• ২৪ আষাঢ় ১৪৩৩, শনিবার ১১ জুলাই ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Vaccine

দেশ

Big Breaking: ১৮ উর্ধ্বদের বিনামূল্যে করোনার বুস্টার ডোজ দেওয়ার সিদ্ধান্ত কেন্দ্র সরকারের

করোনার বুস্টার ডোজ নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত কেন্দ্র সরকারের। ১৫ জুলাই থেকে প্রাপ্তবয়স্কদের বিনামূল্যে করোনার বুস্টার ডোজ, সারা দেশেই করোনা টিকা নেওয়ার অনিহা তৈরি হয়েছিল। তাঁর সাথে সাথে হু হু করে করোনা করাল গ্রাস আবার ধেয়ে আসছে। এমতাবস্তায় প্রতিটি মানুষের বুস্টার ডোজ নেওয়া খুবই গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছে অভিজ্ঞ মহল।করোনা সতর্কতামূলক (বুস্টার) টিকা নিতে মানুষের অনিহায় স্বাস্থ্যমহল রীতিমত আতঙ্কিত। সারা দেশজুড়ে আবার কোভিড সংক্রমণের হার উর্ধমুখী। ১৮ উর্ধ্বদের করোনার বুস্টার ডোজ টিকা এতদিন অবধি বেসরকারি হাসপাতাল বা সংস্থায় অর্থের বিনিময়ে নিতে হত। সেই কারনেই হয়ত মানুষের মধ্যে এই টিকা নেওয়ার অনীহা ধারণা করেই ভারত সরকার কোভিড প্রতিষেধক টিকা বা বুস্টার ডোজ নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত নিল। ১৫ জুলাই থেকে ১৮ উর্ধ্বদের বিনামূল্যে কোভিড বুস্টার ডোজ দেওয়া হবে।আজ কেন্দ্রীয় অর্থ প্রতিমন্ত্রি অনুরাগ ঠাকুর জানিয়েছেন, ১৫ জুলাই থেকে পরবর্তী ৭৫ দিন ১৮ উর্ধ্বদের সমস্ত মানুষকে বিনামূল্যে বুস্টার ডোজ দেওয়া হবে। তিনি জানান, স্বাধীনতার ৭৫ তম বর্ষ উদযাপন উপলক্ষ্যেই এই বিনামূল্যে বুস্টার ডোজের সিদ্ধান্ত নিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। সরকারি সমস্ত টিকা কেন্দ্রেই মিলবে এই প্রতিষেধক। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অনুরাগ ঠাকুর জানিয়েছেন যে, ভারতের কোভিড-১৯ টিকার প্রয়োগ ১৯৯.১২ কোটি ছাড়িয়ে গিয়েছে।#WATCH | Union Minister Anurag Thakur says, ...It has been decided that from 15th July 2022 till the next 75 days, all citizens above 18 years of age will be given booster doses free of cost...This facility will be available at all government centres...#COVID19 pic.twitter.com/kZSOqHZQLg ANI (@ANI) July 13, 2022২০২২ এর মার্চ থেকে সারা দেশে করোনার প্রতিষেধক ডোজ বা বুস্টার ডোজ দেওয়া হচ্ছে। প্রথমে ৬০ উর্ধ্ব প্রবীন নাগরিকদের দেওয়া হয়েছে। তারপর ১৮ উর্ধ্ব ও ৬০ র কমবয়সীদের বেসরকারি সংস্থায় অর্থের বিনিময়ে এই টিকা নেওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়।চিকিৎসক ও অভিজ্ঞমহলের ধারনা, জনমানসে অর্থের বিনিময়ে বুস্টার ডোজ নেওয়ায় অনিহা তৈরি হয়েছিল। এদিকে সংক্রমণের বাড়বাড়ন্ত। এমতবস্থায় সঙ্ক্রামনের রাশ ধরে রাখতে বুস্টার ডোজ খুবই গুরুত্বপূর্ণ। মহামারী ঠেকাতে এবার ১৮ ঊর্ধ্বদেরও বুস্টার ডোজ বিনামূল্যে করার গুরুত্বপুর্ন সিদ্ধান্ত নিল কেন্দ্রীয় সরকার।

জুলাই ১৩, ২০২২
দেশ

জোর করে করোনার টিকাকরণ নয়, বিধিনিষেধও ঠিক নয়, জানিয়ে দিল সুপ্রিম কোর্ট

কাউকে করোনা টিকাকরণে জোর করা যাবে না। সোমবার করোনার টিকা সংক্রান্ত মামলায় এই রায় ঘোষণা করে সুপ্রিম কোর্ট। একইসঙ্গে দেশের সর্বোচ্চ আদালত জানিয়েছে, টিকাকরণ নীতিকে অযৌক্তিকও বলা যায় না। আদালতের পর্যবেক্ষণ, টিকা না নেওয়ার ফলে জনগণকে যে সব বিধিনিষেধের মুখোমুখি হতে হয়, তা ঠিক নয়।কেন্দ্র টিকাকরণ বাধ্যতামূলক করেছিল, ওই নির্দেশের বিরোধিতা করে সুপ্রিম কোর্টে জনৈক চিকিৎসক মামলা দায়ের করেন। এদিন সেই মামলার রায়দান ছিল। বেশ কয়েকদিন ধরেই মামলার সওয়াল-জবাব চলছিল। তার প্রেক্ষিতে এদিন এই রায় দিয়েছে দেশের সর্বোচ্চ আদালত। বিচারপতি এল নাগেশ্বর রাও এবং বিআর গাভাইয়ের ডিভিশন বেঞ্চ এই রায় দেন।জনবহুল এলাকায় টিকাহীন ব্যক্তিদের প্রবেশের উপর কোনও বিধিনিষেধ আরোপ করা সম্পূর্ণ বেআইনি বলে ঘোষণা করেছে আদালত। এই ধরনের নির্দেশ জারি থাকলে তা এখনই সরকারকে প্রত্যাহার করার নির্দেশ দিয়েছে সুপ্রিম কোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ। সুপ্রিম কোর্টের পর্যবেক্ষণ, বৃহত্তর জনকল্যাণের জন্য কিছু শর্ত আরোপ করতে পারে সরকার। আদালত রায়ে বলেছে, টিকাকরণের ফলে কোনও ব্যক্তি অসুস্থ হলে সেই বিষয়টা জনগণের সামনে তুলে ধরতে হবে। এর আগে দেখা গিয়েছে করোনার টিকা না নিলে অনেক জায়গায় ঢোকা নিষেধ ছিল। টিকা নেওয়া বাধ্যতামূলকও ছিল। রায়ের পর এই ধরনের বিধিনিষেধ রইল না।

মে ০২, ২০২২
বিদেশ

করোনা আক্রান্ত রানি এলিজাবেথ! ৩টি ডোজেও হল না রক্ষা

ভ্যাকসিনের ৩টি ডোজ নিয়েও করোনার থাবা থেকে রক্ষা পেলেন না রানিও। এর আগে প্রিন্স চালর্স থেকে শুরু করে বাকিংহাম প্যালেসের একাধিক সদস্য, কর্মীরা করোনা আক্রান্ত হলেও, মারণ সংক্রমণের ছোঁয়াচ এড়িয়েই চলছিলেন ব্রিটেনের রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথ। তবে শেষরক্ষা হল না। রবিবারই বাকিংহাম প্যালেসের তরফে একটি বিবৃতি জারি করে জানানো হয় যে, করোনা আক্রান্ত হয়েছেন রানি। তাঁর সংক্রমিত হওয়ার খবর পেয়েই বিশ্বের বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্র প্রধানরা ৯৫ বছরের রানির সুস্থতা কামনা করেছেন। বাদ পড়েননি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি-ও। তিনি টুইট করে রানির সুস্থতা কামনা করেছেন।I wish Her Majesty Queen Elizabeth a speedy recovery and pray for her good health. https://t.co/Em873ikLl8 Narendra Modi (@narendramodi) February 20, 2022বাকিংহাম প্যালেসের পাশাপাশি ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসনও টুইট করে রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথের করোনা সংক্রমিত হওয়ার কথা জানান। এরপরই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি তাঁর টুইট তুলে ধরে নিজেও একটি টুইট করেন। সেই টুইটে তিনি লেখেন, মেজেস্টি রানি এলিজাবেথের দ্রুত আরোগ্য কামনা করি। তাঁর সুস্থতার কামনা করছি। ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসনও রানির সুস্থতা কামনা করেন। তিনি টুইট করে লেখেন, রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথ দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠুন এবং সুস্থ স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসুন, সকলের হয়ে এই কামনাই করছি আমি।বাকিংহাম প্যালেসের তরফে জানানো হয়েছে, করোনা আক্রান্ত হলেও, কাজ চালিয়ে যাবেন রানি। তিনি উইন্ডসর প্রাসাদে রয়েছেন বর্তমানে। সেখান থেকেই আগামী সপ্তাহ অবধি যাবতীয় কাজ সামলাবেন।

ফেব্রুয়ারি ২১, ২০২২
বিদেশ

ভ্যাকসিনের চতুর্থ ডোজকে আটকে দিতে পারে ওমিক্রন !

ভ্যাকসিনের চতুর্থ ডোজকেও আটকে দিতে পারে ওমিক্রন! করোনা ভাইরাস আসার পর দুবছর ইতিমধ্যেই অতিক্রান্ত। সারা বিশ্ব এই ভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়াই করছে। বিভিন্ন দেশেই নাগরিকদের করোনা টিকা দুটি ডোজ দেওয়ার কাজ সম্পন্ন হয়েছে, এখন সংক্রমণ রুখতে তৃতীয় ডোজ দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করেছে অনেক দেশ। এরমধ্যেই করোনার ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্টের আগমন উদ্বেগ আরও বাড়িয়ে তুলেছে। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন ওমিক্রন করোনার অন্যান্য ভ্যারিয়েন্ট গুলির তুলনায় অনেক বেশি সংক্রমক। এবার ওমিক্রন সংক্রমণ রোধে গবেষণায় নতুন দাবি সামনে এল। সোমবার, ইজরায়েলের এক হাসপাতালের তরফে প্রাথমিক গবেষণায় দাবি করা হয়েছে ভ্যাকসিনে চতুর্থ ডোজ সাময়িকভাবে রোধ করতে পারে ওমিক্রন সংক্রমণ।দেশে লাফিয়ে বাড়ছে করোনা সংক্রমণ। করোনা সংক্রমণের তৃতীয় ঢেউয়ে উদ্বেগ আরও বাড়াচ্ছে করোনার নতুন ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্ট। মঙ্গলবার পাওয়া তথ্য অনুযায়ী জানা গিয়েছে দেশে নতুন করে ২ লক্ষ ৩৮ হাজার মানুষ করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। ওমিক্রনে আক্রান্তের সংখ্যা পৌঁছেছে ৮ হাজার ৮৯১তে। দেশের ২৯ রাজ্যে থাবা বসিয়েছে ওমিক্রন। করোনা সংক্রমণ রুখতে বিধিনিষেধ জারি করা হলেও দেশের একাধিক প্রান্তে ধরা পড়ছে নিয়ম ভাঙার চিত্র। এরইমধ্যে ইজরায়েলের হাসপাতালের তরফে এমন উদ্বেগজনক দাবি করা হল।

জানুয়ারি ১৮, ২০২২
সম্পাদকীয়

মেগা কোভিড-১৯ টেস্টিং ড্রাইভ' হোক রাজ্য জুড়ে, কেন বঞ্চিত বাকি অঞ্চল

বাংলায় করোনার পজিটিভিটি রেট ৩০ শতাংশের আশেপাশে ঘোরাফেরা করছে। যা অত্যন্ত উদ্বেগের বিষয়। পাশাপাশি করোনা-আক্রান্তের মৃতের সংখ্যাও ক্রমশ বেড়ে চলেছে। গত কয়েক দিন ধরে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা গড়ে ২০ হাজারের বেশি। কিন্তু এখনও সাধারণ মানুষের একটা বড় অংশ সচেতন নয়। উৎসব, মেলা অনেক হল, এবার সরকারি উদ্যোগেও ঘাটতি থাকা উচিত নয়। ডায়মন্ডহারবারে এক দিনে ৫০ হাজার কোভিট টেষ্ট করা হয়েছে, সেক্ষেত্রে রাজ্যের অন্য সংসদীয় এলাকায়ও এমন উদ্যোগ নেওয়া হোক। একটি লোকসভা কেন্দ্রে সরকার পরীক্ষার ব্যবস্থা করবে বাকি কেন্দ্রে তা হবে না তা কোনও গণতান্ত্রিক দেশে হওয়া বাঞ্ছিত নয়। এক্ষেত্রে একই রাজ্যে তো নয়ই।করোনা আমাদের সামাজিক পরিকাঠামোর সর্বনাশ করেছে। শিক্ষা ব্যবস্থা তলানিতে গিয়ে ঠেকেছে, ছোট-বড় বেসরকারি সংস্থার কর্মী, খেটে খাওয়া মানুষরা আজ বড় অসহায়। তবু করোনা বিধিকে তোয়াক্কা করছেন না একটা অংশ। কেন তাঁদের এই অনীহা এটা আজ প্রশ্ন। তৃতীয় ঢেউ আছড়ে পড়লেও অল্প দিনে সেরে ওঠায় অনেকে হালকা ভাবে নিচ্ছেন। কিন্তু পজিটিভিটি রেট ও মৃত্যুর সংখ্যা চিন্তায় রেখেছে চিকিৎসক মহলকে। অতএব করোনা নিয়ে সচেতন না হলে আগামি দিনে কী বড় বিপদ অপেক্ষা করছে তা কারও জানা নেই।বিশেষজ্ঞরা নানা আশার বানী শোনাচ্ছেন। চিকিৎসা বিজ্ঞানীদের একটা অংশের দাবি, ভ্যাকসিনের কাজ করবে ওমিক্রণ। তাহলে তো অতি উত্তম। কিন্তু যে ভাইরাসটা সম্পর্কে কোনও গবেষণা সম্পূর্ণ নেই, তা সম্পর্কে সাবধানতা অবলম্বন করা শ্রেষ্ঠ উপায় বলেই মনে করা হচ্ছে। কলকাতা পুরনিগমের নির্বাচন ও শীতের উৎসবের পর তৃতীয় ঢেউ শুরু হয়ে যায়। মুখে মাস্ক ও ভিড় এড়ানোই করোনা মোকাবিলার সেরা অস্ত্র বলে আসছেন, তা কেন গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে না সেটাই মূল প্রশ্ন। সরকারের সঙ্গে সাধারণ মানুষকে করোনা মোকাবিলায় শরিক হতে হবে। আজ মনে হতে পারে আমার কিছু হবে না, ঘুরিয়ে সেই বিপদ কখন নিজের বাড়িতে হাজির হয়ে যাবে তার কোনও গ্যারান্টি নেই।এদিকে তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক তথা ডায়মন্ডহাবারের সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন, রাজ্যে পজিটিভিটি রেট ৩ শতাংশের নীচে কমিয়ে আনতে হবে। ডায়মন্ডহারবার সংসদীয় কেন্দ্রে একদিনে ৫০ হাজার মানুষের করোনা টেষ্ট করা হয়েছে। খুব ভালো উদ্য়োগ। কিন্তু কেন রাজ্যের বাকি ৪১টি কেন্দ্রে এই উদ্যোগ নেওয়া হল না সেটা বড় প্রশ্ন। ওই ৫০ হাজার মানুষের করোনা টেষ্ট তো সরকারি অর্থেই হয়েছে। এমন নয় তো বেসরকারি সংস্থা সমাজেসেবা করেছে। তাহলে একই রাজ্যের অন্য সংসদীয় কেন্দ্রেও এমন উদ্যোগ নেওয়া উচিত। প্রথমত এক রাজ্যে ভিন্ন নীতি হবে কেন? অন্য় সংসদীয় কেন্দ্রের নাগরিকরা কেন বঞ্চিত হবে? সংসদীয় কেন্দ্র ভিত্তিক না হোক জেলা ভিত্তিক, মহকুমা বা ব্লক ভিত্তিক করোনা পরীক্ষার করার ব্যবস্থাও করতে পারে সরকার।

জানুয়ারি ১৬, ২০২২
দেশ

Booster Dose: করোনার বাড়বাড়ন্তের মধ্যেই আজ থেকে শুরু বুস্টার ডোজ

নতুন বছরের শুরুতেই ছোটদের ভ্যাকসিন দেওয়ার কাজ শুরু হয়েছে। আর এবার টিকাকরণের আরও এক নতুন পর্যায় শুরু হচ্ছে। সোমবার থেকে দেশজুড়ে শুরু বুস্টার ডোজ বা প্রিকশন ডোজ দেওয়ার পর্ব। গত বছরের শেষে করোনার ভ্যাকসিনের এই তৃতীয় ডোজ দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। আজ, সোমবার থেকে শুরু হচ্ছে সেই প্রক্রিয়া।মূলত চিকিৎসক, নার্স, স্বাস্থ্যকর্মী, যাঁরা করোনার প্রথম সারির যোদ্ধা হিসেবে চিহ্নিত, তাঁদের এই প্রিকশন ডোজ দেওয়া হবে। এ ছাড়া ৬০ বছরের বেশি বয়স হলে ও কো-মর্বিডিটি অর্থাৎ ডায়াবেটিস বা উচ্চ রক্তচাপের মতো কোনও অসুস্থতা থাকলে তাঁদের এই প্রিকশন ডোজ দেওয়া হবে। এখনও পর্যন্ত সব প্রাপ্তবয়স্কদের কবে প্রিকশন ডোজ দেওয়া হবে, সেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি।এ বিষয়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রকের নির্দেশিকায় স্পষ্ট করে কিছু বলা হয়নি। গত বছর মে মাসে জারি করা নির্দেশিকায় বলা হয়েছিল, প্রথম টিকা নেওয়া পর যাঁরা কোভিড পজিটিভ হয়েছেন, তাঁদের দ্বিতীয় টিকা নিতে অন্তত তিন মাস অপেক্ষা করতে হবে। কিন্তু তৃতীয় টিকা সংক্রান্ত নির্দেশিকায় এ ব্যাপারে কিছু বলা নেই। ফলে চিকিৎসক এবং স্বাস্থ্যকর্মীদের মধ্যে এ নিয়ে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে।মন্ত্রকের নির্দেশিকা অনুযায়ী, তৃতীয় টিকা নেওয়ার জন্য আগে থেকে কোউইন অ্যাপে নাম নথিভুক্ত করার প্রয়োজন নেই। টিকাদান কেন্দ্রে গিয়ে নাম নথিভুক্ত করালেই এই বুস্টার টিকা পাওয়া যাবে। স্বাস্থ্যকর্মী, প্রথম সারির কর্মীরা ছাড়া ষাটোর্ধ্ব যে সব ব্যক্তির হাইপার টেনশন, ডায়বেটিস এবং অন্য কোন অসুখ রয়েছে, তাঁরা চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে এই টিকা নিতে পারবেন।স্বাস্থ্য মন্ত্রক জানিয়েছে, দ্বিতীয় টিকা নেওয়ার অন্তত ৯ মাস পর এই বুস্টার টিকা নেওয়া যাবে। প্রথম এবং দ্বিতীয় টিকার মতোই তৃতীয় টিকা এক হতে হবে। কোনও মিশ্রণ চলবে না। অর্থাৎ যাঁরা কোভ্যাকসিন নিয়েছেন, তাঁদের ওই টিকাই নিতে হবে। আবার যাঁরা কোভিশিল্ড নিয়েছেন, তাঁদেরও তৃতীয় টিকা কোভিশিল্ডেরই নিতে হবে।

জানুয়ারি ১০, ২০২২
রাজ্য

Vaccine: প্রায় ৩ লক্ষ কিশোর-কিশোরীকে করোনার টিকা দেওয়ার প্রস্তুতি শুরু পূর্ব বর্ধমানে

শিশুদের করোনার টিকাকরণের কথা বড়দিনে ঘোষণা করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তারপর থেকেই পূর্ব বর্ধমান জেলাতেই শুরু হয়ে গিয়েছে ১৫ থেকে ১৮ বছর বয়সীদের টিকাকরণের প্রস্তুতি। জেলা প্রশাসন ও স্বাস্থ্য দফতরের তরফে শীঘ্রই জেলার প্রায় ৩ লক্ষ কিশোর-কিশোরীকে করোনার টিকা দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে। প্রথম পর্যায়ে জেলার ২৩টি ব্লক ও ৬ টি পৌরসভা থেকে একটি করে স্কুল বেছে নিয়ে টিকাকরণের কাজ শুরু হবে। এছাড়াও যেসব কিশোর কিশোরী স্কুল ছুট হয়ে রয়েছে তাঁদের জন্য বিশেষ ব্যবস্থা নিচ্ছে স্বাস্থ্য দফতর।জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক প্রণব রায় জানিয়েছেন, প্রথম দিন জেলার প্রতিটি স্কুলে ২০০ জন করে পড়ুয়াকে টিকা দেওয়া হবে। একটি স্কুলে টিকাকরণ সম্পূর্ণ হওয়ার পরে অন্য স্কুলে টিকাকরণ শুরু হবে। বিষয়টি নিয়ৈ ব্লক প্রশাসন ও পৌরসভাগুলিকে মাইক্রো প্ল্যান করে স্বাস্থ্য দফতরের সঙ্গে আলোচনা করতে বলা হয়েছে। জেলা স্বাস্থ্য দফতরের তরফে দাবি করা হয়েছে, পৌনে ৩ লক্ষ পড়ুয়াকে স্কুল থেকেই টিকা দেওয়ার পরিকল্পনা তাঁরা নিয়েছেন। এছাড়াও ছুল ছুট থাকা অন্তত ২৫ হাজার জনকে টিকা দেওয়ার প্রস্তুতি সেরে রাখা হয়েছে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ, কাটোয়া ও কালনা মহকুমা হাসপাতালে। স্বাস্থ্য দফতরের তরফে আরও জানানো হয়েছে, ১৫ থেকে ১৮ বছরের বয়সীদের জন্যে পূর্ব বর্ধমান জেলায় ২ লক্ষ ৪০ হাজার টিকা মজুত রয়েছে। বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজের অধ্যক্ষ প্রবীর সেনগুপ্ত জানান, আমরা সব রকম প্রস্তুতি নিয়ে রাখছি। অনলাইনের পাশাপাশি প্রয়োজন হলে অফলাইনেও টিকা দেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে।জেলা স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, বৃস্পতিবার পর্যন্ত পূর্ব বর্ধমান জেলার ৫০ লক্ষ ৮৯ হাজার ৮৭ জন বাসিন্দা টিকা নিয়েছেন। তারমধ্যে প্রথম ডোজ নিয়েছেন ৩৪ লক্ষের মতো মানুষ। তবে দ্বিতীয় ডোজ় নেওয়া ব্যক্তির সংখ্যা এখনও ৫০ শতাংশ ছুঁতে পারেনি। সেই কারণে আগামী রবিবার থেকে শুরু হওয়া দুয়ারে সরকার শিবিরে দ্বিতীয় ডোজ় দেওয়ার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। জেলাশাসক প্রিয়াঙ্কা সিংলা বলেন, মাস্ক বাধ্যতামূলক বলে দুয়ারে সরকার শিবিরে বড় বড় করে লেখা থাকবে। শিবিরে মাস্ক পড়ার জন্যে কড়াকড়ি করতে পুলিশকে বলাও হয়েছে।

ডিসেম্বর ৩১, ২০২১
দেশ

DGCI: কোভিড-যুদ্ধে আরও দুই টিকা ও ওষুধকে ছাড়পত্র দিল ডিসিজিআই

আরও দুই টিকা কোভোভ্যাক্স ও কোরবেভ্যাক্স-কে ভারতে ব্যবহারের ছাড়পত্র দিল ড্রাগ কন্ট্রোলার জেনারেল অব ইন্ডিয়া (ডিসিজিআই)। এর সঙ্গে অ্যান্টি ভাইরাল ওষুধ মলনুপিরাভিরকে করোনা আক্রান্ত রোগীদের বিশেষ ক্ষেত্রে ব্যবহারের অনুমতি দেওয়া হয়েছে।টিকা দুটি কেন্দ্রীয় সংস্থার বিশেষজ্ঞ প্যানেলের বিবেচনাধীন ছিল। সোমবারই ওই বিশেষজ্ঞ প্যানেল চূড়ান্ত ছাড়পত্রের জন্য পাঠায়। বড়দের ক্ষেত্রে জরুরি পরিস্থিতিতে এই টিকা দুটি ব্যবহার করা যাবে বলে স্বাস্থ্য মন্ত্রক অনুমতি দিয়েছে। অন্যদিকে অ্যান্টি ভাইরাল ওষুধ মলনুপিরাভিরকে কোভিড আক্রান্তের ক্ষেত্রে জরুরি প্রয়োজনে ব্যবহার করার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী মনসুখ মাণ্ডব্য এ খবর টুইট করে জানিয়েছেন।এই নিয়ে সব মিলিয়ে দেশে মোট আটটি করোনা টিকা ব্যবহারের অনুমোদন দিল স্বাস্থ্য মন্ত্রক। দেশের দৈনিক কোভিড সংক্রমণ পর পর তিন দিন ছহাজারের ঘরেই রয়েছে। তবে দেশে ওমিক্রনে আক্রান্তের সংখ্যা বৃদ্ধি উদ্বেগের কারণ হয়েছে স্বাস্থ্য মন্ত্রকের।

ডিসেম্বর ২৮, ২০২১
দেশ

Modi: নতুন বছরেই টিকা ১৫-১৮ বছর বয়সিদের, ষাটোর্ধ্বদের বুস্টার, জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণে ঘোষণা মোদির

আগামী ৩ জানুয়ারি থেকে ১৫ থেকে ১৮ বছর বয়সিদের জন্য টিকাকরণ অভিযান শুরু হবে। পাশাপাশি ১০ জানুয়ারি থেকে কো-মর্বিডিটি সম্পন্ন ষাটোর্ধ্ব ব্যক্তিদের বুস্টার ডোজ দেওয়া হবে। জাতির উদ্দেশে ভাষণে এমনটাই ঘোষণা করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির। স্বাস্থ্যকর্মী ও করোনা যোদ্ধাদেরও দেওয়া হবে টিকার বুস্টার ডোজ।প্রধানমন্ত্রী মোদি শনিবার জাতির উদ্দেশে বলেন, করোনা এখনও পুরোপুরি চলে যায়নি। নতুন রূপ ওমিক্রনে আক্রান্তদের খোঁজ মিলছে ভারতেও। তিনি বলেন, এই পরিস্থিতিতে আমাদের কোভিড বিধি যথাযতভাবে পালন করতে হবে। দেশের স্বাস্থ্য পরিকাঠামো পুরোপুরি তৈরি। দেশে ১৮ লক্ষ আইসোলেশন বেড ও লক্ষাধিক আইসিইউ বেড প্রস্তুত রয়েছে।গোটা দেশ এখন উৎসবের মেজাজে। বড়দিন আর বর্ষবরণের আনন্দে মেতে গোটা দেশ। এই পরিস্থিতি সংক্রমণ আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। সেই কথাই আজ উঠে আসে প্রধানমন্ত্রীর কথায়। বলেন, আমার প্রিয় দেশবাসী, আপনাদের প্রত্যেককে বড়দিনের শুভেচ্ছা। আপনারা সবাই বর্ষবরণের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন। কিন্তু এখন উৎসাহের পাশাপাশি, সচেতন থাকাও দরকার। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ওমিক্রনের জন্য সংক্রমণ বাড়ছে। ভারতেও অনেকেই ওমিক্রনে আক্রান্ত হয়েছেন। আমি আপনাদের অনুরোধ করব, ভয় পাবেন না। হ্যা, সতর্ক থাকুন, সজাগ থাকুন। মাস্ক পরুন।

ডিসেম্বর ২৫, ২০২১
দেশ

Omicron: বুস্টার-সহ ৩টি টিকা নিয়েও ওমিক্রন আক্রান্ত মুম্বইয়ের যুবক

বুস্টার-সহ তিনটি করোনা টিকা নেওয়ার পরেও ওমিক্রনে আক্রান্ত হয়েছেন এক যুবক। বৃহন্মুম্বই পুরসভা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আমেরিকা ফেরত ওই ব্যক্তির জিন বিন্যাসের পরীক্ষা করে করোনা ভাইরাসের ওমিক্রন রূপের সংক্রমণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া গিয়েছে।ওই যুবক ফাইজারের দুটি টিকা নেওয়ার পরেও সতর্কতামূলক পদক্ষেপ হিসেবে বুস্টার নিয়েছিলেন বলে বিএমসি-র বিবৃতিতে বলা হয়েছে। আক্রান্তের সংস্পর্শে আসা দুই ব্যক্তির আরটিপিসিআর পরীক্ষা করানো হলেও তাঁদের দেহে করোনা ভাইরাস সংক্রমণ ধরা পড়েনি।বিএমসি-র তরফে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ২৯ বছরের ওই যুবক নভেম্বরের গোড়ায় নিউ ইয়র্ক থেকে মুম্বই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছেছিলেন। তাঁর শরীরে করোনা ভাইরাস সংক্রমণের কোনও উপসর্গ ছিল না। বিমানবন্দরে নিয়ম মাফিক পরীক্ষায় জানা যায় তিনি কোভিড-১৯ আক্রান্ত। ফলে তাঁকে হাসাপাতালে ভর্তি করানো হয়। এর পরে তাঁর জিন বিন্যাস পরীক্ষা হয়েছিল।প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে, করোনা আক্রান্ত হওয়ার পর যে দুজনের সংস্পর্শে সবথেকে বেশি এসেছিলেন ওই যুবক, তাদের পরীক্ষা করানো হয়েছে এবং রিপোর্ট নেগেটিভ এসেছে। আপাতত ওই রোগী হাসপাতালেই ভর্তি রয়েছে।এই নিয়ে বাণিজ্যনগরীতে ওমিক্রন আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৫-এ। এদের মধ্যে ৫ জন মুম্বইয়ের বাসিন্দা নন বলেই জানা গিয়েছে। তবে সুখবর হল, আক্রান্ত ১৫ জন রোগীর মধ্যে ১৩ জনই ইতিমধ্যে সুস্থ হয়ে উঠেছেন এবং বাড়ি চলে গিয়েছেন। বাকি দুইজন চিকিৎসাধীন রয়েছেন। দেশের পরিসংখ্যানের নিরিখে সর্বাধিক আক্রান্তের খোঁজ মহারাষ্ট্রেই পাওয়া গিয়েছে, এখনও অবধি রাজ্যের মোট ৪০ জন ওমিক্রনে আক্রান্ত হয়েছেন।

ডিসেম্বর ১৮, ২০২১
রাজ্য

Burdwan Municipality: লক্ষ্যমাত্রা ছাপিয়ে করোনা টিকাকরণ বর্ধমানে, চলছে শহর জুড়ে সার্ভে

সীমিত ক্ষমতার মধ্যে করোনা টিকাপ্রদানে রাজ্য খুব ভাল কাজ করছে বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ইতিমধ্যে কলকাতা পুরসভার নির্বাচন ঘোষণা করা হয়েছে। এদিকে দক্ষিণবঙ্গের বর্ধমান পুরসভা এলাকায় টিকাকরণের লক্ষ্যমাত্রা ছাপিয়ে গিয়েছে। একইসঙ্গে চলছে দুয়ারে ভ্যাকসিন প্রকল্প। তাছাড়া শহরে যাঁরা এখনও করোনা ভ্যাকসিন নেননি তাঁদের খুঁজে বের করার জন্য সার্ভে করা হচ্ছে পুরসভার পক্ষ থেকে।করোনা সংক্রমণের নিরিখে এদিনও রাজ্যের মধ্যে শীর্ষে কলকাতা। রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরের রিপোর্ট অনুসারে রবিবার কলকাতায় করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ১৯৮ জন, তারপরই রয়েছে উত্তর ২৪ পরগনায় ১৩০ ও দক্ষিণ ২৪ পরগনায় আক্রান্তের সংখ্যা ৬২। গত ২৪ ঘণ্টায় পূর্ব বর্ধমান জেলায় আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ১১ জন। তার মধ্যে বর্ধমান শহরে মাত্র ১ জন। রাজ্যে মোট আক্রান্তের সংখ্যা ৭১৫। এদিকে ওমিক্রণ ভ্যারিয়েন্ট নিয়ে নতুন করে আতঙ্ক ছড়িয়েছে সারা বিশ্বেই। যদিও রাজ্যে করোনা টিকারকরণের গতি অব্যাহত।বর্ধমানের উপ-পুরপ্রশাসক আইনুল হক বলেন, বর্ধমানে দ্রুত গতিতে চলছে কোভিড টিকাকরণের কাজ। ইতিমধ্যে আমরা লক্ষ্যমাত্রা অতিক্রম করেছি। প্রথম ডোজে আমাদের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ২ লক্ষ ৬০ হাজার। এরইমধ্যে ৩ লক্ষ ৮০ হাজার টিকাকরণ সম্পূর্ণ হয়েছে। দ্বিতীয় ডোজ হয়েছে ১ লক্ষ ৬৫ হাজার। শহরের বাইরের বহু মানুষ টিকা নিচ্ছেন। পুর এলাকায় এখন ২০টি টিকারকরণ শিবির চলছে। এর আগে ২৭টি শিবির ছিল। রাজ্যে যেন একজনও কোভিড টিকা থেকে বাদ না যায় সেকথা ঘোষণা করেছেন মুখ্য়মন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আইনুল হক বলেন,, দুয়ারে ভ্যাকসিন প্রকল্পও শহরে চালু রয়েছে। অসুস্থ, শারীরিক ভাবে অক্ষম ও সিনিয়ার সিটিজেন-রা পৌরসভা-য় যোগাযোগ করলে আমাদের ভ্যাকসিন-ভ্যান তাঁদের বাড়ি গিয়ে টিকা দিয়ে আসছে। এর পাশাপাশি একজনও কোভিড টিকাকরণ থেকে বাদ না পড়ে তার জন্য বাড়ি বাড়ি গিয়ে সার্ভে করা হচ্ছে।

নভেম্বর ২৮, ২০২১
রাজ্য

Vaccine: লাইনে হুড়োহুড়ি নয়, এই জেলায় বাড়িতে বসেই মিলবে কোভিড-টিকার কুপন

কোভিডের টিকা পাওয়ার জন্য টিকা-কেন্দ্রগুলিতে এতদিন শুধুই দেখা গেছে ভিড়, হুড়োহুড়ি আর ধাক্কাধাক্কি। তবে পূর্ব বর্ধমান জেলা প্রশাসন ও স্বাস্থ্য দপ্তরের ব্যবস্থাপনায় এই সবেরই ইতি ঘটতে চলেছে। এবার থেকে বাড়িতে বসেই কোভিডের টিকার কুপন পেয়ে যাবেন গ্রহীতারা। আশা ও অঙ্গনওয়ারী কর্মীরাই গ্রহীতাদের বাড়িতে টিকার কুপন পৌছে দিয়ে আসবেন। একটি কেন্দ্রে একদিনে সর্বোচ্চ ২০০ জন পাবেন টিকা। সেই টিকার কুপন বিলির জন্যে মহকুমা ও ব্লকে বিশেষ কন্ট্রোল রুম খোলারও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে প্রশাসনের তরফে। পরিকাঠামোর দিক থেকে উন্নত এমন স্কুলে একদিনে একাধিক শিবির করার বিষয়টি নিয়েও প্রশাসনিক স্তরে চলছে ভাবনা চিন্তা।আরও পড়ুনঃ সবরকম সাহায্য করব, ইডি অফিসে সুরবদল অভিষেকেরকোভিডের টিকা পাওয়ার জন্য রাজ্যের অন্যান্য জেলার পাশাপাশি পূর্ব বর্ধমানের বিভিন্ন টিকা-কেন্দ্রেও হুড়োহুড়ি, ধাক্কাধাক্কি ও বিশৃঙ্খলার ঘটনা ঘটেছে। তাতে কেউ কেউ আহতও হন। এছাড়াও টিকা পাওয়ার জন্য কোথাও আগের দিন থেকে আবার কোথাও ভোর রাত থেকে লাইনে দাঁড়িয়েও অনেককে টিকা না পেয়ে হতাশ হয়ে বাড়ি ফিরে যেতে হয়। টিকা নিতে আগ্রহীদের এমন পরিস্থিতি থেকে রেহাই দিতে জেলাশাসক, পুলিশ সুপার ও জেলা স্বাস্থ্য আধিকারিকরা এক সঙ্গে বৈঠকে বসেন। সেই বৈঠকেই গ্রহীতাদের বাড়িতে টিকার কুপন পৌছে দেবার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।আরও পড়ুনঃ জল্পনাই সত্যি হল, সিআইডির হাজিরা এড়ালেন শুভেন্দুজেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক প্রণব রায় জানিয়েছেন, পৌরসভা এলাকায় মহকুমা শাসক ও ব্লকে বিডিও-র তত্ত্বাবধানে টিকা দেওয়া হবে। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে দুএকদিনের মধ্যেই আশা অথবা অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীরা গ্রহীতাদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে কুপন দিয়ে আসবেন। এছাড়াও কো-উইন অ্যাপ্লিকেশনের মাধ্যমে যাঁরা টিকার জন্যে আবেদন করবেন,তাঁরাও স্বাভাবিক নিয়মে সংশ্লিষ্ট কেন্দ্র থেকে টিকা পাবেন। অতিরিক্ত জেলাশাসক কাজল রায় জানান, ভিড় এড়াতে প্রতিটি টিকা গ্রহণ কেন্দ্রে সর্বোচ্চ ২০০ জনকে টিকা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। একদিন আগে গ্রহীতাদের হাতে টিকার কুপন পৌছে দেওয়ার জন্য বলা হয়েছে। এতদিন পূর্ব বর্ধমান জেলায় দৈনিক ৩৮টি কেন্দ্রে টিকা দেওয়া হয়েছে । ভিড় এড়াতে শিবিরের সংখ্যা আরও অনেক বাড়ানোর চিন্তাভাবনা নেওয়া হয়েছে।আরও পড়ুনঃ ২৯ এ পা পায়েলেরজেলা স্বাস্থ্য দপ্তরের সোমবারের হিসাব অনুযায়ী এক লক্ষের মত টিকা মজুত রয়েছে।স্বাস্থ্য দপ্তর দ্বিতীয় ডোজ় গ্রহীতাদের টিকা দেওয়ার বিষয়টি অগ্রধিকারে রাখতে চাইছে বলে জানা গিয়েছে ।টিকার স্বাভাবিক যোগান থাকলে প্রতিদিন ন্যূনতম ২০ হাজার জনকে টিকা দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা রেখেছে জেলা স্বাস্থ্য দপ্তর।

সেপ্টেম্বর ০৬, ২০২১
রাজ্য

Vaccine: ফোনে কথা বলছেন নার্স, ভ্যাকসিন পড়ল পর পর ৩ ডোজ!

ফের টিকা-বিভ্রাট। কর্তব্যরত স্বাস্থ্যকর্মীদের গাফিলতির মাশুল দিলেন টিকা-গ্রহীতা। পরপর তিনটি ডোজ নিয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েছেন তিনি। কানে কম শুনছেন, হাড়ের ব্যথা। অবস্থা এতটাই গুরুতর যে, হাসপাতালে ভর্তি করতে হয়েছে। ঘটনাকে কেন্দ্র চাঞ্চল্য ছড়াল জলপাইগুড়ির মালবাজারে।জানা গিয়েছে, মালবাজার মহকুমার নাগরাকাটা ব্লকের আঙ্গড়া ভাষা ২ নম্বর পঞ্চায়েত উত্তর ধন্ধাশিমলা এলাকার বাসিন্দা পরিতোষ রায়। পেশায় তিনি মিস্ত্রি। করোনা তৃতীয় ঢেউ-র আশঙ্কা বাড়ছে ক্রমশই। রাজ্যজুড়ে টিকাকরণ কর্মসূচি চলছে জোরকদমে। নাগরাকাটা ব্লকের ধুমপাড়া স্বাস্থ্যকেন্দ্রের পাশে একটি স্কুলে চলছে ভ্যাকসিনেশন ক্যাম্প। বৃহস্পতিবার সেই ক্যাম্পে করোনা টিকার প্রথম ডোজ নিতে যান পরিতোষ।আরও পড়ুনঃ ইডার দাপটে লন্ডভন্ড নিউইয়র্ক, মৃত অন্তত ৪৪এদিকে ওই ভ্যাকসিনেশন ক্যাম্পে কর্তব্যরত স্বাস্থ্যকর্মীরা ফোনে ব্যস্ত ছিলেন বলে অভিযোগ। ফোনে কথা বলতে বলতেই নাকি টিকা দিচ্ছিলেন তাঁরা! পরিতোষ রায়ের দাবি, ভুলবশত পরপর তিনবার অর্থাৎ একসঙ্গে টিকার তিনটি ডোজ দেওয়া হয় তাঁকে। বাড়ি ফিরে অসুস্থ হয়ে পড়েন টিকা-গ্রহীতা। তাঁকে প্রথমে নিয়ে যাওয়া হয় স্থানীয় স্বাস্থ্যকেন্দ্রে। শেষপর্যন্ত যখন শারীরিক অবস্থার আরও অবনতি হয়, তখন স্থানান্তরিত করা হয় মালবাজার সুপার স্পেশ্যালিটি হাসপাতালে। চিকিৎসা চলছে। রোগীকে পর্যবেক্ষণে রেখেছেন চিকিৎসকরা। জানা গিয়েছে, ইতিমধ্যেই খোঁজ-খবর নিতে শুরু করেছেন স্বাস্থ্য দপ্তরের আধিকারিকরা। অভিযোগ পেলে খতিয়ে দেখা হবে। কিন্তু ঘটনাটি যদি মিথ্যা প্রমাণিত হয়, সেক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে। যদিও এই অভিযোগ ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছেন জলপাইগুড়ির মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক রমেন্দ্র নাথ প্রামাণিক। তিনি বলেন, এটা হতেই পারে না। কী কারণে অসুস্থতা, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

সেপ্টেম্বর ০৩, ২০২১
রাজ্য

Vaccine Theft : করোনা ভ্যাকসিন চুরির অভিযোগ হাসপাতাল কর্মীর বিরুদ্ধে

কোভিড ভ্যাকসিন চুরির অভিযোগ উঠলো হাসপাতালেরই এক কর্মীর বিরুদ্ধে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক ক্ষোভ বিক্ষোভ ছড়িয়েছে পূর্ব বর্ধমানের গলসির ভুঁড়ি এলাকায়। ভুঁড়ি প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রের অস্থায়ী কর্মী উৎপল ঘোষ দীর্ঘদিন ধরে কোভিডের ভ্যাকসিন চুরি করে বিক্রি করছিলেন বলে অভিযোগ এলাকাবাসীর। তাঁরা ভ্যাকসিন চুরি করে বিক্রি করা নিয়ে বৃহস্পতিবার গলসি ২ ব্লকের বিডিও এবং আদড়াহাটী ব্লক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে উৎপল ঘোষের বিরুদ্ধে অভিযোগও দায়ের করেছেন। অভিযোগের বিষটি নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে প্রশাসন ও স্বাস্থ্য দপ্তর।গলসির ভুঁড়ি এলাকার বাসিন্দা গোপিনাথ মুখোপাধ্যায়, রাজু মল্লিক, আসগর মল্লিকরা জানান, বুধবার ভুঁড়ি হাসপাতালে ভ্যাকসিনের ক্যাম্প ছিল। সেখানে ১৯৭ জনের ভ্যাকসিন পাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু ২৭ জন ভ্যাকসিন পাননি। তাঁদের পরের ক্যাম্পের দিন ভ্যাকসিন দেওয়া হবে জানিয়ে টোকেন দেন হাসপাতাল কর্মী উৎপল ঘোষ ও আশা কর্মীরা। বাসিন্দারা অভিযোগ করেন, ২৭ জন লাইনে দাঁড়িয়ে ভ্যাকসিন না পেলেও ওইদিন সাতটি ভ্যাকসিন উৎপল তাঁর বাড়িতে নিয়ে চলে যায়। অর্থের বিনিময়ে হাসপাতাল কর্মী উৎপল সরকারি ভ্যাকসিন বিক্রি করেন বলেও বাসিন্দরা অভিযোগ করেছেন। এই বিষয়ে আদড়াহাটি ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রের বিএমওএইচ জসিমউদ্দিন হাজারীকে ফেন করা হলেও তিনি ফোন না ধরায় কোন প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

সেপ্টেম্বর ০৩, ২০২১
রাজ্য

Vaccine Coupon: টাকার বিনিময়ে ভ্যাকসিনের কুপন! উত্তেজনা রায়গঞ্জ মেডিক্যালে

ভ্যাকসিনের কুপন বিলি নিয়ে উত্তেজনা ছড়ালো উত্তর দিনাজপুরের রায়গঞ্জ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে। অভিযোগ, অর্থের বিনিময়ে ভ্যাকসিনের কুপন দিচ্ছিল এক পুলিশ কর্মী। এই অভিযোগকে কেন্দ্র করেই ঘটনার সূত্রপাত। ধুন্ধুমার কান্ড ঘটে রায়গঞ্জ মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে। অন্যদিকে, অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছেন ওই পুলিশকর্মী। বিষয়টি খতিয়ে দেখার আশ্বাস দিয়েছেন হাসপাতালের কোভিড ভ্যাকসিন কন্ট্রোল ম্যানেজার।রায়গঞ্জ মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে ভ্যাকসিন নিতে আসা মানুষদের অভিযোগ, বহু দূরদূরান্ত থেকে আসা সাধারণ মানুষেরা তাদের কাজ কর্ম বাদ দিয়ে, ভ্যাকসিনের জন্য ভোর থেকে হাসপাতালে লাইন দিয়েছেন। কিন্তু লাইনে দাঁড়ানোর পর তাঁরা জানতে পারেন, আগের দিন যারা লাইনে দাঁড়িয়ে কুপন পেয়েছেন, তারা আগে ভ্যাকসিন পাবেন। এতদূর পর্যন্ত সব ঠিক ঠাক-ই চলছিলো। সকাল থেকে ভলোভাবেই চলছিলো ভ্যাকসিন প্রক্রিয়া।আরও পড়ুনঃ বেড পেতে গেলে আরেকটি শিশুর মৃত্যু অবধি অপেক্ষা করতে হবে!কিন্ত হাসপাতালের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা এক পুলিশ কর্মী কারো কাছ থেকে ২০০, কারও কাছ থেকে ৩০০ টাকার বিনিময়ে ভ্যাকসিনের কুপন বিক্রি করছেন, এই অভিযোগকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে রায়গঞ্জ মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল চত্বর। লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা সাধারণ মানুষেরা এর তীব্র প্রতিবাদ করেন। তখন কিছু পুলিশ কর্মী তাঁদের মারধোর করে বলে অভিযোগ। ঘটনার জেরে হাসপাতাল চত্বরে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়ায়। যেখানে এত মানুষ সকাল থেকে লাইনে দাঁড়িয়ে রয়েছেন, সেখানে একজন পুলিশ কর্মী কিভাবে টাকার বিনিময়ে ভ্যাকসিনের কুপন বিক্রি করছেন সে নিয়ে প্রশ্ন তোলেন ভ্যাকসিন নিতে আসা সাধারণ মানুষেরা। অবিলম্বে ওই পুলিশ কর্মীর শাস্তির দাবী জানিয়েছেন তারা।আরও পড়ুনঃ কলকাতায় টিকাকরণের নিয়মে বড়সড় বদলভ্যাকসিন নিতে আসা সাধারণ মানুষদের অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছেন ওই পুলিশ কর্মী। অপরদিকে, হাসপাতালের কোভিড ভ্যাকসিন কন্ট্রোল ম্যানেজার সব্যসাচী মুখোপাধ্যায় জানিয়েছেন, তাঁর কাছে লিখিত অভিযোগ এলে, সম্পূর্ণ বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে।

আগস্ট ২৪, ২০২১
দেশ

Delta: ডেল্টা প্লাসে মৃত্যু মুম্বইয়ের বৃদ্ধার

টিকার দুটি ডোজের কার্যকারিতায় প্রশ্ন তুলে ডেল্টা প্লাসে প্রথম মৃত্যু হল মুম্বইয়ে। গোটা মহারাষ্ট্রে এই নিয়ে দুজন ডেল্টা প্লাসে মারা গেলেন। মুম্বইয়ের স্বাস্থ্য দপ্তর সূত্রে খবর, গত ২১ জুলাই কোভিড পজিটিভ ধরা বছর তেষট্টির এক মহিলার। ডায়াবিটিস-সহ বেশ কিছু শারীরিক সমস্যাও ছিল তাঁর। মুম্বইয়ে যে সাত জনের দেহে ডেল্টা প্লাস ধরা পড়েছিল, এই মহিলাও তাঁদের মধ্যে ছিলেন। আরও পড়ুনঃ রাহুলরোহিতদের দাপটে লর্ডসে ইংরেজদের দর্প চূর্ণস্বাস্থ্য দপ্তর সূত্রে আরও জানানো হয়েছে, মহিলার দুটি টিকাই নেওয়া ছিল। গত ২৭ জুলাই তাঁর মৃত্যু হয়। তাঁকে অক্সিজেন সাপোর্ট, স্টেরয়েড এবং রেমডেসিভিরও দেওয়া হয়। কিন্তু বাঁচানো যায়নি। মহিলার নমুনা জিনোম সিকোয়েন্সিংয়ের জন্য পাঠানো হয়েছিল। বুধবার সেই রিপোর্ট এসে পৌঁছেছে। মহিলার আরও দুই আত্মীয় ডেল্টা প্লাসে আক্রান্ত বলেও জানা গিয়েছে। এর আগে মহারাষ্ট্রের রত্নগিরিতে এক ৮০ বছরের বৃদ্ধা ডেল্টা প্লাসে আক্রান্ত হয়ে মারা গিয়েছিলেন।মঙ্গলবারই স্বাস্থ্য মন্ত্রকের সাংবাদিক সম্মেলনে ন্যাশনাল সেন্টার ফর ডিজিজ় কন্ট্রোলের প্রধান সুজিত সিং জানান, জিনোম সিকোয়েন্সিংয়ের মাধ্যমে ৮৬ টি নমুনায় ডেল্টা প্লাস ভ্যারিয়েন্টের অস্তিত্ব মিলেছে। দেশের মধ্যেও ডেল্টা প্লাসে সংক্রমণ সবথেকে বেশি মহারাষ্ট্রেই, সেখানে ৩৪জন ডেল্টা প্লাসে আক্রান্তের খোঁজ মিলেছে। এরপরই মধ্যপ্রদেশে ১১ জন ও তামিলনাড়ুতে ১০ জনের নমুনায় এই ভ্যারিয়েন্টের অস্তিত্ব মিলেছে।

আগস্ট ১৩, ২০২১
রাজ্য

Vaccine: রাজ্যের ভ্যাকসিন হাহাকারে আপাতত স্বস্তি

শহরজুড়ে কোভিশিল্ডের হাহাকার। কলকাতা পুরসভার কাছে পর্যাপ্ত পরিমাণ ভ্যাকসিন নেই।দুশ্চিন্তা পুরোপুরি দূর না হলেও সামান্য স্বস্তি দিয়ে শনিবার কলকাতা বিমানবন্দরে নামল কোভিশিল্ডের সাড়ে ৩ লক্ষ ডোজ। এই পরিমাণ টিকা একেবারেই পর্যাপ্ত নয়, এ কথা পরিষ্কারভাবে মেনে নিচ্ছে স্বাস্থ্য দপ্তর। যে কোভিশিল্ড গত কয়েক মাস ধরে রাজ্য ও জেলায় তুলনামূলক সহজলভ্য থেকেছে, এখন তারই ভাঁড়ার শূন্য কলকাতা পুরসভায়। ফলে প্রথম ডোজ তো দূরেই থাক, যারা দ্বিতীয় ডোজ়ের অপেক্ষাতেও রয়েছেন, তাঁদের হা পিত্যেশ করা ছাড়া উপায় থাকছে না। স্বাস্থ্যভবন মনে করছে, পুরসভার ভুল নীতির কারণেই এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। যদিও পুরো বিষয়টি নিয়ে মুখে কুলুপ এঁটে রয়েছে পুরসভা। দায়ী করা হচ্ছে কেন্দ্রীয় সরকারের কম টিকা পাঠানোর বিষয়টিকে।এই অবস্থায় শনিবার বিকেলে কলকাতায় এসে পৌঁছেছে ৩ লক্ষ ৫৭ হাজার ২৪০ ডোজ় কোভিশিল্ড। পাশাপাশি, এ দিনই শহরে এসেছে ১ লক্ষ ডোজ কোভ্যাক্সিনও। স্বাস্থ্য দপ্তর আশাবাদী, এর ফলে যে তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে তা কিছুটা হলেও মিটবে। তবে স্বাস্থ্যভবন সূত্রে খবর, এই পরিমাণ ভ্যাকসিন কোনও মতেই পর্যাপ্ত নয়।

আগস্ট ০৭, ২০২১
কলকাতা

Vaccine: খারাপ খবর শোনাল কলকাতা পুরসভা

সপ্তাহখানেক আগে পর্যন্ত কোভ্যাক্সিন নিয়ে টানাটানি চলছিল কলকাতায়। যদিও দিনদুয়েক আগে তা মিটে গিয়েছে। কিন্তু এ বার সংকট দেখা দিয়েছে কোভিশিল্ড নিয়ে। যে ভ্যাকসিনের সরবরাহ সাধারণত নিয়মিতই হয়ে থাকে, সেই ভ্যাকসিনের ভাঁড়ারই ফুরিয়ে এসেছে। ঠিক সেই কারণে আগামিকাল থেকে কলকাতা পুরসভার ১০২ টি পুরস্বাস্থ্য কেন্দ্র এবং ৫০ টি মেগাসেন্টারে কোভিশিল্ড দেওয়া বন্ধ থাকছে।একদিকে যখন গোটা রাজ্যের টিকাকরণের ছবিটাই খুব একটা আশা জাগাতে পারছে না, তখন কলকাতা পুরসভার এই ছবি যে আরও হতাশাজনক, তা বলার অপেক্ষা রাখে না। জেলায় জেলায় টিকার দাবিতে রীতিমতো হাহাকার পড়ে গিয়েছে। এই অবস্থায় শহরবাসীর জন্য খারাপ খবর শোনাল কলকাতা পুরসভা। শুক্রবার কলকাতায় কোভিশিল্ড দেওয়া হবে না বলে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে পুরসভার পক্ষ থেকে। প্রথম বা দ্বিতীয় কোনও ডোজ মিলবে না এ দিন। কলকাতা পুরসভার কমিশনার বিনোদ কুমার বৃহস্পতিবার এই উদ্বেগজনক তথ্য জানান।

আগস্ট ০৫, ২০২১
রাজ্য

CM letter to PM: ফের একবার মোদিকে চিঠি মমতার, কী বললেন চিঠিতে?

কেন্দ্র পর্যাপ্ত টিকা দিচ্ছে না বলে অভিযোগ তুলে ফের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে চিঠি লিখলেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। চিঠিতে মমতা অভিযোগ করেছেন, বিজেপি-শাসিত রাজ্যগুলিকে অনেক বেশি টিকা দিচ্ছে কেন্দ্র। অন্যদিকে টিকাকরণের গতি ভাল হলেও চাহিদার তুলনায় বাংলা অনেক কম টিকা পাচ্ছে বলেই অভিযোগ করেছেন তিনি।আরও পড়ুনঃ ৪১ বছরের শাপমুক্তি ঘটল টোকিওতে, জার্মানিকে হারিয়ে ব্রোঞ্জ জিতল ভারতবৃহস্পতিবার চিঠিতে মমতা লেখেন, উত্তরপ্রদেশ, গুজরাত, কর্নাটকের মতো বিজেপি-শাসিত রাজ্যগুলিকে অনেক বেশি পরিমাণে টিকা দিচ্ছে কেন্দ্র। অন্যান্য রাজ্য বেশি টিকা পেলে আমার কোনও সমস্যা নেই। কিন্তু বাংলাকে বঞ্চিত হতে দেখে আমি চুপ করে থাকতে পারব না। মমতা আরও অভিযোগ করেছেন, টিকার জোগানে ঘাটতি নিয়ে বার বার কেন্দ্রকে চিঠি দিয়েছেন তিনি। দিল্লি সফরে গিয়েও টিকার প্রসঙ্গ তুলেছেন। কিন্তু কোনও জবাব পাননি। করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ের প্রভাবে সংক্রমণ বাড়ায় যুদ্ধকালীন তৎপরতায় টিকাকরণের প্রয়োজন ছিল। কিন্তু রাজ্যগুলিকে পর্যাপ্ত টিকা না পাঠানোর ফলেই প্রতি দিন হাজার হাজার মানুষ আক্রান্ত হচ্ছেন। তিনি জানান, বাংলায় এই মুহূর্তে প্রতি দিন ৪ লক্ষ টিকাকরণ হচ্ছে। রাজ্য প্রতিদিন ১১ লক্ষ টিকা দেওয়ার ক্ষমতা রাখে। কিন্তু সেই তুলনায় অনেক কম টিকা দেওয়া হচ্ছে। ইতিমধ্যেই ৩ কোটি ৮ লক্ষ মানুষকে টিকা দেওয়া হয়েছে। তার মধ্যে প্রথম টিকা পেয়েছেন ২ কোটি ২০ লক্ষ মানুষ। দ্বিতীয় টিকা পেয়েছেন ৮৮ লক্ষ ৯৩ হাজার মানুষ। পশ্চিমবঙ্গে টিকা সব থেকে কম নষ্ট হয়েছে বলেও দাবি করেছেন মমতা। তিনি আরও বলেন, বাংলার মানুষকে টিকা দেওয়ার জন্য ১৪ কোটি টিকা প্রয়োজন। কিন্তু এখনও পর্যন্ত কেন্দ্র মাত্র ২ কোটি ৬৮ লক্ষ টিকা পাঠিয়েছে কেন্দ্র।

আগস্ট ০৫, ২০২১
দেশ

Modi-Mamata: দুটি দাবি নিয়ে ২৫ মিনিটের বৈঠক মোদি-মমতার

ভ্যাপসা গরমের পর বৃষ্টিভেজা রাজধানীতে মঙ্গলবার ৪ টে বাজার মিনিট পাঁচেক আগেই প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন ৭ লোককল্যাণ মার্গে হাজির হয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মিনিট ২৫-এর বৈঠক করেন। তারপর বেরিয়ে এসে মুখোমুখি হন সংবাদ মাধ্যমের। সেখানে মমতা জানান, সংক্ষিপ্ত এই বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর কাছে মূলত দুটি দাবি জানিয়েছেন তিনি। প্রথমত, রাজ্যে করোনা টিকার সরবরাহ বৃদ্ধির আবেদন জানিয়েছেন। দ্বিতীয়ত, রাজ্যের নাম পশ্চিমবঙ্গ থেকে বাংলায় পরিবর্তন করার বিষয়টি দেখতে বলেছেন তিনি।আরও পড়ুনঃ দিনভর হেভিওয়েটদের সঙ্গে বৈঠক মমতারনানা জল্পনা এবং রাজনৈতিক সম্ভবনার আবহেই প্রায় দেড় বছর পর মুখোমুখি বৈঠকে বসেছিলেন মোদি ও মমতা। সকাল থেকে এই হাইভোল্টেজ বৈঠকের দিকেই নজর ছিল রাজনৈতিক মহলের। সেই বৈঠক এ দিন ২৫ মিনিট স্থায়ী হয়। বৈঠক শেষে মমতা বলেন, তৃতীয়বার আমাদের সরকার ক্ষমতায় আসার পর প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করার সময় চেয়েছিলাম। এটা সম্পূর্ণভাবে সৌজন্য সাক্ষাৎ ছিল। নির্বাচনের পর দেখা করাটা সাংবিধানিক বাধ্যকতা। কী নিয়ে আলোচনা হল বৈঠকে? মমতা বলেন, আমি কোভিড নিয়ে আলোচনা করেছি। যা ভ্যাকসিন পাওয়া গিয়েছে তার থেকে আমাদের চাহিদা আরেকটু বেশি। প্রত্যেক রাজ্যই পাক, তাতে আমাদের কোনও অসুবিধা নেই। কিন্তু আমাদের রাজ্যের জনসংখ্যার অনুপাতে কম ভ্যাকসিন এসেছে।আরও পড়ুনঃ স্পেনের বিরুদ্ধে দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়াল ভারতএই ছিল মমতার প্রথম দাবি। মুখ্যমন্ত্রীর দ্বিতীয় দাবিটি ছিল, পশ্চিমবঙ্গের নাম বদলের বিষয়টি যেন কেন্দ্রীয় সরকার বিচার করে। তাঁর কথায়, অনেকদিন হয়ে গেল। দয়া করে এ বার আপনি আমাদের রাজ্যের নামটা বদলের ব্যবস্থা করুন। প্রধানমন্ত্রী তাঁর সমস্ত আবেদন শুনেছেন বলেই এ দিন দাবি করেন মুখ্যমন্ত্রী।

জুলাই ২৭, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

উপনির্বাচনের আগেই বড় প্রতিশ্রুতি শুভেন্দুর! পদ্ম ফুটলেই ‘দু’হাত ভরে দেব’ ঘোষণা

উপনির্বাচনের আগেই রেজিনগর থেকে বড় রাজনৈতিক বার্তা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। জনসভার মঞ্চ থেকে তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন, রেজিনগরের মানুষ যদি বিজেপিকে জয়ী করেন, তাহলে এলাকার উন্নয়নের জন্য বড় পদক্ষেপ নেওয়া হবে। তাঁর প্রতিশ্রুতি, একটি নয়, দুটি নতুন সেতু তৈরি করা হবে। পাশাপাশি কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়িয়ে পরিযায়ী শ্রমিকদেরও রাজ্যে ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নেওয়া হবে।শুক্রবার মুর্শিদাবাদের রেজিনগরে জনসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে শুভেন্দু অধিকারী বলেন, রাজ্যে বর্তমানে বিজেপির দুইশো আটটি আসন রয়েছে। তাঁর দাবি, নন্দীগ্রামে বিজেপির জয় নিশ্চিত। সেই আসন ধরে রেখে সংখ্যা হবে দুইশো নয়। এরপর রেজিনগরেও জয় পেলে বিধানসভায় বিজেপির আসন আরও বাড়বে।ভোটারদের উদ্দেশে শুভেন্দু বলেন, রেজিনগরে পদ্মফুল ফুটলে উন্নয়নের কোনও অভাব হবে না। এলাকার যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নত করতে নতুন সেতু নির্মাণ করা হবে। পাশাপাশি কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করে বহু পরিযায়ী শ্রমিককে নিজের এলাকায় ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করা হবে, যাতে মানুষ পরিবার নিয়ে নিজের এলাকাতেই থাকতে পারেন।জনসভা থেকে তিনি রেজিনগরের প্রাক্তন জনপ্রতিনিধির নাম উল্লেখ না করেই কটাক্ষ করেন। তাঁর বক্তব্য, মানুষকে ধর্মের নামে বিভক্ত করার রাজনীতি নয়, উন্নয়নের রাজনীতি প্রয়োজন। সাধারণ মানুষের কাছে তিনি প্রশ্ন তোলেন, তারা কি সাম্প্রদায়িক বিভাজন চান, নাকি কাজ, উন্নয়ন এবং উন্নত জীবনযাত্রা চান।মুখ্যমন্ত্রী আরও দাবি করেন, বিজেপি সরকারের আমলে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকল মানুষ সমান সুযোগ পাচ্ছেন। তাঁর অভিযোগ, বিরোধীরা দীর্ঘদিন ধরে মানুষের মধ্যে ভুল ধারণা ছড়িয়েছিল। কিন্তু বাস্তবে সেই আশঙ্কা সত্যি হয়নি। তাই উন্নয়নের স্বার্থে বিজেপিকে সমর্থন করার আবেদন জানান তিনি।উল্লেখ্য, সাম্প্রতিক বিধানসভা নির্বাচনে শুভেন্দু অধিকারী ভবানীপুর এবং নন্দীগ্রামদুই কেন্দ্র থেকেই জয়ী হন। অন্যদিকে হুমায়ুন কবীর রেজিনগর এবং নওদাদুটি আসনে জয় পান। নিয়ম অনুযায়ী দুজনকেই একটি করে আসন ছাড়তে হয়েছে। সেই শূন্য আসনগুলিতেই এবার উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। রাজনৈতিক মহলের মতে, রেজিনগরের ফল আগামী দিনের রাজ্য রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দিতে পারে।

জুলাই ১০, ২০২৬
রাজ্য

মমতার প্রিয় কেষ্ট এবার ঋতব্রতের পাশে! বীরভূমে বড় পালাবদলের জল্পনা

রাজ্য রাজনীতিতে নতুন জল্পনার জন্ম দিল অনুব্রত মণ্ডলকে ঘিরে বড় খবর। সূত্রের দাবি, তিনি এবার ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন আসল তৃণমূল শিবিরে যোগ দিয়েছেন। শুধু তাই নয়, তাঁকে বীরভূম জেলার সভাপতির দায়িত্বও দেওয়া হতে পারে বলে জানা গিয়েছে। এই খবরে বীরভূমের রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে তুমুল আলোচনা।শুধু অনুব্রত মণ্ডলই নন, বীরভূমের আরও কয়েকজন প্রভাবশালী নেতাও ঋতব্রত শিবিরে যোগ দিয়েছেন বলে সূত্রের দাবি। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন কাজল শেখ, আশিস বন্দ্যোপাধ্যায়, অভিজিৎ সিংহ এবং প্রাক্তন মন্ত্রী চন্দ্রনাথ সিনহা। জানা গিয়েছে, এই নেতাদের আসল তৃণমূল-এর জাতীয় কর্মসমিতিতেও জায়গা দেওয়া হয়েছে।ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবিরের জাতীয় কর্মসমিতির বৈঠক তপসিয়ায় শুরু হয়েছে। দুই দিনের এই বৈঠকে রাজ্য এবং বিভিন্ন জেলার সভাপতিদের নাম চূড়ান্ত করা হচ্ছে। সেই বৈঠকেই বীরভূম জেলার সভাপতির দায়িত্ব অনুব্রত মণ্ডলের হাতে তুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে দলীয় সূত্রের দাবি।এই বিষয়ে অনুব্রত মণ্ডলের প্রতিক্রিয়া জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন, তাঁর জ্বর রয়েছে। তবে তিনি জানিয়েছেন, আগামীকাল কলকাতায় যেতে পারেন। যদিও শিবির পরিবর্তনের বিষয়ে তিনি সরাসরি কোনও মন্তব্য করেননি।উল্লেখ্য, গরুপাচার মামলায় গ্রেফতার হওয়ার পর অনুব্রত মণ্ডল দীর্ঘদিন জেলে ছিলেন। সেই সময় তাঁকে বীরভূম জেলা সভাপতির পদ থেকে সরিয়ে দেয় দল। পরে কোর কমিটি গঠন করে তাঁকে সেই কমিটির আহ্বায়ক করা হয়। জেল থেকে মুক্তি পাওয়ার পরও তিনি দীর্ঘদিন সক্রিয় রাজনীতিতে খুব বেশি দেখা যাননি। বিধানসভা নির্বাচনের পর প্রকাশ্যেই ক্ষোভ উগরে দিয়ে তিনি বলেছিলেন, তাঁকে কাজ করার সুযোগ দেওয়া হয়নি।রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতি বদলানোর সঙ্গে সঙ্গে তৃণমূলের অন্দরে নতুন সমীকরণ তৈরি হয়েছে। সেই আবহেই অনুব্রত মণ্ডলের এই পদক্ষেপ রাজনৈতিকভাবে তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহলের একাংশ। বীরভূমে তাঁর প্রভাব এবং সংগঠনিক দক্ষতা আসল তৃণমূল-এর শক্তি আরও বাড়াতে পারে বলেও জোর জল্পনা শুরু হয়েছে।

জুলাই ১০, ২০২৬
রাজ্য

স্বাস্থ্যমন্ত্রীর হঠাৎ পরিদর্শনে চাঞ্চল্য! হাসপাতালের ভিতরে যা ধরা পড়ল, তারপরই বড় পদক্ষেপ

স্বাস্থ্যমন্ত্রীর আচমকা পরিদর্শনের পর বারাসত মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে বড় প্রশাসনিক পদক্ষেপ নেওয়া হল। হাসপাতালের পরিচ্ছন্নতা এবং পরিষেবা নিয়ে একাধিক গাফিলতির অভিযোগ সামনে আসার পর বারো জন কর্মীকে কারণ দর্শানোর নোটিস দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। তাঁদের বিরুদ্ধে দায়িত্ব পালনে অবহেলা এবং হাসপাতালের পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখতে ব্যর্থ হওয়ার অভিযোগ উঠেছে।যাঁদের নোটিস দেওয়া হয়েছে, তাঁদের মধ্যে রয়েছেন চার জন ওয়ার্ড মাস্টার, চার জন নন-মেডিক্যাল সুপার, একজন সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণ বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত সিস্টার, প্রসূতি বিভাগের দুই জন সিস্টার ইনচার্জ এবং একজন পরিষেবার মান নিয়ন্ত্রণ আধিকারিক।হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, সম্প্রতি স্বাস্থ্যমন্ত্রী আচমকা পরিদর্শনে এসে হাসপাতালের বিভিন্ন ওয়ার্ড এবং বারান্দায় পরিচ্ছন্নতার অভাব লক্ষ্য করেন। পরিদর্শনের সময় হাসপাতালের বারান্দায় বিড়াল ঘোরাফেরা করতেও দেখা যায়। এই ঘটনায় অসন্তোষ প্রকাশ করে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন তিনি। সেই নির্দেশ মেনেই তদন্তের পর বারো জনকে কারণ দর্শানোর নোটিস পাঠানো হয়েছে।হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বারাসত মেডিকেল কলেজ আগে জেলা হাসপাতাল ছিল। এখনও পুরনো ভবনেই অনেক পরিষেবা চালাতে হচ্ছে। ফলে কিছু পরিকাঠামোগত সমস্যা রয়েছে। সেই সমস্যার স্থায়ী সমাধানের জন্য বিস্তারিত প্রকল্প তৈরি করে স্বাস্থ্য দপ্তরে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। খুব শীঘ্রই সেই প্রস্তাব পাঠানো হবে।বৃহস্পতিবার প্রবল বৃষ্টির মধ্যেই একাধিক সরকারি হাসপাতালে আচমকা পরিদর্শনে যান স্বাস্থ্যমন্ত্রী। বারাসত মেডিকেল কলেজেও তিনি পরিষেবা, পরিকাঠামো এবং পরিচ্ছন্নতার অবস্থা খতিয়ে দেখেন। এরপরই রাজ্যের সরকারি হাসপাতালগুলিতে আরও কঠোর নজরদারির ঘোষণা করেন।স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, পরিষেবার মান উন্নত করতে সরকারি হাসপাতালের প্রতিটি ওয়ার্ডে নজরদারির ব্যবস্থা করা হবে। গ্রামীণ হাসপাতাল, মহকুমা হাসপাতাল এবং জেলা হাসপাতালেও একই ব্যবস্থা চালু হবে। পাশাপাশি মেয়াদ উত্তীর্ণ ওষুধ বা স্যালাইন ব্যবহার বন্ধ করতে প্রতি সপ্তাহে স্বাস্থ্য দপ্তরের বিশেষ দল হাসপাতালগুলিতে নিয়মিত পরিদর্শন চালাবে।হাসপাতালে দালালচক্রের বিরুদ্ধেও কড়া অবস্থানের কথা জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। চিকিৎসক, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী এবং তাঁদের পরিবারের সদস্যদের জন্য আলাদা পরিচয়পত্রের ব্যবস্থা করা হবে। যাঁদের কাছে সেই পরিচয়পত্র থাকবে না, তাঁদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন তিনি।

জুলাই ১০, ২০২৬
কলকাতা

একুশে জুলাইয়ের মঞ্চ নিয়ে চরম টানাপোড়েন! এবার আদালতের দ্বারস্থ কালীঘাট তৃণমূল

একুশে জুলাইয়ের কর্মসূচি ঘিরে রাজনৈতিক টানাপোড়েন আরও বাড়ল। ধর্মতলায় সভার অনুমতি না মেলায় এবার কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছে কালীঘাট তৃণমূল। পুলিশের সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে আদালতের হস্তক্ষেপ চেয়েছে তারা। ফলে একুশে জুলাইয়ের সভা কোথায় হবে, তা নিয়ে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে।এর আগে কালীঘাট তৃণমূল এবং ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন শিবিরের আবেদন খারিজ করে দেয় কলকাতা পুলিশ। স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়, ধর্মতলার মতো ব্যস্ত এলাকায় সভার অনুমতি দেওয়া সম্ভব নয়। এরপর বিকল্প জায়গার অনুমতি চেয়ে রাজ্য পুলিশের মহাপরিচালকের সঙ্গে দেখা করেন ঋতব্রতপন্থীরা। গান্ধীমূর্তির পাদদেশে সভা করার অনুমতিও চাওয়া হয়। তবে সেই আবেদনেও ইতিবাচক সাড়া মেলেনি।এই পরিস্থিতিতে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছে কালীঘাট তৃণমূল। তাদের দাবি, একুশে জুলাই তাদের রাজনৈতিক কর্মসূচির অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দিন। তাই সভা আয়োজনের জন্য উপযুক্ত জায়গার অনুমতি প্রয়োজন।একুশে জুলাই দীর্ঘদিন ধরেই তৃণমূল কংগ্রেসের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক কর্মসূচি। উনিশশো তিরানব্বই সালে মহাকরণ অভিযানের সময় গুলিতে নিহত তেরো জনের স্মৃতিতে প্রতি বছর এই কর্মসূচি পালন করা হয়। সেই ঐতিহাসিক ঘটনার স্মরণেই ধর্মতলায় শহিদ দিবসের সভার আয়োজন করা হয়ে থাকে।তবে এবার পরিস্থিতি অনেকটাই ভিন্ন। দলের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক অস্থিরতা এবং নেতৃত্ব নিয়ে মতবিরোধের আবহে একুশে জুলাইয়ের কর্মসূচি নতুন মাত্রা পেয়েছে। দলের সাংগঠনিক শক্তি ধরে রাখা এবং কর্মীদের একজোট করার লক্ষ্যেই এবারের সমাবেশকে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে কালীঘাট তৃণমূল।ইতিমধ্যেই ধর্মতলায় সভার প্রস্তুতির জন্য কয়েকজন নেতা জায়গা পরিদর্শনে গেলে সেই ঘটনাকে কেন্দ্র করে হেয়ার স্ট্রিট থানায় অভিযোগ দায়ের হয়। এরপর কলকাতা পুলিশ জানিয়ে দেয়, ওই এলাকায় সভার অনুমতি দেওয়া হবে না। সেই সিদ্ধান্তের পরই আইনি পথ বেছে নিয়েছে কালীঘাট তৃণমূল। এখন আদালতের সিদ্ধান্তের দিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

জুলাই ১০, ২০২৬
কলকাতা

বেআইনি দখল মামলায় বড় মোড়! উত্তর চব্বিশ পরগনার জেলাশাসকের বিরুদ্ধে কড়া অবস্থান হাইকোর্টের

ভিআইপি থেকে উল্টোডাঙা পর্যন্ত বেআইনি নির্মাণ এবং রাস্তা দখল সংক্রান্ত মামলায় উত্তর চব্বিশ পরগনার জেলাশাসকের বিরুদ্ধে কড়া অবস্থান নিল কলকাতা হাইকোর্ট । আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী সন্তোষজনক রিপোর্ট জমা না দেওয়ায় জেলাশাসককে সশরীরে আদালতে হাজির হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আগামী তেইশে জুলাই মামলার পরবর্তী শুনানিতে তাঁকে হলফনামা এবং পূর্ণাঙ্গ রিপোর্ট জমা দিতে হবে।শুক্রবার মামলার শুনানিতে হাইকোর্টের ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি তপোব্রত চক্রবর্তীর ডিভিশন বেঞ্চ জেলাশাসকের ভূমিকা নিয়ে তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করে। আদালতের পর্যবেক্ষণ, একাধিকবার রিপোর্ট চাওয়া হলেও স্পষ্ট এবং পূর্ণাঙ্গ তথ্য জমা দেওয়া হয়নি। এমনকি আদালতের নির্দেশের পরও দায়সারা রিপোর্ট জমা পড়েছে বলে মন্তব্য করা হয়।শুনানির সময় বিচারপতি প্রশ্ন তোলেন, একজন নিম্নপদস্থ কর্মীর মাধ্যমে কেন এই রিপোর্ট জমা দেওয়া হয়েছে। তিনি মন্তব্য করেন, জেলাশাসক কি নিজেকে ডিভিশন বেঞ্চের চেয়েও বড় মনে করছেন। আদালতের মতে, এই ধরনের আচরণ আদালতের নির্দেশকে গুরুত্ব না দেওয়ারই ইঙ্গিত বহন করছে।আদালত জানায়, এর আগেই সতর্ক করে বলা হয়েছিল, পরবর্তী রিপোর্ট সন্তোষজনক না হলে জেলাশাসককে ব্যক্তিগতভাবে হাজির হতে হবে। সেই নির্দেশও মানা হয়নি। তাই এবার তাঁকে আদালতে উপস্থিত থেকে রিপোর্টের ব্যাখ্যা দিতে হবে।বিচারপতি তপোব্রত চক্রবর্তী আরও বলেন, আদালতের ধৈর্যের পরীক্ষা নেওয়া উচিত নয়। পাশাপাশি বিচারপতি পার্থসারথি চট্টোপাধ্যায়ও প্রশ্ন তোলেন, জেলাশাসক কি এতটাই ব্যস্ত যে আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী রিপোর্ট জমা দেওয়ার সময় পাচ্ছেন না।মামলাকারীর অভিযোগ, ভিআইপি থেকে উল্টোডাঙা পর্যন্ত রাস্তার ধারে বেআইনিভাবে দখল করে পার্কিং এলাকা এবং বিয়েবাড়ি তৈরি করা হয়েছে। পাশাপাশি নয়ানজুলি ভরাট করে একাধিক বেআইনি নির্মাণও হয়েছে। এই অভিযোগ নিয়ে দুই হাজার বাইশ সালে জনস্বার্থ মামলা দায়ের হয়।মামলার আগের শুনানিতে জেলা প্রশাসন স্বীকার করেছিল যে ওই এলাকায় জবরদখলের ঘটনা ঘটেছে। এরপর আদালত জানতে চেয়েছিল, সেই বেআইনি দখল সরাতে কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। কিন্তু একাধিকবার জেলাশাসক বদল হলেও এখনও পর্যন্ত আদালতে পূর্ণাঙ্গ রিপোর্ট জমা পড়েনি। সেই কারণেই এবার কড়া অবস্থান নিল কলকাতা হাইকোর্ট।

জুলাই ১০, ২০২৬
বিদেশ

ফাঁসির আশঙ্কা জেনেও দেশে ফিরবেন শেখ হাসিনা! বিস্ফোরক বার্তায় তোলপাড় বাংলাদেশ

বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বড় রাজনৈতিক সিদ্ধান্তের ইঙ্গিত দিলেন। তিনি জানিয়েছেন, আর বিদেশে থেকে নয়, এবার নিজ দেশেই ফিরতে চান। দেশে ফিরে স্বেচ্ছায় আত্মসমর্পণ করার পরিকল্পনাও রয়েছে তাঁর। এই ঘোষণার পর বাংলাদেশের রাজনীতিতে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে।এক সাক্ষাৎকারে শেখ হাসিনা বলেন, আগামী ডিসেম্বর মাসে আওয়ামী লিগের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে বাংলাদেশে ফেরার পরিকল্পনা রয়েছে তাঁর। দেশে ফিরে তিনি আইন মেনে আত্মসমর্পণ করবেন। কোনও চাপের মুখে নয়, সম্পূর্ণ নিজের সিদ্ধান্তেই তিনি দেশে ফিরতে চান বলেও জানিয়েছেন।শেখ হাসিনা বলেন, দেশে ফিরলেই তাঁকে গ্রেফতার করা হতে পারে, এমনকি মৃত্যুর মুখেও পড়তে পারেন। তবুও তিনি বাংলাদেশে ফিরতে চান। তাঁর কথায়, যদি মৃত্যু আসে, তবে তা নিজের দেশেই হোক। যেখানে তাঁর বাবা-মায়ের সমাধি রয়েছে, সেই মাটিতেই শেষ নিঃশ্বাস ফেলতে চান তিনি।তবে এখনও পর্যন্ত বাংলাদেশ সরকারের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে দেশে ফেরার বিষয়ে কোনও বার্তা পাঠাননি শেখ হাসিনা। তাঁর দাবি, গণতন্ত্র, ভোটাধিকার, রাজনৈতিক অধিকার এবং ন্যায়বিচারের প্রশ্ন কোনও গোপন আলোচনার বিষয় হতে পারে না।গ্রেফতার হওয়ার আশঙ্কা নিয়েও তিনি ভীত নন বলে জানিয়েছেন। শেখ হাসিনার বক্তব্য, অতীতেও একাধিকবার তাঁকে গ্রেফতার হতে হয়েছে। কিন্তু গত বছরের রাজনৈতিক অস্থিরতার সময় তাঁর জীবনের উপর বড় ধরনের হুমকি তৈরি হয়েছিল। সেই কারণেই দেশ ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হয়েছিলেন।তিনি আরও বলেন, দীর্ঘ সময় ক্ষমতায় থাকলে কোনও সরকারের ভুল হতেই পারে। তবে সেই ভুলের বিচার করার অধিকার জনগণের। দেশের মানুষই ঠিক করবে কোন সরকার ভালো কাজ করেছে আর কোন সরকার ব্যর্থ হয়েছে।আওয়ামী লিগকে নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্ত নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন শেখ হাসিনা। তাঁর বক্তব্য, যদি দল সত্যিই মানুষের সমর্থন হারিয়ে থাকে, তাহলে সেই সিদ্ধান্ত জনগণ ভোটের মাধ্যমে নিক। কোনও রাজনৈতিক দলকে নিষিদ্ধ করে গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করা যায় না বলেও মত প্রকাশ করেন তিনি।উল্লেখ্য, গত বছরের ছাত্র-যুব আন্দোলন এবং তীব্র রাজনৈতিক অস্থিরতার মধ্যে ক্ষমতা ছেড়ে দেশ ছাড়তে বাধ্য হন শেখ হাসিনা। এরপর বাংলাদেশে অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত হয়। পরে ছাত্র আন্দোলনে গুলি চালানোর অভিযোগে তাঁর বিরুদ্ধে মামলা হয় এবং আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল তাঁকে গণহত্যার মামলায় সর্বোচ্চ শাস্তি ঘোষণা করে। যদিও সেই রায় তিনি মানতে অস্বীকার করেছিলেন।রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, শেখ হাসিনার দেশে ফেরার সিদ্ধান্ত বাংলাদেশের রাজনীতিতে বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত হতে পারে। পাশাপাশি ভারত ও বাংলাদেশের সম্পর্কের ক্ষেত্রেও এই সিদ্ধান্ত ভবিষ্যতে নতুন সমীকরণ তৈরি করতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

জুলাই ১০, ২০২৬
কলকাতা

অভিষেককে কড়া বার্তা হাইকোর্টের! আর এড়ানো যাবে না, দিতেই হবে কণ্ঠস্বরের নমুনা

কলকাতা হাইকোর্টে কণ্ঠস্বরের নমুনা সংক্রান্ত মামলায় নতুন মোড় এল। আদালত স্পষ্ট জানিয়ে দিল, ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে নির্ধারিত দিনেই কণ্ঠস্বরের নমুনা দিতে হবে। তদন্তকারী সংস্থাকে সহযোগিতা করা তাঁর আইনি দায়িত্ব বলেও আদালত জানিয়েছে।ডিজে মন্তব্য সংক্রান্ত মামলায় তদন্তের স্বার্থে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কণ্ঠস্বরের নমুনা চেয়েছে তদন্তকারী সংস্থা। এর আগে একাধিকবার দিন নির্ধারণ করা হলেও তিনি নমুনা দিতে যাননি। তাঁর দাবি ছিল, সংশ্লিষ্ট মন্তব্য যে তাঁরই, তা তিনি অস্বীকার করেননি। তাই নতুন করে কণ্ঠস্বরের নমুনা দেওয়ার প্রয়োজন নেই।শুক্রবার মামলার শুনানিতে বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য এই যুক্তি মানতে রাজি হননি। তিনি স্পষ্ট বলেন, আদালতের নির্দেশ মেনে কণ্ঠস্বরের নমুনা দিতেই হবে। তদন্তের স্বার্থে তদন্তকারী সংস্থাকে পূর্ণ সহযোগিতা করার নির্দেশও দেন তিনি।শুনানির সময় বিচারপতি প্রশ্ন তোলেন, ম্যাজিস্ট্রেটের নির্দেশ থাকা সত্ত্বেও গত আট জুলাই কেন হাজির হননি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। আদালতের নির্দেশ থাকা অবস্থায় ফের নতুন মামলা করারও সমালোচনা করেন তিনি। বিচারপতির পর্যবেক্ষণ, আদালতের নির্দেশকে এভাবে উপেক্ষা করা ঠিক নয়।অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আইনজীবী আদালতে জানান, কণ্ঠস্বর দিতে আপত্তি নেই। শুধু কেন এই নমুনা প্রয়োজন, সেই বিষয়েই প্রশ্ন তোলা হয়েছে। পাশাপাশি তাঁর আর্জি ছিল, এই কণ্ঠস্বরের নমুনা যেন অন্য কোনও মামলায় ব্যবহার করা না হয়।তবে সেই আবেদনেও সায় দেয়নি আদালত। বিচারপতি জানিয়ে দেন, আগামী পনেরো জুলাই দুপুর বারোটায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে কণ্ঠস্বরের নমুনা দিতেই হবে। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছে, নমুনা দিতে যাওয়ার সময় তাঁর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে এবং কোনও ধরনের হেনস্থার ঘটনা যাতে না ঘটে, তা প্রশাসনকে দেখতে হবে।

জুলাই ১০, ২০২৬
রাজ্য

জলমগ্ন কলকাতা, ফুঁসছে নদী, উত্তাল সমুদ্র! বাংলাজুড়ে বাড়ছে দুর্যোগের আশঙ্কা

রাতভর প্রবল বৃষ্টিতে কার্যত ভিজেছে কলকাতা-সহ গোটা দক্ষিণবঙ্গ। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার পর থেকেই শুরু হওয়া বৃষ্টি গভীর রাত পর্যন্ত চলেছে। শুক্রবার সকালেও কলকাতা এবং আশপাশের জেলায় একইভাবে বৃষ্টির দাপট বজায় রয়েছে। একাধিক এলাকায় জল জমতে শুরু করেছে। ফলে সকাল থেকেই যান চলাচলে সমস্যার মুখে পড়েছেন সাধারণ মানুষ।আবহাওয়া দপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, এখনই বৃষ্টি থামার কোনও সম্ভাবনা নেই। বাংলাদেশ এবং সংলগ্ন বঙ্গোপসাগরের উপর তৈরি হওয়া শক্তিশালী ঘূর্ণাবর্ত এবং সক্রিয় মৌসুমি অক্ষরেখার প্রভাবে আগামী কয়েক দিন দক্ষিণবঙ্গজুড়ে বৃষ্টির পরিমাণ আরও বাড়তে পারে। সঙ্গে দমকা ঝোড়ো হাওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে।শুক্রবার কলকাতা, হাওড়া, হুগলি এবং পূর্ব বর্ধমানে ভারী বৃষ্টির সতর্কতা জারি হয়েছে। শনিবার পূর্ব বর্ধমান, মুর্শিদাবাদ এবং নদিয়াতেও ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনার কথা জানিয়েছে আবহাওয়া দপ্তর। একই সঙ্গে বাঁকুড়া, পুরুলিয়া এবং ঝাড়গ্রামেও দফায় দফায় বৃষ্টি চলবে বলে পূর্বাভাস।শুক্রবার সকাল পর্যন্ত দমদমে প্রায় সাতানব্বই মিলিমিটার এবং আলিপুরে প্রায় সাঁইত্রিশ মিলিমিটার বৃষ্টি রেকর্ড করা হয়েছে। উত্তরবঙ্গেও প্রবল বর্ষণ চলছে। কোচবিহার ও আলিপুরদুয়ারে অতি ভারী বৃষ্টি হয়েছে, যার ফলে একাধিক এলাকায় জল জমেছে।কলকাতার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় ইতিমধ্যেই জল জমতে শুরু করেছে। ঠনঠনিয়া কালীবাড়ি, হলদিরাম মোড় এবং সেক্টর পাঁচ মেট্রো সংলগ্ন এলাকায় জল জমায় যান চলাচল ধীর হয়ে পড়েছে। যদিও এখনও বড় ধরনের জলাবদ্ধতার খবর নেই, তবে দিনের মধ্যে পরিস্থিতির আরও অবনতি হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।উপকূলবর্তী এলাকাগুলির জন্যও বিশেষ সতর্কতা জারি করা হয়েছে। আগামী বারো জুলাই পর্যন্ত মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে যেতে নিষেধ করা হয়েছে। দিঘা, দিঘা মোহনা, মন্দারমণি-সহ বিভিন্ন উপকূল এলাকায় পুলিশ মাইকিং করে সতর্ক করছে। সমুদ্র উত্তাল হয়ে জলোচ্ছ্বাসের পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে বলেও জানানো হয়েছে। পর্যটক এবং স্থানীয় বাসিন্দাদেরও অপ্রয়োজনীয়ভাবে সমুদ্রের কাছে না যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।অন্যদিকে, টানা বৃষ্টিতে সুবর্ণরেখা নদীর জল দ্রুত বেড়ে যাওয়ায় ঝাড়গ্রামের নয়াগ্রাম ব্লকের একাধিক এলাকা কার্যত বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। দেউলবাড় এবং গড়ধরা গ্রামের সংযোগকারী সেতু জলের তলায় চলে যাওয়ায় মানুষের যাতায়াত এখন নৌকার উপর নির্ভর করছে। এতে সাধারণ মানুষ, পড়ুয়া, কৃষক এবং ব্যবসায়ীদের চরম সমস্যায় পড়তে হচ্ছে।অজয় নদীর জলও ক্রমশ বাড়ছে। নদীর বাঁধের একাধিক অংশ দুর্বল হয়ে পড়ায় স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে নতুন করে বন্যার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। প্রতি বছর বর্ষায় এই এলাকায় প্লাবনের সমস্যা দেখা দেয়। এবারও একই পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন বাসিন্দারা।

জুলাই ১০, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal