• ২১ শ্রাবণ ১৪৩৩, শনিবার ০৮ আগস্ট ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Corona

বিদেশ

ভারতে করোনা বৃদ্ধির জন্য দায়ী বড় বড় ধর্মীয় এবং রাজনৈতিক সমাবেশ’: হু

ল্যানসেট এবং নেচার পত্রিকার পর এবার ভারতে করোনা সংক্রমণ বৃদ্ধির জন্য সরাসরি রাজনৈতিক এবং ধর্মীয় সমাবেশকে দায়ী করল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাও। হু বলছে, ভারতের বর্তমান পরিস্থিতির কারণ খতিয়ে দেখতে গিয়ে তাঁরা জানতে পেরেছেন, ভারতে সংক্রমণ বৃদ্ধির অনেকগুলি কারণের মধ্যে অন্যতম হল বড় বড় রাজনৈতিক জনসভা এবং ধর্মীয় জমায়েত।আসলে, প্রথম দফার সংক্রমণের গতি কিছুটা কমতেই ভারত সরকার তথা সাধারণ মানুষ করোনা নিয়ে অনেকটাই গা-ছাড়া মনোভাব দেখিয়েছে।দূরত্ব বিধি তো মানা হয়ইনি, উলটে বড়বড় রাজনৈতিক তথা ধর্মীয় সমাবেশ হয়েছে এদেশে। করোনা পরিস্থিতির মধ্যেই দূরত্ববিধি শিকেয় তুলে ৭টি রাজ্যে নির্বাচন হয়েছে। খোদ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি একের পর এক বড় বড় জনসভা করেছেন। একই দোষে দুষ্ট বিরোধী শিবিরও। শুধু রাজনৈতিক সমাবেশ নয়, এ হেন কঠিন পরিস্থিতির মধ্যে কুম্ভমেলার মতো সুপার স্প্রেডার ধর্মীয় সমাবেশ হয়েছে। বহু পুজো-অর্চনা, এবং অন্য ধর্মীয় অনুষ্ঠানে জমায়েতের অনুমতি দিয়েছে সরকার। এগুলিকেই দেশে দ্বিতীয় ঢেউয়ের ভয়াবহ আকার নেওয়ার অন্যতম কারণ হিসেবে চিহ্নিত করল হু।বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তরফে বলা হয়েছে, ভারতে করোনা সংক্রমণের ঝুঁকির পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে গিয়ে হু জানতে পেরেছে যে, ভারতে সংক্রমণ এবং মৃত্যুর হার বৃদ্ধির অনেক কারণ রয়েছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল বড় বড় রাজনৈতিক এবং ধর্মীয় জমায়েত। বিশেষ করে, এই জমায়েতগুলিতে ন্যুনতম কোনওরকম দূরত্ববিধি না মানার জন্য বেড়েছে সংক্রমণের ঝুঁকি। তবে, এই সমাবেশগুলির জন্য ঠিক কী পরিমাণ ক্ষতি হয়েছে, সেটা এখনও স্পষ্ট নয়।

মে ১৩, ২০২১
বিদেশ

ইচ্ছাকৃতভাবেই ছড়ানো হয়েছিল করোনা ভাইরাস!

ইচ্ছাকৃত ভাবেই পরিবেশে ছড়ানো হয়েছিল করোনা ভাইরাস । এব্যাপারে নাকি গুরুত্বপূর্ণ নথি রয়েছে মার্কিন বিদেশ দপ্তরের হাতে। যদিও বেজিং স্বাভাবিক ভাবেই এমন অভিযোগকে দৃঢ়ভাবে নস্যাৎ করে দিয়েছিল। কিন্তু চিনেরই এক ভাইরাস বিশেষজ্ঞ ফের অভিযোগ করলেন, চিনের গবেষণাগার থেকে জীবাণুযুদ্ধের মহড়া হিসেবেই ওই মারণ ভাইরাস পরিবেশে ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল।লি-মেং ইয়ান নামের ওই চিনা ভাইরাস বিশেষজ্ঞের এমন দাবি ঘিরে কিছুদিন ধরেই তোলপাড় গোটা বিশ্ব। এবার এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে সেই একই দাবি করতে দেখা গেল তাঁকে। ওই সংবাদমাধ্যমের তরফে তাঁর কাছে জানতে চাওয়া হয়, উহানের বাজার নয়, লালফৌজের গবেষণাগারেই বিশ্বত্রাস হয়ে ওঠা কোভিড-১৯ ভাইরাসের জন্ম, একথা লি-মেং ইয়ান কীসের ভিত্তিতে বলছেন। এর উত্তরে ওই চিনা বিজ্ঞানীর সাফ কথা, গত জানুয়ারি থেকেই ইউটিউবের মাধ্যমে আমি সকলকে জানাতে শুরু করেছিলাম যে পিপলস লিবারেশন আর্মি-র গবেষণাগারেই জন্ম এই ভাইরাসের। ইচ্ছাকৃত ভাবেই তা ছড়ানো হয়েছিল। চিনের সরকার এটা ভাল করেই জানে।তাঁর দাবি, প্রচুর অর্থ বরাদ্দ করে ওই ভাইরাসকে তৈরি করেছিল চিন। এবং তা ছড়িয়ে দিয়েছিল বাতাসে। উদ্দেশ্য, মানুষের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে দুর্বল করে দেওয়া। এবং সেই সঙ্গে প্রতিপক্ষ দেশগুলির চিকিৎসা কাঠামোকেই নড়বড়ে করে দেওয়াই লক্ষ্য ছিল বেজিংয়ের। ওই বিজ্ঞানীর দাবি, তাঁর এই অভিযোগের সপক্ষে জোরদার বৈজ্ঞানিক প্রমাণ রয়েছে তাঁর কাছে। পাশাপাশি গোয়েন্দা সূত্রে পাওয়া তথ্যপ্রমাণও রয়েছে। তাঁর আরও দাবি, এই সব প্রমাণ এমন অকাট্য চিনের পক্ষেও তা অস্বীকার করা সম্ভব নয়। কিন্তু তবু বেজিং এসবকে আড়াল করতে ভুয়ো প্রচার চালিয়ে যাচ্ছে।প্রসঙ্গত, করোনার দাপট শুরু হওয়ার পর থেকেই এই দাবি উঠতে থাকে যে এটি প্রাকৃতিক ভাইরাস নয়। একে তৈরি করা হয়েছে গবেষণাগারে। কিন্তু বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা সেই সময় জানিয়েছিল, এমন দাবি ভিত্তিহীন। এবার চিনের ভাইরাস বিশেষজ্ঞের এমন দাবি ঘিরে ক্রমেই বাড়ছে চাঞ্চল্য।

মে ১২, ২০২১
স্বাস্থ্য

নিঃস্বাস এ নেই বিশ্বাস

আজ পৃথিবীর বায়ু কলুষিত হয়েছে করোনা ভাইরাস এর জেরে। নিজের ঘর ছাড়া আজ কোথাও গিয়ে শান্তি নেই। আর যে সমস্ত মানুষরা ঘরে বসে আছে তারা দুশ্চিন্তায় দিন কাটাচ্ছে। আমরা সারাক্ষন টিভির পর্দায় কিংবা সোশ্যাল মিডিয়ায় চোখ রাখছি করোনার খবর নিতে। তাই করোনা যেরকম শরীরকে আক্রমণ করছে তেমনি আমাদের মনকেও অসুস্থ করে তুলছে. আমরা সোশ্যাল মিডিয়া বা টিভিতে চোখ রাখলেই দেখতে পাচ্ছি এ সব থেকে কিভাবে নিজেকে ঠিক রাখা যায়, মানে শরীর আর মন কে সুস্থ রাখা যায়। আমরা সেইসব অনুসরণ করার চেষ্টা করছি আর তার সুফল পাচ্ছি, কিন্তু বেশিভাগ সময় আমরা নানারকম কৌশল ব্যবহার করেও শারীরিক ও মানসিক ভাবে সুস্থ থাকতে পারছি না। কেন?প্রত্যেক মানুষের জন্য এক্সারসাইজ প্রেসক্রিপশন আলাদা, তাই বেশি এক্সারসাইজ দিয়ে শুরু করার চেষ্টা করবেন না। প্রথমে শুরু করুন ফ্রি হ্যান্ড এক্সারসাইজ সমস্ত জয়েন্টের।তারপরে ধাপে ধাপে আইসোটোনিক ও আইসোমেট্রিক এক্সারসাইজ এর দিকে ঝুঁকবেন। যেকোনো ধরণের ব্যায়াম করলে ব্রেইনে ডোপামিন লেভেল বৃদ্ধি পায়, ফলে স্ট্রেস আর ডিপ্রেশন কমে যায়। তাই মাথায় রাখবেন যেকোনো ধরণের এক্সারসাইজ শুরু করলেই কিন্তু আপনি আপনার ডিপ্রেশন আর টেনশন কাটাচ্ছেন।এবার যেটা করতে হবে সেটা হলো ব্রিথিং এক্সারসাইজ ও মেডিটেশন করুন। মেডিটেশন করার সময় আমাদের শ্বাস প্রস্বাস এর ওপর নজর রাখতে হয়, তাই চেষ্টা করুন ব্রিথিং এক্সারসাইজ আর মেডিটেশন একসাথে করতে। এতে আপনার মন শান্ত হবে এবং আপনার ফুসফুস এর ক্ষমতা বাড়বে। কয়েকটি সহজ ব্রিথিং এক্সারসাইজঃ১. সহজ প্রানায়ামঃ সোজা হয়ে বসে নাক দিয়ে নিঃস্বাস নিন জোরে আর ছাড়ুন মুখ দিয়ে। এখানে সময় ধরে করতে হবেনা। শুধু চেষ্টা করবেন অনেকটা নিঃস্বাস নেয়া আর সেটাকে ছেড়ে দেয়া।২. বক্স ব্রিথিংঃ ৪ সেকেন্ড ধরে নিঃস্বাস নিন, ৪ সেকেন্ড ধরে থাকুন, ৪ সেকেন্ড ধরে ছাড়ুন, আবার নিঃস্বাস নেয়ার আগে ৪ সেকেন্ড বিরত থাকুন। তারপর এই জিনিসটাই বার বার রিপিট করুন।৩. ভ্রমণ প্রানায়ামঃ অনেকধরণের ভ্রমণ প্রাণায়াম আছে তার মধ্যে দুটি সহজ প্রাণায়ামের কথা বলছি এখানে।চার পদক্ষেপে নিঃস্বাস নিন আর চার পদক্ষেপে নিঃস্বাস ছাড়ুন। যখন এতে অভস্থ হয়ে যাবেন তখন চার পদক্ষেপে নিঃস্বাস নিন আর ছয় পদক্ষেপে ছাড়ুন. প্রথমে এটি ১০ মিনিট পরে ৩০ মিনিট ধরে করার চেষ্টা করুন। ৪. Pursed লিপ ব্রিথিংঃ নাক দিয়ে নিঃস্বাস নিন আর মুখ ছোট করে জোরে (মোমবাতি নেভাতে গেলে আমরা যেভাবে ফুঁ দিই) নিঃস্বাস ছাড়ুন।৫. অনুলোম বিলোমঃ একটি নাক বন্ধ করে অন্য নাক দিয়ে নিঃস্বাস নিন, এবার যে নাক দিয়ে নিঃস্বাস নিলেন সেটি বন্ধ করে অপর নাক দিয়ে নিঃস্বাস ছাড়ুন, এবার যে নাক দিয়ে নিঃস্বাস ছাড়লেন সেই নাক দিয়ে নিঃস্বাস নিন, এরপর সেই নাকটি বন্ধ করে অপর নাক দিয়ে ছাড়ুন। এই প্রক্রিয়া টি সোজা হয়ে পদ্মাসনে বসে বেশ কয়েকবার ধরে করুন।৬. ডায়াফ্রাগমেটিক ব্রিথিংঃ ডায়াফ্রাম ফুসফুস থেকে পেটের অর্গানদের আলাদা করে রাখে. পেটের ঠিক মাঝখানে একটু ওপরের দিকে হাত রাখুন এবং একটু চাপ দিয়ে রাখুন, এই অবস্থায় নিঃস্বাস প্রস্বাস নিন। এই এক্সারসাইজ এর দ্বিতীয় ধাপ হলো যখন নিঃস্বাস ছাড়বেন হাতদিয়ে চাপ পেটের দিকে এবং ওপরের দিকে বাড়ান আবার নিঃস্বাস নেয়ার সময় চাপ একটু হালকা করুন, কিন্তু চাপ বজায় থাকবে।এই এক্সারসাইজ গুলো ছাড়াও আপনারা নিজেদের মতো এক্সারসাইজ করতে পারেন।এক্সারসাইজ করলে আমাদের নিঃস্বাস প্রশ্বাসের কি তফাৎ হয়?১. পালমোনারি ভেন্টিলেশনঃ পালমোনারি ভেন্টিলেশন হলো বায়ুর পরিমান যা ১ মিনিটে লাংস এ ঢোকে আর বেরোয়। সাধারণত এর পরিমান নরমাল এডাল্টদের 6liter / মিনিট (টাইডাল ভলিউম ৫০০ ml x রেসপিরেটরি রেট ১২/মিনিট)। মডারেট এক্সারসাইজ এ এটি 60liter / মিনিট এবং সিভিয়ার মাস্কুলার এক্সারসাইজ এ 100liter / মিনিট পর্যন্ত হতে পারে। ২. অক্সিজেন ডিফিউসিং ক্যাপাসিটিঃ এটি হলো অক্সিজেনের শরীরের (রক্তর সাথে) সাথে মেশার ক্ষমতা। সাধারণ এটি 21ml / মিনিট হয়, কিন্তু এক্সারসাইজ এ এটি বেড়ে 45ml থেকে 50ml পর্যন্ত হতে পারে।৩. অক্সিজেন গ্রহণযোগ্যতাঃ এক্সারসাইজ করলে টিসু, মাসল এ অক্সিজেন গ্রহণযোগ্যতা বেড়ে যায়।৪. অক্সিজেন ডেবিটঃ এক্সারসাইজ করার পর মাসল এ অক্সিজেন এর দরকার ৬ গুন্ বেড়ে যায়। তখন মাসল এ অক্সিজেন ঘাটতি দেখা যায়, যা সাধারণত দেখা যায় না। শরীর আস্তে আস্তে এই ঘাটতি পূর্ণ করে।৫. রেসপিরেটরি কোশেন্টঃ শরীরে নির্দিষ্ট পরিমান অক্সিজেন গ্রহণে যে পরিমান কার্বন ডাই অক্সাইড তৈরী হয় তার রেশিও কে রেসপিরেটরি কোশেন্ট বলে। নরমাল অবস্থায় এটি ১.০। এক্সারসাইজ করলে এটি বেড়ে ১.৫ বা ২.০ অবধি হয়, এবং এক্সারসাইজ শেষ হয়ে গেলে এটি কমে ০.৫ হয়ে যায়. অর্থাৎ সমপরিমাণ অক্সিজেনের জন্য শরীর তার অর্ধেক কার্বন ডাই অক্সাইড তৈরী করে।যেকোনোরকমের এক্সারসাইজ করতে হবে ঘরের মধ্যেই। করোনার সময় বাইরে না গিয়েও আপনি এক্সারসাইজ, ব্রিথিং এক্সারসাইজ এবং মেডিটেশন এর মাধ্যমে নিজের শরীর ও মনকে ঠিক রাখতে পারবেন।নিঃস্বাস নিন প্রাণ ভরে, বুক ভরে বিশ্বাসের সাথে, যে আমার একদিন এই সংকট কাল থেকে উদ্ধার পাবোই।Dr. Satyen Bhattacharyya (PT)MPT, COMT, CMT, CDNP, DOMPT (Pursuing), PhD Scholar.Associate Professor : Burdwan Institute of Medical and Life SciencesEx-Physiotherapist : Sports Authority of India, Bardhamanhttps://www.fitofine.in/post/breathing-exercise

মে ১১, ২০২১
কলকাতা

কোভিডে মৃতের দেহ পড়ে থাকল ৪৮ ঘণ্টা, স্বাস্থ্য দপ্তরের উদ্যোগে সৎকারের ব্যবস্থা

রেল ও রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তরের টানাপোড়েনে কোভিডে মৃতের দেহ প্রায় ৪৮ ঘণ্টা পড়ে রইল। সোমবার জেলা স্বাস্থ্য দপ্তরের উদ্যোগে অবশেষে দেহটির সৎকারের ব্যবস্থা করা হয়। শনিবার লিলুয়ার রেলের হাসপাতালে বেলা ৩টে নাগাদ মৃত্যু হয় বেলুড়ের ৮/১/এ, বিভূতিভূষণ লেনের বাসিন্দা কার্তিকচন্দ্র বাইনের(৬৬)। পরিবারসূত্রে জানা গিয়েছে, গত প্রায় ১২দিন আগে শ্বাসকষ্ট নিয়ে বেলুড়ের একটি নার্সিংহোমে ভর্তি হন তিনি। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে শনিবার সকালে তাঁকে লিলুয়ার রেলের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে ভর্তি করার কয়েক ঘণ্টা পরে থাকার পর বেলা প্রায় ৩টে নাগাদ পরিজনদের জানানো হয় রোগীর মৃত্যুর খবর।দেহটি ওইভাবেই পড়ে থাকার অভিযোগ ওঠে। এ বিষয়ে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ কিছু বলতে চায়নি। বিষয়টি স্বাস্থ্য দপ্তরের উপরেই চাপানো হয়। এই চাপানউতোরের জেরে মৃতার কন্যা বাবার দেহ সৎকারের আশায় বিভিন্ন জায়গায় যোগাযোগ করতে থাকেন। মৃতের পরিবারের অভিযোগ, হাসপাতাল থেকে প্রাইভেট অ্যাম্বুল্যান্সের নম্বর দেওয়া হয়। কিন্তু তারা প্রচুর টাকা দাবি করে। এই ঘটনা প্রসঙ্গে মৃতের মেয়ে কমলিকা বাইন জানান, তাঁর বাবার ফুসফুস নষ্ট হয়ে গিয়েছিল। প্রথমে তাঁকে স্থানীয় একটি নার্সিংহোমে ভর্তি করা হয়। পরে সেখান থেকে লিলুয়া হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। হাসপাতালে নিয়ে আসা কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই তিনি মারা যান। হাসপাতাল থেকে তাদের বলা হয় সম্পূর্ণ নিজের দায়িত্বে মৃতদেহ তারা নিয়ে যাবেন অথবা মৃতদেহ সৎকারের ব্যবস্থা করবে হাসপাতাল। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের যুক্তি, রবিবার ছুটির জন্য পুরনিগম গাড়ি পাঠাতে পারেনি। সোমবারও তারা আসতে পারবে না। এতদিন মৃতদেহ হাসপাতালে রাখা সম্ভব নয় বলে প্রাইভেট অ্যাম্বুল্যান্সে মৃতদেহ নিয়ে যাওয়ার কথা বলা হয়।

মে ১০, ২০২১
দেশ

করোনা রোগীর শেষকৃত্য থেকে ফিরে মৃত ২১!

করোনা রোগীর শেষকৃত্যে গিয়েছিলেন প্রায় শদেড়েক শ্মশানযাত্রী। ফেরার পর তাঁদের মধ্যে ২১ জনের মৃত্যু হল কয়েক দিনের মধ্যে। মৃতদের মধ্যে চারজনের শরীরে করোনা সংক্রমণ ধরা পড়েছে। বাকিদের মৃত্যুও মারণ ভাইরাসের সংক্রণের ফলে হয়েছে কি না তা এখনও জানা যায়নি। গোটা ঘটনা ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে রাজস্থানের খিরভা গ্রামে।গত ২১ এপ্রিল গ্রামে নিয়ে আসা হয় করোনায় মৃত এক গ্রামবাসীর দেহ। তাঁর শেষকৃত্যে শামিল হন প্রায় ১৫০ জন শ্মশানযাত্রী। অভিযোগ, করোনা বিধি না মেনেই সেই শেষকৃত্যে অংশ নেন তাঁরা। জানা গিয়েছে, মৃতদেহটি প্লাস্টিকে মোড়া ছিল। সেই মৃতদেহ অনেকে স্পর্শও করেছিলেন। সেদিনের পর থেকে ৫ মে পর্যন্ত ২১ জন শ্মশানযাত্রীর মৃত্যু ঘটে। তবে তাঁদের মধ্যে ৩-৪ জনের দেহেই করোনার সংক্রমণ ধরা পড়েছে। এপ্রসঙ্গে লক্ষ্মণগড়ের মহকুমা শাসক কুলরাজ মীনা জানিয়েছেন, আমরা মৃতদের পরিবার-পরিজনদের মধ্যে ১৪৭ জনের দেহে করোনা পরীক্ষা করেছি। গ্রামটিতে কোনও গোষ্ঠী সংক্রমণ ছড়িয়েছে কিনা তা খতিয়ে দেখতেই ওই পরীক্ষা করা হয়েছে। সেই সঙ্গে তিনি জানিয়েছেন, গ্রামটিকে জীবাণুমুক্ত করতে ইতিমধ্যেই অভিযান চালানো হয়েছে। গ্রামবাসীদের বারবার বোঝানো হয়েছে পরিস্থিতির গুরুত্ব। তাঁরা সকলেই সহযোগিতাও করছেন বলে জানিয়েছেন তিনি।

মে ০৮, ২০২১
বিদেশ

ওম নমঃ শিবায় ধ্বনিতে মুখরিত ইজরায়েল

করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ের বিরুদ্ধে গোটা দেশ লড়ছে। আর সেই লড়াইয়ে বিশ্বের প্রথম সারির প্রায় সব দেশই কোনও না কোনও ভাবে ভারতকে সাহায্য করছে। সাহায্য এসে পৌঁছেছে ইজরায়েল থেকেও। তবে এবার ইজরায়েল যে ভাবে ভারতের পাশে থাকার বার্তা দিল তা মনে হয় অন্য কোনও দেশ ভেবেও দেখেনি।ইহুদিদের এই দেশ ভগবান শিবের কাছে প্রার্থনা করল ভারতের সুস্থ হয়ে ওঠার জন্য। ইজরায়েলের তেল আভিভে শহরে এক প্রার্থনা সভার আয়োজন করা হয়। সেখানে কয়েকশো ইজরায়েলি জড়ো হয়ে ওম নমঃ শিবায় ধ্বনিতে প্রার্থনা করেন। প্রার্থনা করেন যাতে দ্রুত ভারত করোনা মুক্ত হয়ে ওঠে। ইজারায়েলিদের এই প্রার্থনা সভার ভিডিও তেল আভিভে ভারতীয় দূতাবাসের এক আধিকারিক পবন কে পাল তাঁর ইনস্টাগ্রাম হ্যান্ডলে পোস্ট করেছেন। আর এমন একটা ভিডিও পোস্ট হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ভাইরাল হয়ে যায়। প্রচুর নেটিজেন ভিডিওর কমেন্ট সেকশনে ইজারয়েলকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন এ ভাবে ভারতের পাশে থাকার জন্য। পবন ভিডিওর সঙ্গে পোস্টে লিখেছেন, যখন গোটা ইজরায়েল একত্রিত হয়ে আশার আলো দেখাচ্ছে।করোনার দ্বিতীয় ঢেউটের সঙ্গে ভারত এখনও রীতিমতো যুদ্ধ চালিয়ে যাচ্ছে। গত ২৪ ঘণ্টায় ৪ লক্ষ ১৪ হাজারের বেশি মানুষ নতুন করে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। মহারাষ্ট্র এবং কর্নাটকের অবস্থা সব থেকে খারাপ। তার পরেই রয়েছে কেরল এবং উত্তরপ্রদেশ। অন্যদিকে ইজরায়েল ইতিমধ্যেই করোনা পরিস্থিতি সামলে নিয়েছে। গত মাসেই সেখানে মাস্ক পরার বাধ্যবাধকতা তুলে দেওয়া হয়েছে।

মে ০৮, ২০২১
দেশ

দেশে একদিনের করোনার বলি প্রায় ৪০০০

ফের নয়া রেকর্ড গড়ল দেশের দৈনিক করোনা সংক্রমণ। স্বাস্থ্যমন্ত্রকের সাম্প্রতিকতম পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন দেশের ৪ লক্ষ ১৪ হাজার ১৮৮ জন। একদিনে করোনার বলি ৩৯১৫। সুস্থ হয়ে ফিরেছেন ৩ লক্ষ ৩১ হাজার ৫০৭ জন। এই মুহূর্তে দেশে অ্যাকটিভ রোগীর সংখ্যা ৩৬ লক্ষ ৪৫ হাজার ১৬৪।আইসিএমআর-এর রেকর্ড অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে কোভিডের নমুনা পরীক্ষা হয়েছে ২১৮ লক্ষ ২৬ হাজার ৪৯০। ইতিমধ্যে টিকাকরণ হয়েছে ১৬ কোটি ৪৯ লক্ষ ৭৩ হাজার ৫৮ জনের। যা মোট জনসংখ্যার তুলনায় সামান্যই। টিকাকরণের শ্লথ গতির কথা অবশ্য মেনে নিয়েছে কেন্দ্রও।বৃহস্পতিবার দেশে দৈনিক করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ৪ লক্ষ ১২ হাজারের বেশি। আর শুক্রবার তা তৈরি করল নয়া রেকর্ড। মৃত্যুর হারও আগের কয়েকদিনের চেয়ে বেশি। সুস্থতার পরিসংখ্যানেও তেমন স্বস্তি নেই। এখনও পর্যন্ত করোনাকে কাবু করে সুস্থ হয়ে উঠেছেন দেশের ১ কোটি ৭৬ লক্ষ ১২ হাজার ৩৫১ জন। দেশের করোনার দ্বিতীয় ঢেউ রুখতে একাধিক পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। বেশ কয়েকটি রাজ্যে দফায় দফায় জারি হচ্ছে লকডাউন। কোথাও আবার কার্ফু জারির মাধ্যমে সংক্রমণের শৃঙ্খল ভাঙার চেষ্টা চলছে। কোভিড মোকাবিলায় ভারতের দিকে হাত বাড়িয়েছে কার্যত গোটা বিশ্বই। ব্রিটেন, রাশিয়া, ফ্রান্স, সুইডেন-সহ একাধিক দেশ চিকিৎসা সরঞ্জাম, টিকা দিয়ে সাহায্য করেছে। শুক্রবার সকালে সুইজারল্যান্ড থেকেই পণ্যবাহী বিমানে দিল্লিতে নেমেছে ৫০টি রেসপিরেটর, যা এই মুহূর্তে সংকটজনক করোনা রোগীকে বাঁচানোর চিকিৎসায় খুবই গুরুত্বপূর্ণ। অক্সিজেনের অভাব মেটাতে বিভিন্ন জায়গায় তৈরি হচ্ছে প্লান্ট। এত কিছু সত্ত্বেও লাগামহীন করোনা সংক্রমণ। প্রতিদিন রেকর্ড ভেঙেই চলেছে। দ্বিতীয় ধাক্কায় যদি এই পরিস্থিতি হয়, তবে আসন্ন তৃতীয় ঢেউ আরও কতটা ভয়ংকর হবে, তা ভেবেই আশঙ্কিত আমজনতা।

মে ০৭, ২০২১
বিনোদুনিয়া

করোনা আক্রান্ত দীপিকা পাড়ুকোন, সংক্রমিত গোটা পরিবারও

বলিউডে আরও ভয়াবহ করোনা চিত্র। এবার মারণ ভাইরাসে আক্রান্ত হলেন অভিনেত্রী দীপিকা পাড়ুকোন। মঙ্গলবার সকালেই খবর মিলেছিল, দীপিকার বাবা, প্রাক্তন ব্যাডমিন্টন খেলোয়াড় প্রকাশ পাড়ুকোন কোভিড আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি। সন্ধেবেলাই দীপিকার করোনা সংক্রমণের দুঃসংবাদ এল। জানা গিয়েছে, এই মুহূর্তে বেঙ্গালুরুর বাড়িতে থাকা দীপিকার শরীরেও মারণ করোনা ভাইরাস হানা দিয়েছে। মৃদু উপসর্গ নিয়ে আপাতত তিনি বাড়িতেই আইসোলেশনে রয়েছেন বলে খবর। সূত্রের খবর, সপ্তাহখানেক আগে দীপিকার বাবা প্রকাশ, মা উজ্জ্বলা এবং ছোট বোন অনিশার করোনা উপসর্গ দেখা গিয়েছিল। সকলের করোনা পরীক্ষার ফল পজিটিভ হয়। তাঁরা সকলেই হোম আইসোলেশনে ছিলেন। প্রকাশ পাড়ুকোনের জ্বর না কমায় তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তবে এবার দীপিকার করোনা সংক্রমিত হওয়ার খবরে উদ্বেগ ছড়িয়েছে। জানা গিয়েছে, গত মাসে মুম্বই থেকে বেঙ্গালুরু গিয়েছিলেন দীপিকা। সঙ্গে ছিলেন তাঁর স্বামী অভিনেতা রণবীর কাপুরও। দীপিকা নিজের পরিবারের সঙ্গে কয়েকদিন থাকতে চেয়েছিলেন। তবে তা খুব একটা আনন্দদায়ক হল না। পরিবারের সকলেই পড়লেন করোনার কবলে। এই মুহূর্তে দীপিকার হাতে বলিউডের বেশ কিছু কাজ রয়েছে। কিন্তু তিনি আচমকা করোনা আক্রান্ত হওয়ায় সেসব কাজই অনেকটা পিছিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা। যদিও খবর, এখনও পর্যন্ত দীপিকার তেমন গুরুতর অসুস্থতা নেই। তাই বাড়িতেই রয়েছেন তিনি। প্রিয় নায়িকার এই অবস্থার কথা জানতে পেরে মুষড়ে পড়েছেন অনুরাগীরা। সকলেই তাঁর দ্রুত আরোগ্য কামনা করেছেন। তবে এই মুহূর্তে রণবীর কেমন আছেন, তা নিয়ে কিছু জানা যায়নি।

মে ০৪, ২০২১
খেলার দুনিয়া

করোনার কোপ, অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত আইপিএল

সানরাইজার্স হায়দরাবাদ শিবিরে করোনা থাবা বসাতেই আইপিএল স্থগিত করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিল বিসিসিআই। সংবাদ সংস্থা এএনআই সূত্রে খবর, ভারতীয় বোর্ডের ভাইস-প্রেসিডেন্ট রাজীব শুক্লা জানিয়ে দিয়েছেন, ভয়াবহ করোনা পরিস্থিতিতে ক্রিকেটারদের সুরক্ষার কথা ভেবেই এই সিদ্ধান্ত।দুই নাইট তারকা কোভিড পজিটিভ হওয়ায় সোমবার স্থগিত হয়েছিল কেকেআর বনাম আরসিবি ম্যাচ। এরপরই শোনা যায়, চেন্নাই সুপার কিংসের শিবিরেও ঢুকে পড়েছে মারণ ভাইরাসটি। ক্রিকেটাররা সুরক্ষিত থাকলেও ফ্র্যাঞ্চাইজির সিইও, বোলিং কোচ ও এক বাসকর্মী করোনা আক্রান্ত। ফলে অনুশীলন বাতিল করে দেয় দল। উদ্বেগজনক পরিস্থিতিতে বুধবার খেলার ইচ্ছা ছিল না ধোনিদের। কারণ যে স্টেডিয়ামে খেলা, সেই দিল্লিতেই পাঁচ গ্রাউন্ড স্টাফও সংক্রমিত। সবমিলিয়ে বেশ চাপে ছিল বিসিসিআই। তাই সংক্রমণ ঠেকাতে বাকি টুর্নামেন্ট একটি শহরেই আয়োজনের পরিকল্পনা করা হচ্ছিল। এ ব্যাপারে নাকি মহারাষ্ট্র সরকারের অনুমতিও চাওয়া হয়েছিল। তাদের তরফে সবুজ সংকেত এলেই মুম্বইয়ে টুর্নামেন্ট স্থানান্তরিত হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু এরই মাঝে আসে দুঃসংবাদ। করোনা আক্রান্ত ঋদ্ধিমান সাহাও।২ মে থেকেই জ্বর ছিল বাংলার উইকেট কিপারের। যে কারণে হায়দরাবাদের গত ম্যাচে মাঠেও ছিলেন না তিনি। আজ তাঁর দলের খেলার কথা ছিল মুম্বইয়ের বিরুদ্ধে। তার আগে নিয়ম মেনে করোনা পরীক্ষা হয় ঋদ্ধির। প্রথম দুবার রিপোর্ট নেগেটিভ আসে। কিন্তু তৃতীয়বারের রিপোর্টে জানা যায় তাঁর শরীরে বাসা বেঁধেছে মারণ ভাইরাস। এমন পরিস্থিতিতে প্রথমে অনির্দিষ্টকালের জন্য সাসপেন্ড করে দেওয়া হয় আইপিএল। কিন্তু আপাতত জানা যাচ্ছে, এই মরশুমের মতোই স্থগিত হয়ে গেল আইপিএল। সেক্ষেত্রে কীভাবে টুর্নামেন্টের সেরা দলকে বেছে নেওয়া হবে, কিংবা পরবর্তীতে আইপিএলের বাকি ম্যাচ হবে কি না, সে বিষয়ে এখনও বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি।

মে ০৪, ২০২১
দেশ

পরপর দু’দিন কমল দৈনিক করোনা সংক্রমণ

করোনা মোকাবিলায় কেন্দ্র ও রাজ্য কোমর বেঁধে নামতেই মিলল ইতিবাচক ফল। একদিকে যেমন টিকাকরণের গতি বেড়েছে, তেমনই একাধিক শহর হেঁটেছে পূর্ণ ও আংশিক লকডাউনের পথে। সমস্ত কোভিড প্রোটোকল মানার ক্ষেত্রেও কড়াকড়ি চলছে। যার ফল মিলল পরিসংখ্যানে। পরপর দুদিন দেশে সংক্রমণ নিম্নমুখী। একদিনে সুস্থ হয়ে উঠলেন তিন লক্ষ ২০ হাজারেরও বেশি মানুষ।মঙ্গলবার স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রকের দেওয়া পরিসংখ্যান বলছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে ৩ লক্ষ ৫৭ হাজার ২২৯ জন করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। দৈনিক সংক্রমণ অনেকটাই কমেছে মহারাষ্ট্রেও। তবে জুলাই ও অগস্টে সে রাজ্যে করোনার তৃতীয় ঢেউ আছড়ে পড়ার ইঙ্গিত দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। যদিও উদ্ধব সরকার জানিয়ে দিয়েছে, সমস্ত পরিস্থিতির জন্য তারা তৈরি। গোটা দেশে মোট করোনা আক্রান্ত বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২ কোটি ২ লক্ষ ৮২ হাজার ৮৩৩-এ। এদিকে একদিনে এই মারণ ভাইরাসে প্রাণ হারিয়েছেন ৩,৪৪৯ জন। দেশে এখনও পর্যন্ত করোনার বলি ২ লক্ষ ২২ হাজার ৪০৮ জন। তবে চিন্তায় রাখছে অ্যাকটিভ কেস। বর্তমানে করোনার চিকিৎসাধীন ৩৪ লক্ষ ৪৭ হাজার ১৩৩ জন।পরিসংখ্যান বলছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনামুক্ত হয়েছেন ৩ লক্ষ ২০ হাজার ২৮৯ জন। এখনও পর্যন্ত দেশে ১ কোটি ৬৬ লক্ষ ১৩ হাজার ২৯২ জন করোনা থেকে মুক্ত হয়েছেন। টিকা পেয়েছেন ১৫ কোটি ৮৯ লক্ষেরও বেশি মানুষ। দেশজুড়ে করোনার নয়া তাণ্ডব রুখতে টিকাকরণের গতি বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে কেন্দ্র। তবে টিকাকরণের পাশাপাশি রোগী চিহ্নিত করতে চলছে টেস্টিংও। আইসি্এমআর-এর রিপোর্ট বলছে, গতকাল ১৬ লক্ষ ৬৩ হাজার ৭৪২টি নমুনা পরীক্ষা হয়েছে।

মে ০৪, ২০২১
দেশ

রেকর্ড গড়ল করোনাজয়ীর সংখ্যা, কমল দৈনিক সংক্রমণ

দৈনিক করোনা আক্রান্তের সংখ্যায় সামান্য স্বস্তি পেল ভারত। চার লক্ষের গন্ডি পেরনোর পরদিনই সামান্য কমল দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যা। তবে, উদ্বেগ বাড়াচ্ছে মৃত্যু। রবিবার মৃতের সংখ্যায় রেকর্ড গড়েছে দেশ। টানা দ্বিতীয়বার মৃতের সংখ্যা পেরল তিন হাজার পাঁচশোর গণ্ডি। তবে, সবচেয়ে স্বস্তির খবর দেশে প্রথমবার দৈনিক সুস্থতার সংখ্যা ৩ লক্ষ পেরল।রবিবার সকালে স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রকের দেওয়া পরিসংখ্যান বলছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে ৩ লক্ষ ৯২ হাজার ৪৮৮ জন করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। যা আগের দিনের থেকে প্রায় অনেকটাই কম। আপাতত দেশে মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ কোটি ৯৫ লক্ষ ৫৭ হাজার ৪৫৭ জন। স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রকের দেওয়া পরিসংখ্যান অনুযায়ী, আপাতত মৃতের সংখ্যা ২ লক্ষ ১৫ হাজার ৫৪২ জন। এর মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু হয়েছে ৩ হাজার ৬৮৯ জনের। এই সংখ্যাটাও সর্বকালের রেকর্ড। এই নিয়ে দ্বিতীয় দিন মৃত্যু সাড়ে ৩ হাজার পেরল।স্বস্তির খবর হল, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনামুক্ত হয়েছেন ৩ লক্ষ ৭ হাজার ৮৬৫ জন। যা দৈনিক আক্রান্তের থেকে অনেক কম হলেও এযাবৎকালের রেকর্ড। আপাতত দেশের মোট অ্যাকটিভ কেস বেড়ে দাঁড়াল ৩৩ লক্ষ ৪৯ হাজার ৬৪৪ জন। দেশে এখনও পর্যন্ত সবমিলিয়ে সুস্থ হয়েছেন ১ কোটি ৬৮ লক্ষ ৮৪ হাজার ১৬ হাজার ৩১ জন। এখনও পর্যন্ত দেশে টিকা পেয়েছেন মোট ১৫ কোটি ৬৮ লক্ষ ১৬ হাজার ৩১ জন।

মে ০২, ২০২১
দেশ

করোনা আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু বিহারের প্রাক্তন ‘বাহুবলি’ সাংসদ সাহাবুদ্দিনের

দেশজুড়ে আছড়ে পড়েছে করোনা সংক্রমণের দ্বিতীয় ঢেউ। ভোলবদল করে আরও প্রাণঘাতী হয়ে উঠেছে ভাইরাসটি। এবার এই আণুবীক্ষণিক জীবের হামলায় প্রাণ হারালেন বিহারের প্রাক্তন বাহুবলি সাংসদ মহম্মদ সাহাবুদ্দিন।সূত্রের খবর, গত মঙ্গলবার করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হন সাহাবুদ্দিন। তারপর থেকে রাজধানী দিল্লির একটি হাসপাতালে তাঁর চিকিৎসা চলছিল। তবে চিকিৎসায় সাড়া দিচ্ছিলেন না তিনি বলে হাসপাতাল জানিয়েছিল। অবশেষে চিকিৎসকদের চেষ্টা ব্যর্থ করে শনিবার শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন লালু প্রসাদ যাদবের পার্টি রাষ্ট্রীয় জনতা দলের এই প্রাক্তন সাংসদ। উল্লেখ্য, রাজনীতিবিদের চাইতেও বাহুবলি হিসেবেই বেশি পরিচিত ছিলেন সাহাবুদ্দিন। বিহারের সিওয়ান জেলায় লালুপ্রসাদ যাদবের আমলে তাঁর দাপটে বাঘে গরুতে এক ঘাটে জল খেত বলে দাবি। বেশ কয়েকটি দুর্নীতি, খুন ও অপহরণের মামলা ছিল ওই প্রাক্তন সাংসদের নামে। বর্তমানে একাধিক মামলায় দোষী সাব্যস্ত হয়ে দিল্লির তিহার জেলে বন্দি ছিলেন তিনি। কিন্তু ওই হাই সিকিউরিটি কারগারেও থাবা বসিয়েছে করোনা। মারণ রোগে আক্রান্ত হয়েছেন অনেক বন্দি। গত বুধবার সাহাবুদ্দিনের যথাযথ চিকিৎসার ব্যবস্থা করার জন্য কেজরিওয়াল সরকারকে নির্দেশ দেয় দিল্লি হাইকোর্ট।

মে ০১, ২০২১
দেশ

আগামী সপ্তাহেই সবচেয়ে ভয়াবহ হবে করোনা পরিস্থিতি!

করোনার দ্বিতীয় ধাক্কায় নাজেহাল দেশ। প্রতিদিন নতুন নতুন রেকর্ড গড়ছে দেশের দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যা। গত ৯ দিন পরপর দেশের দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যা ৩ লক্ষের বেশি। যা বিশ্বরেকর্ড। মারণ ভাইরাসের এই দাপাদাপি যে কোনও সাধারণ মানুষের মধ্যে ভয় ধরাতে বাধ্য। কিন্তু কেন্দ্রের এক উপদেষ্টা কমিটি বলছে, এখানেই শেষ নয়। আগামী সপ্তাহে আরও ভয়াবহ হবে দেশের করোনা পরিস্থিতি। ওই কমিটি মনে করছে, দেশের পরিস্থিতি সবচেয়ে ভয়াবহ হতে চলেছে আগামী সপ্তাহেই।দেশের করোনা পরিস্থিতির দিকে নজর রাখতে এবং সরকারকে পরামর্শ দেওয়ার জন্য বিশেষজ্ঞদের একটি কমিটি গড়ে দিয়েছে কেন্দ্র। সেই কমিটি জানিয়েছে, মে মাসের ৩ থেকে ৫ তারিখের মধ্যে দেশের করোনা পরিস্থিতি সবচেয়ে ভয়াবহ হবে। দিন কয়েক আগে ওই উপদেষ্টা কমিটিই জানিয়েছিল, আগামী ৫ থেকে ১০ মের মধ্যে সবচেয়ে খারাপ হবে দেশের পরিস্থিতি। কিন্তু কেন্দ্রীয় উপদেষ্টা কমিটির বিজ্ঞানীরা জানাচ্ছেন, ভাইরাসটি তাঁদের প্রত্যাশার তুলনায় অনেক দ্রুত ছড়িয়েছে। ওই উপদেষ্টা কমিটির প্রধান এম বিদ্যাসাগর জানিয়েছেন, আমাদের বিশ্বাস, আগামী সপ্তাহেই দেশজুড়ে সর্বোচ্চ হবে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা।তবে স্বস্তির খবর হল, কেন্দ্রের উপদেষ্টা কমিটির বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, করোনার দ্বিতীয় এই ঢেউ বেশিদিন স্থায়ী হবে না। শীঘ্রই তা কমতে শুরু করবে। এম বিদ্যাসাগর সরকারকে দেওয়া রিপোর্টে জানিয়েছেন, জুলাই বা অগস্ট পর্যন্ত পরিকল্পনা করে কোনও স্বাস্থ্য পরিকাঠামো তৈরি করা অর্থহীন। কারণ অতদিন পর্যন্ত হয়তো এই ঢেউ থাকবেই না। সরকারের উদ্দেশে ওই কমিটির পরামর্শ, আগামী ৪ থেকে ৬ সপ্তাহের মধ্যে অদৃশ্য এই শত্রুর বিরুদ্ধে লড়তে হবে। তাই দীর্ঘকালীন পরিকল্পনা করে সময় নষ্ট করবেন না। আপনাদের সমস্যা এখন, তাই এটাকে মেটাতে হবে এখনই। এম বিদ্যাসাগর স্বীকার করে নিয়েছেন, এই মুহূর্তে দেশের করোনা আক্রান্তের সংখ্যা প্রথম ঢেউয়ের যেটা সবচেয়ে খারাপ সময় ছিল, তারও তিন গুণ। তবে, আসল সংখ্যাটা হয়তো হিসেবের ৫০ গুণ।

মে ০১, ২০২১
দেশ

দেশে দৈনিক করোনা আক্রান্তের সংখ্যা পেরোল ৪ লক্ষ

বিশ্বে প্রথম। ভারতের দৈনিক করোনা আক্রান্তের সংখ্যা পেরিয়ে গেল ৪ লক্ষের গণ্ডি। পরপর ৯ দিন আক্রান্তের সংখ্যা ৩ লক্ষের বেশি থাকার পর শনিবার নতুন রেকর্ড গড়ে ফেলল ভারত। এর আগে বিশ্বের কোনও দেশে দৈনিক সংক্রমণ চার লক্ষের ধারেকাছেও যায়নি। আক্রান্তের এই রেকর্ড বৃদ্ধি কাঁপুনি ধরাচ্ছে স্বাস্থ্য মন্ত্রকের। তবে স্বস্তির খবর, আক্রান্তের রেকর্ড গড়ার পাশাপাশি সুস্থতার হারেও রেকর্ড গড়ছে দেশ। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে সুস্থও হয়েছেন প্রায় ৩ লক্ষ মানুষ।শনিবার সকালে স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রকের দেওয়া পরিসংখ্যান বলছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে ৪ লক্ষ ১ হাজার ৯৯৩ জন করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। যা আগের দিনের থেকে প্রায় ১৬ হাজার বেশি। আপাতত দেশে মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ কোটি ৯১ লক্ষ ৬৪ হাজার ৯৬৯ জন। স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রকের দেওয়া পরিসংখ্যান অনুযায়ী, আপাতত মৃতের সংখ্যা ২ লক্ষ ১১ হাজার ৮৫৩ জন। এর মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু হয়েছে ৩ হাজার ৫২৩ জনের। এই সংখ্যাটাও আগের দিনের থেকে অনেকটা বেশি। করোনার দ্বিতীয় ধাক্কায় এই প্রথম মৃত্যু সাড়ে ৩ হাজার পেরল।স্বস্তির খবর হল, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনামুক্ত হয়েছেন ২ লক্ষ ৯৯ হাজার ৯৯৮ জন। যা দৈনিক আক্রান্তের থেকে অনেক কম হলেও এযাবৎকালের রেকর্ড। আপাতত দেশের মোট অ্যাকটিভ কেস বেড়ে দাঁড়াল ৩২ লক্ষ ৬৮ হাজার ৭১০ জন। দেশে এখনও পর্যন্ত সবমিলিয়ে সুস্থ হয়েছেন ১ কোটি ৫৬ লক্ষ ৮৪ হাজার ৪০৬ জন। প্রসঙ্গত, করোনা রুখতে আজ থেকেই দেশের বিভিন্ন রাজ্যে শুরু হচ্ছে গণটিকাকরণ। শুক্রবারের হিসেব অনুযায়ী টিকা নেওয়ার জন্য ১৮ থেকে ৪৪ বছরের প্রায় ২ কোটি ৪৫ লক্ষ মানুষ ভ্যাকসিন পাওয়ার আশায় নাম নথিভুক্ত করিয়েছেন। তবে, কয়েকটি রাজ্যে টিকার অপ্রতুলতার জন্য টিকাকরণ শুরু করা যায়নি। তবে, এখনও পর্যন্ত দেশে টিকা পেয়েছেন মোট ১৫ কোটি ৪৯ লক্ষ ৮৯ হাজার ৬৩৫ জন।

মে ০১, ২০২১
দেশ

করোনায় প্রয়াত জনপ্রিয় সাংবাদিক রোহিত সরদানা

একদিন আগে পর্যন্ত সোশ্যাল মিডিয়ায় অন্য কোভিড আক্রান্তদের জন্য ওষুধের খোঁজ করেছেন। করোনা রোগীদের সঙ্গে কোনওরকম অন্যায় হলে তার প্রতিবাদ করেছেন। সেই করোনার ছোবলেই প্রাণ গেল জনপ্রিয় টেলিভিশন সাংবাদিক রোহিত সরদানার। দিনকয়েক আগেই করোনা আক্রান্ত হন রোহিত। তবে, করোনার গুরুতর উপসর্গ ছিল না তাঁর শরীরে। শুক্রবার হঠাতই হৃদরোগে আক্রান্ত হন তিনি।২০০৪ সালে জি মিডিয়ার মাধ্যমে সাংবাদিক হিসেবে নিজের কেরিয়ার শুরু করেন রোহিত। জি মিডিয়ার জনপ্রিয় টিভি শো তাল থোক কের সঞ্চালনার জন্য খ্যাতি অর্জন করেন। মৃত্যুর আগে পর্যন্ত রোহিত আজ তক টেলিভিশন চ্যানেলে দঙ্গল নামের ডিবেট শো সঞ্চালনা করতেন। এছাড়াও একাধিক বিশেষ শোতে দেখা যেত তাঁকে। ইটিভি নিউজ নেটওয়ার্ক এবং আকাশবাণীতেও কাজ করেছেন তিনি। নিজের বাচনভঙ্গি এবং বিতর্কের ধরনের জন্য দর্শকদের মধ্যে বেশ জনপ্রিয় ছিলেন রোহিত। বৃহস্পতিবার রাতেও নিজের টুইটার হ্যান্ডেল থেকে এক করোনা আক্রান্তের জন্য সাহায্য প্রার্থনা করেছিলেন রোহিত। শুক্রবার সকালে নিজেই এই মারণ রোগের বলি হন তিনি। সাংবাদিক সুধীর চৌধুরী সোশ্যাল মিডিয়ায় তাঁর মৃত্যু সংবাদ দেন। রোহিতের অকাল প্রয়াণে শোকপ্রকাশ করেছেন রাজদীপ সরদেশাই, রজত শর্মাদের মতো সংবাদ জগতের মহীরুহরা। রাজনৈতিক মহল থেকেও বহু মানুষ শোক প্রকাশ করেছেন রোহিতের প্রয়াণে।

এপ্রিল ৩০, ২০২১
রাজ্য

করোনায় রাজ্যে একদিনেই মৃত ৯৬ জন

ক্রমশ ভয়াবহ হচ্ছে রাজ্যের করোনা পরিস্থিতি। গত ২৪ ঘণ্টায় মারণ ভাইরাস প্রাণ কাড়ল রাজ্যের ৯৬ জনের। যা এখনও পর্যন্ত সর্বোচ্চ। মৃত্যুর সংখ্যা রীতিমতো ভাঁজ ফেলেছে রাজ্যবাসীর। একইসঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে সংক্রমিতের সংখ্যাও। স্বাস্থ্যদপ্তরের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় সংক্রমিত হয়েছেন রাজ্যের ১৭,৪১১ জন। তাঁদের মধ্যে ৩,৯৩২ জনই উত্তর ২৪ পরগনার। অর্থাৎ দৈনিক সংক্রমণের নিরিখে ফের প্রথম স্থানে ওই জেলা। দ্বিতীয় স্থানে কলকাতা। সেখানকারও তিন হাজারের বেশি মানুষ আক্রান্ত হয়েছেন এদিন। নতুন আক্রান্তের সংখ্যা ৩,৯২৪ জন। তৃতীয় স্থানে দক্ষিণ ২৪ পরগনা। একদিনে নতুন করে করোনা থাবা বসিয়েছে সেখানকার ৯৭৩ জনের শরীরে। হাওড়া রয়েছে চতুর্থ স্থানে। একদিনে আক্রান্ত সেখানকার ৯২২ জন। দক্ষিণবঙ্গের পাশাপাশি উত্তরবঙ্গের করোনা গ্রাফও রীতিমতো ভয় ধরিয়েছে সেখানকার বাসিন্দাদের। সব জেলা থেকেই মিলেছে নতুন সংক্রমিতের হদিশ। ফলে রাজ্যের মোট আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৮,২৮, ৩৬৬।

এপ্রিল ৩০, ২০২১
দেশ

২৪ ঘণ্টায় করোনার বলি প্রায় সাড়ে তিন হাজার

রূপ বদলে আরও প্রাণঘাতী হয়ে উঠেছে করোনা ভাইরাস। মাত্র মাস খানেকের ব্যবধানেই দেশের দৈনিক করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ১ লক্ষ থেকে বেড়ে ৪ লক্ষের দোরগোড়ায় এসে হাজির। তারই মধ্যে ভ্যাকসিন, ওষুধ, অক্সিজেনের ঘাটতি মেটাতে নাজেহাল অবস্থা কেন্দ্রর। সব মিলিয়ে গত বছরের থেকেও ভয়ংকর অবস্থার সাক্ষী দেশবাসী। গত কয়েকদিনের মতো শুক্রবারও লাগামছাড়া সংক্রমণের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ল মৃতের সংখ্যা। আর বাড়তে থাকা অ্যাকটিভ কেস বুঝিয়ে দিল, কেন চতুর্দিকে অক্সিজেন এবং বেডের অভাব।এদিন স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রকের দেওয়া পরিসংখ্যান বলছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে ৩ লক্ষ ৮৬ হাজার ৪৫২ জন করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। এর বেশিরভাগটাই যে মহারাষ্ট্রে, তা বলাই বাহুল্য। জুলাই ও গস্টে সেখানে করোনার তৃতীয় ঢেউ আছড়ে পড়ার ইঙ্গিতও দিয়ে রাখলেন বিশেষজ্ঞরা। একইভাবে উদ্বেগ বাড়াচ্ছে রাজধানী দিল্লিও। লকডাউনের মেয়াদ আরও বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে সেখানে। দেশে মোট করোনা আক্রান্ত বেড়ে দাঁড়াল ১ কোটি ৮৭ লক্ষ ৬২ হাজার ৯৭৬-এ। এদিকে একদিনে এই মারণ ভাইরাসে প্রাণ হারালেন ৩,৪৯৮ জন। দেশে এখনও পর্যন্ত করোনার বলি ২ লক্ষ ৮ হাজার ৩৩০ জন। লাফিয়ে বাড়ছে অ্যাকটিভ কেসও। বর্তমানে করোনার চিকিৎসাধীন ৩১ লক্ষ ৭০ হাজার ২২৮ জন।পরিসংখ্যান বলছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনামুক্ত হয়েছেন ২ লক্ষ ৯৭ হাজার ৫৪০ জন। এখনও পর্যন্ত দেশে ১ কোটি ৫৩ লক্ষ ৮৪ হাজার ৪১৮ জন করোনা থেকে মুক্ত হয়েছেন। টিকা পেয়েছেন ১৫ কোটি ২২ লক্ষেরও বেশি মানুষ। দেশজুড়ে করোনার নয়া তাণ্ডব রুখতে টিকাকরণের গতি বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে কেন্দ্র। ১ মে থেকে আবার ১৮ বছরের ঊর্ধ্বে প্রত্যেককে করোনা ভ্যাকসিন দেওয়া হবে। তবে টিকাকরণের পাশাপাশি রোগী চিহ্নিত করতে চলছে টেস্টিংও। আইসিএমআর-এর রিপোর্ট বলছে, গতকাল ১৯ লক্ষ ২০ হাজার ১০৭টি নমুনা পরীক্ষা হয়েছে। তবে শুধু বাড়তে থাকা সংক্রমণই নয়, চিন্তা বাড়াচ্ছে করোনার নয়া স্ট্রেনও।

এপ্রিল ৩০, ২০২১
কলকাতা

কলকাতায় ৪ দিন বন্ধ অনাবশ্যক পণ্যসামগ্রীর বাজার

লকডাউন নয়। তবে করোনা সংক্রমণের চেন ভাঙার জন্য বড়সড় সিদ্ধান্ত নিল কনফেডারেশন অফ ওয়েস্টবেঙ্গল ট্রেড অ্যাসোসিয়েশন। জানিয়ে দেওয়া হল, কলকাতার যে এলাকাগুলির বাজারে সবচেয়ে বেশি ভিড় হয়, চারদিনের জন্য সেই সমস্ত বাজার বন্ধ রাখা হবে। অর্থাৎ আজ বৃহস্পতিবার থেকে আগামী রবিবার পর্যন্ত একাধিক এলাকার সমস্ত বাজার বন্ধ থাকবে।সংক্রমণ রুখতে লকডাউনকে শেষ হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহারের পরামর্শ দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। জানিয়েছিলেন, কনটেনমেন্ট জোনে কড়াকড়ি-সহ করোনা মোকাবিলায় নানা বিকল্প ব্যবস্থার কথা ভাবতে। আর এবার একজনের থেকে অন্যজনের মধ্যে সংক্রমণের এই চেন ভাঙতে অনাবশ্যক পণ্যের বাজার বন্ধের সিদ্ধান্ত নেওয়া হল। বলা হয়েছে, চাঁদনি চক, এগরা স্ট্রিট, ম্যাঙ্গো লেন, প্রিন্সেপ স্ট্রিট, চৌরঙ্গি, ক্যানিং স্ট্রিট, বড়বাজার-সহ যে সমস্ত এলাকায় প্রতিদিনই রাজ্যের নানা জায়গা থেকে ক্রেতারা এসে ভিড় জমান, সেই বাজারগুলি বন্ধ থাকবে রবিবার পর্যন্ত। পোস্তা এবং অন্যান্য কিছু বাজার আগের মতোই খোলা থাকবে।সিডব্লুবিটিএ-র সভাপতি সুশীল পোদ্দার বলেন, আমাদের সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত সব ব্যবসায়ীকে আমরা অনুরোধ করেছিলাম, যাতে বৃহস্পতিবার থেকে রবিবার পর্যন্ত তাঁরা বাজার বন্ধ রাখেন। সংক্রমণের শৃঙ্খল ভাঙতেই এই সিদ্ধান্ত। সঙ্গে এও পরিষ্কার করে দিয়েছেন, বৃহস্পতিবার এমনিতেই কলকাতার ৭টি আসনে আজ ভোট। ফলে বাজার বন্ধই থাকবে। আর সাধারণ নিয়মে শনি ও রবিবার এই সব বাজারগুলি বন্ধই থাকে। অর্থাৎ হিসেব মতো শুক্রবারই অতিরিক্ত একটি দিন বন্ধ রাখা হবে দোকানপাট।সিডব্লুবিটিএ-র সচিব রাজেশ ভাটিয়া জানিয়েছেন, করোনার চোখ রাঙানির মধ্যে ক্রেতা-বিক্রেতা-সহ সকলের সুরক্ষার জন্য ইতিমধ্যেই বিশেষ নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে। বলা হয়েছে, সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত বাজার খোলা রাখতে। শনি ও রবিবার বন্ধ থাকবে বাজার। যতটা সম্ভব যেন বাড়ি থেকেই কাজ করেন কর্মীরা। এছাড়া মাস্ক পরা, স্যানিটাইজারের ব্যবহার তো বাধ্যতামূলক।

এপ্রিল ২৯, ২০২১
দেশ

করোনার কোপে একসঙ্গে বাতিল বহু ট্রেন

দেশজুড়ে ভয়াবহ আকার নিয়েছে কোভিড। এই পরিস্থিতিতে ট্রেন পরিষেবা চালু থাকা নিয়ে রীতিমতো সংশয় তৈরি হয়েছে। সেই সংশয় আরও খানিকটা বাড়িয়ে দিয়ে মঙ্গলবার একযোগে ৪০টি ট্রেন বাতিল করার সিদ্ধান্ত নিল ভারতীয় রেল। রেলের তরফে এক বিবৃতি দিয়ে জানানো হয়েছে, করোনার জেরে এই ট্রেনগুলিতে যাত্রীসংখ্যা একধাক্কায় অনেকটা কমেছে।কম যাত্রীর জেরেই পরবর্তী নোটিস না দেওয়া পর্যন্ত এই ৪০টি ট্রেনের পরিষেবা বন্ধ রাখা হবে।তবে, এই ট্রেন বাতিলের ফলে এ রাজ্যে যাত্রীদের নতুন করে সমস্যায় পড়ার কথা নয়। কারণ অধিকাংশ ট্রেনই বাতিল হয়েছে উত্তর-পশ্চিম রেলের। এর মধ্যে কিছু ট্রেন আংশিক সময়ের জন্য বাতিল করা হলেও, অধিকাংশই বাতিল করা হয়েছে পরবর্তী নোটিস না দেওয়া পর্যন্ত। প্রসঙ্গত, করোনার দ্বিতীয় ধাক্কা আঘাত হানার পরই শিয়ালদহ এবং হাওড়া ডিভিশনে বহু চালক এবং গার্ড আক্রান্ত হয়েছেন। যার জেরে এই দুই শাখাতেই প্রচুর ট্রেন বাতিল করা হয়েছে। যার জেরে সমস্যায় পড়তে হচ্ছে নিত্যযাত্রীদের।এদিকে, শিয়ালদহ ও হাওড়া শাখায় পরপর বেশ কয়েকটি লোকাল ট্রেন বাতিল হওয়ায় যাত্রীমহলে আতঙ্ক ছড়িয়েছে।প্যাসেঞ্জার ট্রেন বন্ধ হয়ে যাবে, এমন গুজবও শোনা যাচ্ছে ইতিউতি। এরই মধ্যে উত্তর-পশ্চিম রেলের ৪০টি ট্রেন বাতিলের খবরে প্যাসেঞ্জার ট্রেন পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যাওয়ার জল্পনা আরও বাড়ল। যদিও, রেলের তরফে বারবার আশ্বস্ত করা হয়েছে কোনওভাবেই ট্রেন পরিষেবা পুরোপুরি বন্ধ করা হচ্ছে না। গত রবিবারও রেল বোর্ডের চেয়ারম্যান সুনীত শর্মা জানিয়েছেন, রেলকর্মীদের বড় অংশ কোভিডে আক্রান্ত তবুও রেল বন্ধ হবে না। এ নিয়ে কোনও রাজ্য এখন পর্যন্ত কোনও বার্তা দেয়নি। ফলে পরিষেবা বন্ধের আশঙ্কা নেই। রেল মন্ত্রকের তরফেও ইতিমধ্যেই জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্যাসেঞ্জার ট্রেন কিংবা কোনও দূরপাল্লার ট্রেন বন্ধ হচ্ছে না। পরিষেবা স্বাভাবিকই থাকছে। বিশেষ কারণে কোথাও ট্রেন বাতিল হতে পারে, কিন্তু তা স্থায়ী সিদ্ধান্ত নয়।

এপ্রিল ২৭, ২০২১
দেশ

করোনায় প্রয়াত নরেন্দ্র মোদির কাকিমা

এবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির পরিবারে করোনার থাবা। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় প্রয়াত হলেন প্রধানমন্ত্রীর কাকিমা। করোনা আক্রান্ত ছিলেন তিনি। মঙ্গলবার সন্ধেয় তাঁর মৃত্যু হয়। গুজরাতের আমদাবাদের নিউ রনিপ এলাকায় পরিবার নিয়ে থাকতেন প্রধানমন্ত্রীর কাকিমা। নাম নর্মদাবেন (৮০)। দিন কয়েক আগে কোভিড আক্রান্ত হন তিনি। শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাঁকে স্থানীয় সরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানেই মৃত্যু হল তাঁর। তাঁর প্রয়াণের জেরে শোকস্তব্ধ গোটা পরিবার।প্রধানমন্ত্রীর ছোট ভাই প্রহ্লাদ মোদি জানান, করোনা আক্রান্ত হওয়ার পর কাকিমা নর্মদাবেনের শারীরিক অবস্থার অবনতি হয়। ১০ দিন আগে তাঁকে সরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। সেখানেই আজ তাঁর মৃত্যু হল।যদিও পরিবারের সদস্যের মৃত্যু নিয়ে এখনও প্রধানমন্ত্রীর কোনও প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

এপ্রিল ২৭, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 8
  • 9
  • 10
  • 11
  • 12
  • 13
  • 14
  • ...
  • 20
  • 21
  • ›

ট্রেন্ডিং

দেশ

রাহুলকে ডেকেও সাড়া মেলেনি! বিস্ফোরক অভিযোগে মুখ খুললেন সোনম ওয়াংচুক

রাহুল গান্ধীর সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা হয়েছিল, কিন্তু কোনও ইতিবাচক সাড়া মেলেনি। দীর্ঘ অনশনের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে এবার বিস্ফোরক অভিযোগ করলেন পরিবেশকর্মী ও শিক্ষাবিদ সোনম ওয়াংচুক। শুধু রাহুল গান্ধী নন, কেন্দ্রীয় মন্ত্রীদের দেওয়া প্রতিশ্রুতিও রক্ষা করা হয়নি বলে দাবি করেছেন তিনি। সেই কারণেই এখন সব রাজনৈতিক নেতার উপর থেকে তাঁর আস্থা উঠে গিয়েছে বলে জানিয়েছেন সোনম।নিট প্রশ্নফাঁসের প্রতিবাদ এবং দেশের শিক্ষা ব্যবস্থায় সংস্কারের দাবিতে যন্তর মন্তরে টানা ছাব্বিশ দিন অনশন করেছিলেন সোনম ওয়াংচুক। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, তাঁর স্ত্রী গীতাঞ্জলী চেয়েছিলেন বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধীর উপস্থিতিতে অনশন ভাঙতে। সেই উদ্দেশ্যে রাহুল গান্ধীর সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও কোনও ইতিবাচক সাড়া পাওয়া যায়নি। সোনমের কথায়, তাঁর স্ত্রীর কোনও রাজনৈতিক উদ্দেশ্য ছিল না। তিনি শুধু চেয়েছিলেন রাহুল এসে অনশন ভাঙান। কিন্তু তা হয়নি।অনশন শেষ হওয়ার সময়ের ঘটনাও সামনে এনেছেন সোনম। তাঁর দাবি, তিনি চেয়েছিলেন শাসক ও বিরোধী শিবিরের পাশাপাশি ছাত্র প্রতিনিধিরাও সেই অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকুন। সেই সময় কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জেপি নাড্ডা ও জিতেন্দ্র সিং মধ্যরাতে তাঁর সঙ্গে বৈঠক করেন। সেখানে সিদ্ধান্ত হয়েছিল, আনুষ্ঠানিকভাবে অনশন শেষ করার ঘোষণার পরেই বৈঠকের ছবি প্রকাশ করা হবে। কিন্তু সেই প্রতিশ্রুতি রক্ষা করা হয়নি। আগেভাগেই ছবি প্রকাশ্যে চলে আসে। এই ঘটনায় তিনি গভীরভাবে হতাশ হন।সোনম ওয়াংচুক বলেন, প্রতিশ্রুতি ভঙ্গের এই অভিজ্ঞতা অত্যন্ত হতাশাজনক। তাঁর কথায়, এখন তিনি কোনও রাজনৈতিক নেতার উপরই আর ভরসা করতে পারেন না।মধ্যরাতে কেন্দ্রীয় মন্ত্রীদের সঙ্গে বৈঠক নিয়ে যে রাজনৈতিক সমঝোতার অভিযোগ উঠেছিল, তা-ও খারিজ করেছেন সোনম। তাঁর বক্তব্য, যদি রাজনৈতিক সমঝোতাই উদ্দেশ্য হত, তাহলে ছাব্বিশ দিন অনশন করার কোনও প্রয়োজন ছিল না। ব্যক্তিগত সুবিধা নয়, শিক্ষা ব্যবস্থার সংস্কার এবং ছাত্রদের স্বার্থেই তিনি আন্দোলনে নেমেছিলেন। তাঁর দাবি, গোটা আন্দোলন শান্তিপূর্ণ ছিল এবং তার লক্ষ্য ছিল শুধুমাত্র জনস্বার্থ।

আগস্ট ০৭, ২০২৬
দেশ

বিদেশে চিকিৎসার লড়াই থামছেই না! ফের সুপ্রিম কোর্টে অভিষেক, এবার কী রায়?

বিদেশে চোখের চিকিৎসার অনুমতি পেতে আইনি লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রথমে কলকাতা হাইকোর্ট, তারপর সুপ্রিম কোর্ট, আবার হাইকোর্ট কোথাও কাঙ্ক্ষিত স্বস্তি না মেলায় এবার ফের সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন তিনি। বিদেশে চিকিৎসার অনুমতি চেয়ে নতুন করে আবেদন করেছেন ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ।এর আগে বিদেশে চোখের চিকিৎসার অনুমতি চেয়ে কলকাতা হাইকোর্টে আবেদন করেছিলেন অভিষেক। কিন্তু আদালত সেই আবেদন খারিজ করে দেয়। বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য জানান, দেশের মধ্যে চিকিৎসার সুযোগ থাকলে আগে সেই পথই অনুসরণ করতে হবে। আদালত বিশেষভাবে এসএসকেএম হাসপাতালে চিকিৎসকদের একটি মেডিক্যাল বোর্ড গঠনের পরামর্শ দেয়। সেই বোর্ড যদি মনে করে বিদেশে চিকিৎসা প্রয়োজন, তবেই বিদেশ যাওয়ার অনুমতির বিষয়টি বিবেচনা করা যেতে পারে।হাইকোর্টের এই নির্দেশের বিরুদ্ধে সরাসরি সুপ্রিম কোর্টে যান অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর আইনজীবী জানান, তদন্তে তিনি সম্পূর্ণ সহযোগিতা করেছেন এবং আদালতের সব নির্দেশ মেনেছেন। তাই চিকিৎসার জন্য বিদেশে যেতে বাধা দেওয়া উচিত নয়। তবে সুপ্রিম কোর্ট সেই আবেদন গ্রহণ না করে জানায়, বিষয়টি প্রথমে হাইকোর্টেই নিষ্পত্তি হওয়া উচিত। একই সঙ্গে হাইকোর্টকে দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়ার নির্দেশও দেওয়া হয়।পরবর্তী শুনানিতে হাইকোর্ট আবারও জানায়, এসএসকেএম হাসপাতালের মেডিক্যাল বোর্ডের মতামত অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু অভিষেকের আইনজীবী স্পষ্ট জানান, তাঁর মক্কেল এসএসকেএমে চিকিৎসা করাতে আগ্রহী নন এবং বিদেশেই চিকিৎসা করাতে চান। এরপর হাইকোর্ট আবেদন খারিজ করে দেয়।হাইকোর্টে স্বস্তি না মেলায় এবার আবারও সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এখন শীর্ষ আদালতের সিদ্ধান্তের দিকেই নজর রাজনৈতিক মহল এবং আইনি বিশেষজ্ঞদের।

আগস্ট ০৭, ২০২৬
দেশ

“রাজনীতি করবেন, আর ডিমকে ভয় পাবেন?” সুপ্রিম কোর্টে মহুয়াকে তীব্র কটাক্ষ, তারপর যা হল...

সুপ্রিম কোর্টে বড় ধাক্কা খেলেন তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদ মহুয়া মৈত্র। একটি ফেসবুক পোস্ট সংক্রান্ত মামলায় ভার্চুয়াল হাজিরার অনুমতি চেয়ে শীর্ষ আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন তিনি। শুনানির সময় বিচারপতির মন্তব্য ঘিরে চর্চা শুরু হয়েছে। পরে মহুয়া মৈত্রের আইনজীবী নিজেই মামলাটি প্রত্যাহার করে নেন।শুক্রবার বিচারপতি দীপঙ্কর দত্ত ও বিচারপতি শীল নাগুর বেঞ্চে মামলার শুনানি হয়। মহুয়ার আইনজীবী গোপাল শঙ্করনারায়ণ আদালতে জানান, আগেরবার হাজিরা দিতে গিয়ে তাঁর মক্কেলকে হুমকির মুখে পড়তে হয়েছিল। এমনকি তাঁর দিকে ডিমও ছোড়া হয়েছিল। সেই কারণেই জেরার জন্য ভার্চুয়াল হাজিরার অনুমতি চাওয়া হয়।এই আবেদন শুনেই বিচারপতি দীপঙ্কর দত্ত প্রশ্ন তোলেন, শুধুমাত্র সাংসদ হওয়ার কারণেই কি এমন সুবিধা চাওয়া হচ্ছে? পরে ডিম ছোড়ার প্রসঙ্গ উঠতেই বিচারপতি মন্তব্য করেন, রাজনীতি করতে এলে ডিমকে ভয় পেলে চলবে না। তিনি আরও বলেন, দেশের স্বাধীনতা সংগ্রামীরা বুকে গুলি খেয়েছেন, তাই জনজীবনে থাকা ব্যক্তিদের সমালোচনা বা প্রতিবাদের মুখোমুখি হওয়ার মানসিকতা থাকতে হবে।শুনানির সময় আদালত মহুয়ার আবেদন গ্রহণে অনীহা প্রকাশ করে। এরপর তাঁর আইনজীবী মামলাটি প্রত্যাহার করে নেন। ফলে ভার্চুয়াল হাজিরার আবেদন আর বিবেচনা করা হয়নি।উল্লেখ্য, এই একই মামলায় আগে কলকাতা হাই কোর্ট মহুয়া মৈত্রকে গ্রেফতারি থেকে অন্তর্বর্তী সুরক্ষা দিয়েছিল। তবে তদন্তে সহযোগিতা করার নির্দেশও দেওয়া হয়েছিল। পাশাপাশি আগামী ১৪ আগস্ট তদন্তকারী সংস্থার সামনে হাজির হওয়ার নির্দেশ রয়েছে। সেই নির্দেশের পরই ভার্চুয়াল হাজিরার অনুমতি চেয়ে সুপ্রিম কোর্টে আবেদন করেছিলেন কৃষ্ণনগরের সাংসদ।

আগস্ট ০৭, ২০২৬
কলকাতা

রক্ত সংগ্রহে ভয়ঙ্কর অনিয়মের অভিযোগ! আদালতের নজরে এগারো ব্লাড ব্যাঙ্ক, বাড়ল চাপ

রাজ্যে রক্ত সংগ্রহ ও বণ্টন নিয়ে অনিয়মের অভিযোগে শুরু হওয়া বিতর্ক এবার পৌঁছে গেল কলকাতা হাই কোর্টে। একাধিক বেসরকারি ব্লাড ব্যাঙ্কের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু হওয়ার পর পাড়ায় পাড়ায় রক্তদান শিবির আয়োজনের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তর। সেই নির্দেশের বিরোধিতা করে আদালতের দ্বারস্থ হয় একটি বেসরকারি ব্লাড ব্যাঙ্ক। শুক্রবার মামলার শুনানিতে বিচারপতি কৃষ্ণা রাও রাজ্য সরকারের কাছে জানতে চান, তদন্ত কতদূর এগিয়েছে। আগামী ১৪ আগস্টের মধ্যে তদন্তের রিপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে আদালত। মামলার পরবর্তী শুনানি হবে ১৯ আগস্ট।রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তরের ব্লাড ট্রান্সফিউশন কাউন্সিল জানায়, বিভিন্ন বেসরকারি ব্লাড ব্যাঙ্কে আকস্মিক পরিদর্শনে রক্ত সংগ্রহ ও বণ্টনে একাধিক অনিয়ম ধরা পড়েছে। সেই কারণেই তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত মোট এগারোটি বেসরকারি ব্লাড ব্যাঙ্ককে বাইরে রক্তদান শিবির আয়োজন করতে নিষেধ করা হয়েছে। তবে সরকারি নিয়ম মেনে নিজেদের হাসপাতাল বা প্রতিষ্ঠানের ভিতরে রক্ত সংগ্রহ করা যাবে।সরকারি নির্দেশে আরও বলা হয়েছে, রাজ্যের মধ্যে রক্ত বা রক্তের উপাদান অন্য কোনও ব্লাড ব্যাঙ্কে পাঠানোর আগে রাজ্য ব্লাড ট্রান্সফিউশন কাউন্সিলকে জানাতে হবে। আর অন্য রাজ্যে পাঠাতে হলে জাতীয় ব্লাড ট্রান্সফিউশন কাউন্সিলের অনুমতি বাধ্যতামূলক।তদন্তে অভিযোগ উঠেছে, প্রয়োজনীয় অনুমতি ছাড়াই অর্থের বিনিময়ে রক্ত ও রক্তের উপাদান অন্য রাজ্যে পাঠানো হয়েছে। অভিযোগ, গত ছয় মাসে প্রায় সাড়ে তিন হাজার ইউনিট লোহিত রক্তকণিকা বিহার, উত্তরপ্রদেশ ও ঝাড়খণ্ড-সহ একাধিক রাজ্যে বিক্রি করা হয়েছে। এই অভিযোগ সামনে আসতেই স্বাস্থ্য দপ্তর কড়া পদক্ষেপ করে। এখন আদালতের নির্দেশের পর তদন্তের রিপোর্টে কী তথ্য সামনে আসে, সেদিকেই নজর সকলের।

আগস্ট ০৭, ২০২৬
কলকাতা

শিক্ষক নিয়োগে আর ফিরছে না পুরনো নিয়ম! আদালতে এসএসসির বক্তব্যে জোর চর্চা

শিক্ষক নিয়োগ নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ অবস্থান জানাল স্কুল সার্ভিস কমিশন। কলকাতা হাই কোর্টে এসএলএসটি নিয়োগ মামলার শুনানিতে কমিশন স্পষ্ট জানিয়েছে, ভবিষ্যতের নিয়োগ ২০২৫ সালের নতুন নিয়ম মেনেই হবে। আগামী ২১ আগস্ট এই মামলার পরবর্তী শুনানির সম্ভাবনা রয়েছে।শুক্রবার বিচারপতি অমৃতা সিনহার বেঞ্চে রাজ্যের পক্ষে সিনিয়র স্ট্যান্ডিং কাউন্সেল নীলাঞ্জন ভট্টাচার্য আদালতে জানান, নিয়োগে দুর্নীতির বিরুদ্ধে রাজ্য সরকারের অবস্থান একেবারেই কঠোর। তাই নতুন নিয়োগ প্রক্রিয়ায় কোনও অনিয়মের সুযোগ থাকবে না। সেই কারণেই দ্বিতীয় এসএলএসটি নিয়োগ ২০২৫ সালের নতুন বিধি অনুসারে করা হবে।এর আগে ২০১৬ সালের শিক্ষক নিয়োগের সম্পূর্ণ প্যানেল আদালতের নির্দেশে বাতিল হয়েছিল। এরপর নতুন করে নিয়োগের নির্দেশ দেওয়া হয়। মামলাকারীদের দাবি ছিল, যেহেতু বিজ্ঞপ্তি ২০১৬ সালের, তাই সেই সময়ের নিয়ম মেনেই নিয়োগ হওয়া উচিত। তবে সরকার ও এসএসসি আদালতে জানায়, নতুন নিয়োগ বর্তমান নিয়ম অনুসারেই হবে।শুনানিতে সংরক্ষণ নিয়েও আলোচনা হয়। আগে অন্যান্য অনগ্রসর শ্রেণির জন্য ১৭ শতাংশ সংরক্ষণ ছিল। পরে নতুন নিয়মে তা ৭ শতাংশ করা হয়েছে। আদালত জানায়, বর্তমান সংরক্ষণ নীতিও নিয়োগ প্রক্রিয়ায় মানতে হবে। একই সঙ্গে রাজ্য সরকার ও এসএসসিকে সমন্বয় করে দ্রুত নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ করার পরামর্শ দিয়েছে আদালত।এখন নজর আগামী ২১ আগস্টের শুনানির দিকে। ওই দিন আদালতে এই মামলার পরবর্তী অগ্রগতি নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত সামনে আসতে পারে।

আগস্ট ০৭, ২০২৬
রাজ্য

জেলে সুজিত, এবার গ্রেফতার ঘনিষ্ঠ! গেস্ট হাউসে অভিযানে সামনে এল চাঞ্চল্যকর অভিযোগ

সল্টলেকের সুকান্তনগরের একটি গেস্ট হাউসে অনৈতিক কাজের অভিযোগে গ্রেফতার হলেন রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী সুজিত বসুর ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত সায়ন দে। তাঁর সঙ্গে আরও একজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। অভিযোগ, ওই গেস্ট হাউসে দীর্ঘদিন ধরে দেহ ব্যবসা এবং নাবালিকাদের দিয়ে অনৈতিক কাজ করানো হচ্ছিল। যদিও সায়ন দে তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, বহুদিন ধরেই ওই গেস্ট হাউসে অনৈতিক কার্যকলাপ চলছিল। একাধিকবার থানায় অভিযোগ জানানো হলেও আগে কোনও পদক্ষেপ করা হয়নি বলে অভিযোগ। সরকার পরিবর্তনের পর বিধাননগর গোয়েন্দা শাখার পুলিশ অভিযান চালিয়ে কয়েকজন মহিলা ও নাবালিকাকে উদ্ধার করে। পরে তাঁদের বয়ান নেওয়া হয়। তদন্তের ভিত্তিতে সায়ন দে এবং অনির্বাণ নামে আরও এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করে আদালতে তোলা হয়েছে।এই ঘটনায় বিজেপির স্থানীয় নেতৃত্ব দাবি করেছে, দীর্ঘদিন ধরেই এলাকার মানুষ অভিযোগ জানিয়ে আসছিলেন। তাঁদের অভিযোগ, রাজনৈতিক প্রভাবের কারণে আগে কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। যদিও এই অভিযোগের সত্যতা আদালতে প্রমাণিত হয়নি।অন্যদিকে আদালতে নিয়ে যাওয়ার পথে সায়ন দে দাবি করেন, ওই গেস্ট হাউস তাঁর কি না, সেটাই জানতে পুলিশ তাঁকে নিয়ে এসেছে। তাঁর কথায়, কোনও প্রমাণ পাওয়া যায়নি। তদন্তের পরই প্রকৃত সত্য সামনে আসবে।এই ঘটনাকে ঘিরে সল্টলেকে নতুন করে রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, পুরো ঘটনার তদন্ত চলছে এবং প্রয়োজন হলে আরও পদক্ষেপ করা হবে।

আগস্ট ০৭, ২০২৬
কলকাতা

কুণাল ঘোষকে বড় ধাক্কা! কণ্ঠরোধ মামলায় যা বলল হাইকোর্ট, চাঞ্চল্য রাজ্য রাজনীতিতে

বিধানসভায় কথা বলতে না দেওয়ার অভিযোগ তুলে করা কুণাল ঘোষের মামলা খারিজ করে দিল কলকাতা হাইকোর্ট। বিচারপতি কৃষ্ণা রাও জানিয়ে দেন, এই বিষয়ে আদালতের হস্তক্ষেপের সুযোগ নেই। যদি কোনও অভিযোগ থাকে, তা বিধানসভার স্পিকারের কাছেই জানাতে হবে।কুণাল ঘোষের অভিযোগ ছিল, বিধানসভার অধিবেশনে তাঁকে ইচ্ছাকৃতভাবে বক্তব্য রাখার সুযোগ দেওয়া হচ্ছে না। তাঁর নাম বক্তাদের তালিকা থেকে বারবার বাদ দেওয়া হচ্ছে বলেও দাবি করেন তিনি। এই ঘটনাকে তিনি পরিকল্পিত বলে অভিযোগ তুলে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন।মামলার শুনানিতে কুণাল ঘোষের আইনজীবী আদালতে জানান, বিষয়টি বিচারিক পর্যালোচনার আওতায় আনা হোক। তাঁর দাবি, বিধানসভায় বক্তব্য রাখার জন্য কুণাল ঘোষের নাম পাঠানো হচ্ছে না। আদালতের হস্তক্ষেপে অন্তত তাঁর বক্তব্য রাখার সুযোগ নিশ্চিত করা উচিত।এর জবাবে বিচারপতি কৃষ্ণা রাও প্রশ্ন তোলেন, আদালত কীভাবে স্পিকারকে নির্দেশ দিতে পারে যে কোন বিধায়ক কখন বক্তব্য রাখবেন। আদালতের পর্যবেক্ষণ, বিধানসভার কার্যপ্রণালীর বিষয়টি মূলত স্পিকারের এখতিয়ারের মধ্যে পড়ে।বিধানসভার পক্ষের আইনজীবী আদালতে জানান, বিপুল সংখ্যক বিধায়কের মধ্যে প্রত্যেককে নির্দিষ্ট সময়ে বক্তব্য রাখার সুযোগ দেওয়া সম্ভব নয়। তিনি আরও দাবি করেন, কুণাল ঘোষ অতীতেও বিধানসভায় বক্তব্য রেখেছেন। তাই তাঁর অভিযোগের ভিত্তি নেই।সব পক্ষের বক্তব্য শোনার পর বিচারপতি কৃষ্ণা রাও কুণাল ঘোষের আবেদন খারিজ করে দেন। আদালত জানায়, যদি সত্যিই তাঁর কোনও অভিযোগ থাকে, তাহলে তা বিধানসভার স্পিকারের কাছেই উত্থাপন করতে হবে। এই বিষয়ে আদালতের আর কোনও করণীয় নেই।

আগস্ট ০৭, ২০২৬
কলকাতা

হঠাৎ হাসপাতালে মিঠুন! অস্ত্রোপচারের খবর ছড়াতেই ছুটে গেলেন মুখ্যমন্ত্রী, জানালেন বড় আপডেট

জনপ্রিয় অভিনেতা মিঠুন চক্রবর্তী অসুস্থ হয়ে কলকাতার বাইপাসের ধারের একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। তাঁর অস্ত্রোপচার হয়েছে বলে হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে। শুক্রবার সকালে তাঁকে দেখতে হাসপাতালে পৌঁছান মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর সঙ্গে ছিলেন যাদবপুরের বিধায়ক শর্বরী মুখোপাধ্যায়-সহ অন্যরা। মুখ্যমন্ত্রী অভিনেতার সঙ্গে দেখা করার পাশাপাশি চিকিৎসকদের সঙ্গেও কথা বলে তাঁর শারীরিক অবস্থার খোঁজ নেন।গত কয়েক বছরে সক্রিয়ভাবে রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত হয়েছেন মিঠুন চক্রবর্তী। বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পর একাধিক নির্বাচনী প্রচারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন তিনি। সাম্প্রতিক নির্বাচনেও বয়সের তোয়াক্কা না করে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে প্রচার করেছেন। প্রচারের মাঝেই অসুস্থ হয়ে পড়লেও প্রচার থামাননি।মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর শুভেন্দু অধিকারী নিউটাউনে মিঠুন চক্রবর্তীর বাড়িতে গিয়ে তাঁর সঙ্গে দেখা করেছিলেন। এবার অভিনেতার হাসপাতালে ভর্তির খবর পেয়ে শুক্রবার সকালে সরাসরি হাসপাতালে পৌঁছে যান তিনি। বেশ কিছুক্ষণ মিঠুন চক্রবর্তীর সঙ্গে কথা বলেন এবং চিকিৎসকদের কাছ থেকেও তাঁর শারীরিক অবস্থার বিস্তারিত জানেন।হাসপাতাল থেকে বেরিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, মিঠুন চক্রবর্তী বাংলার সম্পদ। তাঁর কথায়, রাজনৈতিক পরিচয়ের বাইরে গিয়েও বাংলার মানুষের কাছে মিঠুনের বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে। তিনি আরও জানান, ছোট একটি অস্ত্রোপচার হয়েছে এবং বর্তমানে অভিনেতা সুস্থ আছেন। মুখ্যমন্ত্রী নিজের সমাজমাধ্যমেও সাক্ষাতের ছবি প্রকাশ করেছেন।হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, মিঠুন চক্রবর্তীর হাতে অস্ত্রোপচার হয়েছে। বর্তমানে তাঁর শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল। সব কিছু ঠিক থাকলে আগামী দু-এক দিনের মধ্যেই তাঁকে হাসপাতাল থেকে ছেড়ে দেওয়া হতে পারে।

আগস্ট ০৭, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal