংখ্যা ৩১ হাজার ৫০১। আরও পড়ুন ঃ আশা জাগিয়ে রাজ্যে কমল করোনায় দৈনিক সংক্রমণ গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে আরও ৫১ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে রাজ্যে করোনায় মৃত বেড়ে হয়েছে ৭৫৫৭। শুক্রবার ৪৪ হাজার ৩১২টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। সবমিলিয়ে এখনও পর্যন্ত বাংলায় মোট ৫১ লক্ষ ৩৬ হাজার ১২টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। অন্যদিকে , এবার কলকাতাকে পিছনে ফেলে এগিয়ে গেল উত্তর ২৪ পরগণা। এতদিন উল্টোটা ছিল। উত্তর ২৪ পরগণায় একদিনে আক্রান্ত হয়েছেন ৮৬০ জন। কলকাতাতে একদিনে সংক্রমিত হয়েছেন ৮৩৯ জন।

নভেম্বর ১৪, ২০২০
রাজ্য

করোনা আবহে নৈহাটির বড়মার পুজো এবার অনলাইনে

রাজ্যে যে সব এলাকায় কালীপুজোয় সাধারণ মানুষের ঢল নামে , তার মধ্যে নৈহাটি অন্যতম। আর নৈহাটিতে কালীপুজো বলতে যে পুজোর নাম প্রথমেই মনে আসে , সেটা হল বড়মার পুজো। এই পুজোতে লক্ষ লক্ষ ভক্ত সমাগম হয়। কথিত আছে , বড়মার কাছে পুজো দিলে ভক্তদের মনস্কামনা পূর্ণ হয়। কিন্তু করোনা আবহে ছেদ পড়তে চলেছে দীর্ঘদিনের রীতিতে। এবার পুজো দেখা যাবে সম্পূ্র্ণ অনলাইনে। ভার্চুয়ালি পুষ্পাঞ্জলির আয়োজন করা হয়েছে। ভক্তদের কাছ থেকে গ্রহণ করা হবে না ফল-মিষ্টিও। বন্ধ থাকবে মানত রক্ষায় দণ্ডি কাটাও। নৈহাটির বড়কালী পুজো সমিতির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এবার হবে না প্রতিমা নিরঞ্জনের আগের শোভাযাত্রাও। আরও পড়ুন ঃ আমফানের ক্ষতিপূরণ বাবদ রাজ্যকে আর্থিক সাহায্য কেন্দ্রের প্রসঙ্গত , প্রায় একশো বছর ধরে চলে আসছে নৈহাটির বড়মার পুজো। ঐতিহ্যবাহী এই পুজোয় বাইশ হাতের প্রতিমা। একশো ভরি সোনা ও আড়াইশো কেজি রূপোর গয়না মায়ের গায়ে। প্রতিবছর বড়মাকে সাক্ষী রেখে সারা বছর ধরেই মন্দির চত্বরে চলে দুঃস্থদের বস্ত্রদান, রোগীদের ফল বিতরণ, পড়ুয়াদের বই খাতা দেওয়া, অনাথ আশ্রম ও বৃদ্ধাশ্রমে সাহায্য বা গঙ্গাসাগর মেলায় জরুরি চিকিৎসা শিবিরের মতো সামাজিক কর্মকান্ড।

নভেম্বর ১৩, ২০২০
স্বাস্থ্য

আশা জাগিয়ে রাজ্যে কমল করোনায় দৈনিক সংক্রমণ

রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তরের বৃহস্পতিবারের বুলেটিন অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্ত হয়েছেন ৩ হাজার ৮৫৬ জন। তার ফলে রাজ্যে মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৪ লক্ষ ২০ হাজার ৮৪০ জন। তবে স্বস্তি জাগিয়ে বাংলায় ক্রমশই বাড়ছে সুস্থতা। একদিনে সুস্থ হয়েছেন ৪ হাজার ৪৫৩ জন। মোট কোভিড জয়ীর সংখ্যা ৩ লক্ষ ৮১ হাজার ১৪৯ জন। সুস্থতার হার বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯০.৫৭ শতাংশ। গত ২৪ ঘণ্টায় ৫৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। বর্তমানে রাজ্যে মোট কোভিডের বলি হয়েছেন ৭ হাজার ৫০৬ জন। আরও পড়ুন ঃ স্বস্তি বাড়িয়ে রাজ্যে অনেকটাই কমে গেল মৃত্যুর হার একদিনে রাজ্যে ৪৪ হাজার ৩৬৫ জনের নমুনা পরীক্ষা হয়েছে। এখনও পর্যন্ত মোট ৫০ লক্ষ ৯১ হাজার ৭০০ জনের কোভিড টেস্ট করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে ৮.২৭ শতাংশের ফল পজিটিভ এসেছে। অন্যদিকে , একদিনে কলকাতায় সংক্রমিত হয়েছেন ৮৬৭ জন। ঠিক তার পরেই রয়েছে উত্তর ২৪ পরগনা। সেখানে একদিনে আক্রান্ত হয়েছেন ৮৫৯ জন।

নভেম্বর ১৩, ২০২০
স্বাস্থ্য

স্বস্তি বাড়িয়ে রাজ্যে অনেকটাই কমে গেল মৃত্যুর হার

বুধবার রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তরের বুলেটিন অনুযায়ী, একদিনে বাংলায় রাজ্যে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৩ হাজার ৮৭২ জন। এ নিয়ে বুধবার পর্যন্ত বাংলায় মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪ লক্ষ ১৬ হাজার ৯৮৪। বাংলায় করোনায় অ্যাক্টিভ কেসের সংখ্যা ৩২ হাজার ৮৩৬। গত ২৪ ঘণ্টায় বাংলায় করোনা-মুক্ত হয়েছেন ৪ হাজার ৪৩১ জন। সবমিলিয়ে মোট সুস্থ হয়েছেন ৩ লক্ষ ৭৬ হাজার ৬৯৬ জন। রাজ্যে সুস্থতার হার বেড়ে হয়েছে ৯০.৩৪ শতাংশ। গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে আরও ৪৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে রাজ্যে করোনায় মৃত বেড়ে হয়েছে ৭৪৫২। বুধবার ৪৪ হাজার ১৩১টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। সবমিলিয়ে এখনও পর্যন্ত বাংলায় মোট ৫০ লক্ষ ৪৭ হাজার ৩৩৫টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। আরও পড়ুন ঃ রাজ্যে করোনায় সুস্থতার হার ৯০ শতাংশের বেশি অন্যদিকে , কলকাতায় একদিনে সংক্রমিত হয়েছেন ৮৩৯ জন। উত্তর ২৪ পরগনায় একদিনে সংক্রমিত হয়েছেন ৮২০ জন। ২০০ জনেরও বেশি করোনা সংক্রমিত হয়েছে হুগলি, দক্ষিণ ২৪ পরগনা-সহ একাধিক জেলায়। দার্জিলিংয়ে একদিনে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ১৫১ জন। এছাড়াও জলপাইগুড়িতে ১১৯ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন।

নভেম্বর ১২, ২০২০
স্বাস্থ্য

রাজ্যে করোনায় সুস্থতার হার ৯০ শতাংশের বেশি

রাজ্য স্বাস্থ্য ভবনের দেওয়া বুলেটিন অনুযায়ী, বাংলায় একদিনে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৩,৮৯১ জন৷ এনিয়ে এ রাজ্যে মোট সংক্রমিতের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৪,১৩,১১২ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে করোনাকে হারিয়ে সুস্থ হয়েছেন ৪,৪১৫ জন। সবমিলিয়ে মোট সুস্থ হয়েছেন ৩,৭২,২৬৫ জন। বাংলায় সুস্থতার হার ৯০ শতাংশের বেশি। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা প্রাণ কেড়েছে বাংলার ৫৩ জনের। আরও পড়ুন ঃ আশা জাগিয়ে রাজ্যে বাড়ল করোনায় সুস্থতার হার ফলে মোট মৃতের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৭,৪০৩। একদিনে নমুনা পরীক্ষা হয়েছে ৪৪, ১১৭ জনের। এখনও পর্যন্ত মোট নমুনা পরীক্ষা হয়েছে ৫০, ০৩, ২০৪ জনের। অন্যদিকে , কলকাতায় একদিনে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ৮৬৯ জন। উত্তর ২৪ পরগনায় নতুন করে সংক্রমিত হয়েছেন ৮৪৪ জন। তৃতীয় স্থানে রয়েছে হুগলি।

নভেম্বর ১১, ২০২০
স্বাস্থ্য

আশা জাগিয়ে রাজ্যে বাড়ল করোনায় সুস্থতার হার

স্বাস্থ্য দপ্তরের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে বাংলার ৩, ৯০৭ জনের শরীরে থাবা বসিয়েছে মারণ ভাইরাস। ফলে মোট আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৪, ০৯, ২২১ জন। বাংলায় করোনায় অ্য়াক্টিভ কেসের সংখ্যা ৩৪ হাজার ২১। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় আক্রান্ত হয়ে ৫৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। ফলে মোট মৃতের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৭,৩৫০। এই একদিনে সুস্থ হয়েছেন ৪, ৩৯৬ জন। সবমিলিয়ে মোট সুস্থ হয়েছেন ৩ লক্ষ ৬৭ হাজার ৮৫০ জন। রাজ্য়ে সুস্থতার হার বেড়ে ৮৯.৮৯ শতাংশ। এই একদিন নমুনা পরীক্ষা হয়েছে মোট ৪৪, ৩৪৬ জনের। এখনও পর্যন্ত মোট নমুনা পরীক্ষা হয়েছে ৪৯, ৫৯, ০৮৭ জনের। আরও পড়ুন ঃ রাজ্যে ফের বাড়ল করোনায় সুস্থতার হার অন্যদিকে , কলকাতায় একইদিনে ৮৬১ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। উত্তর ২৪ পরগনায় একদিনে করোনায় সংক্রমিত হয়েছেন ৮৫২ জন। দক্ষিণ ২৪ পরগনায় একদিনে আক্রান্ত হয়েছেন ২৩৮ জন। নদিয়ায় একদিনে আক্রান্ত হয়েছেন ২৩২ জন । পিছিয়ে নেই দার্জিলিংও। সেখানে একদিনে আক্রান্ত হয়েছেন ১৪১ জন।

নভেম্বর ১০, ২০২০
বিনোদুনিয়া

করোনা আক্রান্ত দক্ষিণী সুপারস্টার চিরঞ্জীবী

করোনা আক্রান্ত হলেন দক্ষিণী সুপারস্টার চিরঞ্জীবী। সোমবার সকালে সোশ্যাল মিডিয়ায় তিনি এই খবর জানিয়েছেন। এদিন টুইটারে তিনি জানিয়েছেন , নিয়ম অনুযায়ী আচার্যের শুটিং শুরুর আগে করোনা ভাইরাস পরীক্ষা করিয়েছিলাম এবং দুর্ভাগ্যজনকভাবে পরীক্ষার ফল পজিটিভ এসেছে। আমার এখন কোনও উপসর্গ নেই এবং বাড়িতে কোয়ারেন্টাইনে আছি। গত পাঁচ দিনে তাঁর সংস্পর্শে যারা এসেছেন তাঁদের সকলকে কোভিড টেস্ট করিয়ে নেওয়ার আর্জিও জানিয়েছেন অভিনেতা। আরও পড়ুন ঃ স্বল্প দৈর্ঘ্যের ছবিতে অভিনয় করে অস্কারের দৌড়ে বিদ্যা বালান জানা গিয়েছে , কয়েকদিন আগেই তেলেঙ্গানার মুখ্যমন্ত্রী কে চন্দ্রশেখর রাওয়ের সঙ্গে দেখা করেছিলেন চিরঞ্জীবী। সেই সময় তেলেঙ্গানার মুখ্যমন্ত্রী ও চিরঞ্জীবী কারও মুখেই মাস্ক ছিল না। ছবিটি ভাইরাল হয়ে যায়। তা নিয়ে তীব্র বিতর্ক সৃষ্টি হয় সোশ্যাল মিডিয়ায়। চিরঞ্জীবীর ভক্ত থেকে শুরু করে আপামর দেশবাসী , সকলেই প্রার্থনা করছেন , তিনি যাতে সুস্থ হয়ে ওঠেন।

নভেম্বর ০৯, ২০২০
স্বাস্থ্য

রাজ্যে ফের বাড়ল করোনায় সুস্থতার হার

রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তরের রবিবারের বুলেটিন অনুযায়ী গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ৩ হাজার ৯২০ জন। বর্তমানে রাজ্যে মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৪ লক্ষ ৫ হাজার ৩১৪ জন। একদিনে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৪ হাজার ৩৮৩ জন। তার ফলে মোট কোভিড জয়ীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৩ লক্ষ ৬৩ হাজার ৪৫৪ জন। বর্তমানে সুস্থতার হার ৮৯.৬৭ শতাংশ। আরও পড়ুন ঃ ফের রাজ্যে বাড়ল করোনায় মৃত্যুহার একদিনে করোনা পরীক্ষা হয়েছে ৪৫ হাজার ১৮৭ জনের। এখনও পর্যন্ত রাজ্যে মোট ৪৮ লক্ষ ৬৯ হাজার ৫৫৪ জনের করোনা পরীক্ষা হয়েছে। তার মধ্যে ৮.২৫ শতাংশ রিপোর্ট পজিটিভ এসেছে। একদিনে মৃত্যু হয়েছে ৫৯ জনের। এখনও পর্যন্ত রাজ্যে মোট করোনার বলি হয়েছেন ৭ হাজার ২৯৪ জন। কলকাতায় একদিনে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ৮১৩ জন। ্তার ঠিক পরেই রয়েছে উত্তর ২৪ পরগনা। সেখানে একদিনে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ৭৯৬ জন।

নভেম্বর ০৯, ২০২০
স্বাস্থ্য

ফের রাজ্যে বাড়ল করোনায় মৃত্যুহার

রাজ্য স্বাস্থ্যদপ্তরের প্রকাশিত শনিবারের বুলেটিন অনুযায়ী গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ৩ হাজার ৯২৮ জন। বর্তমানে রাজ্যে মোট আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৪ লক্ষ ১ হাজার ৩৯৪ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় কোভিডের কারণে ৫৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। তার ফলে রাজ্যে করোনায় মোট মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৭ হাজার ২৩৫ জন। তবে এই পরিস্থিতিতে আশা জোগাচ্ছে করোনায় সুস্থতার হার। গত ২৪ ঘণ্টায় কোভিডকে হারিয়ে সুস্থ হয়েছেন ৪ হাজার ৩৩৯ জন। যা দৈনিক সংক্রমণের তুলনায় অনেকটাই বেশি। রাজ্যে মোট করোনা জয়ীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৩ লক্ষ ৫৯ হাজার ৭১ জন। রাজ্যে সুস্থতার হার বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮৯.৪৬ শতাংশ। আরও পড়ুন ঃ আশা জাগিয়ে রাজ্যে বাড়ছে করোনায় সুস্থতার হার অন্যদিকে , একদিনে করোনা পরীক্ষা হয়েছে ৪৫ হাজার ২২৭ জনের। এখনও পর্যন্ত বাংলায় মোট কোভিড টেস্ট হয়েছে ৪৮ লক্ষ ৬৯ হাজার ৫৫৪ জনের। তার মধ্যে ৮.২৪ শতাংশ ব্যক্তির রিপোর্ট পজিটিভ এসেছে। সংক্রমণের নিরিখে শীর্ষে রয়েছে কলকাতা। শহরে আক্রান্ত হয়েছেন ৮৫১ জন। সংক্রমিতের নিরিখে তারপরেই রয়েছে উত্তর ২৪ পরগনা। সেখানে গত ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্ত হয়েছেন ৮৩৬ জন।

নভেম্বর ০৮, ২০২০
বিদেশ

করোনা প্রতিরোধই লক্ষ্য , ঘোষণা বিডেনের

নিশ্চিত জয়ের মুখে দাঁড়িয়ে প্রথমেই করোনার সঙ্গে লড়াইয়ের বার্তা দিলেন ডেমোক্র্যাট প্রার্থী জো বিডেন। শুক্রবার ডেলাওয়্যারের উইলমিংটনে দেশবাসীর উদ্দেশে ভাষণে বিডেন বলেন, আমাদের রাজ, দ্বেষ পেছনে ফেলে এগিয়ে যেতে হবে। এবার সময় এসেছে দেশ হিসাবে আমাদের একজোট হয়ে লড়াই করার। গোটা দেশের প্রতিনিধিত্ব করার দায়িত্ব আসছে আমার ওপর। আমি সবাইকে বলতে চাই, আমার প্রথম কাজই হবে করোন সংক্রমণ প্রতিরোধ। যে প্রাণ চলে গিয়েছে, তা ফেরত পাব না কিন্তু আগামীতে অনেক প্রাণ আমাদের বাঁচাতে হবে। এই বিষয়ে জনস্বাস্থ্য আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক করেছি আমরা। এছাড়া, দেশের অর্থনীতিকে কীভাবে মজবুত করা যায়, সেই বিষয়টিও দেখতে হবে আমাদের। আরও পড়ুন ঃ ট্রাম্পকে হারিয়ে জয়ের পথে ডেমোক্র্যাট প্রার্থী জো বিডেন তিনি আরও বলেন, আমরা জয়ী হতে চলেছি। নেভাদাতে আমরা এগিয়ে রয়েছি। বিগত ২৪ বছরে প্রথম ডেমোক্র্য়াট প্রার্থী হিসেবে আমি অ্যারিজোনা জিতে নিয়েছি। মাত্র কয়েক বছর আগে যে নীল দেওয়াল ভেঙে পড়েছিল। আমরা তা আবার গড়ে তুলতে সক্ষম হয়েছি। পেনসিলভেনিয়া, মিশিগান উইসকনসিন- আমেরিকার হৃদয়। আজ পর্যন্ত জীবনে সবার্ধিক ভোট পেয়েছি আমি। ৭৫ মিলিয়ন ভোট পেয়েছি এখনও পর্যন্ত। অন্যদিকে , ডেমোক্র্যাটিক দলের প্রার্থী জো বিডেনকে জয়ী ঘোষণা করল মার্কিন তথ্য বিশ্লেষণকারী প্রতিষ্ঠান ডিসিশন ডেস্ক। ডিসিশন ডেস্ক-এর সদর দপ্তর শুক্রবার তথ্য বিশ্লেষণের ভিত্তিতে জানিয়েছে, জো বিডেনই হচ্ছেন আমেরিকার ৪৬তম প্রেসিডেন্ট। সংস্থাটির পূর্বাভাস বলছে, ২০টি ইলেক্টোরাল ভোট পেয়ে গুরুত্বপূর্ণ রাজ্য পেনসিলভেনিয়াতে বিডেনের জয় নিশ্চিত। এর ফলে এটা নিশ্চিত করে বলা যায় ওই রাজ্যের ইলেক্টোরাল ভোট-সহ মোট ২৭৩টি ইলেক্টোরাল ভোট পাবেন ডেমোক্র্যাট প্রার্থী।

নভেম্বর ০৭, ২০২০
স্বাস্থ্য

আশা জাগিয়ে রাজ্যে বাড়ছে করোনায় সুস্থতার হার

স্বাস্থ্য দপ্তরের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় বাংলায় নতুন করে করোনা সংক্রমিত হয়েছেন ৩, ৯৪২ জন। ফলে মোট আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৩, ৯৭, ৪৬৬। একদিনে করোনায় মৃত্যু হয়েছে ৫৫ জনের। এখনও পর্যন্ত বাংলায় মোট করোনায় মৃতের সংখ্যা ৭, ১৭৭। এই একদিনে করোনার বিরুদ্ধে লড়াইয়ে জয়ী হয়েছেন বাংলার মোট ৪, ২৮৩ জন। অর্থাৎ ৮৯.২৫ শতাংশ। এখনও পর্যন্ত রাজ্যে মোট করোনাজয়ীর সংখ্যা ৩, ৫৪, ৭৩২। এদিন মোট নমুনা পরীক্ষা হয়েছে ৪৫, ৩৫২ জন। এখনও পর্যন্ত মোট করোনা পরীক্ষা হয়েছে ৪৮, ২৩, ৩২৭ জনের। আরও পড়ুন ঃ রাজ্যে বাড়ল করোনা জয়ীর সংখ্যা সংক্রমণের নিরিখে ফের প্রথম স্থানে কলকাতা। সেখানে গত ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্ত হয়েছেন ৮৪৬ জন। দ্বিতীয় স্থানে উত্তর ২৪ পরগনা। সেখানে নতুন করে সংক্রমিত ৮১৬। দক্ষিণ ২৪ পরগনায় একইদিনে আক্রান্ত হয়েছেন ২৮৭ জন। হুগলিতে একইদিনে আক্রান্ত হয়েছেন ২৪৮ জন। হাওড়ায় ২৩৯ জনের নতুন করে সংক্রমণ হয়েছে।

নভেম্বর ০৭, ২০২০
স্বাস্থ্য

রাজ্যে বাড়ল করোনা জয়ীর সংখ্যা

বাংলায় একদিনে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ৩ হাজার ৯৪৮ জন। ফলে এনিয়ে রাজ্যে মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৩ লক্ষ ৯৩ হাজার ৫৭৪ জন। তবে চিকিৎসাধীন করোনা রোগীর সংখ্যা বেশ কিছুটা কমে দাঁড়িয়েছে ৩৫ হাজার ৯৫৩ জন। স্বাস্থ্য দপ্তরের তথ্য বলছে, গত ২৪ ঘণ্টায় বাংলায় করোনাকে জয় করেছেন ৪ হাজার ১৮৭ জন। ফলে বাংলায় করোনামুক্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৩ লক্ষ ৫০ হাজার ৪৪৯ জন। রাজ্যে সুস্থতার হার বেড়ে হল ৮৯.০৫ শতাংশ। রাজ্যে একদিনে মৃত্যু হয়েছে ৫৪ জনের। ফলে বাংলায় করোনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে হল ৭ হাজার ১২২ জন। আরও পড়ুন ঃ আশা জাগিয়ে রাজ্যে কমল করোনায় মৃত্যুর হার এদিন কলকাতায় ৮৫৫ জনের শরীরে করোনা সংক্রমণ ঘটেছে। এছাড়া উত্তর ২৪ পরগণায় একইদিনে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ৮৩৬ জন। এদিকে দুশোর উপর করোনা সংক্রমিতের সন্ধান মিলেছে উত্তর ২৪ পরগণা, হাওড়া ও হুগলিতে। এছাড়াও দার্জিলিংয়ে ১৩৬ জন করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। জলপাইগুড়িতে ১০২ জন একদিনে আক্রান্ত হয়েছেন করোনায়।

নভেম্বর ০৬, ২০২০
স্বাস্থ্য

আশা জাগিয়ে রাজ্যে কমল করোনায় মৃত্যুর হার

স্বাস্থ্য দপ্তরের বুলেটিন অনুযায়ী, বুধবারে বাংলায় কোভিড আক্রান্ত হয়েছেন ৩ হাজার ৯৮৭ জন। এদিন রাজ্যে মোট করানা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৩ লক্ষ ৮৯ হাজার ৫৭৬ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে করোনামুক্ত হয়েছেন ৪ হাজার ১২৯ জন। ফলে রাজ্যে চিকিৎসাধীন করোনা আক্রান্তের সংখ্যা কমে দাঁড়াল ৩৬ হাজার ২৪৬ জন। উলটোদিকে কোভিডজয়ীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩ লক্ষ ৪৬ হাজার ২৬২ জন। শতাংশের নিরিখে সুস্থতার বেড়ে হল ৮৮.৮৮। আরও পড়ুন ঃ আশঙ্কা বাড়িয়ে রাজ্যে বেড়েই চলেছে করোনা সংক্রমণ তবে কিছুতেই কমছে না রাজ্যে করোনায় মৃত্যুহার। একদিনে বাংলায় মৃত্যু হয়েছে ৫৫ জন করোনা সংক্রমিতের। ফলে রাজ্যে মোট করোনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে হল ৭ হাজার ৬৮ জন। রাজ্যে মৃত্যুর হার ১ দশমিক ৮২ শতাংশ৷ আশঙ্কা বাড়িয়ে ফের সর্বাধিক আক্রান্তের হদিশ মিলেছে কলকাতায়। একদিনে কলকাতায় করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ৮৯৪ জন। এরপরেই রয়েছে উত্তর ২৪ পরগণা। সেখানে একদিনে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ৮৭৮ জন। উত্তরে শতাধিক করোনা আক্রান্তের হদিশ মিলেছে দার্জিলিং, কোচবিহার ও মালদায়।

নভেম্বর ০৫, ২০২০
স্বাস্থ্য

আশঙ্কা বাড়িয়ে রাজ্যে বেড়েই চলেছে করোনা সংক্রমণ

গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ৩৯৮১ জনের শরীরে মিলেছে করোনা ভাইরাস। এ নিয়ে রাজ্যে মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হল ৩ লক্ষ ৮১ হাজার ৬০৮। তবে দৈনিক সুস্থতার সংখ্যা সংক্রমণের চেয়ে বেশি। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাকে জয় করে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৪০৫৮ জন। এখন পর্যন্ত রাজ্যে মোট করোনাজয়ীর সংখ্যা ৩ লক্ষ ৪২ হাজার ১৩৩ জন। আরও পড়ুন ঃ রাজ্যে বাড়ল করোনায় সুস্থতার হার আশা জাগিয়ে সুস্থতার হার বেড়ে হল ৮৮.৭৩ শতাংশ। অন্যদিকে , গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা আক্রান্ত হয়ে ৫৬ জনের মৃত্যু হয়েছে । ফলে বাংলায় মোট মৃতের সংখ্যা দাঁড়াল ৭,০১৩ জনে৷ তবে সংক্রমণের শীর্ষে এখনও কলকাতা। এখানে করোনা অ্যাকটিভ রোগীর সংখ্যা ৭০০০১। কিছুটা পিছিয়ে দ্বিতীয় স্থানে উত্তর ২৪ পরগনা, এখানে করোনার কবলে ৬৬৯৮ জন। করোনাযুদ্ধে সবচেয়ে এগিয়ে কালিম্পং, ঝাড়গ্রাম। এই দুই জেলায় করোনা আক্রান্তের সংখ্যা যথাক্রমে ১৫ ও ১১।

নভেম্বর ০৪, ২০২০
স্বাস্থ্য

রাজ্যে বাড়ল করোনায় সুস্থতার হার

গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৩ হাজার ৯৫৭ জন। এনিয়ে সোমবার পর্যন্ত বাংলায় মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩ লক্ষ ৮১ হাজার ৬০৮ জন। বাংলায় সক্রিয় করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৩৬ হাজার ৫৭৬ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে আরও ৫৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে রাজ্যে করোনায় মৃত বেড়ে হয়েছে ৬৯৫৭। এছাড়া আশা জাগিয়েছে করোনায় সুস্থতার হার। গত ২৪ ঘণ্টায় বাংলায় করোনা-মুক্ত হয়েছেন ৪ হাজার ৮৫ জন। সবমিলিয়ে মোট সুস্থ হয়েছেন ৩ লক্ষ ৩৮ হাজার ৭৫ জন। আরও পড়ুন ঃ আশা জাগিয়ে রাজ্যে বাড়ল করোনায় সুস্থতার হার রাজ্যে সুস্থতার হার বেড়ে হয়েছে ৮৮.৫৯ শতাংশ। সোমবার ৪৩ হাজার ২৩৭টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। সবমিলিয়ে এখনও পর্যন্ত বাংলায় মোট ৪৬ লক্ষ ৪৪ হাজার ১১৯টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। অন্যদিকে , আশঙ্কা বাড়িয়ে কলকাতায় একইদিনে আক্রান্ত হয়েছেন ৮৮২ জন। উত্তর ২৪ পরগনায় একদিনে আক্রান্ত হয়েছেন ৮৭২ জন। রাজ্য প্রশাসনের ক্রমশ মাথাব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়াচ্ছে দক্ষিণ ২৪ পরগনা, হাওড়া, পূর্ব বর্ধমান, নদিয়া এবং উত্তরের দার্জিলিং, কোচবিহারও।

নভেম্বর ০৩, ২০২০
স্বাস্থ্য

আশা জাগিয়ে রাজ্যে বাড়ল করোনায় সুস্থতার হার

গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৩ হাজার ৯৮৭ জন। এনিয়ে বাংলায় মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৩ লক্ষ ৭৭ হাজার ৬৫১ জন। রাজ্যবাসীকে সামান্য স্বস্তি দিচ্ছে সুস্থতার হার। একদিনে করোনা জয় করে প্রিয়জনদের কাছে ফিরে গিয়েছেন ৪ হাজার ৫৩ জন। ফলে বর্তমানে বাংলায় করোনাজয়ীর মোট সংখ্যা ৩ লক্ষ ৩৩ হাজার ৯৯০ জন। সুস্থতার হার ৮৮.৪৪ শতাংশ। বর্তমানে অ্যাকটিভ কেস ৩৬ হাজার ৭৬১। অন্যদিকে , গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় ৫৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর ফলে করোনায় রাজ্যে মোট মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬ হাজার ৯০০ জন। আরও পড়ুন ঃ আশঙ্কা বাড়িয়ে ফের বাড়ল দৈনিক করোনা সংক্রমণ এদিকে শুধু কলকাতাতেই আক্রান্ত হয়েছেন ৮৯৪। এছাড়াও উত্তর ২৪ পরগনায় একইদিনে ৮৮০ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। হাওড়ায় একইদিনে আক্রান্ত হয়েছে ২৪৪ জন। দক্ষিণ ২৪ পরগনায় একইদিনে আক্রান্ত হয়েছেন ২৭২ জন। পশ্চিম মেদিনীপুরে একদিনে আক্রান্ত হয়েছেন ২২৬ জন । নদিয়ায় একইদিনে আক্রান্ত হয়েছেন ১৮১ জন। এছাড়াও উত্তরের দার্জিলিংয়ে একদিনে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ১৮১ জন।

নভেম্বর ০২, ২০২০
স্বাস্থ্য

আশঙ্কা বাড়িয়ে ফের বাড়ল দৈনিক করোনা সংক্রমণ

দৈনিক সংক্রমণ, মৃত্যু দিন কয়েকের জন্য ক্ষণিক স্বস্তি দিয়েছিল বঙ্গবাসীকে। কিন্তু লক্ষ্মীপুজো কাটতে না কাটতেই ফের করোনা সংক্রমণের উচ্চ হারে চিন্তা বাড়ল। গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৩ হাজার ৯৯৩ জন। এ নিয়ে শনিবার পর্যন্ত বাংলায় মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩ লক্ষ ৭৩ হাজার ৬৬৪। এখন রাজ্যে সক্রিয় করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ৩৬ হাজার ৮৮৬ জন। অন্যদিকে, গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে আরও ৫৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে রাজ্যে করোনায় মৃত বেড়ে হয়েছে ৬৮৪১ জন। আরও পড়ুন ঃ আশা জাগিয়ে ফের রাজ্যে কমল দৈনিক করোনা সংক্রমণ এদিকে গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে সুস্থ হয়েছেন ৪ হাজার ৪৯ জন। সবমিলিয়ে মোট সুস্থ হয়েছেন ৩ লক্ষ ২৯ হাজার ৯৩৭ জন। রাজ্য়ে সুস্থতার হার বেড়ে হয়েছে ৮৮.৩০ শতাংশ। শনিবার ৪৪ হাজার ১৫৫টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। সবমিলিয়ে এখনও পর্যন্ত বাংলায় মোট ৪৫ লক্ষ ৫৬ হাজার ৪২৫টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। ২২০৬ জন কলকাতায় নতুন করে সংক্রমিত হয়েছে। উত্তর ২৪ পরগনায় নতুন করে ১৫৭৫ জনের শরীরে করোনা ভাইরাস পাওয়া গেছে।

নভেম্বর ০১, ২০২০
স্বাস্থ্য

আশা জাগিয়ে ফের রাজ্যে কমল দৈনিক করোনা সংক্রমণ

শুক্রবারও কিছুটা কমল দৈনিক সংক্রমণ। গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৩ হাজার ৯৭৯ জন। এর ফলে আক্রান্তের সংখ্যা মোট বেড়ে দাঁড়াল ৩ লক্ষ ৬৯ হাজার ৬৭১ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন ৪ হাজার ১৫ জন। এনিয়ে বাংলায় মোট করোনা জয়ীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৩ লক্ষ ২৫ হাজার ৮৮৮ জন। রাজ্যে সুস্থতার হার ৮৮.১৬ শতাংশ। অন্যদিকে, গত ২৪ ঘন্টায় রাজ্যে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গিয়েছেন ৫৯ জন। এর ফলে রাজ্যে মোট মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৬ হাজার ৭৮৪ জন। আরও পড়ুন ঃ বাংলায় ফের দৈনিক করোনা সংক্রমণ চার হাজারের কাছাকাছি সংক্রমণের নিরিখে ফের শীর্ষে কলকাতা। একদিনে শহরে আক্রান্ত হয়েছেন ৮৮০ জন। কলকাতার পরেই রয়েছে উত্তর ২৪ পরগনা। সেখানে সংক্রমিত ৮৬৬ জন। গত ২৪ ঘন্টায় ৪৩ হাজার ৭৭৪ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। সবমিলিয়ে এখনও পর্যন্ত বাংলায় এখনও পর্যন্ত মোট কোভিড পরীক্ষা হয়েছে ৪৫ লক্ষ ১২ হাজার ২৭০ জনের।

অক্টোবর ৩১, ২০২০
স্বাস্থ্য

বাংলায় ফের দৈনিক করোনা সংক্রমণ চার হাজারের কাছাকাছি

গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৩ হাজার ৯৮৯ জন। এদিনের হিসেব অনুযায়ী রাজ্যে মোট আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৩ লক্ষ ৬৫ হাজার ৬৯২ জন। বাংলায় সক্রিয় করোনা রোগীর সংখ্যা ৩৭ হাজার ৯৪ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে আরও ৬১ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে রাজ্যে করোনায় মৃত বেড়ে হয়েছে ৬৭২৫। গত ২৪ ঘণ্টায় বাংলায় করোনা-মুক্ত হয়েছেন ৩ হাজার ৯৪৫ জন। সবমিলিয়ে মোট সুস্থ হয়েছেন ৩ লক্ষ ২১ হাজার ৮৭৩ জন। রাজ্যে সুস্থতার হার বেড়ে ৮৮.০২ শতাংশ। আরও পড়ুন ঃ রাজ্যে করোনা সংক্রমণ কমলেও চিন্তা বাড়াচ্ছে মৃ্ত্যুর হার দৈনিক সংক্রমণের নিরিখে রাজ্যের মধ্যে শীর্ষে রয়েছে কলকাতা । সেখানে একদিনে আক্রান্ত হয়েছে ৮৯৪ জন। এর ঠিক পিছনেই রয়েছে উত্তর ২৪ পরগনা। সেখানে একদিনে আক্রান্ত ৮৭৮ জন। ওদিকে উত্তরবঙ্গে শতাধিক করোনা আক্রান্ত হয়েছে দার্জিলিং ও মালদা জেলায়। এই দুই জেলায় একদিনে আক্রান্ত হয়েছে যথাক্রমে ১১৯ ও ১০৮ জন। শতাধিক সংক্রমিত হয়েছেন নদিয়াতেও।

অক্টোবর ৩০, ২০২০
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 12
  • 13
  • 14
  • 15
  • 16
  • 17
  • 18
  • 19
  • 20
  • 21
  • ›

ট্রেন্ডিং

দেশ

রাহুলকে ডেকেও সাড়া মেলেনি! বিস্ফোরক অভিযোগে মুখ খুললেন সোনম ওয়াংচুক

রাহুল গান্ধীর সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা হয়েছিল, কিন্তু কোনও ইতিবাচক সাড়া মেলেনি। দীর্ঘ অনশনের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে এবার বিস্ফোরক অভিযোগ করলেন পরিবেশকর্মী ও শিক্ষাবিদ সোনম ওয়াংচুক। শুধু রাহুল গান্ধী নন, কেন্দ্রীয় মন্ত্রীদের দেওয়া প্রতিশ্রুতিও রক্ষা করা হয়নি বলে দাবি করেছেন তিনি। সেই কারণেই এখন সব রাজনৈতিক নেতার উপর থেকে তাঁর আস্থা উঠে গিয়েছে বলে জানিয়েছেন সোনম।নিট প্রশ্নফাঁসের প্রতিবাদ এবং দেশের শিক্ষা ব্যবস্থায় সংস্কারের দাবিতে যন্তর মন্তরে টানা ছাব্বিশ দিন অনশন করেছিলেন সোনম ওয়াংচুক। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, তাঁর স্ত্রী গীতাঞ্জলী চেয়েছিলেন বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধীর উপস্থিতিতে অনশন ভাঙতে। সেই উদ্দেশ্যে রাহুল গান্ধীর সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও কোনও ইতিবাচক সাড়া পাওয়া যায়নি। সোনমের কথায়, তাঁর স্ত্রীর কোনও রাজনৈতিক উদ্দেশ্য ছিল না। তিনি শুধু চেয়েছিলেন রাহুল এসে অনশন ভাঙান। কিন্তু তা হয়নি।অনশন শেষ হওয়ার সময়ের ঘটনাও সামনে এনেছেন সোনম। তাঁর দাবি, তিনি চেয়েছিলেন শাসক ও বিরোধী শিবিরের পাশাপাশি ছাত্র প্রতিনিধিরাও সেই অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকুন। সেই সময় কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জেপি নাড্ডা ও জিতেন্দ্র সিং মধ্যরাতে তাঁর সঙ্গে বৈঠক করেন। সেখানে সিদ্ধান্ত হয়েছিল, আনুষ্ঠানিকভাবে অনশন শেষ করার ঘোষণার পরেই বৈঠকের ছবি প্রকাশ করা হবে। কিন্তু সেই প্রতিশ্রুতি রক্ষা করা হয়নি। আগেভাগেই ছবি প্রকাশ্যে চলে আসে। এই ঘটনায় তিনি গভীরভাবে হতাশ হন।সোনম ওয়াংচুক বলেন, প্রতিশ্রুতি ভঙ্গের এই অভিজ্ঞতা অত্যন্ত হতাশাজনক। তাঁর কথায়, এখন তিনি কোনও রাজনৈতিক নেতার উপরই আর ভরসা করতে পারেন না।মধ্যরাতে কেন্দ্রীয় মন্ত্রীদের সঙ্গে বৈঠক নিয়ে যে রাজনৈতিক সমঝোতার অভিযোগ উঠেছিল, তা-ও খারিজ করেছেন সোনম। তাঁর বক্তব্য, যদি রাজনৈতিক সমঝোতাই উদ্দেশ্য হত, তাহলে ছাব্বিশ দিন অনশন করার কোনও প্রয়োজন ছিল না। ব্যক্তিগত সুবিধা নয়, শিক্ষা ব্যবস্থার সংস্কার এবং ছাত্রদের স্বার্থেই তিনি আন্দোলনে নেমেছিলেন। তাঁর দাবি, গোটা আন্দোলন শান্তিপূর্ণ ছিল এবং তার লক্ষ্য ছিল শুধুমাত্র জনস্বার্থ।

আগস্ট ০৭, ২০২৬
দেশ

বিদেশে চিকিৎসার লড়াই থামছেই না! ফের সুপ্রিম কোর্টে অভিষেক, এবার কী রায়?

বিদেশে চোখের চিকিৎসার অনুমতি পেতে আইনি লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রথমে কলকাতা হাইকোর্ট, তারপর সুপ্রিম কোর্ট, আবার হাইকোর্ট কোথাও কাঙ্ক্ষিত স্বস্তি না মেলায় এবার ফের সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন তিনি। বিদেশে চিকিৎসার অনুমতি চেয়ে নতুন করে আবেদন করেছেন ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ।এর আগে বিদেশে চোখের চিকিৎসার অনুমতি চেয়ে কলকাতা হাইকোর্টে আবেদন করেছিলেন অভিষেক। কিন্তু আদালত সেই আবেদন খারিজ করে দেয়। বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য জানান, দেশের মধ্যে চিকিৎসার সুযোগ থাকলে আগে সেই পথই অনুসরণ করতে হবে। আদালত বিশেষভাবে এসএসকেএম হাসপাতালে চিকিৎসকদের একটি মেডিক্যাল বোর্ড গঠনের পরামর্শ দেয়। সেই বোর্ড যদি মনে করে বিদেশে চিকিৎসা প্রয়োজন, তবেই বিদেশ যাওয়ার অনুমতির বিষয়টি বিবেচনা করা যেতে পারে।হাইকোর্টের এই নির্দেশের বিরুদ্ধে সরাসরি সুপ্রিম কোর্টে যান অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর আইনজীবী জানান, তদন্তে তিনি সম্পূর্ণ সহযোগিতা করেছেন এবং আদালতের সব নির্দেশ মেনেছেন। তাই চিকিৎসার জন্য বিদেশে যেতে বাধা দেওয়া উচিত নয়। তবে সুপ্রিম কোর্ট সেই আবেদন গ্রহণ না করে জানায়, বিষয়টি প্রথমে হাইকোর্টেই নিষ্পত্তি হওয়া উচিত। একই সঙ্গে হাইকোর্টকে দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়ার নির্দেশও দেওয়া হয়।পরবর্তী শুনানিতে হাইকোর্ট আবারও জানায়, এসএসকেএম হাসপাতালের মেডিক্যাল বোর্ডের মতামত অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু অভিষেকের আইনজীবী স্পষ্ট জানান, তাঁর মক্কেল এসএসকেএমে চিকিৎসা করাতে আগ্রহী নন এবং বিদেশেই চিকিৎসা করাতে চান। এরপর হাইকোর্ট আবেদন খারিজ করে দেয়।হাইকোর্টে স্বস্তি না মেলায় এবার আবারও সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এখন শীর্ষ আদালতের সিদ্ধান্তের দিকেই নজর রাজনৈতিক মহল এবং আইনি বিশেষজ্ঞদের।

আগস্ট ০৭, ২০২৬
দেশ

“রাজনীতি করবেন, আর ডিমকে ভয় পাবেন?” সুপ্রিম কোর্টে মহুয়াকে তীব্র কটাক্ষ, তারপর যা হল...

সুপ্রিম কোর্টে বড় ধাক্কা খেলেন তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদ মহুয়া মৈত্র। একটি ফেসবুক পোস্ট সংক্রান্ত মামলায় ভার্চুয়াল হাজিরার অনুমতি চেয়ে শীর্ষ আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন তিনি। শুনানির সময় বিচারপতির মন্তব্য ঘিরে চর্চা শুরু হয়েছে। পরে মহুয়া মৈত্রের আইনজীবী নিজেই মামলাটি প্রত্যাহার করে নেন।শুক্রবার বিচারপতি দীপঙ্কর দত্ত ও বিচারপতি শীল নাগুর বেঞ্চে মামলার শুনানি হয়। মহুয়ার আইনজীবী গোপাল শঙ্করনারায়ণ আদালতে জানান, আগেরবার হাজিরা দিতে গিয়ে তাঁর মক্কেলকে হুমকির মুখে পড়তে হয়েছিল। এমনকি তাঁর দিকে ডিমও ছোড়া হয়েছিল। সেই কারণেই জেরার জন্য ভার্চুয়াল হাজিরার অনুমতি চাওয়া হয়।এই আবেদন শুনেই বিচারপতি দীপঙ্কর দত্ত প্রশ্ন তোলেন, শুধুমাত্র সাংসদ হওয়ার কারণেই কি এমন সুবিধা চাওয়া হচ্ছে? পরে ডিম ছোড়ার প্রসঙ্গ উঠতেই বিচারপতি মন্তব্য করেন, রাজনীতি করতে এলে ডিমকে ভয় পেলে চলবে না। তিনি আরও বলেন, দেশের স্বাধীনতা সংগ্রামীরা বুকে গুলি খেয়েছেন, তাই জনজীবনে থাকা ব্যক্তিদের সমালোচনা বা প্রতিবাদের মুখোমুখি হওয়ার মানসিকতা থাকতে হবে।শুনানির সময় আদালত মহুয়ার আবেদন গ্রহণে অনীহা প্রকাশ করে। এরপর তাঁর আইনজীবী মামলাটি প্রত্যাহার করে নেন। ফলে ভার্চুয়াল হাজিরার আবেদন আর বিবেচনা করা হয়নি।উল্লেখ্য, এই একই মামলায় আগে কলকাতা হাই কোর্ট মহুয়া মৈত্রকে গ্রেফতারি থেকে অন্তর্বর্তী সুরক্ষা দিয়েছিল। তবে তদন্তে সহযোগিতা করার নির্দেশও দেওয়া হয়েছিল। পাশাপাশি আগামী ১৪ আগস্ট তদন্তকারী সংস্থার সামনে হাজির হওয়ার নির্দেশ রয়েছে। সেই নির্দেশের পরই ভার্চুয়াল হাজিরার অনুমতি চেয়ে সুপ্রিম কোর্টে আবেদন করেছিলেন কৃষ্ণনগরের সাংসদ।

আগস্ট ০৭, ২০২৬
কলকাতা

রক্ত সংগ্রহে ভয়ঙ্কর অনিয়মের অভিযোগ! আদালতের নজরে এগারো ব্লাড ব্যাঙ্ক, বাড়ল চাপ

রাজ্যে রক্ত সংগ্রহ ও বণ্টন নিয়ে অনিয়মের অভিযোগে শুরু হওয়া বিতর্ক এবার পৌঁছে গেল কলকাতা হাই কোর্টে। একাধিক বেসরকারি ব্লাড ব্যাঙ্কের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু হওয়ার পর পাড়ায় পাড়ায় রক্তদান শিবির আয়োজনের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তর। সেই নির্দেশের বিরোধিতা করে আদালতের দ্বারস্থ হয় একটি বেসরকারি ব্লাড ব্যাঙ্ক। শুক্রবার মামলার শুনানিতে বিচারপতি কৃষ্ণা রাও রাজ্য সরকারের কাছে জানতে চান, তদন্ত কতদূর এগিয়েছে। আগামী ১৪ আগস্টের মধ্যে তদন্তের রিপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে আদালত। মামলার পরবর্তী শুনানি হবে ১৯ আগস্ট।রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তরের ব্লাড ট্রান্সফিউশন কাউন্সিল জানায়, বিভিন্ন বেসরকারি ব্লাড ব্যাঙ্কে আকস্মিক পরিদর্শনে রক্ত সংগ্রহ ও বণ্টনে একাধিক অনিয়ম ধরা পড়েছে। সেই কারণেই তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত মোট এগারোটি বেসরকারি ব্লাড ব্যাঙ্ককে বাইরে রক্তদান শিবির আয়োজন করতে নিষেধ করা হয়েছে। তবে সরকারি নিয়ম মেনে নিজেদের হাসপাতাল বা প্রতিষ্ঠানের ভিতরে রক্ত সংগ্রহ করা যাবে।সরকারি নির্দেশে আরও বলা হয়েছে, রাজ্যের মধ্যে রক্ত বা রক্তের উপাদান অন্য কোনও ব্লাড ব্যাঙ্কে পাঠানোর আগে রাজ্য ব্লাড ট্রান্সফিউশন কাউন্সিলকে জানাতে হবে। আর অন্য রাজ্যে পাঠাতে হলে জাতীয় ব্লাড ট্রান্সফিউশন কাউন্সিলের অনুমতি বাধ্যতামূলক।তদন্তে অভিযোগ উঠেছে, প্রয়োজনীয় অনুমতি ছাড়াই অর্থের বিনিময়ে রক্ত ও রক্তের উপাদান অন্য রাজ্যে পাঠানো হয়েছে। অভিযোগ, গত ছয় মাসে প্রায় সাড়ে তিন হাজার ইউনিট লোহিত রক্তকণিকা বিহার, উত্তরপ্রদেশ ও ঝাড়খণ্ড-সহ একাধিক রাজ্যে বিক্রি করা হয়েছে। এই অভিযোগ সামনে আসতেই স্বাস্থ্য দপ্তর কড়া পদক্ষেপ করে। এখন আদালতের নির্দেশের পর তদন্তের রিপোর্টে কী তথ্য সামনে আসে, সেদিকেই নজর সকলের।

আগস্ট ০৭, ২০২৬
কলকাতা

শিক্ষক নিয়োগে আর ফিরছে না পুরনো নিয়ম! আদালতে এসএসসির বক্তব্যে জোর চর্চা

শিক্ষক নিয়োগ নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ অবস্থান জানাল স্কুল সার্ভিস কমিশন। কলকাতা হাই কোর্টে এসএলএসটি নিয়োগ মামলার শুনানিতে কমিশন স্পষ্ট জানিয়েছে, ভবিষ্যতের নিয়োগ ২০২৫ সালের নতুন নিয়ম মেনেই হবে। আগামী ২১ আগস্ট এই মামলার পরবর্তী শুনানির সম্ভাবনা রয়েছে।শুক্রবার বিচারপতি অমৃতা সিনহার বেঞ্চে রাজ্যের পক্ষে সিনিয়র স্ট্যান্ডিং কাউন্সেল নীলাঞ্জন ভট্টাচার্য আদালতে জানান, নিয়োগে দুর্নীতির বিরুদ্ধে রাজ্য সরকারের অবস্থান একেবারেই কঠোর। তাই নতুন নিয়োগ প্রক্রিয়ায় কোনও অনিয়মের সুযোগ থাকবে না। সেই কারণেই দ্বিতীয় এসএলএসটি নিয়োগ ২০২৫ সালের নতুন বিধি অনুসারে করা হবে।এর আগে ২০১৬ সালের শিক্ষক নিয়োগের সম্পূর্ণ প্যানেল আদালতের নির্দেশে বাতিল হয়েছিল। এরপর নতুন করে নিয়োগের নির্দেশ দেওয়া হয়। মামলাকারীদের দাবি ছিল, যেহেতু বিজ্ঞপ্তি ২০১৬ সালের, তাই সেই সময়ের নিয়ম মেনেই নিয়োগ হওয়া উচিত। তবে সরকার ও এসএসসি আদালতে জানায়, নতুন নিয়োগ বর্তমান নিয়ম অনুসারেই হবে।শুনানিতে সংরক্ষণ নিয়েও আলোচনা হয়। আগে অন্যান্য অনগ্রসর শ্রেণির জন্য ১৭ শতাংশ সংরক্ষণ ছিল। পরে নতুন নিয়মে তা ৭ শতাংশ করা হয়েছে। আদালত জানায়, বর্তমান সংরক্ষণ নীতিও নিয়োগ প্রক্রিয়ায় মানতে হবে। একই সঙ্গে রাজ্য সরকার ও এসএসসিকে সমন্বয় করে দ্রুত নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ করার পরামর্শ দিয়েছে আদালত।এখন নজর আগামী ২১ আগস্টের শুনানির দিকে। ওই দিন আদালতে এই মামলার পরবর্তী অগ্রগতি নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত সামনে আসতে পারে।

আগস্ট ০৭, ২০২৬
রাজ্য

জেলে সুজিত, এবার গ্রেফতার ঘনিষ্ঠ! গেস্ট হাউসে অভিযানে সামনে এল চাঞ্চল্যকর অভিযোগ

সল্টলেকের সুকান্তনগরের একটি গেস্ট হাউসে অনৈতিক কাজের অভিযোগে গ্রেফতার হলেন রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী সুজিত বসুর ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত সায়ন দে। তাঁর সঙ্গে আরও একজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। অভিযোগ, ওই গেস্ট হাউসে দীর্ঘদিন ধরে দেহ ব্যবসা এবং নাবালিকাদের দিয়ে অনৈতিক কাজ করানো হচ্ছিল। যদিও সায়ন দে তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, বহুদিন ধরেই ওই গেস্ট হাউসে অনৈতিক কার্যকলাপ চলছিল। একাধিকবার থানায় অভিযোগ জানানো হলেও আগে কোনও পদক্ষেপ করা হয়নি বলে অভিযোগ। সরকার পরিবর্তনের পর বিধাননগর গোয়েন্দা শাখার পুলিশ অভিযান চালিয়ে কয়েকজন মহিলা ও নাবালিকাকে উদ্ধার করে। পরে তাঁদের বয়ান নেওয়া হয়। তদন্তের ভিত্তিতে সায়ন দে এবং অনির্বাণ নামে আরও এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করে আদালতে তোলা হয়েছে।এই ঘটনায় বিজেপির স্থানীয় নেতৃত্ব দাবি করেছে, দীর্ঘদিন ধরেই এলাকার মানুষ অভিযোগ জানিয়ে আসছিলেন। তাঁদের অভিযোগ, রাজনৈতিক প্রভাবের কারণে আগে কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। যদিও এই অভিযোগের সত্যতা আদালতে প্রমাণিত হয়নি।অন্যদিকে আদালতে নিয়ে যাওয়ার পথে সায়ন দে দাবি করেন, ওই গেস্ট হাউস তাঁর কি না, সেটাই জানতে পুলিশ তাঁকে নিয়ে এসেছে। তাঁর কথায়, কোনও প্রমাণ পাওয়া যায়নি। তদন্তের পরই প্রকৃত সত্য সামনে আসবে।এই ঘটনাকে ঘিরে সল্টলেকে নতুন করে রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, পুরো ঘটনার তদন্ত চলছে এবং প্রয়োজন হলে আরও পদক্ষেপ করা হবে।

আগস্ট ০৭, ২০২৬
কলকাতা

কুণাল ঘোষকে বড় ধাক্কা! কণ্ঠরোধ মামলায় যা বলল হাইকোর্ট, চাঞ্চল্য রাজ্য রাজনীতিতে

বিধানসভায় কথা বলতে না দেওয়ার অভিযোগ তুলে করা কুণাল ঘোষের মামলা খারিজ করে দিল কলকাতা হাইকোর্ট। বিচারপতি কৃষ্ণা রাও জানিয়ে দেন, এই বিষয়ে আদালতের হস্তক্ষেপের সুযোগ নেই। যদি কোনও অভিযোগ থাকে, তা বিধানসভার স্পিকারের কাছেই জানাতে হবে।কুণাল ঘোষের অভিযোগ ছিল, বিধানসভার অধিবেশনে তাঁকে ইচ্ছাকৃতভাবে বক্তব্য রাখার সুযোগ দেওয়া হচ্ছে না। তাঁর নাম বক্তাদের তালিকা থেকে বারবার বাদ দেওয়া হচ্ছে বলেও দাবি করেন তিনি। এই ঘটনাকে তিনি পরিকল্পিত বলে অভিযোগ তুলে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন।মামলার শুনানিতে কুণাল ঘোষের আইনজীবী আদালতে জানান, বিষয়টি বিচারিক পর্যালোচনার আওতায় আনা হোক। তাঁর দাবি, বিধানসভায় বক্তব্য রাখার জন্য কুণাল ঘোষের নাম পাঠানো হচ্ছে না। আদালতের হস্তক্ষেপে অন্তত তাঁর বক্তব্য রাখার সুযোগ নিশ্চিত করা উচিত।এর জবাবে বিচারপতি কৃষ্ণা রাও প্রশ্ন তোলেন, আদালত কীভাবে স্পিকারকে নির্দেশ দিতে পারে যে কোন বিধায়ক কখন বক্তব্য রাখবেন। আদালতের পর্যবেক্ষণ, বিধানসভার কার্যপ্রণালীর বিষয়টি মূলত স্পিকারের এখতিয়ারের মধ্যে পড়ে।বিধানসভার পক্ষের আইনজীবী আদালতে জানান, বিপুল সংখ্যক বিধায়কের মধ্যে প্রত্যেককে নির্দিষ্ট সময়ে বক্তব্য রাখার সুযোগ দেওয়া সম্ভব নয়। তিনি আরও দাবি করেন, কুণাল ঘোষ অতীতেও বিধানসভায় বক্তব্য রেখেছেন। তাই তাঁর অভিযোগের ভিত্তি নেই।সব পক্ষের বক্তব্য শোনার পর বিচারপতি কৃষ্ণা রাও কুণাল ঘোষের আবেদন খারিজ করে দেন। আদালত জানায়, যদি সত্যিই তাঁর কোনও অভিযোগ থাকে, তাহলে তা বিধানসভার স্পিকারের কাছেই উত্থাপন করতে হবে। এই বিষয়ে আদালতের আর কোনও করণীয় নেই।

আগস্ট ০৭, ২০২৬
কলকাতা

হঠাৎ হাসপাতালে মিঠুন! অস্ত্রোপচারের খবর ছড়াতেই ছুটে গেলেন মুখ্যমন্ত্রী, জানালেন বড় আপডেট

জনপ্রিয় অভিনেতা মিঠুন চক্রবর্তী অসুস্থ হয়ে কলকাতার বাইপাসের ধারের একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। তাঁর অস্ত্রোপচার হয়েছে বলে হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে। শুক্রবার সকালে তাঁকে দেখতে হাসপাতালে পৌঁছান মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর সঙ্গে ছিলেন যাদবপুরের বিধায়ক শর্বরী মুখোপাধ্যায়-সহ অন্যরা। মুখ্যমন্ত্রী অভিনেতার সঙ্গে দেখা করার পাশাপাশি চিকিৎসকদের সঙ্গেও কথা বলে তাঁর শারীরিক অবস্থার খোঁজ নেন।গত কয়েক বছরে সক্রিয়ভাবে রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত হয়েছেন মিঠুন চক্রবর্তী। বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পর একাধিক নির্বাচনী প্রচারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন তিনি। সাম্প্রতিক নির্বাচনেও বয়সের তোয়াক্কা না করে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে প্রচার করেছেন। প্রচারের মাঝেই অসুস্থ হয়ে পড়লেও প্রচার থামাননি।মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর শুভেন্দু অধিকারী নিউটাউনে মিঠুন চক্রবর্তীর বাড়িতে গিয়ে তাঁর সঙ্গে দেখা করেছিলেন। এবার অভিনেতার হাসপাতালে ভর্তির খবর পেয়ে শুক্রবার সকালে সরাসরি হাসপাতালে পৌঁছে যান তিনি। বেশ কিছুক্ষণ মিঠুন চক্রবর্তীর সঙ্গে কথা বলেন এবং চিকিৎসকদের কাছ থেকেও তাঁর শারীরিক অবস্থার বিস্তারিত জানেন।হাসপাতাল থেকে বেরিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, মিঠুন চক্রবর্তী বাংলার সম্পদ। তাঁর কথায়, রাজনৈতিক পরিচয়ের বাইরে গিয়েও বাংলার মানুষের কাছে মিঠুনের বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে। তিনি আরও জানান, ছোট একটি অস্ত্রোপচার হয়েছে এবং বর্তমানে অভিনেতা সুস্থ আছেন। মুখ্যমন্ত্রী নিজের সমাজমাধ্যমেও সাক্ষাতের ছবি প্রকাশ করেছেন।হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, মিঠুন চক্রবর্তীর হাতে অস্ত্রোপচার হয়েছে। বর্তমানে তাঁর শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল। সব কিছু ঠিক থাকলে আগামী দু-এক দিনের মধ্যেই তাঁকে হাসপাতাল থেকে ছেড়ে দেওয়া হতে পারে।

আগস্ট ০৭, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal