• ২৭ মাঘ ১৪৩২, শনিবার ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Uttrakhand

দেশ

শুরু উত্তরপ্রদেশ-সহ পাঁচ রাজ্যে ভোটগণনা, নজরে উত্তরপ্রদেশ-পঞ্জাব

উত্তরপ্রদেশ-সহ পাঁচ রাজ্যে শুরু হয়ে গিয়েছে বিধানসভা নির্বাচনের ভোটগণনা। বাকি চারটি রাজ্য হল-পঞ্জাব, গোয়া, উত্তরাখণ্ড ও মণিপুর। বৃহস্পতিবার সকাল আটটা থেকে শুরু হয়েছে ভোটগণনা, কোন দল জিতবে এই পাঁচটি রাজ্যে, সেই ফলাফল জানার অপেক্ষায় সমগ্র দেশ। রাজনৈতিক মহল তো বটে, গোটা দেশের নজর এখন এই পাঁচ রাজ্যের ফলাফলের দিকে। উত্তরপ্রদেশ, গোয়া, উত্তরাখণ্ড ও মণিপুর বিজেপির দখলে রয়েছে, পঞ্জাব কংগ্রেসের দখলে। প্রতিটি দলই জয়ের বিষয়ে প্রবল আত্মবিশ্বাসী। ত্রিস্তরীয় নিরাপত্তায় চলছে ভোটগণনা।উত্তরপ্রদেশে এবার লড়াই হয়েছে চতুর্মুখী। বিজেপি, সমাজবাদী পার্টি, কংগ্রেস ও বহুজন সমাজ পার্টির মধ্যে। গোয়ায় লড়াই হয়েছে বিজেপি, কংগ্রেস, আম আদমি পার্টির মধ্যে, লড়াইয়ে ছিল তৃণমূল কংগ্রেসও। পঞ্জাবে এবার জোরদার টক্কর হয়েছে বিজেপি এনডিএ জোট, কংগ্রেস ও আম আদমি পার্টির মধ্যে। উত্তরাখণ্ডে লড়াই মূলত বিজেপি ও কংগ্রেসের মধ্যে হয়েছে। উত্তর-পূর্বাঞ্চলের রাজ্য মণিপুরে লড়াই হয়েছে বিজেপি, কংগ্রেস জোট ও এনপিপি এবং এনপিএফ-এর মধ্যে। উত্তরপ্রদেশে এবার বিজেপিই জিতবে, ভোটগণনা সকালে এমনই দাবি করেছেন বিজেপি নেতা ব্রজেশ পাঠক ও রাজেশ্বর সিং। উত্তরাখণ্ডে কংগ্রেস জিতবে বলে আশাবাদী প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী হরিশ রাওয়াত। ভোটগণনা শুরু হওয়ার প্রাক্কালে এদিন সকালে গুরুদ্বারে গিয়ে প্রার্থনা করেছেন পঞ্জাবে আম আদমি পার্টির মুখ্যমন্ত্রী পদপ্রার্থী ভগবন্ত মান। প্রার্থনা করেছেন পঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী চরণজিৎ সিং চান্নিও।

মার্চ ১০, ২০২২
দেশ

দ্বিতীয় দফার ভোটপর্ব শুরু উত্তরপ্রদেশে, ভোট হচ্ছে উত্তরাখণ্ড ও গোয়ায়

নির্বাচনের দামামা বেজেছে চারদিন আগেই। তবে আজ, একইদিনে তিন রাজ্যে হচ্ছে বিধানসভা নির্বাচনের ভোটগ্রহণ পর্ব। একদিকে যেমন উত্তরপ্রদেশে দ্বিতীয় দফার নির্বাচন রয়েছে, তেমনই গোয়া ও উত্তরাখণ্ডেও এক দফাতেই ভোটপর্ব মিটিয়ে ফেলা হবে। সব মিলিয়ে রাজনৈতিক উত্তাপ চরমে। উল্লেখযোগ্যভাবে যে তিনটি রাজ্যে নির্বাচন হচ্ছে, প্রত্যেকটিতেই শাসক দলের ভূমিকায় রয়েছে বিজেপি। প্রধান বিরোধী দলের ভূমিকায় কংগ্রেস। এছাড়াও আম আদমি পার্টি, তৃণমূল কংগ্রেসের মতো আঞ্চলিক দলগুলিও রাজ্যের গণ্ডি পার করে ভিনরাজ্যে নিজেদের বিস্তার ছড়ানোর লড়াইয়ে নেমেছে।ভোট শুরু হতেই টুইট করেন প্রধানমন্ত্রী।Polling will be held across Uttarakhand, Goa and in parts of Uttar Pradesh. I call upon all those whose are eligible to vote today to do so in record numbers and strengthen the festival of democracy. Narendra Modi (@narendramodi) February 14, 2022গোয়া ও উত্তরাখণ্ডে এক দফাতেই যথাক্রমে ৪০ ও ৭০টি কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ হবে। অন্যদিকে, উত্তরপ্রদেশে দ্বিতীয় দফায় মোট ৯টি জেলায় ৫৫টি কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ হবে। উত্তরপ্রদেশের নির্বাচনের ক্ষেত্রে বিশেষ নজরে থাকবে সাহারানপুর, বিজনৌর, মোরাদাবাদ, সম্বল, রামপুর, আমরোহা, বদায়ুন, বরৈলি ও শাহজাহানপুর। সকাল ৭টায় ভোটগ্রহণ শুরু হয়ে গিয়েছে, চলবে সন্ধে ৬টা পর্যন্ত।গোয়ায় ৪০টি আসনে মোট ৩০১ জন প্রার্থীর ভাগ্য নির্ধারণ হবে। গোয়াতে প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী বিজেপি ও কংগ্রেস হলেও, এবারের নির্বাচনে নতুন প্রতিদ্বন্দ্বী হিসাবে যোগ দিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস ও আম আদমি পার্টি। দুই দলই নিজের রাজ্য়ের সীমানা পার করে সৈকত শহরের জমি দখলে মরিয়া।উত্তরাখণ্ডে ১৩টি জেলা মিলিয়ে মোট ৭০ টি কেন্দ্রে নির্বাচন হচ্ছে। প্রায় ৮১ লক্ষেরও বেশি ভোটার মোট ৬৩২ জন প্রার্থীর ভাগ্য নির্ধারণ করবেন। ২০০০ সালে আলাদা রাজ্য হিসাবে স্বীকৃতি পাওয়ার পর এই নিয়ে পঞ্চম দফা বিধানসভা নির্বাচন হচ্ছে উত্তরাখণ্ডে। এই নির্বাচনে যে প্রার্থীদের উপর বিশেষ নজর থাকবে, তারা হলেন বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী পুষ্কর সিং ধামি, সতপাল মহারাজ, ধ্যান সিং রাওয়াত, মদন কৌশিক, হরিশ রাওয়াত প্রমুখ।

ফেব্রুয়ারি ১৪, ২০২২
দেশ

সাধারণতন্ত্র দিবসে ১১ হাজার ফুট উচ্চতায় মাইনাস ২০ ডিগ্রিতে স্কি আইটিবিপি-র!

মাইনাস ২০ ডিগ্রি সেলসিয়াসে ১১ হাজার ফুট উচ্চতায় স্কি করছে ইন্দো-টিবেটান বর্ডার পুলিশ (আইটিবিপি)! উত্তরাখণ্ডের অউলিতে বরফের কোলে আইটিবিপি হিমবীর- এর সাধারণতন্ত্র দিবস উদযাপনের ভিডিও ইতিমধ্যেই ভাইরাল হয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়।आईटीबीपी के हिमवीरों का राष्ट्र को नमनHappy Republic Day from #Himveers of ITBPFrom #Ladakh#RepublicDay2022 #RepublicDay #गणतंत्रदिवस pic.twitter.com/bS1A8pnPlH ITBP (@ITBP_official) January 26, 2022৭৩তম সাধারণতন্ত্র দিবস উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। টুইটার হ্যান্ডেল থেকে মোদি লেখেন, সবাইকে শুভ প্রজাতন্ত্র দিবসের শুভেচ্ছা। জয় হিন্দ।On 73rd #RepublicDay, lets listen to the ITBP Constable Lovely Singh singing a song dedicated to the nation:हम हिन्दुस्तानी हैंसैनिक तूफानी हैं..#RepublicDay2022 #RepublicDayIndia@PMOIndia @DefenceMinIndia @rajnathsingh @PIBHomeAffairs @ianuragthakur📽️: @ITBP_official pic.twitter.com/9O4pUKJ1N0 Ministry of Information and Broadcasting (@MIB_India) January 26, 2022আইটিবিপি-র একাধিক ভাইরাল ভিডিওর মধ্যে একটিতে দেখা যাচ্ছে সাদা বরফে ডাকা অউলিতে কালো পোশাকে স্কি করছেন জওয়ানরা। হাতে রয়েছে জাতীয় পতাকা। আরেক ভিডিওয় দেখা যাচ্ছে, আইটিবিপি জওয়ানরা কুচকাওয়াজ করছেন বরফে ঘেরা লাদাখে। ৭৩তম সাধারণতন্ত্র দিবসের সকালে এই দুই ভিডিও কার্যত ভাইরাল হয়েছে টুইটারে।

জানুয়ারি ২৬, ২০২২
কলকাতা

Trekkers: ফিরল ৫ বাঙালি পর্বতারোহীর দেহ

আজ বাড়ি ফিরল উত্তরাখণ্ডের বিপর্যয়ে মৃত ৫ পর্বতারোহীর কফিনবন্দি নিথর দেহ। শোকে স্তব্ধ পাঁচ পাহাড়িয়ার পরিবার। বৃহস্পতিবার সকাল ৬টা ২০ এবং ৭টা ২০ নাগাদ দিল্লি থেকে দেহ নিয়ে রওনা দেয় বিমানে। এদিকে, কলকাতা বিমানবন্দরে পৌঁছন দমকলমন্ত্রী সুজিত বসু, মন্ত্রী উজ্জ্বল বিশ্বাস। সুজিত বসু বলেন, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে এসেছি। আজ ৫ জনের মৃতদেহ এখান থেকে পৌঁছে দেওয়া হবে তাঁদের পরিবারের কাছে। খুবই দুঃখজনক ঘটনা।গত ১০ অক্টোবর উত্তরাখণ্ডের খারকিয়া থেকে বাগেশ্বর ,জাটুলি, দেবীকুণ্ড, নাগকুণ্ড হয়েকানাকাটা পাসে ট্রেকিংয়ে গিয়েছিলেন সাগর দাসেরা। কিন্তু প্রবল বৃষ্টি ও তুষার ঝড়ের কবলে পড়ে আটকে যান সুন্দরডুঙ্গা হিমবাহের কাছে। এতদিন আবহাওয়া খারাপ থাকার বারবার ব্যাহত হচ্ছিল তাদের উদ্ধারকাজ। পরে সেই সুন্দরডুঙ্গা হিমবাহের কাছেই পাওয়া যায় পাঁচ ট্রেকার নিথর দেহ। মৃত ট্রেকারদের তালিকায় রয়েছেন,সাধন বসাক, তিনি ঠাকুরপুকুর জায়গীর রোডের বাসিন্দা। এছাড়াও বিকাশ মাকাল, সৌরভ দাস, সাবিয়ান দাসের দেহ উদ্ধার হয়েছে।

অক্টোবর ২৮, ২০২১
কলকাতা

Uttrakhand: ৬ বন্ধুকে আজীবনের মত বিদায় দিয়ে বাড়ি ফিরলেন মিঠুন

ফেরা হল না বাকি বন্ধুদের। দুঃস্বপ্ন কাটিয়ে অবশেষে বাড়ি ফিরলেন বিষ্ণুপুরের মিঠুন দারি । গতকাল উত্তরাখণ্ড থেকে দিল্লি হয়ে কলকাতায় ফেরেন তিনি। উত্তরকাশিতে যাওয়া সাত বাঙালির মধ্যে একমাত্র জীবিত তিনি। আহত অবস্থায় উত্তরাখণ্ডের জেলা হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন মিঠুন। গত ১১ই অক্টোবর কলকাতা থেকে উত্তর কাশিতে ট্রেকিং করতে যান সাতজন বাঙালি। এরপর সোমবার সকালে চার অভিযাত্রীর দেহ ফেরে কলকাতায়। ঘটনার বিষয়ে যদিও মিঠুন বেশি কিছু সংবাদমাধ্যমকে জানাতে পারেননি। সংবাদমাধ্যমকে তিনি জানিয়েছেন, এখন অনেকটাই সুস্থ রয়েছেন। তবে ভুলতে পারছেন না সেখানকার ভয়াবহ স্মৃতি।গত ২২ অক্টোবর প্রথম পাঁচ জনের মৃত্যুর খবর সামনে আসে। উত্তরাখণ্ডের বাগেশ্বর কন্ট্রোল রুম থেকে বাংলার পাঁচ জনের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করা হয়। মৃতদের মধ্যে রয়েছেন,সাধন বসাক, তিনি ঠাকুরপুকুর জায়গীর রোডের বাসিন্দা। এছাড়াও বিকাশ মাকাল, সৌরভ দাস, সাবিয়ান দাসের দেহ উদ্ধার হয়েছে। তাঁদের পরিচয় জানা গিয়েছে।১১ জন পর্বতারোহীর মধ্যে দুজনকে জীবিত অবস্থায় ফিরিয়ে আনা হয়েছিল আগেই। অর্থাৎ বাকি ৯ জনের মধ্যে ৫ জনের দেহ উদ্ধার হয়। জানা গিয়েছে, এই দলটি ট্রেকিং-এ গিয়েছিল। সেখানে গিয়েই বিপত্তি ঘটে। ওই দলের মধ্যে ছিলেন ৭ জন বাঙালি। সেই ৭ জনের মধ্যে স্বশরীরে বাড়ি ফিরলেন মিঠুন।

অক্টোবর ২৫, ২০২১
দেশ

Uttrakhand: উত্তরাখণ্ডে ট্রেকিংয়ে গিয়ে মৃত্যু বাংলার ৫ অভিযাত্রীর, নিখোঁজ আরও তিন

উত্তরাখণ্ডে ট্রেকিং করতে গিয়ে তুষারধসে মৃত্যু হল ৫বাঙালি অভিযাত্রীর। উত্তর কাশী জেলার লামখাগা পাসে ট্রেক যাওয়া ১১ জনের একটি দলের ৫ জনের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত হয়েছে পুলিশ সূত্রে। কানাকাটা পাসেও ট্রেক করতে গিয়েছিল একটি দল। ওই দলেও পাঁচ বাঙালি অভিযাত্রী ছিলেন। তুষারপাতে তাঁদেরও মৃত্যু হয়েছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে। আরও পড়ুনঃ মুম্বইয়ের বহুতলে বিধ্বংসী আগুন, বাঁচতে গিয়ে মর্মান্তিক মৃত্যু যুবকেরলামখাগা পাসে ট্রেক করতে যাওয়া দলটিতে যে তিন জনের মৃত্যু হয়েছে, তাঁদের মধ্যে দক্ষিণ ২৪ পরগনার নেপালগঞ্জের দুই বাসিন্দা রয়েছেন। যাঁদের নাম সৌরভ ঘোষ ও বিকাশ মৈকাল। তুষারপাতে মৃত্যু হয়েছে সাবিয়ান দাস নামে কালীঘাটের এক অভিযাত্রীর। অনিতা রাওয়াত ও তন্ময় তিওয়ারি নামে আরও দুই অভিযাত্রীর মৃত্যুর খবর মিলেছে। কিন্তু তাঁদের বাড়ি কোথায়, সে ব্যাপারে এখনও নিশ্চিতভাবে কিছু জানা যায়নি। ওই দলের রিচার্ড মণ্ডল নামে এক সদস্য-সহ দুই পোর্টারের মৃত্যু হয়েছে। ওই দলে সুখেন মাঝি নামে আরও এক জন ছিলেন। তবে তাঁর দেহ এখনও উদ্ধার করা যায়নি।কানাকাটা পাসে যাওয়া দলটিতে ছিলেন ঠাকুরপুকুরের বাসিন্দা সাধনকুমার বসাক, নদিয়ার রানাঘাটের বাসিন্দা প্রীতম রায় এবং হাওড়ার বাগনানেরও তিন বাসিন্দা চন্দ্রশেখর দাস, সরিৎশেখর দাস ও সাগর দে। বাগেশ্বেরের এসপি জানিয়েছেন, এই পাঁচ জনের সঙ্গে এক জন গাইডও ছিলেন। ওঁদের এখনও খোঁজ মেলেনি। তাই ওঁরা সত্যিই মৃত কি না, তা আমরা বলতে পারছি না। ছজনের দলটিকে উদ্ধারের জন্য ইতিমধ্যেই একটি দল রওনা দিয়েছে। সেই সঙ্গে হেলিকপ্টারেও উদ্ধারকার্য চালানো হচ্ছে। কিন্তু আবহাওয়া খারাপ হওয়ার কারণে তাতে সমস্যা হচ্ছে। যদিও এই পাঁচ বাঙালি অভিযাত্রী-সহ এক গাইডের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছেন দীনেশ দানু নামে এক গাইড।

অক্টোবর ২২, ২০২১
রাজ্য

Uttrakhand: বিপদসংকুল উত্তরাখণ্ডে আটকে চুঁচুড়ার রায় পরিবার

পুজোর পরেই উত্তরাখণ্ডের পথে পা বাড়িয়েছিলেন চুঁচুড়ার রায় পরিবারের সদস্যরা। কিন্তু, সেখানে বিপদ যে এভাবে আসবে তা কী করে জানতেন তাঁরা। প্রবল বর্ষণে জায়গায় জায়গায় নেমেছে ধস। ভেসে গিয়েছে একাধিক এলাকা। ভারী বর্ষণে উত্তরাখণ্ডে ইতিমধ্যেই মৃত্যু হয়েছে ৫ জনের। সেখানে বেড়াতে গিয়ে রীতিমতো জীবন-মরণ সংকটে ওই বাঙালি পরিবার। তাঁদের অভিযোগ, পরিস্থিতি এত ভয়াবহ হওয়া সত্ত্বেও পুলিশ কোনও সহযোগিতা করছে না।আরও পড়ুনঃ অবশেষে সাংসদ পদ থেকে ইস্তফা দিলেন বাবুলবিশ্বজিৎবাবুর স্ত্রী চুমকি ও মেয়ে অন্বেষাদের সঙ্গে ছিলেন অরিজিৎ শীল ও সত্যব্রত মুখোপাধ্যায়। এদিকে গোটা উত্তরাখণ্ড জুড়ে শুরু হয়েছে ভারী বর্ষণ। নেমেছে ধসও। ভারী বৃষ্টিপাতের সঙ্গে চলছে ঝড়। বাধাপ্রাপ্ত উদ্ধারকার্য। কেদারনাথে যে হেলিকপ্টার সার্ভিস ছিল তাও বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। ফলে, পাহাড়েই আটকে থাকতে বাধ্য হয়েছে রায় পরিবার। এদিকে তাঁদের সঙ্গী অরিজিৎ ও সত্যব্রত ঝুঁকি নিয়ে গৌরীকুণ্ডে পৌঁছতে পারলেও বিশ্বজিৎ বাবুর পরিবার তা পারেননি। কেদার থেকে বদ্রীনাথ, গুপ্তকাশী, লখনউ হয়ে আগামী ২৪ তারিখ ফেরার কথা ছিল বিশ্বজিতবাবুদের। কিন্তু, বাদ সেধেছে আবহাওয়া।চুমকিদেবীর কথায়, আমাদের এতক্ষণে এখান থেকে বেরিয়ে যাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু, বৃষ্টির জন্য আর পেরে উঠিনি। বাংলায় যেরকম আমফানের ভয়াবহতা দেখেছি এখানেও তেমন ভয়ঙ্কর ঝড়। আম্ফানের চেয়েও বিপদজ্জনক! আমাদের হোটেল ছাড়তে বলা হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে কোথায় থাকব সেটাই বুঝতে পারছি না। নীচে না নামা পর্যন্ত সুরক্ষিত রয়েছি এমনটা বলতে পারব না। যে হারে ঝড় হচ্ছে কখন কী হবে তা জানা নেই। আমার স্বামী কোনওরকমে ঝুঁকি নিয়ে ঘর খুঁজতে বেরিয়েছেন। রেল সার্ভিসও বন্ধ। যদি পাওয়া যায় তবে ট্রেনেই ফিরব যেভাবেই হোক না কেন। পুলিশ কোনও সহযোগিতা করছে না। এত ভয়ঙ্কর পরিস্থিতি, আমরা বাইরে থেকে এসেছি, সব কিছু জানি না। অথচ,প্রশাসনকে বলেও কোনও লাভ হয়নি। কোনওরকম সহযোগিতা পাইনি।এদিকে, বিশ্বজিৎবাবুদের আটকে যাওয়ার ঘটনায় কার্যত উদ্বিগ্ন চুঁচুড়ায় রায় পরিবার। বিশ্বজিৎ বাবুর দাদা কেদার রায় বলেন, প্রথমে তো ছবিটবি দিচ্ছিল। কিন্তু আচমকা আটকে পড়েছে। আমরা বুঝতে পারছি না কী করব। ওদের যেভাবে হোক ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করছি। জানি না ফিরতে পারবে কিনা। ওখানে তো ইলেকট্রিসিটিও বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। মোবাইলেও যোগাযোগ করব যে সম্ভব হচ্ছে না। দেখা যাক কী হয়! আমরা এখানে থানাকে জানিয়েছি। রেলেও যোগাযোগ করছি।

অক্টোবর ১৯, ২০২১
দেশ

উত্তরাখণ্ডে উদ্ধার ৩২ জনের দেহ

উত্তরাখণ্ডে হিমবাহ ধসের পর তৃতীয় দিনেও জোরকদমে চলছে উদ্ধারকাজ। ইন্দো-তিবেটিয়ান সেনা, বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী, এসডিআরএফ ও অন্যান্য এজেন্সি একজোট হয়ে দুর্গম তপোবন টানেলের মধ্যে ঢুকে আটকে পড়াদের বের করার আনার চেষ্টা চালাচ্ছে। এখনও পর্যন্ত ২০৬ জন আটকে রয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। উদ্ধার হয়েছে ৩২ জনের দেহ।টানেলের মুখ আটকে গিয়েছে পাথর ও বালিতে। তার ফলে সেখানে আটকে রয়েছেন যাঁরা, তাঁদের সন্ধান পাওয়া ক্রমেই কঠিন হয়ে উঠছে। শেষ পর্যন্ত পাওয়া খবরে জানা গিয়েছে, ১২০ মিটার ভিতরে ঢুকতে সফল হয়েছে উদ্ধারকারী দল। টানেলের ভিতর অক্সিজেনের অভাব অনুভূত হচ্ছে ব্যাপকভাবে। চামোলি জেলার আড়াই কিলোমিটার দীর্ঘ ওই টানেল থেকে যত দ্রুত সম্ভব ধসের কবলে পড়া মানুষগুলোকে বের করে আনার চেষ্টা করা হচ্ছে। একইসঙ্গে চামোলি থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়া ১৩ টি গ্রামের সঙ্গে সংযোগ স্থাপনের প্রক্রিয়াও শুরু হয়েছে। ভারত-চিন সীমান্তে অবস্থিত এই গ্রামগুলো নদীর উপরের সেতুর মাধ্যমে চামোলি জেলার মূল শহরের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপন করত। কিন্তু হিমবাহ ধসে ধুয়ে মুছে সাফ হয়ে গিয়েছে সেই সেতু। ফলে ওষুধ থেকে প্রয়োজনীয় সামগ্রী, কোনও কিছুই আর পৌঁছে দেওয়া যাচ্ছে না সেই সব গ্রামে। গ্রামগুলোর মধ্যে অন্যতম রাইনি গ্রামের সঙ্গে নতুন করে সংযোগ স্থাপন করা সম্ভব হয়েছে বলেই সেনার তরফে খবর।

ফেব্রুয়ারি ১০, ২০২১
দেশ

মিলছে না সাড়া, ভয় বাড়াচ্ছে দ্বিতীয় সুড়ঙ্গ

উত্তরাখণ্ডের জোশীমঠের কাছে ধউলিগঙ্গাতে হিমবাহ ফেটে তীব্র জলোচ্ছ্বাসের জেরে রবিবার ভেসে গিয়েছে একের পর এক গ্রাম। রেনি গ্রামে জলবিদ্যুৎ প্রকল্প-সহ ওই এলাকার ৪টি ঝুলা পুল অর্থাৎ ঝুলন্ত সেতু ধুয়ে মুছে সাফ হয়ে গিয়েছে। একটি সুড়ঙ্গ থেকে উদ্ধার করা গেলেও বাকি সুড়ঙ্গে আটকে থাকা শ্রমিকদের সঙ্গে এখনও যোগাযোগই করা সম্ভব হয়নি বলে জানিয়েছেন উত্তরাখণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী ত্রিবেন্দ্র সিং রাওয়াত। মুখ্যমন্ত্রী এই বক্তব্যের পর ওই শ্রমিকদের জীবিত থাকা সম্ভাবনা ক্ষীণ বলেই মনে করছেন অনেকে।১৩.২ মেগাওয়াটের ওই বিদ্যুৎপ্রকল্পে ২০২০ সাল থেকে উৎপাদন শুরু হয়েছিল। প্রাকৃতিক বিপর্যয়ে সেই প্রকল্পে প্রভূত ক্ষতি হয়েছে বলেও জানিয়েছেন তিনি। বলেছেন, এই বন্যার জেরে প্রকল্পটির ১০০ শতাংশ ক্ষতি হয়েছে। আমরা যদি ৫ কিলোমিটার নীচের দিকে আসি, তা হলে তপোবন বলে একটি জায়গা আছে। সেখানেই তৈরি হচ্ছিল এনটিপিসি-র ওই জলবিদ্যুৎ প্রকল্প। সেখানে দুটি সুড়ঙ্গে প্রচুর শ্রমিক কাজ করছিলেন। তার মধ্যে একটি সুড়ঙ্গে আটকে থাকা সকলকে উদ্ধার করা হয়েছে।অপর সুড়ঙ্গে উদ্ধারকাজ এখনও সে ভাবে শুরুই করা যায়নি। আড়াই কিলোমিটার দীর্ঘ ওই সুড়ঙ্গ কাদায় ভর্তি হয়ে গিয়েছে। যে কারণে আইটিবিপি-র জওয়ানরা সুড়ঙ্গের বেশি ভিতরে ঢুকতেই পারেননি। মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, মাত্র ১৫০-২০০ মিটার ভিতর পর্যন্ত যেতে পেরেছেন উদ্ধারকারী দলের সদস্যরা। সোমবার সকাল থেকে ওই সুড়ঙ্গে আইটিবিপি, সেনা ও রাজ্য সরকারের উদ্ধারকারী দল ফের কাজ শুরু করবেন। ওই সুড়ঙ্গে আটকে থাকা ব্যক্তিদের কাছে খাবার-জল পৌঁছনো গিয়েছে কি না, সেই প্রসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, উদ্ধারকারীরা আটকে থাকা ব্যক্তিদের সঙ্গে যোগাযোগ পর্যন্ত করতে পারেননি। তিনি বলেছেন, উদ্ধারকারীরা অনেক চেষ্টা করেছেন। কিন্তু আটকে থাকে কারও সঙ্গে যোগাযোগ করা যায়নি। বহু চিৎকার করা সত্ত্বেও কারও সাড়া মেলেনি। হতে পারে তাঁরা এক দম ভিতরে আটকে আছেন। তাই কারও কথা শুনতে পাচ্ছেন না। তাই আন্দাজে কিছু বলা সম্ভব নয়।কিন্তু এই যোগাযোগ না হওয়ায় ভিতরে আটকে থাকা শ্রমিকদের বেঁচে থাকার সম্ভাবনা ক্রমশ কমছে বলে মনে করা হচ্ছে। যদিও চেষ্টার খামতি রাখছেন না উদ্ধারকারীরা।

ফেব্রুয়ারি ০৮, ২০২১
দেশ

উত্তরাখণ্ডের তুষার ধসে শতাধিক মৃত্যুর আশঙ্কা!

রবিবার সকালে নামা তুষার ধসে বিধ্বস্ত উত্তরাখণ্ড। জোশীমঠের কাছে ধৌলিগঙ্গার জলস্তর দ্রুত বেড়ে গিয়েছে। তীব্র জলোচ্ছ্বাসের ধাক্কায় ঋষিগঙ্গা বিদ্যুৎ প্রকল্প তছনছ হয়ে গিয়েছে। ভেসে গিয়েছে নদীর পাড়ের বহু ঘরবাড়ি। এই ভয়াবহ তুষারধসের ঘটনায় ১০০-১৫০ মানুষের মৃত্যুর আশঙ্কা করছেন মুখ্যসচিব ওম প্রকাশ। ঘটনায় শোকপ্রকাশ করে সাহায্যের আশ্বাস দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, অমিত শাহ। আচমকা নামা ধসের ফলে চামোলির তপোবন বাঁধের কাছে নির্মীয়মাণ টানেলে আটকে পড়েছেন অন্তত ২০ জন মানুষ। আইটিবিপি-র ডিজি এসএস দেশওয়াল জানিয়েছেন, তাঁদের দল আটক ব্যক্তিদের উদ্ধার করার চেষ্টা করছে। সেই সঙ্গে তিনি জানিয়েছেন, রেনি গ্রামের তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রে প্রায় ১০০ জন কাজ করছিলেন। তাঁদের মধ্যে ১০ জনের দেহ উদ্ধার হয়েছে নদী থেকে। বাকিদেরও খোঁজে চলছে তল্লাশি। ঘটনাস্থলে রয়েছেন আইটিবিপি-র ২৫০ জন জওয়ান। ভারতীয় সেনা জওয়ানরাও সেখানে যাচ্ছেন বলে তিনি জানিয়েছেন। উদ্ধার কাজ সম্পর্কে বলতে গিয়ে তিনি বলেন, আমরা লাগাতার এনটিপিসির ম্যানেজমেন্টের সঙ্গে ক্রমাগত যোগাযোগ রেখে চলেছিল নিখোঁজ ব্যক্তিদের সম্পর্কে তথ্য জোগাড় করতে। এদিন ধস নামার পরেই আগাম সতর্কতা অবলম্বন করে ভাগীরথীর গতিপথ রুদ্ধ করা হয়েছে। সেজন্য খালি করে দেওয়া হয়েছে শ্রীনগর ও ঋষিকেশ বাঁধ। জলের তোড় ভাসিয়ে নিয়ে গিয়েছে জোশীমঠের মালারি অঞ্চলে বর্ডার রোডস অর্গানাইজেশনের তৈরি এক সেতু। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি টুইট করে সকলের নিরাপদে থাকার প্রার্থনা করেছেন। সেই সঙ্গে জানিয়ে দিয়েছেন, তিনি পরিস্থিতির দিকে কড়া নজর রেখেছেন। উত্তরাখণ্ডের মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গেও কথা হয়েছে তাঁর ও অমিত শাহর। দুর্ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করে টুইট করেছেন রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দও। তিনি তাঁর টুইটারে লিখেছেন, আমি নিশ্চিত উদ্ধারকার্য ও ত্রাণকার্য ভালভাবেই চলছে।

ফেব্রুয়ারি ০৭, ২০২১
ভ্রমণ

'মানা' যেন এক টুকরো  স্বর্গ

ছোটবেলা থেকেই সুন্দর জায়গা বা অপার শান্তির পরিবেশ এর উপমা আমরা সাধারণত টানি স্বর্গের সঙ্গে। ওখানে তো স্বর্গ সুখ বা কি সুন্দর জায়গা, ঠিক যেন স্বর্গ। কথাগুলো শুনে অনেক সময়েই ভাবতাম, যদি দেখতে বা অনুভব করতে পারতাম, কি ভালই হত। বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বুঝলাম, পৃথিবীর সকল কাজ সমাধা করার পরই সেখানে যাওয়ার ছাড়পত্র দেওয়া হয়, অবশ্যই সেটা ভালো কাজের পুরস্কার। অপকর্মের ফলে নরকের দরজা খোলা হয়। মহাভারত এর যুগের কথা অবশ্য আলাদা। কথিত আছে তখনকার সময়ে অনেক যোগী, ঋষিগণ তাঁদের তপস্যার বলে স্বশরীরে স্বর্গে যেতে আসতে পারতেন, দেবদেবীদের সাথে কথাবার্তাও সম্ভব হত। কঠোর তপস্যার পর অর্জুন স্বর্গে গিয়াছিলেন দেবতাদের কাছ থেকে অস্ত্র আনতে যা কুরুক্ষেত্রের যুদ্ধে তিনি ব্যবহার করতে পারেন। এরপর যুধিষ্ঠির স্বশরীরে স্বর্গে গিয়াছিলেন স্বর্গরোহিণীর পথ ধরে, জীবন সায়াহ্নে, পরীক্ষিতকে সাম্রাজ্যভার অর্পণ করে, পথে চার পাণ্ডব সহ দ্রৌপদীর মৃত্যু হয়েছিলো। এই গৌরচন্দ্রিকা র উদ্দেশ্য হলো এই ঘোর কলিতে তো স্বশরীরে স্বর্গে যাওয়া যাবে না, তবে স্বর্গীয় অনুভুতি এবং সেসব মহামানবদের কীর্তিকাহিনী, পুরাণের গল্প সবকিছুর স্বাদ নিতে বদ্রীনাথ থেকে প্রায় চার কিলোমিটার দূরে মানা গ্রামে চলে যাওয়া যাবে।মানা-র প্রবেশপথমানা একটি ছোট্ট পাহাড়ি জনবসতি, প্রাচীনকালে যার নাম ছিল মনিবভদ্রপুরম। কমবেশি ছয় মাস এখানে মানুষ বসবাস করে, প্রবল শীতে সাধারন মানুষ এই জনবসতি ত্যাগ করে নিচের দিকে নেমে আসেন। চারিদিকে সুউচ্চ পর্বত শৃঙ্গ, নীলকন্ঠ, আলোকাপুরী (এটাই নাকি সবচেয়ে ধনী দেবতা কুবেরের রাজধানী), নর এবং নারায়ণ পর্বত (শ্রীকৃষ্ণ এবং অর্জুন এর বন্ধুত্বের সাক্ষ্য বহন করে, এই নারায়ণ পর্বতেই বর্তমানে বদ্রি দ্রীবিশালজীর অপূর্ব সুন্দর মন্দির অবস্থিত), একটু দূরে তাকালে দেখা যায় স্বর্গরোহিনীর সুবিশাল উপস্থিতি। ধাপে ধাপে উঠে গেছে অসীমের দিকে, বুঝি স্বর্গের দিকে।সরস্বতী মন্দিরপঞ্চ পাণ্ডব সহ দ্রৌপদী কোন পথে স্বর্গে গিয়াছিলেন তা নিয়ে অনেক বিতর্ক রয়েছে। একটি মত অনুযায়ী এই মানা - বসুধারার পথ ধরেই নাকি তাঁরা যাত্রা করেছিলেন। মতের বিভিন্নতা যাই থাক, গ্রামটির অসাধারণ প্রাকৃতিক সৌন্দর্য অতুলনীয়, যা কল্পনার স্বর্গের মতই। জনশ্রুতি অনুযায়ী কৃষ্ণ দ্বৈপায়ন ব্যাস এখানেই মহাভারত রচনা করেছিলেন। ব্যাস গুম্ফা নামে একটি গুহা বর্তমান, ভিতরে কৃষ্ণ বর্ণের ব্যাস দেবের মূর্তি। অদূরে গণেশ গুম্ফা, ভিতরে পার্বতী পুত্রের মূর্তি, তিনিই মহাভারতের লেখক। ব্যাসদেব বলেছিলেন আর গণেশ শুনে লিখেছিলেন। বেশ হাইটেক ব্যাপার সেযুগেও ছিল যা বুঝলাম, কি ছিল তা অবশ্য তাঁরাই জানতেন, কারণ গুহা দুটি নিকটবর্তী হলেও কথা শুনতে পাওয়ার মতো নয়। ব্যাস গুম্ফার উপরে প্রস্তরীভুত পুঁথির আকারে তাঁর রচনা বর্তমান, কারণ কলিকালের মানুষের কাছে সত্যি কারের সেই পুঁথি দর্শন সম্ভব নয়। প্রস্তরীভুত পুঁথিএই রচনার সঙ্গে আর একটি ঘটনাও ঘটেছিল, ব্যাসদেব যখন বলছিলেন এবং গণেশজী লিখছিলেন, বিদ্যাচর্চার সেই স্থানে দেবী সরস্বতীর আবির্ভাব ঘটে, নদী রূপে। প্রচন্ড গর্জনের সাথে, প্রবল বেগে ছুটে চলা নদীর শব্দে মনঃসংযোগে বিঘ্ন সৃষ্টি করে, তাতে কুপিত ব্যাসদেব অভিশাপ দেন অদূরেই এই নদী বিলীন হবে। সৃষ্টি হয় কেশবপ্রয়াগের, যেখানে সরস্বতী লীন হয়েছে অলকানন্দাজলে। এই সরস্বতীর উপরেই বিদ্যমান ভীমপুল, একটি মাত্র বিশাল পাথরের দ্বারা দুই পাড়ের সংযোগ রক্ষা করছে। মহাপ্রস্থানের পথে সরস্বতী নদীর প্রাবল্যে ভীত দ্রৌপদী নদী পার হতে অসমর্থ হলে, মহাবলী ভীম একটি মাত্র শিলা দ্বারা এই পুল তৈরী করেন। দেবী সরস্বতীর একটি মন্দির এখানে আছে। আছে ছোট্ট একটি চায়ের দোকান। এখানকার সব গল্প, কাহিনী আমাদের গাইড ভাই এর কাছে শোনা। চায়ের কাপ হাতে, প্রচন্ড বেগে ধাবমান সরস্বতীর ভয়ঙ্কর সুন্দর রূপ দর্শনের সাথে এইসব কাহিনীর বর্ণনা শুনতে শুনতে টাইম মেশিনে চলে গিয়েছিলাম সেই সুদূর অতীতে।এই পথ চলে গেছে বসুধারা, লক্ষ্মীবন, চক্র তীর্থ, সতপন্থ হয়ে সেই অসীমের দিকে। এখান থেকেই সৃষ্টি হোয়েছে স্বর্গের গঙ্গা অলকানন্দা, আলোকপুরী হিমবাহ থেকে। বিপুল জলরাশির জোগান দিয়ে প্রানসুধা সঞ্চার করেছে ভাগীরথীর বুকে। সবকিছু নিয়ে মানা গ্রামটি ভ্রমণ পিপাসু মানুষের কাছে একটুকরো স্বর্গ, অপার শান্তির ঠিকানা।ব্যাস গুম্ফাডঃ ইন্দ্রাণী মুখোপাধ্যায়সহকারী অধ্যাপকচন্দ্রপুর কলেজ (বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়) কিভাবে যাবেনহাওড়া থেকে হরিদ্বার যাবার দৈনিক ট্রেন ১৩০০৯ দুন এক্সপ্রেস। এছাড়া ১২৩৬৯ কুম্ভ এক্সপ্রেস (মঙ্গলবার ও শুক্রবার বাদে), উপাসনা এক্সপ্রেস ১২৩২৭ (মঙ্গলবার ও শুক্রবার থাকে) ট্রেন দুটি হরিদ্বার যায়। হরিদ্বার পৌঁছে সেদিন বিশ্রাম নেওয়া যেতে পারে। পরের দিন সকালে বেরিয়ে চলে আসুন যোশী মঠ, হরিদ্বার থেকে দূরত্ব ২৭৭ কিমি, গাড়িতে যেতে সময় লাগবে ১০ঘণ্টা। যোশী মঠ এ দেখে নিতে পারেন আদি শঙ্করাচার্য নিসৃংহ বদ্রী মন্দির, এটিই বদ্রীবিশাল জীর শীতকালীন আবাস।খুব সকালে পরের দিন রওনা দিন বদ্রীনাথের উদ্দেশ্যে। যোশী মঠ থেকে দূরত্ব ৪৫ কিমি। সেখান থেকে মানা গ্রামটি আরো ৪কিমি। গাড়ী থেকে নেমে পায়ে হেঁটে দেখেনিন দ্রষ্টব্য স্থানগুলি। হাতে একদিন অতিরিক্ত থাকলে ৬ কিমি দূরে বসুধারা জলপ্রপাত দেখতে পারেন। পুরোটাই হাঁটা পথ।হরিদ্বারে থাকার জন্যGMVN এর রাহী মোটেল (০১৩৩৪-২২৬৪৩০)যোশী থাকার জন্যGMVN এর জ্যোতি টুরিস্ট কমপ্লেক্স (৯৫৬৮০০৬৬৬৭)বদ্রীনাথে থাকার জন্যGMVN এর দেবলোক (৯৫৬৮০০৬৬৫১)গাড়ী বা হোটেল বুকিং এর জন্য যোগাযোগ করতে পারেনকিশোর ট্রাভেলস (৯১-৯৯২৭৭১২০৯০)

সেপ্টেম্বর ২০, ২০২০

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

ফের আগুনে আতঙ্ক! সল্টলেক সেক্টর ফাইভের বহুতলে ধোঁয়া, দমকলের তৎপরতা

আনন্দপুরের অগ্নিকাণ্ডের ক্ষত এখনও তাজা। তার মধ্যেই ফের আগুন শহরে। এবার অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটল সল্টলেক সেক্টর ফাইভ-এ। একটি বহুতল অফিস ভবন থেকে গলগল করে ধোঁয়া বের হতে দেখে চাঞ্চল্য ছড়ায় এলাকায়।জানা গিয়েছে, গ্লোবসিন ক্রিস্টাল বিল্ডিং-এ আচমকাই আগুন লাগে। খবর পেয়েই দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে যায় দমকলের ৩টি ইঞ্জিন। দমকল কর্মীরা পৌঁছেই গোটা বিল্ডিং খালি করে দেন। আতঙ্কে একে একে বাইরে বেরিয়ে আসেন তথ্য-প্রযুক্তি সংস্থাগুলির কর্মীরা। অফিস টাইম হওয়ায় মুহূর্তের মধ্যে রাস্তায় ভিড় জমে যায়। আশপাশের এলাকা থেকেও বহু মানুষ ছুটে আসেন।প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্য, হঠাৎ করেই অফিসের ভিতরে সতর্কবার্তা দেওয়া হয়। সঙ্গে সঙ্গে সকলকে নিচে নেমে যেতে বলা হয়। এক কর্মী জানান, তখন তাঁরা অফিসের ভিতরেই ছিলেন। হঠাৎ বলা হয় বাইরে বেরিয়ে যেতে। পরে নিচে নেমে শোনা যায়, উপরের একটি রেস্তোরাঁয় আগুন লেগেছে।তবে ঠিক কোথা থেকে আগুনের সূত্রপাত, তা এখনও স্পষ্ট নয়। রেস্তোরাঁ থেকেই আগুন ছড়িয়েছে, না কি অন্য কোনও জায়গা থেকে, তা খতিয়ে দেখছেন দমকল কর্মীরা। ভবনের অগ্নি নির্বাপন ব্যবস্থা ঠিকমতো কাজ করেছিল কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে।দমকলের চেষ্টায় কিছুক্ষণের মধ্যেই আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে বলে জানা গিয়েছে। তবুও ব্যস্ত সময়ে এই ঘটনায় স্বাভাবিকভাবেই আতঙ্ক ছড়িয়েছে অফিস কর্মীদের মধ্যে। এলাকায় এখনও কৌতূহলী মানুষের ভিড় রয়েছে। আগুন লাগার প্রকৃত কারণ জানতে তদন্ত শুরু হয়েছে।

ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২৬
বিদেশ

ভারত-বিরোধিতার অধ্যায় শেষ? মোদির ফোনে বদলাচ্ছে ঢাকা-দিল্লির সমীকরণ!

বাংলাদেশের সাম্প্রতিক সংসদীয় নির্বাচনে নিরঙ্কুশ জয় পেয়েছে বিএনপি। এই জয়ের পর থেকেই রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছেঢাকা ও দিল্লির সম্পর্ক কি আবার উষ্ণ হতে চলেছে?শুক্রবার নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এক্স হ্যান্ডেলে বার্তা দিয়ে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান-কে অভিনন্দন জানান। পরে ফোনেও তাঁর সঙ্গে কথা বলেন তিনি। মোদি লেখেন, বাংলাদেশের সংসদীয় নির্বাচনে বিরাট জয়ের জন্য তারেক রহমানকে তিনি উষ্ণ শুভেচ্ছা জানাচ্ছেন। এই জয় বাংলাদেশের মানুষের আস্থার প্রতিফলন বলেও মন্তব্য করেন তিনি। পাশাপাশি গণতান্ত্রিক, প্রগতিশীল ও অন্তর্ভুক্তিমূলক বাংলাদেশের পাশে থাকার আশ্বাস দেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী। দুই দেশের বহুমুখী সম্পর্ক আরও জোরদার করতে একসঙ্গে কাজ করার ইচ্ছাও প্রকাশ করেন তিনি।এর জবাবে বিএনপির পক্ষ থেকেও মোদিকে ধন্যবাদ জানানো হয়। দলের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম খান বলেন, তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশ ও ভারতের সম্পর্ক আরও মজবুত হবে বলে তাঁরা বিশ্বাস করেন। দুই দেশের জনগণের পারস্পরিক সম্পর্কও নতুন করে শক্তিশালী হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।এর আগে শেখ হাসিনার সরকারের পতনের পর অন্তর্বর্তীকালীন সময়ে উপদেষ্টা প্রধান হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছিলেন মহম্মদ ইউনুস। তাঁর প্রায় দেড় বছরের শাসনকালে দেশে রাজনৈতিক অস্থিরতা বাড়ে বলে অভিযোগ ওঠে। ভারত-বিরোধী মনোভাব, সংখ্যালঘু নির্যাতন এবং মৌলবাদী শক্তির উত্থান নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়। একই সঙ্গে পাকিস্তানের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা বাড়ানোর ঘটনাও নজরে আসে। এই পরিস্থিতি নিয়ে ভারতের সঙ্গে একাধিকবার কূটনৈতিক টানাপোড়েন দেখা দেয়।এই নির্বাচনে মৌলবাদী দল জামাতকে পিছনে ফেলে ক্ষমতায় এসেছে বিএনপি। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এর ফলে পাকিস্তানের প্রভাব খাটানোর সম্ভাবনায় বড় ধাক্কা লেগেছে। নির্বাচনের আগে জামাতের সঙ্গে পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআই-এর যোগাযোগ নিয়ে নানা জল্পনা চলছিল। তবে ভোটে জামাতের পরাজয়ে সেই সমীকরণ বদলে গেছে বলেই মনে করা হচ্ছে।সব মিলিয়ে, দীর্ঘ রাজনৈতিক অস্থিরতার পর বাংলাদেশে নতুন সরকার গঠনের পথে। এখন নজর ঢাকা-দিল্লি সম্পর্কের দিকে। মোদি ও তারেকের এই সৌজন্য বার্তা কি দুই দেশের সম্পর্কে নতুন অধ্যায়ের সূচনা করবে? দক্ষিণ এশিয়ার কূটনীতিতে তার প্রভাব কতটা পড়বে, সেটাই এখন দেখার।

ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২৬
কলকাতা

বিদেশি ভোটার ইস্যুতে কড়া নির্বাচন কমিশন! একাধিক জেলাশাসক তিরস্কৃত

ভোটার তালিকা সংশোধনকে ঘিরে কড়া অবস্থান নিল নির্বাচন কমিশন। বৈঠকে দক্ষিণ ২৪ পরগনার জেলাশাসককে সরাসরি প্রশ্ন করা হয়, কোন কর্তৃত্বে এআরও-রা ইআরএমও-দের ডেকেছিলেন। একাধিক জেলার জেলাশাসকের ভূমিকায় অসন্তোষ প্রকাশ করে কমিশন।কোচবিহার, জলপাইগুড়ি ও মালদার জেলাশাসকদের বিরুদ্ধে গাফিলতির অভিযোগ উঠেছে। কোচবিহারের জেলাশাসককে নথি আপলোডে দেরির জন্য তিরস্কার করা হয়েছে। দুই ২৪ পরগনার জেলাশাসকের কাজ নিয়েও অসন্তোষ জানানো হয়েছে। পূর্ব বর্ধমানের জেলাশাসককে রাজনৈতিক মন্তব্য না করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।এসআইআর শেষ হওয়ার আগে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার বৈঠক করেন। ভিডিও কনফারেন্সে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের মুখ্য নির্বাচন আধিকারিকও। বৈঠকে স্পষ্ট বলা হয়, কোনও বিদেশি নাগরিকের নাম যেন ভোটার তালিকায় না থাকে। ১৬ ফেব্রুয়ারির মধ্যে সব জেলাশাসককে ব্যক্তিগতভাবে তথ্য যাচাই করতে হবে। সতর্ক করে দেওয়া হয়েছে, যদি ভবিষ্যতে কোনও নাম থেকে যায়, তা হলে এক বা পাঁচ বছর পরেও সংশ্লিষ্ট আধিকারিকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে। মামলা পর্যন্ত হতে পারে বলে ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে।এই ইস্যুতে সরব হয়েছেন সুকান্ত মজুমদার। তিনি বলেন, ভারতের সংবিধান যাঁদের বৈধ ভোটার বলে চিহ্নিত করে, তাঁদের বাইরে কাউকে বৈধ ভোটার হিসেবে মানা যায় না। তাঁর অভিযোগ, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বাংলাদেশ থেকে আসা অনুপ্রবেশকারীদের বৈধ ভোটার হিসেবে দেখছেন। নির্বাচন কমিশন সংবিধান অনুযায়ী কাজ করছে বলেও দাবি করেন তিনি। পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যসচিবকে তলব করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।অন্যদিকে তৃণমূলের সোশাল মিডিয়া সেলের ইনচার্জ দেবাংশু ভট্টাচার্য বলেন, তাঁরাও চান না কোনও বিদেশি ভোটার থাকুক। তবে বৈধ ভোটারের নাম যেন বাদ না যায়, সেটাও সমান গুরুত্বপূর্ণ। তিনি দাবি করেন, সাধারণ মানুষ, পরিযায়ী শ্রমিক বা গরিব মানুষদের বারবার নোটিস দিয়ে ডাকা হচ্ছে। তাঁদের পক্ষে বারবার যাতায়াত করা সম্ভব নয়। ফলে তাঁদের নাম বাদ পড়ার আশঙ্কা তৈরি হচ্ছে।সব মিলিয়ে ভোটার তালিকা সংশোধনকে কেন্দ্র করে প্রশাসনিক কড়াকড়ি এবং রাজনৈতিক তরজা তুঙ্গে উঠেছে। বিদেশি ভোটার বিতর্কে আগামী দিনে পরিস্থিতি কোন দিকে যায়, সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২৬
বিদেশ

মোদী বিরোধী আগুনঝরা ভাষণ, তবু ভোটে হার! সারজিস আলমকে ফিরিয়ে দিল পঞ্চগড়

বাংলাদেশের নির্বাচনে বড় ধাক্কা খেলেন ছাত্রনেতা সারজিস আলম। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম মুখ এবং জুলাই শহিদ স্মৃতি ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে পরিচিত তিনি। অতীতে ভারতের বিরুদ্ধে তীব্র ভাষায় মন্তব্য করেছিলেন এবং সরাসরি নরেন্দ্র মোদি-র নাম করে সমালোচনা করেন। প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা-র দেশত্যাগ নিয়েও কটাক্ষ করেছিলেন তিনি।পঞ্চগড়-১ আসনে জামাত জোটের প্রার্থী হিসেবে লড়ে শেষ পর্যন্ত পরাজিত হন সারজিস। তাঁর মন্তব্য ঘিরে আগে থেকেই বিতর্ক ছিল। এক টেলিভিশন সাক্ষাৎকারে তিনি হাসিনার দেশছাড়ার প্রসঙ্গ টেনে ঐতিহাসিক তুলনাও করেছিলেন। সেইসব বক্তব্য রাজনৈতিক মহলে আলোড়ন তুলেছিল।কিন্তু ভোটের ফল অন্য কথা বলল। শেষ পর্যন্ত তিনি বিএনপি প্রার্থীর কাছে হেরে যান। অন্যদিকে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ক্রমশ স্পষ্ট হয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) জোটের বড় জয়। সংবাদমাধ্যমের হিসাব অনুযায়ী ২৯৯টি আসনের মধ্যে ২০৭টিতে এগিয়ে বা জয়ী হয়েছে বিএনপি জোট।ঢাকা-৩ আসনে জয়ী হয়েছেন বিএনপির প্রার্থী গয়েশ্বরচন্দ্র রায়। তিনি তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বীর চেয়ে প্রায় সাড়ে ১৬ হাজার ভোট বেশি পেয়েছেন।বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়া-র পুত্র তারেক রহমান ঢাকা-১৭ এবং বগুড়া-৬ দুই আসনেই বিপুল ভোটে জয়ী হয়েছেন। প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ আসন পেয়ে দুদশক পর সরকার গঠনের পথে বিএনপি। তারেক রহমানের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার সম্ভাবনাও জোরালো হয়েছে।মূল প্রতিপক্ষ জামাত জোট ১০০-র নীচে থেমে গেছে বলে জানা গিয়েছে। ন্যাশনাল সিটিজেন পার্টি বা এনসিপিও বড় প্রভাব ফেলতে পারেনি।সব মিলিয়ে প্রশ্ন উঠছে, এই বিপুল জয়ের পর কি বাংলাদেশে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ফিরবে? অরাজকতার অভিযোগে উত্তাল সময়ের পর পদ্মাপারের দেশে নতুন অধ্যায় শুরু হতে চলেছে কি না, এখন সেদিকেই নজর।

ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

হাসপাতাল থেকে ছাড়া, তবু মাঠে অনিশ্চিত অভিষেক! পাকিস্তান ম্যাচের আগে বড় ধাক্কা ভারতের শিবিরে?

হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেলেও এখনও পুরো সুস্থ নন ভারতীয় ওপেনার অভিষেক শর্মা। কবে তিনি সম্পূর্ণ ফিট হয়ে মাঠে নামবেন, তা স্পষ্ট নয়। টি-২০ বিশ্বকাপে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচেও তাঁর খেলা নিয়ে তৈরি হয়েছে সন্দেহ। ভারত অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব ইঙ্গিত দিয়েছেন, অভিষেকের ফিরতে আরও এক-দুটি ম্যাচ সময় লাগতে পারে।বৃহস্পতিবার নামিবিয়ার বিরুদ্ধে জয়ের পর ড্রেসিংরুমে একটি ভিডিও করেন অর্শদীপ সিং। সেই ভিডিওতেই দেখা যায় অভিষেককে। তাঁকে বেশ ক্লান্ত দেখাচ্ছিল। অর্শদীপ জানতে চাইলে অভিষেক বলেন, তিনি ডাল-ভাত খাচ্ছেন, তবে পুরোপুরি ভালো নেই। অর্শদীপ মজা করে বলেন, তাঁকে অনেকটা রোগা লাগছে। যদিও সে বিষয়ে স্পষ্ট কিছু বলেননি অভিষেক। শোনা গিয়েছিল, পেটের সমস্যার কারণে তাঁর ওজন অনেকটাই কমে গিয়েছে। ভিডিও দেখেও অনেকে একই মন্তব্য করেছেন।অসুস্থতা নিয়েই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে খেলতে নেমেছিলেন অভিষেক। কিন্তু প্রথম বলেই আউট হয়ে মাঠ ছাড়েন। তার পর আর তাঁকে মাঠে দেখা যায়নি। দিল্লি ফেরা, কোচ গৌতম গম্ভীর-এর বাড়িতে যাওয়া, পরে হাসপাতালে ভর্তি হওয়াসবই হয়েছে চুপিসারে। গতকাল হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেলেও নামিবিয়ার বিরুদ্ধে খেলতে পারেননি।পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ১৫ ফেব্রুয়ারির ম্যাচে তিনি খেলবেন কি না, তা নিয়ে এখনও অনিশ্চয়তা রয়েছে। টসের সময় সূর্যকুমার বলেন, অভিষেক এখনও পুরো সুস্থ নন। ফলে পাকিস্তান ম্যাচে তাঁর নামার সম্ভাবনা কম বলেই মনে করা হচ্ছে। যদিও ম্যাচের পরে বরুণ চক্রবর্তী জানান, অভিষেক অনেকটাই ভালো আছেন।তবে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচের আগে ভারতীয় দলে এই অনিশ্চয়তা চিন্তা বাড়াচ্ছে সমর্থকদের। অভিষেক কবে মাঠে ফিরবেন, এখন সেদিকেই নজর ক্রিকেটপ্রেমীদের।

ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২৬
দেশ

লালকেল্লার পর ফের কাঁপছে দিল্লি! স্কুলে বোমা হুমকি ঘিরে তীব্র আতঙ্ক

নভেম্বরে বিস্ফোরণে কেঁপে উঠেছিল রাজধানী। দিল্লি-র লালকেল্লা-র সামনে ভয়াবহ বিস্ফোরণের স্মৃতি এখনও টাটকা। তার মধ্যেই আবার ছড়াল বোমাতঙ্ক। শুক্রবার সকালে রাজধানীর একাধিক স্কুলে বোমা রাখা হয়েছে বলে হুমকি আসে। আতঙ্ক ছড়ায় পড়ুয়া ও অভিভাবকদের মধ্যে।দমকল সূত্রে জানা গিয়েছে, শুক্রবার সকালে অন্তত তিনটি স্কুলে বোমা রয়েছে বলে খবর পাওয়া যায়। প্রথমে বিটি তামিল স্কুলে বোমা থাকার খবর ছড়ায়। সঙ্গে সঙ্গে সতর্ক করা হয় পড়ুয়াদের পরিবারকে। পরে আরও দুটি স্কুলে একই ধরনের হুমকি আসে। ঘটনাস্থলে পৌঁছয় দমকল ও পুলিশ। দ্রুত স্কুলগুলি খালি করে দেওয়া হয়। সংশ্লিষ্ট এলাকাগুলিতে জারি করা হয়েছে হাই অ্যালার্ট।এর আগেও সোমবার ১৩টি স্কুলে উড়িয়ে দেওয়ার হুমকি ইমেল পাঠানো হয়েছিল। সেই ইমেলে লেখা ছিল, আফজল গুরুর স্মৃতিতে দিল্লিকে খলিস্তান বানানো হবে এবং নির্দিষ্ট সময়ে বিস্ফোরণ ঘটানো হবে। যদিও পরে সেই হুমকি ভুয়ো বলে প্রমাণিত হয়। তবু আতঙ্ক কাটেনি।গত ২৯ জানুয়ারি পাঁচটি স্কুল একই ধরনের হুমকি পেয়েছিল। তার আগের দিন দ্বারকা আদালত চত্বর উড়িয়ে দেওয়ার হুমকি আসে। এমনকি সংসদ ভবন নিয়েও হুমকির ইমেল পাঠানো হয়েছিল। এক সপ্তাহে দুবার স্কুলে বোমা রাখার হুমকি ঘিরে উদ্বেগ বেড়েছে প্রশাসনের।১০ নভেম্বর লালকেল্লার সামনে বিস্ফোরণের ঘটনার পর থেকেই রাজধানীতে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। তবু একের পর এক হুমকি ইমেল প্রশাসনকে চিন্তায় ফেলেছে। এখনও পর্যন্ত হুমকির উৎস জানা যায়নি। তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।বারবার বোমা হুমকির ঘটনায় আতঙ্কে দিল্লিবাসী। নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও কড়া করা হয়েছে। পড়ুয়া ও অভিভাবকদের সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে। রাজধানীতে ফের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।

ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২৬
রাজ্য

পুণেতে খুন পুরুলিয়ার শ্রমিক! ভাষা বিতর্ক না কি মদের ঝামেলা—রহস্যে ঘনাচ্ছে মৃত্যু

ভিনরাজ্যে পরিযায়ী শ্রমিকের মৃত্যুকে ঘিরে উত্তেজনা ছড়াল পুরুলিয়ায়। বিজেপি শাসিত মহারাষ্ট্র-এর পুণে থেকে উদ্ধার হয়েছে পুরুলিয়ার বরাবাজারের বাসিন্দা সুখেন মাহাতোর দেহ। এই ঘটনায় ইতিমধ্যেই আমিন সওকত শেখ নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেস-এর অভিযোগ, বাংলা ভাষায় কথা বলার কারণেই খুন হতে হয়েছে সুখেনকে। যদিও তদন্তে নেমে পুণে পুলিশের দাবি, ভাষা নয়, মত্ত অবস্থায় বচসা থেকেই এই খুনের ঘটনা ঘটেছে। পুলিশের তরফে অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করা হয়েছে।মঙ্গলবার পুণে শহরের কাছে শিকরাপুর থানার এলাকায় একটি হোটেলের পিছন থেকে সুখেনের রক্তাক্ত দেহ উদ্ধার হয়। সেই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়েছে। তৃণমূলের দাবি, সহকর্মীদের হাতে খুন হয়েছেন সুখেন এবং এর নেপথ্যে রয়েছে ভাষাগত বিদ্বেষ।অন্যদিকে, সুখেনের ভাই তুলসীরাম মাহাতো পুণেতে গিয়ে দেহ শনাক্ত করেন। তাঁর সম্মতিক্রমেই এফআইআর দায়ের হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। শিকরাপুর থানায় মারাঠি ভাষায় এফআইআর লেখা হলেও তা হিন্দিতে অনুবাদ করে তাঁকে শোনানো হয়। তুলসীরাম জানিয়েছেন, তাঁর সম্মতি নিয়েই অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।তুলসীরামের বয়ান অনুযায়ী, ৯ তারিখ দুপুরে সুখেন বাড়ি থেকে কাজের উদ্দেশে বের হন। সন্ধ্যায় তিনিও কাজে যান, কিন্তু সেখানে সুখেনকে দেখতে পাননি। ফোন করলেও যোগাযোগ হয়নি। রাতেও একাধিকবার ফোন করা হয়, কিন্তু কোনও সাড়া মেলেনি। পরদিন সকালে শিফট শেষ করে বাড়ি ফিরে সুখেনকে না পেয়ে খোঁজাখুঁজি শুরু হয়। পরে সুপারভাইজার সন্দীপ জানান, একটি হোটেলের পিছনে সুখেনের দেহ পড়ে রয়েছে। সেখানে গিয়ে দেহ শনাক্ত করেন তুলসীরাম।শুক্রবার দুপুরে সুখেনের পরিবারের পাশে দাঁড়াতে পুরুলিয়ার বরাবাজারে যাচ্ছেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।এই ঘটনায় ভাষা-বিদ্বেষ না কি ব্যক্তিগত বচসা, তা নিয়ে ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে। তদন্তে নেমেছে পুণে পুলিশ। পুরো ঘটনার নেপথ্যে কী রয়েছে, তা জানতে অপেক্ষা তদন্তের অগ্রগতির দিকে।

ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২৬
দেশ

তারেকের জয়ে উচ্ছ্বসিত মোদি? কূটনীতিতে নতুন অধ্যায় শুরু

বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বড়সড় জয়ের পথে বিএনপি। ফলাফল স্পষ্ট হতেই দলের সভাপতি তারেক রহমান-কে শুভেচ্ছা জানালেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। শুক্রবার সকালে এক্স হ্যান্ডলে বার্তা দিয়ে মোদি লিখেছেন, এই জয় প্রমাণ করে বাংলাদেশবাসী তারেকের নেতৃত্বে আস্থা রেখেছেন।মোদি তাঁর বার্তায় আরও জানিয়েছেন, গণতান্ত্রিক ও উন্নয়নশীল বাংলাদেশের পাশে ভারত রয়েছে। ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে যে বহুমুখী সম্পর্ক রয়েছে, তা আগামী দিনে আরও শক্তিশালী হবে বলেও আশা প্রকাশ করেছেন তিনি। পারস্পরিক স্বার্থে দুই দেশের সম্পর্ককে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার কথাও উল্লেখ করেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী।শুক্রবার সকালেই বাংলাদেশের নির্বাচনের ফল পরিষ্কার হয়ে যায়। ৩০০ আসনের মধ্যে ২৯৯টি আসনে ভোট হয়েছে। তার মধ্যে ২০০-র বেশি আসনে এগিয়ে থেকে সরকার গঠনের পথ নিশ্চিত করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল। দুটি আসনে লড়ে দুটিতেই জয় পেয়েছেন তারেক রহমান।এই নির্বাচনে উল্লেখযোগ্য ফল করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামি। প্রধান বিরোধী দল হিসেবে উঠে এসেছে তারা।এমন পরিস্থিতিতে প্রতিবেশী দেশের সম্ভাব্য প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশে মোদির শুভেচ্ছাবার্তা রাজনৈতিকভাবে তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছেন বিশ্লেষকরা। মোদি তাঁর বার্তায় লিখেছেন, বিএনপি দেশের নির্ণায়ক শক্তি হিসেবে উঠে এসেছে এবং তারেকের নেতৃত্বে বাংলাদেশ এগিয়ে যাবে বলেই তিনি আশাবাদী।উল্লেখ্য, ২০২৪ সালে সংরক্ষণ বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের জেরে ক্ষমতাচ্যুত হন শেখ হাসিনা। এরপর থেকে তিনি দিল্লিতে রাজনৈতিক আশ্রয়ে রয়েছেন বলে জানা যায়। আন্তর্জাতিক অপরাধ দমন আদালত তাঁকে গণহত্যা মামলায় সাজা শুনিয়েছে। বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকার বারবার তাঁর প্রত্যর্পণ দাবি করলেও এ বিষয়ে ভারত সরকার প্রকাশ্যে কিছু জানায়নি।এই পটভূমিতে বিএনপির জয়ের আভাস মিলতেই মোদির দ্রুত শুভেচ্ছাবার্তা কূটনৈতিক দিক থেকে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহলের একাংশ। এখন নজর, তারেক রহমানের নেতৃত্বে নতুন সরকারের সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক কোন পথে এগোয়।

ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal