• ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩, শনিবার ০১ আগস্ট ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Uri

রাজ্য

রামনবমীর মিছিল মানেই কড়া বিধি! নজরে ড্রোন, সর্বত্র পুলিশি ঘেরাটোপ

রামনবমীর শোভাযাত্রাকে ঘিরে কোনও রকম অশান্তি এড়াতে রাজ্যজুড়ে কড়া নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার কলকাতা-সহ একাধিক জেলায় রামনবমীর মিছিল বের হবে। তার আগেই বুধবার নবান্ন থেকে ভিডিও বৈঠকের মাধ্যমে সমস্ত জেলার জেলাশাসক, পুলিশ সুপার এবং পুলিশ কমিশনারদের সঙ্গে আলোচনা করেন মুখ্যসচিব দুষ্যন্ত নারিয়ালা। উপস্থিত ছিলেন স্বরাষ্ট্রসচিব, রাজ্য পুলিশের ডিজি এবং অন্যান্য উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা।নবান্ন সূত্রে জানা গেছে, মিছিল যাতে শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয়, সেই জন্য পুলিশকে একাধিক নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। হাওড়া, চন্দননগর এবং ইসলামপুরের মতো এলাকাগুলিতে বাড়তি নজরদারি রাখা হবে। অতীতে এই সব এলাকায় মিছিলকে ঘিরে অশান্তির ঘটনা ঘটেছিল বলে প্রশাসন বিশেষ সতর্ক।সারা রাজ্যে প্রায় তিন হাজার পুলিশ মোতায়েন থাকবে। এর মধ্যে কলকাতায় থাকবে প্রায় এক হাজার পুলিশ। প্রয়োজনে কেন্দ্রীয় বাহিনীর সাহায্যও নেওয়া হতে পারে। একইসঙ্গে উসকানিমূলক বার্তা বা পোস্ট ছড়ানো বন্ধ করতে সাইবার নজরদারিও চালানো হচ্ছে। ২৬ থেকে ২৯ মার্চ পর্যন্ত এই বিশেষ নজরদারি চালানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।প্রশাসনের তরফে স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, আদালতের নির্দেশ মেনেই মিছিল করতে হবে। কোনওভাবেই অস্ত্র নিয়ে শোভাযাত্রা করা যাবে না। নির্দিষ্ট সময় ও রুট মেনে মিছিল করতে হবে এবং কোনও মিছিলে পাঁচশোর বেশি মানুষ থাকতে পারবেন না। এই নিয়ম ভাঙলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। নবান্নে একটি নিয়ন্ত্রণ কক্ষও খোলা থাকবে, সেখান থেকে গোটা পরিস্থিতির উপর নজর রাখা হবে।কলকাতা পুলিশও বিশেষ প্রস্তুতি নিয়েছে। শহরে প্রায় ষাটটি মিছিল বের হওয়ার কথা রয়েছে। এর মধ্যে পাঁচটি বড় মিছিল শুরু হবে এন্টালি, পিকনিক গার্ডেন, সেন্ট্রাল অ্যাভিনিউ, হেস্টিংস এবং কাশীপুর এলাকা থেকে। প্রতিটি মিছিলে পর্যাপ্ত পুলিশ মোতায়েন থাকবে।পুলিশকর্মীদের সুরক্ষার জন্য বিশেষ প্রতিরক্ষামূলক পোশাক রাখা হবে। কোথাও কোনও সমস্যা হলে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। মিছিলগুলির উপর ড্রোনের মাধ্যমে নজরদারি করা হবে। পাশাপাশি অতিরিক্ত সিসিটিভি ক্যামেরা বসানো হবে এবং পুলিশ সেই ফুটেজ নজরে রাখবে।পুলিশ জানিয়ে দিয়েছে, বাইক নিয়ে মিছিল করা যাবে না এবং শুধুমাত্র নির্দিষ্ট রুটেই শোভাযাত্রা করতে হবে। প্রতিটি মিছিলের আগে ও পরে পুলিশ থাকবে এবং আশপাশের এলাকাতেও টহলদারি চালানো হবে। পুলিশকর্মীদের পোশাকে বডি ক্যামেরাও থাকবে, যাতে পুরো পরিস্থিতি রেকর্ড করা যায়।সব মিলিয়ে রামনবমীকে কেন্দ্র করে রাজ্যজুড়ে কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে, যাতে কোনও রকম অশান্তি না ঘটে এবং উৎসব শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয়।

মার্চ ২৫, ২০২৬
রাজ্য

ভোটের আগে কড়া হুঁশিয়ারি! বুথ দখল হলেই অ্যাকশন, কঠোর বার্তা অজয় নন্দার

ভোটের আগে কঠোর বার্তা দিল পুলিশ প্রশাসন। বুথ দখল, ভুয়ো ভোট বা কোনও রকম কারচুপি বরদাস্ত করা হবে না বলেই স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন কলকাতা পুলিশ কমিশনার অজয় নন্দা। রবিবার ভাঙড় থানায় পরিদর্শনে গিয়ে তিনি পুলিশকর্মীদের সঙ্গে বৈঠক করেন এবং নির্বাচন কমিশনের সমস্ত নির্দেশ কঠোরভাবে মানার নির্দেশ দেন।নির্বাচনকে শান্তিপূর্ণ ও নিরপেক্ষ রাখতে ইতিমধ্যেই রাজ্য জুড়ে কড়া নজরদারি শুরু হয়েছে। কলকাতা পুলিশ কমিশনার জানান, বিভিন্ন এলাকায় নাকা চেকিং ও তল্লাশি চালানো হচ্ছে। পাশাপাশি কেন্দ্রীয় বাহিনীকে সঙ্গে নিয়ে টহল দিচ্ছে পুলিশ। ভোটের আগে আরও কেন্দ্রীয় বাহিনী আসবে বলেও জানিয়েছেন তিনি।এদিন শুধু ভাঙড় নয়, দক্ষিণ শহরতলীর একাধিক থানাতেও প্রস্তুতি খতিয়ে দেখা হয়। প্রেসিডেন্সি রেঞ্জের ডিআইজি কঙ্কর প্রসাদ বারুই নরেন্দ্রপুর, সোনারপুর ও বারুইপুর থানায় গিয়ে পরিস্থিতি পর্যালোচনা করেন। তিনি পুলিশ আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক করে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করার নির্দেশ দেন।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, শহরতলীর এই এলাকাগুলিতে গ্রামীণ অঞ্চলের বহু বুথ রয়েছে। সেই সব বুথে নিরাপত্তা কীভাবে নিশ্চিত করা হবে, তা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। পুলিশকর্মী থেকে হোমগার্ডসকলকেই ভোটের আগে প্রস্তুত থাকতে বলা হয়েছে।কঙ্কর প্রসাদ বারুই জানান, নির্বাচন ঘোষণার পর থেকেই প্রতিটি দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে। কোথায় কী ব্যবস্থা নিতে হবে, তা নিয়ে বিস্তারিত পরিকল্পনা করা হয়েছে। তাঁর কথায়, অবাধ, শান্তিপূর্ণ এবং ভয়মুক্ত নির্বাচনই এখন প্রধান লক্ষ্য।

মার্চ ২২, ২০২৬
কলকাতা

ব্রিগেডে মোদীর সভা ঘিরে কড়া নিরাপত্তা! তিন হাজার রক্ষী, আকাশে উড়বে না কিছুই

বিধানসভা ভোটের আগে বাংলায় বড় রাজনৈতিক কর্মসূচিতে যোগ দিতে কলকাতায় আসছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। শনিবার ব্রিগেড ময়দানে একটি অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন তিনি। সেখানে জাতীয় সড়ক উদ্বোধনের পাশাপাশি রাজনৈতিক বার্তাও দিতে পারেন প্রধানমন্ত্রী। এই সভাকে ঘিরে বিজেপি শিবিরে তুঙ্গে প্রস্তুতি এবং প্রশাসনের পক্ষ থেকেও নেওয়া হয়েছে কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা।প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রধানমন্ত্রীর সভাস্থলের আশপাশের এলাকা সম্পূর্ণ উড়ান নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। ফলে আকাশে কোনও ড্রোন উড়তে দেওয়া হবে না। তবে আশপাশের বহুতল ভবন থেকে দূরবীন নিয়ে নজরদারি চালাবে পুলিশ।সভাস্থলে প্রায় তিন হাজার নিরাপত্তারক্ষী মোতায়েন করা হচ্ছে। গোটা নিরাপত্তা ব্যবস্থার দায়িত্বে থাকবেন উপকূল নিরাপত্তা শাখার অতিরিক্ত পুলিশ মহাপরিদর্শক পদমর্যাদার আধিকারিক। শুক্রবার সন্ধ্যায় ব্রিগেড ময়দানে গিয়ে প্রস্তুতি খতিয়ে দেখেন বিজেপির একাধিক নেতা।শনিবার সকাল থেকেই ব্রিগেড এবং আশপাশের এলাকায় নিরাপত্তা আরও জোরদার করা হবে। গোটা এলাকাকে একাধিক সেক্টরে ভাগ করে নিরাপত্তা মোতায়েন করা হচ্ছে। প্রতিটি সেক্টরের দায়িত্বে থাকবেন উপ পুলিশ কমিশনার পদমর্যাদার আধিকারিকরা।চার থেকে পাঁচটি সেক্টর মিলিয়ে একজন যুগ্ম পুলিশ কমিশনার পদমর্যাদার আধিকারিক থাকবেন। তাঁদের সঙ্গে অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনাররাও দায়িত্ব পালন করবেন।পুলিশ সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, কলকাতার বিভিন্ন এলাকা থেকে যে মিছিল ব্রিগেডের দিকে আসবে, সেই সব রাস্তায় প্রায় পঞ্চাশটি পিকেট বসানো হয়েছে।শিয়ালদহ, হাওড়া, শ্যামবাজার এবং দক্ষিণ কলকাতার বিভিন্ন এলাকা থেকে মিছিল ব্রিগেডে পৌঁছানোর কথা রয়েছে। সেই সব রাস্তায় বসানো হয়েছে পর্যাপ্ত নজরদারি ক্যামেরা। ব্রিগেডের মঞ্চ এবং আশপাশের এলাকাতেও ক্যামেরার মাধ্যমে নজরদারি চালাবে পুলিশ।উড়ান নিষিদ্ধ এলাকা হওয়ায় আকাশে কোনও ড্রোন ব্যবহার করা হবে না। তবে আশপাশের বহুতল ভবন থেকে দূরবীন নিয়ে পুলিশ নজরদারি চালাবে বলে প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে।

মার্চ ১৪, ২০২৬
রাজ্য

রাষ্ট্রপতিকে সামনে পেয়েই বড় দাবি! বাংলায় রাষ্ট্রপতি শাসনের ডাক বিজেপি সাংসদের

শনিবার আন্তর্জাতিক সাঁওতাল সম্মেলনে যোগ দিতে শিলিগুড়িতে এসেছিলেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। তাঁকে স্বাগত জানানোর সময় প্রোটোকল ভাঙা হয়েছে বলে অভিযোগ তোলে বিজেপি। যদিও রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে লিখিতভাবে জানানো হয়, কোনও প্রোটোকল ভঙ্গ করা হয়নি। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাষ্ট্রপতি ভবন এবং নবান্নের মধ্যে নজিরবিহীন টানাপোড়েন তৈরি হয়েছে বলে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে।এর মধ্যেই সুযোগ নিয়ে রাজ্য প্রশাসনকে আক্রমণ করেন বিজেপি সাংসদ রাজু বিস্তা। রাষ্ট্রপতির অনুষ্ঠান শেষ হওয়ার পর সাংবাদিক বৈঠকে তিনি বলেন, বাংলার পরিস্থিতি খুবই খারাপ। তাঁর দাবি, এই অবস্থায় একমাত্র রাষ্ট্রপতি শাসন জারি করে তার অধীনে নির্বাচন করলেই সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ ভোট সম্ভব। দ্রুত বাংলায় রাষ্ট্রপতি শাসন জারি করার দাবি জানান তিনি।এর কিছুক্ষণ পরেই সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন শিলিগুড়ির মেয়র গৌতম দেব। তিনিই শনিবার বাগডোগরা বিমানবন্দরে গিয়ে রাষ্ট্রপতিকে স্বাগত জানিয়েছিলেন। তিনি বলেন, রাষ্ট্রপতি অনুষ্ঠান শেষ করে দিল্লি পৌঁছানোর আগেই বিজেপি সাংসদ রাষ্ট্রপতি শাসনের দাবি তুলছেন। তাঁর প্রশ্ন, রাষ্ট্রপতিকে দেখেই কি এই কথা মনে পড়ল? তাঁর দাবি, দলের বড় নেতারা যা বলেন, রাজু বিস্তাও সেটাই বলছেন।গৌতম দেব আরও বলেন, সুষ্ঠু নির্বাচন নিয়ে বিজেপি সাংসদের চিন্তা করার কোনও প্রয়োজন নেই। তাঁর বক্তব্য, যদি তৃণমূল ভোটে কারচুপি করত, তাহলে রাজু বিস্তা কীভাবে জিতলেন? তিনি আরও অভিযোগ করেন, সাংসদ নিজের কেন্দ্রে খুব একটা থাকেন না, অথচ ভোটের আগে বড় বড় কথা বলছেন।উল্লেখ্য, বাংলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি খারাপ বলে অভিযোগ তুলে রাজ্যের বিজেপি নেতৃত্ব আগেও একাধিকবার রাষ্ট্রপতি শাসনের দাবি তুলেছে। বিশেষ করে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী এই দাবি বারবার করেছেন। তবে সেই দাবি এখনও পর্যন্ত বাস্তবায়িত হয়নি। তাই রাজু বিস্তার এই দাবিকেও গুরুত্ব দিতে নারাজ তৃণমূল নেতৃত্ব।

মার্চ ০৮, ২০২৬
রাজ্য

বাংলায় এসে বিস্ফোরক মন্তব্য রাষ্ট্রপতির! ‘মমতা হয়তো আমার উপর রাগ করেছেন’

ভোটের আগে বাংলায় রাষ্ট্রপতির সফর ঘিরে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে। সভাস্থল নিয়ে রাজ্য সরকারের ভূমিকা নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করলেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। তাঁর অভিযোগ, অনুষ্ঠানের জন্য পর্যাপ্ত জায়গা থাকা সত্ত্বেও রাজ্য সরকার অনুমতি দেয়নি। সেই কারণেই শেষ পর্যন্ত অন্য জায়গায় সভা করতে হয়েছে।শনিবার শিলিগুড়ি মহকুমার গোঁসাইপুরে নবম আন্তর্জাতিক সাঁওতাল সম্মেলনে যোগ দেন রাষ্ট্রপতি। তবে তিনি মঞ্চে ওঠার পর দেখা যায় দর্শকাসনে অনেক চেয়ারই ফাঁকা পড়ে রয়েছে। বিষয়টি নজরে আসতেই তিনি প্রশ্ন তোলেন, এত চেয়ার ফাঁকা কেন। তাঁর সন্দেহ, কেউ হয়তো বাধা দিয়েছে।উদ্যোক্তাদের দাবি, প্রথমে ঠিক হয়েছিল এই সম্মেলন হবে বিধাননগরে। কিন্তু পরে একাধিকবার সভাস্থল বদল করতে হয়। শেষ পর্যন্ত নিরাপত্তার কারণ দেখিয়ে বাগডোগরা বিমানবন্দরের কাছে গোঁসাইপুরে সভা করার অনুমতি দেয় প্রশাসন। তবে আয়োজকদের অভিযোগ, অনেক আমন্ত্রিত অতিথি নিরাপত্তা পাশ না পাওয়ায় অনুষ্ঠানে ঢুকতে পারেননি। পুলিশ তাদের আটকে দেয় বলে অভিযোগ।সভা শেষে রাষ্ট্রপতি সেখানেই থেমে থাকেননি। তিনি শিলিগুড়ি মহকুমার বিধাননগরে যান, যেখানে প্রথমে সভা হওয়ার কথা ছিল। সেখানে গিয়ে গোটা এলাকা ঘুরে দেখেন এবং বলেন, তিনি আসলে এখানেই সভা করতে চেয়েছিলেন। জায়গাও যথেষ্ট ছিল। তবে কেন রাজ্য সরকার অনুমতি দিল না, সেই প্রশ্নও তোলেন তিনি।মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি বলেন, তিনি তাঁর ছোট বোনের মতো। তবে হয়তো কোনও কারণে তিনি তাঁর উপর রাগ করেছেন, সেই কারণেই সভা করতে দেওয়া হয়নি বলে মন্তব্য করেন তিনি।এই অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী বা রাজ্যের কোনও মন্ত্রী উপস্থিত ছিলেন না। এ নিয়েও মন্তব্য করেন রাষ্ট্রপতি। তিনি বলেন, সাধারণত রাষ্ট্রপতি কোনও রাজ্যে গেলে মুখ্যমন্ত্রী বা মন্ত্রিসভার কেউ তাঁকে স্বাগত জানান। সেটাই নিয়ম এবং প্রোটোকল।শেষ পর্যন্ত বিধাননগরে পূর্ব নির্ধারিত জায়গায় একটি শালগাছ লাগিয়ে বাগডোগরা বিমানবন্দরের উদ্দেশে রওনা দেন রাষ্ট্রপতি।অন্যদিকে শিলিগুড়ির মেয়র গৌতম দেব জানান, রাজ্যের পক্ষ থেকে তিনিই রাষ্ট্রপতিকে স্বাগত জানিয়েছেন। জেলা শাসক এবং পুলিশ কমিশনারও উপস্থিত ছিলেন। তাঁর কথায়, এর আগেও রাষ্ট্রপতি হিসেবে প্রণব মুখোপাধ্যায় যখন এসেছিলেন, তখনও তিনি তাঁকে স্বাগত জানিয়েছিলেন। সভাস্থল নিয়ে যে সমস্যা তৈরি হয়েছিল, তা মূলত নিরাপত্তা সংক্রান্ত কারণেই হয়েছে বলেও জানান তিনি।

মার্চ ০৭, ২০২৬
রাজ্য

চূড়ান্ত ভোটার তালিকায় নাম নেই খোদ বিডিওর, উত্তরে তোলপাড় প্রশাসনিক মহল

দীর্ঘ চার মাসেরও বেশি সময় ধরে চলা বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়া শেষে প্রকাশিত হয়েছে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা। কিন্তু তালিকা প্রকাশের পরই সামনে আসছে একের পর এক অসঙ্গতির অভিযোগ। এবার দেখা গেল, জলপাইগুড়ির ময়নাগুড়ির ব্লক উন্নয়ন আধিকারিক প্রসেনজিৎ কুণ্ডুর নামই নেই ভোটার তালিকায়। ঘটনায় বিস্মিত প্রশাসনিক মহল এবং চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে স্থানীয় স্তরেও।প্রসেনজিৎ কুণ্ডু আলিপুরদুয়ার পুরসভার সাত নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা। তিনি আলিপুরদুয়ার বিধানসভা কেন্দ্রের ভোটার হিসেবে তালিকাভুক্ত ছিলেন। প্রায় দুবছর ধরে ময়নাগুড়িতে ব্লক উন্নয়ন আধিকারিক হিসেবে কর্মরত। বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়ার সঙ্গেও তিনি সরাসরি যুক্ত ছিলেন এবং সহকারী রিটার্নিং আধিকারিকের দায়িত্ব পালন করেছেন। অথচ তালিকা প্রকাশের পর দেখা যায়, তাঁর নামই বাদ পড়েছে। যদিও এই বিষয়ে তিনি প্রকাশ্যে কোনও মন্তব্য করতে চাননি।আলিপুরদুয়ারের সাত নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর পার্থপ্রতিম ঘোষ বলেন, এতদিন প্রশাসনিক পদে থাকার পরও যদি এক জন আধিকারিকের নাম বাদ যায়, তা হলে সাধারণ মানুষের ক্ষেত্রে কী হয়েছে তা নিয়ে প্রশ্ন ওঠাই স্বাভাবিক। তাঁর মতে, তাড়াহুড়ো করে কাজ হওয়ার ফলেই এমন অসঙ্গতি সামনে আসছে।উল্লেখযোগ্য, বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়া শুরু হয়েছিল ২০২৫ সালের ২৭ অক্টোবর। সেই সময় রাজ্যে মোট ভোটারের সংখ্যা ছিল প্রায় ৭ কোটি ৬৬ লক্ষ ৩৭ হাজার ৫২৯। খসড়া তালিকা প্রকাশের পর দেখা যায় প্রায় ৫৮ লক্ষ ২০ হাজার ৮৯৯ জনের নাম বাদ পড়েছে। ২৮ ফেব্রুয়ারি প্রকাশিত চূড়ান্ত তালিকা অনুযায়ী রাজ্যে এখন মোট ভোটার ৭ কোটি ০৪ লক্ষ ৫৯ হাজার ২৮৪ জন। কমিশনের দেওয়া তথ্য বলছে, নাম বাতিলের আবেদন জমা পড়ার পর প্রায় ৫ লক্ষ ৪৬ হাজার ৫৩ জনের নাম বাদ গিয়েছে। নতুন করে নাম যুক্ত হয়েছে প্রায় ১ লক্ষ ৮২ হাজার ৩৬ জনের। ঠিকানাসহ সংশোধনের মাধ্যমে যুক্ত হয়েছে আরও ৬ হাজার ৬৭১ জন।ভোটার তালিকা নিয়ে এই নতুন বিতর্কে প্রশাসনিক স্বচ্ছতা ও প্রক্রিয়ার নির্ভুলতা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। আগামী দিনে আরও কত অসঙ্গতি সামনে আসে, সেদিকেই এখন নজর রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলের।

মার্চ ০১, ২০২৬
রাজ্য

অন্তঃসত্ত্বাকে মারধরের অভিযোগ, গর্ভস্থের মৃত্যুকে ঘিরে শিলিগুড়িতে বিস্ফোরণ, টিয়ার গ্যাসে থামল বিক্ষোভ

এক আদিবাসী অন্তঃসত্ত্বা মহিলাকে মারধরের অভিযোগ ঘিরে উত্তাল হয়ে উঠল শিলিগুড়ি। অভিযোগ, এক সিভিক ভলান্টিয়রের মারধরের জেরে গর্ভস্থ সন্তানের মৃত্যু হয়েছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বৃহস্পতিবার দুপুরে আদিবাসী সম্প্রদায়ের মানুষ উত্তরকন্যা অভিযানে নামেন। পরিস্থিতি দ্রুত উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এবং এলাকায় রণক্ষেত্রের চেহারা নেয়।বিক্ষোভকারীরা পুলিশের ব্যারিকেড টপকে এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে পুলিশ বাধা দেয়। এর পরই দুপক্ষের মধ্যে ধস্তাধস্তি শুরু হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেলে পুলিশ টিয়ার গ্যাসের সেল ফাটায় এবং জলকামান ব্যবহার করে। মাইকিং করে বারবার সতর্ক করা হয়। তিনবাত্তি মোড় এলাকায় আগে থেকেই বিপুল পুলিশবাহিনী মোতায়েন ছিল। একাধিক ব্যারিকেড তৈরি করা হয়েছিল। তবু বিক্ষোভকারীরা রাস্তায় আগুন জ্বালিয়ে এগোতে থাকেন বলে অভিযোগ।পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, গত তেইশে ডিসেম্বর ফাঁসিদেওয়ায় জমি দখল নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে অশান্তির সময় এই ঘটনা ঘটে। সেই সময় এক অন্তঃসত্ত্বা মহিলাকে মারধরের অভিযোগ ওঠে এক সিভিক ভলান্টিয়রের বিরুদ্ধে। পরে গত নয় জানুয়ারি মহম্মদ কাদের নামে ওই সিভিক ভলান্টিয়রকে গ্রেফতার করে পুলিশ। যদিও আরও চারজন অভিযুক্ত এখনও ধরা পড়েননি বলে জানা গিয়েছে।অভিযুক্তের ফাঁসির দাবিতে এদিন উত্তরকন্যা অভিযানে অংশ নেন বহু আদিবাসী মানুষ। এই কর্মসূচিতে সমর্থন জানায় ভারতীয় জনতা পার্টি। কর্মসূচি আগে থেকেই ঘোষণা করা ছিল, তাই পুলিশও প্রস্তুত ছিল। তবু পরিস্থিতি দ্রুত অগ্নিগর্ভ হয়ে ওঠে। ঘটনার তদন্ত চলছে এবং এলাকায় উত্তেজনা বজায় রয়েছে।

ফেব্রুয়ারি ২৬, ২০২৬
দেশ

সীমান্ত ইস্যুতে রাহুলকে কড়া বার্তা! “পড়াশোনা করুন আগে”, বিস্ফোরক রিজিজু

দেশের জাতীয় সুরক্ষা নিয়ে রাজনীতি করছেন রাহুল গান্ধী, এমনই বিস্ফোরক অভিযোগ করলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী কিরেণ রিজিজু। চিন সীমান্ত সফরের মধ্যেই তিনি বলেন, সীমান্ত সংক্রান্ত বিষয়ে রাহুলের যথেষ্ট জ্ঞান নেই। এই বিষয়ে তাঁর আরও পড়াশোনা করা উচিত।সোমবার অরুণাচল প্রদেশের বুমলা সীমান্তে গিয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন রিজিজু। সেখান থেকেই তিনি লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী-কে তীব্র কটাক্ষ করেন। তাঁর বক্তব্য, যে বই এখনও প্রকাশই হয়নি, তা নিয়ে এত আলোচনা কেন? জাতীয় সুরক্ষার মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে খুব সতর্কভাবে কথা বলা উচিত। এই ইস্যুকে রাজনৈতিক পর্যায়ে নামিয়ে আনা ঠিক নয় বলেও মন্তব্য করেন তিনি।সম্প্রতি লোকসভায় প্রাক্তন সেনাপ্রধান এম এম নারাভানে-এর অপ্রকাশিত আত্মজীবনী থেকে কিছু অংশ উদ্ধৃত করে কেন্দ্রকে আক্রমণ করেছিলেন রাহুল। সেই বইয়ের নাম Four Stars of Destiny। একটি ম্যাগাজিনে প্রকাশিত অংশে দাবি করা হয়, ২০২০ সালে পূর্ব লাদাখে চিনা সেনা ট্যাঙ্ক নিয়ে কৈলাস রেঞ্জের দিকে এগোচ্ছিল। সেনাপ্রধান বিষয়টি জানানোর পরেও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি নাকি দ্রুত সিদ্ধান্ত নিতে পারেননি। এই অংশ তুলে ধরেই গালওয়ান সংঘাত প্রসঙ্গে কেন্দ্রকে নিশানা করেন রাহুল।রিজিজুর অভিযোগ, সংসদে এই ধরনের মন্তব্য করে শুধু অযথা বিতর্ক তৈরি করা হচ্ছে। এতে কোনও বাস্তব সমাধান হয় না। তিনি বলেন, সীমান্ত নিয়ে রাহুল কিছুই জানেন না বলেই এমন মন্তব্য করছেন। তাঁর মতে, সীমান্ত পরিস্থিতি সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা থাকা প্রয়োজন।লোকসভায় রাহুলের বক্তব্যের সময় স্পিকার তাঁকে বাধা দেন বলেও জানা যায়। গালওয়ান সংঘাত ও চিন সীমান্ত পরিস্থিতি ঘিরে কেন্দ্র ও বিরোধীদের মধ্যে নতুন করে রাজনৈতিক সংঘাত তীব্র হয়েছে। জাতীয় সুরক্ষা ইস্যুতে এই বাকযুদ্ধ আগামী দিনে আরও বাড়তে পারে বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

ফেব্রুয়ারি ১৬, ২০২৬
রাজ্য

এসআইআর নথির নামে ডেকে খুন! বাদুড়িয়ায় দেহাংশ উদ্ধার, গ্রেফতার বিএলও

উত্তর ২৪ পরগনার বাদুড়িয়া-য় চাঞ্চল্যকর খুনের ঘটনা। এসআইআর সংক্রান্ত নথির কথা বলে ডেকে নিয়ে গিয়ে এক যুবককে খুনের অভিযোগ উঠেছে। ঘটনায় এক বিএলও-সহ দুজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।মৃত যুবকের নাম নাসির আলি (৩৬)। তাঁর বাড়ি পাপিলা এলাকায়। পুলিশ জানিয়েছে, ধৃত বিএলও-র নাম রিজওয়ান হাসান মণ্ডল ওরফে মন্টু। তিনি পাপিলা ২২ নম্বর বুথের বিএলও। সাগর গাইন নামে আরও এক জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, গত ৯ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যায় নাসিরের কাছে একটি ফোন আসে। বলা হয়, এসআইআর সংক্রান্ত কারণে আধার কার্ড ও ভোটার কার্ডের জেরক্স নিয়ে দেখা করতে হবে। ফোনকারী নিজেকে এইআরও বলে পরিচয় দেন। সেই ফোন পাওয়ার পর বাড়ি থেকে বেরিয়ে যান নাসির। তারপর আর ফেরেননি। তাঁর মোবাইল ফোনও বন্ধ ছিল। পরে পরিবার বাদুড়িয়া থানার পুলিশ-এর কাছে নিখোঁজ অভিযোগ দায়ের করে।পরদিন চাতরা এলাকার একটি খাল থেকে নাসিরের মোটরবাইক ও জুতো উদ্ধার হয়। কিন্তু তাঁর কোনও খোঁজ মেলেনি। তদন্তে নেমে পুলিশ রিজওয়ান ও সাগরকে গ্রেফতার করে। ধৃতদের বসিরহাট মহকুমা আদালতে তোলা হলে পাঁচ দিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দেয় আদালত।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, জিজ্ঞাসাবাদের পর বাদুড়িয়ার বিভিন্ন খাল ও সেতুর নীচে তল্লাশি চালানো হয়। সেই তল্লাশিতেই তিনটি প্যাকেটের মধ্যে নাসিরের দেহাংশ উদ্ধার হয়। তবে এখনও তাঁর মাথা উদ্ধার হয়নি।কেন এই নৃশংস খুন, তা নিয়ে ধোঁয়াশা রয়েছে। পরিবারের দাবি, নাসিরের সঙ্গে কারও কোনও শত্রুতা ছিল না। মৃতের স্ত্রী বিউটি খাতুন বিবি বলেন, রিজওয়ান তাঁদের পরিচিত ও বন্ধুই ছিলেন। তাঁর স্বামীর উপর এমন অত্যাচারের কঠোর শাস্তি চান তিনি।ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক আতঙ্ক ছড়িয়েছে। পুরো ঘটনার তদন্ত চালাচ্ছে পুলিশ।

ফেব্রুয়ারি ১৪, ২০২৬
রাজ্য

জীবিত ভোটারকে মৃত! বাদুড়িয়ায় ভোটার তালিকা ঘিরে তুমুল বিতর্ক

শনিবার ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়ার শুনানি পর্বের শেষ দিনে উত্তর ২৪ পরগনার বাদুড়িয়ায় উঠল গুরুতর অভিযোগ। অভিযোগ, ৩৩ জন জীবিত ভোটারকে মৃত দেখিয়ে ফর্ম ৭ জমা দেওয়া হয়েছে। এই ঘটনায় বিজেপির বিরুদ্ধে পরিকল্পিত চক্রান্তের অভিযোগ তুলে সরব হয়েছে তৃণমূল। ঘটনার প্রতিবাদে বিডিও অফিসে বিক্ষোভ দেখান ভোটাররা। পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখার আশ্বাস দিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন। পাশাপাশি, গোটা ঘটনার রিপোর্ট তলব করেছে মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দপ্তর।জানা গিয়েছে, চণ্ডিপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের ব্যানা গ্রামের ৪৫ নম্বর বুথ এবং যশাইকাটি-আটঘরা গ্রাম পঞ্চায়েতের ৮০ নম্বর বুথে এই ঘটনা ঘটেছে। অভিযোগ, মোট ৩৩ জন ভোটারের নাম ফর্ম ৭ ব্যবহার করে মৃত হিসেবে নথিভুক্ত করা হয়েছে, যদিও তাঁরা সকলেই জীবিত। বিক্ষোভকারী ভোটারদের দাবি, কোনও রকম নোটিস বা যাচাই ছাড়াই তাঁদের নামের পাশে মৃত লেখা হয়েছে। এতে তাঁদের ভোটাধিকার কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে বলে অভিযোগ।স্থানীয় তৃণমূল নেতা মেহেবুর আলম বলেন, সামনে নির্বাচন। এসআইআর প্রক্রিয়ার সুযোগ নিয়ে বিজেপি ইচ্ছাকৃতভাবে জীবিত ভোটারদের মৃত দেখিয়ে নাম বাদ দেওয়ার চেষ্টা করছে। তিনি জানান, শুনানি শেষ হওয়ার পর সংশ্লিষ্ট বিজেপি বুথ সভাপতির মণ্ডলের বিরুদ্ধে বাদুড়িয়া থানায় অভিযোগ দায়ের করা হবে।যদিও বিজেপির পাল্টা দাবি, তৃণমূলই এসআইআর প্রক্রিয়া বানচাল করতে এই অভিযোগ তুলছে। এই প্রসঙ্গে বাদুড়িয়া ব্লকের বিডিও পার্থ হাজরা জানান, কয়েকজন ভোটার লিখিত অভিযোগ করেছেন। বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।এদিকে, এই ঘটনায় নির্বাচনী আধিকারিকদের হেনস্তার অভিযোগও উঠেছে। গোটা ঘটনার বিস্তারিত জানতে উত্তর ২৪ পরগনা জেলার জেলাশাসকের কাছে রিপোর্ট চেয়েছে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দপ্তর।একই ধরনের অভিযোগ উঠেছে গাইঘাটার ধরমপুর ১ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের নাইগাছি ১৪৮ নম্বর বুথেও। সেখানে ৬ জন জীবিত ভোটারকে মৃত দেখিয়ে ফর্ম ৭ জমা দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ। বিএলওর সঙ্গে যোগাযোগ করে বিষয়টি জানতে পারেন ভোটাররা। সত্তরোর্ধ্ব আকবর মণ্ডল, হানিফ মণ্ডল, মছিম মণ্ডল, ফতেমা বিবি, নুরজাহান বিবি ও রহিমা বিবিরা জানান, তাঁরা নিয়মিত ভোট দেন। অথচ হঠাৎ জানতে পারেন, তাঁদের মৃত দেখিয়ে ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ দেওয়ার চেষ্টা হয়েছে। তাঁদের অভিযোগ, স্থানীয় বিজেপি নেতারা কাগজে কলমে তাঁদের মৃত বানাতে চাইছেন।

ফেব্রুয়ারি ০৭, ২০২৬
রাজ্য

ব্যাঙ্ক কর্মী নিয়ে বনসালদের বাড়িতে ইডি, বস্তাভর্তি কী উদ্ধার হল কয়লা কাণ্ডে?

বালি ও কয়লা পাচার মামলার তদন্তে ফের সক্রিয় হল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। মঙ্গলবার সকাল থেকেই কলকাতা, দুর্গাপুর, আসানসোলের একাধিক জায়গায় একযোগে তল্লাশি চালাচ্ছেন ইডি আধিকারিকরা। কয়লা পাচার মামলার সূত্র ধরেই দুর্গাপুর-পাণ্ডবেশ্বর ও জামুরিয়া এলাকায় বিশেষ নজর দেওয়া হয়েছে।তদন্ত চলাকালীন জামুরিয়ায় বনসাল পরিবারের বাড়িতে ইডি আধিকারিকরা ঢোকেন দুই ব্যাঙ্ক কর্মীকে সঙ্গে নিয়ে। তাঁদের হাতে ছিল বড় বড় বস্তা। সূত্রের খবর, ওই তল্লাশিতে বিপুল পরিমাণ নগদ টাকা পাওয়া গিয়েছে। বেলা পৌনে তিনটে নাগাদ রাজেশ বনসালের বাড়ি থেকে তিনটি চালের বস্তা হাতে নিয়ে বেরোতে দেখা যায় ইডি আধিকারিকদের। বস্তার ভিতরে ঠিক কী রয়েছে, তা স্পষ্ট না হলেও প্রাথমিক ভাবে অনুমান করা হচ্ছে, সেগুলির মধ্যে কোটি কোটি টাকা বা গুরুত্বপূর্ণ নথি থাকতে পারে।ইডির প্রাথমিক তদন্তে উঠে এসেছে, কয়লা কারবারে হাওয়ালা লেনদেনের সঙ্গে জামুরিয়ার বনসাল পরিবারের যোগ রয়েছে। জানা যাচ্ছে, বিভিন্ন কারখানা আইনসম্মত বা বেআইনি ভাবে কয়লা কিনলেও সরাসরি আর্থিক লেনদেন করত না। এই লেনদেনের মধ্যস্থতাকারীর কাজ করত রাজেশ বনসালের একটি ট্রেডিং সংস্থা। কয়লা ব্যবসায় বনসাল পরিবারের বিভিন্ন ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করা হত বলে অভিযোগ। কত টাকা কোথা থেকে কোথায় গেছে, তা খতিয়ে দেখছেন ইডি আধিকারিকরা।শুক্রবার ভোরেও কয়লা কাণ্ডের তদন্তে আসানসোলের রানিগঞ্জ ও জামুরিয়া এলাকায় একযোগে অভিযান চালায় ইডি। সকাল সাড়ে ছটা নাগাদ কলকাতা থেকে তিনটি গাড়িতে করে ইডির একটি দল জামুরিয়ায় পৌঁছয়। জামুরিয়া বাজার সংলগ্ন রাজেশ বনসালের বাড়ি, তাঁর দুই ছেলে সুমিত ও অমিত বনসালের আবাসন, পাঞ্জাবি মোড়ে একটি হার্ডওয়্যার দোকান এবং একটি গুদামেও তল্লাশি চালানো হয়।এ ছাড়াও জামুরিয়া হাটতলা এলাকার বনসাল হার্ডওয়্যারেও ইডির অভিযান চলছে। তদন্তকারীদের ধারণা, কয়লা পাচার সংক্রান্ত আর্থিক লেনদেনের সূত্র ধরেই এই সব জায়গায় তল্লাশি। একই সঙ্গে বুদবুদ থানার ওসি মনোরঞ্জন মণ্ডলের দুর্গাপুর সিটি সেন্টারের বাড়িতেও হানা দিয়েছেন ইডি আধিকারিকরা। গোটা ঘটনায় নতুন করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে শিল্পাঞ্চলে।

ফেব্রুয়ারি ০৩, ২০২৬
দেশ

বারাণসী-অযোধ্যার পর নতুন সার্কিট! বাজেটে পর্যটনে জোর

ভোটমুখী পাঁচ রাজ্যের কথা মাথায় রেখেও ২০২৬-২৭ অর্থবর্ষে একপ্রকার সংস্কারমুখী এবং সাদামাটা বাজেট পেশ করলেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণ। করকাঠামো নিয়ে মধ্যবিত্তের জন্য বিশেষ কোনও সুখবর শোনাতে পারেননি তিনি। বড় কোনও চমকও ছিল না এবারের বাজেটে। তবে এই নিরাবরণ বাজেটের মধ্যেই পর্যটন শিল্পকে চাঙ্গা করতে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা করলেন অর্থমন্ত্রী।রবিবার সংসদে ১ ঘণ্টা ২৫ মিনিটের বাজেট ভাষণে নির্মলা সীতারমণ জানালেন, দেশের ঐতিহাসিক ও আধ্যাত্মিক পর্যটন কেন্দ্রগুলিকে একসূত্রে বাঁধার পরিকল্পনা রয়েছে কেন্দ্রের। বারাণসী ও অযোধ্যায় আধ্যাত্মিক পর্যটনের সাফল্যের পর এবার উত্তর-পূর্ব ভারতের চার রাজ্যে বৌদ্ধ সার্কিট গড়ে তোলার কথা ঘোষণা করা হল। অরুণাচল প্রদেশ, মণিপুর, মিজোরাম ও ত্রিপুরা জুড়ে বৌদ্ধ ধর্মকে কেন্দ্র করে এই নতুন পর্যটন সার্কিট তৈরি করা হবে বলে জানান অর্থমন্ত্রী।নির্মলা সীতারমণ বলেন, পর্যটন শিল্পে পরিকাঠামোর পাশাপাশি দক্ষ জনবলের প্রয়োজন রয়েছে। সেই কারণেই ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ হসপিটালিটি ও হোটেল ম্যানেজমেন্টগুলিকে আরও শক্তিশালী করার উপর জোর দেওয়া হবে। পর্যটন গাইডদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে উল্লেখ করে তিনি জানান, অন্তত ১০ হাজার পর্যটন গাইডকে বিশেষ প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে।উল্লেখ্য, গত কয়েক বছর ধরেই কেন্দ্রীয় সরকারের নজরে রয়েছে দেশের পর্যটন শিল্প। বাজেটে পর্যটন খাতে কী নতুন ঘোষণা হয়, তার দিকে যেমন তাকিয়ে থাকেন পর্যটন ব্যবসায়ীরা, তেমনই নজর রাখেন ভ্রমণপ্রেমীরাও। দুই থেকে তিন বছর আগে দেশের বিভিন্ন ধর্মীয় স্থানকে একসূত্রে গেঁথে পর্যটনের জোয়ার আনার পরিকল্পনা নেয় কেন্দ্র। অযোধ্যায় নবনির্মিত রামমন্দিরকে কেন্দ্র করে উত্তরপ্রদেশের একাধিক আধ্যাত্মিক স্থানের সংযুক্তিকরণ করা হয়। তার ফলও মিলেছে। বারাণসী ও অযোধ্যায় পর্যটকের ভিড় বেড়েছে চোখে পড়ার মতো। রাজকোষের আয়ও বেড়েছে উল্লেখযোগ্যভাবে। সেই সাফল্যকে সামনে রেখেই ২০২৬-২৭ অর্থবর্ষের বাজেটে পর্যটন খাতে নতুন করে জোর দিল কেন্দ্র।

ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২৬
কলকাতা

“এটা আদালতের কাজ নয়”—বুথ নিরাপত্তা মামলায় নির্বাচন কমিশনকে জবাবদিহি

নির্বাচনী বুথের নিরাপত্তা নিয়ে করা জনস্বার্থ মামলায় নির্বাচন কমিশনের বক্তব্য জানতে চাইল কলকাতা হাইকোর্ট। বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য রাজ্যের প্রায় ৮৩ হাজার বুথের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করার দাবি জানিয়ে এই মামলা করেছিলেন। বৃহস্পতিবার মামলার শুনানিতে প্রধান বিচারপতি সুজয় পালের ডিভিশন বেঞ্চ স্পষ্ট জানিয়ে দেয়, এই বিষয়টি পুরোপুরি নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব। আদালতের উপর সেই দায়িত্ব চাপানো ঠিক নয়। প্রধান বিচারপতির মন্তব্য, এটা নির্বাচন কমিশনের কাজ। তারা চাইলে প্রয়োজনীয় নির্দেশ দিতে পারে। কেন আদালতের উপর দায়িত্ব দেওয়া হচ্ছে? আদালত নির্দেশ দিয়েছে, এক সপ্তাহের মধ্যে নির্বাচন কমিশনকে তাদের অবস্থান স্পষ্ট করতে হবে।শুনানির সময় নির্বাচন কমিশনের আইনজীবী জানান, বুথগুলির নিরাপত্তা সংক্রান্ত কাজের দায়িত্ব ছিল ম্যাকিনটোশবার্ন কোম্পানির উপর। কিন্তু রাজ্যের অর্থ দফতরের সঙ্গে আলোচনা করার পরে ওই সংস্থা কাজ থেকে সরে দাঁড়ায়। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, ম্যাকিনটোশবার্ন প্রায় ৪০ শতাংশ কাজ করার পর কাজ বন্ধ করে দেয়। ফলে বিষয়টি এখন রাজ্য সরকারের দায়িত্বের মধ্যে পড়ে।এর জবাবে মামলাকারী শমীক ভট্টাচার্যের আইনজীবী বলেন, রাজ্য সরকার অন্তত আদালতকে জানাক প্রকৃত পরিস্থিতি কী। পাশাপাশি নির্বাচনী বুথে ন্যূনতম নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য আদালতের নির্দেশ প্রয়োজন বলেও দাবি করেন তিনি।এই মামলার প্রেক্ষিতে শমীক ভট্টাচার্য আগেই অভিযোগ করেছিলেন, ভোটের দিন বুথে কী ধরনের ঘটনা ঘটে, তা প্রশাসনের অজানা নয়। তাঁর প্রশ্ন, কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন থাকার পরও কীভাবে ভোটার ও বিরোধী দলের এজেন্টদের ভয় দেখানো হয়। কীভাবে বুথের ক্যামেরা বন্ধ করে দেওয়া হয় বা ক্যামেরার উপর কাগজ, ময়দা লাগিয়ে দেওয়া হয়। তাঁর বক্তব্য, সিআরপিএফ সাধারণত বুথের বাইরে থাকে। কিন্তু বুথের ভেতরে ভোটার ঢোকার পর কী পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হয়, বিরোধী দলের এজেন্টরা কীভাবে কাজ করেন, সেই প্রশ্ন বহুবার উঠেছে। এই সব কারণ দেখিয়েই রাজ্যের প্রায় ৮৩ হাজার বুথে নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করার দাবি জানিয়ে আদালতের দ্বারস্থ হন বিজেপির রাজ্য সভাপতি।

জানুয়ারি ৩১, ২০২৬
রাজ্য

খাওয়ার থালা হাতে নামতে গিয়েই ঘটে ঘটল.... সুন্দরবনের পর্যটকের মর্মান্তিক পরিণতিতে কেঁপে উঠল রাজ্য

শীতের মরশুমে সুন্দরবনে পর্যটকদের ভিড়ের মধ্যেই ঘটে গেল মর্মান্তিক দুর্ঘটনা। রাতের অন্ধকারে লঞ্চ থেকে মাতলা নদীতে পড়ে নিখোঁজ হয়ে গেলেন এক পর্যটক। তাঁর খোঁজে রবিবার সকাল থেকে চলছে তল্লাশি। নিখোঁজ যুবকের নাম সুমন্ত পাল। বয়স ২৬ বছর। তিনি দক্ষিণ কলকাতার গড়িয়ার বাসিন্দা।পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, গত ১৬ জানুয়ারি গড়িয়া থেকে ২২ জনের একটি পর্যটক দল সুন্দরবনের কৈখালিতে বেড়াতে গিয়েছিলেন। সেখান থেকে তাঁরা সুন্দরবনের বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে দেখেন। ওই দলেরই সদস্য ছিলেন সুমন্ত। দুদিন জঙ্গল ভ্রমণের পর শনিবার রাতে তাঁরা আবার কৈখালিতে ফিরে আসেন। মাতলা নদীর উপর একটি লঞ্চেই তাঁদের থাকা ও খাওয়ার ব্যবস্থা ছিল।শনিবার রাতে ওই লঞ্চেই ঘটে যায় দুর্ঘটনাটি। জানা গিয়েছে, রাত সাড়ে ১১টা নাগাদ খাওয়াদাওয়ার সময় সুমন্ত হাতে ভাতের থালা নিয়ে লঞ্চের সিঁড়ি দিয়ে উপর থেকে নীচে নামছিলেন। সেই সময়ই তিনি ভারসাম্য হারিয়ে সিঁড়ি থেকে সরাসরি মাতলা নদীতে পড়ে যান। মুহূর্তের মধ্যেই নদীর স্রোতে তলিয়ে যান তিনি।ঘটনার পর লঞ্চের চালক ও সঙ্গে থাকা কয়েক জন জলে নেমে তাঁকে খোঁজার চেষ্টা করেন। কিন্তু মাতলা নদীতে স্রোত প্রবল থাকায় তাঁকে আর পাওয়া যায়নি। এরপর বনদপ্তর ও কুলতলি থানায় খবর দেওয়া হয়। রবিবার সকাল থেকে নদীতে তল্লাশি শুরু হলেও দুপুর পর্যন্ত নিখোঁজ যুবকের কোনও খোঁজ মেলেনি। তাঁর বেঁচে থাকার সম্ভাবনা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে।লঞ্চের চালক শুভেন্দু সরদার জানিয়েছেন, রাতে খাবার নিয়ে সিঁড়ি দিয়ে নামার সময় শরীরের ভারসাম্য রাখতে না পেরেই ওই যুবক নদীতে পড়ে যান। পর্যটক দলের সদস্য জয় সাহা বলেন, তাঁদের সকলের বাড়িই গড়িয়ায়। ২২ জন বন্ধু মিলে সুন্দরবন ঘুরতে এসেছিলেন। এমন ভয়াবহ দুর্ঘটনা ঘটবে, তা কেউ কল্পনাও করতে পারেননি।এই ঘটনা নিছক দুর্ঘটনা নাকি এর পিছনে অন্য কোনও কারণ রয়েছে, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। লঞ্চে থাকা অন্যান্যদের জেরা করা হচ্ছে। নিখোঁজ যুবকের পরিবারের কাছেও ইতিমধ্যেই দুঃসংবাদ পাঠানো হয়েছে।

জানুয়ারি ১৮, ২০২৬
রাজ্য

শিলিগুড়িতে মহাকাল মহাতীর্থের শিলান্যাস, বিশ্বের উচ্চতম মহাকাল মূর্তি ও ১২ জ্যোর্তিলিঙ্গের প্রতিরূপে নতুন তীর্থক্ষেত্র

শিলিগুড়ি জেলার মাটিগাড়ায় এক ঐতিহাসিক ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক প্রকল্পের সূচনা হল বুধবার। মহাকাল মহাতীর্থ-সহ একাধিক জনহিতকর ও গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পের শুভ শিলান্যাস করেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ১৭.৪১ একর জমির উপর গড়ে উঠতে চলা মহাকাল মহাতীর্থকে ঘিরে ইতিমধ্যেই ব্যাপক আগ্রহ তৈরি হয়েছে রাজ্যজুড়ে।মুখ্যমন্ত্রী জানান, এই প্রকল্পে বিশ্বের অন্যতম বৃহত্তম শিবমন্দির নির্মাণ করা হবে। মন্দির চত্বরে থাকবে ভারতবর্ষের ১২টি জ্যোর্তিলিঙ্গের প্রতিরূপ এবং ১২টি অভিষেক লিঙ্গ মন্দির। দুটি প্রবেশপথ, চার কোণে চার দেবতার মূর্তি, সাংস্কৃতিক হল ও কনভেনশন সেন্টার এই মহাতীর্থকে এক পূর্ণাঙ্গ ধর্মীয়-সাংস্কৃতিক কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলবে। মহাকাল মূর্তির মোট উচ্চতা হবে ২১৬ ফুট, যার মধ্যে ১০৮ ফুট উচ্চ ব্রোঞ্জের মূল মূর্তি বিশেষ আকর্ষণ হয়ে উঠবে। ইতিমধ্যেই মন্দির নির্মাণের জন্য একটি ট্রাস্ট গঠন করা হয়েছে।মুখ্যমন্ত্রী বলেন, শুধু মন্দির নয়, মহাদর্শনের জন্য বিশ্বের উচ্চতম মহাকাল মূর্তিও এখানে তৈরি করা হচ্ছে। বাংলার এই পুণ্যতীর্থ যুগ-যুগান্ত ধরে বাংলার কৃষ্টি, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের সাক্ষী হয়ে থাকবে।ভাষণে রাজ্যের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির কথা তুলে ধরে তিনি জানান, বাংলা সর্বধর্ম সমন্বয়ের ভূমি। কালীঘাট ও দক্ষিণেশ্বরে স্কাইওয়াক, দিঘায় জগন্নাথ ধাম ও দুর্গা অঙ্গন নির্মাণের পাশাপাশি রাজ্য সরকার বিভিন্ন ধর্মীয় স্থানের উন্নয়ন ও সংস্কারে নিরন্তর কাজ করেছে। তারকেশ্বর, তারাপীঠ, কঙ্কালীতলা, জল্পেশ মন্দির, ফুল্লরা মন্দির, মদনমোহন মন্দির থেকে শুরু করে পাথরচাপুরি মাজার, মাহেশের জগন্নাথ মন্দিরএকাধিক তীর্থক্ষেত্রের সংস্কার ইতিমধ্যেই সম্পন্ন হয়েছে।তিনি আরও উল্লেখ করেন, ফুরফুরা শরিফের উন্নয়ন, জাহের থান ও মাঝি থানগুলির পরিকাঠামো উন্নয়ন, কবরস্থান সংস্কার এবং ইসকনকে ৭০০ একর জমি দেওয়ার মতো পদক্ষেপ রাজ্যের সর্বধর্ম সমন্বয়ের ভাবনাকেই তুলে ধরে। ভগিনী নিবেদিতার স্মৃতি রক্ষায় দার্জিলিং ও কলকাতার বাড়ি রামকৃষ্ণ মিশনের হাতে তুলে দেওয়ার কথাও স্মরণ করান তিনি।মতুয়া সমাজ, রাজবংশী, তপশিলি ও আদিবাসী সম্প্রদায়-সহ সব শ্রেণির মানুষের উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ধর্ম মুখে প্রচার করা যায় না, ধর্ম হৃদয়কে ছুঁয়ে যায়। ভাষণের শেষে তিনি মহাদেবের আশীর্বাদে বিশ্বচরাচরে শান্তি, সৌহার্দ্য ও কল্যাণ কামনা করেন।মাটিগাড়ার মহাকাল মহাতীর্থ প্রকল্প শুধু একটি ধর্মীয় স্থাপনা নয়, বরং উত্তরবঙ্গের পর্যটন, সংস্কৃতি ও অর্থনৈতিক বিকাশের ক্ষেত্রেও নতুন দিগন্ত খুলে দেবে বলেই মনে করছে প্রশাসন।

জানুয়ারি ১৬, ২০২৬
রাজ্য

বাংলাদেশে হিন্দু খুনের প্রতিবাদে কড়া সিদ্ধান্ত, হোটেলে ‘নো এন্ট্রি’ বাংলাদেশিদের

বাংলাদেশে অশান্ত পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠেছে। দেশজুড়ে নৈরাজ্যের আবহে সংখ্যালঘু হিন্দুদের উপর একের পর এক হামলার অভিযোগ উঠছে। দীপু চন্দ্র দাসের হত্যার পর এবার অমৃত মণ্ডল নামে আরও এক হিন্দু যুবককে খুন করা হয়েছে বলে খবর। প্রতিবেশী দেশের এই ঘটনায় আগেই উদ্বেগ প্রকাশ করেছিল ভারত সরকার। এবার সেই ঘটনার প্রতিবাদে সরব হল সাধারণ মানুষও।বাংলাদেশে হিন্দুদের উপর নির্যাতনের প্রতিবাদে কড়া সিদ্ধান্ত নিলেন মালদহ ও শিলিগুড়ির হোটেল ব্যবসায়ীরা। তাঁদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, এবার থেকে বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য নো এন্ট্রি বোর্ড ঝুলবে হোটেলগুলিতে। দেশের স্বার্থেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন হোটেল মালিকেরা।হোটেল ব্যবসায়ীদের সংগঠন সূত্রে জানা গিয়েছে, আগেও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল যে বাংলাদেশি নাগরিকদের হোটেলে ঘর দেওয়া হবে না। তবে মানবিকতার কারণে যাঁরা মেডিক্যাল ভিসায় চিকিৎসার জন্য ভারতে আসছিলেন, তাঁদের ক্ষেত্রে কিছুটা ছাড় দেওয়া হচ্ছিল। এবার সেই ছাড়ও তুলে নেওয়া হল। মেডিক্যাল ভিসা বা স্টুডেন্ট ভিসায় আসা বাংলাদেশিদেরও আর হোটেলে জায়গা দেওয়া হবে না।হোটেল মালিক সংগঠনগুলির দাবি, বাংলাদেশে যেভাবে সংখ্যালঘুদের উপর নির্মম অত্যাচার চলছে এবং কিছু মহল থেকে শিলিগুড়ি করিডর ও সেভেন সিস্টার্স নিয়ে হুমকির মতো মন্তব্য করা হচ্ছে, তা কোনওভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। সেই কারণেই আর কোনও ছাড় দেওয়া হবে না বলে জানানো হয়েছে। শিলিগুড়ির একাধিক হোটেলে ইতিমধ্যেই বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য দরজা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।এই বিষয়ে হোটেল মালিক সংগঠনের এক প্রতিনিধি বলেন, বর্তমানে বাংলাদেশের পরিস্থিতি অত্যন্ত উদ্বেগজনক। সেখানে যা ঘটছে এবং যে ধরনের মন্তব্য সামনে আসছে, তার প্রতিবাদ হিসেবেই এই সিদ্ধান্ত। সংগঠনের অধীনে থাকা ১৮২টি হোটেল ছাড়াও আরও ৩০ থেকে ৪০টি হোটেল একই সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি।উল্লেখ্য, গত বছরও বাংলাদেশে অশান্ত পরিস্থিতি তৈরি হলে এবং হিন্দুদের উপর হামলার অভিযোগ ওঠার পর কলকাতা ও শিলিগুড়ি-সহ একাধিক জায়গায় বাংলাদেশি নাগরিকদের হোটেলে ঘর না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। এবার ফের সেই একই পথে হাঁটলেন হোটেল ব্যবসায়ীরা।

ডিসেম্বর ২৬, ২০২৫
রাজ্য

নাগরিকত্ব পেতে ব্যবহার হচ্ছে না তো? এসআইআর আবহে ডেথ সার্টিফিকেট কেলেঙ্কারি

এসআইআর প্রক্রিয়া চলাকালীন রাজ্যে গুরুতর অভিযোগ সামনে এল। চুরি গিয়েছে একটি আস্ত ডেথ রেজিস্ট্রার বই। সেই বইয়ে ছিল টানা ১০০টি ডেথ সার্টিফিকেট। কলকাতা হাইকোর্ট ওই সব সার্টিফিকেট বাতিল করার নির্দেশ দিলেও এখনও পর্যন্ত প্রশাসনের তরফে কোনও পদক্ষেপ করা হয়নি বলে অভিযোগ। ফলে প্রশ্ন উঠছে, এই ডেথ সার্টিফিকেটগুলি এসআইআর প্রক্রিয়ায় অসাধু উদ্দেশে ব্যবহার করা হচ্ছে না তো?ঘটনার সূত্রপাত একটি জমি সংক্রান্ত মামলাকে কেন্দ্র করে। ওই মামলায় এক পক্ষ আদালতে একটি ডেথ সার্টিফিকেট জমা দেয়, যেখানে বলা হয় মামলাকারীর বাবার মৃত্যু হয়েছে। পরে জানা যায়, ওই ডেথ সার্টিফিকেটটি সম্পূর্ণ জাল। বিষয়টি সামনে আসার পর মামলার অন্য পক্ষ রাজ্যের জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধীকরণ দফতরে আরটিআই করে জানতে চায়, ওই সার্টিফিকেটের আগে ও পরে থাকা মোট ১০০টি ডেথ সার্টিফিকেট কারা পেয়েছেন।কিন্তু সংশ্লিষ্ট দফতর জানায়, নির্দিষ্ট সিরিয়াল নম্বরের ওই ১০০টি ডেথ সার্টিফিকেট সংক্রান্ত কোনও তথ্য তাদের কাছে নেই। এরপর পঞ্চায়েতে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, সেখান থেকেই নিখোঁজ হয়ে গিয়েছে ১০০ পাতার একটি সম্পূর্ণ ডেথ সার্টিফিকেটের বই। এই ঘটনার পর দ্রুত ওই সার্টিফিকেটগুলি বাতিল করার দাবিতে কলকাতা হাইকোর্টে মামলা করা হয়।চলতি বছরের ২০ ফেব্রুয়ারি কলকাতা হাইকোর্ট জেলাশাসককে নির্দেশ দেয়, দ্রুত ওই ১০০টি ডেথ সার্টিফিকেট বাতিল বলে ঘোষণা করতে হবে এবং জনসমক্ষে বিজ্ঞপ্তি দিয়ে তা জানাতে হবে। তবে অভিযোগ, সেই নির্দেশ জারির পর কয়েক মাস কেটে গেলেও এখনও পর্যন্ত কোনও বিজ্ঞপ্তি জারি হয়নি।লোয়ার বাগডোগরা গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান জানিয়েছেন, জেলা শাসকের দফতর থেকে কোনও নির্দেশ না আসায় ওই ১০০টি সার্টিফিকেট বাতিল বলে ঘোষণা করা হয়নি। অর্থাৎ আইন অনুযায়ী এখনও সেগুলি বৈধ হিসেবেই রয়েছে। এই অবস্থায় এসআইআর প্রক্রিয়ায় টাকার বিনিময়ে এই সার্টিফিকেট ব্যবহার হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে বলে দাবি মামলাকারীর।সব বিষয় উল্লেখ করে এবং কলকাতা হাইকোর্টের রায়ের কপি সংযুক্ত করে নির্বাচন কমিশনের কাছে চিঠি দিয়েছেন ওই ব্যক্তি। তাঁর দাবি, পঞ্চায়েত থেকে বই নিখোঁজ, রাজ্যের দফতরের কাছে তথ্য নেই, হাইকোর্ট স্পষ্ট নির্দেশ দিলেও সার্টিফিকেট বাতিল করা হয়নি। এর ফলে নাগরিকত্ব সংক্রান্ত প্রক্রিয়ায় এই ডেথ সার্টিফিকেটগুলি বেআইনি ভাবে ব্যবহার হওয়ার ঝুঁকি তৈরি হয়েছে।

ডিসেম্বর ১৫, ২০২৫
রাজ্য

৩ হাজার টাকায় ‘সরকারি সুবিধার প্রতিশ্রুতি’! আদিবাসীদের ভুল বুঝিয়ে বিশাল প্রতারণা, ধৃত ২

বাঁকুড়া ও পুরুলিয়ার বেশ কয়েকটি গ্রামে কিছু মানুষ আদিবাসীদের ভুল বুঝিয়ে এসআইআর ফর্ম পূরণ না করতে দীর্ঘদিন ধরেই প্ররোচনা দিচ্ছিলেন। তাঁরা দাবি করছিলেন, যারা অন্তঃরাষ্ট্রীয় মাঝি সরকারের সদস্যপদ নিয়েছেন, তাঁদের নাকি এসআইআর ফর্ম জমা দিতে হবে না। এই দাবির জেরে রানিবাঁধ ও বান্দোয়ান বিধানসভার গ্রামগুলিতে সরকারি আধিকারিকদের কাজ প্রায় বন্ধ হয়ে যায়। বহু আদিবাসী ফর্ম পূরণে অনীহা প্রকাশ করেন এবং জায়গায় জায়গায় বিক্ষোভ দেখানো হয়।ঘটনা তদন্তে নেমে বাঁকুড়ার বারিকুল থানার পুলিশ জানতে পারে, মাঝি সরকারের নামে বড় ধরনের প্রতারণা চলছে। ছত্তিশগড় থেকে পরিচালিত এই সংগঠনের শাখা ছড়িয়ে দিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেয় ওড়িশার ময়ূরভঞ্জ এলাকার কয়েকজন। তদন্তে উঠে আসে, মাথাপিছু তিন হাজার টাকায় মাঝি সরকারের ভুয়ো সদস্যপদ দেওয়া হচ্ছিল। সেই সঙ্গে দেশের সর্বত্র বিনা ভাড়ায় যাতায়াতসহ নানা সরকারি সুবিধার প্রতিশ্রুতিও দেখানো হচ্ছিল।পুলিশ প্রথমে হানা দেয় ওড়িশার ময়ূরভঞ্জ জেলার পূর্ণিয়া গ্রামে। সেখানে ওড়িশা পুলিশের সহায়তায় ধরা পড়ে এই চক্রের অন্যতম মাথা ভবেন্দ্র মারান্ডি। পরে তাঁকে ট্রানজিট রিমান্ডে বাঁকুড়ায় এনে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে আরেক অভিযুক্তের নাম উঠে আসে। তিনি বাঁকুড়ার বারিকুল থানার রসপকাল গ্রামের বাসিন্দা এবং আদিবাসী বিকাশ পরিষদের বহিষ্কৃত নেতা সন্তোষ মান্ডি। তাকেও গ্রেফতার করে পুলিশ। দুজনের বিরুদ্ধেই আর্থিক প্রতারণাসহ একাধিক ধারায় মামলা রুজু হয়েছে, এবং তাঁরা সাত দিনের পুলিশ হেফাজতে রয়েছেন।এদিকে মাঝি সরকারের নামে প্রতারণার ঘটনা সামনে আসতেই নড়েচড়ে বসেছে বিভিন্ন আদিবাসী সামাজিক সংগঠন। তাঁরা গ্রামে গ্রামে গিয়ে মানুষকে বোঝাচ্ছেন যে এসআইআর ফর্ম পূরণ করা কেন জরুরি। তাঁদের আশা, যাঁরা এবার বিভ্রান্ত হয়েছিলেন, তাঁরা খুব শীঘ্রই আগের অবস্থান বদলে ফর্ম পূরণের কাজে এগিয়ে আসবেন।

ডিসেম্বর ০৯, ২০২৫
রাজ্য

চার নাবালিকার পাচারের চেষ্টা—তার পরেই ফের তিন ছাত্রী নিখোঁজ! শিলিগুড়িতে আতঙ্ক

বন্ধুর জন্মদিনের পার্টিতে যাওয়ার কথা বলে বাড়ি থেকে বেরিয়েছিল তিন নাবালিকা। কিন্তু তারা সেই পার্টিতে আর পৌঁছইনি। তারপর থেকেই তাদের খোঁজ মিলছে না। নিখোঁজ হওয়ার দুদিন কেটে গেলেও তিন স্কুলছাত্রীর কোনও হদিস নেই। ফলে শিলিগুড়ি জুড়ে তৈরি হয়েছে প্রবল উদ্বেগ।প্রাথমিক তদন্তে পুলিশ জানতে পেরেছে, শহরের মাটিগাড়ার গেটবাজার এলাকার একাধিক সিসিটিভিতে তিনজনকে শেষবার দেখা গিয়েছে। সেই সূত্র ধরে ওই এলাকায় তল্লাশি শুরু করেছে পুলিশ। পাশাপাশি শিলিগুড়ির বিভিন্ন জায়গায় চলেছে সার্চ অপারেশন। এর মধ্যেই উঠছে আশঙ্কাএরা কি কোনও পাচারচক্রের খপ্পরে পড়েছে?এই আশঙ্কা আরও জোরালো কারণ, মাত্র কয়েক দিন আগেই জ্যোৎস্নাময়ী স্কুলের সামনে থেকে চার নাবালিকাকে পাচারের চেষ্টা হয়েছিল। পরে তাদের উদ্ধার করা হয়। পরপর দুটি ঘটনায় শহরে আতঙ্ক বাড়ছে, এবং অভিভাবকদের মধ্যে তৈরি হয়েছে নতুন করে অস্বস্তি।নিখোঁজ তিনজনের বয়স ১৪ বছর। তারা কবি সুকান্ত হাই স্কুলের ছাত্রী এবং শিলিগুড়ি পুরনিগমের ১ নম্বর ওয়ার্ডের পঞ্চানন কলোনির বাসিন্দা। পরিবারগুলি প্রধাননগর থানায় নিখোঁজ ডায়েরি করেছে। ডেপুটি পুলিশ কমিশনার রাকেশ সিং জানিয়েছেন, একটি মামলা রুজু করা হয়েছে। নাবালিকাদের খোঁজে তদন্ত চলছে। সম্ভাব্য সব সূত্র খতিয়ে দেখা হচ্ছে।পুরসভার মেয়র গৌতম দেবও ঘটনাটি নিয়ে স্পষ্ট উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। বারবার স্কুলছাত্রী নিখোঁজের ঘটনায় সাধারণ মানুষের প্রশ্নশহরে কি কোনও অজ্ঞাতপরিচয় মহিলাদের মাধ্যমে ফুঁসলিয়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে কিশোরীদের? প্রশাসন কি আরও সতর্ক হওয়া উচিত নয়?কবি সুকান্ত হাই স্কুলের প্রধান শিক্ষক রিশিন বিশ্বাস জানান, এটা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। বুধবার তারা কেউ স্কুলে আসেনি। আমরা পরে শুনলাম তারা নিখোঁজ। প্রশাসন যদি আরও সতর্ক নজরদারি করে, তা হলে ভালো হয়।এখন দেখার, সিসিটিভিতে ধরা পড়া সেই শেষ মুহূর্তের সূত্র ধরে কত দ্রুত তিন নাবালিকাকে উদ্ধার করতে পারে পুলিশ। উদ্বিগ্ন শহর আজ একটাই প্রশ্ন করছেকোথায় গেল মেয়েগুলো?

নভেম্বর ২১, ২০২৫
বিদেশ

মদিনায় আগুনে পুড়ল ৪২ উমরাহ যাত্রীর দেহ! অধিকাংশই ভারতীয়—বাসে বেঁচে ফিরলেন মাত্র ১ জন

সৌদি আরবের মদিনার কাছে ভয়াবহ বাস দুর্ঘটনায় নিভে গেল কমপক্ষে ৪২টি প্রাণ। উমরাহ হজে যাওয়া ভারতীয় তীর্থযাত্রীদের নিয়ে মক্কার পথে যাচ্ছিল বাসটি। ভারতীয় সময় অনুযায়ী সোমবার রাত প্রায় একটা বেজে তিরিশ মিনিট নাগাদ মুফরিহাট এলাকায় একটি ডিজেল ট্যাঙ্কারের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয় বাসটির। প্রচণ্ড ধাক্কার পর মুহূর্তের মধ্যে আগুন ধরে যায় পুরো গাড়িতে। কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই বাসটি আগুনের গোলায় পরিণত হয়, আর তাতেই মৃত্যু হয় অধিকাংশ যাত্রীর।সৌদি পুলিশের প্রাথমিক রিপোর্ট বলছে, দুর্ঘটনার সময় প্রায় সবাই ঘুমিয়ে ছিলেন। আগুন লাগার পর কেউ বেরোনোর সুযোগই পাননি। বাসটিতে ১১ জন মহিলা ও ১০ জন শিশু ছিলএমনটাই জানা গিয়েছে। মৃতদের অধিকাংশই ভারতের হায়দরাবাদের বাসিন্দা। এমন ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে দেহগুলি এতটাই পুড়ে গিয়েছে যে কারও পরিচয় নির্ণয় করতেও বড়সড় চ্যালেঞ্জের মুখে পড়ছেন তদন্তকারীরা। এই মর্মান্তিক ঘটনায় বেঁচে গিয়েছেন মাত্র একজনমহম্মদ আব্দুল শোয়েবযিনি এখন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।ঘটনার পর শোকপ্রকাশ করেছেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস. জয়শঙ্কর। তিনি জানিয়েছেন, রিয়াধের ভারতীয় দূতাবাস এবং জেদ্দার কনস্যুলেট ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলির সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রেখে চলেছে এবং প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহায়তা দিচ্ছে। হায়দরাবাদের সাংসদ আসাদউদ্দিন ওয়াইসি দ্রুত মৃতদেহগুলো ভারত ফেরাতে কেন্দ্রীয় সরকারের হস্তক্ষেপ চেয়েছেন।অন্যদিকে, তেলঙ্গনার মুখ্যমন্ত্রী রেবন্ত রেড্ডি বলেন, রাজ্য সরকার পরিস্থিতির উপর নজর রাখছে। দিল্লি ও জেদ্দার সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখা হচ্ছে। পরিবারগুলিকে সাহায্যের জন্য জরুরি ভিত্তিতে কন্ট্রোল রুম খোলা হয়েছে। শুরু হয়েছে একাধিক হেল্পলাইন নম্বরও।তেলঙ্গনা সরকারের হেল্পলাইন নম্বর: +91 7997959754, +91 9912919545জেদ্দা কনস্যুলেটের নম্বর: 8002440003সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হল দেহ শনাক্তিকরণ। দেহগুলি এতটাই অগ্নিদগ্ধ যে DNA পরীক্ষার মতো জটিল প্রক্রিয়া ছাড়া পরিচয় জানা প্রায় অসম্ভব। ফলে দেহ দেশে ফেরানোও দীর্ঘ সময় নিতে পারে। ইতিমধ্যেই কূটনৈতিক স্তরে তৎপরতা বেড়েছে, কারণ পরিবারগুলির একমাত্র দাবিযেন দ্রুত প্রিয়জনদের দেহ বাড়িতে ফিরিয়ে আনা হয়।

নভেম্বর ১৭, ২০২৫
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • 10
  • 11
  • ›

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

কোটি কোটি টাকা থেকে বিলাসবহুল গাড়ি! টুলুর সম্পদের খতিয়ান প্রকাশ্যে

বীরভূমের পাথর ব্যবসায়ী টুলু মণ্ডলের বিপুল সম্পত্তি নিয়ে বড় দাবি করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। শুক্রবার সাংবাদিক বৈঠকে তিনি জানান, টুলুর নামে থাকা একাধিক সম্পত্তি, ব্যাঙ্কের অর্থ এবং দামি সামগ্রী বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। একই সঙ্গে এই মামলায় জড়িতদের বিরুদ্ধেও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দেন তিনি।মুখ্যমন্ত্রীর দাবি, টুলু মণ্ডলের বিভিন্ন ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে থাকা প্রায় তিরানব্বই কোটি টাকা ফ্রিজ করা হয়েছে। এছাড়া তিপ্পান্ন লক্ষ টাকা নগদ, দুইশো আটষট্টি গ্রাম সোনা, চারশো গ্রাম রুপো এবং তেষট্টি গ্রাম প্ল্যাটিনাম উদ্ধার হয়েছে। তদন্তকারীরা তিনটি টাকা গোনার মেশিন, একটি কম্পিউটার, দুটি পেনড্রাইভ, তিরাশিটি ট্রাক ও ডাম্পার এবং বিএমডব্লিউ ও অডি-সহ মোট দুইশো বিয়াল্লিশটি গাড়িও বাজেয়াপ্ত করেছেন বলে দাবি করেন তিনি।এছাড়াও মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য অনুযায়ী, টুলুর নামে মোট একুশটি সম্পত্তির খোঁজ মিলেছে। তার মধ্যে রয়েছে সাতটি বাড়ি, একটি ফার্মহাউস, দুটি পেট্রল পাম্প, একটি পার্কিং এলাকা, দুটি স্টোন ক্রাশার এবং প্রায় তিনশো বিঘা জমি। এই সম্পত্তিগুলিও বাজেয়াপ্ত করার প্রক্রিয়া চলছে বলে তিনি জানান।এই দুর্নীতির ঘটনায় জড়িতদের কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না বলেও স্পষ্ট বার্তা দেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর দাবি, এত বড় সম্পদের সাম্রাজ্য অল্প সময়ে তৈরি হওয়া সম্ভব নয় এবং গোটা বিষয়টির পূর্ণাঙ্গ তদন্ত করা হবে। পাশাপাশি তিনি অভিযোগ করেন, অতীতে প্রশাসনের উচ্চস্তরের সহযোগিতা ছাড়া এমন কর্মকাণ্ড সম্ভব নয়।টুলু মণ্ডল এখনও পলাতক। মুখ্যমন্ত্রীর অনুমান, চলতি বছরের মে মাসের পর তিনি বিদেশে পালিয়ে গিয়েছেন। তবে তদন্তকারী সংস্থা তাঁকে খুঁজে বের করতে সক্ষম হবে বলেই আশা প্রকাশ করেন তিনি।

জুলাই ৩১, ২০২৬
রাজ্য

কলকাতার বুকেই তৈরি হয়েছিল জইশের স্লিপার সেল! ধৃত হামিদের থেকে কী কী তথ্য মিলল

ঘটনায় নতুন করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে বর্ধমানে। তদন্তকারী সংস্থার দাবি, কাশ্মীরের সাজ্জাদ ভাট গোষ্ঠীর সঙ্গে যুক্ত থাকার অভিযোগে হামিদ মণ্ডল নামে এক সন্দেহভাজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। খাগড়াগড় বিস্ফোরণের বহু বছর পর একই এলাকার কাছাকাছি থেকে এই গ্রেপ্তারিকে ঘিরে নিরাপত্তা মহলে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। তদন্তকারীরা এখন খতিয়ে দেখছেন, কীভাবে তিনি বাংলায় যোগাযোগের নেটওয়ার্ক গড়ে তুলেছিলেন এবং তাঁর সঙ্গে আর কারা যুক্ত ছিলেন।তদন্তে জানা গিয়েছে, হামিদ মণ্ডলের বাড়ি হাওড়ার পিলখানায়। তিনি আগে একটি গেঞ্জি কারখানায় দর্জির কাজ করতেন। পরে নিউটাউনে ভাড়া বাড়িতে ওঠেন। এরপর কিছুদিন আগে বর্ধমানের একটি আবাসনে পরিবার নিয়ে থাকতে শুরু করেন। প্রতিবেশীদের কাছে তিনি নিজেকে ব্যবসায়ী বলে পরিচয় দিয়েছিলেন। কেন তিনি বর্ধমানে এসে বসবাস শুরু করেছিলেন, সে বিষয়ে স্পষ্ট কোনও তথ্য কাউকে দেননি বলে স্থানীয়দের দাবি।বৃহস্পতিবার তাঁকে গ্রেপ্তার করে রাজ্য পুলিশের বিশেষ বাহিনী। তাঁর কাছ থেকে একটি মোবাইল ফোন উদ্ধার হয়েছে। তদন্তকারীদের দাবি, তিনি পূর্ব ভারতে সংগঠনের কার্যকলাপ বাড়ানোর কাজে যুক্ত ছিলেন কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পাশাপাশি তাঁর যোগাযোগ, আর্থিক লেনদেন এবং সম্ভাব্য নেটওয়ার্ক সম্পর্কেও বিস্তারিত তদন্ত চলছে। এই মামলায় এখনও তদন্ত অব্যাহত রয়েছে এবং তদন্তকারী সংস্থা আরও তথ্য সংগ্রহ করছে।

জুলাই ৩১, ২০২৬
দেশ

আত্মসমর্পণের পরও গুলি? ভাইরাল ভিডিওর জেরে গ্রেপ্তার পুলিশ,

এনকাউন্টারকে ঘিরে নতুন বিতর্কে উত্তাল বিহার। ভোজপুর জেলার একটি এনকাউন্টার মামলায় এক পুলিশকর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ভাইরাল হওয়া একটি ভিডিও সামনে আসার পর তদন্তে নতুন মোড় আসে। সেই ঘটনার ভিত্তিতেই প্রশাসন কড়া পদক্ষেপ নিয়েছে।ঘটনাটি গত ১৭ জুন ভোজপুর জেলার শাহপুর থানা এলাকার বিলাউটি গ্রামে ঘটে। ওই ঘটনায় ভরত ভূষণ তিওয়ারি নামে এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়। পরিবারের অভিযোগ, অভিযানে জড়িত কয়েকজন পুলিশ আধিকারিক এবং এক বিশেষ বাহিনীর সদস্য বেআইনিভাবে গুলি চালিয়েছিলেন। অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা দায়ের হয়।তদন্ত চলাকালীন একটি ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। সেই ভিডিওতে দেখা যায়, ভরত ভূষণ তিওয়ারি পুলিশের দিকে একটি আগ্নেয়াস্ত্র ছুড়ে দিচ্ছেন বলে দাবি করা হচ্ছে। এই ভিডিও প্রকাশ্যে আসার পর প্রশ্ন ওঠে, তিনি আত্মসমর্পণের চেষ্টা করেছিলেন কি না। যদিও বিষয়টি এখনও তদন্তাধীন এবং আদালতে চূড়ান্তভাবে প্রমাণিত হয়নি।ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পর রাজ্যজুড়ে বিতর্ক শুরু হয়। ঘটনার তদন্তের নির্দেশ দেয় প্রশাসন। প্রথমে চার পুলিশকর্মীকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। পরে বিশেষ বাহিনীর এক সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আরও কয়েকজনের ভূমিকা খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে তদন্তকারী সংস্থা জানিয়েছে।

জুলাই ৩১, ২০২৬
রাজ্য

বর্ধমানে ধৃত সন্দেহভাজন জঙ্গি, তদন্তে উঠে আসছে একের পর এক বিস্ফোরক দাবি

বর্ধমানের একটি আবাসন থেকে হামিদ মন্ডল নামে এক সন্দেহভাজনকে গ্রেফতার করেছে বেঙ্গল এসটিএফ এবং বর্ধমান পুলিশ। তদন্তকারী সংস্থার দাবি, ধৃত ব্যক্তি পাকিস্তানভিত্তিক জঙ্গি নেটওয়ার্কের সঙ্গে যুক্ত থাকতে পারে। তার কাছ থেকে উদ্ধার হওয়া বিভিন্ন নথি, ডিজিটাল তথ্য এবং যোগাযোগের সূত্র খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্তের স্বার্থে এখনও অনেক তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।তদন্তকারী সূত্রে দাবি, ধৃত ব্যক্তির কাছে মুখ্যমন্ত্রীর সফরসূচি, নিরাপত্তা এবং ভিআইপি চলাচল সংক্রান্ত কিছু তথ্য মিলেছে। এই তথ্য কী উদ্দেশ্যে সংগ্রহ করা হয়েছিল এবং এর সঙ্গে কোনও হামলার পরিকল্পনার যোগ রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এখনও পর্যন্ত এই বিষয়ে তদন্তকারী সংস্থার পক্ষ থেকে চূড়ান্ত কোনও সরকারি বক্তব্য প্রকাশ করা হয়নি।গোয়েন্দাদের দাবি, ধৃত হামিদ পূর্ব ভারতে সংগঠনের নেটওয়ার্ক বিস্তারের কাজে যুক্ত থাকতে পারে। নতুন সদস্য সংগ্রহ, যোগাযোগ রক্ষা এবং সংগঠনের কার্যকলাপ বাড়ানোর ক্ষেত্রে তার ভূমিকা ছিল কি না, তাও তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।এদিকে অসমেও একই নেটওয়ার্কের সঙ্গে যুক্ত সন্দেহে কয়েকজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে তদন্তকারী সূত্রের দাবি। সেখান থেকে মোবাইল ফোন, সিম কার্ড, পরিচয়পত্র, ব্যাঙ্ক সংক্রান্ত নথি এবং অন্যান্য সামগ্রী উদ্ধার হয়েছে। এই ঘটনাগুলির মধ্যে কোনও যোগসূত্র রয়েছে কি না, তা নিয়েও বিভিন্ন তদন্তকারী সংস্থা তথ্য যাচাই করছে।তদন্তকারী সংস্থার দাবি, এই নেটওয়ার্ক অনলাইনের মাধ্যমে সদস্য সংগ্রহ, উগ্রবাদে প্রভাবিত করা, গোপন তথ্য সংগ্রহ, লজিস্টিক সহায়তা এবং স্লিপার সেল তৈরির মতো কার্যকলাপে জড়িত থাকতে পারে। পাশাপাশি এনক্রিপ্টেড যোগাযোগ ব্যবস্থার মাধ্যমে বিদেশি হ্যান্ডলারের সঙ্গে যোগাযোগের অভিযোগও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।পুলিশ ও গোয়েন্দাদের মতে, ধৃতের কাছ থেকে উদ্ধার হওয়া তথ্য এবং ডিজিটাল নথির ফরেনসিক পরীক্ষা চলছে। সেই রিপোর্টের ভিত্তিতেই পরবর্তী তদন্তের দিশা নির্ধারণ করা হবে। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত এই মামলার সব দিকই খোলা রাখা হয়েছে।

জুলাই ৩১, ২০২৬
রাজ্য

মুখ্যমন্ত্রীকে নিশানা করার ছক? বর্ধমানে ধৃত সন্দেহভাজনের কাছ থেকে মিলল চাঞ্চল্যকর নথি, তদন্তে বড় দাবি

বর্ধমানের একটি আবাসন থেকে সন্দেহভাজন জইশ-ই-মহম্মদ জঙ্গি হামিদ মন্ডলকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে তদন্তকারী সংস্থার দাবি। তদন্তে জানা গিয়েছে, বেশ কয়েক বছর ধরে সে পশ্চিমবঙ্গে বিভিন্ন জায়গায় অবস্থান করছিল। ধৃতের কাছ থেকে মুখ্যমন্ত্রীর সফরসূচি, নিরাপত্তা সংক্রান্ত কিছু নথি এবং ভিআইপি চলাচল সম্পর্কিত তথ্য উদ্ধার হয়েছে বলে তদন্তকারী সূত্রে দাবি করা হয়েছে। এই তথ্য সামনে আসার পর মুখ্যমন্ত্রীর নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। তবে এই নথিগুলি কী উদ্দেশ্যে সংগ্রহ করা হয়েছিল, তা এখনও নিশ্চিতভাবে জানায়নি তদন্তকারী সংস্থা।গোয়েন্দাদের দাবি, ধৃতের কাছ থেকে এমন কিছু নথি ও তথ্য মিলেছে, যা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্তকারীরা এখনই সেই বিষয়ে বিস্তারিত জানাতে চাননি। উদ্ধার হওয়া তথ্যের সঙ্গে কোনও হামলার পরিকল্পনার যোগ রয়েছে কি না, তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।তদন্তকারী সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, ধৃত ব্যক্তি সরকারের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের চলাচল, নিরাপত্তা ব্যবস্থা, গাড়ির রুট এবং অন্যান্য সংবেদনশীল তথ্য সংগ্রহ করেছিল বলে সন্দেহ করা হচ্ছে। এই তথ্য কীভাবে তার হাতে এল, তা নিয়েও তদন্ত চলছে।পুলিশ সূত্রে দাবি, শুক্রবার সকালে বর্ধমানের রেনেসাঁ হাউসিংয়ে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়। তদন্তে জানা গিয়েছে, সে আগে হাওড়ার পিলখানা এলাকায় থাকত এবং একটি গেঞ্জির কারখানায় কাজ করত। কয়েক মাস আগে সে বর্ধমানে ভাড়া বাড়িতে ওঠে। গোয়েন্দাদের দাবি, তার বিদেশি জঙ্গি সংগঠনের সঙ্গে যোগাযোগ ছিল কি না, তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।স্থানীয় বাসিন্দাদের বক্তব্য, ধৃত ব্যক্তি স্ত্রী ও সন্তানদের নিয়ে ওই আবাসনে ভাড়া থাকতেন। তাঁকে খুব একটা বাইরে দেখা যেত না। তবে পরিবারের অন্য সদস্যদের নিয়মিত যাতায়াত ছিল।এই ঘটনায় বিজেপি বিধায়ক তথা প্রাক্তন এনএসজি কমান্ডার দীপাঞ্জন চক্রবর্তী বলেন, সরকার পরিবর্তনের পর রাজ্য পুলিশের কাজের ধরনে পরিবর্তন এসেছে। তাঁর দাবি, জঙ্গি সংগঠনের স্থানীয় সমর্থন ভাঙতে আরও কঠোর পদক্ষেপ প্রয়োজন। তবে এই বিষয়ে তদন্ত এখনও চলছে এবং সরকারি তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত সব দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে।বর্ধমানের একটি আবাসন থেকে সন্দেহভাজন জইশ-ই-মহম্মদ জঙ্গি হামিদ মন্ডলকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে তদন্তকারী সংস্থার দাবি। তদন্তে জানা গিয়েছে, বেশ কয়েক বছর ধরে সে পশ্চিমবঙ্গে বিভিন্ন জায়গায় অবস্থান করছিল। ধৃতের কাছ থেকে মুখ্যমন্ত্রীর সফরসূচি, নিরাপত্তা সংক্রান্ত কিছু নথি এবং ভিআইপি চলাচল সম্পর্কিত তথ্য উদ্ধার হয়েছে বলে তদন্তকারী সূত্রে দাবি করা হয়েছে। এই তথ্য সামনে আসার পর মুখ্যমন্ত্রীর নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। তবে এই নথিগুলি কী উদ্দেশ্যে সংগ্রহ করা হয়েছিল, তা এখনও নিশ্চিতভাবে জানায়নি তদন্তকারী সংস্থা।গোয়েন্দাদের দাবি, ধৃতের কাছ থেকে এমন কিছু নথি ও তথ্য মিলেছে, যা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্তকারীরা এখনই সেই বিষয়ে বিস্তারিত জানাতে চাননি। উদ্ধার হওয়া তথ্যের সঙ্গে কোনও হামলার পরিকল্পনার যোগ রয়েছে কি না, তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।তদন্তকারী সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, ধৃত ব্যক্তি সরকারের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের চলাচল, নিরাপত্তা ব্যবস্থা, গাড়ির রুট এবং অন্যান্য সংবেদনশীল তথ্য সংগ্রহ করেছিল বলে সন্দেহ করা হচ্ছে। এই তথ্য কীভাবে তার হাতে এল, তা নিয়েও তদন্ত চলছে।পুলিশ সূত্রে দাবি, শুক্রবার সকালে বর্ধমানের রেনেসাঁ হাউসিংয়ে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়। তদন্তে জানা গিয়েছে, সে আগে হাওড়ার পিলখানা এলাকায় থাকত এবং একটি গেঞ্জির কারখানায় কাজ করত। কয়েক মাস আগে সে বর্ধমানে ভাড়া বাড়িতে ওঠে। গোয়েন্দাদের দাবি, তার বিদেশি জঙ্গি সংগঠনের সঙ্গে যোগাযোগ ছিল কি না, তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।স্থানীয় বাসিন্দাদের বক্তব্য, ধৃত ব্যক্তি স্ত্রী ও সন্তানদের নিয়ে ওই আবাসনে ভাড়া থাকতেন। তাঁকে খুব একটা বাইরে দেখা যেত না। তবে পরিবারের অন্য সদস্যদের নিয়মিত যাতায়াত ছিল।এই ঘটনায় বিজেপি বিধায়ক তথা প্রাক্তন এনএসজি কমান্ডার দীপাঞ্জন চক্রবর্তী বলেন, সরকার পরিবর্তনের পর রাজ্য পুলিশের কাজের ধরনে পরিবর্তন এসেছে। তাঁর দাবি, জঙ্গি সংগঠনের স্থানীয় সমর্থন ভাঙতে আরও কঠোর পদক্ষেপ প্রয়োজন। তবে এই বিষয়ে তদন্ত এখনও চলছে এবং সরকারি তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত সব দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

জুলাই ৩১, ২০২৬
কলকাতা

প্রায় দু’দশক পর কলকাতায় তসলিমা! বিমানবন্দরে নেমেই যা বললেন, তাতেই শুরু জোর চর্চা

শুক্রবার প্রায় দুই দশক পর কলকাতায় ফিরলেন বিশিষ্ট সাহিত্যিক তসলিমা নাসরিন। দুপুরে কলকাতা বিমানবন্দরে পৌঁছতেই তাঁকে শঙ্খধ্বনি ও উলুধ্বনির মাধ্যমে স্বাগত জানানো হয়। দীর্ঘদিন পর এই শহরে ফিরে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন তিনি। হাসিমুখে শুধু বলেন, খুবই ভালো লাগছে।কলকাতায় পৌঁছানোর কয়েক ঘণ্টা আগে সামাজিক মাধ্যমে একটি পোস্ট করেছিলেন তসলিমা। সেখানে তিনি লিখেছিলেন, আজি এ প্রভাতে কলিকাতা অভিমুখে যাত্রা করিলাম। সেই পোস্টের পর থেকেই তাঁর কলকাতায় ফেরাকে ঘিরে কৌতূহল বাড়তে থাকে।বিমানবন্দরে পৌঁছে অভ্যর্থনা গ্রহণের সময় তাঁর মুখে ছিল আনন্দের হাসি। দীর্ঘদিন পর কলকাতায় ফিরে তিনি যে আবেগাপ্লুত, তা স্পষ্ট ধরা পড়ে। শনিবার মৌলবাদ বিরোধী কবি ও সাহিত্যিকদের এক অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার কথা রয়েছে তাঁর। সেই অনুষ্ঠানে বিশিষ্ট ব্যক্তিদের উপস্থিত থাকার সম্ভাবনাও রয়েছে।উল্লেখ্য, দুই হাজার সাত সালে তাঁর একটি বই প্রকাশকে কেন্দ্র করে কলকাতায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়েছিল। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠার পর তাঁকে কলকাতা ছাড়তে হয়। এরপর দীর্ঘ সময় তিনি এই শহরে ফেরেননি।দীর্ঘ বিরতির পর তসলিমা নাসরিনের কলকাতায় প্রত্যাবর্তন ঘিরে সাহিত্য ও রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। তাঁর এই সফরকে ঘিরে আগ্রহও তুঙ্গে পৌঁছেছে।

জুলাই ৩১, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

ফিফায় বড় বিদ্রোহ! ইনফান্তিনোর প্রস্তাব মানতে নারাজ আরও এক মহাদেশ, বিশ্বকাপ ঘিরে তীব্র জল্পনা

বিশ্বকাপ এবং ফিফার ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন বিতর্ক তৈরি হয়েছে। উয়েফার আপত্তির পর এবার উত্তর ও মধ্য আমেরিকা এবং ক্যারিবিয়ান অঞ্চলের ফুটবল সংস্থা কনকাকাফও ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনোর প্রস্তাবের বিরোধিতা করেছে। এর ফলে ফিফার ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা বড় ধাক্কার মুখে পড়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। ফুটবল মহলের একাংশের আশঙ্কা, এই বিরোধ আরও বাড়লে ভবিষ্যতে বিশ্বকাপের অংশগ্রহণ নিয়েও জটিলতা তৈরি হতে পারে। যদিও এখনও কোনও দেশ আনুষ্ঠানিকভাবে বিশ্বকাপ বয়কটের ঘোষণা করেনি।জানা গিয়েছে, ইনফান্তিনো ফিফার বাণিজ্যিক কার্যক্রম পরিচালনার জন্য একটি নতুন সংস্থা গঠনের প্রস্তাব দিয়েছেন। সেই পরিকল্পনায় ভবিষ্যতে বেসরকারি বিনিয়োগকারীদের অংশগ্রহণের সুযোগ রাখা হয়েছে। ফিফার দাবি, এই উদ্যোগ সফল হলে সদস্য দেশগুলি উল্লেখযোগ্য আর্থিক সুবিধা পাবে। তবে সমালোচকদের অভিযোগ, এর ফলে বিশ্বকাপের সম্প্রচার, স্পনসরশিপ এবং বিভিন্ন বাণিজ্যিক সিদ্ধান্তে বেসরকারি সংস্থার প্রভাব বাড়তে পারে।এই পরিকল্পনার বিরোধিতা করে উয়েফা জানিয়েছে, ফুটবল কোনও ব্যক্তিগত সম্পত্তি নয় এবং এই খেলার নিয়ন্ত্রণ বেসরকারি স্বার্থের হাতে তুলে দেওয়া উচিত নয়। একই সুরে কনকাকাফও জানিয়েছে, প্রস্তাবটি নিয়ে আরও স্বচ্ছ আলোচনা এবং নিয়ম মেনে সিদ্ধান্ত নেওয়া প্রয়োজন।এশিয়ার ফুটবল মহল থেকেও উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে। এশিয়ান ফুটবল সংস্থার সভাপতি শেখ সলমন বিন ইব্রাহিম আল খলিফা জানিয়েছেন, সব মহাদেশের সম্মতি ছাড়া এমন গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত কার্যকর করা কঠিন হবে।ফলে ফিফার এই প্রস্তাব ঘিরে আন্তর্জাতিক ফুটবলে নতুন বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আগামী দিনে সদস্য দেশগুলির অবস্থান কী হয় এবং ভোটাভুটিতে কী সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, সেদিকেই নজর রয়েছে গোটা ফুটবল বিশ্বের।

জুলাই ৩১, ২০২৬
কলকাতা

একুশে জুলাই নিয়ে বড় ধাক্কা! আদালতে রাজ্যের রিপোর্ট দেখে ক্ষুব্ধ বিচারপতি, কড়া সতর্কবার্তা

একুশে জুলাইয়ের সমাবেশ নিয়ে কলকাতা হাই কোর্টে জমা পড়া রাজ্যের রিপোর্ট ঘিরে নতুন বিতর্ক তৈরি হয়েছে। রিপোর্ট দেখে অসন্তোষ প্রকাশ করেছে আদালত। বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য স্পষ্ট জানিয়েছেন, ভবিষ্যতে আদালতের নির্দেশ অমান্য করা হলে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হবে।শুক্রবার সমাবেশ সংক্রান্ত মামলায় রাজ্য আদালতে রিপোর্ট জমা দেয়। শুনানির সময় বিচারপতি জানতে চান, সমাবেশে কোনও অশান্তির ঘটনা ঘটেছিল কি না। কালীঘাট তৃণমূলের পক্ষের আইনজীবী জানান, গোটা কর্মসূচি শান্তিপূর্ণভাবেই শেষ হয়েছে এবং কোনও অশান্তি ঘটেনি।তবে রাজ্যের তরফে আদালতে জানানো হয়, সমাবেশে পর্যাপ্ত পুলিশি নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হলেও আদালত যে সংখ্যার সীমা বেঁধে দিয়েছিল, তা মানা হয়নি। অভিযোগ, নির্ধারিত সংখ্যার বেশি মানুষ জমায়েত হওয়ায় ক্যাথিড্রাল রোডের দুই দিকই কার্যত অবরুদ্ধ হয়ে পড়ে। আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী একটি রাস্তা খোলা রাখার কথা থাকলেও বাস্তবে তা সম্ভব হয়নি বলেই রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে।রাজ্যের বক্তব্য শোনার পর বিচারপতি অসন্তোষ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, আদালতের নির্দেশ অমান্য করার ঘটনা ভবিষ্যতে কোনওভাবেই বরদাস্ত করা হবে না। প্রয়োজনে আইন অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও আদালতের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।উল্লেখ্য, অতীতেও একুশে জুলাইয়ের সমাবেশকে ঘিরে আদালতের নির্দেশ পালন নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছিল। এবারও সমাবেশের আয়োজন নিয়ে আদালতে রিপোর্ট জমা পড়ার পর নতুন করে সেই বিতর্ক সামনে এল। আদালতের পর্যবেক্ষণের পর বিষয়টি রাজনৈতিক মহলেও যথেষ্ট গুরুত্ব পেয়েছে।

জুলাই ৩১, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal