• ২ আশ্বিন ১৪৩৩, সোমবার ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

US

রাজ্য

আজ থেকেই রাজ্যে ১২-১৪ বছর বয়সিদের কোভিড টিকা

আজ থেকেই পশ্চিমবঙ্গে ১২ থেকে ১৪ বছর বয়সি কিশোর-কিশোরীদের কোর্বেভ্যাক্স টিকা প্রদান কর্মসূচি শুরু হচ্ছে। আপাতত শুধু সরকারি টিকা কেন্দ্রেই ওই প্রতিষেধক মিলবে। তবে ক্রমে ক্রমে শিক্ষা দপ্তরের সঙ্গে কথা বলে কিংবা পুরসভার সহযোগিতায় টিকা কর্মসূচি চালাতে পারবে স্কুলও। রাজ্যের ২৮টি জেলা (স্বাস্থ্য জেলা-সহ) মিলিয়ে ২৮ লক্ষ ৮১ হাজার ৮০০ ডোজ টিকা পাঠানো হয়েছে। শুধু স্কুলপড়ুয়া নয়, সেই সঙ্গে স্কুলছুটেরাও যাতে করোনার এই টিকা পায়, সে-দিকেও জোর দিচ্ছে স্বাস্থ্য দপ্তর। পুরো কর্মসূচি যাতে ঠিকমতো চলে, সে-দিকে নজর রাখতে জেলা, মহকুমা, পুরসভা, ব্লক স্তরে স্কুলশিক্ষা দপ্তরকে নিয়ে ইতিমধ্যে বিভিন্ন কমিটিও গঠন করা হয়েছে।স্বাস্থ্য দপ্তর সূত্রের খবর, টিকা নেওয়ার জন্য ১২ থেকে ১৪ বছর বয়সিদেরও কোউইন পোর্টালে নাম নথিভুক্ত করতে হবে। তবে বাড়ির কারও নামে আগে থেকে ওই পোর্টালে অ্যাকাউন্ট খোলা থাকলে সেখানেও ছোট সদস্যের নাম নথিভুক্ত করা যাবে। আবার অনলাইনে যদি কারও সমস্যা হয়, তা হলে সরাসরি সরকারি টিকা কেন্দ্রে গিয়েও নাম নথিভুক্ত করে টিকা নিতে পারবে। আধার কার্ড, স্কুলের পরিচয়পত্র, রেশন কার্ড, শারীরিক প্রতিবন্ধকতার পরিচয়পত্র, পাসপোর্ট, ব্যাংকের পাসবইয়ের মতো পরিচয়পত্র দিয়ে কোউইন পোর্টালে নাম নথিভুক্ত করা যাবে। কোনও স্কুল যদি তাদের নিজেদের ক্যাম্পাসে টিকা কেন্দ্র খুলতে চায়, তা হলে পুরনো নিয়ম অনুযায়ী প্রতীক্ষার ঘর, টিকা দেওয়ার ঘর, পর্যবেক্ষণের ঘর এবং অন্যান্য পরিকাঠামো প্রস্তুত রাখতে হবে।ফেব্রুয়ারিতে রাজ্যে কোর্বেভ্যাক্সের প্রায় ৩০ লক্ষ ডোজ টিকা এসেছিল। কয়েক দিন আগেই প্রয়োজন অনুযায়ী টিকা পাঠানো হয়েছে সব জেলায়। সব থেকে বেশি টিকা গিয়েছে মুর্শিদাবাদ জেলায়। সেখানে দুলক্ষ ৬৮ হাজার ২০০ ডোজ় বরাদ্দ হয়েছে। লক্ষাধিক টিকা বরাদ্দ হয়েছে ডায়মন্ড হারবার স্বাস্থ্য জেলা, পূর্ব বর্ধমান, হুগলি, হাওড়া, মালদা, নদিয়া, উত্তর ২৪ পরগনা, পশ্চিম ও পূর্ব মেদিনীপুর, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, উত্তর দিনাজপুরের মতো প্রতিটি জেলার জন্য।

মার্চ ২১, ২০২২
রাশিফল

রাশিফল : সিংহর কর্মস্থলে অশান্তি, মীনের বিপদের আশঙ্কা

মেষ/ARIES: অপচয় করতে পারেন।বৃষ/TAURUS: স্থান পরিবর্তন করতে পারেন।মিথুন/GEMINI: আত্মীয় দ্বারা ক্ষতি হতে পারে।কর্কট/CANCER: অপদস্ত হতে পারেন।সিংহ/LEO: কর্মস্থলে অশান্তি হতে পারে।কন্যা/VIRGO: পতনাশঙ্কা রয়েছে।তুলা/ LIBRA: বিলাসিতায় ব্যয় করতে পারেন।বৃশ্চিক/Scorpio: অর্থাপহরণ করতে পারেন।ধনু/SAGITTARIUS: আগুন থেকে ক্ষতি হতে পারে।মকর/CAPRICORN: শোকাভিভূত হতে পারেন।কুম্ভ/AQUARIUS: ঋণমুক্তি হতে পারে।মীন/ PISCES: বিপদের আশঙ্কা রয়েছে।

মার্চ ২১, ২০২২
বিনোদুনিয়া

তনুশ্রীর অভিযোগকে ভিত্তিহীন বলে দাবী বিবেক অগ্নিহোত্রীর

দ্য কাশ্মীর ফাইলস এখন বলিউডের আলোচিত সিনেমা। এই সিনেমার জন্য শিরোনাম দখল করেছেন বলিউডের পরিচালক বিবেক অগ্নিহোত্রী। বক্স অফিসে চোখ রাখলেই পুরো বিষয়টা বুঝতে পারা যাবে। ৯০-এর দশকে জম্মু-কাশ্মীর থেকে শয়ে শয়ে কাশ্মীরি পণ্ডিতকে ঘরছাড়া করার ঘটনাকে সেলুলয়েডে তুলে ধরেছেন বিবেক। কিন্তু এই ছবি বানানোর আগে পর্যন্ত তাঁর খুব বেশি সুখ্যাতি ছিল না ইন্ডাস্ট্রিতে। বহু বিতর্কের কেন্দ্রে ছিল তাঁর নাম।এই সাফল্যের মধ্যেও একটি ঘটনা আবার প্রকাশ্যে এল। এর জন্য ২০১৮ তে ফিরে যেতে হবে। বাঙালি অভিনেত্রী তনুশ্রী দত্ত হেনস্থার অভিযোগ তুলেছিলেন দ্য কাশ্মীর ফাইলস-এর পরিচালকের বিরুদ্ধে। ২০০৫ সালের একটি ঘটনার কথা জানান প্রাক্তন বিশ্বসুন্দরী তনুশ্রী। চকোলেট: ডিপ ডার্ক সিক্রেটস ছবির শ্যুটিংয়ের সময়ে ঘটনাটি ঘটে বলে তাঁর দাবি।তনুশ্রীর কথায়, আমার শট ছিল না। আমি ক্যামেরার পিছনে দাঁড়িয়ে দেখছিলাম। ইরফান খানের মুখের ক্লোজ আপ শট নেওয়া হচ্ছিল। আমি নিজের পোশাকের উপর একটি তোয়ালে জড়িয়ে দৃশ্যটি দেখছিলাম। হঠাৎ পরিচালক বিবেক অগ্নিহোত্রী আমাকে বলেন, যাও, ইরফানের সামনে গিয়ে কাপড় খুলে নাচো। তা হলে ইরফানের সুবিধা হবে অভিনয় করতে। আমি হতবাক হয়ে যাই এটা শুনে। কিন্তু ইরফান আমাকে রক্ষা করেন। তিনি বলেন, আমার সাহায্যের প্রয়োজন নেই। আমি অভিনেতা। কিছু না দেখলেও প্রয়োজনীয় অভিব্যক্তি ফুটে উঠবে আমার মুখে। কী সব বলছ তুমি? কাউকে কাপড় খুলে আমার সামনে নাচতে হবে না! এমনকি সুনীল শেট্টিও সেখানে ছিলেন। তিনিও বলেন, আমি সাহায্য করছি ইরফানকে। তনুশ্রীকে এ সব করতে হবে না। যদিও পরিচালক এই ঘটনাটি সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছেন। তিনি বলেছেন সবটাই মিথ্যে ও ভিত্তিহীন।

মার্চ ২০, ২০২২
রাশিফল

রাশিফল: বৃশ্চিকের যানবাহনে বিপদ, সিংহের সুপরামর্শে লাভ

মেষ/ARIES: সন্তানের জন্য চিন্তা হতে পারে।বৃষ/TAURUS: কর্মে অগ্রগতি হতে পারে।মিথুন/GEMINI: দাঁতের সমস্যা হতে পারে।কর্কট/CANCER: কর্মের প্রসার ঘটতে পারে।সিংহ/LEO: সুপরামর্শে লাভ হতে পারে।কন্যা/VIRGO: প্রাপ্তিযোগ রয়েছে।তুলা/ LIBRA: ভাগ্যোদয় হতে পারে।বৃশ্চিক/Scorpio: যানবাহনে বিপদ হতে পারে।ধনু/SAGITTARIUS: তিক্ততাবৃদ্ধি পেতে পারে।মকর/CAPRICORN: শরিকি বিবাদ হতে পারে।কুম্ভ/AQUARIUS: গোলযোগ হতে পারে।মীন/ PISCES: বাকচাতুরতায় ক্ষতি হতে পারে।

মার্চ ২০, ২০২২
বিনোদুনিয়া

বিশেষ‌ উদ্যোগ : ফরেস্ট মিউজিক ফেস্টিভ্যাল

ওঁরা জঙ্গলের আদিবাসী। দীর্ঘ পরম্পরায় ওঁদের বাস উত্তরবঙ্গের জঙ্গল এলাকায়। গ্রামে থাকন নিজেদের ভাষায় গান বাঁধেন, দল বেঁধে নাচও করেন।ওঁরা উত্তর মেন্দাবাড়ি রাভা ফরেস্ট বস্তির অনেক প্রজন্মের বাসিন্দা। পরম্পরা ক্রমে নাচ-গান ওঁদের সংস্কৃতির অঙ্গ। রাভা ভাষায় নিজেদের লেখা গান পরিবেশন করেন। ডুয়ার্স ঘুরতে গেলে অনেক পর্যটক ওঁদের গান শোনেন। নাচের সাথে থাকে নিজেদের তৈরি করা বাদ্যযন্ত্রের ব্যবহার।আগামী ২১ মার্চ আন্তর্জাতিক অরণ্য দিবস। এই উপলক্ষে দ্যা ড্রিমার্স মিউজিক পি আর এজেন্সি পালন করবে ফরেস্ট মিউজিক ফেস্টিভ্যাল এর প্রথম সিজন। অনুষ্ঠানটা দেখা যাবে দ্যা ড্রিমার্স এর অফিসিয়াল ফেসবুক পেজ থেকে রাত ৯টায়। এই অনুষ্ঠানের বিশেষ আকর্ষণ রাভা জনগোষ্ঠীর সঙ্গীত পরিবেশন।উজ্জ্বল রাভা বললেন, আমি ঢোল বাজাই।এই ঢোলকে আমাদের ভাষায় হেম বলে।কাঠের তৈরি এই বাদ্যযন্ত্র আমাদের পরম্পরায় ব্যবহার হয়।বেলসি রাভা জানান, আমরা পর্যটকদের আমাদের গান পরিবেশন করে থাকি। নিজেদের ভাষায় গান করি।এতে মূলত মাছ ধরার গান, যুদ্ধের গান আমাদের জীবনের সাথে জড়িত নানা কার্যকলাপ গানের বিষয় হয়ে উঠে আসে। আমরা এই দলের নাম দিয়েছি খুশি কালচার ক্লাব।এছাড়াও কলকাতা এবং উত্তরবঙ্গের নানা জায়গার একঝাঁক তরুণ শিল্পীরা রয়েছেন। ভারতীয় শাস্ত্রীয় সঙ্গীত কখনো বাঁশিতে, কখনো রবীন্দ্রসঙ্গীতের সুর সেতারে, আবার কখনো বিদেশি সিম্পনি বেহালায় শোনা যাবে। আর থাকছে গান। গানে মাধুর্য মুখোপাধ্যায়, রিক বিশ্বাস, ঋতবান গুহ,অরিত্র মুখোপাধ্যায়,অয়ন চক্রবর্তী, নীলাঞ্জন সাহা, বাঁশিতে অনুনয় চামলিং রাই, সেতারে শুভম ঘোষ, বেহালায় সৌরজ্যোতি চ্যাটার্জি, গীটারে তীর্থঙ্কর সরকার দাস নজর কাড়ে। চিলাপাতার জঙ্গল বুক হোমস্টের জঙ্গলে ঢাকা প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হলো এই অন্য ধারার অনুষ্ঠান। সুরে,সুরে মিলে গেল ভিন্ন সংস্কৃতি। অসাধারণ ভিডিও করেছেন সৌরভ ব্যানার্জি,অর্চন চক্রবর্তী। এই অনুষ্ঠানের আয়োজক দ্যা ড্রিমার্স এর সুদীপ্ত চন্দ বলেন, এই প্রথমবার জঙ্গলে এই রকম একটা অনুষ্ঠানের আয়োজন করলাম। এর আগে কলকাতা স্ট্রিট মিউজিক ফেস্টিভ্যাল, মাউন্টেন মিউজিক ফেস্টিভ্যাল এর আয়োজন করেছি। আমাদের এই অনুষ্ঠান গুলোর অন্যতম প্রধান উদ্দেশ্য থাকে নতুন প্রতিভার অন্বেষণ। এবারও অনেক নতুন প্রতিভার সন্ধান মিলবে এই অনুষ্ঠানে। আর অরণ্যের গুরুত্ব আমাদের জীবনে কি, কতটা গানে, গানে সচেতনতা বৃদ্ধি করাও আরেক অন্যতম উদ্দেশ্য এই উদ্যোগের। অনুষ্ঠানটা আগামী ২১ মার্চ আন্তর্জাতিক অরণ্য দিবসে দ্যা ড্রিমার্স মিউজিক পি আর এজেন্সি-এর অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে রাত ৯টা থেকে দেখা যাবে।

মার্চ ১৯, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌মাইলস্টোনের ম্যাচে ব্যর্থ ঝুলন, অস্ট্রেলিয়ার কাছে হেরে সেমিফাইনাল কঠিন করে তুলল ভারত

মহিলাদের বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে যাওয়ার জন্য অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে ভারতের ম্যাচ ছিল খুবই গুরুত্বপূর্ণ। জিতলেই সেমিফাইনাল অনেকটাই নিশ্চিত হয়ে যেত। কিন্তু টানটান উত্তেজনার ম্যাচে অসিদের কাছে ৬ উইকেটে হেরে সেমিফাইনালে যাওয়ার রাস্তা কঠিন করলে তুললেন মিতালি রাজরা। পরিস্থিতি এমন, সেমিফাইনালে যেতে গেলে শেষদুটি ম্যাচে বাংলাদেশ ও দক্ষিণ আফ্রিকাকে শুধু হারালেই হবে না, নেট রানরেটেও এগিয়ে থাকতে হবে।অকল্যান্ডের ইডেন পার্কে এদিন টস জিতে ভারতকে ব্যাট করতে পাঠায় অস্ট্রেলিয়া। শুরুটা ভাল হয়নি ভারতের। ৬ ওভারের মধ্যেই হারায় দুই ওপেনারকে। চতুর্থ ওভারের প্রথম বলেই ডার্সি ব্রাউন তুলে নেন স্মৃতি মান্ধানাকে (১০)। ষষ্ঠ ওভারের শেষ বলে ফেরান আর এক ওপেনার শেফালি ভার্মাকে (১২)। মনে হচ্ছিল এদিনও ভারতের ব্যাটিং বিপর্যয় ঘটতে চলেছে। কিন্তু রুখে দাঁড়ান তিন নম্বরে নামা ইয়াস্তিকা ভাটিয়াকে নিয়ে রুখে দাঁড়ান অধিনায়ক মিতালি রাজ। বিশ্বকাপের আগের চারটি ম্যাচে রান পাননি আধিনায়ক মিতালি। কিন্তু এদিন দৃঢ়তার পরিচয় দিয়ে দলকে টেনে নিয়ে যান। ইয়াস্তিকার সঙ্রে ১৩০ রানের পার্টনারশিপ গড়ে দলকে শক্ত ভিতের ওপর দাঁড় করিয়ে দেন। ৩২তম ওভারের চতুর্থ বলে আউট হন ইয়াস্তিকা। সেই ডার্সি ব্রাউন নিজের দ্বিতীয় স্পেলে বল করতে এসে তুলে নেন ইয়াস্তিকাকে। ৮৩ বলে তিনি করেন ৫৯। ভারতের রান তখন ১৫৮। ইয়াস্তিকা আউট হওয়ার কিছুক্ষণ পরেই ফেরেন মিতালি। ৯৬ বলে ৬৮ রান করেন তিনি। রিচা ঘোষ (৮) ও স্নেহ রানা (০) রান পাননি। শেষ দিকে হরমনপ্রীত কাউর (৪৭ বলে অপরাজিত ৫৭) ও পূজা বস্ত্রকারের (২৮ বলে ৩৪) দুরন্ত ব্যাটিং ভারতকে ২৭৭/৭ রানে পৌঁছে দেয়। জয়ের জন্য ২৭৮ রানের লক্ষ্য যথেষ্ট কঠিন ছিল অস্ট্রেলিয়ার কাছে। কারণ এত রান তাড়া করে মহিলাদের বিশ্বকাপে আগে কোনও দল জেতেনি। কিন্তুই অস্ট্রেলিয়ার দুই ওপেনার র্যাচেল হেনেস ও অ্যালিসা হিলি কাজটা অনেকটাই সহজ করে দেন। ওপেনিং জুটিতে ১৯ ওভারে দুজনে তুলে ফেলে ১২১। ভারতীয় বোলাররা এই দুই ওপেনারের ওপর প্রভাব বিস্তার করতে পারেননি। অবশেষে ভারতকে ব্রেক থ্রু এনে দেন স্নেহ রানা। ২০তম ওভারের দ্বিতীয় বলে অ্যালিসা হিলিকে (৬৫ বলে ৭২) তুলে নেন তিনি। পরের ওভারেই র্যাচেল হেনেসকে (৫৩ বলে ৪৩) ফেরান পূজা বস্ত্রকার। মনে হচ্ছিল পরপর দুটি উইকেট তুলে নিয়ে ম্যাচে ফিরতে চলেছে ভারত। কিন্তু মিতালি রাজদের আশায় জল ঢেলে দেন মেগ ল্যানিং ও এলিসে পেরি। দুজনে মিলে জুটি তোলেন ১০৩ রান। এলিসে পেরিকে (২৮) ফেরান পূজা বস্ত্রকার। এরপরই বৃষ্টির জন্য কিছুক্ষণ খেলা বন্ধ থাকে। তাতেই মনোসংযোগে চিড় ধরানে মেগ ল্যানিংয়ের। বেথ মুনিকে সঙ্গে নিয়ে তিনি ধীরে ধীরে দলকে জয়ের দিকে টেনে নিয়ে যান। মেঘনা সিংয়ের বলে সেঞ্চুরির মুখে আউট হন ল্যানিং (১০৭ বলে ৯৭)। জয় থেকে অস্ট্রেলিয়া তখন ৮ রান দুরে। শেষ ওভারে অস্ট্রেলিয়আর জয়ের জন্য দরকার ছিল ৪ রান। ঝুলন গোস্বামীর প্রথম বলেই ৪ মারেন মুনি। পরের বলে ২ রান নেন। তৃতীয় বলে আবার বাউন্ডারি হাঁকিয়ে দলের সেমিফাইনাল খেলা নিশ্চিত করেন মুনি (২০ বলে অপরাজিত ৩০)। ৩ বল বাকি থাকতে ৪ উইকেটে ২৮০ তুলে ম্যাচ জিতে নেয় অস্ট্রেলিয়া। এদিন দেশের হয়ে ২০০ তম একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেললেন ঝুলন। মাইলস্টোনের ম্যাচে বল হাতে চূড়ান্ত ব্যর্থ। ৯.৩ ওভারে ৬৪ রান দিয়ে কোনও উইকেট পাননি। ৪৩ রানে ২ উইকেট পান পূজা বস্ত্রকার।

মার্চ ১৯, ২০২২
বিনোদুনিয়া

দোলে নতুন ছবির ঘোষণা, থাকবে বনি-কৌশানী জুটি

দোলের দিন সুখবর দিলেন বনি-কৌশানি জুটি। নতুন ছবির কথা ঘোষণা করলেন অভিনেতা বনি সেনগুপ্ত এবং কৌশানি মুখোপাধ্যায়ের। ছবির নাম মরীচিকা। ছবি প্রযোজনায় রক্তিম চট্টোপাধ্যায়ের সংস্থা নেক্সজেন ভেঞ্চার্স।ছবির মুখ্য চরিত্রে অভিনয় করবেন বনি সেনগুপ্ত। তাঁর বিপরীতে অভিনয় করবেন কৌশানি মুখোপাধ্যায়। মরীচিকা একটি ক্রাইম থ্রিলার। পরিচালনা করবেন সুমিত সাহিল। গল্প লিখেছেন অর্ণব ভৌমিক। চলতি বছর ২০ এপ্রিল থেকে শুরু হবে ছবির শুটিং। সোশ্যাল মিডিয়ায় মরীচিকার পোস্টার ও নিজের লুক শেয়ার করেছেন বনি। লিখেছেন, খুব শিগগিরই আসছে মরীচিকা।১৮ মার্চ হোলির দিন ছিল প্রযোজক রক্তিম চট্টোপাধ্যায়ের জন্মদিন। এই বিশেষ দিনেই নতুন ছবির ঘোষণা করলেন রক্তিম। ছবির সঙ্গীতের দায়িত্বে রয়েছেন সুপ্রতীপ ভট্টাচার্য ও অনিন্দ্য মুখোপাধ্যায়।

মার্চ ১৯, ২০২২
রাশিফল

রাশিফল: কন্যার শ্রীবৃদ্ধি, মকরের সম্পর্কহানি

মেষ/ARIES: পরোপকারে ব্যয় হতে পারে।বৃষ/TAURUS: উদ্বেগ বৃদ্ধি পেতে পারে।মিথুন/GEMINI: সম্পত্তি লাভ করতে পারেন।কর্কট/CANCER: বিরুদ্ধাচারণ করতে পারেন।সিংহ/LEO: তীর্থভ্রমণের সুযোগ আসতে পারে।কন্যা/VIRGO: শ্রীবৃদ্ধি হতে পারে।তুলা/ LIBRA: বাসনা পূরণ হতে পারে।বৃশ্চিক/Scorpio: উপার্জন বৃদ্ধি পেতে পারে।ধনু/SAGITTARIUS: রাজনৈতিক ব্যস্ততা সৃষ্টি হতে পারে।মকর/CAPRICORN: সম্পর্কহানি হতে পারে।কুম্ভ/AQUARIUS: সৎকাজে ব্যয় হতে পারে।মীন/ PISCES: অলসতায় ক্ষতি হতে পারে।

মার্চ ১৯, ২০২২
রাশিফল

রাশিফল: কর্কটের মতান্তর, ধনুর নতুন উদ্যোগ

মেষ/ARIES: শ্লীলতাহানি হতে পারে।বৃষ/TAURUS: আর্থিক চিন্তা হতে পারে।মিথুন/GEMINI: পদোন্নতির সুযোগ রয়েছে।কর্কট/CANCER: মতান্তর হতে পারে।সিংহ/LEO: সংঘর্ষে ক্ষতি হতে পারে।কন্যা/VIRGO: পুরস্কার প্রাপ্তি হতে পারে।তুলা/ LIBRA: বুদ্ধিভ্রম হতে পারে।বৃশ্চিক/Scorpio: অপব্যয় করতে পারেন।ধনু/SAGITTARIUS: নতুন উদ্যোগ নিতে পারেন।মকর/CAPRICORN: নীচ সংসর্গে পড়তে পারেন।কুম্ভ/AQUARIUS: আত্মীয় সমস্যা হতে পারে।মীন/ PISCES: দ্রব্যক্ষতি হতে পারে।

মার্চ ১৮, ২০২২
রাশিফল

রাশিফল: মেষের মানসিক তৃপ্তি, ধনুর কর্মে কৃতিত্ব

মেষ/ARIES: মানসিক তৃপ্তি পেতে পারেন।বৃষ/TAURUS: ভ্রমণে বিপদ হতে পারে।মিথুন/GEMINI: সম্মানলাভ করতে পারেন।কর্কট/CANCER: পত্নীকলহ হতে পারে।সিংহ/LEO: মন চঞ্চল হতে পারে।কন্যা/VIRGO: মাতৃস্নেহ পেতে পারেন।তুলা/ LIBRA: লগ্নিতে বাধা পড়তে পারে।বৃশ্চিক/Scorpio: সমস্যার সমাধান হতে পারে।ধনু/SAGITTARIUS: কর্মে কৃতিত্ব পেতে পারেন।মকর/CAPRICORN: বদলির সম্ভাবনা রয়েছে।কুম্ভ/AQUARIUS: ব্যবসায়ীদের জন্য শুভ।মীন/ PISCES: মনস্তাপ হতে পারে।

মার্চ ১৭, ২০২২
রাশিফল

রাশিফল: সিংহের অর্থলাভ, ধনুর বন্ধু সমাগম

মেষ/ARIES: পরাজয় হতে পারে।বৃষ/TAURUS: শুভ যোগাযোগ হতে পারে।মিথুন/GEMINI: মনে কষ্ট পেতে পারেন।কর্কট/CANCER: বিষন্নতা আসতে পারে।সিংহ/LEO: অর্থলাভ করতে পারেন।কন্যা/VIRGO: চাকরিক্ষেত্রে অশান্তি হতে পারে।তুলা/ LIBRA: মিথ্যাপবাদ পেতে পারেন।বৃশ্চিক/Scorpio: মনোমালিন্য হতে পারে।ধনু/SAGITTARIUS: বন্ধু সমাগম হতে পারে।মকর/CAPRICORN: শত্রুদ্বারা ক্ষতি হতে পারে।কুম্ভ/AQUARIUS: সমাজসেবায় ব্যস্ত থাকতে পারেন।মীন/ PISCES: রোগমুক্ত হতে পারেন।

মার্চ ১৬, ২০২২
খেলার দুনিয়া

ছিটকে গেল লিগ টেবিলের চ্যাম্পিয়ন, আইএসএল ফাইনালে কেরালা ব্লাস্টার্স

আইএসএলের লিগ পর্যায়ের শেষ ম্যাচে এটিকে মোহনবাগানের মুখের গ্রাস কেড়ে নিয়েও শেষরক্ষা করতে পারল না জামশেদপুর এফসি। দ্বিতীয় পর্বের সেমিফাইনালে কেরালা ব্লাস্টার্সের সঙ্গে ড্র করে প্রতিযোগিতা থেকে বিদায় নিতে হল জামশেদপুরকে। প্রথম পর্বের সেমিফাইনালে কেরালা ব্লাস্টার্স জিতেছিল ১০ ব্যবধানে। দ্বিতীয় পর্বের সেমিফাইনালের ফল ১১। দুই পর্ব মিলিয়ে ২১ ব্যবধানে জিতে ফাইনালে পৌঁছে গেল কেরালা ব্লাস্টার্স। ফাইনালে উঠতে ব্যর্থ হলেও লিগ টেবিলের শীর্ষে থাকার জন্য এফএফসি চ্যাম্পিয়ন্স লিগে খেলার সুযোগ পাবে জামশেদপুর এফসি। এটাই তাদের কাছে একমাত্র সান্তনা। প্রথম পর্বের সেমিফাইনালে হারায় এদিন জেতা ছাড়া রাস্তা ছিল না লিগ পর্যায়ে এটিকে মোহনবাগানকে হারিয়ে লিগ শিল্ড জেতা জামশেদপুর এফসির। কিন্তু ম্যাচের শুরুটা দেখে মনে হচ্ছিল কেরালা ব্লাস্টার্সের তাগিদ যেন বেশি। ম্যাচের প্রথম থেকেই জামশেদপুর এফসির ওপর ঝাঁপিয়ে পড়েছিল কেরালা ব্লাস্টার্স। ২ মিনিটেই গোলের সুযোগ তৈরি হয়েছিল। আলভারো ভাসকোয়েজ জামশেদপুর এফসি গোলকিপার টিপি রেহেনেশকে একা পেয়েও বল বারের ওপর দিয়ে উড়িয়ে দেন। ৬ মিনিটে আবার গোল করার মতো সুযোগ এসেছিল কেরালা ব্লাস্টার্সের কাছে। এবার নষ্ট করেন আয়ূষ অধিকারী। প্রথম থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলার ফল পায় কেরালা ব্লাস্টার্স। ম্যাচের ১৮ মিনিটে এগিয়ে যায়। আলভারো ভাসকোয়েজের কাছ থেকে বল পেয়ে কেরালাকে এগিয়ে দেন আদ্রিয়ান লুনা। ৩৬ মিনিটে ড্যানিয়েল চিমা কেরালা ব্লাস্টার্সের জালে বল জড়ালেও অফসাইডের কারণে সেই গোল বাতিল হয়ে যায়। প্রথমার্ধে এই একটি আক্রমণ ছাড়া জামশেদপুর এফসির পক্ষে বলার মতো কিছু ছিল না। দ্বিতীয়ার্ধের শুরু থেকেই মরিয়া হয়ে ওঠে জামশেদপুর এফসি। কারণ কেরালা গোল করায় ফাইনালে যেতে গেলে তাদের ২ গোলের ব্যবধানে জিততে হত। ৫০ মিনিটে সমতা ফেরায় জামশেদপুর এফসি। গ্রেগ স্টুয়ার্টের কাছ থেকে বল পেয়ে ড্যানিয়েল চিমা শট নিলে প্রতিহত হয়। ফিরতি বলে গোল করেন প্রণয় হালদার। পরের মিনিটেই আবার এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ পেয়েছিল কেরালা ব্লাস্টার্স। আলভারো ভাসকোয়েজের পুশ গোললাইন থেকে বাঁচান এল সাবিয়া। ম্যাচের শেষ দিকে চাপ রাখলেও আর গোল করতে পারেনি জামশেদপুর এফসি। ২০১৬র পর আবার আইএসএল ফাইনালে কেরালা ব্লাস্টার্স।

মার্চ ১৫, ২০২২
রাশিফল

রাশিফল : মিথুনের বিপদাশঙ্কা, বৃশ্চিকের নৈরাশ্য

মেষ/ARIES: প্রতিবেশী বিবাদ হতে পারে।বৃষ/TAURUS: কর্মসূত্রে ভ্রমণ করতে পারেন।মিথুন/GEMINI: বিপদাশঙ্কা রয়েছে।কর্কট/CANCER: দ্বিমুখী আয় হতে পারে।সিংহ/LEO: বিদেশযাত্রার সুযোগ আসতে পারে।কন্যা/VIRGO: দায়িত্ব বৃদ্ধি পেতে পারে।তুলা/ LIBRA: শিক্ষাক্ষেত্রে ব্যাঘাত ঘটতে পারে।বৃশ্চিক/Scorpio: নৈরাশ্য দেখা দিতে পারে।ধনু/SAGITTARIUS: হঠাৎ প্রাপ্তি হতে পারে।মকর/CAPRICORN: আত্মীয় কলহ হতে পারে।কুম্ভ/AQUARIUS: মানসিক ক্ষোভ হতে পারে।মীন/ PISCES: অলসতায় ক্ষতি হতে পারে।

মার্চ ১৫, ২০২২
রাজ্য

স্বামীর নিদান মানেনি, স্ত্রীর পেটে লাথি মেরে গর্ভের সন্তানকে হত্যার অভিযোগ

গর্ভের সন্তান নষ্ট করে দেওয়ার জন্য স্ত্রীকে নিদান দিয়েছিল স্বামী। সেই নিদান স্ত্রী না মানায় পেটে লাথি পেরে তাঁর গর্ভে থাকা সন্তানকে হত্যা করার অভিযোগ উঠলো স্বামীর বিরুদ্ধে। পৈশাচিক এই ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব বর্ধমানের কালনার ধর্মডাঙ্গা মোড় এলাকায়। যে ঘটনার কথা জেনে স্তম্ভিত বধূর পরিজন ও প্রতিবেশীরাও। ঘটনার পর থেকে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন বধূ চায়না বিবি। হাসপাতাল থেকে ছাড়া পাবার পরেই রবিবার রাতে তিনি কালনা থানার দ্বারস্থ হন। গর্ভের সন্তানকে নিষ্ঠুর ভাবে হত্যা কারার জন্য তিনি তাঁর স্বামীকামালউদ্দিন মন্ডল সহ শ্বশুর বাড়ির আরও দুই সদস্যের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেছেন।ইতিমধ্যেই গা ঢাকা দিয়েছে বধূর স্বামী সহ অপর অভিযুক্তরা।পুলিশ অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে মামলা রুজু করে ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বছর খানেক আগে হুগলীর বলাগড় থানার আইদা গ্রাম নিবাসী তরুণী চায়নার সঙ্গে বিয়ে হয় কালনার ধর্মডাঙ্গার যুবক কামালউদ্দিন মণ্ডলের। বধূ চায়না বিবি অভিযোগে জানিয়েছেন,বিয়ের পরেই তাঁর স্বামী তাঁকে এক আশ্চর্য ফতোয়ার কথা জানিয়ে দেন। চায়না জানান, তাঁর স্বামীর ফতোয়া ছিল স্বামীর সাথে সংসার করলেও নেওয়া যাবে না সন্তান। কিন্তু স্বামী সহবাস করা বন্ধ না করায় বিয়ের পর ছয় মাসের মধ্যে চায়না বিবি অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েন। আর তাতেই চটে যান কামালউদ্দিন। গর্ভের সন্তানকে নষ্ট করে দিতে হবে বলে তিনি তাঁর স্ত্রী চায়না বিবিকে নিদান দেন। চায়না বিবি এমন নিদান না মানায় স্বামী কামালউদ্দিন সহ শ্বশুর বাড়ির অন্য দুই সদস্য তাঁর উপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালানো শুরু করেদেন।নির্যাতন বাড়লেও চায়না তাঁর গর্ভের সন্তানকে নষ্ট করতে চাননি। তার কারণে কামালউদ্দিন গত ৮ মার্চ তাঁর স্ত্রী চায়না বিবির পেটে সজোরে লাথি মেরে তাঁর গর্ভে থাকা ৪ মাসের সন্তানকে হত্যা করেন বলে অভিযোগ ।স্বামীর এমন নির্মম অত্যাচারের জেরে চায়নার পেটে অসহ্য যন্ত্রণা শুরু হওয়ার পাশাপাশি রক্তক্ষরণও শুরু হয়।চায়না জ্ঞান হারিয়ে শ্বশুর বাড়ির ঘরে লুটিয়ে পড়েন। পরিস্থিতি বেগতিক বুঝে এরপর কামালউদ্দিন ও তাঁর বাড়ির অন্য সদস্যরা বধূ চায়না বিবিকে কালনা সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে ভর্তি করে দিয়েই পালিয়ে যান। এই খবর পেয়ে বধূর বাবার বাড়ির লোকজন দ্রুত কালনা হাসপাতাল ছুটে আসেন।বধূর ভাই শেখ বাপি বলেন ,হাসপাতালের চিকিৎসকরা অনেক চেষ্টা চালিয়ে আমার বোনের গর্ভে থাকা মৃত চার মাসের সন্তানকে গর্ভ থেকে বেরকরে দিয়ে বোনকে কোনভাবে প্রণে বাঁচান। চায়না বিবি জানান, স্বামী ও শ্বশুর বাড়ির লোকজনের এমন নিষ্ঠুরতা তিনি মেনে নিতে পরেননি। তাই হাসপাতাল থেকে ছাড়া পাবার পরেই রবিবার রাতে তিনি থানায় অভিযোগ জানিয়েছেন অভিযুক্তদের দৃষ্টান্তমূলক সাজার দাবীও করেছেন চায়না বিবি। পুলিশ জানিয়েছে,অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু হয়েছে। অভিযুক্তদের সন্ধান চালানো হচ্ছে।

মার্চ ১৪, ২০২২
বিনোদুনিয়া

সুলগ্না আকাডেমি ট্রাস্টের বসন্ত উৎসবের অনুষ্ঠানে চাঁদের হাট

সামনেই দোলযাত্রা। বসন্ত উৎসবের আয়োজন বিভিন্ন জায়গায় যেমন হবে করোনা কালের এই ঘরবন্দি সময় থেকে একটু বেরিয়ে সবার সাথে রঙ মেলানোর এই উদ্যোগে সামিল সুলগ্না আকাডেমি ট্রাস্ট। আগামী ১৭মার্চ ঠিক দোলের আগের দিন আয়োজিত হতে চলেছে এক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের, রাঙিয়ে দিয়ে যাও- তৃতীয় বর্ষ।বিশিষ্ট ওড়িশি নৃত্যশিল্পী সুলগ্না রায় ভট্টাচার্য এর পৃষ্ঠপোষোকতায় হাওড়ার শিবপুরের নেতাজী সঙ্ঘের মাঠে, সন্ধ্যা ৬টা থেকে অনুষ্ঠিত হবে এই বিশেষ অনুষ্ঠান। সঙ্গে নৃত্য পরিবেশন করবেন বিশিষ্ট ওড়িশি নৃত্যশিল্পী অভিরূপ সেনগুপ্ত, মন্দাক্রান্তা রায়,দীপঙ্কর দাস থাকছেন গুরু পৌষালি মুখোপাধ্যায়, বিশেষ উপস্থিতি ঋদ্ধি বন্দোপাধ্যায়ের, গানে চন্দ্রাবলী রূদ্র দত্ত, দীপাবলি দত্ত, সঞ্চালনায়, পাঠে সুদীপ দে,প্রদীপ্ত চট্টোপাধ্যায় প্রমুখ। থাকবে সুলগ্না রায় ভট্টাচার্য এর আকাডেমির ছাত্র-ছাত্রীরা। রবীন্দ্রসঙ্গীত থেকে শুরু করে ছবির গান, ট্রাডিশনাল সুর থেকে আধুনিক গান বসন্তের বন্দনায় প্রস্তুত সুলগ্না আকাডেমি ট্রাস্ট।সুলগ্না রায় ভট্টাচার্য বললেন, অনেক দিন সবাই গৃহবন্দি ছিলাম। করোনার দাপট সামলে আমরা আস্তে, আস্তে স্বাভাবিক জীবনে ফিরছি। আমাদের জীবনে ফিরছে সেই চিরাচরিত অনুষ্ঠান গুলো। মাঝে করোনার দাপটে আমরা কেউ এই উৎসব গুলোর উদযাপন করে উঠতে পারিনি। এইবার করোনার চোখ রাঙানি একটু কম হওয়ায় এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করতে পারছি। আসা করছি সবার ভালো লাগবে।

মার্চ ১৪, ২০২২
কলকাতা

বইমেলায় কেপমারিতে অভিযুক্ত অভিনেত্রীর জেল হেপাজত

বইমেলা থেকে কেপমারির অভিযোগে গ্রেপ্তার হয়েছেন অভিনেত্রী রূপা দত্ত। শনিবার সন্ধ্যায় কলকাতা বইমেলা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করে বিধাননগর উত্তর থানার পুলিশ। রবিবার তাঁকে আদালতে তোলা হলে জেল হেপাজতের নির্দেশ দেন বিচারক। একদিনের জেল হেপাজত হয়েছে রূপা দত্তের। তাঁর আইনজীবী এদিন এজলাসে ১৪ দিনের জামিনের আবেদন করেন। কিন্তু তা খারিজ করে দেন বিধাননগর মহকুমা আদালতের বিচারক। গ্রেপ্তারের পরই রূপার কাছ থেকে ৭৫ হাজার টাকা, একাধিক পার্স উদ্ধার করে পুলিশ।তবে এই ঘটনা ঘিরে ইতিমধ্যেই বেশ কিছু প্রশ্ন উঠে এসেছে। টেলি দুনিয়ায় বেশ কয়েকটি সিরিয়ালে অভিনয় করেছেন রূপা দত্ত। মুম্বইয়েও যোগাযোগ ছিল বলেই তদন্তে উঠে এসেছে। সেলুলয়েডের দুনিয়ায় যাঁর এত পরিচিতি, এভাবে চুরির অভিযোগে তাঁর নাম কেন জড়াল? অন্যদিকে এদিন এজলাসেও বিচারক মামলাটি নিয়ে বেশ কিছু প্রশ্ন তুলেছেন। পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। সিজার লিস্টে দুজন সাক্ষীর নাম ছিল। একজন এর মধ্যে মহিলা কনস্টেবল। প্রশ্ন উঠেছে, দ্বিতীয় জনের জবানবন্দি কেন নেওয়া হল না? অন্যদিকে রূপা দত্ত কেন ডাস্টবিনের পার্সের দিকে হাত বাড়াতে গেলেন তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন বিচারক।

মার্চ ১৪, ২০২২
রাশিফল

রাশিফল: সিংহের মানহানি, মেষের মনোরথ সিদ্ধি

মেষ/ARIES: মনোরথ সিদ্ধি হতে পারে।বৃষ/TAURUS: উৎপাদন হ্রাস পেতে পারে।মিথুন/GEMINI: সন্তান পীড়া দিতে পারে।কর্কট/CANCER: ছলচাতুরীর দ্বারা প্রতারিত হতে পারেন।সিংহ/LEO: মানহানি হতে পারে।কন্যা/VIRGO: মাতৃবিরোধ করতে পারেন।তুলা/ LIBRA: রাজনৈতিক সংঘর্ষ হতে পারে।বৃশ্চিক/Scorpio: বিবাদে মনকষ্ট হতে পারে।ধনু/SAGITTARIUS: বন্ধুর সহায়তা লাভ করতে পারেন।মকর/CAPRICORN: ভ্রমণকালীন বিপদ হতে পারে।কুম্ভ/AQUARIUS: মনোবাসনা পূরণ হতে পারে।মীন/ PISCES: গুহ্যরোগে কষ্ট পেতে পারেন।

মার্চ ১৪, ২০২২
রাজ্য

বিকট শব্দ বর্ধমানে করে উলটে গেলো যাত্রী বোঝাই বাস

প্রবল গতিতে আসা যাত্রীবোঝাই বাস উল্টে গেল রাজ্য সড়কের উপরে। ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব বর্ধমানের রায়নার মীরেপোতা বাজার এলাকায়। দুর্ঘটনায় জখম ২০ জন বাসযাত্রী। যান্ত্রিক ত্রুটির কারনে বাসটি দ্রুতগতিতে থাকা অবস্থায় বিকট শব্দ করে উল্টে যায় স্থানীয় সুত্র জানা গেছে। এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য। চলছে উদ্ধারকাজ। ঘটনাস্থলে এসে হাজির হয়েছে পুলিশ। প্রচুর স্থানীয় মানুষজন তারাও উদ্ধার কাজে হাত লাগিয়েছেন। আহতদের উদ্ধার করে নিয়ে যাওয়া হয়েছে চিকিৎসাকেন্দ্রে।বারবার দুর্ঘটনার জেরে আতঙ্কিত বর্ধমান আরামবাগ রুটের যাত্রীরা। জানা গেছে, আরামবাগ থেকে বর্ধমান অভিমুখে আসছিলো যাত্রীবোঝাই বাসটি। প্রচন্ড গতিতে বাসটি আসছিলো বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানাচ্ছেন। হঠাৎ করেই বিকট শব্দ করে রাজ্য সড়কের উপরে উল্টে যায় বাসটি। শুরু হয় চিৎকার চেঁচামেচি। একটি পন্য বোঝাই পিক আপ ভ্যানকেও ধাক্কা মারে বাসটি। চলন্ত অবস্থায় বাসের পাতি ভেঙে এই ভয়াবহ বিপত্তি বলে প্রাথমিক পর্বে জানা গেছে। বর্ধমান আরামবাগ রাস্তায় বন্ধ যানবাহন চলাচল। দ্রুত রাস্তা থেকে উল্টে যাওয়া বাসটিকে সরানোর কাজ শুরু হয়েছে।

মার্চ ১৩, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌ডিআরএস নেব?‌ বিপক্ষ দলের ব্যাটারকেই জিজ্ঞাসা পাকিস্তান উইকেটকিপার রিজওয়ানের!‌

অস্ট্রেলিয়ার ইনিংসের ৭১ ওভারে নৌমান আলির বল স্টিভ স্মিথের প্যাডে লাগতেই আউটের আবেদন জানান পাকিস্তান ক্রিকেটাররা। আম্পায়ার সেই আবেদনে সাড়া দেননি। পাকিস্তান উইকেটকিপার মহম্মদ রিজওয়ান এগিয়ে যান স্মিথের কাছে। তাঁকেই জিজ্ঞেস করেন ডিআরএস নেওয়া উচিত হবে কিনা। রিজওয়ানের কথা শুনে হাসিতে ফেটে পড়েন পাক অধিনায়ক বাবর আজম। হাসছিলেন স্মিথও। দারুণ মজার ঘটনার সাক্ষী থাকল পাকিস্তানঅস্ট্রেলিয়া প্রথম টেস্ট। লড়াইয়ের মাঝেও হালকা মেজাজে পাওয়া গেল দুই দেশের ক্রিকেটারদের। শেষ পর্যন্ত স্মিথ ৭২ রান করে হাসান আলির বলে ফাহিম আশরাফের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন।রাওয়ালপিন্ডিতে অনুষ্ঠিত প্রথম টেস্টে দেখা গিয়েছিল রানের বন্যা। একই ছবি করাচিতে দ্বিতীয় টেস্টেও। এখানেও সেই রানের বন্যা অব্যাহত। রানের পাহাড়ে এবার অস্ট্রেলিয়া। দ্বিতীয় দিনের শেষে ৮ উইকেটে অস্ট্রেলিয়া তুলেছে ৫০৫। আগের দিনের ২৫১/৩ রান হাতে নিয়ে এদিন খেলা শুরু করে অস্ট্রেলিয়া। উসমান খোয়াজা ১২৭ রানে অপরাজিত ছিলেন। নৈশপ্রহরী নাথান লায়ন কোনও রান না করেই অপরাজিত ছিলেন। দ্বিতীয় দিন প্রথম ঘন্টাতে কোনও উইকেট তুলতে পারেননি পাকিস্তান বোলাররা।To DRS or not to DRS 🤔 #BoysReadyHain l #PAKvAUS pic.twitter.com/X3b9mp8uaF Pakistan Cricket (@TheRealPCB) March 12, 2022প্রথম জলপানের বিরতির সাফল্য পায় পাকিস্তান। নাথান লায়নকে (৩৮) তুলে নেন ফাহিম আশরাফ। এরপর ট্রেভিস হেডকে সঙ্গে নিয়ে দলকে এগিয়ে নিয়ে যান উসমান খোয়াজা। ২৩ রান করে সাজিদ খানের বলে এলবিডব্লু হন হেড। উসমান খোয়াজাকেও তুলে নেন সাজিদ খান। ১৬০ রান করে তিনি বোল্ড হন। ২৮ রান করে নৌমান আলির বলে বোল্ড হন ক্যামেরন গ্রিন। এরপর অস্ট্রেলিয়াকে টানেন অ্যালেক্স ক্যারে ও মিচেল স্টার্ক। জুটিতে ওঠে ৯৮। জুটি ভাঙতে নিজেই বল হাতে তুলে নেন অধিনায়ক বাবর আজম। অ্যালেক্স ক্যারেকে তুলে নিয়ে তিনি দলকে ব্রেক থ্রু এনে দেন। ৯৩ রান করে আউট হন ক্যারে। মিচেল স্টার্ক ২৮ রান করে ক্রিজে রয়েছেন। পাকিস্তানের হয়ে ফাহিম আশরাফ ও সাজিদ খান ২টি করে এবং হাসান আলি, নৌমান আলি ও বাবর আজম ১টি উইকেট নিয়েছেন।

মার্চ ১৩, ২০২২
রাশিফল

রাশিফল: কন্যার ধনবৃদ্ধি, বৃশ্চিকের উচ্চশিক্ষা

মেষ/ARIES: অর্থদণ্ড হতে পারে।বৃষ/TAURUS: শত্রুবশীভূত হতে পারে।মিথুন/GEMINI: মোকদ্দমায় জয় হতে পারে।কর্কট/CANCER: রমণীপ্রীতি জন্মাতে পারে।সিংহ/LEO: কর্মে অগ্রগতি হতে পারে।কন্যা/VIRGO: ধনবৃদ্ধি পেতে পারে।তুলা/ LIBRA: জুয়ায় ক্ষতি হতে পারে।বৃশ্চিক/Scorpio: উচ্চশিক্ষায় সাফল্য লাভ করতে পারেন।ধনু/SAGITTARIUS: সহকর্মী বিরোধ করতে পারে।মকর/CAPRICORN: হতাশা হতে পারে।কুম্ভ/AQUARIUS: অসৎপথে উপার্জন করতে পারেন।মীন/ PISCES: অবৈধ প্রণয় করতে পারেন।

মার্চ ১৩, ২০২২
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 21
  • 22
  • 23
  • 24
  • 25
  • 26
  • 27
  • ...
  • 64
  • 65
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

স্কুল আছে, শিক্ষকও আছেন, কিন্তু পড়ুয়া শূন্য! রাজ্যের ৪১৩৩ স্কুল নিয়ে এবার বড় সিদ্ধান্ত

স্কুল রয়েছে, শিক্ষকও রয়েছেন। কিন্তু সেই স্কুলে পড়ুয়া নেই একজনও। রাজ্যে এমন পড়ুয়াশূন্য সরকারি ও সরকার পোষিত স্কুলের সংখ্যা ৪১৩৩। এবার এই স্কুলগুলির ভবিষ্যৎ নিয়ে পর্যালোচনা শুরু করেছে রাজ্য সরকার। ফাঁকা স্কুলবাড়িগুলি যাতে অব্যবহৃত অবস্থায় পড়ে না থাকে, তার জন্য বিকল্প ব্যবহারের সম্ভাবনাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।জানা গিয়েছে, শিক্ষা সচিবের নির্দেশে ইতিমধ্যেই জেলাস্তরে এই কাজ শুরু হয়েছে। প্রতিটি জেলার জেলাশাসককে এই বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করতে বলা হয়েছে। কলকাতার ক্ষেত্রে কলকাতা পুরসভার কমিশনারকেও চিঠি পাঠানো হয়েছে।পড়ুয়াশূন্য স্কুলগুলির বর্তমান পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে জেলাস্তরে একটি কমিটি কাজ করবে। স্কুলগুলির ভবনের অবস্থা, পরিকাঠামো, অবস্থান এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় বিষয় যাচাই করা হবে। এরপর সংশ্লিষ্ট স্কুলবাড়ি ভবিষ্যতে কী কাজে ব্যবহার করা যেতে পারে, সেই বিষয়ে প্রস্তাব তৈরি করবে কমিটি।শিক্ষা দফতরের হিসাব অনুযায়ী, রাজ্যে এমন ৪১৩৩টি স্কুল চিহ্নিত হয়েছে যেখানে বর্তমানে একজনও পড়ুয়া নেই। অথচ এই স্কুলগুলির সঙ্গে প্রায় ১৯ হাজার শিক্ষক যুক্ত রয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। ফলে পড়ুয়া না থাকা স্কুলগুলির পরিকাঠামো এবং শিক্ষক সংক্রান্ত বিষয় নিয়েও প্রশ্ন উঠছে।এই স্কুলবাড়িগুলিকে কী ভাবে কাজে লাগানো যায়, তা নিয়েও একাধিক সম্ভাবনা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। কোনও স্কুলবাড়িতে স্বাস্থ্যকেন্দ্র তৈরি করা যেতে পারে। কোথাও প্রশিক্ষণ কেন্দ্র চালু করার প্রস্তাব আসতে পারে। আবার কোনও ক্ষেত্রে বেসরকারি সংস্থার সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে পিপিপি মডেলে স্কুল চালানোর সম্ভাবনাও বিবেচনা করা হতে পারে।তবে কোনও স্কুলের ভবিষ্যৎ কী হবে, তা এখনই চূড়ান্ত হয়নি। জেলাস্তরের কমিটি পরিকাঠামো ও স্থানীয় প্রয়োজন যাচাই করার পর প্রস্তাব পাঠাবে। সেই প্রস্তাবের ভিত্তিতেই পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।জানা গিয়েছে, আগামী ৩০ দিনের মধ্যে এই পর্যালোচনা এবং প্রস্তাব তৈরির প্রক্রিয়া শেষ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ফলে রাজ্যের ৪১৩৩ পড়ুয়াশূন্য স্কুলের ভবিষ্যৎ নিয়ে আগামী কয়েক সপ্তাহেই গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত সামনে আসতে পারে।পড়ুয়া না থাকা স্কুলগুলির ভবন যাতে দীর্ঘদিন ফাঁকা পড়ে না থাকে, সেই লক্ষ্যেই বিকল্প ব্যবহারের পরিকল্পনা করা হচ্ছে বলে জানা গিয়েছে। তবে কোন স্কুলে কী পরিবর্তন হবে, তা নির্ভর করবে সংশ্লিষ্ট এলাকার প্রয়োজন, ভবনের পরিকাঠামো এবং জেলাস্তরের কমিটির রিপোর্টের উপর।

সেপ্টেম্বর ২০, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

জাপানে পৌঁছনোর পর থেকেই ভোগান্তি, ১০ ঘণ্টা পথেই! এশিয়ান গেমসে কেন এমন পরিণতি বরুণের?

প্রধানমন্ত্রীর অর্থনৈতিক উপদেষ্টা পরিষদের এক সদস্যের পুত্র বরুণ সান্যাল এশিয়ান গেমসে ভারতের হয়ে মিক্সড মার্শাল আর্টে প্রতিনিধিত্ব করার সুযোগ পেয়েছিলেন। কিন্তু প্রতিযোগিতায় নামার আগেই অসুস্থ হয়ে পড়ায় শেষ পর্যন্ত তাঁকে প্রতিযোগিতা থেকে নাম প্রত্যাহার করতে হয়েছে।এবারই এশিয়ান গেমসে মিক্সড মার্শাল আর্ট অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। ৭৭ কেজি বিভাগে ভারতের প্রথম পুরুষ প্রতিনিধি হিসেবে নামার কথা ছিল বরুণের। জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক স্তরে তাঁর পারফরম্যান্সের ভিত্তিতেই এশিয়ান গেমসে সুযোগ পান তিনি। তবে প্রথমে নির্বাচিত ক্রীড়াবিদদের তালিকায় তাঁর নাম ছিল না। পরে সংশোধিত তালিকায় জায়গা পান বরুণ।রবিবার প্রতিযোগিতায় নামার কথা ছিল তাঁর। তার আগে ওজন নিয়ন্ত্রণের জন্য সনায় যান বরুণ। ওজনভিত্তিক লড়াইয়ে নামার আগে অনেক প্রতিযোগীই সনায় গিয়ে শরীরের অতিরিক্ত জল কমিয়ে ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখেন। কিন্তু সনায় যাওয়ার পরই অসুস্থ হয়ে পড়েন বরুণ।জানা গিয়েছে, প্রচণ্ড গরমের কারণে অতিরিক্ত ঘাম হচ্ছিল। এর পর তাঁর পেশিতে টান ধরে এবং শরীরে জলের পরিমাণও আশঙ্কাজনক ভাবে কমে যায়। রাত একটা নাগাদ সনাতেই জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন তিনি। এক নেপালি ক্রীড়াবিদ বিষয়টি দেখতে পেয়ে তাঁকে চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যান।চিকিৎসকেরা পরীক্ষা করার পর বরুণকে প্রতিযোগিতার জন্য অনুপযুক্ত বলে জানান। ফলে ৭৭ কেজি বিভাগে আর লড়াইয়ে নামার অনুমতি পাননি তিনি। শেষ পর্যন্ত এশিয়ান গেমস থেকেই নাম প্রত্যাহার করতে হয় তাঁকে।তবে বরুণের অসুস্থতার পিছনে শুধু সনার ঘটনাই নয়, জাপানে পৌঁছনোর পর থেকেই একাধিক সমস্যার মুখে পড়ার অভিযোগও উঠেছে। জানা গিয়েছে, এশিয়ান গেমসের ব্যবস্থাপনায় তাঁর নাম নথিভুক্ত করতেই দীর্ঘ সময় লেগেছিল। প্রায় ১০ ঘণ্টা ধরে একের পর এক দফতরে গিয়ে নথিভুক্তির কাজ শেষ করার চেষ্টা করতে হয়েছিল বলে অভিযোগ।এর পর থাকার ঘর নিয়েও সমস্যা তৈরি হয়। বরুণ যে ঘর পেয়েছিলেন, সেখানে আরও দুজন ক্রীড়াবিদকে থাকার ব্যবস্থা করা হয়েছিল বলে জানা গিয়েছে। সেই সমস্যা মেটাতেও বেশ কয়েক ঘণ্টা সময় চলে যায়।এই সমস্ত সমস্যার কারণে পর্যাপ্ত বিশ্রাম নেওয়ার সুযোগও কমে যায় বলে অভিযোগ। পাশাপাশি ওজন নিয়ন্ত্রণের মধ্যে থেকে প্রয়োজনীয় পুষ্টিকর খাবার খাওয়াও কঠিন হয়ে পড়েছিল বলে জানা গিয়েছে। শেষ পর্যন্ত ওজন ঠিক রাখতে সনায় যেতে হয়েছিল বরুণকে।কিন্তু সনায় গিয়ে অসুস্থ হয়ে পড়ার পর চিকিৎসকেরা তাঁকে প্রতিযোগিতায় নামার অনুমতি দেননি। ফলে এশিয়ান গেমসে ইতিহাস তৈরির সুযোগ পেয়েও লড়াইয়ে নামতে পারলেন না বরুণ। তাঁর এই পরিস্থিতির জন্য এশিয়ান গেমসের ব্যবস্থাপনা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। তবে পুরো বিষয়টি নিয়ে আয়োজকদের তরফে কী ব্যাখ্যা দেওয়া হয়, এখন সে দিকেই নজর।

সেপ্টেম্বর ২০, ২০২৬
দেশ

সপ্তাহে দু’দিন ছুটির দাবিতে ফের ধর্মঘট, মাসের শেষে টানা পাঁচ দিন বিপাকে গ্রাহক?

দেশজুড়ে ফের ব্যাঙ্ক পরিষেবা ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। সপ্তাহে পাঁচ দিন ব্যাঙ্ক চালু এবং শনি ও রবিবার ছুটির দাবিতে ব্যাঙ্ক কর্মীদের যৌথ মঞ্চ ফের দেশব্যাপী ধর্মঘটের ডাক দিয়েছে। আগামী ২৮ থেকে ৩০ সেপ্টেম্বর টানা তিন দিন ধর্মঘটের কর্মসূচি রয়েছে। এর আগে ১১ সেপ্টেম্বরও দেশজুড়ে এক দিনের ধর্মঘট পালন করেছিলেন ব্যাঙ্ক কর্মীরা।ধর্মঘটের আগে এবং পরে সাপ্তাহিক ছুটি থাকায় সেপ্টেম্বরের শেষ দিকে ব্যাঙ্ক পরিষেবা নিয়ে গ্রাহকদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। ২৬ সেপ্টেম্বর চতুর্থ শনিবার এবং ২৭ সেপ্টেম্বর রবিবার হওয়ায় ২৬ থেকে ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত টানা পাঁচ দিন ব্যাঙ্কের স্বাভাবিক কাজকর্মে প্রভাব পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে কোন পরিষেবা কতটা ব্যাহত হবে, তা ব্যাঙ্কভেদে আলাদা হতে পারে।ব্যাঙ্ক কর্মী সংগঠনগুলির দীর্ঘদিনের অন্যতম দাবি হল সপ্তাহে পাঁচ দিন ব্যাঙ্কিং ব্যবস্থা চালু করা। অর্থাৎ শনি ও রবিবার নিয়মিত ছুটি দেওয়ার দাবি জানিয়ে আসছেন কর্মীরা। সেই দাবির পাশাপাশি আরও কিছু বিষয় নিয়ে আন্দোলন চলছে। দাবি পূরণ না হওয়ায় ফের ধর্মঘটের কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে বলে সংগঠনগুলির তরফে জানানো হয়েছে।এই পরিস্থিতিতে ধর্মঘটের প্রভাব কমাতে আগেভাগেই তৎপর হয়েছে কেন্দ্রীয় অর্থ মন্ত্রক। আর্থিক পরিষেবা দফতরের সচিবের নেতৃত্বে ২১ সেপ্টেম্বর একটি উচ্চপর্যায়ের বৈঠক ডাকা হয়েছে। সেখানে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্ক, আঞ্চলিক গ্রামীণ ব্যাঙ্ক, ইন্ডিয়ান ব্যাঙ্কস অ্যাসোসিয়েশন এবং নাবার্ডের শীর্ষ কর্তাদের উপস্থিত থাকতে বলা হয়েছে।ধর্মঘটের সময়ে ব্যাঙ্কিং পরিষেবা এবং গ্রাহকদের প্রয়োজনীয় পরিষেবা কী ভাবে যতটা সম্ভব সচল রাখা যায়, সেই বিষয়েই বৈঠকে আলোচনা হওয়ার কথা। ধর্মঘটের জেরে যাতে আর্থিক লেনদেন ও জরুরি পরিষেবায় বড় ধরনের সমস্যা না হয়, তার জন্য বিকল্প ব্যবস্থা নিয়েও আলোচনা হতে পারে বলে জানা গিয়েছে।সেপ্টেম্বরের শেষ দিকে ধর্মঘটের সঙ্গে সপ্তাহান্তের ছুটি এবং ব্যাঙ্কের অর্ধবার্ষিক হিসাব বন্ধের সময়ও মিলে যাচ্ছে। ফলে ওই সময়ে গ্রাহক ও ব্যবসায়ীদের ব্যাঙ্ক সংক্রান্ত জরুরি কাজকর্মে সমস্যা তৈরি হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।অন্য দিকে, কর্মী সংগঠনগুলির কর্মসূচি এখানেই শেষ নয়। তাঁদের দাবি পূরণ না হলে পরবর্তী সময়ে আরও বড় আন্দোলনের হুঁশিয়ারিও দেওয়া হয়েছে। ফলে সপ্তাহে পাঁচ দিন ব্যাঙ্ক চালুর দাবি ঘিরে কর্মী সংগঠন, ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষ এবং সরকারের মধ্যে আলোচনা কোন দিকে যায়, এখন সে দিকেই নজর।

সেপ্টেম্বর ২০, ২০২৬
কলকাতা

শতাব্দীপ্রাচীন গ্যালিফ স্ট্রিটের সখের হাটে বড় ধাক্কা! আদালতের নির্দেশে বন্ধ পোষ্য বিক্রি

উত্তর কলকাতার শতাব্দীপ্রাচীন গ্যালিফ স্ট্রিটের সখের হাটে বেআইনি পাখি, মাছ, কুকুরছানা-সহ বিভিন্ন পোষ্য বিক্রি বন্ধে নির্দেশ দিয়েছে কলকাতা হাই কোর্ট। বুধবার আদালতের তরফে এই নির্দেশ দেওয়া হয়। রবিবার থেকেই সেই নির্দেশ কার্যকর করার কথা ছিল। কলকাতা পুলিশ এবং শুল্ক দফতরকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী, রবিবার সকাল থেকেই গ্যালিফ স্ট্রিটের সখের হাটে নজরদারি শুরু হয়। কলকাতা পুলিশ এবং শুল্ক দফতরের আধিকারিকেরা বাজারে গিয়ে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখেন। বাজারের ব্যবসায়ীদের মধ্যে বিষয়টি নিয়ে ইতিমধ্যেই আলোচনা শুরু হয়েছে।বাজারের সংগঠনের তরফেও মাইকিং করা হয়। বিভিন্ন জায়গায় ব্যানার টাঙিয়ে ব্যবসায়ীদের আদালতের নির্দেশ সম্পর্কে জানানো হচ্ছে। একই সঙ্গে বাজারের সদস্যদের কলকাতা পুরসভার ট্রেড লাইসেন্স থাকা বাধ্যতামূলক বলেও জানানো হয়েছে।গ্যালিফ স্ট্রিটের এই সখের হাট দীর্ঘদিনের পুরনো। বাজারের ব্যবসায়ীদের দাবি, কয়েক দশক ধরে তাঁরা এখানে ব্যবসা করছেন। তাঁদের বক্তব্য, এক সময় সরকারই তাঁদের এখানে বসার অনুমতি দিয়েছিল। এখন ট্রেড লাইসেন্স সংক্রান্ত নিয়ম সামনে আসায় বহু ব্যবসায়ী সমস্যায় পড়েছেন।সখের হাটের সদস্য অমর চক্রবর্তী জানিয়েছেন, বাজারে সাতশোরও বেশি সদস্য রয়েছেন। তাঁর দাবি, এটি শতাব্দীপ্রাচীন বাজার এবং বহু মানুষ দীর্ঘদিন ধরে এখানে ব্যবসা করছেন। কিন্তু কলকাতা পুরসভার ট্রেড লাইসেন্স না থাকলে ব্যবসা চালানো নিয়ে নতুন করে সমস্যা তৈরি হয়েছে।অমর বলেন, যত দিন এই রাস্তার উপর ব্যবসার জন্য ট্রেড লাইসেন্সের বিষয়টি মীমাংসা না হচ্ছে, তত দিন ব্যবসা চালানো যাবে না বলে জানানো হয়েছে। অনেক ব্যবসায়ীর কাছেই সেই লাইসেন্স নেই বলেও জানিয়েছেন তিনি। তবে আদালতের নির্দেশ তাঁরা মেনে নিয়েছেন বলে স্পষ্ট করেছেন সখের হাটের ওই সদস্য।গ্যালিফ স্ট্রিটের সখের হাটে পাখি ও বিভিন্ন পোষ্য বিক্রি নিয়ে এর আগেও প্রশ্ন উঠেছে। বিশেষ করে দেশীয় পাখি কেনাবেচা আইনত নিষিদ্ধ হওয়ায় এই বাজারে নজরদারি চালিয়েছে বন দফতর। অতীতে এই বাজারে বেআইনি পাখি বিক্রির অভিযোগে অভিযান এবং পাখি উদ্ধারের ঘটনাও ঘটেছে।এ বার কলকাতা হাই কোর্টের নির্দেশের পর বিষয়টি আরও গুরুত্ব পেয়েছে। রবিবার থেকেই বাজারে পুলিশ ও শুল্ক দফতরের আধিকারিকদের উপস্থিতি দেখা যায়। ফলে আদালতের নির্দেশ কতটা কার্যকর করা যায় এবং ব্যবসায়ীদের মধ্যে কত জন প্রয়োজনীয় নথি ও লাইসেন্স দেখাতে পারেন, সে দিকেই এখন নজর।তবে এই নির্দেশের ফলে বাজারের দীর্ঘদিনের ব্যবসায়ীদের ভবিষ্যৎ কী হবে, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। সাতশোর বেশি সদস্যের এই পুরনো বাজারে কত জন বৈধ ভাবে ব্যবসা চালাতে পারবেন, কত জনকে নতুন নিয়ম মেনে চলতে হবে, তা আগামী দিনে আরও স্পষ্ট হবে।গ্যালিফ স্ট্রিটের সখের হাটের ক্ষেত্রে এখন মূল বিষয় দুটিআদালতের নির্দেশ মেনে বেআইনি পোষ্য বিক্রি বন্ধ করা এবং বৈধ ব্যবসার ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় অনুমতি ও ট্রেড লাইসেন্স নিশ্চিত করা। আদালতের নির্দেশ কার্যকর হওয়ার পর বাজারের চেহারা কতটা বদলায়, সেটিই এখন দেখার।

সেপ্টেম্বর ২০, ২০২৬
রাজ্য

কিষানজির ছায়াসঙ্গী মঙ্গল, সঙ্গে স্ত্রী মালতী! জঙ্গলমহলে বড় সাফল্যের দাবি এসটিএফের

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, দীর্ঘদিন ধরে আত্মগোপনে থাকা মাওবাদী দম্পতি মঙ্গল মাহাতো ও তাঁর স্ত্রী মালতী মুর্মুকে পশ্চিম মেদিনীপুরের শালবনি এলাকা থেকে আটক করা হয়েছে বলে খবর। শনিবার দুপুরে শালবনি থানার সরবেড়িয়া গ্রামের একটি বাড়ি থেকে তাঁদের এসটিএফের হাতে আসার খবর ছড়ায়। তবে তাঁরা গ্রেফতার হয়েছেন, নাকি আত্মসমর্পণ করেছেন, তা নিয়ে রাত পর্যন্ত সরকারি ভাবে স্পষ্ট কোনও তথ্য পাওয়া যায়নি।মঙ্গল মাহাতো পুলিশের খাতায় পতিত মাহাতো, পাপ্পু, সমীর এবং পান্ডে নামেও পরিচিত। পুলিশ সূত্রের দাবি, তিনি সিপিআই মাওবাদীর সাব জোনাল কমিটির সদস্য ছিলেন। ঝাড়খণ্ড পুলিশের তরফে তাঁর মাথার দাম পাঁচ লাখ টাকা ঘোষণা করা হয়েছিল বলে জানা গিয়েছে। তাঁর স্ত্রী মালতী মুর্মু সংগঠনের এরিয়া কমিটির সদস্য ছিলেন বলে পুলিশ সূত্রে দাবি। তাঁর বিরুদ্ধেও দুই লাখ টাকার পুরস্কার ঘোষণা করা হয়েছিল।পুলিশের দাবি, মঙ্গলের হাতে একে-৪৭ এবং মালতীর হাতে ইনসাস রাইফেল থাকত। তবে তাঁদের কাছ থেকে অস্ত্র উদ্ধার হয়েছে কি না, সে বিষয়ে সরকারি ভাবে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি।মঙ্গল মাহাতো দীর্ঘদিন ধরে মাওবাদী সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন বলে পুলিশ সূত্রে দাবি। পরিবারের তরফে জানা গিয়েছে, ২০০৮ সালে তিনি মাওবাদী কার্যকলাপে যুক্ত হন। প্রথমে বার্তাবাহক হিসেবে কাজ করার পর স্কোয়াডের সদস্য হন। ২০০৯ সালে নবম শ্রেণিতে পড়ার সময় সশস্ত্র সংগঠনে যোগ দেন বলে তাঁর পরিবারের দাবি।লালগড় আন্দোলনের সময় মঙ্গলের সক্রিয় ভূমিকা ছিল বলেও পুলিশ সূত্রে দাবি। পরে তিনি মাওবাদী নেতা কিষানজির দেহরক্ষী হিসেবে কাজ করেছিলেন বলে জানা যায়। কিষানজির মৃত্যুর সময় সুচিত্রা মাহাতো ছাড়া মঙ্গলই সেখানে উপস্থিত ছিলেন বলে পুলিশের নথিতে উল্লেখ রয়েছে। ওই সময় বাহিনীর ঘেরাটোপ পেরিয়ে তিনি পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়েছিলেন বলেও জানা গিয়েছে।মালতী মুর্মুর জীবনও অল্প বয়সেই মাওবাদী সংগঠনের সঙ্গে জড়িয়ে যায় বলে পুলিশ সূত্রে দাবি। ঝাড়গ্রামের বেলপাহাড়ি এলাকার বাসিন্দা মালতী ছোটবেলাতেই মাকে হারান। পরে জ্যাঠার বাড়িতে বড় হন। প্রায় ১৫ বছর বয়সে তিনি মাওবাদী স্কোয়াডে যোগ দেন বলে পরিবারের তরফে জানা গিয়েছে। পরবর্তী সময়ে মঙ্গল ও মালতীর মধ্যে সহকর্মী হিসেবে সম্পর্ক তৈরি হয় এবং তাঁরা বিয়ে করেন।২০১১ সালের পর দুজনেই ঝাড়খণ্ডে মাওবাদী নেতা আকাশের স্কোয়াডে যোগ দেন বলে পুলিশ সূত্রে দাবি। প্রথমে বাংলা লাগোয়া পূর্ব সিংভূমের জঙ্গলে, পরে দলমা ও সারান্ডার জঙ্গলে তাঁদের ঘোরাফেরা ছিল বলে তদন্তকারীদের দাবি। দীর্ঘ সময় ধরে তাঁরা সংগঠনের পূর্বাঞ্চলীয় ঘাঁটির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন বলেও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে।এর মধ্যে যৌথ বাহিনীর ধারাবাহিক অভিযানের জেরে আকাশ-সহ কয়েক জন মাওবাদী বাংলার দিকে ফিরেছিলেন বলে পুলিশ সূত্রে দাবি। আগস্ট মাসে মদন মাহাতো, বীরেন সিং এবং মীরা পাহাড়িয়াকে ঝাড়খণ্ড পুলিশ গ্রেফতার করে। পরে অনিতা কায়েম আত্মসমর্পণ করেন বলে জানা যায়।সংগঠনের সদস্য সংখ্যা কমে যাওয়ার পর আকাশও জঙ্গল ছেড়ে শহরের দিকে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন বলে তদন্তকারীদের দাবি। তাঁর সঙ্গে থাকা কয়েক জনের বিরুদ্ধেও পরে পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করে আত্মসমর্পণের উদ্যোগ নেওয়ার খবর প্রকাশ্যে আসে।এই পরিস্থিতিতেও মঙ্গল ও মালতী জঙ্গলেই ছিলেন বলে পুলিশ সূত্রে দাবি। তাঁদের হাতে আগ্নেয়াস্ত্র ছিল বলেও তদন্তকারীরা জানতে পারেন বলে খবর। এর মধ্যেই বৃহস্পতিবার পূর্ব মেদিনীপুরের পটাশপুরের লালাট গ্রামে শ্বশুরবাড়ি থেকে আকাশকে এসটিএফ গ্রেফতার করে।আকাশকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের পর মঙ্গল মাহাতোর সম্ভাব্য অবস্থান সম্পর্কে তদন্তকারীরা তথ্য পান বলে পুলিশ সূত্রে দাবি। আকাশের গ্রেফতারের খবর প্রকাশ্যে আসার পর মঙ্গল জঙ্গলে আগ্নেয়াস্ত্র লুকিয়ে স্ত্রীকে নিয়ে গাড়িতে করে পশ্চিম মেদিনীপুরের দিকে চলে আসেন বলেও তদন্তকারীদের দাবি।এর পরেই শালবনির সরবেড়িয়া গ্রামে মদন মাহাতোর এক আত্মীয়ের বাড়িতে তাঁদের অবস্থানের খবর পাওয়া যায়। সেখান থেকেই শনিবার দুজনকে এসটিএফ নিজেদের হেফাজতে নেয় বলে সূত্রের খবর।তবে এই ঘটনায় এখনও কয়েকটি প্রশ্নের উত্তর স্পষ্ট নয়। মঙ্গল ও মালতীকে গ্রেফতার করা হয়েছে, নাকি তাঁরা পুলিশের কাছে আত্মসমর্পণ করেছেন, তা সরকারি ভাবে জানানো হয়নি। তাঁদের কাছ থেকে কোনও অস্ত্র উদ্ধার হয়েছে কি না, সেটিও এখনও স্পষ্ট নয়। এসটিএফের তরফে আনুষ্ঠানিক বিবৃতি সামনে এলে গোটা ঘটনা আরও পরিষ্কার হবে।

সেপ্টেম্বর ২০, ২০২৬
কলকাতা

মমতাকে হারানোর ছক নাকি ক্যামাক স্ট্রিটে! ঋতব্রতর বিস্ফোরক দাবিতে তোলপাড়

২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনকে ঘিরে তৃণমূলের অন্দরের দ্বন্দ্ব নিয়ে নতুন করে বিস্ফোরক দাবি করলেন বিধানসভার বিরোধী দলনেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। একটি সাক্ষাৎকারে তাঁর দাবি, ক্যামাক স্ট্রিট থেকে তৃণমূলের ১৪ জন প্রার্থীকে হারানোর পরিকল্পনা করা হয়েছিল। সেই তালিকায় প্রথম নাম ছিল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। এই দাবির স্বপক্ষে তাঁর কাছে নাকি প্রমাণও রয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি।ঋতব্রতর বক্তব্য অনুযায়ী, ভোটের অনেক আগে থেকেই তৃণমূলের ভিতরে নবীন ও প্রবীণ নেতৃত্বের মধ্যে মতপার্থক্য তৈরি হয়েছিল। এক দিকে ছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অনুগামীরা, অন্য দিকে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত তরুণ নেতাদের একটি অংশ। ভোটের আগে প্রকাশ্যে সেই দ্বন্দ্ব খুব বেশি দেখা না গেলেও দলের ভিতরে টানাপোড়েন চলছিল বলে দাবি ঋতব্রতর।তাঁর অভিযোগ, এই পরিস্থিতির মধ্যেই তৃণমূলের ১৪ জন প্রার্থীকে হারানোর পরিকল্পনা করা হয়েছিল। তাঁর দাবি, ওই তালিকার প্রথম নাম ছিল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। তালিকায় আরও কয়েক জন গুরুত্বপূর্ণ তৃণমূল নেতার নাম ছিল বলেও ইঙ্গিত দিয়েছেন তিনি। তবে ওই ১৪ জনের সম্পূর্ণ তালিকা প্রকাশ্যে আসেনি।ঋতব্রত আরও দাবি করেছেন, যাঁদের হারানোর পরিকল্পনা করা হয়েছিল, তাঁদের নির্বাচনী এলাকায় দলের গুরুত্বপূর্ণ কর্মীদের নিষ্ক্রিয় করে দেওয়া এবং নির্বাচনী এজেন্টদের সমস্যায় ফেলার মতো পদক্ষেপ করা হয়েছিল। তাঁর অভিযোগ, এই ধরনের নির্দেশ দলের ভিতর থেকেই দেওয়া হয়েছিল।এই দাবির সঙ্গে ভবানীপুরের নির্বাচনী ঘটনাকেও জুড়ে দেখার চেষ্টা করছেন ঋতব্রত। তাঁর বক্তব্য, ভবানীপুরে ভোটগণনার সময় তৃণমূলের এক এজেন্টকে কেন্দ্র থেকে বের করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছিল। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজেও গণনাকেন্দ্রে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ে আপত্তি জানিয়েছিলেন বলে সেই সময় খবর প্রকাশিত হয়েছিল। তবে ওই ঘটনার সঙ্গে ঋতব্রতর বর্তমানে করা অভিযোগের সরাসরি যোগ রয়েছে কি না, তা প্রমাণিত নয়।ঋতব্রতর দাবি, তাঁর কাছে এই অভিযোগের সমর্থনে যথেষ্ট সাক্ষ্যপ্রমাণ রয়েছে। প্রয়োজন হলে আদালতেও সেই প্রমাণ পেশ করতে পারেন বলে জানিয়েছেন তিনি। তবে এখনও পর্যন্ত তাঁর এই অভিযোগের স্বাধীন কোনও প্রমাণ প্রকাশ্যে আসেনি।অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বা তৃণমূলের পক্ষ থেকে এই নির্দিষ্ট অভিযোগের কোনও জবাব এই প্রতিবেদনে যুক্ত করা যাচ্ছে না। ফলে ১৪ জন প্রার্থীকে হারানোর পরিকল্পনা, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম তালিকার প্রথমে থাকা এবং ক্যামাক স্ট্রিট থেকে নির্দেশ যাওয়ার অভিযোগসবই আপাতত ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের বক্তব্য হিসাবেই থাকছে।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ঘিরে তৃণমূলের অভ্যন্তরীণ টানাপোড়েন নিয়ে গত কয়েক মাসে একাধিক নেতা প্রকাশ্যে মন্তব্য করেছেন। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে ঘিরে দলের ভিতরে-বাইরে বিতর্কও হয়েছে। ফলে ঋতব্রতর এই নতুন দাবি সেই রাজনৈতিক বিতর্ককে আরও সামনে নিয়ে এসেছে।এখন প্রশ্ন, ঋতব্রত যে ১৪ জনের তালিকার কথা বলছেন, সেখানে আর কারা ছিলেন এবং তিনি যে সাক্ষ্যপ্রমাণের কথা বলেছেন, সেগুলি কী। সেই তথ্য প্রকাশ্যে এলে তাঁর অভিযোগের সত্যতা নিয়ে আরও স্পষ্ট ছবি পাওয়া যেতে পারে।

সেপ্টেম্বর ২০, ২০২৬
কলকাতা

যাদবপুরে তাণ্ডব! প্রাক্তন বিধায়কের বাড়িতে হামলা, ভাঙচুরের অভিযোগ, নিশানায় একাধিক তৃণমূল কার্যালয়

শনিবার সন্ধ্যায় যাদবপুরের বিজয়গড়-সহ একাধিক এলাকায় হামলা ও ভাঙচুরের অভিযোগকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়ায়। প্রাক্তন বিধায়ক তথা মেয়র পারিষদ দেবব্রত মজুমদার, যিনি মলয় মজুমদার নামেও পরিচিত, তাঁর বাড়িতে একদল দুষ্কৃতী হামলা চালায় বলে অভিযোগ। বাড়ির পাশাপাশি তাঁর কার্যালয়েও ভাঙচুর করা হয়েছে বলে দাবি। ঘটনাকে কেন্দ্র করে যাদবপুর থানায় লিখিত অভিযোগও দায়ের করা হয়েছে।মলয় মজুমদারের অভিযোগ, হামলাকারীদের একটি দল তাঁর বিজয়গড়ের বাড়িতে ঢুকে ভাঙচুর চালায়। পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করা হয় এবং তাঁর দাদা ও বউদিকে মারধর করা হয়েছে বলেও অভিযোগ করেছেন তিনি। হামলার সময় বাড়ির নিরাপত্তা ব্যবস্থারও ক্ষতি করা হয়েছে বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।প্রাক্তন বিধায়কের অভিযোগ, এই হামলার নেপথ্যে বিজেপির দুই নেতা অনুপম তালুকদার ও সজল বসুর নেতৃত্ব রয়েছে। তাঁদের দলবলই হামলা চালিয়েছে বলে দাবি মলয়ের। তবে এই অভিযোগের সঙ্গে বিজেপির যোগের বিষয়টি এখনও পুলিশের তদন্তে প্রমাণিত হয়নি।মলয় আরও অভিযোগ করেছেন, পুরভোট না হওয়া পর্যন্ত এলাকায় তৃণমূলের দলীয় কার্যালয় খোলা যাবে না বলে হুমকি দেওয়া হয়েছে। এমনকি দলের কর্মীদেরও নানা ভাবে ভয় দেখানো হয়েছে বলে তাঁর দাবি।শুধু মলয় মজুমদারের বাড়ি নয়, ১০২ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর সীমা ঘোষের বাড়িতেও হামলার অভিযোগ উঠেছে। তাঁর দাবি, বাড়িতে ঢুকে দলের মহিলা কর্মীদের মারধর করা হয়। তাঁদের সঙ্গে অশালীন আচরণ এবং শ্লীলতাহানির অভিযোগও সামনে এসেছে।এর পর যাদবপুরের একাধিক এলাকায় তৃণমূলের দলীয় কার্যালয় নিয়েও উত্তেজনা ছড়ায়। আনন্দপল্লি, বিজয়গড়, বাঘাযতীন ডি ব্লক-সহ কয়েকটি জায়গায় দলীয় কার্যালয়ে ভাঙচুর করে পরে তালা লাগিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। হামলাকারীরা পুরভোটের আগে পর্যন্ত ওই কার্যালয় ব্যবহার করা যাবে না বলে হুমকি দিয়েছে বলে অভিযোগ।সীমা ঘোষের অভিযোগ, তাঁকেও এলাকা ছেড়ে চলে যাওয়ার হুমকি দেওয়া হয়েছে। পুরভোট না হওয়া পর্যন্ত এলাকায় থাকা যাবে না এবং বিজেপি বা রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে কোনও কথা বলা যাবে না বলেও হুমকি দেওয়া হয়েছে বলে তাঁর দাবি।ঘটনার পর যাদবপুরের বিভিন্ন এলাকায় উত্তেজনা তৈরি হয়। সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, শুধু তৃণমূলের কার্যালয় বা মলয় মজুমদারের বাড়িই নয়, এলাকার একাধিক রাজনৈতিক কার্যালয়েও হামলা ও ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে। ফলে শনিবার সন্ধ্যার ঘটনাকে ঘিরে এলাকায় রাজনৈতিক সংঘাতের আশঙ্কা আরও বেড়েছে।অন্য দিকে, মলয় মজুমদারের অভিযোগ সরাসরি খারিজ করেছে বিজেপি। দলের তরফে দাবি করা হয়েছে, এই হামলার সঙ্গে বিজেপির কেউ যুক্ত নয়। স্থানীয় মানুষের ক্ষোভ বা জনরোষের জেরেই এই ধরনের ঘটনা ঘটে থাকতে পারে বলে পালটা দাবি করেছে বিজেপি।ফলে যাদবপুরের ঘটনায় এখন মূল প্রশ্ন, হামলার পিছনে কারা ছিল এবং কেন একসঙ্গে একাধিক রাজনৈতিক নেতা ও দলীয় কার্যালয়কে নিশানা করা হল। মলয় মজুমদারের দায়ের করা অভিযোগ এবং অন্যান্য পক্ষের বক্তব্যের ভিত্তিতে ঘটনার প্রকৃত কারণ খতিয়ে দেখছে প্রশাসন।

সেপ্টেম্বর ২০, ২০২৬
নিবন্ধ

তুমি আছো নীরবে - ভয়ঙ্কর রোমাঞ্চকর গল্প -(অন্তিম পর্ব)

দ্বিতীয় পর্বের পরঃসৌভিক, কিছু দরকার? স্নেহা, না সেরকম কিছু না, তোমার আর সায়নীর মধ্যে সব ঠিক আছে? সৌভিক, কেন বলোতো? স্নেহা, শেষ দুদিন দেখলাম সায়নী তোমায় খুব বাজে ভাবে এড়িয়ে চলছে। সৌভিক এবার নড়েচড়ে বসলো, স্নেহাও লক্ষ্য করেছে মানে এটা সৌভিকের মনের ভুল মোটেও নয় আর সায়নীর কি হয়েছে সেটা স্নেহার থেকে ভালো কেও বলতেও পারবেনা সুতরাং যখন সুযোগ নিজে হেঁটে এসেছে তখন সেটা কাজে লাগানোই বুদ্ধিমানের কাজ।সৌভিক, হ্যাঁ, সেটা ওই করছে, কিন্তু কেন করছে তার কোনো সদুত্তর আমার কাছে নেই, তোমার কাছে যদিও থাকে তবে তুমি বলতে পারো, আমি চেষ্টা করে দেখবো যদিও কিছু করতে পারি তো। স্নেহা, কি হয়েছে সেটা আমিও ঠিক জানিনা তবে তোমায় এটুকু বলতে পারি ওর মাথায় কিছু একটা চলছে আর আমাদের সাথে কিছু অদ্ভুত ঘটনাও ঘটছে, তোমার সাহায্য লাগবে। সৌভিক, কিরকম সাহায্য লাগবে? আর কি ঘটছে সেটা বললে ভালো হতো। স্নেহা, সব জানার দরকার নেই, শুধু তুমি আজ রাতের তৈরী থেকো। আমি যাকে সন্দেহ করছি সেই যদিও এসবের পিছনে থেকে থাকে তবে তাকে আজকেই আমরা হাতেনাতে ধরবো। এই বলে স্নেহা সৌভিকের কেবিন থেকে বাইরে বেরোয়, আজকেও রাহুল হন্তদন্ত হয়ে কোথায় যেন একটা বেরিয়ে গেলো।তখন সন্ধ্যে হয়ে এসেছে, সৌভিকের ভাড়া করে দেওয়া ট্যাক্সিটা এসে থামলো সায়নীদের এপার্টমেন্টটার সামনে।ট্যাক্সির ডানদিকের দরজাটা খুলে প্রথমে স্নেহা নামলো, তারপর সায়নী নামতে গেলো,কিন্তু সায়নী দেখলো আশেপাশের পরিবেশটা কেমন যেন আরো অন্ধকার হয়ে এসেছে। ড্রাইভার সায়নীকে বললো, ম্যাম আপনি ঈশানের সাথে এরকম কেন করলেন? সায়নী ভয় পেলো ড্রাইভারের এই আকস্মিক প্রশ্নের সামনে, সায়নী দ্রুত গাড়ি থেকে নেমে এপার্টমেন্টর দিকে পা বাড়ালো কোনোদিকে না তাকিয়ে, কিন্তু আজ ঈশান যেন ওর পিছু ছাড়ছেনা, সায়নী যেখানে যেখানে যাচ্ছে সেখানে সেখানে আশেপাশের লোকজন ওর দিকে তাকিয়ে ওকে একই প্রশ্ন করছে, তুমি এটা ঈশানের সাথে কেন করলে? প্রথমে সিকিউরিটি গার্ড, তারপর পাশের ফ্ল্যাটের বৃদ্ধা, মাঠে খেলতে থাকা বাচ্চারা, আর বহুদূরে দাঁড়িয়ে ঈশান ওই একই হাসি নিয়ে ওর দিকে তাকিয়ে রয়েছে, ওর চোখে মুখে রক্ত লেগে, কি বীভৎস লাগছে ওকে। সায়নী এবার আর হাঁটলো না, ওই সোজাসুজি দৌড় দিলো, একের পর এক সিঁড়ি বেয়ে ওই উপরে উঠে দরজা ধাক্কাতে শুরু করলো কিন্তু ওর কাছে চাবি ছিলোনা, পাশে স্নেহাও নেই, ওই কোথায় গেলো?সিঁড়ি দিয়ে কেও একজন উপরে উঠে আসছে, পায়ের শব্দ শোনা যাচ্ছে, ধীরে ধীরে শরীরটাও স্পষ্ট হচ্ছে। একি এটা যে ঈশান, ওর দিকেই এগিয়ে আসছে, সায়নী আরো জোরে দরজা ধাক্কাতে শুরু করলো, ভয়ে আর্তনাদ করে উঠলো কিন্তু এই দুনিয়ায় যেন কেও নেই ওর আর্তনাদ শোনার মতো, কেও যেন নেই ওকে বাঁচানোর মতো। ঈশান হাঁটতে পারছেনা, ওর পা দুটো ভাঙ্গা আর একটা হাত নেই এখন দৃশ্যমান। সে এসে সায়নীর সামনে দাঁড়ালো আর মুখের ওই সরল হাসিটা এখন আর সরল লাগছেনা বরং ভয়ানক পৈশাচিক লাগছে। ঘরঘরে গলায় ঈশান বললো, সায়নী, কেমন আছো? শুনলাম তুমি নাকি প্রথম হয়েছো? সায়নী কাঁদতে কাঁদতে বললো, সরি ঈশান, আমি ভুল করেছি, প্লিজ আমায় ক্ষমা করো প্লিজ। ঈশান এবার আরো বিকৃত হাসি হাসলো, সরি? মনে আছে সেইদিনের কথা? ঠিক কিভাবে তুমি আমায় কিছু না করেও আমার মৃত্যুর কারণ হয়েছিল? কিভাবে একটা মধ্যবিত্ত বাড়ির বড়ো ছেলেকে তুমি শেষ করে দিয়েছিলে? তোমার বাবার তো অঢেল সম্পত্তি ছিল তোমার কি সত্যিই কিছু ক্ষতি হতো সায়নী? হতোনা, কিন্তু আমার হয়েছে, আমার পর আমার ভাইকে দেখার কেও ছিলোনা, মা অসুস্থ এখনো অপেক্ষা করে আমার ফেরার। তোমায় আমি ছাড়বোনা সায়নী, এভাবেই তুমিও শেষ হবে আর তোমার ওই অহংকারী বাবার কোল শূন্য হবে তবেই আমার প্রতিশোধ পূরণ হবে। সায়নী আরো জোরে চিৎকার করে উঠলো, তারপর বুঝলো ওকে জড়িয়ে ধরে রয়েছে স্নেহা, ওকে শান্ত করার চেষ্টা করছে আর সামনে দাঁড়িয়ে রাহুল।সায়নী যখন ওদের দেখলো তখন আরো কান্নায় ভেঙে পড়লো, রাহুল ও আমায় শেষ করে দেবে বলেছে প্লিজ বাঁচা আমায়। সায়নী রাহুলের পায়ে পরে কাকুতি মিনতি করতে শুরু করে দিলো।সায়নীর এই অবস্থা দেখে রাহুল ওকে ধরে উঠিয়ে দাঁড় করিয়ে বললো, ঘরে চল আমি আছি, আমি ওকে বুঝিয়ে বলবো ও এলে, তুই চিন্তা করিসনা। স্নেহা দরজা খুললো তারপর ওরা দুজনে সায়নীকে নিয়ে গিয়ে ঘরে শোয়ালো। কিছুক্ষণ দুজনেই সায়নীর পাশে বসে ওকে ঘুম পাড়ানোর চেষ্টা করলো, সায়নী ঘুমাতে রাহুল ডাইনিংএ এসে বসলো আর সামনের চেয়ারটা টেনে নিয়ে বসলো স্নেহা।রাহুল, আমার মনে হয় এবার আমার যাওয়া উচিত, সৃজা অপেক্ষা করছে হয়তো । স্নেহা, না রাহুলদা, তোমায় তো এখানে থাকতেই হবে।রাহুল স্নেহার দিকে একবার তাকায়, চোখে প্রশ্ন দৃশ্যমান।স্নেহা, থাকতে হবে তার কারণ এতক্ষন আমি ভাবছিলাম এই গল্প ঈশান আর সায়নীর প্রেমের কিন্তু ভুল ছিলাম, আসলে এই গল্পের মুখ্য চরিত্র তো তুমি, ওরাতো ব্যাস দুটো পার্শ্ব চরিত্র। তাই নয় কি?স্তম্ভিত রাহুল স্নেহার দিকে তাকিয়ে বললো, কি বলতে চাও তুমি? স্নেহা কোনো কথার উত্তর না দিয়ে নিজের ফোনটা বের করে একটা ছবি দেখিয়েছো রাহুলকে প্রশ্ন করে, এটাই তোমার ঈশান তাই না? রাহুল এবার আরো অবাক হয়,স্নেহা রাহুলকে বলে, কি রাহুলদা তুমি কি ভেবেছিলে, খেলা খেলতে শুধুই তুমি পারো? আমি পারিনা? আমি আগেই সৌভিককে পাঠিয়েছিলাম তোমার পিছনে। সন্দেহ আমার হয়েছিল তারও দুদিন আগে যখন আমি নিজে তোমায় ওই পাগলাগারদে ঢুকতে দেখেছিলাম, তখন সন্দেহ পুরো তৈরী হয়নি কিন্তু পরে হয়েছে, পরে হয়েছে এটা ভেবে যে যেদিন থেকে তুমি এসেছো তারপর থেকেই কেন ঈশানের আত্মা ওকে তাড়া করছে? আত্মার প্রতিশোধের ব্যাপার হলে তো সে অনেক আগেই আসতে পারতো। এই কেনর উত্তর খুঁজতে গিয়ে আমার মনে পড়লো তুমি ঠিক কিভাবে নিজের লাঞ্চবক্স বারবার সায়নীকে দিয়ে যেতে খাওয়ার জন্য। কেও সন্দেহ করতোনা কিন্তু আমি করেছি, কি ওষুধ মেশাতে ওতে?রাহুল স্নেহাকে বোঝানোর চেষ্টা করে যে সে যা ভাবছে তা সত্যি নয় কিন্তু স্নেহা যেন বোঝার ইচ্ছাতেই নেই।স্নেহা বলে চলে, চুপ করো রাহুলদা, আমার কাছে সব প্রমান আছে, আর ঈশান তো কোনোদিনও মরেই নি, ওই আছে ওই পাগলাগারদে যাকে তুমি রোজ দেখতে যাও, যাকে তোমার স্ত্রী সৃজাও দেখতে যায়, এসব তোমাদের প্ল্যান। আমি বিগত দুদিনে বারবার ওই জায়গায় গেছি, তোমাদের দেখেছি। একটা জীবিত মানুষের কিভাবে ভুত হয়ে কাওকে ভয় দেখায়? কেন করছো মেয়েটার সাথে এরকম? রাহুল এবার টেবিল চাপড়ে বলে, হ্যাঁ আমাদের প্ল্যান আর যা করেছি বেশ করেছি, আর সায়নীকে যতদিন না ওই বেডের পাশে এনে ফেলতে পারছি ততদিন আমি থামবোনা। ওর মতো ডাইনির সুস্থ শরীরে বেঁচে থাকার অধিকার নেই।স্নেহা, মুখ সামলে রাহুলদা, কে ডাইনি? তোমার বন্ধুকে না করেছিল বলে ডাইনি হয়ে গেলো? বাহ্ রে বাহ্ এইতো পুরুষতান্ত্রিক সমাজের আদর্শ পুরুষ। বলি ঘেন্না হয়না নিজের উপর?রাহুলের চোখে মুখে বিরক্তির ছাপ স্পষ্ট, সাথে যখন এই ঘৃণা শব্দটা সে শুনলো যেন তার কান লাল হয়ে ধোঁয়া বেরোবে, সে বললো , ঠিক আছে তুমি যখন এতদূর বললে তবে পুরোটা শোনো আর তারপর যদি তোমার মনে হয় আমি দোষী তবে পুলিশ ডেকো আমি নিজে ধরা দেবো। এই বলে রাহুল নিজের ফোনে 101 ডায়েল করে স্নেহার হাতে দিয়ে বলে, যদি মনে হয় আমি ভুল আমার কথা শোনার পরেও তবেই ফোন করো। স্নেহা, ঠিক আছে বলো, সব অপরাধীকেই শেষবারের নিজের স্বপক্ষে যুক্তি দেওয়ার সুযোগ দেওয়া উচিত।রাহুল বলতে শুরু করে - ফার্স্ট ইয়ারে যখন ঈশান আসে তখন ও খুবই সহজ সরল একটা ছেলে ছিল তবে প্রতিবাদে কোনোদিনও পিছু হাটতো না। ওর ওই গুন ওকে ইউনিয়নের অনেকের কাছেই পছন্দের পাত্র করে তুলেছিল। তো এই ঈশান ছিল পড়াশোনায় দুর্দান্ত, ওর বাবা ছিলোনা। মা আর ভাইয়ের দায়িত্ব ওর উপরেই ছিল আর সেই জন্য দিনরাত খেতে পড়াশোনা করতো। প্রথম সেমেস্টারের রেজাল্ট যখন আসে তখন ওই প্রথম হয় আর অবাক করা বিষয়ে সায়নী যে কিনা বিক্রমের সাথে সবসময় ঘুরতো সে বন্ধুত্বের হাত বাড়ায় ঈশানের দিকে। মাঝে মাঝেই নিজের চারচাকায় নিয়ে ওকে ঘুরতে যেত, বড়ো বড়ো রেস্টুরেন্টে দুজনকে একসাথে দেখতে পেতাম। আমি অতটা ভাবিনি বিষয়টা নিয়ে, ক্রমে বছর ঘুরলো দুজনে এই সম্পর্ককে বন্ধুত্ব বললেও কেও বিশ্বাস করতোনা আর উল্টোদিকে বিক্রমও ব্যাপারটা মেনে নিতে পারতোনা যে সায়নী ঈশানের সাথে সবসময় থাকে।মাঝে মাঝে বুঝতে পারতাম ঈশান সায়নীকে শুধু বন্ধু আর ভাবেনা।রাহুল একটু থামে ওর গলা ধরে এসেছে, টেবিলের উপরে রাখা জলের বোতল থেকে খানিকটা জল খায় তারপর বলে, তখন লাস্ট সেমিস্টার, পরীক্ষা শুরুর আগেরদিন ঈশানকে নিয়ে সায়নী কোথায় একটা গেলো। বেশ কিছুক্ষন পর যখন ঈশান ফিরলো ওই খুব খুশি ছিল, ও নিজের মাকে পর্যন্ত ফোন করে সায়নীর ব্যাপারে বললো আর আমায় বললো সায়নী নাকি বলেছে সায়নী ওকে বিয়ে করতে চায়। ব্যাপারটায় আমি খুবই খুশি হয়েছিলাম, যাক শেষ পর্যন্ত সব ভালো হচ্ছে।কিন্তু বুঝিনি এটা সবে শুরু, পরেরদিন থেকে সায়নী কেমন যেন বদলে গেলো, ঈশানকে পাত্তা দিতোনা, কথা বলার সুযোগটুকু দিতোনা আর রাতে বাড়ি ফিরে ঈশান মেসেজ করার চেষ্টা করলে সেখানেও ওকে পেতোনা।এভাবে দুটো পরীক্ষা শেষ হলো, পরীক্ষার শেষে ঈশান আমায় ওর হোয়াটস্যাপ দেখিয়ে বললো একটাও মেসেজ সায়নীর কাছে নাকি ডেলিভার হচ্ছেনা। আমি দেখলাম আর বুঝলাম সায়নী ওকে ব্লক করেছে, এটা জানতে পেরে ওই বেচারা আর থাকতে পারেনি তখনই ক্লাসের মাঝে গিয়ে সায়নীকে প্রশ্ন করে যে ওই এমন কেন করলো। সায়নীর ব্যবহার আরো খারাপ ছিল, ও সেসময় হাসে আর ঈশানকে বলে যে ঈশান কখনো নিজের ক্লাস নিয়ে ভেবেছে? কোথায় ঈশানের কুঁড়েঘর আর কোথায় সায়নীর বাবার রাজপ্রাসাদ, ঈশানের কোনো যোগ্যতা নেই সায়নীর পাশে। তারপর বিক্রমের হাত ধরে সায়নী ঈশানের সামনে দিয়ে বেরিয়ে যায়।ঈশান ভেঙে পরে, ওর মধ্যে আর ক্ষমতা ছিলোনা পড়াশোনা করার। পরের একটা পরীক্ষাও সে দিতে আসতে পারেনি, ঘরে বসে থাকতো চুপচাপ। যেদিন রেজাল্ট এলো সেদিন ও শুধু দেখেছিলো কিভাবে সায়নী ওর জায়গাটা ছিনিয়ে নিয়েছে, কিভাবে একটা নোংরামি ওকে এতটা পিছনে ঠেলে দিয়েছে যে ওর একটা বছর নস্ট হয়ে গেছে। ঈশানের চোখ দিয়ে যে জলের ফোটা সেদিন পড়েছিল সেটাই সায়নীর ধ্বংসের কারণ আজ। ঈশান তারপর আর কোনোদিনও সুস্থ হতে পারেনি, ওই নিজের উপর ভরসা রাখতে পারেনি, সব ভুলে গেছে শুধু সায়নীর নামটা মনে আছে আজও। সায়নীর সাথে ওর কোনো পুরোনো বন্ধুর যোগাযোগ নেই কেন জানো? ঠিক এই কারণে, কারণ কেওই এটা মেনে নিতে পারেনি যেটা সায়নী ঈশানের সাথে খেলেছে। এরপরও তুমি বলবে সায়নী ঠিক আর আমি ভুল?স্নেহা এতদূর শুনে বললো, মিথ্যা সব মিথ্যা রাহুলদা, সায়নীকে আমি চিনি ওই এরকম মেয়ে মোটেও না। পিছনে কখন সৌভিক এসে দাঁড়িয়েছে রাহুল বুঝতে পারেনি, সেও বলে উঠলো, রাহুলদা সব শেষ, তুমি ধরা পরে গেছো এবার কোর্টে তোমার সাথে দেখা হবে। সৌভিক স্নেহার থেকে ফোনটা নিয়ে ফোন করতেই যাচ্ছিলো পুলিশে এমন সময় সায়নীর গলার স্বর শোনা গেলো। সায়নী ঘরের বাইরে বেরিয়ে এসে দাঁড়িয়েছে আর সৌভিকের দিকে তাকিয়ে হাসছে উন্মাদের মতো।স্নেহা গিয়ে সায়নীকে শান্ত করার চেষ্টা করলো কিন্তু কোনো লাভ হলোনা, সায়নী হেসেই চললো তারপর ওই হাসির মাঝেই বললো, ঈশান তুমি মরেও আমার পিছন ছাড়লে না? ঠিকই বলেছিলাম সেদিন, তুমি আসলে কুকুরেরও অধম, তোমার সাথে প্রেম করবো আমি? ছিঃ, ঘেন্না হয় তোমার মতো ছেলেগুলোকে। কোনো ক্লাস নেই এদিকে নাকি বড়োলোক বাড়ির মেয়েকে বিয়ে করবে। বেশ করেছি, তুমি এই কোম্পানিতে চাকরি করার যোগ্য নও ঈশান, ওটার যোগ্য শুধু আমি, ওই গোল্ড মেডেলের যোগ্য শুধুই আমি। বোকা ছেলে, তোমার মতো ছেলেগুলোকে হারিয়ে এগিয়ে যাওয়া সবচেয়ে সোজা।এই জানো এখনো আবার একটা ছেলে আমার ফাঁদে পা দিয়েছে, ওটাকেও শেষ করবো ঠিক তোমার মতো। আমায় অনেক উঁচুতে যেতে হবে ঈশান, যেখানে পৌঁছাতে তোমার দুজন্ম আরো লাগবে। নিজেকে দেখো, না আছে একটা হাত, না ঠিক করে হাঁটতে পারছো, মরে ভুত হয়েও সেই আমার পিছনে ঘুরে বেড়াচ্ছ, হোয়াট আ লুসার। সৌভিককেও তোমার মতোই শিখিয়ে পরিয়ে দিও যাতে ভুত হয়ে ভয় দেখিয়ে বেড়াতে পারে।সায়নী এই বলে উন্মাদের মতোই হেসে চলেছে, ওর হাসি আজ বাঁধ মানছেনা।দুদিন পর শহরের এক নামি পাগলাগারদে: সায়নী নিজের বেডে বসে পাশের ছেলেটাকে বলে, এই ছেলে তোমার নাম কি?ছেলেটার মুখে একটা সরল হাসি ফুটে ওঠে, সে বলে, আমি ঈশান।সায়নী, তুমি ঈশান? জানো ঈশান বলে একটা ভুত আমায় খুব জ্বালায়, ওকে একটু বকে দেবে গো?ঈশান বলে, ভুত? সে কি মানুষের থেকেও বেশি ভয়ানক?বাইরে দাঁড়িয়ে একটা সিগারেট ধরালো সৌভিক, সামনে স্নেহা আর রাহুল এককাপ চা নিয়ে দাঁড়িয়ে।সৌভিকই প্রথম মৌনতা ভেঙে বললো, সরি দাদা, আর একটু হলে আমিও এই পাগলাগারদেই হয়তো থাকতাম। খারাপ লাগছে ঈশানকে দেখে, ওর পরিবার....রাহুল, চিন্তা করোনা, ওর ভাইয়ের দায়িত্ব আমার আর সৃজার। ওর ভাই এখন লাস্ট ইয়ারে পড়াশোনা করছে, ওই ছেলেটাও ঈশানের মতোই পড়াশোনায়, ঠিক একটা কিছু করেই নেবে।স্নেহা, দাদা একটা প্রশ্ন রয়েই গেলো। রাহুল, কি প্রশ্ন? স্নেহা, সায়নীকে তুমি পাগল করলে কিভাবে? রাহুল একটু হাসলো তারপর বললো, amphitamin, ওকে দিনের পর দিন এটারই ডোস দিয়েছি আর শেষদিন যখন ও পাগলের মতো হাসছিলো তখন ওকে যে বোতলের জলটা তুমি দিয়েছিলে ওটাতে শেষ ডোস ছিল, আমি জল খাওয়ার সময়ে মিশিয়ে দিয়েছিলাম, তোমার অলক্ষ্যে। ব্যাস, আমি জানতাম আমি যদি আজ পুলিশের কাছে ধরা পরেও যাই তবুও তোমরা সায়নীকে বাঁচাতে পারবেনা। ভাগ্য সহায় ছিল যে সায়নী নিজের অপরাধ স্বীকার করে নেওয়ায় তোমরা আর আমায় জেলে পাঠাওনি, বদলে ওকে পাগল হতে দেখেছো আর ভয়ে ওর থেকে দূরে সরে গেছো । স্নেহা, জেলে তো ওরই যাওয়া উচিত, যে একটা পরিবারকে শেষ করে দিলো নিজের স্বার্থে। রাহুল, পরজন্মে দুজন যেন সুস্থ মানুষের মতো বাঁচতে পারে এই প্রার্থনাই করি ঈশ্বরের কাছে। ওরা নিজেদের চা শেষ করে নিজেদের গোঁন্ত্যব পথে পা বাড়ালো। তখন সূর্য ডুবে গেছে, বাইরেটা অন্ধকার গ্রাসঃ করেছে আর ভিতরে?তখনও সায়নী নিজের খেয়ালে ঈশানের সাথে বকবক করে চলেছে, যেন দুজন দুজনকে ছেড়ে এক মুহূর্ত থাকতে পারবেনা। ওদের মধ্যে কি সত্যিই কোনোদিনও ভালোবাসা তৈরী হয়নি? বোঝা মুশকিল। কারণ দৃশ্যত উন্মাদদের থেকে অনেক বেশি উন্মাদ হয় সুস্থ স্বাভাবিক মানুষেরা।সমাপ্তসায়ন্তন গোস্বামী

সেপ্টেম্বর ২০, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal