• ১৬ চৈত্র ১৪৩২, বুধবার ০১ এপ্রিল ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

By Election,

দেশ

ধূপগুড়িতে জয় তৃণমূলের, উচ্ছ্বসিত মমতা গেলেন জি-২০ শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দিতে

জি-২০ শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দিতে দিল্লি যাওয়ার উদ্দেশ্যে রওনা দিতে কলকাতা বিমানবন্দরে পৌঁছলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কলকাতা বিমানবন্দরে দাঁড়িয়ে মুখ্যমন্ত্রী ধূপগুড়ি উপ নির্বাচনে তৃণমূলের জয় প্রসঙ্গে বলেন, আমি ধুপগুড়ির মানুষকে অভিনন্দন জানাচ্ছি। চা বাগান থেকে রাজবংশী সবাই যেভাবে তৃণমূলকে সমর্থন করেছেন। বিজেপির একটা শক্ত ঘাঁটি। বিজেপির মন্ত্রীরা সবাই ওখানে পড়েছিলেন। উত্তরবঙ্গের বড় জয়। সারা ভারতে নির্বাচন হয়েছে। সেখানে চারটিতে বিরোধী ইন্ডিয়া জোট জয়লাভ করেছে। উত্তর প্রদেশের মত জায়গাতে বিজেপি হেরেছে। ত্রিপুরায় দুটো আসনে জিতেছে বিজেপি। সেখানে কাউকে লড়তেই দেয়নি। ৯০ শতাংশ ভোটে জয়লাভ করেছে। ইন্ডিয়া জোটের বড় জয় এটা।ধূপগুড়ির তৃণমূল প্রার্থী নির্মলচন্দ্র রায়ের প্রাপ্ত ভোট- ৯৬,৯৬১। বিজেপির তাপসী রায় পেয়েছেন ৯২,৬৪৮। বাং-কংগ্রেসের জোট প্রার্থী পেয়েছেন১৩,৬৬৬ ভোট। তৃণমূল প্রার্থী ভোট জিতেছেন ৪,৩১৩টি ভোটে। শতাংশের বিচারে তৃণমূল পেয়েছে ৪৬ শতাংশের সামান্য বেশি ভোট।

সেপ্টেম্বর ০৮, ২০২৩
রাজনীতি

ধূপগুড়ি উপনির্বাচনের প্রচার সভায় বিরাট প্রতিশ্রুতি অভিষেকের, সমালোচনা বিরোধীদের

ইন্ডিয়া জোট গঠন প্রক্রিয়ার মধ্যেই জলপাইগুড়ির ধূপগুড়ি বিধানসভা উপনির্বাচনের প্রচার চলছে। এখানে তৃণমূল কংগ্রেস, বিজেপি ও কংগ্রেস সমর্থিত সিপিএম প্রার্থীর মধ্যে মূল লড়াই। আগামী ৫ই সেপ্টেম্বর ধুপগুড়ি বিধানসভার উপনির্বাচন। রবিবারই শেষ হচ্ছে প্রচারের মেয়াদ। শুক্রবার সেখানে জনসভায় বক্তব্য রেখেছেন রাজ্য কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরী ও সিপিএমের রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিম। বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী ও রাজ্য বিজেপির সভাপতি সুকান্ত মজুমদার দলের হয়ে লাগাতার প্রচার করছেন উত্তরবঙ্গের এই বিধানসভার উপনির্বাচনে। শনিবার ধুপগুড়িতে প্রচার করেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যেই ধুপগুড়ি মহকুমা হবে বলে প্রচার মঞ্চ থেকে ধুপগুড়িবাসীকে প্রতিশ্রুতি দিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর সাফ ঘোষণা, এর সঙ্গে মহকুমা হাসপাতালও হয়ে যাবে।বক্তব্য রাখার সময় স্বভাবসিদ্ধ ভঙ্গিতে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় জানতে চান, আপনাদের কি দাবি রয়েছে। তখন ধূপগুড়িকে পৃথক মহকুমা করার দাবি ওঠে উপস্থিতিদের মধ্য থেকে। প্রচার মঞ্চেই সেই দাবি মেনে নেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক। অভিষেক বলেন, আমি কথা দিয়ে কথা রাখি। আমি কথা রাখার ছেলে। আমি দাবি শুনে বলতে পারতাম, ১ বছর, দেড় বছর, ২ বছর পর হবে। দেখছি দেখবো বলতে পারতাম। বলতে পারতাম মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলে জানাবো। কিন্তু আমি নিজের কাঁধে দায়িত্ব নিচ্ছি। আমি প্রতিশ্রুতি দিয়ে যাচ্ছি যে ধুপগুড়ি মহকুমা হবে। ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যেই ধুপগুড়ি মহকুমা হিসাবে ঘোষণা হবে। এখন থেকে সবুজ আবির খেলতে শুরু করুন।ভোটমুখী ধুপগুড়িতে অভিষেকের এই ঘোষণার পরই প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছে বিরোধীরা। দলের রাজ্য মুখপাত্র শমীক ভট্টাচার্য বলেন, প্রশাসনের অংশ নন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এটা তাঁর সংসদীয় এলাকাও নয়। কিন্তু তাও তিনি প্রশাসনিক প্রতিশ্রুতি দিলেন কী করে? কংগ্রেস নেতা কৌস্তভ বাগচী বলেন, অভিষেক এই ঘোষণা করে নিজের পিসি তথা মুখ্যমন্ত্রীকেই চ্যালেঞ্জের সামনে দাঁড় করালেন।

সেপ্টেম্বর ০২, ২০২৩
রাজনীতি

সাগরদিঘিতে কি উলোটপূরাণ? ২১ হাজার ভোটে এগিয়ে কংগ্রেস প্রার্থী

২০১৬ বিধানসভা নির্বাচনের পর কোনও উপনির্বাচনে তৃণমূল ছাড়া কোনও বিরোধী দল এগিয়ে থাকেনি। এই প্রথম সাগরদিঘি বিধানসভা কেন্দ্রে প্রথম রাউন্ডের গণনাতেই ৫১৫ ভোটে এগিয়ে গিয়েছিল কংগ্রেস প্রার্থী। এখন এগিয়ে ২১ হাজার ভোটে। এখানে বামেদের সমর্থনে লড়াই করছে কংগ্রেস। এই বিধানসভা কেন্দ্রে ২০১১, ২০১৬ ও ২০২১ নির্বাচনে জয় পেয়েছিল তৃণমূল প্রার্থী সুব্রত সাহা। তাঁর অকাল প্রয়াণে এখানে ভোট হয়েছে। গত বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেস ৫০ হাজারের বেশি রেকর্ড ভোটে জয়ী হয়েছিল। যদিও ২০১১ বিধনসভা নির্বাচনে নামমাত্র ভোটে জয় পেয়েছিল তৃণমূল। ২০১৬-তে খুব বেশি জয়ের মার্জিন ছিল না। তবে এবার কংগ্রেস প্রার্থী বায়রন বিশ্বাস এই কেন্দ্র থেকে জয় পেলে বিধানসভায় খরা কাটবে হাত শিবিরের। তবে এখনও গণনা অনেকটা বাকি রয়েছে। এখনই ফলাফল বলা যায় না।

মার্চ ০২, ২০২৩
দেশ

রাজ্যে দুই আসনে উপনির্বাচনের দিন ঘোষণা করল কমিশন

রাজ্যে দুই আসনে উপনির্বাচনের দিনক্ষণ ঘোষণা করল নির্বাচন কমিশন। শনিবার,আসানসোল লোকসভা এবং বালিগঞ্জ বিধানসভা আসনের উপনির্বাচনের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে নির্বাচন কমিশনের তরফে। কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে, আগামী ১২ এপ্রিল, মঙ্গলবার ভোট হবে এই দুই আসনে। গণনা হবে ১৬ এপ্রিল, শনিবার। একই দিনে ছত্রিশগড় বিহার এবং মহারাষ্ট্রের একটি করে বিধানসভা আসনেও ভোট নেওয়া হবে। ভোটের বিজ্ঞপ্তি জারি হয়ে যাওয়ায় ওই সব এলাকায় এদিন থেকে জারি হয়ে গেল নির্বাচনী আদর্শ আচরণবিধি।২০১৯ সালের লোকসভা ভোটে আসানসোল থেকে জিতেছিলেন বিজেপির বাবুল সুপ্রিয়। পরে তিনি তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দেন। তৃণমূলে যোগ দেওয়ার পর বাবুল সাংসদ পদ থেকেও ইস্তফা দেন। লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা তা গ্রহণ করেন। ফলে আসানসোল লোকসভা শূন্য হয়। সেই কেন্দ্রের উপনির্বাচন বকেয়া ছিল।বালিগঞ্জের বিধায়ক ছিলেন প্রবীণ নেতা তথা মন্ত্রী সুব্রত মুখোপাধ্যায়। গত বছর নভেম্বরে কালীপুজোর দিন সন্ধেবেলা তিনি প্রয়াত হন। সুব্রতবাবুর প্রয়াণের কারণে বালিগঞ্জ আসনেও ভোট করতে হত। এদিন বাংলার একটি লোকসভা ও একটি বিধানসভার উপনির্বাচন ঘোষণা করে দিল কমিশন।কমিশন সূত্রে খবর আসানসোলের ১০০% বুথকেই উত্তেজনা প্রবন বুথ বলেই চিহ্নিত করা হয়েছে।

মার্চ ১২, ২০২২
রাজনীতি

Byelection-TMC: রাজ্যের চার কেন্দ্রেই জয়ী তৃণমূল, উন্নয়নের বার্তা মমতার

চার কেন্দ্রেই জয়ী তৃণমূল । সকাল থেকেই জয়ের আভাস পাওয়া গিয়েছিল। বেলা বাড়তেই একে একে সামনে আসে চার কেন্দ্রের ফলাফল। দিনহাটা, গোসাবা, শান্তিপুর ও খড়হহে তৃণমূলের জয়জয়কার। আর এই ফলাফলকে মানুষের জয় বলেই আখ্যা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। জয়ী প্রার্থীদের ধন্যবাদ দেওয়ার পাশাপাশি তিনি উল্লেখ করেছেন, আসলে বাংলার মানুষ ষড়ষন্ত্র আর ঘৃণার রাজনীতি নয়, উন্নয়নকেই ভরসা করে।গোসাবা, খড়দহ, শান্তিপুর ও দিনহাটা বিধানসভা কেন্দ্রে গত ৩০ অক্টোবর উপনির্বাচন হয়। মঙ্গলবার এই চার কেন্দ্রের ফলাফল ঘোষণা হল। এর মধ্যে নিঃসন্দেহে পাখির চোখ ছিল খড়দহ। কারণ এখানে রাজ্যের মন্ত্রী শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় প্রার্থী হন। যিনি ভবানীপুরে একুশের ভোটে জয়ী হলেও পরে ইস্তফা দেন। এ দিন জয়ী হয়েছেন তিনি। পাশাপাশি, একই রকম গুরুত্বপূর্ণ ছিল দিনহাটা ও শান্তিপুরের ফলাফলও। এই দুই আসনে একুশের ভোটে জয়ী হয় বিজেপি। তবে ভোটে লড়েছিলেন দুই সাংসদ নিশীথ প্রামাণিক ও জগন্নাথ সরকার। পরে দল তাঁদের সাংসদ হিসাবেই রেখে দেয়। দুই আসনেই এ দিন জয়ী হয়েছে তৃণমূল। গোসাবাতেও দেড় লক্ষের বেশি ব্যবধানে জয়ী ঘাসফুলের প্রার্থী সুব্রত মণ্ডল।উপনির্বাচনে রাজ্যের চারটি বিধানসভা আসনেই পরাজিত বিজেপি। এর মধ্যে দিনহাটা এবং শান্তিপুর আসন হাতছাড়া হয়েছে তাঁদের। তবে শান্তিপুর হাতছাড়া হলেও ব্যবধানের নিরিখে এই কেন্দ্রেই বিজেপি-র ফল সবথেকে ভাল বলা যায়। দিনহাটায় এবং গোসাবায় শাসকদল জিতেছে লক্ষাধিক ভোটের ব্যবধানে। খড়দহেও ব্যবধান ৯৩ হাজারের বেশি। এই তিন কেন্দ্রেই জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে বিজেপি প্রার্থীর। ব্যতিক্রম কেবল শান্তিপুর। সেখানে জামানত রক্ষা করতে সমর্থ হয়েছেন রাজ্যের প্রধান বিরোধী দলের প্রার্থী।My heartiest congratulations to all the four winning candidates!This victory is peoples victory, as it shows how Bengal will always choose development and unity over propaganda and hate politics. With peoples blessings, we promise to continue taking Bengal to greater heights! Mamata Banerjee (@MamataOfficial) November 2, 2021এ দিন ফল প্রকাশের পর মমতা টুইটে অভিনন্দন জানান চার প্রার্থীকে। তিনি লিখেছেন, এটা মানুষের জয়। এই জয় বুঝিয়ে দিচ্ছে কী ভাবে বাংলার মানুষ ষড়যন্ত্র আর ঘৃণার রাজনীতিকে উপেক্ষা করে উন্নয়ন আর ঐক্যকেই বেছে নিয়েছেন। বাংলাকে উন্নয়নের নয়া উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার আশ্বাসও দিয়েছেন মমতা।A cracker free Diwali in true sense. Wishing folks at @BJP4India a very Happy Diwali!💥 Abhishek Banerjee (@abhishekaitc) November 2, 2021অন্যদিকে, তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বিরোধীদের কটাক্ষ করে টুইটে বিজেপিকে দিপাবলীর শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। তিনি লিখেছেন, সত্যিকারের বাজি-হীন দিপাবলী। একই সঙ্গে সংবাদমাধ্যমের মাধ্যমে কর্মীদের বিজয় মিছিল না করার বার্তা দিয়েছেন তিনি। কর্মীদের উদ্দেশে তিনি জানিয়েছেন, যাতে সব এলাকায় শান্তি বজায় থাকে। বিজয় মিছিল যাতে না করা হয়, বা কোনও অপ্রীতিকর পরিস্থিতি যাতে না তৈরি হয়, সেই বার্তাই দিয়েছেন তিনি।

নভেম্বর ০২, ২০২১
রাজ্য

By Election: চলছে গণনা, চার কেন্দ্রেই এগিয়ে তৃণমূল, শুরু উৎসব

মঙ্গলবার সকাল ৮টা থেকে শুরু হয়েছে বিধানসভা উপনির্বাচনের ৪ কেন্দ্রের গণনা। প্রথমে পোস্টাল ব্যালট। তার পর শুরু হয়েছে ইভিএম গণনা। প্রাথমিক যা ট্রেন্ড, তাতে সর্বত্রই এগিয়ে তৃণমূল। সবথেকে তাৎপর্যপূর্ণ খড়দহ আসনটি। এখানেও চতুর্থ রাউন্ড শেষে ২৩ হাজার ৮১০ ভোটে এগিয়ে তৃণমূল প্রার্থী শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়।খড়দহ কেন্দ্রের উপনির্বাচনের ফল অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। বর্ষীয়ান তৃণমূল নেতা শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় পর পর তিনবার ভোটে জেতা নেতা। এবারও ২৮ হাজার ভোটে ভবানীপুর কেন্দ্র থেকে জয়ী হন তিনি। একই সঙ্গে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়েরও মুখ রক্ষার লড়াই। কারণ, তাঁর জন্যই বর্ষীয়ান নেতাকে জেতা আসন ছেড়ে লড়তে যেতে হয়েছে অন্যত্র। যদিও মঙ্গলবার সকাল থেকে ঝোড়ো ব্যাটিং শোভনদেবের।গণনার প্রাথমিক যে ট্রেন্ড তাতে গোসাবা, দিনহাটা, শান্তিপুরেও অনেকটাই পিছিয়ে বিরোধীরা। গোসাবায় ১৩ রাউন্ড গণনা শেষে ১১৭০৩৬ ভোটে এগিয়ে তৃণমূলের সুব্রত মণ্ডল। ঝোড়ো ব্যাটিং সুব্রতর। দিনহাটায় ১১ রাউন্ড গণনা শেষে তৃণমূলের উদয়ন গুহ এগিয়ে ৯১০৬৪ ভোটে। চার রাউন্ড শেষে শান্তিপুরে ১২৯৮১ ভোটে এগিয়ে তৃণমূল প্রার্থী।শান্তিপুরে ১৯৯৭৫ ভোটে এগিয়েবাকি তিন কেন্দ্রের তুলনায় দেরিতে শুরু হয়েছে শান্তিপুরের গণনা। সপ্তম রাউন্ড শেষে সেখানে এগিয়ে রয়েছেন তৃণমূল প্রার্থী ব্রজকিশোর গোস্বামী। তিনি ১ লক্ষ ১৭ হাজার ৩৬ ভোটে পিছনে ফেলেছেন বিজেপি প্রার্থী নিরঞ্জন বিশ্বাসকে। গোসাবায় এগিয়ে ১৩৩৩১৮ ভোটে১৪ রাউন্ড শেষে ১ লক্ষ ৩৩ হাজার ৩১৮ ভোটে গোসাবায় এগিয়ে গেল তৃণমূল। আসন ধরে রাখার পাশাপাশি জয়ের ব্যবধান কয়েক গুণ বাড়িয়ে নিল রাজ্যের শাসকদল।দিনহাটায় এগিয়ে উদয়ন গুহগণনায় রাউন্ড যত বাড়ছে, তত বাড়ছে তৃণমূলের ব্যবধান। ১৩ রাউন্ড গণনা শেষ হতে দেখা গেল, ১ লক্ষ ১২ হাজার ৭৪১ ভোটে এগিয়ে রয়েছেন উদয়ন গুহ । মাসখানেক আগেই এই কেন্দ্রে ৫৭ ভোটে হারতে হয়েছিল তাঁকে। সেই ব্যবধান পৌঁছে গেল লক্ষাধিকে।

নভেম্বর ০২, ২০২১
রাজ্য

By Election: আপাতত শান্তিপূর্ণভাবেই চলছে চার কেন্দ্রের ভোটগ্রহণ

শান্তিপূর্ণভাবে কিছুটা ধীর লয়েই চলছে রাজ্যের চার কেন্দ্রের ভোটগ্রহণ। শান্তিপুর এবং গোসাবায় বেলা ১১টা অবধি ৩০ শতাংশের বেশি ভোট পড়লেও দিনহাটা এবং খড়দহে তা ৩০ শতাংশের কম। বেলা ১১টা চার কেন্দ্রে ভোটের হার যথাক্রমে-খড়দহ: ২৩.৬০ শতাংশশান্তিপুর: ৩২.৩১ শতাংশগোসাবা: ৩৩.৮৭ শতাংশদিনহাটা: ২৮.৭৩ শতাংশএদিকে খড়দহ বিধানসভার ৪৯ নম্বর বুথের ভিতরে ভোটারদের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে সিআরপিএফ-এ বিরুদ্ধে। অভিযোগ তৃণমূলের। খড়দহের ১০৫ এবং ১০৫এ নম্বর বুথে মোবাইল নিয়ে ভোটারদের বুথে ঢুকতে সিআরপিএফ বাধা দিচ্ছে বলে অভিযোগ তৃণমূলের।অন্যদিকে গোসাবার ৪৮এ এবং ৪৯এ বুথে সিআরপিএফ অযথা ভোটারদের বিরক্ত করছে বলে অভিযোগ তৃণমূলের। দিনহাটার ২৯৬ নম্বর বুথেও সিআরপিএফ-এ বিরুদ্ধে ভোটারদের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ তুলেছে রাজ্যের শাসকদল।শনিবার সকালে ভোট দিয়েছেন প্রয়াত তৃণমূল নেতা কাজল সিন্হার স্ত্রী নন্দিতা সিন্হা। গত নির্বাচনে খড়দহ থেকে তৃণমূলের প্রার্থী ছিলেন কাজল। কিন্তু ভোটের ফলপ্রকাশের আগেই কোভিডে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয় কাজলের। ২ মে ফল প্রকাশের দিন দেখা যায় ওই কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী শীলভদ্র দত্তকে ২৮ হাজার ১৪০ ভোটে পরাজিত করেছেন কাজল। কিন্তু তিনি বেঁচে না থাকায় ফের ভোট হচ্ছে এই কেন্দ্রে। এ বারের উপনির্বাচনে তৃণমূলের প্রার্থী শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়।

অক্টোবর ৩০, ২০২১
রাজ্য

By Poll: শুরু ৪ কেন্দ্রের উপনির্বাচন

ভবানীপুরের পর এ বার বাকি চার কেন্দ্রের উপনির্বাচন। কোচবিহারের দিনহাটা, নদিয়ার শান্তিপুর, উত্তর ২৪ পরগনার খড়দহ এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনার গোসাবা আসনে শুরু হয়ে গিয়েছে ভোটগ্রহণ পর্ব। এর মধ্যে খড়দহ ও গোসাবায় তৃণমূল প্রার্থী কাজল সিনহা ও জয়ন্ত নস্কর জয়ী হয়েছিলেন। কিন্তু ফল প্রকাশের আগেই মৃত্যু হয় কাজলের। গোসাবার বিধায়ক মারা যান ফলপ্রকাশের পরে। অন্যদিকে, দিনহাটা ও শান্তিপুরে জিতেছিলেন বিজেপি-র নিশীথ প্রামাণিক ও জগন্নাথ সরকার। দুজনেই লোকসভার সাংসদ। বিধানসভা ভোটে জেতার পর তাঁরা বিধায়ক পদে ইস্তফা দিয়ে সাংসদই থেকে যান। এই চার কেন্দ্রে উপনির্বাচন হচ্ছে শনিবার। মঙ্গলবার অর্থাৎ ২ নভেম্বর চার কেন্দ্রেরই ফল ঘোষণা।

অক্টোবর ৩০, ২০২১
রাজনীতি

By Election: রাজ্যের চার বিধানসভা কেন্দ্রে তৃণমূলের প্রার্থী কারা? ঘোষণা মমতার

ভবানীপুরের ফলপ্রকাশের পরপরই বাকি চার কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থীর নাম ঘোষণা করলেন তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়। ভবানীপুরে হ্যাটট্রিক করেছেন মমতা। এদিন কালিঘাটে বাড়িরে বাইরে বেরিয়ে এসে সাধারণ মানুষকে অভিনন্দন জানান মুখ্যমন্ত্রী। বাকি চারটি উপনির্বাচেনর মধ্যে তিন কেন্দ্রের প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, শান্তিপুরে প্রার্থী ব্রজকিশোর গোস্বামী। দিনহাটায় উদয়ন গুহ, খড়দহে শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়। তিনি আরও বলেন, গোসাবার প্রার্থীর নাম একটু পড়ে ঘোষণা করব। সেখানে দুটো নাম আছে, বাপ্পাদিত্য নস্কর ও সুব্রত মন্ডল। পার্থ চট্টোপাধ্যায় ও সুব্রত বক্সীর সঙ্গে আলোচনা করা হবে বলে তিনি জানিয়ে দেন।ভবানীপুর বিধানসভা কেন্দ্রে মে-এর বিধানসভা নির্বাচনে জয়ী হয়েছিলেন শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়। তাঁকে কৃষিমন্ত্রী করা হয়। নন্দীগ্রামে শুভেন্দু অধিকারীর কাছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পরাজিত হয়েছিলেন। তবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ই মুখ্যমন্ত্রী হন। ৬ মাসের মধ্যে মমতাকে বিধায়ক হতে হবে সেই কারণে ভবানীপুর আসন থেকে পদত্যাগ করেন শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়। তারপর সেখানে উপনির্বাচন হয়। আর দিনহাটার তৃণমূল প্রার্থী উদয়ন গুহ বিজেপি প্রার্থী নিশীথ প্রামানিকের কাছে পরাজিত হয়েছিলেন। নিশীথ প্রামানিক পদত্যাগ করায় দিনহাটা আসনটি খালি হয়। শান্তিপুর থেকে পদত্যাগ করেন সাংসদ জগন্নাথ সরকার। গোসাবার তৃণমূল বিধায়ক জয়ন্ত নস্করের মৃত্যুতে আসনি খালি হয়।এদিকে এদিন ভবানীপুর, জঙ্গিপুর ও সামশেরগঞ্জের নির্বাচনে জয় পেয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। স্বভাবতই মনোবল আরও বেড়ে গিয়েছে ঘাসফুল শিবিরের। বিধানসভা নির্বাচনে ২১৩টি আসন পেয়ে তৃতীয় বারের জন্য রাজ্যে ক্ষমতা পায় তৃণমূল কংগ্রেস। বাকি চার বিধানসভা কেন্দ্রেও যে এখনও তৃণমূল বাকিদের থেকে অনেকটা এগিয়ে গেল তা বলার অপেক্ষা রাখে না।

অক্টোবর ০৩, ২০২১
রাজ্য

Bhawanipur By Poll: রাত পোহালেই ভোট, মোতায়েন আরও ২০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী

একদিকে অবাধ ও শান্তিপূর্ণ ভোটগ্রহণের আয়োজন, অন্যদিকে প্রতিকূল আবহাওয়ায় প্রত্যেক ভোটদাতাকে নির্বিঘ্নে ভোটদানের ব্যবস্থা করা। এই দুই চ্যালেঞ্জকে সামনে রেখেই ভবানীপুরে উপনির্বাচনের জন্য প্রস্তুত নির্বাচন কমিশন।আগামীকাল ভবানীপুরে ২৮৭ বুথের প্রত্যেকটিতেই আধাসামরিক বাহিনীর নিরাপত্তার পাশাপাশি থাকবে ওয়েব কাস্টিংয়ের ব্যবস্থা এবং সিসিটিভি ক্যামেরার নজরদারি। এমনকী, প্রতিটি কেন্দ্রে নজরদারির জন্য মাইক্রো অবসারভার নিয়োগ করেছে কমিশন। শেষ মুহূর্তে ভবানীপুরের জন্য আরও ২০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। এর ফলে শুধুমাত্র ওই কেন্দ্রের জন্য মোতায়েন করা মোট কেন্দ্রীয় বাহিনীর সংখ্যা হল ৩৫ কোম্পানি। আরও পড়ুনঃ গোয়া টু কালীঘাট, সদলবলে তৃণমূলে যোগ দিলেন ফেলেইরো লুইজিনহোগতকাল সন্ধ্যা থেকেই ভবানীপুরে প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে ২০০ মিটারের মধ্যে ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে।এছাড়া দুর্যোগ পরিস্থিতিতে কোনও ভোটার যদি ভোট দিতে যেতে না অসুবিধায় পড়েন সেক্ষেত্রে তিনি ১৯৫০ এই নম্বরে ফোন সাহায্য চাইতে পারবেন। সেক্ষেত্রে রিটার্নিং অফিসার বা সেক্টর অফিসার ওই ব্যক্তিকে বাড়ি থেকে তাঁর ভোটদান কেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া ও বাড়ি ফিরে দেওয়ার ব্যবস্থা করবেন বলে কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে। বুথে নিরাপত্তায় কেন্দ্রীয় আধাসামরিক বাহিনী মোতায়েন করার পাশাপাশি প্রচুর সংখ্যক পুলিশ কর্মী মোতায়েন করা হয়েছে। প্রতিটি থানার নিরাপত্তার দায়িত্বে একজন করে ডেপুটি কমিশনার মর্যাদার পুলিশ কর্তাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।আগামীকাল সকাল থেকে ভোট শেষ হওয়া পর্যন্ত ভবানীপুর বিধানসভা কেন্দ্রের ৩৮টি জায়গায় থাকবে পুলিশ-পিকেট। শুধু ওই কেন্দ্রের নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখেই নটি জায়গায় হেভি রেডিও ফ্লাইং স্কোয়াড মোতায়েন করা হচ্ছে। এ ছাড়া, থাকছে ২৩টি আরটি মোবাইল ভ্যান। ভবানীপুর ছড়াও বৃহস্পতিবার জঙ্গিপুরে ৩৬৩টি এবং সামশেরগঞ্জে ৩২৯টি বুথে ভোট নেওয়া হবে। এই তিন বিধানসভা কেন্দ্রের জন্য ৫২ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হচ্ছে। এরমধ্যে ভবানীপুরে ৩৫, জঙ্গিপুরে ১৮ এবং সামশেরগঞ্জে ১৯ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। পাশাপাশি এই তিন বিধানসভা কেন্দ্রের জন্য দুজন পুলিশ পর্যবেক্ষক, দুজন সাধারণ পর্যবেক্ষক এবং দুজন সাধারণ পর্যবেক্ষক রয়েছেন।

সেপ্টেম্বর ২৯, ২০২১
রাজ্য

WB By Election: পুজোর পরই রাজ্যের বাকি চার কেন্দ্রে উপনির্বাচন, নির্ঘণ্ট ঘোষণা কমিশনের

পুজোর পরই বাকি থাকা উপনির্বাচনগুলো সম্পন্ন হবে। আগামী ৩০ অক্টোবর রাজ্যের বাকি চার বিধানসভা কেন্দ্রে উপনির্বাচনের দিন ঘোষণা করল নির্বাচন কমিশন। দিনহাটা, শান্তিপুর, খড়দহ ও গোসাবায় উপনির্বাচনের দিন ঘোষণা করা হল। ২ নভেম্বর ভোটের গণনা হবে। অর্থাৎ ভবানীপুর উপনির্বাচনের ঠিক এক মাস পর ভোটের দিন ঘোষণা হল। শুধু বাংলাই নয়, বাংলার বাইরেরও যে সমস্ত রাজ্যে উপনির্বাচন বাকি রয়েছে, সেগুলিও এই ৩০ অক্টোবরই হবে। একই সঙ্গে তিন কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের তিন কেন্দ্রেও এদিনই ভোট হবে।আরও পড়ুনঃ কয়লা-কাণ্ডে রাজ্যে প্রথম গ্রেপ্তার লালা-ঘনিষ্ঠ ৪পশ্চিমবঙ্গের চার বিধানসভা কেন্দ্র গোসাবা, দিনহাটা, শান্তিপুর, খড়দহে ভোট হবে ৩০ অক্টোবর। একইসঙ্গে তেলঙ্গানা, রাজস্থান, নাগাল্যান্ড, মিজোরাম, মেঘালয়, মহারাষ্ট্র, মধ্যপ্রদেশ, কর্নাটক, হিমাচল প্রদেশ, হরিয়ানা, বিহার, অসম, অন্ধ্রপ্রদেশেরও একাধিক কেন্দ্রে উপনির্বাচন হবে। পাশাপাশি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল দাদরা ও নগর হাভেলি, মধ্যপ্রদেশ, হিমাচল প্রদেশের তিন লোকসভা কেন্দ্রেও ভোটগ্রহণ হবে এদিন। কমিশন সূত্রে খবর, পয়লা অক্টোবর থেকে শুরু হবে নোটিফিকেশন। ৮ অক্টোবর মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ দিন। ১১ অক্টোবর মনোনয়নের স্ক্রুটিনি। ১৩ অক্টোবর মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ দিন। ৩০ অক্টোবর উপনির্বাচন। ২ নভেম্বর ভোট গণনা। ৫ নভেম্বরের মধ্যে শেষ করতে হবে নির্বাচন প্রক্রিয়া। এই বিষয়ে বিজেপি নেতা শমীক ভট্টাচার্য বলেন, আমরা নির্বাচনের বিরুদ্ধে নই। তবে আমরা চাই সঠিক সময়ে, সঠিক ভাবে নির্বাচন হোক। তবে যে চারটি কেন্দ্রে নির্বাচন হচ্ছে, সেই কেন্দ্রগুলোর বহু বিজেপি কর্মী ঘরছাড়া। তারা কোনও রাজনৈতিক কাজে অংশগ্রহণ করতে পারছে না। ভবানীপুরের ঘটনাই সাক্ষী রাজ্যের এই আইন-শৃঙ্খলার পরিস্থিতিতে অবাধ এবং শান্তিপূর্ণ ভোট সম্ভব নয়।

সেপ্টেম্বর ২৮, ২০২১
রাজ্য

Dilip Ghosh: 'আমায় খুনের চেষ্টা করা হয়েছে, স্থগিত করা দরকার ভবানীপুরের উপনির্বাচন'

সোমবার নির্বাচনী প্রচারের শেষ দিনে ধুন্ধুমার পরিস্থিতি ভবানীপুরে। এদিন যদুবাবুর বাজারে দিলীপ ঘোষকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখান তৃণমূল কর্মী-সমর্থকরা। বিজেপি প্রার্থী প্রিয়াঙ্কা টিবরেওয়ালের সমর্থনে প্রচারে এসে কেন্দ্রীয় বিজেপির সভাপতি দিলীপ ঘোষ বিক্ষোভের মধ্যে পড়েন। প্রবল বিক্ষোভ আর ধাক্কাধাক্কিতে বাধ্য হয়ে বন্দুক বের করে দিলীপকে সরিয়ে নিয়ে যান তাঁর নিজস্ব নিরাপত্তারক্ষীরা। দিলীপ বলেন, আজ প্রচারের শেষ দিনে যেভাবে গুন্ডা দিয়ে, প্রচার বন্ধ করা হল, বিজেপিকে আটকাবার চেষ্টা করা হয়েছে, এর দ্বারা প্রমাণিত ভবানীপুরের মানুষ ভয়ের পরিস্থিতির মধ্যে আছেন। এখন এই গুন্ডাদের সামনে সাধারণ মানুষ কীভাবে বেরিয়ে গিয়ে ভোটটা দেবেন? তাঁরা তো নিরপেক্ষ ভাবে ভোটটা দিতেই পারবে না! তাঁরা যদি বিজেপিকে ভোট দেবে বলে তাহলে তো সম্ভবই নয়, বাড়ি থেকে বেরনো! সে জন্য যে পরিস্থিতির মধ্যে মমতাকে মুখ্যমন্ত্রী করার জন্য ভোট করছে সরকার, তাতে সুরক্ষা দেওয়া উচিত। কিন্তু আজকের পরিস্থিতি দেখে মনে হচ্ছে ফ্রি অ্যান্ড ফেয়ার ইলেকশন সম্ভব নয়। স্থগিত করা দরকার। বলেন, আমি নিজে ভুক্তভোগী। তাই আমার অধিকার আছে বলার। দাবি করছি নির্বাচন বন্ধ হওয়া উচিত।আরও পড়ুনঃ ভবানীপুরে দিলীপের প্রচারে ধুন্ধুমার, মাথা ফাটল বিজেপি কর্মীরকয়েক দিন আগেই বিজেপির রাজ্য সভাপতির পদ থেকে সরেছেন দিলীপ। কিন্তু ভবানীপুরে ভোটের প্রচারে বিরোধী পক্ষের মূল টার্গেট হলেন তিনিই। দিলীপ ঘোষের সঙ্গে থাকা বিজেপি কর্মীদের সঙ্গে এদিন হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়তে দেখা যায় তৃণমূল কর্মী-সমর্থকদের। আহত হন বেশ কয়েকজন। এদিকে খবর পেয়েই যদুবাবুর বাজারে পৌঁছন প্রিয়াঙ্কা টিবরেওয়াল এবং দীনেশ ত্রিবেদী, অর্জুন সিংরা।দিলীপ ঘোষ অভিযোগ করেন, তৃণমূল কর্মী-সমর্থকরা তাঁদের প্রচারে বাধা দেন। তৃণমূল কর্মীদের আক্রমণে এক কর্মীর মাথা ফাটে। তাঁকেও ধাক্কা দেওয়া হয়। যদিও তার পরেও তৃণমূলকে হুঁশিয়ারি দেন তিনি। তার পর সাংবাদিক বৈঠকে তিনি বলেন, স্থগিত করা দরকার এই ভোট। আইন পরিস্থিতি ঠিক হলে তার পর ভোট হোক। নিজের ফেসবুক প্রোফাইল থেকে এদিনের বিক্ষোভের ভিডিও পোস্ট করে দিলীপ লেখেন, মাননীয়ার খাস তালুক ভবানীপুরে একজন জনপ্রতিনিধির উপর যেভাবে হামলা হল এই রাজ্যে তাতে সাধারণ মানুষের জীবন কতটা সুরক্ষিত? আজ তৃণমূলের গুন্ডা দিয়ে ভবানীপুরের যদুবাবুর বাজার এলাকায় যে ভাবে পরিকল্পিতভাবে আক্রমণ করা হল, আমাকে মেরে ফেলার চক্রান্ত করা হয়েছিল সেটি শাসকদলের জঘন্য, ভয়াবহ রূপটিকে তুলে ধরে। এর পরও কি সুস্থ নির্বাচন আশা করা যায়??এদিকে এদিনের ঘটনার পর নির্বাচন কমিশন রিপোর্ট চেয়ে পাঠিয়েছে। অন্যদিকে বিজেপি সাংসদ অর্জুন সিং সরাসরি অভিযোগ করেন মমতার নির্দেশেই দিলীপ ঘোষের ওপর এই হামলা হয়েছে। তাঁর কথায়, মমতা খোদ এই আক্রমণ করাচ্ছেন, ভোট এখানে হতেই দেবে না। কমিশন পদক্ষেপ না করলে ভোট বন্ধ হোক। একই সুর শোনা গিয়েছে রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারের গলায়। বলেন, আমরা স্তম্ভিত! একশোজন তৃণমূল কর্মীকে ট্রেনড করে পাঠানো হয়েছে দিলীপ ঘোষকে আক্রমণের জন্য। আর পুলিশ কী করছিল?

সেপ্টেম্বর ২৭, ২০২১
রাজ্য

CPIM: ভবানীপুরে মমতার বিরুদ্ধে আইনজীবী প্রার্থী দিল সিপিএম

ভবানীপুর বিধানসভা কেন্দ্রের উপনির্বাচনে বামেদের প্রার্থী হচ্ছেন শ্রীজীব বিশ্বাস। বুধবার সিপিএমের রাজ্য সম্পাদকমণ্ডলীর বৈঠকে তাঁর নাম চূড়ান্ত হয়। এর পর দলের তরফে শ্রীজীবের নাম ঘোষণা করা হয়েছে। ৩১ বছরের শ্রীজীব পেশায় আইনজীবী। ছাত্রাবস্থা থেকেই বাম রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত। তিনি ভবানীপুর বিধানসভা কেন্দ্রেরই বাসিন্দা। চার মাসে আগে বিধানসভা ভোটে জোটের প্রার্থী হিসেবে ভবানীপুরে লড়েছিল কংগ্রেস। উপনির্বাচনেও ওই কেন্দ্রটি কংগ্রেসকে ছাড়ার কথা জানিয়েছিল বামেরা। সোমবার প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরীর উপস্থিতিতে বিধানভবনে প্রদেশ কংগ্রেস নেতৃত্ব বৈঠক করেন। সেখানে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, ভবানীপুরে বামেদের সমর্থনে ভোটে লড়াই করা হবে। এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণের ভার কংগ্রেস সভানেত্রী সনিয়া গান্ধিকে দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু মঙ্গলবার এআইসিসি-র তরফে অধীরকে জানানো হয়, ভবানীপুরে কংগ্রেস প্রার্থী দেবে না। কোনও প্রচারও করবে না। এর পরই রাতে সিপিএম নেতা সুজন চক্রবর্তী ভবানীপুর কেন্দ্রে বামেরা লড়বে বলে জানান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে বুধবার চূড়ান্ত হল শ্রীজীবের নাম।

সেপ্টেম্বর ০৮, ২০২১
রাজনীতি

By Election: আজ নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থ তৃণমূলের প্রতিনিধি দল

সেপ্টেম্বরেই হোক উপনির্বাচন। এই দাবি নিয়ে আজ দিল্লির নির্বাচন কমিশনে যাচ্ছে তৃণমূল কংগ্রেসের প্রতিনিধি দল। রাজ্যের বিধানসভা কেন্দ্রে যে উপনির্বাচন সেই নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলির কাছে মতামত চেয়েছিল নির্বাচন কমিশন। তৃণমূল কংগ্রেসের পাঁচ সদস্যের প্রতিনিধি দল এই নিয়ে মতামত জানাবে। প্রতিনিধি দলে থাকছেন সৌগত রায়, জহর সরকার, মহুয়া মৈত্র, সাজদা আহমেদ, সুখেন্দু শেখর রায়। সূত্রের খবর, আগামী কয়েকদিনের মধ্যেই কমিশনের কাছে যেতে চলেছে বিজেপি। তার আগে আজই, কমিশনে যাচ্ছে তৃণমূল।আরও পড়ুনঃ ভিন রাজ্য থেকে গ্রেপ্তার ভুয়ো আইপিএসএদিকে, উপনির্বাচন চায় না রাজ্য বিজেপি। তাদের বক্তব্য, রাজ্যে উপনির্বাচনের পরিস্থিতিই নেই। আট দফা কারণ তুলে ধরে রাজ্য বিজেপি এরই মধ্যে চিঠি দিয়েছে কেন্দ্রীয় নেতৃত্বকেও। বিজেপি যুক্তি খাঁড়া করেছে, বাংলায় এখন নির্বাচন করার মতো পরিস্থিতি নেই। কারণ লোকাল ট্রেন বন্ধ, বাস চলছে কম লোক নিয়ে। এদিকে বিশেষজ্ঞদের রিপোর্ট বলছে, সেপ্টেম্বর-অক্টোবরে আছড়ে পড়তে চলেছে তৃতীয় তরঙ্গ। রাজ্যে যে সরকার রয়েছে, তার পূর্ণ সংখ্যাগরিষ্ঠতা রয়েছে। ৭ টি বিধানসভা আসনে উপনির্বাচন না হলেও সরকারের কোনও সংকট নেই, সুতরাং উপনির্বাচন এখন অপরিহার্য নয়। এরই মাঝে সব দলের থেকেই উপনির্বাচন নিয়ে মত জানতে চেয়েছে কমিশন। তৃণমূল আসলে যে কোনও পরিস্থিতিতেই দ্রুত উপনির্বাচন করাতে চাইছে। আর বিজেপি চাইছে তা পিছিয়ে দিতে।

আগস্ট ২৬, ২০২১
রাজনীতি

By Election: কমিশনের দ্বারস্থ তৃণমূল

দ্রুত উপনির্বাচন করানোর দাবিতে ফের নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থ হচ্ছে তৃণমূল কংগ্রেস৷ আজ, দিল্লিতে তৃমমূলের একটি প্রতিনিধি দল নির্বাচন কমিশনে গিয়ে এই দাবি জানাবে৷ গত মাসেও একই দাবি নিয়ে কমিশনের দ্বারস্থ হয়েছিলেন তৃণমূল সাংসদরা৷ এদিকে, উপনির্বাচনের দাবিতে মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের সঙ্গে আজ বেলা আড়াইটের সময় দেখা করতে যাবেন তৃণমূলের প্রতিনিধি দল।বিধানসভার উপনির্বাচনের দাবিতে শুক্রবার ফের নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থ হতে চলেছে তৃণমূল। সূত্রের খবর, এদিন উপনির্বেচনের দাবিতে CEO-র কাছে যাবে তৃণমূল নেতৃত্ব। যথা সময়ে নির্বাচনের দাবি জানাবেন পার্থ চট্টোপাধ্যায় এবং সুব্রত বক্সি, তাপস রায় -সহ অন্যান্যরা। আরও পড়ুনঃ কলকাতাগামী ট্যাঙ্কার থেকে গ্যাস লিকেজ, ব্যাপক আতঙ্ক ছড়াল বর্ধমানে উপনির্বাচনের দাবিতে আগেই কমিশনের দ্বারস্থ হয়েছে তৃণমূলের সংসদীয় দল। তৃণমূলের তরফে দাবি করা হয় যে, উপনির্বাচনের জন্য সাতদিন প্রচারের সময় দিলেই চলবে। করোনা পরিস্থিতিতেও যাতে কোনও ব্যাঘাত না ঘটে, সেই বিষয়টিও দেখা হবে। তৃণমূলের অভিযোগ, সাত বিধানসভা কেন্দ্রে নির্বাচন না করিয়ে রাজনৈতিক ভাবে তাঁদের অসুবিধার মধ্যে ফেলতে পারে বিজেপি। সেই পরিকল্পনা ভেস্তে দিতেই তৃণমূলের এই তৎপরতা।রাজ্যে পাঁচটি বিধানসভা কেন্দ্রে উপনির্বাচনের পাশাপাশি দুটি কেন্দ্রে ভোটগ্রহণও বাকি রয়েছে৷ যে পাঁচটি কেন্দ্রে উপনির্বাচন হওয়ার কথা, তার মধ্যে ভবানীপুর কেন্দ্র থেকে ভোটে লড়ার কথা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের৷ কারণ নন্দীগ্রাম কেন্দ্র থেকে পরাজিত হওয়ায় শপথ নেওয়ার ছ মাসের মধ্যে যে কোনও একটি বিধানসভা কেন্দ্র থেকে জিতে আসতে হবে মুখ্যমন্ত্রীকে৷ নভেম্বর মাসে সেই সময়সীমা শেষ হচ্ছে৷ হাতে সময় থাকলেও দ্রুত উপনির্বাচন করানোর পক্ষে তৃণমূল৷ তাই এই দাবিতে নির্বাচন কমিশনের উপরে চাপ বজায় রাখতে চাইছে তারা৷

আগস্ট ০৬, ২০২১
কলকাতা

Dilip Ghosh: তড়িঘড়ি উপনির্বাচন নিয়ে দিলীপের খোঁচা

ফের একবার উপনির্বাচন নিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে খোঁচা দিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। তাঁর কটাক্ষ, লোকাল ট্রেন চালাতে পারছেন না, অথচ ভোট করাতে চাইছেন। দিলীপের কথায়, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজের মুখ্যমন্ত্রিত্ব ধরে রাখতেই তড়িঘড়ি উপনির্বাচনের পথে হাঁটতে চাইছেন। যদিও তৃণমূলের তরফে একাধিকবার দাবি করা হয়েছে, মূল নির্বাচন পর্ব যে সময় হয়েছিল, তখন সংক্রমণের হার শীর্ষে ছিল। সে তুলনায় এখন পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে। তাই ভোট করাতে কোনও বাধা থাকার কথা নয়। উল্লেখ্য, রাজ্যে সাতটি বিধানসভা কেন্দ্রে উপনির্বাচন বাকি রয়েছে। যার মধ্যে অন্যতম ভবানীপুর কেন্দ্র। নন্দীগ্রামে হারের পর ছ মাসের মধ্যে কোনও একটি বিধানসভা থেকে জয়ী হয়ে আসতে হবে মুখ্যমন্ত্রীকে। এই প্রেক্ষিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কমিশনের কাছে আর্জি জানিয়েছিলেন, তাড়াতাড়ি উপনির্বাচন করতে। রাজ্যের করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আছে বলেই দাবি করেন তিনি।আরও পড়ুনঃ জয়ের হ্যাটট্রিক, দ্বিতীয় স্থানে থেকে অলিম্পিক হকির শেষ আটে ভারতশনিবার ইকোপার্কে প্রাতঃভ্রমণে গিয়ে দিলীপ ঘোষ বলেন, উপনির্বাচন হওয়া উচিত। আমার মনে হয় যথা সময়েই তা হবে। বাংলায় কার্যত লকডাউন চলছে। দু বছর ধরে পুরসভার ভোট আটকে রয়েছে। অথচ মুখ্যমন্ত্রী খালি উপনির্বাচন নিয়ে বলছেন। ওনার যদি মনে হয় পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে গিয়েছে তা হলে বিধিনিষেধ তুলে দিন। আসলে উনি নিজে মুখ্যমন্ত্রী থাকবেন বলেই উপনির্বাচন নিয়ে এতটা সরব। এর আগে এই একই বিষয়ে কটাক্ষ করতে শোনা গিয়েছে শুভেন্দু অধিকারীকেও। তিনিও বলেছিলেন, রাজ্যে কোভিড পরিস্থিতি ও টিকাকরণ শেষ না হওয়া পর্যন্ত উপনির্বাচনের পরিস্থিতি নেই।

জুলাই ৩১, ২০২১
রাজ্য

শেষ দু'ফার ভোট একসঙ্গে সম্ভব নয়, জানাল কমিশন

করোনা আবহে একসঙ্গে করা হোক শেষ দুদফার ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়া। আর্জি নিয়ে নির্বাচন কমিশনকে চিঠি দিয়েছিল তৃণমূল। কিন্তু রাজ্যের শাসকদলের সেই আর্জি মানা হল না। কমিশন জানিয়ে দিল, নির্বাচন জটিল প্রক্রিয়া। শেষবেলায় এসে আর ভোট একসঙ্গে করা সম্ভব নয়। তাছাড়া, করোনা বিধি মেনে ভোট করার জন্য সমস্তরকম ব্যবস্থাও করেছে নির্বাচন কমিশন।চতুর্থ দফার ভোটের পরই বর্তমান করোনা পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে বাকি চার দফার ভোট একসঙ্গে করার আরজি জানিয়েছিলেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর কথায়, বাকি চার দফার ভোট একসঙ্গে হয়ে গেলে আর প্রচারের কোনও ব্যাপার থাকবে না। ফলে সাধারণ মানুষের জমায়েত এড়ানো যাবে। কিন্তু কমিশনের তরফে সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়েছিল, পূর্ব নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী বাকি ভোট আরও চার দফাতেই হবে। কিন্তু সংক্রমণের চোখ রাঙানি বাড়ার পর ফের ফের কমিশনের দ্বারস্থ হয় তৃণমূল।এবার তৃণমূলের তরফে চিঠি দিয়ে আবেদন করা হল, ২৬ এবং ২৯ এপ্রিলের ভোট প্রক্রিয়া একসঙ্গে করা হোক।তৃণমূলের এই চিঠির প্রেক্ষিতে কমিশন জানিয়ে দিল, শেষ দুদফার ভোট একসঙ্গে করানো হবে না। এমনিতেই করোনার কথা ভেবে ২০১৬ নির্বাচনের তুলনায় এবছর ১১ দিন কমিয়ে আনা হয়েছে। তাছাড়া এবছর বাংলায় বুথের সংখ্যা বেড়েছে ৩২ শতাংশ। তাছাড়া করোনার বাড়বাড়ন্তের জন্য সন্ধে ৭টা থেকে পরদিন সকাল ১০টা পর্যন্ত ভোটপ্রচার বন্ধ রাখা হয়েছে। ভোটের দিনের ৭২ ঘণ্টা আগে থেকে প্রচার বন্ধ করে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কমিশনের যুক্তি, নির্বাচনের সূচি অনেক দিন আগে থেকে অনেক পরিকল্পনা করে তৈরি করা হয়। তাছাড়া নিয়ম অনুযায়ী, মনোনয়ন জমা থেকে ভোটের দিনের মধ্যে অন্তত ১৪ দিনের সময় দিতে হয়। তাই কোনওভাবেই শেষ দফার ভোট এগিয়ে আনা সম্ভব নয়।

এপ্রিল ২১, ২০২১

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

ভোটের আগে বড় ঘোষণা! এই দিনই মনোনয়ন জমা দেবেন মমতা, জমবে শক্তির প্রদর্শন

আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের আগে মনোনয়ন পেশের প্রস্তুতি শুরু করে দিল শাসক শিবির। সূত্রের খবর, আগামী আট এপ্রিল ভবানীপুর কেন্দ্র থেকে মনোনয়ন জমা দিতে পারেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কলকাতার সার্ভে বিল্ডিংয়েই তাঁর মনোনয়ন পেশ করার সম্ভাবনা রয়েছে।জানা গিয়েছে, ওই দিন ভবানীপুর বিধানসভা এলাকার অন্তর্গত সব কাউন্সিলর উপস্থিত থাকতে পারেন। পাশাপাশি দলের শীর্ষ নেতৃত্বও সেখানে উপস্থিত থাকবেন বলে মনে করা হচ্ছে। ফলে মনোনয়ন পেশের দিনটি বড় রাজনৈতিক শক্তি প্রদর্শনের মঞ্চ হয়ে উঠতে পারে বলে ধারণা রাজনৈতিক মহলের।ভবানীপুর কেন্দ্র দীর্ঘদিন ধরেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত। তাই এই কেন্দ্র থেকেই তাঁর মনোনয়ন পেশ বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে।অন্যদিকে, নন্দীগ্রাম আসনের জন্য ইতিমধ্যেই মনোনয়ন জমা দিয়েছেন বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর সঙ্গে ছিলেন দলের নেতা দিলীপ ঘোষ। এ বছরের নির্বাচনে নন্দীগ্রাম ও ভবানীপুর দুই কেন্দ্রেই প্রার্থী হয়েছেন শুভেন্দু।এর আগে দলীয় প্রতীক তুলে দেওয়া হয় শুভেন্দুর হাতে। ফলে একদিকে নন্দীগ্রাম, অন্যদিকে ভবানীপুর দুই কেন্দ্রেই রাজনৈতিক লড়াই এখন তুঙ্গে।

মার্চ ৩১, ২০২৬
বিদেশ

ট্রাম্প বললেন আলোচনা চলছে, ইরানের জবাব— ‘সব মিথ্যা!’ যুদ্ধবিরতি ঘিরে বড় বিস্ফোরণ

যুদ্ধবিরতি ও শান্তি আলোচনা নিয়ে আমেরিকা ও ইরানের মধ্যে তৈরি হয়েছে নতুন বিতর্ক। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, ইরানের সঙ্গে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে আলোচনা চলছে এবং খুব শিগগিরই চুক্তির সম্ভাবনা রয়েছে। তবে সেই দাবি একেবারে খারিজ করে দিয়েছে ইরান।ইরানের বিদেশমন্ত্রক স্পষ্ট জানিয়েছে, যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে আমেরিকার সঙ্গে কোনও সরাসরি আলোচনা হয়নি। তাদের বক্তব্য, কেবলমাত্র বিভিন্ন দেশের মাধ্যমে যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে, কিন্তু কোনও আনুষ্ঠানিক আলোচনা হয়নি।ইরানের বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র ইসমাইল বাকাই বলেন, টানা একত্রিশ দিন ধরে যুদ্ধ চলছে। এই পরিস্থিতিতে আমেরিকা ও ইজরায়েলের সামরিক অভিযানের মধ্যে তারা আত্মরক্ষাতেই মন দিয়েছে। পাশাপাশি তিনি অভিযোগ করেন, ইরানের সঙ্গে কূটনৈতিক বিশ্বাসঘাতকতা করা হয়েছে।অন্যদিকে, ট্রাম্প দাবি করেছিলেন যে আমেরিকার দেওয়া পনেরো দফা শর্তের বেশিরভাগই মেনে নিয়েছে ইরান। তিনি জানান, আলোচনা দ্রুত এগোচ্ছে এবং আগামী সপ্তাহের মধ্যেই একটি চুক্তি হতে পারে বলে আশাবাদী তিনি। তাঁর কথায়, যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনাও তৈরি হয়েছে।কিন্তু ইরানের তরফে এই সমস্ত দাবিকে সম্পূর্ণ অস্বীকার করা হয়েছে। তেহরানের এই অবস্থান পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে। ফলে যুদ্ধবিরতি আদৌ সম্ভব হবে কি না, তা নিয়ে নতুন করে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।

মার্চ ৩১, ২০২৬
কলকাতা

সিইও দফতরে তাণ্ডব! ফর্ম ৬ ঘিরে মুখোমুখি তৃণমূল-বিজেপি, হাতাহাতি চরমে

ভোটের মুখে ফর্ম ৬ নিয়ে নতুন করে উত্তেজনা ছড়াল সিইও দফতর চত্বরে। তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে অশান্তিতে উসকানির অভিযোগ জানাতে সেখানে গিয়েছিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বেরিয়ে আসার কিছুক্ষণ পরই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।অভিযোগ, ফর্ম ৬ জমা দেওয়ার মাধ্যমে বিহার ও উত্তরপ্রদেশের ভোটারদের নাম বাংলার ভোটার তালিকায় তোলার চেষ্টা করা হচ্ছে। এই অভিযোগ ঘিরেই বিক্ষোভে নামেন তৃণমূলপন্থী বিএলওরা। ঘটনাস্থলে জড়ো হন বিজেপির কর্মী-সমর্থকরাও। এরপরই দুই পক্ষের মধ্যে বচসা শুরু হয়ে তা দ্রুত ধস্তাধস্তিতে পৌঁছয়।পুলিশ পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করলে তাঁদের সঙ্গেও ধস্তাধস্তিতে জড়িয়ে পড়েন বিক্ষোভকারীরা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে অতিরিক্ত বাহিনী মোতায়েন করা হয়।সূত্রের খবর, শুভেন্দু অধিকারী সিইও দফতর ছেড়ে বেরোনোর পর কয়েকজন যুবক ব্যাগভর্তি ফর্ম ৬ জমা দেন। এই ঘটনাকে ঘিরেই উত্তেজনা আরও বেড়ে যায়।এর আগে সোমবার তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় অভিযোগ করেছিলেন, ভোটার তালিকায় কারচুপি হচ্ছে। তাঁর দাবি, বাইরের রাজ্যের ভোটারদের নাম বাংলার তালিকায় ঢোকানো হচ্ছে।মঙ্গলবারও সেই অভিযোগ সামনে এনে সোশাল মাধ্যমে একটি ভিডিও পোস্ট করেছে তৃণমূল। সেখানে দাবি করা হয়েছে, প্রথমে ভোটারদের নাম বাদ দেওয়া হচ্ছে, তারপর অন্যদের নাম তোলা হচ্ছে, যারা নির্দিষ্ট একটি দলের হয়ে ভোট দেবে।এই ঘটনার পর ভোটের আগে রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

মার্চ ৩১, ২০২৬
রাজ্য

স্কুলে যাওয়ার পথে ভয়াবহ দুর্ঘটনা! রক্তাক্ত ১৫ পড়ুয়া, আশঙ্কাজনক এক শিশু

মুর্শিদাবাদে স্কুলে যাওয়ার পথে ভয়াবহ পথ দুর্ঘটনায় জখম হল ১৫ জন পড়ুয়া। তাদের মধ্যে ১১ জনকে গুরুতর অবস্থায় মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এক পড়ুয়ার অবস্থা অত্যন্ত আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাকে নিবিড় পরিচর্যা বিভাগে রাখা হয়েছে। আহতরা নার্সারি থেকে ষষ্ঠ শ্রেণি পর্যন্ত পড়াশোনা করে বলে জানা গিয়েছে।মঙ্গলবার সকাল প্রায় নটা নাগাদ মুর্শিদাবাদ ও নদিয়ার সীমান্তবর্তী পলাশি ফুলবাগান মোড় এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে। প্রতিদিনের মতো এদিনও তেঘরিয়া-নাজিরপুর এলাকা থেকে একটি ভাড়া করা গাড়িতে করে প্রায় ১৫ জন পড়ুয়া পলাশির একটি বেসরকারি স্কুলে যাচ্ছিল। পথেই আচমকা দুর্ঘটনার মুখে পড়ে তাদের গাড়ি।স্কুল সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই গাড়িটি পলাশি ফুলবাগান মোড়ে পৌঁছতেই রাস্তার মাঝে দাঁড়িয়ে থাকা একটি ডাম্পারের সঙ্গে সজোরে ধাক্কা খায়। স্কুলের এক শিক্ষক জানান, নির্বাচনের কারণে ওই এলাকায় পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনীর নাকা তল্লাশি চলছিল। তল্লাশির জন্য ডাম্পারটি রাস্তার মাঝখানে দাঁড় করানো হয়েছিল।হঠাৎ করে রাস্তার মাঝখানে ডাম্পার দাঁড়িয়ে থাকায় স্কুল ভ্যানের চালক সময়মতো গাড়ি থামাতে পারেননি। ফলে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সরাসরি ডাম্পারের পিছনে ধাক্কা মারে ভ্যানটি। এই ঘটনায় মুহূর্তে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে এলাকায়।দুর্ঘটনার পর আহত পড়ুয়াদের দ্রুত উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। ঘটনার জেরে এলাকায় উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। কীভাবে এই দুর্ঘটনা ঘটল এবং নাকা তল্লাশির সময় নিরাপত্তা ব্যবস্থা কতটা ছিল, তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন।

মার্চ ৩১, ২০২৬
কলকাতা

তৃণমূল থেকে বিজেপি! হঠাৎ শিবির বদল লিয়েন্ডার পেজের, ভোটের মুখে বড় চমক

ভোটের আগে বড় চমক দিলেন ভারতের প্রাক্তন টেনিস তারকা লিয়েন্ডার পেজ। মঙ্গলবার আনুষ্ঠানিকভাবে তিনি বিজেপিতে যোগ দিলেন। এর আগে ২০২১ সালে গোয়ায় তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দিয়েছিলেন তিনি। তখন তাঁকে দলের মুখ হিসেবেও তুলে ধরা হয়েছিল। তবে পরে তাঁকে সক্রিয়ভাবে খুব বেশি দেখা যায়নি রাজনীতির ময়দানে।দিল্লিতে বিজেপির সদর দফতরে একটি সাংবাদিক বৈঠকে লিয়েন্ডার পেজকে দলে স্বাগত জানান বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। কয়েকদিন আগেই কলকাতায় বিজেপি নেতা নিতিন নবীনের সঙ্গে তাঁর বৈঠক হয়েছিল। তখন থেকেই জল্পনা শুরু হয়েছিল যে তিনি বিজেপিতে যোগ দিতে পারেন। অবশেষে সেই জল্পনাই সত্যি হল।তৃণমূলে যোগ দেওয়ার সময় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত থেকে দলীয় পতাকা নিয়েছিলেন লিয়েন্ডার। গোয়ায় তিনি মূলত প্রচারে অংশ নিয়েছিলেন এবং তাঁকে তারকা প্রচারক হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছিল। তবে নির্বাচনে তাঁকে প্রার্থী করা হয়নি। এবার বিজেপিও তাঁকে প্রার্থী করবে কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়।বিজেপিতে যোগ দিয়ে লিয়েন্ডার বলেন, তিনি বাংলার সন্তান এবং ছোটবেলা থেকেই এখানেই তাঁর খেলার শুরু। তিনি জানান, একসময় বাংলায় খেলাধুলার পরিকাঠামো খুব কম ছিল, যদিও এখন কিছুটা উন্নতি হয়েছে। তবে এখনও অনেক উন্নতির প্রয়োজন রয়েছে। আগামী দিনে যুবসমাজকে খেলাধুলার দিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে কাজ করতে চান বলেও জানান তিনি।বিজেপি নেতা অনীল বালুনি দাবি করেন, লিয়েন্ডার পেজ মহান কবি মাইকেল মধুসূদন দত্তের বংশধর। ফুল ও দলীয় প্রতীক দিয়ে তাঁকে দলে স্বাগত জানানো হয়।এখন দেখার বিষয়, এই টেনিস তারকা রাজনীতির ময়দানে কতটা সফল হন এবং আসন্ন নির্বাচনে তাঁকে প্রার্থী করা হয় কি না।

মার্চ ৩১, ২০২৬
কলকাতা

ভোটার তালিকায় ভিনরাজ্যের নাম! সরাসরি কমিশনকে চিঠি মমতার, তোলপাড় রাজনীতি

ভোটের আগে নতুন করে রাজনৈতিক উত্তেজনা বাড়ালেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। তাঁর অভিযোগ, পশ্চিমবঙ্গের ভোটার তালিকায় ভিনরাজ্যের মানুষের নাম ঢোকানোর চেষ্টা চলছে। এই অভিযোগ জানিয়ে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে চিঠি পাঠিয়েছেন তিনি। চিঠিতে ডিয়ার সিইও সম্বোধন করে মমতা লিখেছেন, এই অভিযোগ সত্যি হলে তা সম্পূর্ণ অসাংবিধানিক এবং গণতন্ত্রবিরোধী কাজ ।চিঠিতে তিনি আরও জানান, নির্ভরযোগ্য সূত্র থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী বিভিন্ন জেলায় বিপুল পরিমাণে ফর্ম ছয় জমা দেওয়া হচ্ছে। তাঁর দাবি, এই প্রক্রিয়া স্বাভাবিক নয় এবং এর মাধ্যমে এমন মানুষদের ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করার চেষ্টা হচ্ছে, যাঁরা এই রাজ্যের বাসিন্দা নন। এই পরিস্থিতিতে নির্বাচন কমিশনকে নিরপেক্ষভাবে কাজ করার এবং সাধারণ মানুষের ভোটাধিকার রক্ষা করার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি ।এর আগেই একই অভিযোগ তুলে নির্বাচন কমিশনের দফতরে গিয়েছিলেন তৃণমূল কংগ্রেসের নেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর অভিযোগ ছিল, বিপুল পরিমাণ ফর্ম একসঙ্গে জমা পড়ে কমিশনের দফতরে স্তূপ করে রাখা হয়েছে। তিনি দাবি করেন, কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই হাজার হাজার ফর্ম জমা পড়েছে, যেগুলির সঙ্গে ভিনরাজ্যের ভোটারদের নাম জড়িত থাকতে পারে। সেই সময় তিনি কমিশনের কাছে সিসিটিভি ফুটেজ প্রকাশের দাবিও জানান ।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর চিঠিতে আরও অভিযোগ করেছেন, এই ধরনের কার্যকলাপের ফলে বাংলার মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। তাঁর বক্তব্য, ভোটার তালিকা সংশোধনের প্রক্রিয়ায় অনেক মানুষ তাঁদের ভোটাধিকার হারিয়েছেন। বিষয়টি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, এই চিঠি তিনি মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে নয়, সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেসের নেত্রী হিসেবে পাঠিয়েছেন। ফলে এই অভিযোগকে কেন্দ্র করে ভোটের আগে রাজনৈতিক সংঘাত আরও তীব্র হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।

মার্চ ৩১, ২০২৬
রাজ্য

ফোন নজরদারির অভিযোগে বিস্ফোরণ! কমিশনের দরজায় শুভেন্দু

ভোটের মুখে নতুন করে তীব্র বিতর্ক ছড়াল রাজ্য রাজনীতিতে। বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari) অভিযোগ, তাঁর এবং দলের রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যের ফোনের অবস্থান গোপনে নজরদারি করা হচ্ছে। এই গুরুতর অভিযোগ জানাতে নির্বাচন কমিশনের দফতরে যান শুভেন্দু। তাঁর সঙ্গে ছিলেন শমীক ভট্টাচার্যও।সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) দাবি করেন, রাজ্যের একাধিক শীর্ষ পুলিশ আধিকারিক এই নজরদারির সঙ্গে যুক্ত। তাঁর অভিযোগ, বিশেষ টাস্ক ফোর্স, গোয়েন্দা সংস্থা এবং নিরাপত্তা দফতরের কিছু আধিকারিক বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্ব থেকে শুরু করে নীচুতলার নেতাদের ফোনের অবস্থান ট্র্যাক করছেন। এই বিষয়ে তাঁদের কাছে তথ্যপ্রমাণ রয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি। বিষয়টি নিয়ে তিনি নির্বাচন কমিশনের হস্তক্ষেপ চেয়েছেন।শুভেন্দুর (Suvendu Adhikari) আরও অভিযোগ, নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ সব ক্ষেত্রে কার্যকর করা হচ্ছে না। ডিরেক্টর অফ সিকিউরিটির ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি। তাঁর কথায়, সাধারণ মানুষের অসুবিধা করে শাসকদলের নেতাদের সুবিধা করে দেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি জঙ্গিপুর ও পশ্চিম মেদিনীপুরের পুলিশ সুপারদের বিরুদ্ধেও কমিশনের কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগ তোলেন তিনি।এই দিন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধেও নির্বাচন কমিশনের কাছে অভিযোগ জমা দেন শুভেন্দু। তাঁর দাবি, মুখ্যমন্ত্রীর একাধিক বক্তব্য নির্বাচন প্রক্রিয়ার ওপর প্রভাব ফেলতে পারে। এক ক্ষেত্রে নাকি তিনি নিরাপত্তা বাহিনীর বিরুদ্ধে সাধারণ মানুষকে প্রতিবাদে নামার কথা বলেছেন বলে অভিযোগ। অন্য একটি বক্তব্যে বিজেপি কর্মীদের নিজেদের অস্বীকার করার কথা বলা হয়েছে বলে দাবি করেন শুভেন্দু। তাঁর অভিযোগ, এই ধরনের মন্তব্যে বিজেপি কর্মীদের ভয় দেখানো হচ্ছে।এই বিতর্কের সূত্রপাত হয় ময়নাগুড়ির একটি জনসভা থেকে। সেই বক্তব্য ঘিরেই বিজেপির তরফে নির্বাচন কমিশনে অভিযোগ জানানো হয়। ইতিমধ্যেই এই বিষয়ে দিল্লিতে কমিশনের সদর দফতরেও নালিশ জানিয়েছে বিজেপি নেতৃত্ব। তাঁদের দাবি, অতীতে অন্য নেতাদের ক্ষেত্রে যেমন প্রচারে নিষেধাজ্ঞা জারি হয়েছে, একই নিয়ম এখানে প্রয়োগ করা হোক।

মার্চ ৩১, ২০২৬
কলকাতা

ভোটের আগে বড় ধাক্কা! নির্বাচন কমিশনকে চ্যালেঞ্জ করা মামলা খারিজ

ভোটের মুখে বড় ধাক্কা। নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করে করা দুটি জনস্বার্থ মামলা খারিজ করে দিল কলকাতা হাইকোর্ট। প্রধান বিচারপতি সুজয় পালের নেতৃত্বাধীন ডিভিশন বেঞ্চ স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, এই মামলাগুলিতে উপযুক্ত যুক্তি দেখানো যায়নি।রাজ্যে আইএএস এবং আইপিএস আধিকারিকদের ব্যাপক বদলির বিরুদ্ধে স্থগিতাদেশ চেয়ে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন এক আইনজীবী। গত পনেরো মার্চ থেকে উনিশ মার্চের মধ্যে নির্বাচন কমিশন ছেচল্লিশ জন আধিকারিককে বদলি করেছিল। সেই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপত্তি জানিয়ে মামলা করা হয় এবং বদলি হওয়া আধিকারিকদের পুনর্বহালের দাবিও তোলা হয়েছিল। এই মামলায় রাজ্য সরকারও সমর্থন জানিয়েছিল। তবে আদালত সেই আবেদন খারিজ করে দেয়।একই সঙ্গে বিডিও, আইসি এবং ওসি পদে বদলি নিয়েও আর একটি মামলা করা হয়েছিল। সেই মামলাটিও খারিজ করে দেন বিচারপতিরা। আদালতের পর্যবেক্ষণ, নির্বাচন কমিশনের এই ধরনের প্রশাসনিক সিদ্ধান্তে হস্তক্ষেপ করার মতো কোনও যুক্তিসঙ্গত কারণ পাওয়া যায়নি।রায়ে আদালত জানায়, মামলাকারী ব্যক্তিগতভাবে কোনও ক্ষতির মুখে পড়েননি, ফলে এই আবেদনকে জনস্বার্থ মামলা হিসেবে গ্রহণ করা যায় না। এছাড়া নির্বাচন কমিশনের আধিকারিক বদলির সিদ্ধান্তকে ইচ্ছাকৃত বা অযৌক্তিক বলেও মনে করেনি আদালত। দেশে অন্যান্য জায়গাতেও একই ধরনের বদলি হয়েছে বলেও উল্লেখ করা হয়েছে।আদালত আরও জানায়, যদি কোনও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত সম্পূর্ণ বেআইনি বা ক্ষমতার বাইরে গিয়ে নেওয়া হয়, তবেই আদালত হস্তক্ষেপ করতে পারে। এই ক্ষেত্রে তেমন কোনও প্রমাণ পাওয়া যায়নি। তাই মামলাটি খারিজ করা হয়েছে।পাশাপাশি আদালত স্পষ্ট করে দেয়, কোনও আধিকারিক যদি ব্যক্তিগতভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হন, তাহলে তিনি আলাদাভাবে নিজের বদলির বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নিতে পারবেন।এই রায়ের ফলে ভোটের আগে প্রশাসনিক বদলি নিয়ে তৈরি হওয়া জট অনেকটাই কাটল বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।মেটা বিবরণ: ভোটের আগে বড় ধাক্কা, নির্বাচন কমিশনের আধিকারিক বদলি নিয়ে করা দুটি জনস্বার্থ মামলা খারিজ করল কলকাতা হাইকোর্ট। কমিশনের সিদ্ধান্তে হস্তক্ষেপে অস্বীকৃতি আদালতের।

মার্চ ৩১, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal