• ২৭ মাঘ ১৪৩২, শনিবার ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Village

দেশ

গ্রামের বার্তা

God today can appear before the hungry people only in the form of breadMahatma Gandhiপরমাত্মা হওয়ার বা সাজার তার মধ্যে এক প্রধানতম সমস্যা হল সাধারণ মানুষকে অন্ন বস্ত্র বাসস্থান জোগানো। কারণ পরমাত্মার কাছে হাপিত্যেশি মানুষের এগুলিই হয় মূলত প্রধান চাহিদা। গান্ধীজির রুটির যদি আভিধানিক অর্থ ধরা হয় তাহলে ভুল হবে। কারণ রুটির চাহিদা মানে তার সঙ্গে উল্লিখিত বিষয়গুলিও জড়িয়ে থাকে। পরমাত্মা আর রুটির সম্পর্ক বলতে গেলে যে ছবির কথা এক নিশ্বাসে সামনে আসে তার হল Leonardo Da Vinci র The Last Supper। সেই ছবি তে পরমাত্মা শিষ্যদের সঙ্গে শেষ ভোজে বসেছেন, সেই ভোজে ও শুধু রুটি নেই। আনুসঙ্গিক আরও কিছু আছে। ধর্মশাস্ত্রে এই আনুসঙ্গিকের অনেক ব্যাখ্যা রয়েছে। বাস্তবিক জীবনেও রুটি ও তার আনুসঙ্গিক চাহিদার বিস্তৃতি অনেক। সদ্য শেষ হওয়া লোকসভা নির্বাচনে ফল দেখে কথা গুলো মনে হল তাই বলে ফেললাম।২০১৯য়ের লোকসভা নির্বাচনে বিজেপি পেয়েছিল ৩০৩ টি আসন। এবারে পেয়েছে ২৪০ টি আসন। অর্থাৎ বিজেপির ৬৩টি আসন কমেছে । গেরুয়া ভাঁড়ারে এই টানাটানি শহর বা শহরাঞ্চলে নয় মূলত গ্ৰাম ভারতে। গত লোকসভা নির্বাচনে বিজেপি গ্ৰামীন ও সংলগ্ন লোকসভা কেন্দ্র গুলির মধ্যে ২৫৩টি আসন জিতেছিল। এবার ওই আসনগুলির মধ্যে জিতেছে ১৯৩টি আসন। অর্থাৎ ৬৩টি হারা আসনের মধ্যে ৬০ টি আসন রয়েছে গ্ৰামাঞ্চলে। প্রচার ও নির্বাচন পর্ব মিলিয়ে প্রায় ৮০টই সাক্ষাৎকার দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী মোদী। একটি সাক্ষাৎকারে তিনি নিজেকে পরমাত্মা প্রেরিত দূত বলে দাবি করেন। নির্বাচনী ফল বলছে গ্ৰামীন ভারত সেই পরমাত্মা কে হৃদয়ে ঠাঁই দেয়নি।এখনও ভারতের দুই তৃতীয়াংশ মানুষ গ্ৰামে বাস করেন। NSO র Household expenditure survey (2022-23) বলছে গ্ৰামীন জনতার মাসিক per capita expenditure ৩৭৭৩ টাকা। যদি গড়ে একটি পরিবারে চার থেকে পাঁচ জন সদস্য থাকে তাহলে মাসিক ব্যায় দাঁড়ায় আনুমানিক ষোলো থেকে কুড়ি হাজার টাকা। গ্ৰামে রাস্তা ঘাট, শৌচাগার, আবাস, পানীয় জল ও বিদ্যুতের উন্নতি যে হয়নি তা নয়। কিন্তু গ্ৰামাঞ্চলে মানুষের আয় বা উপার্জন বাড়ে নি। সাম্প্রতিক বিভিন্ন সমীক্ষায় উঠে এসেছে যে সব পরিবার কৃষির সঙ্গে যুক্ত তাদের আর্থিক অবস্থার একটু বেশি ই অবনতি হয়েছে। Ministry of statistics and implementation য়ের ২০২৩-২৪ অর্থ বর্ষের দেখা যাচ্ছে দেশে কৃষি ক্ষেত্রে বৃদ্ধির হার ১.৪ শতাংশ। অথচ দেশের সার্বিক আর্থিক বৃদ্ধির হার বলা হচ্ছে ৮.২ শতাংশ। এই হিসাব অনুযায়ী সার্বিক, আর্থিক উন্নয়নের হার বাড়লেও দেশের ৪৫.৮ শতাংশ মানুষ যার সঙ্গে যুক্ত সেই কৃষিতে বৃদ্ধি মাত্র ১.৪ শতাংশ। এই পরিস্থিতিতে প্রতি মাসে শুধু রেশনে বিনামূল্যে পাঁচ কেজি চাল বা আটা দিয়ে এই ছিদ্র যে বোজানো যাবে না সেই বার্তাই ভোটে দিয়েছে গ্ৰামীন ভারত। আরো বুঝিয়ে দিয়েছে শুধু freebies বিলোলে হবে না দিতে হবে দুহাতে কাজ এবং সম্মান। দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে ফেরার পরে বাপু কে ভারত আত্মা চিনিয়ে ছিল গ্ৰাম। এক ই গোলার্ধে সম্পুর্ন বিপরীত মতাদর্শে মাও সেতুং কে লক্ষ্যে পৌঁছাতে গ্ৰাম দিয়ে শহর ঘিরতে হয়েছিল। এবার দেশে নির্বাচনের সামনে প্রশ্ন ছিল সংবিধান নিয়ে, গনতন্ত্র নিয়ে, বেকারি, দারিদ্র্য ও সম্প্রীতি নিয়ে। পরমাত্মার নির্মাণ, তীব্র ধর্মীয় মেরুকরণের হাতছানি সরিয়ে রেখে ভোটে সব প্রশ্নের উত্তর দিয়েছে গ্ৰামীন ভারত।

জুন ২৩, ২০২৪
নিবন্ধ

মানুষ নেই! হু হু করে জনবিরল হয়ে পড়ছে গ্রাম...

ঢাকের আওয়াজে কান পাতা দায়; সঙ্গে দুটি কাঁসর ও পেটানো ঘণ্টার সোচ্চার সঙ্গত। ঠাকুরঘরের বারান্দায় কজন মেয়ে-বৌয়ের জটলা, তাদের ফাঁক দিয়ে মাঝে মাঝে উঁকি মারছে মা দুর্গার চকচকে মুখখানা আর শিবঠাকুরের ঢুলুঢুলু শ্রীনয়ন। ধুনুচির ধোঁয়া ঘণ্টার অবিরাম টুংটুং নীচে একপাল কুচোকাঁচার হাঁ করে কুশলী ঢাকীদের দিকে তাকিয়ে থাকাসন্ধ্যারতি করছে সামান্য দুলে দুলে আমাদের পুরোহিত বুড়োদা, মানে ব্রজদুলাল মুখোপাধ্যায়। অহেতুক দেখনদারি নেই; নেই প্রয়োজনাতিরিক্ত অঙ্গসঞ্চালন। প্রায় তিন দশক বুড়োদা এমনি করেই পুজোর চারদিন সকাল-সন্ধ্যা নিষ্ঠাভরে মায়ের আরতি করে আসছে। বুড়োদার বাবা, স্বর্গত ব্রজরাখাল মুখোপাধ্যায় (যাঁকে আমরা দাদামশাই বলতাম) পূজারী ছিলেন এর আগে। কৃশ দীর্ঘকায় বৃদ্ধ মানুষটির ঈষৎ ঝুঁকে পড়ে দেবার্চনার স্মৃতি মনে গাঁথা হয়ে আছে আমার! সেই ট্র্যাডিশন সমানে চলেছে আজও, কোথাও তার ব্যতিক্রম হয় নি গত পঞ্চাশ বছরে রীতি-ভক্তি-আচার-অর্চনায়!ভুল বললাম! মস্ত তফাৎ হয়ে গেছে পুজোতলার ভীড়ে। যে মণ্ডপে আরতির সময় দাঁড়ানোর ঠাঁই মেলা দুষ্কর হতো একদিন, আজ তা বেশীর ভাগ সময় শুনশান। প্রসাদ বিতরণের সময় নরক গুলজার হতো এখানে, ইদানীং ডেকে ডেকে প্রসাদ বিলিয়েও শেষ হতে চায় না ফলপ্রসাদের বিশাল পিতলের রেকাব।মানুষ নেই। হু হু করে জনবিরল হয়ে পড়ছে গ্রাম। নাগরিক জীবনের দুর্নিবার আকর্ষণে গাঁ-গঞ্জ থেকে একমুখী জনস্রোত ধেয়ে চলেছে শহরপানে। আগে পুজোর সময় শহরবাসী মানুষ মাটির টানে ফিরে আসতেন দেশ-গাঁয়ে এই কয়টা দিন ; ইদানীং সেই প্রবণতাও নিভু নিভু । রাঢ়বঙ্গের গ্রামে গ্রামে আজ শুধু কিছু বয়স্ক মানুষ বাপপিতেমো-র ভিটে আগলে বসে আছেন ; পরের প্রজন্মে বোধ হয় একেবারেই তালা ঝুলে যাবে এই সব শূণ্য জনপদে !কৈশোর-তারুণ্যের দিনগুলিতে দূরের বাসা থেকে শত অসুবিধা-যোগাযোগের অপ্রতুলতা তুচ্ছ করে যখন গ্রামে ফিরতাম পুজোর সময়, প্রতিবার দেখতাম গাঁয়ের বন্ধুরা বড় হয়ে গেছে আরেকটু ঘোমটা টেনে ঘুরছে ফিরছে কিছু নতুন বউ ঝুমঝুমিয়ে খেলে বেড়াচ্ছে কটা ব্র্যান্ড নিউ গুড়গুড়ে (এরা কে যে কার বাচ্চা, সেটা সমঝে নিতেই সময় লেগে যেত অনেকটা) বিয়ে হয়ে গেছে দুচারটি মেয়ের (আর কোনো দিন দেখা হতো না তাদের সঙ্গে)... সকালবেলা দুয়ারের সামনে জলের ঘটি পাশে নিয়ে মাদুর-এ পা ছড়িয়ে রোদ পোয়াতে থাকা দুয়েকজন দাদু পরের বছর অদৃশ্য হতেন...দিন গেল... বছর গড়ালো আমাদের পুজোতলা চাতোর (চত্বর -এর অপভ্রংশ) -এর কাছের বাঁশবনে সাঁঝবেলায় ভয়ের হাতছানি কমতে লাগলো ধীরে ধীরে পাশের পুকুরপাড়ে তেঁতুলগাছগুলোর মগডালের দিকে রাতে ভয়ে তাকাতে না পারা কমে গেল বিদ্যুতের আলো-বোকাবাক্স-কেবললাইন - দুর্বল ওয়াইফাই-সবল মোটরসাইকেলের ঝাঁক গ্রাম-শহরের ফারাক কমিয়ে দিল দিনে দিনে। তবু খামারবাড়ির ছয়ফুটিয়া দাঁড়াশসাপ... কার্নিশে ঝুলন্ত মাটির হাঁড়ির বাসিন্দা কবুতরের দল... প্রাচীন অশ্বত্থগাছে দিনশেষে ঘরে ফেরা টিয়াপাখিরা সবাই দেখতে পেল, পাড়া নীরব হচ্ছে। মাটির বাড়িগুলি যত বদলে যেতে লাগলো রঙিন পাকাবাড়িতে, তত শূণ্য হয়ে গেল সেসব বাড়ির তকতকে আঙিনা। বহু ভিটেতে তুলসীতলায় সন্ধ্যাপ্রদীপ জ্বলে না আর; সদর দরজার মরচেধরা তালায় কুমড়েপোকার মাটি জমানো বসত!অষ্টমীর সকালে রূপা এসে গেল মেয়েকে নিয়ে। সঙ্গে এসেছে তিস্তা-র সহপাঠী অরুণিমা। আজন্ম সল্টলেকবাসী বন্ধুটির জীবনে এই প্রথম একটা গোটা পুজো কলকাতার বাইরে গাঁয়ে কাটানো!অষ্টমী-নবমী দুদিন ধরে চাতোর-এর মর্মরবেদীতে বসে রইলাম পুজোর সময়। কিছু কথাবার্তা পাড়াতুতো দাদাদের সাথে মেয়েকে পাশে নিয়ে দাঁড়িয়ে আরতি দেখা ফুলের মালা-দীপের আলো-ধূপের ধোঁয়ার পিছন থেকে খুঁজে নেওয়া শরণাগতদীনার্তপরিত্রাণপরায়ণা জগজ্জননীকে স্তবের বাণীর আড়াল থেকে নীরবে ডেকে যাওয়া সর্বস্যার্তিহরা নারায়ণী মা-টিকে!নবমীর দুপুরে ওপাড়ার বারোয়ারিপুজোয় পশুবলির আয়োজন। আশৈশব কখনোই সেই সহিংস আচারে সামিল হতে পারি নি। বলির পর ওপাড়া থেকে উৎসাহীরা দলে দলে এসে সমবেত হয় হরগৌরীতলায়। দুই পুজোর দুই দুই চার ঢাকির উচ্চ-ডেসিবেল বৃন্দবাদন যার যার নিজের সেরা পুজোর পোশাকটির সগর্ব উপস্থাপনা ভীড়ে ভীড়াক্কার চাতোর-এ গরমে হাঁসফাঁস বিনবিনে ঘাম আনকোরা শাড়ির খসখস... বছরপরে দেখা হওয়া সখীদের উচ্ছ্বাস তরুণদলের সতৃষ্ণ দৃষ্টিপাত মহানবমীর মধ্যাহ্নই এ গ্রামে পুজোর শীর্ষবিন্দু!সেদিন আর নেই! ফাঁকায় ফাঁকায়, অনুচ্চকিত ছন্দে এবার যাপিত হলো মহানবমীর দুপুরের আরতি... যজ্ঞ... হোমের ফোঁটা... শান্তিজলসিঞ্চন তুমি নির্মল করো মঙ্গলকরে মলিন মর্ম মুছায়ে বেলা তিনটের মধ্যে পুজো শেষ । রূপা-তিস্তা-অরুণিমা-জ্যাঠতুতো দাদা ও দুই বৌদি মিলে দুখানা টোটো বোঝাই হয়ে বেরোনো হলো সাড়ে তিনটে নাগাদ বাসুদা গ্রামের উদ্দেশ্যে । পড়ন্ত বেলা ফলন্ত ধানক্ষেতের উপচে পড়া সবুজ পথের দুধারে হলুদ ফুলে ঝিকমিক লম্বা সোনাঝুরি গাছের গ্রীন টানেল ঘরমুখো পাখিদের কলতান চার কিমি দূরে বনপাশ-কামারপাড়া থেকে গাড়ি বাঁদিকে ঢুকে পড়লো খুরুল গ্রামের রাস্তায়। শুনশান পথ খানিক খোবলানো রাস্তা মাথার ওপর অসহ্য নীল আকাশ, সেথায় গাভীর মতো চড়ছে সাদা মেঘের পাল হরিয়ালা বন্যায় ভেসে যাচ্ছে চরাচর! এ পথে আসি নি আগে কখনো। হে ধরিত্রীমাতা, কী বিচিত্র শোভা তব, কী বিচিত্র সাজ!মহিমা তব উদ্ভাসিত মহাগগনমাঝে,বিশ্বজগৎ মণিভূষণবেষ্টিত চরণে আনন্দলোকে মঙ্গলালোকে বিরাজিত সেই সত্যসুন্দরের অপরূপ রূপ দেখতে দেখতেই খুরুল পেরিয়ে পৌঁছে গেলাম বাসুদা। গ্রামের শুরুতে শ্রীরামকৃষ্ণ আশ্রমের সামনে যাত্রাবিরতি। খোলামেলায় অবস্থিত আশ্রমে ঢুকেই রামকৃষ্ণদেব-মা সারদা-স্বামীজীর স্মৃতিমন্দির; পাশেই অস্থায়ী মণ্ডপে দুর্গাপূজার আয়োজন। পুকুর-বাগান-বিদ্যাপীঠ-ভক্তকর্মীআবাস ছড়ানো আশ্রমটি ভালোই পুরোনো; এ অঞ্চলে সমাজসেবা ও শিক্ষাবিস্তারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়ে আসছে বিগত বেশ কয়েক দশক ধরে।থাকার ইচ্ছে ছিল বেশ কিছুক্ষণ, কিন্তু সহসাই পুব আকাশে নিবিড়কৃষ্ণমেঘসঞ্চার ভড়কে দিল আমাদের। এই মাঠঘাটের রাস্তায় ঝেঁপে ঝড়বৃষ্টি এলে হাঁড়ির হাল হবে সবার। অগত্যা মহারাজের সঙ্গে দেখা না করেই দুড়দাড় করে টোটো-সমাসীন হলাম আবার।সময় সংক্ষেপ করতে অন্য পথ ধরা হলো এবার। বিকেল গড়িয়ে আসছে । পুব আকাশ কালো হচ্ছে বাতাসে ভিজে গন্ধ পাখপাখালী ঘরে ফিরছে দ্রুত ডানায়। এ পথের অনেকটা জঙ্গুলে; গ্রামের মধ্যে দিয়ে শর্টকাট করতে গিয়ে পেরোতে হলো প্রায় এক কিমি উঁচুনীচু মাটির রাস্তা, প্রতি মুহূর্তে টোটো উল্টে যাওয়ার আশঙ্কা নিয়ে। কিমিদশেক পথ সবুজে ভেসে, মেঠো নালা-বুনোফুলে বানভাসি বনবিতান-নিবিড় বাঁশবন-শস্যময়ী প্রান্তর পেরিয়ে ঘরে ফিরে এলাম সাঁঝের মুখে।সন্ধ্যা ঘনালো। আরতির পর পুজোতলার আলোছায়ায় মা-বোনদের সিঁদুরখেলা। কয়েক বছর পর পরই এয়োস্ত্রীদের এই নবমীসন্ধ্যার শুভলোকাচার থেকে নীরবে সরে যান কেউ কেউ। শূণ্যসিঁথি.. কৃচ্ছ্রসাধন... মঙ্গলানুষ্ঠান থেকে নির্বাসন তাঁদের গোপন দীর্ঘশ্বাস বুঝি ভেসে বেড়ায় পুজোর পূণ্যময় পরিসরে!ড. সুজন সরকার, বর্ধমান।।

অক্টোবর ২৮, ২০২৩
দেশ

দেশের সেরা পর্যটন গ্রামের শিরোপা বাংলার, ঘোষণা কেন্দ্রীয় সরকারের

সারা দেশের মধ্যে পর্যটনে শ্রেষ্ঠ গ্রামের শিরোপা ছিনিয়ে নিল বাংলারই একটি গ্রাম। নতুন পালক যুক্ত হল বাংলার মুকুটে। অভূতপূর্ব এই সাফল্যে উচ্ছ্বসিত মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বিদেশে থেকেও এই গর্বের তথ্য নিজের এক্স হ্যান্ডেলে শেয়ার করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। একই সঙ্গে পর্যটনে দেশের সেরা গ্রামের বাসিন্দাদের অভিনন্দনও জানিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।ভারত সরকার পর্যটনে দেশের সেরা গ্রাম হিসেবে মুর্শিদাবাদ জেলার কিরীটেশ্বরীকে সম্মান প্রদান করেছে। ৩১টি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল থেকে এই প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের আবেদন জানানো হয়েছিল। ২০২৩ সালে এদের মধ্যে থেকে সেরা পর্যটন গ্রাম হিসেবে বেছে নেওয়া হয়েছে নবাবের জেলা মুর্শিদাবাদের কিরীটেশ্বরীকে। পর্যটন মন্ত্রকের তরফে এই স্বীকৃতি ।মুখ্যমন্ত্রী নিজের এক্স হ্যান্ডেলে লিখেছেন, আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদ জেলার কিরীটেশ্বরীকে ভারত সরকারের পর্যটন মন্ত্রক দেশের সেরা পর্যটন গ্রাম হিসেবে নির্বাচিত করেছে। দেশের ৩১টি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল থেকে প্রাপ্ত ৭৯৫টি আবেদনের মধ্যে ২০২৩ সালে সেরা পর্যটন গ্রাম প্রতিযোগিতা হয়েছিল। সেখানেই এই নির্বাচন হয়েছে। পর্যটন মন্ত্রক আগামী ২৭ সেপ্টেম্বর পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠান করবে। আমি ওই গ্রামের বাসিন্দাদের অভিনন্দন জানাই। জয় বাংলা!Glad to share and announce that Kiriteshwari in the Murshidabad district of West Bengal has been selected by the Ministry of Tourism, Government of India, as the Best Tourism Village of India. The selection has happened in the Best Tourism Village Competition,2023, from among 795 Mamata Banerjee (@MamataOfficial) September 21, 2023কিরীটেশ্বরী মন্দিরে মোটামুটি সারা বছরই ভক্তদের ঢল থাকে। দেবী পার্বতীর মুকুট এখানে পড়েছিল বলে পুরাণে কথিত রয়েছে। এলাকাবাসীদের বক্তব্য, মন্দিরটি প্রায় ১ হাজার বছরের পুরনো। রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ভক্তরা ছুটে যান এই মন্দিরে। দেশের সেরা পর্যটন গ্রামের স্বীকৃতি পাওয়ায় এবার পর্যটনের কতটা উন্নয়ন হয় সেটাই দেখার।

সেপ্টেম্বর ২১, ২০২৩
রাজ্য

বানভাসি ডুকুর গ্রামের বাসিন্দারা দিন কাটাচ্ছেন অজয়ের পাড়ে, প্রশাসনিক শুকনো আশ্বাস ছাড়া কিছুই জোটেনি

বছর ঘুরে গেল। তবুও মাথা গোঁজার ঠাঁই হল না বানভাসিদের। পূর্ব বর্ধমানের আউশগ্রামের ভেদিয়া পঞ্চায়েতের ডুকুর গ্রাম। বছর খানেক ধরে পলিথিনের ছাউনি বেঁধে বাস করছেন গ্রামবাসীর একাংশ। তাঁদের অভিযোগ,প্রশসানিক আধিকারিকেরা এলাকা পরিদর্শন করলেও মেলেনি ক্ষতিপূরণ। শুধু মিলেছে প্রতিশ্রুতি। তাঁদের দাবি, ব্লক প্রশাসনকে বিষয়টি জানিয়েও কাজ হয়নি। ফলে ক্ষোভ ছড়িয়েছে এলাকায়।গত বছর অক্টোবরের ১ তারিখে আউশগ্রামের সাঁতলার কাছে অজয়ের বাঁধ ভেঙে প্লাবিত হয় ডুকুর গ্রাম। বাড়িঘর হারিয়ে নদের বাঁধে তাঁবুতে আশ্রয় নেয় গ্রামের ৪২টি পরিবার। তাদের দাবি, শুধু বাড়িঘরই ভাঙেনি, চাষের জমিতে বালির স্তূপ জমে যায়। তিন দিন প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাদের খাবারের বন্দবস্ত করা হয়েছিল। তারপর খোঁজ নিয়েছেন প্রশাসনের আধিকারিক ও জনপ্রতিনিধিরা। কিন্তু শুকনো প্রতিশ্রুতি ছাড়া এখনো কিছু মেলেনি ঘরহারা মানুষজনদের। এই বিষয়ে জেলা পরিষদের সহসভাধিপতি দেবু টুডু বলেন,খুবই খারাপ বিষয়।খোঁজ নিয়ে দেখছি। তারপর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আগস্ট ২৬, ২০২২
রাজ্য

কাটোয়ায় গিয়ে গ্রামবাসীদের কাছে কার্যত ঘাড়ধাক্কা খেয়ে ফিরলেন সাংসদ

বিধানসভা ভোটের সময়ে বিজেপিতে ভিড়ে গিয়ে তৃণমূলের বিরুদ্ধে বিষোদগার করেছিলেন সাংসদ সুনীল মণ্ডল। ভোটে বিজেপির ভরাডুবির পরেই তৃণমূলেই আছি বলে দাবি করলেও সুনীল মণ্ডল তৃণমূল কর্মীদের মন ভোলাতে পারেননি। যার পরিণাম স্বরুপ বুধবার নিজের সংসদ এলাকা পূর্ব বর্ধমানের কাটোয়ায় গিয়ে কার্যত ঘাড় ধাক্কা খেলেন সুনিলবাবু।তাঁকে ঘিরে গোব্যাক শ্লোগান দেবার পাশাপাশি গ্রামবাসীরা সুনীল মণ্ডলকে চোর বলেও অভিহিত করেন। কাটোয়ায় আর না ঢোকার কথাও সাংসদকে হুমকিও দেন গ্রামবাসীরা। উত্তেজনা চরমে উঠতে থাকায় নিরাপত্তারক্ষীরা তড়িঘড়ি সাংসদকে নিয়ে গ্রাম ছাড়েন। বিক্ষোভে পড়া নিয়ে সুনীল মণ্ডল মুখে কুলুপ আঁটলেও এই ঘটনা শোরগোল ফেলে দিয়েছে রাজনৈতিক মহলে।প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, কাটোয়ায় মালঞ্চ থেকে দেয়াসিন যাওয়ার পথে পাকা সেতু তৈরির কাজ পাঁচ বছর ধরে ঝুলে রয়েছে। ঠিকাদার বদলে সম্প্রতি ফের নতুন করে কাজ শুরু হয়েছে। এদিন সেই সেতু তৈরির কাজ পরিদর্শনে গিয়ে সাংসদ সুনীল মণ্ডল গ্রামবাসীদের বিক্ষোভের মুখে পড়েন।মালঞ্চ এলাকার বাসিন্দারা অভিযোগ করেন, তৃণমূলের প্রতীকে সাংসদ নির্বাচিত হয়েছিলেন সুনীল মণ্ডল।সংসদ সদস্য তহবিল থেকে এই মালঞ্চ সেতু তৈরির জন্য ২০১৮ সালে ২ কোটি ২৫ লক্ষ টাকা বরাদ্দ হয়৷ ব্রম্ভানী নদীর উপরে কয়েকটি পিলার তৈরির কাজ হয়েছে মাত্র। তারই মধ্যে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদার কাজ অসমাপ্ত রেখেই কাজ ছেড়ে দেয়। এরপরে সেতু নির্মানের কাজ বন্ধ হয়ে যায়। পরে ফের অন্য ঠিকাদার কাজ শুরু করেছে। সেতু তৈরির কাজে যুক্ত লোকজনের ৫ বছর ধরে প্রায় ১৫ থেকে ২০ লক্ষ টাকা পাওনা রয়েছে। সাংসদ সুনীল মণ্ডল বার বার প্রতিশ্রুতি দিলেও সেই টাকা আজও মেলেনি। এছাড়াও বিধানসভা ভোটের সময়ে বিজেপিতে ভিড়ে গিয়ে কাটোয়ার তৃণমূল বিধায়ক সহ তৃণমূলের নেতাদের নানা হুমকি দিয়ে ছিলেন। এইসবেরই ক্ষোভ এদিন আছড়ে পড়েছে বর্ধমান পূর্বের সাংসদ সুনীল মণ্ডলের উপর।যদিও সনীল মণ্ডল বলেন, সেতু তৈরির কাজের ঠিকাদারের সঙ্গে গ্রামবাসীদের কি চুক্তি হয়েছিল তা আমার জানা নেই। আগের ঠিকাদার এখন আর কাজ করছে না। ওই ঠিকাদার বলছে এরা দু চার লক্ষ টাকা পাবে। অথচ গ্রামবাসীরা বলছে ২০ লক্ষ টাকা পাবে। গ্রামবাসীদের সঙ্গে ওই ঠিকাদারের গন্ডোগোল কি হয়েছে তা মিটিয়ে দেওয়ার কথা আমি জেলাশাসককে বলেছিলাম এরমধ্যে তো আর আমি নেই৷ পাশাপাশি সুনীল মণ্ডল এও বলেন, একটা ভুল বোঝাবুঝির জন্য আমি বিজেপি তে চলে গিয়েছিলাম। সেটা তো মিটে গিয়েছে। আমি এখন তৃণমূলের সঙ্গেই আছি। সেটা মমতা দিদিও জানেন।বিক্ষোভে অংশ নেওয়া গ্রামবাসী আশীষ কুমার মণ্ডল বলেন, সেতু তৈরির কাজে যুক্ত হয়ে গ্রামে অনেক শ্রমিক টাকা পাননি। সাংসদ সুনীল মণ্ডল আমাদের টাকা ফেরতের আশ্বাস দিয়েছিলেন। কিন্তু আজও দেননি। আরেক বাসিন্দা তুফান বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, চুক্তি অনুযায়ী তাঁরা ২০১৮ সালের ৭ অক্টোবর থেকে ১১ ডিসেম্বর পর্যন্ত মোট ৭ লক্ষ ৩০ হাজার টাকার মালপত্র সাপ্লাই করেছেন। কিন্তু আজও সেই টাকা পাইনি।এদিকে সাংসদ সুনীল মণ্ডলকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখানো প্রসঙ্গে কাটোয়ার বিধায়ক তথা পূর্ব বর্ধমান জেলা তৃণমূলের সভাপতি রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায় বলেন, বিক্ষোভের বিষয়ে আমার জানা নেই। কি নিয়ে বিক্ষোভ সেই বিষয়ে খোঁজ নেবেন। তবে কাজ করে কারুর টাকা পাওনা হয়ে থাকলে তা মেটানো উচিত।

জানুয়ারি ১৯, ২০২২
রাজ্য

VP Vs Civic: পিকনিকে ভিলেজ পুলিশ ও সিভিক ভলেন্টিয়ারদের মারধোর, ধুন্ধুমার পূর্ব বর্ধমানে

পিকনিক স্থলে ডিউটি রত ভিলেজ পুলিশ ও সিভিক ভলেন্টিয়ারদের মারধোরের অভিযোগে গ্রেফতার হল দুই যুবক। পলাতক রয়েছে বেশ কয়েকজন হামলাকারী। শনিবার ইংরাজি নববর্ষ শুরুর দিন সন্ধ্যায় ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব বর্ধমানের জামালপুর থানার গোপালপুর এলাকায়। পুলিশ জানিয়েছে , ধৃতদের নাম সুশান্ত মণ্ডল ওরফে পাপাই ও সঞ্জু মুরমু। ধৃত দুজনেরই বাড়ি জামালপুরের জৌগ্রাম শীতলাতলা এলাকায়। হামলাকারী ওই পিকনিক পার্টিদের বিশাল বাইক সেট ও জেনারেটার পুলিশ নিজেদের কব্জায় নিয়েছে। আক্রান্ত ভিলেজ পুলিশ মলয় ঘোষের দায়ের করা অভিযোগের ভিত্তিতে জামালপুর থানার পুলিশ ধৃতদের বিরুদ্ধে কঠোর ধারায় মামলা রুজু করেছে। রবিবার ধৃতদের পেশ করা হয় বর্ধমান আদালতে। ভারপ্রাপ্ত সিজেএম ধৃতদের জেল হেফাজতে পাঠিয়ে মঙ্গলবার ফের আদালতে পেশের নির্দেশ দিয়েছেন।পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, জামালপুরের গোপালপুর এলাকায় রয়েছে মুক্তকেশী মায়ের মন্দির। ওই মন্দিরের খানিকটা দূরে রয়েছে গাছপালা ঘেরা জায়গা। প্রতি বছর শীতের মরশুমে ওই জায়গায় অনেকেই পিকনিক করতে আসেন।শনিবার ইংরাজি নববর্ষ শুরুর দিনে বেশ কয়েকটি দল সেখানে পিকনিকে আসে। তাদের মধ্যে জৌগ্রাম শীতলাতলা এলাকার যুবকদলরাও ছিল। বিশাল মাইকসেট বাজিয়ে ওই যুবকরা পিকনিক স্থলে নাচানাচি করছিল। অন্য পিকনিক দলের মহিলাদের উত্তক্ত করছিল। তা নিয়ে দুপুর থেকেই পিকনিক স্থলে অশান্তি ছড়ায়।এলাকার বাসিন্দা ফিরোজ উদ্দিন সরকার জানান, জৌগ্রাম শীতলাতলা এলাকা থেকে পিকনিক করতে আসা যুবকরা দুপুর থেকে অন্য পিকনিক দলের সঙ্গে বারে বারে আশান্তিতে করে চলে। আবুজহাটি ২ পঞ্চায়েত এলাকার ভিলেজ পুলিশ মলয় ঘোষ ও কয়েকজন সিভিক ভলেন্টিয়ার বারেবারে তাঁদের গিয়ে শান্ত করে। সন্ধ্যার খানিকটা আগে ভিলেজ পুলিশ মলয় ওই পিকনিক স্থলে গিয়ে সবাইকে সন্ধ্যার আগে পিকনিক সেরে বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা হয়ে যাবার কথা বলে। অভিযোগ, তখনই পিকনিক স্থলে থাকা জৌগ্রাম শীতলাতলা এলাকার যুবকরা বাঁশ, লাঠি নিয়ে ভিলেজ পুলিশকে মারধোর শুরু করে দেয়। সেই খবর পেয়ে অন্য কয়েকজন সিভিক ভলেন্টিয়াররা পিকনিক স্থলে ছুটে গিয়ে হামলাকারী যুবকদের আটকানোর চেষ্টা করে। কিন্তু নেশা করে থাকা জৌগ্রাম শীতলাতলা এলাকার যুবকরা কোন কিছুকে পরোয়া না করে সিভিক ভলেন্টিয়ারদে উপরেও একই ভাবে চড়াও হয় বলে অভিযোগ। ওই যুবকরা ভিলেজ পুলিশ মলয় ঘোষকে মাটি ফেলে এলোপাতারি মারধোর শুরু করে। ভিলেজ পুলিশের চোখের অংশে জোর আঘাত লাগে। এই হামলার খবর পেয়ে জামালপুর থানার বিশাল পুলিশ-বাহিনী ঘটনাস্থলে পৌছে দুই হামলাকারী যুবকে ধরে ফেলে।বাকি অভিযুক্তরা পালায়। চিকিৎসা করিয়ে ভিলেজ পুলিশ মলয় ঘোষ এরপর রাতে থানায় গিয়ে সুশান্ত মণ্ডল ও সঞ্জু মুরমু সহ বেশ কয়েকজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করে। অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে পুলিশ সুশান্ত ও সঞ্জুকে গ্রেফতার করে। পুলিশ বাকি অভিযুক্তদেরও খোঁজ চালাচ্ছে।

জানুয়ারি ০২, ২০২২
রাজ্য

BJP: বিজেপিকে ভোট, অনাহারে মালদার ৫ হাজার জলবন্দি মানুষ

বিজেপিকে ভোট দেওয়ার অপরাধে অভুক্ত থাকতে হচ্ছে মালদার বানভাসি বহু মানুষকে। মালদার হরিশ্চন্দ্রপুরে ফুলহারের জলে প্লাবিত ৮ টি গ্রাম। প্লাবিত ঘর বাড়ি, জমি। জলবন্দি প্রায় ৫ হাজার পরিবার। অভিযোগ জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে চিঠি দিতে চলেছেন এই ৮ টি গ্রামের মানুষ। হরিশ্চন্দ্রপুর ২ ব্লকের ইসলামপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের ৮ টি গ্রাম কাউয়াডোল, উত্তর ও দক্ষিণ ভাকুরিয়া, মিরপাড়া, রশিদপুর, খোপাকাঠি,তাঁতিপাড়া এবং ইসলামপুরে ফুলহার গ্রাম এখনও প্লাবিত।গত পঞ্চায়েত এবং বিধানসভা নির্বাচনে এই সব গ্রামে নামমাত্র ভোট পেয়েছে তৃণমূল। গ্রামবাসীদের অভিযোগ, সেই কারণেই তাঁরা যাবতীয় সুবিধা থেকে বঞ্চিত। এমনকী, দেওয়া হচ্ছে না ত্রাণও। জুটছে না একটা ত্রিপলও। নেই খাওয়ার, নেই পানীয় জল। কার্যত অনাহারেই দিন কাটাচ্ছেন জলবন্দি প্রায় ৫ হাজার পরিবার। রাগ-ক্ষোভ জমতে জমতে এবার তা বিক্ষোভের আকার নিয়েছে। গ্রামে বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন দুর্গতরা। সোমবার সকাল থেকেই গ্রামে গ্রামে বিক্ষোভ শুরু হয়েছে।আরও পড়ুনঃ বর্ধমান আদালতের লক্লার্ককে অপহরণ করে মুক্তিপন দাবি, গ্রেপ্তার অপহরণকারীদুর্গতদের অভিযোগ, বন্যা পরিস্থিতি মালদার বিভিন্ন ব্লকেই। কিন্তু বেছে বেছে ত্রাণ বিলি করা হচ্ছে। বিজেপিকে ভোট দেওয়ার শাস্তি হিসেবে তাঁদের ত্রাণ দেওয়া হচ্ছে না বলে অভিযোগ। এমনকী, প্রশাসনও এই বিষয়ে মদত দিচ্ছে। তাঁদের আরও অভিযোগ, জল থেকে অসুস্থ হয়ে পড়ছেন অনেকে। কিন্তু চিকিৎসা করাতে পারছেন না। কারণ তাঁদের স্বাস্থ্য সাথী কার্ডও নেই। এমনকী, করোনা ভ্যাকসিন থেকেও তাঁরা বঞ্চিত হচ্ছেন বলে অভিযোগ। স্থানীয় এক মহিলার কথায়, ;আমাদের খাবার জুটছে না। ছোটো ছোটো বাচ্চা নিয়ে থাকি। আমাদের তো কোথাও যাওয়ার উপায় নেই।আরও পড়ুনঃ অক্টোবরেই চরম আকার নেবে তৃতীয় ঢেউ!এইসব গ্রামগুলোর মানুষের দুর্ভোগের কারণ শুধুমাত্রই কী শাসক দলকে ভোট না দেওয়া? মুখ্যমন্ত্রী অবশ্য দলের সব স্তরের কর্মীদের এইধরনের ভেদাভেদ থেকে দূরে থাকার নির্দেশ দিয়েছেন। ত্রাণ থেকে যাতে কাউকেই বঞ্চিত না করা হয়, সেদিকে বিশেষ নজর দেওয়ার কথাও বলেছেন। কিন্তু, নেত্রীর কথা উপেক্ষা করেই চলছে সবকিছু। কার্যত অনাহারে দিন কাটছে জলবন্দি ৫ হাজার পরিবারের।

আগস্ট ২৩, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Dipika Kumari: ব়্যাঙ্কিং রাউন্ডে হতাশ করে কঠিন লড়াইয়ের সামনে দীপিকা কুমারী

তাঁকে ঘিরেই অলিম্পিকে তীরন্দাজিতে পদক জয়ের স্বপ্ন দেখছে ভারতের ক্রীড়াপ্রেমীরা। অথচ ব়্যাঙ্কিং অথচ রাউন্ডেই সেভাবে জ্বলে উঠতে পারলেন না দীপিকা কুমারী। বিশ্বের এই এক নম্বর মহিলা তীরন্দাজ ব়্যাঙ্কিং রাউন্ডে নবম স্থানে শেষ করেন। ভারতের সামগ্রিক পারফরম্যান্স কিন্তু খুব একটা স্বস্তিতে রাখছে না। পুরুষদের দলগত ও মিক্সড টিম ক্রমতালিকাতেও ভারত নবম স্থানেই রইল এদিনের রাউন্ডের পর।আরও পড়ুনঃ টোকিওতে কেন গেমস ভিলেজে থাকছেন না ১ নম্বর মহিলা টেনিস তারকা?বিশ্বের এক নম্বর মহিলা তীরন্দাজ নবম স্থানে শেষ করলেন ৬৬৩ পয়েন্ট নিয়ে। ১ নম্বর জায়গা দখল করেছেন কোরিয়ান আন সান। ৬৮০ স্কোর করে তিনি অলিম্পিকে ব্যক্তিগত ব়্যাঙ্কিং রাউন্ডে নতুন রেকর্ড গড়েছেন, আগের ৬৭৩-এর স্কোর ভেঙে। ৬৯২-এর বিশ্বরেকর্ড অবশ্য বিশ্বের ৩ নম্বর কাং চে উংয়ের ঝুলিতে, যিনি ৬৭৫ পয়েন্ট নিয়ে এদিন শেষ করেছেন তিনে। দুই নম্বরে কোরিয়ারই জাং মিনহি (৬৭৭)। আন সানের কাছেই ২০১৯ সালে টোকিও টেস্ট ইভেন্টের ফাইনালে স্ট্রেট সেটে হেরেছিলেন দীপিকা। ব়্যাঙ্কিং রাউন্ডে ৭২টি তিরের মধ্যে ৩০টি এদিন পারফেক্ট টেন বা এক্স (সেন্টারের সবচেয়ে কাছে) মারেন দীপিকা। সেখানে আন সান মারেন ৩৬টি। এই রাউন্ডের মাধ্যমেই অলিম্পিকের বাছাই ঠিক হয়। কে কার বিরুদ্ধে তা চূড়ান্ত হয় সংশ্লিষ্ট স্থানের ভিত্তিতেই। প্রথম তিনে তিন কোরীয়। । দীপিকা দশম স্থানে থাকলে ভাল হত। তাহলে কোয়ার্টার ফাইনালে কোরিয়ান চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে হত না।আরও পড়ুনঃ পেগাসাস স্পাইওয়্যার! ভাবের ঘরে চুরি? আপনি কতটা সুরক্ষিত? আক্রান্ত কারা?দীপিকা কুমারী ৫৪ স্কোরে তাঁর ফাইনাল রাউন্ড শেষ করেন। ৭২ টি শটের পর তিনি নবন স্থানে পৌঁছন। পঞ্চম রাউন্ডে দীপিকা ৫৩ পয়েন্ট স্কোর করেছিলেন। এর ফলে সেকেন্ড হাফ নিয়ে তাঁর মোট স্কোর ৬০৯। ৬৬/৭২ স্কোর একটা সময় ছিল তাঁর। এরপরই দীপিকা এই স্থানে পৌঁছে যান। এদিকে এরই মাঝে অ্যান স্যান রেকর্ড গড়ে শেষ করেন ৬৭৩ পয়েন্চে। পরের রাউন্ডে দীপিকা মুখোমুখি ভুটানের কারমার।আরও পড়ুনঃ অলিম্পিকে নামছেন জকোভিচ, গড়তে পারেন নজিরভারতের পুরুষ তীরন্দাজদের মধ্যে উজ্জ্বল এবারই প্রথম অলিম্পিকে অংশ নেওয়া প্রবীণ যাদব। তিনি ব়্যাঙ্কিং রাউন্ডের পর রইলেন অভিজ্ঞ অতনু দাস ও তরুণদীপ রাইয়ের ওপরেই। ভারত পুরুষদের দলগত ও মিক্সড টিম ব়্যাঙ্কিংয়ে রয়েছে নবম স্থানে। এর ফলে দুটি ক্ষেত্রেই ভারতকে কোয়ার্টার ফাইনালে সামলাতে হবে শক্তিশালী কোরিয়ান চ্যালেঞ্জ। অলিম্পিকের ব়্যাঙ্কিং রাউন্ডে এদিন ইউমেনোশিমা পার্কে দাপট দেখিয়েছেন কোরিয়ার তীরন্দাজরা। আটে থাকা চাইনিজ তাইপের বিরুদ্ধে অলিম্পিক অভিযান শুরু করবে ভারতের মিক্সড টিম। এই বাধা টপকালেই শেষ আটে সামনে ইতিমধ্যেই বাই পাওয়া শীর্ষ বাছাই কোরিয়া।আরও পড়ুনঃ আক্রান্ত সিন্ধু, আঙুলের নখে শোভা পাচ্ছে অলিম্পিক রিংব্যক্তিগত ব়্যাঙ্কিংয়ে প্রথম ৩০-এর মধ্যে শেষ করতে পারেননি ভারতীয় তীরন্দাজরা। ব়্যাঙ্কিং রাউন্ডে মাঝামাঝি পর্যন্ত অতনু দাস ও প্রবীণ যাদব দুজনেরই স্কোর ছিল ৩২৯। এক্স কাউন্টে অবশ্য এগিয়ে ছিলেন প্রবীণ। শেষ পর্যন্ত অতনুকে তিনি পেছনে ফেলে দেন। ব়্যাঙ্কিং রাউন্ডে ৩১তম স্থানে তিনি শেষ করেন। তাঁর সংগৃহীত পয়েন্ট ৬৫৬। অতনু শেষ করেন ৩৫ নম্বরে। এশিয়ান গেমসে রুপোজয়ী তরুণদীপ রাই তৃতীয় অলিম্পিকে ব়্যাঙ্কিং রাউন্ডে ৩৭তম স্থানে। দলগত নিরিখে ভারতের স্কোর ১৯৬১।

জুলাই ২৩, ২০২১
রাজ্য

Upa-Pradhan: তৃণমূলের কর্মীদের হাতে প্রহৃত হলেন পঞ্চায়েতের উপপ্রধান

২১ জুলাইয়ের প্রস্তুতি মিটিয়ে যোগ দিতে যাওয়ার পথে নিজের দলের কর্মীদের হাতে প্রহৃত হলেন তৃণমূলের পঞ্চায়েতের উপপ্রধান। রবিবার ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব বর্ধমানের গলসি থানার ডুমুর গ্রামের কাছে। আক্রান্ত গলসির গোহগ্রাম পঞ্চায়েতের উপপ্রধান বিমল ভক্ত ঘটনা সবিস্তার উল্লেখ করে রবিবার রাতে গলসি থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।উপপ্রধান বিমল ভক্ত পুলিশকে জানিয়েছেন, ২১ জুলাইয়ের প্রস্তুতি মিটিংয়ে যোগ দিতে এদিন তিনি ডুমুর গ্রামে যাচ্ছিলেন। মোটর বাইক চালিয়ে দামোদরের বাঁধ ধরে যাবার সময়ে তাঁর দলের কর্মীরা তার পথ আটকায়। তাঁকে লাথি মেরে মোটর সাইকেল সহ নদীর বাঁধের নিচে ফেলে দেওয়া হয়। তারপর তাঁকে কিল, ঘুষি, লাথি মারা হয়। এমনকি গাছের ডাল দিয়েও তাঁকে মারা হয়। মারধরে তাঁর হাত, পা ও পেটে আঘাত লেগেছে বলে তিনি জানান। উপপ্রধানের আরও অভিযোগ, তাঁকে প্রাণে মেরে ফেলার হুমকিও দেওয়া হয়েছে। কিছুদিন আগে গোহগ্রাম পঞ্চায়েতের দুর্নীতির বিরুদ্ধে সরব হওয়ায় তাঁকে একই রকম ভাবে মারধর ও হেনস্তা করা হয়েছিল বলে উপপ্রধানের অভিযোগ।এই বিষয়ে তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্য মুখপাত্র দেবু টুডু বলেন, ঘটনার বিষয়ে তিনি খোঁজ খবর নেবেন। তবে তিনি এই ঘটনা দলের গোষ্ঠী কোন্দল বলে মানতে অস্বীকার করেছেন।

জুলাই ১৯, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Tokyo Olympics : ‌আবার অলিম্পিক ভিলেজে করোনায় আক্রান্ত, চিন্তিত আয়োজক কমিটি

টোকিও অলিম্পিক শুরু হতে বেশিদিন দেরি নেই। মাত্র ৫ দিন বাকি। এর মধ্যেই আতঙ্ক ছড়াচ্ছে করোনা সংক্রমণ। ২৪ ঘন্টা আগেই গেমস ভিলেজে আক্রান্ত হয়েছেন দুই অ্যাথলিট ও এক সাপোর্ট স্টাফ। এবার আরও তিনজনের করোনা পরীক্ষার রিপোর্ট পজিটিভ এসেছে। গেমসে অংশ নিতে আসা সব অ্যাথলিটদের প্রতিদিন কোভিড ১৯ টেস্ট করা হচ্ছে। তা সত্ত্বেও সংক্রমণে বাড়তে থাকায় প্রশাসনের চিন্তা বেড়েই চলেছে।আরও পড়ুনঃ তারাপীঠ যাওয়ার পথে দুর্ঘটনায় মৃত্যু কলকাতার যুবকের, বরাত জোরে রক্ষা বন্ধুরঅলিম্পিক আয়োজক কমিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, দক্ষিণ আফ্রিকার দুই ফুটবলার থাবিসো মোনয়ানে ও কামোহেলো মাহলাস্তি করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। দলের ভিডিও অ্যানালিস্ট মারিও মাশার কোভিড টেস্টের রিপোর্টও পজিটিভ এসেছে বলে জানানো হয়েছে। সবাইকে আইসোলেশনে রাখা হয়েছে। করোনা আক্রান্তরা আপাতত দলের ডাক্তারের পর্যবেক্ষণে রয়েছেন। দক্ষিণ আফ্রিকা ফুটবল দলের বাকি সদস্যদের আরও একবার কোভিড টেস্ট করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার আয়োজক জাপানের বিরুদ্ধে দক্ষিণ আফ্রিকা ফুটবল দলের অলিম্পিক অভিযান শুরু। তার আগে দলের দুই ফুটবলার করোনায় আক্রান্ত হওয়ায় সমস্যা তৈরি হয়েছে। জাপান, দক্ষিণ আফ্রিকার সঙ্গে একই গ্রুপে রয়েছে মেক্সিকো এবং ফ্রান্সের মতো দল।আরও পড়ুনঃ নিশীথের নাগরিকত্ব নিয়ে প্রশ্নচিহ্নশুধু অ্যাথলিটরাই নন, আন্তর্জাতিক অলিম্পিক কমিটির সদস্য রিয়ু সেয়ুং-মিনের কোভিড ১৯ রিপোর্ট পজিটিভ এসেছে। অলিম্পিক শুরু হতে আর মাত্র ৫দিন বাকি। গেমস ভিলেজে এভাবে ধীরে ধীরে করোনা প্রভাব বিস্তার করায় চিন্তিত আয়োজক কমিটি। জাপানে যেভাবে করোনা সংক্রমণ বাড়ছে, পরিস্থিতির গুরুত্ব বুঝে ইতিমধ্যেই টোকিও সহ সংলগ্ন শহরগুলিতে জরুরি অবস্থা জারি করেছে প্রশাসন। তা সত্ত্বেও ঠেকানো যাচ্ছে না সংক্রমণ। ইতিমধ্যে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন একাধিক অ্যাথলিট এবং সাপোর্ট স্টাফ। তাই অলিম্পিকে অংশ নিতে আসা সব অ্যাথলিটের প্রতিদিন করোনা পরীক্ষা করা হচ্ছে।

জুলাই ১৮, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Tokyo Olympics : অলিম্পিক গেমস ভিলেজে করোনার হানা, আক্রান্ত ১ অ্যাথলিট

দীর্ঘদিন ধরে অনেকেই আশঙ্কা করে আসছিলেন, টোকিও অলিম্পিকে হানা দিতে পারে করোনা। সেই আশঙ্কাই শেষ পর্যন্ত সত্যি হয়ে দাঁড়াল। অলিম্পিক শুরুর ৬ দিন আগে গেমস ভিলেজে করোনার হানা। আক্রান্ত ১ অ্যাথলিট। তবে আয়োজকদের পক্ষ থেকে ওই অ্যাথলিটের নাম সরকারিভাবে জানানো হয়নি। আন্তর্জাতিক অলিম্পিক সংস্থা বারবার গেমস ভিলেজ সুরক্ষিত করে রাখার কথা বলছিলেন। তা সত্ত্বেও কীভাবে ওই অ্যাথলিট করোনায় আক্রান্ত হলেন, বুঝে উঠতে পারছেন না অলিম্পিকের আয়োজকরা। অলিম্পিক চলাকালীন হাজার হাজার অ্যাথলিট এই গেমস ভিলেজে থাকবেন। সেখানে গেমস ভিলেজে করোনার হানা সত্যিই চিন্তার বিষয়। অনেকেই আবার নতুন করে অলিম্পিক বন্ধের দাবি তুলেছেন। অলিম্পিক ভিলেজে অ্যাথলিটের করোনায় আক্রান্ত হওয়ার প্রসঙ্গে অলিম্পিক আয়োজক কমিটির মুখপাত্র মাসা টাকায়া বলেছেন, অলিম্পিক ভিলেজে ১জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছে। অ্যাথলিটদের স্ক্রিনিং টেস্ট করার সময় এই প্রথম একজনের রিপোর্ট পজিটিভ এসেছে। ওই অ্যাথলিটকে গেমস ভিলেজ থেকে সরিয়ে হোটেলে কোয়ারেন্টিনে রাখা হয়েছে। জাপানের সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে, গেমস ভিলেজে যিনি করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন, তিনি একজন বিদেশি অ্যাথলিট। টোকিও অলিম্পিক গেমসের আয়োজক কমিটির প্রধান সেইকো হাসিমোতো বলেছেন, করোনার মোকাবিলা করার জন্য আমরা সম্পূর্ণভাবে তৈরি। সব রকম ব্যবস্থা নিয়েছি। তবে বর্তমানে করোনার সংক্রমণ যেভাবে বাড়ছে, তাতে যথেষ্টই চিন্তিত হাসিমোতো। তিনি বলেন, যে সকল অ্যাথলিট জাপানে আসছে, কোভিড নিয়ে প্রত্যেকেই চিন্তিত। যে অ্যাথলিট করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন, তিনি ভ্যাকসিন নিয়েছেন কিনা আমাদের জানা নেই। টোকিও অলিম্পিক আয়োজক কমিটির সিইও তোসিরো মুতো বলেছেন, অলিম্পিকে অংশগ্রহনকারী সব অ্যাথলিট ও সাপোর্ট স্টাফের প্রতিদিন কোভিড টেস্ট করা হবে। যদি কোনও অ্যাথলিটের রিপোর্ট পজিটিভ আসে তাহলে তাঁকে সঙ্গে সঙ্গে আইসোলেশনে পাঠানো হবে। অলিম্পিক আয়োজক কমিটির পক্ষ থেকে কোনও কিছু গোপন করা হবে না। সবকিছু জনসমক্ষে নিয়ে আসা হবে।

জুলাই ১৭, ২০২১
রাজ্য

Exceptional Rathayatra: রথের পরের দিন সম্রাট খানের দুর্গে পালিত হয় ব্যতিক্রমী রথযাত্রা

পঞ্জিকার সময় সারণি মেনেই প্রতিবছর দেশজুড়ে মহাসমারোহে পালিত হয় রথযাত্রা উৎসব। কিন্তু শতাধিক বছরকাল ধরে রথযাত্রা উৎসবের পরের দিন গোঁসাই মতে ব্যতিক্রমী রথযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে পূর্ব বর্ধমান জামালপুর থানার সেলিমাবাদ গ্রামে। এ বছরও মঙ্গলবার সেলিমাবাদ গ্রামে অনুষ্ঠিত হচ্ছে বাল গোপাল জীউ- এর রথযাত্রা। হিন্দু, মুসলিম-সহ সকল ধর্ম সম্প্রদায়ের মানুষজন সামিল হন সেলিমাবাদ গ্রামে হয়ে আসা এই রথযাত্রা উৎসবে। এককালের সম্রাট সেলিম খানের আস্তানা সেলিমাবাদ গ্রামে হয়ে আসা এই রথযাত্রাই আজ জেলায় সম্প্রীতির রথযাত্রা উৎসব হিসেবে পর্যবসিত হয়েছে। সেলিমাবাদ গ্রামের প্রবীণ নাগরিকরা জানান, কথিত আছে সম্রাট সেলিম খান বহুকাল পূর্বে আরামবাগ থেকে বর্ধমানের দিকে যাচ্ছিলেন। দামোদরের বাঁধ ধরে যাওয়ার সময়ে পথে তাঁদের গ্রামের বাল গোপাল জীউর মন্দির সংলগ্ন জায়গায় তাঁবু খাটিয়ে তিনি আশ্রয় নেন। পরে পাকাপাকিভাবে তিনি সেখানেই তাঁর আস্তানা গড়ে তোলেন। সেলিম খানের নাম অনুসারে পরে পরবর্তী সময়ে গ্রামটি সেলিমাবাদ গ্রাম নামে পরিচিত হয়ে ওঠে। আরও পড়ুনঃ রথের চাকায় পিষ্ট হয়ে মৃত্যু বালকের ইতিহাস ও পুরাতত্ত্বের কাজে যুক্ত জামালপুর থানা এলাকার বাসিন্দা পূরবী ঘোষ জানান, প্রবাদ আছে, এই গ্রামেই সম্রাট সেলিম খান খালি হাতে বাঘ মেরেছিলেন। কবিকঙ্কন মুকুন্দরামে চণ্ডীমঙ্গল কাব্যেও সেলিমাবাদের নাম উল্লেখ রয়েছে বলে পূরবী ঘোষ জানান। তিনি আরও বলেন, ঐতিহাসিক তথ্য থেকে জানা গিয়েছে,শের আফগানকে হত্যা করার পর তার পত্নী মেহেরুন্নিসাকে সেলিমাবাদ গ্রামের দুর্গা লুকিয়ে রেখেছিলেন সেলিম খান। পরবর্তীকালে এই মেহেরুন্নিসাই নুরজাহান নামে পরিচিত হয়েছিলেন। একইভাবে সম্রাট হওয়ার পর সেলিম খান পরিচিত হয়েছিলেন সম্রাট জাহাঙ্গীর নামে। বিভিন্ন তথ্য ঘেঁটে পূরবী ঘোষ আরও জানান, একদা সেলিমাবাদ গ্রামে হিন্দু ও জৈন এই দুই ধর্মের যথেষ্ট প্রভাব প্রতিপত্তি ছিল। সেই থেকে সেলিমাবাদ গ্রামটি বহু সুপ্রাচীন ইতিহাসের সাক্ষ্য বহন করে আসছে ।এই সেলিমাবাদ গ্রামের মাঝেই রয়েছে বাল গোপাল জীউ মন্দির। মন্দির তৈরির পিছনেও রয়েছে এক প্রাচীন ইতিহাস। জানা গিয়েছে, বহুকাল পূর্বে সেলিমাবাদ গ্রামে বসতি করেছিলেন বৈষ্ণব সাধক দ্বীজবরদাস বৈরাগ্য ও তার স্ত্রী দয়ালময়ী দাসী। গ্রামের প্রবীণ বাসিন্দা অবসরপ্রাপ্ত স্কুলশিক্ষক শক্তিপদ সাঁতরা জানান,১৯১৮ সালের পরবর্তী কোন এক সময়ে সেলিমাবাদ গ্রামে এসে সস্ত্রীক বসবাস শুরু করেন দ্বীজবরদাস বৈরাগ্য। ওই বৈষ্ণব সাধক দ্বীজবরদাস বৈরাগ্য নিজের বাড়ির সামনেই মন্দির গড়ে তোলেন। সেই মন্দিরেই তিনি রাধাকৃষ্ণ ও গোপাল ঠাকুরের বিগ্রহের পুজোপাঠ শুরু করেন। তিথি মেনে হওয়া রথ উৎসবের পরের দিন সেলিমাবাদ গ্রামের রথযাত্রা উৎসবের সূচনা দ্বীজবরদাস বৈরাগ্য নিজেই করেছিলেন। সেই প্রথা মেনেই আজও রথের পর দিন রথের পুজোপাঠ সম্পন্ন করে আসছে সেলিমাবাদের বাল গোপাল জীউ সেবা সমিতি। আরও পড়ুনঃ অনিবার্য তৃতীয় ঢেউ, সতর্ক করল আইএমএশক্তিপদ বাবু জানান, পুরীর রথে জগন্নাথ,বলরাম ও সুভদ্রার বিগ্রহের পুজোপাঠ হয়। রথের দিন এই তিন দেবতার বিগ্রহ রথে চাপিয়ে নিয়ে যাওয়া হয় তাঁদের মাসির বাড়িতে। কিন্তু সেলিমাবাদ গ্রামের রথে রাধাকৃষ্ণের প্রস্তর মূর্তি এবং অষ্টধাতুর গোপাল মূর্তির পুজো হয়। তিথি মেনে হওয়া রথযাত্রা উৎসবের পরের দিন সকাল থেকে সেলিমাবাদ গ্রামের বাল গোপাল জীউ মন্দিরে এই তিন দেবতার পূজা পাঠ শুরু হয়। ভক্তদের প্রসাদ ও ভোগ বিতরণ শেষে বিকালে কাঠের তৈরি প্রায় ৩০ ফুট উচ্চতার রথে রাধাকৃষ্ণ মূর্তি ও গোপাল মূর্তি চাপিয়ে গ্রামের রাস্তা ধরে নিয়ে যাওয়া হয় দামোদরের ধারের মাসির বাড়িতে। মাসির বাড়িতে যাওয়ার পথে এই গ্রামের রথে রশিতে টান দেন সকল ধর্ম সম্প্রদায়ের মানুষজন।

জুলাই ১৩, ২০২১
নিবন্ধ

Friends: একা এবং বন্ধুরা

জীবন মরণের সীমানা ছাড়ায়ে/ বন্ধু হে আমার রয়েছ দাঁড়ায়ে।। এই পংক্তিটা প্রথম পড়ি কৈশোরে। রবীন্দ্রনাথ হয়তো ঈশ্বরকেই বুঝিয়েছেন বা কোন ঈশ্বরপ্রতিম মানুষকে। কিন্তু আমার মনে পড়ত কতগুলো স্কুল ইউনিফর্ম পরা, এলোমেলো চুল, বা দুই বিনুনি, দুষ্টু হাসির মুখগুলোকে। আর মনে হত, ওরে বাবা! সারাজীবন থাকবে আবার মরার পরেও? কী সাংঘাতিক কান্ড। পৃথিবীতে অবতীর্ণ হওয়ার বছর তিনেক পরেই তাঁরা আমার জীবনে পদার্পণ করেছেন। (জনান্তিকে বলে রাখি এখনও অক্লেশে হাড়মাস ভাজা করে চলেছেন)।পড়তাম এক মিশনারি স্কুলে যেখানে বহুবিধ পরীক্ষার ব্যবস্থা ছিল। জানিয়ে পরীক্ষা, না জানিয়ে পরীক্ষা। কিন্তু চাপ ছিল না। মানে চাপ শব্দটা জানলে তো চাপে পড়বে। আমরা কিছু দুষ্টু ছেলে-মেয়ে হইহই করে উঠে যেতাম পরের ক্লাসে। কড়া নজরদারির মধ্যে দুষ্টুমির নিত্য নতুন উদ্ভাবন। সেই জন্যই বোধ হয় কখনও আমরা কেউ ক্লাসরুম প্রেমের স্বাদ পেলাম না। অধরা থেকে গেল সেই রোমাঞ্চ আমাদের কাছে। একসময় স্কুল শেষ, কিন্তু কলেজেও বন্ধু হলো না সেভাবে। পুরোনো হ্যাংওভার কাটলে তবেই না নতুন বন্ধু?ইউনিভার্সিটিতে এসে দুটো পাখা জুড়লো পিঠে। মনে হলো এলেম নতুন দেশে। আহা! সবই কি সুন্দর। কত নতুন নতুন জিনিস। মুগ্ধ মোহিত আমি-র জুটলো নতুন বন্ধু। চললো নতুন অভিযান। সারা রাতের ক্লাসিক্যাল গানের সুরে ভেসে যাওয়া, কখনও ফটোগ্রাফি এক্সিবিশন-এ ঘুরে ঘুরে ছবি দেখা, সব মিলিয়ে সে এক সব পেয়েছির দেশ। মধ্যিখানে বেশ কিছু বছর যোগাযোগ বিহীন। নেই তো নেইই.. । কি যেন নেই। হঠাৎ অভিমানে নাকের ডগা লাল হয়ে, গলার কাছে ব্যথা করে উঠলেও বলার লোক নেই। দুষ্টুমি করার লোক নেই। খোঁজ নেওয়ার লোকও তো নেই। অতঃপর, হঠাৎ একদিন মিলিল তারা মিলিল সে মেলা কি যে মেলা.... রাত ১২টায় ফোন করে জানান দেওয়া যে আমরা আছি,/তোর কাছাকাছি।আরও পড়ুনঃ প্পিতৃদিবসে বাবাকে খোলা চিঠি এক কন্যার আবার শুরু নরক গুলজার, বেড়াতে যাওয়া, পিকনিক করা, সে তো আছেই। এতটুকু মনখারাপেও ফোন বা লিখে লিখে তার গুরুত্বপূর্ণ কাজ শিকেই তোলা। অন্য কোথাও রাগ হলে, তাদের ওপর সেই রাগ ঝাড়া। সেখানে বলতে পারব না মানে কি কোথাওই পারব না? দোস্তলোগ হ্যায় না! এর মধ্যেই আবার সেই সুপ্ত বাসনা লেখালেখি করার মাদকতা ফিরিয়ে দিল এক বন্ধু। সে কি ছিনেজোঁক! প্রায়ই ফোনে উস্কানি দেয়। কিঞ্চিৎ লোভও দেখায়। অতএব মাঠে নেমে পড়া। এখন সবাই মিলে বেঁধে বেঁধে আছি। পৃথিবীতে এত বছর কাটানোর পরে বুঝেছি, জীবন-মরণের সীমানা ছাড়িয়ে বন্ধুই তো থাকে। ওরা আছে তাই আমি আছি।সুদেষ্ণা বন্দ্যোপাধ্যায়

জুন ২৩, ২০২১
রাজ্য

Anubrata Mondal: পায়ে হাত দিয়ে 'মহামানব' অনুব্রতকে প্রণাম বিডিওর!

ভরা মঞ্চে তৃণমূলের বীরভূম জেলার সভাপতি অনুব্রত মণ্ডলের পায়ে হাত দিয়ে প্রণাম করলেন পূর্ব বর্ধমান জেলার আউশগ্রাম ১ নম্বর ব্লকের বিডিও অরিন্দম মুখোপাধ্যায়। বৃহস্পতিবার এমনই দৃশ্যের সাক্ষী হল গুসকরা। অনুব্রতকে মহামানব আখ্যা দিয়েছেন ওই বিডিও। অনুব্রতর দরাজ সার্টিফিকেট অরিন্দমকে, ওঁর নাম আছে। প্রকাশ্যে এক জন বিডিও-র এমন আচরণে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। ঘনিয়েছে বিতর্কও। যদিও এ নিয়ে মন্তব্য করতে রাজি হননি আউশগ্রাম ১ নম্বর ব্লকের ওই বিডিও।বৃহস্পতিবার পূর্ব বর্ধমানের আউশগ্রামের গুসকরায় একটি সেফ হোমের উদ্বোধন করেন অনুব্রত। তিনি পশ্চিমবঙ্গ সরকারের গ্রামীণ উন্নয়ন পর্ষদের চেয়ারম্যানও। সেই অনুষ্ঠানে ছিলেন আউশগ্রাম ১ নম্বর ব্লকের বিডিও। অনুষ্ঠানের শুরুতে অতিথিদের অভ্যর্থনা জানাতে গিয়ে অনুব্রতকে প্রণাম করেন ওই বিডিও। আবার স্বাগত জানানোর সময় অনুব্রতকে মহামানব আখ্যাও দেন তিনি। বলেন, এই প্রকল্পে আগ্রহ দেখিয়েছেন অনুব্রত মণ্ডল। আমাদের মুখ্যমন্ত্রী যেমন উদ্যোগী মানুষ, তেমনই অনুব্রতও মহামানব।বিডিও-র উদ্দেশে অনুব্রত পাল্টা বলেন, ওঁর নাম আছে। উনি যখন এই প্রস্তাব নিয়ে আসেন তখন আমি রাজি হয়ে যাই। এখন কোথাও যাচ্ছি না। তবে আজ এসেছি। এই সেফ হোমটা গুসকরার মানুষের খুব কাজে লাগবে। এটা একটা বড় কাজ হল। অনুব্রতর মতে, সবচেয়ে বড় কথা আপনারা এক জন ভাল বিডিও পেয়েছেন। যে বিডিও-র মাধ্যমে আপনারা এগিয়ে যাবেন।

জুন ১৭, ২০২১
উৎসব

কুলটির বেলরুই গ্রামের রায় পরিবারে মা দুর্গাকে গান স্যালুট দিয়ে বিদায়

কুলটির বেলরুই গ্রামের রায় পরিবারে তিনশ বছরের অধিক সময় ধরে মায়ের আরাধনা হয়ে আসছে ৷ এই পুজোর বিশেষত্ব হল , গান স্যালুট দিয়ে দশমীতে মাকে বিদায় জানানো হয়৷ বিজয়া দশমীর দিন সিঁদুর খেলা শেষে মায়ের ঘট বিসর্জন সেরে গান স্যালুটে দেবীকে বিদায় জানায় রায় পরিবারের সদস্যরা ৷ যেখানে পরিবারের পুরুষ সদস্যদের সাথে মহিলারাও অংশগ্রহণ করেন। আরও পড়ুনঃ আজ দশমী , আড়ম্বরহীনভাবেই চলছে বিসর্জনের প্রস্তুতি এই বিষয়ে রায় পরিবারের তরফ থেকে বাচ্চু রায় জানিয়েছেন, ক্ষত্রিয় পরিবার হিসাবে তাদের পুজোর এই রীতি বংশ পরম্পরায় চলে আসছে ৷ একইসঙ্গে পরিবারের মহিলাদেরও ছোট থেকে আত্মরক্ষার স্বার্থে বন্দুক বা আগ্নেয়াস্ত্র চালানোর প্রশিক্ষণ দেওয়া হয় ৷ তাই তারাও দেবীকে বিদায় জানাতে এই রীতিতে অংশগ্রহণ করেন ৷ এদিন কুলটির বেলরুই গ্রামে রায় পরিবারের দেবীকে বিদায় জানানোর সময় গান স্যালুটের অনুষ্ঠান দেখতে সাধারণ মানুষ ভিড় করে।

অক্টোবর ২৬, ২০২০
বিবিধ

দুর্গাপুরে যৌনপল্লীতে হয়ে গেল দুর্গাপুজোর খুঁটি পুজো

করোনা পরিস্থিতিতে দুর্গাপুরের কাদা রোডের যৌনকর্মীদের জীবিকা সঙ্কটে৷ কিন্তু এতো কিছুর মাঝেও বৃহস্পতিবার ১০ সেপ্টেম্বর দুর্গাপুরের দুর্বার সমিতির দুর্গাপূজার খুঁটি পুজো হলো। ঢাক কাঁসর আর শঙ্খ বাজিয়ে নিয়ম রীতি মেনে হলো দ্বিতীয় বছরের দুর্গাপুজোর খুঁটি পুজো। মায়ের আগমনী বার্তায় এক অন্য আনন্দের জোয়ারে ভাসলেন সকলে ৷

সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২০

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

ফের আগুনে আতঙ্ক! সল্টলেক সেক্টর ফাইভের বহুতলে ধোঁয়া, দমকলের তৎপরতা

আনন্দপুরের অগ্নিকাণ্ডের ক্ষত এখনও তাজা। তার মধ্যেই ফের আগুন শহরে। এবার অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটল সল্টলেক সেক্টর ফাইভ-এ। একটি বহুতল অফিস ভবন থেকে গলগল করে ধোঁয়া বের হতে দেখে চাঞ্চল্য ছড়ায় এলাকায়।জানা গিয়েছে, গ্লোবসিন ক্রিস্টাল বিল্ডিং-এ আচমকাই আগুন লাগে। খবর পেয়েই দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে যায় দমকলের ৩টি ইঞ্জিন। দমকল কর্মীরা পৌঁছেই গোটা বিল্ডিং খালি করে দেন। আতঙ্কে একে একে বাইরে বেরিয়ে আসেন তথ্য-প্রযুক্তি সংস্থাগুলির কর্মীরা। অফিস টাইম হওয়ায় মুহূর্তের মধ্যে রাস্তায় ভিড় জমে যায়। আশপাশের এলাকা থেকেও বহু মানুষ ছুটে আসেন।প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্য, হঠাৎ করেই অফিসের ভিতরে সতর্কবার্তা দেওয়া হয়। সঙ্গে সঙ্গে সকলকে নিচে নেমে যেতে বলা হয়। এক কর্মী জানান, তখন তাঁরা অফিসের ভিতরেই ছিলেন। হঠাৎ বলা হয় বাইরে বেরিয়ে যেতে। পরে নিচে নেমে শোনা যায়, উপরের একটি রেস্তোরাঁয় আগুন লেগেছে।তবে ঠিক কোথা থেকে আগুনের সূত্রপাত, তা এখনও স্পষ্ট নয়। রেস্তোরাঁ থেকেই আগুন ছড়িয়েছে, না কি অন্য কোনও জায়গা থেকে, তা খতিয়ে দেখছেন দমকল কর্মীরা। ভবনের অগ্নি নির্বাপন ব্যবস্থা ঠিকমতো কাজ করেছিল কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে।দমকলের চেষ্টায় কিছুক্ষণের মধ্যেই আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে বলে জানা গিয়েছে। তবুও ব্যস্ত সময়ে এই ঘটনায় স্বাভাবিকভাবেই আতঙ্ক ছড়িয়েছে অফিস কর্মীদের মধ্যে। এলাকায় এখনও কৌতূহলী মানুষের ভিড় রয়েছে। আগুন লাগার প্রকৃত কারণ জানতে তদন্ত শুরু হয়েছে।

ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২৬
বিদেশ

ভারত-বিরোধিতার অধ্যায় শেষ? মোদির ফোনে বদলাচ্ছে ঢাকা-দিল্লির সমীকরণ!

বাংলাদেশের সাম্প্রতিক সংসদীয় নির্বাচনে নিরঙ্কুশ জয় পেয়েছে বিএনপি। এই জয়ের পর থেকেই রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছেঢাকা ও দিল্লির সম্পর্ক কি আবার উষ্ণ হতে চলেছে?শুক্রবার নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এক্স হ্যান্ডেলে বার্তা দিয়ে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান-কে অভিনন্দন জানান। পরে ফোনেও তাঁর সঙ্গে কথা বলেন তিনি। মোদি লেখেন, বাংলাদেশের সংসদীয় নির্বাচনে বিরাট জয়ের জন্য তারেক রহমানকে তিনি উষ্ণ শুভেচ্ছা জানাচ্ছেন। এই জয় বাংলাদেশের মানুষের আস্থার প্রতিফলন বলেও মন্তব্য করেন তিনি। পাশাপাশি গণতান্ত্রিক, প্রগতিশীল ও অন্তর্ভুক্তিমূলক বাংলাদেশের পাশে থাকার আশ্বাস দেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী। দুই দেশের বহুমুখী সম্পর্ক আরও জোরদার করতে একসঙ্গে কাজ করার ইচ্ছাও প্রকাশ করেন তিনি।এর জবাবে বিএনপির পক্ষ থেকেও মোদিকে ধন্যবাদ জানানো হয়। দলের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম খান বলেন, তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশ ও ভারতের সম্পর্ক আরও মজবুত হবে বলে তাঁরা বিশ্বাস করেন। দুই দেশের জনগণের পারস্পরিক সম্পর্কও নতুন করে শক্তিশালী হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।এর আগে শেখ হাসিনার সরকারের পতনের পর অন্তর্বর্তীকালীন সময়ে উপদেষ্টা প্রধান হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছিলেন মহম্মদ ইউনুস। তাঁর প্রায় দেড় বছরের শাসনকালে দেশে রাজনৈতিক অস্থিরতা বাড়ে বলে অভিযোগ ওঠে। ভারত-বিরোধী মনোভাব, সংখ্যালঘু নির্যাতন এবং মৌলবাদী শক্তির উত্থান নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়। একই সঙ্গে পাকিস্তানের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা বাড়ানোর ঘটনাও নজরে আসে। এই পরিস্থিতি নিয়ে ভারতের সঙ্গে একাধিকবার কূটনৈতিক টানাপোড়েন দেখা দেয়।এই নির্বাচনে মৌলবাদী দল জামাতকে পিছনে ফেলে ক্ষমতায় এসেছে বিএনপি। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এর ফলে পাকিস্তানের প্রভাব খাটানোর সম্ভাবনায় বড় ধাক্কা লেগেছে। নির্বাচনের আগে জামাতের সঙ্গে পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআই-এর যোগাযোগ নিয়ে নানা জল্পনা চলছিল। তবে ভোটে জামাতের পরাজয়ে সেই সমীকরণ বদলে গেছে বলেই মনে করা হচ্ছে।সব মিলিয়ে, দীর্ঘ রাজনৈতিক অস্থিরতার পর বাংলাদেশে নতুন সরকার গঠনের পথে। এখন নজর ঢাকা-দিল্লি সম্পর্কের দিকে। মোদি ও তারেকের এই সৌজন্য বার্তা কি দুই দেশের সম্পর্কে নতুন অধ্যায়ের সূচনা করবে? দক্ষিণ এশিয়ার কূটনীতিতে তার প্রভাব কতটা পড়বে, সেটাই এখন দেখার।

ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২৬
কলকাতা

বিদেশি ভোটার ইস্যুতে কড়া নির্বাচন কমিশন! একাধিক জেলাশাসক তিরস্কৃত

ভোটার তালিকা সংশোধনকে ঘিরে কড়া অবস্থান নিল নির্বাচন কমিশন। বৈঠকে দক্ষিণ ২৪ পরগনার জেলাশাসককে সরাসরি প্রশ্ন করা হয়, কোন কর্তৃত্বে এআরও-রা ইআরএমও-দের ডেকেছিলেন। একাধিক জেলার জেলাশাসকের ভূমিকায় অসন্তোষ প্রকাশ করে কমিশন।কোচবিহার, জলপাইগুড়ি ও মালদার জেলাশাসকদের বিরুদ্ধে গাফিলতির অভিযোগ উঠেছে। কোচবিহারের জেলাশাসককে নথি আপলোডে দেরির জন্য তিরস্কার করা হয়েছে। দুই ২৪ পরগনার জেলাশাসকের কাজ নিয়েও অসন্তোষ জানানো হয়েছে। পূর্ব বর্ধমানের জেলাশাসককে রাজনৈতিক মন্তব্য না করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।এসআইআর শেষ হওয়ার আগে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার বৈঠক করেন। ভিডিও কনফারেন্সে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের মুখ্য নির্বাচন আধিকারিকও। বৈঠকে স্পষ্ট বলা হয়, কোনও বিদেশি নাগরিকের নাম যেন ভোটার তালিকায় না থাকে। ১৬ ফেব্রুয়ারির মধ্যে সব জেলাশাসককে ব্যক্তিগতভাবে তথ্য যাচাই করতে হবে। সতর্ক করে দেওয়া হয়েছে, যদি ভবিষ্যতে কোনও নাম থেকে যায়, তা হলে এক বা পাঁচ বছর পরেও সংশ্লিষ্ট আধিকারিকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে। মামলা পর্যন্ত হতে পারে বলে ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে।এই ইস্যুতে সরব হয়েছেন সুকান্ত মজুমদার। তিনি বলেন, ভারতের সংবিধান যাঁদের বৈধ ভোটার বলে চিহ্নিত করে, তাঁদের বাইরে কাউকে বৈধ ভোটার হিসেবে মানা যায় না। তাঁর অভিযোগ, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বাংলাদেশ থেকে আসা অনুপ্রবেশকারীদের বৈধ ভোটার হিসেবে দেখছেন। নির্বাচন কমিশন সংবিধান অনুযায়ী কাজ করছে বলেও দাবি করেন তিনি। পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যসচিবকে তলব করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।অন্যদিকে তৃণমূলের সোশাল মিডিয়া সেলের ইনচার্জ দেবাংশু ভট্টাচার্য বলেন, তাঁরাও চান না কোনও বিদেশি ভোটার থাকুক। তবে বৈধ ভোটারের নাম যেন বাদ না যায়, সেটাও সমান গুরুত্বপূর্ণ। তিনি দাবি করেন, সাধারণ মানুষ, পরিযায়ী শ্রমিক বা গরিব মানুষদের বারবার নোটিস দিয়ে ডাকা হচ্ছে। তাঁদের পক্ষে বারবার যাতায়াত করা সম্ভব নয়। ফলে তাঁদের নাম বাদ পড়ার আশঙ্কা তৈরি হচ্ছে।সব মিলিয়ে ভোটার তালিকা সংশোধনকে কেন্দ্র করে প্রশাসনিক কড়াকড়ি এবং রাজনৈতিক তরজা তুঙ্গে উঠেছে। বিদেশি ভোটার বিতর্কে আগামী দিনে পরিস্থিতি কোন দিকে যায়, সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২৬
বিদেশ

মোদী বিরোধী আগুনঝরা ভাষণ, তবু ভোটে হার! সারজিস আলমকে ফিরিয়ে দিল পঞ্চগড়

বাংলাদেশের নির্বাচনে বড় ধাক্কা খেলেন ছাত্রনেতা সারজিস আলম। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম মুখ এবং জুলাই শহিদ স্মৃতি ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে পরিচিত তিনি। অতীতে ভারতের বিরুদ্ধে তীব্র ভাষায় মন্তব্য করেছিলেন এবং সরাসরি নরেন্দ্র মোদি-র নাম করে সমালোচনা করেন। প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা-র দেশত্যাগ নিয়েও কটাক্ষ করেছিলেন তিনি।পঞ্চগড়-১ আসনে জামাত জোটের প্রার্থী হিসেবে লড়ে শেষ পর্যন্ত পরাজিত হন সারজিস। তাঁর মন্তব্য ঘিরে আগে থেকেই বিতর্ক ছিল। এক টেলিভিশন সাক্ষাৎকারে তিনি হাসিনার দেশছাড়ার প্রসঙ্গ টেনে ঐতিহাসিক তুলনাও করেছিলেন। সেইসব বক্তব্য রাজনৈতিক মহলে আলোড়ন তুলেছিল।কিন্তু ভোটের ফল অন্য কথা বলল। শেষ পর্যন্ত তিনি বিএনপি প্রার্থীর কাছে হেরে যান। অন্যদিকে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ক্রমশ স্পষ্ট হয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) জোটের বড় জয়। সংবাদমাধ্যমের হিসাব অনুযায়ী ২৯৯টি আসনের মধ্যে ২০৭টিতে এগিয়ে বা জয়ী হয়েছে বিএনপি জোট।ঢাকা-৩ আসনে জয়ী হয়েছেন বিএনপির প্রার্থী গয়েশ্বরচন্দ্র রায়। তিনি তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বীর চেয়ে প্রায় সাড়ে ১৬ হাজার ভোট বেশি পেয়েছেন।বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়া-র পুত্র তারেক রহমান ঢাকা-১৭ এবং বগুড়া-৬ দুই আসনেই বিপুল ভোটে জয়ী হয়েছেন। প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ আসন পেয়ে দুদশক পর সরকার গঠনের পথে বিএনপি। তারেক রহমানের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার সম্ভাবনাও জোরালো হয়েছে।মূল প্রতিপক্ষ জামাত জোট ১০০-র নীচে থেমে গেছে বলে জানা গিয়েছে। ন্যাশনাল সিটিজেন পার্টি বা এনসিপিও বড় প্রভাব ফেলতে পারেনি।সব মিলিয়ে প্রশ্ন উঠছে, এই বিপুল জয়ের পর কি বাংলাদেশে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ফিরবে? অরাজকতার অভিযোগে উত্তাল সময়ের পর পদ্মাপারের দেশে নতুন অধ্যায় শুরু হতে চলেছে কি না, এখন সেদিকেই নজর।

ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

হাসপাতাল থেকে ছাড়া, তবু মাঠে অনিশ্চিত অভিষেক! পাকিস্তান ম্যাচের আগে বড় ধাক্কা ভারতের শিবিরে?

হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেলেও এখনও পুরো সুস্থ নন ভারতীয় ওপেনার অভিষেক শর্মা। কবে তিনি সম্পূর্ণ ফিট হয়ে মাঠে নামবেন, তা স্পষ্ট নয়। টি-২০ বিশ্বকাপে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচেও তাঁর খেলা নিয়ে তৈরি হয়েছে সন্দেহ। ভারত অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব ইঙ্গিত দিয়েছেন, অভিষেকের ফিরতে আরও এক-দুটি ম্যাচ সময় লাগতে পারে।বৃহস্পতিবার নামিবিয়ার বিরুদ্ধে জয়ের পর ড্রেসিংরুমে একটি ভিডিও করেন অর্শদীপ সিং। সেই ভিডিওতেই দেখা যায় অভিষেককে। তাঁকে বেশ ক্লান্ত দেখাচ্ছিল। অর্শদীপ জানতে চাইলে অভিষেক বলেন, তিনি ডাল-ভাত খাচ্ছেন, তবে পুরোপুরি ভালো নেই। অর্শদীপ মজা করে বলেন, তাঁকে অনেকটা রোগা লাগছে। যদিও সে বিষয়ে স্পষ্ট কিছু বলেননি অভিষেক। শোনা গিয়েছিল, পেটের সমস্যার কারণে তাঁর ওজন অনেকটাই কমে গিয়েছে। ভিডিও দেখেও অনেকে একই মন্তব্য করেছেন।অসুস্থতা নিয়েই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে খেলতে নেমেছিলেন অভিষেক। কিন্তু প্রথম বলেই আউট হয়ে মাঠ ছাড়েন। তার পর আর তাঁকে মাঠে দেখা যায়নি। দিল্লি ফেরা, কোচ গৌতম গম্ভীর-এর বাড়িতে যাওয়া, পরে হাসপাতালে ভর্তি হওয়াসবই হয়েছে চুপিসারে। গতকাল হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেলেও নামিবিয়ার বিরুদ্ধে খেলতে পারেননি।পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ১৫ ফেব্রুয়ারির ম্যাচে তিনি খেলবেন কি না, তা নিয়ে এখনও অনিশ্চয়তা রয়েছে। টসের সময় সূর্যকুমার বলেন, অভিষেক এখনও পুরো সুস্থ নন। ফলে পাকিস্তান ম্যাচে তাঁর নামার সম্ভাবনা কম বলেই মনে করা হচ্ছে। যদিও ম্যাচের পরে বরুণ চক্রবর্তী জানান, অভিষেক অনেকটাই ভালো আছেন।তবে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচের আগে ভারতীয় দলে এই অনিশ্চয়তা চিন্তা বাড়াচ্ছে সমর্থকদের। অভিষেক কবে মাঠে ফিরবেন, এখন সেদিকেই নজর ক্রিকেটপ্রেমীদের।

ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২৬
দেশ

লালকেল্লার পর ফের কাঁপছে দিল্লি! স্কুলে বোমা হুমকি ঘিরে তীব্র আতঙ্ক

নভেম্বরে বিস্ফোরণে কেঁপে উঠেছিল রাজধানী। দিল্লি-র লালকেল্লা-র সামনে ভয়াবহ বিস্ফোরণের স্মৃতি এখনও টাটকা। তার মধ্যেই আবার ছড়াল বোমাতঙ্ক। শুক্রবার সকালে রাজধানীর একাধিক স্কুলে বোমা রাখা হয়েছে বলে হুমকি আসে। আতঙ্ক ছড়ায় পড়ুয়া ও অভিভাবকদের মধ্যে।দমকল সূত্রে জানা গিয়েছে, শুক্রবার সকালে অন্তত তিনটি স্কুলে বোমা রয়েছে বলে খবর পাওয়া যায়। প্রথমে বিটি তামিল স্কুলে বোমা থাকার খবর ছড়ায়। সঙ্গে সঙ্গে সতর্ক করা হয় পড়ুয়াদের পরিবারকে। পরে আরও দুটি স্কুলে একই ধরনের হুমকি আসে। ঘটনাস্থলে পৌঁছয় দমকল ও পুলিশ। দ্রুত স্কুলগুলি খালি করে দেওয়া হয়। সংশ্লিষ্ট এলাকাগুলিতে জারি করা হয়েছে হাই অ্যালার্ট।এর আগেও সোমবার ১৩টি স্কুলে উড়িয়ে দেওয়ার হুমকি ইমেল পাঠানো হয়েছিল। সেই ইমেলে লেখা ছিল, আফজল গুরুর স্মৃতিতে দিল্লিকে খলিস্তান বানানো হবে এবং নির্দিষ্ট সময়ে বিস্ফোরণ ঘটানো হবে। যদিও পরে সেই হুমকি ভুয়ো বলে প্রমাণিত হয়। তবু আতঙ্ক কাটেনি।গত ২৯ জানুয়ারি পাঁচটি স্কুল একই ধরনের হুমকি পেয়েছিল। তার আগের দিন দ্বারকা আদালত চত্বর উড়িয়ে দেওয়ার হুমকি আসে। এমনকি সংসদ ভবন নিয়েও হুমকির ইমেল পাঠানো হয়েছিল। এক সপ্তাহে দুবার স্কুলে বোমা রাখার হুমকি ঘিরে উদ্বেগ বেড়েছে প্রশাসনের।১০ নভেম্বর লালকেল্লার সামনে বিস্ফোরণের ঘটনার পর থেকেই রাজধানীতে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। তবু একের পর এক হুমকি ইমেল প্রশাসনকে চিন্তায় ফেলেছে। এখনও পর্যন্ত হুমকির উৎস জানা যায়নি। তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।বারবার বোমা হুমকির ঘটনায় আতঙ্কে দিল্লিবাসী। নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও কড়া করা হয়েছে। পড়ুয়া ও অভিভাবকদের সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে। রাজধানীতে ফের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।

ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২৬
রাজ্য

পুণেতে খুন পুরুলিয়ার শ্রমিক! ভাষা বিতর্ক না কি মদের ঝামেলা—রহস্যে ঘনাচ্ছে মৃত্যু

ভিনরাজ্যে পরিযায়ী শ্রমিকের মৃত্যুকে ঘিরে উত্তেজনা ছড়াল পুরুলিয়ায়। বিজেপি শাসিত মহারাষ্ট্র-এর পুণে থেকে উদ্ধার হয়েছে পুরুলিয়ার বরাবাজারের বাসিন্দা সুখেন মাহাতোর দেহ। এই ঘটনায় ইতিমধ্যেই আমিন সওকত শেখ নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেস-এর অভিযোগ, বাংলা ভাষায় কথা বলার কারণেই খুন হতে হয়েছে সুখেনকে। যদিও তদন্তে নেমে পুণে পুলিশের দাবি, ভাষা নয়, মত্ত অবস্থায় বচসা থেকেই এই খুনের ঘটনা ঘটেছে। পুলিশের তরফে অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করা হয়েছে।মঙ্গলবার পুণে শহরের কাছে শিকরাপুর থানার এলাকায় একটি হোটেলের পিছন থেকে সুখেনের রক্তাক্ত দেহ উদ্ধার হয়। সেই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়েছে। তৃণমূলের দাবি, সহকর্মীদের হাতে খুন হয়েছেন সুখেন এবং এর নেপথ্যে রয়েছে ভাষাগত বিদ্বেষ।অন্যদিকে, সুখেনের ভাই তুলসীরাম মাহাতো পুণেতে গিয়ে দেহ শনাক্ত করেন। তাঁর সম্মতিক্রমেই এফআইআর দায়ের হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। শিকরাপুর থানায় মারাঠি ভাষায় এফআইআর লেখা হলেও তা হিন্দিতে অনুবাদ করে তাঁকে শোনানো হয়। তুলসীরাম জানিয়েছেন, তাঁর সম্মতি নিয়েই অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।তুলসীরামের বয়ান অনুযায়ী, ৯ তারিখ দুপুরে সুখেন বাড়ি থেকে কাজের উদ্দেশে বের হন। সন্ধ্যায় তিনিও কাজে যান, কিন্তু সেখানে সুখেনকে দেখতে পাননি। ফোন করলেও যোগাযোগ হয়নি। রাতেও একাধিকবার ফোন করা হয়, কিন্তু কোনও সাড়া মেলেনি। পরদিন সকালে শিফট শেষ করে বাড়ি ফিরে সুখেনকে না পেয়ে খোঁজাখুঁজি শুরু হয়। পরে সুপারভাইজার সন্দীপ জানান, একটি হোটেলের পিছনে সুখেনের দেহ পড়ে রয়েছে। সেখানে গিয়ে দেহ শনাক্ত করেন তুলসীরাম।শুক্রবার দুপুরে সুখেনের পরিবারের পাশে দাঁড়াতে পুরুলিয়ার বরাবাজারে যাচ্ছেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।এই ঘটনায় ভাষা-বিদ্বেষ না কি ব্যক্তিগত বচসা, তা নিয়ে ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে। তদন্তে নেমেছে পুণে পুলিশ। পুরো ঘটনার নেপথ্যে কী রয়েছে, তা জানতে অপেক্ষা তদন্তের অগ্রগতির দিকে।

ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২৬
দেশ

তারেকের জয়ে উচ্ছ্বসিত মোদি? কূটনীতিতে নতুন অধ্যায় শুরু

বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বড়সড় জয়ের পথে বিএনপি। ফলাফল স্পষ্ট হতেই দলের সভাপতি তারেক রহমান-কে শুভেচ্ছা জানালেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। শুক্রবার সকালে এক্স হ্যান্ডলে বার্তা দিয়ে মোদি লিখেছেন, এই জয় প্রমাণ করে বাংলাদেশবাসী তারেকের নেতৃত্বে আস্থা রেখেছেন।মোদি তাঁর বার্তায় আরও জানিয়েছেন, গণতান্ত্রিক ও উন্নয়নশীল বাংলাদেশের পাশে ভারত রয়েছে। ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে যে বহুমুখী সম্পর্ক রয়েছে, তা আগামী দিনে আরও শক্তিশালী হবে বলেও আশা প্রকাশ করেছেন তিনি। পারস্পরিক স্বার্থে দুই দেশের সম্পর্ককে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার কথাও উল্লেখ করেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী।শুক্রবার সকালেই বাংলাদেশের নির্বাচনের ফল পরিষ্কার হয়ে যায়। ৩০০ আসনের মধ্যে ২৯৯টি আসনে ভোট হয়েছে। তার মধ্যে ২০০-র বেশি আসনে এগিয়ে থেকে সরকার গঠনের পথ নিশ্চিত করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল। দুটি আসনে লড়ে দুটিতেই জয় পেয়েছেন তারেক রহমান।এই নির্বাচনে উল্লেখযোগ্য ফল করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামি। প্রধান বিরোধী দল হিসেবে উঠে এসেছে তারা।এমন পরিস্থিতিতে প্রতিবেশী দেশের সম্ভাব্য প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশে মোদির শুভেচ্ছাবার্তা রাজনৈতিকভাবে তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছেন বিশ্লেষকরা। মোদি তাঁর বার্তায় লিখেছেন, বিএনপি দেশের নির্ণায়ক শক্তি হিসেবে উঠে এসেছে এবং তারেকের নেতৃত্বে বাংলাদেশ এগিয়ে যাবে বলেই তিনি আশাবাদী।উল্লেখ্য, ২০২৪ সালে সংরক্ষণ বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের জেরে ক্ষমতাচ্যুত হন শেখ হাসিনা। এরপর থেকে তিনি দিল্লিতে রাজনৈতিক আশ্রয়ে রয়েছেন বলে জানা যায়। আন্তর্জাতিক অপরাধ দমন আদালত তাঁকে গণহত্যা মামলায় সাজা শুনিয়েছে। বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকার বারবার তাঁর প্রত্যর্পণ দাবি করলেও এ বিষয়ে ভারত সরকার প্রকাশ্যে কিছু জানায়নি।এই পটভূমিতে বিএনপির জয়ের আভাস মিলতেই মোদির দ্রুত শুভেচ্ছাবার্তা কূটনৈতিক দিক থেকে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহলের একাংশ। এখন নজর, তারেক রহমানের নেতৃত্বে নতুন সরকারের সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক কোন পথে এগোয়।

ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal