• ৬ আষাঢ় ১৪৩৩, মঙ্গলবার ২৩ জুন ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Weather Update

রাজ্য

তীব্র গরমের পর বড়সড় বদল, নিম্নচাপের জেরে টানা বৃষ্টি বাংলাজুড়ে

ভ্যাপসা গরমের মধ্যে অবশেষে স্বস্তির খবর। হাওয়া অফিস জানিয়েছে, একটি নিম্নচাপের প্রভাবে রবিবার থেকেই দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় ঝড়-বৃষ্টি শুরু হবে। এর সঙ্গে বজ্রপাত এবং কোথাও কোথাও শিলাবৃষ্টির সম্ভাবনাও রয়েছে। উত্তরবঙ্গেও বৃষ্টির প্রভাব পড়বে।আবহাওয়া দপ্তরের মতে, বিহার থেকে মণিপুর পর্যন্ত একটি নিম্নচাপ অক্ষরেখা বিস্তৃত রয়েছে। এই অক্ষরেখা উত্তরবঙ্গ, অসম এবং বাংলাদেশের উপর দিয়ে গিয়েছে। একই সঙ্গে বঙ্গোপসাগর থেকে প্রচুর জলীয় বাষ্প ঢুকছে রাজ্যে। এই কারণেই আকাশে বজ্রগর্ভ মেঘ তৈরি হয়েছে এবং তার প্রভাবেই ঝড়-বৃষ্টির পরিস্থিতি তৈরি হচ্ছে।জানা গিয়েছে, রবিবার থেকে শুরু হয়ে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত রাজ্যের প্রায় সব জেলাতেই মাঝে মাঝে বৃষ্টি চলবে। তবে মঙ্গলবার এবং বুধবার বৃষ্টির পরিমাণ ও প্রভাব আরও বাড়বে। মঙ্গলবার পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান, বীরভূম এবং মুর্শিদাবাদ জেলায় কালবৈশাখীর সম্ভাবনা রয়েছে। সেই সময় ঝড়ের গতি ঘণ্টায় ৫০ থেকে ৬০ কিলোমিটার পর্যন্ত হতে পারে।বুধবার পূর্ব বর্ধমান, হাওড়া, হুগলি, নদিয়া এবং উত্তর ২৪ পরগনা জেলায় ঝড়-বৃষ্টির তীব্রতা বেশি থাকবে বলে পূর্বাভাস।অন্যদিকে, রবিবার এবং সোমবার দার্জিলিং, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার এবং জলপাইগুড়ি জেলায় ৩০ থেকে ৫০ কিলোমিটার গতিতে ঝোড়ো হাওয়ার সঙ্গে বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। মঙ্গলবার ও বুধবার উত্তরবঙ্গের সব জেলাতেই হালকা থেকে মাঝারি ঝড়-বৃষ্টি হতে পারে। কিছু এলাকায় কালবৈশাখীর আশঙ্কাও রয়েছে এবং ঝড়ের গতি ৫০ থেকে ৬০ কিলোমিটার পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে।বিশেষ করে দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি এবং কোচবিহার জেলায় শিলাবৃষ্টি ও বজ্রপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। ভারী বৃষ্টির কারণে আলিপুরদুয়ার এবং জলপাইগুড়ি জেলায় জল জমার পরিস্থিতিও তৈরি হতে পারে।

এপ্রিল ০৫, ২০২৬
রাজ্য

চৈত্রেই আগুন ঝরছে! চল্লিশ পেরোল তাপমাত্রা, বৈশাখে কী হবে ভেবে আতঙ্কে বঙ্গবাসী

এপ্রিলের শুরুতেই তীব্র গরমে নাজেহাল রাজ্যবাসী। সকাল থেকেই চড়া রোদ, বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাড়ছে তাপমাত্রা। ইতিমধ্যেই অনেক জায়গায় পারদ ৪০ ডিগ্রি ছুঁয়ে ফেলেছে। চৈত্র মাসেই এমন পরিস্থিতি তৈরি হওয়ায় বৈশাখে কী হবে তা নিয়ে চিন্তায় সাধারণ মানুষ।আবহাওয়া দফতরের তথ্য অনুযায়ী, রাজ্যের একাধিক জেলায় তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রির গণ্ডি পেরিয়েছে। পানাগড়ে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা পৌঁছেছে ৪০.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। বাঁকুড়াতেও তাপমাত্রা ছিল প্রায় ৪০ ডিগ্রি। দমদমে তাপমাত্রা ছিল ৩৮ ডিগ্রির কাছাকাছি এবং কলকাতায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল প্রায় ৩৬ ডিগ্রি।শনিবারও দিনভর গরম ও আর্দ্র আবহাওয়া বজায় থাকবে বলে জানিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর। কলকাতার আকাশ আংশিক মেঘলা থাকবে। বিকেল বা সন্ধ্যার দিকে আবহাওয়ার কিছুটা পরিবর্তন হতে পারে। আজ শহরের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা প্রায় ৩৭ ডিগ্রি এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রা প্রায় ২৮ ডিগ্রির আশপাশে থাকতে পারে।আজ কলকাতার পাশাপাশি হাওড়া, হুগলি, উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগণা এবং পূর্ব মেদিনীপুরে শুষ্ক আবহাওয়া থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। অন্যদিকে পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, বীরভূম, মুর্শিদাবাদ এবং পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান জেলায় বিক্ষিপ্তভাবে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।উত্তরবঙ্গের দার্জিলিং, কালিম্পং, জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার ও কোচবিহারেও হালকা বৃষ্টি এবং কোথাও কোথাও বজ্রবিদ্যুৎসহ বৃষ্টির সম্ভাবনার কথা জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর।তবে পশ্চিমী ঝঞ্ঝার প্রভাবে শীঘ্রই আবহাওয়ার পরিবর্তনের আশা করা হচ্ছে। শনিবার থেকেই পশ্চিমাঞ্চলের জেলাগুলিতে বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। রবিবার থেকে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত ঝড়-বৃষ্টির জোরালো সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানা গিয়েছে। এই বৃষ্টির জেরে তাপমাত্রা তিন থেকে চার ডিগ্রি পর্যন্ত কমতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

এপ্রিল ০৪, ২০২৬
রাজ্য

চমকে দেবে আবহাওয়া! ঝড় কমতেই তাপের দাপট, দক্ষিণবঙ্গে ফের তীব্র গরমের আশঙ্কা

আকাশ এখন মেঘলা থাকলেও ধীরে ধীরে দক্ষিণবঙ্গে ঝড়-বৃষ্টির পরিমাণ কিছুটা কমতে পারে বলে জানাচ্ছে আবহাওয়া দফতর। তবে এর মধ্যেই বাড়তে শুরু করবে তাপমাত্রা। পশ্চিমের জেলাগুলিতে এপ্রিলের প্রথম সপ্তাহেই তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছুঁতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। ফলে গরম ও অস্বস্তিকর আবহাওয়া তৈরি হতে চলেছে।তবে বৃষ্টির হাত থেকে পুরোপুরি রেহাই মিলবে না। মঙ্গলবার গোটা দক্ষিণবঙ্গেই হলুদ সতর্কতা জারি করা হয়েছে। বজ্রবিদ্যুৎসহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। সঙ্গে ঘণ্টায় ৪০ থেকে ৫০ কিলোমিটার বেগে দমকা হাওয়া বইতে পারে।সোমবার পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, পশ্চিম মেদিনীপুর এবং ঝাড়গ্রাম-সহ পশ্চিমের কিছু জেলায় হালকা ঝড়-বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। এই সময় বজ্রবিদ্যুৎসহ বৃষ্টি এবং ঘণ্টায় ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে। তবে বুধবার থেকে ধীরে ধীরে ঝড়-বৃষ্টির পরিমাণ কমবে এবং তাপমাত্রা বাড়তে শুরু করবে।শুক্র ও শনিবারের মধ্যে কলকাতার তাপমাত্রা ৩৬ থেকে ৩৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছাতে পারে। বর্তমানে শহরের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৫ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং আগের দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩১ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ বা আপেক্ষিক আর্দ্রতা ৫৩ থেকে ৯২ শতাংশের মধ্যে থাকছে, ফলে অস্বস্তি আরও বাড়তে পারে।উত্তরবঙ্গেও আবহাওয়ার পরিস্থিতি বেশ অস্থির। মঙ্গলবার সেখানে কমলা সতর্কতা জারি করা হয়েছে। কালিম্পং, জলপাইগুড়ি এবং আলিপুরদুয়ারে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। পাশাপাশি বজ্রবিদ্যুৎসহ বৃষ্টির সঙ্গে ঘণ্টায় ৪০ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে দমকা হাওয়া বইতে পারে। দার্জিলিং এবং জলপাইগুড়িতে ঝোড়ো হাওয়ার গতিবেগ সর্বোচ্চ ৬০ কিলোমিটার পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে। মালদহ-সহ অন্যান্য জেলাতেও ৪০ থেকে ৫০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে।তবে বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার থেকে উত্তরবঙ্গেও ধীরে ধীরে ঝড়-বৃষ্টির পরিমাণ কমতে পারে বলে জানা যাচ্ছে।

মার্চ ২৯, ২০২৬
রাজ্য

আবার ফিরছে তাণ্ডব! ঝড়-বৃষ্টিতে কাঁপবে বাংলা, একাধিক জেলায় কমলা সতর্কতা

বৃহস্পতিবার বিকেলে খারাপ আবহাওয়ার জেরে হঠাৎই ঝড়-বৃষ্টির তাণ্ডব দেখেছিল রাজ্যবাসী। প্রবল ঝড়ো হাওয়া ও বৃষ্টির কারণে পরিস্থিতি এতটাই খারাপ হয়ে উঠেছিল যে মুখ্যমন্ত্রীর বিমান অবতরণ করতেও সমস্যায় পড়ে। সেই ঘটনার পর ফের একই রকম দুর্যোগের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে রাজ্যের বিভিন্ন জেলায়।আলিপুর আবহাওয়া দফতর আগেই জানিয়ে দিয়েছিল যে শুক্রবার থেকে রাজ্যে ঝড়-বৃষ্টির পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে। এবার একাধিক জেলার জন্য কমলা সতর্কতা জারি করা হয়েছে। আবহাওয়াবিদদের মতে, পশ্চিমী ঝঞ্ঝার প্রভাবে বৃষ্টির অনুকূল পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। ফলে আগামী কয়েকদিন রাজ্যজুড়ে ঝড়-বৃষ্টি চলবে বলে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। রবিবার পর্যন্ত এই সতর্কতা জারি থাকবে।শুক্রবার পশ্চিমাঞ্চলের বাঁকুড়া, পুরুলিয়া, ঝাড়গ্রাম ও আশপাশের এলাকায় কালবৈশাখীর জন্য কমলা সতর্কতা জারি করা হয়েছে। অন্যদিকে কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের বিস্তীর্ণ এলাকায় হলুদ সতর্কতা জারি হয়েছে। দমকা হাওয়ার গতি ঘণ্টায় ৫০ থেকে ৬০ কিলোমিটার পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে। পাশাপাশি বজ্রপাতের আশঙ্কাও রয়েছে। কোথাও কোথাও শিলাবৃষ্টিও হতে পারে বলে সতর্ক করা হয়েছে।উত্তরবঙ্গেও একই পরিস্থিতির সম্ভাবনা রয়েছে। গত কয়েকদিন ধরে দার্জিলিং, কালিম্পং, জলপাইগুড়ি জেলায় দফায় দফায় বৃষ্টি হয়েছে। শুক্রবার ও শনিবার ওই সব এলাকায় ভারী বৃষ্টির জন্য কমলা সতর্কতা জারি করা হয়েছে। বিশেষ করে দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি ও আলিপুরদুয়ারে বেশি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবার দমদম এলাকায় প্রায় পনেরো কিলোমিটার উঁচু উলম্ব মেঘ তৈরি হয়েছিল। তার জেরেই আচমকা ঝড়-বৃষ্টি শুরু হয় এবং প্রায় এক ঘণ্টা ধরে তাণ্ডব চলে। প্রবল হাওয়ায় অনেক জায়গায় ক্ষয়ক্ষতির খবরও পাওয়া যায়। এবার সেই রকম পরিস্থিতি আবার তৈরি হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। ফলে আগাম সতর্ক থাকার পরামর্শ দিচ্ছেন আবহাওয়াবিদরা।

মার্চ ২৭, ২০২৬
রাজ্য

আজ রোদ, কাল ঝড়! আবার ফিরছে বৃষ্টির তাণ্ডব, সতর্ক করল আবহাওয়া দফতর

উইকএন্ড জুড়ে বৃষ্টির পর নতুন সপ্তাহের শুরুতেই আকাশ পরিষ্কার এবং রোদ ঝলমলে। তবে এই রোদ দেখে নিশ্চিন্ত হওয়ার সুযোগ নেই বলেই জানাচ্ছে আবহাওয়া দফতর। আলিপুর আবহাওয়া অফিসের পূর্বাভাস অনুযায়ী, সপ্তাহের শেষের দিকে আবারও ঝড়-বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে রাজ্য জুড়ে।গত সপ্তাহে পশ্চিমী ঝঞ্ঝার প্রভাবে বাংলার বিভিন্ন জেলায় বৃষ্টি হয়েছিল, যা চৈত্রের গরমে কিছুটা স্বস্তি এনে দেয়। আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, সেই প্রভাব এখনও পুরোপুরি কাটেনি। নতুন করে আরও একটি পশ্চিমী ঝঞ্ঝা তৈরি হচ্ছে, যার জেরেই আবারও বৃষ্টি হতে পারে। বিশেষ করে শুক্র ও শনিবার রাজ্যের বেশিরভাগ জেলায় হলুদ সতর্কতা জারি করা হয়েছে। দমকা হাওয়া, বজ্রপাত এবং মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনার কথা বলা হয়েছে।এদিকে বৃষ্টি থাকলেও তাপমাত্রা ধীরে ধীরে বাড়বে। আগামী চার দিনে রাজ্যে চার থেকে ছয় ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত তাপমাত্রা বাড়তে পারে। তবে এখনই তীব্র গরমের আশঙ্কা নেই বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর।আজ কলকাতার আকাশ আংশিক মেঘলা থাকবে। সর্বোচ্চ তাপমাত্রা প্রায় ৩১ ডিগ্রি এবং সর্বনিম্ন ২২ ডিগ্রি থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। বাতাসে আর্দ্রতার পরিমাণ থাকবে ৫৪ থেকে ৯৫ শতাংশের মধ্যে। আজ কলকাতায় বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই। হাওড়া, হুগলি এবং উত্তর ২৪ পরগণাতেও আবহাওয়া শুষ্ক থাকবে।তবে দক্ষিণ ২৪ পরগণা, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর এবং ঝাড়গ্রামে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। সেখানে বজ্রবিদ্যুৎসহ বৃষ্টি হতে পারে।উত্তরবঙ্গেও আজ বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। দার্জিলিং, কালিম্পং, জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার এবং কোচবিহারে বজ্রবিদ্যুৎসহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে। তবে উত্তরবঙ্গের নিচের দিকের কিছু জেলায় আবহাওয়া তুলনামূলক শুষ্ক থাকবে। সপ্তাহের শেষে উত্তরবঙ্গেও আবার বৃষ্টি বাড়তে পারে বলে জানানো হয়েছে।

মার্চ ২৩, ২০২৬
রাজ্য

চৈত্রে শীতের কামড়! এক ধাক্কায় ১১ ডিগ্রি কমে তাপমাত্রা, কাঁপছে বাংলা

চৈত্র মাসের শুরুতেই বাংলার আবহাওয়ায় বড় পরিবর্তন দেখা দিয়েছে। গরমের বদলে হঠাৎ করেই ফিরে এসেছে শীতের আমেজ। কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের বহু জায়গায় রাতে আবার কম্বল টানতে হয়েছে মানুষকে। ঘূর্ণাবর্তের প্রভাবে টানা ঝড়বৃষ্টি হওয়ায় তাপমাত্রা এক ধাক্কায় অনেকটাই নেমে গিয়েছে।শুক্রবার রাত থেকে কলকাতা এবং দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টি হয়েছে। তার প্রভাব পড়েছে তাপমাত্রায়। প্রথমে প্রায় পাঁচ ডিগ্রি কমার পর শনিবার তা আরও কমে গিয়ে মোট প্রায় এগারো ডিগ্রি নেমে গিয়েছে বলে জানা গিয়েছে। শহরের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা নেমে এসেছে তেইশ দশমিক দুই ডিগ্রিতে এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল উনিশ দশমিক সাত ডিগ্রি।আবহাওয়া দফতরের মতে, রবিবার থেকে ধীরে ধীরে আবহাওয়ার পরিবর্তন হতে শুরু করবে। বৃষ্টির পরিমাণ কমবে এবং তাপমাত্রা বাড়তে থাকবে। তবে এখনও কিছু জেলায় ঝড়ো হাওয়া ও বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। ঝাড়গ্রাম, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর এবং দক্ষিণ চব্বিশ পরগনায় ঘণ্টায় ত্রিশ থেকে চল্লিশ কিলোমিটার বেগে দমকা হাওয়ার সঙ্গে বৃষ্টি হতে পারে। অন্য জেলাগুলিতেও আংশিক মেঘলা আকাশের সঙ্গে মাঝে মাঝে হালকা বৃষ্টি হতে পারে। কলকাতাতেও মেঘলা আকাশ থাকবে এবং এক-দুবার বৃষ্টি হতে পারে।সোমবার থেকে এই পরিস্থিতির আরও উন্নতি হবে বলে আশা করা হচ্ছে। বৃষ্টির পরিমাণ কমে গিয়ে তাপমাত্রা ধীরে ধীরে বাড়বে।অন্যদিকে উত্তরবঙ্গে এখনও দুর্যোগ কাটেনি। দার্জিলিং, কালিম্পং, জলপাইগুড়ি এবং আলিপুরদুয়ার জেলায় আগামী বুধবার পর্যন্ত ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। কোথাও কোথাও খুব ভারী বৃষ্টিও হতে পারে। জলপাইগুড়ি এবং আলিপুরদুয়ারে বৃষ্টির পরিমাণ অনেকটাই বেশি হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। পাশাপাশি দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি ও কোচবিহারে শিলাবৃষ্টির সম্ভাবনাও রয়েছে।বৃহস্পতিবার থেকে বৃষ্টি কিছুটা কমলেও সপ্তাহের শেষে আবারও ঝড়বৃষ্টির সম্ভাবনা বাড়তে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর। সব মিলিয়ে আবহাওয়ার এই আচমকা বদলে চৈত্রের শুরুতেই অবাক বাংলার মানুষ।

মার্চ ২২, ২০২৬
রাজ্য

আচমকা বদলাবে আবহাওয়া! ঘণ্টায় ৮০ কিমি বেগে ঝড়, সতর্ক করল আবহাওয়া দফতর

তীব্র গরমের মধ্যেই দেশজুড়ে হঠাৎ করে আবহাওয়ার বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিল আবহাওয়া দফতর। আগামী কয়েকদিনে দেশের একাধিক রাজ্যে ঝড়-বৃষ্টি, বজ্রপাত এবং শিলাবৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানানো হয়েছে। ইতিমধ্যেই ২১টি রাজ্যে সতর্কতা জারি করা হয়েছে।আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, ঘণ্টায় ৬০ থেকে ৭৫ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে। কিছু জায়গায় এই বেগ ঘণ্টায় ৮০ কিলোমিটার পর্যন্ত পৌঁছতে পারে। সঙ্গে থাকবে বজ্রপাত এবং বিদ্যুৎ চমক। এর ফলে সাধারণ মানুষের জন্য বিপদের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।মার্চ মাসের মাঝামাঝি সময়েই দেশের বিভিন্ন জায়গায় প্রচণ্ড গরম পড়েছে। তাপমাত্রা বাড়ায় মানুষ বেশ সমস্যায় পড়েছিলেন। এই পরিস্থিতিতে বৃষ্টির খবর কিছুটা স্বস্তি দিতে পারে। তবে আবহাওয়াবিদরা জানাচ্ছেন, তাপমাত্রা ২ থেকে ৩ ডিগ্রি কমলেও ঝড়-বৃষ্টির জন্য নতুন সমস্যা তৈরি হতে পারে।১৯ থেকে ২২ মার্চের মধ্যে আবহাওয়ার এই বড় পরিবর্তন ঘটতে পারে বলে জানানো হয়েছে। পশ্চিমী ঝঞ্ঝা এবং ঘূর্ণাবর্তের প্রভাবে এই পরিস্থিতি তৈরি হচ্ছে। দেশের বিভিন্ন অংশে আকাশ মেঘে ঢেকে যাবে এবং হঠাৎ করেই ঝড়-বৃষ্টি নামতে পারে।বর্তমানে উত্তর প্রদেশের পশ্চিম অংশ এবং পূর্ব অংশের উপর দুটি ঘূর্ণাবর্ত সক্রিয় রয়েছে। এই দুই আবহাওয়া ব্যবস্থার প্রভাবে উত্তর, পূর্ব এবং দক্ষিণ ভারতের বহু এলাকায় আবহাওয়ার দ্রুত পরিবর্তন দেখা যাচ্ছে। প্রবল বাতাস, বজ্রপাত এবং বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।পশ্চিমবঙ্গেও এই প্রভাব পড়বে বলে জানানো হয়েছে। উত্তরবঙ্গের বেশ কয়েকটি জেলায় হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। দার্জিলিং, কালিম্পং, কোচবিহার, জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার, দুই দিনাজপুর এবং মালদহ জেলায় শনিবার পর্যন্ত ঝড়-বৃষ্টির পরিস্থিতি থাকতে পারে। শুক্রবার থেকে এই পরিস্থিতি আরও জোরালো হতে পারে।আবহাওয়া দফতর সাধারণ মানুষকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছে। বিশেষ করে কৃষক এবং মৎস্যজীবীদের বেশি সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে। ঝড়-বৃষ্টি এবং শিলাবৃষ্টি ফসলের ক্ষতি করতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।গরম থেকে কিছুটা স্বস্তি মিললেও এই আবহাওয়ার পরিবর্তন নতুন উদ্বেগ তৈরি করেছে।

মার্চ ২০, ২০২৬
রাজ্য

সপ্তাহান্তে ভয়ংকর কালবৈশাখী! ৭০ কিমি বেগে ঝড়, জারি কমলা সতর্কতা

গত সপ্তাহ থেকেই রাজ্যে বৃষ্টি শুরু হয়েছে। তার সঙ্গে কালবৈশাখীর দাপটও চলছে। সপ্তাহের শেষে সেই দাপট আরও বাড়বে বলে জানাচ্ছে আবহাওয়া দফতর। শনিবার গোটা দক্ষিণবঙ্গ জুড়ে কমলা সতর্কতা জারি করা হয়েছে। ঘণ্টায় ৬০ থেকে ৭০ কিলোমিটার বেগে দমকা ঝড়ো হাওয়া বইতে পারে।আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার কলকাতার আকাশ বেশিরভাগ সময় মেঘলা থাকবে। কিছু জায়গায় বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি হতে পারে। সঙ্গে বজ্রপাত ও ঝড়ের সম্ভাবনাও রয়েছে। কলকাতায় ঘণ্টায় ৫০ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে হাওয়া বইতে পারে। এ দিন পুরুলিয়া, ঝাড়গ্রাম, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর, পশ্চিম বর্ধমান, বীরভূম ও নদিয়াতেও বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।শুক্রবার থেকে আবহাওয়ার পরিস্থিতি আরও বদলাবে। দক্ষিণবঙ্গের প্রায় সব জেলাতেই বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টি হতে পারে। সঙ্গে ৫০ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইবে। পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, ঝাড়গ্রাম, পশ্চিম মেদিনীপুর, পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান এবং বীরভূমে বৃষ্টির সম্ভাবনা বেশি।শনিবার পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে। ওই সব জেলার পাশাপাশি হুগলিতেও বৃষ্টি হবে। গোটা দক্ষিণবঙ্গেই ঝড়-বৃষ্টি চলবে। বজ্রপাতের আশঙ্কাও রয়েছে। তাই সাধারণ মানুষকে নিরাপদ স্থানে থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।রবিবারও দক্ষিণবঙ্গের সব জেলায় ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে। পূর্ব মেদিনীপুর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনায় বৃষ্টির সম্ভাবনা বেশি। সোমবার থেকে ধীরে ধীরে পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হতে পারে, তবে উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা, ঝাড়গ্রাম এবং পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুরে বৃষ্টি চলবে। মঙ্গলবারও কয়েকটি জেলায় বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।উত্তরবঙ্গেও একই ছবি দেখা যাবে। শনিবার দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার, উত্তর ও দক্ষিণ দিনাজপুর এবং মালদহে বৃষ্টি হবে। কিছু জায়গায় ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। সঙ্গে ৫০ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে হাওয়া বইতে পারে। রবিবারও গোটা উত্তরবঙ্গ জুড়ে বৃষ্টি চলবে।এই টানা বৃষ্টির কারণে তাপমাত্রা এক থেকে দুই ডিগ্রি পর্যন্ত কমে গেছে বলে জানা গিয়েছে।

মার্চ ১৯, ২০২৬
রাজ্য

হলুদ সতর্কতা জারি! দক্ষিণবঙ্গে ঝড়-বৃষ্টির দাপট বাড়তে পারে রবিবার থেকে

শীতের পর বসন্তের আবহ উপভোগ করতে না করতেই বাংলার আবহাওয়ায় বড় বদলের ইঙ্গিত মিলছে। আলিপুর আবহাওয়া দফতর আগেই বৃষ্টির সম্ভাবনার কথা জানিয়েছিল। এবার ঝড়-বৃষ্টির সম্ভাবনা বাড়ায় জারি করা হচ্ছে হলুদ সতর্কতা।আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, রবিবার থেকেই দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় বৃষ্টির সম্ভাবনা বাড়বে। সোমবার সেই বৃষ্টি আরও জোরালো হতে পারে। কলকাতা সহ একাধিক জেলায় রবিবার ও সোমবার হলুদ সতর্কতা জারি করা হয়েছে।আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, শুধু দুদিন নয়, আগামী বৃহস্পতিবার পর্যন্ত রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় বিক্ষিপ্তভাবে বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে ঘণ্টায় চল্লিশ থেকে পঞ্চাশ কিলোমিটার বেগে দমকা হাওয়া বইতে পারে।কিছু জেলায় কালবৈশাখীর মতো পরিস্থিতি তৈরি হওয়ার আশঙ্কাও রয়েছে। বজ্রবিদ্যুৎ সহ বৃষ্টি হতে পারে বলে সতর্ক করেছে আবহাওয়া দফতর। বজ্রপাতের সময় সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।শনিবার দক্ষিণবঙ্গের আকাশ আংশিক মেঘলা থাকবে। এদিন বৃষ্টির সম্ভাবনা বেশি রয়েছে বীরভূম, মুর্শিদাবাদ, পশ্চিম মেদিনীপুর এবং ঝাড়গ্রাম জেলায়। কলকাতা সহ দক্ষিণবঙ্গের বেশিরভাগ জেলায় আবহাওয়া মূলত শুষ্কই থাকবে।তবে রবিবার থেকেই আবহাওয়ার পরিবর্তন শুরু হতে পারে। পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, বীরভূম, মুর্শিদাবাদ, হুগলি এবং নদিয়া জেলায় কালবৈশাখীর মতো পরিস্থিতি তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সোমবার কলকাতাতেও ঝড়-বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর। সপ্তাহ জুড়ে বিক্ষিপ্তভাবে বৃষ্টি হতে পারে।উত্তরবঙ্গের জেলাগুলিতেও বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। সোমবার দার্জিলিং, কালিম্পং, কোচবিহার, জলপাইগুড়ি এবং আলিপুরদুয়ার জেলায় ভারী বৃষ্টির সতর্কতা জারি করা হয়েছে। সেই সঙ্গে ঘণ্টায় পঞ্চাশ থেকে ষাট কিলোমিটার বেগে ঝড়ো হাওয়া বইতে পারে এবং বজ্রবিদ্যুৎ সহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।উত্তরবঙ্গের অন্য জেলাগুলিতেও বিক্ষিপ্তভাবে ঝড়-বৃষ্টি হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর।এদিকে কলকাতায় দিনের তাপমাত্রা কিছুটা বেড়েছে। আগামী চব্বিশ ঘণ্টায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা আরও কিছুটা বাড়তে পারে বলে পূর্বাভাস। শনিবার শহরের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল পঁচিশ দশমিক সাত ডিগ্রি সেলসিয়াস। শুক্রবার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল তেত্রিশ দশমিক সাত ডিগ্রি সেলসিয়াস। বাতাসে আর্দ্রতার পরিমাণ ছিল বাহান্ন থেকে চুরানব্বই শতাংশের মধ্যে।

মার্চ ১৪, ২০২৬
রাজ্য

বসন্তেই হঠাৎ বৃষ্টির দাপট! কোন কোন জেলায় নামবে ঝড়বৃষ্টি, নতুন সতর্কবার্তা আবহাওয়া দফতরের

বসন্তের মাঝেই হঠাৎ বদলে গেল আবহাওয়া। আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস মিলিয়ে বৃহস্পতিবার বিকেল থেকেই রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় বৃষ্টি হয়েছে। উত্তরবঙ্গ থেকে দক্ষিণবঙ্গ অনেক জায়গায় ঝমঝমিয়ে বৃষ্টি হয়েছে, আবার কোথাও হালকা ঝিরঝিরে বৃষ্টিও দেখা গেছে। আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, আগামী বুধবার পর্যন্ত রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি চলতে পারে।এই বৃষ্টির জেরে আপাতত গরম থেকে কিছুটা স্বস্তি পেয়েছেন মানুষ। গত বছর এই সময়েই পশ্চিমাঞ্চলের কয়েকটি জেলায় তাপপ্রবাহের সতর্কতা জারি হয়েছিল। কলকাতাতেও তখন তীব্র ভ্যাপসা গরমে নাজেহাল অবস্থা ছিল। তবে এ বার পরিস্থিতি কিছুটা আলাদা। বৃষ্টির কারণে এখনো সেই তীব্র গরমের মুখে পড়তে হয়নি রাজ্যবাসীকে।আলিপুর আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, বাংলাদেশ এলাকায় তৈরি হওয়া একটি ঘূর্ণাবর্তের প্রভাবেই এই বৃষ্টি হচ্ছে। সেই কারণেই রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় মেঘলা আকাশ ও বৃষ্টির পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।শুক্রবার দক্ষিণবঙ্গের বেশির ভাগ জায়গায় আবহাওয়া কিছুটা শুষ্ক থাকতে পারে। তবে কয়েকটি জেলায় বিক্ষিপ্ত বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, সপ্তাহান্তে বৃষ্টির পরিমাণ আবার বাড়তে পারে। বিশেষ করে রবিবার থেকে দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় হালকা থেকে মাঝারি বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।রবিবার, সোমবার এবং মঙ্গলবার দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় বৃষ্টির পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। এই সময় কলকাতাতেও বৃষ্টি হতে পারে। বৃষ্টির সঙ্গে ঘণ্টায় চল্লিশ থেকে পঞ্চাশ কিলোমিটার বেগে দমকা হাওয়া বইতে পারে বলেও জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর।পশ্চিমাঞ্চলের কয়েকটি জেলায় বৃষ্টির সম্ভাবনা তুলনামূলক বেশি। বিশেষ করে মুর্শিদাবাদ, পূর্ব বর্ধমান, পশ্চিম বর্ধমান, বীরভূম এবং বাঁকুড়া জেলায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টি বেশি হতে পারে বলে সতর্ক করা হয়েছে। বুধবার পর্যন্ত রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি চলতে পারে।অন্য দিকে, উত্তরবঙ্গের বেশ কিছু জেলায় বৃহস্পতিবার থেকেই ভারী বৃষ্টি শুরু হয়েছে। শুক্রবারও পাহাড় এবং সংলগ্ন এলাকায় ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, জলপাইগুড়ি এবং আলিপুরদুয়ার জেলায় ভারী বৃষ্টির সতর্কতা জারি করা হয়েছে। বাকি জেলাগুলিতে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।শনিবার বৃষ্টির পরিমাণ কিছুটা কমতে পারে। তবে রবিবার থেকে আবার বৃষ্টি বাড়তে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর।শুক্রবার সকালে কলকাতার আকাশ আংশিক মেঘলা ছিল। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে রোদের তেজ কিছুটা বেড়েছে। আজ শহরে বৃষ্টির সম্ভাবনা খুব একটা নেই বললেই চলে। তবে আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী রবিবার থেকে আবারও কলকাতায় বৃষ্টির সম্ভাবনা তৈরি হতে পারে।

মার্চ ১৩, ২০২৬
রাজ্য

বসন্তে ভ্যাপসা গরমের পর আচমকা বৃষ্টি! রবিবার থেকে ভিজবে দক্ষিণ-উত্তরবঙ্গ

ভরা বসন্ত চললেও আবহাওয়ায় তার ছাপ নেই। একদিকে ভ্যাপসা গরম, অন্যদিকে আবার বৃষ্টির পূর্বাভাস। ফলে ফাল্গুনের আমেজ অনেকটাই উধাও। আলিপুর আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, রবিবার থেকে বুধবার পর্যন্ত রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় বৃষ্টি হতে পারে। উত্তর ও দক্ষিণবঙ্গ দুই প্রান্তেই বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, বজ্রবিদ্যুৎ সহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে। তাপমাত্রা স্বাভাবিকের কাছাকাছি থাকলেও গরমের অস্বস্তি বজায় থাকবে। শনিবার থেকে আংশিক মেঘলা আকাশ থাকবে। সোমবার থেকে উত্তর ও দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টির পরিমাণ বাড়তে পারে।এই বৃষ্টির কারণ হিসাবে জানানো হয়েছে, গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গ ও সংলগ্ন বাংলাদেশে একটি ঘূর্ণাবর্ত তৈরি হয়েছে। উত্তর-পূর্ব বাংলাদেশেও রয়েছে আর একটি ঘূর্ণাবর্ত। পাশাপাশি জম্মু-কাশ্মীর সংলগ্ন এলাকায় একটি পশ্চিমী ঝঞ্ঝা সক্রিয় রয়েছে। শুক্রবার উত্তর-পশ্চিম ভারতে আরও একটি পশ্চিমী ঝঞ্ঝা ঢুকতে পারে। এই সব কিছুর প্রভাবেই আবহাওয়ার পরিবর্তন।বৃহস্পতিবার সকাল থেকে আকাশ পরিষ্কার থাকবে। আপাতত বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই। তবে রাতের তাপমাত্রা আগামী দুদিন সামান্য বাড়বে। দিনের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের কাছাকাছি থাকবে। শীতের আমেজ পুরোপুরি উধাও। শহরে বাড়ছে উষ্ণতার ছোঁয়া।রবিবার ঝাড়গ্রাম, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর জেলায় বজ্রবিদ্যুৎ সহ হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। সোমবার ও মঙ্গলবার পূর্ব-পশ্চিম মেদিনীপুর, পূর্ব-পশ্চিম বর্ধমান, বীরভূম, মুর্শিদাবাদ, নদিয়া ও হুগলিতে বৃষ্টির সম্ভাবনা বাড়বে। বুধবার বিক্ষিপ্তভাবে বজ্রবিদ্যুৎসহ বৃষ্টি হতে পারে।উত্তরবঙ্গেও রবিবার থেকে আবহাওয়ার বদল। দার্জিলিং, কালিম্পং ও জলপাইগুড়িতে বজ্রবিদ্যুৎ সহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে। সোমবার ও মঙ্গলবার দার্জিলিং, কালিম্পং, জলপাইগুড়ি, কোচবিহার, উত্তর দিনাজপুর ও আলিপুরদুয়ার জেলায় বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।আজ সকালে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল একুশ দশমিক ছয় ডিগ্রি সেলসিয়াস। গতকাল দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল বত্রিশ দশমিক ছয় ডিগ্রি। আগামী কয়েক দিন সর্বনিম্ন তাপমাত্রা বাইশ থেকে তেইশ ডিগ্রি এবং সর্বোচ্চ তাপমাত্রা তেত্রিশ থেকে চৌত্রিশ ডিগ্রির মধ্যে থাকতে পারে। বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ ছাব্বিশ থেকে নব্বই শতাংশের মধ্যে ঘোরাফেরা করছে।সব মিলিয়ে বসন্তের মাঝেই গরম ও বৃষ্টির পালাবদলে অস্বস্তিকর আবহাওয়া থাকতে চলেছে রাজ্যে। রবিবার থেকে ছাতা সঙ্গে রাখাই বুদ্ধিমানের কাজ বলেই মনে করছেন আবহাওয়াবিদরা।

মার্চ ০৫, ২০২৬
রাজ্য

উত্তরবঙ্গে বৃষ্টি ও ঝোড়ো হাওয়ার সতর্কতা, দক্ষিণে বাড়বে গরম, কী বলছে হাওয়া অফিস

ফেব্রুয়ারির শেষের দিকে রাজ্যে ধীরে ধীরে বাড়ছে তাপমাত্রা। দুপুরের দিকে বাইরে বেরলেই গরমে অস্বস্তি অনুভূত হচ্ছে। তবে এর মাঝেই কিছুটা স্বস্তির খবর দিয়েছে আবহাওয়া দফতর। আগামী কয়েকদিন সকাল ও সন্ধ্যায় হালকা শীতের আমেজ থাকবে, যদিও বেলা বাড়লে গরম অনুভূত হবে।ভারতীয় আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, আগামী আটচল্লিশ ঘণ্টায় উত্তরবঙ্গে হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে এবং কিছু জায়গায় ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে। অন্যদিকে দক্ষিণবঙ্গে তাপমাত্রায় বড় পরিবর্তনের সম্ভাবনা নেই। স্বাভাবিকের নিচে তাপমাত্রা থাকলেও সকালে ও সন্ধ্যায় সামান্য ঠান্ডা লাগবে। তবে গভীর শীতের মতো পরিস্থিতি আর থাকবে না এবং দুপুরের দিকে গরম বাড়বে। আগামী সাতদিন রাজ্যের অধিকাংশ জায়গায় আবহাওয়া শুষ্ক থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই।এদিকে দক্ষিণ পূর্ব বঙ্গোপসাগর এলাকায় একটি নিম্নচাপ ঘূর্ণাবর্তে পরিণত হয়েছে। পাশাপাশি জম্মু ও কাশ্মীর সংলগ্ন এলাকায় পশ্চিমী ঝঞ্ঝা সক্রিয় রয়েছে। দুই মার্চ নতুন করে আরও একটি পশ্চিমী ঝঞ্ঝা প্রবেশ করতে পারে। আবহাওয়াবিদদের মতে, মার্চের শুরু থেকেই তাপমাত্রা বাড়তে শুরু করবে এবং এক মার্চ নাগাদ তাপমাত্রা প্রায় চার ডিগ্রি পর্যন্ত বাড়তে পারে।পার্বত্য উত্তরবঙ্গে বজ্রবিদ্যুৎসহ হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। দার্জিলিং ও কালিম্পং এলাকায় মাটির কাছাকাছি তুষারপাতের পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে। রবিবারের পর বৃষ্টির পরিমাণ কমবে এবং পরবর্তী সাতদিন শুষ্ক আবহাওয়া বজায় থাকবে। সিকিম ও সংলগ্ন এলাকাতেও বজ্রবিদ্যুৎসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। ঘণ্টায় তিরিশ থেকে চল্লিশ কিলোমিটার বেগে দমকা হাওয়া বইতে পারে। সিকিমে হালকা তুষারপাতের সম্ভাবনা রয়েছে, যার প্রভাব দার্জিলিংয়ের উঁচু পার্বত্য এলাকাতেও পড়তে পারে। ফেব্রুয়ারির শেষ দুদিন এই আবহাওয়ার ধারা বজায় থাকতে পারে।

ফেব্রুয়ারি ২৭, ২০২৬
দেশ

দেশজুড়ে আবহাওয়ার বড়সড় বদল, কোথাও ঝড়বৃষ্টি তো কোথাও বাড়ছে তাপমাত্রা, কেমন থাকবে বাংলার আবহাওয়া

দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার প্রভাব সবচেয়ে বেশি দেখা যেতে পারে আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জ অঞ্চলে। আগামী কয়েক দিন সেখানে ঝড়বৃষ্টি অব্যাহত থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। বৃহস্পতিবার পর্যন্ত একাধিক রাজ্যে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির সতর্কতা জারি করা হয়েছে। কিছু এলাকায় ভারী বৃষ্টির পাশাপাশি ঘণ্টায় ত্রিশ থেকে চল্লিশ কিলোমিটার বেগে দমকা ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে।ঝাড়খণ্ড ও ওড়িশা-তে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির পাশাপাশি ঝোড়ো হাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। একই পরিস্থিতি দেখা যেতে পারে মধ্যপ্রদেশ, বিদর্ভ ও ছত্তিশগড় অঞ্চলেও। এছাড়া অসম, মেঘালয়, সিকিম এবং গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গের কয়েকটি জেলায় বৃষ্টি ও হালকা ঝড়ো হাওয়ার পূর্বাভাস রয়েছে।হিমাচল প্রদেশে বৃষ্টির সঙ্গে তুষারপাতের সম্ভাবনা রয়েছে, পাশাপাশি উত্তরাখণ্ড-এও বৃষ্টি ও তুষারপাত হতে পারে। আগামী তিন দিনে উত্তর-পশ্চিম ভারতের সমতলে তাপমাত্রা ধীরে ধীরে বাড়বে বলে জানানো হয়েছে। অন্যদিকে মধ্যপ্রদেশ, ছত্তিশগড় ও বিদর্ভে আগামী দুদিন তাপমাত্রা কিছুটা কমলেও পরে আবার বাড়তে পারে। মহারাষ্ট্র-এ আগামী পাঁচ দিনে তাপমাত্রা বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে, তবে গুজরাত-এ বড় পরিবর্তনের সম্ভাবনা কম।আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, মধ্য বঙ্গোপসাগরে তৈরি নিম্নচাপ বুধবার ঘূর্ণাবর্তে পরিণত হয়ে উত্তর ও উত্তর-পূর্ব দিকে অগ্রসর হচ্ছে, যদিও ধীরে ধীরে সেটি দুর্বল হতে পারে। গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গ ও সংলগ্ন ওড়িশা এলাকায় একটি ঘূর্ণাবর্ত অবস্থান করছে এবং গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গ থেকে অন্ধ্রপ্রদেশ পর্যন্ত একটি অক্ষরেখা বিস্তৃত রয়েছে। কর্ণাটক থেকে মারাঠাওয়াড়া হয়ে উত্তর-পশ্চিম উত্তরপ্রদেশ এবং উত্তর গুজরাত পর্যন্ত আরেকটি অক্ষরেখা সক্রিয় রয়েছে। উত্তর-পূর্ব ভারতের কাছাকাছি এলাকায় উপক্রান্তীয় পশ্চিমী জেট প্রবাহ সক্রিয় রয়েছে এবং উত্তরাখণ্ড ও পশ্চিম অসম সংলগ্ন এলাকাতেও ঘূর্ণাবর্তের প্রভাব রয়েছে। দক্ষিণ-পূর্ব আরব সাগর ও কেরল উপকূল সংলগ্ন এলাকায় উপরিস্তরের ঘূর্ণাবর্ত তৈরি হয়েছে। এছাড়া বৃহস্পতিবার নতুন করে পশ্চিমী ঝঞ্ঝা প্রবেশ করতে পারে বলেও পূর্বাভাসে উল্লেখ করা হয়েছে।

ফেব্রুয়ারি ২৫, ২০২৬
কলকাতা

বসন্তের মাঝেই আচমকা বৃষ্টি ও ঠান্ডা হাওয়া, কলকাতায় ফের শীতের ছোঁয়া

ক্যালেন্ডারে বসন্ত শুরু হলেও গত কয়েকদিন ধরেই উষ্ণতার ইঙ্গিত মিলছিল। তবে মঙ্গলবার ভোররাতে আচমকা ঝড় ও হালকা বৃষ্টিতে সেই ছন্দে বদল আসে। ভিজে যায় কলকাতা সহ দক্ষিণবঙ্গের একাধিক এলাকা। সকালে হালকা ঠান্ডা হাওয়া বইতে শুরু করায় তাপমাত্রা কিছুটা নেমে যায় এবং অনেককেই ফের হালকা শীতপোশাক ব্যবহার করতে দেখা যায়। বৃষ্টি কতদিন চলবে তা স্পষ্টভাবে জানাতে পারেনি আবহাওয়া দপ্তর, তবে আগামী কয়েকদিন তাপমাত্রায় বড় পরিবর্তনের সম্ভাবনা কম বলেই পূর্বাভাস।আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর সূত্রে জানা গেছে, দক্ষিণবঙ্গের পাশাপাশি উত্তরবঙ্গের জেলাগুলিতেও বিক্ষিপ্ত বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। ভিজতে পারে হাওড়া, হুগলি, দুই চব্বিশ পরগনা, দুই মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, নদিয়া এবং উত্তরবঙ্গের দার্জিলিং, কালিম্পং ও জলপাইগুড়ি। মঙ্গলবার সারাদিন আকাশ মেঘলা থাকার সঙ্গে মাঝেমধ্যে বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা, দুই মেদিনীপুর ও ঝাড়গ্রামে হলুদ সতর্কতাও জারি করা হয়েছে। বুধবার থেকে ধীরে ধীরে বৃষ্টির প্রভাব কমতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। ইতিমধ্যেই কলকাতার পাশাপাশি সংলগ্ন জেলা এবং পশ্চিমাঞ্চলের পুরুলিয়া ও বাঁকুড়া জেলাতেও বৃষ্টির খবর মিলেছে।আবহাওয়ার এই পরিবর্তনের পিছনে মূল কারণ হিসেবে জানা যাচ্ছে বঙ্গোপসাগর-এ তৈরি হওয়া নিম্নচাপ। দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগর ও সংলগ্ন ভারত মহাসাগর অঞ্চলে তৈরি ঘূর্ণাবর্ত নিম্নচাপে পরিণত হয়ে বর্তমানে মধ্য-দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে। এটি ধীরে ধীরে উত্তর ও উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে পরে পূর্ব ভারত মহাসাগর ও দক্ষিণ-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরের দিকে সরে যাবে। নিম্নচাপের প্রভাব কেটে গেলে রাজ্যজুড়ে আবার স্বাভাবিক বসন্তের আবহাওয়া ফিরে আসবে বলে আশা করা হচ্ছে।

ফেব্রুয়ারি ২৪, ২০২৬
রাজ্য

আবহাওয়া হাওয়া অফিসের সতর্কবার্তা: সোমবার ও মঙ্গলবার বৃষ্টি বেশি সম্ভাবনা

আলিপুর আবহাওয়া দপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী সপ্তাহের শুরুতে বঙ্গের সাত জেলায় বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। দক্ষিণবঙ্গের পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনা, উত্তরবঙ্গের দার্জিলিং, কালিম্পং ও জলপাইগুড়িতে হালকা বৃষ্টিপাত হতে পারে।দু-দিনের মধ্যে দক্ষিণবঙ্গে সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন তাপমাত্রা বাড়তে পারে। আবহাওয়া দপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, তাপমাত্রা আগামী দুই দিনের মধ্যে আরও দুই ডিগ্রি বৃদ্ধি পাবে।হাওয়া অফিস জানিয়েছে, দক্ষিণ-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরের নিম্নচাপ শক্তি হারিয়ে ঘূর্ণাবর্তে পরিণত হয়েছে। দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগর ও সংলগ্ন ভারত মহাসাগর এলাকায় একটি ঘূর্ণাবর্ত রয়েছে, যা উত্তর ও উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হবে। আগামী ২৪ ঘণ্টায় এটি পূর্ব ভারত মহাসাগর ও দক্ষিণ-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করবে। সোমবার ও মঙ্গলবার বঙ্গের ওড়িশা সংলগ্ন উপকূলীয় জেলাগুলিতে বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা বেশি।এদিকে দিনের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের উপরে উঠেছে। কলকাতায় রাতের তাপমাত্রা বাড়ছে, দিনের তাপমাত্রা ইতিমধ্যেই ৩১ ডিগ্রি সেলসিয়াস পেরিয়েছে। গতকাল সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩১.৬ ডিগ্রি এবং আজকের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৯.৫ ডিগ্রি।উত্তরবঙ্গের দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি ও কালিম্পং-এও সামান্য বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। দার্জিলিং ও পার্বত্য অঞ্চলে আগামী কয়েক দিনে তাপমাত্রা থাকবে ৬ থেকে ৮ ডিগ্রির মধ্যে। শিলিগুড়ি, মালদহ ও সংলগ্ন জেলায় তাপমাত্রা ঘোরাফেরা করবে ১৬ থেকে ১৯ ডিগ্রির মধ্যে। একের পর এক পশ্চিমী ঝঞ্ঝার কারণে এই বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।

ফেব্রুয়ারি ২১, ২০২৬
রাজ্য

গেল শীত, হঠাৎই বাড়ছে গরম—বসন্ত না আসতেই বদলে গেল আবহাওয়া

শীত বিদায় নিতেই বাংলায় দ্রুত বাড়ছে গরমের প্রভাব। বসন্তের স্বস্তি প্রায় দেখা না মিলতেই গ্রীষ্মের পথে হাঁটছে রাজ্য। দিন ও রাতের তাপমাত্রা ক্রমশ বাড়ছে এবং রোদের তেজও বেড়েছে। ভোর ও রাতে সামান্য ঠান্ডা থাকলেও বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে গরম স্পষ্ট অনুভূত হচ্ছে। আবহাওয়া দফতরের তথ্য অনুযায়ী প্রায় দীর্ঘ সময় পর কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা উনিশ ডিগ্রির ঘরে নেমেছে। আজ শহরের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা উনিশ দশমিক দুই ডিগ্রি সেলসিয়াস। তবে দিনের দিকে তাপমাত্রা আরও বাড়বে বলে পূর্বাভাস।আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, আগামী দুই থেকে তিন দিনের মধ্যে তাপমাত্রা এক ধাক্কায় প্রায় তিন ডিগ্রি পর্যন্ত বাড়তে পারে। সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্নদুই তাপমাত্রাই বাড়বে। সকালে ও রাতে শীতের আমেজ দ্রুত কমে যাবে। ইতিমধ্যেই দিনের বেলায় শীতের অনুভূতি প্রায় নেই বললেই চলে। সপ্তাহের শেষে দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা কুড়ি থেকে একুশ ডিগ্রির কাছাকাছি পৌঁছতে পারে এবং দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা বত্রিশ ডিগ্রি ছাড়াতে পারে।বর্তমানে পশ্চিমী ঝঞ্ঝা উত্তর-পশ্চিম ভারতের কিছু অংশে সক্রিয় রয়েছে এবং নতুন করে আরেকটি ঝঞ্ঝা প্রবেশের সম্ভাবনা রয়েছে। অন্যদিকে বঙ্গোপসাগরে তৈরি নিম্নচাপ ধীরে ধীরে দুর্বল হলেও আবার নতুন নিম্নচাপ তৈরির ইঙ্গিত মিলেছে। এর প্রভাবে জলীয় বাষ্প রাজ্যে প্রবেশ করবে এবং আবহাওয়ার পরিবর্তন ঘটবে।দক্ষিণবঙ্গের তুলনায় উত্তরবঙ্গে দিনের গরম বেশি অনুভূত হচ্ছে। বাগডোগরা ও জলপাইগুড়িতে তাপমাত্রা তেত্রিশ ডিগ্রির কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েছে। পুরুলিয়াতেও পারদ বত্রিশ ডিগ্রি ছুঁয়েছে। দক্ষিণবঙ্গের বেশির ভাগ জেলায় তাপমাত্রা ত্রিশ ডিগ্রির আশেপাশে রয়েছে। কলকাতায় টানা কয়েক দিন সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ত্রিশ ডিগ্রির ঘরে থাকায় গরমের অস্বস্তি বাড়ছে। ফেব্রুয়ারির শেষ সপ্তাহে রাতের তাপমাত্রাও আরও কয়েক ডিগ্রি বাড়তে পারে বলে পূর্বাভাস।দক্ষিণবঙ্গে আপাতত শুষ্ক আবহাওয়া থাকবে। তবে আগামী সপ্তাহের শুরুতে হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। উপকূল সংলগ্ন কিছু জেলায় বৃষ্টির সম্ভাবনা তুলনামূলক বেশি, অন্য জেলাগুলিতে আংশিক মেঘলা আকাশ দেখা যেতে পারে। নিম্নচাপের প্রভাবে বাতাসে আর্দ্রতা বাড়বে।শুক্রবার থেকে রবিবারের মধ্যে কলকাতা ও আশপাশের জেলাগুলিতে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা আঠারো থেকে কুড়ি ডিগ্রির মধ্যে থাকবে। দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা ও পূর্ব মেদিনীপুরে তাপমাত্রা সতেরো থেকে উনিশ ডিগ্রির মধ্যে থাকতে পারে। পশ্চিমের জেলাগুলিতে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা পনেরো থেকে আঠারো ডিগ্রির মধ্যে থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।উত্তরবঙ্গেও তাপমাত্রা দ্রুত বাড়ছে। পাহাড়ে হালকা কুয়াশা থাকলেও দিনের দিকে আকাশ পরিষ্কার থাকবে। আগামী কয়েক দিনে তাপমাত্রা ছয় থেকে সাত ডিগ্রি পর্যন্ত বাড়তে পারে। দার্জিলিং পার্বত্য এলাকায় তাপমাত্রা ছয় থেকে আট ডিগ্রির মধ্যে থাকতে পারে এবং সমতল সংলগ্ন এলাকায় এগারো থেকে পনেরো ডিগ্রির মধ্যে থাকবে। শিলিগুড়ি ও মালদা সহ সংলগ্ন জেলাগুলিতে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ষোলো থেকে উনিশ ডিগ্রির মধ্যে থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।

ফেব্রুয়ারি ২০, ২০২৬
রাজ্য

বিদায় নিচ্ছে শীত! রাতের তাপমাত্রাও বাড়বে ২-৩ ডিগ্রি, সপ্তাহের শেষে বদলে যাবে আবহাওয়া

পশ্চিমবঙ্গে শীতের মরশুম প্রায় শেষের পথে। এতদিন দিনে তাপমাত্রা অনেকটাই বেড়েছিল। সোয়েটার বা মাফলারের প্রয়োজনও কমে গিয়েছিল। তবে রাতে হালকা ঠান্ডা থাকছিল। এবার সেই রাতের ঠান্ডাও কমতে চলেছে।আলিপুর আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, আগামী কয়েক দিনে রাতের তাপমাত্রা আরও ২ থেকে ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস বাড়তে পারে। পশ্চিমী ঝঞ্ঝার প্রভাবে উত্তুরে হাওয়ার জোগান কমে গিয়েছে। ফলে রোদের তেজও বাড়বে।আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগর এলাকায় একটি নিম্নচাপ শক্তি বাড়াচ্ছে। এটি পূর্ব ভারত মহাসাগর এবং দক্ষিণ-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করবে। তবে এই নিম্নচাপের জেরে বৃষ্টি হবে কি না তা এখনও স্পষ্ট নয়। চলতি সপ্তাহে দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টির কোনও পূর্বাভাস নেই। সব জেলাতেই আবহাওয়া থাকবে শুষ্ক।শুক্রবার থেকে রবিবারের মধ্যে কলকাতা ও সংলগ্ন জেলাগুলিতে রাতের তাপমাত্রা ১৮ থেকে ২০ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছতে পারে। উপকূলের জেলা যেমন দক্ষিণ ২৪ পরগনা ও পূর্ব মেদিনীপুরে তাপমাত্রা থাকবে ১৭ থেকে ১৯ ডিগ্রির মধ্যে। পশ্চিমের জেলা বাঁকুড়া, বীরভূম, পুরুলিয়া ও ঝাড়গ্রামে তাপমাত্রা ১৫ থেকে ১৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছতে পারে।সকালে হালকা কুয়াশা বা শিশিরের সম্ভাবনা রয়েছে। পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুরে কুয়াশার প্রভাব কিছুটা বেশি থাকতে পারে। কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে হালকা কুয়াশার সামান্য সম্ভাবনা রয়েছে।উত্তরবঙ্গের সব জেলাতেই আগামী দুদিন হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশা থাকতে পারে। দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি ও কোচবিহারে কুয়াশার সম্ভাবনা বেশি। সপ্তাহের শেষে সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ তাপমাত্রা দুটোই কিছুটা বাড়বে। দার্জিলিং ও পার্বত্য এলাকায় তাপমাত্রা থাকবে ৬ থেকে ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে। কালিম্পং ও সংলগ্ন এলাকায় ১১ থেকে ১৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। শিলিগুড়ি, মালদা ও আশপাশের জেলায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা থাকতে পারে ১৭ থেকে ১৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস।আজ কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৭.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। গতকাল দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ২৯.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বাতাসে আপেক্ষিক আর্দ্রতার পরিমাণ ২৭ থেকে ৮২ শতাংশের মধ্যে ঘোরাফেরা করছে। সব মিলিয়ে শীতের আমেজ ফুরিয়ে এখন ধীরে ধীরে গরমের ইঙ্গিত স্পষ্ট হচ্ছে।

ফেব্রুয়ারি ১৮, ২০২৬
রাজ্য

বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপ! বসন্তের মুখে আবহাওয়ার নতুন বার্তা, বাড়বে নাকি বৃষ্টি?

দুয়ারে বসন্তের আমেজ। সকাল ও রাতে হালকা শীতের ছোঁয়া এখনও রয়েছে। ঠিক এই সময়েই দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপ তৈরি হওয়ার খবর দিল আলিপুর আবহাওয়া দফতর। তবে আপাতত বাংলায় এর সরাসরি কোনও প্রভাব পড়বে না বলেই জানানো হয়েছে।আবহাওয়া দফতরের বুলেটিন অনুযায়ী, দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগর ও সংলগ্ন ভারত মহাসাগর এলাকায় একটি ঘূর্ণাবর্ত তৈরি হয়েছিল। সেটিই শক্তি বাড়িয়ে নিম্নচাপে পরিণত হয়েছে। বর্তমানে সেটি মধ্য দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে। আগামী দিনে এটি আরও শক্তিশালী হয়ে উত্তর ও উত্তর-পশ্চিম দিকে এগোবে। ১৮ ফেব্রুয়ারির মধ্যে পূর্ব ভারত মহাসাগর ও দক্ষিণ-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর এলাকায় অবস্থান করার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে এই মুহূর্তে বাংলার আবহাওয়ায় তার কোনও বড় প্রভাব পড়ার সম্ভাবনা নেই।এদিকে রাজ্যে তাপমাত্রায় বড় কোনও পরিবর্তন হয়নি। কলকাতায় মঙ্গলবার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৭.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। সোমবার দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ২৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বাতাসে আপেক্ষিক আর্দ্রতার পরিমাণ ৩৫ থেকে ৮২ শতাংশের মধ্যে রয়েছে। সকালে ও রাতে হালকা শীতের আমেজ থাকলেও দিনের বেলা শীতের অনুভূতি অনেকটাই কমছে।আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, আরও দুদিন একই রকম আবহাওয়া থাকবে। বৃহস্পতিবার থেকে ধীরে ধীরে তাপমাত্রা বাড়তে শুরু করবে। সপ্তাহের শেষে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা দু থেকে তিন ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত বাড়তে পারে। ফলে দিনের বেলা শীত কার্যত বিদায় নেবে বলেই মনে করা হচ্ছে। কলকাতা ও সংলগ্ন এলাকায় সপ্তাহের শেষে তাপমাত্রা ১৮ থেকে ২০ ডিগ্রির মধ্যে থাকতে পারে। উপকূলবর্তী জেলাগুলিতে তা ১৭ থেকে ১৯ ডিগ্রির মধ্যে থাকবে। পশ্চিমের জেলাগুলিতে তাপমাত্রা ১৫ থেকে ১৮ ডিগ্রির মধ্যে থাকার সম্ভাবনা।দক্ষিণবঙ্গে আপাতত রাতের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের থেকে এক থেকে দুই ডিগ্রি কম রয়েছে। তবে ধীরে ধীরে তা বাড়বে। দিনের তাপমাত্রা আপাতত স্বাভাবিকের কাছাকাছিই থাকবে। সপ্তাহের শেষের দিকে গরমের আভাস মিলতে পারে।উত্তরবঙ্গের সব জেলাতেই আগামী দুদিন হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশার সম্ভাবনা রয়েছে। বিশেষ করে দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, উত্তর দিনাজপুর ও কোচবিহার জেলায় কুয়াশার পরিমাণ কিছুটা বেশি হতে পারে। সকালবেলায় দৃশ্যমানতা কমে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর।সব মিলিয়ে বসন্তের শুরুতে আবহাওয়া মোটামুটি স্বাভাবিক থাকলেও সমুদ্রের নিম্নচাপ নিয়ে নজর রাখছে আবহবিদরা।

ফেব্রুয়ারি ১৭, ২০২৬
রাজ্য

কলকাতায় রোদের তেজ বাড়ছে, সপ্তাহেই ৩ ডিগ্রি বাড়বে তাপমাত্রা! কী বলছে হাওয়া অফিস?

বসন্তের শুরুতেই গরমের আভাস মিলতে শুরু করেছে। শীতের মেয়াদ কার্যত শেষের পথে বলে জানিয়ে দিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর। দিনের বেলায় তাপমাত্রা ধীরে ধীরে বাড়বে এবং রোদের তেজও বাড়তে পারে। তার ফলে কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে গরমের অনুভূতি বাড়বে। তবে ভোর ও রাতের দিকে এখনও কয়েক দিন হালকা ঠান্ডা থাকবে।রবিবার কলকাতার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা প্রায় ৩০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েছিল। এদিন দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ২৯.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৬.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে প্রায় আড়াই ডিগ্রি কম। বাতাসে আপেক্ষিক আর্দ্রতার পরিমাণ ছিল সর্বোচ্চ ৮৭ শতাংশ এবং সর্বনিম্ন ৩৬ শতাংশ।হাওয়া অফিস জানিয়েছে, আগামী বুধবার থেকে দিন ও রাতের তাপমাত্রা আরও কিছুটা বাড়তে পারে। চলতি সপ্তাহেই ২ থেকে ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত পারদ চড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে ভোরের দিকে হালকা কুয়াশা থাকতে পারে কলকাতা ও দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জেলায়। আপাতত দক্ষিণবঙ্গে শুষ্ক আবহাওয়া বজায় থাকবে এবং এই সপ্তাহে বৃষ্টির কোনও সম্ভাবনা নেই।উত্তরবঙ্গেও একই ছবি দেখা যেতে পারে। সপ্তাহের শেষে সেখানে সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন তাপমাত্রা দুটোই বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। দার্জিলিংয়ের পার্বত্য এলাকায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা প্রায় ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে থাকতে পারে। কালিম্পং-সহ সমতলের জেলাগুলিতে তাপমাত্রা ১৫ ডিগ্রির আশেপাশে থাকবে। মালদহ-সহ উত্তরবঙ্গের নীচের দিকের জেলাগুলিতে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৪ থেকে ১৭ ডিগ্রির মধ্যে ঘোরাফেরা করবে বলে পূর্বাভাস।তবে আগামী তিন থেকে চার দিন উত্তর ও দক্ষিণবঙ্গের বেশিরভাগ জেলাতেই হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশার সম্ভাবনা রয়েছে। বিশেষ করে দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, উত্তর দিনাজপুর ও কোচবিহার জেলায় কুয়াশার প্রকোপ কিছুটা বেশি হতে পারে বলে জানিয়েছে হাওয়া অফিস। সব মিলিয়ে শীত বিদায়ের মুখে, আর ধীরে ধীরে গরমের প্রস্তুতি নিতে শুরু করেছে বাংলা।

ফেব্রুয়ারি ১৬, ২০২৬
রাজ্য

শীত কি তবে বিদায় নিচ্ছে? ৩০ ডিগ্রির পথে কলকাতা, হাওয়া অফিসের বড় ইঙ্গিত

শীতের আমেজ ধীরে ধীরে কমতে শুরু করেছে। আজ কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৬.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে ১.৯ ডিগ্রি কম। তবে নতুন সপ্তাহেই শহরের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৮ থেকে ১৯ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছতে পারে বলে জানাচ্ছে আবহাওয়া দফতর।দক্ষিণবঙ্গের মধ্যে সবচেয়ে কম তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে সিউড়ি ও কল্যাণীতে। সেখানে পারদ নেমেছে ১২ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। উত্তরবঙ্গের সমতলেও ঠান্ডা রয়েছে। পুন্ডিবাড়িতে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১১.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। তবে পাহাড়ে শীতের আমেজ এখনও স্পষ্ট। দার্জিলিংয়ে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৫.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস।তবে এই শীত বেশিদিন স্থায়ী হবে না বলেই ইঙ্গিত মিলছে। ফেব্রুয়ারি শেষ হতে আর কয়েকদিন বাকি। শেষ সপ্তাহ থেকেই তাপমাত্রা আরও বাড়তে পারে। আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস, আলিপুরে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩০ থেকে ৩১ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত পৌঁছতে পারে। ইতিমধ্যেই পশ্চিমাঞ্চলের কয়েকটি জেলায় পারদ ৩০ ডিগ্রি ছুঁয়েছে। উত্তরবঙ্গেও রোদের তেজ বাড়ছে। জলপাইগুড়িতে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩০ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছেছে।একই সঙ্গে রাজ্যের দুই প্রান্তেই কুয়াশার দাপট রয়েছে। সকালে কয়েকটি জেলায় হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশা দেখা গিয়েছে। দৃষ্টিসীমা ছিল ২০০ মিটার থেকে ১০০০ মিটারের মধ্যে। উত্তরবঙ্গের জলপাইগুড়ি, দার্জিলিং ও কোচবিহারে কুয়াশা বেশি ছিল।আগামী কয়েকদিন আবহাওয়ার পরিস্থিতিতে বড় কোনও পরিবর্তনের সম্ভাবনা নেই বলেই মনে করছেন আবহাওয়াবিদরা। তবে ফেব্রুয়ারির শেষেই শীত আরও কমে গিয়ে গরমের আভাস স্পষ্ট হতে পারে বলে ইঙ্গিত মিলছে।

ফেব্রুয়ারি ১৫, ২০২৬
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • ›

ট্রেন্ডিং

বিদেশ

ট্রাম্পকে প্রকাশ্য মঞ্চে কার্যত চ্যালেঞ্জ! নেতানিয়াহুর মন্তব্যে তোলপাড় বিশ্বরাজনীতি

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের একটি মন্তব্য ঘিরে নতুন করে আলোচনায় উঠে এসেছে আমেরিকা ও ইজরায়েলের সম্পর্ক। ট্রাম্প দাবি করেছিলেন, ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু তাঁকে সম্মান করেন এবং তাঁর কথা শোনেন। তবে সেই মন্তব্যের কয়েক দিনের মধ্যেই প্রকাশ্যে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করলেন নেতানিয়াহু।জেরুজালেমে একটি অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বলেন, অনেকেই মনে করেন তিনি ট্রাম্পের কথামতো চলেন। আবার আমেরিকায় অনেকের ধারণা, ট্রাম্পও তাঁর কথামতো সিদ্ধান্ত নেন। কিন্তু এই দুই ধারণাই ভুল বলে মন্তব্য করেন নেতানিয়াহু।তিনি জানান, আমেরিকা এবং ইজরায়েল ঘনিষ্ঠ মিত্র হলেও দুই দেশের নিজস্ব স্বার্থ রয়েছে। সব বিষয়ে দুই দেশের মত এক হবে, এমন নয় বলেও স্পষ্ট করেন তিনি।একইসঙ্গে মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়েও কড়া অবস্থান নেন ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, ইরানকে কোনওভাবেই পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির সুযোগ দেওয়া হবে না। এই বিষয়ে তাঁর সরকার কোনও ধরনের আপস করতে রাজি নয়। পাশাপাশি দক্ষিণ লেবাননে ইজরায়েলি সেনার উপস্থিতি বজায় থাকবে বলেও জানান তিনি। যতদিন প্রয়োজন হবে, ততদিন সেনা সেখানে মোতায়েন থাকবে বলে তাঁর স্পষ্ট বার্তা।সম্প্রতি ইরান ও আমেরিকার মধ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে একাধিক শর্ত নিয়ে সমঝোতা হয়েছে। সেই শর্তগুলির মধ্যে মধ্যপ্রাচ্যে নতুন সংঘাত এড়ানোর বিষয়টিও ছিল। কিন্তু তারপরও দক্ষিণ লেবাননে ইজরায়েলের সামরিক অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।এই পরিস্থিতিতে ট্রাম্প কিছুটা কঠোর সুরে ইজরায়েলের ভূমিকা নিয়ে মন্তব্য করেছিলেন। তিনি জানিয়েছিলেন, ইজরায়েলের সামরিক পদক্ষেপে প্রভাব বিস্তার করার ক্ষমতা তাঁর রয়েছে। সেই সঙ্গে তিনি দাবি করেন, নেতানিয়াহু তাঁর কথা গুরুত্ব দিয়ে শোনেন।ট্রাম্প আরও বলেন, তাঁর সমর্থন ছাড়া ইজরায়েলের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখা কঠিন হতো। এই মন্তব্যের পরই আন্তর্জাতিক মহলে নানা আলোচনা শুরু হয়।তবে নেতানিয়াহুর সাম্প্রতিক বক্তব্য স্পষ্ট করে দিয়েছে যে, ইজরায়েল নিজের নিরাপত্তা ও কৌশলগত স্বার্থকে অগ্রাধিকার দিয়েই সিদ্ধান্ত নিতে চায়। ফলে লেবানন ও ইরান ইস্যুতে আগামী দিনে আমেরিকা ও ইজরায়েলের অবস্থান কতটা একসুরে থাকবে, তা নিয়েও নতুন করে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

জুন ২২, ২০২৬
দেশ

একদিনে দুই বিরোধী শিবিরে বড় ধাক্কা! মমতার পর এবার উদ্ধবের ঘরেও ভাঙন

দেশের রাজনীতিতে নতুন করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে বিরোধী শিবিরে বড়সড় ভাঙনকে ঘিরে। পূর্ব ভারতে তৃণমূলের অন্দরে রাজনৈতিক টানাপোড়েনের মধ্যেই পশ্চিম ভারতে বড় ধাক্কা খেল উদ্ধব ঠাকরের শিব সেনা। দলের ছয় সাংসদ একনাথ শিণ্ডের নেতৃত্বাধীন শিব সেনায় যোগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়ায় মহারাষ্ট্রের রাজনীতিতে শুরু হয়েছে জোর চর্চা।গত কয়েকদিন ধরেই উদ্ধব শিবিরে ভাঙনের জল্পনা চলছিল। সেই জল্পনা আরও জোরালো হয় যখন দলের সাংসদদের বৈঠকে কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ সাংসদ অনুপস্থিত থাকেন। পরে জানা যায়, ওই সাংসদরা স্পিকারকে চিঠি দিয়ে শিণ্ডে শিবিরের সঙ্গে একীভূত হওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন।দলবদল করা সাংসদদের মধ্যে রয়েছেন সঞ্জয় দিনা পাটিল, সঞ্জয় দেশমুখ, নাগেশ পাটিল, ওমরাজে নিম্বলকর, ভৌসাহেব ওয়াকচৌর এবং সঞ্জয় যাদব। মোট নয়জন সাংসদের মধ্যে ছয়জন একসঙ্গে সিদ্ধান্ত নেওয়ায় দলত্যাগ বিরোধী আইনের জটিলতাও এড়ানো সম্ভব হয়েছে বলে রাজনৈতিক মহলের ধারণা।সোমবার মুম্বইয়ে এক অনুষ্ঠানে একনাথ শিণ্ডের উপস্থিতিতে আনুষ্ঠানিকভাবে শিবির বদল করেন ওই সাংসদরা। এরপর শিণ্ডে দাবি করেন, তাঁর দলে আরও শক্তি বৃদ্ধি হয়েছে। অন্যদিকে মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়নবিসও এই ঘটনাকে রাজনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ বলে মন্তব্য করেন।এই দলবদলের পর স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে, বাল ঠাকরের রাজনৈতিক উত্তরাধিকার নিয়ে ভবিষ্যতে কার দাবি বেশি শক্তিশালী হবে। একসময় যে দলকে কেন্দ্র করে মহারাষ্ট্রের রাজনীতি আবর্তিত হতো, সেই শিব সেনার নিয়ন্ত্রণ এখন কোন শিবিরের হাতে বেশি, তা নিয়েও শুরু হয়েছে নতুন বিতর্ক।রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, এই ঘটনাটি শুধু মহারাষ্ট্রেই নয়, জাতীয় রাজনীতিতেও বড় প্রভাব ফেলতে পারে। লোকসভায় এনডিএর শক্তি আরও বৃদ্ধি পেল। বিরোধী জোটের জন্যও এই ভাঙন নিঃসন্দেহে বড় ধাক্কা হিসেবে দেখা হচ্ছে।এদিকে বিরোধী শিবিরের একাংশের দাবি, রাজনৈতিক চাপ এবং ক্ষমতার সমীকরণের কারণেই এই দলবদল। তবে শিণ্ডে শিবিরের মতে, এটি আদর্শ ও নেতৃত্বের প্রতি আস্থার ফল।সব মিলিয়ে ছয় সাংসদের দলবদল দেশের রাজনৈতিক সমীকরণে নতুন অধ্যায় যোগ করল। আগামী দিনে এর প্রভাব কতদূর গড়ায়, সেদিকেই এখন নজর রাজনৈতিক মহলের।

জুন ২২, ২০২৬
দেশ

কোচিং সেন্টারে ভয়াবহ আগুন! প্রাণ বাঁচাতে জানলা ভেঙে ঝাঁপ, মৃত অন্তত ১৪

লখনউয়ে একটি কোচিং সেন্টারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। সোমবার দুপুরে আলিগঞ্জ এলাকার ওই কোচিং সেন্টারে আচমকাই আগুন লাগে। প্রাথমিকভাবে অন্তত ১৪ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। আহত হয়েছেন আরও বেশ কয়েকজন। আশঙ্কা করা হচ্ছে, ভবনের ভিতরে এখনও কিছু মানুষ আটকে থাকতে পারেন।প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, আগুন লাগার পর মুহূর্তের মধ্যে ঘন কালো ধোঁয়ায় ঢেকে যায় গোটা এলাকা। প্রাণ বাঁচাতে বহু পড়ুয়া ভবনের একতলা থেকে নিচে ঝাঁপ দেন। সেই সময় হুড়োহুড়িতে অনেকে গুরুতর আহত হন। ঘটনাস্থল থেকে প্রকাশ্যে আসা কয়েকটি ভিডিওতে আতঙ্কের চিত্র ধরা পড়েছে। দেখা যাচ্ছে, আগুনের হাত থেকে বাঁচতে মরিয়া চেষ্টা করছেন ভিতরে আটকে থাকা মানুষজন।খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে যায় পুলিশ ও দমকল বাহিনী। চারপাশের এলাকা খালি করে উদ্ধারকাজ শুরু হয়। তবে ঘিঞ্জি এলাকা এবং আগুনের তীব্রতার কারণে প্রথমদিকে দমকল কর্মীদের বেশ সমস্যার মুখে পড়তে হয়। দীর্ঘ সময় ধরে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা চালানো হয়।আহতদের দ্রুত উদ্ধার করে নিকটবর্তী হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। চিকিৎসকরা তাঁদের চিকিৎসা শুরু করেছেন। প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে, উদ্ধার অভিযান এখনও চলছে এবং ভবনের ভিতরে কেউ আটকে রয়েছেন কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।কী কারণে এই ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড ঘটল, তা এখনও স্পষ্ট নয়। ঘটনার তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ। তিনি নিহতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন এবং দ্রুত তদন্তের আশ্বাস দিয়েছেন।মর্মান্তিক এই ঘটনায় শোকপ্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও। নিহতদের পরিবারকে আর্থিক সহায়তা দেওয়ার ঘোষণা করা হয়েছে। একইসঙ্গে আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করেছেন তিনি।এই দুর্ঘটনার পর এলাকায় শোক ও আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি হয়েছে। আগুন লাগার প্রকৃত কারণ এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থায় কোনও গাফিলতি ছিল কি না, তা জানতে এখন তদন্তের দিকেই তাকিয়ে প্রশাসন ও সাধারণ মানুষ।

জুন ২২, ২০২৬
কলকাতা

অভিষেককে সাসপেন্ড! তৃণমূলে বিস্ফোরক সিদ্ধান্ত, মমতার নামও নেই নতুন কমিটিতে

বঙ্গ রাজনীতিতে নতুন করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে বিদ্রোহী শিবিরের এক সিদ্ধান্তকে ঘিরে। নতুন তৃণমূলের তরফে দাবি করা হয়েছে, দলবিরোধী কার্যকলাপের অভিযোগে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে সাসপেন্ড করা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত ঘিরে রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে জোর আলোচনা।পালাবদলের পর থেকেই তৃণমূলের অন্দরে ভাঙনের ছবি স্পষ্ট হতে শুরু করে। একের পর এক বিধায়ক বিদ্রোহী শিবিরে যোগ দেওয়ার ফলে দলের সাংগঠনিক শক্তি ও পরিষদীয় অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন উঠতে থাকে। সেই পরিস্থিতিতে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে নতুন রাজনৈতিক মঞ্চ তৈরি হয়।সোমবার নিউ টাউনের একটি বৈঠকে নতুন কমিটির নাম ঘোষণা করা হয়। সেখানে চেয়ারম্যান হিসেবে অরূপ রায়ের নাম সামনে আনা হয়েছে। ভাইস চেয়ারম্যান পদে রয়েছেন ফিরহাদ হাকিম, অরূপ বিশ্বাস এবং রথীন ঘোষ। সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন জাভেদ খান, সন্দীপন সাহা, ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় এবং সাবিনা ইয়াসমিন।নতুন কমিটি ঘোষণার পর সবচেয়ে বেশি আলোচনায় এসেছে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে সাসপেন্ড করার সিদ্ধান্ত। দীর্ঘদিন ধরেই তাঁকে দলের অন্যতম প্রধান মুখ এবং সংগঠনের কার্যকর নেতৃত্ব হিসেবে দেখা হতো। ফলে এই সিদ্ধান্তকে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।বিদ্রোহী শিবিরের দাবি, নতুন সাংগঠনিক কাঠামোর মাধ্যমে দলের পুনর্গঠন করা হচ্ছে। অন্যদিকে নতুন কমিটিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কোনও সাংগঠনিক পদ না থাকায় বিতর্ক আরও বেড়েছে। রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, এই পদক্ষেপ ভবিষ্যতের বৃহত্তর রাজনৈতিক সমীকরণের ইঙ্গিত বহন করতে পারে।উল্লেখযোগ্যভাবে, মাসখানেক আগেই দলবিরোধী কার্যকলাপের অভিযোগে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে বহিষ্কার করা হয়েছিল। তারপর থেকেই দুই শিবিরের মধ্যে রাজনৈতিক সংঘাত ক্রমশ তীব্র হয়েছে। এবার অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে সাসপেন্ড করার ঘোষণার পর সেই সংঘাত আরও নতুন মাত্রা পেল।নতুন কমিটি এবং তার সিদ্ধান্ত ঘিরে এখন রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। আগামী দিনে এই সংঘাত কোন দিকে মোড় নেয়, সেদিকেই নজর রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের।

জুন ২২, ২০২৬
কলকাতা

মমতার নামই নেই! নতুন তৃণমূলের কমিটি ঘোষণা হতেই বাংলার রাজনীতিতে তোলপাড়

রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে নতুন করে চর্চার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে বিদ্রোহী শিবিরের নব তৃণমূল। পালাবদলের পর থেকেই একাংশ বিধায়ককে সঙ্গে নিয়ে আলাদা রাজনৈতিক অবস্থান তৈরি করেছিলেন উলুবেড়িয়া পূর্বের বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। এবার সেই শিবির আনুষ্ঠানিকভাবে নিজেদের সাংগঠনিক কাঠামো ঘোষণা করল।সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ বিষয়, নব তৃণমূলের ঘোষিত কমিটিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কোনও নাম নেই। বরং চেয়ারম্যান করা হয়েছে হাওড়া মধ্যের বিধায়ক অরূপ রায়কে। ফলে রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, সংগঠনের নিয়ন্ত্রণ এখন পুরোপুরি বিদ্রোহী শিবিরের হাতেই চলে গেল।ঘোষিত তালিকা অনুযায়ী, সাধারণ সম্পাদক পদে রয়েছেন জাভেদ খান, সন্দীপন সাহা, ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় এবং সাবিনা ইয়াসমিন। কোষাধ্যক্ষ করা হয়েছে আখতারুজ্জামানকে। ভাইস প্রেসিডেন্ট পদে রয়েছেন অরূপ বিশ্বাস, ফিরহাদ হাকিম এবং রথীন ঘোষ। চেয়ারম্যান হয়েছেন অরূপ রায়।এই ঘোষণার পর থেকেই রাজনৈতিক মহলে নতুন জল্পনা শুরু হয়েছে। এত দ্রুত সাংগঠনিক কাঠামো গড়ে তোলার অর্থ কি ভবিষ্যতে আলাদা প্রতীকের দাবিতে নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থ হওয়ার প্রস্তুতি? সেই প্রশ্নও উঠতে শুরু করেছে।এই বিদ্রোহের সূত্রপাত হয়েছিল বিরোধী দলনেতা নির্বাচনকে ঘিরে। বিজেপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর বিধানসভায় বিরোধী দলনেতা হিসেবে শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের নাম পাঠানো হয়। সেই প্রস্তাবের সঙ্গে বহু বিধায়কের স্বাক্ষর ছিল বলে দাবি করা হয়। কিন্তু ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় এবং এন্টালির বিধায়ক সন্দীপন সাহা অভিযোগ করেন, তাঁদের স্বাক্ষর জাল করা হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে তাঁরা স্পিকারের কাছে অভিযোগ জানান।এরপর ধীরে ধীরে একাধিক বিধায়ক ঋতব্রতের শিবিরে যোগ দিতে শুরু করেন। রাজনৈতিক সংঘাত আদালত পর্যন্ত গড়ায়। শেষ পর্যন্ত স্পিকার ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে বিরোধী দলনেতা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার পর থেকেই তৃণমূলের অন্দরে বিভাজন আরও স্পষ্ট হয়ে ওঠে।সোমবার নিউ টাউনের একটি হোটেলে বিদ্রোহী শিবিরের গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে কয়েকজন কাউন্সিলর এবং একাধিক বিধায়ক উপস্থিত ছিলেন। বৈঠকে অরূপ বিশ্বাসকেও দেখা যায়। সেই বৈঠক থেকেই নব তৃণমূলের সাংগঠনিক পদাধিকারীদের নাম ঘোষণা করা হয়।রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে এই পদক্ষেপকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। আগামী দিনে নব তৃণমূল কোন পথে এগোয় এবং তাদের রাজনৈতিক কৌশল কী হয়, সেদিকেই এখন নজর রাজনৈতিক মহলের।

জুন ২২, ২০২৬
রাজ্য

ঘাটালবাসীর কপাল খুলল! বাজেটে বিশাল ঘোষণা, এবার কি সত্যিই শেষ হবে বন্যার যন্ত্রণা?

ঘাটালবাসীর বহু বছরের অপেক্ষার অবসান হতে চলেছে বলেই মনে করা হচ্ছে। রাজ্যের প্রথম পূর্ণাঙ্গ বাজেটে ঘাটাল মাস্টার প্ল্যানের জন্য ১ হাজার ২০০ কোটি টাকা বরাদ্দের ঘোষণা ঘিরে নতুন করে আশার সঞ্চার হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে বন্যা ও জলযন্ত্রণায় জর্জরিত এলাকার মানুষ এবার স্থায়ী সমাধানের স্বপ্ন দেখতে শুরু করেছেন।ঘাটাল অঞ্চল মূলত শীলাবতী, কংসাবতী এবং দ্বারকেশ্বর নদের শাখা নদী ঝুমিকে ঘিরে গড়ে উঠেছে। অতীতে জমিদারি আমলে বন্যার জল আটকাতে বিভিন্ন এলাকায় সার্কিট বাঁধ তৈরি করা হয়েছিল। সেই বাঁধগুলির সাহায্যে নিচু এলাকা বন্যার হাত থেকে রক্ষা পেত এবং কৃষিজমির পরিমাণও বাড়ানো সম্ভব হয়েছিল।কিন্তু সময়ের সঙ্গে জমিদারি ব্যবস্থা বিলুপ্ত হলেও সেই পুরনো বাঁধগুলি রয়ে যায়। দীর্ঘদিন রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে বহু বাঁধ দুর্বল ও ভঙ্গুর হয়ে পড়ে। ফলে প্রতি বছর বর্ষার সময় বাঁধ ভেঙে বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়। অন্যদিকে নদীতে জমতে থাকা পলির কারণে জলধারণ ক্ষমতাও ক্রমশ কমেছে। তার ফলেই বন্যার ঝুঁকি বছর বছর বেড়েছে।এই দীর্ঘস্থায়ী সমস্যার সমাধান করতেই ঘাটাল মাস্টার প্ল্যানের পরিকল্পনা করা হয়েছিল। স্থানীয়দের আশা, প্রকল্পটি সম্পূর্ণ বাস্তবায়িত হলে বন্যা পরিস্থিতির অনেকটাই উন্নতি হবে এবং জলযন্ত্রণা থেকে মুক্তি মিলবে।এর আগে তৃণমূল সরকার বারবার অভিযোগ করেছিল যে কেন্দ্রীয় আর্থিক সহায়তার অভাবেই প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হয়নি। গত লোকসভা নির্বাচনের সময়ও ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান রাজনৈতিক আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে আসে। ঘাটালের সাংসদ দেব তথা দীপক অধিকারী প্রকাশ্যে জানিয়েছিলেন, এলাকার মানুষকে বন্যার হাত থেকে মুক্তি দিতে না পারার দায় তিনি অনুভব করছেন।এরপর রাজ্য সরকারের উদ্যোগে প্রায় ১ হাজার ৫০০ কোটি টাকা ব্যয়ে প্রকল্প বাস্তবায়নের পরিকল্পনা নেওয়া হয়। প্রথম পর্যায়ে ৫০০ কোটি টাকা ব্যয়ে কাজও শুরু হয়েছিল। তবে রাজ্যে রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর এবার নতুন সরকারের প্রথম পূর্ণাঙ্গ বাজেটে ঘাটাল মাস্টার প্ল্যানের জন্য ১ হাজার ২০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে।এই ঘোষণার পর ঘাটালজুড়ে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে। বহু মানুষের প্রশ্ন, এতদিনের প্রতীক্ষার পর এবার কি সত্যিই শেষ হবে বন্যার দুর্ভোগ? প্রকল্পের কাজ কত দ্রুত এগোয় এবং তার বাস্তব ফল কতটা পাওয়া যায়, সেদিকেই এখন তাকিয়ে রয়েছেন ঘাটালবাসী।

জুন ২২, ২০২৬
কলকাতা

সীমান্তরক্ষীদের জন্য বড় উপহার! এবার আর দিতে হবে না এই কর, বাজেটে চমক

বৃত্তিকর নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত নিল রাজ্য সরকার। এবার থেকে বিএসএফ জওয়ানদের আর বৃত্তিকর দিতে হবে না বলে বাজেটে প্রস্তাব করা হয়েছে। পাশাপাশি স্বল্পবেতনের চাকরিজীবীদের জন্যও বড় স্বস্তির ঘোষণা করা হয়েছে। কর মকুবের ক্ষেত্রে মাসিক আয়ের সীমা ১০ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ২০ হাজার টাকা করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। ফলে বহু নিম্ন ও স্বল্পবেতনের কর্মী সরাসরি উপকৃত হতে পারেন বলে মনে করা হচ্ছে।সোমবার বিধানসভায় বিজেপি সরকারের প্রথম পূর্ণাঙ্গ বাজেট পেশ করেন অর্থমন্ত্রী স্বপন দাশগুপ্ত। বাজেট বক্তৃতায় তিনি একাধিক নতুন প্রকল্প ও সুবিধার কথা ঘোষণা করেন। সিভিক ভলান্টিয়ার, গ্রিন পুলিশ-সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে কর্মরত কর্মীদের বেতন বৃদ্ধির কথাও জানানো হয়েছে।তবে বাজেটের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা ছিল বিএসএফ জওয়ানদের জন্য বৃত্তিকর মকুবের প্রস্তাব। অর্থমন্ত্রীর বক্তব্য, দেশের সীমান্ত সুরক্ষায় বিএসএফ জওয়ানরা দিনরাত দায়িত্ব পালন করেন। দেশের নিরাপত্তা ও অখণ্ডতা রক্ষায় তাঁদের অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অথচ এতদিন তাঁদের জন্য বৃত্তিকর মকুবের কোনও বিশেষ ব্যবস্থা ছিল না।সরকারের দাবি, সীমান্তরক্ষীদের এই অবদানের স্বীকৃতি ও কৃতজ্ঞতা জানাতেই বৃত্তিকর থেকে সম্পূর্ণ অব্যাহতির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এই প্রস্তাব কার্যকর হলে রাজ্যের বহু বিএসএফ জওয়ান সরাসরি আর্থিক সুবিধা পাবেন।একইসঙ্গে স্বল্পবেতনের চাকরিজীবীদের জন্য কর ছাড়ের সীমা বৃদ্ধি করার প্রস্তাবও বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। সব মিলিয়ে সরকারের প্রথম পূর্ণাঙ্গ বাজেটে জওয়ান এবং সাধারণ কর্মজীবী মানুষের জন্য একাধিক স্বস্তির বার্তা উঠে এসেছে।

জুন ২২, ২০২৬
কলকাতা

কত টাকা উঠেছিল? আদালতের এক প্রশ্নেই নতুন করে চর্চায় ইন্দ্রনীল-মধুছন্দা

দুর্গাপুজোর প্রিভিউ শো-কে কেন্দ্র করে ওঠা প্রতারণার অভিযোগে নতুন মোড় এল আদালতে। রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী ইন্দ্রনীল সেন এবং তাঁর স্ত্রী মধুছন্দা সেন আগাম জামিনের আবেদন জানিয়ে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন। সোমবার সেই মামলার শুনানিতে গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশ দিল আদালত।বিচারপতি জয় সেনগুপ্তের বেঞ্চ রাজ্যকে তদন্তের অগ্রগতি সম্পর্কে বিস্তারিত রিপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে। আগামী ৪ জুলাইয়ের মধ্যে সেই রিপোর্ট জমা দিতে হবে। পাশাপাশি অভিযোগের ভিত্তিতে কত টাকা সংগ্রহ করা হয়েছে, সেই তথ্যও আদালতকে জানাতে বলা হয়েছে।অভিযোগ, ইউনেস্কোর নাম ব্যবহার করে দুর্গাপুজোর বিশেষ প্রিভিউ শো-এর জন্য উচ্চ মূল্যে পাস বিক্রি করা হয়েছিল। মধুছন্দা সেনের সংস্থা এই পাস বিক্রির সঙ্গে যুক্ত ছিল বলে অভিযোগ ওঠে। এই ঘটনায় আন্তর্জাতিক পর্যটন সংস্থার পরামর্শদাতা জয়দীপ মুখোপাধ্যায় বউবাজার থানায় অভিযোগ দায়ের করেন।সোমবার আদালতে শুনানির সময় বিচারপতি জানতে চান, এই প্রক্রিয়ায় ঠিক কত টাকা সংগ্রহ করা হয়েছে। রাজ্যের পক্ষ থেকে জানানো হয়, বিষয়টি এখনও তদন্তাধীন এবং তথ্য সংগ্রহের কাজ চলছে।মামলাকারীর আইনজীবীর দাবি, গত দুই বছর ধরে নির্দিষ্ট অঙ্কের অর্থের বিনিময়ে পাস দেওয়া হয়েছে। তাঁর অভিযোগ, প্রয়োজনীয় অনুমতি ছাড়াই ইউনেস্কোর নাম এবং পরিচিতি ব্যবহার করা হয়েছে। পাশাপাশি ইউনেস্কোর নিয়ম অনুযায়ী বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে তাদের নাম বা পরিচিতি ব্যবহারের অনুমতি ছিল না বলেও আদালতে দাবি করা হয়।অন্যদিকে ইন্দ্রনীল সেন ও মধুছন্দা সেনের আইনজীবীর বক্তব্য, ইউনেস্কো কখনও এই বিষয়ে কোনও অভিযোগ করেনি। তাঁদের দাবি, প্রিভিউ শো-এর সঙ্গে ইউনেস্কোর নাম যুক্ত থাকলেও পাসে সেই পরিচিতি ব্যবহার করা হয়নি।দুই পক্ষের বক্তব্য শোনার পর বিচারপতি প্রশ্ন তোলেন, অর্থের বিনিময়ে ডোনার পাস দেওয়া হলে তা বাণিজ্যিক ব্যবহারের মধ্যেই পড়ে কি না। আদালতের এই পর্যবেক্ষণ মামলাটিকে নতুন গুরুত্ব দিয়েছে।তবে আপাতত অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আগামী দুই সপ্তাহ কোনও কঠোর পদক্ষেপ করা হবে না বলে রাজ্যের পক্ষ থেকে আদালতে মৌখিক আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। এখন তদন্ত রিপোর্টের দিকেই নজর রয়েছে সকলের।

জুন ২২, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal