• ২৭ ফাল্গুন ১৪৩২, বুধবার ১১ মার্চ ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Bengal

খেলার দুনিয়া

Syed Mustak Ali T20 : পাড়িক্কল, মায়াঙ্কদের উড়িয়ে সৈয়দ মুস্তাক আলির কোয়ার্টার ফাইনালে বাংলা

সৈয়দ মুস্তাক আলি টি২০ প্রতিযোগিতার কোয়ার্টার ফাইনালে উঠল বাংলা। মঙ্গলবার গ্রুপ লিগের শেষ ম্যাচে শক্তিশালী কর্ণাটককে উড়িয়ে দিল ৭ উইকেটে। কর্ণাটকের বিরুদ্ধে এদিন দুর্দান্ত বোলিং করেন বাংলার বোলাররা। মুকেশ কুমারদের দাপটে কর্ণাটকের শক্তিশালী ব্যাটিং লাইন ২০ ওভারে ৮ উইকেটে ১৩৪ রানের বেশি তুলতে পারেনি। বাংলাকর্ণাটক ম্যাচের আগে বরোদার বিরুদ্ধে মাঠে নেমেছিল মুম্বই। বরোদাকে মুম্বই হারানোয় বাংলাকে গ্রুপ লিগের শেষ ম্যাচে জিততেই হত। জ্বলে উঠলেন বাংলার বোলাররা। কর্ণাটক দল রীতিমতো তারকাখচিত। অনেকেই আইপিএলে রীতিমতো দাপিয়ে বেরিয়েছেন। কে নেই দলে? দেবদত্ত পাড়িক্কল, মায়াঙ্ক আগরওয়াল, মণীশ পাণ্ডে, প্রসিদ্ধ কৃষ্ণ, কৃষ্ণাপ্পা গৌতম, জগদেশা সুচিথ, কেসি কারিয়াপ্পা, করুণ নায়ার। কর্ণাটকের যা শক্তি, বাংলার উড়ে যাওয়ার কথা। নাম দিয়ে যে ক্রিকেট হয় না, দেখিয়ে দিলেন বাংলার ক্রিকেটাররা। টস জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল কর্ণাটক। এদিন ম্যাচের প্রথম ওভারের তৃতীয় বলেই মায়াঙ্ক আগরওয়ালকে (৪) তুলে নিয়ে কর্ণাটককে প্রথম ধাক্কা দিয়েছিলেন মুকেশ কুমার। ওই ওভারের শেষ বলে তুলে নেন দেবদত্ত পাড়িক্কলকে (০)। এরপর দলকে টেনে নিয়ে যান মণীশ পাণ্ডে এবং করুণ নায়ার। ২৭ বলে ৩২ রান করে শাহবাজ আমেদের বলে আউট হন মণীশ পাণ্ডে। করুণ নায়ার ৪৪ বলে ৪৪ রান করেন। তাঁকে ফেরান প্রদীপ্ত প্রামানিক (২/৩৩)। মণীশ পাণ্ডে ও করুণ নায়ারকে খুব বেশি আক্রমণাত্মক হওয়ার সুযোগ দেননি শাহবাজ আমেদ (১/১৫), আকাশ দীপরা (১/১৯)। ২০ ওভারে ১৩৪/৮ রানের বেশি তুলতে পারেনি কর্ণাটক। মুকেশ কুমার ৩৩ রানে ৩ উইকেট নেন। ব্যাট করতে নেমে বাংলার শুরুটাও ভাল হয়নি। প্রথম ওভারের তৃতীয় বলে প্রসিদ্ধ কৃষ্ণ তুলে নেন সুদীপ চ্যাটার্জিকে (৪)। তিন নম্বরে নেমে ঋত্ত্বিক চ্যাটার্জি ৯ বলে ১৮ রান করে আউট হন। এরপর অভিমন্যু ঈশ্বরণ ও ঋদ্ধিমান সাহা বাংলাকে টেনে নিয়ে যান। ২৩ বলে ২৭ রান করে আউট হন ঋদ্ধিমান। বাংলাকে জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে দেন অভিমন্যু ও কাইফ আমেদ। অভিমন্যু ৪৯ বলে ৫১ রান করে অপরাজিত থাকেন। কাইফ আমেদ ২৪ বলে করেন অপরাজিত ৩৪। ২ ওভার বাকি থাকতেই ৩ উইকেটে ১৩৮ রান তুলে ম্যাচ জিতে নেয় বাংলা। ৫ ম্যাচে ১৬ পয়েন্ট বাংলার। অন্যদিকে কর্ণাটকেরও পয়েন্ট ১৬। নেট রান রেটে কর্ণাটককে (০.৩৭৯) পেছনে ফেলে গ্রুপ শীর্ষে থাকে বাংলা (০.৯৯৫)। গ্রুপ শীর্ষে থাকায় সরাসরি কোয়ার্টার ফাইনালে খেলার সুযোগ পান সুদীপরা। আর কর্ণাটককে খেলতে হবে প্রিকোয়ার্টার ফাইনাল।

নভেম্বর ০৯, ২০২১
রাজ্য

Bengal Global Business Summit: ২ বছর পর ফের রাজ্যে অনুষ্ঠিত হতে চলেছে বিশ্ব বঙ্গ বাণিজ্য সম্মেলন

অতিমারির আবহে দু বছর স্থগিত থাকার পর আগামী বছর রাজ্যে ফের বিশ্ব বঙ্গ বাণিজ্য সম্মেলনের আয়োজন করা হচ্ছে। আগামী বছর ২০-২১ এপ্রিল এই দুদিন বাণিজ্য সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে নিউটাউনের বিশ্ব বাংলা কনভেনশন সেন্টারে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অনুমোদন সাপেক্ষে মুখ্যসচিব হরিকৃষ্ণ দ্বিবেদী এই দিনক্ষণ ঘোষণা করেন । তিনি জানান, এখন বাংলায় করোনা সংক্রমণ নিম্নমুখী, তাই রাজ্যে বিনিয়োগ টানার লক্ষ্যে ফের বিশ্ব বঙ্গ বাণিজ্য সম্মেলন আয়োজন করা হবে। এরজন্য একটি নির্দিষ্ট কমিটিও তৈরি করা হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী ছাড়াও মুখ্যসচিব ওই কমিটিতে থাকছেন। পুরো পরিকল্পনা পরে নবান্নের তরফে জানানো হবে বলে জানিয়েছেন মুখ্যসচিব।নবান্ন সূত্রে জানা যাচ্ছে, এবার আরও বড় আকারে বিশ্ব বাংলা বাণিজ্য সম্মেলন আয়োজনের চেষ্টা করছে রাজ্য সরকার। দেশ-বিদেশের বহু নামী-দামী সংস্থাকে আমন্ত্রণ জানানো হবে। ফলে আগামী বছর বাংলা নববর্ষের আগেই কলকাতায় চাঁদের হাট বসতে চলেছে এ কথা বলাই বাহুল্য। শেষবার এই সম্মেলনে দেশ-বিদেশের শিল্পপতি এবং শিল্প সংস্থার প্রতিনিধিরা উপস্থিত হয়েছিলেন। প্রসঙ্গত, সোমবারই বিশ্ব বাংলা শারদ সম্মান পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে জানান, সম্মানের সঙ্গে বাঁচতে হবে আমাদের কাছে যা আছে সেটা কাজে লাগাতে হবে। ভিক্ষে করে বাঁচা নয়, বুদ্ধি করে আমাদের সম্পদ কাজে লাগাতে হবে। সেগুলি কাজে লাগান, সবকিছু পেয়ে যাবেন।পাশাপাশি রাজ্যের শিল্পবান্ধব পরিবেশ আন্তর্জাতিক বিনিয়োগকারীদের কাছে তুলে ধরতে বিশেষ উদ্যোগ নিচ্ছে সরকার। সেই উদ্যোগে রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়কে সামিল হতেও অনুরোধ করা হয়েছে। সূত্রের খবর, সোমবার ইকো পার্কের বিজয়া সম্মেলনীতে ধনখড়কে এই প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। রাজ্যের প্রস্তাবে সম্মতিও জানিয়েছেন ধনখড়। সরকার সূত্রে খবর, রাজ্যের শিল্পবান্ধব পরিবেশ তুলে ধরতে বিদেশে পাড়ি দেবেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখানে করতে পারেন রোড শো-ও। পাশাপাশি রাজ্যের শিল্পবান্ধব পরিবেশ নিয়ে রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়কে বিদেশে গিয়ে রোড শো করার প্রস্তাব দিয়েছে সরকার। রাজ্যপাল সেই প্রস্তাবে সম্মতি জানিয়েছেন বলেও খবর।একইসঙ্গে আগামী বছর ৭ জানুয়ারি থেকে ১৪ জানুয়ারি চলচ্চিত্র উৎসব এবং ৩১ জানুয়ারি থেকে ৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত কলকাতা বইমেলার আয়োজন করা হবে বলে রাজ্য সরকারের তরফে জানানো হয়েছে।

নভেম্বর ০৮, ২০২১
রাজ্য

Dengue Fear: রাজ্যে ভয় ধরাচ্ছে ডেঙ্গু আতঙ্ক

করোনার মাঝে দাপট বাড়ছে ডেঙ্গুর। স্বাস্থ্য দপ্তর সূত্রে খবর, ২৭ অক্টোবর থেকে ৪ নভেম্বর পর্যন্ত রাজ্যে সাড়ে ৬০০ জন আক্রান্ত হয়েছেন ডেঙ্গুতে। হাওড়া নিয়ে বিশেষ চিন্তায় জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা। প্রশ্ন উঠছে, কী ভাবে এক সপ্তাহে আক্রান্তের সংখ্যা পাঁচ গুন বেড়ে গেল? একই সঙ্গে প্রশ্ন উঠছে মশা নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচি নিয়েও। তা যে হাওড়ায় ধাক্কা খেয়েছে পরিসংখ্যানই তার ইঙ্গিত বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের আশঙ্কাই সত্যি হচ্ছে। ডেঙ্গুর দাপট বাড়ছে রাজ্যে। স্বাস্থ্য দপ্তর সূত্রে পাওয়া খবর অনুযায়ী, ২৭ অক্টোবর থেকে ৪ নভেম্বরের মধ্যে বাংলায় ডেঙ্গুর কবলে পড়েন ৬৫০ জন। গত বছর এই সময় আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ৪১৯।এর মধ্যে হাওড়ার পরিসংখ্যান দেখে শিউরে উঠছেন জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা। তাঁদের বক্তব্য, দিন সাতেক আগে হাওড়ায় ২৬ জন ডেঙ্গু আক্রান্তের কথা জানিয়ে স্বাস্থ্য ভবনকে রিপোর্ট পাঠানো হয়েছিল। সেখানে পাঁচ গুন বাড়ল কী ভাবে? উদ্বেগ রয়েছে আরও। বিশেষজ্ঞদের আশঙ্কা, ঠিকমতো পরীক্ষা হলে, রাজ্যে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা আরও বাড়বে। সে ক্ষেত্রে ছবিটা যে কী হবে ভেবে কূল কিনারা পাচ্ছেন না কেউ।গত সপ্তাহ থেকেই ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছিল। চলতি সপ্তাহে স্বাস্থ্য দপ্তর সূত্রে যে তথ্য পাওয়া গিয়েছে তাতে উত্তর ২৪ পরগনায় ডেঙ্গু আক্রান্ত ২৬৩ জন। কলকাতায় ডেঙ্গু আক্রান্ত ১৯২ জন। হাওড়ায় আক্রান্তের সংখ্যা ১২২। নদিয়ায় ডেঙ্গু আক্রান্ত ৩২ জন। দার্জিলিংয়ে এই সংখ্যাটা ২৬। এরপরই রয়েছে মালদহের স্থান। এখানে আক্রান্তের সংখ্যা এখনও ২৩। উত্তর দিনাজপুরে ১৬।

নভেম্বর ০৬, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Bengal T20 : অধিনায়ক হিসেবে অভিষেক ম্যাচেই বাংলাকে জেতালেন সুদীপ চ্যাটার্জি

তাঁর ওপর আস্থা রেখে বাংলার নির্বাচকরা যে ভুল করেননি, মরশুমের প্রথম ম্যাচেই প্রমাণ দিলেন সুদীপ চ্যাটার্জি। সিনিয়র দলকে নেতৃত্ব দিতে নেমে প্রথম ম্যাচেই বাংলাকে জয় এনে দিলেন। তাঁর নেতৃত্বে সৈয়দ মুস্তাক আলি টি২০ প্রতিযোগিতার প্রথম ম্যাচেই জয় পেল বাংলা। আসামের গুয়াহাটির বর্ষাপাড়া স্টেডিয়ামে ছত্তিশগড়কে হারাল ৭ উইকেটে।অনুষ্টুপ মজুমদার, অর্ণব নন্দী, শ্রীবৎস গোস্বামীর মতো সিনিয়রদের বাদ দিয়ে জুনিয়রদের নিয়ে দল গড়েছিলেন বাংলার নির্বাচকরা। অনুষ্টুপদের বাদ দেওয়া নিয়ে সমালোচনার ঝড় উঠেছিল, বাংলা টিম ম্যানেজমেন্টের লক্ষ্য সৈয়দ মুস্তাক আলি টি২০ প্রতিযোগিতাতেই তরুণ ক্রিকেটারদের দেখে নেওয়া। হতাশ করেননি করণ লালরা। তবে জয়ের জন্য ভরসা করতে হয়েছে সেই সিনিয়রদের ওপরই।টস জিতে ছত্তিশগড়কে ব্যাট করতে পাঠান বাংলার অধিনায়ক সুদীপ চ্যাটার্জি। দারুণ শুরু করেছিলেন ছত্তিশগড়ের দুই ওপেনার অখিল হারওয়াদকার এবং শশাঙ্ক চন্দ্রকার। ওপেনিং জুটিতে ৪ ওভারে ওঠে ৩২। বাংলার দুই জোরে বোলার ইশান পোড়েল ও মুকেশ কুমার সুবিধা করতে পারেননি। ছত্তিশগড়কে প্রথম ধাক্কা দেন আকাশ দীপ। তুলে নেন শশাঙ্ককে (৬)। এরপর নিয়মিত ব্যবধানে উইকেট পড়তে থাকে ছত্তিশগড়ের। মাঝের ওভারগুলিতে দুর্দান্ত বোলিং করেন আকাশ দীপ, করণ লাল ও আইপিএল খেলে ফেরা শাহবাজ আমেদ। আইপিএল খেলার অভিজ্ঞতা দারুণভাবে কাজে লাগান শাহবাজ আমেদ।একপ্রান্ত থেকে উইকেট পড়তে থাকলেও অন্যপ্রান্ত আগলে রেখে দলকে এগিয়ে নিয়ে যান অখিল হারওয়াদকার। একসময় ৫১ রানে ৫ উইকেট পড়ে গিয়েছিল ছত্তিশগড়ের। সেখান থেকে অজয় মণ্ডলকে (২৫) সঙ্গে নিয়ে দলকে এগিয়ে নিয়ে যান অখিল। ২০ তম ওভারে মুকেশ কুমারের তৃতীয় বলে আউট হন অজয়। ইনিংসের একেবারে শেষ বলে অখিলকে (৬০ বলে ৭৩) আউট করেন মুকেশ কুমার। ১০ ওভারে ছত্তিশগড় তোলে ১১৮/৭। ২৬ রানে তিনি ২ উইকেট নেন। ঋত্ত্বিক চ্যাটার্জি, আকাশ দীপ, শাহবাজ আমেদ করণ লাল ১টি করে উইকেট পান।বাংলার হয়ে এদিন ইনিংসের গোড়াপত্তন করতে নেমেছিলেন অভিষেক দাস ও অধিনায়ক সুদীপ চ্যাটার্জি। ১৩ বলে ১৭ রান করে রবি কিরণের বলে আউট হন অভিষেক। তিন নম্বরে নামা করণ লাল ১০ বলে ১১ রান করে আউট হন। এরপর বাংলাকে টেনে নিয়ে যান দুই অভিজ্ঞ ব্যাটার সুদীপ চ্যাটার্জি ও ঋদ্ধিমান সাহা। তৃতীয় উইকেটের জুটিতে ৫০ রান তুলে বাংলার জয় নিশ্চিত করেন সুদীপ ও ঋদ্ধি। ২২ বলে ২৪ রান করে ঋদ্ধি যখন আউট হন, বাংলার রান ৯৬/৩। কাইফ আমেদকে (১১ বলে অপরাজিত ১২) সঙ্গে নিয়ে দলকে জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে দেন সুদীপ চ্যাটার্জি। ৪৬ বলে ৫১ রান করে অপরাজিত থাকেন সুদীপ। ১৭ ওভারে ১১৯/৩ তুলে ম্যাচ জিতে নেয় বাংলা।

নভেম্বর ০৪, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Dronacharya Award : দ্রোণাচার্য পুরস্কার পেলেন বাঙালী সাঁতার কোচ তপন পানিগ্রাহী

বাংলার খেলাধূলার এখন করুণ অবস্থা। অর্জুন পুরস্কার কিংবা মেজর ধ্যানচাঁদ খেলরত্ন পুরস্কার পেতে গেলে যে যোগ্যতা থাকা দরকার, কোনও বাঙালী ক্রীড়াবিদের নেই। দ্রোণাচার্য তো দূর অস্ত। তা সত্ত্বেও এবছর দ্রোণাচার্য পুরস্কার প্রাপকের তালিকায় এক বাঙালীর নাম। সাঁতাররের কোচ তপনকুমার পানিগ্রাহী।শেষ কোন বাঙালী কোচ দ্রোণাচার্য পুরস্কার পেয়েছেন, তা খুঁজতে গেলে অনেক কসরৎ করতে হবে। এখনও পর্যন্ত বাংলা থেকে মাত্র দুজন কোচ দ্রোণাচার্য সম্মানে ভূষিত হয়েছেন। ১৯৯১ সালে ফুটবল কোচ সৈয়দ নঈমুদ্দিন। তাঁর ঠিক ২০ বছর পর অ্যাথলেটিক্স কোচ ডঃ কুন্তল রায়। আর এবছর পেলেন তপনকুমার পানিগ্রাহী। তাঁকে নিয়ে অবশ্য বাংলার মানুষের গর্বিত হওয়ার কিছু নেই। তপন পানিগ্রাহী মেদিনীপুরের মহিষাদলের মানুষ। এটা ঠিককথা। কিন্তু দীর্ঘদিন বাংলার বাইরে। বাংলার সাঁতার বা খেলাধূলার সঙ্গে তাঁর কোনও যোগাযোগ ছিল বলে কেউ জানেন না।পূর্ব মেদিনীপুরের মহিষাদলের গড়কমলপুর গ্রামের ছেলে তপন পানিগ্রাহী। গ্রামের পুকুরে সাঁতার শেখানো দিয়েই শুরু হয়েছিল তাঁর পথচলা। পরে বাংলা ছেড়ে পাড়ি দেন মহারাষ্ট্রে পুণেতে। সেখানে পেশাদার সাঁতার শেখানো শুরু করেন। পরে জাতীয় সাঁতার কোচ হিসেবে কাজ করার সুযোগ পান। দীর্ঘ ৩০ বছর প্রশিক্ষক হিসেবে কাজ করার পর অবসর নেন। তাঁর হাত ধরেই উঠে এসেছেন বহু জাতীয় ও আন্তর্জাতিকস্তরের সাঁতারু। ৩০ জন আন্তর্জাতিক এবং ১৩০ জন জাতীয় চ্যাম্পিয়ন তপন পানিগ্রাহীর হাত ধরে উঠে এসেছে। তাঁর হাতেই তৈরি সজ্জন প্রকাশ। সাঁতারে অসামান্য অবদানের জন্য আগেও একাধিক পুরস্কার পেয়েছেন তপন পানিগ্রাহী। এবার তাঁকে দ্রোণাচার্য পুরস্কারের জন্য মনোনীত করেছিল জাতীয় সাঁতার ফেডারেশন।দ্রোনাচার্য পুরস্কার পাওয়ার খবরে দারুণ উচ্ছ্বসিত তপন পানিরাহী। তিনি বলেন, দ্রোনাচার্য সম্মানে ভূষিত হয়ে আমি গর্বিত। এই পুরস্কার দেশের সমস্ত সাঁতারের সঙ্গে জড়িত থাকা মানুষকে অনুপ্রাণিত করবে। মহিষাদলের মানুষের শুভেচ্ছা ছাড়া এই পথচলা সম্ভব ছিল না।এবছর অলিম্পিকে কিছুটা অপ্রত্যাশিত সাফল্যে জাতীয় ক্রীড়াক্ষেত্রে পুরস্কার প্রাপকের তালিকাটা দীর্ঘ হয়েছে। মেজর ধ্যানচাঁদ খেলরত্ন পাচ্ছেন ১২ জন ক্রীড়াবিদ। যা সর্বকালীন রেকর্ড। আর অর্জুন পুরস্কার পাচ্ছেন ৩৫ জন। এছাড়াও রয়েছে ধ্যানচাঁদ লাইফটাইম অ্যাচিভমেন্ট অ্যাওয়ার্ড। কোচদের দ্রোণাচার্য পুরস্কারের আবার দুটো ক্যাটাগরি। লাইফটাইম এবং রেগুলার। সব মিলিয়ে তালিকা দীর্ঘ। একমাত্র বাঙালি হিসেবে লাইফটাইম অ্যাচিভমেন্ট বিভাগে দ্রোণাচার্য পুরস্কার পাচ্ছেন জাতীয় সাঁতারু কোচ তপন পানিগ্রাহী। আগামী ১৩ নভেম্বর রাষ্ট্রপতির হাত থেকে পুরস্কার গ্রহণ করবেন তিনি। দীপাবলির ঠিক আগের মুহূর্তে তপনবাবুর এই পুরস্কার প্রাপ্তির খবরে খুশির হাওয়া পূর্ব মেদিনীপুরের মহিষাদলে।

নভেম্বর ০৩, ২০২১
কলকাতা

Dilip Ghosh: চিন হয়ে যাবে পশ্চিমবঙ্গ! বিস্ফোরক দিলীপ

উপনির্বাচনের পরে পুরসভা নির্বাচনেও সন্ত্রাসের আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন দিলীপ ঘোষ। বুধবার সকালে ইকো পার্কে প্রাতঃভ্রমণের শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময়ে এই কথা জানান তিনি। দিলীপ বলেন যে পশ্চিমবঙ্গের অবস্থা চিনের মত হয়ে যাবে। একটাই দল ভোটে দাঁড়াবে। তাকেই সবাই ভোট দেবে। বাকি দলের অস্তিত্ব মুছে দেওয়া হবে। এই ভাবেই উপনির্বাচন হইয়েছে এবং সেখানে প্রার্থীকেও ভোট দিতে দেওয়া হয়নি বলেই দাবি করেছেন তিনি। উপনির্বাচনের ফল দিয়ে কিছু বোঝা যাবে না এমনটাই দাবি দিলীপের।সামনেই পুরভোট হবে শহরে। বিজেপি সর্ব শক্তি দিয়ে লড়বে বলে জানিয়েছেন তিনি। ভোট ঠিকমত হলে পরিস্থিতি আলাদা হবে আশা দিলীপের। যদিও শান্তিপূর্ণ ভোট হওয়ার আশা খুব কম বলেই তাঁর ধারণা।

নভেম্বর ০৩, ২০২১
রাজ্য

Winter: উত্তুরে হাওয়ায় বঙ্গে শীতের আমেজ

রাজ্যে নিম্নচাপের ভ্রুকুটি কেটে গিয়েছে। যার জেরে সুগম হয়েছে উত্তুরে হাওয়ার প্রবেশ পথ। আর তাই সূর্যাস্তের পরেই শীতের আমেজ কিছুটা হলেও অনুভব হচ্ছে। তবে আলিপুর আবহাওয়া দপ্তরের পূর্বাভাস, এখনই আনুষ্ঠানিকভাবে পড়বে না শীত। তবে আবহাওয়া ক্রমশ শুষ্ক হতে থাকবে।এখন হেমন্তের পরিবেশ সারা বাংলাজুড়ে। শুরু হয়েছে উত্তরের হাওয়ার দাপট। রাতের তাপমাত্রা স্বাভাবিক বা তার নীচে থাকার কারণে এই হালকা শীতের আমেজ উপভোগ করতে পারছেন বঙ্গবাসী। তবে,খুব সকালের দিকে কোথাও কোথাও সামান্য কুয়াশা দেখা দিচ্ছে।তবে উত্তরবঙ্গের জেলাগুলিতে হালকা বৃষ্টির পূর্বাভাস মিলেছে। পাশাপাশি থাকবে শুষ্ক ও শীতল আবহাওয়া। দার্জিলিং,কালিম্পংয়ে হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা। মঙ্গলবার পর্যন্ত এই বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। বাকি জেলাতে বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই। বৃষ্টির পর বুধবার থেকে দার্জিলিং-এর তাপমাত্রা অনেকটাই কমে যাওয়ার সম্ভাবনা। আগামী কয়েকদিনে রাতের তাপমাত্রা কিছুটা কমবে। শীতের আমেজ কিছুটা বাড়বে সঙ্গে সকালের দিকে কুয়াশার দাপটও বাড়বে।

নভেম্বর ০১, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Love Story : একটু অন্যধারার ভালোবাসার গল্প বলবেন পরিচালক প্রীতম

পূর্ণদৈর্ঘ্যর ছবি লেট দেয়ার বি লাভ এর সাংবাদিক সম্মেলন হয়ে গেল কলকাতার প্রেস ক্লাবে। এই ছবির কাহিনী, চিত্রনাট্য, সংলাপ দেবারতি ভৌমিকের। নির্দেশনা করেছেন প্রীতম মুখার্জী। এই ছবিতে নীলাদ্রি দত্তের চরিত্রে রয়েছেন অনুভব কাঞ্জিলাল যিনি পেশায় স্বর্ণ ব্যবসায়ী। সোনালি দত্তর চরিত্রে হৈমন্তী গাঙ্গুলী যিনি নীলাদ্রির স্ত্রীর ভূমিকায় রয়েছেন। মিতালী দত্ত অর্থাৎ নীলাদ্রির মা হয়েছেন পারমিতা মুখার্জী। অনিমেষ রায় যিনি একজন চিকিৎসক তার চরিত্রে দেখা যাবে অরিন্দম আচার্যকে। অজিতের চরিত্রে জিত ভট্টাচাৰ্য। তিনি পেশায় উকিল এবং নীলাদ্রির বাল্য বন্ধু। নয়নার চরিত্রে পৌলোমী পাঁজ। তিনি সোনালীর বাল্য বন্ধু। পরিচালক জনতার কথা কে জানিয়েছেন পূর্ণদৈর্ঘ্যর ছবি এটা তার প্রথম। এর আগে একটি শর্ট ফিল্ম নির্মাণ করেছেন এবং একটি OTT প্ল্যাটফর্মের জন্য একটি ওয়েবসিরিজ করেছেন। লেট দেয়ার বি লাভ এক মিষ্টি প্রেমের গল্পের এক বেদনার সমাপ্তির গল্প। নীলাদ্রি আর সোনালির ভালবাসায় কানায় কানায় ভর্তি এক সংসার। নীলাদ্রির মা বাবা আর ওরা দুজনে মিলে খুব সুখে ছিল, এমনকি ওঁদের পরিবারে নতুন সদস্য আসার খবরও আনন্দে মাতিয়ে দেবে গোটা দত্ত পরিবারকে। কিন্তু সুখ বেশিদিন সইল না নীলাদ্রির কপালে। গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি হয় সোনালি, জীবনের চরম পরিহাস তাকে মানসিকভাবে এমন এক অবস্থায় নিয়ে যায় যে সোনালির মুক্তি চায় নীলাদ্রি। Euthanasia করতে চায় ও। স্বেছা মৃত্যু যা মার্চ ২০১৮ থেকে ভারতে আইন সিদ্ধ কিন্তু কি চরম অবস্থার মধ্যে পড়লে নিজের আপনজন এটা চাইতে পারে সেটাই এই ছবির মাধ্যমে দর্শকের কাছে পৌঁছে দেওয়া হবে। ছবি ঃ প্রকাশ পাইন

অক্টোবর ৩০, ২০২১
রাজ্য

Local Train: উঠে গেল বিধিনিষেধ, রাজ্যে কবে থেকে চালু হচ্ছে লোকাল ট্রেন?

করোনা পরিস্থিতিতে লোকাল ট্রেন চলাচল বন্ধ হয়েছিল এই রাজ্যে। দীর্ঘ দিন লোকাল ট্রেন বন্ধ থাকায় তা চালু করার দাবিও উঠেছিল। স্টাফ স্পেশাল ট্রেনে উঠতে না পেরে অবরোধের ঘটনাও ঘটে। ক্ষোভ-বিক্ষোভে ফেটে পড়ে যাত্রীরা। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়ে ছিলেন কলকাতা সংলগ্ন জেলায় ৫০ শতাংশ টিকাকরণ হলে ট্রেন চালু করা হবে। যদিও পরে সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে এলে স্টাফ স্পেশাল ও বিশেষ ট্রেন চলাচলে ছাড় দেয় রাজ্য।স্পেশাল বললেও লোকাল ট্রেনের টাইম টেবিলেই বেশ কিছু ট্রেন চলাচল শুরু করে। হয়রানির শিকার হচ্ছিলেন যাত্রীরা। তবে পরবর্তী ক্ষেত্রে ট্রেনের টিকিট দেওয়া শুরু হওয়ায় যাত্রী হয়রানি কিছুটা কমে। এবার অবসানের পথে সেই কষ্ট। লোকাল ট্রেন চলাচলে ছাড় ঘোষণা করল নবান্ন। বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী ৫০ শতাংশ যাত্রী নিয়ে কোভিড বিধি মেনে রাজ্যে চলবে লোকাল ট্রেন। আগামী রবিবার থেকেই রাজ্যে লোকাল ট্রেন পরিষেবা চালু হবে।

অক্টোবর ২৯, ২০২১
দেশ

Corona: করোনায় মৃত্যু বাড়ছে দেশে, ঊর্ধ্বমুখী রাজ্যের সংক্রমণও

সামনেই দীপাবলি।কিন্তু শিয়রে করোনার ভয়। সংক্রমণ নিয়ন্ত্রিত খানিকটা থাকলেও মৃত্যু নিয়ে কিন্তু ক্রমশ বাড়ছে চিন্তা। কয়েকদিন আগেই সরকারের তরফে উৎসব গুলিতে লাগাম টানতে বলা হয়েছিল। এরপর ফের একদিনে করোনায় মৃত্যুর সংখ্যা বেড়েছে। যার কারণে দীপাবলির আগে কড়া বিধি-নিষেধের পথে এগোবে দেশের বিভিন্ন রাজ্য।এদিকে, দেশে উত্তোরোত্তর বাড়ছে দেশে মৃত্যুর সংখ্যা। গতকালের তুলনায় ফের বাড়ল মৃত্যুর সংখ্যা। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনার জেরে প্রাণ হরিয়েছেন ৮০৫ জন। গতকাল সেই সংখ্যাটা ছিল ৭৩৩ জন। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের রিপোর্ট বলছে, গত ২৪ ঘণ্টায় ভারতে নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ১৪ হাজার ৩৪৮ জন। গতকাল সেই সংখ্যাটা ছিল ১৬ হাজার ১৫৬ জন। এদিকে, করোনাকে হারিয়ে দেশে সুস্থ হয়ে ওঠার সংখ্যা অনেকটাই কমেছে গিয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে সুস্থ হয়ে উঠেছেন ১৩ হাজার ১৯৮ জন। মোট সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৩ কোটি ৩৬ লাখ ২৭ হাজার ৬৩২ জন।এদিকে, পর পর তিনদিন ঊর্ধ্বমুখী এ রাজ্যে দৈনিক সংক্রমণের পারদ। মঙ্গলবার যা ছিল ৮০৬, বুধবার তা বেড়ে ৯৭৬ হয়েছিল। বৃহস্পতিবার সেই দৈনিক সংক্রমণ দাঁড়ায় ৯৯০-এ। অর্থাৎ আবারও বাংলায় একদিনে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা হাজার ছুঁই ছুঁই। পর পর সংক্রমণ বেড়েছে কলকাতাতেও। বৃহস্পতিবার শুধুমাত্র কলকাতাতেই করোনা আক্রান্তের সংখ্যাটা ২৭৫। মঙ্গলবার ও বুধবার মহানগরে করোনা আক্রান্ত হয়েছিলেন যথাক্রমে ২৭২ ও ২৪৮।বৃহস্পতিবার স্বাস্থ্য দপ্তর প্রকাশিত বুলেটিন অনুযায়ী, গত একদিনে করোনার বলি হয়েছেন ৯ জন। গত একদিনে সুস্থতার হার ৯৮.২৯ শতাংশ। ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে গিয়েছেন ৮৪৫ জন।

অক্টোবর ২৯, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Syed Mustaq Ali T20 : ৪ ক্রিকেটার করোনায় আক্রান্ত, সমস্যায় মুম্বই

সৈয়দ মুস্তাক আলি টি২০ প্রতিযোগিতা দিয়ে এবছর শুরু হচ্ছে ভারতের সিনিয়রদের ঘরোয়া ক্রিকেট। প্রতিযোগিতায় খেলতে বুধবারই গুয়াহাটি পৌঁছে গেল বাংলা। তরুণদের সুযোগ দেওয়ার জন্য আগেই এই প্রতিযোগিতা থেকে নিজেকে সরিয়ে নিয়েছেন মনোজ তেওয়ারি। অনুষ্টুপ মজুমদারের মতো সিনিয়র ক্রিকেটারও দলে সুযোগ পাননি। সৈয়দ মুস্তাক আলি টি২০ প্রতিযোগিতায় বাংলাকে নেতৃত্ব দেবেন সুদীপ চ্যাটার্জি।সৈয়দ মুস্তাক আলি টি২০ প্রতিযোগিতায় এবার তরুণদের নিয়ে দল গড়েছে বাংলা। দলে সুযোগ পেয়েছেন : সুদীপ চ্যাটার্জি (অধিনায়ক), ঋদ্ধিমান সাহা, অভিমন্যু ঈশ্বরন, অভিষেক দাস, কাইফ আহমেদ, ঋত্ত্বিক রায়চৌধুরী, রণজ্যোত সিং খৈরা, শাকির হাবিব গান্ধী, শুভঙ্কর বল, করণ লাল, শাহবাজ আহমেদ, ঋত্ত্বিক চট্টোপাধ্যায়, প্রদীপ্ত প্রামাণিক, সুজিত কুমার যাদব, ঈশান পোড়েল, মুকেশ কুমার, আকাশ দীপ, অলোকপ্রতাপ সিং, মহম্মদ কাইফ, সায়ন সিং। দল নির্বাচনের আগে বাংলার চ্যালেঞ্জার্স ট্রফি অনুষ্ঠিত হয়েছিল। সেই প্রতিযোগিতার পারফরমেন্সের ভিত্তিতেই বাংলা দল বেছে নেওয়া হয়েছে। গত মরশুমের বাংলা রনজি দলের অধিনায়ক অনুষ্টুপ মজুমদারকে যেমন দলে রাখা হয়নি, তেমনই সুযোগ পাননি অভিজ্ঞ উইকেটকিপার শ্রীবৎস গোস্বামীও।গুহায়াটিতে প্রতিযোগিতা খেলতে যাওয়ার আগে কল্যানীতে প্রস্তুতি শিবির করেছিল বাংলা। হিমাচল প্রদেশের বিরুদ্ধে দুটি প্রস্তুতি ম্যাচও খেলেছিল। গতবছর ব্যর্থ হলেও এবছর দল নিয়ে আশাবাদী বাংলার হেড কোচ অরুণলাল। তরুণ ক্রিকেটারদের ওপর আস্থা রাখছেন তিনি। তিনি বলেন, রনজির আগে তরুণ ক্রিকেটারদের দেখে নেওয়ার এটাই ভাল সুযোগ। আশা করছি দলে যারা সুযোগ পেয়েছে, তারা নিজেদের মেলে ধরতে পারবে। বাংলা রয়েছে এলিট গ্রুপ বিতে। বাংলার সঙ্গে একই গ্রুপে রয়েছে কর্ণাটক, সার্ভিসেস, বরোদা, মুম্বই ও ছত্তিশগড়। ৪ নভেম্বর বাংলার প্রথম ম্যাচে চত্তিশগড়ের বিরুদ্ধে। পরের দিন খেলবে বরোদার বিরুদ্ধে। ৬ নভেম্বর সামনে যথেষ্ট শক্তিশালী প্রতিপক্ষ মুম্বই। ৮ নভেম্বর সার্ভিসেসের বিরুদ্ধে ম্যাচ বাংলার। সুদীপ চ্যাটার্জিরা গ্রুপ লিগের শেষ ম্যাচ খেলবে কর্ণাটকের বিরুদ্ধে, ৯ নভেম্বর। এদিকে, সৈয়দ মুস্তাক আলি টি২০ প্রতিযোগিতায় খেলতে যাওয়ার আগে সমস্যায় পড়েছে মুম্বই। গুহাহাটি রওনা হওয়ার আগে নিয়মমাফিক করোনা পরীক্ষার সময় ৪ জন ক্রিকেটারের আরটিপিসিআর রিপোর্ট পজিটিভ এসেছে। এই ৪ ক্রিকেটার হলেন সাইরাজ পাটিল, প্রশান্ত সোলাঙ্কি, সামস মুলানি ও সরফরাজ আমেদ। বিমানবন্দর থেকেই তাঁদের বাড়ি পাঠিয়ে দেওয়া হয়। সরফরাজদের আবার করোনা পরীক্ষা করা হবে। যদি রিপোর্ট নেগেটিভ আসে তাহলে তাঁদের গুয়াহাটি পাঠানো হবে। যদি রিপোর্ট পজিটিভ আসে পরিবর্ত ক্রিকেটার পাঠানো হবে।

অক্টোবর ২৭, ২০২১
রাজনীতি

CM-Darjeeling: দার্জিলিং-সমস্যার স্থায়ী সমাধানে নির্দেশ মমতার, কী সেই নির্দেশ?

মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উত্তরবঙ্গ সফরের তৃতীয় দিনে প্রশাসনিক বৈঠক ছিল কার্শিয়ং-এ।হাজির ছিলেন দার্জিলিং, কালিম্পং-এর প্রশাসনিক আধিকারিক এবং পাহাড়ের রাজনৈতিক নেতারা। আর সেখানেই দার্জিলিং সমস্যার স্থায়ী সমাধানের পরিকল্পনা তৈরি করার নির্দেশ পাহাড়ের নেতাদেরই দিলেন মুখ্যমন্ত্রী। ডিসেম্বরের শুরুতে সেই প্রস্তাব মুখ্যমন্ত্রীর কাছে জমা দিতে হবে। এমনটাই নির্দেশ দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ভোটার তালিকা সংশোধন শেষ হলে জিটিএ ভোট করানো হবে বলেও মঙ্গলবার জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।টাউন হলের এদিনের প্রশাসনিক বৈঠকে অনীত থাপা, গৌতম দেব, রোশন গিরিদের উপস্থিতিতে বিজেপি-র নাম না করে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ভোটের আগে একটি রাজনৈতিক দল আসে, বিভাজনের রাজনীতি করে আসন জিতে নেয়, কিন্তু সমস্যার সমাধান হয় না। এদের উদ্দেশ্য পাহাড়ের মানুষের মধ্যে বিভাজন তৈরি করা। তাঁর কথায়, তোমাদের আমি বলি, তোমরাই আমাকে পরিকল্পনা দাও, যে কী করে একটি স্থায়ী সমাধান করা যায়। দার্জিলিং বাংলার মধ্যে থাকবে, আমি তোমাদের মদত করব। যাতে তোমাদের ছেলেমেয়েরাই নিজের পায়ে দাঁড়াতে পারে।দার্জিলিংয়ে পঞ্চায়েত ব্যবস্থা দ্বিস্তরীয়। রাজ্যের অন্যান্য জায়গার মতো ত্রিস্তরীয় পঞ্চায়েত করতে সংবিধান সংশোধন করার কথাও ভাবা হচ্ছে বলে উল্লেখ করেন তিনি। পাহাড়ের রাজনৈতিক দলগুলোকে নিজেদের মধ্যে ঝগড়া মেটানোর বার্তাও দেন মুখ্যমন্ত্রী।

অক্টোবর ২৬, ২০২১
নিবন্ধ

Ascension: উত্তরণ (বাংলা ছোট গল্প)

ম্যাগাজিনের কভার পেজে নিজের ছবি দেখতে দেখতে সোহিনী হারিয়ে গেলো অনেক দিন আগে...প্রায় পাঁচবছর আগে মফস্বল থেকে কলকাতা শহরে এসেছিল পড়াশুনা করতে। তবে ছোট থেকেই তার ইচ্ছা ছিলো মডেলিং করার। মা বাবার চোখের আড়ালে সে ব্যাপারে নিজেকে তৈরি করতে থাকে। পড়াশুনা খারাপ করে না, নব্বই শতাংশ নম্বর পেয়ে 12 পাস করে চোখে অনেক স্বপ্ন নিয়ে শহরে এসেছে সোহিনী। কলকাতায় আসার একটা কারন অবশ্যই মডেলিং। তাই এই কলেজে পড়ার সুযোগ টা সে ছাড়ল না। কলেজের থেকে একটু দুরে পিজি পেল। ঐ কলেজ এর অনেক মেয়েই থাকে। মা বাবা তাকে রেখে ফিরে গেলো বাড়ি।বেশ চলছে দিন গুলো পড়াশুনা নিয়ে। দু একজন বন্ধু ও হয়েছে এর মধ্যে।কলেজে সোহিনীর বন্ধুত্ব হয় ঋষিকার সঙ্গে; বড়লোকের মেয়ে, মডেলিং করে, অনেক বন্ধু নিয়ে সারাদিন ঘুরে বেরায়। সোহিনী ওর সঙ্গে বন্ধুত্ব করে একটাই কারনে। তবু সোহিনীর মনে একটা প্রশ্ন থেকে যায় কী কারনে ঋষিকা ওর সঙ্গে বন্ধুত্ব করে?সোহিনী পড়ার সঙ্গে সঙ্গে ওর স্বপ্ন কেও রূপ দিতে চায় বাস্তবে;চেষ্টা চলতে থাকে। ঋষিকা ওকে সাহায্য করবে বলে।প্রাথমিক অনেক কিছু শেখায় ও। এভাবে দুজন অনেক সময় কাটায়।এর মধ্যেই একদিন পরিচয় হয় ঋষিকার বন্ধু সিধ এর সঙ্গে; আসল নাম সিদ্ধার্থ। ওরা এরকম অদ্ভুত ভাবেই নাম গুলোকে ছোট করে। ছেলেটা কে ভালো লাগেনা সোহিনীর। তবু সহ্য করতে হয় ঋষিকার জন্য।কেনো জানি না ওকে খুব প্রশ্রয় দেয় সবাই।এভাবেই কাটছিল , হটাত সেদিন ঋষিকা যে প্রস্তাব দিল তা শুনে তো সোহিনীর মাথা ঘুরে গেলো। বুঝল কেনো ঋষিকা সোহিনীর মতো মফস্বলের মেয়েকে এতো গুরুত্ব দেয়। নিজের কেরিয়ারের সিঁড়ি বানাবে ভেবেছিল সোহিনিকে সেটা বুঝতে পারে সোহিনী। সে তো এভাবে মডেলিং করতে চায় না। সে এসব কথা শুনেছিল স্কুলের এক বন্ধুর কাছে তখন ও মানতে রাজি হয়নি। আজ ঋষিকার কথা শুনে মনে পড়ে গেলো । না আর ওসব ভাববে না মন দিয়ে পড়াশুনা করে নিজের পায়ে দাঁড়াতে হবে। না তারপর থেকে আর সোহিনী কথা বলেনি ঋষিকার সঙ্গে।তিন চারদিন হয়ে গেলো সোহিনী কথা বলেনি ঋষিকার সঙ্গে...এভাবে একসপ্তাহ কেটে গেলো। তারপর ঘটল সেই ঘটনা...প্রায় সাতদিন হয়ে গেল সোহিনী ঋষিকার সঙ্গে কোনো যোগযোগ রাখেনা। নিজের পড়া নিয়েই ব্যস্ত। না এর মধ্যে কলেজ ও যায়নি। সামনে পরীক্ষা তাই পড়ায় মন দিয়েছে। একদিন পায়েল ফোন করে কী যেন বলতে গিয়েও থেমে গেল শুধু বলল সাবধানে থাকিস। কিছু বুঝতে পারল না।সোহিনী সব ভুলে শুধু পড়া নিয়ে আছে। সে দিনটা ছিল শুক্রবার; ব্যাচের অন্য বন্ধু যারা ওর সঙ্গে ফেরে আজ পড়তে আসেনি কেউ। তাই সোহিনী একাই ছিলো। আজ ঋষিকা ফোন করে সরি বলল আর সোমবার কলেজ যেতে বলল।সোহিনীর খুব আশচর্য লাগল। কিন্তু বেশি কিছু ভাবল না। রাতে পড়ে একা ফিরছে। রাত প্রায় 10 টা। কলকাতা হলেও পাড়ার রাস্তাটা ফাঁকা ই। ও তাড়াতাড়ি হাঁটতে লাগল। এমন সময় উল্টো দিক থেকে একটা বাইক আসতে দেখে ও একদম রাস্তার ধারে সরে গেলো। নাঃ! পারল না নিজেকে বাঁচাতে। মাথায় হেলমেট পড়ে ছেলে দুটো কী যেন ছুড়ে দিল। উঃ বাবারে! জ্বলে গেলো জ্বলে গেলো বলে রাস্তায় শুয়ে পরলো সোহিনী। তারপর সব অন্ধকার।জ্ঞান ফিরল যখন তখন ও হাসপাতালের বিছানায়। মা বাবা শুকনো মুখে ওর দিকে তাকিয়ে রয়েছে। আবার জ্ঞান হারাল। এভাবে বেশ কিছুদিন কাটলো। আস্তে আস্তে উঠে বসল। না এই তিন মাস তার কাছের কোনো বন্ধু আসেনি ওর খোঁজ নিতে। ঋষিকা বা অন্য কেউ অদী গ্রুপের। শুধু পায়েল রোজ আসত। তিনমাস পর ছাড়া পেল সে; বাড়ি ফিরল। শুরু হলো নতুন লড়াই। না সব যেন কেমন হয়ে গেল। কে এমন করল বুঝেও বুঝতে পারছে না। সেদিন গলাটা খুব চেনা লেগেছিল। কোনো প্রমান নেই। নিজেকেই দোষারোপ করতে লাগল। ঘর বন্দি করে ফেলল নিজেকে। মা বাবা কী করবে কিছুই বুঝতে না পেরে ডাক্তারের শরণাপন্ন হলেন। হাসপাতালে এই ডাক্তারবাবু খুব কেয়ার নিয়েছেন। তাই ওনার কাছেই গেলেন সোহিনীর বাবা।একদিন ডাক্তারবাবু হাজির হলেন ওদের বাড়িতে। প্রথম থেকেই উনি সোহিনীর প্রতি একটু স্নেহশীল।উনি মাঝে মাঝে আসতে লাগলেন ওদের বাড়িতে। একটু একটু করে ওকে স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করতে লাগলেন; সঙ্গে ছিল সোহিনীর এক বন্ধু পায়েল যাকে ও পাত্তাই দিত না। কিন্তু বিপদে সেই ওর পাশে এসে দাঁড়িয়েছে।সোহিনীর একটা গুনের কথা যেটা কেউ জানত না পায়েল সেটা আবিষ্কার করে জানায় ডাক্তারবাবুকে। শুরুহয় অন্যভাবে সোহিনীর স্বপ্ন পুরণ করার চেষ্টা। সোহিনী অনেক স্বাভাবিক হয়ে উঠেছে।এবার পায়েল আর ডাক্তারবাবু দুজনে মিলে বোঝাতে থাকে পরীক্ষা দিতে হবে। রাজি হয় সোহিনী। প্রাইভেটে গ্রাজুয়েশন শেষ করে। এবার শুরু অন্য কাজ। পায়েল আর অরুদার সাহায্যে সোহিনী নিজের আঁকার গুণ কাজে লাগায়। ড্রেস ডিজাইন করতে থাকে। খোলা হয় বুটিক। এখানে বলি অরুদা আর কেউ না ঐ ডাক্তারবাবু। হ্যাঁ সোহিনীর নিজের দাদা হয়ে উঠেছে। আজ সেই দাদার হাতধরেই সোহিনীর স্বপ্ন পূরণ। সোহিনীর বানানো ড্রেস এখন চারদিকে খুব নাম করেছে। সাতদিন আগে ওর বানানো ড্রেস পড়ে র্যাম্পে হেঁটেছে ওর মতই অ্যাসিড আক্রন্তরা। অনেক নাম করা ব্যক্তিত্ব এসেছিলেন সেই অনুষ্ঠানে। ঋষিকাকেও নিমন্ত্রণ করেছিল সোহিনী।সবাই সোহিনীর এই উদ্যম কে সাধুবাদ জানিয়েছে। সব থেকে বড়কথা আজ সেই র্যাম্পের ছবি নাম করা ম্যাগাজিনর কভার পেজ এ।আজ সোহিনী অনেককিছু যেমন হারিয়েছে পেয়েছেও অনেককিছু। অরুণাভ আর পায়েল তার জীবনের দুই নক্ষত্র। আজ এদের দুজনের জন্য সোহিনী হারিয়ে যায়নি। সোহিনীর দুচোখে আজ আনন্দধারা।লেখিকাঃ রাখি রায়রাখি রায়-র কলমেআরও পড়ুনঃ বিষাক্ত গোলাপ - (ছোট গল্প)আরও পড়ুনঃ রক্তের টান - প্রথম পর্বআরও পড়ুনঃ রূপু আমাকে ক্ষমা করিসআরও পড়ুনঃ নতুন প্রভাতআরও পড়ুনঃ রাজবাড়ির রহস্য (ধারাবাহিক গল্প)- প্রথম পর্বআরও পড়ুনঃ রাজবাড়ির রহস্য (ধারাবাহিক গল্প)- দ্বিতীয় পর্বআরও পড়ুনঃ রাজবাড়ির রহস্য (ধারাবাহিক গল্প)- তৃতীয় পর্বআরও পড়ুনঃ রাজবাড়ির রহস্য (ধারাবাহিক গল্প)- চতুর্থ পর্বআরও পড়ুনঃ রাজবাড়ির রহস্য (ধারাবাহিক গল্প)-অন্তিম পর্ব

অক্টোবর ২৫, ২০২১
কলকাতা

Uttrakhand: ৬ বন্ধুকে আজীবনের মত বিদায় দিয়ে বাড়ি ফিরলেন মিঠুন

ফেরা হল না বাকি বন্ধুদের। দুঃস্বপ্ন কাটিয়ে অবশেষে বাড়ি ফিরলেন বিষ্ণুপুরের মিঠুন দারি । গতকাল উত্তরাখণ্ড থেকে দিল্লি হয়ে কলকাতায় ফেরেন তিনি। উত্তরকাশিতে যাওয়া সাত বাঙালির মধ্যে একমাত্র জীবিত তিনি। আহত অবস্থায় উত্তরাখণ্ডের জেলা হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন মিঠুন। গত ১১ই অক্টোবর কলকাতা থেকে উত্তর কাশিতে ট্রেকিং করতে যান সাতজন বাঙালি। এরপর সোমবার সকালে চার অভিযাত্রীর দেহ ফেরে কলকাতায়। ঘটনার বিষয়ে যদিও মিঠুন বেশি কিছু সংবাদমাধ্যমকে জানাতে পারেননি। সংবাদমাধ্যমকে তিনি জানিয়েছেন, এখন অনেকটাই সুস্থ রয়েছেন। তবে ভুলতে পারছেন না সেখানকার ভয়াবহ স্মৃতি।গত ২২ অক্টোবর প্রথম পাঁচ জনের মৃত্যুর খবর সামনে আসে। উত্তরাখণ্ডের বাগেশ্বর কন্ট্রোল রুম থেকে বাংলার পাঁচ জনের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করা হয়। মৃতদের মধ্যে রয়েছেন,সাধন বসাক, তিনি ঠাকুরপুকুর জায়গীর রোডের বাসিন্দা। এছাড়াও বিকাশ মাকাল, সৌরভ দাস, সাবিয়ান দাসের দেহ উদ্ধার হয়েছে। তাঁদের পরিচয় জানা গিয়েছে।১১ জন পর্বতারোহীর মধ্যে দুজনকে জীবিত অবস্থায় ফিরিয়ে আনা হয়েছিল আগেই। অর্থাৎ বাকি ৯ জনের মধ্যে ৫ জনের দেহ উদ্ধার হয়। জানা গিয়েছে, এই দলটি ট্রেকিং-এ গিয়েছিল। সেখানে গিয়েই বিপত্তি ঘটে। ওই দলের মধ্যে ছিলেন ৭ জন বাঙালি। সেই ৭ জনের মধ্যে স্বশরীরে বাড়ি ফিরলেন মিঠুন।

অক্টোবর ২৫, ২০২১
রাজ্য

covid update west bengal: লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা, একদিনে রাজ্যে আক্রান্ত হাজার ছুঁই ছুঁই

বাংলার উৎসবের মরসুমে লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। এবার আক্রান্তের সংখ্যা প্রায় এক হাজার ছুঁই ছুঁই। রবিবার রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরের পরিসংখ্যান অনুযায়ী এরাজ্যে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ৯৮৯। তার মধ্যে কলকাতায় ২৭৩ জন। দ্বিতীয় স্থানে উত্তর ২৪ পরগনা, ১৪৬ জন আক্রান্ত। গত ২৪ ঘণ্টায় হুগলিতে ৮৯, হাওড়াতে ৮৩, দক্ষিণ ২৪ পরগনায় ৭৪জন করোনা আক্রান্ত হয়েছে। মোটের ওপর এভাবে সব জেলাতেই বেড়ে চলেছে কোভিড আক্রান্তের সংখ্যা। ২৪ ঘণ্টায় স্যাম্পল টেস্ট করা হয়েছে ৪২,৬২২ জনের। এদিন করোনামুক্ত হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছেন ৮২৮ জন। মৃত্যু হয়েছে ১০ জনের। ক্রমশ অস্বস্তি বাড়ছে স্বাস্থ্য দফতরের কর্তাদের। উৎসবের দিনগুলো ঢালাও ছাড় দেওয়ার ফল ভোগ করতে হতে পারে রাজ্যবাসীকে। বিশেষজ্ঞরা বারে বারে সতর্ক করেছিলেন সরকারকে। কে শোনে কার কথা। তারওপর পুজোর আগে বাজারে ভিড়, পুজোতে মন্ডপে ও রাস্তায় থিকথিকে ভিড়। ফলত ক্রমশ বাড়ছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। অনেকে আবার ডবল ডোজ টিকা নিয়ে বেপরোয়া হয়ে উঠছিলেন। ঠিক ৭ দিন আগে অর্থাৎ ১৭ অক্টোবর রাজ্যের পরিসংখ্যানটা একবার দেখে নেওয়া যাক। ওই দিন আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ৬২৪। কলকাতায় আক্রান্ত ১৭৯, উত্তর ২৪ পরগনায় ১২৮, দক্ষিণ ২৪ পরগনায় ৫৩, হাওড়ায় ৫১, হুগলিতে ৪৮ জন। ক্রমশ তা ধরাছোয়ার বাইরে চলে যেতে বসেছে। কমবার কোনও লক্ষণ নেই, বরং বেড়ে চলেছে কোভিড আক্রান্তের সংখ্যা। গতকাল শনিবার ও আজ, রবিবার করোনা আক্রান্তের সংখ্যা এক হাজারের কাছাকাছি। এর আগে তিন দিন ধরে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ছিল আটশোর ঘরে। তার আগে ১৯ অক্টোবর ছিল ৭শোর ঘরে। ৬শোর ঘরে ছিল তার আগের দুদিন। ২৩ অক্টোবর মোট আক্রান্তের সংখ্যা ৯৭৪, ২২ অক্টোবর ৮৪৬ জন, কলকাতায় ২৪২। ২১ অক্টোবর রাজ্যে আক্রান্ত ৮৩৩। কলকাতায় ২৩৩। ২০ অক্টোবর ৮৬৭ আক্রান্ত, কলকাতায় ২৪৪। ১৯ অক্টোবর রাজ্যে মোট আক্রান্তের সংখ্যা ৭২৬। কলকাতায় ১৮৩। ১৯ অক্টোবর ৬৯০। কলকাতায় ১৯৪। মানুষ সতর্ক না হলে তৃতীয় ঢেউও কিন্তু দোরগোড়ায়, একথা বারে বারে বলছেন বিশেষজ্ঞরা। তবু রাস্তা-ঘাটে-বাজারে মাস্কহীন মানুষজন ঘুরে বেড়াচ্ছেন। কারও যেন কোনও হেলদোল নেই। এমনভাবে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বৃদ্ধি পেতে থাকলে ফের লকডাউনের পথে যেতে হতে পারে বলে মনে করছেন চিকিৎসকরা।

অক্টোবর ২৪, ২০২১
রাজ্য

Corona Update: কলকাতায় বাড়ছে করোনা সংক্রমণ, নবান্নে জরুরি বৈঠকে একগুচ্ছ নির্দেশিকা

পুজোর পর সংক্রমণ বাড়বে, এমন আশঙ্কা চিকিৎসকেরা আগেই করেছিলেন। তবে লক্ষ্মী পুজো কাটতে না কাটতেই যে এ ভাবে তরতর করে বাড়তে থাকবে দৈনিক সংক্রমণ, তেমনটা প্রত্যাশা ছিল না প্রশাসনের। শহরে করোনার রেখচিত্র দেখে চোখ কপালে উঠছে প্রশাসনিক কর্তাদের। কলকাতায় কার্যত লাফ দিয়ে বাড়ছে সংক্রমণ। গতকাল শহরে দৈনিক সংক্রমণ ৩০০ ছাড়িয়েছিল। আর আজ সেই সংখ্যাটা ছাড়াল ৪০০। আরও পড়ুনঃ ভয় ধরিয়ে ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনায় মৃত্যু ৬৬৬ জনেরশনিবার কলকাতা পুরসভার দেওয়া রিপোর্ট অনুযায়ী, ২৪ ঘণ্টায় কলকাতায় আক্রান্ত হয়েছে ৪৪৯ জন। এর মধ্যে ১৯৪ জনের টিকার দুটি ডোজ় নেওয়া হয়ে গিয়েছে। এদিকে, করোনার সম্ভাব্য তৃতীয় ঢেউ মোকাবিলায় প্রয়োজনীয় সবরকমের ব্যবস্থা নিতে রাজ্য সরকার নির্দেশ দিয়েছে। নবান্নে শনিবার রাজ্যের করোনা পরিস্থিতি নিয়ে এক উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকে মুখ্য সচিব হরিকৃষ্ণ দ্বিবেদী সমস্ত জেলা প্রশাসনকে করোনা রুখতে সর্বোচ্চ স্তরে প্রস্তুতি রাখার নির্দেশ দিয়েছেন বলে নবান্ন সূত্রে জানা গিয়েছে।প্রশাসনিক সূত্রে খবর বেশ কয়েকটি জেলায় করোনা সংক্রমণ ফের বেড়ে যাওয়ায় মুখ্যসচিব উদ্বেগ প্রকাশ করেন। সংক্রমণের ঊর্ধ্বগতি আটকাতে সুনির্দিষ্ট কয়েকটি পদক্ষেপ করতে বলা হয়েছে। এলাকাভিত্তিক কনটেনমেন্ট জোন তৈরি করার ব্যবস্থা প্রয়োজনে ফের ফিরিয়ে আনতে বলা হয়েছে। নৈশ বিধি-নিষেধ যাতে রাজ্যের সর্বত্র কঠোরভাবে পালিত হয় তা দেখতে মুখ্যসচিব জেলা প্রশাসনকে নির্দেশ দিয়েছেন। একইসঙ্গে সার্বিক টিকাকরণের ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি করোনা হাসপাতালগুলোতে চিকিৎসা পরিষেবার মান নতুন করে মূল্যায়ন করারও তিনি নির্দেশ দেন।

অক্টোবর ২৩, ২০২১
রাজনীতি

By-Election: রাজ্যের দুই বিধানসভা কেন্দ্রে অকাল ভোটের জন্য বিজেপি নেতাদের লালসাকে দায়ী করলেন অভিষেক

গোসাবায় উপনির্বাচনে প্রচারে গিয়ে স্থানীয় ভাবাবেগকে উসেক দিলেন ডায়মন্ডহারবারের সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিন জনসভায় দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক বলেন, একজন সাংসদ থাকবেন আর একজন মন্ত্রী হবেন বলে নিজেদের লালসা ও রাজনৈতিক স্বার্থ চরিতার্থ করতে মানুষের রায় পরিত্যাগ করেছেন। আর তৃণমূলের দুই বিধায়ক করোনায় মানুষের পাশে দাঁড়াতে গিয়ে মৃত্যুবরণ করেছেন। এঁরা মানুষের কাজ করতে গিয়ে মৃত্যুকে আপন করেছেন। এভাবেই চার কেন্দ্রে কেন অকাল ভোট সেই ব্যাখ্যা দিয়েছেন তৃণমূলের যুবরাজ।উল্লেখ্য়, গোসাবা ও খড়দহ কেন্দ্রে তৃণমূলের দুই বিধায়কের মৃত্যু হয়েছিল করোনায়। অন্যদিকে শান্তিপুরের বিধায়ক হয়েছিলেন বিজেপি সাংসদ জগন্নাথ সরকার। তিনি বিধায়কপদে ইস্তফা দিয়ে সাংসদ থেকে গিয়েছেন। দিনহাটায় সব থেকে কম ভোটের ব্যবধানে জয়ী হয়েছিলেন কোচবিহারের বিজেপি সাংসদ নিশীথ প্রামানিক। তিনি এখন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। তিনিও বিধায়ক পদে ইস্তফা দিয়েছেন। দুই বিজেপি বিধায়কের ইস্তফার জন্যই উপনির্বাচন করতে হচ্ছে শান্তিপুর ও দিনহাটায়।এদিনের জনসভায় অভিষেক বিঁধেছেন অমিত শাহকে। অভিষেক বলেন, বিজেপির প্রাক্তন সর্বভারতীয় সভাপতি ও কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছিলেন সুন্দরবনকে আলাদা জেলা করে ২ লক্ষ কোটি টাকা বরাদ্দ করবেন। কোথায় গেল সেই টাকা। বহিরগতরা এসব বলে চলে যায়। কাজের কাজ কিছু করে না। ভূমিপুত্রকে ভোট দিয়ে জয়ী করুন। সারা দেশ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দিকে তাকিয়ে আছে। আমরা বলেছিলাম আর যাই হোক মাথা নত করবে না।দক্ষিণ ২৪ পরগনার ডায়মন্ডহারবারের সাংসদ অভিষেক। তিনি বলেন, এই জেলার সঙ্গে আমার আত্মিক সম্পর্ক। আপনাদের সঙ্গে যে সম্পর্ক তা কেউ ভাঙতে পারবে না। আমি আপনাদের কাছে কৃতজ্ঞ। চারটে বিধানসভা আসনের মধ্যে গোসাবায় সব থেকে বেশি ভোটে জয়ী করবেন। প্রত্যেকটা বুথে, প্রত্যেকটা অঞ্চলে তৃণমূলপ্রার্থীকে জেতাতে হবে। প্রতিবছর নানাসময়ে প্রাকৃতিক ঝড়ঝঞ্ঝায় বিধ্বস্ত হতে হয় দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলাকে। আমি এই সমস্যার স্থায়ী সমাধান করব, কথা দিয়ে গেলাম। অভিষেকের কটাক্ষ, শুধু দিল্লি বা বহিরাগত বিজেপি নেতা নয়, গত ৬ মাসে বিজেপির কোনও নেতার টিকি খুঁজে পাওয়া যায়নি।

অক্টোবর ২৩, ২০২১
দেশ

Uttrakhand: উত্তরাখণ্ডে ট্রেকিংয়ে গিয়ে মৃত্যু বাংলার ৫ অভিযাত্রীর, নিখোঁজ আরও তিন

উত্তরাখণ্ডে ট্রেকিং করতে গিয়ে তুষারধসে মৃত্যু হল ৫বাঙালি অভিযাত্রীর। উত্তর কাশী জেলার লামখাগা পাসে ট্রেক যাওয়া ১১ জনের একটি দলের ৫ জনের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত হয়েছে পুলিশ সূত্রে। কানাকাটা পাসেও ট্রেক করতে গিয়েছিল একটি দল। ওই দলেও পাঁচ বাঙালি অভিযাত্রী ছিলেন। তুষারপাতে তাঁদেরও মৃত্যু হয়েছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে। আরও পড়ুনঃ মুম্বইয়ের বহুতলে বিধ্বংসী আগুন, বাঁচতে গিয়ে মর্মান্তিক মৃত্যু যুবকেরলামখাগা পাসে ট্রেক করতে যাওয়া দলটিতে যে তিন জনের মৃত্যু হয়েছে, তাঁদের মধ্যে দক্ষিণ ২৪ পরগনার নেপালগঞ্জের দুই বাসিন্দা রয়েছেন। যাঁদের নাম সৌরভ ঘোষ ও বিকাশ মৈকাল। তুষারপাতে মৃত্যু হয়েছে সাবিয়ান দাস নামে কালীঘাটের এক অভিযাত্রীর। অনিতা রাওয়াত ও তন্ময় তিওয়ারি নামে আরও দুই অভিযাত্রীর মৃত্যুর খবর মিলেছে। কিন্তু তাঁদের বাড়ি কোথায়, সে ব্যাপারে এখনও নিশ্চিতভাবে কিছু জানা যায়নি। ওই দলের রিচার্ড মণ্ডল নামে এক সদস্য-সহ দুই পোর্টারের মৃত্যু হয়েছে। ওই দলে সুখেন মাঝি নামে আরও এক জন ছিলেন। তবে তাঁর দেহ এখনও উদ্ধার করা যায়নি।কানাকাটা পাসে যাওয়া দলটিতে ছিলেন ঠাকুরপুকুরের বাসিন্দা সাধনকুমার বসাক, নদিয়ার রানাঘাটের বাসিন্দা প্রীতম রায় এবং হাওড়ার বাগনানেরও তিন বাসিন্দা চন্দ্রশেখর দাস, সরিৎশেখর দাস ও সাগর দে। বাগেশ্বেরের এসপি জানিয়েছেন, এই পাঁচ জনের সঙ্গে এক জন গাইডও ছিলেন। ওঁদের এখনও খোঁজ মেলেনি। তাই ওঁরা সত্যিই মৃত কি না, তা আমরা বলতে পারছি না। ছজনের দলটিকে উদ্ধারের জন্য ইতিমধ্যেই একটি দল রওনা দিয়েছে। সেই সঙ্গে হেলিকপ্টারেও উদ্ধারকার্য চালানো হচ্ছে। কিন্তু আবহাওয়া খারাপ হওয়ার কারণে তাতে সমস্যা হচ্ছে। যদিও এই পাঁচ বাঙালি অভিযাত্রী-সহ এক গাইডের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছেন দীনেশ দানু নামে এক গাইড।

অক্টোবর ২২, ২০২১
রাজ্য

Dilip Ghosh: ১০০ কোটি টিকাকরণের পথে দেশ, ভ্যাকসিন নেই বলে চিৎকার করছে রাজ্য

বৃহস্পতিবার সকালে ইকো পার্কে প্রাতঃভ্রমণে বেড়িয়ে বাড়তে থাকা করোনা আবহে টিকাকরণ প্রসঙ্গে দিলীপ ঘোষ বলেন, বৃহস্পতিবার দেশে এক ইতিহাস তৈরি হতে চলেছে। ভারতের মতো পিছিয়ে পড়া দেশ নরেন্দ্র মোদির হাত ধরে মাইলফলক গড়তে চলেছে। তিনি আরও বলেন, কেবলমাত্র নিজের দেশেই নয়, বাসুদৈব কুটুম্বকম নীতি মেনে বহু বন্ধু দেশকে ভ্যাকসিন দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী মোদি। এরপরেও যারা ভ্যাকসিন নেই বলে চিৎকার করেন তারা সঙ্কীর্ণ রাজনীতির শিকার বলে জানিয়েছেন দিলিপ ঘোষ।আরও পড়ুনঃ বাংলাদেশের ঘটনায় মুখ্যমন্ত্রীর নীরবতায় অসন্তুষ্ট বিজেপি ডিসেম্বরের মধ্যেই দেশের ১০০ কোটি জনগণকে করোনা টিকা দেওয়া হবে বলে লক্ষ্যমাত্রা নিয়েছিল কেন্দ্র। তবে অক্টোবর শেষ হওয়ার আগেই সেই লক্ষ্য ছুঁয়ে ফেলার পথে তারা। মঙ্গলবারই দেশে টিকা প্রাপকের মোট সংখ্যা ছিল ৯৯ কোটি ১২ লাখ ৮২ হাজার ২৮৩।বিশ্বের একমাত্র দেশ হিসাবে আজ একশো কোটি ভ্যাকসিন ডোজ পূর্ন করবে ভারত। আর এ নিয়েও রাজ্য সরকারকে বিঁধলেন বিজেপির সর্বভারতীয় সহ সভাপতি দিলীপ ঘোষ । ইকোপার্কে মর্নিং ওয়াকে গিয়ে তাঁর মন্তব্য, এর পরেও রাজ্য বলে তারা টিকা পায় না।দেশের ১০০ কোটি মানুষের টিকাকরণ নিয়ে দিলীপ ঘোষ বলেন, নিঃসন্দেহে এটা আমাদের কাছে গৌরবের। ভারতের মতো একটা পিছিয়ে থাকা দেশ বলে মনে করি যাকে, মেডিক্যাল সায়েন্সে হোক বা অন্য কারণে হোক সেই দেশ বিশ্বকে পথ দেখাচ্ছে। অনেক উন্নত দেশ যারা, মেডিক্যাল সায়েন্সে অনেক উন্নতি করেছে, তারাও পিছিয়ে গেছে। অন্যান্য দেশে একটা ভ্যাকসিন হচ্ছে, আমাদের দেশে দুটো করে ভ্যাকসিন হচ্ছে। দেশের একশো কোটি লোককে দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আরও পঞ্চাশটা গরিব দেশের মানুষকে ভ্যাকসিন দিচ্ছি আমরা মানবতার খাতিরে।দিলীপ আরও যোগ করেন, সারা দেশের মানুষ আজ খুশি। আমি অন্যান্য রাজ্যেও গেলাম। দিল্লিতে আমি নিজে একটা ভ্যাকসিন নিয়েছি। কোথাও কোনও ঝগড়াঝাটি নেই। সাধারণ ভাবে মানুষ আসছেন, নিচ্ছেন। কিন্তু এখানে কোনও সিস্টেম নেই। মানুষকে ভ্যাকসিন নিতে গিয়ে লাঠি খেতে হচ্ছে, মারা যাচ্ছে। এর থেকে দুর্ভাগ্যের কী আছে!দিলীপ ঘোষের আক্রমণ, রাজ্য সরকারের কোনও যোগ্যতা নেই। তাঁর অভিযোগ, গ্রামের দিকের মানুষ এখনও ভ্যাকসিন থেকে বঞ্চিত। আবার কলকাতা শহরে সমস্ত কিছু দেওয়া হচ্ছে, তাও এখানেও মানুষ জানতে পারছেন না কোথায় এবং কীভাবে ভ্যাকসিন পাবেন, অভিযোগ দিলীপের।

অক্টোবর ২১, ২০২১
খেলার দুনিয়া

SC East Bengal : টানা তিনটি প্রস্তুতি ম্যাচে জয়, দল গুছিয়ে নিচ্ছেন দিয়াজ

এসসি ইস্টবেঙ্গল আদৌও আইএসএল খেলতে পারবে কিনা তা নিয়ে একসময় অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছিল। খুব কম সময়ের মধ্যে দল গঠন করতে হয়েছিল লাল-হলুদ কর্তাদের। দলকে নিয়ে আশঙ্কা তৈরি হয়েছিল। কিন্তু সময় যত গড়াচ্ছে দলকে তৈরি করে নিচ্ছেন এসসি ইস্টবেঙ্গল কোচ মানোলো দিয়াজ। ফিটনেস ট্রেনিংয়ের পর বল নিয়ে মাঠে নেমে পড়েছেন ফুটবলাররা। ইতিমধ্যে তিন-তিনটি প্রস্তুতি ম্যাচও খেলে ফেলেছে এসসি ইস্টবেঙ্গল। তিনটিতেই জয় পেয়েছে। ভাস্কো এবং সালগাঁওকরের বিরুদ্ধে প্রস্তুতি ম্যাচে জয়ের পর গোকুলাম এফসি-র বিরুদ্ধেও জয় তুলে নিল। তুলনামূলক শক্তিশালী প্রতিপক্ষ গতবারের আই লিগ চ্যাম্পিয়নকে হারাল ২১ ব্যবধানে।গোকুলামের বিরুদ্ধে প্রথমার্ধেই ২ গোলে এগিয়ে যায় এসসি ইস্টবেঙ্গল। গোল করেন বলবন্ত সিং এবং আঙ্গৌসানা। এদিন প্রথমার্ধে দুর্দান্ত ফুটবল উপহার দেন লাল-হলুদ ফুটবলাররা। বিশেষ করে নজর কাড়েন অ্যান্তোনিও পেরোসেভিচ এবং বিকাশ জাইরু। এদিন নাইজেরিয়ার স্ট্রাইকার ড্যানিয়েল চিমাকে শুরু থেকে মাঠে নামাননি মানোলো দিয়াজ। দ্বিতীয়ার্ধে তিনি মাঠে নামান। মাঠে নেমেই নিজেকে মেলে ধরার চেষ্টা করেন। গোল করারও সুযোগ পেয়েছিলেন। কিন্তু তাঁর সেই প্রয়াস আটকে দেন গোকুলাম গোলরক্ষক। ম্যাচের ৭১ মিনিটে লাল-হলুদের রক্ষণের ভুলে গোকুলামের রাহিম ওসুমানু ব্যবধান কমান। ম্যাচের শেষদিকে ব্যবধান বাড়ানোর সুযোগ পেয়েও কাজে লাগাতে পারেনি ছিল এসসি ইস্টবেঙ্গল এদিনই প্রথম প্রস্তুতি ম্যাচে মাঠে নামেন চিমা। তিনি বলেন, দলের সঙ্গে কয়েকদিন অনুশীলন করেছি। সতীর্থদের সঙ্গে বোঝাপড়া গড়তে সময় লাগবে। যত সময় এগোবে, বুঝতে পারব সতীর্থরা কীভাবে খেলে। আর তারাও আমার খেলার পদ্ধতি বুঝতে পারবে। তবে এই জয়টা আমাদের কাছে খুবই গুরুত্বপূর্ণ।এদিকে গোয়ায় হোটেল পরিবর্তন করছে এসসি ইস্টবেঙ্গল। প্রস্তুতি পর্বের শুরুতে দক্ষিণ গোয়ার ভিলাজিও রিসর্টে ঘাঁটি গেঁড়েছিল লাল-হলুদ শিবির। হোটেলের এক কর্মী কোয়ারেন্টিন নিয়ম ভাঙ্গায় জৈব সুরক্ষা বলয় নষ্ট হয় এসসি ইস্টবেঙ্গলের। তারপর কোয়ারেন্টিনের বাইরে থেকে অনুশীলনের সিদ্ধান্ত নেয় তারা। তিন সপ্তাহ কোয়ারেন্টিনের বাইরে থেকে আইএসএলের নিয়ম অনুযায়ী ৮ দিনের কোয়ারেন্টিনে ঢুকে যাবে। হোটেল খোঁজার কাজ চলছে। অনেকটা ঠিকও হয়ে গেছে। উত্তর গোয়ায় হোটেল জোন কানেক্ট। এই হোটেল ভিলাজিও রিসর্টের থেকে অনেক উন্নতমানের। হোটেলের সঙ্গে অনুশীলনের মাঠও বদল হবে। নতুন হোটেলে থেকেই চলবে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি। সব ঠিক থাকলে ২৪ অথবা ২৫ অক্টোবর নতুন হোটেলে কোয়ারেন্টিন শুরু হবে এসসি ইস্টবেঙ্গলের।

অক্টোবর ২০, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 30
  • 31
  • 32
  • 33
  • 34
  • 35
  • 36
  • ...
  • 51
  • 52
  • ›

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

ব্রিগেডের পরই কি ভোটের দিন ঘোষণা? বড় ইঙ্গিত দিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচন কবে হবে এবং কবে ফল ঘোষণা করা হবে, তা নিয়ে এখন রাজনৈতিক মহলে জোর আলোচনা চলছে। নানা মহল থেকে নানা ধরনের জল্পনা শোনা যাচ্ছে। এই পরিস্থিতিতেই ভোট ঘোষণার সময় নিয়ে একটি ইঙ্গিত দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।মঙ্গলবার তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের অনুরোধে ধর্মতলায় চলা ধরনা কর্মসূচি তুলে নেন মুখ্যমন্ত্রী। এরপর সাংবাদিকদের সামনে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে তীব্র আক্রমণ শানান তিনি। শুধু নির্বাচন কমিশন নয়, বিজেপিকেও কড়া ভাষায় আক্রমণ করেন মমতা। তাঁর অভিযোগ, নির্বাচন কমিশন বিজেপির ইঙ্গিতেই কাজ করছে।এই প্রসঙ্গেই কথা বলতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ব্রিগেডের সভার পর যদি ভোটের দিন ঘোষণা করা হয়, তাতেও অবাক হওয়ার কিছু নেই। তিনি দাবি করেন, এর আগেও এমন হয়েছে যে ব্রিগেডে সভা করার পরই ভোটের তারিখ ঘোষণা করা হয়েছে। আগামী শনিবার চৌদ্দ মার্চ ব্রিগেড ময়দানে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সভা হওয়ার কথা রয়েছে। সেই সভার পরই নির্বাচন কমিশন ভোটের দিন ঘোষণা করতে পারে বলে মনে করছেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর এই মন্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক মহলে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে।এদিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আরও দাবি করেন, সুপ্রিম কোর্টে শুনানির সময় নির্বাচন কমিশনকে ভর্ৎসনা করেছে আদালত। তাঁর কথায়, সব কথা লিখিত নির্দেশে থাকে না, অনেক বিষয় শুনানির ভিডিও দেখলে বোঝা যাবে।বিবেচনাধীন ভোটারদের প্রসঙ্গেও বার্তা দেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি জানান, আগামী পঁচিশ তারিখ এই বিষয়ে আবার শুনানি রয়েছে। তিনি বলেন, ভোটের দিন যদি পনেরো বা ষোলো তারিখে ঘোষণা করা হয়, তাতেও চিন্তার কিছু নেই। কারণ এই পুরো বিষয়টি তারা নজরে রাখছেন এবং আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে। মুখ্যমন্ত্রীর এই মন্তব্যের পর বাংলার ভোটের দিন ঘোষণা নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

মার্চ ১০, ২০২৬
রাজনীতি

একদা কমিউনিষ্ট ঘাঁটিতে টানা তিনবার জিতেও নিশ্চিন্ত নয় তৃণমূল! বর্ধমান দক্ষিণে এবার কি হাড্ডাহাড্ডি লড়াই?

দক্ষিণ বর্ধমান বরাবর কমিউনিস্টদের শক্ত ঘাঁটি ছিল। দেশ স্বাধীন হওয়ার পর এই কেন্দ্র থেকে প্রথম দুটি নির্বাচনে জয়ী হয়েছিলেন বিনয়কৃষ্ণ চৌধুরী। তখন তিনি প্রার্থী হয়েছিলেন অবিভক্ত কমিউনিষ্ট পার্টি তথা সিপিআই থেকে। তারপর এই আসন থেকে কংগ্রেস প্রার্থী বর্ধমানের মহারানী রাধারাণী মহতাব জয়ী হয়েছিলেন। তার আগের নির্বাচনে বিনয় চৌধুরী পরাজিত করেছিলেন বর্ধমানের মহারাজাকে। সেই সম্মান পুনরুদ্ধার করতে কংগ্রেস প্রার্থী হয়েছিলেন মহারাণী। তার পরে শুধু ১৯৬৭ ও ১৯৭২ সালে এই কেন্দ্রে কংগ্রেস জয় পেয়েছিল। এখানে থেকে জয়ী হয়ে মন্ত্রী হয়েছিলেন প্রদীপ ভট্টাচার্য। তাছাড়া ২০০৬ পর্যন্ত সিপিএম এই কেন্দ্র থেকে জয়ী হয়েছে। ২০১১ সালে রাজ্যে পরিবর্তনের ভোটে তৃণমূল প্রার্থী রবিরঞ্জন চট্টোপাধ্যায় ব্যাপক ভোটের ব্য়বধানে পরাজিত করেন রাজ্যের তৎকালীন শিল্পমন্ত্রী নিরুপম সেনকে। প্রায় ৩৭ হাজার ভোটে পরাজিত হন নিরুপম সেন। ২০১৬-তেও জয় পায় তৃণমূল। তখনও এই কেন্দ্রে প্রধান বিরোধী দল ছিল সিপিএম। রবিবঞ্জন চট্টোপাধ্যায় প্রায় ৩০ হাজার ভোটের ব্য়বধানে সিপিএম প্রার্থী আইনুল হককে পরাজিত করেন। ২০২১ বিধানসভা নির্বাচনে এই কেন্দ্রে বিজেপি প্রার্থী সন্দীপ নন্দীকে পরাজিত করেন তৃণমূল প্রার্থী খোকন দাস। তবে জয়ের ব্যবধান অনেকটাই কমে যায়। পাশাপাশি প্রায় অর্ধেক ওয়ার্ডে বিজেপি এগিয়ে থাকে তৃণমূলের থেকে। এই নির্বাচনে সিপিএম প্রার্থী পৃথা তা প্রায় ২৩ হাজারের ওপর ভোট পেয়েছিল।বর্ধমান পুরসভা এলাকা নিয়েই বর্ধমান দক্ষিণ বিধানসভা কেন্দ্র। তবে ২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনে এই কেন্দ্রে কি হতে চলেছে তা নিয়ে জল্পনার শেষ নেই শহরজুড়ে। প্রথমত বিধায়ক খোকন দাসই টিকিট পাচ্ছেন কি না, তা নিয়েও গুঞ্জন রয়েছে। বিধায়ক অনুগামীরা জোরের সঙ্গে বলছেন টিকিট খোকন দাসই পাচ্ছেন। শহরে এক যুব নেতার নাম ভাসিয়ে দেওয়া হলেও বর্ধমান দক্ষিণে আদৌ সে টিকিট পাবেন কিনা তা নিয়ে কম জল্পনা নেই। সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান থেকে ক্রীড়া অনুষ্ঠান সবেই জোরদার প্রতিযোগিতা চলছে তৃণমূলের দুই তরফ থেকেই। অনেকের আবার বক্তব্য, নেপোয় দই মেরে দেবে না তো!তৃণমূল যাকেই প্রার্থী করুক এবার জোরদার লড়াই হবে বর্ধমান দক্ষিণ বিধানসভা কেন্দ্রে। এদিকে তৃণমূলের একটা সূত্রের দাবি, শহরে দলে ঘরের মধ্যে ঘর তৈরি হয়েছে। সেই ঘরও যথেষ্ট শক্তিশালী বলেই সেই অংশের দাবি। তাঁদের ভূমিকা জয়-পরাজয়ে অনেকটা নির্ভর করবে বলে রাজনৈতিক মহলের দাবি। পাশাপাশি যে ভাবে পর পর নির্বাচনে ওয়ার্ডগুলিতে পিছিয়ে পড়েছে তৃণমূল তাতে সংশয় বেড়েছে। মোদ্দা কথা, পর পর তিনবার জয় পেলেও এবার বর্ধমান দক্ষিণ কেন্দ্রে নেক-টু-নেক ফাইট হবার সম্ভাবনা প্রবল। একতরফা জয়ের কোনও সম্ভাবনা নেই বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

মার্চ ১০, ২০২৬
কলকাতা

ধরনা শেষ করেই প্রাক্তন রাজ্যপালের সঙ্গে দেখা মমতার! কেন্দ্রকে নিশানা করে বড় মন্তব্য

ধর্মতলায় একশো এক ঘণ্টা ধরে চলা ধরনা কর্মসূচি শেষ করার পরেই প্রাক্তন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসের সঙ্গে দেখা করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বর্তমানে রাজ্য সরকারের অতিথিশালায় রয়েছেন প্রাক্তন রাজ্যপাল। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ধর্মতলা থেকে সোজা সেখানে যান মুখ্যমন্ত্রী। দেখা করার পর সাংবাদিকদের মুখোমুখিও হন তিনি। সেই সময় আবারও কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে সুর চড়াতে দেখা যায় তাঁকে।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, যেহেতু প্রাক্তন রাজ্যপাল পরের দিন রাজ্য ছেড়ে চলে যাচ্ছেন, তাই তাঁর সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছেন। তিনি জানান, আনন্দ বোসের সঙ্গে দীর্ঘদিন কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর এবং তাঁদের মধ্যে ভালো সম্পর্কও ছিল। মুখ্যমন্ত্রীর দাবি, ভোটের আগে আচমকা তাঁকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে এবং এর পেছনে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য রয়েছে। তিনি বলেন, নিজের মনের কথাও আনন্দ বোসকে জানিয়েছেন। পাশাপাশি তাঁকে আবার বাংলায় আসার আমন্ত্রণও জানিয়েছেন।এই সাক্ষাৎ নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে একটি বার্তাও প্রকাশ করেন মুখ্যমন্ত্রী। সেখানে তিনি প্রাক্তন রাজ্যপাল আনন্দ বোসের প্রশংসা করেন। মমতা লেখেন, পশ্চিমবঙ্গের প্রাক্তন রাজ্যপাল ডক্টর সিভি আনন্দ বোস রাজ্য ছেড়ে চলে যাচ্ছেন। ধর্মতলায় পাঁচ দিনের ধরনা কর্মসূচি শেষ করার পর তিনি ব্যক্তিগতভাবে তাঁর সঙ্গে দেখা করেছেন। মুখ্যমন্ত্রী আরও লেখেন, আনন্দ বোস অত্যন্ত পণ্ডিত ও বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব। তাঁর দায়িত্ব পালনের সময় রাজ্যের উন্নয়ন এবং জনকল্যাণমূলক নানা বিষয়ে তাঁর সঙ্গে আলোচনা করার সুযোগ হয়েছিল। সেই আলাপচারিতা তাঁর কাছে সবসময় মূল্যবান হয়ে থাকবে বলেও উল্লেখ করেন মমতা।মুখ্যমন্ত্রী আরও জানান, আনন্দ বোসের আগামী দিনের সমস্ত উদ্যোগ ও দায়িত্বের জন্য তিনি আন্তরিক শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। তাঁর অগাধ জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা ভবিষ্যতের পথচলায় আরও বড় সাফল্য এনে দেবে বলেও আশা প্রকাশ করেছেন তিনি।

মার্চ ১০, ২০২৬
দেশ

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের আগুন, তবু বাংলাদেশের পাশে ভারত! পাঁচ হাজার টন ডিজেল পাঠানোর বড় সিদ্ধান্ত

মধ্যপ্রাচ্যে ক্রমেই জটিল হয়ে উঠছে যুদ্ধ পরিস্থিতি। তার জেরে গোটা বিশ্বেই জ্বালানি সঙ্কটের আশঙ্কা বাড়ছে। ভারতেও গ্যাস ও জ্বালানি নিয়ে উদ্বেগ বাড়তে শুরু করেছে। এই পরিস্থিতির মধ্যেই বাংলাদেশের পাশে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিল ভারত। দুঃসময়ে প্রতিবেশী দেশকে সাহায্য করতে পাঁচ হাজার টন ডিজেল পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এই জ্বালানি সরবরাহ করা হচ্ছে ভারত-বাংলাদেশ বন্ধুত্ব পাইপলাইনের মাধ্যমে।বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশনের এক আধিকারিক জানিয়েছেন, সোমবার বিকেল তিনটে কুড়ি মিনিট নাগাদ ভারতের অসমের নুমালিগড় তৈলশোধনাগার থেকে ডিজেল পাম্পিং শুরু হয়েছে। পাইপলাইনের মাধ্যমে পাঠানো এই জ্বালানি প্রায় চুয়াল্লিশ ঘণ্টার মধ্যে বাংলাদেশের দিনাজপুর জেলার পর্বতপুর ডিপোতে পৌঁছে যাবে বলে জানা গেছে। তাঁর মতে, আন্তর্জাতিক বাজারে অস্থিরতার এই সময়ে দেশের জ্বালানি সরবরাহ স্থিতিশীল রাখতে এই পাইপলাইন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। পাইপলাইনের মাধ্যমে সরাসরি জ্বালানি আসায় পরিবহন খরচ এবং সময় দুটোই অনেক কমে যায়।কিছুদিন আগেই বিভিন্ন ইস্যুতে ভারত ও বাংলাদেশের সম্পর্কের মধ্যে টানাপোড়েন তৈরি হয়েছিল। সেই সময় ভারতের পক্ষ থেকে ডিজেল রফতানি বন্ধ রাখা হয়েছিল বলে জানা যায়। তবে পরে তারেক রহমান বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর দুই দেশের সম্পর্ক ধীরে ধীরে আবার স্বাভাবিক হতে শুরু করে। এই পরিস্থিতিতেই আবার বাংলাদেশে ডিজেল পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে জ্বালানি সহযোগিতা আরও শক্তিশালী করতে তৈরি করা হয়েছিল ভারত-বাংলাদেশ বন্ধুত্ব পাইপলাইন প্রকল্প। এই প্রকল্প দুই দেশের অর্থনীতি এবং জ্বালানি নিরাপত্তার জন্য গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হয়। এই পাইপলাইনের মাধ্যমে নিয়মিতভাবে বাংলাদেশে ডিজেল সরবরাহ করা সম্ভব হয়।বাংলাদেশের একটি সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আপাতত দেশে পর্যাপ্ত জ্বালানি মজুত রয়েছে বলে দাবি করেছে সেখানকার সরকার। তবে উদ্বেগ শুধু জ্বালানি নিয়েই নয়। খাদ্য সঙ্কটের আশঙ্কাও তৈরি হয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, যদি ইরান ও ইজরায়েলের মধ্যে যুদ্ধ দীর্ঘদিন ধরে চলতে থাকে, তাহলে বাংলাদেশের খাদ্যপণ্যের বাজারেও তার প্রভাব পড়তে পারে। সেই পরিস্থিতিতে ভারতের সাহায্যের দিকে তাকিয়ে থাকতে হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।এই পরিস্থিতির মূল কারণ মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনা। ইরান ও ইজরায়েলের সংঘাতের পর ইরান হরমুজ প্রণালী দিয়ে জাহাজ চলাচল কার্যত বন্ধ করে দিয়েছে বলে খবর। এই প্রণালী দিয়েই বিশ্বের প্রায় কুড়ি শতাংশ অপরিশোধিত তেল পরিবহন হয়। ফলে এই পথ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বিশ্বজুড়ে তেল সরবরাহে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। হামলার আশঙ্কায় বিভিন্ন দেশের তেলের ট্যাঙ্কার এবং জাহাজ এখন সমুদ্রে অপেক্ষা করে রয়েছে।

মার্চ ১০, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

লক্ষ্যের লক্ষ্যপূরণ অধরাই, অল ইংল্যান্ড শিরোপা হাতছাড়া

অল ইংল্যান্ড ব্যাডমিন্টন চ্যাম্পিয়নশিপ জয়ের স্বপ্ন এবারও অপূর্ণই থেকে গেল ভারতের। ফাইনালে উঠেও খেতাব জিততে পারলেন না ভারতের তরুণ শাটলার লক্ষ্য সেন। রবিবার (৯ মার্চ) পুরুষদের সিঙ্গলস ফাইনালে চাইনিজ তাইপেইয়ের লিন চুন ই-র কাছে হেরে যান তিনি। লক্ষ্যের লক্ষ্যপূরণ অধরাই থেকে গেল।প্রায় ৫৭ মিনিট ধরে লড়াই চলা এই ম্যাচে লক্ষ্য ১৫-২১ এবং ২০-২২ ব্যবধানে পরাজিত হন। ফলে গত ২৫ বছর ধরে অল ইংল্যান্ড ব্যাডমিন্টন চ্যাম্পিয়নশিপে ভারতের খেতাব জয়ের অপেক্ষা আরও দীর্ঘ হল। অন্যদিকে, এই জয়ের মাধ্যমে লিন চুনই প্রথম চাইনিজ তাইপেই শাটলার হিসেবে এই মর্যাদাপূর্ণ টুর্নামেন্টের খেতাব জিতলেন।উল্লেখ্য, চার বছর আগে অল ইংল্যান্ড চ্যাম্পিয়নশিপে রানার্স-আপ হয়েছিলেন লক্ষ্য সেন। চলতি বছর আবারও ফাইনালে উঠে সেই আক্ষেপ মেটানোর সুযোগ এসেছিল। আলমোড়ার ২৪ বছরের এই শাটলার ফাইনালেও লড়াই চালালেও শেষ পর্যন্ত শিরোপা অধরাই থেকে যায়।এই টুর্নামেন্টে ফাইনালে ওঠার পথে লক্ষ্য সেন দুর্দান্ত পারফরম্যান্স দেখান। তিনি বিশ্বের এক নম্বর শাটলার শি ইউ কি এবং বিশ্ব তালিকার ছয় নম্বরে থাকা লি শি ফেংকে হারিয়ে ফাইনালে পৌঁছান। সেমিফাইনালে কানাডার ভিক্টর লেইয়ের বিরুদ্ধে খেলতে নেমে পায়ের চোট নিয়েও ৯৭ মিনিট লড়াই করে জয় তুলে নেন তিনি।ভারতের ইতিহাসে অল ইংল্যান্ড ব্যাডমিন্টন চ্যাম্পিয়নশিপের পুরুষদের সিঙ্গলসে এখনও পর্যন্ত মাত্র দুই ভারতীয় শাটলার খেতাব জিতেছেন, প্রকাশ পাড়ুকোন (১৯৮০) এবং পুলেল্লা গোপীচাঁদ (২০০১)। এছাড়া প্রকাশ নাথ (১৯৪৭) এবং সাইনা নেহওয়াল (২০১৫) ফাইনালে উঠলেও শেষ পর্যন্ত শিরোপা জিততে পারেননি।এবার লক্ষ্য সেন ফাইনালে উঠলেও শেষ হাসি হাসতে পারলেন না। ফলে অল ইংল্যান্ডে ভারতের শিরোপা জয়ের অপেক্ষা এখনও অব্যাহত রইল।

মার্চ ১০, ২০২৬
কলকাতা

“একুশের মতো পরিস্থিতি আর নয়”—বাংলায় ভোট ঘিরে কড়া বার্তা মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের

একুশের বিধানসভা নির্বাচনের মতো পরিস্থিতি আর যেন বাংলায় না ফিরে আসে, সেই বার্তাই বারবার দিতে চাইছে নির্বাচন কমিশন। ছাব্বিশের নির্বাচন যাতে সম্পূর্ণ শান্তিপূর্ণ ও চাপমুক্ত হয়, তা নিশ্চিত করাই কমিশনের প্রধান লক্ষ্য বলে জানালেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার। বাংলায় দুদিনের সফরের দ্বিতীয় দিনে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি বলেন, ভোটে কোনও ধরনের হিংসা বা ভয় দেখানো বরদাস্ত করা হবে না। ভোটারদের স্বাধীনভাবে ভোট দেওয়ার অধিকার রক্ষা করা হবে বলেও তিনি স্পষ্ট করেন।সোমবার বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার। সেই বৈঠকে ভোট কত দফায় হবে তা নিয়ে আলোচনা হয়। বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলির তরফে এক বা দুই দফায় ভোট করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে বলে জানা যায়। তবে এই বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এখনও হয়নি। জ্ঞানেশ কুমার জানান, রাজনৈতিক দলগুলির মতামত নেওয়া হয়েছে এবং রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি পর্যালোচনা করেই ভোটের দফা নির্ধারণ করা হবে। দিল্লিতে ফিরে কমিশন এই বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে।মুখ্য নির্বাচন কমিশনার স্পষ্ট করে বলেন, এবারের ভোটে কোনওভাবেই হিংসা বরদাস্ত করা হবে না। তাঁর কথায়, ভোট যেন সম্পূর্ণ হিংসামুক্ত ও ভয়মুক্ত পরিবেশে হয়, সেই বিষয়ে কমিশন বিশেষ নজর দেবে। ভোটারদের উপর চাপ সৃষ্টি করার ঘটনাও কঠোরভাবে দমন করা হবে। তিনি বলেন, অতীতে ভোটের আগে এবং ভোটের পরে যে ধরনের হিংসার ঘটনা দেখা গিয়েছিল, কমিশন আশা করছে এবারে সেই পরিস্থিতি আর তৈরি হবে না। যদি কারও বিরুদ্ধে ভোট-পরবর্তী হিংসার অভিযোগ ওঠে, তাহলে তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও তিনি জানান।সোমবার প্রশাসনিক আধিকারিকদের সঙ্গেও বৈঠক করেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার। সেখানে রাজ্যের জেলাশাসক, পুলিশ সুপার এবং পুলিশ কমিশনারদের কড়া বার্তা দেন তিনি। কোথাও কোনও অশান্তি বা আইনশৃঙ্খলার সমস্যা দেখা দিলে সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে বলে সতর্ক করেন তিনি। নির্দেশ না মানলে শুধু পদ থেকে সরানোই নয়, বিভাগীয় তদন্তের মুখেও পড়তে হতে পারে বলে জানিয়ে দেন।এবারের নির্বাচনে প্রতিটি বুথে বিশেষ নজরদারির ব্যবস্থা থাকবে। সব বুথেই ওয়েব সম্প্রচারের মাধ্যমে নজরদারি চালানো হবে বলে জানানো হয়েছে। ভোট দিতে যাওয়ার সময় বুথের বাইরে মোবাইল ফোন জমা রেখে তবেই ভোটকেন্দ্রে প্রবেশ করতে হবে ভোটারদের। ভোটযন্ত্রে প্রার্থীদের রঙিন ছবি দেখানোর ব্যবস্থাও থাকবে। কোনও প্রার্থী চাইলে ভোটের সাত দিনের মধ্যে ভোটযন্ত্র পরীক্ষা করার সুযোগও দেওয়া হবে। পাশাপাশি প্রতিটি বুথে ভোটার সহায়তা কেন্দ্র খোলা হবে, যাতে ভোটাররা সহজেই প্রয়োজনীয় তথ্য ও সাহায্য পেতে পারেন।

মার্চ ১০, ২০২৬
কলকাতা

ষাট লক্ষ ভোটারের ভাগ্য ঝুলে! মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের উত্তরে বাড়ল ধোঁয়াশা

এসআইআর প্রক্রিয়ার চূড়ান্ত তালিকা অনুযায়ী বিবেচনাধীন ভোটারের সংখ্যা ছিল প্রায় ষাট লক্ষ। মঙ্গলবার কলকাতা হাই কোর্টের তরফে সুপ্রিম কোর্টে জানানো হয়েছে, এর মধ্যে ইতিমধ্যেই দশ লক্ষ ভোটারের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। কিন্তু এখনও প্রায় পঞ্চাশ লক্ষ ভোটারের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত। ভোটের আগে এত বিপুল সংখ্যক ভোটারের বিষয় নিষ্পত্তি করা আদৌ সম্ভব কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। বিবেচনাধীন ভোটাররা শেষ পর্যন্ত ভোট দিতে পারবেন কি না, সেই প্রশ্নের সরাসরি উত্তর এদিনের সাংবাদিক বৈঠকে এড়িয়ে গেলেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার।এর আগে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ আগরওয়ালও বিবেচনাধীন ভোটারদের ভবিষ্যৎ নিয়ে স্পষ্ট কোনও দিশা দিতে পারেননি। মঙ্গলবার সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে জ্ঞানেশ কুমার জানান, বিবেচনাধীন ভোটারদের নথি পরীক্ষা করে দেখার কাজ করছেন বিচার বিভাগীয় আধিকারিকরা। তাঁরা ইতিমধ্যেই সুপ্রিম কোর্টে একটি রিপোর্ট জমা দিয়েছেন এবং সেখানে জানিয়েছেন যে দশ লক্ষ ভোটারের বিষয় নিষ্পত্তি হয়েছে। তবে বাকি পঞ্চাশ লক্ষ ভোটারের বিষয় নিয়ে তিনি আর কোনও মন্তব্য করেননি। তিনি শুধু বলেন, যত দ্রুত সম্ভব সম্পূরক তালিকা প্রকাশ করা উচিত।সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী গত আটাশ ফেব্রুয়ারি এসআইআরের চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করা হয়। সেই তালিকার পরে প্রয়োজন অনুযায়ী সম্পূরক তালিকা প্রকাশ করার কথা বলা হয়েছে। প্রার্থীদের মনোনয়নের আগের দিন পর্যন্ত এই তালিকা প্রকাশ করা যেতে পারে বলে নির্দেশ রয়েছে। ফলে বিবেচনাধীন ভোটারদের অনেককেই শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হতে পারে তাঁদের ভোটাধিকার রয়েছে কি না তা জানার জন্য।এই পরিস্থিতিতে রাজনৈতিক দলগুলিও উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। তাদের মতে, বিবেচনাধীন ভোটারদের বিষয় নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত ভোটের ঘোষণা করা উচিত নয়। তবে নির্বাচন কমিশন আগামী সপ্তাহেই ভোটের নির্ঘণ্ট প্রকাশ করতে পারে বলে জল্পনা চলছে। অর্থাৎ ভোটের সময় একেবারেই সামনে চলে এসেছে। হাতে সময় খুবই কম। এখনও পর্যন্ত মাত্র দশ লক্ষ ভোটারের নথি পরীক্ষা শেষ হয়েছে, বাকি বিপুল সংখ্যক ভোটারের বিষয় নিষ্পত্তি বাকি। এত কম সময়ে এই বিশাল কাজ শেষ করা আদৌ সম্ভব কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে। নির্বাচন কমিশনের তরফ থেকেও এখনও স্পষ্ট কোনও উত্তর পাওয়া যায়নি। ফলে বিবেচনাধীন লক্ষ লক্ষ ভোটারের ভবিষ্যৎ আপাতত অনিশ্চয়তার মধ্যেই ঝুলে রইল।

মার্চ ১০, ২০২৬
দেশ

ভোটার তালিকা বিতর্কে বড় মন্তব্য! “একজনও বৈধ ভোটার বাদ যাবে না” বলল সুপ্রিম কোর্ট

এসআইআর প্রক্রিয়া নিয়ে আগাম পিটিশন দাখিল হওয়ায় বিরক্তি প্রকাশ করল সুপ্রিম কোর্ট। মঙ্গলবার এই সংক্রান্ত মামলার শুনানির সময় প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত রাজ্যের আইনজীবী মেনকা গুরুস্বামীকে স্পষ্ট ভাষায় বলেন, এই ধরনের আগাম আবেদন ভুল বার্তা দিতে পারে। আদালতের মতে, এতে মনে হতে পারে যে আবেদনকারীরা বিচারব্যবস্থার উপর ভরসা রাখতে পারছেন না। প্রধান বিচারপতি মেনকা গুরুস্বামীকে জানান, আগাম পিটিশনের মাধ্যমে এমন বার্তা যাচ্ছে যে সিস্টেমের উপর আস্থা নেই। তাই তিনি আবেদনটি প্রত্যাহার করে নেওয়ার পরামর্শও দেন। একই সঙ্গে আদালত আশ্বাস দেয়, কোনও বৈধ ভোটারের নাম বাদ পড়বে না।এসআইআর সংক্রান্ত মামলা ইতিমধ্যেই সুপ্রিম কোর্টে বিচারাধীন। এর মধ্যেই সোমবার আবার আদালতের দ্বারস্থ হয় রাজ্য সরকার। আগের দিন মেনকা গুরুস্বামী অভিযোগ করেছিলেন, অনেক ভোটারের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়েছে এবং তাঁদের নথিও গ্রহণ করা হয়নি। তিনি জানান, যাঁরা আগে ভোট দিয়েছেন তাঁদের নথিও এখন গ্রহণ করা হচ্ছে না বলে অভিযোগ উঠেছে।এই প্রসঙ্গেই মঙ্গলবার শুনানিতে প্রধান বিচারপতি বলেন, হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির কাছ থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী ইতিমধ্যেই প্রায় দশ লক্ষ মামলার নিষ্পত্তি হয়েছে। তিনি স্পষ্টভাবে বলেন, বিচার বিভাগীয় আধিকারিকদের কোনও প্রশ্নের মুখে ফেলবেন না। তাঁরা নিজেদের দায়িত্ব অনুযায়ী কাজ করছেন। যাঁরা প্রকৃত ভোটার, তাঁদের অবশ্যই তালিকায় যুক্ত করা হবে বলে আদালত জানায়।রাজ্যের নতুন আবেদন নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে প্রধান বিচারপতি বলেন, এই পিটিশন আগাম করা হয়েছে এবং এখনই তার প্রয়োজন ছিল না। তিনি মেনকা গুরুস্বামীকে আবেদন প্রত্যাহারের পরামর্শ দেন এবং বলেন, ভোট ঘোষণার আগেই এই কাজ শেষ হয়ে যাবে বলে আশা করা হচ্ছে। তবে আদালত এও জানায়, প্রয়োজন হলে এই আবেদনের প্রেক্ষিতে আদালত অবমাননার নোটিসও জারি করা হতে পারে। বর্তমান পরিস্থিতিতে আদালত সব পক্ষকেই নজরে রাখছে বলে মন্তব্য করে বেঞ্চ।সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে বর্তমানে বিচার বিভাগীয় আধিকারিকরা অমীমাংসিত ভোটারদের তালিকা পরীক্ষা করে দেখছেন। এদিন আদালত নির্দেশ দেয়, রাজ্য সরকার এবং নির্বাচন কমিশনকে এই কাজে সবরকম সাহায্য করতে হবে। বিচার বিভাগীয় আধিকারিকদের যখন লগইন পরিচয়পত্র প্রয়োজন হবে, তখনই নির্বাচন কমিশনকে তা দ্রুত ব্যবস্থা করে দিতে হবে বলে জানায় আদালত।অমীমাংসিত তালিকার তথ্য পরীক্ষা শুরু হলেও এখনও পর্যন্ত সম্পূরক তালিকা প্রকাশ করা হয়নি বলে অভিযোগ তুলেছে তৃণমূল। এই পরিস্থিতিতে সুপ্রিম কোর্ট নির্দেশ দিয়েছে, দ্রুত সম্পূরক তালিকা প্রকাশ করতে হবে। পাশাপাশি আদালত জানিয়েছে, এই বিষয় দেখভালের জন্য একটি ট্রাইবুনাল গঠন করা হবে। সেখানে প্রাক্তন প্রধান বিচারপতিকে রাখা হবে এবং একাধিক বিচারপতি এই প্রক্রিয়ায় যুক্ত থাকবেন। নির্বাচন কমিশন হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির সঙ্গে আলোচনা করেই পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেবে বলে আদালত জানিয়েছে।

মার্চ ১০, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal