• ১৭ আশ্বিন ১৪৩৩, বুধবার ০৭ অক্টোবর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

West BEngal

রাজ্য

সেলিমের নেতৃত্বেই জোট! না হলে একাই ১৮২ আসনে লড়বেন হুমায়ুন

সিপিএম, আইএসএফ ও মিমের সঙ্গে জোট হবে কি না, তা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে জোর জল্পনা চলছে। এই পরিস্থিতিতে ভরতপুরের বিধায়ক হুমায়ুন নতুন করে ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য করলেন। তিনি জানিয়েছেন, সব পক্ষের সঙ্গে আলোচনা চলছে এবং ২৫ ফেব্রুয়ারির মধ্যেই জোট চূড়ান্ত হয়ে যাবে।হুমায়ুন বলেন, জোট হলে তিনি ১৩৫ আসনের নিচে নামবেন না। আর যদি জোট হয়, তবে সেই জোটের নেতৃত্ব তিনি শুধু সিপিএম নেতা মহম্মদ সেলিমের হাতেই মানবেন। অন্য কাউকে নেতা হিসেবে মেনে নেবেন না বলেও স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন তিনি।কয়েক দিন আগে নিউটাউনে একটি বৈঠক নিয়ে মুখ খুলেছিলেন সেলিম। তখন তিনি বলেছিলেন, তাঁদের সঙ্গে কথা বলতে হলে মন্দির-মসজিদের রাজনীতি করা চলবে না। সেই প্রসঙ্গেই হুমায়ুন বলেন, শূন্যের সঙ্গে শূন্য যোগ করলে শূন্যই হয়। সেই শূন্যের একটা কেটে গেছে। আর একটা শূন্য আমাদের সঙ্গে থাকতে আগ্রহ দেখিয়েছে। ২৫ ফেব্রুয়ারির মধ্যে মিম, আইএসএফ ও সিপিএমের মধ্যে কার সঙ্গে জোট হবে, তা মানুষ জানতে পারবেন।কত আসনে লড়তে চান, সেই প্রশ্নের জবাবে হুমায়ুন বলেন, জোট হলে আসন ভাগাভাগির কারণে তাঁদের আসন সংখ্যা কমে যাবে। তবে তা যতই কমুক, তিনি ১৩৫ আসনের নিচে নামবেন না। আর জোট না হলে তিনি একাই ১৮২ আসনে লড়বেন বলে দাবি করেছেন।তাঁর কথায়, প্রধান লক্ষ্য তৃণমূলকে পরাজিত করা এবং বিজেপিকে সংখ্যাগরিষ্ঠতায় পৌঁছাতে না দেওয়া। সে ক্ষেত্রে জোটের নেতৃত্ব যদি সেলিম দেন, তবে তিনি তা মেনে নেবেন।এদিকে এই মন্তব্য নিয়ে কটাক্ষ করেছে বিজেপি। দলের নেতা দিলীপ ঘোষ বলেন, ভোটের আগে অনেকেই ফাঁকা আওয়াজ দেন। শেষ পর্যন্ত কী হয়, তা দেখার অপেক্ষা।

ফেব্রুয়ারি ০৮, ২০২৬
কলকাতা

এসআইআর শুনানিতে নাটকীয় মোড়, হঠাৎ নিয়ম বদলে ডোমিসাইল মানল কমিশন

এসআইআর শুনানির একেবারে শেষ পর্বে এসে নিয়ম বদলাতে বাধ্য হল নির্বাচন কমিশন। তৃণমূল কংগ্রেসের লাগাতার চাপের মুখে এবার থেকে কমিশন নির্ধারিত ১১টি নথির পাশাপাশি ডোমিসাইল সার্টিফিকেট বা পারমানেন্ট রেসিডেন্স সার্টিফিকেটকেও প্রামাণ্য নথি হিসেবে গ্রহণ করা হবে। শনিবার এই সিদ্ধান্তের কথা রাজ্য নির্বাচনী দপ্তরকে জানিয়ে দিয়েছে নির্বাচন কমিশন।তবে এই ক্ষেত্রে শর্তও স্পষ্ট করে দিয়েছে কমিশন। জানানো হয়েছে, শুধুমাত্র জেলাশাসক, অতিরিক্ত জেলাশাসক বা মহকুমা শাসকের সই করা ডোমিসাইল সার্টিফিকেটই গ্রহণযোগ্য হবে। অন্য কোনও আধিকারিকের সই করা শংসাপত্র নথি হিসেবে গ্রাহ্য করা হবে না। ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়ায় এই নতুন সংযুক্তি নিঃসন্দেহে বহু ভোটারের কাছে বড় স্বস্তির খবর।এসআইআর প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার পর থেকেই নির্বাচন কমিশনের একাধিক নির্দেশিকা নিয়ে আপত্তি জানিয়ে আসছিল রাজ্যের শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেস। ভোটার তালিকায় নাম থাকার জন্য যে নথিগুলির তালিকা দেওয়া হয়েছিল, তার মধ্যে মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ড কিংবা ডোমিসাইল সার্টিফিকেট না থাকায় বিতর্ক তৈরি হয়। এই বিষয়টি নিয়ে প্রকাশ্যে প্রশ্ন তুলেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও। তাঁর প্রশ্ন ছিল, বিহারে এসআইআর চলাকালীন যদি ডোমিসাইল সার্টিফিকেট গ্রহণ করা হয়ে থাকে, তবে বাংলায় তা করা হচ্ছে না কেন।এই একই প্রসঙ্গ ওঠে সুপ্রিম কোর্টেও। গত বুধবার এসআইআর সংক্রান্ত মামলার শুনানির সময় মুখ্যমন্ত্রী নিজেই সওয়াল করে ডোমিসাইল সার্টিফিকেট ও মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ড গ্রহণ না করার বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, তৃণমূলের চাপ এবং বিহার ও বাংলার জন্য আলাদা নিয়ম করা নিয়ে সমালোচনার মুখেই শুনানির শেষ দিনে এসে নিয়ম বদলাতে বাধ্য হল নির্বাচন কমিশন।ডোমিসাইল সার্টিফিকেট হল স্থায়ী বাসিন্দা হওয়ার প্রমাণ হিসেবে রাজ্য সরকার বা কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের অনুমোদিত আধিকারিকদের দেওয়া শংসাপত্র। সাধারণত যাঁরা অন্তত ১৫ থেকে ২০ বছর ধরে একই এলাকায় বসবাস করছেন, তাঁরাই এই সার্টিফিকেট পাওয়ার যোগ্য। এই নথিতে জেলাশাসক, অতিরিক্ত জেলাশাসক বা মহকুমা শাসকের সই থাকে।উল্লেখযোগ্য ভাবে, ২০২৫ সালে বিহারে এসআইআর প্রক্রিয়ায় এই ডোমিসাইল সার্টিফিকেটকেই প্রামাণ্য নথি হিসেবে গ্রহণ করেছিল নির্বাচন কমিশন। কিন্তু বাংলার ক্ষেত্রে তা বাদ দেওয়ায় বহু ভোটারকে নথি জোগাড় করতে সমস্যায় পড়তে হয়েছিল। আজ, ৭ ফেব্রুয়ারি, শুনানির শেষ দিনে কমিশনের তরফে জানানো হল, ডোমিসাইল সার্টিফিকেট এবার গ্রহণযোগ্য হবে। কয়েকটি জেলায় এখনও শুনানি শেষ হয়নি। সেই জেলাগুলিতে যদি শুনানির সময় বাড়ানো হয়, তবে ওই অতিরিক্ত সময়ে ডোমিসাইল সার্টিফিকেট জমা দিয়ে শুনানিতে অংশ নিতে পারবেন ভোটাররা।

ফেব্রুয়ারি ০৭, ২০২৬
দেশ

আদালতের নির্দেশেও শুরু হয়নি ১০০ দিনের কাজ! সংসদে মুখোমুখি কেন্দ্র-রাজ্য

আদালতের নির্দেশের পরেও বাংলায় এখনও শুরু হয়নি একশো দিনের কাজ। এবার সেই বিষয়টি সংসদে তুলে ধরল তৃণমূল কংগ্রেস। লোকসভায় রাজ্যের শাসক দলের সাংসদ মালা রায় বাংলায় একশো দিনের কাজ নিয়ে একাধিক প্রশ্ন করেন। তাঁর প্রশ্নের লিখিত জবাব দেয় কেন্দ্রীয় গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রক।লিখিত জবাবে কেন্দ্রীয় গ্রামোন্নয়ন প্রতিমন্ত্রী কমলেশ পাসওয়ান জানান, ২০২২ সালের ৯ মার্চ থেকে পশ্চিমবঙ্গের জন্য একশো দিনের কাজের বরাদ্দ টাকা বন্ধ রাখা হয়েছে। তাঁর দাবি, কেন্দ্রের নির্দেশ রাজ্য সরকার না মানার কারণেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।লোকসভায় মালা রায় জানতে চান, ২০২৫ সালের ১ অগস্ট থেকে ২০২৬ সালের ১৫ জানুয়ারি পর্যন্ত মহাত্মা গান্ধী জাতীয় গ্রামোন্নয়ন কর্মসূচি বা এমজিএনরেগা প্রকল্পে পশ্চিমবঙ্গে কতদিন কাজ হয়েছে। পাশাপাশি তিনি প্রশ্ন তোলেন, গত ছমাসে এই প্রকল্পের জন্য রাজ্য সরকার কত টাকা পেয়েছে। যদি টাকা না দেওয়া হয়ে থাকে, তবে তার কারণ কী।এই প্রশ্নের উত্তরে কেন্দ্র স্পষ্ট জানিয়ে দেয়, কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশের পরেও একশো দিনের কাজ শুরু না হওয়ার দায় রাজ্যেরই। কমলেশ পাসওয়ান বলেন, ২০২৫ সালের ১৮ জুন কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশ মেনে গত বছরের ৬ ডিসেম্বর রাজ্যে একশো দিনের কাজ শুরু করার বিষয়ে কেন্দ্রের তরফে জানানো হয়েছিল। তবে প্রকল্পটি সঠিক ও আইন মেনে চালানোর জন্য কিছু বিশেষ শর্ত মানার কথা বলা হয়।কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী আরও জানান, ২০২৫-২৬ অর্থবর্ষের জন্য শ্রম বাজেটের প্রস্তাব পাঠাতে রাজ্য সরকারকে অনুরোধ করা হয়েছিল। কিন্তু এখনও পর্যন্ত সেই প্রস্তাব কেন্দ্রের কাছে আসেনি। মালা রায়ের প্রশ্নের জবাবে কেন্দ্র কার্যত স্পষ্ট করে দেয়, রাজ্যের অসহযোগিতার কারণেই বাংলায় একশো দিনের কাজ শুরু করা যায়নি।এই পরিস্থিতি এমন এক সময়ে তৈরি হয়েছে, যখন বাংলায় বিধানসভা নির্বাচনের আর একশো দিনেরও কম সময় বাকি। রাজনৈতিক মহলের মতে, নির্বাচনী প্রচারে একশো দিনের কাজ বন্ধ থাকার বিষয়টি নিয়ে বিজেপি ও তৃণমূল একে অপরকে তীব্রভাবে আক্রমণ করবে। ভোটের ময়দানে এই তথ্য দুই পক্ষ কীভাবে ব্যবহার করে, সেদিকেই নজর থাকবে।

ফেব্রুয়ারি ০৭, ২০২৬
কলকাতা

“বুক ফুলিয়ে বিধানসভায় ঢুকব”—আসন সংখ্যা নিয়ে বড় হুঙ্কার বিজেপির

পরিবর্তন আসন্ন এবং জয় নিশ্চিতএমনই আত্মবিশ্বাসের সুরে কথা বললেন বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। এবার তিনি আরও বড় দাবি করলেন। তাঁর বক্তব্য, গত বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপি যেখানে ৭৭টি আসন পেয়েছিল, সেখানে এবার সেই সংখ্যা বেড়ে হবে ১৭৭। শুভেন্দুর কথায়, ১৭৭টি আসন নিয়ে বিজেপি বুক ফুলিয়ে বিধানসভায় ঢুকবে।শুভেন্দু অধিকারী দাবি করেন, গত নির্বাচনে ৩৯ শতাংশ হিন্দু ভোট বিজেপির পক্ষে গিয়েছিল। এবার সেই হার বেড়ে ৪৫ শতাংশ হবে বলে তাঁর দাবি। হিন্দুদের পাশাপাশি আদিবাসীরাও বিজেপিকে ভোট দেবেন বলেই তিনি আশাবাদী। তাঁর কথায়, বিজেপি এক সময় ৩টি আসন থেকে ৭৭-এ পৌঁছেছিল, এবার সেই ৭৭ থেকে সরাসরি ১৭৭-এ পৌঁছবে দল।তবে শুভেন্দুর এই দাবিকে কটাক্ষ করতে ছাড়েনি তৃণমূল কংগ্রেস। তৃণমূলের এক মুখপাত্র বলেন, আগে বিজেপির নেতারা ২০০ আসনের কথা বলেছিলেন, কিন্তু ফল হয়েছিল ৭৭। এবার শুভেন্দু বলছেন ১৭৭। আগের হিসাব ধরলে সংখ্যাটা ৫০-এর নিচেই নেমে যাবে বলে কটাক্ষ করেন তিনি। পাশাপাশি ব্যঙ্গ করে বলেন, শুভেন্দু বুক ফুলিয়ে বিধানসভায় দর্শক হিসেবে ঢুকবেন কি না, সেটাই দেখার। বিধানসভায় দর্শক হিসেবে ঢুকতে হলে বিধায়কের সুপারিশ লাগে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।এর মধ্যেই বাংলার রাজনীতিতে আরেকটি বড় পরিবর্তন সামনে এসেছে। আসন্ন বিধানসভা ভোটে কংগ্রেস এবার বামেদের সঙ্গে জোটে যাচ্ছে না। আগের বার জোটের ছবি দেখা গেলেও এবার সেই সমীকরণ ভেঙে গিয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নিয়েও কটাক্ষ করতে ছাড়েননি শুভেন্দু অধিকারী। কংগ্রেস ও তৃণমূলকে একই বন্ধনীতে রেখে তিনি বলেন, মালদহ ও মুর্শিদাবাদে কংগ্রেস মুসলিম ভোট পায়, আর তৃণমূল মুসলিম ভোটের উপর ভর করেই রাজ্য চালাচ্ছে। তবে বিজেপির এসব নিয়ে কোনও মাথাব্যথা নেই বলেই জানান তিনি। তাঁর বক্তব্য, বিজেপির লক্ষ্য হিন্দু সমাজকে এক করা।

ফেব্রুয়ারি ০৫, ২০২৬
কলকাতা

বড় সিদ্ধান্ত কংগ্রেসের, বামেদের ছাড়াই বিধানসভা ভোটে নামছে দল

জোট নিয়ে জল্পনার মধ্যেই কংগ্রেসের একলা চল নীতি নিয়ে বারবার আলোচনা চলছিল। আগেই জানা গিয়েছিল, প্রদেশ কংগ্রেসের একাংশ, বিশেষ করে শুভঙ্কর সরকার ঘনিষ্ঠ শিবির জোট না করার পক্ষেই রয়েছে। আবার প্রাক্তন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর রঞ্জন চৌধুরীর শিবির বামেদের সঙ্গে জোট বজায় রাখার পক্ষে ছিল বলেও শোনা যাচ্ছিল। সেই জল্পনার মধ্যেই এবার এল বড় সিদ্ধান্ত।আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে বাংলায় বামেদের সঙ্গে জোট ভাঙার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কংগ্রেস। অর্থাৎ, কোনও জোট নয়, রাজ্যের ২৯৪টি আসনেই এককভাবে লড়াই করবে কংগ্রেস। কংগ্রেস হাইকমান্ডের এই সিদ্ধান্তে বাংলার রাজনীতিতে নতুন সমীকরণ তৈরি হচ্ছে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক মহল। এই পরিস্থিতিতে বাংলায় চতুর্মুখী লড়াইয়ের সম্ভাবনাও জোরালো হচ্ছে।প্রদেশ কংগ্রেসের পর্যবেক্ষক গুলাম মীর জানিয়েছেন, কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গের সঙ্গে বৈঠকেই এই সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হয়েছে। তাঁর বক্তব্য, এবার দলের কর্মী থেকে সাধারণ মানুষ সকলেই চাইছেন কংগ্রেস একাই লড়াই করুক। তাই ২৯৪টি আসনেই প্রার্থী দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তাঁর মতে, বাম বা অন্য দলের সঙ্গে জোটের ফলে নিচুতলার কর্মীদের মনোবল ভেঙে পড়েছিল। সেই কারণেই জোট না করে এককভাবে লড়াইয়ের পথ বেছে নেওয়া হয়েছে। প্রদেশ কংগ্রেস নেতৃত্বের এই ইচ্ছাকেই কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব মেনে নিয়েছে বলে জানান তিনি।অন্যদিকে অধীর রঞ্জন চৌধুরী জানিয়েছেন, তিনি দলের একজন কর্মী হিসেবে দল যে সিদ্ধান্ত নেবে, সেটাই মেনে নেবেন। কংগ্রেসের এই সিদ্ধান্তের পর প্রতিক্রিয়া এসেছে বামেদের তরফেও। বাম নেতা বিকাশ রঞ্জন ভট্টাচার্য খানিক কটাক্ষ করে বলেন, কংগ্রেস একটি স্বাধীন দল এবং এককভাবে সিদ্ধান্ত নেওয়ার অধিকার তাদের রয়েছে। তাঁর ধারণা, এই সিদ্ধান্ত শেষ পর্যন্ত তৃণমূলকেই সুবিধা করে দেবে।এই সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীও। তিনি বলেন, মালদহ ও মুর্শিদাবাদে কংগ্রেস মুসলিম ভোট পায় এবং তৃণমূলও মুসলিম ভোটের উপর ভর করেই সরকার চালাচ্ছে। তবে বিজেপির সে সব নিয়ে কোনও মাথাব্যথা নেই বলেই মন্তব্য করেন তিনি। তাঁর কথায়, বিজেপির লক্ষ্য হিন্দু ভোটকে এক করা।

ফেব্রুয়ারি ০৫, ২০২৬
দেশ

অনুপ্রবেশ ইস্যুতে তৃণমূলকে তুলোধোনা, রাজ্যসভায় বিস্ফোরক মোদী

রাষ্ট্রপতির ভাষণের পর রাজ্যসভায় জবাবি ভাষণ দিতে উঠে উত্তাল পরিস্থিতির মুখে পড়লেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। ভাষণ শুরু হতেই বিরোধী সাংসদদের তুমুল স্লোগানে সরগরম হয়ে ওঠে রাজ্যসভা। তবে সেই অবস্থার মধ্যেই নিজের বক্তব্য শুরু করেন প্রধানমন্ত্রী। স্লোগান তোলাকে কেন্দ্র করে কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খড়্গেকে খোঁচা দিয়ে মোদী বলেন, বয়সের কথা মনে রেখে তিনি যেন বসে থেকেই স্লোগান দেন।প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ শুরুর কিছুক্ষণের মধ্যেই একাধিক বিরোধী সাংসদ রাজ্যসভা থেকে ওয়াকআউট করেন। সেই বিষয়টিকেও কটাক্ষ করতে ছাড়েননি মোদী। তিনি বলেন, কিছু মানুষ এত তাড়াতাড়ি ক্লান্ত হয়ে পড়ছেন, কিন্তু তাঁদেরও একদিন প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে। একই সঙ্গে কংগ্রেসকে তীব্র আক্রমণ করেন প্রধানমন্ত্রী।মোদীর বক্তব্যে উঠে আসে কংগ্রেস আমলের প্রসঙ্গ। তিনি বলেন, লালকেল্লা থেকে কংগ্রেসের প্রধানমন্ত্রীদের দেওয়া ভাষণগুলি বিশ্লেষণ করলে স্পষ্ট বোঝা যাবে যে তাঁদের কোনও দীর্ঘমেয়াদি ভাবনা ছিল না। সেই কারণেই দেশ বহু বছর পিছিয়ে পড়েছিল বলে মন্তব্য করেন তিনি। মোদীর দাবি, কংগ্রেসের ভুল সংশোধন করতেই বর্তমান সরকারকে অনেক শক্তি ব্যয় করতে হয়েছে। তাঁর কথায়, বর্তমান সরকার ভবিষ্যতের কথা ভেবেই নীতি তৈরি করেছে এবং আজ দেশ নীতির ভিত্তিতেই চলছে।জবাবি ভাষণের সময় বাংলার প্রসঙ্গও তোলেন প্রধানমন্ত্রী। রাজ্যের তৃণমূল সরকারকে নির্মম সরকার বলে কটাক্ষ করেন তিনি। রাজ্যসভায় উপস্থিত তৃণমূল সাংসদদের উদ্দেশে মোদীর মন্তব্য, নির্মমতার যত রেকর্ড ছিল, সবকিছুই তারা ভেঙে দিয়েছে। তাঁর অভিযোগ, বাংলার মানুষের ভবিষ্যৎ অন্ধকারে ডুবে যাচ্ছে, অথচ ক্ষমতা ধরে রাখার জন্য সেই নির্মমতাকেই প্রশ্রয় দেওয়া হচ্ছে।অনুপ্রবেশ ইস্যুতেও তৃণমূল সরকারকে তীব্র আক্রমণ করেন প্রধানমন্ত্রী। মোদীর বক্তব্য, সারা পৃথিবীর দেশ অনুপ্রবেশকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নিচ্ছে। অথচ তৃণমূল সরকার অনুপ্রবেশকারীদের রক্ষা করতে আদালতে যাচ্ছে এবং আদালতের উপর চাপ সৃষ্টি করছে। তাঁর দাবি, এই অনুপ্রবেশকারীরাই যুব সমাজের চাকরি কেড়ে নিচ্ছে এবং আদিবাসীদের জমি দখল করছে। অথচ এসব বিষয়ে কোনও পদক্ষেপ না নিয়ে তৃণমূল সরকার কেন্দ্রকে উপদেশ দিচ্ছে বলে অভিযোগ করেন প্রধানমন্ত্রী।

ফেব্রুয়ারি ০৫, ২০২৬
দেশ

ডিএ মামলায় সুপ্রিম কোর্টের কড়া নির্দেশ, রাজ্যকে দিতে হবে বকেয়া টাকা

ডিএ মামলায় সুপ্রিম কোর্টে বড় ধাক্কা খেল রাজ্য সরকার। রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের বকেয়া মহার্ঘ্য ভাতা মিটিয়ে দেওয়ার স্পষ্ট নির্দেশ দিল শীর্ষ আদালত। শুধু ডিএ নয়, এরিয়ারও টাকা দিতে হবে রাজ্যকে। বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে দশটা নাগাদ মামলার রায় ঘোষণা করেন বিচারপতি সঞ্জয় কারোল এবং বিচারপতি প্রশান্ত কুমার মিশ্রের বেঞ্চ।আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী, রাজ্য সরকারকে এখনই ২৫ শতাংশ ডিএ দিতে হবে, এরিয়ার সহ। বাকি ৭৫ শতাংশ বকেয়া ডিএ আগামী ৩১ মার্চের মধ্যে মেটাতে হবে। দীর্ঘদিন ধরে চলা এই মামলায় সুপ্রিম কোর্টের এই রায়কে ঐতিহাসিক বলে মনে করছেন রাজ্য সরকারি কর্মচারীরা।ডিএ-র দাবিতে টানা ১১০৬ দিন ধরে আন্দোলন চালাচ্ছেন রাজ্য সরকারি কর্মচারীরা। এদিন আদালতের রায় ঘোষণার পর কর্মচারীদের মুখে চওড়া হাসি দেখা যায়। সুপ্রিম কোর্ট এই মামলার তদারকির জন্য একটি কমিটি গঠনের নির্দেশও দিয়েছে। অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি ইন্দু মালহোত্রার নেতৃত্বে এই কমিটি গঠিত হয়েছে। আগামী ১৫ মে-র মধ্যে ওই কমিটিকে রিপোর্ট জমা দিতে হবে।আদালত জানিয়ে দিয়েছে, রোপা এবং এআইসিপিআই অনুযায়ী ডিএ দিতে হবে রাজ্য সরকারকে। তবে মহার্ঘ্য ভাতা মৌলিক অধিকার কি না, সেই বিষয়টি এই মুহূর্তে বিচার করেনি সুপ্রিম কোর্ট। কমিটি রাজ্য সরকারের আর্থিক পরিস্থিতিও খতিয়ে দেখবে। বছরে দুবার ডিএ দেওয়া সম্ভব কি না, সেই বিষয়েও মতামত দেবে তারা। পাশাপাশি রাজ্য সরকার ধাপে ধাপে বকেয়া মেটাচ্ছে কি না, সেটিও রিপোর্টে উল্লেখ করতে হবে।রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের আইনজীবী ফিরদৌস শামিম বলেন, এই রায় কর্মচারীদের বড় জয়। আদালত স্পষ্ট জানিয়েছে, ডিএ দিতেই হবে এবং সময়ের মধ্যেই বকেয়া মেটাতে হবে। একটি নজরদারি কমিটি গঠন করে দেওয়াও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।এদিকে ধর্মতলায় আন্দোলনরত এক কর্মচারী বলেন, বহু সংগঠন তাঁদের পাশে দাঁড়িয়েছেন। দীর্ঘদিনের লড়াইয়ের পর এই রায় এসেছে। তাঁদের দাবি ছিল কেন্দ্রীয় হারে ডিএ দেওয়া হোক। সেই দাবি নিয়ে মামলার গড়ায় সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত।উল্লেখ্য, এর আগেও ২০২৫ সালের মে মাসে সুপ্রিম কোর্ট রাজ্য সরকারকে পঞ্চম বেতন কমিশনের বকেয়া ডিএ-র ২৫ শতাংশ মেটানোর নির্দেশ দিয়েছিল। তখন ছসপ্তাহ সময় বেঁধে দেওয়া হয়েছিল। রাজ্যের হিসাব অনুযায়ী, এই খাতে প্রায় ৪০ হাজার কোটি টাকা বকেয়া রয়েছে। তার মধ্যে প্রায় ১০ হাজার কোটি টাকা তখনই দেওয়ার কথা ছিল। তবে রাজ্য সরকার সেই টাকা দিতে না পেরে আরও ছমাস সময় চেয়েছিল।

ফেব্রুয়ারি ০৫, ২০২৬
কলকাতা

বেগুনি মিছিলের প্রভাব? বাজেটে বাড়ল আশা ও অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীদের সাম্মানিক

ভোটের মুখে রাজ্যের অন্তর্বর্তী বাজেটে আবারও জনমুখী সিদ্ধান্ত নিল রাজ্য সরকার। এর আগে রাজ্যজুড়ে আশা কর্মী এবং অঙ্গনওয়াড়ি কর্মী-সহায়িকাদের বেগুনি মিছিল নজর কেড়েছিল। সেই আন্দোলনের প্রেক্ষিতেই তাঁদের সাম্মানিক বাড়ানোর ঘোষণা করা হল বলে মনে করছেন রাজনৈতিক মহলের একাংশ। ভোটের আগে শেষ বাজেটে কার্যত কল্পতরু হয়ে উঠেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।বৃহস্পতিবার বিধানসভায় বাজেট পেশের সময় রাজ্যের অর্থমন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য জানান, ২০২৬ সালের এপ্রিল মাস থেকে অঙ্গনওয়াড়ি কর্মী ও অঙ্গনওয়াড়ি সহায়িকাদের মাসিক সাম্মানিক আরও ১ হাজার টাকা করে বাড়ানো হবে। একই সঙ্গে আশা কর্মীদের সাম্মানিকও বাড়ানোর কথা ঘোষণা করা হয়েছে। চলতি বছরের এপ্রিল মাস থেকেই আশা কর্মীরা মাসে অতিরিক্ত ১ হাজার টাকা করে পাবেন।শুধু সাম্মানিক বৃদ্ধি নয়, আশা কর্মীদের জন্য আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ সুবিধার কথাও জানানো হয়েছে। রাজ্যের অন্যান্য সরকারি কর্মীদের মতোই এবার থেকে আশা কর্মীরাও ১৮০ দিনের মাতৃত্বকালীন ছুটির সুবিধা পাবেন। এই সিদ্ধান্তকে বড় স্বস্তি বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট মহল।এছাড়াও অকাল মৃত্যুর ক্ষেত্রে আর্থিক সুরক্ষার ব্যবস্থাও করা হয়েছে। বাজেট বক্তৃতায় অর্থমন্ত্রী জানান, অঙ্গনওয়াড়ি কর্মী ও সহায়িকার অকাল মৃত্যু হলে তাঁদের পরিবার বা নিকট আত্মীয়কে এককালীন ৫ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে। একই নিয়ম প্রযোজ্য হবে আশা কর্মীদের ক্ষেত্রেও।উল্লেখ্য, গত ২৩ ডিসেম্বর থেকে কর্মবিরতিতে রয়েছেন রাজ্যের আশা কর্মীরা। জানুয়ারি মাসের শেষ দিকে কলকাতা-সহ রাজ্যজুড়ে তাঁরা আন্দোলনে নামেন। একাধিক দাবিকে সামনে রেখেই এই আন্দোলন শুরু হয়। যদিও মাতৃত্বকালীন ছুটি ও অকাল মৃত্যুর ক্ষতিপূরণ ঘোষণা করা হলেও, মূল সাম্মানিক সংক্রান্ত দাবি এখনও পুরোপুরি মেটেনি বলে জানিয়েছেন আন্দোলনকারীরা।বর্তমানে আশা কর্মীদের মাসিক সাম্মানিক ৫২৫০ টাকা। আগামী এপ্রিল মাস থেকে তা ১ হাজার টাকা বেড়ে হবে ৬২৫০ টাকা। তবে ন্যূনতম মজুরি বাড়ানোর দাবি এখনও মঞ্জুর হয়নি।

ফেব্রুয়ারি ০৫, ২০২৬
কলকাতা

লক্ষ্মীর ভান্ডার বাড়ল, যুবদের মাসে ১৫০০ টাকা—বাজেটে একের পর এক চমক মমতার

৫ ফেব্রুয়ারি রাজ্য বিধানসভায় রাজ্যের অন্তর্বর্তী বাজেট পেশ করলেন স্বাধীন দায়িত্বপ্রাপ্ত অর্থ প্রতিমন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য। এই বাজেটে একের পর এক জনমুখী ঘোষণা করে কার্যত কল্পতরুর মতোই ধরা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মহিলাদের জন্য একাধিক প্রকল্পের পাশাপাশি রাজ্যের যুব সমাজের জন্যও বড় ঘোষণা করা হয়েছে।এই বাজেটে লক্ষ্মীর ভান্ডার প্রকল্পে বড়সড় সুখবর দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। লক্ষ্মীর ভান্ডারের টাকা মাসে ৫০০ টাকা করে বাড়ানো হয়েছে। ফলে যাঁরা এতদিন মাসে ১ হাজার টাকা করে পেতেন, তাঁরা এবার থেকে পাবেন ১ হাজার ৫০০ টাকা। আর তফসিলি জাতি ও তফসিলি উপজাতিভুক্ত মহিলারা পাবেন মাসে ১ হাজার ৭০০ টাকা করে। কন্যাশ্রী প্রকল্পও আগের মতোই চালু থাকবে বলে জানানো হয়েছে।এবার রাজ্যের বেকার যুবদের পাশে দাঁড়াতে নতুন যুব-সাথী প্রকল্প চালুর কথা ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। এই প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য রাজ্যে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়ানো এবং কাজ না পাওয়া যুবদের আর্থিক সহায়তা দেওয়া। আগামী ১৫ অগস্ট, স্বাধীনতা দিবস থেকেই এই নতুন প্রকল্প চালু হবে বলে জানানো হয়েছে।জানা গিয়েছে, মাধ্যমিক পাশ করা যুবক-যুবতীরাই এই প্রকল্পের সুবিধা পাবেন। বয়স হতে হবে ২১ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে। যাঁরা এখনও কোনও চাকরি পাননি, তাঁদের প্রতি মাসে ১ হাজার ৫০০ টাকা করে ভাতা দেবে রাজ্য সরকার। মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, যুব-সাথী প্রকল্পে টানা পাঁচ বছর ধরে এই টাকা দেওয়া হবে এবং প্রায় ৩০ লক্ষ যুবক-যুবতী এই প্রকল্পের আওতায় আসবেন।এছাড়াও এবারের বাজেটে আশা কর্মী ও অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীদের ভাতাও বাড়ানো হয়েছে। তাঁদের মাসিক ভাতা ১ হাজার টাকা করে বৃদ্ধি করা হয়েছে। সব মিলিয়ে এই অন্তর্বর্তী বাজেটে মহিলা, যুব সমাজ এবং প্রান্তিক মানুষের জন্য একাধিক আর্থিক সুবিধার ঘোষণা করা হয়েছে।

ফেব্রুয়ারি ০৫, ২০২৬
রাজনীতি

মমতার বাধাতেই থমকে কেন্দ্রীয় প্রকল্প, বাংলায় ভোটের আগে বড় বার্তা বিজেপি সভাপতির

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারের বাধার কারণেই পশ্চিমবঙ্গে কেন্দ্রীয় প্রকল্পের কাজ হচ্ছে নাএই অভিযোগকে সামনে রেখে আগামী নির্বাচনে লড়াইয়ের নির্দেশ দিলেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নীতিন নবীন। মঙ্গলবার সুকান্ত মজুমদারের বাড়িতে পশ্চিমবঙ্গের বিজেপি সাংসদদের সঙ্গে প্রথম বৈঠকেই এই বিষয়টিকে রাজনৈতিক অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করার বার্তা দেন তিনি।এই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতা ভূপেন্দ্র যাদব, বিপ্লব দেব, অমিত মালব্য-সহ বাংলার দায়িত্বে থাকা একাধিক শীর্ষ নেতা। বৈঠকে নীতিন নবীন প্রথমে সাংসদদের সঙ্গে পরিচয় পর্ব সারেন। এরপর একে একে প্রত্যেক সাংসদের লোকসভা এলাকার রাজনৈতিক পরিস্থিতি সম্পর্কে খোঁজ নেন। কোথায় কী উন্নয়ন হয়েছে, কোথায় কেন্দ্রীয় প্রকল্প আটকে রয়েছে, সেই সব বিষয় নিয়েও বিস্তারিত আলোচনা হয়।বৈঠকে সাংসদদের নির্দেশ দেওয়া হয়, ভোটের আগে নিজেদের এলাকায় আরও বেশি সময় দিতে হবে। সাধারণ মানুষের মধ্যে গিয়ে কেন্দ্রীয় প্রকল্পের টাকা আটকে যাওয়ার জন্য রাজ্য সরকারকেই দায়ী করতে হবে। বিজেপি নেতৃত্বের দাবি, রাজ্য সরকারের বাধার কারণেই একশো দিনের কাজ, আবাস যোজনা-সহ একাধিক প্রকল্পের কাজ থমকে রয়েছে।প্রসঙ্গত, বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি হওয়ার পর জানুয়ারির শেষ সপ্তাহেই প্রথমবার বাংলায় এসেছিলেন নীতিন নবীন। তখনই তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে তীব্র আক্রমণ শানিয়েছিলেন তিনি। অভিযোগ করেছিলেন, অনুপ্রবেশকারীদের আশ্রয় দিয়ে বাংলাকে বাংলাদেশে পরিণত করার চেষ্টা চলছে। সেই সুরেই রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলন গড়ে তোলার ডাক দিয়েছিলেন।একদিকে তৃণমূল কংগ্রেস বারবার অভিযোগ করেছে, কেন্দ্র রাজ্যের প্রাপ্য টাকা আটকে রেখেছে। অন্যদিকে বিজেপি পাল্টা দাবি করছে, দুর্নীতির কারণেই কেন্দ্রীয় প্রকল্পের টাকা ছাড়া হচ্ছে না। সাংসদদের সঙ্গে প্রথম বৈঠকেই এই ইস্যুকে আরও জোরালো ভাবে তুলে ধরার নির্দেশ দিলেন বিজেপির নতুন সর্বভারতীয় সভাপতি।

ফেব্রুয়ারি ০৪, ২০২৬
রাজ্য

এপ্রিলের পর বদলে যাবে বাংলা? ৫০ শতাংশ ভোটের দাবি অমিত শাহের

বঙ্গ সফরে এসে আনন্দপুরের ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডকে কেন্দ্র করে তৃণমূল সরকারকে তীব্র আক্রমণ করলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। শনিবার ব্যারাকপুরের আনন্দপুরী মাঠে বিজেপির কর্মিসভা থেকে তিনি স্পষ্ট ভাষায় বলেন, আনন্দপুরের অগ্নিকাণ্ড কোনও দুর্ঘটনা নয়। তাঁর দাবি, এই ঘটনা তৃণমূল সরকারের দুর্নীতির ফল।অমিত শাহ বলেন, জলাভূমির উপর বেআইনিভাবে গুদাম তৈরি হয়েছিল। প্রশাসন সব জানত, তবু কেউ কিছু করেনি। শুভেন্দু অধিকারী ও শমীক ভট্টাচার্য তাঁকে জানিয়েছেন, এই গুদাম তৈরির সময় কোনও রকম বাধা দেওয়া হয়নি। শাহ প্রশ্ন তোলেন, যদি ওই গুদামের মালিক অনুপ্রবেশকারী হত, তা হলে কি রাজ্য সরকার একইভাবে চোখ বন্ধ করে থাকত? তাঁর কথায়, তৃণমূল সরকার সব কিছু জানত, তবু আড়াল করতে চেয়েছে।আনন্দপুরে এই অগ্নিকাণ্ডে ২৫ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে দাবি করেন শাহ। তিনি প্রশ্ন তোলেন, মোমো কারখানার মালিক কার সঙ্গে বিদেশ সফরে গিয়েছিলেন এবং কেন এখনও তাঁকে গ্রেফতার করা হয়নি। তাঁর অভিযোগ, তৃণমূল সরকার অপরাধীদের রক্ষা করছে।মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আক্রমণ করে অমিত শাহ বলেন, তিনি ভাইপোকে মুখ্যমন্ত্রী বানানোর স্বপ্ন দেখছেন। সেই কারণেই চারদিকে দুর্নীতি দেখেও কিছু দেখতে পাচ্ছেন না। তাঁর অভিযোগ, রাজ্যে হাজার হাজার কোটি টাকার দুর্নীতি হয়েছে, অথচ মুখ্যমন্ত্রী সব কিছু অস্বীকার করছেন। শাহ বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দুর্নীতিকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিয়েছেন।শাহ আরও বলেন, তাঁকে চ্যালেঞ্জ দিলে তৃণমূল কখনওই জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক বা পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের মতো অভিযুক্ত নেতাদের টিকিট দিতে অস্বীকার করতে পারবে না। কারণ, তাঁদের নাম বাদ দিলে তাঁরা ভাইপোর নাম বলে দেবেন বলেই তৃণমূল ভয় পায়।মতুয়া ও নমশূদ্র সমাজের উদ্দেশে অমিত শাহ বলেন, তাঁদের ভয় পাওয়ার কোনও কারণ নেই। বিজেপি তাঁদের পাশে আছে। সীমান্তে অনুপ্রবেশ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বিজেপি ক্ষমতায় এলে এপ্রিল মাসের পর ৪৫ দিনের মধ্যেই সীমান্তে কাঁটাতারের কাজ সম্পূর্ণ হবে। তাঁর অভিযোগ, অনুপ্রবেশকারীরা তৃণমূলের ভোটব্যাঙ্ক বলেই রাজ্য সরকার জমি দেয়নি। আদালতের নির্দেশের পরও জমি দেওয়া হয়নি।বিগত নির্বাচনের পরিসংখ্যান তুলে ধরে অমিত শাহ দাবি করেন, আগামী নির্বাচনে বিজেপি ৫০ শতাংশ ভোট পাবে। তিনি বলেন, পর্দার আড়ালে অপরাধ লুকোতে চাইলে লুকোন। এপ্রিলের পরে বিজেপি সরকার এলে এক এক করে সব অপরাধীকে খুঁজে বার করা হবে।

জানুয়ারি ৩১, ২০২৬
কলকাতা

রাজীব কুমারের অবসরের আগেই বড় মোড়, ডিজি বিতর্কে মামলা তুলে নিচ্ছেন রাজেশ কুমার

আগামী ৩১ জানুয়ারি অবসর নিচ্ছেন রাজ্য পুলিশের ডিজি রাজীব কুমার। তাঁর অবসরের পর রাজ্যের পরবর্তী ডিজি কে হবেন, তা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই জটিলতা চলছিল। সেই জটিলতা আরও বেড়ে যায়, যখন আইপিএস রাজেশ কুমার ইউপিএসসি-র বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার মামলা করেন। তবে শেষ পর্যন্ত সেই মামলা তুলে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিলেন রাজেশ কুমার।রাজ্যের বিদায়ী ডিজি রাজীব কুমারকে ইতিমধ্যেই বিদায় সংবর্ধনা দেওয়া হয়েছে। কিন্তু তাঁর উত্তরসূরি কে হবেন, তা নিয়ে এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। ইউপিএসসি-র দাবি ছিল, কোনও স্থায়ী ডিজির অবসর নেওয়ার অন্তত তিন মাস আগে প্রস্তাবিত নামের প্যানেল পাঠাতে হয়। সেই হিসেবে রাজ্যের উচিত ছিল ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বর মাসে ওই তালিকা পাঠানো। কিন্তু রাজ্য সরকার সেই প্যানেল পাঠায় ২০২৩ সালের ২৭ ডিসেম্বর। সম্প্রতি সেই তালিকা ইউপিএসসি ফেরত পাঠায়।এর আগে কেন্দ্রীয় প্রশাসনিক ট্রাইবুনাল নির্দেশ দিয়েছিল, ২৩ জানুয়ারির মধ্যে রাজ্যের পাঠানো সিনিয়রিটির তালিকা থেকে ইউপিএসসি নাম বাছাই করবে। ২৮ জানুয়ারির মধ্যে তিন জনের নাম চূড়ান্ত করে রাজ্যকে জানাতে হবে এবং ২৯ জানুয়ারির মধ্যেই রাজ্যকে নতুন ডিজি নিয়োগ করতে হবে। কিন্তু ইউপিএসসি সেই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে দিল্লি হাইকোর্টে মামলা দায়ের করে।এই পরিস্থিতিতে আইপিএস রাজেশ কুমার অভিযোগ করেন, ডিজি হওয়ার সব যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও তাঁকে বঞ্চিত করা হয়েছে। তাঁর মামলার ভিত্তিতে ট্রাইবুনাল নির্দেশ দেয়, ২৩ জানুয়ারির মধ্যে ডিজি পদের জন্য প্রস্তাবিত নামের তালিকা নতুন করে ইউপিএসসি-র কাছে পাঠাতে হবে। সেই নির্দেশ মেনে রাজ্য সরকার বুধবার আট জন সিনিয়র আইপিএস অফিসারের নামের তালিকা দিল্লিতে পাঠিয়েছে।এদিকে, রাজেশ কুমারের করা আদালত অবমাননার মামলার শুনানি ধার্য ছিল আগামী ২ ফেব্রুয়ারি। কিন্তু তার আগেই, ৩১ জানুয়ারি রাজীব কুমারের অবসর হচ্ছে। অবসরের পরে এই মামলার আর কোনও বাস্তব গুরুত্ব থাকবে না বলেই মনে করছেন রাজেশ কুমার। সেই কারণেই তিনি ক্যাট থেকে আদালত অবমাননার মামলা তুলে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এতে রাজ্য পুলিশের ডিজি নিয়োগ সংক্রান্ত জটিলতা কিছুটা হলেও মিটতে পারে বলে প্রশাসনিক মহলের ধারণা।

জানুয়ারি ৩১, ২০২৬
কলকাতা

কলকাতা পুলিশের নতুন কমিশনার সুপ্রতিম সরকার, সরলেন মনোজ ভর্মা

দীর্ঘদিন ধরেই রাজ্যে পুলিশপ্রধান কে হবেন, তা নিয়ে চলছিল টানাপোড়েন। অবশেষে সেই জল্পনার অবসান ঘটাল রাজ্য সরকার। রাজীব কুমারের অধ্যায় শেষ হচ্ছে। শনিবার তাঁর অবসরগ্রহণের দিন। শেষ দিন পর্যন্ত তিনি ভারপ্রাপ্ত ডিজি হিসেবেই দায়িত্ব পালন করছেন। গত ২৮ জানুয়ারি তাঁর বিদায় সংবর্ধনা হয়ে গিয়েছে। বিদায়ের আগেই রাজ্য সরকার নতুন ডিজির নাম ঘোষণা করল। তবে স্থায়ী নয়, আবারও ভারপ্রাপ্ত হিসেবেই।রাজ্যের নতুন ভারপ্রাপ্ত পুলিশ ডিজি করা হল আইপিএস পীযূষ পান্ডেকে। বর্তমানে তিনি মুখ্যমন্ত্রীর নিরাপত্তার দায়িত্বে ছিলেন। সেই পদ থেকেই সরাসরি রাজ্য পুলিশের সর্বোচ্চ দায়িত্বে বসলেন তিনি। পীযূষ পান্ডে এর আগে চন্দননগর পুলিশ কমিশনারেটের প্রথম কমিশনার ছিলেন। এক সময় তিনি কেন্দ্রীয় ডেপুটেশনেও কাজ করেছেন। এসপিজিতেও দীর্ঘদিন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব সামলানোর অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর।পীযূষ পান্ডে ডিজি হওয়ায় ফাঁকা হল মুখ্যমন্ত্রীর নিরাপত্তার পদ। সেই জায়গায় দায়িত্ব পেলেন মনোজ ভর্মা। এতদিন তিনি কলকাতা পুলিশের কমিশনার ছিলেন। এবার তাঁকে সরিয়ে ডিরেক্টর অব সিকিউরিটির দায়িত্ব দেওয়া হল। কলকাতা পুলিশের নতুন কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পেলেন আইপিএস সুপ্রতিম সরকার। এতদিন তিনি রাজ্য পুলিশের এডিজি (দক্ষিণবঙ্গ) ছিলেন। এবার শহরের আইনশৃঙ্খলার ভার তাঁর কাঁধে।এই রদবদলের তালিকায় আবার ফিরল বিতর্কিত নাম বিনীত গোয়েলের। আরজি কর কাণ্ডের পর কলকাতা পুলিশ কমিশনারের পদ হারান তিনি। পরে পদত্যাগ এবং হাইকোর্টে ক্ষমা চাওয়ার ঘটনাও ঘটে। এতদিন তিনি এডিজি-আইজি এসটিএফের দায়িত্বে ছিলেন। এবার তাঁকে রাজ্যের এডিজি আইনশৃঙ্খলা পদে বসানো হল। তাঁর জায়গায় এসটিএফের দায়িত্ব পেলেন জাভেদ শামিম।পুলিশের পাশাপাশি দমকল দফতরেও বড় রদবদল হয়েছে। এতদিন দমকলের ডিজি ছিলেন রণবীর কুমার। সম্প্রতি আনন্দপুরের অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় সমালোচনার মুখে পড়েন তিনি। আগুন লাগার প্রায় ৩০ ঘণ্টা পর ঘটনাস্থলে পৌঁছনোর বিষয়টি নিয়েও প্রশ্ন ওঠে। সেই আবহেই দমকলের ডিজি পদে বদল আনা হল। নতুন দমকল ডিজি হলেন অনুজ শর্মা।এ ছাড়াও ডিজি কারেকশাল হোম পদে আনা হয়েছে সিদ্ধিনাথ গুপ্তাকে। বিধাননগর পুলিশ কমিশনারেটের কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পেলেন মুরলিধর শর্মা। ব্যারাকপুর কমিশনারেট থেকে তাঁকে সরানো হয়েছে। তাঁর জায়গায় ব্যারাকপুরের দায়িত্ব দেওয়া হল প্রবীণ কুমার ত্রিপাঠীকে। হাওড়া পুলিশ কমিশনারেটের নতুন কমিশনার হলেন আকাশ মাঘারিয়া।একসঙ্গে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ পদে এই রদবদল রাজ্যের প্রশাসনিক মহলে যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছেন রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহল।

জানুয়ারি ৩০, ২০২৬
কলকাতা

‘সাহস মানে গুলি চালানো নয়’—বিদায়বেলায় তীব্র বার্তা রাজ্য পুলিশের ডিজির

সৎ সাহস থাকলে যে কোনও সমস্যার মোকাবিলা করা সম্ভবনিজের বিদায় সংবর্ধনায় এমনই ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য করলেন রাজ্য পুলিশের ডিজি রাজীব কুমার। তাঁর বক্তব্যে স্পষ্ট, সাহস মানে গুলি চালানো বা মানুষ মারা নয়। বরং শান্ত থেকে পরিস্থিতি সামলানোই প্রকৃত সাহস। তিনি বলেন, প্রাণহানি ছাড়াই রাজ্যে আইনশৃঙ্খলা সামলাতে সক্ষম হচ্ছে পুলিশ, যা অন্য অনেক রাজ্যের তুলনায় বাংলাকে আলাদা করে তুলে ধরছে।বিদায়ী ভাষণে রাজীব কুমার বলেন, পুলিশকর্মীরা তাঁদের কাজের সূত্রে প্রয়োজনে প্রাণ দিতেও প্রস্তুত থাকেন এবং সেখান থেকেই আসে সৎ সাহস। নানা সমস্যার মধ্যেও যদি এই সৎ সাহস বজায় থাকে, তাহলে পরিস্থিতি সামলানো অনেক সহজ হয়। তাঁর কথায়, সাহস মানে হঠাৎ সিদ্ধান্ত নেওয়া নয়, সাহস মানে নিজের সিদ্ধান্তে অটল থাকা এবং অন্যায়ের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো।তিনি আরও বলেন, কলকাতা পুলিশ ও রাজ্য পুলিশ একসঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করে। রাজীব কুমারের মতে, ভৌগোলিক ও কৌশলগত দিক থেকে বাংলা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি রাজ্য। তিনটি আন্তর্জাতিক সীমান্ত থাকায় এখানে চ্যালেঞ্জও অনেক বেশি। সেই পরিস্থিতিতেও শান্তি ও শৃঙ্খলা বজায় রেখে পুলিশ যে কাজ করে চলেছে, তা সত্যিই গর্বের বলে মন্তব্য করেন তিনি।৩১ জানুয়ারি রাজ্য পুলিশের ডিজি হিসেবে রাজীব কুমারের কর্মজীবনের শেষ দিন। তাঁর অবসর ঘিরে রাজ্য পুলিশের শীর্ষপদ নিয়ে জট আরও বেড়েছে। ক্যাটের নির্দেশের পর ইউপিএসসি দিল্লি হাইকোর্টের দ্বারস্থ হওয়ায় বিষয়টি নতুন মোড় নেয়। এর মধ্যেই ইউপিএসসির বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার অভিযোগ তুলেছেন আইপিএস অফিসার রাজেশ কুমার।রাজ্য সরকার এখনও রাজীব কুমারকেই ডিজি পদে রাখতে চাইছে। সেই কারণে নবান্নের তরফে ইউপিএসসিতে আট জন আইপিএস আধিকারিকের নাম পাঠানো হয়েছে, যার মধ্যে রাজীব কুমারের নামও রয়েছে। নিয়ম অনুযায়ী ইউপিএসসির তিন জনের একটি সংক্ষিপ্ত তালিকা রাজ্যকে পাঠানোর কথা ছিল। কিন্তু তার আগেই দিল্লি হাইকোর্টে মামলা হওয়ায় প্রক্রিয়া থমকে যায়।জানা গিয়েছে, গত ২১ জানুয়ারি রাজ্য সরকার ইউপিএসসিতে ওই আট জনের নাম পাঠায়। কিন্তু চূড়ান্ত তালিকা পাঠানোর আগেই ইউপিএসসি আদালতের দ্বারস্থ হওয়ায় আদালত অবমাননার মামলা দায়ের করা হয়। উল্লেখ্য, গত বছরের নভেম্বর মাসে ক্যাটে মামলা করেছিলেন আইপিএস অফিসার রাজেশ কুমার। তাঁর অভিযোগ ছিল, ইউপিএসসির একটি বৈঠকে রাজ্যের প্রস্তাব থাকা সত্ত্বেও রাজীব কুমার, রাজেশ কুমার এবং রণবীর কুমারের নাম তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়।

জানুয়ারি ২৯, ২০২৬
কলকাতা

ট্যাংরা-তপসিয়া জুড়ে সিবিআই অভিযান! কোন কেলেঙ্কারির খোঁজ?

ট্যাংরার শিল্পতালুকে সিবিআইয়ের হানায় চাঞ্চল্য ছড়াল। ভারা টেকনোলজি নামে একটি সংস্থার অফিসে তল্লাশি চালান সিবিআইয়ের গোয়েন্দারা। সূত্রের খবর, ওই সংস্থার সঙ্গে কানোরিয়া ফাউন্ডেশনের যোগ রয়েছে। যে বহুতলে ভারা টেকনোলজির অফিস রয়েছে, সেটিও কানোরিয়া গোষ্ঠীর সংস্থা শ্রেই ফাউন্ডেশনের নামে নথিভুক্ত। একই দিনে তপসিয়াতেও সংস্থার আর একটি অফিসে তল্লাশি চালায় সিবিআই।প্রায় এক হাজার কোটি টাকার প্রতারণা মামলার তদন্তে সকাল থেকেই কলকাতার একাধিক জায়গায় তল্লাশি শুরু করেন সিবিআই আধিকারিকরা। সিজিও কমপ্লেক্স থেকে বেরিয়ে সিবিআইয়ের একটি দল নিউ রোডের ৩২ কিউ নম্বর বাড়িতে সুনীল কানোরিয়ার অফিসে পৌঁছয়। সেখানে নিরাপত্তারক্ষীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, বর্তমানে ওই ঠিকানায় সুনীল কানোরিয়া থাকেন না। সেখানে তাঁর পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা থাকেন।এর কিছু সময় পরে সিবিআই আধিকারিকরা আলিপুরের ৭ নম্বর আলিপুর অ্যাভিনিউয়ে সুনীল কানোরিয়ার আরও একটি অফিসে যান। সিবিআই সূত্রে জানা যাচ্ছে, বিপুল অঙ্কের টাকা ফেরতের প্রতিশ্রুতি দিয়ে এক হাজার কোটি টাকার একটি বিনিয়োগ স্কিমের মাধ্যমে প্রতারণার অভিযোগ উঠেছে। এই মামলার সূত্র ধরেই শ্রেই ইনফ্রাস্ট্রাকচার ফিন্যান্স প্রাইভেট লিমিটেড-এর কর্ণধার সুনীল কানোরিয়া ও হেমন্ত কানোরিয়ার বিভিন্ন অফিস এবং বাড়িতে তল্লাশি চালানো হচ্ছে।উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, চলতি মাসেই কয়লা কেলেঙ্কারি মামলায় ইডি আধিকারিকরা মোট দশটি জায়গায় তল্লাশি চালিয়েছিলেন। সেই তালিকায় ছিল আইপ্যাক কর্তা প্রতীক জৈনের বাড়ি ও অফিসও। ওই তল্লাশির সময়েই সেখানে পৌঁছে যান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। নথি হাতে নিয়ে বেরিয়ে আসতে দেখা যায় তাঁকে, যা নিয়ে রাজ্য রাজনীতিতে তীব্র বিতর্ক শুরু হয়। বিষয়টি শেষ পর্যন্ত সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত গড়ায়। বিরোধী দলগুলির অভিযোগ, ভোটের আগে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাগুলি পুরনো মামলাগুলি নতুন করে সক্রিয় করে তুলছে।

জানুয়ারি ২৯, ২০২৬
রাজ্য

জানুয়ারিতেই শেষ শীত? বাংলার আবহাওয়ায় বড় বদল, সতর্কতা জারি উত্তরে

জানুয়ারির মাঝামাঝি থেকেই ধীরে ধীরে বিদায় নিচ্ছে শীত। দক্ষিণবঙ্গে শীতের আমেজ এখন অনেকটাই ফিকে। সকাল আর রাতে হালকা ঠান্ডা অনুভূত হলেও দিনের বেলায় ঠান্ডা প্রায় নেই বললেই চলে। রোদ উঠলেই উধাও হচ্ছে শীতের দাপট। তবে দক্ষিণবঙ্গে যখন এমন আবহাওয়া, ঠিক সেই সময় উত্তরবঙ্গে একেবারে উল্টো ছবি।উত্তর-পশ্চিম ভারতের জম্মু-কাশ্মীর ও সংলগ্ন এলাকায় সক্রিয় রয়েছে পশ্চিমী ঝঞ্ঝা। আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, শুক্রবার নতুন করে আরও একটি পশ্চিমী ঝঞ্ঝা ঢুকতে পারে। এর পাশাপাশি দক্ষিণ-পূর্ব উত্তরপ্রদেশ থেকে উত্তর কর্ণাটক পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে একটি সক্রিয় অক্ষরেখা। উত্তর-পূর্ব বিহারের উপর অবস্থান করছে একটি ঘূর্ণাবর্ত। এই সমস্ত আবহাওয়াগত পরিবর্তনের প্রভাব সরাসরি পড়ছে বাংলায়।দক্ষিণবঙ্গের সব জেলাতেই সকালের দিকে হালকা কুয়াশার সম্ভাবনা রয়েছে। কলকাতা এবং তার পার্শ্ববর্তী এলাকাতেও সকালে হালকা কুয়াশা দেখা যেতে পারে। আজ কলকাতা ও সংলগ্ন অঞ্চলে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা থাকতে পারে প্রায় ১৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কাছাকাছি। উপকূলবর্তী জেলা ও উত্তরবঙ্গ সংলগ্ন এলাকাগুলিতে আগামী কয়েক দিন সর্বনিম্ন তাপমাত্রা থাকবে ১৫ থেকে ১৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে। পশ্চিমাঞ্চলের জেলাগুলিতে তাপমাত্রা নামতে পারে ১১ থেকে ১৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত। দিনের বেলায় শীতের প্রভাব কম থাকলেও সকাল ও সন্ধ্যায় ঠান্ডার অনুভূতি বজায় থাকবে।উত্তরবঙ্গে শীতের দাপট তুলনামূলকভাবে বেশি। দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার এবং উত্তর দিনাজপুর জেলায় আজ ঘন কুয়াশার সতর্কতা জারি করা হয়েছে। আগামীকালও দার্জিলিং, আলিপুরদুয়ার ও কোচবিহারে ঘন কুয়াশা থাকতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর। উত্তরবঙ্গের অন্যান্য জেলা এবং দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে সকালে হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশা দেখা যেতে পারে। তবে দিনের দিকে আকাশ থাকবে মূলত পরিষ্কার। রোদ উঠতেই ধীরে ধীরে কমবে শীতের আমেজ।

জানুয়ারি ২৯, ২০২৬
রাজ্য

দার্জিলিংয়ে বরফ-বৃষ্টি, কলকাতায় রোদ—দু’মুখো আবহাওয়ায় বাংলা

মাঘের মাঝামাঝি সময়ে এসে রাজ্যের দুই প্রান্তে যেন দুই রকম আবহাওয়ার ছবি। এক দিকে উত্তরবঙ্গের পাহাড়ি এলাকায় তুষারপাত ও বৃষ্টির সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে, অন্য দিকে দক্ষিণবঙ্গে ধীরে ধীরে ফিকে হয়ে যাচ্ছে শীতের আমেজ। আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, আগামী কয়েক দিনে উত্তরের জেলাগুলিতে বড়সড় পরিবর্তন দেখা যেতে পারে।সিকিমে প্রবল তুষারপাত ও বৃষ্টির জেরে তার সরাসরি প্রভাব পড়তে চলেছে দার্জিলিং ও আশপাশের পাহাড়ি এলাকায়। দার্জিলিংয়ের পাশাপাশি কালিম্পং, জলপাইগুড়ি ও আলিপুরদুয়ার জেলায় এক বা দুই পশলা হালকা বৃষ্টি হতে পারে। বুধবার থেকে বৃহস্পতিবারের মধ্যে এই বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। তবে আপাতত উত্তরবঙ্গের কোথাও ঘন কুয়াশার সতর্কতা নেই। শনিবার সকাল পর্যন্ত হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশা দেখা যেতে পারে।আগামী পাঁচ দিন তাপমাত্রার তেমন বড় পরিবর্তন হবে না বলেই জানিয়েছে হাওয়া অফিস। দার্জিলিংয়ের পার্বত্য এলাকায় রাতের তাপমাত্রা ৪ থেকে ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে থাকতে পারে। তবে জলপাইগুড়ি, কোচবিহার, আলিপুরদুয়ারের মতো নিচের দিকের জেলাগুলিতে তাপমাত্রা তুলনামূলক ভাবে বেশি থাকবে।অন্য দিকে দক্ষিণবঙ্গে শীতের দাপট অনেকটাই কমে এসেছে। সকাল ও সন্ধ্যায় হালকা ঠান্ডা থাকলেও, রোদ উঠলেই শীতের আমেজ উধাও হয়ে যাচ্ছে। কলকাতায় এ দিন সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৫.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। উপকূলবর্তী জেলাগুলিতে তাপমাত্রা ১৫ থেকে ১৭ ডিগ্রির মধ্যে থাকলেও, পশ্চিমের জেলা যেমন পুরুলিয়া ও বাঁকুড়ায় তা ১১ থেকে ১৪ ডিগ্রির ঘরে রয়েছে।এক দিন আগে কলকাতায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ২৬.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ ৪৭ থেকে ৯১ শতাংশের মধ্যে ঘোরাফেরা করছে। আগামী কয়েক দিন দক্ষিণবঙ্গের আকাশ মূলত পরিষ্কার থাকবে। সকালের দিকে কোথাও কোথাও হালকা কুয়াশা দেখা যেতে পারে, তবে ঘন কুয়াশার সম্ভাবনা নেই।হাওয়া অফিসের মতে, উত্তরে শীতের গতি কমে যাওয়ার পিছনে বড় কারণ পশ্চিমী ঝঞ্ঝা। এই মুহূর্তে জম্মু ও কাশ্মীর সংলগ্ন এলাকায় একটি পশ্চিমী ঝঞ্ঝা সক্রিয় রয়েছে। আগামী ৩০ জানুয়ারি, শুক্রবার নতুন করে আরও একটি পশ্চিমী ঝঞ্ঝা ঢোকার সম্ভাবনা আছে। পাশাপাশি দক্ষিণ-পশ্চিম রাজস্থানের উপর একটি ঘূর্ণাবর্ত অবস্থান করছে, যার প্রভাবেও রাজ্যের আবহাওয়ায় এই বদল দেখা যাচ্ছে।

জানুয়ারি ২৮, ২০২৬
রাজ্য

দুর্গাপুর থেকে তৃণমূলে আক্রমণ নিতিন নবীনের, ‘এবার বাংলার পালা’

বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি হওয়ার পর ভোটের রাজ্য বাংলায় এসে পৌঁছলেন বিজেপি নেতা নিতিন নবীন। মঙ্গলবার দুর্গাপুরে আসেন তিনি। বুধবার সেখান থেকেই জনসভা করে তৃণমূল কংগ্রেসকে তীব্র আক্রমণ শানান বিজেপির নতুন সভাপতি। সভামঞ্চ থেকে রাজ্যের দুর্নীতি, ধর্মীয় ইস্যু, প্রশাসনের ভূমিকা ও অনুপ্রবেশ প্রসঙ্গে একের পর এক কড়া মন্তব্য করেন তিনি।নিতিন নবীন বলেন, শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতিতে তৃণমূলের একাধিক নেতা জেলে রয়েছেন, আবার অনেকে বাইরে ঘুরে বেড়াচ্ছেন। যাঁরা এখনও বাইরে আছেন, তাঁরাও জেলে যাবেন বলে হুঁশিয়ারি দেন তিনি। তাঁর দাবি, দুর্নীতির সঙ্গে যাঁরাই যুক্ত, কাউকেই ছাড়া হবে না।দুর্গাপুজো প্রসঙ্গে নিতিন নবীন বলেন, শক্তির আরাধনা দুর্গাপুজো থেকেই শুরু হয় এবং বাংলা থেকেই তা সারা দেশে ছড়িয়ে পড়ে। অথচ এই রাজ্যেই মায়ের পুজোয় বাধা দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। তাঁর বক্তব্য, আজান চলার সময় কোনও সমস্যা হয় না, কিন্তু দুর্গার আরাধনায় বাধা তৈরি করা হয়। বিজেপি নেতা বলেন, কোনও হিন্দুই এই পরিস্থিতি মেনে নেবে না এবং পরম্পরা রক্ষায় বিজেপি সব রকম ত্যাগ স্বীকার করতে প্রস্তুত।তিনি আরও বলেন, দেশের বিভিন্ন জায়গায় ভৌগোলিক ও সাংস্কৃতিক চরিত্র বদলের চেষ্টা চলছে। তামিলনাড়ুতে দীপম উৎসবে পুজো করতে বাধা দেওয়া হয়েছে আজানের কারণে বলে অভিযোগ করেন তিনি। ওই রাজ্যের সরকার ইন্ডি জোটে রয়েছে বলেও মন্তব্য করেন নিতিন নবীন। আদালত পুজোর অনুমতি দেওয়ার পর বিচারপতিকে সরাতে ইমপিচমেন্টের চেষ্টা হয়েছে বলেও অভিযোগ তোলেন তিনি। তাঁর কথায়, সনাতনী সংস্কৃতি বাঁচানোর লড়াই শুধু বাংলার নয়, গোটা দেশের।প্রশাসনিক আধিকারিকদের উদ্দেশে নিতিন নবীন বলেন, এটি চার দিনের সরকার। তৃণমূলের কথায় নাচবেন না। কাঠের পুতুল হয়ে থাকবেন না। প্রশাসনের কাজ সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়ানো। বিজেপি কর্মীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ঘরে ঘরে গিয়ে তৃণমূলের দুর্নীতির কথা মানুষকে জানাতে হবে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে কটাক্ষ করে বলেন, রাজ্যে যে অরাজকতা তৈরি হয়েছে, তার উল্টো গোনা শুরু করে দিয়েছে বাংলার মানুষ। খুব শিগগিরই বিজেপি বাংলার বিকাশের দায়িত্ব নেবে বলে দাবি করেন তিনি।এসআইআর ইস্যুতেও তৃণমূলকে আক্রমণ করেন নিতিন নবীন। তাঁর বক্তব্য, দিল্লিতে গিয়ে কান্নাকাটি করা হবে, অথচ রাজ্যে এসপি ও ডিএমদের দিয়ে সাধারণ মানুষকে ভয় দেখানো হচ্ছে। নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি। তাঁর দাবি, কমিশন অনুপ্রবেশকারীদের তাড়াতে চাইছে। যাঁদের জন্ম বাংলায়, যাঁরা এই মাটির মানুষ, তাঁরাই বাংলার অধিকার পাবেন। বাংলাদেশ থেকে আসা কোনও অনুপ্রবেশকারীকে বাংলায় থাকার অধিকার দেওয়া হবে না বলেও স্পষ্ট বার্তা দেন বিজেপি সভাপতি।তৃণমূলের বিধায়ক ও মন্ত্রীদের বিরুদ্ধে তোলাবাজির অভিযোগ তুলে নিতিন নবীন বলেন, একসময় দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াইয়ের কথা বলা হয়েছিল, কিন্তু এখন তার থেকেও বড় দুর্নীতির কারখানা তৈরি হয়েছে। বিজেপি আগেও উত্তরপ্রদেশ ও বিহারের মতো রাজ্যে তথাকথিত জঙ্গলরাজ শেষ করেছে বলে দাবি করেন তিনি। তাঁর কথায়, এবার বাংলার পালা। বিজেপি কর্মীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ভয় পাওয়ার কোনও কারণ নেই, প্রত্যেক কর্মীর পিছনে পুরো বিজেপি পরিবার রয়েছে। লড়াইয়ের জন্য প্রস্তুত থাকার আহ্বান জানান তিনি।

জানুয়ারি ২৮, ২০২৬
দেশ

ভোটের মুখে পদ্ম সম্মান! এগিয়ে বাংলা, কেরলকে কেন এত গুরুত্ব দিল কেন্দ্র?

এগিয়ে বাংলা, তার পরেই কেরল। ভোটের মুখে এই দুই রাজ্যে কেন্দ্র বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহলের একাংশ। রবিবার সন্ধ্যায় কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক চলতি বছরের পদ্ম সম্মান প্রাপকদের তালিকা প্রকাশ করার পর সেই জল্পনা আরও জোরালো হয়েছে। সরাসরি কোনও রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু না হলেও তালিকা প্রকাশের পর থেকেই নানা প্রশ্ন উঠছে।প্রকাশিত তালিকা অনুযায়ী, এ বছর বাংলা থেকে পদ্ম সম্মান পেয়েছেন ১১ জন, আর কেরল থেকে পেয়েছেন আট জন। এই দুই রাজ্যই চলতি বছরে বিজেপির কাছে বড় রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ বলে মনে করা হচ্ছে। সেই কারণেই সম্মানের তালিকা নিয়ে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক গুঞ্জন।চলতি বছরের পদ্ম সম্মান প্রাপকদের তালিকায় একাধিক পরিচিত রাজনৈতিক মুখের নাম রয়েছে। এমনকি রয়েছেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীরাও। কেন্দ্রের প্রকাশিত তালিকা অনুযায়ী, এ বছর পদ্মভূষণ সম্মান পাচ্ছেন মোট ১৩ জন। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন প্রয়াত ঝাড়খণ্ডের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী শিবু সোরেন। ঝাড়খণ্ডের আদিবাসী ও পিছিয়ে পড়া মানুষের কাছে তিনি গুরুজি বা দিশম গুরু নামে পরিচিত ছিলেন।শিবু সোরেনের পাশাপাশি পদ্ম সম্মান পাচ্ছেন কেরলের প্রয়াত প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ভি এস অচ্যুতানন্দন। সাধারণত বামপন্থীরা রাষ্ট্রীয় সম্মান গ্রহণ করেন না। অতীতে জ্যোতি বসু ও বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য ভারতরত্ন এবং পদ্মবিভূষণ সম্মান ফিরিয়ে দিয়েছিলেন। সেই প্রেক্ষাপটে অচ্যুতানন্দনের নাম পদ্ম সম্মানের তালিকায় থাকায় বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে বিষয়টি। প্রয়াত এই বাম মুখ্যমন্ত্রীকে এ বছর পদ্মবিভূষণ সম্মানে ভূষিত করছে কেন্দ্র।এই সম্মান নিয়ে কেরলের মুখ্যমন্ত্রী পিনরাই বিজয়ন কোনও মন্তব্য করতে চাননি। দলের তরফে শুধু জানানো হয়েছে, কেরল সরকার অচ্যুতানন্দনের নাম পদ্ম সম্মানের জন্য সুপারিশ করেনি। একই সুর শোনা যাচ্ছে বাংলার বাম শিবিরেও। এই বিষয়ে মুখ খুলতে নারাজ তাঁরা।তবে অচ্যুতানন্দনের পুত্র অরুণকুমার কেন্দ্রকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন। বাবার এই সম্মানে তিনি খুশি বলে জানান। উল্লেখ্য, শুধু অচ্যুতানন্দনই নন, কেরল থেকে এ বছর আরও সাতজন বিশিষ্ট ব্যক্তি পদ্ম সম্মান পাচ্ছেন। সব মিলিয়ে পদ্ম সম্মানের তালিকা প্রকাশের পর থেকেই রাজ্য রাজনীতিতে শুরু হয়েছে নতুন করে আলোচনা ও জল্পনা।

জানুয়ারি ২৬, ২০২৬
কলকাতা

ফের কি রাজীব কুমার? রাজ্য পুলিশের শীর্ষ পদ ঘিরে বড় প্রশ্ন

আগামী ৩১ জানুয়ারি অবসর নিচ্ছেন রাজ্য পুলিশের ভারপ্রাপ্ত ডিজি রাজীব কুমার। তাঁর সরকারি বিদায় সংবর্ধনার দিনও ঠিক হয়েছে ২৮ জানুয়ারি। গত দুবছর ধরে রাজ্য পুলিশের শীর্ষ পদে ছিলেন তিনি। তাঁর অবসরের সঙ্গে সঙ্গেই প্রশ্ন উঠছে, রাজ্যের পরবর্তী ডিজি কে হচ্ছেন।নবান্ন সূত্রে জানা গিয়েছে, সম্প্রতি রাজ্য সরকার যে পুলিশকর্তাদের নাম ডিজি পদের জন্য কেন্দ্রের কাছে পাঠিয়েছে, সেই তালিকায় রয়েছে রাজীব কুমারের নামও। এর জেরে জল্পনা শুরু হয়েছে, তাঁকেই কি আবার ডিজি পদে রাখতে চাইছে রাজ্য সরকার। রাজ্য পুলিশের পরবর্তী ডিজি পদের জন্য মোট আট জন সিনিয়র আইপিএস অফিসারের নাম প্রস্তাব করেছে পশ্চিমবঙ্গ সরকার। ওই তালিকায় রাজীব কুমারের পাশাপাশি রয়েছেন আইপিএস রাজেশ কুমারও। গত বুধবার এই তালিকা দিল্লিতে পাঠানো হয়েছে।নিয়ম অনুযায়ী, রাজ্য সরকার প্রথমে ইউনিয়ন পাবলিক সার্ভিস কমিশনের কাছে সিনিয়র আইপিএস অফিসারদের নামের একটি প্যানেল পাঠায়। সেখান থেকে ইউপিএসসি তিন জনের নাম বেছে রাজ্যকে পাঠায়। ওই তিন জনের মধ্য থেকেই রাজ্য সরকার একজনকে স্থায়ী ডিজি হিসেবে নিয়োগ করে।রাজ্যের পাঠানো তালিকায় রয়েছেন ভারপ্রাপ্ত ডিজি রাজীব কুমার, আইপিএস রাজেশ কুমার এবং আরও ছয় জন সিনিয়র আইপিএস অফিসার রণবীর কুমার, দেবাশিস রায়, অনুজ শর্মা, জগমোহন, এন রমেশ বাবু ও সিদ্ধিনাথ গুপ্ত। একটি সূত্রের দাবি, পরবর্তী স্থায়ী ডিজি পদের জন্য পীযূষ পাণ্ডে, রাজেশ কুমার এবং রণবীর কুমারের নাম নিয়ে আলোচনা চলছে। পীযূষ পাণ্ডে প্রাক্তন এসপিজি অফিসার এবং বর্তমানে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নিরাপত্তার দায়িত্বে রয়েছেন। যদিও এই তিন জনের মধ্য থেকেই যে পরবর্তী ডিজি হবেন, তা এখনও নিশ্চিত নয়।উল্লেখ্য, রাজ্য পুলিশের শেষ স্থায়ী ডিজি ছিলেন মনোজ মালব্য। তিনি ২০২৩ সালের ডিসেম্বরে অবসর নেন। নিয়ম অনুযায়ী, ডিজি অবসরের সময় রাজ্যের যে আট জন সিনিয়র আইপিএস অফিসার ছিলেন, তাঁদের নামই ইউপিএসসি-র কাছে পাঠানো হয়েছে। সেই কারণেই বর্তমান ভারপ্রাপ্ত ডিজি রাজীব কুমারের নামও তালিকায় রয়েছে।এর আগে স্থায়ী ডিজি নিয়োগের জন্য রাজ্য সরকার একবার নামের তালিকা পাঠিয়েছিল। কিন্তু আইনি জটিলতার কারণে সেই প্রক্রিয়া আটকে যায়। ইউপিএসসি জানায়, ডিজি অবসরের অন্তত তিন মাস আগে প্রস্তাবিত নামের প্যানেল পাঠানো উচিত ছিল। অর্থাৎ ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বরের মধ্যে তালিকা পাঠাতে হত। কিন্তু রাজ্য সরকার সেই তালিকা পাঠিয়েছিল ২৭ ডিসেম্বর। ফলে সেই প্যানেল ফেরত পাঠানো হয়।এই পরিস্থিতিতে কেন্দ্রীয় প্রশাসনিক ট্রাইবুনালের দ্বারস্থ হন আইপিএস রাজেশ কুমার। ১৯৯০ ব্যাচের এই আইপিএস অফিসার বর্তমানে রাজ্যের গণশিক্ষা প্রসার ও গ্রন্থাগার পরিষেবা দফতরের মুখ্যসচিব। তাঁর দাবি, ডিজি হওয়ার সব যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও তাঁকে বঞ্চিত করা হয়েছে। সেই মামলার প্রেক্ষিতে ট্রাইবুনাল নির্দেশ দেয়, ২৩ জানুয়ারির মধ্যে নতুন করে ডিজি পদের জন্য প্রস্তাবিত নামের তালিকা ইউপিএসসি-র কাছে পাঠাতে হবে রাজ্য সরকারকে।

জানুয়ারি ২৪, ২০২৬
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 10
  • 11
  • 12
  • 13
  • 14
  • 15
  • 16
  • ...
  • 34
  • 35
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজনীতি

হুমায়ুন গ্রেফতার, অধীরের অবস্থান! রেজিনগর উপনির্বাচনে দিনভর তপ্ত রাজনীতি, "জিতবে বিজেপিই" - শুভেন্দু

রেজিনগর বিধানসভার উপনির্বাচন ঘিরে দিনভর উত্তপ্ত মুর্শিদাবাদ। শাসক দলের বিরুদ্ধে বুথ দখল, ভোট লুট এবং বিরোধী দলের এজেন্টদের বুথ থেকে বের করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। বিষয়টি নিয়ে নির্বাচন কমিশনের কাছে অভিযোগ জানিয়েছে মমতা তৃণমূল কংগ্রেস এবং কংগ্রেস। অভিযোগের প্রতিবাদে বহরমপুরে জেলা প্রশাসনিক ভবনের সামনে অধীর চৌধুরীর নেতৃত্বে অবস্থান বিক্ষোভও হয়। গ্রেফতার করা হয় আজপ নেতা তথা বিধায়ক হুমায়ুন কবিরকে। নন্দীগ্রাম ও রেজিনগরের ভোট বাতিলের দাবি জানিয়েছে কংগ্রেস। তবে ভোটের দিন সকালেই সবচেয়ে বেশি চর্চায় আসে আমজনতা উন্নয়ন পার্টির চেয়ারম্যান তথা নওদার বিধায়ক হুমায়ুন কবিরের গ্রেপ্তারি। তাঁর ছেলে গোলাম নবি আজাদ রেজিনগর উপনির্বাচনে আমজনতা উন্নয়ন পার্টির প্রার্থী। সকালে শক্তিপুরে নিজের বাড়ির কাছের বুথে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে ভোট দেন হুমায়ুন। বুথ থেকে বেরিয়ে পুলিশের বিরুদ্ধে রাজ্য সরকারের হয়ে কাজ করার অভিযোগ তুলে কুকুর বলে কটাক্ষ করেন তিনি। পাশাপাশি বলেন, কুকুরকে কীভাবে মুগুর মেরে শায়েস্তা করতে হয়, তা তিনি ভালোভাবেই জানেন। প্রয়োজনে পাল্টা অ্যাটাকের কথাও বলেন তিনি।এরপর রেজিনগর পার্টি অফিসে যাওয়ার পথে সেখানে পৌঁছে যায় রেজিনগর থানার আইসি। হুমায়ুনকে পার্টি অফিস ছেড়ে চলে যেতে বলা হলে পুলিশের সঙ্গে তাঁর তীব্র বচসা শুরু হয়। পরে আইসির নেতৃত্বে পুলিশ তাঁকে টেনে-হিঁচড়ে গাড়িতে তুলে থানায় নিয়ে যায়। পরবর্তীতে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। জেলা পুলিশের এক আধিকারিক জানান, আইন লঙ্ঘনের অভিযোগেই হুমায়ুনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ভোটের দিন এভাবে সংশ্লিষ্ট এলাকায় ঘোরাফেরা করা যায় না, একথা একজন বিধায়কের জানা দরকার বলে জানান খোদ মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেন, নন্দীগ্রামে আমাদের ব্যবধান অনেকটা বাড়বে। গতবারের থেকে ৫থেকে ৬ গুন তো বাডডবেই। মার্জিন কম হলেও রেজিনগরে আমরা জিতবো। মুসলিম যুবক ও মহিলাদের বড় অংশ বিজেপিকে ভোট দিয়েছে।অন্যদিকে কংগ্রেস নেতা অধীর চৌধুরীর অভিযোগ, রেজিনগরে নিশ্চুপ সন্ত্রাস ও ভোট লুট চলছে। তাঁর দাবি, পুলিশ বিজেপির ক্যাডারের ভূমিকা পালন করছে এবং কংগ্রেস এজেন্টদের বুথে ঢুকতে দেওয়া হয়নি। হুমায়ুনের গ্রেপ্তারি প্রসঙ্গে অধীর বলেন, তাঁকে দিয়ে নাটক করানো হচ্ছে এবং তিনি বিজেপির গেস্ট আর্টিস্ট।মমতা তৃণমূলের প্রার্থী রবিউল ইসলাম চৌধুরীর অভিযোগ, পুলিশ দাঁড়িয়ে থেকে বিরোধী এজেন্টদের বের করে দিয়ে বুথ দখল করেছে। সিপিএমের জেলা সম্পাদক জামির মোল্লার দাবি, ভোটের নামে প্রহসন হয়েছে। যদিও বিজেপি প্রার্থী শাখারভ সরকার ভোট শান্তিপূর্ণ হয়েছে বলে দাবি করেছেন। বিকেল ৫টা পর্যন্ত রেজিনগরে ৭৮ শতাংশ ভোট পড়েছে।

অক্টোবর ০৬, ২০২৬
রাজ্য

বন্যপ্রাণী সপ্তাহে দীননাথ দাস বিদ্যালয়ে ফিটনেস ও পরিবেশ সচেতনতার পাঠ

ফিট ইন্ডিয়া থেকে মাইক্রোপ্লাস্টিকের বিপদশরীরচর্চা, কুইজ ও বন্যপ্রাণী পরিচিতির মাধ্যমে দিনভর শিক্ষামূলক কর্মসূচিবর্ধমান: শরীর সুস্থ রাখতে নিয়মিত শরীরচর্চা, আর পরিবেশ ও বন্যপ্রাণী রক্ষায় সচেতনতাদুই বার্তাকেই সামনে রেখে বর্ধমানের কাঞ্চননগর দীননাথ দাস উচ্চ বিদ্যালয়ে আয়োজিত হল একাধিক শিক্ষামূলক কর্মসূচি। ফিট ইন্ডিয়া ভাবনায় শরীরচর্চা ও ক্রীড়া প্রশিক্ষণের পাশাপাশি বন্যপ্রাণী সপ্তাহ উপলক্ষে বর্ধমান সায়েন্স সেন্টারে গিয়ে পরিবেশ, মাইক্রোপ্লাস্টিক এবং জীববৈচিত্র্য সম্পর্কে জানল বিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীরা।বিদ্যালয়ের শিক্ষক সঞ্জীব নন্দীর উদ্যোগে প্রথমে পড়ুয়াদের নিয়ে যাওয়া হয় বিদ্যালয়ের মাঠে। সারিবদ্ধভাবে দাঁড় করিয়ে বয়স অনুযায়ী বিভিন্ন শারীরিক অনুশীলনে অংশগ্রহণ করানো হয় তাদের। কাঠের ডাম্বেল দিয়ে নানা ধরনের ব্যায়াম ও ক্রীড়ামূলক প্রশিক্ষণের মাধ্যমে ছোটদের বোঝানো হয়, কীভাবে নিয়মিত শরীরচর্চার অভ্যাস গড়ে তুলে নিজেকে ফিট রাখা যায়।এরপর আয়োজন করা হয় বিভিন্ন দূরত্বের দৌড়। শেষপর্বে দল তৈরি করে ছাত্রছাত্রীরা অংশ নেয় কাবাডি খেলায়। শরীরচর্চার পাশাপাশি খেলাধুলার মাধ্যমে দলগত মানসিকতা, শৃঙ্খলা ও আত্মবিশ্বাস গড়ে তোলার বার্তাও দেওয়া হয়।বিদ্যালয়ের শিক্ষক অনিমেষ বর্মন বলেন, ফিটনেস কোনও সাময়িক বিষয় নয়, এটি ধারাবাহিক কর্তব্য। ছোট বয়স থেকেই স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনের অভ্যাস তৈরি করতে বিদ্যালয় বিশেষভাবে যত্নশীল।মাইক্রোপ্লাস্টিক নিয়ে সচেতনতার পাঠঅন্যদিকে, চলতি বন্যপ্রাণী সপ্তাহ উপলক্ষে বর্ধমান সায়েন্স সেন্টারে আয়োজিত বিভিন্ন অনুষ্ঠানে অংশ নেয় বিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীরা। শিক্ষক-শিক্ষিকাদের সঙ্গে সেখানে গিয়ে প্রথমেই মাইক্রোপ্লাস্টিকের ক্ষতিকর প্রভাব নিয়ে সচেতনতামূলক সেমিনারে অংশ নেয় পড়ুয়ারা।বিজ্ঞানীরা সহজ ভাষায় ব্যাখ্যা করেন, পরিবেশে মাইক্রোপ্লাস্টিকের বিস্তার কীভাবে জীবজগতের উপর প্রভাব ফেলছে। পরিবেশ দূষণ কমাতে সচেতন নাগরিক হিসেবে ছোটদের কী ভূমিকা থাকা উচিত, সেই বিষয়েও দেওয়া হয় গুরুত্বপূর্ণ বার্তা।এরপর বিভিন্ন বিষয়ের উপর আয়োজিত কুইজ প্রতিযোগিতায় উৎসাহের সঙ্গে অংশ নেয় বিদ্যালয়ের পড়ুয়ারা। সঠিক উত্তর দিয়ে বিভিন্ন শ্রেণির বেশ কয়েকজন ছাত্রছাত্রী পুরস্কারও অর্জন করে। ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্র অয়নাংশু পুরস্কার পেয়ে নিজের আনন্দের কথা জানায়।প্রকৃতিকে কাছ থেকে চেনার সুযোগসেমিনার ও কুইজের পর রমনার বাগানে নিয়ে যাওয়া হয় পড়ুয়াদের। সেখানে সায়েন্স সেন্টারের আধিকারিকরা বিভিন্ন পশুপাখির সঙ্গে তাদের পরিচয় করান। প্রাণীদের বৈশিষ্ট্য, পরিবেশে তাদের ভূমিকা এবং জীববৈচিত্র্য রক্ষার প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে পড়ুয়াদের বোঝানো হয়।শিক্ষক সামিম মণ্ডলের কথায়, ছোটদের কাছে আজকের শিক্ষামূলক ভ্রমণ ছিল অত্যন্ত আনন্দের। একইসঙ্গে তারা প্রকৃতি ও বন্যপ্রাণী সম্পর্কে বাস্তব অভিজ্ঞতা অর্জনের সুযোগ পেয়েছে।বিদ্যালয়ের রাষ্ট্রপতি পুরস্কারপ্রাপ্ত প্রধানশিক্ষক ড. সুভাষচন্দ্র দত্ত বলেন, বিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীরা নিয়মিত সায়েন্স সেন্টারের বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশ নেয় এবং বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় পুরস্কারও অর্জন করে। বন্যপ্রাণী সপ্তাহে সরকারের এই ধরনের উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে তিনি বলেন, পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য সম্পর্কে পড়ুয়াদের সচেতন করে তোলার এই প্রচেষ্টা জাতীয় শিক্ষানীতির লক্ষ্য পূরণেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।ফিটনেস, পরিবেশ সচেতনতা ও বন্যপ্রাণী সংরক্ষণতিনটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তাকে একসঙ্গে সামনে রেখে দীননাথ দাস উচ্চ বিদ্যালয়ের এই উদ্যোগ পড়ুয়াদের কাছে শুধু একটি অনুষ্ঠান নয়, হয়ে উঠল বাস্তব অভিজ্ঞতার মাধ্যমে শেখার এক অভিনব পাঠ। সমগ্র অনুষ্ঠানটি লিপিবদ্ধ করেন দীপ্ত সুন্দরবাবু।

অক্টোবর ০৬, ২০২৬
রাজ্য

এসআইআরে নাম বাদ? এবার ফের ভোটার তালিকায় ওঠার সুযোগ! কী করতে হবে, জানাল কমিশন

এসআইআর প্রক্রিয়ায় ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়া যোগ্য নাগরিকদের নাম ফের তোলার প্রক্রিয়া শুরু করল রাজ্য। জাতীয় নির্বাচন কমিশনের নির্দেশের পর সিইও দফতর এই প্রক্রিয়া শুরু করেছে। মঙ্গলবার অতিরিক্ত মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক অরিন্দম নিয়োগীর তরফে এ বিষয়ে নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে। অনুপস্থিত, স্থানান্তরিত, মৃত অথবা এএসডিডি তালিকায় থাকা কারণে যাঁদের নাম বাদ পড়েছে, তাঁদের মধ্যে যোগ্য ভোটারদের ফের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করার সুযোগ দেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি যাঁরা প্রথম বার ভোটার তালিকায় নাম তুলতে চান, তাঁরাও আবেদন করতে পারবেন।অর্থাৎ, এসআইআর প্রক্রিয়ায় নাম বাদ পড়লেও কেউ যদি এখনও ভোটার হওয়ার যোগ্য হন, তা হলে নতুন করে নাম তোলার আবেদন করতে পারবেন। এর জন্য অনলাইনে অথবা সংশ্লিষ্ট বিএলও-র কাছে ফর্ম ৬ জমা দেওয়া যাবে। সিইও দফতরের ওয়েবসাইটে বাদ পড়া ভোটারদের তালিকাও রাখা হয়েছে। সেই তালিকায় নিজের নাম রয়েছে কি না দেখে প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়ায় আবেদন করা যাবে।পাশাপাশি যাঁদের বয়স ১৮ বছর পূর্ণ হয়েছে, তাঁরাও নতুন ভোটার হিসেবে নাম তোলার আবেদন করতে পারবেন। অনলাইন এবং অফলাইনদুই পথেই আবেদন করার সুযোগ থাকছে। অর্থাৎ এসআইআরে বাদ পড়া যোগ্য ভোটারদের পাশাপাশি প্রথম বার ভোটার হতে চলা তরুণ-তরুণীদের জন্যও এই প্রক্রিয়া গুরুত্বপূর্ণ।এসআইআর প্রক্রিয়ার প্রাথমিক পর্বে রাজ্যে বিপুল সংখ্যক ভোটারের নাম নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল। সিইও দফতরের প্রকাশিত তথ্যেও এএসডিডি তালিকা এবং বাদ পড়া ভোটারদের তালিকা আলাদা করে প্রকাশ করা হয়েছে। সেই তালিকা দেখে যোগ্য ভোটারদের দাবি জানানোর সুযোগ রয়েছে।নির্বাচন কমিশনের সাম্প্রতিক নির্দেশ অনুযায়ী, এসআইআর শেষ হয়ে যাওয়া রাজ্যগুলিতে বাদ পড়া যোগ্য ভোটারদের ফের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করার জন্য বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। পশ্চিমবঙ্গও সেই প্রক্রিয়ার মধ্যে রয়েছে। কমিশনের বক্তব্য অনুযায়ী, এসআইআর চলাকালীন যাঁদের নাম তালিকায় ওঠেনি, অথচ তাঁরা যোগ্য ভোটার, তাঁদের জন্য ফের আবেদন করার সুযোগ রাখা হচ্ছে।এদিকে বাংলায় বেশ কিছু ভোটারের নাম নিয়ে ট্রাইব্যুনালে মামলা বিচারাধীন রয়েছে। যাঁদের নাম নিয়ে আপত্তি বা মামলা রয়েছে, তাঁদের ক্ষেত্রেও আদালত ও ট্রাইব্যুনালের নির্দেশ অনুযায়ী পরবর্তী পদক্ষেপ হবে। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে সংশ্লিষ্ট ট্রাইব্যুনালগুলির কাজ চলছে।তবে নতুন প্রক্রিয়ায় আবেদন করার শেষ তারিখের কথা মঙ্গলবারের নির্দেশিকায় উল্লেখ করা হয়নি। ফলে যাঁদের নাম এসআইআর প্রক্রিয়ায় বাদ পড়েছে, তাঁদের দ্রুত নিজেদের নাম সংশ্লিষ্ট তালিকায় রয়েছে কি না দেখে নেওয়া এবং প্রয়োজন হলে ফর্ম ৬-এর মাধ্যমে আবেদন করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। ভোটার তালিকায় নাম ফেরানোর এই নতুন প্রক্রিয়ায় এখন নজর থাকছে পরবর্তী নির্দেশের দিকে।

অক্টোবর ০৬, ২০২৬
দেশ

জ্ঞানেশকে সরানোর দাবি, এবার রাষ্ট্রপতির দ্বারস্থ রাহুল-মমতারা! চিঠিতে কী লিখল ইন্ডি জোট?

মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের অপসারণের দাবি নিয়ে এবার রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর দ্বারস্থ হতে চাইছে ইন্ডি জোট। রাষ্ট্রপতির সঙ্গে দেখা করার সময় চেয়ে চিঠি পাঠিয়েছেন জোটের নেতারা। বুধবার থেকে শুক্রবারের মধ্যে যে কোনও সময়ে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে দেখা করার জন্য সময় চাওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। তবে এখনও পর্যন্ত রাষ্ট্রপতি ভবনের তরফে সেই চিঠির কোনও জবাব দেওয়া হয়নি।বিশেষ করে এসআইআর প্রক্রিয়া নিয়ে বেশ কিছু দিন ধরেই নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে সরব বিরোধী দলগুলি। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন ইন্ডি জোটের একাধিক নেতা। তাঁকে পদ থেকে সরানোর দাবিও জানানো হয়েছে। এর আগে ইন্ডি জোটের নেতারা জ্ঞানেশ কুমারের অপসারণের দাবিতে যৌথ আন্দোলনের কর্মসূচি নিয়েছিলেন।রাষ্ট্রপতিকে লেখা চিঠিতে রাহুল গান্ধী, মল্লিকার্জুন খাড়্গে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, অখিলেশ যাদব, ওমর আবদুল্লা, শরদ পওয়ার, এম এ বেবি, তেজস্বী যাদব-সহ ইন্ডি জোটের একাধিক দলের শীর্ষ নেতার রাষ্ট্রপতির সঙ্গে দেখা করার ইচ্ছার কথা জানানো হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের কাজকর্ম নিয়ে তাঁদের অভিযোগ এবং মুখ্য নির্বাচন কমিশনারকে অপসারণের দাবি রাষ্ট্রপতির কাছে তুলে ধরতেই এই সাক্ষাতের সময় চাওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।এই চিঠি পাঠানোর ঘটনাটি এমন এক সময়ে ঘটল, যখন দিল্লিতে নির্বাচন কমিশনকে ঘিরে ইন্ডি জোটের বিক্ষোভ আরও তীব্র হয়েছে। মঙ্গলবার সংসদ চত্বর থেকে নির্বাচন কমিশনের দফতরের দিকে মিছিল করেন বিরোধী সাংসদরা। তাঁদের মিছিল মাঝপথে আটকে দেয় পুলিশ। পরে রাহুল গান্ধী, প্রিয়াঙ্কা গান্ধী-সহ একাধিক নেতা আকাশবাণী ভবন চত্বরে ধর্নায় বসেন।মিছিল আটকে দেওয়ার সময় রাহুল গান্ধী ব্যারিকেডের উপরে উঠে প্রতিবাদ জানান। পরে তিনি এবং প্রিয়াঙ্কা গান্ধী আকাশবাণী ভবনের ভিতরে ঢুকে গাছের তলায় বসে অবস্থান শুরু করেন। পুলিশ তাঁদের সরে যেতে বললেও তাঁরা ধর্না চালিয়ে যান। সন্ধ্যার পর তৃণমূল কংগ্রেসের সাংসদ ডেরেক ওব্রায়েন, মহুয়া মৈত্র-সহ আরও কয়েক জন বিরোধী নেতা সেখানে যোগ দেন। সমাজবাদী পার্টির নেতা অখিলেশ যাদবও পরে বিক্ষোভস্থলে ফিরে আসেন।প্রায় নঘণ্টা ধরে অবস্থানের পর শেষ পর্যন্ত পুলিশ আকাশবাণী ভবন চত্বরে গিয়ে বিক্ষোভকারীদের আটক করে। রাহুল গান্ধী, প্রিয়াঙ্কা গান্ধী এবং অন্য বিরোধী নেতাদের বাসে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়। এর আগে মিছিলের সময়ও একাধিক বিরোধী সাংসদকে আটক করা হয়েছিল।তবে এর মধ্যেই নির্বাচন কমিশনের তরফে পাল্টা বক্তব্য সামনে এসেছে। কমিশনের আধিকারিকদের দাবি, মুখ্য নির্বাচন কমিশনার বা অন্য নির্বাচন কমিশনারদের সঙ্গে দেখা করার জন্য কোনও রাজনৈতিক দলের তরফে আনুষ্ঠানিক আবেদন কমিশনে পৌঁছয়নি। ফলে বিরোধীরা কমিশনের সঙ্গে দেখা করতে চেয়েছিলেন কি না, সেই প্রশ্নে দুই পক্ষের বক্তব্যে ফারাক রয়েছে।এই পরিস্থিতিতে এবার রাষ্ট্রপতির সঙ্গে দেখা করার জন্য ইন্ডি জোটের আবেদন নতুন মাত্রা যোগ করেছে। রাষ্ট্রপতি ভবন থেকে চিঠির জবাব কবে আসে এবং রাহুল গান্ধী, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়-সহ বিরোধী নেতাদের সাক্ষাতের সময় দেওয়া হয় কি না, এখন সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

অক্টোবর ০৬, ২০২৬
দেশ

২৫ বছর একটানা সরকারের শীর্ষে মোদী! তাঁকে নিয়ে মন্ত্রিসভার প্রস্তাবে উঠে এল যে ১০ বড় দিক

সরকারের প্রধান হিসেবে একটানা ২৫ বছর পূর্ণ করলেন নরেন্দ্র মোদী। এই উপলক্ষে তাঁকে অভিনন্দন জানিয়ে প্রস্তাব পাশ করল কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা। মঙ্গলবারের সেই প্রস্তাবে শুধু দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের উল্লেখই নয়, গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী থেকে দেশের প্রধানমন্ত্রী হওয়া পর্যন্ত তাঁর নেতৃত্বের বিভিন্ন দিক তুলে ধরা হয়েছে। মন্ত্রিসভার দাবি, দেশ সবার আগে, নাগরিক সবার আগে নীতিকে সামনে রেখেই এই দীর্ঘ রাজনৈতিক যাত্রা এগিয়েছে।২০০১ সালের ৭ অক্টোবর প্রথম বার গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছিলেন মোদী। তার পর গুজরাটে টানা তিনটি বিধানসভা নির্বাচনে জয় এবং পরবর্তী সময়ে পরপর তিনটি লোকসভা নির্বাচনে বিজেপির নেতৃত্ব দেওয়ার প্রসঙ্গও মন্ত্রিসভার প্রস্তাবে উঠে এসেছে। কেন্দ্রের বক্তব্য, এই দীর্ঘ সময়ে তাঁর নেতৃত্বে গুজরাটে নেওয়া কিছু উদ্যোগ পরে জাতীয় স্তরেও প্রয়োগ করা হয়েছে।এর অন্যতম উদাহরণ হিসেবে উঠে এসেছে গুজরাটের স্বাগত কর্মসূচি। নাগরিকদের অভিযোগ সরাসরি শোনার জন্য এই ব্যবস্থা চালু করা হয়েছিল বলে মন্ত্রিসভার প্রস্তাবে উল্লেখ করা হয়েছে। পরে সেই অভিজ্ঞতা থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে চালু হয় প্রগতি। বিভিন্ন সরকারি দফতরের মধ্যে সমন্বয় করে আটকে থাকা প্রকল্পের সমস্যা মেটানো এবং কাজ দ্রুত এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে এই ব্যবস্থার কথা বলা হয়েছে। গুজরাটের কৃষিক্ষেত্রে বিদ্যুৎ সরবরাহের জন্য পৃথক ব্যবস্থা তৈরির জ্যোতিগ্রাম প্রকল্পের অভিজ্ঞতাকেও জাতীয় স্তরে কাজে লাগানোর কথা উল্লেখ করা হয়েছে।মন্ত্রিসভার প্রস্তাবে দরিদ্র মানুষের জীবনযাত্রার উন্নতির জন্য বিভিন্ন সরকারি প্রকল্পের কথাও তুলে ধরা হয়েছে। কেন্দ্রের দাবি অনুযায়ী, প্রায় ৬০ কোটি জনধন হিসাব খোলা হয়েছে, চার কোটির বেশি বাড়ি তৈরি হয়েছে এবং প্রায় ২৫ কোটি মানুষ বহুমাত্রিক দারিদ্র্য থেকে বেরিয়ে এসেছেন। তবে এই পরিসংখ্যানগুলি মন্ত্রিসভার প্রস্তাবে সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগের ফল হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে।মহিলা, কৃষক, যুবসমাজ এবং পিছিয়ে থাকা জনগোষ্ঠীর জন্য বিভিন্ন উদ্যোগের কথাও রয়েছে প্রস্তাবে। কেন্দ্রের হিসাবে, প্রায় সাড়ে তিন কোটি মহিলা লাখপতি দিদি কর্মসূচির আওতায় আর্থিক ভাবে স্বনির্ভর হয়েছেন। আইনসভায় মহিলাদের জন্য আসন সংরক্ষণের সাংবিধানিক ব্যবস্থা এবং কৃষকদের জন্য প্রধানমন্ত্রী কিষান সম্মান নিধির মতো প্রকল্পের কথাও সেখানে উল্লেখ করা হয়েছে। পাশাপাশি, বিশেষ ভাবে দুর্বল জনজাতি গোষ্ঠীর উন্নয়নে প্রধানমন্ত্রী জনমন কর্মসূচির কথাও তুলে ধরা হয়েছে।সংস্কারের প্রসঙ্গও বিশেষ ভাবে এসেছে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার প্রস্তাবে। পণ্য ও পরিষেবা কর চালু, সরকারি প্রকল্পের সুবিধা সরাসরি মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থায় পরিবর্তন এবং পুরনো ঔপনিবেশিক আইন বদলের মতো পদক্ষেপকে দীর্ঘমেয়াদি সংস্কারের উদাহরণ হিসেবে দেখানো হয়েছে। পরিচ্ছন্নতা, ডিজিটাল লেনদেন এবং দেশীয় পণ্য ব্যবহারের উপর জোর দেওয়ার কথাও প্রস্তাবে উল্লেখ রয়েছে।পরিকাঠামো ও উৎপাদন ক্ষেত্রের অগ্রগতির দাবিও রয়েছে মন্ত্রিসভার প্রস্তাবে। কেন্দ্র জানিয়েছে, সরকারি মূলধনী ব্যয় ২০০১ সালের প্রায় দুই লক্ষ কোটি টাকা থেকে বেড়ে এখন ১২ লক্ষ কোটি টাকার বেশি হয়েছে। জাতীয় সড়ক সম্প্রসারণ, রেলপথের বৈদ্যুতিকীকরণ এবং উৎপাদন ক্ষেত্রে বিনিয়োগ বৃদ্ধির কথাও তুলে ধরা হয়েছে। ইলেকট্রনিক্স উৎপাদনের পরিমাণও প্রায় দুই লক্ষ কোটি টাকা থেকে বেড়ে ১৩ লক্ষ কোটি টাকার বেশি হয়েছে বলে প্রস্তাবে দাবি করা হয়েছে।প্রযুক্তির ব্যবহারকেও মোদীর ২৫ বছরের নেতৃত্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দিক হিসেবে তুলে ধরেছে মন্ত্রিসভা। জনধন হিসাব, আধার এবং মোবাইল সংযোগের মাধ্যমে সরকারি পরিষেবা পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা, ডিজিটাল লেনদেনে নতুন পরিকাঠামো এবং প্রযুক্তিনির্ভর পরিষেবার প্রসঙ্গ রয়েছে প্রস্তাবে। পাশাপাশি দেশের নিজস্ব কোভিড টিকা তৈরি এবং চন্দ্রযান-৩-এর সফল অবতরণকে ভারতের বৈজ্ঞানিক সক্ষমতার উদাহরণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, কোয়ান্টাম প্রযুক্তি এবং জৈবপ্রযুক্তির মতো ক্ষেত্রেও কাজ এগোনোর কথা বলা হয়েছে।সব মিলিয়ে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার প্রস্তাবে মোদীর ২৫ বছরের রাজনৈতিক যাত্রাকে গুজরাটের প্রশাসন থেকে জাতীয় নেতৃত্ব পর্যন্ত একটি ধারাবাহিক পর্ব হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে। গরিব মানুষের জন্য কল্যাণমূলক প্রকল্প, মহিলা ও কৃষকের ক্ষমতায়ন, পরিকাঠামো, প্রযুক্তি, বিজ্ঞান এবং প্রশাসনিক সংস্কারএই বিভিন্ন ক্ষেত্রকেই সেই দীর্ঘ নেতৃত্বের গুরুত্বপূর্ণ দিক হিসেবে চিহ্নিত করেছে কেন্দ্র।

অক্টোবর ০৬, ২০২৬
দেশ

ব্যারিকেড টপকে আকাশবাণী ভবন, ঘণ্টার পর ঘণ্টা ধর্না, শেষে রাহুল-প্রিয়াঙ্কাদের আটক!

ইন্ডিয়া জোটের বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে মঙ্গলবার দিনভর উত্তপ্ত থাকল রাজধানী দিল্লি। সংসদ চত্বর থেকে নির্বাচন কমিশনের দফতরের দিকে মিছিল নিয়ে যাওয়ার পথে বিরোধী সাংসদদের আটকে দেয় পুলিশ। এরপর একের পর এক নাটকীয় মোড় নেয় পরিস্থিতি। শেষ পর্যন্ত আকাশবাণী ভবনে ঘণ্টার পর ঘণ্টা ধর্নায় বসে থাকার পর রাহুল গান্ধী, প্রিয়াঙ্কা গান্ধী-সহ কংগ্রেসের একাধিক নেতা ও অন্যান্য বিরোধী নেতাকে আটক করে পুলিশ।মঙ্গলবার দুপুরে সংসদ চত্বর থেকে নির্বাচন কমিশনের দিকে মিছিল শুরু করেছিলেন ইন্ডিয়া জোটের সাংসদরা। তাঁদের অন্যতম দাবি ছিল মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ। মিছিল আটকে দেওয়া হলে রাহুল গান্ধী ব্যারিকেডের উপরে উঠে প্রতিবাদ জানান। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, ডেরেক ওব্রায়েন, মহুয়া মৈত্র-সহ একাধিক বিরোধী নেতাকে আটক করা হয়।এর পরেও থামেননি রাহুল। প্রিয়াঙ্কা গান্ধী এবং কয়েক জন নেতাকে সঙ্গে নিয়ে তিনি আকাশবাণী ভবনের ভিতরে ঢুকে পড়েন। সেখানে একটি গাছের তলায় বসেই ধর্না শুরু করেন তাঁরা। পুলিশ তাঁদের সরে যেতে বললেও রাহুল-প্রিয়াঙ্কারা তা মানেননি। নির্বাচন কমিশনের দফতরে যাওয়ার অনুমতি না দেওয়া পর্যন্ত তাঁরা অবস্থান চালিয়ে যাবেন বলে জানান।সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে ধর্নার পরিসরও বাড়ে। রাতের দিকে তৃণমূল কংগ্রেসের সাংসদ ডেরেক ওব্রায়েন এবং মহুয়া মৈত্র-সহ আরও কয়েক জন নেতা সেখানে পৌঁছে ধর্নায় যোগ দেন। সমাজবাদী পার্টির নেতা অখিলেশ যাদবও লখনউ যাওয়ার পথে ফিরে এসে বিক্ষোভস্থলে পৌঁছন বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।প্রায় আট থেকে নয় ঘণ্টা ধরে অবস্থান চলার পর রাতে পুলিশ আকাশবাণী ভবন চত্বরে ঢোকে। একে একে রাহুল গান্ধী, প্রিয়াঙ্কা গান্ধী এবং অন্য বিক্ষোভকারীদের আটক করে বাসে তোলা হয়। ডেরেক ওব্রায়েনকেও ফের আটক করা হয়। এর আগে দিনের প্রথম পর্বে নির্বাচন কমিশনের দিকে মিছিলের সময়ও তাঁকে আটক করা হয়েছিল।তবে এই বিক্ষোভের মধ্যেই নির্বাচন কমিশনের তরফে আলাদা দাবি সামনে এসেছে। কমিশনের আধিকারিকদের বক্তব্য, মুখ্য নির্বাচন কমিশনার বা অন্য নির্বাচন কমিশনারদের সঙ্গে দেখা করার জন্য কোনও রাজনৈতিক দল আগাম কোনও আনুষ্ঠানিক আবেদন করেনি। ফলে রাহুল-প্রিয়াঙ্কাদের সঙ্গে কমিশনের বৈঠক না হওয়ার প্রশ্নে দুই পক্ষের বক্তব্যে স্পষ্ট ফারাক তৈরি হয়েছে।দিনভর ব্যারিকেড, আটক, আকাশবাণী ভবনে ধর্না এবং পরে পুলিশের পদক্ষেপ ঘিরে রাজধানীর রাজনৈতিক পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে বিরোধীদের অভিযোগ এবং কমিশনের পাল্টা বক্তব্যদুই মিলিয়ে এই ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক চাপানউতোর আরও বাড়ল।

অক্টোবর ০৬, ২০২৬
রাজ্য

প্রায় ৮০ শতাংশ ভোট, কিন্তু উঠল ‘ভোটলুট’-এর অভিযোগ! নন্দীগ্রাম-রেজিনগরে কী ঘটল?

নন্দীগ্রাম এবং রেজিনগর উপনির্বাচনে মঙ্গলবার সকাল থেকেই ছিল ভোটারদের ভিড়। ভোটের হারও নজর কেড়েছে। নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, বিকেল ৫টা পর্যন্ত নন্দীগ্রামে ৭৯.৩৯ শতাংশ এবং রেজিনগরে ৭৮.৪২ শতাংশ ভোট পড়েছে। দুই কেন্দ্রেই বিপুল সংখ্যক মানুষ ভোট দিতে বেরিয়েছেন। তবে ভোটের হার বেশি হলেও অভিযোগ-পাল্টা অভিযোগে দিনভর উত্তপ্ত থেকেছে দুই কেন্দ্র। বিরোধী দলগুলির একাংশ ভোটে অনিয়ম ও রিগিংয়ের অভিযোগ তুলে পুনর্নির্বাচনের দাবি জানিয়েছে। বিজেপি অবশ্য সেই অভিযোগ অস্বীকার করেছে।রেজিনগরে ভোট শুরু হওয়ার পরই উত্তেজনা তৈরি হয়। আম জনতা উন্নয়ন পার্টির প্রধান হুমায়ুন কবীর পুলিশের বিরুদ্ধে ভোটে হস্তক্ষেপের অভিযোগ তোলেন। পুলিশের সঙ্গে তাঁর বচসার পর তাঁকে আটক করা হয় এবং পরে গ্রেফতার করা হয় বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে জানা যায়। নির্বাচন কমিশনের তরফেও এই ঘটনার বিষয়ে জেলা প্রশাসনের কাছে রিপোর্ট চাওয়া হয়েছে।হুমায়ুনের গ্রেফতারির পর রেজিনগরে রাজনৈতিক চাপানউতোর আরও বাড়ে। কংগ্রেস-সহ বিরোধী দলগুলির অভিযোগ, বেশ কিছু বুথে তাঁদের এজেন্টদের বসতে দেওয়া হয়নি। ভোটে অনিয়মের অভিযোগ তুলে রেজিনগরে পুনর্নির্বাচনের দাবি জানানো হয়। কংগ্রেসের তরফে এই দাবিতে বিক্ষোভও দেখানো হয়েছে।নন্দীগ্রামেও একই ধরনের অভিযোগ সামনে এসেছে। কংগ্রেসের প্রার্থী মিলন প্রধানের অভিযোগ, কয়েকটি বুথে দলের এজেন্টদের বসতে দেওয়া হয়নি। বিরোধীদের তরফে কোথাও কোথাও ভোটে অনিয়ম এবং এজেন্টদের সরিয়ে দেওয়ার অভিযোগ তোলা হয়েছে। বাম ও আইএসএফের তরফেও অভিযোগের কথা সামনে এসেছে। তবে এই সমস্ত অভিযোগকে বিজেপি নস্যাৎ করেছে।অন্যদিকে, নন্দীগ্রামে ভোট দেওয়ার পর মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী দাবি করেন, এবারের ফলাফলে বড় ব্যবধান দেখা যেতে পারে। বিজেপি প্রার্থী হাসিরানি রথ তাঁর আগের জয়ের ব্যবধান ছাপিয়ে যেতে পারেন বলেও মন্তব্য করেন তিনি। তবে এই দাবি ফল প্রকাশের পরেই যাচাই হবে। নন্দীগ্রামে ৫টা পর্যন্ত প্রায় ৮০ শতাংশ ভোট পড়ায় উপনির্বাচনের নিরিখে ভোটদানের হার নিয়ে বিশেষ চর্চা শুরু হয়েছে।রেজিনগরেও ভোটের হার ৭৮ শতাংশের বেশি। বিপুল ভোট পড়ার পাশাপাশি বিরোধীদের পুনর্নির্বাচনের দাবি ঘিরে নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্ক তৈরি হয়েছে। বিরোধীদের অভিযোগ, ভোটের পরিবেশ নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। বিজেপি পাল্টা দাবি করেছে, ভোটগ্রহণ শান্তিপূর্ণভাবেই হয়েছে এবং বিরোধীদের অভিযোগ ভিত্তিহীন।এই দুই কেন্দ্রের উপনির্বাচন ছিল ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের পর বাংলায় প্রথম বড় নির্বাচনী পরীক্ষা। নন্দীগ্রাম আসনটি মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী ছেড়ে দেওয়ার পর এবং রেজিনগর আসনটি হুমায়ুন কবীর ছেড়ে দেওয়ার কারণে উপনির্বাচন হয়। মঙ্গলবার ভোটগ্রহণ শেষ হয়েছে। এখন নজর শুক্রবারের ফলাফলের দিকে। তার আগে দুই কেন্দ্রে বিপুল ভোটের হার এবং বিরোধীদের পুনর্নির্বাচনের দাবিদুই-ই রাজনৈতিক আলোচনার কেন্দ্রে।

অক্টোবর ০৬, ২০২৬
কলকাতা

‘এত তাড়াহুড়ো করে নিরাপত্তা কেন তুলে নেওয়া হল?’ অভিষেকের মামলা শুনে প্রশ্ন বিচারপতির

তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নিরাপত্তা কমিয়ে দেওয়ার অভিযোগ নিয়ে কলকাতা হাই কোর্টে মঙ্গলবার গুরুত্বপূর্ণ শুনানি হল। অভিষেকের আইনজীবীর দাবি, বর্তমানে হোমগার্ড ছাড়া তাঁর সঙ্গে কোনও অতিরিক্ত নিরাপত্তারক্ষী নেই। এই মামলায় রাজ্যের কাছে রিপোর্ট চেয়েছে আদালত। বিচারপতি কৃষ্ণা রাও নির্দেশ দিয়েছেন, নিরাপত্তা কমানোর সিদ্ধান্তের কারণ-সহ বিস্তারিত তথ্য রাজ্যকে জানাতে হবে। আগামী ১৩ অক্টোবর এই মামলার পরবর্তী শুনানি।আদালতে অভিষেকের হয়ে সওয়াল করতে গিয়ে আইনজীবী শঙ্করনারায়ণ জানান, ২০১৩ সালে অভিষেককে ওয়াই শ্রেণির নিরাপত্তা দেওয়া হয়েছিল। পরের বছর তা বাড়িয়ে ওয়াই প্লাস করা হয়। ২০১৫ সালে জেড এবং ২০১৬ সালে জেড প্লাস শ্রেণির নিরাপত্তা দেওয়া হয়েছিল বলে আদালতে জানানো হয়। আইনজীবীর দাবি, ২০২৬ সালের নির্বাচনের পর ১০ মে আচমকাই অভিষেকের জেড প্লাস নিরাপত্তা প্রত্যাহার করা হয়। এই সিদ্ধান্তের আগে তাঁকে কোনও নোটিস দেওয়া হয়নি বলেও আদালতে দাবি করা হয়েছে।আইনজীবীর বক্তব্য অনুযায়ী, জেড প্লাস নিরাপত্তা তুলে নেওয়ার পরে নিরাপত্তার মাত্রা এক ধাক্কায় অনেকটাই কমে যায়। তাঁর দাবি, মাত্র দুজন নিরাপত্তাকর্মী দেওয়া হয়েছিল। এর কিছু দিনের মধ্যেই সোনারপুরে অভিষেকের উপর হামলার ঘটনা ঘটে বলে আদালতে জানানো হয়। তার পরেও আরও কয়েকটি হামলার অভিযোগ ওঠে। বিমানবন্দর, ডায়মন্ড হারবার এবং ক্যামাক স্ট্রিটে তাঁর কার্যালয়কে ঘিরেও হামলার ঘটনা ঘটেছে বলে আইনজীবী আদালতে দাবি করেন। অতীতে অভিষেকের চোখে গুরুতর আঘাতের ঘটনাও ঘটেছিল বলে সওয়ালে উল্লেখ করা হয়।শুনানির সময় নিরাপত্তা কমানোর সিদ্ধান্তের ভিত্তি নিয়ে প্রশ্ন তোলেন বিচারপতি কৃষ্ণা রাও। আদালত জানতে চায়, নিরাপত্তা প্রত্যাহারের নির্দেশ কোথায় এবং কোন পরিস্থিতিতে এত দ্রুত নিরাপত্তা কমানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। একাধিক হামলার অভিযোগ ওঠার পর ভবিষ্যতে কোনও ঘটনা ঘটলে তার দায় কে নেবে, সেই প্রশ্নও তোলেন বিচারপতি। পাথর ছোড়ার মতো ঘটনায় কারও গুরুতর আঘাত লাগতে পারে বলেও আদালত সতর্ক করে।এর আগে অভিষেকের পক্ষ থেকে আদালতে অভিযোগ করা হয়েছিল, বিধানসভা নির্বাচনের পর তাঁর নিরাপত্তা ব্যবস্থা কমিয়ে দেওয়া হয়েছে। বাড়ির সামনে থাকা পুলিশ কিয়স্কও সরিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে তাঁর পক্ষ থেকে জানানো হয়। এই পরিস্থিতিতে নিরাপত্তা পুনর্বহালের আবেদন জানিয়ে কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হন তিনি।মঙ্গলবারের শুনানিতে রাজ্যের তরফে মামলার বিষয়ে রিপোর্ট দেওয়ার জন্য সময় চাওয়া হয়। আদালত সেই রিপোর্ট তলব করেছে। আগামী ১৩ অক্টোবর মামলাটির পরবর্তী শুনানিতে নিরাপত্তা কমানোর সিদ্ধান্ত, তার ভিত্তি এবং পরবর্তী সময়ে অভিষেকের নিরাপত্তা নিয়ে কী পদক্ষেপ করা হয়েছিল, সে বিষয়ে রাজ্যের বক্তব্য গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।

অক্টোবর ০৬, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal