• ২১ আষাঢ় ১৪৩৩, বুধবার ০৮ জুলাই ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Viral

রাজ্য

কয়লার ভ্যান টানা থেকে উল্কার গতিতে উত্থান, আধুনা 'বর্ধমানের মহারাজ' পুলিসের জালে!

বর্ধমান দক্ষিণ বিধানসভার প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক খোকন দাসকে উত্তরপ্রদেশের প্রয়াগরাজ এলাকা থেকে গ্রেফতারের পর ট্রানজিট রিমান্ডে বর্ধমানে নিয়ে আসায় পূর্ব বর্ধমান জেলার রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। সোমবার বিকেলে তাঁকে জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে আনা হয়। সেখানে প্রাথমিক আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার পর বর্ধমান থানায় স্থানান্তরিত করা হয়। মঙ্গলবার তাঁকে বর্ধমান আদালতে পেশ করা হবে বলে প্রশাসনিক সূত্রে জানা গিয়েছে।পুলিশ সূত্রে দাবি, খোকন দাসের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরেই একাধিক গুরুতর অভিযোগ জমা পড়ছিল। অভিযোগের তালিকায় রয়েছে তোলাবাজি, হুমকি প্রদান, বেআইনি জলাজমি ও পুকুর ভরাট, জমি দখল, বেআইনি নির্মাণে মদত এবং বিভিন্ন ধরনের আর্থিক অনিয়ম। এসব অভিযোগের ভিত্তিতেই তদন্ত শুরু হয় এবং পরবর্তীতে তাঁর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।খোকন দাসের রাজনৈতিক উত্থানও দীর্ঘদিন ধরে বর্ধমানের রাজনৈতিক মহলে আলোচনার বিষয় ছিল। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কয়লা ও বালি ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত থেকে ধীরে ধীরে তিনি রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তার করেন। বামফ্রন্ট আমলে বর্ধমান পুরসভার কাউন্সিলর হিসেবে নির্বাচিত হন। ২০১৩ সালেও কাউন্সিলর নির্বাচিত হওয়ার পর পুরসভার টাউন প্ল্যানিং কমিটির গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পান। এরপর থেকেই শহর ও শহরতলির বিভিন্ন এলাকায় তাঁর প্রভাব দ্রুত বৃদ্ধি পায় বলে অভিযোগ।২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে বর্ধমান দক্ষিণ কেন্দ্র থেকে জয়ী হয়ে প্রথমবার বিধায়ক হন খোকন দাস। তবে সেই সময় থেকেই ভোট-পরবর্তী হিংসা, বিরোধীদের উপর হামলা এবং এলাকায় সন্ত্রাসের আবহ তৈরির অভিযোগ তাঁর বিরুদ্ধে ওঠে। জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের একটি প্রতিবেদনে তাঁর নাম উল্লেখ করে কঠোর পর্যবেক্ষণও করা হয়েছিল বলে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা রয়েছে।চলতি বিধানসভা নির্বাচনে পুনরায় প্রার্থী হলেও বড় ব্যবধানে পরাজিত হন খোকন দাস। এরপর রাজ্যের রাজনৈতিক পালাবদলের সঙ্গে সঙ্গে তাঁর বিরুদ্ধে একের পর এক অভিযোগ সামনে আসতে থাকে। তদন্তকারী সংস্থার নজরও ক্রমশ তাঁর দিকে ঘুরে যায়। অভিযোগ রয়েছে, পরাজয়ের পরেও বিভিন্ন ব্যক্তিকে ফোনে হুমকি দেওয়া এবং প্রভাব খাটানোর চেষ্টা করেছিলেন তিনি। সেই সংক্রান্ত কিছু অডিও ক্লিপও সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছিল।রবিবার উত্তরপ্রদেশের দীনদয়াল উপাধ্যায় জংশন সংলগ্ন এলাকা থেকে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়। স্থানীয় আদালতে পেশ করার পর ট্রানজিট রিমান্ড মঞ্জুর হয় এবং এরপর তাঁকে বর্ধমানে নিয়ে আসা হয়। দীর্ঘদিন ধরে রাজ্যের বাইরে অবস্থান করলেও শেষ পর্যন্ত তদন্তকারীদের জাল এড়াতে পারেননি বলে প্রশাসনিক মহলের দাবি।খোকন দাসের গ্রেফতারের খবর সামনে আসতেই বর্ধমানে রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়া শুরু হয়। শাসকদল বিজেপির কর্মী-সমর্থকদের একাংশকে তাঁর কাঞ্চননগরের বাড়ির সামনে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করতে দেখা যায়। বিজেপি নেতৃত্বের দাবি, একজন সাধারণ ব্যবসায়ী থেকে কীভাবে বিপুল সম্পত্তির মালিকানা গড়ে উঠল, তার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত হওয়া উচিত।এদিন বর্ধমানে এক কর্মসূচিতে যোগ দিয়ে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার বলেন, যারা ভোট-পরবর্তী হিংসা এবং গুন্ডামির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিল, তাদের বিরুদ্ধে আইন তার নিজস্ব পথে কাজ করছে। অন্যদিকে তৃণমূল কংগ্রেসের অভিযোগ, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে বিরোধী নেতাদের নিশানা করে গ্রেফতার করা হচ্ছে।এখন আদালতে খোকন দাসকে পেশ করার পর তদন্তকারী সংস্থা কী ধরনের হেফাজতের আবেদন জানায় এবং আদালত কী নির্দেশ দেয়, সেদিকেই নজর রয়েছে রাজনৈতিক মহল থেকে সাধারণ মানুষের। বর্ধমানের রাজনীতিতে দীর্ঘদিন প্রভাব বিস্তারকারী এই নেতার গ্রেফতারি আগামী দিনে জেলার রাজনৈতিক সমীকরণে নতুন প্রভাব ফেলতে পারে বলেই মনে করছেন পর্যবেক্ষকরা।

জুন ০২, ২০২৬
কলকাতা

অভিষেককে ভর্তি না নেওয়া নিয়ে বিতর্ক! ভাইরাল অডিও ঘিরে নতুন রাজনৈতিক ঝড়

সোনারপুরে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে ঘিরে হেনস্তার ঘটনার পর এবার নতুন করে বিতর্কের কেন্দ্রে এসেছে শহরের একটি বেসরকারি হাসপাতাল। একটি কথোপকথনের অডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর তা নিয়ে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা। তবে ওই অডিওর সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা যায়নি।শনিবার সোনারপুরের ঘটনায় উত্তেজনার মধ্যে কলকাতায় ফিরে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে প্রথমে একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসকদের প্রাথমিক পরীক্ষার পর জানানো হয়, তাঁর শরীরে গুরুতর কোনও আঘাতের চিহ্ন নেই এবং হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার প্রয়োজন নেই।এরপর তাঁকে শহরের আরও একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানেও চিকিৎসকরা একই মত দেন। চিকিৎসকদের পরামর্শ ছিল, বাড়িতেই পর্যবেক্ষণে রেখে চিকিৎসা করা সম্ভব।এই ঘটনার পর সামাজিক মাধ্যমে একটি অডিও ছড়িয়ে পড়ে। দাবি করা হচ্ছে, সেখানে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং একটি বেসরকারি হাসপাতালের শীর্ষ কর্তার মধ্যে কথোপকথন শোনা যাচ্ছে। যদিও ওই অডিওর সত্যতা এখনও নিশ্চিত নয়।এই অডিও প্রকাশ্যে আসার পর বিরোধী শিবিরের তরফে সমালোচনা শুরু হয়েছে। অন্যদিকে তৃণমূলের দাবি, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের চিকিৎসা নিয়ে অযথা রাজনৈতিক বিতর্ক তৈরি করা হচ্ছে। দলের একাংশের অভিযোগ, কিছু মহল ইচ্ছাকৃতভাবে বিষয়টিকে অন্য দিকে ঘোরানোর চেষ্টা করছে।প্রসঙ্গত, শনিবার সোনারপুরে নিহত এক তৃণমূল কর্মীর বাড়িতে যাওয়ার পথে বিক্ষোভের মুখে পড়েন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর দিকে ডিম, জুতো এবং বিভিন্ন বস্তু ছোড়া হয় বলে অভিযোগ। ধস্তাধস্তির ঘটনায় তাঁর চশমা, ঘড়ি এবং পোশাকও ক্ষতিগ্রস্ত হয়। পরে নিরাপত্তারক্ষী ও পুলিশ তাঁকে সেখান থেকে সরিয়ে নিয়ে যায়।ঘটনার পর থেকেই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের শারীরিক অবস্থা নিয়ে নজর রাখছেন চিকিৎসকরা। একই সঙ্গে ভাইরাল অডিও এবং হাসপাতালকে ঘিরে ওঠা বিতর্ক নতুন করে রাজনৈতিক উত্তাপ বাড়িয়েছে। ফলে সোনারপুর কাণ্ডের রেশ এখন রাজনীতির পাশাপাশি স্বাস্থ্য পরিষেবা এবং প্রশাসনিক ভূমিকা নিয়েও আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে।

মে ৩১, ২০২৬
কলকাতা

“আমাকে গ্রেপ্তার করুন!” নিউটাউনের রাস্তায় টলোমলো পায়ে বিডিওর কাণ্ডে তোলপাড়

সল্টলেকের স্বর্ণ ব্যবসায়ী স্বপন কামিল্যা অপহরণ ও খুনের ঘটনায় অভিযুক্ত জলপাইগুড়ির রাজগঞ্জের বিডিও প্রশান্ত বর্মন এবার নতুন বিতর্কে জড়ালেন। অভিযোগ, মদ্যপ অবস্থায় প্রকাশ্য রাস্তায় বেপরোয়া আচরণ করতে দেখা গিয়েছে তাঁকে। সেই ঘটনার ভিডিও ইতিমধ্যেই সমাজমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। ভিডিও সামনে আসতেই এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।সোমবার রাত সাড়ে দশটা নাগাদ নিউটাউনের সারচি সিগন্যালের সামনে ঘটনাটি ঘটে বলে জানা গিয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, মদ্যপ অবস্থায় গাড়ি চালানোর সময় এক বাইকচালককে ধাক্কা মারেন প্রশান্ত বর্মন। ধাক্কায় রাস্তায় পড়ে গিয়ে গুরুতর জখম হন ওই বাইক আরোহী। পরে কর্তব্যরত পুলিশকর্মীরা তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠান।ঘটনার পর স্থানীয় পথচারীরা প্রতিবাদ শুরু করলে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। অভিযোগ, সেই সময় অভিযুক্ত বিডিও রাস্তাতেই চিৎকার শুরু করেন এবং প্রতিবাদকারীদের উদ্দেশে নানা হুমকি দেন। ভাইরাল ভিডিওতে তাঁকে কখনও দুর্নীতিগ্রস্ত বলে কটাক্ষ করতে, আবার কখনও চড় মারার হুমকি দিতে দেখা গিয়েছে।ভিডিওতে আরও দেখা যাচ্ছে, এক সময় তিনি নিজেই গাড়ি থেকে নেমে টলোমলো পায়ে পুলিশকে বলছেন, আমাকে গ্রেপ্তার করুন। পুরো ঘটনাকে ঘিরে এলাকায় তীব্র উত্তেজনা তৈরি হয়। পরে বিধাননগর কমিশনারেটের ইকো পার্ক থানার পুলিশ অভিযুক্ত বিডিওকে আটক করে নিয়ে যায়।যদিও ভাইরাল ভিডিওর সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

মে ২৬, ২০২৬
রাজ্য

ভোটে হারের পর ডিগবাজি? ভাইরাল অডিওতে ‘বিজেপি নেতা’ খোকন দাস, বর্ধমানে তোলপাড়

বর্ধমান দক্ষিণের সদ্য প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক খোকন দাসকে ঘিরে নতুন রাজনৈতিক বিতর্ক তৈরি হয়েছে একটি ভাইরাল অডিওকে কেন্দ্র করে। সেই অডিওতে তাঁকে বলতে শোনা যায়, আমিও এখন বিজেপি নেতা। এই মন্তব্য প্রকাশ্যে আসতেই জেলা রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে জোর চর্চা। বিরোধী বিজেপি এই ঘটনাকে হাতিয়ার করে তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে আক্রমণ শানিয়েছে।বিজেপির দাবি, কাঞ্চননগরের একটি দুর্গামন্দির নির্মাণের কাজ করেও এক রাজমিস্ত্রি প্রাপ্য টাকা পাননি। সেই টাকা চাওয়াকে কেন্দ্র করেই ফোনে তাঁকে ধমক দেন খোকন দাস। ভাইরাল হওয়া অডিওতে শোনা যায়, মন্দিরের হিসেব, ট্রাস্টের টাকা এবং ভোটে হারের প্রসঙ্গ তুলে কথা বলছেন তিনি। কথোপকথনের এক পর্যায়ে খোকন দাসকে বলতে শোনা যায়, তুই এখন সুযোগ নিয়ে লোককে ভয় দেখাচ্ছিস। আমরাও এখানে আছি। আর শুনে রাখ, আমিও এখন বিজেপি নেতা।যদিও এই অডিওর সত্যতা যাচাই করেনি জনতার কথা। তবে বিজেপি নেতাদের দাবি, ওই কথোপকথনে স্পষ্টভাবে প্রাক্তন বিধায়কের হুমকির সুর ধরা পড়েছে। জেলা বিজেপির মুখপাত্র কল্যাণ মাজি অভিযোগ করেন, ক্ষমতা হারিয়েও খোকন দাস এখনও প্রশাসনিক প্রভাব খাটানোর চেষ্টা করছেন। তাই কখনও এফআইআরের ভয় দেখাচ্ছেন, আবার কখনও নিজেকে বিজেপি নেতা বলছেন।অন্যদিকে খোকন দাস সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তাঁর বক্তব্য, অডিও নিয়ে বিজেপি ইচ্ছাকৃতভাবে ভুল ব্যাখ্যা দিচ্ছে। তিনি দাবি করেন, কোনও ব্যক্তিকে ভয় দেখানো তাঁর উদ্দেশ্য ছিল না। বরং মন্দির ও ট্রাস্টের নামে অপপ্রচার রোখার জন্যই পুলিশে জানানোর কথা বলেছিলেন। তাঁর আরও দাবি, সংশ্লিষ্ট রাজমিস্ত্রি হিসেব না দেওয়ায় ট্রাস্টের পক্ষ থেকে টাকা আটকে রাখা হয়েছে।তবে রাজনৈতিক মহলের একাংশের প্রশ্ন, যদি অডিওর প্রথম অংশে নিজের কণ্ঠস্বর স্বীকার করে নেওয়া হয়, তাহলে একই অডিওতে থাকা আমিও বিজেপি নেতা মন্তব্যকে অস্বীকার করা হচ্ছে কেন? এই নিয়েই নতুন করে চাপানউতোর শুরু হয়েছে জেলা রাজনীতিতে।

মে ১২, ২০২৬
কলকাতা

বিমানে উঠতেই মহুয়ার দিকে ‘চোর’ স্লোগান! ভাইরাল ভিডিও ঘিরে তুমুল শোরগোল

রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পর থেকেই একের পর এক জায়গায় জনরোষের মুখে পড়ছেন তৃণমূল নেতা-কর্মীরা। ভোটের ফল প্রকাশের পর থেকেই রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে শাসকদলের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিতে দেখা যাচ্ছে সাধারণ মানুষকে। এর আগে গণনাকেন্দ্রে অভিনেতা-পরিচালক রাজ চক্রবর্তীর দিকে কাদা ছোড়ার ঘটনা সামনে এসেছিল। অভিনেতা দেবকেও প্রকাশ্যে চোর স্লোগানের মুখে পড়তে হয়েছিল। এবার সেই তালিকায় যুক্ত হলেন কৃষ্ণনগরের সাংসদ মহুয়া মৈত্র।শুক্রবার দিল্লিগামী বিমানে উঠেছিলেন মহুয়া মৈত্র। অভিযোগ, তাঁকে দেখামাত্রই কয়েকজন সহযাত্রী আসন ছেড়ে উঠে দাঁড়ান এবং স্লোগান দিতে শুরু করেন। বিমানের ভিতরেই ওঠে, পিসি চোর, ভাইপো চোর, তৃণমূলের সব চোর স্লোগান। আচমকা এমন পরিস্থিতিতে অস্বস্তিতে পড়ে যান তৃণমূল সাংসদ। তিনি নিজের আসনে বসে পড়েন। পরে বিমানকর্মীরা এসে পরিস্থিতি সামাল দেন।ভোটে তৃণমূলের ভরাডুবির পর থেকেই দলের একাধিক নেতা ও জনপ্রতিনিধিকে প্রকাশ্যে বিক্ষোভের মুখে পড়তে হচ্ছে বলে রাজনৈতিক মহলের একাংশের দাবি। সোশ্যাল মিডিয়াতেও সেই ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ দেখা যাচ্ছে। সম্প্রতি ভাইরাল হওয়া একটি ভিডিওতে দেখা গিয়েছিল, অভিনেতা দেব কার্যত টি-শার্ট দিয়ে মুখ ঢেকে রেখেছেন। সেই ঘটনার পর এবার মহুয়া মৈত্রকে ঘিরে নতুন ভিডিও ঘিরে শুরু হয়েছে জোর চর্চা।ইতিমধ্যেই বিমানের ভিতরের সেই ভিডিও দ্রুত ছড়িয়ে পড়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে তীব্র বিতর্ক। অনেকেই প্রশ্ন তুলছেন, ভোটের ফলের পর কি রাজ্যে জনরোষ আরও বাড়ছে? যদিও এই ঘটনা নিয়ে এখনও প্রকাশ্যে কোনও মন্তব্য করেননি মহুয়া মৈত্র।

মে ০৭, ২০২৬
রাজ্য

ভিড়ের মাঝে আগুনঝরা ভাষণ, তারপর গা ঢাকা! বাগডোগরায় ধরা পড়লেন মোফাক্কেরুল

বুধবার কালিয়াচকের ঘটনার পর একটি ভিডিয়ো দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। সেখানে দেখা যায়, একটি গাড়ির উপর দাঁড়িয়ে এক ব্যক্তি ভিড়ের মাঝে বক্তৃতা দিচ্ছেন। তাঁর কথা শুনে উপস্থিত অনেকেই হাততালি দিচ্ছেন এবং মোবাইলে সেই মুহূর্ত রেকর্ড করছেন। ঘটনার পর থেকে ওই ব্যক্তির খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না।অবশেষে শুক্রবার সকালে বাগডোগরা বিমানবন্দর থেকে তাঁকে গ্রেফতার করে পুলিশ। ধৃতের নাম মোফাক্কেরুল ইসলাম। পুলিশের দাবি, তিনি বেঙ্গালুরুতে পালানোর চেষ্টা করছিলেন।পুলিশ জানিয়েছে, কালিয়াচকে বিচারকদের ঘেরাও করার ঘটনায় মোফাক্কেরুল ইসলামের উস্কানি ছিল। এই ঘটনায় তাঁর নামে তিনটি মামলা দায়ের হয়েছে। তিনি কেন মালদহে গিয়েছিলেন, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।জানা যায়, ২০২১ সালে তিনি একটি রাজনৈতিক দলের প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে দাঁড়িয়েছিলেন। তবে তারপর রাজনৈতিক ময়দানে তাঁকে খুব একটা দেখা যায়নি। ২০২৬ সালের নির্বাচনে তিনি প্রার্থী না হলেও, তাঁর দল মালদহ জেলায় সক্রিয়ভাবে কাজ করছে।রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীও এই ঘটনার পর ওই দলকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করেন।রাজনীতির পাশাপাশি মোফাক্কেরুল ইসলাম পেশায় একজন আইনজীবী। আগে তিনি জেলা আদালতে কাজ করতেন, বর্তমানে কলকাতা হাইকোর্টে প্র্যাকটিস করেন। হাইকোর্টে তাঁর বেশ জনপ্রিয়তা রয়েছে বলেই জানা গেছে। অনেকেই তাঁর বক্তব্য শুনতে ভিড় করেন। সোশ্যাল মিডিয়াতেও তাঁর প্রচুর অনুসারী রয়েছে।গ্রেফতার হওয়ার আগে তিনি নিজেই সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি পোস্ট করে নিজের গ্রেফতারির কথা জানান। গত কয়েকদিন ধরে তিনি বিভিন্ন রাজ্যের ছবি ও ভিডিয়ো পোস্ট করছিলেন, যাতে মনে হয় তিনি রাজ্যের বাইরে রয়েছেন। কখনও তেলেঙ্গানা, কখনও তামিলনাড়ু, আবার কখনও পাঞ্জাবের আদালতের ছবি শেয়ার করেছিলেন। এমনকি একটি ভিডিয়োতে তিনি কেরল যাওয়ার কথাও বলেন।তবে সব চেষ্টা ব্যর্থ করে শেষ পর্যন্ত শুক্রবার সকালে বাগডোগরা বিমানবন্দর থেকেই তাঁকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

এপ্রিল ০৩, ২০২৬
বিদেশ

ইরানের পালটা আঘাত? কুয়েতে ভেঙে পড়ল মার্কিন যুদ্ধবিমান, ভাইরাল বিস্ফোরণের ভিডিও

মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির মাঝে নতুন করে চাঞ্চল্য ছড়াল কুয়েতে। তেহরানে হামলা চালাতে গিয়ে কুয়েতের মাটিতে ভেঙে পড়ল আমেরিকার অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমান এফ পনেরো। প্রাথমিক অনুমান, ইরানের হামলার জেরেই ক্ষতিগ্রস্ত হয় বিমানটি। যদিও শেষ মুহূর্তে পাইলট নিরাপদে বেরিয়ে আসতে সক্ষম হন বলে জানা যাচ্ছে।ইরানের সংবাদমাধ্যম প্রেস টিভি একটি ভিডিও প্রকাশ করেছে। সেখানে দেখা যাচ্ছে, মাঝ আকাশে বিস্ফোরণের পর আগুন জ্বলতে জ্বলতে প্রায় তিরিশ সেকেন্ড চক্কর খেয়ে মাটিতে আছড়ে পড়ে যুদ্ধবিমানটি। এই ভিডিও ঘিরে ইতিমধ্যেই তীব্র আলোড়ন তৈরি হয়েছে আন্তর্জাতিক মহলে।তবে দুর্ঘটনার বিষয়ে এখনও পর্যন্ত আনুষ্ঠানিকভাবে কোনও বিবৃতি দেয়নি আমেরিকা বা কুয়েত। একাংশের দাবি, ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র বা ড্রোন হামলায় বিমানটি ভেঙে পড়েছে। আবার অন্য একটি সূত্রের মতে, ভুলবশত মিত্রপক্ষের হামলাতেই দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।উল্লেখ্য, সম্প্রতি ইরানের মাটিতে যৌথ হামলা চালায় আমেরিকা ও ইজরায়েল। সেই হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লা খামেনেই নিহত হন বলে দাবি করা হয়েছে। এর পর থেকেই পালটা আঘাত হানছে ইরান। মধ্যপ্রাচ্য জুড়ে ছড়িয়ে থাকা একাধিক মার্কিন ঘাঁটি এবং ইজরায়েলের উপর হামলা চালানো হয়েছে। কুয়েত, বাহরাইন ও সংযুক্ত আরব আমিরশাহীতেও ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার অভিযোগ উঠেছে।রবিবার ইরান রিভলিউশনারি গার্ড দাবি করে, তারা আমেরিকার বিমানবাহী রণতরী আব্রাহাম লিঙ্কনের উপর একাধিক ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে। যদিও এ বিষয়ে আমেরিকার তরফে এখনও স্পষ্ট প্রতিক্রিয়া মেলেনি। ক্ষয়ক্ষতির বিস্তারিত তথ্যও প্রকাশ করা হয়নি।এই পরিস্থিতির মাঝেই মার্কিন যুদ্ধবিমান ভেঙে পড়ার ঘটনা যুদ্ধের উত্তাপ আরও বাড়িয়ে দিল। ইরান-আমেরিকা সংঘাত কোন দিকে মোড় নেবে, তা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে আন্তর্জাতিক মহলে।

মার্চ ০২, ২০২৬
দেশ

মোদির উদ্বোধন করা ট্রেনেই আবর্জনার পাহাড়, ভাইরাল ভিডিওতে ক্ষোভ

ভোটের মুখে বাংলায় এসে দেশের প্রথম বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনের উদ্বোধন করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। কিন্তু উদ্বোধনের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই বিতর্কে জড়াল সেই আধুনিক ট্রেন। হাওড়া-গুয়াহাটি (কামাখ্যা) রুটের বন্দে ভারত স্লিপারের পরীক্ষামূলক যাত্রার সময় ট্রেনের ভিতরের একাধিক ছবি ও ভিডিও ভাইরাল হতেই শুরু হয়েছে তীব্র আলোচনা। ঝাঁ-চকচকে নতুন ট্রেনের কোচের মেঝেতে ছড়িয়ে থাকতে দেখা গিয়েছে প্লাস্টিকের প্যাকেট, চামচ ও বিভিন্ন আবর্জনা। উদ্বোধনের দিনেই যাত্রীদের আচরণ নিয়ে উঠছে বড় প্রশ্ন।১৭ জানুয়ারি, শনিবার আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন হয় হাওড়া-গুয়াহাটি বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনের। যদিও বাণিজ্যিকভাবে এই ট্রেন চলবে ২২ জানুয়ারি, সরস্বতী পুজোর দিন থেকে। উদ্বোধনের দিন পরীক্ষামূলক যাত্রায় বন্দে ভারত স্লিপারের আধুনিক কোচ, উন্নত সুযোগ-সুবিধা এবং প্রায় বিমানের মতো অভিজ্ঞতার ছবি ও ভিডিও সামনে আসে। যা দেখে অনেকেই ট্রেনটিকে ভারতের রেলের নতুন যুগের প্রতীক বলে প্রশংসা করেন। কিন্তু সেই আনন্দের মধ্যেই ভাইরাল হওয়া কয়েকটি ভিডিওতে ধরা পড়ে ট্রেনের ভিতরের নোংরা ছবি।ইনস্টাগ্রামে ভাইরাল একটি ভিডিওতে দেখা যায়, স্লিপার কোচের মেঝেতে ছড়িয়ে রয়েছে খাবারের প্যাকেট ও আবর্জনা। ওই ভিডিও পোস্ট করে এক ব্লগার সরাসরি যাত্রীদের একাংশের দিকে আঙুল তোলেন। তিনি বলেন, এটা রেলের গাফিলতি নয় বা সরকারের গাফিলতি নয়, এটা যাত্রীদেরই দায়িত্বজ্ঞানহীনতা। আক্ষেপের সুরে তিনি বলেন, উদ্বোধনের দিনেই একটি নতুন ট্রেনের এই অবস্থা করে ফেলেছি আমরা। এটাই কি আমাদের নাগরিক দায়িত্ববোধ? ভিডিওর ক্যাপশনে তিনি লেখেন, ট্রেন বিশ্বমানের হতে পারে, কিন্তু নাগরিক সচেতনতা এখনও অনেক পিছিয়ে।এই ভিডিও দেখে হতাশ ও ক্ষুব্ধ হয়েছেন বহু নেটিজেন। তাঁদের অনেকেই মন্তব্য করেছেন, সরকারি সম্পত্তি রক্ষা করার দায়িত্ব শুধু সরকারের নয়, সাধারণ মানুষেরও। কারণ ট্রেন ব্যবহার করেন যাত্রীরাই। ভাইরাল ভিডিও নজরে এসেছে রেল কর্তৃপক্ষেরও। রেলের এক আধিকারিক জানিয়েছেন, রেলের সম্পত্তি পরিষ্কার রাখা প্রতিটি নাগরিকের দায়িত্ব। এভাবে কোচে আবর্জনা ফেললে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।একদিকে যখন যাত্রীদের একাংশের আচরণ নিয়ে তীব্র সমালোচনা চলছে, অন্যদিকে বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনের খাবার নিয়েও একাধিক ভিডিও সামনে এসেছে। সেই সব ভিডিওতে খাবারের গুণমানের প্রশংসা করেছেন বেশিরভাগ যাত্রী। বিমানের মতো খাবার পরিবেশন ও পরিষেবায় খুশি অনেকেই। তবে সব প্রশংসার মাঝেও নতুন ট্রেনের প্রথম যাত্রাতেই এই নোংরা ছবি বন্দে ভারত স্লিপারের ভাবমূর্তিতে ধাক্কা দিয়েছে বলেই মত ওয়াকিবহাল মহলের।

জানুয়ারি ২০, ২০২৬
কলকাতা

দেবলীনা নন্দীর বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ! ফেসবুক লাইভে কী বললেন দুই যুবক?

গত কয়েকদিন ধরেই চর্চার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন সঙ্গীতশিল্পী ও সোশাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সার দেবলীনা নন্দী। আত্মহত্যার চেষ্টার ঘটনার পর থেকেই তাঁর ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে নানা আলোচনা চলছে সোশাল মিডিয়ায়। এরই মাঝে প্রকাশ্যে এল নতুন অভিযোগ, যা ঘিরে ফের চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।শনিবার বিকেলে নীল ও রিভু নামে দুই যুবক ফেসবুক লাইভে দাবি করেন, দীর্ঘদিন ধরে দেবলীনা নন্দীর ফেসবুক পেজ তাঁরা পরিচালনা করেছেন। তাঁদের বক্তব্য, দেবলীনাকে জনপ্রিয় করে তুলতে তাঁরা নিয়মিত কনটেন্ট তৈরি, ভিডিও এডিট এবং পেজ ম্যানেজমেন্টের কাজ করেছেন। তাঁদের হাত ধরেই নাকি দেবলীনারের ফলোয়ার সংখ্যা ৭০ হাজার থেকে বেড়ে ১২ লক্ষে পৌঁছয়। কিছু মিউজিক ভিডিওর কাজও করেছেন তাঁরা।অভিযোগকারীদের দাবি, কাজ ছাড়ার পর দেড় বছর কেটে গেলেও তাঁদের প্রাপ্য টাকা দেননি দেবলীনা। বহুবার বকেয়া টাকা চাওয়া হলেও কোনও সুরাহা হয়নি বলে অভিযোগ। তাঁদের আরও দাবি, একাধিকবার ফোনে দেবলীনারের মায়ের সঙ্গে কথা হয়েছে। প্রতিবারই নাকি বলা হয়েছে, দেবলীনা অসুস্থ এবং হাসপাতালে ভর্তি।এই ফেসবুক লাইভ ছড়িয়ে পড়তেই সোশাল মিডিয়ায় শুরু হয় জোর আলোচনা। কমেন্ট বক্সে কেউ দেবলীনাকে কটাক্ষ করেন, আবার কেউ অভিযোগকারীদের প্রশ্ন তোলেন, এতদিন পরে কেন তাঁরা এই কথা প্রকাশ্যে আনলেন।প্রসঙ্গত, সম্প্রতি স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির সঙ্গে পারিবারিক সমস্যার কারণে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন দেবলীনা নন্দী। বর্তমানে তিনি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।এই বিতর্কের মধ্যেই কয়েক ঘণ্টা পর অভিযোগকারীরা তাঁদের আগের ফেসবুক লাইভ ডিলিট করে নতুন একটি ভিডিও পোস্ট করেন। সেখানে তাঁরা জানান, প্রথম ভিডিও প্রকাশের পর দেবলীনা নিজে ফোন করে তাঁদের সঙ্গে কথা বলেন এবং সমস্ত বকেয়া টাকা মিটিয়ে দেন। তবে এই বিষয়ে এখনও পর্যন্ত কোনও মন্তব্য করেননি দেবলীনা নন্দী।

জানুয়ারি ১১, ২০২৬
দেশ

ওরঙ্গাবাদের এই হৃদয়স্পর্শী কাহিনী আপনার মন ছুঁয়ে যাবেই

মহারাষ্ট্রের ঔরঙ্গাবাদের সম্ভাজি নগরে ঘটনা এখন সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল। ওই হৃদয়স্পর্শী ঘটনা নাড়া দিয়েছে পুরো সমাজকে। সেখানে এক গয়নার দোকানে গিয়েছিলেন অতি সাধারণ এক দম্পতি। স্ত্রীকে কিছু উপহার দেওয়াই ছিল স্বামীর উদ্দেশ্য। গয়নার শোরুমের ম্যানেজার তাদের সঙ্গে গল্প জুড়ে দেন। হাসিঠাট্টার মাঝে কথা বলতে বলতে জেনে নেন তাঁদের জীবনকাহিনী। এবার এল জিনিস কেনার পালা। হাতের ঝোলা ব্যাগ থেকে বেরোল একটা ৫০০ টাকার নোট। একে একে ১০, ২০ টাকার নোট। সবশেষে একটা ছোটখাট বোঁচকা। তাতে ভর্তি খুচরো পয়সা।শোরুমের ম্যানেজার গোটা বিষয়টা বুঝতে পেরে তাঁদের একটি হার উপহার দেন। সঙ্গে একজোড়া কানের দুলও। এরপর বৃদ্ধের কাছে সরল আবদার জানান, নিজে হাতে স্ত্রীর হাতে সেটা তুলে দিতে হবে। উপহার তো দিলেন ম্যানেজার, কিন্তু এত বড় দোকানে এসে কোনও টাকা না দিয়ে চলে যাবেন, এতেও যেন সম্মানে বাধে বৃদ্ধের। সমাজের খেটে খাওয়া মানুষের কাছে আত্মসম্মানই বড় কথা। প্রাণ যাক, সম্মান নিয়ে বাঁচাটাই বড় কথা। তাই সবচেয়ে বড় নোটটি তুলে দিতে চেয়েছিলেন ম্যানেজারের হাতে। কিন্তু তাতে ম্যানেজারের উত্তর, আপনার আশীর্বাদের হাত থাকলেই হবে। পান্ডুরঙ্গ (কর্নাটক, মহারাষ্ট্রের পূজিত দেবতা) আছেন, কিছুর অভাব হবে না কোনওদিন। কিন্তু বৃদ্ধ নাছোড়বান্দা, টাকা তিনি দেবেনই। উপায় নেই বুঝে অবশেষে দুটো ১০ টাকার নোট নেন ম্যানেজার।স্বামীর চোখে জল, ধুতির খুঁট দিয়ে মুছে ফেললেন। তা দেখে স্ত্রীও আটকাতে পারলেন না নিজেকে। ভিডিওতেই স্পষ্ট, এমন এক মূল্যবান উপহার পেয়ে বিশ্বাস হচ্ছে না ওই দম্পতির। কিন্তু যেকজন ভিডিওটি দেখেছেন, তাঁরা সবাই বুঝেছেন এই চোখের জল, অবিশ্বাস শুধু মূল্যবান এক উপহারের জন্য নয়, জীবনের অন্যতম এই দিনটি মনের মণিকোঠায় সাজিয়ে রাখছেন দম্পতি।

জুন ১৯, ২০২৫
কলকাতা

মহিলার গোপন ছবি নিয়ে ব্ল্যাকমেল, গ্রেফতার যুবক

এক মহিলার গোপন ছবি ভাইরাল করার অভিযোগে এক ফটোগ্রাফারকে গ্রেফতার করল নরেন্দ্রপুর থানার পুলিশ৷ হালতু এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে৷ ধৄতকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে পুলিশ৷ তার মোবাইল ফোন, ল্যাপটপ বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে ৷ তা পরীক্ষার জন্য পাঠানো হবে বলে পুলিশ সুত্রে জানা গিয়েছে।নরেন্দ্রপুর থানা এলাকার বাসিন্দা এক তরুণীর সাথে আলাপ হয় হালতুর বাসিন্দা পার্থ দাসের৷ পার্থ পেশায় একজন ফটোগ্রাফার। সোশাল মিডিয়ায় তাদের আলাপ হয়েছিল৷ দুজনেই বিবাহিত। তবে তরুণীর বছর খানেক আগে ডিভোর্স হয়েছে। দুজনের মধ্যে সম্পর্ক হয়। তারা একসাথে একটি বাড়ি ভাড়া নিয়ে থাকতেও শুরু করে। যদিও রাতে ঐ বাড়িতে থাকত না যুবক৷ তরুণীর কাছ থেকে ২ লক্ষ টাকাও নেয় বলে অভিযোগ৷ তরুণীর অভিযোগ, দুজনের ব্যক্তিগত শারীরিক সম্পর্কের ছবি ও তরুণীর ছবি ভাইরাল করে দেওয়ার হুমকি দেয়। এমনকি সেই ছবি তার তরুণীর প্রাক্তন স্বামীর কাছেও পাঠায় বলে অভিযোগ৷ এই ঘটনায় ওই তরুণী নরেন্দ্রপুর থানায় অভিযোগ দায়ের করলে অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তাকে বারুইপুর মহকুমা আদালতে পেশ করা হবে। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নিজেদের হেফাজতে নেওয়ার আবেদন জানানো হবে বলে নরেন্দ্রপুর থানার পুলিশ সুত্রে জানা গিয়েছে ৷

মে ২৫, ২০২৫
রাজ্য

কুইন্টাল কুইন্টাল জল! আবার মাস্টার প্ল্যন! শেষমেশ বিজেপি মন্ডল সভাপতির সঙ্গে ছবি, রচনার বন্যা-পরিদর্শন

বলাগড় প্লাবিত এলাকা পরিদর্শনে গিয়েছিলেন হুগলির তৃণমূল সাংসদ রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়। অভিনেত্রী সাংসদ বললেন, কুইন্টাল কুইন্টাল জল ছাড়ায় মানুষের দুর্ভোগ বেড়েছে। বাড়ি ঘর কিছু নেই। মানুষ রাস্তায় বেরিয়ে এসেছেন। তৃণমূল সাংসদদের এমন মন্তব্য়ে চারিদিকে বিতর্কের ঝড় শুরু করেছে। কটাক্ষ করতে ছাড়ছেন না বিরোধীরা। কুইন্টাল কুইন্টাল জল! এমন মন্তব্য় জনপ্রতিনিধিরে মুখ থেকে বেরিয়ে আসায় সমালোচনা সর্বত্র। এদিন বাজার থেকে ওল কেনেন সাংসদ। ওল কিনে রচনা জিজ্ঞেস করেন, গলা ধরবে না তো।এদিন দুপুরে হঠাতই হুগলির তৃণমূল সাংসদ রচনা ব্যানার্জি তাঁর সঙ্গীসাথী দের নিয়ে চলে যান বাঁশবেড়িয়ার বিজেপি মন্ডল সভাপতি সুমিত অধিকারী বিরিয়ানির দোকানে। তখনও বিরিয়ানি রান্না সম্পূর্ণ হয়নি। তাই লাঞ্চ হল না। বিজেপি সভাপতিকে সঙ্গে নিয়ে ছবিও তুললেন তৃণমূল সাংসদ রচনা। আর এই ঘটনায় রীতিমতো চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয় রাজনৈতিক মহলে। এদিন হুগলির শ্রীপুর বলাগড় গ্রাম পঞ্চায়েতের চাঁদরা কলোনী, মিলনগর গ্রামে ভাঙন কবলিত এলাকা পরিদর্শনে যান তৃণমূল সাংসদ রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়। সব দেখে তিনি বলেন, মাত্র তিনমাস এসেছি সাংসদ হয়ে। চেষ্টা করছি। বলাগড় থেকে চন্দননগর পর্যন্ত নদী বরাবর পাড় ভাঙছে দ্রুত। এই বিশাল জায়গা সামাল দিতে মাস্টার প্ল্যান দরকার এবং একা রাজ্যের দ্বারা সম্ভব নয়। কেন্দ্রের সাহায্য দরকার। আমি দিল্লি গিয়ে এবিষয়ে দরবার করবো সংশ্লিষ্ট জায়গায়। তাঁর অভিযোগ,আগের বিজেপি সাংসদ এলাকার জন্য কিছুই করেনি। এলাকাবাসীদের ক্ষোভের মুখেও পড়েছেন তৃণমূল সাংসদ।রচনা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, তিনমাস আগে যেখানে দাঁড়িয়ে প্রচার করে গিয়েছি সেই জায়গা তলিয়ে গিয়েছে। কয়েকটি বাড়ি, রাস্তাও গঙ্গায় মিশে গিয়েছে। খুবই খারাপ অবস্থা। এলাকার মানুষকে ত্রান দিয়েছি। গঙ্গা ভাঙন রোধ একটা বড় ব্যাপার। আমি লোকসভায় বলেছি। আবারও বলব। কেন্দ্রের সাহায্য ছাড়া হবে না। ঘাটাল মাস্টার প্ল্যানের আদলে বলাগড় মাস্টার প্ল্যান করতে হবে।

সেপ্টেম্বর ২৬, ২০২৪
রাজ্য

আরজি করে অডিও ক্লিপ ভাইরাল, তিন বার ফোনে তিনরকম কথা

আরজি করে মেডিক্য়াল কলেজ হাসপাতালে তরুণী চিকিৎসক ধর্ষণ-খুনে চাঞ্চল্যকর অডিও ক্লিপ ভাইরাল। ফোনে তিনবার তিন রকম কথা বলা হয় মেয়েটির বাবা-মাকে, এমনই দাবি তাঁদের। তিনবার ফোন করে একবারও সে তাঁর নাম প্রকাশ করেনি। একবার বলেছেন তিনি অ্যাসিস্ট্যান্ট সুপার। সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল অডিও ক্লিপ ঘিরেই নতুন করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। যদিও সেই অডিও ক্লিপের সত্যতা যাচাই করে দেখেনি জনতার কথা।আরজি কর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তরুণী চিকিৎসকের নৃশংস খুনের পর কেটে গিয়েছে বেশ কিছুদিন। এখনও মেয়ের ভয়ানক পরিণতির বিচারের অপেক্ষায় দিন কাটাচ্ছে বাবা-মা। গোটা রাজ্য উত্তাল আরজি কর কাণ্ডের বিচারের দাবিতে। এরই মধ্যে একটি অডিও ক্লিপ ভাইরাল হয়েছে। আরজি করের তরুণী চিকিৎসকের নৃশংস মৃত্যুর পর পরই তাঁর পরিবারের কাছে তিনবার ফোন যায়, অন্তত ভাইরাল হওয়া অডিও ক্লিপে এমনই দাবি জোরালো হচ্ছে। তিনবার ফোনে তিন রকম কথা বলা হয় হাসপাতালের তরফে, এমনটাই দাবি করছেন পরিবারের সদস্যরা।প্রথমে ফোন করে বলা হয়, মেয়ের শরীর খারাপ। দ্বিতীয়বার অ্যাসিস্ট্যান্ট সুপারের পরিচয় দিয়ে করে ফোন করা হয় নিহতের পরিবারে। সেই ফোনে হাসপাতালে যেতে বলা হয় নিহত নির্যাতিতার মা-বাবাকে। তৃতীয়বার ফোন করে বলা হয়, তাঁদের মেয়ে হয়তো আত্মহত্যা করেছে। হয়তো মারা গিয়েছে। ইতিমধ্যেই সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়েছে সেই অডিও ক্লিপ। সেই অডিও ক্লিপের সত্যতা যাচাই করে দেখা হয়নি। তবে তাঁর পরিবারের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে এভাবেই তিনবার ফোন করা হয়েছিল। ওদিকে ছিল মহিলার কন্ঠস্বর। সে তাঁর নাম বলেনি। শুধু একবার অ্যাসিস্ট্যান্ট সুপার বলেছেন। তিনি যে চিকিৎসক নন তাও বলেছেন। তবে বিষয়টি নিয়ে জলঘোলা যে তুমুল হচ্ছে তা বলার অপেক্ষা রাখে না। এদিকে আরজি কর কাণ্ডের তদন্তে জোরদার তৎপরতা চালাচ্ছে সিবিআই। তরুণীকে নৃশংস খুনের প্রতিবাদে গর্জে উঠেছে গোটা বাংলা। এদিন হাসপাতালে মর্গে গিয়েছে সিবিআইয়ের একটি দল। যত দিন গড়াচ্ছে প্রতিবাদের সুর আরও চড়া হচ্ছে। তবে নির্যাতিতার মা-বাবা এখনও বিচারের অপেক্ষায় দিন গুণছেন।

আগস্ট ২৯, ২০২৪
রাজনীতি

বিজেপির নারদ আদলে তৃণমূল ভবনে সন্দেশখালির ভাইরাল ভিডিও প্রদর্শন, ভয়ঙ্কর আক্রমণ অভিষেকের

নারদ-কাণ্ডে বিজেপি দফতরে ভিডিও ফুটেজ তুলে ধরে তৃণমূলকে নিশানা করেছিলেন গেরুয়া নেতারা। তখনও এরাজ্যে নির্বাচনী আবহ ছিল। এবার সন্দেশখালির ভাইরাল ভিডিও তোলপাড় ফেলতেই একই কায়দায় এবার বিজেপিকে পাল্টা দিলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। পদ্ম বাহিনীকে কার্যত তুলোধনা করলেন তিনি। অভিষেকের সাফ কথা, নির্লজ্জতার সমস্ত নজির ভেঙে দিয়েছে। বিজেপির মণ্ডল সভাপতি বলছেন সাজানো ঘটনা। যাঁকে নির্যাতিত বলে দেখানো হচ্ছে। তিনি বলছেন, তাঁর সঙ্গে কিছু হয়নি। বাংলার সম্মান ভূলুণ্ঠিত হয়েছে। বিজেপির নেতারা বলতেন, সন্দেশখালি করবে তৃণমূলের চেয়ার খালি। আর আজকের ভিডিও বুঝিয়ে দিয়েছে বিজেপি দলটাই জালি।সন্দেশখালির ভাইরাল ভিডিও ঘিরে শনিবার রাজ্য রাজনীতিতে শোরগোল পরে যায়। ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে যে, সন্দেশখালি ২ নম্বর ব্লকের বিজেপি সভাপতি গঙ্গাধর কয়াল স্বীকার করছেন, মহিলাদের ধর্ষণের ঘটনা পুরোটাই সাজানো। সে জন্য তাঁদের টাকা দিয়ে সাহায্য করেছেন শুভেন্দু অধিকারী।এরপরই এক্স বার্তায় সরব হয়েছিলেন অভিষেক। পরে সাংবাদিক বৈঠক করেন তিনি। অভিষেক বলেন, নির্লজ্জতার সমস্ত নজির ভেঙে দিয়েছে। বিজেপির মণ্ডল সভাপতি বলছেন সাজানো ঘটনা। যাঁকে নির্যাতিত বলে দেখানো হচ্ছে। তিনি বলছেন, তাঁর সঙ্গে কিছু হয়নি। ভিডিয়োতে উনি বলেছেন, তাবড় তাবড় মালকে গ্রেফতার করানোর কথা। গঙ্গাধর বলেছেন, শুভেন্দু তাঁদের বলেছেন, তাবড় তাবড় মাল গ্রেফতার না করালে তোমাদের কিছু হবে না। খবর যাচাই না করেই বাংলার নামে খবর প্রকাশ করেছে জাতীয় সংবাদমাধ্যমগুলি। তাতে বাংলার সম্মান ভূলুণ্ঠিত হয়েছে। এঁদের প্রত্যেকের উচিত বাংলায় এসে ক্ষমা চেয়ে যাওয়া।পরিকল্পনা করে সন্দেশখালিতে রোবটও নামিয়ে দিল ওরা। যেন মনে হচ্ছিল চাঁদে চন্দ্রযানের প্রজ্ঞান নামছে। এই সব কিছুই দেখানোর জন্য। সব পরিকল্পিত।গঙ্গাধর বলেছে ২০০০টাকা দিয়ে অভিযোগ দায়ের করিয়েছে বাংলায়। রেখা পাত্র যিনি ওই এলাকার লোকসভা ভোটের প্রার্থী তিনিও ওই ২০০০ টাকার বিনিময়েই অভিযোগ করেছিলেন। পিঠে পাটিসাপটা বানানো নিয়ে কত কথা বলেছিল সংবাদ মাধ্যম। কী ভাবে খবর প্রকাশ হয়েছিল! আর এখন এরা বলছে ধর্ষণই হয়নি। উল্টে ধর্ষণ নিয়ে যাতে কোনও পরীক্ষা দিতে না হয়, সে জন্য ৭ মাস আগের অভিযোগ দায়ের করেছে।বাংলাকে কলুষিত করার জন্য বিজেপির পাশাপাশি বিচারমাধ্যমের একাংশও দায়ী বলে মনে করি আমি। এ কথা বলার জন্য যদি আমি আদালত অবমাননার দায়ে পড়ি, তবে পড়ব, কিন্তু সত্যি কথা বলা থেকে আমাকে আটকানো যাবে না। বলেছেন অভিষেক। তিনি বলেন, যারা নিজেদের স্বার্থ চরিতার্থ করতে মহিলাদের সম্ভ্রম ২০০০ টাকায় বিক্রি করেন, সেই দলকে ভোট দেওয়ার আগে দশবার ভাববেন।আমি চ্যালেঞ্জ করছি গঙ্গাধর কয়ালকে বিজেপি সাসপেন্ড করুক। এ ব্যাপারে সুকান্ত মজুমদারের সঙ্গে শুভেন্দু অধিকারীর বক্তব্যও মিলছে না। বিজেপির নেতারা আলাদা আলাদা কথা বলছেন। ওদের আসল চেহারা, ওদের নগ্নরূপ বেরিয়ে গেছে।বিজেপির নেতারা বলতেন, সন্দেশখালি করবে তৃণমূলের চেয়ার খালি। আর আজকের ভিডিয়ো বুঝিয়ে দিয়েছে বিজেপি দলটাই জালি।বাংলায় ওরা থাকছে, খাচ্ছে আর বাংলার নাম কলুষিত করছে। আসলে বাংলাকে কলুষিত করে দখল করার পরিকল্পনা ছিল বিজেপির। যেভাবে, রাজস্থান, কর্ণাটক দখল করেছে সে ভাবেই বাংলাও দখল করবে। কিন্তু বাংলার দখল নেওয়া অত সহজ নয়। খালি কয়েকটা ভোটের জন্য যা নয় তাই করা হচ্ছে। সমস্যা আদৌ হয়েছে কি না যাচাই না করেই সিবিআই হয়ে যাচ্ছে। সংবিধান মেনে পুলিশকে সুযোগও দেওযা হচ্ছে না। তদন্ত করার সুযোগই দেওয়া হচ্ছে না।ওর (শুভেন্দু অধিকারী) সিবিআইকে বলুন, যদি ক্ষমতা থাকে আমাকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে যাবে। ওর সিবিআই দেখিয়ে রাজনীতি অন্য জায়গায় করতে বলবেন। সিবিআইয়ের তল্পিবাহকতা করার জন্য বাংলার মানুষ বেঁচে আছে। ওর যদি ক্ষমতা থাকে, তা হলে ওদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিচ্ছে না কেন? ওই বেইমানটাকে বলবেন, আমি ওকে বেইমান বলছি, গদ্দার বলছি, ঘুষখোর বলছি। কী করবে করে নিক।

মে ০৪, ২০২৪
রাজনীতি

সন্দেশখালি নিয়ে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী যা বললেন.....

বিরোধী দলনেতার মদতেই হয়েছে। সন্দেশখালি সম্পর্কিত ভাইরাল ভিডিওতে সেই দাবিই শোনা গিয়েছে (সেই ভিডিও জনতার কথা যাচাই করেনি) বিজেপি নেতা গঙ্গাধর কয়ালের মুখ থেকে। এরপরই সরব হয়েছে তৃণমূল। শুভেন্দু অধিকারীকে তুলোধনা করেছেন তৃণমূলের সেনাপতি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তৃণমূলের যুবরাজের সাংবাদিক বৈঠকের পরই এই ইস্যুতে মুখ খুললেন রাজ্যে বিরোধী দলনেতা। তিনি দাবি করলেন, সিবিআইয়ের ডিরেক্টরকে ই-মেল করে সন্দেশখালির বিজেপি নেতা গঙ্গাধর কয়াল তাঁর বক্তব্যের বিকৃত ভিডিও অভিযোগ আকারে পাঠিয়েছেন। একই সঙ্গে তাঁর দাবি, ইতিমধ্যেই সন্দেশখালি থেকে কলকাতায় পৌঁছে গিয়েছেন গঙ্গাধর।ভাইরাল ভিডিওতে বিজেপি নেতার মুখে একাধিকবার শোনা গিয়েছে শুভেন্দুর নাম। এ প্রসঙ্গে শুভেন্দুর দাবি, এই সব কিছু কয়লা ভাইপোর তৈরি। অর্থাৎ শুভেন্দুর নিশানায়, তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।এর আগে এক্স বার্তায় এই ইস্যুতে দাবি করেছিলেন যে, ভোটে হারবেন বুঝেই এ সব করিয়েছেন। তাঁর নিশানায় ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী।শনিবার সকালে স্টিং অপরেশনের একটি ভিডিও প্রকাশ্যে আসে। সেই ভিডিয়োতে বিজেপির সন্দেশখালির ২ নং মণ্ডল সভাপতি গঙ্গাধর কয়ালকে বলতে শোনা যাচ্ছে যে, সন্দেশখালিতে ধর্ষণের অভিযোগ সাজানো। এ নিয়ে বিজেপিকে আক্রমণ করে তৃণমূল। শুভেন্দু সেই আক্রমণ উড়িয়ে দিয়ে দাবি করেছেন, ভিডিয়োটি বিকৃত।গঙ্গাধরের দাবি ওই ভিডিও বিকৃত। ভিডিওয় তাঁর ছবি এবং কথার মধ্যে কোনও মিল নেই। ভিডিয়োয় বক্তার মুখও স্পষ্ট নয়। এমন ভাবে ভিডিয়োটি এডিট করা হয়েছে, যাতে তা বোঝা না যায়। ভিডিও থেকে বক্তার ঠোঁটের নড়াচড়াও স্পষ্ট ভাবে বোঝা যাচ্ছে না বলেই দাবি গঙ্গাধরের। ভিডিয়োর শব্দ স্পষ্ট নয়। ইচ্ছাকৃত অসাধু উদ্দেশ্যেই এমনটা করা হয়েছে বলে অভিযোগ গঙ্গাধরের।

মে ০৪, ২০২৪
বিনোদুনিয়া

প্রতারিত হয়েও, আগমনী গানের সুরের মুর্ছনায় ভেসে 'উমা আইলো' মধুরার-ই ঘরে

বছরভর অপেক্ষা সেই চারটে দিনের। যে যার সাধ্যমত আয়োজন করে দেবী দুর্গা-র আরাধনায় ব্রতী হয়। দেবীর মর্ত্যে আগমনের আশায় যে গান বাঁধা হয় তারই নাম আগমনী গান। আগমনী গানের প্রেক্ষাপট আমাদের বঙ্গজীবনের সামাজিক প্রেক্ষাপটের সাথে মিলেমিশে এককার হয়ে গেছে।পুরাণে শিব-দুর্গা বা হর-পার্বতী সম্বন্ধে যাই লিপিবদ্ধ থাকনা কেন আমাদের বঙ্গের লৌকিক দেবদেবীদের নিয়ে বেশ কিছু উপাখ্যান আছে। সেগুলির মধ্যে শিব-দুর্গার এই উপাখ্যান অন্যতম। শিব-দুর্গার এই উপাখ্যানকে সামনে রেখেই বাংলায় রচিত হল আগমনী গান। লোকমুখে প্রচলিত কাহিনীর দিকে যদি নজর দেওয়া যায়, তাহলে জানা যাবে, বিত্তশালী বাবা দক্ষ গিরিরাজের মেয়ে উমার (দূর্গা/পার্বতী) শ্মশান বাসি শিবের সাথে বিবাহ হয়েছে। বিয়ের পরে সাংসারিক রীতি অনুযায়ী দ্বিরাগমনে উমা শশুর বাড়ি চলে গেলে মেয়ের কথা ভেবে ভেবে মা মেনকার মন আকুল হয়ে ওঠে।এই শরৎ কালের কোনও এক রাতে মেয়ে উমাকে স্বপনে দেখে মা মেনকা কাতর অনুরোধ করে গিরিরাজকে বলেন উমাকে কয়েকদিনের জন্য বাপের বাড়ি নিয়ে আসতে। অবশেষে মা মেনকা ও বাবা দক্ষরাজের অনুরোধে উমা তাঁর শ্মশান বাসী ভোলানাথকে অনেক বুঝিয়ে কয়েকদিনের দিনের জন্য বাপের বাড়ি আসতে সম্মত হয়। উমার বাপের বাড়ি আগমনকে কেন্দ্র করেই যে গান রচিত হয় তাঁকেই আগমনী গান বলে অবিহিত করা হয়।সারা বছর নানা মাধ্যমে এত গান রিলিজ হয় পুজোর গান-র সেই অর্থে কৌলীন্য হয়ত অনেকটাই হারিয়েছে। কিন্তু তাঁর মধ্যেও পুজো উপলক্ষ্যে বেশ কিছু কাজ হচ্ছে। সেরকমই একটি গান আইলো উমা। বিশিষ্ট কণ্ঠ সঙ্গীত শিল্পী মধুরা ভট্টাচার্যের ইউটিউব চ্যনেলে প্রকাশিত হলো দুর্গা পুজো উপলক্ষে পুজোর আগমনী গান আইলো উমা। গানটির সুরকার প্রদ্যুত দে সরকার, মিউজিক অ্যারেঞ্জমেন্ট করেছেন সৌরভ বাবাই চক্রবর্তী, কথাঃ প্রিয় চট্টোপাধ্যায়, গানটিতে তবলা সঙ্গত করেছেন সুভাষ, পল, সুভাষ (সেতার) বুবাই (বাঁশি), অ্যালবামটির ভিডিওগ্রাফি করেন অভিষেক আগরওয়াল। এছাড়া কস্টিউম ডিজাইন করেন সুমিত্রা মুখার্জি, যিনি সম্পর্কে মধুরার দিদি হন। মেকাপ অরিজিত মাইতি, গানটির মিক্সিং মাস্টারিং করেছেন সঞ্জয় ঘোষ।আইলো উমা ভিডিও অ্যালবামটি ইতিমধ্যেই সামাজিক মাধ্যমে যথেষ্ট সারা ফেলে দিয়েছে। রিলিজ হওয়ার মাত্র এক সপ্তাহের মধ্যে প্রায় ৬০ হাজারের কাছাকাছি মানুষ ইতিমধ্যে গানটি শুনে ফেলেছেন। গানটির সুর থেকে কথা সর্বপরি মধুরার সুমধুর কণ্ঠ দর্শকদের মনে দাগ কেটেছে। সঙ্গীতপ্রিয় মানুষজনের মতে এই গানটির আবেদন অত্যন্ত কোমল। গানটি শুনতে শুনতে কেমন যেন হারিয়ে যেতে ইচ্ছে করে। কারুর কারুর মতে গানটি শুনে বাংলা স্বর্নযুগের গানের কথা মনে পরে নাস্টালজিক হয়ে পড়ছেন।গানটি শুনতে যতই মধুর হোক, প্রকাশিত হওয়া অবধি রাস্তা কিন্তু অতটা মসৃন ছিল না। শিল্পী জানান, গানটি মধুরার নিজের ইউটিউব চ্যানেল থেকে প্রকাশ করার কোনও পূর্ব পরিকল্পনা প্রাথমিক ভাবে ছিল না। মধুরা আক্ষেপের সাথে সামাজিক মাধ্যম ফেসবুক লাইভে এসে জানান, তাঁর পূর্ব পরিচিত কোনও এক ব্যক্তির মাধ্যমে একটি নামী মিউজিক কোম্পানি থেকে অফার আসে তাঁর কাছে একটি আগমনী গানের মিউজিক ভিডিও বানানোর জন্য। তিনি আরও জানান এর আগে ঐ কোম্পানির জন্য তিনি একটি রবীন্দ্র সঙ্গীত রেকর্ড করেছেন। তাই কোম্পানির ব্র্যান্ড স্বমন্ধে অবিহিত থাকায় রাজি হয়ে যান।মধুরা লাইভ অনুষ্ঠানে সেই মধ্যস্ততাকারী ব্যক্তির নাম জানান। তিনি বলেন সমরেন্দ্র দত্ত নামে এক ব্যক্তি তাঁকে অনুরোধ করেন, মধুরার পছন্দের সঙ্গীত পরিচালক, গীতিকার ও মিউজিসিয়ান বেছে নিয়ে একটি পুজোর গান তৈরি করে সেই নামী মিউজিক কোম্পানিকে দিতে। মধুরা জানান তাঁকে কোম্পানীর তরফে সেপ্টেম্বরের ২০-র মধ্যে গানটি শেষ করে দেওয়ার কথা বলা হয়। সময় খুব কম থাকা স্বত্তেও মধুরা নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যেই গানটি রেডি করার জন্য প্রস্তুতি নিয়ে এগোচ্ছিলেন।মধুরা আরও জানান তিনি নিজের খরচায় প্রায় ৭০ শতাংশ কাজ শেষ করার পর ঐ কোম্পানির সাথে মধ্যস্ততাকারি সমরেন্দ্র দত্ত কাছে অগ্রীম চান, বাধ সাধে সেখানেই। তিনি নানা আছিলায় তাঁর ফোন এড়িয়ে যাচ্ছিলেন। শেষমেশ সমরেন্দ্র দত্ত মধুরাকে জানান এই গানটি এখন হচ্ছে না। মধুরা লাইভ অনুষ্ঠানে তাঁর সকল শুভানুধ্যায়ী ও মিউজিক জগতের মানুষদের কে অনুরোধ করেন সকলেই যেন ঐ ব্যক্তি থেকে দূরত্ব রেখে চলে। বিশেষ করে অর্থনৈতিক আদানপ্রদান থেকে যেন অবশ্যই বিরত থাকে।মধুরা জানান, ইতিমধ্যে অনেক টাকাই ইনভেস্ট হয়ে গিয়েছিলো, এবং তাঁর সহযোগী, শুভাকাঙ্খী ও পরিবারের সদস্যদের অনুরোধে ভিডিওটি সম্পূর্ণ করেন। মধুরা আরও জানান, উমা মা যেন চাইছিলেন যাতে এই ভিডিওটি মধুরার নিজের চ্যনেল থেকেই প্রকাশ পায়। গানটি শেষমেশ মধুরার নিজের ইউটিউব চ্যানেল থেকে প্রকাশ করে শিল্প স্বস্তির নিঃশ্বাস ছাড়েন।৭০ থেকে ৯০ এর দশক সারা বিশ্বের বাঙ্গালী পুজোর দুমাস আগে থেকে দুটি জিনিসের জন্য গভীর আগ্রহে বসে থাকতো, একটি পুজা বার্ষিকী পত্রিকা অপরটি পুজোর গান। সে লতা মঙ্গেসকর থেকে আশা ভোঁসলে, হেমন্ত, সন্ধ্যা, মহঃ রফি, সতিনাথ মুখোপাধ্যায়, আরতি কে নেই সেই দৌড়ে? পুজোর গান হল শারদোৎসবে বাঙালির মন রঙিন-করা, স্মৃতি উদ্বেল-করা রেকর্ড সঙ্গীত। সেসময় রেকর্ড কোম্পানিগুলিতে পুজোর গানের প্রস্তুতি চলত প্রায় সারা বছর ধরে।এই পূজোর গানের দৌড়ে সঙ্গীতের রথী মহারথীদেরও দেখা মিলত, কখনো পণ্ডিত রবিশঙ্কর তো কখনো পুজোর গানে সুর দিচ্ছেন উস্তাদ আলি আকবর খান মত তাবড় শাস্ত্রীয় সঙ্গীত শিল্পী। সুরকার পণ্ডিত রবিশঙ্কর গান বাঁধলেন হৈমন্তী শুক্লার জন্য। সুর সম্রাজ্ঞী লতা মঙ্গেশকরের পূজোর গানে সুর দিচ্ছেন স্বয়ং কিশোরকুমার! আবার উল্টোটাও! কিশোরের গানের সুর দিচ্ছেন লতা। বঙ্গ-জীবনের অঙ্গ পুজোর-গানের কথা বলতে গিয়ে সেতার সম্রাট পন্ডিত রবিশঙ্কর একবার বলেছিলেন গানও পুজোই। আমার জীবনের সংস্কারেও পুজো মিশে আছে। সংস্কার বঙ্গ জীবনের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যে মজ্যাগত। চৈতন্যভাগবত-এ বলা আছে, মৃদঙ্গ মন্দিরা শঙ্খ আছে সব ঘরে। দুর্গোৎসব কালে বাদ্য বাজাবার তরে। কালের চাকায় গানও ঘোরে! প্রথমে রেকর্ড (এল পি), তারপর এলো ক্যাসেট, সিডি হয়ে এখন পুজোর গান ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে। এখন মানুষ গান শুধু শোনেই না নয়ন ভরে দেখে।

অক্টোবর ১৫, ২০২৩
কলকাতা

পোষ্যকে হাতে নিয়েই ট্রেডমিলে ঘাম ঝড়ালেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, ভিডিও ভাইরাল

ট্রেডমিলে হাঁটতে হাঁটতে বাজেট তৈরির কথা আগেই জানিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। যখন তিনি হাঁটার সময় পান না তখন ট্রেডমিলেই সেই কাজ সেরে নেন। রবিবার ছুটির দিনে ইনস্টাতে ট্রেড মিলে হাঁটার ভিডিও পোস্ট করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে পোষ্যকে হাতে নিয়েই ট্রেডমিলে ঘাম ঝড়াচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী। কয়েক সেকেন্ডের ওই ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে তাঁর হাতে মিষ্টি দেখতে একটি লোমশ বিদেশি কুকুর রয়েছে। সেই কুকুরটি হাতে নিয়েই ট্রেডমিলে হাঁটছেন মমতা। অবাক পানে তাকিয়ে রয়েছে কুকুরটি। সে কোনও দুষ্টমি করছে না।বাংলার মুখ্যমন্ত্রী যখন মিছিলে হাঁটেন তখন তাঁর সঙ্গে পাল্লা দিয়ে পারেন না নেতা-নেত্রীরাও। এমনকী তাঁর নিরাপত্তারক্ষীরাও প্রায় ছুটতে থাকেন। যখন বাইরে হাঁটার সময় পান না তখন ট্রেড মিলেই হাঁটা সেরে নেন তিনি। এবার ট্রেডমিলে মুখ্যমন্ত্রীর হাতে ওই মিষ্টি পোষ্যকে দেখে নেটিজেনরা মজার মজার মন্তব্য করেছেন।

মে ০৭, ২০২৩
বিনোদুনিয়া

এই বিশ্বখ্যাত প্রবাদপ্রতীম শিল্পী কে? বিস্তারিত জেনে নিন

বেশ কিছুদিন আগে থেকে শুরু করে বর্তমান সময় পর্যন্ত ফেসবুক বা ফেসবুক টাইম লাইনে অশীতিপর এক বৃদ্ধার সংগীত পরিবেশন কে ট্রোলড হতে দেখা গিয়েছে বারংবার। তিনি কে? কি ভাষায় তিনি গান গাইছেন ? অথবা গানের অর্থই বা কি এর তথ্যানুসন্ধান কেউ করেনি। আমাদের ক্ষুদ্র জ্ঞানের বিচারে এই মহান শিল্পীকে নিয়ে শুধু নানান মন্তব্য ও স্ববোধের বিচারে হাসাহাসি চলেছে। কিন্তু প্রকৃত সংগীত পিপাসুদের কানে এই শিল্পীর পরিবেশিত গানটি শুনে কেমন যেন একটা ভালোলাগা অনুভূত হয়। জানা গিয়েছে, গানটি সোয়াহিলি ভাষার একটি বিখ্যাত গান। আর এই অশীতিপর বৃদ্ধা শিল্পীটি আর কেউ নন আফ্রিকা মহাদেশের তানজানিয়ার মহান সংগ্রামী শিল্পী বিকিডুডু। যাঁর পোশাকি নাম ফাতুমা বিনতি বারাকা। এই সোয়াহিলি আরব প্রভাবিত সংগীতের স্টাইল তারাবোর কিংবদন্তী পারফর্মার তিনি। তাঁকে তারাব ও ইউনেয়াগো সংস্কৃতির রানীও বলা হয়। এটি মূলত তানজানিয়া এবং কেনিয়ার কিছু অঞ্চলের সংস্কৃতি। অনুমান করা হয় বিকিডুডের জন্ম ১৯১০সালে তানজানিয়া জাঞ্জিবার দ্বীপের একটি ছোট্ট গ্রামে, গ্রামটির নাম মাফাগিমিরিঙ্গ। তাঁর বাবা ছিলেন ওই দ্বীপেরই একজন নারকেল বিক্রেতা। বিকিডুডে তাঁর মাত্র ১০ বছর বয়সেই আফ্রিকান রক্ষণশীল সমাজের নিয়ম ভাঙতে শুরু করেন। তিনি সমাজ ও প্রথার বিরুদ্ধে আজীবন সংগ্রাম করে গেছেন। নিজে ব্যক্তিগত বিপ্লবের মাধ্যমে আফ্রিকান সংগীতএবং নারী জাগরণের পথ তৈরি করে গেছেন। বিশ্ব সংগীতে বিশেষ অবদানের জন্য তিনি পেয়েছেন ওমেক্স এওয়ার্ড। এই পুরস্কারপ্রাপ্তির আগে পর্যন্ত বিকিডুডে অনেকটা লোকচক্ষুর অন্তরালেই ছিলেন। ২০০৫ সালে প্রাপ্ত এই পুরস্কারে তিনি বিশ্ববাসীর নজরে আসেন এবং বিশ্ববাসীর মন জয় করেন। ব্রিটিশ নির্মাতা এন্ডি জোন্স শিল্পীর জীবন ও কর্ম নিয়ে প্রথম তথ্যচিত্র নির্মাণ করেন Shot Bi kidudu প্রবল লিঙ্গ বৈষম্যে জাঞ্জিবার সমাজে তিনি ছিলেন অকুতোভয়। তাঁর সারল্য জেদ আর অনমনীয় মনোভাবের মধ্যে দিয়ে পদদলিত করেন এই সমাজের জরা ও পশ্চাদপদ প্রথাকে। একক ও অক্লান্ত প্রচেষ্টায় জাঞ্জিবার প্রথার অমলিন সংস্কৃতিকে উন্মুক্ত করেন বিশ্ববাসীর সামনে। নিঃসন্তান প্রথাবিরোধী স্বাধীনচেতা এই শিল্পীর জীবনটাই ছিল বিতর্কিত। তথাকথিত একটা পর্দানশীন সমাজের বাইরে বেরিয়ে আসা তাঁর পক্ষে অত্যন্ত কঠিন ছিল। তিনি প্রকাশ্যে ধূমপান করতেন, আবিশ্ব ঘুরে বেড়াবেন এই স্বপ্ন ছিল তার। নিজের সমস্ত উপার্জিত অর্থ তিনি অকাতরে দুস্থ মানুষদের মধ্যে বিলিয়ে দিয়ে নিজে নিঃস্ব থাকতেন। হাঁপানি রোগ নিরাময়ে একজন ভেষজ বিশেষজ্ঞ হিসেবে এই শিল্পী পরিচিত ছিলেন। এই প্রবাদপ্রতীম শিল্পী জাঞ্জিবার তরুণ ও দুঃস্থ শিল্পীদের সংগীত শেখানো ও অর্থ দিয়ে সাহায্য করতেন। আফ্রিকার লোকসংগীত এর প্রচার ও প্রসারে তার ভূমিকা ছিল অবিসংবাদিত। ১৯৮০ সালে স্বৈরাচারী নাইজেরিয়ান সরকারের বিরুদ্ধে গর্জে উঠেছিল তার কন্ঠ। তানজানিয়ার জাঞ্জিবার সমাজের তিনি ছিলেন জাতীয় ধন। দীর্ঘ ১০৩ বছরের জীবন পথ অতিক্রম করে মহান এই মানবতাবাদী শিল্পী ২০১৩ সালের ১৭ই এপ্রিল জাঞ্জিবার দ্বীপে নিজ গ্রামে লোকান্তরিত হন। গত ১৭ এপ্রিল ছিল তার মৃত্যুর দশম বৎসর।

মে ০৬, ২০২৩
রাজ্য

পড়ুয়াদের সঙ্গে নাচছেন অধ্যক্ষ, ভাইরাল ভিডিও, বিরোধীদের নিন্দা

কলেজের বার্ষিক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে গানের তালে পড়ুয়াদের সঙ্গে নাচছেন অধ্যক্ষ। সেই ছবি সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়তেই বিতর্ক তৈরি হয়েছে। বৃহস্পতিবার পূর্ব বর্ধমানের মেমারি কলেজের নবীন বরণ ও বার্ষিক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের সূচনা হয়। উদ্ধোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জেলা পুলিশ সুপার কামনাশীষ সেন, স্থানীয় বিধায়ক ও জেলা প্রাথমিক বিদ্যালয় সংসদের চেয়ারম্যান মধুসূধন ভট্টাচার্য।অনুষ্ঠানের শুরুতে প্রথম বর্ষের ছাত্রছাত্রীদের বরণ করার পাশাপাশি নাচ ও গান হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কলেজের অধ্যক্ষ দেবাশীষ চক্রবর্তী, মেমারি পুরসভার উপ পৌরপ্রধান সুপ্রিয় সামন্ত। ছবিতে দেখা যায় অধ্যক্ষ দেবাশীষ চক্রবর্তী মঞ্চের নীচে মাঠে কলেজের পড়ুয়াদের সঙ্গে কমলায় নৃত্য করে গানের সাথে দুহাত তুলে নাচছেন। এই বিষয়ে তাঁর সঙ্গে টেলিফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আদিবাসী নৃত্যে অংশ নিয়েছিলেন। সাঁওতালি বিভাগের ছাত্রছাত্রীরা ও অধ্যাপকদের অনুরোধে অংশ নিয়েছিলেন নাচের অনুষ্ঠানে। ছবিতে দেখা যায়, মঞ্চে যখন গান বাজছে তখন মাঠে পড়ুয়ারা নাচতে শুরু করে। সেই সময় অধ্যক্ষকেও দেখা গিয়েছে পড়ুয়াদের মাঝে গিয়ে দুহাত তুলে নৃত্য করতে।এই বিষয়ে বিজেপির পূর্ব বর্ধমান জেলা সহ-সভাপতি সৌম্যরাজ ব্যানার্জী বলেন, গোটা রাজ্যেই অপসংস্কৃতি চলছে। এটা তার নমুনা। কলেজের অধ্যক্ষ যদি এই ভাবে নাচেন তাহলে রাজ্যের সংস্কৃতি কোথায় গেছে বোঝা যাচ্ছে। আগে শিক্ষকদের সঙ্গে পড়ুয়াদের গুরু শিষ্যের ভালোবাসা ছিল।কংগ্রেস নেতা গৌরব সমাদ্দার বলেন, রাজ্যের গোটা শিক্ষা ব্যবস্থাটাই এখন জেলে। সুতরাং এটাই তো স্বাভাবিক। রাজ্যে সার্কাস চলছে। তার রিং মাষ্টার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্য মুখপাত্র দেবু টুডু বলেন, কি হয়েছে জানি না। তবে সামাজিক মাধ্যমে এই ছবি প্রকাশ হয়েছে। খোঁজ নিয়ে দেখছি।

ডিসেম্বর ০৯, ২০২২
রাজনীতি

মদনের 'টপকে যাওয়া' মন্তব্যে চরমে বিতর্ক, পঞ্চায়েতে জোটেই সওয়াল বিজেপি সাংসদের

নন্দকুমারে সমবায় নির্বাচনে বাম-বিজেপি জোট ধরাশায়ী করেছে তৃণমূল কংগ্রেসকে। তারপরই বিজেপির সাংসদ সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায় বিরোধীদের সার্বিক জোটের কথা বলেছেন। তাঁর বক্তব্য, প্রতিটি জায়গায় জোট হবে। সবাই মিলে একসঙ্গে তৃণমূলকে হারাতে জোট বাধবে। যে জিতবে সেই প্রার্থীকেই তৃণমূলের বিরুদ্ধে ভোট দেবে মানুষ। তৃণমূলের বিক্ষুব্ধদের এই জোটে আসতে আবেদন জানিয়েছে সৌমিত্র। এদিকে কামারহাটির তৃণমূল বিধায়ক হুঁশিয়ারি করেছেন বাম-বিজেপি জোটকে। তাই নিয়ে শুরু হয়েছে বিতর্ক।একটি ভাইরাল ভিডিওতে দেখা গিয়েছে মদন মিত্র বলছেন, এখানে বিজেপি-সিপিএম মনে করে এটাকেও নন্দকুমার বানাবো। এখানে সব খবর পাচ্ছি। কারা ভিতরে ঘোঁটবাজি করছে, নজর রাখছি। আস-যাওয়ার পথে সাবধানে থাকবেন। রাস্তায় খানা খন্দ আছে, বাম্পার আছে কখন কোথায় টপকে যাবেন তখন নিজেদের বুঝতে অসুবিধা হবে। মদন বলেছেন, তৃণমূল কংগ্রেসের ভিতরে থেকে বিজেপির দালালি করেন। বাইরে থেকে গায়ে কালি মেখে নোংরামি করে তৃণমূলের বদনাম করার চেষ্টা করেন। তার ডোজ কী করে দিতে হয় তা তৃণমূলের কর্মীরা ভাল করে জানে। রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রীর বক্তব্যে বিতর্ক শুরু হয়েছে রাজনৈতিক মহল। বিজেপি সাংসদ সৌমিত্রর কথায়, কিভাবে তৃণমূল নেতারা রাস্তায় হোচোট খাচ্ছেন তা সবাই দেখতে পাচ্ছেন। রাস্তায় হোচোট খেতে খেতে পার্থ জেলে, অনুব্রত জেলে।

নভেম্বর ০৯, ২০২২
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • ›

ট্রেন্ডিং

দেশ

জাতীয় নিরাপত্তার যুক্তি টিকল না! আদালতের নির্দেশে খুলছে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র সমাজমাধ্যমের পাতা

দিল্লি হাই কোর্টে বড় স্বস্তি পেল ককরোচ জনতা পার্টি। সমাজমাধ্যমের তাদের বন্ধ থাকা পাতার উপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে আদালত। বিচারপতির পর্যবেক্ষণ, যে কারণ দেখিয়ে কেন্দ্রীয় সরকার ওই পদক্ষেপ নিয়েছিল, সেই পরিস্থিতি এখন আর প্রাসঙ্গিক নয়। তাই সমাজমাধ্যমের পাতা পুনরায় চালু করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।এই মামলায় ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপ আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন। তাঁর অভিযোগ ছিল, কোনও উপযুক্ত কারণ ছাড়াই তাঁদের সমাজমাধ্যমের পাতা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। শুনানিতে কেন্দ্রের পক্ষ থেকে জানানো হয়, নিট পরীক্ষার সময় ওই পাতায় প্রকাশিত বিভিন্ন বার্তা পরীক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে বিভ্রান্তি বা বিশৃঙ্খলা তৈরি করতে পারে বলে আশঙ্কা ছিল। সেই কারণেই সাময়িকভাবে পাতা বন্ধ করা হয়েছিল।তবে আদালত জানায়, নিট পরীক্ষা ইতিমধ্যেই শেষ হয়ে গিয়েছে। ফলে সেই যুক্তির আর প্রাসঙ্গিকতা নেই। এই পর্যবেক্ষণের ভিত্তিতেই বিচারপতি স্বর্ণ কান্ত শর্মার বেঞ্চ সমাজমাধ্যমের পাতা পুনরায় চালুর নির্দেশ দেয়।সাম্প্রতিক সময়ে ককরোচ জনতা পার্টি সমাজমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে। যদিও এটি নির্বাচন কমিশনের স্বীকৃত কোনও রাজনৈতিক দল নয়, তবু তাদের অনলাইন উপস্থিতি দ্রুত জনপ্রিয়তা পেয়েছে। এর আগে অভিজিৎ দীপ দাবি করেছিলেন, অল্প কয়েক দিনের মধ্যেই তাঁদের অনুসরণকারীর সংখ্যা দেশের বড় রাজনৈতিক দলগুলির সমাজমাধ্যমের পাতাকেও ছাড়িয়ে গিয়েছে। সেই মন্তব্যের কিছু সময় পরেই তাঁদের সমাজমাধ্যমের পাতা বন্ধ হয়ে যায়। পরে কেন্দ্রের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছিল, জাতীয় নিরাপত্তার স্বার্থে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।আদালতের সাম্প্রতিক নির্দেশের ফলে এই মামলায় নতুন মোড় এল। তবে মামলার অন্যান্য আইনি বিষয় এখনও বিচারাধীন থাকতে পারে।

জুলাই ০৭, ২০২৬
দেশ

প্রেমিকের সঙ্গে মিলে স্বামীকে হত্যার অভিযোগ! তেলেঙ্গানার ঘটনায় তদন্তে উঠে এল চাঞ্চল্যকর দাবি

তেলেঙ্গানায় এক ব্যক্তির মৃত্যুকে ঘিরে সামনে এসেছে চাঞ্চল্যকর অভিযোগ। পুলিশ জানিয়েছে, এক নার্সের বিরুদ্ধে তাঁর প্রেমিকের সঙ্গে মিলে স্বামীকে হত্যার অভিযোগে মামলা দায়ের হয়েছে। এই ঘটনায় ওই নার্স, তাঁর প্রেমিক এবং আরও এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তবে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ এখনও আদালতে প্রমাণিত হয়নি এবং তদন্ত চলছে।পুলিশ সূত্রের দাবি, অভিযুক্ত সন্ধ্যার স্বামী প্রশান্ত কর্মসূত্রে বিদেশে থাকতেন। সেই সময় অনিল নামে এক ব্যক্তির সঙ্গে সন্ধ্যার ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক তৈরি হয় বলে অভিযোগ। পরে প্রশান্ত দেশে ফিরে আসার পর তাঁকে হত্যার পরিকল্পনা করা হয় বলে তদন্তকারীদের দাবি।তদন্তে পুলিশের অভিযোগ, প্রথমে প্রশান্তকে মদ্যপান করিয়ে একটি ভবনের ছাদ থেকে ধাক্কা দেওয়া হয়। কিন্তু তিনি গুরুতর আহত হলেও বেঁচে যান এবং হাসপাতালে ভর্তি হন। এরপর হাসপাতালেই তাঁর চিকিৎসার সময় বিষাক্ত পদার্থ শরীরে প্রবেশ করিয়ে হত্যার চেষ্টা করা হয় বলে অভিযোগ। তদন্তকারীদের দাবি, এই ঘটনায় নার্স হিসেবে কাজের অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগানো হয়েছিল। তবে এই সমস্ত অভিযোগের সত্যতা এখনও বিচারাধীন।পুলিশ আরও জানিয়েছে, ভেঙ্কট সাই নামে আরও এক অভিযুক্ত এই পরিকল্পনায় যুক্ত ছিলেন বলে সন্দেহ করা হচ্ছে। তাঁকে প্রশান্তকে মদ্যপান করানোর দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল বলে তদন্তে উঠে এসেছে।প্রশান্তের মা পুলিশের কাছে অভিযোগ দায়ের করার পর তদন্তে নতুন মোড় আসে। ফোনের তথ্য, জিজ্ঞাসাবাদ এবং অন্যান্য প্রমাণ খতিয়ে দেখে তিন অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়। বর্তমানে তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। পাশাপাশি ফরেনসিক পরীক্ষার রিপোর্টের অপেক্ষায় রয়েছে তদন্তকারী দল। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে খুন এবং অপরাধমূলক ষড়যন্ত্রের অভিযোগে মামলা দায়ের করা হয়েছে।সাম্প্রতিক সময়ে সম্পর্কজনিত কারণে হত্যার অভিযোগের একাধিক ঘটনা সামনে এসেছে। তেলেঙ্গানার এই ঘটনাও সেই তালিকায় নতুন করে আলোচনায় এসেছে। তবে এই মামলার চূড়ান্ত সত্য আদালতের বিচার প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই নির্ধারিত হবে।

জুলাই ০৭, ২০২৬
দেশ

হানিমুন হত্যাকাণ্ড থেকে শিক্ষা? হবু স্বামীকে হত্যার আগে যা খুঁজছিলেন তরুণী, দাবি পুলিশের

বিয়ের আগেই হবু স্বামীকে হত্যার অভিযোগে গ্রেফতার হওয়া তরুণীকে ঘিরে তদন্তে উঠে এসেছে নতুন তথ্য। পুলিশের দাবি, অভিযুক্ত সিয়া গোয়েল পরিকল্পিতভাবে হত্যার ছক কষেছিলেন। তদন্তে তাঁর মোবাইল ফোন পরীক্ষা করে এমন কিছু তথ্য পাওয়া গিয়েছে, যা তদন্তকারীদের মতে পরিকল্পনার দিকটি আরও স্পষ্ট করছে। তবে এই সমস্ত তথ্য এখনও পুলিশের দাবি মাত্র এবং আদালতে প্রমাণিত হয়নি।তদন্তে জানা গিয়েছে, চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে সিয়া গোয়েল ও কেতনের বাগদান হয়েছিল। আগামী নভেম্বরে তাঁদের বিয়ের কথা ছিল। পুলিশ সূত্রের দাবি, প্রথমে বিয়েতে সম্মতি দিলেও পরে আর বিয়ে করতে চাননি সিয়া। তিনি নাকি বিষয়টি কেতনকে জানিয়েছিলেন। কিন্তু পরিবারের চাপে সেই সম্পর্ক থেকে বেরিয়ে আসতে না পেরে শেষ পর্যন্ত হত্যার পরিকল্পনা করেন বলে অভিযোগ।পুলিশের দাবি, প্রায় এক মাস ধরে পরিকল্পনা করা হয়েছিল এই ঘটনা। তদন্তকারীদের মতে, অভিযুক্তরা বিভিন্ন প্রকাশ্যে প্রকাশিত প্রতিবেদন এবং পুরনো বহুল আলোচিত হত্যাকাণ্ড সম্পর্কিত খবরও পড়েছিলেন। মোবাইল ফোনের অনুসন্ধানের ইতিহাসে সেই ধরনের তথ্য পাওয়া গিয়েছে বলে পুলিশের দাবি। তবে তদন্তকারীরা এখনও এই তথ্যের সত্যতা এবং ঘটনার সঙ্গে তার সম্পর্ক খতিয়ে দেখছেন।এই মামলায় সিয়া গোয়েল এবং অপর অভিযুক্তকে চৌদ্দ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে আদালত। তদন্তের স্বার্থে সম্প্রতি পুলিশ সিয়াকে তাঁর বাড়িতে নিয়ে যায়। সেখান থেকে বের হওয়ার সময় সংবাদমাধ্যমের ক্যামেরা দেখে তিনি আপত্তিকর অঙ্গভঙ্গি করেন। সেই ঘটনার একটি ভিডিও সমাজমাধ্যমে দ্রুত ছড়িয়ে পড়েছে। ভিডিওতে দেখা যায়, মুখ কাপড়ে ঢাকা অবস্থায় পুলিশের সঙ্গে বেরিয়ে এসে তিনি চিত্রসাংবাদিকদের দিকে আপত্তিকর ইঙ্গিত করছেন।তদন্ত এখনও চলছে। ঘটনার প্রকৃত কারণ, পরিকল্পনা এবং অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের সত্যতা আদালতের বিচার প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই চূড়ান্তভাবে নির্ধারিত হবে।

জুলাই ০৭, ২০২৬
বিদেশ

মোদীর ইন্দোনেশিয়া সফরে বড় চমক! হতে পারে এমন চুক্তি, বদলে যেতে পারে দুই দেশের সম্পর্ক

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর তিন দেশের বিদেশ সফরের প্রথম গন্তব্য ইন্দোনেশিয়া। সোমবার জাকার্তায় পৌঁছন তিনি। বিমানবন্দরে তাঁকে স্বাগত জানান ইন্দোনেশিয়ার প্রেসিডেন্ট প্রাবোও সুবিয়ান্তো। ঐতিহ্যবাহী সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়। এই সফরকে ঘিরে কূটনৈতিক এবং কৌশলগত মহলে যথেষ্ট আগ্রহ তৈরি হয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই সফর ভারত ও ইন্দোনেশিয়ার সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে পারে।সূত্রের খবর, এই সফরে প্রতিরক্ষা, সামুদ্রিক নিরাপত্তা, গুরুত্বপূর্ণ খনিজ, বন্দর উন্নয়ন এবং প্রযুক্তিগত সহযোগিতা-সহ একাধিক বিষয়ে আলোচনা হতে পারে। পাশাপাশি বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ চুক্তি সই হওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে। দুই দেশের মধ্যে প্রতিরক্ষা সহযোগিতা আরও গভীর করার বিষয়েও আলোচনা হওয়ার কথা।প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি নজর রয়েছে ভারতের তৈরি অস্ত্র ক্ষেপণাস্ত্রকে ঘিরে। সূত্রের দাবি, এই ক্ষেপণাস্ত্র কেনার বিষয়ে আগ্রহ দেখাতে পারে ইন্দোনেশিয়া। পাশাপাশি ব্রহ্মোস ক্ষেপণাস্ত্রের সংখ্যাও বাড়াতে চায় জাকার্তা। তবে এই বিষয়ে এখনও কোনও সরকারি ঘোষণা হয়নি। দুই দেশের আলোচনার পরই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানা যাবে।শুধু প্রতিরক্ষা নয়, গুরুত্বপূর্ণ খনিজ সম্পদের সরবরাহ নিশ্চিত করতেও দুই দেশের মধ্যে সহযোগিতা বাড়তে পারে। ইন্দোনেশিয়ায় নিকেল ও ইস্পাত উৎপাদনে ভারতীয় বিনিয়োগের সম্ভাবনা রয়েছে। এছাড়াও সাবাং বন্দর উন্নয়ন নিয়েও আলোচনা হওয়ার কথা। মালাক্কা প্রণালীর কাছে অবস্থিত এই বন্দর ভারত মহাসাগর অঞ্চলে কৌশলগত দিক থেকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হয়। তাই এই প্রকল্প ভবিষ্যতে দুই দেশের সহযোগিতাকে নতুন মাত্রা দিতে পারে।প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর এটি চতুর্থ ইন্দোনেশিয়া সফর। প্রেসিডেন্ট প্রাবোও সুবিয়ান্তোর আমন্ত্রণেই তিনি সেখানে গিয়েছেন। এরপর তিনি অস্ট্রেলিয়া এবং নিউজিল্যান্ড সফরে যাবেন। ভারতের বিদেশ মন্ত্রকের মতে, এই সফরের মাধ্যমে দুই দেশের কৌশলগত অংশীদারিত্ব আরও শক্তিশালী হবে এবং প্রতিরক্ষা, বাণিজ্য, প্রযুক্তি ও সামুদ্রিক সহযোগিতার ক্ষেত্রে নতুন সম্ভাবনা তৈরি হতে পারে।

জুলাই ০৭, ২০২৬
রাজ্য

বারুইপুরে নির্যাতিতার বাড়ির সামনে তীব্র বিক্ষোভ! নেতা-মন্ত্রীদের ঘিরে ক্ষোভে ফেটে পড়লেন স্থানীয়রা

বারুইপুরে ষষ্ঠ শ্রেণির এক ছাত্রীর মৃত্যুকে ঘিরে এখনও থামেনি উত্তেজনা। তদন্তের প্রাথমিক পর্যায়ে উঠে আসা তথ্যের ভিত্তিতে নাবালিকাকে অপহরণ, যৌন নির্যাতন এবং হত্যার অভিযোগে তদন্ত এগোচ্ছে। তবে তদন্ত এখনও চলমান এবং ঘটনার পূর্ণ সত্য আদালতের বিচার প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নির্ধারিত হবে। এই ঘটনার প্রতিবাদে এলাকায় ক্ষোভ অব্যাহত রয়েছে। মঙ্গলবার সকাল থেকে নির্যাতিতার পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে একের পর এক রাজনৈতিক প্রতিনিধি সেখানে পৌঁছন। তাঁদের অনেককেই স্থানীয় মানুষের বিক্ষোভের মুখে পড়তে হয়।মঙ্গলবার নির্যাতিতার পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে যাওয়ার কথা রয়েছে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর। তাঁর আগেই সকালে সেখানে পৌঁছন পুরমন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল এবং লকেট চট্টোপাধ্যায়। অগ্নিমিত্রা পাল জানান, মুখ্যমন্ত্রীর প্রতিনিধি হিসেবেই তাঁরা পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছেন। পরে মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে আরও দুই সাংসদও সেখানে পৌঁছন।এর কিছু পরেই বারুইপুরে যান ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়, চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য, শিউলি সাহা, কাকলি ঘোষ দস্তিদার এবং সায়নী ঘোষ। নির্যাতিতার বাড়ির সামনে পৌঁছতেই স্থানীয়দের একাংশ তাঁদের ঘিরে বিক্ষোভ দেখান। বিশেষ করে সায়নী ঘোষকে প্রশ্নের মুখে পড়তে হয়। স্থানীয়দের অভিযোগ, ঘটনার দুদিন পরে কেন তিনি এলাকায় এলেন। বিক্ষোভকারীরা ক্ষোভ প্রকাশ করে নানা প্রশ্ন তোলেন। পরে পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হলে তাঁদের ভিতরে প্রবেশ করতে দেওয়া হয়।পরিবারের সঙ্গে দেখা করার পর সায়নী ঘোষ বলেন, ঘটনার পিছনে বৃহত্তর কোনও চক্র রয়েছে কি না, তা তদন্ত করে দেখা প্রয়োজন। দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়ে তিনি বলেন, বিষয়টি নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা করবেন।পরে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তাঁর সঙ্গীদেরও প্রথমে আটকে দেওয়া হলেও পরে তাঁদের প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয়। কাকলি ঘোষ দস্তিদার জানান, মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশেই তাঁরা পরিবারের পাশে দাঁড়াতে এসেছেন। ভবিষ্যতে এমন ঘটনা যাতে আর না ঘটে, তার জন্য কঠোর পদক্ষেপের প্রয়োজন বলেও তিনি মন্তব্য করেন। চন্দ্রিমা ভট্টাচার্যও অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানান।

জুলাই ০৭, ২০২৬
কলকাতা

তারাতলা বিপর্যয়ের পর বড় ঘোষণা! নিহতদের পরিবারকে চাকরি, মাসিক সাহায্য ও শিশুদের পড়াশোনার দায়িত্ব নিল রাজ্য

তারাতলা দুর্ঘটনায় নিহত ও আহতদের পরিবারের পাশে দাঁড়াতে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। মঙ্গলবার নিহত শ্রমিকদের পরিবারের হাতে দশ লক্ষ টাকার চেক এবং আহতদের হাতে এক লক্ষ টাকার আর্থিক সাহায্য তুলে দেওয়া হয়। পাশাপাশি মুখ্যমন্ত্রী আশ্বাস দেন, দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলিকে ভবিষ্যতেও সবরকম সহায়তা করবে রাজ্য সরকার।গত চব্বিশ জুন দুপুরে তারাতলায় নির্মীয়মাণ একটি গুদাম ভেঙে পড়ে। সেই সময় সেখানে কাজ চলায় বহু শ্রমিক ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে পড়েন। উদ্ধারকাজে পুলিশ, দমকল, দুর্যোগ মোকাবিলা বাহিনী এবং সেনাবাহিনী যৌথভাবে অভিযান চালায়। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, এই দুর্ঘটনায় ষোলো জনের মৃত্যু হয়েছে এবং একাধিক শ্রমিক আহত হয়েছেন।মঙ্গলবার আর্থিক সাহায্য প্রদান অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী নিহতদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন এবং তাঁদের সমস্যার কথা শোনেন। সেই সময় এক মৃত শ্রমিকের স্ত্রী চাকরির আবেদন জানান। জবাবে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, শিক্ষাগত যোগ্যতার ভিত্তিতে পরিবারের একজন সদস্যকে কাজ দেওয়ার সম্ভাবনা খতিয়ে দেখা হবে। তিনি কলকাতা পুর প্রশাসক স্মিতা পাণ্ডে এবং পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পালকে এই বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন। আগামী সাত থেকে দশ দিনের মধ্যে বিষয়টি পর্যালোচনা করে জানানো হবে বলেও তিনি জানান। তবে শিক্ষাগত যোগ্যতার বিষয়টিও বিবেচনা করা হবে বলে স্পষ্ট করেন মুখ্যমন্ত্রী।এছাড়াও মুখ্যমন্ত্রী জানান, নিহতদের পরিবারের জন্য মাসিক আর্থিক সহায়তা চালুর বিষয়েও রাজ্য সরকার ভাবনা-চিন্তা করছে। দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত শিশুদের পড়াশোনার দায়িত্বও রাজ্য নেবে বলে তিনি ঘোষণা করেন।আহত শ্রমিকদের চিকিৎসা নিয়েও বড় ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, সম্পূর্ণ সুস্থ না হওয়া পর্যন্ত আহতদের সমস্ত চিকিৎসা ও প্রয়োজনীয় ওষুধ বিনামূল্যে দেওয়া হবে। এই বিষয়ে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে স্বাস্থ্যমন্ত্রী শারদ্বত মুখোপাধ্যায়কে নির্দেশও দেন তিনি।

জুলাই ০৭, ২০২৬
কলকাতা

হাই কোর্টে অভিষেককে বিচারপতির কড়া প্রশ্ন! ‘রক্ষাকবচ পেয়েও তদন্তে সহযোগিতা করছেন না কেন?’

পরবর্তী শুনানির আগে কণ্ঠস্বরের নমুনা সংগ্রহ মামলাকে ঘিরে আবারও কলকাতা হাই কোর্টে হাজির হলেন তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। মামলার দ্রুত শুনানির আবেদন জানানো হলেও শুনানির সময় তদন্তে সহযোগিতা না করার অভিযোগ তোলে রাজ্য। সেই প্রেক্ষিতেই বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য প্রশ্ন তোলেন, আদালতের রক্ষাকবচ থাকা সত্ত্বেও কেন তদন্তে সহযোগিতা করা হচ্ছে না। তিনি মন্তব্য করেন, কণ্ঠস্বরের নমুনা তদন্তকারীদের দেওয়া উচিত। আগামী শুক্রবার ফের এই মামলার শুনানি হবে।আগামী আট জুলাই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কণ্ঠস্বরের নমুনা সংগ্রহের কথা রয়েছে। তার আগে মঙ্গলবার এই মামলার শুনানিতে বিচারপতি জানতে চান, আদালতের সুরক্ষা পাওয়ার পরও তদন্তে সহযোগিতা করতে আপত্তি কোথায়। জবাবে অভিষেকের আইনজীবী বলেন, সংশ্লিষ্ট বক্তব্য যে তাঁর মক্কেলেরই, তা আগেই স্বীকার করা হয়েছে। তাই নতুন করে কণ্ঠস্বরের নমুনা সংগ্রহের প্রয়োজনীয়তা নেই।অন্যদিকে, রাজ্যের আইনজীবী আদালতে দাবি করেন, শুধুমাত্র মৌখিক স্বীকারোক্তির উপর নির্ভর করে তদন্ত এগোনো সম্ভব নয়। কণ্ঠস্বরের বৈজ্ঞানিক পরীক্ষা তদন্তের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। ম্যাজিস্ট্রেটের নির্দেশ থাকা সত্ত্বেও আদালতের দ্বারস্থ হওয়ায় তদন্তে বিলম্ব হচ্ছে বলেও অভিযোগ তোলা হয়। রাজ্যের বক্তব্য, আদালতের রক্ষাকবচ পাওয়ার পর তদন্তে পূর্ণ সহযোগিতা করা প্রত্যাশিত হলেও এই ক্ষেত্রে তা হচ্ছে না।বিধানসভা নির্বাচনের প্রচারের সময় করা একটি মন্তব্যকে কেন্দ্র করে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের হয়েছিল। অভিযোগ, সেই বক্তব্য উসকানিমূলক ছিল। প্রথমে বিধাননগর থানায় মামলা দায়ের হলেও পরে তদন্তভার যায় সিআইডির হাতে। ইতিমধ্যে এই মামলায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে জিজ্ঞাসাবাদও করা হয়েছে। এবার তদন্তের স্বার্থে তাঁর কণ্ঠস্বরের নমুনা সংগ্রহ করতে চাইছে তদন্তকারী সংস্থা। যদিও অভিষেকের দাবি, সংশ্লিষ্ট বক্তব্য নিজের বলে তিনি আগেই স্বীকার করেছেন। তাই নতুন করে কণ্ঠস্বরের নমুনা দেওয়ার প্রয়োজন নেই। সেই কারণেই তিনি হাই কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন। তবে এখনও এই মামলার চূড়ান্ত রায় হয়নি এবং বিষয়টি বিচারাধীন।

জুলাই ০৭, ২০২৬
কলকাতা

কার টাকায় চলত অভিষেকের চাটার্ড বিমান? পাঁচ জায়গায় একসঙ্গে ইডির তল্লাশিতে নতুন রহস্য

কলকাতার একাধিক জায়গায় মঙ্গলবার সকালে তল্লাশি শুরু করেছে ইডি। তদন্তকারীদের মূল লক্ষ্য, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের চাটার্ড বিমানের ভাড়ার টাকা কোথা থেকে এসেছে, সেই অর্থ কারা দিয়েছেন এবং সেই টাকার লেনদেন কীভাবে হয়েছে, তার পূর্ণ তথ্য সংগ্রহ করা। সেন্ট্রাল অ্যাভিনিউ, রাজারহাট, নিউটাউন-সহ মোট পাঁচটি জায়গায় আলাদা আলাদা দল অভিযান চালায়।তদন্ত সূত্রে জানা গিয়েছে, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত এক ব্যবসায়ীর বাড়ি ও অফিসেও তল্লাশি চালানো হয়েছে। অভিযোগ, ওই ব্যবসায়ীর সংস্থার মাধ্যমে চাটার্ড বিমানের ভাড়ার অর্থ দেওয়া হত। সেই অর্থের উৎস কী এবং তৃণমূলের দলীয় তহবিলের সঙ্গে কোনও যোগ রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।এদিকে, তৃণমূলের তহবিল ঘিরে রাজনৈতিক টানাপোড়েনের মধ্যেই এই অভিযান নতুন করে গুরুত্ব পেয়েছে। দলের ভাঙনের পর তহবিল ও ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট নিয়ে বিতর্ক শুরু হয়। দলের প্রাক্তন কোষাধ্যক্ষ অরূপ বিশ্বাস ব্যাঙ্কে চিঠি দিয়ে অ্যাকাউন্ট স্থগিত রাখার আবেদন করেছিলেন। সেই বিষয়টি এখনও কলকাতা হাই কোর্টে বিচারাধীন। আদালত একাধিকবার জরুরি শুনানির আবেদন খারিজ করেছে। মঙ্গলবারও একই সিদ্ধান্ত বহাল থাকে।তদন্তকারীরা সল্টলেকের একটি সংস্থার অফিস এবং সংস্থার পরিচালকদের বাড়িতেও তল্লাশি চালিয়েছেন। অভিযোগ, ওই সংস্থার মাধ্যমেই চাটার্ড বিমানের ব্যবস্থা করা হত। তৃণমূলের একাংশের নেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় অভিযোগ করেছিলেন, বিমানের ভাড়ার অর্থ কাটমানি ও তোলাবাজির টাকায় মেটানো হয়েছে। সেই অভিযোগের সত্যতা যাচাই করতেই তদন্ত এগোচ্ছে বলে সূত্রের দাবি।অন্যদিকে, এক বিজেপি বিধায়কও অভিযোগ করেছেন, তৃণমূলের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে বিপুল পরিমাণ অবৈধ অর্থ জমা হয়েছে। সেই অভিযোগেরও তদন্ত চলছে। সব অভিযোগের আর্থিক নথি, ব্যাঙ্ক লেনদেন এবং অর্থের উৎস খতিয়ে দেখতেই মঙ্গলবারের এই তল্লাশি চালানো হয়েছে বলে তদন্তকারী সংস্থার সূত্রে জানা গিয়েছে। তবে এখনও পর্যন্ত এই অভিযোগগুলির সত্যতা আদালতে প্রমাণিত হয়নি এবং তদন্ত প্রক্রিয়া চলমান।

জুলাই ০৭, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal