• ৮ বৈশাখ ১৪৩৩, বৃহস্পতি ২৩ এপ্রিল ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Voter List

রাজ্য

এসআইআর চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ, জেলায় জেলায় চাঞ্চল্য! কোথায় কত নাম বাদ গেল জানলে চমকে উঠবেন

অবশেষে প্রকাশিত হল এসআইআর-এর চূড়ান্ত তালিকা। আপাতত অফলাইনে তালিকা প্রকাশ হয়েছে। ডিএম ও বিডিও অফিসে পৌঁছে গিয়েছে হার্ড কপি। ব্লকে ব্লকে বিএলও-দের হাতে তুলে দেওয়া হচ্ছে সেই তালিকা। তাঁরা তালিকা সংগ্রহ করে বুথের দিকে রওনা দিচ্ছেন। খুব শিগগিরই রাজ্যবাসী বুথে গিয়ে নিজের নাম মিলিয়ে নিতে পারবেন। অনলাইন এবং অফলাইনদুইভাবেই তালিকা দেখার সুযোগ থাকবে, তবে এখনও পর্যন্ত অফলাইনেই তালিকা প্রকাশ্যে এসেছে। জেলায় জেলায় বুথে তালিকা ঝুলিয়ে দেওয়া হচ্ছে। নন্দীগ্রাম থেকে ঠাকুরনগর, সর্বত্র একই ছবি। তালিকা সামনে আসতেই কোথায় কত নাম বাদ গেল, তা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মনে। কোথাও বিএলও জানাচ্ছেন, নাম বাদ যায়নি। আবার কোথাও অভিযোগ উঠছে, বিএলও-র নিজের নামই অমীমাংসিত তালিকায় চলে গিয়েছে।নন্দীগ্রামের চড়কেন্দ্রমারির এক বুথের বিএলও জানিয়েছেন, তাঁর হাতে যে তালিকা এসেছে তাতে ৯৫৩ জন ভোটারের নাম রয়েছে। খসড়া তালিকার সঙ্গে চূড়ান্ত তালিকার কোনও বড় পার্থক্য নেই বলেই তিনি দাবি করেছেন। তবে ২১৯ নম্বর বুথের বিএলও জানিয়েছেন, কিছু নাম বাদ গিয়েছে। যদিও বিক্ষিপ্ত কয়েকটি ঘটনা ছাড়া অধিকাংশের নাম রয়েছে বলেই তাঁর দাবি। অন্যদিকে নন্দীগ্রামের এক ব্লকের এক বিএলও অভিযোগ করেছেন, তাঁর নিজের নামই মীমাংসিত তালিকায় নেই। অমীমাংসিত তালিকায় রয়েছে তাঁর নাম। তিনি জানিয়েছেন, ২৭ বছর ধরে চাকরি করছেন, সমস্ত নথি রয়েছে, বানানেও ভুল নেই, পাসপোর্টও আছে। তবু কেন তাঁর নাম বিচারাধীন হল, তা তিনি বুঝতে পারছেন না।বাঁকুড়াতেও বুথে বুথে চূড়ান্ত তালিকা টাঙানো হয়েছে। জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, আপাতত ৩ হাজার ৩০০ জনের নাম বাদ পড়েছে। খসড়া তালিকায় ১ লাখ ৩২ হাজার নাম বাদ গিয়েছিল। সব মিলিয়ে প্রায় ১ লাখ ৩৫ হাজার ৩০০ জনের নাম বাদ পড়েছে বলে প্রশাসনের দাবি। ৭০ নম্বর বুথে বাদ গিয়েছে ৩ জনের নাম। অমীমাংসিত তালিকায় রয়েছে প্রায় ৩৯ হাজার নাম।উত্তর ২৪ পরগনার বিধাননগর বিধানসভা কেন্দ্রে মোট ভোটার ছিলেন ২ লাখ ৩১ হাজার ১৬৯ জন। প্রাথমিক রিপোর্ট অনুযায়ী ৯৭১ জনের নাম বাদ পড়েছে। ঠাকুরনগরে সবথেকে বেশি নাম আনম্যাপড হয়েছিল বলে জানা গিয়েছে। জেলা প্রশাসন সূত্রে খবর, প্রায় ৩০ হাজার নাম বাদ গিয়েছে সেখানে। ফলে আতঙ্কে রয়েছেন বহু বাসিন্দা।কলকাতার উত্তর অংশে এখনও পর্যন্ত প্রায় ১৭ হাজার নাম বাদ গিয়েছে বলে কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে। দক্ষিণ কলকাতায় খসড়া তালিকায় ৬ লাখ ৯১ হাজার ৩০৬ জনের নাম ছিল। চূড়ান্ত তালিকায় রয়েছে ৬ লাখ ৮৮ হাজার ৯৯ জনের নাম। অমীমাংসিত তালিকায় রয়েছে ৭৮ হাজার ৬৫৭ জনের নাম।মুর্শিদাবাদে অমীমাংসিত তালিকায় রয়েছে প্রায় ৬ লাখ নাম। চূড়ান্ত তালিকায় কতজনের নাম বাদ গিয়েছে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। উত্তর ২৪ পরগনায় অমীমাংসিত তালিকায় রয়েছে প্রায় ৫ লাখ ৯০ হাজার নাম। দক্ষিণ ২৪ পরগনায় অমীমাংসিত তালিকায় রয়েছে প্রায় ৫ লাখ ২০ হাজার নাম। পশ্চিম মেদিনীপুরে অমীমাংসিত তালিকায় প্রায় ১ লাখ নাম রয়েছে। নদিয়ায় প্রাথমিক রিপোর্ট অনুযায়ী ৬০ হাজার নাম বাদ গিয়েছে এবং অমীমাংসিত তালিকায় রয়েছে প্রায় ২ লাখ ৩০ হাজার নাম।এদিকে এখনও পর্যন্ত অনলাইনে তালিকা প্রকাশ হয়নি। জানা গিয়েছে, দুপুর গড়িয়ে যেতে পারে অনলাইনে তালিকা প্রকাশ পেতে। তালিকা প্রকাশ হলে দুটি ওয়েবসাইটের মাধ্যমে রাজ্যবাসী নিজেদের নাম খুঁজে দেখতে পারবেন। ফলে এখন সবার নজর অনলাইনে প্রকাশের দিকেই।

ফেব্রুয়ারি ২৮, ২০২৬
রাজ্য

প্রকাশ এসআইআর চূড়ান্ত তালিকা! ঘরে বসেই দেখুন আপনার নাম আছে কি না

অবশেষে প্রকাশিত হল পশ্চিমবঙ্গের এসআইআর-এর চূড়ান্ত তালিকা। এই তালিকায় রয়েছে প্রায় ৭ কোটি ৮ লক্ষ ভোটারের নাম। ইতিমধ্যেই বিভিন্ন বিডিও অফিস থেকে তালিকা বিতরণ শুরু হয়েছে। বিএলও-রা নিজেদের এলাকায় সেই তালিকা পৌঁছে দিচ্ছেন। তবে নাম দেখার জন্য ভিড় করার প্রয়োজন নেই। বাড়িতে বসেই খুব সহজে দেখে নেওয়া যাবে চূড়ান্ত ভোটার তালিকায় আপনার এবং আপনার পরিবারের নাম রয়েছে কি না।নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, এই তালিকা অনলাইন এবং অফলাইনদুইভাবেই দেখা যাবে। অফলাইনে নির্দিষ্ট সরকারি অফিস, এসডিও, ডিইও, বিডিও অফিস এবং পঞ্চায়েত ভবনে গিয়ে তালিকা দেখা সম্ভব। পাশাপাশি অনলাইনেও নির্বাচন কমিশনের দুটি ওয়েবসাইটে গিয়ে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা দেখা যাবে। তবে দুপুর ২টার পর থেকেই ওয়েবসাইটে তালিকা দেখা যাবে বলে জানানো হয়েছে।অনলাইনে নিজের এপিক নম্বর দিয়ে সরাসরি নাম খোঁজা যাবে। আবার ইলেক্টোরাল রোল ডাউনলোড করেও নিজের নাম খুঁজে দেখা সম্ভব। যদি এপিক নম্বর জানা না থাকে, তবে ভোটার কার্ডের সঙ্গে মোবাইল নম্বর যুক্ত থাকলে সেই নম্বর ব্যবহার করেও সার্চ করা যাবে। এমনকি মা বা বাবার নাম দিয়েও খোঁজ করা সম্ভব। ইলেক্টোরাল রোল ডাউনলোড করে নিজের পোলিং বুথ খুঁজে নিয়ে সেখান থেকে নাম মিলিয়ে নেওয়া যাবে।তবে তালিকায় নাম থাকলেই যে সবাই ভোট দিতে পারবেন, এমন নয়। শোনা যাচ্ছে, ৭ কোটি ৮ লক্ষ নামের মধ্যে বৈধ ভোটারদের পাশাপাশি অমীমাংসিত ভোটারদের নামও রয়েছে। যাঁদের তথ্য যাচাইয়ের জন্য শুনানিতে ডাকা হয়েছিল, তাঁদের নামের পাশে অ্যাডজুডিকেশন লেখা থাকবে। এই ক্ষেত্রে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এখনও হয়নি। আবার যাঁদের নাম বাদ পড়েছে, তাঁদের নামের উপর ডিলিটেড লেখা থাকবে। যাঁদের নাম অ্যাডজুডিকেশন হিসেবে রয়েছে, তাঁদের ক্ষেত্রে সাপ্লিমেন্টারি তালিকা প্রকাশ না হওয়া পর্যন্ত ভোটাধিকার নিশ্চিত নয়। সেই তালিকায় নাম থাকলেই কেবল ভোট দেওয়া সম্ভব হবে।

ফেব্রুয়ারি ২৮, ২০২৬
রাজ্য

আজই প্রকাশ এসআইআর চূড়ান্ত তালিকা! আপনার নামের পাশে কী লেখা আছে, তার উপরেই নির্ভর করবে ভোটাধিকার

উত্তেজনাপূর্ণ ফেব্রুয়ারি মাসের শেষ দিনে আজ, ২৮ ফেব্রুয়ারি প্রকাশ পেতে চলেছে পশ্চিমবঙ্গে এসআইআর-এর চূড়ান্ত তালিকা। কতজনের নাম থাকবে, কতজনের নাম বাদ পড়বে, তা নিয়ে তৈরি হয়েছে তীব্র সংশয়। তবে নির্বাচন কমিশন স্পষ্ট জানিয়েছে, আজ তালিকা প্রকাশ হলেও তা পুরোপুরি চূড়ান্ত নয়। এই তালিকায় তিনটি আলাদা ক্যাটেগরি থাকবে এবং আপনি কোন ক্যাটেগরিতে রয়েছেন, তার উপরেই নির্ভর করবে আপনার ভোটাধিকার।নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, আজকের তালিকায় প্রায় ৭ কোটি ৮ লক্ষ মানুষের নাম থাকতে পারে। কিন্তু এখনও সবার যোগ্যতা যাচাই সম্পূর্ণ হয়নি। তাই আপাতত সকলের নামই থাকবে তালিকায়। তবে প্রত্যেকের নামের পাশে একটি করে স্টেটাস লেখা থাকবে। সেই স্টেটাস দেখেই বোঝা যাবে, কেউ বৈধ ভোটার হিসেবে নিশ্চিত কি না, নাকি তার তথ্য এখনও যাচাইয়ের অপেক্ষায় রয়েছে।চূড়ান্ত তালিকায় যেমন বৈধ বা যোগ্য ভোটারদের নাম থাকবে, তেমনই যাঁদের শুনানির জন্য ডাকা হয়েছিল এবং যাঁদের জমা দেওয়া নথি এখনও বিচারাধীন, তাঁদের নামও থাকবে। তবে তাঁদের নামের পাশে লেখা থাকবে অমীমাংসিত বা অ্যাডজুডিকেশন। যাঁদের নামের পাশে অমীমাংসিত লেখা থাকবে, তাঁদের ক্ষেত্রেই মূল সমস্যা। কারণ চূড়ান্ত তালিকায় নাম থাকলেও তাঁদের ভোটাধিকার এখনও নিশ্চিত নয়।এই সমস্ত নথি আবার খতিয়ে দেখা হবে। তার পর নির্বাচন কমিশন একটি সাপ্লিমেন্টারি তালিকা প্রকাশ করবে। সেই তালিকায় নাম থাকলেই কেবল ভোট দেওয়া সম্ভব হবে। যদি সেখানে নাম না থাকে, তা হলে ভোটাধিকার থাকবে না। শোনা যাচ্ছে, আপাতত প্রায় ৬০ লক্ষ ভোটারের নামের পাশে অমীমাংসিত স্টেটাস থাকতে পারে। ফলে আজ তালিকা প্রকাশ হলেও এই বিপুল সংখ্যক মানুষ নিশ্চিত হতে পারবেন না। তাঁদের অপেক্ষা করতে হবে পরবর্তী সাপ্লিমেন্টারি তালিকার জন্য। যদিও সেই তালিকা কবে প্রকাশ হবে, তা এখনও স্পষ্ট করে জানায়নি নির্বাচন কমিশন।এ ছাড়া আজকের চূড়ান্ত ভোটার তালিকায় যাঁদের নাম বাদ পড়বে, তাঁদের নামও সম্পূর্ণ মুছে দেওয়া হচ্ছে না। নামের পাশে ডিলিটেড লেখা থাকবে। ফলে এক নজরে বোঝা যাবে কার নাম বহাল রয়েছে, কার তথ্য বিচারাধীন, আর কার নাম তালিকা থেকে বাদ গিয়েছে।

ফেব্রুয়ারি ২৮, ২০২৬
রাজ্য

ভোটের আগে বড় ধাক্কা, ঝুলে রয়েছেন ষাট লক্ষ ভোটার, শেষ মুহূর্তে কী হতে চলেছে

পশ্চিমবঙ্গে ভোটার তালিকা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। রাজ্যে মোট ভোটার সংখ্যা সাত কোটি ছেষট্টি লক্ষ সাতত্রিশ হাজার পাঁচশো উনত্রিশ। তবে চূড়ান্ত তালিকায় নাম থাকতে পারে প্রায় সাত কোটি আট লক্ষ মানুষের। অর্থাৎ প্রায় আটান্ন লক্ষ ভোটারের নাম বাদ পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। কয়েক মাস আগে প্রকাশিত খসড়া তালিকাতেও একই সংখ্যক নাম বাদ পড়েছিল। তাই প্রশ্ন উঠছে, চূড়ান্ত তালিকায় আদৌ কোনও বড় পরিবর্তন হচ্ছে কি না।ভোটারদের তিনটি ভাগে দেখা হচ্ছে। প্রথমত যাঁরা অনুমোদিত, দ্বিতীয়ত যাঁদের বিষয় এখনও অমীমাংসিত, এবং তৃতীয়ত যাঁদের নাম বাদ পড়েছে। অনুমোদিত ভোটারদের ক্ষেত্রে সমস্যা নেই। বাদ পড়াদের ক্ষেত্রেও স্পষ্ট কারণ থাকলে বিতর্ক কম। কিন্তু সবচেয়ে বড় জট তৈরি হয়েছে অমীমাংসিত ভোটারদের নিয়ে।ভারতের নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, রাজ্যে প্রায় ষাট লক্ষ ছয় হাজার ভোটার অমীমাংসিত অবস্থায় রয়েছেন। এঁদের ক্ষেত্রে নথিতে যুক্তিগত অসঙ্গতি রয়েছে অথবা যাচাই প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ হয়নি। কোথাও যাচাই হলেও পুনর্বিবেচনার প্রয়োজন রয়েছে। কমিশন জানিয়েছে, এই ভোটারদের নাম আপাতত চূড়ান্ত তালিকায় থাকবে, তবে অমীমাংসিত হিসেবেই। এতে স্বাভাবিকভাবেই সংশয় বাড়ছে।এই ইস্যুতে রাজনৈতিক চাপানউতোরও তীব্র হয়েছে। তৃণমূল কংগ্রেস মুখপাত্র অরূপ চক্রবর্তী অভিযোগ করেছেন, কমিশনের পদক্ষেপে সাধারণ মানুষ হয়রানির শিকার হচ্ছেন এবং বৈধ ভোটারের নাম বাদ গেলে দল রাস্তায় আন্দোলন ও আইনি লড়াই দুটিই করবে। অন্যদিকে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর দাবি, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়র আইনি পদক্ষেপের ফলেই একাধিক তালিকা প্রকাশের পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে এবং অনুপ্রবেশকারীদের প্রকৃত সংখ্যা প্রকাশ্যে আসা উচিত। তিনি কমিশনকে সব তালিকা প্রকাশের আহ্বান জানিয়েছেন। এই বিতর্কে ভারতীয় জনতা পার্টিও কমিশনের স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে।ভোটাধিকার নিয়েই এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। সামনে নির্বাচন, তার আগে বিপুল সংখ্যক ভোটার কার্যত অনিশ্চয়তার মধ্যে রয়েছেন। তাঁরা ভোট দিতে পারবেন কি না, আর ভোট দেওয়ার পর যদি যাচাইয়ে নাম বাতিল হয় তবে দায় কার হবে, সেই প্রশ্নও উঠছে। যদি অমীমাংসিতদের বড় অংশ বাদ পড়ে, তাহলে মোট বাদ পড়া ভোটারের সংখ্যা এক কোটিরও বেশি হতে পারে।সম্প্রতি এক অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করেন, বিশেষ পর্যালোচনা প্রক্রিয়ায় বহু মানুষের নাম বাদ গিয়েছে এবং তিনি হস্তক্ষেপ না করলে আরও প্রায় এক কোটি কুড়ি লক্ষ নাম বাদ পড়তে পারত। ফলে অনেকের মতে, অমীমাংসিত ষাট লক্ষ ভোটারের দিকেই ইঙ্গিত করেছিলেন তিনি।কমিশন অবশ্য জানিয়েছে, আপাতত অমীমাংসিত ভোটাররাও ভোট দিতে পারবেন। ভোটের দফার আগে একটি সম্পূরক তালিকা প্রকাশ করা হবে। সেই তালিকা থেকেই স্পষ্ট হবে কারা বৈধ ভোটার হিসেবে থাকবেন এবং কারা বাদ পড়বেন। বিষয়টি ইতিমধ্যেই আইনি পর্যায়েও পৌঁছেছে এবং প্রয়োজন হলে ভারতের সুপ্রিম কোর্টেও আরও শুনানি হতে পারে বলে রাজনৈতিক মহলের ধারণা।

ফেব্রুয়ারি ২৭, ২০২৬
রাজ্য

চূড়ান্ত তালিকার আগে বড় ধাক্কা, এক এলাকাতেই বাদ পড়তে পারে সাড়ে আট হাজার ভোটার

পশ্চিমবঙ্গে এসআইআর প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার মুখে পৌঁছালেও জটিলতা কাটছে না। আগামী আটাশ ফেব্রুয়ারি চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশের কথা। কিন্তু নথি জমা দেওয়ার পরও বহু ভোটার অনিশ্চয়তায় ভুগছেন। এর মধ্যেই অভিযোগ উঠেছে, বিপুল সংখ্যক নথি এখনও আপলোড হয়নি। নতুন করে আশঙ্কা তৈরি হয়েছে লক্ষ্মীপুর এলাকায়, যেখানে প্রায় সাড়ে আট হাজার ভোটারের নাম তালিকা থেকে বাদ পড়তে পারে বলে দাবি করা হচ্ছে।স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, সুতির লক্ষ্মীপুর এলাকার বহু ভোটার এই অভিযোগ সামনে এনে কলকাতায় নির্বাচন কমিশনের দফতরে ছুটে এসেছেন। তাঁদের দাবি, প্রয়োজনীয় সব নথি জমা দেওয়ার পরও দায়িত্বপ্রাপ্ত সহকারী নির্বাচনী আধিকারিক সেই নথি আপলোড করেননি। ফলে বৈধ ভোটার হয়েও তালিকা থেকে নাম বাদ পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। সংশ্লিষ্ট আধিকারিকের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করার আবেদন জানিয়েছেন তাঁরা।ভোটারদের বক্তব্য, এসআইআর প্রক্রিয়ায় প্রমাণ হিসেবে যে তেরো ধরনের নথি জমা দেওয়ার কথা, তার মধ্যেই প্রয়োজনীয় নথি তাঁরা জমা দিয়েছেন। অভিযোগ, এক থেকে পঁচানব্বই নম্বর বুথ পর্যন্ত বহু ভোটারের নথি আপলোড হয়নি। ব্যক্তিগতভাবে খোঁজ নিয়ে এই তথ্য জানার পরই তাঁরা দ্রুত কমিশনের দ্বারস্থ হয়েছেন। হাতে সময় খুব কম থাকায় কী হবে তা নিয়ে চরম উদ্বেগে রয়েছেন সাধারণ মানুষ।এর আগেও অভিযোগ উঠেছিল, দায়িত্বপ্রাপ্ত আধিকারিকদের ভুলের কারণে লক্ষাধিক বৈধ ভোটারের নাম বাদ যেতে পারে। নির্বাচনী আধিকারিক ও সহকারী আধিকারিকদের গাফিলতির জেরে বহু নথি আপলোড হয়নি বলে অভিযোগ। কমিশন সূত্রে খবর, অন্তত এক লক্ষ চোদ্দ হাজার ভোটারের নথি জমা পড়েনি বা আপলোড হয়নি বলে দাবি উঠেছে। ফলে সেই সব নাম চূড়ান্ত তালিকায় না থাকার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। ভোটের আগে এই পরিস্থিতি নতুন করে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক চাপ বাড়িয়েছে।

ফেব্রুয়ারি ২৪, ২০২৬
রাজ্য

এসআইআর না হলে ভোট নয়, বিস্ফোরক হুঁশিয়ারি শমীকের

গুজরাট ও তামিলনাড়ু-সহ একাধিক রাজ্যে এসআইআর প্রক্রিয়ার পর চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশিত হলেও পশ্চিমবঙ্গে এখনও সেই প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ হয়নি। আগামী আটাশ ফেব্রুয়ারি চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশের কথা থাকলেও বহু আবেদন ও অভিযোগের নিষ্পত্তি এখনও বাকি রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে নির্বাচন কমিশনকে কড়া বার্তা দিলেন রাজ্য বিজেপির সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। মঙ্গলবার তিনি বলেন, সব আবেদন ও অভিযোগ নিষ্পত্তি না করে ভোটার তালিকা প্রকাশ করা উচিত নয়। তাঁর কথায়, আগে ভেজালমুক্ত তালিকা তৈরি করতে হবে, তারপর নির্বাচন হওয়া উচিত। তিনি স্পষ্ট জানান, এসআইআর সম্পূর্ণ না হলে ভোট নয় এবং দল সেই অবস্থানেই অটল।তৃণমূলকে আক্রমণ করে শমীক দাবি করেন, অবিজেপি শাসিত কেরল ও তামিলনাড়ুতে এসআইআর প্রক্রিয়া নির্বিঘ্নে শেষ হয়েছে এবং কোথাও অশান্তির ঘটনা ঘটেনি। তাঁর অভিযোগ, সমস্যা শুধু বাংলাতেই দেখা যাচ্ছে এবং পরিস্থিতি নিয়ে বিচারকরাও উদ্বিগ্ন। তিনি বলেন, তাঁদের জমা দেওয়া আবেদনপত্রের মধ্যে অনেক নথি নষ্ট হয়ে গিয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। সেই সব আবেদন গ্রহণ করে সব রাজনৈতিক দলের নথির সমান গুরুত্ব দিয়ে যাচাই করার দাবি জানান তিনি। প্রয়োজনে সময় বেশি লাগলেও সম্পূর্ণ প্রক্রিয়া শেষ করেই ভোটে যাওয়ার কথা বলেন বিজেপি নেতা।এছাড়া মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে আবার রাজ্যে আসার আহ্বান জানান শমীক। তিনি বলেন, কমিশনার যেন মুর্শিদাবাদের ডোমকল-সহ বিভিন্ন এলাকায় গিয়ে সরেজমিনে পরিস্থিতি পর্যালোচনা করেন। নির্বাচন কমিশনের কাছে তাঁর দাবি, শেষ অভিযোগের শুনানি শেষ না হওয়া পর্যন্ত প্রক্রিয়া চালিয়ে যেতে হবে এবং প্রয়োজন হলে অতিরিক্ত সময় নিয়েই তা সম্পূর্ণ করতে হবে। এই মন্তব্যের পর ভোটের আগে এসআইআর প্রক্রিয়া ঘিরে রাজ্যের রাজনৈতিক উত্তাপ আরও বাড়ল বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

ফেব্রুয়ারি ২৪, ২০২৬
কলকাতা

ভোটের আগে বড় সিদ্ধান্ত, হঠাৎ সক্রিয় নির্বাচন কমিশন, কী ঘটতে চলেছে জানেন?

দেশজুড়ে ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় পরিমার্জন প্রক্রিয়ার তৃতীয় ধাপ এখন শেষের পথে। বিহারে এই কাজ ইতিমধ্যেই সম্পূর্ণ হয়েছে এবং পশ্চিমবঙ্গ-সহ আরও বারোটি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে কাজ চলছে। শুরুতে এই প্রক্রিয়া নিয়ে নির্বাচন কমিশনের তরফে স্পষ্ট করে কিছু জানানো হয়নি। কবে শুরু হবে বা আদৌ সব রাজ্যে হবে কি না, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা ছিল। তবে এখন পরিস্থিতি বদলেছে। সাধারণ মানুষের মধ্যে বিষয়টি নিয়ে সচেতনতা বেড়েছে এবং কমিশনও পরবর্তী পদক্ষেপে এগোতে শুরু করেছে।বৃহস্পতিবার নির্বাচন কমিশন যেসব রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে এই কাজ এখনও শুরু হয়নি, সেই সব জায়গার মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকদের কাছে চিঠি পাঠিয়েছে। সেখানে স্পষ্ট নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যে, ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় পরিমার্জনের জন্য আগাম সমস্ত প্রস্তুতি সম্পন্ন করতে হবে। অর্থাৎ পরিকাঠামো, কর্মী ও প্রশাসনিক ব্যবস্থাপনা আগে থেকেই গুছিয়ে রাখতে বলা হয়েছে।চিঠিতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, আগামী এপ্রিল মাস থেকে বাকি থাকা রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলিতে এই বিশেষ পরিমার্জনের কাজ শুরু হতে পারে। তাই নির্ধারিত সময়ের আগেই সব ধরনের প্রস্তুতি শেষ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের এই পদক্ষেপকে আসন্ন নির্বাচনগুলির আগে ভোটার তালিকা আরও নির্ভুল করার উদ্যোগ হিসেবেই দেখছেন পর্যবেক্ষকরা।মেটা বিবরণ: দেশজুড়ে ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় পরিমার্জন প্রক্রিয়া নিয়ে বড় পদক্ষেপ নির্বাচন কমিশনের। বিহারের পর বাকি রাজ্যগুলিতে এপ্রিল থেকে শুরু হতে পারে কাজ, প্রস্তুতির নির্দেশ মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকদের।

ফেব্রুয়ারি ১৯, ২০২৬
রাজ্য

১ লক্ষের বেশি আবেদন ঝুলে, বাদ পড়ছেন হাজার হাজার ভোটার

২৮ ফেব্রুয়ারি চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ নিয়ে অনিশ্চয়তা। প্রযুক্তিগত সমস্যায় ১ লক্ষের বেশি নথি আপলোড বাকি। আরও ৩৫ হাজার আবেদনকারী অযোগ্য ঘোষিত। বিস্তারিত পড়ুন।বিধানসভা ভোটের আগে নতুন করে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ নিয়ে। কমিশন সূত্রে খবর, আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ নাও হতে পারে। প্রযুক্তিগত সমস্যার কারণে এই বিলম্ব হতে পারে বলে জানা যাচ্ছে।শুনানির সময়সীমা শেষ হয়ে গেলেও এখনও লক্ষাধিক আবেদনকারীর তথ্য অনলাইনে তোলা হয়নি। কমিশনের হিসেব অনুযায়ী, মোট ১ লক্ষ ১৪ হাজার ৭৭২টি নথি আপলোড বাকি রয়েছে। ফলে তথ্য যাচাইয়ের জন্য অতিরিক্ত সময়ের প্রয়োজন হতে পারে। মঙ্গলবার আরও প্রায় ৩৫ হাজার আবেদনকারীকে অযোগ্য বলে চিহ্নিত করা হয়েছে। তাঁদের জমা দেওয়া নথি গ্রহণযোগ্য নয় বলেই জানানো হয়েছে।জেলাভিত্তিক পরিসংখ্যান অনুযায়ী, কয়েকটি জেলায় পরিস্থিতি উদ্বেগজনক। কোচবিহারে ১০,৪৭৯টি, দক্ষিণ দিনাজপুরে ১০,২৮৫টি, উত্তর কলকাতায় ১৫,০৩১টি এবং উত্তর ২৪ পরগনায় ২০,৭০৭টি নথি এখনও সিস্টেমে আপলোড হয়নি। হাওড়ায় বাকি রয়েছে ১০,৪৯৯টি নথি। দার্জিলিং, হুগলি এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনায় পাঁচ হাজারের বেশি নথি এখনও তোলা হয়নি। অন্যদিকে মালদহ, ঝাড়গ্রাম ও কালিম্পংয়ে আপলোড নিয়ে কোনও সমস্যা নেই বলেই জানা গিয়েছে।Election Commission of India জানিয়েছে, যে ১২টি রাজ্যে ভোটার তালিকা সংশোধনের কাজ চলছে, সব রাজ্যেই আপলোডের কাজ আপাতত বন্ধ রয়েছে। নতুন করে আর আপলোড করা সম্ভব নয়। চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশের পর বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে।তবে কাদের গাফিলতিতে এত বিপুল সংখ্যক আবেদন ঝুলে রইল, তা খতিয়ে দেখে দোষীদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছে কমিশন। ভোটের মুখে এই পরিস্থিতি রাজনৈতিক চাপানউতোর আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। এখন সকলের নজর, আদৌ ২৮ ফেব্রুয়ারি চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ পায় কি না।

ফেব্রুয়ারি ১৮, ২০২৬
রাজ্য

ভোটার তালিকা থেকে ৮০ লক্ষ নাম বাদ? এসআইআর শুনানি ঘিরে চাঞ্চল্য

এসআইআর শুনানির প্রক্রিয়া শেষ হয়েছে বলে জানিয়েছে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দপ্তর। শনিবার ছিল আনুষ্ঠানিক শেষ দিন, তবে শুক্রবারই শুনানি শেষ হয়েছে। এখন চলছে তথ্য আপলোড ও যাচাইয়ের কাজ।কমিশন সূত্রে খবর, শুনানিতে নোটিস পাওয়ার পরও প্রায় ৬ লক্ষ ভোটার ইআরও-দের সামনে হাজির হননি। তাই তাঁদের নাম বাদ যাওয়ার সম্ভাবনা প্রায় নিশ্চিত। এছাড়া লজিক্যাল ত্রুটি এবং অ্যানম্যাপড ভোটারের তালিকা থেকেও প্রায় ১০ শতাংশ নাম বাদ যেতে পারে বলে জানা গিয়েছে।খসড়া তালিকা প্রকাশের সময় দেখা গিয়েছিল, প্রায় ৫৮ লক্ষ ভোটারের নাম বাদ গিয়েছিল। তার সঙ্গে শুনানিতে অনুপস্থিত ৬ লক্ষ যোগ করলে সংখ্যাটা দাঁড়ায় ৬৪ লক্ষ। এর সঙ্গে আরও ১০ লক্ষের বেশি অ্যানম্যাপড ও লজিক্যাল ত্রুটি থাকা নাম ধরলে মোট সংখ্যা প্রায় ৮০ লক্ষ ছুঁতে পারে বলে কমিশন সূত্রের অনুমান।অনেকেই শুনানির সময় কমিশনের নির্ধারিত ১৩টি বৈধ নথির কোনওটি জমা দিতে পারেননি। তার বদলে প্যান কার্ড বা সংবাদপত্রের কাটিংয়ের মতো কাগজ জমা দিয়েছেন। সেই কারণে তাঁদের নাম বাদ যেতে পারে।কমিশন জানিয়েছে, কার নাম কেন বাদ গেল, তা নোটিস দিয়ে জানানো হবে। নাম বাদ গেলে পাঁচ দিনের মধ্যে জেলাশাসকের কাছে আবেদন করা যাবে। সেখানে সুরাহা না হলে আরও পাঁচ দিনের মধ্যে সিইও দপ্তরে আবেদন জানানো যাবে।আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশের কথা রয়েছে। তার আগে স্ক্রুটিনি চলছে। সিইও-র ছাড়পত্র মিললেই প্রকাশিত হবে তালিকা। এখন নজর, শেষ পর্যন্ত কত নাম বাদ যায়।

ফেব্রুয়ারি ১৪, ২০২৬
কলকাতা

সময় ফুরোল, কাজ বাকি! ভোটার তালিকা প্রকাশ পিছোল, বড় ঘোষণা কমিশনের

নির্ধারিত সময়সীমা পেরিয়ে গেলেও রাজ্যের একাধিক জায়গায় এখনও ভোটার তালিকার কাজ অসম্পূর্ণ। কোথাও শুনানি শেষ হয়নি, আবার কোথাও নথি আপলোডের কাজ চলছে। এই পরিস্থিতিতে জেলাশাসকদের আবেদনের ভিত্তিতে এসআইআর বা ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়ার সময় বাড়াল নির্বাচন কমিশন।শনিবার সন্ধ্যায় এই সিদ্ধান্তের কথা ঘোষণা করেন রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ আগরওয়াল। তিনি জানান, আপাতত আরও সাত দিন শুনানির কাজ চলবে, অর্থাৎ ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। ওই দিনই চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশের কথা ছিল। তবে সময় বাড়ানোয় সেই তালিকা প্রকাশও পিছিয়ে যাচ্ছে। সব কিছু ঠিকঠাক চললে ২১ ফেব্রুয়ারির মধ্যে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করা সম্ভব হবে বলে জানান তিনি।নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০২৫ সালের অক্টোবরের শেষ দিকে রাজ্যে এসআইআর প্রক্রিয়া শুরু হয়েছিল। পরিকল্পনা ছিল, ধাপে ধাপে সমস্ত কাজ শেষ করে ১৪ ফেব্রুয়ারি চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হবে। তার পরেই বিধানসভা ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণা হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু শেষ পর্বে এসে দেখা যায়, বেশ কিছু জেলায় এখনও ভোটারদের নথি যাচাই এবং শুনানির কাজ শেষ করা যায়নি।এই কারণেই কয়েকটি জেলার জেলাশাসক কমিশনের কাছে সময় বাড়ানোর আবেদন জানান। শেষ পর্যন্ত সেই আবেদন মেনে নেওয়া হয়েছে। ফলে শুনানির সময় যেমন বাড়ল, তেমনই পিছোল চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশের দিনও।এ বিষয়ে মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ আগরওয়াল বলেন, উত্তর ও দক্ষিণ কলকাতা এবং উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনার কয়েকটি বিধানসভা কেন্দ্রে এখনও শুনানির কাজ বাকি রয়েছে। তবে মোট কাজের প্রায় ৭০ থেকে ৮০ শতাংশ ইতিমধ্যেই সম্পন্ন হয়েছে। খুব বেশি কাজ বাকি নেই বলেই জানান তিনি। তাঁর আশা, আগামী সাত দিনের মধ্যেই সব শুনানি শেষ করা সম্ভব হবে।চূড়ান্ত ভোটার তালিকা ফেব্রুয়ারির শেষে যাবে কি না, এই প্রশ্নে তিনি জানান, শুনানির কাজ শেষ হলে তার পর আরও কয়েক দিন সময় লাগবে তথ্য চূড়ান্ত করতে। সেই হিসেবে ২১ ফেব্রুয়ারির মধ্যেই চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করা সম্ভব হবে।

ফেব্রুয়ারি ০৭, ২০২৬
রাজ্য

জীবিত ভোটারকে মৃত! বাদুড়িয়ায় ভোটার তালিকা ঘিরে তুমুল বিতর্ক

শনিবার ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়ার শুনানি পর্বের শেষ দিনে উত্তর ২৪ পরগনার বাদুড়িয়ায় উঠল গুরুতর অভিযোগ। অভিযোগ, ৩৩ জন জীবিত ভোটারকে মৃত দেখিয়ে ফর্ম ৭ জমা দেওয়া হয়েছে। এই ঘটনায় বিজেপির বিরুদ্ধে পরিকল্পিত চক্রান্তের অভিযোগ তুলে সরব হয়েছে তৃণমূল। ঘটনার প্রতিবাদে বিডিও অফিসে বিক্ষোভ দেখান ভোটাররা। পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখার আশ্বাস দিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন। পাশাপাশি, গোটা ঘটনার রিপোর্ট তলব করেছে মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দপ্তর।জানা গিয়েছে, চণ্ডিপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের ব্যানা গ্রামের ৪৫ নম্বর বুথ এবং যশাইকাটি-আটঘরা গ্রাম পঞ্চায়েতের ৮০ নম্বর বুথে এই ঘটনা ঘটেছে। অভিযোগ, মোট ৩৩ জন ভোটারের নাম ফর্ম ৭ ব্যবহার করে মৃত হিসেবে নথিভুক্ত করা হয়েছে, যদিও তাঁরা সকলেই জীবিত। বিক্ষোভকারী ভোটারদের দাবি, কোনও রকম নোটিস বা যাচাই ছাড়াই তাঁদের নামের পাশে মৃত লেখা হয়েছে। এতে তাঁদের ভোটাধিকার কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে বলে অভিযোগ।স্থানীয় তৃণমূল নেতা মেহেবুর আলম বলেন, সামনে নির্বাচন। এসআইআর প্রক্রিয়ার সুযোগ নিয়ে বিজেপি ইচ্ছাকৃতভাবে জীবিত ভোটারদের মৃত দেখিয়ে নাম বাদ দেওয়ার চেষ্টা করছে। তিনি জানান, শুনানি শেষ হওয়ার পর সংশ্লিষ্ট বিজেপি বুথ সভাপতির মণ্ডলের বিরুদ্ধে বাদুড়িয়া থানায় অভিযোগ দায়ের করা হবে।যদিও বিজেপির পাল্টা দাবি, তৃণমূলই এসআইআর প্রক্রিয়া বানচাল করতে এই অভিযোগ তুলছে। এই প্রসঙ্গে বাদুড়িয়া ব্লকের বিডিও পার্থ হাজরা জানান, কয়েকজন ভোটার লিখিত অভিযোগ করেছেন। বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।এদিকে, এই ঘটনায় নির্বাচনী আধিকারিকদের হেনস্তার অভিযোগও উঠেছে। গোটা ঘটনার বিস্তারিত জানতে উত্তর ২৪ পরগনা জেলার জেলাশাসকের কাছে রিপোর্ট চেয়েছে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দপ্তর।একই ধরনের অভিযোগ উঠেছে গাইঘাটার ধরমপুর ১ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের নাইগাছি ১৪৮ নম্বর বুথেও। সেখানে ৬ জন জীবিত ভোটারকে মৃত দেখিয়ে ফর্ম ৭ জমা দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ। বিএলওর সঙ্গে যোগাযোগ করে বিষয়টি জানতে পারেন ভোটাররা। সত্তরোর্ধ্ব আকবর মণ্ডল, হানিফ মণ্ডল, মছিম মণ্ডল, ফতেমা বিবি, নুরজাহান বিবি ও রহিমা বিবিরা জানান, তাঁরা নিয়মিত ভোট দেন। অথচ হঠাৎ জানতে পারেন, তাঁদের মৃত দেখিয়ে ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ দেওয়ার চেষ্টা হয়েছে। তাঁদের অভিযোগ, স্থানীয় বিজেপি নেতারা কাগজে কলমে তাঁদের মৃত বানাতে চাইছেন।

ফেব্রুয়ারি ০৭, ২০২৬
কলকাতা

ভবানীপুরে গোপন বৈঠক মমতার, এসআইআর নিয়ে কড়া নির্দেশ বিএলএদের

এক মাসের ব্যবধানে ফের দলীয় বৈঠকে বসলেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে আগের বারের মতো রাজ্যের সমস্ত বিএলএ নয়, এ বার নিজের বিধানসভা কেন্দ্র ভবানীপুরের কাউন্সিলর ও বুথ লেভেল এজেন্টদের নিয়েই রুদ্ধদ্বার বৈঠক করলেন তিনি। শুক্রবারের এই বৈঠকে মূল আলোচনার কেন্দ্রে ছিল এসআইআর বা ভোটার তালিকা সংশোধনের প্রক্রিয়া।দলীয় সূত্রের খবর, বৈঠকে উপস্থিত কাউন্সিলর ও বিএলএদের কড়া বার্তা দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে যেসব ভোটারকে লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সি বা যুক্তিগত অসঙ্গতির কারণ দেখিয়ে শুনানির জন্য ডাকা হচ্ছে, শুধুমাত্র তাঁদেরই বিস্তারিত তালিকা দিতে হবে। মমতা স্পষ্ট করে জানান, সামান্য ভুল বা তথ্যগত ত্রুটির জন্য যাঁদের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়ছে বা যাঁদের শুনানিতে ডাকা হচ্ছে, সেই নির্দিষ্ট ভোটারদের নাম-ঠিকানা ও নথি বিএলএদের হাতে থাকতে হবে।উল্লেখ্য, নির্বাচন কমিশন বর্তমানে এসআইআর সংক্রান্ত প্রায় সব নোটিসেই লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সি শব্দবন্ধ ব্যবহার করছে। এই শব্দের আড়ালে যাতে অকারণে ভোটারদের নাম বাদ না পড়ে, সে বিষয়েই বিএলএদের সতর্ক থাকতে বলেন তৃণমূল সুপ্রিমো।রাজনৈতিক ভাবে ভবানীপুরের ৭৭ নম্বর ওয়ার্ড মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে নন্দীগ্রামে পরাজয়ের পর এই ভবানীপুর কেন্দ্র থেকেই বিপুল লিডে জয় পান তিনি। বিশেষ করে ৭৭ নম্বর ওয়ার্ড থেকেই সবচেয়ে বেশি ভোটের ব্যবধান তৈরি হয়েছিল। রাজনৈতিক মহলের মতে, এই ওয়ার্ডের লিডই আবার তাঁকে ক্ষমতার শীর্ষে ফিরতে সাহায্য করেছিল।নতুন করে ভোটের আবহে বাংলার রাজনীতিতে এখন সবচেয়ে আলোচিত বিষয় এসআইআর। বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী আগেই দাবি করেছিলেন, ভোটার তালিকা সংশোধনের কাজ শেষ হলে ভবানীপুরে আর তৃণমূল এত বড় লিড পাবে না। এসআইআর শুরু হওয়ার আগেই শুভেন্দু মন্তব্য করেছিলেন, ভবানীপুর কখনওই তৃণমূলের নিরাপদ আসন নয়। তাঁর দাবি ছিল, ভবানীপুরে সংখ্যালঘু ভোটার মাত্র ২০ শতাংশ এবং চেতলার ৭৭ নম্বর ওয়ার্ড থেকেই প্রায় ১৭ হাজার ভোটের লিড পেয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এসআইআর-এ বাংলাদেশি সংখ্যালঘুদের নাম বাদ গেলে সেই লিড আর থাকবে না বলেও দাবি করেছিলেন তিনি।এসআইআর প্রক্রিয়া যখন প্রায় চূড়ান্ত পর্যায়ে, তখনই ভবানীপুরের দিকে বিশেষ নজর দিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শুক্রবারের বৈঠকে তিনি অভিযোগ করেন, ৭৭ নম্বর ওয়ার্ডে ইচ্ছাকৃত ভাবে বহু ভোটারের নাম বাদ দেওয়া হচ্ছে। তাঁর মতে, এর পিছনে কারচুপির আশঙ্কা রয়েছে। তাই কাউন্সিলর ও বিএলএদের স্পষ্ট ভাবে সতর্ক করে দিয়ে তিনি বলেন, ভোটার তালিকা নিয়ে কোনও রকম গাফিলতি বা অনিয়ম বরদাস্ত করা হবে না।

জানুয়ারি ৩০, ২০২৬
কলকাতা

ভোটার তালিকা নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত! অশান্তি হলেই বন্ধ শুনানি, সময়সীমা বাড়াতে পারে কমিশন

এসআইআর-এর চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশের সময়সীমা আরও বাড়তে পারে। ১৪ ফেব্রুয়ারির বদলে অন্তত আরও ১০ দিন সময় দেওয়া হতে পারে বলে কমিশন সূত্রে খবর। এই পরিস্থিতিতে রাজ্যের জেলাশাসকদের উদ্দেশে এক বিশেষ ও কড়া নির্দেশ পাঠিয়েছে নির্বাচন কমিশন। নির্দেশে বলা হয়েছে, শুনানি কেন্দ্রে অশান্তি তৈরি হলে অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ করে দিতে হবে শুনানি।সম্প্রতি উত্তর দিনাজপুরের চাকুলিয়া ও ইটাহার, বাঁকুড়া, মুর্শিদাবাদ সহ রাজ্যের একাধিক জেলায় ভোটার তালিকা সংক্রান্ত শুনানি চলাকালীন চরম বিশৃঙ্খলার ছবি সামনে এসেছে। কোথাও বচসা, কোথাও ধাক্কাধাক্কি, আবার কোথাও শুনানি সম্পূর্ণ বন্ধ করে দিতে হয়েছে। এই সমস্ত ঘটনার রিপোর্ট ইতিমধ্যেই কমিশনের কাছে তলব করা হয়েছে। এমনকি উত্তর দিনাজপুরের বিধায়ক মনিরুল ইসলামের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়েরের নির্দেশও দিয়েছে কমিশন।এই আবহেই নিরাপত্তা নিয়ে আরও কড়া অবস্থান নিল নির্বাচন কমিশন। কমিশনের স্পষ্ট নির্দেশ, যদি শুনানি কেন্দ্রের পরিবেশ উত্তপ্ত হয় বা ভোটাররা ভয় পেয়ে সেখানে যেতে না পারেন, তাহলে সঙ্গে সঙ্গে শুনানি বন্ধ করে দিতে হবে। পরিস্থিতি পুরোপুরি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত কোনওভাবেই শুনানি পুনরায় শুরু করা যাবে না।কমিশন সূত্রে খবর, সময়সীমা বাড়ানোর সম্ভাবনা থাকায় এখন শুনানি শেষ করার ক্ষেত্রে অতটা তাড়াহুড়ো নেই। তার বদলে ভোটারদের নিরাপত্তা এবং শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখাই আপাতত কমিশনের প্রধান লক্ষ্য।উল্লেখ্য, তৃণমূলের দাবিকে মান্যতা দিয়ে সুপ্রিম কোর্ট আগেই নির্দেশ দিয়েছিল যে পঞ্চায়েত বা ব্লক অফিসেই ভোটার তালিকা সংক্রান্ত শুনানি করতে হবে। সেই নির্দেশ কার্যকর হওয়ার পরেই নিরাপত্তা ইস্যুতে রাজ্য সরকারের উপর চাপ বাড়াল কমিশন।সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মেনে আগামী শনিবার লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সি-র তালিকা প্রকাশ হওয়ার কথা। সেই সময় যাতে কোনও রকম অশান্তি বা বিশৃঙ্খলা না তৈরি হয়, তার জন্য রাজ্যের মুখ্যসচিব, রাজ্য পুলিশের ডিজি এবং কলকাতা পুলিশের কমিশনারকে চিঠি পাঠিয়েছে নির্বাচন কমিশন।এই পরিস্থিতি নিয়ে রাজনৈতিক চাপানউতোরও তীব্র হয়েছে। কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার দাবি করেছেন, শুনানি বন্ধ হলে ভোট পিছিয়ে যেতে পারে। সরকারের মেয়াদ শেষ হয়ে গেলে রাষ্ট্রপতি শাসন জারির পরিস্থিতি তৈরি হবে। তাঁর অভিযোগ, তৃণমূল সেটাই চাইছে। পাল্টা তৃণমূল নেতা জয়প্রকাশ মজুমদারের দাবি, বিজেপি ইচ্ছাকৃতভাবে ভোটারদের ভয় দেখিয়ে পরিস্থিতি অশান্ত করার চেষ্টা করছে।

জানুয়ারি ২৩, ২০২৬
রাজ্য

উত্তরপ্রদেশে বাদ ২.৮১ কোটি ভোটার! ‘এরা কারা, সময়েই বুঝবেন’—ইঙ্গিত শুভেন্দুর

উত্তরপ্রদেশে মোট ১২ কোটি ৫৫ লক্ষ ভোটারের মধ্যে প্রায় ২ কোটি ৮১ লক্ষ নাম বাদ পড়েছে। বাংলায় এসআইআর নিয়ে যখন তীব্র বিতর্ক চলছে, তখন উত্তরপ্রদেশের ভোটার তালিকা নিয়েও নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। এর আগে একাধিকবার শোনা গিয়েছিল, যোগী রাজ্যে প্রায় ৪ কোটির বেশি নাম বাদ যেতে পারে। এই নিয়ে প্রশাসনের অন্দরেও চাপানউতোর চলেছিল।উত্তরপ্রদেশে যাঁদের নাম বাদ গিয়েছে, তাঁরা কি রোহিঙ্গাএই প্রশ্নই সাংবাদিক বৈঠকে করা হয় পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীকে। উত্তরে স্পষ্ট কিছু না বললেও বাংলা ও বিহারের প্রসঙ্গ টেনে ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য করেন তিনি। শুভেন্দু বলেন, এরা কারা তা ১৪ ফেব্রুয়ারি বুঝতে পারবেন। বিহারের সংখ্যাটা তিনি জানেন বলেও দাবি করেন। পশ্চিমবঙ্গের সংখ্যাটা তিনি ১৫ ফেব্রুয়ারি জানাবেন বলে মন্তব্য করেন। তাঁর কথায়, বিহারে কত অবৈধ অনুপ্রবেশকারী রয়েছেন তিনি জানেন, তবে এখনই বলবেন না।শুভেন্দুর দাবি, যখন আধার কার্ড ডিঅ্যাক্টিভ হবে, রেশন কার্ড বন্ধ হবে, প্রধানমন্ত্রী অন্ন সুরক্ষা যোজনা থেকে নাম বাদ যাবে এবং ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট বন্ধ হবে, তখনই বোঝা যাবে কে ভারতীয় নাগরিক নন। সময়ই সব কথা বলবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।প্রসঙ্গত, বাংলায় এসআইআর নিয়ে শুরু থেকেই বিতর্কের শেষ নেই। খসড়া ভোটার তালিকা থেকে ইতিমধ্যেই ৫৮ লক্ষের বেশি নাম বাদ গিয়েছে। বর্তমানে চলছে এসআইআর-এর দ্বিতীয় পর্ব। প্রতিদিনই শুনানি কেন্দ্রে ভিড় জমাচ্ছেন হাজার হাজার মানুষ।এর মধ্যেই এসআইআর প্রক্রিয়ায় চা বাগান শ্রমিকদের নথির বৈধতা নিয়ে সাংবাদিক বৈঠক করেন শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেন, দার্জিলিং থেকে শুরু করে তরাই ও ডুয়ার্সের চা বাগান এলাকাগুলিতে শ্রমিকরা বংশপরম্পরায় বসবাস করছেন। তাঁদের অনেকের কাছেই স্কুল সার্টিফিকেট নেই, এমনকি প্রয়োজনীয় কোনও নথিও নেই। এই সমস্যার কথা মাথায় রেখেই কেন্দ্র সরকার ২০০৬ সালে বন অধিকার আইন এনেছিল বলে জানান তিনি।শুভেন্দু আরও বলেন, এসআইআর-এর জন্য যে ১১ দফা নথি চাওয়া হচ্ছে, তার মধ্যে ফরেস্ট রাইটস অ্যাক্টের নথিকে অন্তর্ভুক্ত করার দাবি প্রথম তুলেছিলেন বিজেপি সাংসদ রাজু বিস্তা। সেই দাবিকে সামনে রেখেই এবার মুখ্য নির্বাচন কমিশনারকে চিঠি দিয়েছেন তিনি।

জানুয়ারি ০৬, ২০২৬
দেশ

একধাক্কায় উধাও ২.৮৯ কোটি ভোটার! উত্তর প্রদেশে প্রকাশ্যে খসড়া ভোটার তালিকা

উত্তর প্রদেশে প্রকাশিত হল খসড়া ভোটার তালিকা। এই তালিকা প্রকাশের পরেই শুরু হয়েছে জোর চর্চা। কারণ একধাক্কায় তালিকা থেকে বাদ পড়েছে প্রায় ২.৮৯ কোটি ভোটারের নাম। এর জেরে রাজ্যে মোট ভোটারের সংখ্যা কমে দাঁড়াল প্রায় ১২ কোটিতে। আগে এই সংখ্যা ছিল ১৫ কোটিরও বেশি।এই তথ্য জানিয়েছেন উত্তর প্রদেশের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক। তিনি জানান, স্পেশাল ইন্টেনসিভ রিভিশন বা এসআইআর প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার পরে রাজ্যের প্রায় ১২ কোটি ভোটার এনুমারেশন ফর্ম জমা দিয়েছেন। কিন্তু প্রায় ১৮ শতাংশ ভোটার সেই ফর্ম জমা দেননি। যাঁরা ফর্ম জমা দেননি, তাঁদের নামই খসড়া ভোটার তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে।নির্বাচন কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে, যাঁদের নাম বাদ গিয়েছে তাঁদের মধ্যে ৪৬.২৩ লক্ষ ভোটার ইতিমধ্যেই প্রয়াত। প্রায় ২.১৭ কোটি ভোটার রাজ্যের বাইরে বা অন্য জায়গায় স্থানান্তরিত হয়ে গিয়েছেন। এছাড়াও ২৫.৪৭ লক্ষ ভোটারের নাম একাধিক জায়গায় পাওয়া গিয়েছে। এই কারণেই তাঁদের নাম তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। কমিশনের দাবি, গোটা এসআইআর প্রক্রিয়ায় রাজনৈতিক দলগুলিও সহযোগিতা করেছে।সোমবার এই খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। এখন এই তালিকা নিয়ে সাধারণ মানুষ নির্বাচন কমিশনের কাছে অভিযোগ বা দাবি জানাতে পারবেন। যাঁদের নাম বাদ পড়েছে, তাঁরা আগামী ৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত আবেদন করতে পারবেন।অন্যদিকে, ৬ জানুয়ারি থেকে নোটিস পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু হবে। যেসব ভোটারের ম্যাপিং এখনও হয়নি, তাঁদের ডাকা হবে বলে জানিয়েছে কমিশন। ইতিমধ্যেই ৯১ শতাংশের বেশি ভোটারের ম্যাপিং সম্পন্ন হয়েছে। যাঁদের ম্যাপিং বাকি রয়েছে, তাঁদের বাড়িতে নোটিস পাঠানো হবে।নির্বাচন কমিশনের ঘোষণা অনুযায়ী, আগামী ৬ মার্চ প্রকাশিত হবে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা। কমিশন আরও জানিয়েছে, যাঁদের নাম খসড়া ভোটার তালিকায় রয়েছে, তাঁদের নতুন করে ফর্ম ৬ পূরণ করার প্রয়োজন নেই। তবে যাঁদের নাম বাদ পড়েছে, তাঁদের অবশ্যই ফর্ম ৬ পূরণ করতে হবে।যাঁরা স্থানান্তরিত হয়ে গিয়েছেন, তাঁরা সংশ্লিষ্ট বিএলও-র সঙ্গে যোগাযোগ করে ফর্ম ৮ পূরণ করে জমা দিতে পারবেন। কমিশনের তরফে সকল ভোটারকে নিজের নাম খসড়া তালিকায় আছে কি না, তা যাচাই করার অনুরোধ করা হয়েছে।

জানুয়ারি ০৬, ২০২৬
কলকাতা

খসড়া তালিকায় নাম নেই, তবু শুনানিতে ডাক! এসআইআর নোটিস পেলেন দেব?

খসড়া ভোটার তালিকায় নাম নেই। এসআইআর শুনানিতে ডাক পেয়েছেন অভিনেতা তথা ঘাটালের তৃণমূল সাংসদ দীপক অধিকারী, যিনি দেব নামেই বেশি পরিচিত। এমনই দাবি করেছেন কলকাতার ৯৩ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মৌসুমী দাস। তবে এই বিষয়ে দেব নিজে কিছুই জানেন না বলে জানিয়েছেন।ভোটার তালিকা সংশোধন ঘিরে এই শুনানি নিয়ে ইতিমধ্যেই বিতর্ক তৈরি হয়েছে। এর আগে কবি জয় গোস্বামীও এসআইআর শুনানির নোটিস পেয়েছিলেন। সেই ঘটনায় তিনি ও তাঁর মেয়ে প্রকাশ্যে ক্ষোভ উগরে দেন। একই সঙ্গে জানা গিয়েছে, ভারতীয় ক্রিকেট দলের পেসার মহম্মদ শামিকেও শুনানিতে ডাকা হয়েছে।৯৩ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মৌসুমী দাস জানান, এই শুনানিতে একাধিক পরিচিত মুখকে ডাকা হচ্ছে। অভিনেত্রী লাবনী সরকার, অভিনেতা কৌশিক বন্দ্যোপাধ্যায় ইতিমধ্যেই হাজিরা দিয়েছেন। ক্রিকেটার মহম্মদ শামিকেও ডাকা হয়েছিল, তবে খেলার ব্যস্ততার কারণে তিনি আসতে পারেননি। পরে তাঁকে দ্বিতীয়বার তারিখ দেওয়া হয়েছে। দেবকেও ডাকা হয়েছে বলে দাবি করেন কাউন্সিলর। তাঁর বক্তব্য, দেব একজন সাংসদ হওয়া সত্ত্বেও তাঁকে শুনানিতে ডাকা হচ্ছে।কাউন্সিলরের অভিযোগ, তারকা হোক বা সাধারণ মানুষ, নির্বিশেষে সবাইকে ডাকা হচ্ছে, যা কার্যত হয়রানি ছাড়া কিছু নয়। শুনানিতে অনেক ক্ষেত্রে অপ্রাসঙ্গিক ও অদ্ভুত প্রশ্ন করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ ওঠে। যদিও দেবের দাবি, তিনি এই ধরনের কোনও নোটিস এখনও পাননি।শুধু তারকারাই নন, সাধারণ সরকারি আধিকারিকদেরও ডাকা হয়েছে শুনানিতে। জলপাইগুড়ির এক বিডিও লাইনে দাঁড়িয়ে শুনানিতে হাজিরা দিয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। এমনকি কিছু ক্ষেত্রে সেনা ও প্রাক্তন সেনা জওয়ানদের পরিবারকেও এসআইআর শুনানিতে ডেকে পাঠানো হয়েছে।

জানুয়ারি ০৫, ২০২৬
কলকাতা

ভোটার তালিকার শুনানিতে শামি! এসআইআরে ডাক পেলেন ভারতীয় দলের তারকা

এসআইআর শুনানিতে এবার ডাক পেলেন ভারতীয় ক্রিকেট দলের তারকা পেসার মহম্মদ শামি। কলকাতার ৯৩ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মৌসুমী দাস জানিয়েছেন, শামি ইতিমধ্যেই শুনানির নোটিস পেয়েছেন। উত্তর প্রদেশে জন্ম হলেও দীর্ঘদিন ধরে যাদবপুর বিধানসভা কেন্দ্রের ভোটার হিসেবে নথিভুক্ত রয়েছেন তিনি।সূত্রের খবর, শামির এনুমারেশন ফর্ম সংক্রান্ত কিছু জটিলতার কারণেই তাঁকে শুনানিতে ডাকা হয়েছে। ভোটার তালিকা সংশোধনের অংশ হিসেবে এক সপ্তাহেরও বেশি সময় ধরে চলছে এসআইআর-এর শুনানি। যেসব ক্ষেত্রে ফর্মে তথ্যের অসঙ্গতি রয়েছে, ঠিকভাবে ম্যাপিং হয়নি বা প্রয়োজনীয় নথিতে সমস্যা আছে, মূলত সেই সব ভোটারদেরই শুনানিতে ডাকা হচ্ছে।এই শুনানির আওতায় ইতিমধ্যেই একাধিক পরিচিত নাম সামনে এসেছে। প্রাক্তন মন্ত্রী কান্তি গঙ্গোপাধ্যায় থেকে শুরু করে সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদারের পরিবারের সদস্যদেরও শুনানিতে ডাকা হয়েছে। সোমবার কাটজুনগর স্বর্ণময়ী বিদ্যাপীঠে শুনানিতে হাজির হন অভিনেতা কৌশিক বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অভিনেত্রী লাবনী সরকার।এরপরই কাউন্সিলর মৌসুমী দাস জানান, শুধু মহম্মদ শামি নন, সাংসদ দেবও এসআইআর শুনানির নোটিস পেয়েছেন। ফলে ভোটার তালিকা সংশোধন ঘিরে রাজনৈতিক ও সামাজিক মহলে নতুন করে চর্চা শুরু হয়েছে।

জানুয়ারি ০৫, ২০২৬
কলকাতা

আতঙ্কিত মমতা? নির্বাচন কমিশনের সামনে বিস্ফোরক দাবি বিরোধী দলনেতার

ভোটার তালিকা সংশোধন নিয়ে নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে রাজ্য সরকারের সংঘাত আরও তীব্র হল। রবিবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে চিঠি দিয়ে এসআইআর প্রক্রিয়াকে অপরিকল্পিত ও ত্রুটিপূর্ণ বলে অভিযোগ করেছিলেন। রাজ্যের দাবি না মানা হলে এই প্রক্রিয়া স্থগিত রাখার দাবিও জানান মুখ্যমন্ত্রী। সেই চিঠির পাল্টা এবার নির্বাচন কমিশনকে চিঠি দিলেন রাজ্য বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।শুভেন্দু অধিকারীর অভিযোগ, মুখ্যমন্ত্রী নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ তুলছেন। তাঁর দাবি, ভোটের স্বার্থে ভুয়ো ভোটারদের রক্ষা করতে চাইছে তৃণমূল কংগ্রেস। শুভেন্দুর মতে, মুখ্যমন্ত্রী আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন বলেই এসআইআর প্রক্রিয়া স্থগিত করার দাবি জানিয়ে কমিশনকে চিঠি লিখেছেন। এই চিঠিতেই সব কিছু পরিষ্কার হয়ে গিয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।এই রাজনৈতিক টানাপড়েনের মধ্যেই রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ আগরওয়ালকে দিল্লিতে তলব করা হয়েছে। তিনি বর্তমানে জাতীয় নির্বাচন কমিশনের দফতরে রয়েছেন। সোমবার দুপুর বারোটায় কমিশনের সঙ্গে বৈঠক হওয়ার কথা। ভোটের মুখে রাজ্যে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন-সহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা হবে বলে জানা গিয়েছে।জাতীয় নির্বাচন কমিশনের কাছে পৌঁছনো দুই চিঠিই এখন গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। মুখ্যমন্ত্রী অভিযোগ করেছেন, রাজ্যের তরফে জমা দেওয়া নথি গ্রহণ করা হচ্ছে না। ডোমিসাইল সার্টিফিকেট জমা দিলেও তা এসআইআর শুনানিতে মানা হচ্ছে না বলে দাবি তাঁর। একই সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রীর অভিযোগ, একেক রাজ্যের ক্ষেত্রে একেক রকম নিয়ম চালু করছে নির্বাচন কমিশন।অন্যদিকে, শুভেন্দু অধিকারীর দাবি, ভুয়ো ভোটারদের তালিকায় ঢোকানোর উদ্দেশ্যেই এই সব নথি ও প্রক্রিয়া চালু করতে চাইছে রাজ্য সরকার। এই অভিযোগ কোনওভাবেই মানা উচিত নয় বলেও জানিয়েছেন তিনি। এই দুই বিপরীত অবস্থানের মধ্যে জাতীয় নির্বাচন কমিশন কোন বক্তব্যকে গুরুত্ব দেয়, সেদিকেই তাকিয়ে রাজনৈতিক মহল।এ প্রসঙ্গে তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্য সহ-সভাপতি জয়প্রকাশ মজুমদার বলেন, বাংলার ক্ষেত্রেই কেন আলাদা নিয়ম করা হচ্ছে, তার উত্তর প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে দিতে হবে। প্রতিদিন নিয়ম বদলানো হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। পাশাপাশি বাংলায় মৃত্যু মিছিলের প্রসঙ্গ তুলে তার দায় কার, সেই প্রশ্নও তোলেন জয়প্রকাশ।

জানুয়ারি ০৫, ২০২৬
কলকাতা

ভোটার তালিকার আতঙ্কে মতুয়ারা, কলকাতা থেকে বড় আশ্বাস অমিত শাহের

এসআইআরের খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশের পরেই দেখা গিয়েছে, বহু মতুয়া সম্প্রদায়ের মানুষের নাম তাতে নেই। এর ফলে নাগরিকত্ব নিয়ে আতঙ্ক ছড়িয়েছে মতুয়াদের মধ্যে। সেই আতঙ্ক থেকেই একাংশ আন্দোলনের পথেও নেমেছেন। এই পরিস্থিতিতে মঙ্গলবার কলকাতায় সাংবাদিক বৈঠক করে ওপার বাংলা থেকে আসা হিন্দু শরণার্থীদের আশ্বস্ত করলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। তিনি স্পষ্ট ভাষায় বলেন, মতুয়াদের ভয়ের কোনও কারণ নেই। যারা শরণার্থী হয়ে বাংলায় এসেছেন, তাঁদের কেউ ক্ষতি করতে পারবে না। সকলকেই নাগরিকত্ব দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে বাংলায় বিশেষ নিবিড় সংশোধন শুরু হওয়াকে রাজনৈতিক চক্রান্ত বলে দাবি করে আসছে শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস। ভোটার তালিকা সংশোধন নিয়ে শুরু থেকেই মতুয়া সম্প্রদায়ের মধ্যে উদ্বেগ ছিল। যদিও বিজেপির তরফে বারবার বলা হয়েছিল, চিন্তার কোনও কারণ নেই। মতুয়া মহাসংঘের এক সংঘাধিপতি তথা সাংসদ শান্তনু ঠাকুরের নেতৃত্বে মতুয়া কার্ডও বিলি করা হয়। তবে খসড়া তালিকা প্রকাশের পর দেখা যায়, বহু মতুয়ার নাম ভোটার তালিকায় নেই।এর পর কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শান্তনু ঠাকুর মন্তব্য করেন, যদি ভোটার তালিকা থেকে ৫০ লক্ষ রোহিঙ্গা মুসলিমের নাম বাদ যায়, সেখানে এক লক্ষ মতুয়ার নাম বাদ পড়লে তা মেনে নেওয়া উচিত। এই মন্তব্যে মতুয়া সমাজে তীব্র ক্ষোভ তৈরি হয়। গাইঘাটার ঠাকুরবাড়িতে প্রতিবাদ সভার ডাক দেন অল ইন্ডিয়া মতুয়া মহাসংঘের আর এক সংঘাধিপতি ও তৃণমূল সাংসদ মমতাবালা ঠাকুর। তা ঘিরে উত্তেজনাও ছড়ায়। মমতাবালাপন্থী মতুয়ারা আগামী ৫ জানুয়ারি পথ ধর্মঘটের ডাক দিয়েছেন।এই উত্তাল পরিস্থিতির মধ্যেই কলকাতা থেকে মতুয়াদের আশ্বস্ত করলেন অমিত শাহ। শান্তনু ঠাকুরকে পাশে নিয়ে তিনি বলেন, মতুয়াদের ভয়ের কোনও কারণ নেই। যারা শরণার্থী হয়ে বাংলায় এসেছেন, তাঁদের কেউ ক্ষতি করতে পারবে না। এমনকি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও তাঁদের ক্ষতি করতে পারবেন না বলে মন্তব্য করেন তিনি। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কথায়, সকল শরণার্থীকেই নাগরিকত্ব দেওয়া হবে।

ডিসেম্বর ৩০, ২০২৫
কলকাতা

খসড়া তালিকায় নাম নেই! এসআইআর শুনানির নোটিস সাংসদ কাকলির পরিবারে, ব্যাখ্যা কমিশনের

খসড়া ভোটার তালিকায় নাম নেই। এসআইআর প্রক্রিয়ার শুনানিতে ডেকে পাঠানো হয়েছে বারসতের তৃণমূল সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদারের দুই পুত্রকে। শুধু তাই নয়, হাজিরার জন্য নোটিস পাঠানো হয়েছে তাঁর মা এবং বোনকেও। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে সরব হয়েছেন কাকলি ঘোষ দস্তিদার। বিষয়টি প্রকাশ্যে আসার পরেই মুখ খুলেছে নির্বাচন কমিশন।সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি পোস্ট করে কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে, কেন সাংসদের পরিবারের সদস্যদের শুনানিতে ডাকা হয়েছে। কমিশনের দাবি, এনুমারেশন ফর্মে লিঙ্কেজ সংক্রান্ত সমস্যার কারণেই তাঁদের ডেকে পাঠানো হয়েছে। টুইট করে স্পষ্ট করা হয়েছে, এটি কোনও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত পদক্ষেপ নয়। পাশাপাশি কমিশন জানিয়েছে, সাংসদের বৃদ্ধা মাকে শুনানির জন্য বাইরে আসতে হবে না। বাড়িতেই গিয়ে তাঁর শুনানি সম্পন্ন করা হবে।এই নিয়ে আগে থেকেই ক্ষোভ প্রকাশ করেছিলেন কাকলি ঘোষ দস্তিদার। তিনি জানিয়েছিলেন, খসড়া ভোটার তালিকা দেখতে গিয়ে দেখা যায়, তাঁর দুই ছেলের নাম নেই। তাঁদের শুনানির জন্য ডাকা হয়েছে। কাকলির কথায়, তাঁদের বাবা রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী সুদর্শন ঘোষ দস্তিদার। তিনি নিজে চারবারের সাংসদ। তাঁর দুই পুত্র সরকারি চাকুরে। তা সত্ত্বেও শুনানিতে ডাকা হচ্ছে। এতে এসআইআর প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।কাকলি আরও বলেন, তাঁর মা এবং বোন অন্য বুথের ভোটার। অথচ তাঁদের নামও খসড়া তালিকায় নেই। তাঁর অভিযোগ, সাধারণ মানুষ, বিশেষ করে প্রত্যন্ত এলাকার যাঁদের তেমন যোগাযোগ বা ধারণা নেই, তাঁরা শুনানির নামে হয়রানির শিকার হচ্ছেন। জোর করে নাম বাদ দিয়ে সমস্যায় ফেলার চেষ্টা চলছে বলেও অভিযোগ তৃণমূল সাংসদের।খসড়া তালিকায় নাম না ওঠা নিয়ে প্রথম থেকেই এসআইআর প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন কাকলি ঘোষ দস্তিদার। তাঁর বক্তব্য, তিনি দীর্ঘদিন ধরে একই বুথের ভোটার। তাঁর দুই পুত্র প্রতিষ্ঠিত চিকিৎসক। তা সত্ত্বেও কীভাবে একসঙ্গে পরিবারের চার জনের নাম বাদ পড়ে এবং শুনানির ডাক আসে, সেই প্রশ্নের স্পষ্ট উত্তর চান তিনি।

ডিসেম্বর ২৮, ২০২৫
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • ›

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

ইডির তলব এড়িয়ে গেলেন ডিসি! শান্তনুকে নিয়ে নতুন রহস্য

ইডির তলব থাকা সত্ত্বেও আজও দফতরে হাজির হলেন না কলকাতা পুলিশের ডিসি স্পেশ্যাল ব্রাঞ্চ শান্তনু সিনহা বিশ্বাস। তাঁর আইনজীবী ইডি দফতরে গিয়ে জানান, আপাতত তিনি কাজে ব্যস্ত থাকায় আসতে পারছেন না। সেই কারণে তদন্তকারী সংস্থার কাছে কিছু সময় চাওয়া হয়েছে।প্রসঙ্গত, কালীঘাট থানার প্রাক্তন ওসি শান্তনু সিনহা বিশ্বাসকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তলব করেছিল ইডি। শুধু তিনি নন, তাঁর দুই ছেলেকেও তলব করা হয়েছিল। সোনা পাপ্পুর বেআইনি জমি জালিয়াতি মামলার তদন্তেই তাঁর নাম সামনে এসেছে বলে জানা গিয়েছে। এর আগে বালিগঞ্জের ফার্ন রোডে তাঁর ফ্ল্যাটে তল্লাশি চালিয়েছিল ইডি। একই এলাকায় তাঁর নামে থাকা আরও কয়েকটি ফ্ল্যাটেও অভিযান চালানো হয়।সূত্রের খবর, এই মামলার সূত্রে এক ব্যবসায়ীর বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে বিপুল নগদ টাকা ও গুরুত্বপূর্ণ নথি উদ্ধার করে ইডি। সেই সূত্র ধরেই শান্তনু সিনহা বিশ্বাসের নাম উঠে আসে বলে জানা গিয়েছে। বিনিয়োগ সংক্রান্ত বেশ কিছু তথ্যও তদন্তকারীদের হাতে এসেছে।এই মামলায় ইতিমধ্যেই এক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে ইডি। এর আগেও একাধিক মামলায় শান্তনু সিনহা বিশ্বাসকে তলব করা হয়েছিল। পাশাপাশি তাঁর ছেলে সায়ন্তনের নামও এই মামলায় জড়িয়েছে বলে দাবি তদন্তকারী সংস্থার। অভিযোগ, একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমেও বড় অঙ্কের আর্থিক লেনদেন হয়েছে।এই পরিস্থিতিতে বারবার তলব সত্ত্বেও হাজিরা না দেওয়ায় তদন্তে নতুন জটিলতা তৈরি হয়েছে। পরবর্তী পদক্ষেপ কী হবে, সেদিকেই নজর এখন।

এপ্রিল ২২, ২০২৬
কলকাতা

ভোটের আগে বাইক বন্ধ! কমিশনের সিদ্ধান্তে হাই কোর্টে মামলা

ভোটের দুদিন আগে স্পর্শকাতর এলাকায় বাইক চলাচলে নিষেধাজ্ঞা জারি করে বিতর্কে জড়াল নির্বাচন কমিশন। এই সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে এবার মামলা গড়াল কলকাতা হাই কোর্টে। বিচারপতি কৃষ্ণ রাওয়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করে মামলা দায়েরের অনুমতি চাওয়া হলে তিনি সেই অনুমতি দিয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। মামলাকারীর দাবি, এই নিষেধাজ্ঞার ফলে সাধারণ মানুষের ব্যাপক ভোগান্তি হতে পারে এবং তা পুনর্বিবেচনার প্রয়োজন রয়েছে।বৃহস্পতিবার রাজ্যের ১৫২টি বিধানসভা আসনে ভোট রয়েছে। তার আগে কমিশনের নির্দেশ অনুযায়ী, স্পর্শকাতর এলাকাগুলিতে বাইক র্যালি ও মোটরসাইকেল মিছিল সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। শুধু তাই নয়, সন্ধ্যা ৬টা থেকে সকাল ৬টা পর্যন্ত বাইক চালানোও বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তবে জরুরি চিকিৎসা বা পারিবারিক প্রয়োজনের ক্ষেত্রে কিছু ছাড় রাখা হয়েছে।এছাড়া বাইকে আরোহী বসানো নিয়েও কড়া নিয়ম জারি করেছে কমিশন। সকাল ৬টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত বাইকের পিছনে কাউকে বসানো যাবে না বলে জানানো হয়েছে। যদিও স্কুল পড়ুয়াদের যাতায়াত, চিকিৎসা বা জরুরি প্রয়োজনে এই নিয়মে কিছু ছাড় রয়েছে।এই নির্দেশ প্রকাশ্যে আসতেই রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে তীব্র বিতর্ক। তৃণমূলের অভিযোগ, এই সিদ্ধান্তে সাধারণ মানুষের অসুবিধা বাড়বে। বিশেষ করে যাঁরা ডেলিভারি পরিষেবার সঙ্গে যুক্ত, তাঁদের উপর এর বড় প্রভাব পড়বে। এই পরিস্থিতিতে আদালতের দ্বারস্থ হওয়ায় বিষয়টি আরও গুরুত্ব পেয়েছে।

এপ্রিল ২২, ২০২৬
রাজ্য

ভোটের মাঝেই বড় ঘোষণা! কবে প্রকাশ উচ্চ মাধ্যমিকের ফল জানুন

ভোটের আবহের মধ্যেই উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার ফল প্রকাশের দিন ঘোষণা করল উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সংসদ। বুধবার জানানো হয়েছে, আগামী ১৪ মে প্রকাশিত হবে ফল। ওই দিন সকাল সাড়ে দশটায় সাংবাদিক বৈঠকের মাধ্যমে ফল ঘোষণা করা হবে।সংসদের তরফে জানানো হয়েছে, সল্টলেকের বিদ্যাসাগর ভবনে এই সাংবাদিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। ফল ঘোষণার আধ ঘণ্টা পর, অর্থাৎ সকাল ১১টা থেকে পরীক্ষার্থীরা অনলাইনে নিজেদের ফল জানতে পারবেন। তবে কোন কোন ওয়েবসাইটে ফল দেখা যাবে, তা এখনও স্পষ্ট করে জানানো হয়নি। পরে সংসদের তরফে এই বিষয়ে বিস্তারিত জানানো হবে বলে খবর।প্রতি বছরের মতো এবারও পরীক্ষার্থীদের মধ্যে ফল প্রকাশ নিয়ে উৎসাহ তুঙ্গে। ভোটের আবহের মধ্যেই এই ঘোষণা আসায় শিক্ষার্থীদের মধ্যে বাড়তি উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। এখন সবার নজর ১৪ মে-র দিকে।

এপ্রিল ২২, ২০২৬
কলকাতা

ভোটের আগের রাতেই বড় চাল! দ্বিতীয় দফা নিয়ে গোপন বৈঠক শাহের

রাত পোহালেই প্রথম দফার ভোট, আর তার আগেই দ্বিতীয় দফা নিয়ে জোর প্রস্তুতি শুরু করে দিল বিজেপি। মঙ্গলবার রাতে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের নেতৃত্বে দীর্ঘ বৈঠক হল, যেখানে ভিন রাজ্য থেকে আসা বিজেপি নেতাদের সঙ্গে প্রায় চার ঘণ্টার বেশি সময় ধরে আলোচনা হয়। এই নেতারাই বাংলার দ্বিতীয় দফার ১৪২টি আসনের দায়িত্বে রয়েছেন।প্রথম দফায় বৃহস্পতিবার ১৫২টি আসনে ভোটগ্রহণ হবে। মোট ১৬টি জেলায় এই ভোট চলছে। মঙ্গলবারই প্রথম দফার প্রচার শেষ হয়েছে। সেই দিন একাধিক জনসভা করেন অমিত শাহ। প্রচার শেষ হতেই রাতেই তিনি দ্বিতীয় দফার রণকৌশল ঠিক করতে বৈঠকে বসেন। এই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন দলের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ নেতা, যাঁরা দ্বিতীয় দফার আসনগুলির দায়িত্ব সামলাচ্ছেন।রাজনৈতিক মহলের মতে, দ্বিতীয় দফার যে ১৪২টি আসনে ভোট হবে, সেখানে আগের নির্বাচনে বিজেপির ফল খুব ভালো ছিল না। এমনকি সাম্প্রতিক লোকসভা নির্বাচনেও প্রত্যাশামতো ফল পায়নি দল। তাই প্রথম দফার প্রচার শেষ হতেই দ্বিতীয় দফা নিয়ে আলাদা করে কৌশল তৈরি করতে উদ্যোগী হয়েছেন অমিত শাহ।সূত্রের খবর, দ্বিতীয় দফার প্রচার শেষ না হওয়া পর্যন্ত রাজ্যেই থাকতে পারেন অমিত শাহ। সব ঠিক থাকলে এপ্রিলের শেষ পর্যন্ত তাঁর রাজ্যে থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। বিজেপি নেতৃত্ব বারবার দাবি করছে, এবারের নির্বাচনে তারা ক্ষমতায় আসবে। তবে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, সেই লক্ষ্য পূরণ করতে গেলে দ্বিতীয় দফার আসনগুলিতে ভালো ফল করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই এখন থেকেই সেই লড়াইয়ের প্রস্তুতিতে নেমে পড়েছে বিজেপি।

এপ্রিল ২২, ২০২৬
কলকাতা

ভোটের আগে কবি শ্রীজাত গ্রেফতারি! কাঁপছে রাজনৈতিক ও সাহিত্য মহল, কমিশনের দাবি ভুয়ো খবর

বিধানসভা ভোটের আগে নজিরবিহীন কড়াকড়ি শুরু করল নির্বাচন কমিশন। কবি শ্রীজাতের বিরুদ্ধে পুরনো একটি মামলায় গ্রেফতারির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। কমিশনের তরফে পুলিশকে দ্রুত পদক্ষেপ করার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে। অভিযোগ, তাঁর লেখালেখি বা বক্তব্য থেকে ভোটের সময় উত্তেজনা ছড়াতে পারে, সেই আশঙ্কাতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে শুরু হয়েছে তীব্র রাজনৈতিক বিতর্ক। তৃণমূলের তরফে জয়প্রকাশ মজুমদার অভিযোগ করেছেন, বাংলার সংস্কৃতি ও কৃষ্টির উপর আঘাত হানার চেষ্টা চলছে। তাঁর দাবি, বিজেপির প্ররোচনায় কমিশন এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। অন্যদিকে বিজেপির পক্ষ থেকে দেবজিৎ সরকার পাল্টা বলেন, আদালতের নির্দেশেই এই গ্রেফতারির সিদ্ধান্ত হয়েছে। তাই এর সঙ্গে রাজনীতির যোগ খোঁজা ভুল বলে দাবি করেন তিনি। বিজেপির অভিযোগ, ভোটের আগে মানুষকে বিভ্রান্ত করতেই এই ধরনের মন্তব্য করছে তৃণমূল।ঘটনাটি নিয়ে সাহিত্য মহলেও তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা গিয়েছে। বিশিষ্ট সাহিত্যিক শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায় ও বিনোদ ঘোষাল প্রশ্ন তুলেছেন, কীভাবে একজন কবির বিরুদ্ধে এমন পদক্ষেপ নেওয়া হতে পারে। তাঁদের মতে, এতে সংস্কৃতি ও মত প্রকাশের স্বাধীনতা নিয়েই প্রশ্ন উঠছে।ভোটের মুখে এই ঘটনা ঘিরে উত্তেজনা ক্রমেই বাড়ছে। একদিকে প্রশাসনিক পদক্ষেপ, অন্যদিকে রাজনৈতিক চাপানউতোরসব মিলিয়ে পরিস্থিতি কোন দিকে যায়, এখন সেদিকেই নজর।

এপ্রিল ২২, ২০২৬
কলকাতা

ফ্ল্যাট কেলেঙ্কারিতে নুসরত! সিজিও কমপ্লেক্সে হাজিরা ঘিরে তোলপাড়

ফ্ল্যাট প্রতারণা মামলায় ফের ইডির তলব পেয়ে বুধবার সকালে কলকাতার সিজিও কমপ্লেক্সে হাজির হলেন অভিনেত্রী ও প্রাক্তন সাংসদ নুসরত জাহান। সকাল সাড়ে দশটা নাগাদ তিনি ইডি দফতরে পৌঁছন। তাঁর সঙ্গে ছিলেন যশ দাশগুপ্তও। সূত্রের খবর, ইডি যে সব নথি চেয়েছিল, সেগুলিও সঙ্গে করে নিয়ে এসেছেন নুসরত।এই মামলার সূত্রপাত ২০২৩ সালে রাজারহাটের একটি ফ্ল্যাট প্রতারণা অভিযোগকে ঘিরে। অভিযোগ ওঠে, ২০১৪-১৫ সালে একটি সংস্থা চারশোর বেশি প্রবীণ নাগরিকের কাছ থেকে মাথাপিছু সাড়ে পাঁচ লক্ষ টাকা নেয়। প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল, এক হাজার বর্গফুটের ফ্ল্যাট দেওয়া হবে। কিন্তু অভিযোগ, কেউই সেই ফ্ল্যাট পাননি এবং টাকাও ফেরত মেলেনি। ওই সংস্থার ডিরেক্টর পদে নুসরত জাহানের নাম ছিল বলে দাবি ওঠে, যদিও তিনি শুরু থেকেই এই অভিযোগ অস্বীকার করে আসছেন।এর আগেও এই মামলায় তাঁকে তলব করেছিল ইডি। প্রথমে নুসরত আবেদন করেছিলেন, যেন তাঁকে দিল্লিতে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। কিন্তু সেই আবেদন খারিজ করে দেওয়া হয় এবং কলকাতাতেই হাজিরা দিতে বলা হয়। সেই নির্দেশ মেনেই এদিন তিনি সিজিও কমপ্লেক্সে পৌঁছন।জানা গিয়েছে, জিজ্ঞাসাবাদের সময় একজন মহিলা আধিকারিক উপস্থিত থাকবেন। পাশাপাশি তদন্তকারী আধিকারিক এবং সহকারী ডিরেক্টর স্তরের এক আধিকারিকও থাকবেন। নুসরতের বয়ান রেকর্ড করা হবে এবং সেই ভিত্তিতেই তদন্তের পরবর্তী পদক্ষেপ ঠিক করবে ইডি।এই ঘটনায় রাজনৈতিক ও বিনোদন মহলে ইতিমধ্যেই চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। মামলার অগ্রগতি এখন কোন দিকে যায়, সেদিকেই নজর সবার।

এপ্রিল ২২, ২০২৬
কলকাতা

ভোটের আগে তাণ্ডব! ট্যাংরায় ৫০ জনের হামলায় রণক্ষেত্র এলাকা

ভোটের আবহে ফের উত্তপ্ত হয়ে উঠল কলকাতা। গাড়ি পার্কিংকে কেন্দ্র করে ট্যাংরা এলাকায় ভয়াবহ অশান্তির ঘটনা সামনে এসেছে। মঙ্গলবার রাত প্রায় সোয়া নটা নাগাদ পুলিন খাটিক রোডে এই ঘটনা ঘটে। অভিযোগ, একই পরিবারের তিন সদস্যকে বেধড়ক মারধর করা হয়।স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই এলাকার বাসিন্দা বিক্রম খাটিক প্রতিদিনের মতো নিজের বাড়ির সামনে গাড়ি পার্ক করতে যান। কিন্তু সেদিন সেখানে অন্য একটি গাড়ি রাখা ছিল। সেই গাড়ি সরাতে বলতেই দুপক্ষের মধ্যে বচসা শুরু হয়। অভিযোগ, কিছুক্ষণের মধ্যেই পরিস্থিতি ভয়াবহ রূপ নেয় এবং প্রায় চল্লিশ থেকে পঞ্চাশ জন একসঙ্গে বিক্রম খাটিক ও তাঁর পরিবারের উপর চড়াও হয়।এই হামলায় গুরুতর আহত হন বিক্রম খাটিক, সাবিত্রী খাটিক ও সানি খাটিক। তাঁদের লোহার রড ও ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করা হয়েছে বলে অভিযোগ। আহতদের দ্রুত উদ্ধার করে এনআরএস হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। শুধু মারধরই নয়, অভিযুক্তরা বাড়ির ভিতর ঢুকে ভাঙচুর চালায় বলেও দাবি পরিবারের।বিক্রমবাবুর স্ত্রী প্রীতি খাটিক অভিযোগ করেছেন, হামলাকারীরা এলাকার শাসক দলের সঙ্গে যুক্ত। পাশাপাশি তাঁদের বিরুদ্ধে মাদক কারবারের সঙ্গেও জড়িত থাকার অভিযোগ তোলেন তিনি। তাঁর দাবি, এর আগেও থানায় অভিযোগ জানানো হলেও কোনও পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। পুলিশ বিষয়টি গুরুত্ব দেয়নি বলেও ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি।পরিবারের দাবি, তারাও ওই দলের সমর্থক হিসেবেই পরিচিত। বর্তমানে চরম আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছে খাটিক পরিবার। বিক্রম খাটিকের আর্জি, তাঁদের নিরাপত্তা দেওয়া হোক, কারণ তিনি আশঙ্কা করছেন ফের হামলার শিকার হতে পারেন।এই ঘটনায় ট্যাংরা থানায় ১২ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। ভোটের আগে এই ঘটনা ঘিরে এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা তৈরি হয়েছে।

এপ্রিল ২২, ২০২৬
দেশ

“ভুলবে না দেশ!” পহেলগাম হামলা নিয়ে আবেগঘন বার্তা মোদীর

পহেলগাম জঙ্গি হামলার এক বছর পূর্তিতে নিহত নিরীহ মানুষদের স্মরণ করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তিনি জানিয়েছেন, সেই ভয়াবহ ঘটনার শিকারদের কোনও দিন ভুলবে না দেশ। একই সঙ্গে শোকাহত পরিবারগুলির প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়ে বলেন, এই কঠিন সময়ে তাঁদের পাশে রয়েছে গোটা দেশ। তিনি স্পষ্ট বার্তা দেন, ভারত কখনও সন্ত্রাসবাদের কাছে মাথা নত করবে না এবং জঙ্গিদের কোনও চক্রান্তই সফল হবে না।প্রধানমন্ত্রী সামাজিক মাধ্যমে লিখেছেন, গত বছরের এই দিনে পহেলগামে যে নৃশংস হামলা হয়েছিল, তা গোটা দেশকে নাড়িয়ে দিয়েছিল। সেই ঘটনায় নিহতদের স্মরণ করে তিনি বলেন, এই শোকের মুহূর্তে দেশ একজোট রয়েছে এবং সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।গত বছর ২২ এপ্রিল পহেলগামের বৈসরণ উপত্যকায় পর্যটকদের উপর নির্বিচারে গুলি চালায় জঙ্গিরা। এই হামলায় ২৬ জন নিরীহ মানুষের মৃত্যু হয়। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, জঙ্গিরা নাম ও ধর্ম জিজ্ঞাসা করে তারপর নারী ও শিশুদের সামনেই গুলি চালায়। এই ঘটনা দেশজুড়ে ক্ষোভ ও শোকের সঞ্চার করেছিল।হামলার পর উদ্ধারকাজ নিয়েও প্রশ্ন ওঠে। দুর্গম রাস্তার কারণে দ্রুত সাহায্য পৌঁছানো সম্ভব হয়নি বলে অভিযোগ। ফলে অনেক আহত ব্যক্তি রক্তক্ষরণেই প্রাণ হারান। পহেলগাম থেকে বৈসরণ যাওয়ার পথ ছিল অত্যন্ত কঠিন এবং যানবাহন চলাচলের উপযোগী ছিল না।এই ঘটনার পর ভারত কড়া পদক্ষেপ নেয়। অপারেশন সিঁদুর-এর মাধ্যমে সেনাবাহিনী জঙ্গি ঘাঁটিগুলিকে নিশানা করে অভিযান চালায় এবং বহু জঙ্গিকে হত্যা করা হয়। পরবর্তীতে অপারেশন মহাদেব-এর মাধ্যমে হামলার সঙ্গে জড়িত জঙ্গিদের খুঁজে বের করে নির্মূল করা হয় বলে জানানো হয়।তবে এক বছর পরেও পহেলগামের পরিস্থিতি পুরোপুরি স্বাভাবিক হয়নি। নিরাপত্তার কারণে বহু পর্যটন কেন্দ্র এখনও বন্ধ রয়েছে। এর ফলে পর্যটনে বড় ধাক্কা লেগেছে এবং পর্যটকের সংখ্যা অনেকটাই কমে গিয়েছে। স্থানীয়দের জীবিকাতেও এর গভীর প্রভাব পড়েছে, অনেকেই চরম আর্থিক সমস্যার মুখে পড়েছেন।

এপ্রিল ২২, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal