• ৭ বৈশাখ ১৪৩৩, বুধবার ২২ এপ্রিল ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Victoria

দেশ

ভিক্টোরিয়া-মস্কো পালানোয় রাশিয়ান দূতাবাসের জড়িত থাকার প্রমাণ! বিদেশমন্ত্রকের বিস্ফোরক রিপোর্ট

চন্দননগরের রাশিয়ান পুত্রবধূ ভিক্টোরিয়া জিগালিনা বসুর হঠাৎ দেশছাড়া নিয়ে যে রহস্য তৈরি হয়েছিল, সেই ধাঁধার গায়ে আরও নয়া তথ্য জুড়ল ভারতের বিদেশমন্ত্রক। সুপ্রিম কোর্টে জমা দেওয়া একটি স্ট্যাটাস রিপোর্টে মন্ত্রক জানিয়েছে রাশিয়ান দূতাবাস যতই পাশ কাটানোর চেষ্টা করুক, দূতাবাসের কিছু আধিকারিকের বিরুদ্ধে এমন প্রমাণ মিলেছে যা স্পষ্ট করে বলে দেয়, ভিক্টোরিয়ার দেশ ছেড়ে পালাতে তাঁদের ভূমিকা ছিল।এই প্রেক্ষিতে বিদেশমন্ত্রক ভিয়েনা কনভেনশনের ৩১ ও ৩২ নম্বর অনুচ্ছেদ অনুযায়ী অনুরোধ করেছে ওই রাশিয়ান আধিকারিকদের কূটনৈতিক রক্ষাকবচ যাতে তুলে নেওয়া হয়। অর্থাৎ তাঁদের জেরা করতে চাইছে দিল্লি পুলিশ।শুক্রবার প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত ও বিচারপতি জয়মাল্য বাগচির বেঞ্চে এই মামলার শুনানি হওয়ার কথা। তার আগে জমা দেওয়া রিপোর্টে বিদেশমন্ত্রক জানিয়েছে আদালতের নির্দেশে রাশিয়ান দূতাবাসকে অনুরোধ করা হয়েছে, ভিক্টোরিয়া ও তাঁর ছেলে স্তাভ্যকে ভারতে ফিরিয়ে আনার ব্যবস্থা করতে।রাশিয়া দূতাবাসের দ্বৈত বক্তব্যও উঠে এসেছে রিপোর্টে। একদিকে তারা বলছে, ভিক্টোরিয়ার দেশ ছাড়ার ঘটনায় তাঁদের কোনও আধিকারিক জড়িত নন। অন্যদিকে, আবার জানিয়েছে ভিক্টোরিয়ার মা ওলগা জিগালিনার অনুরোধে বিহার যাওয়ার জন্য ট্যাক্সি বুক করে দিয়েছিলেন দূতাবাসের কাউন্সেলর আর্থার গার্বস্ট।এটিই তদন্তে বড় প্রশ্ন কেন বিহার পর্যন্ত সহায়তা? আর সেই পথ ধরেই কি ভিক্টোরিয়া সীমান্ত পেরিয়ে নেপালে ঢুকেছিলেন? নেপাল দূতাবাস ইতিমধ্যেই জানিয়েছে ১২ জুলাই ভিক্টোরিয়া তাঁর ছেলেকে নিয়ে নেপাল থেকে শারজা হয়ে মস্কো গিয়েছিলেন।সব তথ্য একসঙ্গে মিলিয়ে দেখছে দিল্লি পুলিশ, আর তাই তাঁরা রাশিয়ার দুই আধিকারিককে জেরা করতে চান। কূটনৈতিক রক্ষাকবচ ওঠানোই সেই পথ। ভারতের অনুরোধ সেই কারণেই।

নভেম্বর ২৬, ২০২৫
কলকাতা

নতুন বছরে শীতের আমেজে ভিড়ে ঠাসা ইকোপার্ক থেকে চিড়িয়াখানা, কাশীপুর উদ্যানবাটী..কোথায় কত দর্শনার্থী?

ফি বছর বছরের শেষ সপ্তাহ থেকে নয়া বছর শুরুর সপ্তাহ পর্যন্ত কলকাতার রাস্তা-ঘাট, মেট্রোতে ভিড় লেগেই থাকে। এবারও তার ব্য়তিক্রম হয়নি। ২৫ ডিসেম্বর বড় দিনে ভিড়ের সূত্রপাত হয়। তারপর বছরের শেষ দিন ৩১ ডিসেম্বর, আর তার পরের দিন ১ জানুয়ারি নতুন বছরের শুরুর দিন। কলকাতার দর্শনীয় স্থানে পর্যটকেরা ভিড় করে থাকে। তবে ইকো পার্ক ও চিড়িয়াখানা সবাইকে এবার ভিড়ে টক্কর দিয়েছে। এবার অবশ্য কাশীপুর উদ্যানবাটি কিছুটা জায়গা করে নিয়েছে। প্রতিবছরই এই দিনগুলিতে আলিপুর চিড়িয়াখানায় ব্যাপক ভিড় হয়। হাটাচলাই সেখানে দায় হয়ে পড়ে। মানুষের তুলনায় যেন জায়গা কম পড়ে যায়। এবার নতুন বছরে খোলামেলা জায়গাকেই বেছে নিল আমজনতার বেশিরভাগ অংশ। মানুষ ভিড় জমাল ইকো পার্কে। পরিবার, বন্ধুবান্ধবদের নিয়ে নতুন বছরে কলকাতার রাস্তায় বেরিয়ে পড়াই দস্তুর। এদিন ঠান্ডার আমেজই ছিল যথেষ্ট।ভিড়ের হিসেবে সকলকে টেক্কা দিয়েছে নিউ টাউনের ইকো-ট্যুরিজ়ম পার্ক। এই পার্কে ভিড় করেছেন ৯১ হাজার ৬৮৩ জন। অবশ্য তারপরেই আছে আলিপুর চিড়িয়াখানা। তবে বরাবর প্রথম স্থানে থাকে এই চিড়িয়াখানা। এবার সেখানে ভিড় জমিয়েছে ৮৫ হাজারের বেশি। দর্শনার্থীদের সংখ্যায় উত্তর কলকাতার কাশীপুর উদ্যানবাটীও ইংরেজি নববর্ষে অন্য অনেক জায়গার থেকে এগিয়ে থেকেছে। কারণ কল্পতরু উৎসবকে কেন্দ্র করে এখানে মানুষ ভিড় করে থাকে। এবারও সেই আকর্ষণে ভিড় করেছেন ভক্ত ও দর্শনার্থীরা। ভিক্টোরিয়ায় বছরের প্রথম দিনে ৩৮ হাজারের বেশি পর্যটক হাজির হয়েছিলেন। সায়েন্সসিটিতে ছিলেন ৩০হাজারের কিছু বেশি দর্শনার্থী। কলকাতা জাদুঘরেও কয়েক হাজার মানুষ ভিড় করেছেন। তবে তা ১০হাজার অতিক্রম করতে পারেনি।

জানুয়ারি ০২, ২০২৫
বিদেশ

Lockdown: তৃতীয় ঢেউয়ের সংক্রামণের রাশ টানতে ভিক্টোরিয়ায় বড়দিন পর্যন্ত লকডাউনের ঘোষণা

অস্ট্রেলিয়ার ভিক্টোরিয়া রাজ্য কোভিড -১৯ ক্লাস্টার হিসাবে চিহ্নিত। সেখানকার স্বাস্থ্যমন্ত্রক ষষ্ঠবারের জন্য লকডাউন ঘোষণা করেছে। সেই ঘোষণায় ইতিমধ্যেই সমলোচনার ঝড় উঠেছে। পরবর্তী কয়েক দিন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে থাকবে ভিক্টোরিয়া সেরকমই ধারণা বিশেষজ্ঞদের। সমলোচকদের অনেকেই বলছেন লকডাউন চাপিয়ে অস্ট্রেলিয়ার লিবারেল ডেমোক্রেটিক ভ্যালু পরীক্ষা করা হচ্ছে। যাই হোক, একটি যুক্তিসঙ্গত স্বাস্থ্য ব্যবস্থা নিয়ে সুস্থ আলোচনা করা যেতেই পারে।ভিক্টোরিয়া, অস্ট্রেলিয়ার দ্বিতীয় সর্বাধিক জনবহুল রাজ্য, এই রাজ্যকেই দেশের সর্বশেষ করোনাভাইরাস হটস্পটের কেন্দ্রস্থল ভাবা হচ্ছে। সোমবার গোষ্ঠী সংক্রামণ-র (কমিউনিটি ট্রান্সমিশনের) ১১ টি নতুন ঘটনা ধরা পড়েছে এবং কতৃপক্ষ সতর্ক করেছে যে আগামিদিনে এখানকার পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হতে পারে। রাজ্য স্বাস্থ অধিকর্তারা জানিয়েছেন শেষ ২৪ ঘণ্টায় পাঁচজন আক্রন্ত হয়েছেন। সোমবার এক সংবাদিক সম্মেলনে কতৃপক্ষ ঘোষণা করেছিল যে গভীর রাতে কাট-অফের পরে আরও ছয়টি কেস রেকর্ড করা হয়েছে, যা মঙ্গলবারের তথ্যে প্রতিফলিত হবে, যা বর্তমান ক্লাস্টারকে ৫১এ নিয়ে যাবে।আরও পড়ুনঃ দাদার বায়োপিক নিয়ে উচ্ছ্বসিত মহারাজের দরবারের প্রেসিডেন্টপ্রাথমিকভাবে ঘোষিত সেপ্টেম্বরের পর লকডাউন বাড়ানো হবে কিনা তা নিয়ে বিভিন্ন মহল থেকে প্রশ্ন ওঠা শুরু হয়েছে। পরিস্থিতি ছিল ভয়াবহ, এবং আগামী দিন কোভিড-এর প্রাদুর্ভাব আরও বেড়ে ভাল হওয়ার আগে আরও খারাপ হতে পারে। বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, ভারতে প্রথম সনাক্ত হওয়া সর্বশেষ কোভিড -১৯ নতুন ভেরিয়েন্টটি আসল স্ট্রেনের চেয়ে বেশি ভয়ঙ্কর হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে, যা আগের স্ট্রেনের তুলনায় অন্য ব্যক্তিকে সংক্রমিত করতে মাত্র এক দিন সময় নেয় যা আগে প্রায় পাঁচ বা ছয় দিন লাগত।করোনার দ্বিতীয় ঢেউকে আটকাতে ভিক্টোরিয়ায় গত বছর বিশ্বের দীর্ঘতম ও কঠোর লকডাউন পালন করা হয়েছিল। সেই দ্বিতীয় ঢেঊ-এ রাজ্যে ৮০০ এরও বেশি নাগরিক মারা গিয়েছিলেন, যা অতিমারী শুরু হওয়ার পর থেকে অস্ট্রেলিয়ার মোট মৃত্যুর ৯০%। ১০০র ওপর প্রবীণ ভিক্টোরিয়ান সেই সময় কোভিড আক্রান্ত হয়ে মারা যান। অস্ট্রেলিয়া, সমগ্র বিশ্বের মধ্যে সামগ্রিকভাবে এই অতিমারী রুখতে অত্যন্ত সফল ভাবে বিভিন্ন ব্যবস্থা নিয়েছে। তাঁরা মধ্যে রয়েছে দ্রুত যোগাযোগের সন্ধান, স্ন্যাপ লকডাউন এবং কঠোর সামাজিক দূরত্বের নিয়ম। যে কারণে সারা রাজ্যে মাত্র ২২,২৭৫ জন আক্রান্ত হন এবং ৯১০ জনের মৃত্যু হয়।আরও পড়ুনঃ মনোনয়ন জমা প্রিয়াঙ্কার, হুংকার শুভেন্দুরভাইরাসের বিস্তার যাতে আরও বৃদ্ধি না পায় সে কারণে, ভিক্টোরিয়া অঞ্চল জুড়ে সমস্ত কমিউনিটি স্পোর্টিং লিগকে অবিলম্বে তাদের সবরকম কার্যক্রম বাতিল করতে বলা হয়েছে। অস্ট্রেলিয়া সরকার দেশের অর্থনৈতিক কার্যকলাপ নিয়ে ভীষণভাবে চিন্তিত। সেই উদ্দশ্যে তাঁরা উবার ইটস এবং ডোরড্যাশের মতো সংস্থাগুলিকে তাঁদের গ্রাহকদের কাছে খাবার পৌঁছে দেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করতে নির্দেশ দিয়েছেন।এটা সত্যিই একটি অসাধরণ সিদ্ধান্ত, ভিক্টোরিয়ান সরকার সেখানকার আঞ্চলিক মানুষদের স্বার্থে এবং স্থানীয় মানুষের কথা চিন্তা করে সকল জনসাধারণকে একটি গিফট ভাউচার দিচ্ছেন, সেই গিফট ভাউচার ব্যবহার করে তাঁরা যেকোনও আঞ্চলিক দোকান থেকে খাবার কিনতে পারেবেন। এই ব্যবস্থায় একই সঙ্গে সরকার সাধারণ মানুষের পাশেও থাকল এবং আঞ্চলিক ব্যবসাদাররাও টিকে রইলেন।আরও পড়ুনঃ কোহলিদের পাশে সৌরভ, শাস্ত্রীদের কোনও শাস্তি হচ্ছে নামেলবোর্নের উত্তরে ব্রডমেডোতে একটি বহুসংস্কৃতিক যুব কেন্দ্রের সাথে সংযুক্ত শিশু পরিচর্যা কেন্দ্র-তে নতুন করে ১৩ টি কোভিড আক্রান্ত হবার ঘটনায় যথেষ্ট আতঙ্ক ছড়িয়েছে। বৃদ্ধাশ্রমের পর রোগ ছড়ানোর ক্ষেত্রে শিশু পরিচর্যা কেন্দ্রগুলি-ই উদ্বেগের প্রধান বিষয়।ভিক্টরিয়া-র স্বাস্থ্য দপ্তর প্রচন্ড উদ্বিগ্ন নিউপোর্ট এলাকায় কিছু আক্রান্ত মানুষকে নিয়ে। বেশ কিছু আক্রান্ত বা আক্রান্তদের সঙ্গে ছিলেন এমন কিছু মানুষকে স্বাভাবিক মেলামেশা থেকে বিচ্ছিন্ন থাকার নির্দেশ দেওয়া সত্বেও তাঁরা তা মানছেন না। অস্ট্রেলিয়ার উদার গণতান্ত্রিক সমাজের জন্য বর্তমান যে সমস্যার মুখোমুখি হচ্ছে তা হল প্রতিবাদ। যা উদার গণতান্ত্রিকতার এক অপরিহার্য বৈশিষ্ট্য।আরও পড়ুনঃ আমার প্রথম প্রেমিক, আমার নন্দলালাআমরা অতি সম্প্রতি মেলবোর্নে ভিক্টোরিয়া পুলিশের সঙ্গে বিক্ষোভকারীদের সংঘর্ষ হতে দেখেছি। মেলবোর্নে হঠাৎ করে সাত দিনের জন্য লকডাউন ঘোষণার পর সাধারন মানুষ বিক্ষোভে ফেটে পরেন। সেখানে ষষ্ঠ বারের জন্য লকডাউন ঘোষণার পর সিবিডিতে শত শত মানুষ স্বতস্ফুর্ত বিক্ষোভের পর স্থানীয় পুলিশ অবস্থার নিয়ন্ত্রণের জন্য ১৫ জন বিক্ষোভকারীকে গ্রেপ্তার করেন। তাঁরা সন্ধ্যা ৭টা নাগাদ ফ্লিন্ডার্স স্ট্রিটে জড়ো হয়ে সোয়ানস্টন স্ট্রিটের দিকে এগোতে থাকেন, সেখানে আগে থেকেই পুলিশ তাদের ছত্রভঙ্গ করতে জড়ো হয়েছিলেন। বিক্ষোভকারীদের মধ্যে কিছু মানুষ তাঁদের বক্তব্য লিখে প্লাকার্ড নিয়ে এসেছিলেন। লক্ষণীয় ভাবে অধিকাংশের মুখেই মাস্কের কোনও অস্ত্বিত্ত্ব ছিলনা।হেরাল্ড সান সূত্রে জানা যায়, সেখানে আগুন জ্বালানো হয়েছিল এবং উন্মত্ত জনতা আর লকডাউন নয় স্লোগান দিচ্ছিলেন, সেইসময় নিকটবর্তী অ্যাপার্টমেন্টগুলির বাসিন্দারা চিৎকার করে তদের বাড়ি ফিরে যাওয়ার কথা বলছিল। বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমের টুইটার ফিডের ভিডিওতে দেখানো হয়েছে যে সাধারন পদাতিক ও ঘোড়সাওয়ার পুলিস কাঁধে-কাঁধ মিলিয়ে বিক্ষোভকারীদের নিরস্ত করার জন্য দাঁড়িয়ে আছেন ফ্লিন্ডার্স স্ট্রিট স্টেশনে। একটি ভিডিওতে দেখা গিয়েছে দুই পুলিশ অফিসারকে হ্যান্ডহেল্ড ডিভাইস নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকতে। বিক্ষোভের মাত্রা-ছাড়িয়ে গেলে সেই যন্ত্র দ্বারা বিক্ষোভকারীদের দিকে মরিচ স্প্রে করার জন্য।আরও পড়ুনঃ বিরোধী বিধান-র জ্যোতি স্নেহবিক্ষোভকারীদের মধ্যে একজন চিৎকার করে বলেছিলেন, কোভিড ভুয়ো, আরও একজন বলেছিলেন ভিক্টোরিয়ার ষষ্ঠ বারের লকডাউন ঘোষণায় তাঁরা ক্ষুব্ধ হয়েছেন। স্থানীয় পুলিশ জানিয়েছেন, শত শত মানুষ একটি বেআইনি বিক্ষোভে লিপ্ত এবং তারা ১৫ জন বিক্ষোভকারিকে গ্রেপ্তার করেছেন। নয়জনকে আটক করা হয়েছে, তাঁদের পরিচয় নিশ্চিত হওয়ার পর তাঁদের জরিমানা করা হবে। দুইজন বিক্ষোভকারিকে নিয়ম ভঙ্গ এবং মিথ্যা নাম বলার অপরাধে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।ভিক্টোরিয়ার প্রিমিয়ার (রাজ্যের প্রশাসনিক প্রধান) ড্যান অ্যান্ড্রুজ জানিয়েছেন যে, গোষ্ঠী সংক্রমণের ইঙ্গিত পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে লকডাউন চালু করা ছাড়া তার কাছে আর কোন বিকল্প ছিলনা। তিনি আরও জানিয়েছেন, তার কাছে ভিক্টোরিয়াকে বড়দিন পর্যন্ত বন্ধ রাখা ছাড়া আর কোনও নেই।ইহুদি আল্ট্রা-অর্থোডক্স প্রার্থনার সংগঠনগুলি গত বছর থেকেই নানাভাবে লকডাউন লঙ্ঘন করেছেন, এই অতিমারি পরিস্থিতিতে যেটা একেবারেই কাম্য নয়। আশ্চর্যের বিষয় তাঁরাই সবচেয়ে শান্তিপূর্ণ এবং আইন মেনে চলা সম্প্রদায়ের মধ্যে একটি বলেই গন্য হয়ে থাকেন। মেলবোর্নের ইহুদি সম্প্রদায়ের সিংহভাগ বাড়িতে উৎসব পালন করার সময় ভিক্টোরিয়ার লকডাউন নিয়ম লঙ্ঘন করে একদল উপাসক ভিতরে জড়ো হয়েছিল বলে খবর পেয়ে পুলিশ গ্লেন আইরা রোডের একটি ভবন ঘিরে ফেলে। দুর্ভাগ্যক্রমে, ভিক্টোরিয়া পুলিশকে রোশানা ইহুদি ধর্মীয় উৎসবের জন্য মঙ্গলবার অবৈধ সমাবেশে যোগদানকারী লোকদের ৫৪৫২ ডলার জরিমানা করতে হয়েছিল। এই ঘটনার আগে, ভিক্টোরিয়া পুলিশ কোফিল্ড নর্থে মেলবোর্নের এক বিশিষ্ট ইহুদি পরিবারের অবৈধ বিবাহের পার্টির নিমন্ত্রণকর্তা এবং অতিথিদের কাছে ৩০০০০০ ডলারেরও বেশি জরিমানা আদায় করেছে।আরও পড়ুনঃ পূজার ছলে ভুলে থাকিড্যানিয়েল অ্যান্ড্রুজ আরও বলেছেন যে তিনি রোশ হাশানাহ, দুই দিনের ইহুদি নববর্ষ উৎসবকে সেই সম্প্রদায়ের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ সময় হিসেবে স্বীকৃতি দেন। তিনি মঙ্গলবার তিনি জানিয়েছেন, তবে আমরা যাই করি আমাদের প্রত্যেককেই এই মুহুর্তে নিরাপদ থাকতে হবে, ভালো থাকার জন্যই আমাদের নিজেদের অনুপ্রাণিত করতে হবে।অর্ণব ঘোষ রায়মেলবোর্ন, অস্ট্রেলিয়াআইন স্নাতক (সম্মানিক)সদস্য, অস্ট্রেলিয়ান ল স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশন (ALSA)এক্সিকিউটিভ মেম্বার অফ ডিসিপ্লিন এন্ড গ্রিভেন্স কমিটি

সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২১
কলকাতা

শুক্রবার থেকেই বন্ধ ভিক্টোরিয়া-জাদুঘর-সহ বিখ্যাত দর্শনীয় স্থান

আবারও বাড়ছে করোনার আতঙ্ক। ইতিমধ্যে দৈনন্দিন আক্রান্তের সংখ্যা ছাড়িয়ে গিয়েছে ২ লক্ষ। এই পরিস্থিতিতে শুক্রবার থেকেই সাধারণ মানুষের জন্য বন্ধ হয়ে গেল আর্কিওলজিক্যাল সার্ভে অব ইন্ডিয়ার বা এএসআইয়ের অধীনে থাকা শহরের একাধিক পর্যটন স্থান। এর মধ্যে রয়েছে ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়াল, ভারতীয় জাদুঘর, বিড়লা প্লানেটোরিয়াম, সায়েন্স সিটির মতো দর্শনীয় স্থানগুলো। শুধু এ রাজ্যে নয়, গোটা দেশেই এএসআই -এর অধীনে থাকা সমস্ত মিউজিয়াম, স্মৃতি সৌধ আগামী ১৫ মে পর্যন্ত বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবারই এই মর্মে নির্দেশিকা জারি করেছে কেন্দ্রীয় সংস্কৃতি মন্ত্রক। টুইট করেছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী প্রহ্লাদ প্যাটেলও।দেশে এএসআইয়ের অধীনে রয়েছে ৩৬৯৩টি সৌধ এবং ৫০টি মিউজিয়াম। তাতে নাম রয়েছে তাজমহল, পুরীর জগন্নাথ মন্দির, সোমনাথ মন্দির-সহ দেশের একাধিক দর্শনীয় স্থানের। স্বভাবতই এই জায়গাগুলিতে ভিড়ও হয়। আর করোনা সংক্রমণ রুখতে তাই আগামী ১৫ মে পর্যন্ত এই সমস্ত জায়গা বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। যা কার্যকর হচ্ছে শুক্রবার থেকেই। ফলে সাধারণ মানুষের জন্য বন্ধ হয়ে গেল কলকাতার দর্শনীয় স্থানগুলি। জগন্নাথ মন্দির এবং সোমনাথ মন্দির পুজো হলেও দর্শনার্থীদের প্রবেশ নিষিদ্ধ থাকবে।কেন্দ্রীয় সংস্কৃতি মন্ত্রক থেকে পাঠানো বিবৃতিতে বলা হয়েছে, করোনা পরিস্থিতি সামাল দিতে কেন্দ্রীয় সংস্থা এএসআইয়ের অধীনে থাকা সমস্ত স্মৃতিসৌধ এবং মিউজিয়াম জরুরিভিত্তিতে বন্ধের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আগামী ১৫ মে পর্যন্ত বা পরবর্তী বিজ্ঞপ্তি জারি হওয়া পর্যন্ত এগুলি সাধারণ মানুষের জন্য বন্ধ থাকবে।

এপ্রিল ১৬, ২০২১
কলকাতা

'তুম আচ্ছা কাম কর রহে হো শুভেন্দু...'

সামনাসামনি দেখা হতেই সস্নেহে ডাক, আরে শুভেন্দু-উ-উ-উ! প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বুঝিয়ে দিলেন, বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পর এই প্রথম সাক্ষাৎ হলেও শুভেন্দু অধিকারী সম্পর্কে তিনি সব খবর রাখেন। ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়ালের অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী যখন পৌঁছন, তখন তাঁকে স্বাগত জানাতে সার দিয়ে দাঁড়িয়ে কৈলাস বিজয়বর্গীয়, দিলীপ ঘোষ, মুকুল রায়ের সঙ্গে শুভেন্দুও। সকলকে নমস্কার করে এগোতে এগোতে মোদি আচমকাই শুভেন্দুর সামনে এসে থমকে দাঁড়িয়ে পড়েন। সস্নেহে তরুণ নেতার কাঁধে হাত রাখেন। শুভেন্দুও হাতজোড় করে নমস্কার করেই সামনে ঝুঁকে অবাঙালি কায়দায় মোদির হাঁটু ছুঁয়ে প্রণাম করেন। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানাচ্ছেন, স্মিত হেসে প্রধানমন্ত্রী শুভেন্দুকে বলেন, শুভেন্দু-উ-উ-উ। তুম আচ্ছা কাম কর রহে হো। হমে সব খবর হ্যায়। শুভেন্দুর সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী দ্বিতীয়বার সাক্ষাৎ অনুষ্ঠানের শেষে চা চক্রে। বিভিন্ন টেবিলে বসেছিলেন অভ্যাগতরা। প্রধানমন্ত্রী সব টেবিলের সামনে গিয়ে হাতজোড় করে নমস্কার করেন। কিন্তু মুখ খোলেন একটিমাত্র টেবিলের সামনে। প্রধানমন্ত্রীর কাছে সস্নেহ সম্ভাষণ পেলেও তাঁর প্রাক্তন দলনেত্রী কিন্তু এড়িয়েই গিয়েছেন শুভেন্দুকে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানাচ্ছেন, রাজ্য মন্ত্রিসভার প্রাক্তন সহকর্মীকে দেখে মুখ ঘুরিয়ে নিয়েছেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে মুকুলের সঙ্গে সংক্ষিপ্ত কুশল বিনিময় করতে দেখা গিয়েছে তাঁকে। মমতা উপেক্ষা করলেও শুভেন্দু অবশ্য গদগদ। তবে শনিবার প্রধানমন্ত্রী যে ভাবে শুভেন্দুকে সস্নেহ সম্ভাষণ করেছেন, তাতে এটা স্পষ্ট যে, তিনি শুভেন্দুর কর্মপদ্ধতি সম্পর্কে ওয়াকিবহাল।

জানুয়ারি ২৩, ২০২১
কলকাতা

'জয় শ্রীরাম' স্লোগানে ক্ষুব্ধ মুখ্যমন্ত্রী, রাখলেন না বক্তব্য

তারকাখচিত অনুষ্ঠানের সূচনার পরই তাল কাটল। নেতাজির জন্মজয়ন্তীতে ভিক্টোরিয়ার মঞ্চে অপমানিত মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কোনও মন্তব্য না রেখেই মঞ্চ ছাড়লেন মুখ্যমন্ত্রী ।নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর ১২৫ তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে সংগীতানুষ্ঠানের পরই মঞ্চে বক্তব্য রাখতে আমন্ত্রণ জানানো হয় মুখ্যমন্ত্রীকে। কিন্তু মমতা মঞ্চে উঠতেই দর্শকাসন থেকে উড়ে আসে জয় শ্রীরাম ধ্বনি। আর তাতেই মেজাজ হারান মমতা। তিনি বলেন, এটা কোনও রাজনৈতিক মঞ্চ নয়। আমার মনে হয়, সরকারি অনুষ্ঠানের একটা শালীনতা থাকা উচিত। এটা কোনও রাজনৈতিক দলের কর্মসূচি নয়। এটা সমস্ত দলেরই কর্মসূচি। জনতার কর্মসূচি।এভাবে আমন্ত্রণ জানিয়ে বেইজ্জত করা উচিত নয়। সেই জন্যই আমি আর একটি কথাও এখানে বলব না। তবে কলকাতায় এই অনুষ্ঠান আয়োজন করায় আমি প্রধানমন্ত্রী মোদিকে ধন্যবাদ জানাই। একথা বলেই মঞ্চ থেকে নেমে যান তিনি। যদিও মুখ্যমন্ত্রীর মন্তব্য না করা নিয়ে কোনও প্রতিক্রিয়া দেননি তিনি। যখন এই ঘটনা ঘটছে, তখন সেখানে নীরবে বসেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড় এবং কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয়। মমতার পরেই বলতে উঠে মোদি তাঁর ভাষণ শুরু করেন বহেন মমতাজি বলে। কিন্তু তাতেও গোটা অনুষ্ঠানের সুর ফিরে আসেনি।

জানুয়ারি ২৩, ২০২১
বিদেশ

অস্ট্রেলিয়ায় বাঙালি যুবকের লড়াইয়ের স্বীকৃ্তি , চালু বাংলায় সরকারি ওয়েবসাইট

বেদান্ত লাহিড়ীঃ কলকাতার বাঙালি যুবকের লড়াইয়ের ফল এবার সুদূর অস্ট্রেলিয়াতেও। বাংলাপক্ষ পশ্চিমবঙ্গের বাঙালি ও বাংলা ভাষার জন্য যেভাবে লড়াই শুরু করেছে , সূদুর অস্ট্রেলিয়াতে সেই একই লড়াইয়ে সামিল বারাসতের ছেলে অর্ণব ঘোষ রায়। মূলত তারই উদ্যোগে অস্ট্রেলিয়ার ভিক্টোরিয়া স্টেটের স্বাস্থ্য দফতরে বাংলা ওয়েবসাইট চালু হল। ভিক্টোরিয়া ইউনিভার্সিটির আইনের ছাত্র অর্ণব। বয়স ৩৮ বছর। ভিক্টোরিয়া ইউনিভার্সিটির আইনের ছাত্র সে। তাঁর অদম্য লড়াইয়ে এল এই ঐতিহাসিক সাফল্য। পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশের বাঙালিদের কথা চিন্তা করেই এই ওয়েবসাইটটি চালু করা হয়েছে। প্রসঙ্গত, ভারতের ৫৪,৫৬৬জন বাঙালি অস্ট্রেলিয়ার নাগরিক। এছাড়াও সেখানে বাংলাদেশের বাঙালিও আছেন । দীর্ঘদিন অস্ট্রেলিয়ায় থাকার পর অর্ণব জানতে পারেন , ভাষাগত কারণে বাঙালি প্রবীণরা সেখানে নানা ধরনের অসুবিধায় পড়ছেন। ভাষাগত অসুবিধা দূর হলে সরকারি নানা সুযোগ-সুবিধা পাওয়ার ক্ষেত্রে তা সহজ হতে পারে। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় সাংসদের সঙ্গে আলোচনা করেন অর্ণব। এমনকী বিষয়টি মেলবোর্ণ বিশ্ববিদ্যালয় ও ভিক্টোরিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে আলোচনার জন্য উত্থাপিত করেন তিনি। সেখান থেকেই সরকারি স্তরে প্রস্তাব পাঠানো হয়।কারণ, অস্ট্রেলিয়ায় সরকারি নীতি নির্ধারনে বিশ্ববিদ্যালয়গুলি বিশেষ ভূমিকা নিয়ে থাকে। অনেকদিনের ঐকান্তিক লড়াইয়ের পর দিন চারেক আগেই স্বাস্থ্য দফতরের বাংলা ওয়েবসাইট চালু হল। স্বীকৃতি পায় অর্ণবের লড়াই। অর্ণব বললেন, এর ফলে বেশ কয়েকজন যুবকের কাজেরও সুযোগ হয়েছে। উল্লেখ্য, অর্ণবের বাবা ছিলেন রাজ্য সরকারি কর্মচারী। ২০০৩ সালে তিনি পড়াশুনো করতে অষ্ট্রেলিয়া পাড়ি দেন। দুবছর পর ফেডারেল ইউনিভার্সিটি থেকে কমার্সে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করেন। ২০০৭-তে অ্যাসোসিয়েট মেম্বার অব ইন্সটিটিউট অব পাবলিক অ্যাকাউন্টেন্ট। ২০০৯ সালে সেখানে নাগরিকত্বের অধিকার পান। ২০১৪ তে ভিক্টোরিয়া ইউনিভার্সিটি থেকে এমবিএ করেন তিনি। সলিসিটর হওয়ার লক্ষ্যে এখন ওই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ব্যাচেলর অব ল পড়ছেন অর্ণব। তাঁর এই লড়াইয়ের পাশে রয়েছে পৃথিবী্র আপামর বাঙালি।

অক্টোবর ১৫, ২০২০

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

তিলক বিতর্কে চরম নাটক! শোরুমে ঢুকে কর্মীদের কপালে তিলক এঁকে দিলেন বিজেপি নেত্রী

চশমার জনপ্রিয় সংস্থা লেন্সকার্টকে ঘিরে তিলক ও ধর্মীয় পরিচয় নিয়ে বিতর্ক নতুন দিকে মোড় নিল। সংস্থা ইতিমধ্যেই জানিয়েছে, কর্মীরা তাঁদের সাংস্কৃতিক বা ধর্মীয় পরিচয় প্রকাশ করতে পারবেন। কিন্তু সেই ঘোষণার মধ্যেই মুম্বইয়ে এক শোরুমে ঘটে গেল নতুন ঘটনা।জানা গিয়েছে, বিজেপির সংখ্যালঘু মোর্চার সদস্য নাজিয়া ইলাহি কয়েকজন কর্মীকে সঙ্গে নিয়ে একটি শোরুমে প্রবেশ করেন। সেখানে তিনি কর্মীদের কপালে তিলক পরিয়ে দেন এবং জয় শ্রীরাম ধ্বনি তোলেন। একই সঙ্গে সংস্থার আগের অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন তোলেন তিনি। শোরুমের ফ্লোর ম্যানেজারের কাছে তিনি জানতে চান, কেন তিলক পরায় আপত্তি করা হয়েছিল।শোরুমের বাইরে সংবাদমাধ্যমের সামনে নাজিয়া ইলাহি বলেন, সংস্থা ক্ষমা না চাইলে বয়কট করা হবে। তাঁর বক্তব্য, কর্মীদের নিজেদের ধর্মীয় পরিচয় প্রকাশ করতে কোনও বাধা থাকা উচিত নয়।এই বিতর্কের সূত্রপাত হয় কয়েকদিন আগে। এক সমাজমাধ্যম ব্যবহারকারী দাবি করেন, সংস্থার কর্মীদের জন্য এমন নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল যেখানে হিজাব পরা যাবে, কিন্তু তিলক বা টিপ পরা যাবে না। সেই দাবি সামনে আসতেই ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়।পরবর্তীতে সংস্থার পক্ষ থেকে স্পষ্ট জানানো হয়, কর্মীরা স্টোরে কাজ করার সময় তিলক, টিপ, সিঁদুর, মঙ্গলসূত্র, হিজাব বা পাগড়িসব ধরনের ধর্মীয় চিহ্ন ব্যবহার করতে পারবেন। এই ঘোষণার পরেও বিতর্ক পুরোপুরি থামেনি, বরং নতুন করে তা আরও তীব্র হয়েছে।

এপ্রিল ২১, ২০২৬
রাজ্য

শেষবেলায় পাহাড়ে অমিত শাহের বিস্ফোরক প্রতিশ্রুতি! গোর্খা ইস্যুতে বড় ঘোষণা

প্রথম দফার ভোটের প্রচারের শেষ দিনে মঙ্গলবার একাধিক সভায় অংশ নিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। কার্শিয়াং, কুলটি, শালবনি এবং চণ্ডীপুরএই চারটি জায়গায় তাঁর সভা হওয়ার কথা ছিল। কার্শিয়াংয়ের সভা থেকেই গোর্খা সমস্যা নিয়ে বড় ঘোষণা করেন তিনি।অমিত শাহ দাবি করেন, বিজেপি ক্ষমতায় এলে গোর্খা সমস্যার স্থায়ী সমাধান করা হবে। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির সরকার গঠিত হলে ৬ মে-র মধ্যেই প্রত্যেক গোর্খার মুখে হাসি ফিরবে। তিনি আরও বলেন, দীর্ঘদিন ধরে গোর্খা ইস্যু ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে এবং এর জন্য কংগ্রেস ও তৃণমূলকে দায়ী করেন তিনি।সভার শুরুতেই তিনি জানান, আগে দার্জিলিংয়ে আসার পরিকল্পনা থাকলেও হেলিকপ্টার ওড়ার অনুমতি না মেলায় এবং আবহাওয়ার কারণে তা সম্ভব হয়নি। পরে ভিডিও বার্তায় তিনি জানিয়েছিলেন, ২১ তারিখ অবশ্যই পাহাড়ে আসবেন এবং সেই প্রতিশ্রুতি মতোই তিনি পৌঁছেছেন।কার্শিয়াংয়ের সভা থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেও তীব্র আক্রমণ করেন অমিত শাহ। তিনি বলেন, এবার পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির সরকার গঠিত হচ্ছে। মমতাদিদিকে বিদায় জানানোর সময় এসে গেছে।উত্তরবঙ্গের উন্নয়ন নিয়েও একাধিক প্রতিশ্রুতি দেন তিনি। তাঁর ঘোষণা অনুযায়ী, বিজেপি ক্ষমতায় এলে উত্তরবঙ্গে একটি পৃথক এইমস হাসপাতাল তৈরি করা হবে। ৫০০ বেডের ক্যানসার হাসপাতাল, আইআইটি ও আইআইএম ক্যাম্পাস এবং একটি আদিবাসী বিশ্ববিদ্যালয় তৈরির কথাও বলেন তিনি।এছাড়াও উত্তরবঙ্গকে ইকো অ্যাডভেঞ্চার ও হেরিটেজ ট্যুরিজম কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনার কথা জানান তিনি। অনুপ্রবেশ রোধ, নতুন শিল্পশহর গঠন, চা বাগানের শ্রমিকদের জমির পাট্টা দেওয়া এবং মজুরি বৃদ্ধির মতো একাধিক প্রতিশ্রুতিও দেন অমিত শাহ।

এপ্রিল ২১, ২০২৬
কলকাতা

বেলডাঙা মামলায় হঠাৎ বড় মোড়! ডিভিশন বেঞ্চ থেকে সরে দাঁড়ালেন বিচারপতি

বেলডাঙা হিংসা মামলায় বড় পরিবর্তন ঘটল আদালতে। কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অরিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডিভিশন বেঞ্চ এই মামলা থেকে সরে দাঁড়িয়েছে। ফলে মামলাটি এখন প্রধান বিচারপতি সুজয় পালের বেঞ্চে ফের পাঠানো হয়েছে।সূত্রের খবর, এনআইএ-র বিশেষ আদালতের একটি নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে এনআইএ এই ডিভিশন বেঞ্চে আবেদন করেছিল। কিন্তু শুনানির সময় বিচারপতি জানান, এই মামলায় ইউএপিএ বা বেআইনি কার্যকলাপ প্রতিরোধ আইনের ধারা প্রযোজ্য হবে কি না, সেই সিদ্ধান্ত নেওয়ার অধিকার প্রধান বিচারপতির। তাই এই বেঞ্চে মামলার শুনানি এগোনো সম্ভব নয় বলে জানানো হয়।এই কারণেই মামলাটি ফের প্রধান বিচারপতির বেঞ্চে পাঠানো হয়েছে।বেলডাঙায় হিংসার ঘটনায় ১৫ জন অভিযুক্তকে আগেই জামিন দিয়েছিল এনআইএ-র বিশেষ আদালত। আদালতের বক্তব্য ছিল, নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে চার্জশিট দাখিল না হওয়ায় এই জামিন দেওয়া হয়েছে। সেই সিদ্ধান্তকেই চ্যালেঞ্জ জানিয়ে এনআইএ হাইকোর্টে যায়।ঘটনার পেছনে রয়েছে এক পরিযায়ী শ্রমিকের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে বেলডাঙায় তৈরি হওয়া উত্তেজনা। ওই মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়তেই এলাকায় ব্যাপক বিক্ষোভ শুরু হয়। রাস্তা অবরোধ, রেল অবরোধ এবং পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশকে লাঠিচার্জ করতে হয় এবং একাধিক জায়গায় ভাঙচুরের অভিযোগ ওঠে।পরিস্থিতির গুরুত্ব বিবেচনা করে পরে এই মামলার তদন্তভার রাজ্য পুলিশের কাছ থেকে নিয়ে এনআইএ-র হাতে তুলে দেওয়া হয়। কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশেই শুরু হয় কেন্দ্রীয় সংস্থার তদন্ত।

এপ্রিল ২১, ২০২৬
রাজ্য

এবার ভোটে বাইক বন্ধের ‘মেগা রুল’! জারি হল চাঞ্চল্যকর নিষেধাজ্ঞা

ভোটের আগে রাজ্যে আরও কঠোর হল নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ। এবার বাইক চলাচল নিয়েও জারি হল একাধিক কড়া নিয়ম। স্পর্শকাতর এলাকা ও বুথ সংলগ্ন এলাকায় আগেই বাইক রিকুইজিশন করে নেওয়া হয়েছিল। এবার তার থেকেও কড়া নির্দেশ দিল কমিশন।নতুন নিয়ম অনুযায়ী ভোটের দুদিন আগে থেকে কোনও বাইক র্যালি বা মিছিল করা যাবে না। একই সঙ্গে ওই সময়ের মধ্যে সন্ধে ছটা থেকে পরের দিন সকাল ছটা পর্যন্ত বাইক চলাচল সম্পূর্ণভাবে বন্ধ থাকবে। শুধুমাত্র জরুরি পরিষেবা বা বিশেষ পরিস্থিতিতে এই নিয়মে ছাড় দেওয়া হবে।ভোটের দুদিন আগে সকাল ছটা থেকে সন্ধে ছটা পর্যন্ত বাইকে কাউকে বসিয়ে যাতায়াত করাও নিষিদ্ধ করা হয়েছে। তবে চিকিৎসা সংক্রান্ত প্রয়োজনে ডাক্তার দেখাতে যাওয়া, স্কুলে শিশু আনা-নেওয়া বা জরুরি পরিস্থিতিতে এই নিয়মে ছাড় থাকবে বলে জানানো হয়েছে।ভোটের দিন সকাল ছটা থেকে সন্ধে ছটা পর্যন্ত পরিবারের সদস্যদের নিয়ে বাইকে ভোট দিতে যাওয়া যাবে। এছাড়াও চিকিৎসা জরুরি পরিস্থিতিতে চলাচল করা যাবে। কিন্তু এই কারণ ছাড়া বাইক ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ থাকবে।যদি বিশেষ কোনও প্রয়োজনে বাইক ব্যবহার করতে হয়, তাহলে স্থানীয় থানার অনুমতি নিয়ে তবেই চলাচল করা যাবে। সব জেলার জেলাশাসক ও পুলিশ কমিশনারকে এই নির্দেশ কার্যকর করার জন্য লিখিতভাবে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন।

এপ্রিল ২১, ২০২৬
কলকাতা

আনন্দলোক হাসপাতালে আগুনে হাহাকার! স্যালাইন হাতে রাস্তায় রোগীরা, ছড়াল চরম আতঙ্ক

সল্টলেকের আনন্দলোক হাসপাতালে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে চরম আতঙ্ক ছড়াল। হাসপাতালের দ্বিতীয় তলায় হঠাৎ করেই আগুন লাগে বলে জানা গেছে। মুহূর্তের মধ্যেই গোটা ভবন কালো ধোঁয়ায় ঢেকে যায়। ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে রোগী ও তাঁদের পরিজনদের মধ্যে।প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, এসির শর্ট সার্কিট থেকেই আগুন লাগতে পারে বলে অনুমান করা হচ্ছে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় দমকলের দুটি ইঞ্জিন। আগুনের উৎসস্থল খুঁজে দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা চলছে। পাশাপাশি কেউ ভেতরে আটকে আছেন কি না, তাও খতিয়ে দেখছেন দমকল কর্মীরা।হাসপাতালের লিফট আপাতত বন্ধ রাখা হয়েছে। দ্রুত রোগীদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়। পাশের আনন্দলোকেরই DL ব্লকের অন্য একটি ভবনে তাঁদের স্থানান্তর করা হয়েছে বলে জানা গেছে। অনেক রোগীকে স্যালাইন হাতে নিয়েই বাইরে রাস্তায় বসে থাকতে দেখা যায়, যা নিয়ে আতঙ্ক আরও বাড়ে।একের পর এক ওয়ার্ড ধোঁয়ায় ঢেকে যায়, ফলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ আকার নেয়। হাসপাতাল চত্বরে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়েছে।

এপ্রিল ২১, ২০২৬
দেশ

শিশুমৃত্যুর পর জ্বলছে মণিপুর! রাস্তায় হাজার মানুষ, পাঁচ দিনের বন্‌ধে অচল রাজ্য

চলতি মাসের শুরুতে এক বিএসএফ জওয়ানের বাড়িতে রকেট হামলার ঘটনাকে কেন্দ্র করে আবারও অশান্ত হয়ে উঠেছে মণিপুর। ওই হামলায় এক শিশুকন্যা এবং পাঁচ বছরের এক বালকের মৃত্যু হয়। এই ঘটনার প্রতিবাদে রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে। নাগরিক সমাজ রাস্তায় নেমে প্রতিবাদ জানাচ্ছে এবং পাঁচ দিনের বন্ধের ডাক দেওয়া হয়েছে।রবিবার মণিপুরের নানা প্রান্তে হাজার হাজার মানুষ পথে নামেন। ইম্ফলে রাতে মশাল হাতে মিছিল করেন বহু মানুষ, বিশেষ করে মহিলাদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। অভিযোগ, এই বিক্ষোভ দমাতে পুলিশ শক্তি প্রয়োগ করেছে। আন্দোলনকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে কাঁদানে গ্যাস ছোড়া হয়। কিছু জায়গায় বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে নিরাপত্তা বাহিনীর সংঘর্ষের ঘটনাও সামনে আসে।প্রতিবাদকারীদের দাবি, এই হামলার সঙ্গে জড়িত দোষীদের দ্রুত গ্রেপ্তার করতে হবে। পাশাপাশি পাহাড়ি এলাকায় সক্রিয় কুকি জঙ্গিদের বিরুদ্ধেও কড়া পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি উঠেছে। বন্ধের জেরে বাজার, স্কুল-কলেজ এবং সরকারি অফিস বন্ধ ছিল। পরিবহন ব্যবস্থাও ব্যাপকভাবে ব্যাহত হয়। শুধুমাত্র জরুরি পরিষেবা কিছু এলাকায় চালু রাখা হয়।অন্যদিকে মণিপুর পুলিশ জানিয়েছে, প্রতিবাদের নামে কিছু সমাজবিরোধী কাজকর্ম চলছে। যারা হিংসা ছড়াচ্ছে বা অন্যদের উসকানি দিচ্ছে, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পুলিশের দাবি, কিছু মানুষ বিক্ষোভকারীদের হাতে পেট্রোল বোমা, লোহার গোলা লাগানো গুলতি এবং পাথর তুলে দিচ্ছে, যা পরিস্থিতিকে আরও খারাপ করছে।উল্লেখযোগ্য, গত ছয় এপ্রিল রাতে বিষ্ণুপুর জেলার মোইরাং ট্রোংলাওবি এলাকায় এক বিএসএফ জওয়ানের বাড়িতে হামলা চালানো হয়। অভিযোগ, একাধিক জঙ্গি ওই বাড়ি লক্ষ্য করে রকেট ছোড়ে। তখন বাড়ির সদস্যরা ঘুমিয়ে ছিলেন। এই হামলায় ঘুমের মধ্যেই মৃত্যু হয় পাঁচ মাসের এক শিশুকন্যা এবং পাঁচ বছরের এক বালকের। গুরুতর জখম হন তাদের মা। এই মর্মান্তিক ঘটনার পর থেকেই এলাকায় উত্তেজনা ছড়ায়। ক্ষুব্ধ মানুষ পরে নিকটবর্তী একটি সুরক্ষা শিবিরেও হামলা চালায়। তারপর থেকেই পরিস্থিতি অস্থির হয়ে রয়েছে।

এপ্রিল ২০, ২০২৬
রাজ্য

বেলডাঙা কাণ্ডে নতুন মোড়! জামিন নিয়ে হাই কোর্টে ছুটল এনআইএ

বেলডাঙা কাণ্ডে নতুন করে আইনি জটিলতা তৈরি হয়েছে। জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা এনআইএ এবার কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছে। আগে এনআইএ-র বিশেষ আদালত শর্তসাপেক্ষে ১৫ জন অভিযুক্তকে জামিন দিয়েছিল। সেই সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ জানিয়েই উচ্চ আদালতের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। তাদের অভিযোগ, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মানা হয়নি এবং সেই কারণেই এই জামিন দেওয়া ঠিক হয়নি।আইন অনুযায়ী নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে চার্জশিট জমা দেওয়ার কথা থাকলেও, ৯০ দিন পেরিয়ে যাওয়ার পরেও এনআইএ চূড়ান্ত চার্জশিট জমা দিতে পারেনি। এমনকি তদন্তের অগ্রগতি সম্পর্কেও আদালতের প্রশ্নের সন্তোষজনক উত্তর দিতে পারেনি তারা। এই পরিস্থিতিতে অভিযুক্তদের আইনজীবীরা জামিনের আবেদন করেন। এরপর ১০ হাজার টাকার বন্ডে ১৫ জনের জামিন মঞ্জুর করে বিশেষ আদালত। যদিও তাঁদের চলাফেরার উপর বেশ কিছু শর্ত আরোপ করা হয়েছে।হাই কোর্টে এনআইএ-র বক্তব্য, তদন্ত চলাকালীন এইভাবে জামিন দেওয়া উচিত হয়নি। আদালতে প্রশ্ন ওঠে, যখন সুপ্রিম কোর্ট এই মামলাটি হাই কোর্টে ফেরত পাঠিয়েছে, তখন কীভাবে নিম্ন আদালত জামিন মঞ্জুর করল। এই বিষয়টি নিয়ে বিচারপতি অরিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায় ও বিচারপতি অপূর্ব সিংহ রায়ের বেঞ্চে মামলা দায়ের করা হয়েছে। আগামী শুনানিতে স্পষ্ট হবে, এই জামিন বহাল থাকবে নাকি হাই কোর্ট হস্তক্ষেপ করে নতুন নির্দেশ দেবে।উল্লেখযোগ্য, গত জানুয়ারি মাসে মুর্শিদাবাদের বেলডাঙায় এক পরিযায়ী শ্রমিকের মৃত্যুকে ঘিরে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছিল। অভিযোগ ছিল, ঝাড়খণ্ডে ওই শ্রমিককে খুন করা হয়। সেই ঘটনার প্রতিবাদে বেলডাঙায় রেল ও জাতীয় সড়ক অবরোধ করা হয় এবং ভাঙচুরের ঘটনাও ঘটে। এমনকি সংবাদমাধ্যমের উপর হামলার অভিযোগও ওঠে। পরে রাজ্য পুলিশের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে, যদিও এলাকায় উত্তেজনা বজায় ছিল।পরবর্তীতে কলকাতা হাই কোর্টের নির্দেশে এই ঘটনার তদন্তভার এনআইএ-র হাতে যায়। মোট ৩৫ জনকে গ্রেপ্তার করা হয় এবং তাঁদের জেল হেফাজতে রাখার নির্দেশ দেয় আদালত। এখন জামিনের প্রশ্নে নতুন করে এই মামলায় উত্তেজনা তৈরি হয়েছে।

এপ্রিল ২০, ২০২৬
রাজ্য

ভোটের আগে বড় বিতর্ক! ভোটার তালিকা নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের কড়া নজর

বাংলার প্রথম দফার ভোট একেবারে সামনে। তার মধ্যেই ভোটার তালিকায় নাম তোলা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। অভিযোগ উঠেছে, এই সংক্রান্ত ট্রাইব্যুনাল কাজের ক্ষেত্রে গড়িমসি করছে। এই অভিযোগ নিয়েই সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন আইনজীবী দেবদত্ত কামাত। তাঁর আবেদনের ভিত্তিতে কলকাতা হাই কোর্টের প্রধান বিচারপতির কাছে রিপোর্ট তলব করা হতে পারে বলে জানা গিয়েছে।আইনজীবী কামাতের অভিযোগ, এখনও পর্যন্ত ট্রাইব্যুনালে অফলাইনে আবেদন করার সুযোগ বন্ধ রাখা হয়েছে। শুধুমাত্র অনলাইনে আবেদন করা যাচ্ছে। এতে অনেক মানুষ সমস্যায় পড়ছেন। যাঁরা অনলাইনে আবেদন করতে পারেন না, তাঁদের পক্ষে এই প্রক্রিয়া অত্যন্ত কঠিন হয়ে উঠছে। দূরদূরান্ত থেকে আসা মানুষও বিপাকে পড়ছেন। তাঁর আরও দাবি, সঠিক শুনানি বা আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ না করে অনেক ক্ষেত্রে যান্ত্রিকভাবে আবেদন খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এমনকি আইনজীবীদের প্রতিনিধিত্ব করার সুযোগও দেওয়া হচ্ছে না বলেও অভিযোগ করেন তিনি।এই নতুন মামলায় অসন্তোষ প্রকাশ করেছে সুপ্রিম কোর্ট। প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত এবং বিচারপতি জয়মাল্য বাগচীর বেঞ্চ প্রশ্ন তোলে, কেন বারবার এই একই বিষয়ে আদালতের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে হচ্ছে। প্রধান বিচারপতি ক্ষোভের সুরে বলেন, নির্দেশ দেওয়ার পরেও কেন নতুন করে অভিযোগ সামনে আসছে।এর জবাবে আইনজীবী কামাত জানান, ট্রাইব্যুনাল আদালতের নির্দেশ ঠিকভাবে মানছে না বলেই বারবার এই সমস্যা তৈরি হচ্ছে। সেই কারণেই বারবার শীর্ষ আদালতের দ্বারস্থ হতে হচ্ছে। এরপর প্রধান বিচারপতি জানান, বাংলার এই ট্রাইব্যুনালের কাজের বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে বিস্তারিত রিপোর্ট কলকাতা হাই কোর্টের প্রধান বিচারপতির কাছ থেকে চাওয়া হবে।ভোটের আগে এই ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলে নতুন করে চাপানউতোর শুরু হয়েছে।

এপ্রিল ২০, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal