• ২৪ আষাঢ় ১৪৩৩, শনিবার ১১ জুলাই ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

UN

খেলার দুনিয়া

‌জুয়ান ফেরান্দোর ভুলেই ফাইনালে রাস্তা কঠিন হয়ে গেল এটিকে মোহনবাগানের

লিগ টেবিলের শীর্ষস্থান হাতছাড়া করে এটিকে মোহনবাগান কোচ জুয়ান ফেরান্দো পাখির চোখ করেছিলেন আইএসএল জেতা। তাঁর সেই স্বপ্নে কাঁটা বিছিয়ে দিল হায়দরাবাদ এফসি। আইএসএল দ্বিতীয় সেমিফাইনালে প্রথম পর্বের ম্যাচে নিজামের শহরের এই দলের কাছে ৩১ ব্যবধানে হেরে ফাইনালের রাস্তা কঠিন হয়ে গেল এটিকে মোহনবাগানের কাছে। কোচ জুয়ান ফেরান্দোর একটা ভুলই ম্যাচ থেকে ছিটকে দিল সবুজমেরুণ শিবিরকে।জুয়ান ফেরান্দো চেয়েছিলেন প্রথম পর্বের ম্যাচেই ফাইনালের রাস্তা পরিস্কার করতে। সেই লক্ষ্যেই শুরু করেছিল সবুজমেরুণ ব্রিগেড। ম্যাচের শুরু থেকেই এটিকে মোহনবাগানের প্রাধান্য ছিল। সুযোগও তৈরি হয়েছিল। কিন্তু কাজে লাগাতে পারেননি জনি কাউকো, রয় কৃষ্ণারা। তবে গোলের জন্য সবুজমেরুণকে বেশিক্ষণ অপেক্ষা করতে হয়নি। ম্যাচের ১৭ মিনিটে এগিয়ে যায় এটিকে মোহনবাগান। মাঝমাঠ থেকে বাঁদিকে লম্বা বল বাড়ান জনি কাউকো। বল ধরে বাঁদিক ধরে এগিয়ে গিয়ে নীচু সেন্টার করেন লিস্টন কোলাসো। বাঁপায়ের ফ্লিকে বল জালে পাঠান রয় কৃষ্ণা। চলতি মরশুমে তেমন ছন্দে না থাকলেও আসল সময়ে গোল করে দলকে এগিয়ে দিয়েছেন ফিজির এই স্ট্রাইকার। প্রথমার্ধের বাকি সময়ে আধিপত্য থাকলেও গোলসংখ্যা বাড়াতে পারেনি এটিকে মোহনবাগান। অন্যদিকে হায়দরাবাদ এফসি সমতা ফেরানোর জন্য মরিয়া হয়ে ওঠে। কিন্তু সবুজমেরুণের আঁটোসাঁটো রক্ষণের জন্য সফল হতে পারছিল না। অবশেষে প্রথমার্ধের ইনজুরি সময়ের একেবারে শেষ মুহূর্তে সবুজমেরুণ ডিফেন্সের ক্ষনিকের মনোসংযোগের অভাবে সমতা ফেরায় হায়দরাবাদ এফসি। কর্ণার থেকে জটলার মধ্যে বল পেয়ে চার ডিফেন্ডারের মাঝখান থেকে গোল করে সমতা ফেরান সেই বার্থোলোমিউ ওগবেচে। বিরতিতে যাওয়ার আগে এই গোলটাই মনোবল বাড়িয়ে দেয় হায়দরাবাদ এফসির। দ্বিতীয়ার্ধে এটিকে মোহনবাগান কোচ জুয়ান ফেরান্দোর একটা ভুল সিদ্ধান্তই ম্যাচে ফেরায় হায়দরাবাদ এফসিকে। লেনি রডরিগেজকে তুলে নেওয়ায় মাঝমাঠে অনেকটা ফাঁকা জায়গা তৈরি হয়। সেই সুযোগটা দারুণ ভাবে কাজে লাগায় হায়দরাবাদ। ৫৮ মিনিটে মাঝমাঠ থেকে বল পেয়ে সিভেরিওর উদ্দেশ্যে বাড়ান ওগবেচে। তিরি ও সন্দেশের যৌথ ট্যাকেলে বল ছিটকে যায় মহম্মদ ইয়াসিরের কাছে। বাঁপায়ের দুরন্ত শটে দলকে এগিয়ে দেন ইয়াসির। মিনিটে ব্যবধান বাড়ায় হায়দরাবাদ এফসি। বাঁদিক থেকে ইয়াসিরের কর্ণারে হেডে ৩১ করেন সিভেরিও। ৭৫ মিনিটে হুগো বোমাসের মাইনাস থেকে গোল করার সুযোগ এসেছিল জনি কাউকোর সামনে। কিন্তু তিনি কাজে লাগাতে পারেননি। শেষদিকে ব্যবধান কমানোর মরিয়া চেষ্টা করেও সফল হতে পারেনি এটিকে মোহনবাগান।

মার্চ ১২, ২০২২
খেলার দুনিয়া

লাঠি–ব্যাট–উইকেট নিয়ে মারামারি, ক্ষমতার দখল নিয়ে ধুন্ধুমার মোহনবাগান তাঁবু

কয়েক ঘন্টা পরেই আইএসএলের প্রথম পর্বের সেমিফাইনালে খেলতে নামবে এটিকে মোহনবাগান। তার কয়েকঘন্টা আগেই কিনা ক্ষমতার দখল নিয়ে ধুন্ধুমার কান্ড সবুজমেরুণ তাঁবুতে! হ্যাঁ, শনিবার এইরকম ঘটনারই সাক্ষী থাকল মোহনবাগান ক্লাব তাঁবু। নির্বাচনকে কেন্দ্র করে তাঁবুর বাইরে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ল দুই পক্ষ। ঘটনায় বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। তাঁদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরেই মোহনবাগান ক্লাবের নির্বাচন নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে ঠান্ডা লড়াই চলছিল। শনিবার ছিল মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষদিন। শেষদিনে হঠাৎ করে ধুন্ধুমার পরিস্থিতি তৈরি হয়। লাঠি, ক্রিকেট ব্যাট, উইকেট নিয়ে মারপিটে জড়িয়ে পড়ে দুই বিবাদমান গোষ্ঠী। একে অপরের দিকে তেড়ে যায়। লাঠিউইকেট নিয়ে আঘাত করে। ইটপাথরও ছোঁড়ে। ঘটনায় কয়েকজন সমর্থক আহত হন। পরিস্থিতি যখন চরমে ওঠে, ক্লাব তাঁবুর ভেতরে থাকা কর্তারা পুলিশকে ফোন করেন। গন্ডোগোলের খবর পেয়েই দ্রুত ছুটে আসে ময়দান থানার পুলিশ। লালবাজার থেকেও পুলিশের বিশাল বাহিনী হাজির হয়। লাঠি চালিয়ে দুই বিবাদমান গোষ্ঠীকে ছত্রভঙ্গ করে পুলিশ। কেন হঠাৎ করে এইরকম অগ্নিগর্ভ পরিস্থিতি তৈরি হল, তা নিয়ে অন্ধকারে ক্লাব কর্তারা। শনিবার ছিল ক্লাবের নির্বাচনে মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষদিন। বিকেল ৫ পর্যন্ত মনোনয়ন জমা দেওয়া যেত। কিন্তু দুপুর হতে না হতেও বেশকিছু সদস্যসমর্থক ক্লাব তাঁবুর বাইরে জড়ো হতে শুরু করেন। এরপরই সদস্যসমর্থকরা বাকবিতন্ডায় জড়িয়ে পড়েন। তারপর শুরু হয়ে যায় হাতাহাতি। একে অপরের দিকে লাঠি নিয়ে তেড়ে যায়। ক্লাব সচিব সত্যজিৎ চ্যাটার্জির গাড়ি ভাঙচুর করা হয়। পুলিশ এসে সব তথ্য সংগ্রহ করে। কেন দুই গোষ্ঠী সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ল, এই সংঘর্ষের নেপথ্যে কারা রয়েছে, তা জানার জন্য তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। সদস্যসমর্থকদের সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ার ব্যাপারে মোহনবাগানের শীর্ষ কর্তা দেবাশিস দত্ত বলেন, ক্লাব তাঁবুর বাইরে ঝামেলা হয়েছে। কারা ঝামেলা করেছে, কেন করেছে আমরা জানি না। ক্লাবের সঙ্গে এর কোনও সম্পর্ক নেই। কার সঙ্গে কী সমস্যা হয়েছে বলতে পারব না। পুলিশ তদন্ত করছে। একই কথা শোনা গেছে সত্যজিৎ চ্যাটার্জির মুখেও। গাড়ি ভাঙচুর নিয়ে পুলিশে তিনি কোনও অভিযোগও করছেন না।

মার্চ ১২, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌ভয় ওগবেচেকে, প্যারিস সাঁ জাঁ–র এই প্রাক্তন স্ট্রাইকারকে নিয়ে কী পরিকল্পনা জুয়ান ফেরান্দোর?‌

স্বপ্ন ছিল আইএসএলের লিগ শিল্ড জিতে এএফসি চ্যাম্পিয়ন্স লিগে খেলার ছাড়পত্র জোগাড় করা। লিগের শেষ ম্যাচে জামশেদপুর এফসির কাছে হেরে সে স্বপ্নের জলাঞ্জলি। সামনে আইএলএল খেতাব। আপাতত এটাই পাখির চোখ করছে এটিকে মোহনবাগান শিবির। সেই লক্ষ্য নিয়ে শনিবার হায়দরাবাদ এফসির বিরুদ্ধে প্রথম পর্বের সেমিফাইনালে নামছে সবুজমেরুণ ব্রিগেড। ফাইনালে ওঠার জন্য দ্বিতীয় পর্বের ম্যাচের ওপর নির্ভর করতে চান না এটিকে মোহনবাগান কোচ জুয়ান ফেরান্দো। তাঁর লক্ষ্য প্রথম পর্বের সেমিফাইনালেই ফাইনালের রাস্তা পরিস্কার করে নেওয়া।হায়দরাবাদ এফসির বিরুদ্ধে প্রথম পর্বের সেমিফাইনালে নামার আগে লিগ পর্যায়ের শেষ ম্যাচে জামশেদপুর এফসির কাছে হার মাথায় রাখছেন না জুয়ান ফেরান্দো। তাঁর কাছে ওই ম্যাচ এখন অতীত। অতীত ভুলে সামনের দিকে তাকাতে চান এটিকে মোহনবাগান কোচ। লিগ পর্যায়ে হায়দরবাদ এফসি একটা ম্যাচেও হারাতে পারেনি এটিকে মোহনবাগানকে। এমনকি সেই দুটি ম্যাচের কথাও মাথায় রাখছেন না জুয়ান ফেরান্দো। হায়দরাবাদ এফসির বিরুদ্ধে প্রথম পর্বের সেমিফাইনালে মাঠে নামার আগে তিনি বলেন, ওরা লিগে দুটো ম্যাচে আমাদের হারাতে পারেনি বলে আমরা বাড়তি সুবিধা নিয়ে মাঠে নামব, এটা ভাবার কোনও কারণ নেই। আমার মনে হয় না আগের ম্যাচগুলিতে কেমন খেলেছি তার প্রভাব সেমিফাইনালে পড়বে। হায়দরাবাদ আমাদের হারাতে পারেনি বলে তার কোনও সুবিধা আমরা পাব না। একটা ভাল দলের বিরুদ্ধে খেলতে নামছি। হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হবে।আইএসএলে লিগ টেবিলের শীর্ষে না পৌঁছতে পারলেও ফুটবলারদের মোটিভেশনের অভাব হবে না বলে মনে করছেন জুয়ান ফেরান্দো। তিনি বলেন, লিগশিল্ড এখন আমাদের কাছে অতীত। এখন সেমিফাইনাল ও পরে ফাইনাল আমাদের কাছে চ্যালেঞ্জ। পরে এএফসি কাপ আছে। ফলে ফুটবলারদের মোটিভশনের অভাব নেই। ফাইনালে ওঠার জন্য দুই পর্বের সেমিফাইনালে লড়তে হবে। এই প্রসঙ্গে জুয়ান ফেরান্দো বলেন, আমাদের সামনে এখন দুটো ম্যাচ। প্রতি ম্যাচই জিততে হবে, এমনই মানসিকতা রয়েছে আমাদের দলে। দুটো ম্যাচে আলাদা পরিকল্পনা নেই। দুটো ম্যাচই আমাদের জিততে হবে, এমনই ভাবনা আছে। এমন নয় যে সামনে কুড়িটা ম্যাচ আছে সামলে নেওয়া যাবে। তাই প্রতিটি মুহূর্তে মনংযোগ নিখুঁত থাকতে হবে এবং সারা ম্যাচে ফোকাসড থাকাটা খুবই জরুরি। দুরন্ত ফর্মে রয়েছেন বিপক্ষ শিবিরের একসময় প্যারিস সাঁ জাঁয় খেলা বার্থোলোমিউ ওগবেচে। এই মুরুত্তে ১৭ ম্যাচে ১৭ গোল করে আইএসএলে সর্বোচ্চ গোলদাতার তালিকায় শীর্ষে রয়েছেন। তাঁকে আটকাতে আলাদা পরিকল্পনা করেছেন এটিকে মোহনবাগান কোচ জুয়ান ফেরান্দো। তিনি বলেন, ওকে নিয়ে অবশ্যই পরিকল্পনা রয়েছে। কিন্তু সেটা এখন বলা যাবে না। তবে সত্যি বলতে, আমরা শুধু নিজেদের খেলা নিয়েই ভাবছি। কী ভাবে নিজেদের পায়ে বল রাখতে হবে, জায়গা বের করতে হবে, আক্রমণে উঠতে হবে। কালকের ম্যাচে আমাদের পরিকল্পনা এ রকমই। তবে নিজের দলের স্ট্রাইকারদের ব্যর্থতা ভাবাচ্ছে জুয়ান ফেরান্দোকে। একটাই স্বস্তি, সেমিফাইনালে হায়দররাবাদের বিরুদ্ধে হুগো বোমাসকে তিনি পাবেন।

মার্চ ১১, ২০২২
দেশ

পঞ্জাবে ঝাড়ু- ঝড়ে উড়ে গেল ক্যাপ্টেনের হাত

যাবতীয় জল্পনা ও বুথফেরত সমীক্ষা সত্যি করে পঞ্জাবে বিপুল জয়ের পথে দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়ালের আম আদমি পার্টি। পঞ্জাব জয় আপের পক্ষে খুব সহজ ছিল, এমনটা নয়। কারণ পঞ্জাবের রাজনীতিতে কংগ্রেস, অকালি দল, বিজেপির মত বাঘা বাঘা প্রতিপক্ষ থাকলেও তাদেরকে রীতিমতো নাস্তানাবুদ করে সীমান্তবর্তী রাজ্যে বিপুল জয়ের দিকে কেজরিওয়ালের আপ। আম আদমি পার্টির এই জয়ের পিছনে নির্দিষ্ট কিছু কারণ রয়েছে।যে পরিবর্তনের প্রত্যাশা থেকে পঞ্জাবের সাধারণ মানুষ কংগ্রেসকে ক্ষমতায় এনেছিল, ক্ষমতায় আসার পর থেকে দেখা গিয়েছে কংগ্রেস ও অকালি দলের কাজ করার পদ্ধতির মধ্য সাদৃশ্য রয়েছে। তাই সাধারণ জনগণ ধরেই নিয়ে ছিলে রাজ্যে দলের পরিবর্তন হলেও আপাতভাবে কোনও পরিবর্তন হয়নি। দীর্ঘ ৭০ বছর ধরে সেখান কংগ্রেস -বিজেপির মত বড় দলগুলি ক্ষমতায় ছিল, তাই আপকে সুযোগ দিয়েছে পঞ্জাবের জনতা।আপ প্রধান তথা দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল পঞ্জাবে নির্বাচনী প্রচারে গিয়ে বারবার নিজের দিল্লিতে তাঁর সরকারের কাজগুলি তুলে ধরেছিলেন। দিল্লিতে সরকারি শিক্ষাকেন্দ্রের উন্নত শিক্ষা, স্বাস্থ্যে উন্নয়ন, সস্তায় বিদ্যুৎ ও জলের মত গুরুত্বপূর্ণ পরিষেবার কথা তুলে ধরেছিলেন কেজরিওয়াল। পঞ্জাবে বিদ্যুতের দাম তুলনামূলকভাবে বেশি এবং সেখানে স্বাস্থ্য ব্যবস্থা অনেকাংশেই বেসরকারি হাসপাতালের ওপর নির্ভরশীল, সেখানে কেজরিওয়ালের দিল্লি মডেল সহজেই গৃহীত হয়েছে। আম আদমি পার্টি পঞ্জাবের মহিলা ও যুবদের বড় অংশের সমর্থন পেয়েছে। প্রত্যেক মাসে মহিলাদের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে সরাসরি ১ হাজার টাকা জমা দেওয়ার যে প্রতিশ্রুতি আম আদমি পার্টি দিয়েছিল। ভোটবাক্সে তারই প্রতিফলন হয়েছে।একটি ফোন নম্বর চালু করে সাধারণ মানুষের থেকে মতামত নিয়ে প্রাক্তন কমিডিয়ান তথা সাংসদ ভগবন্ত মানকে মুখ্যমন্ত্রী মুখ হিসেবে তুলে এনেছিল আপ। মানকে মুখ্যমন্ত্রী মুখ করায় বহিরাগত তকমা মুছে গিয়েছে।

মার্চ ১০, ২০২২
দেশ

শুরু উত্তরপ্রদেশ-সহ পাঁচ রাজ্যে ভোটগণনা, নজরে উত্তরপ্রদেশ-পঞ্জাব

উত্তরপ্রদেশ-সহ পাঁচ রাজ্যে শুরু হয়ে গিয়েছে বিধানসভা নির্বাচনের ভোটগণনা। বাকি চারটি রাজ্য হল-পঞ্জাব, গোয়া, উত্তরাখণ্ড ও মণিপুর। বৃহস্পতিবার সকাল আটটা থেকে শুরু হয়েছে ভোটগণনা, কোন দল জিতবে এই পাঁচটি রাজ্যে, সেই ফলাফল জানার অপেক্ষায় সমগ্র দেশ। রাজনৈতিক মহল তো বটে, গোটা দেশের নজর এখন এই পাঁচ রাজ্যের ফলাফলের দিকে। উত্তরপ্রদেশ, গোয়া, উত্তরাখণ্ড ও মণিপুর বিজেপির দখলে রয়েছে, পঞ্জাব কংগ্রেসের দখলে। প্রতিটি দলই জয়ের বিষয়ে প্রবল আত্মবিশ্বাসী। ত্রিস্তরীয় নিরাপত্তায় চলছে ভোটগণনা।উত্তরপ্রদেশে এবার লড়াই হয়েছে চতুর্মুখী। বিজেপি, সমাজবাদী পার্টি, কংগ্রেস ও বহুজন সমাজ পার্টির মধ্যে। গোয়ায় লড়াই হয়েছে বিজেপি, কংগ্রেস, আম আদমি পার্টির মধ্যে, লড়াইয়ে ছিল তৃণমূল কংগ্রেসও। পঞ্জাবে এবার জোরদার টক্কর হয়েছে বিজেপি এনডিএ জোট, কংগ্রেস ও আম আদমি পার্টির মধ্যে। উত্তরাখণ্ডে লড়াই মূলত বিজেপি ও কংগ্রেসের মধ্যে হয়েছে। উত্তর-পূর্বাঞ্চলের রাজ্য মণিপুরে লড়াই হয়েছে বিজেপি, কংগ্রেস জোট ও এনপিপি এবং এনপিএফ-এর মধ্যে। উত্তরপ্রদেশে এবার বিজেপিই জিতবে, ভোটগণনা সকালে এমনই দাবি করেছেন বিজেপি নেতা ব্রজেশ পাঠক ও রাজেশ্বর সিং। উত্তরাখণ্ডে কংগ্রেস জিতবে বলে আশাবাদী প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী হরিশ রাওয়াত। ভোটগণনা শুরু হওয়ার প্রাক্কালে এদিন সকালে গুরুদ্বারে গিয়ে প্রার্থনা করেছেন পঞ্জাবে আম আদমি পার্টির মুখ্যমন্ত্রী পদপ্রার্থী ভগবন্ত মান। প্রার্থনা করেছেন পঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী চরণজিৎ সিং চান্নিও।

মার্চ ১০, ২০২২
দেশ

অসমের পুরভোটে বিরাট জয় পেল বিজেপি, শুভেচ্ছা প্রধানমন্ত্রীর

অসমের পুরসভা নির্বাচনে বিরাট জয় হাসিল করল গেরুয়া শিবির। বিরোধী কংগ্রেস ধুয়েমুছে সাফ। অন্যান্য বিরোধী দলগুলিও দাগ কাটতে পারেনি। তাৎপর্যপূর্ণভাবে এবারই প্রথম অসমের পুরভোট হয়েছিল ইভিএমে। এর ফলে উত্তরপ্রদেশ-সহ পাঁচ রাজ্যের ভোট গণনার ঠিক আগের দিন বাড়তি আত্মবিশ্বাস পেয়ে গেল বিজেপি ।অসম নির্বাচন কমিশন সূত্রের খবর, যে ৮০টি পুরসভায় দিন দুই আগে নির্বাচন হয়েছে তার মধ্যে ৭৭টিতেই বিজেপি এবং জোটসঙ্গীরা বোর্ড গঠন করতে চলেছে। কংগ্রেস মাত্র একটি পুরসভায় বোর্ড গঠনে এগিয়ে। অসম গণ পরিষদ এগিয়ে মাত্র ২টি পুরসভায়। আসনের নিরিখে ফলাফল আরও চমকপ্রদ। অসমের মোট ৯৭৭ আসনের মধ্যে বিজেপির দখলে গিয়েছে ৮০৭টি। কংগ্রেসের দখলে গিয়েছে মাত্র ৭১টি আসন। অন্যান্য এবং নির্দলরাও কংগ্রেসের থেকে বেশি আসন পেয়েছে। তাঁদের দখলে গিয়েছে ৯৯টি আসন।Gratitude to the people of Assam for blessing BJP and our allies in the recently concluded municipal elections. This shows their faith in our Partys development agenda. I applaud our hardworking Karyakartas for their efforts and service among people. @BJP4Assam https://t.co/m4QteI8Ca7 Narendra Modi (@narendramodi) March 9, 2022এই বিরাট সাফল্যে স্বভাবতই উচ্ছ্বসিত গেরুয়া শিবির। অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা এই জয়ের কৃতিত্ব দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে। প্রধানমন্ত্রী নিজেও অসমের জয় নিয়ে টুইট করেছেন। এই বিপুল জনসমর্থনের জন্য অসমবাসীকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন তিনি।

মার্চ ০৯, ২০২২
খেলার দুনিয়া

স্বপ্নভঙ্গের যন্ত্রণা নিয়ে জুয়ান ফেরান্দোর চোখ এখন সেমিফাইনালের দিকে

আইএসএলের শেষের দিকে দুরন্ত ছন্দে এগিয়েছে জামশেদপুর এফসি। এইরকম দলের বিরুদ্ধে ২ গোলের ব্যবধানে জেতাটা যে যথেষ্ট কঠিন হবে, সেকথা জানতেন জুয়ান ফেরান্দো। তা সত্ত্বেও স্বপ্ন দেখেছিলেন এটিকে মোহনবাগান কোচ। দলকে লিগ শীর্ষে তোলার, লিগশিল্ড জেতার। একইসঙ্গে এএফসি চ্যাম্পিয়ন্স লিগে খেলার। জামশেদপুর এফসির কাছে হেরে কোনও স্বপ্নই পূরণ হয়নি জুয়ান ফেরান্দোর। স্বপ্নভঙ্গের যন্ত্রণা নিয়ে সবুজমেরুণ কোচের চোখ এখন আইএসএলের সেমিফাইনালের দিকে।২৪ ঘন্টা কাটতে না কাটতেই জামশেদপুর এফসি ম্যাচ অতীত হয়ে গেছে জুয়ান ফেরান্দোর কাছে। সেমিফাইনালের কথা বলে ফুটবলারদের মোটিভেট করতে শুরু করেছেন সবুজমেরুণ কোচ। লিগ শিল্ড হাতছাড়া হলেও এখনও আইএসএলে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার সুযোগ রয়েছে, ফুটবলারদের এই কথা বলে উদ্বুদ্ধ করতে শুরু করেছেন জুয়ান ফেরান্দো। জামশেদপুর এফসির বিরুদ্ধে জেতা কঠিন হবে, সেকথা স্বীকার করে নিয়েছেন। ফেরান্দো বলেন, জামশেদপুর এফসির মতো দলের বিরুদ্ধে ২ গোলের ব্যবধানে জেতাটা সহজ হবে না, জানতাম। ওরা গোল করার পর কাজটা আরও কঠিন হয়ে যায়। ম্যাচে ফেরার জন্য আমরা সবকিছুই করেছিলাম, কিন্তু সফল হতে পারিনি। খুব খারাপ লাগছে। এবার সেমিফাইনাল নিয়ে ভাবতে হবে।চোটের জন্য জামশেদপুর এফসির বিরুদ্ধে খেলতে পারেননি দলের সেরা আক্রমণাত্মক মিডফিল্ডার হুগো বোমাস। তাঁর না থাকাটা যে দলকে সমস্যায় ফেলেছে, মানতে নারাজ এটিকে মোহনবাগান কোচ। জুয়ান ফেরান্দো বলেন, কোনও একজন ফুটবলার ছিল না বলে অজুহাত দিতে চাই না। ফুটবলাররা সবরকম চেষ্টা করেছে। ওদের বক্সের সামনে প্রচুর পাস খেলেছি। একাধিক গোলের সুযোগও তৈরি হয়েছিল। কিন্তু ওদের রক্ষণভাগের দৃড়তার জন্য আমরা গোল পাইনি। সেমিফাইনালে সামনে লিগের দ্বিতীয় স্থানে থাকা হায়দরাবাদ এফসি। দারুণ লড়াই হবে, জানিয়েছেন জুয়ান ফেরান্দো। তাঁর কথায়, সেমিফাইনালে যতগুলো দল উঠেছে, সবাই যোগ্য দল হিসেবে উঠে এসেছে। চাপ তো থাকবেই। তবে হায়দরাবাদের মতো ভাল দলের বিরুদ্ধে খেলাটাও ভাল অভিজ্ঞতা। আমার মনে হয় নক আউট পর্বে প্রতিটা ম্যাচই ভাল হবে। প্রত্যেক দলই জেতার চেষ্টা করবে। তবে মনে হয়, ২০টা ম্যাচ হয়ে যাওয়ার পরে এ বার শেষ তিনটি ম্যাচ সবাই উপভোগ করার চেষ্টা করবে।

মার্চ ০৮, ২০২২
বিনোদুনিয়া

কবিতার বইতে জীবনের অভিজ্ঞতা তুলে ধরলেন অরুণা

আজ বিশ্ব মহিলা দিবস। সারা বিশ্ব জুড়ে এই দিনটি মহিলাদের জন্য উদযাপিত হয়। বিশ্ব মহিলা দিবস এর প্রাক্কালে অরুণা আরজা গুপ্তার কবিতার বই প্রকাশিত হল। অরুণার কবিতার বইয়ের নাম দ্য হার্ট হ্যাস ইটস এনসারস। বইটি সম্পাদনা করেছেন রিতা ভিমানী। অরুণা তার বই প্রসঙ্গে জানালেন, জীবনের অভিজ্ঞতাটা তুলে ধরা হয়েছে বইয়ের মাধ্যমে।আমি বইয়ের জন্য লিখিনি পুরোটা। পার্সোনাল জার্নালে কবিতাগুলো লেখা। বইয়ের জন্য ৪৮টি কবিতা আমি বেছে নিয়েছি। কলকাতায় ৪টি বুক স্টোরে আমার কবিতার বইটা পাওয়া যাচ্ছে। এই বই প্রসঙ্গে রীতা ভিমানী জানালেন, খুব ভালো দিনে বইটা লঞ্চ হচ্ছে। আমরা ওমেন্স ডে সেলিব্রেট করছি। আমার একটা জিনিস ভালো লেগেছে যে অরুণা ভারতীয় মেয়ে হয়ে আমেরিকা থাকলেও সেখানে গান-বাজনাও করছে, লেখালিখিও করছে আবার সংসার ও চালাচ্ছে। এর মধ্যে ও যে কবিতার বইটা লিখে ফেলল সেটা আমার খুব ভালো লাগলো।

মার্চ ০৮, ২০২২
খেলার দুনিয়া

জামশেদপুরের কাছে হেরে লিগ–শিল্ড জেতার স্বপ্ন অপূর্নই থেকে গেল এটিকে মোহনবাগানের

লিগশিল্ড কাপ জেতার জন্য ২ গোলের ব্যবধানে জিততে হত এটিকে মোহনবাগানকে। স্বপ্ন দেখেছিলেন বাগান কোচ জুয়ান ফেরান্দো। দলের ফরোয়ার্ডদের ব্যর্থতায় স্বপ্নপূরণ হল না। জামশেদপুর এফসির কাছে আইএসএলের লিগ পর্বের শেষ ম্যাচে ১০ ব্যবধানে হেরে গত মরশুমের মতো এবছরও লিগশিল্ড জেতার স্বপ্ন অপূর্নই থেকে গেল সবুজমেরুণ ব্রিগেডের। ২০ ম্যাচে ৩৭ পয়েন্টে লিগ টেবিলে তৃতীয় স্থানে শেষ করল এটিকে মোহনবাগান। ৪৩ পয়েন্টে শীর্ষে জামশেদপুর এফসি। ৩৮ পয়েন্টে দ্বিতীয় স্থানে হায়দরাবাদ এফসি। সেমিফাইনালে এটিকে মোহনবাগান খেলবে হায়দরাবাদের বিরুদ্ধে। অন্য সেমিফাইনালে জামশেদপুর এফসি খেলবে চতুর্থ স্থানে থাকা কেরালা ব্লাস্টার্সের (৩৪ পয়েন্ট) বিরুদ্ধে।জেতার কথা মাথায় রেখে প্রথম থেকেই আক্রমণাত্মক মেজাজে খেলতে শুরু করে সবুজমেরুণ ব্রিগেড। ম্যাচের প্রথমার্ধে দারুণ দাপট ছিল রয় কৃষ্ণা, লিস্টন কোলাসোদের। কিন্তু গোল তুলে নিতে পারেনি। একের পর এক সুযোগ নষ্ট করেন জনি কাউকো, লিস্টন কোলাসোরা। ১৪ মিনিটে এগিয়ে যেতে পারত এটিকে মোহনবাগান। জনি কাউকোর দুরন্ত ব্যাকহিল থেকে সুবিধাজনক জায়গায় বল পান শুভাশিস বসু। কিন্তু তিনি তিনকাঠির মধ্যে শট রাখতে পারেননি। ২ মিনিট পর আবার সুযোগ এসে গিয়েছিল এটিকে মোহনবাগানের সামনে। লিস্টন কোলাসোর কাছ থেকে বল পেয়ে গোল লক্ষ্য করে শট নেন জনি কাউকো। এল সাবিয়ার মাথায় লেগে বল বাইরে যায়। দ্বিতীয়ার্ধের শুরুর মিনিট আটেকের মধ্যেই কার্ল ম্যাকহিউকে তুলে ডেভিড উইলিয়ামসকে মাঠে নামান এটিকে মোহনবাগান কোচ জুয়ান ফেরান্দো। এই পরিবর্তনটাই ব্যাকফুটে ঠেলে দেয় সবুজমেরুণ শিবিরকে। মাঝমাঠের রাশ আলগা হয়ে যায় এটিকে মোহনবাগানের। দখল নিয়ে নেয় জামশেদপুর এফসি। ধীরে ধীরে তারা খেলায় ফেরে।৫৬ মিনিটে এগিয়ে যায় জামশেদপুর এফসি। স্টুয়ার্ট বল ধরে গোল লক্ষ্য করে শট নিতে গেলে লেনি রডরিগেজের পায়ে লেগে ঋত্ত্বিক দাসের কাছে যায়। ঠান্ডা মাথায় জোরালো শটে দলকে এগিয়ে দেন ঋত্ত্বিক দাস। ৬৫ মিনিটে সমতা ফেরানোর সুযোগ পেয়েছিল এটিকে মোহনবাগান। জনি কাউকোর কাছ থেকে বল পেয়ে ডেভিড উইলিয়ামস দুরন্ত শট নিয়েছিলেন। ততোধিক তৎপরতার সঙ্গে বাঁচান জামশেদপুর এফসি গোলকিপার টিপি রেহেনেশ।ম্যাচের শেষলগ্নে একের পর এক আক্রমণ তুলে নিয়ে আসছিলেন রয় কৃষ্ণা, ডেভিড উইলিয়ামসরা। কিন্তু তিন কাঠি ভেদ করতে পারেননি। ৯০ মিনিটে সুবর্ণ সুযোগ নষ্ট করেন ডেভিড উইলিয়ামস। ম্যাচের ইনজুরি সময়ে লিস্টন কোলাসো বল সাজিয়ে দেন জনি কাউকোকে। ৬ গজ বক্সের মধ্যে থেকে বারের ওপর দিয়ে উড়িয়ে দেন। অসংখ্য সুযোগ নষ্ট করে জয় অধরা থেকে গেল এটিকে মোহনবাগানের। আসলে দিনটা সবুজমেরুণের ছিল না।

মার্চ ০৭, ২০২২
দেশ

টিভি-তে বাচ্চাদের অনুষ্ঠান থেকে জাঙ্ক ফুডের বিজ্ঞাপন ও স্টান্ট বন্ধ করার পরামর্শ

কেন্দ্রীয় মহিলা ও শিশু উন্নয়ন মন্ত্রক পরামর্শ দিয়েছে যে শিশুদের অনুষ্ঠানের সময় কোনও জাঙ্ক ফুডের বিজ্ঞাপন প্রচার করা উচিত নয়। এ বিষয় একটি বৈঠকে কেন্দ্রীয় সরকারের উচ্চপদস্থ অফিসারদের সঙ্গে আলোচনা করা হয়। আর সেই সভায় ক্রেতা সুরক্ষা দফতরের সচিব রহিত কুমার সিং সভাপতিত্ব করেন।রহিত কুমার সিং ছাড়াও সেই সভায় উপস্থিত ছিলেন স্বরাষ্ট্র , স্বাস্থ্য এবং তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রকের সচিবরা। আর সেখানেই শিশুদের অনুষ্ঠানের মাঝে জাঙ্ক ফুডের বিজ্ঞাপন নিষেধ করার প্রস্তাব দেন কেন্দ্রীয় নারী ও শিশু কল্যাণ মন্ত্রক। পাশাপাশি শিশুদের জন্য সম্প্রচারিত নানা অনুষ্ঠানে ডিএইচএ ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড-এর বিজ্ঞাপন দেখানো বন্ধ করার প্রস্তাব দেন ওই অফিসার। এর কারণ হিসেবে তিনি বলেন, জাতীয় পারিবারিক স্বাস্থ্য সমীক্ষার পরিসংখ্যান উদ্ধৃত করে জানান সম্প্রতি শিশুদের মধ্যে মোটা হওয়ার প্রবণতা বাড়ছে।১৭ ফেব্রুয়ারী অনুষ্ঠিত বৈঠকে, ডব্লিউসিডি মন্ত্রকের এক আধিকারিক পরামর্শ দিয়েছিলেন যে শিশুদের অনুষ্ঠানের সময় জাঙ্ক ফুডের বিজ্ঞাপনগুলিকে অনুমতি দেওয়া একেবারেই উচিত নয়। আধিকারিকরা আরও পর্যবেক্ষণ করেছেন যে কার্বনেটেড পানীয়ের বিজ্ঞাপনগুলি একেবারেই দেখানো উচিত নয়, এই ধরনের বেশীরভাগ বিজ্ঞাপণেই সেলিব্রিটিদের বিপজ্জনক স্টান্ট করতে দেখা যায়। ডব্লিউসিডি মন্ত্রকের আধিকারিকরা আরও জানিয়েছেন যে, কিছু সংস্থা আছেন যারা তাঁদের পণ্যের বিজ্ঞাপনে ডিএইচএ ওমেগা ৩ ফ্যাটি অ্যাসিডের মতো স্বাস্থ্য পরিপূরক এর প্রচার করেন এবং তারা দাবি করেন এতে মস্তিষ্কের বিকাশ হবে। মন্ত্রক এই ধরনের প্রচার একেবারেই সমর্থন করে না। পাশাপাশি ওই বৈঠকে ২০২১ সালের কেন্দ্ৰীয় ক্রেতা সুরক্ষা কর্তৃপক্ষের নির্দেশিকা নিয়েও আলোচনা করা হয়। মূলত শিশুদের উদ্দেশ্যে যে বিজ্ঞাপনগুলি তৈরি করা হয়, তাদের বিষয়ে বিস্তারিতভাবে ওই নির্দেশিকায় বলা হয়েছে। ২০১৯ সালের ক্রেতা সুরক্ষা আইন অনুযায়ী ওই নির্দেশিকা তৈরি করা হয়।শিশুদের অনুষ্ঠানে স্টান্ট এ নিশেধাজ্ঞাএই নির্দেশিকাগুলির প্রথম খসড়াটি ২০২০ তে ক্রেতা সুরক্ষা বিভাগ থেকে প্রকাশিত হয়েছিল এবং এতে জাঙ্ক ফুডের বিজ্ঞাপন সম্পর্কিত নির্দিষ্ট বিধান ছিল না। এই খসড়ায়, সরকারের উদ্দেশ্য ছিল বিজ্ঞাপনগুলিতে সেই সমস্ত আচরণ নিষিদ্ধ করা যেগুলি শিশুদের জন্য বিপজ্জনক হতে পারে বা তাদের মানসিক স্বাস্থ্যকে বিশেষ ভাবে প্রভাবিত করতে পারে।খসড়া-র নির্দেশিকাতে আরও স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে যে বাচ্চাদের ব্যবহারযোগ্য পণ্য গুলিতে কোনও ভাবেই উল্লেখ করা যাবে না যে সেই পণ্য ব্যবহার না করলে তার বিশেষ ক্ষতি হয়ে যাবে। এবং তাঁদের অনভিজ্ঞতা, বিশ্বাসযোগ্যতা বা বিশ্বস্ততার সুযোগ নিয়ে ভুল ভাবে কোনও পরিষেবার বৈশিষ্ট্যগুলিকে অতিরঞ্জিত করবে না যা শিশুদের অবাস্তব প্রত্যাশার দিকে পরিচালিত করতে পারে।খসড়া নির্দেশিকাতে আরও বলা হয়েছে যে, বিজ্ঞাপনগুলি কোনভাবেই শিশুদের উদ্দেশ্য করে ইঙ্গিত করবে না যে তারা নির্দিষ্ট পণ্য ব্যাবহার না করলে অন্য শিশুরা তাঁকে দেখে উপহাস করবে, অন্যদের থেকে তারা নিকৃষ্ট হয়ে যাবে বা কম জনপ্রিয় হবে। এবং শিশুদের একটি পণ্য বা পরিষেবা কেনার জন্য বা তাদের পিতামাতা, অভিভাবক বা অন্যান্য ব্যক্তিদের প্ররোচিত করার জন্য সরাসরি পরামর্শ যাতে সেই বিজ্ঞাপনে না থাকে। তামাক বা অ্যালকোহল-ভিত্তিক কোনও পণ্য-র প্রচারকারী বিজ্ঞাপনগুলিতে শিশুদের দেখানোর উপর নিষেধাজ্ঞার প্রস্তাবও করা হয়েছে।ক্রেতা সুরক্ষা আইনের ১০ নং ধারায়, কেন্দ্রীয় ক্রেতা সুরক্ষা কর্তৃপক্ষকে উপভোক্তাদের অধিকার লঙ্ঘন, অন্যায্য ব্যবসায়িক অভ্যাস, এবং জনসাধারণ এবং উপভোক্তাদের স্বার্থের কথা মাথায় রেখে ক্ষতিকর মিথ্যা বা বিভ্রান্তিকর বিজ্ঞাপন সম্পর্কিত বিষয়গুলি নিয়ন্ত্রিত করার ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। বিভ্রান্তিকর বিজ্ঞাপনের এই আইনে জন্য জরিমানাও ধার্য করা হয়েছে, যা ১০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত নেওয়া যেতে পারে। এবং বিভ্রান্তিকর বিজ্ঞাপনের সমর্থনকারীদেরকে তিন বছর পর্যন্ত হাজত বাস হতে পারে।

মার্চ ০৭, ২০২২
বিনোদুনিয়া

বিশেষ সম্মানে সম্মানিত পরিচালক অরূপ সেনগুপ্ত

ইতিমধ্যে অরূপ সেনগুপ্ত নামটি সোশ্যাল মিডিয়ায় বেশ পরিচিত। বলিউড থেকে একাধিক স্বপ্ন নিয়ে অরূপ বাংলা ইন্ডাস্ট্রিতে পা রাখেন। পরিচালনা করতে থাকেন চার এক্কে প্যাঁচ, এ.কে.Ray, Unethical-র মতো শর্টফিল্ম। এর আগেও বেশ কয়েকটি অ্যাওয়ার্ড জিতে নিয়েছে তার পরিচালিত শর্টফিল্ম আনএথিক্যাল। কিন্তু এবার তামিল ইন্টারন্যাশনাল ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল-এ মনোনীত হয় অরূপ সেনগুপ্ত পরিচালিত আরোহন প্রোডাকশন এর প্রযোজিত ছবি আনএথিক্যাল এবং জিতে নেন বেস্ট কনসেপ্টচুয়্যাল অ্যাওয়ার্ডস। অরূপ সেনগুপ্ত পরিচালিত আনএথিক্যাল-এ অভিনয় করেছেন তন্ময় ভট্টাচার্য, পৌলমী দাস, পূজা গাঙ্গুলি এবং সুপর্ণা চ্যাটার্জী। অরূপ সেনগুপ্তের হাত ধরে প্রথম বাংলা সিনেমার জগতে পা রাখতে চলেছে তন্ময়। এই ছবির অ্যাওয়ার্ড নিয়ে জনতার কথা কে অরূপ জানান, এই ছবিটা ২৭ মিনিটের। অ্যাওয়ার্ড সেরিমনি অনুষ্ঠিত হয়েছে অনলাইনে। খুব ভালো লাগছে।

মার্চ ০৭, ২০২২
রাজ্য

'বর্জ্য ই সম্পদ', একবিংশ শতাব্দীর সবচেয়ে বড় হুমকি 'বর্জ্য' নিয়ে জোড় প্রচারাভিযান গুসকরা তে

মানব সভ্যতা উন্নয়নের সাথে সাথে মানবজাতির যত উপকার সাধন হয়েছে বিভিন্ন ধরনের সমস্যাও ততটাই প্রকট হয়ে উঠেছে। আজকের পৃথিবীতে অন্যতম চ্যালেঞ্জ হচ্ছে যথাযথ বর্জ্য ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে প্রকৃতিকে জীবের বসবাস যোগ্য রাখা। বিশ্বে জনসংখ্যা বৃদ্ধির সাথে সাথে বর্জ্যের পরিমাণও মাত্রাতিরিক্ত বেড়ে চলেছে।বর্জ্য, বর্তমান বিশ্বে সবচেয়ে বড়ো হুমকি (Threats)। বর্জ্য অপসারণ একটি বিশ্বব্যাপী ভয়ানক সমস্যা। উন্নত দেশগুলি এব্যাপারে অধিক সচেতন হলেও, অনুন্নত বা উন্নয়নশীল দেশ গুলি এখনও সেভাবে ব্যবস্থা নিতে ব্যর্থ। ভারতবর্ষে কিছু কিছু রাজ্য সফলভাবে এই কাজটি মোকাবিলা করলেও, অনেক রাজ্য এর পরিণতি অনুধাবন করতে পারেনি।বিভিন্ন ধরণের বর্জ্য বা আবর্জনা আছে, এবং সেগুলি ধ্বংশ করার প্রক্রিয়াও বৈচিত্র্যময়ঃ জ্বলন, দাফন, সঞ্চয় এবং আরও নানারকম ভাবে এটি ধ্বংস করা হয়। বর্জ্য নিষ্পত্তি করার পদ্ধতিটি নির্বাচন করতে গেলে অবশ্যই বর্জ্যটিকে সঠিকভাবে শ্রেণিবদ্ধ করতে হবে।এই কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় গুসকরা পৌরসভার সাথে কাজ শুরু করেছে রাজ্য নগর উন্নয়ন দপ্তরের নিয়োগ করা সংস্থা দিগম্বরপুর অঙ্গিকার। আধুনিক উপায়ে বর্জ্য অপসারণের সুবিধার জন্য প্রতিটি বাড়িতে নীল-সবুজ বালতি বিলি করেছে গুসকরা পৌরসভা। যাতে পচনশীল (সবুজ বালতি তে) এবং অপচনশীল আবর্জনা (নীল বালতি তে) আলাদা করে রাখেন নাগরিকরা। প্রতিটি পৌরসভার দুটি ওয়ার্ড কে মডেল করে এই কাজের নির্দেশ দিয়েছেন রাজ্য সরকার। গুসকরা পৌরসভা তে ১০ ও ১১ নম্বর ওয়ার্ড মডেল ওয়ার্ড হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। কিন্তু নাগরিকদের বড় অংশের মধ্যে সচেতনতার অভাব রয়েছে যথেষ্ট।গুসকরা পৌরসভার প্রোজেক্ট কোয়ার্ডিনেটার অভিষেক দলুই,জনতার কথা কে জানান, আমারা পৌরসভার জনস্বাস্থ্য বিভাগের কর্মীদের সাথে বাড়ি বাড়ি ঘুরে প্রচার চালাছি। কোভিড ভ্যাকসিন সেন্টার ও দুয়ারে সরকার প্রকল্প যেখানে একসাথে অনেক মানুষের সমাগম হয় সেখানে ও আমার ক্যাম্প করে মানুষের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধির চেষ্টা করছি।পৌরসভার সাধারণ মানুষ যখন কোনো প্রকল্পের সুবিধার জন্য দুয়ারে সরকার -এ আসছেন আমার বর্জ্য পৃথকীকরণের সুফল তাদের কে বোঝাচ্ছি। বর্জ্য ই সম্পদ (Waste is Wealth) এবং কোন বর্জ্য কিভাবে কাজে লাগিয়ে শহর-কে পরিস্কার রাখা যায় তা ও জানানো হচ্ছে। একটি করে প্রচার পুস্তিকা তাদেরকে দেওয়া হচ্ছে জনসচেতনতা বৃদ্ধি করার জন্য। স্টেট আরবান ডেভলপমেন্ট এজেন্সি ১২৭টি পুরসভার দ্বায়িত্ব কয়েকটি সংস্থা কে দিয়েছেন। পুর্ব-বর্ধমান জেলায় গুসকরা তে দিগম্বরপুর অঙ্গিকার এই সচেতনতা অভিযান চালাচ্ছে। এছাড়াও কালনা, দাঁইহাট, কাটোয়া তেও একই সংস্থা প্রচারাভিযান চালাচ্ছে।

মার্চ ০৭, ২০২২
রাজ্য

এ এক মন ভালো করা কাহিনী, ক্যানসারকে দূরে সরিয়ে কঠিন লড়াই মাধ্যমিক পরীক্ষার্থী সামিনার

শরীরে বাসা বেঁধেছে মারণ ব্যাধি ক্যানসার। তা বলে জীবনযুদ্ধে হার মানতে চায়না ছাত্রী সামিনা খাতুন। তাঁর একটাই লক্ষ্য, মারণ ব্যাধির সব জ্বালা যন্ত্রণা সব সহ্য করে নিয়েও সাফল্যের সাফল্যের সঙ্গে মাধ্যমিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়া। সেই লক্ষ্য পূরণের জন্য মনের জেদকে সম্বল করেই কিশোরী সামিনা সোমবার বসতে চলেছে মাধ্যমিক পরীক্ষায়। লেখাপড়া শেখার জন্য ছাত্রী সামিনার এমন জীবন সংগ্রামের সাথী হয়েছেন তাঁর বিদ্যালয়ের শিক্ষকরাও। মাধ্যমিক পরীক্ষা দিতে সামিনার যাতে কোন অসুবিধা না হয় সেই ব্যাপারেও প্রয়োজনীয় সমস্ত ব্যবস্থা নিয়ে রেখেছেন বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা। এই বছর পূর্ব বর্ধমান জেলায় মাধ্যমিক পরীক্ষার্থী ৫৫ হাজার ৪৪৯ জন। তার মধ্যে ছাত্র রয়েছে ২৪,১৩৮ জন । আর ছাত্রী রয়েছে ৩১,৩১৫ জন। এই পরিসংখ্যানই স্পষ্ট করে দিয়েছে এই বছর জেলায় ছাত্রদের থেকে ৭ হাজার বেশী ছাত্রী মাধ্যমিক পরীক্ষা দেবে। সেই ছাত্রীদের মধ্যেই একজন জেলার জামালপুর ব্লকের রামনাথপুর গ্রাম নিবাসী ছাত্রী সামিনা খাতুন। রামনাথপুরের শেখ পাড়ার এক দরিদ্র পরিবারের মেয়ে সামিনা। ছোট্ট দুকুঠুরি ঘরে পরিবারের সকলে বসবাস করেন। সামিনার বাবা শেখ আলম খেতমজুরির কাজ করেন। মা নূরজাহান বেগম সাধারণ গৃহবধূ। সামিনার দিদি আসলিমা বিবাহিতা।ছোট বয়স থেকেই লেখাপড়া শেখার বিষয়ে সামিনার আগ্রহ তৈরি হয়। তাঁর বাবা তাঁকে নিয়ে গিয়ে ভর্তি করেন গ্রামের প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাঠ সম্পূর্ণ করে সামিনা ভর্তি হয় স্থানীয় বনবিবিতলা উচ্চ বিদ্যালয়ে। একের পর এক ক্লাসের পরীক্ষায় পাশ করে সামিনা অষ্টম শ্রেণীতে উত্তির্ণ হয়।এই পর্যন্ত সবকিছু ঠিকঠাক থাকলেও সামিনার জীবনে ছন্দপতন ঘটে যায় এরপরেই। অষ্টম শ্রেণীতে পাঠরত কালেই ছাত্রী সামিনার শারীরিক অসুস্থতা শুরু হয়। তাঁর বাবা মা তাঁকে জামালপুর ব্লক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে গিয়ে চিকিৎসা করান।পরিবারের সকলে তখন মনে করেছিলেন জামালপুর হাসপাতালের ডাক্তারবাবুদের চিকিৎসাতেই সামিনা সুস্থ হয়ে উঠবে। কিন্তু তা হয় না। বিভিন্ন ডাক্তারি পরীক্ষার রিপোর্টে ধরা পড়ে সামিনার শরীরে বাসা বেঁধেছে মারণ ব্যাধি। তারপর থেকে টানা দুবছর ধরে তাঁর ক্যানসার রোগের চিকিৎসা চলছে।এখন নিয়ম করে সামিনাকে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে গিয়ে কেমো থেরাপি ও রেডিয়েশন থেরাপি নিতে যেতে হয়। এর জন্য মাথার চুল সব উঠে যাওয়ায় সামিনা প্রথমে একটু মুষড়ে পড়েছিল ঠিকই। তবে এখন তা নিয়ে সামিনা আর মাথা ঘামাতে চায় না। এখন তাঁর একটাই স্বপ্ন সফল ভাবে মাধ্যমিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়া। সমিনা জানিয়েছে, তাঁর দুই কানের নিচে গলার অংশে ক্যানসার বাসা বেঁধেছে বলে চিকিৎসকরা জানিয়েছেন। চিকিৎসা চলছে ঠিকই তবে এখনও খাওয়া দাওয়া সে ভালভাবে করতে পারে না। গলায় খুব ব্যাথা থাকায় ভাত গিলে খেতে পারে না। শুধু পাতলা সুজি কোন রকমে খেয়ে দিনের পরদিন তাঁকে পেট ভরাতে হচ্ছে। তবে কষ্ট যাই থাক লেখাপড়া ছেড়ে দিয়ে সে বিছানায় শুয়ে থেকে দিন কাটাতে চায় না।সামিনা জানায়, তাঁকে মাধ্যমিক পরীক্ষায় সফল ভাবে উত্তীর্ণ হতে হবেই। তাই মারণ ব্যাধির সব জ্বালাযন্ত্রনা সহ্য করে নিয়ে সোমবার থেকে মাধ্যমিক পরীক্ষা দেবার জন্য মনোনিবেশ করেছে বলে আত্মবিশ্বাসী সামিনা এদিন জানিয়েছে।ছাত্রী সামিনার বাবা শেখ আলম বলেন, আমি খেতমজুরির কাজ করে যে টুকু রোজগার করি তা দিয়েই পরিবারের সকলের দিন গুজরান হয়। দুবছর ধরে আমার ছোট মেয়ে সামিনার ক্যানসার রোগের চিকিৎসা চলছে। মেয়ে এতবড় কঠিন রোগে আক্রান্ত হলেও অর্থের অভাবে তাঁকে পুষ্টিকর খাবারদাবার কিছুই দিতে পারি না।মেয়ের স্কুলের শিক্ষক মহাশয়গণ ছাড়াও জামালপুর পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি মেহেমুদ খাঁন, কর্মাধ্যক্ষ ভূতনাথ মালিক, স্কুলের পরিচালন কমিটির সদস্য শেখ জিয়ারুল রহমান সহ আরও কয়েকজন শুভানু্ধ্যায়ী আর্থিক সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন। তাই কেমো থেরাপি ও রেডিয়েশন থেরাপির জন্য মেয়েকে নিয়মিত বর্ধমান হাপাতালে নিয়ে যাওয়া নিয়ে আসা ও ওষুধের খরচ জোগাড় করতে পারছি। আলম বাবু আরও বলেন, কঠিন রোগে আক্রান্ত হলেও তাঁর মেয়ে দমে যায়নি। সফল ভাবে মাধ্যমিক পরীক্ষায় পাশ করার জন্য সে এতদিন পুরোদমে পড়াশুনা চালিয়ে গিয়েছে । সামিনার মা নূরজাহান বেগম বলেন, বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাপাতালেই তাঁর মেয়ের চিকিৎসা চলছে। কোন সহৃদয় মানুষ যদি সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেন তবে মেয়েকে ভিন রাজ্যের বড় কোন হাসপাতালে চিকিৎসা করাতে নিয়ে যেতে পারেন।বনবিবিতলা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শ্যামল রায় বলেন, সামিনা খাতুন আমাদের বিদ্যালয়ের এ- বছরের মাধ্যমিক পরীক্ষার্থী। দুবছর আগে ওর শরীরে ক্যানসার ধরা পড়ে। তারপর থেকে ধারাবাহিক ভাবে ওর চিকিৎসা চলছে। চিকিৎসার জন্য বিদ্যালয়ের তরফে যতটা সম্ভব সামিনাকে সাহায্য করা হয়েছে। সামিনা মাধ্যমিক পরীক্ষায় স-সন্মানে যাতে উত্তীর্ণ হতে পারে তার জন্য বিদ্যালয়ের তরফে সমস্তরকম সহযোগিতা ওর জন্য থাকছে। শ্যামল বাবু এও বলেন, সামিনা আমাদের চোখে জীবন সংগ্রামের যোদ্ধা। জীবন যুদ্ধেও সামিনা যাতে জয়ী হতে পারে সেই লড়াইয়েও সামিনার পাশে রয়েছেন বিদ্যালয়ের সকল শিক্ষক শিক্ষিকারা। মাধ্যমিক পরীক্ষার সেন্টার কমিটির বৈঠকের সময়ে সামিনার অসুস্থতার বিষয়টি বিদ্যালয়ের তরফে লিখিত ভাবে জানিয়ে রাখা হয়েছে।পরিক্ষার দিনগুলিতেও সামিনাকে যাতে কোন অসুবিধায় পড়তে না হয় সেই বিষয়েও বিদ্যালয় নজর রাখবে বলে প্রধান শিক্ষক জানিয়েছেন। জামালপুর ব্লকের বিডিও শুভঙ্কর মজুমদার জানিয়েছেন,ব্লক প্রশাসনও মাধ্যমিক পরীক্ষার সময়ে অসুস্থ ছাত্রী সামিনার পাশে থাকবে। ওর যাতে কোন অসুবিধা না হয় সেই ব্যাপারে প্রয়োজনীয় যা যা ব্যবস্থা নেওয়ার প্রয়োজন হবে তা নেওয়া হবে।

মার্চ ০৬, ২০২২
খেলার দুনিয়া

দুটি লক্ষ্য নিয়ে জামশেদপুরের বিরুদ্ধে মাঠে নামছে এটিকে মোহনবাগান। সেই দুটি লক্ষ্য কী?‌

দুটি লক্ষ্য নিয়ে সোমবার আইএসএলে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ খেলতে নামছে এটিকে মোহনবাগান। এক, লিগ টেবিলের শীর্ষে থেকে লিগ উইনার্স শিল্ড জেতা। দুই, এএফসি চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ছাড়পত্র জোগাড় করা। আইএসএলে লিগ পর্যায়ে নিজেদের শেষ ম্যাচে জামশেদপুর এফসির বিরুদ্ধে ২ গোলের ব্যবধানে জিতলেই দুটি লক্ষ্য পূরণ হবে এটিকে মোহনবাগানের। সবুজমেরুণ কোচ জুয়ান ফেরান্দো মনে করেন তাংর দলের ২৩ গোলের ব্যবধানে জেতার ক্ষমতা আছে।গত মরশুমে অল্পের জন্য লিগ টেবিলের শীর্ষে পৌঁছতে পারেনি এটিকে মোহনবাগান। এমনকি গোটা আইএসএলে দুর্দান্ত ফুটবল উপহার দিয়েও রানার্স হয়েই সন্তুষ্ট হয়েছিল আন্তোনীও হাবাসের দলকে। এই মরশুমে হাবাসের কোচিংয়ে প্রথম দিকে ছন্দে ছিল না সবুজমেরুণ ব্রিগেড। তাঁকে সরিয়ে জুয়ান ফেরান্দোকে দায়িত্ব দিতেই ঘুরে দাঁড়ায় এটিকে মোহনবাগান। ফেরান্দোর সামনে এবার চ্যালেঞ্জ দলকে এএফসি চ্যাম্পিয়ন্স লিগে খেলার সুযোগ করে দেওয়া। সামনে মাত্র আর একটা ধাপ। জামশেদপুর এফসিকে ২ গোলের ব্যবধানে হারালেই অভীষ্ট লক্ষ্যে পৌঁছে যাবে এটিকে মোহনবাগান। সবুজমেরুণ ব্রিগেডের সামনে লক্ষ্যটা যথেষ্ট কঠিন। কারণ এই মুহূর্তে দুর্দান্ত ছন্দে রয়েছে জামশেদপুর এফসি। আগের ম্যাচে ওডিশা এফসিকে ৫১ ব্যবধানে উড়িয়েছে দিয়েছে, গোলের মধ্যে রয়েছেন এসসি ইস্টবেঙ্গলের বাতিল ঘোড়া ড্যানিয়েল চিমা। ৮ ম্যাচে ৭ গোল করে রীতিমতো নজর কেড়েছেন জামশেদপুর এফসির জার্সিতে। লিগ শীর্ষে পৌঁছতে গেলে এইরকম শক্তিশালী দলের বিরুদ্ধে ২ গোলের ব্যবধানে জিততে হবে এটিকে মোহনবাগানকে। যা যথেষ্ট চ্যালেঞ্জিং। প্রথম পর্বে এই জামশেদপুর এফসির কাছে ২১ ব্যবধানে হেরেছিল এটিকে মোহনবাগান। সেই ম্যাচের কথা মাথায় রাখছেন না বাগান কোচ জুয়ান ফেরান্দো। জামশেদপুরকে ২ গোলের ব্যবধানে হারানোর চ্যালেঞ্জ নিচ্ছেন। তাঁর বিশ্বাস, ফুটবলাররা পরিকল্পনামাফিক খেলতে পারলে জামশেদপুরকে ২ গোলের ব্যবধানে হারানো সম্ভব। তিনি বলেন, এটা একটা বড় চ্যালেঞ্জ। চ্যাম্পিয়নশিপ জিততে গেলে প্রতি ম্যাচে তিন পয়েন্ট জেতার লক্ষ্য নিয়ে মাঠে নামতে হয়। আমাদের ২০ বা ৩০ গোলে জিততে হবে, এটা একটা ভাল চ্যালেঞ্জ। এর আগে প্রায় সব ম্যাচেই আমরা এরকম লক্ষ্য নিয়েই নেমেছি। তাই অসুবিধা হওয়ার কথা নয়। এখন প্রতি মিনিট ধরে ধরে খেলতে হবে। শেষ ম্যাচে লিগশিল্ড জেতার এটা একটা বড় সুযোগ। এর জন্য আমি কোনও চাপ অনুভব করছি না। বরং আমি খুশি যে এ রকম একটা সুযোগ আমি আবার পেয়েছি। আমার দল চ্যালেঞ্জ নেওয়ার জন্য তৈরি। চোটের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে খেলতে পারবেন না হুগো বোমাস। শুরু থেকেই আক্রমণভাগ সামলানোর দায়িত্ব রয় কৃষ্ণা, লিস্টন কোলাসো ও মনবীর সিংয়ের ওপর। পরিবর্ত হিসেবে নিয়ে আসবেন ডেভিড উইলিয়ামসকে। মাঝমাঠে বড় ভরসা জনি কাউকো। তাঁকে সাহায্য করবেন কার্ল ম্যাকহিউ ও দীপক টাংরি। রক্ষণ সামলাবেন প্রীতম, সন্দেশ, তিরি, শুভাশিস।

মার্চ ০৬, ২০২২
খেলার দুনিয়া

অভিমন্যু ঈশ্বরণদের সাম্প্রতিক ফর্ম আশা জাগাচ্ছে রনজিতে, টানা তৃতীয় জয়ের সামনে দাঁড়িয়ে বাংলা

বছর দুয়েক আগে তীরে এসে তরী ডুবেছিল বাংলার। রনজি ফাইনালে উঠেও শেষরক্ষা হয়নি। সৌরাষ্ট্রের কাছে কাছে হেরে রানার্স হয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হয়েছিল বাংলাকে। এবছর চ্যাম্পিয়ন হতে পারবে কিনা, সময়ই বলবে। তবে অভিমন্যু ঈশ্বরণদের সাম্প্রতিক ফর্ম দেখে আশাবাদী হতেই পারেন বাংলার ক্রিকেটপ্রেমীরা। বরোদা ও হায়দরাবাদকে প্রথম দুই ম্যাচে হারানোর পর চণ্ডীগড়ের বিরুদ্ধেও চালকের আসনে বাংলা। বাংলার ৪৩৭ রানের জবাবে চণ্ডীগড় প্রথম ইনিংসে শেষ ২০৬ রানে। দ্বিতীয় ইনিংসে ৮ উইকেটে ১৮১ ইনিংস সমাপ্তি ঘোষণা করে বাংলা। জয়ের জন্য ৪১২ রানের লক্ষ্য নিয়ে ব্যাট করতে নেমে তৃতীয় দিনের শেষে চণ্ডীগড় তুলেছে ১৪/২।প্রথম ইনিংসে ২৩১ রানে এগিয়ে যায় বাংলা। সুযোগ ছিল চণ্ডীগড়কে ফলোঅন করানোর। সেই রাস্তায় হাঁটেনি বাংলা। ব্যাটারদের প্র্যাকটিসের সুযোগ দিকেই আবার ব্যাট করতে নামে। প্রথম ইনিংসে চণ্ডীগড় যে বেশিক্ষণ লড়াই করতে পারবে না, দ্বিতীয় দিনের শেষেই ছবিটা পরিস্কার হয়ে গিয়েছিল। ৬ উইকেটে ১৩৩ রানে দ্বিতীয় দিন শেষ করেছিল। অঙ্কিত কৌশিক ৩০ রানে ও গৌরব গম্ভীর ১১ রানে ক্রিজে ছিলেন। গৌরভ গম্ভীরকে (১৩) দিনের শুরুতেই তুলে নেন মুকেশ কুমার। দলের ২০৬ রানের মাথায় ঈশান পোড়েলের বলে অঙ্কিত কৌশিক আউট হন। তিনি করেন ৬৩। একই ওভারে শ্রেষ্ঠ নির্মোহিকে (০) তুলে নেন ঈশান। জশকরণদীপ সিংকে (৩১) তুলে নিয়ে চণ্ডীগড়কে ২০৬ রানে গুটিয়ে দেন শাহবাজ আমেদ। বাংলার হয়ে নীলকন্ঠ দাস ৩টি, মুকেশ কুমার, ঈশান পেড়েল ও সায়নশেখর মণ্ডল ২টি করে উইকেট নেন। দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে বাংলা। নবম ওভারেই ফিরে যান অধিনায়ক অভিমন্যু ঈশ্বরন। তিনি মাত্র ১৪ রান করে আউট হন। বাংলার রান তখন ১৮। আর এক ওপেনার সুদীপ ঘরামি (১৩), তিন নম্বরে নামা ঋত্বিক রায়চৌধুরীও (৬) ব্যর্থ। ৩৯ রানে ৩ উইকেট হারায় বাংলা। মনোজ তেওয়ারিও(১৩) রান পাননি। অনুস্টুপ মজুমদার (৪৩) কিছুটা লড়াই করেন। ১২০ রানে ৫ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় বাংলা। অভিষেক পোড়েল (৩৮) ও শাহবাজ আমেদ (৩২) কিছুটা লড়াই করেন। ৮ উইকেটে ১৮১ তুলে দ্বিতীয় ইনিংসের সমাপ্তি ঘোষণা করে বাংলা। জয়ের জন্য ৪১২ রানের লক্ষ্য নিয়ে ব্যাট করতে নেমে চণ্ডীগড়ও শুরুতে ধাক্কা খায়। সপ্তম ওভারে আর্সলান খানকে (৪) তুলে নেন মুকেশ কুমার। আর এক ওপেনার হারনুর সিংকে (১০) ফেরান ঈশান পোড়েল। দিনের শেষে চন্ডীগড় ২ উইকেট হারিয়ে তুলেছে ১৪। শেষদিনে জয়ের জন্য বাংলার প্রয়োজন ৮ উইকেট।

মার্চ ০৫, ২০২২
বিদেশ

পোলান্ড সীমান্তের কাছে গুলিবিদ্ধ ভারতীয় পড়ুয়া, ভর্তি হাসপাতালে

কিভ থেকে ফেরার পথে গুলিবিদ্ধ হলেন ভারতীয় পড়ুয়া। কিভ থেকে পোলান্ড সীমান্তের দিকে আসার পথে এই পড়ুয়া গুলিবিদ্ধ হন। তাঁকে মাঝ পথ থেকে ফিরিয়ে নিয়ে গিয়ে কিভের একটা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে বলেও জানা গিয়েছে। অসামরিক বিমান চলাচল প্রতিমন্ত্রী ভিকে সিং বিষয়টি জানিয়েছেন। তিনি বলেন, কিভের একজন ছাত্র গুলিবিদ্ধ হয়েছে বলে জানা গিয়েছে এবং তাকে অবিলম্বে কিভের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তবে ওই ছাত্রের পরিচয় এখনও প্রকাশ্যে আনা হয়নি।এর আগেও রুশ হামলার মুখে পড়ে প্রাণ হারান কর্নাটকের বাসিন্দা এক মেডিক্যাল পড়ুয়া। মঙ্গলবার খারকিভে বোমা বিস্ফোরণের ফলে এই ভারতীয় পড়ুয়ার মৃত্যু হয়। এই পড়ুয়া উত্তর কর্নাটকের বাসিন্দা। মৃত পড়ুয়ার নাম নবীন শেখারাপ্পা জ্ঞানগউধর। নবীন মেডিক্যাল কলেজের চতুর্থ বর্ষের ছাত্র ছিলেন। নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিস কিনতে দোকানের লাইনে দাঁড়িয়ে ছিলেন নবীন। সেই মুহূর্তেই ওই জায়গায় আছড়ে পড়ে রুশ বোমা। এর ফলেই তাঁর মৃত্যু হয়। ইউক্রেনে আটকে পড়া ভারতীয়দের দেশে ফিরিয়ে আনতে ১৯টি বিমান চালাচ্ছে বায়ুসেনা এবং দেশের বিমান সংস্থাগুলি। বৃহস্পতিবার থেকেই উদ্ধারকাজে নেমেছে এই বিমানগুলি। এদিকে যুদ্ধ কবলিত ভিন্ দেশ থেকে ঘরে ফেরার চেষ্টা। কিন্তু সীমান্ত পেরোনোর আগেই সংজ্ঞাহীন হয়ে পড়েন। সেই সুযোগে সর্বস্ব লুট। কনকনে শীতে গরম জামা-জুতো লুট করতেও কার্পণ্য করেনি লুটেরা। এমন অবস্থায় এক ইউক্রেনীয় পরিবারে তিন রাতের আশ্রয় মেলে। অবশেষে প্রবাসী বাঙালির সাহায্যে পোল্যান্ডের অ্যাম্বুল্যান্সে চড়ে সীমান্ত পার। জীবনের এমনই ঘটনাবহুল কয়েকটি দিন কাটিয়ে আজ, শুক্রবার পোল্যান্ড থেকে উড়ানে ফিরছেন অসমের গুয়াহাটির বাসিন্দা এক যুবক। ঘটনার আকস্মিকতায় বিধ্বস্ত যুবক পিছনের কটা দিন মনে করতেই বার বার আতঙ্কিত এবং উত্তেজিত হয়ে যাচ্ছেন।

মার্চ ০৪, ২০২২
খেলার দুনিয়া

সেমিফাইনালে পৌঁছে গেল এটিকে মোহনবাগান, এবার লড়াই শীর্ষস্থানের

লিগশিল্ড শেষ পর্যন্ত কি স্পর্শ করতে পারবে এটিকে মোহনবাগান? যে দল লিগ টেবিলের শীর্ষে থাকে, তারাই লিগশিল্ড পায়। কেরালা ব্লাস্টার্স ও ওডিশা এফসির কাছে আটকে যাওয়ার পর আইএসএলের লিগ টেবিলের শীর্ষে ওঠার লড়াই থেকে অনেকটাই পিছিয়ে পড়েছিল। অঙ্কটা বদলে দিয়েছিল হায়দরাবাদ এফসির বিরুদ্ধে জামশেদপুর এফসির জয়। লিগ টেবিলের শীর্ষে ওঠার লড়াইয়ে টিকে থাকতে গেলে চেন্নাইন এফসির বিরুদ্ধে জিততেই হত এটিকে মোহনবাগানকে। চেন্নাইনকে ১০ ব্যবধানে হারিয়ে জামশেদপুর এফসির ওপর চাপ বাড়াল সবুজমেরুণ শিবির। একই সঙ্গে তৃতীয় দল হিসেবে সেমিফাইনালে খেলা নিশ্চিত করল জুয়ান ফেরান্দোর দল। চেন্নাইন এফসির বিরুদ্ধে এদিন শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ছিল এটিকে মোহনবাগান। প্রথম একাদশে রেখেছিলেন রয় কৃষ্ণাকে। মনবীরকে সেন্টার ফরোয়ার্ড করে দিয়ে রয় কৃষ্ণাকে উইংয়ে এনেছিলেন জুয়ান ফেরান্দো। অনভ্যস্ত পজিশনে খেলেও প্রথমার্ধে দুদুটি সুযোগ পেয়েছিলেন ফিজির এই স্ট্রাইকার। ২ মিনিটে জনি কাউকোর কাছ থেকে বল পেয়ে বক্সের ডানদিক থেকে শট নিয়েছিলেন রয় কৃষ্ণা। তাঁর সেই শট পোস্টে লেগে ফিরে আসে। মনে হচ্ছিল, দিনটা বুঝি এটিকে মোহনবাগানের নয়। কিন্ত ভুল ভাঙতে দেরি হয়নি। এরপর আধিপত্য বজায় রেখে একের পর এক আক্রমণ তুলে নিয়ে আসে সবুজমেরুণ ফুটবলাররা। তবে গোল আসছিল না। শুরুতেই জ্বলে ওঠা ছাড়া রয় কৃষ্ণাও সুবিধা করতে পারছিলেন না। তবে বিরতির ঠিক আগের মুহূর্তে আবার জ্বলে ওঠেন রয় কৃষ্ণা। এবারও সেই জনি কাউকোরয় কৃষ্ণা যুগলবন্দী। প্রথমার্ধের ইনজুরি সময়ে ডানদিক থেকে বল ধরে এগিয়ে যান জনি কাউকো। বক্সের বাইরে থেকে দুরন্ত পাস বাড়ান রয় কৃষ্ণার উদ্দেশ্যে। ডানপায়ের কোনাকুনি শটে গোল করেন রয় কৃষ্ণা।দ্বিতীয়ার্ধের শুরু থেকেই চাপ বাড়ায় চেন্নাইন এফসি। এইসময় এটিকে মোহনবাগান রক্ষণকে বেশ নড়বড়ে মনে হচ্ছিল। ৬৩ মিনিটে সমতা ফেরানোর সুযোগ পেয়েছিল চেন্নাইন এফসি। রেগান সিংয়ের শট পোস্টে লেগে ফেরে। এদিন লিস্টন কোলাসো নিজের সেরা ছন্দে ছিলেন না। ৬৯ মিনিটে তাঁকে তুলে নিয়ে প্রবীর দাসকে নামান জুয়ান ফেরান্দো। একই সঙ্গে তুলে নেন জনি কাউকোকে। দ্বিতীয়ার্ধের বাকি সময় কোনও দলই গোল করার মতো তেমন সহজ সুযোগ তৈরি করতে পারেনি। ১৯ ম্যাচে ৩৭ পয়েন্ট পেয়ে দ্বিতীয় স্থানে পৌঁছল এটিকে মোহনবাগান। টপকে গেল হায়দরাবাদ এফসিকে। ১৯ ম্যাচে তাদের পয়েন্ট ৩৫। ১৮ ম্যাচে জামশেদপুর এফসির পয়েন্ট ৩৭। তারাই রয়েছে শীর্ষে। পরের ম্যাচে জামশেদপুর খেলবে ওডিশার বিরুদ্ধে। এটিকে মোহনবাগানকে শীর্ষে পৌঁছতে গেলে শেষ ম্যাচে জামশেদপুর এফসিকে শেষ ম্যাচে হারাতেই হবে।

মার্চ ০৩, ২০২২
রাজ্য

তৃণমূলের জয়জয়কারের মধ্যেও কাটোয়ায় রবির গড়ে কুপোকাত বীরভূমের কেষ্টর অনুগত প্রার্থী

বিধানসভা ভোটের পর পুর ভোটেও রাজ্য জুড়ে দাপট অব্যাহত রাখলো ঘাসফুল শিবির। যার ব্যতিক্রম ঘটেনি পূর্ব বর্ধমানেও। এই জেলার ছয়টি পুরসভাতেও নিরঙ্কুশ জয় ছিনিয়ে নিয়েছে তৃণমূল। একমাত্র কালনা পুরসভায় বামেরা অস্তিত্ব জানান দিতে পেরেছে । তবে এতকিছুর মধ্যেও রবির গড় কাটোয়া পুরসভার ভোটে নজরকাড়া পরিজয় ঘটেছে বীরভূমের কেষ্ট মণ্ডলের অনুগামী তৃণমূল প্রার্থীর।যা নিয়েই এখন সরগরম কাটোয়ার রাজনৈতিক মহল। রাজ্যের ১০৮ টি পুরসভা ভোটের ফলাফল বুধবার ঘোষনা হতেই রাজ্যজুড়ে বইতে শুরু করে সবুজ আবিরের ঝড়। হোলির আগেই এদিন সবুজ আবিরে মাখামাখি হয়ে অকাল হোলিতে মাতোয়ারা হয় বর্ধমান, কালনা, কাটোয়া,দাঁইহাট,মেমারি ও গুসকরা পৌরসভা এলকার তৃণমূল কর্মীরা। বর্ধমান পুরসভায় বিরোধীরা খাতাই খুলতে পারেনি। এমনকি ২০১৯ লোকসভা নির্বাচনে বর্ধমান পুরসভার যে যে ওয়ার্ডে বিজেপি ভাল ফল করেছিল সেই সব ওয়ার্ড সহ ৩৫ টি ওয়ার্ডেই জয়ী হয়েছে তৃণমূল প্রার্থীরা।একই ভাবে গুসকরা পুরসভার ১৬ টি ওয়ার্ড ও দাঁইহাটের ১৪ টি ওয়ার্ডে একচ্ছত্র আধিপত্য লাভ করেছে তৃণমূল।এই তিন পুরসভায় বিরোধীরা খাতা খুলতে না পারলেও মেমারির ঘাসফুলের খেতে অপ্রত্যাশিত ভাবেই হাত তুলে বসেছে কংগ্রেস ।কিন্তু কোনভাবেই অস্তিত্ব জানান দিতে না পেরে বিনয় কোঙারের গড়ে হারিয়েই গেল কাস্তে হাতুড়ি তারা। মেমারি পৌরসভায় মোট ওয়ার্ড ১৬ টি।এরমধ্যে তৃণমূল কংগ্রেস জয়ী হয়েছে ১৫ টি ওয়ার্ডে।শুধুমাত্র ৪ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী কংগ্রেস প্রার্থী মিঠু সরকার। ভোট প্রাপ্তির হিসাব অনুয়ায়ী মেমারিতে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে বামেরা। কালনা পৌরসভায় ১৮টি ওয়ার্ডের মধ্যে ১৭ টি ওয়ার্ডে জয়ী হয়েছে তৃণমূল প্রার্থীরা।শুধুমাত্র কালনার ২ নম্বর ওয়ার্ডে সিপিএম প্রার্থী শর্মিষ্ঠা নাগ সাহা তাঁর প্রতিদ্বন্দি তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী তনুশ্রী বাগকে ১৮১ ভোটে হারিয়ে জয়ী হয়েছেন। ঘাসফুলের দখলে গিয়েছে কাটোয়া পুরসভা। পূর্ব বর্ধমান জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি তথা বিধায়ক রবীন্দ্রনাথ চট্টপাধ্যায় ওরফে রবি ববুর গড় হিসাবেই পরিচিত কাটোয়া। এই পুরসভার ২০ টি ওয়ার্ডের মধ্যে ১৫ টি ওয়ার্ডে জয়ী হয়েছে তৃণমূলের প্রার্থীরা। ৪ টি ওয়ার্ডে কংগ্রেস প্রার্থী ও ১ টি ওয়ার্ডে নির্দল প্রার্থী জয়ী হয়েছেন। কাটোয়ায় পরাজিত তৃণমূল প্রার্থীদের মধ্যে যাঁকে নিয়ে সব থেকে বেশী চর্চা হচ্ছে তিনি হলেন অরিন্দম বন্দ্যোপাধ্যায়। বীরভূম জেলা তৃণমূলের সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল ও ওরফে কেষ্টর অনুগত অরিন্দম বাবু কাটোয়া পুরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডে প্রতিদ্বন্দিতা করেন। এদিন ফল বের হতেই দেখাযায় তিনি কংগ্রেস প্রার্থী রণজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের কাছে ১১০ ভোটে পরাজিত হয়েছেন। পরাজয়ের জন্য নিজের দলের লোকজনকেই দায়ী করেন পূর্ব বর্ধমান জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক অরিন্দম বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন,দলের চক্রান্তের জন্যই হেরেছি। অরিন্দমবাবু অভিযোগে বলেন,তৎকাল তৃণমূল কর্মীরা চক্রান্ত করে আমাকে হারিয়েছে। আমি সমস্ত ঘটনা রাজ্য নেতৃত্বকে জানাব। কর্মীরা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি নিয়ে তৃণমূলের প্রার্থীকে হারিয়ে জঘন্য রাজনীতি করেছে। কেষ্ট মণ্ডলের ঘনিষ্ট তৃণমূল নেতা অরিন্দম বন্দ্যেপাধ্যায়ের এইসব অভিযোগ নিয়ে রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায় কোনও প্রতিক্রিয়া দিতে চাননি । তবে অরিন্দমের বক্তব্য নিয়ে কটাক্ষ ছুঁড়ে দিতে দেরি করেননি জয়ী কংগ্রেস প্রার্থী রণজিৎ চট্টোপাধ্যায়। তিনি বলেন ,যে প্রার্থী তাঁর নিজের দলের জেলা সভাপতিকে হরিদাস পাল,চোরের সর্দার বলে তাচ্ছিল করেন তাঁর এমন পরিণতি কথা আগে থেকেই ভেবে রেখে ছিলেন কটোয়াবাসী। সেই মতই কাটোয়ার মানুষ আমাকে ভোট দিয়ে জিতেয়েছে।আমাকে কোন দল সাহায্য করেনি। কোটোয়া পুরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডে হেবি ওয়েট তৃণমূল প্রার্থীর পরাজয়ের জেরে কাটোয়ার নতুন গোষ্ঠী দ্বন্দ্ব মাথা চাড়া দিল বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

মার্চ ০২, ২০২২
খেলার দুনিয়া

শীর্ষে থাকা জামশেদপুরের সঙ্গে পয়েন্টের ব্যবধান কমানোই লক্ষ্য জুয়ান ফেরান্দোর

১৮ ম্যাচে এই মুহূর্তে ৩৪ পয়েন্ট এটিকে মোহনবাগানের। আইএসএলের লিগ টেবিলে তিন নম্বরে রয়েছে সবুজমেরুন শিবির। এই পরিস্থিতিতে বৃহস্পতিবার চেন্নাইন এফসি-র বিরুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ খেলতে নামছে জুয়ান ফেরান্দোর দল। জিতলে আরও একবার সেমিফাইনাল নিশ্চিত। একইসঙ্গে শীর্ষে থাকা জামশেদপুর এফসি-র সঙ্গে পয়েন্টের ব্যবধানও কমিয়ে ফেলতে পারবে এটিকে মোহনবাগান। সেই দিকেই তাকিয়ে বাগান কোচ জুয়ান ফেরান্দো। মঙ্গলবার হায়দরাবাদ এফসি-র বিরুদ্ধে জামশেদপুর এফসি-র জয়ই চাপ বাড়িয়ে দিয়েছে এটিকে মোহনবাগানের। শীর্ষে ওঠার লড়াই অনেকটাই কঠিন হয়ে পড়েছে। বৃহস্পতিবার চেন্নাইন এফসি-র বিরুদ্ধে জিতলে জামশেদপুর এফসি-কে ধরে ফেলবে এটিকে মোহনবাগান। এক ম্যাচ বেশি খেলে পৌঁছবে দ্বিতীয় স্থানে। জামশেদপুর এফসি-র ম্যাচ বাকি ওড়িশা এফসি ও এটিকে মোহনবাগানের সঙ্গে। যদি ওড়িশার কাছে জামশেদপুর হারে, তাহলে এটিকে মোহনবাগান ও জামশেদপুর এফসি ম্যাচ হয়ে দাঁড়াবে লিগ শীর্ষে পৌঁছনোর লড়াই। আপাতত এসব অঙ্ক নিয়ে মাথা না ঘামিয়ে চেন্নাইন এফসি ম্যাচে ৩ পয়েন্ট তোলার দিকে তাকিয়ে সবুজমেরুন কোচ জুয়ান ফেরান্দো। জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী এটিকে মোহনবাগান কোচ। জুয়ান ফেরান্দোকে আত্মবিশ্বাসী করে তুলেছে চেন্নাইন এফসি-র সাম্প্রতিক ফর্ম। ১৯ ম্যাচে ২০ পয়েন্ট নিয়ে ৮ নম্বরে রয়েছে চেন্নাইন। দলের আত্মবিশ্বাসও তলানিতে। এই অবস্থায় জুয়ান ফেরান্দোর লক্ষ্য গোল পার্থক্য যথাসম্ভব বাড়িয়ে নেওয়া। যদিও চেন্নাইনকে যথেষ্ঠ গুরুত্ব দিচ্ছেন ফেরান্দো। তিনি বলেন, ওদের হারানোর কিছু নেই। মরিয়া হয়ে ঝাঁপাবে। কিন্তু আমাদের হারানোর অনেক কিছুই রয়েছে। ম্যাচ জেতার জন্য শুরু থেকেই আক্রমনাত্মক ফুটবল খেলতে হবে।গোলের জন্য লিস্টন কোলাসো ও মনবীর সিংয়ের দিকে তাকিয়ে বাগান কোচ। আগের ম্যাচে লালকার্ড দেখায় রয় কৃষ্ণা খেলতে পারবেন না। হুগো বোমাস, ডেভিড উইলিয়ামসরা ভাল ছন্দে নেই। তাই ফর্মে থাকা লিস্টন কোলাসো ও মনবীর সিংই ভরসা বাগান কোচের। সদ্য চোট সরিয়ে উঠেছেন বোমাস ও উইলিয়ামস। তাঁদের শুরু থেকে খেলবেন কিনা, তা নিয়ে নিশ্চিতভাবে কিছু বলেননি জুয়ান ফেরান্দো। তিনি বলেন, ওরা কী অবস্থায় রয়েছে, ম্যাচের আগে দেখে সিদ্ধান্ত নেব।

মার্চ ০২, ২০২২
রাজনীতি

বিপুল জয়ের পর দায়িত্ব আরও বাড়ল, টুইট করে নম্র হওয়ার বার্তা মমতার

বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূল তৃতীয়বার ক্ষমতায় এলেও বিরোধী হিসেবে আসন সংখ্যা অনেকটাই বেড়েছিল বিজেপির। তবে পরপর তিন পুর নির্বাচনে কার্যত নিরঙ্কুশ জয় এসেছে ঘাসফুল শিবিরেই। কলকাতা পুরনিগমে গুটিকয়েক ওয়ার্ড বাদ দিতে সবকটিই এসেছে তৃণমূলের হাতে। পরে রাজ্যের বাকি চার পুরনিগমের নির্বাচনেও সবকটিতে জয়ী হয় তৃণমূল। আর এবার ১০৮ পুরসভার নির্বাচনেও একই ট্রেন্ড। ১০০-র বেশি আসনে জয়ী তৃণমূল। থাকাই খুলতে পারল না বিজেপি। সেই ফল প্রকাশের পর টুইটে প্রতিক্রিয়া দিলেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।Let victory enhance our responsibility and dedication. Let triumph impart humility. Let us together work for peace, prosperity and development of the state.Jai Bangla!(2/2) Mamata Banerjee (@MamataOfficial) March 2, 2022জয়ী যে হচ্ছেন, সে ব্যাপারে সারা রাজ্যের কারও কোনও সন্দেহ ছিল না। কৌতূহল ছিল, কী ভাবে জিতবেন। টুইট করে দলের জয়ী প্রার্থীদের অভিনন্দন জানালেন তৃণমূলের সর্বময় নেত্রী তথা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে অভিনন্দনের পাশাপাশিই জয়ী সৈনিকদের মমতার পরামর্শ এবং সতর্কবার্তা, এই জয় যেন আমাদের আরও দায়িত্ববান এবং নম্র হতে শেখায়। অর্থাৎ বিপুল জয়ের ফলে যেন দলের কর্মীরা অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাসে না ভোগেন। যেন তাঁরা ভুলে না যান, মানুষের জন্যই তাঁরা এই জায়গায় পৌঁছেছেন। নিজেদের দায়িত্ব পালনে যেন তাঁরা চ্যুত না হন।বুধবার দুপুর সওয়া ১টা নাগাদ যখন পুরসভা ভোটের গণনা থেকে সম্ভাব্য ফলাফল প্রায় নিশ্চিত, তখন পরপর দুটি টুইট করেন মমতা। প্রথমে মা-মাটি-মানুষকে ধন্যবাদ জানান পুরসভায় তৃণমূলকে বেছে নেওয়ার জন্য। তার পরে তিনি অভিনন্দন জানান পুরভোটে জয়ী দলীয় প্রার্থীদের। সেটা প্রত্যাশিতই ছিল।এর পরেই দ্বিতীয় টুইটে মমতা লেখেন, এই জয় যেন আমাদের দায়িত্ববোধ বৃদ্ধি করে। মানুষের প্রতি আমাদের আনুগত্য বৃদ্ধি করে। জয় যেন আমাদের আরও নত হতে শেখায়। মমতা লেখেন, আসুন, আমরা একসঙ্গে শান্তিপূর্ণভাবে উন্নয়ন এবং সমৃদ্ধির লক্ষ্যে কাজ করি। মমতা তাঁর অভিনন্দনজ্ঞাপক টুইট শেষ করেন জয় বাংলা লিখে।

মার্চ ০২, ২০২২
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 24
  • 25
  • 26
  • 27
  • 28
  • 29
  • 30
  • ...
  • 62
  • 63
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

উপনির্বাচনের আগেই বড় প্রতিশ্রুতি শুভেন্দুর! পদ্ম ফুটলেই ‘দু’হাত ভরে দেব’ ঘোষণা

উপনির্বাচনের আগেই রেজিনগর থেকে বড় রাজনৈতিক বার্তা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। জনসভার মঞ্চ থেকে তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন, রেজিনগরের মানুষ যদি বিজেপিকে জয়ী করেন, তাহলে এলাকার উন্নয়নের জন্য বড় পদক্ষেপ নেওয়া হবে। তাঁর প্রতিশ্রুতি, একটি নয়, দুটি নতুন সেতু তৈরি করা হবে। পাশাপাশি কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়িয়ে পরিযায়ী শ্রমিকদেরও রাজ্যে ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নেওয়া হবে।শুক্রবার মুর্শিদাবাদের রেজিনগরে জনসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে শুভেন্দু অধিকারী বলেন, রাজ্যে বর্তমানে বিজেপির দুইশো আটটি আসন রয়েছে। তাঁর দাবি, নন্দীগ্রামে বিজেপির জয় নিশ্চিত। সেই আসন ধরে রেখে সংখ্যা হবে দুইশো নয়। এরপর রেজিনগরেও জয় পেলে বিধানসভায় বিজেপির আসন আরও বাড়বে।ভোটারদের উদ্দেশে শুভেন্দু বলেন, রেজিনগরে পদ্মফুল ফুটলে উন্নয়নের কোনও অভাব হবে না। এলাকার যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নত করতে নতুন সেতু নির্মাণ করা হবে। পাশাপাশি কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করে বহু পরিযায়ী শ্রমিককে নিজের এলাকায় ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করা হবে, যাতে মানুষ পরিবার নিয়ে নিজের এলাকাতেই থাকতে পারেন।জনসভা থেকে তিনি রেজিনগরের প্রাক্তন জনপ্রতিনিধির নাম উল্লেখ না করেই কটাক্ষ করেন। তাঁর বক্তব্য, মানুষকে ধর্মের নামে বিভক্ত করার রাজনীতি নয়, উন্নয়নের রাজনীতি প্রয়োজন। সাধারণ মানুষের কাছে তিনি প্রশ্ন তোলেন, তারা কি সাম্প্রদায়িক বিভাজন চান, নাকি কাজ, উন্নয়ন এবং উন্নত জীবনযাত্রা চান।মুখ্যমন্ত্রী আরও দাবি করেন, বিজেপি সরকারের আমলে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকল মানুষ সমান সুযোগ পাচ্ছেন। তাঁর অভিযোগ, বিরোধীরা দীর্ঘদিন ধরে মানুষের মধ্যে ভুল ধারণা ছড়িয়েছিল। কিন্তু বাস্তবে সেই আশঙ্কা সত্যি হয়নি। তাই উন্নয়নের স্বার্থে বিজেপিকে সমর্থন করার আবেদন জানান তিনি।উল্লেখ্য, সাম্প্রতিক বিধানসভা নির্বাচনে শুভেন্দু অধিকারী ভবানীপুর এবং নন্দীগ্রামদুই কেন্দ্র থেকেই জয়ী হন। অন্যদিকে হুমায়ুন কবীর রেজিনগর এবং নওদাদুটি আসনে জয় পান। নিয়ম অনুযায়ী দুজনকেই একটি করে আসন ছাড়তে হয়েছে। সেই শূন্য আসনগুলিতেই এবার উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। রাজনৈতিক মহলের মতে, রেজিনগরের ফল আগামী দিনের রাজ্য রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দিতে পারে।

জুলাই ১০, ২০২৬
রাজ্য

মমতার প্রিয় কেষ্ট এবার ঋতব্রতের পাশে! বীরভূমে বড় পালাবদলের জল্পনা

রাজ্য রাজনীতিতে নতুন জল্পনার জন্ম দিল অনুব্রত মণ্ডলকে ঘিরে বড় খবর। সূত্রের দাবি, তিনি এবার ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন আসল তৃণমূল শিবিরে যোগ দিয়েছেন। শুধু তাই নয়, তাঁকে বীরভূম জেলার সভাপতির দায়িত্বও দেওয়া হতে পারে বলে জানা গিয়েছে। এই খবরে বীরভূমের রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে তুমুল আলোচনা।শুধু অনুব্রত মণ্ডলই নন, বীরভূমের আরও কয়েকজন প্রভাবশালী নেতাও ঋতব্রত শিবিরে যোগ দিয়েছেন বলে সূত্রের দাবি। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন কাজল শেখ, আশিস বন্দ্যোপাধ্যায়, অভিজিৎ সিংহ এবং প্রাক্তন মন্ত্রী চন্দ্রনাথ সিনহা। জানা গিয়েছে, এই নেতাদের আসল তৃণমূল-এর জাতীয় কর্মসমিতিতেও জায়গা দেওয়া হয়েছে।ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবিরের জাতীয় কর্মসমিতির বৈঠক তপসিয়ায় শুরু হয়েছে। দুই দিনের এই বৈঠকে রাজ্য এবং বিভিন্ন জেলার সভাপতিদের নাম চূড়ান্ত করা হচ্ছে। সেই বৈঠকেই বীরভূম জেলার সভাপতির দায়িত্ব অনুব্রত মণ্ডলের হাতে তুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে দলীয় সূত্রের দাবি।এই বিষয়ে অনুব্রত মণ্ডলের প্রতিক্রিয়া জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন, তাঁর জ্বর রয়েছে। তবে তিনি জানিয়েছেন, আগামীকাল কলকাতায় যেতে পারেন। যদিও শিবির পরিবর্তনের বিষয়ে তিনি সরাসরি কোনও মন্তব্য করেননি।উল্লেখ্য, গরুপাচার মামলায় গ্রেফতার হওয়ার পর অনুব্রত মণ্ডল দীর্ঘদিন জেলে ছিলেন। সেই সময় তাঁকে বীরভূম জেলা সভাপতির পদ থেকে সরিয়ে দেয় দল। পরে কোর কমিটি গঠন করে তাঁকে সেই কমিটির আহ্বায়ক করা হয়। জেল থেকে মুক্তি পাওয়ার পরও তিনি দীর্ঘদিন সক্রিয় রাজনীতিতে খুব বেশি দেখা যাননি। বিধানসভা নির্বাচনের পর প্রকাশ্যেই ক্ষোভ উগরে দিয়ে তিনি বলেছিলেন, তাঁকে কাজ করার সুযোগ দেওয়া হয়নি।রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতি বদলানোর সঙ্গে সঙ্গে তৃণমূলের অন্দরে নতুন সমীকরণ তৈরি হয়েছে। সেই আবহেই অনুব্রত মণ্ডলের এই পদক্ষেপ রাজনৈতিকভাবে তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহলের একাংশ। বীরভূমে তাঁর প্রভাব এবং সংগঠনিক দক্ষতা আসল তৃণমূল-এর শক্তি আরও বাড়াতে পারে বলেও জোর জল্পনা শুরু হয়েছে।

জুলাই ১০, ২০২৬
রাজ্য

স্বাস্থ্যমন্ত্রীর হঠাৎ পরিদর্শনে চাঞ্চল্য! হাসপাতালের ভিতরে যা ধরা পড়ল, তারপরই বড় পদক্ষেপ

স্বাস্থ্যমন্ত্রীর আচমকা পরিদর্শনের পর বারাসত মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে বড় প্রশাসনিক পদক্ষেপ নেওয়া হল। হাসপাতালের পরিচ্ছন্নতা এবং পরিষেবা নিয়ে একাধিক গাফিলতির অভিযোগ সামনে আসার পর বারো জন কর্মীকে কারণ দর্শানোর নোটিস দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। তাঁদের বিরুদ্ধে দায়িত্ব পালনে অবহেলা এবং হাসপাতালের পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখতে ব্যর্থ হওয়ার অভিযোগ উঠেছে।যাঁদের নোটিস দেওয়া হয়েছে, তাঁদের মধ্যে রয়েছেন চার জন ওয়ার্ড মাস্টার, চার জন নন-মেডিক্যাল সুপার, একজন সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণ বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত সিস্টার, প্রসূতি বিভাগের দুই জন সিস্টার ইনচার্জ এবং একজন পরিষেবার মান নিয়ন্ত্রণ আধিকারিক।হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, সম্প্রতি স্বাস্থ্যমন্ত্রী আচমকা পরিদর্শনে এসে হাসপাতালের বিভিন্ন ওয়ার্ড এবং বারান্দায় পরিচ্ছন্নতার অভাব লক্ষ্য করেন। পরিদর্শনের সময় হাসপাতালের বারান্দায় বিড়াল ঘোরাফেরা করতেও দেখা যায়। এই ঘটনায় অসন্তোষ প্রকাশ করে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন তিনি। সেই নির্দেশ মেনেই তদন্তের পর বারো জনকে কারণ দর্শানোর নোটিস পাঠানো হয়েছে।হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বারাসত মেডিকেল কলেজ আগে জেলা হাসপাতাল ছিল। এখনও পুরনো ভবনেই অনেক পরিষেবা চালাতে হচ্ছে। ফলে কিছু পরিকাঠামোগত সমস্যা রয়েছে। সেই সমস্যার স্থায়ী সমাধানের জন্য বিস্তারিত প্রকল্প তৈরি করে স্বাস্থ্য দপ্তরে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। খুব শীঘ্রই সেই প্রস্তাব পাঠানো হবে।বৃহস্পতিবার প্রবল বৃষ্টির মধ্যেই একাধিক সরকারি হাসপাতালে আচমকা পরিদর্শনে যান স্বাস্থ্যমন্ত্রী। বারাসত মেডিকেল কলেজেও তিনি পরিষেবা, পরিকাঠামো এবং পরিচ্ছন্নতার অবস্থা খতিয়ে দেখেন। এরপরই রাজ্যের সরকারি হাসপাতালগুলিতে আরও কঠোর নজরদারির ঘোষণা করেন।স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, পরিষেবার মান উন্নত করতে সরকারি হাসপাতালের প্রতিটি ওয়ার্ডে নজরদারির ব্যবস্থা করা হবে। গ্রামীণ হাসপাতাল, মহকুমা হাসপাতাল এবং জেলা হাসপাতালেও একই ব্যবস্থা চালু হবে। পাশাপাশি মেয়াদ উত্তীর্ণ ওষুধ বা স্যালাইন ব্যবহার বন্ধ করতে প্রতি সপ্তাহে স্বাস্থ্য দপ্তরের বিশেষ দল হাসপাতালগুলিতে নিয়মিত পরিদর্শন চালাবে।হাসপাতালে দালালচক্রের বিরুদ্ধেও কড়া অবস্থানের কথা জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। চিকিৎসক, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী এবং তাঁদের পরিবারের সদস্যদের জন্য আলাদা পরিচয়পত্রের ব্যবস্থা করা হবে। যাঁদের কাছে সেই পরিচয়পত্র থাকবে না, তাঁদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন তিনি।

জুলাই ১০, ২০২৬
কলকাতা

একুশে জুলাইয়ের মঞ্চ নিয়ে চরম টানাপোড়েন! এবার আদালতের দ্বারস্থ কালীঘাট তৃণমূল

একুশে জুলাইয়ের কর্মসূচি ঘিরে রাজনৈতিক টানাপোড়েন আরও বাড়ল। ধর্মতলায় সভার অনুমতি না মেলায় এবার কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছে কালীঘাট তৃণমূল। পুলিশের সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে আদালতের হস্তক্ষেপ চেয়েছে তারা। ফলে একুশে জুলাইয়ের সভা কোথায় হবে, তা নিয়ে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে।এর আগে কালীঘাট তৃণমূল এবং ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন শিবিরের আবেদন খারিজ করে দেয় কলকাতা পুলিশ। স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়, ধর্মতলার মতো ব্যস্ত এলাকায় সভার অনুমতি দেওয়া সম্ভব নয়। এরপর বিকল্প জায়গার অনুমতি চেয়ে রাজ্য পুলিশের মহাপরিচালকের সঙ্গে দেখা করেন ঋতব্রতপন্থীরা। গান্ধীমূর্তির পাদদেশে সভা করার অনুমতিও চাওয়া হয়। তবে সেই আবেদনেও ইতিবাচক সাড়া মেলেনি।এই পরিস্থিতিতে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছে কালীঘাট তৃণমূল। তাদের দাবি, একুশে জুলাই তাদের রাজনৈতিক কর্মসূচির অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দিন। তাই সভা আয়োজনের জন্য উপযুক্ত জায়গার অনুমতি প্রয়োজন।একুশে জুলাই দীর্ঘদিন ধরেই তৃণমূল কংগ্রেসের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক কর্মসূচি। উনিশশো তিরানব্বই সালে মহাকরণ অভিযানের সময় গুলিতে নিহত তেরো জনের স্মৃতিতে প্রতি বছর এই কর্মসূচি পালন করা হয়। সেই ঐতিহাসিক ঘটনার স্মরণেই ধর্মতলায় শহিদ দিবসের সভার আয়োজন করা হয়ে থাকে।তবে এবার পরিস্থিতি অনেকটাই ভিন্ন। দলের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক অস্থিরতা এবং নেতৃত্ব নিয়ে মতবিরোধের আবহে একুশে জুলাইয়ের কর্মসূচি নতুন মাত্রা পেয়েছে। দলের সাংগঠনিক শক্তি ধরে রাখা এবং কর্মীদের একজোট করার লক্ষ্যেই এবারের সমাবেশকে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে কালীঘাট তৃণমূল।ইতিমধ্যেই ধর্মতলায় সভার প্রস্তুতির জন্য কয়েকজন নেতা জায়গা পরিদর্শনে গেলে সেই ঘটনাকে কেন্দ্র করে হেয়ার স্ট্রিট থানায় অভিযোগ দায়ের হয়। এরপর কলকাতা পুলিশ জানিয়ে দেয়, ওই এলাকায় সভার অনুমতি দেওয়া হবে না। সেই সিদ্ধান্তের পরই আইনি পথ বেছে নিয়েছে কালীঘাট তৃণমূল। এখন আদালতের সিদ্ধান্তের দিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

জুলাই ১০, ২০২৬
কলকাতা

বেআইনি দখল মামলায় বড় মোড়! উত্তর চব্বিশ পরগনার জেলাশাসকের বিরুদ্ধে কড়া অবস্থান হাইকোর্টের

ভিআইপি থেকে উল্টোডাঙা পর্যন্ত বেআইনি নির্মাণ এবং রাস্তা দখল সংক্রান্ত মামলায় উত্তর চব্বিশ পরগনার জেলাশাসকের বিরুদ্ধে কড়া অবস্থান নিল কলকাতা হাইকোর্ট । আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী সন্তোষজনক রিপোর্ট জমা না দেওয়ায় জেলাশাসককে সশরীরে আদালতে হাজির হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আগামী তেইশে জুলাই মামলার পরবর্তী শুনানিতে তাঁকে হলফনামা এবং পূর্ণাঙ্গ রিপোর্ট জমা দিতে হবে।শুক্রবার মামলার শুনানিতে হাইকোর্টের ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি তপোব্রত চক্রবর্তীর ডিভিশন বেঞ্চ জেলাশাসকের ভূমিকা নিয়ে তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করে। আদালতের পর্যবেক্ষণ, একাধিকবার রিপোর্ট চাওয়া হলেও স্পষ্ট এবং পূর্ণাঙ্গ তথ্য জমা দেওয়া হয়নি। এমনকি আদালতের নির্দেশের পরও দায়সারা রিপোর্ট জমা পড়েছে বলে মন্তব্য করা হয়।শুনানির সময় বিচারপতি প্রশ্ন তোলেন, একজন নিম্নপদস্থ কর্মীর মাধ্যমে কেন এই রিপোর্ট জমা দেওয়া হয়েছে। তিনি মন্তব্য করেন, জেলাশাসক কি নিজেকে ডিভিশন বেঞ্চের চেয়েও বড় মনে করছেন। আদালতের মতে, এই ধরনের আচরণ আদালতের নির্দেশকে গুরুত্ব না দেওয়ারই ইঙ্গিত বহন করছে।আদালত জানায়, এর আগেই সতর্ক করে বলা হয়েছিল, পরবর্তী রিপোর্ট সন্তোষজনক না হলে জেলাশাসককে ব্যক্তিগতভাবে হাজির হতে হবে। সেই নির্দেশও মানা হয়নি। তাই এবার তাঁকে আদালতে উপস্থিত থেকে রিপোর্টের ব্যাখ্যা দিতে হবে।বিচারপতি তপোব্রত চক্রবর্তী আরও বলেন, আদালতের ধৈর্যের পরীক্ষা নেওয়া উচিত নয়। পাশাপাশি বিচারপতি পার্থসারথি চট্টোপাধ্যায়ও প্রশ্ন তোলেন, জেলাশাসক কি এতটাই ব্যস্ত যে আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী রিপোর্ট জমা দেওয়ার সময় পাচ্ছেন না।মামলাকারীর অভিযোগ, ভিআইপি থেকে উল্টোডাঙা পর্যন্ত রাস্তার ধারে বেআইনিভাবে দখল করে পার্কিং এলাকা এবং বিয়েবাড়ি তৈরি করা হয়েছে। পাশাপাশি নয়ানজুলি ভরাট করে একাধিক বেআইনি নির্মাণও হয়েছে। এই অভিযোগ নিয়ে দুই হাজার বাইশ সালে জনস্বার্থ মামলা দায়ের হয়।মামলার আগের শুনানিতে জেলা প্রশাসন স্বীকার করেছিল যে ওই এলাকায় জবরদখলের ঘটনা ঘটেছে। এরপর আদালত জানতে চেয়েছিল, সেই বেআইনি দখল সরাতে কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। কিন্তু একাধিকবার জেলাশাসক বদল হলেও এখনও পর্যন্ত আদালতে পূর্ণাঙ্গ রিপোর্ট জমা পড়েনি। সেই কারণেই এবার কড়া অবস্থান নিল কলকাতা হাইকোর্ট।

জুলাই ১০, ২০২৬
বিদেশ

ফাঁসির আশঙ্কা জেনেও দেশে ফিরবেন শেখ হাসিনা! বিস্ফোরক বার্তায় তোলপাড় বাংলাদেশ

বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বড় রাজনৈতিক সিদ্ধান্তের ইঙ্গিত দিলেন। তিনি জানিয়েছেন, আর বিদেশে থেকে নয়, এবার নিজ দেশেই ফিরতে চান। দেশে ফিরে স্বেচ্ছায় আত্মসমর্পণ করার পরিকল্পনাও রয়েছে তাঁর। এই ঘোষণার পর বাংলাদেশের রাজনীতিতে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে।এক সাক্ষাৎকারে শেখ হাসিনা বলেন, আগামী ডিসেম্বর মাসে আওয়ামী লিগের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে বাংলাদেশে ফেরার পরিকল্পনা রয়েছে তাঁর। দেশে ফিরে তিনি আইন মেনে আত্মসমর্পণ করবেন। কোনও চাপের মুখে নয়, সম্পূর্ণ নিজের সিদ্ধান্তেই তিনি দেশে ফিরতে চান বলেও জানিয়েছেন।শেখ হাসিনা বলেন, দেশে ফিরলেই তাঁকে গ্রেফতার করা হতে পারে, এমনকি মৃত্যুর মুখেও পড়তে পারেন। তবুও তিনি বাংলাদেশে ফিরতে চান। তাঁর কথায়, যদি মৃত্যু আসে, তবে তা নিজের দেশেই হোক। যেখানে তাঁর বাবা-মায়ের সমাধি রয়েছে, সেই মাটিতেই শেষ নিঃশ্বাস ফেলতে চান তিনি।তবে এখনও পর্যন্ত বাংলাদেশ সরকারের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে দেশে ফেরার বিষয়ে কোনও বার্তা পাঠাননি শেখ হাসিনা। তাঁর দাবি, গণতন্ত্র, ভোটাধিকার, রাজনৈতিক অধিকার এবং ন্যায়বিচারের প্রশ্ন কোনও গোপন আলোচনার বিষয় হতে পারে না।গ্রেফতার হওয়ার আশঙ্কা নিয়েও তিনি ভীত নন বলে জানিয়েছেন। শেখ হাসিনার বক্তব্য, অতীতেও একাধিকবার তাঁকে গ্রেফতার হতে হয়েছে। কিন্তু গত বছরের রাজনৈতিক অস্থিরতার সময় তাঁর জীবনের উপর বড় ধরনের হুমকি তৈরি হয়েছিল। সেই কারণেই দেশ ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হয়েছিলেন।তিনি আরও বলেন, দীর্ঘ সময় ক্ষমতায় থাকলে কোনও সরকারের ভুল হতেই পারে। তবে সেই ভুলের বিচার করার অধিকার জনগণের। দেশের মানুষই ঠিক করবে কোন সরকার ভালো কাজ করেছে আর কোন সরকার ব্যর্থ হয়েছে।আওয়ামী লিগকে নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্ত নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন শেখ হাসিনা। তাঁর বক্তব্য, যদি দল সত্যিই মানুষের সমর্থন হারিয়ে থাকে, তাহলে সেই সিদ্ধান্ত জনগণ ভোটের মাধ্যমে নিক। কোনও রাজনৈতিক দলকে নিষিদ্ধ করে গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করা যায় না বলেও মত প্রকাশ করেন তিনি।উল্লেখ্য, গত বছরের ছাত্র-যুব আন্দোলন এবং তীব্র রাজনৈতিক অস্থিরতার মধ্যে ক্ষমতা ছেড়ে দেশ ছাড়তে বাধ্য হন শেখ হাসিনা। এরপর বাংলাদেশে অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত হয়। পরে ছাত্র আন্দোলনে গুলি চালানোর অভিযোগে তাঁর বিরুদ্ধে মামলা হয় এবং আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল তাঁকে গণহত্যার মামলায় সর্বোচ্চ শাস্তি ঘোষণা করে। যদিও সেই রায় তিনি মানতে অস্বীকার করেছিলেন।রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, শেখ হাসিনার দেশে ফেরার সিদ্ধান্ত বাংলাদেশের রাজনীতিতে বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত হতে পারে। পাশাপাশি ভারত ও বাংলাদেশের সম্পর্কের ক্ষেত্রেও এই সিদ্ধান্ত ভবিষ্যতে নতুন সমীকরণ তৈরি করতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

জুলাই ১০, ২০২৬
কলকাতা

অভিষেককে কড়া বার্তা হাইকোর্টের! আর এড়ানো যাবে না, দিতেই হবে কণ্ঠস্বরের নমুনা

কলকাতা হাইকোর্টে কণ্ঠস্বরের নমুনা সংক্রান্ত মামলায় নতুন মোড় এল। আদালত স্পষ্ট জানিয়ে দিল, ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে নির্ধারিত দিনেই কণ্ঠস্বরের নমুনা দিতে হবে। তদন্তকারী সংস্থাকে সহযোগিতা করা তাঁর আইনি দায়িত্ব বলেও আদালত জানিয়েছে।ডিজে মন্তব্য সংক্রান্ত মামলায় তদন্তের স্বার্থে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কণ্ঠস্বরের নমুনা চেয়েছে তদন্তকারী সংস্থা। এর আগে একাধিকবার দিন নির্ধারণ করা হলেও তিনি নমুনা দিতে যাননি। তাঁর দাবি ছিল, সংশ্লিষ্ট মন্তব্য যে তাঁরই, তা তিনি অস্বীকার করেননি। তাই নতুন করে কণ্ঠস্বরের নমুনা দেওয়ার প্রয়োজন নেই।শুক্রবার মামলার শুনানিতে বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য এই যুক্তি মানতে রাজি হননি। তিনি স্পষ্ট বলেন, আদালতের নির্দেশ মেনে কণ্ঠস্বরের নমুনা দিতেই হবে। তদন্তের স্বার্থে তদন্তকারী সংস্থাকে পূর্ণ সহযোগিতা করার নির্দেশও দেন তিনি।শুনানির সময় বিচারপতি প্রশ্ন তোলেন, ম্যাজিস্ট্রেটের নির্দেশ থাকা সত্ত্বেও গত আট জুলাই কেন হাজির হননি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। আদালতের নির্দেশ থাকা অবস্থায় ফের নতুন মামলা করারও সমালোচনা করেন তিনি। বিচারপতির পর্যবেক্ষণ, আদালতের নির্দেশকে এভাবে উপেক্ষা করা ঠিক নয়।অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আইনজীবী আদালতে জানান, কণ্ঠস্বর দিতে আপত্তি নেই। শুধু কেন এই নমুনা প্রয়োজন, সেই বিষয়েই প্রশ্ন তোলা হয়েছে। পাশাপাশি তাঁর আর্জি ছিল, এই কণ্ঠস্বরের নমুনা যেন অন্য কোনও মামলায় ব্যবহার করা না হয়।তবে সেই আবেদনেও সায় দেয়নি আদালত। বিচারপতি জানিয়ে দেন, আগামী পনেরো জুলাই দুপুর বারোটায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে কণ্ঠস্বরের নমুনা দিতেই হবে। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছে, নমুনা দিতে যাওয়ার সময় তাঁর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে এবং কোনও ধরনের হেনস্থার ঘটনা যাতে না ঘটে, তা প্রশাসনকে দেখতে হবে।

জুলাই ১০, ২০২৬
রাজ্য

জলমগ্ন কলকাতা, ফুঁসছে নদী, উত্তাল সমুদ্র! বাংলাজুড়ে বাড়ছে দুর্যোগের আশঙ্কা

রাতভর প্রবল বৃষ্টিতে কার্যত ভিজেছে কলকাতা-সহ গোটা দক্ষিণবঙ্গ। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার পর থেকেই শুরু হওয়া বৃষ্টি গভীর রাত পর্যন্ত চলেছে। শুক্রবার সকালেও কলকাতা এবং আশপাশের জেলায় একইভাবে বৃষ্টির দাপট বজায় রয়েছে। একাধিক এলাকায় জল জমতে শুরু করেছে। ফলে সকাল থেকেই যান চলাচলে সমস্যার মুখে পড়েছেন সাধারণ মানুষ।আবহাওয়া দপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, এখনই বৃষ্টি থামার কোনও সম্ভাবনা নেই। বাংলাদেশ এবং সংলগ্ন বঙ্গোপসাগরের উপর তৈরি হওয়া শক্তিশালী ঘূর্ণাবর্ত এবং সক্রিয় মৌসুমি অক্ষরেখার প্রভাবে আগামী কয়েক দিন দক্ষিণবঙ্গজুড়ে বৃষ্টির পরিমাণ আরও বাড়তে পারে। সঙ্গে দমকা ঝোড়ো হাওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে।শুক্রবার কলকাতা, হাওড়া, হুগলি এবং পূর্ব বর্ধমানে ভারী বৃষ্টির সতর্কতা জারি হয়েছে। শনিবার পূর্ব বর্ধমান, মুর্শিদাবাদ এবং নদিয়াতেও ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনার কথা জানিয়েছে আবহাওয়া দপ্তর। একই সঙ্গে বাঁকুড়া, পুরুলিয়া এবং ঝাড়গ্রামেও দফায় দফায় বৃষ্টি চলবে বলে পূর্বাভাস।শুক্রবার সকাল পর্যন্ত দমদমে প্রায় সাতানব্বই মিলিমিটার এবং আলিপুরে প্রায় সাঁইত্রিশ মিলিমিটার বৃষ্টি রেকর্ড করা হয়েছে। উত্তরবঙ্গেও প্রবল বর্ষণ চলছে। কোচবিহার ও আলিপুরদুয়ারে অতি ভারী বৃষ্টি হয়েছে, যার ফলে একাধিক এলাকায় জল জমেছে।কলকাতার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় ইতিমধ্যেই জল জমতে শুরু করেছে। ঠনঠনিয়া কালীবাড়ি, হলদিরাম মোড় এবং সেক্টর পাঁচ মেট্রো সংলগ্ন এলাকায় জল জমায় যান চলাচল ধীর হয়ে পড়েছে। যদিও এখনও বড় ধরনের জলাবদ্ধতার খবর নেই, তবে দিনের মধ্যে পরিস্থিতির আরও অবনতি হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।উপকূলবর্তী এলাকাগুলির জন্যও বিশেষ সতর্কতা জারি করা হয়েছে। আগামী বারো জুলাই পর্যন্ত মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে যেতে নিষেধ করা হয়েছে। দিঘা, দিঘা মোহনা, মন্দারমণি-সহ বিভিন্ন উপকূল এলাকায় পুলিশ মাইকিং করে সতর্ক করছে। সমুদ্র উত্তাল হয়ে জলোচ্ছ্বাসের পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে বলেও জানানো হয়েছে। পর্যটক এবং স্থানীয় বাসিন্দাদেরও অপ্রয়োজনীয়ভাবে সমুদ্রের কাছে না যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।অন্যদিকে, টানা বৃষ্টিতে সুবর্ণরেখা নদীর জল দ্রুত বেড়ে যাওয়ায় ঝাড়গ্রামের নয়াগ্রাম ব্লকের একাধিক এলাকা কার্যত বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। দেউলবাড় এবং গড়ধরা গ্রামের সংযোগকারী সেতু জলের তলায় চলে যাওয়ায় মানুষের যাতায়াত এখন নৌকার উপর নির্ভর করছে। এতে সাধারণ মানুষ, পড়ুয়া, কৃষক এবং ব্যবসায়ীদের চরম সমস্যায় পড়তে হচ্ছে।অজয় নদীর জলও ক্রমশ বাড়ছে। নদীর বাঁধের একাধিক অংশ দুর্বল হয়ে পড়ায় স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে নতুন করে বন্যার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। প্রতি বছর বর্ষায় এই এলাকায় প্লাবনের সমস্যা দেখা দেয়। এবারও একই পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন বাসিন্দারা।

জুলাই ১০, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal