• ২৪ আষাঢ় ১৪৩৩, শনিবার ১১ জুলাই ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Women

রাজ্য

Women Murder: মুখ থেঁতলানো মহিলার পরিচয় মিলল, খুনির খোঁজে পুলিশ

কোমরের পুঁটুলির মধ্যে থাকা কাগজের টুকরোয় লেখা ছিল কিছু ফোন নম্বার। তার সূত্র ধরে তদন্ত চালিয়ে পুলিশ ৪৮ ঘন্টার মধ্যেই মুখ থেঁতলে প্রাণে মেরে দেওয়া মহিলার পরিচয় উদ্ধার করতে সক্ষম হল। রবিবার সকালে পূর্ব বর্ধমানের জামালপুর থানার জৌগ্রামের জলেশ্বরতলা এলাকার একটি বাঁশ বাগান থেকে পুলিশ মুখ থেঁতলানো এক অজ্ঞাত পরিচয় মহিলার রক্তাত দেহ উদ্ধার করেছিল। মঙ্গলবার পুলিশ জানতে পেরেছে ওই মহিলার নাম সুখী মাণ্ডি (৪৭)। তাঁর স্বামীর নাম সাধন মাণ্ডি। তাঁরা জেলার মেমারি থানার নিমো ১ পঞ্চায়েতের পলশা গ্রামের বাসিন্দা। যদিও কারা, কি উদ্দেশ্যে মহিলাকে খুন করলো সেই বিষয়টি এখনও পুলিশের কাছে পরিস্কার নয়। খুনের মামলা রুজু করে পুলিশ মহিলার মৃত্যুর ঘটনার তদন্ত চালাচ্ছে। পুলিশের দাবি খুব শীঘ্রই ধরা পড়বে খুনিরা।আরও পড়ুনঃ মুখ থেঁতলানো রক্তাক্ত মহিলার মৃতদেহ উদ্ধার, ব্যাপক চাঞ্চল্য জামালপুরেপুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, জৌগ্রামের জলেশ্বর শিব মন্দির সংলগ্ন সেচ ক্যানেল পাড়ে রয়েছে বাঁশ বাগান। রবিবার সকালে এলাকার বাসিন্দারা ওই বাঁশ বাগানে এক অজ্ঞাত পরিচয় মহিলার রক্তাক্ত মৃতদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে জামালপুর থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে তদন্তে যায়। মহিলার মুখের অংশ থেঁতলানো ছিল। তাঁর কারণে কেউ মহিলার পরিচয় জানাতে পারছিলেন না। ওই দিন প্রাথমিক তদন্তে পুলিশ নিশ্চিৎ হয় মহিলাকে নৃশংস ভাবে খুন করে কেউ মৃতদেহ বাঁশ বাগানে ফেলে দিয়ে পালিয়েছে। এরপরেই পুলিশ মহিলার পরিচয় উদ্ধারের প্রচেষ্টা চালায়।আরও পড়ুনঃ এখনই নেই রেহাই, আজও ভারী বৃষ্টির সতর্কতাএসডিপিও (বর্ধমান দক্ষিণ) আমিনুল ইসলাম খাঁন জানিয়েছেন, জৌগ্রামের জলেশ্বরতলা এলাকা থেকে যে মহিলার মৃতদেহ উদ্ধার হয়েছিল সেই মহিলার ছবি বিভিন্ন জায়গায় ছড়িয়ে দেওয়া হয়। এছাড়াও মহিলার কোমরের মধ্যে থাকা পুঁটুলি থেকে উদ্ধার হয় একটি কাগজের টুকরো। ওই কাগজে কিছু ফোন নম্বার লেখা ছিল। সেই ফোন নম্বারের সূত্র ধরে তদন্ত চালিয়ে মহিলার পরিচয় উদ্ধার সম্ভব হয়েছে। মহিলার স্বামীর নামও জানা গিয়েছে। পরিবারের লোকজন এদিন বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ মর্গে গিয়ে মৃতদেহ সনাক্ত করে এসেছেন। খুব শীঘ্র মহিলাকে খুনের ঘটনায় জড়িতরাও ধরা পড়বে বলে এসডিপিও জানিয়েছেন।আরও পড়ুনঃ চিকিৎসাধীন রোগীর তান্ডবের হিসেব-নিকেশ, ১৫ লাখ টাকার চিকিৎসা সরঞ্জাম নষ্টপলশা গ্রামের বাসিন্দাদের কথায় জানা গিয়েছে, সাধন মাণ্ডির বাড়ি পলশা গ্রামের সাপার পাড়ায়। সাধন মাণ্ডি পেশায় ট্র্যাক্টর চালক। তাঁরই দ্বিতীয় পক্ষের স্ত্রী সুখী। সাধনের প্রথম পক্ষের স্ত্রীর কোনও সন্তান নেই। সুখীর দুটি পুত্র সন্তান। একজনের বয়স ১৫-১৬ বছর। অপর জনের বয়স ১২-১৩ বছর হবে।সুখীর বড় ছেলে সম্প্রতি নিজের পছন্দের ময়েকে বিয়ে করেছে। স্থানীয়রা জানান, সুখী সাপার পাড়ায় থাকতেন না। তিনি থাকতেন নবস্তা ১ গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার অপর গ্রাম গাঙ্গুয়ায়। পারিবারিক অশান্তির কারণে মহিলা খুন হয়েছেন নাকি খুনের ঘটনার নেপথ্যে অন্য কোন কারণ রয়েছে তা এলাকাবাসীর কাছেও পরিস্কার নয়। পুলিশ মহিলাকে খুনের কারণ খতিয়ে দেখছে।

সেপ্টেম্বর ২১, ২০২১
বিনোদুনিয়া

স্বয়ংসিদ্ধার নিজস্ব বিক্রয় কেন্দ্রের সূচনা করলেন পৌরমন্ত্রী

মহিলারা এখন চারিদিকেই নিজেদের স্বাবলম্বী করে তুলছে। তাঁরা এখন আর সেইভাবে পুরুষদের ওপর নির্ভরশীল নয়। অনেক গ্রামীণ মহিলা যেমন নিজেদের আয়ের রাস্তা নিজেরাই করে নিচ্ছে। সেরকমই মহিলাদের পাশে রয়েছে সুডা। এদের প্রধান লক্ষ্য মহিলাদের স্বনির্ভর করা। আর সেই লক্ষ্যে কাজ করে চলেছে সুডা। নানা রকম প্রশিক্ষণ দিয়ে পিছিয়ে পড়া মহিলাদের স্বাবলম্বী করে তোলার জন্য নানারকম হাতের কাজ করছে। যেমন ব্যাগ, পুতুল, মাটির কাজ, ঘর সাজানোর জিনিসপত্র,জ্যাম,জেলি থেকে শুরু করে এখন তো সুইগি জোমাটোতে অর্ডার করে তাদের ঘরোয়া রান্নার স্বাদ সবার কাছে পৌঁছানোর ব্যবস্থা করা হচ্ছে। স্বয়ংসিদ্ধা এই কর্মকান্ডের অধীনে ৭১ হাজার স্বনির্ভর গোষ্ঠী তৈরি হয়েছে। কখনও পুজোর আগে তাঁদের হাতের কাজ বিক্রির ব্যবস্থা, কখনও মেলার মাধ্যমে সহযোগিতা করা সারা বছর এই ব্যবস্থা থাকে। এবার এদের কোনও পাকাপাকি বিপনন কেন্দ্র গড়ে উঠলো নিউ বারাকপুর পৌরসভার চত্বরেই। সূচনা করলেন নগরোন্নয়ন ও পৌর বিষয়ক দপ্তরের মন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য। উপস্থিত ছিলেন সুডার অধিকর্তা সুপ্রিয় ঘোষাল, সুডার অতিরিক্ত অধিকর্তা শাওন সেন।

সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২১
দেশ

Mumbai Nirvaya: দগদগে ক্ষত নিয়ে ৩৩ ঘণ্টার লড়াই থামল মুম্বইয়ের 'নির্ভয়া'র

ধর্ষণ ও নারকীয় অত্যাচারের ঘটনা ফের একবার মনে করাল দিল্লির নির্ভয়া-কাণ্ডের। ৩৩ ঘণ্টার লড়াই শেষ করে মৃত্যু হল মুম্বইয়ের নির্ভয়ার। শনিবার সকালে হাসপাতালেই মৃত্যু হয়েছে তাঁর। টেম্পোর মধ্যে ধর্ষণ করা হয় বছর ৩২-এর ওই মহিলাকে। যৌনাঙ্গে রড ঢুকিয়ে নৃশংস অত্যাচারও করা হয় তাঁর ওপর। পুলিশ নির্যাতিতাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেছিল। চিকিৎসকরাও তড়িঘড়ি তাঁর চিকিৎসা শুরু করেন। কিন্তু শরীরে ক্ষত এত বেশি ছিল আর যে ভাবে সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়েছিল, তাতে শেষ রক্ষা হয়নি। চিকিৎসা চলাকালীনই ঘাটকোপারের রাজাওয়াড়ি হাসপাতালে শনিবার সকালে মৃত্যু হয় তাঁর। টুইট করে এমনই জানিয়েছে মুম্বই পুলিশ।আরও পড়ুনঃ দাদার বায়োপিক নিয়ে উচ্ছ্বসিত মহারাজের দরবারের প্রেসিডেন্টমহারাষ্ট্রের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দিলীপ পাটিল অভিযুক্তের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য পুলিশকে নির্দেশ দিয়েছেন। রাজ্যের আরও এক মন্ত্রী নবাব মালিক বলেছেন, যত দ্রুত সম্ভব এই ঘটনার চার্জশিট তৈরি করা হবে। এবং ফাস্ট-ট্র্যাক আদালতে তুলে অভিযুক্তের শাস্তির ব্যবস্থা করা হবে। মুম্বইয়ের রাজওয়াড়ি হাসপাতালে তাঁকে ভর্তি করেছিল পুলিশ। চিকিৎসা শুরু হলেও ক্রমশ তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি হচ্ছিল। ভেন্টিলেটরে তাঁর চিকিৎসা চলছিল বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকেরা। একটা সার্জারিও করা হয়েছে তাঁর শরীরে। কিন্তু চিকিৎসকেরা নজর রাখছিলেন নির্যাতিতা মহিলার শরীর চিকিৎসায় কী ভাবে সাড়া দেয়। ক্রমেই খারাপ হতে শুরু করে শারীরিক অবস্থা। সারা শরীরে ক্ষত থেকে সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়েছিল বলেও জানা গিয়েছে।শুক্রবার ভোররাতে মুম্বইয়ের সাকিনাকা এলাকার একটি ফাঁকা টেম্পো থেকে উদ্ধার হয় রক্তাক্ত, অচৈতন্য অবস্থায় উদ্ধার করা হয় মহিলাকে। ধর্ষণের মূল অভিযুক্ত মোহন চৌহানকে ইতিমধ্যেই গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তাঁর বিরুদ্ধে ধর্ষণ, খুনের চেষ্টার মামলা রুজু হয়েছে। একটি সিসিটিভি ফুটেজও পুলিশের হাতে এসেছে। সেখানে দেখা যাচ্ছে, ধর্ষণের আগে মহিলাকে রাস্তায় ফেলে বেধড়ক মারধর করছেন মোহন। তার পর তাঁকে ধর্ষণ করে যৌনাঙ্গে লোহার রড ঢুকিয়ে দেন। বার বার সেই রড দিয়ে মহিলার যৌনাঙ্গে আঘাত করতেও দেখা গিয়েছে মোহনকে। এর পরই মহিলাকে পাশে দাঁড়ানো একটি ফাঁকা টেম্পোতে তোলেন। সেখানে গুরুতর জখম অবস্থায় ফেলে রেখে চম্পট দেন তিনি। রাত তখন আড়াইটে, তিনটে। ঘটনার মিনিট পনেরো বাদে ওই রাস্তা দিয়েই এক ব্যক্তি যাচ্ছিলেন। তখনই তিনি মহিলাকে দেখতে পান। টেম্পো থেকে রক্ত গড়িয়ে পড়ছিল রাস্তায়। অচৈতন্য অবস্থায় মহিলাকে দেখতে পেয়েই পুলিশ কন্ট্রোলরুমে ফোন করেন তিনি। পুলিশ এসে স্ংকটজনক অবস্থায় মহিলাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায়।

সেপ্টেম্বর ১১, ২০২১
রাজ্য

Teacher Hanged: ঘরের দরজা ভেঙে শিক্ষিকার ঝুলন্ত মৃতদেহ উদ্ধার

দরজা বন্ধ ঘর থেকে উদ্ধার হল শিক্ষিকার ঝুলন্ত মৃতদেহ। মৃতার নাম সুনন্দা বন্দ্যোপাধ্যায়। মধ্য বয়স্ক শিক্ষিকার বাড়ি পূর্ব বর্ধমানের কালনা শহরের প্রফেসার কলোনিতে। বুধবার রাতে কালনা থানার পুলিশ শিক্ষিকার বাড়ির একটি ঘরের দরজা ভেঙে ভিতরে ঢুকে গলায় ফাঁস লাগানো অবস্থায় তাঁর ঝুলন্ত মৃতদেহ দেখতে পায়। মৃতদেহ উদ্ধার করে পুলিশ ময়নাতদন্তের জন্য কালনা মহকুমা হাসপাতাল মর্গে পাঠায়। কালনা থানার পুলিশ শিক্ষিকার মৃত্যুর ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, সুনন্দা বন্দ্যোপাধ্যায় কালনার একটি মাদ্রাসা স্কুলের শিক্ষিকা ছিলেন। তাঁর স্বামী কয়েক বছর আগে প্রয়াত হয়েছেন। দ্বাদশ শ্রেণীর পড়ুয়া মৃতার ছেলে সম্ভ্রম বন্দ্যোপাধ্যায় এদিন জানায়, সে পড়াশোনা গাফিলতি করায় গত মঙ্গলবার দুপুরে তাঁর মা রেগে যায়। মায়ের সঙ্গে তাঁর কথা কাটাকাটি হয়। তার পরেই তাঁর মা ঘরে ঢুকে দরজা বন্ধ করে দেন। সম্ভ্রম বলেন ,এই ঘটনার পর থেকে দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও তাঁর ঘরের দরজা খুলে আর বাইরে হয় না। তাঁর মা কোন সাড়া শব্দও দিচ্ছিল না। এই ভাবে মঙ্গলবার রাত পেরিয়ে যাবার পর বুধবার সাকালে ফের দরজা ধাক্কাধাক্কি করও সম্ভ্রম তাঁর মায়ের সাড়া পায়নি। এই পরিস্থিতিতে আতঙ্কিত হয়ে সম্ভ্রম কলকাতায় তাঁর মামার বাড়িতে গিয়ে পুরো ঘটনা মামাদের খুলে বলে। বুধবার রাতে মামাদের সঙ্গে নিয়ে সম্ভ্রম কালনা থানায় গিয়ে পুলিশকে ঘটনার কথা জানায়। কালনা থানার পুলিশ দরজা ভেঙে ঘরের মধ্যে ঢুকে গলায় ফাঁস লাগানো অবস্থায় সুনন্দাদেবীর ঝুলন্ত মৃতদেহ দেখতে পায়। প্রাথমিক ভাবে এটি একটি আত্মহত্যায় ঘটনা বলেই পুলিশের অনুমান। তবে পাড়া প্রতিবেশীকে কিছু না জানিয়ে সম্ভ্রম কেন কলকাতায় মামার বাড়িতে গেল তাঁদেরকে ঘটনার কথা জানালো সেই বিষয়টি পুলিশ খতিয়ে দেখছে।

সেপ্টেম্বর ০৯, ২০২১
বিদেশ

Taliban: কর্মরত মহিলাদের আপাতত বাড়িতে থাকার পরামর্শ তালিবানের

আফগানিস্তানে কর্মরত মহিলাদের আপাতত বাড়িতেই থাকতে বলল তালিবান। তালিবান মুখপাত্র জাবিউল্লা মুজাহিদ জানিয়েছেন, তাঁরা মেয়েদের চাকরি করার বিরোধী নন। তবে যত দিন না দেশ নিরাপদ হচ্ছে, তত দিন আফগান মহিলাদের বাড়ির বাইরে না বেরনোর পরামর্শ দিয়েছেন তিনি। জাবিউল্লা অবশ্য আশ্বস্ত করে জানিয়েছেন, চাকুরিরতাদের এই বন্দিদশা স্থায়ী নয়। সেখানকার পরিস্থিতি অনেকটাই স্বাভাবিক হযে এসেছে, শুধু কাবুল বিমানবন্দরে কিছু অস্থির পরিস্থিতি রয়েছে, যা শীঘ্রই মিটে যাবে। আরও পড়ুনঃ লক্ষীর ভাণ্ডার প্রকল্পে আবেদনকারী বাংলার মহিলাদের ভিখারি বললেন দিলীপ ঘোষ জাবিউল্লা বলেছেন, দেশের নিরাপত্তা সংক্রান্ত সমস্যা না মেটা পর্যন্ত মহিলাদের বাড়িতে থাকার অনুরোধ করছি। যদিও তালিবানের এই পরামর্শের প্রসঙ্গ টেনে রাষ্ট্রপুঞ্জের মানবাধিকার বিভাগের প্রধান মিশেল বাসেলেট জানিয়েছেন, তালিবরা দেশের ক্ষমতা দখলের পর দেশের মহিলাদের সঙ্গে কী ধরনের আচরণ করে সে দিকে বিশ্বের নজর রয়েছে।এর আগে ১৯৯৬ থেকে ২০০১ সাল পর্যন্ত তালিবানরা যখন আফগানিস্তানের শাসক ছিল, তখন গৃহবন্দি হয়েই থাকতে হয়েছিল আফগান মহিলাদের। চাকরি তো দূর, পুরুষ সঙ্গী ছাড়া বাড়ির বাইরে পা রাখার অধিকারও ছিল না। ক্ষমতা হস্তান্তরের পর তাই অতীতের মতোই তালিবানি ফতোয়ার ভয়ে দিন গুনছিলেন আফগান মহিলারা। বিশেষ নির্দেশিকায় তালিবান মুখপাত্র জানিয়েছেন, তালিবরা দেশের মহিলাদের চাকরি করার বিরোধী নয়। তবে এই নতুন উদারনীতির শর্ত আছে। জাবিউল্লা বলেছেন, চাকরি ক্ষেত্রে যদি ইসলামিক আইন লঙ্ঘন না করা হয়, তা হলে মেয়েদের চাকরিতে তাঁদের আপত্তি নেই। তবে আপাতত তাঁরা দেশের মেয়েদের নিরাপত্তার বিষয়টিতে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন।

আগস্ট ২৫, ২০২১
রাজ্য

Lakshi Bhandar: লক্ষীর ভাণ্ডার প্রকল্পে আবেদনকারী বাংলার মহিলাদের ’ভিখারি’ বললেন দিলীপ ঘোষ

বাংলা ভাগের কথা অস্বীকার করে রাজ্য সরকারের লক্ষীর ভাণ্ডার প্রকল্প নিয়ে ফের অপ্রীতিকর মন্তব্য করলেন রাজ্য বিজেপি সভাপতি দিলীপ ঘোষ। দলীয় কর্মসূচীতে যোগ দিতে মঙ্গলবার বর্ধমানে এসে দিলীপ ঘোষ বলেন, ৫০০ টাকা পাওয়ার জন্য দুয়ারে সরকারের ক্যাম্পে লাইনে দাঁড়ানো মহিলারা ভিখারি নয়তো কি? একই সঙ্গে বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষ দাবি করেন, ১০ বছরের তৃণমূল সরকার মানুষকে ভিখারি বানিয়ে ৫০০ টাকার জন্য লাইনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। দিলীপ ঘোষের এহেন মন্তব্যের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন পূর্ব বর্ধমানের তৃণমূল নেতৃত্ব।রাঢ় বঙ্গের কার্যকর্তাদের নিয়ে এদিন বিশেষ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয় বর্ধমানের জেলা বিজেপি পার্টি অফিসে। সেই বৈঠকে দিলীপ ঘোষ ছাড়াও কেন্দ্রীয় বিজেপি নেতা শিবপ্রকাশ, বিজেপি যুব মোর্চার রাজ্য সভাপতি সৌমিত্র খাঁ, সাংসদ এস এস আহলুওয়ালিয়া , রাজু বন্দোপাধ্যায় উপস্থিত ছিলেন। বৈঠক শুরুর আগে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে দিলীপ ঘোষ বলেন, ১০ বছর সরকার চালানোর পর মানুষকে ভিখারি বানিয়ে দিয়ে ৫০০ টাকার জন্য রাস্তায় দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। স্বাস্থ্য বিধি মানা হচ্ছে না। ভিড় করার জন্যেই এই সময়ে দুয়ারে সরকারের ক্যাম্প করা হচ্ছে। যাঁরা লক্ষীর ভাণ্ডার প্রকল্পের সুবিধা পাওয়ার জন্য লাইনে দাঁড়িয়ে আবেদন পত্র জমা দিচ্ছেন তাঁদের ভিখারি বলছেন কেন? দিলীপ ঘোষের স্পষ্ট জবাব, ৫০০ টাকার জন্য যারা লাইনে দাড়াচ্ছেন তাঁরা ভিখারি নয় তো কি? এটাকে কি উন্নয়ন বলে? দেশের কোটি কোটি লোক বাড়িতে বসেই হাজার হাজার টাকা ভাতা-অনুদান পেয়ে যাচ্ছেন। মোদিজি কৃষকদের ৬০০০ হাজার টাকা করে দিচ্ছেন। বাড়িতে বসেই তিন কিস্তিতে কৃষকরা সেই টাকা নিচ্ছেন। তাহলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কেন সবাইকে রাস্তায় দাঁড় করাচ্ছেন? বয়স্ক মানুষেরা চাপা পড়ে মরে যাচ্ছে।এই সব কোথাও শুনেছেন? মোদিজীকে দেখে ওঁরা শিখুক । অশোকনগরের ঘটনা প্রসঙ্গে দিলীপ ঘোষ বলেন, টিএমসি নেতারা সব জায়গায় দাদাগিরি করছে। সরকারি যোজনার সুবিধা পেতে এত ভিড় করার কি দরকার আছে। একাউন্টে দিলেই তো পারতো।বাংলা ভাগের প্রসঙ্গ নিয়ে দিলীপ ঘোষকে প্রশ্ন করা হলে এদিন ভিন্ন সুর শোনা যায় তাঁর গলায় । দিলীপ ঘোষ এদিন জানান, বিজেপি কখনই বঙ্গভঙ্গের কথা বলেনি। তাঁদের দলের প্রতিষ্ঠাতা পাকিস্তানকে ভাগ করে এই বাংলা নিয়ে এসেছে। সেই বাংলা যাতে সোনার বাংলা তৈরি হয় সেই চেষ্টাই তাঁরা করছেন বলে দিলীপ বাবু এদিন জানান।জাতিভিত্তিক জনগণনা নিয়ে বিহার বিজেপি এবং বিরোধী দলগুলি যে মত দিয়েছে তার প্রসঙ্গে দিলীপ ঘোষ বলেন, সমাজের প্রতিটি লোকের নিজের মত বলার অধিকার আছে। এই বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য নির্বাচন কমিশন, সেন্সাস বোর্ড ও সরকার আছে। তাঁরা সবার সঙ্গে কথা বলে সহমত হয়ে যে সিদ্ধান্ত নেবেন সেটাই হবে।আদালতের নির্দেশে ভোট পরবর্তী রাজনৈতিক হিংসার ঘটনার তদন্তে সিবিআই বিভিন্ন জেলায় যাবে ।এই বিষয়ে বিজেপির অবস্থান কি হবে তা জানতে চাওয়া হলে দিলীপ ঘোষ বলেন ,আমাদের ডাকলে আমরা যাবো, সব তথ্য দেব।লক্ষীর ভাণ্ডার প্রকল্পের সুবিধা পাওয়ার জন্য দুয়ারে সরকারের ক্যাম্পে লাইনে দাঁড়ানো মহিলাদের ভিখারি বলা নিয়ে দিলীপ ঘোষকে বাংলা দ্রোহী বলে আখ্যা দিয়েছেন তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্য মুখপাত্র দেবু টুডু । তিনি আরও বলেন, এইসব খারাপ কথা বলে বাংলার মেয়েদের ও মায়েদের অপমান করছেন দিলীপ ঘোষ।বিধানসভা নির্বাচনে বাংলার মহিলারা ওঁদের যোগ্য জবাব দিয়ে দিয়েছে। দিলীপ ঘোষের এই কু-মন্তব্যের জবাব বাংলার মহিলারা আগামী লোকসভা নির্বাচনেও দিয়ে দেবে।

আগস্ট ২৪, ২০২১
বিদেশ

Taliban: তালিবানি অন্ধকারের মধ্যেই কী আশার আলো? মহিলা সঞ্চালককে সাক্ষাৎকার তালিবান নেতার

তালিবানি আতঙ্কের পরিবেশে অনেকটা উলটপুরাণই বটে। একটি আফগান সংবাদমাধ্যমের মহিলা সঞ্চালক বেহেস্তা আরঘান্দকে সাক্ষাৎকার দিয়েছেন তালিবান মিডিয়া সেলের অন্যতম শীর্ষ আধিকারিক মাওলাই আবদুল্লা হেমাদ। সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে এই ছবিটি। তাহলে কী সত্যিই বদল এসেছে তালিবানি রক্ষণশীল ধারণায়? প্রশ্ন উঠছে। আরও পড়ুনঃ বাংলার নবাবের ব্যর্থতা ঢেকে লর্ডস অভিযানে নায়ক হায়দরাবাদি সিরাজ কাবুলের দখল নিয়েছে তালিবানরা। গোটা আফগানিস্তানের তাদের দখলে আসা এখন কেবল সময়ের অপেক্ষা। গোটা বিশ্ব যখন আগের অন্ধকার যুগ ফিরে আসার আতঙ্কে বুঁদ। শরিয়ত আইনের কঠোর শৃঙ্খলে বাঁধা পড়ার আশঙ্কায় যখন আতঙ্কে মহিলারা, তখন সোশ্যাল মিডিয়ায় ঘুরছে এই ছবিটি। আফগানিস্তানে তালিবান রাজ কায়েম হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে মহিলাদের নিয়ে উদ্বিগ্ন গোটা পৃথিবী। কারণ, শরিয়ত আইন মেনে চলা তালিবানরা বরাবরই মহিলাদের কঠোর নিয়মের মধ্যে বেঁধে রাখতে পছন্দ করে। মহিলাদের পড়াশোনার অধিকার, বাইরে কাজের অধিকার, পছন্দ মতো পোশাক পরার অধিকারকে মান্যতা দেয় না তারা। অন্তত অতীত তাই বলছে। কিন্তু এবার আফগানিস্তান নিজেদের কবলে নিয়ে নেওয়ার পর থেকেই মহিলাদের শিক্ষা, চাকরির জন্য আশ্বাসবানী শোনা যাচ্ছে তালিবানদের তরফে। যদিও তাতে ভরসা করতে সাহস দেখাচ্ছেন না কেউই। নারীদের প্রতি তালিবানদের ভূমিকা ঠিক কী হবে, তা নিয়ে ধন্দে পড়ে গিয়েছে আন্তর্জাতিকমহল। এরইমধ্যে মহিলা সঞ্চালককে তালিবানি মিডিয়া সেলের আধিকারিকের দেওয়া সাক্ষাৎকারের মাধ্যমে বিশ্বকে অন্য বার্তা দেওয়া হচ্ছে বলেই মনে করছে বিশেষজ্ঞমহল। কিন্তু ভবিষ্যতই বলবে তালিবানিযুগে মহিলা স্বাধীনতা ঠিক কতটা উড়ান পায়।

আগস্ট ১৮, ২০২১
বিদেশ

Afghanistan: শর্তসাপেক্ষে সরকারি কাজে মহিলাদের চায় তালিবান

তালিবানে আতঙ্কে তটস্থ আফগানিস্তান। এরই মধ্যে অভয়বাণী শোনাচ্ছে তালিবান নেতা। কেমন অভয়বাণী? তালিবান নেতার দাবি, মহিলারাও সরকারের কাজে অংশগ্রহণ করতে পারবেন, তবে সবটাই হবে শরিয়তি আইন মেনে। তালিবানের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, এখন বিরোধীদের ক্ষমা করার রাস্তাতেই হাঁটবে তারা। তাই অকারণে সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক তৈরি হওয়ার কোনও মানে হয় না। শান্তি বজায় রাখার বার্তাও দেওয়া হয়েছে মঙ্গলবার। কিন্তু সত্যিই কি নতুন এক তালিবানি শাসন দেখতে চলেছে আফগানিস্তান? এখন উত্তর স্পষ্ট নয়।আরও পড়ুনঃ আফগানিস্তান থেকে ফিরিয়ে আনা হচ্ছে ভারতীয় রাষ্ট্রদূতকে তালিবান সাংস্কৃতিক সংগঠনের প্রধান এমানুল্লাহ সামাগনি বলেছেন, নয়া তালিবানি শাসনে মহিলাদের উপর অত্যাচার চলুক, আমরা চাই না। সব কিছু পরিচালিত হয় শরিয়তের আইন অনুসারে। তার মধ্যে থেকে যদি মহিলারা প্রশাসন ও সরকারে অংশ নিতে চান তাঁদের স্বাগত। আমরা সমস্ত বৃত্তের প্রতিনিধিকে প্রশাসনে চাইছি। এর পাশপাশি তিনি জানিয়ে দিয়েছেন, পুরোপুরি শরিয়তের আইন মেনে এই দেশ চলবে। তবে নিয়মের খসড়া এখনও তৈরি হয়নি। মহিলাদের কী মেনে চলতে হবে, তা নিয়েও স্পষ্ট কোনও নিয়ম তৈরি হয়নি।রবিবার তালিবান আফগানিস্তান দখল নেওয়ার পর থেকে মহিলাদের পরিস্থিতি নিয়ে বারবার উদ্বেগের কথা উঠে এসেছে। আফগান প্রশাসনিক পদে থাকা বা খ্যাতনামা মহিলারা ছাড়াও উদ্বেগে রয়েছেন সাধারণ মানুষও। মহিলাদের মনে হয়েছে, আবার ফিরবে সেই অত্যাচারের দিন। যদিও কোনও ভয়ের কারণ দেখছে না তালিবান। তারা বলেছেন, পরিস্থিতি দ্রুত স্বাভাবিক হবে। নারীর অধিকার সুরক্ষিত হবে।খবর এসেছিল, জঙ্গিরা মহিলাদের জোর করে বিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছে। সে অভিযোগ অস্বীকার করেছিল জঙ্গি গোষ্ঠী। ক্ষমতা দখলের পর এমন খবরও পাওয়া গিয়েছিল যে ব্যাংকের মহিলা কর্মীদের বাড়ি পাঠিয়ে দিয়েছে জঙ্গিরা। তার মধ্যেই তালিবানদের ঘোষণা পরিবর্তিত তালিবানি শাসনের ইঙ্গিত দিচ্ছে। তবে তা বাস্তবে কতটা কার্যকর হবে, তা দেখা যাবে ভবিষ্যতেই।

আগস্ট ১৭, ২০২১
দেশ

Delta: ডেল্টা প্লাসে মৃত্যু মুম্বইয়ের বৃদ্ধার

টিকার দুটি ডোজের কার্যকারিতায় প্রশ্ন তুলে ডেল্টা প্লাসে প্রথম মৃত্যু হল মুম্বইয়ে। গোটা মহারাষ্ট্রে এই নিয়ে দুজন ডেল্টা প্লাসে মারা গেলেন। মুম্বইয়ের স্বাস্থ্য দপ্তর সূত্রে খবর, গত ২১ জুলাই কোভিড পজিটিভ ধরা বছর তেষট্টির এক মহিলার। ডায়াবিটিস-সহ বেশ কিছু শারীরিক সমস্যাও ছিল তাঁর। মুম্বইয়ে যে সাত জনের দেহে ডেল্টা প্লাস ধরা পড়েছিল, এই মহিলাও তাঁদের মধ্যে ছিলেন। আরও পড়ুনঃ রাহুলরোহিতদের দাপটে লর্ডসে ইংরেজদের দর্প চূর্ণস্বাস্থ্য দপ্তর সূত্রে আরও জানানো হয়েছে, মহিলার দুটি টিকাই নেওয়া ছিল। গত ২৭ জুলাই তাঁর মৃত্যু হয়। তাঁকে অক্সিজেন সাপোর্ট, স্টেরয়েড এবং রেমডেসিভিরও দেওয়া হয়। কিন্তু বাঁচানো যায়নি। মহিলার নমুনা জিনোম সিকোয়েন্সিংয়ের জন্য পাঠানো হয়েছিল। বুধবার সেই রিপোর্ট এসে পৌঁছেছে। মহিলার আরও দুই আত্মীয় ডেল্টা প্লাসে আক্রান্ত বলেও জানা গিয়েছে। এর আগে মহারাষ্ট্রের রত্নগিরিতে এক ৮০ বছরের বৃদ্ধা ডেল্টা প্লাসে আক্রান্ত হয়ে মারা গিয়েছিলেন।মঙ্গলবারই স্বাস্থ্য মন্ত্রকের সাংবাদিক সম্মেলনে ন্যাশনাল সেন্টার ফর ডিজিজ় কন্ট্রোলের প্রধান সুজিত সিং জানান, জিনোম সিকোয়েন্সিংয়ের মাধ্যমে ৮৬ টি নমুনায় ডেল্টা প্লাস ভ্যারিয়েন্টের অস্তিত্ব মিলেছে। দেশের মধ্যেও ডেল্টা প্লাসে সংক্রমণ সবথেকে বেশি মহারাষ্ট্রেই, সেখানে ৩৪জন ডেল্টা প্লাসে আক্রান্তের খোঁজ মিলেছে। এরপরই মধ্যপ্রদেশে ১১ জন ও তামিলনাড়ুতে ১০ জনের নমুনায় এই ভ্যারিয়েন্টের অস্তিত্ব মিলেছে।

আগস্ট ১৩, ২০২১
রাজ্য

Madhuchakra: গলসির হোটেলে মধুচক্রের আসরে পুলিশের হানা, গ্রেপ্তার ৪ যুবতী ২ যুবক

হোটেলে চলা মধুচক্রের আসরে হানা দিয়ে ৬ জনকে গ্রেপ্তার করলো পুলিশ। ধৃতদের মধ্যে ৪ জন যুবতী ও ২ জন যুবক রয়েছে। পূর্ব বর্ধমানের গলসি থানার পুলিশ মঙ্গলবার সন্ধ্যায় কুলগড়িয়ার খানা জংশন বিএড কলেজের কাছের একটি হোটেলে থেকে তাদের গ্রেপ্তার করে। ধৃতরা গলসির পারাজ, উত্তর ২৪ পরগণার মিনাখাঁ, মেমারির বৈদ্যডাঙা ও বর্ধমান থানার পালিতপুর এলাকার বাসিন্দা। এই ঘটনার কথা জেনে ওই হোটেল বন্ধ করে দেওয়ার দাবি করেছেন গলসির বাসিন্দারা।আরও পড়ুনঃ এএফসি কাপে প্রথম পর্বের বাধা টপকাতে পারবেন? কী বলছেন হাবাসপুলিশ জানিয়েছে, কুলগড়িয়ার খানা জংশন বিএড কলেজের কাছে একটি হোটেলে মধুচক্রের আসর বসেছিল। সেই খবর পেয়ে পুলিশ সেখানে হানা দিয়ে ৪ যুবতী ও ২ যুবকে ধরে ফেলে। ঘটনার বিষয়ে স্বতঃপ্রণোদিত মামলা রুজু করে পুলিশ বুধবার ৬ ধৃতকেই পেশ করে বর্ধমান আদালতে। সিজেএম যুবতীদের জামিন মঞ্জুর করলেও যুবকদের বিচার বিভাগীয় হেফাজতে পাঠিয়ে আগামী সোমবার ফের আদালতে পেশের নির্দেশ দিয়েছেন।

আগস্ট ১১, ২০২১
কলকাতা

Inhuman: গাছের তলায় গোঙানির আওয়াজ, ঘটনাস্থলে পুলিশ

ফের অমানবিক ঘটনার সাক্ষী শহর কলকাতা । তবে অমানবিকতা এবার রাস্তার লোকের নয়, পরিবারের সদস্যদের। প্রবল বৃষ্টির মধ্যে বৃ্দ্ধা মাকে রাস্তার পাশে প্লাস্টিকে মুড়ে ফেলে গেল নিজের মেয়েই! সিঁথি থানার পেয়ারাবাগান এলাকার ঘটনা। ঘটনায় স্তম্ভিত সকলে। সূত্রের খবর, বৃহস্পতিবার সকালে সিঁথির মোড়ের কাছে মেট্রো বাইপাস এলাকায় হঠাৎই আর্তনাদ শুনতে পান পথচলতি মানুষ। কাছে যেতেই তাজ্জব হন প্রত্যেকে। দেখা যায়, প্লাস্টিকে মুড়ে পড়ে রয়েছেন এক বৃদ্ধা। বয়স আনুমানিক ৮০ বছর।আরও পড়ুনঃ বধূকে ধর্ষণের পর সোনার গয়না ও টাকা হাতানোর অভিযোগে গ্রেপ্তার যুবকজানা গিয়েছে, যেখানে ঐ বৃদ্ধাকে ফেলা হয় সেই জায়গাটি নির্জন। অনেকেই মৃতদেহ বলে ভেবে পাশ কাটিয়ে চলে যান। এরপর খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আসে সিঁথি থানার পুলিশ। বৃদ্ধাকে উদ্ধার করে পুলিশ ও স্থানীয় মানুষের সহায়তায় আরজিকর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। বৃ্দ্ধার সঙ্গে কথা বলার চেষ্টা করে পুলিশ। তাঁর নাম ঠাকুর দাসী সাহা বলে জানা গিয়েছে। বৃদ্ধার অস্পষ্ট কথা অনুযায়ী পুলিশ জানতে পারে, বৃদ্ধার মেয়ের নির্দেশে তার ছেলেরা রিক্সায় করে এখানে প্লাস্টিকে মুড়ে ফেলে দিয়ে গিয়েছেন। যদিও বাড়ির ঠিকানা স্পষ্ট করে তিনি বলতে পারেননি। পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা চালাচ্ছে পুলিশ।

আগস্ট ০৫, ২০২১
খেলার দুনিয়া

India Women Hockey : ‌‌ফাইনালে উঠতে ব্যর্থ রানি রামপালরা, সামনে এবার ব্রোঞ্জের লড়াই

তাঁর কোচিংয়ে ভারতীয় মহিলা হকি দলের উত্থান। অলিম্পিক হকিতে দেশকে স্বপ্ন দেখিয়েছিলেন সোয়ার্ড মারিন। সেমিফাইনালে পৌঁছে ইতিহাস রচনা করেছিলেন রানি রামপালরা। কিন্তু সেমিফাইনালে আর্জেন্টিনার কাছে ২১ গোলে হেরে ফাইনালের স্বপ্ন শেষ ভারতের। তবে পদকের আশা শেষ হয়ে যায়নি। ব্রোঞ্জের লড়াইয়ে ৬ আগস্ট রানি রামপালদের খেলতে হবে গ্রেট ব্রিটেনের বিরুদ্ধে।আরও পড়ুনঃ টোকিও অলিম্পিকে কুস্তির সেমিফাইনালে রবি কুমার ও দীপক পুনিয়াপ্রথমবার অলিম্পিকের সেমিফাইনালে পৌঁছে ইতিহাস রচনা করেছিল ভারতের মহিলা হকি দল। সেই ইতিহাস রানি রামপলদের পক্ষে আর এগিয়ে নিয়ে যাওয়া সম্ভব হল না। যদিও আর্জেন্টিনার বিরুদ্ধে শুরুতেই এগিয়ে গিয়েছিল ভারত। ম্যাচের প্রথম মিনিটেই পেনাল্টি কর্নার পায়। পেনাল্টি কর্ণার থেকে গোল করে দলকে এগিয়ে দেন গুরজিৎ কাউর। এরপরই আস্তে আস্তে ম্যাচের ওপর নিয়ন্ত্রণ দেখাতে থাকে আর্জেন্টিনা। ভারতের ওপর ক্রমশ চাপ বাড়াতে থাকে। যদিও প্রথম কোয়ার্টারে ম্যাচে সমতা ফেরাতে পারেনি। দ্বিতীয় কোয়ার্টারে আরও চাপ বাড়ায়। ১৮ মিনিটে পেনাল্টি কর্নার থেকে গোল করে ম্যাচে সমতা ফেরান মারিয়া ব্যারিয়োনুয়েভো। দ্বিতীয় কোয়ার্টারে ভারত দুদুটি পেনাল্টি কর্ণার পেয়েও কাজে লাগাতে পারেনি।আরও পড়ুনঃ সেমিফাইনালে হেরে ব্রোঞ্জেই সন্তুষ্ট থাকতে হচ্ছে লাভলিনাকেম্যাচে সমতা ফেরানোর পর আরও ভয়ঙ্কর হয়ে ওঠে বিশ্ব র্যাঙ্কিংয়ে দুই নম্বরে থাকা আর্জেন্টিনা। বারবার আক্রমণে উঠে এসে ভারতের রক্ষণভাগকে চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলে। বেশ কয়েকটি পেনাল্টি কর্ণারও আদায় করে নেয়। ৩৬ মিনিটের মাথায় পেনাল্টি কর্ণার থেকে দলকে এগিয়ে দেন অধিনায়ক মারিয়া ব্যারিয়োনুয়েভো। পিছিয়ে পড়ার পর ম্যাচে ফেরার মরিয়া চেষ্টা চালান রানি রামপালরা। বেশ কয়েকবার কাছাকাছি পৌঁছলেও লক্ষ্যভেদ করতে পারেননি। ম্যাচের একেবারে শেষ মুহূর্তে পেনাল্টি কর্ণার পেয়েছিল ভারত। কাজে লাগাতে পারেনি। গুরজিৎ কাউরের শট দারুণ দক্ষতার সঙ্গে আটকে দলকে নিশ্চিত গোল বাঁচান আর্জেন্টিনা গোলকিপার। একই সঙ্গে ম্যাচে সমতা ফেরানোর সম্ভাবনাও শেষ হয়ে যায়।

আগস্ট ০৪, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Women Hockey : ‘‌চক দে ইন্ডিয়া’‌, অলিম্পিক হকির ইতিহাসে রানিরা

টোকিও অলিম্পিকে চক দে ইন্ডিয়া। ইতিহাস রানি রামপালদের। সোনা জয়ের অন্যতম ফেবারিট শক্তিশালী অস্ট্রেলিয়াকে ১০ ব্যবধানে হারিয়ে সেমিফাইনালে ভারতীয় মহিলা হকি দল। আগের দিন গ্রেট ব্রিটেনের দর্পচূর্ণ করে সেমিফাইনালে উঠেছেন মনপ্রীতরা। এদিন অস্ট্রেলিয়ার দম্ভে আঘাত করে সেমিফাইনালে রানি রামপালরা। স্বর্ণযুগে ভারতীয় হকি। কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠাই একসময় অনিশ্চিত ছিল। পুল এর প্রথম ৩ ম্যাচে পরাজয়। সেখান থেকে দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তন। গ্রুপ লিগে পরপর দুম্যাচে আয়ারল্যান্ড ও দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধ অবিশ্বাস্য জয়। তবুও কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠা নিশ্চিত ছিল না ভারতের সামনে। গ্রুপ লিগের শেষ ম্যাচে গ্রেট ব্রিটেনের কাছে আয়ারল্যান্ড হারলে তবেই শেষ আটের ছাড়পত্র পাওয়া যেত। ভাগ্য সহায় ছিল রানি রামপালদের। ব্রিটেনের কাছে আয়ারল্যান্ডের পরাজয় টোকিও অলিম্পিকে মহিলাদের হকিতে কোয়ার্টার ফাইনালের ছাড়পত্র এনে দিয়েছিল ভারতকে।কোয়ার্টার ফাইনালে ভারতের লড়াই সহজ ছিল না। প্রতিপক্ষ অস্ট্রেলিয়া র্যাঙ্কিংয়ে অনেকটাই এগিয়ে। তবুও গুটিয়ে থাকেননি রানি রামপালরা। আসলে গ্রুপ লিগের শেষ দুটি ম্যাচের পারফরমেন্স আত্মবিশ্বাস বাড়িয়ে দিয়েছিল। অঘটনের স্বপ্ন দেখেছিলেন রানি রামপালরা। তাঁদের স্বপ্ন দেখা যে একেবারেই অমূলক ছিল না, প্রমাণ হয়ে গেল। অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে দুর্দান্ত খেলা উপহার দিল ভারত। রানি রামপালদের স্বপ্ন দেখিয়েছিল অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে শেষ সাক্ষাৎকার। ২০১৯ সালের আগস্টে টোকিও অলিম্পিকের টেস্ট ইভেন্টে ২২ ড্র হয়েছিল সেই ম্যাচ। আমরাও পারি, এই বিশ্বাস দলের খেলোয়াড়দের মধ্যে ঢুকিয়ে দিয়েছিলেন কোচ সোয়ার্ড মারিজিনে।আরও পড়ুনঃ ৪১ বছরের শাপমোচনের দিকে আরও একধাপ এগিয়ে গেলেন মনপ্রীতরাম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণে ঝড় তুলেছিল অস্ট্রেলিয়া। ২ মিনিটেই গোল করার সুযোগ পেয়েছিল। ভারতীয় ডিফেন্ডারদের তৎপরতায় গোল পায়নি। ৯ মিনিটে রানি রামপালের শট অল্পের জন্য লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়। ২০ মিনিটে পেনাল্টি কর্ণার পেয়েও কাজে লাগাতে পারেনি অস্ট্রেলিয়া। উল্টে ২২ মিনিটে পেনাল্টি কর্ণার থেকে ভারতকে এগিয়ে দেন পেনাল্টি কর্ণার বিশেষজ্ঞ গুরজিৎ কাউর। এরপর সমতা ফেরানোর জন্য মরিয়া হয়ে ওঠে অস্ট্রেলিয়া। কিন্তু সুযোগ কাজে লাগাতে পারেনি।আরও পড়ুনঃ প্রথম ভারতীয় মহিলা হিসেবে দুটি অলিম্পিক পদক, ইতিহাসে পিভি সিন্ধুদ্বিতীয়ার্ধের শুরু থেকেই আক্রমণের চাপ বাড়ায় অস্ট্রেলিয়া। সুযোগও তৈরি করে। কিন্তু তিনকাঠির নীচে ভারতীয় গোলকিপার সবিতা পুনিয়া অপ্রতিরোধ্য হয়ে ওঠেন। ভারতীয় ডিফেন্সও দারুণ মুন্সিয়ানার পরিচয় দেয়। ম্যাচে ৭ টি পেনাল্টি কর্ণার পেয়েও কাজে লাগাতে পারেনি অস্ট্রেলিয়া। অলিম্পিকে সোনা জয়ের অন্যতম ফেবারিটকে হারিয়ে সেমিফাইনালে উঠে ইতিহাস রানি রামপালদের। অলিম্পিকে ভারতের মহিলা দলের সেরা সাফল্য ১৯৮০ মস্কো অলিম্পিকে। সেবারই প্রথম অলিম্পিকে খেলার সুযোগ পেয়েছিল ভারতীয় মহিলা হকি দল। ৬ দলের মধ্যে চতুর্থ স্থানে শেষ করেছিল।

আগস্ট ০২, ২০২১
খেলার দুনিয়া

‌India Women Hockey : গ্রেট ব্রিটেনের কাছেও হার, অলিম্পিক থেকে কার্যত ছিটকে গেলেন রানিরা

টানা ৩ ম্যাচ হেরে অলিম্পিক থেকে কার্যত ছিটকে গেল ভারতীয় মহিলা হকি দল। পুল এর ম্যাচে গ্রেট ব্রিটেনের কাছে রানি রামপালরা হারলেন ৪১ ব্যবধানে।প্রথম ম্যাচে হল্যান্ডের কাছে ৫১ ব্যবধানে হেরেছিল ভারতীয় মহিলা হকি দল। দ্বিতীয় ম্যাচে জার্মানির কাছে হার ২০ ব্যবধানে। পরপর দুটি ম্যাচ হেরে অনেকটাই ব্যকফুটে চলে গিয়েছিল ভারত। পরের রাউন্ডে যাওয়ার আশা টিকিয়ে রাখতে গেলে গ্রেট ব্রিটেনের বিরুদ্ধে জিততেই হত ভারতকে। কিন্তু রানি রামপালরা জ্বলে উঠতে ব্যর্থ।আরও পড়ুনঃ লম্বা চুল রাখা যাবে না, লক্ষ্মীর ফতোয়াম্যাচের শুরু থেকেই গ্রেট ব্রিটেনের আধিপত্য। ২ মিনিটেই এগিয়ে যায় তারা। হানা মার্টিন গোল করে দলকে এগিয়ে দেন। শুরুতেই গোল হজম করে হতদ্যোম হয়ে পড়ের রানি রামপালরা। তবে ১২ মিনিটে পরপর দুটি পেনাল্টি কর্ণার পেয়েও কাজে লাগাতে পারেনি ভারত। ১৭ মিনিটে সমতা ফেরানোর সুযোগ এসেছিল ভারতের সামনে। নবনীত কাউর গোলের সামনে ফ্রি হিট নেওয়ার সুযোগ পেয়েছিলেন। সুযোগ কাজে লাগাতে পারেননি। ২ মিনিট পরেই ব্যবধান বাড়ায় গ্রেট ব্রিটেন। সেই হানা মার্টিন আবার গোল করেন। ২৩ মিনিটে পেনাল্টি কর্ণার থেকে ব্যবধান কমান গুরজিৎ কাউর।আরও পড়ুনঃ পেগাসাস স্পাইওয়্যার! ভাবের ঘরে চুরি? আপনি কতটা সুরক্ষিত? আক্রান্ত কারা?দ্বিতীয়ার্ধে কিছুটা খেলায় ফেরে ভারত। শুরুতেই পরপর তিনটি পেনাল্টি কর্ণারও আদায় করে। কিন্তু কাজে লাগাতে পারেনি। ৪১ মিনিটে ব্যবধান বাড়ায় গ্রেট ব্রিটেন। পেনাল্টি কর্ণার থেকে ৩১ করেন লিলি ওসলে। এখানেই ম্যাচে ফেরার আশা শেষ হয়ে যায় রানি রামপালদের। ম্যাচ শেষ হওয়ার মিনিট তিনেক আগে ডি বক্সের মধ্যে শরীর দিয়ে বল আটকালে পেনাল্টি পায় গ্রেট ব্রিটেন। গ্রেস ব্যালসডন পেনাল্টি থেকে ৪১ করেন।

জুলাই ২৮, ২০২১
দেশ

Temple Stamped: মহাকালেশ্বর মন্দিরে পদপিষ্ট বহু মহিলা ও শিশু

মহাকাল মন্দিরে অত্যধিক ভিড়ে পদপিষ্ট হয়ে জখম বহু মহিলা ও শিশু।জানা গিয়েছে, উজ্জয়িনীর মহাকালেশ্বর শিব মন্দিরে গিয়েছিলেন মধ্যপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী শিবরাজ সিংহ চৌহান, প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী উমা ভারতী-সহ কয়েক জন ভিআইপি ব্যক্তি। তাঁরা যাওয়ার পরেই লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা ভক্তদের মধ্যে হুড়োহুড়ি শুরু হয়। ভিড় সামলাতে পারেনি পুলিশ। পদপিষ্ট হয়ে আহত হয়েছেন বহু ভক্ত। তাঁদের মধ্যে বেশ কয়েক জন মহিলা, শিশুও রয়েছে। শুধু তাই নয়, মন্দিরে করোনাবিধিও ভাঙা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।আরও পড়ুনঃ অলিম্পিকের তৃতীয় রাউন্ড থেকেই বিদায় শরথ কমলেরসোমবার মহাকাল মন্দিরের চার নম্বর প্রবেশ দ্বারের বাইরে এই ঘটনা ঘটে। পুলিশ জানিয়েছে, বেশ কিছুক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকার পরে ভক্তরা অধৈর্য হয়ে যান। ফলে তাঁদের ভিতরে যাওয়ার অনুমতি দেওয়ার পরেই সবাই একসঙ্গে ঢুকতে যান। তখনই পড়ে যান অনেকে। পদপিষ্ট হয়ে আহত হন তাঁরা। আহতদের স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসার পরে কয়েক জনকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। উল্লেখ্য, করোনার কারণে অনেক দিন বন্ধ থাকার পরে গত মাসেই খুলেছে মহাকাল মন্দির। যদিও মন্দিরে যাওয়ার জন্য ভক্তদের কোভিড পরীক্ষার নেগেটিভ রিপোর্ট বা একটি টিকা নেওয়া বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। সকাল ৬টা থেকে রাত ৮টার মধ্যে সাড়ে তিন হাজার ভক্তকে মন্দিরে ঢোকার অনুমতি দিয়েছে প্রশাসন।

জুলাই ২৭, ২০২১
কলকাতা

Golfgreen: ছাদ থেকে পড়ে বৃদ্ধার মৃত্যু, আত্মহত্যা না দুর্ঘটনা?

ছাদ থেকে পড়ে মর্মান্তিক মৃত্যু এক বৃদ্ধার। দক্ষিণ কলকাতার গল্ফগ্রিনের ঘটনা। পুলিশ জানিয়েছে, প্রাথমিকভাবে দেখে মনে হচ্ছে আত্মঘাতী হয়েছেন তিনি। তবে মৃত্যুর অন্য কারণও থাকতে পারে বলে সন্দেহ পুলিশের। তদন্ত শুরু করেছে গল্ফগ্রিন থানার পুলিশ।আরও পড়ুনঃ ছাদ থেকে পড়ে বৃদ্ধার মৃত্যু, আত্মহত্যা না দুর্ঘটনা?রবিবার সকালে ঘটনাটি ঘটেছে গল্ফগ্রিনের রাসা রোডে। মৃতার নাম বিনীতা মুখোপাধ্যায়। বয়স ৬২ বছর। প্রতিবেশীরা জানিয়েছেন, বৃদ্ধার ছেলে ও ছেলের বউ লখনউয়ে থাকেন। ফলে বাড়িতে একাই থাকতেন বৃদ্ধা। রবিবার সকাল সাড়ে ১০টা নাগাদ প্রতিবেশীরা কিছু একটা পড়ার শব্দ পান। তাঁরা বেরিয়ে দেখেন রক্তাক্ত অবস্থায় বৃদ্ধা রাস্তায় পড়ে রয়েছেন। সঙ্গে সঙ্গে পুলিশে খবর দেওয়া হয়। পুলিশ এসে দেহ হাসপাতালে নিয়ে গেলে বৃদ্ধাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন চিকিৎসকরা।আরও পড়ুনঃ হিজবুল মুজাহিদিনের নামে হুমকির সিডি রায়গঞ্জে, হুঙ্কার প্রাথমিকে নিয়োগ নিয়েপুলিশ জানিয়েছে, দেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। রিপোর্ট হাতে এলে তবেই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ বোঝা যাবে। প্রাথমিক ভাবে মনে হচ্ছে, একা থাকায় মানসিক অবসাদে ঝাঁপ দিয়ে থাকতে পারেন বৃদ্ধা। তবে তাঁর দেহ রাস্তায় যতটা দূরে পড়ে ছিল সেটা দেখেই ধন্ধে পুলিশ। তাঁকে কেউ ছাদ থেকে ধাক্কা মেরেছে কি না তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। বৃদ্ধার বাড়িতে কেউ ঢুকেছিল কি না সে বিষয়েও খোঁজ নিচ্ছে পুলিশ। প্রতিবেশীদের সঙ্গে কথা বলছে পুলিশ।

জুলাই ১৮, ২০২১
রাজ্য

Bamboo Structure: বাঁশের তৈরি বসার মাচা দখল নিয়ে গলসিতে সংঘর্ষ, জখম ৪ মহিলা সহ ৮

বাঁশের তৈরি বসার মাচা ভাঙা নিয়ে গ্রামের দুই গোষ্ঠীর সংঘর্ষে জখম হলেন ৪ মহিলা সহ ৮ জন। বুধবার বিকালে ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব বর্ধমানের গলসির পারাজের করকডাল গ্রামে। খবর পেয়ে গলসি থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। উত্তেজনা থাকায় এলাকায় জারি রয়েছে পুলিশ টহল। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার গ্রামে থাকা বাঁশের তৈরি একটি মাচা ভেঙে দেওয়া নিয়েই দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধের সূত্রপাত ঘটে। ওই দিন থেকেই উত্তপ্ত হয়েছিল গলসির পারাজ পঞ্চায়েতের করকডাল গ্রাম। ওই মাচা ভাঙা নিয়েই শেষ পর্যন্ত এদিন বিকালে দুই গোষ্ঠী সংঘর্ষ মারপিটে জড়িয়ে পড়ে। এলাকাবাসীর দাবি, সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়া ব্যক্তিদের এক পক্ষ ব্লক তৃণমূল সভাপতি জনার্দ্দন চট্টোপাধ্যায়ের গোষ্ঠীর লোক। অপর পক্ষ জেলা সংখ্যালঘু সেলের সহ সভাপতি মহম্মদ মোল্লা গোষ্ঠীর অনুগামী। মারপিটে জনার্দন গোষ্ঠীর ৪ মহিলা সহ ৬ জন জখম হয়েছেন। অন্যদিকে মহম্মদ মোল্লা গোষ্ঠীর দুজন জখম হয়েছেন। সকলকেই রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে পুরষা ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে চিকিৎসার জন্যে পাঠানো হয়।তৃণমূল নেতা জনার্দ্দন চট্টোপাধ্যায়ের অনুগামী বলে পরিচিত সেখ মন্টু ও তাঁর পরিবারের লোকজনের অভিযোগ, তাঁদের গ্রামে থাকা বাঁশের তৈরী বসার মাচাটি ভেঁঙে দেয় মহম্মদ মোল্লার লোকজন। যারা ভাঙে তারা করকডাল, ভিমসারা, বোলপুর ও রানাডি এলাকার বাসিন্দা। এরপর ওরা এদিন বিকালে বাড়ির পাঁচিল টপকে ঢুকে তাঁদের বাড়ির মহিলা ও আত্মীয়দের বাঁশ দিয়ে মারধর করা হয়। মারধরে পরিবারের দুজন পুরুষ ও চারজন মহিলা জখম হয়। যদিও মহম্মদ মোল্লার অনুগামী রাফিজুল মল্লিক দাবি করেন, পারিবারিক বিবাদের জেরে সেখ মণ্টুর পরিবারের সঙ্গে মারামারি হয়। মন্টুর পরিবারের লোকজনএদিন সশস্ত্র অবস্থায় তাঁদের উপর চড়াও হয়। তাঁকে ও তাঁর পরিবারের আরও একজনকে মেরে জখম করে । তাঁরা হামলা প্রতিরোধ করতে গেলে সংঘর্ষ বেঁধে যায় । রফিজুল দাবি করেন, তাঁরা রাজনীতি করলেও ঘটনার সঙ্গে রাজনীতির কোনও যোগ নেই । অপর পক্ষ অহেতুক এই ঘটনা নিয়ে রাজনীতি টেনে আনছেন । গলসির তৃণমূলের কোনও নেতা এদিনের ঘটনা নিয়ে কোনও প্রতিক্রিয়া দিতে চাননি। তবে পুলিশ জানিয়েছে, অভিযোগ পেলে তাঁরা আইনানুগ ব্যবস্থা নেবে।

জুলাই ১৫, ২০২১
রাজ্য

Baby Delivered: বন্ধ রেলগেট, হাসপাতালের রাস্তাতেই সন্তান প্রসব

দীর্ঘক্ষণ ধরে বন্ধ রেলগেট। অপেক্ষা করতে করতে গাড়িতেই প্রসব (Baby delivery) করলেন বর্ধমানের প্রসূতি। তারপর তাদের নিয়ে যাওয়া হয় বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে। মা সুস্থ রয়েছে বলে খবর। সদ্যোজাত শিশুকে রাখা হয়েছে পর্যবেক্ষণে। এই ঘটনায় ক্ষুব্ধ স্থানীয় বাসিন্দারা। তাঁদের বক্তব্য, প্রতিদিনই বেশিরভাগ সময় বন্ধ থাকে তালিত রেলগেট। ফলে সাধারণ মানুষ থেকে রোগী সকলেই নানা সমস্যার মুখে পড়েন। তবে রবিবার গেটে আটকে থেকে এভাবে গাড়ির ভিতরে সন্তান প্রসবের ঘটনায় ধৈর্যের বাঁধ ভাঙল সকলের। রেলগেটের উপর উড়ালপুল তৈরির দাবি তুলেছেন তাঁরা।আরও পড়ুনঃ হজম শক্তি থেকে হার্টের স্বাস্থ্য ভাল রাখতে খান কালো জামজানা গিয়েছে, প্রসূতি মন্দিরা দাস বর্ধমান-১ (Burdwan) ব্লকের পিলখুড়ি গ্রামের বাসিন্দা। রবিবার সকালে মন্দিরার প্রসব যন্ত্রণা ওঠে। তাঁকে নিয়ে পরিবারের সদস্যরা তড়িঘড়ি বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের উদ্দেশে রওনা দেন। যাওয়ার পথে বর্ধমান-সিউড়ি রোডের উপর তালিত রেলগেটে গাড়ি আটকে পড়ে দীর্ঘক্ষণ। অপেক্ষা করতে করতেই ঘটে বিপত্তি। দীর্ঘক্ষণ আটকে থাকার ফলে প্রসব যন্ত্রণায় ছটফট করে গাড়িতেই প্রসব করেন মন্দিরাদেবী। তারপর স্থানীয় বাসিন্দাদের তৎপরতায় তড়িঘড়ি সদ্যোজাত এবং মাকে নিয়ে গিয়ে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। শিশুটিকে পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। মা আপাতত সুস্থ আছেন বলে হাসপাতাল সূত্রে খবর।এতেই স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলছেন পরিবারের সদস্যরা। আজকের দিনেও যে এভাবে রাস্তার মাঝে প্রসব করতে হবে গৃহবধূকে, তা ভাবতেও পারেননি তাঁরা। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, বর্ধমান থেকে বীরভূম যাওয়া জাতীয় সড়ক ২বি রাস্তাটি খুবই ব্যস্ত থাকে বরাবর। এই ব্যস্ত রাস্তার উপর তালিত রেলগেট দিনের বেশিরভাগ সময় বন্ধ থাকায় দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা করতে হয় যাত্রী থেকে রোগী সবাইকে। তার জেরে যে কোনও সময়ে বিপজ্জনক পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে। তাঁদের দাবি, এই রেলগেটের উপর উড়ালপুল তৈরি হলে যাতায়াতের খুব সুবিধা হবে।

জুন ২৭, ২০২১
শিক্ষা

College Fee: কলেজের ফি বৃদ্ধির প্রতিবাদে অবস্থান বিক্ষোভ

কলেজের ফি বৃদ্ধির প্রতিবাদে অবস্থান বিক্ষোভে সামিল হলেন বর্ধমানের মহারাজাধিরাজ উদয়চাঁদ উমেন্স কলেজ-এর ছাত্রীরা। এদিন বর্ধমান শহরের রাজবাটি এলাকায় কলেজের সামনেই হাতে প্ল্যাকার্ড নিয়ে অবস্থান বিক্ষোভে সামিল হন সমস্ত বর্ষের ছাত্রীরা।আরও পড়ুনঃ বর্ধমানের কোভিড ফিল্ড হাসপাতালের বিশেষ টিকাকরণ কর্মসূচিকলেজের অবস্থানকারী ছাত্রীরা জানান, কোভিডের কারণে গত ২ বছর ধরে কলেজ বন্ধ। লকডাউনের ফলে অনেকের বাড়িতেই আয় বন্ধ হয়ে গিয়েছে। বেশিরভাগ পরিবারই এখন আর্থিক সংকটের মধ্যে রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে হঠাৎ করে কলেজের ফি বৃদ্ধির কোনও যৌক্তিকতা নেই। কলেজ বন্ধ থাকায় বিদ্যুৎ, জল বা অন্যান্য কোনও ক্ষেত্রেই খরচের কোনও প্রশ্নই নেই, তাহলে কেন হঠাৎ কলেজের ফি বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত নেওয়া হল? কলেজ কর্তৃপক্ষ অভিলম্বে ফি মকুব না করলে আরও বৃ্হত্তর আন্দোলনের পথে তাঁরা নামতে বাধ্য হবে বলেও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ছাত্রীরা।আরও পড়ুনঃ ভুয়ো টিকা নিয়ে রাজ্যকে সতর্ক করল কেন্দ্রঅন্যদিকে কলেজের কর্মরত এক কর্মীর কাছে এই বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে তিনি জানান, ইতিমধ্যেই কলেজের ফি মকুবের বিষয়ে কথা হয়েছে কর্তৃপক্ষের সঙ্গে। দুঃস্থ ছাত্রীদের ৭৫ শতাংশ ছাড় দেওয়া হবে ফি নেওয়ার ক্ষেত্রে। যদিও শুধু দুঃস্থ ছাত্রীদেরই নয়, কলেজের সব ছাত্রীর জন্যই সমান নিয়ম লাগু করার পক্ষে সওয়াল করেন ছাত্রীরা। যদিও এই বিষয়ে কলেজ কর্তৃপক্ষ চূড়ান্ত কি সিদ্ধান্ত নেয়, সেদিকেই তাকিয়ে ছাত্রী ও তাঁদের অভিভাবকেরা।

জুন ২৭, ২০২১
কলকাতা

রবিনসনকাণ্ডের ছায়া এবার ট্যাংরায়

রবিনসন কাণ্ডের ছায়া এবার ট্যাংরায়। তিনদিন ধরে মায়ের মৃতদেহ আগলে বসে রইলেন মানসিক ভারসাম্যহীন তরুণী। শেষমেশ রবিবার পুলিশ এসে মহিলার মৃতদেহ উদ্ধার করে। ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। পুলিশ সূত্রে খবর, মৃতার নাম কৃষ্ণা দাস। তাঁরা তিন মেয়ে। দুই মেয়ের বিয়ে হয়ে গিয়েছে। তবে আরেক মেয়ে সোমা দাস থাকতেন মায়ের সঙ্গেই। কৃষ্ণা দাসের স্বামী রেলকর্মী ধীরেন দাসও বাড়ি প্রায় আসেন না বললেই চলে। স্থানীয়দের দাবি, ট্যাংরার শীল লেনের ওই বাড়িতে মায়ের সঙ্গে শুধু সোমাকেই দেখা যেত। মানসিক ভারসাম্যহীন সোমা কাউকেই বাড়িতে ঢুকতে দিতেন না। বাইরের কোনও ব্যক্তিকে দেখলেই চিৎকার করতেন। জিনিসপত্র, বাসন ইত্যাদি ছুঁড়ে মারতেন। তাই তাঁদের বাড়িতে খুব একটা যাতায়াত ছিল না কারওরই। ফলে কৃ্ষ্ণা দাসের মারা যাওয়ার বিষয়টি অজানাই ছিল এলাকার বাসিন্দাদের কাছে। মেয়েও এনিয়ে কোনও উচ্চবাচ্য করেননি।কিন্তু এদিন সকালে শীল লেনের ওই বাড়ি থেকে দুর্গন্ধ বেরতে শুরু করে। আর তাতেই সন্দেহ হয় প্রতিবেশীদের। তাঁরাই পুলিশে খবর দেন। পুলিশ এসে ঘরের ভিতর থেকে কৃষ্ণা দাসের মৃতদেহ উদ্ধার করে। সেই সময় মায়ের পচন ধরা দেহের পাশেই বসেছিলেন সোমা দাস। জানা যায়, তিনদিন আগেই মায়ের মৃত্যু হয়েছিল। মৃতদেহ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। কীভাবে তাঁর মৃত্যু হল, ময়নাতদন্তের পরই তা পরিষ্কার হবে। কৃষ্ণা দাসের পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের সঙ্গেও যোগাযোগ করার চেষ্টা করছে পুলিশ।

জুন ২৭, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

উপনির্বাচনের আগেই বড় প্রতিশ্রুতি শুভেন্দুর! পদ্ম ফুটলেই ‘দু’হাত ভরে দেব’ ঘোষণা

উপনির্বাচনের আগেই রেজিনগর থেকে বড় রাজনৈতিক বার্তা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। জনসভার মঞ্চ থেকে তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন, রেজিনগরের মানুষ যদি বিজেপিকে জয়ী করেন, তাহলে এলাকার উন্নয়নের জন্য বড় পদক্ষেপ নেওয়া হবে। তাঁর প্রতিশ্রুতি, একটি নয়, দুটি নতুন সেতু তৈরি করা হবে। পাশাপাশি কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়িয়ে পরিযায়ী শ্রমিকদেরও রাজ্যে ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নেওয়া হবে।শুক্রবার মুর্শিদাবাদের রেজিনগরে জনসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে শুভেন্দু অধিকারী বলেন, রাজ্যে বর্তমানে বিজেপির দুইশো আটটি আসন রয়েছে। তাঁর দাবি, নন্দীগ্রামে বিজেপির জয় নিশ্চিত। সেই আসন ধরে রেখে সংখ্যা হবে দুইশো নয়। এরপর রেজিনগরেও জয় পেলে বিধানসভায় বিজেপির আসন আরও বাড়বে।ভোটারদের উদ্দেশে শুভেন্দু বলেন, রেজিনগরে পদ্মফুল ফুটলে উন্নয়নের কোনও অভাব হবে না। এলাকার যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নত করতে নতুন সেতু নির্মাণ করা হবে। পাশাপাশি কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করে বহু পরিযায়ী শ্রমিককে নিজের এলাকায় ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করা হবে, যাতে মানুষ পরিবার নিয়ে নিজের এলাকাতেই থাকতে পারেন।জনসভা থেকে তিনি রেজিনগরের প্রাক্তন জনপ্রতিনিধির নাম উল্লেখ না করেই কটাক্ষ করেন। তাঁর বক্তব্য, মানুষকে ধর্মের নামে বিভক্ত করার রাজনীতি নয়, উন্নয়নের রাজনীতি প্রয়োজন। সাধারণ মানুষের কাছে তিনি প্রশ্ন তোলেন, তারা কি সাম্প্রদায়িক বিভাজন চান, নাকি কাজ, উন্নয়ন এবং উন্নত জীবনযাত্রা চান।মুখ্যমন্ত্রী আরও দাবি করেন, বিজেপি সরকারের আমলে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকল মানুষ সমান সুযোগ পাচ্ছেন। তাঁর অভিযোগ, বিরোধীরা দীর্ঘদিন ধরে মানুষের মধ্যে ভুল ধারণা ছড়িয়েছিল। কিন্তু বাস্তবে সেই আশঙ্কা সত্যি হয়নি। তাই উন্নয়নের স্বার্থে বিজেপিকে সমর্থন করার আবেদন জানান তিনি।উল্লেখ্য, সাম্প্রতিক বিধানসভা নির্বাচনে শুভেন্দু অধিকারী ভবানীপুর এবং নন্দীগ্রামদুই কেন্দ্র থেকেই জয়ী হন। অন্যদিকে হুমায়ুন কবীর রেজিনগর এবং নওদাদুটি আসনে জয় পান। নিয়ম অনুযায়ী দুজনকেই একটি করে আসন ছাড়তে হয়েছে। সেই শূন্য আসনগুলিতেই এবার উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। রাজনৈতিক মহলের মতে, রেজিনগরের ফল আগামী দিনের রাজ্য রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দিতে পারে।

জুলাই ১০, ২০২৬
রাজ্য

মমতার প্রিয় কেষ্ট এবার ঋতব্রতের পাশে! বীরভূমে বড় পালাবদলের জল্পনা

রাজ্য রাজনীতিতে নতুন জল্পনার জন্ম দিল অনুব্রত মণ্ডলকে ঘিরে বড় খবর। সূত্রের দাবি, তিনি এবার ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন আসল তৃণমূল শিবিরে যোগ দিয়েছেন। শুধু তাই নয়, তাঁকে বীরভূম জেলার সভাপতির দায়িত্বও দেওয়া হতে পারে বলে জানা গিয়েছে। এই খবরে বীরভূমের রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে তুমুল আলোচনা।শুধু অনুব্রত মণ্ডলই নন, বীরভূমের আরও কয়েকজন প্রভাবশালী নেতাও ঋতব্রত শিবিরে যোগ দিয়েছেন বলে সূত্রের দাবি। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন কাজল শেখ, আশিস বন্দ্যোপাধ্যায়, অভিজিৎ সিংহ এবং প্রাক্তন মন্ত্রী চন্দ্রনাথ সিনহা। জানা গিয়েছে, এই নেতাদের আসল তৃণমূল-এর জাতীয় কর্মসমিতিতেও জায়গা দেওয়া হয়েছে।ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবিরের জাতীয় কর্মসমিতির বৈঠক তপসিয়ায় শুরু হয়েছে। দুই দিনের এই বৈঠকে রাজ্য এবং বিভিন্ন জেলার সভাপতিদের নাম চূড়ান্ত করা হচ্ছে। সেই বৈঠকেই বীরভূম জেলার সভাপতির দায়িত্ব অনুব্রত মণ্ডলের হাতে তুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে দলীয় সূত্রের দাবি।এই বিষয়ে অনুব্রত মণ্ডলের প্রতিক্রিয়া জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন, তাঁর জ্বর রয়েছে। তবে তিনি জানিয়েছেন, আগামীকাল কলকাতায় যেতে পারেন। যদিও শিবির পরিবর্তনের বিষয়ে তিনি সরাসরি কোনও মন্তব্য করেননি।উল্লেখ্য, গরুপাচার মামলায় গ্রেফতার হওয়ার পর অনুব্রত মণ্ডল দীর্ঘদিন জেলে ছিলেন। সেই সময় তাঁকে বীরভূম জেলা সভাপতির পদ থেকে সরিয়ে দেয় দল। পরে কোর কমিটি গঠন করে তাঁকে সেই কমিটির আহ্বায়ক করা হয়। জেল থেকে মুক্তি পাওয়ার পরও তিনি দীর্ঘদিন সক্রিয় রাজনীতিতে খুব বেশি দেখা যাননি। বিধানসভা নির্বাচনের পর প্রকাশ্যেই ক্ষোভ উগরে দিয়ে তিনি বলেছিলেন, তাঁকে কাজ করার সুযোগ দেওয়া হয়নি।রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতি বদলানোর সঙ্গে সঙ্গে তৃণমূলের অন্দরে নতুন সমীকরণ তৈরি হয়েছে। সেই আবহেই অনুব্রত মণ্ডলের এই পদক্ষেপ রাজনৈতিকভাবে তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহলের একাংশ। বীরভূমে তাঁর প্রভাব এবং সংগঠনিক দক্ষতা আসল তৃণমূল-এর শক্তি আরও বাড়াতে পারে বলেও জোর জল্পনা শুরু হয়েছে।

জুলাই ১০, ২০২৬
রাজ্য

স্বাস্থ্যমন্ত্রীর হঠাৎ পরিদর্শনে চাঞ্চল্য! হাসপাতালের ভিতরে যা ধরা পড়ল, তারপরই বড় পদক্ষেপ

স্বাস্থ্যমন্ত্রীর আচমকা পরিদর্শনের পর বারাসত মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে বড় প্রশাসনিক পদক্ষেপ নেওয়া হল। হাসপাতালের পরিচ্ছন্নতা এবং পরিষেবা নিয়ে একাধিক গাফিলতির অভিযোগ সামনে আসার পর বারো জন কর্মীকে কারণ দর্শানোর নোটিস দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। তাঁদের বিরুদ্ধে দায়িত্ব পালনে অবহেলা এবং হাসপাতালের পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখতে ব্যর্থ হওয়ার অভিযোগ উঠেছে।যাঁদের নোটিস দেওয়া হয়েছে, তাঁদের মধ্যে রয়েছেন চার জন ওয়ার্ড মাস্টার, চার জন নন-মেডিক্যাল সুপার, একজন সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণ বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত সিস্টার, প্রসূতি বিভাগের দুই জন সিস্টার ইনচার্জ এবং একজন পরিষেবার মান নিয়ন্ত্রণ আধিকারিক।হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, সম্প্রতি স্বাস্থ্যমন্ত্রী আচমকা পরিদর্শনে এসে হাসপাতালের বিভিন্ন ওয়ার্ড এবং বারান্দায় পরিচ্ছন্নতার অভাব লক্ষ্য করেন। পরিদর্শনের সময় হাসপাতালের বারান্দায় বিড়াল ঘোরাফেরা করতেও দেখা যায়। এই ঘটনায় অসন্তোষ প্রকাশ করে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন তিনি। সেই নির্দেশ মেনেই তদন্তের পর বারো জনকে কারণ দর্শানোর নোটিস পাঠানো হয়েছে।হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বারাসত মেডিকেল কলেজ আগে জেলা হাসপাতাল ছিল। এখনও পুরনো ভবনেই অনেক পরিষেবা চালাতে হচ্ছে। ফলে কিছু পরিকাঠামোগত সমস্যা রয়েছে। সেই সমস্যার স্থায়ী সমাধানের জন্য বিস্তারিত প্রকল্প তৈরি করে স্বাস্থ্য দপ্তরে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। খুব শীঘ্রই সেই প্রস্তাব পাঠানো হবে।বৃহস্পতিবার প্রবল বৃষ্টির মধ্যেই একাধিক সরকারি হাসপাতালে আচমকা পরিদর্শনে যান স্বাস্থ্যমন্ত্রী। বারাসত মেডিকেল কলেজেও তিনি পরিষেবা, পরিকাঠামো এবং পরিচ্ছন্নতার অবস্থা খতিয়ে দেখেন। এরপরই রাজ্যের সরকারি হাসপাতালগুলিতে আরও কঠোর নজরদারির ঘোষণা করেন।স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, পরিষেবার মান উন্নত করতে সরকারি হাসপাতালের প্রতিটি ওয়ার্ডে নজরদারির ব্যবস্থা করা হবে। গ্রামীণ হাসপাতাল, মহকুমা হাসপাতাল এবং জেলা হাসপাতালেও একই ব্যবস্থা চালু হবে। পাশাপাশি মেয়াদ উত্তীর্ণ ওষুধ বা স্যালাইন ব্যবহার বন্ধ করতে প্রতি সপ্তাহে স্বাস্থ্য দপ্তরের বিশেষ দল হাসপাতালগুলিতে নিয়মিত পরিদর্শন চালাবে।হাসপাতালে দালালচক্রের বিরুদ্ধেও কড়া অবস্থানের কথা জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। চিকিৎসক, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী এবং তাঁদের পরিবারের সদস্যদের জন্য আলাদা পরিচয়পত্রের ব্যবস্থা করা হবে। যাঁদের কাছে সেই পরিচয়পত্র থাকবে না, তাঁদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন তিনি।

জুলাই ১০, ২০২৬
কলকাতা

একুশে জুলাইয়ের মঞ্চ নিয়ে চরম টানাপোড়েন! এবার আদালতের দ্বারস্থ কালীঘাট তৃণমূল

একুশে জুলাইয়ের কর্মসূচি ঘিরে রাজনৈতিক টানাপোড়েন আরও বাড়ল। ধর্মতলায় সভার অনুমতি না মেলায় এবার কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছে কালীঘাট তৃণমূল। পুলিশের সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে আদালতের হস্তক্ষেপ চেয়েছে তারা। ফলে একুশে জুলাইয়ের সভা কোথায় হবে, তা নিয়ে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে।এর আগে কালীঘাট তৃণমূল এবং ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন শিবিরের আবেদন খারিজ করে দেয় কলকাতা পুলিশ। স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়, ধর্মতলার মতো ব্যস্ত এলাকায় সভার অনুমতি দেওয়া সম্ভব নয়। এরপর বিকল্প জায়গার অনুমতি চেয়ে রাজ্য পুলিশের মহাপরিচালকের সঙ্গে দেখা করেন ঋতব্রতপন্থীরা। গান্ধীমূর্তির পাদদেশে সভা করার অনুমতিও চাওয়া হয়। তবে সেই আবেদনেও ইতিবাচক সাড়া মেলেনি।এই পরিস্থিতিতে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছে কালীঘাট তৃণমূল। তাদের দাবি, একুশে জুলাই তাদের রাজনৈতিক কর্মসূচির অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দিন। তাই সভা আয়োজনের জন্য উপযুক্ত জায়গার অনুমতি প্রয়োজন।একুশে জুলাই দীর্ঘদিন ধরেই তৃণমূল কংগ্রেসের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক কর্মসূচি। উনিশশো তিরানব্বই সালে মহাকরণ অভিযানের সময় গুলিতে নিহত তেরো জনের স্মৃতিতে প্রতি বছর এই কর্মসূচি পালন করা হয়। সেই ঐতিহাসিক ঘটনার স্মরণেই ধর্মতলায় শহিদ দিবসের সভার আয়োজন করা হয়ে থাকে।তবে এবার পরিস্থিতি অনেকটাই ভিন্ন। দলের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক অস্থিরতা এবং নেতৃত্ব নিয়ে মতবিরোধের আবহে একুশে জুলাইয়ের কর্মসূচি নতুন মাত্রা পেয়েছে। দলের সাংগঠনিক শক্তি ধরে রাখা এবং কর্মীদের একজোট করার লক্ষ্যেই এবারের সমাবেশকে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে কালীঘাট তৃণমূল।ইতিমধ্যেই ধর্মতলায় সভার প্রস্তুতির জন্য কয়েকজন নেতা জায়গা পরিদর্শনে গেলে সেই ঘটনাকে কেন্দ্র করে হেয়ার স্ট্রিট থানায় অভিযোগ দায়ের হয়। এরপর কলকাতা পুলিশ জানিয়ে দেয়, ওই এলাকায় সভার অনুমতি দেওয়া হবে না। সেই সিদ্ধান্তের পরই আইনি পথ বেছে নিয়েছে কালীঘাট তৃণমূল। এখন আদালতের সিদ্ধান্তের দিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

জুলাই ১০, ২০২৬
কলকাতা

বেআইনি দখল মামলায় বড় মোড়! উত্তর চব্বিশ পরগনার জেলাশাসকের বিরুদ্ধে কড়া অবস্থান হাইকোর্টের

ভিআইপি থেকে উল্টোডাঙা পর্যন্ত বেআইনি নির্মাণ এবং রাস্তা দখল সংক্রান্ত মামলায় উত্তর চব্বিশ পরগনার জেলাশাসকের বিরুদ্ধে কড়া অবস্থান নিল কলকাতা হাইকোর্ট । আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী সন্তোষজনক রিপোর্ট জমা না দেওয়ায় জেলাশাসককে সশরীরে আদালতে হাজির হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আগামী তেইশে জুলাই মামলার পরবর্তী শুনানিতে তাঁকে হলফনামা এবং পূর্ণাঙ্গ রিপোর্ট জমা দিতে হবে।শুক্রবার মামলার শুনানিতে হাইকোর্টের ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি তপোব্রত চক্রবর্তীর ডিভিশন বেঞ্চ জেলাশাসকের ভূমিকা নিয়ে তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করে। আদালতের পর্যবেক্ষণ, একাধিকবার রিপোর্ট চাওয়া হলেও স্পষ্ট এবং পূর্ণাঙ্গ তথ্য জমা দেওয়া হয়নি। এমনকি আদালতের নির্দেশের পরও দায়সারা রিপোর্ট জমা পড়েছে বলে মন্তব্য করা হয়।শুনানির সময় বিচারপতি প্রশ্ন তোলেন, একজন নিম্নপদস্থ কর্মীর মাধ্যমে কেন এই রিপোর্ট জমা দেওয়া হয়েছে। তিনি মন্তব্য করেন, জেলাশাসক কি নিজেকে ডিভিশন বেঞ্চের চেয়েও বড় মনে করছেন। আদালতের মতে, এই ধরনের আচরণ আদালতের নির্দেশকে গুরুত্ব না দেওয়ারই ইঙ্গিত বহন করছে।আদালত জানায়, এর আগেই সতর্ক করে বলা হয়েছিল, পরবর্তী রিপোর্ট সন্তোষজনক না হলে জেলাশাসককে ব্যক্তিগতভাবে হাজির হতে হবে। সেই নির্দেশও মানা হয়নি। তাই এবার তাঁকে আদালতে উপস্থিত থেকে রিপোর্টের ব্যাখ্যা দিতে হবে।বিচারপতি তপোব্রত চক্রবর্তী আরও বলেন, আদালতের ধৈর্যের পরীক্ষা নেওয়া উচিত নয়। পাশাপাশি বিচারপতি পার্থসারথি চট্টোপাধ্যায়ও প্রশ্ন তোলেন, জেলাশাসক কি এতটাই ব্যস্ত যে আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী রিপোর্ট জমা দেওয়ার সময় পাচ্ছেন না।মামলাকারীর অভিযোগ, ভিআইপি থেকে উল্টোডাঙা পর্যন্ত রাস্তার ধারে বেআইনিভাবে দখল করে পার্কিং এলাকা এবং বিয়েবাড়ি তৈরি করা হয়েছে। পাশাপাশি নয়ানজুলি ভরাট করে একাধিক বেআইনি নির্মাণও হয়েছে। এই অভিযোগ নিয়ে দুই হাজার বাইশ সালে জনস্বার্থ মামলা দায়ের হয়।মামলার আগের শুনানিতে জেলা প্রশাসন স্বীকার করেছিল যে ওই এলাকায় জবরদখলের ঘটনা ঘটেছে। এরপর আদালত জানতে চেয়েছিল, সেই বেআইনি দখল সরাতে কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। কিন্তু একাধিকবার জেলাশাসক বদল হলেও এখনও পর্যন্ত আদালতে পূর্ণাঙ্গ রিপোর্ট জমা পড়েনি। সেই কারণেই এবার কড়া অবস্থান নিল কলকাতা হাইকোর্ট।

জুলাই ১০, ২০২৬
বিদেশ

ফাঁসির আশঙ্কা জেনেও দেশে ফিরবেন শেখ হাসিনা! বিস্ফোরক বার্তায় তোলপাড় বাংলাদেশ

বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বড় রাজনৈতিক সিদ্ধান্তের ইঙ্গিত দিলেন। তিনি জানিয়েছেন, আর বিদেশে থেকে নয়, এবার নিজ দেশেই ফিরতে চান। দেশে ফিরে স্বেচ্ছায় আত্মসমর্পণ করার পরিকল্পনাও রয়েছে তাঁর। এই ঘোষণার পর বাংলাদেশের রাজনীতিতে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে।এক সাক্ষাৎকারে শেখ হাসিনা বলেন, আগামী ডিসেম্বর মাসে আওয়ামী লিগের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে বাংলাদেশে ফেরার পরিকল্পনা রয়েছে তাঁর। দেশে ফিরে তিনি আইন মেনে আত্মসমর্পণ করবেন। কোনও চাপের মুখে নয়, সম্পূর্ণ নিজের সিদ্ধান্তেই তিনি দেশে ফিরতে চান বলেও জানিয়েছেন।শেখ হাসিনা বলেন, দেশে ফিরলেই তাঁকে গ্রেফতার করা হতে পারে, এমনকি মৃত্যুর মুখেও পড়তে পারেন। তবুও তিনি বাংলাদেশে ফিরতে চান। তাঁর কথায়, যদি মৃত্যু আসে, তবে তা নিজের দেশেই হোক। যেখানে তাঁর বাবা-মায়ের সমাধি রয়েছে, সেই মাটিতেই শেষ নিঃশ্বাস ফেলতে চান তিনি।তবে এখনও পর্যন্ত বাংলাদেশ সরকারের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে দেশে ফেরার বিষয়ে কোনও বার্তা পাঠাননি শেখ হাসিনা। তাঁর দাবি, গণতন্ত্র, ভোটাধিকার, রাজনৈতিক অধিকার এবং ন্যায়বিচারের প্রশ্ন কোনও গোপন আলোচনার বিষয় হতে পারে না।গ্রেফতার হওয়ার আশঙ্কা নিয়েও তিনি ভীত নন বলে জানিয়েছেন। শেখ হাসিনার বক্তব্য, অতীতেও একাধিকবার তাঁকে গ্রেফতার হতে হয়েছে। কিন্তু গত বছরের রাজনৈতিক অস্থিরতার সময় তাঁর জীবনের উপর বড় ধরনের হুমকি তৈরি হয়েছিল। সেই কারণেই দেশ ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হয়েছিলেন।তিনি আরও বলেন, দীর্ঘ সময় ক্ষমতায় থাকলে কোনও সরকারের ভুল হতেই পারে। তবে সেই ভুলের বিচার করার অধিকার জনগণের। দেশের মানুষই ঠিক করবে কোন সরকার ভালো কাজ করেছে আর কোন সরকার ব্যর্থ হয়েছে।আওয়ামী লিগকে নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্ত নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন শেখ হাসিনা। তাঁর বক্তব্য, যদি দল সত্যিই মানুষের সমর্থন হারিয়ে থাকে, তাহলে সেই সিদ্ধান্ত জনগণ ভোটের মাধ্যমে নিক। কোনও রাজনৈতিক দলকে নিষিদ্ধ করে গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করা যায় না বলেও মত প্রকাশ করেন তিনি।উল্লেখ্য, গত বছরের ছাত্র-যুব আন্দোলন এবং তীব্র রাজনৈতিক অস্থিরতার মধ্যে ক্ষমতা ছেড়ে দেশ ছাড়তে বাধ্য হন শেখ হাসিনা। এরপর বাংলাদেশে অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত হয়। পরে ছাত্র আন্দোলনে গুলি চালানোর অভিযোগে তাঁর বিরুদ্ধে মামলা হয় এবং আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল তাঁকে গণহত্যার মামলায় সর্বোচ্চ শাস্তি ঘোষণা করে। যদিও সেই রায় তিনি মানতে অস্বীকার করেছিলেন।রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, শেখ হাসিনার দেশে ফেরার সিদ্ধান্ত বাংলাদেশের রাজনীতিতে বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত হতে পারে। পাশাপাশি ভারত ও বাংলাদেশের সম্পর্কের ক্ষেত্রেও এই সিদ্ধান্ত ভবিষ্যতে নতুন সমীকরণ তৈরি করতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

জুলাই ১০, ২০২৬
কলকাতা

অভিষেককে কড়া বার্তা হাইকোর্টের! আর এড়ানো যাবে না, দিতেই হবে কণ্ঠস্বরের নমুনা

কলকাতা হাইকোর্টে কণ্ঠস্বরের নমুনা সংক্রান্ত মামলায় নতুন মোড় এল। আদালত স্পষ্ট জানিয়ে দিল, ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে নির্ধারিত দিনেই কণ্ঠস্বরের নমুনা দিতে হবে। তদন্তকারী সংস্থাকে সহযোগিতা করা তাঁর আইনি দায়িত্ব বলেও আদালত জানিয়েছে।ডিজে মন্তব্য সংক্রান্ত মামলায় তদন্তের স্বার্থে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কণ্ঠস্বরের নমুনা চেয়েছে তদন্তকারী সংস্থা। এর আগে একাধিকবার দিন নির্ধারণ করা হলেও তিনি নমুনা দিতে যাননি। তাঁর দাবি ছিল, সংশ্লিষ্ট মন্তব্য যে তাঁরই, তা তিনি অস্বীকার করেননি। তাই নতুন করে কণ্ঠস্বরের নমুনা দেওয়ার প্রয়োজন নেই।শুক্রবার মামলার শুনানিতে বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য এই যুক্তি মানতে রাজি হননি। তিনি স্পষ্ট বলেন, আদালতের নির্দেশ মেনে কণ্ঠস্বরের নমুনা দিতেই হবে। তদন্তের স্বার্থে তদন্তকারী সংস্থাকে পূর্ণ সহযোগিতা করার নির্দেশও দেন তিনি।শুনানির সময় বিচারপতি প্রশ্ন তোলেন, ম্যাজিস্ট্রেটের নির্দেশ থাকা সত্ত্বেও গত আট জুলাই কেন হাজির হননি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। আদালতের নির্দেশ থাকা অবস্থায় ফের নতুন মামলা করারও সমালোচনা করেন তিনি। বিচারপতির পর্যবেক্ষণ, আদালতের নির্দেশকে এভাবে উপেক্ষা করা ঠিক নয়।অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আইনজীবী আদালতে জানান, কণ্ঠস্বর দিতে আপত্তি নেই। শুধু কেন এই নমুনা প্রয়োজন, সেই বিষয়েই প্রশ্ন তোলা হয়েছে। পাশাপাশি তাঁর আর্জি ছিল, এই কণ্ঠস্বরের নমুনা যেন অন্য কোনও মামলায় ব্যবহার করা না হয়।তবে সেই আবেদনেও সায় দেয়নি আদালত। বিচারপতি জানিয়ে দেন, আগামী পনেরো জুলাই দুপুর বারোটায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে কণ্ঠস্বরের নমুনা দিতেই হবে। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছে, নমুনা দিতে যাওয়ার সময় তাঁর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে এবং কোনও ধরনের হেনস্থার ঘটনা যাতে না ঘটে, তা প্রশাসনকে দেখতে হবে।

জুলাই ১০, ২০২৬
রাজ্য

জলমগ্ন কলকাতা, ফুঁসছে নদী, উত্তাল সমুদ্র! বাংলাজুড়ে বাড়ছে দুর্যোগের আশঙ্কা

রাতভর প্রবল বৃষ্টিতে কার্যত ভিজেছে কলকাতা-সহ গোটা দক্ষিণবঙ্গ। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার পর থেকেই শুরু হওয়া বৃষ্টি গভীর রাত পর্যন্ত চলেছে। শুক্রবার সকালেও কলকাতা এবং আশপাশের জেলায় একইভাবে বৃষ্টির দাপট বজায় রয়েছে। একাধিক এলাকায় জল জমতে শুরু করেছে। ফলে সকাল থেকেই যান চলাচলে সমস্যার মুখে পড়েছেন সাধারণ মানুষ।আবহাওয়া দপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, এখনই বৃষ্টি থামার কোনও সম্ভাবনা নেই। বাংলাদেশ এবং সংলগ্ন বঙ্গোপসাগরের উপর তৈরি হওয়া শক্তিশালী ঘূর্ণাবর্ত এবং সক্রিয় মৌসুমি অক্ষরেখার প্রভাবে আগামী কয়েক দিন দক্ষিণবঙ্গজুড়ে বৃষ্টির পরিমাণ আরও বাড়তে পারে। সঙ্গে দমকা ঝোড়ো হাওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে।শুক্রবার কলকাতা, হাওড়া, হুগলি এবং পূর্ব বর্ধমানে ভারী বৃষ্টির সতর্কতা জারি হয়েছে। শনিবার পূর্ব বর্ধমান, মুর্শিদাবাদ এবং নদিয়াতেও ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনার কথা জানিয়েছে আবহাওয়া দপ্তর। একই সঙ্গে বাঁকুড়া, পুরুলিয়া এবং ঝাড়গ্রামেও দফায় দফায় বৃষ্টি চলবে বলে পূর্বাভাস।শুক্রবার সকাল পর্যন্ত দমদমে প্রায় সাতানব্বই মিলিমিটার এবং আলিপুরে প্রায় সাঁইত্রিশ মিলিমিটার বৃষ্টি রেকর্ড করা হয়েছে। উত্তরবঙ্গেও প্রবল বর্ষণ চলছে। কোচবিহার ও আলিপুরদুয়ারে অতি ভারী বৃষ্টি হয়েছে, যার ফলে একাধিক এলাকায় জল জমেছে।কলকাতার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় ইতিমধ্যেই জল জমতে শুরু করেছে। ঠনঠনিয়া কালীবাড়ি, হলদিরাম মোড় এবং সেক্টর পাঁচ মেট্রো সংলগ্ন এলাকায় জল জমায় যান চলাচল ধীর হয়ে পড়েছে। যদিও এখনও বড় ধরনের জলাবদ্ধতার খবর নেই, তবে দিনের মধ্যে পরিস্থিতির আরও অবনতি হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।উপকূলবর্তী এলাকাগুলির জন্যও বিশেষ সতর্কতা জারি করা হয়েছে। আগামী বারো জুলাই পর্যন্ত মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে যেতে নিষেধ করা হয়েছে। দিঘা, দিঘা মোহনা, মন্দারমণি-সহ বিভিন্ন উপকূল এলাকায় পুলিশ মাইকিং করে সতর্ক করছে। সমুদ্র উত্তাল হয়ে জলোচ্ছ্বাসের পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে বলেও জানানো হয়েছে। পর্যটক এবং স্থানীয় বাসিন্দাদেরও অপ্রয়োজনীয়ভাবে সমুদ্রের কাছে না যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।অন্যদিকে, টানা বৃষ্টিতে সুবর্ণরেখা নদীর জল দ্রুত বেড়ে যাওয়ায় ঝাড়গ্রামের নয়াগ্রাম ব্লকের একাধিক এলাকা কার্যত বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। দেউলবাড় এবং গড়ধরা গ্রামের সংযোগকারী সেতু জলের তলায় চলে যাওয়ায় মানুষের যাতায়াত এখন নৌকার উপর নির্ভর করছে। এতে সাধারণ মানুষ, পড়ুয়া, কৃষক এবং ব্যবসায়ীদের চরম সমস্যায় পড়তে হচ্ছে।অজয় নদীর জলও ক্রমশ বাড়ছে। নদীর বাঁধের একাধিক অংশ দুর্বল হয়ে পড়ায় স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে নতুন করে বন্যার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। প্রতি বছর বর্ষায় এই এলাকায় প্লাবনের সমস্যা দেখা দেয়। এবারও একই পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন বাসিন্দারা।

জুলাই ১০, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal