• ১৪ আশ্বিন ১৪৩৩, রবিবার ০৪ অক্টোবর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Arrest

কলকাতা

ইডি দফতরে CISF জওয়ানের রাইফেল কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা, আটক তরুণী

বুধবার বিধাননগর উত্তর থানার পুলিশ এক মহিলাকে আটক করেছে ইডি দফতর থেকে। সূত্রের খবর বেলা সাড়ে ১২ টা নাগাদ ওই মহিলা ইডি দফতরে সিজও কমপ্লেক্সের ৭ তলায় যান। সেখানে তাঁকে নিরাপত্তা রক্ষীরা প্রশ্ন করেন কোথায় কার কাছে যাবেন?অভিযোগ সেই সময় আচমকা কর্তব্যরত CISF জওয়ান এর রাইফেল ধরে টানা হ্যাঁচড়া করেন মহিলারা। তারপরেই নিরাপত্তা রক্ষীরা তাকে ইডি দফতরে আটকে রেখে খবর দেন পুলিশ কে। পুলিশ সূত্রে খবরআটক মহিলার নাম প্রিয়াঙ্কা কুন্ডু। বাড়ি সল্টলেকে।প্রাথমিক ভাবে পুলিসের অনুমান মহিলা মানসিক ভারসাম্যহীন। পুলিশ মহিলার বাড়িতে যোগাযোগের চেষ্টা করছে। সেই সঙ্গে মহিলাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে বোঝার চেষ্টা করছে কেনও তিনি ইডি দফতরে গিয়েছিলেন।

মার্চ ১৩, ২০২৪
রাজ্য

শেখ শাহজাহানের বাড়িতে-মার্কেটে সিবিআই

কেন্দ্রীয় বাহিনী নিয়ে শেখ শাহজাহানের বাড়িতে গেল সিবিআই। এই প্রথম সন্দেশখালি গেল কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা। এদিন সিবিআই গিয়েছে সরবেড়িয়ায় তার মার্কেটেও। ৫ জানুয়ারি ইডির ওপর হামলার তদন্ত করতে সেখানে গিয়েছে সিবিআই। গতকালই আদালতের নির্দেশে সিআইডি শাহজাহানকে সিবিআইয়ের হাতে তুলে দিয়েছে। এদিকে হামলার দিন শেখ শাহজাহান কাদের ফোন করেছিলেন? তা তদন্ত করে দেখছে সিবিআই। ইডি আধিকারিকদের কাছ থেকে সেদিনের ঘটনা জানা হচ্ছে। যে ইডি আধিকারিকের মাথা ফেটেছিল, তাঁর বয়ান নিয়েছে সিবিআই। পাশাপাশি ইডি কি তথ্য পেয়েছে তাও জানতে চাইছে সিবিআই। একইসঙ্গে নিজাম প্যালেসে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে শেখ শাহজাহানকে।

মার্চ ০৭, ২০২৪
রাজ্য

শেষমেশ দীর্ঘ টালবাহানার পর সিআইডির হাত থেকে সিবিআইয়ের হেফাজতে শাহজাহান

বহু টালবাহানা, বিভ্রান্তি, শেষমেশ সন্দেশখালির তৃণমূল কংগ্রেস নেতা শেখ শাহজাহনকে হেফাজতে পেল সিবিআই। কোর্টের নির্দেশে শাহজাহানকে সিবিআইয়ের কাছে হস্তান্তরে বাধ্য হল সিআইডি।বুধবার সকালে সুপ্রিম কোর্ট জানিয়েছিল, শেখ শাহজাহানকে সিবিআইয়ের হাতে তুলে দিতেই হবে। বুধবার বিচারপতি সঞ্জীব খান্নার বেঞ্চ জানিয়ে দেয়, ধৃত বহিষ্কৃত তৃণমূল নেতাকে সিবিআইয়ের হাতে হস্তান্তর করতেই হবে। এদিকে এদিন ইডি শেখ শাহজাহানকে হস্তান্তরে রাজ্য সরকারের অসহযোগিতার বিষয়টি তুলে ধরে কলকাতা হাইকোর্টে আবেদন করে। তারপরই বিচারপতি হরিশ ট্যান্ডনের বেঞ্চ জানিয়ে দেয়, বুধবার বিকেল ৪.১৫-র মধ্যে শেখ শাহজাহানকে সিবিআইয়ের হাতে তুলে দিতে হবে। সেই মত এদিন ৪টের মধ্যে ভবানী ভবনে পৌঁছে যান কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার আধিকারিকরা। কিন্তু তখনও সন্দেশখালির বাঘকে হাতে পায়নি সিবিআই গোয়েন্দারা। ফলে বিচারপতি হরিশ ট্যান্ডনের দৃষ্টি আকর্ষণে ফের উচ্চ আদালতের দ্বারস্থ হচ্ছে সিবিআই।এসবের মধ্যেই সন্ধ্যার মুখে ভবানী ভবনের পিছনের দরজা দিয়ে শেখ শাহজাহানকে এসএসকেএম হাসপাতালে স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য নিয়ে যাওয়া হয়েছে। এরপরই শাহজাহানকে সিবিআইয়ের হাতে তুলে দেয় সিআইডি।সন্দেশখালি কাণ্ডে মঙ্গলবার দুপুরেই সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দিয়েছিল কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ। এছাড়াও, মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে ৪টের মধ্যে ধৃত শেখ শাহজাহানকে সিবিআইয়ের হাতে তুলে দিতে হবে বলে নির্দেশ দেয় আদালত। খারিজ করে দেওয়া হয়েছে, সন্দেশখালি কাণ্ডে কলকাতা হাইকোর্টের একক বেঞ্চের বিশেষ তদন্তকারী দলগঠনের নির্দেশ। উচ্চ আদালতের নির্দেশ মত, বিকেলে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে ভবানী ভবনে চলে আসে কেন্দ্রীয় এজেন্সির আধিকারিকরা। অবশেষে টালবাহানার পর সন্ধ্যা ৭টার কিছু আগে সিবিআইয়ের হাতে শাহজাহানকে তুলে দেয় পুলিশ। সূত্রের খবর, সুপ্রিম কোর্টে মামলা রয়েছে বলে সিবিআই-কে জানিয়ে দেয় পুলিশ।গত ৫ জানুয়ারি সন্দেশখালি কাণ্ডের মূল অভিযুক্ত শাহজাহান। গত বৃহস্পতিবার মিনাখাঁর বামনপুকুর থেকে তাঁকে গ্রেফতার করে পুলিশ। তারপর থেকে সিআইডির হেফাজতে রাখা হয়েছে বহিষ্কৃত এই তৃণমূল নেতাকে। শাহজাহানের পুলিশি হেফাজের নির্দেশের পরই ইডি তাঁকে হেফাজতে চাইতে আদালতের দ্বারস্থ হয়। কেন্দ্রীয় এজেন্সির দাবি ছিল, সন্দেশখালিতে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দাদের উপর হামলার ঘটনার তদন্ত রাজ্য পুলিশে আস্থা নেই। সিবিআই ও রাজ্য পুলিশকে নিয়ে গঠিত বিশেষ তদন্তকারী দলেও কোনও ভরসা নেই। কারণ, রাজ্য পুলিশ এই মামলায় সহযোগিতা করবে না। তাই এই তদন্তভার শুধু সিবিআইকেই দেওয়া হোক। হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ সেই আবেদন মঞ্জুর করে।আদালত সূত্রে খবর, সন্দেশখালিতে ইডি অফিসারদের উপর হামলার ঘটনায় ন্যাজাট থানায় দুটি এফআইআর (৮ ও ৯ নম্বর) দায়ের হয়েছিল। এছাড়া বনগাঁ থানায় আরও একটি এফআইআর (১৮ নম্বর) দায়ের হয়। ওই মামলার প্রেক্ষিতেই এই নির্দেশ দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি ডিভিশন বেঞ্চ।হাইকোর্টের নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে দ্রুত শুনানির আর্জি জানিয়ে মঙ্গলবারই সুপ্রিম কোর্টে আর্জি জানায় রাজ্য। কিন্তু, বিচারপতি সঞ্জীব খান্না তাতে সাড়া দেননি। প্রক্রিয়া মেনে মামলা হবে বলে জানানো হয়। বুধবার প্রক্রিয়া মেনে আবেদন হলেও রাজ্যের আবেদনে সাড়া দেয়নি সুপ্রিম কোর্ট। হাইকোর্টের নির্দেশই বহাল রাখে।

মার্চ ০৬, ২০২৪
রাজ্য

গ্রেফতার হতেই শাহজাহানের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ তৃণমূল কংগ্রেসের, ১০ দিনের পুলিশ হেফাজত

বৃহস্পতিবার ভোরে পুলিশ শেখ শাহজাহানকে গ্রেফতার করেছে। সন্দেশখালির খাঁচাবন্দি বাঘ-কে ১০ দিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে আদালত। এরপরই শাহজাহানকে সাসপেন্ড করার কথা ঘোষণা ক তৃণমূল। দলীয় সব পদ থেকে তাকে সরানো হল। ৬ বছরের এই সাসপেনশনের ঘোষণা করেন সাংসদ ডেরেক ওব্রায়ান। ওই সাংবাদি বৈঠকে ছিলেন, রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু, সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদারও।বৃহস্পতিবার ওব্রায়েন বলেছেন, আমরা শেখ শাহজাহানকে ৬ বছরের জন্য দল থেকে বরখাস্ত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আমরা যা বলি তা করি। আমরা অতীতে এই নজির স্থাপন করেছি, বর্তমানেও সেটাই আবার করলাম।মন্ত্রী ব্রাত্য বসু বলেন, দলের কারও বিরুদ্ধে অভিযোগ পেলে তৃণমূল যে পদক্ষেপ করে, এটাই তার প্রমাণ। কিন্তু বিজেপি তো আর তৃণমূল নয়। আমরা প্রধানমন্ত্রীকে চ্যালেঞ্জ করছি, শুভেন্দু অধিকারী, হিমন্ত বিশ্বশর্মা বা নারায়ণ রাণেকে সাসপেন্ড করে দেখান উনি। মণিপুরের মুখ্যমন্ত্রী, ব্রিজ ভূষণ বা অজয় মিশ্র টেনির ব্যাপারে কী পদক্ষেপ করা হয়েছে?শাহজাহানকে তৃণমূলের সাসপেন্ড প্রসঙ্গে বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার বলেছেন, এত দিন তো দোষী মানাই হচ্ছিল না ওকে। গ্রেফতার বা সাসপেন্ড সবই নাটক। মুখ বাঁচাতে শাহজাহানকে সাসপেন্ড করল তৃণমূল। যে ভাবে আদালতে ঢুকছিলেন তিনি, তাতে তো মনে হয়নি গ্রেফতার। মনে হচ্ছিল পুলিশকেই গ্রেফতার করেছেন শাহজাহান।সন্দেশখালিতে তৃণমূলের বাহুবলী নেতা শাহজাহান গত ৫৫ দিন ধরে ফেরার ছিলেন। বৃহস্পতিবার ভোরে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করেছে। বসিরহাট আদালত শাহজাহানকে ১০ দিনের জন্য পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে।আদালত শাহজাহানকে পুলিশ হেফাজতে পাঠানোর পর এই তৃণমূল নেতাকে সিআইডি-র সদর দফতর কলকাতার ভবানী ভবনে নিয়ে আসে পুলিশ। সন্দেশখালি মামলাটি সিআইডির কাছে হস্তান্তরিত হয়েছে বলে সূত্রের খবর।উত্তর ২৪ পরগণা জেলার সন্দেশখালিতে জমি, ভেড়ি দখল এবং মহিলাদের যৌন হেনস্থা মামলায় শেখ শাহজাহান এবং তার সাগরেদরা মূল অভিযুক্ত। গর্জে উঠেছেন সন্দেশখালির মহিলারা। তবে এদিন তাঁকে পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে মূলত ইডি আধিকারিকদের হামলা, কাজে বাধা দেওয়ার জন্য। মুখ পুড়ছে তৃণমূলের। সঙ্গে ভোটের আগে বাড়ছে চাপ। সম্ভবত সে জন্যই এবার সাসপেন্ডের পদক্ষেপ করে শাহজাহানের সঙ্গে দূরত্ব তৈরির চেষ্টায় রাজ্যের শাসক দল।

ফেব্রুয়ারি ২৯, ২০২৪
রাজ্য

সন্দেশখালী কাণ্ডে মাস্টারমাইন্ড শেখ শাহজাহান গ্রেফতার প্রসঙ্গে দিলীপ ঘোষ বলেন......

পুলিশের একটা ছিঁচকে মস্তান ধরতে ৫৭ দিন লাগল। তাহলে রাঘব বোয়ালদের তো পুলিশ কোনোদিন ধরবে না। নেতারা বলছেন ১ সপ্তাহ। পার্টির নেতারা ঠিক করে দিচ্ছেন কাকে কখন ধরতে হবে। ওখানকার মানুষ নিরন্তর লড়াই করেছেন। সাধারণ মানুষের দাবী অবশেষে পুলিশ মেনেছে। শুভেন্দু অধিকারী বলে দিয়েছেন। খবর ছিল। এটা সবাই জানে। সর্বভারতীয় চাপের জন্য পুলিশ গ্রেফতার করতে বাধ্য হয়েছে। সারা দেশ জুড়ে ন্যাশনাল চ্যানেলে এই নিয়ে চর্চা হচ্ছিল। সবাই আমরা জানতাম ওখানেই আছে।কোর্টের কানমলা খেয়ে অবশেষে ধরতে বাধ্য হল। পুলিশ কেই ধরতে হতো। ইডি ওখানে জলে জঙ্গলে গিয়ে ধরতে পারত না। মুস্কিল ছিল। পুলিশের হাতেই ছিল। পুলিশই ধরেছে। আমরা গোড়া থেকেই বলছিলাম, পুলিশ জানে ও কোথায়। এখন বাধ্য হয়ে তাকে ধরা হয়েছে। এটা আগে হলে বিষয়টা বাড়ত না। এবার ওখানকার লোকেরা ঠিক করবেন তাদের জমি বাড়ি সব টাকা লুঠ হয়েছে সেগুলো তারা কীভাবে ফেরত চাইবেন। আমাদের ৪ কর্মী খুন হয়েছে। আমরা শাহাজাহানের নামে FIR করতে চেয়েছিলাম। পুলিশ তখন নেয়নি। এবার নিতে হবে। হাজার হাজার কোটি লুঠ হয়েছে। এটা প্রসেস শুরু হল। তৃণমূল জানে এবার পরপর লিস্ট আসবে। একদিন না একদিন তাদের সবাইকেই ধরতে হবে।

ফেব্রুয়ারি ২৯, ২০২৪
রাজ্য

৫৬ দিনের মাথায় কুনাল ঘোষের ঘোষিত সময়সীমার মধ্যে গ্রেফতার শেখ শাহজাহান

অবশেষে গ্রেফতার হলেন সন্দেশখালির বেতাজ বাদশা শেখ শাহজাহান। ৫৫ দিনের টালবাহানার শেষ, ৫৬ দিনের মাথায় ভোর ৫টায় নিখোঁজ শাহজাহানকে মিনাখাঁ থেকে গ্রেফতার করা হল, পুলিশ সূত্রে এরকমই দাবি করা হচ্ছে।শেখ শাহজাহানকে বসিরহাট আদালতে নিয়ে আসা হয়েছে। আপাতত তাঁকে বসিরহাট আদালতের লকআপে রাখা হয়েছে। বৃহস্পতিবারই শাহজাহানকে আদালতে হাজির করানো হবে। পুলিস সুত্রে জানা গেছে, সকাল ৯ টায় রাজ্য পুলিশের এডিজি (দক্ষিণবঙ্গ) সুপ্রতিম সরকার মিনাখাঁ থানায় সাংবাদিক বৈঠক করবেন বিশদে জানাবেন।শেখ শাহজাহানের গ্রেপ্তারী প্রসঙ্গে সন্দেশখালির প্রাক্তন বাম বিধায়ক নিরাপদ সর্দার জানান, দলনেত্রী মনে করেছেন ওঁর গ্রেফতারি প্রয়োজন তাই হয়েছে, এতে অবাক হওয়ার কিছু নেই। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের ধারনা আদালতে উপস্থিত হয়ে ইডি ও শেখ শাহজাহানকে তাঁদের হেফাজতে চাইতে পারে।বিস্তারিত আসছেঃ

ফেব্রুয়ারি ২৯, ২০২৪
কলকাতা

সোশ্যাল মিডিয়া চাকরির প্রলোভন, লক্ষ লক্ষ টাকা প্রতারণা

চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে লক্ষধিক টাকা প্রতারণা। এই ঘটনায় তিন অভিযুক্তকে গ্রেফতার করলো বিধাননগর সাইবার ক্রাইম থানার পুলিশ।পুলিশ সূত্রে খবর, রাজারহাট এলাকার বাসিন্দা রাজীব গোস্বামী বিধাননগর সাইবার ক্রাইম থানায় অভিযোগ করেন যে তিনি সোশ্যাল মিডিয়া মারফত একটি চাকরির এসএমএস পান। সেই সূত্র ধরে তিনি যোগাযোগ করলে তাকে একটি সোশ্যাল মিডিয়া গ্রূপে অ্যাড করা হয়। সেখানে তাকে বিভিন্ন প্রিপেড টাস্ক করতে বলা হয় যেখান থেকে তিনি রোজগার করতে পারবেন বলেও প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়। তিনি সেই প্রিপেড টাস্ক করতে গিয়ে ১৬ লক্ষ টাকা দিয়ে দেন। এরপরই টাকা চাইতে গেলে যোগাযোগ বন্ধ করে দেয় প্রতারকরা।ঘটনার তদন্ত শুরু করে পুলিশ জানতে পারে অভিযোগকারীর সেই টাকা গিয়ে পৌঁছেছিল বেশকয়েকজনের অ্যাকাউন্টে। এরপরই গতকাল নোয়াপাড়া এবং জগদ্দলে হানা দিয়ে কৌশিক বোস, সন্তোষ কুমার সাউ এবং চন্দন কুমার সাউকে গ্রেফতার করে পুলিশ। আজ অভিযুক্তদের বিধাননগর আদালতে তোলা হবে। পুলিশ তাদেরকে নিজেদের হেফাজতে নেওয়ার আবেদন জানাবে বলে পুলিশ সূত্রে খবর। এই ঘটনার মূল অভিযুক্তদের খোঁজে তল্লাশি চালাচ্ছে বিধাননগর সাইবার ক্রাইম থানার পুলিশ।

ফেব্রুয়ারি ২৬, ২০২৪
রাজ্য

৭ দিনের মধ্যে গ্রেফতার শেখ শাহজাহান? কুণাল ঘোষের বক্তব্যে তোলপাড় বঙ্গ রাজনীতি

সন্দেশখালির বাঘ শেখ শাহজাহান কি এবার পুলিশের জালে ধরা পড়তে চলেছে? ৫৩ দিন ধরে বেপাত্তা সন্দেশখালির বেতাজ বাদশা। তবে এখনও তিনি রয়েছেন তৃণমূল কংগ্রেসের ব্লক সভাপতি। শেখ শাহজাহানের গ্রেফতার নিয়ে হাইকোর্ট স্পষ্ট করার পর এদিন টুইট করেন তৃণমূল কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক তথা মুখপাত্র কুণাল ঘোষ। এদিন শাহজাহান নিয়ে আদালতে ঘোষণার পর কুণালের টুইট, সাত দিনের মধ্যে শাহজাহান গ্রেফতার হবে। তৃণমূল নেতৃত্বের এই ঘোষণায় তোলপাড় বঙ্গ রাজনীতি। তাহলে এখন কোথায় আছেন শেখ শাহজাহান? কোন ঘেরাটোপে রয়েছেন সন্দেশখালির বাঘ? এটাই সব থেকে বড় প্রশ্ন।কুণালের বক্তব্য, শেখ শাজাহান গ্রেফতার নিয়ে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় সঠিক বলেছিলেন। আদালতের আইনি জটেই বিষয়টা আটকে ছিল। তার সুযোগে রাজনীতি করছিল বিরোধীরা। আজ হাইকোর্ট সেই জট খুলে পুলিশকে পদক্ষেপে অনুমোদন দেওয়ায় ধন্যবাদ। সাত দিনের মধ্যে শাজাহান গ্রেফতার হবে।কুণালের টুইট নিয়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন বিরোধীরা। সিপিএম নেতা সুজন চক্রবর্তী বলেছেন, শেখ শাহজাহানের মত দুষ্কৃতী তৃণমূলের সম্পদ। তাই তাঁকে কেউ ধরতে পারে না। মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশেই এসব হচ্ছে। আসলে কাগজপত্র লোপাটের জন্য এতদিন শেখ শাহজাহানকে বাইরে রাখা হয়েছে।এদিকে সোমবার শেখ শাহজাহানকে গ্রেফতারে কোনও স্থগিতাদেশ নেই বলে জানিয়ে দিয়েছেন কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি। এছাড়া সন্দেশখালি মামলায় শেখ শাহজাহানকে পার্টি করার নির্দেশ দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট। সুতরাং, সন্দেশখালির একদা বেতাজ বাদশাকে গ্রেফতারে যে আইনি বাধার কথা বিভিন্ন মহল থকে বলা হচ্ছিল তা কার্যত নস্যাৎ করে দিল খোদ উচ্চ আদালতই। আগামী সাত দিনে সন্দেশখালির দিকে নজর থাকবে রাজনৈতিক মহলের।

ফেব্রুয়ারি ২৬, ২০২৪
রাজ্য

সল্টলেকে গেস্ট হাউজের আড়ালে মধুচক্রের আসর! গ্রেফতার ৭

সল্টলেকে মধুচক্রের হদিস। গেস্ট হাউজের আড়ালে চলতো মধুচক্রের রমরমা। সেখানে হানা দিয়ে সাত জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। জানা গিয়েছে, ম্যানেজার সহ চার জন গেস্ট হাউস কর্মী, তিনজন কাস্টমারকে গ্রেফতার করলো বিধান নগর পূর্ব থানার পুলিশ। উদ্ধার হয়েছে তিনজন তরুণী ।পুলিশ সূত্রে খবর, বেশ কিছু দিন ধরে অভিযোগ আসছিল যে সল্টলেকের বিজে ব্লকের ৩০১ নাম্বার বাড়িতে গেস্ট হাউস করে সেখানে বহু মেয়ে ও ছেলেদের দিন রাত আনাগোনা চলছে। সেই খবর অনুযায়ী শনিবার রাতে ঐ গেস্ট হাউসে আচমকা হানা দেয় পুলিশ। সেখানে গিয়ে পুলিশ দেখে তিনজন কাস্টমার ও সঙ্গে তিনজন মেয়ে রয়েছে। এর পরই তাদের জিজ্ঞাসাবাদে সদুত্তর না পেয়ে ঐ গেস্ট হাউসের ম্যানেজার ও তিনজন কর্মীকে গ্রেফতার করা হয়। একইসঙ্গে ওই তিনজন কাস্টমারকেও গ্রেফতার করে। উদ্ধার করা হয় ঐ তিন তরুণীকে। আজ ধৃতদের বিধান নগর কোর্টে তোলা হবে।

ফেব্রুয়ারি ২৫, ২০২৪
রাজ্য

উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস চক্রের অন্যতম পান্ডা গ্রেপ্তার।

বিধান নগর সাইবার থানার পুলিশ থাকে নদীয়া থেকে গ্রেপ্তার করলো উচ্চ মাধ্যমিকের প্রশ্ন ফাঁস চক্রের অন্যতম পান্ডাকে। ১৮ ফেব্রুয়ারি বিধান নগর সাইবার থানায় উচ্চ মাধ্যমিক কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট চিরঞ্জীব ভট্টাচার্য একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। তার অভিযোগ অনুযায়ী একটি চক্র সোশ্যাল মিডিয়াকে ব্যবহার করে উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীদেরকে বিভ্রান্ত করছে। অভিযোগে কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট আরও দাবি করেন, ওই চক্রটি উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীদেরকে ওই সোশ্যাল মিডিয়ায় জানায় উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার প্রশ্নপত্র তারা দিতে পারবেন অর্থের বিনিময়ে।এই অভিযোগ পাওয়ার পরই তদন্ত শুরু করে বিধাননগর সাইবার পুলিশ। প্রাথমিকভাবে তারা দুটি ব্যাংক একাউন্টকে আইডেন্টিফাই করে। যার মধ্যে একটি ব্যাংক অ্যাকাউন্ট ছিল পাঞ্জাব ন্যাশনাল ব্যাংকে। সেই অ্যাকাউন্টটি ছিল নদীয়ার বাসিন্দা প্রীতি শর্মার নামে। এরপরই বিধাননগর সাইবার থানার পুলিশ যোগাযোগ করে প্রীতি শর্মার সাথে। তিনি পুলিশকে জানায়, তার এটিএম কার্ডটি তার বন্ধু রুপম সাধুখা তার কাছ থেকে জোর করে নিয়ে গেছে। তিনি পুলিশকে আরও জানায় যে তিনিও ব্যাংকের থেকে পাঠানো এসএমএস মারফত জানতে পারেন, তার ব্যাংক একাউন্টে বেশ কিছু আর্থিক লেনদেন হয়েছে যেগুলো সে করেনি।এরপরই বিধান নগর সাইবার থানার পুলিশ নদীয়া থেকে গ্রেপ্তার করে রুপম সাধুখাকে। পুলিশ সূত্রে খবর, আদালতে পেশ করে ধৃত রূপমকে নিজেদের হেফাজতে নিতে চাইবে বিধান নগর সাইবার থানার পুলিশ। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে এই চক্রের সঙ্গে যুক্ত অন্যদেরও খোঁজ পেতে চায় পুলিশ।

ফেব্রুয়ারি ২২, ২০২৪
রাজ্য

অবশেষে গ্রেফতার শিবু হাজরাও, উত্তম সরদারের বিরুদ্ধেও গণধর্ষণের ধারা, পুলিশে রদবদল

এবার ন্যাজাট থেকে পুলিশ গ্রেফতার করল শেখ শাহজাহান ঘনিষ্ঠ শিবপ্রসাদ হাজরাকে। এদিকে গত কয়েকদিন ধরেই সন্দেশখালি হামলার অন্যতম অভিযুক্ত শিবপ্রসাদ হাজরা ও উত্তম সর্দারের বিরুদ্ধে একাধিক ভয়ঙ্কর অভিযোগ সামনে এসেছে। শেখ শাহজাহানের এই দুই শাগরেদের গ্রেফতারির দাবিতে লাঠিসোঁটা ঝাঁটা দিয়ে রাস্তায় প্রতিবাদ দেখান কয়েকশো মহিলা। সন্দেশখালি থানায় ঘেরাও করেন। পরদিন রাতেই গ্রেফতার করা হয়েছিল স্থানীয় তৃণমূল নেতা উত্তম সর্দারকে। পরে জামিনে মুক্ত হলে ফের গ্রেফতার করা হয়। এসবের মধ্যেই নির্যাতিতাদের গোপন জবানবন্দি নিয়েছিল পুলিশ। তার ভিত্তিতেই সন্দেশখালির ২০ নম্বর মামলায় শিবপ্রসাদ হাজরা ও উত্তর সর্দারের বিরুদ্ধে গণধর্ষণের মামলা রুজু করেছে পুলিশ। সঙ্গে যোগ করা হয়েছে খুনের চেষ্টার ধারাও। সন্ধ্যায় বসিরহাট পুলিশ জেলার এসপি জেবি থমাস এই তথ্য জানিয়েছেন।এদিন পুলিশ সুপার বলেছেন, সন্দেশখালির পরিস্থিতি আপাতত শান্ত। কেউ শান্তিভঙ্গ করলে তার বা তাদের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ করা হবে। পুলিশ কিছু লুকনোর চেষ্টা করছে না। নির্যাতিতাদের গোপন জবানবন্দির প্রেক্ষিতে সন্দেশখালির ২০ নম্বর মামলায় গণধর্ষণের মামলা রুজু করা হয়েছে।বসিরহাট মহকুমা আদালতের সরকারি আইনজীবী অরুণ পালের দাবি, সন্দেশখালির এক নির্যাতিতা অভিযোগ করে বলেছেন যে দুই তৃণমূল নেতা শিবু হাজরা ও উত্তম সর্দার তাঁকে গণধর্ষণ ও খুনের চেষ্টা করেছেন। ইতিমধ্যে তাঁর গোপন জবানবন্দি বসিরহাট মহকুমা আদালতে নেওয়া হয়। সেই জবানবন্দির প্রেক্ষিতেই পুলিশের পক্ষ থেকে গণধর্ষণ এবং খুনের চেষ্টা-এই নতুন দুটি ধারা যুক্ত করার জন্য আদালতে আবেদন জানানো হয়েছে।এরপরও নির্যাতিতাদের দাবি, শুধু গণধর্ষণের মামলা রুজু করলেই চলবে না। শিবু ও উত্তমকে গ্রেফতার করতে হবে। না হলে এলাকায় শান্তি ফিরবে না। সুবিচার হবে না।এদিকে, সন্দেশখালি বিতর্কের মধ্যেই মাত্র ১৭ দিনের মাথায় দক্ষিণবঙ্গের এডিজি পদ থেকে সরানো হল সিদ্ধনাথ গুপ্তকে। ওই জায়গায় আইপিএস সুপ্রতিম সরকারকে নিয়োগ করল রাজ্য সরকার। সন্দেশখালি এলাকা বারাসত ডিআইজির নিয়ন্ত্রণাধীন। সেই বারাসত ডিআইজি পদে থাকা সুমিত কুমারকে সরিয়ে আনা হচ্ছে আইপিএস ভাস্কর মুখোপাধ্যায়কে।শুরু থেকেই সন্দেশখালি কাণ্ডে কাঠগড়ায় পুলিশের ভূমিকা। অস্বস্তিতে রাজ্য প্রশাসন। ড্যামেজ কন্ট্রোলে তাই তড়িঘড়ি দক্ষিণবঙ্গের এডিজি পদে আদলবদল করা হল বলে মনে করা হচ্ছে।

ফেব্রুয়ারি ১৮, ২০২৪
রাজ্য

শেষমেশ সাসপেন্ড সন্দেশখালির তৃণমূল নেতা উত্তম সরদার গ্রেফতার, ধৃত স্থানীয় বিজেপি নেতাও

সন্দেশখালির তৃণমূল নেতা উত্তম সরদারের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ করল তৃণমূল কংগ্রেস। তারপর এদিন রাতেই এই তৃণমূল কংগ্রেস নেতাকে গ্রেফতার করে পুলিশ। আগামিকাল তাকে বসিরহাট মহকুমা আদালতে পেশ করা হবে। শনিবার সন্দেশখালি তৃণমূলের অঞ্চল সভাপতি তথা উত্তর ২৪ পরগনা জেলা পরিষদের সদস্য উত্তম সরদারকে ৬ বছরের জন্য দল থেকে সাসপেন্ড করার ঘোষণা করলেন রাজ্যের মন্ত্রী তথা তৃণমূল নেতা পার্থ ভৌমিক। দলের অভ্যন্তরীণ তদন্ত রিপোর্ট এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশেই এই পদক্ষেপ করা হয়েছে বলে তিনি জানিয়েছেন।শনিবার কলকাতার রেড রোডে তৃণমূলের ধরনা মঞ্চ থেকে পার্থ ভৌমিক বলেন, আমাদের দলীয় রিপোর্ট অনুসারে দল ব্যবস্থা নিয়েছে। কেন শেখ শাহজাহানের বিরুদ্ধে এখনও ব্যবস্থা নিচ্ছে না দল?, এপ্রসঙ্গে পার্থ ভৌমিক বলেন, এখানে শাহজাহান আলোচ্চ বিষয় নয়। যাঁকে নিয়ে কেউ কিছু বলেনি খামোকা তাঁকে নিয়ে আলোচনা করব কেন?এদিকে, উত্তম সরদারকে সাসপেন্ড ইস্যুতে মুখ খুলেছে বিরোধীরা। সংবাদমাধ্যমে বিজেপি নেতা শমীক ভট্টাচার্য বলেন, এটা লোকদেখানো ব্যাপার। ওরা আদিবাসীদের জমি কেড়ে নিয়েছে। রোহিঙ্গাদের ঢুকিয়ে অত্যাচার করেছে। তৃণমূল কী এতদিন জানত না? ওরা তো দুষ্কৃতী। ওদের আবার সাসপেন্ড কীসের?সিপিএম নেতা সুজন চক্রবর্তী বলেন, এটা সম্পূর্ণ লোকদেখানো সাসপেনশন। শেখ শাহাজাহানের গ্রেফতারের কী হল? উত্তম সরদার, শিবু হাজরারা টাকা তুলে শাহজাহানেক দিত। শাহজাহান দিত জ্যোতিপ্রিয়কে। জ্যোতিপ্রিয় সেই টাকা পাঠাত কালীঘাটে।এদিকে, সন্দেশখালিতে বুধবার থেকে প্রতিবাদে সোচ্চার হয়েছেন গ্রামবাসীরা। শাহজাহান ঘনিষ্ঠ উত্তম সরদার, শিবু হাজরার একাধিক সম্পত্তিতে ভাঙচুর-আগুন লাগানো চলছে অহরহ। আইনের শাসন হাতের বাইরে চলে যাচ্ছে দেখে নড়েচড়ে বসেছে নবান্ন। শুক্রবার রাত ৯.৩০ থেকে সন্দেশখালি ২ নং ব্লকের ৮টি পঞ্চায়েত এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে। সন্দেশখালির প্রতিটি দ্বীপে কড়া নিরাপত্তার বন্দোবস্ত করা হয়েছে।

ফেব্রুয়ারি ১০, ২০২৪
রাজ্য

সিজিও কমপ্লেক্সে ভুয়ো ইডি আধিকারিককে দড়ি বেঁধে হাজির উত্তেজিত জনতা, কেন এমন ঘটলো?

এবার মিলল ভুয়ো এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের আধিকারিক। এদিন দুপুরে হাত বাধা ও গলায় ইডির ভুয়ো আই কার্ড ঝোলানো অবস্থায় এক ব্যক্তিকে সল্টলেকের সিজিও কমপ্লেক্সে নিয়ে আসে বেশ কিছু উত্তেজিত মানুষ। তাঁদের অভিযোগ, নিজেকে ইডি অফিসার পরিচয় দিয়ে ওই ব্যক্তি তাঁদের পরিবারের মেয়ের সঙ্গে বিয়ে করার ফন্দি আঁটে। এমনকি অভিযুক্ত ব্যক্তি ওই পরিবারের থেকে টাকা নিয়েছে বলে দাবি অভিযোগকারীদের। ইডি অফিসের সামনেই অভিযুক্তকে বেধারক মারধরও চলে। প্রদীপ সাহা, সোনারপুরের বাসিন্দা। অভিযোগ বিরাটির বাসিন্দা একটি মেয়ের সাথে তাঁর সোশ্যাল মিডিয়াতে যোগাযোগ হয়। এরপর তাঁদের মধ্যে পরিচিতি বাড়ে এবং অভিযুক্ত প্রদীপ সাহা নিজেকে ইডি অফিসার পরিচয় দিয়ে মেয়েটিকে বিয়ে করতে চায়। এমনকি মেয়েটির সাথে বিয়ের কার্ড পর্যন্ত ছাপা হয়ে গেছে। এরপর মেয়েটির পরিবারের লোকেদের সন্দেহ হওয়ায় তারা ইডি দপ্তরে এসে প্রদীপ সাহার সম্বন্ধে খোঁজ নিলে জানতে পার, ওই নামে কেউ ইডি অফিসে কাজ করে না। এরপরই মঙ্গলবার প্রদীপ সাহাকে বেঁধে নিয়ে তারা উপস্থিত হয় ইডির অফিসে। ইডি অফিসের বাইরে অভিযুক্ত প্রদীপ সাহাকে মারধর করতে থাকে তারা। পরিস্থিতি উত্তেজিত হয়ে উঠছে বুঝতে পেরে রক্তাক্ত অবস্থায় অভিযুক্তকে গাড়িতে করে ইডি অফিসের সামনে থেকে নিয়ে যায় অভিযোগকারী পরিবার। ওই যুবক নিজে কিছু বলেনি বলে জানায়। গলায় ঝোলানো ইডির পরিচয় পত্র অভিযোগকারী পরিবারের লোকজন ঝুলিয়ে দিয়েছে বলে অভিযুক্তের দাবি।

জানুয়ারি ৩০, ২০২৪
রাজ্য

বিরল প্রজাতির পাঁচটি কচ্ছপ সহ দুই মহিলা পাচারকারী আটক

বিরল প্রজাতির পাঁচটি কচ্ছপ সহ দুই মহিলা পাচারকারীকে গ্রেফতার করল মালদা টাউন রেল পুলিশ। বিহারের সাহেবগঞ্জ থেকেই ওই কচ্ছপগুলি বস্তাবন্দী করে মালদার অথবা দক্ষিণ দিনাজপুরের সীমান্তের ওপারে পাচার করার পরিকল্পনা ছিল মহিলা পাচারকারীদের বলে প্রাথমিক তদন্তে জানতে পেরেছে রেল পুলিশ। উদ্ধার হওয়া কচ্ছপগুলি পূর্ণবয়স্ক এবং একেকটির ওজন প্রায় ১৫ থেকে ২০ কেজি। ফলে এই ধরনের পূর্ণবয়স্ক কচ্ছপের তেল, চর্বি, হড় বিভিন্ন মাদক তৈরির অথবা উত্তেজক পদার্থ তৈরীর ক্ষেত্রে প্রয়োজন হয়ে যায় থাকে বলেও জানিয়েছে রেল পুলিশের একাংশ কর্তারা। যদিও টাকার বিনিময়ে ওই দুই মহিলা ক্যারিয়ার হিসেবেই কচ্ছপগুলিকে পাচার করার পরিকল্পনা নিয়েছিল বলে জানিয়েছে পুলিশ। ধৃতদের সোমবার মালদা আদালতে পেশ করেছে পুলিশ।রেল পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ধৃত দুই মধ্য বয়স্ক মহিলার নাম মিনাদেবী এবং লাখোদেবী। এদের বাড়ি বিহারের ভাগলপুরে। ধৃতরা সম্পর্কে দুই বোন। বিহারের সাহেবগঞ্জ থেকে ওই পাঁচটি কচ্ছপকে বস্তাবন্দী অবস্থায় দিল্লি - মালদা ফারাক্কা গ্রামী এক্সপ্রেস ট্রেনে করেই পাচার করা হচ্ছিল। কিন্তু তার আগেই গোপন সূত্রে খবর পেয়ে যায় মালদা টাউন স্টেশনে আরপিএফের কর্তব্যরত অফিসারেরা। এরপরই এদিন দুপুরে ট্রেনটি মালদায় ঢুকতেই একটি কামরা থেকে ওই দুই মহিলাকে বস্তাবন্দী কচ্ছপ সহ হাতে হাতে ধরে ফেলে।রেল পুলিশের প্রাথমিক জেরাই ওই দুই মহিলা পাচারকারী জানিয়েছেন , টাকার বিনিময়ে তারা এই কচ্ছপগুলি পাচার করছিল। মালদা থেকে দক্ষিণ দিনাজপুরের সীমান্ত এলাকায় তাদের যাওয়ার কথা ছিল । সেখানেই এই কচ্ছপগুলি হস্তান্তর করে দেওয়া হতো।পুলিশ জানিয়েছে , এই কচ্ছপ পাচারের ঘটনায় একটা বড় চক্র কাজ করছে। ওই দুই মহিলা পাচারকারীকে জিজ্ঞাসাবাদ করলেই অনেক রহস্য বেরিয়ে আসতে পারে। এর আগেও মালদা টাউন স্টেশনে বিভিন্ন ট্রেন থেকে বেআইনিভাবে কচ্ছপ পাচারের ঘটনা রুখে দেয় জিআরপি এবং আরপিএফ। এদিনের এই কচ্ছপ পাচারের ঘটনাটি নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। বনদপ্তর জানিয়েছে, আরপিএফের পক্ষ থেকে উদ্ধার হওয়া পাঁচটি কচ্ছপ জেলা বনদপ্তর হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। সেই কচ্ছপগুলিকে আদিনা ডিয়ার ফরেস্টের জলাশয়ে ছেড়ে দেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে।

ডিসেম্বর ১৮, ২০২৩
রাজনীতি

নতুন বছরে সিবিআইয়ের নেমত্তন্ন কে পাবেন? দিলীপ ঘোষের মন্তব্যে ক্ষিপ্ত তৃণমূল

এবার দিলীপ ঘোষের নিশানায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তৃণমূলের একাধিক নেতা-মন্ত্রী দুর্নীতির অভিযোগে জেলবন্দি। এবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যেপাধ্যায়কেও কেন্দ্রীয় সংস্থার তলব করা উচিত বলে মনে করেন মেদিনীপুরের বিজেপি সাংসদ। তিনি বলেন, দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী ইডির ডাক পেয়েছেন। আমাদের দিদি কেন ডাক পাবেন না? দিলীপ ঘোষের এই মন্তব্যে বিরাট আশঙ্কা প্রকাশ করেছে তৃণমূলের।নেতা-মন্ত্রী, বিধায়করা গিয়েছেন। দিল্লিতে দুজন মন্ত্রী গিয়েছেন। দিল্লির মুখ্যমন্ত্রীও ডাক পেয়েছেন। আমাদের দিদি কেন ডাক পাবেন না। তাঁর এত গুণধর ভাই-বোন, বাড়ির লোক সবাই যদি ডাক পানআসল জায়গাটা তো ওটাই। উনি কেন ডাক পাবেন না? এখন ডেকে সিবিআই চা খাওয়াক। কেমন চা দেখে আসুক।তিনি আরও বলেন, আমার মনে হয় নতুন বছরে সেই সুযোগ আসবে। সিবিআইয়ের নেমত্তন্ন পাবেন দিদি। কেউ যেন বাইরে না থাকে। পার্থ-বালু বলছেন সব দিদি জানেন। ভাইরা দিদিকে ভালো করে জানেন। নতুন বছরের আগে আরও কিছু লোককে জেলের ভাত খেতে হবে।এদিকে, দিলীপ ঘোষের এহেন মন্তব্যে ক্ষুব্ধ তৃণমূল। দলের নেতা জয়প্রকাশ মজুমদার এবিষয়ে সংবাদমাধ্যমে বলেন, বিজেপির বিভিন্ন নেতারা কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা কী করবে তার আগাম পূর্বাভাস দিচ্ছেন। শুভেন্দু অধিকারী আগেই বলে দিচ্ছেন কার বাড়িতে কখন ইডি, সিবিআই, ইনকাম ট্যাক্স যাবে। অনেক ক্ষেত্রে সেই পূর্বাভাস মিলেও যাচ্ছে। দিলীপবাবু বলছেন ইডির চিঠি পাবেন দিদি। এতে প্রমাণিত হচ্ছে যে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডি, সিবিআইকে দলীয় সংগঠনে পরিণত করেছে বিজেপি।

নভেম্বর ২৬, ২০২৩
রাজ্য

জয়নগরের তৃণমূল নেতা খুন, নদিয়া থেকে গ্রেফতার সিপিএম নেতা, পুলিশের জালে আরও ৪

জয়নগরের তৃণমূল নেতা সইফুদ্দিন লস্করকে খুনের অভিযোগে নদিয়া গ্রেফতার করা হল সিপিএম নেতা আনিসুর রহমান লস্করকে। গাড়ি করে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টায় ছিলেন আনিসুর। শেষপর্যন্ত মোবাইল ট্র্যাক করে ঘটনার ৩ দিন পরে অভিযুক্তদের ধরে ফেলে পুলিশ। এছাড়া আরও চারজনকে আটক করা হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে খবর। তবে তাঁদের নাম, পরিচয় এখনও প্রকাশ করা হয়নি।সইফুদ্দিন লস্করকে খুনে সিপিএম নেতা আনিসুর রহমানই মূল চক্রী বলে মনে করছে পুলিশ। নিহত তৃণমূল নেতার পরিবারের পক্ষ থেকে এফআইআর দায়ের করা হয়েছিল, সেখানে নাম ছিল এলাকায় সিপিএম নেতা বলে পরিচিত আনিসুরের।পুলিশ সূত্রে খবর, সইফুদ্দিন খুনের পর থেকেই পলাতক ছিলেন সিপিএম নেতা আনিসুর। বন্ধ ছিল তাঁর মোবাইলও। সইফুদ্দিন খুনে জড়িত সন্দেহে গত মঙ্গলবার ভোরে গণপিটুনিতে প্রাণ যায় সাহাবুদ্দিন নামে এক ব্যক্তির। গ্রেফতার করা হয় শাহরুল শেখ নামে আরেক অভিযুক্তকে। তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদের পর আটকও করা হয় বেশ কয়েকজনকে। তাদের জেরা করেই সইফুদ্দিন খুনে আনিসুর যোগের কথা জানতে পারে পুলিশ।তদন্তের স্বার্থে পুলিশ দলুয়াখাঁকির আনিসুর রহমান লস্করের খোঁজ শুরু করে। বাড়ি সহ সম্ভাব্য জায়গায় তল্লাশি চালালেও অনুসুরের খো্জ মেলেনি। তার আগেই পালিয়ে যান আনিসুর। ফলে অভিযুক্তের মোবাইল ফোন ট্র্যাক করা শুরু করে পুলিশ। সেই মত নানা জায়গায় হানা দিলেও কোঁজ পাওয়া যায়নি। শেষপর্ষন্ত নদিয়ার রানাঘাটে আনিসুরের মোবাইল ফোনের লোকেশন দেখে সেখানে যায়। ওখান থেকেই অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে পুলিশ।তবে আনিসুরকে দলের নেতা বলে মানতে অস্বীকার করেছেন সিপিএমের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য সুজন চক্রবর্তী। তিনি বলেন, আনিসুরের সঙ্গে দলের কোনও যোগ নেই। সে আমাদের সমর্থক হতে পারে। আসলে পুলিশ তৃণমূলের নেতা খুনে যে কোনও উপায়ে বিরোধী সিপিএমকে জড়াতে মরিয়া। তাই আততায়ীকে ধরে এখন আমাদের দলের নেতা বলে দেওয়া হচ্ছে। আবার বলা হচ্ছে উনি নাকি কর্মী। আসলে পুরোটাই সাজানো গল্প। তৃণমূলের রাজ্য মুখপাত্র কুণাল ঘোষ বলেছেন, আইন আইনের পথে চলবে। সিপিএম যে ধোয়া তুলসী পাতা নয় এই গ্রেফতারি থেকে তা প্রমাণ হয়ে গেল। আসলে এই সন্ত্রাস, খুনের রাজনীতিই সিপিএমের সংস্কৃতি।ভোরবেলা নামাজ পড়তে মসজিদে যাওয়ার সময় বামনগাছি অঞ্চলের তৃণমূল নেতা সইফুদ্দিন লস্করকে গুলি করে খুন করা হয় মঙ্গলবার ভোরে। সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, মোটরবাইকে আসা দুষ্কৃতীরা তাঁকে খুন করেছে। এই খুনের খবর জানাজানি হতেই দলুয়াখাঁকি, লস্করপাড়ার একাধিক বাড়িতে পরপর আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। অগ্নিগর্ভ হয়ে ওঠে জয়নগরের দলুয়াখাঁকি গ্রাম। গ্রাম ছাড়া হয় বহু পরিবার।

নভেম্বর ১৬, ২০২৩
রাজ্য

বাগুইআটির বৃদ্ধের অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা উধাও, জামতারা গ্যাংয়ের পান্ডা গ্রেফতার কুলটি থেকে

ফের সাইবার প্রতারণায় জামতারা গ্যাং। ব্যাংকের তথ্য হাতিয়ে বৃদ্ধার থেকে লক্ষাধিক টাকার প্রতারণার অভিযোগ। এই ঘটনায় গ্রেফতার কয়লা উৎপাদনকারী সংস্থার এক কর্মী। জানা গিয়েছে, বর্ধমান থেকে গ্রেফতার জামতারা গ্যাংয়ের এক পান্ডা।পুলিশ সূত্রে খবর, বাগুইআটি এলাকার বাসিন্দা ৭৫ বছর বয়সী আনন্দ শঙ্কর দাস বিধাননগর সাইবার ক্রাইম থানায় অভিযোগ করেন যে গত মার্চ মাসে তাঁর কাছে একটি অচেনা নম্বর থেকে ফোন আসে। ফোন করে এক ব্যক্তি একটি বেসরকারি ব্যাংকের কর্মী হিসেবে পরিচয় দেয়। এরপরেই তাঁর অ্যাকাউন্টের কেওয়াইসি করানোর নাম করে তাঁর কাছ থেকে ওটিপি দিতে বলে। তিনি সেই ওটিপি দিলে কিছুক্ষণ পরে তাঁর কাছে এসএমএস আছে যে তার একাউন্ট থেকে ছয় লক্ষ টাকা তুলে নেওয়া হয়েছে।ঘটনার তদন্ত শুরু করে বিধাননগর সাইবার ক্রাইম পুলিশ। পশ্চিম বর্ধমানের কুলটিতে হানা দিয়ে এই ঘটনার মূল অভিযুক্ত রঞ্জন মাঝিকে গ্রেফতার করে। পুলিশ সূত্রে খবর এই অভিযুক্ত পেশায় কয়লা উৎপাদনকারী সংস্থা BCCL এর কর্মী। তবে সে জামতারা গ্যাংয়ের হয়ে কাজ করে বলে অভিযোগ। আজ, বৃহস্পতিবার অভিযুক্তকে বিধাননগর আদালতে তোলা হচ্ছে। পুলিশ অভিযুক্তকে নিজেদের হেফাজতে নেওয়ার আবেদন জানাবে বলে পুলিশ সূত্রে খবর। এই চক্রের সঙ্গে আর কারা জড়িত আছে সে বিষয়ে তদন্ত করে দেখছে বিধাননগর সাইবার ক্রাই ক্রাইম থানার পুলিশ।

নভেম্বর ১৬, ২০২৩
রাজ্য

জ্যোতিপ্রিয়র চিকিৎসা নিয়ে বড় নির্দেশ আদালতের, সিজিওতে হাজির ব্যক্তিগত চিকিৎসক

এর আগে সিবিআই-ইডি ইডি অভিযুক্তদের এসএসকেএম-এ চিকিৎসা নিয়ে বিতর্ক হয়েছিল। আদালতের নির্দেশে ভুবনেশ্বর এইমসে চিকিৎসার জন্য পাঠানো হয়েছিল ধৃত পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে। রেশন দুর্নীতি মামলায় ধৃত রাজ্যের প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী তথা বনমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের চিকিৎসা করা নিয়ে আপত্তি করেছিল আলিপুরের কমান্ড হাসপাতাল। তবে এদিন কড়া নির্দেশ দিয়েছে আদালত। এদিকে জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করতে এদিন ইডি দপ্তরে যান তাঁর ব্যক্তিগত চিকিৎসক ড: সমাজপতি।বৃহস্পতিবার বড় নির্দেশ কলকাতা দিল কলকাতা হাইকোর্ট। ইডির হেফাজতে রয়েছেন জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক। ব্যাঙ্কশাল আদালত চিকিৎসার জন্য তাঁকে আলিপুরের কমান্ড হাসপাতালে নিয়ে যাওযা যেতে পারে বলে নির্দেশে জানিয়েছিল। সেই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিল কমান্ড হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। সেই আবেদনের ভিত্তিতেই এবার কলকাতা হাইকোর্ট স্পষ্ট নির্দেশ শুনিয়েছে। এই মামলার পরবর্তী শুনানি আগামী ৮ নভেম্বর।প্রয়োজনে জ্যেতিপ্রিয় মল্লিককে কমান্ড হাসাপাতালে নিয়ে গিয়ে চিকিৎসা করাতে পারবে ইডি, এদিন এমনই নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট। এর আগে ব্যাঙ্কশাল আদালতও এই একই নির্দেশ দিয়েছিল। তবে আদালতের সেই নির্দেশে আপত্তি জানায় কমান্ড হাসপাতল কর্তৃপক্ষ। রাজ্যের মন্ত্রীর চিকিৎসা তাঁদের হাসপাতালে করানোয় সমস্যার কথা জানিয়ে আদালতের দ্বারস্থও হয়েছিল কমান্ড হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। যদিও হাসপাতালের সেই আবেদন খারিজ করে দেয় নিম্ন আদালত।পরে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েও কমান্ড হাসাপাতালের তরফে জানানো হয়, তাঁদের হাসপাতালে শুধুমাত্র প্রতিরক্ষার সঙ্গে যুক্তদেরই চিকিৎসা করা হয়। এক্ষেত্রে অন্য সাধারণ নাগরিকদের চিকিৎসা সেখানে শুরু হলে হাসপাতালে সমস্যা হতে পারে। যদিও কলকাতা হাইকোর্ট ব্যাঙ্কশাল আদালতের নির্দেশে কোনও বদল আনেনি।বরং কমান্ড হাসপাতালের আবেদনে আপাতত সাড়া দেয়নি হাইকোর্ট। তবে এব্যাপারে ইডিরও মতামত শুনবে উচ্চ আদালত। আগামী ৮ নভেম্বর এই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে। তখনই এব্যাপারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে আদালত। সুতরাং, আপাতত প্রয়োজনে রেশন দুর্নীতিতে ধৃত প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রীকে আলিপুরের কমান্ড হাসাপাতালে নিয়ে গিয়ে চিকিৎসা করাতে পারবে ইডি।রেশন দুর্নীতি বন্টন মামলায় রাজ্যের মন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিককে গ্রেফতার করেছে ই ডি। এর আগে অসুস্থ হয়ে পড়ায় আদালতের নির্দেশে তাঁকে বাইপাসের ধারের একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। এরপর সোমবার রাতে হাসপাতাল থেকে তাকে সিজিও কমপ্লেক্সে নিজেদের হেফাজতে নিয়ে আসে ইডি। আদালতের নির্দেশ মেনেই বুধবার কমান্ড হাসপাতালে তাঁর শারীরিক পরীক্ষা করা হয়। এরপর বৃহস্পতিবার দুপুরে ই ডি দপ্তরে আসেন জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের ব্যক্তিগত ডাক্তার।

নভেম্বর ০৩, ২০২৩
রাজ্য

রেশন বন্টন দুর্নীতি মামলা: জ্যোতিপ্রিয়র মুখ বন্ধ, কালঘাম ছুটছে ইডির গোয়েন্দাদের

মুখে কুলুপ এঁটেছেন রেশন বন্টন দুর্নীতি মামলায় ধৃত রাজ্যের বনমন্ত্রী তথা প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক। একইসঙ্গে গোলমাল বেধেছে বালু ডাক নাম নিয়ে। সূত্রের খবর, ইডি আধিকারিকদের কোনও প্রশ্নেরই জবাব দিচ্ছেন না জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক। মন্ত্রীর প্রাক্তন আপ্তসহায়ক অভিজিৎ দাসের ডায়েরির বালু নাম লেখার কথা বললেও নো রেসপন্স মন্ত্রীর।বাইপাসের ধারের বেসরকারি হাসপাতাল ছেড়ে দিতেই কাল রাতেই সিজি কমপ্লেক্সে রেশন বন্টন দুর্নীতির মামলায় গ্রেফতার মন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিককে নিয়ে আসে ইডি। সেখানে ৭ তলার ইডির নিজস্ব লক-আপ আছে। সেখানেই রাত কাটে মন্ত্রীর। জানা গিয়েছে, তাঁর শারীরিক অবস্থার কথা ভেবে এদিন মন্ত্রীর দুপুরের আহার ছিল সম্পূর্ণ নিরামিষ। মেনু তালিকায় ছিল অল্প ভাত, ডাল, দুটো ছোট ছোট রুটি, পাঁচমিশালী নিরামিষ সবজি।সূত্রের খবরর, জেরার সময় ছাড়া দিনের বেশির ভাগ সময় অন্য একটি ঘরে ছিলেন মমতা সরকারের অন্যতম অভিজ্ঞ মন্ত্রী। সারা দিনে একবার তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। প্রশ্নের কোন উত্তর দিতে চাইছেন না জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক। কেন্দ্রীয় তদন্তকারীরা একের পর এক প্রশ্ন করলেও বালুববু যেন কিছুই শুনতে পাচ্ছেন না। প্রথম দিনের জিজ্ঞাসাবাদ পর্ব মন্ত্রীর দিকে থেকে নীরবেই কাটে। এদিন ফের তলব করা হয়েছিল জ্যোতিপ্রিয়র প্রাক্তন আপ্তসহায়ক হাওড়ার বাসিন্দা অভিজিৎ দাসকে। এর আগে একযোগে তল্লাশির দিন তাঁর বাড়িতেও গিয়েছিল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের আধিকারিকরা। অভিজিতের কাছ থেকেই উদ্ধার হয়েছে মেরুন ডায়েরি। জানা গিয়েছে, ওই ডায়েরির লেনদেনের হিসাবে বালুদার নাম উল্লেখ রয়েছে। প্রশ্ন উঠেছে এই বালু নাম নিয়েই। জ্যোতিপ্রিয়র প্রথম দফার মন্ত্রিত্বের সময় আপ্তসহায়ক ছিলেন অভিজিৎ। সূত্রের খবর, এই বালু কে? তা নিয়েও কোনও উত্তর দেননি মন্ত্রী। এদিনও দীর্ঘ জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে অভিজিতকে। এই মামলায় মন্রীর প্রাক্তন আপ্তসহায়ক অভিজিৎ দাস ও বর্তমানে দায়িত্বে থাকা নাগেরবাজারের বাসিন্দা অমিত দে তদন্তকারীদের কাছে তরুপের তাস।

অক্টোবর ৩১, ২০২৩
রাজ্য

রেশন বন্টন দুর্নীতি: জ্যোতিপ্রিয়র দুই আপ্তসহায়ককে টানা জিজ্ঞাসাবাদ ইডির

প্রাক্তন খাদ্য মন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিককে কাবু করতে ইডির হাতে অস্ত্র মন্ত্রীরই দুই আপ্ত সহায়ক। প্রাক্তন আপ্তসহায়ক অভিজিৎ দাস ও বর্তমান অমিত দে, এই দুজন মন্ত্রী ঘনিষ্ঠকে লাগাতার জিজ্ঞাসাবাদ করে দুর্নীতির আঁতুরঘরে পৌঁছাতে চাইছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। ইতিমধ্যে অভিজিতের বাড়ি থেকে ডায়রি উদ্বার করেছে ইডি। এই ডায়েরিতে লেনদেনের যাবতীয় তথ্য রয়েছে বলে সূত্রের খবর। পাশাপাশি অমিত দের মোবাইল থেকে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য রয়েছে বলে সূত্রের খবর। শুক্রবার ভোর রাতে সল্টলেকের বাড়ি থেকে রেশন বন্টন দুর্নীতি মামলায় গ্রেফতার করা প্রাক্তন খাদ্য মন্ত্রী ও বনমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিককে। বৃহস্পতিবার একইসঙ্গে ইডি হানা দেয় অভিজিৎ দাস ও অমিত দের বাড়িতে। বর্তমান আপ্তসহায়ক অমিত দে ওডিষার ভূবনেশ্বর থেকে তড়িঘড়ি উড়ানে কলকাতায় ফিরে আসেন। তারপর নাগেরবাজারে তাঁর বাড়িতে তল্লাশি শুরু করে ইডির তদন্তকারীরা। পাশাপাশি অভিজিৎ দাসের হাওড়ার বাড়িতে হানা দেয় ইডি।সারদার মতো এখানেও ডায়েরির গল্প আছে। এখানেও রয়েছে রহস্য। এই হিসাবের ডায়েরি মিলেছে অভিজিৎ দাসের কাছ থেকে। ২০১১ থেকে ২০১৭ পর্যন্ত জ্যোতিপ্রিয়র আপ্ত সহায়ক ছিলেন তিনি। শনিবার সকাল সাড়ে ১১টা নাগাদ সিজিও কমপ্লেক্সে ইডি দফতরে যান তিনি। তাঁকে প্রথমে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। সন্ধ্যা সাড়ে ৬ টা নাগাদ বেরিয়ে যান অভিজিৎ। এখানে তার আগে সকাল ১০টা নাগাদ আসেন মন্ত্রীর বর্তমান আপ্তসহায়ক অমিত দে। অমিতের ফোন এখন ইডির হেফাজতে। ফোনে থাকা যাবতীয় নথি খতিয়ে দেখছে ইডি। এদিকে জ্যোতিপ্রিয়র ১৬ কোটি টাকার সম্পত্তির কথা আদালতে উল্লেখ করেছে ইডি। বাড়ি, বেআইনি সংস্থা তৈরি করে টাকা সরানোর কাজ হয়েছিল বলে সূত্রের খবর।

অক্টোবর ২৮, ২০২৩
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • 10
  • 11
  • ...
  • 22
  • 23
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

বিরাটির পর দত্তপুকুরে রাতভর তাণ্ডব! একে একে পাঁচ সিপিএম অফিসে ভাঙচুর-আগুন, উঠল বিজেপির নাম

শুক্রবার সন্ধ্যায় বিরাটিতে সিপিএমের সভা ঘিরে উত্তেজনার রেশ কাটতে না কাটতেই রাতের দিকে দত্তপুকুরে একের পর এক সিপিএমের পার্টি অফিসে ভাঙচুরের অভিযোগ উঠল। বামেদের দাবি, দত্তপুকুরে মোট পাঁচটি দলীয় কার্যালয়ে হামলা চালানো হয়েছে। কয়েকটি অফিসে আগুনও ধরিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ। ঘটনায় উত্তর ২৪ পরগনার বিস্তীর্ণ এলাকায় নতুন করে রাজনৈতিক উত্তেজনা তৈরি হয়েছে।সিপিএমের অভিযোগ, শুক্রবার রাতের অন্ধকারে দুষ্কৃতীরা রড ও হাতুড়ি নিয়ে একাধিক দলীয় কার্যালয়ে ঢুকে ভাঙচুর চালায়। অফিসের আসবাবপত্র নষ্ট করা হয়। দেওয়ালে থাকা বাম নেতাদের ছবিও ভেঙে ফেলা হয়েছে বলে দাবি দলের। দত্তপুকুরের দুনম্বর রেলগেট, গঙ্গাপুর মোড় এবং দত্তপুকুর স্টেশনের কাছে-সহ একাধিক এলাকায় এই হামলার অভিযোগ সামনে এসেছে। একটি কার্যালয়ে কাগজপত্র বের করে তাতে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয় বলেও অভিযোগ।এই হামলার পিছনে সরাসরি বিজেপির হাত রয়েছে বলে অভিযোগ করেছে সিপিএম। দলের জেলা সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য আহমেদ আলি খান দাবি করেছেন, রাতের অন্ধকারে বিজেপিই এই হামলা চালিয়েছে। শুক্রবার বারাসত এক নম্বর বিডিও দফতরে অন্নপূর্ণা যোজনা নিয়ে সিপিএমের বিক্ষোভ কর্মসূচি ছিল। সেই কর্মসূচির পরেই পার্টি অফিসগুলিতে হামলার ঘটনা ঘটায় দুই ঘটনার মধ্যে কোনও যোগ রয়েছে কি না, তা নিয়েও দলের মধ্যে আলোচনা শুরু হয়েছে। ঘটনায় পুলিশে লিখিত অভিযোগ করা হয়েছে।তবে সিপিএমের অভিযোগ সরাসরি অস্বীকার করেছে বিজেপি। বিজেপি নেতা অরিন্দম দে জানিয়েছেন, এই ঘটনার সঙ্গে তাঁদের দলের কোনও যোগ নেই। রাজনৈতিক উদ্দেশ্যেই বিজেপির নাম জড়ানো হচ্ছে বলে দাবি করেছেন তিনি। ফলে দত্তপুকুরের ঘটনা নিয়ে দুই দলের মধ্যে শুরু হয়েছে পাল্টা অভিযোগ ও রাজনৈতিক চাপানউতোর।এর আগেই শুক্রবার সন্ধ্যায় বিরাটির বণিক মোড়ে সিপিএমের একটি পথসভা ঘিরে উত্তেজনা ছড়ায়। সভামঞ্চে ভাঙচুর, চেয়ার ভাঙা এবং ব্যানার নষ্ট করার অভিযোগ ওঠে। বামেদের দাবি, সভায় হামলার পাশাপাশি তাঁদের কর্মীদের লক্ষ্য করে ইট ছোড়া হয়। সভায় সিপিএম নেতা সুজন চক্রবর্তীর বক্তৃতা দেওয়ার কথা ছিল।বিরাটির ঘটনার ক্ষেত্রেও সিপিএম বিজেপির বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছে। দলের বক্তব্য, পুলিশের উপস্থিতিতেই সভামঞ্চে হামলা হয়েছে এবং পুলিশ হামলাকারীদের আটকাতে কার্যকর পদক্ষেপ করেনি। সুজন চক্রবর্তী পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে দ্রুত প্রতিবাদ কর্মসূচির হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। বিজেপির তরফে অবশ্য অভিযোগ অস্বীকার করা হয়েছে। উত্তর দমদমের বিজেপি বিধায়ক সৌরভ শিকদারের দাবি, সভায় স্থানীয়রা কিছু স্লোগানের প্রতিবাদ করেছিলেন এবং উল্টে তাঁদের দলের মহিলা কর্মীরা আক্রান্ত হয়েছেন।একই রাতে হাবড়াতেও বাম ছাত্র সংগঠনের কর্মসূচি ঘিরে উত্তেজনার অভিযোগ ওঠে। হাবড়া এক নম্বর রেলগেটের কাছে এসএফআইয়ের পথসভায় বাধা দেওয়াকে কেন্দ্র করে ধস্তাধস্তির অভিযোগ করেছে সংগঠনটি। বিজেপির বিরুদ্ধে কর্মীদের মারধরের অভিযোগ উঠলেও তা অস্বীকার করেছে বিজেপি। এই ঘটনায় হাবড়া থানায় অভিযোগ দায়ের হয়েছে।বিরাটি, হাবড়া এবং দত্তপুকুরের পরপর ঘটনাকে ঘিরে উত্তর ২৪ পরগনায় রাজনৈতিক উত্তেজনা বেড়েছে। দত্তপুকুরের ঘটনায় ইতিমধ্যেই এসএফআই নেতা আকাশ করকে গ্রেফতার করার কথা জানিয়েছে পুলিশ-সূত্রে প্রকাশিত প্রতিবেদন। তবে সিপিএম যে বিজেপির বিরুদ্ধে হামলার মূল অভিযোগ তুলেছে, সেই অভিযোগের সঙ্গে ওই গ্রেফতারের যোগসূত্র বা হামলার নেপথ্যে কারা ছিল, তা নিয়ে তদন্ত এখনও চলছে।

অক্টোবর ০৩, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

ব্রাজিলের কাছে ৪-০ হার, তবু যুবভারতীতে লড়াইয়ের গল্প লিখল ভারত

যুবভারতীতে ফলাফলটা ভারতের পক্ষে নয়। স্কোরবোর্ডে ৪-০। কিন্তু বিশ্ব ফুটবলের অন্যতম শক্তিশালী দলের বিরুদ্ধে শনিবার যে লড়াই উপহার দিল ভারত, তা নিছক চার গোলের হারের গল্প নয়। গুরপ্রীত সিংহ সান্ধুর দুটি বড় ভুলে প্রথমার্ধেই ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ হারাল ভারত। তবে রায়ান উইলিয়ামস, মনবীর সিংহ, অভিষেক সিংহদের লড়াকু ফুটবল প্রায় ৫০ হাজার দর্শকের মন জিতে নিল।ম্যাচের আগে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু ছিল একটাই প্রশ্নব্রাজিলের মতো দলের বিরুদ্ধে ভারত কত গোল হজম করবে? মাঠে সেই আশঙ্কার ছাপ অবশ্য শুরুতে খুব একটা দেখা যায়নি। বরং প্রথমার্ধের একটা বড় সময় ভারত রক্ষণ সামলে সুযোগ পেলেই পাল্টা আক্রমণে উঠে এসেছে। ব্রাজিলের তারকা সমৃদ্ধ আক্রমণভাগকে বেশ কিছুটা সময় আটকে রাখতে সক্ষম হয়েছিল ভারতীয় রক্ষণ।কিন্তু বড় দলের বিরুদ্ধে সামান্য ভুলের মূল্য যে কতটা চড়া হতে পারে, যুবভারতী তারই সাক্ষী থাকল।গুরপ্রীতের দুই ভুলেই পিছিয়ে পড়ল ভারতশুরুতেই ভিনিসিয়াসের শট আটকে গুরপ্রীতকে আত্মবিশ্বাসী মনে হয়েছিল। গ্যালারি থেকেও এসেছিল প্রশংসার আওয়াজ। কিন্তু সেই আত্মবিশ্বাস বেশিক্ষণ স্থায়ী হল না।২৮ মিনিটে বক্সের ডান দিক থেকে এস্তেভাওর নেওয়া শট ছিল গুরপ্রীতের নাগালের মধ্যেই। বলের গতি বেশি থাকলেও সেটি সামলানোর যথেষ্ট সুযোগ ছিল ভারতীয় গোলরক্ষকের। কিন্তু তাঁর হাতের নীচ দিয়ে বল গড়িয়ে জালে ঢুকে যায়। ব্রাজিল এগিয়ে যায় ১-০।প্রথম গোলের ধাক্কা সামলে ভারত ম্যাচে ফেরার চেষ্টা করছিল। কিন্তু বিরতির ঠিক আগে ফের বিপর্যয়। ৪২ মিনিটে এস্তেভাওর তৈরি করা সুযোগ থেকে পেদ্রোর শট আটকাতে গিয়ে গুরপ্রীতের ডান হাতের গ্লাভসে বল লেগে দিক বদলে জালে জড়িয়ে যায়।মাত্র কয়েক মিনিটের ব্যবধানে দুই গোল। অথচ প্রথমার্ধে ভারত যে ভাবে রক্ষণ সামলাচ্ছিল, তাতে গোলশূন্য অবস্থায় বিরতিতে যাওয়ার সম্ভাবনাই বেশি ছিল।এরপর আরও একটি বিপজ্জনক মুহূর্ত তৈরি হয়েছিল। ভিনিসিয়াসের শট গুরপ্রীতের গায়ে লেগে গোলের দিকে যাচ্ছিল। পিছন থেকে দানিলো ছুটে আসছিলেন। শেষ পর্যন্ত ভারতীয় রক্ষণ কোনও রকমে পরিস্থিতি সামলে নেয়।ব্রাজিলের তারকাদের আটকে রাখল ভারতব্রাজিল যে ভারতকে হালকা ভাবে নেয়নি, প্রথম একাদশেই তার প্রমাণ ছিল। ভিনিসিয়াস, মার্কুইনহোসদের সঙ্গে বিশ্বকাপের অভিজ্ঞতা থাকা ফুটবলাররাও ছিলেন দলে।তবু ম্যাচের শুরুতে ব্রাজিলের আক্রমণকে অপ্রতিরোধ্য মনে হয়নি। ভিনিসিয়াস বাঁ দিক দিয়ে বারবার আক্রমণ তৈরির চেষ্টা করলেও তাঁকে বেশির ভাগ সময় নজরে রেখেছিলেন অভিষেক সিংহ। ব্রাজিলীয় তারকা কয়েক বার ড্রিবল করে বেরিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলেও অভিষেক পিছনে ছুটে গিয়ে পরিস্থিতি সামাল দিয়েছেন।শুধু রক্ষণ নয়, সুযোগ পেলেই ভারতীয় ফুটবলাররা পাল্টা আক্রমণে উঠেছেন। রায়ান উইলিয়ামস ও মনবীর সিংহের গতির উপর ভর করে ব্রাজিলের বক্সে ঢোকার চেষ্টাও হয়েছে একাধিক বার।বিরতির পর বদলে গেল ব্রাজিলদ্বিতীয়ার্ধে একাধিক পরিবর্তন আনেন ব্রাজিলের কোচ কার্লো আনচেলোত্তি। মাঠে আসেন গিমারায়েস, ডগলাস লুইজ়, স্যামুয়েল লিনোর মতো ফুটবলাররা। পরিবর্তিত দল নিয়েও ব্রাজিলের আক্রমণের ধার কমেনি।৫৮ মিনিটে বিজয়ের পা থেকে বল কেড়ে নেয় ব্রাজিল। দূর থেকে শক্তিশালী শটে গোল করেন স্যামুয়েল লিনো। ভারত তখন ৩-০ পিছিয়ে।তবে এই সময়েও ভারত লড়াই থেকে সরে যায়নি। ৬৪ মিনিটে রায়ান উইলিয়ামস ব্রাজিলের বক্সে ঢুকে পড়ে গোলের সুযোগ তৈরি করেন। তাঁর শট আটকে দেন ব্রাজিলের গোলরক্ষক মাউরো।এর কিছুক্ষণ পর রায়ান ও মনবীরের দারুণ বোঝাপড়ায় ফের সুযোগ তৈরি হয়। রায়ান বল বাড়ান মনবীরকে। পরে মনবীরের ক্রস ফের রায়ানের দিকে। চলতি বলে শট নিলেও বল অল্পের জন্য পোস্টের বাইরে দিয়ে চলে যায়।সেই মুহূর্তে যুবভারতীর গ্যালারিতে হয়তো অনেকেরই মনে হয়েছিলএকটি গোল অন্তত প্রাপ্য ভারতের।শেষ মুহূর্তেও গোলের ধাক্কাম্যাচের বাকি সময়ে দুদলই আক্রমণে উঠেছে। ভারত চেষ্টা করেছে ব্যবধান কমানোর, ব্রাজিল খুঁজেছে আরও গোল। শেষ পর্যন্ত সংযুক্তি সময়ের একেবারে শেষ দিকে চতুর্থ গোল পেয়ে যায় ব্রাজিল।লিনোর শট প্রভসুখন গিলের শরীরের নীচ দিয়ে গোলে ঢুকে যায়। স্কোরলাইন দাঁড়ায় ৪-০।চার গোলের ব্যবধান নিঃসন্দেহে বড়। কিন্তু ম্যাচের পুরো ছবিটা শুধু স্কোরলাইন দিয়ে বোঝা যাবে না। ভারতীয় দলের সবচেয়ে বড় সমস্যা ছিল গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে ব্যক্তিগত ভুল এবং আক্রমণে শেষ পাস বা ফিনিশিংয়ের অভাব।তার বিপরীতে ইতিবাচক দিকও কম নয়। বিশ্বমানের ফুটবলারদের বিরুদ্ধে ভারত ভয় পেয়ে গুটিয়ে থাকেনি। রায়ান, মনবীর, অভিষেক, বিজয়রা বারবার প্রতিপক্ষের অর্ধে উঠে যাওয়ার চেষ্টা করেছেন। বিশেষ করে অভিষেকের ভিনিসিয়াসকে সামলানোর চেষ্টা এবং রায়ানের আক্রমণাত্মক মানসিকতা নজর কেড়েছে।সামনে আরও কঠিন পরীক্ষাব্রাজিলের বিরুদ্ধে ০-৪ হার দিয়ে ভারতের এই পর্ব শেষ হচ্ছে না। বরং সামনে আরও একটি কঠিন পরীক্ষা অপেক্ষা করছে। আগামী ৬ অক্টোবর উরুগুয়ের মুখোমুখি হবে ভারত।যুবভারতীর রাত ভারতের জন্য ফলের দিক থেকে হতাশার হলেও, লড়াইয়ের মানসিকতা পরের ম্যাচের আগে কিছুটা আত্মবিশ্বাস জোগাতেই পারে। চার গোলের ব্যবধানের আড়ালে তাই থেকে গেল অন্য এক ছবিবিশ্ব ফুটবলের অন্যতম শক্তিশালী দলের বিরুদ্ধে ভারতীয় ফুটবলারদের হার না মানা লড়াই।

অক্টোবর ০৩, ২০২৬
দেশ

তৃণমূলের চেয়ার এবার কাকলির হাতে! দোলার জায়গায় বিজেপি, সংসদে রদবদল ঘিরে তুমুল চর্চা

সংসদীয় স্থায়ী কমিটির পুনর্গঠনে তৃণমূল কংগ্রেসের হাতে থাকা দুটি গুরুত্বপূর্ণ চেয়ারম্যানের পদ হাতছাড়া হয়েছে। রাসায়নিক ও সার সংক্রান্ত সংসদীয় কমিটির চেয়ারম্যান পদ থেকে সরানো হয়েছে তৃণমূল সাংসদ কীর্তি আজাদকে। তাঁর জায়গায় দায়িত্ব পেয়েছেন তৃণমূলের বিদ্রোহী শিবির থেকে বেরিয়ে যাওয়া কাকলি ঘোষ দস্তিদার। অন্য দিকে, বাণিজ্য সংক্রান্ত সংসদীয় কমিটির চেয়ারম্যান পদ থেকে সরানো হয়েছে তৃণমূল সাংসদ দোলা সেনকে। তাঁর জায়গায় চেয়ারম্যান করা হয়েছে বিজেপির রাজ্যসভার সাংসদ সুধাংশু ত্রিবেদীকে।শনিবার সংসদীয় স্থায়ী কমিটিগুলির পুনর্গঠনের পরই এই রদবদলের কথা প্রকাশ্যে আসে। রাজ্যসভার চেয়ারম্যান এবং লোকসভার স্পিকারের মাধ্যমে বিভিন্ন বিভাগের স্থায়ী কমিটির নতুন চেয়ারম্যানদের নাম ঘোষণা করা হয়েছে। ২০২৬-২৭ সালের জন্য পুনর্গঠিত কমিটিগুলির মধ্যে রাসায়নিক ও সার সংক্রান্ত কমিটির দায়িত্ব পেয়েছেন কাকলি ঘোষ দস্তিদার। বাণিজ্য সংক্রান্ত কমিটির দায়িত্ব পেয়েছেন সুধাংশু ত্রিবেদী।এই বদলকে ঘিরে রাজনৈতিক গুরুত্ব তৈরি হয়েছে মূলত কাকলি ঘোষ দস্তিদারকে কেন্দ্র করে। ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের পর তৃণমূলের একদল সাংসদ দল ছেড়ে ন্যাশনালিস্ট সিটিজেন্স পার্টি অব ইন্ডিয়ায় যোগ দেন। তাঁদের মধ্যে ছিলেন কাকলি ঘোষ দস্তিদার, সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়, শতাব্দী রায়-সহ একাধিক সাংসদ। তাঁরা কেন্দ্রের এনডিএ সরকারকে সমর্থনের কথাও জানিয়েছিলেন। পরে সংসদে তাঁদের আসনেও পরিবর্তন করা হয়।এ বার সেই বিদ্রোহী শিবিরেরই অন্যতম মুখ কাকলি ঘোষ দস্তিদার তৃণমূলের সাংসদ কীর্তি আজাদের জায়গায় রাসায়নিক ও সার সংক্রান্ত সংসদীয় কমিটির চেয়ারম্যান হয়েছেন। ফলে সংসদীয় কমিটির এই রদবদলকে ঘিরে তৃণমূলের অন্দরে এবং জাতীয় রাজনীতিতে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।অন্য দিকে, বাণিজ্য সংক্রান্ত সংসদীয় কমিটির চেয়ারম্যান পদে দোলা সেনের জায়গায় এসেছেন বিজেপির সুধাংশু ত্রিবেদী। অর্থাৎ একই রদবদলে তৃণমূল দুটি গুরুত্বপূর্ণ চেয়ারম্যানের পদ হারাল। একটি পদ গেল বিজেপির হাতে, অন্যটি গেল তৃণমূলের বিদ্রোহী শিবিরের নেত্রীর হাতে।তবে কাকলি ঘোষ দস্তিদার-সহ বিদ্রোহী সাংসদদের ভবিষ্যৎ সাংসদপদ এখনও পুরোপুরি চূড়ান্ত নয়। তৃণমূলের তরফে তাঁদের বিরুদ্ধে দলত্যাগ-বিরোধী আইনে ব্যবস্থা নেওয়ার আবেদন করা হয়েছে। লোকসভার সচিবালয় ২০ জন বিদ্রোহী সাংসদকে তাঁদের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের জবাব দেওয়ার জন্য ৮ অক্টোবর পর্যন্ত সময় দিয়েছে। তাঁদের সাংসদপদ বাতিল হবে কি না, সেই বিষয়ে এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।ফলে এক দিকে সংসদীয় স্থায়ী কমিটিতে তৃণমূলের দুই চেয়ারম্যান পদ হাতছাড়া হওয়া, অন্য দিকে কাকলি ঘোষ দস্তিদারের গুরুত্বপূর্ণ কমিটির দায়িত্ব পাওয়া এবং একই সময়ে বিদ্রোহী সাংসদদের সদস্যপদ নিয়ে সিদ্ধান্ত ঝুলে থাকাসব মিলিয়ে সংসদে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি হয়েছে।

অক্টোবর ০৩, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

মেয়েদের পর ছেলেরাও সোনা! মালয়েশিয়াকে ৫-১ উড়িয়ে ইতিহাস, অলিম্পিকের টিকিটও পাকা ভারতের

৪৪ বছর পর মেয়েদের হকিতে সোনা এসেছিল। এ বার পুরুষদের দলও সেই পথেই ইতিহাস গড়ল। মালয়েশিয়াকে ৫-১ গোলে হারিয়ে এশিয়ান গেমসে পুরুষ হকির সোনা ধরে রাখল ভারত। শুধু সোনাই নয়, এই জয়ের সঙ্গে ২০২৮ সালের অলিম্পিকের সরাসরি যোগ্যতাও অর্জন করল হরমনপ্রীত সিংয়ের দল। এশিয়ান গেমসের ইতিহাসে এই প্রথম একই আসরে ভারতের পুরুষ ও মহিলা হকি দল দুটিই সোনা জিতল। পুরুষ হকিতে পরপর দুবার সোনা জেতার নজিরও এই প্রথম ভারতের।শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ছিল ভারত। ১১ মিনিটে পেনাল্টি কর্নার থেকে গোল করে দলকে এগিয়ে দেন অধিনায়ক হরমনপ্রীত সিং। তবে বেশিক্ষণ সেই ব্যবধান থাকেনি। পাল্টা আক্রমণ থেকে গোল করে সমতা ফেরায় মালয়েশিয়া। দ্বিতীয় কোয়ার্টারে আবার ভারতকে এগিয়ে দেন যুগরাজ সিং। ২৩ মিনিটে পেনাল্টি কর্নার থেকেই আসে সেই গোল।বিরতির পর একের পর এক সুযোগ তৈরি করছিল ভারত। ৪২ মিনিটে পেনাল্টি স্ট্রোক থেকে ব্যবধান বাড়ান হার্দিক সিং। এর পর ৫৪ মিনিটে শিলানন্দ লাকরা গোল করে ভারতের জয় প্রায় নিশ্চিত করে দেন। ম্যাচ শেষ হওয়ার তিন মিনিট আগে নিজের দ্বিতীয় গোল করে স্কোর ৫-১ করেন হরমনপ্রীত। ১৪টি পেনাল্টি কর্নার পেলেও ভারত তার মধ্যে তিনটি কাজে লাগাতে পেরেছে। শেষ পর্যন্ত বড় ব্যবধানে জয় নিয়েই সোনা নিশ্চিত করে ভারত।হকির পাশাপাশি কুস্তিতেও সোনা এসেছে। পুরুষদের ৫৭ কেজি ফ্রিস্টাইল বিভাগে উত্তর কোরিয়ার প্রতিপক্ষকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছেন আমন সেহরাওয়াত। এক সময় এগিয়ে থেকেও পরে পিছিয়ে পড়েছিলেন তিনি। শেষ মুহূর্তে দুরন্ত প্রত্যাবর্তন করে ম্যাচ জিতে নেন ভারতীয় কুস্তিগির। এই বিভাগে এশিয়ান গেমসে ভারতের প্রথম সোনা এনে দিয়েছেন আমন। অন্য দিকে মহিলাদের ৫৩ কেজিতে রুপো পেয়েছেন অন্তিম পাঙ্ঘাল। পুরুষদের ৯৭ কেজিতে ব্রোঞ্জ জিতেছেন দীপক পুনিয়া।তিরন্দাজিতেও ইতিহাস তৈরি হয়েছে। মাত্র ১৭ বছর বয়সে মহিলাদের ব্যক্তিগত রিকার্ভ বিভাগে সোনা জিতেছেন কুমকুম মহোদ। দক্ষিণ কোরিয়ার প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে পাঁচ সেটের পর লড়াই ৫-৫ সমতায় শেষ হয়। শুট-অফে নিখুঁত ১০ পয়েন্ট তুলে সোনা নিশ্চিত করেন কুমকুম। এশিয়ান গেমসে মহিলাদের ব্যক্তিগত রিকার্ভে সোনা জেতা প্রথম ভারতীয় মহিলা তিরন্দাজ তিনি। পুরুষদের রিকার্ভে ব্রোঞ্জ পেয়েছেন নীরজ চৌহান।গলফেও এল ঐতিহাসিক সাফল্য। মহিলাদের ব্যক্তিগত বিভাগে ১৫ আন্ডার ২৬৫ স্কোর করে সোনা জিতেছেন প্রণবী উরস। এশিয়ান গেমসে এই বিভাগে ভারতের প্রথম সোনা এটি। দলগত বিভাগেও রুপো পেয়েছে ভারত।দিনের শেষে ক্রিকেটেও সোনার মুকুট পেল ভারত। পুরুষদের ফাইনালে পাকিস্তানকে ১৯ রানে হারিয়ে সোনা জিতেছে শ্রেয়স আইয়ারের নেতৃত্বাধীন দল। প্রথমে ব্যাট করে ভারত ৬ উইকেটে ২১১ রান তোলে। অভিষেক শর্মা ২৮ বলে ৬১ রান করেন। তিলক বর্মা ২২ বলে অপরাজিত ৫১ রান করেন। জবাবে পাকিস্তান ৬ উইকেটে ১৯২ রানেই থেমে যায়। হাসান নওয়াজ ৫১ বলে ৯৬ রান করে শেষ পর্যন্ত লড়াই করলেও পাকিস্তানকে জেতাতে পারেননি।এর ফলে এশিয়ান গেমসে ক্রিকেটের দুই সোনাই এ বার ভারতের দখলে। মহিলা দলও আগে সোনা জিতেছিল। হকি এবং ক্রিকেটের পাশাপাশি কুস্তি, তিরন্দাজি ও গলফে সাফল্য মিলিয়ে শেষ দিনে ভারতের সোনার সংখ্যা এক ধাক্কায় বেড়েছে। সব মিলিয়ে ২১টি সোনা, ২৭টি রুপো এবং ৩৭টি ব্রোঞ্জ-সহ মোট ৮৫টি পদক নিয়ে এশিয়ান গেমস শেষ করেছে ভারত। পদক তালিকায় চতুর্থ স্থানে রয়েছে ভারত।

অক্টোবর ০৩, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

এস্তেভাঁও-পেদ্রো-লিনোর গোলের ঝড়, তবু ভারতকে নিয়ে কেন আলোচনা? ব্রাজিলের বিরুদ্ধে যুবভারতীর ম্যাচে চমক

ব্রাজিলের বিরুদ্ধে স্বপ্নের ম্যাচ। ফল অবশ্য ভারতের পক্ষে গেল না। কলকাতার যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে শনিবার আন্তর্জাতিক প্রীতি ম্যাচে ভারতকে ৪-০ গোলে হারাল পাঁচ বারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ব্রাজিল। এস্তেভাঁও, পেদ্রো এবং স্যামুয়েল লিনোর গোলে জয় নিশ্চিত করে কার্লো আনচেলোত্তির দল। তবে স্কোরলাইন যতই একপেশে হোক, ভারতের ফুটবলাররা বেশ কিছু সময়ে ব্রাজিলকে চাপে ফেলেছেন এবং একাধিক গোলের সুযোগও তৈরি করেছিলেন।বিশ্ব ক্রমতালিকায় ব্রাজিল পঞ্চম এবং ভারত ১৩৮ নম্বরে। ফলে ম্যাচ শুরুর আগে দুই দলের মধ্যে ব্যবধান ছিল স্পষ্ট। ভারতের সামনে ছিল দেশের মাটিতে ব্রাজিলের মতো শক্তিশালী দলের বিরুদ্ধে নিজেদের পরীক্ষা করার বিরল সুযোগ। শেষ পর্যন্ত হার এলেও ম্যাচের শুরুতে ভারত যথেষ্ট লড়াই করেছে। ব্রাজিল প্রথম গোল পায় ২৮ মিনিটে। এস্তেভাঁওয়ের বাঁ পায়ের শটে এগিয়ে যায় ব্রাজিল। ৪২ মিনিটে পেদ্রো ব্যবধান বাড়ান। প্রথমার্ধ শেষ হয় দুই গোলে পিছিয়ে থেকেই।দ্বিতীয়ার্ধে ভারত চেষ্টা চালিয়ে গেলেও ব্রাজিলের আক্রমণ সামলানো কঠিন হয়ে পড়ে। বদলি হিসেবে নামা স্যামুয়েল লিনো ৫৮ মিনিটে তৃতীয় গোল করেন। অতিরিক্ত সময়ে নিজের দ্বিতীয় গোল করে ভারতের বিপক্ষে ব্রাজিলের জয় ৪-০ করেন তিনি। ফলে বড় ব্যবধানে ম্যাচ শেষ হলেও ভারতের লড়াইয়ের কয়েকটি মুহূর্ত আলাদা করে নজর কেড়েছে।ভারতের আক্রমণেও সুযোগ এসেছিল। মনবীর সিং এবং রায়ান উইলিয়ামস গোল করার মতো পরিস্থিতি তৈরি করেছিলেন। কিন্তু ব্রাজিলের রক্ষণ এবং গোলরক্ষককে পরাস্ত করতে পারেননি তাঁরা। ম্যাচের বিভিন্ন সময়ে ভারত আক্রমণে উঠেছে এবং শুধু নিজেদের অর্ধে আটকে থাকেনি।রক্ষণেও আনোয়ার আলি ও আকাশ মিশ্রকে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে দায়িত্ব সামলাতে দেখা যায়। ব্রাজিলের আক্রমণভাগে ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের মতো তারকা থাকলেও ভারত শুরুতে তাঁদের গতির সঙ্গে পাল্লা দেওয়ার চেষ্টা করেছে। গোলরক্ষক গুরপ্রীত সিং সান্ধুও একাধিক বার ব্রাজিলের আক্রমণ ঠেকান।এই ম্যাচে ভারতীয় গোলরক্ষক প্রভসুখন সিং গিলেরও আন্তর্জাতিক অভিষেক হয়। ব্রাজিলের মতো দলের বিরুদ্ধে খেলাটাই তাঁর কাছে বড় অভিজ্ঞতা হয়ে থাকল। ভারতের কোচ খালিদ জামিলের কৌশল নিয়েও ম্যাচের আগে যথেষ্ট আলোচনা ছিল। পানামার বিরুদ্ধে আগের ম্যাচের পর ব্রাজিলের মতো শক্তিশালী প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে তাঁর দল কী ভাবে খেলবে, ছিল সেটাই বড় প্রশ্ন।ভারত শেষ পর্যন্ত গোলের মুখ খুলতে পারেনি এবং চার গোল হজম করেছে। কিন্তু দেশের মাটিতে ব্রাজিলের মতো দলের বিরুদ্ধে খেলার এই অভিজ্ঞতা ভারতীয় ফুটবলের জন্য আলাদা গুরুত্ব বহন করছে। সর্বভারতীয় ফুটবল ফেডারেশনও ম্যাচটিকে ভারতের সাম্প্রতিক সময়ের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক ম্যাচ হিসেবে চিহ্নিত করেছিল।ফল ভারতের পক্ষে নয়, সেটাই সত্যি। কিন্তু যুবভারতীর সেই সন্ধ্যায় ব্রাজিলের মতো বিশ্বমানের দলের বিরুদ্ধে ভারতের ফুটবলাররা যে লড়াইয়ের কিছু ছবি রেখে গেলেন, সেটাই এখন আলোচনার অন্যতম বিষয়। ০-৪-এর স্কোরলাইন তাই ম্যাচটির পুরো গল্প বলে না।

অক্টোবর ০৩, ২০২৬
বিদেশ

ককপিটে হামলার পর যাত্রীরাই ধরলেন সহ-পাইলটকে! তারপর তাঁকে ছেড়ে দিতে কেন চাপ এসেছিল?

মাঝ আকাশে ককপিটে হামলা। তার পর যাত্রীদের তৎপরতায় আটক হলেন অভিযুক্ত সহ-পাইলট। তাঁকে হাত-পা বেঁধে রাখা হয়েছিল বলে দাবি যাত্রীদের। কিন্তু সেই সময় বিমানের অন্য কর্মীদের কয়েক জন তাঁকে ছেড়ে দেওয়ার জন্য চাপ দিয়েছিলেন বলেও অভিযোগ উঠেছে। ফ্লাইদুবাইয়ের দুবাই থেকে তেল আভিভগামী বিমানে ঘটে যাওয়া এই ঘটনায় নতুন করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। তবে অন্য কর্মীরা কোনও ষড়যন্ত্রে যুক্ত ছিলেন, এমন কোনও প্রমাণ এখনও প্রকাশ্যে আসেনি। তদন্ত চলছে।ঘটনাটি ঘটে বুধবার ফ্লাইদুবাইয়ের একটি বিমানে। বিমানটি দুবাই থেকে তেল আভিভের দিকে যাচ্ছিল। অভিযোগ, ওমানের নাগরিক সহ-পাইলট হামাম আল-হামামি ককপিটে ভারতীয় ক্যাপ্টেন স্মিত মচ্ছরের উপর হামলা করেন। সংযুক্ত আরব আমিরশাহির কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, হামলায় ককপিটের জরুরি কুঠার ব্যবহার করা হয়েছিল এবং অভিযুক্ত সহ-পাইলট বিমানটির নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার চেষ্টা করেছিলেন।হামলার পর বিমানটি আচমকা নীচে নামতে শুরু করে। ক্যাপ্টেন স্মিত মচ্ছর গুরুতর আহত অবস্থাতেও ককপিটের দরজা খুলতে সক্ষম হন। তখন কয়েক জন যাত্রী ভিতরে ঢুকে অভিযুক্ত সহ-পাইলটকে ধরে ফেলেন। পরে তাঁকে বেঁধে রাখা হয় বলে যাত্রীরা জানিয়েছেন। এই তৎপরতার ফলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়। পরে অন্য দুই পাইলট বিমানটির নিয়ন্ত্রণ নিয়ে সৌদি আরবের তাবুক বিমানবন্দরে নিরাপদে অবতরণ করান।বিমানে থাকা দুই যাত্রী জিকা মানেস এবং ড্যানিয়েল স্লিখটার দাবি করেছেন, কয়েক জন যাত্রী মিলে হামামকে আটকেছিলেন। তাঁদের বক্তব্য, হেডফোনের তার এবং টেপ ব্যবহার করে তাঁকে বেঁধে রাখা হয়েছিল। কিন্তু এর পর বিমানের অন্য কয়েক জন কর্মী এসে তাঁকে ছেড়ে দেওয়ার কথা বলেছিলেন। কেন তাঁকে মুক্ত করার জন্য চাপ দেওয়া হচ্ছিল, তা তাঁরা বুঝতে পারেননি বলেও জানিয়েছেন ওই যাত্রীরা।এই দাবিই এখন নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে। তবে শুধু যাত্রীদের বক্তব্যের ভিত্তিতে বিমানের অন্য কর্মীদের বিরুদ্ধে কোনও অভিযোগ বা ষড়যন্ত্রের প্রমাণ পাওয়া গিয়েছে, এমন তথ্য এখনও নেই। ফ্লাইদুবাইয়ের ওই কর্মীরা কেন অভিযুক্ত সহ-পাইলটকে ছেড়ে দেওয়ার কথা বলেছিলেন বলে যাত্রীরা দাবি করছেন, তা তদন্তের বিষয়।এদিকে হামাম আল-হামামির অতীত নিয়েও তদন্ত শুরু হয়েছে। একাধিক আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, এর আগে ওমানের বিমান সংস্থায় কাজ করার সময় তাঁর উগ্রপন্থী মতাদর্শ নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছিল এবং তাঁকে উড়ান থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল। তবে তাঁর পরিচয় ও অতীত নিয়ে প্রকাশিত বিভিন্ন দাবির সবটাই এখনও সরকারি ভাবে নিশ্চিত হয়নি।সংযুক্ত আরব আমিরশাহির অ্যাটর্নি জেনারেল জানিয়েছেন, ঘটনাটিকে সন্ত্রাসবাদী হামলার চেষ্টা হিসেবে তদন্ত করা হচ্ছে। তদন্তকারীরা হামলার উদ্দেশ্য, অভিযুক্ত সহ-পাইলটের অতীত এবং ঘটনায় আর কেউ জড়িত ছিলেন কি না, তা খতিয়ে দেখছেন।ফ্লাইদুবাই বিমানের এই ঘটনায় দ্রুত যাত্রীদের হস্তক্ষেপ এবং পরে অন্য পাইলটদের বিমান নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার ঘটনাই বড় বিপর্যয় এড়াতে সাহায্য করেছে। কিন্তু অভিযুক্ত সহ-পাইলটকে বেঁধে রাখার পর তাঁকে ছেড়ে দেওয়ার জন্য কর্মীদের চাপ দেওয়ার যে দাবি যাত্রীরা করেছেন, সেটি তদন্তে কতটা সত্যি, এখন সেটাই বড় প্রশ্ন।

অক্টোবর ০৩, ২০২৬
কলকাতা

জ্ঞানেশ কুমারের ইস্তফার দাবিতে কলকাতায় নামছে ককরোচ জনতা পার্টি? পুজোর পর কীসের প্রস্তুতি

দিল্লি, মুম্বইয়ের পর এবার কি কলকাতার রাস্তাতেও নামতে চলেছে ককরোচ জনতা পার্টি? মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের ইস্তফার দাবিতে দুর্গাপুজোর পর কলকাতায় জনসভা করার পরিকল্পনা রয়েছে বলে সূত্রের খবর। যদিও এখনও পর্যন্ত এই কর্মসূচির দিনক্ষণ বা স্থান চূড়ান্ত হয়নি।এর আগে নিট পরীক্ষার বিষয়টি নিয়ে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফার দাবিতে কলকাতায় আন্দোলনের পরিকল্পনা করেছিল ককরোচ জনতা পার্টি। তবে সেই কর্মসূচির অনুমতি মেলেনি বলে দাবি। এবার এসআইআর এবং মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের ইস্তফার দাবিকে সামনে রেখে কলকাতায় নতুন করে কর্মসূচি করার প্রস্তুতি চলছে বলে সূত্রের খবর।সূত্রের খবর, কলকাতায় প্রস্তাবিত কর্মসূচি নিয়ে তৃণমূলের সঙ্গেও যোগাযোগ করেছে ককরোচ জনতা পার্টির নেতৃত্ব। কোথায় এবং কবে সভা করা হবে, তা নিয়ে তৃণমূলের পাশাপাশি বাম ছাত্র সংগঠনের সঙ্গেও আলাদাভাবে যোগাযোগ করা হচ্ছে বলে জানা গিয়েছে। ককরোচ জনতা পার্টির তরফে অভিজিৎ দীপকেরা এই বিষয়ে বিভিন্ন পক্ষের সঙ্গে কথা বলছেন বলে সূত্রের দাবি।এর মধ্যেই আগামী ১০ অক্টোবর দিল্লির যন্তর মন্তরে অবস্থান-বিক্ষোভ কর্মসূচির ঘোষণা করেছে ককরোচ জনতা পার্টি। ওই কর্মসূচিতে ইতিমধ্যেই বাম ছাত্র সংগঠনের সমর্থন মিলেছে বলে জানা গিয়েছে। ফলে দিল্লির পর কলকাতাতেও একই ধরনের কর্মসূচি ঘিরে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে।তবে কলকাতায় ককরোচ জনতা পার্টির প্রস্তাবিত কর্মসূচিতে তৃণমূলের সাহায্যের খবর সামনে আসতেই তা নিয়ে কটাক্ষ করেছে সিপিএম। সংগঠনের এই উদ্যোগকে ঘিরে বামেদের তরফে প্রশ্ন তোলা হয়েছে।এসএফআইয়ের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক সৃজন ভট্টাচার্য কটাক্ষ করে বলেন, স্যান্ডো গেঞ্জির আবার বুকপকেট। ওদের দলে কতজন আছে যে সহযোগিতা করবে। তাঁর দাবি, যন্তর মন্তরে নিট আন্দোলন থেকে শুরু করে ককরোচ জনতা পার্টির বিভিন্ন কর্মসূচিতে এসএফআই সক্রিয়ভাবে সহযোগিতা করছে। কলকাতায় কর্মসূচির বিষয়ে সংগঠনের রাজ্য নেতৃত্বও কথা বলবে বলে জানিয়েছেন তিনি।ফলে দুর্গাপুজোর পর কলকাতায় ককরোচ জনতা পার্টির আদৌ কোনও সভা হয় কি না, হলে তাতে কারা যোগ দেন এবং এসআইআর ও জ্ঞানেশ কুমারের ইস্তফার দাবিকে সামনে রেখে কী কর্মসূচি নেওয়া হয়, এখন সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

অক্টোবর ০৩, ২০২৬
রাজ্য

বারবার ধসে বন্ধ শিলিগুড়ি-সিকিমের পথ! এবার বদলে যাবে দশ নম্বর জাতীয় সড়ক, তৈরি হবে সুড়ঙ্গ-উঁচু সেতু

বর্ষা এলেই ধস, কখনও মাটি বসে যাওয়া, আবার কখনও যানজটে থমকে যায় পাহাড়ের গুরুত্বপূর্ণ রাস্তা। শিলিগুড়ি থেকে সিকিম যাওয়ার অন্যতম প্রধান পথ দশ নম্বর জাতীয় সড়কের এই সমস্যার স্থায়ী সমাধানের উদ্যোগ শুরু হল। রংপো থেকে রানিপুল পর্যন্ত প্রায় ২৬ কিলোমিটার রাস্তার আমূল উন্নয়নের জন্য ৭০৬ কোটি ৬৩ লক্ষ টাকার প্রকল্পের দরপত্র ডেকেছে জাতীয় সড়ক ও পরিকাঠামো উন্নয়ন নিগম। সরকারি নথি অনুযায়ী, এই প্রকল্পে রাস্তা চওড়া করার পাশাপাশি একাধিক সুড়ঙ্গ, উঁচু সেতুপথ এবং ধসপ্রবণ এলাকায় বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।দশ নম্বর জাতীয় সড়কের রংপো থেকে রানিপুল অংশটির দৈর্ঘ্য প্রায় ২৫.৮৭ কিলোমিটার। বর্তমানে এই রাস্তার একাধিক অংশ বর্ষায় ধস এবং মাটি বসে যাওয়ার সমস্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়। নতুন প্রকল্পে বর্তমান রাস্তা দুই লেনে উন্নীত করা হবে। রাস্তার দুপাশে পাকা অংশও রাখা হবে। পাশাপাশি ধসপ্রবণ এবং মাটি বসে যাওয়ার এলাকাগুলিতে প্রয়োজনীয় স্থায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলা হয়েছে।সবচেয়ে বড় আকর্ষণ হল এই প্রকল্পে একাধিক সুড়ঙ্গ এবং উঁচু সেতুপথ তৈরির পরিকল্পনা। পাহাড়ের যে অংশগুলিতে রাস্তা বারবার ধসের কবলে পড়ে বা মাটি বসে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে, সেখানে নতুন পরিকাঠামোর মাধ্যমে ঝুঁকি কমানোর চেষ্টা করা হবে। ফলে প্রকল্পটি শুধু রাস্তা চওড়া করার কাজ নয়, বরং গোটা রংপো-রানিপুল পথের পরিকাঠামো নতুন করে সাজানোর পরিকল্পনা।এই প্রকল্পের জন্য দরপত্রের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়েছে ৩০ সেপ্টেম্বর। ৬ নভেম্বর থেকে দরপত্র জমা দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হবে এবং ১৬ নভেম্বর পর্যন্ত তা জমা দেওয়া যাবে। ১৭ নভেম্বর দরপত্র খোলার কথা রয়েছে। প্রকল্পটি ইঞ্জিনিয়ারিং, ক্রয় ও নির্মাণ পদ্ধতিতে করার পরিকল্পনা হয়েছে। সরকারি নথিতে কাজের সময়সীমা ৪৭৪৫ দিন নির্ধারণ করা হয়েছে।দার্জিলিঙের সাংসদ রাজু বিস্তা দীর্ঘদিন ধরেই দশ নম্বর জাতীয় সড়কের স্থায়ী সমাধানের দাবি জানিয়ে আসছেন বলে জানিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, এই রাস্তা শুধু সিকিম বা কালিম্পংয়ের জন্য গুরুত্বপূর্ণ নয়, উত্তর-পূর্ব ভারতের যোগাযোগ, পর্যটন, পণ্য পরিবহণ এবং সীমান্ত এলাকার অর্থনীতির ক্ষেত্রেও এর গুরুত্ব রয়েছে।বর্ষায় দশ নম্বর জাতীয় সড়কে ধস নামলে সিকিমের সঙ্গে সমতলের যোগাযোগ ব্যাহত হয়। পর্যটক থেকে স্থানীয় বাসিন্দা, ব্যবসায়ী থেকে পণ্যবাহী গাড়িসবাইকে তার প্রভাব সামলাতে হয়। সেই কারণে নতুন প্রকল্পে রাস্তার নিরাপত্তা এবং সারা বছর যোগাযোগ সচল রাখার বিষয়টিকেই গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।সরকারি দরপত্রের নথিতে প্রকল্পটির আনুমানিক মূল্য ৭০৬ কোটি ৬৩ লক্ষ ৪০ হাজার ১৮৭ টাকা বলে উল্লেখ করা হয়েছে। দরপত্রের কাজের বিবরণে দুই লেনের রাস্তা, পাকা পাশের অংশ, সুড়ঙ্গ, উঁচু সেতুপথ এবং ধস ও মাটি বসে যাওয়ার প্রবণ এলাকার চিকিৎসার কথা স্পষ্ট ভাবে বলা হয়েছে।ফলে প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে রংপো থেকে রানিপুল পর্যন্ত দশ নম্বর জাতীয় সড়কের চেহারা অনেকটাই বদলে যেতে পারে। পাহাড়ি পথে ধসের ঝুঁকি কমানো, যান চলাচল আরও মসৃণ করা এবং সিকিমের সঙ্গে সমতলের যোগাযোগ আরও নির্ভরযোগ্য করাই এই প্রকল্পের মূল লক্ষ্য।

অক্টোবর ০৩, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal