• ৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, সোমবার ১৮ মে ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

U19

খেলার দুনিয়া

১৪ বছরেই ইতিহাস! বৈভবের ১৭৫-এ উড়ল ইংল্যান্ড, বিশ্বজয় ভারতের

যে মাটি থেকে একদিন উঠে এসেছিলেন বিরাট কোহলি, যুবরাজ সিং, মহম্মদ কাইফের মতো তারকারা, সেই একই মঞ্চে এবার নতুন নায়কের রাজত্ব। সেই গল্পের নাম বৈভব সূর্যবংশী। গত আইপিএলেই নিজের আগমনী বার্তা দিয়ে দিয়েছিলেন তিনি। মাত্র ১৪ বছর বয়সে ওপেন করতে নেমে সেঞ্চুরি করে তাক লাগিয়ে দিয়েছিলেন ক্রিকেট দুনিয়াকে। তখন থেকেই আলো তাঁর পিছু ছাড়েনি। যুব বিশ্বকাপে নামার আগেই তিনি হয়ে উঠেছিলেন তারকা। যে দিন ব্যাট হাতে নামেন, গ্যালারির উচ্ছ্বাস থামে না।সেই বৈভব সূর্যবংশীর ব্যাটেই ভর করে অনূর্ধ্ব ১৯ বিশ্বকাপ জিতল ভারত। ফাইনালে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে তাঁর ৮০ বলে ১৭৫ রানের বিধ্বংসী ইনিংসটাই ম্যাচের পার্থক্য গড়ে দেয়। বৈভবের ঝড়ে ভর করে ভারত তোলে বিশাল ৪১১ রান। লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ইংল্যান্ডকে ১০০ রানে হারিয়ে বিশ্বকাপ তুলে নেয় ভারত।ইংল্যান্ডের ছোটরা কিন্তু সহজে হার মানেনি। ওপেনার বেন ডকিন্স শুরুতেই ৬৬ রান করে লড়াইয়ের ইঙ্গিত দেন। বেন মায়েস ২৮ বলে ৪৫ রান করে চাপ বাড়ান। থমাস রিউ করেন ১৮ বলে ৩১। তাতে অনেকেই ভাবছিলেন ম্যাচ ঘুরে যেতে পারে। সেলেব ফ্যালকনার ক্রিজে এসে ইংল্যান্ডকে ফের আত্মবিশ্বাসী করে তোলেন। ৬৭ বলে ১১৫ রান করেন তিনি। ৯টি চার ও ৭টি ছক্কায় ভারতীয় বোলিংকে কিছুটা হলেও চাপে ফেলেছিলেন সেলেব।কিন্তু ইংল্যান্ডের কেউ বৈভব হয়ে উঠতে পারেননি। সেলেব আউট হতেই ম্যাচ আবার ভারতের নিয়ন্ত্রণে চলে আসে। বল হাতে তখন জ্বলে ওঠেন আরএস অম্বরীশ। গুরুত্বপূর্ণ সময়ে তিনটি উইকেট নেন তিনি। দীপেশ দেবেন্দ্রন ও কনিষ্ক চৌহান নেন দুটি করে উইকেট। এরপর আর ম্যাচে ফেরার সুযোগ পায়নি ইংল্যান্ড।ফাইনাল এবং গোটা টুর্নামেন্টের সেরা খেলোয়াড় নির্বাচিত হন বৈভব সূর্যবংশী। এর আগে পাঁচবার যুব বিশ্বকাপ জিতেছিল ভারত। এ বার ষষ্ঠবার ট্রফি জিতে ইতিহাসে আরও এক অধ্যায় যোগ হল।ট্রফি জয়ের পর কোচ ঋষিকেশ কানিতকর বলেন, এই অনুভূতি ভাষায় প্রকাশ করা কঠিন। ছেলেদের নিয়ে তিনি গর্বিত। তাঁর কথায়, ইংল্যান্ড লড়াই করেছিল, কিন্তু ভারত শেষ পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে গিয়েছে। ট্রফি জেতা যেমন লক্ষ্য ছিল, তেমনই তরুণ ক্রিকেটারদের উন্নতিই ছিল সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি।ভারতীয় দলের একমাত্র বাঙালি ক্রিকেটার অভিজ্ঞান কুন্ডু জানান, ম্যাচের এক পর্যায়ে চাপ অনুভব করলেও ধৈর্য হারাননি তাঁরা। বোলাররা অসাধারণ পারফরম্যান্স করেছেন বলে জানান তিনি। দুবছরের কঠোর পরিশ্রমের ফল হিসেবে এই ট্রফি এসেছে বলেই মনে করেন অভিজ্ঞান। আগের বিশ্বকাপে অস্ট্রেলিয়ার কাছে হারার বদলা এ বার নেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি। তাঁর মতে, সূর্যবংশীর আগ্রাসী ব্যাটিং শুরু থেকেই ইংল্যান্ডকে চাপে ফেলে দিয়েছিল।

ফেব্রুয়ারি ০৬, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

টানা ছ’বার ফাইনালে ভারত, রেকর্ড রান তাড়ায় আফগানিস্তানকে হারিয়ে বিশ্বজয়ের দোরগোড়ায় ছোটরা

ভারতীয় ছোটদের ক্রিকেটে ধারাবাহিক সাফল্যের আরও এক উজ্জ্বল অধ্যায় যোগ হল বুধবার। অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে আফগানিস্তানকে ৭ উইকেটে হারিয়ে টানা ষষ্ঠ বার ফাইনালে উঠল ভারত। বিশ্বের আর কোনও দল ছোটদের বিশ্বকাপে এমন নজির গড়তে পারেনি। শুক্রবার ফাইনালে ভারতের প্রতিপক্ষ ইংল্যান্ড।হারারের মাঠে টস জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেয় আফগানিস্তান। নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৪ উইকেটে ৩১০ রান তোলে তারা। ফয়জল শিনোজ়াদার ঝকঝকে ১১০ এবং উজ়াইরুল্লা নিয়াজ়াইয়ের অপরাজিত ১০১ রানের সুবাদে বড় স্কোর দাঁড় করায় আফগান শিবির। তবে সেই রান পাহাড়ও শেষ পর্যন্ত টপকানো গেল ভারতীয় ব্যাটারদের দাপটে।৩১১ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক মেজাজে ছিলেন ভারতের দুই ওপেনার। বিশেষ করে নজর কাড়েন মাত্র ১৪ বছর বয়সি বৈভব সূর্যবংশী। ৩৩ বলে ৬৮ রানের ঝোড়ো ইনিংসে ৯টি চার ও ৪টি ছক্কা মারেন তিনি। তাঁর ব্যাটেই ভারতের ইনিংস গতি পায়। বৈভব আউট হওয়ার পর দায়িত্ব সামলান অ্যারন জর্জ এবং অধিনায়ক আয়ুষ মাত্রে।দ্বিতীয় উইকেটে জর্জ-মাত্রের ১১৪ রানের জুটি কার্যত ম্যাচ ভারতের দিকে ঘুরিয়ে দেয়। আগের ম্যাচে ব্যর্থ হলেও সেমিফাইনালে দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তন করেন দুজনেই। অধিনায়ক মাত্রে করেন ৫৯ বলে ৬২ রান। অন্যদিকে অ্যারন জর্জ খেলেন ম্যাচজয়ী শতরান১০৪ বলে ১১৫ রান, যার মধ্যে ছিল ১৫টি চার ও ২টি ছক্কা।ভারতীয় ব্যাটাররা আফগান স্পিন আক্রমণকে কার্যত নিষ্ক্রিয় করে দেন। পাওয়ার প্লেতেই দ্রুত রান তুলে চাপ তৈরি করে দেয় ভারত। ৪১.১ ওভারে ৩ উইকেটে ৩১১ রান তুলে নেয় তারা। জর্জ আউট হওয়ার সময় জয়ের জন্য ভারতের প্রয়োজন ছিল মাত্র ১১ রান। শেষ দিকে দায়িত্বশীল ব্যাটিং করেন বিহান মলহোত্র (অপরাজিত ৩৯) ও বেদান্ত ত্রিবেদী।আফগানিস্তানের হয়ে ওমরজ়াই ২টি উইকেট নিলেও রানের গতি আটকাতে পারেননি। ভারতের এই জয় অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপের ইতিহাসে অন্যতম সফল রান তাড়া হিসেবে চিহ্নিত হয়ে থাকবে।উল্লেখযোগ্য বিষয়, বিসিসিআইয়ের নিয়ম অনুযায়ী কোনও ক্রিকেটার দুবার অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপে খেলতে পারে না। তবু প্রতিবার নতুন দল নিয়েই ধারাবাহিক ভাবে ফাইনালে পৌঁছে যাচ্ছে ভারত। ইতিমধ্যেই পাঁচ বার ছোটদের বিশ্বকাপ জিতেছে তারা। শুক্রবার ষষ্ঠ বারের জন্য ট্রফি জয়ের লক্ষ্যে মাঠে নামবে আয়ুষ মাত্রের দল।এক দিকে যখন ছোটরা বিশ্বজয়ের স্বপ্ন দেখছে, ঠিক তার আগের দিনই বড়রা টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ রক্ষার লড়াইয়ে নামবেন। ভারতীয় ক্রিকেটের জন্য এ যেন স্বর্ণালী সময়ের আর এক প্রতিচ্ছবি।

ফেব্রুয়ারি ০৫, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

২ ম্যাচের জন্য বিদেশি ডিফেন্ডার!‌ শেষ পর্বে ঘুম ভাঙল এসসি ইস্টবেঙ্গল কর্তাদের‌

সারা বছর ঘুমিয়ে থাকার পর আইএসএলের শেষ পর্বে এসে ঘুম ভেঙেছে এসসি ইস্টবেঙ্গল কর্তাদের! না হলে লিগের একেবারে শেষ মুহূর্তে এসে বিদেশি ডিফেন্ডার দলে নেবেন কেন? কোন যুক্তিতে ২ ম্যাচ আগে নতুন ফুটবলার সই করালেন কর্তারা, বোধগম্য নয়।শুরু থেকেই নানা বিতর্কে জেরবার এসসি ইস্টবেঙ্গল কর্তারা। দল গড়া থেকে শুরু করে, মাঝপথে কোচ বিতরণ, ফুটবলার ছাঁটাই। মাঝে টিম ম্যানেজমেন্টের বিরুদ্ধেও ফুটবলাররা ক্ষুব্ধ হয়ে উঠেছিলেন। আইএসএলে আর মাত্র দুটি ম্যাচ বাকি এসসি ইস্টবেঙ্গলের। একটা নর্থইস্ট ইউনাইটেড, আর একটা বেঙ্গালুরু এফ সির বিরুদ্ধে। দুম্যাচের জন্য নেপালের তরুণ ডিফেন্ডার অনন্ত তামাংকে সই করালেন লালহলুদ কর্তারা।নেপালের থ্রি স্টার ক্লাবে খেলতেন ২৪ বছর বয়সী অনন্ত তামাং। নেপালের অনূর্ধ্ব ১৯ দলের হয়ে দারুণ নজর কেড়েছিলেন। সেই সুবাদে জায়গা পান জাতীয় দলে। ২০১৫ সালে ভারতের বিরুদ্ধে সাফ কাপে ভারতের বিরুদ্ধে নেপালের জার্সি গায়ে অভিষেক হয়। ২০২০ সালে নেপালের প্রথম ডিভিশন ফুটবল লিগে সেরা খেলোয়াড় নির্বাচিতও হয়েছিলেন। এখন দেখার বাকি দুটি ম্যাচে তিনি কতটা রক্ষা করতে পারেন লালহলুদ রক্ষণকে। এসসি ইস্টবেঙ্গলের মতো ক্লাবের জার্সি গায়ে তোলার সুযোগ পেয়ে খুশি অনন্ত তামাং। লালহলুদ মিডিয়াকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, এসসি ইস্টবেঙ্গলে খেলার সুযোগ পেয়ে আমি দারুণ খুশি। আমার কাছে গর্বের মুহূর্ত। চেষ্টা করব দলকে সবরকম ভাবে সাহায্য করতে।🚨𝐀𝐍𝐍𝐎𝐔𝐍𝐂𝐄𝐌𝐄𝐍𝐓🚨We are happy to announce the signing of Nepal🇳🇵defender Ananta Tamang for the remainder of the season.🗣️I am happy to join SC East Bengal. I look forward to helping the club in every way I can. It is a proud moment for me.#WeAreSCEB pic.twitter.com/aRKzGGwMM6 SC East Bengal (@sc_eastbengal) February 23, 2022আইএসএলে ১৮ ম্যাচ খেলা হয়ে গেছে এসসি ইস্টবেঙ্গলের। মাত্র ১টা ম্যাচে জয় এসেছে। ৭টি ড্র। ১০টিতে হার। ১০ পয়েন্ট নিয়ে লিগ টেবিলের শেষে রয়েছে। বাকি ২ ম্যাচ জিতলেও খুব বেশি হেরফের হবে না। এই অবস্থায় নতুন বিদেশি ফুটবলার সই করানো নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। অনেকেই বলতে শুরু করেছেন, এতদিন কি কর্তারা ঘুমিয়ে ছিলেন?এদিকে, বুধবার মুম্বই সিটি এফসির কাছে হার একেবারেই মেনে নিতে পারছেন না এসসি ইস্টবেঙ্গল কোচ মারিও রিভেরা। তিনি মনে করছেন, মুম্বইয়ের বিরুদ্ধে তাঁর দল হারার মতো খেলেননি। রিভেরা বলেন, ফুটবলাররা দারুণ খেলেছে। ১ গোলে হারতে হয়েছে। অনেক সুযোগ পেয়েছিলাম। কাজে লাগাতে পারিনি। পেনাল্টিও পাইনি। এই বার আমাদের প্রাপ্য ছিল না।

ফেব্রুয়ারি ২৩, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌অনূর্ধ্ব ১৯ বিশ্বকাপ না খেলেই ফিরতে হত রবি কুমারদের। কারণটা জানেন?‌

পোর্ট অফ স্পেনে নামার পর গায়ানায় যাওয়ার জন্য চার্টার্ড ফ্লাইটে ওঠার আগেই বিপত্তি। রবি কুমারদের আটকে দিয়েছিলেন পোর্ট অফ স্পেনের অভিবাসন দপ্তরের কর্তারা। তাহলে কি অনূর্ধ্ব ১৯ বিশ্বকাপ না খেলেই ফিরে আসতে হবে রবি কুমার, অঙ্গক্রিশ রঘুবংশীদের? আশঙ্কার কালো মেঘ ঘনিয়ে এসেছিল ভারতীয় ক্রিকেট দলের ওপর। অবশেষে আসরে নামে ভারতের কেন্দ্রীয় ক্রীড়ামন্ত্রক। সমস্যা মিটিয়ে বিশ্বকাপ খেলে দেশে ফেরেন রবি কুমাররা। অনূর্ধ্ব ১৯ বিশ্বকাপ খেলতে মুম্বই থেকে দুবাই হয়ে পোর্ট অফ স্পেনের উদ্দেশ্যে রওনা হয় ভারতীয় দল। পোর্ট অফ স্পেনে নামার পর গায়ানায় যাওয়ার কথা ছিল। চার্টার্ড বিমানে ওঠার আগে ক্রিকেটারদের করোনার টিকা নেওয়া আছে কিনা পরীক্ষা করছিলেন অভিবাসন দপ্তরের কর্তারা। রবি কুমার, অঙ্গক্রিশ রঘুবংশীসহ ৭ জন ক্রিকেটারের করোনার টিকা নেওয়া ছিল না। তাঁদের দেশে ফেরার নির্দেশ দেন অভিবাসন দপ্তরের কর্তারা। যখন এয়ারলাইন ও অভিবাসন দপ্তরের কর্তাদের মধ্যে রবি কুমারদের দেশে ফেরত পাঠানোর ব্যাপারে কথাবার্তা চলছে, তখন নিরাপত্তারক্ষীরা ঘিরে রেখেছিলেন ভারতীয় দলের ক্রিকেটারদের। যাতে কেউ পালাতে না পারে। দেশে ফেরার জন্য পোর্ট অফ স্পেন থেকে পরের বিমান ছিল ৩ দিন পর। তাই স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে দর কষাকষির জন্য কিছুদিন সময় পেয়েছিল ভারতীয় দল। ভারতীয় দলের ম্যানেজার লবজাং জি তেনজিং অভিবাসন দপ্তরের কর্তাদের বোঝানোর চেষ্টা করেন, ভারতে ১৮ বছরের কম বয়সীদের করোনার টিকা চালু হয়নি। তাঁর কথায় কর্ণপাত করেননি অভিবাসন দপ্তরের কর্তারা।দেশে ফেরার বিমান না থাকায় ভারতীয় দলের ওই ৭ ক্রিকেটারকে বিমানবন্দরের কাছেই একটা জঘন্য হোটেলে রাখা হয়েছিল। ভারতীয় দলের ম্যানেজার লবজাং জি তেনজিং ক্রিকেটারদের সঙ্গে থেকে গিয়েছিলেন। এরপর তেনজিং যোগাযোগ করেন ভারতীয় কেন্দ্রীয় মন্ত্রকের সঙ্গে। কেন্দ্রীয় মন্ত্রক ও ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড যোগাযোগ করে আইসিসির সঙ্গে। আইসিসি বিষয়টিতে হস্তক্ষেপ করা। তারা কথা বলেন পোর্ট অফ স্পেনের স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে। তারপর সমস্যার সমাধান হয়। ওই ৭ ক্রিকেটারকে ২৪ ঘন্টারও বেশি সময় হোটেলে আটকে রাখার পর গায়ানা যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়।

ফেব্রুয়ারি ২২, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌স্নায়ুচাপের লড়াইয়ে বাজিমাত, রবি–রাজের দাপটে ৫ বার বিশ্বসেরা ভারত

ম্যাচের অন্তিমলগ্ন পর্যন্ত টানটান উত্তেজনা। স্নায়ুচাপের লড়াইয়ে শেষ পর্যন্ত বাজিমাত ভারতের। ইংল্যান্ডকে ৪ উইকেটে হারিয়ে অনূর্ধ্ব ১৯ বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন যশ ধুল ব্রিগেড। এই নিয়ে ৫ বার বিশ্বসেরার তকমা ছিনিয়ে নিল ভারত। একটা সময় আশঙ্কা তৈরি হয়েছিল। ১৮৯ রান তাড়া করে জয় আসবে তো। কিন্তু অ্যান্টিগুয়ার স্যার ভিভিয়ান রিচার্ডস স্টেডিয়ামে যেভাবে স্নায়ু চাপ ধরে রাখার পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হলেন যশ ধুলরা, এককথায় অবিশ্বাস্য। আর ভারতকে বিশ্বকাপের বৈতরণী পার করার নায়ক হরিয়ানার বাঁহাতি ব্যাটার নিশান্ত সিন্ধু। ম্যাচের প্রথমার্ধ যদি রাজ বাওয়া ও রবি কুমারের হয়, দ্বিতীয়ার্ধটা অবশ্যই নিশান্ত সিন্ধুর। দুর্দান্ত হাফ সেঞ্চুরি করে ভারতে বিশ্বসেরার খেতাব এনে দিলেন। টস জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেয় ইংল্যান্ড। দ্বিতীয় ওভারেই ইংল্যান্ড শিবিরকে ধাক্কা দেন রবি কুমার। দুরন্ত ইনসুইংয়ে তুলে নেন ওপেনার জ্যাকব বেথেলকে (২)। চতুর্থ ওভারে সবথেকে বড় ধাক্কা খায় ইংল্যান্ড। রবি কুমারের বল ব্যাটের ভেতরের কানায় লাগিয়ে বোল্ড হন টম প্রেস্ট (০)। অধিনায়ক টম প্রেস্টের দিকে তাকিয়ে ছিল ইংল্যান্ড। সেমিফাইনালে আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে তাঁর চওড়া ব্যাট জিতিয়েছিল ইংল্যান্ডকে। ১৮ রানের মধ্যে ২ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় ইংরেজরা। রবি কুমার, রাজ বাওয়াদের আঁটোসাঁটো বোলিংয়ে সেই চাপ থেকে বেরিয়ে আসতে পারেনি।২ উইকেট পড়ে যাওয়ার পর পাল্টা আক্রমণ হানার চেষ্টা করছিলেন ইংল্যান্ডের অন্য ওপেনার জর্জ থমাস। চলতি বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডের মধ্যে তিনিই সবথেকে বেশি ধারাবাহিক। পরিবর্ত বোলার হিসেবে বল করতে এসে জর্জ থমাসকে তুলে নেন রাজ বাওয়া। ৩০ বলে ২৭ রান করে তিনি আউট হন। এক ওভার পরেই পররপর ২ বলে উইলিয়াম লাক্সটন (৪) ও জর্জ বেলকে (০) তুলে নেন রাজ। জেমস রেউয়ের সঙ্গে জুটি বেঁধে চাপ কাটানোর চেষ্টা করেন রেহান আমেদ। সেই রাজ বাওয়াই আবার জুটি ভাঙেন। ফেরান রেহানকে (১০)। এরপর অ্যালেক্স হর্টন (১০) সঙ্গ দেন জেমসকে। জুটিতে ওঠে ৩০। হর্টনকে তুলে নিয়ে জুটি ভাঙেন কৌশল তাম্বে। এরপর ইংল্যান্ডকে টেনে নিয়ে যান জেমস রেউ ও জেমস সেলস। দুজনে মিলে জুটিতে তোলেন ৯৩ রান। এই জুটিই ইংল্যান্ডে লড়াইয়ে ফেরায়। ৪৪ তম ওভারে বল করতে এসে জুটি ভাঙেন রবি কুমার। তাঁর বল বাউন্ডারির বাইরে পাঠাতে গিয়ে স্কোয়ার লেগে কৌশল তাম্বের হাতে ক্যাচ দেন জেমস রেউ। ১১৬ বলে ৯৫ রান করেন তিনি। জেমস রেউ যখন আউট হন ইংল্যান্ডের রান তখন ১৮৪। একই ওভারের চতুর্থ বলে থমাস অ্যাস্পিনোয়ালকে (০) তুলে নেন রবি কুমার। জোসুয়া বাইডনকে (১) ফিরিয়ে ইংল্যান্ডকে গুটিয়ে দেন রাজ বাওয়া। ৪৪.৫ ওভারে ১৮৯ রানে শেষ ইংল্যান্ড। রবি কুমার ৩৪ রানে ৪ উইকেট নেন, ৩১ রানে ৫ উইকেট নেন রাজ বাওয়া।ইংল্যান্ডের মতো ভারতেরও শুরুটা ভাল হয়নি। ইনিংসের দ্বিতীয় বলেই ফিরে যান ওপেনার অঙ্গকৃশ রঘুবংশী (০)। হার্নুর সিং ও শেখ রশিদ দলকে কিছুটা টানেন। হার্নুর (৪৬ বলে ২১) আউট হওয়ার পর ধৈর্যের পরীক্ষায় অবতীর্ণ হন রশিদ। তিনি ও অধিনায়ক যশ ধুল দারুণভাবে দলকে টেনে নিয়ে যাচ্ছিলেন। ৮৪ বলে ৫০ রান করে নিজের উইকেট উপহার দেন রশিদ। পরপরই আউট হন ধুল। ৩২ বলে ১৭ রান করে আউট হন ধুল। ৯৭ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় ভারত। এরপরই মঞ্চে আবির্ভাব রাজ বাওয়া ও নিশান্ত সিন্ধুর। দুজনের ৬৭ রানের পার্টনারশিপ ভারতকে বিশ্বজয়ের দিয়ে এগিয়ে দেয়। ১৬৪ রানের মাথায় রাজ বাওয়া (৫৪ বলে ৩৫) আউট হওয়ার আবার চাপে পড়ে যায় ভারত। চাপ আরও বেড়ে যায় কৌশল তাম্বে (১) দ্রুত ফেরায়। শেষ পর্যন্ত ৫৪ বলে ৫০ রানে অপরাজিত থেকে দলকে জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে দেন নিশান্ত সিন্ধু। ৪৭.৪ ওভারে ১৯৫ রান তুলে বিশ্বসেরার মুকুট ছিনিয়ে নেয় ভারত।

ফেব্রুয়ারি ০৬, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌৫ বার বিশ্বজয়ের সামনে দাঁড়িয়ে ভারত, কোহলির বার্তায় কতটা উদ্বুদ্ধ যশরা?‌

গত বিশ্বকাপে ফাইনালে উঠেও অল্পের জন্য শেষরক্ষা হয়নি। বাংলাদেশের কাছে ফাইনালে ডাকওয়ার্থলুইস নিয়মে হেরে অনূর্ধ্ব ১৯ বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়নের স্বপ্ন চুরমার হয়ে গিয়েছিল। এবার আবার চ্যাম্পিয়ন হওয়ার হাতছানি ভারতের সামনে। যশ ধুল কি পারবেন মহম্মদ কাইফ, বিরাট কোহলি, উন্মুক্ত চাঁদ, পৃথ্বী শদের কৃতিত্ব স্পর্শ করতে? ফাইনালে ইংল্যান্ডকে হারাতে পারলেই কাইফ, কোহলিদের সঙ্গে একাসনে বসবেন যশ ধুল। ২০২২র আগে ৭ বার অনূর্ধ্ব ১৯ বিশ্বকাপের ফাইনালে উঠেছিল ভারত। ৪ বার চ্যাম্পিয়ন। অনূর্ধ্ব ১৯ বিশ্বকাপে ভারতের মতো চমকপ্রদ পারফরমেন্স আর কোনও দলের নেই। এবার সামনে ৫ বার বিশ্বকাপ জয়ের হাতছানি। দেশকে আবার বিশ্বসেরা করার দায়িত্ব যশ ধুল, শেখ রশিদ, ভিকি অস্তোয়াল, রবি কুমারদের সামনে। ইতিমধ্যেই একটা অনন্য কৃতিত্ব অর্জন করে ফেলেছে ভারতীয় দল। টানা ৩ বার ফাইনালে ওঠা। ভারতের আগে কোনও দল এই কৃতিত্ব অর্জন করতে পারেনি। ফাইনালে ওঠার পথে একটা ম্যাচও হারেনি ভারত। ফাইনালে ভারতের প্রতিপক্ষ ইংল্যান্ডের পরিসংখ্যানও একই। প্রতিযোগিতার শুরু থেকেই ভারতের মতো দুর্দান্ত ধারাবাহিকতা দেখিয়ে এসেছে ইংল্যান্ড। ফাইনালে ভারত তাকিয়ে অধিনায়ক যশ ধুল ও সহঅধিনায়ক শেখ রশিদের ব্যাটের দিকে। সেমিফাইনালে দুর্দান্ত ব্যাটিং করে ভারতের জয়ের ভিত তৈরি করে দিয়েছিলেন এই দুই ব্যাটার। করোনা থেকে সুস্থ হয়ে ফিরে এসে দুর্দান্ত ব্যাটিং করেছিলেন যশ ও রশিদ। পরে বল হাতে দায়িত্ব কাঁধে তুলে নিয়েছিলেন ভিকি অস্তোয়াল ও নিশান্ত সিন্ধু। জোরে বোলার রবি কুমার ও রাজ্যবর্ধন হাঙ্গারগেকরও দাপটের সঙ্গে বোলিং করছেন। তবে ফাইনালে নামার আগে ভারতীয় দলকে চিন্তায় রেখেছে দুই ওপেনার হার্নুর সিং ও অঙ্গকৃশ রঘুবংশীর ফর্ম। ফাইনালে ভারতের লড়াই অবশ্য সহজ হবে না। প্রতিপক্ষ ইংল্যান্ডও প্রতিযোগিতার শুরু থেকেই দারুণ ধারাবাহিকতা দেখিয়ে এসেছে। ব্যাটিংয়ে বড় ভরসা অধিনায়ক টম প্রেস্ট। বাঁহাতি জোরে বোলার জোসুয়া বাইডেন ১৩ উইকেট নিয়ে চমক দিয়েছেন। রেহান আমেদের স্পিনও ভারতকে সমস্যায় ফেলতে পারে। সব মিলিয়ে ফাইনালে যে জোরদার লড়াই হবে, সেকথা নিশ্চিতভাবে বলা যায়। তবে ফাইনালে আগে যশ ধুলদের বড় প্রাপ্তি বিরাট কোহলির ভিডিও বার্তা। ভিডিও বার্তায় কোহলি নিজের বিশ্বকাপ জেতার অভিজ্ঞতা যেমন শেয়ার করেছেন, তেমনই উদ্বুদ্ধ করেছেন যশ ধুলদের।

ফেব্রুয়ারি ০৪, ২০২২
খেলার দুনিয়া

যশ, রশিদদের দাপটে চূর্ণ অস্ট্রেলিয়া, বিশ্বকাপের ফাইনালে ভারত

এভাবেও ফিরে আসা যায়! ভারতকে না দেখলে বিশ্বাস করা সত্যিই কঠিন। ২০২২ অনূর্ধ্ব ১৯ বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে প্রত্যাবর্তনের নায়ক হিসেবে ইতিহাসের খাতায় স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে অধিনায়ক যশ ধুল ও সহঅধিনায়ক শেখ রশিদের নাম। এই দুই ব্যাটারের দাপটে অস্ট্রেলিয়াকে ৯৬ রানে উড়িয়ে অনূর্ধ্ব ১৯ বিশ্বকাপের ফাইনালে ভারত। সামনে এবার ইংল্যান্ড। অস্ট্রেলিয়ার দুই জোরে বোলার টম হুইটনি ও জ্যাক নিসবেটের দাপটে তখন থরহরিকম্প ভারতের দুই প্রারম্ভিক ব্যাটার অঙ্গকৃশ রঘুবংশী ও হার্নুর সিংয়ের। রান তোলাই কঠিন হয়ে পড়েছিল এই দুই ব্যাটারের কাছে। শুরু থেকে সতর্ক থাকলেও শেষরক্ষা করতে পারেননি অঙ্গকৃশ রঘুবংশী। ম্যাচের অষ্টম ওভারে উইলিয়াম স্যালজম্যানের দুরন্ত ডেলিভারিতে অঙ্গকৃশের (৩০ বলে ৬) অফস্টাম্প ছিটকে যাওয়ার পর বাইশ গজে আগমন শেখ রশিদের। ভারতের রান তখন ১৬। হার্নুর সিংও খুব একটা সপ্রতিভ ছিলেন না। জ্যাক নিসবেটের বলে মাত্র ১৬ রান করে সাজঘরের পথে পা বাড়ান হার্নুর।১২.৩ ওভারে ভারতের রান তখন ৩৭। এরপর মঞ্চে আবির্ভাব অধিনায়ক যশ ধুলের। বাকিটা ইতিহাস।WHAT. A. PERFORMANCE! 💪 👌India U19 beat Australia U19 by 9⃣6⃣ runs march into the #U19CWC 2022 Final. 👏 👏 #BoysInBlue #INDvAUSThis is India U19s 4th successive 8th overall appearance in the U19 World Cup finals. 🔝Scorecard ➡️ https://t.co/tpXk8p6Uw6 pic.twitter.com/tapbrYrIMg BCCI (@BCCI) February 2, 2022ক্রিজে নেমে শুরু থেকে সতর্ক ছিলেন রশিদ ও যশ। সময় যত গড়িয়েছে ততই চওড়া হয়েছে ভারতের এই দুই ব্যাটারের ব্যাট। শুরুর দিকে ভয়ঙ্কর হয়ে ওঠা হুইটনি ও নিসবেট, স্যালজম্যানদের ক্লাব স্তরে নামিয়ে নিয়ে আসেন রশিদ ও যশ ধুল। স্পিনের বিরুদ্ধে দারুণ স্বপ্রতিভ ছিলেন যশ। ব্যাকফুটে লেট কাটগুলো ছিল দেখার মতো। তৃতীয় উইকেটের জুটিতে ৩৩.২ ওভারে যশ ও রশিদ তোলেন ২০৪ রান। এতেই বড় রানের মঞ্চ তৈরি হয়ে যায় ভারতের। দুরন্ত সেঞ্চুরি করেন যশ ধুল। শেষপর্যন্ত ১১০ বলে ১১০ রান করে দুর্ভগ্যজনকভাবে রান আউট হয়ে ফিরে যান ভারতীয় দলের ক্যাপ্টেন। মাত্র ৬ রানের জন্য সেঞ্চুরি হাতছাড়া করেন রশিদ। ১০৮ বলে ৯৪ রান করে তিনি জ্যাক নিসবেটের বলে আউট হন। পরপর ২ বলে দুউইকেট হারালেও ভারতের বড় রানে পৌঁছতে অসুবিধা হয়নি। শেষপর্যন্ত ৫০ ওভারে ৫ উইকেটে ২৯০ রান তোলে ভারত।ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই ধাক্কা খায় অস্ট্রেলিয়া। দ্বিতীয় ওভারেই টিগু উইলিকে (১) তুলে নেন রবি কুমার। এরপর দলকে টেনে নিয়ে যাওয়ার দায়িত্ব কাঁধে তুলে নেন ক্যাম্পবেল কেলাওয়ে ও কোরে মিলার। কোলে (৩০) তুলে নিয়ে জুটি ভাঙেন ভিকি অস্তোয়াল। তবে অস্ট্রেলিয়াকে বড় ধাক্কা দেন নিশান্ত সিন্ধু। অধিনায়ক কুপার কনোলিকে (৩) তুলে নিয়ে অস্ট্রেলিয়াকে একেবারে ব্যাকফুটে পাঠিয়ে দেন। ভিকি ও নিশান্তের দাপটে ভেঙে পড়ে অস্ট্রেলিয়ার মিডল অর্ডার। ১২৫ রানে ৭ উইকেট হারিয়ে ম্যাচ থেকে হারিয়ে যায় অস্ট্রেলিয়া। সেখান থেকে ৪১.৫ ওভারে ১৯৪ রানে শেষ। একমাত্র লড়াই করেন লাচলান সাউ (৫১)। ভিকি অস্তোয়াল ৪২ রানে ৩টি, নিশান্ত সিন্ধু ২৫ রানে ২টি এবং রবি কুমার ৩৭ রানে ২টি উইকেট নেন।

ফেব্রুয়ারি ০৩, ২০২২
খেলার দুনিয়া

ভারতীয় ক্রিকেটে বাংলার রবির উদয়, চোখে বিশ্ব জয়ের স্বপ্ন

তিন বছর আগে বাংলার অনূর্ধ্ব ১৬ দলের ক্রিকেটারদের বয়স যাচাই প্রক্রিয়া চলছিল। হাড়ের পরীক্ষায় পাশ করতে পারেননি রবি কুমার। সেদিন হতাশায় ইডেন চত্বর ছেড়ে বাড়ি ফিরতে হয়েছিল। তবে ভেঙে পড়েননি। নতুন উদ্যমে আবার প্রস্তুতি শুরু করে দেন। অবশেষে বাংলার অনূর্ধ্ব ১৯ দলে সুযোগ। সেখান থেকে আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি বাংলার এই জোরে বোলারকে। একেবারে জাতীয় দল। অনূর্ধ্ব ১৯ এশিয়া কাপ খেলে বিশ্বকাপের আসরে।ওয়েস্ট ইন্ডিজে বিশ্বকাপের সুযোগ পেলেও প্রথম দিকে সেভাবে জ্বলে উঠতে পারেননি। কোয়ার্টার ফাইনালে দুরন্ত বোলিং করে সকলের নজর কেড়েছেন রবি কুমার। তাঁর বিষাক্ত সুইংয়ে নাজেহাল হয়ে পড়েছিলেন বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানরা। অ্যান্টিগুয়ার পরিবেশও সুবিধা করে দিয়েছিল রবি কুমারকে। তাঁর সুইংয়ে মুগ্ধ হয়েছিলেন স্বয়ং কার্লোস ব্রেথওয়েট। কমেন্ট্রি বক্সে বসে প্রশংসায় ভরিয়ে দিয়েছিলেন রবি কুমারকে।রবি কুমারের বাবা রাজেন্দ্র কুমার সিং আদতে উত্তর প্রদেশের বাসিন্দা। সিআরপিএফে চাকরি করতেন। চাকরীসূ্ত্রে তিনি কলকাতাতেই থাকতেন। কলকাতাতেই রবির জন্ম। পরে আলিগড়ে চলে যান। সেখানেই প্রথাগত ক্রিকেটে হাতেখড়ি রবি কুমারের। সেখান থেকেই তাঁর ছোট বেলার কোচ অরবিন্দ ভদ্বরাজ রবিকে কলকাতায় পাঠান ক্লাব ক্রিকেট খেলতে। কলকাতায় এসে কাকাকাকীমার কাছে থাকতেন। হাওড়া ইউনিয়নের হয়ে কলকাতা দ্বিতীয় ডিভিশন খেলে নজরে পড়েন। এরপর বালিগঞ্জ ইউনাইটেডে যোগ দেন। সেখানে কোচ হিসেবে পেয়েছিলেন অমিতাভ রায়কে। তারপর আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি রবি কুমারকে।সিএবির চ্যালেঞ্জার ট্রফিতে ভাল খেলে সুযোগ করে নেন বাংলার অনূর্ধ্ব ১৯ দলে। বাংলা দলে তাঁকে ঘষেমেজে তৈরি করে কোচ দেবাং গান্ধী ও বোলিং কোচ জয়ন্ত ঘোষ দস্তিদার। ছোট থেকেই হাতে সহজাত সুইং ছিল রবি কুমারের। কিন্তু হাতের পেশিতে খুব বেশি জোর ছিল না। অনূর্ধ্ব ১৯ বাংলা দলে রবি কুমারের পেশির শক্তি বাড়ানোর দিকে নজর দেন দেবাং গান্ধী। তবে বোলিং ভঙ্গী বদলানোর চেষ্টা করেননি।অস্ট্রেলিয়ার মিচেল স্টার্কের ভক্ত রবি কুমার। বালিগঞ্জ ইউনাইটেডেই হোক কিংবা বাংলার অনূর্ধ্ব ১৯ দলের অনুশীলনে, নেটে অনেকটা সময় একা একা বোলিং করতেন। কলকাতায় যখন অফ সিজন। চলে যেতেন আলিগড়ে। সেখানে অনুশীলন করতেন অরবিন্দ ভদ্বরাজের কাছে। মরশুম শুরু হলেই আবার কলকাতায় চলে আসতেন রবি কুমার। আলিগড়ে নেটে একটা উইকেট পুঁতে স্পট বোলিং প্র্যাকটিস করাতেন অরবিন্দ ভদ্বরাজ। এইভাবেই অনুশীলন করে লাইনলেংথে নিখুঁত হয়েছেন রবি কুমার। দেশকে সেমিফাইনালে তুলে রবির লক্ষ্য ফাইনাল। বিশ্বকাপ জিতে দেশে ফিরছেন, এখন এই স্বপ্নটাই দেখছেন বাংলার রবি।

জানুয়ারি ৩১, ২০২২
খেলার দুনিয়া

U19 Asia Cup : ‌ব্যর্থ পাকিস্তান, অনূর্ধ্ব১৯ এশিয়া কাপের ফাইনালে ভারত

অনূর্ধ্ব ১৯ বিশ্বকাপে গ্রুপ লিগে পাকিস্তানের কাছে হেরে মানসিকভাবে অনেকটাই ভেঙে পড়ছিল ভারতীয় দল। সেমিফাইনালের ছাড়পত্র পেতে গেলে গ্রুপ লিগের শেষ ম্যাচে আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে জিততেই হয়। দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তন ঘটিয়ে অবশেষে সেমিফাইনালে। সেমিফাইনালেও অপ্রতিরোধ্য ভারতীয় দল। গতবারের চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশকে ১০৩ রানে হারিয়ে পৌঁছে গেল অনূর্ধ্ব ১৯ এশিয়া কাপের ফাইনালে। যশ ঢুলের দলের সামনে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার সুযোগ। ফাইনালে সামনে শ্রীলঙ্কা। বৃহস্পতিবার শারজায় দ্বিতীয় সেমিফাইনালে টস জিতে ভারতকে ব্যাট করতে পাঠায় বাংলাদেশ। নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৮ উইকেট হারিয়ে ২৪৩ রান তোলে ভারত। ভারতের হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন শাইক রশিদ। তিনি ১০৮ বলে ৯০ রান করে অপরাজিত থাকেন। তাঁর ইনিংসে রয়েছে তিনটি চার ও একটি ছয়। ভিকি অস্তবল ১৮ বলে ২৮ রান করে অপরাজিত থাকেন। অধিনায়ক যশ ঢুল ২৬ ও রাজ বাওয়া ২৩ রান করেন। বাংলাদেশের হয়ে রকিবুল হাসান নেন ৪১ রানের বিনিময়ে ৩ উইকেট।জবাবে ব্যাট করতে নেমে ভাল শুরু করে বাংলাদেশ। ৫ ওভারে তোলে ৩১। এরপরই প্রথম উইকেট হারায়। নিয়মিত ব্যবধানে উইকেট পড়তে থাকায় আর ম্যাচে ফিরতে পারেনি বাংলাদেশ। ৩৮.২ ওভারে ১৪০ রানেই গুটিয়ে যায়। আরিফুল ইসলাম সর্বাধিক ৪২ রান করেন। ভারতের হয়ে রাজ্যবর্ধন হঙ্গরগেকর, রবি কুমার, রাজ বাওয়া ও ভিকি অস্টওয়াল দুটি করে উইকেট নেন।অন্য সেমিফাইনালে পাকিস্তানকে ২২ রানে হারিয়েছে শ্রীলঙ্কা। টস জিতে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় শ্রীলঙ্কা। ৪৪.৫ ওভারে ১৪৭ রানে শেষ হয় তাদের ইনিংস। ৭০ রানেই পড়ে গিয়েছিল ৮ উইকেট। সেখান থেকে ইয়াসিরু রডরিগো (অপরাজিত ৩১) ও মহীশ পাথিরানা (৩১) শ্রীলঙ্কাকে ১১৭ রানে পৌঁছে দেন। দশম উইকেটের জুটিতে ওঠে আরও মূল্যবান ৩০ রান। পাকিস্তানের হয়ে জিশান জমির ৩২ রানের বিনিময়ে ৪ উইকেট নেন। জবাবে খেলতে নেমে ৪৯.৩ ওভারে ১২৫ রানেই শেষ পাকিস্তান। আহমেদ খান করেন সর্বাধিক ৩৬। শ্রীলঙ্কার হয়ে ১৪ রানে ৪ উইকেট নেন ত্রিভীন ম্যাথু।

ডিসেম্বর ৩০, ২০২১
খেলার দুনিয়া

U19 Asia Cup : ‌কীভাবে অনূর্ধ্ব ১৯ এশিয়া কাপের সেমিফাইনালে গেল ভারত?‌

অনূর্ধ্ব ১৯ এশিয়া কাপে গ্রুপ লিগের প্রথম ম্যাচে পাকিস্তানের কাছে হেরে অনেকটাই কোণঠাসা হয়ে পড়েছিল ভারত। পাকিস্তানের কাছে সংযুক্ত আরব আমিরশাহির হার পরিস্থিতি আরও জটিল করে তুলেছিল। সেমিফাইনালে যেতে গেলে আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে জেতা ছাড়া রাস্তা ছিল না ভারতের সামনে। মরণবাঁচন ম্যাচে জ্বলে উঠলেন যশ ঢুলরা। আফগানিস্তানকে ৪ উইকেটে হারিয়ে সেমিফাইনালে পৌঁছে গেল ভারত। এদিন টস জিতে আফগানিস্তানকে ব্যাট করতে পাঠান ভারতীয় দলের অধিনায়ক যশ ঢুল। শুরুটা তেমন ভাল করতে পারেনি আফগানিস্তান। ৩৮ রানে প্রথম উইকেট হারায়। সুলিমান আরবজইকে (১৮) তুলে নিয়ে ধাক্কা দেন রাজ বাওয়া। মহম্মদ ইশাক (১৯), আল্লাহ নুর (২৬) রান না পেলেও আফগানিস্তানকে বড় রানে পৌঁছে দেন অধিনায়ক সুলিমান সফি (৭৩) ও ইজাজ আহমেদ আহমেদজাই (অপরাজিত ৮৬)। ভারতের হয়ে রাজবর্ধন হাঙ্গারগেকর, নিশান্ত সিন্ধু, রাজ বাওয়া, ভিকি অস্তবল, কুশল তাম্বে ১টি করে উইকেট পান।ব্যাট করেত নেমে দারুণ শুরু করেন ভারতীয় দলের দুই ওপেনার অঙ্কৃশ রঘুবংশী ও হারনুর সিং। ওপেনিং জুটিতে ১৮ ওভারে ওঠে ১০৪ রান। অঙ্কৃশ রঘুবংশী ৩৫ রান করে আউট হন। ১০৪ রানে প্রথম উইকেট হারায় ভারত। এরপর ১১৬ রান ওঠার ফাঁকে আরও দুটি উইকেট পড়ে ভারতের। হারনুর সিং ৭৪ বলে ৬৫ রান করে আউট হন। শাইক রশিদ করেন ৬। ১১৬ রানের মাথাতেই দুই উইকেট হারানোর পর ভারতের চতুর্থ উইকেটটি পড়ে ১৬২ রানে। পঞ্চম ও ষষ্ঠ উইকেট পড়ে যথাক্রমে ১৮৩ ও ১৯৭ রানের মাথায়। ৩৭.৪ ওভারে ষষ্ঠ উইকেট পড়ার পর আর কোনও উইকেট হারায়নি ভারত। অধিনায়ক যশ ঢুল ২৬, নিশান্ত সিধু ১৯ ও আরাধ্য যাদব ১২ রান করেন।এরপর ভারতকে জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে দেন রাজ বাওয়া ও কৌশল তাম্বে। ৫৫ বলে ৪৩ রান করে অপরাজিত থাকেন রাজ বাওয়া, ২৯ বলে ৩৫ রান করে অপরাজিত থাকেন কৌশল তাম্বে। শেষ পর্যন্ত ৪৮.২ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে ২৬২ রান তুলে ম্যাচ জিতে যায় ভারত। গ্রুপ লিগে তিনটি ম্যাচ জিতেই ৬ পয়েন্ট পেয়ে শীর্ষে থেকে সেমিফাইনালে পাকিস্তান। ৪ পয়েন্ট পেয়ে দ্বিতীয় স্থানে থেকে সেমিফাইনালে ভারত। বি গ্রুপ থেকে সেমিফাইনালে বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কা।

ডিসেম্বর ২৭, ২০২১
খেলার দুনিয়া

India vs Pakistan U19: আবার পাকিস্তানের কাছে হার!‌ ক্রিকেটে কেন ভারতের এই হাল?‌

টি২০ বিশ্বকাপে পাকিস্তানের কাছে হারের ক্ষত এখনও শুকোয়নি। তার মাঝেই আবার আঘাত! স্থান সেই সংযুক্ত আরব আমিরশাহি। তবে এবার সিনিয়রদের ক্রিকেটে নয়। জুনিয়রদের ক্রিকেটে। অনূর্ধ্ব ১৯ এশিয়া কাপে পাকিস্তানের কাছে হারতে হল ভারতকে। টানটান উত্তেজনার ম্যাচে শেষ বলে বাউন্ডারি হাঁকিয়ে পাকিস্তানকে ২ উইকেটে জয় এনে দিলেন আহমেদ খান। টি২০ বিশ্বকাপে বিরাট কোহলি ও বাবর আজমদের লড়াই একপেশে হয়েছিল। কোহলিদের বিন্দুমাত্র সুযোগ দেননি বাবররা। অনূর্ধ্ব ১৯ এশিয়া কাপে অবশ্য জয় পেতে যথেষ্ট বেগ পেতে হল পাকিস্তানকে। পাকিস্তানকে বিনা লড়াইয়ে এক ইঞ্চিও জায়গা ছাড়েননি যশ ঢুলরা। জয় হাসিল করতে রীতিমতো ঘাম ঝড়াতে হয়েছে পাকিস্তানকে। দুবাইয়ের আইসিসি ক্রিকেট গ্রাউন্ডে টসে জিতে এদিন ভারতকে প্রথমে ব্যাট করতে পাঠায় পাকিস্তান। প্রথম ওভারেই ধাক্কা খায় ভারত। জিশান জামিরের চতুর্থ বলেই ফিরে যান ওপেনার অঙ্ক্রিশ রঘুবংশী (০)। তৃতীয় ওভারে পরপর দুবলে সায়িক রশিদ (৬) ও অধিনায়ক যশ ঢুলকে (০) তুলে নিয়ে ভারতের ব্যাটিংয়ের মেরুদণ্ড ভেঙে দেন জিশান জামির। একেবারে টি২০ বিশ্বকাপে কোহলিদের অ্যাকশন রিপ্লে। একসময় ১৩৪ রানে ৬ উইকেট পড়ে যায় ভারতের। আরাধ্য যাদব (৫০), কৌশল তাম্বে (৩২), রাজবর্ধন হাঙ্গারগেকরের (৩৩) মতো টেলএন্ডারদের দাপটে ৪৯ ওভারে ২৩৭ রানে পৌঁছয় ভারত। ওপেনার হারনুর সিং করেন ৪৬। জিশান জামির ৬০ রানে ৫ উইকেট নেন। ব্যাট করতে নেমে পাকিস্তানের শুরুটাও ভাল হয়নি। দ্বিতীয় বলেই তারা ওপেনার আব্দুল ওয়াহিদকে (০) হারায়। এরপর দলকে টেনে নিয়ে যান মাজ সাদাকাত (২৯) ও মুহাম্মদ শেহজাদ। এক ওভারের ব্যবধানে সাদাকাত ও হাসিবুল্লাকে (৩) হারায়। দলকে জয়ের কাছাকাছি পৌঁছে দেন মুহাম্মদ শেহজাদ (৮১), কাসিম আক্রাম (২২), ইরফান খান (৩২), রিজওয়ান মেহমুদরা (২৯)। ১২ বলে জয়ের জন্য পাকিস্তানের এক সময় দরকার ছিল ১৮ রান। ৪৯ তম ওভারে রাজবর্ধনের বলে আহমেদ খান ১টা ছয় ও ১টা চারের সাহায্যে তোলেন ১০। শেষ ওভারে পাকিস্তানের দরকার ছিল ৮ রান। ৫০ তম ওভারের প্রথম বলেই রবি কুমার তুলে নেন জিশান জামিরকে। শেষ বলে জয়ের জন্য দরকার ছিল ১ রান। ৪ মেরে দলকে জেতান আহমেদ খান। ১৯ বলে ২৯ রান করে তিনি অপরাজিত থাকেন। ভারতের হয়ে রাজ বাওয়া ৫৬ রানে ৪ উইকেট নেন।

ডিসেম্বর ২৫, ২০২১

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

“হে বীর, ফলতায় এসো!” — অভিষেককে খোলা চ্যালেঞ্জ শমীকের, সংখ্যালঘুদের বার্তায় নতুন রাজনৈতিক সমীকরণের ইঙ্গিত

ফলতা বিধানসভা উপনির্বাচন যত এগিয়ে আসছে, ততই তেতে উঠছে দক্ষিণ ২৪ পরগনার রাজনৈতিক পারদ। আগামী ২১ মে ভোটকে সামনে রেখে রবিবার ফলতার মাটিতে দাঁড়িয়ে বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য এমন এক রাজনৈতিক বার্তা দিলেন, যা সরাসরি নিশানায় রাখল তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়-কে।মাত্র ২৪ ঘণ্টা আগেই ফলতায় বিজেপি প্রার্থী দেবাংশু পণ্ডার সমর্থনে প্রচারে এসে মুখ্যমন্ত্রী Suvendu Adhikari তৃণমূল প্রার্থী জাহাঙ্গির খানকে তীব্র আক্রমণ করেছিলেন। সেই উত্তাপ আরও বাড়িয়ে রবিবার শমীক ভট্টাচার্য কার্যত প্রকাশ্য মঞ্চ থেকেই অভিষেককে ফলতায় এসে প্রচারের আমন্ত্রণ জানালেন।কটাক্ষের সুরে শমীক বলেন,পুলিশ নেই, তাই নেতা নেই। কনভয় নেই, তাই হুঙ্কারও নেই। আমরা চাই, অভিষেকবাবু ফলতায় আসুন। আমাদের কর্মীরাই ফুল দিয়ে, শঙ্খ বাজিয়ে তাঁকে স্বাগত জানাবে।এরপরই নাটকীয় ভঙ্গিতে তিনি বলেন,হে বীর, তোমার আসন পূর্ণ করো। তোমাকে আমরা ভীষণ মিস করছি। তুমি এসো।রাজনৈতিক মহলের মতে, এই মন্তব্যে যেমন ব্যঙ্গ রয়েছে, তেমনই রয়েছে সরাসরি চ্যালেঞ্জও। কারণ, গত লোকসভা নির্বাচনে ফলতা কেন্দ্র থেকেই এক লক্ষেরও বেশি ভোটের লিড পেয়েছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই ফলের নেপথ্যের অন্যতম সংগঠক হিসেবেই পরিচিত তৃণমূল প্রার্থী জাহাঙ্গির খান। অথচ এবারের প্রচারে অভিষেকের অনুপস্থিতি নিয়েই প্রশ্ন তুলছে বিজেপি।শমীকের দাবি, রাজ্যে ক্ষমতা হারানোর ধাক্কায় তৃণমূলের অন্দরেই নাকি এখন ভাঙনের সুর। তাঁর ভাষায়,সোনার টুকরো ভাইদের সোনার সংসার ভেঙে গুঁড়িয়ে গিয়েছে। তাই আজ কেউ আর মাঠে নামছে না।তবে রাজনৈতিক আক্রমণের পাশাপাশি ফলতার মাটি থেকেই সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের উদ্দেশে তুলনামূলক নরম বার্তা দেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি। তিনি বলেন,আপনাদের সঙ্গে আমাদের কোনও বিরোধ নেই। এই দেশকে নিজের দেশ বলে ভাবুন। বিজেপি আপনাদের পাশে আছে।একই সঙ্গে তিনি সতর্কবার্তাও দেন, কিছু মানুষ বিভাজনের রাজনীতি করে নিজেদের পরিচয় তৈরি করতে চাইছে। তাদের পরিচয়ে নিজেদের পরিচিত করবেন না।রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, সংখ্যালঘু ভোটব্যাঙ্কে বিজেপির এই বার্তা নিছক আবেগের আবেদন নয়, বরং ভবিষ্যতের বৃহত্তর নির্বাচনী কৌশলের অংশ।দক্ষিণ ২৪ পরগনায় অতীতে বিজেপি কর্মীদের উপর অত্যাচারের অভিযোগও ফের তুলেছেন শমীক। তাঁর বক্তব্য,অনেক বাধা এসেছে, তবু বিজেপি কর্মীরা লড়াই চালিয়ে গিয়েছেন। আজ যারা বড় বড় কথা বলত, তারা ঘরের ভিতরে বসে শ্যাডো প্র্যাকটিস করছে।নাম না করেই অভিষেককে কটাক্ষ করে তাঁর মন্তব্য,যাঁরা একসময় ডিজে বাজানোর কথা বলতেন, তাঁরা এখন ঘরের ভিতরে হারমোনিয়াম বাজাচ্ছেন।ফলতার তৃণমূল নেতৃত্বকে প্রকাশ্যে সভা-মিছিল করারও আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। বলেন, বিজেপির পক্ষ থেকে কোনও বাধা আসবে না। তবে একই সঙ্গে স্পষ্ট ঘোষণা করেনতৃণমূলের রাজ্যে ফেরার সম্ভাবনা নেই। গঙ্গার জল রাইটার্সের দোতলায় উঠতে পারে, আকাশ নবান্নে নেমে আসতে পারে, কিন্তু তৃণমূল আর ক্ষমতায় ফিরবে না।দক্ষিণ ২৪ পরগনাকে পরিযায়ী শ্রমিকের জেলা থেকে মুক্ত করার প্রতিশ্রুতিও দিয়েছেন শমীক। বিজেপি সরকার অদূর ভবিষ্যতে কর্মসংস্থানের নতুন দরজা খুলবে বলেও দাবি করেন তিনি।ফলতার রাজনৈতিক লড়াই এখন কার্যত মর্যাদার লড়াইয়ে পরিণত হয়েছে। একদিকে তৃণমূলের পুরনো সংগঠনশক্তি, অন্যদিকে বিজেপির আগ্রাসী প্রচারএই টানাপোড়েনের মাঝে শমীকের হে বীর, এসো ডাক রাজনৈতিক তরজাকে আরও কয়েকগুণ উসকে দিল বলেই মত রাজনৈতিক মহলের।

মে ১৭, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

২২ বছরের অপেক্ষা শেষ হবে? ডার্বির আগে ট্রফি জয়ের হুঙ্কার ইস্টবেঙ্গল কোচের

দেশের সর্বোচ্চ লিগ জয়ের জন্য ইস্টবেঙ্গল সমর্থকদের অপেক্ষা দীর্ঘ ২২ বছরের। শেষবার ২০০৩-০৪ মরশুমে দেশের সেরা হয়েছিল লাল-হলুদ। তারপর আইলিগ থেকে দেশের প্রধান লিগ হয়ে যায় আইএসএল। কিন্তু এত বছরেও লিগ ট্রফি ঢোকেনি ইস্টবেঙ্গল তাবুতে। কয়েকবার সুযোগ এসেও হাতছাড়া হয়েছে সাফল্য। সেই দীর্ঘ হতাশা ও যন্ত্রণা খুব ভালভাবেই অনুভব করছেন ইস্টবেঙ্গলের কোচ অস্কার ব্রুজো।ডার্বির আগে সাংবাদিক বৈঠকে আবেগঘন বার্তা দিলেন লাল-হলুদ কোচ। তিনি বলেন, একজন সমর্থকের কষ্ট তিনি বোঝেন। ক্লাবে তাঁর ভবিষ্যৎ কী হবে বা তিনি থাকবেন কি না, এই সব নিয়ে এখন ভাবছেন না। তাঁর একমাত্র লক্ষ্য ইস্টবেঙ্গলকে আবার ট্রফি জেতানো।অস্কার ব্রুজো বলেন, দেড় বছর আগে যে জায়গায় ছিল ইস্টবেঙ্গল, এখন সেই পরিস্থিতি অনেক বদলেছে। গত কয়েক বছরে দল কঠিন সময়ের মধ্যে দিয়ে গিয়েছে। তার প্রভাব পড়েছিল ফুটবলারদের মানসিকতার উপরেও। তবে এখন ধীরে ধীরে দল ঘুরে দাঁড়িয়েছে এবং জয়ের মানসিকতা তৈরি হয়েছে।এর পাশাপাশি ইস্টবেঙ্গলের প্রতি নিজের আবেগও লুকোননি ব্রুজো। তিনি স্পষ্ট বলেন, তিনি নিজেকে ইস্টবেঙ্গলের বড় সমর্থক বলেই মনে করেন। তাঁর কথায়, আমার ভেতরে লাল-হলুদ রংই রয়েছে। সমর্থকদের দুঃখ, হতাশা, যন্ত্রণা সবটাই বুঝি। গত কয়েক বছরে কী হয়েছে, তা আমি জানি। প্রায় দুদশক আমরা লিগ পাইনি। কিন্তু এখন আমরা খেতাব জয়ের খুব কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েছি।ডার্বির গুরুত্ব নিয়েও মুখ খুলেছেন ইস্টবেঙ্গল কোচ। তিনি বলেন, এই ম্যাচ দল এবং সমর্থকদের কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ভবিষ্যতেও এভাবেই সাফল্যের পথে এগিয়ে যেতে চায় ইস্টবেঙ্গল।বর্তমানে আইএসএল লিগ তালিকার শীর্ষে রয়েছে বেঙ্গালুরু। তেরো ম্যাচে তাদের পয়েন্ট তেইশ। যদিও ইস্টবেঙ্গল এবং মোহনবাগানের থেকে দুটি বেশি ম্যাচ খেলেছে তারা। এগারো ম্যাচে ইস্টবেঙ্গল ও মোহনবাগানের পয়েন্ট বাইশ। গোল পার্থক্যে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে লাল-হলুদ, তৃতীয় স্থানে সবুজ-মেরুন। ফলে এই ডার্বি ম্যাচ লিগ জয়ের লড়াইয়ে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। যে দল জিতবে, তারাই ট্রফির দিকে অনেকটা এগিয়ে যাবে।

মে ১৭, ২০২৬
বিদেশ

ইরানে ফের হামলার প্রস্তুতি? ট্রাম্পের মন্তব্য ঘিরে বাড়ছে যুদ্ধের আশঙ্কা

ইরানকে নিয়ে আপাতত কিছুটা নরম অবস্থান নিয়েছে আমেরিকা। তবে সেই বিরতি যে সাময়িক, এমনই ইঙ্গিত মিলছে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বক্তব্যে। চিন সফর সেরে ওয়াশিংটনে ফেরার পথে এয়ার ফোর্স ওয়ান-এ সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে ট্রাম্প জানান, এই মুহূর্তে আমেরিকা ইরানের উপর হামলা চালাতে চায় না। তবে প্রয়োজন হলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি বদলাতে পারে বলেও ইঙ্গিত দিয়েছেন তিনি।ট্রাম্পের দাবি, হোয়াইট হাউস যুদ্ধবিরতিতে রাজি হয়েছে মূলত পাকিস্তানের অনুরোধে। তিনি বলেন, পাকিস্তানের ফিল্ড মার্শাল এবং প্রধানমন্ত্রীর অনুরোধের কথা ভেবেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। যদিও ব্যক্তিগতভাবে তিনি এই যুদ্ধবিরতির পক্ষে ছিলেন না বলেও জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।এদিকে আমেরিকার প্রতিরক্ষা দফতর পেন্টাগন ঘিরে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে। সূত্রের খবর, অপারেশন এপিক ফিউরি ২ নামে একটি বড় সামরিক অভিযানের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। মার্কিন প্রতিরক্ষা সচিব পিট হেগসেথ সম্প্রতি কংগ্রেসের এক শুনানিতে জানিয়েছেন, পরিস্থিতি খারাপ হলে আরও বড় পদক্ষেপ নেওয়ার মতো সব পরিকল্পনাই তৈরি রয়েছে।তবে আপাতত কিছুটা সময় নিতে চাইছে ওয়াশিংটন। পুরোপুরি প্রস্তুতি নিয়েই পরবর্তী পদক্ষেপ করতে চায় তারা। যদিও আরব দুনিয়ার দুই শীর্ষ আধিকারিকের দাবি, আগামী সপ্তাহের শুরুতেই ইরানের উপর নতুন করে হামলা চালাতে পারে আমেরিকা। সেই সম্ভাবনার কথা মাথায় রেখেই মার্কিন ও ইজরায়েলি বাহিনী যৌথভাবে প্রস্তুতি শুরু করেছে বলেও খবর।ইরান ও আমেরিকার মধ্যে সরাসরি শান্তি আলোচনা না হলেও পাকিস্তান মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করছে বলে জানা গিয়েছে। তবে আন্তর্জাতিক মহলের একাংশের দাবি, ট্রাম্প প্রকাশ্যে শান্তির কথা বললেও ভিতরে ভিতরে নতুন সামরিক অভিযানের ছক কষছে ওয়াশিংটন।সম্প্রতি তিন দিনের চিন সফরে গিয়েছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সফরে চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে একাধিক বৈঠক করেন তিনি। বৈঠকের পর ট্রাম্প জিনপিংকে অসাধারণ নেতা বলেও প্রশংসা করেন। পাশাপাশি তিনি দাবি করেন, ইরানের হাতে পারমাণবিক অস্ত্র থাকা যে বিপজ্জনক, সেই বিষয়ে আমেরিকা ও চিন একই মত পোষণ করছে।

মে ১৭, ২০২৬
বিদেশ

হাজার বছরের হারানো ঐতিহাসিক সম্পদ ফিরল ভারতে! নেদারল্যান্ড সফরে বড় সাফল্য মোদীর

নেদারল্যান্ড সফরে বড় সাফল্য পেল ভারত। দীর্ঘদিন ধরে ডাচদের কাছে থাকা চোল যুগের প্রায় এক হাজার বছরের পুরনো তাম্রলিপি এবার ফিরছে ভারতের ঘরে। নেদারল্যান্ড সফরে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর হাতেই সেই ঐতিহাসিক নিদর্শন তুলে দেওয়া হয়েছে। এই ঘটনাকে বড় কূটনৈতিক সাফল্য হিসেবেই দেখছে রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক মহল।চোল যুগের এই তাম্রলিপিগুলি বহু বছর ধরে নেদারল্যান্ডসের লাইডেন বিশ্ববিদ্যালয়ে সংরক্ষিত ছিল। ইউরোপে এগুলি লাইডেন প্লেটস নামেও পরিচিত। ভারতের তরফে ২০১২ সাল থেকেই এই ঐতিহাসিক সম্পদ ফেরত চাওয়া হচ্ছিল। অবশেষে সেই দাবি মেনে নেদারল্যান্ডস সরকার তাম্রলিপিগুলি ভারতের হাতে তুলে দিল।তাম্রলিপি ফিরে পাওয়ার পর প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী সমাজমাধ্যমে আনন্দ প্রকাশ করেন। তিনি ওই ঐতিহাসিক নিদর্শনের ছবিও শেয়ার করেন। প্রধানমন্ত্রী জানান, এই তাম্রলিপি ফিরিয়ে আনা প্রত্যেক ভারতীয়ের জন্য গর্বের মুহূর্ত। অনুষ্ঠানে নেদারল্যান্ডসের প্রধানমন্ত্রী রব জেটেনও উপস্থিত ছিলেন।জানা গিয়েছে, চোল যুগের এই তাম্রলিপিতে রয়েছে একুশটি বড় এবং তিনটি ছোট ফলক। বেশিরভাগ লেখাই তামিল ভাষায় খোদাই করা। সেখানে চোল সাম্রাজ্যের ইতিহাস, সংস্কৃতি এবং গৌরবের নানা তথ্য উল্লেখ রয়েছে। ইতিহাসবিদদের মতে, এগুলি চোল সাম্রাজ্যের সবচেয়ে মূল্যবান ঐতিহাসিক নথিগুলির মধ্যে অন্যতম।প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী নেদারল্যান্ডস সরকার এবং লাইডেন বিশ্ববিদ্যালয়কে ধন্যবাদ জানিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, উনিশ শতকের মাঝামাঝি সময় থেকে এই তাম্রলিপিগুলি যত্ন করে সংরক্ষণ করা হয়েছে।উল্লেখযোগ্যভাবে, নেদারল্যান্ডসে পৌঁছেই প্রধানমন্ত্রী প্রবাসী ভারতীয়দের সঙ্গে দেখা করেন। একটি অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি বিশ্ব অর্থনীতি নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তাঁর মতে, বর্তমান সময় বিশ্ব অর্থনীতির জন্য অত্যন্ত কঠিন এবং চ্যালেঞ্জপূর্ণ। সফরের সময় নেদারল্যান্ডসের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে একাধিক বিষয়ে বৈঠকও করেন মোদী। দুই দেশের মধ্যে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ চুক্তিও স্বাক্ষরিত হয়েছে।

মে ১৭, ২০২৬
রাজ্য

বাংলায় ঢুকছে বর্ষার বড় ইঙ্গিত! উত্তরবঙ্গে লাল সতর্কতা, ভিজবে একাধিক জেলা

আন্দামানে বর্ষা প্রবেশ করার পর থেকেই বাংলার আবহাওয়ায় বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত মিলছে। আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, নির্ধারিত সময়ের আগেই আগামী ২৬ মে কেরলে প্রবেশ করতে পারে বর্ষা। এরই মধ্যে মধ্যপ্রদেশ থেকে উত্তর বাংলাদেশ পর্যন্ত একটি নিম্নচাপ অক্ষরেখা তৈরি হয়েছে। সেই অক্ষরেখা উত্তরবঙ্গের উপর দিয়েই বিস্তৃত রয়েছে। এর জেরেই উত্তরবঙ্গের একাধিক জেলায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে হাওয়া অফিস।রবিবার থেকেই উত্তরবঙ্গে বৃষ্টির দাপট আরও বাড়তে পারে বলে জানানো হয়েছে। আলিপুরদুয়ার জেলায় জারি করা হয়েছে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির লাল সতর্কতা। পাশাপাশি দার্জিলিং, কালিম্পং, জলপাইগুড়ি এবং কোচবিহারেও বিক্ষিপ্তভাবে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। উত্তরবঙ্গের আটটি জেলাতেই বজ্রবিদ্যুৎসহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। সেই সঙ্গে ঘণ্টায় চল্লিশ থেকে পঞ্চাশ কিলোমিটার বেগে দমকা হাওয়াও বইতে পারে। সোমবারও জলপাইগুড়ি ও কোচবিহারে ভারী বৃষ্টি হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর। তবে মঙ্গলবার থেকে পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হতে পারে।অন্যদিকে দক্ষিণবঙ্গে এখনই ভারী বৃষ্টির কোনও সম্ভাবনা নেই। রবিবার থেকে আগামী বৃহস্পতিবার পর্যন্ত দক্ষিণবঙ্গের বেশিরভাগ জেলাতেই তাপমাত্রা বাড়বে বলে পূর্বাভাস। তবে বীরভূম, মুর্শিদাবাদ, বর্ধমান, পুরুলিয়া ও ঝাড়গ্রামের মতো পশ্চিমের জেলাগুলিতে স্থানীয়ভাবে বজ্রগর্ভ মেঘ তৈরি হতে পারে। তার প্রভাবে কোথাও কোথাও হালকা বৃষ্টি এবং ঝোড়ো হাওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে। ঘণ্টায় তিরিশ থেকে পঞ্চাশ কিলোমিটার বেগে হাওয়া বইতে পারে।কলকাতাতেও গরম ও অস্বস্তি বজায় থাকবে। এদিন শহরের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা পঁয়ত্রিশ ডিগ্রির আশপাশে থাকতে পারে। সর্বনিম্ন তাপমাত্রা থাকতে পারে সাতাশ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কাছাকাছি। আকাশ আংশিক মেঘলা থাকতে পারে। কোথাও কোথাও সামান্য হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকলেও গরম থেকে এখনই স্বস্তির আশা নেই।

মে ১৭, ২০২৬
রাজ্য

মাঝরাতে সরকারি হাসপাতালে হানা স্বাস্থ্যসচিবের! দেখে হতবাক চিকিৎসকরা

মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর বৈঠকের মাত্র বাহাত্তর ঘণ্টার মধ্যেই অ্যাকশন মোডে নামল স্বাস্থ্যদপ্তর। শনিবার গভীর রাতে শহরের পাঁচটি সরকারি মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে হঠাৎ করেই পরিদর্শনে যান স্বাস্থ্যসচিব নারায়ণস্বরূপ নিগম। এই আকস্মিক সফর ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়ায় হাসপাতালগুলিতে। স্বাস্থ্যদপ্তরের বার্তা স্পষ্ট, শুধু নির্দেশ নয়, এবার বাস্তবে কাজ দেখতে চায় নতুন সরকার।শনিবার রাত প্রায় বারোটার সময় নীল রঙের টি-শার্ট পরে আর জি কর মেডিক্যাল কলেজে পৌঁছন স্বাস্থ্যসচিব। সেখানে উপস্থিত ছিলেন হাসপাতালের অধ্যক্ষ মানসকুমার বন্দ্যোপাধ্যায়, সুপার সপ্তর্ষি চট্টোপাধ্যায় এবং সহকারী সুপার দৈপায়ন বিশ্বাস। ট্রমা কেয়ার থেকে শুরু করে জেনারেল মেডিসিন ও সার্জারি বিভাগের একাধিক ওয়ার্ড ঘুরে দেখেন তিনি। রোগীদের সঙ্গে সরাসরি কথা বলেন এবং তাঁদের কোনও সমস্যা হচ্ছে কি না, তা জানতে চান।পরিদর্শনের সময় হাসপাতালের পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা নিয়ে কড়া নির্দেশ দেন স্বাস্থ্যসচিব। তিনি বলেন, কোথাও যেন ময়লা না থাকে। প্রতিটি ওয়ার্ডের বাথরুম নিয়মিত পরিষ্কার করতে হবে। প্রয়োজন হলে অতিরিক্ত কর্মী নিয়োগ করারও নির্দেশ দেন তিনি।এরপর রাতেই নীলরতন সরকার মেডিক্যাল কলেজ, ন্যাশনাল মেডিক্যাল কলেজ এবং এসএসকেএম হাসপাতালেও যান স্বাস্থ্যসচিব। কলকাতা মেডিক্যাল কলেজে গিয়ে অধ্যক্ষ ইন্দ্রনীল বিশ্বাসের সঙ্গে বৈঠক করেন। সেখানে যেসব রোগী বেড না পেয়ে বাইরে অপেক্ষা করছিলেন, তাঁদের সঙ্গে কথা বলেন এবং দ্রুত বেডের ব্যবস্থা করার নির্দেশ দেন।স্বাস্থ্যসচিব আরও নির্দেশ দিয়েছেন, আগামী চব্বিশ ঘণ্টার মধ্যে হাসপাতালগুলিতে লাইভ বেড স্ক্রিনিং ব্যবস্থা চালু করতে হবে। সেই স্ক্রিনে কোন হাসপাতালে কত বেড খালি রয়েছে, তা দেখা যাবে। এমনকী কেন্দ্রীয় সরকারি হাসপাতালের খালি বেডের তথ্যও সেখানে দেখানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।হাসপাতালগুলিতে পানীয় জলের ব্যবস্থাও খতিয়ে দেখেন স্বাস্থ্যসচিব। তিনি জানতে চান, রোগী ও তাঁদের পরিবারের জন্য দেওয়া জল আদৌ পানযোগ্য কি না। প্রতি মাসে সেই জলের মান পরীক্ষা করার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। পাশাপাশি কলকাতা পুরসভাকে প্রতি সপ্তাহে পানীয় জলের গুণমান পরীক্ষা করতে বলা হয়েছে।উল্লেখ্য, শুক্রবার এসএসকেএমের একাডেমিক ভবনে স্বাস্থ্যব্যবস্থা নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সেখানে দালালরাজ বন্ধ করা, রোগীদের রেফার কমানো এবং কাউকে যেন চিকিৎসা না পেয়ে ফিরে যেতে না হয়, সেই বিষয়ে একাধিক কড়া নির্দেশ দিয়েছিলেন তিনি। তার পরেই স্বাস্থ্যসচিবের এই রাতের পরিদর্শন বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে প্রশাসনিক মহল।

মে ১৭, ২০২৬
রাজ্য

মাঠে পড়ে ছিল স্তূপের পর স্তূপ ভোটার কার্ড! বীরভূমে চাঞ্চল্য, আটক বিএলও

বীরভূমের নানুরে বিপুল পরিমাণ ভোটার কার্ড উদ্ধার ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। রবিবার সকালে কীর্নাহারের পশ্চিম পাড়া এলাকার একটি মাঠ থেকে প্রচুর ভোটার কার্ড উদ্ধার করে পুলিশ। স্থানীয়দের দাবি, মাঠে স্তূপ করে পড়ে ছিল সেইসব কার্ড। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক হইচই পড়ে যায়।স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, সকালে কাজে যাওয়ার সময় কয়েকজন বাসিন্দার নজরে আসে মাঠের মধ্যে ছড়িয়ে থাকা ভোটার কার্ডগুলি। সঙ্গে সঙ্গে খবর দেওয়া হয় কীর্নাহার থানায়। পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে সমস্ত কার্ড উদ্ধার করে তদন্ত শুরু করে।পুলিশ সূত্রে খবর, যে মাঠ থেকে ভোটার কার্ডগুলি উদ্ধার হয়েছে, তার পাশেই এক বিএলও-র বাড়ি রয়েছে। তদন্তে নেমে পুলিশ ওই বিএলও-কে আটক করে থানায় নিয়ে যায়। তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে বলে জানা গিয়েছে।তদন্তে উঠে এসেছে, পূর্ব বর্ধমানের কেতুগ্রাম ব্লকের চিনিশপুর গ্রামের এক প্রাক্তন বিএলও বর্তমানে কীর্নাহারের পশ্চিম পাড়ায় থাকেন। তিনি বিএলও হিসেবে কাজ করার সময় পুরনো ভোটার কার্ড সংগ্রহ করে নতুন কার্ড দিয়েছিলেন বাসিন্দাদের। নিয়ম অনুযায়ী পুরনো কার্ড নির্বাচন কমিশনের দফতরে জমা দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু অভিযোগ, সেই কার্ড জমা না করে নিজের কাছেই রেখে দিয়েছিলেন তিনি।পুলিশের অনুমান, পরে সেই পুরনো ভোটার কার্ডই মাঠের ধারে ফেলে দেওয়া হয়। কেন তিনি এই কাজ করলেন এবং কেন কার্ডগুলি জমা দেওয়া হয়নি, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পুরো ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।এসআইআর নিয়ে যখন বীরভূমে নাম বাদ পড়া নিয়ে বিতর্ক চলছে এবং বহু মানুষ ট্রাইবুনালের দ্বারস্থ হয়েছেন, ঠিক সেই সময় বিপুল ভোটার কার্ড উদ্ধারের ঘটনায় নতুন করে রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়েছে।

মে ১৭, ২০২৬
কলকাতা

অভিষেকের পর এবার রাজীব, কুণাল, শোভনদেব! একে একে নিরাপত্তা সরাল সরকার

রাজ্যে সরকার বদলের পর এবার একের পর এক তৃণমূল নেতার নিরাপত্তায় কাটছাঁট করা শুরু হল। প্রথমে তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ির সামনে থেকে পুলিশি নিরাপত্তা তুলে নেওয়া হয়েছিল। এবার সেই তালিকায় যোগ হল রাজীব কুমার, শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়, কুণাল ঘোষ-সহ আরও একাধিক নেতার নাম।প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে, তৃণমূলের অন্তত ১০ জন নেতা ও প্রাক্তন মন্ত্রীর বাড়ি থেকে হাউস গার্ড সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। লালবাজারের তরফে এই সিদ্ধান্ত কার্যকর করা হয়েছে। রাজ্য বিজেপি সরকার গঠনের পর থেকেই তৃণমূল নেতাদের অতিরিক্ত নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছিল।অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় আগে রাজ্য সরকারের তরফে বিশেষ নিরাপত্তা পেতেন। তাঁর বাড়ির সামনে সবসময় মোতায়েন থাকত পুলিশ। কিন্তু নতুন সরকারের দাবি, তিনি একজন সাংসদ হিসেবে যতটা নিরাপত্তা পাওয়ার কথা, এবার থেকে ঠিক ততটাই পাবেন। এর বেশি নয়। সেই বার্তাই আগেই দিয়েছিল লালবাজার।এবার রাজ্যসভার সাংসদ রাজীব কুমার, সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়, বর্তমান বিরোধী দলনেতা শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় এবং বিধায়ক কুণাল ঘোষের বাড়ি থেকেও হাউস গার্ড সরিয়ে নেওয়া হয়েছে বলে খবর। পাশাপাশি চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য, অরূপ বিশ্বাস এবং সুব্রত বক্সীর নামও রয়েছে এই তালিকায়।প্রশাসনের দাবি, তৃণমূল আমলে অনেক নেতা প্রয়োজনের তুলনায় বেশি নিরাপত্তা পেতেন। এখন পদ ও দায়িত্ব অনুযায়ী নিরাপত্তা দেওয়া হবে। রাজীব কুমার ও কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় সাংসদ হিসেবে নিরাপত্তা পাবেন। কুণাল ঘোষ বিধায়ক হিসেবে নিরাপত্তা পাবেন। অন্যদিকে অরূপ বিশ্বাস ও শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় বর্তমানে মন্ত্রী নন। অরূপ বিশ্বাস ভোটেও পরাজিত হয়েছেন। সেই কারণেই তাঁদের নিরাপত্তায় কাটছাঁট করা হয়েছে বলে প্রশাসন সূত্রে খবর।এছাড়াও ডিরেক্টর অব সিকিউরিটি পীযূষ পাণ্ডের নিরাপত্তাতেও কাটছাঁট করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। আগে তিনি ভারপ্রাপ্ত ডিজিপির দায়িত্বে ছিলেন।

মে ১৭, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal