• ১৭ শ্রাবণ ১৪৩৩, সোমবার ০৩ আগস্ট ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Womens

দেশ

ভোটের অর্ধেক আকাশ

যুদ্ধের দামামা বেজে উঠেছে। সৈন্য সজ্জ্বার প্রস্তুতি প্রায় শেষ। ভোটের দিন ঘোষণা হয়ে গেলে বুহ্য রচনা হবে। তবে এ তো আর কামান,বন্দুক নিয়ে যুদ্ধ নয়। ভোট যুদ্ধের একটি বড় অংশ জুড়ে থাকে বাকযুদ্ধ। সাম্প্রতিক সময়ে রাজনৈতিক দল গুলির মধ্যে একে অপরের আক্রমণের অস্ত্র কখনও জাতিগননা, কখনও প্রতিশ্রুতির নামে ধোঁকা দেওয়ার চেষ্টার অভিযোগ। ভোটের ময়দানে একে অপরের যেখানে প্রতিদ্বন্দ্বী সেখানে তো এমনটা হওয়াই দস্তুর। একের সঙ্গে অপরের সব ইস্যুতেই দ্বৈরথ। মিল খুঁজে না পাওয়াটাই স্বাভাবিক।তবে অমিলের এই রাজত্বে অসাধ্য সাধন করেছেন দেশের মহিলারা। মহাভারতে কৃষ্ণের আর্শীবাদ পেতে জান লড়িয়ে দিয়েছিল কৌরব পান্ডব দুপক্ষই। তেমনই সাম্প্রতিক পাঁচ রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচন থেকে দরজার দাঁড়িয়ে থাকা লোকসভা নির্বাচনেও সবদলের নজরেই রয়েছে মহিলা ভোট। সম্মান, লিঙ্গসাম্য, শিক্ষার হার, কাজের সুযোগ সব কিছুতে পিছিয়ে থাকলেও ভোটার সংখ্যায় যে তারা বেড়েছেন। অতএব, এই রত্ন ভান্ডারে নজর তো থাকবেই। নারী উন্নয়নে কে কতটা আন্তরিকতা বোঝানোর উদগ্ৰ প্রতিযোগিতা চলছে। তাঁর সঙ্গে চলছে নানা গালভারি প্রকল্পের নামে হাতে কিছু অর্থ পৌঁছে দেওয়ার প্রতিযোগিতা।যে মুল সমস্যাগুলির নিচে চাপা পড়ে রয়েছে সেগুলি সমাধান কোনো দিশা নেই। গত কয়েক দশকে labour force participation সূচকে মহিলাদের সংখ্যা ক্রমশই কমছে। বর্তমানে দেশের কাছের বাজারে ৯০ শতাংশ-ই যুক্ত অসংগঠিত ক্ষেত্রে। এই ক্ষেত্রের উৎপাদন শিল্প এবং পরিসেবা প্রদান সংস্থায় কাঠামোগত কারণে মেয়েদের কাজের সুযোগ অত্যন্ত কম। এই পরিস্থিতিতে বহু ক্ষেত্রেই সমস্যা আরও বাড়িয়েছে লিঙ্গ বৈষম্য এবং জাতপাতের ছুৎমার্গ। এর ফলে কাজের বাজারে মহিলাদের স্থান ক্রমশ তলানিতে পৌঁছেছে। এই বিষয়গুলি নিয়ে বহুদিন ধরেই বহু চর্চা এবং গবেষণা চলছে। সম্প্রতি ইকনমিক অ্যান্ড পলিটিক্যাল উইকলিতে একটি গবেষণাপত্র প্রকাশিত হয়েছে। গবেষণাপত্রটির বিষয়টি হলো জাতপাতের নিরিখে গ্ৰামীন অসংগঠিত ক্ষেত্রে মহিলাদের উপস্থিতি কতোটা।আশয় কদম এবং কিংশুক সরকার এই দুই গবেষকের সমীক্ষায় এই বিষয়টি ছাড়াও দেখা গিয়েছে সমাজের প্রান্তিক অবস্থানের মহিলারা এই কারণে labour pyramid-র একেবারে নিচে থেকে যাচ্ছেন। ফলে তাদের সামাজিক উত্তরন ঘটছে না। দুই গবেষক বিহার, উত্তর প্রদেশ, মধ্যপ্রদেশ, রাজস্থান, হরিয়ানা ও মহারাষ্ট্রের তহশিল স্তরে ২০১১ সালের socio economic and cast census য়ের তথ্যের ভিত্তিতে এই সমীক্ষা করেছেন। গবেষণায় দেখা গিয়েছে লিঙ্গ বৈষম্যের কারণে মহিলারা কাজের বাজারে বহু বাধার মুখে পড়েন। দেশে প্রচলিত সমাজ ব্যবস্থায় মেয়েরা ঘরকন্না করবে, সংসারের অন্য সদস্যদের দেখাশোনা করবে এটাই আশা করা হয়। এই সামাজিক বাধা কাটিয়ে যদি বা কোনো মহিলা কাজের বাজারে পৌঁছন সেখানে তাঁকে আইনি বাধা এবং বেতন বৈষম্যের মুখে পড়তে হয়।যেমন অনেক সংস্থাতে রাতের শিফটে মহিলা কর্মীদের কাজ করানোয় নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। তবে অসংগঠিত কাজের বাজারে labour force participation য়ের নিরিখে নিম্নবর্গের মহিলাদের উপস্থিতি বেশি। গবেষকরা দেখিয়েছেন কাজের মজুরি কম এবং সামাজিক অবস্থানের পরিবর্তন না হলেও বেশি সংখ্যায় মহিলারা কাজে যুক্ত হওয়ার পিছনে অন্য কারন রয়েছে। তাঁদের মধ্যে ঐতিহাসিক ভাবেই দেখা গিয়েছে গৃহ পরিচর্যার এবং শারীরিক পরিশ্রমের কাজ নিম্নবর্গের মহিলা ও পুরুষরাই করবেন বলে সমাজে স্বীকৃত। ফলে পুরুষরা শারীরিক পরিশ্রমের কাজে যুক্ত হন আর মহিলারা ঊচ্চবর্ণের বাড়িতে গৃহপরিচারিকার কাজ করতে বাধ্য হন। তবে, গবেষণায় দেখানো হয়েছে জাতপাতের তারতম্য মহিলাদের ক্ষেত্রে অনেক বেশি তীক্ষ্ণ। কাজের বাজারে এই তারতম্য অত্যন্ত প্রকট। এই কারণে ঊচ্চবর্ণের মহিলাদের তুলনায় কাজের বাজারে নিম্নবর্গের মহিলাদের উপস্থিতির হার অনেক বেশি। এর কারণ শিক্ষার মান অনুযায়ী কারা কি ধরনের কাজ পাবেন তার ঠিক হয়। আর্থিক সমস্যার কারণে শিক্ষায় নিম্নবর্গের মহিলারা অনেকটাই পিছিয়ে থাকেন। এই কারণে অসংগঠিত ক্ষেত্রে নিচুতলার কাজ ছাড়া অন্য কোনো কাজ পান না। প্রবল চেষ্টায় নিম্নবর্গের কোনো মহিলা যদি স্কুলের গন্ডি টপকাতে পারেন তাহলে সরকারি সংগঠিত ক্ষেত্রে সংরক্ষণ নীতিতে তাঁরা কিছুটা কাজের সুযোগ পান।এই প্রসঙ্গে গবেষণার একটি উল্লেখযোগ্য দিক হল অসংগঠিত এবং সংগঠিত এই দুই ক্ষেত্রে labour force য়ে মহিলাদের সংখ্যা বাড়লে কাজের বাজার এবং সমাজের নানা স্তরে উন্নয়ন সূচক বাড়ে । পাশাপাশি দেখা গিয়েছে আর্থিক সক্ষমতা থাকলে পরিবার পরিচালনার ক্ষেত্রে মহিলাদের মতামতের গুরুত্ব বাড়ে। এক ই সঙ্গে গবেষকরা দেখিয়েছেন মহিলাদের শিক্ষা এবং কাজের সুযোগ বাড়লে বাল্য বিবাহ এবং অল্প বয়সে সন্তান ধারণের সংখ্যা ও কমে। গবেষকরা তো তাদের কাছ করে চলেছেন। সমাজের নানা দিকের বহু গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে তাঁরা আলো ফেলছেন।তবে সেই বিষয় গুলি ভোট শিকারী এবং নীতি নির্ধারকদের চোখে পড়লে হয়।

মার্চ ১৪, ২০২৪
সম্পাদকীয়

অন্ধকারে আলো পড়ুক

নির্বাচন কমিশনের তথ্যে মহিলা ভোটার সংখ্যা ও তাদের ভোটদানের হার যতই বাড়ছে ততই নির্বাচন এলেই রাজনৈতিক দল গুলির প্রচারের Focal Point য়ে গুরুত্বপূর্ণ ঠাঁই পাচ্ছেন মহিলারা। এই পরিস্থিতির মাঝে এসেছে বিশ্ব নারী দিবস। শুধু তাই নয় এই দিনটি কে যেন আরো ব্যাঙ্গাত্বক অর্থে দৃশ্যমান করে তুলেছে সন্দেশখালি। সেখানে নারী নির্যাতন-ই মূল অভিযোগ। তার উপর আন্দোলনের পুরোভাগে রয়েছেন মহিলারা। স্বাভাবিক ভাবেই বিরোধীরা এই পরিস্থিতিকে কাজে লাগিয়ে দলীয় স্বার্থ মেটানোয় কোনো খামতি রাখছে না। আর সেই আন্দোলনকে ভোঁতা করতে শাসক দল ও কোমর বেঁধেছে। অতএব এক দিকে যেমন নারী নির্যাতন নিয়ে একে অপরের প্রতি বিষোদগার করছে তেমনই চলছে নারী শব্দের বন্দনা। অবশ্যই এই বন্দনা নতুন কিছু নয়। রাষ্ট্রশক্তি থেকে বিরোধী শক্তি যখনই যার প্রয়োজন পড়েছে তখনই সে নারী বন্দনার বান ডাকিয়েছে। অষ্টাদশ শতাব্দীতে ব্রিটিশ সাম্রাজ্যবাদ বিশ্বজুড়ে আধিপত্য বিস্তারে যাতে সেনার যোগান কম না পড়ে তার জন্য জাতীয়তাবাদের মহিমার কাজল পরিয়ে মেয়েদের অধিক সন্তান প্রসবে উৎসাহিত করেছিল। আর এ বিষয়ে হিটলারের চালু করা মাদারস ক্রস র কথা তো অনেকেরই জানা আছে। যার মূল লক্ষ্য ছিল আদর্শ মা হয়ে ওঠার পাঠের আড়ালে অধিক সন্তান প্রসব করার আহ্বান।তবে পুতিনের অবশ্য আড়াল আবডালের কোনো বালাই নেই। তিনি সরাসরি তীব্র অপছন্দের সোভিয়েত ইউনিয়নের অতীত থেকে মাদার হিরোইন প্রকল্পটি ফিরিয়ে এনেছেন। এই প্রকল্পে যে রুশ নারীরা দশ বা ততোধিক সন্তানের জন্ম দেবেন তাঁরা সন্মানের সঙ্গে দশ লক্ষ রুবল আর্থিক পুরষ্কার পাবেন। সিংহ হৃদয় শাসক যে ইউক্রেন কে উচিত শিক্ষা দেওয়ার পণ করেছেন। তার জন্য যুদ্ধে অসংখ্য সৈনিক প্রান হারাচ্ছেন। এমনিতে অকুতোভয় দন্ডমুন্ডের কর্তার মনে ভয় ঢুকেছে যদি সেনা কম পড়ে। তাই সেই খামতি মেটাতে এই সন্মান দান। এই স্বার্থসিদ্ধির জন্য মহিলা দলের স্বাস্থের কি হাল হবে তা ভেবে দেখার মতো সময় শাসকদের থাকতে নেই।সন্তান ধারণের জন্য মহিলাদের পুষ্টির সঙ্গে স্বাস্থের কারনে প্রয়োজন দুটি সন্তান প্রসবের মধ্যে অতি প্রয়োজনীয় সময়ের ব্যবধান। এই সমস্যাগুলি নজরে রাখার প্রয়োজন শাসকদলের কোনকালেই নেই। তাই ভোট এলে প্রতিপক্ষ কে বিঁধতে অথবা মহিলা ভোটারদের কাছে টানতে অজস্র কৌশল ব্যবহার করা হয়। তাই মেয়েরা যে তিমিরে সেই তিমিরেই রয়ে যান। অন্য দিকে, বিশ্ব নারী দিবস ঘিরে বহু সেমিনার, আলোচনা চক্র অনুষ্ঠিত হয়। ভরে ওঠে দিস্তা দিস্তা কাগজের পাতা। ভরে যায় কম্পিউটারের হার্ডডিস্ক। অথচ নারী স্বাধীনতা, নারী শিক্ষা, বৈষম্য দূরীকরণ বা সমানাধিকার সব ই কথার কথা রয়ে যায়। সম্প্রতি প্রকাশিত হয়েছে India justice report , সেই রিপোর্টে দেখানো হয়েছে লিঙ্গ বৈষম্য কতটা গভীরে পৌঁছেছে। ন্যায় বিচারের জন্য যে প্রতিষ্ঠান গুলি রয়েছে সেই পুলিশ, বিচার ব্যবস্থা, সংশোধনাগার, লিগাল এড এবং মানবাধিকার কমিশন গুলিতে সময়ের সঙ্গে লিঙ্গ বৈষম্য কমেনি বরং বেড়েছে।India justice report য়ের editor Maja Daruwala Indian express য়ের পত্রিকার উত্তর সম্পাদকীয় লিখেছেন বর্তমানে justice delivery system য়ে গোটা দেশে মাত্র তিন লক্ষ মহিলা রয়েছেন। সংরক্ষণ ব্যবস্থার কল্যানে ওই মহিলার সিস্টেমে ঢুকতে পারলেও পদাধিকারের সিঁড়িতে তাদের অধিকার সেই নিচের ধাপে রয়েছে। রিপোর্টে উল্লিখিত তথ্য তুলে ধরে তিনি লিখেছেন বিচার ব্যবস্থায় নিম্ন আদালতে যদি ৩৫ শতাংশ মহিলা থাকেন তাহলে হাইকোর্টে এই সংখ্যা টা ১৩ শতাংশ। বর্তমানে সুপ্রিম কোর্টে মাত্র তিন জন মহিলা বিচারপতি রয়েছেন। ওই রিপোর্টে বলা হয়েছে constabulary পর্যায় বারো শতাংশ মহিলা রয়েছেন। আর অফিস পর্যায় ওই সংখ্যা টা আরও কম, মাত্র ৮ শতাংশ। এছাড়া প্রিজন অ্যাডমিনিস্ট্রেশনে মহিলা কর্মীর সংখ্যা ১৪ শতাংশ।Maja Daruwala লিখেছেন আজ পর্যন্ত সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতির আসনে কোনো মহিলা বিচারপতি বসেননি। যদিও ১৯৮৯ সালে সুপ্রিমকোর্টের প্রথম মহিলা বিচারপতি হন ফাতিমা বিভি। দেশের হাইকোর্ট গুলিতেও এক ই ছবি দেখা যাচ্ছে। স্বাধীনতার সাত দশকে মাত্র ষোলো জন মহিলা বিচারপতি হয়েছেন হাইকোর্টে। দেশের মানবাধিকার কমিশনের বিচার্য বিষয় গুলির মধ্যে অন্যতম হলো লিঙ্গ বৈষম্য। কিন্তু সেখানেও একই আঁধার। জাতীয় মানবাধিকার কমিশন থেকে রাজ্যে রাজ্যে মানবাধিকার কমিশন গুলিতেও এক ই অবস্থা। এখনো পর্যন্ত জাতীয় মানবাধিকার কমিশনে মাত্র তিন জন মহিলা সদস্য হয়েছেন। কমিশনের chair person হওয়া তো দূরের কথা। ঘটা করে বিশ্ব নারী দিবস পালন না করে দেশের আইন প্রণেতারা যদি সত্যিই মহিলাদের উন্নয়ন চান তাহলে এই অন্ধকার কোণগুলিতে একটু নজর দিলে পরিস্থিতি সত্যি ই বদলাতে পারে।

মার্চ ০৯, ২০২৪
রাজনীতি

'মুখোশ খুলে পড়েছে, এবার জনগণ জবাব দেবে', প্রাক্তন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়কে তীব্র নিশানা মমতার

বৃহস্পতিবার দুপুরেই বিজেপির রাজ্য দফতরে গিয়ে গেরুয়া শিবির যোগ দিয়েছেন প্রাক্তন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। এই যোগ নিয়ে ধর্মতলা থেকে নাম না করে নিশানা করলেন মুখ্যমন্ত্রী। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করলেন, মুখোশ খুলে পড়ায় তিনি খুশি।বৃহস্পতিবার বিজেপিতে যোগ দিয়েই মমতা সরকার ও তৃণমূলকে উৎখাতের ডাক দিয়েছেন অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। শাসক শিবিরকে দুর্নীতিগ্রস্ত বলে তোপ দাগেন। এর ঘন্টা তিনেকের মধ্যেই সরব হয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বলেছেন, বিচারের বাণী নীরবে নিভৃতে কাঁদে। বিচারের চেয়ারে বসে বিজেপি বাবু বিজেপি পার্টির কথা ঘোষণা করছেন। এদের দিকে তাকিয়ে মানুষ বিচার পাবে? আমি বিচারপতি নিয়ে বলতে পারি না, আমি বিচার নিয়ে বলতে পারি। আমিও প্র্যাক্টিস করেছি এক সময়। আইনে কী বেঠিক কী সঠিক আমরাও জানি।নিজের খুশির কথা বোঝাতে গিয়ে মমতা বলেছেন, আমাকে বলছে তোমাদের যা সব রায় বেরোচ্ছে, এ দেখে তো রয়াল বেঙ্গল টাইগাররাও পালিয়ে যাবে ভয়ে। আমি বললাম কেউ কেউ আছেন কী আর করবেন? এরা কেউকেটা। তবে আমি খুশি এদের মুখোশটা বেরিয়ে গিয়েছে। মুখোশ খুলে পড়েছে। মুখ এবং মুখোশ।মুখ্যমন্ত্রীর দাবি, এতদিন রায় দিতেন বিচারপতি। তাতে হাজার হাজার বেকার ছেলে-মেয়ে চাকরি থেকে বঞ্চিত। আগামিতে বিজেপি নেতা অভিজিৎবাবুর বিরুদ্ধে জনগণ রায় দেবেন। মমতার কথায়, আমরা প্রথম থেকে বলছিলাম হাজার হাজার চাকরি গিয়ে বড় নেতা হয়ে গিয়েছিলেন। অভিষেককে তো রোজ নাম করে গালাগালি দিত। অনেক কিছু দেখেছি আমি। আজ কোথায় গেলেন আপনি? কাল থেকে আপনার রায় জনগন দেবেন। আপনি হাজার হাজার ছেলে মেয়ের চাকরি খেয়েছেন। আপনার রায় জনগণ দেবেন।গুঞ্জন যে লোকসভা ভোটে তমলুক থেকে বিজেপির প্রার্থী হতে পারেন অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। এদিন সেই জল্পনা আরও বাড়িয়ে দিয়েছেন স্বয়ং তৃণমূল নেত্রী। প্রাক্তন বিচারপতিকে নিশানা করে বললেন, তৈরি থাকুন। আপনি যেখানে দাঁড়াবেন আমি স্টুডেন্টদেরই নিয়ে যাব। স্টুডেন্টরাই লড়াই করবে। যাদের চাকরি আপনারা খেয়েছেন। স্বভাবিকভাবে অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় ভোটে দাঁড়ালে তাঁর বিরুদ্ধে তৃণমূল কাকে প্রার্থী করে তা নিয়ে কৌতুহল থাকবে রাজনৈতিক মহলের।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মুখে এদিন চাকরি দুর্নীতিতে সংশোধনের কথা শোনা গিয়েছে। বলেছেন, চাকরি দেওয়ার ক্ষমতা নেই, চাকরি কেড়ে নেন। বলতে পারতেন এর বদলে ওকে দিন। বলতে পারতেন এই প্যানেলটা বাতিল করে আরেকবার ডাকুন। আমার আপত্তি নেই। ভুল থাকে সংশোধন করে নিন। কোনও সুযোগ না দিয়ে ওয়ান সাইডেড গেম। এখনও ৫ লক্ষ চাকরি আমার তৈরি আছে। হিংসুটে বিজেপি, সিপিএম আর কংগ্রেস। এমন কর্কটে বাপ রে! কেউটে, গোখরোর থেকে ভয়ঙ্কর। চাকরি দিলেই পিল (জনস্বার্থ মামলা) করবে।উল্লেখ্য, নিয়োগ দুর্নীতি নিয়ে বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের একাধিক নির্দেশে বিড়ম্বনায় পড়েছে মমতা সরকার। তদন্তের মুখোমুখি অভিষেকও। তারপর একাধিকবার শাসক দলের নেতাদের তোপবাণে পড়তে হয়েছে তাঁকে। পরে বিজেপিতে যোগ দেওয়ার সময় অভিজিৎবাবু দাবি করেছিলেন যে, তৃণমূল নেতৃত্বের ভয়ঙ্কর সমালোচনার সামনে না পড়লে তিনি কোনওদিন রাজনীতিতে যোগদানের কথা ভাবতেন না।

মার্চ ০৭, ২০২৪
রাজ্য

সন্দেশখালিতে নির্যাতনের প্রতিবাদে অভিনব প্রতিবাদ মহিলা সমিতির

সন্দেশখালি নারী নির্যাতনের প্রতিবাদে সাধারণ মানুষের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে সল্টলেক অভিনব প্রতিবাদ সর্বভারতীয় গণতান্ত্রিক মহিলা সমিতির। মঙ্গলবার বিকাল থেকে মুখে কালো কাপড় বেঁধে সল্টলেক সিটি সেন্টার মেট্রো স্টেশনের সামনে হাতে পোস্টার ব্যানার নিয়ে সন্দেশখালিতে মহিলাদের উপর অত্যাচার তথা সারা বাংলা জুড়ে সাধারণ মানুষের উপর তৃণমূলের অত্যাচারের প্রতিবাদে সামিল হয় সর্বভারতীয় গণতান্ত্রিক মহিলা সমিত। পাশাপাশি শেখ শাহজাহান এখনো অধরা, কুনাল ঘোষের বক্তব্য চাইলেই শেখ শাহজাহানকে এক সপ্তাহের মধ্যে ধরা যেতে পারে পরিপ্রেক্ষিতে বিক্ষোভকারীরা বলেন সরকারি মদতে শাহজাহানকে আশ্রয় দিয়ে রাখা হয়েছে।

ফেব্রুয়ারি ২৭, ২০২৪
খেলার দুনিয়া

কাতার বিশ্বকাপের মাঝে জমাটি মহিলা ফুটবলের আসর বর্ধমানে

ব্রাজিল, আর্জেন্টিনা, জার্মানি, ফ্রান্স নিয়ে চায়ের কাপে তুফান তুলছে বাঙালি। যতই আইপিএল (ক্রিকেট) থাকুক চার বছর অন্তর এই মহাযজ্ঞ-র আশায় বুক বাঁধে চায়ের দোকানি থেকে কর্পোরেট বাবু হয়ে টিউশান পড়ানো বেকার ছেলেটা...। ভারত খেলছে না তো কি হয়েছে? ব্রাজিল - আর্জেন্টিনা সমর্থনে দেশ দু ভাগ। সাধে কি লোকে বলে গ্রেটেস্ট শো অন আর্থ!। রাতে নাকি চুরি কমে গেছে! কারণ? বাঙালি রাত জেগে ফুটবল দেখছে। কাতার যখন ফুটবলের মহাযজ্ঞে ব্যস্ত, ঠিক সেই সময় বর্ধমানের অদূরে রবিবার ছুটির দিনে হয়ে গেল মহিলাদের একদিবসীয় ফুটবল টুর্নামেন্ট।শহর বর্ধমান থেকে কয়েক কিলোমিটার দূরে দামোদর পেড়িয়ে এক ছোট্ট গ্রাম বেরুগ্রাম। রবিবার শীতের আমেজে বেরুগ্রাম পশ্চিম পাড়ায় তুরুক দিঘির ফুটবল ময়দানে স্বর্গীয় সুনীল কুমার ঘোষের স্মৃতির উদ্দেশ্যে একদিনব্যাপী মহিলা ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত হলো। এই প্রতিযোগিতায় মোট চারটি দল অংশগ্রহণ করেছে। কালনা, গুড়াপ, সগরাই ও বোলপুর থেকে এই চারটি দল আসে।জমজমাট এই টুর্নামেন্টের প্রধান অতিথ ছিলেন প্রাক্তন ভারতীয় মহিলা ফুটবল দলের অধিনায়িকা কুন্তলা ঘোষ দস্তিদার। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন ভারতীয় বাস্কেটবল খেলোয়াড় ও কোচ সবিতা মজুমদার, বাস্কেটবল ফেডারেশন অফ ইন্ডিয়ার ভাইস প্রেসিডেন্ট গৌতম গাঙ্গুলী, বর্ধমান ভলিবল ও বাস্কেটবল অ্যাসোসিয়েশনের জেনারেল সেক্রেটারি ও কলকাতা বাস্কেটবল ফেডারেশনের ভাইস প্রেসিডেন্ট বনবিহারী যশ এবং আদর্শ বিদ্যালয়ের বিশিষ্ট শিক্ষক পশ্চিমবঙ্গ সরকারের শিক্ষারত্ন পুরস্কারে ভূষিত সুবীর দে।চারটি দলের এই খেলায়, প্রথম সেমিফাইনালে বোলপুর আর সগরাই এর মধ্যে যে খেলা হয় তাতে বোলপুর জয়লাভ করে সরাসরি ফাইনালে পৌঁছে যায়। পরের সেমিফাইনাল ম্যাচে গুড়াপ বানাম কালনার খেলায় গুরাপ জয়লাভ করে। ফাইনালের খেলা অক্রমণ প্রতি আক্রমণে জমে ওঠে। বিশ্বকাপের খেলা চললেও এই খেলায় দর্শক সমাগম ছিলো দেখার মত। খেলাটির সঞ্চালনায় ছিলেন বিশিষ্ট বাচিক শিল্পী সুদেষ্ণা আচার্য। তাঁর অনবদ্য সঞ্চালনা খেলাটিকে এক অন্য মাত্রা দেয়। তিনি জনতার কথা কে জানান, বিশ্বকাপ জ্বরের মধ্যেও যথেষ্ট দর্শক সমাগম হয়েছিল আজ বেরুগ্রামে। প্রত্যেকটি দলের মেয়েরা জানপ্রান দিয়ে লড়াই করে নিজেদেরকে ভারতীয় ফুটবল দলের অধিনায়িকার সামনে উজার করে দেয়। চুড়ান্ত খেলায় বোলপুর বনাম গুরাপের ম্যাচে বোলপুর এক গোলে জয়লাভ করে। এই খেলার মুল উদ্যোক্তা তরুণ ঘোষ।

নভেম্বর ২৭, ২০২২
খেলার দুনিয়া

রেকর্ড স্পর্শ করেও ভারতকে জেতাতে ব্যর্থ ঝুলন

অবসর প্রসঙ্গে ঝুলন গোস্বামীর মুখে বারবার একটা কথাই শোনা গেছে, যতদিন উপভোগ করব, খেলব। অবসর নিয়ে ভাবছি না। বয়সটা তাঁর কাছে কোনও বাধা আবার প্রমাণ করে দিলেন। বৃহস্পতিবার নিউজিল্যন্ডের কেটি মার্টিনের উইকেট তুলে নিয়ে বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ উইকেট শিকারী অস্ট্রেলিয়ার লিন ফুলস্টনের রেকর্ড স্পর্শ করলেন ঝুলন। দুজনেরই বিশ্বকাপে ৩৯টি করে উইকেট। রেকর্ড স্পর্শ করলেও দলকে জেতাতে ব্যর্থ ঝুলন। নিউজিল্যান্ডের কাছে ৬২ রানে হারতে হল ভারতকে। মূলত ব্যাটিং বিপর্যয়ের জন্যই হারতে হল ভারতকে।টস জিতে নিউজিল্যান্ডকে ব্যাট করতে পাঠান মিতালি রাজ। লক্ষ্য ছিল কম রানের মধ্যে বিপক্ষকে গুটিয়ে দেওয়ার। কিন্তু তাঁর সেই পরিকল্পনা সফল হয়নি। নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৯ উইকেটে ২৬০ রান তোলে কিউয়িরা। যদিও শুরুটা ভাল হয়নি নিউজিল্যান্ডের। তৃতীয় ওভারেই রান আউট হয়ে ফিরে যান সুজিয়ে বেটস (৫)। অধিনায়ক সোফিয়ে ডিভাইন (৩৫) যখন আউট হন, নিউজিল্যান্ডের রান তখন ৫৪। এরপর দলকে টেনে নিয়ে যান আমিলিয়া কের এবং অ্যামি স্যাটার্থওয়েট। দুজনের জুটিতে ওঠে ৬৭। কেরকে (৫০) তুলে নিয়ে জুটি ভাঙেন রাজেশ্বরী গায়কোয়াড়। সর্বাধিক ৭৫ রান করেন স্যাটার্থওয়েট। ৪১ রানের কার্যকারী ইনিংস খেলেন উইকেটরক্ষক কেটি মার্টিন। ভারতের হয়ে সর্বাধিক চার উইকেট নেন পূজা বস্ত্রকার। ২টি উইকেট পান রাজেশ্বরী গায়েকোয়াড়। ১টি উইকেট নেন দীপ্তি শর্মা। স্লগ ওভারে বোলিং করতে কেটি মার্টিনকে তুলে নিয়ে লিন ফুলস্টনের বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ উইকেটের রেকর্ড স্পর্শ করেন ঝুলন গোস্বামী। আর একটি উইকেট পেলেই মহিলা বিশ্বকাপের ইতিহাসে একক ভাবে সর্বোচ্চ উইকেট শিকারির অধিকারি হবেন কিংবদন্তি এই ক্রিকেটার।ব্যাট করতে নেমে প্রথম থেকেই একের পর এক উইকেট হারাতে থাকে ভারত। স্মৃতি মান্ধানা (৬), দীপ্তি শর্মারা (৫) রান পাননি। ইয়াস্তিকা ভাটিয়া করেন ২৮। অধিনায়ক মিতালি রাজ এবং হরমনপ্রীত কাউরের সৌজন্যে কিছুটা রুখে দাঁড়ায় ভারত। মিতালি (৩১) আউট হওয়ার সঙ্গেই আবার ধস নামে ভারতীয় ইনিংসে। একা লড়াই করেন হরমনপ্রীত কাউর। ৬৩ বলে ৭১ রান করেন তিনি। রিচা ঘোষ মাত্র একবল খেলেই আউট হন। স্নেহ রানা (১৮), পূজা বস্ত্রকাররা (৬) রান পাননি। ঝুলন করেন ১৫। ৪৬.৪ ওভারে ১৯৮ রানে গুটিয়ে যায় ভারতের ইনিংস।

মার্চ ১০, ২০২২
খেলার দুনিয়া

সম্প্রীতির অন্য ছবি, ছোট্ট ফাতিমা মিলিয়ে দিল ভারত–পাকিস্তানকে

ভারতের বিরুদ্ধে মহিলাদের বিশ্বকাপে ম্যাচ খেলার জন্য মাউন্ট মাউঙ্গানুইতে পাকিস্তান টিম বাস এসে দাঁড়াতেই একেএকে নেমে আসছিলেন পাক ক্রিকেটাররা। অধিনায়ক বিসমা মারুফের কোলে মাস ছয়েকের এক ফুটফুটে কন্যাসন্তান। অনেকেই অবাক চোখে দেখছিলেন। এইটুকু বাচ্চা নিয়ে বিশ্বকাপের আসরে! অবাক হওয়ারই কথা। ওই ফুটফুটে শিশুই ম্যাচের পর মিলিয়ে দিয়েছিল ভারতপাকিস্তানকে। ধরা পড়ে সম্প্রীতির এক অন্য ছবি। মন ভাল করে দেওয়ার এক অনন্য মুহূর্ত।পাকিস্তান টিম হোটেলেই বলুন কিংবা ড্রেসিংরুমে, অন্য আবহ এনে দিয়েছে অধিনায়ক বিসমা মারুফের ৬ মাসের ফুটফুটে কন্যাসন্তান ফাতিমা। গোটা দলের অনুপ্রেরণা। তাকে দেখেই ক্রিকেটাররা উজ্জীবিত। ছোট্ট ফাতিমাই এখন পাকিস্তান শিবিরের আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু। তাকে দেখার জন্য, খুনসুটি করার জন্য বিসমার ঘরে ছুটে আসেন অন্য ক্রিকেটাররা। পাক অধিনায়ক বলেন, দলের সতীর্থরা ওর সঙ্গে খেলা করার জন্য, আদর করার জন্য আমার ঘরে ছুটে আছে। দলের মধ্যে অন্যরকম এনার্জি এনে দিয়েছে আমার ছোট্ট মেয়ে। প্র্যাকটিসের পর অনেকেই আমার ঘরে ছুটে আসে। কয়েক ঘন্টা ওকে কাছে না পেলে খুব মিস করে। কেউ যদি মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে তাহলে আমার ঘরে ফাতিমার সঙ্গে খেলা করে। ওকে কাছে পেলে সবাই রিল্যাক্স থাকে। কোনও বিষয়ের ওপর যেখন বেশি ফোকাস, চাপ তৈরি হয়। একজন শিশু কাছে থাকলে, সব চিন্তা দূর হয়ে যায়।Bismah Maroofs legacy will go far beyond her achievements on the field. In a society that often tells women to make choices between career and family, shes showing that you can have both! Such an inspiring person.pic.twitter.com/Vp7EB2iwKd Aatif Nawaz (@AatifNawaz) March 6, 2022ছোট্ট মেয়েকে সামলাতে কোনও সমস্যা হয়না বিসমার। মেয়ে ঘুম থেকে ওঠার আগেই প্র্যাকটিসে চলে যান। যদি কোনও দিন বিসমার প্র্যাকটিসে যাওয়ার আগেই বিসমা উঠে পড়ে, সামলানোর দায়িত্ব বিসমার মায়ের। অধিকাংশ দিনই প্র্যাকটিস থেকে ফেরার পর মেয়ের সঙ্গে দেখা হয় বিসমার। মাকে কাছে না পেলেও অস্বাভাবিক আচরণ করে না ছোট্ট ফাতিমা। তবে মা ফিরে এলে ছাড়তেই চায় না।চলতি বিশ্বকাপে বিসমা ছাড়াও আরও ৭ জন ক্রিকেটার খেলছেন, যাদের সন্তান রয়েছে। তবে পাকিস্তানী ক্রিকেটার হিসেবে তিনিই প্রথম, যিনি সন্তান জন্ম দেওয়ার পরও ক্রিকেট থেকে সরে যাননি। এই ব্যাপারে তাঁর পাশে দাঁড়িয়েছিলেন পাকিস্তান কোচ ডেভিড হেম্প ও পাকিস্তান মহিলা ক্রিকেটের চেয়ারম্যান উরুজ মুমতাজ। ২০২১ সালের আগস্টে তিনি মা হন। তার আগেই কোচ ও পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের সঙ্গে কথা বলেছিলেন মিসবা। তাঁদের কাছ থেকে দলে ফেরার আশ্বাস পেয়েছিলেন। মিসবা বলেন, বোর্ড এ ভাবে পাশে না দাঁড়ালে হয়তো ক্রিকেট ছাড়তে হত আমায়। এখন আমি মা-কে সব সময় সঙ্গে রাখি। জানি মেয়ে নিরাপদে রয়েছে। মা হওয়ার ৬ মাসের মধ্যে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ফিরে আসা এক অসাধারণ অনুপ্রেরণা। গোটা বিশ্বের সমস্ত মহিলা ক্রীড়াবিদদের জন্যেই বিসমা মারুফ এক অনুপ্রেরণা।চলতি বিশ্বকাপে নিজেদের প্রথম ম্যাচে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে জেতার পর বিসমা মারুফ যখন ম্যাচ শেষে সাক্ষাৎকার দিচ্ছিলেন তখন দেখা যায় ড্রেসিংরুমের বাইরে বিসমার মেয়ের সঙ্গে খেলছেন ভারতীয় দলের সদস্যরা। কেউ গাল টিপছেন, কেউ আদর করছেন। বিসমা মারুফ এসে তাকে কোলে তুলে নেওয়ার পরও হরমনপ্রীত কউর, স্মৃতি মন্ধনা, একতা বিস্তদের দিকে হাসি হাসি মুখে চেয়ে ছিল খুদেটি। দেখেই বোঝা যাচ্ছিল তাঁকে ঘিরে ভারতীয় ক্রিকেটারদের মাতামাতি বেশ উপভোগ করছেন পাক অধিনায়কের কন্যা।

মার্চ ০৭, ২০২২

ট্রেন্ডিং

বিদেশ

শেষ মুহূর্তে বড় সিদ্ধান্ত! ইরানে হামলা স্থগিত, আচমকা কী ঘোষণা করলেন ট্রাম্প?

মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে যুদ্ধের আশঙ্কা তৈরি হলেও শেষ মুহূর্তে পরিস্থিতিতে বড় মোড় এল। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, ইরানের বিরুদ্ধে যে সামরিক অভিযানের পরিকল্পনা করা হয়েছিল, তা আপাতত স্থগিত রাখা হয়েছে। তাঁর এই ঘোষণার পর আন্তর্জাতিক মহলে নতুন করে কূটনৈতিক সমাধানের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে।এর আগে মধ্যপ্রাচ্যের একাধিক দেশে থাকা মার্কিন নাগরিকদের জন্য সতর্কবার্তা জারি করা হয়েছিল। বাহরিন, ইরাক, ইজরায়েল, জর্ডন, কুয়েত, লেবানন, ওমান, কাতার, সৌদি আরব এবং সংযুক্ত আরব আমিরশাহিতে থাকা মার্কিন নাগরিকদের প্রয়োজন হলে দ্রুত দেশ ছাড়ার জন্য প্রস্তুত থাকতে বলা হয়। এই সতর্কবার্তার পরই সম্ভাব্য সামরিক অভিযানের জল্পনা তীব্র হয়ে ওঠে।এই পরিস্থিতির মধ্যেই ট্রাম্প জানান, ইরানের সঙ্গে আলোচনায় ইতিবাচক অগ্রগতি হয়েছে। তাঁর দাবি, সম্ভাব্য চুক্তির কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে দুই পক্ষ নীতিগতভাবে একমত হয়েছে। সেই কারণেই আপাতত সামরিক অভিযান থেকে সরে এসেছে আমেরিকা।ট্রাম্প তাঁর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দাবি করেন, ইরান এবং মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি দেশ আমেরিকাকে হামলা না করার অনুরোধ জানিয়েছে। তাঁর বক্তব্য, সম্ভাব্য চুক্তির অংশ হিসেবে হরমুজ প্রণালী সম্পূর্ণভাবে খুলে দেওয়া এবং ইরানের পরমাণু কর্মসূচি থেকে তৈরি হওয়া নিরাপত্তা উদ্বেগের সমাধান নিয়ে আলোচনা এগোচ্ছে। তবে এই দাবিগুলির স্বাধীনভাবে সরকারি বা আন্তর্জাতিক সূত্রে পূর্ণ নিশ্চিতকরণ তখনও পাওয়া যায়নি।মার্কিন প্রেসিডেন্ট আরও বলেন, বিশ্বের বৃহত্তর স্বার্থ এবং মধ্যপ্রাচ্যে স্থিতিশীলতা বজায় রাখার লক্ষ্যেই তিনি সামরিক অভিযান স্থগিত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তাঁর আশা, দ্রুত আলোচনার মাধ্যমে একটি সমঝোতায় পৌঁছানো সম্ভব হবে।এর আগে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক মহলে জল্পনা ছড়িয়েছিল, আমেরিকা ও ইজরায়েল যৌথভাবে ইরানের গুরুত্বপূর্ণ সামরিক ও পরমাণু পরিকাঠামোর বিরুদ্ধে বড় ধরনের অভিযান চালাতে পারে। সেই আশঙ্কার মধ্যেই ট্রাম্পের নতুন ঘোষণা সাময়িক স্বস্তি এনে দিয়েছে। তবে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি কোন দিকে এগোবে, তা নির্ভর করবে চলমান কূটনৈতিক আলোচনার ফলাফলের উপর।

আগস্ট ০২, ২০২৬
কলকাতা

জঙ্গি দমনে বড় পদক্ষেপ! রাজ্যে আসছে নতুন সন্ত্রাসদমন বাহিনী, নজরে একাধিক জেলা

রাজ্যে জঙ্গি দমনে আরও শক্তিশালী ব্যবস্থা গড়ে তোলার পরিকল্পনা শুরু হয়েছে। নবান্ন সূত্রে খবর, মহারাষ্ট্র, উত্তরপ্রদেশ, গুজরাট এবং দিল্লির ধাঁচে একটি নতুন সন্ত্রাসদমন বাহিনী গঠনের বিষয়ে প্রাথমিকভাবে ভাবনা-চিন্তা চলছে। এই নিয়ে একাধিক দফায় বৈঠকও হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। যদিও এখনও পর্যন্ত সরকারিভাবে কোনও চূড়ান্ত ঘোষণা করা হয়নি।বর্তমানে রাজ্য পুলিশ এবং কলকাতা পুলিশের আলাদা স্পেশাল টাস্ক ফোর্স রয়েছে। নতুন পরিকল্পনায় এই দুই বাহিনীকে একত্রিত করে আরও শক্তিশালী কাঠামো তৈরির সম্ভাবনা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। লক্ষ্য, জঙ্গি কার্যকলাপ, স্লিপার সেল এবং নাশকতার সম্ভাবনা আরও দ্রুত চিহ্নিত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া।সম্প্রতি হামিম মণ্ডল এবং তার সহযোগী অর্পিতা সরকারকে গ্রেপ্তারের পর গোয়েন্দাদের নজর আরও তীক্ষ্ণ হয়েছে। তদন্তে উঠে আসা বিভিন্ন তথ্য বিশ্লেষণ করে গোয়েন্দারা মনে করছেন, জঙ্গি সংগঠনগুলির নেটওয়ার্ক, নিয়োগ প্রক্রিয়া এবং অনলাইন যোগাযোগের উপর আরও কড়া নজরদারির প্রয়োজন রয়েছে। সীমান্ত এলাকা ও সংবেদনশীল জেলাগুলিকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।সূত্রের খবর, নতুন বাহিনীর নেতৃত্বে একজন আইজি পদমর্যাদার পুলিশ আধিকারিক থাকতে পারেন। তাঁর অধীনে ডিআইজি, এসপি-সহ বিভিন্ন স্তরের অফিসাররা কাজ করবেন। মূল দপ্তর কলকাতা বা তার আশপাশে তৈরি হতে পারে। পাশাপাশি বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ জেলায় শাখা দপ্তর খোলার বিষয়টিও বিবেচনায় রয়েছে।গোয়েন্দাদের প্রাথমিক মূল্যায়ন অনুযায়ী, সীমান্তবর্তী এবং অতীতে জঙ্গি কার্যকলাপের তদন্তে উঠে আসা কয়েকটি জেলা বিশেষ নজরদারির আওতায় থাকতে পারে। সেখানে নতুন বাহিনীর শাখা তৈরি হলে স্থানীয় স্তরে তথ্য সংগ্রহ, সন্দেহজনক গতিবিধি পর্যবেক্ষণ এবং কেন্দ্রীয় সংস্থার সঙ্গে সমন্বয় আরও দ্রুত করা সম্ভব হবে বলে মনে করা হচ্ছে।রাজ্যের নিরাপত্তা আরও শক্তিশালী করা এবং সম্ভাব্য জঙ্গি নেটওয়ার্ক দ্রুত চিহ্নিত করাই এই পরিকল্পনার মূল লক্ষ্য। তবে নতুন সন্ত্রাসদমন বাহিনী গঠন নিয়ে এখনও সরকারিভাবে কোনও বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ হয়নি। প্রশাসনিক প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ হওয়ার পরই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত ঘোষণা হতে পারে।

আগস্ট ০২, ২০২৬
রাজ্য

ইনস্টাগ্রামের প্রেম থেকে জঙ্গি জাল! হামিম-অর্পিতার সম্পর্ক ঘিরে বিস্ফোরক তথ্য তদন্তে

জইশ-ই-মহম্মদের সঙ্গে যোগের অভিযোগে ধৃত হামিম মণ্ডলকে জিজ্ঞাসাবাদ করে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়ার দাবি করেছে তদন্তকারীরা। সেই তদন্তেই উঠে এসেছে ঝাড়খণ্ডের বাসিন্দা অর্পিতা সরকারের নাম। তদন্তকারী সংস্থার দাবি, সোশাল মিডিয়ার মাধ্যমে তাঁদের পরিচয় হয় এবং পরে দুজনের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে ওঠে। সেই সম্পর্ককে কাজে লাগিয়ে বড় নেটওয়ার্ক তৈরির চেষ্টা হয়েছিল কি না, তা এখন খতিয়ে দেখা হচ্ছে।জইশ-ই-মহম্মদের সঙ্গে যোগের অভিযোগে ধৃত হামিম মণ্ডল ও ঝাড়খণ্ডের বাসিন্দা অর্পিতা সরকারের সম্পর্ক ঘিরে তদন্তে একের পর এক নতুন তথ্য সামনে আসছে। তদন্তকারীদের দাবি, সোশাল মিডিয়ায় পরিচয়ের পর তাঁদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। পরে সেই সম্পর্ককে ব্যবহার করে হানিট্র্যাপ, ব্ল্যাকমেল এবং অপহরণের পরিকল্পনা করা হয়েছিল কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।তদন্তকারী সংস্থার দাবি, হাওড়ার এক মন্ত্রীর ছেলেকে দীর্ঘ সময় ধরে সোশাল মিডিয়ায় যোগাযোগের মাধ্যমে ফাঁদে ফেলার চেষ্টা করা হয়। অভিযোগ, সেই সূত্রে টাকা আদায় এবং পরে অপহরণের পরিকল্পনাও করা হয়েছিল। যদিও এই অভিযোগের সব দিক এখনও তদন্তাধীন।এসটিএফের প্রাথমিক অনুমান, শুধু একজন নয়, আরও কয়েকজন প্রভাবশালী ব্যক্তিকেও একইভাবে টার্গেট করার পরিকল্পনা ছিল। হামিম ও অর্পিতার মাধ্যমে একটি বড় নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার চেষ্টা হচ্ছিল বলে তদন্তকারীদের সন্দেহ। সম্ভাব্য টার্গেটদের গতিবিধির উপর নজর রাখার কাজও চলছিল কি না, সেটিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।তদন্তে জানা গিয়েছে, ঝাড়খণ্ডের সাহেবগঞ্জ জেলার বাসিন্দা অর্পিতা সরকার সোশাল মিডিয়ায় অত্যন্ত সক্রিয় ছিলেন। বিভিন্ন জায়গায় ঘুরে ভিডিও তৈরি করতেন। প্রায় চার বছর আগে ইনস্টাগ্রামের মাধ্যমে হামিমের সঙ্গে তাঁর পরিচয় হয়। হামিম নিজেকে ব্যবসায়ী বলে পরিচয় দিয়েছিল বলে তদন্তে উঠে এসেছে। পরে তাঁদের মধ্যে নিয়মিত যোগাযোগ শুরু হয় এবং সম্পর্ক আরও ঘনিষ্ঠ হয়।তদন্তকারীদের দাবি, হামিমের মাধ্যমে অর্পিতার পরিচয় পাকিস্তানভিত্তিক কয়েকজন হ্যান্ডলারের সঙ্গে হয়। এরপর তাঁকে বিভিন্ন কাজে ব্যবহার করার পরিকল্পনা করা হয়েছিল বলে সন্দেহ করা হচ্ছে। তদন্তকারী সংস্থা এখন খতিয়ে দেখছে, এই নেটওয়ার্কে আরও কেউ জড়িত ছিল কি না এবং একই ধরনের হানিট্র্যাপের ঘটনায় অন্য কোনও ব্যক্তি জড়িয়ে পড়েছিলেন কি না।

আগস্ট ০২, ২০২৬
রাজ্য

দুর্গাপুরের একাধিক বহুতলে সতর্কতা! সেখানেই লুকিয়ে থাকতে পারে হামিমরা

জঙ্গি কার্যকলাপে ভাড়া বাড়ির ব্যবহার নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে রাজ্যে। পূর্ব বর্ধমান থেকে জইশ-ই-মহম্মদের সঙ্গে যোগের অভিযোগে হামিম মণ্ডল গ্রেপ্তার হওয়ার পর বিভিন্ন আবাসনে নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে সতর্কতা বাড়ানো হয়েছে। তদন্তকারীরা খতিয়ে দেখছেন, ভাড়া ফ্ল্যাটকে ব্যবহার করে কোনও নেটওয়ার্ক পরিচালিত হচ্ছিল কি না।হামিম মণ্ডলকে পূর্ব বর্ধমানের একটি আবাসনের ভাড়া ফ্ল্যাট থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। সেই ঘটনার পর দুর্গাপুর ও কাঁকসা এলাকার বড় বড় আবাসনগুলিতেও সতর্কতা জারি হয়েছে। প্রশাসনের মতে, ভাড়াটিয়াদের পরিচয় যাচাই করা এবং প্রয়োজনীয় নথি জমা রাখা এখন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।দুর্গাপুরের অন্যতম বড় আবাসন তপোবন সিটিতে বহু পরিবার বসবাস করেন। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে কর্মসূত্রে বহু মানুষ এখানে ভাড়া থাকেন। সেই কারণে আবাসনের নিরাপত্তা আরও জোরদার করার উপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।স্থানীয় বিধায়ক চন্দ্রশেখর বন্দ্যোপাধ্যায় আবাসনের বাসিন্দাদের উদ্দেশে আবেদন জানিয়েছেন, কেউ ফ্ল্যাট ভাড়া দিলে ভাড়াটিয়ার আধার, ভোটার পরিচয়পত্র-সহ প্রয়োজনীয় নথির অনুলিপি স্থানীয় থানায় জমা দিতে হবে। পাশাপাশি কোনও সন্দেহজনক ব্যক্তি বা অস্বাভাবিক কার্যকলাপ নজরে এলে দ্রুত প্রশাসনকে জানাতে হবে।উল্লেখ্য, এর আগেও কাঁকসা এলাকা থেকে বাংলাদেশভিত্তিক একটি জঙ্গি সংগঠনের সঙ্গে যোগ থাকার অভিযোগে কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করেছিল এসটিএফ। সেই ঘটনার পর থেকেই এলাকায় নজরদারি বাড়ানো হয়েছিল। এবার হামিম মণ্ডল গ্রেপ্তার হওয়ার পর আবারও ভাড়া আবাসনগুলির নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে প্রশাসন বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে। তদন্তকারীরা এখন খতিয়ে দেখছেন, ভাড়া বাড়িকে ব্যবহার করে কোনও সংগঠিত নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার চেষ্টা হয়েছিল কি না।

আগস্ট ০২, ২০২৬
কলকাতা

রবীন্দ্রসদনে নজিরবিহীন ঘটনা! জয় গোস্বামীকে ঘিরে দর্শকদের আপত্তি, পরে মুখ খুললেন তসলিমা

রবীন্দ্রসদনে তসলিমা নাসরিনকে সংবর্ধনা এবং তাঁর বই প্রকাশের অনুষ্ঠানে এমন একটি ঘটনা ঘটল, যা নিয়ে সাহিত্য ও সংস্কৃতি মহলে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে। বক্তব্য রাখতে উঠে তসলিমা দর্শকাসনে বসে থাকা কবি জয় গোস্বামীকে মঞ্চে আসার আমন্ত্রণ জানান। কিন্তু জয় গোস্বামী আসন ছেড়ে মঞ্চের দিকে এগোতেই দর্শকদের একাংশ আপত্তি জানাতে শুরু করেন। পরিস্থিতি বুঝে তিনি আর মঞ্চে না উঠে নিজের আসনে ফিরে যান।ঘটনার পরে নিজের বক্তব্যে তসলিমা নাসরিন বাকস্বাধীনতা, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা এবং মুক্ত চিন্তার গুরুত্বের কথা বলেন। যদিও মঞ্চে দাঁড়িয়ে জয় গোস্বামীর ফিরে যাওয়ার বিষয়টি নিয়ে আলাদা করে কোনও মন্তব্য করেননি। পরে সংবাদমাধ্যমের কাছে তিনি জানান, তিনি আন্তরিকভাবেই জয় গোস্বামীকে মঞ্চে ডাকেন। তাঁর কথায়, একজন বড় কবি হিসেবে জয় গোস্বামীর প্রতি তাঁর শ্রদ্ধা রয়েছে। রাজনৈতিক মতের মিল না থাকলেও সাহিত্যিককে সম্মান জানানো উচিত বলেই তিনি মনে করেন।তসলিমা আরও বলেন, তিনি এমন পরিবেশের পক্ষপাতী নন যেখানে মতের অমিল থাকলেই কাউকে বর্জন করা হবে। তাঁর মতে, ভিন্ন রাজনৈতিক বা ব্যক্তিগত মত থাকলেও একই মঞ্চে উপস্থিত থাকা এবং পরস্পরকে সম্মান করা গণতান্ত্রিক সমাজের লক্ষণ।রবীন্দ্রসদনের এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ইতিমধ্যেই বিভিন্ন মহলে বিতর্ক শুরু হয়েছে। একাংশের মতে, একজন প্রখ্যাত কবিকে এভাবে মঞ্চে উঠতে না দেওয়া দুর্ভাগ্যজনক। আবার অন্য একটি অংশের দাবি, জয় গোস্বামীর অতীত অবস্থানের কারণেই দর্শকদের একাংশ এমন প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছেন। তবে এই ঘটনার পর তসলিমার মন্তব্য নতুন করে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে।এই ঘটনার রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক তাৎপর্যও এখন আলোচনায়। দীর্ঘদিন পর কলকাতায় প্রকাশ্য অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে তসলিমা নাসরিন বাকস্বাধীনতা ও মতপ্রকাশের অধিকারের পক্ষে জোরালো বার্তা দেন। সেই অনুষ্ঠানেই জয় গোস্বামীকে ঘিরে তৈরি হওয়া পরিস্থিতি সাহিত্য ও সংস্কৃতি জগতে নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।

আগস্ট ০২, ২০২৬
দেশ

যুব সমাজকে ঘিরে বড় সতর্কবার্তা মোদীর! কেন বললেন, শত্রুরা নেশার ফাঁদে ফেলতে চাইছে ভারতকে?

দেশের ভবিষ্যৎ যুব সমাজের হাতেই। তাই তরুণ প্রজন্মকে নেশার কবল থেকে দূরে রাখতে দেশজুড়ে বড় উদ্যোগ নিল কেন্দ্র সরকার। রবিবার নেশা মুক্ত যুব কর্মসূচিতে ভার্চুয়ালি যোগ দিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী যুব সমাজকে মাদক থেকে দূরে থাকার আহ্বান জানান। তাঁর বক্তব্য, নেশা শুধু একজন মানুষের জীবন নষ্ট করে না, ভেঙে দেয় একটি পরিবারের স্বপ্ন এবং দুর্বল করে দেশের ভবিষ্যৎ।বিকশিত ভারত সংকল্প অভিযান-এর অংশ হিসেবে দেশজুড়ে এই কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে। সকাল থেকে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে একযোগে অনুষ্ঠানের সূচনা হয়। ভার্চুয়ালি অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, নেশা একজন মায়ের মুখের হাসি কেড়ে নেয়, বাবার আশা ভেঙে দেয় এবং পরিবারের প্রত্যেক সদস্যকে কষ্ট দেয়। তাই যুব সমাজকে এই বিপদ থেকে রক্ষা করা অত্যন্ত জরুরি।প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, দেশের শত্রুরা শুধু সীমান্তে নয়, সমাজের ভিতরেও আঘাত হানার চেষ্টা করছে। তাঁর দাবি, মাদক ছড়িয়ে দিয়ে যুব সমাজকে দুর্বল করার ষড়যন্ত্রও চলছে। মাদকের অবৈধ ব্যবসা থেকে বিপুল অর্থ উপার্জনের পাশাপাশি দেশের শক্তিকে দুর্বল করাও তাদের উদ্দেশ্য হতে পারে। তাই প্রত্যেক যুবক-যুবতীকে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।দেশজুড়ে এই কর্মসূচি উপলক্ষে প্রায় আটাশ হাজারের বেশি স্থানে অনুষ্ঠান হচ্ছে। আয়োজকদের দাবি, এক কোটিরও বেশি যুবক-যুবতী এতে অংশ নিচ্ছেন। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন ধর্মীয় ও সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত রয়েছেন। তরুণদের নেশামুক্ত জীবন গড়ে তোলার বার্তা দিতে একাধিক আধ্যাত্মিক নেতা, সমাজসেবী এবং বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব বক্তব্য রাখছেন।এই কর্মসূচিতে বিভিন্ন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী, রাজ্যপাল, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, শিল্প সংস্থা এবং স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনও অংশ নিয়েছে। ব্রহ্ম কুমারী, ইসকন, চিন্ময় মিশন, অরোভিল-সহ একাধিক প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা যুব সমাজকে সচেতন করার উদ্যোগে শামিল হয়েছেন। অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়া বহু তরুণ নেশামুক্ত সমাজ গড়ার শপথও নেন।ভারতে মাদকবিরোধী সচেতনতা বাড়াতে কেন্দ্র সরকার গত কয়েক বছর ধরে বিভিন্ন কর্মসূচি চালিয়ে আসছে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, সামাজিক সংগঠন এবং প্রশাসনের যৌথ উদ্যোগে নিয়মিত প্রচার, সচেতনতা অভিযান ও পুনর্বাসন কর্মসূচি পরিচালিত হচ্ছে। সেই ধারাবাহিকতার অংশ হিসেবেই নেশা মুক্ত যুব কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে। সরকারের দাবি, যুব সমাজকে সচেতন করে তুলতে পারলেই সুস্থ, শক্তিশালী এবং উন্নত ভারত গড়ার লক্ষ্য আরও সহজ হবে।

আগস্ট ০২, ২০২৬
রাজ্য

হাওড়ায় মিলল হামিমের গোপন ঘাঁটি! জামার ট্যাগের দোকানের আড়ালে চলত কী ভয়ঙ্কর খেলা?

জইশ-ই-মহম্মদের সঙ্গে যোগের অভিযোগে গ্রেপ্তার হামিম মণ্ডলকে ঘিরে তদন্তে ফের বড় তথ্য সামনে এসেছে। এবার হাওড়ার পিলখানায় তার ব্যবহৃত একটি ঠিকানার খোঁজ পেয়েছেন তদন্তকারীরা। প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে, সেখানে জামাকাপড়ের ট্যাগ তৈরির কাজ হত। তবে এই ব্যবসার আড়ালে অন্য কোনও কার্যকলাপ চলত কি না, তা এখন খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্তকারীদের সন্দেহ, এই ঠিকানা থেকেই বিভিন্ন পরিকল্পনা পরিচালিত হত কি না, সেই দিকও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।কয়েক দিন আগে পূর্ব বর্ধমান থেকে হামিম মণ্ডলকে গ্রেপ্তার করে তদন্তকারী সংস্থা। তদন্তে উঠে এসেছে, পাকিস্তানভিত্তিক জঙ্গি চক্রের সঙ্গে তার যোগাযোগের অভিযোগ রয়েছে। পাশাপাশি রাজ্যের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের গতিবিধি নজরদারির অভিযোগও সামনে এসেছে। সেই সূত্র ধরেই হামিমের অতীত এবং তার ব্যবহৃত বিভিন্ন ঠিকানা নিয়ে তদন্ত আরও জোরদার হয়েছে।প্রথমে জানা গিয়েছিল, হামিমের বাড়ি হাওড়ার পিলখানায়। কিন্তু সুনির্দিষ্ট ঠিকানা পাওয়া যাচ্ছিল না। পরে তদন্তে আলম মিস্ত্রি লেনের একটি বহুতলের খোঁজ মেলে। ওই বহুতলের একতলায় ভাড়া নেওয়া দুটি ঘরেই থাকত হামিম বলে জানা গিয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, সেখানে একটি ছোট ব্যবসা পরিচালিত হত।স্থানীয় সূত্রের দাবি, একটি ঘরে জামাকাপড়ের ট্যাগ তৈরির মেশিন বসানো ছিল। অন্য ঘরে কম্পিউটারের মাধ্যমে অফিসের কাজ করা হত। হামিমের বাবা মনিরউদ্দিন মণ্ডলও সেখানে থাকতেন বলে জানা গিয়েছে। তবে হামিমের বিরুদ্ধে জঙ্গি কার্যকলাপের অভিযোগ প্রকাশ্যে আসতেই এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। স্থানীয়দের অনেকেই জানিয়েছেন, তাঁরা কোনওদিনও এমন সন্দেহ করেননি।বহুতলের মালিক জানিয়েছেন, প্রায় দুই বছর আগে ঘর দুটি ভাড়া নেওয়া হয়েছিল। একটি ঘরের মাসিক ভাড়া ছিল সাত হাজার টাকা এবং অন্যটির চার হাজার টাকা। তাঁর দাবি, গত প্রায় দুই মাস ধরে হামিমকে এলাকায় দেখা যায়নি। গ্রেপ্তারের খবর ছড়িয়ে পড়ার পর থেকে তার বাবাকেও আর এলাকায় দেখা যাচ্ছে না।স্থানীয় এক ব্যবসায়ীর দাবি, হামিমের বাবার সঙ্গে মাঝে মধ্যে দেখা হলেও হামিমের সঙ্গে তেমন কোনও যোগাযোগ ছিল না। তদন্তকারীরা এখন খতিয়ে দেখছেন, ওই ব্যবসা শুধুই ব্যবসা ছিল, নাকি তার আড়ালে অন্য কোনও কার্যকলাপ চলত। পাশাপাশি হামিমের সঙ্গে যিনি বাবা পরিচয়ে থাকতেন, তিনি সত্যিই তার বাবা ছিলেন কি না, সেটিও তদন্তের আওতায় এসেছে।

আগস্ট ০২, ২০২৬
টুকিটাকি

বর্ষাকালে চুল পড়া নিয়ে দুশ্চিন্তা? শ্যাম্পু থেকে চালের জল, জানুন সমাধানের ঘরোয়া টোটকা

বর্ষাকালে অনেকেরই চুল পড়া বেড়ে যায়। এর প্রধান কারণ হলো বাতাসে আর্দ্রতা বেশি থাকায় মাথার ত্বকে ঘাম ও তেল জমে, খুশকি বাড়ে, চুলের গোড়া দুর্বল হতে পারে। এছাড়া ভেজা চুল দীর্ঘক্ষণ রাখা, সঠিক খাবারের অভাব, মানসিক চাপ ও ঘুমের সমস্যাও চুল পড়ার কারণ হতে পারে।বর্ষায় চুল পড়া কমানোর ঘরোয়া যত্ন১) নিয়মিত মাথার ত্বক পরিষ্কার রাখুনসপ্তাহে ২৩ দিন মৃদু শ্যাম্পু দিয়ে চুল পরিষ্কার করুন। ঘাম বা বৃষ্টিতে ভিজে গেলে চুল শুকিয়ে নিন। ভেজা চুল আঁচড়াবেন না, এতে চুল সহজে ভেঙে যায়।২) তেলের হালকা মালিশনারকেল তেল বা বাদাম তেল হালকা গরম করে সপ্তাহে ১২ দিন মাথায় মালিশ করতে পারেন। ১২ ঘণ্টা রেখে ধুয়ে ফেলুন। অতিরিক্ত তেল দিয়ে সারারাত রেখে দিলে বর্ষায় কারও কারও খুশকি বাড়তে পারে।৩) মেথি ও দইয়ের প্যাক১২ চামচ ভেজানো মেথি বেটে তার সঙ্গে সামান্য দই মিশিয়ে চুলে লাগানো যায়। ২০৩০ মিনিট পরে ধুয়ে ফেলুন। এটি মাথার ত্বক পরিষ্কার রাখতে সাহায্য করতে পারে।৪) অ্যালোভেরাখাঁটি অ্যালোভেরা জেল মাথার ত্বকে ২০ মিনিট লাগিয়ে ধুয়ে ফেলতে পারেন। শুষ্কতা ও চুলকানি কমাতে সাহায্য করতে পারে।চালের জল (Rice Water) চুলের যত্নে কিছুটা উপকারী হতে পারে, তবে এটি চুল পড়া পুরোপুরি বন্ধ করার প্রমাণিত ওষুধ নয়। অনেকেই ঘরোয়া উপায় হিসেবে ব্যবহার করেন, কারণ এতে কিছু অ্যামাইনো অ্যাসিড, ভিটামিন বি, মিনারেল ও স্টার্চ থাকে, যা চুলকে সাময়িকভাবে মসৃণ ও শক্ত মনে করতে সাহায্য করতে পারে।চালের জল চুলে কীভাবে উপকার করতে পারে?✅ চুলের রুক্ষতা কমাতে সাহায্য করতে পারে✅ চুলে চকচকে ভাব আনতে পারে✅ চুলের গোড়া ও স্ক্যাল্প পরিষ্কার রাখতে সহায়তা করতে পারে✅ চুল ভাঙা কিছুটা কম মনে হতে পারেকীভাবে ব্যবহার করবেন?১ কাপ চাল ভালো করে ধুয়ে ২৩ কাপ জলে ৩০ মিনিট ভিজিয়ে রাখুন।সেই জল ছেঁকে নিন।শ্যাম্পুর পরে চুলে ও মাথার ত্বকে লাগিয়ে ১০১৫ মিনিট রাখুন।তারপর পরিষ্কার জল দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।সপ্তাহে ১ বার ব্যবহার করলেই যথেষ্ট।গবেষকদের মতে চুল ভালো রাখতে যা জরুরি✅ প্রোটিনযুক্ত খাবার খানডিম, মাছ, ডাল, দুধ, বাদাম।✅ ভিটামিন ও খনিজ পেতে শাকসবজি ও ফল খান।✅ পর্যাপ্ত জল পান করুন।✅ প্রতিদিন ৭৮ ঘণ্টা ঘুমানোর চেষ্টা করুন।✅ খুব টাইট করে চুল বাঁধা, অতিরিক্ত হেয়ার ড্রায়ার বা কেমিক্যাল ট্রিটমেন্ট এড়িয়ে চলুন।বর্ষায় পুরোপুরি চুল পড়া বন্ধ করা সম্ভব নয়, কারণ প্রতিদিন কিছু চুল পড়া স্বাভাবিক। তবে নিয়মিত পরিচর্যা, পুষ্টিকর খাবার ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা রাখলে চুল পড়া অনেকটাই কমানো যায়।

আগস্ট ০২, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal