• ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, শনিবার ০৬ জুন ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Urdu

রাজ্য

পরিচয়পত্র চাইতেই উধাও পরিবার! আলিপুরদুয়ারে মৃতা কি বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারী?

হার্ট অ্যাটাকে মৃত্যু হয়েছিল এক মহিলার। কিন্তু মৃত্যুর পরই ঘটল এমন কাণ্ড, যা দেখে হতবাক হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। পরিচয় যাচাইয়ের জন্য পরিবারের কাছে আধার কার্ড বা ভোটার কার্ড চাওয়া মাত্রই উধাও হয়ে গেলেন মৃতার পরিবারের সদস্যরা! ফোনেও যোগাযোগ সম্ভব হয়নি। ফলে মৃতদেহ এখনো পড়ে আছে আলিপুরদুয়ার জেলা সদর হাসপাতালের মর্গে দাবিদারহীন অবস্থায়।জানা গিয়েছে, গত ৫ নভেম্বর বেলা সাড়ে ১১টা নাগাদ ৪২ বছর বয়সী এক মহিলা নাম সঞ্জিতা বিবিকে ভর্তি করা হয় আলিপুরদুয়ার জেলা হাসপাতালে। ভর্তি করার সময় তাঁর পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছিলেন, তাঁরা দমনপুর এলাকার বাসিন্দা। এক আত্মীয়ের নাম দেওয়া হয়েছিল জাবেদ আলি। হাসপাতালের নথিতে সেই নাম ও মোবাইল নম্বর নথিভুক্ত করা হয়।রোগীর অবস্থা শুরু থেকেই আশঙ্কাজনক ছিল। তাঁকে আইসিসিইউ-তে রাখা হয়। কিন্তু শুক্রবার সন্ধ্যায় তাঁর মৃত্যু হয়। নিয়মমতো ডেথ সার্টিফিকেট তৈরির জন্য পরিবারের কাছে আধার বা ভোটার কার্ড চাওয়া হলে হঠাৎই গা-ঢাকা দেন তাঁরা। হাসপাতালের সুপার ডাঃ পরিতোষ মণ্ডল বলেন, মৃতা হার্ট অ্যাটাকে ভর্তি হয়েছিলেন। আমরা যথাসাধ্য চেষ্টা করেও বাঁচাতে পারিনি। ডেথ সার্টিফিকেটের জন্য পরিচয়পত্র চাইতেই পরিবারের সদস্যরা উধাও হয়ে যান। এরপর আর তাঁদের খুঁজে পাওয়া যায়নি। দুদিন ধরে একজন পুরুষ রোগীর সঙ্গে ছিলেন, তিনিও গায়েব।ফোনে বহুবার যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাঁদের হদিশ মেলেনি। ফলে হাসপাতাল মৃতদেহকে দাবিদারহীন হিসেবে মর্গে সংরক্ষণ করেছে। ঘটনাটি ইতিমধ্যে স্থানীয় থানায় জানানো হয়েছে।এরপরই উঠেছে বড় প্রশ্ন ওই মহিলার কোনও বৈধ পরিচয়পত্র ছিল না কেন? যিনি তাঁর সঙ্গে ছিলেন, তিনি আসলে আত্মীয় না অন্য কেউ? নাকি পুরো ঘটনাটির পেছনে রয়েছে অন্য রহস্য?এসআইআর (Special Investigation of Residents) চলাকালীন এমন ঘটনায় জল্পনা আরও গভীর। অনেকেই প্রশ্ন তুলেছেন, মৃতা কি আদৌ ভারতীয় নাগরিক ছিলেন, নাকি বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারী?ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়তেই চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে আলিপুরদুয়ার জুড়ে। হাসপাতাল সূত্রে খবর, পরিবারের কেউ যদি পরিচয়পত্র ও প্রমাণপত্র নিয়ে হাজির না হন, তবে আইনি প্রক্রিয়া মেনে মৃতদেহ প্রশাসনের তত্ত্বাবধানে সমাধিস্থ করা হবে।স্থানীয় এক চিকিৎসক বলেন, এমন ঘটনা বিরল। সাধারণত মৃতের পরিবারের সদস্যরা দেহ নিতে আসেন। এখানে উল্টোটা হয়েছে। তাই বিষয়টি সত্যিই সন্দেহজনক। ঘটনার তদন্তে নামতে চলেছে পুলিশ। জানা গিয়েছে, হাসপাতালের সিসিটিভি ফুটেজও খতিয়ে দেখা হচ্ছে, কারা মৃতাকে ভর্তি করেছিল, কখন উধাও হয়েছে তারা।

নভেম্বর ০৮, ২০২৫
রাজ্য

নিজের সাত মাসের শিশুকে গলা টিপে খুন! আলিপুরদুয়ারে রোমহর্ষক ঘটনা

আলিপুরদুয়ারের জংশনের সাউথ চেচাখাতা এলাকায় এমন এক মর্মান্তিক ঘটনা ঘটেছে, যা শুনে শিউরে উঠেছে গোটা এলাকা। শুক্রবার দুপুরে হঠাৎই নিখোঁজ হয়ে যায় সাত মাসের এক শিশু। বিছানায় শুয়ে থাকা অবস্থায় কে বা কারা শিশুটিকে তুলে নিয়ে গেলপ্রথমে সেই নিয়েই শুরু হয় তীব্র চাঞ্চল্য।শিশুর মা প্রথমে পরিবারের সদস্যদের জানান, স্নান সেরে এসে দেখেছেন বিছানায় শিশু নেই। তারপরই তিনি ছুটে গিয়ে শ্বশুরকে বলেন, সন্তানকে খুঁজে পাচ্ছেন না। খবর ছড়িয়ে পড়তেই আশপাশের মানুষ জড়ো হয়ে যায়। পুলিশকে খবর দেওয়া হয়।আলিপুরদুয়ার থানার পুলিশ দ্রুত পৌঁছে যায় ঘটনাস্থলে। স্নিফার ডগ নিয়ে তল্লাশি চালানো হয়। চারপাশের সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখা হয়, এমনকি রেলস্টেশন ও রাস্তার মোড়েও নজরদারি শুরু হয়। সারাদিন ধরে চলতে থাকে শিশুটিকে খোঁজার চেষ্টা।কিন্তু ২৪ ঘণ্টা পর পরিস্থিতি একেবারে পাল্টে যায়। পুলিশের কড়া জেরার মুখে শিশুর মা নিজেই মুখ খুলে ফেলেন। নিজের মুখে তিনি স্বীকার করেনসাত মাসের শিশুটিকে গলা টিপে হত্যা করেছেন এবং পাশের ঝোপে ছুঁড়ে ফেলেছেন।রাতেই সেই ঝোপ থেকে উদ্ধার হয় ছোট্ট শিশুর নিথর দেহ। ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসতেই স্তব্ধ আলিপুরদুয়ার। প্রতিবেশীদের মুখে একটাই প্রশ্নএকজন মা এমন ভয়ঙ্কর কাজ কীভাবে করতে পারেন?প্রথমে শিশুর বাবা জয়দীপ ঘোষ জানিয়েছিলেন, আমি বাবাকে খেতে দিই, আমার স্ত্রী তখন স্নান করতে যায়। তারপরই ও এসে বলে, বাচ্চাকে খুঁজে পাচ্ছে না। কিন্তু সেই অভিযোগের আসল রূপ প্রকাশ্যে আসতেই এলাকাজুড়ে নেমে আসে শোক ও ক্ষোভ।এখনও পর্যন্ত পুলিশের কাছে স্পষ্ট নয়, কেন এমন করলেন ওই মা। প্রতিবেশীরা বলছেন, হয়তো মানসিক ভারসাম্য হারিয়েছিলেন তিনি। অন্যদিকে, পুলিশ জানিয়েছে, বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে, মানসিক অবস্থার রিপোর্টও সংগ্রহ করা হবে। ঘটনার পর থেকে এলাকা জুড়ে অস্বস্তির বাতাবরণ। কেউ বিশ্বাসই করতে পারছেন নাযে মায়ের কোলেই ছিল সন্তানের আশ্রয়, সেই মায়ের হাতেই এল তার মৃত্যু।

নভেম্বর ০৮, ২০২৫
রাজ্য

ফিরহাদের "বাংলায় একদিন ৫০% মানুষ উর্দু বলবে" বক্তব্যের তীব্র প্রতিবাদ বাংলা পক্ষর

সামাজিক মাধ্যমে সাম্প্রতিক ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে ফিরহাদ হাকিমের উর্দু তত্ত্বের বিরুদ্ধে গর্জে উঠলো বাংলা পক্ষ। ভাইরাল হওয়া ভিডিওটিতে কলকাতার মেয়র তথা মমতা ব্যানার্জী-র কেবিনেট মন্ত্রীকে বলতে দেখা যায় একদিন বাংলায় ৫০% মানুষ উর্দু বলবে। পশ্চিমবঙ্গের বাংলা অ বাঞালীড় সংগঠন বাংলা পক্ষ জানায় এই বক্তব্য তীব্র বাঙালি বিরোধী, এটা বাংলাকে উর্দুস্তান বানানোর চক্রান্ত, উর্দু মানেই মুসলমানের ভাষা নয়, প্রতিটা মুসলমানের ভাষা উর্দু নয়। বাংলার ৯৫% মুসলমান জাতিতে বাঙালি, বাংলা ভাষায় কথা বলে।ফিরহাদ হাকিমের বক্তব্যের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে আজ রানুছায়া মঞ্চে বিক্ষোভ সমাবেশ করল বাংলা পক্ষ। বিক্ষোভ সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন বাংলা পক্ষর সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক গর্গ চট্টোপাধ্যায়, শীর্ষ পরিষদ সদস্য কৌশিক মাইতি, অরিন্দম চ্যাটার্জী, সৌম্য কান্তি ঘোড়াই, দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা জেলার সম্পাদক প্রবাল চক্রবর্তী প্রমুখ। বিক্ষোভ সমাবেশ থেকে দাবি ওঠে- ফিরহাদ হাকিমকে বাঙালি তথা ভূমিপুত্রদের কাছে হাতজোড় করে ক্ষমা চাইতে হবে।এর আগে পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভায় বিরোধী দলনেতা তথা বিজেপি বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারীও বাংলার মাটিতে উর্দু ভাষায় রাজ্য সরকারি পরীক্ষা দেওয়ার অধিকারের পক্ষে দাবি তুলে WBCS-এ বাংলা বাধ্যতামূলক করার রাজ্য সরকারের সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করে। বাংলা পক্ষ তখনও পথে নেমে প্রতিবাদ করেছিল।বাংলার মাটিতে বাংলা ও বাঙালির বিরুদ্ধে সকল দলে থাকা এই ধরনের বাঙালি-বিরোধীদের বাঙালি জাতির সামনে মুখোশ উন্মোচন করে যাবে বাংলা পক্ষ।

ডিসেম্বর ২০, ২০২৩
রাজ্য

আত্মঘাতী হলেন জেডিএ চেয়ারম্যান গঙ্গাপ্রসাদ শর্মার দেহরক্ষী

আলিপুরদুয়ারের জয়ঁগা ভূলন চৌপথি এলাকায় জেডিএ চেয়ারম্যান গঙ্গাপ্রসাদ শর্মার বাড়ি থেকে বুধবার রাতে এক ব্যাক্তির মৃতদেহ উদ্ধার করল জয়ঁগা থানার পুলিশ। জানা যায় কর্তব্যরত অবস্থায় নিজের বন্দুক দিয়ে আত্মঘাতী হয়েছেন বিশিষ্ট তৃণমূল নেতা ও জয়গাঁ উন্নয়ন পর্ষদের চেয়ারম্যান গঙ্গাপ্রসাদ শর্মার দেহরক্ষী। এর পরেই গোটা এলাকায় চাঞ্চল্য ও উত্তেজনা ছড়িয়ে পরে।স্থানীয় সুত্রে জানা যায় মৃত ব্যাক্তির নাম কোকিল শৈব (৫৭), তিনি কালচিনি ব্লকের মেন্দাবাড়ি গ্রাম পঞ্চায়েতের বাসিন্দা। ইতিমধ্যেই তার মৃত দেহ উদ্ধার করেছে জয়গাঁ থানার পুলিশ। পুলিশ সূত্রে খবর, এদিন সন্ধ্যায় কর্তব্যরত অবস্থায় গঙ্গাপ্রসাদ শর্মার বাড়িতেই তিনি তার বন্ধুক দিয়ে আত্মঘাতী হন। তিনি প্রায় একবছর ধরে গঙ্গাপ্রসাদ শর্মার দেহরক্ষীর দায়িত্বে ছিলেন। গঙ্গাপ্রসাদ শর্মার দেহরক্ষীর আত্মঘাতী হওয়ার পর থেকেই ইতিমধ্যে রাজ্যের বিভিন্ন নেতা-মন্ত্রীদের পাশাপাশি তাদের দেহরক্ষীদের অর্থনৈতিক বাড়বাড়ন্ত দেখে গঙ্গাপ্রসাদ শর্মার দেহরক্ষীও সেইরকম দুর্নীতিতে রয়েছে এমনটাই কানাঘুষো সন্দেহ করছেন এলাকার স্থানীয় বাসিন্দা থেকে শুরু করে আলিপুরদুয়ার জেলাবাসি।কিন্তু গঙ্গাপ্রসাদ শর্মার দেহরক্ষীর আত্মঘাতী হওয়ার মুল কারন এখনো পর্যন্ত জনা যায়নি। কি কারনে ঘটলো এমন ঘটনা আর কেনই বা ঘটলো এই ঘটনা এই নিয়ে আলিপুরদুয়ার জেলাবাসির অন্দরে উঠছে হাজারো প্রশ্ন।

আগস্ট ২৫, ২০২২
রাজ্য

'পায়ে হেঁটে, সাইকেলে ঘুরুন, চারচাকা গাড়িতে ঘোরার দরকার নেই,' নেতা-কর্মীদের কড়া হুঁশিয়ারি অভিষেকের

আলিপুরদুয়ারের সভাতে গিয়ে ক্ষমা চাইলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। একইসঙ্গে দলীয় নেতা-কর্মীদের বার্তা দিলেন মানুষের পাশে থাকার। অভিষেক বলেন, রাজনীতি মানে শুধু ভোটের রাজনীতি নয়। ১০০দিনের কর্মসূচি নিতে হবে। মানুষের কথা বলতে এসেছি। আমি আপনাদের কাছে ক্ষমা চাইতে এসেছি। নিশ্চিতভাবে আমাদের গাফিলতি ছিল। অপনাদের আস্থা বা ভালবাসা আমাদের দোষেই হারিয়েছি। যে কোনও প্রয়োজনে 7887778877 নম্বরে ফোন করবেন।অভিষেক কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছেন দলের একশ্রেণির নেতাদের। তিনি বলেন, মানুষ ভোট দিতে চায়। কয়েকটা লোকের মুখ দেখে ভোট দেয় না। তাঁদের টিকিট দেওয়া হবে না। জেলার দায়িত্ব মানে কেউ কেটা হয়ে গিয়েছে, সেটা চলবে না। বাইকে করে ঘুরুন, পায়ে হেঁটে ঘুরুন, বড় চারচাকায় ঘোরার দরকার নেই। সাইকেলে ঘুরুন। বিরোধী মনে করে ঘুরুন।এরইমধ্যে বিজেপির মন্ত্রী থেকে বিধায়ক নয়া উত্তরবঙ্গ রাজ্যের দাবি তুলেছেন। এই নিয়ে বিতর্ক চলছেই। এদিন অভিষেক জানিয়ে দিলেন তৃণমূলের অভিধানে আর উত্তরবঙ্গ শব্দটাই থাকবে না{ এমনকী তিনি সাংবাদিকদের কাছেও আবেদন করেছেন উত্তরবঙ্গ না লিখতে। অভিষেক বলেন, কোনও দক্ষিণবঙ্গ নয়, উত্তরবঙ্গ নয়। একটাই বঙ্গ।বিভিন্ন কেন্দ্রীয় প্রকল্প নিয়ে বিতর্ক চলছে। একাধিক প্রকল্পে কেন্দ্রীয় সরকার অর্থ দিচ্ছে না বলে অভিযোগ করে আসছে রাজ্য। অভিষেক বলেন, বাংলার মানুষের প্রকল্প বাংলার নামে হবে না প্রধানমন্ত্রীর নামে হবে? পঞ্চায়েত সমিতির নামে রাস্তা হলে এলাকার নামে হবে না সদস্যর নামে হবে? প্রকল্প প্রধানমন্ত্রীর নামে হবে না বাংলার নামে হবে। মুখ্যমন্ত্রী গ্রাম সড়ক প্রকল্প করতে পারত, করেনি। বাংলার নামে করেছে। তাঁর দাবি, ১০০ দিনের ৯হাজার কোটি টাকা, বাংলার আবাস যোজনা ৮হাজার কোটি টাকা, প্রধানমন্ত্রী গ্রাম সড়ক যোজনা ৫হাজার কোটি টাকা আটকে রেখে দিয়েছে কেন্দ্র।

জুলাই ১২, ২০২২
রাজনীতি

Alipurduar BJP: সদলবলে তৃণমূলে যোগ দিলেন আলিপুরদুয়ার বিজেপি সভাপতি

উত্তরবঙ্গে বিজেপিতে (BJP) বড়সড় ভাঙন। অবশেষে তৃণমূল শিবিরে যোগ দিলেন আলিপুরদুয়ারের বিজেপি সভাপতি গঙ্গাপ্রসাদ শর্মা (Gangaprasad Sharma)। সোমবার তৃণমূল ভবনে তাঁর হাতে দলের পতাকা তুলে দেন মুকুল রায় ও ব্রাত্য বসু। গঙ্গাপ্রসাদ শর্মা-সহ আলিপুরদুয়ারের মোট ৮ জন বিজেপি নেতা এদিন যোগ দিলেন তৃণমূলে। আরও পড়ুনঃ জেমিসনের বলের দাপটে দিশেহারা ভারতবহুদিন ধরেই আরএসএসের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন গঙ্গাপ্রসাদ শর্মা। পরবর্তীতে ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনের আগে আলিপুরদুয়ারের বিজেপির জেলা সভাপতির দায়িত্ব পান তিনি। তারপরই লোকসভায় ভাল ফল করে বিজেপি। একুশেও গঙ্গাপ্রসাদ শর্মার জোরেই আলিপুরদুয়ারের ৫ টি আসন বিজেপির দখলে রয়েছে বলেই রাজনৈতিক মহলের একাংশের দাবি। তবে ভোটের আগে থেকেই গঙ্গাপ্রসাদের সঙ্গে বিজেপির সম্পর্কের অবনতি হয়। দলের হয়ে কাজ করলেও সুমধুর সম্পর্কে ছেদ পড়েছে, এমন কানাঘুষো শোনা যাচ্ছিল। দিন কয়েক আগে নিজেই তৃণমূলে (TMC) যোগদানের কথা প্রকাশ করেন তিনি। পূর্ব নির্ধারিত সময়ে সোমবার যোগ দেন তৃণমূলে। গঙ্গাপ্রসাদ শর্মা নিজেই জানিয়েছেন, ভোটের আগে থেকেই দলের সঙ্গে দূরত্ব তৈরি হয়েছিল তাঁর। তিনি বলেন, ভোটের আগে জেলা নেতৃত্বকে না জানিয়ে একের পর এক নেতাকে কলকাতায় এনে এবং কিছু নেতাকে দিল্লিতে পাঠিয়ে যোগদান করানো হয়েছে। আমাদের কোনও কিছু জানানো হয়নি। জেলা নেতৃত্বকে বিন্দুমাত্র গুরুত্ব দেওয়া হয়নি। তখন থেকেই দূরত্ব। তবে সেই সময় দল ছাড়িনি, কারণ ভোটের আগে ছাড়লে লোকে গদ্দার বলত। ভোটের ফল দেখিয়ে দিয়েছি। ৫ টা আসনই বিজেপির দখলে। তবে আগে থেকেই তৃণমূলে আসার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম।

জুন ২১, ২০২১
রাজ্য

Alipurduar-BJP: ফের ভাঙন বিজেপিতে, তৃণমূলে যোগ দিচ্ছেন ১১ জন শীর্ষ নেতৃত্ব

বড়সড় ভাঙন বিজেপিতে। বিজেপি আলিপুরদুয়ার জেলা সভাপতি গঙ্গাপ্রসাদ শর্মা, বিজেপির আলিপুরদুয়ার জেলা সাধারণ সম্পাদক বীরেন্দ্র বারা ওরাঁও, বিজেপির জেলা-সহ সভাপতি বিপ্লব সরকার, বিজেপি জেলা সম্পাদক বিনোদ মিঞ্জ, বিজেপির কালচিনি নেতা কৃপাশঙ্কর জয়সওয়াল-সহ বিজেপির সাত জন আলিপুরদুয়ার জেলা শীর্ষ নেতৃত্ব তৃণমূলে যোগদান করছেন। সোমবারই তৃণমূলের রাজ্য নেতৃত্বের হাত ধরে এই ৭ নেতৃত্ব তৃণমূলে যোগদান করবে বলে খবর। বিজেপির আলিপুরদুয়ার জেলা সভাপতি গঙ্গাপ্রসাদ শর্মা ফোনে জানান যে, আমরা সাত জন আগামীকাল তৃণমূলে যোগদান করছি। আমরা কলকাতায় আছি। ইতিমধ্যে অভিষেক ব্যানার্জির সাথে আমাদের কথা হয়েছে। আগামীকাল তৃণমূলে যোগদান করছি।আরও পড়ুনঃ হাইকোর্টের নির্দেশের স্থগিতাদেশের আবেদন মুখ্যমন্ত্রীর এই বিষয়ে বিজেপি যুব মোর্চার আলিপুরদুয়ার জেলা সভাপতি বিপ্লব দাস জানান, এই বিষয়ে আমারা কিছু জানিনা। আমাদের কাছে কোনও খবর নেই। বিজেপি পৃথিবীর সর্ববৃহৎ দল এবং বিজেপি কর্মী সমর্থকরা বিজেপিতেই আছেন। তৃণমূলের আলিপুরদুয়ার জেলা কো অর্ডিনেটর এবং তৃণমূল এসটি সেলের রাজ্য কমিটির সাধারণ সম্পাদক পাসাং লামা জানান, সাতজন বিজেপি শীর্ষ নেতৃত্ব কলকাতা পৌঁছে গিয়েছে এবং আরও চার জন বিজেপি নেতা আজ কোলকাতার উদ্দেশ্যে রওনা দিচ্ছেন। উল্লেখ্য, গত লোকসভা ভোটে আলিপুরদুয়ারে বিজেপি ভালো ফল করে। জন বার্লা ব্যাপক ভোটে লিড নিয়ে সাংসদ হন। এমনকী, বিধানসভা ভোটে আলিপুরদুয়ার জেলায় বিজেপি ভালো ফল করে। আলিপুরদুয়ার জেলার পাঁচটি আসনের মধ্যে পাঁচটিতেই বিজেপি জয়যুক্ত হয়। সব গুলো আসনে ভালো ভোটের ব্যবধানে জয়যুক্ত হন বিজেপি প্রার্থীরা।

জুন ২০, ২০২১
রাজ্য

কারচুপি করেছে রাজীব, বিস্ফোরক মমতা

দলীয় কর্মিসভা থেকে সদ্য দলত্যাগীদের কড়া বার্তা দিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে নাম না করে রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ করেছেন তিনি। বন সহায়ক পদে চাকরি নিয়ে কারচুপির অভিযোগে সরব হলেন মুখ্যমন্ত্রী। এ প্রসঙ্গে মমতাকে পাল্টা বিঁধেছে বিজেপি। দলে থাকাকালীন কেন একথা মনে পড়ল না, কটাক্ষ গেরুয়া শিবিরের।মাসকয়েক আগে অষ্টম শ্রেণি পাশে বন সহায়ক পদে প্রচুর কর্মী নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি জারি করে রাজ্য সরকার। অষ্টম শ্রেণি পাশের পাশাপাশি উচ্চশিক্ষিতরাও আবেদনপত্র জমা দেন। শুধুমাত্র ইন্টারভিউর মাধ্যমে নিয়োগ হওয়ায় লাইনও পড়ে বিস্তর। এই শূন্যপদ নিয়ে আলিপুরদুয়ারের প্যারেড গ্রাউন্ডের সভা থেকে মুখ খুললেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। নাম না-করে রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে তোপ দাগেন। কারণ, সেই সময় তৃণমূলে ছিলেন রাজীব। ছিলেন রাজ্যের বনমন্ত্রীও। মুখ্যমন্ত্রীর অভিযোগ, আমাদের সঙ্গে ছেলেটা ছিল। সে এখন আমাদের সঙ্গে আর নেই। আমার কাছে অভিযোগ এসেছে বন সহায়ক পদ নিয়ে কারচুপি হয়েছে। আমরা তদন্ত করে দেখছি। এর আগে একাধিকবার দলবদলকারী রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে সুর চড়িয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। অতিরিক্ত লোভ এবং টিকিট না পাওয়ার আশঙ্কায় দলবদলের সিদ্ধান্ত বলেও দাবি করেছেন। তবে এই প্রথমবার এহেন বিস্ফোরক অভিযোগ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের।

ফেব্রুয়ারি ০৩, ২০২১
রাজ্য

গোর্খাল্যান্ড ইস্যুকে যে সমর্থন করবে, তাকেই আমারা ভোট দিয়ে জিতিয়ে আনবঃ গুরুং

দিদির সঙ্গে মিলে কেন্দ্রীয় সরকারের উপর চাপ সৃষ্টি করব। মোদি সরকার আমাদের ধোকা দিয়েছে। লোকসভা নির্বাচনে আমারা বিজেপি প্রার্থীকে জিতিয়েছি কিন্তু, বিজেপি আমাদের ধোকা দিয়েছে। ২০২১ সালে বিজেপিকে শিক্ষা দিয়েই ছাড়ব। এদিন আলিপুরদুয়ার জেলার বীরপাড়ার প্রগতি ক্লাবে জনসভায় বক্তব্য দিতে গিয়ে এভাবে বিজেপির প্রতি তোপ দাগলেন মোর্চা সুপ্রিমো বিমল গুরুং। আরও পড়ুন ঃ হাওড়া স্টেশন থেকে প্রায় ২৫ লক্ষ টাকা সহ ধৃত ১ এদিন আলিপুরদুয়ার জেলার বীরপাড়া প্রগতি ক্লাব ময়দানে গোর্খা জনমুক্তি মোর্চার জনসভা আয়োজিত হয়। এদিনের জনসভায় প্রধান বক্তা ছিলেন মোর্চা সুপ্রিমো বিমল গুরুং। এদিন বীরপাড়ার জনসভায় বক্তব্য দিতে গিয়ে আবেগতাড়িত হয়ে পড়েন বিমল গুরুং । এদিন বিমল জানান, আমি ডুয়ার্সকে ভালোবাসি। তাই পাহাড়ে না গিয়ে ডুয়ার্সে এসেছি। এদিন বিমল জানান, আমাদের প্রধান দাবি পার্মানেন্ট পলিটিক্যাল সোলিউশন। এদিন বিমল কর্মীদের নির্দেশ দেন যে বিজেপি আমাদের প্রতি যে অন্যায়, অবিচার করেছে এই বিষয়ে ডুয়ার্সের প্রতিটি এলাকায় গ্ৰামে গ্ৰামে সবাইকে জানাতে হবে। বিমল জানান, আগামী ২০২১ বিধানসভা নির্বাচনের জন্য আমরা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে সমর্থন করেছি। কিন্তু, ২০২৪ এ গোর্খাল্যান্ড ইস্যুকে যে সমর্থন করবে তাকেই আমারা ভোট দিয়ে জিতিয়ে আনব।

ডিসেম্বর ১৩, ২০২০
রাজ্য

জেলা আদালত চালু না হওয়ায় হতাশ আলিপুরদুয়ারবাসী

২০১৮ সালে আলিপুরদুয়ারকে জেলা ঘোষণার পর জেলা প্রশাসনের সমস্ত পরিকাঠামো গড়ে তুলে আধিকারিকদের নিয়োগ করা হয়েছে। কিন্তু চালু হয়নি জেলা আদালত। আলিপুরদুয়ার বার অ্যাসোসিয়েশনের সম্পাদক সুহৃদ মজুমদার জানান, জেলা ঘোষণার পর জেলা আদালত চালু করার জন্য মহকুমা শাসকের দপ্তরটিতে জেলা আদালতের পরিকাঠামো গড়ে তোলা হয়। সাইনবোর্ডও লাগানো হয়। আরও পড়ুনঃ মিহির গোস্বামীকে নিয়ে বিশেষ মাথা ব্যথা নেই বিজেপিরঃ সায়ন্তন উচ্চ আদালতের প্রতিনিধি দল পরিদর্শণ করে জানায় যে এই পরিকাঠামো জেলা আদালত চালু করার জন্য সন্তোষজনক নয়। জেলা আদালত চালু করতে হলে নতুন ভবন নির্মাণ করতে হবে। সেই অনুযায়ী একটি সাততলা ভবনের প্ল্যান হাইকোর্টে পাঠানো হয়। এর ফলে হতাশ আলিপুরদুয়ারবাসী।

অক্টোবর ১৮, ২০২০
রাজ্য

শহিদ জওয়ানের পরিবারকে আর্থিক সাহায্য রাজ্যপালের

লাদাখের গালোয়ান ভ্যালিতে সংঘর্ষে শহিদ জওয়ান বিপুল রায়ের বাড়িতে গেলেন সস্ত্রীক রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড় । শুক্রবার সকাল ৯ টা ২৫ মিনিট নাগাদ বিন্দিপাড়ায় শহিদ জওয়ানের বাড়িতে যান রাজ্যপাল। শহিদ বিপুল রায়ের পরিবারের সুবিধা-অসুবিধার কথা শোনেন তিনি। তিনি নিজে ব্যক্তিগতভাবে সাড়ে পাঁচ লাখ টাকা তুলে দেন শহিদ বিপুল রায়ের স্ত্রী রুম্পা রায়ের হাতে । রাজ্যপালের স্ত্রী বিপুল রায়ের মা কুসুম রায়ের হাতে তুলে দেন আরও সাড়ে পাঁচ লাখ টাকা । বিপুলের ছোটো ভাই বকুল রায়কে কেন্দ্রীয় সরকারের গ্রুপ সি পদে চাকরি দেওয়ার কথা ঘোষণা করেন রাজ্যপাল । প্রায় চল্লিশ মিনিট পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন তিনি। সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির প্রশংসা করে বলেন, ভারত সঠিক দিশায় এগোচ্ছে । ভারতের প্রধানমন্ত্রী বিশ্বের শ্রেষ্ঠ নেতাদের মধ্যে একজন । সে বিষয়ে কোনও মতান্তর নেই । ভারত আমূল পালটে যাচ্ছে । ভারত সঠিক পথেই বদলাচ্ছে । আমি দেখতে পাচ্ছি ভারতের পুরোনো ঐতিহ্য, গৌরব ফিরে আসছে । ভারতকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য পশ্চিমবঙ্গের যোগদান কম থাকবে না । রাজ্যের প্রথম নাগরিক হওয়ার সুবাদে আমার কর্তব্য পশ্চিমবঙ্গকে কোনওভাবেই এমন বিষয়ের পরিচায়ক হতে দেব না যাকে আমরা হিংসা বলি । তিনি এদিন রাজ্য সরকারের সমালোচনা করে বলেন, রাজ্যে আইনশৃঙ্খলা নেই। ধর্ষণ ও নারী নির্যাতনের ঘটনা বাড়ছে। ছক কষে বিরোধীদের খুন করা হচ্ছে। মুখ্যসচিব এবং স্বরাষ্ট্রসচিবের থেকে জবাব চেয়েও পাইনি। গণতান্ত্রিক পরিকাঠামোয় এভাবে রাজ্য সরকার চলতে পারে না। এদিকে এদিন আলিপুরদুয়ারের বিন্দিপাড়ায় পৌঁছনো্র পর রাজ্যপাল দেখতে পান, কয়েকটি পোস্টার সাঁটা রয়েছে। সেখানে লেখা রয়েছে, পঙ্গপাল রাজ্যপাল। নির্লজ্জ বিজেপির দালাল। কোথায় ছিল এতকাল। জবাব চাই। জবাব দাও। পোস্টারের নিচে তৃণমূলের নামও উল্লেখ করা ছিল। তাতেই বেজায় ক্ষুব্ধ রাজ্যের সাংবিধানিক প্রধান। যদিও শাসকদল তৃণমূল এই পোস্টারের সঙ্গে তাদের কোনও যোগসাজশ নেই বলেই দাবি করেছে।

অক্টোবর ০৯, ২০২০

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

ইস্তফা কি সত্যিই দিচ্ছেন ফিরহাদ? দু’দিন পরেও মিলল না উত্তর

কলকাতা পুরনিগমের মেয়র পদ থেকে ফিরহাদ হাকিম ইস্তফা দিতে চলেছেন কি না, তা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা চলছে। তবে দুদিন ধরে নানা জল্পনা চললেও এখনও পর্যন্ত এ বিষয়ে কোনও স্পষ্ট পদক্ষেপ দেখা যায়নি। ফলে প্রশ্ন উঠছে, আদৌ কি মেয়রের পদ ছাড়তে চলেছেন ফিরহাদ হাকিম?সম্প্রতি তৃণমূল নেতা কুণাল ঘোষ দাবি করেছিলেন, ফিরহাদ হাকিম দলনেত্রীর কাছে মেয়র পদ থেকে সরে দাঁড়ানোর ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন। তাঁর বক্তব্য ছিল, বর্তমান পরিস্থিতিতে তিনি ঠিকমতো কাজ করতে পারছেন না এবং সেই কারণেই ইস্তফা দিতে চান। কুণালের দাবি অনুযায়ী, এই বিষয়টি দলের শীর্ষ নেতৃত্বের কাছেও জানানো হয়েছিল।কিন্তু সেই মন্তব্যের পর কয়েক দিন কেটে গেলেও এখনও পর্যন্ত ইস্তফা সংক্রান্ত কোনও সরকারি ঘোষণা হয়নি। বরং এই বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে ফিরহাদ হাকিম মন্তব্য করতে চাননি। তিনি শুধু জানিয়েছেন, এই বিষয়ে তিনি কোনও কথা বলবেন না।এদিকে সাম্প্রতিক ঘটনাপ্রবাহ অন্য ইঙ্গিত দিচ্ছে বলেই মনে করছেন রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের একাংশ। গত কয়েক দিনে একাধিক সরকারি ও প্রশাসনিক কর্মসূচিতে সক্রিয়ভাবে অংশ নিতে দেখা গিয়েছে ফিরহাদ হাকিমকে। পরিবেশ দিবসের কর্মসূচিতেও তাঁকে কলকাতা পুরনিগমের কমিশনারের সঙ্গে দেখা যায়।শুধু তাই নয়, প্রশাসনিক বিভিন্ন বিষয় নিয়েও নিয়মিত বৈঠক করতে দেখা যাচ্ছে মেয়রকে। পুর প্রশাসনের কাজকর্ম নিয়েও তিনি সক্রিয় রয়েছেন বলে সূত্রের দাবি। ফলে ইস্তফার জল্পনার সঙ্গে বাস্তব পরিস্থিতির বেশ কিছু অসঙ্গতি সামনে আসছে।রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, যদি সত্যিই ইস্তফার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়ে থাকে, তাহলে সাধারণত প্রশাসনিক কর্মকাণ্ড থেকে কিছুটা দূরত্ব বজায় রাখার প্রবণতা দেখা যায়। কিন্তু বর্তমানে ফিরহাদ হাকিমের ভূমিকা সে ধরনের কোনও ইঙ্গিত দিচ্ছে না।ফলে মেয়র পদ নিয়ে জল্পনা আরও বেড়েছে। ফিরহাদ হাকিম শেষ পর্যন্ত কী সিদ্ধান্ত নেন, তা নিয়ে এখন কৌতূহল রাজনৈতিক মহলে। তবে সরকারি ভাবে কিছু ঘোষণা না হওয়া পর্যন্ত এই বিতর্ক ও জল্পনা যে চলতেই থাকবে, তা বলাই যায়।

জুন ০৫, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

টাকা না দিয়েই বিশ্বকাপের টিকিট! ফিফার বড় ভুলে তোলপাড় ফুটবল দুনিয়া

ফুটবল বিশ্বকাপ শুরু হতে আর মাত্র কয়েক দিন বাকি। তার আগেই টিকিট বিক্রি নিয়ে বড় বিতর্কে জড়াল ফুটবলের সর্বোচ্চ নিয়ামক সংস্থা। প্রযুক্তিগত ত্রুটির কারণে কয়েকজন সমর্থক বিনামূল্যে বিশ্বকাপের টিকিট পেয়ে গিয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসতেই শুরু হয়েছে ব্যাপক আলোচনা।সূত্রের খবর, অন্তত ষাট জন ফুটবলপ্রেমী বিশ্বকাপের টিকিট কাটার সময় কোনও টাকা না দিয়েই টিকিট সংগ্রহ করতে সক্ষম হন। অভিযোগ, টিকিট বুকিংয়ের শেষ ধাপে গিয়ে তাঁদের কাছ থেকে কোনও অর্থ নেওয়া হয়নি। ফলে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে টিকিট তাঁদের হাতে চলে যায়।বিশ্বকাপের টিকিটের দাম নিয়ে গত কয়েক মাস ধরেই বিতর্ক চলছে। অনেকের অভিযোগ, সাধারণ সমর্থকদের নাগালের বাইরে চলে গিয়েছে টিকিটের মূল্য। এই পরিস্থিতিতে কিছু দর্শক বিনামূল্যে টিকিট পাওয়ার খবর সামনে আসতেই ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। বিশেষ করে যাঁরা মোটা অঙ্কের টাকা খরচ করে টিকিট কিনেছেন, তাঁদের মধ্যে অসন্তোষ বাড়তে শুরু করে।জানা গিয়েছে, কানাডার টরন্টো শহরে আয়োজিত কয়েকটি ম্যাচের টিকিট বিক্রির ক্ষেত্রেই এই সমস্যা দেখা দেয়। প্রযুক্তিগত ত্রুটির কারণে অর্থ পরিশোধ ছাড়াই টিকিট ইস্যু হয়ে যায় বলে অভিযোগ।বিষয়টি নিয়ে মুখ খুলেছে ফিফা। সংস্থার তরফে জানানো হয়েছে, ওয়েবসাইটে সাময়িক প্রযুক্তিগত সমস্যার কারণেই এই ঘটনা ঘটেছে। যাঁরা বিনামূল্যে টিকিট পেয়েছেন, তাঁদের নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে টিকিটের মূল্য পরিশোধ করতে বলা হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে টাকা জমা না দিলে তাঁদের টিকিট বাতিল করে দেওয়া হবে বলেও জানানো হয়েছে।এদিকে টিকিট বিক্রির পদ্ধতি নিয়েও নতুন বিতর্ক শুরু হয়েছে। অতিরিক্ত মূল্য নেওয়ার অভিযোগে ইতিমধ্যেই আইনি জটিলতার মুখে পড়েছে ফিফা। টিকিট বিক্রির পুরো প্রক্রিয়া নিয়ে তদন্ত শুরু হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। বিশ্বকাপ শুরুর ঠিক আগে এই ঘটনা ফুটবলপ্রেমীদের মধ্যে নতুন করে প্রশ্ন তুলে দিয়েছে।

জুন ০৫, ২০২৬
দেশ

ইন্ডিয়া জোটে বড় বিস্ফোরণ! ডিএমকে সরে যেতেই বিজয়ের দিকে কংগ্রেসের ঝোঁক?

পাঁচ রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর দেশের রাজনৈতিক সমীকরণে বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত মিলছে। পশ্চিমবঙ্গে ক্ষমতার পালাবদল হয়েছে। অন্যদিকে তামিলনাড়ুতেও বদলেছে রাজনৈতিক চিত্র। এই পরিস্থিতিতে এবার প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে, ইন্ডিয়া জোটের অন্দরেও কি বড় পরিবর্তন আসতে চলেছে?তামিলনাড়ুতে নির্বাচনে কংগ্রেস ডিএমকের সঙ্গে জোটবদ্ধ হয়ে লড়াই করলেও ফল প্রকাশের পর পরিস্থিতি বদলে যায়। সরকার গঠনের সময় কংগ্রেস সমর্থন জানায় অভিনেতা থেকে রাজনীতিবিদ হওয়া বিজয়ের দলের প্রতি। সেই সমর্থনের ফলস্বরূপ কংগ্রেস একটি গুরুত্বপূর্ণ আসনও পেয়েছে বলে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে।সূত্রের খবর, কংগ্রেস এখন বিজয়ের দলের সঙ্গে সম্পর্ক আরও মজবুত করতে আগ্রহী। আগামী আট জুন দিল্লিতে ইন্ডিয়া জোটের গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক হওয়ার কথা। সেই বৈঠকে বিজয়ের দলকে আমন্ত্রণ জানানোর বিষয়ে কংগ্রেসের শীর্ষ নেতৃত্ব ভাবনাচিন্তা করছে বলে জল্পনা ছড়িয়েছে।এদিকে ডিএমকে ইতিমধ্যেই জানিয়ে দিয়েছে যে তারা ওই বৈঠকে অংশ নেবে না। দলের নেতাদের বক্তব্য, সাম্প্রতিক রাজনৈতিক ঘটনায় তারা অত্যন্ত হতাশ। কংগ্রেসের ভূমিকা নিয়ে দলের কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে ক্ষোভ তৈরি হয়েছে। সেই কারণেই আপাতত ইন্ডিয়া জোটের বৈঠক থেকে দূরে থাকার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।শুধু ডিএমকে নয়, ইন্ডিয়া জোটের ভেতরে আরও কয়েকটি দলের অবস্থান নিয়েও প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। লোকসভা নির্বাচনের পর থেকেই একাধিক শরিক দলের সঙ্গে কংগ্রেসের দূরত্ব বেড়েছে বলে রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের একাংশের মত। বিভিন্ন রাজ্যে আঞ্চলিক দলগুলির সঙ্গে কংগ্রেসের সম্পর্কের টানাপোড়েন এবার জাতীয় রাজনীতিতেও প্রভাব ফেলতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।আসন্ন বৈঠকে কোন দল উপস্থিত থাকে এবং কোন দল দূরত্ব বজায় রাখে, সেদিকেই এখন নজর দেশের রাজনৈতিক মহলের। কারণ সেই বৈঠকের ফলাফলই ইন্ডিয়া জোটের ভবিষ্যৎ নিয়ে অনেক প্রশ্নের উত্তর দিতে পারে।

জুন ০৫, ২০২৬
দেশ

ঋণগ্রহীতাদের জন্য বড় সুখবর! রেপো রেট নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত আরবিআইয়ের

বিশ্বজুড়ে অস্থির অর্থনৈতিক পরিস্থিতির মধ্যেই সাধারণ মানুষের জন্য কিছুটা স্বস্তির খবর দিল ভারতীয় রিজার্ভ ব্যাঙ্ক। শুক্রবার মুদ্রানীতি কমিটির বৈঠকের পর জানানো হয়েছে, আপাতত রেপো রেটের কোনও পরিবর্তন করা হচ্ছে না। ফলে বাড়ি, গাড়ি বা অন্যান্য ঋণের মাসিক কিস্তি এখনই বাড়ার আশঙ্কা নেই।রিজার্ভ ব্যাঙ্কের গভর্নর সঞ্জয় মালহোত্রার নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে মুদ্রানীতি কমিটির সব সদস্যই রেপো রেট অপরিবর্তিত রাখার পক্ষে মত দেন। বর্তমানে রেপো রেট রয়েছে পাঁচ দশমিক দুই পাঁচ শতাংশে। আগামী দুমাস এই হারই বহাল থাকবে বলে জানানো হয়েছে।কেন্দ্রীয় ব্যাঙ্কের মতে, বর্তমান আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি এবং বিশ্ব অর্থনীতির অনিশ্চয়তার কারণে আপাতত সতর্ক অবস্থান নেওয়াই সবচেয়ে উপযুক্ত। ভবিষ্যতে পরিস্থিতির পরিবর্তন হলে তখন প্রয়োজন অনুযায়ী নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।গত বছর একাধিকবার রেপো রেট কমিয়েছিল রিজার্ভ ব্যাঙ্ক। প্রথমে ধারাবাহিকভাবে হার কমানোর পর জুন মাসে আরও পঞ্চাশ বেসিস পয়েন্ট কমানো হয়। পরে ডিসেম্বর মাসে আবার পঁচিশ বেসিস পয়েন্ট কমিয়ে রেপো রেট পাঁচ দশমিক দুই পাঁচ শতাংশে নামিয়ে আনা হয়। সেই হারই এখনও বজায় রয়েছে।তবে অর্থনীতিবিদদের একাংশের মতে, আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দামের ওঠানামা, পশ্চিম এশিয়ার অস্থিরতা এবং বৈশ্বিক অর্থনৈতিক চাপের কারণে ভবিষ্যতে রেপো রেট নিয়ে নতুন সিদ্ধান্ত নিতে হতে পারে। সেই কারণেই আগামী কয়েক মাসের অর্থনৈতিক পরিস্থিতির দিকে বিশেষ নজর রাখছে রিজার্ভ ব্যাঙ্ক।এদিকে দেশের অর্থনীতি নিয়েও নতুন বিতর্ক তৈরি হয়েছে। সম্প্রতি একটি আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছিল, বৈদেশিক মুদ্রার ভাণ্ডার রক্ষার জন্য দেশের সঞ্চিত সোনার একটি বড় অংশ বিক্রি করা হয়েছে। যদিও রিজার্ভ ব্যাঙ্ক সেই দাবি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলে খারিজ করে দিয়েছে। তবুও বিষয়টি নিয়ে অর্থনৈতিক মহলে আলোচনা থামেনি।

জুন ০৫, ২০২৬
কলকাতা

মমতার ঘনিষ্ঠ নেতা এবার বিদ্রোহী শিবিরে! জাভেদ খানের পদক্ষেপে তোলপাড় রাজনীতি

দীর্ঘ তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ সহযোদ্ধা হিসেবে পরিচিত ছিলেন জাভেদ খান। রাজনৈতিক জীবনের বড় অংশই তিনি কাটিয়েছেন তৃণমূল কংগ্রেসের সঙ্গে। কিন্তু সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে সেই সমীকরণে বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত মিলছে। সম্প্রতি তাঁকে দেখা গিয়েছে তৃণমূলের বিদ্রোহী শিবিরের বৈঠকে।গত সোমবার বিদ্রোহী গোষ্ঠীর নেতাদের সঙ্গে প্রকাশ্যে দেখা যায় জাভেদ খানকে। শুক্রবারও বিদ্রোহী তৃণমূল বিধায়কদের বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন তিনি। এরপর থেকেই রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে নতুন জল্পনা।এদিন সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে নিজের সম্পত্তি নিয়ে ওঠা অভিযোগের জবাব দেন জাভেদ খান। তিনি দাবি করেন, তাঁর বিরুদ্ধে যে সব অভিযোগ তোলা হচ্ছে, তার অনেকটাই ভিত্তিহীন। তাঁর বক্তব্য, পরিবারের পৈতৃক সম্পত্তিকে ঘিরে নানা বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানো হচ্ছে। সব সম্পত্তি তাঁর ব্যক্তিগত মালিকানাধীন নয় বলেও স্পষ্ট করেন তিনি।সবচেয়ে বেশি চর্চার বিষয় হয়ে ওঠে তৃণমূল ভবনের জমি নিয়ে তাঁর মন্তব্য। জাভেদ খানের দাবি, ওই জমি তাঁদের পরিবারের ছিল এবং পরে তা দান করা হয়েছিল। তবে সেই জমি ফেরত নেওয়ার কোনও ইচ্ছা তাঁদের নেই বলেও জানান তিনি। একই সঙ্গে তিনি বলেন, প্রতিহিংসার রাজনীতিতে তিনি বিশ্বাস করেন না।রাজনৈতিক জীবনে জাভেদ খানের দীর্ঘ অভিজ্ঞতা রয়েছে। নব্বইয়ের দশকের মাঝামাঝি সময় থেকে তিনি তৃণমূল কংগ্রেসের সক্রিয় নেতা হিসেবে কাজ শুরু করেন। কলকাতা পুরসভায় একাধিকবার কাউন্সিলর নির্বাচিত হয়েছেন। পরে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বও সামলেছেন। কলকাতা পুর প্রশাসনে গুরুত্বপূর্ণ পদে থাকার পাশাপাশি দীর্ঘদিন বিধায়ক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন।রাজ্যের মন্ত্রিসভার সদস্য হিসেবেও কাজ করেছেন জাভেদ খান। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা দপ্তরের দায়িত্বে থেকে তিনি দীর্ঘ সময় প্রশাসনিক কাজের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। সেই কারণেই তৃণমূলের সঙ্গে তাঁর দূরত্ব তৈরি হওয়ার ঘটনা রাজনৈতিকভাবে তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহলের একাংশ।বিদ্রোহী শিবিরে তাঁর উপস্থিতি এবং সাম্প্রতিক মন্তব্য ঘিরে এখন জোর চর্চা শুরু হয়েছে। আগামী দিনে তাঁর রাজনৈতিক অবস্থান কোন দিকে যায়, সেদিকেই নজর রয়েছে রাজ্যের রাজনৈতিক মহলের।

জুন ০৫, ২০২৬
বিনোদুনিয়া

থানায় স্বরূপ, নেটদুনিয়ায় অনির্বাণ! রাতারাতি বদলে গেল সমীকরণ

টালিগঞ্জের স্টুডিওপাড়ায় তোলাবাজি এবং শ্লীলতাহানির অভিযোগে গ্রেপ্তার হলেন রাজ্যের প্রাক্তন ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাসের ভাই স্বরূপ বিশ্বাস। বৃহস্পতিবার তাঁকে বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করে নিউ আলিপুর থানার পুলিশ। এক মেকআপ শিল্পীর অভিযোগের ভিত্তিতেই এই পদক্ষেপ বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে।অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে টেকনিশিয়ান স্টুডিয়োর কর্মীদের কাছ থেকে জোর করে টাকা আদায় করা হত। পাশাপাশি স্বরূপ বিশ্বাসের বিরুদ্ধে শ্লীলতাহানির অভিযোগও ওঠে। গ্রেপ্তারের খবর ছড়িয়ে পড়তেই রাতে থানার সামনে ভিড় জমায় এলাকার বহু মানুষ। তাঁদের একাংশ প্রকাশ্যে ক্ষোভ উগরে দেন। থানার সামনে বিক্ষোভ ও স্লোগানও শোনা যায়।টালিগঞ্জের একাংশের শিল্পী ও কলাকুশলীদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরেই অসন্তোষ ছিল বলে দাবি করা হচ্ছে। অভিযোগ, ফেডারেশনের ক্ষমতা ব্যবহার করে বহু শিল্পীর কাজের সুযোগ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। সেই তালিকায় অভিনেতা অনির্বাণ ভট্টাচার্যের নামও বারবার উঠে এসেছে।স্বরূপ বিশ্বাস গ্রেপ্তার হওয়ার পর সামাজিক মাধ্যমে নতুন করে আলোচনায় উঠে এসেছে অনির্বাণের একটি পুরনো ভিডিও। সেখানে তাঁকে এক জনপ্রিয় লোকগান গাইতে দেখা যায়। ভিডিওটি দ্রুত ছড়িয়ে পড়েছে নেটমাধ্যমে। পাশাপাশি অভিনেতার বিভিন্ন ছবি ও সংলাপ ব্যবহার করে একাধিক ব্যঙ্গাত্মক পোস্ট এবং মিমও ভাইরাল হয়েছে।টলিপাড়ার অনেকের দাবি, অতীতে নানা বাধার মুখে পড়লেও নিজের অভিনয় দক্ষতার জোরে দর্শকদের মন জয় করেছেন অনির্বাণ। পরবর্তীকালে বড় বড় প্রযোজনায় তাঁর অভিনয় বিশেষ প্রশংসাও পেয়েছে। বর্তমানে তাঁর একাধিক নতুন কাজ নিয়েও দর্শকদের মধ্যে আগ্রহ রয়েছে।এদিকে ফেডারেশন এবং তথাকথিত ব্যান সংস্কৃতি নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে ইন্ডাস্ট্রিতে। কিছু শিল্পী ও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের দাবি, ভবিষ্যতে কাজের ক্ষেত্রে কোনও শিল্পীকে ব্যক্তিগত মতামতের কারণে বাধার মুখে পড়তে হবে না। মত প্রকাশের স্বাধীনতা বজায় রেখেই কাজের পরিবেশ গড়ে তোলার পক্ষে সওয়াল করেছেন তাঁরা।স্বরূপ বিশ্বাসের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। তদন্তে নতুন কোনও তথ্য সামনে আসে কি না, এখন সেদিকেই নজর টলিপাড়ার।

জুন ০৫, ২০২৬
কলকাতা

কুড়ি সাংসদ নিয়ে গোপন বৈঠক! লোকসভায় বড় চমক দিতে চলেছেন কাকলি?

লোকসভায় তৃণমূলের নেতৃত্বে বড় পরিবর্তনের জল্পনা ক্রমেই জোরালো হচ্ছে। রাজনৈতিক মহলের একাংশের দাবি, দলের অন্দরে অসন্তোষ বাড়ছে এবং সেই পরিস্থিতিতে লোকসভায় নতুন দলনেতা হিসেবে কাকলি ঘোষ দস্তিদারের নাম সামনে আসতে পারে। যদিও এই বিষয়ে প্রকাশ্যে কোনও মন্তব্য করতে চাননি কাকলি নিজে। তাঁর দাবি, এ নিয়ে তিনি কিছুই জানেন না।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দীর্ঘদিনের ঘনিষ্ঠ সহযোদ্ধা কাকলি ঘোষ দস্তিদার। চার দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি তৃণমূল নেত্রীর সঙ্গে রাজনৈতিক লড়াইয়ের অংশ ছিলেন। লোকসভায় দলের মুখ্য সচেতক হিসেবেও গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি। তবে কয়েক সপ্তাহ আগে সেই পদ থেকে তাঁকে সরিয়ে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়কে দায়িত্ব দেওয়া হয়। এরপর থেকেই দলের অন্দরে তাঁর অসন্তোষ প্রকাশ্যে আসতে শুরু করে।বিশেষ করে ভোটকৌশল সংস্থা আইপ্যাককে নিয়ে প্রকাশ্যে ক্ষোভ উগরে দেন কাকলি। তাঁর অভিযোগ ছিল, আইপ্যাকের ভূমিকার কারণেই দলের ক্ষতি হয়েছে। পরে তিনি দলের বিভিন্ন সাংগঠনিক পদ থেকেও সরে দাঁড়ান। এর কিছুদিনের মধ্যেই কেন্দ্রের তরফে তাঁর নিরাপত্তা বাড়ানো হয়। সেই ঘটনার পর থেকেই রাজনৈতিক মহলে নানা জল্পনা শুরু হয়। অনেকের দাবি, বিরোধী শিবিরের সঙ্গে তাঁর যোগাযোগ বেড়েছে। যদিও এ বিষয়ে কোনও সরকারি তথ্য সামনে আসেনি।এদিকে সূত্রের খবর, আগামী রবিবার প্রায় কুড়ি জন তৃণমূল সাংসদের সঙ্গে একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক হতে পারে। সেই বৈঠকে ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে আলোচনা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সব কিছু পরিকল্পনা অনুযায়ী এগোলে সোমবার লোকসভার অধ্যক্ষের কাছে একটি স্বাক্ষরিত চিঠি জমা পড়তে পারে বলেও জল্পনা ছড়িয়েছে। ওই চিঠিতে লোকসভায় নতুন দলনেতা হিসেবে কাকলি ঘোষ দস্তিদারের নাম প্রস্তাব করা হতে পারে বলে রাজনৈতিক মহলের একাংশের ধারণা।এই জল্পনার মধ্যেই শুক্রবার সমাজমাধ্যমে একটি তাৎপর্যপূর্ণ বার্তা পোস্ট করেন কাকলি। সেখানে তিনি লেখেন, একজন রাজনৈতিক কর্মী যদি চারবারের সাংসদ হন এবং চার দশক ধরে স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে লড়াই করেন, তবে তিনি শুধুমাত্র নিজের স্বার্থের কথা ভাবতে পারেন না। তিনি আরও উল্লেখ করেন, বর্তমান পরিস্থিতি আসলে নীতির বিরুদ্ধে জনরায় এবং শাসনের ব্যর্থতার প্রতিফলন।কাকলির এই বার্তার পর রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। তাঁর মন্তব্য কি শুধুই রাজনৈতিক মূল্যায়ন, নাকি এর পিছনে রয়েছে আরও বড় কোনও ইঙ্গিত? সেই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতেই এখন নজর রাজ্যের রাজনৈতিক মহলের।

জুন ০৫, ২০২৬
দেশ

দিল্লিতে বাঙালি অধ্যাপিকার রক্তাক্ত দেহ উদ্ধার, মাথা থেঁতলে খুনের অভিযোগে চাঞ্চল্য

রাজধানী দিল্লিতে এক বাঙালি অধ্যাপিকার খুনের ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। পূর্ব দিল্লির বসুন্ধরা এনক্লেভের সত্যম অ্যাপার্টমেন্ট থেকে দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিবাজী কলেজের ইংরেজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক দেবস্মিতা পালের (৪২) রক্তাক্ত দেহ উদ্ধার হয়েছে। তিনি ফ্ল্যাটে একাই থাকতেন। তাঁর স্বামী বেঙ্গালুরুতে কর্মসূত্রে থাকেন।পুলিশ জানিয়েছে, বুধবার থেকে দেবস্মিতার সঙ্গে যোগাযোগ করা যাচ্ছিল না। ফোনেও কোনও সাড়া মিলছিল না। বৃহস্পতিবার দুপুরে তাঁর দিদি দেবারতী পাল নিউ অশোক নগর থানায় ফোন করে জানান, বন্ধ ফ্ল্যাটের ভিতরে তাঁর বোনের দেহ পড়ে রয়েছে।দেবারতীর বক্তব্য, সকাল থেকেই ফ্ল্যাটের দরজায় বাইরে থেকে তালা লাগানো ছিল। দীর্ঘ সময় ফোনে যোগাযোগ না হওয়ায় তিনি আশঙ্কা করেন কিছু অঘটন ঘটেছে। পরে দরজা ভেঙে ভিতরে ঢুকতেই রক্তাক্ত অবস্থায় দেবস্মিতাকে পড়ে থাকতে দেখা যায়।প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের অনুমান, এই ঘটনায় কোনও পরিচিত ব্যক্তি জড়িত থাকতে পারেন। খুনের পর দরজায় তালা দিয়ে তিনি সেখান থেকে পালিয়ে যান বলে সন্দেহ করা হচ্ছে। মৃতদেহে একাধিক আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। মাথায় ভারী কোনও বস্তু দিয়ে আঘাত করা হয়েছে এবং হাতের শিরাও কাটা ছিল।মৃত্যুর সময় ও প্রকৃত কারণ জানতে দেহ ময়নাতদন্তের জন্য দিল্লির লাল বাহাদুর শাস্ত্রী হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। পুলিশ আরও জানিয়েছে, ফ্ল্যাটে চুরির কোনও চিহ্ন মেলেনি। সোনার গয়না ও নগদ টাকা অক্ষত ছিল।খুনের মামলা দায়ের করে তদন্ত শুরু করেছে দিল্লি পুলিশ। কে বা কারা এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে, তা জানতে পরিচিতদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।

জুন ০৫, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal