• ১৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, মঙ্গলবার ০২ জুন ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Bengal

কলকাতা

বাংলার উন্নয়নে বাঙালিদের থেকে অবাঙালিদের ভূমিকা বেশি, বিস্ফোরক মন্তব্য দিলীপের

বাংলার উন্নয়নে বাঙালিদের থেকে অবাঙালিদের ভূমিকা বেশি রয়েছে। বুধবার এমনই মন্তব্য করেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। এদিন তিনি বলেন, ব্রিটিশ আমল থেকে রোজগারের জন্য বাইরে থেকে বাংলায় আসছেন মানুষ। গঙ্গার পাড়ে জুটমিলে বেশিরভাগ বাংলার বাইরের মানুষ কাজ করতেন। বাংলায় যা উন্নয়ন হয়েছে তাতে বাঙালিদের থেকে অবাঙালিদের অবদান বেশি। রাজ্যে কাজ করা বিহারীরা যদি বহিরাগত হয় তাহলে পিকে কে? প্রশ্ন তোলেন তিনি। পাশাপাশি তিনি শাহরুখ খান বাংলার ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসডর হওয়া নিয়েও রাজ্যকে কটাক্ষ করেন। আরও পড়ুন ঃ উত্তরবঙ্গ থেকে ফিরে পুলিশের প্রশংসায় পঞ্চমুখ রাজ্যপাল এছাড়াও এদিন ক্যানিং স্ট্রিটের চায়ে-পে-চর্চায় দিলীপ ঘোষ বলেন, এতদিন তৃণমূলে গৃহযুদ্ধ চলছিল, এখন মানভঞ্জন চলছে। এখানেই শেষ নয়, সরকারি মঞ্চ থেকে দুয়ারে সরকারের নামে দলের প্রচার হলে আইনের দ্বারস্থ হতে হবে। নির্বাচন কমিশনেও যাওয়ার হুঁশিয়ারি দেন তিনি। এদিন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে তিনি বাবুয়া বলে কটাক্ষ করেন। তিনি বলেন, কে গুন্ডা , সবাই জানে। এছাড়াও প্রতিদিনের মতো এদিন সকালে নিউটাউনের ইকোপার্কে প্রাতঃভ্রমণে আসেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। সেখানে তিনি যখন যোগাভ্যাস করছিলেন ঠিক সেই সময় কিছুটা দূরে রাজারহাট-নিউটাউনের তৃণমূল যুব কংগ্রেসের সভাপতি মহম্মদ আফতাবউদ্দিন কয়েকজন কর্মী নিয়ে সব বেচে দে গেঞ্জি পরে অভিনব কায়দায় কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ দেখান। এই প্রতিবাদের বিষয়ে দিলীপ ঘোষ বলেন, এতদিন দিদির অনুপ্রেরণায় সবকিছু কেনাবেচা করছিলেন, এখন দাদার অনুপ্রেরণায় যোগাভ্যাস করছেন। আমি বলছি ওয়েলকাম, খুব ভালো কথা। কে কাকে বেচছে সে তো সবাই জানে। ক্ষমতা থেকে চলে যাওয়ার আগে সব বেচে দে। চলুন সব বিক্রি করুন। এরপর হবে সব কিনে নে। এই যে কেনা বেচার যে ব্যবসা , এটা পশ্চিমবাংলায় আর চলবে না।

ডিসেম্বর ০২, ২০২০
কলকাতা

উত্তরবঙ্গ থেকে ফিরে পুলিশের প্রশংসায় পঞ্চমুখ রাজ্যপাল

উত্তরবঙ্গ থেকে ফিরে রাজ্য পুলিশের প্রশংসায় পঞ্চমুখ রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়। বুধবার পাহাড় থেকে শহরে ফিরেছেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়। স্টেশনে তাঁকে স্বাগত জানায় পুলিশ। টুইটে সেই ছবি শেয়ার করেন রাজ্যপাল। উল্লেখযোগ্যভাবে এদিনের টুইটে পুলিশের প্রশংসা করেন তিনি। টুইটে সেই ছবি শেয়ার করেন রাজ্যপাল। রাজনৈতিক পক্ষপাতদুষ্টতার তকমা এবার পুলিশের গা থেকে ঘুচতে দেখবেন বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি। আরও পড়ুন ঃ রাজ্যে তথ্যপ্রযুক্তি শিল্পে বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থানের ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর উল্লেখ্য, নভেম্বর মাসটা দার্জিলিংয়ের রাজভবনে ছিলেন সস্ত্রীক রাজ্যপাল। সেখান থেকেই যাবতীয় দায়দায়িত্ব পালন করেন তিনি। সেখানেও একাধিকবার রাজ্য ও পুলিশের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দেন পুলিশ। কিন্তু এদিন তিনি পুলিশের ভূমিকার প্রশংসা করায় স্বাভাবিকভাবে অবাক প্রত্যেকে।

ডিসেম্বর ০২, ২০২০
কলকাতা

তৃণমূল নেতৃ্ত্বকে কদর্য ভাষায় আক্রমণ বিজেপি সাংসদের

তৃণমূল এখন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়, সৌগত রায়েদের মতো বুড়ো খোকাদের বার করেছেন সোনার বাক্স থেকে। ওটা বুড়োদের পার্টি হয়ে গিয়েছে। মঙ্গলবার প্রাতঃভ্রমণে বেরিয়ে দিলীপ ঘোষ ফের শাসক দলের নেতৃত্বের উদ্দেশে আক্রমণ শানালেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। তিনি বলেন, ওটা বুড়োদের পার্টি হয়ে গিয়েছে। মাঝখানে যত নেতা ছিল হয় পালিয়েছে, নয় চুপ করেছে, আর সবে মুখ খুলতে শুরু করেছে। দিন কয়েক আগে তৃণমূলের বর্ষীয়ান সাংসদ সৌগত রায় বলেছিলেন, যাঁরা দল (তৃণমূল) ছেড়ে পালাচ্ছেন তাঁরা ইঁদুর। এই প্রসঙ্গে বিজেপি সাংসদের খোঁচা, বাকিরা ইঁদুর হলে সৌগতবাবু কি মোষ? ওঁকে কেউ দলে নেবে না। তাই উনি তৃণমূলে পড়ে রয়েছেন। রাজ্যের স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্যকে নিশানা করে দিলীপ ঘোষ বলেন, চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য কলকাতায় জিততে পারেননি বলে কাঁথি গেছেন। তৃণমূল অর্থবদের দলে পরিণত হয়েছে। যাঁরা নেতা ছিল তাঁরা হয় পালিয়ে গিয়েছেন, নয়তো চুপ করে গিয়েছেন। যাঁদের কোথাও যাওয়ার জায়গা নেই তাঁরাই ওই দলে পড়ে রয়েছেন। আরও পড়ুন ঃ বাংলায় আমদানি করা গব্বর সিংদের মানুষ মেনে নেবে নাঃ ইন্দ্রনীল সেন আজ, মঙ্গলবার থেকে রাজ্যজুড়ে শুরু হচ্ছে তৃণমূল সরকারের দুয়ারে দুয়ারে সরকার কর্মসূচি। এই প্রসঙ্গে কটাক্ষ করে দিলীপ ঘোষ বলেন, এর আগে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পার্টি- সরকার এই ধরণের অনেক প্রকল্প ঘোষণা করেছে। কিন্তু বাস্তবে মানুষ কিছু পায়নি। পার্টির লোকেরা কাটমানি পেয়েছেন। এগুলো সব স্ট্যান্ট। নির্বাচনকে কেন্দ্র করে স্টান্ট হচ্ছে। আর কিছু না। একবার রাস্তায় নেমে জিজ্ঞেস করুন কে স্বাস্থ্যসাথী সুবিধা পেয়েছে, সব লোককে বোকা বানানোর রাস্তা। বাংলার লোক আর বোকা হতে রাজি নন। আগের যে সমস্ত কার্ড দিয়েছিল সেগুলো কোথায় গেল তার হিসাব দিতে হবে আর কেউ ভুলবে না। এদিন তাঁর নিশানায় ছিল ভোটকুশলী প্রশান্ত কিশোরও। তিনি বলেন, বাইরে থেকে লোক এসে কোন নেতা কী পড়বেন, কী খাবেন, কখন ওষুধ খাবেন-সব ঠিক করে দিচ্ছেন। বাংলায় এমন রাজনীতি আগে ছিল না। এই রাজনীতি বাংলার মানুষ মানতে পারবেন না। তিনি জানান, গুণ্ডা মন্তব্যের জেরে তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে আইনি নোটিস পাঠানো হয়েছে। তবে তার কোনও জবাব এখনও মেলেনি।

ডিসেম্বর ০১, ২০২০
কলকাতা

সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে আইনি নোটিশ দিলীপ ঘোষের আইনজীবীর

ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে আইনি নোটিশ পাঠালেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের আইনজীবী। তাঁর পক্ষের আইনজীবী পার্থ ঘোষ সোমবার আইনি নোটিশ পাঠিয়ে তৃ্ণমূল সাংসদকে মন্তব্য প্রত্যাহার করতে বলেছেন। আগামী তিনদিনের মধ্যে নিঃশর্ত ক্ষমা চাইতে বলেছেন। অন্যথায় অন্য পদক্ষেপ নেওয়ার হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে। পার্থ ঘোষ আরও বলেন, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই মন্তব্যে তাঁর মক্কেলের সম্মানহানি করা হয়েছে। আরও পড়ুনঃ আলুর দাম বাড়িয়ে মানুষের পকেট কেটে নির্বাচনী টাকা তুলছে তারাঃ দিলীপ প্রসঙ্গত, রবিবার সাতগাছিয়ার সভা থেকে সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছিলেন, দিলীপ ঘোষ গুন্ডা, মাফিয়া। চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে বলেছিলেন ক্ষমতা থাকলে আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার। এরপর সোমবার দিলীপ ঘোষ হুঁশিয়ারি দেন, আমি সাধারণ মানুষের জন্য আমি কাজ করছি। এটা যদি গুন্ডামো হয়, তাহলে তা আরও করব।

নভেম্বর ৩০, ২০২০
রাজনীতি

ভাইপোকে খোকাবাবু বলে কটাক্ষ দিলীপের

কে গুন্ডা সে তো পঞ্চায়েত নির্বাচনেই আমরা দেখেছি। সোমবার ইকোপার্কে প্রাতঃভ্রমণে বেরিয়ে অভিষেকের গতকালের মন্তব্যের পালটা আক্রমণ করলেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। তিনি বলেন, অভিষেক ৭ কোটি টাকার বাড়িতে থাকে, কনভয়ে ২৫টা গাড়ি ও আরও অনেক কিছু থাকে তাই কে মাফিয়া বোঝাই যাচ্ছে। হতাশা চরম পর্যায়ে পৌঁছে গিয়েছে বলে এসব বলছেন। আদর করে ভাইপো বললে আপত্তি কোথায়। আমি ভাইপো বলি না। আমি খোকাবাবু বলছি। ওঁকে খোকাবাবু বলব না তো কী! উনি কোলে চড়ে রাজনীতিতে এসেছেন, এখনও কোলেই আছেন। দিল্লিতে যুবরাজকে পাপ্পু বলা হয়। পাপ্পু বলা হবে। ভাইপো বললে ক্ষতি কি হয়েছে? চিৎকার চেঁচামিচি করে কিছু হবে না। লোক জানেন সব কিছু। আরও পড়ুন ঃ তৃণমূলকে ভাঙার চেষ্টা করে কোনও লাভ নেইঃ সুজিত তিনি আরও বলেন, যে লোকেরা পার্টির জন্য প্রাণ দিল তারা আজ ব্রাত্য আর উনি কোলে চড়ে এসে সাংসদ হয়ে গেলেন। বিগত ১০ বছরে প্রাইভেট প্রপাটি বানানো হয়েছে। বাসিন্দাদের কালিঘাট থেকে বের করে জায়গা দখল করা হয়েছে। আমাকে গুন্ডা, মস্তান বলা হয়েছে। সাধারণ মানুষের জন্য যা করছি তা যদি গুন্ডামি হয় তবে তাই। আমি সবে গুন্ডামি শুরু করেছি। গুন্ডামির কিছুই দেখেননি এখনও। অভিষেকের বিরুদ্ধে আইনী পদক্ষেপ নেওয়া হবে কিনা তা আইনজীবীরা দেখছেন। তবে ক্ষমতায় এসে এই ধরনের ভাষা ব্যবহার করা উচিত নয়। মানুষ সব দেখছেন ও বুঝছেন। মানুষ তুলতেও পারে-ফেলতেও পারেন।

নভেম্বর ৩০, ২০২০
কলকাতা

আলুর দাম বাড়িয়ে মানুষের পকেট কেটে নির্বাচনী টাকা তুলছে তারাঃ দিলীপ

ডিসেম্বর মাস এই রাজ্য-রাজনীতির জন্য গুরুত্বপূর্ণ সময়। সামনেই বড় নির্বাচনী লড়াই। সেই পরিস্থিতিতে বাইরে থেকে অনেক নেতৃত্বই বাংলায় আসবেন। রবিবার এই মন্তব্য করলেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। তিনি আরও বলেন, সেই পরিস্থিতিতে বাইরে থেকে অনেক নেতৃত্বই বাংলায় আসবেন। তবে বাংলার রাজনীতি একটু আলাদা। এখানে কেউ এলেই যে সফল হবেন, এমন নয়। প্রশিক্ষণের প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। শনিবার ফিরহাদ হাকিম আলুর দাম নিয়ে কথা বলেছিলেন। অনেক তাঁকে জাবাব দেওয়ার ভঙ্গিতেই দিলীপ আলুর দামের প্রসঙ্গ টেনে এনে বলেন, কয়লা এবং গরু থেকে তো (তৃণমূলের) টাকা ইনকাম বন্ধ হয়ে গিয়েছে। তাই আলুর দাম বাড়িয়ে মানুষের পকেট কেটে নির্বাচনী টাকা তুলছে তারা। বলে দেন, তৃণমূলে এখন গৃহযুদ্ধের আবহ, তৃণমূলের ঘর ভাঙছে। আর আমরা মহাযুদ্ধের প্রস্তুতি নিচ্ছি। গণেশচন্দ্র অ্যাভিনিউতে সরকারি কর্মচারী পরিষদের এক সভায় যান দিলীপ ঘোষ। সেখানে তিনি তৃণমূলকে আরও এক দফা আক্রমণ করে বলেন, জঙ্গলমহলের মানুষের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করেছে তৃণমূল। বলেছেন, তৃণমূলে এ বার পিকে হঠাও, তৃণমূল বাঁচাও স্লোগান উঠতে পারে। আরও পড়ুনঃ ডিসেম্বরেও খুলছে না কলেজ- বিশ্ববিদ্যালয়ঃ পার্থ অভিষেক ব্যানার্জী ইতিমধ্যে তাঁর সভা থেকে বিজেপিকে আক্রমণ করেছেন। বলেছেন বিজেপি তাঁর নাম নিতে ভয় পাচ্ছে। সেই প্রসঙ্গে দিলীপ বলেন, ভাইপো বলায় যখন বোঝা যাচ্ছে, তখন নাম বলার কী দরকার রয়েছে? এফআইআর করার কথা কেন বলছে! আমরা তো এফআইআর-এর কথা বলিনি! তা হলে এফআইআর-এর ভয় কেন? বলেন, সিবিআই, এনআইএ, ইডি আছে। এখানে নয়, যেতে হবে ভুবনেশ্বর। বলেন, আমরা তো বলেছিলাম-- লাল ডায়েরি পেলে দিদি যাবে জেলে। অনেক মাথাকেই ঢুকতে হবে। ডকুমেন্ট রয়েছে আমাদের কাছে। পাশাপাশি এদিন বজবজের সভা থেকে সরাসরি নাম করে দিলিপ ঘোষকে গুন্ডা বলে সম্বোধন করেন সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধায়। এর পাল্টা হুঁশিয়ারি দিয়ে দিলীপবাবু বলেন, হ্যাঁ! আমি গুন্ডা। এতদিন তোমরা গুণ্ডামি করেছ, এবার আমি করব। দরকারে আরও গুণ্ডামি করব।

নভেম্বর ২৯, ২০২০
রাজনীতি

বছরের শেষটা মোটেও ভাল যাচ্ছে না তৃণমূলেরঃ দিলীপ

এই ডিসেম্বর মাসটা খুব গুরুত্বপূর্ণ তৃণমূলের কাছে। প্রতিদিনের মতো রবিবার সকালে প্রাতঃভ্রমণে বেরিয়ে এই মন্তব্য করলেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। তিনি এই প্রসঙ্গে বলেন, আমি কাল যেটা বলেছি তৃণমূলে ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট শুরু হয়েছে। তাঁরা এখন ভাঙন ঠেকাতে মরিয়া। যে নেতারা কোনও্দিন বাইরে বেরোন না, তাঁরা বেরোতে আরম্ভ করেছেন। ডিসেম্বর মাসটা তৃণমূলের জন্য খুব চাপের। বছরের শেষটা মোটেও ভাল যাচ্ছে না তৃণমূলের।তৃণমূল দলটাই আর থাকবে না। এরপরই ৭ তারিখের সভা প্রসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রীকে আক্রমণ করে তিনি বলেন, মানুষ অনেক আশা করেছিলেন। কিন্তু জঙ্গলমহলে কোনও উন্নতিই ঘটেনি মমতা সরকারের আমলে। তাই মানুষ মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে। এখন জঙ্গলমহলে পড়ে থাকলেও কিছু হবে না।শেষ চেষ্টা করে দেখছেন। মিহির গোস্বামীর বিজেপিতে যোগদান প্রসঙ্গে সাংসদ বলেন, মিহির গোস্বামী অভিমানে দলত্যাগ করেছেন। এরকম আরো হবে। ফের বাংলাকে গুজরাট বানানোর শপথ নেন তিনি। বলেন, গুজরাটে শিল্প হয়েছে, শিক্ষা হয়েছে, উন্নতি হয়েছে। তাই বাংলাকে গুজরাট বানাবই। এছাড়াও শুভেন্দু ইস্যুতে দিলীপের বক্তব্য, টিএমসি-র কাউকে বহিষ্কার করার মত শক্তি নেই। তাহলে তো ফাঁকা হয়ে যাবে। সেজন্য আজকে তাঁরা কারও বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবেন না। এখন কিছু করতে গেলে পার্টি একবারে টুকরো টুকরো হয়ে যাবে। আরও পড়ুন ঃ আগামী ৬ তারিখ পাহাড়ে বিমল গুরুং জেপি নাড্ডা আসার আগে মুখ্যমন্ত্রীর সভা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আমরা নিয়মিত তো সভা করছি। ওনারা সবে নেমেছেন। কারণ, তৃণমূলের ভাষণ শুনতে লোকে আসে না। বিভিন্ন জায়গা থেকে , দূর দূর থেকে লোক নিয়ে আসতে হয়। তাই একবার পরীক্ষা করে নিচ্ছেন কি পরিস্থিতি। এখন ঘর সামলান আগে, তারপর সভা করবেন। গতকাল অনুকূল ঠাকুরের পুত্রের সঙ্গে কৈলাশ বিজয়বর্গীয় সাক্ষাৎ নিয়ে দিলীপের মন্তব্য, যত ধার্মিক সংগঠন আছে তাঁদের সমস্যা শোনা, তাঁদের সঙ্গে যোগাযোগ করার কাজটা আমাদের পার্টি সব সময় করে থাকে। গতকাল মালদহের নেতৃত্বের সঙ্গে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বৈঠকে কয়েকজন নেতৃত্বের অনুপস্থিতি নিয়ে বলেন, ওনারা একটু দেখে নিচ্ছেন কে আছেন, কে নেই। এই মাসেই দুধ-জল সব আলাদা হয়ে যাবে।

নভেম্বর ২৯, ২০২০
রাজ্য

রাজ্যে এখনই নয় জাঁকিয়ে শীত

কয়েকদিন আগেই রাজ্যে প্রবেশ ঘটেছে শীতের। কিন্তু গত দুদিন ধরে তাপমাত্রা বেড়ে যাওয়ায় শীত উধাও হয়ে গিয়েছে। কিন্তু আবহাওয়া দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, বুধবার থেকে রাজ্যে ফের শীত পড়তে চলেছে। কারণ, দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগরে আবারও তৈরি হচ্ছে একটি নিম্নচাপ। সেটি তৈরি হতে আরও ২৪ ঘণ্টা সময় লাগবে।যদি বাধা না আসে, তাহলে কাল ও পরশু সর্বনিম্ন তাপমাত্রা আরও নামবে। তবে কোনওভাবেই এই সপ্তাহের তাপমাত্রা ১৫ ডিগ্রির নিচে নামবে না। তাই জাঁকিয়ে শীতের জন্য কলকাতা সহ রাজ্যবাসীকে ডিসেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহ পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। এদিকে, রবিবারও কিছুটা নেমেছে পারদ। এদিন পারদ ২ ডিগ্রি নেমেছে। আজ কলকাতার তাপমাত্রা ১৬ . ৬। গতকাল যা ছিল ১৮ দশমিক ৬। আরও পড়ুন ঃ মহিষাদলে সভার আগে দাদার অনুগামীদের সংহতি দেখানোর অভিনব উদ্যোগ রবিবার বাঁকুড়ার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৪.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস, দিঘায় ১৬.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস, আসানসোলে ১৪.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস, ক্যানিংয়ে ১৫.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস, শ্রীনিকেতনে ১২.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। পানাগড়ে ১১.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। কৃষ্ণনগরে ১৪.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস, মেদিনীপুর ১৫.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস, পুরুলিয়া ১৫.০ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

নভেম্বর ২৯, ২০২০
কলকাতা

তৃণমূল সরকারের ইস্তফা দেওয়া উচিতঃ দিলীপ

তৃণমূল সরকার ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্টে পুরো ফেল। কিন্তু পার্টির যে ডিজাস্টার শুরু হয়েছে সেই ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট নিয়ে দিদি এখন খুব ব্যস্ত আছে বলে কটাক্ষ করলেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। শনিবার সকালে ইকো পার্কে প্রাতভ্রমণে বেরিয়ে চা-চক্রে যোগ দেন তিনি। সেখানে এই প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, যে দল বিপর্যয় মোকাবিলা করতে ব্যর্থ, তাদের ইস্তফা দেওয়া উচিৎ। দিলীপবাবুর কটাক্ষ, পার্টির এই ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্টের মিটিং এখন নিয়মিত হবে। প্রতি সপ্তাহে সপ্তাহে হবে। প্রতিদিনও হতে পারে। আরও পড়ুন ঃ শুভেন্দুর ছেড়ে যাওয়া তিনটি দফতর নিজের হাতেই রাখলেন মুখ্যমন্ত্রী মিহির গোস্বামীর দলে যোগদান প্রসঙ্গে তিনি বলেন, শুরু হয়েছে। আমরা আগেই বলছিলাম অনেকে এমএলএ আছেন যাঁরা জয়েন করবেন। সবে শুরু হয়েছে। দেখুন আরও এমএলএ এমপি আসবেন বিজেপিতে। মাসখানেকের মধ্যে আরও অনেক ঘটনা ঘটবে। তিনি আরও বলেন, দশ বছর আগে মুখ্যমন্ত্রী কল্পতরু হলে, আজকে এ অবস্থা হত না। লোকে পার্টি ছেড়ে পালাতো না। যে পার্টি থেকে এমপি চলে যায়, এমএলএ চলে যায়, মন্ত্রী চলে যায়, সে পার্টির আছেটা কি! এক মাসের পরে দেখবেন পার্টি বলে কিছু থাকবে না। শুভেন্দুর দফতর মুখ্যমন্ত্রীর হাতে রাখা নিয়ে তিনি বলেন, সবই তো হাতে রেখেছেন। খালি পার্টিটা নিজের হাতে রাখেননি। রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে তিনি আক্রমণের সুর চড়িয়ে বলেন, রাজ্যে চাকরি নেই, শিল্প নেই। বিজেপি শাসিত রাজ্যে গিয়ে আয় করতে বাধ্য হন এখানকার শ্রমিকরা। এখন এ রাজ্যে পরিযায়ী শ্রমিকদের সংখ্যাই বেশি। এই সরকারের বিদায়ঘণ্টা বেজে গিয়েছে। আগে এ রাজ্য থেকে আইএএস, আইপিএস তৈরি হত। তাঁরাই দেশজুড়ে কাজ করতেন। আর এখন এ রাজ্যে পরিযায়ী শ্রমিকরা ছড়িয়েছিটিয়ে রয়েছেন দেশের অন্যান্য বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলিতে। এখানে এখন স্রেফ পরিযায়ী শ্রমিক তৈরি হয়। অন্যদিকে, দিলীপ ঘোষের মন্তব্যের প্রতিক্রিয়া দিতে গিয়ে তৃণমূল সাংসদ সৌগত রায় বলেছেন, আমাদের ২১৮ জন বিধায়কের মধ্যে মাত্র ১ জন দল ছেড়েছে। কোনও সাংসদ দল ছাড়েননি। তাই কোনও বিপর্যয় হয়নি। আজেবাজে কথা বলা বন্ধ করুন দিলীপ।

নভেম্বর ২৮, ২০২০
কলকাতা

শুভেন্দুর ছেড়ে যাওয়া তিনটি দফতর নিজের হাতেই রাখলেন মুখ্যমন্ত্রী

শুভেন্দুর ছেড়ে যাওয়া তিন দফতরের দায়িত্ব নিজের হাতে রাখলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রসঙ্গত, সেচ, পরিবহণ, জলসম্পদ দফতরের দায়িত্ব ছিল শুভেন্দু অধিকারীর হাতে। পরিবহণ দপ্তরের দায়িত্ব পেতে পারেন ফিরহাদ হাকিম বা অরূপ বিশ্বাস, এমন সম্ভাবনা তৈরি হয়েছিল। সেচদপ্তরের দায়িত্ব দেওয়া যেতে পারে রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়কে, এই গুঞ্জনও শোনা যাচ্ছিল। কিন্তু পরবর্তীতে সেই সম্ভাবনা পালটে যায়। ফিরহাদের কাঁধে আপাতত পুর, নগরোয়ন্নয়ন দপ্তরের ভার। অরূপ বিশ্বাসের হাতে দুটি দপ্তরের ভার ক্রীড়া, যুবকল্যাণ। এই সবকটি দপ্তরই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাছাড়া তাঁদের সংগঠনেরও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব আছে। আরও পড়ুন ঃ আমি দলেই আছিঃ রাজীব শুক্রবার বিকেলে শুভেন্দু অধিকারীর পদত্যাগপত্র গ্রহণ করার পরই জরুরি বৈঠকে দলের শীর্ষনেতাদের নিজের বাড়িতে ডেকে পাঠান মুখ্যমন্ত্রী। বৈঠকে ছিলেন শিক্ষামন্ত্রী তথা তৃণমূল মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায়, সভাপতি সুব্রত বক্সি, দুই মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম, অরূপ বিশ্বাস, ছিলেন যুব তৃণমূল সভাপতি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ও। সেখানে প্রায় ঘণ্টা দুই ধরে বৈঠকের পর ঠিক হয় দপ্তর বণ্টনের বিষয়টি।

নভেম্বর ২৭, ২০২০
রাজনীতি

মন্ত্রিত্ব ছেড়ে কী বললেন শুভেন্দু?

জল্পনার অবসান। শুক্রবার ২৭ নভেম্বর মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে চিঠি লিখে সব মন্ত্রিত্ব ছাড়লেন শুভেন্দু অধিকারী। সরকারি নিরাপত্তা ছেড়ে অন্যান্য পদগুলিও তিনি ছেড়েছেন বলে খবর। রাজ্যপালকেও অবিলম্বে পদত্যাগপত্র অনুমোদন দিতেও আর্জি জানান শুভেন্দুবাবু। রাজ্যবাসীর সেবা করার সুযোগ দেওয়ার জন্য কৃতজ্ঞতাও জানিয়েছেন তিনি। ঘনিষ্ঠ মহলে তিনি শুধু বলেছেন, চাপমুক্ত হলাম। রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড় টুইটে লিখেছেন, সংবিধান মেনেই পদক্ষেপ করব। তৃণমূল সাংসদ সৌগত রায় বলেন, শুভেন্দু দল ছাড়েননি। দল তাঁর সঙ্গে কথা বলার যে দায়িত্ব আমাকে দিয়েছিল তাও তুলে নেয়নি। দুবার কথা বলেছি। নেত্রীকেও জানিয়েছি। আবার তাঁর সঙ্গে কথা বলার চেষ্টা করব। মন্ত্রিত্ব ছাড়া ওঁর ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত। গতকাল এইচআরবিসি-র পদ ছাড়ার পর জেড ক্যাটেগরি-সহ সরকারি নিরাপত্তাও ছেড়েছেন শুভেন্দুবাবু।

নভেম্বর ২৭, ২০২০
রাজনীতি

কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়কে জোকার বলে কটাক্ষ দিলীপের

নাম না করে তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়কে জোকার বলে কটাক্ষ করলেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। শুক্রবার তিনি বঁনগায় চা চক্রে যোগ দেন। তিনি আরও বলেন, ওনার মুখ থেকে এখন অনেক জোকস শুনতে হবে। সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী হয়েও আহাম্মকের মতো কথা বলছেন বলে অভিযোগ করেন তিনি। তিনি আক্রমণ করে বলেন, এদের কান ধরে নামিয়ে দিতে হবে। তৃণমূল নেতাদের কথা মানুষ বিশ্বাস করে না। রাজনীতিতে থাকার কোনও অধিকার নেই এদের। আরও পড়ুন ঃ তৃণমূল ছাড়লেন মিহির গোস্বামী মিহির গোস্বামীর দল ছাড়া প্রসঙ্গে তিনি বলেন, তৃণমূলে কোনও ভদ্রলোক থাকতে পারবেন না। বিশ্বজিৎ দাস ও দুলাল বর তৃণমূল ছেড়ে চলে এসেছেন। অন্যান্য ভদ্রলোকেরাও দল ছেড়ে দেবেন,

নভেম্বর ২৭, ২০২০
রাজ্য

তৃণমূলই আসল ভোগীঃ দিলীপ

কেন্দ্র থেকে টাকা আসছে, সেই টাকা লুট করছে তৃণমূল। তৃণমূলই আসল ভোগী। বৃহস্পতিবার ফের কৃষ্ণনগরের এক জনসভায় দাঁড়িয়ে রাজ্য সরকারকে একের পর এক তোপ দাগলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। তিনি বলেন, ভাতের হাঁড়িও লুট করছে তৃণমূল সরকার। আর সেই লুটের টাকা দিয়ে তৃণমূল নেতারা গাড়ি-বাড়ি কিনছেন। কারখানাগুলো থেকেও টাকা তুলছে এই সরকার। দিলীপবাবু মমতার বাঁকুড়া সফরের প্রসঙ্গ টেনে আরো বলেন, অমিত শাহ বাঁকুড়া যাওয়ার পরই মুখ্যমন্ত্রী সেখানে গিয়েছেন। বিজেপি কর্মীদের পিটিয়ে হত্যা করছে তৃণমূল। আরও পড়ুন ঃ নেতাজি জন্মবার্ষিকীতে বিশেষ কমিটি গঠন মুখ্যমন্ত্রীর শাহরুখ খানকে বাংলার ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর বানানোর প্রসঙ্গে খোঁচা দেন দিলীপ ঘোষ। তিনি কটাক্ষের সুরে বলেন, মমতা শাহরুখ খানকে বাংলার ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর বানিয়েছেন। উনি কী বাংলায় কথা বলেন? আলু-পোস্ত খান? দেবকে করতে পারতেন বা সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়কে। কিন্তু তা না করে উনি সেই খানকেই করলেন। কেন খান ছাড়া কী ভোট ব্যাঙ্ক ভরবে না এও প্রশ্ন তোলেন দিলীপ। মুখ্যমন্ত্রীকে সরাসরি তোপ দেগে বলেন, আগামী বছরই দিদির রিটার্ড হবে। তারপর উনি কালীঘাটে গিয়ে পুজো পাঠ করবেন।

নভেম্বর ২৬, ২০২০
রাজ্য

ধর্মঘট চাইছেন না বাংলার মানুষঃ দিলীপ

কোথায় ধর্মঘট? বাংলার মানুষ ধর্মঘট চাইছেন না বলেই সিপিএম এবং কংগ্রেস দুই রাজনৈতিক দলকেই বিদায় দিয়েছে। বৃহস্পতিবার বহরমপুরে স্কোয়ার ফিল্ডে প্রাতঃভ্রমণে বেরিয়ে এই মন্তব্য করলেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। তিনি বলেন, ধার্মিক দেশে ধর্মঘট নেই। এদিন দিলীপবাবু আরও বলেন, মুর্শিদাবাদে জেলায় আগে কংগ্রেস ও সিপিএম থাকলেও, তারা এখন ঠাণ্ডা হয়ে গিয়েছে। তৃণমূল থাকলেও, তারা এখন নিজেদের মধ্যে ঝগড়া মেটাতে ব্যস্ত। পশ্চিমবঙ্গে যে পরিবর্তন হবে তা বিজেপির হাত ধরেই হবে বলে মন্তব্য করেছেন দিলীপ ঘোষ। আরও পড়ুন ঃ কান্দিতে খুন তৃণমূল নেতা মুর্শিদাবাদের কান্দিতে তৃণমূলের পঞ্চায়েত সদস্য খুন প্রসঙ্গে দিলীপবাবু বলেন, মুর্শিদাবাদে খুন নতুন কোনও ঘটনা নয়। মুর্শিদাবাদ জেলায় উগ্রপন্থী তৈরি হয়। সাধারণ মানুষের ভাবা উচিত মুর্শিদাবাদ জেলায় কি মারামারি আর উগ্রপন্থী তৈরি হবে, সঙ্গে আইনশৃঙ্খলার অবনতি হবে, নাকি উন্নয়ন হবে? এছাড়াও এদিন তিনি মুর্শিদাবাদ জেলাকে দেশের মধ্যে সব থেকে গরিব জেলা এবং সমাজবিরোধীদের জেলা বলে দাবি করেন। এছাড়াও জেলাবাসীর কাছে তিনি আবেদন করেন, এখন ভাববার সময় এসেছে জেলার পরিস্থিতি কি এমনই থাকবে, নাকি উন্নয়নের হাত ধরে এগোবে।এদিন বেশ খোশ মেজাজে ছিলেন তিনি। ক্রিকেট ব্যাট হাতে নিয়ে মাঠে খেলতে নেমে পড়েন তিনি।

নভেম্বর ২৬, ২০২০
রাজ্য

কেন্দ্রের টাকা দিদির ভাইয়েরা লুটেপুটে নিচ্ছেঃ দিলীপ

বাঁকুড়ার জনসভা থেকে তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বিজেপির উদ্দেশে হুঙ্কার দিয়ে বলেছিলেন, ক্ষমতা থাকলে আমায় গ্রেফতার করে দেখাক। জেল থেকে ওদের বিরুদ্ধে লড়ব। মুখ্যমন্ত্রীর এই মন্তব্যের তিন ঘণ্টার মধ্যে এদিন মুর্শিদাবাদের কান্দির জনসভা থেকে তার পাল্টা দিলেন রাজ্য বিজেপি সভাপতি দিলীপ ঘোষ। এদিন তিনি বলেন, চুরি না করে থাকলে জেলে যাওয়ার ভয় কিসের? আমি দুর্নীতি করিনি তাই জেলে যাওয়ার ভয় নেই। কেন্দ্রের টাকা দিদির ভাইয়েরা লুটেপুটে নিচ্ছে। চালের টাকা, ত্রিপলের টাকা চুরি করছে। যারা চালের টাকা চুরি করেছে তারা জেলে যাবে। চুরি করার সময় মনে ছিল না। দিদি গেলে দিদির ভাইয়েরাও জেলা যাবেন। দিলীপবাবু আরও বলেন, ওরা তো গান্ধীজিকে মানেন, উনিও কী তবে বহিরাগত? শাহরুখ খান, প্রশান্ত কিশোর বহিরাগত নয়? নরেন্দ্র মোদি, অমিত শাহ এলেই তাঁরা বহিরাগত। অন্যদিকে, ৫০০ কোটি টাকা দিয়ে পিকে কে বিহার থেকে নিয়ে এসেছে তৃণমূল। ওই টাকা উন্নয়নের কাজে লাগানো যেত। আরও পড়ুন ঃ করোনা নিয়ন্ত্রণে আসায় বন্ধ হচ্ছে সেফ হোম তিনি আরও বলেন, কেন্দ্রের উন্নয়নের টাকা খরচ হচ্ছে না। উন্নয়নের পথে স্পিডব্রেকার তৃণমূল সরকার। ভোট চাইতে এলে জানতে চাইবেন কী করেছে রাজ্য সরকার? ভালো করে মুখে ঝামা ঘষে দেবেন। ক্ষমতায় এলে দলীয় কর্মীদের উপর থেকে মিথ্যে মামলা প্রত্যাহার করা হবে বলে আশ্বাস দিয়েছেন দিলীপ বাবু। বলেছেন, বিরোধীতা করলেই মিথ্যা কেস দেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি, কংগ্রেসকে মুর্শিদাবাদে অসুস্থ মুরগীর সাথেও তুলনা করেছেন দিলীপ ঘোষ। অন্যদিকে, দুপুরে সিউড়ির জনসভা থেকে তিনি বলেন, কখনও কখনও মনে হয় কাশ্মীরের পরিস্থিতিও এরাজ্যের থেকে শান্ত। উপত্যকাও শান্ত, কিন্তু এরাজ্যে শান্তি নেই। খুন, সন্ত্রাস, ধর্ষণ, বিস্ফোরণ হচ্ছে এরাজ্যে। এদিনের সভা থেকে রাজ্য বিজেপি সভাপতি রাজ্যের পুলিশকেও একহাত নেন। তিনি বলেন, আমাদের কর্মীদের মিথ্যে কেসে, গাঁজা কেসে ফাঁসানো হচ্ছে। তাঁদের দশ হাজার টাকা করে দিয়ে আদালত থেকে জামিন নিতে হচ্ছে। মে মাসের পর সব বদলাবে। যাঁরা যাঁরা ফাসাচ্ছেন সেই পুলিশকর্মীদের নাম লিখে রাখুন। বিজেপি ক্ষমতায় এলে যেখানেই পোস্টিং হোক সেখান থেকে তুলে এনে ওই পুলিশকর্মীদের কাছ থেকে জামিনের টাকা আদায় করা হবে।এদিন তৃণমূল নেতা-কর্মীদের উদ্দেশেও হুমকি দিয়েছেন দিলীপ। বলেছেন, যে নেতারা ফুটানি করছেন, তাঁদের গামছা পরিয়ে ঘোরাব, জামা-প্যান্টও পরতে দেব না। দিলীপ ঘোষের দাবি, এরাজ্যে মুসলিমদের অবস্থা সবথেকে খারাপ। রাজ্যের মুসলিমরা, কাজের জন্য, শান্তিতে থাকার জন্য ভিন রাজ্যে চলে যাচ্ছেন। এখানে যাঁরা থাকছেন তাঁরা সমাজ বিরোধী কাজে জড়িয়ে পড়ছেন। দিলীপ ঘোষ এদিন বলেন, বিজেপি ক্ষমতায় এলে এরাজ্যে সকলের জন্য আইন সমান হবে।

নভেম্বর ২৫, ২০২০
রাজনীতি

অনুব্রতর গড়ে চ্যালেঞ্জ দিলীপের

বাংলাকে কাশ্মীরের সঙ্গে তুলনা করলেন রাজ্য বিজেপি সভাপতি দিলীপ ঘোষ। বুধবার সকালে বীরভূমের সিউড়িতে এক চা চক্রে যোগ দিয়ে দিলীপবাবু বলেন, পশ্চিমবঙ্গে এসে সব জঙ্গি আশ্রয় নিচ্ছে। মুর্শিদাবাদে ২৩ বার জঙ্গি ধরা পড়ল। সারা রাজ্যে জাল বিস্তার করেছে এই জঙ্গিরা। বীরভূমেও বোমা বিস্ফোরণ হয়েছে। এখানেও জঙ্গি ধরা পড়েছে। কাশ্মীরেও এত জঙ্গি ধরা পড়ে না। পশ্চিমবঙ্গ হয়ে গিয়েছে দ্বিতীয় কাশ্মীর। এ জন্যই বাংলার মানুষ আগামী বিধানসভা ভোটে পরিবর্তন চাইছেন। তিনি আরও বলেন, পশ্চিমবঙ্গের সবচেয়ে উপদ্রুত জেলা হচ্ছে বীরভূম। পার্টি অফিসে ঝুড়ি ঝুড়ি বোমা পাওয়া যাচ্ছে। এখানে পার্টির নেতার বাথরুমের মধ্যে বস্তায় বোমা পাওয়া যায়। একটাই কারখানা চলে, বোমার কারখানা। জেলাজুড়ে বোমা, আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার হচ্ছে। বীরভূমে দাঁড়িয়েই তৃণমূল জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডলকে চ্যালেঞ্জও ছুঁড়েছেন দিলীপ ঘোষ। বলেছেন, লোকসভা ভোটে সিউড়ি পুরসভার ২১টার মধ্যে ১৮টা আসনেই লিড নিয়েছে বিজেপি। দম থাকলে আগামি ইলেকশন জিতে দেখান। ওদের খাতা খোলাই সমস্যা করে দেব।আমি বীরভূমে দাঁড়িয়ে চ্যালেঞ্জ করে যাচ্ছি, ওদের খাতা খোলারও সমস্যা করে দেব। কে ঢাক বাজাবে, কে ধামসা বাজাবে সময় এলে দেখতে পাবেন। পাশাপাশি তৃণমূলকে আক্রমণ করে বলেন, পুলিশ প্রশাসনকে কাজে লাগিয়ে ক্ষমতা ধরে রাখার চেষ্টা করছে ৷ যদি হিম্মত থাকত ১১৮টি পুরসভার নির্বাচন বাকি রয়েছে, সেগুলি করিয়ে দিত। আরও পড়ুন ঃ জনসভায় ধর্ষণ নিয়ে অশালীন মন্তব্য অগ্নিমিত্রার তিনি এদিন আরও বলেন, বিজেপির কর্মসূচি অনুসরণ করছে তৃণমূল। অমিত শাহ আদিবাসী পরিবারের বাড়িতে মধ্যাহ্নভোজ সারার পর তাঁকে অনুসরণ করে মুখ্যমন্ত্রী গেলেন। রাজ্যের পুরমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম দিলীপ ঘোষের মন্তব্যের পালটা প্রতিক্রিয়া দিতে গিয়ে বলেছেন, যেখানে ক্ষমতায় নেই সেখানে কাশ্মীর দেখছে বিজেপি। আর যে রাজ্যে ক্ষমতায় আছে সেখানে কাশ্মীর করার চেষ্টা করছে বিজেপি। উত্তরপ্রদেশে এনকাউন্টার করে খুন করা হচ্ছে।

নভেম্বর ২৫, ২০২০
রাজ্য

কেন্দ্রের পাঠানো টাকা কৃষকরা না পাওয়ায় সরব ধনকড়

এবার কৃষকদের প্রসঙ্গ তুলে ধরে রাজ্য সরকারের কড়া সমালোচনা করলেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়। তিনি টুইটে অভিযোগ করেন, এ রাজ্যের কৃষকরা প্রত্যেকে কেন্দ্রের দেওয়া ১২০০০ টাকা সরাসরি ব্যাংক অ্যাকাউন্টে পাচ্ছেন না। এভাবে ক্ষতি হয়েছে মোট ৮৪০০ কোটি টাকার। প্রশাসনিক উদাসীনতাই এর জন্য দায়ী। এদিন আরও একটি টুইটে রাজ্যপাল মুখ্যসচিব এবং ডিজিপি-কে বিঁধেছেন। নাম উল্লেখ করেছেন রাজ্যের নিরাপত্তা উপদেষ্টা সুরজিৎ করপুরকায়স্থ এবং রিনা মিত্রের। তাঁর অভিযোগ, মমতা সরকারে আমলে পুলিশ নিয়ম ভাঙছে। তারা নিজেদের আইনের ঊর্ধ্বে বলে মনে করছে, যা অত্যন্ত হতাশাজনক। আরও পড়ুন ঃ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্য কেন্দ্রের পাঠানো ৬ হাজার টাকা পাননি বাংলার কৃষকরাঃ কৈ্লাস বিজয়বর্গীয় প্রসঙ্গত, এরাজ্যে রাজভবন ও নবান্নের সংঘাত এখন নিত্যদিনের বিষয়। রাজ্যপালের সবচেয়ে বেশি অভিযোগ এখানকার পুলিশ-প্রশাসনকে নিয়ে। তাদের গাফিলতিতে রাজ্যে বহু অপরাধ খুব সহজেই সংগঠিত হতে পারছে বলে অভিযোগ ধনকড়ের। এদিনও একাধিক টুইটে নিজের সেই বক্তব্য তুলে ধরেছেন রাজ্যপাল।

নভেম্বর ২৫, ২০২০
রাজনীতি

ভোল পালটে ছত্রধর মাহাতোকে দলে যোগ দেওয়ার বার্তা দিলীপের

ছত্রধর মাহাতোকে জেলে ঢুকিয়েছিল তৃণমূল সরকার। ভোট আসছে বলে তাকে আবার জেল থেকে বের করে আনা হয়েছে। সোমবার গোপীবল্লভপুরে জগদ্ধাত্রী পুজোর উদ্বোধনে আসেন দিলীপ ঘোষ।সেখানেই একথা বলেন তিনি। এই প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ছত্রধর মাহাতোকে বলছি, আপনি যে লড়াই মানুষের জন্য করেছেন, যাঁর জন্য করেছেন তিনি আপনাকে জেলে পাঠিয়েছিলেন। আরও পড়ুন ঃ খেজুরিতে শুভেন্দুর কী বার্তা? কর্মসূচি বাতিল তৃণমূলেরও এবার ভোটের স্বার্থে আপনাকে জেল থেক বের করে রাজ্য কমিটিতে পদ দিচ্ছেন। আপনার স্ত্রীকে চাকরি দিয়েছেন। ভুলে যাবেন না, দিদিমণি আপনাকে বোকা বানিয়েছেন। উনি সারা রাজ্যের মানুষকে বোকা বানাচ্ছেন।এসব বাংলার মানুষ মেনে নেবে না। এরপর ছত্রধরের উদ্দেশে তাৎপর্যপূর্ণ মন্তব্য দিলীপের, আপনি আমাদের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করেছেন। আমরা যা বলি তাই করি।

নভেম্বর ২৪, ২০২০
রাজ্য

রবীন্দ্রনাথ ঘোষের সঙ্গে বৈঠকের পরও একই অবস্থানে মিহির গোস্বামী

তৃণমূলের বিক্ষুব্ধ বিধায়ক মিহির গোস্বামীর সঙ্গে দেখা করলেন রাজ্যের উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন মন্ত্রী রবীন্দ্রনাথ ঘোষ। মঙ্গলবার সকালে দুজনের মধ্যে প্রায় ৪০ মিনিট কথা হয়। উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন মন্ত্রী জানান, বিজয়া করতেই মূলত মিহির গোস্বামীর বাড়িতে এসেছিলেন। তবে সাক্ষাৎ হওয়ার পর নানা বিষয়ে কথা হয়েছে দুজনের। ঠিক কী বিষয়ে কথা হয়েছে তা যদিও খোলসা করে বলেননি রবীন্দ্রনাথ ঘোষ। মিহির গোস্বামীর দলের অভিমান প্রসঙ্গেও সেভাবে কিছু বলেননি মন্ত্রী। তবে তাঁর কথায়, মিহিরদা পুরনো লোক। ছাত্র আন্দোলনের সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন। মিহিরবাবু দলে ছিলেন, আছেন ও থাকবেন। আরও পড়ুনঃ ত্রিপুরায় বাঙালি হত্যার প্রতিবাদে পথে বাংলা পক্ষ কোচবিহার দক্ষিণের তৃণমূল বিধায়ক মিহির গোস্বামী জানান, ফেসবুক পোস্ট ও কলকাতার নেতাদের একাংশের ভূমিকা নিয়ে একই অবস্থানে রয়েছেন তিনি। তবে রাজ্য নেতৃত্ব তথা দলনেত্রীর বার্তা পাওয়ার পরে যে সব কিছু গভীরভাবে তলিয়ে দেখে পদক্ষেপ করবেন। চিন্তন ও মন্থনের পরে যে সিদ্ধান্ত নেব, তা জনসমক্ষে জানিয়ে দেব।

নভেম্বর ২৪, ২০২০
কলকাতা

শুভেন্দু অধিকারীকে নিয়ে গল্প বানিয়েই চলেছে বাংলা সংবাদমাধ্যম

কলকাতার মিডিয়ায় নতুন চ্যানেল আসতেই এদিক-ওদিক আসা-যাওয়া চলছে। অনেকে নতুন পদ পাচ্ছেন। সবাই নিজেদের সিঁড়ি হিসেবে বেছে নিচ্ছেন শুভেন্দু অধিকারী সংক্রান্ত ব্রেকিং নিউজ! কেউ বলছেন, নিরাপত্তারক্ষী না নিয়ে অন্যের গাড়ি চড়ে কলকাতায় এসে বৈঠক করছেন শুভেন্দুবাবু! যা দেখে শুধুই হাসছেন শুভেন্দুবাবুর ঘনিষ্ঠরা। একটি আধা কমল মার্কা চ্যানেল তো নিজেরাই কনফিউজড। একবার দাবি করছে, শুভেন্দুবাবুকে আলটিমেটাম দিয়েছে দল, হয় এসপার, নয় ওসপার! পরক্ষণেই ওই চ্যানেল বলছে, শুভেন্দুবাবু নাকি তাঁর পর্যবেক্ষকের পদ ফিরিয়ে দিতে বলেছেন, শর্তও দিয়েছেন! শুভেন্দু অধিকারীকে যাঁরা কাছ থেকে বছরের পর দেখেছেন বা দেখছেন তাঁদের কথায়, এই চ্যানেলগুলো খবর না পেয়ে যা খুশি তাই বলে দিচ্ছে। শুভেন্দুবাবুকে এরা জানে না, বোঝে না। নিজের পদ চাওয়ার লোক আর যে হোন না কেন, জননেতা তা করবেন না। এমনকী তাঁকে পদ ফেরালে তিনি তা নেবেন কিনা সেটাও দেখার। ফলে তৃণমূল নেতৃত্ব সংবাদমাধ্যমের একাংশকে খবর খাওয়াচ্ছে আর শুভেন্দুবাবু ওই সাংবাদিকদের কিছু বলার প্রয়োজন বোধ না করায়, বাংলার সংবাদমাধ্যমগুলি গল্পের গরুকে গাছে তুলছে। শুভেন্দুবাবু যখন নিজে বলছেন, আমি যখন যা বলব তার আগে কিছু বিশ্বাস করবেন না। এরপরেও জল্পনা চলে কীভাবে?

নভেম্বর ২৩, ২০২০
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 49
  • 50
  • 51
  • 52
  • 53
  • 54
  • 55
  • 56
  • 57
  • 58
  • ›

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

মাঠে চাষ করতেন, এবার রাজ্যের মন্ত্রী! দিবাকর ঘরামীর জীবনের অবিশ্বাস্য উত্থান

নতুন মন্ত্রিসভা গঠনের পর রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে সবচেয়ে বেশি চর্চায় উঠে এসেছে একটি নাম। তিনি দিবাকর ঘরামী। বাঁকুড়ার এক সাধারণ কৃষক পরিবারের সন্তান দিবাকর এবার জায়গা পেয়েছেন রাজ্যের পূর্ণাঙ্গ মন্ত্রিসভায়। তাঁর এই সাফল্যে আনন্দে ভাসছে পরিবার থেকে শুরু করে গোটা এলাকা।দেশভাগের পর দিবাকর ঘরামীর পরিবার পূর্ববঙ্গের বরিশাল থেকে এপারে চলে আসে। দীর্ঘ অনিশ্চয়তার পর বাঁকুড়ার সোনামুখী ব্লকের কুরুমপুর গ্রামে বসবাস শুরু করেন তাঁর পূর্বপুরুষেরা। সেখানেই জন্ম এবং বড় হয়ে ওঠা দিবাকরের।ছোটবেলা থেকেই দারিদ্র্যের সঙ্গে লড়াই করে বড় হয়েছেন তিনি। কৃষক পরিবারের সন্তান হওয়ায় চাষাবাদই ছিল জীবনের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। আজও সেই সম্পর্ক অটুট। বিধায়ক হওয়ার পরও তিনি মাঠে যাওয়া বন্ধ করেননি। ফসলের খোঁজ নেওয়া, জমিতে জল দেওয়া এবং চাষের কাজ দেখা এখনও তাঁর দৈনন্দিন জীবনের অংশ।দুই হাজার একুশ সালের বিধানসভা নির্বাচনে সোনামুখী কেন্দ্র থেকে জয়ী হয়ে প্রথমবার বিধায়ক হন দিবাকর ঘরামী। সাধারণ মানুষের সঙ্গে তাঁর ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ এবং মাটির মানুষের ভাবমূর্তি তাঁকে দ্রুত জনপ্রিয় করে তোলে। এবার ফের দলের আস্থা অর্জন করে তিনি জায়গা পেলেন রাজ্যের মন্ত্রিসভায়।দিবাকরের মন্ত্রী হওয়ায় কুরুমপুর গ্রাম এবং সোনামুখী জুড়ে উৎসবের পরিবেশ তৈরি হয়েছে। স্থানীয় মানুষের আশা, এলাকার উন্নয়নে এবার আরও বড় ভূমিকা নিতে পারবেন তিনি।মন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার পর দিবাকর ঘরামী বলেন, সোনামুখীর মানুষ এবং দলের কর্মীদের সহযোগিতাতেই তিনি এতদূর পৌঁছেছেন। এলাকার উন্নয়নের জন্য নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করেছেন এবং আগামী দিনেও সেই কাজ চালিয়ে যাবেন। দল তাঁর উপর যে আস্থা রেখেছে, তার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন তিনি। একইসঙ্গে বলেন, সাধারণ পরিবার থেকে উঠে আসা একজন মানুষকে এত বড় দায়িত্ব দেওয়া তাঁদের কাছে অত্যন্ত সম্মানের বিষয়।এক সময় যে মানুষটি প্রতিদিন মাঠে নেমে ফসলের পরিচর্যা করতেন, তিনিই আজ রাজ্যের মন্ত্রী। দিবাকর ঘরামীর এই পথচলা এখন অনেকের কাছেই সংগ্রাম, অধ্যবসায় এবং সাফল্যের এক অনুপ্রেরণার গল্প।

জুন ০১, ২০২৬
কলকাতা

লাইভে এসে বিস্ফোরক মমতা! ‘গায়ের জোরে তৃণমূল ভাঙা যাবে না’

তৃণমূল কংগ্রেসের অন্দরে যখন একের পর এক বিতর্ক এবং রাজনৈতিক টানাপোড়েন সামনে আসছে, তখন সোশ্যাল মিডিয়ায় লাইভে এসে বিজেপির বিরুদ্ধে তীব্র আক্রমণ শানালেন তৃণমূল সুপ্রিমো ও প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি দাবি করেন, যতই চেষ্টা করা হোক না কেন, তৃণমূল কংগ্রেসকে ভাঙা সম্ভব নয়।সম্প্রতি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছিলেন, তিনি আর নিয়মিত সাংবাদিক বৈঠক করবেন না। গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক বিষয় নিয়ে সরাসরি সোশ্যাল মিডিয়ায় বক্তব্য রাখবেন। সোমবার দলের দুই বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় এবং সন্দীপন সাহাকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত ঘোষণার পরই তিনি লাইভে এসে নিজের বক্তব্য তুলে ধরেন।মমতার অভিযোগ, তৃণমূলের বিধায়কদের বিভিন্নভাবে চাপ দেওয়া হচ্ছে। তাঁদের দল ছাড়ার জন্য ভয় দেখানো হচ্ছে বলেও দাবি করেন তিনি। তাঁর কথায়, কয়েকজন বিধায়ক তাঁকে জানিয়েছেন যে বিভিন্ন তদন্তকারী সংস্থার নাম করে তাঁদের ভয় দেখানো হচ্ছে। এই ধরনের রাজনীতি গণতন্ত্রের পক্ষে ক্ষতিকর বলেও মন্তব্য করেন তিনি।তৃণমূলের অন্দরে অসন্তোষ এবং রাজনৈতিক জল্পনার মাঝেই মমতা দাবি করেন, কয়েকজন বিধায়ক বা সাংসদকে প্রভাবিত করে তৃণমূলকে দুর্বল করা যাবে না। তাঁর বক্তব্য, দল অতীতেও কঠিন সময়ের মুখোমুখি হয়েছে এবং আগামী দিনেও লড়াই চালিয়ে যাবে। বাংলার মানুষের আত্মসম্মান রক্ষার লড়াই অব্যাহত থাকবে বলেও তিনি জানান।ছাত্রসমাজের উদ্দেশেও বার্তা দেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, অন্যায় দেখলে প্রতিবাদ করা উচিত। ছাত্র আন্দোলনের মধ্য দিয়েই তাঁর রাজনৈতিক জীবন গড়ে উঠেছে এবং সেই কারণেই তরুণ প্রজন্মকে সমাজের বিভিন্ন ইস্যুতে আরও সক্রিয় হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।লাইভ বক্তব্যে তৃণমূলের রাজনৈতিক কর্মসূচি নিয়েও অভিযোগ তোলেন মমতা। তাঁর দাবি, দলের মিছিল, সভা এবং সাংগঠনিক কার্যক্রমে বাধা দেওয়া হচ্ছে। বিভিন্ন এলাকায় দলীয় কার্যালয়ে হামলার অভিযোগও করেন তিনি। পাশাপাশি নির্বাচনী ফলাফল নিয়েও প্রশ্ন তোলেন এবং কয়েকটি আসনে ভোট গণনা নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেন।সোনারপুরে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপর হামলার প্রসঙ্গও তুলে আনেন তৃণমূল নেত্রী। তাঁর দাবি, ঘটনাটি অত্যন্ত গুরুতর ছিল এবং আরও বড় বিপদ ঘটতে পারত। এই ঘটনায় প্রশাসনের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি।এছাড়া শিক্ষক নিয়োগ, ছাত্র আন্দোলন এবং অতীতের বিভিন্ন গণআন্দোলনের প্রসঙ্গও উল্লেখ করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, মানুষের অধিকার এবং গণতান্ত্রিক দাবির প্রশ্নে তিনি সবসময় আন্দোলনের পাশে থেকেছেন এবং ভবিষ্যতেও থাকবেন।রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, দলের অন্দরে অস্থিরতার আবহে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই বার্তা তৃণমূলের কর্মী-সমর্থকদের উদ্দেশেই দেওয়া। একইসঙ্গে বিরোধীদের বিরুদ্ধেও রাজনৈতিক লড়াইয়ের সুর আরও চড়ালেন তিনি।

জুন ০১, ২০২৬
কলকাতা

পরিচারিকার কাজ থেকে সরাসরি মন্ত্রী! কলিতা মাঝির জীবনকাহিনি শুনলে অবাক হবেন

নতুন মন্ত্রিসভায় সবচেয়ে আলোচিত নামগুলির মধ্যে অন্যতম কলিতা মাঝি। আউশগ্রামের সাধারণ এক পরিবার থেকে উঠে আসা এই নেত্রীর মন্ত্রী হওয়া এখন জেলার মানুষের গর্বের বিষয়। রবিবার মন্ত্রিসভায় জায়গা পাওয়ার খবর পেয়ে প্রথমে বিশ্বাসই করতে পারেননি তিনি।কলিতা মাঝি এক সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন, তাঁর কাছে একটি ফোন আসে এবং তাঁকে কলকাতায় যেতে বলা হয়। কেন যেতে হবে, সেই বিষয়ে তখন কিছুই জানানো হয়নি। পরে সংবাদমাধ্যমের মাধ্যমে তিনি জানতে পারেন, তাঁকে মন্ত্রী করা হচ্ছে। খবরটি শোনার পর কিছু সময়ের জন্য তিনি নির্বাক হয়ে যান। তাঁর প্রতিক্রিয়া ছিল, বিধায়ক হওয়ার সুযোগ পাওয়াটাই তাঁর কাছে অনেক বড় বিষয় ছিল, মন্ত্রী হওয়ার কথা কোনওদিন কল্পনাও করেননি।আউশগ্রামের এক অত্যন্ত সাধারণ এবং দরিদ্র পরিবারে বড় হয়েছেন কলিতা। অল্প বয়সেই তাঁর বিয়ে হয়। কিন্তু বিয়ের পরও আর্থিক কষ্ট তাঁর পিছু ছাড়েনি। সংসারের দায়িত্ব সামলাতে তাঁকে পরিচারিকার কাজ করতে হয়েছে। প্রতিদিনের জীবন ছিল অভাব আর সংগ্রামের সঙ্গে লড়াইয়ের গল্প।তবে নিজের কষ্টের মধ্যেও এলাকার মানুষের পাশে দাঁড়ানো কখনও বন্ধ করেননি তিনি। বিশেষ করে দরিদ্র পরিবার এবং মহিলাদের বিভিন্ন সমস্যায় সাহায্য করার চেষ্টা করতেন। সেই কাজ করতে করতেই ধীরে ধীরে রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত হন।দলের স্থানীয় কার্যালয়ে নিয়মিত যেতেন তিনি। মানুষের কথা শুনতেন, সংগঠনের কাজ শিখতেন এবং রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা অর্জন করতেন। সেই সময় বাংলায় দলের সংগঠন খুব শক্তিশালী ছিল না। প্রকাশ্যে দলের সমর্থক পরিচয় দেওয়াও অনেকের কাছে কঠিন ছিল। সেই কঠিন সময় থেকেই দলের সঙ্গে ছিলেন কলিতা মাঝি।দুই হাজার একুশ সালের বিধানসভা নির্বাচনে তিনি প্রার্থী হলেও জয় পাননি। তবে রাজনৈতিক লড়াই ছাড়েননি। মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ বজায় রেখেছেন। পরবর্তীতে আবারও নির্বাচনী লড়াইয়ে নামেন এবং মানুষের সমর্থনে বিধায়ক নির্বাচিত হন। এবার সেই পথ পেরিয়ে তিনি পৌঁছে গেলেন রাজ্যের মন্ত্রিসভায়।মন্ত্রী হওয়ার পর কলিতা মাঝি জানিয়েছেন, মানুষের জন্য কাজ করাই তাঁর একমাত্র লক্ষ্য। তিনি বলেন, ক্ষমতা বা পদ বদলালেও মানুষের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক বদলাবে না। আগের মতোই মানুষের সমস্যা শুনবেন এবং তাঁদের পাশে থাকার চেষ্টা করবেন।আউশগ্রামের সাধারণ এক গৃহবধূ থেকে রাজ্যের মন্ত্রী কলিতা মাঝির এই যাত্রাপথ এখন বহু মানুষের কাছে সংগ্রাম, অধ্যবসায় এবং সাফল্যের এক অনন্য উদাহরণ হয়ে উঠেছে।

জুন ০১, ২০২৬
রাজ্য

বড় ফাঁস! লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের নামে কোটি টাকার জালিয়াতি? সিট গঠনের নির্দেশ শুভেন্দুর

লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পের টাকা ভুয়ো উপায়ে তোলার অভিযোগে নতুন করে সরগরম রাজ্য রাজনীতি। অন্নপূর্ণা যোজনার আবেদনপত্র যাচাই করতে গিয়ে প্রশাসনের হাতে উঠে এসেছে একাধিক চাঞ্চল্যকর তথ্য। অভিযোগ, মহিলাদের জন্য চালু হওয়া প্রকল্পের টাকা কয়েকটি ক্ষেত্রে পুরুষদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে জমা পড়ছিল।সোমবার নবান্নে সাংবাদিক বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানান, এখনও পর্যন্ত মোট বাইশটি সন্দেহজনক অ্যাকাউন্ট চিহ্নিত করা হয়েছে। তাঁর দাবি, এই অ্যাকাউন্টগুলির মাধ্যমে লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের টাকা পুরুষদের নামে জমা হচ্ছিল। ইতিমধ্যেই কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্তের জন্য বিশেষ তদন্তকারী দল গঠনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।মুখ্যমন্ত্রীর দাবি, তদন্তে কয়েকটি নির্দিষ্ট নাম উঠে এসেছে। তাঁদের অ্যাকাউন্টে নিয়মিতভাবে প্রকল্পের টাকা জমা পড়ছিল বলে অভিযোগ। গোটা ঘটনার পেছনে কোনও বড় চক্র কাজ করছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।সাংবাদিক বৈঠকে শুভেন্দু অধিকারী আরও অভিযোগ করেন, অন্নপূর্ণা যোজনা নিয়ে বিভ্রান্তি ছড়ানোর চেষ্টা চলছে। আবেদনপত্রের পৃষ্ঠাসংখ্যা নিয়ে বিভিন্ন ধরনের প্রচার করা হচ্ছে বলেও দাবি করেন তিনি। তাঁর কথায়, প্রকৃত তথ্য গোপন করে সাধারণ মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরির চেষ্টা করা হচ্ছে।মুখ্যমন্ত্রী জানান, এই ধরনের অনিয়ম বা দুর্নীতির সঙ্গে যুক্ত কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। বিশেষ তদন্তকারী দল গঠন করে গোটা বিষয়টি খতিয়ে দেখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। প্রকল্পের টাকা কীভাবে এবং কার মাধ্যমে ভুয়ো উপায়ে তোলা হয়েছে, তার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত হবে বলেও আশ্বাস দেন তিনি।অন্যদিকে অন্নপূর্ণা যোজনার আবেদন প্রক্রিয়া নিয়েও আশাবাদী মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর দাবি, সাধারণ মানুষ ইতিমধ্যেই ব্যাপক সাড়া দিয়েছেন। সোমবার থেকে অনলাইন আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে এবং আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই আরও বহু আবেদন জমা পড়বে বলে প্রশাসনের আশা।সরকারি প্রকল্পের টাকা বণ্টন নিয়ে এই নতুন বিতর্ক সামনে আসার পর রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে জোর চর্চা। তদন্তে আরও কী তথ্য সামনে আসে, সেদিকেই এখন নজর সকলের।

জুন ০১, ২০২৬
কলকাতা

ধর্মতলায় মমতার ধরনা ঘিরে বড় ধাক্কা! শেষ মুহূর্তে অনুমতি দিল না পুলিশ

ধর্মতলার রানি রাসমণি রোডে মঙ্গলবার ধরনায় বসার ঘোষণা করেছেন তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার সকাল ১০টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত এই কর্মসূচি চলার কথা। দুপুর ২টো থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত সেখানে উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের।তবে ধরনার একদিন আগে সামনে এসেছে বড় জটিলতা। সূত্রের খবর, রানি রাসমণি রোডে এই কর্মসূচির জন্য এখনও পুলিশের অনুমতি মেলেনি। প্রাথমিকভাবে পুলিশ ওই স্থানে ধরনার অনুমতি না দিয়ে বিকল্প হিসেবে ওয়াই চ্যানেলে কর্মসূচি করার প্রস্তাব দিয়েছে। সেখানে মাত্র দুই ঘণ্টার জন্য অনুমতি দেওয়ার কথা বলা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।তৃণমূলের পক্ষ থেকে এই প্রস্তাবে এখনও সম্মতি দেওয়া হয়নি বলে সূত্রের দাবি। ফলে নির্ধারিত কর্মসূচি শেষ পর্যন্ত কীভাবে এবং কোথায় হবে, তা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে জোর জল্পনা শুরু হয়েছে।রাজনৈতিক মহলের একাংশ মনে করিয়ে দিচ্ছেন, বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী অতীতে বিভিন্ন কর্মসূচির জন্য পুলিশের কাছে অনুমতি চেয়েও একাধিকবার সমস্যার মুখে পড়েছিলেন। সে সময় অনুমতি না মেলায় তাঁকে আদালতের দ্বারস্থ হতে হয়েছিল বলেও অভিযোগ উঠেছিল। বর্তমান পরিস্থিতিকে ঘিরে সেই বিতর্কও নতুন করে সামনে এসেছে।অন্যদিকে, ধরনা বিতর্কের মধ্যেই তৃণমূল কংগ্রেসের অন্দরে আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা ঘটেছে। দলের দুই বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় এবং সন্দীপন সাহাকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। সম্প্রতি তাঁরা দলের বিরুদ্ধে সই জালিয়াতির অভিযোগ তুলেছিলেন। সেই অভিযোগ প্রকাশ্যে আসার পরই তাঁদের বিরুদ্ধে কড়া সাংগঠনিক পদক্ষেপ নেয় তৃণমূল কংগ্রেস। ফলে একদিকে ধরনা বিতর্ক, অন্যদিকে দুই বিধায়কের বহিষ্কার সব মিলিয়ে রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতি নতুন করে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে।

জুন ০১, ২০২৬
রাজ্য

‘বাড়িতে হামলা হল, দল ফোনও করল না’! তৃণমূলের বিরুদ্ধে ক্ষোভে ফেটে পড়লেন প্রাক্তন মন্ত্রী

রাজ্যে ক্ষমতা হারানোর এক মাসের মধ্যেই তৃণমূল কংগ্রেসের অন্দরে অসন্তোষের সুর আরও স্পষ্ট হয়ে উঠছে। সই সংক্রান্ত বিতর্ক, দুই বিধায়কের বহিষ্কার এবং সাংগঠনিক অস্থিরতার আবহে এবার দলের বিরুদ্ধেই ক্ষোভ প্রকাশ করলেন প্রাক্তন মন্ত্রী ও মধ্য হাওড়ার বিধায়ক অরূপ রায়।সোমবার নিজের বাড়িতে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে অরূপ রায় অভিযোগ করেন, গত শনিবার তাঁর বাড়িতে হামলার ঘটনা ঘটলেও দলের তরফে কেউ তাঁর খোঁজ পর্যন্ত নেননি। এমনকি একটি ফোনও আসেনি বলে দাবি করেছেন তিনি।অরূপ রায়ের কথায়, এই পরিস্থিতিতে দলের প্রথম কাজ হওয়া উচিত ছিল আক্রান্ত কর্মী এবং নেতাদের পাশে দাঁড়ানো। তাঁর দাবি, রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে দলের সাধারণ কর্মী থেকে শুরু করে জনপ্রতিনিধিরা হামলার শিকার হচ্ছেন, কিন্তু দল তাঁদের পাশে দাঁড়াচ্ছে না। এর ফলে কর্মীদের মধ্যে হতাশা বাড়ছে।তিনি আরও বলেন, অতীতেও দল কঠিন সময়ের মুখোমুখি হয়েছে। এমন সময় এসেছে যখন বিধানসভায় খুব কম আসন পেয়েও তৃণমূল লড়াই চালিয়ে গিয়েছে। কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতি সম্পূর্ণ আলাদা। তাঁর মতে, সংগঠন দুর্বল হয়ে পড়ায় এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।প্রসঙ্গত, গত শনিবার মধ্য হাওড়ার কাসুন্দিয়া এলাকার অরূপ রায়ের বাড়ির সামনে উত্তেজনা ছড়ায়। তাঁর বাড়ির সামনের একটি গুদামঘর থেকে ত্রিপল, কম্বল, শাড়ি, ধুতি-সহ বিভিন্ন ত্রাণসামগ্রী উদ্ধার হওয়ার অভিযোগ ওঠে। সেই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিক্ষোভও দেখানো হয়।ঘটনার পর অরূপ রায় দাবি করেছিলেন, ওই ত্রাণসামগ্রী সরিয়ে নেওয়ার জন্য তিনি আগেই প্রশাসনের কাছে আবেদন করেছিলেন। পরে প্রশাসন সেগুলি সরাতে গেলে বিক্ষোভের সৃষ্টি হয়।সাংবাদিক বৈঠকে দলের সঙ্গে তাঁর দূরত্ব বাড়ছে কি না, সেই প্রশ্নও ওঠে। উত্তরে কয়েক মুহূর্ত নীরব থাকার পর অরূপ বলেন, এই সময়ে দলের উচিত ছিল আক্রান্তদের পাশে দাঁড়ানো। কিন্তু সেই দায়িত্ব দল সঠিকভাবে পালন করতে পারেনি।সামনেই পৌরসভা নির্বাচন। সেই নির্বাচনে তিনি সক্রিয়ভাবে প্রচারে নামবেন কি না, তা নিয়েও অনিশ্চয়তার ইঙ্গিত দিয়েছেন অরূপ রায়। তাঁর বক্তব্য, এই বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন দলের শীর্ষ নেতৃত্ব। তবে তিনি এখনও নিজের অবস্থান চূড়ান্ত করেননি।রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের একাংশের মতে, ক্ষমতা হারানোর পর তৃণমূলের অন্দরে যে অস্বস্তি এবং অসন্তোষ বাড়ছে, অরূপ রায়ের এই মন্তব্য তারই আরও একটি বড় ইঙ্গিত। পৌরসভা নির্বাচনের আগে এই পরিস্থিতি দলের জন্য নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি করতে পারে বলেও মনে করা হচ্ছে।

জুন ০১, ২০২৬
কলকাতা

বহিষ্কারের পর বিস্ফোরক সন্দীপন! ‘সই জাল হয়েছে, অভিযোগ না করে উপায় ছিল না’

সই সংক্রান্ত বিতর্কে তৃণমূল কংগ্রেসের অন্দরে রাজনৈতিক উত্তাপ আরও বেড়েছে। দলের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ তোলার পর ইতিমধ্যেই বহিষ্কৃত হয়েছেন এন্টালির বিধায়ক সন্দীপন সাহা এবং উলুবেড়িয়া পূর্বের বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে বহিষ্কারের পরও নিজের অবস্থানে অনড় রয়েছেন সন্দীপন সাহা। তাঁর দাবি, নিয়ম বহির্ভূত কাজ হয়েছে বলেই তিনি অভিযোগ জানাতে বাধ্য হয়েছেন।সোমবার সাংবাদিক বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী দাবি করেন, দুই বিধায়কের অভিযোগের ভিত্তিতেই সই সংক্রান্ত ঘটনায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। এরপরই বিষয়টি নিয়ে নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়।সন্দীপন সাহার অভিযোগ, গত ৬ মে তৃণমূলের একটি বৈঠকে বিধায়কদের উপস্থিতিতে আলোচনা হলেও সেখানে বিরোধী দলনেতাকে নিয়ে কোনও প্রস্তাব গৃহীত হয়নি। কিন্তু পরে ১৯ মে যে রেজোলিউশন জমা দেওয়া হয়, তাতে ৬ মে উপস্থিত বিধায়কদের স্বাক্ষর ব্যবহার করা হয়েছে। তাঁর দাবি, কয়েকজন বিধায়ক ওই বৈঠকে উপস্থিত না থাকলেও তাঁদের নাম রেজোলিউশনে যুক্ত করা হয়েছে, যা নিয়মবিরুদ্ধ এবং অনৈতিক।সন্দীপনের বক্তব্য, যাঁরা বৈঠকে ছিলেন না, তাঁদের উপস্থিত দেখিয়ে রেজোলিউশন জমা দেওয়া হয়েছে। এটি কোনওভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। তিনি আরও দাবি করেন, উপস্থিত বিধায়কদের স্বাক্ষর দিয়েই রেজোলিউশন জমা দেওয়া সম্ভব ছিল। তা না করে কেন অন্য পথ নেওয়া হল, সেই প্রশ্নও তুলেছেন তিনি। এই ঘটনায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন সন্দীপন। তাঁর দাবি, এত বড় ভুলের দায় এড়ানো যায় না।দলকে না জানিয়ে কেন তিনি বিধানসভা কর্তৃপক্ষের কাছে অভিযোগ করেছিলেন, সেই প্রশ্নেরও জবাব দিয়েছেন সন্দীপন। তাঁর কথায়, একজন বিধায়ক হিসেবে তিনি সংবিধান ও নিয়ম মেনে চলার শপথ নিয়েছেন। সেই দায়িত্ব থেকেই তিনি অভিযোগ জানিয়েছেন। তাঁর দাবি, দলের ভিতরে কোনও অভিযোগ বা প্রশ্নের সঠিক উত্তর পাওয়া যায় না বলেই তিনি অন্য পথ বেছে নিয়েছেন।সন্দীপন আরও অভিযোগ করেন, দলের মধ্যে খোলামেলা আলোচনা করার পরিবেশ নেই। কোনও প্রশ্ন তুললে তার উত্তর না দিয়ে বিষয়টি এড়িয়ে যাওয়া হয়। ফলে দলের ভিতরে নিজের মতামত বা আপত্তি জানানো কার্যত অসম্ভব হয়ে উঠেছে বলে দাবি তাঁর।বহিষ্কৃত এই বিধায়কের কথায়, সই সংক্রান্ত বিতর্ক নিয়ে সাধারণ মানুষ তাঁদের প্রশ্ন করছেন। সেই প্রশ্নের উত্তর দেওয়াও কঠিন হয়ে উঠছে। তাই বিষয়টি প্রকাশ্যে আনা এবং অভিযোগ জানানো ছাড়া তাঁর সামনে আর কোনও পথ খোলা ছিল না বলেই দাবি করেছেন সন্দীপন সাহা।

জুন ০১, ২০২৬
কলকাতা

সিআইডির জেরায় ফাঁস নতুন তথ্য? তিন বিধায়কের স্বীকারোক্তির দাবি শুভেন্দুর

বিধানসভার একটি রেজোলিউশনকে কেন্দ্র করে সই সংক্রান্ত বিতর্কে রাজ্য রাজনীতি সরগরম। এই ঘটনায় তদন্তে নেমেছে সিআইডি। ইতিমধ্যেই একাধিক তৃণমূল বিধায়কের বাড়িতে পৌঁছে গিয়েছেন তদন্তকারীরা। তদন্তের অংশ হিসেবে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কালীঘাটের বাড়িতেও নোটিস দেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।এই ঘটনার সূত্রপাত কীভাবে, তা নিয়ে সোমবার সাংবাদিক বৈঠকে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সামনে আনেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর দাবি, তৃণমূলের দুই বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় এবং সন্দীপন সাহার অভিযোগের ভিত্তিতেই পুরো বিষয়টির তদন্ত শুরু হয়।শুভেন্দুর বক্তব্য অনুযায়ী, বিরোধী দলনেতা নির্বাচন সংক্রান্ত যে রেজোলিউশন বিধানসভায় জমা দেওয়া হয়েছিল, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন ওই দুই বিধায়ক। তাঁদের অভিযোগ ছিল, রেজোলিউশনে থাকা কয়েকজন বিধায়কের সই নিয়ে অসঙ্গতি রয়েছে। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে বিধানসভার প্রিন্সিপাল সেক্রেটারি স্পিকারের নির্দেশে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। পরে তদন্তভার সিআইডির হাতে তুলে দেওয়া হয়।তদন্তের অংশ হিসেবে একাধিক তৃণমূল বিধায়কের সঙ্গে কথা বলেন তদন্তকারীরা। শুভেন্দু অধিকারীর দাবি, তদন্ত চলাকালীন তিন জন বিধায়ক জানিয়েছেন যে রেজোলিউশনে থাকা সই তাঁদের নয়। তিনি দাবি করেন, ওই তিন জন হলেন বাহরুল ইসলাম, শুভাশিস দাস এবং অরূপ রায়। তাঁদের মধ্যে একজন নাকি তদন্তকারীদের জানিয়েছেন, তিনি সেদিন কলকাতায়ই ছিলেন না।সাংবাদিক বৈঠকে শুভেন্দু বলেন, তদন্তে উঠে আসা তথ্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাঁর দাবি, যাঁরা সই নিজেদের নয় বলে জানিয়েছেন, তাঁদের কোনও ব্যক্তিগত লাভ নেই। তাই তাঁদের বক্তব্যকে গুরুত্ব দিয়েই তদন্ত এগোচ্ছে।এদিকে এই ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক উত্তেজনা ক্রমশ বাড়ছে। অভিযোগকারী দুই বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় ও সন্দীপন সাহাকে ইতিমধ্যেই দল থেকে বহিষ্কার করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। অন্যদিকে সই সংক্রান্ত বিতর্কের তদন্তে নতুন নতুন তথ্য সামনে আসায় রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। এখন তদন্তের পরবর্তী পর্যায়ে কী তথ্য উঠে আসে, সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

জুন ০১, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal