• ২১ আষাঢ় ১৪৩৩, বৃহস্পতি ০৯ জুলাই ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Bengal

রাজ্য

ভোটের আগে বড় চাঞ্চল্য! বীরভূমে ট্রাক্টর ভরা বিস্ফোরক উদ্ধার

ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণার পরেই রাজ্যে বাড়ছে উত্তেজনা। এর মধ্যেই বীরভূমে বিপুল পরিমাণ বিস্ফোরক উদ্ধার হওয়ায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। নলহাটি থানার কাদাসির গ্রামে গ্রামবাসীরাই একটি সন্দেহজনক ট্রাক্টর আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দেন।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই ট্রাক্টর থেকে প্রায় দশ হাজার জিলেটিন স্টিক এবং তিনশো ষাটটি ডিটোনেটর উদ্ধার করা হয়েছে। তবে এই ঘটনায় এখনও কাউকে গ্রেফতার করা যায়নি।স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, মঙ্গলবার রাতে গ্রামের রাস্তা দিয়ে একটি ট্রাক্টর যাচ্ছিল। সেটি দেখে তাঁদের সন্দেহ হয়। এরপর তাঁরা ট্রাক্টরটি আটকালে চালক পালিয়ে যায়। পরে দেখা যায়, ট্রাক্টরটি বিস্ফোরকে ভর্তি।খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে নলহাটি থানার পুলিশ ট্রাক্টর এবং বিস্ফোরক বাজেয়াপ্ত করে। কে বা কারা এই বিস্ফোরক কোথায় নিয়ে যাচ্ছিল, তা নিয়ে তদন্ত শুরু হয়েছে।ভোটের আগে এই ঘটনার পর এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করা হোক এবং এর পিছনে কারা রয়েছে, তা দ্রুত সামনে আনা হোক।

মার্চ ১৮, ২০২৬
রাজ্য

ভোটের আগে বড় ঝাঁকুনি! একসঙ্গে ১১ জেলাশাসক বদলি, চাঞ্চল্য

ভোটের মুখে বড় সিদ্ধান্ত নিল নির্বাচন কমিশন। রাজ্যের একাধিক জেলার জেলাশাসক এবং জেলা নির্বাচনী আধিকারিকদের একযোগে বদলি করা হয়েছে। বুধবার সকালে প্রথমে কয়েকজন পুলিশ আধিকারিককে বদলি করা হয়। তার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ১১টি জেলার জেলাশাসক বদলের নির্দেশ জারি করে কমিশন।যে জেলাগুলিতে এই বদল করা হয়েছে, তার মধ্যে রয়েছে কোচবিহার, জলপাইগুড়ি, উত্তর দিনাজপুর, মালদহ, মুর্শিদাবাদ, নদিয়া, পূর্ব বর্ধমান, উত্তর ২৪ পরগণা, দক্ষিণ ২৪ পরগণা, দার্জিলিং এবং আলিপুরদুয়ার। এই সব জেলার জেলাশাসকেরা একই সঙ্গে জেলা নির্বাচনী আধিকারিক হিসেবেও কাজ করছিলেন।কমিশনের নির্দেশ অনুযায়ী নতুন করে বিভিন্ন জেলায় নতুন জেলাশাসক নিয়োগ করা হয়েছে। একই সঙ্গে কলকাতা পুরসভার কমিশনার এবং দক্ষিণ কলকাতার জেলা নির্বাচনী আধিকারিককেও সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। তাঁদের জায়গায় নতুন আধিকারিকদের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, এই নির্দেশ অবিলম্বে কার্যকর করতে হবে। নতুন দায়িত্বপ্রাপ্ত আধিকারিকদের দ্রুত কাজে যোগ দেওয়ার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি যাঁদের সরানো হয়েছে, তাঁদের ভোট সংক্রান্ত কোনও কাজে যুক্ত না থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যতদিন না নির্বাচন প্রক্রিয়া শেষ হচ্ছে।এই বড় রদবদলের মধ্যে নির্বাচন সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকও ডাকা হয়েছে। সেখানে শীর্ষ পুলিশ ও প্রশাসনিক আধিকারিকদের উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে।ভোটের আগে হঠাৎ এত বড় প্রশাসনিক পরিবর্তনে রাজনৈতিক মহলে জোর চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। এই সিদ্ধান্তের প্রভাব নির্বাচনে কতটা পড়বে, তা নিয়ে এখন জোর আলোচনা চলছে।

মার্চ ১৮, ২০২৬
দেশ

‘সময় নষ্টের চেষ্টা’! আইপ্যাক মামলায় সুপ্রিম কোর্টে তীব্র তর্কে জড়াল রাজ্য ও কেন্দ্র

আইপ্যাক মামলাকে ঘিরে আবারও সুপ্রিম কোর্টে সময় চাইল রাজ্য সরকার। বুধবার বিচারপতি প্রশান্ত কুমার মিশ্র এবং বিচারপতি এন ভি আঞ্জারিয়ার বেঞ্চে রাজ্যের পক্ষ থেকে আইনজীবী কপিল সিব্বল আরও সময়ের আবেদন জানান। তিনি জানান, তাঁরা নিজেদের বক্তব্য জমা দেওয়ার জন্য কিছুটা সময় চান।এই আবেদনের বিরোধিতা করে কেন্দ্রের পক্ষ থেকে সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহেতা বলেন, এটি সময় নষ্ট করার চেষ্টা। তিনি অভিযোগ করেন, মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ রয়েছে এবং এতদিন পরেও সময় চাওয়া অস্বাভাবিক। বিচারপতিরাও মনে করিয়ে দেন, এর আগেই রাজ্যকে চার সপ্তাহ সময় দেওয়া হয়েছিল।রাজ্যের আইনজীবীরা বলেন, তাঁরা এখনও সম্পূর্ণভাবে নিজেদের বক্তব্য জমা দেওয়ার সুযোগ পাননি। তবে আদালত স্পষ্ট জানায়, বারবার সময় চাওয়া ঠিক নয়।এই মামলায় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলে রাজ্য। রাজ্যের দাবি, এই সংস্থা সরাসরি এই ধরনের মামলা করতে পারে না। সংবিধানের নিয়ম অনুযায়ী, এই অধিকার শুধুমাত্র ব্যক্তি বা কোনও বৈধ সংস্থার থাকতে পারে। তাই এই মামলার গ্রহণযোগ্যতা নিয়েও প্রশ্ন তোলা হয়েছে।অন্যদিকে, আদালতে জমা দেওয়া হলফনামায় তদন্তকারী সংস্থা জানিয়েছে, তল্লাশির সময় সংঘর্ষ এড়াতেই তাদের কাজ থামাতে হয়েছিল। অভিযোগ করা হয়েছে, তল্লাশির সময় বাইরের লোকজন ঢুকে পড়ায় তদন্তে সমস্যা তৈরি হয়।বিচারপতি পর্যবেক্ষণে বলেন, কোনও মুখ্যমন্ত্রীর এইভাবে তদন্ত চলাকালীন ঢুকে পড়া মোটেই ভালো দৃষ্টান্ত নয়। ভবিষ্যতে অন্যরাও একই কাজ করতে পারেন বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেন তিনি।এর আগে আদালত রাজ্যকে নির্দেশ দিয়েছিল, ওই ঘটনার সমস্ত ভিডিও এবং প্রমাণ সংরক্ষণ করতে। সেই প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ করার জন্যও সময় দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু ফের সময় চাওয়ায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে।এই মামলার সূত্রপাত হয় কলকাতায় একটি সংস্থার কর্তার বাড়ি ও অফিসে তল্লাশি নিয়ে। সেই তল্লাশিকে ঘিরেই এই আইনি লড়াই শুরু হয়। কেন্দ্রের অভিযোগ, তদন্তে বাধা দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে রাজ্যের দাবি, নির্বাচনের আগে সংবেদনশীল তথ্য সংগ্রহ করতেই এই তল্লাশি চালানো হয়েছিল।এই পরিস্থিতিতে আইপ্যাক মামলাকে ঘিরে রাজ্য ও কেন্দ্রের সংঘাত আরও তীব্র হয়েছে এবং পরবর্তী শুনানির দিকে এখন নজর সবার।

মার্চ ১৮, ২০২৬
রাজ্য

কল্যাণের পর এবার ছেলে! উত্তরপাড়ায় ভোটের লড়াইয়ে মীনাক্ষীর বিপরীতে কল্যান বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছেলে

বাবা একজন নামজাদা আইনজীবী এবং অভিজ্ঞ রাজনীতিবিদ। দীর্ঘদিন তিনি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে রাজনীতির ময়দানে লড়াই করে আসছেন। এবার সেই পথেই পা রাখলেন তাঁর ছেলে শীর্ষণ্য বন্দ্যোপাধ্যায়। উত্তরপাড়া বিধানসভা কেন্দ্রে তৃণমূলের প্রার্থী হিসেবে তাঁকেই বেছে নেওয়া হয়েছে।শীর্ষণ্য পেশায় একজন আইনজীবী। তিনি সরকারের পক্ষে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ মামলা লড়েছেন। বিভিন্ন বড় আইনি লড়াইয়ে তিনি অংশ নিয়েছেন। কলেজে নির্বাচন বন্ধ হওয়া নিয়ে হওয়া মামলাতেও তিনি আদালতে লড়েছিলেন। এছাড়াও একশো দিনের কাজ এবং নিয়োগ সংক্রান্ত মামলাতেও তিনি সক্রিয় ভূমিকা নিয়েছেন।এবার সেই আইনজীবীই সরাসরি রাজনীতির ময়দানে নেমেছেন। উত্তরপাড়ায় তাঁর প্রতিপক্ষ সিপিএমের মীনাক্ষী মুখোপাধ্যায়। ফলে এই কেন্দ্রের লড়াই এবার বেশ জমজমাট হতে চলেছে বলেই মনে করা হচ্ছে।শীর্ষণ্য জানিয়েছেন, রাজনীতির সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক নতুন নয়। বহু বছর আগে থেকেই তিনি ছাত্র রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন এবং তৃণমূলের হয়ে কাজ করেছেন। তিনি বলেন, ছাত্রজীবনে তিনি কলেজে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব সামলেছেন এবং সেই সময় থেকেই রাজনীতির অভিজ্ঞতা অর্জন করেছেন।তিনি আরও বলেন, ২০১১ সালের পর রাজ্যে সরকার পরিবর্তনের পর তাঁর লড়াই মূলত আদালতকেন্দ্রিক হয়ে যায়। তবে এবার সরাসরি ভোটের ময়দানে নামতে পেরে তিনি নিজেকে ভাগ্যবান মনে করছেন।শীর্ষণ্য জানান, তাঁকে এই সুযোগ দেওয়ার জন্য তিনি দলের নেতৃত্বের কাছে কৃতজ্ঞ। এর আগে তিনি দলের অন্য প্রার্থীর হয়ে ভোট চেয়েছেন, কিন্তু এবার প্রথমবার নিজের জন্য মানুষের কাছে সমর্থন চাইবেন। উত্তরপাড়ার মানুষের আশীর্বাদই তাঁর সবচেয়ে বড় শক্তি বলেও তিনি জানিয়েছেন।

মার্চ ১৮, ২০২৬
রাজ্য

শুক্রবার না শনিবার? অবশেষে সাপ্লিমেন্টারি তালিকা নিয়ে বড় আপডেট

ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণা হয়ে গিয়েছে এবং রাজনৈতিক দলগুলি জোরকদমে প্রচারে নেমে পড়েছে। কিন্তু রাজ্যের প্রায় ষাট লক্ষ ভোটার এখনও জানেন না, তাঁরা এবারের নির্বাচনে ভোট দিতে পারবেন কি না। তাঁদের নাম এখনও বিবেচনাধীন তালিকায় ঝুলে রয়েছে।নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, গত আটাশ ফেব্রুয়ারি চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশিত হয়। সেই তালিকায় প্রায় ষাট লক্ষ ভোটারের নাম বিবেচনাধীন অবস্থায় রাখা হয়েছে। এরপর দুই সপ্তাহের বেশি সময় কেটে গিয়েছে। এই সময়ের মধ্যে বিচার বিভাগীয় আধিকারিকরা সেই সব নাম খতিয়ে দেখে নিষ্পত্তি করছেন।এখনও পর্যন্ত প্রায় একুশ লক্ষ ভোটারের নামের নিষ্পত্তি হয়েছে বলে জানিয়েছে কমিশন। কমিশনের বিশেষ পর্যবেক্ষক সুব্রত গুপ্ত জানিয়েছেন, এই সপ্তাহের মধ্যেই প্রথম সম্পূরক তালিকা প্রকাশ হতে পারে। তাঁর কথায়, বিচার বিভাগীয় আধিকারিকরা খুব শীঘ্রই নিষ্পত্তি হওয়া নামগুলি কমিশনের হাতে তুলে দেবেন। বর্তমান পরিস্থিতি অনুযায়ী, শুক্রবার বা শনিবার এই তালিকা প্রকাশের সম্ভাবনা রয়েছে।তবে বড় প্রশ্ন রয়ে গিয়েছে বাকি প্রায় উনচল্লিশ লক্ষ ভোটারকে নিয়ে। ভোটের আগে এত অল্প সময়ের মধ্যে তাঁদের নামের নিষ্পত্তি করা সম্ভব কি না, তা নিয়ে সংশয় তৈরি হয়েছে। কারণ রাজ্যে এবার দুই দফায় ভোট হবে তেইশ ও উনত্রিশ এপ্রিল।এছাড়াও যাঁদের নাম বাদ পড়বে, তাঁদের ট্রাইব্যুনালে যাওয়ার সুযোগ থাকবে। কিন্তু সেই প্রক্রিয়া কবে শুরু হবে এবং কবে শেষ হবে, তা নিয়েও স্পষ্ট কিছু জানানো হয়নি।এই পরিস্থিতিতে রাজ্যের শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেস কমিশনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। রাজ্যের মন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য বলেন, বিষয়টির দায় হাইকোর্টের উপর চাপানোর চেষ্টা হচ্ছে। বিচারব্যবস্থার উপর তাঁদের আস্থা থাকলেও কমিশন কীভাবে আদালতের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করছে, তা স্পষ্ট নয় বলে তিনি অভিযোগ করেন। যাঁদের নাম বাদ যাবে, তাঁরা কবে ট্রাইব্যুনালে আবেদন করবেন এবং সেই প্রক্রিয়ার জন্য কত সময় দেওয়া হবে, সে বিষয়েও কোনও স্পষ্ট উত্তর পাওয়া যাচ্ছে না বলেই দাবি তাঁর।এই নিয়ে রাজ্য রাজনীতিতে উত্তেজনা বাড়ছে। ভোটের আগে এত বড় সংখ্যক ভোটারের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত থাকায় উদ্বেগও বাড়ছে।

মার্চ ১৮, ২০২৬
রাজ্য

দুর্নীতির অভিযোগে জড়িত কারা পেল টিকিট, কারা বাদ, তালিকায় চমক

রেশন দুর্নীতি হোক বা নিয়োগ দুর্নীতি, একাধিক মামলায় নাম জড়িয়েছিল রাজ্যের শাসক দলের অনেক নেতার। সেই সব অভিযোগে কেউ জেলে গিয়েছেন, কেউ এখনও আইনি প্রক্রিয়ার মধ্যে রয়েছেন। প্রার্থী তালিকা ঘোষণার পর দেখা গেল, এইসব নেতাদের মধ্যে কেউ টিকিট পেয়েছেন, আবার কেউ বাদ পড়েছেন। ফলে রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।নিয়োগ দুর্নীতির মামলায় গ্রেফতার হয়েছিলেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়। দীর্ঘদিন জেলে থাকার পর বর্তমানে তিনি জামিনে মুক্ত। শুরুতে মনে করা হচ্ছিল, তিনি বেহালা পশ্চিম কেন্দ্র থেকে প্রার্থী হতে পারেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সেখানে প্রার্থী করা হয়েছে রত্না চট্টোপাধ্যায়কে।একই মামলায় অভিযুক্ত মানিক ভট্টাচার্য, যিনি পলাশিপাড়ার প্রাক্তন বিধায়ক, তাকেও এবার টিকিট দেওয়া হয়নি। তার জায়গায় প্রার্থী হয়েছেন রুকবানুর রহমান। মুর্শিদাবাদের বড়ঞা কেন্দ্রে নতুন মুখ হিসেবে সামনে এসেছেন প্রতিমা রজক। তিনি আগে কংগ্রেসের বিধায়ক ছিলেন এবং কিছুদিন আগে তৃণমূলে যোগ দিয়েছেন। ওই কেন্দ্রের প্রাক্তন বিধায়ক জীবনকৃষ্ণ সাহা বর্তমানে নিয়োগ মামলায় জেলে রয়েছেন।অন্যদিকে দেগঙ্গা কেন্দ্রে প্রার্থী করা হয়েছে আনিসুর রহমানকে। রেশন দুর্নীতি মামলায় তার নাম জড়িয়েছিল এবং তিনি জেলও খেটেছেন। তবুও তাকে প্রার্থী করেছে দল। একইভাবে হাবড়া কেন্দ্র থেকে আবার প্রার্থী হয়েছেন জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক। তিনিও একই মামলায় দীর্ঘদিন জেলে ছিলেন এবং বর্তমানে জামিনে মুক্ত।সব মিলিয়ে দেখা যাচ্ছে, দুর্নীতির অভিযোগে নাম জড়ালেও অনেক ক্ষেত্রে দল প্রার্থী করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে, আবার কিছু ক্ষেত্রে নতুন মুখকে সুযোগ দেওয়া হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত কতটা প্রভাব ফেলবে ভোটে, তা নিয়েই এখন জোর চর্চা চলছে।

মার্চ ১৭, ২০২৬
রাজ্য

কারা থাকছেন আর কারা বাদ, তৃণমূলের তালিকা ঘিরে চরম জল্পনা

মঙ্গলবার তৃণমূল কংগ্রেস তাদের প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করতে চলেছে বলে জোর জল্পনা চলছে। সূত্রের খবর, এদিনই রাজ্যের সমস্ত বিধানসভা আসনের জন্য প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করতে পারেন দলের নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তালিকায় একাধিক চমক থাকতে পারে বলেই মনে করা হচ্ছে। নতুন মুখ যেমন জায়গা পেতে পারেন, তেমনই বেশ কিছু পুরনো নাম বাদ পড়ার সম্ভাবনাও রয়েছে।দলীয় সূত্রে জানা যাচ্ছে, নতুন প্রার্থী হিসেবে কয়েকটি পরিচিত নাম উঠে আসতে পারে। পাশাপাশি তারকা প্রার্থী হিসেবেও কিছু নাম শোনা যাচ্ছে। সংগীত ও অভিনয় জগতের কয়েকজন পরিচিত মুখকেও প্রার্থী করা হতে পারে বলে আলোচনা চলছে। একই সঙ্গে তরুণ প্রজন্মকে বেশি গুরুত্ব দেওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে। কয়েকজন বর্তমান প্রার্থীর কেন্দ্র বদলও হতে পারে বলে জানা যাচ্ছে।অন্যদিকে, কিছু বিদায়ী বিধায়কের নাম তালিকা থেকে বাদ পড়তে পারে বলে জল্পনা। বেহালা পশ্চিম কেন্দ্র থেকে বর্তমান বিধায়কের টিকিট পাওয়া নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। ওই কেন্দ্রে অন্য কাউকে প্রার্থী করা হতে পারে বলে খবর। একই সঙ্গে সোনারপুর কেন্দ্র নিয়েও জল্পনা চলছে। বর্তমান বিধায়ককে টিকিট দেওয়া হবে কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়।বারাসত কেন্দ্রেও পরিবর্তনের সম্ভাবনা রয়েছে বলে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা চলছে। সেখানে নতুন মুখকে সুযোগ দেওয়া হতে পারে বলে জানা যাচ্ছে। সব মিলিয়ে এদিন বিকেলের মধ্যেই পুরো ছবিটা স্পষ্ট হয়ে যাবে বলে মনে করা হচ্ছে।

মার্চ ১৭, ২০২৬
রাজ্য

ভোটার তালিকায় নাম ঝুলে, তবু প্রার্থী কলিতা মাজি, আউশগ্রামে তুমুল বিতর্ক

সোমবার বিজেপির প্রথম দফার প্রার্থী তালিকা প্রকাশ হওয়ার পরই পূর্ব বর্ধমানের আউশগ্রাম বিধানসভা কেন্দ্র ঘিরে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে। ওই তালিকায় বিজেপির প্রার্থী হিসেবে নাম রয়েছে কলিতা মাজির। পেশায় পরিচারিকা কলিতাকে আগের বিধানসভা নির্বাচনেও প্রার্থী করেছিল বিজেপি, যদিও তখন তিনি পরাজিত হয়েছিলেন। এবারও তার উপরেই ভরসা রেখেছে দল। তপসিলি জাতির জন্য সংরক্ষিত এই আসনে তাকে প্রার্থী করা নিয়ে আগেও চমক তৈরি হয়েছিল, তবে এবার তার নাম ঘিরে অন্য কারণে জোর বিতর্ক দানা বেঁধেছে।গত আঠাশে ফেব্রুয়ারি প্রকাশিত চূড়ান্ত ভোটার তালিকায় দেখা যায়, কলিতা মাজির নাম এখনও বিবেচনাধীন অবস্থায় রয়েছে। গুসকরা পুরসভার তিন নম্বর ওয়ার্ডের মাঝপুকুর পাড়ের বাসিন্দা তিনি। গুসকরা পুরসভার একশো পঁচানব্বই নম্বর বুথে তিনশো সাতানব্বই নম্বরে তার নাম থাকলেও পাশে বিবেচনাধীন উল্লেখ রয়েছে। অর্থাৎ তার ভোটার পরিচয় নিয়ে নির্বাচন কমিশনের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এখনও হয়নি।এই পরিস্থিতিতে প্রশ্ন উঠছে, তিনি নিজে ভোট দিতে পারবেন কি না এবং এমন অবস্থায় তিনি কীভাবে প্রার্থী হলেন। বিষয়টি নিয়ে রাজনৈতিক মহলে জোর জল্পনা শুরু হয়েছে। তৃণমূল কংগ্রেস ইতিমধ্যেই এই নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে।যদিও এই বিতর্কের মাঝেই নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেছেন কলিতা মাজি। তার দাবি, প্রাথমিক পর্যায়ে কিছু নথি সংক্রান্ত অসঙ্গতির কারণে তাকে শুনানির জন্য ডাকা হয়েছিল এবং তিনি সেখানে উপস্থিতও ছিলেন। তিনি জানান, তাদের সাত বোনের মধ্যে বাকি ছয়জনের নাম তালিকায় চূড়ান্ত হলেও শুধুমাত্র তার নাম এখনও বিবেচনাধীন রয়েছে। প্রয়োজনীয় সব নথি জমা দিয়েছেন বলেও দাবি করেছেন তিনি। এখন নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় রয়েছেন। একই সঙ্গে তিনি আত্মবিশ্বাসের সুরে জানান, এবার জয়ের ব্যাপারে তিনি আশাবাদী।আউশগ্রাম বিধানসভা কেন্দ্রটি বোলপুর লোকসভা কেন্দ্রের অন্তর্ভুক্ত এবং এটি তপসিলি জাতির জন্য সংরক্ষিত আসন। গত নির্বাচনে এই কেন্দ্রে তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী অভেদানন্দ থাণ্ডার জয়ী হয়েছিলেন। তিনি এক লক্ষের বেশি ভোট পেয়েছিলেন, আর বিজেপির প্রার্থী হিসেবে কলিতা মাজি দ্বিতীয় স্থানে ছিলেন।এই ইস্যুতে তৃণমূল কংগ্রেসের জেলা নেতৃত্বের অভিযোগ, বিজেপির প্রার্থীর নাম যখন এখনও বিবেচনাধীন, তখন তাকে প্রার্থী করা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যায়। তাদের মতে, এতে নির্বাচন প্রক্রিয়া নিয়ে সন্দেহ তৈরি হচ্ছে। অন্যদিকে বিজেপির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই বিষয়ে খোঁজ নিয়ে দেখা হবে এবং নির্বাচন কমিশন নিয়ম মেনেই কাজ করছে।পুরো ঘটনাকে কেন্দ্র করে আউশগ্রাম এবং আশপাশের এলাকায় রাজনৈতিক উত্তেজনা ক্রমেই বাড়ছে। ভোটের আগে এই বিতর্ক কোন দিকে যায়, তা নিয়েই এখন সবার নজর।

মার্চ ১৭, ২০২৬
কলকাতা

মরশুমের প্রথম কালবৈশাখীতেই লণ্ডভণ্ড কলকাতা, ঝড়বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত একাধিক জেলা

মরশুমের প্রথম কালবৈশাখীর দাপটে লণ্ডভণ্ড হয়ে গেল কলকাতা সহ রাজ্যের একাধিক জেলা। গত কয়েকদিন ধরেই রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় বৃষ্টির দফা চলছিল। তারই মধ্যে সোমবার সন্ধ্যা নামতেই হঠাৎ ঝমঝমিয়ে বৃষ্টি শুরু হয় শহরে। এরপরই তীব্র ঝড় বয়ে যায়। কলকাতা, হাওড়া, হুগলি, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর সহ একাধিক জেলায় ঝড়ের তাণ্ডবে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির ছবি সামনে আসে। কলকাতায় ঝড়ের গতিবেগ পৌঁছে যায় ঘণ্টায় প্রায় বাহাত্তর কিলোমিটার।আবহাওয়া দফতর আগেই সতর্ক করেছিল। সোমবার রাতে হাওড়া, কলকাতা, দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা এবং পূর্ব মেদিনীপুরে লাল সতর্কতা জারি করা হয়। ঘণ্টায় সত্তর থেকে আশি কিলোমিটার বেগে দমকা হাওয়া বইতে পারে বলে জানানো হয়েছিল। উত্তর চব্বিশ পরগনায় জারি ছিল কমলা সতর্কতা। সেই সতর্কতার মধ্যেই শুরু হয় ঝড়ের তাণ্ডব।শহরের বিভিন্ন জায়গায় গাছ ভেঙে পড়ে এবং বিদ্যুতের তার ছিঁড়ে যায়। জিনজিরা বাজারের কাছে একটি বড় হোর্ডিং ভেঙে পড়ে রাস্তা আটকে দেয়, ফলে যান চলাচলে সমস্যা তৈরি হয়। কলকাতার কিছু এলাকায় শিলাবৃষ্টিও দেখা যায়, যা সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক বাড়ায়।পশ্চিম মেদিনীপুরের ঘাটাল এলাকায় একাধিক জায়গায় গাছ ভেঙে রাস্তার উপর পড়ে যাওয়ায় যাতায়াত বন্ধ হয়ে যায়। দাসপুর এলাকায় একটি বড় দুর্ঘটনাও ঘটে। ঝড়বৃষ্টির মধ্যে একটি মোটরসাইকেলের উপর গাছ ভেঙে পড়ায় তিনজন গুরুতর আহত হন। তাদের দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।এর আগে রবিবার সন্ধ্যাতেও বাঁকুড়া, পুরুলিয়া এবং মেদিনীপুরে বৃষ্টির দেখা মিলেছিল। আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, ঝাড়খণ্ড দিক থেকে বজ্রগর্ভ মেঘ ঢোকার কারণেই এই ঝড়বৃষ্টি। আগামী দিনেও উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় ঝড়বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। দার্জিলিং, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার এবং জলপাইগুড়িতে ঝড়সহ বৃষ্টি হতে পারে। পাশাপাশি উত্তর ও দক্ষিণ দিনাজপুর এবং মালদহে বিক্ষিপ্ত বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।এই পরিস্থিতিতে সাধারণ মানুষকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছে প্রশাসন। হঠাৎ আবহাওয়ার এই বদলে যাওয়ায় আগামী কয়েকদিন রাজ্যে এমন পরিস্থিতি আরও তৈরি হতে পারে বলেই আশঙ্কা করা হচ্ছে।

মার্চ ১৭, ২০২৬
রাজ্য

ভোট ঘোষণার পরেই বড় সিদ্ধান্ত, কারা দফতরে নিজেই ডিজি নিয়োগ করল নির্বাচন কমিশন

বিধানসভা নির্বাচনের দিন ঘোষণা হওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই রাজ্যের পুলিশ ও প্রশাসনে একাধিক বদলের সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন। মুখ্যসচিবকে সরানো নিয়ে ইতিমধ্যেই সরব হয়েছে শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেস। এরই মধ্যে কমিশনের আর একটি সিদ্ধান্ত নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে প্রশাসনিক মহলে। কমিশন এবার কারা দফতরের ডিজি পদেও নতুন নিয়োগ করেছে। সেই পদে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে নটরাজন রমেশ বাবুকে।সাধারণত ভোটের সময় নির্বাচন কমিশন পুলিশ বা প্রশাসনের বিভিন্ন পদে বদল করলেও কারা দফতরে খুব একটা হস্তক্ষেপ করে না। তাই এবার হঠাৎ কারা দফতরের ডিজি পদে কমিশন নিজে থেকে কাউকে নিয়োগ করায় স্বাভাবিকভাবেই নানা প্রশ্ন উঠছে।জানা গিয়েছে, ভোটের দিন ঘোষণার আগে রাজ্যের কারা দফতরের ডিজি ছিলেন সিদ্ধিনাথ গুপ্তা। পরে নির্বাচন কমিশন তাঁকেই রাজ্য পুলিশের ডিজি করার সিদ্ধান্ত নেয়। সেই কারণে কারা দফতরের ডিজির পদ খালি হয়ে যায়। প্রশাসনিক মহলের একাংশের মতে, এই অবস্থায় চাইলে রাজ্য সরকারই নতুন ডিজি নিয়োগ করতে পারত। কিন্তু নির্বাচন কমিশন নিজেই সেই পদে নিয়োগ করার সিদ্ধান্ত নেওয়ায় নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।সূত্রের খবর, গত কয়েকটি নির্বাচনে জেল থেকে অনেক অপরাধীকে ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছিল। সেই অভিযোগ নির্বাচন কমিশনের কাছেও পৌঁছায়। কয়েক দিন আগে নির্বাচন কমিশনের পূর্ণাঙ্গ প্রতিনিধি দল রাজ্যে এসেছিল। তখনও এই বিষয় নিয়ে অভিযোগ জানানো হয় বলে জানা গেছে। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারও সেই অভিযোগের কথা উল্লেখ করেছিলেন। অনেকের মতে, সেই কারণেই হয়তো কারা দফতর নিয়ে এবার সরাসরি পদক্ষেপ করল কমিশন।নটরাজন রমেশ বাবুকে এই গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দেওয়া নিয়েও আলোচনা শুরু হয়েছে। তিনি উনিশশো একানব্বই সালের আইপিএস আধিকারিক। এর আগেও নির্বাচন কমিশনের ভরসা পেয়েছিলেন তিনি। দুই হাজার উনিশ সালের লোকসভা নির্বাচনের সময় তাঁকেই বিধাননগরের পুলিশ কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব দিয়েছিল কমিশন। এবার বিধানসভা নির্বাচনের আগে তাঁকে কারা দফতরের ডিজি করা হল। ফলে অনেকেই প্রশ্ন তুলছেন, তিনি কি বরাবরই কমিশনের আস্থাভাজন আধিকারিক? এই সিদ্ধান্তকে ঘিরে প্রশাসনিক মহলে এখন জোর আলোচনা শুরু হয়েছে।

মার্চ ১৬, ২০২৬
কলকাতা

ভোট ঘোষণার পরই বড় চমক, ১৯২ প্রার্থীর নাম ঘোষণা বামফ্রন্টের

বিধানসভা নির্বাচনের দিন ঘোষণা হওয়ার চব্বিশ ঘণ্টার মধ্যেই প্রথম প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করল বামফ্রন্ট। মোট একশো বিরানব্বইটি আসনের প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেছেন বামফ্রন্টের চেয়ারম্যান বিমান বসু। এই তালিকায় যেমন একাধিক নতুন মুখ রয়েছে, তেমনই রয়েছে অভিজ্ঞ ও প্রবীণ নেতারাও। পাশাপাশি কয়েকজন পরিচিত ও ভারী ওজনের নেতাকেও লড়াইয়ের ময়দানে নামানো হয়েছে।যাদবপুর কেন্দ্রে প্রার্থী করা হয়েছে সিপিএম নেতা বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্যকে। দুই হাজার উনিশ সালের লোকসভা নির্বাচনে তিনি যাদবপুর লোকসভা কেন্দ্র থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন। সেই নির্বাচনে তিনি পরাজিত হলেও গত কয়েক বছরে রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে বিভিন্ন আইনি লড়াইয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। নিয়োগ সংক্রান্ত মামলা থেকে শুরু করে বকেয়া ভাতা সংক্রান্ত মামলাতেও তিনি আদালতে সক্রিয় ছিলেন এবং বেশ কিছু ক্ষেত্রে সাফল্যও পেয়েছেন।উত্তরপাড়া কেন্দ্রে প্রার্থী করা হয়েছে মীনাক্ষী মুখোপাধ্যায়কে। তিনি বাম শিবিরের অন্যতম তরুণ ও পরিচিত মহিলা মুখ। এর আগেও বিধানসভা নির্বাচনে তিনি প্রার্থী হয়েছিলেন। সেই সময় তিনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং শুভেন্দু অধিকারীর মতো বড় নেতাদের বিরুদ্ধেও প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন। যদিও জয় পাননি, তবে তাঁর সরাসরি বক্তব্য এবং তীব্র বক্তৃতা রাজনৈতিক মহলে বেশ আলোচিত হয়েছে।রানিবাঁধ কেন্দ্রে আবারও প্রার্থী করা হয়েছে দেবলীনা হেমব্রমকে। তিনি দীর্ঘদিন রানিবাঁধের বিধায়ক ছিলেন। দুই হাজার ছয় থেকে দুই হাজার এগারো পর্যন্ত বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের মন্ত্রিসভায় তিনি অনগ্রসর শ্রেণিকল্যাণ উন্নয়ন মন্ত্রী ছিলেন। বর্তমানে তিনি সিপিএমের জেলা নেতৃত্বেও গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে রয়েছেন। দলের তরফে তাঁকে লড়াকু নেত্রী হিসেবেই তুলে ধরা হয়।মহেশতলা কেন্দ্রে প্রার্থী করা হয়েছে সায়ন বন্দ্যোপাধ্যায়কে। তিনি পেশায় আইনজীবী এবং সিপিএমের তরুণ মুখ হিসেবে পরিচিত। আগের লোকসভা নির্বাচনে তিনি প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন এবং শেষ পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে গিয়েছিলেন।পানিহাটি কেন্দ্রে প্রার্থী করা হয়েছে কলতান দাসগুপ্তকে। তিনি বামেদের অন্যতম পরিচিত সংগঠক। অতীতে একটি বিতর্কের জেরে তাঁর নাম আলোচনায় উঠেছিল। পরে তিনি জামিন পান এবং নিজেকে নির্দোষ বলেও দাবি করেন। বিভিন্ন সময় সংবাদমাধ্যমে বামেদের মুখপাত্র হিসেবেও তাঁকে দেখা গেছে।দমদম উত্তর কেন্দ্রে প্রার্থী করা হয়েছে দীপ্সিতা ধরকে। তিনি বামেদের অন্যতম তরুণ নেত্রী। আগের বিধানসভা নির্বাচনে তিনি প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন এবং উল্লেখযোগ্য ভোট পেয়েছিলেন। পরে লোকসভা নির্বাচনেও প্রার্থী হয়েছিলেন। যদিও জয় পাননি, তবে দলের তরুণ নেতৃত্বের মধ্যে তাঁর নাম গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হয়।এই প্রার্থী তালিকার মাধ্যমে বামফ্রন্ট একদিকে অভিজ্ঞ নেতাদের ভরসা রাখার পাশাপাশি তরুণ নেতৃত্বকেও সামনে আনার চেষ্টা করেছে বলে রাজনৈতিক মহলের একাংশ মনে করছে। এখন দেখার, আসন্ন নির্বাচনে এই প্রার্থী তালিকা কতটা প্রভাব ফেলতে পারে।

মার্চ ১৬, ২০২৬
কলকাতা

বকেয়া ডিএ নিয়ে বড় ঘোষণা, তবে পুরোটা নয়—নতুন বিজ্ঞপ্তিতে কী জানাল রাজ্য

বিধানসভা নির্বাচনের ঘোষণা হওয়ার ঠিক আগেই সরকারি কর্মীদের বকেয়া ডিএ মেটানোর আশ্বাস দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি জানিয়েছিলেন, মার্চ মাস থেকেই এই বকেয়া ভাতা দেওয়া শুরু হবে। সেই ঘোষণার পর সোমবার নবান্নের অর্থদফতর ডিএ সংক্রান্ত একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে।বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, সরকারি কর্মীরা বকেয়া ডিএ পাবেন ঠিকই, তবে আপাতত পুরোটা নয়। প্রথম ধাপে জানুয়ারি দুই হাজার ষোলো থেকে ডিসেম্বর দুই হাজার উনিশ পর্যন্ত সময়ের বকেয়া ডিএ দেওয়া হবে।এর আগে সুপ্রিম কোর্ট রাজ্য সরকারকে নির্দেশ দিয়েছিল সমস্ত বকেয়া ডিএ মিটিয়ে দিতে। তবে অর্থদফতরের তরফে জানানো হয়েছে, রাজ্যের কিছু আর্থিক সীমাবদ্ধতা রয়েছে। বিভিন্ন সামাজিক ও উন্নয়নমূলক প্রকল্পে বড় অঙ্কের খরচের কারণে একবারে সব টাকা দেওয়া সম্ভব নয়। তাই ধাপে ধাপে এই বকেয়া ভাতা মেটানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।সরকারি বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, এই বকেয়া ডিএ দুই সমান কিস্তিতে দেওয়া হবে। প্রথম কিস্তির টাকা দেওয়া হবে দুই হাজার ছাব্বিশ সালের মার্চ মাসে। দ্বিতীয় কিস্তির টাকা দেওয়া হবে একই বছরের সেপ্টেম্বর মাসে।বকেয়া ডিএ হিসাব করা হবে সর্বভারতীয় ভোক্তা মূল্য সূচকের ভিত্তিতে। পর্যবেক্ষণ কমিটির চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী প্রয়োজন হলে এই অঙ্কের কিছু সমন্বয়ও করা হতে পারে বলে জানানো হয়েছে।এপ্রিল দুই হাজার আট থেকে ডিসেম্বর দুই হাজার পনেরো পর্যন্ত সময়ের বকেয়া ডিএ কবে দেওয়া হবে, তা পরে আলাদা করে জানানো হবে বলেও উল্লেখ করা হয়েছে বিজ্ঞপ্তিতে।সরকারি কর্মীদের মধ্যে যাঁরা গ্রুপ এ, বি এবং সি শ্রেণির কর্মী, তাঁদের বকেয়া ডিএ সাধারণ ভবিষ্যনিধি অ্যাকাউন্টে জমা করা হবে। গ্রুপ ডি কর্মচারীদের ক্ষেত্রে টাকা সরাসরি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে জমা হবে।বর্তমান পেনশনভোগী এবং পারিবারিক পেনশনভোগীদের বকেয়া ভাতা সরাসরি তাঁদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে দেওয়া হবে। কলকাতার বাইরে যাঁরা ট্রেজারি থেকে পেনশন নেন, তাঁদের টাকা সংশ্লিষ্ট ট্রেজারির মাধ্যমে দেওয়া হবে। আর কলকাতা অঞ্চলে যাঁরা ব্যাঙ্কের মাধ্যমে পেনশন পান, তাঁদের ক্ষেত্রে পেমেন্ট কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে ব্যাঙ্কেই টাকা পৌঁছে যাবে।যাঁরা এখন চাকরিতে নেই কিন্তু দুই হাজার ষোলো থেকে দুই হাজার উনিশ সালের মধ্যে কিছু সময় কাজ করেছেন, তাঁরাও সেই সময়ের জন্য বকেয়া ডিএ পাওয়ার যোগ্য হবেন। এ ক্ষেত্রে তাঁদের শেষ কর্মস্থলের দপ্তরের প্রধানের কাছে আবেদন করতে হবে। কোনও কর্মচারী যদি এর মধ্যে মারা গিয়ে থাকেন, তবে তাঁর মনোনীত ব্যক্তি বা আইনগত উত্তরাধিকারী এই বকেয়া পাওয়ার অধিকারী হবেন।এই সিদ্ধান্তের সমালোচনা করেছেন সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের সদস্য চন্দন চট্টোপাধ্যায়। তাঁর অভিযোগ, রাজ্য সরকার আদালতের নির্দেশ মানেনি। তাঁর কথায়, এই টাকা সাধারণ ভবিষ্যনিধি অ্যাকাউন্টে জমা হলে কর্মচারীরা অনেকদিন পর্যন্ত তা ব্যবহার করতে পারবেন না। তিনি দাবি করেন, এই সিদ্ধান্তে সরকারি কর্মীদের মধ্যে ক্ষোভ বাড়ছে এবং খুব শিগগিরই তারা আন্দোলনে নামতে পারেন।

মার্চ ১৬, ২০২৬
রাজ্য

কাঁথি–তমলুকে নতুন সমীকরণ, শুভেন্দুর শক্ত ঘাঁটিতে লড়াই জমাতে মাঠে বামেরা

পূর্ব মেদিনীপুরের একাধিক এলাকা দীর্ঘদিন ধরেই বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত। বিশেষ করে কাঁথি ও তমলুক অঞ্চলে অধিকারী পরিবারের রাজনৈতিক প্রভাব অনেকদিনের। এই উপকূলের জেলার বহু এলাকায় মানুষ একে শুভেন্দুর গড় হিসেবেই চেনে।রাজনীতিতে সাধারণত গড় বলতে এমন একটি এলাকাকে বোঝানো হয় যেখানে কোনও নেতা বা রাজনৈতিক দলের দীর্ঘদিনের শক্ত প্রভাব থাকে। সেই অর্থে কাঁথি, তমলুক ও আশপাশের অঞ্চলকে অধিকারী পরিবারের প্রভাবের এলাকা বলেই মনে করেন অনেক রাজনৈতিক পর্যবেক্ষক। এই পরিস্থিতিতেই সেই এলাকাগুলিতে নিজেদের প্রার্থী ঘোষণা করেছে বামেরা।বাম শিবিরের তরফে তমলুক কেন্দ্রে প্রার্থী করা হয়েছে সিপিআই নেতাকে। ময়না কেন্দ্রে লড়ছেন সিপিআইয়ের স্বপন বর্মন। হলদিয়া কেন্দ্রে সিপিএমের প্রার্থী হিসেবে নাম ঘোষণা করা হয়েছে অশোক পাত্রের। পটাশপুর কেন্দ্রে সিপিআইয়ের সৈকত গিরি প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।কাঁথি উত্তর কেন্দ্রে, যেখানে শুভেন্দু অধিকারীর বাড়ি, সেই এলাকায় সিপিএম প্রার্থী হিসেবে লড়বেন সুতনু মাইতি। আবার কাঁথি দক্ষিণ কেন্দ্রে সিপিআইয়ের প্রার্থী করা হয়েছে তেহরান হোসেনকে। রামনগর কেন্দ্রে লড়বেন অশোক কুমার মাইতি।পূর্ব মেদিনীপুরের রামনগর, কাঁথি উত্তর, কাঁথি দক্ষিণ, কাঁথি পূর্ব, খেজুরি, এগরা এবং তমলুক এলাকায় বহু বছর ধরেই অধিকারী পরিবারের রাজনৈতিক প্রভাব রয়েছে। শুভেন্দু অধিকারীর বাবা শিশির অধিকারী এবং ভাই দিব্যেন্দু অধিকারীও দীর্ঘদিন ধরে এই অঞ্চলের রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন।বিশেষ করে নন্দীগ্রাম আন্দোলনের পর এই অঞ্চলে শুভেন্দু অধিকারীর জনপ্রিয়তা আরও বেড়ে যায়। সেই কারণেই এই উপকূলের জেলাকে অনেকেই তাঁর শক্ত ঘাঁটি হিসেবে মনে করেন। এবার সেই এলাকাতেই একাধিক প্রার্থী ঘোষণা করে রাজনৈতিক লড়াইকে আরও তীব্র করার ইঙ্গিত দিল বামেরা।

মার্চ ১৬, ২০২৬
কলকাতা

আবার মুখোমুখি মমতা–শুভেন্দু? ভবানীপুর ঘিরে জোর রাজনৈতিক জল্পনা

২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে গোটা রাজ্যের নজর ছিল নন্দীগ্রামে। সবাইকে চমকে দিয়ে সেই কেন্দ্রে প্রার্থী হয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই নির্বাচনে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হলেও শেষ পর্যন্ত জয় পাননি তিনি। পাঁচ বছর পর পরিস্থিতি অনেকটাই বদলেছে। কিন্তু এবারও হয়তো একই ধরনের রাজনৈতিক লড়াই দেখা যেতে পারে বলে মনে করছেন অনেকেই।কারণ বিজেপি এবার ভবানীপুর কেন্দ্র থেকে শুভেন্দু অধিকারীকে প্রার্থী করেছে। এই সিদ্ধান্তের পর থেকেই রাজনৈতিক মহলে জোর জল্পনা শুরু হয়েছে। অনেকেরই ধারণা, এবারও ভবানীপুর কেন্দ্র থেকেই লড়তে পারেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।ভবানীপুর কেন্দ্র নিয়ে বেশ কিছুদিন ধরেই নানা আলোচনা চলছিল। সাম্প্রতিক সময়ে ওই এলাকায় একাধিক কর্মসূচিতে দেখা গিয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। সরস্বতী পুজোর সময় ভবানীপুরের বিভিন্ন পুজো মণ্ডপেও ঘুরতে দেখা গিয়েছিল তাঁকে। এর পর থেকেই জল্পনা আরও বাড়তে থাকে।সূত্রের খবর, শুভেন্দু অধিকারী নিজে নন্দীগ্রাম থেকেই লড়তে আগ্রহী ছিলেন। তবে বিজেপির তরফে তাঁকে ভবানীপুরে প্রার্থী করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। রাজনৈতিক মহলে প্রশ্ন উঠেছে, ভবানীপুরের মতো গুরুত্বপূর্ণ ও কঠিন কেন্দ্রে কেন শুভেন্দুকে প্রার্থী করা হল।২০২১ সালের নির্বাচনের আগে দীর্ঘদিন নন্দীগ্রামে থেকে প্রচার করেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই সময় তিনি অন্য অনেক কেন্দ্রে প্রচারে যেতে পারেননি। তবে তৃণমূল নেত্রী প্রায়ই বলেন, তিনি ২৯৪টি আসনেরই প্রার্থী। সেই হিসেবে রাজ্যের সব জায়গায় তাঁর প্রচার করাও গুরুত্বপূর্ণ।এই পরিস্থিতিতে অনেকেই মনে করছেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে একটি নির্দিষ্ট কেন্দ্রে ব্যস্ত রাখতেই বিজেপি এই কৌশল নিতে পারে। রাজনৈতিক বিশ্লেষক ঝন্টু বরাইকও প্রশ্ন তুলেছেন, বিরোধীরা কি মমতাকে ওই কেন্দ্রেই ব্যস্ত রাখতে চাইছে। যাতে তিনি সেখানেই বেশি সময় দেন, সেটাই কি উদ্দেশ্য।তবে এখনও পর্যন্ত স্পষ্ট নয়, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ভবানীপুর থেকেই প্রার্থী হবেন কি না। দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, খুব শিগগিরই প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করা হতে পারে।২০২১ সালের নির্বাচনে নন্দীগ্রামে পরাজিত হয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই সময় ভবানীপুর কেন্দ্রে তৃণমূলের হয়ে লড়েছিলেন শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়। পরে উপনির্বাচনে জয়ী হয়ে ভবানীপুরের বিধায়ক হন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এবার সেই কেন্দ্র ঘিরেই আবার নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি হয়েছে।

মার্চ ১৬, ২০২৬
রাজ্য

বিধানসভা ভোটের দিনক্ষণ ঘোষণা, দুই দফায় ভোট বাংলায়— দেখে নিন আপনার কেন্দ্রের তারিখ

অবশেষে দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান। রবিবার বিজ্ঞান ভবন থেকে সাংবাদিক বৈঠক করে বাংলাসহ পাঁচ রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনের দিনক্ষণ ঘোষণা করল নির্বাচন কমিশন। পশ্চিমবঙ্গের পাশাপাশি অসম, কেরল, তামিলনাড়ু ও পুদুচেরির ভোটের নির্ঘণ্টও প্রকাশ করা হয়েছে। বাংলায় এবার দুই দফায় ভোটগ্রহণ হবে। প্রথম দফার ভোট অনুষ্ঠিত হবে তেইশে এপ্রিল এবং দ্বিতীয় দফার ভোট হবে ঊনত্রিশে এপ্রিল। ভোট গণনা হবে চার মে।প্রথম দফার ভোটের জন্য মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ দিন ছয় এপ্রিল। মনোনয়ন যাচাই হবে সাত এপ্রিল এবং মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ দিন নয় এপ্রিল। দ্বিতীয় দফার জন্য মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ দিন নয় এপ্রিল। মনোনয়ন যাচাই হবে দশ এপ্রিল এবং মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ দিন তেরো এপ্রিল।প্রথম দফায় উত্তরবঙ্গ, জঙ্গলমহল এবং দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় ভোটগ্রহণ হবে। কোচবিহার জেলার মেখলিগঞ্জ, মাথাভাঙা, কোচবিহার উত্তর, কোচবিহার দক্ষিণ, শীতলকুচি, সিতাই, দিনহাটা, নাটাবাড়ি এবং তুফানগঞ্জে ভোট হবে প্রথম দফায়। আলিপুরদুয়ার জেলার কুমারগ্রাম, কালচিনি, আলিপুরদুয়ার, ফালাকাটা ও মাদারিহাট কেন্দ্রেও এই দফাতেই ভোটগ্রহণ হবে।জলপাইগুড়ি জেলার ধূপগুড়ি, ময়নাগুড়ি, জলপাইগুড়ি, রাজগঞ্জ, ডাবগ্রাম ফুলবাড়ি, মাল ও নাগরাকাটা কেন্দ্রে ভোট হবে প্রথম দফায়। দার্জিলিং ও কালিম্পং জেলার কালিম্পং, দার্জিলিং, কার্শিয়াং, মাটিগাড়া নকশালবাড়ি, শিলিগুড়ি ও ফাঁসিদেওয়া কেন্দ্রেও প্রথম দফায় ভোটগ্রহণ হবে।উত্তর দিনাজপুর জেলার চোপড়া, ইসলামপুর, গোয়ালপোখর, চাকুলিয়া, করণদিঘি, হেমতাবাদ, কালিয়াগঞ্জ, রায়গঞ্জ ও ইটাহার কেন্দ্রেও এই দফায় ভোট হবে। দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার কুশমন্ডি, কুমারগঞ্জ, বালুরঘাট, তপন, গঙ্গারামপুর ও হরিরামপুরেও প্রথম দফায় ভোটগ্রহণ হবে।মালদহ জেলার হবিবপুর, গাজোল, চাঁচল, হরিশ্চন্দ্রপুর, মালতীপুর, রতুয়া, মানিকচক, মালদহ, ইংরেজবাজার, মোথাবাড়ি, সুজাপুর ও বৈষ্ণবনগর কেন্দ্রে ভোট হবে প্রথম দফায়। মুর্শিদাবাদ জেলার ফরাক্কা, সামশেরগঞ্জ, সুতি, জঙ্গিপুর, রঘুনাথগঞ্জ, সাগরদিঘি, লালগোলা, ভগবানগোলা, রানিনগর, মুর্শিদাবাদ, নবগ্রাম, খড়গ্রাম, বড়ঞা, কান্দি, ভরতপুর, রেজিনগর, বেলডাঙা, বহরমপুর, হরিহরপাড়া, নওদা, ডোমকল ও জলঙ্গিতেও এই দফাতেই ভোটগ্রহণ হবে।এ ছাড়াও পূর্ব মেদিনীপুর, পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, পশ্চিম বর্ধমান ও বীরভূম জেলার বিভিন্ন কেন্দ্রে প্রথম দফায় ভোট হবে।দ্বিতীয় দফায় ভোটগ্রহণ হবে নদিয়া, উত্তর চব্বিশ পরগনা, দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা, কলকাতা, হাওড়া, হুগলি এবং পূর্ব বর্ধমান জেলার সব আসনে। নদিয়া জেলার করিমপুর, তেহট্ট, পলাশিপাড়া, কালীগঞ্জ, নাকাশিপাড়া, চাপড়া, কৃষ্ণনগর উত্তর, নবদ্বীপ, কৃষ্ণনগর দক্ষিণ, শান্তিপুর, রানাঘাট উত্তর পশ্চিম, কৃষ্ণগঞ্জ, রানাঘাট উত্তর পূর্ব, রানাঘাট দক্ষিণ, চাকদহ, কল্যাণী ও হরিণঘাটা কেন্দ্রে ভোট হবে দ্বিতীয় দফায়।উত্তর চব্বিশ পরগনার বাগদা, বনগাঁ উত্তর, বনগাঁ দক্ষিণ, গাইঘাটা, স্বরূপনগর, বাদুড়িয়া, হাবড়া, অশোকনগর, আমডাঙা, বীজপুর, নৈহাটি, ভাটপাড়া, জগদ্দল, নোয়াপাড়া, বারাকপুর, খড়দহ, দমদম উত্তর, পানিহাটি, কামারহাটি, বরানগর, দমদম, রাজারহাট নিউটাউন, বিধাননগর, রাজারহাট গোপালপুর, মধ্যমগ্রাম, বারাসত, দেগঙ্গা, হাড়োয়া, মিনাখাঁ, সন্দেশখালি, বসিরহাট দক্ষিণ, বসিরহাট উত্তর ও হিঙ্গলগঞ্জেও দ্বিতীয় দফায় ভোটগ্রহণ হবে।দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা, কলকাতা, হাওড়া, হুগলি ও পূর্ব বর্ধমান জেলার সব কেন্দ্রেও দ্বিতীয় দফাতেই ভোট হবে। নির্বাচন কমিশনের ঘোষণা ঘিরে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক মহলে তৎপরতা শুরু হয়েছে। দুই দফার এই নির্বাচনে রাজ্যের সমস্ত রাজনৈতিক দল এখন ভোটের প্রস্তুতিতে ব্যস্ত।

মার্চ ১৫, ২০২৬
রাজ্য

কারা পাচ্ছেন তৃণমূলের টিকিট? সামনে এল সম্ভাব্য প্রার্থীদের চমকপ্রদ তালিকা

পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচনের দিন ঘোষণা এখন শুধু সময়ের অপেক্ষা। যে কোনও মুহূর্তে নির্বাচন কমিশন ভোটের নির্ঘণ্ট প্রকাশ করতে পারে। তার আগেই রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে সম্ভাব্য প্রার্থী তালিকা নিয়ে জোর আলোচনা। তৃণমূল কংগ্রেসের তরফে এবার বেশ কিছু নতুন ও তরুণ মুখকে টিকিট দেওয়া হতে পারে বলে জোর জল্পনা চলছে।দলের অন্দরে শোনা যাচ্ছে কয়েকটি নাম নিয়ে ইতিমধ্যেই আলোচনা শুরু হয়েছে। নতুন মুখদের মধ্যে প্রথমেই উঠে আসছে তৃণমূল ছাত্র পরিষদের সভাপতি তৃণাঙ্কুর ভট্টাচার্যের নাম। তিনি দীর্ঘদিন ধরে ছাত্র ও যুব সংগঠনের নেতৃত্ব দিয়েছেন এবং দলের শীর্ষ নেতৃত্বের ঘনিষ্ঠ বলেই পরিচিত।তৃণমূল ছাত্র পরিষদের প্রাক্তন সভাপতি জয়া দত্তের নামও আলোচনায় রয়েছে। বর্তমানে তিনি অশোকনগরের কাউন্সিলর। যদিও অতীতে ছাত্র সংগঠনের ভর্তিকে কেন্দ্র করে আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ ওঠায় তাঁর নাম নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছিল এবং সেই সময় তাঁকে সংগঠনের সভাপতির পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল।প্রাক্তন সাংসদ ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নামও সম্ভাব্য প্রার্থীদের তালিকায় ঘুরছে। সিপিএম ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দেওয়ার পর থেকেই তিনি দলের শীর্ষ নেতৃত্বের ঘনিষ্ঠ বলেই পরিচিত। বিভিন্ন আন্দোলন এবং কর্মসূচিতে তাঁকে সক্রিয়ভাবে দেখা গেছে।আরেক রাজ্যসভার সাংসদ সামিরুল ইসলামের নামও আলোচনায় রয়েছে। তিনি সম্প্রতি সংসদে বাংলার পরিযায়ী শ্রমিকদের সমস্যা নিয়ে সরব হয়েছিলেন। রাজনৈতিক মহলের মতে, তাঁকে বীরভূম জেলার কোনও একটি আসন থেকে প্রার্থী করা হতে পারে।দলের সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে কয়েকজন মুখপাত্রের নামও ঘুরছে। সেই তালিকায় রয়েছেন কুণাল ঘোষ, অরূপ চক্রবর্তী এবং তন্ময় ঘোষ। আগের উপনির্বাচনের সময় কুণাল ঘোষকে প্রার্থী করা হতে পারে বলে জল্পনা হয়েছিল। এবার বিধানসভা নির্বাচনে তাঁকে প্রার্থী করা হতে পারে বলে আবার আলোচনা শুরু হয়েছে।সম্প্রতি সিপিএম ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দেওয়া প্রতীকূর রহমানের নামও সম্ভাব্য প্রার্থী তালিকায় রয়েছে বলে শোনা যাচ্ছে। তাঁর পাশাপাশি নতুন মুখ হিসেবে আলোচনায় রয়েছেন আন্তর্জাতিক ক্রীড়াবিদ স্বপ্না বর্মন। তিনি এশিয়ান গেমসে সোনা জিতে ইতিহাস গড়েছিলেন এবং কিছুদিন আগেই তৃণমূলে যোগ দিয়েছেন।দলের তরুণ নেতা দেবাংশু ভট্টাচার্যের নামও ঘুরছে রাজনৈতিক মহলে। আগের বিধানসভা নির্বাচনে প্রচারে তাঁকে সক্রিয়ভাবে দেখা গিয়েছিল। পরে লোকসভা নির্বাচনে তাঁকে প্রার্থী করা হয়েছিল তমলুক থেকে। যদিও সেই নির্বাচনে তিনি জয় পাননি।এ ছাড়াও আরও কিছু নতুন নাম নিয়ে আলোচনা চলছে। শোনা যাচ্ছে এন্টালির বিধায়ক স্বর্ণকমল সাহার ছেলে সন্দীপন সাহা প্রার্থী হতে পারেন। তিনি বর্তমানে কলকাতা পুরসভার গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে রয়েছেন এবং জোকা ব্যবস্থাপনা প্রতিষ্ঠানের প্রাক্তন ছাত্র।রাজনৈতিক মহলে আরও আলোচনা চলছে সাংবাদিক দেবদীপ পুরোহিতের নাম নিয়েও। তাঁকে খড়দা কেন্দ্র থেকে প্রার্থী করা হতে পারে বলে জল্পনা। বর্ষীয়ান তৃণমূল নেতা শুভাশিস চক্রবর্তীর নামও শোনা যাচ্ছে দক্ষিণ চব্বিশ পরগনার একটি আসনের সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে।এছাড়াও তারকাখচিত তালিকায় গায়িকা ইমন চক্রবর্তীর নামও উঠে আসছে। উত্তরপাড়া কেন্দ্র থেকে তাঁকে প্রার্থী করা হতে পারে বলে আলোচনা চলছে। যদিও অতীতেও এমন জল্পনা হয়েছিল, কিন্তু তিনি সেই সময় প্রার্থী হননি।অভিনেতা পরমব্রত চট্টোপাধ্যায়ের নামও সম্ভাব্য প্রার্থী তালিকায় ঘুরছে। বিনোদন জগতের পরিচিত এই মুখকে প্রার্থী করলে ভোটের প্রচারে নতুন মাত্রা যোগ হতে পারে বলে মনে করছেন অনেকেই।এই সব নাম নিয়ে জোর আলোচনা চললেও তৃণমূলের চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা এখনও প্রকাশ হয়নি। ভোট ঘোষণার পরেই দল আনুষ্ঠানিকভাবে প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

মার্চ ১৫, ২০২৬
রাজ্য

বিকেলে ভোট ঘোষণা, তার আগে রাজ্য জুড়ে পুলিশ বদলির নির্দেশ

আজ রবিবার বিকেল চারটেয় পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনের দিনক্ষণ ঘোষণা করবে নির্বাচন কমিশন। তার কয়েক ঘণ্টা আগেই রাজ্য পুলিশের ভিতরে বড় রদবদল করল নবান্ন। সূত্রের খবর, মোট সাতাশ জন ইন্সপেক্টর এবং বারোটি থানার আইসি-কে বদলি করা হয়েছে।ডায়মন্ড হারবার পুলিশ জেলায় একাধিক ইন্সপেক্টরকে নতুন জায়গায় পাঠানো হয়েছে। পাশাপাশি বিধাননগর, বারাকপুর এবং চন্দননগর পুলিশ কমিশনারেটের বেশ কয়েকটি থানার আইসি-রও বদলি করা হয়েছে। পূর্ব মেদিনীপুর জেলাতেও কয়েক জন ইন্সপেক্টরকে অন্যত্র পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।নির্বাচনের দিন ঘোষণা হওয়ার ঠিক আগে রাজ্য পুলিশের পক্ষ থেকে একটি নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে, যাঁদের বদলি করা হয়েছে, তাঁদের যত দ্রুত সম্ভব নতুন দায়িত্বে যোগ দিতে হবে।উত্তর চব্বিশ পরগনা, দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা, জলপাইগুড়ি, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর, বিধাননগর, দক্ষিণ দিনাজপুর এবং হুগলি সহ একাধিক জেলায় এই বদলি করা হয়েছে। ভোট ঘোষণার কয়েক ঘণ্টা আগে এই সিদ্ধান্তকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে।এই বিষয়টি নিয়ে বিরোধীরাও প্রশ্ন তুলেছে। বিজেপি নেতা সজল ঘোষ দাবি করেছেন, নির্বাচন কমিশন যাতে পরে আর বদলি করতে না পারে, সেই কারণেই আগেভাগে এই বদলি করা হয়েছে। তবে তাঁর মতে, এতে নির্বাচন কমিশনের ক্ষমতা কমে যায় না। প্রয়োজনে কমিশন এই সব আধিকারিকদের অতীত কাজ এবং ভূমিকা খতিয়ে দেখতে পারে।উল্লেখ্য, কয়েক সপ্তাহ আগেও রাজ্য পুলিশে বড় বদলি করা হয়েছিল। সে সময় চার জন আইপিএস আধিকারিককে অন্যত্র পাঠানো হয়। আলিপুরদুয়ার, বসিরহাট এবং জঙ্গিপুরের পুলিশ সুপার এবং রাজ্য গোয়েন্দা বিভাগের এক শীর্ষ আধিকারিকেরও বদলি করা হয়েছিল।সাধারণত নির্বাচনের দিনক্ষণ ঘোষণা হয়ে গেলে আদর্শ আচরণবিধি জারি হয়ে যায়। তার পর প্রশাসনে বড় কোনও বদলি করতে গেলে নির্বাচন কমিশনের অনুমতি প্রয়োজন হয়। সেই কারণেই ভোট ঘোষণার ঠিক আগে এই রদবদলকে ঘিরে নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে।

মার্চ ১৫, ২০২৬
রাজ্য

হলুদ সতর্কতা জারি! দক্ষিণবঙ্গে ঝড়-বৃষ্টির দাপট বাড়তে পারে রবিবার থেকে

শীতের পর বসন্তের আবহ উপভোগ করতে না করতেই বাংলার আবহাওয়ায় বড় বদলের ইঙ্গিত মিলছে। আলিপুর আবহাওয়া দফতর আগেই বৃষ্টির সম্ভাবনার কথা জানিয়েছিল। এবার ঝড়-বৃষ্টির সম্ভাবনা বাড়ায় জারি করা হচ্ছে হলুদ সতর্কতা।আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, রবিবার থেকেই দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় বৃষ্টির সম্ভাবনা বাড়বে। সোমবার সেই বৃষ্টি আরও জোরালো হতে পারে। কলকাতা সহ একাধিক জেলায় রবিবার ও সোমবার হলুদ সতর্কতা জারি করা হয়েছে।আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, শুধু দুদিন নয়, আগামী বৃহস্পতিবার পর্যন্ত রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় বিক্ষিপ্তভাবে বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে ঘণ্টায় চল্লিশ থেকে পঞ্চাশ কিলোমিটার বেগে দমকা হাওয়া বইতে পারে।কিছু জেলায় কালবৈশাখীর মতো পরিস্থিতি তৈরি হওয়ার আশঙ্কাও রয়েছে। বজ্রবিদ্যুৎ সহ বৃষ্টি হতে পারে বলে সতর্ক করেছে আবহাওয়া দফতর। বজ্রপাতের সময় সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।শনিবার দক্ষিণবঙ্গের আকাশ আংশিক মেঘলা থাকবে। এদিন বৃষ্টির সম্ভাবনা বেশি রয়েছে বীরভূম, মুর্শিদাবাদ, পশ্চিম মেদিনীপুর এবং ঝাড়গ্রাম জেলায়। কলকাতা সহ দক্ষিণবঙ্গের বেশিরভাগ জেলায় আবহাওয়া মূলত শুষ্কই থাকবে।তবে রবিবার থেকেই আবহাওয়ার পরিবর্তন শুরু হতে পারে। পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, বীরভূম, মুর্শিদাবাদ, হুগলি এবং নদিয়া জেলায় কালবৈশাখীর মতো পরিস্থিতি তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সোমবার কলকাতাতেও ঝড়-বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর। সপ্তাহ জুড়ে বিক্ষিপ্তভাবে বৃষ্টি হতে পারে।উত্তরবঙ্গের জেলাগুলিতেও বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। সোমবার দার্জিলিং, কালিম্পং, কোচবিহার, জলপাইগুড়ি এবং আলিপুরদুয়ার জেলায় ভারী বৃষ্টির সতর্কতা জারি করা হয়েছে। সেই সঙ্গে ঘণ্টায় পঞ্চাশ থেকে ষাট কিলোমিটার বেগে ঝড়ো হাওয়া বইতে পারে এবং বজ্রবিদ্যুৎ সহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।উত্তরবঙ্গের অন্য জেলাগুলিতেও বিক্ষিপ্তভাবে ঝড়-বৃষ্টি হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর।এদিকে কলকাতায় দিনের তাপমাত্রা কিছুটা বেড়েছে। আগামী চব্বিশ ঘণ্টায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা আরও কিছুটা বাড়তে পারে বলে পূর্বাভাস। শনিবার শহরের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল পঁচিশ দশমিক সাত ডিগ্রি সেলসিয়াস। শুক্রবার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল তেত্রিশ দশমিক সাত ডিগ্রি সেলসিয়াস। বাতাসে আর্দ্রতার পরিমাণ ছিল বাহান্ন থেকে চুরানব্বই শতাংশের মধ্যে।

মার্চ ১৪, ২০২৬
দেশ

গ্যাস আতঙ্কে বড় সিদ্ধান্ত! ফের রেশন দোকানে কেরোসিন দেওয়ার অনুমতি কেন্দ্রের

দেশজুড়ে রান্নার গ্যাস নিয়ে উদ্বেগের আবহে বড় সিদ্ধান্ত নিল কেন্দ্র সরকার। এবার থেকে আবার রেশন দোকানেই কেরোসিন তেল পাওয়া যাবে। মধ্যপ্রাচ্যে চলতে থাকা সংঘাতের জেরে রান্নার গ্যাস নিয়ে যখন উদ্বেগ বাড়ছে, ঠিক সেই সময় কেরোসিনের গণবণ্টনে সাময়িক ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে।দুই হাজার বাইশ সাল থেকে রেশন দোকানে কেরোসিন তেল দেওয়া বন্ধ করে দিয়েছিল কেন্দ্র। পরিবেশ দূষণের কথা মাথায় রেখেই কেরোসিনের গণবণ্টন বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। কিন্তু পশ্চিম এশিয়ায় চলতে থাকা যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে জ্বালানি নিয়ে যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে, তার জেরেই আবার কেরোসিন বিতরণের অনুমতি দেওয়া হল।এই সিদ্ধান্তের আগে রেশন ডিলারদের সংগঠন অল ইন্ডিয়া ফেয়ার প্রাইস শপ ডিলার্স ফেডারেশন কেন্দ্রের কাছে আবেদন জানিয়েছিল। সংগঠনের পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস মন্ত্রী হরদীপ সিং পুরীর কাছে চিঠি পাঠানো হয়। সেই আবেদনের ভিত্তিতেই কেরোসিনের গণবণ্টনে ফের অনুমতি দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।নয়াদিল্লি সূত্রে খবর, আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই দেশের বিভিন্ন রেশন দোকানে কেরোসিন তেল বিতরণ শুরু হতে পারে। জ্বালানি নিয়ে যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে, সেই পরিস্থিতিতে এই সিদ্ধান্তকে গুরুত্বপূর্ণ বলেই মনে করছেন অনেকে। তবে এই অনুমতি স্থায়ী নয়। আপাতত সাময়িক ভাবে কেরোসিন বণ্টনের অনুমতি দিয়েছে কেন্দ্র।কত দিন এই ব্যবস্থা চালু থাকবে তা এখনও স্পষ্ট নয়। রেশন ডিলার সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক বিশ্বম্ভর বসু জানিয়েছেন, পশ্চিমবঙ্গের জন্য চার হাজার একশো কিলোলিটার কেরোসিন তেলের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। রাজ্যের কাছে এই পরিমাণ তেল সংগ্রহ করার প্রয়োজনীয় পরিকাঠামো রয়েছে বলেও তিনি জানিয়েছেন।তিনি আরও বলেন, পেট্রোলিয়াম মন্ত্রকের নির্দেশ অনুযায়ী আগামী পঁয়তাল্লিশ দিনের মধ্যে এই তেল সংগ্রহ করতে হবে। এরপর রেশন ডিলারদের মাধ্যমেই তা সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া হবে।কেন্দ্রের এই সিদ্ধান্তে রেশন ডিলাররা খুশি হলেও তাঁদের আরও দাবি রয়েছে। তাঁদের মতে, এই সাময়িক অনুমতিকে স্থায়ী করে দেওয়া উচিত। কারণ রান্নার গ্যাসের দাম সাধারণ মানুষের উপর বাড়তি চাপ তৈরি করছে।রেশন ডিলার সংগঠনের বক্তব্য, গ্যাসের ক্রমবর্ধমান দামের কারণে অনেক মানুষের পক্ষে রান্নার গ্যাস ব্যবহার করা কঠিন হয়ে উঠছে। তাই কেরোসিনের এই বণ্টন ব্যবস্থা যেন আবার বন্ধ না করা হয়, সেই দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।

মার্চ ১৩, ২০২৬
রাজ্য

বসন্তেই হঠাৎ বৃষ্টির দাপট! কোন কোন জেলায় নামবে ঝড়বৃষ্টি, নতুন সতর্কবার্তা আবহাওয়া দফতরের

বসন্তের মাঝেই হঠাৎ বদলে গেল আবহাওয়া। আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস মিলিয়ে বৃহস্পতিবার বিকেল থেকেই রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় বৃষ্টি হয়েছে। উত্তরবঙ্গ থেকে দক্ষিণবঙ্গ অনেক জায়গায় ঝমঝমিয়ে বৃষ্টি হয়েছে, আবার কোথাও হালকা ঝিরঝিরে বৃষ্টিও দেখা গেছে। আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, আগামী বুধবার পর্যন্ত রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি চলতে পারে।এই বৃষ্টির জেরে আপাতত গরম থেকে কিছুটা স্বস্তি পেয়েছেন মানুষ। গত বছর এই সময়েই পশ্চিমাঞ্চলের কয়েকটি জেলায় তাপপ্রবাহের সতর্কতা জারি হয়েছিল। কলকাতাতেও তখন তীব্র ভ্যাপসা গরমে নাজেহাল অবস্থা ছিল। তবে এ বার পরিস্থিতি কিছুটা আলাদা। বৃষ্টির কারণে এখনো সেই তীব্র গরমের মুখে পড়তে হয়নি রাজ্যবাসীকে।আলিপুর আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, বাংলাদেশ এলাকায় তৈরি হওয়া একটি ঘূর্ণাবর্তের প্রভাবেই এই বৃষ্টি হচ্ছে। সেই কারণেই রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় মেঘলা আকাশ ও বৃষ্টির পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।শুক্রবার দক্ষিণবঙ্গের বেশির ভাগ জায়গায় আবহাওয়া কিছুটা শুষ্ক থাকতে পারে। তবে কয়েকটি জেলায় বিক্ষিপ্ত বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, সপ্তাহান্তে বৃষ্টির পরিমাণ আবার বাড়তে পারে। বিশেষ করে রবিবার থেকে দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় হালকা থেকে মাঝারি বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।রবিবার, সোমবার এবং মঙ্গলবার দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় বৃষ্টির পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। এই সময় কলকাতাতেও বৃষ্টি হতে পারে। বৃষ্টির সঙ্গে ঘণ্টায় চল্লিশ থেকে পঞ্চাশ কিলোমিটার বেগে দমকা হাওয়া বইতে পারে বলেও জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর।পশ্চিমাঞ্চলের কয়েকটি জেলায় বৃষ্টির সম্ভাবনা তুলনামূলক বেশি। বিশেষ করে মুর্শিদাবাদ, পূর্ব বর্ধমান, পশ্চিম বর্ধমান, বীরভূম এবং বাঁকুড়া জেলায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টি বেশি হতে পারে বলে সতর্ক করা হয়েছে। বুধবার পর্যন্ত রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি চলতে পারে।অন্য দিকে, উত্তরবঙ্গের বেশ কিছু জেলায় বৃহস্পতিবার থেকেই ভারী বৃষ্টি শুরু হয়েছে। শুক্রবারও পাহাড় এবং সংলগ্ন এলাকায় ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, জলপাইগুড়ি এবং আলিপুরদুয়ার জেলায় ভারী বৃষ্টির সতর্কতা জারি করা হয়েছে। বাকি জেলাগুলিতে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।শনিবার বৃষ্টির পরিমাণ কিছুটা কমতে পারে। তবে রবিবার থেকে আবার বৃষ্টি বাড়তে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর।শুক্রবার সকালে কলকাতার আকাশ আংশিক মেঘলা ছিল। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে রোদের তেজ কিছুটা বেড়েছে। আজ শহরে বৃষ্টির সম্ভাবনা খুব একটা নেই বললেই চলে। তবে আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী রবিবার থেকে আবারও কলকাতায় বৃষ্টির সম্ভাবনা তৈরি হতে পারে।

মার্চ ১৩, ২০২৬
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • 10
  • 11
  • ...
  • 59
  • 60
  • ›

ট্রেন্ডিং

খেলার দুনিয়া

বিশ্বকাপে অবিশ্বাস্য চিত্র! চার হাজার ডলারের টিকিট নেমে এল প্রায় এক তৃতীয়াংশে, আসল কারণ জানলে চমকে যাবেন

বিশ্বকাপের নকআউট পর্ব মানেই সাধারণত টিকিটের জন্য হুড়োহুড়ি। কিন্তু এবার দেখা যাচ্ছে একেবারে উল্টো ছবি। কয়েক দিন আগেও যে টিকিটের দাম প্রায় চার হাজার মার্কিন ডলার ছুঁয়েছিল, এখন সেই টিকিটের দাম অনেকটাই কমে গিয়েছে। এই পরিস্থিতি দেখে অনেক ফুটবলপ্রেমীরই প্রশ্ন, হঠাৎ কেন এমন হল?টিকিট বিক্রির তথ্য বিশ্লেষণকারী সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, স্পেন ও বেলজিয়ামের কোয়ার্টার ফাইনাল ম্যাচের সর্বনিম্ন টিকিটের দাম প্রায় দুই হাজার নয়শো পঞ্চাশ মার্কিন ডলার থেকে নেমে প্রায় এক হাজার দুইশো ডলারে এসেছে। অনেকের মতে, আয়োজক দেশ আমেরিকা কোয়ার্টার ফাইনালে উঠতে পারলে টিকিটের চাহিদা এবং দাম দুটোই অনেক বেশি থাকত। কিন্তু শেষ ষোলোয় বেলজিয়ামের কাছে হেরে বিদায় নেওয়ায় সেই সম্ভাবনা শেষ হয়ে যায়।পর্তুগালের বিদায়ও টিকিট বাজারে বড় প্রভাব ফেলেছে। স্পেনের কাছে হেরে ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোর দল ছিটকে যাওয়ায় সম্ভাব্য বড় আকর্ষণের ম্যাচ আর হচ্ছে না। ফলে দর্শকদের আগ্রহও কমেছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। অন্যদিকে ফ্রান্স ও মরক্কোর কোয়ার্টার ফাইনাল ম্যাচের টিকিট চারটি ম্যাচের মধ্যে সবচেয়ে কম দামে বিক্রি হচ্ছে। এই ম্যাচের সর্বনিম্ন টিকিটের মূল্য এক হাজার ডলারেরও কম।এর আগেও আমেরিকা ও বেলজিয়ামের শেষ ষোলোর ম্যাচের টিকিটের দাম ওঠানামা করেছিল। একসময় সেই ম্যাচের টিকিটের মূল্য চার হাজার মার্কিন ডলারের কাছাকাছি পৌঁছলেও পরে তা অনেকটাই নেমে আসে। আমেরিকা শেষ ষোলোয় ওঠার পর কিছু সময়ের জন্য দাম বাড়লেও পরে আবার কমতে শুরু করে। কয়েক দিনের মধ্যেই টিকিটের মূল্য প্রায় এক তৃতীয়াংশ পর্যন্ত কমে যায়।বিশেষজ্ঞদের মতে, বড় তারকা এবং জনপ্রিয় দলগুলির বিদায় টিকিটের বাজারে বড় প্রভাব ফেলেছে। ব্রাজিল, পর্তুগাল এবং আয়োজক আমেরিকার বিদায়ের পর অনেক দর্শক আর মাঠে যাওয়ার আগ্রহ দেখাচ্ছেন না। কানাডার বিদায়ের পরও সংশ্লিষ্ট ম্যাচের টিকিটের দাম কমে যায়।তবে এখনও অনেকের বিশ্বাস, লিওনেল মেসির আর্জেন্টিনা যত এগোবে, ততই বিশ্বকাপে আবার দর্শকদের আগ্রহ বাড়বে। ফুটবলপ্রেমীদের আশা, মেসির ম্যাচ ঘিরেই আবার গ্যালারি ভরে উঠবে এবং টিকিটের চাহিদাও নতুন করে বাড়বে।

জুলাই ০৮, ২০২৬
কলকাতা

বারুইপুরের পর ফের পুকুর থেকে দেহ উদ্ধার! কলকাতায় রহস্য ঘিরে তীব্র চাঞ্চল্য

খাস কলকাতায় ফের রহস্যজনক দেহ উদ্ধারের ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। বুধবার সকালে পর্ণশ্রী থানার অধীন ইউনিক পার্ক এলাকার একটি পুকুর থেকে এক অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তির দেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। স্থানীয় বাসিন্দারা পুকুরে দেহ ভাসতে দেখে পুলিশে খবর দেন। এরপর পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য বিদ্যাসাগর হাসপাতালে পাঠায়।প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে, মৃত ব্যক্তি এলাকার বাসিন্দা নন। কীভাবে তাঁর মৃত্যু হয়েছে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। পুলিশ মৃতের পরিচয় জানার চেষ্টা করছে। একই সঙ্গে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে তদন্ত শুরু হয়েছে।স্থানীয়দের একাংশের সন্দেহ, ওই ব্যক্তিকে অন্য কোথাও খুন করার পর দেহটি এনে এই পুকুরে ফেলে দেওয়া হয়েছে। যদিও এই অভিযোগের সত্যতা এখনও নিশ্চিত করেনি পুলিশ। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট এবং তদন্তের ভিত্তিতেই মৃত্যুর আসল কারণ জানা যাবে বলে মনে করা হচ্ছে।গত কয়েক দিনে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে জলাশয় থেকে দেহ উদ্ধারের একাধিক ঘটনা সামনে এসেছে। রবিবার বারুইপুরে পুকুর থেকে এক নাবালিকার দেহ উদ্ধারের ঘটনায় রাজ্যজুড়ে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছিল। তার পর সোমবার অশোকনগরের একটি জলাশয় থেকেও এক তরুণীর দেহ উদ্ধার হয়। সেই ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই এবার কলকাতার বেহালা এলাকায় পুকুর থেকে অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তির দেহ উদ্ধার হওয়ায় নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার সব দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে। মৃতের পরিচয়, মৃত্যুর কারণ এবং এর পিছনে কোনও অপরাধমূলক ঘটনা রয়েছে কি না, তা জানতে তদন্ত চলছে।

জুলাই ০৮, ২০২৬
কলকাতা

বালিগঞ্জে হঠাৎ তুমুল অশান্তি! পুলিশের সামনেই বিস্ফোরক অভিযোগ মমতার, সরগরম রাজনীতি

বালিগঞ্জ ফাঁড়ি এলাকায় বুধবার কালীঘাট তৃণমূলের মিছিল ঘিরে তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। কলকাতা হাই কোর্টের অনুমতি নিয়ে মিছিল শুরু হলেও কিছুক্ষণের মধ্যেই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। অভিযোগ, পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় বিজেপি কর্মীরা তৃণমূলের মিছিল লক্ষ্য করে স্লোগান দেন। এরপর দুই পক্ষের মধ্যে বাগ্বিতণ্ডা শুরু হয়। মুহূর্তের মধ্যে ধস্তাধস্তি ও হাতাহাতির পরিস্থিতি তৈরি হয়। ঘটনাস্থলে কটাক্ষ করে গানও বাজানো হয় বলে অভিযোগ। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে হস্তক্ষেপ করে পুলিশ।খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি পুলিশের ভূমিকা নিয়ে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তাঁর অভিযোগ, আদালতের অনুমতি থাকা সত্ত্বেও মিছিলে বাধা দেওয়া হয়েছে এবং মাইক্রোফোন ব্যবহার করতে দেওয়া হয়নি। পাশাপাশি তিনি দাবি করেন, তাঁর দলের কর্মীদের উপর হামলা হয়েছে এবং পুলিশ সেই পরিস্থিতি সামাল দিতে ব্যর্থ হয়েছে।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আরও অভিযোগ করেন, তাঁর দলের এক নেতাকে ঘিরে রেখে মারধর করা হয়েছে। তিনি নিজে সেখানে গিয়ে ওই নেতাকে উদ্ধার করেন বলেও দাবি করেন। তাঁর বক্তব্য, প্রশাসনের দায়িত্ব ছিল শান্তিপূর্ণভাবে মিছিল সম্পন্ন করা, কিন্তু তা না করে পরিস্থিতি আরও জটিল হতে দেওয়া হয়েছে।পুলিশি নজরদারি নিয়েও সরব হন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর অভিযোগ, তাঁকে অন্যায়ভাবে নজরদারির মধ্যে রাখা হয়েছে এবং তাঁর বাড়িতে কে আসছেন বা কে যাচ্ছেন, তা পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। তিনি এটিকে গণতান্ত্রিক অধিকারের পরিপন্থী বলে দাবি করেন। একই সঙ্গে তিনি অভিযোগ করেন, তাঁকে কার্যত গৃহবন্দি করে রাখা হয়েছে।বারুইপুরের ঘটনায় প্রতিবাদকারীদের গ্রেপ্তার এবং রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় নারী নির্যাতনের ঘটনাও এদিন তুলে ধরেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি দাবি করেন, গত কয়েক মাসে একাধিক নারী নির্যাতনের ঘটনা ঘটেছে। সব ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত এবং দ্রুত বিচার হওয়া উচিত বলেও মন্তব্য করেন তিনি।শেষে তিনি জানান, প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে তাঁদের গুরুতর আপত্তি রয়েছে এবং এই বিষয়ে আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার কথাও ভাবা হচ্ছে। বালিগঞ্জের এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজ্যের রাজনৈতিক উত্তাপ আরও বেড়ে গেল।

জুলাই ০৮, ২০২৬
কলকাতা

মিছিলে হঠাৎ মেজাজ হারালেন মমতা! নিজের দলের কর্মীকেই সপাটে চড়, তোলপাড় রাজনীতি

বারুইপুরে নাবালিকা ধর্ষণ ও খুনের ঘটনার প্রতিবাদে বুধবার কালীঘাট তৃণমূলের ডাকা মিছিল ঘিরে হাজরায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। কলকাতা হাই কোর্টের অনুমতি নিয়ে বালিগঞ্জ ফাঁড়ি থেকে মিছিল শুরু হলেও কিছু দূর এগোতেই বিশৃঙ্খলা তৈরি হয়। স্লোগান, পাল্টা স্লোগান এবং দুই পক্ষের বাগ্বিতণ্ডাকে ঘিরে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।এই অবস্থায় কালীঘাটের বাড়ি থেকে বেরিয়ে আসেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বাড়ির সামনে তখন বিপুল ভিড় জমে যায়। ভিড় নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করতে গিয়ে তিনি ক্ষুব্ধ হয়ে পড়েন। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, সামনে থাকা নিজের দলের এক কর্মীকে সপাটে চড় মারেন তিনি। শুধু তাই নয়, বিশৃঙ্খলা থামাতে আরও কয়েকজন কর্মীকেও ধাক্কা ও চড় মারতে দেখা যায় তাঁকে। ঘটনাটি ঘিরে মুহূর্তের মধ্যেই রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়।মিছিল চলাকালীন এলাকায় উত্তেজনা আরও বাড়ে। অভিযোগ, একদিকে চোর চোর স্লোগান ওঠে, অন্যদিকে রাস্তার পাশ থেকে কটাক্ষ করে গান বাজানো হয়। বিজেপি ও তৃণমূল কর্মীদের মধ্যে ধস্তাধস্তির ঘটনাও ঘটে বলে অভিযোগ। তৃণমূলের দাবি, তাদের একাধিক কর্মী মারধরের শিকার হয়েছেন।ঘটনার পর বিজেপি নেতা ও কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার তীব্র কটাক্ষ করেন। তাঁর দাবি, ক্ষমতা হারানোর পর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মানসিকভাবে অস্থির হয়ে পড়েছেন এবং সেই কারণেই এমন আচরণ করছেন। যদিও এই মন্তব্যের কোনও প্রতিক্রিয়া তৃণমূলের পক্ষ থেকে সঙ্গে সঙ্গে জানানো হয়নি।পরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে পুলিশের ভূমিকারও সমালোচনা করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, আদালতের অনুমতি নিয়েই ছাত্র ও যুবরা মিছিল করেছে এবং গণতান্ত্রিকভাবে প্রতিবাদ করার অধিকার সকলের রয়েছে। একই সঙ্গে তাঁর অভিযোগ, বিজেপি কর্মীরা তাঁর বাড়ির সামনে এসে অশান্তির পরিবেশ তৈরির চেষ্টা করেছে। তিনি প্রশাসনের কাছে আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখারও দাবি জানান।বারুইপুর কাণ্ডকে কেন্দ্র করে রাজ্যের রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। একদিকে তদন্ত এগোচ্ছে, অন্যদিকে ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক সংঘাতও নতুন মাত্রা পাচ্ছে।

জুলাই ০৮, ২০২৬
বিদেশ

ট্রাম্পের এক ঘোষণায় চাপে ভারত? তুরস্ককে যুদ্ধবিমান দেওয়ার সিদ্ধান্তে বাড়ছে উদ্বেগ

নতুন কূটনৈতিক সমীকরণের ইঙ্গিত দিল আমেরিকা। তুরস্কের ওপর দীর্ঘদিনের নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার ঘোষণা করলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। একই সঙ্গে তিনি জানান, তুরস্ককে অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমান দেওয়ার পরিকল্পনাও রয়েছে। এই ঘোষণার পর আন্তর্জাতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। বিশেষজ্ঞদের একাংশের মতে, এই সিদ্ধান্ত ভবিষ্যতে ভারতের নিরাপত্তা পরিস্থিতির ওপরও প্রভাব ফেলতে পারে।মঙ্গলবার তুরস্কের রাজধানী আঙ্কারায় উত্তর আটলান্টিক সামরিক জোটের বৈঠকে ভার্চুয়াল বক্তব্য রাখতে গিয়ে ট্রাম্প বলেন, ওয়াশিংটন ও আঙ্কারার সম্পর্ক নতুন অধ্যায়ে প্রবেশ করতে চলেছে। তিনি স্পষ্ট জানান, তুরস্কের ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করা হবে এবং যুদ্ধবিমান দেওয়ার বিষয়েও ইতিবাচকভাবে ভাবা হচ্ছে। উল্লেখ্য, রাশিয়ার কাছ থেকে আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা কেনার পর তুরস্কের সঙ্গে আমেরিকার সম্পর্কের অবনতি হয়েছিল। সেই পরিস্থিতিরই এবার পরিবর্তনের ইঙ্গিত মিলছে।এই সিদ্ধান্ত ঘিরে সবচেয়ে বেশি আলোচনা শুরু হয়েছে ভারতের নিরাপত্তা নিয়ে। কারণ, সাম্প্রতিক সময়ে পাকিস্তানের সঙ্গে তুরস্কের প্রতিরক্ষা সহযোগিতা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। বিভিন্ন সামরিক প্রকল্পে দুই দেশের ঘনিষ্ঠতা আন্তর্জাতিক মহলেও নজর কেড়েছে। ফলে তুরস্কের হাতে নতুন সামরিক প্রযুক্তি এলে ভবিষ্যতে তার প্রভাব পাকিস্তানের সামরিক সক্ষমতার ওপরও পড়তে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন বহু প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক।বিশেষজ্ঞদের মতে, সাম্প্রতিক সংঘাতের সময় পাকিস্তান তুরস্কের তৈরি ড্রোন ব্যবহার করেছিল বলে অভিযোগ উঠেছিল। তাই তুরস্কের সামরিক শক্তি আরও বৃদ্ধি পেলে তা ভারতের জন্য নতুন কৌশলগত চ্যালেঞ্জ তৈরি করতে পারে। এই কারণেই দিল্লি গোটা পরিস্থিতির ওপর কড়া নজর রাখছে।এদিকে আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে ভারতও নিজের অবস্থান আরও শক্ত করছে। সাম্প্রতিক সময়ে গ্রিসের সঙ্গে প্রতিরক্ষা, সামুদ্রিক নিরাপত্তা এবং কৌশলগত সহযোগিতা অনেকটাই বৃদ্ধি করেছে নয়াদিল্লি। তুরস্কের সঙ্গে গ্রিসের দীর্ঘদিনের বিরোধের প্রেক্ষাপটে এই সম্পর্ককে গুরুত্বপূর্ণ বলেই মনে করছেন আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞরা। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সাম্প্রতিক গ্রিস সফরেও প্রতিরক্ষা সহযোগিতা নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা হয়েছিল। ফলে আমেরিকা-তুরস্ক সম্পর্কের নতুন সমীকরণের মধ্যেই ভারতও নিজের কূটনৈতিক অবস্থান আরও শক্তিশালী করার পথে এগোচ্ছে বলে মনে করা হচ্ছে।

জুলাই ০৮, ২০২৬
কলকাতা

অপরাধীদের আর কোনও ছাড় নয়....! বারুইপুরে এনকাউন্টার নিয়ে বিস্ফোরক শমীক

বারুইপুরে নাবালিকা ধর্ষণ ও খুনের ঘটনায় গভীর রাতে বড় মোড় এল। পুলিশের এনকাউন্টারে মৃত্যু হল মামলার অন্যতম মূল অভিযুক্ত প্রভাস মণ্ডলের। এই ঘটনাকে ঘিরে নতুন করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে রাজ্যজুড়ে। এখনও পর্যন্ত এই মামলায় চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তাদের মধ্যে প্রভাস মণ্ডলের মৃত্যু তদন্তে নতুন মাত্রা যোগ করেছে।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার গভীর রাতে ঘটনাস্থলে অভিযুক্তকে নিয়ে গিয়ে ঘটনার পুনর্নির্মাণ করা হচ্ছিল। সেই সময় চারপাশে প্রবল বৃষ্টি ও অন্ধকার ছিল। অভিযোগ, ওই সুযোগে এক পুলিশকর্মীর সার্ভিস রিভলভার কেড়ে নিয়ে পালানোর চেষ্টা করে প্রভাস। পুলিশের দাবি, অভিযুক্ত একটি গুলিও চালায়। এরপর আত্মরক্ষায় পাল্টা গুলি চালায় পুলিশ। গুলিবিদ্ধ অবস্থায় তাকে বারুইপুর মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকেরা মৃত ঘোষণা করেন।এই ঘটনায় প্রতিক্রিয়া জানিয়ে বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য বলেন, সরকার কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছে এবং অপরাধীদের কোনও রকম ছাড় দেওয়া হবে না। একই সঙ্গে তিনি কামদুনি মামলার তদন্ত নতুন করে শুরু করার দাবিও জানান। বিজেপি নেতা দেবজিৎ সরকারও বলেন, অভিযুক্তের মৃত্যু এক ধরনের কঠোর বিচার বলে তিনি মনে করেন।এদিকে তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, প্রাথমিক ময়নাতদন্তের রিপোর্টে উঠে এসেছে অত্যন্ত নৃশংস ঘটনার ছবি। সূত্রের দাবি, নাবালিকাকে যৌন নির্যাতনের পর মাথায় আঘাত করা হয়। তারপর তাকে জলে ফেলে দেওয়া হয়। রিপোর্ট অনুযায়ী, জলে ডুবেই তার মৃত্যু হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে।পুলিশের দাবি, এই মামলার তদন্ত দ্রুত এগোচ্ছে। ধৃত অন্য অভিযুক্তদের জিজ্ঞাসাবাদ করে ঘটনার সঙ্গে আর কেউ জড়িত কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ঘটনার প্রতিটি দিক খতিয়ে দেখে দ্রুত চার্জশিট দেওয়ার প্রস্তুতিও শুরু হয়েছে বলে তদন্তকারী সূত্রে খবর।

জুলাই ০৮, ২০২৬
রাজ্য

বারুইপুর কাণ্ডে গভীর রাতে বড় মোড়! এনকাউন্টারে মৃত্যু অভিযুক্তের, যা বললেন নিহত নাবালিকার বাবা

বারুইপুরে নাবালিকা ধর্ষণ ও খুনের মামলায় গভীর রাতে বড় মোড় এল। পুলিশের এনকাউন্টারে মৃত্যু হয়েছে এই মামলার অন্যতম অভিযুক্ত প্রভাস মণ্ডলের। ঘটনার পর সংবাদমাধ্যমের সামনে প্রতিক্রিয়া জানালেন নিহত নাবালিকার বাবা। তিনি জানান, পুলিশ এবং রাজ্য সরকারের তদন্তের উপর তাঁর সম্পূর্ণ আস্থা রয়েছে। পাশাপাশি মুখ্যমন্ত্রীর দেওয়া আশ্বাসেও তিনি সন্তুষ্ট বলে জানিয়েছেন।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার রাত প্রায় পৌনে একটা নাগাদ ঘটনার পুনর্নির্মাণের জন্য প্রভাস মণ্ডলকে নিয়ে যায় বারুইপুর থানার পুলিশ। অভিযোগ, সেই সময় অভিযুক্ত আচমকা এক পুলিশকর্মীর আগ্নেয়াস্ত্র ছিনিয়ে নিয়ে পালানোর চেষ্টা করে। পুলিশের দাবি, পালানোর সময় সে এক রাউন্ড গুলিও চালায়। এরপর পাল্টা গুলি চালায় পুলিশ। গুরুতর জখম অবস্থায় প্রভাস মণ্ডলকে বারুইপুর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকেরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।অভিযুক্তের মৃত্যুর পর নিহত নাবালিকার বাবা বলেন, পুলিশের উপর তাঁর পূর্ণ বিশ্বাস রয়েছে। তিনি জানান, মুখ্যমন্ত্রী তাঁর সঙ্গে কথা বলে দ্রুত বিচার এবং কঠোর শাস্তির আশ্বাস দিয়েছেন। সেই প্রতিশ্রুতির উপর তাঁর সম্পূর্ণ আস্থা আছে। তাঁর কথায়, পুলিশ না থাকলে তদন্ত এত দ্রুত এগোত না। তিনি আরও বলেন, তদন্তে এখনও যাঁরা জড়িত, তাঁদেরও গ্রেপ্তার করা হবে বলে তিনি বিশ্বাস করেন। তাঁর একমাত্র দাবি, এই নৃশংস অপরাধে জড়িত প্রত্যেকের কঠোরতম শাস্তি নিশ্চিত করা হোক।নিহত নাবালিকার এক আত্মীয়ও জানিয়েছেন, মুখ্যমন্ত্রী তাঁদের আশ্বস্ত করেছেন যে এই মামলায় ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা হবে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত প্রত্যেককে আইনের আওতায় এনে সর্বোচ্চ শাস্তির ব্যবস্থা করা হবে বলেও তাঁদের জানানো হয়েছে।এদিকে, পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, মামলার তদন্ত এখনও চলছে। ঘটনার সঙ্গে আর কেউ জড়িত কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্তকারীদের দাবি, সমস্ত তথ্যপ্রমাণ সংগ্রহ করে দ্রুত আইনি প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ করা হবে।

জুলাই ০৮, ২০২৬
রাজ্য

ঠিক কী কারণে পুলিশ এনকাউন্টার করতে বাধ্য হয়েছিল! সামনে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য

বারুইপুরে নাবালিকা ধর্ষণ ও খুনের মামলায় তদন্তে বড় মোড় এসেছে। ঘটনার পুনর্নির্মাণের সময় পুলিশের গুলিতে মৃত্যু হয়েছে অন্যতম এক অভিযুক্তের। পুলিশের দাবি, অভিযুক্ত পালানোর চেষ্টা করার পাশাপাশি এক পুলিশকর্মীর আগ্নেয়াস্ত্র ছিনিয়ে নিয়ে গুলি চালায়। আত্মরক্ষার্থে পুলিশ পাল্টা গুলি চালালে সে গুলিবিদ্ধ হয়। পরে বারুইপুর মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকেরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার গভীর রাতে অভিযুক্তকে নিয়ে বারুইপুরের সূর্যপুর এলাকায় ঘটনাস্থলে যাওয়া হয়। রাত প্রায় পৌনে একটা নাগাদ পুনর্নির্মাণের কাজ শুরু হওয়ার ঠিক আগে আচমকা পরিস্থিতি বদলে যায়। অভিযোগ, অভিযুক্ত এক পুলিশকর্মীর বন্দুক কেড়ে নিয়ে এক রাউন্ড গুলি চালায় এবং পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। এরপর পুলিশ পাল্টা গুলি চালায়। সেই গুলিতেই অভিযুক্ত গুরুতর জখম হয়।পুলিশ জানিয়েছে, আহত অবস্থায় অভিযুক্তকে দ্রুত বারুইপুর মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলেও চিকিৎসকেরা তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। পুরো ঘটনাকে ঘিরে প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।তদন্তকারী সূত্রের দাবি, এই অভিযুক্তকেই আগে প্রকাশ্যে আসা সিসিটিভি ফুটেজে নাবালিকার সঙ্গে শেষবার দেখা গিয়েছিল। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, নাবালিকার বস্তাবন্দি দেহ উদ্ধারের সময়ও ওই অভিযুক্ত ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিল এবং পুকুর থেকে দেহ উদ্ধারে পুলিশকে সাহায্য করেছিল।উল্লেখ্য, শনিবার থেকে নিখোঁজ ছিল নাবালিকা। রবিবার পুকুর থেকে তার বস্তাবন্দি দেহ উদ্ধার হয়। ঘটনার পর দ্রুত তদন্ত শুরু করে পুলিশ এবং একের পর এক অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়। নির্যাতিতার পরিবারের সঙ্গে দেখা করে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী দ্রুত বিচার এবং দোষীদের কঠোরতম শাস্তির আশ্বাসও দিয়েছিলেন।এদিকে একই মামলায় বড় সাফল্য পেয়েছে তদন্তকারী দল। এতদিন পলাতক থাকা চতুর্থ অভিযুক্তকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বিশেষ বাহিনী, জেলা পুলিশ এবং বিশেষ তদন্তকারী দলের যৌথ অভিযানে বসিরহাট থেকে তাকে ধরা হয়। মোবাইল ফোনের অবস্থান অনুসরণ করেই অভিযুক্তের খোঁজ পায় পুলিশ। তদন্তকারীদের দাবি, এই গ্রেপ্তারের ফলে মামলার আরও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সামনে আসতে পারে।

জুলাই ০৮, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal