• ৮ ভাদ্র ১৪৩৩, বুধবার ২৬ আগস্ট ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Bjp,

রাজ্য

দুর্গাপুরে রাস্তায় বসে চপ ভেজে বিক্ষোভ কর্মসূচি বিজেপির

দুর্গাপুরে এন টি এস যুব মোর্চার পক্ষ থেকে রবিবার বিওয়ান মোড়ের কাছে একটি বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করল বিজেপির কর্মী-সমর্থকেরা। এদিন বিক্ষোভ কর্মসূচিতে চপ ও মদের বোতল রাস্তায় ফেলে বিক্ষোভ দেখায় কর্মী-সমর্থকরা ৷ পশ্চিম বর্ধমানের বিজেপি জেলা সভাপতি লক্ষণ ঘড়ুই বলেন, তৃণমূল সরকার বলেছিল এমএমসি খুলবে, ফার্টিলাইজার খুলবে। আরও পড়ুন ঃ রাজ্যে এখনই নয় জাঁকিয়ে শীত কিন্তু দশ বছর ধরে একের পর এক কারখানা বন্ধ হয়েছে। একটা কারখানাও খোলেনি। মুখ্যমন্ত্রী বলছেন চপ শিল্প করতে। বাড়িতে বাড়িতে মদ তৈরি হচ্ছে। বেকার ছেলেরা মদ খেয়ে বাড়িতে ঢুকছে। বাড়িতে বাড়িতে অশান্তি হচ্ছে। বেকার যুবক যুবতীরা কোন চাকরি পাচ্ছে না। তারা দিল্লি যাচ্ছে, গুজরাত যাচ্ছে। আর তারই প্রতিবাদে এই বিক্ষোভ কর্মসূচি ৷

নভেম্বর ২৯, ২০২০
রাজ্য

অভিযু্ক্তের বিরুদ্ধে চার্জশিট লঘু করা হয়েছেঃ অগ্নিমিত্রা

ধর্ষণের ঘটনায় অভিযু্ক্ত তথা ধৃ্ত মনোহর ঘোষ কতদিন পুলিশ হেফাজতে থাকবে , তা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করলেন বিজেপি নেত্রী অগ্নিমিত্রা পল। তিনি অভিযোগ করেন, চার্জশিট লঘু করা হয়েছে। শনিবার বর্ধমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে বুদবুদের ধর্ষিতাকে দেখতে এসে এভাবেই রাজ্য সরকারকে আক্রমণ করলেন বিজেপি মহিলা মোর্চার রাজ্য সভানেত্রী অগ্নিমিত্রা পল। তিনি বলেন, প্রতিবাদ করতে গেলে আমার নামে এফআইআর করা হচ্ছে। দিদিমণি যে আমাকে অত্যন্ত ভালবাসেন , এটা জেনে ভাল লাগল। উনি যদি ভাবেন, আমাকে বা আমাদের মহিলা মোর্চার সদস্যাদের কেস দিয়ে আটকাতে পারবেন, পারবেন না। দশ বছর ধরে মহিলাদের উপর যে অত্যাচার হচ্ছে, তাতে না তিনি প্রতিবাদ করছেন। কোনও ব্যবস্থাও গ্রহণ করছেন না। দিনের পর দিন ধর্ষণ হচ্ছে। কোনও শাস্তি নেই, বিচার নেই। তৃ্ণমূল দল থেকে টাকা নিয়ে কেস তোলার জন্য চাপ সৃষ্টি করা হচ্ছে। আমাকে এফআইআর দিয়ে যদি নারী নিগ্রহের ঘটনা বন্ধ হয় , তা হলে আমায় আরো এফআইআর দিন। আরও পড়ুন ঃ কয়লা পাচার কাণ্ডের তদন্তে রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় তল্লাশি সিবিআইয়ের প্রসঙ্গত, গত ২৬ নভেম্বর বুদবুদের মৌগ্রামে এক তপশিলী বালিকা ধর্ষিতা হয়। বিজেপির তরফে অভিযোগ ওঠে অভিযুক্ত তৃণমূল গ্রাম প্রধানের ছেলে পাপাই ঘোষ। তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এই নিয়ে শুক্রবার বিজেপি যুব মোর্চা ওই গ্রামে যায়। ওই নির্যাতিতার পরিবারের অভিযোগ, ওই মেয়েটি কিছু জিনিস আনার জন্য দোকানে যাচ্ছিল। সে সময় তাকে জোর করে মুখ বন্ধ করে ঝোপে টেনে নিয়ে নির্যাতন চালায় অভিযুক্ত। বিজেপির অভিযোগ, অভিযুক্ত মনোহর ঘোষ পঞ্চায়েতে তৃণমূল পদাধিকারীর ছেলে। নির্যাতিতাকে মানকর গ্রামীণ হাসপাতাল থেকে বর্ধমান হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। এদিন অগ্নিমিত্রা হাসপাতালে আসেন ও নির্যাতিতার সঙ্গে কথা বলেন। তিনি অভিযোগ করেন ওই মেয়েটিকে কার্যত একটি ১২ ইঞ্চি জায়গায় রাখা হয়েছে। অন্যদিকে মাননীয়া দাবি করছেন রাজ্যে স্বাস্থ্য পরিষেবার ব্যাপক উন্নতি হয়েছে। এদিন অগ্নিমিত্রা অভিযোগ করেন রাজ্যে জলপাইগুড়ি সহ নানা স্থানে একাধিক ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। এই অভিযোগগুলির ক্ষেত্রে অভিযুক্ত যদি তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মী বা সমর্থক হন তাহলে পুলিশ নীরব দর্শক হয়ে থাকছে। কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না। কেস লঘু করে দেওয়া হচ্ছে। এই চুক্তিতে যে ভবিষ্যতে তাকে দিয়ে আরো নানা কাজ করানো যাবে। আরও পড়ুন ঃ বিজেপি হচ্ছে ঝালমুড়ির মতোঃ ফিরহাদ তিনি আরও বলেন, আমি কি কোনও ্মিথ্যা কথা বলেছি? আপনি যদি ধর্ষিতাদের টাকা না দিয়ে নির্ভয়ার মতো শাস্তি দিতেন, তাহলে আমরা বেশি খুশি হতাম। তাহলে আমাদের আন্দোলন করার দরকার হতো না। কিন্তু আপনি সেটা করেননি। আপনি এবং আপনার পুলিশ সমস্ত কিছু ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছেন। এনসিআরবির রিপোর্ট এখনও জমা পড়েনি কেন, সে বিষয়ে ্প্রশ্ন তোলেন তিনি। সব অপরাধের শীর্ষে রয়েছে পশ্চিমবঙ্গ, এই মন্তব্য করেন তিনি। আরও পড়ুন ঃ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তৃণমূল ত্যাগী কথা শুনে সকলে দলত্যাগ করছেনঃ লকেট অন্যদিকে শুভেন্দু অধিকারীর মন্ত্রিত্ব ত্যাগ নিয়ে অগ্নিমিত্রা বলেন, পদত্যাগ করার কথা। ও্নার মতো দক্ষ সংগঠক যাদের অন্য কাউকে তোষামো্দ করার প্রয়োজন পড়ে না, তারা টিএমসিতে থাকতে পারবেন না। মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রী তাঁর ভাইপো ছাড়া কাউকে মান্যতা দেন না। কোনো দায়িত্ববান গুণী, কাজের মানুষ ওদের সঙ্গে থাকতে পারবেন না। তাই কোনো যোগ্য মানুষ ওই দলে থাকতে পারবেন না। ও্নার বিজেপিতে যোগ দেওয়া উচিত। বিজেপির দরজা সবার জন্য খোলা।

নভেম্বর ২৮, ২০২০
রাজনীতি

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তৃণমূল ত্যাগী কথা শুনে সকলে দলত্যাগ করছেনঃ লকেট

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বাঁকুড়াতে বলেছিলেন , তৃণমূল ত্যাগী। আর এখন তাঁদের নেতারা দলত্যাগ করছেন। শনিবার ধনেখালির দশঘড়ায় চায়ে পে চর্চায় যোগ দিয়ে জনসংযোগ করেন তিনি। সেখানে এই মন্তব্য করলেন বিজেপি সাংসদ লকেট চট্টোপাধ্যায়। আরও পড়ুন ঃ শুভেন্দু অধিকারীর মন্ত্রিত্ব ছাড়াকে সমর্থন শীলভদ্রর তিনি এই প্রসঙ্গে বলেন, তৃণমূলের ভিতরে দ্বন্দ্ব আগেই শুরু হয়েছিল। যেসব নেতা ভাবছিলেন কী করবেন , তাঁরা তৃণমূল ত্যাগী কথাটা শুনে দলত্যাগ শুরু করেছেন। তৃণমূলকে ত্যাগ করছেন। আগামীদিনে আরও বড় বড় সব মাথারা বের হবেন। তৃণমূলে ২ জন ছাড়া আর কেউ থাকবে না। পিসি আর ভাইপো ছাড়া আর কেউ থাকবে না। জোড়া ফুলে জোড়া মালিক ছাড়া আর কেউ থাকবে না। শুভেন্দু অধিকারীর নাম না করে তাঁর বক্তব্য, ২০১৯ লোকসভা ভোটে বিজেপি ১৮টা আসন জিতেছে। আগামীতে বিজেপিই ক্ষমতায় আসছে। আমরা জানি যে, বিজেপিই সরকারে আসছে। তাই আমরা চাই যে, ভালো ভালো মানুষগুলো বিজেপির সঙ্গে থাকুক। তাহলেও মানুষও আরও বেশিভাবে আমাদের পাশে থাকবে, সঙ্গে থাকবে। বিজেপি আগেও জিতেছে, আগামীতেও জিতবে। সবাইকে নিয়েই আমরা একসাথে ভালোভাবে কাজ করব। এদিন লকেট চট্টোপাধ্যায় স্বচ্ছ ভারত অভিযানে অংশগ্রহণ করে ঝাড়ু হাতে ঝাট দেন। লকেট জানান বুথে বুথে, ব্লকে ব্লকে, মণ্ডলে মণ্ডলে এই অভিযান হবে। তিনি বলেন, দুর্নীতির বিরুদ্ধেও স্বচ্ছতা অভিযান জারি রয়েছে। যাঁরা দুর্নীতিযুক্ত নেতা আছেন, তাঁদের এই বাংলা থেকে বের করতে হবে।

নভেম্বর ২৮, ২০২০
কলকাতা

বিজেপি হচ্ছে ঝালমুড়ির মতোঃ ফিরহাদ

ওরা হল পাইকারি দল, ওদের কোনও নীতিবোধের মানুষ নেই। প্রত্যেক দলের একটা আদর্শ থাকে। তাই যারা আদর্শহীনভাবে দল করেন, তাদের ওনারা আহ্বা্ন করছেন, আদর্শহীন লোকেরা একসাথে জোট হন। তাতে বাংলায় চিড়ে ভিজবে না। শনিবার বিজেপির উদ্দেশে এভাবেই আক্রমণ শানালেন রাজ্যের পুরমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম। এই প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, বাংলায় আদর্শগতভাবে মানুষ ধর্মনিরপেক্ষতা , প্রগতি ও গণতান্ত্রিক পথে থাকে। মানুষকে খুন করে মধ্যপ্রদেশ, উত্তরপ্রদেশ ও গুজরাট করতে চায় না বাঙালি। তাই দিলীপ ঘোষ যতই চেষ্টা করুক, বেশিরভাগ মানুষ ও আমাদের দলের লোকেরা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আদর্শে গান্ধীবাদ, সুভাষবাদ জিন্দাবাদ জিন্দাবাদ করছেন। আরও পড়ুন ঃ তৃণমূল সরকারের ইস্তফা দেওয়া উচিতঃ দিলীপ তিনি আরও বলেন, ওদের আদর্শগতভাবে কোনও ব্যাপার নেই। ঝালমুড়ির মতো কে এল, ঢুকিয়ে নিয়ে দল করছে। এভাবে কোনও দল হয় না। তৃণমূল দল শেষ হওয়া নিয়ে দিলীপ ঘোষের মন্তব্য প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ইনি স্বপ্ন দেখছেন। ওনার স্বপ্ন স্বপ্নই থেকে যাবে। তৃণমূল ছিল, আছে, থাকবে। তৃণমূলকে ফেলে দেওয়া যায় না। তৃণমূল কখনও বিজেপির মতো বহিরাগত দল নয়। অন্য জায়গা থেকে আসেনি। বাংলার মাটিতে আন্দোলনের ফল হচ্ছে তৃ্ণমূল। বিজেপির মতো অমিত শাহ ও মোদির দল নয়। এটা মানুষের ্দল। তাই মানুষ তৃণমূলকে রাখবে।

নভেম্বর ২৮, ২০২০
রাজ্য

খেজুরিতে তৃণমূলের পার্টি অফিস দখলের অভিযোগ বিজেপির বিরুদ্ধে

তৃণমূলের পার্টি অফিস দখল নেওয়ার অভিযোগ উঠল বিজেপির বিরুদ্ধে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে খেজুরিতে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। প্রতিবাদে দফায় দফায় পথ অবরোধ করে তৃণমূল কর্মীরা বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন। তৃণমূলের অভিযোগ, খেজুরির বীরবন্দরের পাটনা, কন্ঠীবাড়ি, আলিচক-সহ মোট ছয়টি পার্টি অফিস দখল করে নেওয়া হয়েছে। সেখানে লাগিয়ে দেওয়া হয়েছে বিজেপির পতাকা। অনেক দলীয় দফতরে ভাঙচুর চালানো হয়। এছাড়াও আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ উঠেছে। তবে বিজেপির তরফ থেকে সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করা হয়েছে। পুলিশি নিষ্ক্রিয়তা নিয়ে অভিযোগ তুলছে স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্বই। আরও পড়ুন ঃ অশালীন মন্তব্যের জের, অভিযোগ দায়ের অগ্নিমিত্রা পলের বিরুদ্ধে তৃণমূলের অভিযোগ, শুক্রবার সন্ধে থেকেই খেজুরির বিভিন্ন জায়গায় দুষ্কৃতী দৌরাত্ম্য শুরু হয়েছে। জনকা, বীরবন্দ-সহ একাধিক এলাকায় মোটর সাইকেল বাহিনী রাতে তৃণমূলের ছটি পার্টি অফিসে হামলা চালিয়েছে। সেখানে লাগিয়ে দেওয়া হয়েছে বিজেপির দলীয় পতাকা। এভাবে দখলের খেলা শুরু করেছে বিজেপি, অভিযোগ তৃণমূলের। আরও অভিযোগ, রাতে স্থানীয় কয়েকজন তৃণমূল কর্মীকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে গিয়ে বিজেপিতে যোগদানের জন্য চাপ দেওয়া হয়েছে। পরবর্তী সময়ে অবশ্য তাঁদের নিরাপদে বাড়ি ফেরানো হয়।

নভেম্বর ২৮, ২০২০
রাজ্য

অশালীন মন্তব্যের জের, অভিযোগ দায়ের অগ্নিমিত্রা পলের বিরুদ্ধে

অশালীন মন্তব্যের জেরে বিজেপি নেত্রী অগ্নিমিত্রা পলের বিরুদ্ধে তমলুক থানায় অভিযোগ দায়ের হল। তাঁর বিরুদ্ধে ভারতীয় দণ্ডবিধির ৫০৪, ৩০৬ ও ৫০৯ নম্বর ধারায় অভিযোগ দায়ের হয়েছে। আরও পড়ুন ঃ হাওড়ায় অপরাধ নিয়ন্ত্রণে আনতে বসছে এক হাজার সিসিটিভি প্রসঙ্গত, তমলুকের সভা থেকে অগ্নিমিত্রা বলেছিলেন, বাংলায় মেয়েরা নিরাপদ নন। তৃণমূলের কর্মী-সমর্থকরা ধর্ষণ করছে। দিদিমণি বলে দিয়েছেন, আমি তোদের চাকরি দিতে পারি নি। তাই এন্টারটেইনমেন্টের জন্য তোরা ধর্ষণ কর। ধর্ষণ হলে ক্ষতিপূরণ দিয়ে দেব। গোটা ঘটনায় কিছুটা অস্বস্তিতে পড়ে যায় রাজ্য বিজেপিও। বিদ্বজ্জন থেকে সাধারণ মানুষ সকলেই সরব হয়েছেন অগ্নিমিত্রার এই মন্তব্যের বিরুদ্ধে।

নভেম্বর ২৭, ২০২০
রাজনীতি

মারের বদলা মারের নিদান দিলীপের

এবার মারের বদলা মারের নিদান দিলেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। শুক্রবার উত্তর ২৪ পরগনার গোপালনগর হাই স্কুল মাঠে এক জনসভা থেকে এই হুঙ্কার দিয়ে তিনি বলেছেন, বিজেপির কোনও কর্মীর গায়ে হাত পড়লে উল্টো হাত লাগাবেন। খালি গায়ে, খালি হাতে কেউ বাড়ি থেকে বের হবেন না। আপনাদের মেরে দিয়ে কেউ দাদাগিরি করবে, চুপচাপ কেউ চলে আসবেন না। মার খেয়ে ফোনও করবেন না, তাহলে আর থানায় যাব না, হাসপাতালেও যাব না। ওরা দুটো দিলে চারটে দিয়ে আসবেন। পিঠে দাগ নিয়ে ওরা বাড়ি যাবে, হাসপাতালে যাবে, থানায় যাবে। আমরা যাব না। তিনি দাবি করেন, তৃণমূল সাহায্য করছে সিপিএমকে। এখন পাড়ায় পাড়ায় তৃণমূল কর্মীরা সিপিএমের পতাকা লাগাচ্ছে। পার্টি অফিসের চাবি দিচ্ছে খোলা জন্য। প্রয়জনে চা খাওয়ার টাকাও দিচ্ছে। তিনি আরো দাবি করেন, এখন কানা সিপিএমের কাঁধে ভর দিয়ে চলছে ল্যাংড়া কংগ্রেস। দিদি প্রতিদিন সকাল সন্ধ্যা সিপিএমের জন্য কালিঘাটে পুজো দিচ্ছেন। আরও পড়ুন ঃ মন্ত্রিত্ব ছেড়ে কী বললেন শুভেন্দু? এদিন তিনি বলেন, কোন ভদ্র মানুষ তৃণমূল করে না। আমার কাছে এইমাত্র একটা খবর আসল, দেখুন কিভাবে দিদির ঘর ভাঙছে। তৃণমূলের শেষের শুরু হয়ে গিয়েছে। তৃণমূলে আর কেউ থাকবে না। তিনি আরও বলেন, দিদিমনি বলতেন বদলা নয়, বদল হবে। কেন আমাদের ১২০জন কর্মীকে হত্যা করা হয়েছে? তার জবাব কে দেবে? ২৮ হাজার মামলা দেওয়া হয়েছে আমাদের কর্মীদের। হাজার হাজার লোক বাড়ি ছাড়া, হাজার হাজার লোক জেলে আছে। তাঁদের একটাই দোষ তাঁরা বিজেপি করে। মার খেতে হবে, হাত পা ভেঙে দেবে। তাই আমি বলছি বদল তো হবেই বদলাও হবে।

নভেম্বর ২৭, ২০২০
রাজ্য

ইস্তেহার নিয়ে বৈঠকে বিজেপি

নির্বাচনের আগে ইস্তেহার নিয়ে আলোচনার জন্য বৈঠকে বসল বিজেপির ইস্তাহার বিষয়ক কমিটি। বৃহস্পতিবার শহরের একটি হোটেলে তারা বৈঠকে বসে। ওই বৈঠকে ছিলেন কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক কৈলাস বিজয়বর্গীয়-সহ দলের ১৪ জন সাংসদ। সাধারণত ভোটের কাছাকাছি সময়ে শুরু হয় ইস্তাহার তৈরির প্রক্রিয়া। তবে অপেক্ষা করতে নারাজ বিজেপি নেতৃত্ব। আরও পড়ুন ঃ তৃণমূলই আসল ভোগীঃ দিলীপ ইস্তাহার বিষয়ক কমিটির সুভাষ সরকার, রন্তিদেব সেনগুপ্ত, অনির্বাণ গঙ্গোপাধ্যায় ও অসীম ঘোষ। হাজির হন ১৪ জন সাংসদ। রাজ্য বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতা কৈলাস বিজয়বর্গীয় নেতৃত্বে বৈঠক হয়েছে। সূত্রের খবর, এলাকাভিত্তিক বিভিন্ন বিষয়ের তালিকা তৈরি করা হয়েছে। নথিবদ্ধ করা হয়েছে সমাজের বিভিন্ন অংশের মানুষের অভাব-অভিযোগ। এ দিনই দিলীপ ঘোষ ডাক দিয়েছেন, সবাই মিলে লড়ব, সোনার বাংলা গড়ব। সংবিধান দিবস নতুন কর্মসূচির সূচনা করেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি। নাম দেওয়া হয়েছে, আমরা সবাই সাংসদ। আমাদের দিলীপদা ওয়েবসাইটে সরাসরি সমস্যা বলতে পারবেন সাধারণ মানুষ।

নভেম্বর ২৭, ২০২০
কলকাতা

বিজেপির মিছিলকে কেন্দ্র করে রণক্ষেত্র তারাতলা

মাঝেরহাট ব্রিজ খোলার দাবিতে তারাতলায় বিজেপির মিছিলে ধুন্ধুমার। পুলিশ মিছিল আটকালে বিজেপি কর্মীদের সঙ্গে তাদের তুমুল বচসা শুরু হয়ে যায়। বেঁধে যায় ধস্তাধস্তিও। ব্যাপক লাঠিচার্জ করা হয়। একাধিক বিক্ষোভকারীকে আটক করা হয়েছে। জানা গিয়েছে, বৃহস্পতিবার তারাতলা মোড় থেকে মাঝেরহাট পর্যন্ত মিছিলের কর্মসূচি ছিল। কিন্তু মিছিল শুরু হওয়ার আগেই তা আটকে দেয় পুলিশ। পুলিশ ও বিজেপি কর্মীদের মধ্যে ধস্তাধস্তি শুরু হয়। বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে লাঠিচার্জ করে পুলিশ। এরপরই তারাতলা মোড়ে অবস্থান বিক্ষোভ শুরু করে বিজেপি। তাঁদেরও বিক্ষোভ থেকে উঠিয়ে দেয় পুলিশ। পুলিশের ব্যারিকেড ভেঙে মিছিল এগোনর চেষ্টা করে বিক্ষোভকারিরা। এমনকি তাঁরা গার্ডরেল গুলিও ছুঁড়ে ফেলে বিক্ষোভ দেখাতে থাকে। মোড়ের আশেপাশের গলিতে থাকা বিজেপির নেতা-কর্মীদেরও টেনে বের করে আনতে দেখা যায়। আরও পড়ুন ঃ রাজ্যপালের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিতে সরব কল্যাণ আটক করা হয় বহু বিজেপি নেতা কর্মীদের। রেহাই পাননি মহিলা মোর্চার কর্মীরাও। বেশ কয়েকজন বিজেপি কর্মীর মাথা ফেটে যায়। আহত হয়েছেন বেশ কয়েকজন মহিলা ও পুলিশ কর্মী। অটোয় তাঁদের নিয়ে যাওয়া হয় হাসপাতালে। বেশ কিছুক্ষণ পর পরিস্থিতি কিছুটা নিয়ন্ত্রণে আসে। যদিও লাঠিচার্জ-গ্রেপ্তারির পরও বারবার করে ফের জমায়েত করতে দেখা যায় বিজেপি কর্মীদের। পরে বিজেপি নেতা কৈলাস বিজয়বর্গীয় ঘটনাস্থলে পৌঁছান। তিনি বলেন, গণতান্ত্রিক আন্দোলনে পুলিশের লাঠিচার্জ। আমরা জনতার সুবিধার জন্য মিছিল করেছি। কিন্তু মমতার সরকার তা হতে দেবে না। দুর্নীতির বড় উদাহরণ মাঝেরহাট ব্রিজ।

নভেম্বর ২৬, ২০২০
রাজ্য

শুভেন্দুর জেলার তৃণমূল নেতার বিজেপিতে যোগ

প্রত্যাশামতোই বিজেপিতে যোগ দিলেন পূর্ব মেদিনীপুর জেলা পরিষদের খাদ্য কর্মাধ্যক্ষ সিরাজ খান। বুধবার তিনি মেচেদাতে বিজেপি নেতা কৈলাস বিজয়বর্গীয় ও সাংসদ লকেট চট্টোপাধ্যায়ের উপস্থিতিতে গেরুয়া শিবিরে যোগ দেন। তাঁরা সিরাজ খানের হাতে দলীয় পতাকা তুলে দেন। কয়েকদিন আগেই তিনি কৈলাস বিজয়বর্গীয়র সঙ্গে বৈঠক করেছিলেন বলে জানা গিয়েছিল। তিনি বলেছিলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও শুভেন্দু অধিকারীকে দেখেই তৃণমূলে যোগ দিয়েছিলেন। তিনি বলেন, আমি একজন মৎস্যজীবী। আমাকে মৎস কর্মাধ্যক্ষ না দিয়ে খাদ্য দফতর দেওয়া হয়েছে। সেখানে কোন কাজ করতে পারছি না। এছাড়াও খাদ্য দফতরের বিরুদ্ধে তিনি গুরুতর দুর্নীতির অভিযোগও তুলেছিলেন। আরও পড়ুন ঃ কেন্দ্রের টাকা দিদির ভাইয়েরা লুটেপুটে নিচ্ছেঃ দিলীপ তাঁর বিজেপিতে যোগ দেওয়ার জল্পনা নিয়ে তোলপাড় পূর্ব মেদিনীপুরের রাজনৈতিক মহল। এদিকে শুভেন্দু অধিকারীর অরাজনৈতিক কর্মসূচি নিয়ে দল বেজায় অস্বস্তিতে পড়েছে। তৃণমূল কংগ্রেসের পতাকা তলে বহু দিন ধরেই কোনও কর্মসূচিতে নন্দীগ্রামের বিধায়ককে দেখা যাচ্ছে না। এদিকে শুভেন্দুর সঙ্গেই দলের সাংসদ সৌগত রায়ের বৈঠক চলছে। এখনও পর্যন্ত কোনও রফাসূত্র মেলেনি বলেই জানা গিয়েছে। সেই পরিস্থিতিতে দাঁড়িয়ে পূর্ব মেদিনীপুরের এক মুসলিম তৃণমূল নেতার বিজেপিতে যোগ দেওয়া খুবই তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

নভেম্বর ২৫, ২০২০
রাজ্য

দিলীপ ঘোষের সভায় যোগ দিতে যাওয়ার পথে বিজেপি কর্মীদের মারধরের অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে

দিলীপ ঘোষের সভায় যোগ দিতে যাওয়ার সময় বিজেপি কর্মীদের ব্যাপক মারধরের অভিযোগ উঠল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। এই ঘটনায় এক বিজেপি কর্মী গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। আহত বিজেপি কর্মীর নাম অভীক মণ্ডল। তাকে বোলপুর মহকুমা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। প্রসঙ্গত, বুধবার সিউড়ি জেলা স্কুল মাঠে রাজ্য বিজেপি সভাপতি দিলীপ ঘোষের সভা ছিল। অভিযোগ, সভায় যোগ দিতে যাওয়ার সময় বিজেপি কর্মী -সমর্থকদের বাধা দেওয়া হয় নানুরের শিমুলিয়া গ্রামে। চলে বোমা, গুলিও। বেশ কয়েকটি বাড়ি ভাঙচুর করা হয়। একাধিক বাইক ভাঙচুর করা হয়। সমস্ত অভিযোগ অবশ্য অস্বীকার করেছে তৃণমূল। আরও পড়ুন ঃ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে হিটলার বলে কটাক্ষ সায়ন্তনের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আসে পুলিশ। তাদের প্রথমে গ্রামে ঢুকতে বাধা দেওয়া হয়। শিমুলিয়ায় এদিন পাল্টা তৃণমূল কর্মীদের লাঠিপেটা করেছেন বিজেপি সমর্থকরা বলে অভিযোগ উঠেছে। পরে আরও পুলিশকর্মী এলাকায় এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। খবর পেয়েই শিমুলিয়া চলে আসে নানুর থানার পুলিশ। তারা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসে। অন্যদিকে, একইরকম ঘটনা ঘটে সাঁথিয়ার ভ্রমরকল গ্রামে। বিজেপির অভিযোগে, সেখান থেকেও দলের সমর্থকরা দিলীপ ঘোষের সভায় আসছিলেন। ভ্রমরকলে তাদের বাধা দেওয়া হয়। এর প্রতিবাদে রাস্তায় তির ধনুক নিয়ে বসে পড়েছেন বিজেপি সমর্থকরা।

নভেম্বর ২৫, ২০২০
রাজনীতি

জনসভায় ধর্ষণ নিয়ে অশালীন মন্তব্য অগ্নিমিত্রার

ধর্ষণ নিয়ে বেলাগাম ও অশালীন মন্তব্য করলেন বিজেপি রাজ্য মহিলা মোর্চার সভানেত্রী অগ্নিমিত্রা পল। মঙ্গলবার তমলুকে বিজেপির ডাকা জেলাশাসকের দফতর ঘেরাও ও স্মারকলিপি প্রদান কর্মসূচি ছিল। সেখানে ধর্ষণ প্রসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রীকে আক্রমণ করতে গিয়ে কু মন্তব্য করে বসলেন অগ্নিমিত্রা। তিনি বলেন, মালদহতে দুদিন আগে একটা ৬ বছরের বাচ্চাকে ধর্ষণ করা হয়েছে। তারকেশ্বরেও একই ঘটনা। কারা ধর্ষণ করছে জানেন? বেশিরভাগ ক্ষেত্রে এই তৃণমূল পার্টির যারা সদস্য বা সমর্থক, তারা ধর্ষণ করছে। দিদিমণি এদের বলে দিয়েছেন, শোন রে, তোদের তো চাকরি দিতে পারিনি! তাই এন্টারটেনমেন্টের জন্য শরীর গরম হয়ে গেলে তোরা গিয়ে ধর্ষণ করবি। তোরা গিয়ে ধর্ষণ কর। আর আমি মহিলাদের ক্ষতিপূরণের টাকা দিয়ে দেব। আরও পড়ুন ঃ শুভেন্দুকে নিয়ে কী বললেন সৌগত? তার এই মন্তব্যের সমালোচনায় সরব হয়েছেন সমাজের বিভিন্ন স্তরের বিশিষ্ট ব্যক্তিরা। এর আগেও ধর্ষণ নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করেছিলেন বিজেপি নেত্রী। অগ্নিমিত্রার তোপ, রাজ্যে চাকরি-বাকরি নেই। ধর্ষণটাও একটা শিল্পের পর্যায়ে পৌঁছে গিয়েছে। এরপরেই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্দেশে হুঙ্কার দেন অগ্নিমিত্রা, ১০ বছর ধরে বাংলায় যে অন্যায় চলছে তার হিসেব ইঞ্চিতে ইঞ্চিতে নেবে বিজেপি।

নভেম্বর ২৫, ২০২০
রাজ্য

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্য কেন্দ্রের পাঠানো ৬ হাজার টাকা পাননি বাংলার কৃষকরাঃ কৈ্লাস বিজয়বর্গীয়

বাংলার কৃষকরা বছরে ৬ হাজার টাকা পাননি। নরেন্দ্র দাদা টাকা পাঠান, এটা চান না দিদি। দিদি তালিকা পাঠালে আপনারা বছরে ৬ হাজার টাকা পাবেন। মঙ্গলবার জয়নগরে রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে এই ভাষাতেই তোপ দাগলেন কৈ্লাস বিজয়বর্গীয়। তিনি এই প্রসঙ্গে আরও বলেন, এতে নরেন্দ্র মোদীর জনপ্রিয়তা আরও বাড়বে, এই আশঙ্কায় বাংলার কৃষকদের বঞ্চিত করেছেন মমতা। তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রীর প্রকল্প নিজের সরকারের নামে মানুষকে ভুল বোঝাচ্ছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। একবারও কেন্দ্রের সরকারের নাম নেওয়া হচ্ছে না। করোনা মহামারীতেও কেন্দ্র পয়সা দিয়েছে, আবার আম্ফানে ১ হাজার কোটি টাকা দিয়েছে কেন্দ্র সরকার। মানুষের কাছে সেই বার্তা দেওয়া হচ্ছে না। আরও পড়ুনঃ পঞ্চানন বর্মার জন্মদিনে রাজ্য সরকারি ছুটি, ঘোষণা মমতার তিনি আরও বলেন, কৃষ্ণভক্তি ও রামভক্তির ভূমি বাংলা। চৈতন্য মহাপ্রভুর পরম্পরাকে আপনারা বহন করে চলছেন। ভক্তিরসের গঙ্গা এখানে প্রবাহমান। চৈতন্য মহাপ্রভু না থাকলে গোটা বাংলা বাংলাদেশ হয়ে যেত। ষাট বছর পরে কীর্তন শিল্পীরা গাইতে পারেন না। তখন আয় হয় না। সংসারের বোঝা হয়ে ওঠেন তাঁরা। প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে কীর্তন শিল্পীদের কথা বলি। তাঁদের পেনশনের ব্যবস্থা করা হয়েছে। এখন ১২০০ শিল্পী পাবেন। ক্ষমতায় আসার পর সবাইকে দেওয়া হবে।

নভেম্বর ২৪, ২০২০
রাজনীতি

অগ্নিমিত্রা পলের বক্তব্যের প্রতিবাদ জানিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় কড়া জবাব বৈশাখীর

বিধানসভা ভোটের আগে দলের কাজে শোভন চট্টোপাধ্যায় ও বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়কে যতই সক্রিয় করে তোলার চেষ্টা হোক না কেন, দলের মধ্যেকার বিরোধ যেন কিছুতেই মিটছে না। সম্প্রতি বিজয়া সম্মিলনীতে শোভনকে আমন্ত্রণ জানানো হলেও বৈশাখীকে আমন্ত্রণ না করা নিয়ে জল অনেকদূর পর্যন্ত গড়ায়। সে প্রসঙ্গে বিজেপির মহিলা মোর্চার সভানেত্রী অগ্নিমিত্রা পল বলেন, এই ঘটনা মোটেই অস্বাভাবিক নয়। সব অনুষ্ঠানে সকলে আমন্ত্রিত হবেন, এমন নয়। তাছাড়া বৈশাখী নিশ্চয়ই শোভন চট্টোপাধ্যায়ের সমান মর্যাদা আশা করতে পারেন না। অগ্নিমিত্রা পলের এই মন্তব্যের বিরুদ্ধে এবার পালটা জবাব দিলেন বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়। অগ্নিমিত্রা পাল যখন বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলেন, তাঁর একটাই পরিচয় ছিল, তিনি একজন ফ্যাশন ডিজাইনার। যতদূর আমি জানি, আপনার কোনও রাজনৈতিক পরিচয় ছিল না। কখনও কোনও রাজনৈতিক ভূমিকাও পালন করেননি। তা সত্ত্বেও বিজেপি মহিলা মোর্চার প্রধানের মতো গুরুদায়িত্ব পেয়েছেন। আরও পড়ুন ঃ ভোল পালটে ছত্রধর মাহাতোকে দলে যোগ দেওয়ার বার্তা দিলীপের উনি বোধহয় অবগত নন। আমি ওয়েবকুপার জেনারেল সেক্রেটারি পদে ছিলাম। অনৈতিক, অন্যায়ের বিরুদ্ধে লড়াই করেছি। পেজ ৩-তে আমার কখনও নাম আসেনি। পুরুলিয়া থেকে বর্ধমান, গোসাবা থেকে গড়িয়া, ধর্মতলা থেকে যাদবপুর পর্যন্ত ঘুরেছি, ভোটে টিকিট পাওয়ার জন্য নয়, আমার দলের সদস্যপদ বাড়ানোর জন্য। গার্হস্থ্য হিংসা, শিশু নির্যাতনের বিরুদ্ধে লড়ার চেষ্টা করেছি। কিছু ছবি পোস্ট করে জনসমর্থন পাইনি। মিটিং-মিছিলে অংশ নিয়ে মানুষের ভালবাসা অর্জন করেছি। আপনার পূর্বসূরী লকেট চট্টোপাধ্য়ায় সুহৃদয়ে আমায় বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্মসূচিতে আমন্ত্রণ জানাতেন। যার জন্য ওঁকে শ্রদ্ধা করি। তৃণমূলের মুখপাত্র কুণাল ঘোষও সে দলে আমার অবস্থান স্বীকৃতি দিয়েছেন। আপনার মন্তব্যে আমি ব্যথিত। কোনও বিরোধী দল নয়, আমার দলের সহকর্মীই আমাকে সমালোচিত করলেন। আমার কোনও গডফাদার নেই। মুকুল রায়, শোভন চট্টোপাধ্য়ায়, পার্থ চট্টোপাধ্যায়, কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের থেকে রাজনৈতিক মূল্যবোধ শিখেছি। বিজেপিতে রামলালজি, শিবপ্রকাশজি, মেননজি, অমিতাভদার থেকে অনেক উৎসাহ পেয়েছিশোভন আমার মেন্টর, আমি ওঁকে শ্রদ্ধা করিলকেট, রূপা, ভারতী ঘোষদের পছন্দ করি, যাঁরা আমার মতো একজন ক্ষুদ্র নেতাকে অনুপ্রাণিত করতে পারেন।

নভেম্বর ২৪, ২০২০
কলকাতা

আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে ২০০ -র বেশি আসনে জয়লাভ করবে বিজেপিঃ অমিত শাহ

আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপি ২০০ -র বেশি আসনে জয়লাভ করবে বলে মন্তব্য করলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তথা বিজেপি নেতা অমিত শাহ। শুক্রবার তাঁর সফরের দ্বিতীয় দিনে এক সাংবাদিক বৈঠকে তিনি রাজ্য সরকারের কড়া সমালোচনা করে বলেন, অনেক আশা নিয়ে ২০১০ সালে মা-মাটি-মানুষকে ক্ষমতায় এনেছিল বাংলার জনতা। মানুষের কোনও আশাই পূরণ করেনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার । মা-মাটি-মানুষের সরকারের স্লোগান এখন বদলে গিয়ে তুষ্টিকরণের স্লোগানে পরিণত হয়েছে। ১০ বছর ধরে শুধু তোষণের রাজনীতি হয়েছে। বাংলায় সঠিক পরিবর্তন আনতে পারে মোদির নেতৃ্ত্বাধীন বিজেপি সরকার। নরেন্দ্র মোদির দিকে আশা নিয়ে তাকিয়ে রয়েছে বাংলার মানুষ। যে রাজ্যে বিজেপি ক্ষমতায় এসেছে , সেখানে উন্নয়ন হয়েছে। সুযোগ পেলে ৫ বছরের সোনার বাংলা বানাবে বিজেপি। বাংলার মানুষের কাছে তাঁর আর্জি, আপনারা সবাইকে একটা করে সুযোগ দিয়েছেন। কমিউনিস্টদের সুযোগ দিয়েছেন, কংগ্রেসকে দিয়েছেন, তৃণমূলকেও দিয়েছেন। এবার মোদীজিকে একটা সুযোগ দিন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আক্রমণ করে তিনি বলেন, মুখ্যমন্ত্রীর মমতার আমলে প্রশাসনের রাজনীতিকরণ হয়েছে, রাজনীতির সঙ্গে অপরাধ জড়িয়ে গিয়েছে ও অবৈধ কাজকর্ম রাজ্যে প্রতিষ্ঠা হয়েছে। আরও পড়ুন ঃ আদিবাসী ও মতুয়া পরিবারগুলোর সঙ্গে একবারও কথা বলার প্রয়োজন বোধ করেননি অমিত শাহঃ অভিষেক অমিত শাহ আরও বলেন, কেন্দ্রীয় প্রকল্পের রূপায়ণে সবথেকে খারাপ অবস্থায় রয়েছে রাজ্য। আয়ুষ্মান ভারত ও কৃষক সম্মান নিধি প্রকল্পের সুবিধা পায়নি এই রাজ্যের মানুষ। পাশাপাশি সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় ও শুভেন্দু অধিকারীর বিজেপি -তে যোগদানের জল্পনাও জিইয়ে রাখলেন তিনি। বললেন, শুধুমাত্র দুজনের নামই না, তালিকা আরও অনেক বড় । তবে সরাসরি এই বিষয়ে কোনও উত্তর দেননি তিনি। তিনি আরও বলেন , করোনা পরিস্থিতি গেলেই দেশজুড়ে সিএএ চালু হবে। রাজ্যপাল প্রসঙ্গে তিনি বলেন , রাজ্যপাল তার সাংবিধানিক সী্মার মধ্যে থেকে কাজ করছে। এই রাজ্যে ৩৫৬ ধারা জারি প্রসঙ্গে তিনি বলেন , রাজ্যপালের রিপোর্ট ও অন্যান্য আনুষাঙ্গিক বিষয়ের উপর ভিত্তি করে যে কোনও রাজ্যে ৩৫৬ ধারা জারি করা হয়। সামনের বছরের এপ্রিল মাসে তো বিজেপি সরকার রাজ্যে আসবেই। তাই ৩৫৬ ধারা জারির কোনও প্রশ্ন নেই। এনসিআরবি রিপোর্ট নিয়ে তিনি বলেন, সব রাজ্য সেখানকার অপরাধের রিপোর্ট দিচ্ছে। বাংলা থেকে দেওয়া হচ্ছে না। ২০১৮ সালের পর আর রিপোর্ট পাঠাচ্ছে না রাজ্য । অ্যাসিড আক্রান্তে ঘটনায় বাংলা শীর্ষে । কতজন অভিযুক্তকে সাজা দেওয়া সম্ভব হয়েছে ? পাশাপাশি রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন তিনি। একুশের বিধানসভা নির্বাচনে বাংলায় বিজেপির মুখ্যমন্ত্রীর মুখ কে হবেন তা নিয়েও আজ দলের অবস্থান স্পষ্ট করেন তিনি। বলেন, বিজেপি বহু নির্বাচন কোনও মুখ ছাড়াই লড়েছে । বাংলায় বিজেপি-র মুখ শীর্ষ নেতৃত্ব ঠিক করবে । তিনি আরও বলেন , মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রতি মাসে চিঠি লিখে টাকা চান। ওঁর হাতে অর্থ গেলে তৃণমূলের ক্যাডাররা খেয়ে নেবে।

নভেম্বর ০৬, ২০২০
রাজ্য

বিজেপি-ভাইরাসের ভ্যাকসিন কী? আরামবাগে জানালেন শান্তনু

ভ্যাকসিন না বের হওয়া অবধি করোনা মোকাবিলায় স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে। সাবধানে থাকতে হবে। একইভাবে রাজ্য তথা দেশকে রক্ষায় বিজেপি-ভাইরাসকে উৎখাত করতে হবে, ২০২১-এ ইভিএমে প্রয়োগ করুন সেই ভ্যাকসিন। শনিবার ৩১ অক্টোবর আরামবাগে বিজেপি হঠানোর এমন দাওয়াই দিলেন তৃণমূল যুব কংগ্রেসের রাজ্য সহ সভাপতি শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায়। আরামবাগ তৃণমূল কংগ্রেসের উদ্যোগে শহরের বাসস্ট্যান্ডের কাছে ইন্দিরা গান্ধীর প্রয়াণ দিবসে এদিন ৩৬তম রক্তদান শিবির ও প্রবীণ নাগরিকদের সংবর্ধিত করা হয়। সেই অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে রক্তদাতাদের উৎসাহ দিয়ে শান্তনু বলেন, বিজেপি মানুষে মানুষে বিভেদ লাগিয়ে দ্বন্দ্ব, হানাহানির রাজনীতি করে। তাদের হাত থেকে বাংলাকে রক্ষা করতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আশীর্বাদ করুন। মনে রাখবেন, আপনারা ইভিএমে বিজেপির অ্যান্টি ভাইরাস প্রয়োগ করলে নারীরা সুরক্ষিত থাকবেন, কাউকে ধর্ষিতা হতে হবে না, বাবা-মায়ের সামনে কোনও কন্যাসন্তানকে হত্যা বা পোড়ানো হবে না। কন্যাশ্রী, রূপশ্রী, যুবশ্রীর মতো নানা সামাজিক প্রকল্প তো চলবেই, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আরও অনেক মানবিক প্রকল্পের মাধ্যমে বাংলার মানুষের সুখে, শান্তিতে থাকার পরিবেশ অক্ষুণ্ণ রাখবেন। তাই আগামী বিধানসভা ভোট বাংলার শান্তির পক্ষে ভোট। আপনাদের আশীর্বাদ নিয়ে জননেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ‌্যায়ের নেতৃত্বে বাংলা তো বটেই, দেশ থেকে বিজেপিকে উৎখাত করা সম্ভব। আমাদের মা-বোনেরা যেমন সন্তান, পরিবারের মঙ্গল চেয়ে বছরের নানা সময় উপোস করেন, রোজা পালন করেন তাই সকলে ঠিক করুন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মঙ্গলকামনায়, বাংলার মঙ্গলকামনায় ইভিএমে বিজেপির বিরুদ্ধে ভোট দিয়ে তবেই সেদিন জল পান করে উপবাস ভঙ্গ করবেন।

অক্টোবর ৩১, ২০২০
রাজনীতি

দিলীপ ঘোষকে প্রণাম করে বিজয়ার শুভেচ্ছা সৌমিত্র খাঁয়ের

বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের বাড়িতে গিয়ে প্রণাম করলেন দলের যুব মো্র্চার রাজ্য সভাপতি সৌমিত্র খাঁ। সেখানে উপস্থিত ছিলেন দলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক ( সংগঠন) সুব্রত চট্টোপাধ্যায় , রাজ্য সাধারণ সম্পাদক সায়ন্তন বসু। প্রসঙ্গত , কয়েকদিন আগে বিজেপি রাজ্য সভাপতির সঙ্গে সৌমিত্র খাঁয়ের দ্বন্ধ প্রকাশ্যে চলে এসেছিল। দলের যুব মোর্চার জেলা কমিটি ও জেলা সভাপতির পদ বাতিল করে দিয়েছিলেন দিলীপ ঘোষ। সৌমিত্র জানিয়েছিলেন , এই সিদ্ধান্ত জানেন না। এনিয়ে ক্ষোভ জানিয়ে প্রথমে বিজেপি যুব মোর্চার সভাপতি পদে পদত্যাগের ইচ্ছাপ্রকাশ করে হুঁশিয়ারি দেন সৌ্মিত্র খাঁ। হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ ছেড়ে বেরিয়ে আসেন তিনি। আরও পড়ুনঃ বিজেপি কর্মীর দেহ উদ্ধার , নিন্দায় সরব দিলীপ পরে কিছুক্ষণের মধ্যে ভোল বদলে ফের সৌ্মিত্র খাঁ জানিয়ে দেন , তিনি দলের কর্মীদের ছেড়ে থাকতে পারবেন না। এই কথা বলে তিনি ফের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে ফিরে আসেন। জল্পনা শুরু হয় তার ফিরে আসা নিয়ে। বিজেপি সূ্ত্রে জানা যায় , দলের কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের একাংশের চাপেই তিনি তার সিদ্ধান্ত বদলাতে বাধ্য হয়েছিলেন। তারপর তিনি অবস্থান জানিয়ে একটি ভিডিও প্রকাশ করেন। এরপর তিনি এদিন দিলীপ ঘোষকে প্রণাম করে বিজয়া দশমীর শুভেচ্ছা জানালেন। দিলীপ ঘোষকে প্রণাম করে সৌ্মিত্র খাঁ কি ড্যামেজ কন্ট্রোলের চেষ্টা করলেন। এমনই প্রশ্ন করছে রাজ্যের রাজনৈতিক মহল।

অক্টোবর ২৭, ২০২০
রাজনীতি

হেরে গেলে তৃণমূলের অত্যাচার থেকে বাঁচতে অন্য রাজ্যে বাসস্থান খুঁজতে হবে , হুঁশিয়ারি অনুপমের

আমরা তো ক্ষমতায় আসছি। এই অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাস নিয়ে যারা নিজেদের মধ্যেই দ্বন্ধ -বিবাদ শুরু করে দিয়েছেন , সেসব ঝগড়া মিটিয়ে নিয়ে নিজেদের মধ্যে একতা বজায় রাখলেই ভাল। এতে বুথস্তর অব্দি কার্যকর্তারাও তৃণমূলের বিরুদ্ধে সর্বশক্তি দিয়ে লড়ার মনোবল পাবেন। রবিবার নবমীর দিন নিজের ফেসবুক পেজে দলের গোষ্ঠীদ্বন্ধকে কার্যত স্বীকৃ্তি দিয়ে এই মন্তব্য করলেন বিজেপির সর্বভারতীয় সংগঠনের সম্পাদক অনুপম হাজরা। আরও পড়ুনঃ যুব মোর্চার পদ থেকে ইস্তফার সিদ্ধান্ত বদলের পর ফের স্বমহিমায় সৌমিত্র এই পোস্টে অনুপম হাজরা আরও লেখেন, আমরা যদি এই লড়াইয়ে বাইচান্স হেরে যাই, তাহলে তৃণমূলের অত্যাচার থেকে বাঁচার জন্য বাংলার বাইরে, অন্য কোনও রাজ্যে আমাদের নতুন কোনও বাসস্থান খুঁজতে হবে। আর সবথেকে দূ্রবস্থা হবে , বুথ স্তরের কার্যকর্তাদের । যারা হচ্ছেন এই লড়াইয়ে আমাদের প্রধান সৈনিক। যাঁরা নিজেদের প্রাণ অব্দি দিয়ে তৃণমূলের বিরুদ্ধে লড়ে যাচ্ছেন সারা বছর। তাঁর পরামর্শ, তাই সংযত হোন, নিজেদের মধ্যে দ্বন্দ্ব-বিবাদ লড়াই বন্ধ করুন।

অক্টোবর ২৫, ২০২০
রাজনীতি

যুব মোর্চার পদ থেকে ইস্তফার সিদ্ধান্ত বদলের পর ফের স্বমহিমায় সৌমিত্র

যুব মোর্চার রাজ্য সভাপতি পদ থেকে ইস্তফা দিতে চলেছেন সৌমিত্র খাঁ , শনিবার সকালে সংগঠনের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে পোস্ট নিয়ে এমনই একটা জল্পনা ছড়িয়েছিল। হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ থেকে তিনি বেরিয়ে যাওয়ায় জল্পনা আরও বাড়তে থাকে। কিন্তু দুপুরেই আবার ইস্তফা দেওয়ার সিদ্ধান্ত বদল করে সৌমিত্র খাঁ সংগঠনের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে ফের যুক্ত হলেন । আরও পড়ুনঃ সৌমিত্রকে অন্ধকারে রেখেই জেলা যুব মোর্চার সভাপতিদের পদ বাতিল করলেন দিলীপ এরপর সৌমিত্র খাঁ লিখেছেন, যুব মোর্চার জেলার কোনও কমিটি বদল হচ্ছে না। দিলীপ ঘোষ যে কমিটি গতকাল বাতিল করেছিলেন সেই কমিটি বহাল থাকছে। এছাড়াও লেখেন, আর আমার তোমাদেরকে ছেড়ে থাকা সম্ভব নয়। তাই ফিরে এলাম। টিএমসিকে হঠানোর জন্য সব কিছু ত্যাগ করতে রাজি আছি। জয় শ্রীরাম। জয় মা দুর্গা। বিজেপি জিন্দাবাদ। মোদি জিন্দাবাদ।

অক্টোবর ২৪, ২০২০
রাজ্য

হিঙ্গলগঞ্জের বিজেপি কর্মী খুনের ঘটনায় তৃণমূল ও রাজ্য প্রশাসনকে তোপ দিলীপ, সায়ন্তনের

তৃণমূল নেতা ও কর্মীদের মারধরের ফলে মারা গিয়েছেন বিজেপি নেতা রবীন্দ্রনাথ মণ্ডল। এই অভিযোগ তুলে দোষীদের শাস্তির দাবি জানিয়েছেন রাজ্য বিজেপি সভাপতি দিলীপ ঘোষ। অন্যদিকে, বিজেপির রাজ্য সাধারণ সম্পাদক সায়ন্তন বসুর অভিযোগ, এসএসকেএম হাসপাতাল থেকে বিজেপি কার্যকর্তারা দলীয় কর্মীর দেহ আনতে গেলে তাদের বাধা দেয় পুলিশ। অগণতান্ত্রিকভাবে মরদেহ নিয়ে চলে যায় পুলিশ। পুলিশের এই আচরণকে ধিক্কার জানিয়ে বসিরহাট জুড়ে তীব্র আন্দোলন ও পথ অবরোধের ডাক দিয়েছে বিজেপি। প্রসঙ্গত , সো্মবার গভীর রাতে এসএসকেএম হাসপাতালে মারা যায় বিজেপি কর্মী রবীন্দ্রনাথ মন্ডল (৫৩) । সে উত্তর ২৪ পরগনার বসিরহাটের হিঙ্গলগঞ্জের বাসিন্দা। এই খুনের ঘটনায় অভিযোগের তির তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছে তৃণমূল। আরও পড়ুনঃ করোনা সঙ্কট থেকে মুক্তি পেতে ১২৫ জায়গায় বৈদিক শান্তি যজ্ঞ ভারত সেবাশ্রমের জানা গেছে, বিজেপির কৃষি সুরক্ষা বিল ও আমফান দুর্নীতি নিয়ে যোগেশগঞ্জ এলাকায় একটি পথসভা হওয়ার কথা ছিল চলতি মাসের ১২ তারিখে। তবে বিশেষ কারণবশত, পুলিশি অনুমতি না পাওয়ায় ওই পথসভা বন্ধ হয়ে যায়। অভিযোগ, চলতি মাসের ১৩ তারিখে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা সকালে বিজেপির দলীয় পতাকা ছিড়ে দিতে থাকে। স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্বের উপর তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা চড়াও হয়। তাঁদের লোহার রড, ধারালো অস্ত্র, বাঁশ দিয়ে মারধর করে । এর ফলে ৫ জন বিজেপি কর্মী মারাত্মক জখম হয়। প্রথমে আহতদের যোগেশগঞ্জ হাসপাতালে ভর্তি করলে সেখানে তাঁদের অবস্থার অবনতি হওয়ায় বসিরহাট জেলা হাসপাতালে তাদের স্থানান্তরিত করা হয়। তার মধ্যে মঙ্গলচণ্ডী গ্রামের ২৩৪ নম্বর বুথের সহ সভাপতি বছর ৫৩-এর রবীন্দ্রনাথ মন্ডলকে মারাত্মক জখম অবস্থায় বসিরহাট জেলা হাসপাতাল থেকে কলকাতার এসএসকেএম-এ পাঠানো হয়। এরপর সোমবার রাতে কলকাতা এসএসকেএম হাসপাতালে মৃত্যু হয় তাঁর। এই ঘটনার জেরে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। পরিবারের তরফ থেকে দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানানো হয়েছে। গোটা ঘটনায় তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা জড়িত বলে বিজেপির স্থানীয় নেতৃত্বের অভিযোগ। যদিও অভিযোগ অস্বীকার করেছে তৃমমূল। এই ঘটনায় দুষ্কৃতীদের অবিলম্বে গ্রেফতারের দাবিতে বিজেপি কর্মীরা আন্দোলনে নামার হুঁশিয়ারি দিয়েছে। হেমনগর কোস্টাল থানার পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।

অক্টোবর ২০, ২০২০
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 21
  • 22
  • 23
  • 24
  • 25
  • 26
  • 27
  • 28
  • 29
  • 30
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

৩১ অগস্টের পরেও কি থাকবে চাকরি? ২৬ হাজার মামলায় বড় নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের

২৬ হাজার শিক্ষক-শিক্ষাকর্মীর চাকরি বাতিল সংক্রান্ত মামলায় আপাতত বড় স্বস্তি পেলেন যোগ্য প্রার্থীরা। ২০১৬ সালের স্কুল সার্ভিস কমিশনের (এসএসসি) নিয়োগ সংক্রান্ত মামলায় সুপ্রিম কোর্টের আগের নির্দেশই আপাতত বহাল থাকছে। ফলে নতুন করে শুনানি এবং পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত যোগ্য হিসেবে চিহ্নিত শিক্ষক-শিক্ষিকাদের চাকরি নিয়ে তাৎক্ষণিক অনিশ্চয়তা তৈরি হচ্ছে না।২০১৬ সালের নিয়োগ প্রক্রিয়ায় ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ ওঠার পর দীর্ঘ আইনি লড়াই শুরু হয়। কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশের পর বিষয়টি গড়ায় সুপ্রিম কোর্টে। ২০২৫ সালের ৩ এপ্রিল শীর্ষ আদালত ২০১৬ সালের পুরো নিয়োগ প্রক্রিয়া বাতিলের নির্দেশ দেয়। আদালতের পর্যবেক্ষণ ছিল, নিয়োগ প্রক্রিয়ায় যোগ্য ও অযোগ্য প্রার্থীদের নির্ভুল ভাবে আলাদা করা সম্ভব হয়নি।পরবর্তী সময়ে রাজ্যের শিক্ষাব্যবস্থা এবং স্কুলগুলিতে শিক্ষক-সংকটের কথা মাথায় রেখে যোগ্য শিক্ষকদের সাময়িক ভাবে চাকরিতে বহাল থাকার সুযোগ দেওয়া হয়েছিল। সেই অন্তর্বর্তী নির্দেশ অনুযায়ী ৩১ অগস্ট ২০২৬ পর্যন্ত তাঁদের চাকরি বহাল থাকার কথা ছিল। একই সঙ্গে নতুন করে স্বচ্ছ নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার নির্দেশও দেওয়া হয়েছিল।কিন্তু নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বিপুল সংখ্যক শূন্যপদে নতুন নিয়োগ সম্পূর্ণ করা সম্ভব হচ্ছে না বলে আদালতের দ্বারস্থ হন সংশ্লিষ্টরা। তাঁদের বক্তব্য, এত অল্প সময়ের মধ্যে নতুন নিয়োগ প্রক্রিয়া শেষ না হলে যোগ্য শিক্ষকরা ফের চাকরি হারানোর আশঙ্কায় পড়বেন।এই পরিস্থিতিতে মঙ্গলবার সুপ্রিম কোর্টে মামলার শুনানিতে জানানো হয়েছে, নতুন অন্তর্বর্তী আবেদনের ভিত্তিতে চূড়ান্ত শুনানি না হওয়া পর্যন্ত আগের নির্দেশই কার্যকর থাকবে। ফলে আপাতত যোগ্য শিক্ষক-শিক্ষিকাদের জন্য স্বস্তির পরিস্থিতি তৈরি হল।তবে এই নির্দেশকে চূড়ান্ত রায় হিসেবে দেখা হচ্ছে না। পরবর্তী শুনানিতে আদালত কী সিদ্ধান্ত নেয়, তার উপরই নির্ভর করবে ২৬ হাজার চাকরি মামলায় যোগ্য শিক্ষকদের ভবিষ্যৎ। ফলে আপাতত স্বস্তি মিললেও পুরোপুরি অনিশ্চয়তা কাটছে না।

আগস্ট ২৫, ২০২৬
রাজ্য

লন্ডনের রাস্তায় ভিক্ষুক কেন? বিষয়টা হল মন্ত্রীর বাচনভঙ্গী। আসল অভিমুখের সমস্যা দেখুন।

মানবিক আচরণ করুন, পার্কস্ট্রিটের ফুটপাথবাসী পরিবারের পাশে কুণালফুটপাথে শিশুর দুধ গরম করা নিয়ে পুরমন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পালের মন্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক বিতর্কের মধ্যেই পার্কস্ট্রিটের ওই ফুটপাথবাসী পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন তৃণমূল বিধায়ক কুণাল ঘোষ। এদিন তিনি ওই পরিবারের সঙ্গে দেখা করেন। একই সঙ্গে পার্কস্ট্রিট থানার পুলিশের কাছেও পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে মানবিক আচরণের আবেদন জানান তিনি।কুণাল ঘোষের বক্তব্য, ফুটপাথে বসবাসকারী মানুষও সমাজেরই অংশ। তাঁদের সঙ্গে সহানুভূতিশীল ও মানবিক আচরণ করা প্রয়োজন। বিশেষ করে কোনও পরিবারের শিশু, মহিলা বা অসহায় সদস্যদের বিষয়টি বিবেচনা করে প্রশাসনের আরও সংবেদনশীল হওয়া উচিত বলেই মনে করেন তিনি।অগ্নিমিত্রা পালের আচরণ ও মন্তব্য প্রসঙ্গে কুণালের বক্তব্যের মূল সুর ছিলকোনও সমস্যার সমাধান করতে গিয়ে অসহায় মানুষকে হেয় বা অপমান করা উচিত নয়। ফুটপাথে কেন কোনও পরিবারকে থাকতে হচ্ছে, সেই বৃহত্তর সামাজিক ও মানবিক সমস্যাটিও প্রশাসনকে দেখতে হবে। সামাজ মাধ্যমে এক ব্যক্তির প্রশ্নের উত্তরে কুনাল ঘোষ লেখেন, দিল্লী বা লন্ডনের রাস্তায় ভিক্ষুক কেন? রাস্তায় ভিক্ষুক এ বিষয়টার থেকেও গুরুত্বপূর্ন হল মন্ত্রীর বাচনভঙ্গী বলেন কুনাল ঘোষ।এদিকে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বাম ও তৃণমূল শিবির থেকে অগ্নিমিত্রা পালের সমালোচনা শুরু হয়েছে। বাম নেত্রী কনীনিকা ঘোষও পুরমন্ত্রীর আচরণের নিন্দা করেছেন।যদিও রাজনৈতিক চাপানউতোরের মাঝেই অগ্নিমিত্রা পালের পাশে দাঁড়িয়েছেন বিজেপি বিধায়ক কৌস্তভ বাগচি। তাঁর দাবি, ওই পরিবারের নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখেই পুরমন্ত্রী পদক্ষেপ করেছিলেন। বিষয়টিকে নেগেটিভ ভাবে তুলে ধরা হচ্ছে বলেও দাবি তাঁর।ফলে ফুটপাথে শিশুর দুধ গরম করা নিয়ে শুরু হওয়া বিতর্ক ক্রমেই রাজনৈতিক তরজায় পরিণত হয়েছে। একদিকে ফুটপাথবাসী পরিবারের প্রতি মানবিক আচরণের দাবি, অন্যদিকে তাঁদের নিরাপত্তার যুক্তিদুই ভিন্ন অবস্থানকে ঘিরেই এখন সরগরম রাজ্য রাজনীতি।

আগস্ট ২৪, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

যুবভারতীতে লাল-হলুদ ঝড়, বাগানকে উড়িয়ে ২২ বছর পর ডুরান্ড ইস্টবেঙ্গলের

২২ বছরের অপেক্ষার অবসান। কলকাতার যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে ডুরান্ড কাপের ফাইনালে মোহনবাগানকে ৪-১ গোলে উড়িয়ে দিয়ে ফের ট্রফি ঘরে তুলল ইস্টবেঙ্গল। ডার্বির মঞ্চে এমন একতরফা জয় যে লাল-হলুদ সমর্থকদের কাছেও ছিল প্রায় অবিশ্বাস্য। আর সেই জয়ের কেন্দ্রে একটাই নামএডমুন্ড লালরিনডিকা। দুরন্ত হ্যাটট্রিক করে তিনিই হয়ে উঠলেন রাতের নায়ক।গ্রুপ পর্বে মোহনবাগানের কাছে হারের যন্ত্রণা ছিল ইস্টবেঙ্গলের। ফাইনালের মঞ্চে সেই হারের জবাব দেওয়ার সুযোগও ছিল। কিন্তু জবাবটা যে এতটা নির্মম হবে, তা সম্ভবত কেউই ভাবেননি। ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণের ঝড় তুলে মাত্র ২২ মিনিটের মধ্যেই তিন গোল করে ইস্টবেঙ্গল কার্যত ম্যাচের ভাগ্য লিখে ফেলে।শুরুটা করেন বিপিন সিংহ। মোহনবাগানের রক্ষণ তখনও নিজেদের মধ্যে সামলে ওঠার চেষ্টা করছে। সেই সুযোগেই ইস্টবেঙ্গলের আক্রমণ পৌঁছে যায় বিপজ্জনক জায়গায়। বিপিনের গোলের পর আরও ভয়ঙ্কর হয়ে ওঠে লাল-হলুদ আক্রমণ। মুহূর্তের মধ্যে জোড়া গোল করে ব্যবধান বাড়িয়ে দেন এডমুন্ড।৩-০ পিছিয়ে গিয়ে মোহনবাগান কিছুটা ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করেছিল। মনবীর সিংহ ব্যক্তিগত দক্ষতায় একটি গোল শোধও করেন। কিন্তু সেই প্রত্যাবর্তনের সম্ভাবনাও বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি। প্রথমার্ধ শেষ হওয়ার আগেই ফের গোল করে নিজের হ্যাটট্রিক সম্পূর্ণ করেন এডমুন্ড। এক ফাইনালের প্রথমার্ধেই চার গোলতার মধ্যে তিনটি একই ফুটবলারের! যুবভারতীর গ্যালারিতে তখন কার্যত লাল-হলুদ উৎসব।দ্বিতীয়ার্ধে মোহনবাগান ব্যবধান কমানোর চেষ্টা করলেও ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি ছিল ইস্টবেঙ্গলের হাতে। সবুজ-মেরুন আক্রমণে সেই ধার দেখা যায়নি, যা একটি ডার্বি ফাইনালে প্রত্যাশিত। বরং ইস্টবেঙ্গল সুযোগ পেলেই দ্রুত আক্রমণে উঠে এসেছে এবং আরও গোলের সম্ভাবনা তৈরি করেছে। শেষ পর্যন্ত ৪-১ স্কোরলাইনেই শেষ হয় ম্যাচ।ইস্টবেঙ্গলের সাফল্যের অন্যতম বড় কারণ ছিল দলের সামগ্রিক সংগঠন। মাঝমাঠে মহম্মদ রশিদ ছিলেন অসাধারণ। বল নিয়ন্ত্রণ, পাসিং এবং খেলা পরিচালনায় বারবার তিনি মোহনবাগানের ছন্দ নষ্ট করেছেন। তাঁর সঙ্গে জিকসন সিংহ, আনোয়ার আলি এবং জয় গুপ্তারাও নিজেদের দায়িত্ব নিখুঁত ভাবে পালন করেন।অন্যদিকে মোহনবাগানের সবচেয়ে বড় দুর্বলতা হয়ে দাঁড়ায় রক্ষণ। শুভাশিস বসু, আলবের্তো রদ্রিগেজ়দের মধ্যে সমন্বয়ের অভাব বারবার প্রকট হয়েছে। ইস্টবেঙ্গলের দ্রুত আক্রমণের সামনে তাঁরা অনেক সময়ই দিশেহারা হয়ে পড়েন। বিশেষ করে তৃতীয় ও চতুর্থ গোলের ক্ষেত্রে রক্ষণভাগের ভুল চোখে পড়ার মতো।মাঝমাঠেও মোহনবাগান প্রত্যাশিত প্রভাব ফেলতে পারেনি। আপুইয়া এবং অনিরুদ্ধ থাপা কার্যত নিষ্প্রভ ছিলেন। আক্রমণে জেমি ম্যাকলারেনও একাধিক সহজ সুযোগ নষ্ট করেন। মনবীর গোল করলেও দলকে ম্যাচে ফেরানোর মতো ধারাবাহিকতা তৈরি করতে পারেননি।ফাইনালের আগে মোহনবাগানের ক্লান্তি নিয়ে আলোচনা ছিল। শিলংয়ে সেমিফাইনাল, প্রতিকূল আবহাওয়া এবং কর্দমাক্ত মাঠে খেলার ধকলসবই ছিল। কিন্তু ডার্বির মতো বড় ফাইনালে সেই ক্লান্তিকে অজুহাত হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। ইস্টবেঙ্গলও একই টুর্নামেন্টের চাপ সামলে মাঠে নেমেছিল, অথচ তাদের ফুটবলারদের মধ্যে ছিল অনেক বেশি তাগিদ, ক্ষুধা এবং জয়ের মানসিকতা।আর সেই মানসিকতারই সবচেয়ে বড় প্রতিফলন এডমুন্ডের হ্যাটট্রিকে। তিন গোল করে শুধু ম্যাচের সেরা ফুটবলারই হলেন না, ডুরান্ডের ইতিহাসে ইস্টবেঙ্গলের প্রত্যাবর্তনের রাতটিকেও নিজের নামে লিখে দিলেন তিনি।মজার বিষয়, ম্যাচের বিভিন্ন পরিসংখ্যানে মোহনবাগান কিছু ক্ষেত্রে এগিয়ে থাকলেও তার কোনও প্রভাব পড়েনি স্কোরলাইনে। কারণ ফুটবল শুধু বল দখল বা শটের সংখ্যা দিয়ে জেতা যায় নাবড় ম্যাচে প্রয়োজন সঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্ত এবং সুযোগকে গোলে পরিণত করার ক্ষমতা। সেই পরীক্ষায় রবিবার সম্পূর্ণ সফল ইস্টবেঙ্গল।২২ বছর আগে শেষ বার ডুরান্ড কাপ জিতেছিল ইস্টবেঙ্গল। তারপর দীর্ঘ অপেক্ষা, হতাশা এবং একের পর এক অসম্পূর্ণ স্বপ্ন। সেই অপেক্ষার অবসান হল চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী মোহনবাগানকে ৪-১ গোলে হারিয়েই। ফলে এই জয় শুধু একটি ট্রফি জয় নয়লাল-হলুদ সমর্থকদের কাছে এটি দীর্ঘ অপেক্ষার পর ফিরে পাওয়া গৌরবের রাত।একদিকে এডমুন্ডের হ্যাটট্রিক, অন্যদিকে মোহনবাগানের রক্ষণভাগের বিপর্যয়সব মিলিয়ে যুবভারতীতে রবিবারের ডার্বি যেন হয়ে রইল এক লাল-হলুদ ঝড়ের রাত।তবে ইস্টবেঙ্গল সমর্থকদের মনে হয়তো শেষ পর্যন্ত একটাই আক্ষেপ থেকে গেলচার নয়, আরও কয়েকটি গোল হতে পারত!

আগস্ট ২৩, ২০২৬
টুকিটাকি

কাঁচা কুমড়ো না পাকা কুমড়ো, কোনটি বেশি উপকারী?

কুমড়ো বাঙালির রান্নাঘরের অতি পরিচিত একটি সবজি। কাঁচা সবুজ কুমড়ো হোক বা পাকা হলুদ-কমলা কুমড়ো, দুটিরই রয়েছে নানা পুষ্টিগুণ। তবে পরিপক্বতার সঙ্গে কুমড়োর পুষ্টি উপাদানে কিছুটা পরিবর্তন ঘটে। বিশেষ করে পাকা কমলা কুমড়ো বিটা-ক্যারোটিনের অন্যতম ভালো উৎস হিসেবে পরিচিত।কাঁচা কুমড়োতে তুলনামূলকভাবে ভিটামিন C-এর পরিমাণ বেশি থাকতে পারে। এতে ক্যালোরিও কম, ফলে ওজন নিয়ন্ত্রণের খাদ্যতালিকায় এটি রাখা যেতে পারে। কিছু জাতের অপরিপক্ব কুমড়োতে অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট কার্যকারিতাও দেখা যায়। তবে কাঁচা কুমড়ো রান্না করে খাওয়াই ভালো, কারণ তাতে হজম সহজ হয়।অন্যদিকে, পাকা হলুদ বা কমলা কুমড়োর প্রধান বৈশিষ্ট্য হল প্রচুর বিটা-ক্যারোটিন। শরীর এই উপাদানকে ভিটামিন A-তে রূপান্তর করে। ফলে চোখের স্বাস্থ্য, ত্বক এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বজায় রাখতে পাকা কুমড়ো উপকারী। এতে লুটেইন ও জিয়াজ্যানথিনের মতো অ্যান্টিঅক্সিড্যান্টও রয়েছে। রান্না করলে কুমড়োর বিটা-ক্যারোটিন শরীর তুলনামূলক সহজে শোষণ করতে পারে।কুমড়োকে ক্যানসারের ওষুধ বা নিশ্চিত প্রতিরোধক বলা যায় না। তবে এতে থাকা ক্যারোটিনয়েড, পলিফেনল, ভিটামিন C ও E এবং খাদ্যআঁশ শরীরকে অক্সিডেটিভ ক্ষতি থেকে রক্ষা করতে ভূমিকা রাখতে পারে। তাই স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাসের অংশ হিসেবে কুমড়ো খাওয়া উপকারী হতে পারে।কুমড়োর বীজেও রয়েছে প্রোটিন, স্বাস্থ্যকর অসম্পৃক্ত চর্বি, জিঙ্ক, ম্যাগনেসিয়াম ও ভিটামিন E। হৃদ্স্বাস্থ্য ও সামগ্রিক পুষ্টির জন্য এগুলি গুরুত্বপূর্ণ।পুষ্টিগত বিচারে বিটা-ক্যারোটিনের জন্য পাকা কমলা কুমড়ো কিছুটা এগিয়ে থাকলেও কাঁচা কুমড়োকেও খাদ্যতালিকা থেকে বাদ দেওয়ার কারণ নেই। অল্প তেলে রান্না করে, অতিরিক্ত ভাজা বা চিনি এড়িয়ে কুমড়ো খাওয়াই ভালো। সব মিলিয়ে, বিভিন্ন ধরনের সবজি, ডাল ও স্বাস্থ্যকর খাবারের সঙ্গে কুমড়ো রাখলেই মিলবে বেশি সুষম পুষ্টি।

আগস্ট ২৩, ২০২৬
রাজ্য

ওয়াকফ-অশান্তির মামলায় নাম, এবার তৃণমূল ছেড়ে অধীরের হাত ধরে কংগ্রেসে ইনজামুল! কেন এই দলবদল?

ওয়াকফ সংশোধিত আইনকে কেন্দ্র করে অশান্তির ঘটনার পর থেকেই বিতর্কে ছিলেন ধুলিয়ানের পুরপ্রধান ইনজামুল ইসলাম রাজা। এবার সেই ইনজামুলই তৃণমূল ছেড়ে কংগ্রেসে যোগ দিলেন। রবিবার প্রদেশ কংগ্রেসের প্রাক্তন সভাপতি অধীর রঞ্জন চৌধুরীর হাত ধরে কংগ্রেসে যোগ দেন তিনি। তাঁর এই দলবদল ঘিরে মুর্শিদাবাদের রাজনীতিতে নতুন করে চর্চা শুরু হয়েছে।গত বছর সংশোধিত ওয়াকফ আইনকে কেন্দ্র করে জঙ্গিপুরের সামশেরগঞ্জ, সুতি এবং ধুলিয়ানে অশান্তি ছড়িয়েছিল। সেই ঘটনায় ইনজামুল ইসলাম রাজার বিরুদ্ধে প্ররোচনা দেওয়ার অভিযোগ ওঠে। বর্তমানে সেই মামলা চলছে। তবে তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ইনজামুল। তাঁর দাবি, রাজনৈতিক কারণে তাঁকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো হয়েছে।রবিবার ধুলিয়ানের কাঞ্চনতলা ঘাটে কংগ্রেসের যোগদান সভায় বড়সড় দলবদল হয়। ইনজামুল ইসলাম রাজার পাশাপাশি ধুলিয়ান পুরসভার ভাইস চেয়ারম্যান খায়রুল আলম, কাউন্সিলর শরিফ শেখ, ফারহানা খাতুন-সহ একাধিক কাউন্সিলর এবং তৃণমূলের কর্মীরা কংগ্রেসে যোগ দেন। একই দিনে মুর্শিদাবাদ জেলা পরিষদের প্রাক্তন সহকারী সভাধিপতি ওবায়দুর রহমানও কংগ্রেসে যোগ দিয়েছেন।ইনজামুলের দলবদলকে ঘিরে রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়েছে। বিজেপির দক্ষিণ মালদহ সাংগঠনিক জেলার সহ-সভাপতি মিলন ঘোষ কটাক্ষ করে দাবি করেন, তৃণমূলের দুর্নীতি থেকে বাঁচতেই অনেকে দলবদল করছেন। সামশেরগঞ্জের অশান্তিতে যাঁদের নাম উঠেছিল, তাঁরাও নিজেদের বাঁচাতে দল পরিবর্তন করছেন বলে অভিযোগ করেন তিনি। তবে দলবদল করেও তাঁরা আইনি পরিস্থিতি থেকে রেহাই পাবেন না বলেও দাবি করেন বিজেপি নেতা।বিজেপির এই অভিযোগ অবশ্য সরাসরি খারিজ করেছেন ইনজামুল ইসলাম রাজা। তাঁর দাবি, সামশেরগঞ্জের অশান্তির সঙ্গে তাঁর কোনও যোগ ছিল না। রাজনৈতিক কারণে তাঁর বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা করা হয়েছে। সেই মামলার বিরুদ্ধে তিনি আইনি লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন।রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পর মুর্শিদাবাদে তৃণমূলের এই ভাঙন বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। ধুলিয়ান পুরসভার একাধিক জনপ্রতিনিধির একসঙ্গে দলবদল স্থানীয় রাজনীতিতে নতুন সমীকরণের ইঙ্গিত দিচ্ছে। বিশেষ করে ওয়াকফ-অশান্তির মামলা চলার মধ্যেই ইনজামুলের কংগ্রেসে যোগদান ঘিরে প্রশ্ন আরও জোরালো হয়েছে।এ দিনের যোগদান সভায় উপস্থিত ছিলেন অধীর রঞ্জন চৌধুরী, দক্ষিণ মালদহের সাংসদ ইশা খান চৌধুরী, ফরাক্কার বিধায়ক মনিরুল ইসলাম এবং জঙ্গিপুর মহকুমা কংগ্রেসের সভাপতি আলফাজুদ্দিন বিশ্বাস-সহ জেলা ও ব্লক স্তরের কংগ্রেস নেতৃত্ব।

আগস্ট ২৩, ২০২৬
কলকাতা

হঠাৎ বাংলায় এত বড় বিনিয়োগ! জাহাজ শিল্পে পাঁচ প্রকল্পের সূচনায় বাড়ল আশার আলো

পশ্চিমবঙ্গে জাহাজ নির্মাণ এবং প্রতিরক্ষা শিল্পের পরিকাঠামো আরও শক্তিশালী করার লক্ষ্যে বড় উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। গার্ডেনরিচ শিপবিল্ডার্সের ভবনে পাঁচটি সম্প্রসারণ প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়। এই পাঁচটি প্রকল্পে মোট ৩৪০৪ কোটি টাকা বিনিয়োগ করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।এই উদ্যোগের মধ্যে রয়েছে রাইচক CPR, টিম্বার পন্ট শিপবিল্ডিং ফ্যাসিলিটি, দামোদর শিপবিল্ডিং ফ্যাসিলিটি, রেডিয়াল ফোরজিং প্ল্যান্ট এবং ৩০০০ টন ওপেন-ডাই ফোরজিং প্রেস প্রকল্প। জাহাজ নির্মাণের পাশাপাশি প্রতিরক্ষা উৎপাদনের ক্ষেত্রেও এই প্রকল্পগুলি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।অনুষ্ঠানে বাংলায় বিনিয়োগ আনার ক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংয়ের ভূমিকার প্রশংসা করেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর প্রতি কৃতজ্ঞতাও প্রকাশ করেন তিনি। মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য, বাংলায় শিল্প গড়ে তোলার জন্য প্রয়োজনীয় জমি, দক্ষ মানবসম্পদ, পরিকাঠামো এবং কাঁচামাল রয়েছে। এতদিন এই সম্ভাবনাকে সঠিকভাবে কাজে লাগানো হয়নি বলেও দাবি করেন তিনি।কেন্দ্র ও রাজ্য সরকার একসঙ্গে কাজ করলে বাংলায় আরও বড় বিনিয়োগ আসতে পারে বলে বার্তা দেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর দাবি, নতুন সরকারের আমলে কেন্দ্র ও রাজ্যের সমন্বয়ের ফলে উন্নয়নের গতি আরও বাড়ছে।সীমান্ত সুরক্ষার প্রসঙ্গও উঠে আসে মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্যে। সীমান্তরক্ষী বাহিনীর জন্য জমি দেওয়া কোনও রাজনৈতিক বিষয় নয়, বরং রাজ্য সরকারের দায়িত্ব বলেই মন্তব্য করেন তিনি। নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর সীমান্তরক্ষী বাহিনীর জন্য প্রয়োজনীয় জমির প্রায় ৯০ শতাংশ হস্তান্তর করা হয়েছে বলেও দাবি করা হয়।দীর্ঘদিন বন্ধ থাকা জনগণনা সংক্রান্ত কাজও ফের শুরু হয়েছে বলে জানান মুখ্যমন্ত্রী। একইসঙ্গে রাজ্যে বেকারত্ব কমাতে শিল্পায়ন এবং বড় বিনিয়োগের উপর জোর দেওয়ার কথা বলেন তিনি।গার্ডেনরিচ শিপবিল্ডার্সের সম্প্রসারণের ক্ষেত্রেও রাজ্য সরকার জমি এবং পরিকাঠামো সংক্রান্ত বিষয়ে সহযোগিতা করবে বলে আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। ৩৪০৪ কোটি টাকার এই বিনিয়োগ দিয়েই উদ্যোগ শেষ নয়, আগামী দিনে বাংলায় আরও বড় বিনিয়োগ আসতে পারে বলেও আশা প্রকাশ করা হয়েছে।জাহাজ নির্মাণ এবং প্রতিরক্ষা উৎপাদনের পাশাপাশি এই ধরনের শিল্প প্রকল্পের মাধ্যমে কর্মসংস্থানের সুযোগও বাড়বে বলে মনে করা হচ্ছে। বাংলাকে ফের দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ শিল্প ও অর্থনৈতিক কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ বলে বার্তা দেওয়া হয়েছে।

আগস্ট ২৩, ২০২৬
কলকাতা

মহাকাশে বদলে যাচ্ছে ভারতের ছবি! স্টার্টআপ প্রধানদের সঙ্গে বৈঠকে কী বললেন মোদী?

জাতীয় মহাকাশ দিবসে দেশের মহাকাশ ক্ষেত্রে নতুন সম্ভাবনার কথা বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। রবিবার দেশের প্রথম সারির মহাকাশ স্টার্টআপগুলির প্রধানদের সঙ্গে বৈঠক করেন তিনি। বৈঠকে ভারতের মহাকাশ ক্ষেত্রে স্টার্টআপগুলির উদ্যম, উচ্চাকাঙ্ক্ষা এবং নতুন ভাবনার প্রশংসা করেন প্রধানমন্ত্রী। পাশাপাশি সাধারণ মানুষের জীবন আরও সহজ করতে মহাকাশ প্রযুক্তির নতুন ব্যবহার খুঁজে বার করার পরামর্শ দেন তিনি।মোদী বলেন, মহাকাশ প্রযুক্তিকে শুধু প্রচলিত কাজের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখলে চলবে না। মানুষের দৈনন্দিন জীবনের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানেও এই প্রযুক্তিকে কাজে লাগাতে হবে। প্রযুক্তির মাধ্যমে মানুষের জীবনযাত্রার মান কীভাবে আরও উন্নত করা যায়, সেই বিষয়ে নতুন করে ভাবার পরামর্শ দেন তিনি।ভারতের মহাকাশ ক্ষেত্রের ভবিষ্যৎ নিয়েও স্টার্টআপ প্রধানদের সঙ্গে আলোচনা করেন প্রধানমন্ত্রী। তাঁদের আত্মবিশ্বাস এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার প্রশংসা করে তিনি সরকারি নীতির ধারাবাহিকতার উপর জোর দেন। তাঁর বক্তব্য, সরকারের সিদ্ধান্তের উপর মহাকাশ ক্ষেত্রে কাজ করা সংস্থাগুলির যে আস্থা তৈরি হয়েছে, তা ধরে রাখা অত্যন্ত জরুরি।বিশ্বের মহাকাশ অর্থনীতিতে ভারতকে আরও বড় জায়গায় নিয়ে যাওয়ার কথাও বলেন মোদী। তাঁর আশা, আগামী দিনে মহাকাশ ক্ষেত্রে কোনও বড় প্রযুক্তিগত সাফল্য এলেই বিশ্বের নজর ভারতের স্টার্টআপগুলির দিকে ঘুরবে। ভারতীয় সংস্থাগুলি যেন বিশ্ব মহাকাশ ক্ষেত্রে নিজেদের শক্তিশালী পরিচয় তৈরি করতে পারে, সেই লক্ষ্যেই এগোতে হবে বলে বার্তা দেন তিনি।মহাকাশ স্টার্টআপ, মহাকাশ সংস্থা এবং বৃহত্তর প্রযুক্তি ক্ষেত্রের মধ্যে আরও বেশি সহযোগিতার প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। বিদেশে কাজ করা ভারতীয় দক্ষ পেশাদারদের দেশে ফিরে আসার প্রবণতাকেও ইতিবাচক বলে উল্লেখ করেন তিনি। তাঁর মতে, ভারতে এমন পরিবেশ তৈরি করা প্রয়োজন, যাতে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের দক্ষ মানুষ মহাকাশ ক্ষেত্রে কেরিয়ার গড়ার জন্য ভারতকে অন্যতম সেরা ঠিকানা হিসেবে বেছে নেন।মোদীর বক্তব্য, ভারতীয় মহাকাশ স্টার্টআপগুলির দ্রুত বৃদ্ধি আগামী দিনে বিশ্বের প্রতিভাবান পেশাদারদের আকৃষ্ট করতে পারে। শুধু দেশের প্রতিভা নয়, গোটা বিশ্বের দক্ষ মানুষকে ভারতের মহাকাশ ক্ষেত্রের সঙ্গে যুক্ত করার লক্ষ্যেই এগোতে হবে। জাতীয় মহাকাশ দিবসে প্রধানমন্ত্রীর এই বার্তায় মহাকাশ ক্ষেত্রে ভারতের ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন করে প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে।

আগস্ট ২৩, ২০২৬
রাজ্য

আবার নিম্নচাপের চোখরাঙানি! রবিবার থেকে মঙ্গলবার ভিজবে বাংলা, কোথায় ভারী বৃষ্টির আশঙ্কা?

রবিবার থেকেই বাংলার আবহাওয়ায় ফের বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিয়েছে আবহাওয়া দফতর। সকাল থেকেই আকাশ মেঘলা। উপকূলের দিকে ইতিমধ্যেই মেঘ ঢুকতে শুরু করেছে। ফলে রবিবার থেকে বৃষ্টি বাড়তে পারে। আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী মঙ্গলবার পর্যন্ত রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় বৃষ্টি চলতে পারে।গত সপ্তাহে নিম্নচাপের জেরে প্রবল বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত হয়েছিল দক্ষিণবঙ্গ। কলকাতা-সহ প্রায় সব জেলাতেই বৃষ্টি হয়েছিল। বহু জায়গায় জল জমে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ বাড়ে। এর মধ্যেই বঙ্গোপসাগরে ফের একটি নিম্নচাপ তৈরি হয়েছে। অগস্ট মাসে এটি তৃতীয় নিম্নচাপ বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর। নতুন এই নিম্নচাপের প্রভাবে আগামী কয়েক দিন রাজ্যে বৃষ্টির পরিমাণ বাড়তে পারে।আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, নতুন নিম্নচাপটি বাংলা ও ওড়িশা উপকূলের কাছে অবস্থান করছে। এর প্রভাবে উপকূলবর্তী এবং পশ্চিমাঞ্চলের জেলাগুলিতে বৃষ্টি বেশি হতে পারে। কলকাতায় হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।রবিবার দক্ষিণ ২৪ পরগনায় ভারী বৃষ্টির হলুদ সতর্কতা জারি করা হয়েছে। একই সঙ্গে দুই মেদিনীপুর এবং ঝাড়গ্রামেও ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। সোমবার ঝাড়গ্রাম, পুরুলিয়া এবং বাঁকুড়ায় ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। তবে নিম্নচাপের মূল প্রভাব পড়তে পারে ওড়িশা এবং ছত্তীসগঢ়ে।দক্ষিণবঙ্গের পর মঙ্গলবার থেকে উত্তরবঙ্গেও ভারী বৃষ্টির সতর্কতা জারি হয়েছে। দার্জিলিং, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার এবং জলপাইগুড়িতে ভারী বৃষ্টি হতে পারে। বুধবার কোচবিহার, আলিপুরদুয়ার এবং জলপাইগুড়িতে ভারী বৃষ্টির হলুদ সতর্কতা রয়েছে।বৃহস্পতিবারও রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে। ফলে সপ্তাহের শুরু থেকেই ফের বৃষ্টির দাপট দেখা দিতে পারে বাংলায়। নতুন নিম্নচাপের গতিপথ এবং শক্তি বদলালে বৃষ্টির পূর্বাভাসেও পরিবর্তন হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর।

আগস্ট ২৩, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal