• ৬ ভাদ্র ১৪৩৩, সোমবার ২৪ আগস্ট ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Win

খেলার দুনিয়া

India T20 Team : টি২০ বিশ্বকাপের দল ঘোষণা, চমক রবিচন্দ্রন অশ্বিন ও ধোনি

টি২০ বিশ্বকাপের জন্য ঘোষিত হল ১৫ জনের ভারতীয় দল। চমকে ভরা ভারতীয় টি২০ দলে দীর্ঘদিন পর সুযোগ পেলেন রবিচন্দ্রন অশ্বিন। তবে সবচেয়ে বড় চমক মহেন্দ্র সিং ধোনি। না, অবসর ভেঙে তিনি টি২০ বিশ্বকাপে যাচ্ছেন না। ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড তাঁকে বড় দায়িত্ব দিয়ে সংযুক্ত আরব আমীরশাহীতে পাঠাচ্ছে। মেন্টর হিসেবে ধোনিকে কোহলিদের সঙ্গে জুড়ে দিয়েছে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড।দল নির্বাচনে চমক দেখিয়েছেন নির্বাচকরা। লেগ স্পিনার যুজবেন্দ্র চাহাল যে বাদ পড়বেন, কেউ কি ভেবেছিলেন? কিংবা শিখর ধাওয়ান? রবিচন্দ্রন অশ্বিনকেও যে দীর্ঘদিন পর সাদা বলের ক্রিকেটে ফেরানো হবে, কেউ সামান্য আঁচ করতে পেরেছিলেন? দীর্ঘদিন পরে ফের নীল জার্সি গায়ে মাঠে নামার সুযোগ পেতে চলেছে রবিচন্দ্রণ অশ্বিন। ধারাবাহিকভাবে ভাল খেলা ক্রূনাল পান্ডিয়ার জায়গা না পাওয়াটাও অস্বাভাবিক।আরও পড়ুনঃ সাক্ষরতা দিবসে আদিবাসী পরিবারের শিশুদের শিক্ষার পাঠ দিলেন পুলিশ কর্তা২০১৭ সালের জুলাই দেশের হয়ে শেষবার সীমিত ওভারের ক্রিকেট খেলেছিলেন রবিচন্দ্রণ অশ্বিন। তাঁকে যে দলে রাখা হবে, হয়তো কেউই ভাবেননি। আইপিএলে ধারাবাহিকভাবে ভালো পারফরম্যান্স করে অশ্বিন টি২০ বিশ্বকাপ দলে জায়গা করে নিয়েছেন। অশ্বিনের দলে সুযোগ পাওয়া প্রসঙ্গে জাতীয় নির্বাচক কমিটির প্রধান চেতন শর্মা বলেছেন, আইপিএলে ধারাবাহিকভাবে ভাল খেলার জন্য রবিচন্দ্রন অশ্বিনকে দলে নেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে, দেশের হয়ে ধারাবাহিকভাবে ভালো পারফরম্যান্স করা যুজবেন্দ্র চাহাল যে টি২০ বিশ্বকাপ দলে জায়গা পাবেন না, সেটাও ছিল ক্রিকেট প্রেমীদের ধারণার বাইরে।শিখর ধাওয়ানও জায়গা পাননি। এটাও অপ্রত্যাশিত ছিল। তবে চোট সারিয়ে দীর্ঘদিন পর প্রত্যাবর্তন ঘটানো জোরে বোলার ভুবনেশ্বর কুমারকে টি২০ বিশ্বকাপের জন্য ঘোষিত ১৫ জনের দলে রাখা হয়েছে। শ্রেয়স আয়ারকে স্ট্যান্ড বাই হিসেবে রাখা হয়েছে। ওয়াশিংটন সুন্দর অবশ্য জায়গা পাননি চোটের জন্য। তাঁর পরিবর্তে স্পিনার অলরাউন্ডার হিসেবে দলে নেওয়া হয়েছে অক্ষর প্যাটেলকে। আইপিএলে ভাল খেলার পুরস্কার পেয়েছেন বরুণ চক্রবর্তী, রাহুল চাহাররা। ঋষভ পন্থ, ঈশান কিষাণ, হার্দিক পান্ডিয়া, সূর্যকুমার যাদবদের ওপরও ভরসা করেছেন নির্বাচকরা।আরও পড়ুনঃ কলকাতা লিগের তৃতীয় ম্যাচেই আটকে গেল মহমেডানঘোষিত ভারতীয় দল : বিরাট কোহলি (অধিনায়ক), রোহিত শর্মা (সহ অধিনায়ক), লোকেশ রাহুল, সূর্যকুমার যাদব, ঋষভ পন্থ (উইকেটকিপার), রবীন্দ্র জাদেজা, মহম্মদ শামি, যশপ্রীত বুমরা, হার্দিক পান্ডিয়া, রবিচন্দ্রণ অশ্বিন, রাহুল চাহার, অক্ষর প্যাটেল, বরুণ চক্রবর্তী, ঈশান কিষাণ (উইকেটকিপার), ভুবনেশ্বর কুমার।স্ট্যান্ডবাই: শ্রেয়স আইয়ার, শার্দুল ঠাকুর, দীপক চাহার।

সেপ্টেম্বর ০৮, ২০২১
খেলার দুনিয়া

IND vs ENG Test : ওভালে জিতে ইতিহাস কোহলিদের, সিরিজ জয়ের হাতছানি

দ্বিতীয় ইনিংসে ভেঙে পড়ার অভ্যাস ওভালেও বজায় রাখলেন জো রুটরা। আর তার জেরেই ভারতের কাছেও সিরিজ পরাজয়ের হাতছানি। সুবিধাজনক জায়গায় থেকেও ওভাল টেস্ট হেরে গেল ইংল্যান্ড। চতুর্থ টেস্টে ১৫৭ রানে জিতে সিরিজে ২১ ব্যবধানে এগিয়ে গেল ভারত। বোলারদের সম্মিলিত প্রয়াসই ভারতকে দুর্দান্ত জয় এনে দিল।জয়ের জন্য ইংল্যান্ডের সামনে লক্ষ্য ছিল ৩৬৭। চতুর্থ দিনের শেষে ইংল্যান্ডের রান ছিল ৭৭/০। শেষ দিন জয়ের জন্য দরকার ছিল ২৯০। হাতে ছিল ১০ উইকেট। ৪১তম ওভারে ১০০ রানে প্রথম উইকেট পড়ার পর ইংল্যান্ড শেষ ২১০ রানে। লর্ডসের মতো ওভালেও ইংল্যান্ডের ব্যাটিং লাইন আপে ধস নামিয়ে সিরিজে এগিয়ে গেল বিরাট কোহলির ভারত। অস্ট্রেলিয়ার পর ইংল্যান্ডে এবার সিরিজ জয়ের হাতছানি ভারতের সামনে।আরও পড়ুনঃ বিজেপি নেতার মাকে খুনের তদন্তে অভিযুক্তদের বাড়ি থেকে অস্ত্র উদ্ধার সিবিআইয়েরপ্রথম সেশনে ইংল্যান্ডের ২ উইকেট পড়ে। মধ্যাহ্নভোজের বিরতির পর ধস নামায় অবশ্য রুটরা সমস্যায় পড়ে যান। শেষ সেশনে ভারতের দরকার ছিল ২ উইকেট। চা বিরতির পর ক্রেগ ওভার্টনকে বোল্ড করে দেন উমেশ যাদব। জেমস অ্যান্ডারসনকেও ২ রানে কট বিহাইন্ড করেন উমেশ। রিভিউ নিয়ে বাঁচতে পারেননি জিমি। ১৮.২ ওভারে ২ টি মেডেন নিয়ে ৬০ রানে ৩ উইকেট নিলেন উমেশ। যশপ্রীত বুমরার ২২ ওভারে ৯টি মেডেন-সহ ২৭ রানের বিনিময়ে নেন ২ উইকেট। রবীন্দ্র জাদেজা ৩০ ওভারে ১১টি মেডেন নিয়ে ৫০ রানে ২ উইকেট পান। শার্দুল ঠাকুরও ৮ ওভার হাত ঘুরিয়ে একটি মেডেন নিয়ে ২২ রানের বিনিময়ে পেলেন ২ উইকেট।আরও পড়ুনঃ বআইপিএলের নতুন ফ্রাঞ্চাইজি নেওয়া হতে পারে কোন কোন শহর থেকে?ওপেনিং জুটিতে ১০০ রান ওঠার পর এই পরাজয় শেষ টেস্টের আগে চিন্তায় ও চাপে রাখবে ক্রিস সিলভারউড, জো রুটদের। ২০১৬ তে ঢাকায় দ্বিতীয় ইনিংসে ওপেনিং জুটিতে ১০০ রান ওঠার পরেও ৬৪ রানের মধ্যে ১০টি উইকেট হারিয়েছিল। চলতি বছরেও রুট-নির্ভর ইংল্যান্ডের ব্যাটিং ধস বারবার দেখা গিয়েছে। আমেদাবাদ টেস্টে ২ উইকেটে ৭৪ থেকে ১২২ রানে অল আউট হয়েছিল রুট-বাহিনী, ৩৮ রানে ৮ উইকেট হারিয়ে। ওই টেস্টেই ৩ উইকেটে ৫০ থেকে ৮১ রানে গুটিয়ে গিয়েছিল ইংল্যান্ড, শেষ সাত উইকেট পড়েছিল ৩১ রানে। ট্রেন্টব্রিজ টেস্টে ভারতের বিরুদ্ধেই তিন উইকেটে ১৩৮ থেকে ১৮৩ রানে শেষ হয়ে যায় রুটের দল। সাত উইকেট পড়ে ৪৫ রানে। তারপর এই ওভাল। ইংল্যান্ডের দ্বিতীয় ইনিংসে সর্বোচ্চ রান করেন হাসিব হামিদ ৬৩। বার্নস করেন ৫০, অধিনায়ক রুট করেন ৩৬।

সেপ্টেম্বর ০৬, ২০২১
রাজ্য

Take Oath: দিল্লি ও ত্রিপুরা জয়ের শপথ নিলেন পূর্ব বর্ধমানের সকল নেতা, মন্ত্রী ও বিধায়করা

মোদি ও অমিত শাহ একাধিকবার প্রচারে এসেও পদ্ম ফোটাতে পারেননি পূর্ব বর্ধমানে। এই জেলার ১৬টি বিধানসভা আসনেই বিজেপি প্রার্থীদের পরাজিত করে জয়ী হয় তৃণমূল প্রার্থীরা। ঘাসফুল দুর্গ অটুট রাখতে পারা সকল বিধায়ককে রবিবার সম্বর্ধনা দিল জেলার জামালপুর ব্লক তৃণমূল নেতৃত্ব।এই সংবর্ধনা অনুষ্ঠান থেকেই শ্লোগান উঠলো আর নয় মোদি- ২৪ শে দিল্লির মসনদে চাই দিদি।আরও পড়ুনঃ নিহত বিজেপি সমর্থকের বাড়িতে গেলেও সিবিআই গরহাজির হত দুই তৃণমূল কর্মীর বাড়ি, বিতর্ক চরমেএদিন জামালপুর থানা সংলগ্ন মাঠে অনুষ্ঠিত হয় তৃণমূলের নেতা, মন্ত্রী ও বিধায়কদের সম্বর্ধনা অনুষ্ঠান। অনুষ্ঠানের আয়োজক ব্লক তৃণমূলের সভাপতি মেহেমুদ খাঁন, যুব সভাপতি ভূতনাথ মালিক ও জামালপুর বিধানসভার বিধায়ক তথা পূর্ব বর্ধমান জেলা তৃণমূল যুব কংগ্রেসের সভাপতি আলোক মাঝি। এদিনের সভায় জেলার বিধায়করা ছাড়াও জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায়, রাজ্যের মন্ত্রী স্বপনদেবনাথ, মুখ্যমন্ত্রীর কৃষি উপদেষ্টা তথা দুর্গাপুরের বিধায়ক প্রদীপ মজুমদার, জেলাপরিষদ সভাধিপতি শম্পা ধারা, সহ সভাধিপতি দেবু টুডু উপস্থিত ছিলেন। সংবর্ধনা সভায় তৃণমূলের কর্মী ও সমর্থকদের উপস্থিতি ছিল নজরকাড়া।আরও পড়ুনঃ ভোট পরবর্তী হিংসায় রাজ্যে প্রথম, নদিয়া থেকে গ্রেপ্তার ২তৃণমূল কংগ্রেসের জেলা সভাপতি রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায় এদিন বলেন, এই সংবর্ধনা সভা আসলে ২০২৪-এ বিজেপিকে কেন্দ্র থেকে উৎখাত করার শপথ নেওয়ার সভা। বিধানসভা ভোটে তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এক পায়ে খেলে বিজেপিকে পর্যুদস্ত করেছে। মোদি, অমিত শাহর বংলা জয়ের স্বপ্ন এক পায়ে খেলেই ভঙ্গ করে দিয়েছেন তৃণমূল নেত্রী। ২০২৪-এ দলনেত্রী দুপায়ে খেলবেন। দলের সবাইকে এই সভা থেকেই শপথ নিতে হবে কেন্দ্র থেকে বিজেপিকে উৎখাতের জন্য। এখন থেকেই শ্লোগান তুলতে হবে আর নয় মোদি, ২৪ শে দিল্লির মসনদে চাই দিদি। অন্যদিকে মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ বলেন, ভোটে ভরাডুবির পর বিজেপির এখন ভরসা সিবিআই আর ইডি। তবে বিজেপি যতই সিবিআই ও ইডি এই রাজ্যে পাঠাক না কেন লাভ কিছু হবে না। এবার ত্রিপুরাতে ঘাসফুল ফুটবে। কেন্দ্র থেকে বিজেপি সরকারকে উৎখাত করার জন্য তৃণমূল কংগ্রেস লড়াই চালাবে। সেই লড়াই আন্দোলনেও দিশা দেখাবেন এই বাংলার মানুষ।

আগস্ট ৩০, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Twinkle Khanna : অক্ষয় কুমারের স্টান্ট ভয় পান তাঁর স্ত্রী ট্যুইঙ্কল খন্না

অক্ষয় কুমার। বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেতা। যার স্টান্ট সিন সকলের প্রিয়। একাধিক সিনেমায় স্টান্ট সিন করে দর্শকদের মন জয় করেছেন তিনি। তবে এই স্টান্ট সিন নিয়ে রীতিমতো আতঙ্কিত থাকেন তাঁর স্ত্রী ট্যুইঙ্কল খন্না। এই প্রসঙ্গে লেখিকা ও প্রাক্তন অভিনেত্রী ট্যুইঙ্কল খন্না তাঁর সোশ্যাল মিডিয়ায় খোলাখুলিই জানালেন তাঁর ভয়ের কথা। আর কিছুদিনের মধ্যেই মুক্তি পেতে চলেছে আক্কির পরবর্তী ছবি, স্পাই থ্রিলার বেল বটম। সম্প্রতি নিজের ইন্সটাগ্রামে সেই ছবিরই একটি বিহাইন্ড দ্য সিনস ভিডিও শেয়ার করেছেন তিনি। যেখানে দেখা যাচ্ছে ছবির অ্যাকশন সিক্যোয়েন্সের শ্যুটিং চলছে। চোখ ধাঁধানো ভিডিওটিতে অক্ষয় কুমারকে শ্যুটিংয়ের সময় বেশ মনোযোগ সহকারে অ্যাকশনগুলো অভ্যাস করতে দেখা যাচ্ছে। প্রত্যেকটা শট যাতে একেবারে পারফেক্ট হয়, সেই চেষ্টায় নিজের সবটা দিয়ে কাজ করছেন অভিনেতা। দর্শকেরাও বেশ উচ্ছ্বসিত ভিডিওয় অভিনেতার একাগ্রতা দেখে। বলিউডের অন্যতম ফিট সেলিব্রিটি সেখানে তাঁর চরিত্রটি গড়ে তোলার গল্প বলেছেন। কীভাবে কড়া ট্রেনিং চলেছে এবং এই সমস্ত সিনগুলি শ্যুট করতে কত বেশি তাঁকে পরিশ্রম করতে হয়েছে, সেই সমস্ত কথাই বলেছেন তিনি। এমনকী ভিডিওয় দেখা যাচ্ছে ট্রেনিং চলাকালীন সেটের বাকি মানুষদেরও অভিনেতা যোগ দিতে বলছেন।ভিডিওটিতে অক্ষয় জানান, তাঁর স্ত্রী ট্যুইঙ্কল খন্নাও সেটে উপস্থিত ছিলেন, এবং বিয়ের ২০ বছর পরেও নিজে কঠিন ট্রেনিং সেশন দিয়ে স্ত্রীকে ইমপ্রেস করতে চেয়েছিলেন তিনি। অথচ তাঁর এই ভিডিও রিপোস্ট করে ট্যুইঙ্কল কী বললেন ক্যাপশনে? হা হা! উল্টোদিকে, যখন ও (অক্ষয়) বহুতল বা প্লেন থেকে ঝাঁপ দেয় আমি তখন আতঙ্কে থাকি। অক্ষয় যে এখনও গোটা শরীরে আছে সেটাই আমার কাছে বেশি আনন্দের, ওর সমস্ত স্টান্টের থেকে। সাবধানে থেকো মিস্টার কে, লিখেছেন ট্যুইঙ্কল। তাহলে বোঝাই যাচ্ছে অক্ষয় কুমার কে তাঁর স্ত্রী ঠিক কতটা ভালোবাসেন।

আগস্ট ১০, ২০২১
টুকিটাকি

Hibiscus: যত্নের অভাবে চুল নষ্ট হয়ে যাচ্ছে? প্রাণহীন চুলে জবা ফুলের মিনিট মেড কামাল দেখুন

বর্ষাকালে চুল পড়ে বলে অনেকেই তা গুরুত্ব দেয় না, কিন্তু অতিরিক্ত চুল পড়ায়, যত্নের অভাবে তা নষ্ট হয়ে যাচ্ছে? প্রাণহীন, শুষ্ক চুলের জেল্লা ফেরাতে ব্যবহার করতে পারেন জবা ফুলের প্যাক। জবা ফুল বাজারে সহজলভ্য আর এই হেয়ার প্যাক বানানোও সহজ, জেনে নিন বাড়িতেই কীভাবে বানাবেন জবা ফুলের প্যাক।খুশকি তাড়াতে, চুল সাদা হওয়া রুখতে, ঘন চুল বজায় রাখতে জবা ফুল উপকারি। জবা ফুলের হেয়ার প্যাক বানাতে প্রয়োজন ৮ থেকে ১০টি জবা ফুল। ফুলের সবুজ অংশটি ফেলে ভালো করে ধুয়ে নিন ফুল। এবার জবা ফুল ও ৪ টেবিল চামচ টক দই নিয়ে মিক্সারে গ্রাইন্ড করতে হবে। প্রয়োজনে খানিকটা জল মেশাতে পারেন। মেথি পেস্ট তৈরি করে একটি বাটিতে ঢেলে ১ টেবিল চামচ মধু দিয়ে তাতে মিক্সারে গ্রাইন্ড করা জবা ফুল ও টক দই একসঙ্গে মিশিয়ে নিলেই তৈরি এই প্যাক।আরও পড়ুনঃ চুল এবং ত্বকের পরিচর্যায় অব্যর্থ নারকেল তেল, জেনে নিন কী কী কাজে লাগেএ তো গেল চুলের স্বাস্থ্য রক্ষার্থে জবা ফুলের ব্যবহার। ত্বকের জন্যও খুব উপকারি জবা ফূলের প্যাক। ত্বকের টক্সিন ও অতিরিক্ত তেল কমিয়ে ত্বককে স্বাস্থ্যোজ্জ্বল করে তুলতে উপকারি জবা ফুলের প্যাক। জবার পাপড়ি পেস্ট করে তার সঙ্গে চালের গুঁড়ো ও জল মিশিয়ে মুখে মেখে নিন। ১৫-২০ মিনিট মাসাজ করুন ওই পেস্ট। তার পরে ধুয়ে নিলেই ফিরে পাবেন সুন্দর ত্বক।জবা ফুলের প্যাক বানানোর সময় লক্ষ রাখবেন যেন ফুল ও পাতা তাজা থাকে। প্রয়োজনে মেথির বদলে অ্যালোভেরা জেল ব্যবহার করতে পারেন। চুলে খুশকি থাকলে হেয়ার প্যাকে লেবুর রস ব্যবহার করুন। টাটকা ফুল না পেলে সুপার জবা ফুলের পাউডারও পাওয়া যায়, সেগুলিও ব্যবহার করতে পারেন হেয়ার প্যাক তৈরিতে।আরও পড়ুনঃ গাজরের বহুবিধ গুনাগুণবাড়িতে জবা ফুলের গাছ থাকলে বাড়তেই বানিয়ে ফেলুন জবাপাতার হেয়ার প্যাক, এটি বানাতে মুঠোভর্তি জবা পাতা ভালো করে ধুয়ে নিন। চাইলে কয়েকটি জবা ফুলও দিয়ে দিতে পারেন। মিহি পেস্ট তৈরি করার জন্য প্রয়োজনে সামান্য জল দিন। পাতার পেস্ট একটি বাটিতে নিন। আগের রাতে ভিজিয়ে রাখা মেথি গ্রাইন্ডারে পেস্ট করে নিন। এবার দুটি পেস্ট একসঙ্গে মিশিয়ে ব্যবহার করুন চুলে। ধৈর্য ধরে কয়েকদিন ব্যবহার করেই দেখুন না, পার্লারে না গিয়েও আপানারও ঈর্ষা জাগানো কেশরাশির সমাহার দেখে নিজেই অবাক হয়ে যাবেন।

আগস্ট ০৮, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Tokyo Olympics : ‌৪১ বছরের শাপমুক্তি ঘটল টোকিওতে, জার্মানিকে হারিয়ে ব্রোঞ্জ জিতল ভারত

অবশেষে শাপমুক্তি। ৪১ বছরের খরা কাটিয়ে অলিম্পিকে পদক জিতল ভারত। ১৯৮০ মস্কো অলিম্পিকের পর টোকিও। টানটান উত্তেজনার ম্যাচে জার্মানিকে ৫৪ ব্যবধানে হারিয়ে ব্রোঞ্জ জিতল ভারত। ভারতীয় হকির গৌরব আবার ফিরিয়ে নিয়ে এলেন মনদীপ সিংরা। ভারতের বিরুদ্ধে ম্যাচের শুরুতেই এগিয়ে গিয়েছিল জার্মানরা। তারপর দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তন মনদীপ সিংদের। শেষ পর্যন্ত জয় হাসিল। ম্যাচের ২ মিনিটে ভারতীয় ডিফেন্সের দুর্বলতার সুযোগ নিয়ে গোল করে জার্মানিকে এগিয়ে দিয়েছিল টিমুর ওরুজ। শুরুতে এগিয়ে গিয়ে জার্মানরা বাড়তি আত্মবিশ্বাসী হয়ে উঠেছিল। একের পর এক আক্রমণ তুলে নিয়ে আসছিল ভারতীয় ডিফেন্সে। ১০ ও ১২ মিনিটে পরপর দুটি গোল বাঁচিয়ে ব্যবধান বাড়তে দেননি শ্রীজেশ।আরও পড়ুনঃ বধূকে ধর্ষণের পর সোনার গয়না ও টাকা হাতানোর অভিযোগে গ্রেপ্তার যুবকদ্বিতীয় কোয়ার্টারের শুরু থেকেই মরিয়া হয়ে ওঠে ভারত। ১৭ মিনিটে প্রতি আক্রমণে উঠে এসে নীলকান্ত শর্মার পাস থেকে সমতা ফেরান সিমরনজিৎ সিং। ২০ মিনিটে জার্মানির ফ্লোরিয়ান ফুচসের প্রয়াস রুখে দেন শ্রীজেশ। ২৪ মিনিটে নিকলাস ওয়েলেন জার্মানিকে ২১ ব্যবধানে এগিয়ে দেন। পরের মিনিটেই বেনেডিক্ট ফুর্ক ৩১ করেন। ৩১ ব্যবধানে পিছিয়ে পড়ে সম্বিত ফেরে মনদীপদের। ম্যাচে ফেরার জন্য মরিয়া হয়ে ওঠে ভারত। দ্বিতীয় কোয়ার্টারের শেষদিকে নাটকীয় প্রত্যাবর্তন। ২৭ মিনিটে পেনাল্টি কর্ণার থেকে ব্যবধান কমান হার্দিক সিং। ২ মিনিট পরে আবার পেনাল্টি কর্ণার পায় ভারত। পেনাল্টি কর্ণার থেকে সমতা ফেরান হরমনপ্রীত সিং।আরও পড়ুনঃ বুমরা, সামির ঝড়ে বেসামাল ইংল্যান্ড, গুটিয়ে গেল ১৮৩ রানেদ্বিতীয়ার্ধে আরও নাটক অপেক্ষা করছিল। জার্মানির ওপর জাঁকিয়ে বসেন মনপ্রীতরা। ৩১ মিনিটে পেনাল্টি কর্ণার থেকে ভারতকে এগিয়ে দেন রুপিন্দার পাল সিং। ৩ মিনিট পর গুরজন্ত সিং ডানদিক থেকে উঠে এসে বল বাড়ান সিমরনজিৎ সিংকে। খুব কাছ থেকে বল জালে পাঠান সিমরনজিৎ। ৫৩ ব্যবধানে এগিয়ে যায় ভারত। ৪২ মিনিটে পরপর বেশ কয়েকটা পেনাল্টি কর্ণার পেয়েও কাজে লাগাতে পারেননি রুপিন্দাররা।আরও পড়ুনঃ বুপুরুষদের জ্যাভলিন থ্রোর ফাইনালে পৌঁছলেন নীরজ কুমারম্যাচের চতুর্থ কোয়ার্টারে চূড়ান্ত ক্লাইম্যাক্স। ব্রোঞ্জ ধরে রাখার জন্য মরিয়া হয়ে ওঠে জার্মানরা। অন্যদিকে ৪১ বছরের খরা কাটাতে মরিয়া মনদীপরা। ম্যাচের পরতে পরতে উত্তেজন। ৪৮ মিনিটে পেনাল্টি কর্ণার পায় জার্মানি। পেনাল্টি কর্ণার থেকে ব্যবধান কমান লুকাস উইন্ডফেডার। ৫২ মিনিটে জার্মান গোলকিপার স্ট্যাডলারকে একা পেয়েও গোল করতে পারেননি মনদীপ। শেষদিকে মরিয়া হলেও সমতা ফেরাতে পারেনি জার্মানি। অবশেষে ৪১ বছরের শাপমুক্তি ঘটিয়ে অলিম্পিকে পদক জিতল ভারত।

আগস্ট ০৫, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Olympics Hockey : স্পেনের বিরুদ্ধে দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়াল ভারত

অস্ট্রেলিয়ার কাছে ৭১ গোলে বিধ্বস্ত হওয়ার পর দারুণ ভাবে ঘুরে দাঁড়াল ভারত। পুল এতে নিজেদের তৃতীয় ম্যাচে স্পেনকে হারাল ৩০ ব্যবধানে। ভারতের জয়ের নায়ক রুপিন্দার পাল সিং। জোড়া গোল করেন তিনি। একটি গোল করেন সিমরণ সিং। স্পেনকে হারিয়ে ৩ ম্যাচে ৬ পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে উঠে এল ভারত।আরও পড়ুনঃ অলিম্পিকের তৃতীয় রাউন্ড থেকেই বিদায় শরথ কমলেরপ্রথম ম্যাচে পিছিয়ে পড়েও ৩২ ব্যবধানে জিতেছিল ভারত। দুর্দান্ত খেলেছিলেন রুপিন্দার ও গোলকিপার শ্রীজেশ। দ্বিতীয় ম্যাচে বিশ্বের ১ নম্বর দল অস্ট্রেলিয়ার কাছে দাঁড়াতেই পারেনি ভারত। ৭১ ব্যবধানে উড়ে যায়। তিনকাঠির নীচে জঘন্য খেলেন শ্রীজেশ। মূলত তাঁর দোষেই বড় ব্যবধানে হারতে হয়েছিল ভারতকে।আরও পড়ুনঃ লম্বা চুল রাখা যাবে না, লক্ষ্মীর ফতোয়াস্পেনের বিরুদ্ধে আগের ম্যাচের ভুল শুধরে মাঠে নেমেছিলেন মনপ্রীতরা। এদিন অনেক বেশি সপ্রতিভ ছিলেন। তবে ম্যাচের শুরুর দিকে স্পেনের প্রাধান্য ছিল। ভারতের লক্ষ্য ছিল প্রতি আক্রমণ থেকে গোল তুলে নেওয়া। সেই লক্ষ্যে সফল মনপ্রীতরা। ১৬ মিনিটে গোল করে দলকে এগিয়ে দেন সিমরণজিৎ সিং। ২ মিনিট পর পেনাল্টি কর্ণার পেলেও কাজে লাগাতে পারেনি ভারত। ১৯ মিনিটে পেনাল্টি পায় ভারত। পেনাল্টি থেকে গোল করে ব্যবধান বাড়ান রুপিন্দার পাল সিং। প্রথম কোয়ার্টারে ২০ ব্যবধানেই এগিয়ে ছিল ভারত। দ্বিতীয় কোয়ার্টারে সমতা ফেরানোর জন্য মরিয়া হয়ে ওঠা স্পেন। কিন্তু শক্তিশালী ভারতীয় ডিফেন্স ভেদ করতে পারেনি। গোলকিপার শ্রীজেশও দক্ষতার পরিচয় দেন।আরও পড়ুনঃ টি২০ সিরিজের প্রথম ম্যাচেই জিতল ভারতদ্বিতীয়ার্ধের শুরু থেকেই আবার ভারতকে চেপে ধরে স্পেন। প্রথমার্ধের মতো সেই একই স্ট্র্যাটেজি, মাঝখান দিয়ে আক্রমণ করা। ভারতও পাল্টা চাপ দিতে শুরু করে। এরই মাঝে আম্পায়ার লক্ষ্য করেন স্পেনের ১২ জন খেলোয়াড় মাঠে রয়েছে। আম্পায়ার খেলা থামিয়ে স্পেনের মিগুয়েল ডিলাসকে হলুদ কার্ড দেখান। ৫ মিনিটের জন্য তাঁকে মাঠের বাইরে বসতে হয়। বিপক্ষ ১০ জন হয়ে যাওয়ার সুযোগ নিতে পারেনি ভারত। ম্যাচের ৫১ মিনিটে তৃতীয় গোল পায় ভারত। পেনাল্টি কর্ণার থেকে ৩০ করেন রুপিন্দার পাল সিং। ম্যাচের শেষ কোয়ার্টারে তিনতিনটি পেনাল্টি কর্ণার পেলেও কাজে লাগাতে পারেনি স্পেন।

জুলাই ২৭, ২০২১
খেলার দুনিয়া

India Cricket : ‌টি২০ সিরিজের প্রথম ম্যাচেই জিতল ভারত

একদিনের সিরিজের পর টি২০ সিরিজেও ভারতের দাপট অব্যাহত। প্রথম ম্যাচে শ্রীলঙ্কাকে ৩৮ রানে হারিয়ে সিরিজে এগিয়ে গেল ভারত। দুরন্ত বোলিং করে দলকে জেতালেন ভুবনেশ্বর কুমার। ২২ রানে তুলে নিলেন ৪ উইকেট। ব্যাট হাতে জ্বলে উঠলেন সূর্যকুমার যাদবআরও পড়ুনঃ টোকিও অলিম্পিকে প্রথম পদক ভারতেরটসে জিতে ভারতকে প্রথমে ব্যাট করতে পাঠান শ্রীলঙ্কার অধিনায়ক দাসুন শনাকা। মেঘলা আবহাওয়া ও মন্থর উইকেটের কথা মাথায় রেখেই তিনি প্রথমে ফিল্ডিং করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। অধিনায়কের সিদ্ধান্তর মর্যাদা দেন দুষ্মন্ত চামিরা। দিনের প্রথম বলেই তুলে নেন টি২০ ক্রিকেটে অভিষেককারী পৃথ্বী শকে (০)। শুরুর ধাক্কা সামলে দলকে টেনে নিয়ে যাচ্ছিলেন অধিনায়ক শিখর ধাওয়ান ও সঞ্জু স্যামসন। সপ্তম ওভারের প্রথম বলেই ফিরে যান সঞ্জু (২০ বলে ২৭)। ভারতের রান তখন ৫১/২।আরও পড়ুনঃ পিছিয়ে পড়েও দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তন সুতীর্থার, পৌঁছে গেলেন দ্বিতীয় রাউন্ডেধাওয়ানের সঙ্গে পরে সূর্যকুমারের জুটি বেশ জমে উঠেছিল। মন্থর উইকেটে নিজেদের সেরা শট খেলতে পারছিলেন না ধাওয়ান ও সূর্যকুমার। ৩৬ বলে ৪৬ রান করে করুণারত্নের বলে আউট হন ধাওয়ান। পরের ওভারেই হাসারাঙ্গার বলে ফেরেন সূর্যকুমার। ৩৪ বলে তিনি করেন ৫০। সূর্যকুমারের ইনিংসে রয়েছে ৫টি ৪ ও ২টি ৬। টি২০ সিরিজেও খারাপ সময় কাটিয়ে উঠতে পারলেন না হার্দিক পান্ডিয় (১২ বলে ১০)। ১৪ বলে অপরাজিত ২০ রান করে ভারতকে ২০ ওভারে ১৬৪/৫ রানে পৌঁছে দেন ঈশান কিশান।আরও পড়ুনঃ পোলিকারপোভাকে উড়িয়ে দারুণভাবে অলিম্পিক অভিযান শুরু করলেন সিন্ধুব্যাট করতে নেমে তৃতীয় ওভারেই উইকেট হারায় শ্রীলঙ্কা। মিনোড ভানুকাকে (৭ বলে ১০) তুলে নিয়ে প্রথম ধাক্কা দেন ক্রুনাল পান্ডিয়া। ধনঞ্জয় ডিসিলভাকে (১০ বলে ৯) ফেরান যুজবেন্দ্র চাহাল। আভিস্কা ফান্দান্দোকে (২৩ বলে ২৬) তুলে নেন ভুবনেশ্বর কুমার। ৫০ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় শ্রীলঙ্কা। চরিথ আসালঙ্কা ও আশেন বান্দারা দলকে টেনে নিয়ে যান। বান্দারাকে (১৯ বলে ৯) তুলে নিয়ে জুটি ভাঙেন হার্দিক পান্ডিয়া। আসালঙ্কাকে (২৬ বলে ৪৪) দীপক চাহার তুলে নিতেই শ্রীলঙ্কার জয়ের আশা শেষ হয়ে যায়। ১৮.৩ ওভারে ১২৬ রানে গুটিয়ে যায় শ্রীলঙ্কার ইনিংস।

জুলাই ২৫, ২০২১
খেলার দুনিয়া

‌ India vs Sri Lanka : ৪১ বছর পর নজির, একসঙ্গে ৫ জনের অভিষেক ভারতীয় দলে

প্রথম দুটি ম্যাচ জিতে আগেই সিরিজ জিতে গিয়েছিল ভারত। শুক্রবার ছিল নিয়মরক্ষার ম্যাচ। বৃষ্টিবিঘ্নিত তৃতীয় একদিনের ম্যাচে ডাকওয়ার্থলুইস পদ্ধতিতে ৩ উইকেটে জিতে সম্মান কিছুটা পুনরুদ্ধার করল শ্রীলঙ্কা। চলতি বছরে এই নিয়ে দুটি একদিনের ম্যাচ জিতল শ্রীলঙ্কা।আরও পড়ুনঃ শাহের দরবারে শুভেন্দু-সৌমিত্র, জল্পনাসিরিজ জিতে যাওয়ায় প্রথম একাদশে এদিন ৬টি পরিবর্তন করে ভারতীয় টিম ম্যানেজমেন্ট। ঈশান কিশান, ক্রুনাল পান্ডিয়া, যুজবেন্দ্র চাহাল, কুলদীপ যাদব, দীপক চাহার ও ভুবনেশ্বর কুমারের পরিবর্তে প্রথম একাদশে সুযোগ পান সঞ্জু স্যামসন, নীতীশ রানা, রাহুল চাহার, চেতন সাকারিয়া, কৃষ্ণাপ্পা গৌতম ও নভদীপ সাইনি। নভদীপ বাদে বাকি ৫ জনের এদিন দেশের হয়ে অভিষের হল। ৪১ বছর পর একদিনের ম্যাচে ভারতীয় দলে একসঙ্গে ৫ জনের অভিষেক হল। অভিষেক ম্যাচে কেউই অবশ্য তেমন দাগ কাটতে পারলেন না।আরও পড়ুনঃ একনজরে টোকিও অলিম্পিক ভিলেজের অন্দরমহল, যেখানে ১১,০০০ অ্যাথলিট থাকবেটসে জিতে ভারত প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেয়। শিখর ধাওয়ান (১৩) তেমন সুবিধা করতে পারেননি। পৃথ্বী শ (৪৯ বলে ৪৯) ভাল শুরু করেও ধরে রাখতে পারেননি। সঞ্জু স্যামসন ৪৬ বলে ৪৬ রান করে আউট হন। মণীশ পান্ডে ও সূর্যকুমার যাদব দলকে টেনে নিয়ে যাচ্ছিলেন। ২৩ ওভার খেলার পর বৃষ্টি নামে। ভারতের তখন রান ছিল ১৪৭/৩। বৃষ্টি থামার পর যখন খেলা শুরু হয়, ওভার সংখ্যা কমে যায়। ঠিক হয় দুদলই ৪৭ ওভার করে ব্যাট করার সুযোগ পাবে। এরপর ব্যাট করতে নেমে ছন্দ হারায় ভারত। নিয়মিত ব্যবধানে উইকেট হারাতে থাকে। ২০.১ ওভারে মাত্র ৭৮ রান তুলে শেষ ৭টি উইকেট হারায় ভারত। শেষ পর্যন্ত ৪৩.১ ওভারে ২২৫ রানে শেষ হয়ে যায় ভারতের ইনিংস। মণীষ পান্ডে করেন ১১, সূর্যকুমার যাদব ৩৭ বলে ৪০। হার্দিক পান্ডিয়া (১৯), নীতীশ রানা (৭), কৃষ্ণাপ্পা গৌতমরা (২) রান পাননি। রাহুল চাহার করেন ১৩, নভদীপ সাইনি ১৫।#TeamIndia fight back hard but Sri Lanka win the 3rd #SLvIND ODI by 3 wickets.India finish the ODI series 2-1 👊Scorecard 👉 https://t.co/7LRDbx0DLM pic.twitter.com/xFo9hy4NrB BCCI (@BCCI) July 23, 2021ডাকওয়ার্থলুইস পদ্ধতিতে জয়ের জন্য শ্রীলঙ্কার সামনে লক্ষ্য দাঁড়ায় ২২৬। লক্ষ্য খুব একটা কঠিন ছিল না শ্রীলঙ্কার সামনে। মিনোদ ভানুকা (৭) শুরুতে ফিরে গেলেও আর এক ওপেনার আভিষ্কা ফার্নান্ডো দারুণ ব্যাটিং করেন। ভানুকা রাজাপক্ষের সঙ্গে জুটি বেঁধে দলকে টেনে নিয়ে যান। দুজনের জুটিতে ওঠে ১০৯ রাআন রাজাপক্ষকে (৬৫) তুলে নিয়ে জুটি ভাঙেন চেতন সাকারিয়া। এক ওভার পরেই ফেরান ধনঞ্জয় ডিসিলভাকে (২)। আভিষ্কা ফার্নান্ডোকে (৯৮ বলে ৭৬) তুলে নেন রাহুল চাহার। পরপর কয়েকটা উইকেট হারালেও শ্রীলঙ্কার জয় আটকায়নি। ৩৯ ওভারে ৭ উইকেট হারিয়ে ২২৭ রান তুলে ম্যাচ জিতে নেয় শ্রীলঙ্কা। রাহুল চাহার ৫৪ রানে ৩ উইকেট নেন। চেতন সাকারিয়ার ৩৪ রানে ২ উইকেট।

জুলাই ২৩, ২০২১
খেলার দুনিয়া

IND vs Sri Lanka Match : ‌দীপক চাহারের দুরন্ত ব্যাটিংয়ে সিরিজ জিতে নিল ভারত

এই মুহূর্তে ভারতীয় রিজার্ভ বেঞ্চের যা শক্তি, প্রথম সারির দলকেও হারানোর ক্ষমতা রাখে। শ্রীলঙ্কা তো কোন ছাড়। সমস্যায় জর্জরিত সিংহলীদের সেই সুদিন আর নেই। রণতুঙ্গা, ডিসিলভা, জয়বর্ধনে, ঙ্গাকারাদের কথা বাদ দিন, অ্যাঞ্জেলো ম্যাথুজ, কুশল মেন্ডিস, নিরোসান ডিকওয়েলার মতো ব্যাটসম্যানও দলে নেই। এইরকম তৃতীয় সারির ব্যাটিং লাইনের বিরুদ্ধেও উইকেট তুলতে মাথার ঘাম পায়ে ফেলতে হচ্ছে ভুবনেশ্বর কুমার, কুলদীপ যাদবদের। মান বঁাচালেন যুজবেন্দ্র চাহাল। তিনি জ্বলে না উঠলে ৩০০ রানের গন্ডি টপকে যেত শ্রীলঙ্কা। যদিও দীপক চাহারের দুরন্ত ব্যাটিংয়ের সুবাদে ৩ উইকেটে জিতল ভারত। ২০ ব্যবধানে সিরিজও জিতে নিল।আরও পড়ুনঃ সুযোগ পেয়েও প্রস্তুতি ম্যাচে মাঠে নামলেন না কোহলি, রাহানেরাটসে জিতে এদিনও প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল শ্রীলঙ্কা। নতুন বল হাতে ব্রেক থ্রু দিতে ব্যর্থ ভুবনেশ্বর কুমার ও দীপক চাহার। এই দুই বোলারের বিরুদ্ধেও শ্রীলঙ্কার দুই ওপেনার দাপট দেখিয়ে গেলেন। ওপেনিং জুটিতে ১৩.২ ওভারে ৭৭ তুলে ফেলেন আভিস্কা ফার্নান্ডো ও মিনোন্দ ভানুকা। চাহালের হাত ধরে ব্রেক ব্রেক থ্রু। পরপর দুবলে ভানুকা (৪২ বলে ৩৬) ও রাজাপক্ষকে (১ বলে ০) তুলে নেন। ধনঞ্জয় ডিসিলভাকে নিয়ে দলেকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছিলেন আভিস্কা (৭১ বলে ৫০)। হাফ সেঞ্চুরির পরপরই মনসংযোগ হারিয়ে বাজে শট খেলে ভুবনেশ্বরকে উইকেট উপহার দিয়ে যান। ধনঞ্জয়ও (৪৫ বলে ৩২) আবিস্কার মতো বাজে শট খেলে আউট হন। চাহালের বলের লেংথ বুঝতে না পেরে শনাকা (২৪ বলে ১৬) বোল্ড। হাসারাঙ্গাকে (১১ বলে ৮) নাক্ল বলে তুলে নেন দীপক চাহার। আসালঙ্কার ৬৮ বলে ৬৫ রানের দায়িত্বশীল ইনিংস খেলে দলকে এগিয়ে নিয়ে যান। করুণারত্নের ৩৩ বলে ৪৪ রানের ইনিংস শ্রীলঙ্কাকে ২৭৫/৯ রানে পৌঁছে দেয়। আরও পড়ুনঃ টোকিওতে কেন গেমস ভিলেজে থাকছেন না ১ নম্বর মহিলা টেনিস তারকা?প্রথম ম্যাচে টপ অর্ডার জ্বলে ওঠায় বেশ ঝকঝকে মনে হয়েছিল ভারতীয় ব্যাটিংকে। পৃথ্বী শর ঝোড়ো ব্যাটিং দলের জয়ের ভিত গড়ে দিয়েছিল। এদিন হাসারাঙ্গার গুগলি বুঝতে না পেরে বোল্ড পৃথ্বী (১১ বলে ১৩)। ঈশান কিষানও ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে পারেননি। শট নির্বাচনে ভুল করে রাজিথার বলে বোল্ড ঈশান (৪ বলে ১)। তবে ভারতের কাছে বড় ধাক্কা অধিনায়ক শিখর ধাওয়ানের (৩৮ বলে ২৯) উইকেট। ৬৫ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় ভারত। কিন্তু দ্রাবিড়ের এই দলের ব্যাটিং গভীরতা এতটাই যে সমস্যা হওয়ার কথা ছিল না। মণীশ পান্ডে ও সূর্যকুমার যাদবের জুটি দলকে টেনে নিয়ে যাচ্ছিল। দুর্ভাগ্যের শিকার মণীশ (৩১ বলে ৩৭)। সূর্যর শট শনাকার হাতে লেগে যখন ননস্ট্রাইকিং প্রান্তের উইকেটে আঘাত করছে, ক্রিজ থেকে অনেক দুরে। হার্দিক পান্ডিয়াও (০) দ্রুত ফেরেন।আরও পড়ুনঃ অলিম্পিকে নজির গড়তে চলেছেন সানিয়া মির্জা, অবসর নিয়ে কী ভাবছেন?একসময় ১১৬ রানে ৫ উইকেট হারায় ভারত। এরপর হাল ধরেন সূর্যকুমার যাদব (৪৪ বলে ৫৩)। সান্দাকানের বলে তিনি এলবিডব্লিউ হতেই জয়ের স্বপ্ন ক্রমশ ফিকে হয়ে যায়। কিন্তু ক্রুনাল পন্ডিয়া (৫৪ বলে ৩৫ ), দীপক চাহারের ব্যাটিংয়ে জয়ের স্বপ্ন জেগে ওঠে। দুরন্ত ব্যাটিং চাহারের (৮২ বলে অপরাজিত ৬৯)। জীবনের সেরা ইনিংস খেলে দলকে জয় এনে দেন। ভুবনেশ্বরের (২৮ বলে অপরাজিত১৯) অবদানও অস্বীকার করা যাবে না। ৫ বল বাকি থাকতে ২৭৭/৭ তুলে ম্যাচ ও সিরিজ জিতে নেয় ভারত।

জুলাই ২০, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Ishan Kishan : জন্মদিনে অভিষেকে হাফসেঞ্চুরি করে নজির ইশান কিষানের, জিতল ভারত

শ্রীলঙ্কার ক্রিকেটে সেই সুদিন আর নেই। সমস্যায় জর্জরিত একসময়ের বিশ্ব চ্যাম্পিয়নরা। শক্তিশালী ভারতের বিরুদ্ধে দল গড়তেই হিমসিম থেকে হয়েছে। অনভিজ্ঞ, দুর্বল শ্রীলঙ্কা যে শিখর ধাওয়ানদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে পারবে না, প্রত্যাশিতই ছিল। শ্রীলঙ্কাকে ৭ উইকেটে হারিয়ে একদিনের সিরিজে এগিয়ে গেল ভারত। জন্মদিনে দেশের হয়ে অভিষেক ম্যাচে অর্ধশতরান করে নজির গড়লেন ইশান কিষান। টি২০ অভিষেকেও হাফসেঞ্চুরি করেছিলেন। তিনিই প্রথম ভারতীয় ক্রিকেটার হিসেবে এই নজির গড়লেন। একদিনের ম্যাচে অভিষেক হল সূর্যকুমার যাদবেরও। অধিনাকোচিত ইনিংস খেলে দলকে জেতালেন শিখর ধাওয়ান।আরও পড়ুনঃ অলিম্পিকে নামছেন জকোভিচ, গড়তে পারেন নজিরকলম্বোর প্রেমদাসা স্টেডিয়ামে সিরিজের প্রথম ম্যাচে টসে জিতে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেয় শ্রীলঙ্কা। ভালই শুরু করেছিলেন শ্রীলঙ্কার দুই ওপেনার আভিস্কা ফার্নান্ডো ও মিনোন্দ ভানুকা। দুজনে ওপেনিং জুটিতে তোলেন ৪৯। ভারতের অভিজ্ঞ জোরে বোলার ভুবনেশ্বর কুমার একেবারেই প্রভাব ফেলতে পারেননি। ভারতকে প্রথম ব্রেক থ্রু এনে দেন যুজবেন্দ্র চাহাল। তুলে নেন আভিস্কা ফার্নান্ডোকে (৩৫ বলে ৩২)। ভানুকাকে (৪৪ বলে ২৭) ফেরান কুলদীপ যাদব। একসময় ১৬ ওভারে শ্রীলঙ্কার রান ছিল ৮৫/১। সেখান থেকে দ্রুত ৩ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় শ্রীলঙ্কা। দুর্দান্ত বোলিং করে শ্রীলঙ্কার ব্যাটসম্যানদের চাপে রাখেন রাহুল চাহার (১/২৬)।A comprehensive 7-wicket win for #TeamIndia to take 1-0 lead in the series🙌How good were these two in the chase! 👏👏8⃣6⃣* runs for captain @SDhawan25 👊5⃣9⃣ runs for @ishankishan51 on ODI debut 💪Scorecard 👉 https://t.co/rf0sHqdzSK #SLvIND pic.twitter.com/BmAV4UiXjZ BCCI (@BCCI) July 18, 2021শ্রীলঙ্কার লোয়ার মিডল অর্ডারে ভাঙন ধরান দীপক চাহার। ২০১৯ সালে দেশের হয়ে শেষ একদিনের ম্যাচ খেলেছিলেন দীপক চাহার। শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে জীবনের চতুর্থ একদিনের ম্যাচ খেলতে নেমে তুলে নিলেন ২টি উইকেট। প্রথমে ফেরান ক্রিজে জমে ওঠা আসালঙ্কাকে (৬৫ বলে ৩৮)। পরে তুলে নেন হাসারাঙ্গাকে (৭ বলে ৮)। শেষ পর্যন্ত ৫০ ওভারে ২৬২/৯ তোলে শ্রীলঙ্কা। করুণারত্নে ৩৫ বলে ৪৩ রান করে অপরাজিত থাকেন। যুজবেন্দ্র চাহাল ও কুলদীপ যাদব ২টি করে উইকেট পান।আরও পড়ুনঃ টোকিও অলিম্পিকে কে হবেন ভারতের পোস্টার বয়? জানতে পড়ুনব্যাট করতে নেমে দারুণ শুরু করে ভারত। ওপেনিং জুটিতে মাত্র ৫.২ ওভারে ৫৮ তোলেন পৃথ্বী শ এবং শিখর ধাওয়ান। ২৪ বলে ৪৩ রানের ঝোড়ো ইনিংস খেলে আউট হন পৃথ্বী। অভিষেক ম্যাচে সফল ইশান কিশান। ব্যাট করতে নেমে তিনিও ঝড় তোলেন। শেষ পর্যন্ত ৪২ বলে ৫৯ রান করে তিনি আউট হন। এরপর দলকে টেনে নিয়ে যান শিখর ধাওয়ান ও মণীশ পান্ডে। ধনঞ্জয় ডিসিলভার বলে ২৬ রান করে আউট হন মণীশ পান্ডে। ৯৫ বলে অপরাজিত ৮৬ রানের অধিনায়কোচিত ইনিংস খেলে দলকে জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে দেন শিখর ধাওয়ান। সূর্যকুমার যাদব ২০ বলে ৩১ রান করে অপরাজিত থাকেন। ৩৬.৪ ওভারে জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে যায় ভারত (২৬৩/৩)।

জুলাই ১৮, ২০২১
দেশ

Photo Journalist: কান্দাহারে নিহত পুলিৎজার জয়ী ভারতীয় চিত্রসাংবাদিক

কান্দাহারে অশান্ত পরিস্থিতির ছবি তুলতে গিয়ে নিহত হলেন পুলিৎজার জয়ী ভারতীয় চিত্রসাংবাদিক দানিশ সিদ্দিকি। কয়েক আগেই সেখানে গিয়ে আফগান সেনাবাহিনীর সঙ্গে থেকে কাজ করছিলেন তিনি। শুক্রবার সংবাদ সংস্থা জানিয়েছে, কান্দাহারের স্পিন বোলডাক জেলায় সংঘর্ষের মধ্যে পড়ে নিহত হয়েছেন দানিশ। তিনিই ভারতের প্রথম পুলিৎজার জয়ী চিত্রসাংবাদিক। ২০১৮ সালে সহকর্মী আদনান আবিদির সঙ্গে ফিচার ফোটোগ্রাফিতে পুলিৎজার পুরস্কার পেয়েছিলেন দানিশ। ভারতের রয়টার্সের আলোকচিত্রীদের দলটির প্রধান ছিলেন দানিশ।আরও পড়ুনঃ ফের উত্তপ্ত শ্রীনগর, খতম ২ লস্কর জঙ্গিআন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থা রয়টার্সের প্রধান চিত্র সাংবাদিক ছিলেন দানিশ। টুইটারে এক সাংবাদিকের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী বৃহস্পতিবার রাতেই গুরুতর জখম হয়েছিলেন দানিশ। তিনি আফগান সেনা শিবিরেই ছিলেন। তাঁকে আহত অবস্থায় শিবিরে রেখেই আফগান সেনারা তালিবান বিরোধী অভিযানে গিয়েছিলেন। কিন্তু শুক্রবার সকালে ফের তালিবানি হামলার মুখে পড়ে আফগান সেনারা। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় দানিশের। ওই সাংবাদিক নেট মাধ্যমে জানিয়েছেন, দানিশের দেহাবশেষের ছবিও এসেছে তাঁদের কাছে। কিন্তু তাঁরা তা প্রকাশ করছেন না। মুম্বইয়ে বাড়ি দানিশের। বয়স ৪০। জামিয়া মিলিয়া ইসলামিয়ার ছাত্র ছিলেন তিনি। টেলিভিশন সাংবাদিক হিসেবে কেরিয়ার শুরু করলেও পরে চিত্র সাংবাদিকতাকেই পেশা হিসেবে বেছে নিয়েছিলেন। ২০১০ সালে রয়টার্সে শিক্ষানবীশ চিত্র সাংবাদিক হিসেবে যোগ দেন। তার ছ বছরের মধ্যেই ইরাকের মসুলের যুদ্ধের ছবি তুলতে যান দানিশ। ২০১৫ সালে নেপালের ভূমিকম্পের ছবিও তোলেন। ২০১৯-২০তে হংকং প্রোটেস্ট, ২০২০ তে দিল্লির দাঙ্গার ছবিও তোলেন এই চিত্র সাংবাদিক।

জুলাই ১৬, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Icche Movie : ইচ্ছে ছবির ১০ বছর, আবেগে ভাসলেন পরিচালক

শিবপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় ও নন্দিতা রায় বর্তমানে টলিউডের দুই জনপ্রিয় প্রতিষ্ঠিত পরিচালক। এই দুই পরিচালকদ্বয়ের প্রথম পরিচালিত ছবির নাম ইচ্ছে। ২০১১ সালের ১৫ জুলাই প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেয়েছিল ছবিটি। অভিনয় করেছিলেন সোহিনী সেনগুপ্ত, ব্রাত্য বসু, সমদর্শী দত্ত, বিদিতা বাগ। ছবি মুক্তির পর কেটে গিয়েছে একটি দশক। কিন্তু আজও দর্শকের মনে আলাদা একটা জায়গা করে নিয়েছে ছবিটি। নন্দিতা-শিবপ্রসাদের অন্যতম শ্রেষ্ঠ সৃষ্টি এই ছবি। ছবিটি নিবেদন করেছিলেন ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত।আরও পড়ুনঃ জন্মদিন কেমন কাটল বং গাই এর?এই ছবির দুটি স্টিল ফোটোগ্রাফ সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করেছেন পরিচালক শিবপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়। সাহিত্যিক সুচিত্রা ভট্টাচার্যর উপন্যাস অবলম্বনে তৈরি হয়েছিল ছবির চিত্রনাট্য। মা ও ছেলের সম্পর্কের কথা বলেছিল ইচ্ছে। মায়ের চরিত্রে সোহিনী সেনগুপ্তর পারফরম্যান্স যেন ভোলার নয়। তেমনই ভাল অভিনয় করেছিলেন সমদর্শী। জোড়ালো স্টারকাস্ট ছাড়া কমবাজেটের একটি বাংলা ছবি দর্শকের মনে দাগ কেটেছিল সেই সময়। প্রথম ছবিতেই প্রমাণ করেছিলেন কন্টেন্টই আসল। প্রথম ছবিতেই পরিচালক হিসেবে নিজেদের জায়গা পাকা করেছিলেন নন্দিতা-শিবপ্রসাদ। ইচ্ছে দিয়ে শুরু। সেই জার্নির পর আরও ভাল ভাল ছবি দর্শকদের উপহার দিয়ে তাদের ইচ্ছেপূরণ করে চলেছেন শিবপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় ও নন্দিতা রায়।

জুলাই ১৫, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Ravichandran Ashwin : দুরন্ত ফর্মে অশ্বিন, তুলে নিলেন ৬ উইকেট

বিরাট কোহলিরা যখন ছুটি কাটাতে ব্যস্ত, ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে টেস্ট সিরিজের জন্য নিজেকে তৈরি করছেন রবিচন্দ্রন অশ্বিন। সারের হয়ে নেমে পড়েছেন কাউন্টি খেলতে। আর মাঠে নেমেই দুরন্ত ছন্দে ভারতের এই অফস্পিনার। তুলে নিয়েছেন ৬ উইকেট। তাঁর দাপটেই দ্বিতীয় ইনিংসে ৬৯ রানে গুটিয়ে যায় সমারসেট।আরও পড়ুনঃ এটিকে মোহনবাগানের স্বার্থে নিয়ম বদল! প্রশ্নের মুখে আইএফএনিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে নিজের সেরা ছন্দে ছিলেন না রবিচন্দ্রন অশ্বিন। একেবারেই দাগ কাটতে পারেননি। ইংল্যান্ডের পরিবেশের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার জন্য কাউন্টি ক্রিকেটে খেলার সিদ্ধান্ত নেন। অন্য ক্রিকেটাররা যখন ছুটি উপভোগ করতে ব্যস্ত, সারের হয়ে মাঠে নেমে পড়েন অশ্বিন।আরও পড়ুনঃ আন্তর্জাতিক টেনিসে ঐতিহাসিক সাফল্য বাঙালি তরুণেরসমারসেটের বিরুদ্ধে প্রথম ইনিংসে অবশ্য তেমন সুবিধা করতে পারেননি রবিচন্দ্রন অশ্বিন। সারের হয়ে বোলিং ওপেন করতে নেমেছিলেন ভারতের এই অফস্পিনার। প্রথম দিন মাত্র ১টা উইকেট পান। প্রথম ইনিংসে তাঁর বোলিং বিশ্লেষণ ছিল ৪২৯৯৬১। সমারসেট তোলে ৪২৯। জবাবে ২৪০ রানে শেষ হয়ে যায় সারের ইনিংস। ইংল্যান্ডের বাঁহাতি স্পিনার জ্যাক লিচ ৪৩ রানে ৬ উইকেট তুলে নেন।আরও পড়ুনঃ দুধের স্বাদ ঘোলে মিটল দীপক খাবরার, প্রথম ভারতীয় হিসেবে যাচ্ছেন অলিম্পিকেদ্বিতীয় ইনিংসে অবশ্য ভয়ঙ্কর মূর্তি ধারণ করেন রবিচন্দ্রন অশ্বিন। বোলিংয়ের গোড়াপত্তন করতে নেমে ১৫ ওভারে ২৭ রান দিয়ে তুলে নেন ৬ উইকেট। তাঁর ঘূর্ণিতে বেসামাল হয়ে মাত্র ৬৯ রানে গুটিয়ে যায় সমারসেটের ইনিংস। দুর্দান্ত বোলিং করে সারেকে ম্যাচে ফেরান রবিচন্দ্রন অশ্বিন। তাঁর বিধ্বংসী ফর্ম ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে টেস্ট সিরিজ খেলতে নামার আগে নিশ্চিতভাবেই স্বস্তিতে রাখবে বিরাট কোহলিকে। কাউন্টিতে অশ্বিনের এই দাপট ইংল্যান্ড শিবিরের যে চিন্তা বাড়াবে সেকথা নিশ্চিতভাবেই বলা যায়।আরও পড়ুনঃ নিয়মে বৈপ্লবিক পরিবর্তন নিয়ে আসছে দ্য হান্ড্রেড ক্রিকেটভারতীয় শিবিরের আশা ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে টেস্ট সিরিজে এই ফর্ম ধরে রাখবেন দেশের সেরা এই অফস্পিনার। অন্য ক্রিকেটারদের সঙ্গে তাঁর মানসিকতার যে আকাশপাতাল তফাৎ আবার প্রমাণ করে দিলেন অশ্বিন। অশ্বিন ছাড়াও হনুমা বিহারী কাউন্টি ক্রিকেটে খেলার অভিজ্ঞতা নিয়ে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে টেস্ট সিরিজ খেলতে নামবেন। টেস্ট সিরিজ শুরুর আগে ভারতীয় দল কাউন্টি একাদশের বিরুদ্ধে একটা প্রস্তুতি ম্যাচ খেলবে।

জুলাই ১৪, ২০২১
দেশ

Rail Minister: জেলাশাসক থেকে সফল ব্যবসায়ী, মেধাবী অশ্বিনী এখন দেশের বড় দায়িত্বে

অনেক ক্ষেত্রেই সাংসদ-বিধায়কদের প্রথাগত শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। অনেকের পড়াশুনার গন্ডি মাধ্যমিকও পার হয়নি। এরই মধ্যে মন্ত্রীও হন কেউ কেউ। রাজনীতিতে অংশগ্রহণে শিক্ষিত সমাজের অনীহা ক্রমশ বাড়ছে। ব্যতিক্রমও কেউ কেউ আছেন। বুধবার রেলমন্ত্রী হিসাবে শপথ নিয়েছেন অশ্বিনী বৈষ্ণব। তাঁর পড়াশুনার খতিয়ান চমকে দেওয়ার মতো।২০২১ এ বুধবার প্রধানমন্ত্রী দ্বিতীয়বারের জন্য মন্ত্রীসভার সম্প্রসারণ করেন। তাতে রেলমন্ত্রীর দ্বায়িত্ব পান অশ্বিনী বৈষ্ণব। তাঁকে রেল মন্ত্রক এবং তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রকের দ্বায়িত্ব দেওয়া হয়।অশ্বিনী বৈষ্ণব ১৯৭০-এ রাজস্থানের যোধপুর শহরে জন্মগ্রহণ করেন। জানা গিয়েছে, ছোটবেলা থেকেই অত্যন্ত মেধাবী ছিলেন অশ্বিনী। ১৯৯১-তে ইলেকট্রনিক ও কমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং-এ স্বর্ণপদক নিয়ে রাজস্থানের যোধপুর থেকে এমবিএম ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ থেকে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন। ১৯৯৪-তে আইএএস যোগ দেওয়ার আগে আইআইটি কানপুর থেকে এমটেক সম্পন্ন করেন। আইএএস তাঁর সর্বভারতীয় স্তরে তাঁর র্যাঙ্কিং ছিল ২৭। ২০০৮ সালে বৈষ্ণব পেনসিলভেনিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্তর্গত ওয়ার্টন স্কুল থেকে এমবিএ পড়াশোনার জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে চলে যান।বৈষ্ণব ওড়িষ্যার বালাসোর ও কটক জেলায় জেলা শাসক হিসাবে কাজ করেছিলেন। পুর্বতন প্রধানমন্ত্রী অটল বিহারী বাজপেয়ীর কার্যালয়ে উপসচিব পদে নিযুক্ত হওয়ার আগে ২০০৩ পর্যন্ত তিনি ওড়িশায় কর্মরত ছিলেন। প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরের অধীনস্ত পাবলিক প্রাইভেট পার্টনারশিপ প্রকল্পগুলির বাস্তবায়নে ভূমিকা রেখেছিলেন। ২০০৪ সালে বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ নির্বাচন পরাজয়ের পর তিনি বাজপেয়ীর ব্যক্তিগত সচিব হিসাবে কাজ করেছিলেন। ২০০৬এ তিনি গোয়ার মর্মাগাঁও পোর্ট ট্রাস্টের ডেপুটি চেয়ারম্যান নিযুক্ত হন, পরবর্তী দুবছর তিনি সেখানেই থাকেন।এমবিএ শেষ করার পরে অশ্বিনী ভারতে ফিরে এসে জিই পরিবহণে ম্যানেজিং ডিরেক্টর পদে যোগ দেন। তারপরে তিনি সিমেন্সের ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসাবে কাজ করেছিলেন।কর্পোরেট সেক্টরে কাজ করতে করতে তিনি নিজে ব্যাবসায় মন স্থির করেন। ২০১২ তে তিনি কর্পোরেট সেক্টর ছেড়ে গুজরাতে তিনটি টি অটো লজিস্টিকস প্রাইভেট লিমিটেড এবং ভি ভি জি অটোর কম্পোনেন্টস প্রাইভেট লিমিটেড প্রতিষ্ঠা করেছিলেন।২০১৮ -তে তিনি ওড়িশা থেকে রাজ্যসভার সংসদ। ওড়িশায় বিনা-প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রাজ্যসভা নির্বাচনে জিতেছিলেন। বৈষ্ণব বর্তমান কেন্দ্রীয় সরকারের বিভিন্ন কমিটির সদস্য। তাঁর মধ্যে উল্লেখযোগ্য বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি, পরিবেশ ও বন।

জুলাই ০৮, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Olympic Medal Winner: মাত্র ৩৬-এই হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে প্রয়াত ব্যাডমিন্টন তারকা কিডো

ইউরো কাপে ডেনমার্কের তারকার আচমকা হৃদরোগে আক্রান্তু হওয়ার ঘটনায় আঁতকে উঠেছিল বিশ্ববাসী। সেই রেশ কাটতে না কাটতে খেলার দুনিয়ায় ফের নামল শোকের ছায়া। মাত্র ৩৬ বছর বয়সে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়েই প্রাণ হারালেন অলিম্পিক পদকজয়ী ব্যাডমিন্টন তারকা মার্কিস কিডো। তাঁর আকস্মিক প্রয়াণে স্তম্ভিত সকলেই। স্বাভাবিকভাবেই শোকাহত ব্যাডমিন্টন জগতের রথী-মহারথীরা। অনেকেই টুইটারে শোক প্রকাশ করেছেন। কিডোর পার্টনার হিসেবে খেলার সুযোগ হয়েছিল ভারতীয় শাটলার জোয়ালা গুট্টারও। সেই অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরে কিডোর আত্মার শান্তি কামনা করেছেন তিনি। টুইটারে শোকপ্রকাশ করেছেন ভারতীয় ব্যাডমিন্টন তারকা প্রণয়, সত্বিক সাইরাজ, অজয় জয়রাম-সহ আরও অনেকে।It was an absolute honour ❤️🙏🏻#RIP MARKIS KIDO pic.twitter.com/k7aOIw5i7n Gutta Jwala (@Guttajwala) June 14, 2021সোমবার সন্ধেয় সাড়ে ৭টা নাগাদ টুইট করে ইন্দোনেশিয়ার তারকা মৃত্যু সংবাদ দেয় বিশ্ব ব্যাডমিন্টন ফেডারেশন (BWF)। যদিও তাঁর আগে থেকেও কোনও শারীরিক সমস্যা ছিল কিনা, সে বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানায়নি ফেডারেশন।অত্যন্ত অল্প বয়সেই ব্যাডমিন্টনের ব়্যাকেট হাতে নজর কেড়েছিলেন কিডো। ২০০৮ বেজিং অলিম্পিকে হেন্ড্রার সঙ্গে জুটি বেঁধে ডাবলসে সোনা জেতেন তিনি। ঠিক তার আগের বছরই কুয়ালালামপুরে বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপে পুরুষ ডাবলসে সেরার শিরোপা পান কিডো। সেখানেও সঙ্গী ছিলেন হেন্ড্রা। এর পাশাপাশি ২০০৬ ব্যাডমিন্টন বিশ্বকাপেও পেয়েছিলেন চূড়ান্ত সাফল্য। সোনায় মোড়ানো ছিল তাঁর সাফল্যের ইতিহাস। এশিয়ান গেমসেও ডাবলসে সোনা জয়ের নজির রয়েছে ইন্দোনেশিয়ান তারকার। এমন একজন প্রতিভাবান শাটলারকে যে এত অল্প বয়সে হারাবে ব্যাডমিন্টনের দুনিয়া, তা কল্পনাও করা যায়নি।

জুন ১৫, ২০২১
দেশ

তামিলনাড়ুতে স্ট্যালিন, পুদুচেরি ও অসমে জয়ের পথে এনডিএ

এগজিট পোলের হিসেবে তামিলনাড়ুতে বিধানসভা নির্বাচনে জিততে চলেছে ডিএমকে-কংগ্রেস জোট। শেষ পর্যন্ত সেই ভবিষ্যদ্বাণীই সম্ভবত সত্যি হতে চলেছে। রাজ্যের মসনদে বসতে চলেছে তারাই। যদিও তাদের কড়া টক্কর দিয়েছে এআইএডিএমকে-বিজেপি জোট। কিন্তু পশ্চিমবঙ্গের মতোই এখানেও সম্ভবত সাফল্য অধরাই থেকে যাবে গেরুয়া শিবিরের। এদিকে পুদুচেরিতে ক্ষমতা দখলের পথে এনডিএ জোট। প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী এন রঙ্গস্বামীর দল তথা এনআর কংগ্রেসকে সঙ্গী করে কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে জিততে চলেছে বিজেপি। যদিও এখনও বহু প্রার্থীই জয়ী ঘোষিত হননি, তবুও এগিয়ে থাকার ট্রেন্ড থেকে পরিষ্কার, এখান থেকে ডিএমকে-কংগ্রেস জোটের জয় কেবল সময়ের অপেক্ষাই। এখনও পর্যন্ত ১৪৮টি আসনে এগিয়ে তারা। অন্যদিকে এআইএডিএমকে-বিজেপি জোট রয়েছে ৮৬-তে। অন্যদিকে পুদুচেরিতে ১৪টিতে এগিয়ে বিজেপি। কংগ্রেস-ডিএমকে জোট এগিয়ে ৫টিতে।এদিকে, নাগরিক পঞ্জি থেকে নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন। তার উপর অসমীয়া জাতীয়তাবাদের জিগির তুলে আসরে নেমেছিল অসম জাতীয় পরিষদ নামের নতুন এক রাজনৈতিক দল। সঙ্গে শাসকবিরোধী শিবির খুলেছিলেন কৃষক নেতা অখিল গগৈ। ফলে এবারের ভোটে অসমে টক্কর যে কাঁটায় কাঁটায় তা বলেই দিয়েছিলেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। কিন্তু সব সমীকরণ বদলে দিয়ে, সমস্ত জল্পনাকে ভুল প্রমাণিত করে অসমে ফের ক্ষমতা দখলের পথে বিজেপি। এবার তামিলনাড়ুতে ডিএমকে জিতলে এক দশক পরে ক্ষমতায় ফিরবে তারা। নির্বাচনের আগে থেকেই প্রচারে ঝড় তুলেছিল দুই প্রধান পক্ষই। যদিও আচমকাই এআইএডিএমকে জোটসঙ্গী বিজেপি সম্পর্কে জানিয়ে দেয়, দুই দলের মধ্যে মতাদর্শগত অনেক পার্থক্য থাকলেও ভোটে জিততেই তারা জোট বেঁধেছে। এই মন্তব্যকে কেন্দ্র করে বিতর্ক ঘনিয়েছিল। এছাড়াও কমল হাসানের মক্কল নিধি মাইয়াম তথা এমএনএমের দিকেও সকলের নজর ছিল। কিন্তু এখনও পর্যন্ত দক্ষিণী তারকার দল কিংবা তাদের জোটসঙ্গীরা খাতাই খুলতে পারেনি।এদিকে জয়ের আগাম আঁচ পেয়ে দুপুর থেকেই চেন্নাইয়ে ডিএমকে সদর দপ্তরে ভিড় জমাতে থাকেন সমর্থকরা। করোনা পরিস্থিতিতেও সমস্ত বিধিনিষেধকে উপেক্ষা করে জয়োল্লাস করতে শুরু করেন তাঁরা। এতে বিরক্ত হন এমকে স্ট্যালিন। দলীয় কর্মীদের সংযত হতে ও কোভিড বিধি মেনে চলার আর্জি জানান মুখ্যমন্ত্রী হতে চলা বর্ষীয়ান নেতা।

মে ০২, ২০২১
রাজনীতি

অনেক টানাপড়েনের পর নন্দীগ্রামে জয়ী শুভেন্দু অধিকারী

ভোটের ফল প্রকাশ পাওয়ার পর একেবারে শেষ লগ্নে এসেও ধোঁয়াশা কাটল না নন্দীগ্রাম নিয়ে। জেলার রিটার্নিং অফিসার অবশ্য শুভেন্দু অধিকারীকেই জয়ী ঘোষণা করেছেন। যার কিছুক্ষণ পরই রীতিমতো গণনার কাগজ প্রকাশ করে নিজেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে জয়ী ঘোষণা করেছেন শুভেন্দু অধিকারী।সাম্প্রতিক সময়ে যে যে নেতা তৃণমূল নেতা দলবদল করে বিজেপিতে নাম লিখিয়েছেন, তাঁদের মধ্যে একমাত্র শুভেন্দু অধিকারীই এ দিন সামান্য কিছু ভোটের ব্যবধানে জয়লাভ করেন নন্দীগ্রামে। যদিও তাঁর জয়ের রাস্তাটা সহজ ছিল না। ভোটগণনা শুরু হওয়ার পর থেকে এগিয়েই ছিলেন শুভেন্দু। কিন্তু, কয়েক রাউন্ড ভোট গণনার পরই এগিয়ে যান মমতা। চলতে থাকে সাপ লুডোর খেলা। কখনও এগিয়ে যান শুভেন্দু, কখনও এগোতে থাকেন মমতা।এই প্রবণতা অব্যাহত ছিল শেষ রাউন্ড গণনা পর্যন্ত। বিকেলে সংবাদ সংস্থা সূত্রে জানা যায়, প্রায় ১২০০ ভোটের ব্যবধানে নন্দীগ্রামে জিতেছেন মমতা। কিন্তু কিছুক্ষণ পরেই আবার বিজেপির পক্ষ থেকে দাবি করা হয়, শুভেন্দু জিতেছেন নন্দীগ্রামে। কমিশনের পক্ষ থেকেও এমনটাই জানানো হয়। এরপরই ক্ষোভে ফেটে পড়ে তৃণমূল। মমতা জানান যে তিনি আদালতে যাবেন। যা নিয়ে এখনও জলঘোলা অব্যাহত। পুর্নগণনার আবেদন জানিয়েছে শাসকদল।অন্যদিকে, কমিশনের তরফে জয়ী তকমা পাওয়ার পর শুভেন্দু টুইটে লেখেন, আমার ওপর বিশ্বাস এবং ভরসা রাখার জন্য নন্দীগ্রামের প্রতিটি মানুষকে অসংখ্য ধন্যবাদ। এই জয় নন্দীগ্রামে প্রতিটি মানুষের জয়। আগামী দিনে নন্দীগ্রামের উন্নয়নের লক্ষ্যে কাজ করাই আমার সংকল্প।

মে ০২, ২০২১
রাজ্য

বাংলা থাকল নিজের মেয়ের হাতেই

সেই এক পায়েই বাংলা দখল করে দেখালেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ভোট প্রচারের জনসভা থেকে এভাবেই মোদি সরকারের বিরুদ্ধে হুঙ্কার দিয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ভাঙা পায়েই ময়দানে নেমেছিলেন জননেত্রী। কেন্দ্রের হেভিওয়েট নেতা-মন্ত্রীদের প্রচারের বিরুদ্ধে কার্যত একাই ২৯৪টি আসনে লড়েছেন। লোকসভা নির্বাচনে বাংলায় ওঠা গেরুয়া ঝড়কে বিধানসভা ভোটে একার নেতৃত্বে রুখে দিয়েছেন তিনি। সেই দীর্ঘ লড়াই আর আত্মত্যাগের আজ মধুর ফল পেলেন তৃণমূল সুপ্রিমো। বিজেপিকে অনেকখানি পিছনে ফেলে ম্যাজিক ফিগারের অনেক বেশি আসন নিয়ে আরও একবার বঙ্গে ক্ষমতা প্রতিষ্ঠা করল মমতার তৃণমূল সরকার। দিদির কাছেই রইল বাংলা। একুশের নির্বাচনের আগে অদ্ভুত এক দলবদলের আবহ তৈরি হয়েছিল। তৃণমূলের ঘরভাঙা নিয়ে একটা সময় দলের অন্দরেও চিন্তার ভাঁজ পড়ে। কিন্তু মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নামটাই যে বাংলার মানুষের বিশ্বাস অর্জনের জন্য যথেষ্ট ছিল, তা তৃতীয়বারের জন্য প্রমাণ করে দিলেন তৃণমূল নেত্রী। দলত্যাগীদের নিয়ে বিন্দুমাত্র বিচলিত হতে দেখা যায়নি তাঁকে। বরং বলে দিয়েছিলেন, যাঁরা বেরিয়ে গিয়েছেন, তাঁদের নিয়ে না ভেবে, যাঁরা দীর্ঘ দশ বছর জনগণের পাশে দাঁড়িয়েছেন, তাঁদের সঙ্গে নিয়েই লড়াই জিতবেন। এমনকী নিজের গড় ভবানীপুর ছেড়ে নন্দীগ্রাম থেকে ভোটে লড়ার চ্যালেঞ্জও স্বেচ্ছায় নিয়েছিলেন। যে ভূমি আন্দোলন থেকে তৃণমূলের উত্থান হয়েছিল, সেই মাটিতেই জয়ের নয়া ইতিহাস গড়ার শপথ নিয়েছিলেন। বিজেপি প্রার্থী তথা পূর্ব মেদিনীপুরের ঘরের ছেলে শুভেন্দু অধিকারীকে হারিয়ে বুঝিয়ে দিতে চেয়েছিলেন, তাঁর পক্ষে অসম্ভব কিছুই নয়। দীর্ঘ ৩৪ বছরের বাম জমানার অবসান ঘটিয়ে ২০১১ সালে ক্ষমতায় এসে ইতিহাস গড়েছিলেন মমতা। ২০১৬ সালে সবুজ ঝড়ে উড়ে গিয়েছিল বিরোধীরা। সেই মমতা সাম্রাজ্যের পতন ঘটাতে এবার একের পর এক বিজেপির কেন্দ্রীয় মন্ত্রীরা এসে বঙ্গে প্রচার করেছেন। খোদ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ১৮টি সভা করে গিয়েছেন। কিন্তু মমতার জনপ্রিয়তা, তাঁর প্রতি রাজ্যবাসীর বিশ্বাস, আস্থা-ভরসাকে টলাতে পারেননি শাহ-নাড্ডা-স্মৃতি ইরানিরা। কেন্দ্রীয় শক্তির চোখ রাঙানিকে কখনওই ভয় করেননি তিনি। বরং ভাঙা পা নিয়েই মিটিং-মিছিল, জনসভা চালিয়ে গিয়েছেন। দশ বছর পরও বিধানসভা ভোটে তিনিই ফ্যাক্টর, তা আজ স্পষ্ট হয়ে গেল। দেশের একমাত্র মহিলা মুখ্যমন্ত্রী যে ভারতীয় রাজনীতির সেরা নক্ষত্রদের মধ্যে অন্যতম, তা নিয়ে আর কোনও দ্বিধা রইল না।

মে ০২, ২০২১
খেলার দুনিয়া

আট মাসের গর্ভবতী হয়ে তাইকোন্ডোয় সোনা!

আট মাস গর্ভবতী হয়েও তাইকোন্ডো প্রতিযোগিতায় নামলেন। শুধু নামলেনই না, জিতলেন সোনার মেডেলও। শুনতে অবাক লাগলেও এটাই সত্যি। আর এই খবর সামনে আসতেই সোশ্যাল মিডিয়ায় নেটিজেনরা নাইজেরিয়ার মহিলা অ্যাথলিটের কীর্তিকে কুর্নিশও জানিয়েছেন।একটি আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, সম্প্রতি নাইজেরিয়ায় আয়োজিত হচ্ছে ন্যাশনাল স্পোর্টস ফেস্টিভ্যাল। তাতেই তাইকোন্ডো বিভাগে নেমেছিলেন আমিনাত ইদ্রিস নামে ২৬ বছর বয়সি ওই অ্যাথলিট। তবে অন্যান্যদের মতো তাঁর শারীরিক পরিস্থিতি ছিল না। কারণ ততদিনে তিনি আটমাসের অন্তঃসত্ত্বা। তা সত্ত্বেও মনের জোরে প্রতিযোগিতায় অংশ নেন। তবে শুধু অংশ নেওয়াই নয়, সবাইকে অবাক করে সোনার মেডেলও জিতে নেন। তাঁর টুর্নামেন্টে লড়ার ভিডিওটি ইতিমধ্যে সোশ্যাল মিডিয়াতেও ভাইরাল হয়েছে।এই প্রসঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে ইদ্রিস জানান, এটা আমার কাছে খুবই সম্মানের। কয়েকদিন ট্রেনিং করার পরই আমি টুর্নামেন্টে নামার ব্যাপারে মনস্থির করে ফেলি। সোনার মেডেল জিতে তাই খুবই ভাল লাগছে। ইতিমধ্যে নেটিজেনরাও তাঁর এই লড়াইকে কুর্নিশ জানিয়েছেন। গর্ভবতী হয়েও সোনার মেডেল জেতা, তাও আবার তাইকোন্ডোর মতো খেলায়, সত্যিই অবাক করার মতো ঘটনায়।

এপ্রিল ০৯, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • ›

ট্রেন্ডিং

খেলার দুনিয়া

যুবভারতীতে লাল-হলুদ ঝড়, বাগানকে উড়িয়ে ২২ বছর পর ডুরান্ড ইস্টবেঙ্গলের

২২ বছরের অপেক্ষার অবসান। কলকাতার যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে ডুরান্ড কাপের ফাইনালে মোহনবাগানকে ৪-১ গোলে উড়িয়ে দিয়ে ফের ট্রফি ঘরে তুলল ইস্টবেঙ্গল। ডার্বির মঞ্চে এমন একতরফা জয় যে লাল-হলুদ সমর্থকদের কাছেও ছিল প্রায় অবিশ্বাস্য। আর সেই জয়ের কেন্দ্রে একটাই নামএডমুন্ড লালরিনডিকা। দুরন্ত হ্যাটট্রিক করে তিনিই হয়ে উঠলেন রাতের নায়ক।গ্রুপ পর্বে মোহনবাগানের কাছে হারের যন্ত্রণা ছিল ইস্টবেঙ্গলের। ফাইনালের মঞ্চে সেই হারের জবাব দেওয়ার সুযোগও ছিল। কিন্তু জবাবটা যে এতটা নির্মম হবে, তা সম্ভবত কেউই ভাবেননি। ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণের ঝড় তুলে মাত্র ২২ মিনিটের মধ্যেই তিন গোল করে ইস্টবেঙ্গল কার্যত ম্যাচের ভাগ্য লিখে ফেলে।শুরুটা করেন বিপিন সিংহ। মোহনবাগানের রক্ষণ তখনও নিজেদের মধ্যে সামলে ওঠার চেষ্টা করছে। সেই সুযোগেই ইস্টবেঙ্গলের আক্রমণ পৌঁছে যায় বিপজ্জনক জায়গায়। বিপিনের গোলের পর আরও ভয়ঙ্কর হয়ে ওঠে লাল-হলুদ আক্রমণ। মুহূর্তের মধ্যে জোড়া গোল করে ব্যবধান বাড়িয়ে দেন এডমুন্ড।৩-০ পিছিয়ে গিয়ে মোহনবাগান কিছুটা ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করেছিল। মনবীর সিংহ ব্যক্তিগত দক্ষতায় একটি গোল শোধও করেন। কিন্তু সেই প্রত্যাবর্তনের সম্ভাবনাও বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি। প্রথমার্ধ শেষ হওয়ার আগেই ফের গোল করে নিজের হ্যাটট্রিক সম্পূর্ণ করেন এডমুন্ড। এক ফাইনালের প্রথমার্ধেই চার গোলতার মধ্যে তিনটি একই ফুটবলারের! যুবভারতীর গ্যালারিতে তখন কার্যত লাল-হলুদ উৎসব।দ্বিতীয়ার্ধে মোহনবাগান ব্যবধান কমানোর চেষ্টা করলেও ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি ছিল ইস্টবেঙ্গলের হাতে। সবুজ-মেরুন আক্রমণে সেই ধার দেখা যায়নি, যা একটি ডার্বি ফাইনালে প্রত্যাশিত। বরং ইস্টবেঙ্গল সুযোগ পেলেই দ্রুত আক্রমণে উঠে এসেছে এবং আরও গোলের সম্ভাবনা তৈরি করেছে। শেষ পর্যন্ত ৪-১ স্কোরলাইনেই শেষ হয় ম্যাচ।ইস্টবেঙ্গলের সাফল্যের অন্যতম বড় কারণ ছিল দলের সামগ্রিক সংগঠন। মাঝমাঠে মহম্মদ রশিদ ছিলেন অসাধারণ। বল নিয়ন্ত্রণ, পাসিং এবং খেলা পরিচালনায় বারবার তিনি মোহনবাগানের ছন্দ নষ্ট করেছেন। তাঁর সঙ্গে জিকসন সিংহ, আনোয়ার আলি এবং জয় গুপ্তারাও নিজেদের দায়িত্ব নিখুঁত ভাবে পালন করেন।অন্যদিকে মোহনবাগানের সবচেয়ে বড় দুর্বলতা হয়ে দাঁড়ায় রক্ষণ। শুভাশিস বসু, আলবের্তো রদ্রিগেজ়দের মধ্যে সমন্বয়ের অভাব বারবার প্রকট হয়েছে। ইস্টবেঙ্গলের দ্রুত আক্রমণের সামনে তাঁরা অনেক সময়ই দিশেহারা হয়ে পড়েন। বিশেষ করে তৃতীয় ও চতুর্থ গোলের ক্ষেত্রে রক্ষণভাগের ভুল চোখে পড়ার মতো।মাঝমাঠেও মোহনবাগান প্রত্যাশিত প্রভাব ফেলতে পারেনি। আপুইয়া এবং অনিরুদ্ধ থাপা কার্যত নিষ্প্রভ ছিলেন। আক্রমণে জেমি ম্যাকলারেনও একাধিক সহজ সুযোগ নষ্ট করেন। মনবীর গোল করলেও দলকে ম্যাচে ফেরানোর মতো ধারাবাহিকতা তৈরি করতে পারেননি।ফাইনালের আগে মোহনবাগানের ক্লান্তি নিয়ে আলোচনা ছিল। শিলংয়ে সেমিফাইনাল, প্রতিকূল আবহাওয়া এবং কর্দমাক্ত মাঠে খেলার ধকলসবই ছিল। কিন্তু ডার্বির মতো বড় ফাইনালে সেই ক্লান্তিকে অজুহাত হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। ইস্টবেঙ্গলও একই টুর্নামেন্টের চাপ সামলে মাঠে নেমেছিল, অথচ তাদের ফুটবলারদের মধ্যে ছিল অনেক বেশি তাগিদ, ক্ষুধা এবং জয়ের মানসিকতা।আর সেই মানসিকতারই সবচেয়ে বড় প্রতিফলন এডমুন্ডের হ্যাটট্রিকে। তিন গোল করে শুধু ম্যাচের সেরা ফুটবলারই হলেন না, ডুরান্ডের ইতিহাসে ইস্টবেঙ্গলের প্রত্যাবর্তনের রাতটিকেও নিজের নামে লিখে দিলেন তিনি।মজার বিষয়, ম্যাচের বিভিন্ন পরিসংখ্যানে মোহনবাগান কিছু ক্ষেত্রে এগিয়ে থাকলেও তার কোনও প্রভাব পড়েনি স্কোরলাইনে। কারণ ফুটবল শুধু বল দখল বা শটের সংখ্যা দিয়ে জেতা যায় নাবড় ম্যাচে প্রয়োজন সঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্ত এবং সুযোগকে গোলে পরিণত করার ক্ষমতা। সেই পরীক্ষায় রবিবার সম্পূর্ণ সফল ইস্টবেঙ্গল।২২ বছর আগে শেষ বার ডুরান্ড কাপ জিতেছিল ইস্টবেঙ্গল। তারপর দীর্ঘ অপেক্ষা, হতাশা এবং একের পর এক অসম্পূর্ণ স্বপ্ন। সেই অপেক্ষার অবসান হল চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী মোহনবাগানকে ৪-১ গোলে হারিয়েই। ফলে এই জয় শুধু একটি ট্রফি জয় নয়লাল-হলুদ সমর্থকদের কাছে এটি দীর্ঘ অপেক্ষার পর ফিরে পাওয়া গৌরবের রাত।একদিকে এডমুন্ডের হ্যাটট্রিক, অন্যদিকে মোহনবাগানের রক্ষণভাগের বিপর্যয়সব মিলিয়ে যুবভারতীতে রবিবারের ডার্বি যেন হয়ে রইল এক লাল-হলুদ ঝড়ের রাত।তবে ইস্টবেঙ্গল সমর্থকদের মনে হয়তো শেষ পর্যন্ত একটাই আক্ষেপ থেকে গেলচার নয়, আরও কয়েকটি গোল হতে পারত!

আগস্ট ২৩, ২০২৬
টুকিটাকি

কাঁচা কুমড়ো না পাকা কুমড়ো, কোনটি বেশি উপকারী?

কুমড়ো বাঙালির রান্নাঘরের অতি পরিচিত একটি সবজি। কাঁচা সবুজ কুমড়ো হোক বা পাকা হলুদ-কমলা কুমড়ো, দুটিরই রয়েছে নানা পুষ্টিগুণ। তবে পরিপক্বতার সঙ্গে কুমড়োর পুষ্টি উপাদানে কিছুটা পরিবর্তন ঘটে। বিশেষ করে পাকা কমলা কুমড়ো বিটা-ক্যারোটিনের অন্যতম ভালো উৎস হিসেবে পরিচিত।কাঁচা কুমড়োতে তুলনামূলকভাবে ভিটামিন C-এর পরিমাণ বেশি থাকতে পারে। এতে ক্যালোরিও কম, ফলে ওজন নিয়ন্ত্রণের খাদ্যতালিকায় এটি রাখা যেতে পারে। কিছু জাতের অপরিপক্ব কুমড়োতে অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট কার্যকারিতাও দেখা যায়। তবে কাঁচা কুমড়ো রান্না করে খাওয়াই ভালো, কারণ তাতে হজম সহজ হয়।অন্যদিকে, পাকা হলুদ বা কমলা কুমড়োর প্রধান বৈশিষ্ট্য হল প্রচুর বিটা-ক্যারোটিন। শরীর এই উপাদানকে ভিটামিন A-তে রূপান্তর করে। ফলে চোখের স্বাস্থ্য, ত্বক এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বজায় রাখতে পাকা কুমড়ো উপকারী। এতে লুটেইন ও জিয়াজ্যানথিনের মতো অ্যান্টিঅক্সিড্যান্টও রয়েছে। রান্না করলে কুমড়োর বিটা-ক্যারোটিন শরীর তুলনামূলক সহজে শোষণ করতে পারে।কুমড়োকে ক্যানসারের ওষুধ বা নিশ্চিত প্রতিরোধক বলা যায় না। তবে এতে থাকা ক্যারোটিনয়েড, পলিফেনল, ভিটামিন C ও E এবং খাদ্যআঁশ শরীরকে অক্সিডেটিভ ক্ষতি থেকে রক্ষা করতে ভূমিকা রাখতে পারে। তাই স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাসের অংশ হিসেবে কুমড়ো খাওয়া উপকারী হতে পারে।কুমড়োর বীজেও রয়েছে প্রোটিন, স্বাস্থ্যকর অসম্পৃক্ত চর্বি, জিঙ্ক, ম্যাগনেসিয়াম ও ভিটামিন E। হৃদ্স্বাস্থ্য ও সামগ্রিক পুষ্টির জন্য এগুলি গুরুত্বপূর্ণ।পুষ্টিগত বিচারে বিটা-ক্যারোটিনের জন্য পাকা কমলা কুমড়ো কিছুটা এগিয়ে থাকলেও কাঁচা কুমড়োকেও খাদ্যতালিকা থেকে বাদ দেওয়ার কারণ নেই। অল্প তেলে রান্না করে, অতিরিক্ত ভাজা বা চিনি এড়িয়ে কুমড়ো খাওয়াই ভালো। সব মিলিয়ে, বিভিন্ন ধরনের সবজি, ডাল ও স্বাস্থ্যকর খাবারের সঙ্গে কুমড়ো রাখলেই মিলবে বেশি সুষম পুষ্টি।

আগস্ট ২৩, ২০২৬
রাজ্য

ওয়াকফ-অশান্তির মামলায় নাম, এবার তৃণমূল ছেড়ে অধীরের হাত ধরে কংগ্রেসে ইনজামুল! কেন এই দলবদল?

ওয়াকফ সংশোধিত আইনকে কেন্দ্র করে অশান্তির ঘটনার পর থেকেই বিতর্কে ছিলেন ধুলিয়ানের পুরপ্রধান ইনজামুল ইসলাম রাজা। এবার সেই ইনজামুলই তৃণমূল ছেড়ে কংগ্রেসে যোগ দিলেন। রবিবার প্রদেশ কংগ্রেসের প্রাক্তন সভাপতি অধীর রঞ্জন চৌধুরীর হাত ধরে কংগ্রেসে যোগ দেন তিনি। তাঁর এই দলবদল ঘিরে মুর্শিদাবাদের রাজনীতিতে নতুন করে চর্চা শুরু হয়েছে।গত বছর সংশোধিত ওয়াকফ আইনকে কেন্দ্র করে জঙ্গিপুরের সামশেরগঞ্জ, সুতি এবং ধুলিয়ানে অশান্তি ছড়িয়েছিল। সেই ঘটনায় ইনজামুল ইসলাম রাজার বিরুদ্ধে প্ররোচনা দেওয়ার অভিযোগ ওঠে। বর্তমানে সেই মামলা চলছে। তবে তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ইনজামুল। তাঁর দাবি, রাজনৈতিক কারণে তাঁকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো হয়েছে।রবিবার ধুলিয়ানের কাঞ্চনতলা ঘাটে কংগ্রেসের যোগদান সভায় বড়সড় দলবদল হয়। ইনজামুল ইসলাম রাজার পাশাপাশি ধুলিয়ান পুরসভার ভাইস চেয়ারম্যান খায়রুল আলম, কাউন্সিলর শরিফ শেখ, ফারহানা খাতুন-সহ একাধিক কাউন্সিলর এবং তৃণমূলের কর্মীরা কংগ্রেসে যোগ দেন। একই দিনে মুর্শিদাবাদ জেলা পরিষদের প্রাক্তন সহকারী সভাধিপতি ওবায়দুর রহমানও কংগ্রেসে যোগ দিয়েছেন।ইনজামুলের দলবদলকে ঘিরে রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়েছে। বিজেপির দক্ষিণ মালদহ সাংগঠনিক জেলার সহ-সভাপতি মিলন ঘোষ কটাক্ষ করে দাবি করেন, তৃণমূলের দুর্নীতি থেকে বাঁচতেই অনেকে দলবদল করছেন। সামশেরগঞ্জের অশান্তিতে যাঁদের নাম উঠেছিল, তাঁরাও নিজেদের বাঁচাতে দল পরিবর্তন করছেন বলে অভিযোগ করেন তিনি। তবে দলবদল করেও তাঁরা আইনি পরিস্থিতি থেকে রেহাই পাবেন না বলেও দাবি করেন বিজেপি নেতা।বিজেপির এই অভিযোগ অবশ্য সরাসরি খারিজ করেছেন ইনজামুল ইসলাম রাজা। তাঁর দাবি, সামশেরগঞ্জের অশান্তির সঙ্গে তাঁর কোনও যোগ ছিল না। রাজনৈতিক কারণে তাঁর বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা করা হয়েছে। সেই মামলার বিরুদ্ধে তিনি আইনি লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন।রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পর মুর্শিদাবাদে তৃণমূলের এই ভাঙন বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। ধুলিয়ান পুরসভার একাধিক জনপ্রতিনিধির একসঙ্গে দলবদল স্থানীয় রাজনীতিতে নতুন সমীকরণের ইঙ্গিত দিচ্ছে। বিশেষ করে ওয়াকফ-অশান্তির মামলা চলার মধ্যেই ইনজামুলের কংগ্রেসে যোগদান ঘিরে প্রশ্ন আরও জোরালো হয়েছে।এ দিনের যোগদান সভায় উপস্থিত ছিলেন অধীর রঞ্জন চৌধুরী, দক্ষিণ মালদহের সাংসদ ইশা খান চৌধুরী, ফরাক্কার বিধায়ক মনিরুল ইসলাম এবং জঙ্গিপুর মহকুমা কংগ্রেসের সভাপতি আলফাজুদ্দিন বিশ্বাস-সহ জেলা ও ব্লক স্তরের কংগ্রেস নেতৃত্ব।

আগস্ট ২৩, ২০২৬
কলকাতা

হঠাৎ বাংলায় এত বড় বিনিয়োগ! জাহাজ শিল্পে পাঁচ প্রকল্পের সূচনায় বাড়ল আশার আলো

পশ্চিমবঙ্গে জাহাজ নির্মাণ এবং প্রতিরক্ষা শিল্পের পরিকাঠামো আরও শক্তিশালী করার লক্ষ্যে বড় উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। গার্ডেনরিচ শিপবিল্ডার্সের ভবনে পাঁচটি সম্প্রসারণ প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়। এই পাঁচটি প্রকল্পে মোট ৩৪০৪ কোটি টাকা বিনিয়োগ করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।এই উদ্যোগের মধ্যে রয়েছে রাইচক CPR, টিম্বার পন্ট শিপবিল্ডিং ফ্যাসিলিটি, দামোদর শিপবিল্ডিং ফ্যাসিলিটি, রেডিয়াল ফোরজিং প্ল্যান্ট এবং ৩০০০ টন ওপেন-ডাই ফোরজিং প্রেস প্রকল্প। জাহাজ নির্মাণের পাশাপাশি প্রতিরক্ষা উৎপাদনের ক্ষেত্রেও এই প্রকল্পগুলি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।অনুষ্ঠানে বাংলায় বিনিয়োগ আনার ক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংয়ের ভূমিকার প্রশংসা করেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর প্রতি কৃতজ্ঞতাও প্রকাশ করেন তিনি। মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য, বাংলায় শিল্প গড়ে তোলার জন্য প্রয়োজনীয় জমি, দক্ষ মানবসম্পদ, পরিকাঠামো এবং কাঁচামাল রয়েছে। এতদিন এই সম্ভাবনাকে সঠিকভাবে কাজে লাগানো হয়নি বলেও দাবি করেন তিনি।কেন্দ্র ও রাজ্য সরকার একসঙ্গে কাজ করলে বাংলায় আরও বড় বিনিয়োগ আসতে পারে বলে বার্তা দেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর দাবি, নতুন সরকারের আমলে কেন্দ্র ও রাজ্যের সমন্বয়ের ফলে উন্নয়নের গতি আরও বাড়ছে।সীমান্ত সুরক্ষার প্রসঙ্গও উঠে আসে মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্যে। সীমান্তরক্ষী বাহিনীর জন্য জমি দেওয়া কোনও রাজনৈতিক বিষয় নয়, বরং রাজ্য সরকারের দায়িত্ব বলেই মন্তব্য করেন তিনি। নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর সীমান্তরক্ষী বাহিনীর জন্য প্রয়োজনীয় জমির প্রায় ৯০ শতাংশ হস্তান্তর করা হয়েছে বলেও দাবি করা হয়।দীর্ঘদিন বন্ধ থাকা জনগণনা সংক্রান্ত কাজও ফের শুরু হয়েছে বলে জানান মুখ্যমন্ত্রী। একইসঙ্গে রাজ্যে বেকারত্ব কমাতে শিল্পায়ন এবং বড় বিনিয়োগের উপর জোর দেওয়ার কথা বলেন তিনি।গার্ডেনরিচ শিপবিল্ডার্সের সম্প্রসারণের ক্ষেত্রেও রাজ্য সরকার জমি এবং পরিকাঠামো সংক্রান্ত বিষয়ে সহযোগিতা করবে বলে আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। ৩৪০৪ কোটি টাকার এই বিনিয়োগ দিয়েই উদ্যোগ শেষ নয়, আগামী দিনে বাংলায় আরও বড় বিনিয়োগ আসতে পারে বলেও আশা প্রকাশ করা হয়েছে।জাহাজ নির্মাণ এবং প্রতিরক্ষা উৎপাদনের পাশাপাশি এই ধরনের শিল্প প্রকল্পের মাধ্যমে কর্মসংস্থানের সুযোগও বাড়বে বলে মনে করা হচ্ছে। বাংলাকে ফের দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ শিল্প ও অর্থনৈতিক কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ বলে বার্তা দেওয়া হয়েছে।

আগস্ট ২৩, ২০২৬
কলকাতা

মহাকাশে বদলে যাচ্ছে ভারতের ছবি! স্টার্টআপ প্রধানদের সঙ্গে বৈঠকে কী বললেন মোদী?

জাতীয় মহাকাশ দিবসে দেশের মহাকাশ ক্ষেত্রে নতুন সম্ভাবনার কথা বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। রবিবার দেশের প্রথম সারির মহাকাশ স্টার্টআপগুলির প্রধানদের সঙ্গে বৈঠক করেন তিনি। বৈঠকে ভারতের মহাকাশ ক্ষেত্রে স্টার্টআপগুলির উদ্যম, উচ্চাকাঙ্ক্ষা এবং নতুন ভাবনার প্রশংসা করেন প্রধানমন্ত্রী। পাশাপাশি সাধারণ মানুষের জীবন আরও সহজ করতে মহাকাশ প্রযুক্তির নতুন ব্যবহার খুঁজে বার করার পরামর্শ দেন তিনি।মোদী বলেন, মহাকাশ প্রযুক্তিকে শুধু প্রচলিত কাজের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখলে চলবে না। মানুষের দৈনন্দিন জীবনের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানেও এই প্রযুক্তিকে কাজে লাগাতে হবে। প্রযুক্তির মাধ্যমে মানুষের জীবনযাত্রার মান কীভাবে আরও উন্নত করা যায়, সেই বিষয়ে নতুন করে ভাবার পরামর্শ দেন তিনি।ভারতের মহাকাশ ক্ষেত্রের ভবিষ্যৎ নিয়েও স্টার্টআপ প্রধানদের সঙ্গে আলোচনা করেন প্রধানমন্ত্রী। তাঁদের আত্মবিশ্বাস এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার প্রশংসা করে তিনি সরকারি নীতির ধারাবাহিকতার উপর জোর দেন। তাঁর বক্তব্য, সরকারের সিদ্ধান্তের উপর মহাকাশ ক্ষেত্রে কাজ করা সংস্থাগুলির যে আস্থা তৈরি হয়েছে, তা ধরে রাখা অত্যন্ত জরুরি।বিশ্বের মহাকাশ অর্থনীতিতে ভারতকে আরও বড় জায়গায় নিয়ে যাওয়ার কথাও বলেন মোদী। তাঁর আশা, আগামী দিনে মহাকাশ ক্ষেত্রে কোনও বড় প্রযুক্তিগত সাফল্য এলেই বিশ্বের নজর ভারতের স্টার্টআপগুলির দিকে ঘুরবে। ভারতীয় সংস্থাগুলি যেন বিশ্ব মহাকাশ ক্ষেত্রে নিজেদের শক্তিশালী পরিচয় তৈরি করতে পারে, সেই লক্ষ্যেই এগোতে হবে বলে বার্তা দেন তিনি।মহাকাশ স্টার্টআপ, মহাকাশ সংস্থা এবং বৃহত্তর প্রযুক্তি ক্ষেত্রের মধ্যে আরও বেশি সহযোগিতার প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। বিদেশে কাজ করা ভারতীয় দক্ষ পেশাদারদের দেশে ফিরে আসার প্রবণতাকেও ইতিবাচক বলে উল্লেখ করেন তিনি। তাঁর মতে, ভারতে এমন পরিবেশ তৈরি করা প্রয়োজন, যাতে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের দক্ষ মানুষ মহাকাশ ক্ষেত্রে কেরিয়ার গড়ার জন্য ভারতকে অন্যতম সেরা ঠিকানা হিসেবে বেছে নেন।মোদীর বক্তব্য, ভারতীয় মহাকাশ স্টার্টআপগুলির দ্রুত বৃদ্ধি আগামী দিনে বিশ্বের প্রতিভাবান পেশাদারদের আকৃষ্ট করতে পারে। শুধু দেশের প্রতিভা নয়, গোটা বিশ্বের দক্ষ মানুষকে ভারতের মহাকাশ ক্ষেত্রের সঙ্গে যুক্ত করার লক্ষ্যেই এগোতে হবে। জাতীয় মহাকাশ দিবসে প্রধানমন্ত্রীর এই বার্তায় মহাকাশ ক্ষেত্রে ভারতের ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন করে প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে।

আগস্ট ২৩, ২০২৬
রাজ্য

আবার নিম্নচাপের চোখরাঙানি! রবিবার থেকে মঙ্গলবার ভিজবে বাংলা, কোথায় ভারী বৃষ্টির আশঙ্কা?

রবিবার থেকেই বাংলার আবহাওয়ায় ফের বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিয়েছে আবহাওয়া দফতর। সকাল থেকেই আকাশ মেঘলা। উপকূলের দিকে ইতিমধ্যেই মেঘ ঢুকতে শুরু করেছে। ফলে রবিবার থেকে বৃষ্টি বাড়তে পারে। আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী মঙ্গলবার পর্যন্ত রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় বৃষ্টি চলতে পারে।গত সপ্তাহে নিম্নচাপের জেরে প্রবল বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত হয়েছিল দক্ষিণবঙ্গ। কলকাতা-সহ প্রায় সব জেলাতেই বৃষ্টি হয়েছিল। বহু জায়গায় জল জমে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ বাড়ে। এর মধ্যেই বঙ্গোপসাগরে ফের একটি নিম্নচাপ তৈরি হয়েছে। অগস্ট মাসে এটি তৃতীয় নিম্নচাপ বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর। নতুন এই নিম্নচাপের প্রভাবে আগামী কয়েক দিন রাজ্যে বৃষ্টির পরিমাণ বাড়তে পারে।আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, নতুন নিম্নচাপটি বাংলা ও ওড়িশা উপকূলের কাছে অবস্থান করছে। এর প্রভাবে উপকূলবর্তী এবং পশ্চিমাঞ্চলের জেলাগুলিতে বৃষ্টি বেশি হতে পারে। কলকাতায় হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।রবিবার দক্ষিণ ২৪ পরগনায় ভারী বৃষ্টির হলুদ সতর্কতা জারি করা হয়েছে। একই সঙ্গে দুই মেদিনীপুর এবং ঝাড়গ্রামেও ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। সোমবার ঝাড়গ্রাম, পুরুলিয়া এবং বাঁকুড়ায় ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। তবে নিম্নচাপের মূল প্রভাব পড়তে পারে ওড়িশা এবং ছত্তীসগঢ়ে।দক্ষিণবঙ্গের পর মঙ্গলবার থেকে উত্তরবঙ্গেও ভারী বৃষ্টির সতর্কতা জারি হয়েছে। দার্জিলিং, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার এবং জলপাইগুড়িতে ভারী বৃষ্টি হতে পারে। বুধবার কোচবিহার, আলিপুরদুয়ার এবং জলপাইগুড়িতে ভারী বৃষ্টির হলুদ সতর্কতা রয়েছে।বৃহস্পতিবারও রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে। ফলে সপ্তাহের শুরু থেকেই ফের বৃষ্টির দাপট দেখা দিতে পারে বাংলায়। নতুন নিম্নচাপের গতিপথ এবং শক্তি বদলালে বৃষ্টির পূর্বাভাসেও পরিবর্তন হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর।

আগস্ট ২৩, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

ব্রাজিল ম্যাচ বয়কটের ডাক বাইচুংয়ের, ‘স্থানীয় রাজনীতি’ বলে উড়িয়ে দিল ব্রাজিল! যুবভারতীর ম্যাচ ঘিরে তুঙ্গে বিতর্ক

৩ অক্টোবর কলকাতার যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে ভারত বনাম ব্রাজিলের বহু প্রতীক্ষিত ফুটবল ম্যাচ। বিশ্বের অন্যতম সেরা ফুটবল দলের বিরুদ্ধে ভারতের মাঠে নামার খবরে ইতিমধ্যেই ফুটবলপ্রেমীদের মধ্যে উন্মাদনা তৈরি হয়েছে। কিন্তু ম্যাচ যত এগিয়ে আসছে, ততই বাড়ছে বিতর্কও। একদিকে এই ম্যাচ আয়োজনকে ঘিরে বিপুল খরচ এবং দেশের ফুটবল পরিকাঠামো নিয়ে প্রশ্ন উঠছে, অন্যদিকে এর জন্য ঘরোয়া ফুটবল সূচি ও জাতীয় দলের পরিকল্পনায় প্রভাব পড়ছে বলে অভিযোগ।এই পরিস্থিতিতেই ভারতীয় ফুটবলের কিংবদন্তি বাইচুং ভুটিয়া সরাসরি ব্রাজিল ম্যাচ বয়কটের ডাক দিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, একটি মাত্র প্রদর্শনী ম্যাচের পিছনে বিপুল অর্থ খরচ না করে সেই টাকা দীর্ঘমেয়াদি ভাবে ভারতীয় ফুটবলের উন্নয়নে বিনিয়োগ করা উচিত। বাইচুংয়ের মতে, এমন ম্যাচের পিছনে অর্থ ব্যয় করলে তা দেশের ফুটবলের ভবিষ্যৎকে এগিয়ে নেওয়ার বদলে উল্টে পিছিয়ে দিতে পারে।বাইচুংয়ের কথায়, ম্যাচ বয়কট করলে একটি স্পষ্ট বার্তা যাবে। ভবিষ্যতে এই ধরনের বড় ম্যাচ আয়োজনের আগে ফেডারেশনকে আরও সতর্ক হয়ে সিদ্ধান্ত নিতে হবে।বিপুল খরচ, প্রশ্নের মুখে ঘরোয়া ফুটবলকলকাতায় ব্রাজিলকে নিয়ে ম্যাচ আয়োজন করতে প্রায় ৬০ থেকে ৭০ কোটি টাকা পর্যন্ত খরচ হতে পারে বলে জানা যাচ্ছে। ম্যাচের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে ব্রাজিলের পর্যবেক্ষক দল যুবভারতী পরিদর্শনও করেছে। স্টেডিয়ামের পরিকাঠামো নিয়ে তাদের তরফে কিছু উদ্বেগের কথাও উঠে এসেছে।এর পাশাপাশি সবচেয়ে বড় প্রশ্ন উঠেছে ভারতীয় ফুটবলের ঘরোয়া কাঠামো নিয়ে। ব্রাজিল ম্যাচকে কেন্দ্র করে আইএসএলের সূচি পিছিয়ে যাওয়ার জল্পনা তৈরি হয়েছে। ফলে ক্লাবগুলির প্রস্তুতি এবং গোটা মরসুমের পরিকল্পনা নিয়েও অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে।অন্যদিকে ফিফা এশিয়ান কাপের বিষয়টিও নতুন করে বিতর্ক তৈরি করেছে। একই সময়ে আন্তর্জাতিক ম্যাচ এবং অন্যান্য সূচির সংঘাতের কারণে ভারত এশিয়ান কাপ থেকে নাম প্রত্যাহার করেছে বলে খবর ছড়িয়েছে। যদিও এই বিষয়ে ব্রাজিল ফুটবল কর্তৃপক্ষের তরফে কোনও নিশ্চিত তথ্য তাদের কাছে নেই বলেই জানানো হয়েছে।বাইচুংয়ের প্রশ্নএক ম্যাচের জন্য এত টাকা কেন?বাইচুং ভুটিয়ার যুক্তি, ব্রাজিলের মতো দলের বিরুদ্ধে ৯০ মিনিটের ম্যাচ নিঃসন্দেহে ভারতীয় ফুটবলপ্রেমীদের কাছে বড় আকর্ষণ। কিন্তু সেই আবেগের বাইরে গিয়ে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার কথা ভাবতে হবে।তিনি প্রশ্ন তুলেছেন, যদি এত বড় অঙ্কের অর্থ হাতে থাকে, তবে তা আগামী কয়েক বছরের জন্য দেশের ক্রীড়া পরিকাঠামো, প্রতিভা অন্বেষণ, প্রশিক্ষণ এবং আন্তর্জাতিক মানের খেলোয়াড় তৈরিতে বিনিয়োগ করা যায় না কেন? তাঁর মতে, সেই বিনিয়োগ থেকে ভবিষ্যতে কমনওয়েলথ গেমস বা অলিম্পিক্সের মতো মঞ্চে পদক পাওয়ার সম্ভাবনাও তৈরি হতে পারে।এবার পাল্টা বার্তা ব্রাজিলেরভারতীয় ফুটবল মহলে যখন ম্যাচ বয়কট নিয়ে আলোচনা তুঙ্গে, তখন ব্রাজিলের ফুটবল কর্তাদের বক্তব্য পরিস্থিতিতে নতুন মাত্রা যোগ করেছে। একটি সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ভারতের অভ্যন্তরে এই ম্যাচ নিয়ে কী ধরনের বিতর্ক চলছে, তা নিয়ে ব্রাজিল কর্তৃপক্ষ বিশেষ চিন্তিত নয়। ম্যাচের সূচি পরিবর্তনেরও কোনও সম্ভাবনা নেই।বয়কট নিয়ে ব্রাজিলের তরফে বিশেষ মাথাব্যথা নেই বলেও ওই প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। বরং এই ধরনের বক্তব্যকে স্থানীয় রাজনৈতিক বা অভ্যন্তরীণ বিতর্কের অংশ হিসেবেই দেখা হচ্ছে বলে সূত্রের দাবি।এশিয়ান কাপ থেকে ভারতের নাম প্রত্যাহারের বিষয়েও ব্রাজিল কর্তৃপক্ষের কাছে কোনও স্পষ্ট তথ্য নেই বলে জানা গিয়েছে। ফলে ভারতের অভ্যন্তরীণ ফুটবল পরিস্থিতির সঙ্গে ব্রাজিলের কলকাতা সফরকে যুক্ত করার কোনও কারণ দেখছে না পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।ভারত আমাদের সমর্থন করেছে, বলছে ব্রাজিলব্রাজিল দলের পক্ষ থেকে রড্রিগো কেতানোও এই ম্যাচের গুরুত্ব ব্যাখ্যা করেছেন। তাঁর বক্তব্যের মূল সুরভারত বিশ্বকাপের সময়ে ব্রাজিলকে যে সমর্থন দিয়েছে, তার জন্য তারা কৃতজ্ঞ। কলকাতায় ম্যাচ আয়োজনকে তাই শুধু বাণিজ্যিক বা প্রদর্শনী ম্যাচ হিসেবে দেখছে না ব্রাজিল।ব্রাজিলের তরফে জানানো হয়েছে, এই ম্যাচে তারা নিজেদের সেরা ফুটবল উপহার দিতে চায়। অর্থাৎ ভারতের মাটিতে এসে শুধুমাত্র আনুষ্ঠানিকতা সারাই তাদের লক্ষ্য নয়; বরং ভালো পারফরম্যান্স করে ম্যাচটিকে স্মরণীয় করে তুলতে চায় তারা।স্টিমাচের কটাক্ষেও বাড়ছে বিতর্কব্রাজিল ম্যাচ ঘিরে বিতর্কে নতুন মাত্রা যোগ করেছেন ভারতের প্রাক্তন কোচ ইগর স্টিমাচও। তাঁর বক্তব্য, দেশের ঘরোয়া লিগ এবং জাতীয় দলের পরিকল্পনার মধ্যে এখনও প্রয়োজনীয় সামঞ্জস্য তৈরি হয়নি। সেই সমস্যা সমাধান না করে ব্রাজিল বা আর্জেন্টিনার মতো দলের বিরুদ্ধে ম্যাচ আয়োজন করা হলে তা ভারতীয় ফুটবলের জন্য উল্টে অস্বস্তির কারণ হতে পারে।অর্থাৎ একদিকে বাইচুংয়ের আর্থিক অগ্রাধিকারের প্রশ্ন, অন্যদিকে স্টিমাচের ঘরোয়া ফুটবলের কাঠামো নিয়ে অভিযোগসব মিলিয়ে ৩ অক্টোবরের ম্যাচ এখন শুধুমাত্র একটি ফুটবল ম্যাচে সীমাবদ্ধ নেই।ম্যাচ হবে, বিতর্কও চলবে?একদিকে ব্রাজিলের মতো দলের বিরুদ্ধে যুবভারতীতে ভারতকে দেখার স্বপ্নে ফুটবলপ্রেমীরা উত্তেজিত। অন্যদিকে দেশের ফুটবলের ভবিষ্যৎ, বিপুল খরচ, আইএসএলের সূচি এবং জাতীয় দলের পরিকল্পনা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন প্রাক্তন ফুটবলার ও কোচেরা।ব্রাজিলের তরফে অবশ্য এখনও পর্যন্ত বার্তা স্পষ্টতারা ম্যাচ খেলতে প্রস্তুত এবং সূচি বদলের কোনও পরিকল্পনা নেই। ফলে ৩ অক্টোবর যুবভারতীতে ভারত-ব্রাজিল ম্যাচ ঘিরে উত্তেজনা যেমন বাড়ছে, তেমনই তার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে বিতর্কও। এখন দেখার, শেষ পর্যন্ত মাঠের ৯০ মিনিট কি সমস্ত বিতর্ককে ছাপিয়ে যেতে পারে, নাকি ম্যাচ শেষ হওয়ার পরও ভারতীয় ফুটবলের ভবিষ্যৎ নিয়ে এই প্রশ্নগুলি আরও জোরালো হয়ে ওঠে।

আগস্ট ২২, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

দুই দশকের ডুরান্ডের আক্ষেপ ঘোচানোর লড়াই, ডার্বির আগে হাবাসের মন্ত্র—‘আবেগ নয়, বুদ্ধিই শেষ কথা’

দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে অপেক্ষা। শেষ বার ২০০৪ সালে ডুরান্ড কাপের ফাইনালে মোহনবাগানকে ২-১ গোলে হারিয়ে ট্রফি জিতেছিল ইস্টবেঙ্গল। তারপর থেকে সময় গড়িয়েছে, বদলেছে দল, কোচ, ফুটবলারকিন্তু লাল-হলুদ শিবিরের ডুরান্ড-খরা কাটেনি। ২২ বছর পর সেই আক্ষেপ মুছে ফেলার সামনে দাঁড়িয়ে ইস্টবেঙ্গল। আর সেই লড়াইয়ের মঞ্চে প্রতিপক্ষ আবারও চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী মোহনবাগান।রবিবারের ডুরান্ড ফাইনাল তাই শুধু একটি ট্রফির লড়াই নয়। একদিকে দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটানোর তাগিদ, অন্যদিকে ডার্বির অতিরিক্ত উত্তেজনাসব মিলিয়ে ম্যাচের আবহ ইতিমধ্যেই তুঙ্গে। তবে এই আবেগকেই নিয়ন্ত্রণে রাখাকে সাফল্যের অন্যতম চাবিকাঠি বলে মনে করছেন ইস্টবেঙ্গল কোচ আন্তোনিও লোপেজ হাবাস।হাবাসের কাছে ডার্বি মানেই শুধু আবেগের লড়াই নয়, বরং মাথা ঠান্ডা রেখে সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার পরীক্ষা। সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি স্পষ্ট করে দিয়েছেন, কলকাতার ফুটবলপ্রেমীদের কাছে ম্যাচটির গুরুত্ব যতই বেশি হোক, তাঁর দলকে মাঠে নেমে এটিকে একটি সাধারণ ম্যাচের মতোই খেলতে হবে।হাবাসের কথায়, ডার্বিতে আবেগ থাকবেই। কিন্তু সেই আবেগ যদি খেলোয়াড়দের নিয়ন্ত্রণ করে, তাহলে কৌশল এবং পরিকল্পনা ভেস্তে যেতে পারে। তাই তাঁর লক্ষ্য আবেগের মাত্রা ১০০ শতাংশ থেকে নামিয়ে প্রায় ২৫ শতাংশে নিয়ে আসা। ম্যাচের ৯০ মিনিটে কোন মুহূর্তে ঝুঁকি নিতে হবে, কখন ধৈর্য ধরতে হবে এবং কখন কৌশল বদলাতে হবেসেই বুদ্ধিমত্তাই পার্থক্য গড়ে দিতে পারে বলে মনে করছেন তিনি।ফাইনালের আগে ইস্টবেঙ্গলের জন্য বড় ধাক্কা পিভি বিষ্ণুর অনুপস্থিতি। সেমিফাইনালের মতো ফাইনালেও মাঠে নামতে পারবেন না দলের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ আক্রমণভাগের ফুটবলার। চলতি ডুরান্ডে দুরন্ত ছন্দে ছিলেন বিষ্ণু। সিআইএসএফের বিরুদ্ধে ইস্টবেঙ্গলের ৮-০ জয়ের ম্যাচে হ্যাটট্রিক করে নজর কেড়েছিলেন তিনি। তাঁর গতি এবং আক্রমণাত্মক ফুটবল প্রতিপক্ষের রক্ষণকে একাধিক বার সমস্যায় ফেলেছে।বিষ্ণুকে না পাওয়ায় স্বাভাবিক ভাবেই পরিকল্পনায় কিছুটা পরিবর্তন আনতে হবে হাবাসকে। তাঁর জায়গায় প্রথম একাদশে বিপিন সিংয়ের সুযোগ পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। বিকল্প হিসেবে ভাবনায় রয়েছেন জেসিন টিকে। ডুরান্ডেই সিআইএসএফের বিরুদ্ধে জোড়া গোল করে নিজের দাবিও জোরালো করেছেন তিনি।শুধু বিষ্ণু নন, ফাইনালে এফিয়ংকেও পাওয়া যাবে না বলে জানিয়েছেন হাবাস। বিদেশি স্ট্রাইকার এবং ডিফেন্ডার ছাড়া এমন গুরুত্বপূর্ণ ডার্বিতে নামা যে সহজ নয়, তা স্বীকার করেছেন ইস্টবেঙ্গল কোচ। তবে সমস্যাকে সামনে রেখে অজুহাত তৈরি করতে তিনি একেবারেই রাজি নন।হাবাসের বক্তব্য, রেফারিং, প্রতিপক্ষ কিংবা দলের কোনও নির্দিষ্ট ফুটবলার না থাকার মতো বিষয়কে সামনে রেখে ম্যাচের আগে অজুহাত খোঁজা অর্থহীন। মাঠে যে ফুটবলাররা থাকবেন, তাঁদের নিয়েই সেরাটা দিতে হবে। তাঁর বিশ্বাস, প্রতিকূল পরিস্থিতির মধ্যেও ইস্টবেঙ্গল নিজেদের সেরা ফুটবল খেলতে সক্ষম।অন্যদিকে, মোহনবাগানকে যথেষ্ট সমীহ করছেন লাল-হলুদ কোচ। সবুজ-মেরুন দলের প্রত্যেক ফুটবলারকেই বিপজ্জনক বলে মনে করছেন তিনি। বিশেষ করে গোলরক্ষক বিশাল কাইথের প্রশংসা করেছেন হাবাস। তবে নিজের দলের গোলরক্ষক প্রভসুখন সিং গিলের উপরও তাঁর আস্থা অটুট। ফলে ফাইনালে দুই গোলরক্ষকের পারফরম্যান্সও ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।ডার্বির উত্তাপের মধ্যেও অবশ্য প্রস্তুতির ধরন বদলে ফেলেছে ইস্টবেঙ্গল। ফাইনালের আগে মাঠের অনুশীলন বাতিল করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে দল। হাবাসের মতে, এই মুহূর্তে আরও একটি অনুশীলনের চেয়ে ফুটবলারদের পর্যাপ্ত বিশ্রাম দেওয়া বেশি জরুরি। গত কয়েক দিনে ম্যাচের প্রস্তুতি এবং রিকভারির জন্য যথেষ্ট সময় পাওয়া গিয়েছে। তাই ফুটবলারদের শরীরকে তরতাজা রাখাই এখন তাঁর অগ্রাধিকার।মাঠের বদলে হোটেলেই চলবে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি। জিমে অনুশীলন, ফুটবলারদের কাছ থেকে আরও নিবিড় পর্যবেক্ষণ এবং ইনডোর সেশনের মাধ্যমে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি সারবে দল।সব মিলিয়ে রবিবারের ফাইনাল ইস্টবেঙ্গলের কাছে একাধিক কারণে বিশেষ। ২২ বছরের ডুরান্ড-খরা কাটানোর হাতছানি, সামনে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী মোহনবাগান, আবার ২০০৪ সালের ফাইনালের স্মৃতিও ফিরছে। কিন্তু ইতিহাস কিংবা আবেগ নিয়ে বেশি ভাবতে চান না হাবাস। তাঁর কাছে হিসাবটা একেবারেই সরল৯০ মিনিট মাথা ঠান্ডা রেখে খেলতে হবে, সঠিক মুহূর্তে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে হবে এবং কোনও অজুহাত ছাড়াই ট্রফির জন্য লড়াই করতে হবে।২২ বছর আগের সেই জয়ের স্মৃতি কি আবারও লাল-হলুদ সমর্থকদের মুখে হাসি ফোটাবে? নাকি ডার্বির মঞ্চেই ইস্টবেঙ্গলের দীর্ঘ অপেক্ষা আরও বাড়বেউত্তর মিলবে রবিবারের মহারণে।

আগস্ট ২২, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal