• ১৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, সোমবার ০১ জুন ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Central

কলকাতা

Jadavpur: কেন্দ্রীয় মানবাধিকার কমিশনের সদস্যদের উপর হামলা, রণক্ষেত্র যাদবপুর

ভোট পরবর্তী হিংসার তদন্ত করতে গিয়ে আক্রান্ত হওয়ার অভিযোগ তুললেন জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের সদস্যেরা। পাল্টা কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিরুদ্ধে মহিলাদের উপর লাঠিচার্জের অভিযোগ করল তৃণমূল। দুপক্ষের এই সংঘর্ষে উত্তপ্ত হয়ে উঠল যাদবপুর। এই ঘটনায় ৭ জন আহত হয়েছেন বলে জানা গিয়েছে।আরও পড়ুনঃ নির্যাতিতাদের অভিযোগ নথিভুক্ত করল জাতীয় মহিলা কমিশনমঙ্গলবার যাদবপুরের নীলসঙ্ঘ এলাকায় ভোট পরবর্তী হিংসার পর্যবেক্ষণ করতে যায় জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের একটি দল। তাদের সঙ্গে ঘরছাড়াদের একাংশও ছিলেন। কমিশনের রিপোর্টে উঠে আসে ওই এলাকায় ৩০টির বেশি বাড়ি ভাঙচুর করা হয়েছে। যা নিয়ে উষ্মা প্রকাশ করেন কমিশনের অধিকারিকরা। এ নিয়ে নীলসঙ্ঘ এলাকায় কেন্দ্রীয় সদস্যদের সঙ্গে বচসায় জড়িয়ে পড়েন স্থানীয় কিছু বাসিন্দা। তাঁরা তৃণমূলের কর্মী বলেই দাবি বিজেপি-র। দুপুর ৩টে নাগাদ দুপক্ষের মধ্যে আক্রমণ পাল্টা আক্রমণের অভিযোগ ওঠে। কমিশনের দাবি, ওই দুষ্কৃতীরা তাঁদের উপর আক্রমণ করেন। কেন্দ্রীয় বাহিনীর সহায়তায় তাঁরা রেহাই পান। আবার তৃণমূলের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়, বিনা কারণে কমিশনের সঙ্গে থাকা কেন্দ্রীয় বাহিনী এলাকার মহিলাদের উপর আক্রমণ চালিয়েছে। এই ঘটনায় ৭ জন আহত হয়েছেন বলে অভিযোগ। যাঁর মধ্যে ৫ জন মহিলা রয়েছেন। আহতরা এখন বাঘাযতীন রাজ্য সাধারণ হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। কমিশনের এক সদস্যের অভিযোগ, হাইকোর্টেট নির্দেশেই তাঁরা ঘটনাস্থলে আসেন। কিন্তু স্থানীয় পুলিশের সামনেই তাঁদে্র উপর হামলা চালানো হয়েছে। সাধারণ মানুষের কী অবস্থা তা সহজেই অনুমেয়। A Court directed investigation being conducted by the National Human Rights Commission (NHRC) team, was attacked at Jadavpur. Democracy is going to the ruins in Bengal.The State apparatus is hell bound on establishing dictatorship in WB. Suvendu Adhikari শুভেন্দু অধিকারী (@SuvenduWB) June 29, 2021এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে তৃণমূল ও বিজেপি-র মধ্যে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা। এ নিয়ে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী বলেন, যাদবপুরে তদন্ত করতে গিয়ে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন আক্রান্ত হয়েছেন। এই ঘটনা প্রমাণ করে ওই এলাকায় ৪০টির বেশি বাড়ির ভাঙার যে অভিযোগ করা হয়েছিল তা সত্য। এবং আমরাও গুণ্ডাদের দ্বারা আক্রান্ত হয়েছিলাম। টুইট করে ঘটনার নিন্দা করেছেন সাংসদ লকেট চট্টোপাধ্যায়ও। আজ যাদবপুরে ভোট পরবর্তী হিংসার পর্যবেক্ষণ করতে এসে যে ভাবে জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের প্রতিনিধি দলের ওপর হামলা হলো, তার তীব্র নিন্দা জানাই। যারা মানবাধিকার নিয়ে বিচার করেন, আজ তারাই নিগৃহীত। এ কোন বাংলায় বসবাস করছি? এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে কঠিনতম পদক্ষেপ নেওয়া উচিত। Locket Chatterjee (@me_locket) June 29, 2021

জুন ২৯, ২০২১
কলকাতা

Fake Vaccination: কসবা-কাণ্ডে তৃণমূল নেতাদের সঙ্গে যোগের অভিযোগ বিজেপির

রাজ্যে টিকাকরণের নামে ব্যাপক বেনিয়ম চলছে বলে অভিযোগ তুলে প্রধানমন্ত্রী, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে চিঠি দিতে চলেছে বিজেপি (BJP)। বৃহস্পতিবার বাঁকুড়ায় নিজের দলীয় কার্যালয়ে এক সাংবাদিক বৈঠকে একথা জানান বাঁকুড়ার সাংসদ চিকিৎসক সুভাষ সরকার। তিনি অভিযোগ করেন, রাজ্য সরকার কেন্দ্রের পাঠানো টিকাকে নিজেদের কেনা টিকা বলে দাবি করছে। তাছাড়া, এদিন সুভাষবাবু একাধিক ছবি দেখিয়ে দাবি করেন, কলকাতার কসবায় ভুয়ো টিকাকরণ শিবির আয়োজনের অভিযোগে গ্রেপ্তার ভুয়ো আইএএস (IAS) আধিকারিক দেবাঞ্জন দেবের সঙ্গে যোগাযোগ রয়েছে তৃণমূলের (TMC)। দুয়ারে সরকার প্রকল্পে একাধিক তৃণমূল নেতার সঙ্গে ছবি রয়েছে দেবাঞ্জনের। এই ভুয়ো টিকাকরণ নিয়ে রাজ্য সরকারকে এক এক হাত নিয়েছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী ও বিষ্ণুপুরের সাংসদ সৌমিত্র খাঁন। তাঁদের দাবি, কেন্দ্র সরকার সকলের জন্য ভ্যাকসিনের ব্যবস্থা করেছে, কিন্তু রাজ্য সরকার তা ঠিকভাবে বণ্টন করতে ব্যর্থ। উপরন্তু, এরকম ভুয়ো ঠিকাকরণে রাজ্যে মানুষের মনে ভয়ের সঞ্চার হচ্ছে। আরও পড়ুনঃ হাম বা বিসিজি বা স্রেফ পাউডার গোলা জল দেওয়া হয়েছে কসবার ক্যাম্পেএরপর তিনি হাওড়ার মানপুর প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে টিকাকরণের নামে দুর্নীতির অভিযোগ তোলেন। বলেন, সেখানে অবনী খুটিয়া নামে এক ব্যক্তি টিকা নিতে যান। সেখানে তাঁকে পঞ্চায়েত প্রধানের সুপারিশ লিখিয়ে আনতে বলা হয়। তিনি সেখানে গেলে দেখেন তাঁর ফোনে টিকাকরণের (Vaccination) এসএমএস ও সার্টিফিকেট চলে এসেছে। অথচ টিকাই নেননি অবনীবাবু। প্রশ্ন হল, তাহলে অবনীবাবুর টিকা কে চুরি করল? টিকাটা কে নিল? সেই টিকাই কি বাজারে বিক্রি হচ্ছে? রাজ্যে টিকাকরণের অডিটের দাবিও তোলেন তিনি। বলেন, প্রত্যেকটা টিকা কাকে দেওয়া হয়েছে তা জানা দরকার। রাজ্য সরকার এত অসৎ হলে তো মহা মুশকিল। এই অবনী খুটিয়া যদি এবার করোনায় আক্রান্ত হন। পরিবার যদি তাঁকে হারায়। তাহলে কি তাঁদের ক্ষতিপূরণ দেবে রাজ্য সরকার?যাদবপুরের সাংসদ গেলেন জাল ভ্যাক্সিনেশন ক্যাম্পে ডোজ ও প্রচার নিতে!বিধায়ক লাভলী মৈত্র মঞ্চে পরিচয় করিয়ে দিলেন,জয়েন্ট কমিশনার আইএএস অফিসার বলে!তাই জন্য কি আগেভাগে কেঁদে বলেছিলেন ফিরাদ সাহেব,আমায় কলকাতার মানুষকে বাঁচাতে দিল নাসঠিক তদন্ত হোক। দোষীরা যেন ছাড়া না পায়। pic.twitter.com/xOTuUV2Mab Saptarshi Chowdhury (@saptarshiOFC) June 25, 2021সুভাষবাবুর দাবি, কেন্দ্রের টিকাকে রাজ্যের টিকা বলে চালানো হচ্ছে। কেন্দ্রীয় সরকার রাজ্যকে ১.৭৫ কোটি টিকা দিয়েছে। সেখানে রাজ্য সরকার কিনেছে মাত্র ১৭ লক্ষ ভ্যাকসিন। তাতেই সব টিকা রাজ্য সরকার কিনেছে বলে দাবি করা হচ্ছে। কেন্দ্রের নতুন নীতি অনুসারে কোনও রাজ্যকে আর একটাও টিকা কিনতে হবে না। কেন্দ্রীয় সরকার সবাইকে বিনামূল্যে টিকা দেবে। তিনি বলেন, পরিকাঠামো থাকলেও রাজ্য সরকার টিকাকরণের গতি শ্লথ করে রেখেছে। টিকার কৃত্রিম চাহিদা তৈরি করে টাকা উপার্জনের জন্য একাজ করছে তারা। কেন্দ্র আজ পর্যন্ত কত টিকা পাঠিয়েছে আর কত টিকা দেওয়া হয়েছে তার তথ্য কেন প্রকাশ করছে না রাজ্য? সুভাষবাবুর কথায়, এসব কথা জানিয়ে আমরা প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে চিঠি দেব।

জুন ২৫, ২০২১
রাজনীতি

BJP on Delimitation: সৌমিত্রকে জরুরি তলব দিল্লিতে

বিকেলেই কিছুটা রুষ্ট সুরে শাসানি দিয়েছিলেন দিলীপ ঘোষ। রাত হতে না হতেই সৌমিত্র খাঁ-কে ডেকে পাঠালেন বিজেপি সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা। রাঢ়বঙ্গকে পৃথক রাজ্য দেখতে চাওয়ার দাবি করে এ বার দলীয় নেতৃত্বের রোষানলের মুখে পড়তে হতে পারে বিষ্ণুপুরের বিজেপি সাংসদ সৌমিত্র খাঁ-কে। ঘটনাপ্রবাহ যেভাবে এগোচ্ছে, তাতে এমনটাই মনে করছে রাজনৈতিক শিবিরের একাংশ। যদিও লক্ষ্যণীয় বিষয়টি হল, শুধুমাত্র সাংসদ সৌমিত্র খাঁ-কেই দিল্লিতে তলব করা হয়েছে। আলিপুরদুয়ারের বিজেপি সাংসদ জন বার্লাকে ডেকে পাঠানো হয়নি।আরও পড়ুনঃ করোনার তৃতীয় ঢেউয়ের সতর্কতা জারি, এবার নিস্তার নেই শিশুদেরও , বলছেন স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরাসৌমিত্রর উপর যে কোপ নেমে আসবে তার ইঙ্গিত অবশ্য মঙ্গলবার সকাল থেকেই মিলেছিল। মঙ্গলবার সকালে রাজ্য বিজেপির মিডিয়া সেলের একটি বৈঠক হয়। সেই বৈঠকে দিলীপ ঘোষ নিজেও উপস্থিত ছিলেন। বৈঠকে উপস্থিত সকলে সৌমিত্রর বিরুদ্ধে কার্যত বিদ্রোহ ঘোষণা করেন। তাঁর মন্তব্যের যে বিরূপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হচ্ছে, তা জানানো হয় বিজেপি রাজ্য সভাপতিকে। এরপরই বিকেলে সাংবাদিক বৈঠক ডেকে দিলীপ আবারও জানিয়ে দেন, বিজেপি এই দাবিকে সমর্থন করে না। দিলীপ বলেন, দলে থাকতে গেলে দলের সিদ্ধান্ত মেনেই কাজ করতে হবে।এরপরই কিছুটা পিছু হটতে বাধ্য হন সৌমিত্র। রাঢ়বঙ্গকে আলাদা রাজ্য করার দাবি তাঁর একান্ত ব্যক্তিগত বলে এ দিন তিনি জানান। সৌমিত্র জানিয়েছেন, এর সঙ্গে দলের কোনও সম্পর্ক নেই। বিষয়টি নিয়ে বিজেপি নেতৃত্ব সতর্ক করেন জন বার্লা ও সৌমিত্র খাঁ-কে। দিলীপ জানান, দল দুই সাংসদের সঙ্গে কথা বলবে।মঙ্গলবার সন্ধ্যা পর্যন্ত গোটা বিতর্কের রেশ অবশ্য বাংলার রাজনৈতিক গণ্ডিতেই আটকে ছিল। তবে এ বার তার রেশ দিল্লিতেও ধাক্কা মারল। গত কয়েকদিন ধরে চলা এই বিতর্ক নিয়ে দিল্লির নেতারা মুখে কুলুপ এঁটেই ছিলেন। কিন্তু, এ বার নাড্ডার তলব স্পষ্টত বুঝিয়ে দিচ্ছে, সৌমিত্র খাঁ-র মন্তব্যকে ভাল চোখে দেখছে না দল।

জুন ২২, ২০২১
রাজনীতি

Mukul Roy: মুকুলের কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা প্রত্যাহার করল স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক

বিজেপি ছেড়ে সদ্যই তৃণমূলে প্রত্যাবর্তন সপুত্র মুকুল রায়ের (Mukul Roy)। ফের ঘাসফুল শিবিরে ফেরার পরই তাঁর নিরাপত্তার বন্দোবস্ত করেছিল রাজ্য সরকার। তবে তার আগে কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা প্রত্যাহারের দাবি জানিয়ে চিঠি লিখেছিলেন খোদ মুকুল রায়। মুকুল রায়ের আর্জি মেনে কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা প্রত্যাহার করল স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক।Security of TMC leader Mukul Roy has been withdrawn by Ministry of Home Affairs (MHA), order has been issued: Govt Sources(File photo) pic.twitter.com/RcLInrbaLl ANI (@ANI) June 17, 2021সাড়ে তিন বছর পর ঘরে ফেরা। পুরনো দলে, পুরনো সহকর্মীদের সঙ্গে ফের রাজনৈতিক ময়দানে ঝাঁপিয়ে পড়লেন তিনি। শুক্রবারই বিজেপি সর্বভারতীয় সহ-সভাপতি মুকুল রায় সপুত্র ফিরেছেন তৃণমূলে (TMC)। তাঁদের উত্তরীয় পরিয়ে স্বাগত জানান অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তৃণমূলে যোগদানের পর তিনি বললেন, বিজেপি থেকে বেরিয়ে খুব ভাল লাগছে। নতুন আঙিনায় এসেছি, পুরনো সহকর্মীদের সঙ্গে দেখা হচ্ছে, কথা হচ্ছে। আর এটা ভেবে ভাল লাগছে, বাংলা আবার তার নিজের জায়গায় ফিরবে। সামনে থেকে নেতৃত্ব দেবেন মমতা। ঘরের ছেলে ঘরে ফিরল বলেই জানান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তারপরই কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা প্রত্যাহারের দাবি জানান মুকুল রায়। বৃহস্পতিবার কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা প্রত্যাহার হল তাঁর। তবে তার আগেই তাঁকে জেড ক্যাটাগরি এবং শুভ্রাংশু রায়কে (Subhranshu Roy) ওয়াই প্লাস ক্যাটাগরির নিরাপত্তা দেয় রাজ্য।

জুন ১৭, ২০২১
রাজ্য

Cyclone Yash: রাজ্যের ক্ষতি ২১ হাজার কোটি টাকা, রিপোর্ট নবান্নর

রাজ্যে ঘূর্ণিঝড় যশের (Cyclone Yash) জেরে ক্ষয়ক্ষতি সরজমিনে খতিয়ে দেখে দেখার পর বুধবার নবান্নে প্রশাসনিক কর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে করেন কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দলের সদস্যরা। কোথায় কত ক্ষতি হয়েছে তা নিয়ে এদিন বিস্তারিত আলোচনা হয় রাজ্য সরকারের সঙ্গে। রাজ্যের তরফে কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দলকে প্রাথমিকভাবে জানানো হয়েছে, প্রায় ২১ হাজার কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে। নবান্নে রাজ্যের বিপর্যয় মোকাবিলা দপ্তর এবং অর্থ দপ্তরের কর্তাদের সঙ্গে এদিন বিকেলে বৈঠকে বসে কেন্দ্রীয় প্রতিনিধিদল। তবে রাজ্য সরকার ক্ষয়ক্ষতি নিয়ে এখনও চূড়ান্ত রিপোর্ট দেয়নি। খতিয়ে দেখছে কোথায় কোন ক্ষেত্রে কত ক্ষতি হয়েছে। এ বিষয়ে আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে কেন্দ্রকে পাঠানো হবে বলে খবর। কারণ, এখনও বহু এলাকা জলের তলায়। সেখানে ক্ষতির পরিমাপ করা সম্ভব হয়নি। তার উপর ১১ ও ২৬ তারিখ ফের কটালের জল ঢুকতে পারে। ঘণীভূত হয়েছে নিম্নচাপও। তাই এসব পার হলে বোঝা যাবে আসলে কত ক্ষতি হয়েছে। সেসব খতিয়ে দেখেই কেন্দ্রকে চূড়ান্ত রিপোর্ট দেবে নবান্ন। তবে কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দলের সদস্যদের কাছে প্রতি ক্ষেত্র ধরে ধরে ক্ষয়ক্ষতির প্রাথমিক পরিসংখ্যান জানিয়েছেন রাজ্যের আধিকারিকরা। রাজ্যরে চূড়ান্ত রিপোর্ট পাওয়ার পর কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দলের সদস্যরা তা খতিয়ে দেখে তবেই কেন্দ্রের কাছে জমা করবে। সেই রিপোর্টের ভিত্তিতেই কেন্দ্র ঠিক করবে রাজ্যকে কতটাকা দেওয়া হবে।উল্লেখ্য, গত রবিবার রাজ্যে এসেছিল কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের যুগ্ম সচিব এসকে সাহির নেতৃত্বে প্রতিনিধিদলটি। এই দলে ছিলেন কেন্দ্রের কৃষি ও কৃষক উন্নয়নের ডিরেক্টর, রোডস অ্যান্ড হাইওয়ে মন্ত্রকের অ্যাসিস্ট্যান্ট এক্সিকিউটিভ ইঞ্জিনিয়ার, গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রক, বিদ্যুৎ মন্ত্রক, মৎস্য মন্ত্রকের কর্তারা। দুটি দলে ভাগ হয়ে সোমবার তাঁরা পাথরপ্রতিমা ও গোসাবা এবং পূর্ব মেদিনীপুরে যান। সেখানে দিঘা ও মন্দারমণির অবস্থা দেখেন। মঙ্গলবার দিঘা ও গদখালিতে সাইক্লোন বিধ্বস্ত এলাকায় যান। এদিন দিল্লি ফিরে যাওয়ার আগে নবান্নে রাজ্য প্রশাসনের কর্তাদের সঙ্গে পর্যালোচনা বৈঠক করেন।

জুন ১০, ২০২১
রাজ্য

সব বিধায়ককেই কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা দিতে চায় বিজেপি

পশ্চিমবঙ্গের সব বিধায়ককেই কেন্দ্রীয় নিরাপত্তার আওতায় আনতে চায় বিজেপি। তবে ৭৭ জন বিধায়কের মধ্যে অনেকেই সেই সুবিধা পান। যাঁরা পান না তাঁদের আবেদন করতে বলা হয়েছে। ইতিমধ্যেই ৪০ জনের বেশি বিধায়ক আবেদনের ফর্ম পূরণ করেছেন। তবে বিজেপি সূত্রে জানা গিয়েছে, বালুরঘাটের বিধায়ক অশোক লাহিড়ি-সহ বেশ কয়েকজন কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা নিতে চান না বলে দলকে জানিয়েছেন। এই প্রসঙ্গে দলের রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ বলেন, রাজ্যের বর্তমান যা পরিস্থিতি তাতে বিধায়কদের চলাফেরায় বিপদের আশঙ্কা রয়েছে। সেই কারণেই দল তাঁদের সুরক্ষার কথা ভেবেছে। যাঁরা চাইবেন তাঁদের জন্য নিরাপত্তার কথা বলা হবে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রককে।অন্য একটি সূত্রের খবর, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকও বাংলার বেশ কয়েকজন বিজেপি বিধায়কের উপরে হামলা হতে পারে বলে আশঙ্কা করছে। সেই মর্মে ৬১ জন বিধায়কের একটি তালিকাও পাঠানো হয়েছে। সোমবারই বিধানসভায় বিরোধী দলনেতা হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন নন্দীগ্রামের বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী। তিনি নির্বাচনের আগে থেকে জেড ক্যাটিগরির নিরাপত্তা পান। দলের সর্বভারতীয় সহ-সভাপতি তথা কৃষ্ণনগর উত্তরের বিধায়ক মুকুল রায়ও একই রকম নিরাপত্তা পান। এ ছাড়াও দ্বিতীয়বারের বিধায়ক মনোজ টিগ্গা আগে থেকেই কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা পান। বিজেপি সূত্রে জানা গিয়েছে, নতুন করে কোচবিহারের সাংসদ তথা দিনহাটার বিধায়ক নিশীথ প্রামাণিকের নিরাপত্তা বাড়তে পারে। তিনি ওয়াই প্লাস ক্যাটিগরি অর্থাৎ, ২ জন কম্যান্ডো-সহ ১১ জন নিরাপত্তা রক্ষী পেতে পারেন। এখন নিশীথ ওয়াই ক্যাটিগরির নিরাপত্তা পান। এ ছাড়াও খড়্গপুর সদরের বিধায়ক অভিনেতা হিরণ চট্টোপাধ্যায়-সহ ৩ বিধায়ককে ওয়াই ক্যাটিগরির নিরাপত্তা দেওয়ার কথা ভাবছে বিজেপি। এই ক্যাটিগরিতে ৮ জন নিরাপত্তা রক্ষী থাকবেন। বাকি ইচ্ছুক বিধায়করা এক্স ক্যাটিগরিতে ২ জন করে নিরাপত্তা রক্ষী পাবেন। তবে এই নিরাপত্তা নেওয়া বা না নেওয়া নির্ভর করছে বিধায়কদের উপরে। তাঁরা না চাইলে নিরাপত্তা দেওয়া হবে নাসোমবার কলকাতার হেস্টিংসে বিজেপি দফতরে দলের সব বিধায়কদের বৈঠকে ডাকা হয়েছিল। এই বৈঠকের মূল উদ্দেশ্য ছিল বিরোধী দলনেতা নির্বাচন। সেই পর্ব মেটার পরে কেন্দ্রীয় নিরাপত্তার জন্য বিধায়কদের তথ্য নেওয়া হয়। মোট ৫২ জন বিধায়ক সোমবার উপস্থিত ছিলেন। সকলকেই নাম, বাসস্থান এবং কোন এলাকায় তিনি বেশি যাতায়াত করেন সে সব লিখে দিতে বলা হয়। বিজেপি সূত্রে খবর, সেই সময়েই তা জমা দেননি বালুরঘাটের অর্থনীতিবিদ বিধায়ক অশোক। নিরাপত্তা পাওয়ার তালিকায় নাম থাকলেও যাঁরা সোমবার উপস্থিত ছিলেন না তাঁদেরকেও যত তাড়াতাড়ি সম্ভব তথ্য পাঠাতে বলা হয়েছে বলে বিজেপি সূত্রে জানা গিয়েছে। তালিকায় যাঁদের নাম নেই তাঁরাও যদি নিরাপত্ত চান সে ক্ষেত্রে আবেদন করতে বলা হয়েছে।

মে ১০, ২০২১
রাজ্য

বিরোধী দলনেতা বাছতে ২ কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষকের উপস্থিতিতে বৈঠকে বিজেপি

দলের অভ্যন্তরে আদি-নব্য বিবাদের কথা মাথায় রেখেই বিরোধী দলনেতা নির্বাচনে বসছে গেরুয়া শিবির। বিরোধী দলনেতা কে হবেন তা নিয়ে দলীয় বিধায়কদের মতামত নিতে সোমবার কলকাতায় পরিষদীয় দলের বৈঠকে বসছে বিজেপি। এছাড়া এই বৈঠকে উপস্থিত থাকবেন কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের তরফে নিযুক্ত দলের দুই পর্যবেক্ষক কেন্দ্রীয় আইনমন্ত্রী রবিশঙ্কর প্রসাদ ও দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক ভূপেন্দ্র যাদব।বিরোধী দলনেতা বাছতে রবিশঙ্কর প্রসাদ ও ভূপেন্দ্র যাদবকেই দায়িত্ব দিয়েছেন অমিত শাহ ও জেপি নাড্ডারা। সেই মতো এদিন সকালে হেস্টিংস কার্যালয়ে বসবে বিজেপির পরিষদীয় দলের বৈঠক। দলের নবনির্বাচিত ৭৭ জন বিধায়ককে ডাকা হয়েছে বৈঠকে। এছাড়া, রাজ্যের শীর্ষনেতারাও থাকবেন। বৈঠকে বিধায়কদের কাছ থেকে মতামত নেওয়া হবে বিরোধী দলনেতা ঠিক করার বিষয়ে। বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ বলেন, সবার মতামত নিয়ে ঐকমত্যের ভিত্তিতেই বিরোধী দলনেতা নির্বাচন করা হবে।এদিকে সূত্রের খবর, বিরোধী দলনেতা উপর থেকে কাউকে চাপিয়ে দিতে নারাজ বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। কারণ, রাজ্যে দলের আশানুরূপ ফল না হওয়ার পিছনে সেই আদি-নব্য দ্বন্দ্ব ফের মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে। দলে নতুন আসা ব্যক্তিদের প্রাধান্য দেওয়ার ফলেই এই অবস্থা বলে দাবি আদি নেতা-কর্মীদের। তৃণমূল থেকে বিজেপিতে এসে টিকিট পেয়ে যাওয়াদের অধিকাংশই হেরে গিয়েছেন। এই দলবদলুদের ভালভাবে নেয়নি মানুষ। তাদের প্রত্যাখ্যান করেছে। এমনটাই মনে করছেন রাজ্য বিজেপির পুরনো নেতা-কর্মীরা। কাজেই বিরোধী দলনেতা নির্বাচন সহমতের ভিত্তিতেই করতে চায় শীর্ষনেতৃত্ব। তবে বিরোধী দলনেতা হিসাবে শুভেন্দু অধিকারীর পাল্লাই ভারী বলে মনে করা হচ্ছে। মুকুল রায়ের নাম প্রথমে থাকলেও মুকুলবাবুর শরীর ভাল নেই। বিরোধী দলনেতা হলে সারা রাজ্যজুড়েই ছুটে বেড়াতে হবে। মুকুল রায়ের পক্ষে সেই ছোটাছুটি সম্ভব নয়। কারণ তাঁর শরীর ঠিক নেই। কিন্তু রাজ্য বিজেপির পুরনো নেতৃত্বের একটা বড় অংশই আবার চাইছে মনোজ টিগ্গাকেই বিরোধী দলনেতা করা হোক। মাদারিহাটের বিধায়ক মনোজ টিগ্গা এবারও জয়ী হয়েছেন। এর আগে পরিষদীয় দলের নেতাও তিনি ছিলেন।

মে ১০, ২০২১
রাজ্য

দিনভর অশান্ত এলাকায় ঘুরল কেন্দ্রের প্রতিনিধি দল

তৃতীয়বার বাংলার শাসনক্ষমতায় তৃণমূল আসার পরই নজিরবিহীন রাজনৈতিক হিংসার অভিযোগে বারবার সরব হয়েছে বিজেপি। কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের কাছে এই মর্মে অভিযোগও জমা পড়েছে। প্রধানমন্ত্রী মোদি এ সংক্রান্ত খবর নিতে রাজ্যপালকে ফোনও করেছিলেন। এসবের ভিত্তিতে রাজ্যের পরিস্থিতি দেখতে বৃহস্পতিবার ৪ সদস্যের এক প্রতিনিধিদলকে বাংলায় পাঠিয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক । এ নিয়ে রাজনৈতিক টানাপোড়েনের মাঝেও কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দলটি এদিন অশান্ত জায়গাগুলি পরিদর্শন করেছেন। তার আগে অবশ্য কয়েক দফা বৈঠক করেন নবান্নে। শুক্রবার সকালে রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়ের সঙ্গে জরুরি বৈঠকে বসতে চলেছেন অমিত শাহর মন্ত্রকের প্রতিনিধিরা। বুধবারই মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শপথ নিয়েই তিনি রাজ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠার বার্তা দিয়ে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিজে দেখভাল করবেন বলে আশ্বাস দিয়েছেন। তবে তার ২৪ ঘণ্টা কাটতে না কাটতেই রাজ্যের পরিস্থিতি দেখতে প্রতিনিধি দলকে পাঠাল কেন্দ্র। রয়েছেন সচিব পর্যায়ের অফিসাররা। তাঁরা এদিন রাজ্যে এসে নবান্নে মুখ্যসচিব, ডিজির সঙ্গে বৈঠক করেন। অশান্ত এলাকাগুলি নিয়ে খোঁজখবর নেন। দুই ২৪ পরগনা, বর্ধমান, কোচবিহার থেকে কলকাতার কাঁকুড়গাছিতে রাজনৈতিক হিংসার ঘটনা ঘটেছে ভোটের ফলপ্রকাশের পর। তৃণমূল, বিজেপি কর্মীদের মৃত্যু হয়েছে তাতে। তবে বিজেপির দাবি, নিহতদের বেশিরভাগই তাঁদের সমর্থক। এই পরিপ্রেক্ষিতেই রাজ্যে কেন্দ্রীয় দলকে পাঠানো হয়েছে। যদিও কেন্দ্রের এই পদক্ষেপের তীব্র সমালোচনা করেছে তৃণমূল নেতৃত্ব। বৃহস্পতিবার নবান্নে সাংবাদিক বৈঠকে এ নিয়ে বেশ উষ্মা প্রকাশ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর বক্তব্য, বিজেপি হার মেনে নিতে না পেরে এ ধরনের পদক্ষেপ নিচ্ছে।এদিন কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দল নবান্নে বৈঠক সেরে চলে যান দক্ষিণ ২৪ পরগনার সোনারপুরে। সেখানে নিহত বিজেপি কর্মী হারান অধিকারীর পরিবারের সঙ্গে দেখা করেন, কথা বলেন, ঘুরে দেখেন আশেপাশের পরিস্থিতি। এরপর সন্ধেবেলা তাঁরা যান উত্তর ২৪ পরগনার ভাটপাড়ায়। সেখানেও সকলের সঙ্গে কথা বলে পরিস্থিতি বোঝার চেষ্টা করেন। জানা গিয়েছে, শুক্রবার সকাল ১০টায় এই প্রতিনিধি দলটি রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়ের সঙ্গে বৈঠকে বসে যাবতীয় রিপোর্ট নেবেন। যদিও এদিন দুপুরেই রাজ্যের অশান্ত পরিস্থিতি নিয়ে রাজ্যপালের কাছে রিপোর্ট তলব করেছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। তবে নতুন সরকার গঠনের ২৪ ঘণ্টা না কাটতেই এভাবে কেন্দ্রীয় প্রতিনিধিদের রাজ্যে আসা মোটেই ভালভাবে নিচ্ছে না শাসকদল।

মে ০৬, ২০২১
রাজ্য

দিনভর অশান্ত এলাকায় ঘুরল কেন্দ্রের প্রতিনিধি দল

তৃতীয়বার বাংলার শাসনক্ষমতায় তৃণমূল আসার পরই নজিরবিহীন রাজনৈতিক হিংসার অভিযোগে বারবার সরব হয়েছে বিজেপি। কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের কাছে এই মর্মে অভিযোগও জমা পড়েছে। প্রধানমন্ত্রী মোদি এ সংক্রান্ত খবর নিতে রাজ্যপালকে ফোনও করেছিলেন। এসবের ভিত্তিতে রাজ্যের পরিস্থিতি দেখতে বৃহস্পতিবার ৪ সদস্যের এক প্রতিনিধিদলকে বাংলায় পাঠিয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক । এ নিয়ে রাজনৈতিক টানাপোড়েনের মাঝেও কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দলটি এদিন অশান্ত জায়গাগুলি পরিদর্শন করেছেন। তার আগে অবশ্য কয়েক দফা বৈঠক করেন নবান্নে। শুক্রবার সকালে রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়ের সঙ্গে জরুরি বৈঠকে বসতে চলেছেন অমিত শাহর মন্ত্রকের প্রতিনিধিরা। বুধবারই মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শপথ নিয়েই তিনি রাজ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠার বার্তা দিয়ে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিজে দেখভাল করবেন বলে আশ্বাস দিয়েছেন। তবে তার ২৪ ঘণ্টা কাটতে না কাটতেই রাজ্যের পরিস্থিতি দেখতে প্রতিনিধি দলকে পাঠাল কেন্দ্র। রয়েছেন সচিব পর্যায়ের অফিসাররা। তাঁরা এদিন রাজ্যে এসে নবান্নে মুখ্যসচিব, ডিজির সঙ্গে বৈঠক করেন। অশান্ত এলাকাগুলি নিয়ে খোঁজখবর নেন। দুই ২৪ পরগনা, বর্ধমান, কোচবিহার থেকে কলকাতার কাঁকুড়গাছিতে রাজনৈতিক হিংসার ঘটনা ঘটেছে ভোটের ফলপ্রকাশের পর। তৃণমূল, বিজেপি কর্মীদের মৃত্যু হয়েছে তাতে। তবে বিজেপির দাবি, নিহতদের বেশিরভাগই তাঁদের সমর্থক। এই পরিপ্রেক্ষিতেই রাজ্যে কেন্দ্রীয় দলকে পাঠানো হয়েছে। যদিও কেন্দ্রের এই পদক্ষেপের তীব্র সমালোচনা করেছে তৃণমূল নেতৃত্ব। বৃহস্পতিবার নবান্নে সাংবাদিক বৈঠকে এ নিয়ে বেশ উষ্মা প্রকাশ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর বক্তব্য, বিজেপি হার মেনে নিতে না পেরে এ ধরনের পদক্ষেপ নিচ্ছে।এদিন কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দল নবান্নে বৈঠক সেরে চলে যান দক্ষিণ ২৪ পরগনার সোনারপুরে। সেখানে নিহত বিজেপি কর্মী হারান অধিকারীর পরিবারের সঙ্গে দেখা করেন, কথা বলেন, ঘুরে দেখেন আশেপাশের পরিস্থিতি। এরপর সন্ধেবেলা তাঁরা যান উত্তর ২৪ পরগনার ভাটপাড়ায়। সেখানেও সকলের সঙ্গে কথা বলে পরিস্থিতি বোঝার চেষ্টা করেন। জানা গিয়েছে, শুক্রবার সকাল ১০টায় এই প্রতিনিধি দলটি রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়ের সঙ্গে বৈঠকে বসে যাবতীয় রিপোর্ট নেবেন। যদিও এদিন দুপুরেই রাজ্যের অশান্ত পরিস্থিতি নিয়ে রাজ্যপালের কাছে রিপোর্ট তলব করেছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। তবে নতুন সরকার গঠনের ২৪ ঘণ্টা না কাটতেই এভাবে কেন্দ্রীয় প্রতিনিধিদের রাজ্যে আসা মোটেই ভালভাবে নিচ্ছে না শাসকদল।

মে ০৬, ২০২১
কলকাতা

ভোট পরবর্তী হিংসায় উদ্বিগ্ন রাজ্যপাল, রিপোর্ট তলব কেন্দ্রের

রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচনের ফল ঘোষণার পরই ভোটপরবর্তী হিংসার আগুন জ্বলে উঠেছে বাংলায়। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় শান্তি বজায় রাখার বার্তা দিলেও কার্যত তা উপেক্ষা করে নগ্ন প্রতিশোধের রাস্তা বেছে নিয়েছেন তৃণমূলীরা। যাতে নতুন করে উদ্বেগ দানা বেঁধেছে সমস্ত মহলেই।সাম্প্রতিক ঘটনা প্রবাহে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়। রাজ্য প্রশাসনকে হিংসা থামাতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।রাজ্য সরকারের কাছে এনিয়ে রিপোর্ট তলব করেছে উদ্বিগ্ন কেন্দ্রীয় সরকার। রবিবার রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনে ২১৪ আসনে জিতে নিরঙ্কুশ সংখ্যা গরিষ্ঠতা পেয়েছিল তৃণমূল কংগ্রেস।ফল ঘোষণার ২৪ ঘণ্টা পেরোতে না পেরোতেই রাজ্যে তাদের নেতা-কর্মী-সহ ৬ জন খুন হয়েছেন বলে দাবি করেছে বিজেপি।নন্দীগ্রাম থেকে শীতলকুচি, এমনকী খোদ কলকাতাতেও একের পর এক হিংসার ঘটনা সামনে এসেছে। বেলেঘাটা, শীতলকুচি-সহ বিভিন্ন জায়গায় ৬ জন খুন হয়েছেন বলে দাবি করেছেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। নন্দীগ্রামের বিভিন্ন এলাকাতেও ভাঙচুরের ঘটনা চলছে। দিলীপ ঘোষ বলেন, আইএসএফের একজনকেও বোমার আঘাতে মেরে ফেলা হয়েছে। শতাধিক বাড়ি, পার্টি অফিস ভাঙচুর করা হয়েছে। প্রশাসনকে অনুরোধ করব, অবিলম্বে শান্তি ফেরানোর ব্যবস্থা করা হোক। শান্তিপূর্ণভাবে এই ইস্যুতে আন্দোলনে নামবে বিজেপি। কাল রাস্তায় নেমে ধর্না দিয়েও প্রয়োজনে প্রতিবাদ জানানো হবে। এমনটাই জানিয়েছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি।দিলীপ ঘোষের নেতৃত্বে বিজেপি-র প্রতিনিধিদল বিকেলে রাজভবনেও যায়। রাজ্যপালের সঙ্গে কথা বলে বেরিয়ে দিলীপ ঘোষ বলেন, হাজার হাজার বাড়ি, পার্টি অফিস ভাঙচুরের খবর পাচ্ছি, ভিডিও দেখছি। বেলেঘাটায় আমাদের কর্মীকে মেরে ফেলার পাশাপাশি পোষ্যদেরও মারা হয়েছে। বিজেপির পাঁচ কর্মী ও আইএসএফের এক কর্মী রাজনৈতিক সন্ত্রাসের বলি হয়েছেন। আমরা শক্তিশালী বিরোধী দলের দায়িত্বই পালন করতে চাই। তবে আমাদের পাশাপাশি অন্য দলের লোক, এমনকী সাধারণ মানুষও আক্রান্ত হচ্ছেন। এর প্রতিবিধান না হলে গণতান্ত্রিক উপায়ে শান্তিপূর্ণভাবে প্রতিবাদ হবে। রাজ্যপাল আমাদের কথা শুনেছেন।ভোট পরবর্তী সন্ত্রাস নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়। তিনি আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখার জন্য রাজ্য স্বরাষ্ট্র দফতর, কলকাতা পুলিশকে নির্দেশ দিয়েছেন। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে এই বিষয়ে জানিয়েছেন তিনি। নির্দেশ দিয়েছেন দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার ব্যাপারে। সোমবার রাজ্যপাল একটি টুইট করেন।সেখানে বলেন, হিংসার কথা জানতে পেরেছি। এ ব্যাপারে আমি উদ্বিগ্ন। রাজ্যের বিভিন্ন অংশ থেকে গোলমালের খবর পাওয়া যাচ্ছে পার্টি অফিস, বাড়ি, দোকান ভাঙচুর করা হচ্ছে। এই পরিস্থিতি খুবই চিন্তাজনক। তিনি আরও লিখেছেন, এ সব থামাতে স্বরাষ্ট্র দপ্তর, রাজ্য পুলিশ, কলকাতা পুলিশকে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে বলেছি। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে অবিলম্বে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছি। উল্লেখ্য দুপুরেই রাজভবনে পুলিশ কমিশন, ডিজিকে ডেকে পাঠান রাজ্যপাল।বিকেলে রাজ্যের স্বরাষ্ট্র সচিব তাঁর সঙ্গে দেখা করেন। তার কাছেও হিংসা থামাতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করার আর্জি জানান রাজ্যপাল।এদিকে ভোট পরবর্তী হিংসার খবর পেতে নবান্নের কাছে বিস্তারিত রিপোর্ট তলব করেছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক। ভোটের ফলাফল প্রকাশ হতেই বিরোধী দলের রাজনৈতিক দলের উপর কেন হামলা তা নিয়ে বিস্তারিত রিপোর্ট চেয়ে পাঠানো হয়েছে বলে প্রশাসনিক সূত্রে খবর। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এদিন পুনরায় রাজ্যবাসীর কাছে শান্তির আবেদন জানিয়েছেন।মমতা বলেন, নির্বাচনে হার-জিত রয়েছে। বিজেপি অনেক অত্যাচার করেছে। শান্ত থাকুন, পুলিশকে অভিযোগ করেছি। আইন সামলানোর দায়িত্ব পুলিশের। তৃণমূল কর্মীকে খুন করেছে বিজেপি। কোচবিহারে আক্রান্ত হয়েছে তৃণমূল।

মে ০৩, ২০২১
কলকাতা

ভোটের সকালে সেন্ট্রাল অ্যাভিনিউয়ে বোমাবাজি

নির্বাচন অশান্তির আশঙ্কায় শহর কলকাতার নিরাপত্তায় বাড়তি নজর দিয়েছিল নির্বাচন কমিশন। মোতায়েন করা হয়েছিল অতিরিক্ত পুলিশ বাহিনীও। কিন্তু তা সত্ত্বেও অশান্তি এড়ানো গেল না। সাতসকালে ভোট শুরু হতে না হতেই বোমাবাজির ঘটনা ঘটল সেন্ট্রাল অ্যাভিনিউয়ের মহাজাতি সদনের সামনে। আর তার জেরে ব্যাপক আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ল জোড়াসাঁকো কেন্দ্রের অন্তর্গত এই এলাকায়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় বিশাল পুলিশ বাহিনী। আতঙ্কিত ভোটারদের সাহস জোগান তাঁরা। ওয়াকিবহাল মহলের মত, কলকাতায় ভোটের দিন এমন ঘটনা নজিরবিহীন।জানা গিয়েছে, সকাল ৭.৫০ নাগাদ আচমকাই প্রবল শব্দে কেঁপে ওঠে মহাজাতি সদনের সামনের ফুটপাথ। সেখানে কয়েকজন তখনও ঘুমিয়ে ছিলেন। প্রচণ্ড শব্দে ঘুম ভেঙে যায় তাঁদের। তাঁরা জানিয়েছেন, ২ টি বোমা ফেটেছে। চারিদিকে পড়ে রয়েছে তার খণ্ডাংশ। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিশ বাহিনী। পৌঁছে যান জোড়াসাঁকো কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী বিবেক গুপ্তা। তিনি চারদিক খতিয়ে দেখেন। পুলিশের প্রাথমিক অনুমান, চলন্ত গাড়ি থেকে বোমা ছোঁড়া হয়েছে। স্প্লিন্টার জাতীয় কিছু ছিল বলে মনে করা হচ্ছে। তবে ক্ষয়ক্ষতি তেমন হয়নি। তা সত্ত্বেও ভোটের সকালেই সেন্ট্রাল অ্যাভিনিউয়ের মতো এলাকায় এ ধরনের ঘটনায় ব্যাপক আতঙ্ক ছড়িয়েছে।জোড়াসাঁকোর বিজেপি প্রার্থী মীনাদেবী পুরোহিতের অভিযোগ, এই সময় তাঁর ওই এলাকায় যাওয়ার কথা ছিল। তাঁকে বাধা দিতেই এই বোমাবাজি করা হয়েছে। এ বিষয়ে তিনি কাঠগড়ায় তুলেছেন তৃণমূলকেই। পাশাপাশি জানিয়েছেন, এসব বাধা উপেক্ষা করেই তিনি ঘটনাস্থলে যাবেন। এ নিয়ে তৃণমূল-বিজেপি তরজা শুরু হয়ে গিয়েছে। আতঙ্কিত সাধারণ ভোটাররা। তবে তাঁদের সাহস জোগাতে এলাকায় মোতায়েন বাড়তি নিরাপত্তা বাহিনী। এই ঘটনার খবর পেয়েই রিপোর্ট তলব করেছে নির্বাচন কমিশন। কে বা কারা এই ঘটনা ঘটাল, তার সন্ধানে নেমেছে পুলিশ।

এপ্রিল ২৯, ২০২১
রাজ্য

আজ শেষ দফার নির্বাচন, বিশেষ নজর উত্তর কলকাতায়

শেষ দফার ভোট শান্তিপূর্ণভাবে করতে বদ্ধপরিকর নির্বাচন কমিশন। শেষ দফায় ভোট রয়েছে উত্তর কলকাতায়। কলকাতা উত্তরে যে কোনও ধরণের অশান্তি রুখতে কড়া প্রশাসন। ভোটের অশান্তি রুখতে সেখানে মোতায়েন থাকছে ১০৮ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী । রাখা হয়েছে ৪০ নাকা চেকিং পয়েন্ট। বহিরাগতরা এসে যাতে কোনও অশান্তি পাকাতে না পারে তার জন্যে থাকছে কলকাতা পুলিশের বিশেষ নজর।উত্তর কলকাতার ২৯ টি থানা এলাকায় ভোটকেন্দ্র থাকছে ৫৪৭টি। বুথ থাকছে ২০৮৩টি। উত্তর কলকাতার ৭ বিধানসভাকে ভাগ করা হয়েছে ৯৮ সেক্টরে। আর গোটা এলাকা জুড়ে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন থাকার পাশাপাশি থাকছে ৬ হাজার কলকাতা পুলিশ। যে সব জায়গা সংবেদনশীল, উত্তেজনাপ্রবণ সেই সব জায়গায় বাড়তি নজর দেওয়া হচ্ছে। মোট ২১ জন ডেপুটি কমিশনার পদমর্যাদার পুলিশ আধিকারিক থাকবেন দায়িত্বে।রাস্তায় থাকবেন যুগ্ম পুলিশ কমিশনাররাও। উত্তর কলকাতার জন্যে থাকছে ৮৭ আর টি ভ্যান। ২৯ হেভি রেডিও ফ্লাইং স্কোয়াড, ৯০ কুইক রেসপন্স টিম, থাকছে প্রায় ১০০০ বাইক। বিশেষ বাহিনীর প্রায় ১০০ টহলদারি গাড়িও থাকছে। এছাড়া গঙ্গার প্রতিটি ঘাটে নজর রাখবে জল পুলিশ। হাওড়া ব্রিজেও থাকছে নাকা চেকিং পয়েন্ট।যে ভোটকেন্দ্রে থাকবে ১টি বুথ, সেখানে হাফ সেকশন কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকবে। যেখানে দুটি ও চারটি বুথে থাকবে সেখানে দুই সেকশন কেন্দ্রীয় বাহিনী, যেখানে নটি বুথে থাকবে, সেখানে থাকবে ৩ সেকশন কেন্দ্রীয় বাহিনী। উত্তর কলকাতার যে সব জায়গা নজরে রাখা হচ্ছে তার মধ্যে অন্যতম কাশীপুর-বেলগাছিয়া। কারণ, এখানে লাগাতার রাজনৈতিক সংঘর্ষ হয়েই চলেছে বেশ কয়েকদিন ধরে। নজর রয়েছে বেলেঘাটার দিকেও। নজরে রয়েছে ট্যাংরা, তপসিয়া, মাঠপুকুর, এন্টালি-সহ বেশ কিছু জায়গা। এছাড়া শিয়ালদা ও বউবাজারের বেশ কিছু হোটেলে চলছে নজরদারি। বড়বাজার, এসপ্ল্যানেড এলাকার গেস্ট হাউজ, হোটেলেও নজরদারি চালাচ্ছে কলকাতা পুলিশ।

এপ্রিল ২৯, ২০২১
রাজ্য

শেষ দফাতেও মোতায়েন ৭৫৩ কোম্পানি বাহিনী

কোভিড আতঙ্ক ক্রমেই গ্রাস করছে। এর মধ্যেই আগামী বৃহস্পতিবার শেষ দফার ভোট। গত দুই দফার মত এবারও ঝামেলা, অশান্তি এড়াতে নির্বাচনে নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা রাজ্য ও কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানদের অতি সতর্কতার সঙ্গে কাজ করার নির্দেশ দিল নির্বাচন কমিশন। এই দফাতেও বাহিনী মোতায়েনে কোন ফাঁক রাখা হচ্ছে না।কমিশন সূত্রে খবর, এই দফায় মোট ৭৫৩ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করতে চলেছে নির্বাচন কমিশন। ভোট রয়েছে বীরভূম, কলকাতা উত্তর, মালদা এবং মুর্শিদাবাদ জেলায়। এরমধ্যে ২২৪ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন থাকবে বীরভূম জেলায়, কলকাতা উত্তরে ৯৫ কোম্পানি, মালদায় মোতায়েন থাকবে ১১০ কোম্পানি আধাসেনা, মুর্শিদাবাদের জন্য রাখা হচ্ছে ২১২ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী। ভোট পরিচালনার জন্য বুথের দায়িত্বে থাকবে মোট ৬৪১ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী। বাকি ১১২ কোম্পানি ভোটের অন্যান্য কাজের মোতায়েন থাকবে। এবারের ভোট পর্বে মোট ১০৭১ কোম্পানি বাহিনী রাজ্যে এসেছিল। যার মধ্যে ৭৫৩ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী রয়ে গিয়েছে। বাকি ৩১৮ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনীকে ইতিমধ্যেই ছেড়ে দেওয়া হয়েছে বলে খবর।শেষ দফায় ২৮৩ জন প্রার্থী ৩৫টি বিধানসভা আসনের প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। মোট বুথের সংখ্যা ১১ হাজার ৮৬০। সব কটি বুথ স্যানিটাইজার করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। ভোটের দিন কোভিড বিধি মানতে জেলা গুলিকে কঠোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। প্রসঙ্গত, রাজ্যের প্রথম সাত দফার নির্বাচনেও মূলত কমিশনের উপরই ভরসা রেখেছিল নির্বাচন কমিশন। আর তাতে কমবেশি সাফল্যও এসেছে। বিশেষ করে সপ্তম দফায় মালদহ, মুর্শিদাবাদের মতো জেলাতেও লেটার মার্কস পেয়ে উতরে গিয়েছে কমিশন। শেষ দফাতেও মালদহ, মুর্শিদাবাদে ভোট। সঙ্গে আবার যোগ হয়েছে বীরভূম। সাম্প্রতিক অতীতে এই জেলায় ভোটে অশান্তির নজির আছে। শেষ দফাতেও সেই ভাবেই ভোট করানোর টার্গেট নিয়েছে কমিশন।

এপ্রিল ২৮, ২০২১
রাজ্য

কেন্দ্রীয় বাহিনীর কড়া পাহারায় শান্তির সপ্তম দফা

বড় কোনও অপ্রিতীকর ঘটনা ছাড়াই প্রায় শান্তিপূর্ণভাবে রাজ্যে সপ্তম দফার ভোটগ্রহণ পর্ব শেষ হয়েছে।তবে বিভিন্ন জেলা থেকে ভোট ঘিরে দিনভর বিক্ষিপ্ত কিছু অশান্তির ছবি সামনে এসেছে।সপ্তম দফার নির্বাচন শান্তিপূর্ণ বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন।ভোট শেষের পর রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক আরিজ আফতাব জানিয়েছেন, বিকেল পাঁচটা পর্যন্ত ভোটের হার পাঁচ জেলায় গড়ে ৭৫.০৫ শতাংশ। এই দফায় বিশেষ কোনও হিংসার ঘটনা নেই বলে জানিয়েছে কমিশন। হিংসা ছড়ানোর আশঙ্কায় আগে থেকেই ৭৪২ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এছাড়াও ১৪৪ ধারা ভঙ্গের জন্য ১১ জন ও অন্যান্য নির্দিষ্ট কেসের ভিত্তিতে ১২ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়।দিনভর ছোট ছোট কিছু হিংসার ঘটনা ঘটলেও এদিন ভোট পর্বের শেষলগ্নে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে মালদার মালতিপুর।সেখানে তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে বিজেপি কর্মীকে মারধর এবং কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিরুদ্ধে তৃণমূলের বুথ এজেন্টকে মারধরের অভিযোগকে কেন্দ্র করে তুমুল উত্তেজনা তৈরি হয় প্রতিবাদে কেন্দ্রীয় বাহিনীকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখান তৃণমূলের মহিলা কর্মী-সমর্থকদের।কলকাতা বন্দরের গার্ডেনরিচেও ভোটের শেষ লগ্নে কংগ্রেস-তৃণমূল কংগ্রেস সংঘর্ষ লাগাতার ইটবৃষ্টিকে কেন্দ্র করে দুপক্ষের বেশ কয়েকজন আহত হন। বিরাট বাহিনী ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। মাঝেরহাটে কলকাতা বন্দরের তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী ফিরহাদ হাকিমকে ঘিরে বিজেপি সমর্থকদের জয় শ্রীরাম স্লোগান দেওয়াকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়ায়।মালদার চাঁচলে ভোট দিতে যাওয়ার পথে তৃণমূল সমর্থক হিসাবে পরিচিত দম্পতির উপর ব্লেড দিয়ে হামলার অভিযোগ উঠেছে কমগ্রেসের বিরুদ্ধে। তবে নির্বাচন কমিশন অভিযোগ খতিয়ে দেখার পর জানিয়েছে এর সঙ্গে ভোটের কোনও সম্পর্ক নেই।কলকাতার বেকবাগান, বেনিয়াপুকুর এলাকাতে দুপুরে বেআইনি জমায়েতে হঠাৎ পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনীর অভিযানকে ঘিরে কিছুটা উত্তেজনা ছড়ায়। হবিবপুরে তৃণমূলের ক্যাম্প অফিস ভাঙচুরের অভিযোগ বাহিনীর বিরুদ্ধে। বুথের মধ্যে শ্লীলতাহানির অভিযোগে রাসবিহারীর বিজেপি প্রার্থী সুব্রত সাহার এজেন্টকে আটক করেছে নিউ আলিপুর থানার পুলিশ। অভিযোগ অস্বীকার বিজেপি এজেন্টের দাবি তাকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো হয়েছে।কলকাতার রাসবিহারী কেন্দ্রে ভোট ঘিরে বিজেপি-তৃণমূল কংগ্রেস কর্মীদের ধস্তাধস্তি বাধে। পুলিশি হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি আয়ত্তে আসে৷মুর্শিদাবাদের রানীনগরে দুই তৃণমূল কংগ্রেস নেতার বাড়ি ভাঙার অভিযোগকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়ায়। ঘটনাস্থলে গেলে বিক্ষোভের মুখে পড়েন দলের জেলা সভাপতি আবু তাহের। পাণ্ডবেশ্বরে বিজেপি প্রার্থী জিতেন্দ্র তিওয়ারিকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখান তৃণমূল কংগ্রেস কর্মীদের বিরুদ্ধে।মুর্শিদাবাদের নবগ্রামের ৮৩ নং বুথের কিছুটা দূরে স্থানীয় এক তৃণমূল নেতাকে বেধড়ক মারধরের অভিযোগ উঠেছে কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিরুদ্ধে। মারধরে ওই নেতার হাত ও ভেঙে যায় বলে অভিযোগ। ফরাক্কাতেওয় তৃণমূল কংগ্রেস কর্মীকে বেধড়ক মেরে হাত-পা ভেঙে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে বিজেপির বিরুদ্ধে। গুরুতর আহত অবস্থায় ও ব্যক্তিকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। হামলার অভিযোগ অস্বীকার করেছে বিজেপি। দুর্গাপুর পূর্বের মলানদিঘিতে ভোটদাতাদের মধ্যে খাবার বিলির অভিযোগকে কেন্দ্র করে কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিরুদ্ধে তৃণমূল কংগ্রেস কর্মীদের মারধরের অভিযোগ উঠেছে।

এপ্রিল ২৬, ২০২১
রাজ্য

বিজেপিকে ভোট না দিলে লাঠিপেটার নিদান কেন্দ্রীয় বাহিনীর!

রাজ্যের ভোটপ্রক্রিয়ার শুরু থেকেই কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিরুদ্ধে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। এবার সেই অভিযোগ শোনা গেল সাধারণ ভোটারদের মুখে। মুর্শিদাবাদের সুতির ১৬৮ নম্বর বুথের ভোটারদের অভিযোগ, তাঁদের বিজেপিতে ভোট দিতে বলছে কেন্দ্রীয় বাহিনী। নাহলে মারধর করার হুমকি দেওয়া হচ্ছে।মুর্শিদাবাদের যে কয়েকটি আসনে বিজেপি জয়ের স্বপ্ন দেখছে সুতি তার মধ্যে অন্যতম। এই কেন্দ্রে লড়াই কংগ্রেস, তৃণমূল, কং এবং তৃণমূলের বিক্ষুব্ধদের সমর্থিত নির্দল প্রার্থী এবং বিজেপির। গতবারের বিধায়ক হুমায়ুন রেজা, তৃণমূলের ইমানি বিশ্বাস এবং নির্দল মইদুল ইসলামদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে আছেন বিজেপির তরুণ মুখ কৌশিক দাসকে। সুতির ১৬৮ নম্বর বুথের ভোটাররা প্রকাশ্যেই অভিযোগ করছেন, টহলদারির সময় কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা তাঁদের শাসিয়ে গিয়েছে। বাড়িতে বাড়িতে ঢুকে হুমকি দিয়ে গিয়েছেন বিজেপিকে ভোট না দিলে লাঠিপেটা করা হবে। আতঙ্কে এলাকাবাসীর একটা বড় অংশ ভোট দিতে যেতে ভয় পাচ্ছেন। এদের মধ্যে তৃণমূল সমর্থক যেমন রয়েছেন, তেমনই সাধারণ ভোটারও রয়েছেন।এদিকে, ভোটের দিন সকালেই বিজেপি প্রার্থীকে এলাকায় ঢুকতে বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে তৃণমূলের বিরুদ্ধে।বিজেপি প্রার্থী মসুহারা খাতুনকে বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। তাঁর গাড়ি ঘিরে বিক্ষোভও দেখানো হয়। যদিও তৃণমূল এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে। তবে সার্বিকভাবে ভোটের দিন সকাল থেকেই উত্তপ্ত মুর্শিদাবাদের রানিনগর বিধানসভা। এদিন সকালেই বেশ কয়েকটি বুথে কংগ্রেস এজেন্টদের ঢুকতে না দেওয়ার অভিযোগ ওঠে তৃণমূলের বিরুদ্ধে। এদিন সকালে ওই বিধানসভা কেন্দ্রে বোমাবাজি করা হয়েছে বলেও অভিযোগ।মুর্শিদাবাদের অন্যান্য প্রান্তেও বিক্ষিপ্ত অশান্তির খবর মিলেছে। রানিগঞ্জের পানিপিয়ায় বোমার আঘাতে এক কংগ্রেস সমর্থক আহত হয়েছেন বলে খবর। রঘুনাথগঞ্জেও গতকাল রাতে বোমাবাজি করা হয়েছে। সবক্ষেত্রেই অভিযুক্ত শাসকদল। তবে, তাঁরা অভিযোগ অস্বীকার করেছে।

এপ্রিল ২৬, ২০২১
রাজ্য

বিজেপিকে ভোট না দিলে লাঠিপেটার নিদান কেন্দ্রীয় বাহিনীর!

রাজ্যের ভোটপ্রক্রিয়ার শুরু থেকেই কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিরুদ্ধে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। এবার সেই অভিযোগ শোনা গেল সাধারণ ভোটারদের মুখে। মুর্শিদাবাদের সুতির ১৬৮ নম্বর বুথের ভোটারদের অভিযোগ, তাঁদের বিজেপিতে ভোট দিতে বলছে কেন্দ্রীয় বাহিনী। নাহলে মারধর করার হুমকি দেওয়া হচ্ছে।মুর্শিদাবাদের যে কয়েকটি আসনে বিজেপি জয়ের স্বপ্ন দেখছে সুতি তার মধ্যে অন্যতম। এই কেন্দ্রে লড়াই কংগ্রেস, তৃণমূল, কং এবং তৃণমূলের বিক্ষুব্ধদের সমর্থিত নির্দল প্রার্থী এবং বিজেপির। গতবারের বিধায়ক হুমায়ুন রেজা, তৃণমূলের ইমানি বিশ্বাস এবং নির্দল মইদুল ইসলামদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে আছেন বিজেপির তরুণ মুখ কৌশিক দাসকে। সুতির ১৬৮ নম্বর বুথের ভোটাররা প্রকাশ্যেই অভিযোগ করছেন, টহলদারির সময় কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা তাঁদের শাসিয়ে গিয়েছে। বাড়িতে বাড়িতে ঢুকে হুমকি দিয়ে গিয়েছেন বিজেপিকে ভোট না দিলে লাঠিপেটা করা হবে। আতঙ্কে এলাকাবাসীর একটা বড় অংশ ভোট দিতে যেতে ভয় পাচ্ছেন। এদের মধ্যে তৃণমূল সমর্থক যেমন রয়েছেন, তেমনই সাধারণ ভোটারও রয়েছেন।এদিকে, ভোটের দিন সকালেই বিজেপি প্রার্থীকে এলাকায় ঢুকতে বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে তৃণমূলের বিরুদ্ধে।বিজেপি প্রার্থী মসুহারা খাতুনকে বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। তাঁর গাড়ি ঘিরে বিক্ষোভও দেখানো হয়। যদিও তৃণমূল এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে। তবে সার্বিকভাবে ভোটের দিন সকাল থেকেই উত্তপ্ত মুর্শিদাবাদের রানিনগর বিধানসভা। এদিন সকালেই বেশ কয়েকটি বুথে কংগ্রেস এজেন্টদের ঢুকতে না দেওয়ার অভিযোগ ওঠে তৃণমূলের বিরুদ্ধে। এদিন সকালে ওই বিধানসভা কেন্দ্রে বোমাবাজি করা হয়েছে বলেও অভিযোগ।মুর্শিদাবাদের অন্যান্য প্রান্তেও বিক্ষিপ্ত অশান্তির খবর মিলেছে। রানিগঞ্জের পানিপিয়ায় বোমার আঘাতে এক কংগ্রেস সমর্থক আহত হয়েছেন বলে খবর। রঘুনাথগঞ্জেও গতকাল রাতে বোমাবাজি করা হয়েছে। সবক্ষেত্রেই অভিযুক্ত শাসকদল। তবে, তাঁরা অভিযোগ অস্বীকার করেছে।

এপ্রিল ২৬, ২০২১
রাজ্য

ভোট শুরু হতেই রক্তাক্ত শীতলকুচি, কেন্দ্রীয় বাহিনীর গুলিতে হত ৪

প্রাণহানি দিয়ে দিন শুরু হয়েছিল। বেলা বাড়তে সেই শীতলকুচিতেই বাড়ল মৃতের সংখ্যা। এ বার কেন্দ্রীয় বাহিনীর গুলিতে সেখানে আরও ৪ ব্যক্তির প্রাণ গেল। মাথাভাঙা হাসপাতালে তাঁদের ময়নাতদন্ত চলছে। কেন্দ্রীয় বাহিনীর গুলিতে আরও ৪ ব্যক্তি জখম হয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। নিহতরা সকলেই তাঁদের সমর্থক বলে দাবি তৃণমূলের। অন্যদিকে, পাঠানটুলির ৮৫ নম্বর বুথ থেকে বলপূর্বক বিজেপির এজেন্ট আনন্দ বর্মনকে বের করে দেয় তৃণমূল। এরপরই তাঁকে লক্ষ্য করে গুলি চালানো হয়।হাসপাতালে নিয়ে গেলে তার মৃত্যু হয়। বোমাবাজিও করা হয় ওই বুথের সামনে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ধুন্ধুমার পরিস্থিতি তৈরি হয়।সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে তৃণমূল ও বিজেপি কর্মীরা। জখম হন বেশ কয়েকজন।শীতলকুচির জোড়পাটকির ১২৬ নম্বর বুথের বাইরে এই ঘটনা ঘটেছে। গোটা ঘটনায় কেন্দ্রীয় বাহিনীর ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। স্থানীয় তৃণমূল কর্মীদের অভিযোগ, কেন্দ্রীয় বাহিনী বিজেপি-র হয়ে কাজ করছে। রাতভর মদ-মাংস খেয়ে সকালে নির্বিচারে গুলি চালিয়েছে। সুষ্ঠ নির্বাচন করানোর ভার যাদের কাঁধে, তাঁদের নির্বিচারে গুলি চালানোর অধিকার কে দিয়েছে, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে জোড়াফুল শিবির।স্থানীয় এক তৃণমূল কর্মী সংবাদমাধ্যমে বলেন, দলে দলে মানুষ ভোট দিতে যাচ্ছিলেন। সেই সময় বিনা প্ররোচনায় গুলি চালায় কেন্দ্রীয় বাহিনী। বুথের ভিতরে যে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন ছিল, তারাই এই ঘটনা ঘটিয়েছে বলে অভিযোগ করে তৃণমূল।অন্যদিকে, বিজেপি নেতা নিশীথ প্রামাণিক গোটা ঘটনার জন্য মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেই দায়ী করেছেন। তাঁর বক্তব্য, কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিরুদ্ধে লাগাতার উস্কানিমূলক মন্তব্য করেছেন মমতা। মাথাভাঙা, শীতলকুচি, কোচবিহারের সভা থেকে কেন্দ্রীয় বাহিনীকে ঘিরে ধরতে বলেন তিনি, তাতেই একটি বিশেষ শ্রেণির লোক উত্তেজিত এবং তা থেকে আক্রমণাত্মক হয়ে পড়েন। কেন্দ্রীয় বাহিনী যদি গুলি চালিয়ে থাকে, তা আত্মরক্ষার্থেই চালিয়েছে। আসলে তৃণমূল জানে, ওরা হারছে। তাই উশৃঙ্খলতা তৈরি করছে। গোটা ঘটনায় অ্যাকশন টেকেন রিপোর্ট চেয়ে পাঠিয়েছে নির্বাচন কমিশন। কমিশন জানিয়েছে, সিআরপিএফ নয়, গুলি চালিয়েছে সিআইএসএফ (সেন্ট্রাল আর্মড পুলিশ ফোর্স)। রাজ্য নির্বাচন পর্যবেক্ষক বিবেক দুবে জানিয়েছেন, তৃণমূল এবং বিজেপি-র মধ্যে সংঘর্ষ চলছিল। বাধা দেওয়া হচ্ছিল ভোটদানেও। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে গেলে কেন্দ্রীয় বাহিনীকে ঘিরে ধরা হয়। রাইফেলও কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা করা হয়। তাতেই গুলি চলে।কিন্তু স্থানীয় এক বাসিন্দার যুক্তি, নিহতদের পরিচয় তাঁদের বিশেষ কোনও রাজনৈতিক দলের প্রতি তাঁদের সমর্থন নয়। তাঁরা ভোটার। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে বাধ্য হয়ে যদি গুলি চালাতে হয়, তাহলে পায়েও তো গুলি চালাতে পারত। তা না করে সোজাসুজি বুকে গুলি করা হল কেন প্রত্যেককে?কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের অঙ্গুলিহেলনেই কেন্দ্রীয় বাহিনী এই ঘটনা ঘটিয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন শীতলকুচির তৃণমূল প্রার্থী পার্থপ্রতিম রায়। তিনি বলেন, কী বলব আমি? শীতলকুচির মানুষ আমার স্বজন। চার-চারটি তরতাজা প্রাণ চলে যেতে দেখে চোখের জল চেপে রাখতে পারছি না। মানুষ এখনও ভোটকেন্দ্রে যাচ্ছেন, ভোট দিচ্ছেন। দাঁতে দাঁত চেপে লড়াই করছেন। সেই মনোবল ভেঙে ফেলার চেষ্টা চলছে। আজকের ঘটনার জন্য নির্বাচন কমিশন দায়ী। দায়ী বিজেপি এবং কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। অমিত শাহের অঙ্গুলিহেলনে এ সব হচ্ছে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে এ নিয়ে ফোনে কথা হয়েছে, তিনি পুরোটা দেখবেন বলে আশ্বাস দিয়েছেন বলেও মন্তব্য করেন পার্থপ্রতিম।নির্বাচন কমিশনার সুদীপ জৈন ইতিমধ্যেই বিষয়টি নিয়ে ফোনে প্রাথমিক রিপোর্ট নিয়েছেন। কী কারণে গুলি চালাতে হল, কেন পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করা গেল না, সব সমেত পূর্ণাঙ্গ রিপোর্ট তলব করেছেন তিনি।শনিবার সকালে চতুর্থ দফায় ভোটগ্রহণ শুরু হওয়ার পর থেকে দফায় দফায় শীতলকুচিতে সঙ্ঘর্ষ বেধেছে তৃণমূল এবং বিজেপি সমর্থকদের মধ্যে। সকালে পাঠানটুলি শালবাড়ির ২৮৫ বুথে ভোট দিতে গিয়ে আনন্দ বর্মণ নামের এক ১৮ বছরের কিশোরের মৃত্যু হয়। তাঁর পরিবারের লোকজন নিজেদের বিজেপি সমর্থক বলে দাবি করলেও, আনন্দ কাদের পক্ষে, তা নিয়েও রাজনৈতিক টানাপড়েন শুরু হয়। তার মধ্যেই এই ঘটনা।

এপ্রিল ১০, ২০২১
রাজ্য

শহরে এল ১০২ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী

ভোটের সময় সামান্য গোলমালের খবর পেলেই সঙ্গে সঙ্গে পুলিশ বাহিনীকে সেখানে পৌঁছনোর নির্দেশ দিলেন কলকাতার পুলিশ কমিশনার সৌমেন মিত্র। সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য এখনও পর্যন্ত কলকাতায় এসে পৌঁছেছে ১০২ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী।শনিবার চতুর্থ দফার ভোটের আগেই বৃহস্পতিবার কলকাতা পুলিশের আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক করেন পুলিশ কমিশনার সৌমেন মিত্র। সেদিনই কলকাতা পুলিশের আওতায় দ্বিতীয় দফার ভোট। দক্ষিণ শহরতলি, বেহালা ও মেটিয়াবুরুজের কয়েকটি বিধানসভায় ভোটগ্রহণ হবে। ওই এলাকাগুলিতে যাতে শান্তিপূর্ণ ও অবাধ ভোট হয়, এখন থেকেই সেই ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন পুলিশ কমিশনার। নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে হবে বলেন তিনি। ইতিমধ্যে নির্বাচন কমিশনের নির্দেশে দক্ষিণ শহরতলির দুটি থানার ওসিদের বদলি হয়েছে। গত মঙ্গলবার কলকাতা পুলিশের আওতায় প্রথম দিনের ভোট অত্যন্ত শান্তিপূর্ণভাবেই কেটেছিল। আগামী শনিবার কলকাতা পুলিশের ২৫টি থানা এলাকায় ভোট। ওই ভোটের দিনেও যাতে কোথাও কোনও গোলমাল না হয়, সেই ব্যাপারে কড়া ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কোথাও যদি কোনওরকম গোলমালের খবর আসে, কয়েক মিনিটের মধ্যেই পুলিশবাহিনী ঘটনাস্থলে গিয়ে যেন অবস্থা নিয়ন্ত্রণে আনে, পুলিশ আধিকারিকদের সেই নির্দেশই দিয়েছেন লালবাজারের শীর্ষকর্তারা।লালবাজারের সূত্র জানিয়েছে, এখনও পর্যন্ত কলকাতায় এসে পৌঁছেছে ১০২ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী। সেই বাহিনীর মধ্যে একটি বড় অংশকেই কাজে লাগানো হবে শনিবারের ভোটে। বাকি অংশ কলকাতার বিভিন্ন অংশে রুট মার্চ করবে। ভোটকেন্দ্রগুলিতে মোতায়েন করা থাকবে কেন্দ্রীয় বাহিনী। এ ছাড়াও কেন্দ্রীয় বাহিনী টহলও দেবে শহরজুড়ে। শনিবার কলকাতা পুলিশের আওতায় ৭২১টি ভোটকেন্দ্রের ২ হাজার ৩৪৩টি বুথে ভোট। যে এলাকায় নয়টি বা তার বেশি সংখ্যক বুথ রয়েছে, সেখানে মোতায়েন করা হচ্ছে দুই সেকশন কেন্দ্রীয় বাহিনী, পাঁচটি ও তার বেশি বুথ থাকলে দেড় সেকশন এবং দুই থেকে চারটি বুথ কোনও ভোটকেন্দ্রে থাকলে এক সেকশন কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হচ্ছে। ভোটের দিন নামছে প্রায় সাড়ে চার হাজার অতিরিক্ত পুলিশ। ৩৩ জন ডেপুটি কমিশনার রাস্তায় থাকছেন। এ ছাড়াও অ্যাসিস্ট্যান্ট কমিশনার ও ইন্সপেক্টর পদমর্যাদার পুলিশ আধিকারিকরাও রাস্তায় থাকছেন। একাধিক জায়গায় উড়বে ড্রোন। আকাশপথে হবে নজরদারি। এছাড়াও পুলিশের পদস্থ কর্তারাও পরিস্থিতির উপর নজর রাখবেন।

এপ্রিল ০৯, ২০২১
রাজ্য

তৃতীয় দফার ভোটে আজ মাঠে ৮৩২ কোম্পানি

রাজ্যে আজ তৃতীয় দফার নির্বাচনে তিন জেলার ৩১টি বিধানসভা কেন্দ্রে ভোট নেওয়া হবে। কেন্দ্রীয় বাহিনীর ঘেরাটোপে বাংলায় আজ তৃতীয় দফার নির্বাচন হতে চলেছে। প্রথম দুই দফায় বড় সংখ্যায় কেন্দ্রীয় বাহিনী নামিয়েও অশান্তি পুরোপুরি এড়ানো যায়নি। এবার তাই বাড়তি তৎপরতা নিতে চলেছে নির্বাচন কমিশন। তৃতীয় দফার নির্বাচনে ৮৩২ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন থাকবে ৩টি জেলার ৩১টি বিধানসভা কেন্দ্রে। তার মধ্যে ৬১৮ কোম্পানি কেন্দ্রীয়বাহিনী থাকছে শুধুমাত্র বুথের নজরদারির জন্য। এছাড়া দক্ষিণ ২৪ পরগনাতে থাকছে ৩০৭ কোম্পানি। এর মধ্যে বারুইপুর পুলিশ জেলায় ১৩০ কোম্পানি, ডায়মন্ডহারবার পুলিশ জেলায় ১১৩ কোম্পানি, সুন্দরবন পুলিশ জেলায় ৬৪ কোম্পানি। হাওড়তেও ১৪৪ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকছে। তার মধ্যে ১৩২ কোম্পানি থাকছে হাওড়া গ্রামীণে ও হাওড়া কমিশনারেটে থাকছে ১১ কোম্পানি। হুগলি গ্রামীণে থাকছে ১৬৭ কোম্পানি বাহিনী। আজ তৃতীয় দফার নির্বাচন হতে চলেছে হাওড়া, হুগলি ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার ৩১টি বিধানসভা কেন্দ্রে। এর মধ্যে রয়েছে হাওড়ার ৭টি, দক্ষিণ ২৪ পরগনার ১৬টি এবং হুগলির ৮টি বিধানসভা কেন্দ্র। হাওড়ার যে ৭টি আসনে ভোটগ্রহণ হবে সেগুলি হল-- উলুবেড়িয়া উত্তর, উলুবেড়িয়া দক্ষিণ, শ্যামপুর, বাগনান, আমতা, উদয়নারায়ণপুর ও জগৎবল্লভপুর। হুগলিতে ভোট হবে জাঙ্গিপাড়া, হরিপাল, ধনেখালি, তারকেশ্বর, পুরশুড়া, আরামবাগ, গোঘাট ও খানাকুল। অন্যদিকে দক্ষিণ ২৪ পরগনার যে ১৬টি বিধানসভা কেন্দ্রে ভোট হবে সেগুলি হল - বাসন্তী, কুলতলি, কুলপি, রায়দিঘি, মন্দিরবাজার, জয়নগর, বারুইপুর পূর্ব, বারুইপুর পশ্চিম, ক্যানিং পশ্চিম, ক্যানিং পূর্ব, মগরাহাট পূর্ব, মগরাহাট পশ্চিম, ডায়মন্ডহারবার, ফলতা, সাতগাছিয়া ও বিষ্ণুপুর। এই পর্বে মোট ২০৫ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এই পর্বে ৩১টি কেন্দ্রের ৭৮ লাখ ৫২ হাজারের বেশি ভোটার প্রার্থীদের রাজনৈতিক ভাগ্য নির্ধারণ করবেন। নির্বাচন কমিশন সূত্রের খবর, তৃতীয় দফার এই নির্বাচনে ৩ জেলায় বুথের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকছে ৬১৮ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী। এর মধ্যে দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলায় মোতায়েন করা হবে ৩০৭ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনীকে। হুগলিতে মোতায়েন করা হবে ১৬৭ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী। হাওড়ায় থাকবে ১৪৪ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী। সাধারণত ১ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনীতে ১০০জন জওয়ান থাকে। অর্থাৎ ৬১ হাজার ৮০০ জন জওয়ান তৃতীয় দফার ভোটে মোতায়েন হতে চলেছেন। তবে, একটি কোম্পানিতে ১০০ জন জওয়ানের মধ্যে কয়েকজন অন্যান্য নানা কাজে যুক্ত থাকেন। তাই তৃতীয় দফায় সরাসরি ভোটের সঙ্গে ৪৯ হাজারের কিছু বেশি জওয়ান মোতায়েন থাকতে পারেন বলে মনে করা হচ্ছে।

এপ্রিল ০৬, ২০২১
রাজ্য

ভোটারদের পরিচয়পত্র খতিয়ে দেখবে না কেন্দ্রীয় বাহিনী

ভোটকেন্দ্রে ভোটারদের পরিচয়পত্র খতিয়ে দেখতে পারবে না নিরাপত্তারক্ষীরা। নির্বাচনী বিধি অনুযায়ী ভোটারদের পরিচয়পত্র খতিয়ে দেখতে পারেন শুধু ফার্স্ট পোলিং অফিসার। তৃণমূল কংগ্রেসের অভিযোগের ভিত্তিতে কড়াভাবে এই নিয়ম কার্যকর করার নির্দেশ দিল নির্বাচন কমিশন। রাজ্যের নির্বাচনী নোডাল অফিসার একে সিং এবং এডিজি আইনশৃঙ্খলা জগ মোহনকে এই নির্দেশ কার্যকর করার কথা জানানো হয়েছে কমিশনের তরফে।আসলে গতকালই তৃণমূলের এক শীর্ষস্তরীয় প্রতিনিধিদল রাজ্য নির্বাচন কমিশনের দপ্তরে গিয়ে কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিরুদ্ধে একগুচ্ছ অভিযোগ জানিয়ে আসে।তৃণমূলের অভিযোগ, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহর নির্দেশে কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা বিজেপিকে সুবিধা পাইয়ে দিচ্ছেন। বহু জায়গা থেকে কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিরুদ্ধে ভোটকে প্রভাবিত করার অভিযোগ আসছে। এই প্রথম ভারতবর্ষে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নির্দেশে কেন্দ্রীয় বাহিনী বিজেপিকে সহযোগিতা করছে। যেখানে বিজেপি জোর করে ভোট করার চেষ্টা করছে, সেখানে কেন্দ্রীয় বাহিনী নীরব। রাজ্যের শাসক শিবিরের দাবি, যেসব কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে তাঁদের যেন পরবর্তীকালে ভোটের কাজে মোতায়েন করা না হয়।

এপ্রিল ০৩, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজনীতি

নির্বাচন-পরবর্তী অশান্তি নিয়ে সরব প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী, অভিষেক-কল্যাণের ওপর হামলায় বিজেপিকে নিশানা

নির্বাচন-পরবর্তী সময়ে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে তৃণমূল কংগ্রেস কর্মী-সমর্থকদের বিরুদ্ধে হামলা, গ্রেফতারি এবং রাজনৈতিক প্রতিহিংসার অভিযোগকে সামনে এনে তীব্র উদ্বেগ প্রকাশ করলেন রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী। সামাজিক মাধ্যমে প্রকাশিত এক দীর্ঘ বার্তায় তিনি দাবি করেছেন, বাংলায় বিরোধী কণ্ঠরোধের চেষ্টা এবং রাজনৈতিক হিংসার নতুন অধ্যায় শুরু হয়েছে, যার পিছনে বিজেপির ভূমিকা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন উঠছে।প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে উল্লেখ করেন, গত কয়েক দিনে তৃণমূল কংগ্রেসের শীর্ষ নেতৃত্বের উপর একাধিক হামলার ঘটনা ঘটেছে। প্রথমে দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক ও ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ওপর হামলার অভিযোগ ওঠে। তার পরদিনই লোকসভায় তৃণমূল কংগ্রেসের চিফ হুইপ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপর আক্রমণের ঘটনা সামনে আসে। এই ধারাবাহিক ঘটনাগুলিকে তিনি বিচ্ছিন্ন ঘটনা হিসেবে দেখতে নারাজ। তাঁর মতে, বিরোধী রাজনৈতিক নেতৃত্বকে লক্ষ্য করে পরিকল্পিতভাবে ভয় ও আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি করার চেষ্টা চলছে।আক্রান্ত সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে সাক্ষাৎ করার পর তিনি জানান, দলের পক্ষ থেকে আক্রান্ত নেতার পাশে থাকার বার্তা দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে তিনি প্রশ্ন তোলেন, দেশের নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিরাই যদি নিরাপত্তাহীনতায় ভোগেন, তাহলে সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা কতটা সুনিশ্চিত, তা নিয়ে স্বাভাবিকভাবেই উদ্বেগ তৈরি হয়।প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর অভিযোগ, বাংলায় রাজনৈতিক প্রতিহিংসাকে উসকে দিয়ে বিজেপি স্বতঃস্ফূর্ত জনরোষের নামে নিজেদের কর্মী-সমর্থকদের মাঠে নামাচ্ছে। তাঁর দাবি, গণতান্ত্রিক বিরোধিতাকে দমন করতে রাজনৈতিক হিংসাকে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। তিনি এও প্রশ্ন তোলেন, কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের নীরবতা বা প্রশ্রয় ছাড়া এ ধরনের ঘটনা এত ঘনঘন ঘটতে পারে কি না।সামাজিক মাধ্যমের ওই পোস্টে বাংলার রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের কথাও তুলে ধরেন তিনি। তাঁর বক্তব্য, বাংলা বরাবরই সৌজন্য, সংস্কৃতি ও গণতান্ত্রিক চর্চার পীঠস্থান হিসেবে পরিচিত। সেই বাংলার রাজনৈতিক পরিসরে হিংসা, ভয় দেখানো বা গুন্ডামির কোনও স্থান নেই। তাই এই ধরনের ঘটনার বিরুদ্ধে রাজনৈতিক ও আইনি দুই ক্ষেত্রেই লড়াই চালিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকার করেছেন তিনি।প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর এই মন্তব্য এমন এক সময়ে সামনে এল, যখন নির্বাচন-পরবর্তী পরিস্থিতি নিয়ে রাজ্য রাজনীতি উত্তপ্ত। শাসক ও বিরোধী উভয় পক্ষই একে অপরের বিরুদ্ধে হিংসা ও সন্ত্রাসের অভিযোগ তুলছে। সেই আবহেই তাঁর এই বার্তা নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্ক উসকে দিয়েছে।

মে ৩১, ২০২৬
রাজ্য

অভিষেকের সফরে ‘নীরব’ সোনারপুরের তৃণমূল! হামলা ঘিরে সামনে এল দলের অন্দরেই অস্বস্তির ইঙ্গিত

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের রাজনৈতিক কর্মসূচি এক সময় স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্বের কাছে ছিল মর্যাদা ও গুরুত্বের বিষয়। তাঁর জেলা সফর মানেই নেতাদের ব্যস্ততা, মঞ্চে নেতার সাথে উপস্থিতি নিশ্চিত করতে ছিল প্রতিযোগিতা। কিন্তু শনিবার সোনারপুরের ঘটনাপ্রবাহ যেন সম্পূর্ণ উল্টো ছবি তুলে ধরল।ভোট-পরবর্তী হিংসায় নিহত এক তৃণমূল কর্মীর পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে সোনারপুরে গিয়েছিলেন তৃণমূল দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু তাঁর এই কর্মসূচিতে স্থানীয় তৃণমূলের প্রথম সারির অধিকাংশ নেতা-কাউন্সিলরের অনুপস্থিতি রাজনৈতিক মহলে নতুন প্রশ্ন তুলে দিয়েছে। যে এলাকায় অভিষেকের উপর বিক্ষোভ ও হামলার অভিযোগ উঠেছে, সেটি রাজপুর-সোনারপুর পুরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের অন্তর্গত। অথচ সেই ওয়ার্ডের জনপ্রতিনিধি থেকে শুরু করে এলাকার প্রভাবশালী তৃণমূল নেতাদের কাউকেই কার্যত দেখা যায়নি ঘটনাস্থলের আশপাশে।তৃণমূল সূত্রে দাবি, অভিষেকের সফরের আগে থেকেই সম্ভাব্য বিক্ষোভের আশঙ্কার কথা স্থানীয় নেতৃত্ব জানিয়েছিল। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হতে পারে বলেও সতর্ক করা হয়েছিল। তবে সেই সতর্কবার্তা সত্ত্বেও কর্মসূচি বাতিল হয়নি। ফলস্বরূপ, নিহত কর্মীর পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে গিয়ে বিক্ষোভ, স্লোগান এবং হামলার মুখে পড়তে হয় অভিষেককে।রাজপুর-সোনারপুর পুরসভার অধিকাংশ কাউন্সিলর তৃণমূলের হলেও তাঁদের কাউকেই সামনে দেখা যায়নি। দলের একাধিক জনপ্রতিনিধি নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানিয়েছেন, এলাকায় এমন এক আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি হয়েছিল যে অনেকেই প্রকাশ্যে বেরোতে সাহস পাননি। অন্যদিকে, পুরসভার চেয়ারম্যানের ডাকা বৈঠকও শেষ মুহূর্তে হয়নি বলে খবর, যা ঘটনাকে ঘিরে আরও জল্পনা বাড়িয়েছে।সোনারপুর উত্তরের প্রাক্তন বিধায়ক ও তৃণমূল নেত্রী ফিরদৌসি বেগমও জানিয়েছেন, তিনি অভিষেকের সঙ্গে যেতে চাইলেও তাঁর বাড়ির সামনে বিক্ষোভ শুরু হওয়ায় বেরোতে পারেননি। ফলে অভিষেকের পাশে স্থানীয় নেতৃত্বের অনুপস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন আরও জোরালো হয়েছে।এদিকে হামলায় ধৃত কয়েক জনের রাজনৈতিক পরিচয় নিয়েও শুরু হয়েছে তীব্র বিতর্ক। বিজেপির দাবি, গ্রেফতার হওয়া কয়েক জনকে অতীতে তৃণমূলের প্রাক্তন বিধায়ক লাভলি মৈত্রের ঘনিষ্ঠ হিসেবে এলাকায় দেখা যেত। যদিও লাভলি এই অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছেন। তাঁর দাবি, ধৃতরা তৃণমূলের কেউ নন, বরং বিজেপির সঙ্গে যুক্ত। এ বিষয়ে তিনি পুলিশ প্রশাসন ও দলীয় নেতৃত্বকেও তথ্য দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন।পুরো ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের একাংশের মতে, হামলার ঘটনার পাশাপাশি স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্বের অনুপস্থিতি দলীয় সংগঠনের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়েও প্রশ্ন তুলে দিয়েছে। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের মতো শীর্ষ নেতার কর্মসূচিতে স্থানীয় নেতৃত্বের এই দূরত্ব নিছক কাকতালীয়, নাকি এর পিছনে রয়েছে বৃহত্তর রাজনৈতিক অস্বস্তি সেই জল্পনাই এখন রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু।

মে ৩১, ২০২৬
কলকাতা

বন্ধ ফ্ল্যাটে দু’টি দেহ, পাশে নেশাগ্রস্ত তিন বন্ধু! গল্ফ গ্রিন কাণ্ডে চাঞ্চল্য

দক্ষিণ কলকাতার গল্ফ গ্রিন এলাকায় একটি ফ্ল্যাট থেকে এক যুবক ও এক যুবতীর দেহ উদ্ধারের ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। রবিবার দুপুরে অরবিন্দ নগরের একটি আবাসনের ফ্ল্যাট থেকে ওই দুই জনের দেহ উদ্ধার করে পুলিশ। প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে, মৃত যুবকের নাম দিলশাদ। তাঁর বয়স প্রায় ছাব্বিশ বছর। মৃত যুবতীর বয়স একুশ বছর। দুজন ওই ফ্ল্যাটে একসঙ্গে থাকতেন বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে।পুলিশ সূত্রে খবর, দেহ দুটিতে পচন ধরেছিল। ফ্ল্যাটের ভিতর থেকে বিপুল পরিমাণ মাদকজাতীয় সামগ্রীও উদ্ধার হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, শনিবার বিকেল থেকেই ওই আবাসনের আশপাশে তীব্র দুর্গন্ধ ছড়াতে শুরু করে। প্রথমে কেউ বিষয়টি গুরুত্ব না দিলেও রবিবার সকালে দুর্গন্ধের উৎস খুঁজতে শুরু করেন এলাকাবাসীরা। তখন সন্দেহ হয় একটি নির্দিষ্ট ফ্ল্যাটকে ঘিরে। খবর দেওয়া হয় পুলিশকে। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে দরজা ভেঙে ভিতরে ঢোকে এবং সেখান থেকেই উদ্ধার হয় যুবক ও যুবতীর দেহ।তদন্তে জানা গিয়েছে, চলতি বছরের এপ্রিল মাসে ওই ফ্ল্যাটটি ভাড়া নিয়েছিলেন যুবক ও যুবতী। যুবকের বাড়ি তিলজলায় এবং যুবতীর বাড়ি রামগড় এলাকায় বলে জানা গিয়েছে। তাঁরা একসঙ্গে থাকতেন বলে প্রতিবেশীদের দাবি।পুলিশ আরও জানতে পেরেছে, ঘটনার সময় ফ্ল্যাটে আরও দুই যুবক ও এক যুবতী উপস্থিত ছিলেন। তাঁদের থানায় নিয়ে গিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে, ওই তিন জনকে নেশাগ্রস্ত অবস্থায় পাওয়া গিয়েছিল।এক প্রবীণ স্থানীয় বাসিন্দার দাবি, ওই ফ্ল্যাটে থাকা যুবক-যুবতী নিয়মিত নেশা করতেন বলে এলাকায় পরিচিত ছিল। তিনি জানান, ঘটনার রাতে ফ্ল্যাটে আরও কয়েক জনের উপস্থিতির কথা স্থানীয়রা জানতে পেরেছিলেন। পরে পুলিশ এসে তাঁদের নিয়ে যায়।দুই তরুণ-তরুণীর মৃত্যুর কারণ এখনও স্পষ্ট নয়। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে পাওয়ার পরই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে বলে মনে করছে তদন্তকারী আধিকারিকরা। একই সঙ্গে ফ্ল্যাট থেকে উদ্ধার হওয়া মাদকজাতীয় সামগ্রীর উৎস এবং ঘটনার সঙ্গে অন্য কারও যোগ রয়েছে কি না, তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।গল্ফ গ্রিনের এই ঘটনাকে ঘিরে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। রহস্যমৃত্যু, মাদক এবং ফ্ল্যাটে উপস্থিত অন্য তিন জনকে ঘিরে একাধিক প্রশ্নের উত্তর খুঁজছে পুলিশ।

মে ৩১, ২০২৬
রাজ্য

এবার মদন মিত্রের বাড়িতে পুলিশ! হঠাৎ তল্লাশিতে জোর চাঞ্চল্য

রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পর একাধিক তদন্ত এবং গ্রেপ্তারির ঘটনার মধ্যেই এবার কামারহাটির তৃণমূল বিধায়ক মদন মিত্রের বাড়িতে পৌঁছল পুলিশ। রবিবার দুপুরে তাঁর কামারহাটির বাড়িতে তল্লাশি চালানো হয় বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে। এই ঘটনাকে ঘিরে শুরু হয়েছে জোর রাজনৈতিক জল্পনা।পুলিশ সূত্রের খবর, বারাকপুর পুলিশ কমিশনারেটের এক উচ্চপদস্থ আধিকারিকের নেতৃত্বে এই অভিযান চালানো হয়। যে বাড়িতে তল্লাশি চালানো হয়, সেটি প্রথমে তালাবন্ধ ছিল। পরে পুলিশ সেখানে প্রবেশ করে প্রয়োজনীয় তদন্ত শুরু করে।প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে, কামারহাটির ওই বাড়ির নাম উদয় ভিলা। সেখানে মদন মিত্রের একটি দলীয় কার্যালয়ও রয়েছে। তদন্তকারীদের সন্দেহ, যে জমির উপর বাড়িটি নির্মিত হয়েছে, সেই জমির মালিকানা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে।অভিযোগ উঠেছে, জমিটি কেন্দ্রীয় সরকারের একটি সংস্থার অধীন। অতীতে সেখানে মহিলাদের স্বনির্ভর করার বিভিন্ন প্রশিক্ষণমূলক কাজ পরিচালিত হতো। তবে স্থানীয় স্তরে দীর্ঘদিন ধরেই অভিযোগ ছিল, ওই জায়গার ব্যবহার এবং দখল নিয়ে নানা অনিয়ম হয়েছে।তদন্তকারীরা খতিয়ে দেখছেন, জমিটি আইন মেনে ব্যবহার করা হয়েছে কি না এবং সেখানে কোনও বেআইনি কার্যকলাপ চলত কি না। এই অভিযোগগুলির সত্যতা যাচাই করতেই পুলিশের এই পদক্ষেপ বলে মনে করা হচ্ছে।এদিকে রাজ্যে সম্প্রতি বিভিন্ন অভিযোগে একাধিক তৃণমূল নেতা ও জনপ্রতিনিধির বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু হয়েছে। বিধায়কদের স্বাক্ষর সংক্রান্ত মামলাতেও তদন্ত এগোচ্ছে। সেই আবহেই মদন মিত্রের বাড়িতে পুলিশের এই অভিযান রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে।যদিও এই বিষয়ে মদন মিত্রের পক্ষ থেকে এখনও কোনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। তদন্তের অগ্রগতির সঙ্গে সঙ্গে এই ঘটনায় আরও নতুন তথ্য সামনে আসতে পারে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

মে ৩১, ২০২৬
রাজ্য

অভিষেক ইস্যুতে বিক্ষোভ, তারপরই বড় পদক্ষেপ! গ্রেপ্তার প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক

সোনারপুরে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে ঘিরে হেনস্তার ঘটনার প্রতিবাদে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করতে গিয়ে গ্রেপ্তার হলেন চুঁচুড়ার প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক অসিত মজুমদার-সহ ১০ জন। পুলিশকে বাধা দেওয়া এবং কর্তব্যরত পুলিশকর্মীদের সঙ্গে ধাক্কাধাক্কির অভিযোগে রবিবার তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, শনিবার হুগলির পিপুলপাতি এলাকায় পথ অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখাচ্ছিল তৃণমূল। সোনারপুরে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপর হামলার অভিযোগের প্রতিবাদেই এই কর্মসূচি নেওয়া হয়েছিল। অবরোধের জেরে এলাকায় যান চলাচল ব্যাহত হতে শুরু করলে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নামেন।অভিযোগ, অবরোধ তুলতে গেলে পুলিশকর্মীদের সঙ্গে তৃণমূল কর্মী-সমর্থকদের বচসা শুরু হয়। পরে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এবং ধাক্কাধাক্কির ঘটনাও ঘটে বলে অভিযোগ। এরপর পুলিশ অবরোধকারীদের সরিয়ে দেয়।এই ঘটনার পর তদন্তে নেমে রবিবার সকালে অসিত মজুমদার-সহ মোট ১০ জনকে গ্রেপ্তার করে চুঁচুড়া থানার পুলিশ। ধৃতদের মধ্যে রয়েছেন চুঁচুড়া পুরসভার চেয়ারম্যান সৌমিত্র ঘোষ, ভাইস চেয়ারম্যান পার্থ সাহা, কাউন্সিলার রঞ্জন রাহা, নির্মল চক্রবর্তী, সমীর সরকার-সহ আরও কয়েক জন তৃণমূল নেতা ও কর্মী।পুলিশের দাবি, সরকারি কাজে বাধা এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বিঘ্নিত করার অভিযোগেই এই পদক্ষেপ করা হয়েছে। গ্রেপ্তারের পর ধৃতদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করানো হয়। এরপর তাঁদের আদালতে পেশ করার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।প্রসঙ্গত, শনিবার সোনারপুরে যাওয়ার পথে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বিক্ষোভের মুখে পড়েন। তাঁর দিকে ডিম, জুতো এবং বিভিন্ন বস্তু ছোড়া হয় বলে অভিযোগ ওঠে। সেই ঘটনার প্রতিবাদেই রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় কর্মসূচি শুরু করে তৃণমূল। হুগলির পিপুলপাতির বিক্ষোভও ছিল সেই কর্মসূচিরই অংশ।এই গ্রেপ্তারিকে কেন্দ্র করে নতুন করে রাজনৈতিক উত্তাপ ছড়িয়েছে জেলাজুড়ে। বিরোধী ও শাসক শিবিরের মধ্যে শুরু হয়েছে তীব্র রাজনৈতিক চাপানউতোর।

মে ৩১, ২০২৬
কলকাতা

মেসি-কাণ্ডে বড় মোড়! প্রাক্তন ক্রীড়ামন্ত্রীর বিরুদ্ধে মামলা, শুরু জোর রাজনৈতিক চর্চা

যুবভারতীতে মেসির সফর ঘিরে বিতর্কের ঘটনায় নতুন মোড় এল। আয়োজক শতদ্রু দত্তের অভিযোগের ভিত্তিতে প্রাক্তন ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাসের বিরুদ্ধে মামলা নথিভুক্ত করেছে বিধাননগর দক্ষিণ থানার পুলিশ। এই ঘটনার পর সামাজিক মাধ্যমে প্রতিক্রিয়া জানিয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন শতদ্রু। তিনি লিখেছেন, সত্যের জয়। পাশাপাশি বর্তমান প্রশাসনের একাধিক শীর্ষ ব্যক্তিকে ধন্যবাদও জানিয়েছেন।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, একাধিক গুরুতর অভিযোগের ভিত্তিতে এই মামলা নথিভুক্ত হয়েছে। অভিযোগগুলির মধ্যে রয়েছে প্রতারণা, ভয় দেখানো, অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র এবং একাধিক ব্যক্তির যৌথভাবে অপরাধমূলক কাজের পরিকল্পনার মতো বিষয়।ঘটনার সূত্রপাত গত বছরের ডিসেম্বর মাসে। আন্তর্জাতিক ফুটবল তারকা লিওনেল মেসি, লুইস সুয়ারেজ এবং রদ্রিগো দে পল কলকাতায় এসেছিলেন একটি বিশেষ অনুষ্ঠানে অংশ নিতে। যুবভারতীতে আয়োজিত সেই অনুষ্ঠান ঘিরে বিপুল উন্মাদনা তৈরি হয়েছিল। দর্শকদের মধ্যে টিকিটের চাহিদা এতটাই বেড়ে গিয়েছিল যে কালোবাজারির অভিযোগও সামনে আসে।তবে অনুষ্ঠান ঘিরে ব্যাপক বিশৃঙ্খলার অভিযোগ ওঠে। দর্শকদের একাংশ গ্যালারি থেকে মাঠে নেমে পড়েন। নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েও প্রশ্ন ওঠে। দেশের অন্য শহরগুলিতে অনুষ্ঠান নির্বিঘ্নে সম্পন্ন হলেও কলকাতার অনুষ্ঠানকে ঘিরে বিতর্ক তৈরি হয়। সেই সময় আয়োজক শতদ্রু দত্তও আইনি সমস্যার মুখে পড়েছিলেন।রাজ্যে রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর এই ঘটনাকে ঘিরে নতুন করে মুখ খুলেছেন শতদ্রু দত্ত। তাঁর অভিযোগ, তৎকালীন ক্রীড়ামন্ত্রী তাঁর কাছে বিপুল সংখ্যক টিকিট ও প্রবেশপত্র চেয়েছিলেন। তিনি আরও দাবি করেছেন, টিকিট দেওয়া নিয়ে আপত্তি জানানো হলে তাঁর উপর চাপ সৃষ্টি করা হয়েছিল। এছাড়া অনুষ্ঠানের দিন একাধিক অনিয়ম এবং বিশৃঙ্খলার অভিযোগও তুলেছেন তিনি।শতদ্রুর আরও দাবি, অনুষ্ঠান শুরুর আগেই সম্ভাব্য বিশৃঙ্খলার বিষয়ে প্রশাসনকে সতর্ক করা হয়েছিল। কিন্তু সেই সতর্কবার্তার যথাযথ গুরুত্ব দেওয়া হয়নি। ফলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। তাঁর অভিযোগ, প্রকৃত দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নিয়ে তাঁকেই দায়ী করা হয়েছিল।এদিকে এই মামলাকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। তদন্তের অগ্রগতির দিকে নজর রয়েছে সকলের। অভিযোগগুলির সত্যতা প্রমাণিত হবে কি না, তা নির্ভর করছে তদন্তের ফলাফলের উপর। তবে মামলা নথিভুক্ত হওয়ার পর যুবভারতীর সেই বহুচর্চিত মেসি-কাণ্ড আবারও রাজ্যের রাজনৈতিক আলোচনার কেন্দ্রে উঠে এসেছে।

মে ৩১, ২০২৬
রাজ্য

অভিষেকের পর কল্যাণ! পরপর হামলায় বিস্ফোরক মমতা, বিজেপিকে বললেন ‘গণতন্ত্র হত্যাকারী’

পরপর দুদিনে দুই তৃণমূল সাংসদের উপর হামলার ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজ্য রাজনীতিতে তীব্র উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। শনিবার সোনারপুরে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে ঘিরে বিক্ষোভ ও হেনস্তার ঘটনার পর রবিবার হুগলির চণ্ডীতলায় আক্রান্ত হন শ্রীরামপুরের সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। এই দুই ঘটনার পর সরাসরি বিজেপিকে দায়ী করে তীব্র আক্রমণ শানিয়েছেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।সামাজিক মাধ্যমে করা এক পোস্টে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করেছেন, তৃণমূলের দুই গুরুত্বপূর্ণ সাংসদের উপর ধারাবাহিক হামলার ঘটনাগুলি কোনও বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। তাঁর অভিযোগ, এর পিছনে পরিকল্পিত রাজনৈতিক উদ্দেশ্য রয়েছে। একই সঙ্গে তিনি বিজেপিকে গণতন্ত্র হত্যাকারী বলেও কটাক্ষ করেছেন।অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক এবং লোকসভায় দলের অন্যতম প্রধান মুখ। অন্যদিকে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় লোকসভায় দলের মুখ্য সচেতকের দায়িত্বে রয়েছেন। এই দুই নেতার উপর পরপর হামলার ঘটনাকে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলেই তুলে ধরেছেন মমতা।শনিবার সোনারপুরে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে লক্ষ্য করে ডিম, জুতো এবং বিভিন্ন বস্তু ছোড়া হয় বলে অভিযোগ। ধস্তাধস্তির ঘটনায় তাঁর পোশাক ও ব্যক্তিগত সামগ্রীও ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এরপর রবিবার চণ্ডীতলায় কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপরও হামলার অভিযোগ ওঠে। তাঁর দিকে ঢিল ছোড়া হয় এবং চোর স্লোগান দেওয়া হয় বলে অভিযোগ।এই ঘটনাগুলির পর তৃণমূল কংগ্রেসও সামাজিক মাধ্যমে একাধিক ভিডিও প্রকাশ করে। দলের দাবি, ঘটনাগুলি পূর্বপরিকল্পিত এবং রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।এদিকে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিয়ে হাসপাতাল-সংক্রান্ত বিতর্কও নতুন করে রাজনৈতিক আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে এসেছে। সোনারপুরের ঘটনার পর তাঁকে শহরের একাধিক বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলেও চিকিৎসকরা প্রাথমিক পরীক্ষার পর ভর্তি করার প্রয়োজন দেখেননি। এই বিষয়েও বিজেপির বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে নিয়ে একটি কথোপকথনের অডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর নতুন বিতর্ক শুরু হয়েছে। যদিও ওই অডিওর সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা যায়নি। তা সত্ত্বেও বিষয়টি নিয়ে রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে।পরপর দুই সাংসদের উপর হামলার অভিযোগ, হাসপাতাল বিতর্ক এবং পাল্টাপাল্টি রাজনৈতিক আক্রমণকে ঘিরে রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে।

মে ৩১, ২০২৬
কলকাতা

অভিষেককে ভর্তি না নেওয়া নিয়ে বিতর্ক! ভাইরাল অডিও ঘিরে নতুন রাজনৈতিক ঝড়

সোনারপুরে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে ঘিরে হেনস্তার ঘটনার পর এবার নতুন করে বিতর্কের কেন্দ্রে এসেছে শহরের একটি বেসরকারি হাসপাতাল। একটি কথোপকথনের অডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর তা নিয়ে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা। তবে ওই অডিওর সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা যায়নি।শনিবার সোনারপুরের ঘটনায় উত্তেজনার মধ্যে কলকাতায় ফিরে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে প্রথমে একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসকদের প্রাথমিক পরীক্ষার পর জানানো হয়, তাঁর শরীরে গুরুতর কোনও আঘাতের চিহ্ন নেই এবং হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার প্রয়োজন নেই।এরপর তাঁকে শহরের আরও একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানেও চিকিৎসকরা একই মত দেন। চিকিৎসকদের পরামর্শ ছিল, বাড়িতেই পর্যবেক্ষণে রেখে চিকিৎসা করা সম্ভব।এই ঘটনার পর সামাজিক মাধ্যমে একটি অডিও ছড়িয়ে পড়ে। দাবি করা হচ্ছে, সেখানে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং একটি বেসরকারি হাসপাতালের শীর্ষ কর্তার মধ্যে কথোপকথন শোনা যাচ্ছে। যদিও ওই অডিওর সত্যতা এখনও নিশ্চিত নয়।এই অডিও প্রকাশ্যে আসার পর বিরোধী শিবিরের তরফে সমালোচনা শুরু হয়েছে। অন্যদিকে তৃণমূলের দাবি, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের চিকিৎসা নিয়ে অযথা রাজনৈতিক বিতর্ক তৈরি করা হচ্ছে। দলের একাংশের অভিযোগ, কিছু মহল ইচ্ছাকৃতভাবে বিষয়টিকে অন্য দিকে ঘোরানোর চেষ্টা করছে।প্রসঙ্গত, শনিবার সোনারপুরে নিহত এক তৃণমূল কর্মীর বাড়িতে যাওয়ার পথে বিক্ষোভের মুখে পড়েন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর দিকে ডিম, জুতো এবং বিভিন্ন বস্তু ছোড়া হয় বলে অভিযোগ। ধস্তাধস্তির ঘটনায় তাঁর চশমা, ঘড়ি এবং পোশাকও ক্ষতিগ্রস্ত হয়। পরে নিরাপত্তারক্ষী ও পুলিশ তাঁকে সেখান থেকে সরিয়ে নিয়ে যায়।ঘটনার পর থেকেই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের শারীরিক অবস্থা নিয়ে নজর রাখছেন চিকিৎসকরা। একই সঙ্গে ভাইরাল অডিও এবং হাসপাতালকে ঘিরে ওঠা বিতর্ক নতুন করে রাজনৈতিক উত্তাপ বাড়িয়েছে। ফলে সোনারপুর কাণ্ডের রেশ এখন রাজনীতির পাশাপাশি স্বাস্থ্য পরিষেবা এবং প্রশাসনিক ভূমিকা নিয়েও আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে।

মে ৩১, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal