• ৫ আষাঢ় ১৪৩৩, রবিবার ২১ জুন ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Bjp

রাজ্য

চন্দ্রনাথ রথের খুনি সন্দেহে তিন ব্যক্তি গ্রেফতার, ভবানী ভবনে চলছে জিজ্ঞাসাবাদ

শুভেন্দু অধিকারীর ঘনিষ্ঠ সহকারী চন্দ্রনাথ রথ খুনের ঘটনায় বড় সাফল্য পেল তদন্তকারী দল। উত্তরপ্রদেশ থেকে তিন সন্দেহভাজন অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ধৃতদের দ্রুত কলকাতায় নিয়ে এসে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে বলে পুলিশ সূত্রে খবর।এই চাঞ্চল্যকর হত্যাকাণ্ডের তদন্তে রাজ্য পুলিশের পক্ষ থেকে একটি বিশেষ তদন্তকারী দল (সিট) গঠন করা হয়েছে। দলে রয়েছেন এসটিএফ এবং সিআইডির অভিজ্ঞ আধিকারিকরা। তদন্তে নেমে সূত্র ধরে ভিনরাজ্যে অভিযান চালিয়ে উত্তরপ্রদেশ থেকে তিন জনকে পাকড়াও করা হয়।উল্লেখ্য, গত ৬ মে রাতে মধ্যমগ্রামে দুষ্কৃতীদের গুলিতে খুন হন চন্দ্রনাথ রথ। জানা যায়, তাঁর গাড়ির সামনে আচমকাই একটি চারচাকা এসে দাঁড়ালে গাড়ি থামাতে বাধ্য হন চালক। সেই সময় দুদিক থেকে বাইকে চেপে আসা আততায়ীরা চন্দ্রনাথ ও তাঁর চালককে লক্ষ্য করে পরপর গুলি চালায়। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় চন্দ্রনাথের। গুরুতর জখম চালক এখনও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।তদন্তকারীদের প্রাথমিক অনুমান, হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত গাড়িটি ঝাড়খণ্ড থেকে আনা হয়েছিল। বালি টোলপ্লাজায় অনলাইনে টোলের টাকা মেটানোর সূত্র ধরেই অভিযুক্তদের সন্ধান মেলে। ইতিমধ্যেই খুনে ব্যবহৃত চারচাকা এবং দুটি বাইক উদ্ধার করেছে পুলিশ। তদন্তে জানা গিয়েছে, উদ্ধার হওয়া সবকটি গাড়ির নম্বরপ্লেটই ভুয়ো।পুলিশের ধারণা, অন্তত এক থেকে দেড় মাস আগে থেকেই এই খুনের ছক কষা হয়েছিল। চন্দ্রনাথ রথের সঙ্গে কারও শত্রুতা বা সাম্প্রতিক কোনও বিরোধ ছিল কি না, সেই দিকও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদে হত্যার নেপথ্যে আরও বড় চক্রান্তের তথ্য সামনে আসতে পারে বলে মনে করছেন তদন্তকারীরা।

মে ১১, ২০২৬
কলকাতা

শুভেন্দুর শপথ মঞ্চে নজর কাড়লেন এই প্রবীণ নেতা, জানেন তাঁর পরিচয়?

রবীন্দ্রজয়ন্তীর দিন ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে ইতিহাস গড়ল বিজেপি। বাংলার প্রথম বিজেপি সরকারের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন শুভেন্দু অধিকারী। সেই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এবং বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নিতিন নবীন। হাজার হাজার কর্মী-সমর্থকের উপস্থিতিতে জমজমাট হয়ে ওঠে ব্রিগেড ময়দান।তবে শপথ অনুষ্ঠানের মাঝে সবচেয়ে বেশি নজর কাড়েন ৯৭ বছরের প্রবীণ বিজেপি নেতা মাখনলাল সরকার। শিলিগুড়ির এই প্রবীণ নেতাকে মঞ্চে বিশেষ সম্মান জানান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তাঁকে জড়িয়ে ধরেন প্রধানমন্ত্রী এবং শাল পরিয়ে সম্মান জানান। সেই মুহূর্ত ঘিরে আবেগ ছড়িয়ে পড়ে গোটা মঞ্চে।মাখনলাল সরকার দীর্ঘদিন ধরে বিজেপির সঙ্গে যুক্ত। তাঁকে শিলিগুড়িতে বিজেপির অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা সদস্য হিসেবেও ধরা হয়। বিজেপি বরাবরই বাংলায় নিজেদের রাজনৈতিক লড়াইকে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের আদর্শের সঙ্গে যুক্ত করে এসেছে। ফল ঘোষণার দিনও বিজেপি রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের বাড়িতে গিয়ে তাঁর মূর্তিতে মাল্যদান করেছিলেন।এদিন মাখনলাল সরকারকে নিয়ে বক্তব্য রাখতে গিয়ে শমীক ভট্টাচার্য বলেন, শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় দেশের সংবিধান এবং অখণ্ডতার জন্য নিজের জীবন উৎসর্গ করেছিলেন। আর সেই সময়ের অন্যতম সাক্ষী ছিলেন মাখনলাল সরকার। ৯৭ বছর বয়সেও তিনি দলের অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়েছেন বলে তাঁকে বিশেষ সম্মান জানানো হয়েছে।জানা গিয়েছে, স্বাধীনতার পর জাতীয়তাবাদী আন্দোলনের সঙ্গে প্রথম সারি থেকেই যুক্ত ছিলেন মাখনলাল সরকার। ১৯৫২ সালে কাশ্মীরে ভারতীয় তেরঙ্গা উত্তোলনের আন্দোলনে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের সঙ্গে অংশ নেওয়ার সময় তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছিল।১৯৮০ সালে বিজেপি গঠনের পর পশ্চিম দিনাজপুর, জলপাইগুড়ি এবং দার্জিলিং জেলার সাংগঠনিক দায়িত্বও সামলান তিনি। খুব অল্প সময়ের মধ্যেই হাজার হাজার সদস্যকে বিজেপিতে যুক্ত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছিলেন বলে দাবি দলের।শমীক ভট্টাচার্য আরও জানান, একসময় দেশাত্মবোধক গান গাওয়ার জন্য দিল্লি পুলিশ তাঁকে গ্রেফতার করেছিল। আদালতে ক্ষমা চাইতে বলা হলেও তিনি রাজি হননি। উল্টে বিচারকের সামনেই সেই গান আবার গেয়েছিলেন। পরে বিচারক তাঁকে বাড়ি ফেরার জন্য প্রথম শ্রেণির টিকিট এবং যাত্রার খরচ হিসেবে টাকা দিয়েছিলেন বলেও দাবি করেন শমীক।ব্রিগেডের শপথ মঞ্চে মাখনলাল সরকারকে ঘিরে এই আবেগঘন মুহূর্ত এখন রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক চর্চার বিষয় হয়ে উঠেছে।

মে ০৯, ২০২৬
কলকাতা

রাজ্য়ের নবম মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন শুভেন্দু! সঙ্গে ছিলেন আরও পাঁচ মন্ত্রী

পশ্চিমবঙ্গের নবম মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শুভেন্দু অধিকারীর নাম ঘোষণা করল বিজেপি। শুক্রবার নিউ টাউনের বিশ্ব বাংলা কনভেনশন সেন্টারে বিজেপির পরিষদীয় দলের বৈঠকে তাঁকেই পরিষদীয় দলনেতা হিসেবে বেছে নেওয়া হয়। পরিষদীয় দলনেতা নির্বাচিত হওয়ায় শনিবার মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিতে চলেছেন শুভেন্দু।কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহর উপস্থিতিতেই বিজেপির নবনির্বাচিত বিধায়কদের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সেই বৈঠকেই সর্বসম্মতিক্রমে শুভেন্দু অধিকারীর নাম চূড়ান্ত করা হয়। বিজেপি সূত্রে খবর, মুখ্যমন্ত্রী পদে শুভেন্দু ছাড়া দ্বিতীয় কোনও নাম প্রস্তাবই করা হয়নি। যদিও বিধায়কদের অন্য নাম প্রস্তাব করার জন্য সময় দেওয়া হয়েছিল বলেও জানান অমিত শাহ।শুভেন্দুর নাম ঘোষণা হওয়ার পর তাঁকে পদ্মফুল তুলে সংবর্ধনা দেন অমিত শাহ। বৈঠকে উপস্থিত বিজেপি বিধায়কদের মধ্যেও তখন উচ্ছ্বাস দেখা যায়।২০২০ সালের ডিসেম্বর মাসে তৃণমূল কংগ্রেস ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দেন শুভেন্দু অধিকারী। ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে নন্দীগ্রামে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে হারিয়ে রাজনৈতিক চমক তৈরি করেছিলেন তিনি। যদিও সেই সময় রাজ্যে সরকার গড়তে পারেনি বিজেপি।তবে এবারের নির্বাচনে আবারও বড় জয় পান শুভেন্দু। নন্দীগ্রামের পাশাপাশি ভবানীপুর থেকেও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে পরাজিত করেন তিনি। এরপর থেকেই বিজেপির অন্দরে মুখ্যমন্ত্রী পদে তাঁর নাম সবচেয়ে বেশি আলোচনায় ছিল।রাজনৈতিক মহলের মতে, বিজেপির এই ঐতিহাসিক জয়ের পিছনে শুভেন্দুর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। দীর্ঘদিন রাজ্যের মন্ত্রী হিসেবে কাজ করার অভিজ্ঞতা এবং সংগঠনের উপর দখলও তাঁর পক্ষে গিয়েছে। শেষ পর্যন্ত সব জল্পনার অবসান ঘটিয়ে বাংলার নতুন মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শুভেন্দু অধিকারীর নামেই সিলমোহর দিল বিজেপি নেতৃত্ব।

মে ০৯, ২০২৬
কলকাতা

‘আমি’ নয়, ‘আমরা’ বলেই শুরু শুভেন্দুর, মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার আগেই দিলেন বড় বার্তা

সব জল্পনার অবসান ঘটিয়ে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শুভেন্দু অধিকারীর নাম চূড়ান্ত করল বিজেপি। শুক্রবার বিজেপির ২০৭ জন জয়ী বিধায়কের সঙ্গে বৈঠকের পর কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ শুভেন্দুকেই বিধানসভার পরিষদীয় দলনেতা হিসেবে ঘোষণা করেন। আর পরিষদীয় দলনেতা নির্বাচিত হওয়ায় শনিবার ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিতে চলেছেন শুভেন্দু অধিকারী।শপথ গ্রহণের আগেই নিউটাউনের বিশ্ব বাংলা কনভেনশন হলে বিজেপি বিধায়কদের বৈঠকে বক্তব্য রাখেন শুভেন্দু। সেখানে তাঁর বক্তব্যে বারবার উঠে আসে আমরা শব্দটি। দায়িত্ব নেওয়ার আগেই তিনি স্পষ্ট করেন, এই জয় শুধু তাঁর একার নয়, গোটা বিজেপি সংগঠনের। দলের জন্য যাঁরা দীর্ঘদিন ধরে কাজ করেছেন, তাঁদের সকলকেই এই জয়ের কৃতিত্ব দেন শুভেন্দু।বক্তৃতায় তিনি অমিত শাহ, শমীক ভট্টাচার্য এবং বিজেপির আদর্শের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিত্বদের কথাও উল্লেখ করেন। শুভেন্দুর দাবি, নির্বাচনের আগে যে সংকল্পপত্র প্রকাশ করা হয়েছিল, তার প্রতিটি প্রতিশ্রুতি সময়ের মধ্যে পূরণ করার চেষ্টা করবে নতুন সরকার। তাঁর কথায়, আমাদের মন্ত্র সবকা সাথ, সবকা বিকাশ।রাজনৈতিক মহলে অনেকদিন ধরেই জল্পনা চলছিল, মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শুভেন্দুই সবচেয়ে এগিয়ে। নির্বাচনের ফল ঘোষণার পর থেকেই তাঁকে সবচেয়ে শক্তিশালী দাবিদার হিসেবে দেখা হচ্ছিল। বিশেষ করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে পরপর দুবার পরাজিত করার রাজনৈতিক কৃতিত্বও এদিন শুভেন্দুর ঝুলিতেই তুলে দেন অমিত শাহ।মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার আগেই প্রশাসনিক পদক্ষেপ নিয়েও বড় ইঙ্গিত দিয়েছেন শুভেন্দু। তিনি জানিয়েছেন, বাংলায় প্রাতিষ্ঠানিক দুর্নীতির অভিযোগ খতিয়ে দেখতে অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতিকে দিয়ে কমিশন গঠন করা হবে। সরকারি অর্থ নয়ছয়ের অভিযোগ উঠলে কড়া ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও বলেন তিনি। পাশাপাশি সন্দেশখালি এবং আরজি কর কাণ্ডের তদন্তেও কমিশন বসানোর ইঙ্গিত দিয়েছেন শুভেন্দু।শনিবারের শপথ অনুষ্ঠান ঘিরে ইতিমধ্যেই জোর প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে নতুন সরকারের শপথ অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি-সহ বিজেপির একাধিক শীর্ষ নেতা। বাংলার রাজনৈতিক ইতিহাসে নতুন অধ্যায়ের সূচনা হতে চলেছে শুভেন্দুর শপথ গ্রহণের মধ্য দিয়ে।

মে ০৮, ২০২৬
রাজ্য

সব জল্পনার অবসান! বাংলার প্রথম বিজেপি মুখ্যমন্ত্রী হচ্ছেন শুভেন্দু অধিকারী

সব জল্পনার অবসান ঘটিয়ে বাংলার নতুন মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শুভেন্দু অধিকারীর নাম ঘোষণা করল বিজেপি। শুক্রবার বিশ্ববাংলা কনভেনশন সেন্টারে বিজেপির নবনির্বাচিত বিধায়কদের সঙ্গে বৈঠকের পর কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ শুভেন্দুর নাম পরিষদীয় দলনেতা হিসেবে ঘোষণা করেন। স্বাভাবিকভাবেই পরিষদীয় দলনেতাই মুখ্যমন্ত্রী হচ্ছেন। শনিবার ব্রিগেড ময়দানে বাংলার প্রথম বিজেপি সরকারের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেবেন শুভেন্দু অধিকারী।পরিষদীয় দলনেতা নির্বাচনের জন্য পর্যবেক্ষক হিসেবে কলকাতায় এসেছিলেন অমিত শাহ। তাঁর সঙ্গে ছিলেন ওড়িশার মুখ্যমন্ত্রী মোহনচরণ মাঝিও। বিশ্ববাংলা কনভেনশন সেন্টারে বিজেপি বিধায়কদের সঙ্গে দীর্ঘ বৈঠকের পরই শুভেন্দুর নাম চূড়ান্ত করা হয়। বৈঠকের আগে মুখ্যমন্ত্রী কে হচ্ছেন, তা নিয়ে দলের কোনও নেতা বা বিধায়ক মুখ খোলেননি। ফলে রাজনৈতিক মহলে জল্পনা আরও বেড়ে গিয়েছিল।যদিও শুরু থেকেই শুভেন্দু অধিকারীর নামই সবচেয়ে বেশি আলোচনায় ছিল। রাজনৈতিক মহলের মতে, এবারের নির্বাচনে বিজেপির সাফল্যের পিছনে বড় ভূমিকা ছিল শুভেন্দুর। বিশেষ করে ভবানীপুরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে তাঁর জয়কে বিজেপির বড় রাজনৈতিক সাফল্য হিসেবে দেখা হচ্ছে। পাশাপাশি রাজ্যের মন্ত্রী হিসেবে কাজ করার দীর্ঘ অভিজ্ঞতাও তাঁর পক্ষে গিয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।শুভেন্দুর নাম ঘোষণা করে অমিত শাহ বলেন, বিজেপি বিধায়কদের তরফে আটটি প্রস্তাব জমা পড়েছিল এবং প্রতিটি প্রস্তাবেই পরিষদীয় দলনেতা হিসেবে শুভেন্দু অধিকারীর নাম ছিল। দ্বিতীয় কোনও নাম প্রস্তাব করার জন্য সময় দেওয়া হলেও কেউ অন্য কোনও নাম দেননি। এরপরই শুভেন্দুর নাম আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হয়।শনিবার সকাল ১০টায় ব্রিগেড ময়দানে হবে নতুন সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান। সেখানে উপস্থিত থাকবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নিতিন গড়কড়ি, ধর্মেন্দ্র প্রধান-সহ একাধিক কেন্দ্রীয় নেতা। এছাড়াও দেশের ২০টি রাজ্যের বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ সরকারের মুখ্যমন্ত্রীরাও অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন। বিভিন্ন রাজনৈতিক দলকেও আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।শপথ অনুষ্ঠান ঘিরে ইতিমধ্যেই জোর প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। পূর্ব মেদিনীপুরের কাঁথিতে শুভেন্দুর শান্তিকুঞ্জের বাড়িতেও নিরাপত্তা আরও বাড়ানো হয়েছে। বাংলার রাজনীতিতে নতুন অধ্যায়ের সূচনা হতে চলেছে শনিবারের শপথ অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে।

মে ০৮, ২০২৬
কলকাতা

ক্ষমতায় এসেও বিশ্বাস হচ্ছে না! ঘুম ভেঙে বাস্তব বুঝছেন শমীক

প্রথমবারের মতো রাজ্যে ক্ষমতায় এসেছে বিজেপি। দীর্ঘদিনের লড়াই, আন্দোলন এবং নানা বাধা পেরিয়ে অবশেষে এই সাফল্য পেয়েছে দল। প্রায় পনেরো বছর পর রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদল ঘটেছে। তৃণমূলকে সরিয়ে এবার ক্ষমতায় বিজেপি।এই সাফল্যের পিছনে দলের যাঁরা দীর্ঘদিন ধরে কাজ করেছেন, তাঁদের মধ্যে অন্যতম রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। তবে এত বড় জয়ের পরেও তিনি যেন পুরো বিষয়টি এখনও বিশ্বাস করতে পারছেন না।তিনি বলেন, রাত অনেকটা দেরিতে ঘুমোতে গিয়েছিলেন। সকালে সাংবাদিকরা এসে তাঁকে ঘুম থেকে তোলেন। ঠিকমতো বিশ্রামও হয়নি। এখনও পুরো বিষয়টি তিনি মেনে নিতে পারছেন না যে দল সত্যিই ক্ষমতায় এসেছে।শমীক জানান, এখন তাঁর জীবনে হঠাৎ অনেক পরিবর্তন এসেছে। আগে যেভাবে সাধারণভাবে চলাফেরা করতেন, এখন তা আর নেই। তিনি বলেন, হঠাৎ করে বাড়ির সামনে নিরাপত্তার গাড়ি দেখে তিনি নিজেই অবাক হয়ে গিয়েছিলেন। কেউ তাঁকে স্যালুট করায় তিনি বুঝতেই পারেননি কী হচ্ছে। একসময় তিনি স্কুটিতে ঘুরতেন, কোনও নিরাপত্তা নিতেন না। এখন হঠাৎ এই পরিবর্তন তাঁকে বিস্মিত করছে।তিনি আরও বলেন, আগে অনেক সময় নিজেকে পরিচয় দিতে হত। এখন পরিস্থিতি পুরো বদলে গেছে। এই পরিবর্তন তাঁর কাছে অবাক করার মতোই মনে হচ্ছে।এদিকে, রাজ্যে নতুন সরকার গঠনের আগে মুখ্যমন্ত্রী কে হবেন, তা নিয়ে জল্পনা শুরু হয়েছে। সম্ভাব্য নামের তালিকায় একাধিক নেতার নাম উঠে আসছে। আগামী দিনে এই বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানা যাবে।

মে ০৬, ২০২৬
কলকাতা

স্লোগান বদলেই নতুন বার্তা! জয়ের পরেই নতুন গান নিয়ে চমক

ভোট প্রচারের সময় শোনা গিয়েছিল পাল্টানো দরকার, চাই বিজেপি সরকার স্লোগান। নির্বাচনে জয়ের পর এবার সেই স্লোগান বদলে নতুন বার্তা দিল দল। নতুন স্লোগান হয়েছে, পাল্টেছে এবার, এল বিজেপি সরকার। এর পাশাপাশি প্রকাশ করা হয়েছে একটি নতুন গানও।ভোট ঘোষণার অনেক আগেই এক জনসভা থেকে এই স্লোগান প্রথম শোনা গিয়েছিল। পরে একাধিক সভায় সেই একই স্লোগান তুলে ধরেন দলের শীর্ষ নেতৃত্ব। সেই স্লোগানকে কেন্দ্র করেই তৈরি হয়েছিল একটি গান, যা প্রচারের সময় বেশ জনপ্রিয় হয়। বিভিন্ন এলাকায় সেই গান ছড়িয়ে পড়ে।নির্বাচনে জয়ের পর সেই স্লোগান এবং গানকে ঘিরে উদ্যাপনের ভাবনা থেকেই নতুন স্লোগান ও গান প্রকাশ করা হয়েছে। প্রায় দুই মিনিটের এই গানে নির্বাচনের সময় দেওয়া প্রতিশ্রুতিগুলির কথা আবার তুলে ধরা হয়েছে। শিক্ষার উন্নয়ন, কর্মসংস্থান বৃদ্ধি এবং বেকারত্ব কমানোর মতো বিষয়গুলিতে জোর দেওয়া হয়েছে।গানে আরও বলা হয়েছে, রাজ্যে উন্নয়নের নতুন পথ তৈরি হবে এবং পুরনো সমস্যাগুলির সমাধান করা হবে। পাশাপাশি রাজনৈতিক দাদাগিরি বন্ধ করার বার্তাও দেওয়া হয়েছে।এবারের নির্বাচনে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল নিজেদের স্লোগান ও গান প্রকাশ করেছিল। এই ধরনের প্রচার এখন খুবই পরিচিত হয়ে উঠেছে। তবে এই নির্বাচনে যে স্লোগানটি সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয় হয়েছে, তা নিয়েই নতুন করে উদ্যাপনের পথে হাঁটল দল।নতুন গানের ভিডিওতে প্রচারের নানা মুহূর্ত দেখানো হয়েছে। বিভিন্ন নেতার সভা, জনসমাগম এবং নানা দৃশ্য সেখানে তুলে ধরা হয়েছে। গানের মাধ্যমে আগামী দিনে প্রতিশ্রুতি পূরণের কথাই আরও একবার জানানো হয়েছে।

মে ০৬, ২০২৬
রাজ্য

নন্দীগ্রামে জনস্রোত! বড় প্রতিশ্রুতি দিয়ে নজর কাড়লেন শুভেন্দু

নন্দীগ্রামে জনসমাগমে ভেসে গেল সভাস্থল। শুভেন্দু অধিকারীকে ঘিরে উচ্ছ্বাসে ফেটে পড়লেন কর্মী-সমর্থকেরা। তাঁর নামে জয়ধ্বনি উঠল চারদিকে। এলাকার মানুষও নতুন আশায় বুক বাঁধছেন।এই সভা থেকেই ক্ষমতায় এলে কী কী কাজ করা হবে, তা স্পষ্ট করে জানালেন শুভেন্দু। তিনি বলেন, দলের ঘোষিত সংকল্পপত্র সম্পূর্ণভাবে বাস্তবায়ন করা হবে। রাজ্যের সীমান্ত আরও সুরক্ষিত করা হবে বলেও আশ্বাস দেন তিনি।নারীদের নিরাপত্তা নিয়েও বিশেষ জোর দেন শুভেন্দু। তাঁর কথায়, মহিলারা যখন খুশি বাড়ির বাইরে বেরোতে পারবেন, রাতেও বেরোতে ভয় পাবেন না। আগের মতো কোনও বাধা বা ভয় থাকবে না বলেও দাবি করেন তিনি।শুভেন্দু আরও জানান, সরকারি ও বেসরকারি ক্ষেত্রে বিনিয়োগ বাড়ানো হবে। চুক্তিভিত্তিক কর্মীদের ভবিষ্যৎ সুরক্ষা নিশ্চিত করার কথা বলেন তিনি। যতদিন না স্থায়ী কর্মসংস্থান হচ্ছে, ততদিন উপযুক্ত ভাতা দেওয়ার আশ্বাসও দেন।তিনি বলেন, আগামী এক বছরের মধ্যেই রাজ্যের মানুষ প্রকৃত পরিবর্তন দেখতে পাবেন। কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের প্রতিশ্রুতি সময়মতো পূরণ করা হবে বলেও জানান।দল আগেই জানিয়েছে, অনুপ্রবেশমুক্ত বাংলা গড়া, সরকারি নিয়োগে স্বচ্ছতা আনা এবং তোলাবাজি বন্ধ করা তাদের প্রধান লক্ষ্য। পাশাপাশি শুভেন্দু কর্মী-সমর্থকদেরও সতর্ক করে দেন, কেউ যেন কোনও প্ররোচনায় পা না দেন এবং আইন নিজের হাতে তুলে না নেন।

মে ০৬, ২০২৬
কলকাতা

বড় ঘোষণা! বাংলায় সরকার গঠনের আগে বড় দায়িত্বে অমিত শাহ—মুখ্যমন্ত্রী কে হচ্ছেন?

বাংলার ভোটে বহু প্রতীক্ষিত জয়ের পর এখন সরকার গঠনের প্রস্তুতি শুরু করেছে ভারতীয় জনতা পার্টি। গেরুয়া ঝড়ে কার্যত বিপর্যস্ত হয়েছে তৃণমূল শিবির। এই পরিস্থিতির মধ্যেই দলের কেন্দ্রীয় সংসদীয় বোর্ড পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভায় পরিষদীয় দলনেতা নির্বাচনের জন্য কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক নিয়োগ করেছে। এই গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে অমিত শাহ-কে।দল সূত্রে জানা গিয়েছে, বাংলায় পরিষদীয় দলনেতা নির্বাচনের পুরো প্রক্রিয়া তিনি তদারকি করবেন। তাঁর সঙ্গে সহ-পর্যবেক্ষক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে ওড়িশার মুখ্যমন্ত্রী মোহন চরণ মাঝি-কে। এই দুই নেতার উপরই এখন বড় দায়িত্ব, কারণ তাঁদের তত্ত্বাবধানেই ঠিক হবে বাংলার পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী কে হবেন।মুখ্যমন্ত্রী পদের দাবিদার নিয়ে ইতিমধ্যেই জল্পনা শুরু হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে কেন্দ্রের শীর্ষ নেতৃত্বের এই পদক্ষেপ যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। এখন সকলের নজর, শেষ পর্যন্ত কাকে বেছে নেয় পদ্ম শিবিরের নেতৃত্ব।অন্যদিকে অসমেও একইভাবে পর্যবেক্ষক নিয়োগ করেছে দল। সেখানে কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক করা হয়েছে জেপি নাড্ডা-কে। সহ-পর্যবেক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন হরিয়ানার মুখ্যমন্ত্রী নবাব সিং সাইনি। দল ইতিমধ্যেই বিজ্ঞপ্তি জারি করে এই সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছে।উল্লেখ্য, বুথ ফেরত সমীক্ষার ইঙ্গিতকেই সত্যি করে বাংলায় বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে ক্ষমতায় এসেছে বিজেপি। দুইশোর বেশি আসন পেয়েছে তারা। অন্যদিকে তৃণমূল কংগ্রেস শতকের গণ্ডিও পার করতে পারেনি।ফলাফল অনুযায়ী, বিজেপি পেয়েছে ২০৭টি আসন, তৃণমূল কংগ্রেস পেয়েছে ৮০টি আসন। কংগ্রেস পেয়েছে ২টি আসন। হুমায়ুনের আম জনতা উন্নয়ন পার্টিও পেয়েছে ২টি আসন। এছাড়া সিপিএম এবং আইএসএফ পেয়েছে ১টি করে আসন।তবে এই ফলাফল নিয়ে শুরু থেকেই প্রশ্ন তুলেছে তৃণমূল। তাদের অভিযোগ, ভোট প্রক্রিয়ায় একাধিক অনিয়ম হয়েছে এবং কেন্দ্রীয় বাহিনীর ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। যদিও রেকর্ড সংখ্যক ভোটদানের সাক্ষী থেকেছে গোটা রাজ্য, যা দেশের নজর কেড়েছে।

মে ০৫, ২০২৬
কলকাতা

বিদেশি বাজির বাজারে চমক! বিজেপি এগিয়ে, তবু টাকার স্রোত তৃণমূলের দিকে কেন?

ভোটের উত্তাপে ফুটছে বাংলা। রাজনৈতিক লড়াই এখন শুধু রাজ্যের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই, আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রেও তা নিয়ে চলছে আলোচনা ও হিসেবনিকেশ। নির্বাচনের ফলাফল কী হতে পারে, তা নিয়ে অনলাইনে শুরু হয়েছে বিভিন্ন পূর্বাভাস। সেই সঙ্গে বেড়েছে বাজির অঙ্কও। লক্ষ লক্ষ টাকার বাজি ধরা হচ্ছে, যা নজিরবিহীন বলেই মনে করছেন অনেকে।সূত্রের খবর, আমেরিকার একটি জনপ্রিয় পূর্বাভাসভিত্তিক প্ল্যাটফর্মে এপ্রিলের শেষ পর্যন্ত প্রায় আটচল্লিশ লক্ষ ডলারের বাজি ধরা হয়েছে, যা ভারতীয় মুদ্রায় প্রায় চল্লিশ কোটি টাকার কাছাকাছি। সেই বাজারের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, জয়ের দৌড়ে সামান্য এগিয়ে রয়েছে বিজেপি। সেখানে বিজেপির জয়ের সম্ভাবনা ধরা হয়েছে প্রায় ছাপ্পান্ন শতাংশ। অন্যদিকে তৃণমূল কংগ্রেসের সম্ভাবনা রয়েছে প্রায় তেতাল্লিশ শতাংশ। বাম ও কংগ্রেস বা অন্যান্য দলগুলির সম্ভাবনা এক শতাংশেরও কম।তবে এই ছবিটা শুরু থেকে এমন ছিল না। এপ্রিলের গোড়ার দিকে ওই প্ল্যাটফর্মে তৃণমূল অনেকটাই এগিয়ে ছিল। তখন তাদের সম্ভাবনা ছিল প্রায় পঁচাত্তর থেকে আশি শতাংশ। প্রথম দফার ভোটের পর ছবিটা বদলাতে শুরু করে এবং বিজেপি এগিয়ে যায়। এরপর আবার একসময় তৃণমূলের পক্ষে বিপুল অঙ্কের টাকা জমা পড়ে। কিন্তু দ্বিতীয় দফার ভোটের পর আবার বিজেপি এগিয়ে যায়।তবে সবচেয়ে আশ্চর্যের বিষয়, শতাংশের হিসাবে বিজেপি এগিয়ে থাকলেও মোট লেনদেনের পরিমাণে তৃণমূল অনেকটাই এগিয়ে। তৃণমূলের পক্ষে লেনদেন হয়েছে প্রায় আঠারো লক্ষ ডলার, আর বিজেপির ক্ষেত্রে তা প্রায় এগারো লক্ষ ডলার। বিশ্লেষকদের মতে, অনেকেই হয়তো তৃণমূলের হার নিয়ে বাজি ধরছেন, অথবা বড় বিনিয়োগকারীরা একসঙ্গে বিপুল টাকা বিজেপির জয়ের উপর লগ্নি করছেন, যার ফলে শতাংশের হিসেব বদলে যাচ্ছে।অন্যদিকে দেশের বাজির বাজার আবার অন্য ছবি দেখাচ্ছে। দিল্লির বাজির বাজারের হিসেব অনুযায়ী তৃণমূল কিছুটা এগিয়ে রয়েছে। তাদের মতে, তৃণমূল পেতে পারে একশো ছেচল্লিশ থেকে একশো ঊনপঞ্চাশটি আসন, আর বিজেপি পেতে পারে একশো চল্লিশ থেকে একশো তেতাল্লিশটি আসন।এদিকে এ বারের নির্বাচনে ভোটদানের হারও রেকর্ড ছুঁয়েছে। প্রথম দফায় ভোট পড়েছে প্রায় তিরানব্বই শতাংশের বেশি। দ্বিতীয় দফায় তা ছিল একানব্বই দশমিক একচল্লিশ শতাংশ। যা দেশের নির্বাচনী ইতিহাসে বিরল ঘটনা। এখন সবার নজর ফলাফলের দিকে।

মে ০৩, ২০২৬
কলকাতা

স্ট্রংরুম ঘিরে বিস্ফোরক পরিস্থিতি! মুখোমুখি তৃণমূল-বিজেপি, উত্তপ্ত কলকাতা

ভোট শেষ হতেই ইভিএম নিরাপত্তা নিয়ে উত্তেজনা চরমে উঠেছে। কলকাতার ক্ষুদিরাম অনুশীলন কেন্দ্রের সামনে মুখোমুখি অবস্থানে দাঁড়িয়ে যায় তৃণমূল ও বিজেপি। দুই পক্ষের কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে উত্তপ্ত পরিস্থিতি তৈরি হয়। প্রায় এক ঘণ্টা ধরে স্ট্রংরুমের বাইরে ধর্নায় বসেন তৃণমূলের প্রার্থী শশী পাঁজা ও কুণাল ঘোষ।ধর্না শেষে তাঁরা বাইরে বের হতেই বিজেপি কর্মীদের বিক্ষোভ শুরু হয়। কেন তৃণমূলকে ভিতরে ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে, এই প্রশ্ন তুলে ক্ষোভ দেখান বিজেপি সমর্থকরা। শুধু কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে নয়, দুই দলের প্রার্থীদের মধ্যেও তুমুল বাকবিতণ্ডা শুরু হয়ে যায়। ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন তাপস রায় ও সন্তোষ পাঠক।এদিকে তৃণমূল সূত্রে জানা গিয়েছে, ভবানীপুরের শেখাওয়াত মেমোরিয়ালে পৌঁছে গিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখানেই রয়েছে ভোট শেষে রাখা ইভিএম। এর আগে তিনি ইভিএম বদলের আশঙ্কা প্রকাশ করে কর্মীদের সতর্ক থাকার নির্দেশ দিয়েছিলেন। তাঁর এই বক্তব্যের পর থেকেই রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।রাতের দিকে খবর পেয়ে সেখানে পৌঁছন বিরোধী দলের প্রতিনিধিরাও। তাঁদের সঙ্গে পুলিশের বচসার ঘটনাও সামনে এসেছে। অন্যদিকে ফিরহাদ হাকিম জানান, তিনি ঘটনাস্থলে গেলেও ভিতরে ঢুকতে দেওয়া হয়নি।এর আগে মমতা কর্মীদের স্পষ্ট বার্তা দিয়েছিলেন, স্ট্রংরুম থেকে গণনাকেন্দ্র পর্যন্ত প্রতিটি মুহূর্ত নজরে রাখতে হবে। কোনও অবস্থাতেই ঢিলেমি করা যাবে না। গণনা শেষ না হওয়া পর্যন্ত কাউকে দায়িত্ব ছেড়ে না যাওয়ার নির্দেশ দেন তিনি। তাঁর কথায়, বাংলার মানুষের অধিকার রক্ষার জন্য এই শেষ লড়াইটুকুও লড়তে হবে।এই ঘটনাকে ঘিরে এখন রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। ভোটের ফল ঘোষণার আগে ইভিএম নিরাপত্তা নিয়ে এই টানাপোড়েন নতুন করে উদ্বেগ বাড়িয়েছে।

এপ্রিল ৩০, ২০২৬
কলকাতা

প্রচারের মাঝেই তৃণমূলের গান! ক্ষোভে ফেটে পড়লেন শুভেন্দু, পুলিশের দিকে তোপ

শনিবার বিকেলে ভবানীপুরে প্রচারে বেরিয়েছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। পদযাত্রা করে জনসংযোগ চালাচ্ছিলেন তিনি। সেই সময় আচমকাই মাইকে বেজে ওঠে তৃণমূলের নির্বাচনী গান। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন বিজেপি প্রার্থী। তাঁর অভিযোগ, অনুমতি নিয়ে করা কর্মসূচির মধ্যেই কেন অন্য দলের গান বাজানো হবে, তা নিয়ে তিনি প্রশ্ন তোলেন।তিনি কালীঘাট ও ভবানীপুর থানার পুলিশের ভূমিকা নিয়েও অসন্তোষ প্রকাশ করেন। শুভেন্দুর দাবি, তাঁকে প্রচারের সময় বিভিন্ন বিধিনিষেধ মানতে বলা হয়েছে এবং তিনি তা মেনেও চলেছেন। কিন্তু সেই পরিস্থিতিতে মাইকে অন্য দলের গান বাজানোয় তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করেন এবং পুলিশের বিরুদ্ধে অভিযোগ করার কথাও জানান।নন্দীগ্রামের পর এবার ভবানীপুর কেন্দ্রেই তাঁর লড়াই। সেখানে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়-এর বিরুদ্ধে প্রার্থী হয়েছেন তিনি। শেষ দফার প্রচারে জোরকদমে প্রচার চালাচ্ছিলেন। সেই সময় এই ঘটনা ঘিরে উত্তেজনা ছড়ায়। পরে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে শুভেন্দু বলেন, তাঁকে কিছু এলাকায় প্রচারে যেতে দেওয়া হয়নি, তা তিনি মেনে নিয়েছেন। কিন্তু এভাবে অন্য দলের প্রচার চালানো তিনি মেনে নেবেন না বলেই স্পষ্ট জানান।এদিকে নির্বাচন কমিশন ইতিমধ্যেই কালীঘাট ও আলিপুর থানার ওসি বদলি করেছে। শুভেন্দুর দাবি, তাঁদের কর্মসূচির জন্য সব জায়গায় অনুমতি দেওয়া হয়নি। এতে তিনি আরও ক্ষোভ প্রকাশ করেন।অন্যদিকে তৃণমূলের নেতা কুণাল ঘোষ পাল্টা কটাক্ষ করে বলেন, নির্বাচনের পর পরিস্থিতি বদলে যাবে এবং ফলাফলেই সব উত্তর মিলবে।ভোটের আগে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ভবানীপুরে রাজনৈতিক উত্তাপ আরও বেড়ে গেল বলে মনে করা হচ্ছে।

এপ্রিল ২৬, ২০২৬
দেশ

আপে বড় ভাঙন! রাঘব চাড্ডা সহ সাত সাংসদের বিজেপিতে যোগ

সমস্ত জল্পনার অবসান ঘটিয়ে আম আদমি পার্টি ছাড়লেন রাঘব চাড্ডা। তিনি জানিয়েছেন, তিনি বিজেপিতে যোগ দিচ্ছেন। তাঁর সঙ্গে আরও ছয় জন সাংসদও একই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এই তালিকায় রয়েছেন প্রাক্তন ক্রিকেটার হরভজন সিং, স্বাতী মালিওয়াল, সন্দীপ পাঠক, অশোক মিত্তল, রাজিন্দর গুপ্তা এবং বিক্রম সাহানি।দিল্লিতে সাংবাদিক বৈঠক করে রাঘব এই ঘোষণা করেন। তিনি জানান, রাজ্যসভায় আপের দুই-তৃতীয়াংশ সাংসদ সংবিধানের নিয়ম মেনেই বিজেপির সঙ্গে যুক্ত হচ্ছেন। তাঁর দাবি, বর্তমানে আপের দশ জন সাংসদের মধ্যে সাত জনই এই সিদ্ধান্তে সই করেছেন।সম্প্রতি তাঁকে রাজ্যসভার ডেপুটি লিডারের পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল। পাশাপাশি তাঁকে সংসদে কথা বলার সুযোগ না দেওয়ার অভিযোগও ওঠে। এই ঘটনার পর থেকেই দলের সঙ্গে তাঁর দূরত্ব বাড়ছিল বলে মনে করা হচ্ছে।দল ছাড়ার কারণ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে রাঘব বলেন, তিনি দীর্ঘ পনেরো বছর ধরে দলকে সময় দিয়েছেন। কিন্তু এখন দল তার আদর্শ থেকে সরে গিয়েছে বলে তাঁর অভিযোগ। তাঁর মতে, দল আর দেশের জন্য কাজ করছে না, বরং ব্যক্তিগত স্বার্থে পরিচালিত হচ্ছে।তিনি আরও বলেন, এতদিন তাঁর মনে হচ্ছিল তিনি সঠিক ব্যক্তি হলেও ভুল দলে রয়েছেন। তাই তিনি এখন মানুষের কাছে ফিরে গিয়ে নতুনভাবে কাজ করতে চান।এর আগে বিভিন্ন জনস্বার্থের বিষয় নিয়ে সংসদে সরব হয়েছিলেন রাঘব। মূল্যবৃদ্ধি, সস্তায় খাবার, পরিষেবা সংক্রান্ত নানা দাবি তুলেছিলেন তিনি। সেই নিয়েই দলের সঙ্গে মতবিরোধ তৈরি হয়েছিল বলে জানা যায়।এই দলবদল ঘিরে জাতীয় রাজনীতিতে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। আগামী দিনে এর প্রভাব কতটা পড়বে, তা নিয়েই এখন নজর রাজনৈতিক মহলের।

এপ্রিল ২৪, ২০২৬
রাজ্য

ভোটের দিনেই হামলা! কুমারগঞ্জে বিজেপি প্রার্থীকে ঘিরে তাণ্ডব

ভোটের দিন দক্ষিণ দিনাজপুরের কুমারগঞ্জে উত্তেজনা ছড়াল বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু সরকারকে ঘিরে। তাঁর উপর হামলা এবং দলের এজেন্টকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনার জন্য তৃণমূলকে দায়ী করেছে বিজেপি। পরিস্থিতি এতটাই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে যে, বিষয়টি নিয়ে বিজেপির রাজ্য নেতৃত্বের সঙ্গেও কথা বলেন প্রার্থী। ইতিমধ্যেই এই ঘটনার রিপোর্ট চেয়ে পাঠিয়েছে নির্বাচন কমিশন।একটি ভিডিও সামনে এসেছে, যেখানে দেখা যাচ্ছে একটি সরু রাস্তা দিয়ে হেঁটে আসছিলেন বিজেপি প্রার্থী। হঠাৎই কয়েকজন তাঁকে ঘিরে ধরে এবং ধাক্কাধাক্কি শুরু হয়। অভিযোগ, তাঁকে মারধরও করা হয়। সেই সময় এক নিরাপত্তারক্ষী ছুটে এসে তাঁকে রক্ষা করার চেষ্টা করেন। কিন্তু তাতেও হামলা থামেনি। পরে ওই নিরাপত্তারক্ষী তাঁকে সেখান থেকে সরিয়ে নিয়ে যান।ঘটনার সময় কেন্দ্রীয় বাহিনীর উপস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। প্রার্থীর দাবি, বাহিনী বুথের ভিতরে এবং সামনে ছিল, কিন্তু ঘটনাস্থলে দেখা যায়নি। পরে জানা যায়, যিনি তাঁকে উদ্ধার করেন, তিনি তাঁর ব্যক্তিগত নিরাপত্তারক্ষী।এই ঘটনার পর বিজেপি প্রার্থী অভিযোগ করেন, জেলার পুলিশ নিরপেক্ষভাবে কাজ করছে না। একাধিকবার অভিযোগ জানানো হলেও কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলেও দাবি করেন তিনি। তাঁর আরও অভিযোগ, তাঁর গাড়িতেও ভাঙচুর করা হয়েছে।অন্যদিকে তৃণমূল এই সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছে। তাদের দাবি, এমন কোনও ঘটনা ঘটেনি। বিজেপি নিজেরাই লোক না পেয়ে এই ধরনের অভিযোগ তুলে পরিস্থিতি ঘোলাটে করার চেষ্টা করছে।

এপ্রিল ২৩, ২০২৬
রাজ্য

তিলক বিতর্কে চরম নাটক! শোরুমে ঢুকে কর্মীদের কপালে তিলক এঁকে দিলেন বিজেপি নেত্রী

চশমার জনপ্রিয় সংস্থা লেন্সকার্টকে ঘিরে তিলক ও ধর্মীয় পরিচয় নিয়ে বিতর্ক নতুন দিকে মোড় নিল। সংস্থা ইতিমধ্যেই জানিয়েছে, কর্মীরা তাঁদের সাংস্কৃতিক বা ধর্মীয় পরিচয় প্রকাশ করতে পারবেন। কিন্তু সেই ঘোষণার মধ্যেই মুম্বইয়ে এক শোরুমে ঘটে গেল নতুন ঘটনা।জানা গিয়েছে, বিজেপির সংখ্যালঘু মোর্চার সদস্য নাজিয়া ইলাহি কয়েকজন কর্মীকে সঙ্গে নিয়ে একটি শোরুমে প্রবেশ করেন। সেখানে তিনি কর্মীদের কপালে তিলক পরিয়ে দেন এবং জয় শ্রীরাম ধ্বনি তোলেন। একই সঙ্গে সংস্থার আগের অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন তোলেন তিনি। শোরুমের ফ্লোর ম্যানেজারের কাছে তিনি জানতে চান, কেন তিলক পরায় আপত্তি করা হয়েছিল।শোরুমের বাইরে সংবাদমাধ্যমের সামনে নাজিয়া ইলাহি বলেন, সংস্থা ক্ষমা না চাইলে বয়কট করা হবে। তাঁর বক্তব্য, কর্মীদের নিজেদের ধর্মীয় পরিচয় প্রকাশ করতে কোনও বাধা থাকা উচিত নয়।এই বিতর্কের সূত্রপাত হয় কয়েকদিন আগে। এক সমাজমাধ্যম ব্যবহারকারী দাবি করেন, সংস্থার কর্মীদের জন্য এমন নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল যেখানে হিজাব পরা যাবে, কিন্তু তিলক বা টিপ পরা যাবে না। সেই দাবি সামনে আসতেই ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়।পরবর্তীতে সংস্থার পক্ষ থেকে স্পষ্ট জানানো হয়, কর্মীরা স্টোরে কাজ করার সময় তিলক, টিপ, সিঁদুর, মঙ্গলসূত্র, হিজাব বা পাগড়িসব ধরনের ধর্মীয় চিহ্ন ব্যবহার করতে পারবেন। এই ঘোষণার পরেও বিতর্ক পুরোপুরি থামেনি, বরং নতুন করে তা আরও তীব্র হয়েছে।

এপ্রিল ২১, ২০২৬
দেশ

লোকসভায় বড় ধাক্কা, বিল পাশ না হতেই পথে বিজেপি! এবার লক্ষ্য বাংলা-তামিলনাড়ু

লোকসভায় সংবিধান সংশোধনী বিল পাশ করাতে ব্যর্থ হয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। দীর্ঘ সময়ের মধ্যে এই প্রথম সংসদে এমন পরাজয়ের মুখে পড়তে হল সরকারকে। প্রয়োজনীয় সমর্থন না মেলায় বিলটি পাশ করা সম্ভব হয়নি।এই ঘটনার পরই রাজনৈতিক পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। শাসকদল (BJP) এবার দেশজুড়ে প্রচারে নামার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বিরোধীদের বিরুদ্ধে তীব্র আক্রমণ শানিয়ে তাদের মহিলা বিরোধী বলে তুলে ধরার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।এই প্রচারে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে দুই রাজ্যকে, পশ্চিমবঙ্গ এবং তামিলনাড়ু। কারণ, এই দুই রাজ্যেই সামনে নির্বাচন রয়েছে। শাসকদলের লক্ষ্য, মহিলাদের জন্য সংরক্ষণে বিরোধিতা করেছে বিরোধীরাএই বার্তা মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া (BJP) ।সংসদে বিল পাশ না হওয়ার পরই শাসকদলের শীর্ষ নেতৃত্ব বৈঠকে বসে পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে। এর পাশাপাশি মহিলা সাংসদদের নেতৃত্বে প্রতিবাদও শুরু হয় সংসদ চত্বরে।অন্যদিকে বিরোধী দলগুলিও নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করতে তৎপর। তারা দাবি করছে, তারা সংরক্ষণের বিরোধী নয়, বরং আসন পুনর্বিন্যাসের কিছু বিষয়ে আপত্তি জানিয়েছে। তাদের মতে, মহিলাদের সংরক্ষণের পক্ষে তারা আগেও ছিল, এখনও রয়েছে (BJP) ।এই পরিস্থিতিতে দুই পক্ষের মধ্যেই রাজনৈতিক লড়াই আরও তীব্র হচ্ছে। নির্বাচন ঘনিয়ে আসায় এই ইস্যু আগামী দিনে বড় রাজনৈতিক অস্ত্র হয়ে উঠতে পারে বলেই মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

এপ্রিল ১৮, ২০২৬
রাজ্য

ভোটের আগে বড় চমক! যুবকদের জন্য মাসে তিন হাজার টাকার প্রতিশ্রুতি বিজেপির

লক্ষ্মীর ভাণ্ডার বা যুবসাথীর মতো প্রকল্প নিয়ে বারবার সমালোচনা করেছে বিজেপি। কিন্তু ভোটের আগে সেই ভাতাকেই হাতিয়ার করেই বাংলার ভোটে নামছে গেরুয়া শিবির। সংকল্পপত্র অনুযায়ী এবার বেকার যুবক-যুবতীদের জন্য নতুন একটি প্রকল্প ঘোষণা করল তারা। সেই প্রতিশ্রুতি মেনে ভোটের সপ্তাহখানেক আগে প্রকাশ করা হল যুবশক্তি ভরসা কার্ড।বৃহস্পতিবার এক অনুষ্ঠানে যুবকদের হাতে এই কার্ড তুলে দেওয়া হয়। সেখানে উপস্থিত ছিলেন টেনিস তারকা লিয়েন্ডার পেজ এবং আন্তর্জাতিক বক্সার বিজেন্দ্র সিং। এই প্রকল্প অনুযায়ী বেকার যুবক-যুবতীরা প্রতি মাসে তিন হাজার টাকা করে ভাতা পাবেন বলে জানানো হয়েছে।অনুষ্ঠানে লিয়েন্ডার পেজ বলেন, যে কোনও বড় শহরকে এমন হতে হবে যাতে মানুষ সেখানে থাকতে চান। তাঁর মতে, বাংলা ধীরে ধীরে পিছিয়ে পড়ছে এবং শিল্প অন্যত্র চলে যাচ্ছে। ফলে এখানকার যুবকদের অন্য রাজ্যে যেতে হচ্ছে। তিনি এই পরিস্থিতি নিয়ে দুঃখ প্রকাশ করেন এবং জানান, এই বিষয়টি নিয়ে তিনি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গেও কথা বলেছেন।অন্যদিকে বিজেন্দ্র সিং বলেন, মানুষ যেমন বাসি জিনিস পছন্দ করেন না, তেমনই পুরনো সরকারও পছন্দ করেন না। তিনি যুবক ও মহিলাদের বিজেপিকে ভোট দেওয়ার আবেদন জানান।এর আগে বুধবার মাতৃশক্তি ভরসা নামে আরেকটি কার্ড প্রকাশ করেছিল বিজেপি, যেখানে মহিলাদের জন্য মাসে তিন হাজার টাকা ভাতার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে। ইতিমধ্যেই বিভিন্ন জায়গায় সেই কার্ড বিলি করা হচ্ছে।এই কার্ড বিতরণ নিয়েই শুরু হয়েছে রাজনৈতিক বিতর্ক। তৃণমূল কংগ্রেসের অভিযোগ, ভোটের আগে এই ধরনের কার্ড বিলি করে নির্বাচনী বিধি ভাঙছে বিজেপি। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ইসলামপুরের সভা থেকে অভিযোগ করেন, কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণ এই কার্ড বিলি করছেন, যা নির্বাচনের নিয়মের বিরোধী। তিনি নির্বাচন কমিশনের কাছে বিষয়টি নিয়ে কঠোর পদক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন।সব মিলিয়ে ভোটের আগে ভাতা এবং প্রতিশ্রুতিকে ঘিরে রাজ্যে রাজনৈতিক উত্তেজনা আরও বেড়ে গেল।

এপ্রিল ১৬, ২০২৬
রাজ্য

ভোটের আগে চাঞ্চল্য, প্রাণনাশের হুমকি বিজেপি প্রার্থীকে

ভোটের আর মাত্র কয়েক দিন বাকি, তার আগেই বসিরহাট দক্ষিণে বিজেপি প্রার্থী শৌর্য্য বন্দ্যোপাধ্যায়কে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। অভিযোগ, প্রচারে বেরোনোর সময় তাঁকে ফোন করে হুমকি দেওয়া হয় এবং অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ করা হয়। এই ঘটনায় ইতিমধ্যেই তিনি বসিরহাট থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। পাশাপাশি নির্বাচন কমিশনেও বিষয়টি জানিয়েছেন।বুধবার অন্যান্য দিনের মতোই প্রচারে বেরিয়েছিলেন শৌর্য্য বন্দ্যোপাধ্যায়। বসিরহাটের ঘোজাডাঙ্গা এলাকায় প্রচার শেষে একটি দলীয় কর্মসূচিতে যোগ দেওয়ার সময় তাঁর কাছে একটি ফোন আসে বলে অভিযোগ। ফোনে এক ব্যক্তি নিজেকে দীপ্তেশ দে বলে পরিচয় দেয়। এরপরই ওই ব্যক্তি অশালীন ভাষায় কথা বলতে শুরু করেন এবং শৌর্য্য বন্দ্যোপাধ্যায় ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের প্রাণনাশের হুমকি দেন বলে অভিযোগ।এই ঘটনায় আতঙ্কিত হয়ে পড়েন বিজেপি প্রার্থী। এরপরই তিনি স্থানীয় থানায় অভিযোগ জানান এবং নির্বাচন কমিশনের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ ইতিমধ্যেই তদন্ত শুরু করেছে। অভিযুক্ত ব্যক্তির পরিচয় এবং অবস্থান খতিয়ে দেখা হচ্ছে।অন্যদিকে এই ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক চাপানউতোরও শুরু হয়েছে। বসিরহাট দক্ষিণের তৃণমূল প্রার্থী সুরজিৎ মিত্র, যিনি বাদল নামে পরিচিত, এই ধরনের ঘটনার তীব্র নিন্দা করেছেন। তিনি বলেছেন, গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় কোনও প্রার্থীকে হুমকি দেওয়া কোনওভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। যারা এই ঘটনার সঙ্গে যুক্ত, তাদের এই ধরনের আচরণ থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।সব মিলিয়ে ভোটের আগে এই ঘটনা বসিরহাটে রাজনৈতিক উত্তেজনা আরও বাড়িয়ে দিল।

এপ্রিল ১৬, ২০২৬
রাজ্য

উত্তপ্ত বরাহনগর! হামলার অভিযোগে রাস্তায় বিজেপি, ফোন করলেন মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক

সোমবার রাতে বরাহনগরে তৃণমূল এবং বিজেপির মধ্যে সংঘর্ষের অভিযোগ ঘিরে উত্তেজনা ছড়ায়। বিজেপির অভিযোগ, তাদের কর্মীদের উপর হামলা চালিয়েছে তৃণমূলের আশ্রিত দুষ্কৃতীরা। এই ঘটনার প্রতিবাদে থানার সামনে বিক্ষোভ দেখান বরাহনগরের বিজেপি প্রার্থী সজল ঘোষ। তিনি অভিযুক্তদের দ্রুত গ্রেফতারের দাবি জানান।জানা গিয়েছে, বরাহনগরের সাত নম্বর ওয়ার্ডের আমতলায় বিজেপির একটি সভা ছিল। সেই সভা শেষ হওয়ার পর হঠাৎই কয়েকজন দুষ্কৃতী সেখানে এসে বিজেপি কর্মীদের হুমকি ও গালিগালাজ করে বলে অভিযোগ। এরপর আচমকাই তাদের উপর হামলা চালানো হয়। বিজেপির দাবি, বন্দুকের বাট দিয়ে মারধর করা হয়েছে এবং এই ঘটনায় তিন থেকে চারজন কর্মী আহত হয়েছেন।সজল ঘোষের অভিযোগ, তৃণমূলের সঙ্গে যুক্ত অজয় গুপ্তার নেতৃত্বে এই হামলা হয়েছে। তিনি দাবি করেন, এর আগেও ওই ব্যক্তি এবং তার সহযোগীরা বিজেপি কর্মীদের উপর হামলা চালিয়েছে। সে সময় পুলিশকে জানানো হলেও কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলেও অভিযোগ করেন তিনি।পুলিশের ভূমিকাও প্রশ্নের মুখে তুলেছেন সজল ঘোষ। তাঁর দাবি, ঘটনার সময় পুলিশ এবং কেন্দ্রীয় বাহিনী উপস্থিত থাকলেও তারা কোনও পদক্ষেপ করেনি। এরপর তিনি বিজেপি কর্মীদের নিয়ে বরাহনগর থানার সামনে পৌঁছে বিক্ষোভ শুরু করেন এবং একাধিক ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ জানান।বিক্ষোভ চলাকালীন সজল ঘোষকে ফোন করেন মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ আগারওয়াল। ফোনে তিনি পুরো ঘটনা জানান এবং বাংলার পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন। মনোজ আগারওয়াল তাঁকে আশ্বাস দেন যে বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে এবং সুষ্ঠুভাবে নির্বাচন সম্পন্ন করার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।সজল ঘোষ পরে জানান, মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক বলেছেন, ভোট শান্তিপূর্ণভাবেই হবে এবং অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পুলিশ বা কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিরুদ্ধে কোনও অভিযোগ থাকলে সেটিও খতিয়ে দেখা হবে বলে আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।দীর্ঘক্ষণ বিক্ষোভের পর পুলিশ জানায়, কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সেই জন্য বিজেপিকে লিখিত অভিযোগ জমা দেওয়ার কথা বলা হয়। তবে রাত পর্যন্ত লিখিত অভিযোগ জমা পড়েনি বলেই জানা গিয়েছে।

এপ্রিল ১৪, ২০২৬
রাজ্য

এক মঞ্চে দুই দলকে নিশানা! তৃণমূলই বিজেপির রাস্তা খুলছে—রাহুলের তীব্র আক্রমণ

রায়গঞ্জে নির্বাচনী প্রচারে এসে কড়া ভাষায় বিজেপি এবং তৃণমূল কংগ্রেসদুই দলকেই আক্রমণ করলেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী। তিনি দাবি করেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী যদি দুর্নীতিগ্রস্ত হন, তাহলে তৃণমূলও কোনও অংশে কম নয়। সারদা চিটফান্ড থেকে শুরু করে আরজি কর কাণ্ডএকাধিক ইস্যু তুলে ধরে তিনি তৃণমূলকে নিশানা করেন।রায়গঞ্জ কেন্দ্রের কংগ্রেস প্রার্থী মোহিত সেনগুপ্তর সমর্থনে সভা করতে এসে রাহুল বলেন, তৃণমূলই আসলে বাংলায় বিজেপির প্রবেশের পথ তৈরি করে দিচ্ছে। তাঁর বক্তব্য, তৃণমূল যদি সঠিকভাবে কাজ করত, তাহলে বিজেপি এই রাজ্যে শক্তি বাড়াতে পারত না।সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে প্রথমেই তিনি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে আক্রমণ করেন। রাহুলের দাবি, মোদী তাঁর চোখে চোখ রেখে কথা বলতে পারেন না। একই সঙ্গে তিনি বলেন, তৃণমূল কংগ্রেসও বাংলার মানুষের জন্য কাজ করছে না। তাঁর অভিযোগ, মোদী যেমন দুর্নীতির সঙ্গে যুক্ত, তেমনই তৃণমূলও নানা দুর্নীতিতে জড়িত। সারদা চিটফান্ডের প্রসঙ্গও তিনি তুলে ধরেন।শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি, কয়লা কেলেঙ্কারি-সহ একাধিক ইস্যুতে তৃণমূলকে আক্রমণ করে রাহুল বলেন, রাজ্যে হিংসার পরিবেশ তৈরি হয়েছে। তৃণমূল পাঁচ লক্ষ চাকরি দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল, কিন্তু বাস্তবে তা পূরণ হয়নি বলে অভিযোগ করেন তিনি। তাঁর দাবি, প্রায় চুরাশি লক্ষ মানুষ বেকার ভাতার জন্য আবেদন করেছেন।রাহুল আরও বলেন, এক সময় বাংলা শিল্পের জন্য পরিচিত ছিল। কিন্তু সিপিএমের পর তৃণমূল ক্ষমতায় এসে শিল্প পুরোপুরি নষ্ট করে দিয়েছে। আরজি কর ধর্ষণ ও খুনের ঘটনাও তিনি উল্লেখ করেন তাঁর বক্তব্যে। তাঁর অভিযোগ, তৃণমূল যা খুশি তাই করছে এবং বিরোধীদের উপর হামলা চালাচ্ছে। কংগ্রেস কর্মী তপন কুণ্ডুকে খুন করা হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।শেষে রাহুল বলেন, কংগ্রেস হিংসার বিরুদ্ধে এবং সত্য ও অহিংসার পথেই দেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে চায়।

এপ্রিল ১৪, ২০২৬
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • 10
  • ...
  • 53
  • 54
  • ›

ট্রেন্ডিং

খেলার দুনিয়া

বিশ্বকাপে ইরানের সঙ্গে চরম অপমান! ম্যাচ খেলেই দেশছাড়া, ক্ষোভে ফুঁসছে ফুটবল দুনিয়া

বিশ্বকাপ খেলতে এসে একের পর এক সমস্যার মুখে পড়ছে ইরান ফুটবল দল। দীর্ঘ যাত্রা, পর্যাপ্ত বিশ্রামের অভাব এবং ম্যাচ শেষ হওয়ার পরই দেশ ছাড়ার নির্দেশ সব মিলিয়ে চরম ক্ষোভ তৈরি হয়েছে ইরান শিবিরে। ইরান ফুটবল ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক হেদায়াত মোম্বেইনি এই পরিস্থিতিকে ফুটবল ইতিহাসের একটি অন্ধকার অধ্যায় বলে মন্তব্য করেছেন।বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স করার পরও স্বস্তি মেলেনি মেহদি তারেমিদের। নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে ম্যাচ শেষ হতেই দলকে আমেরিকা ছেড়ে মেক্সিকোয় ফিরে যেতে হয়েছে। জানা গিয়েছে, ইরানি ফুটবলারদের জন্য শুধুমাত্র ম্যাচের সময়সীমা অনুযায়ী ভিসা অনুমোদন করা হয়েছে। ফলে দলের সদস্যদের বারবার যাতায়াত করতে হচ্ছে, যা প্রস্তুতিতে বড় প্রভাব ফেলছে।ইরানের কোচ আমির ঘালেনোইও এই পরিস্থিতি নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। তাঁর অভিযোগ, বিশ্বকাপের মতো বড় মঞ্চে ইরানের সঙ্গে অন্যায্য আচরণ করা হচ্ছে। এমন অবস্থায় ফুটবলারদের মানসিক ও শারীরিকভাবে প্রস্তুত রাখা কঠিন হয়ে পড়ছে।এই ঘটনার প্রতিবাদে ফিফার কাছে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ জানাতে চলেছে ইরান ফুটবল ফেডারেশন। হেদায়াত মোম্বেইনি বলেন, আগে যে নিয়ম জানানো হয়েছিল, শেষ মুহূর্তে তা বদলে দেওয়া হয়েছে। এতে শুধু ইরান নয়, গোটা প্রতিযোগিতার ভাবমূর্তিই প্রশ্নের মুখে পড়ছে। তাঁর দাবি, ভবিষ্যতে বিশ্বকাপের ইতিহাসে এই ঘটনাকে একটি বিতর্কিত অধ্যায় হিসেবেই মনে রাখা হবে।উল্লেখ্য, সাম্প্রতিক সময়ে আমেরিকা ও ইরানের মধ্যে দীর্ঘ রাজনৈতিক উত্তেজনা চলেছে। সেই প্রভাবই বিশ্বকাপেও পড়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। ইরানের অনেক কর্মকর্তা ভিসা পাননি। এমনকি বহু সমর্থক টিকিট থাকা সত্ত্বেও আমেরিকায় প্রবেশের অনুমতি পাননি বলে অভিযোগ।এদিকে আগামী ২২ জুন শক্তিশালী বেলজিয়ামের মুখোমুখি হবে ইরান। নকআউট পর্বে যাওয়ার আশা বাঁচিয়ে রাখতে এই ম্যাচে ভালো ফল করতেই হবে তারেমিদের। তবে মাঠের লড়াইয়ের পাশাপাশি মাঠের বাইরের প্রতিকূলতার সঙ্গেও সমান তালে লড়তে হচ্ছে ইরানকে।

জুন ২০, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

‘আমি স্পেনের ফুটবলার!’ বারবার বলেও লাভ হল না, নিরাপত্তারক্ষীদের কাছে অপমানিত তারকা

বিশ্বকাপের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচের আগে অদ্ভুত এক ঘটনার মুখে পড়লেন স্পেনের তারকা ফুটবলার বোরহা ইগলেসিয়াস। নিজের দলের হোটেলে ফিরেও প্রবেশ করতে না পেরে বেশ কিছুক্ষণ সমস্যায় পড়তে হয় তাঁকে। ঘটনাটি ইতিমধ্যেই সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে।কেপ ভার্দের বিরুদ্ধে গোলশূন্য ড্র করার পর ফুটবলারদের একদিনের ছুটি দিয়েছিলেন স্পেন কোচ লুইস দে লা ফুয়েন্তে। সৌদি আরবের বিরুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচের আগে খেলোয়াড়দের মানসিকভাবে সতেজ রাখতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল।ছুটির দিনে স্ত্রী মারিয়া ভালেরোকে নিয়ে শহর ঘুরতে বেরিয়েছিলেন ইগলেসিয়াস। পরে হোটেলে ফিরতেই ঘটে বিপত্তি। হোটেলের নিরাপত্তারক্ষীরা তাঁকে চিনতে পারেননি। ফলে টিম হোটেলের দরজার সামনেই আটকে দেওয়া হয় স্পেনের এই তারকা স্ট্রাইকারকে।পরিস্থিতি সামাল দিতে ইগলেসিয়াস বারবার বোঝানোর চেষ্টা করেন যে তিনি স্পেনের জাতীয় দলের ফুটবলার। কিন্তু নিরাপত্তারক্ষীরা পরিচয়পত্র এবং অনুমতির প্রমাণ চাইতে থাকেন। এমনকি তাঁকে নিজের নামও বলতে হয়। তবুও প্রথমে তাঁরা নিশ্চিত হতে পারেননি।ঘটনাস্থলে উপস্থিত কয়েকজন স্প্যানিশ সমর্থক ও সাংবাদিকও নিরাপত্তারক্ষীদের বোঝানোর চেষ্টা করেন। কিন্তু তাতেও পরিস্থিতির তেমন পরিবর্তন হয়নি। পরে স্প্যানিশ ফুটবল ফেডারেশনের কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেন ইগলেসিয়াস। কিছুক্ষণের মধ্যেই দলের প্রতিনিধিরা এসে বিষয়টি মিটিয়ে দেন এবং তিনি হোটেলে প্রবেশ করতে সক্ষম হন।এই ঘটনা এমন এক সময়ে ঘটল যখন স্পেনের সামনে রয়েছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ। কেপ ভার্দের বিরুদ্ধে জয় না পাওয়ায় পরের পর্বে ওঠার লড়াই আরও কঠিন হয়ে উঠেছে। তাই সৌদি আরবের বিরুদ্ধে পূর্ণ তিন পয়েন্ট অর্জন করাই এখন স্পেনের প্রধান লক্ষ্য।তবে মাঠের বাইরের এই ঘটনাই এখন সবচেয়ে বেশি চর্চার বিষয় হয়ে উঠেছে। বিশ্বের অন্যতম শক্তিশালী ফুটবল দলের এক তারকা ফুটবলারকে নিজের হোটেলের দরজায় দাঁড়িয়ে পরিচয় প্রমাণ করতে হওয়ায় বিস্মিত ফুটবলপ্রেমীরা।

জুন ২০, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

হারলেই মৃত্যু! বিশ্বকাপে প্রাণ বাঁচাতে মাঠে নেমেছিলেন কঙ্গোর ফুটবলাররা

পর্তুগালকে প্রথম ম্যাচে আটকে দিয়ে বিশ্বকাপে সবচেয়ে বড় চমকের জন্ম দিয়েছে কঙ্গো। আফ্রিকার দেশটি দীর্ঘ ৫২ বছর পর আবার বিশ্বকাপের মূলপর্বে খেলছে। অনেকেই ভেবেছিলেন তারকাখচিত পর্তুগালের সামনে কঙ্গো টিকতেই পারবে না। কিন্তু মাঠে নেমে দুর্দান্ত লড়াই করে তারা সবাইকে অবাক করে দিয়েছে।তবে কঙ্গোর ফুটবল ইতিহাসে এমন একটি অধ্যায় রয়েছে, যা আজও শুনলে গা শিউরে ওঠে। সেই ঘটনা ১৯৭৪ সালের বিশ্বকাপের। তখন দেশের নাম ছিল জাইরে। প্রথমবার বিশ্বকাপে জায়গা করে নিয়েছিল দেশটি। সেই সময় দেশের শাসক ছিলেন একনায়ক মোবুতু সেসে সেকো। দেশের রাজনৈতিক অস্থিরতার মধ্যে ফুটবলকে জাতীয় ঐক্যের প্রতীক হিসেবে ব্যবহার করতে চেয়েছিলেন তিনি।বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে স্কটল্যান্ডের কাছে হারের পরই ফুটবলারদের বেতন বন্ধ করে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে ফুটবলাররা পরবর্তী ম্যাচ না খেলার সিদ্ধান্ত নেন। কিন্তু রাষ্ট্রপ্রধানের চাপে শেষ পর্যন্ত মাঠে নামতে বাধ্য হন তাঁরা। দ্বিতীয় ম্যাচে যুগোস্লাভিয়ার কাছে ৯-০ গোলে হারতে হয় দলকে।এরপর ড্রেসিংরুমে গিয়ে এক ভয়ঙ্কর হুমকি দেন মোবুতু। তিনি জানিয়ে দেন, পরের ম্যাচে যদি দল তিন গোলের বেশি ব্যবধানে হারে, তাহলে ফুটবলারদের দেশে ফিরতে দেওয়া হবে না। এই হুমকির পর ব্রাজিলের বিরুদ্ধে মাঠে নামে জাইরে।ম্যাচ চলাকালীন প্রতিটি মুহূর্তে ভয় কাজ করছিল ফুটবলারদের মধ্যে। তাঁদের কাছে ম্যাচটি শুধু ফুটবল ছিল না, ছিল বেঁচে থাকার লড়াই। শেষ পর্যন্ত ব্রাজিল ৩-০ ব্যবধানে জেতে। ফলে কোনওভাবে রক্ষা পায় দল।বহু বছর পরে দলের ডিফেন্ডার এম্পেউ ইলুঙ্গা জানান, ব্রাজিল একটি ফ্রি-কিক পাওয়ার পর তিনি ইচ্ছাকৃতভাবে নিয়ম ভেঙে বল দূরে সরিয়ে দিয়েছিলেন। কারণ সেই মুহূর্তে আর একটি গোল মানেই দলের ভবিষ্যৎ অন্ধকার হয়ে যেতে পারত। এজন্য তাঁকে হলুদ কার্ড দেখতে হয়েছিল। কিন্তু তাঁর সেই সিদ্ধান্ত হয়তো বাঁচিয়ে দিয়েছিল গোটা দলকে।দেশে ফেরার পরও ফুটবলারদের জীবন সহজ হয়নি। আর্থিক সুবিধা বন্ধ হয়ে যায়। বিদেশে গিয়ে খেলার সুযোগও হারান অনেকে। ফলে বিশ্বকাপের মঞ্চে কঙ্গোর প্রথম অভিযান ফুটবলের চেয়ে বেশি হয়ে ওঠে ভয়, চাপ এবং বেঁচে থাকার লড়াইয়ের প্রতীক।আজ সেই কঙ্গোই আবার বিশ্বকাপে ফিরে পর্তুগালের মতো শক্তিশালী দলকে আটকে দিয়ে নতুন ইতিহাস লিখছে। তাই বর্তমানের সাফল্যের পিছনে লুকিয়ে থাকা এই ভয়ংকর অতীত আবারও আলোচনায় উঠে এসেছে।

জুন ২০, ২০২৬
দেশ

‘৪ কোটি টাকা নিয়েছেন!’ মহুয়ার বিস্ফোরক অভিযোগে ফুঁসছেন বিদ্রোহী সাংসদরা, এবার আদালতে বড় লড়াই

তৃণমূল কংগ্রেস ছাড়ার পর থেকেই বিদ্রোহী সাংসদদের বিরুদ্ধে ধারাবাহিকভাবে আক্রমণ শানাচ্ছেন কৃষ্ণনগরের সাংসদ মহুয়া মৈত্র। এবার কুড়ি জন বিদ্রোহী সাংসদকে ঘিরে তাঁর একটি মন্তব্য নতুন রাজনৈতিক বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। ওই মন্তব্যকে কেন্দ্র করে আদালতের দ্বারস্থ হওয়ার প্রস্তুতি শুরু করেছেন বিদ্রোহী শিবিরের নেতারা।সম্প্রতি এক সমাজমাধ্যম পোস্টে মহুয়া মৈত্র দাবি করেন, তৃণমূল ছেড়ে যাওয়া কুড়ি জন সাংসদ অগ্রিম চার কোটি টাকা করে পেয়েছেন। শুধু তাই নয়, আগামী ছত্রিশ মাস পর্যন্ত প্রতি মাসে এক কোটি টাকা করে পাওয়ার কথাও তিনি উল্লেখ করেন। এই মন্তব্য সামনে আসতেই রাজনৈতিক মহলে শুরু হয় জোর চর্চা।এই অভিযোগের তীব্র প্রতিবাদ করেছেন বিদ্রোহী শিবিরের অন্যতম মুখ কাকলি ঘোষ দস্তিদার। এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, এই ধরনের অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। তাঁর দাবি, তাঁরা রাজনৈতিক ও নৈতিক অবস্থানের কারণে দল ছেড়েছেন, কোনও আর্থিক লেনদেনের জন্য নয়।কাকলির প্রশ্ন, মহুয়া মৈত্র কীভাবে নির্দিষ্ট অঙ্কের কথা বলছেন। তাঁর কাছে যদি কোনও তথ্য বা প্রমাণ থাকে, তাহলে তা প্রকাশ করা উচিত। অন্যথায় এই ধরনের মন্তব্য জনসমক্ষে করা অত্যন্ত গুরুতর বিষয় বলে মনে করছেন তিনি।বিদ্রোহী সাংসদদের দাবি, তাঁদের বিরুদ্ধে যে অভিযোগ আনা হয়েছে, তা শুধু রাজনৈতিক নয়, ব্যক্তিগত ভাবমূর্তির উপরও আঘাত। সেই কারণেই আইনি পদক্ষেপের পথ বেছে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।অন্যদিকে, মহুয়া মৈত্র এক সংবাদমাধ্যমে দেওয়া সাক্ষাৎকারেও বিদ্রোহী সাংসদদের কড়া ভাষায় আক্রমণ করেন। তিনি দাবি করেন, অনেকেই নিজেদের সম্পত্তি, রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ এবং অতীত কর্মকাণ্ড নিয়ে উদ্বিগ্ন বলেই দল ছেড়েছেন। তাঁর অভিযোগ, অর্থের প্রলোভনও এই দলবদলের অন্যতম কারণ।এই মন্তব্যের পর রাজনৈতিক সংঘাত আরও তীব্র হয়েছে। একদিকে মহুয়ার বিস্ফোরক অভিযোগ, অন্যদিকে বিদ্রোহী সাংসদদের আইনি পাল্টা লড়াইয়ের প্রস্তুতি সব মিলিয়ে নতুন করে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে রাজ্যের রাজনৈতিক পরিবেশ।এখন নজর আদালতের দিকে। বিদ্রোহী সাংসদরা সত্যিই আইনি পদক্ষেপ নিলে এই বিতর্ক আরও বড় আকার নিতে পারে বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

জুন ২০, ২০২৬
দেশ

দল ভাঙনের চরমে! ২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম, সাংসদ পদ হারাতে পারেন ৬ বিদ্রোহী

মহারাষ্ট্রের রাজনীতিতে ফের তীব্র চাঞ্চল্য। দলের নির্দেশ অমান্য করে বৈঠকে অনুপস্থিত থাকার অভিযোগে ৬ বিদ্রোহী সাংসদের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপের পথে হাঁটল উদ্ধব ঠাকরের শিব সেনা। সংশ্লিষ্ট সাংসদদের শোকজ নোটিস পাঠিয়ে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে লিখিত জবাব দিতে বলা হয়েছে। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে উত্তর না মিললে তাঁদের বিরুদ্ধে দলত্যাগ বিরোধী আইনের আওতায় ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে। এমনকি সাংসদ পদও খারিজ হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।শনিবার দলের মুখ্য সচেতক অনিল দেশাই বিদ্রোহী ৬ সাংসদের হাতে শোকজ নোটিস তুলে দেন। নোটিসে জানতে চাওয়া হয়েছে, কেন তাঁরা দলের সংসদীয় বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন না। জবাব না পেলে ধরে নেওয়া হবে যে তাঁরা স্বেচ্ছায় দলের সদস্যপদ ত্যাগ করেছেন। সেই ক্ষেত্রে সংবিধানের দশম তফসিল অনুযায়ী তাঁদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করা হবে।যাঁদের বিরুদ্ধে এই পদক্ষেপ শুরু হয়েছে, তাঁদের মধ্যে রয়েছেন নাগেশ আশিতকর, সঞ্জয় দেশমুখ, সঞ্জয় যাদব, সঞ্জয় দিনা পাটিল, ওমপ্রকাশ রাজেনিম্বলকর এবং ভাওসাহেব ওয়াকচুরে। সূত্রের খবর, সম্প্রতি তাঁরা লোকসভার স্পিকারের সঙ্গে দেখা করে দলের নেতৃত্বের বিরুদ্ধে অসন্তোষ প্রকাশ করেছিলেন।ঘটনার সূত্রপাত গত সপ্তাহে দিল্লিতে অনুষ্ঠিত দলের সংসদীয় বৈঠককে ঘিরে। সকল সাংসদকে উপস্থিত থাকার নির্দেশ দেওয়া হলেও বৈঠকে মাত্র ৩ জন উপস্থিত ছিলেন। একসঙ্গে ৬ সাংসদের অনুপস্থিতি ঘিরে রাজনৈতিক মহলে জোর জল্পনা শুরু হয়। অনেকেই মনে করছেন, এটি বৃহত্তর রাজনৈতিক পুনর্বিন্যাসের ইঙ্গিত।দলের রাজ্যসভার সাংসদ সঞ্জয় রাউত জানিয়েছেন, বিদ্রোহী সাংসদদের অযোগ্য ঘোষণার প্রক্রিয়া ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে। তাঁর দাবি, নিয়ম ও আইন অনুযায়ী পদক্ষেপ হলে সংশ্লিষ্ট সাংসদদের সদস্যপদ বাতিল হওয়ার সম্ভাবনা প্রবল।এদিকে এই রাজনৈতিক টানাপোড়েনের মধ্যেই কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের একটি মন্তব্য নতুন করে আলোচনায় এসেছে। তিনি বলেন, এখন আর আলাদা কোনও শিবির নেই, শিব সেনা একটাই। রাজনৈতিক মহলের মতে, এই মন্তব্যের মধ্য দিয়ে উদ্ধব ঠাকরের শিবিরের বর্তমান সংকটকেই পরোক্ষে তুলে ধরেছেন তিনি।সব মিলিয়ে মহারাষ্ট্রের রাজনীতিতে নতুন সমীকরণ তৈরি হচ্ছে। আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই বিদ্রোহী সাংসদদের ভবিষ্যৎ কোন দিকে মোড় নেয়, সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

জুন ২০, ২০২৬
বিদেশ

শান্তিচুক্তির ২৪ ঘণ্টাও কাটেনি! ফের হরমুজ বন্ধের ঘোষণা, বিশ্বজুড়ে তীব্র উদ্বেগ

শান্তিচুক্তি ঘোষণার একদিনের মধ্যেই ফের আন্তর্জাতিক মহলে নতুন করে উত্তেজনা ছড়াল। হরমুজ প্রণালী বন্ধ করার ঘোষণা দিল ইরান। শনিবার তেহরানের শীর্ষ যৌথ সামরিক কমান্ড জানায়, আমেরিকা ও ইজরায়েল যুদ্ধবিরতির শর্ত ভঙ্গ করেছে। সেই কারণেই এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথে নৌ চলাচল বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।ইরানের সামরিক নেতৃত্বের দাবি, দক্ষিণ লেবাননে ইজরায়েলের সামরিক তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে। পাশাপাশি আমেরিকার বিরুদ্ধেও প্রতিশ্রুতি ভঙ্গের অভিযোগ তুলেছে তেহরান। তাদের বক্তব্য, পরিস্থিতির জেরে হরমুজ প্রণালী বন্ধ করা হয়েছে এবং এটি কেবল প্রথম পদক্ষেপ। ভবিষ্যতে আরও কঠোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে বলেও ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে।ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড বাহিনীও পৃথক বিবৃতিতে জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালী দিয়ে সব ধরনের নৌযান চলাচল বন্ধ করা হয়েছে। এই অঞ্চলে প্রবেশকারী জাহাজ নিরাপত্তা ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে বলেও সতর্ক করা হয়েছে।শুক্রবার থেকেই আন্তর্জাতিক মহলে গুঞ্জন ছড়িয়েছিল যে হরমুজ প্রণালী বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। শনিবার সেই জল্পনাতেই কার্যত সিলমোহর দেয় ইরান। তবে এখানেই তৈরি হয়েছে নতুন ধোঁয়াশা। কারণ আমেরিকার দাবি, হরমুজ প্রণালী এখনও খোলা রয়েছে এবং স্বাভাবিক নৌ চলাচল অব্যাহত আছে।বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক বাণিজ্যপথ হিসেবে পরিচিত হরমুজ প্রণালী। এই জলপথ দিয়ে বিপুল পরিমাণ তেল ও পণ্যবাহী জাহাজ যাতায়াত করে। ফলে হরমুজকে ঘিরে যে কোনও উত্তেজনা আন্তর্জাতিক অর্থনীতি ও জ্বালানি বাজারে বড় প্রভাব ফেলতে পারে।ইরানের ঘোষণা এবং আমেরিকার পাল্টা দাবির ফলে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে। সত্যিই কি হরমুজে অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে, নাকি এটি কূটনৈতিক চাপ তৈরির কৌশল সেই প্রশ্নই এখন ঘুরপাক খাচ্ছে আন্তর্জাতিক মহলে।

জুন ২০, ২০২৬
কলকাতা

চার বছরে আকাশপথে উড়ল দেড়শো কোটি! অভিষেককে ঘিরে তৃণমূলে নতুন বিতর্ক

তৃণমূল কংগ্রেসের আর্থিক খরচ নিয়ে নতুন বিতর্ক সামনে এসেছে। নির্বাচন কমিশনের কাছে জমা দেওয়া দলের অডিট রিপোর্টে দেখা গিয়েছে, গত চার বছরে বিমান ও হেলিকপ্টার ভাড়ার জন্য প্রায় দেড়শো কোটি টাকা খরচ হয়েছে। এই বিপুল অঙ্কের খরচ ঘিরেই শুরু হয়েছে রাজনৈতিক আলোচনা।রিপোর্ট অনুযায়ী, দুই হাজার বাইশ সালে বিমান ভাড়ার জন্য খরচ হয়েছিল পঁয়ত্রিশ কোটিরও বেশি টাকা। দুই হাজার তেইশ সালে সেই খরচ কিছুটা কমে প্রায় তেরো কোটিতে নেমে আসে। তবে দুই হাজার চব্বিশ সালের লোকসভা নির্বাচনের বছরে বিমান ও হেলিকপ্টার বাবদ খরচ বেড়ে যায় উল্লেখযোগ্যভাবে। সেই বছরে এই খাতে ব্যয় হয় ছেচল্লিশ কোটিরও বেশি টাকা।সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ বিষয় হল, দুই হাজার চব্বিশ সালের নির্বাচনী প্রচারে দলের মোট ব্যয়ের বড় অংশই নাকি বিমান ও হেলিকপ্টার ব্যবহারের জন্য খরচ হয়েছে। দুই হাজার পঁচিশ সালে কোনও বড় নির্বাচন না থাকলেও বিমান খাতে ব্যয় হয়েছে সাঁইত্রিশ কোটিরও বেশি টাকা।এই বিপুল খরচকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহলে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। দলের একাংশের মতে, যখন সংগঠনের বিভিন্ন স্তরে আর্থিক চাপের কথা শোনা যাচ্ছে, তখন এত বড় অঙ্কের বিমান ব্যয় স্বাভাবিকভাবেই আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে।সাম্প্রতিক সময়ে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের দিল্লি সফর নিয়েও চার্টার্ড বিমান ব্যবহারের জল্পনা তৈরি হয়েছিল। সেই আবহে দলের মুখপাত্র কুণাল ঘোষ মন্তব্য করেছিলেন, যদি দলের অর্থ খরচ করে এমন সফর হয়ে থাকে, তাহলে তা সমর্থনযোগ্য নয়। তাঁর সেই মন্তব্যও রাজনৈতিক মহলে যথেষ্ট আলোড়ন তৈরি করে।এদিকে দলের আর্থিক পরিস্থিতি নিয়েও নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। বিভিন্ন ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট এবং তহবিল ব্যবস্থাপনা নিয়ে বিতর্কের মাঝেই বিমান খরচের এই পরিসংখ্যান সামনে আসায় চাপ আরও বেড়েছে।রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, অডিট রিপোর্টে উল্লেখিত এই বিপুল ব্যয় আগামী দিনে আরও বড় বিতর্কের কারণ হতে পারে। বিশেষ করে দলের সাংগঠনিক পরিস্থিতি এবং আর্থিক ব্যবস্থাপনা নিয়ে যখন নানা প্রশ্ন উঠছে, তখন বিমান ও হেলিকপ্টার খাতে এত বড় ব্যয় নিঃসন্দেহে রাজনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।এখন নজর থাকবে, এই খরচ নিয়ে দলের শীর্ষ নেতৃত্বের তরফে কোনও বিস্তারিত ব্যাখ্যা বা প্রতিক্রিয়া সামনে আসে কি না। কারণ অডিট রিপোর্ট প্রকাশ্যে আসার পর থেকেই বিষয়টি রাজনৈতিক মহলে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে চলে এসেছে।

জুন ২০, ২০২৬
রাজ্য

গরম থেকে স্বস্তি মিলতেই নতুন সতর্কতা! দক্ষিণবঙ্গে ঝড়-বৃষ্টির দাপট আরও বাড়বে

ভ্যাপসা গরমে দীর্ঘদিন নাজেহাল থাকার পর অবশেষে স্বস্তির বৃষ্টি পেয়েছে দক্ষিণবঙ্গ। শুক্রবার কলকাতাসহ দক্ষিণবঙ্গের প্রায় সব জেলাতেই ঝড়-বৃষ্টি হয়েছে। এর ফলে তাপমাত্রা কিছুটা কমেছে এবং আবহাওয়ায় স্বস্তি ফিরেছে। তবে আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, আগামী কয়েক দিনও বৃষ্টি চলবে।আলিপুর আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, যোগ দিবসেও কলকাতায় বিক্ষিপ্ত বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। যদিও এই বৃষ্টি বড় কোনও কর্মসূচিতে উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলবে না বলেই মনে করা হচ্ছে। তবু আকাশ মেঘলা থাকবে এবং কোথাও কোথাও হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে।এদিকে ঝাড়খণ্ড সংলগ্ন এলাকায় বজ্রগর্ভ মেঘ তৈরি হওয়ায় পশ্চিমাঞ্চলের কয়েকটি জেলায় ঝড়-বৃষ্টির সম্ভাবনা অনেকটাই বেড়েছে। পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, পশ্চিম বর্ধমান এবং বীরভূম জেলায় লাল সতর্কতা জারি করা হয়েছে। বজ্রবিদ্যুৎ-সহ প্রবল ঝড় ও বৃষ্টির আশঙ্কা রয়েছে। আবহাওয়া দফতর সাধারণ মানুষকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছে।পূর্ব বর্ধমান, হুগলি, ঝাড়গ্রাম এবং পশ্চিম মেদিনীপুরেও কমলা সতর্কতা জারি করা হয়েছে। এই জেলাগুলিতেও দমকা হাওয়া, বজ্রপাত এবং মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।অন্যদিকে উত্তরবঙ্গে এখনও বৃষ্টির দাপট অব্যাহত রয়েছে। জলপাইগুড়ি এবং আলিপুরদুয়ার জেলায় অতি ভারী বৃষ্টির জন্য লাল সতর্কতা জারি হয়েছে। প্রবল বৃষ্টির কারণে পাহাড়ি এলাকায় ধসের আশঙ্কাও রয়েছে। ইতিমধ্যেই বেশ কয়েকটি রাস্তা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।রবিবার দার্জিলিং এবং কালিম্পং জেলায় অতি ভারী বৃষ্টির কমলা সতর্কতা থাকবে। তবে আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, সোমবারের পর থেকে উত্তরবঙ্গে বৃষ্টির তীব্রতা ধীরে ধীরে কমতে পারে।এছাড়াও রবিবার উত্তর চব্বিশ পরগনা, দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা, পূর্ব বর্ধমান, নদিয়া, হুগলি এবং হাওড়া জেলায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। ঘণ্টায় চল্লিশ থেকে পঞ্চাশ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে।আবহাওয়া বিশেষজ্ঞদের মতে, আগামী কয়েক দিন বাংলার বিভিন্ন জেলায় দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়া বজায় থাকবে। তাই প্রয়োজন ছাড়া বাইরে না বেরোনো এবং বজ্রপাতের সময় নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

জুন ২০, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal